• ৮ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ২৬ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tmc

রাজ্য

নাম না করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শুভেন্দুর

অতীতে সিপিএম সাংসদ অনিল বসু ব্যক্তিগত কটু কথার রাজনীতি করতেন বলে মানুষ সমর্থন করত না। সমালোচনা হতে পারে। আমরা কেউ তার উর্ব্ধে নই। কিন্তু যদি কোনও জনপ্রতিনিধি আমাকে বা আমার পরিবারকে ব্যক্তিগত কটূকথা বলে, আপনারা কি তাঁকেও সমর্থন করবেন? এনিয়ে জনতার মতামত নেন শুভেন্দু। জনতা তাঁকে সমর্থন করেন। শুক্রবার হুগলির বলাগড়ে জনসভা থেকে নাম না করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে আক্রমণ শানালেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আরও পড়ুন ঃ জগদ্ধাত্রী পুজোয় ভক্তদের জন্য বন্ধ বেলুড়ের সারদা পিঠ প্রসঙ্গত কয়েকদিন আগে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেন্দুর নাম না করে এক দলীয় সভায় বলেছিলেন, হিসাবটা আমরা বুঝে নেব। চলে যা বিজেপিতে। কোনও অসুবিধা নেই। যাবি কংগ্রেসে, চলে যা। তাতেও কোনও অসুবিধা নেই। সিপিএমে যাবি, চলে যা। তাতেও কোনও অসুবিধা নেই। দাদার অনুগামী হলে দাদার সঙ্গে চলে যা। তৃণমূল কংগ্রেস করে বেইমানি করলে বাড়ি ঢুকতে দেব না। দেখি কত বড়। দেখতে চাই কত হিম্মত রয়েছে। বাংলার মাটিতে দেখতে চাই, কোন দাদার কত অনুগামী? লড়াই করতে এসেছি। লড়ে যাব। লড়াইয়ের ময়দানে এক ইঞ্চিও ছাড়ব না। বেইমানদের আগামী দিনে বুঝিয়ে দেব।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নামের গাছের তলায় বড় হয়েছিস। ৪টে মন্ত্রিত্ব পেয়েছিস, ৪ খানা চেয়ারে আছিস। কত পেট্রোল পাম্প করেছিস! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকলে মিউনিসিপ্যালিটিতে আলু বিক্রি করতিস রে, আলু বিক্রি করতিস।

নভেম্বর ২০, ২০২০
রাজনীতি

খুনের রাজনীতি বন্ধে প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেওয়া হবেঃ বাবুল

ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কড়া আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। শুক্রবার বাবুল সুপ্রিয় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেছেন , হিংস্র সরকারকে থামানোর পথ কিন্তু সংবিধানে রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি ভাবেন, ভয় দেখিয়ে মানুষকে ভোট দিতে যেতে দেবেন না, বিরোধীদের ওপর আক্রমণ করবেন, তা হলে সংবিধানে এসব থামানোর ব্যবস্থা আছে। আগামী ছমাসে নিজেকে শুধরে নিন মমতা। এভাবে হিংসার রাজনীতি কিন্তু চলবে না। আমরা এই নিয়ে বারবার রাস্ট্রপতির কাছে আবেদন করেছি। হিংসার রাজনীতি, খুনের রাজনীতি কিন্তু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। প্রয়োজনমতা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাংলার মানুষ আমাদের পাশে রয়েছে। যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও ক্ষমতায় আসেন তবে ধরে নিতে হবে তা পুলিশ, প্রশাসনের উপর প্রভাব খাটিয়েই হয়েছে। আমরা আশাবাদী কমপক্ষে ২০০ আসন পেয়ে বাংলায় ক্ষমতায় আসব। বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় আসলে রাজ্যবাসী সবকিছুই পাবে। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি বিস্ফো্রণের ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করছেঃ ফিরহাদ যদিও সাংসদ সৌগত রায় পালটা প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেন, বাবুল গানবাজনা নিয়ে থাকতেন। তাই তিনি রাজনীতির কিছুই বোঝেন না। এসব কথা বলে তৃণমূলকে ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না।

নভেম্বর ২০, ২০২০
রাজনীতি

বিজেপি বিস্ফো্রণের ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করছেঃ ফিরহাদ

কালিয়াচক থানার সুজাপুরে প্লাস্টিকের কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনার পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মালদা এসেই মৃত ও আহতদের পরিবারের হাতে দুই লক্ষ টাকা এবং ৫০ হাজার টাকার চেক তুলে দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। পাশাপাশি মৃত ও আহতদের পরিবারের সঙ্গেও দেখা করেন তিনি। এদিন বিকেলে সুজাপুরে প্লাস্টিকের কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনার পর হেলিকপ্টারে মালদায় আসেন ফিরহাদ হাকিম। মালদার বিমানবন্দর থেকে সরাসরি কনভয় নিয়ে চলে যান সুজাপুরের স্কুলপাড়া এলাকায় । সেখানে মৃত এবং আহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। এর পাশাপাশি সুজাপুর থেকে ফিরে মালদা মেডিকেল কলেজে আহতদের সঙ্গে দেখা করেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। আরও পড়ুন ঃ বহিরাগতদের মানে না বাংলার মানুষঃ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বৃহস্পতিবার বিকালে সুজাপুরে বিস্ফোরণকাণ্ডে মৃত ও আহতদের পরিবারের সঙ্গে সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর সরাসরি বিজেপির বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন , বিজেপি সব কথাতেই এনআইএর তদন্তের দাবি তোলে। অথচ এই পরিস্থিতির পর ওদের দলের কোনও নেতৃত্বকেই দেখা যায়নি। মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনার পর সঙ্গে সঙ্গে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। কলকাতা থেকে হেলিকপ্টারে মালদা এসেই সেই আর্থিক ক্ষতিপূরণ ওই পরিবারগুলির হাতে তুলে দিয়েছি। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সমবেদনা জানানো উচিৎ। কিন্তু এখন বিজেপি রাজনীতি করছে। এদিকে সুজাপুরে প্লাস্টিকের কারখানায় বিস্ফোরণ কাণ্ডে বিজেপির উত্তর মালদা সাংসদ খগেন মুর্মু এনআইএর তদন্তের দাবি জানিয়ে বিস্তর অভিযোগ তুলেছেন। যদিও বিজেপি সাংসদের এই বক্তব্যকে তুলোধনা করে তৃণমূল সাংসদ তথা দলের জেলা সভাপতি মৌসুম নূর বলেন , এই মর্মান্তিক পরিস্থিতিতে বিজেপি এখন রাজনীতি করতে ময়দানে নেমে পড়েছে। পুলিশ প্রশাসন যেখানে বলছে প্লাস্টিকের কারখানায় কাটিং মেশিন বিস্ফোরণ হয়ে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। সেখানে বিজেপি সাংসদ এরকম কথা বলে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত এবং আহতদের সঙ্গে দেখা করতে আসেননি বিজেপির জেলা নেতৃত্ব। অথচ তারা ঘরে বসে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করছেন। তৃণমূল সাংসদ মৌসুম নূর আরও বলেন, এদিন বিস্ফোরণকাণ্ডে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম । আমিও তাঁর সঙ্গে ছিলাম । মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এই ঘটনায় আহতদের সঙ্গে সঙ্গেই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারা। ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে ছিলেন সাংসদ মৌসুম নূর সহ জেলা পুলিশ প্রশাসনের কর্তারা।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

এবার শুভেন্দুর ছবি দেওয়া হোর্ডিং হাওড়া শহরে

পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হোর্ডিং এবার হাওড়া শহরে। হাওড়ার কোনা এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন বেলেপোল এর হ্যাংস্যাং ক্রসিংয়ে লাগানো হয়েছে ওই বিশাল হোর্ডিং। নিচে লেখা আমরা দাদার অনুগামী। হোর্ডিংয়ের উপরে লেখা চিত্ত যেথা ভয় শূন্য উচ্চ যেথা শির। এছাড়াও শুভেন্দুকে একজন দক্ষ প্রশাসক, দক্ষ সংগঠক, উদার ও নির্ভীক জননেতা এবং বঙ্গের বন্ধু হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। হোর্ডিংয়ে রয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর ছবিও। আরও পড়ুন ঃ বাবা-মাকে খুনের ঘটনায় ধৃত ছেলের ২ দিনের পুলিশ হেফাজত এই হোর্ডিংয়ের কিছুটা দূরেই আমরা দাদার অনুগামীর তরফ থেকে লাগানো হয়েছে আরও একটি হোর্ডিং। তাতে লেখা যার কাছে সবকিছু বলা যায়। যাকে চোখ বন্ধ করে ভরসা করা যায়। যাকে আপন বলে ভাবা যায়। যার কাছে বিশ্বাসটুকু রাখা যায়। সেইতো জননেতা। তুমি আমাদের সেই নেতা। আমাদের এই সম্পর্ক যেন থাকে চির অটুট। স্বাভাবিকভাবেই হাওড়া শহরের প্রাণকেন্দ্রে এই দুই হোর্ডিং ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কে বা কারা এই হোর্ডিং দিয়েছে তা অবশ্য জানা যায়নি।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
কলকাতা

বহিরাগতদের মানে না বাংলার মানুষঃ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য

যে কোনও রাজ্য থেকেই বাংলায় মানুষ আসুন না কেন, যে রাজ্য থেকেই মানুষ এসে বাংলায় থাকুন না কেন, আমাদের রাজ্যের মানুষ তাদের স্বাগত জানান। বাংলা এমনই একটা রাজ্য। কিন্তু যদি কোনও বহিরাগত তাদের অদ্ভুত চিন্তা এবং স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেবেন বলে লাল চক্ষু দেখান, তাহলে সেই বহিরাগতদের বাংলার মানুষ মানেন না। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। যাদেরকেই বাংলায় পাঠানো হচ্ছে, তাদের কারোর বাংলার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য সম্পর্কে কোন রকম জ্ঞান নেই বলেই এদিন দাবি করলেন মন্ত্রী। বলেন, তারা বাংলার অলিগলি চেনেন না, বাংলার ২৩টি জেলা চেনেন না, বাংলার ৩৮,৬০০ গ্রাম চেনেন না, বাংলার ১০ কোটি মানুষের জন্য কখনও কিছু ভাবেননি। চন্দ্রিমার কথায়, বাংলা উন্নয়নের তীর্থস্থান। উন্নয়নের তীর্থস্থানের তীর্থযাত্রীর মতো যদি কেউ ভ্রমণ করতে আসেন তাহলে কোন আপত্তি নেই। কিন্তু দিবাস্বপ্ন দেখার যে লোভ তাদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে, সেই বিষয় নিয়ে আপত্তি রয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রবীন্দ্র-সুভাষ সরোবরে ছট পুজো নয়, নির্দেশ সুপ্রিম কো্র্টের চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এদিন কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পকে কটাক্ষ করে বলেন , ওই প্রকল্পে দেশের ৫০ কোটি মানুষ সুবিধা পাবে। ৮০ কোটি মানুষ পরিষেবার বাইরে থাকবেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প তার আনেক আগে চালু হয়েছে। এই প্রকল্পে রাজ্যের ১০ কোটি বাসিন্দার মধ্যে ৭.৫ কোটি ইতিমধ্যে পরিষেবা পাচ্ছেন। তাছাড়া আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের ৪০ শতাংশ টাকা রাজ্য সরকারকে দিতে হবে। এছাড়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দূরদর্শিতাতেই প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে মেডিক্যাল কলেজ পর্যন্ত বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা পাওয়া যায় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজনীতি

রামনগরের মেগা শোয় কী বললেন শুভেন্দু?

আমি একটি দলের প্রাথমিক, সক্রিয় সদস্য, মন্ত্রিসভার সদস্য। মুখ্যমন্ত্রী তাড়াননি, আমিও ছাড়িনি। নিয়ন্ত্রকরা তাড়াননি, আমিও ছাড়িনি। মতভেদ থেকে বিচ্ছেদ হয়, কিন্তু বিদ্যাসাগরের জেলার লোক এত অনৈতিক নই যে এই মঞ্চে দলবদলের কথা বলব। ইন্দিরা গান্ধীর জন্মদিনে তাঁর ছবিতে মাল্যদান করছিলাম দেখে এক সাংবাদিক বললেন, মিডিয়া নাকি এ থেকে দলবদলের কথা ভাবছে। টিআরপির জন্য যা খুশি করতে পারেন। বৃহস্পতিবার ১৯ নভেম্বর রামনগরে সমবায় সপ্তাহের মেগা শো-র মঞ্চ থেকে এ কথা বললেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, আমি বসন্তের কোকিল নই। সব সময় ভোট চাই ভোট দাও, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও বলি না। স্থান, কাল, পাত্র, ব্যানার জানে শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের মঞ্চে যেমন রাজনৈতিক কথা বলি না, তেমন মন্ত্রিসভার সদস্য থেকে রাজনৈতিক কথা এখানে বলা যায় না। হাইপ তুলে এসেছিল মিডিয়া, দায়িত্ব তাদের। এটা সমবায়ীদের মেগা শো। কোনও রাজ্য বা দেশ এতো বড়ো সমবায় সভা করতে পারবেন না। দশকের পর দশক এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত বলেই করতে পারি। অন্তত ৫ লক্ষ পরিবারের সঙ্গে সমবায়ের মাধ্যমেই আমার সম্পর্ক আছে। সবার সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক। হলদিয়ায় ছটপুজোর অনুষ্ঠানে যাব, ৫ হাজার হিন্দিভাষী ওখানে আছেন। নন্দকুমার থেকে পুরুলিয়া অবধি জগদ্ধাত্রী পুজোর উদ্বোধন করব। সমবায় সমাবেশ শেষে জয়তু সমবায় স্লোগান দেন শুভেন্দুবাবু।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

ভাটপাড়ায় খুন তৃণমূল কর্মী

গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে এক তৃণমূল কর্মীকে খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মৃতের নাম আকাশ প্রসাদ। তৃণমূল কংগ্রেসের টাউন প্রেসিডেন্ট সোমনাথ শ্যামের অনুগামী বলে এলাকায় পরিচিত আকাশ। উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দল থানার পাল ঘাট রোড এলাকার ঘটনা। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী অশোক সাউ ও তাঁর দলবল ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও আগ্নেয়াস্ত্রর বাঁট দিয়ে মেরে আকাশকে হত্যা করে ৷ তারপর বোমাবাজি করতে করতে এলাকা ছাড়ে তারা। আরও পড়ুন ঃ বৃদ্ধ দম্পতির দেহ উদ্ধার, গ্রেফতার ছেলে যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের টাউন প্রেসিডেন্ট সোমনাথ শ্যামের দাবি , এই ঘটনা ঘটিয়েছে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এতে তৃণমূলের কেউ জড়িত নয়। অন্যদিকে, সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, আকাশ প্রসাদ একজন দুষ্কৃতী ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে জানতাম। কিন্তু তৃণমূল কর্মী বলে জানতাম না। এই ঘটনায় বিজেপি-র কোনও যোগ নেই ৷ একথা আকাশের পরিবারই বলছে ৷ তৃণমূল তাদের গোষ্ঠীকোন্দল বিজেপি-র উপর চাপানোর চেষ্টা করছে।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
কলকাতা

বহিরাগতদের নিয়ে এসে রাজ্যে শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছেঃ সুখেন্দুশেখর রায়

লোকসভা নির্বাচনে ১৮ আসনে পেয়ে ভাবছেন বাজিমাত। ৷ ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে ১৮টি আসন পাওয়ায় বিধানসভা নির্বাচনেও আসন পাওয়ার দিবাস্বপ্ন দেখছে বিজেপি। লোকসভা-বিধানসভা নির্বাচনের তুলনা হাস্যকর। বাংলা কারও কাছে মাথানত করে না, করবে না। বাংলার মানুষ গুজরাত মডেল চান না। বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে এই ভাষাতেই বিজেপি-কে পালটা জবাব দেন তৃণমূল নেতা সুখেন্দুশেখর রায়। শুধু তাই নয়, তাঁর আরও অভিযোগ, বহিরাগতদের নিয়ে এসে রাজ্যে শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। আরও পড়ুন ঃ নেতাজির জন্মজয়ন্তীকে জাতীয় ছুটি ঘোষণার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি মমতার তৃণমূল নেতা বলেন, ২০০৯ সাল থেকে আজ অবধি জনগণের সমর্থন নিয়েই সরকার তৈরি করেছে তৃণমূল। সেই সময় সবচেয়ে পিছিয়ে ছিল বাংলা। মাথায় ছিল ঋণের বোঝা। জঙ্গলমহলে শান্তি ফিরিয়েছে তৃণমূল। বাংলাকে ভেঙে দাও, গুড়িয়ে দাও, জ্বালিয়ে দাও এটা আগে ছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এসে তা বন্ধ করেছে। কিন্তু আবার শুরু হয়েছে। কেবল রাজনৈতিক দলটা বদলে গিয়েছে। পাশাপাশি দিলীপ ঘোষের বাংলাকে গুজরাত বানাব মন্তব্যেরও তীব্র নিন্দা করেন সুখেন্দু শেখর। তাঁর দাবি, বাংলায় না কি গুজরাট মডেল চালু হবে। এদিকে ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পে গুজরাটের থেকে এগিয়ে বাংলাই। এমনকী ১০০ দিনের কাজেও এগিয়ে এই রাজ্য। কৃষিক্ষেত্রে তৃণমূল সরকার ৬৫ শতাংশ বাজেট বৃদ্ধি হয়েছে, গুজরাতে ৪ শতাংশ। মানবাধিকার লঙ্ঘনে গুজরাতে নজির সৃষ্টি হয়েছে। বাংলা কারও কাছে মাথা নথ করে না। বাংলাকে গুজরাত বানাতে দেবে না বাংলার মানুষ। রাজ্যের শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। বহিরাগতদের দিয়ে এই কাজ চলছে।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
রাজ্য

 আমি 'নমিনেটেড' নই , ইলেকটেডঃ শুভেন্দু

কেন্দ্রের কাছে পৃথক সমবায় দফতরের দাবি জানালেন পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন , আমি নমিনেটেড নই! সমবায় জীবনের শুরু থেকেই আমি ইলেকটেড। কালীপুজো ও ভাইফোঁটার কারণে ১৪ নভেম্বরের থেকে উদযাপনের দিন পিছিয়েছে। সমবায় আন্দোলনের ইতিহাস থেকে আজকের সমবায় ব্যবস্থার পোক্ত ভিতের উপর দাঁড়িয়ে থাকা প্রসঙ্গ টেনে জওহরলাল নেহেরু , সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের অবদানের কথা তুলে ধরেন শুভেন্দু । আরও পড়ুন ঃ বিজেপির বুথ কমিটির সম্পাদক খুন , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে তিনি আরও বলেন , সমবায় বিকল্প অর্থনীতি। সেই প্রসঙ্গে তিনি অবিভক্ত মেদিনীপুরের কথা তুলে ধরেন। তাঁর দাবি , সমবায় স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর রেজিস্ট্রি এক জায়গায় হলেও মা - বোনেরা সমান গুরুত্ব পান না। তিনি মা - বোনেদের আরও গুরুত্ব দেওয়ার কথা তুলে ধরেন ওই মঞ্চ থেকে। এদিন শুভেন্দুর পরণে ছিল নীল-সাদা উত্তরীয়। দলীয় সাংসদের সঙ্গে গোপন বৈঠকের পর তাঁর সঙ্গে দলের দূরত্ব কি মিটে যেতে চলেছে , এমনই জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
রাজ্য

বিজেপির বুথ কমিটির সম্পাদক খুন , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

বিজেপির বুথ কমিটির সম্পাদককে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মৃতের নাম কালাচাঁদ কর্মকার। তিনি বিজেপির বুথ সম্পাদক পদে ছিলেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। ঘটনার জেরে বুধবার সকাল থেকে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে তুফানগঞ্জের নাককাটি গাছ গ্রাম পঞ্চায়েতের চামটা গ্রামের কর্মকারপাড়ায়। খবর পেয়ে তুফানগঞ্জ থানার বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। মৃতের পরিবারের তরফ থেকে লক্ষ্মী বর্মন বলেন, বুধবার সকালে কালাচাঁদবাবুকে রাস্তায় ফেলে মারছিল কয়েকজন। সেই সময় বাড়ির লোকরা বাঁচাতে যায়। ওই সময়ই কালাছাঁদের পেটে লাথি মারা হয়েছে। তখই জ্ঞান হারান তিনি। এরপর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কালাচাঁদকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। পরিবারের তরফ থেকে স্থানীয় তৃণমূল নেতা রঞ্জিত বর্মন, কমল বর্মন, সঞ্জিত বর্মন, নারায়ণ বর্মন ও দিলীপ বর্মনকে এই মারধরের জন্য দায়ী করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার সকালে দুই ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে ফের বচসা বাধে। শুরু হয় হাতাহাতি। ঘরের সামনে অশান্তি দেখে তা মেটাতে বের হন কালাচাঁদবাবু। অভিযোগ, তখনই তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। তড়িঘড়ি রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ডাক্তাররা মৃত বলে ঘোষণা করে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, দুই ক্লাবের বচসার জেরেই এই ঘটনা। মৃত ব্যক্তি অশান্তি মেটাতে গিয়েছিলেন। আপাতদৃষ্টিতে এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ কমল বর্মন নামে একজন ব্যক্তিকে আটক করেছে। ইতিমধ্যেই তার মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। আরও পড়ুন ঃ প্রয়াত জেলা কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি আভাস ভট্টাচার্য্য বিজেপির তরফে টুইটে বলা হয়েছে, কোচবিহারে বিজেপির বুথ সম্পাদক কালাচাঁদ কর্মকারকে তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে। রক্তের রাজনীতি করে বাংলার মানুষের সমর্থন পাওয়া যায় না মমতা ব্যানার্জী। আপনার দিন গোনার পালা শুরু! অন্যদিকে বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, কোচবিহারে বিজেপির বুথ সম্পাদক কালাচাঁদ কর্মকারকে তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী পিটিয়ে হত্যা করেছে, কিন্তু প্রশাসন চোখে কাপড় বেঁধে রেখেছে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে। খুব শীঘ্রই মানুষ এর জবাব দেবে এই অহংকারী সরকারকে।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
কলকাতা

দলিতদের প্রতি অত্যাচার এই রাজ্যে হয় নাঃ শশী পাঁজা

বিজেপিকে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। মহারাষ্ট্র, বিহার, দিল্লি সব জায়গাতেই ভোট শেয়ার কমেছে বিজেপির। মঙ্গলবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে এই মন্তব্য করেন রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা। এদিন তৃণমূল মিডিয়া সেন্টার সেলের পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে তিনি আরও বলেন, নারী ক্ষমতায়নে দেশের মধ্যে বাংলা প্রথম। কন্যাশ্রী প্রকল্পের জন্য ৯ হাজার ৩৮৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ২০১৬-তে চালু হওয়া স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের কার্ড বাড়ির মহিলাদের নামেই করা হয়, এর ফলে তাঁর বাপের বাড়ির লোকজনও এই প্রকল্পে বিনামূল্যে চিকিৎসা পাবেন। রাজ্যের ১ কোটি ৪২ লক্ষ পরিবারের প্রায় সাড়ে সাত কোটি মানুষ এই প্রকল্পের আওতায় রয়েছেন। শুধু স্বাস্থ্য সাথীই নয়। রূপশ্রী প্রকল্পের দিকটিও তুলে ধরেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু কলকাতা পুলিশের কনস্টেবলের ২০১৮-তে শুরু হওয়া এই প্রকল্পে এখনও পর্যন্ত ৫ লক্ষ ৫৮ হাজার মেয়ে এই সুবিধা পেয়েছে। প্রায় ১৪০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে এই প্রকল্পে। পাশাপাশি রাজ্যের মহিলাদের জন্য পৃথক পুলিশ স্টেশন ২০১১-এর আগে ছিল না বলেও দাবি করেন তিনি। দলিতদের উপর অত্যাচারের প্রসঙ্গে রাজস্থান ও উত্তরপ্রদেশের তুলনা টেনে শশী পাঁজা বলেন, অনেক রাজ্যেই দলিতদের প্রতি নির্যাতন বেশি হয় । তবে আমাদের রাজ্যে হয় না । এছাড়াও তিনি বলেন , ৪৬টি ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট মহিলা দ্বারা পরিচালিত। শুধু তাই নয়, মাদারস অ্যান্ড চাইল্ড হাব, মাদারস পিকনিক, ওয়েটিং হার্টসের মতো সুবিধা শুধুমাত্র এই রাজ্যেই পাওয়া যায়।৬ মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটি ২ বছর পর্যন্ত বাড়িয়েছে তৃণমূল সরকারই। তিনি ক্ষোভপ্রকাশ করে বলেন , মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলার অনেক উন্নয়ন হচ্ছে। কিন্তু উন্নয়নমূলক কাজের কোনও প্রচার হচ্ছে না। ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। এই ধরনের ভুয়ো ভিডিয়োর জন্য নাম না করে বিজেপিকে আক্রমণ করেন তিনি। শশী পাঁজা বলেন , কেন ডক্টরড ভিডিয়ো শেয়ার হচ্ছে ? যাঁরা এই ধরনের কাজ করছেন, তাঁরা উন্নয়নকে আড়াল করার জন্য এই ধরনের ভিডিয়ো ছড়াচ্ছেন।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

এই দল আমার নয়, হতে পারে নাঃ মিহির গোস্বামী

আমার দল আর আমার নেত্রীর হাতে নেই, অর্থাৎ এই দল আর আমার নয়, হতে পারে না। দিদি এখানে নিস্পৃহ। ফের তৃ্ণমূলের বিরুদ্ধে এ ভাষাতেই তোপ দাগলেন কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক মিহির গোস্বামী। তিনি তাঁর ফেসবুক পেজে আরও লেখেন , শ্যামা মায়ের আরাধনালগ্নে আমার এই অনুমান আরও দৃঢ় হয়েছে। তাই এই দলের সঙ্গে সমস্ত রকমের সম্পর্ক ছিন্ন করাটাই কি স্বাভাবিক নয়? তাঁর অভিযোগ , যে দলের অভিধানে সম্মান বলে শব্দটিই অনুপস্থিত , সেই দলে বাইশটা বছর কাটিয়ে দিলাম! কী করে সম্ভব হল, কেন তা সম্ভব হল এসব প্রশ্ন উঠে আসে নিজের মনেই! উত্তর একটাই খুঁজে পাই, দিদি! দলের ভেতর অজস্র অপমান অবমাননা ক্রমাগত সহ্য করে গিয়েছি অকারণে, চুপ করে থাকার জন্য শুভানুধ্যায়ীরাও বিরক্ত হয়েছেন বারবার। কিন্তু আমার উত্তর একটাই ছিল, দিদি! যার উপর বিশ্বাস-আস্থাতেই এতদিন টিকে ছিলাম। আরও পড়ুন ঃ উত্তর ২৪ পরগণার সব আসন দখল করবঃ দিলীপ তিনি দলের প্রতি ক্ষোভ জানিয়ে আরও লেখেন , ১৯৮৯ সাল থেকে মমতা বন্দ্যো্পাধ্যায়ের নেতৃত্ব মেনে চলেছি। দীর্ঘ তিরিশ বছর অতিক্রম করার পর বোধগম্য হয়েছে, দিদির লোক এখানে অপ্রয়োজনীয় ও গুরুত্বহীন। অন্যায্য সবকিছু মেনে নিয়ে যো হুজুর করে টিকে থাকতে পারলে থাকো, নয়ত তফাৎ যাও। তিনি আরও লেখেন , সংগঠন থেকে আমার অব্যাহতি নেওয়ার ঘোষণা করার পর ছয় সপ্তাহ কেটে গেছে। এই বিয়াল্লিশ দিনে আমি সব দলের কাছ থেকে এক বা একাধিক ফোন কল পেয়েছি, কথা বলেছি। বহু পুরনো রাজনৈতিক বন্ধুর ফোন পেয়েছি রাজ্যের বাইরে থেকেও। কিন্তু গত ছয় সপ্তাহে খোদ নেত্রীর কাছ থেকে কোনও ফোন আসেনি। কোনও বরখাস্তনামা কিংবা বহিস্কারের নির্দেশও আসেনি তাঁর কাছ থেকে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

বাংলাকে গুজরাত হতে দিতে চাই নাঃ ফিরহাদ

বাংলা উত্তরপ্রদেশ, গুজরাতের মতো হলে ভয় হচ্ছে এনকাউনটারে ক্রিমিনালরা মারা যাবে। ইসরাত জাহানকে পুলিসের হাতে খুন হতে হয়েছিল। গুজরাতে দু হাজার মানুষ খুন হয়েছে। কিন্তু এ রাজ্যে ক্রিমিনালদের আদালতে পাঠানো হয়। সেই জন্য বাংলা কে গুজরাত হতে দিতে চাই না। সোমবার দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের পালটা প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে এই মন্তব্য করলেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। আরও পড়ুন ঃ একবার সুযোগ দিন , বাংলাকে গুজরাত বানিয়ে দেবঃ দিলীপ তিনি আরও বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাংলা , নজরুলের বাংলা , রামকৃষ্ণের বাংলা এবং অনেক মহাপুরুষের বাংলা। বাংলার মানুষ ঠিক করবে গুজরাতের মত দাঙ্গা বাংলায় ফিরে আসবে কি না ! ধর্মে ধর্মে ভেদাভেদ করে কখনও রাজ্যে উন্নয়ন হয় না, সেই জন্য দেশের জিডিপি বাংলাদেশের থেকে পিছনে চলে গেছে। দিলীপ ঘোষ গুজরাতে চলে যান, বিজেপি না থাকলে পৃথিবী শান্ত হবে।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
রাজনীতি

দিলীপ ঘোষের কনভয়ে হামলা , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কনভয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভাঙা হয়েছে বিধায়ক উইলসন চম্প্রমারির গাড়ির কাচও।অল্পের জন্য রেহাই পায় দিলীপ ঘোষের গাড়ি। ঘটনাটি ঘটেছে , ভারত-ভুটান সীমান্তে আলিপুরদুয়ারের কালচিনি ব্লকের দলসিংপাড়ার কাছে। অভিযোগ, সেখানে বিজেপি রাজ্য সভাপতির কনভয় লক্ষ্য করে পাথরবৃষ্টি হয়। দিলীপ ঘোষকে ঘিরে চলে গো ব্যাক স্লোগান। তাঁকে কালো পতাকাও দেখানো হয়। এরপর কোনওক্রমে সভায় হাজির হন তিনি। আরও পড়ুন ঃ যারা মমতাদির হাত দুর্বল করছে , তারা বিজেপির হাত শক্ত করছেঃ ফিরহাদ জানা গিয়েছে , বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জয়গাঁতে জনসভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। পুলিশের দাবি, পঁচিশটি বাইক নিয়ে র্যালির অনুমতি নিয়েছিল বিজেপি। অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও কমপক্ষে একশোটি বাইক নিয়ে র্যালি করার চেষ্টা করেন দিলীপ ঘোষ। দলসিংপাড়াতে ওই রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দেয় পুলিশ। এর জেরে পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের বচসা বেঁধে যায়। পুলিশের কর্ডন ভেঙে বেআইনিভাবে বাইক র্যালি চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে। এরপর জয়গাঁর মঙ্গলাবাড়িতে পৌঁছয় র্যালি। তারপরেই ঘটে এই ঘটনা। বিজেপি রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু এর প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, পশ্চিমবঙ্গে যে আইনশৃঙ্খলা নেই , তা প্রতি মুহূর্তে প্রমাণিত হয়। এটা তৃণমূলের অবসাদের ফল। নির্বাচন কীভাবে হবে , তা নির্বাচন কমিশন বুঝবে। নির্বাচন করার মতো পরিস্থিতি না থাকলে সরকারকে সরিয়ে দিতে হবে। নির্বাচন এগিয়ে এলে বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত হবেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। অন্যদিকে বিজেপি যুব মোর্চা সভাপতি সৌ্মিত্র খান বলেন, দিলীপ ঘোষের উপর হামলার প্রতিবাদে সারা বাংলা জুড়ে প্রতিবাদ জানানো হবে।

নভেম্বর ১২, ২০২০
রাজ্য

তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল , গুলিতে প্রাণ হারালেন তৃণমূল কর্মী

তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে গুলিতে প্রাণ গেল এক তৃণমূল কর্মীর। ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুরের অন্ডালে। মৃতের নাম ধরম লুনিয়া। সে দুর্গাপুরের অন্ডালের খাসকাজোরার বাসিন্দা। এলাকায় সক্রিয় তৃণমূল কর্মী হিসেবেই পরিচিত। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে , বুধবার রাতে দলের কয়েকজনের সঙ্গে মদের আসরে বসেছিলেন ধরম। কয়লার লিফটিংয়ের দায়িত্ব কার হাতে থাকবে তা নিয়ে বিদ্যুত লুনিয়া নামে এক যুবকের সঙ্গে বচসা বাঁধে ধরমের। আরও পড়ুন ঃ পরিবারের স্বার্থ না দেখে সকলকে নিয়ে চলুনঃ শুভেন্দু বচসা থেকে শুরু হয়ে যায় হাতাহাতি। অভিযোগ, ধরমকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় বিদ্যুত। রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন ওই তৃণমূল কর্মী। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। আরও ২ জন আহত হন। এরপর ঘটনাস্থলে পৌছয় পুলিশ। দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেয় তারা। ঘটনার পর থেকে মূল অভিযুক্ত পলাতক। তার খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ১২, ২০২০
রাজনীতি

যারা মমতাদির হাত দুর্বল করছে , তারা বিজেপির হাত শক্ত করছেঃ ফিরহাদ

আমরা কেউই হেলিকপ্টারে নামিনি। সিঁড়ি দিয়ে উঠেছি। আর সেই সিঁড়িটা তৈ্রি করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামে ছিল শুভেন্দু অধিকারীর সভা। তাঁর সভার পর পালটা সভা করতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন ফিরহাদ হাকিম। তিনি কারও নাম না করে বলেন, থাকে , মীরজাফররাও থাকে। ফিরহাদ বলেন , সকালে ডাকেননি কেন ? ডাকলে আসতাম। মালা দিতাম শহিদ তর্পণে। ডাকা হবে না , আসতে দেওয়া হবে না। আবার আমি আমি করে আমিত্ব দেখিয়ে কথা বলা হবে। এ কেমন কথা । আমি না বলতে হবে আমরা। তিনি আরও বলেন , মমতাদি কাজের সুযোগ না দিলে আমরা কেউ কিছু নই। আরও পড়ুন ঃ নন্দীগ্রামের আন্দোলনকে স্মরণ করে টুইট মমতা , অভিষেকের তিনি বলেন, যারা মমতাদির হাত দুর্বল করছে , তারা বিজেপির হাত শক্ত করছে। সিপিএম খুব খারাপ ছিল। বিজেপি আরও খারাপ পার্টি। এমন কিছু করবেন না যাতে তাদের সুবিধা হয়। বাংলায় বিজেপির জায়গা নেই। ওরা মমতাকে সরাতে চায় ভাঙন ধরিয়ে। জন নেত্রী বাংলাকে ঠিক পথে রেখেছেন। বিজেপির সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরোধিতা করেন। বিজেপি এলে ধর্মের নামে সন্ত্রাস ফিরবে। এসব হতে দেবেন না।

নভেম্বর ১০, ২০২০
রাজনীতি

রাজনীতির মঞ্চে দেখা হবেঃ শুভেন্দু

রাজনীতির মঞ্চে দেখা হবে। লড়াইয়ের মাঠে দেখা হবে। শুভেন্দু ভয় পায় না। ২০০৭ সালের রক্তস্নাত সূর্যোদয় দিবসের বর্ষপূতি উপলক্ষে গড়চক্রবেড়িয়া হাইস্কুল মাঠে সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন রাজ্যের সেচ ও পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবারের এই সভায় তিনি আরও বলেন , রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে থেকে রাজনৈতিক কথা বলব। কোন রাস্তায় গর্ত, কোথায় হোঁচট খাঁচ্ছি, কোন রাস্তায় হাঁটলে মসৃণ ভাবে চলব, সেটা তো রাজনৈতিক মঞ্চে বলব। পবিত্র প্ল্যাটফর্মে রাজনীতি করি না, করব না। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন , আমি জানি সংবাদমাধ্যম ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অপেক্ষা করে আছেন। তারা আমার মুখ থেকে কিছু শুনতে চান। আমি বলব। সব বলব। নন্দীগ্রামের মঞ্চ থেকে একের পর এক ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য শুভেন্দু অধিকারীর। এছাড়াও তৃণমূলের নাম না করে শুভেন্দু খোঁচা দিয়ে বলেন, ১৩ বছর পর নন্দীগ্রামকে মনে পড়ল? ভোটের পর নন্দীগ্রামে আসবেন তো। এদিনের অরাজনৈতিক মঞ্চ থেকে বারবার শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমি নন্দীগ্রামে নতুন লোক নই, চেনা বামুনের পৈতের দরকার নেই। সবসময় আপনাদের পাশে রয়েছি। ক্ষমতা নিয়ে কোনও কিছু করিনি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লড়াই করেছি। এই আন্দোলন শুভেন্দু অধিকারীর আন্দোলন নয়, স্বত:স্ফূর্ত লোকের আন্দোলন। তিনি আরও বলেন , নন্দীগ্রামের আন্দোলন কারও একার নয়। শুভেন্দু নিজের বক্তব্য শেষ করেছেন ভারতমাতা জিন্দাবাদ বলে। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দুর সঙ্গে তৃণমূলের বিভাজন? সভা-পাল্টা সভায় সরগরম নন্দীগ্রাম নন্দীগ্রামে অত্যাচারের কাহিনী তুলে ধরে বাংলার সুশীল সমাজের অবদানের প্রসঙ্গ টেনে মহাশ্বেতা দেবী, শুভাপ্রসন্ন, পল্লব কীর্তনীয়া, অর্পিতা ঘোষদের নাম নেন শুভেন্দু। সভার শেষে শুভেন্দুর জয় জয় নন্দীগ্রাম স্লোগানে মুখরিত হয়েছে গোটা এলাকা। এদিনের শুভেন্দুর সভায় উপস্থিত ছিলেন তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী, খেজুরীর বিধায়ক রণজিৎ মণ্ডল, নন্দীগ্রামের শহিদ মাতা ফিরোজা বিবি, সংগ্রাম দলুই সহ ভূমি উচ্ছেদ কমিটির সদস্যরা। শুভেন্দুর ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্যের পূর্বে মঞ্চ থেকে উপস্থিত জনস্রোতকে প্রণাম জানিয়ে নন্দীগ্রামের আন্দোলনের ইতিহাস বর্ণনা করেন। সঙ্গে নন্দীগ্রামের প্রতিটি শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে শীতের চাদর তুলে দেন।

নভেম্বর ১০, ২০২০
রাজনীতি

জেলায় জেলায় দাদার অনুগামীদের হোর্ডিং-ব্যানার, শুভেন্দুর মুর্শিদাবাদে সভা কি অন্য জায়গায়?

মোস্ট আনপ্রেডিক্টেবল। শুভেন্দু অধিকারীর জনসংযোগের ধরন দেখে এ কথা মানছেন তৃণমূলের একাংশ নেতৃত্ব ও প্রশাসনের কর্তারা। এর মধ্যেই জেলায় জেলায় বাড়ছে আমরা দাদার অনুগামীদের ব্যানার-হোর্ডিংয়ের সংখ্যা। সেখানে যেমন দাদার পথেই চলার বার্তা দেওয়া হয়েছে, তেমনই রয়েছে নন্দীগ্রাম চলোর ডাক‌। খড়দহ-সহ উত্তর ২৪ পরগনার কিছু জায়গা এবং নদিয়ার চাকদহ, কৃষ্ণনগরে জাতীয় সড়কের ধারে লাগানো হয়েছে এমন হোর্ডিং, ব্যানার, পোস্টার। ১০ নভেম্বর বাংলার সব পথ মিশবে শহিদ তীর্থ নন্দীগ্রামে। রক্তাক্ত সূর্যোদয়ের বর্ষপূর্তিতে ওইদিন সভার আয়োজক ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটিই, যার প্রধান বক্তা 'নন্দীগ্রাম আন্দোলনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক' শুভেন্দুবাবু। লাখো অনুগামী সমাগমের সম্ভাবনা থাকায় জননেতার বার্তা যাতে সভাস্থলে পৌঁছাতে না পেরেও সকলে শুনতে পান তার জন্য অনেক জায়ান্ট স্ক্রিন লাগানো হয়েছে। এর মধ্যে ৬ নভেম্বর দলের কাউকে না জানিয়ে শুভেন্দুবাবু বেলডাঙা গিয়ে বিসর্জন দিতে গিয়ে নৌকাডুবিতে প্রাণ হারানো পাঁচজনের পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা করে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন, ভারত সেবাশ্রম সংঘ শুধু গোটা বিষয়টি জানত। রাজনৈতিক কাউকে জানাতে বারণ করেছিলেন খোদ মন্ত্রী। ফের ৮ নভেম্বর তাঁর মুর্শিদাবাদ যাওয়ার কথা। প্রয়াত বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ মফিজউদ্দিন মণ্ডলের স্মরণসভা নিয়ে জেলা তৃণমূলে গোষ্ঠীকোন্দল সামনে এসেছে। দলের জেলা কমিটি শুভেন্দুবাবুকে কার্যত উপেক্ষা করে ওই অনুষ্ঠান হাইজ্যাকে মরিয়া হয়ে উঠেছে। জানা গিয়েছে, জেলা সভাধিপতি মোশারফ হোসেন মধু শুভেন্দুবাবুর সভার স্থান বদলে ফেলছেন এ কারণেই‌। তৃণমূলের ব্যানারে ওই অনুষ্ঠান আয়োজন হবে বলে যেখানে দলের জেলা সভাপতি আবু তাহের খান বার্তা দিয়েছেন সেখানে শনিবার ৭ নভেম্বর সাংবাদিক বৈঠকে মোশারফ ঘোষণা করেন, খড়গ্রামের বদলে সভা হবে মাড়গ্রাম হাই মাদ্রাসাতে। রবিবার সেখানে থাকবেন মাড়গ্রাম গ্রামের বাসিন্দারা এবং প্রয়াত মফিজউদ্দিন মণ্ডলের পরিবারের সদস্যরা এবং থাকবেন রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে দলের ব্যানারে ওই সভা হবে না বলেও জানান জেলা সভাধিপতি, যিনি শুভেন্দুবাবুর অনুগামী।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
রাজ্য

তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে গ্রেফতারের দাবি , রণক্ষেত্র হাওড়া

তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে গ্রেফতারের দাবিতে উত্তপ্ত হল হাওড়া। শনিবার তার গ্রেফতারির দাবিতে হাওড়া সিটি পুলিশের পুলিশ কমিশনারের অফিস ঘেরাও করে তুমুল বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। তারা পথ অবরোধেও সামিল হয়। বিক্ষোভ সামাল দিতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলেও অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। আরও পড়ুন ঃ অমিত শাহের বাংলা ছাড়ার পরই একাধিক সাহায্য নিয়ে বিভিষণ হাঁসদার দ্বারস্থ তৃণমূল সদস্যা জানা গিয়েছে , এদিন সকালে জগদীশপুর হাইস্কুলের মাঠে বিজেপির গ্রিন হাওড়া ক্লিন হাওড়া কর্মসূচি চলছিল। সেই সময় জগদীশপুরের তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান গোবিন্দ হাজরা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সদলবলে বিজেপি কর্মীদের ওপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় লিলুয়া থানায় এফআইআর দায়ের করা হয় বিজেপির তরফ থেকে। কিন্তু বিজেপির অভিযোগ পুলিশ অভিযুক্তকে তো গ্রেফতার করেনি , উলটে তাদের দু জন কর্মীকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেছে। ওই দুই কর্মীর মুক্তি এবং পঞ্চায়েত প্রধান গোবিন্দ হাজরাকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিতে পুলিশ কমিশনারের অফিসের সামনে বসে পড়েন হাজার হাজার বিজেপি কর্মী ও সমর্থক। তাদের সামাল দিতে হিমশিম খায় পুলিশ। নামানো হয় বিশেষ পুলিশ বাহিনীকে। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে বিজেপির এই বিক্ষোভ। অবশেষে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হবে বলে পুলিশ কর্তারা আশ্বাস দিলে বিক্ষোভকারীরা চলে যান।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
রাজ্য

অমিত শাহের বাংলা ছাড়ার পরই একাধিক সাহায্য নিয়ে বিভিষণ হাঁসদার দ্বারস্থ তৃণমূল সদস্যা

রাজ্য সফর চলাকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মধ্যহ্নভোজ করেছিলেন বিভিষণ হাঁসদার বাড়িতে। রাজ্য সফর সেরে শুক্রবার দিল্লিতে ফিরে গিয়েছেন অমিত শাহ। তার পরেরদিন অর্থাৎ শনিবার মিথ্যা পরিচয় দিয়ে বিভিষণ হাঁসদার বাড়িতে গিয়ে সাহায্য করার অভিযোগ উঠল এক তৃ্ণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। সোনাই মুখোপাধ্যায় নামে শাসক দলের এই নেত্রী জেলা পরিষদের নির্বাচিত সদস্যা বলে জানা গিয়েছে। বিভীষণ হাঁসদা নিজের বাড়িতে দাঁড়িয়ে বলেন, উনি এক জন এন.জি.ও কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে আমার বাড়িতে এসেছিলেন, সাহায্য করে গিয়েছেন। ওনার কি রাজনৈতিক পরিচয় জানি না। এরপর তিনি জানিয়ে দেন, দিন আনি দিন খাই। অতিতে কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। ভবিষ্যতেও কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ দেবেন না। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি যুব মোর্চার কর্মীদের উপর হামলা , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে এবিষয়ে সোনাই মুখোপাধ্যায় বলেন , স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ফিরে যাওয়ার পর ওনাদের অবস্থার কি পরিবর্তন হয়েছে তা দেখতে ও কিছু খাদ্য সামগ্রী ও আর্থিক সাহায্য নিয়ে গিয়েছিলাম। তৃণমূল নেতা কর্মীরা ও রাজ্য সরকার জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবার পাশে আছে, বিজেপি এসব নিয়ে রাজনীতি করছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 58
  • 59
  • 60
  • 61
  • 62
  • 63
  • 64
  • 65
  • 66
  • 67
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

৩১ অগস্টের পরেও কি থাকবে চাকরি? ২৬ হাজার মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলায় আপাতত বড় স্বস্তি পেলেন যোগ্য প্রার্থীরা। ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশই আপাতত বহাল থাকছে। ফলে নতুন করে শুনানি এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরি নিয়ে তাৎক্ষণিক অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে না।২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর দীর্ঘ আইনি লড়াই শুরু হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৫ সালের ৩ এপ্রিল শীর্ষ আদালত ২০১৬ সালের পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের নির্দেশ দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থীদের নির্ভুল ভাবে আলাদা করা সম্ভব হয়নি।পরবর্তী সময়ে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা এবং স্কুলগুলিতে শিক্ষক-সংকটের কথা মাথায় রেখে যোগ্য শিক্ষকদের সাময়িক ভাবে চাকরিতে বহাল থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেই অন্তর্বর্তী নির্দেশ অনুযায়ী ৩১ অগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত তাঁদের চাকরি বহাল থাকার কথা ছিল। একই সঙ্গে নতুন করে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদে নতুন নিয়োগ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে আদালতের দ্বারস্থ হন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের বক্তব্য, এত অল্প সময়ের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ না হলে যোগ্য শিক্ষকরা ফের চাকরি হারানোর আশঙ্কায় পড়বেন।এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানিতে জানানো হয়েছে, নতুন অন্তর্বর্তী আবেদনের ভিত্তিতে চূড়ান্ত শুনানি না হওয়া পর্যন্ত আগের নির্দেশই কার্যকর থাকবে। ফলে আপাতত যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য স্বস্তির পরিস্থিতি তৈরি হল।তবে এই নির্দেশকে চূড়ান্ত রায় হিসেবে দেখা হচ্ছে না। পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার উপরই নির্ভর করবে ২৬ হাজার চাকরি মামলায় যোগ্য শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ। ফলে আপাতত স্বস্তি মিললেও পুরোপুরি অনিশ্চয়তা কাটছে না।

আগস্ট ২৫, ২০২৬
রাজ্য

লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? বিষয়টা হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী। আসল অভিমুখের সমস্যা দেখুন।

মানবিক আচরণ করুন, পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে কুণালফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই পার্কস্ট্রিটের ওই ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এদিন তিনি ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। একই সঙ্গে পার্কস্ট্রিট থানার পুলিশের কাছেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মানবিক আচরণের আবেদন জানান তিনি।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ফুটপাথে বসবাসকারী মানুষও সমাজেরই অংশ। তাঁদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল ও মানবিক আচরণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কোনও পরিবারের শিশু, মহিলা বা অসহায় সদস্যদের বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশাসনের আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি।অগ্নিমিত্রা পালের আচরণ ও মন্তব্য প্রসঙ্গে কুণালের বক্তব্যের মূল সুর ছিলকোনও সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে অসহায় মানুষকে হেয় বা অপমান করা উচিত নয়। ফুটপাথে কেন কোনও পরিবারকে থাকতে হচ্ছে, সেই বৃহত্তর সামাজিক ও মানবিক সমস্যাটিও প্রশাসনকে দেখতে হবে। সামাজ মাধ্যমে এক ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে কুনাল ঘোষ লেখেন, দিল্লী বা লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? রাস্তায় ভিক্ষুক এ বিষয়টার থেকেও গুরুত্বপূর্ন হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী বলেন কুনাল ঘোষ।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাম ও তৃণমূল শিবির থেকে অগ্নিমিত্রা পালের সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাম নেত্রী কনীনিকা ঘোষও পুরমন্ত্রীর আচরণের নিন্দা করেছেন।যদিও রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই অগ্নিমিত্রা পালের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি। তাঁর দাবি, ওই পরিবারের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই পুরমন্ত্রী পদক্ষেপ করেছিলেন। বিষয়টিকে নেগেটিভ ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।ফলে ফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক ক্রমেই রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়েছে। একদিকে ফুটপাথবাসী পরিবারের প্রতি মানবিক আচরণের দাবি, অন্যদিকে তাঁদের নিরাপত্তার যুক্তিদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

আগস্ট ২৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
টুকিটাকি

কাঁচা কুমড়ো না পাকা কুমড়ো, কোনটি বেশি উপকারী?

কুমড়ো বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত একটি সবজি। কাঁচা সবুজ কুমড়ো হোক বা পাকা হলুদ-কমলা কুমড়ো, দুটিরই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কুমড়োর পুষ্টি উপাদানে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে পাকা কমলা কুমড়ো বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।কাঁচা কুমড়োতে তুলনামূলকভাবে ভিটামিন C-এর পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। এতে ক্যালোরিও কম, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে। কিছু জাতের অপরিপক্ব কুমড়োতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যকারিতাও দেখা যায়। তবে কাঁচা কুমড়ো রান্না করে খাওয়াই ভালো, কারণ তাতে হজম সহজ হয়।অন্যদিকে, পাকা হলুদ বা কমলা কুমড়োর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদানকে ভিটামিন A-তে রূপান্তর করে। ফলে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে পাকা কুমড়ো উপকারী। এতে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। রান্না করলে কুমড়োর বিটা-ক্যারোটিন শরীর তুলনামূলক সহজে শোষণ করতে পারে।কুমড়োকে ক্যানসারের ওষুধ বা নিশ্চিত প্রতিরোধক বলা যায় না। তবে এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন C ও E এবং খাদ্যআঁশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কুমড়ো খাওয়া উপকারী হতে পারে।কুমড়োর বীজেও রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন E। হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক পুষ্টির জন্য এগুলি গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিগত বিচারে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য পাকা কমলা কুমড়ো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাঁচা কুমড়োকেও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই। অল্প তেলে রান্না করে, অতিরিক্ত ভাজা বা চিনি এড়িয়ে কুমড়ো খাওয়াই ভালো। সব মিলিয়ে, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে কুমড়ো রাখলেই মিলবে বেশি সুষম পুষ্টি।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ওয়াকফ-অশান্তির মামলায় নাম, এবার তৃণমূল ছেড়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে ইনজামুল! কেন এই দলবদল?

ওয়াকফ সংশোধিত আইনকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই বিতর্কে ছিলেন ধুলিয়ানের পুরপ্রধান ইনজামুল ইসলাম রাজা। এবার সেই ইনজামুলই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। তাঁর এই দলবদল ঘিরে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।গত বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুরের সামশেরগঞ্জ, সুতি এবং ধুলিয়ানে অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ইনজামুল ইসলাম রাজার বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সেই মামলা চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনজামুল। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রবিবার ধুলিয়ানের কাঞ্চনতলা ঘাটে কংগ্রেসের যোগদান সভায় বড়সড় দলবদল হয়। ইনজামুল ইসলাম রাজার পাশাপাশি ধুলিয়ান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, কাউন্সিলর শরিফ শেখ, ফারহানা খাতুন-সহ একাধিক কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ওবায়দুর রহমানও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।ইনজামুলের দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন, তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে বাঁচতেই অনেকে দলবদল করছেন। সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যাঁদের নাম উঠেছিল, তাঁরাও নিজেদের বাঁচাতে দল পরিবর্তন করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে দলবদল করেও তাঁরা আইনি পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন না বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন ইনজামুল ইসলাম রাজা। তাঁর দাবি, সামশেরগঞ্জের অশান্তির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই ভাঙন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ধুলিয়ান পুরসভার একাধিক জনপ্রতিনিধির একসঙ্গে দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াকফ-অশান্তির মামলা চলার মধ্যেই ইনজামুলের কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এ দিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, দক্ষিণ মালদহের সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম এবং জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি আলফাজুদ্দিন বিশ্বাস-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বাংলায় এত বড় বিনিয়োগ! জাহাজ শিল্পে পাঁচ প্রকল্পের সূচনায় বাড়ল আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গে জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের ভবনে পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৩৪০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে রাইচক CPR, টিম্বার পন্ট শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, দামোদর শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, রেডিয়াল ফোরজিং প্ল্যান্ট এবং ৩০০০ টন ওপেন-ডাই ফোরজিং প্রেস প্রকল্প। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বাংলায় বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলায় শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি, দক্ষ মানবসম্পদ, পরিকাঠামো এবং কাঁচামাল রয়েছে। এতদিন এই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করলে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ছে।সীমান্ত সুরক্ষার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য জমি দেওয়া কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় জমির প্রায় ৯০ শতাংশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জনগণনা সংক্রান্ত কাজও ফের শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে বেকারত্ব কমাতে শিল্পায়ন এবং বড় বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার জমি এবং পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ৩৪০৪ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ দিয়েই উদ্যোগ শেষ নয়, আগামী দিনে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পাশাপাশি এই ধরনের শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাকে ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal