• ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

TMC,

রাজ্য

নির্যাতিতার পরিবারের পাশে তৃণমূল , মন্তব্য দেবু টুডুর

এক মহিলার মদতে, তার সামনে বধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল ৩ দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই ১ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, স্বামী কর্মসূত্রে পাণ্ডুয়া যাওয়ায় মঙ্গলবার বাড়িতে একাই ছিলেন নির্যাতিতা। সেই খবর পেয়ে গভীর রাতে তাঁর বাড়ির সামনেই দাঁড়িয়েছিল ৩ অভিযুক্ত। মহিলা ঘর থেকে বেরতেই তারা ঝাঁপিয়ে পড়ে। গলায় ধারালো অস্ত্র ধরে মুখ আটকে তুলে নিয়ে যায় নির্জন জায়গায়। সেখানেই গণধর্ষণ করা হয় তাঁকে। অভিযোগ, এই নৃশংস ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে এক মহিলা। তার মদতেই এই ঘটনা ঘটিয়েছে দুষ্কৃতীরা। তবে অন্ধকার ও মুখ বাঁধা থাকায় নির্যাতিতা কাউকেই শনাক্ত করতে পারেননি। কোনওক্রমে অভিযুক্তদের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে প্রাণে বাঁচেন তিনি। এরপর বুধবার সকালে তাঁকে ভরতি করা হয় কালনা সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। আরও পড়ুনঃ জোট নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে : অধীর বুধবার সকালে নির্যাতিতার বাড়ি যান তৃণমূলের বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি তথা দলের রাজ্যের মুখপাত্র দেবু টুডু, জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ মিঠু মাঝি-সহ তৃণমূলের প্রতিনিধি দল।কথা বলেন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। আশ্বাস দেন পাশে থাকার, সবরকম আইনি সহযোগিতার। দেবু টুডু বলেন, গুজরাত , উত্তরপ্রদেশের বর্বরোচিত রাজনৈ্তিক কালচার এখানে আমদানি করার চেষ্টা হচ্ছে। সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের এই ঘটনা রুখতে হবে। পুলিশ এই বিষয়টি দেখছে। আমরা এই পরিবারের পাশে সবসময় আছি।

অক্টোবর ১৪, ২০২০
সম্পাদকীয়

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ছে, মানা হচ্ছে না করোনার বিধিনিষেধ, আশঙ্কার মেঘ

করোনা পরিস্থিতিতে এ রাজ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে কোনও লাগাম নেই। এক্ষেত্রে ডান- বাম সবারই ভূমিকা সমান। তৃণমূল ও বিজেপি প্রতিযোগিতা করে ভিড় বাড়াচ্ছে। হাজার হাজার মানুষের সমাবেশ হচ্ছে। না আছে মাস্ক, না আছে দূরত্ব বিধি। এত মানুষের সমাবেশে দূরত্ব বিধি মানার অর্থ সোনার পাথরবাটি ছাড়া কিছুই না। কর্মসূচি ঘোষণার সময় বলছে করেনা আবহে সমস্ত বিধি মেনে কর্মসূচি পালন করব। কার্যত তা লবডঙ্কা। তবে এর ফল ভোগ করতে হতে পারে আপামর বাঙালিকে। তৃণমূল, বিজেপি এবং বাম- কংগ্রেস নিজেদের শক্তি মতো রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করছে। সরকার অনবরত নানা বিধিনিষেধের কথা বলছে। বিহার বিধানসভার নির্বাচনে একাধিক নয়া আইন লাগু হচ্ছে। এ রাজ্যে নির্বাচন হতে এখনও ৭মাস বাকি। কিম্তু নিয়ম- বিধি না মেনে এরাজ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচি চলছে। সেই কর্মসূচি স্থগিত রাখার দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোর। সরকারই বা কী করছে? সাধারণ মানুষের জন্য রাজনীতি হলে কেন এই বিপজ্জনক কর্মসূচি চলছে? আসলে লক্ষ্য ২০২১ বিধানসভা। ক্ষমতা দখলই যেখানে মূল উদ্দেশ্য। বিশেষজ্ঞদের মতে, যে বাবে বল্গাহীন ভাবে কর্মসূচি চলছে তাতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির সম্ভাবনা থেকেই যাছে। এখনও সচেতন নাহলে বিপদে পড়বেন সাধারণ মানুষ। রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সব দলেরই লাগাম টানা প্রয়োজন। রাজনীতিও তো মানুষের জন্য। তাহলে বিপদ বাড়ানোর জন্য এমন প্রতিযোগিতা কেন? বাংলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্য়া বাড়তে শুরু করেছে। পুজোর কেনা-কাটা করতে দোকান-বাজারেও ক্রমশ ভিড় বাড়ছে সাধারণ মানুষের। সামনেই আবার দুর্গাপুজো। মন্ডপে মন্ডপে উপচে পড়়বে মানুষের ঢল। চিকিতসকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। কেরলের পরিস্থিতি উপলব্ধি করেই এখন সকলের সচেতন হওয়ার প্রয়োজন। তা নাহলে আশংকার মেঘ বাস্তবায়িত হতে সময় নেবে না। তখন সব কিছু হাতের বাইরে চলে যাবে।

অক্টোবর ১১, ২০২০
রাজ্য

“দুর্নীতিগ্রস্তদের ঠাঁই হয়েছে দলে”, ইস্তফা তৃণমূলের সহ সভাপতির

আলিপুরদুয়ারের জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন কমিটি নিয়ে একঝাঁক ক্ষোভ উগড়ে কমিটির পদ থেকে অব্যহতির সিদ্ধান্ত নিলেন প্রাক্তন চেয়ারম্যান আশিষ দত্ত। মঙ্গলবারই আলিপুরদুয়ার জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। এরপর বুধবার নিজের বাড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করে দলের সহ সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা জানান আলিপুরদুয়ার পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান আশিস দত্ত। আশিসবাবু বলেন, দলে ব্লক কমিটি হয়েছে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত এমন ব্যক্তিদের নিয়ে। নতুন জেলা কমিটিতে যাঁরা কোনওদিন দল করেননি তাঁদের পদে বসানো হয়েছে। সেই কারণেই আমি এই দলের পদ ছাড়লাম। আরও পড়ুনঃ হাতির হানায় মৃতের পরিবারের সদস্যকে হোমগার্ড পদে চাকরি দেওয়া হবেঃ মমতা দীর্ঘদিন ধরেই আলিপুরদুয়ারের এই বর্ষীয়ান নেতা তৃনমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন জেলা কমিটির সহ সভাপতি পদে। তিনি দলের পদে না থেকে সমাজসেবামূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করার বক্তব্য সংবাদ মাধ্যমে তুলে ধরেন।এছাড়াও তিনি জানান, দলের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে কাজ করে যাব।

অক্টোবর ০৭, ২০২০
রাজনীতি

হাথরসকাণ্ডের প্রতিবাদে আজ বিকেলে প্রতিবাদ মিছিল মুখ্যমন্ত্রীর

করোনা আবহে আজ উত্তরপ্রদেশের হাথরস ইস্যুতে কলকাতার রাজপথে প্রতিবাদ মিছিল করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা পরিস্থিতিতে এই প্রথম প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। শনিবার বিকেল ৪টায় মিছিল বিড়লা প্লানেটোরিয়াম থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে। শুক্রবার হাথরসে ঢুকতে গিয়ে বাধা পায় তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। অভিযোগ, মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েনকে। উত্তরপ্রদেশের হাথরসে দলিত তরুণীর গণধর্ষণে মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষুব্ধ আপামর জনতা। তারওপর যোগী সরকারের কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ আরও বাড়ছে। স্থানীয় জেলাশাসক হুমকি দিয়েছেন ওই পরিবারকে। এমনটাই অভিযোগ। কংগ্রেসে নেতা রাহুল গান্ধীকে মেরে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এর আগে টুইটে উত্তরপ্রদেশের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার পথে নেমে প্রতিবাদ করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অক্টোবর ০২, ২০২০
রাজনীতি

দলের কাজে ক্ষুব্ধ প্রবীর

গত লোকসভা নির্বাচনের পর হুগলি জেলায় বিজেপি তাদের ভোট বাড়িয়ে চলেছে এটা অস্বীকার করার কোনও জায়গা নেই। তৃণমূলের সংগঠন যাতে আরও জোরদার হয় সেজন্য লোকসভা নির্বাচনের পর দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে হুগলি জেলার নেতৃত্ব বদল হয়েছিল এবং বলা হয়েছিল যে, সকলকে সঙ্গে নিয়ে যাতে দলের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা যায় সেই ব্যাপারে লক্ষ্য দিতে হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই ধরনের কোনও চেষ্টাই করা হয়নি। উপরন্তু আমরা দেখছি যে, দলের যে সমস্ত কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে তাতে কিন্তু অধিকাংশ নির্বাচিত বিধায়কদের জানানো হচ্ছে না। শুক্রবার ২ অক্টোবর হুগলি জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল এক সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন। তিনি বলেন যে, যেখানে দলকে আরও শক্তিশালী করার কথা সেখানে কিন্তু গোষ্ঠীকোন্দল চলছে, চলছে মিছিল, পাল্টা মিছিল। বিড়ালকে মাছ পাহারা দেওয়ার কথা বললেও বিড়াল কিন্তু মাছ নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। অন্তত ১১ জন বিধায়ক অভিযোগ করেছেন দলের কর্মসূচি তাঁদের অজান্তেই হচ্ছে। এতে তাঁদের যাঁরা বিরোধী পক্ষ তাঁদের হাত শক্তিশালী করা হচ্ছে। এটা অত্যন্ত দুঃখের বিষয়। এতে কিন্তু দলের শক্তি বৃদ্ধির বদলে শক্তিক্ষয় হচ্ছে এবং আগামী বিধানসভা নির্বাচনে এর প্রভাব পড়তে পারে। ছবি ও সংবাদ: তরুণ মুখোপাধ্যায়

অক্টোবর ০২, ২০২০
কলকাতা

লজ্জাজনক ঘটনার নিন্দার কোনও ভাষা নেইঃ মমতা

কলকাতা: হাথরসের ঘটনায় এবার শোকপ্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । তিনি বৃহস্পতিবার একটি টুইট করেন । টুইটারে তিনি লেখেন , বর্বরোচিত ও লজ্জাজনক ঘটনার নিন্দার জন্য মুখে কোনও ভাষা নেই । তার পরিবারের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা রইল । পরিবারের অনুপস্থিতিতে ওই যুবতির শেষকৃত্য আরও লজ্জাজনক । ভোটের জন্য যারা স্লোগান ও মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয় , তাদের মুখোশ খুলে গেছে । ১৪ সেপ্টেম্বর মা ও ভাইয়ের সঙ্গে ঘাস কাটতে গিয়ে হাথরসে গণধর্ষণের শিকার হয়েছিল ২০ বছর বয়সী এক যুবতি । অভিযোগ, সেই সময় তাঁকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে টানতে টানতে পাশের একটি জমিতে নিয়ে যায় ও গণধর্ষণ করে চারজন ৷ জিভ টেনে ছিঁড়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় ৷ তাঁর জিভে গভীর ক্ষত ছিল । জেএনএমসি হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল যুবতির । অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় সোমবার দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে ভরতি করা হয় । সেখান অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় তাকে এইমসে নিয়ে আসা হয় । সেখানে মঙ্গলবার মৃত্যু হয় তাঁর ।

অক্টোবর ০১, ২০২০
বিবিধ

কৃষি বিলের প্রতিবাদে তৃণমূলের মিছিল

কৃষি বিলের প্রতিবাদে শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর পূর্ব বর্ধমানের কালনা ২ নং ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকে নেপাকুলি মোড় থেকে বিশাল প্রতিবাদ মিছিল করল তৃণমূল কংগ্রেস। নেতৃত্ব দেন রাজ্যে দলের মুখপাত্র তথা জেলার সহকারী সভাধিপতি দেবু টুডু। ছবি ও সংবাদ: মোহন সাহা

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দু অধিকারী করোনা আক্রান্ত

করোনা আক্রান্ত হলেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিছু দিন আগে তাঁর এক দাদা ও ভাইপো করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। জানা গেছে বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর করোনা রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে। ঘনিষ্ঠ মহলে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, তার গতকাল সামান্য জ্বর থাকলেও শুক্রবার তার জ্বর নেই। মৃদু উপসর্গ রয়েছে। বাড়িতে বয়স্ক বাবা থাকায় তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হাসপাতলে ভর্তি হবেন। একইসঙ্গে জানা গেছে, তার মায়েরও রিপোর্ট কোভিড পজেটিভ এসেছে। তিনি ভর্তি রয়েছেন একটি বেসরকারি হাসপাতালে। এর আগে রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী, তৃণমূল বিধায়ক, সাংসদ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় শিশির অধিকারীকে ফোন করেন। তিনি খোঁজ নেন শুভেন্দু অধিকারীর স্বাস্থ্য়ের। তাঁর পরিবারের সকলের খোঁজ-খবর নেন।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০
দেশ

কৃষি বিল: বিরোধী ঐক‍্য অটুট

বিতর্কিত কৃষি বিলকে ঘিরে রবিবারই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল বিরোধী ঐক্য। দিন যত গড়াচ্ছে ঐক্য তত জমাট বাঁধছে। বিলে আপত্তি জানিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে নালিশ ঠোকার আগে পর্যন্ত বুধবার আলোচনা ও রণকৌশল তৈরিতে ব্যস্ত রইলেন বিরোধী নেতৃত্ব। বৈঠক ছাড়াও প্ল্যাকার্ড হাতে সংসদ চত্বরে মিছিল করতে দেখা যায় সমস্ত বিরোধী দলকে। গুলাম নবি আজাদ, ডেরেক ওব্রায়েন, জয়া বচ্চন-সহ তাবড় বিরোধী নেতারা কৃষি বিলের প্রতিবাদে প্যাকার্ড হাতে মিছিল করেন। কোনও প্যাকার্ডে লেখা ছিল শ্রমিক বাঁচাও, গণতন্ত্র বাঁচাওয়ের স্লোগান, আবার কোনও প্ল্যাকার্ডে ছিল মোদী সরকারের গৃহীত নীতির সমালোচনা। কৃষি বিল নিয়ে তাঁকে ঘিরে বিরোধীদের প্রতিবাদ নিয়ে ক্ষোভ ছিল ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ সিংয়ের। সন্ধির বার্তা দিতে সংসদ চত্বরে সাসপেন্ডের ধর্না মঞ্চে গিয়ে দিয়েছিেলন চায়ে পে চর্চার বার্তাও। কিন্তু সাসপেন্ডেড সাংসদরা সেই বার্তা খারিজ করায় চটে গিয়েছিেলন ডেপুটি চেয়ারম্যান। মঙ্গলরবাই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন একদিনের প্রতিকী অনশনের। বিরোধীরা যখন বিলের প্রতিবাদে ঘুঁটি সাজাচ্ছেন, তখন নিঃশব্দে অনশন ভঙ্গ করলেন হরিবংশ নারায়ণ। সাংসদ সাসপেন্ড ও কৃষি বিলের প্রতিবাদে আগেই রাজ্যসভা অধিবেশন বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধী দলগুলো। আর বুধবার বিরোধী শূন্য রাজ্যসভায় পাশ হয়ে গেল শ্রম বিল। বিরোধী শূন্য সভায় বিল পাসকে গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকারক বলে মন্তব্য করেছেন কংগ্রেসের গুলাম নবি আজাদ। সেই সঙ্গে অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতুবি হয়ে গেল রাজ্যসভার অধিবেশনও।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০
বিবিধ

কেন্দ্রের জনবিরোধী পদক্ষেপের প্রতিবাদে রিষড়ায় তৃণমূলের বিক্ষোভ

অত্যাবশ্যকীয় পণ্য সংশোধনী বিল রাজ্যসভায় পাস হওয়ার প্রতিবাদে এবং অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকে চাল, ডাল, তেল, আলু, পেঁয়াজ প্রভৃতিকে বাদ দেওয়ার বিরুদ্ধে বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ব্যাপক বিক্ষোভ দেখাল রিষড়া শহর তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন সকালে শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বিজয়সাগর মিশ্রর নেতৃত্বে গলায় মশলা, তেল, ডালের প্যাকেট এবং আলু, পেঁয়াজের মালা ঝুলিয়ে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু হয়। বিজয়সাগর মিশ্র বলেন, নরেন্দ্র মোদীর সরকার একের পর এক দেশের আমজনতা, বিশেষ করে গরিব কৃষকদের উপর দমন-পীড়ন চালিয়ে যাচ্ছে। কৃষি বিল, অত্যাবশ্যকীয় পণ্য বিলগুলি যেভাবে জোর করে পাস করিয়ে নিল তাতে কিন্তু দেশের গরিব মানুষ গরিব থেকে আরও বেশি গরিব হবে। লাভবান হবে আদানি, আম্বানিদের মতো বড়ো বড়ো শিল্পপতিরা। কৃষকদের উৎপাদিত ফসল সমস্ত বড়ো বড়ো পুঁজিপতিরা কিনে নিয়ে নিয়ে মজুত করবে। ফলে খুচরো বাজারে যে সমস্ত গরিব বিক্রেতা এবং চাষিরা তাঁদের জিনিসপত্র বিক্রি করেন তাঁরা পড়বেন মহা সমস্যায়। বারবার এই সমস্ত বিষয় নিয়ে আমাদের বিরোধী সাংসদরা যখন রাজ্যসভায় সোচ্চার হয়েছেন তখনই তাঁদের ঘাড়ে নেমে আসছে সাসপেনশনের খাঁড়া। মানুষের বক্তব্য মানুষের অভাব অভিযোগের কথা যদি জনপ্রতিনিধিদের বলতে না দেওয়া হয় তাহলে কীসের গণতন্ত্র? আজকের এই বিক্ষোভ সমাবেশে বিজয়বাবু ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জাহিদ হাসান খান, শুভজিৎ সরকার, মনোজ সাউ, সন্ধ্যা দাস, পৌলোমী রায়-সহ তৃণমূলের কর্মী এবং সমর্থকরা। বহু সাধারণ মানুষও তাঁদের এই বিক্ষোভ সমাবেশকে সমর্থন করে সভায় যোগদান করেন। ছবি ও সংবাদ: তরুণ মুখোপাধ্যায়

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০
বিবিধ

শান্তনুর হাত ধরে সিটু ছেড়ে যোগ তৃণমূলের ইউনিয়নে

মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার জাঙ্গিপাড়ায় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদ এমপ্লয়িজ অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের কর্মিসভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ-সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তাঁর হাত ধরেই সিটু ছেড়ে তৃণমূলের ইউনিয়নে যোগ দেন বহু কর্মী।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০
রাজনীতি

তৃণমূলকে সার্কাসের জোকার বললেন সায়ন্তন, দলের লোকেরা ওকেই বলে, পাল্টা দিলীপ

বিজেপি ক্ষমতায় এলে সিঙ্গুরে শিল্প এবং কৃষি দুটোই হবে। কৃষি বিল নিয়ে তৃণমূল-সহ বিরোধীরা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। বাস্তবে এই বিলের ফলে একদিকে কৃষকরা যেমন বেশি দাম পাবেন, তেমনই ক্রেতাদেরও সুবিধা হবে। মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলায় দাঁড়িয়ে এ কথা বলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। বিজেপির হুগলির সিঙ্গুর সাংগঠনিক মোর্চার উদ্যোগে নসীবপুরে আয়োজিত এক রক্তদান শিবিরে যোগ দিয়ে সায়ন্তন বসু বলেন, তৃণমূল দলটা সার্কাসের জোকারের মতো সংসদের ভেতরে ও বাইরে আচরণ করছে। কিন্তু সংসদ পশ্চিমবঙ্গ নয় যে যেমন খুশি তেমন আচরণ করব। এ সব মেনে নেওয়া হবে না। আরও পড়ুন- অনুব্রতকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েও অনড় নিত্যানন্দ এর পাল্টা তৃণমূলের জেলা সভাপতি দিলীপ যাদব বলেন, যিনি এখানে এসে সাংসদদের সম্পর্কে যে কথাগুলো বলেছেন জোকার সার্কাস বলে সেটা সায়ন্তনবাবুকে তাঁর দলের লোকেরাই বলে থাকেন। উনি এখানে আসেন কলকাতার নেতাদের কাছে নম্বর বাড়াবার জন্য। ওঁর কথার কোন দাম নেই। এদিন বিজেপির হুগলির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, কৃষকদের কথা তৃণমূলের মুখে মানায় না। সিঙ্গুরে কৃষির কথা বলে যাঁরা ক্ষমতায় এসেছেন তাঁদের আমলে দেখছি সিঙ্গুর কেমন সর্ষে আর কাশফুলে ভর্তি! বিজেপি কৃষককে বাঁচাতে রাস্তায় নামছে আর তৃণমূল নামছে ফড়ে আর দালালদের স্বার্থরক্ষায়। এর পাল্টা দিলীপ যাদব বলেন, আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায সিঙ্গুরের কৃষকদের আন্দোলনে যেমন ছিলেন, তেমনই কৃষকদের স্বার্থে তাঁদের পাশেই থাকবেন এবং কৃষকদের উন্নতির জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি বিল সাধারণ কৃষকদের বিপদে ফেলবে। দেশের বড় বড় শিল্পপতি পুঁজিপতিরা ফড়ে হিসেবে কাজ করবে। কৃষকদের তো কোনও উপকার হবে না, উপরন্তু কৃষকদের আরও সমস্যার মধ্যে ফেলে দিচ্ছে এই মোদী সরকার। বিজেপি সরকারের আমলে আমাদের দেশে হাজার হাজার কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। আর ওদের নেতারা এসে এখানে বড় বড় কথা বলে যাচ্ছেন। শিল্প নিয়ে কথা তুলছেন। বিজেপি কটা শিল্প করেছে? দিন যাচ্ছে দেশের মানুষ কর্মচ্যুত হচ্ছেন। শিল্প বিলগ্নীকরণ করার নামে দেশকে দেউলিয়া করে দিচ্ছে। দুদিন পরে এই সরকারকে বেচুরাম বলে ডাকবে সকলে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে বিস্ফোরক শুভেন্দু অধিকারী

অতীত যাঁরা ভুলে যান, তাঁদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হতে পারে না। তাঁদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারই হবে, এটাই চিরন্তন সত্য। মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর নন্দীগ্রামে এ কথা বলেন সেখানকার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রাম ভূমিরক্ষা আন্দোলনের সৈনিক অমর শহিদ নিশিকান্ত মণ্ডলের একাদশ বর্ষের স্মরণ সভায় উপস্থিত হয়ে তাঁর মূর্তিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে শুভেন্দুবাবু মনে করান ২০০৬ সালের ৩ নভেম্বরের কথা। তিনি বলেন, ওইদিন জননেতা নিশিকান্ত মণ্ডল আমাকে নিয়ে এসে এই আন্দোলনের বীজ বপন করেছিলেন সোনাচূড়ায় হাই স্কুল মাঠে। তখন আমি এখানকার বিধায়ক বা সাংসদ ছিলাম না। দক্ষিণ কাঁথির বিধায়ক ছিলাম। তেখালির কাঠের ব্রিজ, যা তখন পাকা ছিল না, মোরাম রাস্তা ধরে এসেছিলাম তাঁর সঙ্গে। নিশিকান্ত মণ্ডল না থাকলে এই আন্দোলন সফল হতো না। শুভেন্দুবাবু আরও বলেন, আমফানে যা ক্ষতি হয়েছে তার ১০০ শতাংশ পূরণ করা কারও পক্ষে সম্ভব নয়। দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি, সরকারি প্রতিনিধিরা চেষ্টা করেছেন। যেখানে যেখানে ফাঁকফোকড়ের কথা কানে এসেছে বিধায়ক কার্যালয় থেকে সরাসরি প্রতিনিধি পাঠিয়ে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আপনাদের আশীর্বাদ, সহযোগিতা পেলে আমরা আগামী দিনে এগিয়ে যাব। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আশাকর্মী, স্বাস্থ্যকর্মী-সহ স্বাস্থ্য দফতরের কাজের প্রশংসা করে শুভেন্দুবাবু বলেন, এখানেও অনেকে আক্রান্ত হয়েছেন। শিক্ষিত, সচেতন এই জেলার মানুষ যখন কেউ বাইরে থেকে সংক্রমণ নিয়ে এসেছেন তাঁদের উপযুক্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা হয়েছে। দেশে যেখানে সুস্থতার হার ৮০ শতাংশ, রাজ্যে ৮৬ শতাংশ, সেখানে এই জেলায় ৮৮ শতাংশ। মৃত্যুর হার ১ শতাংশের কম, ৮৩ শতাংশ। তবে যতদিন না ভ্যাকসিন বেরোয় সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে প্রবীণ মানুষদের যাঁদের বার্ধক্যজনিত বা অন্যান্য অসুখ রয়েছে। এদিন এলাকার সমস্ত গ্রাম সংসদের প্রতিনিধিদের হাতে মাস্ক ও স্যানিটাইজার তুলে দেন শুভেন্দুবাবু। নন্দীগ্রাম বিধানসভার দশটি ক্লাবকে অক্সিমিটার, ডিজিটাল থার্মোমিটার, স্ফিগমোম্যানোমিটার, মাস্ক ও স্যানিটাইজার এবং দশ নং অঞ্চলের প্রতিটি বুথে মাস্ক ও স্যানিটাইজার দিলেন এলাকার বিধায়ক তথা মাননীয় মন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয়।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০
দেশ

বিহার ভোটকে মাথায় রেখেই হরিবংশকে দরাজ সার্টিফিকেট মোদীর?

আট বিরোধী সাংসদকে সাসপেনশনের জেরে রাজ্যসভায় জোরালো প্রতিবাদ। রাতভর গান্ধীমূর্তির পাদদেশে অবস্থান বিক্ষোভ করেন সাসপেন্ড হওয়া সাংসদ-সহ বিরোধী দলের সাংসদরা। বিজু জনতা দল, বহুজন সমাজ পার্টি বাদে বিরোধী দলগুলি মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর শর্ত আরোপ করে অধিবেশন বয়কট করে। রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ভেঙ্কাইয়া নাইডুর অনুরোধেও কাজ হয়নি। কংগ্রেসের সাংসদ গুলাম নবি আজাদ বলেন, সাংসদদের সাসপেনশন প্রত্যাহার করতে হবে। মিনিমাম সাপোর্ট প্রাইসের কমে যাতে কোনও বেসরকারি সংস্থা বা ব্যক্তি কৃষকদের কাছ থেকে উৎপাদিত পণ্য না কিনতে পারে তা সুনিশ্চিত করতে হবে। মূল্য নির্ধারণে স্বামীনাথন কমিশনের সুপারিশ মানতে হবে। সরকার বা এফসিআই কৃষকদের কাছ থেকে যে শস্য কিনবে তার মূল্য নির্দিষ্ট রাখতে হবে যাতে কৃষকদের কোনও ক্ষতি না হয়। এই শর্তগুলি না মানা অবধি বিরোধীরা রাজ্যসভার চলতি অধিবেশন বয়কটের রাস্তা থেকে সরবে না। এর মধ্যে আবার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ বিক্ষোভরত সাংসসদের জন্য সকালে চায়ের ব্যবস্থা করেন। যদিও সকলেই হরিবংশকে কৃষকবিরোধী আখ্যা দিয়ে চা প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর হরিবংশ রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে আবেগমথিত চিঠি লিখে জানান, তিনি একদিনের জন্য অনশন করবেন। রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যানের পক্ষে সওয়াল করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইটে লেখেন, দুদিন আগে গণতন্ত্রের মন্দিরে যে ঘটনা ঘটেছে, যাঁরা হরিবংশজিকে হেনস্থা ও আক্রমণ করেছেন এবং তারপর তাঁরাই বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন তাঁদের জন্য সকালে চায়ের ব্যবস্থা করে হরিবংশজি উদারতা ও মহানতার পরিচয় রেখেছেন। বিহার থেকে আমরা গণতন্ত্রের শিক্ষা পাই। সেখানকার জনপ্রতিনিধি হয়ে ডেপুটি চেয়ারম্যান যে ভূমিকা নিয়েছেন তা প্রশংসনীয়। রাষ্ট্রপতিকে লেখা তাঁর চিঠিটিও সকলের পড়া উচিত। বিহার ভোটের কথা মাথায় রেখেই ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামা মোদী হরিবংশকে দরাজ সার্টিফিকেট দিচ্ছেন বলে মত বিরোধীদের। আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব বলেন, ভোটের আগে নরেন্দ্র মোদী বিহারের কথা বলেন, ভোটের পর ভুলে যান। আমরা কৃষকদের স্বার্থে বিরোধিতা চালিয়ে যাব। সাসপেন্ডেড সাংসদদের আন্দোলনকে সমর্থন করে একদিনের অনশন করবেন বলে জানিয়েছেন শরদ পাওয়ার। তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ দোলা সেন জানিয়েছেন, অনেক দল রাজ্যসভার অধিবেশন বয়কট করে আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে সমর্থন করেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে ঘনঘন খবর নিয়েছেন। ধরনা তুলে নিয়ে সকলে মিলে একসঙ্গে এই আন্দোলন গ্রামে-গঞ্জে ছড়িয়ে দিতে হবে। তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ওব্রায়েন টুইটে লেখেন, আমাকে সাসপেন্ড করতে পারো, চুপ করাতে পারবে না।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০
রাজনীতি

গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে তালা ঝুলল তৃনমূল অফিসে

তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দের জেরে তৃণমূল পার্টি অফিসে তালা লাগানোকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেখা দিল হাওড়ার শিবপুরে। শিবপুরে ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের একটি কার্যালয়ে শাসকদলের দুই গোষ্ঠী একে অপরের বিরুদ্ধে তালা ঝোলানোর অভিযোগ তোলে। শিবপুর থানায় পরষ্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের করল দুই পক্ষই। ৩৭নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর দীলিপ ঘোষ জানান, ওটি কাউন্সিলরের অফিস। শিবপুর বাজারে ওই অফিস ঘরটি ভাড়া নিয়ে তিনি কাউন্সিলরের অফিস করেছিলেন। এমনকি সেই ঘরের ভাড়া তিনি এখনও দেন। হঠাৎই গত শনিবার রাতে ওই কার্যালয়ের তালা ভেঙে সেখানে অন্য একটি তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয় বলেও জানান তিনি। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের প্রাক্তন ওয়ার্ড সভাপতি কৌশিক গুপ্ত এই কাজ করেন। তাই তিনি এ ব্যাপারে শিবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছন। ওই কার্যালয়টি ১৯৯৮ সাল থেকে তৃণমূলের কার্যালয় ছিল বলে জানান ওয়ার্ড সভাপতি কৌশিক গুপ্ত। এই অফিসে আগে প্রতি সপ্তাহে একদিন প্রাক্তন জেলা সভাপতি অরূপ রায় আসতেন বলেও জানান তিনি। দলীয় ওই কার্যালয়ের সাইন বোর্ডে ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূলের কার্যালয় বলে লেখা ছিল। সেটি দীলিপবাবু তুলে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের হাওড়া জেলার চেয়ারম্যান অরূপ রায় বলেন, শিবপুর বাজারের ওই অফিসটি দলীয় কার্যালয়। ওখানে সকলেই বসতে পারেন। দীলিপ ঘোষ ও কৌশিক গুপ্ত এঁদের দুজনের কাছেই আলাদা আলাদা চাবি থাকে। ওঁরা যখন হোক গিয়ে বসবে। দলের জেলা সভাপতি লক্ষ্মীরতন শুক্লা বলেন, চেয়ারম্যান অরূপ রায় বিষয়টি দেখছেন। এ ব্যাপারে আমি ওঁনার সঙ্গে আলোচনা করবো। এদিকে দীলিপবাবু কার্যালয়টিতে তালা মেরে দিয়ে চলে যাওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে দলের তরফে শিবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে বলেও জানান কৌশিকবাবু।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
রাজনীতি

রাতভর সংসদে অবস্থান, বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিয়ে মোদীকে বেনজির আক্রমণ মমতার

কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি বিল নিয়ে দেশজুড়ে লাগাতার আন্দোলনের ডাক দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবাসরীয় রাজ্যসভাকে ব্ল্যাক সানডে আখ্যা দিয়ে সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর তিনি নরেন্দ্র মোদীকে হিটলার, উলঙ্গ রাজা বলেও বেনজির আক্রমণ করেন। এদিন নবান্ন থেকেই দলের মহিলা শাখার সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, করোনা স্বাস্থ্যবিধি না মেনে বিজেপি মিটিং, মিছিল করে করোনা বাড়িয়ে চলেছে। করোনা আবহে কৃষকদের মরোনা বিল এনেছে। এর প্রতিবাদে আন্দোলন সংগঠিত করতে হবে। আজ রাতভর ডেরেক, দোলা-সহ ৮ সাংসদকে সাসপেনশনের প্রতিবাদে সংসদে গান্ধি মূর্তির পাদদেশে রাতভর অবস্থান চলছে। বিভিন্ন বিরোধী দল রয়েছে। আমি বেশ কয়েকবার তাঁদের সঙ্গে কথা বলে সলিডারিটি জানিয়েছি। কৃষকদের জন্য কথা বলতে গিয়ে সাংসদরা সাসপেন্ড হলেও আমি তাঁদের জন্য গর্বিত। তৃণমূলের মহিলা শাখা মঙ্গলবার মেয়ো রোডে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে ধরনায় বসবে। পরশু দলের ছাত্র সংগঠন এবং তারপর ক্ষেতমজুর ও কিষানদের সংগঠনকেও পর্যায়ক্রমে পথে নামার নির্দেশ দিয়ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, হিটলারের কায়দায় দেশ চালানো হচ্ছে। ফ্যাসিজম চলছে। রাজ্যসভায় ওদের সাংসদরা ছিল না, প্রয়োজনীয় সংখ্যাও ছিল না। বিলের বিরোধিতায় ডিভিশন চাওয়া যেতেই পারে। কিন্তু তা না করে জোর করে ধ্বনি ভোটে কৃষি বিল পাশ করানো হলো। করোনা ঠেকাতে পারল না, এবার দেশকে দুর্ভিক্ষের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। দেশে দুর্ভিক্ষ, ফুড প্যানডেমিক ডেকে আনতে চাইছে মোদী সরকার। ১৯৪৩-এর মন্বন্তরকে মনে করাচ্ছে। জিনিসের দাম বাড়বে, কৃষকরা দাম পাবেন না, আত্মহত্যা বাড়বে। কালকের ঘটনা নিন্দার যোগ্য। শুধু সাসপেন্ড নয় সাংসদদের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাবও নিয়েছে! বিজেপির আবার নিন্দা প্রস্তাব! সারা দেশের মানুষ ছিঃ ছিঃ বলবে। বলবে এই সরকারের থাকার দরকার নেই। কৃষকদের জমি কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত চলছে। আলু, পেঁয়াজ বাইরে পাঠিয়ে দিচ্ছে। রোজকার জনজীবনে যে খাদ্যসামগ্রীগুলি লাগে সেগুলিকে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। জিনিসের দাম বাড়লে এ সব মনিটরিং করতাম। এখন রাজ্যের সেই সব ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে চলে গিয়েছে। করোনার সময় অর্ডিন্যান্স এনেছে এ বিষয়ে। একজনই বসে সব চালাবে। মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না, মজুতদার, ফোঁড়েদের সুবিধা করে দিচ্ছে। কৃষকদের পাশাপাশি শ্রমিকদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করছে। যখন তখন শ্রমিকরা কাজ হারাবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন সমস্ত রাজনৈতিক দলকে আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনে তৃণমূল কংগ্রেস পিছনের সারিতে থাকবে। সামনের সারিতে থাকবেন মানুষ। অন্য দলগুলিকেও এগিয়ে আসতে হবে। প্রতিবাদ করলেই ওরা দেশদ্রোহী বলে দেয়। সীতারাম ইয়েচুরিদের সঙ্গে আমার রাজনৈতিক মতাদর্শগত ফারাক আছে। কিন্তু দিল্লিতে যারা দাঙ্গা করল তাদের নাম বাদ দিয়ে কেন বিরোধী দলের নেতাদের নাম চার্জশিটে রাখা হলো। বাংলা আন্দোলন, নবজাগরণের ভূমি। ছাত্রসমাজকেও এগিয়ে আসতে হবে। তাঁদের নিয়ে জেইই, নিটে কী না করল কেন্দ্র! আবার নাকি দুর্গাপুজোর মধ্যে নেট পরীক্ষা নেবে! আমরাই প্রথম প্রতিবাদ করেছি। কাঁসর-ঘণ্টা বাজিয়ে বলব এই বিজেপি সরকার আর নেই দরকার।সব রাজনৈতিক দলগুলো এক হয়েছে কৃষক ইস্যুতে। আগামী দিন শ্রমিক ইস্যুতেও সব রাজনৈতিক দলগুলি এক হবে। শ্রমিকদের ওপর বজ্রাঘাত ও কৃষকদের ওপর প্রত্যাঘাত চলছে। সর্বস্তরের মানুষকে প্রতিবাদে সামিল হতে আহ্বান জানাচ্ছি। চন্দ্রিমার নেতৃত্বে তৃণমূল মহিলা কংগ্রেস কয়েকজনকে নিয়ে হলেও কাল গান্ধীমূর্তির পাদদেশে বসে ধরনা দেবে। কাল মহিলারা, পরশু ছাত্ররা, তারপর দিন আমাদের ক্ষেত মজুর কিষান সংগঠন পথে নামবে। বিজেপি মজুতদার, কালোবাজারিদের সরকার হয়ে গিয়েছে বলে মন্তব্য করেন মমতা। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর গলায় ছিল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর সুরের প্রতিধ্বনি, উলঙ্গ রাজা তোমার কাপড় কোথায়?

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
দেশ

সাংসদ সাসপেন্ড, সরব তৃণমূল

রাজ্য সরকারের কৃষি বিলের প্রতিবাদ করার ফল হাতেনাতে পেয়েছেন দুই তৃণমূল সাংসদ-সহ আপ, কংগ্রেস ও সিপিআইএমের মোট আটজন সাংসদ। শাস্তি হিসেবে আগামী সাত দিনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে তাঁদের। যার অর্থ সংসদের বাদল অধিবেশনের বাকি দিনগুলি আর তাঁরা উপস্থিত থাকতে পারবেন না। এরপরই সাসপেনশনের প্রতিবাদে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলনেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টুইটে লেখেন, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা করতে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে ৮ সাংসদ সাসপেন্ড হওয়ার ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক। এতে সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাবের প্রকাশ দেখা গেল, যারা গণতান্ত্রিক নীতি, আদর্শের প্রতি বিন্দুমাত্র শ্রদ্ধাশীল নয়। তবে আমরা নত হবো না। সংসদ থেকে রাস্তায় নেমে সর্বত্র এই ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাব। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস টুইটে লিখেছে, আন্তর্জাতিক শান্তি দিবসের আগেই বিজেপি গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। রাজ্যসভায় যে ঘটনা ঘটেছে তা অবিশ্বাস্য। নিষ্ঠুরভাবে বিরোধী দলের নেতাদের কণ্ঠরোধ করা হয়েছে। নরেন্দ্র মোদীর একনায়কতন্ত্র আর বিজেপির গণতন্ত্র হত্যার বিরুদ্ধে দেশের মানুষকে প্রতিবাদে মুখর হতে হবে। তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আট সাংসদকে সাসপেনশনের প্রতিবাদে টুইটে লিখেছেন, রাজ্যসভায় যা হয়েছে তা সাংবিধানিক রীতিবিরুদ্ধ। কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া কৃষি নীতি কৃষকদের স্বার্থের পরিপন্থী। তারই প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিরোধীরা। কিন্তু বিরোধী সাংসদদের ভোটাধিকার কেড়ে নিল কেন্দ্র। এভাবে বিজেপি গণতন্ত্রকে হত্যাই করল। তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র টুইটে লেখেন, সংসদীয় রীতি-নীতির তোয়াক্কা না করে বুলডোজ করিয়ে কৃষি বিল রাজ্যসভায় পাশ করাল কেন্দ্র। রাজ্যসভায় প্রয়োজনীয় সংখ্যা নেই বলেই কি ভোটাভুটিতে না গিয়ে জোর করে ধ্বনি ভোটে বিলগুলি পাশ করানো হলো? সকলকে জাগ্রত হতে হবে, সংসদে জঙ্গলের রাজত্ব চলতে পারে না। গণতন্ত্র ও আইনি বিধানকে সাসপেন্ড করে বিজেপি সংসদে বিরোধী কণ্ঠস্বরকেই সাসপেন্ড করতে চাইছে। সাংসদদের সাসপেনশনের প্রতিবাদে সংসদের ভিতরে চলা তুমুল বিক্ষোভে দফায় দফায় রাজ্যসভার অধিবেশন মুলতুবি হয়ে যায়। গান্ধী মূর্তির সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করেন বিরোধী দলের সাংসদরা। সবমিলিয়ে কৃষি বিল নিয়ে সংসদ যে আগামী দিনগুলিতেও উত্তপ্ত হবে তা সহজেই অনুমেয়।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
দেশ

রাজ্যসভায় বিক্ষোভ দেখিয়ে সাসপেন্ড দুই তৃণমূল সাংসদ-সহ ৮

কৃষি বিল নিয়ে রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর উত্তপ্ত হয়েছিল রাজ্যসভা। ওয়েলে নেমে চলে নজিরবিহীন বিক্ষোভ। এর জেরে সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ৮ সাংসদকে এক সপ্তাহের জন্য সাসপেন্ড করা হয়। তাঁরা হলেন তৃণমূলের ডেরেক ওব্রায়েন, দোলা সেন, আম আদমি পার্টির সঞ্জয় সিং, কংগ্রেসের রাজু সাতাভ, রিপুন বোরা, সৈয়দ নাসির হুসেন, সিপিআইএমের কে কে রাগেশ ও এলামারান করিম। এই শাস্তির ঘোষণা করেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ভেঙ্কাইয়া নাইডু। এরপর বিরোধীদের বিক্ষোভে সকাল ১০টা অবধি মুলতুবি করা হয় অধিবেশন।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
রাজনীতি

রাজুর হুমকি সপাটে ওড়ালেন অকুতোভয় স্বপন

১৯৬৭ সাল থেকে রাজনীতি করছি। মৃত্যুকে ভয় পাই না। কোন নেতা কোথায় দাঁড়িয়ে আমাকে নিয়ে কী বলল তা নিয়ে ভাবি না। আমি ক্রিমিনাল কিনা তা জানেন মানুষই। গণদেবতা রয়েছেন, আমার বাঁচা-মরা তাঁদের হাতেই। রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর পূর্ব বর্ধমানের কালনার মধুপুর খেলার মাঠে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভার মঞ্চ থেকে এ কথা বলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূলের জেলা সভাপতি স্বপন দেবনাথ। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে কালনা থানা ঘেরাও করতে এসে বিজেপির রাজ্য সহ সভাপতি রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় হুমকি দেন স্বপন দেবনাথ ও অনুব্রত মণ্ডলকে উত্তরপ্রদেশের কুখ্যাত দুষ্কৃতী বিকাশ দুবের মতো এনকাউন্টার করে মারা হবে। তার প্রেক্ষিতেই সেই হুমকিকে সপাটে ওড়ালেন স্বপন দেবনাথ। এদিনের সভায় রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্প এই এলাকায় কীভাবে কতটা পৌঁছেছে তা পরিসংখ্যান দিয়ে তুলে ধরেন স্বপনবাবু। সভায় বিভিন্ন দল থেকে ১০০ জন তৃণমূলে যোগ দেন। এ ছাড়া ২৪ জন ব্রাহ্মণ পুরোহিত তৃণমূলের পতাকা গ্রহণ করেন। সভায় অন্যদের মধ্যে ছিলেন কালনা ১ নং পঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রী শ্রাবণী পাল, কালনা ১ নং ব্লক সভাপতি শান্তি চাল, তৃণমূল যুব কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি সৌরভ দেবনাথ প্রমুখ। ছবি ও সংবাদ: মোহন সাহা

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
দেশ

তুমুল অশান্তিতে পাশ কৃষি বিল, ঐতিহাসিক দিনকে গণতন্ত্রের হত্যা বলল বিরোধীরা

লোকসভায় নির্বিঘ্নে পাশ হলেও রাজ্যসভায় কৃষি বিল পাশ যে সহজে হবে না তার ইঙ্গিত ছিল। কৃষি বিপণন মন্ত্রী হরসিমরত কউর বাদলের পদত্যাগকে হাতিয়ার করে বিরোধীরা যে অল আউট যাবে তাতে আশ্চর্যের কী! অশান্তির আশঙ্কা মিলে গেল রবিবারের রাজ্যসভায়। কৃষি বিলের বিরোধিতায় হই-হট্টগোল, ওয়েলে নেমে বিরোধীদের তপ্ত স্লোগান, রুল বুক ছিঁড়ে ফেলা, মাইক্রোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা কোনও কিছুই বাদ গেল না। সবই হলো, কিন্তু শেষ হাসি হাসল সরকারপক্ষই। ধ্বনিভোটে রাজ্যসভায় পাশ হয়ে গেল কৃষি সংস্কার সংক্রান্ত দুটি বিল। কৃষি বিল নিয়ে রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর অধিবেশন শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্যসভা। এক সময় করোনা বিধিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিলের প্রতিবাদে ওয়েলে নেমে স্লোগান দিতে দেখা যায় বিরোধী সদস্যদের। সরকারপক্ষের পাল্টা স্লোগানে সরগরম হয়ে ওঠে অধিবেশন। তখন সভা পরিচালনা করছেন ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ সিং। তিনি সদস্যদের আসন গ্রহণ করতে বলেন। কিন্তু কে শোনে কার কথা? তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ওব্রায়েন-সহ কয়েকজন বিরোধী সাংসদকে দেখা যায় রুল বুক-সহ কাগজপত্র ও মাইক নিয়ে টানাটানি করতে। পরে ডেরেক টুইটে বলেন, সরকারপক্ষ প্রতারণা করেছে। বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে, তাঁদের কথা যাতে দেশের মানুষের কাছে না পৌঁছয় সেজন্য রাজ্যসভা টিভির সম্প্রচার সেন্সর করা হয়েছে। সাংসদদের সাংবিধানিক অধিকার ছিনিয়ে নিয়ে গণতন্ত্রের পীঠস্থান সংসদে আজ সবচেয়ে খারাপ দৃষ্টান্ত রাখল বিজেপি। যদিও নরেন্দ্র মোদী এদিনও একাধিক টুইট করে বোঝাতে চেয়েছেন এই বিল পাশের ফলে কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষিত হবে। এদিন বিরোধীরা ভোটাভুটি চাইলেও শেষে বিলটি ধ্বনিভোটে পাশ করিয়ে হাঁফ ছাড়ে সরকারপক্ষ। ৭০ বছর পর ভারতের কৃষকরা বঞ্চনার হাত থেকে রক্ষা পেল বলে সওয়াল করেন বিজেপির সভাপতি জে পি নাড্ডা। যদিও কৃষি বিলকে কৃষকদের মৃত্যু পরোয়ানা বলে দাবি করে সরব হয় বিরোধীরা। দুই নতুন কৃষি বিল চাষিদের ক্রীতদাসে পরিণত করবে বলে দাবি করা হয়। একইসঙ্গে বিলের বিরোধিতা করছে এনডিএ শরিক শিরোমণি অকালি দল। বিলকে কৃষক-বিরোধী বলে দাবি করে প্রতিবাদে সরব হয় তারা। বিলের বিরোধিতায় এনডিএ ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছে শিরোমণি অকালি দল। সঙ্গ ছাড়ার হুমকি দিয়েছেন হরিয়ানার দুষ্মন্ত চৌতালাও। সংসদের দুই কক্ষে বিল পাশ হলেও আগামী দিনে মোদী সরকারকে এই বিল বেকায়দায় ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিন বিলের বিরোধিতা করে পথে নেমেছে বেশ কয়েকটি কৃষক সংগঠন। পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থানের পর এবার প্রতিবাদে শরিক হয়েছে উত্তর ভারতে প্রভাবশালী কৃষক সংগঠন ভারতীয় কৃষক ইউনিয়ন।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 35
  • 36
  • 37
  • 38
  • 39
  • 40
  • 41
  • 42
  • 43
  • 44
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ইডেনে মোদীর জন্য ‘হোম’ ড্রেসিংরুম, শুভেন্দু'র ‘অ্যাওয়ে’! ১০ হাজার শিল্পীর অনুষ্ঠান, সাজছে ক্রিকেটের নন্দনকানন

কলকাতা: ইডেনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিতে তুঙ্গে তৎপরতা। সূত্র মারফত জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ হচ্ছে ইডেন গার্ডেন্সের হোম ড্রেসিংরুমযে ড্রেসিংরুম ব্যবহার করে ভারতীয় ক্রিকেট দল এবং কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জন্য রাখা হবে অ্যাওয়ে ড্রেসিংরুম। দুই ড্রেসিংরুমের মাঝখানের মাঠে যাওয়ার কমন পথটিও থাকবে ব্যবহারের উপযোগী।দায়িত্বপ্রাপ্ত বেসরকারি সংস্থার হাতেই থাকছে ড্রেসিংরুম দুটির সাজসজ্জা ও প্রয়োজনীয় বন্দোবস্ত। ড্রেসিংরুমে আহার-সহ আপ্যায়নের যাবতীয় ব্যবস্থা থাকবে। অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে ড্রেসিংরুমের সামনের লনেই।মাঠের যাতে কোনও ক্ষতি না হয়, সে দিকেও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। মঞ্চ ও অন্যান্য পরিকাঠামোর জন্য মাঠের ভিতরে প্রায় ১২ ফুট জায়গা প্রয়োজন হতে পারে। তবে ঘাসের ক্ষতি না করেই যাবতীয় কাজ করার পরিকল্পনা। সামান্য বদল আসতে পারে শুধু ঘাসের রঙে।অনুষ্ঠান চলাকালীন গল্ফ কার্টে করে মাঠ প্রদক্ষিণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। মঞ্চের উপর থাকবে ছাউনি। ইডেনের বিভিন্ন ব্লকে চেয়ার সরিয়ে জায়ান্ট স্ক্রিন বসানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি ইডেন উদ্যান থেকে আতশবাজির প্রদর্শনীর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছেন প্রায় ১০ হাজার সাংস্কৃতিক শিল্পী। তাঁদের পারফরম্যান্সের জন্য ইডেনের উল্টো দিকে থাকা মাঠ এবং নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামকে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও থাকছে কড়া ব্যবস্থা। ৯ অক্টোবর অফিসের সময় শেষ হওয়ার পর থেকেই এসপিজি নিরাপত্তার আওতায় ইডেনের ক্লাব হাউস কার্যত সিল করে দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী যতক্ষণ সেখানে থাকবেন, প্রায় তিন ঘণ্টা ক্লাব হাউসের গতিবিধিতে থাকবে কড়া নিয়ন্ত্রণ। গোটা অনুষ্ঠান চলবে বিকেল ৪টে থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।এদিকে, ক্লাব হাউসে সিএবির আধিকারিকদের উপস্থিতি নিয়ে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে। সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়-সহ পাঁচ অফিস বেয়ারার, সিইও এবং সিএও যাতে ক্লাব হাউসে থাকতে পারেন, তার জন্য এসপিজির অনুমতি চাওয়া হয়েছে। অন্তত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের উপস্থিতির অনুমতি দেওয়ার জন্যও অনুরোধ রাখা হয়েছে।সিএবির অ্যাফিলিয়েট সদস্যদের জন্যও বিশেষ বন্দোবস্তের আবেদন করা হয়েছে। অন্তত প্রতিটি ক্লাব থেকে দুজন করে যাতে অনুষ্ঠানটি দেখতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থল তৈরির কাজ থেকে শুরু করে নৈশালোকের বন্দোবস্তসব ক্ষেত্রেই সিএবির তরফে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগামী ২৫ বা ২৬ সেপ্টেম্বর ইডেনের ১৪ নম্বর গেটের কাছে কনফারেন্স রুমে অস্থায়ী অফিস তৈরি করবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা। অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে আসা তারকা শিল্পীদের সেখানে অথবা কর্পোরেট বক্সে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।ইডেনের সাজসজ্জা ও পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে শীঘ্রই পরিদর্শনে আসবে পূর্ত দফতর (PWD)। মাঠ, মঞ্চ, নিরাপত্তা এবং দর্শক ব্যবস্থাপনাসব দিক খতিয়ে দেখেই চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়া হবে।সব মিলিয়ে ক্রিকেটের বাইরের এক অন্য ভূমিকায় এবার সেজে উঠতে চলেছে ইডেন গার্ডেন্স। ক্রিকেটের নন্দনকাননেই প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে হতে চলেছে এক বর্ণময়, বিশাল আয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
দেশ

নেপালের বিপর্যয়ে চারপেয়ে ত্রাতা! ভারতের সাম্বার নাকেই মিলল ২০টি দেহের সন্ধান

নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর কেটে গিয়েছে বেশ কিছু দিন। ধ্বংসস্তূপের নীচে নিখোঁজদের জীবিত অবস্থায় পাওয়ার আশা অনেকটাই ছেড়ে দিয়েছেন তাঁদের পরিজনেরা। কিন্তু উদ্ধারকাজ এখনও থামেনি। কাদামাটি, ভেঙে পড়া বাড়ির অংশ এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে নিখোঁজদের খুঁজে চলেছেন নেপালের সেনা, পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। তাঁদের সঙ্গে এই কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে প্রশিক্ষিত সারমেয় বাহিনীও।তাদের মধ্যেই অন্যতম সাম্বা। ল্যাব্রাডর প্রজাতির এই সারমেয় নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর প্রশিক্ষিত সারমেয় দলের সদস্য। তবে সাম্বার সঙ্গে ভারতেরও যোগ রয়েছে। নেপালের প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকেই তাকে আনা হয়েছিল। পরে নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে তাকে উদ্ধারকাজের উপযোগী করে তোলা হয়।মানুষের দেহের গন্ধ শনাক্ত করে ধ্বংসস্তূপের নীচে কোথায় দেহ থাকতে পারে, তা খুঁজে বার করাই সাম্বার মূল দায়িত্ব। সেই দায়িত্বই অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পালন করেছে সে। রাসুয়া এবং ত্রিশূলী এলাকায় উদ্ধারকাজ চালানোর সময় সাম্বার দেওয়া সংকেতের ভিত্তিতে ২০টি দেহের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু কী ভাবে এত নিখুঁত ভাবে কাজ করে সাম্বা? তার প্রশিক্ষণের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের বক্তব্য, সাম্বা ধ্বংসস্তূপের উপর দিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেত এবং মাটি শুঁকত। কোথাও মানুষের দেহের গন্ধ পেলে আচমকাই থেমে যেত সে। এরপর জোরে ডাকতে শুরু করত। সেটিই ছিল তার হ্যান্ডলারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংকেত।সাম্বার সংকেত পাওয়ার পর নিরাপত্তারক্ষীরা সেই জায়গায় পৌঁছে মাটি খুঁড়ে দেখতেন। অনেক সময় সেখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে দেহ। সাম্বার কাজের সময় সবসময় তার সঙ্গে থাকেন এক জন প্রধান হ্যান্ডলার এবং এক জন সহযোগী। দুজনই নিরাপত্তারক্ষী। সাম্বার আচরণের অর্থ বুঝে সঠিক জায়গায় উদ্ধারকাজ শুরু করাই তাঁদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।সাম্বা সবসময় একই ভাবে সংকেত দেয় না। কখনও হাঁটতে হাঁটতে আচমকা থেমে যায়। কখনও কোনও নির্দিষ্ট জায়গার চারপাশে বার বার ঘুরতে থাকে। আবার কখনও মাটিতে বসে পড়ে পায়ের নখ দিয়ে মাটি খুঁড়তে শুরু করে। তার প্রতিটি আচরণই আসলে একটি সংকেত। সেই সংকেতের অর্থ বুঝতে পারেন শুধু তার সঙ্গে কাজ করা হ্যান্ডলার এবং সহযোগী।এই ভাবেই কাদামাটি এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দিনের পর দিন কাজ করে চলেছে সাম্বা। নিখোঁজদের সন্ধানে তার ভূমিকা এখন নেপালের উদ্ধারকারী দলের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী সাম্বার মতো আরও পাঁচটি প্রশিক্ষিত সারমেয়কে উদ্ধারকাজে নামিয়েছিল। পাশাপাশি নেপাল সেনার তরফেও আরও ছটি সারমেয়কে কাজে লাগানো হয়েছে। বিপর্যয়ের পর উদ্ধারকাজ যত দীর্ঘ হচ্ছে, প্রশিক্ষিত এই সারমেয়দের ভূমিকা ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

প্রাদার পর এবার রালফ লরেন! ভারতীয় নকশা ‘চুরি’র অভিযোগে তোলপাড়

কিছুদিন আগেই নকশা চুরির অভিযোগ উঠেছিল প্রাদার বিরুদ্ধে। এ বার একই ধরনের অভিযোগের মুখে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড রালফ লরেন। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের নকশা ব্যবহার করে যথাযথ স্বীকৃতি না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংস্থাটির বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে সমাজমাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।সম্প্রতি রালফ লরেনের একটি গোলাপি পোশাক প্রকাশ্যে এসেছে। সেই পোশাকে ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের ছোঁয়া স্পষ্ট বলে দাবি করেছেন ফ্যাশন জগতের অনেকে। কিন্তু পোশাকটির বর্ণনায় ভারত বা ভারতীয় কারিগরদের কোনও উল্লেখ নেই। সেখানে শুধু হাতের কাজ করা সজ্জা হিসাবে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। আর তা নিয়েই ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।১২ সেপ্টেম্বর রালফ লরেনের সমাজমাধ্যম পাতায় পোশাকটির ছবি প্রকাশ করা হয়। পোশাক তৈরির কাপড় এবং সুতো নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলেও হাতের কাজের বিষয়ে মাত্র একটি শব্দে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, পোশাকটির নকশায় যদি কোনও দেশের ঐতিহ্যবাহী শিল্পের প্রভাব থাকে, তা হলে সেই শিল্প এবং কারিগরদের যথাযথ পরিচয় দেওয়া হল না কেন?এই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন ফ্যাশন ডিজাইনার প্রখর রাও সিং চান্ডেল। তাঁর বক্তব্য, পোশাকের কাপড় নিয়ে দীর্ঘ বিবরণ দেওয়া হলেও যে কারিগররা সূক্ষ্ম হাতের কাজ করেছেন, তাঁদের শিল্পকে একটি অস্পষ্ট শব্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।রালফ লরেনের প্রচারে বলা হয়েছিল, প্রতিটি পোশাকের যেন নিজস্ব ইতিহাস ও চরিত্র থাকে। সেই কথাকেই সামনে রেখে প্রখর প্রশ্ন তুলেছেন, সেই পোশাকে আসলে কার ইতিহাস এবং কার চরিত্র তুলে ধরা হচ্ছে?প্রখরের দাবি, বিতর্কিত পোশাকটিতে ভারতের ঐতিহ্যবাহী সূচিশিল্প জরদৌসির ব্যবহার রয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, লখনউ এবং আশপাশের কয়েকটি জেলায় দীর্ঘদিন ধরে এই শিল্পের চর্চা চলছে। বহু কারিগর এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। তাই এটিকে শুধুমাত্র পোশাকের অলঙ্করণ হিসেবে দেখলে সেই শিল্পের সঙ্গে জড়িত মানুষের ইতিহাস ও পরিশ্রমকে আড়াল করা হয়।এই প্রসঙ্গে প্রখর গত বছর প্রাদাকে ঘিরে ওঠা বিতর্কের কথাও তুলে ধরেছেন। তাঁর অভিযোগ, ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কোলাপুরি চটির নকশা ব্যবহার করা হলেও সেটিকে শুধুমাত্র চামড়ার স্যান্ডেল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। পরে মহারাষ্ট্রের একটি বাণিজ্য সংগঠনের তরফে চিঠি দেওয়ার পর ভারতের নাম যুক্ত করা হয় বলে দাবি তাঁর।নিজের দলের সঙ্গে কাজ করা জরদৌসি শিল্পী বাবলু ভাইয়ের কথাও উল্লেখ করেছেন প্রখর। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের শিল্পের পিছনে বহু কারিগরের বছরের পর বছর পরিশ্রম রয়েছে। তাঁদের পরিচয় বাদ দিয়ে শুধু নকশাকে ব্যবহার করলে সেই শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন হয় না।রালফ লরেনের এই পোশাক নিয়ে শুধু জরদৌসি নয়, আরও একটি ভারতীয় সূচিশিল্প আরির ব্যবহার নিয়েও সমাজমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। বহু নেটিজেনের দাবি, ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের ঐতিহ্যবাহী শিল্প বিদেশি ফ্যাশন সংস্থাগুলি ব্যবহার করলেও অনেক সময় সেই শিল্প বা কারিগরদের যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া হয় না।কোলাপুরি চটি ছাড়াও বাঁধনি ছাপ, তামবুরা, কুমকোর মতো বিভিন্ন ভারতীয় নকশা নিয়েও বিদেশি ফ্যাশন সংস্থার বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীদের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বহু কারিগর নিজেদের পরিশ্রমে এই শিল্পগুলিকে টিকিয়ে রেখেছেন। তাঁদের পরিচয় এবং প্রাপ্য সম্মান না পেলে ধীরে ধীরে এই ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে পারে।ফলে রালফ লরেনের নতুন পোশাক ঘিরে বিতর্কটি শুধু একটি নকশা বা পোশাকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের ব্যবহার, কারিগরদের স্বীকৃতি এবং আন্তর্জাতিক ফ্যাশন সংস্থাগুলির দায়িত্ব নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
দেশ

মেটার উপর কেন্দ্রের চাপ, অবশেষে বড় সিদ্ধান্ত! নজরে শিশুদের ক্ষতিকারক কনটেন্ট

প্রায় দুমাস ধরে আলোচনা ও বৈঠকের পর কেন্দ্রের দাবি মেনে কাজ করতে রাজি হয়েছে মেটা। সরকারি সূত্রের খবর, শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক এবং আপত্তিকর কনটেন্টের বিষয়ে প্রশাসনকে তথ্য জানাতে রাজি হয়েছে মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা। শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যমকে আরও নিরাপদ করে তোলার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে প্রায় দুমাস আগে মেটার উপর চাপ বাড়ানো হয়েছিল। ডিপফেক, বিকৃত তথ্য এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের মতো কনটেন্ট রুখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সংস্থাকে। পাশাপাশি মেটার অ্যালগরিদমে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা এবং ক্ষতিকারক কনটেন্ট মোকাবিলায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তার বিস্তারিত পরিকল্পনাও জমা দিতে বলা হয়েছিল।তবে শুরু থেকেই শিশুদের নিয়ে তৈরি আপত্তিকর এবং ক্ষতিকারক কনটেন্ট বন্ধ করার উপর বিশেষ জোর দিয়েছিল কেন্দ্র। দীর্ঘ আলোচনা ও একাধিক বৈঠকের পর সেই দাবিতে মেটা সম্মত হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক কনটেন্ট চিহ্নিত হওয়ার পর সেই বিষয়ে প্রশাসনকে জানাবে মেটা। এরপর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে প্রশাসন। শুধু মেটা নয়, আগামী দিনে অন্যান্য সমাজমাধ্যম সংস্থাকেও একই ধরনের ক্ষতিকারক কনটেন্ট দ্রুত শনাক্ত এবং আটকানোর আওতায় আনার চেষ্টা করছে কেন্দ্র।শিশু নির্যাতনের কনটেন্টের পাশাপাশি ডিপফেক, ভুয়ো খবর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার দ্রুত শনাক্ত করার বিষয়েও মেটাকে সতর্ক করেছিল কেন্দ্র। সমাজমাধ্যমে এই ধরনের কনটেন্টের ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার উপরও জোর দেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে খবর।এর আগে প্রধানমন্ত্রীর একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট ঘিরে কেন্দ্র ও মেটার মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। নিটের প্রশ্নফাঁস নিয়ে আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছিলেন। সেখানে প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু পরে প্রধানমন্ত্রীর সেই ভিডিও সমাজমাধ্যম থেকে সরিয়ে দেয় মেটা। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। পরে মেটার পক্ষ থেকে জানানো হয়, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই ভিডিওটি সরানো হয়েছিল। ক্ষমা চেয়ে পরে পোস্টটি ফের প্রকাশ করা হয়।ঘটনার পর মেটার শীর্ষ কর্তাদের তলব করেছিল কেন্দ্র। সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ধরনের কনটেন্টের উপর আরও কড়া নজরদারির বার্তাও দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকেই কেন্দ্র এবং মেটার মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে চাপানউতোর চলছিল।এখন শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক কনটেন্ট প্রশাসনের নজরে আনার বিষয়ে মেটার সম্মতির খবর সামনে আসায় সেই টানাপোড়েন অনেকটাই কমেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবে কী ভাবে কার্যকর হবে এবং অন্যান্য সমাজমাধ্যম সংস্থার ক্ষেত্রেও কেন্দ্র একই ব্যবস্থা নিতে পারে কি না, তা নিয়ে নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
বিদেশ

ভ্রমণের ভিডিও করতেই কি বিপদ? আফগানিস্তানে কেরলের মহিলা ভ্লগারের ‘গ্রেপ্তার’ ঘিরে চাঞ্চল্য

কেরলের জনপ্রিয় মহিলা ভ্লগার অরুণিমা আফগানিস্তান সফরে গিয়ে বিপদে পড়েছেন বলে দাবি করেছেন। সোমবার সোশাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে তিনি জানান, বামিয়ান শহরে তাঁকে মুজাহিদিনরা গ্রেপ্তার করেছে। একই সঙ্গে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য সাহায্য চেয়েছেন তিনি। তাঁর এই পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই উদ্বেগ ছড়িয়েছে।ব্যাকপ্যাকার অরুণিমা নামে সোশাল মিডিয়ায় পরিচিত ওই তরুণী কিছুদিন আগে ভারত থেকে আফগানিস্তানে যান। সেখানে বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখার পাশাপাশি নিয়মিত ভিডিও এবং ছবি প্রকাশ করছিলেন। সোমবার একটি পোস্টে অরুণিমার দাবি, আফগানিস্তানে গিয়ে তিনি বিপদে পড়েছেন এবং বামিয়ান শহরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সাহায্য করার জন্যও আবেদন জানিয়েছেন তিনি। নিজের সোশাল মিডিয়া পাতায় স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া বলে দাবি করা গ্রেপ্তারি সংক্রান্ত কিছু নথিও প্রকাশ করেছেন অরুণিমা। ফলে তাঁর দাবি ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।তবে ঠিক কী কারণে অরুণিমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গ্রেপ্তারের পরিস্থিতি নিয়েও বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। স্থানীয় প্রশাসন বা আফগানিস্তানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে কী বলা হয়েছে, সেটিও এখনও পরিষ্কার নয়।এই ঘটনায় ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে তাৎক্ষণিক কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। অরুণিমার প্রকাশ করা পোস্ট এবং নথির সত্যতাও স্বাধীন ভাবে যাচাই করা হয়নি। ফলে তাঁর দাবি কতটা সত্য, তা নিয়েও আপাতত ধোঁয়াশা রয়েছে।গত কয়েকদিন ধরে আফগানিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরছিলেন অরুণিমা। সেখান থেকে প্রকাশিত একাধিক ভিডিওতে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে দেখা যায় তাঁকে। বিশেষ করে তালিবান শাসনে মহিলাদের জীবন, তাঁদের উপর থাকা বিভিন্ন বিধিনিষেধ এবং ভয়-আতঙ্কের কথা তুলে ধরেছিলেন তিনি।আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষের সঙ্গেও সময় কাটানোর ছবি এবং ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন অরুণিমা। সেই সফরের মধ্যেই হঠাৎ তাঁর গ্রেপ্তারের দাবি সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি কী কারণে আটক হয়েছেন, কোথায় রয়েছেন এবং ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।সব মিলিয়ে কেরলের এই জনপ্রিয় ভ্লগারের আফগানিস্তান সফর ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক রহস্য। অরুণিমার দাবি এবং প্রকাশ করা নথি যাচাই হওয়ার পরই গোটা ঘটনার প্রকৃত ছবি স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
কলকাতা

বামেদের নবান্নে ডেকে পুষ্পাঞ্জলির আমন্ত্রণ! গণেশ পুজোর মঞ্চে শুভেন্দুর বিস্ফোরক বার্তা

গণেশ পুজোর সূচনা করে বামেদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ধর্মকে আফিং বলা এবং নিজেদের নাস্তিক বলে পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে কোনও উপদেশ নেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে বাগেশ্বর বাবা বিতর্ক, পুজোকে শারদোৎসব বলা নিয়ে বিতর্ক এবং গণেশ পুজোর বিস্তারসবকিছু নিয়েই নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন শুভেন্দু।সোমবার গণেশ পুজোর সূচনা করে শুভেন্দু বলেন, সনাতন ধর্মের রীতিনীতি নিয়ে বাইরের কারও কাছ থেকে উপদেশ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর বক্তব্য, কোনও দিন নিরামিষ খাবার দিয়ে পুজো হয়, আবার কোনও দিন মাছ দিয়ে দেবতাকে ভোগ দেওয়া হয়। সনাতন ধর্মের মানুষ কোন পুজোয় কী নিয়ম মানবেন, তা তাঁরা নিজেরাই জানেন।বাগেশ্বর বাবা বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, পুজোর পদ্ধতি, পুজোর পাঠ এবং পঞ্জিকার নিয়ম বদলে একসময় ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের রূপ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, প্রাদেশিকতার নামে মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরির চেষ্টা হয়েছিল।এর আগে বালিগঞ্জে ভারত সেবাশ্রম সংঘের পুজোর সূচনা করেন শুভেন্দু। সেখানেও পুজো এবং শারদোৎসব নিয়ে চলা বিতর্কের প্রসঙ্গ ওঠে। কমিউনিস্ট নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যাঁদের পুজো নিয়ে আপত্তি রয়েছে, তাঁরা নবান্নে এসে তাঁর সঙ্গে বিশ্বকর্মা পুজোয় পুষ্পাঞ্জলি দিতে পারেন।শুভেন্দুর বক্তব্য, তিনি বিশ্বকর্মা পুজোর দিন নবান্নে পুষ্পাঞ্জলি দেবেন। কমিউনিস্ট নেতাদেরও সেখানে এসে একসঙ্গে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর কটাক্ষ, তাতে তাঁরাও পরিবর্তনের স্বাদ পাবেন।পুজোর নাম নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, তার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে রাজনৈতিক ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে পুজোকে ধর্মীয় অনুষ্ঠান না কি বৃহত্তর সাংস্কৃতিক উৎসব হিসাবে দেখা হবে, তা নিয়ে যে রাজনৈতিক তরজা চলছে, সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে তাঁর বক্তব্য।এ দিন বামেদের আক্রমণ করার পাশাপাশি আগের সরকারের আমলে পিতৃপক্ষে দুর্গাপুজোর সূচনা নিয়েও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর মন্তব্য, পিতৃপক্ষে কাঁচি নিয়ে বের হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।দেশবিরোধী শক্তি নিয়েও এ দিন সতর্ক করেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, অসুরদের থেকে সাবধানে থাকতে হবে এবং তাঁদের থেকে দূরে থাকতে হবে। একই সঙ্গে দেশবিরোধী শক্তি এবং টুকরে টুকরে গ্যাং থেকেও দূরে থাকার বার্তা দেন তিনি।গণেশ পুজো কেন বাড়ছে, তা নিয়ে যাঁরা প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদেরও এ দিন পাল্টা জবাব দেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, গণপতি পুজো শুধু মহারাষ্ট্রের বিষয় নয়। সনাতন ধর্মের ঐক্যের মধ্যেই এর বিস্তার রয়েছে।শুভেন্দুর দাবি, একসময় মারাঠি, গুজরাতি, বিহারি-সহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি প্রাচীর তুলে রাখা হয়েছিল। তাঁর কথায়, সেই প্রাচীর ভেঙে দেওয়া হয়েছে। গণেশ পুজোর বিস্তারকে তিনি সনাতনীদের ঐক্যের প্রতীক হিসাবেই তুলে ধরেন।গণেশ পুজোর সূচনা থেকে বাগেশ্বর বাবা বিতর্ক, পুজোর নাম নিয়ে রাজনৈতিক তরজা থেকে বামেদের নবান্নে পুষ্পাঞ্জলির আমন্ত্রণসব মিলিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সোমবারের বক্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর পরই কি বাড়ছে বাসভাড়া? মন্ত্রীর কথায় বড় ইঙ্গিত, কত হতে পারে ন্যূনতম ভাড়া?

পুজোর পর রাজ্যে বাসভাড়া বাড়তে পারে। সরকারি ও বেসরকারি বাসের পাশাপাশি দূরপাল্লার বাসের ভাড়াতেও পরিবর্তন হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। তবে পুজোর আগে ভাড়া বাড়ানোর কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না। সোমবার বেসরকারি বাস মালিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর এমনটাই জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং।বৈঠক শেষে পরিবহণমন্ত্রী বলেন, পুজোর আগে বাসভাড়া নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হবে না। তবে পুজোর পরে বেসরকারি বাসের ভাড়া বাড়ানো নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে একই ভাড়া চলছে। ২০১৮ সাল থেকে বাসভাড়ার তালিকায় কোনও পরিবর্তন হয়নি। তাই অনির্দিষ্টকাল ভাড়া না বাড়িয়ে রাখা সম্ভব নয়।বাসভাড়া বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলতে গিয়ে বাম আমলেরও সমালোচনা করেন পরিবহণমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সেই সময় নেতারা নিজেদের গাড়িতে যাতায়াত করলেও বাসের ভাড়া বাড়ানো হত না। এর ফলে ধীরে ধীরে বাসের সংখ্যা কমে গিয়েছিল। বর্তমান সরকার সেই পথে হাঁটতে চায় না বলেও জানান তিনি। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য আরও বেশি বাস রাস্তায় নামানোর পাশাপাশি পরিষেবার মান উন্নত করার কথাও বলেন মন্ত্রী।২০১৮ সালে শেষ বার সরকারি ভাবে বাসভাড়ার তালিকা পরিবর্তন হয়েছিল। তখন ন্যূনতম ভাড়া ছিল ৭ টাকা। যদিও কোভিডের সময় থেকে অনেক ক্ষেত্রে ন্যূনতম ভাড়া ১০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। সেই পরিবর্তনের কোনও সরকারি বিজ্ঞপ্তি হয়নি বলে জানা গিয়েছে। ফলে আগামী দিনে বাসভাড়া বাড়লে ন্যূনতম ভাড়া কত হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।বাস মালিকদের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল টোল নিয়ে। তাঁদের অভিযোগ, একই জেলার মধ্যেও বিভিন্ন জায়গায় আলাদা হারে টোল নেওয়া হচ্ছে। এই সমস্যা মেটাতে সব টোল প্লাজায় নির্দিষ্ট হারে টোল চালুর বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে ছদিনের সময় দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওড়িশার মতো নিয়ম চালুর কথাও জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী।বড় রাস্তায় টোটো চলাচল নিয়েও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন তিনি। মূল রাস্তায় টোটো চলাচল বন্ধ করা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন মন্ত্রী। টোটো চলাচল নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, তার সমাধানে একটি নির্দিষ্ট নিয়ম চালু করার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানান তিনি।বাস মালিকদের দীর্ঘদিনের আরও একটি সমস্যা ছিল রাতের বাস রাখার জায়গা নিয়ে। বৈঠকের পর সেই সমস্যা মিটেছে বলে জানিয়েছেন বাস মালিকদের প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে যেসব বাস মালিকের দীর্ঘদিনের কর বকেয়া রয়েছে, তাঁদের জরিমানা কিছুটা কমানোর বিষয়েও আশ্বাস দিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।এর মধ্যেই সামনে দুর্গাপুজো। পুজোর সময় রাস্তায় মানুষের ভিড় এবং যাতায়াতের চাপ অনেকটাই বেড়ে যায়। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে পুজোর আগেই আরও প্রায় ৩০০ সরকারি বাস রাস্তায় নামানো হবে বলে জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী। ফলে শহর ও শহরতলির গণপরিবহণ ব্যবস্থায় কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বৈঠক নিয়ে খুশি বাস মালিকদের সংগঠনগুলিও। সারা বাংলা বাস-মিনিবাস সমন্বয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাহুল চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং তাঁরা খুশি। টোলের সমস্যা প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাসও মন্ত্রী দিয়েছেন বলে জানান তিনি।বাসভাড়া বাড়ানো নিয়েও পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাহুল। তাঁর আশা, পুজোর পর এবার বাসভাড়া বাড়ানো হবে। একই সুর শোনা গিয়েছে সিটি সাবার্বান বাস সার্ভিসেসের সাধারণ সম্পাদক টিটু সাহার বক্তব্যেও। জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটের সাধারণ সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের নাইট পার্কিংয়ের সমস্যা মিটিয়ে দেওয়ায় তাঁরা সন্তুষ্ট। বৈঠকে খুশি ওয়েস্টবেঙ্গল বাস-মিনিবাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ নারায়ণ বসুও।সব মিলিয়ে পুজোর আগে যাত্রীদের জন্য বাড়তি সরকারি বাস নামানোর সিদ্ধান্ত কিছুটা স্বস্তি দিলেও পুজোর পর বাসভাড়া বাড়তে পারেপরিবহণমন্ত্রীর বক্তব্যে সেই সম্ভাবনাই জোরালো হয়েছে। তবে ভাড়া কত বাড়বে বা নতুন ন্যূনতম ভাড়া কত হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ফলে পুজোর পর রাজ্যের বাসযাত্রীদের পকেটে কতটা অতিরিক্ত চাপ পড়বে, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
রাজ্য

প্রার্থী ঘোষণার পরেও কংগ্রেসের দরজায় মমতা! নন্দীগ্রাম নিয়ে কেন এত মরিয়া তৃণমূল?

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের মনোনয়ন পর্ব শুরু হতেই বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, বিজেপিকে আটকাতে দুই কেন্দ্রে একসঙ্গে লড়াই করার জন্য কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে জোটের প্রস্তাব দিয়েছেন কালীঘাট তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বিষয়ে তিনি এআইসিসির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক কেসি বেনুগোপালকে ফোন করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, ফোনে মমতা নন্দীগ্রাম আসনটি কংগ্রেসকে ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থীকে কংগ্রেস সমর্থন করুক, সেই আবেদনও জানান তিনি। এমনকি নন্দীগ্রামে কালীঘাট তৃণমূলের ঘোষিত প্রার্থীকে সরিয়ে নেওয়ার কথাও তিনি জানিয়েছিলেন বলে খবর।এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে, তা হলে কি নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে কংগ্রেস ও কালীঘাট তৃণমূলের মধ্যে জোট হতে চলেছে? তবে সূত্রের খবর, মমতার প্রস্তাব গ্রহণ করেনি কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। বরং প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে পাল্টা বার্তা দেওয়া হয়েছে, জোট চাইলে দুই আসনেই কালীঘাট তৃণমূলকে কংগ্রেসকে সমর্থন করতে হবে।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার জানিয়েছেন, কালীঘাট তৃণমূল যদি সত্যিই জোট চায়, তা হলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরদুই আসনেই কংগ্রেসকে সমর্থন করা উচিত। তাঁর বক্তব্য, এমনটা হলে ভবিষ্যতে জোটের রাস্তা আরও খোলা থাকতে পারে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন। ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। ইতিমধ্যেই দুই কেন্দ্রেই কংগ্রেস এবং কালীঘাট তৃণমূল প্রার্থী ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলও দুই আসনে প্রার্থী দিয়েছে। ফলে তৃণমূলের দুই শিবিরের মধ্যে প্রতীক ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াইয়ের পাশাপাশি কংগ্রেস ও বিজেপির লড়াইও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের নন্দীগ্রামের প্রার্থী এহতেশামুল হক। রেজিনগরে তাঁদের প্রার্থী সফিউজ্জামান শেখ। অন্য দিকে, কালীঘাট তৃণমূল নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে এবং রেজিনগরে রবিউল আলম চৌধুরীকে প্রার্থী করেছে।নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে-কে প্রার্থী করা নিয়েও স্থানীয় স্তরে কিছুটা অস্বস্তি রয়েছে বলে সূত্রের দাবি। তাঁর নাম ২০১৪ সালের শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় জড়িয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। সেই কারণেই প্রার্থীর ভাবমূর্তি নিয়ে দলের স্থানীয় স্তরে প্রশ্ন উঠেছে বলে খবর। যদিও প্রকাশ্যে এখনও কোনও বড় ধরনের ক্ষোভ দেখা যায়নি।এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, প্রার্থী বাছাই নিয়ে অস্বস্তির কারণেই কি মমতা কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করলেন? নাকি মূল লক্ষ্য ছিল নন্দীগ্রামে বিজেপিকে আটকাতে বিরোধী ভোটকে এক জায়গায় আনা? রাজনৈতিক মহলে এই দুই সম্ভাবনা নিয়েই জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।সোমবার সন্ধ্যায় কেসি বেনুগোপালকে ফোন করে মমতা বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই করার প্রস্তাব দেন বলে সূত্রের খবর। নন্দীগ্রাম কংগ্রেসকে ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলকে সমর্থনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কংগ্রেসের তরফে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।রেজিনগরে কংগ্রেসের প্রার্থী মহম্মদ আব্দুল্লাহিল কাফি। নন্দীগ্রামে কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধান। রেজিনগরে ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সেই সময় উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার।মমতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পিছনে পুরনো রাজনৈতিক সম্পর্কের কথাও সামনে আনছে কংগ্রেস। কংগ্রেস নেতৃত্বের বক্তব্য, ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বামেদের সরাতে তৎকালীন সময়ে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করেছিল তৃণমূল। সেই জোটের সুবিধা নিয়ে ক্ষমতায় আসার পর ২০১২ সালে কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন মমতা। এরপর রাজ্যে তৃণমূলের শাসনকালে কংগ্রেসের নেতা-কর্মীদের উপর হামলা, মিথ্যা মামলা এবং খুনের মতো একাধিক অভিযোগ উঠেছে বলে দাবি কংগ্রেসের।মমতার এবারের জোটের প্রস্তাব সামনে আসার পর কংগ্রেসের নিচুতলার নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সেই ক্ষোভকে গুরুত্ব দিয়েই কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে।ফলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে আপাতত আলাদা পথেই লড়াই করতে চলেছে কংগ্রেস ও কালীঘাট তৃণমূল। তার উপর দুই কেন্দ্রেই তৃণমূলের দুই শিবিরের প্রার্থী থাকায় লড়াই আরও জটিল হয়েছে। মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে যায়, নন্দীগ্রামে বিজেপি, কংগ্রেস এবং তৃণমূলের দুই শিবিরের লড়াই কোন নতুন মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal