• ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০২ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Theft

রাজ্য

Theft of money: অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়ি থেকে টাকা, সোনার গয়না ও ডলার চুরি, গ্রেফতার এক

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়ি থেকে টাকা, সোনার গয়না ও ডলার চুরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করলো পুলিশ। ধৃতের নাম সত্যেন্দর রায়। তাঁর বাড়ি বুদবুদ থানার হরিনারায়ণপল্লীতে। পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রাম থানার পুলিশ মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের দাবি, চুরির কথা ধৃত ব্যক্তি কবুল করেছে। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ এও জানতে পেরেছে চুরির ঘটনায় আরও একজন জড়িত রয়েছে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ, বুধবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। চুরির মালপত্র ও টাকা উদ্ধার এবং অপর জড়িতের হদিশ পেতে তদন্তকারী অফিসার এদিন ধৃতকে ৫ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। বিচারক ধৃতের তিনদিনের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর করেছেন।পুলিশ জানিয়েছে, আউশগ্রাম থানার মাজুড়িয়ার বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক হিমাংশু চক্রবর্তী কিছুদিন আগে এক আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সপরিবারে বাঁকুড়ায় গিয়েছিলেন। তাঁর ঘর তালাবন্ধ ছিল। এক মহিলাকে ঘর দেখভালের দায়িত্ব দিয়েছিলেন তিনি। রাতে দরজা ও আলমারির তালা এবং লক ভেঙে সোনার গয়না, টাকা ও দুটি ইউএস ডলার নিয়ে পালায় চোর। দেখভালের দায়িত্বে থাকা মহিলা পরেরদিন সকালে চুরির বিষয়টি জানতে পারেন। বাড়ি ফিরে হিমাংশুবাবু চুরির ঘটনা নিয়ে আউসগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Vaccine Theft : করোনা ভ্যাকসিন চুরির অভিযোগ হাসপাতাল কর্মীর বিরুদ্ধে

কোভিড ভ্যাকসিন চুরির অভিযোগ উঠলো হাসপাতালেরই এক কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ক্ষোভ বিক্ষোভ ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের গলসির ভুঁড়ি এলাকায়। ভুঁড়ি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের অস্থায়ী কর্মী উৎপল ঘোষ দীর্ঘদিন ধরে কোভিডের ভ্যাকসিন চুরি করে বিক্রি করছিলেন বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। তাঁরা ভ্যাকসিন চুরি করে বিক্রি করা নিয়ে বৃহস্পতিবার গলসি ২ ব্লকের বিডিও এবং আদড়াহাটী ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে উৎপল ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের করেছেন। অভিযোগের বিষটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তর।গলসির ভুঁড়ি এলাকার বাসিন্দা গোপিনাথ মুখোপাধ্যায়, রাজু মল্লিক, আসগর মল্লিকরা জানান, বুধবার ভুঁড়ি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের ক্যাম্প ছিল। সেখানে ১৯৭ জনের ভ্যাকসিন পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ২৭ জন ভ্যাকসিন পাননি। তাঁদের পরের ক্যাম্পের দিন ভ্যাকসিন দেওয়া হবে জানিয়ে টোকেন দেন হাসপাতাল কর্মী উৎপল ঘোষ ও আশা কর্মীরা। বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, ২৭ জন লাইনে দাঁড়িয়ে ভ্যাকসিন না পেলেও ওইদিন সাতটি ভ্যাকসিন উৎপল তাঁর বাড়িতে নিয়ে চলে যায়। অর্থের বিনিময়ে হাসপাতাল কর্মী উৎপল সরকারি ভ্যাকসিন বিক্রি করেন বলেও বাসিন্দরা অভিযোগ করেছেন। এই বিষয়ে আদড়াহাটি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বিএমওএইচ জসিমউদ্দিন হাজারীকে ফেন করা হলেও তিনি ফোন না ধরায় কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Battery Theft: উত্তর ২৪ পরগনা থেকে গ্রেপ্তার লরির ব্যাটারি চুরি চক্রের এক চাঁই

হেপাজতে নেওয়া অপরাধীকে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে এবার পুলিশ পাকড়াও করলো সড়ক পথে দাঁড়িয়ে থাকা লরির ব্যাটারি চুরি চক্রের এক চাঁইকে। ধৃতের নাম বাবলু শেখ। তার বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনা জেলার স্বরূপনগর থানার তেঁতুলিয়া ভোগালবাড়ি এলাকায়। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ শনিবার রাতে স্বরুপনগর থানার সাহায্য নিয়ে বাবলু শেখকে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। একই অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া মেমারি থানার পুলিশের হেপাজতে থাকা মণিরুল গাজি ও বাবলু শেখকে সঙ্গে পুলিশ রবিবার সকালে উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ার খাসপুর এলাকার একটি পরিত্যক্ত গ্যারেজে হানা দেয়। সেখান থেকে উদ্ধার হয় চোরাই ১৮টি ব্যাটারি। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে মণিরুল ও তার দলবল রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে লরির ব্যাটারি চুরিতে জড়িত।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী যুবক গ্রেফতার ভাতারে, তদন্তে পুলিশপুলিশ জানিয়েছে, মেমারি থানার বিষ্ণুপুরে বাড়ি আশুতোষ বিশ্বাসের। তাঁর ৩টি লরি আছে। তিনি বাড়ির কাছের গোডাউনের সামনেই লরিগুলি দাড় করিয়ে রাখেন। দিনকয়েক আগে রাতে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা তাঁর লরি থেকে ব্যাটারি খোলার শব্দ পেয়ে আশুতোষ বাবু ঘর থেকে বেরিয়ে একটি গাড়িকে পালাতে দেখেন। আশুতোষবাবু এই বিষয়ে মেমারি থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ পালশিটের একটি ধাবার কাছ থেকে ওই গাড়িটিকে ধরে। গাড়িতে থাকা মণিরুল গাজিকে গ্রেপ্তার নিজেদের হেপাজতে নিয়ে জাজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ চক্রের অপর চাঁই বাবলু শেখের হদিশ পায়। আরও পড়ুনঃ প্রতিবেশীর গোটা কান কামড়ে ছিঁড়ে নিল নেশা আশক্ত যুবক, চাঞ্চল্য গুসকরায়ধৃতকে এদিন বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়।আরও ব্যাটারি উদ্ধার এবং চক্রের বাকিদের হদিশ পেতে তদন্তকারী অফিসার ধৃত বাবলুকে ৭ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায় । ভারপ্রাপ্ত সিজেএম ধৃতের ৩ দিনের পুলিশি হেফাজত মঞ্জুর করেছে।

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

Tree Theft: মূল্যবান গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগে পূর্ব বর্ধমানে গ্রেপ্তার ৫

বেআইনি ভাবে বহু লক্ষাধিক টাকা মূল্যের গাছ কেটে বিক্রি করার অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন পাঁচ ব্যক্তি। ধৃতদের নাম সুকুমার বিশ্বাস, মিলন বিশ্বাস, শেখ আব্বাসউদ্দিন ওরফে সাগর, নূর মহম্মদ শাহ ও শেখ সফিক ওরফে শম্ভু। ধৃতদের মধ্যে সুকুমার ও মিলনের বাড়ি ভাতার থানা এলাকায়। বাকি ধৃতদের বাড়ি জেলার গলসি থানার পারাজ, তেঁতুলমুড়ি ও মসজিদপুরে। গলসি থানার পুলিশ মঙ্গলবার রাতে সুকুমার ও মিলনকে তাঁদের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। তাদের কাছ থেকে ১০০টি গাছের লগ উদ্ধার হয়। এরপর তাদের নিয়ে পুলিশ আব্বাসউদ্দিনের কাঠের গোলায় হানা দেয়। সেখান থেকেও ২১০টি লগ উদ্ধার হয় বলে পুলিশের দাবি। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার ধৃতদের পেশ করে বর্ধমান আদালতে। আরও গাছ উদ্ধার ও ঘটনায় জড়িত বাকিদের হদিশ পেতে তদন্তকারী পুলিশ অফিসার সুকুমার, আব্বাসউদ্দিন, নূর মহম্মদ ও সফিককে ৫ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়। সিজেএম ওই ৪ জনকে ৩ দিনের পুলিশি হেপাজত ও বাকি ধৃতদকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ কোটি টাকা মূল্যের গাছ চুরি কাণ্ডে নাম জড়াতেই তদন্ত চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ পূর্ব বর্ধমানের তৃণমূল নেতাপুলিশ জানিয়েছে, গলসির মসজিদপুর পঞ্চায়েত এলাকায় রয়েছে ফকিরচন্দ্র রায় রোড। ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ ওই সড়কপথের দুপাশে সোনাঝুরি, শিরিষ, বাবলা প্রভৃতি গাছ লাগিয়েছিল পঞ্চায়েত। সেখানকার পুরানো ও মূল্যবান প্রায় ২ হাজার গাছ গত ৫ জুলাই থেকে ১১ জুলাইয়ের মধ্যে কেটে নিয়ে কয়েকজন পাচার করে দেয়।এলাকাবাসী প্রথমে মনে করেন পঞ্চায়েতের অনুমতি নিয়েই গাছ কাটা হয়েছে। পরে তাঁরা পঞ্চায়েতে খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারেন গাছ কাটার ব্যাপারে পঞ্চায়েত কাউকে কোনও অনুমতি দেয়নি । গাছ কাটা নিয়ে কোনও টেণ্ডারও পঞ্চায়েত ডাকেনি।এমনকি গাছ কাটার জন্য বনদপ্তরের অনুমতিও নেওয়া হয়নি। বিষয়টি জানার পর স্থানীয় বাসিন্দারা বিডিওকে অভিযোগ জানান। বিডিও তদন্ত করে অভিযোগের সারবত্তা পেয়ে ২৫ জুলাই গলসি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে গলসি থানার পুলিশ পাঁচ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।

জুলাই ২৮, ২০২১
রাজ্য

Tree Theft: কোটি টাকা মূল্যের গাছ চুরি কাণ্ডে নাম জড়াতেই তদন্ত চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ পূর্ব বর্ধমানের তৃণমূল নেতা

বহু লক্ষাধিক অর্থমূল্যের গাছ কেটে পাচার করে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে পুলিশ ও বনদপ্তরে অভিযোগ জানালেন তৃণমূল নেতা। পূর্ব বর্ধমানের গলসি ২ ব্লকের মসজিদপুর অঞ্চলের ঘটনা। গাছ চুরি নিয়ে ব্লক তৃণমূল জয়হিন্দ বাহিনীর সভাপতি গুল মহম্মদ মোল্লা প্রশাসনের দ্বারস্থ হওয়ার ঘটনা রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।আরও পড়ুনঃ শাহের দরবারে শুভেন্দু-সৌমিত্র, জল্পনাগলসির মসজিদপুর অঞ্চলে ছিল প্রায় কোটি টাকা মূল্যের গাছ। সেই গাছ কেটে পাচার করে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে প্রতিবাদে স্বোচ্চার হন এলাকার বাসিন্দা ও একাংশ তৃণমূল নেতা। ঘটনায় নাম জড়ায় ব্লক তৃণমূলের জয়হিন্দ বাহিনীর সভাপতি গুল মহম্মদ মোল্লার। শুক্রবার গাছ চুরি কাণ্ডের তদন্ত চেয়ে গুল মহম্মদ বনদপ্তর ও পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। গুল মহম্মদ দাবি করেন, তাঁর বদনাম করতেই গাছ চুরির ঘটনার তাঁর নাম জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাই তিনি চান প্রশাসন গাছ চুরির ঘটনার পুর্ণাঙ্গ তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনআনুক ব্যবস্থা গ্রহন করুক।আরও পড়ুনঃ একনজরে টোকিও অলিম্পিক ভিলেজের অন্দরমহল, যেখানে ১১,০০০ অ্যাথলিট থাকবেএকই সঙ্গে তিনি বলেন, গত বছরের ৩০ নভেম্বর গাছ চুরির ঘটনা নিয়ে ওমরপুর গ্রামের কিছু মানুষ ও পঞ্চায়েত প্রধান অশোক বাগদি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তারপর ফের বৃহস্পতিবার এলাকার কিছু মানুষ পুনরায় গাছ চুরি নিয়ে বিডিও, জেলাশাসক ও বন বিভাগে লিখিত অভিযোগ করেছেন। সবাই গাছ চুরির ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করলেও প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। উল্টে গাছ চুরি বেড়ে যাচ্ছে বলে গুল মহম্মদের অভিযোগ।অন্যদিকে এলাকাবাসী মসজিদপুর অঞ্চলের গাছ চুরি নিয়ে প্রশাসনের কাছে যে অভিযোগ দায়ের করেছেন তাতে গুসকরা ও গলসির তিন গাছ ব্যবসায়ী ছাড়াও জয়হিন্দ বাহিনীর সভাপতি গুলমহম্মদ মোল্লা সহ এলাকার অপর তৃণমূল নেতা সুমন পবি, খোয়েশ মোল্লা এবং সেখ জহরের নাম জড়িয়েছে। প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়াটাই এখন প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জের।আরও পড়ুনঃ ব়্যাঙ্কিং রাউন্ডে হতাশ করে কঠিন লড়াইয়ের সামনে দীপিকা কুমারীমসজিদপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান অশোক বাগদি বলেন, পূর্বের গাছ চুরির ঘটনা নিয়ে তাঁরা বিডিও অফিসে ও থানায় অভিযোগ করেছিলাম। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় দুস্কৃতীদের সাহস বেড়ে গিয়েছে। এখন ব্যবস্থা না নিলে আর যে কটি গাছ অবশিষ্ট আছে তাও চুরি হয়ে যাবে। পঞ্চায়েত সমিতির বনভূমির কর্মাধক্ষ্য সেখ সাবিরউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, এলাকার মানুষ কোটি টাকা মুল্যের গাছ চুরি নিয়ে বৃহস্পতিবার অভিযোগ করছেন। সাবিরউদ্দিন বলেন, তিনিও চান ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্ত মুলক সাজার ব্যবস্থা করুক বনদপ্তর। বনদপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুলাই ২৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Kabir Suman: গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমে

শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে গানওয়ালা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি কিছুদিন যাবত কলকাতায় এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তবে গান থেমে থাকেনি। চিকিৎসাধীন কবির নিত্যদিন সামাজিক মাধ্যমে সঙ্গীত নিয়ে নানা আলোচনা ও অভিজ্ঞতা নেটনাগরিকদের সাথে ভাগ করে নিচ্ছেন গানওয়ালা। সমৃদ্ধ হন নেটনাগরিকগণ। রত্নগর্ভা বাংলা সঙ্গীত জগতের আপাত শেষ কিংবদন্তী কবির সুমন। তাঁর সাংগীতিক পাণ্ডিত্য নিয়ে আলোচনা করা ধৃষ্টতা সমসাময়িক খুব কমজনেরই আছে।কবির সুমন আবেগের আরেক নাম। যিনি অবলীলায় বলতে পাড়েন তাঁর সঙ্গীত অনুপ্রেরণায় কোন কোন মহান পন্ডিতদের প্রভাব। বহুল প্রচারিত এক টিভি অনুষ্ঠানে সেই ব্যখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন আমি আচার্য জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষের স্তন্য পান করেছি, আমি পণ্ডিত রবিশঙ্করের স্তন্য প্রান করেছি। সবারকার যা ভালো তা একত্রিত করা সহজ ব্যাপার নয়। তিনি পেরেছিলেন। তিনি একাধারে গান লিখছেন আবার সেই গানের সুরারোপ-ও করেছেন। একের পর এক আনবদ্য সৃষ্টি। পেট কাটি চাঁদিয়াল, তুই হেঁসে উঠলেই, তোমাকে চায় থেকে হাল-আমলের জাতিস্মর সিনেমায় জাতীয় পুরস্কার পাওয়া গান এ তুমি কেমন তুমি। আধুনিক বাংলা গান নিয়ে নিত্য গবেষণা তাঁর। যেমন তাঁর গানে পশ্চিমী প্রভাব ছিল তেমনই তাঁর হিন্দুস্থানি মার্গ সঙ্গীতের প্রভাবও প্রকট। ঠুমরী, গজল নিয়ে তিনি বহু কাজ করেছেন।রবিবার সামাজিক মাধ্যমে এক গুরুতর অভিযোগ তুললেন গানওয়ালা। চিকিৎসাধীন সুমন হাসপাতাল থেকেই সামাজিক মাধ্যমে অভিযোগ তুলেছেন, তাঁর তৈরি একটি রাগ চুরি করে এক ব্যাক্তি তাঁর নিজের নামে প্রচার চালাচ্ছেন। গানওয়ালার সামাজিক মাধ্যমে অভিযোগের ভিত্তি থেকে জানা যায় আহির বৈরাগি রাগটি তিনি বছর খানেক আগে তৈরি করেছিলেন। তিনি জানান সুভদ্রকল্যাণ রানা নামক এক ব্যক্তি তাঁর বছর খানেক আগের তৈরি রাগটির বিস্তার সম্বন্ধে সামাজিক মাধ্যমে জানতে চান। এবং ওই ব্যক্তি সেটি অনুষ্ঠানে বাজাবার অনুমতি চান। কবিরের অভিযোগ সুভদ্রকল্যাণ রানা তাঁর কাছে রাগরূপ জেনে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আহির বৈরাগি রাগটি তাঁর নিজের সৃষ্টি বলে প্রচার করতে থাকেন। দীর্ঘজীবী হোক রাগসঙ্গীত। বছরখানেকেরও আগে আমি আহীর বৈরাগী নামে একটি রাগ তৈরি করে ফেসবুকে সেই রাগের কথা জানিয়েছিলাম।...Posted by Kabir Suman on Saturday, 3 July 2021কবির সুমন জানান, তিনি এর প্রতিবাদ করলে সুভদ্রকল্যাণ রানা সামাজিক মাধ্যমে আরও কিছু মানুষকে সঙ্গে নিয়ে তাঁকে প্রতি আক্রমণ করেন। কবিরের দাবি, এমন ঘটনা এর আগেও অভিযুক্ত ঘটিয়েছেন। তাঁর আশঙ্কা আগামিদিনে এরকম ঘটনা আরও ঘটতে থাকবে। উল্লেখ্য, সামাজিক মাধ্যমের সুত্র থেকে জানা যায় অভিযুক্ত সুভদ্রকল্যাণ রানা একজন তবলা শিল্পী। বিশ্বখ্যাত তবলা গুরু পণ্ডিত শঙ্কর ঘোষ-এর কাছে থেকে তিনি তবলা শিক্ষালাভ করেছেন। এহেন সুভদ্রকল্যাণ রাণার উদ্দেশে গানওয়ালা বলেন, আশা করছি হিংসা হানাহানি, মিথ্যাচারে নয়, সঙ্গীত শিক্ষায় ব্রতী থাকবেন। শিখবেন। মন ভাল রাখবেন। সঙ্গীতসঙ্গ করবেন। সুরে তালে লয়ে থাকুন। সুমন তাঁর পোস্টে জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের চিকিৎসক, সেবক, সেবিকা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সহযোগিতায় সেরে উঠছি কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে। আমি সেরে উঠেই বাংলা খেয়ালের সেবায় ফিরে যাব। আমার জীবনের আসল কাজ, আমার জীবনের শেষ ব্রত। অগণিত কবির প্রেমী শ্রোতৃমণ্ডলী আরও একটা জাতিস্মর-এর সৃষ্টির আশায় রইলো।জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুলাই ০৫, ২০২১
রাজ্য

মুরগি চুরির প্রতিবাদ করে খুন

খামার থেকে প্রতিবেশীর মুরগি চুরি করার প্রতিবাদ করতে গিয়ে বেঘোরে প্রাণ গেল এক তৃণমূল কর্মীর। কাঠগড়ায় প্রতিবেশী যুবক। মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বনগাঁ থানার কালিতলা ঘোষপাড়া এলাকায়। খুনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে অভিযুক্ত। খুনের কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত যুবকের নাম শ্যামল সরকার(৩১)। স্থানীয় বিল্ডার্সের দোকানে কাজ করত। অভিযোগ, প্রতিবেশী দেবব্রত হালদার তাঁকে খুন করেছে।ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে তাঁকে। খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।পরিবারের অভিযোগ, খামার থেকে মুরগি চুরি করত অভিযুক্ত দেবব্রত হালদার। তাকে বারণ করতে মঙ্গলবার সন্ধেয় তাদের বাড়িতে গিয়েছিলেন শ্যামল সরকার। তখনই দেবব্রতর পরিবারের সদস্যরা মিলে তাকে বেধড়ক মারধর করে। মুখ দিয়ে রক্ত উঠতে থাকে শ্যামলের। পরে দেবব্রতর পরিবারের সদস্যরাই তাকে ভ্যানে তুলে চিকিৎসকের কাছে পাঠায়। যদি অভিযুক্তের পরিবারের দাবি, এক অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতী এসে শ্যামলের উপর চড়াও হয়। তাঁকে জখম অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে তুনে আনেন দেবব্রতর পরিবারের সদস্যরা।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মাঠে চাষ করতেন, এবার রাজ্যের মন্ত্রী! দিবাকর ঘরামীর জীবনের অবিশ্বাস্য উত্থান

নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি চর্চায় উঠে এসেছে একটি নাম। তিনি দিবাকর ঘরামী। বাঁকুড়ার এক সাধারণ কৃষক পরিবারের সন্তান দিবাকর এবার জায়গা পেয়েছেন রাজ্যের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভায়। তাঁর এই সাফল্যে আনন্দে ভাসছে পরিবার থেকে শুরু করে গোটা এলাকা।দেশভাগের পর দিবাকর ঘরামীর পরিবার পূর্ববঙ্গের বরিশাল থেকে এপারে চলে আসে। দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর বাঁকুড়ার সোনামুখী ব্লকের কুরুমপুর গ্রামে বসবাস শুরু করেন তাঁর পূর্বপুরুষেরা। সেখানেই জন্ম এবং বড় হয়ে ওঠা দিবাকরের।ছোটবেলা থেকেই দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বড় হয়েছেন তিনি। কৃষক পরিবারের সন্তান হওয়ায় চাষাবাদই ছিল জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আজও সেই সম্পর্ক অটুট। বিধায়ক হওয়ার পরও তিনি মাঠে যাওয়া বন্ধ করেননি। ফসলের খোঁজ নেওয়া, জমিতে জল দেওয়া এবং চাষের কাজ দেখা এখনও তাঁর দৈনন্দিন জীবনের অংশ।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সোনামুখী কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে প্রথমবার বিধায়ক হন দিবাকর ঘরামী। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এবং মাটির মানুষের ভাবমূর্তি তাঁকে দ্রুত জনপ্রিয় করে তোলে। এবার ফের দলের আস্থা অর্জন করে তিনি জায়গা পেলেন রাজ্যের মন্ত্রিসভায়।দিবাকরের মন্ত্রী হওয়ায় কুরুমপুর গ্রাম এবং সোনামুখী জুড়ে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় মানুষের আশা, এলাকার উন্নয়নে এবার আরও বড় ভূমিকা নিতে পারবেন তিনি।মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দিবাকর ঘরামী বলেন, সোনামুখীর মানুষ এবং দলের কর্মীদের সহযোগিতাতেই তিনি এতদূর পৌঁছেছেন। এলাকার উন্নয়নের জন্য নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন এবং আগামী দিনেও সেই কাজ চালিয়ে যাবেন। দল তাঁর উপর যে আস্থা রেখেছে, তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। একইসঙ্গে বলেন, সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা একজন মানুষকে এত বড় দায়িত্ব দেওয়া তাঁদের কাছে অত্যন্ত সম্মানের বিষয়।এক সময় যে মানুষটি প্রতিদিন মাঠে নেমে ফসলের পরিচর্যা করতেন, তিনিই আজ রাজ্যের মন্ত্রী। দিবাকর ঘরামীর এই পথচলা এখন অনেকের কাছেই সংগ্রাম, অধ্যবসায় এবং সাফল্যের এক অনুপ্রেরণার গল্প।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

লাইভে এসে বিস্ফোরক মমতা! ‘গায়ের জোরে তৃণমূল ভাঙা যাবে না’

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে যখন একের পর এক বিতর্ক এবং রাজনৈতিক টানাপোড়েন সামনে আসছে, তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভে এসে বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, যতই চেষ্টা করা হোক না কেন, তৃণমূল কংগ্রেসকে ভাঙা সম্ভব নয়।সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তিনি আর নিয়মিত সাংবাদিক বৈঠক করবেন না। গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়ায় বক্তব্য রাখবেন। সোমবার দলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরই তিনি লাইভে এসে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন।মমতার অভিযোগ, তৃণমূলের বিধায়কদের বিভিন্নভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের দল ছাড়ার জন্য ভয় দেখানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, কয়েকজন বিধায়ক তাঁকে জানিয়েছেন যে বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার নাম করে তাঁদের ভয় দেখানো হচ্ছে। এই ধরনের রাজনীতি গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকর বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ এবং রাজনৈতিক জল্পনার মাঝেই মমতা দাবি করেন, কয়েকজন বিধায়ক বা সাংসদকে প্রভাবিত করে তৃণমূলকে দুর্বল করা যাবে না। তাঁর বক্তব্য, দল অতীতেও কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে এবং আগামী দিনেও লড়াই চালিয়ে যাবে। বাংলার মানুষের আত্মসম্মান রক্ষার লড়াই অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।ছাত্রসমাজের উদ্দেশেও বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করা উচিত। ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়েই তাঁর রাজনৈতিক জীবন গড়ে উঠেছে এবং সেই কারণেই তরুণ প্রজন্মকে সমাজের বিভিন্ন ইস্যুতে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।লাইভ বক্তব্যে তৃণমূলের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েও অভিযোগ তোলেন মমতা। তাঁর দাবি, দলের মিছিল, সভা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে হামলার অভিযোগও করেন তিনি। পাশাপাশি নির্বাচনী ফলাফল নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এবং কয়েকটি আসনে ভোট গণনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার প্রসঙ্গও তুলে আনেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর দাবি, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুতর ছিল এবং আরও বড় বিপদ ঘটতে পারত। এই ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।এছাড়া শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্র আন্দোলন এবং অতীতের বিভিন্ন গণআন্দোলনের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, মানুষের অধিকার এবং গণতান্ত্রিক দাবির প্রশ্নে তিনি সবসময় আন্দোলনের পাশে থেকেছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের অন্দরে অস্থিরতার আবহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বার্তা তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশেই দেওয়া। একইসঙ্গে বিরোধীদের বিরুদ্ধেও রাজনৈতিক লড়াইয়ের সুর আরও চড়ালেন তিনি।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

পরিচারিকার কাজ থেকে সরাসরি মন্ত্রী! কলিতা মাঝির জীবনকাহিনি শুনলে অবাক হবেন

নতুন মন্ত্রিসভায় সবচেয়ে আলোচিত নামগুলির মধ্যে অন্যতম কলিতা মাঝি। আউশগ্রামের সাধারণ এক পরিবার থেকে উঠে আসা এই নেত্রীর মন্ত্রী হওয়া এখন জেলার মানুষের গর্বের বিষয়। রবিবার মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়ার খবর পেয়ে প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি তিনি।কলিতা মাঝি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তাঁর কাছে একটি ফোন আসে এবং তাঁকে কলকাতায় যেতে বলা হয়। কেন যেতে হবে, সেই বিষয়ে তখন কিছুই জানানো হয়নি। পরে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, তাঁকে মন্ত্রী করা হচ্ছে। খবরটি শোনার পর কিছু সময়ের জন্য তিনি নির্বাক হয়ে যান। তাঁর প্রতিক্রিয়া ছিল, বিধায়ক হওয়ার সুযোগ পাওয়াটাই তাঁর কাছে অনেক বড় বিষয় ছিল, মন্ত্রী হওয়ার কথা কোনওদিন কল্পনাও করেননি।আউশগ্রামের এক অত্যন্ত সাধারণ এবং দরিদ্র পরিবারে বড় হয়েছেন কলিতা। অল্প বয়সেই তাঁর বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পরও আর্থিক কষ্ট তাঁর পিছু ছাড়েনি। সংসারের দায়িত্ব সামলাতে তাঁকে পরিচারিকার কাজ করতে হয়েছে। প্রতিদিনের জীবন ছিল অভাব আর সংগ্রামের সঙ্গে লড়াইয়ের গল্প।তবে নিজের কষ্টের মধ্যেও এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানো কখনও বন্ধ করেননি তিনি। বিশেষ করে দরিদ্র পরিবার এবং মহিলাদের বিভিন্ন সমস্যায় সাহায্য করার চেষ্টা করতেন। সেই কাজ করতে করতেই ধীরে ধীরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।দলের স্থানীয় কার্যালয়ে নিয়মিত যেতেন তিনি। মানুষের কথা শুনতেন, সংগঠনের কাজ শিখতেন এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করতেন। সেই সময় বাংলায় দলের সংগঠন খুব শক্তিশালী ছিল না। প্রকাশ্যে দলের সমর্থক পরিচয় দেওয়াও অনেকের কাছে কঠিন ছিল। সেই কঠিন সময় থেকেই দলের সঙ্গে ছিলেন কলিতা মাঝি।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হলেও জয় পাননি। তবে রাজনৈতিক লড়াই ছাড়েননি। মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন। পরবর্তীতে আবারও নির্বাচনী লড়াইয়ে নামেন এবং মানুষের সমর্থনে বিধায়ক নির্বাচিত হন। এবার সেই পথ পেরিয়ে তিনি পৌঁছে গেলেন রাজ্যের মন্ত্রিসভায়।মন্ত্রী হওয়ার পর কলিতা মাঝি জানিয়েছেন, মানুষের জন্য কাজ করাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। তিনি বলেন, ক্ষমতা বা পদ বদলালেও মানুষের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বদলাবে না। আগের মতোই মানুষের সমস্যা শুনবেন এবং তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করবেন।আউশগ্রামের সাধারণ এক গৃহবধূ থেকে রাজ্যের মন্ত্রী কলিতা মাঝির এই যাত্রাপথ এখন বহু মানুষের কাছে সংগ্রাম, অধ্যবসায় এবং সাফল্যের এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

জুন ০১, ২০২৬
রাজ্য

বড় ফাঁস! লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের নামে কোটি টাকার জালিয়াতি? সিট গঠনের নির্দেশ শুভেন্দুর

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা ভুয়ো উপায়ে তোলার অভিযোগে নতুন করে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদনপত্র যাচাই করতে গিয়ে প্রশাসনের হাতে উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ, মহিলাদের জন্য চালু হওয়া প্রকল্পের টাকা কয়েকটি ক্ষেত্রে পুরুষদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ছিল।সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, এখনও পর্যন্ত মোট বাইশটি সন্দেহজনক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পুরুষদের নামে জমা হচ্ছিল। ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তদন্তে কয়েকটি নির্দিষ্ট নাম উঠে এসেছে। তাঁদের অ্যাকাউন্টে নিয়মিতভাবে প্রকল্পের টাকা জমা পড়ছিল বলে অভিযোগ। গোটা ঘটনার পেছনে কোনও বড় চক্র কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী আরও অভিযোগ করেন, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। আবেদনপত্রের পৃষ্ঠাসংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রচার করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, প্রকৃত তথ্য গোপন করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের টাকা কীভাবে এবং কার মাধ্যমে ভুয়ো উপায়ে তোলা হয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।অন্যদিকে অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন প্রক্রিয়া নিয়েও আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষ ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া দিয়েছেন। সোমবার থেকে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আরও বহু আবেদন জমা পড়বে বলে প্রশাসনের আশা।সরকারি প্রকল্পের টাকা বণ্টন নিয়ে এই নতুন বিতর্ক সামনে আসার পর রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তদন্তে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই এখন নজর সকলের।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

ধর্মতলায় মমতার ধরনা ঘিরে বড় ধাক্কা! শেষ মুহূর্তে অনুমতি দিল না পুলিশ

ধর্মতলার রানি রাসমণি রোডে মঙ্গলবার ধরনায় বসার ঘোষণা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলার কথা। দুপুর ২টো থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সেখানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।তবে ধরনার একদিন আগে সামনে এসেছে বড় জটিলতা। সূত্রের খবর, রানি রাসমণি রোডে এই কর্মসূচির জন্য এখনও পুলিশের অনুমতি মেলেনি। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ওই স্থানে ধরনার অনুমতি না দিয়ে বিকল্প হিসেবে ওয়াই চ্যানেলে কর্মসূচি করার প্রস্তাব দিয়েছে। সেখানে মাত্র দুই ঘণ্টার জন্য অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাবে এখনও সম্মতি দেওয়া হয়নি বলে সূত্রের দাবি। ফলে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত কীভাবে এবং কোথায় হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করিয়ে দিচ্ছেন, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অতীতে বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি চেয়েও একাধিকবার সমস্যার মুখে পড়েছিলেন। সে সময় অনুমতি না মেলায় তাঁকে আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। বর্তমান পরিস্থিতিকে ঘিরে সেই বিতর্কও নতুন করে সামনে এসেছে।অন্যদিকে, ধরনা বিতর্কের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে। দলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সম্প্রতি তাঁরা দলের বিরুদ্ধে সই জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরই তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেয় তৃণমূল কংগ্রেস। ফলে একদিকে ধরনা বিতর্ক, অন্যদিকে দুই বিধায়কের বহিষ্কার সব মিলিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

জুন ০১, ২০২৬
রাজ্য

‘বাড়িতে হামলা হল, দল ফোনও করল না’! তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন প্রাক্তন মন্ত্রী

রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর এক মাসের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অসন্তোষের সুর আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সই সংক্রান্ত বিতর্ক, দুই বিধায়কের বহিষ্কার এবং সাংগঠনিক অস্থিরতার আবহে এবার দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ প্রকাশ করলেন প্রাক্তন মন্ত্রী ও মধ্য হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়।সোমবার নিজের বাড়িতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অরূপ রায় অভিযোগ করেন, গত শনিবার তাঁর বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটলেও দলের তরফে কেউ তাঁর খোঁজ পর্যন্ত নেননি। এমনকি একটি ফোনও আসেনি বলে দাবি করেছেন তিনি।অরূপ রায়ের কথায়, এই পরিস্থিতিতে দলের প্রথম কাজ হওয়া উচিত ছিল আক্রান্ত কর্মী এবং নেতাদের পাশে দাঁড়ানো। তাঁর দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দলের সাধারণ কর্মী থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিরা হামলার শিকার হচ্ছেন, কিন্তু দল তাঁদের পাশে দাঁড়াচ্ছে না। এর ফলে কর্মীদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে।তিনি আরও বলেন, অতীতেও দল কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে। এমন সময় এসেছে যখন বিধানসভায় খুব কম আসন পেয়েও তৃণমূল লড়াই চালিয়ে গিয়েছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। তাঁর মতে, সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।প্রসঙ্গত, গত শনিবার মধ্য হাওড়ার কাসুন্দিয়া এলাকার অরূপ রায়ের বাড়ির সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। তাঁর বাড়ির সামনের একটি গুদামঘর থেকে ত্রিপল, কম্বল, শাড়ি, ধুতি-সহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার হওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভও দেখানো হয়।ঘটনার পর অরূপ রায় দাবি করেছিলেন, ওই ত্রাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি আগেই প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিলেন। পরে প্রশাসন সেগুলি সরাতে গেলে বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়।সাংবাদিক বৈঠকে দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ছে কি না, সেই প্রশ্নও ওঠে। উত্তরে কয়েক মুহূর্ত নীরব থাকার পর অরূপ বলেন, এই সময়ে দলের উচিত ছিল আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু সেই দায়িত্ব দল সঠিকভাবে পালন করতে পারেনি।সামনেই পৌরসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনে তিনি সক্রিয়ভাবে প্রচারে নামবেন কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিয়েছেন অরূপ রায়। তাঁর বক্তব্য, এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে তিনি এখনও নিজের অবস্থান চূড়ান্ত করেননি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ক্ষমতা হারানোর পর তৃণমূলের অন্দরে যে অস্বস্তি এবং অসন্তোষ বাড়ছে, অরূপ রায়ের এই মন্তব্য তারই আরও একটি বড় ইঙ্গিত। পৌরসভা নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি দলের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

বহিষ্কারের পর বিস্ফোরক সন্দীপন! ‘সই জাল হয়েছে, অভিযোগ না করে উপায় ছিল না’

সই সংক্রান্ত বিতর্কে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। দলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলার পর ইতিমধ্যেই বহিষ্কৃত হয়েছেন এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা এবং উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বহিষ্কারের পরও নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন সন্দীপন সাহা। তাঁর দাবি, নিয়ম বহির্ভূত কাজ হয়েছে বলেই তিনি অভিযোগ জানাতে বাধ্য হয়েছেন।সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, দুই বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতেই সই সংক্রান্ত ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এরপরই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়।সন্দীপন সাহার অভিযোগ, গত ৬ মে তৃণমূলের একটি বৈঠকে বিধায়কদের উপস্থিতিতে আলোচনা হলেও সেখানে বিরোধী দলনেতাকে নিয়ে কোনও প্রস্তাব গৃহীত হয়নি। কিন্তু পরে ১৯ মে যে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়, তাতে ৬ মে উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। তাঁর দাবি, কয়েকজন বিধায়ক ওই বৈঠকে উপস্থিত না থাকলেও তাঁদের নাম রেজোলিউশনে যুক্ত করা হয়েছে, যা নিয়মবিরুদ্ধ এবং অনৈতিক।সন্দীপনের বক্তব্য, যাঁরা বৈঠকে ছিলেন না, তাঁদের উপস্থিত দেখিয়ে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়েছে। এটি কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও দাবি করেন, উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর দিয়েই রেজোলিউশন জমা দেওয়া সম্ভব ছিল। তা না করে কেন অন্য পথ নেওয়া হল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। এই ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সন্দীপন। তাঁর দাবি, এত বড় ভুলের দায় এড়ানো যায় না।দলকে না জানিয়ে কেন তিনি বিধানসভা কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছিলেন, সেই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন সন্দীপন। তাঁর কথায়, একজন বিধায়ক হিসেবে তিনি সংবিধান ও নিয়ম মেনে চলার শপথ নিয়েছেন। সেই দায়িত্ব থেকেই তিনি অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, দলের ভিতরে কোনও অভিযোগ বা প্রশ্নের সঠিক উত্তর পাওয়া যায় না বলেই তিনি অন্য পথ বেছে নিয়েছেন।সন্দীপন আরও অভিযোগ করেন, দলের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা করার পরিবেশ নেই। কোনও প্রশ্ন তুললে তার উত্তর না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়। ফলে দলের ভিতরে নিজের মতামত বা আপত্তি জানানো কার্যত অসম্ভব হয়ে উঠেছে বলে দাবি তাঁর।বহিষ্কৃত এই বিধায়কের কথায়, সই সংক্রান্ত বিতর্ক নিয়ে সাধারণ মানুষ তাঁদের প্রশ্ন করছেন। সেই প্রশ্নের উত্তর দেওয়াও কঠিন হয়ে উঠছে। তাই বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা এবং অভিযোগ জানানো ছাড়া তাঁর সামনে আর কোনও পথ খোলা ছিল না বলেই দাবি করেছেন সন্দীপন সাহা।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

সিআইডির জেরায় ফাঁস নতুন তথ্য? তিন বিধায়কের স্বীকারোক্তির দাবি শুভেন্দুর

বিধানসভার একটি রেজোলিউশনকে কেন্দ্র করে সই সংক্রান্ত বিতর্কে রাজ্য রাজনীতি সরগরম। এই ঘটনায় তদন্তে নেমেছে সিআইডি। ইতিমধ্যেই একাধিক তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছেন তদন্তকারীরা। তদন্তের অংশ হিসেবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতেও নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে, তা নিয়ে সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহার অভিযোগের ভিত্তিতেই পুরো বিষয়টির তদন্ত শুরু হয়।শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী, বিরোধী দলনেতা নির্বাচন সংক্রান্ত যে রেজোলিউশন বিধানসভায় জমা দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ওই দুই বিধায়ক। তাঁদের অভিযোগ ছিল, রেজোলিউশনে থাকা কয়েকজন বিধায়কের সই নিয়ে অসঙ্গতি রয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি স্পিকারের নির্দেশে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়।তদন্তের অংশ হিসেবে একাধিক তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে কথা বলেন তদন্তকারীরা। শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, তদন্ত চলাকালীন তিন জন বিধায়ক জানিয়েছেন যে রেজোলিউশনে থাকা সই তাঁদের নয়। তিনি দাবি করেন, ওই তিন জন হলেন বাহরুল ইসলাম, শুভাশিস দাস এবং অরূপ রায়। তাঁদের মধ্যে একজন নাকি তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, তিনি সেদিন কলকাতায়ই ছিলেন না।সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, তদন্তে উঠে আসা তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর দাবি, যাঁরা সই নিজেদের নয় বলে জানিয়েছেন, তাঁদের কোনও ব্যক্তিগত লাভ নেই। তাই তাঁদের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিয়েই তদন্ত এগোচ্ছে।এদিকে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। অভিযোগকারী দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে ইতিমধ্যেই দল থেকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে সই সংক্রান্ত বিতর্কের তদন্তে নতুন নতুন তথ্য সামনে আসায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এখন তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে কী তথ্য উঠে আসে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal