• ১৫ কার্তিক ১৪৩৩, বুধবার ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Threat

কলকাতা

Threat Letter: আলাপনের নাম করে হুমকি চিঠি-কাণ্ডে গ্রেপ্তার চিকিৎসকর!

রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে খুনের হুমকি চিঠি মামলায় গ্রেপ্তার এক চিকিৎসক-সহ তিন জন। লালবাজার সূত্রে খবর, মূল অভিযুক্ত চিকিৎসক অরিন্দম সেন গত দুবছর ধরে বিভিন্ন লোককে হুমকি চিঠি পাঠাতেন।গত ২৬ অক্টোবর, মঙ্গলবার আলাপনের স্ত্রী সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে একটি চিঠি আসে। এক লাইনের চিঠিতে ইংরেজিতে লেখা ছিল, আপনার স্বামী নিহত হবেন। কেউ আপনার স্বামীকে বাঁচাতে পারবে না। চিঠিতে সাক্ষর ছিল গৌরহরি মিশ্রের। প্রযত্নে, রাজাবাজার সায়েন্স কলেজের কেমিক্যাল টেকনোলজি বিভাগের মহুয়া ঘোষ। ঘটনাচক্রে সোনালি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।সেদিনই হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের করে ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ। সোমবার বালিগঞ্জের বিজন সেতু এলাকা থেকে বিজয়কুমার কয়াল নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পেশায় টাইপিস্ট বিজয় পুলিশি জেরায় জানায়, চিকিৎসক অরিন্দম সেনকে সে-ই খুনের হুমকির চিঠি টাইপ করে দিয়েছিল। সন্ধের মধ্যে রাজা রামমোহন রায় সরণির বাসিন্দা অরিন্দমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয় অরিন্দমের গাড়ির চালক রমেশ সাউকেও।জেরায় ওই চিকিৎসক জানিয়েছেন, অনেক ক্ষেত্রে আক্রোশের জেরে তিনি চিঠি পাঠিয়ে থাকতেন। কেন তিনি গৌর হরি মিশ্রের নাম চিঠিতে উল্লেখ করেছিলেন? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানিয়েছেন, গৌর হরি মিশ্রকে অপদস্ত করতেই তাঁর নাম লিখেছিলেন। অনেকক্ষেত্রে নাকি তিনি সাংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত খবরের দ্বারা প্রভাবিত হয়েও চিঠি লিখতেন। চিকিৎসকের মেন্টাল মেডিক্যাল রিপোর্ট খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

নভেম্বর ০৯, ২০২১
কলকাতা

Alapan Bandopadhaya: আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাণনাশের হুমকি চিঠি! মামলা দায়ের

প্রাণনাশের হুমকি পান রাজ্য সরকারের মুখ্য উপদেষ্টা আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার স্পিড পোস্টে পাঠানো একটি চিঠিতে ওই হুমকি দেওয়া হয়েছে। চিঠি পাঠানো হয়েছে আলাপনবাবুর স্ত্রী সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে। এক লাইনের চিঠিতে ইংরেজিতে লেখা, আপনার স্বামী নিহত হবেন। কেউ আপনার স্বামীকে বাঁচাতে পারবে না। চিঠিতে সই রয়েছে জনৈক গৌরহরি মিশ্রের। কেয়ার অব মহুয়া ঘোষ। জানা গিয়েছে, তিনি রাজাবাজার সায়েন্স কলেজের কেমিক্যাল টেকনোলজি বিভাগে কর্মরত।আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে খুনের হুমকি দিয়ে তাঁর স্ত্রীকে চিঠি পাঠানোর ঘটনায় হেয়ার স্ট্রিট থানায় মামলা রুজু হল। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০০ মানহানির মামলা, ৪১৯ প্রতারণা, ১৭০ সরকারি পরিচয় ব্যবহার করে কোনও কাজ, ৫০৬ হুমকির ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে।এ প্রসঙ্গে মহুয়া ঘোষ বলেন, এটা তো আমাদেরও প্রশ্ন, আমার নাম কেন, কিংবা গৌরহরির নামেওবা কেন! এটা পুলিশই তদন্ত করবে। তদন্তে সত্যি প্রকাশিত হলে আমিও একটু নিশ্চিন্ত হব। ইতিমধ্যেই চিঠির প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে রাজাবাজার সায়েন্স কলেজের সায়েন্স সেক্রেটারিকেও। চিঠির খামে প্রেরকের নাম-ঠিকানা দেওয়া আছে। চিঠিটির কথা পুলিশকে জানানো হয়েছে। জানানো হয়েছে রাজ্য সরকারকেও। পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনাটি নিয়ে তদন্তে নেমেছে। পুলিশের কাছে খাম-সহ চিঠিটি পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অবশ্য আলাপনবাবু কোনও মন্তব্য করতে চাননি। যিনি আপাতত রাজ্য সরকারের মুখ্য উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন। ইতিমধ্যেই পুলিশ একটি মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।প্রসঙ্গত, সেন্ট্রাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনালের প্রিন্সিপাল বেঞ্চের (দিল্লি) নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন রাজ্যের অবসরপ্রাপ্ত মুখ্যসচিব আলাপন বন্দোপাধ্যায়। আজ, বুধবারই সেই মামলার শুনানি রয়েছে।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Rape: মঙ্গলকোটে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন তরুনীকে হুমকি দেখিয়ে সহবাসের অভিযোগ বিজেপি নেতার ভাইয়ের বিরুদ্ধে

হুমকি দিয়ে দিনের পরদিন সহবাস করে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন তরুনীকে অন্তঃসত্ত্বা করে দেওয়ার অভিযোগ উঠলো বিজেপি নেতার ভাইয়ের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটে। ঘটনা সবিস্তার উল্লেখ কবে তরুণীর পরিবার বৃহস্পতিবার রাতে অভিযুক্ত চুনী আনসারির বিরুদ্ধে মঙ্গলকোট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই ঘটনা জানার পর থেকেই এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছে বিজেপি নেতা ডাবলু আনসারি ও তাঁর ভাই চুনী আনসারি। মামলা রুজু করে পুলিশ হন্যে হয়ে অভিযুক্তের সন্ধান চালাচ্ছে। এলাকার বাসিন্দাদের কথায় জানা গিয়েছে, বাম আমলে মঙ্গলকোটে সিপিএমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা ছিলেন ডাবলু আনসারী। ২০১১ সালে রাজ্য রাজনীতিতে পালাবদলের পর তিনি এলাকা ছাড়া হয়ে যান। কয়েক বছর আগে ডাবলু আনসারী বিজেপিতে যোগদান করেন। মঙ্গলকোটের টালিপাড়ার তরুণীর পরিবারের অভিযোগ, বিজেপি নেতা ডাবলু আনসারির ভাই চুনী আনসারি হুমকি দিয়ে দিনের পর দিন তাঁদের পরিবারের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন যুবতী মেয়ের সঙ্গে সহবাস করে।তরুনী তাঁর দরিদ্র দাদার কাছে থাকে। দাদা মুটিয়ার কাজ করেন। আর পরিবারের অন্যান্যরা জনমজুরির কাজ করেন। সকাল হতেই পরিবারের সবাই কাজে বেড়িয়ে যান। দিনের বেলায় তরুণী বাড়িতে একাই থাকতো। অভিযোগ তারই সূযোগ নিয়ে চুনী আনসারি হুমকি দিয়ে দিনের পর দিন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ওই তরুণীর সঙ্গে সহবাস করতো। সম্প্রতি তরুনীর শারীরিক পরিবর্তন হতে শুরু করলে পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। বৃহস্পতিবার বাড়ির সকলে মিলে তরুনীকে চেপে ধরলে সে কান্নায় ভেঙে পড়ে। তরুণী চুনী আনসারির কুকীর্তির কথা পরিবারের লোকজনকে জানায়। তরুণীর মখ থেকে থেকে চুনীর কুকীর্তি জানার পর ওই দিনই পরিবারের লোকজন মঙ্গলকোট থানার দ্বারস্থ হন। এই ঘটনা সামনে আসার পর মঙ্গলকোট পঞ্চায়েতের উপপ্রধান চন্দন সরকার ও বিজেপির বর্ধমান পূ্র্ব (গ্রামীণ) জেলা কমিটির সহ-সভাপতি রানাপ্রতাপ গোস্বামী উভয়েই চুনী আনসারির দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি করেছেন।

অক্টোবর ২২, ২০২১
রাজ্য

কাটোয়ায় কর্মীসভা থেকে দলের জেলা সভাপতিকে হুমকি অনুব্রত ঘনিষ্ট তৃণমূল নেতার

বিধানসভা ভোটে অভাবনীয় জয়ের পরেও পূর্ব বর্ধমান জেলায় চরমে উঠেছে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল। কর্মী সভা থেকে দলের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে হরিদাস পাল বলে কটুক্তি করলেন দলের অনুব্রত অনুগামী কাটোয়ার নেতা অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ঘটনা জেলার রাজনৈতিক মহলে যথেষ্টই শোরগোল ফেলে দিয়েছে। যা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি জেলার বিজেপি নেতৃত্ব। যদিও কাটোয়ার বিধায়ক তথা জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথবাবু এদিন স্পষ্ট জানিয়েদেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হওয়া কর্মী সভা দলের কর্মীসভা নয়। অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায় নামে নামে কে কর্মী সভার আয়োজন করেছে তাঁকেও চেনেন না বলেও রবীন্দ্রনাথবাবু জানিয়েদেন।কাটোয়া শহরের রবীন্দ্র পরিষদে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একটি কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের ঘনিষ্ট ও অনুব্রত মণ্ডলের অনুগামী হিসাবে পরিচিত দলের জেলা সম্পাদক অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায় ওই কর্মী সভায় নেতৃত্ব দেন। কর্মী সভায় তিনি বেশ কয়েকজন কর্মীকে সম্বর্ধনা দেন। অরিন্দমবাবু দাবি করেন, দলের কর্মসূচিতে যে সমস্ত তৃণমূল কর্মীদের বিধায়ক ডাকেন না সেইসব তৃণমূল কর্মীদের তিনি সম্বর্ধনা দিলেন। সম্বর্ধনা শেষে বক্তব্য রাখতে উঠে অরিন্দম বাবু জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে একের পর এক কটুক্তি করেন। তিনি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের নাম মুখে না এনে বলেন, ২০১৫ সালে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়ে বিধায়ক ও দলের জেলা সভাপতি হয়েছেন। পুরানো তৃণমূল কর্মীদের কোন অসম্মান করতে আর ওনাকে দেব না।আরও পড়ুনঃ নিম্নচাপে বিধ্বস্ত রাজ্য, রাতভর তুমুল বৃষ্টিতে ভাসছে শহর থেকে জেলামমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে স্লোগান দিতে কোন হরিদাস পালের অনুমোদন লাগে না। হরিদাস পালের অনুমতিও নেবেন না। পুলিশ দিয়ে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই।২০১৫ সালে যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গালাগাল দিত তাঁরাই আজ কাটোয়ায় তৃণমূলের ক্ষমতায় আছে। তাঁরাই রাজনীতিটাকে ব্যবসায় পরিণত করেছে। এমন নেতা ও তাঁর সাগরেদদের সম্পত্তির হিসাব নেওয়া হবে। পাশাপাশি জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়কে নাম না করে হুমকির সুরে অরিন্দমবাবু বলেন, আপনি এমন কোন হরিদাস পাল নন যে আপনাকে মাথায় করে রাখতে হবে।আপনাকে ছেড়ে কথা বলব না।তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য নেতৃত্ব মাস খানেক আগে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি পদে বদল ঘটায়। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথকে সরিয়ে কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়কে জেলা সভাপতি করে দল। তারপর থেকে দলের একাংশ রবীন্দ্রনাথবাবুর বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছিলেন। এমনকি রবীন্দ্রনাথবাবু জেলা সভাপতি হওয়ার পরে কেতুগ্রামে এক জনসভা মঞ্চ থেকে অনুব্রত মণ্ডলকে বলতে শোনা যায়, দলের কাটোয়ার দায়িত্ব সামলাবে অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় সূত্রে খবর অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায় বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের যেমন অনুগামী তেমনই তিনি প্রাক্তন পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি স্বপন দেবনাথেরও ঘনিষ্ট। তবে রবীন্দ্রনাথবাবুকে কটুক্তি করা নিয়ে প্রাক্তন জেলা সভাপতি স্বপন দেবনাথ তাঁর ঘনিষ্ট অরিন্দম বন্দ্যোপধ্যায়ের পাশে দাঁড়াননি। স্বপনবাবু স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, অরিন্দমের বক্তব্য আমি সমর্থন করি না। কর্মীসভা করতে হলে দলের জেলা সভাপতির অনুমতি নিয়েই করতে হবে।আরও পড়ুনঃ বাবা-মায়ের সঙ্গে ভালো সময় কাটছে ইউভানবিজেপি পূর্ব বর্ধমান জেলা সহসভাপতি অনিল দত্ত এই প্রসঙ্গে বলেন, তৃণমূলের এক নেতা তাঁদেরই জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে হুংকার ছাড়ছেন। এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল এখন কোন পর্যায়ে পৌছেছে। দলের জেলা সভাপতিকে যিনি কটুক্তি করছেন তাঁর মাথায় তৃণমূলের উপর সারির নেতাদের হাত রয়েছে বলেই মত বিজেপি নেতৃত্বের।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Durgapur Dharna: স্ত্রী-সন্তানকে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চেয়ে শ্বশুরবাড়ির সামনে ধরনায় বসলেন স্বামী

স্বামীর ঘরে ফিরে যাওয়ার আবেদন করে শ্বশুরবাড়ির সামনে বধূর ধরনায় বসতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু নিজের স্ত্রী ও সন্তানকে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার আবেদন করে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার ঘটনা খুব একটা চোখে পড়েনা। দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলের ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের ডিটিপিএস এলাকাতে এমনটাই ঘটতে দেখা গেল। এলাকার নিউ কলোনির বাসিন্দা দেবদুলাল দে নিজের স্ত্রী ও সাত বছরের সন্তানকে ফিরে পেতে শ্বশুরবাড়ির সামনেই ধরনায় বসেছেন। যদিও এর আগে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। আরও পড়ুনঃ ইউপিএসসি-তে প্রথম দুশোয় বাংলার রিকি ও ময়ূরীজানা গিয়েছে, শাশুড়ির বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দেবদুলাল বাবুর স্ত্রী অপর্ণা দেবী। বিষয়টির নিষ্পত্তি হলে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে মহিলা বাপের বাড়িতে চলে যান। ফিরে আসার কথা বললেও তিনি কথা শোনেনি। বরং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন। আইনি চিঠিও পাঠানো হয়েছে কিন্তু তাতেও আখেড়ে কোনও লাভ হয়নি। দেবদুলাল বাবুর অভিযোগ, ছেলেকে তাঁর বাবা-মা দেখতে গেলে স্ত্রী ও তাঁ বাড়ির লোকজনেরা তাঁদের অপমান করেন। সব চেষ্টা বিফলে যাওয়ায় অবশেষে শ্বশুরবাড়ির সামনেই শনিবার ধরনায় বসলেন দেবদুলাল বাবু। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, স্ত্রী ও সন্তান বাড়িতে না ফিরলে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেবেন। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এদিন সকাল থেকেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও এখনও জানা যায়নি, স্বামীর কথা শুনে দেবদুলাল বাবুর স্ত্রী শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যাবেন কি না। কারণ, আগেই তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, তিনি কিছুতেই আর স্বামীর ঘরে ফিরে যাবেন না।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
দেশ

Rape Convicted: এনকাউন্টারের হুমকির পরই রেললাইনে মিলল দেহ

দুদিন আগেই রাজ্যের এক মন্ত্রী হুমকি দিয়েছিলেন ধর্ষককে পেলেই এনকাউন্টার করে খতম করবেন। এ বার রহস্যজনকভাবেই রেললাইন থেকে উদ্ধার হল হায়দরাবাদে ছয় বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণকাণ্ডে অভিযুক্তের দেহ। পুলিশের দাবি, ওই অভিযুক্তকে ধাওয়া করা হয়েছিল। পালানোর চেষ্টায় সে রেললাইনে ঝাঁপ দিয়েছিল, সেই সময়ই ট্রেনের ধাক্কায় তাঁর মৃত্যু হয়।আরও পড়ুনঃ মাকে খুন করে ঘরের মেঝেতে দেহ পুঁতে রেখে দিয়েছিল ছোট ছেলে, খুঁড়তেই উদ্ধার কঙ্কালঘটনার সূত্রপাত হয় ৯ সেপ্টেম্বর। হায়দরাবাদের সিনগারেনি কলোনির বাড়ি থেকে ৯ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ হয়ে যায় বছর ছয়েকের ওই নাবালিকা। সারাদিন খোঁজ না মেলায় পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরের দিন প্রতিবেশীর বাড়ি থেকেই বিছানার চাদরে জড়ানো অবস্থায় নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে যৌন নির্যাতন ও দম বন্ধ করে খুনের প্রমাণ মেলে। এরপরই ওই প্রতিবেশীর খোঁজ শুরু করে পুলিশ। জানা যায়, যেদিন নাবালিকার দেহ উদ্ধার করা হয়, সেই সময় থেকেই পলাতক পাল্লাকোন্ডা রাজু নামক ওই প্রতিবেশী যুবক।প্রাথমিক তদন্ত চলাকালীনই শোনা যায়, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু পরে যখন বোঝা যায়, খবরটি ভুয়ো ছিল, তখন এলাকাবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দারা সুবিচারের দাবিতে ধর্ষকের এনকাউন্টারের দাবি জানান। এ দিকে, ধর্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, এই ভুল তথ্য ছড়ানোর জন্য তেলঙ্গনার মন্ত্রী কেটি রামা রাও নিজের আগের টুইটের জন্য ক্ষমা চেয়ে নেন এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করার জন্য সাধারণ নাগরিকদের সাহায্য চান। এনকাউন্টার না হলেও এ দিন সকালে ওই ধর্ষকের দেহ রেললাইনে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হল। দেহের একাধিক ট্যাটু দেখেই অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে পুলিশের বিবৃতি ঘিরেও রহস্য তৈরি হয়েছে। ধর্ষকদের সঙ্গে সঙ্গে শাস্তি দেওয়ার নামে এনকাউন্টার বিতর্কে এর আগেও হায়দরাবাদ পুলিশের নাম জড়িয়েছিল।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১
রাজ্য

Threatening to Kill : কুপ্রস্তাবে নারাজ মহিলাকে সপরিবারে খুনের হুমকির অভিযোগ তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে

তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের কুপ্রস্তাবে রাজি হননি মহিলা। তাই ওই মহিলা ও তাঁর স্বামী, সন্তানকে খুনের হুমকি দেওয়া ও মারধরের অভিযোগ উঠলো তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের রায়না ১ ব্লকের পলাশন পঞ্চায়েতের ধারান গ্রামে। এই ঘটনা নিয়ে ওই মহিলা রায়না থানায় অভিযোগ জানালেওকোন কাজ না হওয়ায় বুধবার তিনি জেলার পুলিশ সুপার ও জেলাশাসকের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে অভিযুক্তের শাস্তির দাবি করেছেন। ধারান গ্রামের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য শেখ জাকির হোসেনের এমন কীর্তির কথা জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।রায়নার ধারাণ গ্রামের কামারপাড়ায় বাড়ি ওই মহিলার। লিখিত অভিযোগে এদিন তিনি পুলিশ সুপার ও জেলাশাসককে জানিয়েছেন, তাঁদের গ্রামের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের নাম শেখ জাকির হোসেন। গত ২৫ আগষ্ট দুপুর আড়াইটে নাগাদ পঞ্চায়েত সদস্য মহিলার ফোন নম্বারে ফোন করেন। মহিলার অভিযোগে জানান, তাঁকে ফোন করে পঞ্চায়েত সদস্য খারাপ খারাপ কথা বলে ও কুপ্রস্তাব দেয়। সেই প্রস্তাবে তিনি রাজি হন না। এরপর জাকির হোসেন তাঁকে বলে তিনি রায়নার বিধায়ক শম্পা ধারার কাছের লোক। তার প্রস্তাবে রাজি হলে তিনি তাঁর ছেলের চাকরির ব্যবস্থা করে দেবেন বলেও বলেন। মহিলার অভিযোগ, পঞ্চায়েত সদস্যর কোন প্রস্তাবেই তিনি রাজি হন না। সেই কারণে পঞ্চায়েত সদস্য তাঁকে ও তাঁর স্বামী এবং ছেলেকে প্রাণে মেরেদেবে বলে হুমকি দেয়।পঞ্চায়েত সদস্যের এমন হুমকির বিষয়ে ওই দিনই মহিলা রায়না থানায় শেখ জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। মহিলা বলেন, রায়না থানার পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা তো দূরের কথা শুধুমাত্র একটা জিডি করেই দায় সারে। এমতাবস্থায় গত ৩০ আগষ্ট রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টা নাগাদ একজনকে সঙ্গে নিয়ে জাকির হোসেন তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়। তারা তাঁকে ও তাঁর স্বামীকে মারধর করে। এমনি জাকির হোসেন ওইদিন হুমকি দিয়ে যায় রায়না থানা থেকে অভিযোগ প্রত্যাহার না করলে তাঁকে এবং তাঁর স্বামী ও ছেলেকে তিনি প্রাণে মেরে দেবেন। এমন ঘটনা সবিস্তার পুলিশ সুপারকে জানিয়ে মহিলা তাঁদের গ্রামের তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য শেখ জাকির হোসেনের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।পঞ্চায়েত সদস্য শেখ জাকির হোসেন যদিও তাঁর বিরুদ্ধে মহিলার আনা সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এমন কোন ঘটনার সঙ্গেই তিনি যুক্ত নন। ওই মহিলা ও তাঁর পরিবার বিজেপির সক্রিয়া কর্মী। ২০১১ সালে ধারান গ্রামের এক মহিলা তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় ওই মহিলা ও তাঁর স্বামী জড়িত। জাকির হোসেন দাবি করেন, তাঁর এবং তৃণমূল কংগ্রেসের বদনাম করতে ওই মহিলা উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে এইসব মিথ্যা অভিযোগ আনছেন। এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপত্র দেবু টুডু বলেন, কেউ অন্যায় করে থাকলে পুলিশ আইন মাফিক ব্যবস্থা নেবে। অন্যায়কারী যত বড়ই নেতা হন না কেন দল তাঁর পাশে থাকবে না। যদিও ধারান এলাকার বিজেপি মণ্ডল সভাপতি সুভাষ পাত্র পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন, ওই মহিলা ও তাঁর পরিবারের কেউ বিজেপি পার্টি করেন না। তাঁরা তৃণমূলেরই কর্মী। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে ওরা নিজেরাই এখন একে অপরকে এখন খুনের হুমকি দিচ্ছে। এরপর ওরা হয়তো খুনোখুনি করবে ।এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, মহিলা যে অভিযোগ জানিয়েছেন তার তদন্ত হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে । রায়না থানার পুলিশের এক কর্তা এই বিষয়ে বলেন, ধারান গ্রামের ওই মহিলা কিছুদিন আগে যে অভিযোগ জানিয়ে ছিলেন তার ভিত্তিতে জিডি করা হয়েছে। তার তদন্ত চলছে। পরবর্তী সময়ে মহিলা আর কোনও অভিযোগ থানায় জানাননি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Suvendu Adhikari: 'পিসির পুলিশ ভয় দেখিয়ে দলবদল করিয়েছে তন্ময়কে'

পিসির পুলিশের ভয় দেখিয়ে বদলবদল করানো হয়েছে বিজেপি বিধায়ককে। এমনই অভিযোগ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার কলকাতার একটি হোটেলে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর হাত থেকে তৃণমূলের পতাকা নিয়ে শাসকদলে যোগ দেন বিষ্ণপুরের বিজেপি বিধায়ক তন্ময় ঘোষ। ভোট ঘোষণার পরেই ৫ মার্চ বিজেপি-তে যোগ দেন তন্ময়। ৬ তারিখে তাঁকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয় বিজেপি। সেই তন্ময়ের দলবদল নিয়ে বিরোধী দলনেতা বলেন, আমি তন্ময় ঘোষকে চিঠি দেব। তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান ব্যাখ্যা করার জন্য। আমি জানি তিনি কোনও উত্তর দিতে পারবেন না। তিনি অপেক্ষা করছিলেন। মুকুল রায়ের দলত্যাগ ও পিএসি চেয়ারম্যান পদ নিয়ে যে মামলাটি চলছে তার গতিপ্রকৃতি দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন ভেবেছিলেন। শুভেন্দু আরও বলেন, কিন্তু তিনি তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ এখানকার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা প্রাক্তন মন্ত্রী শ্যামাপদ মুখোপাধ্যায়কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জন্মাষ্টমীর দিন তড়িঘড়ি গিয়ে তিনি যোগ দিয়েছেন কারণ, মুখ্যমন্ত্রীর পুলিশ তাঁকে ভয় দেখিয়েছে তোমাকেও এ বার যেতে হবে। তাই তড়িঘড়ি গিয়ে যোগদান করেছেন।আরও পড়ুনঃ এসসি ইস্টবেঙ্গল ও এটিকে মোহনবাগানের চাপে কেন পিছু হটল আইএফএ? বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, গত ২ মে-র পর থেকে দলের সঙ্গে আর কোনও যোগাযোগ রাখেননি তন্ময়। যোগ দেননি কোনও দলীয় কর্মসূচিতেও। শুভেন্দুর অভিযোগ, রাজ্যের শাসকদল গত ১০ বছরে মুকুল রায়-সহ ৫০ জন বিধায়ককে দলবদল করিয়েছে। যে ভাবে মুকুলের দলত্যাগ নিয়ে বিধানসভার স্পিকারের কাছে অভিযোগ করেছে বিজেপি পরিষদীয় দল, সে ভাবে আগামী সোমবার তন্ময়কে নিয়েও অভিযোগ জানাবেন বলে জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। মুকুলের মতো তন্ময়ের ক্ষেত্রেও অপেক্ষা করতে নারাজ তিনি। সুবিচার না পেলে আদালতে যাওয়ার হুমকিও দিয়েছেন শুভেন্দু। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়ে টিকিট আদায় করে নিয়েছিল বিষ্ণুপুর বিধায়ক তন্ময় ঘোষ। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে তৃণমূল প্রার্থী অর্চিতা বিদকে হারিয়ে বিজেপি বিধায়ক হিসাবে শপথ নিয়েছিল। ৫ মাসের সফর শেষ করে সোমবার ফের তপসিয়ার তৃণমূল ভবনে ব্রাত্য বসুর হাত থেকে ফের তৃণমূলের পতাকা তুলে আনুষ্ঠানিকভাবে ফের তৃণমূলেই ফিরলেন তিনি। তাঁর এই দল বদলে সমালোচনার ঝড় উঠেছে বিষ্ণুপুর শহরজুড়ে। গত পুরসভা নির্বাচনে পুর শহরের ১৬ নম্বর ওয়ার্ড থেকে তৃণমূল প্রার্থী হয়ে নির্বাচন জিতে ওয়ার্ড কাউন্সিলর হন তন্ময় ঘোষ। পরে রাজ্য পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের লিখিত নির্দেশে পুরসভায় প্রশাসক বোর্ড গঠন হওয়ার পর ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর দিব্যেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় হন প্রশাসক বোর্ডের চেয়ারম্যান। একই সঙ্গে অপর ২ কাউন্সিলর তন্ময় ঘোষ ও গৌতম গোস্বামীকে বোর্ড সদস্য করা হয়। ওই অবস্থায় বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট বাজতেই তন্ময় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েই বিষ্ণুপুর কেন্দ্রের প্রার্থী হিসাবে টিকিট আদায় করে নেয় এবং নির্বাচনে জিতে বিধায়ক হন। যদিও বিধায়ক হওয়ার পরে দলীয়ভাবে বিজেপির কোনও কর্মসূচিতে তন্ময় ঘোষকে অংশ নিতে দেখা যায়নি। তখনই শহরের মানুষের মনে সন্দেহ দানা বাধে তন্ময়ের ফের দল বদল নিয়ে। এবং আজ সেটাই সত্যি প্রমাণ করে তাঁর তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন।

আগস্ট ৩০, ২০২১
বিদেশ

Taliban: তালিবান-ত্রাসে কাঁপছে আফগানিস্তান, হুঁশিয়ারি ভারতকেও

তালিবানের কবলে প্রায় চলেই এসেছে কাবুল। শুক্রবার আফগানিস্তানের কান্দাহার, হেরাত-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শহর দখল করার পর কাবুলের দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল তালিবানরা। আফগানিস্তানের পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। দেশের প্রায় ৯০ শতাংশই দখল করে নিয়েছে তালিবানিরা। শুরু হয়েছে নিরাপরাধদের উপর অত্যাচারও। বাড়ি বাড়ি গিয়ে মেয়েদের প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে জঙ্গিদের সঙ্গে বিয়ে করতে বা তাদের যৌনদাসী হয়ে থাকতে। এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশের তরফে তাদের প্রতিনিধিদেরও ফেরানোর কাজ শুরু হয়েছে।এদিকে, আফগানিস্তানকে সাহায্য করলে ভারতকেও ফল ভুগতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে তালিবানে তরফে। কাতারের রাজধানী দোহা থেকে সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তালিবানের মুখপাত্র সুহেল শাহিন বলেন, যদি আফগানিস্তানে সেনা নিয়ে আসে ভারত, তাহলে আমার মনে হয় এটা তাদের জন্য ভাল হবে না। আফগানিস্তানে অন্য দেশগুলির সেনাবাহিনীর কী অবস্থা হয়েছে তা তারা দেখেছে। তাই এই পরিস্থিতি তাদের জন্য খোলা বইয়ের মতো।আরও পড়ুনঃ শুরুতে ধাক্কা সিরাজের, লর্ডসে অ্যাডভান্টেজ ভারতআমেরিকার তরফে জানানো হয়েছে, তাদের প্রায় কয়েক হাজার নাগরিককে বিমানে করে উদ্ধার করে আনার পরিকল্পনা চলছে। আমেরিকার তরফে তিন হাজার সেনা পাঠানো হচ্ছে কাবুলে মার্কিন দূতাবাসে আটকে থাকা আধিকারিকদের উদ্ধারের জন্য। অন্যদিকে, ব্রিটেনের তরফেও ৬০০ সৈন্য পাঠানো হচ্ছে ব্রিটিশ নাগরিকদের উদ্ধারের জন্য। গতকালই কাবুলের বিমানবন্দরে এসে পৌঁছয় মার্কিন বিমান। আজই উদ্ধারকার্য শেষ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও জানিয়েছেন, আফগানিস্তানকে সবরকমভাবে সমর্থন জানানো হলেও বাইরে থেকে দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি শোধরানো নিয়ে বিশেষ কিছু করা সম্ভব নয়। শুক্রবার লোগহার প্রদেশের রাজধানী পুল-ই-আলম শহরও দখল করে নেয় তালিবানরা, যা কাবুল থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। খইরদ্দিন লোগারি শহরের বাসিন্দারাও বুঝতে পারছেন না যে তারা তালিবানদের দখলে চলে গিয়েছেন কিনা। গতকালই কান্দাহারের বাসিন্দারা জানিয়েছিলেন আফগান সেনাদের শহর ছেড়ে বেরিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে। তালিবানের তরফেও জানানো হয়, কান্দাহার সম্পূর্ণরূপে দখল করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ৩১ অগস্ট পর্যন্ত নয়া নির্দেশিকা জারি করল নবান্নএদিকে, গতকালই খবর মেলে কান্দাহার, হেরাতের মতো আফগানিস্তানের বড় বড় শহর দখল নিয়েছে তালিবানিরা। একটি সাক্ষাৎকারে তালিবান মুখপাত্র মুহাম্মদ সোহেল শাহিন বলেন, তালিবানরা আফগানিস্তানের ৯০ শতাংশই দখল করে নিয়েছে। দানিশের মৃত্যু প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমাদের সেনার হাতে ওনার মৃত্যু হয়েছে, এ কথা বলতে পারেন না। উনি আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি কেন? আমরা বহুবারই ঘোষণা করেছিলাম যে সাংবাদিকরা আমাদের এলাকায় এলে তারা যেন সেই বিষয়ে আমাদের অবগত করেন। আমরা তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করব। কিন্তু দানিশ কাবুলের নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে ছিল। কে পুলিশ, কে সেনা আর কে সাংবাদিক, কোনও ফারাকই বোঝা যাচ্ছিল না। দুই পক্ষের গুলির লড়াইয়ের মাঝে তাঁর মৃত্যু হয়, সুতরাং কার গুলি লেগে মৃত্যু হয়েছে, এ কথা বলা সম্ভব নয়।

আগস্ট ১৪, ২০২১
রাজ্য

Boikanthapur GP: পঞ্চায়েত অফিসে ঢুকে প্রধানকে শাসানোর অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে

পঞ্চায়েতে অফিসে ঢুকে মহিলা পঞ্চায়েত প্রধানকে শাসানোর অভিযোগ উঠল খোদ অঞ্চল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের বৈকন্ঠপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে।এদিনই সন্ধায় অঞ্চল তৃণমূল নেতা মোজাম্বেল শাহের বিরুদ্ধে বর্ধমান থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রধান শর্মিলা মালিক। এই ঘটনা শোরগোল ফেলে দিয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।আরও পড়ুনঃ নীরজ চোপড়ার ইনস্টাগ্রামে অনুগামীর সংখ্যা দেখলে অবাক হবেন, সংখ্যাটা কত?পুলিশের কাছে দায়ের করা অভিযোগে প্রধান শর্মিলা মালিক জানিয়েছেন, এদিন বৈকন্ঠপুর ২ অঞ্চলের হাটশিমুল গ্রামের কিছু সমস্যা নিয়ে তিনি সেখানকার কয়েকজনের সঙ্গে পঞ্চায়েত অফিসে আলোচনা করছিলেন। ওই সময়ে দুই জনকে সঙ্গে নিয়ে মোজাম্মেল শাহ পঞ্চায়েত অফিস রুমে ঢুকে তাঁকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এমনকি তাঁকে পঞ্চায়েত থেকে বের করে দেবে বলে রীতিমত শাসায়। পঞ্চায়েত কর্মীরা অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা মোজাম্মেল সাহকে এরপর পঞ্চায়েত থেকে বের করে দেয়। পঞ্চায়েত প্রধান শর্মিলা মালিক বলেন, তৃণমূল নেতা মোজাম্মেল শাহর এমন হুমকি শাসানির করণে তিনি নিরাপত্তার অভাব বোধ করে বর্ধমান থানায় মোজাম্মেল সাহ-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। পঞ্চায়েত প্রধান এদিন আরও বলেন, বিধানসভা ভোটের আগে পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সহ বেশ কয়েকজন সদস্য ও সদস্যা তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছিল। কিন্তু তাতে তাঁরা সফল হয়নি। সেই থেকে তাঁরা পঞ্চায়েতের কোনও মিটিংয়ে আসছেন না। ফলে এলাকার উন্নয়নের কাজও বিঘ্নিত হচ্ছে। এমন অবস্থা তৈরি হওয়ার জন্য মোজাম্মেল শাহ তাঁকে দায়ী করে হামেশাই শাসায়। এমনকী প্রতিদিনই সোশাল মিডিয়ায় তাঁকে উদ্দশ্য করে ওই তৃণমূল নেতা আক্রমণ করে চলেছেন বলেও প্রধান শর্মিলা মালিকের অভিযোগ।আরও পড়ুনঃ বিশ্ব আদিবাসী দিবসে দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র পেলেন জামালপুরের আদিবাসীরাপঞ্চায়েত প্রধান এমন অভিযোগ করলেও তৃণমূল নেতা মোজাম্মেল শাহ তা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমি একজন সাধারন মানুষ হিসাবে জানতে গিয়েছিলাম কেন এলাকায় উন্নয়নের কাজ হচ্ছে না। উল্টে প্রধান মেজাজ হারিয়ে তার টেবিলে থাকা কাগজপত্র ফেলে দেন। পঞ্চায়েতে যদি সদস্যদের অনুপস্থিতির জন্য উন্নয়নের কাজ না হয় তাহলে তার নৈতিক দ্বায়িত্ব নিয়ে প্রধানের নিজের পদ থেকে সরে যাওয়া উচিত বলে মোজাম্বেল শাহ দাবী করেছেন। এই বিষয়ে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, কি ঘটেছে তা জানা নেই। তবে দলের উর্ধ্বে উঠে কেউ নিজের মতো করে কিছু দাবী করতে পারে না। সমস্যা বা অভিযোগ থাকতেই পারে। সেই ক্ষেত্রে দলীয় নেতৃত্বকে জানাতে হবে। এটাই আমাদের দলের নিয়ম। ঘটনার বিষয়ে বিজেপির জেলা নেতা কল্লোল নন্দন কটাক্ষ করে বলেন, ভাগ বাটোয়ারা নিয়েই ওনাদের অশান্তি বলে শুনেছি।

আগস্ট ১০, ২০২১
দেশ

Mumbai: বিগ বি-র বাড়িতে বোমা! মুম্বইয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য

উড়ো ফোন মুম্বইজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য। বিগ বি-র বাড়িতে রাখা রয়েছে বোমা। এছাড়াও মুম্বইয়ের তিন জনবহুল রেলস্টেশনেও কিছুক্ষণের মধ্যেই বিস্ফোরণ হতে চলেছে। কন্ট্রোল রুমে এই ফোন আসতেই চাঞ্চল্য ছড়াল মুম্বই জুড়ে। ইতিমধ্যেই রেল স্টেশন ও অমিতাভ বচ্চনের বাড়িতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।আরও পড়ুনঃ প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থেকে চালকের আসনে ভারতশুক্রবার রাতে মুম্বই পুলিশের মেইন কন্ট্রোল রুমে একটি উড়ো ফোন আসে। সেখানে এক ব্যক্তি জানান, বলিউড অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনের বাড়িতে ও মুম্বইয়ের তিনটি স্টেশনে বোমা রাখা হয়েছে। তাড়াতাড়ি না পৌঁছলে বিস্ফোরণে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারাবে। এই খবর পেতেই উল্লেখিত স্থানগুলিতে পৌঁছয় পুলিশ, জিআরপি ও বম্ব স্কোয়াড। যদিও সেখানে গিয়ে কিছুই পাওয়া যায়নি। ভুয়ো বোমাতঙ্ক ছড়ানো হয়েছিল। জুহুতে অমিতাভ বচ্চনের বাড়ি ছাড়াও মুম্বইয়ের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস, বাইকুল্লা ও দাদার রেল স্টেশনে বোমা রাখা আছে বলে দাবি করেন অজ্ঞাত পরিচয় ওই ব্যক্তি। সন্দেহজনক কোনও বস্তু না মিললেও প্রতিটি জায়গাই জনবহুল হওয়ায় নিরাপত্তা আরও আঁটোসাটো করা হয়েছে। ভুয়ো ফোন করেছিলেন যে ব্যক্তি, তাঁর মোবাইলের লোকেশন ট্রাক করে খোঁজ চালানো হচ্ছে।

আগস্ট ০৭, ২০২১
রাজ্য

Suvendu Adhikari: পুলিশ সুপারকে কাশ্মীরে বদলির হুমকি শুভেন্দুর

বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির হারের কারণ আত্মতুষ্টি। একদিন আগেই এমন মন্তব্য করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর ঠিক একদিন পরেই পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি। প্রকাশ্য সভা থেকে পুলিশের উদ্দেশে হুমকি দিয়ে জানালেন, তৃণমূলের কথা শুনলে কাশ্মীরে স্থানান্তর হতে পারেন। সোমবার পূর্ব মেদিনীপুরের সদর তমলুকে পুলিশ সুপারের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। শুভেন্দু বলেন, তৃণমূলের কথা শুনে ভুল কাজ করায় রাজীব কুমারের মতো অনেক অফিসারকে বিপদে পড়তে হয়েছে। তাই ঠিক মতো কাজ করুন।আরও পড়ুনঃ ক্যাডবেরি নিয়ে উত্তাল নেটমাধ্যম, উত্তর দিল সংস্থাবিজেপি কর্মীদের উপর মিথ্যা মামলা চাপানোর অভিযোগ তুলে সরব হন বিরোধী দলনেতা। সোমবার তাঁর নিশানায় ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার। নাম না করে এসপি-র উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, এখানে একটি বাচ্চা ছেলে এসপি হয়ে এসেছেন। আমি তাঁকে বলতে চাই আপনি কেন্দ্রীয় সরকারের অফিসার। এমন কাজ করবেন না যাতে কাশ্মীরের অনন্তনাগ বা বারমুলায় গিয়ে ডিউটি করতে হয়। তিনি আরও বলেন, ভাইপোর অফিস থেকে যাঁরা ফোন করেন তাঁদের প্রত্যেকের কল রেকর্ড আমার কাছে রয়েছে। তাই সতর্ক হন। আপনাদের কাছে যদি রাজ্য সরকার থাকে, তবে আমাদের হাতে রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।যে সব পুলিশ অফিসাররা মিথ্যা মামলা করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা ও সিবিআই তদন্ত করা হবে বলেও সোমবার জানান শুভেন্দু। ওই প্রসঙ্গে নন্দীগ্রাম ঘটনার কথাও তিনি তুলে আনেন।

জুলাই ১৯, ২০২১
রাজ্য

Hijbul Mujahidin: হিজবুল মুজাহিদিনের নামে হুমকির সিডি রায়গঞ্জে, হুঙ্কার প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে

কলকাতায় জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে কয়েকজনের গ্রেফতারের পর এবার জঙ্গি সংগঠনের নামে উড়ো সিডি মিলল রায়গঞ্জে উত্তর দিনাজপুর প্রেস ক্লাবে। ওই সিডিতে প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে হুঙ্কার ছেড়েছেন হিজবুল মুজাহিদিনের বেঙ্গল কমান্ডার তৌসিফ আলি। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জেলাজুড়ে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে জেলা তৃণমূল কংগ্রেস।আপার প্রাইমারিতে শিক্ষক নিয়োগের বাতিলের তালিকায় প্র্যতেককে চাকরি দেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হয়েছে ওই সিডিতে। নাহলে পরিণতি যে ভয়ঙ্কর হবে তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ভিডিও বার্তায়। স্বঘোষিত জঙ্গির হুঙ্কার, যাঁরা চকরি পাবেন বা পেয়েছেন তাঁদের প্রত্যেককে হত্যা করা হবে। এর জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দায়ী থাকবেন বলেও বলা হয়েছে। ২৪ ঘন্টার মধ্যে বিবৃতি দিতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে।শনিবার রায়গঞ্জের উত্তর দিনাজপুর প্রেস ক্লাবের বারান্দায় একটি প্লাস্টিকের কভারে মোড়া একটি সিডি পড়ে থাকতে দেখেন প্রেস ক্লাবের সদস্যরা। সিডির প্লাস্টিকের ওপর সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে লেখা ছিল এই সিডি পাওয়া মাত্রই লাইভ টেলিকাস্ট করতে হবে। সমস্ত নিউজ চ্যানেলকে দেখান চাই। নয়ত হিংসার শিকার হবেন। সিডি পাওয়ার পর কৌতুহল বশত তাঁরা সিডিটি চালিয়ে দেখেন, সেখানে হিজবুল মুজাহিদিন সংগঠনের পক্ষে তৌসিফ আলি নামে একজন বক্তব্য রাখছেন। যিনি নিজেকে হিজবুল মুজাহিদিনের বেঙ্গল ডিভিশনের কমান্ডার বলে দাবি করেছেন। সেখানে তৌসিফ আলি হুমকি, রাজ্যে যে আপার প্রাইমারীর নিয়োগ চলছে সেখানে বাতিলের তালিকায় রয়েছে ৯৩২৬ জন। এর মধ্যে তার এক আপন ভাই ছাড়াও রয়েছে ৬ আত্মীয়। তারা চাকরি না পেয়ে আত্মহত্যা করতে চাইছে। বাতিলের তালিকায় যারা রয়েছেন তাদের প্রত্যেককে নিয়োগ করতে হবে। চাকরি প্রাপকদের খুনের হুমকিও দিয়েছে সে।হিজবুল মুজাহিদিনের নামে এই উড়ো সিডিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রায়গঞ্জ শহর জুড়ে। সৃষ্টি হয়েছে আতঙ্কের পরিবেশ। উত্তর দিনাজপুর প্রেস ক্লাবে সিডি পাওয়ার পরই সাংবাদিকদের তরফ থেকে জেলার পুলিশ সুপার সুমিত কুমারসহ রায়গঞ্জ পুলিশকে জানানো হয়। খবর পাওয়া মাত্রই রায়গঞ্জ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী প্রেস ক্লাবে এসে পৌঁছায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। হিজবুল মুজাহিদিনের এই হুমকি ভিডিও বার্তার তীব্র নিন্দা করেছেন উত্তর দিনাজপুর তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কানাইয়ালাল আগরওয়াল। তিনি বলেছেন, ঘটনার পুর্নাঙ্গ তদন্ত করে দেখার আবেদন জানানো হয়েছে পুলিশকে। জেলা পুলিশ জানিয়েছে, তাঁরা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

জুলাই ১৭, ২০২১
কলকাতা

Baishakhi-Sovon: রত্নার বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগে থানায় বৈশাখী

এবার শোভন চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় (Baishakhi Banerjee)। তাঁর অভিযোগ, প্রকাশ্যেই হুমকি দিচ্ছেন রত্না। মারধরের কথা বলছেন। এর আগেও খুনের চক্রান্ত হয়েছে। তাই তিনি আতঙ্কিত। এই হুমকি নিয়েই রত্না চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কলকাতার পুলিশ কমিশনারের সৌমেন মিত্রের কাছে অভিযোগ দায়ের করলেন বৈশাখীদেবী। বৈশাখীর বিরুদ্ধে পালটা সরব হয়েছেন রত্নাও। তাঁর আশঙ্কা, সম্পত্তি লিখিয়ে নেওয়ার পর শোভন চট্টোপাধ্যায়কে মেরে ফেলা হতে পারে। স্বামীর প্রাণ বাঁচাতে পুলিশের কাছে যাবেন তিনি। যদিও এই আশঙ্কা অমূলক বলে দাবি বৈশাখীর।বুধবারই নিজের সম্পত্তি বন্ধু বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে লিখে দেন শোভনবাবু। এর পর সংবাদমাধ্যমে তাঁর স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায় স্বামী ও স্বামীর বান্ধবী বৈশাখীকে হুমকি দেন বলে অভিযোগ। বৈশাখীর কথায়, রত্না প্রভাবশালী বিধায়ক। প্রকাশ্যেই আমাকে এবং আমার স্বামীকে ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে পেটানোর কথা বলছেন। আমি ভয় পাচ্ছি। আমি তো সাধারণ মানুষ। ভয় করছে। আমাকে প্রাণে মারা হতে পারে। এমনকী, শোভনবাবুর জন্মদিনে বিষ মেশানো কেক খাওয়ানোর পরিকল্পনাও করেছিল রত্না। ওই কেক পাঠিয়ে শোভনবাবুর হাত দিয়ে আমাকে খাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। যাতে কেক খেয়ে আমার মৃত্যু হয়। আর সেই দায়ে শোভনবাবুর জেল হয়। এ নিয়ে আমি তৎকালীন পুলিশ কমিশনারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলাম। বৈশাখীর বিস্ফোরক অভিযোগ, ভোটপ্রচারে বেরিয়েছিলাম যখন তখনও আমাকে এবং শোভনবাবুর উপর হামলা করা হয়েছিল। পরে জানতে পেরেছিলাম রত্না ওই হামলা করিয়েছিল। হাসপাতালেও তো আমার উপর হামলার চেষ্টা করেছে।

জুন ১৭, ২০২১
রাজ্য

বিজেপিকে ভোট না দিলে লাঠিপেটার নিদান কেন্দ্রীয় বাহিনীর!

রাজ্যের ভোটপ্রক্রিয়ার শুরু থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার সেই অভিযোগ শোনা গেল সাধারণ ভোটারদের মুখে। মুর্শিদাবাদের সুতির ১৬৮ নম্বর বুথের ভোটারদের অভিযোগ, তাঁদের বিজেপিতে ভোট দিতে বলছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। নাহলে মারধর করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।মুর্শিদাবাদের যে কয়েকটি আসনে বিজেপি জয়ের স্বপ্ন দেখছে সুতি তার মধ্যে অন্যতম। এই কেন্দ্রে লড়াই কংগ্রেস, তৃণমূল, কং এবং তৃণমূলের বিক্ষুব্ধদের সমর্থিত নির্দল প্রার্থী এবং বিজেপির। গতবারের বিধায়ক হুমায়ুন রেজা, তৃণমূলের ইমানি বিশ্বাস এবং নির্দল মইদুল ইসলামদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আছেন বিজেপির তরুণ মুখ কৌশিক দাসকে। সুতির ১৬৮ নম্বর বুথের ভোটাররা প্রকাশ্যেই অভিযোগ করছেন, টহলদারির সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁদের শাসিয়ে গিয়েছে। বাড়িতে বাড়িতে ঢুকে হুমকি দিয়ে গিয়েছেন বিজেপিকে ভোট না দিলে লাঠিপেটা করা হবে। আতঙ্কে এলাকাবাসীর একটা বড় অংশ ভোট দিতে যেতে ভয় পাচ্ছেন। এদের মধ্যে তৃণমূল সমর্থক যেমন রয়েছেন, তেমনই সাধারণ ভোটারও রয়েছেন।এদিকে, ভোটের দিন সকালেই বিজেপি প্রার্থীকে এলাকায় ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।বিজেপি প্রার্থী মসুহারা খাতুনকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভও দেখানো হয়। যদিও তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে সার্বিকভাবে ভোটের দিন সকাল থেকেই উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের রানিনগর বিধানসভা। এদিন সকালেই বেশ কয়েকটি বুথে কংগ্রেস এজেন্টদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এদিন সকালে ওই বিধানসভা কেন্দ্রে বোমাবাজি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।মুর্শিদাবাদের অন্যান্য প্রান্তেও বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর মিলেছে। রানিগঞ্জের পানিপিয়ায় বোমার আঘাতে এক কংগ্রেস সমর্থক আহত হয়েছেন বলে খবর। রঘুনাথগঞ্জেও গতকাল রাতে বোমাবাজি করা হয়েছে। সবক্ষেত্রেই অভিযুক্ত শাসকদল। তবে, তাঁরা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
রাজ্য

বিজেপিকে ভোট না দিলে লাঠিপেটার নিদান কেন্দ্রীয় বাহিনীর!

রাজ্যের ভোটপ্রক্রিয়ার শুরু থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার সেই অভিযোগ শোনা গেল সাধারণ ভোটারদের মুখে। মুর্শিদাবাদের সুতির ১৬৮ নম্বর বুথের ভোটারদের অভিযোগ, তাঁদের বিজেপিতে ভোট দিতে বলছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। নাহলে মারধর করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।মুর্শিদাবাদের যে কয়েকটি আসনে বিজেপি জয়ের স্বপ্ন দেখছে সুতি তার মধ্যে অন্যতম। এই কেন্দ্রে লড়াই কংগ্রেস, তৃণমূল, কং এবং তৃণমূলের বিক্ষুব্ধদের সমর্থিত নির্দল প্রার্থী এবং বিজেপির। গতবারের বিধায়ক হুমায়ুন রেজা, তৃণমূলের ইমানি বিশ্বাস এবং নির্দল মইদুল ইসলামদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আছেন বিজেপির তরুণ মুখ কৌশিক দাসকে। সুতির ১৬৮ নম্বর বুথের ভোটাররা প্রকাশ্যেই অভিযোগ করছেন, টহলদারির সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁদের শাসিয়ে গিয়েছে। বাড়িতে বাড়িতে ঢুকে হুমকি দিয়ে গিয়েছেন বিজেপিকে ভোট না দিলে লাঠিপেটা করা হবে। আতঙ্কে এলাকাবাসীর একটা বড় অংশ ভোট দিতে যেতে ভয় পাচ্ছেন। এদের মধ্যে তৃণমূল সমর্থক যেমন রয়েছেন, তেমনই সাধারণ ভোটারও রয়েছেন।এদিকে, ভোটের দিন সকালেই বিজেপি প্রার্থীকে এলাকায় ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।বিজেপি প্রার্থী মসুহারা খাতুনকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভও দেখানো হয়। যদিও তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে সার্বিকভাবে ভোটের দিন সকাল থেকেই উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের রানিনগর বিধানসভা। এদিন সকালেই বেশ কয়েকটি বুথে কংগ্রেস এজেন্টদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এদিন সকালে ওই বিধানসভা কেন্দ্রে বোমাবাজি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।মুর্শিদাবাদের অন্যান্য প্রান্তেও বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর মিলেছে। রানিগঞ্জের পানিপিয়ায় বোমার আঘাতে এক কংগ্রেস সমর্থক আহত হয়েছেন বলে খবর। রঘুনাথগঞ্জেও গতকাল রাতে বোমাবাজি করা হয়েছে। সবক্ষেত্রেই অভিযুক্ত শাসকদল। তবে, তাঁরা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
দেশ

অমিত শাহ, যোগী আদিত্যনাথকে খুনের হুমকি

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে খুনের হুমকি দিয়ে ইমেল এল সিআরপিএফ-এর দপ্তরে। কয়েক দিন আগে এই ইমেল এলেও মঙ্গলবার সিআরপিএফ এই মেলের বিষয়ে সকলকে জানিয়েছে। দেশের দুই হেভিওয়েট নেতাকে এভাবে প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবেই উদ্বিগ্ন প্রশাসন।জানা গিয়েছে, কেবল যোগী ও অমিত শাহকে খুনের হুমকিই নয়, সেই সঙ্গে দেশজুড়ে ধর্মীয় স্থান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতেও ধারবাহিক হামলার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই মেলে। এছাড়া দুই নেতাকে হত্যার হুমকি প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, ১১ জন সুইসাইড বম্বার প্রস্তুত রয়েছে ওই হামলা চালানোর জন্য। এই মেল পাওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে তৎপরতা৷ বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা৷ সেই সঙ্গে কারা এই মেল পাঠাল, তার খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি৷ খতিয়ে দেখা হচ্ছে কোথা থেকে এসেছে সেটি।প্রসঙ্গত, এর আগেও যোগী আদিত্যনাথকে খুনের হুমকি দিয়ে মেসেজ এসেছিল। উত্তরপ্রদেশের ১১২ হেল্প ডেস্কের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে আসা সেই মেসেজে বলা হয়েছিল, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একে-৪৭ দিয়ে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হবে যোগীকে। সরাসরি হুমকি দিয়ে বলা হয়েছিল, ক্ষমতা থাকলে আমাকে খুঁজে বের করো। তারও আগে গত বছরের ২১ নভেম্বর ওই নম্বরেই আদিত্যনাথকে খুনের হুমকি বার্তা এসেছিল। তবে সেক্ষেত্রে অভিযুক্তের সন্ধান মিলেছিল। আগ্রা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। জানা গিয়েছিল, অভিযুক্ত একজন নাবালক।এবারের জোড়া হুমকি বার্তায় সতর্ক সিআরপিএফ। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলিকে তাদের তরফে এই মেল সম্পর্কে জানানো হয়েছে।

এপ্রিল ০৭, ২০২১
রাজ্য

মনোনয়ন দিতে বাধা, কার্যালয়ে আত্মহত্যার হুমকি বিজেপি প্রার্থীর!

শ্লীলতাহানির মামলা চলায় গলসির বিজেপি প্রার্থীকে নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়াতে বলেছিলেন দলের স্থানীয় নেতারা। কিন্তু তা মানতে নারাজ প্রার্থী। জোর করে ভোটের ময়দান থেকে সরানো হলে আত্মহত্যা করবেন বলে হুমকি দিলেন তিনি। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই চাপানউতোর তৈরি হয়েছে। অস্বস্তিতে পড়েছে দল।১৭ মার্চ বিজেপির তরফে পূর্ব বর্ধমানের গলসি বিধানসভা আসনের প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয় তপন বাগদির। স্বাভাবিকভাবেই এরপর পুরোদমে ভোটপ্রচারে নামেন তিনি। বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রত্যেকের সঙ্গে কথা বলেন। জানা গিয়েছে, এই পরিস্থিতিতে গতকাল অর্থাৎ ২৬ মার্চ তপন বাগদিকে ডেকে পাঠান পূর্ব বর্ধমানের বিজেপির জেলা সভাপতি ও বর্ধমান-দুর্গাপুরের বিজেপি সাংসদ সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া। তাঁর নামে শ্লীলতাহানির মামলা থাকায় তপনকে প্রার্থীপদ থেকে সরে যাওয়ার কথা বলেন জেলা সভাপতি। কিন্তু তা মানতে নারাজ প্রার্থী। তাঁর কথায়, বহু প্রার্থীর বিরুদ্ধে নানারকম অভিযোগ রয়েছে। অনেকের বিরুদ্ধে মামলাও চলছে। তাঁরা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারছে। আমি কেন পারব না।এই ঘটনার জেরেই আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন তপন। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় নেতারা ঠিক মনে করেছেন বলেই আমার উপর দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি ইতিমধ্যেই এবিষয়ে রাজ্যের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছি। কেন্দ্রকে চিঠিও পাঠিয়েছি। ২৯ মার্চ মনোনয়ন জমা দেব। ওই দিন যদি কোনও বাধা দেওয়া হয় বা শেষ পর্যন্ত আমাকে সরে যেতে বাধ্য করা হয় তবে জেলা কার্যালয়ে আত্মহত্যা করব।

মার্চ ২৮, ২০২১
কলকাতা

সুদ সমেত ফেরত দেওয়ার হুমকি দিলীপের

বৃহস্পতিবার ডায়মন্ড হারবারে যাওয়ার পথে দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার শিরাকোলে বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার কনভয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে৷ তার পরেই ফেসবুকে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের হুমকির সুর৷ ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, আমি বলছি পেটান, ততটাই পেটান যতটা পড়ে সহ্য করতে পারবেন৷ লাল ডায়েরিতে সব লিখে রাখছি৷ আরও পড়ুন ঃ আগুন নিয়ে খেলবেন না , মমতাকে হুশিয়ারি ধনকড়ের সুদ সমেত ফেরত দেব আমরা৷ বদল হবে, বদলাও হবে। পরে যতটা সহ্য করতে পারবেন, ততটাই মারুন৷ সব সুদ সমেত ফেরত দেব। সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্দেশে এমনই হুমকি দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷ ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন, লাল ডায়েরিতে তিনি সব লিখে রাখছেন৷ যদিও দিলীপের এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ৷ তাঁর অভিযোগ, সরাসরি হুমকি দিচ্ছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি৷

ডিসেম্বর ১১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘ব্রাহ্মণদের উপরে মূত্রত্যাগ করি’, মন্তব্যের জের! এবার আদালতের কড়া পদক্ষেপের মুখে অনুরাগ

ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে আগেই সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ। সেই মন্তব্যের জেরে দায়ের হওয়া মামলায় এ বার তাঁর বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য পরোয়ানা জারি করল গুজরাটের সুরাট আদালত। অভিযোগ, একাধিক বার সমন পাঠানো হলেও আদালতে হাজির হননি পরিচালক। আগামী ২৪ ডিসেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।বিতর্কের সূত্রপাত অনন্ত মহাদেবনের ছবি ফুলেকে ঘিরে। জ্যোতিরাও ফুলের জীবন অবলম্বনে তৈরি এই ছবির বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়কে অসম্মান করার অভিযোগ উঠেছিল। ছবিটি নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই সমাজমাধ্যমে পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ একটি পোস্ট করেন। এক নেটব্যবহারকারী তাঁর মন্তব্যের সমালোচনা করলে পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে ব্রাহ্মণদের সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেন অনুরাগ। তাঁর সেই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক।এরপর অনুরাগের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন আইনজীবী তথা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা কমলেশ রাভাল। তিনি নিজেও ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের মানুষ। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে সুরাট আদালতে অনুরাগের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৯৬, ৩৫২ এবং ৩৫৩(২) ধারায় মামলা হয়। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা ছড়ানো, শান্তিভঙ্গের উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত অপমান এবং মিথ্যা তথ্য প্রচার।অভিযোগকারীর দাবি, অনুরাগের মন্তব্য বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ ও শত্রুতা তৈরি করতে পারে। একজন চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে তাঁর বক্তব্য সাধারণ মানুষের উপর প্রভাব ফেলতে পারে বলেও আদালতে দাবি করেন কমলেশ। তাঁর আরও অভিযোগ, একাধিক বার সমন পাঠানো হলেও আদালতে হাজির হননি অনুরাগ। এমনকি সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেও তাঁকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাতেও তিনি আদালতে আসেননি বলে অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতে সুরাটের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট জে ভি চৌহান অনুরাগ কাশ্যপের বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন। আগামী ২৪ ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।বিতর্কের পর অবশ্য নিজের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়েছিলেন অনুরাগ। তিনি জানিয়েছিলেন, রাগের মাথায় এক ব্যক্তিকে জবাব দিতে গিয়ে পুরো ব্রাহ্মণ সম্প্রদায় সম্পর্কে আপত্তিকর কথা বলে ফেলেছিলেন। তাঁর মন্তব্যে নিজের পরিবারের সদস্য, পরিচিতজন এবং বহু বুদ্ধিজীবী কষ্ট পেয়েছেন বলেও স্বীকার করেন পরিচালক। তিনি বলেন, নিজের শব্দচয়নের জন্য অনুতপ্ত এবং মন থেকে সকলের কাছে ক্ষমা চাইছেন।কমলেশ রাভালের অভিযোগ, জ্যোতিরাও ফুলের জীবনীচিত্র ফুলে-এর ট্রেলার প্রকাশের পর ছবিটি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল অল ইন্ডিয়া ব্রাহ্মণ সমাজ। সেই সময় অনুরাগের সমাজমাধ্যমের পোস্ট বিতর্ক আরও বাড়িয়ে দেয়। তাঁর দাবি, এই ধরনের মন্তব্য সমাজের পক্ষে ক্ষতিকর। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই আইনি পদক্ষেপ করা হয়েছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

অরিজিৎ-এড শিরানের যুগলবন্দিতে ঝড়! ‘তু মিল যায়ে’র সাফল্যে শাহরুখের বিশেষ বার্তা

শাহরুখ খানের জন্মদিন উপলক্ষে ২ নভেম্বর মধ্যরাতে প্রকাশ্যে এসেছে তাঁর আগামী ছবি কিং-এর নতুন গান তু মিল যায়ে। গানটিতে শাহরুখ ও দীপিকার রোম্যান্সের পাশাপাশি শ্রোতাদের নজর কেড়েছে অরিজিৎ সিং ও ব্রিটিশ গায়ক এড শিরানের যুগলবন্দি। প্রকাশের মাত্র এক দিনেই গানটি ৬ কোটি বার দেখা হয়েছে বলে দাবি। এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত শাহরুখ নিজেও। এ বার গানটি নিয়ে মুখ খুললেন বলিউডের বাদশা।এক দিকে অরিজিৎ সিংয়ের কণ্ঠ, অন্য দিকে এড শিরানের গলায় হিন্দি গান। দুই জনপ্রিয় গায়কের এই যুগলবন্দি নিয়ে ইতিমধ্যেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন অনুরাগীরা। তাঁদের অনেকের মতে, শাহরুখের জনপ্রিয়তার কারণেই এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সম্ভব হয়েছে। তবে গানটির সাফল্যের কৃতিত্ব এড শিরানকেই দিয়েছেন অভিনেতা।মঙ্গলবার এড শিরানের একটি গানের মহড়ার ভিডিয়ো ভাগ করে নেন শাহরুখ। সেখানে ব্রিটিশ গায়ককে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি লেখেন, এই গানের জন্য তাঁকে শুধু ধন্যবাদ জানালেও যথেষ্ট হবে না। বিশেষ করে গানের হিন্দি অংশের জন্য তাঁর প্রতি ভালোবাসাও প্রকাশ করেন শাহরুখ।অন্য দিকে, গানটির সাফল্যের কৃতিত্ব একা নিতে চাননি এড শিরানও। অরিজিৎ সিংয়ের সঙ্গে কাজ করতে পেরে খুশি তিনি। কিং ছবির গানটির হাত ধরেই বলিউডের সঙ্গীতজগতে পা রাখলেন এই ব্রিটিশ গায়ক।এড শিরান জানিয়েছেন, মন্নতে শাহরুখের সঙ্গে প্রথম দেখা হওয়ার সময়ই অভিনেতা তাঁকে নিজের আগামী ছবির জন্য একটি গান তৈরি করার অনুরোধ করেছিলেন। সেই গানই পরে তু মিল যায়ে হয়ে ওঠে। এডের কথায়, কয়েক বছর ধরে শাহরুখের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছে। শাহরুখ তাঁর পছন্দের মানুষদের অন্যতম।শেষ বার ভারতে এসে এড শিরান অরিজিৎ সিংয়ের সঙ্গে স্যাফায়ার গানের ভিডিয়োয় শাহরুখকে একটি ছোট চরিত্রে অভিনয়ের অনুরোধ জানাতে মন্নতে গিয়েছিলেন। সেই সময় শাহরুখই তাঁর সঙ্গে সঙ্গীত পরিচালক শচীন-জিগারের পরিচয় করিয়ে দেন। এড জানিয়েছেন, সেই রাতেই কিং ছবির তু মিল যায়ে গানের নিজের অংশের কথা লেখেন এবং তা রেকর্ড করেন।গানটিতে অরিজিৎ সিংয়ের সঙ্গে কণ্ঠ মেলাতে পেরে খুশি এড শিরানও। তাঁর কথায়, তাঁর প্রিয় মানুষদের একসঙ্গে একটি কাজে যুক্ত হতে দেখে খুব ভালো লাগছে। অন্য দিকে, গানটিতে দীপিকার অংশে কণ্ঠ দিয়েছেন মধুমন্তী বাগচী। শাহরুখ ও দীপিকার রসায়ন, অরিজিৎ ও এড শিরানের কণ্ঠ সব মিলিয়ে তু মিল যায়ে ঘিরে অনুরাগীদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
দেশ

খসড়া ভোটার তালিকায় নাম নেই? পুরনো ভোটাররাও জমা দিতে পারবেন ফর্ম ৬, বড় ঘোষণা কমিশনের

এসআইআরের খসড়া ভোটার তালিকায় নাম নেই? তা হলে নতুন করে ফর্ম ৬ জমা দিয়ে ভোটার তালিকায় নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। শুধু আগের ভোটার তালিকায় নাম ছিল বলে নতুন করে ফর্ম ৬ জমা দেওয়াকে মিথ্যা তথ্য দেওয়া বলে ধরা যাবে না। এমনকি এই কারণে কোনও ভোটারের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও করা যাবে না। স্পষ্ট জানিয়ে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।ফর্ম ৬ সাধারণত নতুন ভোটারদের নাম তালিকায় তোলার জন্য ব্যবহার করা হয়। তাই আগে থেকেই ভোটার তালিকায় নাম থাকা ব্যক্তিরা নতুন করে এই ফর্ম জমা দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। সেই বিভ্রান্তি দূর করতেই কমিশনের এই নির্দেশ।তবে এ ক্ষেত্রে একটি শর্ত রয়েছে। আবেদনকারীর নাম অন্য কোনও বিধানসভা বা লোকসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় থাকা চলবে না। এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন যেমন ফর্ম ৬ জমা দেওয়া যাবে, তেমনই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরেও এই ফর্মের মাধ্যমে নাম তোলার আবেদন করা যাবে।দিল্লি হাই কোর্টের একটি রায়ের উল্লেখ করে এই নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নতুন নির্দেশের কথা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদেরও জানানো হয়েছে।এসআইআরের পর এবার ভোটার তালিকার বিশেষ সংক্ষিপ্ত সংশোধন নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। নভেম্বর মাস থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা। তা নিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে সর্বদলীয় বৈঠক হয়। বৈঠকে রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সূচি অনুযায়ী, আগামী ২৩ নভেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ ১৬ জানুয়ারি।এ দিনের বৈঠকে ফর্ম ৭-এর অপব্যবহার নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে তৃণমূল, বাম ও কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, এই ফর্ম ব্যবহার করে একসঙ্গে অনেক ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের প্রশ্ন, একজন ব্যক্তি কী ভাবে একটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকেই একাধিক ফর্ম ৭ জমা দিতে পারেন? তাঁর আশঙ্কা, এই সুযোগের অপব্যবহার হলে বহু ভোটারের নাম বাদ পড়তে পারে অথবা তাঁদের আবেদন ঝুলিয়ে রাখা হতে পারে। ফর্ম ৭-এর অপব্যবহার বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অধিনায়ক হিসেবে কেন ব্যর্থ হয়েছিলেন শচীন? এত বছর পর সামনে আনলেন সেই অজানা কারণ!

ব্যাট হাতে তিনি ক্রিকেটের কিংবদন্তি। তাঁর নামের পাশে রয়েছে অসংখ্য রেকর্ড। কিন্তু অধিনায়ক হিসেবে সেই সাফল্য দেখাতে পারেননি শচীন তেণ্ডুলকর। দুদফায় ভারতীয় দলের নেতৃত্ব দিয়েও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি তিনি। পরে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ঘুরে দাঁড়ায় ভারতীয় ক্রিকেট। কিন্তু শচীনের অধিনায়কত্ব কেন সফল হয়নি? এর পিছনে কি শুধু তাঁর নেতৃত্বের দুর্বলতা ছিল, নাকি অন্য কোনও কারণও ছিল? এত বছর পর সেই প্রশ্নের উত্তর দিলেন স্বয়ং শচীন।দুদফায় ভারতীয় দলের অধিনায়ক হয়েছিলেন শচীন। প্রথম বার ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত। দ্বিতীয় বার ১৯৯৯ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত। সম্প্রতি এক ভক্তের প্রশ্নের উত্তরে নিজের অধিনায়কত্বের অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খোলেন তিনি।শচীন জানান, দেশের অধিনায়ক হওয়া তাঁর কাছে সব সময়ই সম্মানের বিষয় ছিল। তবে দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে তিনি পুরো স্বাধীনতা পেতেন না। তাঁর কথায়, এখন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড অনেক বেশি পেশাদার। কিন্তু নব্বইয়ের দশকে পরিস্থিতি এমন ছিল না। সেই সময় ভারতীয় ক্রিকেট কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল।শচীনের এই মন্তব্যে প্রশ্ন উঠেছে, তাঁর অধিনায়কত্বের ব্যর্থতার পিছনে কি বোর্ডের কর্মকর্তাদেরও ভূমিকা ছিল? যদিও কাউকে সরাসরি দায়ী করেননি তিনি। তবে সেই সময় দল পরিচালনা ও নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে নানা সমস্যা ছিল, তাঁর কথায় সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট।নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে ভারতীয় ক্রিকেট একাধিক সমস্যার মুখে পড়ে। ২০০০ সালে ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ সামনে আসার পর ভারতীয় ক্রিকেটে বড়সড় ধাক্কা লাগে। সেই ঘটনায় তৎকালীন অধিনায়ক মহম্মদ আজহারউদ্দিনের নাম জড়ায় এবং পরে তাঁকে নিষিদ্ধ করা হয়। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে ভারতীয় দলের দায়িত্ব নেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর নেতৃত্বে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা শুরু করে ভারত।শচীনের পছন্দের অধিনায়কদের তালিকাতেও রয়েছেন সৌরভ। মহেন্দ্র সিংহ ধোনির পাশাপাশি সৌরভের নেতৃত্বের প্রশংসাও করেছেন তিনি।শচীনের অধিনায়কত্বের পথও খুব মসৃণ ছিল না। প্রথম দফায় তাঁকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে ফের আজহারউদ্দিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে ভারতের ব্যর্থতার পর আবার অধিনায়ক করা হয় শচীনকে। তবে দ্বিতীয় দফাতেও বেশিদিন দায়িত্বে থাকেননি তিনি। ২০০০ সালে নিজেই অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেন। এরপর ভারতীয় দলের দায়িত্ব পান সৌরভ।পরিসংখ্যানেও শচীনের অধিনায়কত্বের সাফল্য খুব বেশি নয়। তাঁর নেতৃত্বে ২৫টি টেস্টের মধ্যে ভারত জিতেছিল চারটিতে। এক দিনের ক্রিকেটে ৭৩টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে জয় পেয়েছিলেন ২৩টিতে। তবে এই পরিসংখ্যানের বাইরেও তাঁর অধিনায়কত্বের সময়কার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
দেশ

বন্ধুকে খুনের পর ২০ দিন ধরে একই স্বপ্ন! শেষ পর্যন্ত থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ যুবকের

মদের আসরে দুই বন্ধুর মধ্যে বচসা। সেই ঝামেলা গড়ায় মারামারিতে। অভিযোগ, এক বন্ধুর হাতে খুন হন অন্য জন। এর পর বাড়িওয়ালার সাহায্যে দেহ লোপাট করেন অভিযুক্ত যুবক। ঘটনার পর কেটে গিয়েছে ২০ দিন। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে বার বার স্বপ্নে ফিরে আসছিলেন খুন হওয়া বন্ধু। এমনই দাবি অভিযুক্তের। শেষ পর্যন্ত নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। এই ঘটনায় বাড়িওয়ালাকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।ঘটনাটি মহারাষ্ট্রের ডোম্বিভলির মোথাগাঁও এলাকার। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবকের নাম প্রভু কারাকাডে। মৃতের নাম বিশাল কদম। দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ছিল। প্রায় ২০ দিন আগে একটি ভাড়াবাড়িতে বসে মদ্যপান করছিলেন তাঁরা। সেই সময় কোনও বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে বচসা শুরু হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই তা হাতাহাতিতে গড়ায়।অভিযোগ, রাগের মাথায় বিশালকে এলোপাথাড়ি ঘুষি ও লাথি মারেন প্রভু। গুরুতর আঘাতের কারণে মৃত্যু হয় বিশালের। বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে বুঝতে পেরে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন অভিযুক্ত। এর পর বাড়ির মালিককে পুরো ঘটনা জানান তিনি। অভিযোগ, দুজনে মিলে বিশালের দেহ সরিয়ে ফেলেন। তার পর যে যার মতো বাড়ি ফিরে যান। এলাকা ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনাও করেছিলেন প্রভু।কিন্তু পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণের আগে ২০ দিন ধরে মানসিক অশান্তিতে ভুগছিলেন বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত। তাঁর বক্তব্য, ঘুমের মধ্যে বার বার খুন হওয়া বন্ধুর রক্তাক্ত মুখ দেখতে পেতেন তিনি। সেই স্বপ্ন তাঁকে তাড়া করে বেড়াচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত আর মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন প্রভু।ঘটনার তদন্তে নেমে প্রভুর পাশাপাশি বাড়িওয়ালাকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খুন এবং প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। কী কারণে দুই বন্ধুর মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি, খুনের পর বাড়িওয়ালা কেন অভিযুক্তকে সাহায্য করেছিলেন, সেই প্রশ্নেরও উত্তর খুঁজছে পুলিশ।মদের আসরে সামান্য বচসা থেকেই কি এই খুন, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে? পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
রাজ্য

মাধ্যমিক টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে বড় নির্দেশ পর্ষদের! পরীক্ষা শেষেই স্কুলকে পাঠাতে হবে প্রশ্নপত্র, না মানলে বিপদ?

২০২৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে কড়া পদক্ষেপ করল পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি এবং তা জমা দেওয়া নিয়ে স্কুলগুলিকে একগুচ্ছ নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। পর্ষদের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, টেস্ট পরীক্ষা শেষ হওয়ার দিনই প্রতিটি বিষয়ের প্রশ্নপত্রের স্ক্যান করা কপি এবং সম্পাদনা করা যায় এমন সফট কপি নির্দিষ্ট ইমেল ঠিকানায় পাঠাতে হবে। সেই ইমেল ঠিকানাও জানিয়ে দিয়েছে পর্ষদ।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রশ্নপত্র তৈরির সম্পূর্ণ দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট স্কুলের বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদের। কোনও ভাবেই একাধিক স্কুল মিলে যৌথভাবে প্রশ্নপত্র তৈরি করতে পারবে না। কোনও বাইরের সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের সাহায্য নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করা যাবে না। অর্থাৎ, প্রতিটি স্কুলকে নিজেদের উদ্যোগেই সব বিষয়ের প্রশ্নপত্র তৈরি করতে হবে।প্রশ্নপত্রের বিষয়বস্তু নিয়েও সতর্ক করেছে পর্ষদ। কোনও প্রশ্নে যাতে বিতর্ক তৈরি হতে পারে, এমন বিষয় রাখা যাবে না। যে প্রশ্নের কারণে রাজ্য সরকার বা পর্ষদকে অস্বস্তিতে পড়তে হতে পারে, তা এড়িয়ে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, এই নিয়মের কোনও ব্যতিক্রম হলে সংশ্লিষ্ট স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষিকাকেই দায় নিতে হবে।পর্ষদের এই নির্দেশ সামনে আসতেই স্কুলগুলির মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল এই নির্দেশের সমালোচনা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, আগের সরকারের মতো বর্তমান সরকারও টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছে। তাঁর আরও প্রশ্ন, স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষিকারা কি সব বিষয়ের বিশেষজ্ঞ? যদি না হন, তা হলে প্রশ্নপত্র নিয়ে কোনও সমস্যা হলে তাঁদের দায়ী করা হবে কেন?তবে এই নির্দেশিকা নিয়ে শিক্ষক সংগঠনের তরফে প্রশ্ন উঠলেও, বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের পক্ষ থেকে এখনও আলাদা করে কোনও বক্তব্য জানানো হয়নি। ২০২৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে পর্ষদের এই নতুন নির্দেশ স্কুলগুলির কাছে কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটাই দেখার।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিটের জন্য হুড়োহুড়ি! আবেদন করলেন ৮৪ লক্ষ, মাঠে ঢুকতে পারবেন মাত্র ৩৪ হাজার

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেই মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান। আগামী বছরের ১০ অক্টোবর জোহানেসবার্গে মুখোমুখি হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। এই ম্যাচ ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের উন্মাদনা যে কতটা, তা স্পষ্ট টিকিটের আবেদনের পরিসংখ্যানে। মাঠে বসে খেলা দেখার সুযোগ পাবেন মাত্র ৩৪ হাজার দর্শক। অথচ ইতিমধ্যেই টিকিটের জন্য আবেদন করেছেন অন্তত ৮৪ লক্ষ মানুষ! অর্থাৎ মাঠের আসনসংখ্যার প্রায় ২৪৭ গুণ আবেদন জমা পড়েছে।মাসখানেক আগে ২০২৭ সালের এক দিনের বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা। ৭ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ভারত। তার ঠিক তিন দিন পর, ১০ অক্টোবর পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে তারা। জোহানেসবার্গে আয়োজিত হবে এই বহু প্রতীক্ষিত ম্যাচ। টিকিটের চাহিদার নিরিখে ইতিমধ্যেই বাকি ম্যাচগুলিকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত-পাকিস্তান লড়াই।এই বিশ্বকাপের ফাইনালও হবে জোহানেসবার্গের একই মাঠে। ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালেও এই মাঠে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান। মহেন্দ্র সিংহ ধোনির নেতৃত্বে সেবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। জানা গিয়েছে, ২০২৭ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিটের জন্যও আবেদন করেছেন অন্তত ৭৯ লক্ষ মানুষ। তবে সেই সংখ্যাকেও ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের চাহিদা।ভারতের অন্য ম্যাচগুলির টিকিট নিয়েও আগ্রহ কম নয়। গ্রুপ পর্বে ভারতের প্রথম তিনটি ম্যাচের টিকিটের জন্যও বিপুল আবেদন জমা পড়েছে। গ্রুপ পর্বের পাশাপাশি সুপার সেভেন পর্বের ম্যাচগুলির টিকিটের জন্যও আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। সম্ভাব্য দলগুলির বিন্যাস আগেই জানিয়ে দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা। ফলে কোন ম্যাচে কোন দল মুখোমুখি হতে পারে, তা আন্দাজ করে আগেভাগেই পরিকল্পনা করছেন সমর্থকেরা।ভারত ও পাকিস্তান দুদলই সুপার সেভেন পর্বে উঠলে ৭ নভেম্বর ফের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই ম্যাচের টিকিটের জন্যও আবেদন শুরু করেছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। আগামী ২১ নভেম্বর পর্যন্ত টিকিটের আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। ফলে আবেদনকারীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
দেশ

একসময় কংগ্রেসের তুরুপের তাস ছিলেন কানহাইয়া, এখন তাঁর জায়গায় নেহা? কী বদলাচ্ছে হাত শিবিরে?

এক সময় দেশের বামপন্থী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম পরিচিত মুখ ছিলেন কানহাইয়া কুমার। ছাত্র আন্দোলনের মঞ্চে তাঁর জ্বালাময়ী বক্তৃতা এবং রাজনৈতিক বক্তব্য তাঁকে দ্রুত জাতীয় রাজনীতির পরিচিত মুখ করে তুলেছিল। পরে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পর তাঁকে ঘিরে দলের অন্দরে অনেক প্রত্যাশা তৈরি হয়। কিন্তু সেই প্রত্যাশা কি এখন ফিকে হয়ে এসেছে? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, কংগ্রেসে ক্রমশ গুরুত্ব হারাচ্ছেন কানহাইয়া। অন্য দিকে, দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সামনে আসছেন আর এক বামপন্থী ছাত্রনেত্রী নেহা বোরার। রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা নিয়েও শুরু হয়েছে আলোচনা।দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা নেহা এখন দেশের বামপন্থী ছাত্র আন্দোলনের পরিচিত মুখ। নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনের সময় তিনি নজরে আসেন। সেই সময় পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে দিল্লিতে দীর্ঘ অনশনেও অংশ নিয়েছিলেন তিনি। টানা অনশনের কারণে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছিল বলে জানা যায়।এর পরেও একাধিক ছাত্র আন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সর্বভারতীয় সভাপতি নেহা। বিভিন্ন ইস্যুতে তাঁর সক্রিয়তা তাঁকে দেশের ছাত্র রাজনীতিতে পরিচিতি দিয়েছে। সম্প্রতি জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিরোধীদের আন্দোলনেও তাঁকে সক্রিয় দেখা গিয়েছে। কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর সুপ্রিম কোর্ট অভিযানেও সামনে ছিলেন নেহা। ওই কর্মসূচিতে তাঁকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।সম্প্রতি কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গের বাসভবনে আয়োজিত নকল সংসদ কর্মসূচিতে অংশ নেন নেহা। পরের দিন দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী জোটের সমাবেশেও বক্তৃতা করেন তিনি। সেখানে নির্বাচন কমিশন এবং নরেন্দ্র মোদী সরকারের সমালোচনা করেন এই ছাত্রনেত্রী। তাঁর বক্তৃতা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ওই মঞ্চে এক সময়ের পরিচিত ছাত্রনেতা কানহাইয়া কুমারকে দেখা যায়নি। কংগ্রেসের অন্য ছাত্র ও যুব নেতাদেরও তেমন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না বলে দলের অন্দরে আলোচনা চলছে।এক সময় রাহুল গান্ধীর উদ্যোগেই সিপিআই ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন কানহাইয়া। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের টিকিটে দিল্লি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জিততে পারেননি তিনি। পরে দলের ছাত্র সংগঠন এনএসইউআইয়ের পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পান। কিন্তু দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সংগঠনের ফল আশানুরূপ হয়নি। দলের একটি অংশের অভিযোগ, সেখানে এনএসইউআইয়ের খারাপ ফলের পর কানহাইয়ার উপর অসন্তুষ্ট হন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। এই ঘটনার পর থেকেই দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বেড়েছে বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের একাংশের।এই পরিস্থিতিতে নেহার উত্থানকে অনেকেই কানহাইয়ার সঙ্গে তুলনা করছেন। তাঁদের মতে, কংগ্রেসের যুব রাজনীতিতে কানহাইয়ার যে জায়গা এক সময় ছিল, সেই জায়গায় এখন নেহাকে দেখা যেতে পারে। যদিও এ বিষয়ে কংগ্রেসের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সামনে আসেনি।তবে নেহাকে ঘিরে কংগ্রেসের অন্দরে সকলেই যে খুশি, তা নয়। দলের একাংশের মধ্যে বামপন্থী ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে অস্বস্তি রয়েছে বলে খবর। আবার নেহার সংগঠন আইসা-কে নিয়ে বিরোধীদের একাংশের সমালোচনাও রয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তরুণ ছাত্রনেতাদের সামনে এনে দলের রাজনৈতিক জমি শক্ত করার চেষ্টা কংগ্রেসের কাছে নতুন নয়। তবে সময়ের সঙ্গে সেই নেতাদের গুরুত্ব কমে যাওয়ার অভিযোগও বার বার উঠেছে।নেহার রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। তিনি উমর খালিদের মুক্তির দাবিতে সরব হয়েছেন। এই অবস্থানকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে বিজেপি কংগ্রেসকে আক্রমণ করার রাজনৈতিক সুযোগ পেতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ। অতীতেও কানহাইয়াকে ঘিরে একই ধরনের রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ফলে নেহার সঙ্গে কংগ্রেসের ঘনিষ্ঠতা বাড়লে সেই বিষয়টি জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, কংগ্রেস কি সত্যিই কানহাইয়া কুমারের বদলে নেহা বোরাকে সামনে আনার চেষ্টা করছে? নাকি বিরোধী আন্দোলনের মঞ্চে নেহার সক্রিয় উপস্থিতিকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে এই জল্পনা? রাহুল গান্ধীর সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক সমীকরণ আগামী দিনে কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal