• ২২ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ১১ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tangra

কলকাতা

ভোটের আগে তাণ্ডব! ট্যাংরায় ৫০ জনের হামলায় রণক্ষেত্র এলাকা

ভোটের আবহে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল কলকাতা। গাড়ি পার্কিংকে কেন্দ্র করে ট্যাংরা এলাকায় ভয়াবহ অশান্তির ঘটনা সামনে এসেছে। মঙ্গলবার রাত প্রায় সোয়া নটা নাগাদ পুলিন খাটিক রোডে এই ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, একই পরিবারের তিন সদস্যকে বেধড়ক মারধর করা হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই এলাকার বাসিন্দা বিক্রম খাটিক প্রতিদিনের মতো নিজের বাড়ির সামনে গাড়ি পার্ক করতে যান। কিন্তু সেদিন সেখানে অন্য একটি গাড়ি রাখা ছিল। সেই গাড়ি সরাতে বলতেই দুপক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয় এবং প্রায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ জন একসঙ্গে বিক্রম খাটিক ও তাঁর পরিবারের উপর চড়াও হয়।এই হামলায় গুরুতর আহত হন বিক্রম খাটিক, সাবিত্রী খাটিক ও সানি খাটিক। তাঁদের লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে এনআরএস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুধু মারধরই নয়, অভিযুক্তরা বাড়ির ভিতর ঢুকে ভাঙচুর চালায় বলেও দাবি পরিবারের।বিক্রমবাবুর স্ত্রী প্রীতি খাটিক অভিযোগ করেছেন, হামলাকারীরা এলাকার শাসক দলের সঙ্গে যুক্ত। পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে মাদক কারবারের সঙ্গেও জড়িত থাকার অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, এর আগেও থানায় অভিযোগ জানানো হলেও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।পরিবারের দাবি, তারাও ওই দলের সমর্থক হিসেবেই পরিচিত। বর্তমানে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে খাটিক পরিবার। বিক্রম খাটিকের আর্জি, তাঁদের নিরাপত্তা দেওয়া হোক, কারণ তিনি আশঙ্কা করছেন ফের হামলার শিকার হতে পারেন।এই ঘটনায় ট্যাংরা থানায় ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ভোটের আগে এই ঘটনা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
কলকাতা

ট্যাংরা-তপসিয়া জুড়ে সিবিআই অভিযান! কোন কেলেঙ্কারির খোঁজ?

ট্যাংরার শিল্পতালুকে সিবিআইয়ের হানায় চাঞ্চল্য ছড়াল। ভারা টেকনোলজি নামে একটি সংস্থার অফিসে তল্লাশি চালান সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর, ওই সংস্থার সঙ্গে কানোরিয়া ফাউন্ডেশনের যোগ রয়েছে। যে বহুতলে ভারা টেকনোলজির অফিস রয়েছে, সেটিও কানোরিয়া গোষ্ঠীর সংস্থা শ্রেই ফাউন্ডেশনের নামে নথিভুক্ত। একই দিনে তপসিয়াতেও সংস্থার আর একটি অফিসে তল্লাশি চালায় সিবিআই।প্রায় এক হাজার কোটি টাকার প্রতারণা মামলার তদন্তে সকাল থেকেই কলকাতার একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করেন সিবিআই আধিকারিকরা। সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে সিবিআইয়ের একটি দল নিউ রোডের ৩২ কিউ নম্বর বাড়িতে সুনীল কানোরিয়ার অফিসে পৌঁছয়। সেখানে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে ওই ঠিকানায় সুনীল কানোরিয়া থাকেন না। সেখানে তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা থাকেন।এর কিছু সময় পরে সিবিআই আধিকারিকরা আলিপুরের ৭ নম্বর আলিপুর অ্যাভিনিউয়ে সুনীল কানোরিয়ার আরও একটি অফিসে যান। সিবিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে, বিপুল অঙ্কের টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক হাজার কোটি টাকার একটি বিনিয়োগ স্কিমের মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। এই মামলার সূত্র ধরেই শ্রেই ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফিন্যান্স প্রাইভেট লিমিটেড-এর কর্ণধার সুনীল কানোরিয়া ও হেমন্ত কানোরিয়ার বিভিন্ন অফিস এবং বাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, চলতি মাসেই কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় ইডি আধিকারিকরা মোট দশটি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছিলেন। সেই তালিকায় ছিল আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসও। ওই তল্লাশির সময়েই সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নথি হাতে নিয়ে বেরিয়ে আসতে দেখা যায় তাঁকে, যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। বিষয়টি শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, ভোটের আগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি পুরনো মামলাগুলি নতুন করে সক্রিয় করে তুলছে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ট্যাংরার তিন মহিলা কি পরিকল্পিত খুনের শিকার? কেন এমন কাণ্ড?

আত্মহত্যা না খুন? ট্যাংরার বাড়ি থেকে তিন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধারের পর এটাই সবথেকে বড় প্রশ্ন। মৃতদেহ উদ্ধারের পর থেকেই সন্দেহ ক্রমশ বাড়ছিল ৷ খুনের অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর সেই সন্দেহ আরও ঘণীভূত হয়। এদিকে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর দেখা গেল সেই সন্দেহই কার্যত সত্যি হল৷ খুনই করা হয়েছে ট্যাংরার রোমি দে, সুদেষ্ণা দে ও এক নাবালিকাকে ৷বুধবার ট্যাংরা থানা এলাকার এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে তিন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ৷ সেই তিনজন রোমি-সুদেষ্ণা ও এক নাবালিকার দেহের ময়নাতদন্ত হয় বৃহস্পতিবার ৷ সেখানে ওই নাবালিকার শরীরে বিষ পাওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছেন কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান (জয়েন্ট সিপি-ক্রাইম) রূপেশ কুমার ৷ তিনি বলেন, ওই নাবালিকার শরীরে বিষ মিলেছে ।কলকাতা পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী রোমির দুই হাতের কবজির শিরা কাটা ছিল ৷ তাঁর গলা বাঁদিক থেকে ডানদিকে কাটা হয় ৷ রোমির হাতের শিরা যখন কাটা হয়, তখন তিনি বেঁচেছিলেন ৷ সুদেষ্ণাকেও একইভাবে হত্যা করা হয় ৷ অন্যদিকে নিহত নাবালিকার বুক, দুই পা, ঠোঁট-সহ বিভিন্ন অংশে বেশ কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। মাথাতেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে৷ পাকস্থলিতেও রক্তক্ষরণের প্রমাণ মিলেছে ৷ এছাড়া পাকস্থলিতে সামান্য পরিমাণে আংশিকভাবে হজম হওয়া খাবার, হলুদ ও সাদা দানাজাতীয় পদার্থ মিলেছে। যার গন্ধ অনেকটা ওষুধের মতো ৷ময়নাতদন্তের পাশাপাশি ফরেনসিক তদন্তেও একাধিক তথ্য উঠে এসেছে ৷ পুলিশ সূত্রে খবর, ওই বাড়ি থেকে রক্তমাখা জামাকাপড় উদ্ধার হয়েছে ৷ বেসিনে রক্তের দাগ পাওয়া গিয়েছে ৷ ফলে তদন্তকারীদের ধারনা, অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয় ৷ তার পর রক্তমাখা জামাকাপড় বাড়িতে রেখে সাফসুতরো হয়ে বেরিয়ে যান৷এক্ষেত্রে মূল প্রশ্ন হল, খুন কে করল? আপাতত এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ ৷ সন্দেহের তির প্রাথমিকভাবে দুই ভাই প্রণয় দে ও প্রসূন দের ওপর৷ কারণ, আত্মহত্যার যে তত্ত্ব বুধবার পুলিশকে দিয়েছিলেন এই দুই ভাই, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর অনেকটাই ভুল বলেই তদন্তকারীরা মনে করছে৷বৃহস্পতিবার ওই পরিবারের গাড়ির চালক কৈলাস দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ ৷ তার পরই তদন্তকারীদের ধারণা, পুরো ঘটনাই পূর্ব পরিকল্পিত৷ কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড বিভাগের গোয়েন্দাদের কৈলাস কী জানিয়েছেন? পুলিশ সূত্রে খবর, কৈলাস সোমবার শেষবার ডিউটিতে এসেছিলেন ৷ সকালে বাচ্চাদের স্কুলে ছেড়ে আসেন। পরে সন্ধ্যায় টিউশনে ছেড়ে আসতে যান তিনি। পরে তিনি বাড়ি চলে আসেন।মঙ্গলবার তাঁকে আসতে বারণ করা হয়, পুলিশকে জানিয়েছে কৈলাস৷ কৈলাস সাড়ে ১৫হাজার টাকা বেতন পেতেন ৷ সেই টাকা পেতেও এতদিন কোনও সমস্যা হয়নি ৷ এছাড়া দে পরিবারের কারখানার কর্মীদের সঙ্গেও কথা বলে আর্থিক অনটনের বিষয়ে কোনও তথ্য মেলেনি ৷ ফলে ঋণের যে বিষয়টি বুধবার সামনে এসেছিল, সেটাও সঠিক নয় বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা ৷এর আগে ট্যাংরায় এই তিনজনের রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় খুনের মামলা রুজু করল পুলিশ। মৃত গৃহবধূ সুদেষ্ণা দে-র বাবার দাবি, তাঁর মেয়েকে খুন করা হয়েছে। ট্যাংরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। তার ভিত্তিতেই অজ্ঞাতপরিচয়ের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিনভর পাওনাদাররা ডাকাডাকি করলেও কেউ দরজা খোলেনি বলে জানতে পেরেছে তদন্তকারীর? এখানেই বড় প্রশ্ন, তাহলে মহিলাদের মৃত্যু কি আরও আগেই হয়েছে? রহস্য ক্রমশ বাড়ছে।কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা জানিয়েছিলেন, সুইসাইড নোট কিছু আমরা পাইনি। আসলে কারণ কী, কেন মারা গেছে, সেটা পোস্টমর্টেম থেকে বোঝা যাবে। ভিসেরার কেমিক্যাল পরীক্ষাও গুরুত্বপূর্ণ। ৩জন মহিলা মারা গেলেন! তিনজন পুরুষ এখনও বেঁচে! এটাও বড় রহস্য।মৃত গৃহবধূ সুদেষ্ণা দে-র বাবার দাবি, তাঁর মেয়েকে খুন করা হয়েছে। ট্যাংরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। তার ভিত্তিতেই অজ্ঞাতপরিচয়ের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করেছে পুলিশ। ব্য়বসায়ে ক্ষতির ফলেই এমন ঘটনা, সেই প্রশ্নও উঠছে। নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রহস্য আছে? খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৫
কলকাতা

খাস কলকাতায় ভয়াবহ কাণ্ড, ট্যাংরায় একই পরিবারের তিন মহিলার রহস্যমৃত্যু

সাতসকালেই খাস কলকাতায়, ভয়ঙ্কর ঘটনা, তুমুল চাঞ্চল্য। ট্যাংরায় একই পরিবারের তিনজনের রহস্যমৃত্যু। পথ দুর্ঘটনার তদন্তে নেমে মিলল এই তিন মহিলার মৃতদেহের খোঁজ। দুর্ঘটনায় তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে খবর। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিন ভোরে একটি গাড়ি রুবি হাসপাতালের মোড় থেকে অভিষিক্তার মোড়ের দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু আচমকাই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেটি ইএম বাইপাসের উপর কবি সুকান্ত মেট্রো স্টেশনের পিলারে ধাক্কা মারে। ঘটনার তদন্তে নেমে ট্যাংরার একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে তিন মহিলার নিথর দেহ। আদৌ দুর্ঘটনা না আত্মহত্যার চেষ্টা তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। বাড়িতে কোনও ঘটনা ঘটিয়ে তাঁরা গাড়িতে বাইরে বেরিয়ে ছিল কিনা সেই প্রশ্নও উঠছে।পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কীভাবে মৃত্যু? খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মৃতদের হাতের শিরাকাটা অবস্থায় তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। তিনটে ঘর থেকে তিনজনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, তিন জনের মধ্যে একজনের স্বামী দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। পুলিশ সূত্রে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে ব্যবসায়িক ক্ষতির কারণে তিনজনই আত্মঘাতী হয়েছেন। আত্মহত্যা না খুন, সব দিকটাই তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ জোগার করা হচ্ছে। তদন্ত নিয়ে মুখে না খুললেও পুলিশের দৃঢ়় ধারনা ওই পরিবারের নিজেদের মধ্যে বড় কোনও সমস্যা আছে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৫
কলকাতা

ফের ট্যাংরায় বিধ্বংশী আগুন, ভষ্মীভূত গাড়ি সমেত গ্যারাজ

টিনের শেডের নীচে এখনও দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। দেড়মাসের মধ্যে দুবার অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটল ট্যাংরায়। ট্যাংরার ক্রিস্টোফার রোডের বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে একাধিক গ্যারাজ। পুড়ে যায় বেশ কিছু গাড়িও। আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল পাশের গুদাম ঘরেও। বাড়ির ছাদ থেকে জল দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে দমকলের ১০টি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করে। স্থানীয়রা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে গিয়েছে।আগুন লাগার আড়াই ঘন্টা পরেও জ্বলছে আগুন। বহু দূর থেকেও আগুনের লেলিহান শিখা জ্বলতে দেখা যায়। রবিবার গ্যারাজগুলি বন্ধ ছিল। এখনও পর্যন্ত প্রাণহানির কোনও খবর নেই। আগুন ছড়িয়ে পড়ার আতঙ্কে স্থানীয়রা দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দেয়। আশেপাশের বাড়ির ছাদ থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা জল দিয়ে নেভানোর চেষ্টা করে। ঘিঞ্জি এলাকা বলে আগুন ছড়িয়ে পড়ার ভয়ও ছিল বেশি।দেড় মাস আগে এই রোডের ওপরই আগুন লেগেছিল। সেই আগুন নেভাতে ২৪ ঘন্টা পেরিয়ে গিয়েছিল। এদিনও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে অনেকটা সময় লাগবে বলে মনে করছে দমকল কর্মীরা। টিনের শেডের নীচে আগুন চাপা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ওপর থেকে দেখলে তা বোঝা যাবে না। সেই আগুন নেভাতে আরও সময় লাগবে।

এপ্রিল ২৪, ২০২২
কলকাতা

ট্যাংরায় চামড়ার কারখানায় ভয়াবহ আগুন

শনিবার সন্ধ্যায় আগুন লাগে ট্যাংরায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন। আগুন আয়ত্তে আনার চেষ্টা চালাচ্ছেন দমকল কর্মীরা। তবে ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় আগুন নেভাতে সমস্যার মুখে পড়েছেন দমকল কর্মীরা। ঘটনাস্থলে রয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা দল। দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, আগুন নেভাতে গিয়ে দুজন দমকলকর্মী আহত হয়েছে। তাঁদের এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।অগ্নিকাণ্ডের জেরে ওই গুদামের দেওয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি গুদামের ছাউনিও ভেঙে পড়েছে। এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের জেরে আতঙ্কও ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেই আশপাশের বাড়ি এবং বহুতলগুলি খালি করে দিয়েছেন দমকলকর্মীরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি অংশ এখন রাস্তায় নেমে এসেছেন। তাঁদের সাবধানে সরে যেতে বলা হচ্ছে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শনিবার সন্ধ্যা নাগাদ আগুন দেখতে পাওয়া যায় ট্যাংরার তিন নম্বর মেহের আলি লেনে একটি চর্ম কারখানায়। দাহ্য বস্তু থাকায় আগুন দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে। কিছু ক্ষণের মধ্যেই তা গোটা গুদাম গ্রাস করে নেয়। কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী ছড়িয়ে পড়ে আকাশে। খবর পেয়ে একে একে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন। তবে গুদামটি ঘিঞ্জি এলাকায় হওয়ায় প্রাথমিক ভাবে দমকলের ইঞ্জিন ঢুকতে সমস্যা হয়। আগুন আয়ত্তে আনার চেষ্টা চালাচ্ছেন দমকলকর্মীরা। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দমকল পরে এসেছে। যদিও অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে দমকল বাহিনী।ঘটনাস্থলে পৌঁছন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। তাঁর কথায়, আধিকারিকরা আগুন আয়ত্তে আনার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তবে সরু গলি হওয়ায় দমকলের গাড়ি ঢুকতে অসুবিধা হচ্ছে। আগুন আয়ত্তে আনার কাজ চলছে। রাত নটা নাগাদ ঘটনাস্থলে আসেন তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

মার্চ ১২, ২০২২
কলকাতা

রবিনসনকাণ্ডের ছায়া এবার ট্যাংরায়

রবিনসন কাণ্ডের ছায়া এবার ট্যাংরায়। তিনদিন ধরে মায়ের মৃতদেহ আগলে বসে রইলেন মানসিক ভারসাম্যহীন তরুণী। শেষমেশ রবিবার পুলিশ এসে মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার করে। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতার নাম কৃষ্ণা দাস। তাঁরা তিন মেয়ে। দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। তবে আরেক মেয়ে সোমা দাস থাকতেন মায়ের সঙ্গেই। কৃষ্ণা দাসের স্বামী রেলকর্মী ধীরেন দাসও বাড়ি প্রায় আসেন না বললেই চলে। স্থানীয়দের দাবি, ট্যাংরার শীল লেনের ওই বাড়িতে মায়ের সঙ্গে শুধু সোমাকেই দেখা যেত। মানসিক ভারসাম্যহীন সোমা কাউকেই বাড়িতে ঢুকতে দিতেন না। বাইরের কোনও ব্যক্তিকে দেখলেই চিৎকার করতেন। জিনিসপত্র, বাসন ইত্যাদি ছুঁড়ে মারতেন। তাই তাঁদের বাড়িতে খুব একটা যাতায়াত ছিল না কারওরই। ফলে কৃ্ষ্ণা দাসের মারা যাওয়ার বিষয়টি অজানাই ছিল এলাকার বাসিন্দাদের কাছে। মেয়েও এনিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করেননি।কিন্তু এদিন সকালে শীল লেনের ওই বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বেরতে শুরু করে। আর তাতেই সন্দেহ হয় প্রতিবেশীদের। তাঁরাই পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে ঘরের ভিতর থেকে কৃষ্ণা দাসের মৃতদেহ উদ্ধার করে। সেই সময় মায়ের পচন ধরা দেহের পাশেই বসেছিলেন সোমা দাস। জানা যায়, তিনদিন আগেই মায়ের মৃত্যু হয়েছিল। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, ময়নাতদন্তের পরই তা পরিষ্কার হবে। কৃষ্ণা দাসের পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গেও যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে পুলিশ।

জুন ২৭, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

আদালতের নির্দেশ অমান্যের অভিযোগ, আটক নেতাদের মুক্তির আবেদনও! রবিবার কী শুনবে সুপ্রিম কোর্ট?

ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনার আবহে রবিবার বিশেষ শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে। শনিবারের আন্দোলন এবং তার আগে ও পরে পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে শীর্ষ আদালতে দুটি মামলা হয়েছে। আদালত বন্ধ থাকার দিনেও এই মামলাগুলির শুনানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একটি মামলা আদালত অবমাননার অভিযোগে, অন্যটি বিক্ষোভকারীদের আটক করার বিরুদ্ধে। আদালতের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগ তুলে মামলা করেছেন আইনজীবী শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী। তাঁর অভিযোগ, শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বিক্ষোভের কারণে দিল্লিতে গণপরিবহণ পুরোপুরি বন্ধ রাখা যাবে না। পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে, কিন্তু একেবারে বন্ধ করা যাবে না। তা সত্ত্বেও শনিবার একাধিক মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থানের দরজা বন্ধ রাখা হয় এবং কয়েকটি ট্রেনের পরিষেবা নিয়েও বিধিনিষেধ জারি হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনাতেই আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন, দিল্লির পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমার এবং দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশনের চেয়ারপার্সন ডি থারাকে পক্ষ করা হয়েছে। শৈলেন্দ্রের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ তা কার্যকর করেনি। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে বিচারাধীন। রবিবারের শুনানিতে বিষয়টি নিয়ে কী পর্যবেক্ষণ করে শীর্ষ আদালত, সেদিকেই নজর রয়েছে।অন্য মামলাটি করেছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ তথা প্রবীণ আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী। শনিবারের বিক্ষোভের সময় একাধিক বিরোধী নেতা, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং আন্দোলনকারীদের আটক করার ঘটনাকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি হেবিয়াস কর্পাসের আবেদন জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার জন্য এ ভাবে আগাম আটক করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। আটক ব্যক্তিদের কোথায় রাখা হয়েছে এবং তাঁদের আটক করার আইনি ভিত্তি কী, সেই বিষয়গুলিও মামলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দুটি মামলারই শুনানি রবিবার বিশেষ বেঞ্চে হওয়ার কথা। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মামলাগুলি ওঠার কথা জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন। সিজেপির বিক্ষোভ, পুলিশের আটক করার পদক্ষেপ এবং মেট্রো পরিষেবা বন্ধ রাখার অভিযোগসব মিলিয়ে রবিবারের শুনানি গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। তবে আদালত এখনও এই অভিযোগগুলির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করেনি।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ, মুম্বইয়ে আটক ৪০০-র বেশি! তালিকায় অভিনেতা ইমরান খান

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের সমর্থনে মুম্বইয়ে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে আটক হলেন চারশোর বেশি মানুষ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বলিউডের অভিনেতা ইমরান খানও। শনিবার শহরের একাধিক জায়গায় বিক্ষোভের চেষ্টা হলে অনুমতি ছাড়া জমায়েত করার অভিযোগে পদক্ষেপ করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, সকালে দক্ষিণ মুম্বইয়ের আগস্ট ক্রান্তি ময়দান থেকে অন্তত ২০০ জনকে আটক করা হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সমাজকর্মী তুষার গান্ধীর সংগঠন হাম ভারত কে লগ-এর সদস্য এবং সিপিএমের কর্মী-সমর্থকেরা। দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভের প্রতি সংহতি জানাতেই তাঁরা জমায়েত হয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পরে শহরের অন্য এলাকাতেও ধরপাকড় চলে। সব মিলিয়ে আটক ব্যক্তির সংখ্যা চারশো ছাড়িয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের তালিকায় অভিনেতা ইমরান খানের নাম থাকায় ঘটনাটি ঘিরে বাড়তি চর্চা শুরু হয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভে যোগ দিতে আগস্ট ক্রান্তি ময়দানের কাছে পৌঁছেছিলেন তিনি। সেখান থেকেই তাঁকে আটক করে পুলিশ। একই কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসা আরও বহু মানুষকেও পুলিশ আটক করে গাড়িতে তোলে। মুম্বই পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, অনুমতি ছাড়া জমায়েত করার অভিযোগে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। আগস্ট ক্রান্তি ময়দান ঘিরে ব্যারিকেড বসানো হয় এবং ওই এলাকায় জমায়েত আটকাতে কড়া নজরদারি চালানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই ব্যবস্থা। অন্য দিকে, দক্ষিণ মুম্বইয়ে প্রকাশ আম্বেদকরের নেতৃত্বাধীন বঞ্চিত বহুজন আঘাড়ির কর্মী-সমর্থকেরাও বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা করেন। তাঁদের মধ্যেও কয়েক জনকে আটক করা হয়েছে। দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের সমর্থনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ার আবহে মুম্বইয়ের এই ধরপাকড় নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা শুরু করেছে।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
কলকাতা

মহালয়ার অনুষ্ঠানে ইডেনে তারকাদের ঢল! লাল শাড়িতে ইমন, মঞ্চে তসলিমা—আর কী ছিল বিশেষ?

মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করল রাজ্য সরকার। চোখধাঁধানো আলোর খেলা, গান, নাচ এবং ড্রোনের প্রদর্শনীতে জমে উঠল দুর্গার আগমনী। আকাশে ড্রোনের সাহায্যে ফুটিয়ে তোলা হল দুর্গার মূর্তি, দেখা গেল পদ্মের ছবিও। একের পর এক শিল্পীর পরিবেশনায় উৎসবের মেজাজে মাতল কলকাতা। অনুষ্ঠানে গান গাইলেন শান, লগ্নজিতা চক্রবর্তী, কৌশিকী চক্রবর্তী এবং অন্তরা মিত্র। সুরের দায়িত্বে ছিলেন শান্তনু মৈত্র ও তাঁর দল। যন্ত্রসঙ্গীতে ছিলেন দেবর্ষি ভট্টাচার্য-সহ অন্য শিল্পীরা। ঢাকের বোল, আদিবাসী নাচ এবং বাংলার নানা প্রান্তের লোকসংস্কৃতির পরিবেশনায় শুরু থেকেই তৈরি হয় উৎসবের আবহ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জুন মালিয়া, স্বপন দাশগুপ্ত, সুখেন্দুশেখর রায়-সহ বহু পরিচিত মুখ। লাল শাড়িতে দেখা যায় শিল্পী ইমন চক্রবর্তীকে। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন তসলিমা নাসরিনও।রেড রোড থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করে ইডেন গার্ডেন্সে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত-সহ আরও অনেকে। শোভাযাত্রায় বাংলার বিভিন্ন জেলার লোকসংস্কৃতিও তুলে ধরা হয়। এরপর ইডেনে আলো ও শব্দের প্রদর্শনীর মাধ্যমে মহালয়া থেকে শুরু করে দশমীর সিঁদুরখেলা পর্যন্ত দুর্গোৎসবের নানা মুহূর্ত তুলে ধরা হয়। সবশেষে ড্রোনের প্রদর্শনীতে আকাশে ফুটে ওঠে দুর্গার অবয়ব ও পদ্মের ছবি। এ বারের দুর্গাপুজোর আগে মহালয়াকে ঘিরে রাজ্য সরকারের এই বিশেষ আয়োজন ঘিরে আগ্রহ ছিল যথেষ্ট। অনুষ্ঠানে গান, নাচ, আলোর খেলা এবং প্রযুক্তির মেলবন্ধন ছিল মূল আকর্ষণ। তবে ইডেনের এই বড় আয়োজনের জেরে শহরের যান চলাচলেও জারি করা হয়েছিল বিশেষ বিধিনিষেধ।কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শনিবার ভোর চারটে থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত স্ট্র্যান্ড রোড এবং সেন্ট জর্জেস গেট রোডের নির্দিষ্ট অংশে পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। রাজা উডমন্ট স্ট্রিট ও হেস্টিংস ক্রসিংয়ের মধ্যবর্তী অংশেও জারি ছিল নিষেধাজ্ঞা। মহালয়ার অনুষ্ঠান ঘিরে শহরের একাধিক রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাও করা হয়।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আটক মমতা, এ বার কি সুপ্রিম কোর্টের পথে বিরোধীরা?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভ করতে গিয়ে আটক হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে আটক করা হয় তৃণমূলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন, দোলা সেন-সহ দলের আরও কয়েক জন নেতাকে। পুলিশের এই পদক্ষেপের প্রতিবাদে থানায় বসে অবস্থান করেন মমতা। প্রিজন ভ্যানে ওঠার সময় তাঁকে দোলা সেন-সহ অন্যদের সঙ্গে উই শ্যাল ওভারকাম গান গাইতেও শোনা যায়। প্রাথমিক খবর অনুযায়ী, শনিবার রাতেই কলকাতায় ফেরার কথা ছিল মমতার। রাত নটার বিমানের টিকিট থাকলেও তিনি সেই বিমান বাতিল করেছেন বলে সূত্রের দাবি। দিল্লিতে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্তের নেপথ্যে সোমবারের কর্মসূচি রয়েছে কি না, তা নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা। সূত্রের খবর, রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মমতা। সোমবার বিরোধী জোটের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের পরিকল্পনা এবং প্রধান বিচারপতির হাতে স্মারকলিপি তুলে দেওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও স্পষ্ট নয়। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার দিল্লিতে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়ে ওই কর্মসূচিতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন বিরোধী নেতারা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরীওয়াল, পিনারাই বিজয়ন-সহ একাধিক নেতা। দিল্লি পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভকারীদের আটক করে। পুলিশের দাবি, কর্মসূচির অনুমতি ও নিরাপত্তা নিয়ে সমস্যা ছিল। অন্য দিকে, বিরোধীদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে যোগ দিতে গিয়েও তাঁদের আটক করা হয়েছে। মমতাকে আটকের ঘটনায় সরব হয়েছেন তৃণমূলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন। সাধারণ মানুষের মতো রাস্তায় ঘুরিয়ে নেত্রীকে কেন নিয়ে যাওয়া হল, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বিরোধী জোটের তরফে এর আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ বার সোমবারের কর্মসূচিতে কী পদক্ষেপ করা হয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। মমতা দিল্লিতে থেকে গেলে এবং বিরোধী নেতাদের সঙ্গে পরবর্তী কর্মসূচিতে যোগ দিলে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে আন্দোলন আরও কোন দিকে গড়ায়, তা স্পষ্ট হবে আগামী দিনে।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

রবিবারের মধ্যে আটক নেতাদের মুক্তি না দিলে অনশন! সিজেপির আন্দোলন ঘিরে ফের বার্তা সোনমের

ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ঘিরে দিল্লিতে একের পর এক নেতাকে আটক করার ঘটনায় এ বার সরব হলেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। আটক ব্যক্তিদের রবিবারের মধ্যে মুক্তি না দিলে অনশন শুরু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। প্রয়োজনে পদযাত্রাও করবেন বলে জানিয়েছেন সোনম। তাঁর এই বার্তাকে ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। শনিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়েও আপত্তি রয়েছে আন্দোলনকারীদের। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে-সহ একাধিক নেতা এবং বিক্ষোভকারীদের আটক করার খবর সামনে আসে। তাঁদের মধ্যে বিরোধী দলের কয়েক জন শীর্ষ নেতাও ছিলেন বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমাজমাধ্যমে ভিডিয়োবার্তা প্রকাশ করেন সোনম। তিনি জানান, আন্দোলনের আগে শান্তি ও ঐক্য বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু এত জন নেতা-নেত্রী বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার পর তাঁদের আটক করা হয়েছে জানতে পেরে তিনি উদ্বিগ্ন। সোনমের আশা, আটক ব্যক্তিদের দ্রুত মুক্তি দেওয়া হবে। তা না হলে রবিবারের মধ্যে অনশন শুরু করার কথা ভাববেন তিনি। প্রয়োজনে পদযাত্রার পথেও হাঁটতে পারেন বলে জানিয়েছেন সমাজকর্মী। সোনমের বক্তব্য, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে এ ভাবে পরিস্থিতি তৈরি হওয়া উদ্বেগজনক। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার রক্ষা করা প্রয়োজন বলেও তাঁর বার্তায় উঠে এসেছে। তবে এ দিনের বিক্ষোভে তিনি নিজে যোগ দেননি। লাদাখে হিমবাহ সংক্রান্ত কাজের ব্যস্ততার কথা জানিয়ে তিনি কর্মসূচি থেকে দূরে ছিলেন, যদিও আটক আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের মুক্তির দাবি তুলেছেন। গত জুলাই মাসেও ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন সোনম ওয়াংচুক। সেই সময় পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে আন্দোলন হয়। দীর্ঘ বিক্ষোভের পর তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন এবং আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন। এ বার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ঘিরে ফের উত্তপ্ত রাজধানী। আটক ব্যক্তিদের মুক্তি না দিলে সোনমের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, এখন সেদিকেই নজর।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

ভোটে হার, তার পরেই অরাজকতা? বিরোধীদের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ বিজেপি সভাপতি নিতিন নবীনের

দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ ঘিরে বিরোধীদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরীওয়াল এবং ককরোচ জনতা পার্টিকে নিশানা করে তাঁর অভিযোগ, ভোটে হেরে বিরোধীরা দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছেন। শুধু তা-ই নয়, বিরোধীদের আন্দোলনের পিছনে বিদেশি শক্তির মদত রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। তবে এই অভিযোগের সমর্থনে প্রকাশ্যে কোনও প্রমাণ দেননি নিতিন। শনিবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে নিতিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দেশের উন্নতি বিরোধীরা মেনে নিতে পারছেন না। সেই কারণেই তাঁরা দেশে অশান্ত পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ বিজেপি সভাপতির। তাঁর বক্তব্য, বিরোধীদের দুটি গোষ্ঠী রয়েছে। এক দিকে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট, অন্য দিকে অরবিন্দ কেজরীওয়ালের সহযোগীদের সঙ্গে যুক্ত ককরোচ জনতা পার্টি। এই দুই গোষ্ঠীই দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করছে বলে দাবি করেন তিনি। নিতিনের অভিযোগ, বিরোধীদের মধ্যে যেন প্রতিযোগিতা চলছেকে বেশি অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। তাঁর দাবি, ভোটে জনসমর্থন না পেয়ে বিরোধীরা মানুষের রায় মেনে নেওয়ার বদলে দেশে অশান্তি ছড়ানোর পথে হাঁটছেন। বিদেশি শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। যদিও কোন বিদেশি শক্তির কথা বলছেন, তা স্পষ্ট করেননি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। বিরোধীদের সতর্ক করে নিতিন বলেন, এ ধরনের চেষ্টা সফল হবে না। তাঁর বক্তব্য, ভারতীয় জনতা পার্টি এবং দেশের মানুষ এই ধরনের পদক্ষেপের জবাব দেবেন। দেশে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা হলে সরকার কঠোর হাতে পরিস্থিতির মোকাবিলা করবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বিজেপি কর্মীরাও মানুষের মধ্যে থেকে বিরোধীদের এই চেষ্টা ব্যর্থ করবেন বলে দাবি করেন নিতিন।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়ে এই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়। কর্মসূচি ঘিরে দিল্লিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয় এবং বহু আন্দোলনকারীকে আটক করে পুলিশ। সেই পরিস্থিতিতেই বিরোধীদের বিরুদ্ধে নিতিন নবীনের এই আক্রমণ রাজনৈতিক সংঘাতকে আরও বাড়িয়ে দিল।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

'ভোটচুরি’ বলে গণতন্ত্রকে প্রশ্নের মুখে ঠেলা হচ্ছে? বিরোধীদের নিশানা করে খোলা চিঠি ১২৪ প্রাক্তন আমলার

দেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় কারচুপি ও ভোটচুরির অভিযোগ তুলে সরব বিরোধী শিবির। এই পরিস্থিতিতে ১২৪ জন প্রাক্তন আমলা খোলা চিঠি লিখে অভিযোগের প্রমাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের মধ্যে প্রাক্তন আইএএস, আইএফএস এবং আইআরএস আধিকারিকেরা রয়েছেন। চিঠিতে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, ভোটার তালিকা এবং বিহারের নির্বাচন নিয়ে তাঁদের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।প্রাক্তন আমলাদের বক্তব্য, বারবার ভোটচুরি বা কারচুপির নির্বাচন শব্দ ব্যবহার করে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করানো হচ্ছে। তাঁদের দাবি, অতীতে নির্বাচনে কারচুপির যে ছবি দেখা গিয়েছিল, তার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করা প্রয়োজন।চিঠিতে তাঁরা অতীতের নির্বাচনে ব্যালট বাক্স লুট, পেশিশক্তির ব্যবহার এবং বুথ দখলের প্রসঙ্গও তুলে ধরেছেন। তাঁদের মতে, এক সময় বুথ দখল এতটাই সাধারণ ঘটনা হয়ে উঠেছিল যে তা বন্ধ করতে আইন করে এই কাজকে অপরাধ ঘোষণা করতে হয়েছিল।বিরোধীদের উদ্দেশে প্রাক্তন আমলাদের প্রশ্ন, ভোটার তালিকায় অস্বচ্ছতা থাকলে তার সুবিধা সাধারণ ভোটারের নয়, বরং অসাধু ব্যক্তিদের হয়। একই নির্বাচন ব্যবস্থায় জিতলে নির্বাচন সুষ্ঠু, আর হারলে ভোটচুরি হয়েছে বলে অভিযোগ করা কতটা যুক্তিসঙ্গত, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তাঁরা।চিঠিতে প্রাক্তন আধিকারিকেরা লিখেছেন, বিরোধীদের নিজেদেরই ভেবে দেখা উচিত, তাঁদের আপত্তি নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে, নাকি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে। বিহারে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআরের পক্ষেও সওয়াল করেছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, বিহারে এ বার অত্যন্ত স্বচ্ছ নির্বাচন হয়েছে।চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন বিদেশসচিব কানওয়াল সিব্বাল এবং প্রাক্তন আইএএস আধিকারিক আর ডি কাপুর, সমীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, গোপালকৃষ্ণ, বিবেক ভরদ্বাজ ও নবনীত সেহগাল। তাঁদের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা জরুরি। চিঠিতে কমিশনের সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে নেওয়া হয় বলেও দাবি করেছেন তাঁরা।নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই এই খোলা চিঠি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে চিঠিতে প্রাক্তন আমলাদের বক্তব্য এবং বিরোধীদের অভিযোগদুইয়েরই মূল্যায়ন করতে হলে সংশ্লিষ্ট দাবির পক্ষে থাকা প্রমাণ ও তথ্য খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুজোয় চূড়ান্ত প্রস্তুত শিয়ালদহ ডিভিশন, বিশেষ পরিকল্পনা রেলের , বিস্তারিত জানুন

দুর্গাপুজো ২০২৬ উপলক্ষে যাত্রীদের বিপুল ভিড়ের সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে শিয়ালদহ ডিভিশনের উদ্যোগে রাজ্য পুলিশ, কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ এবং গভর্নমেন্ট রেলওয়ে পুলিশ (GRP)-এর পদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবের দিনগুলিতে কার্যকরভাবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং স্টেশন ও সংলগ্ন এলাকায় যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়।বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন রাজীব সাক্সেনা, ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার (DRM), শিয়ালদহ ডিভিশন। সম্ভাব্য অতিরিক্ত যাত্রীসমাগম সামাল দিতে এবং স্টেশন ও আশপাশের এলাকায় নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিভাগের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।যাত্রীদের প্রবেশ ও প্রস্থানের পরিকল্পনা, নির্দিষ্ট হোল্ডিং এরিয়া এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণের কার্যকর ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা হয়। অতিরিক্ত ভিড় এড়াতে এবং যাত্রী চলাচল মসৃণ রাখতে প্ল্যাটফর্মগুলিতে যথাযথ পৃথকীকরণ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে পর্যাপ্ত রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স (RPF) কর্মী মোতায়েন নিয়েও আলোচনা হয়।অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মীর প্রয়োজন মেটাতে ২৭০ জন প্রাক্তন সেনাকর্মীর পরিষেবা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, রেলওয়ে প্রোটেকশন স্পেশাল ফোর্স (RPSF)-এর অতিরিক্ত বাহিনীও মোতায়েন করা হবে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপের সম্ভাবনা রয়েছে এমন লেভেল ক্রসিং গেটগুলিতে পর্যাপ্ত RPF কর্মী মোতায়েন করা হবে। এই ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে রাজ্য ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রাখা হবে।গুরুত্বপূর্ণ স্থানের ফুট ওভার ব্রিজগুলিতেও RPF কর্মীদের পাশাপাশি স্কাউটস অ্যান্ড গাইডস, সিভিল ডিফেন্স এবং সেন্ট জন অ্যাম্বুল্যান্সের স্বেচ্ছাসেবকদের মোতায়েন করা হবে। তাঁরা যাত্রীদের সহায়তা করবেন এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবেন। যেসব স্টেশনে যাত্রীসমাগম বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেখানে চিকিৎসা সহায়তা বুথ ও অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা রাখা হবে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে যাত্রীরা দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা পান।সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নজরদারি এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সমগ্র ডিভিশনকে বিভিন্ন স্টেশনগুচ্ছের ভিত্তিতে ১১টি নোডাল পয়েন্টে ভাগ করা হয়েছে। পাশাপাশি, ডিভিশনের সমস্ত স্টেশনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য একটি কেন্দ্রীয় ওয়ার রুম চালু রাখা হবে। জরুরি পরিস্থিতিতে বা তাৎক্ষণিক সহায়তার প্রয়োজনে যাত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্মীরা শিয়ালদহ ডিভিশনের ওয়ার রুমের ৯১৪৭৯০৬৭৭৮ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন।সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলিকে নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে, যাতে সমস্ত অটোমেটিক টিকিট ভেন্ডিং মেশিন (ATVM) এবং মোবাইল UTS পরিষেবা সচল থাকে। প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত টিকিট বুকিং কাউন্টারও চালু করা হবে। উৎসবের সময় যাত্রীদের সুবিধা নিশ্চিত করতে সমস্ত নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থার বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হবে।সিগন্যাল অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন (ST), TRD, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং TRS বিভাগের মোবাইল রক্ষণাবেক্ষণ দলগুলি ১৬:০০ থেকে ২৪:০০ ঘণ্টা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে প্রস্তুত থাকবে। এর ফলে যন্ত্রপাতির ত্রুটি বা রেল চলাচল সংক্রান্ত সমস্যার দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হবে এবং যাত্রীদের অসুবিধা কমবে।উৎসবের সময় সম্ভাব্য ভিড় ও যানজট এড়াতে ১৫ থেকে ২১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত শিয়ালদহ স্টেশনের পার্কিং এলাকা বন্ধ থাকবে। যাত্রী ও দর্শনার্থীদের কাছে অনুরোধ, এই সময়ে গাড়ি শুধুমাত্র যাত্রী ওঠানো-নামানোর (ড্রপ-অফ ও পিক-আপ) কাজে ব্যবহার করুন এবং গাড়ি পার্ক করা থেকে বিরত থাকুন। এর ফলে স্টেশনের আশপাশে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সুবিধা হবে। এছাড়াও, ১৫ থেকে ২১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত শিয়ালদহ স্টেশনের ডিজিটাল লকার পরিষেবা বন্ধ থাকবে। যাত্রীদের এই সময়ের কথা মাথায় রেখে আগে থেকেই প্রয়োজনীয় বিকল্প ব্যবস্থা করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছেরাজীব সাক্সেনা বলেন, দুর্গাপুজোর সময় প্রত্যেক যাত্রীর নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কার্যকর ভিড় নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আমরা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিভাগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছি। উৎসবের সময় যাত্রীরা যাতে নিরাপদ, মসৃণ ও নির্বিঘ্ন রেলযাত্রার অভিজ্ঞতা পান, তা নিশ্চিত করতে সমস্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা আগেভাগেই সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।দুর্গাপুজো ২০২৬ উপলক্ষে সমন্বিত পরিকল্পনা, উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, চিকিৎসা পরিষেবার প্রস্তুতি এবং কার্যকর রেল পরিচালনার মাধ্যমে নিরাপদ, দক্ষ ও যাত্রীবান্ধব রেল পরিষেবা নিশ্চিত করতে শিয়ালদহ ডিভিশন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অক্টোবর ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal