• ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

TRAI

রাজ্য

Covid 19: কেন বন্ধ লোকাল ট্রেন? তা বিস্তারিত জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

লোকাল ট্রেন বন্ধই থাকছে। আগামী ৩০ অগাস্ট পর্যন্ত এরাজ্যে চলবে না লোকাল ট্রেন। বৃহস্পতিবার নবান্নে একথা জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাতের কার্ফুর সময় ৯টা থেকে কমে হয়েছে রাত ১১ টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত। করোনাবিধি চালু থাকবে ৩০ অগাস্ট পর্যন্ত। কেন লোকাল ট্রেন বন্ধ রাখা হচ্ছে তার কারণও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।নানা মহল থেকে লোকাল ট্রেন চালু করার দাবি উঠছে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, অনেকেরই প্রশ্ন লোকাল ট্রেন কেন চলছে না? আমি জানি মানুষের কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু ভ্যাকসিনটা এখনও সর্বত্র দেওয়া যায়নি। করোনার প্রকোপ বেড়ে যেতে পারে। দূরবর্তী ট্রেন চলছে, প্লেন চলছে, বাস, অটো, মেট্রো, গাড়ি সব চলছে। মমতা আরও বলেন, লোকাল ট্রেন বন্ধ রাখতে হচ্ছে কারণ সেপ্টেম্বরে থার্ড ওয়েভ আসার কথা আছে। তাই কন্ট্রোলে রাখতে হচ্ছে। কারণ থার্ড ওয়েভ দেখে নিতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, থার্ড ওয়েভে শিশুরা আক্রান্ত হতে পারে। শিশুরা আমাদের ভবিষ্যৎ। নিয়ম মেনে চলতে বললে নিয়ম মানা দূরের কথা সবাই দেখলাম গাদাগাদি করে চলে গেল। পরে সমস্যা হয়ে যাচ্ছে। লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকার ফলে অনেকের জীবীকায় টান পড়েছে। অনেকের যাতায়াতের খরচ বেড়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর উপলব্ধি, মানুষের জীবন সব থেকে আগে। তিনি বলেন, বিশেষ করে দুই ২৪ পরগানা, হাওড়া, হুগলি, বর্ধমান, নদিয়া, এসব এলাকা থেকেই লোকজন কাজের সূত্রে কলকাতায় বেশি যাতায়াত করে। এসব এলাকায় ৫০ শতাংশ টিকা দেওয়ার পর লোকাল ট্রেন চালু করে দেব। কোনও সমস্যা হবে না।

আগস্ট ১২, ২০২১
রাজ্য

Local Train: ফের রাজ্যে বাড়লো কোভিড বিধি, সময়সীমা কমলো নাইট কার্ফুর

৩১ অগস্ট পর্যন্ত চলবে না লোকাল ট্রেন। এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে এমনটাই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। জানালেন, আগামী ৩১ অগস্ট পর্যন্ত রাজ্যে কোভিড বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। ওই সময় পর্যন্ত চলবে না লোকাল ট্রেন। তবে কমছে নাইট কার্ফুয়ের সময়সীমা। এতদিন রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে নাইট কার্ফু চলছিল। কিন্তু ১৬ অগস্ট থেকে তার সময় বদলাচ্ছে। জনগণের দাবি এবং কাজকর্মের কথা বিবেচনা করে রাত ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত থাকবে রাত্রিকালীন বিধিনিষেধ।এদিন সাংবাদিক বৈঠক মুখ্যমন্ত্রী আর যে যে বিষয়গুলো বলেন, তা নিম্নরূপ:১. ২৫ থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত সব মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা পাবেন। বাংলা একদিন বিশ্ব বাংলায় পরিণত হবে।২. অনেকে প্রশ্ন করছেন লোকাল ট্রেন কেন চলছে না? আমি জানি সাধারণ মানুষের কষ্ট হচ্ছে। সেজন্য মেট্রো, বাস চালু করে দেওয়া হচ্ছে। আরও কয়েকটা দিন কষ্ট করতে হবে। লোকাল ট্রেন চালাতে আরও কিছুদিন সময় নিচ্ছি। তৃতীয় ঢেউয়ের বিষয়টি দেখছি। অগস্টের ৩১ তারিখ পর্যন্ত লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকবে।৩. সাধারণ মানুষের দাবি মেনে রাত ১১ টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ বন্ধ থাকবে। এতে মানুষের কোনও অসুবিধা হবে না।৪. ভাইফোঁটার দিন থেকে চালু হচ্ছে দুয়ারে রেশন।৫. তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা আছে, তাই আরও কিছু দিন কষ্ট করতে হবে৬. সংক্রমণের হার কমেছে বাংলা।৭. গ্রামাঞ্চলে টিকাকরণ বেড়েছে। ইতিমধ্যেই ৫০ শতাংশ টিকাকরণ হয়ে গিয়েছে।৮. টিকা পাচ্ছি না, তাও সাধ্য মতো চেষ্টা করে যাচ্ছি।রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গত মে মাস থেকে দফায় দফায় চলছে বিধিনিষেধ। দৈনন্দিন কাজের সুবিধার্থে একাধিক বিষয়ে ছাড় দিয়ে চলতি নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ছিল ১৫ অগস্ট পর্যন্ত। এবার তা আরও বাড়ানো হল। ৩১ অগস্ট পর্যন্ত তা বাড়ল। তবে এখনই খুলছে না লোকাল।

আগস্ট ১২, ২০২১
রাজ্য

Fraud: চাকরি দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারণার ঘটনায় দু’জন গ্রেফতার বর্ধমানে

চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার হল দুই প্রতারক। ধৃতদের নাম প্রবীর মণ্ডল ও কিষাণ মণ্ডল। এদের মধ্যে প্রবীরের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাটে। অপর ধৃত কিষাণ একই জেলার শাসন থানা এলাকার বাসিন্দা। তারা বর্তমানে শক্তিগড় থানার গাংপুর দিঘিরপাড় এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকছিল। বর্ধমান সাইবার থানার পুলিশ মঙ্গলবার রাতে সেখান থেকেই তাদের গ্রেপ্তার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার দুই ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। চাকরি দেওয়ার নামে হাতিয়ে নেওয়া টাকা উদ্ধার ও প্রতারণার ঘটনায় জড়িত বাকিদের হদিশ পেতে তদন্তকারী অফিসার ধৃতদের ১০ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে এদিন আদালতে আবেদন জানায়। সিজেএম ধৃতদের ৬ দিন পুলিশি হেফাজত মঞ্জুর করেছেন।আরও পড়ুনঃ গলসির হোটেলে মধুচক্রের আসরে পুলিশের হানা, গ্রেপ্তার ৪ যুবতী ২ যুবকপুলিশ জানিয়েছে, আউশগ্রাম থানার দারিয়াপুরের বাসিন্দা পূজা চট্টোপাধ্যায়। একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকরির জন্য তিনি চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ইন্টারভিউ দেন। সেদিনই সন্ধ্যাবেলায় এক ব্যক্তি তাঁকে ফোন করে ইন্টারভিউয়ে উত্তীর্ণ হওয়ার কথা জানান। ওই ব্যক্তি পরের দিন পূজাকে তাদের অফিসে যোগাযোগ করতে বলে। অফিসে গেলে চাকরি পাওয়ার জন্য পূজাকে কম্পিউটার কোর্স করতে বলা হয়। তার জন্য তাঁর কাছ থেকে দুদফায় নেওয়া হয় ১৮ হাজার টাকা। পাশাপাশি পূজা সহ কয়েকজনের ট্রেনিংও হয়। এর কিছুদিন পর পূজাকে ফের একটি অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়ে তাতে টাকা পাঠাতে বলা হয়। টাকা না দিলে চাকরি হবে না বলেও তাঁকে জানানো হয়। চাকরি না পাওয়া সত্ত্বেও বারবার টাকা চাওয়া দেখে পূজার সন্দেহ হয়। সংস্থাটি চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণা চক্র চালাচ্ছে বুঝতে পেরে ওই সংস্থার কর্তাদের কাছে পূজা টাকা ফেরত চান। তারপর থেকেই সংস্থার কর্তারা তাঁকে টাকা ফেরত না দিয়ে তাঁকে এড়িয়ে চলতে থাকে। এরপরেই পূজা বর্ধমান সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ মঙ্গলবার রাতে দুই প্রতারককে গ্রেপ্তার করে।

আগস্ট ১২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Bell Bottom : মুক্তি পেল 'বেল বটম'-এর ট্রেলার

লকডাউন ওঠার পর প্রথম যে হিন্দি সিনেমার বিদেশে শুটিং হল তার নাম বেল বটম। এই সিনেমারই ট্রেলার মুক্তি পেল। আর ট্রেলারেই বাজিমাত করেছেন অক্ষয় কুমার। এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন লারা দত্ত ও বাণী কাপুর। হুমা কুরেশিও রয়েছেন। আগামী ১৯ আগস্ট থ্রি-ডি তে বড় পর্দায় মুক্তি পাবে বেল বটম। বেল বটম এর প্লট তৈরি হয়েছে ভারতের বিমান হাইজ্যাকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ১৯৮৪ সালের প্লেন হাইজ্যাক নিয়েই এই সিনেমার গল্প। সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেলার শেয়ার করে অক্ষয় লিখেছেন,বেল বটম ট্রেলার ফের একবার বড় পর্দায় ছবি দেখার ম্যাজিক ফিরিয়ে আনতে চলেছে। ২৭ জুলাই এই ছবি মুক্তির কথা ছিল। কিন্তু কোভিডের জন্য মুক্তির তারিখ পিছিয়ে ১৯ আগস্ট হল। ছবির অভিনেত্রী বাণী কাপুর এই ছবির বড় পর্দায় মুক্তি নিয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত তিনি। এই ছবির মাধ্যমে দর্শক ফের হলমুখী হবে বলে আশাবাদী তিনি।

আগস্ট ০৪, ২০২১
রাজ্য

Weather: টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন শহর থেকে জেলা, বাতিল একাধিক ট্রেন

নিম্নচাপের জেরে টানা ভারী বৃষ্টির আগাম সতর্কবার্তা ছিলই। সেই মতো বুধবার থেকে শুরু হয়েছিল লাগাতার বর্ষণ। শুক্রবার পর্যন্ত চলবে বলে খবর। বৃহস্পতিবারই শহরের জলচিত্র দেখে রীতিমতো আতঙ্কিত শহরবাসী এবং ট্র্যাফিক পুলিশ। বাংলাদেশ উপকূলে অবস্থান করা নিম্নচাপের জেরে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় টানা বৃষ্টির সতর্কবার্তা আগেই দিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সেই মতো বুধবার দিনভর হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়। তবে বুধবার রাত থেকেই বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে থাকে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে বিরতিহীনভাবে অঝোরে হয়ে চলে বৃষ্টিআরও পড়ুনঃ তিরন্দাজির ব্যক্তিগত বিভাগে চমক অতনুর, পৌঁছে গেলেন প্রিকোয়ার্টারে উত্তর থেকে দক্ষিণের বহু রাস্তায় জমা জলের কারণে গাড়ির গতি একেবারে ছিল না বললেই চলে। কোথাও জলে গাড়ি বিকল হয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এমনকী, বেহাল রাস্তায় দুর্ঘটনায় পড়লেন বাইকচালক। বেশ কিছু এলাকায় জল বাড়িতে ঢুকে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে শহরবাসীর একাংশের। এসএসকেএম-সহ বিভিন্ন হাসপাতাল চত্বরে জল জমে যাওয়ায় ভোগান্তির শিকার হন রোগী ও তাঁদের আত্মীয়েরা। দীর্ঘ সময় ধরে যানজটে থমকে থাকে গাড়ি। সেই জট ছাড়াতে নাকাল হতে হয় ট্র্যাফিক পুলিশের কর্মীদের। লালবাজার সূত্রের খবর, পরিস্থিতি এমন হয় যে, বেলার দিকে পথে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করতে হয়। এ দিকে, রাত থেকে একটানা অঝোর বৃষ্টিতে ফের জলমগ্ন হয় শহরের বিস্তীর্ণ অংশ।অথচ, কলকাতা পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম বিকেলে দাবি করেছিলেন, তেমন বৃষ্টিই হয়নি। কিছু কিছু নিচু জায়গায় জল জমেছে ঠিকই। তবে তা তাড়াতাড়ি সরেও গিয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, এ দিন সকাল সাড়ে আটটা থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত শহরে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ৪৭ মিলিমিটার। আবহাওয়াবিদদের মতে, ওই সময়ের মধ্যে বৃষ্টিপাতের এই পরিমাণকে ভারী বৃষ্টিই বলা হয়। আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি কাণ্ডে গ্রেফতার অভিনেত্রী নন্দিতাহাওড়া এবং সংলগ্ন এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকেই মুষলধারে চলছে বৃষ্টি। প্রবল বৃষ্টিপাতের জেরে হাওড়া কারশেডের বিভিন্ন জায়গায় এবং রেললাইনে জল জমেছে। যে জন্য বেশ কয়েকটি দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করেছে পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব রেল। কিছু ট্রেনের সময়সূচির পরিবর্তনও করা হয়েছে। চক্র রেলও পুরোপুরি ভাবে বাতিল করা হয়েছে।০২৩০৩ পূর্বা এক্সপ্রেস, ০২৩৫৩ লাল কুয়াঁ এক্সপ্রেস, ০৩০০১ হুল এক্সপ্রেস এবং ০৩০১৫ হাওড়া-ভাগলপুর এক্সপ্রেস শুক্রবারের জন্য বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি কিছু ট্রেনের হাওড়া ছাড়ার সময় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। যেমন, ০২৩৩১ হিমগিরি এক্সপ্রেসে নির্ধারিত সময়ের থেকে ৩ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট দেরিতে ছাড়বে। ০৩০০৯ দুন এক্সপ্রেস ছাড়বে ৩ ঘণ্টা ২০ মিনিট দেরিতে। ০২৩২৩ হাওড়া-নয়াদিল্লি সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস নির্ধারিত সময়ের থেকে ৫ ঘণ্টা ৫ মিনিট পরে ছাড়বে।

জুলাই ৩০, ২০২১
রাজ্য

Job Cheat: প্রশিক্ষণ শেষে চাকরি! মহিলাদের বড়সড় প্রতারণার ঘটনায় ধৃত ৩

মহিলাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ উঠল একটি সংস্থার বিরুদ্ধে। কাজ পাওয়া তো দূরের কথা দেওয়া টাকাও ফেরত না মেলায় শনিবার প্রতারিত মহিলারা পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া থানার দ্বারস্থ হন। মহিলাদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই সংস্থার এক ব্যক্তি ও দুই মহিলাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনকাটোয়া শহরের সুবোধ স্মৃতি রোড এলাকায় একটি মার্কেট কমপ্লেক্সে রয়েছে। সেখানেই রয়েছে কালনার বাসিন্দা এক ব্যক্তির অফিস ঘর। অফিসটি ২০১৯ সালে খোলা হয়। অফিসের সামনে ঝোলানো রয়েছে ভারত সরকারের বাণিজ্য এবং উদ্যোগ মন্ত্রালয়ের অধীনে ফুটওয়্যার ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট লেখা ব্যানার। ব্যানারে ব্যবহার করা হয়েছে অশোকস্তম্ভ লোগো। এছাড়া কৌশল বিকাশ কেন্দ্রলেখা আছে ওই ব্যানারে। ওই ব্যক্তি সেখানে নিজেকে ওই কেন্দ্রীয় সংস্থার লোক বলে পরিচয় দিতেন।আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতারতৃপ্তি লাহা, মিনা দেবনাথ, মাধবী দাস সরকার প্রমুখ মহিলারা বলেন, ওই ব্যক্তি নিজের কাজের সুবিধার জন্য স্থানীয় দুই গৃহবধূকে নিয়োগ করেছিলেন। সেই দুজন মহিলাই তাঁদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেলাইসহ বিভিন্ন হাতের কাজ শিখিয়ে কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতেন। কেন্দ্রীয় সরকারের নামে ব্যানার থাকায় তাঁরা ওই দুই মহিলার কথা বিশ্বাস করেছিলাম। এজন্য তাঁডের কাছ থেকে ১২০০-২৩০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখন কাজের ব্যাবস্থা তো করছেই না, উপরন্ত টাকা চাইতে গেলে ফের নতুন গল্প শোনাচ্ছে। এলাকার ১ হাজারের অধিক মহিলা প্রতারিত হয়েছেন। কোথাও কোন সুরাহা না পেয়ে তাই বাধ্য হয়ে এদিন তাঁরা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানান। গৃহবধুদের প্রত্যাশা পুলিশ তাঁদের টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করতে পারবে।

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজ্য

বড় খবর: রাজ্যে বাড়ল করোনার বিধিনিষেধ, চালু হচ্ছে না লোকাল ট্রেন

রাজ্যে করোনার বিধিনিষেধ ফের বাড়ল। আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত এই বিধিনিষেছ লাগু থাকছে। এখনই চলবে না লোকাল ট্রেন। তবে সাধারণের জন্য ১৬ জুলাই থেকে শর্তসাপেক্ষে মেট্রো চলাচল শুরু হবে। শনি ও রবিবার বাদে ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে চলবে মেট্রো। স্কুল, কলেজ যথারীতি বন্ধই থাকছে। স্কুল, কলেজ যথারীতি বন্ধই থাকছে। গত জুন মাস থেকেই করোনা নিয়ে রাজ্যে বিধিনিষেধ চালু হয়েছিল।আরও পড়ুনঃ সংক্রমণ নিম্নমুখী হলেও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মৃত্যুহার, কি বলছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট? জানুনপ্রতিদিন মেট্রো স্যানিটাইজ করতে হবে। মেট্রোর কর্মী ও যাত্রীদের নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে। নবান্নের তরফে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়-সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধই থাকবে। ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে সরকারি ও বেসরকারি বাস, ফেরি, ট্রাম, ট্যাক্সি, ক্যাব ও অটো চলবে। তবে চালক ও যাত্রীদের কোভিড বিধি মেনে চলতে হবে। শনি-রবি বাদে সপ্তাহে ৫ দিন চালু থাকবে মেট্রো রেল। ব্যাংক খোলার সময়সীমা এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টে পর্যন্ত খোলা থাকবে ব্যাংক। সমস্ত দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হল। শপিংমলে খুচরো বিপণনী ৫০ শতাংশ কর্মী নিয়ে খোলা যাবে। তবে নির্দিষ্ট সময়ে থাকতে হবে ৫০ শতাংশ ক্রেতা। রেস্তোরাঁগুলি ৮টার পর খোলা রাখা যাবে না। সিনেমাহল, স্পা ও সুইমিংপুল বন্ধ থাকছে। যদিও রাজ্য, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সাতারুদের প্রাত্যহিক অভ্যাসের জন্য সকাল ৬টা থেকে ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে সুইমিংপুল। সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষাগত, বিনোদনমূলক ও রাজনৈতিক সভা-জমায়েত নিষিদ্ধ। বিবাহ অনুষ্ঠানে ৫০ জনের বেশি অতিথি থাকতে পারবেন না। দাহকার্যে ২০ জনের বেশি থাকতে পারবেন না।আরও পড়ুনঃ করোনা প্রতিরোধে নতুন দিশা, বাজারে আসছে ন্যাজাল স্প্রেকরোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার সতর্কবার্তা আইএমএ-র তরফে আসার পরই নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্র ও রাজ্যগুলো। ইতিমধ্যে করোনা সংক্রমণও গত ২দিনে সামান্য হলেও ঊর্ধ্বমুখী। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগেভাগেই করোনা বিধিনিষেধে লাগাম টানল রাজ্য সরকার।১৫ জুলাই পর্যন্ত রাজ্যে কার্যত লকডাউনের বিধিনিষেধ ফের একবার ১৫ দিন বাড়ানো হল। যান চলাচলে ছাড় দেওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট করোনা বিধিনিষেধ অবশ্যই পালন করার কড়া নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ১৪, ২০২১
রাজ্য

বর্ধমানে লাইনচ্যুত আপ হাওড়া-রাধিকাপুর এক্সপ্রেসের বগি, অল্পে রক্ষা

বর্ধমান স্টেশনে ঢোকার মুখে লাইনচ্যুত হল আপ হাওড়া- রাধিকাপুর ০৩০৫৩ স্পেশাল এক্সপ্রেস। সোমবার সকাল ১০ টা ৪০ মিনিট নাগাদ ট্রেনটি আপ লইন ধরে বর্ধমান স্টেশনের ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ঢোকার মুখে প্রথম বগিটি লাইনচ্যুত হয়। ওই বগিটি গার্ড ও লাগেজের জন্য সংরক্ষিত ছিল। বর্ধমান স্টেশনে ঢোকার মুখে যেহেতু ট্রেনটির গতি কম ছিল তাই বগি লাইনচ্যুত হলেও বড়সড় কোন বিপত্তি ঘটেনি বলে স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন। বর্ধমান স্টেশন ম্যানেজার সঞ্জয় অধিকারী জানিয়েছেন, ট্রেনটির গতি কম থাকায় বড় কোনও বপত্তি ঘটেনি। ঘটনার পরেই রেলের কর্মীরা বগিটি লাইন থেকে তোলার কাজ শুরু করে দেন । বেলা ১১ টা ৪০ মিনিটের মধ্যে বগিটি লাইন থেকে তোলার কাজ সম্পূর্ণ করা হয় । তার পর ট্রেনটি ফের গন্তব্যে রওনা দেয়। এই সময়টুকুতে ডাউন কর্ড লাইন ও ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্ম দিয়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখতে হয়। বাকি সব লাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ছিল বলে স্টেশন ম্যানেজার জানিয়েছেন।

জুলাই ০৫, ২০২১
দেশ

Local Train: লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে রেলমন্ত্রীকে চিঠি স্বপন দাশগুপ্তর

রাজ্যে যে কার্যত লকডাউন পরিস্থিতি চলছে তার নিন্দা আগেই করেছে বিজেপি। এ বার রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে লোকাল ট্রেন চালু করার দাবি জানাল গেরুয়া শিবির। দলের রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত বৃহস্পতিবারই লোকাল ট্রেন চালানোর দাবি জানিয়ে রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়ালকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। সেই চিঠি-সহ টুইটও করেছেন স্বপন। লিখেছেন, রাজ্যে এখন যে লকডাউন চলছে তা খামখেয়ালি এবং শৃঙ্খলাহীন। এই দাবির সঙ্গে গয়ালকে চিঠিতে বিজেপি সাংসদ লিখেছেন, বাংলার সাধারণ মানুষের সুবিধা করে দিতে রেলমন্ত্রী হিসেবে এবং ব্যক্তিগতভাবে আপনি আশা করি উদ্যোগী হবেন। আমি বিশ্বাস করি, বাংলার মানুষ আপনার পদক্ষেপের আশায় রয়েছেন।আরও পড়ুনঃ দুয়ারে সরকার,-এর পর এবার পূর্ব বর্ধমানে দুয়ারে পুলিশবিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরে গত ৬ মে রাজ্যে করোনা রুখতে কড়া বিধিনিষেধ চালু করা হয়। রাজ্য সরকার সেটাকে লকডাউন না বললেও কার্যত সেই পরিস্থিতিই তৈরি হয়। লোকাল ট্রেন চলাচল সেই থেকেই বন্ধ রয়েছে। সম্প্রতি বিধিনিষেধে রাজ্য সরকার অনেক ছাড় দিলেও এখনও লোকাল ও মেট্রো রেল চালুর অনুমতি দেওয়া হয়নি। সম্প্রতি তা নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় যাত্রী বিক্ষোভও হয়েছে।The terms of the lockdown in W Bengal are whimsical. Buses are allowed but local trains Kolkata Metro are not. Commuters are facing enormous hardship loss of livelihood. I have today requested the Rail Minister to initiate the process of resumption of services. pic.twitter.com/5jQ6LOrb1L Swapan Dasgupta (@swapan55) July 1, 2021বৃহস্পতিবার থেকেই রাজ্যে বিধিনিষেধে নতুন ছাড় শুরু হচ্ছে। এই সময় ট্রেল চলাচল স্বাভাবিক না হলেও কিছু ছাড় মিলবে বলে আশা করা হয়েছিল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্টই জানিয়েছেন, এখন ট্রেন চালালে করোনা সংক্রমণ এক লাফে বেড়ে যাবে। তারই বিরোধিতা করে রেলমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে স্বপন দাবি করেছেন, গত ১৫ দিনে রাজ্যে লকডাউন পরিস্থিতিতে অনেক ছাড় মিলেছে। অফিস, থেকে রেস্তরাঁ, জিম, সেলুন ও পার্লার চালু হয়েছে। লোকাল বাসও চালু হয়েছে। কিন্তু ট্রেন চালু না হওয়ায় সাধারণ মানুষকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। যে অল্পসংখ্যক গণপরিবহণ চালু রয়েছে তাতে খুবই ভিড় হচ্ছে। সুতরাং লোকাল ট্রেন চালু হলে যাত্রী সমস্যা অনেকটাই মিটে যাবে।

জুলাই ০১, ২০২১
কলকাতা

Rail Block: সোনারপুরের পর দমদম ক্যান্টনমেন্টে যাত্রীবিক্ষোভ

শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার পর এবার লোকাল ট্রেন চালুর দাবিতে বনগাঁ শাখায় রেল অবরোধ। সোমবার সকালে দমদম (Dumdum) ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে সকলের চড়ার দাবিতে অবরোধ (Rail Block) করেন নিত্যযাত্রীরা। তাঁদের দাবি, রোজকার কাজকর্ম করার জন্য বেরতেই হচ্ছে। এই স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে শুধু জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্তদেরই নয়, উঠতে দেওয়া হোক সকলকেই। নয়ত পুরোদমে লোকাল ট্রেন চালু করে দেওয়া হোক। সপ্তাহের প্রথম কাজের দিন তাঁদের অবরোধের জেরে আটকে পড়ে বেশ কয়েকটি স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রেলপুলিশ ও স্থানীয় থানার পুলিশ। ঘণ্টাখানেক পর অবরোধ ওঠে।আরও পড়ুনঃ জেনে নিন হাওড়ায় কোথায় কোথায় কন্টেনমেন্ট জোনগত সপ্তাহে পরপর দুদিন লোকাল ট্রেন চালুর দাবিতে যাত্রী বিক্ষোভের উত্তাল হয়ে উঠেছিল শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার সোনারপুর (Sonarpur), মল্লিকপুর স্টেশন। সেই বিক্ষোভ থামাতে গিয়ে আক্রান্ত হন আরপিএফ জওয়ানরা। রীতিমতো রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে এসব স্টেশন। এর জেরে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় গত সপ্তাহে রেলের তরফে ফের রাজ্যের কাছে আবেদন জানানো হয়। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী এখনই ট্রেন চালানোর অনুমোদন দেননি।এরপর আজ ফের দমদম ক্যান্টনমেন্টে একই ঘটনা। সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে অবরোধ শুরু করেন যাত্রীরা। স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে (Staff special trains) সবাইকে ওঠার অনুমতি দিতে হবে, এই দাবি তোলেন তাঁরা। ঘটনাস্থলে গিয়ে আরপিএফ, জিআরপি ও পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা তাঁদের সঙ্গে কথা বলে বোঝানোর চেষ্টা করেন। এ বিষয়ে সরকারের অনুমোদন ছাড়া কোনও সিদ্ধান্ত রেল নিতে পারবে না বলে জানানো হয়। শেষে ঘণ্টাখানেক পর ওঠে অবরোধ। যদিও বাড়তি ভিড় সামাল দিতে আজ থেকে শিয়ালদহ শাখায় আরও বাড়তি স্টাফ স্পেশ্যাল চালানো হচ্ছে। গত সপ্তাহে সোনারপুরের ঘটনার পর থেকে আরও ১০০টি ট্রেন বাড়ানো হয়েছে। আগামী দিনে তা আরও বাড়বে বলে শিয়ালদহ ডিভিশনের রেলকর্তারা জানিয়েছেন।

জুন ২৮, ২০২১
দেশ

Corona-Delta Strain: ডেল্টা স্ট্রেনে দেশে প্রথম মৃত্যু মধ্যপ্রদেশে

দেশে আগেই থাবা বসিয়েছে ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্ট। এ বার বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যাও। মধ্যপ্রদেশে আরও সাতজনের দেহে এই নতুন ভ্যারিয়েন্টের হদিশ মিলল। মৃত্যুও হয়েছে দুইজনের।করোনার নতুন প্রজাতির সংক্রামক ক্ষমতা কতটা, তা এখনও জানা না গেলেও ক্রমশ বিস্তার করছে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট। তবে গোটা দেশ নয়, আপাতত কয়েকটি রাজ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে করোনার এই নতুন প্রজাতির সংক্রমণ। মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র ও কেরলে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের তরফে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হচ্ছে। জম্মু-কাশ্মীরেও এই ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত একজনের খোঁজ মিলেছে। চিন্তা বাড়িয়ে মধ্যপ্রদেশেই ক্রমশ বাড়ছে ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তের সংখ্যা।আরও পড়ুনঃ পিএসি নির্বাচনে মুকুলের মনোনয়কে বৈধতা স্পিকারের গতকালই দেশে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে প্রথম মৃত্যুর খবর মেলে মধ্যপ্রদেশ থেকেই। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, কমপক্ষে সাতজন করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত, এদের মধ্যে দুজন আবার ভ্যাকসিন নেননি। তিনজন রোগী, যাঁরা টিকার একটি বা দুটি ডোজ নিয়েছেন, তাঁরা বর্তমানে হোম আইসোলেশনে রয়েছেন। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তদের অধিকাংশই ভোপালের বাসিন্দা, এছাড়া উজ্জয়ীন ও অশোকনগর জেলার এক বাসিন্দাও রয়েছেন।যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে একজন ২২ বছরের যুবতী ছিলেন এবং অপরজন দুবছরের একটি শিশু। জানা গিয়েছে, গত মাসেই তাঁরা সকলে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হলে জুন মাসে তার রিপোর্ট আসে। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট থেকেই অভিযোজিত হয়ে তৈরি ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্টের খোঁজ ভারত ছাড়াও আমেরিকা, ব্রিটেন, পর্তুগাল, সুইজ়ারল্যান্ড, জাপান, পোল্যান্ড, রাশিয়া ও চিনেও মিলেছে। তবে এই ভ্যারিয়েন্ট সম্পর্কে এখনও বিশদে তথ্য জানা যায়নি।

জুন ২৫, ২০২১
কলকাতা

Local Train: লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে ধুন্ধুমার মল্লিকপুরে

রেল অবরোধ ঘিরে মল্লিকপুর স্টেশনে (Mallikpur station) ধুন্ধুমার। দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখান যাত্রীরা। পুলিশ এবং রেল পুলিশের দুটি গাড়িতে ভাঙচুর চালায় বিক্ষোভকারীরা। ছোঁড়া হয় পাথর। বিক্ষোভের জেরে বেশ কয়েকটি স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেন একাধিক স্টেশনে দাঁড়িয়ে পড়ে। ভোগান্তির শিকার হন স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে থাকা যাত্রীরা। এদিকে, দুদিনের অবরোধের পর লোকাল ট্রেন চালাতে চেয়ে নবান্নে চিঠি দিচ্ছে রেল।পরপর দুদিন রেল অবরোধের ঘটনায় বিব্রত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যেই লোকার চালুর কথা জানিয়ে নবান্নে চিঠি পাঠানোর প্রস্তুতিও শুরু করেছে রেল।আরও পড়ুনঃ ম্যাচে ফেরালেন শামিবুধবারের পর বৃহস্পতিবার সকালে শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার সোনারপুরে (Sonarpur) প্রথমে রেল অবরোধ শুরু হয়। অবরোধকারীদের দাবি, গণপরিবহণ না চলায় সমস্যায় পড়ছেন যাত্রীরা। অথচ পেট চালাতে গেলে কাজে যোগ দিতেই হবে। তাই অবিলম্বে চালাতে হবে লোকাল ট্রেন। এই দাবিতে প্রায় ঘণ্টাখানেক সোনারপুর স্টেশনে চলে অবরোধ। তারপর একে একে মল্লিকপুর, বেতবেড়িয়া, ঘুটিয়ারি শরিফ-সহ একাধিক স্টেশনে রেল অবরোধ শুরু হয়। অবরোধ তুলতে যায় রেলপুলিশ। অবরোধ তুলতে গেলে মল্লিকপুরে কার্যত অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়। রেলপুলিশ এবং রাজ্য পুলিশের দুটি গাড়িতে ভাঙচুর চালায় বিক্ষোভকারীরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথরও ছুঁড়তে থাকে অবরোধকারীরা। বেশ কয়েকজন জখমও হয়েছেন। এই ঘটনার জেরে শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার একাধিক স্টেশনে দাঁড়িয়ে যায় বহু স্টাফ স্পেশ্যাল। ভোগান্তির শিকার হন যাত্রীরা।এই প্রসঙ্গে শিয়ালদহের (Sealdah) ডিআরএম এস পি সিং জানান, রুটিরুজির বিষয় তাই ট্রেন (Local Train) চলার দাবিকে একেবারে অমূলক বলা যাবে না। গতবারের তুলনায় চলতি বছর স্টাফ স্পেশ্যালের সংখ্যাও কিছুটা কম। যাত্রী সংখ্যার অনুপাতে তাকে নগণ্যও বলা চলে। তাঁর দাবি, প্রতিদিনই ট্রেন স্যানিটাইজেশনের কাজ চলছে। ট্রেন চালাতেও তাঁরা প্রস্তুত। তবে নবান্নের সবুজ সংকেত এখনও মেলেনি। মিললেই দাবিপূরণ হবে অবরোধকারীদের।

জুন ২৪, ২০২১
কলকাতা

Local Train: লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে বিক্ষোভ সোনারপুরে

সোনারপুর স্টেশনে যাত্রী বিক্ষোভের জেরে বন্ধ ট্রেন চলাচল। বুধবার সকাল থেকেই লোকাল ট্রেন চালু করার দাবিতে স্টেশন চত্বরে বিক্ষোভ দেখান কয়েকশো মানুষ। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে অধিকাংশই শহর কলকাতায় জীবিকার সন্ধানে আসা পরিচারিকরা ও শ্রমিক শ্রেণির মানুষ।আরও পড়ুনঃ সৌমিত্রকে জরুরি তলব দিল্লিতেবুধবার সকালে স্টাফ স্পেশ্যালে চড়তে দেওয়া এবং ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর দাবিতে সোনারপুরে ট্রেন অবরোধ করেন সাধারণ যাত্রীরা। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে মূলত কলকাতায় জীবিকার সন্ধানে যাওয়া পরিচারিকরা এবং শ্রমিকরা রয়েছেন। এদিন সকাল ৭.৩০ থেকে হওয়া প্রতিরোধে আপ ডাউন দুটো লাইনই আটকে গিয়েছে। এর ফলে রেলের কর্মী-সহ বাকিরা কর্মস্থলে পৌঁছতে পারছেন না। আরপিএফ, জিআরপি ও পুলিশের আবেদন সত্বেও প্রতিবাদকারীরা অবস্থান থেকে সরতে নারাজ। তাঁদের বক্তব্য, আমরা খেতে পাচ্ছি না। এভাবে না খেয়ে মরার চেয়ে লড়াই করে মরা ভাল। ট্রেনে চড়তে দিতেই হবে। এই বিষয়ে শিয়ালদহের ডিআরএম এসপি সিং জানিয়েছেন, আমরা ট্রেন চালাতে চাই। রাজ্যের অনুমতি পেলেই ট্রেন চলবে। শিয়ালদহ ডিভিশনে অত্যাধিক চাপ। যার মধ্যে বনগাঁ শাখায় অস্বাভাবিক ভিড়। ফলে কোভিড বিধি মানা হচ্ছে না। ঝামেলা বাড়ছে। যে কোনও সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। এদিকে, বিক্ষোভের জেরে বেশ কিছু ট্রেন আটকে পড়ে। চরম সমস্যার মধ্যে পড়েন যাত্রীরা। তারাও পালটা ক্ষোভ দেখিয়েছেন। ট্রেন খোলার দাবি করছেন অনেকেই। যাত্রীদের বক্তব্য, ট্রেনের সংখ্যা বাড়লে দূরত্ব বজায় রাখা যাবে।

জুন ২৩, ২০২১
বিদেশ

ট্রেন দুর্ঘটনা : পাকিস্তানে দুই প্যাসেঞ্জার ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত ৩০

ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা পাকিস্তানের (Pakistan) সিন্ধু প্রদেশে। দুটি প্যাসেঞ্জার ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হল অন্তত ৩০ জন যাত্রীর। আহত আরও ৫০ জন। এছাড়া দুর্ঘটনার জেরে লাইনচ্যুত হয়েছে দুটি ট্রেনের একাধিক কামরা। এর ফলে ওই এলাকায় স্তব্ধ রেল পরিষেবা। ইতিমধ্যে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনাটির খবর পেয়ে টুইটে শোকপ্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (PM Imran Khan)।পাক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের ঘোটকি জেলার অন্তর্গত রেতি ও দাহরকি স্টেশনের মধ্যবর্তী জায়গায় মিল্লত ও স্যার সইদ এক্সপ্রেসের মুখোমুখি সংঘর্ষ। ওই সময় দুটি ট্রেন মিলিয়ে প্রায় ১১০০ জন যাত্রী ছিলেন। রেল আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আগে থেকেই লাইনচ্যুত হয়েছিল মিল্লত এক্সপ্রেস। সেই সময়ই করাচি থেকে সারগোধাগামী স্যার সইদ এক্সপ্রেস সোজা এসে ধাক্কা মারে মিল্লতকে। এখনও দুর্ঘটনাগ্রস্ত কামরাগুলির মধ্যে অনেকে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ঘটনায় ৩০ জনের মৃত্যু খবর মিলেছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জন। ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকার্যের প্রক্রিয়াও শুরু করেছে বিপর্যয় মোকাবিলা দল। ঘোটকি, ধারকি, ওবারো এবং মীরপুর মাথেলো এলাকার সমস্ত হাসপাতালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি ওই রুটে সমস্ত ট্রেন চলাচল বাতিল করা হয়েছে। বগিগুলিকে কাটতে ভারী কাটার আনা হচ্ছে। এছাড়া পাঠানো হয়েছে রিলিফ ট্রেনও।ইতিমধ্যে এই ঘটনায় টুইটে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Imran Khan)। তিনি লেখেন, আজ সকালে ঘোটকিতে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় ৩০ জনের মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে এবং নিহতদের পরিবারকে সহায়তা করতে ইতিমধ্যেই রেলমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছি। রেল নিরাপত্তার গাফিলতি থাকলে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি।

জুন ০৭, ২০২১
রাজ্য

'যশ' সতর্কতায় বাতিল একাধিক দূরপাল্লার ট্রেন

যশ-এর সতর্কতা হিসেবে হাওড়ার বেশ কিছু দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করল দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ে। আগামী ২৫, ২৬ ও ২৭মে, ০২০৭৩ আপ ও ০২০৭৪ ডাউন হাওড়া-ভুবনেশ্বর, ০২০৮৭ আপ ও ০২০৮৮ ডাউন হাওড়া-পুরী, ০২৭০৩ আপ ও ০২৭০৪ ডাউন হাওড়া-সেকেন্দ্রাবাদ, ০২৮২১ আপ ও ০২৮২২ ডাউন হাওড়া-চেন্নাই, ০২৮৭৩ আপ ও ০২৮৭৪ ডাউন হাওড়া-যশবন্তপুর, ২৫ ও ২৬মে ০২২৪৫ আপ ও ০২২৪৬ ডাউন হাওড়া- যশবন্তপুর, ২৪মে ০২৬৬৫ আপ ও ০২৬৬৬ ডাউন হাওড়া-কন্যাকুমারী এক্সপ্রেস, এই ট্রেনগুলো বাতিল করা হয়েছে বলে দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ে সূত্রে জানানো হয়েছে।

মে ২২, ২০২১
কলকাতা

শুধুমাত্র স্বাস্থ্যকর্মীরাই চড়তে পারবেন স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে

রেলকর্মী ও স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়া আর কেউ চড়তে পারবেন না স্টাফ স্পেশ্যালে, সাফ জানালো রেল। স্বাস্থ্যকর্মীদের কাছে উপযুক্ত পরিচয়পত্র থাকলে তবেই তাঁরা উঠতে পারবেন ট্রেনে। অন্য কেউ যাতে রেল পরিষেবা ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য কঠোর পদক্ষেপ করছে রেল।এবিষয়ে হাওড়ার ডিআরএম সুমিত নারুলা বলেন, স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়া আর কেউ স্টাফ স্পেশ্যালে উঠতে পারবেন না। স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর নজর রাখতে ট্রেনগুলিতে কামরা আলাদা করে নির্ধারণ করে দেওয়া হচ্ছে। শুধুমাত্র স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্যই তা বরাদ্দ থাকছে। হাওড়ামুখী ট্রেনগুলির একেবারে সামনের দুটি কামরা সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যকর্মীরা ব্যবহার করতে পারবেন। এজন্য তাঁদের কাছে সঠিক পরিচয়পত্র থাকতে হবে। টিকিট পরীক্ষক তাঁদের পরিচয়পত্র খতিয়ে দেখবেন। রেলকর্মীরা যাতে সংক্রমিত না হন, তা সুনিশ্চিত করতেই দূরত্ব বিধি মেনে ট্রেন যাত্রার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কারণ, রেলকর্মীদের মধ্যে অতিমাত্রায় সংক্রমণের ঘটনা ঘটছে। পূর্ব রেলের মেনস ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অমিত ঘোষ বলেন, নির্ধারিত দিনক্ষণ জানা না গেলেও কয়েকদিনের মধ্যে শিয়ালদহ ডিভিশনে কোভিডে মৃত কর্মীদের তালিকা সোমবার হাতে এসেছে। যাতে দেখা গিয়েছে, শিয়ালদহ ডিভিশনে ৩০ জন মারা গিয়েছেন অল্প কয়েকদিনের মধ্যে। তিনি বলেন, বিআর সিং হাসপাতালে পালমোনোলজিস্ট মাত্র একজন। ফলে চরম বিপদের মধ্যে পড়ছেন রেলকর্মীরা। উপযুক্ত চিকিৎসা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, সোমবার করুণাময় মুখোপাধ্যায় নামের এক রেলকর্মী মাস দুয়েক আগে অবসর নিয়েছেন। তাঁর বুকে সংক্রমণ তীব্র আকার নিলেও চিকিৎসা হয়নি। তিনি আবার মেনস ইউনিয়নের দক্ষিণদাঁড়ির সাধারণ সম্পাদক। তাঁকে এদিন ভেন্টিলেশনে পাঠানো হয়। পূর্ব রেলের স্বাস্থ্যদপ্তরের প্রিন্সিপ্যাল চিফ মেডিক্যাল ডিরেক্টর রুদ্রেন্দু ভট্টাচার্য বলেন, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পাওয়া যাচ্ছে না। কেউ পাঠালেই তাঁকে নিয়োগ দেবে পূর্ব রেল।এদিকে দীর্ঘ দাবির পর সোমবার থেকে রামপুরহাটে রেলের হেলথ সেন্টারে ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হল। এরপর বর্ধমান হেলথ সেন্টার পেলে দূর থেকে কর্মীদের কলকাতায় ভ্যাকসিন নিতে আসতে হবে না। এই দাবি বেশ কিছুদিন ধরে করে আসছিল রেলের চিকিৎসক মহল। এদিকে রেলের অসংখ্য টিকিট পরীক্ষক আক্রান্ত হওয়ায় শহরতলির টিকিট পরীক্ষকদের এবার মেল এক্সপ্রেসে টিকিট পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে।

মে ১১, ২০২১
রাজ্য

লোকাল ট্রেন বন্ধে দাম বাড়ার আশঙ্কা মাছ-সবজির

লোকাল ট্রেন বন্ধ। ফলে ফের চড়তে পারে শাকসবজি, আনাজের দাম। বাড়ার আশঙ্কা মাছের দামও। সব মিলিয়ে লোকাল বন্ধে গতবারের মতো ফের জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কায় আম গেরস্ত। একদিন ট্রেন বন্ধ হতেই কিছু জায়গায় আলু-পিঁয়াজেরও দাম বেড়েছে বৃহস্পতিবার। তবে ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, এখনই দাম বাড়ার কথা নয়। যাঁরা নিচ্ছেন তাঁরা অন্যায় করছেন। কারণ, প্রত্যেকেরই স্টকে আলু, পিঁয়াজ আছে। কিন্তু দু-তিন দিন পর থেকে সবজি বাজারে ট্রেন বন্ধের প্রভাব পড়বে। ব্যবসায়ীদের দাবি, ট্রেন বন্ধ থাকলে সবজি এবং মাছ আনার খরচ অনেকটাই বেড়ে যায়। ট্রেনের ভেন্ডর কামরায় যতটা কম খরচে জিনিস আনা-নেওয়া করা যায় গাড়ি করে আনতে সেই খরচ অনেকটাই বাড়ে। ফলে দাম বাড়ে জিনিসের।লকডাউন শুরু হলে দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের তো রুজি-রোজগারই বন্ধ হওয়ার জোগাড় হয়। এই অবস্থায় কাঁচা আনাজের বাজারে দামের ছেঁকায় আলুসেদ্ধ ভাত জোগানোটাও সমস্যার হয়ে দাঁড়াবে বহু মানুষের। বৃহস্পতিবারই পিঁয়াজ মুকুন্দপুর বাজারে ৪০ টাকা আর চন্দ্রমুখী আলু ২৩ টাকা প্রতি কেজি বিকিয়েছে। যার দাম বুধবারও ছিল ৩০ টাকা, ২১ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, জিনিসের যে জোগান কমবে তেমনটা নয়। তবু সব কিছুরই দাম বাড়বে। কারণ মাছ ও সবজি সবকিছু আনার খরচ আগের থেকে অনেক বাড়বে। কাঁচালঙ্কা থেমে টম্যাটো, ঢেঁড়শ, পটল বেগুন সব কিছুরই দাম চড়তে পারে। আর গাড়ির চাহিদা বাড়লে তার ভাড়াও বাড়বে। ফলে মাছ যে গাড়িতে করে আসে তার ভাড়াও বাড়বে। যার প্রভাব পড়বে মাছ বাজারে। তাছাড়া ফড়েদের উৎপাত তো আছেই। ক্রেতাদের কথায়, কাঁচা আনাজের দামও যদি এত বাড়ে, তবে খাওয়া দাওয়া তো ছাড়তে হবে।ব্যবসায়ীদের দাবি, আগে লোকাল ট্রেনে ভেন্ডার কামরায় সবজি, মাছ আনা নেওয়া চলত। এখন তো সেই উপায় নেই। ছোট হাতি বা ছোট ট্রাকে করে সবজি আনতে হবে। ফলে সবজি আনার খরচ বেড়ে যাবে অনেকটাই। ডিজেলের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গাড়ি ভাড়াও বেড়েছে। সেই খরচটা তো কোনও ব্যবসায়ী আর পকেট থেকে দেবেন না। বাধ্য হয়েই তাই জিনিসপত্রের দাম বাড়াতে হবে। ওয়েস্ট বেঙ্গল ভেন্ডার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও রাজ্যের কৃষি বিষয়ক টাস্কফোর্সের সদস্য কমল দে বলেন, বাইরে থেকে সবজি আনার খরচ বাড়বে ট্রেন বন্ধ হওয়ায়। বাধ্য হয়ে খোলা বাজার থেকে খুচরো বাজার সর্বত্রই দাম বাড়ার আশঙ্কা আছে।

মে ০৭, ২০২১
রাজ্য

আজ থেকে গড়াবে না লোকাল ট্রেনের চাকা, সমস্যায় নিত্যযাত্রীরা

আপাতত ১৪ দিনের জন্য লোকাল ট্রেন বন্ধ। বুধবার রাজ্য সরকার বিবৃতি দিয়ে এ কথা জানিয়েছে। তবে রেলের তরফে জানানো হয়েছে, পরবর্তী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত রাজ্যের সমস্ত লোকাল ট্রেন পরিষেবা বৃহস্পতিবার থেকে বন্ধ থাকবে। লোকাল ট্রেনকে শহরতলির লাইফ লাইন বলা হয়। সেই গন পরিবহণ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেলে কিভাবে যাতায়াত করবেন, তাই নিয়ে ইতিমধ্যেই ভাবনায় পড়েছেন নিত্যযাত্রীরা। অফিস পুরো খোলা, দোকান, বাজার আংশিক খোলা, সেই অবস্থায় লোকাল ট্রেন পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়ায় সমস্যা তৈরি হয়েছে। হাওড়া স্টেশনের মাধ্যমে কলকাতা-সহ আশেপাশের জেলায় রোজগার ও অন্যান্য নানান কাজের জন্যে ছুটে যান কয়েক লক্ষ মানুষ। শহর কলকাতার অনেক অফিসে চাকুরী করেন শহরতলীর বহু মানুষ। যাঁরা বাড়ি থেকে অফিসে যেতে মূলত লোকাল ট্রেনের ওপরেই নির্ভরশীল। লোকাল ট্রেন বন্ধ হয়ে গেলে তাঁরা কিভাবে অফিসে যাবেন তা ভেবে পাচ্ছেন না। শহরতলীর বিভিন্ন ছোটখাটো দোকান ও ব্যবসাদাররা নিয়মিতভাবে কলকাতার বিভিন্ন পাইকারি বাজার থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনে নিয়ে যান, দোকান থেকে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে। লোকাল ট্রেন বন্ধ হয়ে গেলে কিভাবে দোকান চালাবেন সেই কথাই ভাবছেন ব্যান্ডেলের বাসিন্দা অজিত মণ্ডল। অন্যদিকে কলকাতার এক বেসরকারি সংস্থার কর্মী শ্রীরামপুরের বাসিন্দা পায়েল ঘোষাল বলেন, অফিস খোলা রয়েছে। আমাকে অফিস যেতে হবে। লোকাল ট্রেন বন্ধ হয়ে গেলে কিভাবে অফিস যাবো ভেবে পাচ্ছি না। আমার আবেদন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করুন। করোনার সংক্রমণ যেভাবে বেড়ে চলেছে তা সামলাতে কঠোর পদক্ষেপ আমিও সমর্থন করি। কিন্তু লোকাল ট্রেন বন্ধ করলে বাসে যেভাবে ভিড় বাড়বে তাতে আগামী দিনে সংক্রমণ আরও বাড়ার আশঙ্কা থাকবে বলেও মনে করছেন তিনি। অন্যদিকে, দক্ষিণ-পূর্ব রেলের উলুবেড়িয়ার বাসিন্দা সুদেষ্ণা বসুর কথায়, লোকাল ট্রেনের নিত্যযাত্রীরা কোভিড নিয়মবিধি ভালোভাবেই মেনে চলছিলেন। কারণ তাঁরা গত বছরের লকডাউনের সময়ে লোকাল ট্রেন পরিষেবা বন্ধ থাকায় চরম সমস্যায় পড়েছিলেন। তাই নিত্যযাত্রীরা তাঁদের নিয়ম না-মানার কারণে লোকাল ট্রেন পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাক তা কেউই চাননি। পাশাপাশি চন্দনপুরের বাসিন্দা সরোজ ঘোষ জানালেন, তিনি গোরুর দুধ থেকে ছানা তৈরি করে লোকাল ট্রেনে করে হাওড়া হয়ে কলকাতার বড়বাজারে সরবরাহ করেন। লোকাল ট্রেন বন্ধ হয়ে গেলে গাড়িভাড়া করে হলেও তাঁকে নিয়মিত সরবরাহ চালু রাখতে হবে। যার ফলে খরচ অনেকটাই বেড়ে যাবে। বুধবার হাওড়া স্টেশনে এইভাবে লোকাল ট্রেন বন্ধের বিষয়ে নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানালেন নিত্যযাত্রীরা। গত বছরের স্মৃতি আবার ফিরছে। তবে পুরো ট্রেন পরিষেবা নয়, বন্ধ হচ্ছে শুধুমাত্র লোকাল ট্রেন পরিষেবা।

মে ০৫, ২০২১
রাজ্য

৬ মে থেকে রাজ্যে বন্ধ সব লোকাল ট্রেন, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার অর্থাৎ আগামিকাল থেকে বন্ধ লোকাল ট্রেন। সরকারি পরিবহণ এবং মেট্রো চলবে ৫০ শতাংশ। পরিবর্তন করা হল বাজার খোলা রাখার সময়েও। পরিবর্তন হচ্ছে ব্যাংক খোলার সময়ও। বুধবার শপথ গ্রহণের পরই রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৎপর মুখ্যমন্ত্রী। শপথগ্রহণের পরই জানিয়ে দিয়েছিলেন, আপাতত করোনা মোকাবিলায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। সে কথা মাথায় রেখেই এদিন একাধিক নতুন নির্দেশ দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এখনই লকডাউনের পথে হাঁটলেন না মুখ্যমন্ত্রী। তিনি ঘোষণা করলেন: কাল থেকে বন্ধ রাজ্যের সমস্ত লোকাল ট্রেন। সরকারি পরিবহণ এবং মেট্রো চলবে ৫০ শতাংশ। বিমানযাত্রা ও দূরপাল্লার বাসযাত্রায় আরটিপিসিআর পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। বিমানযাত্রার ৭২ ঘণ্টা আগে আরটিপিসিআর পরীক্ষা করতে হবে। তবে রাজ্যে আসার পর ব়্যাপিড টেস্টে করোনা আক্রান্তের হদিশ পেলে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। এর ব্যবস্থা করবে বিমানবন্দর। বাজার খোলার সময় পরিবর্তন করা হল। সকাল ৭টা থেকে বেলা ১০টা, এবং বিকেল ৫টা থেকে সন্ধে সাতটা পর্যন্ত খোলা থাকবে। তবে বউবাজারের সোনার দোকান খোলা রাখার সময়ে ছাড় দেওয়া হয়েছে। সোনার দোকান দুপুর ১২টা থেকে ৩ পর্যন্ত খোলা থাকবে। ব্যাংক খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত। সরকারি অফিসে ৫০ শতাংশ কর্মীর হাজিরা চালু। বেসরকারি অফিসে ওয়ার্ক ফ্রম হোমে জোর। কলকারখানা, নির্মাণ ক্ষেত্রে হাজিরা ৫০ শতাংশ করা হল। গ্রামে থাকা ২ লক্ষ ৭৫ হাজার কোয়াক চিকিৎসককে বিশেষ নির্দেশিকা পাঠানো হচ্ছে। যাতে তাঁরা কোভিড চিকিৎসা করতে পারেন। বন্ধই থাকছে রেস্তরাঁ, শপিং মল, জিম, সুইমিং পুল, বিউটি পার্লার, স্পা, পাব, বার। রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষামূলক সমস্ত জমায়েত নিষিদ্ধ। বিয়েবাড়িতে সর্বাধিক ৫০ জন অতিথি উপস্থিত থাকতে পারবেন। টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে পরিবহণকর্মী, সংবাদকর্মী ও হকারদের অগ্রাধিকার। প্রথম ডোজের চেয়ে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ায় গুরুত্ব বেশি। কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে সন্দেহ থাকলে মৃতের ব়্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করা হবে। যার রিপোর্ট দু-তিনঘণ্টার মধ্যে মিলবে। ফলে মর্গে দেহ জমা থাকবে না। গুরুতর অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসায় জোর দেওয়া হবে। অর্থ সাহায্যের জন্য রাজ্যে দুটি ফান্ড চালু করা হল।এদিন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েই কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে অক্সিজেন, টিকা বন্টন নিয়ে স্বচ্ছ নীতি প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি কেন্দ্রের কাছে ৫০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। চিঠিতে দেশজুড়ে বিনামূল্যে টিকাকরণেরও দাবি জানিয়েছেন । ১০ হাজার রেমডেসেভির এবং তার বিকল্প হিসেবে টোসিজুমাব-এর হাজারটি ভায়াল চাওয়া হয়েছে। সবমিলিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কুরসিতে বসেই কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন মমতা।

মে ০৫, ২০২১
দেশ

করোনার কোপে একসঙ্গে বাতিল বহু ট্রেন

দেশজুড়ে ভয়াবহ আকার নিয়েছে কোভিড। এই পরিস্থিতিতে ট্রেন পরিষেবা চালু থাকা নিয়ে রীতিমতো সংশয় তৈরি হয়েছে। সেই সংশয় আরও খানিকটা বাড়িয়ে দিয়ে মঙ্গলবার একযোগে ৪০টি ট্রেন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিল ভারতীয় রেল। রেলের তরফে এক বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, করোনার জেরে এই ট্রেনগুলিতে যাত্রীসংখ্যা একধাক্কায় অনেকটা কমেছে।কম যাত্রীর জেরেই পরবর্তী নোটিস না দেওয়া পর্যন্ত এই ৪০টি ট্রেনের পরিষেবা বন্ধ রাখা হবে।তবে, এই ট্রেন বাতিলের ফলে এ রাজ্যে যাত্রীদের নতুন করে সমস্যায় পড়ার কথা নয়। কারণ অধিকাংশ ট্রেনই বাতিল হয়েছে উত্তর-পশ্চিম রেলের। এর মধ্যে কিছু ট্রেন আংশিক সময়ের জন্য বাতিল করা হলেও, অধিকাংশই বাতিল করা হয়েছে পরবর্তী নোটিস না দেওয়া পর্যন্ত। প্রসঙ্গত, করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা আঘাত হানার পরই শিয়ালদহ এবং হাওড়া ডিভিশনে বহু চালক এবং গার্ড আক্রান্ত হয়েছেন। যার জেরে এই দুই শাখাতেই প্রচুর ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। যার জেরে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে নিত্যযাত্রীদের।এদিকে, শিয়ালদহ ও হাওড়া শাখায় পরপর বেশ কয়েকটি লোকাল ট্রেন বাতিল হওয়ায় যাত্রীমহলে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।প্যাসেঞ্জার ট্রেন বন্ধ হয়ে যাবে, এমন গুজবও শোনা যাচ্ছে ইতিউতি। এরই মধ্যে উত্তর-পশ্চিম রেলের ৪০টি ট্রেন বাতিলের খবরে প্যাসেঞ্জার ট্রেন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার জল্পনা আরও বাড়ল। যদিও, রেলের তরফে বারবার আশ্বস্ত করা হয়েছে কোনওভাবেই ট্রেন পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ করা হচ্ছে না। গত রবিবারও রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান সুনীত শর্মা জানিয়েছেন, রেলকর্মীদের বড় অংশ কোভিডে আক্রান্ত তবুও রেল বন্ধ হবে না। এ নিয়ে কোনও রাজ্য এখন পর্যন্ত কোনও বার্তা দেয়নি। ফলে পরিষেবা বন্ধের আশঙ্কা নেই। রেল মন্ত্রকের তরফেও ইতিমধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্যাসেঞ্জার ট্রেন কিংবা কোনও দূরপাল্লার ট্রেন বন্ধ হচ্ছে না। পরিষেবা স্বাভাবিকই থাকছে। বিশেষ কারণে কোথাও ট্রেন বাতিল হতে পারে, কিন্তু তা স্থায়ী সিদ্ধান্ত নয়।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

মোদির ভিডিও সরাতেই বড় বিপাকে মেটা! ফের তলব শীর্ষ কর্তা, এবার কী হতে চলেছে?

ফেসবুক থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাইরাল সেলফি ভিডিও সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার মেটার বৈশ্বিক জননীতি বিষয়ক প্রধানকে তলব করল কেন্দ্র। বুধবার সকালে সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকের সামনে হাজির হতে বলা হয়েছে মেটার শীর্ষ কর্তা জোয়েল কাপলানকে। সূত্রের খবর, একই বিষয়ে ইনস্টাগ্রামের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তাকেও ডেকে পাঠানো হয়েছে।জেন-জি প্রজন্মের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তৈরি সেলফি ভিডিও হঠাৎ ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। পরে মেটা এই ঘটনার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেও তাতে সন্তুষ্ট নয় কেন্দ্র।তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির বৈঠকের পর কমিটির প্রধান নিশীকান্ত দুবে স্পষ্ট জানান, শুধু ক্ষমা চাইলেই দায় শেষ হয় না। এই ঘটনার পূর্ণ দায় মেটাকেই নিতে হবে। প্রয়োজনে সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও করা উচিত বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।প্রসঙ্গত, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ এবং পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতার দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলনের আবহের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী একটি বিশেষ ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসকে অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা বলে উল্লেখ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।প্রধানমন্ত্রীর এই ভিডিও প্রকাশের পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ইনস্টাগ্রামে মাত্র চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে ভিডিওটির দর্শকসংখ্যা তিনশো তিন মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়। সেই সাফল্যের মধ্যেই ফেসবুক থেকে ভিডিওটি সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। এখন কেন্দ্রের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
বিদেশ

পাকিস্তানে কি ফের সেনা অভ্যুত্থান? এক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্যে তীব্র জল্পনা

পাকিস্তানের রাজনীতিতে আবারও অনিশ্চয়তার মেঘ ঘনিয়ে উঠেছে। দেশের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী মহসিন নকভির একের পর এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, পাকিস্তানে কি আবারও সেনা অভ্যুত্থানের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে?পাকিস্তানের ইতিহাসে একাধিকবার সামরিক শাসন এসেছে। অতীতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে তিনবার দেশের ক্ষমতা পরিবর্তন হয়েছে। সেই অতীতের প্রেক্ষাপটেই নকভির সাম্প্রতিক মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।সম্প্রতি তিনি দাবি করেছেন, পাকিস্তানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। তাঁর অভিযোগ, এই দুর্নীতির সঙ্গে রাজনীতিবিদ, আমলা, বিচারপতি এবং ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার বহু ব্যক্তি জড়িত। দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ ও দুর্নীতির সংস্কৃতি চলেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, তদন্তে যাঁদের নাম উঠে আসবে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে অন্য একটি বিষয়। দুর্নীতির অভিযোগে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কথা উল্লেখ করলেও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করেননি নকভি। এই ঘটনাকে ঘিরেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ক্ষমতার অন্দরে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও সেনা অভ্যুত্থান নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি ঘোষণা বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ সামনে আসেনি। ফলে বিষয়টি এখন জল্পনার পর্যায়েই রয়েছে। তবে নকভির ধারাবাহিক মন্তব্যে পাকিস্তানের রাজনীতি যে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
দেশ

বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর! আরও পাঁচ হাজার মহিলা পাবেন অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা, কারা থাকছেন তালিকায়?

দিল্লির বঙ্গভবনে এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রায় এক ঘণ্টার এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়-সহ দলের অন্যান্য সাংসদরা। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দেন, রাজ্যের উন্নয়নের কাজ আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছেও পৌঁছে দিতে হবে।বৈঠকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে। যাঁরা আবেদন করার পরেও এখনও এই প্রকল্পের আর্থিক সুবিধা পাননি, তাঁদের জন্য নতুন সুযোগের ঘোষণা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রত্যেক এনসিপিআই সাংসদ তাঁদের নিজ নিজ লোকসভা এলাকায় অতিরিক্ত পাঁচ হাজার উপভোক্তার নাম সুপারিশ করতে পারবেন। সেই তালিকায় থাকবেন এমন মহিলারা, যাঁরা এখনও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাননি।ইতিমধ্যেই বহু উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পৌঁছে গিয়েছে। তবে অনেক আবেদনকারী এখনও এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। তাঁদের কথা মাথায় রেখেই এই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে কুড়ি জন সাংসদের মাধ্যমে মোট এক লক্ষ নতুন উপভোক্তা এই প্রকল্পের আওতায় আসতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।বৈঠকের পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শতাব্দী রায় জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অত্যন্ত ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য নতুন রাস্তা, সমন্বিত শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা এখনও পাননি, তাঁদের মধ্যে পাঁচ হাজার জনের নাম প্রত্যেক সাংসদ সুপারিশ করতে পারবেন বলেও জানানো হয়েছে।সূত্রের খবর, বৈঠকে কয়েকজন সাংসদ অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরেও অনেক এলাকায় নিচুতলার কর্মীদের সহযোগিতা তাঁরা পাচ্ছেন না। কোথাও কোথাও প্রশাসনিক সহযোগিতার অভাবের কথাও তুলে ধরা হয়। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ আরও বাড়ানো এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মহালয়ার অমর কণ্ঠকে বড় সম্মান! বদলে যেতে পারে শ্যামবাজার মেট্রোর নাম, সামনে এল বড় প্রস্তাব

বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে আরও মর্যাদা দিতে বড় উদ্যোগের প্রস্তাব সামনে এল। প্রবাদপ্রতিম কণ্ঠশিল্পী বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জন্মদিনে তাঁর স্মৃতিকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের দাবি তুললেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি প্রস্তাব দিয়েছেন, শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের নাম বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের নামে করা হোক। পাশাপাশি তাঁর ঐতিহাসিক বাড়িকে হেরিটেজ হিসেবে সংরক্ষণের উদ্যোগও নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।মঙ্গলবার বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জন্মদিনে শ্যামবাজারের রামধন মিত্র লেনের বাড়িতে যান অগ্নিমিত্রা পাল। সেখানে তিনি কিংবদন্তি শিল্পীর মূর্তিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। বীরেন্দ্রকৃষ্ণের পুত্রবধূ সুস্মিতা ভদ্রের সঙ্গেও দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন তিনি।মন্ত্রী জানান, মহালয়ার ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠ ছাড়া বাঙালির দুর্গাপুজোর আবহ যেন সম্পূর্ণ হয় না। তাই তাঁর অবদানকে আগামী প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় করে রাখতে স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। সেই কারণেই শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের নাম তাঁর নামে করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।শ্যামবাজারের রামধন মিত্র লেনের পুরনো বাড়িটিও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী। বর্তমানে বাড়িটির অবস্থা অনেকটাই জীর্ণ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহাসিক এই বাড়ির গুরুত্ব আরও বেড়েছে। তাই এটিকে হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করে সংরক্ষণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।কলকাতার একাধিক মেট্রো স্টেশনের নাম ইতিমধ্যেই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের নামে রাখা হয়েছে। মহানায়ক উত্তম কুমার, কাজী নজরুল ইসলাম, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং সুকান্ত ভট্টাচার্যের নামে মেট্রো স্টেশন রয়েছে। এবার সেই তালিকায় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের নামও যুক্ত হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অনেকে।রাজ্য সরকার বাংলার ঐতিহ্য ও মনীষীদের স্মৃতি সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। শুধু বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র নন, অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ঐতিহাসিক বাড়িও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক বাসভবন সংরক্ষণের বিষয়েও পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
দেশ

বড় ভাঙনের ইঙ্গিত! বিজেপির সঙ্গে যাব না, স্পষ্ট জানালেন আবু তাহের, বাড়ল নতুন জল্পনা

রাজ্যের রাজনীতিতে আবারও নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। এনসিপিআইয়ের সাংসদ আবু তাহের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এনসিপিআইতে থাকলেও বিজেপির সঙ্গে কোনওভাবেই যেতে চান না। একই ধরনের বক্তব্য রেখেছেন খলিলুর রহমানও। এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।তৃণমূল ছেড়ে একসঙ্গে বিশ জন সাংসদ এনসিপিআইতে যোগ দিয়েছিলেন। পরে তাঁরা লোকসভার স্পিকারের কাছে নতুন দল হিসেবে স্বীকৃতির আবেদন করেন। পাশাপাশি এনডিএর শরিক হওয়ার জন্যও আবেদন করা হয়। সেই পরিস্থিতিতে আবু তাহের ও খলিলুর রহমানের এই অবস্থান নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে।রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, যদি শুরু থেকেই এনডিএর অংশ হওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে এখন কেন বিজেপির সঙ্গে যাওয়ার ক্ষেত্রে আপত্তি জানানো হচ্ছে? এই অবস্থান কি শুধুই রাজনৈতিক, নাকি ভবিষ্যতের বড় কোনও সমীকরণের ইঙ্গিত?আবু তাহের বলেন, তাঁদের নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, সংখ্যালঘু সাংসদরা এনডিএর বৈঠকে অংশ নেননি। তাঁদের রাজনৈতিক ও সামাজিক কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই কারণেই তাঁরা এনডিএর বৈঠকে যাননি এবং ভবিষ্যতেও যাওয়ার পরিকল্পনা নেই। তাঁরা এনসিপিআইতেই থাকবেন।এই বক্তব্যের পর আরও একটি প্রশ্ন সামনে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই এনসিপিআইকে এনডিএর শরিক হিসেবে পরিচয় করিয়েছেন। সে ক্ষেত্রে একই দলে থেকেও কয়েকজন সাংসদ কীভাবে এনডিএ থেকে নিজেদের দূরে রাখবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর আগে দিল্লিতে এনডিএর বৈঠকে এনসিপিআইয়ের কয়েকজন সাংসদ উপস্থিত থাকলেও আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং আরও এক সংখ্যালঘু সাংসদ সেখানে যাননি। সেই ঘটনাও যথেষ্ট আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। এরই মধ্যে সংসদ চত্বরে তাঁদের সঙ্গে তৃণমূলের নেতাদের কথোপকথন ঘিরেও নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে আগামী দিনে এনসিপিআইয়ের রাজনৈতিক অবস্থান কী হবে এবং এই দল এনডিএর সঙ্গে কতটা এগোবে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
কলকাতা

চিনার পার্ক থেকে নবান্ন! হামিমের নিশানায় কি মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা? জেরায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিম মণ্ডল এবং তার সহযোগীদের জেরা করে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। তাঁদের দাবি, শুধু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভা বা যাতায়াতের পথ নয়, চিনার পার্কের বাড়ির আশপাশেও নজরদারি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি হামিম বা তার সহযোগীরা নবান্ন চত্বরেও গিয়েছিল কি না, তা জানতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।গত সপ্তাহে বর্ধমান থেকে হামিম মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় জানা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখা ছিল তার অন্যতম দায়িত্ব। অভিযোগ, বিদেশে থাকা হ্যান্ডলারদের নির্দেশেই এই নজরদারি চলছিল। নিরাপত্তার কোথাও দুর্বলতা রয়েছে কি না, সেটাই খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে তদন্তকারীদের ধারণা।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হামিম মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক জনসভা এবং কর্মসূচির আশপাশে গিয়েছিল। পাশাপাশি চিনার পার্কের বাড়ির অবস্থানও খতিয়ে দেখেছিল বলে দাবি। এমনকি বাড়ির কাছাকাছি কোথাও থাকার পরিকল্পনাও করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের অনুমান। যদিও সত্যিই সেখানে কোনও বাড়ি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত হয়নি।তদন্তকারীদের ধারণা, হামিম ও তার সহযোগীরা নবান্ন চত্বরেও গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে থাকতে পারে। সেই কারণেই ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। হামিমের গতিবিধি এবং তার সঙ্গে কারা যোগাযোগ রেখেছিল, সেই তথ্যও সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও হাওড়ার উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক এবং রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাইও হামিমদের নজরদারির তালিকায় ছিলেন। অভিযোগ, তাঁর ছেলেকে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে অপহরণের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। এই তথ্য হামিমকে জেরা করেই পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার।ইতিমধ্যেই হামিমের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা সরকার এবং আদিত্য সিংকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, অর্পিতার বিদেশে থাকা হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। তবে এই নেটওয়ার্কে আরও কারা জড়িত, অর্থ কোথা থেকে আসত এবং আর কী কী পরিকল্পনা ছিল, সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ধৃতদের জেরা চলছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
রাজ্য

জঙ্গি সন্দেহে তদন্তে বড় মোড়! হামিমের পর গ্রেফতার আরও এক যুবক, সামনে চাঞ্চল্যকর দাবি

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিমকে ঘিরে তদন্তে আরও এক বড় সাফল্যের দাবি করল বিশেষ তদন্তকারী দল। হামিম এবং তাঁর বান্ধবী অর্পিতার পর এবার গ্রেফতার করা হয়েছে আদিত্য সিং ওরফে রাজুকে। ভোররাতে হাওড়ার বেলিলিয়াস রোডের বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে তদন্তকারীরা।তদন্তকারীদের দাবি, আদিত্য দীর্ঘদিন ধরেই হামিমের পরিচিত ছিল এবং বিভিন্নভাবে তাকে সাহায্য করত। তদন্তে এমন তথ্যও উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যেখানে বলা হয়েছে এক মন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখার দায়িত্ব আদিত্যর উপর ছিল। তদন্তকারীদের অভিযোগ, ওই মন্ত্রী এবং তাঁর ছেলের গাড়ি, বাড়ি ও চলাফেরার ছবি এবং ভিডিও সংগ্রহ করে হামিমের কাছে পাঠিয়েছিল আদিত্য। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি।এখন তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, শুধুমাত্র ওই মন্ত্রী এবং তাঁর পরিবারের উপরই নজর রাখা হচ্ছিল, নাকি আরও কেউ তাদের লক্ষ্য ছিল। সেই কারণেই আদিত্যকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।আদিত্যর গ্রেফতারের পর তাঁর পরিবার এবং প্রতিবেশীরা কার্যত হতবাক। পরিবারের দাবি, তিনি কলেজে বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করতেন। কীভাবে হামিমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় বা যোগাযোগ তৈরি হল, তা তাঁদের জানা নেই।এক প্রতিবেশীর কথায়, আদিত্যকে সবসময় পড়াশোনা করতে দেখা যেত। তিনি কখনও এমন কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন, তা বিশ্বাস করা কঠিন। আর এক প্রতিবেশীর দাবি, আদিত্যর বাড়িতে কোনও বন্ধুবান্ধবকে নিয়মিত আসতে দেখা যেত না। তাই এই ঘটনায় তাঁরাও বিস্মিত।আদিত্যর মা জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে নিয়মিত কলেজে যেত এবং পড়াশোনাতেই মন দিত। সম্প্রতি পড়াশোনার জন্য একটি ল্যাপটপও কিনে দিয়েছিলেন তাঁর বাবা। প্রতিদিন হাতখরচের টাকাও দিতেন। পরিবারের দাবি, যদি আগে কোনও সন্দেহজনক বিষয় তাঁদের নজরে আসত, তাহলে অবশ্যই তাঁকে সতর্ক করা হত।পরিবারের এক আত্মীয় জানান, কয়েক দিন আগে তদন্তকারী আধিকারিকরা বাড়িতে এসে কিছু প্রশ্ন করেছিলেন। কিন্তু তারপর অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি এতটা বদলে যাবে, তা তাঁদের কল্পনারও বাইরে ছিল।তদন্ত এখনও চলছে। আদিত্যর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচার এবং তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
দেশ

অন্যকে জেতানোর কারিগর এবার নিজেই জিতলেন! বাঁকিপুরে প্রশান্ত কিশোরের ঐতিহাসিক চমক

অন্যকে নির্বাচনে জেতানোর কৌশল তৈরি করেই এতদিন পরিচিত ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। এবার নিজেই ভোটে লড়ে ইতিহাস গড়লেন তিনি। বিহারের বাঁকিপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে দীর্ঘ একত্রিশ বছর ধরে বিজেপির দখলে থাকা আসন ছিনিয়ে নিয়ে প্রথমবার বিধায়ক হলেন প্রশান্ত কিশোর। তাঁর জয়ের হাত ধরেই প্রথমবার বিধানসভায় প্রতিনিধিত্ব পেল জন সুরাজ।গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। বত্রিশ দফা গণনা শেষে তাঁর জয় নিশ্চিত হয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তিনি পেয়েছেন চৌষট্টি হাজার একশো একান্ন ভোট। বিজেপি প্রার্থী নীরজ কুমার পেয়েছেন চুয়াল্লিশ হাজার আটশো সাতাশ ভোট। ফলে উনিশ হাজার তিনশো চব্বিশ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন প্রশান্ত কিশোর। আরজেডি প্রার্থী রেখা কুমারী চৌদ্দ হাজার দুইশো তিয়াত্তর ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে শেষ করেন।জয়ের পর বাঁকিপুরের ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রশান্ত কিশোর বলেন, বিহারের উন্নয়ন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তাঁর দাবি, এই ফলের মাধ্যমে রাজ্যের মানুষ এমন নেতৃত্বের পক্ষেই মত দিয়েছেন, যিনি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের উন্নতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন।জন সুরাজের নেতাদের দাবি, তরুণ ভোটারদের সমর্থন তাদের সাফল্যের অন্যতম কারণ। যদিও এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। ভোটের আগে বিহারে বিভিন্ন ছাত্র আন্দোলন এবং শিক্ষা নিয়ে বিতর্ক রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। সেই কারণেই তরুণ ভোটারদের ভূমিকা নিয়ে জোর আলোচনা চলছিল।বাঁকিপুর দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির অন্যতম শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। উনিশশো পঁচানব্বই সাল থেকে এই আসন বিজেপির দখলে ছিল। এখান থেকেই একাধিকবার জয়ী হয়েছিলেন দলের শীর্ষ নেতা নিতিন নবীন। পরে তিনি রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি ছেড়ে দেন। সেই শূন্য আসনেই অনুষ্ঠিত হয় এই উপনির্বাচন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দুই হাজার পঁচিশ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জন সুরাজ একটি আসনও জিততে পারেনি। সেই নির্বাচনে প্রশান্ত কিশোর নিজেও প্রার্থী হননি। মাত্র এক বছরের মধ্যে পটনার গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে জয় পেয়ে দলকে প্রথমবারের মতো বিধানসভায় পৌঁছে দিলেন তিনি।জন সুরাজের সভাপতি মনোজ ভারতী বলেন, বাঁকিপুরের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাঁর দাবি, নীরব ভোটারদের বড় অংশ জন সুরাজের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং এই ফল বিহারের রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিল।অন্যদিকে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে প্রশান্ত কিশোরকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, গণতন্ত্রে জনগণের সিদ্ধান্তই সর্বোচ্চ এবং সেই রায়কে সম্মান জানানোই সকলের দায়িত্ব।

আগস্ট ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal