• ১৫ কার্তিক ১৪৩৩, বুধবার ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Team

রাজ্য

১০০ দিনের কাজে বেনিয়মের অভিযোগ কেন্দ্রের, শাস্তি প্রত্যাহারের প্রতিবাদে অবরোধ কর্মসূচি বর্ধমানে

মঙ্গলবার বর্ধমান শহরের ইতিহ্যবাহী টাউন হল থেকে মিছিল করে জেলার ত্রিস্তর পঞ্চায়েত কর্মচারী সংগঠনের প্রতিনিধিরা কার্জনগেটের কাছে জিটি রোডে পাঁচ দফা দাবি জানিয়ে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। সভার শেষে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত কর্মচারী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) কাজল রায়ের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল রাজ্যে গ্রামীন উন্নয়ন প্রকল্পের (১০০ দিনের) কাজের অসংগতি ও পদ্ধতিগত ত্রুটির জন্য ২০১৯ -এ কিছু নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশের প্রতিবাদে আজ রাজ্যের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত কর্মচারী সংগঠনের প্রতিনিধিরা জেলায় জেলায় প্রতিবাদ সভা করেন। ২০১৯-এ রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি ও পদ্ধতি যাচাই করতে দিল্লি থেকে প্রতিনিধি দল জেলার বিভিন্ন পঞ্চায়েত পরিদর্শন করেন। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের রিপোর্ট অনুযায়ী পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন পঞ্চায়েতের ৩ জন নির্মাণ সহায়ক, ১ জন এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্টান্টের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে ও ৪ জন গ্রাম রোজগার সহায়ক (GRS), ২ জন এসটিপি (STP) এবং ১ জন ভিএলই (VLE) বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ (Show Cause Notice) করা হয়েছে। প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত কর্মচারী সংগঠন সমূহের সমন্বয় কমিটির আজকের এই আন্দোলন কর্মসুচি।অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) কাজল রায় বলেন, বিভাগীয় তদন্ত মানে শাস্তি নয়, ব্লক আধিকারিকরা দেখে শুনেই নির্দেশ দিয়েছেন। এখন দেখা যাক তদন্তকারী আধিকারিকরা কি রিপোর্ট দেয়, তারপর পরবর্তী চিন্তাভাবনা করা হবে।কর্মচারি সংগঠনের প্রতিনিধি দলের তরফে জনতার কথা কে জানানো হয়, ২০১৯ -এ কেন্দ্রীয় পরিদর্শক দল রাজ্যে গ্রামীন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি ও পদ্ধতি খতিয়ে দেখতে বেশ কিছু পঞ্চায়েত পরিদর্শন করেন। এবং তাঁদের পাঠানো রিপোর্টের ভিত্তিতে বেশ কিছু কর্মচারি স্বার্থের পরিপন্থী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাঁরা তাঁদের ডেপুটেশনে উল্লেখ করে জানান, উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া কোনও কাজই পঞ্চায়েত স্তরে হয় না। আর্থিক বছরের শুরুতে অ্যানুয়াল অ্যাকসান প্ল্যান মোতাবেক সকল কাজ হয় এবং তাঁরা আরও জানান, অ্যানুয়াল অ্যাকসান প্ল্যান পঞ্চায়েত তৈরি করে ঠিক-ই কিন্তু তা উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের অনুমদন না দিলে প্রকল্পের কাজ শুরু করা যায় না। সেক্ষেত্রে কোনও ভুল যদি হয়ে থাকে, তাহলে কেন একতরফা ভাবে শুধুমাত্র কয়েকজন চুক্তি ভিত্তিক কর্মচারীর বিরুদ্ধে শাস্তির খাঁড়া ঝুলবে?জেলাশাসক করণের সামনে অবস্থান কর্মসূচিপ্রশাসন সুত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় তিন বছর আগে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল রাজ্যে গ্রামীন উন্নয়ন প্রকল্পের বিশেষত ১০০ দিনের কাজের পদ্ধতিতে রীতিমত অসন্তুষ্ট। ১০০ দিনের কাজের পদ্ধতির বাইরে গিয়ে বেশ কিছু কাজে বেনিয়ম হয়েছে বলে তাঁরা মনে করে। সেই নিয়ম বহির্ভূত প্রকল্পের জন্য তাঁরা পঞ্চায়েতগুলিকে জরিমানাও করেন। পঞ্চায়েতগুলি জরিমানার টাকা বেশ কিছুটা ফেরতও দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের দপ্তর থেকে বাকি জরিমানার টাকা দ্রুত পরিশোধ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। তাঁর সঙ্গে জানতে চাওয়া হয় সেই সমস্ত পঞ্চায়েতের কর্মীদের বিরুদ্ধে কি শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেই নির্দেশ আসামাত্র নড়ে চড়ে বসে জেলা প্রশাসনিক মহল।ত্রিস্তর পঞ্চায়েত কর্মচারী সংগঠনের প্রতিনিধিরা জেলা শাসকের কাছে আবেদন রাখেন, তাঁদের পাঁচদফা দাবি বিবেচনা করে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। যে সমস্যার সম্মুখীন তাঁরা তা থেকে যেন দ্রুত বেরিয়ে আসতে পারেন। তাঁরা জেলাশাসকের কাছে অনুরোধ রাখেন, জেলা প্রশাসনের অধীনস্ত ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত সকল কর্মচারীর স্বার্থে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করে কর্মচারীদের নির্ভয়ে উন্নয়নমূলক সরকারি কর্মসূচি সমূহের রূপায়ণে উদ্বুদ্ধ করা হয়। এবং অভিযুক্ত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের পদ্ধতি যেন প্রত্যাহার করা হয়। তাঁরা জেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ আধিকারিকের কাছে বিনীত অনুরোধ রাখেন যাতে, সাধারণ কর্মচারীদের জীবন, জীবিকা ও পরিবারের স্বার্থে বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়।

আগস্ট ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লালহলুদ সমর্থকদের জন্য সুখবর, সোমবারই দলগঠন নিয়ে বৈঠক

দুদফায় ইস্টবেঙ্গল কর্তাদেরল কাছে চুক্তিপত্র পাঠিয়েছিল ইমামি। সেই চুক্তিপত্র আইনজীবীদের দেখিয়ে আবার ইমামি কর্তাদের কাছে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছিলেন লালহলুদ কর্তারা। কয়েকদিনের মধ্যেই চুক্তিপত্রে সই হয়ে যাবে। চুক্তিপত্রে সই না হলেও দলগঠন প্রক্রিয়া বন্ধ রাখতে চাইছে না দুই পক্ষের কর্তারা। কারণ দেরি করলে আর ফুটবলার পাওয়া যাবে না। তাই চুক্তিপত্রে সই হওয়ার আগেই দল গঠন শুরু করতে চাইছেন কর্তারা। এই নিয়ে সোমবার বৈঠকে বসছেন দুই পক্ষের কর্তারা।রবিবার ইমামি ও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের মধ্যে সামনের মরশুমের দল গঠন নিয়ে আলোচনা হয়। সেই বৈঠকে ঠিক হয়েছে সোমবার আবার সামনাসামনি আলোচনায় বসা হবে। সেই বৈঠকে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা লগ্নিকারী সংস্থা ইমামির কর্তাদের হাতে ফুটবলারদের তালিকা তুলে দেবেন। সেই তালিকা অনুযায়ী দলগঠন শুরু হবে। আপাতত কলকাতা লিগ ও ডুরান্ড কাপের জন্য দল গঠন করা হবে। পরে আইএসএলের জন্য নতুন ফুটবলার নেওয়া হবে। কলকাতা লিগ ও ডুরান্ড কাপে নজরকাড়া ফুটবলারদেরও আইএসএলের জন্য দলে রাখা হবে। ১৬ আগস্ট ডুরান্ডে এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ। হাতে একমাসেরও কম সময়। তাই দুই পক্ষের কর্তারা চাইছেন দ্রুত দল গড়ে অনুশীলনে নামতে।চুক্তি নিয়ে দুই পক্ষের আর টালবাহনা নেই। ইমামির কর্তাদের সঙ্গে লালহলুদ কর্তাদের যে আলোচনা হয়েছিল, তার ভিত্তিতেই চুক্তিপত্রের খসড়া তৈরি করা হয়েছিল। সেটা ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে পাঠানো হয়েছিল। সেই চুক্তিপত্রে অবশ্য কোনও বদলের দাবি করেননি লালহলুদ কর্তারা। ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের দাবি, আর কোনও জটিলতা তৈরি হবে না। এই সপ্তাহেই চুক্তিপত্রে সই হয়ে যাবে।

জুলাই ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার ঘর ভাঙছে ইস্টবেঙ্গলে, গত মরশুমের সেরা ফুটবলার যাচ্ছেন কেরালা ব্লাস্টার্সে

আবার ঘর ভাঙতে চলেছে ইস্টবেঙ্গলের। সামনের মরশুমে লালহলুদ জার্সিতে আর দেখা যাবে না আন্তোনীয় পেরেসোভিচকে। ক্রোয়েশিয়ার এই তারকার সঙ্গে কেরালা ব্লাস্টার্সের কথা অনেকদূর এগিয়েছে। যদিও চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে এখনও সই করেননি লুকা মদ্রিচইভান রাকিটিচের দেশের এই ফুটবলার।গত মরশুমে আইএসএলে লালহলু্দ জার্সিতে যে কজন ফুটবলার নজরকাড়া পারফরমেন্স করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন আন্তোনীয় পেরেসোভিচ। যদিও আইএলএলের মাঝপথে রেফারিকে ধাক্কা দিয়ে ৫ ম্যাচ নির্বাসনের কবলে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। ফেডারেশনের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি তাঁকে শাস্তি দিয়েছিল। শাস্তির কমানোর জন্য আবেদন করেও লাভ হয়নি। ইস্টবেঙ্গল আইএসএলে শেষ স্থান পেলেও পেরেসোভিচের খেলা ভাল লেগেছিল কেরালা ব্লাস্টার্স কর্তাদের। তাঁরা ক্রোয়েশিয়ার এই ফুটবলারকে পাওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ দেখান। পেরেসোভিচের এজেন্টের সঙ্গে এক প্রস্থ কথা হয়েছে কেরালা ব্লাস্টার্সের কর্তাদের।গত মরশুমে পেরেসোভিচ লালহলুদ জার্সি গায়ে ১৪টি ম্যাচ খেলেছিলেন। গোল করেছিলেন ৪টি, একটি অ্যাসিস্ট করেছিলেন তিনি। কেরালা ব্লাস্টার্স ছাড়াও পেরেসোভিচকে পাওয়ার জন্য ভারতের আরও কয়েকটি ক্লাব আগ্রহ দেখিয়েছে। তবে কেরালা ব্লাস্টার্সের পাল্লা ভারি। ক্রোয়েশিয়ার জাতীয় দলের জার্সিতে দুটি ম্যাচ খেলেছেন পেরেসোভিচ। নিজের দেশের ক্লাবেরও প্রস্তাব রয়েছে তাংর কাছে।অন্য দিকে, বিশাল কাইথকে নিশ্চিত করে ফেলল এটিকে মোহনবাগান। কাইথকে দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তির অফার করা হয়েছে এবং মোটা অঙ্কেই এটিকে মোহনবাগানে আসছেন তিনি। চেন্নাইয়িন এফসির সঙ্গে তাঁর চুক্তি শেষ হওয়ায় ফ্রি এজেন্ট ছিলেন কাইথ। তাঁকে পাওয়ার জন্য ইস্টবেঙ্গল আগে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল এবং লাল-হলুদের রিক্রুটারদের সঙ্গে অনেক দূর কথা এগিয়ে ছিল এরই মাঝে ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমে পড়ে এটিকে মোহনবাগান। অপর দিকে, পাঞ্জাবের ডিফেন্ডর গুরমুখসিং-এর সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি করল চেন্নাইয়িন এফসি। আই লিগের দল রাজস্থান ইউনাইটেড থেকে গুরমুখ এলেন দুই বারের আই লিগ চ্যাম্পিয়ন চেন্নাইয়নে। যদিও গুরমুখের সঙ্গে যোগ রয়েছে ইস্টবেঙ্গলের। লাল-হলুদের অ্যাকাডেমি থেকে এই ফুটবলার উঠে এসেছেন। মিনার্ভা অ্যাকাডেমি এফসিতেও ছিলেন এই পাঞ্জাব তনয়। রাজস্থান ইউনাইটেডের হয়ে মোট ২২ ম্যাচ খেলেছেন এই তরুণ ডিফেন্ডার।

জুন ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দল গঠনের দায়িত্ব ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের হাতে কেন ছেড়ে দিল ইমামি?

দল বদলের বাজারে ইস্টবেঙ্গল যাতে পিছিয়ে না পড়ে তার জন্য ক্লাব কর্তাদের দল গঠনের ব্যাপারে পুরো স্বাধীনতা দিল ইমামি। বুধবার ইমামির কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন ইস্টবেঙ্গলের কর্তারা। বৃহস্পতিবার আবার এক দফা আলোচনা হয় দুই পক্ষের মধ্যে। সেই বৈঠকেই দল গঠনের দায়িত্ব ক্লাব কর্তাদের হাতে ছেড়ে দিয়েছে ইমামি।এদিনের বৈঠকে লালহলুদ কর্তারা কোন কোন ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি করেছেন তা বিস্তারিত ভাবে জানিয়েছেন ইমামির কর্তাদের। আগামী মরশুমের দল গঠনের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। ইমামির সঙ্গে এখনও চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। তাই কোনও টেকনিক্যাল টিমও গঠন করা যায়নি। তাই দুই পক্ষের কর্তারা আলোচনা করেই আপাতত দল গঠনের কাজে এগোবেন। নতুন কোম্পানিতে কত শতাংশ শেয়ার কাদের কাছে থাকবে, তা নিয়ে বিস্তারিত কোনও আলোচনায় হয়নি। তবে শোনা যাচ্ছে পুরো স্পোর্টিং রাইটসের পরিবর্তে শুধু ফুটবল রাইটস ইমামির হাতে তুলে দিতে পারে ইস্টবেঙ্গল। সামনের সপ্তাহে কার্যকরী কমিটির বৈঠকে বসবেন লাল হলুদ কর্তারা। সেই বৈঠকে শেয়ারের ব্যাপারে আলোচনা হবে। তারপর ইমামি কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে ইস্টবেঙ্গল। লালহলুদ কর্তারা চাইছেন চুক্তির বিষয় চূড়ান্ত করে নতুন কোম্পানি তৈরি করতে। মনতোষ হাতছাড়া হলেও ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের জন্য খুশির খবর। লাল হলুদের সঙ্গে অনেক দূর কথা এগিয়েছে অনূর্ধ্ব-১৭ ফিফা বিশ্বকাপে ভারতের জার্সিতে খেলা জিতেন্দ্র সিং-এর। গত আইএসএলে জামশেদপুরের হয়ে লিগ শিল্ড জয়ী জিতেন্দ্র সিং-এর কাছে ইস্টবেঙ্গল ছাড়াও অফার রয়েছে অন্যান্য ক্লাবের। একাধিক আইএসএল-এর ক্লাব তাঁকে পেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। পুরোটাই এজেন্টের সঙ্গে খাতিয়ে দেখছেন জিতু। ইস্টবেঙ্গল মনমতো প্রস্তাব দিলে বেশি ক্লাবের চুক্তি পত্রে সই করতে বেশি সময় নেবেন না তিনি। এদিকে, আশুতোষ মেহতাকে কলকাতা লিগের জন্য অধিনায়ক ঘোষণা করতে পারে এটিকে মোহনবাগান। সহ অধিনায়ক বাছা হতে পারে অভিজ্ঞ কোনও বাঙালি ফুটবলারকে।

জুন ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইন্দোনেশিয়াকে ১৬ গোল!‌ এশিয়া কাপে এ কী করল ভারত?‌

কঠিন সময়ে জ্বলে ওঠার নজির আগেও রয়েছে ভারতীয় দলের। সেই কাজটা আবার করে দেখাল এশিয়া কাপে। অসম্ভবকে সম্ভব করে সুপার ফোরে পৌঁছে গেল ভারতীয় হকি দল।আগের ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ড্র করে নিজেদের ভবিষ্যত অনিশ্চিত করে তুলেছিলেন বীরেন্দ্র লাকড়ারা। সেমিফাইনালে যেতে গেলে এবারের এশিয়া কাপের আয়োজক ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে ১৫০ গোলের ব্যবধানে জিততে হত ভারতীয় দলকে। ডু অর ডাই ম্যাচে জ্বলে উঠলেন বীরেন্দ্ররা। ১৬০ ব্যবধানে জিতে পুল এ থেকে সুপার ফোরে পৌঁছে গেল ভারত। ভারতের হয়ে পাঁচটি গোল করেন দীপসন তিরকে, হ্যাটট্রিক করেন বেলিমগ্গা। দুটি করে গোল করেন সেলভম কারথি, সোমওয়ারপত, সুনীল এবং রাজভর।এশিয়া কাপের নকআউট পর্বে যাওয়ার জন্য গতবারের চ্যাম্পিয়ন ভারতকে ইন্দোনেশিয়াকে বিশাল ব্যবধানে হারাতে হত। শুরু থেকেই ইন্দোনেশিয়ার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন বীরেন্দ্র লাখড়ারা। ভারতীয় দলের একের পর এক আক্রমণের সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ইন্দোনেশিয়ার রক্ষণ। ম্যাচের ১০ মিনিটে রাজভর প্রথম গোল করে ভারতকে এগিয়ে দেন। ১ মিনিট পরেই পেনাল্টি কর্ণার থেকে ২০ করেন তিনিই। প্রথম কোয়ার্টার শেষ হওয়ার আগেই ৩০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। ১৯ মিনিটে ৪০ করেন সুনীল। প্রথমার্ধেও ৬০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। দ্বিতীয়ার্ধে আরও ৯ গোল চাপিয়ে দেয় ইন্দোনেশিয়ার ওপর।𝗗𝗶𝗽𝘀𝗮𝗻 𝘀𝘁𝗮𝗿𝘀 𝗶𝗻 𝗜𝗻𝗱𝗶𝗮𝘀 𝘄𝗶𝗻!India beat hosts #Indonesia by a massive 16-0 margin to qualify for the semi-finals of the #HeroAsiaCup2022.Dipsan Tirkey netted 4️⃣ goals while Olympian Birendra Lakra Odia boy Nilam Sanjeep Xess scored a goal each. pic.twitter.com/IIQdkaE8xn Odisha Sports (@sports_odisha) May 26, 2022গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানের সঙ্গে ১১ ড্র করে ভারত। এর পর জাপানের বিরুদ্ধে ৫২ ব্যবধানে হেরে যায়। বৃহস্পতিবার জাপান ৩২ ব্যবধানে হারায় পাকিস্তানকে। ২-৩ গোলের ব্যবধানে হেরে যায়। এর পরে সুপার ফোরে ওঠার জন্য ভারতের কাছে একটাই পথ খোলা ছিল ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে ১৫ গোলের ব্যবধানে জিততে হবে। ভারত ১৬টি গোল করে।এদিন শেষ ১৫ মিনিটে তিন গোল দরকার ছিল ভারতের। ভারত দেয় ৪ গোল। শেষ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার পায় ভারত এবং তা থেকে তিরকে গোল করে যান। এটি ছিল তাঁর ম্যাচের চতুর্থ গোল। আর এই গোলের সঙ্গে পুল এ-তে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে ভারত। ফলে গ্রুপে তৃতীয় স্থানে শেষ করে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যায় পাকিস্তান। ভারত ২০১৭ সালে এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

মে ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মনোতোষ চূড়ান্ত, দুই বিশ্বকাপারকে দলে নিতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল

আইএসএলের স্পনসর কবে আসবে, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চিয়তা রয়েছে। সহযোগী স্পনসর নিয়ে কলকাতা লিগ, শিল্ড, ডুরান্ড কাপ খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। সেই লক্ষ্যে সামনের মরশুমের জন্য দল গঠনে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন লালহলুদ কর্তারা। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি করেছে ইস্টবেঙ্গল। এবার বাংলা দলের সন্তোষ ট্রফির অধিনায়ক মনোতোষ চাকলাদারের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করল লালহলুদ শিবির। সন্তোষ ট্রফিতে রীতিমতো নজরকাড়া ফুটবল খেলেছিলেন মনোতোষ চাকলাদার। রক্ষণে বাংলাকে দারুণ নির্ভরতা দিয়েছিলেন। তাঁর খেলা দেখে লালহলুদ কর্তাদের ছাড়াও ভাল লেগেছিল চেন্নাইন এফসির কর্তাদের। ইস্টবেঙ্গলের পাশাপাশি চেন্নাইন এফসিরও প্রস্তাব ছিল মনোতোষের কাছে। শেষ পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলকেই বেছে নিলেন বাংলার এই উদীয়মান ডিফেন্ডার। কেন লালহলুদকে বেছে নিলেন, সেই প্রসঙ্গে মনোতোষ চাকলাদার বলেন, প্রথম কথা ইস্টবেঙ্গল কলকাতার দল। ইস্টবেঙ্গলের মতো ক্লাবে খেলার সুযোগ পাওয়াটা আমার কাছে গর্বের। আর চেন্নাইনে সবসময় খেলার সুযোগ পাব কিনা, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই।অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের হয়ে খেলা দুই ফুটবলারারে সঙ্গে কথা বলেছেন লালহলুদ কর্তারা। মহম্মদ রকিপ ও জিতেন্দ্র সিংকে দলে নিতে আগ্রহী ইস্টবেঙ্গল। রকিপ মণিপুরের ফুটবলার। মূলত খেলেন রক্ষণভাগে। তাঁকে দুই বছরের চুক্তিতে দলে নিতে চাইছেন লাল হলুদ কর্তারা। ইতিমধ্যে ইন্ডিয়ান সুপার লিগে বেশ কিছু ম্যাচ খেলেছেন বছর একুশের এই ডিফেন্ডার। অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে খেলা জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে কথা বলেছেন লালহলুদ কর্তারা। কথাবার্তা অনেকদূর এগিয়েছে। জিতেন্দ্র ডিফেন্সের পাশাপাশি মাঝমাঠে খেলতে পারেন। মূলত ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার ভূমিকায় তাঁকে নেওয়ার কথা ভাবছে ইস্টবেঙ্গল। একদিকে দল গোছালেও ভাঙতেও পারে। ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে চলে যেতে পারেন ডিফেন্ডার আদিল খান। তাঁকে দলে নিতে আগ্রহী চেন্নাইয়িন এফসি। ৩৩ বছর বয়সী এই ফুটবলার ভারতের একাধিক ক্লাবে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। গতবছর ইন্ডিয়ান সুপার লিগে লালহলুদ রক্ষণকে যথেষ্ট নির্ভরতা দিয়েছিলেন। দলের খারাপ পারফরমেন্সের মাঝেও আদিলের খেলা লাল হলুদ সমর্থকদের ভাল লেগেছিল। একসময় সবুজমেরুণ জার্সি গায়েও খেলেছিলেন আদিল। পুনে সিটি এফসির হয়েও আইএসএলে খেলেছিলেন।

মে ১৩, ২০২২
রাজ্য

কখন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি যাবে বহরমপুরে? কটাক্ষ শুভেন্দুর

রাজনীতি ও ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি এখন সমার্থক শব্দ। বাংলায় ঘটনা ঘটলে বিজেপি কেন্দ্রীয় ভাবে ঘটনার বিস্তারিত জানতে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি পাঠাচ্ছে। বিজেপি শাসিত রাজ্য বা কেন্দ্রীয় পুলিশের তত্বাবধানে কোনও ঘটনা ঘটলে সেখানে এই কমিটি গঠন করছে তৃণমূল কংগ্রেস। নাম একই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। এবার বহরমপুরের ছাত্রী খুনের ঘটনায় ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি পাঠানো নিয়ে কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী।শুভেন্দু সোশাল মিডিয়ায় লিখেছেন, জানতে চাই মাননীয়া কখন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম পাঠাচ্ছেন বহরমপুরে? @MamataOfficial আপনার শাসনকালে অপরাধীদের মনোবল বৃদ্ধি পেয়েছে। আপনি আইন শৃঙ্খলার অবনতির দায় নিয়ে পদত্যাগ করুন এবং যোগ্য কাউকে দায়িত্ব দিন।জানতে চাই মাননীয়া কখন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম পাঠাচ্ছেন বহরমপুরে?@MamataOfficial আপনার শাসনকালে অপরাধীদের মনোবল বৃদ্ধি পেয়েছে। আপনি আইন শৃঙ্খলার অবনতির দায় নিয়ে পদত্যাগ করুন এবং যোগ্য কাউকে দায়িত্ব দিন। Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) May 3, 2022রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে তৃণমূলের পঞ্চায়েত উপপ্রধান খুন হওয়ার পর গণহত্যায় ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরে আরও ২জন অগ্নিদগ্ধের মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে। এই ঘটনার বিস্তারিত জানতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছিলেন। তাঁরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নাড্ডাকে রিপোর্ট দিয়েছিল। পরে হাঁসখালিতে গণধর্ষণের ঘটনাতেও দলের মহিলা সদস্যের নিয়ে ফ্য়াক্ট ফাইন্ডিং কমিটি ঘটনা স্থলে গিয়ে মৃতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে।এরইমধ্যে উত্তরপ্রদেশে একই পরিবারের ৫ সদস্যকে গলার নালি কেটে কেটে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়। সেখানে পৌঁছায় তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। তারপর দিল্লির ঘটনায় ফের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি পাঠায় তৃণমূল। উত্তরপ্রদেশে ক্ষমতায় রয়েছে যোগীর সরকার। আর দিল্লি পুলিশ কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে। বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির পাল্টা তৃণমূলও গঠন করে।গতকাল সোমবার সন্ধ্য়ায় বহরমপুরে চাকু দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে অনেকের সামনে এক কলেজছাত্রীকে খুন করে যুবক। অভিযুক্ত সুশান্ত চৌধুরীকে কয়েক ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই ঘটনার ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন নিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু।

মে ০৩, ২০২২
রাজ্য

'হাঁসখালিতে কী ধর্ষিতা নাবালিকাকে জীবন্ত দাহ করা হয়েছে?', প্রশ্ন বিজেপির কমিটির

হাঁসখালি নিয়ে বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি রিপোর্ট দিল দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাকে। কমিটির সদস্য শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী প্রশ্ন তুলেছেন ধর্ষিতা নাবালিকাকে কী জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে? তাঁদের এই প্রশ্নে তোলপার হয়েছে রাজ্য-রাজনীতি। নতুন করে ফের বিতর্ক শুরু হল। তৃণমূলের বক্তব্য, এসব বিষয় তো এক্সপার্টরা বলবে। তার জন্য ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ আছেন। বিজেপি অযথা মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি করছে। সিবিআই তদন্ত চলাকালীন দলের পৃথক তদন্ত কেন্দ্রীয় সংস্থাকে প্রভাবিত করতে পারে বলে মনে করে তৃণমূল।মৃত নাবালিকার হাঁসখালির বাড়িতে গিয়েছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় ফ্যাঙ্ক ফাইন্ডিং কমিটির চার সদস্যা। কমিটিতে ছিলেন ইংরেজ বাজারের বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী, উত্তরপ্রদেশের বিজেপি সাংসদ রেখা বর্মা, তামিলনাড়ুর বিধায়ক তথা বিজেপির মহিলা মোর্চার সর্বভারতীয় সভানেত্রী বনতি শ্রীনিবাসন এবং বিজেপি নেত্রী খুশবু সুন্দর। তাঁরা মৃতের বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। উল্লেখ্য হাঁসখালিতে নাবালিকা ধর্ষণের ঘটনায় স্থানীয় তৃণমূল নেতার ছেলেকে গ্রফতার কররা হয়েছে। এই মামলায় পরে সিবিআই আরও ২ জনকে গ্রেফতার। এই ঘটনার সরেজমিনে পরিদর্শন করতে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করে। বিধায়ক শ্রীরূপা বলেন, হাঁসখালির ঘটনায় প্রমাণ লোপাট করার চেষ্টা হয়েছে। নাবালিকাকে কেন নিয়ে গেল, কেথায় নিয়ে গেল এটা বড় প্রশ্ন। তাছাড়া দাহ করার সময় আদৌ কি তার মৃত্যু হয়েছিল? নাকি জীবন্তই দাহ করা হয়েছে? এমন প্রশ্ন উঠে আসছে।

এপ্রিল ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইসক্রিমে বান!‌ রুটিতে চকোলেট ও নান্দু সস!‌ সঙ্গে চিকেন!‌ এ কোন ভারতীয় ক্রিকেটারের মেনু?‌

ভারতীয় ক্রিকেটে ডায়েট ও ফিটনেসের ব্যাপারে একটা শৃঙ্খলা তৈরি করেছিলেন প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। আধুনিক ক্রিকেটে বয়স ও ডায়েট একটা অন্য প্যারামিটার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু ভারতীয় ড্রেসিংরুমে এমন দুজন ক্রিকেটার রয়েছেন, যারা ডায়েটের ধার ধারেন না। ডায়েটের ব্যাপারে তাঁদের শৃঙ্খলার কোনও বালাই নেই। তাঁরা অনায়াসে আইসক্রিমে বান ডুবিয়ে খেতে পারেন। রুটির ওপরে চকোলেট ও নান্দু সস মাখাতে পারেন। ভেবে অবাক হয়ে যাচ্ছেন, এমনও ক্রিকেটার ভারতীয় দলে রয়েছেন? অবাক হওয়ার কিছু নেই। এটাই ঘটনা। এই দুই ক্রিকেটার হলেন ঈশান কিশান ও ঋষভ পন্থ। ডায়েটের কোনও ধার ধারেন না ভারতীয় দলের এই দুই ক্রিকেটার।ফিটনেসের জন্য ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি দীর্ঘদিন জাঙ্ক ফুট ত্যাগ করেছেন। অথচ তাঁরই সংসারে অন্য গল্প। বিরাট কোহলির যুগে, ভারতীয় দল ফিটনেসের দিক থেকে ব্যাপকভাবে উন্নতি করেছে। তার মানে এই নয় যে ভারতীয় দলের সব ক্রিকেটারই ডায়েটের ব্যাপারে বিরাট কোহলির মতো সমান কঠোর। ঈশান কিশান ও ঋষভ পন্থের ডায়েটের বিষয়টা প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছেন জাতীয় দলে তাঁদেরই সতীর্থ সূর্যকুমার যাদব। ঈশান কিশান এবং ঋষভ পন্থ খাবারে যে অদ্ভুত সংমিশ্রণ ঘটান, তা যে কারও ঠোঁটে লেগে থাকতে পারে।সূর্যকুমার যাদব তাঁর বিখ্যাত ইউ টিউব শো ব্রেকফাস্ট উইথ চ্যাম্পিয়নসএ অভিনেতা এবং টেলিভিশন ও ক্রিকেট উপস্থাপক গৌরব কাপুরকে ঈশান কিশান ও ঋষভ পন্থের অদ্ভুত ডায়েটের কথা বলেছিলেন। সূর্যকুমার বলেন, ঋষভ পন্থ এবং ঈশান কিশান যদি এক জায়গায় হাজির হয়, তাহলে ওদের খাবার অন্য উচ্চতায় পৌঁছে যায়। ওরা অনায়াসে যা কিছু খেতে পারে। একটি বান আইসক্রিমে ডুবিয়ে খায়। রুটির ওপর চকোলেট আইসক্রিম রাখে, তার ওপরে নন্দোর সস রাখে। শুধু তাই নয়, মুরগির মাংসও সঙ্গে থাকে। এই সংমিশ্রণটা হল ওদের চোখে একটি বার্গার। ওইভাবে সাজিয়ে ওরা আমাকে বলে, এটা খাও। তুমি আগামীকাল রান করবে। এই নতুন জিনিস ওরা শুরু করেছে। দুজনেরই পরিচ্ছন্ন হৃদয়, একেবারে বিশুদ্ধ আত্মা। ওদের সাথে সময় কাটাতে দারুণ মজা পাবেন।মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে খেলার সুবাদে ঈশান কিশানকে দীর্ঘদিন ধরেই জানেন সূর্যকুমার। জাতীয় দলে একসঙ্গে থাকার সুবাদে ঋষভ পন্থকেও ভালভাবে চেনেন। ঈশানকে বেশ ব্যক্তিত্ববান বলে মনে হয়েছে সূর্যকুমারের। দলের মধ্যে সবসময় ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করে রাখেন ঈশান। সূর্যর কথায়, ইশান আমার দলের সেরা বন্ধুদের একজন। বিশেষ করে যখন দল একটি ম্যাচ হেরেছে, সিগন্যাল বাউন্সের মতো ঈশান এক বিষয় থেকে অন্য বিষয়ে বাউন্স করে। প্র্যাকটিসের সময় আমি কোচকে বলেছিলাম, আমি শুধুমাত্র ওর সঙ্গে প্র্যাকটিস করতে চাই। যখনই আমরা একসাথে ব্যাট করি, স্কোরবোর্ডের দিকে তাকাই না যতক্ষণ না আমাদের তাড়া করতে হয়। আমরা ক্রিকেট ছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলি। যেমন, আজকে যদি আমরা ম্যাচ জিততে পারি তাহলে আমরা ব্রাউনি আইসক্রিম অর্ডার করব। দারুণ মজা করি।

এপ্রিল ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

গতির কামাল:‌ আইপিএল-এ চমক দিয়ে জাতীয় দলের অপেক্ষায় এই কাশ্মীরি তরুণ

গতবছর আইপিএলে বলের গতি দিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের উমরান মালিক। চলতি আইপিএলে প্রতি ম্যাচেই নিজের প্রতিভার পরিচয় দিয়ে চলেছেন। নিয়মিত বোলিং করছেন ঘন্টায় ১৫০ কিমি গতিতে। প্রতিনিয়ত নিজেকে ছাপিয়ে যাচ্ছেন। ২০২২ আইপিএলে তাঁর দ্রুততম বলটির গতি ছিল ঘন্টায় ১৫৩.১ কিমি। যে বলটি চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে উমরান মালিকের হাত থেকে বেরিয়েছিল। সোমবার গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে তাকেও ছাপিয়ে গেছেন। এদিন তাঁর একটা বলের গতি ছিল ঘন্টায় ১৫৩.৩ কিমি।উমরান মালিকের বলে গতি দেখে মু্গ্ধ ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। ভারতের প্রাক্তন হেড কোচ রবি শাস্ত্রী আগেই উমরানের বলের গতির প্রশংসা করেছিলেন। এবার জম্মু ও কাশ্মীরের এই তরুণ জোরে বোলারকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন। তিমি মনে করছেন। উমরান মালিক খুব দ্রুতই দেশের হয়ে খেলবেন। এমনকি এই তরুণ জোরে বোলারকে কাউন্টি ক্রিকেটে খেলার পরামর্শ দিয়েছেন মাইকেল ভন। মাইকেল ভন টুইট করে বলেছেন, উমরান মালিক খুব শীঘ্রই ভারতের হয়ে খেলবেন। আমি যদি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে থাকতাম, তাহলে এই গ্রীষ্মে উমরানকে কাউন্টি ক্রিকেট খেলতে পাঠাতাম। যাতে তার বোলিংয়ের উন্নতিতে সাহায্য করা যায়। এই মুহূর্তে আইপিএলে কমেন্ট্রি করছেন মাইকেল ভন। খুব কাছ থেকে উমরান মালিকের বোলিং দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। ভন মনে করছেন, অদূর ভবিষ্যতে ভারতীয় দলে জায়গা করে নেবেন জম্মু ও কাশ্মীরের এই তরুণ জোরে বোলার। শুধু মাইকেল ভনই নন, এর আগেই রবি শাস্ত্রীর মুখ থেকেও একই কথা শোনা গেছে। ভারতীয় দলে হেড কোচ থাকার সময় উমরান মালিককে খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন শাস্ত্রী। সেই সময় উমরান ভারতীয় দলে নেট বোলার হিসেবে ছিলেন। নেটে উমরান মালিকের বোলিং দেশে রবি শাস্ত্রী ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও নির্বাচকদের পরামর্শ দিয়েছিলেন তাঁকে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাদেমিতে রাখার। যাতে উমরান নিজের দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে পারেন।গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে গতি দিয়ে দারুণ নজর কেড়েছেন উমরান মালিক। তাঁর প্রথম ডেলিভারিটি ছিল একটি বিষাক্ত বাউন্সার। যা হার্দিক পান্ডিয়ার হেলমেটে ছোবল মেরেছিল। গুজরাট টাইটান্সের অধিনায়ক ম্যাচের পরে স্বীকার করেছিলেন যে, উমরানের ওই বাউন্সার তাঁকে তাতিয়ে দিয়েছিল। পরের দুটি বলে অবশ্য বাউন্ডারি মেরেছিলেন হার্দিক। দারুণ গতিতে বোলিং করলেও উমরানের সব থেকে বড় সমস্যা হল ধারাবাহিকতার অভাব। নির্দিষ্ট লেংথে বোলিং করতে পারেন না উমরান মালিক। যার ফলে তিনি অনেক বেশি রান দিয়ে ফেলেন। মালিকের ঈর্ষণীয় গতি ছাড়াও জোরে বোলার হিসেবে অনেক কিছু আছে। তাঁর শরীর আদর্শ ক্রীড়াবিদসুলভ। মসৃণ রান আপ। বোলিং অ্যাকশনও দারুণ। এসবই তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ইঙ্গিত। এই বছর আইপিএলের মেগা নিলামের আগে তাঁকে ধরে রেখে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ যে ভুল করেনি, প্রমান করেই চলেছেন উমরান মালিক।

এপ্রিল ১২, ২০২২
দেশ

৭২ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট তলব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের, রাজ্যে আসবে কেন্দ্রীয় দল

রাজ্যে ভেঙে পড়েছে আইন শৃঙ্খলা। কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের দাবি নিয়ে মঙ্গলবার সংসদে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন রাজ্য বিজেপি-র সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সঙ্গে ছিলেন দিলীপ ঘোষ, অর্জুন সিংরা। অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে আসার পর সুকান্ত দাবি করেন, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। রাজ্যে কেন্দ্রীয় দলও পাঠাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, দাবি সুকান্তের।মঙ্গলবার সংসদ ভবনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তরে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন বঙ্গ বিজেপি-র সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন, দিলীপ ঘোষ, লকেট চট্টোপাধ্যায়, অর্জুন সিং, রাজু বিস্তারা। সাক্ষাৎ সেরে বেরিয়ে এসে সুকান্ত সংবাদমাধ্যমকে বলেন, অমিত শাহ আমাদের আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে। তার পর যুগ্মসচিব স্তরের আধিকারিকের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় দল বাংলায় যাবে। যে ঘটনা ঘটেছে তা মানবতার লজ্জা। বাংলায় এই ধরনের ঘটনা বার বার ঘটছে। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেমন, তা খতিয়ে দেখতে দিল্লি থেকে দল যাবে বাংলায়।মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, কেরলে, রাজস্থানে, উত্তরপ্রদেশে যখন গোলমাল হয়, তখন কি সেখানে কেন্দ্রীয় দল যায়? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এই পশ্চিম বাংলার মানুষের শান্তি, সম্প্রীতি বিঘ্নিত করাই আসল উদ্দেশ্য।জানা গিয়েছে, কেন্দ্রের ওই প্রতিনিধি দল রামপুরহাটের ঘটনাস্থল ঘুরে দেখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে বিস্তারিত রিপোর্ট দেবে। আর সেই পরিপ্রেক্ষিতেই ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে, এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন অমিত শাহ।

মার্চ ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সি কে নায়ডু ক্রিকেট টুর্ণামেন্টে বাংলার হয়ে দিল্লীতে খেলতে গেল বর্ধমানের প্রত্যন্ত গ্রামের যুবক 'সুমন'

ভারতে অনুষ্ঠিত ক্রিকেট টুর্নামেন্ট গুলির অন্যতম সি কে নায়ডু ট্রফি। এইবছর অনুর্ধ্ব ২৫ সি কে নায়ডু টুর্নামেন্ট আগামী ১৭ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে দিল্লীতে। সেই টুর্নামেন্টে এবার বাংলা দলের হয়ে খেলার জন্য নির্বাচিত হয়েছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের যুবক সুমন দাস। এক অজ পাড়া গাঁয়ের যুবক সুমন বাংলা দলের হয়ে দিল্লীর ক্রিকেট ময়দান মাতাবে জেনে খুশি তাঁর কোচ, বাবা মা ও প্রতিবেশীরা।জামালপুর ব্লকের চকদিঘী পঞ্চায়েতের প্রত্যন্ত গ্রাম গুড়েঘর। সেই গ্রামের এক প্রান্তে বাড়ি বছর ২২ বয়সী যুবক সুমন দাসের। তাঁর বাবা বিপিনকৃষ্ণ দাহ হুগলীর দশঘরায় ছোটখাট একটি গহনার দোকান চালান। মা সুমিতা দাস সাধারণ গৃহবধূ। সুমনের লেখাপড়া জীবন শুরু হয় হরিপাল পানিশ্যাওলা ইন্দিরা স্মৃতি বিদ্যালয় থেকে। পরবর্তী সময়ে সিবিএসসি বোর্ডের অধীন উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে। সুমনের থেকে চার বছরের বড় দাদা শান্তনু এখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছে।ছোট বয়স থেকেই ক্রিকেট খেলার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় সুমনের। তখন থেকেই তাঁর জীবনের আইকন হয়ে ওঠে ভারতের জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক ও বর্তমান বোর্ড সভাপতি সৌরভ গাঙ্গোপাধ্যায়। বড় ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে সুমন অষ্টম শ্রেণীতে পাঠরত কালেই পৌছে যায় জামালপুর নিবাসী ইস্টার্ন রেলের প্রাক্তন দক্ষ ক্রিকেট খেলোয়াড় অমল দাসের কাছে। অমল দাসের হাত ধরেই সে জামালপুরের সেলিমাবাদের মাঠে ক্রিকেটের অনুশীলন নেওয়া শুরু করে।সিএবি টিম লিস্টকিছুদিন কোচিং দেওয়ার পরেই অমল দাস বুঝে যান তাঁর ছাত্র সুমন যথেষ্টই প্রতিভা সম্পন্ন। উপযুক্ত তালিম পেলে সুমন যে ক্রিকেটের ময়দান দাপিয়ে বেড়াতে পারবে তা বুঝতে ভুল করেন নি অমল বাবু। তিনি তাঁর ছাত্র সুমনকে একজন দক্ষ ডান হাতি পেস বোলার হিসাবে গড়ে তোলার যাবতীয় প্রচেষ্টা চালিয়ে যান। অমল দাসের কাছে প্রশিক্ষণ নিয়েই জেলা ও রাজ্য স্তরের বিভিন্ন ক্রিকেট টুর্নামেন্টে ভালো পারফরমেন্স করতে শুরু করে সুমন। এবার সেই সুমনই বাংলা দলের সদস্য খেলোয়াড় হয়ে হয়ে দিল্লীর ময়দানে সি কে নায়ডু টুর্ণামেন্টে তাঁর ক্রীড়া দক্ষতা প্রকাশ ঘটাতে চলেছে বলে অমল দাস জানিয়েছেন।আত্মপ্রত্যয়ী সুমন এদিন সন্ধ্যাতেই দিল্লীর উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তার আগে রবিবার দুপুরে জনতার কথাকে তিনি বলেন, আমার স্বপ্ন বড় ক্রিকেটার হওয়ার। সেই স্বপ্ন পূরণের অন্যতম কাণ্ডারী আমার কোচ অমল দাস মহাশয়। উনি আমায় হাতে ধরে সফল পেস বোলার হওয়ার অনেক টিপস শিখিয়েছেন। অমল বাবুর সহযোগীতাতেই পাকাপাকি ভাবে বর্ধমানের নামজাদা ক্লাব শিবাজী সংঘের হয়ে খেলার সূযোগ পাই। মাঝে কিছু দিন প্রশিক্ষণের মাঠ নিয়ে সমস্যা তৈরি হওয়ায় অমলবাবুর পরামর্শে কোচিং নিতে যাই ইস্টার্ন রেলের প্রাক্তন কোচ প্রদীপ মণ্ডলের চন্দননগরে ক্রিকেট এ্যাকাডেমিতে। প্রদীপ বাবুও তাঁর সর্বস্ব উজাড় করে দিয়ে আমায় বোলিং ও ব্যাটিংয়ের নানা দিক গুলি হাতে ধরে শিখিয়েছেন। কিছুদিন আগে সিএবি লিগের খেলায় কাস্টমসের হয়ে মহামেডান স্পোর্টিং এর বিরুদ্ধে খেলতে নেমে ৩৪ রান দিয়ে ৬ উইকেট পাই। তার পরেই শনিবার জানতে পারি আমি বাংলা ক্রিকেট দলের (সিএবি) হয়ে সি কে নায়ডু টুর্নামেন্টে খেলার জন্য বিবেচিত হয়েছি। সেখানে ১ মে পর্যন্ত টুর্নামেন্ট চলবে। সুমন আরো জানিয়েছে, আগামী দিনে রঞ্জী ট্রফি ও ভারতীয় ক্রিকেট দলে খেলার স্বপ্ন তার রয়েছে। সুমনের বামা ও মা জানিয়েছেন, বড় ক্রিকেটার হয়ে তাঁদের ছেলে দেশের মুখ উজ্জ্বল করুক এটা তাঁরাও চান। ঈশ্বরের কাছেও সেই প্রার্থনাই রাখছেন।

মার্চ ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জাতীয় দলের নেতা হতে চান!‌ যশপ্রীত বুমরার পর এবার এই ভারতীয় ক্রিকেটার

সাদা বলের ক্রিকেটে রোহিত শর্মার হাতে নেতৃত্ব তুলে দিয়েছেন জাতীয় নির্বাচকরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ হারের পরই লাল বলের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বিরাট কোহলি। টেস্টের নেতা এখনও বেছে নেননি নির্বাচকরা, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে নতুন নেতা বেছে নেওয়া হবে। নির্বাচকদের মাথায় রোহিত শর্মা, লোকেশ রাহুলদের নাম ঘোরাফেরা করছে। এর মাঝেই মহম্মদ সামি জানিয়ে দিলেন দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তিনি তৈরি।কদিন আগেই যশপ্রীত বুমরা জানিয়েছিলেন, তাঁকে যদি দেশকে নেতৃত্বের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তিনি গ্রহন করতে তৈরি। এবার সেই তালিকায় নাম লেখালেন মহম্মদ সামিও। তবে এখনই নেতৃত্ব নিয়ে ভাবছেন না ভারতীয় দলের এই জোরে বোলার। সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মহম্মদ সামি বলেছেন, দেশকে নেতৃত্ব দিতে কে না চায়। প্রত্যেক ক্রিকেটারেরই স্বপ্ন থাকে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার। আমারও স্বপ্ন রয়েছে। এই মুহূর্তে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়া নিয়ে আমি খুব বেশি ভাবছি না। তবে আমাকে যদি দায়িত্ব দেওয়া হয়, আমি তৈরি। সব রকমভাবে দেশের হয়ে অবদান রাখার চেষ্টা করব।দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল মহম্মদ সামি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজেও যশপ্রীত বুমরার সঙ্গে তাঁকেও বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল। তবে সব ধরণের ক্রিকেটে মাঠে নামার জন্য তিনি তৈরি বলে জানিয়েছেন সামি। তিনি বলেন, আমি সব ধরণের ক্রিকেটের জন্য নিজেকে তৈরি রেখেছি। যখনই মাঠে নামব সেরাটা দেব। আইপিএলে আগের মরশুমে পাঞ্জাব কিংসের হয়ে খেলেছিলেন সামি। এবছর তাঁকে রিটেন করেনি পাঞ্জাব কিংস। আবার নতুন করে নিলামে উঠবেন তিনি। যে কোনও ফ্রাঞ্চাইজিতে খেলার জন্য তৈরি বলে জানিয়েছেন সামি।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে পঞ্চায়েতের কাজ খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রের বিশেষ প্রতিনিধি দল

একশো দিনের প্রকল্প এবং আবাস যোজনার কাজ সরেজমিনে দেখতে দিল্লি থেকে রাজ্যে এল কেন্দ্রীয় দল। ছদিন ধরে গত দুবছরে ১০০ দিনের প্রকল্পে কী-কী হয়েছে, আবাস যোজনার কাজ নিয়ম মেনে হয়েছে কি না, সরেজমিন পরিদর্শন করবে রাজ্যে আসা আটটি দল। পূর্ব বর্ধমান, দুই চব্বিশ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দুই মেদিনীপুর, জলপাইগুড়ি, হুগলি, পুরুলিয়া, আলিপুরদুয়ার, বাঁকুড়া, মালদহ ও বীরভূম জেলায় তিন-চারটে ব্লকের ১০-১২টি পঞ্চায়েতে তারা ঘুরবেন। ২০১৯-এর শেষ দিকে আগে এ রকমই কেন্দ্রীয় দল এসে পূর্ব বর্ধমান ও হুগলিতে ১০০ দিনের কাজে বেশ কিছু অনিয়ম খুঁজে পাওয়ার দাবি করে রাজ্যকে রিপোর্ট করে। তার ভিত্তিতে বেশ কয়েকটি পঞ্চায়েতকে টাকা ফেরতের নির্দেশ দেওয়া হয়। রাজ্য প্রশাসন সেই সূত্র ধরে পঞ্চায়েতের কর্তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর-ও করেছিল।বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ কয়েকদিন আগে দাবি করেন, এ রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার দুর্নীতি নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে তথ্য দিয়ে এসেছিলেন। আর ১০০ দিনের কাজে সব থেকে বেশি টাকা পায় পশ্চিমবঙ্গ। সেখানেও দুর্নীতির অজস্র অভিযোগ। সে সব অভিযোগ খতিয়ে দেখতেই সম্ভবত কেন্দ্রের বিশেষ দল আসছে।জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত দুবছরের প্রকল্পের কাজের সব নথি ঠিক করে রাখতে বলা হয়েছে। প্রকল্পের কাজের সব রসিদ, ক্যাশবুক থেকে সাতটি রেজিস্টার যথাযথ ভাবে পূরণ করে রাখার জন্য পঞ্চায়েতগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যে প্রকল্পে কাজ চলছে, সেখানে যাতে কাজের নাম, বরাদ্দ, কাজের বিবরণ-সহ বোর্ড টাঙানো থাকে, তা-ও সুনিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা বা বাংলা আবাস যোজনায় ২১০ বর্গফুটের মধ্যে বাড়ি করার নিয়ম। তা মানা হয়েছে কি না, যোগ্য প্রাপক বাড়ি পেয়েছেন কি না, জিও ট্যাগিং যথাযথ হয়েছে কি না কিংবা বাড়ির বাইরে লোগো দেওয়া বোর্ড লাগানোর মতো খুঁটিনাটি বিষয় খতিয়ে দেখা হবে।জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া বলেন, জেলার চারটি ব্লকে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল যাবে।খণ্ডঘোষ, মঙ্গলকোট,আউশগ্রাম ২ ও গলসি ২ নম্বর ব্লকে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা যাবেন। সোমবার কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের দুই সদস্য জেলা প্রশাসনের সঙ্গে প্রথমে বৈঠক করেন। তারপর তারা খণ্ডঘোষ ব্লকের লোদনা পঞ্চায়েতে যান। সভাধিপতি বলেন, প্রতিবছরই কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল আসে। এটা নতুন কিছু নয়। পাশাপাশি তিনি দাবী করেন, কেন্দ্রীয় দলের সদস্যরা লোদনা পঞ্চায়েতের কাজ দেখে খুশী হয়েছেন।অন্যদিকে বিজেপির জেলা সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন,আবাস যোজনার ঘর ও একশো দিনের কাজ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ করেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। তার পরিপেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দলের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানো হয়। আশা করছি কেন্দ্রীয় দল আসায় এবার সত্য উদঘাটন হবে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Ranji Trophy : ‌রনজি ট্রফি স্থগিত করবে বোর্ড?‌ বাংলা শিবিরে করোনা হানায় আশঙ্কার মেঘ

করোনার বাড়বাড়ন্তে এবছরও স্থগিত হয়ে যাবে না তো রনজি ট্রফি? দেশের এই কুলীন প্রতিযোগিতা ঘিরে তৈরি হয়েছে আশঙ্কার বাতাবরণ। যেভাবে বিভিন্ন রাজ্যে করোনার প্রকোপ বাড়তে তাতে চিন্তার ভাঁজ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের কপালে। চিন্তা আরও বাড়িয়েছে বাংলা রনজি দলের ৭ জন ক্রিকেটারের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবরে।রনজির জন্য বেশ কয়েকদিন আগেই বাংলার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস মাঠে অনুশীলন করছিল বাংলা শিবির। এর মাঝেই বাংলা দলের সব সদস্যের করোনা পরীক্ষা করা হয়। রবিবার রাতে রিপোর্ট আসে। রিপোর্টে দেখা যায় ৬ জন ক্রিকেটার ও একজন সাপোর্ট স্টাফ করোনায় আক্রান্ত। এই ৬ ক্রিকেটারের মধ্যে রয়েছেন অনুষ্টুপ মজুমদার, সুদীপ চ্যাটার্জি, কাজি জুনাইদ সইফি, গীত পুরি, প্রদীপ্ত প্রামানিক, সুজিত যাদব। এদের সঙ্গে সহকারী কোচ সৌরাশিস লাহিড়ীর রিপোর্টও পজিটিভ এসেছে। ক্রিকেটারদের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পরপরই জরুরি ভিত্তিতে রবিবার রাতেই বৈঠকে বসেন সিএবি কর্তারা। বৈঠকে ঠিক হয়, আপাতত প্রথম ও দ্বিতীয় ডিভিশন ক্লাব ক্রিকেট, জেলা ক্রিকেট স্থগিত রাখা হবে। পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করতে মঙ্গলবার অ্যাপেক্স কাউন্সিলের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেই বৈঠকেই স্থানীয় ক্লাব ক্রিকেটের ভবিষ্যত ঠিক করা হবে।অনুষ্টুপ মজুমদার, সৌরাশিস লাহিড়ীদের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এলেও কারও কোনও উপসর্গ নেই। শনিবার সব ক্রিকেটারই প্রস্তুতি ম্যাচে অংশ নিয়েছিলেন। কারও সমস্যা দেখা যায়নি। কিন্তু আরটিপিসিআর(RTPCR) পরীক্ষার পর জানা যায় দলের ৭ জন সদস্য করোনায় আক্রান্ত। বাংলা শিবিরে করোনা হানা দেওয়ায় চিন্তায় পড়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এর আগে বিজয় হাজারে ট্রফি শুরুর আগে মুম্বই দলের কয়েকজন সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাঁদের বাদ দিয়েই বিজয় হাজারে ট্রফি খেলতে গিয়েছিল বাংলা।রনজির ট্রফির প্রস্তুতির জন্য বাংলা দলের সঙ্গে প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলাতে আজই কলকাতায় আসার কথা ছিল মুম্বইয়ের। দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার কথা। প্রথমটা ৪৫ জানুয়ারি, দ্বিতীয়টা ৬৭ জানুয়ারি। কিন্তু বাংলা শিবিরে করোনা হানা দেওয়ায় মুম্বই প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচ বাতিল করেছে। দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচও খেলবে কিনা, তা এখনও মুম্বইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি।এবছর রনজি শুরু হতে আর মাত্র ১০ দিন বাকি। দেশে হু হু করে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এই অবস্থায় আদৌও রনজি ট্রফি আয়োজন করা সম্ভব কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যদিও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি। কলকাতাতেও একটা গ্রুপের খেলা হবে। কিন্তু রাজ্য সরকার বেশকিছু বিধিনিষেধ জারি করেছে। এই পরিস্থিতিতে কলকাতায় রনজি ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব কিনা, তা নিয়ে চিন্তিত বোর্ড কর্তারাও।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
কলকাতা

Christmas-Omicron: বড়দিনের আনন্দে আত্মহারা শহরবাসী, আতঙ্ক বাড়াচ্ছে ওমিক্রন

রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হলেন ৫৫২ জন। একদিকে কোভিডের ওমিক্রন স্ট্রেন যখন রাজ্যের চিন্তা বাড়াচ্ছে, তখন করোনা পরিস্থিতিও স্বস্তি দিচ্ছে না কোনওভাবেই। শনিবার বড়দিনের উৎসবে মেতেছে গোটা বাংলা। কলকাতা থেকে বিভিন্ন জেলা, পথে নেমেছে হাজার হাজার মানুষ। স্বভাবতই এ ছবি নতুন করে ভয় ধরাচ্ছে।শনিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি হয়েছেন চারজন। যার মধ্যে তিনজনই কলকাতার। কলকাতার সংক্রমণের ছবিটাও চিন্তার। গত একদিনে কলকাতায় ১৯৭ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এই মুহূর্তে কলকাতায় সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ২ হাজার ৪৩৮ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৭৫ জন।গোটা রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৭ হাজার ৪৫৮ জন। সুস্থতার হার ৯৮.৩৩ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩২ হাজার ৩৭৩টি। পজিটিভিটি রেট ১.৭১ শতাংশ। অন্যদিকে পশ্চিম বর্ধমানেও একজন করোনার বলি হয়েছেন গত ২৪ ঘণ্টায়।এখনও অবধি রাজ্যে ৬ জনের শরীরে ওমিক্রনের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। শুক্রবার এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে স্বাস্থ্য সচিব নির্দেশ দেন, নমুনা পরীক্ষা যেন বাড়ানো হয়। একই সঙ্গে পরিস্থিতির নজরদারিতে কেন্দ্র তাদের বিশেষ দলও পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলায়। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই সেই দল রাজ্যে চলে আসবে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে শুক্রবার। সেখানে বলা হয়েছে ১০ রাজ্যে কেন্দ্রের মাল্টি ডিসিপ্লিনারি টিম যাবে। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও সেই তালিকায় রয়েছে কেরল, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, মিজোরাম, কর্নাটক, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড ও পঞ্জাবের নাম।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Boxing Day: শ্রেয়স না রাহানে, প্রথম টেস্টে কার ভাগ্যে শিকে ছিঁড়বে?

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি করেও কি প্রথম একাদশের বাইরে থাকতে হবে শ্রেয়স আয়ারকে? তেমন কিছু ঘটলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্ট খেলতে নামার ৪৮ ঘন্টা আগে ভারতীয় দলের সহ অধিনায়ক লোকেশ রাহুল যেকথা বলে গেলেন, তেমন সম্ভাবনাই প্রবল। শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলনে লোকেশ রাহুল ভারতীয় দলের ৫ বোলার নিয়ে মাঠে নামার ইঙ্গিত দিয়েছেন। সেক্ষেত্রে ৫ বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান নিয়ে প্রথম টেস্ট খেলবে ভারত। চোটের জন্য রোহিত শর্মা টেস্ট সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন। এই অবস্থায় রোহিত শর্মার অনুপস্থিতিতে দক্ষিণ আফ্রিকার জোরে বোলারদের সামলাতে খুব ঝুঁকি নেওয়ার বিলাসিতা দেখাতে পারছে না ভারত। শেষ দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ভারত যে একমাত্র টেস্ট জিতেছিল তার মূল কৃতিত্ব ছিল অজিঙ্ক রাহানের। ফলে এই সিরিজের প্রথম টেস্টে তাঁর প্রথম একাদশে থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ভারত যদি ৫ ব্যাটারকে নিয়ে মাঠে নামে সেক্ষেত্রে ওপেন করবেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও লোকেশ রাহুল। তিন নম্বরে চেতেশ্বর পূজারা। চার নম্বরে বিরাট কোহলি। পাঁচ নম্বরে লড়াই শ্রেয়স আয়ার, অজিঙ্ক রাহানে ও হনুমা বিহারীর মধ্যে। শ্রেয়স আয়ার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মুম্বই টেস্টে দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি ও হাফ সেঞ্চুরি করেছেন। হনুমা বিহারী দক্ষিণ আফ্রিকা এ দলের বিরুদ্ধে ভাল খেলেছেন। ফলে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের কাজ যে যথেষ্ট কঠিন তা মেনে নিচ্ছেন লোকেশ রাহুল। তিনি বলেন, মেলবোর্ন ও লর্ডস টেস্ট-সহ দেশের হয়ে অনেকবারই গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছেন রাহানে। দলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটার। শ্রেয়সও সুযোগ কাজে লাগিয়েছে। হনুমাও দেশের হয়ে ভাল খেলেছে। সবমিলিয়ে একজনকে বেছে নেওয়া খুব কঠিন। বিষয়টি নিয়ে আমরা ম্যাচের আগের দিন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারব।আগেরবারের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের তুলনায় এবারের সফরে ভারতের প্রস্তুতি অনেক ভাল হয়েছে বলে মনে করছেন লোকেশ রহুল। সেঞ্চুরিয়নে পেস ও বাউন্সের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সেখানে যে প্রস্তুতি দল নিয়েছে তা পর্যাপ্ত বলেই মনে করেন কোহলির সহকারী। দক্ষিণ আফ্রিকায় খেলার খুব বেশি অভিজ্ঞতা না থাকলেও রাহুল বলেন, এখানকার উইকেট অস্ট্রেলিয়ার তুলনায় আলাদা। এখানকার পেস ও বাউন্স সামলানো চ্যালেঞ্জিং হবে। তবে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডে ভালো খেলার আত্মবিশ্বাস নিয়েই।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa : রাবাডাদের সামলানোর ক্ষমতা আছে?‌ কী বললেন চেতেশ্বর পুজারা

বিদেশ সফর মানেই ভারতীয় দলের কাছে আতঙ্ক বিপক্ষের জোরে বোলাররা। অতীতে এই ছবিটাই বারবার চোখে পড়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে ছবিটাও। এখন আর বিদেশের মাটিতে ভয় পান না ভারতীয় ব্যাটাররা। চোখে চোখ রেখে কথা বলেন। চলতি বছরে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মাঠে সিরিজ জয় আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। এবার সামনে দক্ষিণ আফ্রিকা। গতিময়, বাউন্সি উইকেটে মুখোমুখি হতে হবে প্রোটিয়া জোরে বোলারদের। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজে পেস সহায়ক উইকেট হলেও সমস্যায় দলকে সমস্যায় পড়তে হবে না। এই রকমই জানিয়েছেন ভারতীয় দলের ব্যাটার চেতেশ্বর পুজারা।২৬ ডিসেম্বর সেঞ্চুরিয়ানে সিরিজের প্রথম টেস্ট শুরু। সেঞ্চুরিয়ানের উইকেটে যথেষ্ট গতি আছে। বল দুদিকে সুইং করে। তা সত্ত্বেও সাফল্যের ব্যাপারে আশাবাদী চেতেশ্বর পুজারা। সেঞ্চুরিয়ানে প্রস্তুতির ফাঁকে বিসিসিআই টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, বিদেশের উইকেট সবসময়ই গতিপূর্ণ হয়। যথেষ্ট বাউন্স থাকে। বল দুদিকে সুইং করে। এই ধরণের পরিবেশে জোরে বোলারদের সামলানো যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার জোরে বোলারদের সামলানোর ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। সেই দক্ষতা এই ভারতীয় দলের রয়েছে। পুজারার আত্মবিশ্বাসের কারণ সাম্প্রতিককালে বিদেশের মাটিতে ভারতের সাফল্য। চলতি বছরের গোড়াতে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সিরিজ জিতেছিল ভারত। সেপ্টেম্বরে ইংল্যান্ডকে তাদের ঘরে মাঠে সিরিজে হারিয়েছে। সেই পারফরমেন্সই আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে চেতেশ্বর পুজারা।ভারতীয় দলের এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান আরও বলেন, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে আমাদের বাউন্সি উইকেটে খেলতে হয়েছিল। পরিবেশ জোরে বোলারদের অনুকূল ছিল। ওই দুটি সিরিজেই আমারা জোরে বোলারদের সামলে জিতেছিলাম। অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুটি সিরিজ জয় দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে। আশা করছি দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজেও ভাল ফল করব। সিরিজ জেতার মতো দক্ষতা এই ভারতীয় দলের আছে। বিরাট কোহলি, অজিঙ্ক রাহানে, মহম্মদ সামি, ইশান্ত শর্মা, চেতেশ্বর পুজারাসহ বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের অতীতে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। অতীত অভিজ্ঞতা ভারতীয় দলকে ভাল খেলবে বলে মনে করছেন পুজারা। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং শক্তিকে অন্যতম সেরা আক্ষা দিয়েছেন তিনি।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Cricket : সেঞ্চুরিয়ানে অভাবনীয় সুযোগ, মানিয়ে নিতে পারবেন কোহলিরা?‌

বিদেশের মাটিতে খেলতে গিয়ে কোনও দল মাঠের প্রধান উইকেটে অনুশীলন করার সুযোগ পাচ্ছে, এই রকম ভাবাটাই কঠিন। সিরিজ শুরুর আগে সাধারণত সফরকারী দলকে সেই সুযোগ দেওয়া হয় না। মাঠের পাশে কিংবা মাঠের একধারে উইকেট তৈরি করে সেখানে নেট অনুশীলনের ব্যবস্থা করা হয়। মূল উইকেটে অনুশীলন করতে না দেওয়ার কারণ পরিবেশের সঙ্গে তারা মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেয়ে যাবে। বিশেষ করে সেনা অন্তর্ভূক্ত দেশগুলি তো নয়ই। এই সেনার মধ্যে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া। এবার অন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করল দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ড। প্রথম টেস্ট শুরুর আগে সেঞ্চুরিয়ানের সুপারস্পোর্টস পার্কে সেন্টার উইকেটে অনুশীলন করার সুযোগ দিয়েছে বিরাট কোহলিদের।সেঞ্চুরিয়ানে পৌঁছনোর পর এতদিন ফিজিক্যাল ট্রেনিংয়ের ওপরই সীমাবদ্ধ ছিল কোহলিদের প্র্যাকটিস। সোমবার নেট অনুশীলন শুরু করল ভারতীয় দল। তাও আবার একেবারে সেন্টার উইকেটে। মূল উইকেটে অনুশীলন দারুণ উপভোগ করেছে গোটা দল। প্রথম টেস্টের আগে আরও ৩ দিন অনুশীলনের সুযোগ পাবেন কোহলিরা। এরফলে সেঞ্চুরিয়ানের বাউন্সি উইকেটের সঙ্গে ভালভাবে ধাতস্থ হতে পারবেন ভারতীয় ব্যাটাররা। সেন্টার উইকেটে অনুশীল করে খুশি ভারতীয় দল। দলের হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড় বলেন, টেস্টের প্রস্তুতির জন্য সেন্টার উইকেটে অনুশীলন করার সুযোগ পাওয়াটা দলের পক্ষে ভাল হয়েছে। পরের ৩ দিন আরও গুরুত্বপূর্ণ। এরফলে পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাব।তবে সেঞ্চুরিয়ানের উইকেট ব্যাটারদের কাছে যে যথেষ্ট কঠিন হবে, তা বোঝা গেছে। উইকেটে ভাল বাউন্স আছে, সুইংও করছিল যথেষ্ট। এই উইকেটে প্র্যাকটিস করার পর শ্রেয়স আয়ার বিসিসিআই টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, সেঞ্চুরিয়ানের উইকেট দেখে বোলাররা দারুণ খুশি। উইকেটে বল সুইং করছিল। বাউন্সও আছে ভাল। ব্যারাটদের যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে। একই কথা শোনা গেছে ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোরের মুখে।এই ধরণের উইকেটে ৪ বোলার খেলানো হবে, না ৫ বোলার তা নিয়ে দ্বিধায় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সেঞ্চুরিয়ান সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেকটাই উঁচুতে। বোলারদের দ্রুত ক্লান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ৪ জন বোলার খেলালে সমস্যা হতে পারে। ৫ জন বোলার নিয়ে মাঠে নামার সম্ভাবনা রয়েছে। পঞ্চম বোলার হিসেবে শার্দুল ঠাকুরকে খেলানো হতে পারে। তিনি ষষ্ঠ ব্যাটারের কাজও করে দিতে পারবেন। সেক্ষেত্রে অজিঙ্ক রাহানের প্রথম একাদশে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা কম।

ডিসেম্বর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vietnam : ‌ম্যাচের আগে স্তব্ধ জাতীয় সঙ্গীত!‌ আতঙ্ক কপিরাইট লঙ্ঘনের

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে মুখ নড়ছে ফুটবলারদের। অথচ কোনও শব্দ নেই। এমন অভিনব কান্ড ঘটেছে একটা ইউ টিউব চ্যানেলে। কপিরাইট লঙ্ঘনের ভয়ে এমন কান্ডটাই ঘটিয়েছে ওই ইউ টিউব চ্যানেল। ২০২০ সালের এএফএফ সুজুকি কাপে ভিয়েতনাম ও লাওয়ের ম্যাচ সোমবার সন্ধেয় সম্প্রচার করছিল ইউ টিউব চ্যানেল নেক্সট স্পোর্টস। ভিয়েতনামের পতাকা অভিবাদনের সময় যখন জাতীয় সঙ্গীতের রেকর্ড বাজানো হচ্ছিল, তখন ওই ইউ টিউব চ্যাননেল কপিরাইট লঙ্ঘনের ভয়ে ভিয়েতনামের অনুষ্ঠানের শব্দ সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়। শব্দ বন্ধ করার সময় ভিয়েতনামি ভাষায় একটি ব্যাখ্যামূলক বার্তা নেক্সট স্পোর্টস চ্যানেলের স্ক্রিনে দেখানো হয়েছিল। সেই বার্তায় লেখা ছিল, জাতীয় সঙ্গীতের কপিরাইটের কারণে আমরা পতাকা অভিবাদন অনুষ্ঠানে শব্দ বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছি। অনুষ্ঠান শেষ হলে আবার আওয়াজ শোনা যাবে। আশা করছি দর্শকদের বিষয়টা বুঝতে অসুবিধা হবে না। ম্যাচের পরে ভিয়েতনামের ফুটবল দলের সদস্যদের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার অসংখ্য স্ক্রিনশট সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়েছিল। সঙ্গে নানারকম বার্তও পোস্ট করা হয়েছিল। যাতে শব্দহীন অনুষ্ঠানের জন্য বিষ্ময় প্রকাশ করা হয়েছিল। অসংখ্য মানুষ এই ঘটনার জন্য হ্যানয়ের বিহাকো কমিউনিকেশন ট্রেডিং অ্যান্ড সার্ভিস কর্পোরেশন (বিএইচ মিডিয়া কর্পোরেশন)কে ঘটনার জন্য দায়ী করেছে। কারণ এই কোম্পানিটি একসময় ভিয়েতনামের জাতীয় সঙ্গীতের সুরকার প্রয়াত ভ্যান কাওয়ের তিয়েন কোয়ান কার রেকর্ডের কপিরাইট দাবি করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছিল। তবে বিএইচ মিডিয়া কর্পোরেশন, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়েছে, জাতীয় সঙ্গীত বাজার সময় তা নিঃশব্দ করার প্রয়োজন নেই। বিএইচ মিডিয়া কর্পোরেশনের অনুমান, নেক্সট স্পোর্টস হয়তো আশঙ্কা করেছিল যে, জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন সম্প্রচারের ফলে কপিরাইট লঙ্ঘন হতে পারে। যা তাদের ইউ টিউব সম্প্রচার থেকে রাজস্ব ক্ষতির কারণ হতে পারে। এই রকম একটি ঘটনা আগে স্থানীয় ডিজিটাল টিভি এফপিটি প্লের ক্ষেত্রে হয়েছিল। ১৬ নভেম্বর ভিয়েতনামে অনুষ্ঠিত ভিয়েতনামসৌদি আরব ম্যাচ চলাকালীন এফপিটি প্লে তাদের ইউ টিউব চ্যানেলে তিয়েন কোয়ান কা সম্প্রচার করে রাজস্ব হারিয়েছিল। কারণ যে জাতীয় সঙ্গীত ব্যবহার করা হয়েছিল, তার কপিরাইট বিদেশী সংস্থা মার্কো পোলো রেকর্ডসের। মার্কো পোলোর অনুমতি ছাড়া কেউ ওই সংস্করণ ব্যবহার করতে পারবে না। ১৯৪৪ সালে তিয়েন কোয়ান কা প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী ভ্যান কাও দ্বারা রচিত হয়েছিল। ১৯৭৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে এটি ভিয়েতনামের সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘ব্রাহ্মণদের উপরে মূত্রত্যাগ করি’, মন্তব্যের জের! এবার আদালতের কড়া পদক্ষেপের মুখে অনুরাগ

ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে আগেই সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ। সেই মন্তব্যের জেরে দায়ের হওয়া মামলায় এ বার তাঁর বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য পরোয়ানা জারি করল গুজরাটের সুরাট আদালত। অভিযোগ, একাধিক বার সমন পাঠানো হলেও আদালতে হাজির হননি পরিচালক। আগামী ২৪ ডিসেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।বিতর্কের সূত্রপাত অনন্ত মহাদেবনের ছবি ফুলেকে ঘিরে। জ্যোতিরাও ফুলের জীবন অবলম্বনে তৈরি এই ছবির বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়কে অসম্মান করার অভিযোগ উঠেছিল। ছবিটি নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই সমাজমাধ্যমে পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ একটি পোস্ট করেন। এক নেটব্যবহারকারী তাঁর মন্তব্যের সমালোচনা করলে পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে ব্রাহ্মণদের সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেন অনুরাগ। তাঁর সেই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক।এরপর অনুরাগের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন আইনজীবী তথা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা কমলেশ রাভাল। তিনি নিজেও ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের মানুষ। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে সুরাট আদালতে অনুরাগের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৯৬, ৩৫২ এবং ৩৫৩(২) ধারায় মামলা হয়। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা ছড়ানো, শান্তিভঙ্গের উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত অপমান এবং মিথ্যা তথ্য প্রচার।অভিযোগকারীর দাবি, অনুরাগের মন্তব্য বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ ও শত্রুতা তৈরি করতে পারে। একজন চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে তাঁর বক্তব্য সাধারণ মানুষের উপর প্রভাব ফেলতে পারে বলেও আদালতে দাবি করেন কমলেশ। তাঁর আরও অভিযোগ, একাধিক বার সমন পাঠানো হলেও আদালতে হাজির হননি অনুরাগ। এমনকি সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেও তাঁকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাতেও তিনি আদালতে আসেননি বলে অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতে সুরাটের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট জে ভি চৌহান অনুরাগ কাশ্যপের বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন। আগামী ২৪ ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।বিতর্কের পর অবশ্য নিজের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়েছিলেন অনুরাগ। তিনি জানিয়েছিলেন, রাগের মাথায় এক ব্যক্তিকে জবাব দিতে গিয়ে পুরো ব্রাহ্মণ সম্প্রদায় সম্পর্কে আপত্তিকর কথা বলে ফেলেছিলেন। তাঁর মন্তব্যে নিজের পরিবারের সদস্য, পরিচিতজন এবং বহু বুদ্ধিজীবী কষ্ট পেয়েছেন বলেও স্বীকার করেন পরিচালক। তিনি বলেন, নিজের শব্দচয়নের জন্য অনুতপ্ত এবং মন থেকে সকলের কাছে ক্ষমা চাইছেন।কমলেশ রাভালের অভিযোগ, জ্যোতিরাও ফুলের জীবনীচিত্র ফুলে-এর ট্রেলার প্রকাশের পর ছবিটি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল অল ইন্ডিয়া ব্রাহ্মণ সমাজ। সেই সময় অনুরাগের সমাজমাধ্যমের পোস্ট বিতর্ক আরও বাড়িয়ে দেয়। তাঁর দাবি, এই ধরনের মন্তব্য সমাজের পক্ষে ক্ষতিকর। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই আইনি পদক্ষেপ করা হয়েছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

অরিজিৎ-এড শিরানের যুগলবন্দিতে ঝড়! ‘তু মিল যায়ে’র সাফল্যে শাহরুখের বিশেষ বার্তা

শাহরুখ খানের জন্মদিন উপলক্ষে ২ নভেম্বর মধ্যরাতে প্রকাশ্যে এসেছে তাঁর আগামী ছবি কিং-এর নতুন গান তু মিল যায়ে। গানটিতে শাহরুখ ও দীপিকার রোম্যান্সের পাশাপাশি শ্রোতাদের নজর কেড়েছে অরিজিৎ সিং ও ব্রিটিশ গায়ক এড শিরানের যুগলবন্দি। প্রকাশের মাত্র এক দিনেই গানটি ৬ কোটি বার দেখা হয়েছে বলে দাবি। এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত শাহরুখ নিজেও। এ বার গানটি নিয়ে মুখ খুললেন বলিউডের বাদশা।এক দিকে অরিজিৎ সিংয়ের কণ্ঠ, অন্য দিকে এড শিরানের গলায় হিন্দি গান। দুই জনপ্রিয় গায়কের এই যুগলবন্দি নিয়ে ইতিমধ্যেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন অনুরাগীরা। তাঁদের অনেকের মতে, শাহরুখের জনপ্রিয়তার কারণেই এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সম্ভব হয়েছে। তবে গানটির সাফল্যের কৃতিত্ব এড শিরানকেই দিয়েছেন অভিনেতা।মঙ্গলবার এড শিরানের একটি গানের মহড়ার ভিডিয়ো ভাগ করে নেন শাহরুখ। সেখানে ব্রিটিশ গায়ককে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি লেখেন, এই গানের জন্য তাঁকে শুধু ধন্যবাদ জানালেও যথেষ্ট হবে না। বিশেষ করে গানের হিন্দি অংশের জন্য তাঁর প্রতি ভালোবাসাও প্রকাশ করেন শাহরুখ।অন্য দিকে, গানটির সাফল্যের কৃতিত্ব একা নিতে চাননি এড শিরানও। অরিজিৎ সিংয়ের সঙ্গে কাজ করতে পেরে খুশি তিনি। কিং ছবির গানটির হাত ধরেই বলিউডের সঙ্গীতজগতে পা রাখলেন এই ব্রিটিশ গায়ক।এড শিরান জানিয়েছেন, মন্নতে শাহরুখের সঙ্গে প্রথম দেখা হওয়ার সময়ই অভিনেতা তাঁকে নিজের আগামী ছবির জন্য একটি গান তৈরি করার অনুরোধ করেছিলেন। সেই গানই পরে তু মিল যায়ে হয়ে ওঠে। এডের কথায়, কয়েক বছর ধরে শাহরুখের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছে। শাহরুখ তাঁর পছন্দের মানুষদের অন্যতম।শেষ বার ভারতে এসে এড শিরান অরিজিৎ সিংয়ের সঙ্গে স্যাফায়ার গানের ভিডিয়োয় শাহরুখকে একটি ছোট চরিত্রে অভিনয়ের অনুরোধ জানাতে মন্নতে গিয়েছিলেন। সেই সময় শাহরুখই তাঁর সঙ্গে সঙ্গীত পরিচালক শচীন-জিগারের পরিচয় করিয়ে দেন। এড জানিয়েছেন, সেই রাতেই কিং ছবির তু মিল যায়ে গানের নিজের অংশের কথা লেখেন এবং তা রেকর্ড করেন।গানটিতে অরিজিৎ সিংয়ের সঙ্গে কণ্ঠ মেলাতে পেরে খুশি এড শিরানও। তাঁর কথায়, তাঁর প্রিয় মানুষদের একসঙ্গে একটি কাজে যুক্ত হতে দেখে খুব ভালো লাগছে। অন্য দিকে, গানটিতে দীপিকার অংশে কণ্ঠ দিয়েছেন মধুমন্তী বাগচী। শাহরুখ ও দীপিকার রসায়ন, অরিজিৎ ও এড শিরানের কণ্ঠ সব মিলিয়ে তু মিল যায়ে ঘিরে অনুরাগীদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
দেশ

খসড়া ভোটার তালিকায় নাম নেই? পুরনো ভোটাররাও জমা দিতে পারবেন ফর্ম ৬, বড় ঘোষণা কমিশনের

এসআইআরের খসড়া ভোটার তালিকায় নাম নেই? তা হলে নতুন করে ফর্ম ৬ জমা দিয়ে ভোটার তালিকায় নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। শুধু আগের ভোটার তালিকায় নাম ছিল বলে নতুন করে ফর্ম ৬ জমা দেওয়াকে মিথ্যা তথ্য দেওয়া বলে ধরা যাবে না। এমনকি এই কারণে কোনও ভোটারের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও করা যাবে না। স্পষ্ট জানিয়ে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।ফর্ম ৬ সাধারণত নতুন ভোটারদের নাম তালিকায় তোলার জন্য ব্যবহার করা হয়। তাই আগে থেকেই ভোটার তালিকায় নাম থাকা ব্যক্তিরা নতুন করে এই ফর্ম জমা দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। সেই বিভ্রান্তি দূর করতেই কমিশনের এই নির্দেশ।তবে এ ক্ষেত্রে একটি শর্ত রয়েছে। আবেদনকারীর নাম অন্য কোনও বিধানসভা বা লোকসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় থাকা চলবে না। এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন যেমন ফর্ম ৬ জমা দেওয়া যাবে, তেমনই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরেও এই ফর্মের মাধ্যমে নাম তোলার আবেদন করা যাবে।দিল্লি হাই কোর্টের একটি রায়ের উল্লেখ করে এই নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নতুন নির্দেশের কথা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদেরও জানানো হয়েছে।এসআইআরের পর এবার ভোটার তালিকার বিশেষ সংক্ষিপ্ত সংশোধন নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। নভেম্বর মাস থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা। তা নিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে সর্বদলীয় বৈঠক হয়। বৈঠকে রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সূচি অনুযায়ী, আগামী ২৩ নভেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ ১৬ জানুয়ারি।এ দিনের বৈঠকে ফর্ম ৭-এর অপব্যবহার নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে তৃণমূল, বাম ও কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, এই ফর্ম ব্যবহার করে একসঙ্গে অনেক ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের প্রশ্ন, একজন ব্যক্তি কী ভাবে একটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকেই একাধিক ফর্ম ৭ জমা দিতে পারেন? তাঁর আশঙ্কা, এই সুযোগের অপব্যবহার হলে বহু ভোটারের নাম বাদ পড়তে পারে অথবা তাঁদের আবেদন ঝুলিয়ে রাখা হতে পারে। ফর্ম ৭-এর অপব্যবহার বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অধিনায়ক হিসেবে কেন ব্যর্থ হয়েছিলেন শচীন? এত বছর পর সামনে আনলেন সেই অজানা কারণ!

ব্যাট হাতে তিনি ক্রিকেটের কিংবদন্তি। তাঁর নামের পাশে রয়েছে অসংখ্য রেকর্ড। কিন্তু অধিনায়ক হিসেবে সেই সাফল্য দেখাতে পারেননি শচীন তেণ্ডুলকর। দুদফায় ভারতীয় দলের নেতৃত্ব দিয়েও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি তিনি। পরে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ঘুরে দাঁড়ায় ভারতীয় ক্রিকেট। কিন্তু শচীনের অধিনায়কত্ব কেন সফল হয়নি? এর পিছনে কি শুধু তাঁর নেতৃত্বের দুর্বলতা ছিল, নাকি অন্য কোনও কারণও ছিল? এত বছর পর সেই প্রশ্নের উত্তর দিলেন স্বয়ং শচীন।দুদফায় ভারতীয় দলের অধিনায়ক হয়েছিলেন শচীন। প্রথম বার ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত। দ্বিতীয় বার ১৯৯৯ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত। সম্প্রতি এক ভক্তের প্রশ্নের উত্তরে নিজের অধিনায়কত্বের অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খোলেন তিনি।শচীন জানান, দেশের অধিনায়ক হওয়া তাঁর কাছে সব সময়ই সম্মানের বিষয় ছিল। তবে দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে তিনি পুরো স্বাধীনতা পেতেন না। তাঁর কথায়, এখন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড অনেক বেশি পেশাদার। কিন্তু নব্বইয়ের দশকে পরিস্থিতি এমন ছিল না। সেই সময় ভারতীয় ক্রিকেট কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল।শচীনের এই মন্তব্যে প্রশ্ন উঠেছে, তাঁর অধিনায়কত্বের ব্যর্থতার পিছনে কি বোর্ডের কর্মকর্তাদেরও ভূমিকা ছিল? যদিও কাউকে সরাসরি দায়ী করেননি তিনি। তবে সেই সময় দল পরিচালনা ও নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে নানা সমস্যা ছিল, তাঁর কথায় সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট।নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে ভারতীয় ক্রিকেট একাধিক সমস্যার মুখে পড়ে। ২০০০ সালে ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ সামনে আসার পর ভারতীয় ক্রিকেটে বড়সড় ধাক্কা লাগে। সেই ঘটনায় তৎকালীন অধিনায়ক মহম্মদ আজহারউদ্দিনের নাম জড়ায় এবং পরে তাঁকে নিষিদ্ধ করা হয়। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে ভারতীয় দলের দায়িত্ব নেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর নেতৃত্বে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা শুরু করে ভারত।শচীনের পছন্দের অধিনায়কদের তালিকাতেও রয়েছেন সৌরভ। মহেন্দ্র সিংহ ধোনির পাশাপাশি সৌরভের নেতৃত্বের প্রশংসাও করেছেন তিনি।শচীনের অধিনায়কত্বের পথও খুব মসৃণ ছিল না। প্রথম দফায় তাঁকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে ফের আজহারউদ্দিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে ভারতের ব্যর্থতার পর আবার অধিনায়ক করা হয় শচীনকে। তবে দ্বিতীয় দফাতেও বেশিদিন দায়িত্বে থাকেননি তিনি। ২০০০ সালে নিজেই অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেন। এরপর ভারতীয় দলের দায়িত্ব পান সৌরভ।পরিসংখ্যানেও শচীনের অধিনায়কত্বের সাফল্য খুব বেশি নয়। তাঁর নেতৃত্বে ২৫টি টেস্টের মধ্যে ভারত জিতেছিল চারটিতে। এক দিনের ক্রিকেটে ৭৩টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে জয় পেয়েছিলেন ২৩টিতে। তবে এই পরিসংখ্যানের বাইরেও তাঁর অধিনায়কত্বের সময়কার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
দেশ

বন্ধুকে খুনের পর ২০ দিন ধরে একই স্বপ্ন! শেষ পর্যন্ত থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ যুবকের

মদের আসরে দুই বন্ধুর মধ্যে বচসা। সেই ঝামেলা গড়ায় মারামারিতে। অভিযোগ, এক বন্ধুর হাতে খুন হন অন্য জন। এর পর বাড়িওয়ালার সাহায্যে দেহ লোপাট করেন অভিযুক্ত যুবক। ঘটনার পর কেটে গিয়েছে ২০ দিন। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে বার বার স্বপ্নে ফিরে আসছিলেন খুন হওয়া বন্ধু। এমনই দাবি অভিযুক্তের। শেষ পর্যন্ত নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। এই ঘটনায় বাড়িওয়ালাকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।ঘটনাটি মহারাষ্ট্রের ডোম্বিভলির মোথাগাঁও এলাকার। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবকের নাম প্রভু কারাকাডে। মৃতের নাম বিশাল কদম। দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ছিল। প্রায় ২০ দিন আগে একটি ভাড়াবাড়িতে বসে মদ্যপান করছিলেন তাঁরা। সেই সময় কোনও বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে বচসা শুরু হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই তা হাতাহাতিতে গড়ায়।অভিযোগ, রাগের মাথায় বিশালকে এলোপাথাড়ি ঘুষি ও লাথি মারেন প্রভু। গুরুতর আঘাতের কারণে মৃত্যু হয় বিশালের। বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে বুঝতে পেরে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন অভিযুক্ত। এর পর বাড়ির মালিককে পুরো ঘটনা জানান তিনি। অভিযোগ, দুজনে মিলে বিশালের দেহ সরিয়ে ফেলেন। তার পর যে যার মতো বাড়ি ফিরে যান। এলাকা ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনাও করেছিলেন প্রভু।কিন্তু পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণের আগে ২০ দিন ধরে মানসিক অশান্তিতে ভুগছিলেন বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত। তাঁর বক্তব্য, ঘুমের মধ্যে বার বার খুন হওয়া বন্ধুর রক্তাক্ত মুখ দেখতে পেতেন তিনি। সেই স্বপ্ন তাঁকে তাড়া করে বেড়াচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত আর মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন প্রভু।ঘটনার তদন্তে নেমে প্রভুর পাশাপাশি বাড়িওয়ালাকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খুন এবং প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। কী কারণে দুই বন্ধুর মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি, খুনের পর বাড়িওয়ালা কেন অভিযুক্তকে সাহায্য করেছিলেন, সেই প্রশ্নেরও উত্তর খুঁজছে পুলিশ।মদের আসরে সামান্য বচসা থেকেই কি এই খুন, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে? পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
রাজ্য

মাধ্যমিক টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে বড় নির্দেশ পর্ষদের! পরীক্ষা শেষেই স্কুলকে পাঠাতে হবে প্রশ্নপত্র, না মানলে বিপদ?

২০২৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে কড়া পদক্ষেপ করল পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি এবং তা জমা দেওয়া নিয়ে স্কুলগুলিকে একগুচ্ছ নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। পর্ষদের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, টেস্ট পরীক্ষা শেষ হওয়ার দিনই প্রতিটি বিষয়ের প্রশ্নপত্রের স্ক্যান করা কপি এবং সম্পাদনা করা যায় এমন সফট কপি নির্দিষ্ট ইমেল ঠিকানায় পাঠাতে হবে। সেই ইমেল ঠিকানাও জানিয়ে দিয়েছে পর্ষদ।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রশ্নপত্র তৈরির সম্পূর্ণ দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট স্কুলের বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদের। কোনও ভাবেই একাধিক স্কুল মিলে যৌথভাবে প্রশ্নপত্র তৈরি করতে পারবে না। কোনও বাইরের সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের সাহায্য নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করা যাবে না। অর্থাৎ, প্রতিটি স্কুলকে নিজেদের উদ্যোগেই সব বিষয়ের প্রশ্নপত্র তৈরি করতে হবে।প্রশ্নপত্রের বিষয়বস্তু নিয়েও সতর্ক করেছে পর্ষদ। কোনও প্রশ্নে যাতে বিতর্ক তৈরি হতে পারে, এমন বিষয় রাখা যাবে না। যে প্রশ্নের কারণে রাজ্য সরকার বা পর্ষদকে অস্বস্তিতে পড়তে হতে পারে, তা এড়িয়ে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, এই নিয়মের কোনও ব্যতিক্রম হলে সংশ্লিষ্ট স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষিকাকেই দায় নিতে হবে।পর্ষদের এই নির্দেশ সামনে আসতেই স্কুলগুলির মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল এই নির্দেশের সমালোচনা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, আগের সরকারের মতো বর্তমান সরকারও টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছে। তাঁর আরও প্রশ্ন, স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষিকারা কি সব বিষয়ের বিশেষজ্ঞ? যদি না হন, তা হলে প্রশ্নপত্র নিয়ে কোনও সমস্যা হলে তাঁদের দায়ী করা হবে কেন?তবে এই নির্দেশিকা নিয়ে শিক্ষক সংগঠনের তরফে প্রশ্ন উঠলেও, বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের পক্ষ থেকে এখনও আলাদা করে কোনও বক্তব্য জানানো হয়নি। ২০২৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে পর্ষদের এই নতুন নির্দেশ স্কুলগুলির কাছে কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটাই দেখার।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিটের জন্য হুড়োহুড়ি! আবেদন করলেন ৮৪ লক্ষ, মাঠে ঢুকতে পারবেন মাত্র ৩৪ হাজার

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেই মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান। আগামী বছরের ১০ অক্টোবর জোহানেসবার্গে মুখোমুখি হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। এই ম্যাচ ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের উন্মাদনা যে কতটা, তা স্পষ্ট টিকিটের আবেদনের পরিসংখ্যানে। মাঠে বসে খেলা দেখার সুযোগ পাবেন মাত্র ৩৪ হাজার দর্শক। অথচ ইতিমধ্যেই টিকিটের জন্য আবেদন করেছেন অন্তত ৮৪ লক্ষ মানুষ! অর্থাৎ মাঠের আসনসংখ্যার প্রায় ২৪৭ গুণ আবেদন জমা পড়েছে।মাসখানেক আগে ২০২৭ সালের এক দিনের বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা। ৭ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ভারত। তার ঠিক তিন দিন পর, ১০ অক্টোবর পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে তারা। জোহানেসবার্গে আয়োজিত হবে এই বহু প্রতীক্ষিত ম্যাচ। টিকিটের চাহিদার নিরিখে ইতিমধ্যেই বাকি ম্যাচগুলিকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত-পাকিস্তান লড়াই।এই বিশ্বকাপের ফাইনালও হবে জোহানেসবার্গের একই মাঠে। ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালেও এই মাঠে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান। মহেন্দ্র সিংহ ধোনির নেতৃত্বে সেবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। জানা গিয়েছে, ২০২৭ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিটের জন্যও আবেদন করেছেন অন্তত ৭৯ লক্ষ মানুষ। তবে সেই সংখ্যাকেও ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের চাহিদা।ভারতের অন্য ম্যাচগুলির টিকিট নিয়েও আগ্রহ কম নয়। গ্রুপ পর্বে ভারতের প্রথম তিনটি ম্যাচের টিকিটের জন্যও বিপুল আবেদন জমা পড়েছে। গ্রুপ পর্বের পাশাপাশি সুপার সেভেন পর্বের ম্যাচগুলির টিকিটের জন্যও আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। সম্ভাব্য দলগুলির বিন্যাস আগেই জানিয়ে দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা। ফলে কোন ম্যাচে কোন দল মুখোমুখি হতে পারে, তা আন্দাজ করে আগেভাগেই পরিকল্পনা করছেন সমর্থকেরা।ভারত ও পাকিস্তান দুদলই সুপার সেভেন পর্বে উঠলে ৭ নভেম্বর ফের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই ম্যাচের টিকিটের জন্যও আবেদন শুরু করেছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। আগামী ২১ নভেম্বর পর্যন্ত টিকিটের আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। ফলে আবেদনকারীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
দেশ

একসময় কংগ্রেসের তুরুপের তাস ছিলেন কানহাইয়া, এখন তাঁর জায়গায় নেহা? কী বদলাচ্ছে হাত শিবিরে?

এক সময় দেশের বামপন্থী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম পরিচিত মুখ ছিলেন কানহাইয়া কুমার। ছাত্র আন্দোলনের মঞ্চে তাঁর জ্বালাময়ী বক্তৃতা এবং রাজনৈতিক বক্তব্য তাঁকে দ্রুত জাতীয় রাজনীতির পরিচিত মুখ করে তুলেছিল। পরে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পর তাঁকে ঘিরে দলের অন্দরে অনেক প্রত্যাশা তৈরি হয়। কিন্তু সেই প্রত্যাশা কি এখন ফিকে হয়ে এসেছে? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, কংগ্রেসে ক্রমশ গুরুত্ব হারাচ্ছেন কানহাইয়া। অন্য দিকে, দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সামনে আসছেন আর এক বামপন্থী ছাত্রনেত্রী নেহা বোরার। রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা নিয়েও শুরু হয়েছে আলোচনা।দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা নেহা এখন দেশের বামপন্থী ছাত্র আন্দোলনের পরিচিত মুখ। নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনের সময় তিনি নজরে আসেন। সেই সময় পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে দিল্লিতে দীর্ঘ অনশনেও অংশ নিয়েছিলেন তিনি। টানা অনশনের কারণে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছিল বলে জানা যায়।এর পরেও একাধিক ছাত্র আন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সর্বভারতীয় সভাপতি নেহা। বিভিন্ন ইস্যুতে তাঁর সক্রিয়তা তাঁকে দেশের ছাত্র রাজনীতিতে পরিচিতি দিয়েছে। সম্প্রতি জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিরোধীদের আন্দোলনেও তাঁকে সক্রিয় দেখা গিয়েছে। কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর সুপ্রিম কোর্ট অভিযানেও সামনে ছিলেন নেহা। ওই কর্মসূচিতে তাঁকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।সম্প্রতি কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গের বাসভবনে আয়োজিত নকল সংসদ কর্মসূচিতে অংশ নেন নেহা। পরের দিন দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী জোটের সমাবেশেও বক্তৃতা করেন তিনি। সেখানে নির্বাচন কমিশন এবং নরেন্দ্র মোদী সরকারের সমালোচনা করেন এই ছাত্রনেত্রী। তাঁর বক্তৃতা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ওই মঞ্চে এক সময়ের পরিচিত ছাত্রনেতা কানহাইয়া কুমারকে দেখা যায়নি। কংগ্রেসের অন্য ছাত্র ও যুব নেতাদেরও তেমন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না বলে দলের অন্দরে আলোচনা চলছে।এক সময় রাহুল গান্ধীর উদ্যোগেই সিপিআই ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন কানহাইয়া। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের টিকিটে দিল্লি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জিততে পারেননি তিনি। পরে দলের ছাত্র সংগঠন এনএসইউআইয়ের পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পান। কিন্তু দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সংগঠনের ফল আশানুরূপ হয়নি। দলের একটি অংশের অভিযোগ, সেখানে এনএসইউআইয়ের খারাপ ফলের পর কানহাইয়ার উপর অসন্তুষ্ট হন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। এই ঘটনার পর থেকেই দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বেড়েছে বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের একাংশের।এই পরিস্থিতিতে নেহার উত্থানকে অনেকেই কানহাইয়ার সঙ্গে তুলনা করছেন। তাঁদের মতে, কংগ্রেসের যুব রাজনীতিতে কানহাইয়ার যে জায়গা এক সময় ছিল, সেই জায়গায় এখন নেহাকে দেখা যেতে পারে। যদিও এ বিষয়ে কংগ্রেসের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সামনে আসেনি।তবে নেহাকে ঘিরে কংগ্রেসের অন্দরে সকলেই যে খুশি, তা নয়। দলের একাংশের মধ্যে বামপন্থী ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে অস্বস্তি রয়েছে বলে খবর। আবার নেহার সংগঠন আইসা-কে নিয়ে বিরোধীদের একাংশের সমালোচনাও রয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তরুণ ছাত্রনেতাদের সামনে এনে দলের রাজনৈতিক জমি শক্ত করার চেষ্টা কংগ্রেসের কাছে নতুন নয়। তবে সময়ের সঙ্গে সেই নেতাদের গুরুত্ব কমে যাওয়ার অভিযোগও বার বার উঠেছে।নেহার রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। তিনি উমর খালিদের মুক্তির দাবিতে সরব হয়েছেন। এই অবস্থানকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে বিজেপি কংগ্রেসকে আক্রমণ করার রাজনৈতিক সুযোগ পেতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ। অতীতেও কানহাইয়াকে ঘিরে একই ধরনের রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ফলে নেহার সঙ্গে কংগ্রেসের ঘনিষ্ঠতা বাড়লে সেই বিষয়টি জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, কংগ্রেস কি সত্যিই কানহাইয়া কুমারের বদলে নেহা বোরাকে সামনে আনার চেষ্টা করছে? নাকি বিরোধী আন্দোলনের মঞ্চে নেহার সক্রিয় উপস্থিতিকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে এই জল্পনা? রাহুল গান্ধীর সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক সমীকরণ আগামী দিনে কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal