• ১৬ চৈত্র ১৪৩২, মঙ্গলবার ৩১ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

TMCP

রাজ্য

তৃণমূল নেত্রী পদ্মশিবিরের পথে? তৃণমূলের জনপ্রিয় ছাত্র নেত্রীর রাজনৈতিক অবস্থান ঘিরে জোর জল্পনা

এক সময় যাঁর কণ্ঠে তৃণমূলের স্লোগান মুখরিত হয়েছে ব্রিগেডের মঞ্চ, যাঁকে দেখা গিয়েছে রাজ্য শাসক দলের ভিআইপি প্রচারক হিসেবে, সেই ডাকসাইটে তৃণমূল ছাত্র নেত্রী রাজন্যা হালদারকে ঘিরে এখন রাজনীতির ময়দানে তুমুল জল্পনা। প্রশ্ন উঠছেতবে কি তৃণমূল থেকে সরে বিজেপির দিকে পা বাড়াচ্ছেন তিনি?সম্প্রতি রাজন্যার সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত দুটি পোস্ট এই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, একসময় তিনি তমলুকে প্রচার করলেও মানুষ জ্ঞান, শিক্ষা ও ন্যায়ের পক্ষে ভোট দিয়েছেন এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করা মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেছেন। সেই সূত্রেই তাঁর সাক্ষাৎ হয় তমলুকের বিজেপি সাংসদ, প্রাক্তন বিচারক অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়এর সঙ্গে। সেখানে রাজন্যা স্পষ্ট ভাষায় বলেন, তাঁদের লড়াই কোনো রাজনৈতিক সমীকরণ নয়, বরং যুবসমাজের ভবিষ্যৎ, কর্মসংস্থান ও বেকারত্ব সমস্যার বিরুদ্ধে সংগ্রাম।এই বক্তব্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও একটি বড় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। একসময় ২১শে জুলাই ব্রিগেডের মঞ্চে রাজন্যার কণ্ঠে শোনা গিয়েছিলजुल्मी जब जब जुल्म करेगा सत्ता के गलियारों से, चप्पा चप्पा गूंज उठेगा ममता दी के नारों से!এই স্লোগান ছাত্র-যুব সমাজে সাড়া ফেলেছিল। গত লোকসভা ও পঞ্চায়েত নির্বাচনে তিনি ছিলেন তৃণমূলের ভিআইপি প্রচারক। একাধিক কর্মসূচিতে তাঁকে দেখা গিয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়এর খুব কাছাকাছি।কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দৃশ্যপট বদলাতে শুরু করে। আর জি কর চিকিৎসক হত্যাকাণ্ডের পর থেকে রাজন্যার অবস্থানে পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়। বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও বক্তব্যে রাজ্য সরকার ও তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তাঁর কড়া সমালোচনা নজরে আসে রাজনৈতিক মহলের। এই অবস্থান বদলের মাঝেই সরস্বতী পুজোর আগের দিন তমলুকের বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়এর বাড়িতে তাঁর উপস্থিতি রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই রাজনৈতিক মহলে দুইয়ে দুইয়ে চারজল্পনা শুরু হয়েছে, তবে কি রাজন্যা হালদারের বিজেপিতে যোগদান শুধুই সময়ের অপেক্ষা? তৃণমূল ছাত্র সংগঠনের একসময়কার পরিচিত মুখের এমন অবস্থান পরিবর্তন রাজ্য রাজনীতিতে বড়সড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।যদিও এখনও পর্যন্ত রাজন্যা হালদার প্রকাশ্যে দলত্যাগের কোনো ঘোষণা করেননি, তবে তাঁর সামাজিক মাধ্যমের বক্তব্য, রাজনৈতিক অবস্থান এবং বিজেপি নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এই জল্পনাকে আরও জোরালো করছে। রাজ্য রাজনীতিতে ছাত্র-যুব রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে পরিচিত রাজন্যার পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

নির্বাচন কমিশনকে তুলোধোনা মমতার, "তোমাদের পূর্বপুরুষ ব্রিটিশদের দালালি করেছে", বললেন ক্ষুব্ধ মমতা

মেয়ো রোডে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের সভায় বক্তব্য় রাখেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বক্তব্য় রাখতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি ও বামেদের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেও কংগ্রেস নিয়ে একটি বাক্যও বলেননি। মুখেই আনেননি কংগ্রেসের নাম। মমতা বলেন, একদিকে বিজেপি, আর অন্যদিকে তাদের বন্ধু বামফ্রন্ট। আমি নির্বাচন কমিশনের চেয়ারকে শ্রদ্ধা করি। বাচ্চাদের ললিপপ খাওয়া মানায়, কিন্তু বড়োরা (নির্বাচন কমিশন) পার্টির হয়ে ললিপপ খেলে সেটা মানায় না। এটাই বাংলা। কলকাতা একসময় অবিভিক্ত ভারতের রাজধানী ছিল। ব্রিটিশরা জানত, অন্য রাজ্যকে হারালেও বাংলাকে হারানো যাবে না।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, আন্দামানের সেলুলার জেলের রেপ্লিকা আলিপুরে আছে। সেলুলার জেলে গিয়ে দেখা যাবে স্বাধীনতা সংগ্রামে ৯০% ছিলেন বাঙালি, ১০% পাঞ্জাবি। আজকাল টাকাওয়ালা ছবি বানাচ্ছে বাংলাকে বদনাম করতে। ক্ষুদিরাম বসুকে ক্ষুদিরাম সিং বলা হয়েছে। আমি নথি দেখিয়ে ভুলটা ধরিয়ে দিয়েছি। উনি ছিলেন ক্ষুদিরাম বসু। যখন তাঁকে ফাঁসি দেওয়া হচ্ছিল, তখন কোথায় ছিলে? তোমাদের পূর্বপুরুষ ব্রিটিশদের দালালি করেছে।বাংলা ভাষা ও বাঙালির ওর নির্যাতন নিয়েও এদিন ফের তোপ দেগেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে, জয় হিন্দ স্লোগান দিয়েছিলেন নেতাজি। দুঃখের বিষয় আমরা তাঁর মৃত্যুর দিন জানি না। কেরালার সিপিএম সরকার পড়াচ্ছে নেতাজি ভয়ে পালিয়েছিলেন। এটা লজ্জাজনক। বন্দে মাতরম স্লোগান দিয়েছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। জাতীয় সঙ্গীত লিখেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। যদি বলো বাংলা ভাষা নেই, তাহলে কীভাবে জন-গণ-মন হল জাতীয় সঙ্গীত আর বন্দে মাতরম হল জাতীয় গান?নির্বাচন কমিশনকে এদিন তুলোধোনা করেছেন মমতা। তাঁরা পার্টির ললিপপ খাচ্ছে বলেও কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেন, এটা একটা ললিপপ সরকার। এরা বিডিও, এসডিও, ডিএম আর পুলিশকে ভয় দেখাচ্ছেচাকরি কেড়ে নেবে বা জেলে দেবে বলে। নির্বাচন কমিশন আসে আর যায়, কিন্তু রাজ্য সরকার থাকে। কমিশনের আয়ু মাত্র তিন মাস। যেমন আমাদের আছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, আমরা জানি তোমাদের আছে দুর্নীতি ভাণ্ডার! ওরা বলে বংশ পরম্পরা। তাহলে অমিত শাহর ছেলে যিনি আইসিসি প্রেসিডেন্ট, সেটা কী? এটা কি বংশপরম্পরা নয়? ওদের পরিবারের কতজন বিভিন্ন রাজ্যে আমলাতান্ত্রিক পদে বসে আছে, সেটা জিজ্ঞেস করো! আমরা ললিপপ দিই না, আমরা গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করি।

আগস্ট ২৮, ২০২৫
কলকাতা

রণক্ষেত্র যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ি ভাঙচুর, জখম ছাত্র-অধ্যাপক

হুলস্থুল কাণ্ড যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে, শিক্ষা মন্ত্রীর গাড়ির চাকার হওয়া খুলে দিল ছাত্রছাত্রীরা একেবারে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। আটকে পড়লেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। বাম ও তৃণমূল ছাত্র পরিষদের তুমুল ধস্তাধস্তি চলে। ক্যাম্পাসের মধ্যে চরম বিশৃঙ্খলতা। অভিযোগ, শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ির চাকার হাওয়া খুলে দেওয়া হয়েছে। মূলত, ছাত্র সংসদের নির্বাচনের দাবিকে কেন্দ্র করে এই উত্তেজনা। ঘটনার সূত্রপাত শনিবার দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর ভাষণ চলাকালীন সেখানে ঢুকে পড়ে বাম সমর্থিত ছাত্র সংগঠনের কয়েকজন সদস্য। তারপর চেয়ার ভাঙচুর, ধাক্কাধাক্কির জেরে অসুস্থ হয়ে পড়েন অধ্যাপকদের অনেকেই বলে অভিযোগ। ব্রাত্যের গাড়ির চাকার হাওয়া খুলে দেওয়া হয়। চোর-চোর এবং গো ব্যাক স্লোগান দেওয়া হয়। মন্ত্রীর গাড়ির বেনেটেও উঠে পড়ে ছাত্ররা। ওয়েবকুপার বার্ষিক সভা শুরুর আগে ছাত্র ভোট চেয়ে সভাগৃহের বাইরে এসএফআইয়ের সদস্যরা হোর্ডিং, পোস্টার টাঙিয়ে দিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার দাবি জানাতে থাকেন। এরপরই ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরির জন্য টিএমসিপি (TMCP) প্রতিবাদ করতেই দুই ছাত্র সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে বচসা বেঁধে যায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় তিন নাম্বার গেট দিয়ে ওয়েব কুপার মিটিংয়ে নিয়ে যাওয়া হয় শিক্ষামন্ত্রীকে। ছাত্র বিক্ষোভে আটকে থাকা অবস্থায় ব্রাত্য বসু বলেন, এটাই হচ্ছে এই সব (বাম-অতিবাম) ছাত্র সংগঠনের গণতন্ত্র। এরাই রাস্তায় নেমে অসভ্যতা করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধৈর্যে বিশ্বাস করেন। গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন। আমরা সহিষ্ণুতার পাঠ জানি। আমি ওদের বললাম আপনারা দুজন আসুন। ওরা বলল চল্লইস জন যাব। আর এতজন মিলে কথা হয়। এরপরই ওরা বাধা দেয়। আমাদের প্ররোচনা দেওয়া হচ্ছে যাতে পুলিশ ডাকি। কিন্তু সেটা করব না।দুপক্ষের হাতাহাতির ঘটনায় বেশ কয়েকজন পড়ুয়া ও অধ্যাপক আহত হয়েছেন বলেই খবর। এদিকে বৈঠক ছেড়ে বেরোনোর সময় শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর গাড়িতে ভাংচুর চালানো হয়। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে গাড়ির কাঁচ। যাদবপুর ৮বি বাসস্ট্যান্ড-এ অবস্থান SFI-এর। এদিকে গোটা ঘটনায় অসুস্থ হয়ে পড়েন শিক্ষামন্ত্রী। তড়িঘড়ি তাকে নিয়ে যাওয়া হয় SSKM হাসপাতালে। সেখানে তাঁর প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে ছেঁড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে গিয়ে তৃণমূল মুখপাত্র কুনাল ঘোষ আজকের হামলাকে প্রাণঘাতী হামলা বলে উল্লেখ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভাস্কর গুপ্ত বলেন, এই ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এক পোস্টে লিখেছেন, তৃণমূলের সৌজন্য মানে দুর্বলতা নয়। গায়ে হাত দেবে কেন? শাসক বলে সংযত নিশ্চয় থাকা উচিত। কিন্তু বাঁদরামি সীমা পার করলে উপযুক্ত জবাব দেওয়া উচিত।

মার্চ ০১, ২০২৫
রাজনীতি

আরজি করের পটভূমিকায় স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি আগমনী, টিএমসিপির সাসপেন্ড নেত্রীর নিশানায় কুণাল ও দেব

সাসপেন্ড হতেই সরাসরি তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ থেকে শুরু করে অভিনেতা সাংসদ দেবকে তুলোধোনা করলেন যাদবপুর-ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূলের ছাত্র সংগঠনের বহিষ্কৃত সহ সভাপতি রাজন্যা হালদার। তাঁর দাবি, শিল্পী সত্ত্বা থেকেই ছবি, এর মধ্যে কোন রাজনীতি নেই। পাশাপাশি রাজন্যা এদিন কুনাল ঘোষকে নিশানা করে বলেছেন, কুণাল ঘোষ যে পুজোর গান লিখেছেন তা কী তিনি দলকে জানিয়ে লিখেছিলেন? একই সঙ্গে রাজন্যার নিশানায় ছিলেন অভিনেতা সাংসদ দেবও। নিজের বহিষ্কারের সুপারিশের পালটা তিনি দেবকে নিশানা করে বলেন, দেব দা যখন প্রধান বানিয়েছিলেন তখন তিনি কী দলকে জানিয়ে বানিয়েছিলেন। আমার তো মনে হয় না। রাজন্যা বলেছেন, আমি মনে করি না দলীয় কাজের বাইরে শিল্পভাবনার ক্ষেত্রে দলকে জানানোর কোনও প্রয়োজন আছে। আরজি করের ঘটনার সঙ্গে ছবির কোন সম্পর্ক নেই সেকথা মনে করিয়ে রাজন্যা বলেন, ছবির সঙ্গে আরজি করে ঘটনার কোন সরাসরি যোগ নেই। ছবি দেখে যদি দল যদি সিদ্ধান্ত নিত তাহলে ভালো হত। আশা রাখি দল ছবি দেখে সিদ্ধান্ত পূর্ণবিবেচনা করবে।তিলোত্তমাদের গল্প নিয়ে স্বল্প দৈর্ঘের ছবি আগমনী মুক্তি পেতে চলেছে আগামী ২ অক্টোবর। টিএমসিপির দুই নেতা-নেত্রী প্রান্তিক ও রাজন্যা জুটির এই ছবিকে নিয়েই শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। এই প্রেক্ষাপটেই ২ জনকেই সাসপেন্ড করেছে দল। মহালয়ার দিন এই ছবি মুক্তির আগেই শুক্রবার রাতে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ সাসপেন্ড করেছে প্রান্তিক চক্রবর্তী ও রাজন্যা হালদারকে। প্রান্তিক ছিলেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সহসভাপতি ও রাজন্যা যাদবপুর-ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূলের ছাত্র সংগঠনের সহসভাপতি।প্রান্তিক ও রাজন্যা দুজনেই জানিয়েছেন, শিল্পী সত্ত্বা থেকেই তাঁরা এই স্বল্প দৈর্ঘের ছবি তৈরি করছেন। শুধু আরজি করের নির্যাতিতা নন, সমাজের সকল স্তরের নির্যাতিতার কাহিনী থাকছে এতে। পাশাপাশি প্রতিবাদ ও জন জাগরণের ভাষাও থাকবে এই ডকুমেন্টারিতে। দল শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলেও ২ অক্টোবর আগমনী মুক্তির সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসছে না রাজন্যা ও প্রান্তিক। তাঁদের বক্তব্য, শর্ট ফিল্মটা দেখার পর বিচার করা উচিত ছিল। এখানে কোনও বিচারাধীন বিষয় দেখানো হচ্ছে না।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৪
রাজ্য

"বদলা নয়, বদল চাই," বদলে গেল, স্লোগান সংশোধন করে হুঁশিয়ারি তৃণমূল নেত্রী মমতার

২০১১ থেকে বলে আসছেন বদলা নয়, বদল চাই। এবার ডায়ালগ একটু সংশোধন করতে চাইলেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার অন্যরকম চাইছেন। ঠাকুর শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের কথা টেনে ফোঁস করার নির্দেশ দিয়েছেন দলীয় কর্মীদের। বুধবার বিজেপির ডাকা বনধের দিন মেয়ো রোডে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসে বক্তব্য রাখছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বলেন, আরজি করের দুর্ভাগ্যজনক ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপি রাজনীতি করছে। লাশের নোংরা রাজনীতি করছে। বাংলার মানুষের কাছে তাদের চেহারা উন্মোচিত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, বাংলায় আগুন লাগানোর চেষ্টা করছে বিজেপি।বাংলায় আগুন জ্বললে দিল্লিতে আপনার(মোদির) চেয়ারটাও টলিয়ে দেব। পাশাপাশি অভিষেকের সুরেই ধর্ষণের বিরুদ্ধে জোরালো আইন আনার পক্ষেও সওয়াল করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।আগামী শুক্রবার তৃনমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যদের কলেজের গেটে গেটে আরজি কর কাণ্ডে দোষীদের ফাঁসির দাবিতে প্রতিবাদে সামিলের ডাক দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এর পাশাপাশি আগামী শনিবার ব্লকে ব্লকে মিছিলের ডাক দিয়েছেন তিনি।টিএমসিপির মঞ্চ থেকে মমতা বলেন, আরজি করে যে বোনটি নির্যাতিতা হয়েছে , দেশের সব প্রান্তের মেয়েরা যেভাবে নির্যাতিতা হচ্ছে, আমি সকল নির্যাতিতাদের জন্য আজকের দিনটি উৎসর্গ করছি। আমরা বিচার চাই, ওরা লাশ চাই। ওরা আন্দোলনকে জল ঢেলে দিতে চাইছে। আসল উদ্দেশ্য থেকে সরে যাচ্ছে।এদিকে, আজ ১২ ঘন্টার বাংলা বন্ধের ডাক দিয়েছিল বিরোধী বিজেপি। এদিন বন্ধের বিরোধিতা করে মমতা বলেন, কেরল হাইকোর্ট, বোম্বে হাইকোর্ট বন্ধকে নিষিদ্ধ করেছে। বাংলায় বন্ধের কোন স্থান নেই। আরজি কর প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ৯ তারিখ ঝাড়গ্রাম থেকে ফিরছিলাম, ১০ সকালে পৌঁছে যা যা করনীয় সব করা হয়েছে। আরজি করে যা ঘটেছে তা দুর্ভাগ্যজনক। যাতে দেরি না হয়, কোন ভুল না হয় তার জন্য সব রকম চেষ্টা সরকারের তরফে করা হয়েছে। আমি সাত দিনের মধ্যে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে ফাঁসি চেয়েছিলাম। যারা ধর্ষক তাদের একটাই শাস্তি হওয়া দরকার তা হল ফাঁসি। কিছু মোদি মিডিয়া বিজেপির অশান্তিকে প্রমোট করছে। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে। ধর্ষণের বিরুদ্ধে আগামী সপ্তাহে বিধান সভার বিশেষ অধিবেশন ডেকে ধর্ষণে্র ঘটনায় ফাঁসির সাজা আনার বিষয়ে বিল আনবেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। আরজি কর কাণ্ডের প্রসঙ্গে জুনিয়ার ডাক্তারদের আন্দোলন নিয়ে বলেন, জুনিয়ার ডাক্তারদের বিরুদ্ধে কোন অ্যাকশন নেয়নি সরকার। দিল্লিতে বিজেপি সরকার ডাক্তারদের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছিল। আরজি কর প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, আমি শনিবার পর্যন্ত সময় চেয়েছিলাম। মঙ্গলবারের মধ্যে আরজি কর কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত। আজ ১৬ দিন কেটে গিয়েছে। এত দিন কী করছে সিবিআই? কোথায় গেল বিচার? পাশাপাশি তিনি স্লোগান তোলেন, বিচার চাই বিচার চাই জবাব দাও সিবিআই, ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই জবাব চাই সিবিআই। এরপাশাপাশই আন্দোলনরত চিকিৎসকদের কাজে যোগদানের বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আগস্ট ২৮, ২০২৪
কলকাতা

র‍্যাগিং কাণ্ড নিয়ে তোলপাড় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, মমতা বড় দায়িত্ব দিলেন টিএমসিপি নেত্রী রাজন্যাকে

দুদিন আগেই যাদবপুরে মিছিল করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেত্রী রাজন্যা হালদার। আহত রাজন্যকে ভর্তি করা হয়েছিল কেপিসি হাসপাতালে। এর আগে ২১ জুলাই ধর্মতলায় তৃণমূল কংগ্রেসের শহিদ দিবসের মঞ্চে বক্তব্য রেখে সবার নজর কেড়েছেন তিনি। এবার রাজন্যা হালদারকে বড় দায়িত্ব দিল তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। তাঁকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃণমূল ছাত্র পরিষদ ইউনিটের সভানেত্রী করা হল। চেয়ারম্যান করা হয়েছে সঞ্জীব প্রামানিককে আপাতত দুজনের এই কমিটি যাদবপুরে দলের ছাত্র সংগঠন দেখবে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে। দুই মন্ত্রী অরূপ ও বিশ্বাস ফিরহাদ হাকিমকে নিয়ে গতকালই বৈঠক করেন দলনেত্রী। সেই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হয়েছে নেতৃত্বকে। দুজনের এই কমিটি যাদবপুর নিয়ে সরাসরি রিপোর্ট করবে দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে।

আগস্ট ১৮, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধিত হারে ডিএ না দেওয়ায় কর্মবিরতিতে অংশগ্রহণ করা শিক্ষক ও কলেজের কর্মীদের হুমকি জামালপুরের ছাত্র নেতার

বর্ধিত হারে মহার্ঘভাতা সহ বিভিন্ন দাবি দাওয়া নিয়ে মঙ্গলবার ২ ঘন্টার কর্মবিরতির ডাক দিয়েছিল বাম সমর্থিত কর্মি সংগঠন। সেই কর্মবিরতির ডাকে সামিল হওয়ার জন্য পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর কলেজের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের রুমে ঢুকে শাসালেন ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি বিট্টু মল্লিক। তাঁর আচরণে শিক্ষক মহলের অনেকেই আরাবুলের ছায়া দেখতে পেয়েছেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক জানিয়েছেন।টেবিল চাপড়ে শিক্ষকদের হুঁশিয়ারিও দিলেন উচ্চ মাধ্যমিক পাশ এই ছাত্র নেতা। প্রসঙ্গত, তিনি জামালপুর কলেজের ছাত্র নন। কলেজ পড়ুয়া না হয়েও শুধুমাত্র শাসক দলের ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে একজন যুবক কি ভাবে কলেজ শিক্ষকদের এইভাবে হুমকি ও হুঁশিয়ারি দিতে পারে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষকরাই। মঙ্গলবার ২ ঘন্টার কর্মবিরতিতে অংশ নেওয়া শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের দীর্ঘক্ষণ কলেজে আটকেও রাখা হয়।

আগস্ট ৩১, ২০২২
রাজ্য

রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন নিয়ে কালনা কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে সংঘর্ষ- জখম চার পড়ুয়া

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বেঁচে থাকলে হয়তো তিনি নিজেই লজ্জায় মুখ লুকোতেন।কারণ রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন নিয়ে দুদল ছাত্র গোষ্ঠীর সংঘর্ষে কলেজ চত্ত্বর রণক্ষেত্রের চেহারা নেবে এমনটা তাঁর কাছে ছিল কল্পনারও অতীত। কিন্তু বাস্তবেই শুক্রবার এমন নজিরবিহীন ঘটনা ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনা কলেজে। রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন নিয়ে তৃণমূলের দুদল ছাত্র গোষ্ঠীর সংঘর্ষে এদিন রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় কালনা কলেজ চত্ত্বর। সংঘর্ষে আহত হন চার জন।তাঁদের মধ্যে এক ছাত্র আবার রক্তাত হন মাথা ফেটে যাওয়ায় ।এই ঘটনার নিন্দায় সরব হয়েছেন কালনা নিবাসী আপামোর রবীন্দ্র অনুরাগী।কালনা কলেজ জেলার একটি ঐতিহ্যশালী কলেজ হিসাবেই পরিচিতি পেয়ে আসছে। সেই কলেজ কবিগুরুর একটি নতুন আবক্ষমূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়। সেই উপলক্ষে কর্তৃপক্ষ এদিন কলেজে রবীন্দ্রজয়ন্তী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলেজে পৌছান কালনার বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগ ও কালনা পৌরসভার চেয়ারম্যান আনন্দ দত্ত। অনুষ্ঠান শুরুর খানিক আগেই বেঁধে যায় অশান্তি। কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কাউকে কেন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি সেই প্রশ্ন তুলে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্য ছাত্র ছাত্রীরা কলেজে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেদেয়। বিক্ষোভের জেরে চেয়ারম্যান ও বিধায়ক কেউই আর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন না। তারই মধ্যে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ সমর্থক ছাত্র ছাত্রীদের সঙ্গে দলের অপর গোষ্ঠীর মধ্যে প্রথমে হাতাহাতি। পরে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। লাঠিসোটা নিয়ে এক পক্ষ অপর পক্ষকে পেটাতে শুরু করে। তা নিয়ে কলেজ চত্ত্বর রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়ে নেয়। মারধোরে মাথা ফেটে রক্তাত্ত হয় এক ছাত্র। বেশ কিছু সময় বাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও রবীন্দ্রজয়ন্তী অনুষ্ঠান কার্যত ভেস্তে যায়।এদিনের সংঘর্ষের ঘটনা বিষয়ে কালনা নিবাসী তৃণমূল ছাত্র পরিষদের জেলা সহ-সভাপতি শেখ নইম আলী বলেন, বেশ কিছুদিন ধরেই অনিয়ম করে কলেজে নানা কাজ কর্ম হচ্ছে। তা নিয়ে এর আগে সংগঠনের তরফে আমরা কালনা কলেছের প্রিন্সিপালকে ডেপুটেশন দিয়েছিলাম। তবুও তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে প্রিন্সিপাল কোন কাজ করেন নি। এদিন কলেজে রবীন্দ্রজয়ন্তী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কিন্তু সেটাতেও কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কাউকে জানানো হয় না। অনুষ্ঠানের বিষয়ে শুধু জানতেন বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগ ও পৌরসভার চেয়ারম্যান আনন্দ দত্ত। এঁরাই কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষের মধ্যে আলাদা আলাদা গ্রুপ তৈরি করতে চাইছে। এইসব বিষয় নিয়েই এদিন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যরা কলেজে আন্দোলন করছিল। তখন বিধায়কের অনুগতরা লাঠি-সোটা দিয়ে তাদের মারধোর শুরু করে। মারধোরে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ সদস্য এক ছাত্র রক্তাত হয়। আরও দুজন ছাত্র আহত হয়। হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে তাঁদের চিকিৎসা করানো হয়েছে। হামলার ঘটনায় জড়িত বিধায়ক পুত্র সহ কয়েকজনের নামে থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছে বলে শেখ নইম আলী জানিয়েছেন।বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগ যদিও তৃণমূল ছাত্র পরিষদের জেলা সহসভাপতির এইসব দাবী মানতে চান নি। পাল্টা তিনি দাবী করেন, এদিন কলেজে অশান্তির ঘটনা ঘটিয়েছে বহিরাগতরা। তাঁরা কলেজের প্রিন্সিপালের সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করেছে। বিধায়ক আরো দাবী করেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ কাদের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রন জানাবেন, আর কাদের জানাবেন না সেট কলেজ কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যাপার। নিমন্ত্রন তো আর জোর করে নেওয়া যায় না। এদিন যাঁরা কলেজে অশান্তির ঘটনা ঘটালো তাঁরা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্য হলেও আমি তাঁদের সমর্থন করার মতো কিছু দেখছি না। বিধায়ক এও জানান, যাঁরা এদিন কলেজে অশান্তির ঘটনা ঘটালো তাঁদের সবার শাস্তি হোক সেটাই তিনি চান।প্রিন্সিপাল তাপস সামন্ত জানান, মূলত দুটি ডিপার্টমেন্ট এদিন ছোট খাটো করে কলেজে রবীন্দ্রজয়ন্তী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। কলেজ পরিচালন সমিতি, দুটি বিভাগের পড়ুয়া, শিক্ষক এবং এলাকার বিধায়ক, চেয়ারম্যান ও মন্ত্রীকে আমন্ত্রন জানানো হয়েছিল। কিন্তু তৃণমূল ছাত্র পরিষদকে কেন আমন্ত্রণ জানানো হয়নি তা নিয়ে তারা গত দুদিন ধরে জানতে চাইছিল। প্রিন্সিপাল আরো বলেন, ওদেরকে বাদ দিয়ে অনুষ্ঠান করার উদ্দেশ্য আমাদের ছিল না। ভিড় বাড়লে ক্যাওস হবে। তাই এদিন কলেজে যাতে ভিড় কম থাকে তারজন্য বেশী কাউকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার কথা বলা হয় নি। এইসব নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির কারণেই এদিন কলেজে এমন অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটে গিয়েছে। এমনটা না হলেই ভালো হত ।

মে ২১, ২০২২
কলকাতা

‘দল একটাই – তৃণমূল,' সাংগঠনিক নির্বাচনের পর গোষ্ঠীকোন্দল নিয়ে সতর্কবাণী মমতার

দলের মধ্যে যে অন্তর্কলহ রয়েছে, তা বুধবার কার্যত বকলমে স্বীকার করে নিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বললেন, কথা দিতে হবে পরস্পরের মধ্যে দ্বন্দ্ব হবে না। বুধবার তৃণমূলের সাংগঠনিক নির্বাচন ছিল। নেতাজি ইন্ডোরে তা নিয়ে সকাল থেকেই তৎপরতা ছিল তুঙ্গে। তৃণমূলের ভিতরে আলাদা কোনও গোষ্ঠী নেই। দল একটাই। গ্রুপও একটাই।বুধবার দলের সাংগঠনিক নির্বাচনের মাধ্যমে চেয়ারপার্সন পদে পুনর্নির্বাচিত হয়ে কর্মীদের স্পষ্ট বার্তা দিলেন সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের সর্বময় নেত্রীর কথায়, নেতা জন্মায় না। নেতা তৈরি হতে হয়। অর্থাৎ, নেতাকে একটা পদ্ধতির মধ্য দিয়ে তৈরি হতে হয়। কেউ জন্মেই নেতা হয় না। কিছুদিন আগে পর্যন্তও দলের মধ্যে অন্তর্কলহের এক চূড়ান্ত ছবি দেখা গিয়েছিল তৃণমূলে। এবার আর নিচু তলার কর্মীরা নন, একেবারে সামনের সারির নেতাদের মধ্যে কলহ। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কুণাল ঘোষের মধ্যে সেই সাম্প্রতিক দ্বন্দ্বের কথা এখনও বিরোধীদের মুখে মাঝে মধ্যেই শোনা যায়। পরিস্থিতি এমন হয়েছিল, তাতে হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয়েছিলেন দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কামারহাটির বিধায়ক তথা মমতার অন্যতম প্রিয় পাত্র মদন মিত্রও সম্প্রতি দলের শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটিকে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন কিছুদিন আগে। আর এরই মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতাজি ইন্ডোর থেকে এই বার্তা যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।তিনি আরও বলেন, বাংলায় আরও বাড়তে হবে। আজ আমি যখন এখানে আসছিলাম, তখন আমার কাছে খবর আসছিল, সাত-আট জন বিজেপি বিধায়ক আরও আসতে চান। তাঁরা উন্নয়নে আমাদের সঙ্গে নিশ্চয়ই কাজ করতে পারেন। আরও অনেকেই আসতে চান। তাঁরা আসুন, উন্নয়নে কাজ করুন, সেটা আমরা নিশ্চয়ই চাই। তবে জোর করে যে দলে কাউকে আনা হচ্ছে না, তাও স্পষ্ট করে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে আগামী দিনে লড়াই আরও জোরদার হবে, সেই কথাও দলীয় নেতা ও কর্মীদের উদ্দেশে জানিয়ে রাখলেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
রাজ্য

SFI vs TMCP: টিএমসিপি-এসএফআই-এর সংঘর্ষে উত্তপ্ত উত্তরপাড়ার কলেজ, জখম দু’পক্ষের বেশ কয়েকজন

টিএমসিপি এবং এসএফআই সমর্থকদের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল হুগলির উত্তরপাড়ার প্যারীমোহন কলেজ। বৃহস্পতিবার কলেজ চত্বরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ওই দুই ছাত্র সংগঠনের সদস্যেরা। মারপিটে জখম হয়েছেন দুপক্ষেরই বেশ কয়েক জন। এই ঘটনার প্রতিবাদে আগামী ১৬ ও ১৭ ডিসেম্বর রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে এসএফআইয়ের তরফে।সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই-এর অভিযোগ, কলেজের সামনে দিয়ে তাদের মিছিল যাওয়ার সময় মারধর করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ (টিএমসিপি)। বৃহস্পতিবার ছাত্র সংসদ নির্বাচন এবং হুগলিতে মেডিক্যাল কলেজ তৈরি-সহ বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে উত্তরপাড়া স্টেশন থেকে উত্তরপাড়া কলেজ স্ট্যান্ড অবধি মিছিল করে এসএফআই। মিছিল শেষে ছিল সভাও। সংগঠনের অভিযোগ, সভার পিছনে থাকা কয়েক জন সমর্থককে তুলে নিয়ে এসে তাদের বেধড়ক মারধর করা হয়। যদিও টিএমসিপি সমর্থকদের পাল্টা অভিযোগ, এসএফআই সমর্থকরাই কলেজে ঢুকে অশান্তি পাকিয়েছে। দুপক্ষের সংঘর্ষের জেরে সাত-আট জন জখম হয়েছেন। তাঁদের উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।অভিযোগ, সভায় পিছনের দিকে থাকা বেশ কিছু এসএফআই সমর্থককে তুলে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। এই ঘটনায় টিএমসিপির বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছে এসএফআই। যদিও টিএমসিপি সমর্থকদের দাবি, এসএফআই সমর্থকরা কলেজে এসে ঝামেলা করে। কলেজে সেই সময় পরীক্ষা চলছিল। এর জেরেই বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। সেখান থেকেই দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির অভিযোগ।দুপক্ষেরই অভিযোগ, ক্রিকেটের ব্যাট, লাঠি দিয়ে মারধর করা হয় তাদের। এমনকী পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও তাদের ভূমিকা নিষ্ক্রিয় ছিল বলেই অভিযোগ। এসএফআইয়ের সভার অস্থায়ী মঞ্চ ভেঙে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাস্থলে হাজির হয় উত্তরপাড়া থানার পুলিশের বিশাল বাহিনী।এ প্রসঙ্গে উত্তরপাড়ার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলী বোর্ডের সদস্য তাপস মুখোপাধ্যায় বলেন, এসএফআইয়ের সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা। পায়ের নীচে মাটি তো নেই, তাই এসব গল্প তৈরি করছে। এই কলেজের একজন অধ্যাপক ছিলেন। এখন আছেন কি না জানি না। উনিই বাচ্চা বাচ্চা ছেলেগুলোকে উষ্কে নিয়ে এসেছেন। শান্তিপূর্ণ এলাকায় অশান্তি পাকাতে এসব ছল।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
রাজনীতি

Abhishek Bannerjee: ধমকি দিয়ে তৃণমূলকে আটকানো যাবে না, শাহকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

ইডি, সিবিআইয়ের ধমকি দিয়ে লাভ নেই। বিজেপি-র পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে। অমিত শাহকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসে এমনটাই বললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।তিনি আরও বলেন, একুশের ভোটে ছাত্র-যুবদের ভূমিকা অনবদ্য। এক বুক আবেগ অহঙ্কার নিয়ে কাজ করেছেন। আগামী দিনে লড়াইটা অনেক বড়। তৃণমূল বাংলায় আর সীমাবদ্ধ নেই। ত্রিপুরায় সংগঠন শুরু করেছে বিজেপির পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে। যে বিজেপি ভাবছে বহিরাগতরা যারা বাংলা দখলের স্বপ্ন দেখেছিল, তা ঘুচে গিয়েছে। ছাত্র-যুবরা বিজেপিকে ১০ গোলে হারিয়েছে। বুকের পাটা থাকলে, তৃণমূলকে আটকাও। বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ করছি। পাশাপাশি তিনি ত্রিপুরার জনগণকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, আপনাদের অধিকার রক্ষায় আমরা শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে লড়ব। দেশের সব রাজ্যে তৃণমূল যাবে। কোনও মাইকা লাল থাকলে, বিজেপির হিম্মত থাকলে আটকে দেখাক।উল্লেখ্য, ২৮ অগস্ট তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষ্যে শনিবার সকালেই পড়ুয়াদের উদ্দেশে টুইটারে অভিনন্দন-বার্তা দিয়েছেন মমতা। টুইট করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। On #TMCPFoundationDay, I extend my best wishes to the vibrant members of our Chhatra Parishad. We are proud of your achievements invaluable contributions to the party!Today, I urge all students to join us in the fight against forces that try to break the spirit of Democracy. Mamata Banerjee (@MamataOfficial) August 28, 2021Our students are our pride!On #TMCPFoundationDay, I celebrate the indomitable spirit of our student community. It is time for us to unitedly take this nation to even greater heights.It is my firm belief that all of you will be immensely successful in your future endeavours. Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) August 28, 2021চলতি বছর তৃণমূলের একুশে জুলাই কর্মসূচি গোটা দেশেই সাড়া ফেলেছিল। এ বার ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস পালনে গুরুত্ব দিয়েছে তৃণমূল। বাংলার পাশাপাশি ত্রিপুরাতেও ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করছে জোড়াফুল শিবির।

আগস্ট ২৮, ২০২১
স্বাস্থ্য

কালনা হাসপাতালে রক্তের আকাল, সঙ্কটাপন্ন শিশুকে রক্তদান টিএমসিপি-র শহর সম্পাদকের

পূর্ব বর্ধমানের কালনা মহকুমা ও সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে রক্তের আকাল। সবচেয়ে সমস্যায় পড়ছেন থ্যালাসেমিয়া রোগীরা। কালনা ২ নং ব্লকের হাঁসপুকুরের বাসিন্দা বছর ছয়েকের বর্ষা মালিক থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত। কালনা হাসপাতালে বি পজিটিভ গ্রুপের রক্ত না থাকায় দুশ্চিন্তায় পড়ে বর্ষার পরিবার। শুরু হয় সহৃদয় কোনও রক্তদাতার খোঁজ। খবর যায় কালনা কলেজে। কালনা কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি ঋতব্রত সুর জানিয়েছেন, খবর পেয়েই আমি যোগাযোগ করি কালনার বাসিন্দা তথা কালনা শহর টিএমসিপি সম্পাদক সেলিম শেখের সঙ্গে। সেলিম এর আগেও বহু মুমূর্ষু রোগীকে রক্তদান করেছেন। সেলিম আর বর্ষার রক্তের গ্রুপ মেলায় আপাতত আমাদের ছোট্ট বোন সঙ্কট কাটাতে পেরেছে, এটাই তৃপ্তির। বিপদে ত্রাতা হয়ে এসে মেয়ের জীবন রক্ষা করায় সেলিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে বর্ষার পরিবারও।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

গোড়ালি জলে শুটিং, তবু মৃত্যু! রাহুল কাণ্ডে নতুন রহস্য, মুখ খুললেন লীনা গঙ্গোপাধ্যায়

একটি মৃত্যুর ঘটনা ঘিরে একের পর এক প্রশ্ন সামনে আসছে। শুটিং চলাকালীন আকস্মিক দুর্ঘটনায় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু এখনও স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না। তালসারির সমুদ্র সৈকতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন বয়ান সামনে আসছে। এর মধ্যেই লেখিকা লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের মন্তব্য নতুন করে রহস্য বাড়িয়েছে।তিনি জানিয়েছেন, যে দৃশ্যের শুটিং হচ্ছিল, তাতে গভীর জলে যাওয়ার কোনও প্রয়োজনই ছিল না। শুধু গোড়ালি পর্যন্ত জলে হাঁটার একটি দৃশ্য ছিল। সেই জায়গা থেকে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কেন রাহুল সমুদ্রের দিকে আরও এগিয়ে গেলেন।একই কথা বলেছেন ধারাবাহিকের কার্যনির্বাহী প্রযোজক শান্তনু নন্দীও। তিনি যদিও দুর্ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে ছিলেন না, তবে ইউনিটের কাছ থেকে যা জেনেছেন, তা তুলে ধরেছেন। তাঁর কথায়, মূল শুটিং প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিল। শুধু একটি ড্রোনে তোলা দৃশ্য বাকি ছিল। সেই দৃশ্যও খুব অল্প জলে হওয়ার কথা ছিল।তিনি জানান, শুটিংয়ের সময় রাহুল এবং তাঁর সহ-অভিনেত্রী একটু একটু করে সামনে এগোচ্ছিলেন। ইউনিটের তরফ থেকে তাঁদের বারবার বলা হচ্ছিল, আর এগোতে না। ঠিক সেই সময় হঠাৎ একটি বড় ঢেউ এসে পড়ে। ভারসাম্য হারিয়ে দুজনেই জলে পড়ে যান।এরপরই ইউনিটের সদস্যরা দ্রুত উদ্ধার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন। শ্বেতাকে দ্রুত টেনে তোলা হলেও রাহুল কিছুটা বেশি দূরে চলে গিয়েছিলেন। পরে নিরাপত্তা নৌকায় থাকা কয়েকজন জলে নেমে দড়ির সাহায্যে তাঁকে উদ্ধার করেন।তাঁর কথায়, পাড়ে তোলার পর সঙ্গে সঙ্গে তাঁর শরীর থেকে জল বের করার চেষ্টা করা হয় এবং দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই সময় পর্যন্ত নাকি রাহুলের জ্ঞান ছিল এবং তিনি কথা বলছিলেন। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছনোর পর চিকিৎসকরা জানান, তিনি আর বেঁচে নেই।এই সব ভিন্ন ভিন্ন বয়ান মিলিয়ে পুরো ঘটনাকে ঘিরে ধোঁয়াশা আরও ঘন হচ্ছে। এখন সকলের একটাই প্রশ্ন, কীভাবে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল।

মার্চ ৩০, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

জল থেকে তোলার পরও কি বেঁচে ছিলেন রাহুল? প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানে নতুন চাঞ্চল্য

রবিবার ওড়িশার তালসারিতে শুটিং চলাকালীন কীভাবে জলে ডুবে মৃত্যু হল অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। দুর্ঘটনার পর তাঁকে জল থেকে তোলার সময় তাঁর শরীরে প্রাণ ছিল কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে। এই পরিস্থিতিতে সামনে এল এক প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান, যা নতুন করে আলোড়ন ফেলেছে।অভিনেতার গাড়িচালক বাবলু দাস, যিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন, তিনি জানিয়েছেন সেই দিনের কথা। তিনি বলেন, রবিবার ভোর থেকেই তালসারির সমুদ্র সৈকতে ধারাবাহিকের শুটিং শুরু হয়েছিল। বিকেলের দিকে যখন দুর্ঘটনা ঘটে, তখন শুটিং প্রায় শেষের পথে। তাঁর কথায়, সেটাই ছিল শেষ দৃশ্যের শুটিং।বাবলুর দাবি, জল থেকে তোলার পর রাহুলকে সমুদ্রের ধারে আনা হয় এবং তাঁর শরীরে ঢুকে যাওয়া জল বের করার চেষ্টা করা হয়। কিছুটা জল বেরিয়েও আসে। সেই সময় নাকি তাঁর শ্বাস চলছিল বলেই মনে হয়েছিল। কিন্তু পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর আর তাঁকে বাঁচানো যায়নি।তিনি আরও জানান, শুটিংয়ের প্রোডাকশন ইউনিটের সদস্যরাই দ্রুত জলে ঝাঁপিয়ে পড়ে রাহুল এবং তাঁর সহ-অভিনেত্রীকে উদ্ধার করেন। তবে কেন শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো গেল না, সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।পুরো ঘটনাকে ঘিরে একাধিক তত্ত্ব সামনে আসছে। প্রত্যক্ষদর্শীর এই বয়ান নতুন করে সেই ধোঁয়াশা আরও বাড়িয়ে দিল। এখন সকলেই জানতে চাইছেন, ঠিক কীভাবে ঘটল এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।

মার্চ ৩০, ২০২৬
বিদেশ

‘আমরা রাজা চাই না’—ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রাস্তায় লাখো মানুষ, আমেরিকাজুড়ে বিস্ফোরক বিক্ষোভ

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আবারও রাস্তায় নামলেন সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন শহরে একসঙ্গে উঠল নো কিংস স্লোগান। অর্থাৎ, কেউ রাজা নয়এই বার্তাই তুলে ধরলেন বিক্ষোভকারীরা। ট্রাম্পের একাধিক নীতির বিরোধিতা করে এই আন্দোলনে অংশ নিলেন লক্ষ লক্ষ মানুষ।শনিবার আমেরিকার বিভিন্ন প্রান্তে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়। জানা গিয়েছে, দেশের পঞ্চাশটি প্রদেশে তিন হাজারেরও বেশি কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছিল। সবচেয়ে বড় জমায়েত দেখা যায় মিনেসোটায়। সেখানে হাজার হাজার মানুষ একসঙ্গে মিছিল করেন। গান, স্লোগান এবং প্ল্যাকার্ডে মুখর হয়ে ওঠে রাস্তা।এই বিক্ষোভ শুধু বড় শহরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগোর মতো বড় শহরের পাশাপাশি ছোট শহরেও ছড়িয়ে পড়ে এই আন্দোলন। সর্বত্রই মানুষের ঢল নামে রাস্তায়।বিক্ষোভকারীদের হাতে ছিল নো কিংস লেখা প্ল্যাকার্ড। অনেকেই উল্টো করে আমেরিকার পতাকা ধরেছিলেন, যা বিপদের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। কেউ কেউ ট্রাম্পকে ব্যঙ্গ করে নানা ধরনের পোস্টারও তুলে ধরেন। কোথাও কেউ নিজেকে ব্যাঙের রাজা সাজিয়ে প্রতিবাদ করেছেন, আবার কেউ ট্রাম্পকে শিশুর মতো রূপ দিয়ে ব্যঙ্গ করেছেন।এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল গত বছরের জুন মাসে। ট্রাম্পের একাধিক নীতিকে স্বৈরাচারী বলে অভিযোগ করেন নাগরিকরা। বিশেষ করে ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। কেন এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হল, তার ব্যাখ্যা দাবি করেছেন বিক্ষোভকারীরা।এর আগে জুন এবং অক্টোবর মাসে দুদফা বড় বিক্ষোভ হয়েছিল। সেই সময়েও বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। প্রথম দফায় প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ এবং দ্বিতীয় দফায় প্রায় সত্তর লক্ষ মানুষ রাস্তায় নেমেছিলেন। এবার সেই সংখ্যাও ছাড়িয়ে গেছে। জানা গিয়েছে, এই দফায় প্রায় নব্বই লক্ষেরও বেশি মানুষ এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন।পুরো পরিস্থিতি এখন আমেরিকার রাজনৈতিক পরিবেশকে নতুন করে নাড়িয়ে দিয়েছে। সাধারণ মানুষের এই ক্ষোভ আগামী দিনে কী প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।

মার্চ ৩০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের মাঝেই বড় ধাক্কা! ইডির জিজ্ঞাসাবাদে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমার

ভোটের প্রচারের মধ্যেই ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়লেন রাসবিহারী কেন্দ্রের বিধায়ক এবং তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমার। একটি বেসরকারি সংস্থায় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত করতে গিয়েই তাঁর নাম সামনে আসে বলে জানা গিয়েছে। সেই সূত্রেই তাঁকে তলব করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।গত শনিবার বেঙ্গল এনার্জি নামে একটি সংস্থার দুই শীর্ষ কর্তার বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। ওই ব্যবসায়ীদের বাড়িতে তল্লাশি এবং জিজ্ঞাসাবাদের সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি হাতে পায় তদন্তকারী সংস্থা। সেই নথিতেই দেবাশিস কুমারের নাম উঠে আসে বলে সূত্রের খবর।এরপরই তাঁকে তলব করা হয়। আজ দুপুরে সল্টলেকে ইডির দফতরে হাজিরা দেন তিনি। জানা গিয়েছে, তাঁকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হচ্ছে।তদন্তকারী সংস্থা জানতে চাইছে, ওই সংস্থার সঙ্গে তাঁর কীভাবে যোগাযোগ তৈরি হয়েছিল। কোনও আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কি না, সেই বিষয়েও প্রশ্ন করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, বেঙ্গল এনার্জি সংস্থা একাধিক জায়গায় বিতর্কিত জমি কিনেছিল। পরে সেই জমি অন্যদের কাছে বিক্রি করে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। এই মামলার তদন্তে নাম উঠে আসায় দেবাশিস কুমারের সঙ্গে ওই সংস্থার কর্তাদের সম্পর্ক এবং সম্ভাব্য লেনদেন নিয়েও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুরো ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ভোটের আবহেই এই জিজ্ঞাসাবাদ নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে।

মার্চ ৩০, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বাড়ি থেকে সোজা শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হবে রাহুলের দেব! কী জানালেন প্রিয়াঙ্কা

ময়নাতদন্ত শেষ হওয়ার পর অভিনেতা রাহুলের দেহ নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হয়েছে শববাহী গাড়ি। সোমবার দুপুরে তমলুকে সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ হয়। তারপরই তাঁর দেহ নিয়ে রওনা দেন গাড়িচালক, ধারাবাহিকের প্রোডাকশন ম্যানেজার এবং অন্যান্য সহকর্মীরা। শেষবারের মতো তাঁকে তাঁর কলকাতার বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে।তমলুক হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক ময়নাতদন্তের রিপোর্টে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে, জলে ডুবেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, তাঁর ফুসফুসে অস্বাভাবিক পরিমাণে বালি এবং নোনাজল পাওয়া গিয়েছে। শুধু ফুসফুস নয়, খাদ্যনালি, শ্বাসনালি এবং পাকস্থলীতেও বালি ঢুকে গিয়েছিল বলে জানা গেছে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, তাঁর ফুসফুস ফুলে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল।চিকিৎসকদের অনুমান, খুব অল্প সময় নয়, বরং বেশ কিছুক্ষণ জলের নিচে থাকলে এই ধরনের অবস্থা হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, অন্তত এক ঘণ্টা জলের নিচে ছিলেন অভিনেতা। এই তথ্য সামনে আসতেই নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।এদিকে জানা গিয়েছে, অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকারের ইচ্ছে, বাড়ি থেকে সরাসরি কেওড়াতলা মহাশ্মশানে নিয়ে যাওয়া হোক রাহুলের দেহ। সেই কারণে ভোলা বসু ভবনে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। অনেকের ধারণা, হয়তো সরাসরি মহাশ্মশানেই নিয়ে যাওয়া হবে।সমাজমাধ্যমে রাহুলের বন্ধু এবং নাট্যপরিচালক জয়রাজ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তাঁর দেহ নিয়ে কলকাতায় ফিরছেন তাঁরা। সঙ্গে রয়েছেন আরও কয়েকজন ঘনিষ্ঠ। দুপুর আড়াইটে নাগাদ বিজয়গড়ের বাড়িতে পৌঁছনোর কথা রয়েছে। সেখানে শেষবারের মতো তাঁকে শ্রদ্ধা জানানোর ব্যবস্থা করা হতে পারে, তবে তা নিয়েও এখনও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত হয়নি।

মার্চ ৩০, ২০২৬
রাজ্য

টিকিট না পেয়ে বিদ্রোহ? পাশকুড়া থেকেই কড়া বার্তা মমতার—‘এভাবে বিরোধিতা মেনে নেওয়া হবে না’

প্রার্থী ঘোষণা ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে একাধিক জায়গায় ক্ষোভ ও বিক্ষোভ দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দলকে সামাল দিতে সরাসরি হস্তক্ষেপ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পূর্ব মেদিনীপুরের পাশকুড়ায় এক সভা থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, টিকিট না পেয়ে বিরোধিতা করা একেবারেই ঠিক নয়।মমতা বলেন, অনেক জায়গায় আগের প্রার্থীদের টিকিট দেওয়া সম্ভব হয়নি। তাঁর কথায়, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন দরকার। নতুনদের সুযোগ দিতে হবে। মহিলাদের সুযোগ দিতে হবে, সংখ্যালঘুদেরও জায়গা দিতে হবে। কেউ যদি ভাবেন, সবসময় একাই থাকবেন, তা ভুল। দল সবার জন্য, সবাইকে নিয়েই চলতে হবে। তিনি আরও বলেন, যারা ভাল কাজ করবেন, তারাই সুযোগ পাবেন। কিন্তু কাজ না করলে দলকে সিদ্ধান্ত নিতেই হবে। তাই শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।সংখ্যালঘু প্রার্থী নিয়ে কিছু জায়গায় যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে, সেই বিষয়েও কথা বলেন মমতা। তিনি জানান, কোনও ভেদাভেদ নেই। কোনও প্রার্থীকে শুধু ধর্ম দিয়ে বিচার করা ঠিক নয়। তিনি বলেন, কেউ যেন না ভাবে কোনও প্রার্থী শুধুমাত্র মুসলমান বলেই তাঁকে আলাদা করে দেখা হবে। তাঁর কথায়, তিনি যদি দলের নেতা হন, তবে তাঁর কাছে সব ধর্মের মানুষ সমান। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কোনওদিন কি মুসলমানরা তাঁকে ব্রাহ্মণ পরিবারের মেয়ে বলে প্রশ্ন তুলেছে? যদি না তুলে থাকে, তাহলে সংখ্যালঘু প্রার্থী হলে হিন্দুরা মুখ ফিরিয়ে নেবেন কেন? এতে তাঁরই অসম্মান হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর মতে, প্রতিটি আসনই তাঁর কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর থেকেই দলের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে থাকে। গত সতেরোই মার্চ তালিকা ঘোষণার পর এই ক্ষোভ সামনে আসে। এবার প্রায় চুয়াত্তর জন বর্তমান বিধায়ককে বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে অনেক জায়গায় তাঁদের অনুগামীরা প্রতিবাদে নেমেছেন। কোথাও কোথাও নতুন মুখ বা তরুণ প্রার্থী দেওয়ায় পুরনো নেতারা অসন্তুষ্ট। আবার কিছু ক্ষেত্রে অন্য এলাকা থেকে প্রার্থী দেওয়ায় বহিরাগত অভিযোগ উঠছে।এর আগেও একই ছবি দেখা গেছে মুর্শিদাবাদের নওদায়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার আগে বিক্ষোভ শুরু হয়। ব্লক সভাপতিকে প্রার্থী না করায় তাঁর সমর্থকেরা ক্ষোভ দেখান। চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। পরে সভামঞ্চ থেকেই বিক্ষোভকারীদের কড়া সতর্কবার্তা দেন অভিষেক। তিনি বলেন, কেউ যদি বিশৃঙ্খলা করে দলকে চাপে ফেলতে চান, তাহলে দল তা মেনে নেবে না। তিনি স্পষ্ট জানান, এই বিষয়ে তাঁর কড়া নজর রয়েছে।পুরো ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তবে নেতৃত্বের বার্তা স্পষ্ট, সব মতভেদ ভুলে একসঙ্গে কাজ করতেই হবে।

মার্চ ৩০, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

ফুলে ঢাকা দেহ ফিরতেই কান্নায় ভেঙে পড়ল বিজয়গড়! শেষবারের মতো ‘বাবিন’কে দেখে স্তব্ধ পাড়া

গোটা বিজয়গড় এখন শোকে স্তব্ধ। চারদিকে শুধু কান্নার শব্দ। কেউই যেন বিশ্বাস করতে পারছেন না, তাঁদের প্রিয় বাবিন আর নেই। এমন দৃশ্য যে দেখতে হবে, তা কোনওদিন কল্পনাও করেননি পাড়ার মানুষ। গত রাত থেকেই ভারী হয়ে ছিল পরিবেশ। আজ সেই নীরবতা ভেঙে চারদিকে শুধুই শোক আর আর্তনাদ।আজ সকালে রাহুলের নিথর দেহ ফিরল তাঁর নিজের বাড়িতে। ফুল দিয়ে সাজানো শববাহী গাড়িতে করে নিজের পাড়ায় ফিরে এলেন তিনি। জীবনের মঞ্চে যিনি নায়ক ছিলেন, তিনি আজ নীরব হয়ে শুয়ে রইলেন সবার সামনে।সকাল থেকেই রাহুলের বাড়িতে ভিড় জমাতে শুরু করেন অনুরাগীরা। একে একে পৌঁছে যান তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু, সহকর্মী এবং টলিউডের একাধিক পরিচিত মুখ। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, উষসী চক্রবর্তী, রূপাঞ্জনা মৈত্র, চৈতী ঘোষাল, সুদীপ্তা চক্রবর্তী, রুকমা রায়ের মতো অনেকেই এসে শেষ শ্রদ্ধা জানান। সকলের চোখে জল, মুখে একটাই কথাএভাবে বিদায় জানাতে হবে, তা কেউ ভাবতে পারেননি।রবিবার আচমকা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকে ডুবে যায় টলিউড। ঠিক কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কীভাবে সবার সামনে তিনি জলে তলিয়ে গেলেন, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে সবাই।ইতিমধ্যেই ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। যদিও এখনও সরকারি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি, তবে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, তাঁর ফুসফুসে প্রচুর পরিমাণে নোনাজল ঢুকে গিয়েছিল। সেই সঙ্গে বালিও ঢুকে যায় শরীরে। এর ফলে শ্বাস বন্ধ হয়ে যায় এবং হৃদস্পন্দন থেমে যায়। এই কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।পুরো ঘটনাকে ঘিরে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। পরিবার, বন্ধু এবং অনুরাগীরা উত্তর খুঁজছেন, কীভাবে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল। শোকের মধ্যেই এখন সেই প্রশ্নই ঘুরছে সবার মনে।

মার্চ ৩০, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

তালসারির শান্ত সমুদ্রে কীভাবে ডুবে মৃত্যু রাহুলের? অনুমতি ছাড়াই শুটিং, উঠছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর প্রশ্ন

রবিবার, ২৯ মার্চ ওড়িশার তালসারি সমুদ্র সৈকতে শুটিং চলাকালীন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল অভিনেতা রাহুলের। একটি ধারাবাহিকের শুটিং করতে গিয়েই এই বিপর্যয় ঘটে। সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়ার পর দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।জানা গিয়েছে, ভোলে বাবা পার করবে ধারাবাহিকের শুটিং চলছিল তালসারিতে। পুলিশ সূত্রে খবর, এই শুটিংয়ের জন্য আগে থেকে কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। এমনকি সমুদ্রে নেমে শুটিং করারও কোনও অনুমোদন ছিল না। পুলিশের দাবি, প্রোডাকশন টিম এই বিষয়ে প্রশাসনকে কিছুই জানায়নি।পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ঘটনাটি বিকেল প্রায় পাঁচটা তিরিশ মিনিট নাগাদ ঘটে। শুটিং চলাকালীন রাহুল ও তাঁর সহ-অভিনেত্রী শ্বেতা মিশ্র হাঁটু সমান জলে নাচছিলেন। হঠাৎই তারা একটি গভীর গর্তে পড়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের উদ্ধার করে দিঘার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু রাহুলকে বাঁচানো যায়নি।এই ঘটনার পর একাধিক প্রশ্ন সামনে আসছে। ইউনিটের দাবি, খুব অল্প জলে শুটিং হচ্ছিল। কিন্তু সেই অবস্থায় কীভাবে এমন বিপদ হল, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। পুলিশের তরফে বলা হয়েছে, তালসারি সৈকতে চোরাবালির মতো বিপজ্জনক অংশ রয়েছে। অনেকের অনুমান, সেই কারণেই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।সহ-অভিনেত্রী শ্বেতা জানিয়েছেন, তিনিও জলে পড়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি কোনওভাবে তীরে ফিরে আসতে সক্ষম হন। অন্যদিকে, রাহুল ভেসে যান। কেন তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করা গেল না, সেই প্রশ্নও উঠছে।ঘটনাকে ঘিরে ভিন্ন ভিন্ন বর্ণনাও সামনে এসেছে। শুটিংয়ের ম্যানেজার দাবি করেছেন, কাজ প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু পরিচালক জানিয়েছেন, তখনও কিছু দৃশ্যের শুটিং বাকি ছিল। এই পরিস্থিতিতে রাহুল কীভাবে সমুদ্রে এগিয়ে গেলেন, তা নিয়েও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, এত বড় শুটিং ইউনিট থাকা সত্ত্বেও কেন যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। লাইফগার্ড বা জরুরি চিকিৎসা পরিষেবার ব্যবস্থা ছাড়াই কীভাবে সমুদ্রের ধারে শুটিং চলছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।আজ তমলুক মেডিক্যাল কলেজে রাহুলের দেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। এরপর তাঁর দেহ কলকাতায় আনা হবে। এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ এবং পুরো বিষয়টি ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

মার্চ ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal