• ২৮ পৌষ ১৪৩২, বৃহস্পতি ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

TMC

রাজনীতি

২০ বছরের বেশি ব্লক সভাপতি, চক্রান্ত হয়েছিল দাবি তৃণমূল নেতার

চক্রান্ত হলেও দল সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নেত্রীর বিশ্বাসকে চিড় ধরানোর জন্য কেউ বা কারা এ কাজ করেছিল। বললেন কুড়ি বছরের তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি। প্রসঙ্গত পুনরায় খড়্গপুর ২ নং ব্লক তৃণমূলের সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন তৃষিত মাইতি। এরপর দলেরই একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি এদিন।আজ এক সাক্ষাৎকারে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে তৃষিত বলেন, কিছু কিছু ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত তৈরী হয়েছিল। দলেরই একাংশ চায়নি তিনি পুনরায় ব্লক সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত হোন। কিন্তু দল সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে, সঠিক বিচার বিবেচনার মধ্য দিয়ে পুনরায় দলের খড়্গপুর ২ নং ব্লকের দ্বায়িত্ব দিয়েছেন দল পরিচালনার জন্য। তবে দলের মধ্যে থেকে কে বা চক্রান্ত করেছে তা খোলসা করে জানাননি তৃষিত বাবু।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২২
রাজনীতি

বামেদের আন্দোলন নিয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ বিজেপি জেলা সভাপতির, 'সিপেমূল'এর আন্দোলন বলে কটাক্ষ

গরুপাচার, কয়লা চুরির উপর থেকে নজর ঘোরাতেই তৃণমূল ও সিপিএম যৌথ ভাবে আইন অমান্য আন্দোলনের নামে ভাঙচুর করেছে। সিপিএমকে এগিয়ে দিয়ে পিছন থেকে মদত দিয়েছে তৃণমূল। শুক্রবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই অভিযোগ তুললেন পূর্ব বর্ধমান সদর জেলা বিজেপির সভাপতি অভিজিৎ তা। যেভাবে সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর ও পুলিশকে আক্রমণ করা হয়েছে সে বিষয়েও কড়া ভাষায় নিন্দা করেন তিনি। এভাবে সিপিএমকে এগিয়ে দিয়ে বিজেপিকে রোখা যাবে না বলে জানান তিনি।অভিজিৎ তা বলেন, একটা গরীবের দল কর্জনগেট এলাকার গরীব ফল বিক্রেতাদের দোকানে আন্দোলনের নামে ফল লুট করেছে। তিনি বলেন, এটা কোনও আইন অমান্য কর্মসূচি নয়। এটা লুটতরাজের কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে। আন্দোলনকারীদের আচরণ নিয়েও অভিজিৎ প্রশ্ন তুলেছেন। যেভাবে পুলিসকে তাড়া করে রাস্তায় ফেলে মারা হয়েছে, তাতে প্রশাসনকে অসহায় লেগেছে। তিনি বলেন, সেই বাম আমল থেকে এই সরকার অবধি পুলিস যে অসহায়, তা আরও একবার প্রমান হল বর্ধমানে।পূর্ব বর্ধমান সদর জেলা বিজেপির সভাপতি অভিজিৎ তা পুলিসের প্রতি সহানুভূতি দেখিয়ে বলেছেন, পুলিস আপনার আমার বাড়িরই কোনও সদস্য, তাঁদেরকে যেভাবে সিপিএম পিঠ ব্যগে করে ইঁট নিয়ে এসে ছুঁড়ে ছুঁড়ে মেরেছে, সেটা আন্দোলনের অংশ হতে পারে না।অভিজিৎ তা মিটিংয়ে আসার পরিবহণ ব্যবস্থা নিয়েও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করে বললেন, যেকোনও রাজনৈতিক দলকেই সভা সমাবেশে যেতে গেলে গণপরিবহণের সাহায্য নিতে হয়। কিন্তু বিজেপির মিটিংয়ে কোনও পাবলিক বাস মালিকই বাস ভাড়া দিতে চান না। কারণ তাঁরা বিজেপিকে বাস ভাড়া দিলে সেই বাসমালিক ও তাঁর কর্মচারীদের নানা ভাবে হেনস্তার সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তিনি বলেন, এইবারের মিটিংয়ে আসার জন্য বাস সংক্রান্ত কোনও সমস্যায়ই পড়তে হয়নি বামেদের। অভিজিৎ তা মনে করেন, তৃণমূলের একটা অংশ (বিক্ষুদ্ধও হতে পারে) পরোক্ষে এই মিটিংয়ে আসার জন্য বাসের ব্যাপারে তাঁদের সাহায্য করেছেন। তিনি এই আন্দোলনকে সিপেমূল-এর আন্দোলন বলে আখ্যা দিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২২
রাজনীতি

বর্ধমানে সিপিএম পার্টি অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে, অভিযোগ অস্বীকার শাসকদলের

আবারও সিপিএম পার্টি অফিসে হামলার অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বর্ধমান শহরের নীলপুর এলাকায় ২ নম্বর এরিয়া সিপিএমের পার্টি অফিসে হামলা চালানো হয়। পার্টি অফিসের বাইরে শহীদ বেদীতেও ভাঙচুর করার পাশাপাশি অফিসার তালা ভেঙে অন্য তালা লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় সিপিএম সমর্থকেরা। তাঁরা জানান, দুস্কৃতিরা জানালা, দরজা ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়।প্রসঙ্গত, বুধবার বামেদের আইন অমান্য অভিযানের রাতে হাটুদেওয়ান এলাকাতেও একটি সিপিএমের কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। জেলা সিপিএমের অভিযোগ ৩১শে আগষ্ট আইন অমান্য আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গন্ডগোলের সৃষ্টি হয়েছিল, তার পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস পরিকল্পিতভাবে আমাদের পার্টি অফিসে হামলা চালাচ্ছে।তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ নস্যাৎ করা হয়েছে। জেলা তৃনমুল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানান, কোন পার্টি অফিসে হামলার ঘটনাই ঠিক নয়। তবে এর সাথে তৃণমূল কংগ্রেসের কোন যোগ নেই। সিপিএম নিজেরাই এই কাজ করতে পারে। ৩১শে আগষ্ট সিপিএম তান্ডব চালিয়ে বিশ্ববাংলা লোগো থেকে শুরু করে বিধায়কের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। দলের নির্দেশে আমরা শান্ত আছি। এর সাথে তৃণমূল কংগ্রেসের কোন যোগ নেই।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

'বর্ধমান শহরে ওরা যা তান্ডব করেছে, আমাদের ৫ মিনিট লাগবে ওই তান্ডব বন্ধ করে দিতে' -বিধায়ক খোকন দাস

বুধবার বর্ধমানে বামেদের আইন অমান্য কর্মসূচি ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে। এই নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে জনতার কথাকে বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস বলেন, তিনি ২-৩ দিন একটা বিশেষ কারণে বর্ধমানের বাইরে ছিলেন। তিনি এও জানান এক বেসরকারি এনজিও তাঁকে বিশিষ্ট সমাজসেবী হিসাবে সন্মাননা দেওয়ার জন্য তাঁকে দিল্লী ডেকে ছিল, সেই পুরস্কার নিতেই তিনি শহরের বাইরে ছিলেন।তিনি আরও জানান আমি কাল দিল্লীতে বিভিন্ন চ্যনেলের মাধ্যমে ও দলের কর্মিদের কাছে বুধবারের ঘটনার পুংখানুপুংখ রিপোর্ট পেয়েছি। তিনি জানান, যেকোনোও পার্টিই গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আন্দোলন করতে পারে, কিন্তু বুধবারচোর ধরো জেল ভরো আন্দোলনের নামে যেভাবে তান্ডব চালিয়েছে সিপিএম তাঁর ভাবছে আবার এইভাবে সন্ত্রাস করে সিপিএম আবার বাংলায় ফিরে আসবে। ২০১১ থেকে বারবার নির্বাচনে প্রমানিত বাংলার মানুষ সিপিএম কে পছন্দ করেনা।তিনি আরও জানান কলকাতা থেকে দলনেত্রী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে আমাদের দলীয় কর্মীরা যথেষ্ট সংযত ছিল। কারন আমরা বাংলায় শান্তি চায়। তিনি হুমকি দিয়ে বলেন, বর্ধমান শহরে ওরা যা তান্ডব করেছে, আমাদের ৫ মিনিট লাগবে ওই তান্ডব বন্ধ করে দিতে। তিনি আরও জানান,আমাদের কর্মীরা কাল্কেই অদের পার্টি অফিস ভেঙ্গে দিতে চায়ছিলো। আমাদের কলকাতা থেকে বারন করেছে বলে তাই আমাদের কর্মীদের কোনও জায়গায় কোনও কিছু করে নাই। তিনি বাম নেতাদের ও সংযত হওয়ার আবেদন করেন।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২২
রাজনীতি

বামেদের 'আইন অমান্য' নিয়ে রণক্ষেত্র বর্ধমান, ভাঙল বিশ্ববাংলা লোগো, উত্তেজিত জনতা ছিঁড়ে ফেলল সরকারি প্রকল্পের তালিকা

সিপিআইএমের ডাকে আইন অমান্য কর্মসূচিতে কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয় বর্ধমান শহর। পুলিস ও বাম সমর্থকদের উত্তেজনার টানাপোড়েনে মাঝে পড়ে কিংকর্তব্য-বিমূঢ় শহর বাসী ও শহরে কর্মসুত্রে আসা আসা জনসাধরণ। বিকাল ৩টার পর থেকেই ষ্টেশন থেকে বড় নীলপুর যেন রুপ নেয় রণক্ষেত্রের।এদিন দুটি বড় সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। বড়নীলপুর মোড় এবং বর্ধমান স্টেশনে দুটি সভায় দলের নেতারা অংশ নেন। বড়নীলপুরের সভায় বক্তব্য রাখেন দলের পলিটব্যুরো সদস্য ও রাজ্য সম্পাদক মহঃ সেলিম। দুটি মিছিল শহরের দুই প্রান্ত থেকে কার্জনগেটে সমবেত হয়। সেই সভায় এদিন সেলিম বলেন, লুঠ হলে, ধর্ষণ হলে এ রাজ্যের পুলিশকে খুঁজে পাওয়া যায় না। ১৯৫৯ এ হাজার হাজার মানুষ খাদ্যের দাবিতে সমবেত হন। পুলিশ লাঠি পিটিয়ে ৮৪ জন মানুষকে খুন করে। প্রত্যেক বছর এই লড়াইয়ে শহিদদের স্মরণ করি আমরা। জীবন জীবিকার এই লড়াই। একসময় সব কিছু নিষিদ্ধ করে, গুন্ডা পুলিশ নামিয়েও আমাদের দমাতে পারেনি। শুভেন্দু অধিকারী কম দুর্নীতিগ্রস্ত নন। মুখ্যমন্ত্রী লিস্ট করে নাম বলে দিয়েছেন। লাল ঝান্ডা শেষ হয়েছে? এমন হিটলার ভেবেছিল। হিটলার মুসোলিনী মুছে গেছে।তিনি বলেন, হক কথা সোচ্চারে বলার দাবিতে, চোরদের ধরার দাবিতে মানুষ রাস্তায় নেমেছেন। সব জেলাতেই। যতই বিশ্ববাংলার ঢাক পেটান, ওই ঢাক ফেটে গেছে। কেন বেকাররা কাজ পাবেনা? কেন মজুরেরা সঠিক মজুরি পাবেন না? লাল হটেছে কিন্তু রাজ্য বাঁচেনি। আজ রাজ্যকে বাঁচাতে লাল ঝান্ডা আবার রাস্তায় নেমেছে।মহঃ সেলিম তাঁর বক্তব্যে বলেন, চোর ধরো জেলে ভরো এটা কি ছাত্র যুবদের কাজ? এটা কি পুলিশের কাজ নয়? পুলিশ এখানে চোরেদের মাল পাহারা দেয়। এ লড়াই পুলিশকে জাগিয়ে তোলার। আনিস খুন হলেও আমরা বিচার চাই পুলিশ খুন হলেও বিচার চাই। বিজেপির চোর আলাদা কিছু নয়। দুই চোরের বিচার চাই। সেলিম এদিন সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। এরপর স্টেশন ও নীলপুর থেকে দুটি মিছিল শুরু হয়ে জেলাশাসকের দপ্তরের সামনে আসে। দুপুর থেকেই বিরাট পুলিশবাহিনী মোতায়েন ছিল গোটা এলাকায়।মিছিল পৌঁছানোর কিছুক্ষণের মধ্যে বাম সমর্থকেরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন, প্রথম গার্ড ওয়াল ভেঙ্গে কিছুটা এগোতেই জল কামান চালানো হয়, ছত্র ভঙ্গ হয়ে যায় বিক্ষোভকারীরা। তাঁরা আবার একজোট হয়ে আবার ফিরে আসতেই পুলিস কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়েন। এরপর উত্তেজিত জনতা ইট পাথর ছুড়তে থাকেন পুলিসকে লক্ষ করে। পুলিসও লাঠি হাতে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে রাস্তায় নামেন। শুরু হয়ে পুলিস-জনতা খন্ডযুদ্ধ।অবশেষে র্যাফ নেমে রুট মার্চ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয় বিক্ষোভকারিদের। বেশ কিছু বাম সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়। দুপক্ষের এই খণ্ডযুদ্ধে পুলিস ও বাম সমর্থকের অনেকেই আহত হয়েছে। কিছুদিন আগে কর্জনগেট এলাকা সৌন্দার্য্যায়নের জন্য একটি বিশ্ব বাংলার লোগো বসানো হয়। বিভিন্ন সরকারী প্রকল্পের তালিকা টাঙ্গানো হয় টেলিফোন অফিসের দেওয়ালের গায়ে। সেই সবই এখন ধংস্তুপে পরিণত। এমনকি কর্জনগেটের অনতিদুরে বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসের বিধায়ক পরিসেবা কেন্দ্রেও ভাংচুড় করার অভিযোগ করেন বিধায়ক ঘনিষ্ট তৃণমূল নেতা শিবশঙ্কর ঘোষ।

আগস্ট ৩১, ২০২২
রাজ্য

বর্ধিত হারে ডিএ না দেওয়ায় কর্মবিরতিতে অংশগ্রহণ করা শিক্ষক ও কলেজের কর্মীদের হুমকি জামালপুরের ছাত্র নেতার

বর্ধিত হারে মহার্ঘভাতা সহ বিভিন্ন দাবি দাওয়া নিয়ে মঙ্গলবার ২ ঘন্টার কর্মবিরতির ডাক দিয়েছিল বাম সমর্থিত কর্মি সংগঠন। সেই কর্মবিরতির ডাকে সামিল হওয়ার জন্য পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর কলেজের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের রুমে ঢুকে শাসালেন ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি বিট্টু মল্লিক। তাঁর আচরণে শিক্ষক মহলের অনেকেই আরাবুলের ছায়া দেখতে পেয়েছেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক জানিয়েছেন।টেবিল চাপড়ে শিক্ষকদের হুঁশিয়ারিও দিলেন উচ্চ মাধ্যমিক পাশ এই ছাত্র নেতা। প্রসঙ্গত, তিনি জামালপুর কলেজের ছাত্র নন। কলেজ পড়ুয়া না হয়েও শুধুমাত্র শাসক দলের ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে একজন যুবক কি ভাবে কলেজ শিক্ষকদের এইভাবে হুমকি ও হুঁশিয়ারি দিতে পারে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষকরাই। মঙ্গলবার ২ ঘন্টার কর্মবিরতিতে অংশ নেওয়া শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের দীর্ঘক্ষণ কলেজে আটকেও রাখা হয়।

আগস্ট ৩১, ২০২২
রাজনীতি

বিধায়কের বিরুদ্ধে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ দলের অঞ্চল সভাপতির, ভাইরাল ভিডিও, কটাক্ষ বিজেপির

শাসকদল তৃণমূলের নেতা নেত্রীদের দূর্নীতির কর্মকান্ড ক্রমেই সামনে আসছে। এবার মহিষাদলের বিধায়ক তিলক কুমার চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ তুললো দলেরই অঞ্চল সভাপতি। মহিষাদল ব্লকের নাটশাল-২ এর তৃণমূলের বর্তমান অঞ্চল সভাপতি কমলাকান্ত মন্ডল, এবং স্ত্রী জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ কণিকা মন্ডল। অঞ্চল সভাপতি কমলা কান্ত মন্ডলের একটি ভিডিও ভাইরাল রয়েছে। সেই ভিডিওতে তিনি বলছেন,নাটশাল-২ অঞ্চলে সরকারি যে কাজ হয়ে থাকে তা থেকে বিধায়ক কাটমানি নিয়ে থাকেন। কাটমানির অর্থ চার ভাগ করে পাট পাট নিয়ে নেওয়া হয়। নিয়ম মেনে কাজ করা হয়নি, রাস্তার কাজ ছোট ও কম উচ্চতায় করা হয়। কাটমানি নিয়ে নিম্ন মানের কাজ হয়ে থাকে। পাশাপাশি নাটশাল-২ গ্রামপঞ্চায়েতে যাকে প্রধান করেছেন তিনি তৃতীয় শ্রেণী পাশ। অনেক সদস্য মাস্টার ডিগ্রি থাকলেও তাদের করা হয়নি। কারন কাটমানি নিতে পারা যাবে না তাই।মঙ্গলবারই কলকাতার কাম্যাক স্ট্রিট অফিসে তমলুক সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের নেতৃত্বদের নিয়ে বৈঠক করেছিলেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই দলের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই বৈঠকের কয়েক ঘন্টা কাটতে না কাটতে দলের অঞ্চল সভাপতির এই ধরনের ভিডিও নিয়ে রাজনীতি চর্চা শুরু হয়েছে।এই বিষয় নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি তপন ব্যানার্জি। তিনি বলেন, রাজ্য জুড়ে যেখানে তৃণমূলের মন্ত্রী, নেতারা কাটমানি নিচ্ছে সেখানে একজন বিধায়ক নিচ্ছে, তৃণমূল দলটাই দূর্নীতিতে ভরে গিয়েছে। পাশাপাশি দলের মধ্যে এতো বেশি গোষ্ঠী দ্বন্দ তার জন্য এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। ব্লক সভাপতি বিধায়কের সমন্ধে বলছে আবার বিধায়ক ব্লক সভাপতি বিরুদ্ধে বলছেন। এটাই এই রাজনৈতিক দলের কালচার। এই ধরনের অভিযোগ ব্লক, জেলা, রাজ্য সর্বত্রই ছড়িয়ে পড়ছে।যদিও দলের অঞ্চল সভাপতি করা অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে চাইছেন না বিধায়ক তিলক কুমার চক্রবর্তী। তিনি বলেন, অঞ্চলের মিনিমাম কন্ট্রোল যার নেই, সে এই ধরনের মন্তব্য করছে, যার কোনো মূল্য নেই, যার কোনো গ্রহনযোগ্যতা নেই, যতটুকু পাওয়ার তার থেকে বেশি পাওয়ার জন্য এইধরনের অভিযোগ করছে।

আগস্ট ২৮, ২০২২
রাজ্য

আবার বিজেপিকে কর্মীকে মারধর ও গাঁজা কেস দেবার হুমকির অভিযোগ শাসকদলের কর্মীদের বিরুদ্ধে

বিজেপির পক্ষ থেকে আজ ছোড়াফাড়ি ও আউশগ্রাম থানায় একটি অভিযোগ করা হয়েছে। তাদের দাবি, আউসগ্রাম বিধানসভার বিজেপির ৫২ নং মন্ডলের সম্পাদক জয়দেব ঘোষের বাড়ি রামনগর পঞ্চায়েতের গোপালপুর। গতকাল রাত ৯:৩০ নাগাদ অসুস্থ মায়ের ওষুধ নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে তৃণমূলের পক্ষ থেকে রাধামাধব মন্ডল, প্রদীপ ঘোষ (তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী), কালীপদ আঁকুড়ে, পরিধন কর্মকার - এই চার জন মিলে প্রচন্ড মারধর করে এবং প্রাণে মেরে গাছে টাঙিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। তাকে গাঁজা কেসে ফাঁসিয়ে দেওয়ারও হুমকি দেওয়া হয়।জয়দেব ঘোষের দাবি, বিজেপির পতাকা টাঙিয়ে ছিলেন বলেই এই আক্রমণ। তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলা হয়েছে, বিজেপিই বারবার এই এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করে গেছে। এটা তৃণমূল কংগ্রেসের সংস্কৃতি নয়।

আগস্ট ২৮, ২০২২
রাজ্য

আউশগ্রামে অনুব্রত ঘনিষ্ট ব্লক সভাপতির বিরুদ্ধে তৃণমূলেরই একাংশের ভয়ঙ্কর দুর্নীতির অভিযোগ

এবার অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে তোলাবাজি, বেআইনি বালির কারবার সহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠল। অভিযুক্ত নেতা রামকৃষ্ণ ঘোষ পূর্ব-বর্ধমানের আউশগ্রাম-২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতির পদে রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের সদস্যও। জানা যায় কয়েকজনের সাক্ষর করা একটি অভিযোগপত্র পাঠানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। যদিও এই অভিযোগ মানতে নারাজ রামকৃষ্ণ ঘোষ।আউশগ্রাম-২ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন ধনকুড়া গ্রামের বাসিন্দা সুভাষ মণ্ডল। সুভাষ মণ্ডলকে ২০১৬ র বিধানসভা নির্বাচনে ভাতার কেন্দ্রের প্রার্থী করে দল। তিনি বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর আউশগ্রাম-২ নম্বর ব্লকে দলের সভাপতির পদে রামকৃষ্ণ ঘোষকে দায়িত্ব দেন অনুব্রত মণ্ডল। সেই থেকেই রামকৃষ্ণ ঘোষের ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায় বলে জানাচ্ছেন স্থানীয়দের একাংশ।জানা যায় আউশগ্রামের কোটা অঞ্চলের রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা রামকৃষ্ণ ঘোষ ডেকরেটর সামগ্রীর ব্যবসা করেন। রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা শেখ সাবির হোসেনের অভিযোগ, তৃণমূলের ব্লক সভাপতির দায়িত্ব পরেই ঠিকাদারি, বেআইনি বালির কারবার, বেআইনি কয়লার কারবার থেকে প্রচুর টাকা রোজগার করে রামকৃষ্ণ ঘোষ। রাস্তাঘাটের টেণ্ডার ওর মাধ্যমেই পরিচালনা হয়। গ্রামে তিনতলা বাড়ি ছাড়াও ২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে দুটি বাড়ি তৈরি করেছে কয়েক কোটি টাকা দিয়ে। আমরা আগেও রামকৃষ্ণ ঘোষের বেআইনি কারবার নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় জানিয়েছিলাম। কিন্তু কোনও ফল হয়নি। অভিযোগ চেপে যাওয়া হয়েছে। এবার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানিয়েছি।গ্রামবাসী উত্তম আঁকুড়ে বলেন,রামকৃষ্ণ ঘোষ আগে প্যাণ্ডেলের ব্যবসা করতেন। ব্লক সভাপতি হয়ে যাওয়ার পর অনেক জমিজায়গা,বাড়ি কিনেছেন। দুমাস আগেও একটা বাড়ি কিনেছেন। পার্টির নেতা তো, বালি,কয়লা,অনেক রকম কারবার আছে। তবে সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন রামকৃষ্ণ ঘোষ। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,ওসব বিরোধীদের চক্রান্ত। আমার জমিজায়গা যা আছে সেগুলো আমার পৈতৃক সম্পত্তি। আমি প্যান্ডেলের ব্যবসা করি। আমার স্ত্রী কলেজে চাকরি করেন। সেই চাকরি ২০০৮ সালে পাওয়া। আমার দাদা সায়েন্টিস্ট।আমার ভাই ইঞ্জিনিয়ার। ভাইয়ের নিজস্ব কারখানা আছে। আমাদের জমিজায়গা, পুকুর যা আছে তা বাপঠাকুরদার কাছ থেকে পাওয়া।

আগস্ট ২৭, ২০২২
রাজ্য

ফের পূর্ব বর্ধমানের তৃণমূল নেতাকে সিবিআইয়ের তলব

ফের তৃণমূল নেতাকে সিবিআইয়ের তলব। পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের ভাল্কি পঞ্চায়েত এলাকার শাসক দলের জিতেন বাগদীকে তলব করলো সিবিআই।তবে তাকে দুর্গাপুর বা কলকাতার নিজাম প্যালেসে যেতে হবে না। ২ সেপ্টেম্বর জিতেন বাগদীর বাড়িতে গিয়ে সিবিআই আধিকারিকরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে এই মর্মে নোটিশ পাঠানো হয়েছে সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে। গতকাল অর্থাৎ ২৪ আগষ্ট জীতেন বাগদীর বাড়ি ঘুরে গেছে সিবিআইয়ের টিম। তার বিরুদ্ধে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের মামলায় সিবিআই জিজ্ঞসাবাদ করবে ২ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩ টের সময়।তাকে বাড়িতে থাকাতে বলা হয়েছে।এখানে উল্লেখ্য গত ৬ আগষ্ট অরূপ মিদ্যাকে সরিয়ে তার জায়গায় জীতেন বাগদীকে ভাক্লি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি করা হয়। তবে তিনি নোটিস পাওয়ার কথা স্বীকার করেননি। তিনি টেলিফোনে বলেন, কোনও নোটিস পায়নি।প্রসঙ্গত, ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় আউশগ্রামের শাসক দলের একাধিক নেতাকে তলবা করা হয় দুর্গাপুরে সিবিআইয়ের অস্থায়ী শিবিরে। সেখানে জেরা করা হয়েছে। যদিও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। এই বিষয়ে রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবু টুডু বলেন,এরকম খবর শুনলাম। এই কদিন আগে তাকে অঞ্চল সভাপতি করেছে দল।তবে সবই তো বোঝা যাচ্ছে কি হচ্ছে। রাজনৈতিক হিংসা চরিতার্থ করার চেষ্টা।বিজেপি জেলা সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, আমরা তো বারে বারে আবেদন করেছি দুর্নীতিগ্রস্থ নেতাদের সিবিআই গ্রেপ্তার করে তদন্ত করুক। আগামীদিনে বাংলার দুর্নীতিবাজ নেতারা কেউ রেয়াত পাবে না। জীতেন বাগদীর বাড়ি আউশগ্রাম থানার প্রেমগঞ্জ গ্রামে গেলে তার দেখা মেলে নি। তার স্ত্রী চিন্তা বাগদী বলেন, বাড়িতে নাই। বাইরে গেছে। তিনিও জানান,তাদের বাড়িতে কোন চিঠি আসে নাই।

আগস্ট ২৫, ২০২২
রাজনীতি

গরুপাচারকান্ডে অনুব্রতকে ১৪ দিনের জেল হেফাজাতের নির্দেশ আদালতের

গরুপাচারকান্ডে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আসানসোলের সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত। যদিও এই নির্দেশের আগে সওয়াল-জবাব চলে দুই পক্ষের আইনচজীবীর মধ্যে। এদিন সকালে অনুব্রতকে নিজাম প্যালেস থেকে আসানসোলের উদ্দেশে নিয়ে বের হন সিবিআই আধিকারিকরা। পথে শক্তিগড়ে ব্রেকফাস্ট করেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি।আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে সওয়াল জবাব চলাকালীন অনুব্রতর আইনজীবী বলেন, তাঁর মক্কেলকে টার্গেট করা হয়েছে। যেহেতু কেন্দ্রে বিরোধী দলের সরকার রয়েছে। সিবিআইয়ের আইনজীবীর আনা প্রভাবশালী তকমা নিয়ে অনুব্রতর আইনজীবী বলেন, তাঁর মক্কেলকে মুখ্যমন্ত্রী চেনেন। তার মানেই প্রভাবশালী হতে পারে না। জামিনের আবেদন জানান তিনি। অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গলের সম্পত্তির সঙ্গে অনুব্রতর কোনও সম্পর্ক নেই বলেও আদালতে জানিয়ে দেন অভিযুক্তর আইনজীবী। এদিকে সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, গরুপাচার মামলায় গোপন জবানবন্দীতে অনুব্রতর মন্ডলের নাম বলেছেন অনেকেই। প্রভাবশালী এই ব্যক্তিকে ছাড়া হলে তদন্তে প্রভাব পড়বে।

আগস্ট ২৪, ২০২২
রাজ্য

রায়নার সংঘর্ষের ঘটনায় সাতজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের রায়নার সংঘর্ষের ঘটনায় এখনও অবধি সাতজনকে গ্রেফতার করেছে রায়না থানার পুলিশ। বুধবার ধৃতদের বর্ধমান আদালতে তোলা হয়। এখানে উল্লেখ্য মঙ্গলবার রাতে রায়নার জোতসাদিতে রাজনৈতিক সংঘর্ষে গুরুতর জখম হন গোলাম মোস্তাফা মল্লিক নামে এক তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা। তিনি রায়না-১ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বামদেব মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ স্থানীয় মানুষ জানান। জোতসাদি আর বেলসরের মাঝে কয়েকজন দুস্কৃতী তাকে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। গলাম পুলিসকে জানান তিনি বাইকে করে বর্ধমান থেকে দলীয় কার্যালয় হয়ে বাড়ি ফিরছিলেন, এসময় কয়েকজন দুস্কৃতী তার উপর অতর্কিতে হামলা চালায়। তারা সশস্ত্র ছিল। প্রচন্ড মারধর করে তাকে ফেলে চলে যায়। এলাকায় এখবর ছড়িয়ে পড়ে। এলাকার মানুষ তাকে উদ্ধার করে। তাকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় রাতে। তার পায়ের হাড় ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তিনি গুরুতর আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি।

আগস্ট ১৭, ২০২২
রাজ্য

গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে উতপ্ত রায়না, সংঘর্ষে গুরুতর আহত তৃণমূল কর্মী

ফের অশান্ত পূর্ব বর্ধমানের রায়না। রাজনৈতিক সংঘর্ষে গুরুতর আহত গোলাম মোস্তাফা মল্লিক নামে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা। জানা গিয়েছে, তিনি ব্লক সভাপতি বামদেব মন্ডলের ঘনিষ্ঠ। বামদেব মন্ডলের অভিযোগ, গোলাম বর্ধমান শহর থেকে ফেরার সময় জোতসাদি আর বেলসরের মাঝে কিছু দুস্কৃতী তাঁকে বেধড়ক মারধর করে। তিনি বাইকে করে দলীয় কার্যালয় হয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় কিছু দুস্কৃতী তাঁর উপর হামলা চালায়। তাঁরা সশস্ত্র ছিল। প্রচন্ড মারধর করে তাঁকে ফেলে চলে যায়। এলাকায় এখবর ছড়িয়ে পড়ে। এলাকার মানুষ তাঁকে উদ্ধার করে। তাঁকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার পায়ের হাড় ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তিনি গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।বামদেব বাবুর আরও অভিযোগ, আক্রান্ত নেতা এলাকায় ভীষণ জনপ্রিয় ছিলেন। কিছু লোক গত বিধানসভার ভোটে দলকে হারাতে চেয়েছিল। তাদের উদ্দেশ্য ব্যর্থ করে এই এলাকায় দল বড় ব্যবধানে জয়লাভ করে। তাই তাকে দমিয়ে দিতেই এই আক্রমণ বলে বামদেবের অভযোগ। এলাকা সূত্রে খবর, এলাকায় প্রভাব বাড়ানো নিয়ে ব্লক সভাপতি বামদেব মন্ডলের সাথে সভাধিপতি ও বিধায়ক শম্পা ধারার গোষ্ঠীর বিবাদ চলছে। এ ঘটনাও তারই জের বলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা। যদিও দলের সূত্রে এখনো এমন কিছু বলা হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে রায়নায় নানা রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এসেছে। বর্ধমানের রাজনৈতিক মানচিত্রে রায়না রাজনৈতিক উপদ্রুত অঞ্চল বলেই অনেকের ধারণা। বার বার রাজনৈতিক ঘটনা চলে আসছে বাম আমল থেকে।

আগস্ট ১৭, ২০২২
রাজ্য

টাকার বিনিময়ে চাকরির মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে প্রতারনার অভিযোগ শাসকদলের পঞ্চায়েত সদস্যর বিরুদ্ধে

আশাকর্মী পদে নিয়োগের আশ্বাস দিয়ে ৫৫ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠলো শাসকদলের এক পঞ্চায়েত সদস্যার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত মনিকা রায় পূর্ববর্ধমানের মেমারির দুর্গাপুর পঞ্চায়েতের সদস্যা।তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আশাকর্মীর চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে ৫৫ হাজার টাকা নেয়। পাশাপাশি এলাকার তৃণমূল কর্মী শুভঙ্কর মজুমদারের নাম জড়িয়েছে এই ঘটনায়।মেমারির বড়োর এলাকার বাসিন্দা রাজকুমার হাজরা ওরফে ভোম্বল হাজরা তিনি নিজের স্ত্রীর চাকরীর জন্য মনিকা রায় ও শুভঙ্কর মজুমদারকে ৫৫ হাজার টাকা দেন। তার অভিযোগ স্ত্রী আশাকর্মী পদে চাকরি পায় নি। আবার টাকাও ফেরত পান নি। মঙ্গলবার প্রতারিত রাজ কুমার হাজরা বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।ঘটনার পরই মেমারি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায় পরিবারের লোকজন। রাজ কুমার হাজরা বলেন, একটি বেসরকারি সংস্থার কাছে চড়া সুদে ঋণ করে তিনি শুভঙ্কর মজুমদার ও মনিকা রায়কে টাকা দেন। অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যা মনিকা রায় জানান, এটা রাজনৈতিক চক্রান্ত, রাজনৈতিকভাবে তাকে ফাঁসানো হচ্ছে। একই কথা বলেন তৃণমূল কর্মী শুভঙ্কর মজুমদারও। রাজ কুমার হাজরা মেমারি থানায় অভিযোগ করেন গোটা বিষয়টি নিয়ে। এই বিষয়ে জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। তবে খোঁজ খবর নিয়ে দেখছি আসলে কি ঘটনা হয়েছে।

আগস্ট ১৬, ২০২২
রাজ্য

প্রশাসনের নির্দেশ অগ্রাহ্য করে রাতের অন্ধকারে মাটি পাচার

রাতের অন্ধকারে মাটি চুরি! অভিযোগ মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি তথা চাঁচল-১ ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি এটিএম রফিকুল হোসেনের বিরুদ্ধে মাটি চুরির অভিযোগে সরব কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিইউসি। চাঁচল থানায় লিখিত অভিযোগ জনিয়েছেন চাঁচল -১ নং ব্লক কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি কাজী আতাউর রহমান। যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওটা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সভাধিপতি।জমি থেকে বা নদী থেকে কোনভাবেই মাটি কাটা যাবে না। প্রশাসনের এই নির্দেশকে অগ্রাহ্য করে রাতের অন্ধকারে ট্রাক্টারে করে সেই মাটি পাচার হচ্ছে মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতির বাড়ি নির্মাণের জন্য জমি ভরাটের কাজে। চাঁচলের আসরাইল এলাকার একটি চাষের জমি থেকে রাতের অন্ধকারের মাটি কেটে ট্রাক্টরের করে নিয়ে এসে সেই মাটি চাঁচলের আদর্শ পল্লী এলাকায় অবস্থিত মালদা জেলা পরিষদের সভাপতি তথা চাচল ১ নং ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি এটিএম রফিকুল হোসেনের জমি ভরাটের জন্য। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ভাইরাল হতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। চাঁচলের আস রাইল এলাকার বাসিন্দা অনিজ উদ্দিন আহমেদ অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসনের নির্দেশ রয়েছে মাটি কাটা বন্ধ। সেই মাটি রাতের অন্ধকারে কেটে ট্রাক্টারে করে পাচার হচ্ছে সভাধিপতি এটিএম রফিকুল হোসেনের বাড়ি নির্মাণের জমি ভরাটের জন্য। আমরা মাটির জন্য বাড়ির কাজ করতে পারছি না সেখানে সভাধিপতি কিভাবে করছেন।ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন তিনি। আমরা চাই এই মাটি কাটা বন্ধ হোক।মাটি চুরির বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে চাঁচল এক নং ব্লক কংগ্রেস নেতৃত্ব। চাঁচল ১ নং ব্লক কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা আইএনইউসির সভাপতি কাজী আতাউর রহমান বলেন, গরু চোর,কয়লা চোরের পর এবার মাটি চোর। নির্দেশ রয়েছে মাটি কাটা বন্ধ। নিয়ম সবার জন্যই সমান। স্বয়ং জেলা পরিষদের সভাধিপতি ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। প্রশাসনের মদতে রাতের অন্ধকারে মাটি পাচার হচ্ছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল নেতা রফিকুল হোসেন। তিনি বলেন প্রশাসনের নির্দেশে মাটিকাটা বন্ধ রয়েছে। কোথাও মাটি কাটা হচ্ছে না। বিরোধীরা অভিযোগ করতেই পারেন তবে তা সত্যি নয়। এই ঘটনায় শাসক দলের নেতাদের চোর বলে আক্রমণ করেছেন মালদা উত্তরের বিজেপি সংসদ খগেন মুর্মু। এ বিষয়ে জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আগস্ট ১৬, ২০২২
রাজ্য

শিল্পাঞ্চলে সিপিএমের কিষাণ ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন পান্ডবেশ্বরের তৃণমূল বিধায়কের

স্বাধীনতা দিবসে এ এক অনন্য নজির! সিপিএম পার্টি অফিসে পতাকা উত্তোলন করলেন তৃণমূল বিধায়ক।পান্ডবেশ্বর বিধানসভার নবগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের সিপিআইএমের কিষাণ ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করলেন তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার পথে হঠাৎই সিপিএম কর্মী সমর্থকরা বিধায়কের গাড়ি দাঁড় করান। এবং বিধায়ককে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে বলেন, কমিউনিস্ট পার্টির অফিসে। রাজ্য রাজনীতি অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে সিপিএম এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সমীকরণে যথেষ্ট উত্তাপ রয়েছে। এমতাবস্থায় এহেন কার্যক্রম যথেষ্ট চর্চার বিষয় শিল্পাঞ্চলে। এ বিষয়ে তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন, আজকের এই শুভ স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে কোনও ব্যাপারে রাজনৈতিক রং দেওয়া উচিত নয়। আমি যেহেতু এই অঞ্চলের বিধায়ক তাই তাঁরা অনুরোধ করেন এবং সেই মোতাবেক আমি জাতীয় পতাকা উত্তোলন করি। কিন্তু মাননীয় বিধায়ক কিছুটা হলেও রাজনৈতিক রং চড়িয়ে বলেন, সিপিআইএম সরকার মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তৎকালীন জ্যোতি বসুর সরকার রাইটার্স বিল্ডিং থেকে চুলের মুঠি ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বার করে দিয়েছিলেন।কিন্তু ২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার গঠন করলে সেই কারাগারের নম্বরে সিপিএম নেতৃত্ব তথা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য কিন্তু সহ সিপিএম নেতৃত্বকে ফিসফ্রাই খাইয়েছিলেন। অন্যদিকে আজমপুর সিপিআইএমের নবগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রাক্তন প্রধান কাঞ্চন মুখার্জি বলেন, মাননীয় বিধায়ক আমাদের ঘরের মানুষ। এ বিষয়ে কোনও রাজনৈতিক রং দেওয়া উচিত নয়।তৃণমূল কংগ্রেসের সাথে আমাদের রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও এই স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে আমরা সকলে একত্রিত।

আগস্ট ১৫, ২০২২
রাজ্য

অনুব্রতর নাম করে পেট্রলপাম্প হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে, বর্ধমান থানায় ব্যবসায়ী

বির্তক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না অনুব্রত মণ্ডলের। বর্তমানে বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল গরু পাচার মামলায় সিবিআইয়ের হেফাজতে। তবুও তার নাম উঠে আসছে। তার নাম করে প্রভাব খাটিয়ে জোর করে পেট্রোল পাম্প নিজের নামে লিখিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠলো প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, আইনের সাহায্য নিলে ব্যবসায়ীর বাড়িতে গিয়ে অস্ত্র নিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পাশাপাশি অভিযোগ উঠেছে, শ্লীলতাহানি করা হয় ব্যবসায়ীর স্ত্রীকেও। প্রাণহানির আশঙ্কায় পুলিশের দ্বারস্থ ওই ব্যবসায়ীর পরিবার।বর্ধমান শহরের কচিপুকুর চাঁদমারি লেনের বাসিন্দা অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২০০৬ সাল থেকে বীরভূমের ইলামবাজারের ঘুড়িষা এলাকায় একটি ইণ্ডিয়ান অয়েলের পেট্রোল পাম্পের মালিকানা রয়েছে। বিভিন্ন কারণে পেট্রোল পাম্পটি নিয়ে তিনি আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েন। অরিন্দম বাবুর অভিযোগ সেই সময় ইলামবাজারের প্রাক্তন বিধায়ক নরেশ বাউরি তাকে সাহায্যের নাম করে এগিয়ে আসেন এবং পেট্রোল পাম্পটির শেয়ার নেওয়ার নাম করে বিভিন্ন কাগজপত্রে সই করিয়ে মালিকানা নিজের নামে করিয়ে নেয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে অরিন্দমবাবু বিএলআরও অফিসে গিয়ে মালিকানা পরিবর্তন হওয়া আটকে দেন।ব্যবসায়ী অরিন্দমবাবুর অভিযোগ, এর পর থেকে জোর করে নরেশ বাউরি ও তার লোকজনেরা পেট্রোল পাম্পটি দখল নিয়েছে। পেট্রোল পাম্পে থাকা ১৩ হাজার লিটার ডিজেল তারা চুরি করে নিয়েছে বলে অভিযোগ করেন অরিন্দমবাবু। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১৩ লক্ষ টাকা বলে জানান তিনি । বিষয়টি নিয়ে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। বোলপুর কোর্টে গেলে তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি ও ভয় দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ।অরিন্দম বাবুর অভিযোগ, গত মাসের (জুলাই) ১০ তারিখে নরেশ বাউরি, নরেশ বাউরির স্ত্রী তাপসী বাউড়ি দলবল নিয়ে ভোর পাঁচটা নাগাদ তার বাড়িতে যায়। অরিন্দমের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে পেট্রল পাম্পের কাগজপত্র ছিনিয়ে নেয় অভিযুক্তরা। স্ত্রী বাধা দিতে এলে তাঁর শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। অরিন্দম বাবুর বাড়িতে থাকা ৬০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় নরেশ বাউরি। মাথায় রিভলবার ঠেকিয়ে রাখায় কোনওরকম চিৎকার চেঁচামেচি করতে পারেননি বলে জানান অরিন্দম। নরেশ বাউরি ক্রমাগত অনুব্রত মণ্ডলের নাম করে হুমকি দিতে থাকে এবং কেউ তার কিছু করতে পারবেন না বলে জানান। এরপর বারাবাড়ি করলে তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন অভিযুক্তরা। গোটা বিষয়টি নিয়ে আতঙ্কে রয়েছে অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবার। এই পরিবারকে আতঙ্ক এতটাই গ্রাস করেছে যে ছেলেমেয়েদের টিউশন পড়তে বাইরে যেতে দিচ্ছে না তাঁরা। বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসের নাম করেও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। গোটা বিষয়টি নিয়ে বর্ধমান থানার দ্বারস্থ হয়েছে অরিন্দম বাবু। নরেশ চন্দ্র বাউরি, তাপসি বাউরি সহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।এই বিষয়ে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে নরেশ বাউরী কিছু বলতে অস্বীকার করেন। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন বলেই ফোন কেটে দেন প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক নরেশ বাউরী।

আগস্ট ১৪, ২০২২
রাজ্য

সিবিআইয়ের জালে কেষ্টর পাশেই মমতা, গ্রেফতার নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন মুখ্যমন্ত্রীর

অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতারির তিন দিনের মাথায় মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বেহালার ম্যানটনে স্বাধীনতা দিবসের এক অনুষ্ঠানে বীরভূমের কেষ্টর গ্রেফতার নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন, কেন কেষ্টকে গ্রেফতার হল।বেহালায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পরশু কেষ্টকে গ্রেফতার করা হল, কী করেছিল ও? ইলেকশনে তো ওকে ঘরবন্দি করে রাখা হয়েছিল। একটা ইলেকশনেও ওকে বেরতে দেয়নি। কিন্তু কেষ্টকে আটকালে কী হবে? ছেলেটা গত দুবছর খুব কষ্ট পেয়েছে। ওর স্ত্রী, তার আগে মা মারা গেছে। আমি ওকে এমপি, এমএলএ হতে বললেও ও বলত হব না। রাজ্যসভায় যেতে বললেও যায়নি। মমতার হুঙ্কার, এক কেষ্টকে ধরলে লক্ষ কেষ্ট তৈরি হবে। গরু পাচারের অভিযোগে অনুব্রত মণ্ডল গ্রেফতার হলেও মমতা প্রকাশ্যেই জানিয়ে দিলেন তিনি কেষ্টর পাশে আছেন। কেষ্টর বাড়িতে গিয়ে সিবিআই তান্ডব করেছে বলে দাবি করেছেন মমতা।

আগস্ট ১৪, ২০২২
রাজ্য

রাজ্য জুড়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার অতি-তৎপরতা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিবাদ

রাজ্য জুড়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারি সংস্থার অতি-তৎপরতার বিরুদ্ধে রাস্তায় নামলো তৃণমূল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেপ্তার হওয়ার পর রাজ্য শাসকদলের প্রেস বিবৃতি দিতে এসে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানিয়েছিলেন শুক্র ও শনিবার রাস্তায় নামবে তৃণমূল ছাত্র যুব সংগঠন। সিবিআই নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করুক এই দাবিতে রাস্তায় নামলো পুর্ব বর্ধমান জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেস ও জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। শুক্রবার বিকালে শহরের বীরহাটা থেকে কার্জনগেট চত্বর পর্যন্ত মহামিছিলের আয়োজন করা হয়। মিছিল শেষে কার্জনগেট চত্বরেই হয় বিক্ষোভ সভা। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, বিধায়ক খোকন দাস, অলোক মাঝি, রাজ্যে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক শান্তনু কোনার, তৃণমূল কংগ্রেস ছাত্র পরিষদের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন সহ যুব তৃণমূলের নেতৃত্বরা।প্রসঙ্গত, অনুব্রত মন্ডলের গ্রেপ্তারির পর দিকে দিকে চলছে বিরোধীদের বিক্ষোভ। এই পরিস্থিতিতে দলীয় কর্মীদের মনোবলকে চাঙ্গা করতে তৃণমূল নেতৃত্বের এদিনের প্রতিবাদ মিছিল বলে রাজনৈতিক সূত্রে খবর। তাঁদের দাবী কেন্দ্রের বিজেপি সরকার বিরোধী দলগুলোর প্রতিবাদের ভাষা কেড়ে নিয়ে কন্ঠরোধ করতে আসরে নেমেছে।তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, সিবিআই ও ইডি কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ব্যবহার করছে। তাঁরা মিছিল থেকে এই অভিযোগ তোলে। বিজেপি তৃণমূল কংগ্রেসের মনোবল ভেঙে দেবার চেষ্টা করছে। কিন্তু তৃণমূলকে চমকে, ধমকে কিছু হবে না বলে প্রতিবাদ মিছিল থেকে দাবি করেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ত্ব। সিবিআই ও ইডির বিরুদ্ধে বুকে পোষ্টার লাগিয়ে প্রতিবাদ মিছিলে সামিল হয় তৃণমূল নেতৃত্ত্ব। মিছিল থেকে ওঠে সিবিআই ও ইডির বিরুদ্ধে স্লোগান।

আগস্ট ১২, ২০২২
রাজ্য

দল ও সরকারে অধিপত্য শুরু, 'এক ব্যক্তি এক পদ' নীতিতেই শীলমোহর

দলে আগেই আধিপত্য বিস্তার হয়েছে, এবার রাজ্য প্রশাসনেও শুরু হল অভিষেকরাজ। এসএসসি দুর্নীতি কাণ্ডে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতার হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারণ করা, দলের সমস্ত পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে সাসপেন্ড করার মতো দৃঢ় পদক্ষেপ করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই বুধবার রাজ্যে নয়া মন্ত্রীদের শপথে অভিষেকের নীতির মান্যতা দেওয়ার ছবি স্পষ্ট।এক ব্যক্তি এক পদের দিকে তাকিয়ে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ঘটেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। যার প্রধান প্রবক্তাই তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। দুজনকে জেলা সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর মন্ত্রী করা হয়েছে। হুগলির স্নেহাশিষ মুখোপাধ্য়ায়, উত্তর ২৪ পরগণার পার্থ ভৌমিক। এই দুজনই একসময়ে দুই জেলার যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে তৃণমূলের জেলা সভাপতি হয়েছিলেন স্নেহাশিষ ও পার্থ। এবার সাংগঠনিক পদ ছেড়ে একেবারে রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী।ফিরহাদ হাকিমের কাছ থেকে পরিবহণ নিয়ে ওই দফতর দেওয়া হয়েছে স্নেহাশিষকে। এই ফিরহাদ হাকিমের নাম মেয়র হিসাবে ঘোষণার দিন অভিষেক হাজির ছিলেন না। এক ব্যক্তি এক পদ ঘোষণার পরও দলের একাংশ একাধিক সাংগঠনিক পদ ও একাধিক মন্ত্রিত্ব আঁকড়ে বসে রয়েছে। রাজনৈতিক মহল মনে করে, এদিন মূলত ফিরহাদের কাছ থেকে দুটি দফতর সরিয়ে নিয়ে বোঝানো হয়েছে একাধিক পদ নিয়ে বসে থাকা যত বড় নেতাই হোক না কেন দল কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না।

আগস্ট ০৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • ...
  • 56
  • 57
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

রঞ্জিত মল্লিককে জড়িয়ে ধরলেন অভিষেক, ক্যামেরার সামনে আবেগঘন মুহূর্ত

বর্ষীয়ান অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বিকেলে ভবানীপুরে অভিনেতার বাড়িতে যান তিনি। প্রায় দুঘণ্টা সেখানে ছিলেন অভিষেক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক জানান, এই সাক্ষাতে কোনও রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে তাঁর ছোটবেলার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। ছোটবেলায় তাঁর দেখা প্রথম সিনেমার নাম ছিল গুরুদক্ষিণা, যেখানে অভিনয় করেছিলেন রঞ্জিত মল্লিক। অভিষেক আরও বলেন, অভিনেতার অধিকাংশ ছবি তাঁর জন্মের আগেই মুক্তি পেয়েছিল। ১৯৯২ সালে প্রয়াত কালী বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।অভিষেক জানান, এদিন তিনি রাজনীতির কথা বলতে যাননি। তবে কেন্দ্র কীভাবে রাজ্যের প্রাপ্য টাকা আটকে রেখেছে এবং গত ১৫ বছরে রাজ্য সরকার কীভাবে কাজ করেছে, সে কথাগুলি রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন। পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের কথাও তিনি তুলে ধরেন।সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন রঞ্জিত মল্লিক। তিনি এগিয়ে এসে অভিষেককে জড়িয়ে ধরে বলেন, ওকে আমার খুব ভাল লাগে। খুব ভাল লাগে। এটুকুই বলব। অভিনেতার এই মন্তব্যে মুহূর্তটি আবেগঘন হয়ে ওঠে।উল্লেখ্য, উন্নয়নের পাঁচালি নামে তৃণমূল কংগ্রেসের একটি প্রচার কর্মসূচির কথাও উঠে আসে আলোচনায়। এই প্রচারে গত ১৫ বছরে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প, বিশেষ করে মহিলাদের জন্য চালু হওয়া লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, স্বাস্থ্যসাথীর মতো প্রকল্পগুলির কথা লোককথার ঢঙে তুলে ধরা হচ্ছে। গ্রামের মহিলাদের কাছে সহজ ভাষায় সরকারের কাজ পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
দেশ

নাগরিকত্বে সামান্য সন্দেহ হলেই ভোটার তালিকা থেকে বাদ! সুপ্রিম কোর্টে বড় দাবি নির্বাচন কমিশনের

এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠল সুপ্রিম কোর্টে। শুনানির সময় বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, কেন্দ্রীয় সরকার কোনও ব্যক্তির নাগরিকত্ব নির্ধারণ না করা পর্যন্ত সেই ব্যক্তির ভোটাধিকার কি থাকবে না।এর জবাবে কমিশনের আইনজীবী জানান, এসআইআর প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য হল যাঁরা ভারতীয় নাগরিক নন, তাঁদের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে, তা নিশ্চিত করা। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া বা তাঁকে দেশছাড়া করার কোনও অধিকার নির্বাচন কমিশনের নেই। নাগরিকত্ব নির্ধারণের চূড়ান্ত দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।শুনানিতে কমিশনের তরফে আরও জানানো হয়, নাগরিকত্ব নিয়ে ন্যূনতম সন্দেহ থাকলে সংশ্লিষ্ট ইআরও কোনও ব্যক্তির নাম ভোটার তালিকায় না রাখার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবে তার মানে এই নয় যে ওই ব্যক্তি ভারতীয় নাগরিক নন, এমন সিদ্ধান্ত চূড়ান্তভাবে হয়ে যাচ্ছে।এই মামলার শুনানি আগামী ১৫ জানুয়ারি ফের শুরু হবে প্রধান বিচারপতির এজলাসে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি তুলে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার দুই সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন ও দোলা সেন শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন। তাঁদের হয়ে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল। তিনি আদালতে অভিযোগ করেন, এসআইআর সংক্রান্ত একাধিক নির্দেশ সমাজমাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে এবং হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বুথ লেভেল অফিসারদের কাজের নির্দেশ পাঠানো হচ্ছে।এছাড়াও তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়, এসআইআর শুনানিতে ভোটাররা নথি জমা দিলেও কোনও রসিদ বা লিখিত প্রমাণ তাঁদের দেওয়া হচ্ছে না। কমিশনের তথ্যগত অসঙ্গতি নিয়েও প্রশ্ন তোলে তৃণমূল। এই বিষয়গুলি নিয়ে আগেই সরব হয়েছিলেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকেও তিনি একই অভিযোগ তুলেছিলেন।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টে বড় ধাক্কা! ইডির বিরুদ্ধে তৃণমূলের মামলা খারিজ

কলকাতা হাইকোর্টে বড় ধাক্কা খেল তৃণমূল কংগ্রেস। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের বিরুদ্ধে তৃণমূলের করা মামলা খারিজ করে দিল আদালত। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ এই মামলার শুনানির পর জানান, তৃণমূলের অভিযোগ আদালতে টেকেনি।এ দিন কেন্দ্রের পক্ষে অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু আদালতে জানান, ইডি কোনও নথি বাজেয়াপ্ত করেনি। তাঁর দাবি, আইপ্যাক সংস্থার ডিরেক্টরের বাড়ি ও দফতরে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। কিন্তু সেই তল্লাশির সময় তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ শুভাশীস চক্রবর্তী সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। তা হলে তিনি যে তথ্যের ভিত্তিতে আদালতে মামলা করলেন, সেই তথ্যের উৎস কী, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কেন্দ্রের আইনজীবী।ইডির সওয়ালে আরও বলা হয়, যেসব নথির কথা বলা হচ্ছে, সেগুলি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই নিয়ে গিয়েছেন। ফলে ইডির বিরুদ্ধে নথি বাজেয়াপ্ত করার অভিযোগ ঠিক নয়। এমনকি ইডির আইনজীবী মন্তব্য করেন, যদি কারও বিরুদ্ধে মামলা করতে হয়, তা হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই সেই মামলায় পক্ষ করা উচিত।এই যুক্তির ভিত্তিতেই বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ তৃণমূলের করা মামলা খারিজ করে দেন। তবে ইডির তরফে দায়ের করা আলাদা মামলাটি এখনও হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে।রায় ঘোষণার পর রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ইডির আইনজীবী আদালতে জানিয়েছেন, তৃণমূলের কোনও নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। সেই কারণেই আদালত এই মামলা খারিজ করেছে। অন্যদিকে আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি বলেন, ইডি স্পষ্ট জানিয়েছে তারা কোনও নথি নেয়নি। যে কাগজপত্র নিয়ে অভিযোগ করা হয়েছিল, সেগুলি মুখ্যমন্ত্রী নিজেই নিয়ে গিয়েছেন। আদালতে এই সব যুক্তি উঠে আসায় বিষয়টি অন্য দিকে মোড় নিতে পারে বুঝেই শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের তরফে বলা হয়, নথি বাজেয়াপ্ত না হয়ে থাকলে মামলা চালিয়ে যাওয়ার অর্থ নেই। তার পরেই মামলা খারিজ হয়ে যায়।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
রাজ্য

গ্রামীণ স্কুলে বইয়ের আলো, পাহাড়হাটিতে একদিনের বইমেলায় উৎসবের আমেজ

পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারী ২ নম্বর ব্লকের পাহাড়হাটি বাবুরাম উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো একদিনের বইমেলা। ছাত্রীদের মধ্যে বইপড়ার আগ্রহ আরও বাড়িয়ে তোলার লক্ষ্যেই এই অভিনব উদ্যোগ নেয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এটি একটি সম্পূর্ণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হওয়ায় মেয়েদের মানসিক ও বৌদ্ধিক বিকাশে বইয়ের ভূমিকা আরও সুদৃঢ় করতেই এই আয়োজন বলে জানান কর্তৃপক্ষ।বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা অরুণিমা মুখোপাধ্যায় জানান, বর্তমান সময়ে মোবাইল ও ডিজিটাল আসক্তির মধ্যে বইয়ের প্রতি ছাত্রীদের আগ্রহ ধরে রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সেই জায়গা থেকেই বইকে কাছাকাছি আনার জন্য এই একদিনের বইমেলার আয়োজন। তিনি আরও জানান, প্রথমবার এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও ছাত্রীদের পাশাপাশি অভিভাবক ও স্থানীয় মানুষজনের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে।প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বইমেলার শুভ সূচনা করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা অরুণিমা মুখোপাধ্যায়। স্কুল চত্বরে সাজানো হয় বিভিন্ন প্রকাশনার বইয়ের স্টল। গল্প, উপন্যাস, কবিতা, সাধারণ জ্ঞান, জীবনী থেকে শুরু করে পাঠ্য সহায়ক নানা বইয়ের সম্ভারে খুশি ছাত্রীরা। অনেকেই নিজের পছন্দের বই কিনে নিতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে।উল্লেখ্য, শহর থেকে অনেকটা দূরে অবস্থিত এই গ্রামীণ বিদ্যালয়ের আশপাশে নিয়মিত বইয়ের দোকানের বিশেষ সুবিধা নেই। ফলে ছাত্রীদের বই কেনার সুযোগ সীমিত। সেই অভাব পূরণ করতেই এই বইমেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই প্রয়াসকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকেরা। তাঁদের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ গ্রামীণ এলাকার মেয়েদের শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।বিদ্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, এবছরের সাফল্যে তাঁরা আপ্লুত। ছাত্রীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও উৎসাহ দেখে আগামী বছরও এই বইমেলার আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে বইমেলার এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে শিক্ষাক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

গরিবের টাকা কবে মিলবে? একশো দিনের কাজ নিয়ে হাইকোর্টের কড়া পর্যবেক্ষণ

একশো দিনের কাজের বকেয়া টাকা দ্রুত শ্রমিকদের হাতে পৌঁছনোই আদালতের প্রধান লক্ষ্যএমনই পর্যবেক্ষণ করল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল স্পষ্ট জানান, যত দ্রুত সম্ভব গরিব মানুষরা যেন তাঁদের প্রাপ্য টাকা পান, সেটাই আদালতের উদ্দেশ্য। আদালতের মতে, যাঁরা মনরেগার আওতায় কাজ করেন, তাঁরা মূলত গরিব মানুষ, তাই তাঁদের টাকার ব্যবস্থা করাই এখন সবচেয়ে জরুরি।রাজ্যের পক্ষে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে বলেন, কেন্দ্র যত অভিযোগই করুক না কেন, সবার আগে শ্রমিকদের টাকা দেওয়া উচিত। অন্যদিকে কেন্দ্রের তরফে ডেপুটি সলিসিটর জেনারেল জানান, এই প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে। তাই দোষীদের শাস্তি দেওয়া ও তদন্ত চালানো জরুরি। কেন্দ্রের দাবি, গোটা দুর্নীতির সঙ্গে রাজ্য প্রশাসন যুক্ত থাকায় রাজ্যের হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।শুনানির সময় আইনজীবী অশোক চক্রবর্তী প্রশ্ন তোলেন, তাহলে এখন এই মামলা করার উদ্দেশ্য কী। সেই সময় বিচারপতি জানান, এই মামলার সঙ্গে আদালত অবমাননার আরও একটি মামলা একসঙ্গে শোনা হবে। আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য বলেন, অগাস্ট মাস থেকে অপেক্ষা চলছে, অন্তত শ্রমিকদের স্কিমের টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক। আর কতদিন দেরি হবে। তাঁর বক্তব্য শুনে বিচারপতি বলেন, আদালতও চায় শ্রমিকদের হাতে দ্রুত টাকা পৌঁছাক।এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি। উল্লেখযোগ্যভাবে, এর আগেই সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল যে বকেয়া টাকা কেন্দ্রকে মেটাতে হবে। তবে রাজ্যের অভিযোগ, টাকা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কেন্দ্র নানা শর্ত চাপাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছিলেন, কেন্দ্রের লেবার বাজেটের শর্ত কোনওভাবেই মানা হবে না। মনরেগার কাজ ফের কীভাবে শুরু করা হবে, তা নিয়েও রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট।হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণের পর তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, অনৈতিকভাবে কেন্দ্র এই টাকা আটকে রেখেছে। গরিব মানুষ তাঁদের প্রাপ্য টাকা পাচ্ছেন না। এটা কোনও দয়া নয়, এটা তাঁদের অধিকার। অন্যদিকে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার বারবার চেয়েছে গরিব মানুষ যেন টাকা পান। তবে একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট এটাও বলেছে, টাকা যেন সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছায়। কেন্দ্রের দাবি, হিসাবেই গরমিল থাকায় টাকা আটকে রাখা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
রাজ্য

স্বামী বিবেকানন্দর জন্মজয়ন্তী পালনে ঠাকুরপল্লী স্বামীজি সংঘ, সংবর্ধনা শিক্ষক সমাজকে

স্বামী বিবেকানন্দর জন্মবার্ষিকী ধুমধাম করে পালন করল ঠাকুরপল্লী স্বামীজি সংঘ। এদিন সকালে প্রভাতফেরিতে অংশ নেয় কয়েক শো মানুষ। বিশেষ সজ্জিত ট্যাবলো প্রভাতফেরিকে আকর্ষণীয় করে তোলে। স্বামীজির গলায় মাল্যদান করেন ক্লাবের কর্মকর্তারা। ক্লাবের পতাকা উত্তোলন করেন সংগঠনের সভাপতি অরুন নন্দী।এদিন বিকেলে ক্লাব প্রাঙ্গনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। পাশাপাশি এলাকার ১২জন কৃতী ছাত্র-ছাত্রী ও ৯ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সোমবার সন্ধ্যায় ক্লাব প্রাঙ্গনে আবৃত্তি, সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি প্রানবন্ত হয়ে ওঠে। আয়োজক ক্লাবের পক্ষে কোষাধ্যক্ষ সুখরঞ্জন সাহা, সহ সম্পাদক আশুতোষ দে বলন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আমরা স্বামী বিবেকানন্দকে স্মরণ করেছি নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে।এছাড়া সারাবছর নানা সমাজসেবা মূলক কাজ করে আমাদের ক্লাব। রক্তদান শিবির, স্বাস্থ্য শিবির, চক্ষু পরীক্ষা শিবির নিয়মিত ভাবে আয়োজন করে ক্লাব। স্বামীজি সংঘের কার্যকর্তা অনুপম গাইন, সঞ্জু সাহা, খোকন সরকার, কালাচাঁদ দে সহ অন্যদের সক্রিয় ভূমিকায় দিনভর অনুষ্ঠান সার্বিক সফলতা পেয়েছে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে আর নয়! ভারতীয়দের জন্য বড় নিষেধাজ্ঞা, ফিরতে বলল কেন্দ্র

ইরানের বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বড় সিদ্ধান্ত নিল ভারত সরকার। নাগরিক গণআন্দোলনে উত্তাল ইরানে আপাতত ভারতীয়দের যেতে নিষেধ করা হয়েছে। পাশাপাশি যাঁরা এই মুহূর্তে ইরানে রয়েছেন, তাঁদেরও যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানে কোনও ভারতীয় নাগরিকের যাত্রা নিষিদ্ধ। একই সঙ্গে পর্যটক, পড়ুয়া, ব্যবসায়ী-সহ ইরানে থাকা সমস্ত ভারতীয়কে যে কোনও উপায়ে ভারত ফিরে আসতে বলা হয়েছে। যে সব এলাকায় বিক্ষোভ চলছে, সেগুলি এড়িয়ে চলার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।ইরানে থাকা ভারতীয়দের নিজেদের পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট এবং জরুরি নথি সব সময় সঙ্গে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন এবং তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেও বলা হয়েছে। যাঁরা এখনও দূতাবাসে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করেননি, তাঁদের দ্রুত রেজিস্ট্রেশন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই জরুরি যোগাযোগের জন্য বিশেষ ফোন নম্বর এবং ইমেল পরিষেবাও চালু করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ইরানে তীব্র আন্দোলন চলছে। ভেঙে পড়া অর্থনীতি, চরম আর্থিক সঙ্কট এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন সাধারণ মানুষ। বিক্ষোভ দমন করতে কড়া পদক্ষেপ করেছে ইরান সরকার। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ফাঁসির হুমকিও দেওয়া হয়েছে। খবর অনুযায়ী, আজই প্রথম কোনও আন্দোলনকারীকে ফাঁসি দেওয়া হতে পারে।এই উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানের ঘটনায় মুখ খুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বিক্ষোভকারীদের পিছু না হটার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, সাহায্য আসছে। তবে সেই সাহায্য কী ধরনের, তা স্পষ্ট করেননি তিনি।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
শিক্ষা

পৌষের গন্ধে গ্রামবাংলা: পিঠে, ঘুড়ি আর লোকজ জীবনের উৎসব

পৌষ নামলেই গ্রামবাংলার হাওয়া বদলে যায়। ভোরের কুয়াশা আরও ঘন হয়, খড়ের গাদায় রোদ্দুর বসে, আর মাটির উঠোনে ভেসে আসে চাল ভাপার সোঁদা গন্ধ। এই সময়েই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে এক লোকজ উৎসবপৌষ পার্বণ, যাকে গ্রামবাংলা আদর করে ডাকে পিঠে পার্বণ বলে।এই উৎসব কোনও মন্দিরে বাঁধা নয়, কোনও মন্ত্রে আবদ্ধ নয়। এ উৎসব ছড়িয়ে থাকে উঠোনে, রান্নাঘরে, খোলা মাঠে আর মানুষের মুখের হাঁসিতে। নতুন ধান ওঠার আনন্দে কৃষকের ঘরে যে তৃপ্তি, তারই রসায়ন মিশে যায় পিঠের নরম স্বাদে।গ্রামবাংলার মায়েদের কাছে পৌষ পার্বণ মানে শুধু রান্না নয়এ এক সামাজিক আচার। ভোর থেকে শুরু হয় চাল ভেজানো, বাটা, খোলায় নলেন গুড় বসানো। মাটির উনুনে ধোঁয়া ওঠে, কাঁসার থালায় সাজে ভাপা পিঠে (সিদ্ধ পিঠে), সরু চাকলি, পাটিসাপটা। দুধ পুলির ভেতর গুড় আর নারকেলের মিশেলে লুকিয়ে থাকে দিদিমা-ঠাকুমার হাতের ছোঁয়া, যা কোনও রেসিপির বইয়ে লেখা নেই।লোকসংস্কৃতির এই পরম্পরায় পিঠে শুধু খাবার নয়, এক ভাষা। সেই ভাষায় কথা বলে মমতা, আতিথেয়তা আর ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পৌষের সকালে প্রতিবেশীর ঘরে পিঠে পাঠানো যেমন রীতি, তেমনই রীতি একসঙ্গে বসে খাওয়ারধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ছাপিয়ে।পৌষ সংক্রান্তির আর এক অবিচ্ছেদ্য ছবি আকাশ। নীল আকাশ জুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়ান যেন লোকশিল্পের চলমান ক্যানভাস। যা দেখে কবির সুমন (তখন সুমন চট্টোপাধ্যায়) লিখেছিলেন পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা - আকাশে ঘুড়ির ঝাঁক, মাটিতে অবজ্ঞা। রাঢ় বঙ্গের অন্যতম জনবহুল বর্ধমান শহরে ও তার আশপাশের গ্রামগুলিতে এই দিনে ঘুড়ি ওড়ানো শুধু খেলা নয়, এক উৎসব, সকাল সকাল চা খেয়েই ছাদে জড়ো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, চোখ বন্দি আকাশে, ছাদে-ছাদে চটুল হিন্দি গানের ভিতরেই ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ ভোও-কাট্টা। দামোদরের পাড়ে বসা আদিবাসী ও উপজাতিদের মেলায় ঘুড়ির সঙ্গে মিশে যায় ঢাক, ধামসা, মাদল ও বাঁশির সুর। লোকনৃত্য, হস্তশিল্প আর খোলা মাঠের এই মিলনমেলা যেন বাংলার বহুত্বকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।এই মেলায় দেখা যায় সাঁওতাল, বাউরী, বাগদি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতিনতুন রঙিন পোশাক, পায়ের তালে মাটির ছন্দ দিরি দিম দিম বোল তোলে। আধুনিক শহুরে জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে এই লোকজ উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়সংস্কৃতি মানে শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ।আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পিঠে আসে বাক্সবন্দি হয়ে, ঘুড়ি ওড়ানো হয় ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে। তবু পৌষ পার্বণ এলেই মন ছুটে যায় গ্রামেমাটির ঘর, খোলা উঠোন আর আগুন পোহানো বিকেলের দিকে। কারণ এই উৎসব আমাদের শেখায়, উৎসবের আসল সৌন্দর্য জাঁকজমকে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের উষ্ণতায়।পৌষ পার্বণ তাই শুধুই একটি দিন নয়এ এক স্মৃতি, এক গন্ধ, এক জীবন্ত লোকসংস্কৃতি। সময় বদলায়, রূপ বদলায়, কিন্তু পিঠের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা গ্রামবাংলার আত্মা আজও অটুট।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal