• ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২, শুক্রবার ১৩ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

TMC

রাজ্য

আইপিএস ইস্যুতে মমতার পাশে কেজরিওয়াল

আইপিএস ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়ালেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। শুক্রবার সকালে টুইট করে মমতাকে সমর্থনের বার্তা দেন তিনি। টুইটে তিনি লেখেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উপর চাপ তৈরি করে তিন আইপিএস অফিসারের ট্রান্সফার নিয়ে কেন্দ্রের ভূমিকার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। বাংলায় ভোটের আগে কেন্দ্রের এ ধরনের পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর উপর আঘাত। গত সপ্তাহে বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার রাজ্য সফর চলাকালীন ডায়মন্ড হারবারে তাঁর কনভয়ে হামলার ঘটনা ঘিরে কেন্দ্র-রাজ্যের মধ্যে নতুন করে সংঘাত তৈরি হয়। যথাযথ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেনি রাজ্য পুলিশ, কেন্দ্রের তরফে এই অভিযোগ তুলে রাজ্য প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়। আরও পড়ুন ঃ আরামবাগের সভা থেকে তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিলীপের, সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সরব শমীকও তারপর রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত তিন আইপিএস অফিসার রাজীব মিশ্র, প্রবীণ ত্রিপাঠি এবং ভোলানাথ পাণ্ডেকে ট্রান্সফার করে দেওয়া হয় দিল্লি থেকে। কিন্তু তিন অফিসারকে ছাড়তে নারাজ নবান্ন। বৃহস্পতিবার ফের তাঁদের ডেপুটেশনে চেয়ে রাজ্যকে চিঠি পাঠায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তাঁদের নতুন পোস্টের কথাও জানানো হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী কড়া ভাষায় টুইট করে জানান, কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ আইপিএস ক্যাডার রুল-১৯৫৪র পরিপন্থী। তাতে সংঘাত আরও চরমে ওঠে। এরপরও ফের রাজ্য প্রশাসনের তরফে জানানো হয় যে তিন আইপিএস অফিসারকে এখনই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া যাবে না। ফলে শুক্রবার তাঁদের দিল্লিতে রিপোর্টিংয়ের জন্য তলব করা হলেও রাজীব মিশ্র, প্রবীণ ত্রিপাঠি এবং ভোলানাথ পাণ্ডে দিল্লি যাচ্ছেন না।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০
কলকাতা

তৃণমূলের ক্ষতি হবে না, শুভেন্দুর দলত্যাগ প্রসঙ্গে সুব্রত

শুভেন্দু দল ছাড়ায় দলের কোনও ক্ষতি হবে না। সাংবাদিক বৈঠকে পরিস্কারভাবে জানিয়ে দিলেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। শুভেন্দুর ইস্তফা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, এত বড় দল, কয়েক লাখ মেম্বার। এতবড় দলে আমি বা কেউ যদি না থাকি তার ওপর দলের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে। এরকম একজন, দুজন গেলে কোনও ক্ষতি হবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক একটা জনসভা করছেন, সেখানে কত মানুষ ভিড় করছেন। অসুবিধা সত্বেও ছেলে কোলে নিয়েও মায়েরা সভায় হাজির থাকছেন। তিনি আরও বলেন, শুভেন্দু ইস্তফা দিয়েছে, তবে বিধানসভার অধ্যক্ষ এখনও সিদ্ধান্ত নেননি। এক প্রশ্নের জবাবে সুব্রত বলেন, সারা পৃথিবীতে যত গণতান্ত্রিক দল আছে সেখানে একজন কেউ পদত্যাগ করে দল উঠে গেছে এমন নজির কি আছে? আমি যদি দল ছেড়েদি তাহলে কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল উঠে যাবে? আরও পড়ুন ঃ নিয়ম মেনে করা হয়নি, অধ্যক্ষের দাবি গৃহীত হয়নি শুভেন্দুর পদত্যাগ তৃণমূল দলটা উঠে যাবে, অধীর চৌধুরির এই মন্তব্য প্রসঙ্গে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের কটাক্ষ, একটা কাক একটি বাটি নোংরা করেছে, তাতে পুরো বাড়িতে আগুন ধরে যাবে ! একজন পদত্যাগ করলে সেই পার্টি উঠে যাবে ? হয় নাকি ! এটা দলের জন্য খুব বড় কিছু না। আসানসোল পৌরনগমের প্রশাসক পদ থেকে জিতেন্দ্র তিওয়ারির পদত্যাগ প্রসঙ্গে কিছু বলতে চাননি সুব্রত মুখোপাধ্যায় ৷ তিনি বলেন, আমার কাছে এরকম কোনও খবর নেই। আমি তো জানি জিতেন্দ্র বলেছে, সে মুখ্যমন্ত্রীর ফোনের জন্য অপেক্ষা করছে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

শুভেন্দুর পর তৃণমূল ছাড়লেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি

তৃণমূল ছাড়লেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। বৃহস্পতিবার বিকেলে সাংবাদিকদের মুখোমুখী হয়ে তিনি তৃণমূলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা ঘোষণা করেন। প্রসঙ্গত, এদিন সকালেই তিনি আসানসোল পুরনিগমের মুখ্য প্রশাসক পদ থেকে ইস্তফা দেন। আসানসোল পুরনিগমের অফিসে গিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলার পর পদ ছাড়েন জিতেন্দ্র তিওয়ারি।অভিযোগ, এরপর তাঁর কার্যালয়ে হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। জিতেন্দ্র তিওয়ারির অভিযোগ, তৃণমূলের কলকাতার নেতাদের নির্দেশেই তাঁর কার্যালয়ে এই হামলা চালানো হয়েছে। তৃণমূলের নেতারা চাইছেন না, আমি দলে থাকি। এদিনই দুপুরে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি পাঠিয়ে তৃণমূলের সদস্যপদ ছেড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। আরও পড়ুন ঃ আমার জনশক্তি আছেঃ শুভেন্দু বুধবার রাতেই তৃণমূল সাংসদ সুনীল মণ্ডলের বাড়িতে বৈঠক করেন শুভেন্দু-জিতেন্দ্র। কয়েকদিন ধরেই বেসুরো ছিলেন আসাননসোলের প্রশাসক তথা পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক। পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন। এবার শুভেন্দুর পথে হেঁটেই দল ছাড়লেন জিতেন্দ্র। বুধবারই কোচবিহারের কর্মিসভার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় নিজে ফোন করে তাঁকে মাথা ঠান্ডা রাখতে বলেছিলেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের আগেই ইস্তফা দিলেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। এদিন সহকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আসানসোলের উন্নয়নের স্বার্থে লড়তে হবে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

তৃণমূল ছাড়লেন শুভেন্দু অধিকারী

সমস্ত জল্পনাকে সত্যি করে তৃণমূলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার তিনি দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তাঁর ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেন। তিনি দলনেত্রীকে পাঠানো চিঠিতে লিখেছেন, আমি এই মুহূর্তে দল এবং দলের দেওয়া সমস্ত পদ ও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিচ্ছি। দল আমাকে যেসব সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। একজন সদস্য হিসাবে দলে আমি যে মূল্যবান সময় অতিবাহিত করেছি, আজীবন তা স্মরণে রাখব।ইস্তফাপত্র দ্রুত গ্রহণ করার আবেদন জানান তিনি। তৃণমূলের সঙ্গে প্রায় আড়াই দশকের সম্পর্ক ছিন্ন করলেন শুভেন্দু। গতকালই বিধানসভায় গিয়ে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। দু সপ্তাহ আগে মন্ত্রীত্বও ছেড়েছিলেন। আরও পড়ুন ঃ ডিসেম্বরের মাঝেও দেখা নেই শীতের, তবে আশার বাণী শোনাচ্ছে হাওয়া অফিস এভাবেই তিনি দলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ত্যাগ করলেন। সম্ভবত শনিবারই অমিত শাহের সভায় বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, দলের সঙ্গে গত কয়েক মাস তাঁর দূরত্ব তৈরি হচ্ছিল। এরপর তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়কে দলের তরফ থেকে দায়িত্ব দেওয়া হয়, শুভেন্দুর সঙ্গে আলোচনা করে সমস্ত বিষয়টি মিটিয়ে নিতে। কিন্তু তাতেও বরফ গলল না। দলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করলেন তিনি।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দু অধিকারীর সহায়তা কেন্দ্র ‘দখল’ করল তৃণমূল, মোছা হল গেরুয়া রং

শুভেন্দু অধিকারীর সহায়তা কেন্দ্র দখলের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে, কাঁথির ৪ নম্বর ওয়ার্ডে। অভিযোগ, শুভেন্দু অধিকারীর সহায়তা কেন্দ্রে চড়াও হন তৃণমূলের কর্মীরা। মুছে দেওয়া হয় গেরুয়া রং। নতুন করে নীল-সাদা রংও করে তাঁরা। বিষয়টি জানাজানি হতেই কার্যত ক্ষোভে ফেটে পড়েন দাদার অনুগামীরা। বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা কনিষ্ক পণ্ডা বলেন, তৃণমূলের কাজই দখল করা। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দুকে বিজেপিতে স্বাগত দিলীপ ও মুকুলের ওরা বরাবরই এভাবে চলছে। কিন্তু আমরা মানুষের মনের দখল নিয়ে ফেলেছি। আইনানুগ ব্যবস্থা নেব। তাঁর কথায়, দিদি অনেক বেশি দেরি করে ফেলেছেন। দিদির তৃণমূলে আর কেউ থাকবে না।শুভেন্দু বিজেপিতে গেলে প্রকাশ্যেই যাবেন। লুকোচুরি করে নয়। তবে এখনই বিষয়ে কিছু বলার নেই। যোগদানের জল্পনাকে খুব একটা গুরুত্ব না দিলেও এদিন দাদার এই অনুগামী বলেন, আমফানের থেকেও প্রবল ঝড় আসছে, গেরুয়া ঝড়। এই মন্তব্যই বাড়িয়েছে জল্পনা।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

জিতেন্দ্রর সঙ্গে ফোনে কথা মমতার

শুভেন্দু অধিকারী বিধায়ক পদ ছাড়ার কয়েক ঘণ্টা আগে দুর্গাপুরে তীব্র ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন আরএক বিধায়ক ও জেলা সভাপতি জিতেন্দ্র তিওয়ারি। এক শ্রমিক সংগঠনের সভায় জনপ্রিয় নেতা জিতেন্দ্র পরিষ্কার জানিয়ে দেন, এটিই হয়তো জেলা সভাপতি হিসেবে আমার শেষ বক্তব্য। কারণ আমাকে কোন সভায় আপাতত যোগ দিতে বারণ করা হয়েছিল। আমি সেটা শুনিনি। তাই সিদ্ধান্তি নিয়েছি, বললে চলে যাব। কিন্তু মানুষের সঙ্গেই থাকব। এমনকি এদিন শুভেন্দুর হয়েও সওয়াল করতে দেখা যায় তাঁকে। আর এসব দেখেই সম্ভবত সিঁদুরে মেঘ দেখেন জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ববি হাকিম, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা প্রশান্ত কিশোরের উপর আস্থা রাখতে পারেননি তিনি। মুখ্যমন্ত্রী উত্তরবঙ্গ সফরের মধ্যেই তাই ফোন করেন জিতেন্দ্রকে। বলেন, আমি উওরবঙ্গ সফরে আছি। কোন সিদ্ধান্ত নিও না। আমি ফিরে তোমার সঙ্গে কথা বলেছি। আরও পড়ুন ঃ কোচবিহারকে রক্ষা করুন, নইলে বাংলা রক্ষা পাবে না, বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর যা থেকে স্পষ্ট শুভেন্দুর সঙ্গে যে জিতেন্দ্রর যোগাযোগ আছে, তা বুঝতে পেরে তাঁকে আটকাতে মরিয়া তৃণমূল। মাঠে নেমেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুর সঙ্গে তিনি সরাসরি কথা বলেননি। সেই ভুল আর করতে চাননি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তাঁর সেই চেষ্টা আদৌও সফল হবে কিনা তা সময় বলেবে। তবে এই পরিস্থিতিতে লোকসভার কংগ্রেসের নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, কাকে কাকে আটকাবে? তৃণমূল দলটাই তো উঠে যাবে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজ্য

শুভেন্দুর পর দল ছাড়তে তৈরি আরও দুই মন্ত্রী?

শুভেন্দু অধিকারীর পর এবার দল ছাড়তে চলেছেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী। তৃণমূল সূত্রে খবর, দুই মন্ত্রী বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। গুসকরার এক প্রবীণ তৃণমূল নেতার এমনটাই দাবি। আরও পড়ুন ঃ এবার বেসুরো তৃণমূল সাংসদ সুনীল মণ্ডল অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে দুই মন্ত্রী বর্ধমান পূর্বের সাংসদ সুনীল মণ্ডলের বাড়িতে শুভেন্দুবাবুর জন্য অপেক্ষা করছেন বলে খবর। অসমর্থিত সূত্রের খবর, দুজনেই দক্ষিণবঙ্গের।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজ্য

এবার 'বেসুরো' তৃণমূল সাংসদ সুনীল মণ্ডল

এবার বেসুরো বর্ধমান পূর্বের তৃণমূল সাংসদ সুনীল মণ্ডল। তিনি বলেন, দল এই বিপদের মুহূর্তে একজোট হচ্ছে না। খোকন দাস, জিতেন্দ্র তিওয়ারি বোমা ফাটিয়েছেন। এরা সবাই এক নম্বর সৈনিক। দলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে বাধ্য হয়ে সবাই বোমা ফাটাচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন,দলের মধ্যে যারা তোলাবাজ, যারা বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে তারাই দলে ভাল পদ পাচ্ছে। এটা নিয়েই তৃণমূলের যাঁরা প্রকৃত কর্মী তাঁদের ক্ষোভ বাড়ছে। আরও পড়ুন ঃ জোয়ারে আসে, ভাটায় চলে যায়, নাম না করে বেসুরোদের তোপ মমতার প্রশান্ত কিশোর সম্পর্কে সুনীল মণ্ডল বলেন, ও বাংলার রাজনীতি নিয়ে কি বোঝে? সাংগঠনিক শক্তি যদি কোনও দলে মজবুত না হয় তাহলে সে দল বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না। যে পয়সা নিয়ে রাজনীতি করে সে কি বোঝে। ভাড়াটে সৈন্য দিয়ে কখনও যুদ্ধ জয় করা যায় না। ওই স্তাবকেরা কথা বলবে, আদেশ দেবে সেটা মেনে নেব না। ওর থেকে আমাদের লেখাপড়া ও রাজনৈতিক শিক্ষা বেশি। এইভাবে দল চলতে পারে না। প্রয়োজনে দল ছাড়ারও হুমকি দেন তিনি। যদিও ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি বলেছেন, শুভেন্দুর সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয়। এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নিইনি। সুনীল মণ্ডল দলের বিরুদ্ধে মুখ খোলার পরেই বুধবার সকালে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর ছবি দিয়ে পোস্টার পড়েছে কাঁকসা থানার সামনে এবং তাঁর বাড়ির আশেপাশে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজ্য

জোয়ারে আসে, ভাটায় চলে যায়, নাম না করে বেসুরোদের তোপ মমতার

এবার কোচবিহারে দাঁড়িয়ে নাম না করে শুভেন্দু অধিকারী-সহ দল বিরোধীদের নেতাদের উদ্দেশ্যে তীব্র কটাক্ষ করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার কোচবিহারে দলীয় জনসভার মঞ্চ থেকে মমতা বলেন, একটা, দুটো নেতা আছে যারা জোয়ারে আসে, ভাটায় চলে যায়। যারা প্রথম থেকে দলে ছিলেন তাঁরা দলের সঙ্গেই আছেন। রাজ্যের আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে আটকাতে দলীয় নেতা-কর্মীদের একসঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের নেতাদের বলেছেন নিচু তলার কর্মীদের আরও দায়িত্ব দিতে। আরও পড়ুন ঃ সুব্রত বক্সি-কেষ্টকে ফোন করছে বিজেপি, বিস্ফোরক মমতা উল্লেখ্য, বর্তমান পরিস্থিতিতে বেসুরো গাইতে শুরু করেছেন দলের একের পর এক সাংসদ-বিধায়ক। তাঁদের অধিকাংশেরই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সম্ভবনা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক মিহির গোস্বামীও তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে নাম লিখিয়েছেন। এদিন নাম না করে দলের সমস্ত বিক্ষব্ধদের কড়া বার্তা দিয়েছেন মমতা। বলেছেন, থাকার ইচ্ছা না থাকলে দল থেকে বেরিয়ে যেতে পারেন। তৃণমূল মানুষের জন্য কাজ করে। যারা সারা বছর মানুষের সঙ্গে ছিলেন, দলের সঙ্গে ছিলেন তাঁরা দলেই আছেন। কাকে ভোটে টিকিট দেওয়া হবে না হবে সেটা দল কাজের ভিত্তিতে ঠিক করে। যারা ভালো কাজ করেন তাঁরা গুরুত্ব পাবেন। যারা জানে দল টিকিট দেবে না তাঁরা চলে যাচ্ছে, ভাবছে যদি টাকাটা কমে যায়, যদি জেলে পাঠিয়ে দেয়, তাই বিজেপিতে নাম লেখাচ্ছে। কিন্তু আমরা আদর্শ বদলাই না। আদর্শ বদলানো যায় না। কাপড় জামা বদলানো যায়।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজনীতি

কোচবিহারকে রক্ষা করুন, নইলে বাংলা রক্ষা পাবে না, বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে কোচবিহার আসনে হারতে হয়েছিল দলকে। জিতেছিলেন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া নিশীথ প্রামাণিক। বুধবার কোচবিহারে দলীয় জনসভার মঞ্চ থেকে নাম করে সেই প্রসঙ্গের উল্লেখ করে বিজেপিকে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, লোকসভা নির্বাচনে ভোটে জিতে অশান্তি করছে বিজেপি। শান্ত কোচবিহারকে অশান্ত করার চেষ্টা চলছে। নিশীথ প্রামাণিকের নাম না করে এদিন মমতা বলেন, আমরা যাকে তাড়িয়ে দিয়েছিলাম বিজেপি তাঁকে নিয়ে এসেছে। যেন পুরনো বোতলে নতুন মদ। যে জিতেছে সে এখন গুণ্ডামি করছে। আরও পড়ুন ঃ নাম না করে দলের বিদ্রোহীদের আক্রমণ মমতার এখানেই থামেননি মুখ্যমন্ত্রী। বলেছেন বিজেপি, ভেদাভেদ, ভাগাভাগির রাজনীতি করছে। রাজবংশী- বাঙ্গালিদের মধ্যে ঝামেলা বাঁধাতে চাইছে। রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষকেও এদিন আক্রমণ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছেন, নাম নিতেও লজ্জা করে। বলছে ডিসেম্বরের পর মারবে। ওদের মুখে খালি ভাংচুর-মারামারির কথা, খাদ্য-বস্ত্রের কথা নেই। বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতাদের এদিন ফের বহিরাগত বলেছেন তিনি। বলেছেন, বিজেপি বহিরাগতদের রাজ্যে আনছে। আরএসএস গুণ্ডারা রাজ্যে আসছে। চম্বলের ডাকাত আসছে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে সমর্থনের আবেদন এদিন কোচবিহারবাসীকে জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বলেছেন, লোকসভা ভোটে আমাদের ভোট দেন নি। তাতে আমার কোনও অভিমান নেই। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনে কোচবিহারকে ওদের হাত থেকে রক্ষা করুন। কোচবিহার থেকেই শুরু হয় বাংলা। কোচবিহার রক্ষা না পেলে বাংলাও রক্ষা পাবে না।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজ্য

সুব্রত বক্সি-কেষ্টকে ফোন করছে বিজেপি, বিস্ফোরক মমতা

কোচবিহারে দলীয় জনসভার মঞ্চ থেকে দাঁড়িয়ে বিজেপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, দলের রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ সুব্রত বক্সি ও বীরভূমে দলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে ফোন করেছেন বিজেপি নেতারা। তাঁর কথায়, বিজেপি কোথায় গেছে বুঝুন। ওদের এতটুকু সৌজন্যতা বোধ নেই। আমার দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সিকে ফোন করেছিল বিজেপির এক নেতা। বলছে, আপনার সঙ্গে কথা আছে, বসতে চাই। কেষ্টকেও ফোন করেছিল দিল্লি থেকে। কেষ্ট আমাকে কাল ফোন করে বলল, দিদি আমাকে বলছে আপনার সঙ্গে বসতে চাই। কেষ্ট বলে দিয়েছে আমি তৃণমূল করি, আপনাদের সঙ্গে বসব কেন? আরও পড়ুন ঃ সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বললে চলে যাব , ফের বেসুরো জিতেন্দ্র এদিন জাতীয় সঙ্গীত বদল বিতর্ক নিয়েও মুখ খুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছেন, বিজেপি বলছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জনগনমণ বদলে দেবে। জাতীয় সঙ্গীত বদলে দেবে। যেন হাতের মোয়া। ক্ষমতা থাকলে বদলে দেখাক। ওরা রবীন্দ্রনাথকেও জানে না। কবে কোথায় রবিঠাকুরের জন্ম জানে না। বলছে বিশ্বভারতী নাকি রবি ঠাকুরের জন্মস্থান! বুধবার কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানের জনসভা থেকে বিজেপির উদ্দেশ্যে হুঙ্কার ছেড়ে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, চলে আসুন যুদ্ধ হয়ে যাক, রাজনৈতিক যুদ্ধ। আপনাদের সঙ্গে থাকবে গুণ্ডা, আমাদের সঙ্গে মানুষ। দেখি কারা যেতে। মমতা এদিন দাবি করেন, তিনি রাজবংশী, অলচিকি ভাষা জানেন। এই দুই ভাষায় তিনি কবিতা লিখেছেন।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজ্য

সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বললে চলে যাব , ফের বেসুরো জিতেন্দ্র

কয়েকদিন ধরেই দলের সঙ্গে মতবিরোধ চলছে পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি জিতেন্দ্র তিওয়ারির। এর জেরে জেলা সভাপতির পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দিতে পারে তৃণমূল। বুধবার এমন জল্পনা নিজেই উস্কে দিয়েছেন আসানসোল পুরসভার প্রধান প্রশাসক তথা বিধায়ক জিতেন্দ্র। আসানসোলে দলের শ্রমিক সংগঠনের মঞ্চ থেকে তিনি সটান জানিয়েছেন, এটিই হয়তো জেলা সভাপতি হিসেবে তাঁর শেষ বক্তব্য। তিনি এমনও জানান, আপাতত তৃণমূলের কোনও সভা বা শ্রমিক সংগঠনের বৈঠকে তাঁকে দলের পক্ষ থেকে যোগ দিতে নিষেধ করা হয়েছে। তবে তিনি যে জেলা তৃণমূল সভাপতির পদ ছাড়তে তৈরি, তা জানিয়ে প্রকাশ্য সভাতেই জিতেন্দ্র বলেছেন, সিদ্ধান্তি নিয়েছি, বললে চলে যাব। কিন্তু মানুষের সঙ্গেই থাকব। আরও পড়ুন ঃ সাঁতরাগাছি পাখিরালয়ের পরিবেশ নষ্ট করায় দক্ষিণ-পূর্ব রেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ পরিবেশবিদের মানুষের কাছে তাঁকে প্রতিশ্রুতি এবং দায়বদ্ধতা পালন করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়ে জিতেন্দ্র বলেছেন, তাঁকে আর ভয় দেখিয়ে রাখা যাবে না। তাঁর প্রকাশ্য ঘোষণা, এক সময়ে তো সিদ্ধান্ত নিতেই হবে! আর ভয় দেখিয়ে রাখা যাবে না। সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বললে চলে যাব। কিন্তু মানুষের সঙ্গেই থাকব। মানুষের বাইরে তো আর থাকতে পারব না। আমি কোনও মন্ত্রীকে দেখে দল করিনি। দল করেছি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখে। পাশাপাশি নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে জিতেন্দ্রবাবু বলেন, শুভেন্দু ৬ মাস গুলির সামনে লড়াই করেছে। মমতার পর তৃণমূলে সবচেয়ে জনপ্রিয় শুভেন্দু। তাই উচিত ছিল শুভেন্দুর সঙ্গে দলের যে ভুল বোঝাবুঝি ছিল তা মিটিয়ে নেওয়ার। কিন্তু যেখানে আমাদের মতো ছোট নেতাদের সমস্যাই মেটায় না সেখানে শুভেন্দু অধিকারীর সমস্যা কী মেটাবে। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে তৃণমূলের বিধায়ক হয়েও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় অনুদান থেকে আসানসোলকে বঞ্চিত করার অভিযোগ তোলেন জিতেন্দ্র। রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে ওই মর্মে জিতেন্দ্র চিঠি পাঠানোর পর সোমবার থেকেই চাপানউতোর শুরু হয়। সমস্যা মেটাতে শীর্ষ নেতৃত্ব মঙ্গলবার কলকাতায় ববির সঙ্গে জিতেন্দ্রকে বৈঠকে যোগ দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। যদিও শেষ পর্যন্ত সেই বৈঠক হয়নি। জিতেন্দ্র প্রথমে রাজি হলেও পরে বেঁকে বসেন। জানা যায়, একমাত্র মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি। মঙ্গলবার জিতেন্দ্র জানিয়েছিলেন, রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে তাঁর যা কথা হয়েছে, তাতে উত্তরবঙ্গ সফর সেরে মমতা বৃহস্পতিবার কলকাতায় ফেরার পর ১৮ তারিখ অর্থাৎ শুক্রবার তাঁকে ডাকা হতে পারে। কিন্তু সেই ডাকের আগেই বুধবার রীতিমতো বিদ্রোহ ঘোষণা করে বসলেন এলাকায় ডাকাবুকো বলে জিতেন্দ্র।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
কলকাতা

তৃণমূল বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী

১৮ দিন আগেই মন্ত্রীত্ব ছেড়েছিলেন। তখন থেকেই বিধায়ক পদ ও দল থেকে তাঁর ইস্তফা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়। এবার তৃণমূল বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার বিধানসভায় গিয়ে তিনি ইস্তফাপত্র জমা দেন। সেখানে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকায় বিধানসভার সচিবের হাতে ইস্তফাপত্র দিয়ে তিনি বেরিয়ে যান। কিন্তু অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, শুভেন্দুর ইস্তফাপত্র গৃহীত হচ্ছে না। কারণ, বিধানসভার সচিবের ইস্তফাপত্র গ্রহণের এক্তিয়ার নেই।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজ্য

বিজেপির দেওয়া চাকরির প্রতিশ্রুতিকে মিথ্যা বলে আক্রমণ মমতার

জলপাইগুড়ির অরবিন্দ ব্যায়ামাগার পাঠাগার ও ক্লাব ময়দানের জনসভা থেকে বিজেপিকে লাগাতার আক্রমণ করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দোপাধ্যায়। বলেন, ওরা বাংলায় এক নতুন ধর্ম এনেছে, ঘৃণ্য ধর্ম। কুৎসার ধর্ম। এভাবে ওরা বাংলাকে ধ্বংস করতে চায়। বাংলার মেরুদণ্ড ভেঙে ফেলতে চায়। এরপরই হুঁশিয়ারি দিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, তিনি কোনওভাবেই বিজেপির এহেন আচরণ বরদাস্ত করবেন না। তবে এর জন্য রাজ্যবাসীরকে পাশে চেয়েছেন তিনি। সকলে মিলে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছেন তিনি। বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলার পরিস্থিতি ভয়ংকর হবে, ইঙ্গিতে এদিন তা-ও বোঝান মুখ্যমন্ত্রী। আরও পড়ুন ঃ পাহাড়ের সমস্যার সমাধান করতে পারলে আমরাই পারবঃ মমতা এদিন চাকরির প্রতিশ্রুতি কার্ড ইস্যুতে তিনি বলেন, চাকরির প্রতিশ্রুতি বলে কিছু হয় না। ওটা পুরোটাই প্রতারণা, মিথ্যে। এরপরই কেন্দ্রের একাধিক প্রতিশ্রুতি সাধারণ মানুষকে মনে করিয়ে দেন তিনি। প্রশ্ন করেন, আদৌ কারও অ্যাকাউন্টে কেন্দ্রের ১৫ লক্ষ টাকা গিয়েছে কি না। দাবি করেন, মোদি সরকারের আমলে ভারতে বেকারত্ব বেড়েছে। এদিন দিলীপ ঘোষের ডিসেম্বরের পর মারব মন্তব্যের পালটা দেন মমতা। বলেন, মেরে দেখাক, আমার গায়ে আঘাত করতে আমিও প্রত্যাঘাত করব।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২০
রাজনীতি

নাম না করে দলের বিদ্রোহীদের আক্রমণ মমতার

৩৬৫ দিন যাঁরা এই ১০ বছর মানুষের সঙ্গে ছিলেন তাঁদেরই পরীক্ষায় বসতে হবে। বিজেপির সঙ্গে আঁতাঁত করলে তৃণমূলে তাঁদের কোনও জায়গা নেই। জলপাইগুড়িতে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মিসভায় দলবিরোধীদের স্পষ্ট ভাষায় বুঝিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমি বড় বা ও বড় সেটা বড় নয়। ১০ বছর পার্টির খেয়ে, ১০ বছর সরকারে থেকে সরকারের খেয়ে নির্বাচনের সময় এর সঙ্গে ওর সঙ্গে বোঝাপড়া যাঁরা করে আমি তাঁদের বরদাস্ত করি না। গোষ্ঠীকোন্দল মেটাতে দলীয় কর্মীদের বার্তা দিলেন, পুরনো-নতুন মিলে কাজ করুন। এ বড় না বি বড় বা সি বড় সেটা দেখার দরকার নেই। যুদ্ধ যখন আসে তখন যুদ্ধ জয় করাটাই সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতাকে বহিষ্কার দলনেত্রী আরও বলেন, আপনাদের লক্ষ্য হবে বিজেপি নামক পার্টিটাকে বাংলা থেকে দূর করে দেওয়া। আগামিদিনে বাংলাই পথ দেখাবে। রাষ্ট্রপতি শাসন করে দেখাও না, আমার কাজ অনেক কমে যাবে। আমি ঘুরে ঘিরে মিটিং-মিছিল করব আর তোমাদের সব ভোট নিয়ে নেব। আমরা আন্দোলন করে উঠে আসা লোক, মার খেয়ে উঠে আসা লোক। আমার শরীরে এমন কোনও জায়গা নেই যেখানে মার খাইনি। কাজেই রক্তাক্ত অবস্থায় লড়াই করে এসেছি। মানুষের জন্য লড়াই করতে আমি পিছপা হব না।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২০
রাজ্য

পাহাড়ের সমস্যার সমাধান করতে পারলে আমরাই পারবঃ মমতা

আমি গোর্খাল্যান্ডের প্রতিশ্রুতি দিইনি, তাই ওখানে জিতিনি। পাহাড়ের সমস্যা সমাধান করলে আমরাই করব। ওরা পারবে না। গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতে জলপাইগুড়ির এবিপিসি ময়দানের জনসভা থেকে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধী বিজেপি বরাবর গুরুংদের পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবিকে সমর্থন জানিয়েছে। অর্থাৎ তাঁরা রাজ্য ভাগের পক্ষে। আর তাই ক্ষমতায় এলে গোর্খাল্যান্ডের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন নেতারা। তাই ২০১৪ এবং ২০১৯এর লোকসভা ভোটে পাহাড় থেকে তৃণমূল নয়, জিতেছেন বিজেপি প্রার্থীরাই। আরও পড়ুন ঃ জেএমবি জঙ্গিদের দিয়ে ভোটে জিততে চাইছে তৃণমূলঃ দিলীপ মঙ্গলবার জলপাইগুড়ির এবিপিসি ময়দানের জনসভা থেকে এই বিষয়টি আরও স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী। বললেন, ৬ বছর ধরে ওরা গুরুংদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গিয়েছে গোর্খাল্যান্ড করে দেবে বলে। তাই ২০১৪এ একবার পাহাড়ে জিতেছে, কিন্তু প্রতিশ্রতি রাখেনি। আবার ২০১৯এ বিজেপি জিতেছে। আমরা কিন্তু গোর্খাল্যান্ডের প্রতিশ্রুতি দিইনি, তাই আমরা জিতিওনি। এরপরই তিনি আত্মবিশ্বাসের সুরে বলেন, পাহাড়ের সমস্যা সমাধান করতে পারলে একমাত্র আমরাই পারব। বিজেপি পারবে না, ওদের দ্বারা হবে না।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২০
রাজ্য

আমাকে যারা আক্রমণ করছেন ভোটের বোতামে তাঁরা টের পাবেন, বিস্ফোরক শুভেন্দু

মঙ্গলবার হলদিয়ায় সতীশ সামন্তের জন্মদিন উপলক্ষ্যে হেলিপ্যাড গ্রাউন্ডে অরাজনৈতিক সভায় যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি এদিন ছিল মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র শুভেন্দুরও জন্মদিন। সভার শুরুতে সতীশ সামন্তের আত্মবলিদানের কথা বলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তারপরই তাঁর গলায় শোনা যায়, কটাক্ষের সুর। কারোর নাম না করে একের পর এক আক্রমণ শানান তিনি। শুভেন্দু বলেন, হলদিয়া ভবনে আমি যেতাম না। প্রাসাদে ওঠার অভ্যাস আমার নেই। নন্দীগ্রাম আন্দোলন কোনও দল বা ব্যক্তির আন্দোলন ছিল না। ছিল মানুষের আন্দোলন। আরও পড়ুন ঃ দ্বন্দ্ব মেটাতে জিতেন্দ্র তিওয়ারির সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ফিরহাদ, থাকতে পারেন পিকেও তিনি এদিনও বলেন, অনেকে বলছেন, আমি পদের লোভে এগোচ্ছি। আমার পদের লোভ নেই। আমি অনেক লড়াইয়ের সাক্ষী। তাঁর কথায়, সতীশ সামন্তকে বহিরাগত বলে ভাবতেন না নেহেরু। আমরা আগে ভারতীয়, তারপর বাঙালি। এমনকি ব্যক্তি আক্রমণ নিয়েও মুখ খোলেন শুভেন্দু। বলেন, কেউ কেউ আমাকে ব্যক্তি আক্রমণ করেছেন। কয়েক দিন পরে মানুষ গিয়ে যখন ভোটের বোতাম টিপবে, আপনাদের অবস্থাও অনিল বসু, লক্ষ্মণ শেঠদের মতো হবে। তবে সরাসরি তৃণমূলকে নাম না করলেও পরোক্ষভাবে বলেন, গণতন্ত্রের মানে ফর দ্য পিপল, অফ দ্য পিপল, বাই দ্য পিপল। কেন ফর দ্য পার্টি, অফ দ্য পার্টি, বাই দ্য পার্টি হবে। এদিনের মঞ্চ থেকে সুর চড়িয়ে বলেন, এখানে তিন ধরণের লোক এসেছে। প্রথমত, যারা আমাকে ভালোবাসেন, দ্বিতীয়ত, সতীশ সামন্তের আত্মবলিদানের কথা শুনতে, তৃতীয়ত, আমার রাজনৈতিক অবস্থান শুনতে। তবে আমি পদ ছাড়ার পরও আমার সভায় লোক এসেছে। আমার সভায় লোক আনতে কোনও দলের দরকার পরে না। এই লোককে তৃণমূল বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম-এর পদাধিকারীরা আনেনি। এই জনগণের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক। শুভেন্দুর পরিবার সমগ্র বাংলার পরিবার। শুভেন্দুর দাবি, ভাষণ নয়, রেশন দিতে হবে। এছাড়াও তিনি বলেন, অনেকেই প্রশ্ন করেন আমি অকৃতদ্বার কেন? তাদের বলি এখনকার রাজনীতিবিদদের দেখে আমি অকৃতদ্বার নই। আমি সতীশ সামন্তদের দেখে অকৃতদ্বার। সবশেষে শুভেন্দুর গলায় শোনা যায়, তাম্রলিপ্ত সরকার জিন্দাবাদ। সতীশ সামন্ত জিন্দাবাদ। বন্দেমাতারম। ফলে এদিনের অরাজনৈতিক সভা থেকে শুভেন্দু আবারও নিজের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করলেন না। ফের জিইয়ে রাখলেন জল্পনা।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২০
কলকাতা

বিজেপির অভিযোগ নস্যাৎ করে টুইট ডেরেকের

তৃণমূলের রিপোর্ট কার্ডের পাল্টা ফেল কার্ড প্রকাশ করেছিল বিজেপি। তাঁদের সমস্ত অভিযোগ নস্যাৎ করে মঙ্গলবার টুইট করেছেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন। বিগত বছরগুলির কাজের খতিয়ান দিয়ে তিনটি কার্ড টুইট করেছে তৃণমূল সাংসদ। তিনি লিখেছেন, নিচের ৩টে গ্রাফিক্সে দেখুন কতটা এগিয়ে বাংলা, ভাঁওতাবাজি নয়, কথা দিয়ে কথা রাখা। এই কারণেই সবাই আবার দিদিকে চায়। গতকাল ফেল কার্ড প্রকাশ করে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, শুধুমাত্র অর্থনৈতিকভাবে না, সবদিক থেকেই ১০টা বছরের অপচয়। আরও পড়ুন ঃ পরিসংখ্যান তুলে ধরে রাজ্যে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির দাবি বিদ্যুৎমন্ত্রীর বলেন, তৃণমূলের ১০ বছরের ব্যর্থতা একটা বুকলেটের মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই। শমীক ভট্টাচার্য বলেন, বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কিছু রুটিন ইনভেস্টমেন্ট আর কিছু মউকে সামনে এনে দেখাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু প্রকৃত অর্থে যা দেখানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী বা শিল্পমন্ত্রীর তরফ থেকে আসলে তার ১ শতাংশ হয়েছে। গত ৫০ বছর ধরে বামফ্রন্টের আমলে এবং তারপর তৃণমূলের ১০ বছর যদি ধরা হয়, তাহলে সবটা পরিষ্কার বোঝা যাবে। তৃণমূল যে গত ১০ বছরের কাজের খতিয়ান মানুষের সামনে পেশ করেছে, তা সত্যের থেকে বহুদূরে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২০
কলকাতা

পরিসংখ্যান তুলে ধরে রাজ্যে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির দাবি বিদ্যুৎমন্ত্রীর

বঙ্গধ্বনির হাত ধরে প্রত্যেক ওয়ার্ডে পৌঁছে যাচ্ছে রাজ্য সরকারের ১০ বছরের উন্নয়নের রিপোর্ট কার্ড। অন্যদিকে, বিজেপির যুব মোর্চার তরফেও ব্লকে ব্লকে শুরু হয়েছে চাকরির প্রতিশ্রুতি কার্ডে রেজিস্ট্রেশনের প্রক্রিয়াও। ৭৫ লক্ষ যুবকের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে তাদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে বিজেপির যুব মোর্চা। আর এবার তৃণমূল ভবন থেকে রাজ্যে কর্মসংস্থানের ছবি তুলে ধরলেন বিদুত্মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এক কোটি মানুষের বেশি কর্মসংস্থান হয়েছে এই রাজ্যে। বাম আমলের তুলনায় রাজ্য এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনে যে অনেক স্বাবলম্বী ও স্বয়ংসম্পূর্ণ, সে কথা বললেন বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চ্যাটার্জী। তথ্য পরিসংখ্যান দিয়ে জানালেন, ১০০ শতাংশ গ্রামে বিদ্যুতের কথা। আগে যেখানে রাজ্যে ৩০০-র বেশি লো ভোল্টেজ পকেট ছিল, এখন সেখানে সেই সংখ্যাটা ২০-তে এসে ঠেকেছে। সৌরবিদ্যুতেও বাংলা অনেক এগিয়ে বলে দাবি করেন মন্ত্রী। রাজ্যে অচিরেই যে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প শুরু হতে চলেছে, তার সৌজন্যে গোটা পূর্বাঞ্চলে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে বেশ ভাল জায়গায় থাকবে বাংলা, এ কথাও মনে করিয়ে দেন। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূলের ফেল কার্ড প্রকাশ বিজেপির দেশে যেখানে বেকারত্ব বাড়ছে সেখানে রাজ্যে ৪০ শতাংশ বেকারত্ব কমেছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্যে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে তিনি আরও বলেন, সিলিকন ভ্যালিতে যা কর্মসংস্থান হবে তা হায়দরাবাদ, ব্যাঙ্গালুরুকেও ছাড়িয়ে যাবে বলে তার ধারনা। পাশাপাশি বিভিন্ন আইটি হাবের কর্মসংস্থানের হিসেবও এই সাংবাদিক বৈঠকে তুলে ধরেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। এছাড়া, গতিধারা প্রকল্পে ২৮ হাজারেরও বেশি যুবক যুবতীদের গাড়ি দেওয়া হয়েছে স্ব উপার্জনের জন্য বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি, ৬ লক্ষ যুবকযুবতীদের স্বনির্ভর হওয়ার ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান বিদুত্মন্ত্রী। এছাড়া, ক্ষুদ্র অতিক্ষুদ্র মাঝারি শিল্পে রাজ্য এগিয়ে রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ভারতবর্ষে রাজ্য একনম্বরে রয়েছে। বলেও জানান তিনি। অন্যদিকে, তাজপুরে সমুদ্র বন্দরে ২৫ হাজার কর্মসংস্থানের কথা জানান মন্ত্রী।পাশাপাশি, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বিদুত্মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থাগুলিকে বিক্রি করে দিচ্ছে বিজেপি। ভারতবর্ষকে বিক্রি করে দিচ্ছে বিজেপি।পাশাপাশি এয়ার ইন্ডিয়া, বিএসএনএল, সহ লাভজনক সংস্থা বিক্রি করছে বিজেপি। বলেও তোপ দাগেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। পাশাপাশি, রেলের ৪০০ স্টেশনকে বেসরকারিকরন করারও অভিযোগ আনেন তিনি। এছাড়া এদিন সাংবাদিক বৈঠক থেকে সোলার সিস্টেমে ১৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদন করেছে রাজ্য বলেও জানান বিদ্যুত্মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। পাশাপাশি, ২৩ জেলার ১০০ শতাংশ বিদ্যুত্ দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। তৃণমূলের আমলে বেড়েছে সাব স্টেশন বলেও জানান বিদ্যুত্মন্ত্রী। এছাড়া, বিভিন্ন স্কুল কলেজে ১৫০০ বেশি সোলার বিদ্যুত্ দেওয়ার কথাও জানান তিনি। পাশাপাশি পুরুলিয়া ১০০০ মেগাওয়াটের নতুন প্রকল্পের কথাও জানান বিদ্যুত্মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০
কলকাতা

তৃণমূলের 'ফেল কার্ড' প্রকাশ বিজেপির

রাজ্যে ক্ষমতায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যের নেতৃত্বে গত দশ বছরে কী কী কাজ হয়েছে, তা নিয়ে গত সপ্তাহে নিজেদের রিপোর্ট কার্ড পেশ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যের শাসকদলের তাবড় মন্ত্রীদের উপস্থিতি গত বৃহস্পতিবার এই রিপোর্ট কার্ড পেশ করে শাসকদল। বাড়ি বাড়ি ওই রিপোর্ট কার্ড পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগও নিয়েছে তৃণমূল। আরও পড়ুন ঃ ভাল আছেন বুদ্ধদেব, মঙ্গলবার ফিরছেন বাড়ি কিন্তু তৃণমূলের এই রিপোর্ট কার্ডকে কটাক্ষ করে এবার পাল্টা ফেল কার্ড প্রকাশ করল বিজেপি। সোমবার বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত এই কার্ড প্রকাশ করেন। বিজেপির এই ফেল কার্ডয়ে পরিসংখ্যান দিয়ে বলা হয়েছে রাজ্য সরকার উন্নয়নের সবকটি ক্ষেত্রে ডাহা ব্যর্থ হয়েছে। কোনও প্রতিশ্রুতি তাঁরা রাখতে পারে নি। এদিন স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, রাজ্যে বুজরুগির সরকার চলছে। দুর্নীতিগ্রস্তদের সরকার চলছে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 44
  • 45
  • 46
  • 47
  • 48
  • 49
  • 50
  • ...
  • 57
  • 58
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

জম্মুতে চাঞ্চল্য! প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুখ আবদুল্লাকে লক্ষ্য করে গুলি, অল্পের জন্য রক্ষা

জম্মুতে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুখ আবদুল্লাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ।জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে জম্মুর গ্রেটার কৈলাস এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন ফারুখ আবদুল্লা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী সুরেন্দ্র চৌধুরীও। সেই সময় খুব কাছ থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ।ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামনে এসেছে। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, নিরাপত্তা ঘেরাটোপে বিয়েবাড়ি থেকে বেরিয়ে আসছেন ফারুখ আবদুল্লা। ঠিক সেই সময় পিছন দিক থেকে নিরাপত্তার মধ্যে ঢুকে পড়ে এক ব্যক্তি। এরপর খুব কাছ থেকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।তবে ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ডের কমান্ডোরা দ্রুত তাঁকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন। ফলে গুলিটি তাঁর কানের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই ফারুখ আবদুল্লা এবং রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রীকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।ঘটনার পর ওই ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে নিরাপত্তারক্ষীরা তাকে আটক করেন। পরে পুলিশ এসে তাকে গ্রেফতার করে। অভিযুক্তের নাম কমল সিং জমওয়াল বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন। জেরায় তিনি দাবি করেছেন, গত প্রায় কুড়ি বছর ধরে তিনি ফারুখ আবদুল্লাকে হত্যার চেষ্টা করে আসছেন। এটি তাঁর ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য বলেও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর কাছে যে বন্দুকটি ছিল সেটিও তাঁর নিজের এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত।এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এত কড়া নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে হামলাকারী এত কাছে পৌঁছে গেল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এই ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর নতুন করে প্রশ্ন তুলেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মার্চ ১২, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধ কি আমেরিকার মাটিতেও? ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার আশঙ্কা, সতর্ক করল এফবিআই

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। সেই সংঘাতের আঁচ এবার আমেরিকার মাটিতেও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে মার্কিন তদন্ত সংস্থা এফবিআই। সংস্থার দাবি, ক্যালিফোর্নিয়ার পশ্চিম উপকূলে ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালাতে পারে ইরান। এই আশঙ্কার কথা জানিয়ে ক্যালিফোর্নিয়া প্রশাসনকে সতর্ক করেছে এফবিআই।বর্তমানে পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত ক্রমশ বাড়ছে। ইজরায়েল ও আমেরিকার লাগাতার হামলার মুখে ইরানও পালটা আক্রমণ চালাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রতিশোধ নিতে ইরান মার্কিন ভূখণ্ডেও হামলার পরিকল্পনা করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এফবিআই একটি সতর্কবার্তায় জানিয়েছে যে ফেব্রুয়ারির শুরুতেই ইরান মার্কিন ভূখণ্ডে হঠাৎ হামলার পরিকল্পনা করেছিল। তখনও আমেরিকা ও ইজরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করেনি। বিশেষ করে ক্যালিফোর্নিয়ার পশ্চিম উপকূলকে সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।তবে তদন্তকারীদের উদ্বেগের বড় কারণ হল, সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও তাদের হাতে নেই। ফলে পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক রয়েছে প্রশাসন।এদিকে আমেরিকা ও ইজরায়েলের লাগাতার হামলার পরেও পিছু হটতে রাজি নয় ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ এবং গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে পালটা আঘাত হানছে তারা। বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।খবর পাওয়া গেছে, ইরাকের একটি বাণিজ্য বন্দরে তেলবাহী একটি জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইরান। এছাড়াও কুয়েত, কাতার, আরব আমিরশাহী এবং সৌদি আরব জানিয়েছে, তাদের দেশেও ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা হয়েছিল। তবে সেই হামলা প্রতিরোধ করা হয়েছে বলে দাবি করেছে তারা।এরই মধ্যে যুদ্ধ থামানোর জন্য তিনটি শর্তও দিয়েছে ইরান। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, প্রথমত সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ইরানের অধিকারকে স্বীকৃতি দিতে হবে। দ্বিতীয়ত যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আর তৃতীয়ত ভবিষ্যতে আর কোনও আগ্রাসন হবে না, সে বিষয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে নিশ্চয়তা দিতে হবে।অন্যদিকে নতুন খবর, ইরাকের একটি বন্দরে আমেরিকার একটি সংস্থার দুটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে। সেই ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়াও হরমুজ প্রণালীর কাছে ভাসমান একাধিক জাহাজেও হামলার খবর মিলেছে।সৌদি আরব দাবি করেছে, ইরানের হামলায় তাদের একটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে গিয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, একাধিক হামলার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালীকে কার্যত অবরুদ্ধ করার কৌশল নিয়েছে ইরান। এর ফলে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের উপর যুদ্ধ থামানোর চাপ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১২, ২০২৬
রাজ্য

কোচবিহারে নৃশংসতা! স্ত্রীর গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন, পুড়ে মৃত্যু নার্সের

কোচবিহারে এক নার্সের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, স্বামীর সঙ্গে অশান্তির জেরে ওই মহিলার গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। দাউদাউ করে আগুনে পুড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর।ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার শহরের বকশিবাড়ি এলাকায়। মৃত মহিলার নাম ছন্দা রায়। তাঁর বয়স আনুমানিক পঁয়ত্রিশ বছর। পেশায় তিনি নার্স ছিলেন।জানা গিয়েছে, রাত প্রায় নটা থেকে সাড়ে নটার মধ্যে এই ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, সেই সময় তাঁর গায়ে আগুন লাগানো হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং তিনি দাউদাউ করে জ্বলতে থাকেন। গুরুতর অবস্থায় সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মহিলা ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। মাঝেমধ্যে তাঁর স্বামী এসে সেখানে থাকতেন। ঘটনার সময়ও স্বামী ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগ। অভিযুক্তের নাম রণজিৎ রায়। তিনি পেশায় একজন গাড়িচালক।ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে কোচবিহারের ভাওয়াল মোড়ের কাছে একটি টোল গেট এলাকা থেকে তাঁকে আটক করে। খবর পেয়ে কোচবিহার কোতোয়ালি থানার পুলিশ এবং দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পরে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।বাড়ির মালিক জানিয়েছেন, স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই অশান্তি চলছিল। সেই অশান্তি থানাতেও গড়িয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই কারণেই কি এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটল, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।ঘটনার সময়ের একটি ভয়াবহ দৃশ্যের কথাও জানিয়েছেন এক প্রতিবেশী। স্থানীয় বাসিন্দা রুমা দত্ত বলেন, তিনি তখন ঘরের ভিতরে ছিলেন। হঠাৎই বাইরে এক মহিলার তীব্র চিৎকার শুনতে পান। বাইরে বেরিয়ে দেখেন, আগুনে জ্বলতে জ্বলতে একজন দৌড়ে যাচ্ছে। কিছুক্ষণ পরে একজন নিজের জামা খুলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে তিনি দেখেন বারান্দায় আগুন জ্বলছে।এই ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কীভাবে এবং কেন এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটল, তা জানার জন্য তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মার্চ ১২, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বাংলায় নতুন রাজ্যপাল! শপথ নিলেন রবীন্দ্র নারায়ণ রবি, অনুপস্থিত বিজেপি

বিধানসভা নির্বাচনের আগেই বাংলায় দায়িত্ব নিলেন নতুন রাজ্যপাল। রবীন্দ্র নারায়ণ রবি এ দিন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন। কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান।রাজভবনে আয়োজিত এই শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও ছিলেন ফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ রাজ্যের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। তবে এ দিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি বিজেপির কোনও প্রতিনিধিকেও এই অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি।কয়েক দিন আগেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দেন সি ভি আনন্দ বোস। তাঁর ইস্তফার পরই নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয় রবীন্দ্র নারায়ণ রবিকে। এর আগে তিনি তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।তামিলনাড়ুতে দায়িত্বে থাকাকালীন একাধিক ইস্যুতে সে রাজ্যের সরকারের সঙ্গে তাঁর সংঘাত তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে বিভিন্ন বিল নিয়ে রাজ্য সরকার ও রাজ্যপালের মধ্যে টানাপোড়েন বাড়ে। সেই সময় ডিএমকে সরকার একাধিকবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে তাঁকে রাজ্যপাল পদ থেকে সরানোর আবেদন জানিয়েছিল।এই পরিস্থিতিতেই এবার পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নিলেন রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। অন্যদিকে ইস্তফা দেওয়ার পর রাজ্যবাসীর উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি লিখেছিলেন সি ভি আনন্দ বোস। রাজভবনের সরকারি সামাজিক মাধ্যমের পাতায় সেই চিঠি প্রকাশ করা হয়।সেই চিঠিতে তিনি পশ্চিমবঙ্গকে তাঁর দ্বিতীয় বাড়ি বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক সবসময় অটুট থাকবে। বাংলার আবেগকে সামনে রেখে তিনি মহাত্মা গান্ধীর একটি বক্তব্যও উল্লেখ করেন। সেখানে লেখা ছিল, আমি বাংলা ছেড়ে যেতে পারছি না, আর বাংলা আমাকে ছেড়ে যেতে দেবে না।এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। অনেকের মতে, এই বক্তব্য থেকেই বোঝা যায় যে তাঁকে হঠাৎ করেই পদ ছাড়তে হয়েছে। প্রায় তিন বছর চার মাস আগে রাজ্যপালের দায়িত্ব নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন আনন্দ বোস।দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই রাজ্য সরকারের সঙ্গে তাঁর একাধিক বিষয়ে মতভেদ তৈরি হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা থেকে প্রশাসনিক নানা বিষয় নিয়ে তিনি রাজ্য সরকারকে বারবার সমালোচনা করেছিলেন। রাজ্যপাল এবং নবান্নের মধ্যে একাধিক ইস্যুতে ঠান্ডা লড়াই চলেছিল দীর্ঘদিন।এই পরিস্থিতির মধ্যেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর ইস্তফা এবং নতুন রাজ্যপাল হিসেবে রবীন্দ্র নারায়ণ রবির আগমন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের একাংশের দাবি, তামিলনাড়ুতে দায়িত্বে থাকাকালীন রাজ্য সরকারের সঙ্গে বারবার সংঘাতে জড়ানো একজনকে বাংলায় পাঠানোর পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে।এদিকে দিল্লি থেকে কলকাতায় ফিরে নিজের পদত্যাগ নিয়ে আনন্দ বোস সংক্ষিপ্ত মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সময় হলে সব কথা জানাবেন। এরপর আর রাজভবনে ওঠেননি তিনি। সৌজন্যের খাতিরে তাঁকে রাজ্য সরকারের তরফে সৌজন্য নামে একটি ভবনে থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। এমনকি যাওয়ার আগে নিজের জিনিসপত্র গুছিয়ে নিতে রাজভবনেও আর যাননি তিনি।

মার্চ ১২, ২০২৬
কলকাতা

যৌন হেনস্থার অভিযোগে বিতর্কিত আইনজীবী ফিরদৌস শামিম, আপাতত গ্রেফতারি থেকে রক্ষা

সহকর্মী এক মহিলা আইনজীবীকে যৌন হেনস্থার অভিযোগে অভিযুক্ত আইনজীবী ফিরদৌস শামিম আপাতত গ্রেফতারি থেকে স্বস্তি পেলেন। আগামী একত্রিশ মার্চ পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত এই নির্দেশ দিয়েছেন।অভিযোগ সামনে আসার পরই ফিরদৌস শামিম কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। তিনি আগাম জামিনের আবেদন করেন। বুধবার বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের এজলাসে সেই মামলার শুনানি হয়। শুনানির সময় ফিরদৌসের আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। এর পরই বিচারপতি আপাতত তাঁকে গ্রেফতার না করার নির্দেশ দেন।অভিযোগকারী মহিলা আইনজীবীর দাবি, তিনি জুনিয়র হিসেবে ফিরদৌস শামিমের চেম্বারে কাজ শুরু করেছিলেন। সেখানেই তাঁকে শ্লীলতাহানি ও যৌন হেনস্থা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এই ঘটনার পর হেয়ার স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওই মহিলা আইনজীবী। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশের তরফে তদন্ত শুরু হয়। কলকাতা পুলিশের ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, এক মহিলা আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থা, অশ্লীল আচরণ এবং কুরুচিকর মন্তব্যের অভিযোগ করেছেন।সেই অভিযোগের ভিত্তিতে হেয়ার স্ট্রিট থানায় একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার চুয়াত্তর, পঁচাত্তর, ঊনআশি, তিনশো একান্ন উপধারা দুই এবং একশো ছাব্বিশ উপধারা দুই ধারায় শ্লীলতাহানি, যৌন হেনস্থা, অশ্লীল আচরণ, অপরাধমূলক ভয় দেখানো এবং অন্যায়ভাবে আটকে রাখার অভিযোগে মামলা হয়েছে।তবে শুরু থেকেই নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফিরদৌস শামিম। তাঁর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এখন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আপাতত একত্রিশ মার্চ পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। মামলার পরবর্তী শুনানির দিকেই এখন নজর রয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২৬
দেশ

হরমুজ প্রণালী খুলল ভারতের জন্য! মোদি সরকারের কূটনীতিতে নরম ইরান

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তৈরি হওয়া জ্বালানি সংকটের মাঝেই ভারতের জন্য এল বড় স্বস্তির খবর। সূত্রের দাবি, কূটনৈতিক তৎপরতার জেরে হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান। ইতিমধ্যেই পুষ্পক এবং পরিমল নামে দুটি পণ্যবাহী জাহাজ নিরাপদে হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, তা কিছুটা কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা ভয়াবহ যুদ্ধের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা লেগেছে। ইরানের হামলার আশঙ্কায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল পরিবহণ কার্যত থমকে গিয়েছিল। এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ দিয়ে বিশ্বের বড় অংশের তেল বাণিজ্য হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠার পর কার্যত হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। শুধু রাশিয়া এবং চিনের জাহাজকে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল ভারতের নামও। সূত্রের খবর, ইরানের বিদেশ মন্ত্রক মৌখিকভাবে ভারতের পতাকাবাহী জাহাজগুলিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতের অনুমতি দিয়েছে। তবে আমেরিকা, ইজরায়েল এবং ইউরোপের দেশগুলির জাহাজের উপর এখনও নিষেধাজ্ঞা বজায় রেখেছে ইরানের ইসলামিক রেভলুশনারি গার্ড ফোর্স।এই সিদ্ধান্তের আগে ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আরাগাছির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই কথোপকথনে পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি এবং বাণিজ্যিক জাহাজগুলির নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বলে জানা গিয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতীয় জাহাজ চলাচলের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে।সূত্রের দাবি, গত দুসপ্তাহ ধরে দুই দেশের মধ্যে একাধিকবার এই বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছিল। একাধিকবার ফোনে কথা হয়েছে দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীর মধ্যে। পর্দার আড়ালেও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা চলছিল। সেই তৎপরতার ফলেই আপাতত হরমুজ প্রণালীর ওপারে আটকে থাকা ভারতীয় জাহাজগুলিকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার অনুমতি মিলেছে।মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে ভারত শুরু থেকেই প্রকাশ্যে নিরপেক্ষ অবস্থান নিয়েছে। তবে ভারত মহাসাগরে ভারতীয় জলসীমার কাছে ইরানের একটি যুদ্ধজাহাজে আমেরিকার হামলার পর ভারত মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয়। এর মধ্যেই হরমুজ প্রণালীর কাছেই একটি থাই পণ্যবাহী জাহাজে হামলার ঘটনায় এক ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছিল।তার পর থেকেই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। ভারত সরকার দ্রুত ইরানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে। সেই কূটনৈতিক উদ্যোগের ফলেই এই অনুমতি মিলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

মার্চ ১২, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের হামলায় জ্বলল মার্কিন তেল ট্যাঙ্কার, নিহত এক ভারতীয় নাগরিক

পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে আরও এক ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরাকের উপকূলের কাছে আমেরিকার দুটি তেল ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়েছে ইরান। সেই হামলার পর ভয়াবহ আগুন ধরে যায় জাহাজে। ওই ঘটনায় এক ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে গোটা পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা ও সংঘর্ষ চলছে। ইরানের উপর হামলা আরও জোরদার করেছে ইজ়রায়েল এবং আমেরিকা। পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে ইরানও। এই সংঘর্ষে ক্রমশ বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। সাধারণ মানুষও এই যুদ্ধের বলি হচ্ছেন। কাজের সূত্রে পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বহু ভারতীয় থাকেন। সেই কারণে এই সংঘর্ষে ভারতীয় নাগরিকরাও বিপদের মুখে পড়ছেন।সংবাদসংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরাকের জলসীমার মধ্যে খোর আল জুবায়ের বন্দরের কাছে হামলার ঘটনা ঘটে। সাফেসি বিষ্ণু নামে একটি জাহাজে থাকা আমেরিকার দুটি তেল ট্যাঙ্কারে ইরানের নৌকা থেকে হামলা চালানো হয়। হামলার পর মুহূর্তের মধ্যে আগুন ধরে যায় ট্যাঙ্কার দুটিতে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং জাহাজ থেকে তেল সমুদ্রে পড়তে শুরু করে।এই ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ট্যাঙ্কার থেকে আগুনের বিশাল শিখা উঠছে এবং চারদিকে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ছে। জানা গিয়েছে, ওই ট্যাঙ্কারগুলিতে প্রায় চার লক্ষ ব্যারেল তেল ছিল।হামলায় নিহত ভারতীয় নাগরিকের নাম এখনও প্রকাশ করা হয়নি। জাহাজে থাকা বাকি সাতাশ জন সদস্য এবং কর্মীকে উদ্ধার করে দক্ষিণ ইরাকের বসরা শহরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পশ্চিম এশিয়ার এই সংঘর্ষ এখন ত্রয়োদশ দিনে পৌঁছেছে। এখনও পর্যন্ত তিনজন ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহত হয়েছেন কুড়ির বেশি মানুষ। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে খবর।কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ইতিমধ্যেই দুজন ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বের প্রথম দিন সংসদে বিদেশমন্ত্রী সুব্রহ্মণ্য জয়শঙ্কর জানান, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতে দুই ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে এবং একজন এখনও নিখোঁজ। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।মৃত ভারতীয় নাগরিকদের প্রতি শোকপ্রকাশও করেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি আরও জানান, ইরানে বহু ভারতীয় পড়ুয়া এখনও আটকে রয়েছেন। পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে প্রায় এক কোটির বেশি ভারতীয় বসবাস করেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁদের নিরাপত্তাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২৬
কলকাতা

বাংলার ভোটের দিন কি ১৬ মার্চই ঘোষণা? তুঙ্গে জল্পনা, ঝুলে ৬০ লক্ষ ভোটারের ভাগ্য

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। সূত্রের খবর, সম্ভবত ১৬ মার্চ রাজ্যের ভোটের দিন ঘোষণা করা হতে পারে। বাংলার পাশাপাশি তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরির নির্বাচন সূচিও একই সঙ্গে ঘোষণা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।তবে ভোটের দিন ঘোষণার আগেই বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬০ লক্ষ বিচারাধীন ভোটারের ভবিষ্যৎ। এখনও তাঁদের নাম নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তার মধ্যেই নির্বাচন ঘোষণার সম্ভাবনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রথম থেকেই জল্পনা ছিল মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ভোটের দিন ঘোষণা হতে পারে। সেই সম্ভাবনাই এখন আরও জোরালো হয়েছে। ইতিমধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পূর্ণ বেঞ্চ রাজ্যে এসে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে গিয়েছে।রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি প্রশাসনের শীর্ষ কর্তা, জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের সঙ্গেও দীর্ঘ আলোচনা করেছে কমিশন। আগামী নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতেই কমিশন বিশেষভাবে সতর্ক বলে জানা গিয়েছে।রাজ্যে কত দফায় ভোট হবে, তা নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে। এক থেকে তিন দফার মধ্যে ভোট হতে পারে বলে একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে রাজ্যের প্রায় সব বিরোধী দল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে জানিয়েছে, তারা এক বা দুই দফাতেই ভোট চায়। তাদের দাবি, যত কম দফায় ভোট হবে, ততই অশান্তির সম্ভাবনা কম থাকবে।সূত্রের খবর, সব কিছু ঠিক থাকলে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে প্রথম দফার ভোট হতে পারে। আর ভোটের ফল ঘোষণাও এপ্রিল মাসের মধ্যেই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এরই মধ্যে বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে বিচারাধীন ভোটারদের বিষয়টি। বর্তমানে প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম নিয়ে জটিলতা রয়েছে। এই তালিকার ভাগ্য নির্ধারণের কাজ করছেন বিচারিক আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, প্রায় পাঁচশো জন বিচারিক আধিকারিক এই কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।গত সোমবার এই বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একটি আগাম আবেদন করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী। তবে সেই আবেদনে অসন্তোষ প্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্ট তা খারিজ করে দেয়। আদালত জানায়, গত সোমবার পর্যন্ত প্রায় ১০ লক্ষ বিচারাধীন ভোটারের বিষয় নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে এখনও বহু মানুষের বিষয় ঝুলে রয়েছে।জানা যাচ্ছে, বিচারাধীনদের শুনানির প্রক্রিয়া চলতেই থাকবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত সম্পূরক ভোটার তালিকাও প্রকাশ করা যেতে পারে। সুপ্রিম কোর্ট আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছে, যত দ্রুত সম্ভব এই তালিকা চূড়ান্ত করতে হবে।অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনও জানিয়ে দিয়েছে, ভোটের আগেই বিচারাধীন ভোটারদের ভাগ্য নির্ধারণ করার চেষ্টা করা হবে। এখন সবাই তাকিয়ে রয়েছে ১৬ মার্চের দিকে। ওই দিনই কি বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal