• ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩, রবিবার ১২ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

TMC

রাজ্য

পরেশ অধিকারীর খোঁজ মিলল দেড়দিন পর, কড়া নির্দেশ বিচারপতির

উধাও হয়ে গিয়েছিলেন বর্ধমান স্টেশন থেকে। তা-ও আবার দেখা মিলেছিল সিসিটিভি ফুটেজে। তারপর বর্ধমানে কারও আতিথিয়েতায় ছিলেন না অন্য কোথাও ছিলেন তা সরকারি ভাবে কেউ স্বীকার করেননি। অবশেষে দেড় দিন পরে উত্তরবঙ্গের বাগডোগরা বিমানবন্দরে দেখা মিলল রাজ্যের শিক্ষা দফতরের প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীকে। তবে এবার আর তাঁর সঙ্গে কন্যাকে দেখা যায়নি।গতকাল ভোর চারটে বাহান্ন মিনিটে বর্ধমান স্টেশনে সকন্যা পরেশ অধিকারীর ছবি মিলিছে। সূত্রের খবর, পদাতিক এক্সপ্রেসে তিনি আর শিয়ালদা যাননি। বর্ধমানে নেমে গিয়েছেন। তারপর থেকে তাঁর আর কোনও খোঁজ মেলেনি। সিবিআইয়ের সঙ্গেও যোগাযোগ করেননি পরেশ অধিকারী বা তাঁর আইনজীবী। আজ তাঁর আইনজীবী যোগাযোগ করেন সিবিআইয়ের সঙ্গে। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ও কড়া নির্দেশ দিয়েছেন।এসএসসিতে মেয়ের নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। গত মঙ্গলবার পরেশ অধিকারীকে সিবিআইয়ের দফতরে হাজির হতে আদালত নির্দেশ দেয়। ওই দিন রাতে সকন্যা পদাতিক এক্সপ্রেসে কলকাতা রওনা দেন মন্ত্রী। বুধবার সকালে কলকাতায় ট্রেন পৌঁছালেও হদিশ পাওয়া যায়নি কন্যাসহ মন্ত্রীর। তারপর বর্ধমান স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আসে। তারপর থেকে আর কোনও খোঁজ মেলেনি তাঁদের।এই পরিস্থিতিতেই ডিভিশন বেঞ্চে আপিল করনে তিনি। দুপুরে অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায় স্পষ্ট নির্দেশ দেন বিকেল ৩টের মধ্যে পরেশ অধিকারীকে সিবিআই দফতরে হাজির হতে হবে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সিবিআইয়ের কাছে সময় চেয়ে মেইল করেনি তিনি। বাগডোগরায় কলকাতাগামী বিমানে আসছেন পরেশ অধিকারী একথা শোনার পর অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় স্পষ্ট নির্দেশ দেন কলকাতা বিমান বন্দর থেকে সরাসরি নিজাম প্যালেসে যাবেন তিনি। বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের পাহারায় যাবেন। তা নাহলে আদালত অবমাননা বলে গন্য হবে। এরই মধ্যে সিবিআই তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর করেছে।

মে ১৯, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পরিস্থিতি অনুধাবন করেই কী নিজাম প্যালেসে ছুটেছেন অনুব্রত মন্ডল?

তলবের পর তলব। পাল্টা একের পর এক আইনজীবীর চিঠি। তবে এবার কী এমন হল যে নিজেই যাওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করে ২৪ ঘন্টার মধ্যে সিবিআই দফতরে হাজির হলেন অনুব্রত? গরুপাচার কাণ্ডে সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার আগেই হাজির হয়ে যান বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। তাহলে কী এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের পরিস্থিতি দেখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য অনুব্রত মন্ডল। সূত্রের খবর, সিবিআই দফতরে প্রবেশ করতেই তাঁকে রেস্ট রুমে বসানো হয়। প্রশ্নমালা তৈরি করে জিজ্ঞাসাবাদও শুরু করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এর আগে বেশ কয়েকজনকে এই মামলায় গ্রেফতার করেছে সিবিআই।এর আগে গরুপাচারকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অনুব্রত মন্ডলকে একাধিকবার তলব করে সিবিআই। কিন্তু তিনি শারীরিক অসুস্থতার জন্য এসএসকেএমের উডবার্ণ ওয়ার্ডে ভর্তি হয়ে যান। তারপর কলকাতার চিনারপার্কের ফ্লাটে ফিরেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআইকে নানা শর্ত আরোপ করতে থাকেন এই তৃণমূল নেতা। সিবিআই ক্রমাগত ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে থাকে। এই মুহূর্তে সিবিআইয়ের হাতে এই রাজ্যের একাধিক ঘটনার তদন্তভার রয়েছে। এদিকে এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এর আগে ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে সিবিআই হাজিরা এড়াতে পেরেছেন। বুধবার ডিভিশন বেঞ্চ সেই সুযোগ দেয়নি। বুধবার রাজ্যের এই প্রবীণ মন্ত্রীকে সাড়ে তিন ঘন্টা সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হয়। অভিজ্ঞ মহলের ধারনা, পরিস্থিতি বিচার করে আর দেরি করেননি অনুব্রত মন্ডল। তবে ভবিষ্যতে এর কারণ উপলব্ধি করা যেতে পারে বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।

মে ১৯, ২০২২
রাজ্য

'গ্যাচাং ফু, এক সেকেন্ডে কেটে দেব,' কড়া হুঁশিয়ারি মমতার

তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের নতুন স্লোগান ঘোষণা করলেন মেদিনীপুরের কর্মীসভায়। এই কর্মীসভার মাধ্যমেই জেলায় জেলায় রাজনৈতিক কর্মসূচি শুরু করলেন তৃণমূল নেত্রী। এদিন তিনি বলেন, আমি নই আমরা। এই স্লোগানটা চলবে তৃণমূল কংগ্রেসে। সবাইকে নিয়ে চলতে হবে। আমরা একত্রিত হয়ে কাজ করলে দিল্লি পার পাবে না। দিল্লি বাংলার মুঠোয় আসবে। জেলা পরিষদের সদস্য যদি মনে করেন আমি আমার মতো করে নিলাম। গ্যাচাং ফু হবে। এক সেকেন্ডে কেটে দেব।সংগঠন ধরে রাখতে যে মানুষের পাশে থাকতে হবে মমতা সেই বার্তাই দেন এদিনের সভায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাঁরা মানুষের জন্য কাজ করবে দরকারে তাঁদের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করব। যাঁরা মানুষের কাজ না করে নিজের কাজ করবে তাদের আমি বলব দয়া করে ঘরে বসে যান। অনেক করেছেন। এর থেকে বেশি আমরা চাই না।এদিনের সভায় তৃণমূলনেত্রী জানিয়ে দেন, এবার থেকে তিনি যে যে জেলায় প্রশাসনিক বৈঠক করবেন সেখানে বুথ কর্মীদের নিয়ে সভাও করবেন। মমতা বলেন, আমি এবার থেকে ঠিক করেছি যে যে জেলায় প্রশাসনিক বৈঠকে যাব। সেই সেই জেলায় আমি আমার বুথ কর্মীদের সঙ্গে মিলিত হব। তার কারণ, তাঁরাই আমাদের দলের সম্পদ। মঞ্চে বসে থাকে কজন। হাতে গোনা কজন। নীচে বসে থাকে কতজন, লক্ষ লক্ষ লক্ষ কোটি। যাঁরা মঞ্চে বসে থাকে তাঁরা বড় কর্মী না যাঁরা নীচে বসে থাকে তাঁরা বড় কর্মী! এবং এটা মেনে চলতে পারলে তৃণমূল কংগ্রেস একদিন সারা বিশ্ব জয় করবে ভারতবর্ষ জয় করবে।দলের নেতাদেরও এদিন কড়া বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। মমতা বলেন, আমি নেতা তৈরি হলাম কোথা থেকে? নেতা কী গাছ থেকে পড়ে? না। নেতা কাজের মধ্যে থেকে তৈরি হয়। মনে রাখবেন যাঁরা কুকর্ম করে মানুষ তাঁদের চিহ্নত করে মানুষ। মানুষ তাঁদের ঘৃনা করে, মানুষ তাদের ভালবাসে না। মানুষ যদি ভাল না বাসে আমি কেন ভালবাসব? আমি খুব রাফ এন্ড টাফ।

মে ১৮, ২০২২
রাজ্য

বাবুল শপথ নিলেও বিতর্ক পিছু ছাড়ল না, রাজ্যপালকে খোঁচা ডেপুটি স্পিকারের

বিধায়ক পদে শপথ নিলেন বালিগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয়। তবে বিধায়ক পদে শপথ নিলেও শপথগ্রহণ নিয়ে বিতর্ক থেকেই গেল। শপথ বাক্য পাঠ নিয়ে ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে খোঁচা দিতে ছাড়লেন না। রাজ্যপাল বিভেদ চাইছনে বলে ডেপুটি স্পিকার দাবি করেছেন।প্রায় ১ মাস হতে চলল বাবুল সুপ্রিয় বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে জয় পেয়েছেন। কিন্তু তাঁর শপথগ্রহণ নিয়ে জটিলতা শুরু হয়। প্রথমে শপথের ফাইলে সই না করেই ফেরত পাঠিয়ে দেন রাজ্যপাল। বিতর্ক বাড়লে রাজ্যপাল জানিয়ে দেন শপথবাক্য পাঠ করাবেন বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার। আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বাবুলকে শপথ বাক্য পাঠ করাতে চাননি। ফের বিতর্ক শুরু হয়। শেষমেষ এদিন শপথ বাক্য পাঠ করান তিনি। যদিও শপথ অনুষ্ঠানের সময় বিধানসভায় নিজের ঘরে বসেছিলেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিকে ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি শপথ বাক্য পাঠ করাতে চাইনি। রাজ্যপাল আমাদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করতে চাইছেন। অর্থাৎ বাবুলরে বিধায়ক পদে শপথ হওয়ার পরও বিতর্ক কিন্তু পিছু ছাড়ল না।

মে ১১, ২০২২
রাজ্য

সেলিমের পুলিশ না রেখে কুকুর পোষার মন্তব্যে বিতর্ক তুঙ্গে

গতকাল, শনিবার পুলিশকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। প্রাক্তন সাংসদের মন্তব্যে তোলপাড় পুলিশ থেকে রাজনৈতিক মহল। তবে নিজের বক্তব্য থেকে একটুও সরে আসেননি সেলিম। বরং সিপিএম নেতার বক্তব্য, পুলিশের বদলে কুকুর পোষার কথা বলে অপমান করেছেন কুকুরকে। তৃণমূল কংগ্রেস কড়া সমালোচনা করেছে মহম্মদ সেলিমের। পুলিশ মহলের বক্তব্য, সমালোচনা করতেই পারেন তবে এভাবে কুকুরের সঙ্গে তুলনা না করলেই পারতেন।দক্ষিণ ২৪ পরগণার বিষ্ণুপুরে জনসভায় মহম্মদ সেলিম বলেছেন, পুলিশকে কেন মাইনে দিয়ে রাখা হয়েছে। পুলিশকে না রেখে কয়েকটা কুকুর পুষলে ভাল হত। পুলিশের কুকুর থাকে না ট্রেনিং দেওয়া, তাঁরা শুঁকে শুঁকে বলে দিতে পারবে কোন দিকে অপরাধী গিয়েছে। কয়েকটা এসপির বদলে বিদেশি কুকুর রেখে দিলে খুনের কীনারা হয়ে যাবে। সেলিমের এই মন্তব্যে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি।তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, এমন মন্তব্য করে অত্যন্ত নিম্মরুচির পরিচয় দিয়েছেন সেলিম। সিপিএমের সুজন চক্রবর্তী-সহ অন্য নেতারাও এই বিষয়ে তাঁকে সমর্থন করবেন না। নেতাজিকে এরাই তোজোর কুকুর বলেছিল। সিপিএমের আমলে পুলিশ দলদাস ছিল। লালবাজারের নাকের ডগায় বড়বাজারে রশিদ খানের বাড়িতে বোমা বিষ্ফোরণে ১০০জন মারা গিয়েছিল। রশিদ গ্রেফতার হয়েছে। কিন্তু তার পিছনে যে সিপিএম নেতারা ছিল তাঁরা দলের শাস্তির কোপে পড়লেও তাঁদের গ্রেফতার করা হয়নি। এখন পুলিশ নিরপেক্ষ হয়ে কাজ করছে।এদিকে সেলিমের বক্তব্য নিয়ে প্রাক্তন পুলিশ কর্তারাও বিরোধিতা করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, পুলিশ দুর্নীতিযুক্ত নয় তা বলছি না তবে এমন তুলনা না করলেই পারতেন। কিছু সৎ পুলিশ কর্মী-আধিকারিক এখনও আছেন। সিপিএমের আমলেও পুলিশ দলদাসে পরিণত হয়েছিল। লোকাল কমিটির সম্পাদকের সম্মতি ছাড়া পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করতে পারত না। তবে এখন সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে পুলিশ। সব রাজনৈতিক দলই এর জন্য দায়ী।

মে ০৮, ২০২২
রাজ্য

বিজেপি জন্মানোর আগে থেকে সিপিএম আছে, পরে তৃণমূল জন্মেছে', সেলিমের জবাব

রাজনীতিতে এ-টিম, বি-টিম-এর কটাক্ষ চিরকাল হয়ে এসেছে। বিরোধীরা তৃণমূলকে বিজেপির বি-টিম বলে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে। বৃহস্পতিবার তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিপিএমকে বিজেপির বি-টিম বলে দাবি করেছে। এদিন এই প্রসঙ্গে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, বি-টিম ব্যাপারটা উনি ভাল বোঝেন। বিজেপি জন্মানোর আগে থেকে সিপিএম আছে। বিজেপি জন্মানোর পরে তৃণমূল জন্মেছে। ১৯৮০ সালে বিজেপি জন্মেছে। তার ২০ বছর পরে তৃণমূল জন্মেছে। এখন তিনি বলছেন কে কার বাবা, কে কার ব্যাটা।এদিন সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অনুপ্রবেশ নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের দিকে নিশানা করেছেন অমিত শাহ। সিপিএমের রাজ্য় সম্পাদক বলেন, গরুপাচার কাণ্ডে রাজনৈতিক নেতৃত্ব, পুলিশ ও বিএসএফের নেক্সাস রয়েছে। গুজরাতে বসে, দিল্লিতে বসে পাচার প্রক্রিয়া চলে। আগের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পরিবারের নাম জড়িয়েছে। গরুপাচারের জন্য দরজা খোলা হয়। কোটা রয়েছে বিজেপি ও তৃণমূলের। অথচ সীমান্তের গ্রামের বাসিন্দারা উঁচু গাছ চাষ করতে পারে না। সীমান্তের বাসিন্দাদের জীবনযন্ত্রনা রয়েছে। নানা বিধিনিষেধ আছে।সম্প্রতি রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে একজন খুনের পর ৮জনকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। পরে হাসপাতালে আরও ২ জন মারা যায়। এরপর উত্তরপ্রদেশে একই পরিবারের ৫ জনকে গলার নালি কেটে খুন করা হয়। বগটুইতে বিজেপির প্রতিনিধি দল ও উত্তরপ্রদেশে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল যায়। এরাজ্যে কিছু ঘটনা ঘটলেই উত্তরপ্রদেশের সঙ্গে কেন তুলনা টানা হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মহম্মদ সেলিম। তিনি বলেন, উত্তরপ্রদেশের সঙ্গে কেন তুলনা হবে? আগে কোনও দিন হয়েছে কি? হাতরাস রয়েছে বলে হাঁসখালি হতে হবে? এসএসসির নিয়োগ ঘোষণা নিয়ে সেলিমের মত, তিনি চপ থেকে চাপে এসেছেন। দীর্ঘদিন লড়াই করেছে চাকরি পরীক্ষার্থীরা। রাস্তার ধারে পড়ে থেকে লাঠি খেয়েছে। শুধু এসএসসি নয় মাদ্রাসা শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে আন্দোলন হচ্ছে। আজ ঘোষণা করছেন। অথচ লক্ষ লক্ষ পদ খালি রয়েছে। কোনও স্কুলে একজন শিক্ষক। তিনিই রান্না করেন। তিনিই পড়ান। ২০১৬ সালে যে পদের ভিত্তিতে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেন তাঁরা গেলেন কোথায়। শিক্ষা দফতরের দুর্নীতিতে দুই মন্ত্রীই যুক্ত বলে অভিযোগ করেছেন সেলিম। সিবিআই তদন্ত নিয়ে সেলিম বলেন, দিল্লি সিবিআইয়ের নির্দেশ না পেলে এগোবে না।

মে ০৫, ২০২২
রাজ্য

নয়া কমিটি গঠনেও অস্বস্তি ত্রিপুরা তৃণমূলে, পৃথক বৈঠক কোর কমিটির সদস্যর

ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেসের নয়া রাজ্য কমিটি গঠন করার পরও দলের অন্তর্দ্বন্দ্ব মেটেনি। বরং কোর কমিটির অনেকেই নিষ্ক্রিয় হয়ে রয়েছেন। প্রথম রাজ্য কমিটির বৈঠকেও অনেকে গড়হাজির ছিলেন। সূত্রের খবর, কমিটি গঠনের পরের দিনই রবীন্দ্রপল্লীতে কোর কমিটির সদস্য আশিস দাসের বাড়িতে তৃণমূলের একাংশ বৈঠকে বসে। সেখানে হাজির ২৫ জন সদস্যের মধ্যে ৭ জন এক্সিকিউটিভ সদস্য ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তবে আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে এখনও প্রকাশ্যে কিছু বলেননি প্রাক্তন বিধায়ক আশিস দাস।আশিস দাসের বাড়ির বৈঠকে পায়ের দিকের তোলা ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। হঠাৎ পায়ের ছবি কেন? রাজনৈতিক মহলের মতে, তাহলে কী নতুন কোনও দলের যাত্রা শুরু হতে চলেছে ত্রিপুরায়। কারণ, তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ কর্তাকে নিয়ে এর আগে বেশ কয়েকবার নিজের ক্ষোভ সোশাল মিডিয়ায় উগরে দিয়েছিলেন বিজেপির এই প্রাক্তন বিধায়ক। কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছিলেন তিনি। বিজেপি ছেড়ে আসার পর টানা চার মাস তিনি প্রায় বসেছিলেন। দলও তাঁকে কোনও গুরুত্ব দেয়নি বলেই তাঁর দাবি। ওই নেতৃত্ব দ্বারা ত্রিপুরায় পরিবর্তন আসবে না বলেই আশিসবাবু ঘনিষ্ঠ মহলে মন্তব্য করেছেন। অভিজ্ঞ মহল মনে করছে ওই নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর বনিবনা হওয়া খুবই শক্ত। সেক্ষেত্রে দলের বাইরে পৃথক ভাবে নিজের বাসভবনে বৈঠক করা যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তবে একাংশের বক্তব্য, এই বৈঠক করে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চাইছেন আশিস দাস।নব গঠিত রাজ্য কমিটির প্রথম বৈঠকএদিকে আরেক কোর কমিটির সদস্য তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি আশিসলাল সিংকেও ত্রিপুরা তৃণমূলের কোনও বৈঠকে দেখা যাচ্ছে না। শারীরিক ভাবে অসুস্থতার কারণেই তিনি আসতে পারছেন না বলে ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি জানিয়েছেন। তবে তিপ্রা মথার নেতৃত্বের সঙ্গেও তাঁর যথেষ্ট সদ্ভাব রয়েছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, এমনকী ওই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আশিসলাল সিংয়ের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। এদিকে তৃণমূলের নয়া রাজ্য সভাপতি সুবল ভৌমিক সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন এমন খবর তিনি জানেন না। প্রয়োজনে তাঁদের সঙ্গে কথা বলে নেবেন তিনি।তৃতীয়বার বঙ্গ বিজয়ের পর ত্রিপুরায় হানা দেয় তৃণমূল কংগ্রেস। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের গোষ্ঠীকলহ নিয়ন্ত্রণে না আনতে আদপে ফায়দা হবে বিজেপির। যে ভাবে দলকে না জানিয়ে পৃথক বৈঠক করছেন কোর কমিটির সদস্য, আরেক কোর কমিটির সদস্য অন্য দলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছেন। সেক্ষেত্রে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব হস্তক্ষেপ না করলে অনেকটা দেরি হয়ে যাবে। ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনে সেই গোয়ার ফলফালের রিপিট যেতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ০৪, ২০২২
রাজনীতি

সোশাল মিডিয়ায় কী লিখলেন দেবাংশু? পোস্ট ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেসে তুলকালাম, মুহূর্তে ডিলিট

গত ২০২১-এ এই দিনে উত্তেজনায় টগবগ করছিল সারা বাংলা। পরের দিন ছিল বিধানসভা নির্বাচনের গণনা। ২ মে ফল প্রকাশের পর দেখা গেল টানা তৃতীয়বারের জন্য রাজ্যে ক্ষমতাসীন হতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস। ২১৩টি আসন পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি ৭৭টি। কংগ্রেস ও সিপিএম কোনও আসনেই জয় পায়নি। এরইমধ্যে সিপিএমের জোটসঙ্গী আব্বাস-উদ্দিনের দল ভাঙড়ের আসনে জয়লাভ করে।তৃণমূলের জয়ের পর বিজেপি থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে ঘরে ফিরতে শুরু করে। তাঁদের না ফেরানো নিয়ে আগেই মন্তব্য করেছিলেন যুব তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য। ফের এদিন সোশাল মিডিয়ায় সেই আবহের কথা তুলে ধরে গঙ্গা জলের সঙ্গে ড্রেনের জলের তুলনা টেনেছেন দেবাংশু। বিতর্ক শুরু হতেই ফের সেই পোস্ট ডিলিটও করে দিয়েছেন তিনি। তবে সেটা যে তৃণমূল কংগ্রেসের অনেকেরই মনে কথা, তা নিয়ে দলের অভ্যন্তরে চর্চা অভ্যাহত।এদিন দেবাংশু লিখেছেন, গত বছর ঠিক আজকের দিন পর্যন্ত রাজ্যে যে তৃণমূলটা ছিল, সেটাই নিষ্কলুষ। ধান্দাবাজহীন, অকৃত্রিম, প্রকৃত তৃণমূল। তারপর তো বন্যা এল! গঙ্গার জল, ড্রেনের জল সব মিলেমিশে একাকার! তবুও দলে একটা স্ট্রং ফিল্টার আছে বলেই বিশ্বাস। তারা পিছনের সারিতেই থাকবেন, সেটাও বিশ্বাস করে দলের কর্মীরা। তৃণমূল ফের ক্ষমতায় আসার পর লাইন দিয়ে ঘরওয়াপসি শুরু হয়ে যায়। অনেক পদও পেয়ে গিয়েছেন। দেবাংশুর এই পোস্ট ঘিরে শোরগোল পড়তেই বিতর্ক এড়াতে সেটাও ডিলিট করে দেন তরুন তুর্কি এই যুব নেতা। রাজনৈতিক মহলের মতে, পোস্টের ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে ফের আর একটা পোস্ট করেন দেবাংশু। একসময় এই যুবনেতা হুঙ্কার ছেড়েছিল, বিজেপি থেকে দলে ফিরলে তিনি গদ্দারদের আটকাতে তৃণমূল ভবনের দরজায় শুয়ে থাকবেন। যদি পাল পালে তৃণমূলে ফিরলেও তিনি আটকাতে পারেননি।বিতর্ক বাড়তেই পোস্ট ডিলিট দেবাংশুরধাপে ধাপে একাধিক বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। কৃষ্ণনগরের বিধায়ক মুকুল রায়কে দিয়ে এই ঘরে ফেরার পালা শুরু হয়েছিল। ইদানিং ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ পাট শিল্প নিয়ে বিদ্রোহ করেছেন কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে আন্দোলনে রাজি বলেও তিনি ঘোষণা করেন। চিঠি দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ফের জল্পনা শুরু হয়ে যায় তাঁর তৃণমূলে ফেরা নিয়ে। কারণ এর আগে বাংলার মানুষ দেখেছে কীভাবে দলনেত্রীসহ তৃণমূল নেতৃত্বকে কড়া সমালোচনা করেও দলে দলে বিজেপি থেকে ঘাসফুল শিবিরে ফিরে গিয়েছেন। এমনকী অর্জুন সিংয়ের ভাইপো ভাটপাড়া পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান সৌরভ সিং যিনি রাজনীতিতে তাঁর ডানা হাত বলে পরিচিত ছিলেন, তিনিও তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। এমন অনেকেই ফের তৃণমূলে পা বাড়িয়ে রয়েছেন বলে মনে করে রাজনৈতিক মহল।বিতর্ক বাড়তেই পোস্ট ডিলিট দেবাংশুরপোস্ট ঘিরে বিতর্ক বাড়তেই তা ডিলিট করে দেন দেবাংশু। ফের তিনি পোস্ট করে লেখেন, শেষ পোষ্টের অর্থ হয়ত ঠিকঠাক বোঝাতে পারিনি। অকারণ বিতর্ক হচ্ছে। তাই পোস্ট ডিলিট করলাম। কর্মীরাই দলের সম্পদ। সবাইকে নিয়ে চলতে হবে। তৃণমূল কংগ্রেস শৃঙ্খলাবদ্ধ দল। দলের সিদ্ধান্তের উপর ভরসা রাখতে হবে। এই দলে কর্মীদের স্বার্থ সবার আগে দেখা হয়। কারণ, এই দলের নেত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পোস্ট, ডিলিট, ফের পোস্ট যাই হোক না কেন তৃণমূল নেতা-কর্মীদের একাংশের মনে কথা দেবাংশু লিখেছেন বলে তাঁরা মনে করছেন।

মে ০১, ২০২২
দেশ

প্রদ্যুত কিশোর ও আশিসলাল এক মঞ্চে থাকলে রাতের ঘুম উড়বে অন্যদের

ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন রাজ্য কমিটি ঘোষণায় তোলপাড়। নতুন কমিটির সভাপতি হয়েছেন সুবল ভৌমিক। তাছাড়া ৬ জনের কোর কমিটি গঠন করা হয়েছে। কোর কমিটিতেও আছেন সুবল ভৌমিক। তাছাড়া বাকি পাঁচজন হলেন সুস্মিতা দেব, আশিসলাল সিং, আশিস দাস, ভৃগুরাম রিয়াং ও মামন খান। আরও একাধিক পদ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে দলের নয়া কমিটি ঘোষণার পর থেকেই ত্রিপুরা তৃণমূলের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও প্রাক্তন বিজেপি বিধায়কের মধ্যেই বিরূপ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গিয়েছে। এঁদের পাশাপাশি ত্রিপুরা তৃণমূলের একাধিক নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভ-বিক্ষোভ চলছে।ত্রিপুরা তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি আশিসলাল সিং কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন জনতার কথা-কে। আশিসবাবু বলেন, আমি দলের সৈনিক। দুঃসময়ে দলে ছিলাম। তবে দলের বোঝা হয়ে লাভ নেই। দলকে যদি জেতাতে না পারি তাহলে পদে থেকে কী হবে? আশিসলাল সিংয়ের মতোই আশিস দাসও নতুন কমিটি নিয়ে নিরাশ। এর আগে সোশাল মিডিয়ায় দলের নেতৃত্বের প্রতি নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। ক্ষমতাসীন দলের বিধায়ক পদ ছেড়ে ন্যাড়া হয়ে প্রায়শ্চিত্ত করে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন আশিস দাস। সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন বাংলা ও ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহলে। কিন্তু সময় যত গড়িয়েছে ততই তিনি ঘরে বসে গিয়েছেন। দূরে থেকেছেন রাজনীতি থেকে। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তাঁকে দেখাই যায়নি বললেই চলে।এদিন আশিস দাস জনতার কথা-কে বলেন, ত্রিপুরার মানুষ খুব সেন্টিমেন্টাল। ত্রিপুরার মানুষের পালস নিয়ে যেভাবে খেলা হচ্ছে রাজ্যের মানুষ কিন্তু ক্ষমা করবে না। অতিদর্পে হত লঙ্কা। ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনের ফলকে ভিত্তি করে পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬-এ কিছু একটা হবে। এক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ নেগেটিভ দিকের কথা বলেন তিনি। তাঁর ব্যাঙ্গ, পরকীয়া করতে অনেকে আনন্দ পায়। ধরা পড়লে পরকীয়ার স্বাদ কি তখন বুঝবে। ত্রিপুরায় পরকীয়া চলছে। এটা ধরা পড়বে। রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্নের জবাবে আশিস দাস বলেন, আমার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ সময়ই বলবে। তবে বলতে পারি একটা সম্ভাবনাটা নষ্ট হয় গেল।তৃণমূলের নয়া কমিটি গঠন নিয়ে দলের একাংশ ক্ষুব্ধ। রতন সরকার, বেচারাম দাস, অসিত ঘোষ, দুর্যোধন দাসদের মতো একনিষ্ঠরা দলে জায়গা পায়নি। ত্রিপুরা তৃণমূলের একটা বড় অংশ যোগাযোগ রাখছে তিপ্রা মথার নেতৃত্বের সঙ্গে। একথা স্বীকারও করেছে তিপ্রা মথা। রাজনৈতিক মহলের মতে, মহারাজ বীর বিক্রম মানিক্য বাহাদুর ও টানা ২৪ বছরের ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী শচীন্দ্রলাল সিংয়ের সময় ত্রিপুরায় উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ হয়েছিল। এই দুই পরিবারের কেউ ত্রিপুরাকে ঠকায়নি। সর্বদা ত্রিপুরার মানুষের পাশে ছিল। এখন তিপ্রা মথার চেয়ারম্যান মহারাজ বীর বিক্রমের নাতি প্রদ্যুত কিশোর মানিক্য দেববর্মন। শচীন্দ্রলালের পুত্র আশিসলাল সিং ত্রিপুরা তৃণমূলের অন্যতম শীর্ষ নেতা। অভিজ্ঞ মহলের মতে, প্রদ্যুত কিশোর ও আশিসলাল এক হয়ে লড়াই করলে বাকিরা বেসামাল হয়ে যাবে। রাজ্যে ক্ষমতা দখলের লড়াই হবে বিজেপি ও তিপ্রা মথার মধ্যে। তারপর সিপিএম, কংগ্রেস থাকবে। লড়াইয়ে থাকতে পারে আম আদমি পার্টিও। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস কোন স্থানে থাকবে তা নিয়ে সংশয়ে পড়েছে দলেরই একাংশ।আশিস দাসেরবিজেপি ত্যাগ করে মস্তক মুন্ডনআশিসলালের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল তাদের দুই প্রার্থীকে লড়াইয়ের জন্য আর্থিক সাহায্য দিয়েছিল। তা সত্বেও আগরতলা পূর্ব আসনের প্রার্থীকে দলীয় প্রচারের জন্য কয়েকলক্ষ টাকা নির্বাচনী প্রচারকার্যের জন্য দিয়েছিলেন আশিসলাল সিং। ২০১৮ বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিপুরা তৃণমূলের রাজ্য সভাপতিকে কোনও ফান্ড দেয়নি দল। প্রার্থীদের মাত্র ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছিল। তখনও ত্রিপুরায় যাতায়াত করা নেতাদের হোটেল বিল, গাড়ির ভাড়া দিয়েছিলেন আশিসলাল সিং। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে একটা আসনে প্রার্থী দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। দলীয় প্রার্থী মামন খানকে প্রচারের জন্য একটা টাকাও দেয়নি দলীয় নেতৃত্ব। ১৭ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন আশিসলাল সিং। দলের ওই অংশের দাবি, শুধু দলীয় কর্মীদের পাশে নয়, আর্থিক ভাবেও দলের পাশে বারংবার দাঁড়িয়েছেন শচীন্দ্রলাল পুত্র। মান রেখেছেন পিতার।তৃণমূল সূত্রে খবর, গত ২১ জুলাই দলবদলুরা দলে আসেনি। ৮২ জন নেতা-কর্মীসহ কৈলাশহরে গ্রেফতার হয়েছিলেন আশিসলাল। সারা ত্রিপুরায় দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের ভার্চুয়াল ভাষণ চলেছে। প্রতিদিন কয়েকশো লোক যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। পোলো টাওয়ারে রাতের অন্ধকারে দলবদলুরা যোগ দিতেই দলে যোগদান পর্ব কমতে শুরু করল। মে থেকে জুলাই প্রায় ৫২ হাজার নেতা-কর্মী যোগ দিয়েছিল তৃণমূলে।ত্রিপুরা তৃণমূলের একাংশের বক্তব্য, যুব, মহিলা, এসটি মোর্চায় শিক্ষিত কাজের লোক থাকা সত্বেও তাঁদের দল দায়িত্ব দেয়নি। সভাপতি করা হয়েছে তৃতীয় শ্রেণি, অষ্টমশ্রেণি পাস লোকজনদের। কেউ আবার জেল খেটে জামিনে রয়েছেন। ওই মামলা কিন্তু রাজনৈতিক নয়। মোদ্দা কথা, ত্রিপুরায় সম্ভাবনা অনেকটাই নষ্ট হয়ে গেল বলে আশিস দাসের মতোই দলের নেতা-কর্মীদের অনেকে মনে করছেন।

মে ০১, ২০২২
রাজ্য

মানুষের পকেট কেটে কেন্দ্রের আয় ১৭ লক্ষ কোটি', ৩০০ টাকা কমনো হোক রান্নার গ্যাসেরঃ মমতা

রান্নার গ্যাসের দাম বেড়েই চলেছে। এখনই রান্নার গ্যাসের দাম কমানোর দাবি জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি মমতার দাবি, যখন বিশ্ব বাজারে তেলের দাম কম ছিল তখন ক্রমাগত দাম বাড়িয়ে গিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রান্নার গ্যাসের দাম ৩০০ টাকা কমানো উচিত। পেট্রল, ডিজেলের দামও কমানো উচিত। যখন সারা বিশ্বে দাম কমিয়েছিল তখনও দাম কমায়নি কেন্দ্র। ওদের একটা ফান্ড থাকবে। নিজের ইচ্ছামত খরচ করবে পার্টির স্বার্থে। দেখাবে সরকার খরচ করছে। মানুষের পকেট কেটে সব দোষ চাপায় রাজ্যের। সাধু সেজেছে সব নন্দ ঘোষ। এটা তো হতে পারে না।এবার মোদি-মমতা পৃথক বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা নেই। একথা বললেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কাল রাতে পৌছাবে পরশু চলে আসব। এবার তাড়াতাড়ি চলে আসব। এবার আর আলাদা করে দেখা হবে না।গতকাল, বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীদের এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পেট্রল, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির জন্য রাজ্যগুলির ওপর দোষ চাপিয়েছেন। তার মধ্যে বাংলার নামও করেছেন তিনি। তবে গতকালের বৈঠক নিয়ে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষুব্ধ তা এদিন তাঁর মন্তব্যে স্পষ্ট।মমতা বলেন, গতকাল কোভিড এজেন্ডা ছিল না। আগামি দিন আরও বাড়াবে তাই দোষটা নিজেরে ঘাড় থেকে ঝাড়বার চেষ্টা করছে। নিজেরা ১৭ লক্ষ ৩ কোটি টাকা আদায় করেছে মানুষের পরকেট কেটে। এই টাকাটা না কাটলেই হত না? ১৪ বার দাম বাড়িয়েছে। রাজ্যকে পাওনা দেবে না। দোষ হলে রাজ্যের দোষ। কোভিড লড়াইতে ক্রেডিট তোমার। মানুষ বিপদে পড়লেও দোষ রাজ্যের।

এপ্রিল ২৮, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূল নেতার 'খাইকে পান বেনারসি ওয়ালা' ভাইরাল, উত্তাল সোশাল মিডিয়া, দেখুন ভিডিও

উত্তরবঙ্গের তৃণমূল নেতার উদ্দাম নৃত্য ভাইরাল হতেই তোলপাড় রাজনৈতিক মহল। নাচের সঙ্গে বিকৃত অঙ্গভঙ্গিতে দিলেন দলের স্লোগান। ওই নেতার নাচের দৃশ্য এখন মোবাইলে মোবাইলে ঘুরছে। এই উদ্দাম নৃত্যকে তৃণমূলের অপসংস্কৃতি বলে দাবি করলেন বিজেপি নেতৃত্ব। ভাইরাল ভিডিওর জেরে জলপাইগুড়ির বানারহাটের ব্লক তৃণমূল সভাপতি নয়ন দত্ত এখন খবরের শিরোনামে। এক ভিডিওতেই বাংলাজুড়ে পরিচিতি পেলেন তৃণমূলের নয়ন। যদিও ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি জনতার কথা।খাইকে পান বানারসি ওয়ালা আবার দয়ালবাবা কলা খাবা এমন সব চটুল হিন্দী-বাংলা গানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উদ্দাম নৃত্য করে ভাইরাল হয়েছেন বানারহাট ব্লকের তৃনমূল কংগ্রেসের সভাপতি নয়ন দত্ত। গানের সঙ্গে সমানে চলছে সিটি। এই এক ভিডিও জলপাইগুড়ি ছাড়িয়ে সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে স্পষ্ট, একটি ঘরে বাবু ঘরানায় ফিরে গিয়েছেন তাঁর অনুগামিদের নিয়ে। পরিস্থিতি অস্বাভাবিক, অপ্রকৃতিস্থ বললেই চলে। বেসামাল হয়ে পড়ে যাচ্ছেন। ঘরের দেওয়াল ধরে বসে পড়ছেন। এর সঙ্গে চলছে জোরদার রাজনৈতিক স্লোগান।তাঁর সঙ্গে তাল মিলিয়ে কোমর দুলিয়েছে ব্লক তৃণমূলের যুবসভাপতি বিমল মাইতিও। সোজা হয়ে দাঁড়াতেই পারছেন না। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গিতে মেতে উঠেছেন তাঁরা। হাততালি দিতে দেখা যাচ্ছে অনুগামীদের। নয়ন দত্তের দাবি, এই ভিডিও অনেক পুরনো। তাঁকে ফাঁসানোর জন্য কেউ সেই ভিডিও নতুন করে ছড়িয়ে দিয়েছে।

এপ্রিল ২৮, ২০২২
রাজ্য

রাজ্য-রাজ্যপালের সংঘাতের জের, বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয়র শপথ কবে?

বিজেপির সাংসদ হয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছিলেন। মন্ত্রীত্ব থেকে সরে যাওয়ার পর বিজেপি ছেড়ে দেন। রাজনীতি ছেড়ে দেব ঘোষণা করেও তৃণমূলে যোগ দেন। বালিগঞ্জের উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে জয়ী হন। কিন্তু এখনও বিধায়ক হয়ে শপথ নিতে পারেননি বাবুল সুপ্রিয়। প্রায় ১০ দিন পেরিয়ে গিয়েছে এখনও জয়ী প্রার্থী হিসাবেই রয়ে গিয়েছেন বাবুল। কবে শপথ হবে তার দিনক্ষণও ঠিক হয়নি।রাজ্য-রাজ্যপালের সংঘাত যেন কিছুতেই কমছে না। এবার সংঘাতের বলি হলেন বালিগঞ্জ উপনির্বাচনে নবনির্বাচিত বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয়। তার শপথগ্রহণ সংক্রান্ত ফাইল ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। তবে বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন, শপথের বিষয়ে রাজ্যপাল সাংবিধানিক ভাবে দায়বদ্ধ। তিনি কোনও শর্ত আরোপ করতে পারেন না। সূত্রের খবর, এবার একেবারে শপথের তারিখ উল্লেখ করে ফাইল পাঠাচ্ছে পরিষদীয় দফতর।বেশ কিছু প্রশ্নের জবাব রাজ্যের কাছ থেকে মেলেনি রাজ্যপালের। সূত্রের খবর, এই কারণেই নাকি গোঁসা হয়েছে রাজ্যপালের। যদিও সরকারি ভাবে রাজ্যপাল বা রাজভবন থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। রাজ্য অপেক্ষা করে আছে রাজ্যপাল কী সিদ্ধান্ত নেন তার ওপর। অন্যদিকে নয়া বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয় হতাশ। বিধায়ক না হলে বিধানসভার কোনও কমিটিতেও থাকতে পারছেন না। আবার মন্ত্রী হওয়ার সুযোগ থাকলেও বিধায়ক পদে শপথ নিতে হবে বাবুলকে।

এপ্রিল ২৮, ২০২২
রাজ্য

সিপিএম 'ছাড়ছেন' অনিল কন্যা অজন্তা, তৃণমূলে যোগ জল্পনা তুঙ্গে

সিপিএমের প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদক প্রয়াত অনিল বিশ্বাসের মেয়ে অজন্তা বিশ্বাস কী সিপিএম ছাড়লেন? তিনি দলীয় প্রাথমিক সদস্যপদ নবীকরণ না করায় এই প্রশ্ন জোরালো হয়ে উঠেছে। এর আগে তৃণমূলের মুখপাত্র জাগো বাংলায় তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূয়সী প্রশংসা করে প্রবন্ধ লিখে শিরোনামে এসছিলেন অজন্তা।রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা অজন্তা বিশ্বাস জাগো বাংলায় ওই প্রবন্ধ লেখার দরুন তাঁকে সিপিএম সাসপেন্ড করেছিল। তাঁর শাস্তির মেয়াদও উত্তীর্ণ হয়ে গিয়েছে বলে সিপিএম সূত্রের খবর। কিন্তু তিনি তাঁর সদস্যপদ নবীকরণ করেননি। সেক্ষেত্রে এখন আর তিনি সিপিএমের সদস্য রইলেন না। কলকাতা জেলা কমিটি বা অজন্তা নিজে এখনও এবিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেনি। সেক্ষেত্রে তাঁর দল ছাড়়ার জল্পনা আরও বেড়েছে।সিপিএমের প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদকের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা অসম্ভব বলেই মানতেন ডান-বাম সব রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব। তাঁর জমানায় সিপিএস নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট রাজ্যে সর্বোচ্চ বিধানসভার আসন পেয়েছিল। একসময় দলীয় মুখপত্র গণশক্তি পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন অনিল বিশ্বাস। তাঁর কন্যার দল ছাড়ার জল্পনায় সিপিএমে ব্যাপক আলোড়ন ছড়িয়েছে। এরই মধ্যে গুঞ্জন ছড়িয়েছে তাহলে কী অজন্তা ঘাসফুল শিবিরে যোগ দেবেন?

এপ্রিল ২৬, ২০২২
দেশ

বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধের আঁতুরঘর ছিল শচীন্দ্রলালের বাড়ি, সেখানেই থাকতেন বঙ্গবন্ধু

বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধের আঁতুরঘর ছিল ত্রিপুরা কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা শচীন্দ্রলাল সিংয়ের বাড়ি, অরুন্ধতি নগরের বাড়িতে থাকতেন বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমান এবং রাতে শচীনবাবুর সরকারি বাসভবনে থাকতেন। মুজিব ও তাঁর সহকারীদের রান্না করে খাওয়াতেন শচীন্দ্রলালে-র ভগিনী হেমাঙ্গিনী সিং। শচীন্দ্রলাল এখনও ত্রিপুরার মানুষের মনে গেঁথে রয়েছেন। উন্নয়নের কান্ডারী টানা ২৪ বছরের মুখ্যমন্ত্রী শচীন্দ্রলাল সিং জন্মসুত্রে ভিন রাজ্যের হলেও, কার্যত তিনি ত্রিপুরার ভূমিপুত্রই। ত্রিপুরার রূপকার বললে অত্য়ুক্তি হবে না।বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের নায়ক মুজিবর রহমান। যিনি বঙ্গবন্ধু নামে অধীক পরিচিত। আর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এদেশের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর ভূমিকাও দেশবাসী অবগত রয়েছেন। পাকিস্তান ভেঙে নতুন দেশ গঠন না হলে এখন হয়তো অন্য ইতিহাস লেখা হত। কিন্তু একজনের কথা দেশবাসীকে স্মরণ করতেই হবে, তিনি হলেন ত্রিপুরার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী তথা টানা ২৪ বছর প্রশাসনিক প্রধান শচীন্দ্রলাল সিং। স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য। বাংলাদেশ যুদ্ধের সময় মুজিবর রহমানের এদেশের ঘর ছিল শচীন্দ্রলালবাবুর বাড়ি। সেখানে থেকে যাবতীয় পরকল্পনা রচিত হত। তাছাড়া ত্রিপুরার উন্নয়নের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত শচীন্দ্রলাল সিং।স্বাধীনতা সংগ্রামী হওয়ার কারণে শচীন্দ্রলাল সিং ১৭ বছর ব্রিটিশ জেলে কাটিয়েছেন। ভারত সরকার স্বাধীনতা সংগ্রামে বিশেষ ভুমিকার জন্য ৯৭ জন স্বাধীনতা সংগ্রামীর নাম ঘোষণা করেছে। সেই তালিকায় ই এম এস নাম্বুদিরিপাদ, অতুল্য ঘোষ, গোপিনাথ বড়দলুই, হরেকৃষ্ণ মহাতাব, প্রফুল্ল্য সেনেদের সাথে শচীন্দ্রলাল সিংও ছিলেন। তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামী পেনসান কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।শচীন্দ্রলাল সিং যখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন ত্রিগুনা সেনকে রাজ্যসভার সাংসদ করেছিলেন ত্রিপুরা থেকে। ওনার সঙ্গে ত্রিগুনা সেনের কথা ছিল কেন্দ্রে মন্ত্রী হলে ওএনজিসি দেবেন। ত্রিগুনা সেনের ঠিকানা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি। ওই ডিমান্ড ফুলফিল করেছিলেন ত্রিগুনা সেন। শচীন্দ্রলাল সিংয়ের আমলেই রাজ্যে গোবিন্দ বল্লভ হাসপাতাল হয়েছিল। তারপর ত্রিপুরায় বড় কোনও হাসপাতাল হয়নি। পাওয়ার প্রোজেক্ট, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ কী হয়নি তখন পরশি রাজ্যে।বাংলাদেশ যুদ্ধের সময় সব থেকে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন শচীন্দ্রলাল সিং। বাংলাদেশ স্বাধীন হয় তখন জেল থেকে বেরিয়ে শচীন্দ্রলাল সিংকে বাংলাদেশের ঢাকায় নিয়ে যান মুজিবর রহমান। সেখানে রেড কার্পেটে তাঁকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। মুজিবর রহমান শচীনবাবুর জন্য চেয়ার ছেড়ে দেন। তখন শচীনবাবু বলেছিলেন, এটা হয় না, আপনি বসুন। শচীন্দ্রলাল বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের একজন অন্য়তম হোতা। মুজিবর রহমানের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করেছেন। শচীন্দ্রলালবাবুর ছোট ছেলে ঢাকায় গিয়েছিলেন। বাবার সৌজন্যে তাঁকে সোনার নৌকা দিয়ে সংবর্ধনা দিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার। একসময় কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ছিল ত্রিপুরা, রাজ্য গঠন করার ক্ষেত্রেও অগ্রনী ভূমিকা ছিল শচীন্দ্রলাল সিংয়ের। মুখ্যমন্ত্রী হয়ে দাবি করেছিলেন রেললাইন চাই, ধর্মনগর অবধি সেই রেললাইন স্থাপিত হয়। ১৯৭৭ এ যখন তিনি সাংসদ হন সে সময় তৎকালীন রেলমন্ত্রী মধু দণ্ডবতকে অনশন করার হুমকি দিয়ে বলেছিলেন ধর্মনগর থেকে আগরতলা রেললাইন করতে হবে। যেদিন সংসদ ভবনের সামনে অনশনে বসার কথা, সেদিন সকালে মধু দন্ডবতে তাঁর দিল্লী বাসভবনে এসে সরকারের অর্থিক সমস্যার কথা জানিয়ে বলেন আপাতত কুমারঘাট অবধি রেললাইন দেওয়া হচ্ছে, পড়ে ওটা বর্ধিত করা হবে।শচীন্দ্রলাল সিং খেলার প্রসারের জন্য স্টেডিয়াম করেছিলেন। উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ড. প্রতাপচন্দ্র চন্দ্র। মহারাণী কাঞ্চনপ্রভাদেবী বনমালীপুরে একটি বাড়ি দিয়েছিলেন ত্রিপুরার জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী শচীনবাবুকে বসবাস করার জন্য। ত্রিপুরার রূপকার শচীন্দ্রলাল খোঁজ নিয়ে জানলেন ত্রিপুরাতে কোনও মহিলা কলেজ নেই। তিনি মহিলাদের শিক্ষাপ্রসারের জন্য সেই বাড়ি দান করে দেন কলেজ করার জন্য। এখন সেখানে স্থাপিত হয়েছে আগরতলা উইমেন্স কলেজ। শচীনবাবুর প্রধান সহযোগীদের মধ্যে উল্লেখ্যগয় হলেন তসলাম ফা, ওয়াজেদ আলি, মনসুর আলি, চক্র ফা, বুলু কুকি, কৃষ্ণদাস ভট্টাচার্য। এই কৃষ্ণদাস তাঁর মন্ত্রী সভায় অর্থ মন্ত্রী ছিলেন।২০১২-এর ২৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু অন্তর্জাতিক সন্মেলন কেন্দ্র, ঢাকাতে তৎকালীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অনন্যসাধারণ অবদানের জন্য বাঙালি জাতির শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার নিদর্শনস্বরূপ মরণোত্তর মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সন্মাননা তাঁকে প্রদান করেন।মুজিবর রহমান মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতেই থাকতেন লালবাহাদুর শাস্ত্রী, জহরলাল নেহরুর সময় থেকেই। ১৯৭১ ১লা নভেম্বর সারাদিন বিভিন্ন রিফিউজি ক্যাম্প ঘুরে দেখেন সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায় ও শচীন্দ্রলাল সিংকে নিয়ে। ফিরে এসে আগরতলা বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে কথাবার্তা চলাকালীন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বলেন, আপনি সীমান্ত খুলে দিয়েছেন, অস্ত্র ও অর্থ সাহায্য করছেন, আপনি তো দেশকে আন্তর্জাতিক যুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। ইন্দিরাকে ত্রিপুরার রূপকার শচীন্দ্রলাল জবাব দেন, আমি যা করছি তা দেশের মঙ্গলের জন্যই করেছি এবং আপনার জন্যই করছি। আমি একটা ছোট্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে সমগ্র বিশ্ব আপনার নামই করবে, আমার নই। ইতিহাস আপনাকেই স্মরণ করবে। আরও বলেন, আমি আপনার বাবার সঙ্গে রাজনীতি করেছি। আপনি আমাকে রাজনীতি শেখাবেন না। একটা ছোট্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কথা হজম না করতে পেরে দিল্লী ফিরেই ১লা নভেম্বর ১৯৭১ রাতে ত্রিপুরাতে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করলেন ইন্দিরা। ভেঙে দিলেন কংগ্রেসের-ই সংখ্যাগড়িষ্ট সরকার। তবুও দমলেন না দেশ তথা ত্রিপুরার প্রতি দায়বদ্ধ শচীন্দ্রলাল সিং, তিনি ইন্দিরা গান্ধীকে ফোন করে বলেন Imposition is a great sin। সেই রাতেই তিনি মুখ্যমন্ত্রী বাসভবন ত্যাগ করে পৈতৃক ভিটে জয়নগরের বাসভবনে ফিরে যান। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়েছিলেন দাপুটে ইন্দিরা গান্ধীকে। তখনও তাঁর পাশে ছিলেন ত্রিপুরার আপামর সাধারণ মানুষ। অনবরত সমর্থন জুগিয়ে গিয়েছেন শচীনবাবুকে। নির্দল প্রার্থী হয়ে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন শচীন্দ্রলাল।জাতপাতের উর্দ্ধে রাজনীতি করতেন শচীন্দ্রলাল সিং। মানুষকে মানুষ ভাবতেন। সাধারণের সঙ্গে মিশে যেতে পারতেন অনায়াসে। এই দেশে এমন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এখন অমিল। ত্রিপুরার আদিবাসীরা মনে করতে শচীন্দ্রনাথবাবু তাঁদের ঘরের লোক। আদিবাসী সমাজে তাঁর নাম ফাটা ছিলুম তার মানে ছেঁড়া কাপড়। আদিবাসী সম্প্রদায়ের কাছে এতটাই আপন ছিলেন তিনি। কাছে টেনে নিয়েছিলেন মনিপুরি, সংখ্যালঘুসহ সকলকেই। কোনও ভেদাভেদ তাঁকে কখনও স্পর্শ করতে পারেননি। ২০০০ সালে ইহলোক ত্যাগ করলেও ত্রিপুরার মানুষ ভোলেনি শচীন্দ্রলাল সিংকে। এখনও তাঁর জন্মদিনের উৎসবে হাজির হন অগনিত মানুষ।শচীন্দ্রলালবাবুর বড় ছেলে আশিসলাল সিং ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি। এখন দলের কোর কমিটির সদস্য। তৃণমূলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের কাছেও আশিসবাবু কাছের মানুষ, মাটির মানুষ। পাহাড় থেকে সমতল হোক রাত-বিরেতে কেউ বিপদে পড়লেই পাশে থাকেন শচীন্দ্রপুত্র আশিসলাল। তিনিও মহান পিতার মতোই কোনও জাতিগত ভেদাভেদে বিশ্বাস করেন না। তাঁর ভাবনাতেও রয়েছে বাবার মতোই ত্রিপুরার উন্নয়ন।

এপ্রিল ২৫, ২০২২
দেশ

তৃণমূলের প্রতিনিধিদের সামনেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন প্রয়াগরাজের নিহত পরিবারের আত্মীয়রা

উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে একই পরিবারের পাঁচজনকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় তোলপাড় সারা দেশ। এই ঘটনাকে ধিক্কার জানিয়ে বিজেপি বিরোধী দলগুলি যোগী সরকারের তুলোধোনা করছে। উত্তরপ্রদেশের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তাঁরা। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রবিবার প্রয়াগরাজের ঘটনাস্থলে যায় পাঁচ সদস্যের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। দোষীদের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছে ওই প্রতিনিধি দল।এরাজ্যের বীরভূমের বগটুই গ্রামের ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে সারা দেশকে। এবার উত্তরপ্রদেশের ঘচনায় ছিছি করছে সারা দেশ। প্রয়াগরাজের থরভই থানার খেবরাজপুর গ্রামে ২ বছরের শিশু-সহ একই পরিবারের ৫ জনকে গলার নলি কেটে হত্যা করা হয়েছে। তারপর বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। উদ্ধার হয়েছে বিবস্ত্র অবস্থায় বিশেষভাবে সক্ষম মেয়ে ও পুত্রবধূর মৃতদেহ।এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রনিতিধি দলে ছিলেন দলের রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেন, বনগাঁর প্রাক্তন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর, তৃণমূল নেতা সাকেত গোখলে, রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোৎস্না মাণ্ডি ও উত্তরপ্রদেশের তৃণমূল নেতা ললিতেশ ত্রিপাঠী। বিজেপি এরাজ্যে বগটুই গণহত্যা ও হাঁসখালি গণধর্ষণকান্ডে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি পাঠিয়েছিল। তৃণমূল দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরীর ঘটনাতেও সাংসদদের নিয়ে গঠিত ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি পাঠায়। সেখানে ঢুকতে বাধা দেয় পুলিশ, অভিযোগ করে তৃণমূল। এদিন তৃণমূল প্রতিনিধিদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন নিহতদের আত্মীয়রা। তাঁদের পাশে থাকার ব্যাপারে আশ্বাস দেন এই প্রতিনিধদলের সদস্যরা। উত্তরপ্রদেশের আইন-শৃঙ্খলার তীব্র সমালোচনা করেন তাঁরা।

এপ্রিল ২৪, ২০২২
রাজনীতি

অনুব্রতর আইনজীবীর ইমেইল সিবিআইকে, হাজির হলেই ভয় কেটে যাবে, কটাক্ষ সুকান্তর

বারংবার সিবিআই তলব করলেও এবারও হাজিরা এড়ালেন তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডল। জানা গিয়েছে, বিকেলের দিকে ইমেইল করে অনুব্রত মন্ডলের আইনজীবী সিবিআইকে জানিয়েছেন, তাঁর মক্কেল হাঁটতে পারছেন না। তাঁকে চিকিৎসকরা ৪ সপ্তাহ সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে বলেছেন। তাই আপাতত তিনি সিবিআই দফতরে হাজির হতে পারছেন না। এদিকে অনুব্রত সিবিআইতে হাজিরা না দেওয়ায় কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি ও সিপিএম। এদিন জোড়া নোটিশ দিয়েছে সিবিআই। একদিকে গরুপাচার কাণ্ডে বিকেলের মধ্যে হাজিরা দিতে বলেছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। আর একটি নোটিশে সিবিআই বলেছে ভোটপরবর্তী হিংসার মামলায় আগামিকাল রবিবার সকাল ১১টার মধ্যে তাদের দফতরে হাজির হতে। নোটিশ দিতে চিনারপার্কে অনুব্রত মন্ডলের ফ্লাটে যান সিবিআই। এদিকে অনুব্রতর সিবিআই দফতরে হাজির না হওয়ায় কটাক্ষ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন,ওনার সিবিআই দফতরে যাওয়া উচিত। কিন্তু উনি বিভিন্ন অজুহাতে উডবার্নে ভর্তি হচ্ছেন। তবে ওনার রোগ নিয়ে লোকে যা বলছে তাতে মনে হয় ওনারও সম্মানে লাগে। এত আছিলা না করে ওনার সিবিআই-এর সম্মুখীন হওয়া দরকার। উনি কত পেয়েছেন, অন্যরা কত পেয়েছে সব বলে দেওয়াই উচিত। একবার গেলেই তো হল। একবার গেলে ওনার ভয় কেটে যাবে, তখন বারাবার যেতে ইচ্ছে করবে। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, কংগ্রেসের বরিষ্ঠ নেতা পি চিদাম্বরমকে ধরতে পাঁচিল টপকে ঢুকেছিল সিবিআই। এখন চিনারপার্কে যেতে পারছে না সিবিআই। এসবই নাটক।এনিয়ে গরুপাচার কাণ্ডে ৬ বার সিবিআইয়ের তলবে হাজির হলেন না অনুব্রত মন্ডল। সঙ্গে যোগ হয়েছে ভোট পরবর্তী হিংসার মামলা। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানিয়ে দিয়েছেন, রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গী থেকে সিবিআই তলব করছে। গতকালই হাসপাতাল থেকে ছেড়েছে অনুব্রত মন্ডলকে। তিনি কলকাতায় চিনারপার্কের ফ্লাটেই তো আছেন।

এপ্রিল ২৩, ২০২২
দেশ

কোথায় এখন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি? উত্তরপ্রদেশের পাঁচ নৃশংস খুন নিয়ে তোপ তৃণমূলের

প্রয়াগরাজে একই পরিবারের পাঁচ জনকে নৃশংস ভাবে হত্যা করা নিয়ে যোগী সরকারের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, ডাবল ইঞ্জিন সরকার ডাবল অত্যাচার করছে। যে ভূমিকে প্রধানমন্ত্রী পবিত্র ভূমি বলে আখ্যা দিয়েছেন সেই প্রয়াগরাজের খেবরাজপুর গ্রামে যে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে তাতে আমরা বেদনাহত। গতকাল রাতে বাড়ির ছেলে না থাকার সময় পাঁচজনকে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছে। তাতে একটি শিশুও আছে। খুন করেই ক্ষান্ত থাকেনি একটি মেয়েকে বিবস্ত্র অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। এই ঘটনার পর বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। চন্দ্রিমা বলেন, আমাদের প্রশ্ন ভারতে অনেকে যোগীরাজের কথা বলেন। ফলাও করে প্রচার করেন। এটা কি যোগীরাজ না গুন্ডারাজ? এক সপ্তাহের মধ্যে আরও একটি মর্মান্তিক খুনের ঘটনা ঘটেছে। এখানে যাঁরা অবান্তর ভাবে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে কথা বলেন আজ তাঁরা মূক ও বধির হয়েছে। আজ তাঁরা সাইলেন্ট মোডে চলে গিয়েছে। তাঁরা কী এখন সেখানে ৩৫৫ বা ৩৫৬ ধারা জারি করার কথা বলবেন। আজ তাঁদের আওয়াজ নেই কেন। ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি এখন হবে না। সম্প্রতি আনিস খুন থেকে রামপুরহাটের বগটুই, হাঁসখালি গণধর্ষণসহ নানা ঘটনা নিয়ে বাংলার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। বিজেপির দুটো ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি ঘুরে গিয়েছে এরাজ্য থেকে। ওই কমিটি দলের সভাপতির কাছে বাংলায় ৩৫৫ ও ৩৫৬ ধারার উপযোগী বলে সুপারিশ করেছে। একই পরিবারের পাঁচজনকে খুন প্রকাশ হতেই উত্তরপ্রদেশের মুখ যোগী মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথের বিরুদ্ধে প্রয়াগরাজের ঘটনা নিয়ে আক্রমণ শানাল তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন একযোগে তৃণমূলের একাধিক নেতা-মন্ত্রীরা টুইট করেছেন।

এপ্রিল ২৩, ২০২২
রাজনীতি

অনুব্রত মন্ডল ছাড়া পাচ্ছেন হাসপাতাল থেকে, থাকবেন কলকাতাতেই

সিবিআই তলবের দিন এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য অনুব্রত মণ্ডল৷ হাসপাতাল সূত্র জানা গিয়েছে, ভর্তি হওয়ার সতেরো দিন পর এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাচ্ছেন তৃণমূল নেতা অনুব্রত। গরুপাচার কাণ্ডে বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতিকে ৬ এপ্রিল নিজাম প্যালেসে তলব করেছিল সিবিআই। আগের দিন কলকাতায় চিনারপার্কে নিজের ফ্লাটে এসেও ছিলেন অনুব্রত। কিন্তু পরের দিন নিজাম প্যালেসে না গিয়ে শারীরিক অসুস্থতার জন্য তিনি এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছিল। এদিকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কারণে সিবিআই-এর সামনেও হাজিরা দেননি অনুব্রত মণ্ডল৷ সিবিআইকে চিঠি দিয়ে অনুব্রতর আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন, হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসকদের অনুমতি নিয়ে তাঁদের মক্কেলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, অনুব্রত মণ্ডলের হৃদযন্ত্রের দুটি ধমনীতে ব্লকেজ রয়েছে৷ আপাতত তাঁকে সম্পূর্ণ বেড রেস্টে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এখন তিনি বীরভূম যাচ্ছেন না। চিনারপার্কের ফ্লাটেই তিনি থাকবেন।গরু পাচার কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অনুব্রত মণ্ডলকে ৫ বার তলব করেছিল সিবিআই৷ প্রতিবারই কোনও না কোনও কারণে সিবিআয়ের তলব এড়িয়ে গিয়েছেন দোর্দন্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতা। এবার শ্বাসকষ্ট নিয়ে তিনি ভর্তি হয়েছিলেন।

এপ্রিল ২২, ২০২২
দেশ

দিল্লিতে তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে পুলিশি বাধা, কটাক্ষ বিজেপির

দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরীতে তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির মহিলা সদস্যরা পুলিশি বাধার সম্মুখীন হয়েছেন বলে অভিযোগ। তাঁদের ওই এলাকায় পুলিশ ঢুকতে দেয়নি বলে অভিযোগ। যদিও তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের দাবি, এত বাঁধা সত্বেও তাঁরা পিছনের দিক থেকে ঢুকে অত্যাচারিতদের সঙ্গে কথা বলেছেন। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কটাক্ষ, নিজের এলাকায় গণধর্ষণ, গণহত্যা ঘটলেও সেখানে যান না তৃণমূল সাংসদ। আর ছুটেছেন দিল্লি!বীরভূমের রামপুরহাটের বগটুইয়ের গণহত্যার ঘটনায় দিল্লি বিজেপি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছিল। তাঁরা ঘটনাস্থল ঘুরে দিল্লি ফিরে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কাছে রিপোর্ট দাখিল করেন। তারপর হাঁসখালির গণধর্ষণে নাবালিকার মৃত্যুর অভিযোগ খতিয়ে দেখতেও জেপি নাড্ডার নির্দেশে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। বাংলার মানুষ ৩৫৫ ও ৩৫৬ ধারার প্রয়োগ চাইছেন বলে দাবি করেছেন বিজেপির মহিলা প্রতিনিধি দল। এবার দিল্লির দাঙ্গাস্থল পরিদর্শনে তৃণমূল কংগ্রেসের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। এদিন ওই দলে ছিলেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, অপরূপা পোদ্দার ও অর্পিতা ঘোষ।কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, জায়গাটা পুলিশ ঘিরে ব্যারিকেড করে রেখেছে। পুলিশ মানুষকে মানুষ মনে করছে না। তবু বাচ্ছা ও মহিলাদের সঙ্গে নিয়ে পিছনের দিক থেকে ঢুকেছি। সেদিনের অত্য়াচারের কাহিনী শুনেছি। বাড়িঘর ভেঙে দিয়েছে, জল নেই, খুবই কষ্টে রয়েছে। তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সংসদীয় ব্যবস্থায় বিরোধীদের জন্য জায়গা ছেড়ে রাখতে হয়। জাহাঙ্গিরপুরীতে আমাদের প্রতিনিধিদের ঢুকতে দেওয়া উচিত ছিল। গণতন্ত্র রক্ষা করতে পারছে না বিজেপি।এদিকে দিল্লিতে তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি যাওয়ায় কটাক্ষ করেছেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, নিজেরে এলাকায় গণধর্ষণের ঘটনা ঘটলেও সেখানে যাননি সাংসদ। গণহত্যার এলাকাও পরিদর্শনে দেখা যায়নি তৃণমূল সাংসদকে। আগে নিজের এলাকা সামলাও তারপর দিল্লি যাবে।

এপ্রিল ২২, ২০২২
দেশ

দিল্লি দাঙ্গার মাষ্টারমাইন্ড আনসার বিজেপি না তৃণমূলের? বিতর্ক বাড়ছে

দিল্লির সাম্প্রদায়িক হিংসায় নাম জড়িয়েছে বাংলারও। উত্তর-পশ্চিম দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরীর দাঙ্গায় মূল অভিযুক্ত আনসারের বাড়ি হলদিয়ার কুমারপুর গ্রামে। এরইমধ্যে দিল্লি পুলিশের একটি দল ওই গ্রামে ঘুরে গিয়েছে। এদিকে আনসারের সঙ্গে হলদিয়ার তৃণমূল কাউন্সিলরের একটি ছবি প্রকাশ্যে আসতেই বিতর্ক বেড়েছে। এবার বিতর্কে যুক্ত হল বিজেপিও। জাহাঙ্গিরপুরীর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় মূল অভিযুক্ত আনসারের সঙ্গে বিজেপি নেতাদের গুচ্ছ-গুচ্ছ ছবি প্রকাশ্যে এনে গেরুয়া শিবিরকে বিঁধলেন তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা। আনসারের সঙ্গে তৃণমূল না বিজেপির যোগ, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।আনসারের সঙ্গে কোন দলের সম্পর্ক তা নিয়ে একে অপরকে অভিযুক্ত করছে তৃণমূল ও বিজেপি। দিল্লি দাঙ্গার মূল অভিযুক্ত আনসারের সঙ্গে বিজেপি নেতাদের ছবি এনে শুক্রবার একসঙ্গে টুইট করলেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যের দুই মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন, সুজিত বসু, আইএনটিটিউসির রাজ্য সভাপতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ররা। তৃণমূল নেতৃত্ব একযোগে দাবি করেছে, দিল্লির দাঙ্গায় মূল অভিযুক্ত আনসার বিজেপিরই কর্মী।I truly believe that our priority should be ensuring justice! The perpetrators must be adequately punished!Here, we see how Ansar has been closely associated with @BJP4India. Lets not have a one-track mind! pic.twitter.com/1hu8JEl6Vb Partha Chatterjee (@itspcofficial) April 22, 2022এর আগে হলদিয়ার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তৃণমূল নেতা আজিজুল রহমানের কাঁধে হাত দিয়ে বসে রয়েছেন আনসার। এই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই তৃণমূলকে আক্রমণ করে বিজেপি। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় তৃণমূলের যোগ নিয়ে সোচ্চার হয় ঘাসফুল শিবির। অস্বস্তি বাড়তে থাকে তৃণমূলেও। আজিজুল রহমান জানিয়ে দেয়, ওই ছবিটা ২০১৯ সালের মে মাসের ছবি। জামা মসজিদের কাছের ছবি। আনসারের সঙ্গে আমার পরিচয় ছিল। কিন্তু আনসারের কোনও অনৈতিক কাজের সঙ্গে আমি যুক্ত নই। বদনাম করার জন্য এই অভিযোগ আনছে বিজেপি। শুক্রবার তৃণমূল নেতারা বিজেপির সঙ্গে আনসারের ছবি টুইট করে পাল্টা তোপ দেগেছ বিজেপির বিরুদ্ধে। অভিজ্ঞ মহলের বক্তব্য, আনসার বিজেপি না তৃণমূলের এই বিতর্ক চলতে পারে। কিন্তু সন্ত্রাসের মদতদাতাকে আইন মোতাবেক শাস্তি দিক পুলিশ প্রশাসন।

এপ্রিল ২২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 29
  • 30
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • 35
  • ...
  • 65
  • 66
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

মণিপুরে ফের আগুন! ৬০০ জনের হামলায় জ্বলল একের পর এক বাড়ি, রণক্ষেত্রে পরিণত ইম্ফল

মণিপুরে আবারও ছড়াল উত্তেজনা। পশ্চিম ইম্ফল জেলার কান্তো সাবাল এলাকায় কয়েকশো মানুষের হামলায় মুহূর্তের মধ্যে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। পুলিশ জানিয়েছে, প্রায় ৬০০ জনের একটি ক্ষুব্ধ জনতা মেতেই অধ্যুষিত গ্রামের দিকে এগিয়ে আসে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তাবাহিনী বাধা দিলে শুরু হয় সংঘর্ষ। উত্তেজিত জনতা একের পর এক বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। এখনও পর্যন্ত অন্তত ছয়টি বাড়ি পুড়ে যাওয়ার খবর মিলেছে। তবে এই ঘটনায় কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। ইতিমধ্যেই পুলিশ মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সকাল প্রায় এগারোটা নাগাদ বড় একটি দল কান্তো সাবালের দিকে এগোতে শুরু করে। এলাকায় বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কায় নিরাপত্তাবাহিনী তাদের আটকানোর চেষ্টা করে। এরপরই দুই পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি এবং সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাসের শেল এবং ধোঁয়ার বোমা ব্যবহার করতে হয়। এই ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, আগে থেকেই হামলার আশঙ্কার খবর ছিল। তাই অনেকেই সতর্ক ছিলেন। দুপুরের দিকে প্রথমে দূরে ধোঁয়া দেখতে পান তাঁরা। শুরুতে মনে হয়েছিল টায়ার পোড়ানো হচ্ছে। পরে জানা যায়, বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয়, সপ্তাহখানেক আগেও একই এলাকায় প্রায় একই ধরনের অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল।দীর্ঘদিন ধরেই কুকি এবং মেতেই সম্প্রদায়ের সংঘর্ষে উত্তপ্ত মণিপুর। ২০২৩ সাল থেকে একের পর এক হিংসার ঘটনায় বহু মানুষের প্রাণ গিয়েছে। নিরাপত্তাবাহিনীর উপরও একাধিকবার হামলার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি বিদ্রোহীদের হামলায় অসম রাইফেলসের দুই জওয়ানের মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার পর থেকেই বিভিন্ন এলাকায় জোরদার তল্লাশি চলছে। নতুন করে কান্তো সাবালের এই হামলার ঘটনায় ফের উদ্বেগ বাড়ল রাজ্যজুড়ে।

জুলাই ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ খেলেই মৃত্যু! মাত্র ২৫ বছরেই না ফেরার দেশে দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা ফুটবলার, রহস্যে ঘেরা শেষ মুহূর্ত

বিশ্বকাপে দেশের হয়ে খেলেছিলেন মাত্র ১৬ দিন আগে। মাঠে তাঁর দাপুটে পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়েছিলেন ফুটবলপ্রেমীরা। সেই স্মৃতি এখনও টাটকা। এর মধ্যেই এল হৃদয়বিদারক খবর। মাত্র ২৫ বছর বয়সে মারা গেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার তরুণ ফুটবলার জেডেন অ্যাডামস। তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি। এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবল মহলে।জেডেন অ্যাডামস দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যতম সফল ক্লাবের হয়ে খেলতেন। সম্প্রতি বিশ্বকাপে তিনি মেক্সিকো, চেক প্রজাতন্ত্র এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিলেন। চেক প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে বদলি হিসেবে খেলেন। তবে নকআউট পর্বে কানাডার বিরুদ্ধে ম্যাচে তিনি মাঠে নামেননি।দক্ষিণ আফ্রিকা ফুটবল প্লেয়ার্স ইউনিয়ন গভীর শোক প্রকাশ করে জানিয়েছে, দেশের ফুটবল এক উজ্জ্বল প্রতিভাকে হারাল। তাঁর মৃত্যু শুধু পরিবার বা ক্লাবের নয়, গোটা দেশের ফুটবলের জন্য বড় ক্ষতি।কেপ টাউনে জন্ম জেডেন অ্যাডামসের। স্টেলেনবস ক্লাবের যুব অ্যাকাডেমি থেকেই তাঁর ফুটবল জীবন শুরু। পরে তিনিই সেই অ্যাকাডেমির প্রথম ফুটবলার হিসেবে পেশাদার চুক্তি পান। স্টেলেনবসের হয়ে ১৩৯টি ম্যাচ খেলার পর তিনি মামেলোদি সানডাউনসে যোগ দেন। ধারাবাহিক ভালো পারফরম্যান্সের জন্যই তিনি বিশ্বকাপের দলে জায়গা করে নিয়েছিলেন।দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রীড়ামন্ত্রীও শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, দেশের ফুটবল এক সম্ভাবনাময় তরুণ তারকাকে হারিয়েছে। তাঁর সাফল্যের পথচলা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।এদিকে, পুলিশ জানিয়েছে কেপ টাউনের একটি বাড়ি থেকে ২৫ বছর বয়সি এক যুবকের দেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। কীভাবে এই মৃত্যু হল, তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা। তরুণ এই ফুটবলারের আকস্মিক মৃত্যু ঘিরে তৈরি হয়েছে একাধিক প্রশ্ন।

জুলাই ১১, ২০২৬
কলকাতা

বিস্ফোরক অভিযোগের পর বড় পাল্টা চাল! তাপস মণ্ডলকে পাঁচ কোটি টাকার আইনি নোটিস পাঠালেন সায়নী ঘোষ

নিয়োগ দুর্নীতি মামলাকে ঘিরে আবারও নতুন বিতর্ক সামনে এল। এবার নিজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ তুলে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার অন্যতম অভিযুক্ত তাপস মণ্ডলকে পাঁচ কোটি টাকার মানহানির আইনি নোটিস পাঠালেন যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষ। তাঁর দাবি, কোনও প্রমাণ ছাড়াই তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অভিযোগ প্রকাশ্যে করা হয়েছে, যার ফলে তাঁর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাপস মণ্ডল দাবি করেছিলেন, নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত কুন্তল ঘোষের কাছ থেকে সায়নী ঘোষ বিভিন্ন সুবিধা পেয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, কুন্তল ঘোষ সায়নী ঘোষের জন্য ফ্ল্যাট ও গাড়ির ব্যবস্থা করেছিলেন এবং বিভিন্ন খরচও বহন করতেন। এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়।এই অভিযোগের জবাবেই আইনি পদক্ষেপ করেন সায়নী ঘোষ। পাঠানো নোটিসে তিনি উল্লেখ করেছেন, দুই হাজার কুড়ি সালে তিনি প্রায় আশি লক্ষ টাকা মূল্যের একটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন। সেই ফ্ল্যাট কেনার জন্য ব্যাঙ্ক থেকে ষাট লক্ষ টাকার ঋণ নেওয়া হয়েছিল বলেও নথিতে উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি দুই হাজার চব্বিশ সালে কেনা একটি গাড়ি এবং তার আগের কেনা আর একটি গাড়ির সমস্ত আর্থিক তথ্যও নোটিসে তুলে ধরা হয়েছে। কীভাবে আয় করেন এবং কোন অর্থে সম্পত্তি ও গাড়ি কেনা হয়েছে, তারও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।নোটিসে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, তাপস মণ্ডলের মন্তব্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং তা সাংসদ হিসেবে সায়নী ঘোষের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। তাই তাঁকে অবিলম্বে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে এবং পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। অন্যথায় তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এই প্রসঙ্গে সায়নী ঘোষ বলেন, তাঁর ফ্ল্যাট ও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নিয়ে প্রকাশ্যে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করা হয়েছে। অতীতে তদন্তকারী সংস্থা তাঁকে এই বিষয়ে ডেকেছিল এবং তিনি প্রায় পাঁচশো পাতার নথি জমা দিয়েছিলেন। এরপর আর কখনও তাঁকে ডাকা হয়নি। তিনি জানান, এতদিন বিষয়টি গুরুত্ব না দিলেও একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের কাছে তাঁর জবাবদিহি রয়েছে। তাই কোনও প্রমাণ ছাড়া ব্যক্তিগত সম্মান নষ্ট করার চেষ্টা তিনি আর মেনে নেবেন না। তাঁর আশা, তাপস মণ্ডল আইনি নোটিসের জবাব দেবেন। তা না হলে আদালতেই পরবর্তী লড়াই হবে।

জুলাই ১১, ২০২৬
কলকাতা

‘টাটা আসবে, আদানিও আসবে’! বাংলার শিল্প নিয়ে বড় ঘোষণা, চর্চায় শমীকের মন্তব্য

ডানকুনিতে নতুন শিল্প প্রকল্পের উদ্বোধনের মাধ্যমে রাজ্যে ছয়শো কোটি টাকার বিনিয়োগের ঘোষণা করল লাক্স-কোজ়ি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়। এই অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকেই বাংলার শিল্প, বিনিয়োগ এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন শমীক ভট্টাচার্য।তিনি জানান, লাক্স পরিবারের কর্ণধার নিজে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে শিল্প সম্প্রসারণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তাঁর দাবি, এখন বহু শিল্পপতি নতুন করে পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। কারণ, বর্তমান পরিস্থিতিতে শিল্পের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে।শমীক ভট্টাচার্য বলেন, পশ্চিমবঙ্গে পাহাড়, নদী এবং বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে। এই সম্পদকে কাজে লাগিয়ে শিল্পের আরও বড় বিস্তার সম্ভব। সেই লক্ষ্যেই সরকার এগোচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে তিনি মুখ্যমন্ত্রী এবং শিল্পমন্ত্রীর উদ্দেশে সিঙ্গুরের বিষয়েও নজর দেওয়ার আবেদন জানান। তাঁর মতে, শিল্পোন্নয়নের ক্ষেত্রে সিঙ্গুরের গুরুত্ব এখনও অপরিসীম।বাংলার পরিচয় প্রসঙ্গেও গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, শুধুমাত্র বাংলা ভাষায় কথা বললেই বাঙালি হওয়া যায় না। যাঁরা প্রজন্মের পর প্রজন্ম পশ্চিমবঙ্গে থেকে ব্যবসা-বাণিজ্য করেছেন এবং রাজ্যের উন্নয়নে অবদান রেখেছেন, তাঁরাও বাংলারই মানুষ।তিনি আরও দাবি করেন, আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গে বড় বড় শিল্পগোষ্ঠীর বিনিয়োগ বাড়বে। দেশ-বিদেশের একাধিক সংস্থা নতুন প্রকল্প নিয়ে এগিয়ে আসবে বলেও আশাবাদ প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য, শিল্পের জন্য পশ্চিমবঙ্গের মতো অনুকূল পরিবেশ খুব কম রাজ্যেই রয়েছে।একই সঙ্গে তিনি বলেন, এখন আর শিল্প করতে কোনও ধরনের রাজনৈতিক চাপ বা অতিরিক্ত অর্থ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কারও জমি দখল করে দলীয় কার্যালয় তৈরি হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর দাবি, বর্তমান সরকার শিল্পবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সেই লক্ষ্যেই ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।

জুলাই ১১, ২০২৬
রাজ্য

বড় ঘোষণা ঋতব্রত শিবিরের! এক ঝটকায় প্রকাশ জেলা সভাপতিদের তালিকা, তৃণমূলে নতুন সমীকরণ

তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত এখনও প্রকাশিত হয়নি। তবে সেই অপেক্ষা না করেই সংগঠন গঠনের কাজ আরও এগিয়ে নিয়ে গেল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। শনিবার তপসিয়ায় বৈঠক করে একাধিক জেলার নতুন সভাপতির নাম ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলের মুখপাত্রদের তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে।শনিবার দুপুরের পর তপসিয়ার বৈঠকে তৃণমূলের বহু পুরনো নেতাকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। উপস্থিত ছিলেন শান্তনু সেন, অশোক রুদ্র, নারায়ণ গোস্বামী-সহ একাধিক নেতা। বৈঠকে যোগ দেন প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষও। ভোটের পর দীর্ঘদিন তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। বৈঠকে প্রবেশের আগে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর তাঁর আস্থা রয়েছে এবং তিনি এখনও মমতাকেই হৃদয়ে রাখেন। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি।বৈঠকের পর কৃষ্ণনগর জেলার সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জেবের শেখকে। আলিপুরদুয়ারের সভাপতি করা হয়েছে বিনোদ মিঞ্জকে। জলপাইগুড়ির দায়িত্ব পেয়েছেন মহুয়া গোপ এবং দার্জিলিং জেলার সভাপতি হয়েছেন রঞ্জন সরকার।বহরমপুর জেলার সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ডেভিডকে। মালদার সভাপতি করা হয়েছে প্রসূনকে। যাদবপুর এবং ডায়মন্ড হারবার জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন শুভাশিস দাস।দলের প্রধান মুখপাত্র করা হয়েছে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এছাড়া মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আখরুজ্জামান, ডেভিড, সুদীপ রাহা এবং কোহিনুর।নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগেই ঋতব্রত শিবিরের এই সাংগঠনিক ঘোষণা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি প্রকাশ্যে তুলে ধরারই চেষ্টা করেছে ঋতব্রত শিবির।

জুলাই ১১, ২০২৬
বিদেশ

ভিয়েতনামে ভয়াবহ নৌকাডুবি! ভারতীয় পর্যটকে ভর্তি নৌকা উল্টে বহু মৃত্যু, আতঙ্কে পরিবার

ভিয়েতনামের ফুকুয়ক দ্বীপের কাছে ভয়াবহ নৌদুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন একাধিক ভারতীয় পর্যটক। স্থানীয় প্রশাসনের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার সময় পর্যটকবাহী নৌকায় মোট বত্রিশ জন ভারতীয় পর্যটক এবং চারজন নাবিক ছিলেন। প্রবল ঢেউ ও উত্তাল সমুদ্রের মধ্যে নৌকাটি উল্টে যায়। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অন্তত পনেরো জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে জোরকদমে উদ্ধার অভিযান চলছে।দুর্ঘটনার পর ভিয়েতনামে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, ফুকুয়ক দ্বীপের কাছে ভারতীয় পর্যটক বহনকারী একটি নৌকা দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। ঘটনার সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে ভারতীয় দূতাবাস দ্রুত বিশেষ নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু করেছে।হো চি মিন শহরে ভারতীয় কনস্যুলেট এবং রাজধানী হ্যানয়েও আলাদা নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী দল এবং আশপাশে থাকা একাধিক নৌকা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, নৌকার বহু যাত্রী ভেতরে আটকে পড়ায় উদ্ধারকাজে সমস্যা তৈরি হয়। কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও অনেককে আর বাঁচানো যায়নি।উল্লেখ্য, গত বছরও ভিয়েতনামের একটি জনপ্রিয় পর্যটন এলাকায় নৌকাডুবির ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার পর নৌ-নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও ফের বড় দুর্ঘটনা ঘটায় নতুন করে উদ্বেগ বাড়ল।

জুলাই ১১, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুরে নিহত যুবকের বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী! বিস্ফোরক দাবি, ‘এটা গণপিটুনি নয়, পরিকল্পিত খুন’

বারুইপুরে গণপিটুনিতে নিহত যুবকের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। নিহতের পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর দাদার জন্য চাকরিরও ঘোষণা করেন তিনি। তবে পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পর বারুইপুরের ঘটনাকে ঘিরে একটি বড় দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, এটি সাধারণ গণপিটুনির ঘটনা নয়, বরং নিহতের পরিচয় জেনেই পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari) বলেন, এই ঘটনার পিছনে রাজনৈতিক উস্কানি থাকতে পারে। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনে পরাজিত একটি গোষ্ঠীর প্ররোচনা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। পাশাপাশি উগ্র মৌলবাদী গোষ্ঠীর যোগ থাকার সম্ভাবনাও তিনি উড়িয়ে দেননি। যদিও তদন্তের মাধ্যমে সব তথ্য সামনে আসবে বলেই তিনি জানান।নিহতের পরিবারের জন্য একাধিক সহায়তার ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari)। তিনি জানান, নিহতের বড় দাদাকে রাজ্য পুলিশের অধীনে সিভিক ভলান্টিয়রের চাকরি দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি প্রশাসনের উদ্যোগে দ্রুত মেরামত করা হয়েছে। নিহতের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের জন্য বার্ধক্য ভাতা এবং খাদ্য সহায়তার ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিবারের হাতে এককালীন পঁচিশ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন তিনি।ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari) বলেন, যারা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িত, তাদের কাউকেই ছাড়া হবে না। দ্রুত বিচার করে কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে তিনি প্রশাসনকে নির্দেশ দেন, তদন্তের নামে কোনও নিরীহ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে হবে। তাঁর বক্তব্য, গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ করার অধিকার সবার রয়েছে, কিন্তু নিরপরাধ কাউকে অযথা জিজ্ঞাসাবাদ বা গ্রেফতার করা উচিত নয়।মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari) আরও জানান, ঘটনার ভিডিও ফুটেজে যাঁদের চিহ্নিত করা হয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর কথায়, পঁয়ত্রিশ বছরের এক যুবককে হাত-পা বেঁধে যেভাবে মারধর করে হত্যা করা হয়েছে, সেই ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকেই কোনওভাবেই রেয়াত করা হবে না।উল্লেখ্য, বারুইপুরের ঘটনায় দুটি পৃথক মামলা নিয়ে তদন্ত চলছে। একটি গণধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ এবং অন্যটি গণপিটুনির ঘটনা। গণধর্ষণ ও হত্যার মামলায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদিকে গণপিটুনি এবং সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের মামলায় এখনও পর্যন্ত সাতত্রিশ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তদন্ত এখনও চলছে।

জুলাই ১১, ২০২৬
কলকাতা

সিঙ্গুরের ক্ষত ভুলিয়ে বড় চমক! বাংলায় ছয়শো কোটি টাকার নতুন শিল্প, হাজারো চাকরির আশা

ডানকুনিতে নতুন শিল্প প্রকল্প ঘিরে আশার আলো দেখছেন হুগলি এবং সিঙ্গুর সংলগ্ন এলাকার মানুষ। দীর্ঘদিন বড় শিল্পের অপেক্ষায় থাকা এই অঞ্চলে এবার ছয়শো কোটি টাকার বিনিয়োগে নতুন কারখানা গড়ে উঠছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে নতুন প্রকল্পের শিলান্যাস হওয়ায় শিল্পায়ন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে লাক্স কোজ়ির কারখানার পরিসর আরও অনেকটাই বাড়ছে। পুরনো এবং নতুন ইউনিট মিলিয়ে প্রায় কুড়ি লক্ষ বর্গফুট এলাকা জুড়ে গড়ে উঠবে আধুনিক উৎপাদন কেন্দ্র। এর ফলে শুধু উৎপাদনই বাড়বে না, স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।ডানকুনি আগে থেকেই গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য পরিচিত। জাতীয় সড়ক, রেলপথ এবং বড় বড় গুদাম ও পরিবহণ কেন্দ্র থাকার কারণে এই এলাকা শিল্পের জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত। নতুন কারখানা চালু হলে হুগলি জেলার শিল্প মানচিত্রে আরও গতি আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই এই প্রকল্পকে নতুন সম্ভাবনার দরজা হিসেবে দেখছেন। কারখানার বর্তমান কর্মী মানসী ঘোষের আশা, নতুন ইউনিট চালু হলে আরও বহু মানুষের কাজের সুযোগ তৈরি হবে এবং এলাকার অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।জনাই থেকে প্রতিদিন কাজে আসা পীযূষ কান্তি ঢালিও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, রাজ্যে আরও নতুন শিল্প গড়ে উঠুক এবং বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য স্থায়ী কর্মসংস্থান তৈরি হোক। পাশাপাশি শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম একুশ হাজার টাকা বেতনেরও দাবি জানিয়েছেন তিনি।দীর্ঘদিন শিল্পহীনতার অভিযোগে সমালোচনার মুখে থাকা এই অঞ্চলে নতুন বিনিয়োগকে ঘিরে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। শিল্পের সম্প্রসারণের পাশাপাশি ছোট ব্যবসা, পরিবহণ, গুদাম এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক ক্ষেত্রেও নতুন কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা তৈরি হবে বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা।

জুলাই ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal