• ৫ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ২০ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Suvendu Adhikari,

রাজনীতি

পঞ্চায়েত ভোটে এবার নয়া ইস্যু 'ছাতা ধর' রাজনীতি

ছাতা এবার রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রবিবার তৃণমূলের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ একটি ছবি টুইট করে বলেন যে, দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুইয়ের মাথায় ছাতা ধরে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। দুদিন আগে অন্ডালের একটি নির্বাচনী সভায় উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুই। সেখানে দেখা যায় যে বিধায়কের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান, তিনি ছাতা ধরে রয়েছেন বিধায়কের মাথায়। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে কাঁকসায় তৃণমূলের একটি সভায় শ্রমিক নেতা প্রভাত চট্টোপাধ্যায়ের মাথায় পুলিশের ছাতা ধরার টুইট করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার পাল্টা টুইট কুনালের। এই প্রসঙ্গে বিধায়ক লক্ষন ঘড়ূইয়ের পাল্টা কটাক্ষ, ওর কথায় কি উত্তর দেব, সাড়ে তিন বছরের জেল খাটা আসামী। পাশাপাশি তিনি বলেন আমি বিধায়ক, আমাকে রক্ষা করার দায়িত্ব আমার নিরাপত্তা রক্ষীর। কিন্তু কে প্রভাত চ্যাটার্জী? প্রশ্ন তোলেন তিনি

জুলাই ০৩, ২০২৩
রাজ্য

এখন বিজেপির সবচেয়ে বড় এজেন্ট অধীর চৌধুরী, তোপ অভিষেকের

মালদায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেক বলেন, বিজেপির সবচেয়ে বড় এজেন্ট অধীর চৌধুরি । কাজেই বাংলায় কংগ্রেস সম্পর্কে যত কম বলা যায় ততই ভালো। বাংলায় অধীর চৌধুরী শুভেন্দুর সুরে কথা বলে।পঞ্চায়েত নির্বাচনের মুখে বিরোধী দল বিজেপি, কংগ্রেস সিপিএমের সেটিং তত্ত্ব নিয়ে সোচ্চার হলেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার দুপুরে সুজাপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত হাতিমারি মাঠে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখেন অভিষেক ব্যানার্জি। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্যসভার সাংসদ মৌসুম বেনজির নূর, জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী, চেয়ারম্যান সমর মুখার্জি, রাজ্যের সেচ দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন, ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী। তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বলেন, আমরা মীরজাফর নযই, আমাদের মেরুদন্ড সোজা। সুতরাং ইডি-সিবিআই যতই আমাদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া হোক না কেন, তৃণমূলকে অপদস্ত করা যাবে না। পঞ্চায়েত নির্বাচনের মুখে বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএমের চরম বোঝাপড়া চলছে। এখনও পর্যন্ত ওরা কেউ কারোর বিরুদ্ধে নির্বাচন বিষয় নিয়ে এতটুকু অভিযোগ করেনি। সবাই দলনেত্রী মমতা বন্দযোপাধ্যায়কে আক্রমণ করছে। কিন্তু তাতে কোনও লাভ নেই। যে উন্নয়ন সাধারন মানুষের জন্য মুখ্যমন্ত্রী করেছেন, তাতে মানুষকে ভুল বোঝানো যাবে না। তাই আবারও বলি আপনারা কানে শুনে নয়, চোখে দেখে ভোট দিন।বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে আক্রমণ শানিয়ে অভিষেক বলেন, আপনারা তো টিভির পর্দায় দেখেছেন টাকার বান্ডিল হাতে কে নিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন দুর্নীতিগ্রস্তদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যেখানে পরিষ্কার হয়ে গেল শুভেন্দু অধিকারী টাকা নিচ্ছে। সবাই দেখেছে টিভিতে। তাহলে প্রধানমন্ত্রী তাদের দলের ওই নেতার বিরুদ্ধে কেন কোনও ব্যবস্থা নিলেন না। আসলে প্রধানমন্ত্রী মুখে বড় বড় কথা বলেন। ৯ বছরের রাজত্বে কেন্দ্রের মোদি সরকার সাধারণ মানুষের জন্য কোন সুবিধাটুকু করে দিতে পারিনি। এরাজ্যে শুধু উন্নয়ন করেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, বাংলায় অধীর চৌধুরী শুভেন্দু ও মোদির সুরে কথা বলছে। এখন বিজেপির সবচেয়ে বড় এজেন্ট অধীর চৌধুরী। তাই ওদেরকে বিশ্বাস করা যায় না। অথচ পাটনায় দিদির পাশেই বসেছিলেন রাহুল গান্ধী। বলেছিলেন একজোট হয়ে লড়াই করার কথা। কিন্তু কোথায় কি। এখানে তো বিরোধীদের সবকিছুই হচ্ছে সেটিং-এর মাধ্যমে। কিছুদিন আগেই পাটনায় ১৬ দলের একজোট হয়ে বৈঠকের পর পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গেছে বিজেপির। তাই ওরা এখন কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। তৃণমূলের মেরুদন্ড সোজা। কাউকে ভয় পায় না। মানুষের অধিকারের জন্য লড়াই চলবে।এদিন মালদার উন্নয়নের প্রসঙ্গে সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি বলেন, গত পাঁচ বছরে মালদার বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে ২,৫০০ কোটি টাকা প্রকল্পে পিএইচইর কাজ হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন দপ্তরের সহযোগিতা নিয়ে মালদায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকার সার্বিক উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। মালদা শুধু নয়, গোটা রাজ্যের উন্নয়নের দায়িত্ব তৃণমূলের সরকারের।কেন্দ্রের মোদি সরকারের বকেয়া নিয়েও সুর চড়িয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি। তিনি বলেন , গত দুই বছর ধরে ১০০ দিন প্রকল্পের টাকা আটকে রেখেছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। আবাস যোজনা টাকাও বন্ধ করে দিয়েছে। এভাবে গরিব মানুষের পেটে ভাত মারাটা উচিত নয়। গরিবের অধিকার ফিরিয়ে পাওয়ার লক্ষ্য নিয়েই দিল্লিতে অবস্থান করার কথা জানিয়েছেন সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি। তিনি বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচন মিটে গেলে দশ লক্ষ লোক নিয়ে দিল্লিতে জমায়েত এবং অবস্থান করব। দেখি ওরা কিভাবে এরাজ্যের গরিবের অধিকার আটকে রাখতে পারে।এদিন পঞ্চায়েত প্রার্থী প্রসঙ্গে সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি বলেন, আমি গত দুইমাস নবজোয়ার কর্মসূচির মাধ্যমে রাস্তায় সময় কাটিয়েছি। মানুষের জনমত সংগ্রহ করেছি। সাধারণ মানুষ তৃণমূলের ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের প্রার্থী যাদের চেয়েছিলেন তাদেরই করা হয়েছে। তাই আবারও বলি, ওরা যতই বলুক না কেন, বিরোধীদের ফাঁদে পা দিবেন না। তৃণমূল সরকারের হাত শক্ত করুন। উন্নয়নের ধারা বজায় থাকবে। কোনও মানুষ উন্নয়নের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না।

জুলাই ০২, ২০২৩
রাজনীতি

৩ মাসের মধ্যে পতন হবে মমতা সরকারের, হুঙ্কার শুভেন্দুর

তিন মাসের মধ্যে মমতা সরকারের পতন হবে বলে দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি আগামী লোকসভায় এরাজ্যে বিজেপি কত আসন পাবে সেই ঘোষণাও করেছেন শুভেন্দু। বিজেপির কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতা অমিত শাহর লক্ষ্যকে ছাপিয়ে গেলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।গত এপ্রিলে বীরভূমের শিউড়িতে সভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগামী লোকসভার জন্য বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বকে জয়ী আসনের টার্গেট বেঁধে দেন। তাঁর দাবি ছিল, লোকসভায় বাংলা থেকে বিজেপিকে ৩৫টি আসন দিন, দেখবেন ২০২৬-এর আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার পড়ে গিয়েছে।মঙ্গলবার জলপাইগুড়ির ক্রান্তির সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচন হল সেমি ফাইনাল। ফাইনাল হবে চব্বিশে। আর সেখানে দেশ থেকে বিজেপির বিদায়ঘণ্টা বাজবে। বিজেপির আয়ু আর ছমাস।বুধবার পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারসভা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি উত্থাপন করেন। সেই প্রসঙ্গেই খানিকটা চ্যালেঞ্জের সুরে বলেন উনি বলেছেন, পঞ্চায়েত সেমিফাইনাল। আমি বলছি সেমিফাইনাল নয়। পঞ্চায়েত হল কোয়ার্টার ফাইনাল। সেমিফাইনাল হবে চব্বিশে। উনিশে ১৮টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। এবার ৩৬টি পাব। তারপর তিন মাসের মধ্যে বাংলায় সরকার পড়ে যাবে। অর্থাৎ শাহ যা লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছিলেন এ রাজ্য থেকে লোকসভা ভোটে তার থেকেও বেশি আসন জিততে মরিয়া বিরোধী দলনেতা।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, শুভেন্দু একটা বদ্ধ উন্মাদ। মাঝেমাঝেই একটা করে তারিখ বলে, সংখ্যা বলে, তারপর আবার চুপসে যায়। বিজেপির বাকি লোকেরাও ওঁর কথা বিশ্বাস করে না।

জুন ২৮, ২০২৩
রাজনীতি

মুকুল, শুভেন্দুকে ভাঙিয়েছে বিজেপি, অভিষেকের সরাসরি চ্যালেঞ্জ গেরুয়া শিবিরকে

মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারী এখন বিজেপিতে। তাঁদের পুরনো দল তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায় দাবি করেছেন, তাঁকেও ভাঙাতে চেয়েছিল বিজেপি। কিন্তু তাঁকে এভাবে দমানো যাবে না বলেও স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। অভিষেকের অভিযোগ, গেরুয়া শিবিরে নাম লেখালেই সাত খুন মাফ। দল বদলে যে নেতা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, তাঁরা ইডি-সিবিআইয়ের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন। কয়লা পাচার থেকে শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়কে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই-ইডি। কখনও দিল্লিতে কখনও নিজাম প্যালেস, সম্প্রতি ইডি তলব করেছিল সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে। পঞ্চায়েত ভোট চলাকালীন রবিবার ডায়মন্ড হারবারের ফলতার জনসভা থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ আনেন অভিষেক।অভিষেক বলেন, রাজনৈতিক লড়াইয়ে পেরে না উঠে, ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে। ইডি-সিবিআইকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের দলকে শ্রীবৃদ্ধি করছে বিজেপি। যেমনভাবে মুকুল রায়, হেমন্ত বিশ্বশর্মা, শুভেন্দু অধিকারীদের ভাঙিয়ে নিয়ে গিয়েছে, তেমনই চেষ্টা করছে হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভাঙাও, নইলে বসাও, নইলে জেলে ঢোকাও। কিন্তু এভাবে আমাকে দমানো যাবে না। তাঁর বক্তব্য, আমি যতদিন রাজনীতি করব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই করব। আমার গলা কেটে দিলেও জয় বাংলাই বেরবে। আর যেদিন রাজনীতি করব না, সেদিন নিষ্ক্রিয় হয়ে যাব। চব্বিশে প্রধানমন্ত্রী পাল্টানোর ডাক দিয়েছেন অভিষেক।

জুন ১৮, ২০২৩
রাজনীতি

কমিশনে গিয়ে শুভেন্দুর দাবি, ২০ হাজার আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূলকে জিতিয়ে দেওয়াই লক্ষ্য

রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সামনে নিজে হাতে ব্যারিকেডের দড়ি খুললেন বিরোধী শুভেন্দু অধিকারী। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সামনে বেনজির দৃশ্য দেখা গেল। যেসব প্রার্থী মনোনয়ন জমা করতে পারেননি তাঁদের নিয়ে কমিশনের দফতরের সামনে হাজির হয়েছিলেন সুকান্ত মজুমদার। দলীয় কর্মীদের নিয়ে সেই সময় হাজির ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। এরপরই কলকাতায় কমিশন দফতরেরর সামনে তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয়। কমিশনের দফতরে বিজেপি নেতা-কর্মীরা যাতে ঢুকতে না পারে তার জন্য পুলিশ আগে থেকেই ব্যারিকেড করে রেখেছিল। প্রথমে সেই ব্যারিকেড নিজে হাতে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে ব্যারিকেডের দড়ি খুলে দেন নিজে হাতে।এরপর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মনোনয়নে বাধা দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে কমিশন দফতরে ঢোকেন কথা বলতে। কিছুক্ষণ পর বেরিয়ে এসে ক্ষোভ উগরে দেন বিরোধী দলনেতা। রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোষ্য বলে কটাক্ষ করেন। শুধু তাই নয়, কমিশন তৃণমূলকে সুবিধা করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। ১৪৪ ধারা থাকা সত্ত্বেও রোজ কীভাবে রক্ত ঝরছে? প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু।বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, রাজ্যের শাসকদল, কমিশন এবং পুলিশ মিলে বিরোধীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে মনোনয়ন জমা দিতে দিচ্ছে না। ২০ হাজর আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূলকে জিতিয়ে দেওয়াই এদের লক্ষ্য।একটা সময় উত্তেজনা চরমে পৌঁছয়। কমিশনের দফতরের সামনেই জয় শ্রী রাম স্লোগান চলতে থাকে। রাজ্য পুলিশের উদ্দেশে হায় হায় ধ্বনি দেওয়া হয়। শুভেন্দুর দাবি, আদালত স্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নামানোর নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু স্পর্শকাতর এলাকা বলে কিছু রয়েছে, তা মানতেই চাইছে না কমিশন। হাইকোর্ট অভিযোগ জমা নেওয়ার ব্যবস্থা করতে বললেও, কমিশনে তেমন কোনও ব্যবস্থা নেই।শুভেন্দুর দাবি, যাঁর মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি, কমিশনের দফতরেই তাঁদের মনোনয়নপত্র জমা নিতে হবে। আশান্তি রুখতে ও মনোনয়নে অশান্তি থামাতে কমিশন পদক্ষেপ না করলে বৃহস্পতিবার থেকে কমিশন দফতরের সামনে হাজার হাজার মানুষের ভিড় জমবে বলে হুঁশিয়ারি দেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিনও তাঁর মুখে নো ভোট টু মমতা সুর শোনা যায় নির্বাচন ল কমিশনের দফতরে। মমতাকে ভোট লুঠ না করতে দেওয়াই তাঁর চ্যালেঞ্জ বলে দাবি করেন তিনি।

জুন ১৪, ২০২৩
রাজনীতি

শুভেন্দুকে নিয়ে অভিষেকের ক্ষোভের কড়া জবাব দিলীপ ঘোষের, কেন?

ইডির কাছে যে তথ্য তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপধ্যায় দিয়েছেন তা জেনে যাচ্ছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই অভিযোগ করেছেন অভিষেক। মঙ্গলবার এর জবাবে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, না, সবাই জানে তো, আপনি রাজার ছেলে! হাকডাক করে যাচ্ছেন, লোকে জানে না! আপনি কোথায় খান? কোথায় ঘুমোন ? আপনার কত টাকা পয়সা আছে{ সব পাবলিক জেনে গিয়েছে। লুকোনোর আর কিছু নেই। আমরা সাধারণ মানুষ আমাদের নিয়ে পাবলিক ভাবে না। তাছাড়া সবাই এসব জানেন। আরেকটু বিদেশ মন্ত্রকে খোঁজ করলে সব পাওয়া যায়।অভিষেক দাবি করেছেন তিনি নন্দীগ্রামে ২০ কিমি পদযাত্রা করেছেন, তারই পুরস্কার তাঁর স্ত্রীকে ইডির তলব। এই প্রসঙ্গে মেদিনীপুরের সাংসদ বলেন, জীবনে প্রথম হাঁটাহাঁটি করছেন। সবে তো একটু ঘাম বেরিয়েছে। রোদে একটু মুখটা পুড়ুক! তাহলে রাজনীতি বোঝা যাবে। আপনি কার জন্য হাঁটছেন? নিজের ভবিষ্যতের জন্য! নিজের পার্টির জন্য হাঁটছেন। তাতে জনগণের কি যায় আসে!! মানুষ তো আপনার কথা ভুলেই গিয়েছে।রুজিরাকে তলব করা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করেছেন অভিষেক। তাঁরও জবাব দিয়েছে দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেছেন, কোথায় চাঁদ আর কোথায় বাঁদর! কে কাকে চ্যালেঞ্জ করছে। লোকে হেসে মরে যাচ্ছে এসব দেখে। যেখানে আছেন সেখানেই থাকুন, গলির লোক গলিতেই থাকুন। রাজপথে আসতে পারবেন না কোনদিন। যতই আপনি তুলসী গাছে জল ঢালুন অশ্বত্থ গাছ হবে না কখনও। অশ্বত্থ গাছ অশ্বত্থ গাছই থাকবে। আর ছাগলকে নিয়ে যতই গরুর গোয়ালে বাঁধুন, সে গরু হবে না কোনও দিন।সোমবার রুজিরা ছাড়া রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটককেও ইডি তলব করেছে। দিলীপ ঘোষের দাবি, আগেও ডেকেছে। আরও অনেককে ডাকবে। এই যে বছরের পর বছর কোটি কোটি টাকার কয়লা কেলেঙ্কারি চলছে। তার ভাগ অনেকেই পেয়েছে। আমরাও জানি সবাই জানে। ডাকা হয়নি এতদিন। এবার ডাক শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কটক সফর নিয়ে দিলীপের কটাক্ষ, এ সবই ড্রামা। কটক কেন? কেন দার্জিলিং গেলেন না! উঠল বাই কটক যাই!উল্লেখ্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, কেন ইডি ছাড় দিচ্ছে দিলীপ ঘোষ ও শুভেন্দু ্অধিকারীকে? বিজেপি করে বলে? কেন তাঁদের ডাকছে না? প্রশ্ন তুলেছেন অভিষেক। অন্য দিকে জঙ্গলমহলে কুড়মিদের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়েছেন দিলীপ ঘোষ। কুড়মিদের সঙ্গে শুভেন্দুর ভাল সম্পর্ক বলেই জানে জঙ্গলমহল। রাজনৈতিক মহলের মতে, ওই বিবাদ মেটাতে প্রয়োজন শুভেন্দু অধিকারীকে।

জুন ০৬, ২০২৩
রাজনীতি

টানা ৯ ঘন্টা ৪০ মিনিট জিজ্ঞাসাবাদ, অভিষেক বললেন, ‘নির্যাসশূন্য। শুভেন্দুকে কেন ডাকছে না সিবিআই?’

রাজ্য়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে টানা ৯ ঘন্টা ৪০ মিনিট অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করল সিবিআই। শনিবার সকাল ১১টায় নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে ঢোকেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। বেরিয়েছেন রাত 8টা 40 মিনিটে। জিজ্ঞাসাবাদের পরই সাংবাদিক বৈঠকে অভিষেক দাবি করেন, জিজ্ঞাসাবাদের নির্যাস শূন্য। আমারও সময় নষ্ট। তদন্তকারীদেরও সময় নষ্ট। অযথা তাঁকে ডাকা হয়েছে বলে এদিনও দাবি করেন অভিষেক। পাশাপাশি অভিষেক তুলোধোনা করেন বিজেপির। নাম না করে তিনি শুভেন্দু অধিকারীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। অভিষেক বলেন, প্রথম দিন থেকেই আমাকে টার্গেট করেছে। বিজেপির জন্য এক আইন, আমার জন্য এক আইন। আমি দিল্লির পোষা কুকুর হয়ে থাকব না। আমরা বশ্যতা স্বীকার করব না। সর্বভারতীয় কেন্দ্রীয় এজেন্সি লাগিয়েও মাথানত করাতে পারছেন না। রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার হয়ে থাকব। সব চোর, দুর্নীতিগ্রস্ত বিজেপির সম্পদ। অভিষেকের প্রশ্ন, সুদীপ্ত সেন চিঠি লিখে অধীর, সুজন, শুভেন্দুর নাম বলেছে। একজনকেও ডাকা হয়েছে? সুদীপ্ত সেনের চিঠির ভিত্তিতে কেন শুভেন্দুকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে না? প্রসন্ন রায়ের বাড়িতে দিলীপের দলিল, তাঁকে কেন জিজ্ঞাসাবাদ নয়? নারদায় টাকা নিতে দেখা গিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীকে, তাঁকে ডাকা হয়েছে?তদন্ত প্রসঙ্গে অভিষেক জানান, যাঁদের নাম জিজ্ঞাসা করছেন, তাঁদের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদে। পূর্ব মেদিনীপুর ও মুর্শিদাবাদে দলের দায়িত্বে কে ছিলেন? অথচ, শুভেন্দু অধিকারীকে ডাকছে না। তদন্ত চলছে এর থেকে বেশি বলা যাবে না বলেও জানিয়ে দেন অভিষেক।

মে ২০, ২০২৩
রাজ্য

দিনভর এগরার গ্রাম ক্ষোভের আগুনে ফুটলো, রাতে এল ৬জনের নিথর দেহ

বেআইনি বাজি তৈরির কারখানা ৯ জনের মৃত্যুর পর আজ, বুধবার পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার খাদিকুল গ্রামে যান বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিরোধী দলনেতা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এই ঘটনায় কাউকে রেয়াত করা হবে না। এর শেষ দেখে ছাড়ব। পুলিশ মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন শুভেন্দু। তৃণমূলের নেতৃত্ব গ্রামে এলে চোর চোর বলে স্লোগান তোলে স্থানীয়রা। তৃণমূল নেতা মানস ভুঁইয়্যা, দোলা সেন, সৌমেন মহাপাত্রদের বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। পাশাপাশি এই বিষ্ফোরণ কাণ্ডে কোনও বিষ্ফোরক সংক্রান্ত মামলা দায়ের করা হয়নি। তা নিয়েও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েছে স্থানীয়রা। এই কেস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দু অধিকারীও। এদিন রাতে ৬ জনের নিথর দেহ গ্রামে আসে। সমস্ত নিস্তব্ধতা ভেঙে গ্রামে প্রিয়জন হারাদের পরিবারে কান্নার রোল ওঠে। অভিযুক্ত ভানু ভাগ এখনও পলাতক। তাঁকে খুঁজে বেড়াচ্ছে পুলিশ।গ্রামবাসীদের দাবি ভানু বাগের কারখানায় বোমা তৈরি হত। এদিন ফরেন্সিক বিশেজ্ঞরাও নমুমা সংগ্র করে। বাজি প্রস্তুতকারকেদর বক্তব্য, তাঁদের বদনাম করা হচ্ছে। যেখানে পরিবেশ বান্ধব বাজি ছাড়া কিছু প্রস্তুত করাই বেআইনি সেখানে বিস্ফোরণ হওয়ার সম্ভাবনা কোথায়? এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব গ্রামে পৌঁছাতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা। চোর চোর স্লোগান চলতে থাকে। মানস ভুঁইয়্যারা নিহতের পরিবারের সদস্যদের আশ্বাস দেন সঠিক তদন্তের। দোষীদের শাস্তি দেওয়া হবে। ভানু বাগের কারখানায় বারে বারে বিষ্ফোরণ ঘটলেও কীভাবে দিনের পর দিন বেআইনি ভাবে কারখানা চালাতে পারে তা নিয়ে এদিনও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। এখন দেখার বিষয় কবে ভানু বাগ কবে গ্রেফতার হন।

মে ১৭, ২০২৩
রাজ্য

‘মানুষকে অপমান করেছেন’, অভিষেকের মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের সভামঞ্চ থেকে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আবাস যোজনা ও শৌচাগারের প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন শুভেন্দু। শৌচাগার প্রকল্পের দুর্নীতির সঙ্গে তৃণমূলের এক বিধায়ক জড়িত বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, জেলাপ্রশাসনও এই কাজে যুক্ত। এমনকী গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে জোর করে বিজেপিকে হারানো হয়েছিল বলে গুরুতর অভিযোগ করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। বাঁকুড়ায় অভিষেকের মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন শুভেন্দু।এদিন ওন্দার সভামঞ্চ থেকে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বাঁকুড়াবাসীকে পঞ্চায়েত নির্বাচনে পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে বলেছেন। মানুষ ভুল করেছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। ২০১৯ লোকসভা ও ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ভাল ফল প্রসঙ্গে একথা বলেছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা। অভিষেকের মন্তব্য নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া, এটা শুধু বাঁকুড়ার অপমান নয়, বাংলার সমস্ত ভদ্র মন্ডলীকে অপমান। শুভেন্দু বলেন এত ঔদ্ধত্য যে একজন বলছেন জনগণ ভুল করেছেন। এ কথা বলার সাহস একজন জনপ্রতিনিধি হিসাবে কেউ কীভাবে পান? আমাদের সংবিধানটাই মানুষকে নিয়ে। সেই জনগণকেই বলছেন পাপ করেছেন প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে। হেলিকপ্টার চড়ে গিয়ে বড় বড় কথা।পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে ভারতীয় জনতা পার্টির জনসভায় উপস্থিত হয়ে রাজ্য সরকারের অপশাসন, তৃণমূলের দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিজেপির প্রার্থীদের বিপুল সংখ্যক ভোটে নির্বাচিত করে এর জবাব দেওয়ার আহ্বান জানান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এপ্রিল ১২, ২০২৩
রাজনীতি

কবে হবে পঞ্চায়েত ভোটের ঘোষণা, কিভাবে চলবে নির্বাচন প্রক্রিয়া, জানালেন শুভেন্দু

পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরির ঠাকুরনগরের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণার দিন জানিয়ে দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এমনকী কি ধরনের ভোট হতে চলেছে তা-ও আগাম ঘোষণা করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। এর আগে পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন শুভেন্দু। মমলা গড়িয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। শুভেন্দুর আবেদনে সাড়া মেলেনি আদালতে। পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণায় বাধা নেই বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত।সোমবার খেজুরির ঠাকুরনগরে শুভেন্দু বলেন, পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণা করবে ২রা মে। সব খবর থাকে আমার কাছে। একটা পর্যায়ে ভোট হবে। পুলিশ দিয়ে একটা পর্যায়ে ভোট করাতে যাতে রক্তগঙ্গা বয়ে যায় বাংলায়। যাতে শত শত মানুষ মারা যান তাই এই ব্যবস্থা করছেন অত্য়াচারী, অহংকারী পিসির একমাত্র ভাইপো। এখনও পর্যন্ত পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়নি। দুয়ারে সরকার কর্মসূচি শেষ হলে পঞ্চায়েত নির্বাচনের তোরজোড় শুরু হবে বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই রাজ্যে খুনোখুনি শুরু হয়ে গিয়েছে।এদিকে পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি করে আসছে বিরোধীরা। তবে এবিষয়ে আদালতে গিয়ে খুব একটা লাভ হয়নি। এদিনই পঞ্চায়েত ভোট উপলক্ষ্যে ভার্চুয়ালি সাংগঠনিক বৈঠক করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি উপনির্বাচনে বামেদের সমর্থনে কংগ্রেসের জয় একটু হলেও পঞ্চায়েত ভোটে প্রভাব পড়বে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১০, ২০২৩
রাজ্য

বাংলায় আবাস যোজনা খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল

আবাস কেলেঙ্কারির অভিযোগ নিয়ে আরও উত্তপ্ত হচ্ছে বঙ্গ রাজনীতি। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব থেকে শাসকদলের পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধিদের আবাস যোজনার তালিকায় নাম থাকা নিয়েই যাবতীয় বিতর্কের সূত্রপাত। যদিও অনেকে তাঁদের নাম কাটিয়ে দেওয়ার জন্য স্থানীয় বিডিওর কাছে আবেদন জানিয়েছেন। এদিকে এই কেলেঙ্কারি বিশদে খতিয়ে দেখতে আসছেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। কেন্দ্রীয় দল মূলত দুটি ভাগে পূর্ব মেদিনীপুর ও মালদা জেলা পরিদর্শন করবেন। কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের পক্ষে বুধবারই পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের প্রধান সচিবকে পত্র মারফত বিষয়টি জানানো হয়েছে।বাংলার গ্রামে গ্রামে আবাস দুর্নীতি নিয়ে সরব শুভেন্দু অধিকারী, সকান্ত মজুমদাররা ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে নালিশও জানিয়েছেন। তাঁরা দেখা করেছিলেন কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েতমন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গেও। এদিকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার তহবিলও আটকে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে বাংলায় কেন্দ্রীয় দল পাঠানোর মতো পদক্ষেপ আদতে মমতা সরকারের উপর চাপ বাড়ানোর কৌশল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের আন্ডার সেক্রেটারি অনিলকুমার সিং-য়ের লেখা চিঠিতে রাজ্যকে জানিয়ে দিয়েছে, কেন্দ্রের দুটি দল আসবে বাংলায়। একটি দল পূর্ব মেদিনীপুর এবং অপরটি মালদহের আবাস যোজনার প্রাপক তালিকা খতিয়ে দেখবেন। দুটি দলেই তিনজন করে প্রতিনিধি থাকবেন। পূর্ব মেদিনীপুরে যাবেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের ডিরেক্টর শৈলেশ কুমার, আন্ডার সেক্রেটরি অনিল কুমার সিং এবং সিনিয়র স্ট্যাটিস্টিক্যাল অফিসার সুভাষ দ্বিবেদী। মালদহে পর্যালোচনা করবেন, মন্ত্রকের ডেপুটি সেক্রেটারি শক্তিকান্ত সিং, অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার চাহাত সিং এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট সেকশন অফিসার গৌরব আহুজা। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় দল আসবেন। আবাস যোজনার আপডেট করা নথি ও লজিস্টিক সাপোর্ট কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের জন্য রাজ্যের তরফে ওই দুই জেলায় আয়োজনের কথা বলা হয়েছে। স্বভাবতই কেন্দ্রের এই পদক্ষেপে উচ্ছ্বসিত বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৩
রাজ্য

মালদার গাজোলের সভা থেকে হুংকার শুভেন্দু অধিকারীর

বন্দে ভারত থেকে কিছুতেই ঘুচছে না রাজনীতির ছোঁয়া। নাম না করে রাজ্যের একটি দলের বিরুদ্ধে বন্দে ভারতের পাথর ছোঁড়া পার্টি বলে মালদায় তুলোধনা করলেন বিরোধী দলনেতা তথা বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। সভা মঞ্চ থেকেই সংশ্লিষ্ট থানার আইসিকে হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু অধিকারী । তিনি বলেন, গাজোলের আইসি সাহেব খুব মাল তুলছেন। এখনও সময় আছে সাবধান হয়ে যান, তৃণমূল দল আপনাকে বাঁচাতে পারবে না। আইনের কাজ করুন। যা করছেন সব খবর আমাদের কাছে আছে।মঙ্গলবার গাজোল থানার বিএসএ ময়দানে উত্তর মালদা সাংগঠনিক জেলার কর্মীসভার আয়োজন করা হয়। এই সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিজেপির বিধায়ক তথা রাজ্যের বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন দলের উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু, গাজোলের বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মন, উত্তর মালদার সাংগঠনিক সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত, দলের রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বপ্রিয় রায় চৌধুরী প্রমূখ।এদিন মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, যারা বন্দে ভারতে পাথর ছুঁড়েছে সেই পাথর ছোড়ার পার্টির দিন ঘনিয়ে এসেছে। মানুষ এর জবাব দিবে।বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় চরম দুর্নীতি হচ্ছে। যাদের পাকা বাড়ি, চারচাকা গাড়ি, আড়াই একরের ওপর জমি আছে, তাদের এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার কথা নয়। কিন্তু প্রকৃত গরীব মানুষেরা বঞ্চিত হয়ে একশ্রেণীর বড়লোকদের এই সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তাই আমি বলছি বঞ্চিত লোকেদের নিয়ে জনস্বার্থ মামলা করবে বিজেপি।শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, এরাজ্যে প্রধানমন্ত্রীর স্বচ্ছ ভারত প্রকল্পে ৭০ লক্ষ শৌচালায় তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনও বহু গ্রামীণ এলাকায় এই সুবিধা পাননি সাধারণ মানুষ। সবেতেই দুর্নীতি। তৃণমূল একটা দুর্নীতির সরকারের পরিণত হয়েছে। এই সরকারের এখন এমন অবস্থা যে সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া দিয়ে দিতে গেলে মাইনে বন্ধ হবে । আর মাইনে দিতে গেলে লক্ষী ভান্ডার বন্ধ হবে। কোন কিছুই ওরা বুঝে উঠতে পারছে না কি করবে। তাই এবারে মতোই ইতি টানতে হবে এই চোর সরকারকে।শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় এত দুর্নীতি হয়েছে, যে ভয়ে নিজেরা প্রশাসনিকভাবে কাজ না করে খেটে খাওয়া অঙ্গনওয়াড়ি এবং আশা কর্মীদের দিয়ে সমীক্ষা করাতে বলেছে। আসলে তৃণমূল দল কিছুই করতে পারবে না। তবে এটা মনে রাখতে হবে পঞ্চায়েত নির্বাচনে বহু ভোট লুঠ হয়েছিল। কিন্তু এবার মানুষ বদ্ধপরিকর। ভোট এবার লুঠ হতে দেওয়া যাবে না। গাজোল তার জলজ্যান্ত উদাহরণ। এই বিধানসভা কেন্দ্রে বহু জায়গায় পঞ্চায়েতের ভোট লুঠ আটকে দিয়েছিল জনগণ এবং বিজেপি। ফলে বহু আসন বিজেপি পেয়েছিল। এবারে সোচ্চার হয়েছে। বন্যার টাকা নিয়েও দুর্নীতি করা হয়েছে মালদার বেশ কয়েকটি বিধানসভা কেন্দ্রে। একজন প্রধানও জেল খাটছে। বাকিরা ও বাদ যাবেন না।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৩
রাজ্য

'গোলগাল, নাদুস নুদুস, মেরুদণ্ড নেই, গলায় গেরুয়া উত্তরীয়' পোস্টারে ছয়লাপ বর্ধমানসহ নানা জেলা, বঙ্গ রাজনীতি তোলপাড়

বর্ধমান, সল্টলেক, মালদা সহ রাজ্যের নানা জায়গায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কার্টুন ছবি দিয়ে নিরুদ্দেশ সংবাদের পোস্টার পড়ায় হইচই পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সমস্ত ক্ষেত্রেই পোস্টারের নীচে লেখা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সোশ্যাল মিডিয়া ও আইটি সেল। বর্ধমান শহরের প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেটের পাশে বড় বড় করে পোস্টার লাগানো আছে। সেই পোস্টারে লেখা রয়েছে-নিরুদ্দেশ সংবাদ- শুভেন্দুর কার্টুন ছবি তার নীচে লেখা রয়েছে এমন কোন ব্যক্তিকে খুঁজে পেলে দ্রুত সন্ধান দিন। রূপ-দেখতে গোলগাল, নাদুস নুদুস। মেরুদণ্ড নেই। গলায় গেরুয়া উত্তরীয়। ঠিকানা-কাঁথি।অসুখ-ভোট এলে লাইট বন্ধ করে দেন। নিয়মিত ২০০ চিৎকার করে মধ্যরাতে ঘুম থেকে উঠে পড়েন। অকারণ ভ্যাট বকতে ভালোবাসেন। ডিসেম্বরে সরকার ফেলে দেওয়ার হুমকি দেন ,তারপর লজ্জাবতী হয়ে মুখ লুকান ক্যামেরায় ঠোঙ্গা মুড়িয়ে খাম নিতে দেখা যায়।বিশেষ চিহ্ন-অভিষেক শব্দটি শুনলে দাঁত খেচিয়ে কামড়াতে আসেন। বেগম বেগম করে হেঁচকি তোলেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দেওয়া হলে বিরোধিতা করেন, কিন্তু গ্যাসের দাম বাড়লে চুপ থাকেন। এই পোস্টারের নীচে লেখা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সোশ্যাল মিডিয়া ও আইটি সেল এদিন মালদা শহর জুড়ে এমনই পোস্টারকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য। মালদা শহরের প্রাণকেন্দ্র পোস্ট অফিস মোড়, নেতাজি মোড় এলাকায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মূর্তির পাশেই নিরুদ্দেশ সংবাদ বলে শুভেন্দুর কার্টুন পোস্টার দেখা যায়।একই ধরনের পোস্টার দেখা গিয়েছে বিধান নগর স্টেশন ও সল্টলেকের করুণাময়ী, বিকাশ ভবনের সামনে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই পোস্টার তৃণমূল কংগ্রেস টাঙিয়েছে, যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব অস্বীকার করেছে।

ডিসেম্বর ২২, ২০২২
রাজনীতি

২১ ডিসেম্বরের আগের দিনই দিল্লিতে শাহ-শুভেন্দু-সুকান্ত বৈঠক, নয়া কৌশল?

ডিসেম্বর ডেডলাইন দেওয়ার পর তিনটে তারিখ খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে নজর রাখতে বলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তার মধ্যে ১২ ও ১৪ ডিসেম্বর পেরিয়ে গিয়েছে। সামনে ২১ ডিসেম্বর, বুধবার।১২ ডিসেম্বর সিবিআই হেফাজতে বগটুই কান্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। তারপর ১৪ ডিসেম্বর আসানসোলে বিজেপির কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে পদপিষ্ট হয়ে তিন জনের মৃত্যু। এই অনুষ্ঠানে শুরুতে হাজির ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল অভিযোগ করে এই দুদিনের দুটি ঘটনাই কি শুভেন্দুর ডিসেম্বর ধামাকা? এবার বাকি রইল তৃতীয় তারিখ ২১ ডিসেম্বর।এদিকে ২০ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে থাকবেন দলের রাজ্য় সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। স্বভাবতই ২০ ডিসেম্বরের বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ২১ ডিসেম্বরের আগে দিল্লিতে ওই বৈঠকের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২২
রাজ্য

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু নিজেই চাইছেন তাঁর বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী নিজেই তাঁর বিরুদ্ধে করা সমস্ত এফআইআর-এর সিবিআই তদন্ত দাবি করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে যে চক্রান্ত করা হয়েছে তা খোলসা করতেই সিবিআই তদন্ত চান তিনি। অবশ্য আদালতের তত্বাবধানেই সিবিআই তদন্ত হতে হবে বলেও শর্ত আরোপ করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। এদিকে এদিনই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব এফআইআর-এর উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে কলকাতা উচ্চ আদালত। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, শুভেন্দুর মামলাগুলি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।এর আগে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তাঁর বিরুদ্ধে রাজ্য পুলিশের এফআইআরগুলি নিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করেছেন। তা পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির কাছে। তাঁর স্পষ্ট কথা, রাজ্য পুলিশের ওপর কোনও ভরসা নেই। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমি তো আদালতে প্রমান করেছি কি ধরনের মামলাগুলি করেছে। আমি তো তৃণমূল কংগ্রেসকে চ্য়ালেঞ্জ করছি এই মামলাগুলি সিবিআইকে ট্রান্সফার করে দিক তাহলে বুঝতে পারবে সিআইডির রাজশেখরণ, পূর্ব মেদিনীপুরের অমরনাথ ও বিনীত গোয়েলরা কিকি করেছে।এদিনই তাঁর বিরুদ্ধে করা মামলাগুলিতে বড়সড় স্বস্তি পেয়েছেন হাইকোর্টে। শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব এফআইআর-এর উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজশেখর মান্থার নির্দেশ, ওই মামলাগুলির নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২২
রাজনীতি

শুভেন্দু খেলাও করবেন আবার ডায়মন্ড হারবারে লাড্ডুও খাওয়াবেন, অভিষেক গড়ে বিরোধী দলনেতা

এত দিন বাংলাদেশের খেলা হবে স্লোগান আয়ত্বে ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের। এবার ডায়মন্ডহারবারের জনসভায় সেই স্লোগান দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে ইঙ্গিত রেখে নানা বক্তব্য রাখলেন তিনি। হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আগামী গ্রামপঞ্চায়েত নির্বাচনে গ্রামে-গ্রামে দলের নেতা-কর্মীদের প্রার্থী ঠিক করার নির্দেশ দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। কর্মীদের পাশে থাকার বার্তাও দিলেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু বলেন, গ্রামে প্রার্থী ঠিক করতে পারবেন তো? মঞ্চের সামনে থেকে নেতা-কর্মীরা হ্যাঁ বলতেই শাসক তৃণমূলকে দুষে শুভেন্দুর হুংকার, এবারে খেলাটা দেখাব!শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ডায়মন্ড হারবারে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হলেও তারপর থেকে এখানে ভোট কার্যত লুঠ হয়েছে। যদিও ২০১৬ সালের পর ২০২১-র বিধানসভা ভোটের কয়েক মাস আগে পর্যন্তও শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলেই ছিলেন। অভিষেককে নিশানা করে শুভেন্দু বলেন, ২০১৮-এর পঞ্চায়েতে এই এলাকাতেও বিরোধী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে দেওয়া হয়নি। তবে এবার আসন্ন পঞ্চায়তে ভোট লুঠ আটকাতে সবরকম চেষ্টা করা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন শুভেন্দু।বিরোধী দলনেতা বলেন, ২০১৪- ১৬ সাল পর্যন্ত এখানে ভোট হতো। ২০১৬ সালের পর এখানে ভাইপো বাহিনী ভোট করতে দেয়নি। ২০১৮ সালের পঞ্চায়েতে মনোনয়ন জমা দিতে দেয়নি। এবার খেলাটা দেখাব। গ্রামে প্রার্থী ঠিক করতে পারবেন তো? আমরা মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করব। এবারে আমরা খেলা দেখাব।খাস অভিষেকের গড়ে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু বলে গেলেন এমাসেই ডায়মন্ড হারবারের বাসিন্দাদের লাড্ডু খাওয়াব। কেন এই লাড্ডু বিলি? তা অবশ্য তাঁর বক্তব্য়ে স্পষ্ট করেননি। তবে লাড্ডু তিনি আনবেন বলেই ধনুকভাঙা পন করেছেন। গতকাল রাতেই ডায়মন্ড হারবারের লাইট হাইস ময়দানে বিজেপির সভামঞ্চ খুলে দেয় ডেকরেটার। মাঠ থেকে চেয়ার ফিরিয়ে নিয়ে যায়। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল ডেকরেটর মালিককে ভয় দেখিয়ে এই কাজ করিয়েছেন। শেষমেশ শুভেন্দুর উদ্য়োগে হাওড়া থেকে ডেকরেটর নিয়ে আনিয়ে সভামঞ্চ বাধা হয়।শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেছন, এই মাসেই এখানে ফের আসব। এবার সঙ্গে করে এক গাড়ি লাড্ডু নিয়ে আসব। জগন্নাথ বলেছেন কারণ বলা যাবে না। তাই কেন লাড্ডু আনব তা বলছি না। লাড্ডু নিয়ে আসব। এই মাসেই আসব। গুজরাটে নির্বাচন চলছে, তবে শুভেন্দুর ইঙ্গিত রয়েছে বাংলার ঘটনার দিকে।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২২
রাজনীতি

কাঁথিতে অধিকারী পরিবারের বাড়ির কাছের সভা থেকে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগের বন্যা অভিষেকের

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ির ঢিলছোড়া দূরত্বে কাঁথির জনসভা থেকে দীর্ঘ বক্তব্য রাখলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক প্রায় সারাক্ষণই নিশানা করে গেলেন শুভেন্দু অধিকারীকে। নন্দীগ্রামের বিধায়কের বিরুদ্ধে আনলেন একের পর এক ভয়ঙ্কর অভিযোগ। তৃণমূল ছাড়া থেকে নির্বাচনে জয়, তোলাবাজি থেকে কয়লাপাচারকারীর সঙ্গে যোগাযোগ সমস্ত অভিযোগ করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।শুভেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে অভিষেক বলেন, আগে সরকারি পরিষেবা থেকে টাকা মারত। আমি ১০টা ক্যামেরা ও মোবাইলের সামনে বলে যাচ্ছি ইডি, সিবিআই ও এনআইয়ের নাম করে টাকা তুলছে। যদি বুকের পাটা থাকে আমার বিরুদ্ধে মামলা কর। আমার কাছে কাগজ-পত্র আছে। আদালতে গিয়ে জমা দিয়ে দেব। এর পাশাপাশি এদিন কয়লাপাচারে প্রধান অভিযুক্ত বিনয় মিশ্রের সঙ্গে শুভেন্দুর কথোপকথনের অডিও ক্লিপ তাঁর কাছে আছে বলেও দাবি করেছেন অভিষেক। তিনি বলেন, বিনয় মিশ্র ও শুভেন্দু অধিকারীর কথোকথন, অডিও ক্লিপ আছে। সেটা ছাড়িনি। কথায় কথায় বলত না কয়লা চোর, গরু চোর। কে কার সঙ্গে কথা বলেছে বোঝাপড়ার কি চুরি সংক্রান্ত, কে কত বড় তোলাবাজ, কে কত বড় মিরজাফর, কে কত বড় গদ্দার। সব বার করব।এসবের পাশাপাশি সারদা-নারদায় টাকা নেওয়া ও স্থানীয় স্তরে নানা দুর্নীতি নিয়ে অভিষেক শুভেন্দুর বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন।শুভেন্দু অধিকারীর দলবদল ইস্যুকে সামনে রেখে বিশ্বাসঘাতক, মিরজাফর তকমা থেকে সেরে আসতে পারছে না তৃণমূল কংগ্রেস। এত দিন এভাবে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে এসেছে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। শনিবার কাঁথির এই জনসভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মিরজাফরকে যেমন বিশ্বাসঘাতক হিসেবে বাংলার মানুষ মনে রেখেছেন। তেমনই শুভেন্দু অধিকারীকেও আগামী ৫০০ বছর বিশ্বাসঘাতকতার জন্য বাংলার মানুষ মনে রাখবেন। আগামীকাল থেকেই প্রতিটি বুথে আগামী একমাসের জন্য বেইমান মুক্ত কর্মসূচি চালাবে তৃণমূল।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২২
রাজ্য

বড় খবরঃ বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতার ঘরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু, সরগরম রাজ্য-রাজনীতি

বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকে দুজনের মুখ দেখাদেখি বন্ধ। নন্দীগ্রামে একজন তৃণমূল অন্যজন বিজেপির প্রার্থী। নির্বাচনে ছিল চরম উত্তেজনা। ভোটের ফলপ্রকাশের পর দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে গিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে। ভোট গড়াল আদালত পর্যন্ত। দীর্ঘ দিন বাদে একই ঘরে মুখোমুখী আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও শুভেন্দুর সঙ্গী ছিলেন তিন বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল, মনোজ টিগ্গা ও অশোক লাহিড়ী। বিধানসভায় মমতার ঘরে শুভেন্দু, এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায় রাজনৈতিক মহলে। বিধানসভাও সাক্ষী থাকল বিরল ছবির।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যেপাাধ্যায়ের ঘরে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীরা ছিলেন মেরে-কেটে ৩-৪ মিনিট। এটাকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলছেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক। তাঁকে নাকি একাই ডেকেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি সঙ্গে দলের আরও তিন বিধায়ককে নিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে। সূত্রের খবর, এদিন মার্শালকে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই ডেকেছিলেন বিরোধী দলনেতাকে।শুক্রবার বিধানসভার এই সাক্ষাতের ঘটনায় তোলপাড় হয়ে পড়ে রাজ্য-রাজনীতি। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আমাকে ডেকেছিলেন। সংবিধান দিবসে সৌজন্য সাক্ষাতের জন্যই ডেকেছিলেন। সাক্ষাতের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, শুভেন্দুকে চা খেতে ডেকেছিলাম। সংবিধান দিবসে উপলক্ষ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর উদ্দেশে বলেন, ভাইয়ের মতো স্নেহ করতাম। রাজ্যে তৃণমূল বনাম বিজেপির চরম সংঘাতের মুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে বিরোধী দলনেতার সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে জল্পনা ছড়িয়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে। রে রে করে উঠেছে বাম-কংগ্রেস।

নভেম্বর ২৫, ২০২২
রাজনীতি

তৃণমূলের ১০০ বিধায়ক, নেতার সম্পত্তি ও পার্টি অফিসে বসে টাকা নেওয়ার ছবি ইডিকে দেবঃ শুভেন্দু

তৃণমূল যখন শুভেন্দু অধিকারীকে ব্যক্তি আক্রমণে নেমেছে, তখন বৃহস্পতিবার কাগজপত্র হাতে নিয়ে ফোঁস করলেন বিরোধী দলনেতাও (Suvendu Adhikari)। এদিন বিধানসভা (WB Assembly) চত্বরে সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূলের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার এক বিধায়ক ও তিন জন নেতার সম্পত্তির খতিয়ান দেন শুভেন্দু। আর তার পরই তিনি বলেন, তৃণমূলের একশ জন বিধায়ক, নেতা, ব্লক সভাপতির সম্পত্তির হিসাব আমার কাছে রয়েছে। পার্টি অফিসে এদের অনেকের টাকা নেওয়ার ছবিও আমার কাছে আছে। একটু একটু করে সব ফাঁস করব।শুভেন্দু এও হুমকি দিয়ে বলেন, কারও হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তি থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট ও আয়কর দফতরের তদন্ত করার অধিকার রয়েছে। সাধারণ মানুষ চাইলে কারও বিরুদ্ধে তথ্য তাদের কাছে দিতেই পারে। আমি ঘোষণা করে বলছি, তৃণমূলের এই সব নেতার সম্পত্তির হিসাব ইডিকে দেব।বৃহস্পতিবার বিধানসভা অধিবেশন সকাল থেকেই ছিল জমজমাট। তৃণমূলের বিরুদ্ধে যখন চোর স্লোগান তোলে বিজেপি, তখন জোড়াফুলের মূল নিশানাই ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে স্লোগান ও পাল্টা স্লোগান বিধানসভার উঠোন পর্যন্ত গড়ায়। এর পরই সাংবাদিক বৈঠক করেছেন শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতা বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেদিন বলেছেন, তৃণমূলের ৯৯ শতাংশ কর্মী সত্। আমি বলছি তৃণমূলের ৯৯ শতাংশ নেতাই অসত্। তাঁদের অসততা কতদূর প্রসারিত তা আমি ফাঁস করব।শুভেন্দুর বিরুদ্ধে এদিন পাল্টা চোর স্লোগান তুলেছে তৃণমূল বিধায়করা। আর শুভেন্দু বলেছেন, আজকে শুভারম্ভ করলাম। অর্থাত্ শিলান্যাস করে চার জন তৃণমূল নেতার সম্পত্তির হিসাব দিলাম। আগামী সপ্তাহে ফের চার জন তৃণমূল বিধায়ক-নেতার সম্পত্তির হিসাব দেব। এটা তো হিমশৈলের চূড়ামাত্র। জানা গেছে, এদিন শুভেন্দু যে চার তৃণমূল নেতার সম্পত্তি হিসাব দিয়েছেন তাঁরা হলেন গণেশ চন্দ্র মণ্ডল, জাহাঙ্গীর খান, গৌতম অধিকারী ও শামিম আহমেদ।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২২
রাজনীতি

অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিরোধী দলনেতাকে গ্রেফতারঃ সুকান্ত

বিজেপি-র নবান্ন অভিযানের মিছিলে যগদান করার মুহুর্তেই গ্রেপ্তার করা হয় দলের তিন প্রথম শ্রেনীর নেতৃত্ব শুভেন্দু, লকেট ও রাহুল সিনহাকে। তাদের গ্রেফতার করে লালাবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তারই মধ্যে হাওড়া স্টেশনে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে ঘিরে উত্তেজনা। হাওড়া স্টেশনেই বিজেপি কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশে বার্তা দিতে শোনা যায় তাঁকে। মিছিল করে নবান্নের উদ্দেশে যাত্রা শুরু বিজেপি রাজ্য সভাপতির।সুকান্ত বলেন, গণতান্ত্রিক বিচার ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এমারজেন্সির সময় যে ধরনের ব্যরিকেড করা হয়েছিল সেই একই জিনিস দেখতে পেলাম কলকাতার রাস্তায়। অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিরোধী দলনেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিজেপির নবান্ন অভিযান সফল করতে মরিয়া বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। অন্যদিকে রাজ্য পুলিশও তা রুখতে কোনও রকম খামতি রাখেননি।আর এই দুয়ের মাঝে পড়ে নাজেহাল দশা সাধারণ মানুষের। যাঁরা রাস্তায় নেমেছেন রুটিরুজির জন্য কিংবা যাঁর ঘরের মানুষটাকে এদিন হাসপাতালে না নিয়ে গেলেই নয়, তাঁরা কার্যত দিশাহারা। নবান্ন অভিযান ঘিরে দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে কলকাতা অভিমুখী যে রাস্তা, অর্থাৎ হাওড়া থেকে আন্দুল থেকে কলকাতা অভিমুখী যে রাস্তা তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছেন সাধারণ মানুষ। সাঁতরাগাছিতে একের পর এক গাড়ি দাঁড়িয়ে পড়েছে। দাঁড়িয়ে অ্যাম্বুল্যান্সও। নবান্ন অভিমুখে যতগুলি রাস্তা, এদিন কার্যত সবই রুদ্ধ।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ওসিদের হুঁশিয়ারি! গাফিলতি হলেই বড় শাস্তি, কড়া নির্বাচন কমিশন

ভোটের আগে নিরাপত্তা নিয়ে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ নির্বাচন কমিশন। আগেই কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছিল, ভোটের দিনে অস্ত্র, বোমা বা গুলি যাতে কোথাও মজুত না থাকে, সে দিকে কড়া নজরদারি চালাতে হবে। তবুও কোথাও অস্ত্র বা বিস্ফোরক উদ্ধার হলে দ্রুত তা নিষ্ক্রিয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, প্রাথমিকভাবে থানার আধিকারিকেরা এই নির্দেশ মেনে কাজ শুরু করেছেন।নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন ভোট চায়। কোথাও অশান্তির ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনও রকম দেরি হলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করা হয়েছে। প্রথম দফার ভোটের আগে থানার ওসিদের কড়া বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। অতীতে যাঁদের বিরুদ্ধে ভোটে অশান্তির অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের এখনও কেন গ্রেফতার করা হয়নি, সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছে কমিশনের তরফে।শনিবার সকালে এই নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠকে জেলার পুলিশ সুপার, কমিশনারেটের আধিকারিক এবং থানার দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মাধ্যমে আলোচনা হয়। সেখানেই দায়িত্বে গাফিলতি হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই কড়া অবস্থানের ফলে ভোটের আগে প্রশাসনিক চাপ আরও বেড়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় ফাঁস! বাংলায় একের পর এক স্কুল বন্ধ, সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

ভোটের আগে বাংলায় অন্যতম বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে শিক্ষা ব্যবস্থা। শাসক থেকে বিরোধীসব রাজনৈতিক শিবিরই এখন প্রচারে ব্যস্ত, কিন্তু গত বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে যে সমস্যা বারবার সামনে এসেছে, তা হল স্কুলের বেহাল অবস্থা। দুর্নীতির অভিযোগের পাশাপাশি একের পর এক স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। মূলত দুর্বল পরিকাঠামো এবং শিক্ষকের অভাবএই দুই কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আট হাজারেরও বেশি স্কুল কেন বন্ধ হয়ে গেল, সেই প্রশ্ন বারবার তুলছে বিরোধীরা।কলকাতায় কিছু স্কুলে শিক্ষক থাকলেও জেলাগুলির অবস্থা অনেক খারাপ। সরকারি স্কুলে সাধারণত প্রান্তিক পরিবারের শিশুরাই পড়াশোনা করে। সেখানে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প থাকলেও বাস্তবে বহু স্কুলে পড়াশোনা কার্যত থমকে গেছে। পরিসংখ্যান বলছে, জেলার তুলনায় কলকাতায় প্রায় আড়াই গুণ বেশি শিক্ষক রয়েছেন, অথচ ছাত্রসংখ্যা সেখানে অনেক কম। শিক্ষক বদলির উদ্যোগের ফলে জেলার অনেক শিক্ষক শহরে চলে আসায় এই সমস্যা আরও বেড়েছে। ফলে জেলায় শিক্ষক কমে যাওয়ায় পড়ুয়াও কমেছে, আর ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে অনেক স্কুল।সরকারি স্তরে জেলায় শিক্ষক পাঠানোর কথা বলা হলেও তা কার্যকর হয়নি বলেই অভিযোগ। শিক্ষানীতিতে গ্রামে গিয়ে পড়ানোর বাধ্যবাধকতার কথা থাকলেও তা বাস্তবে মানা হয়নি। বদলি ব্যবস্থার সুযোগে অধিকাংশ শিক্ষক শহরমুখী হয়েছেন বলেই অভিযোগ উঠছে।পরিসংখ্যান আরও বলছে, স্কুলের সংখ্যার নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ অনেক পিছিয়ে। রাজস্থানে স্কুলের সংখ্যা বেশি, উত্তর প্রদেশে আরও বেশি। তবুও সেখানে শিক্ষক সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। রাজস্থানে একটি স্কুলে গড়ে ছয় জনের বেশি শিক্ষক থাকলেও বাংলায় সেই সংখ্যা পাঁচ জনেরও কম। ফলে শিক্ষক সঙ্কট আরও প্রকট হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতির প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন এলাকায়। দমদমের একটি প্রাথমিক স্কুলে আর ক্লাস হয় না, ঘণ্টাও বাজে না। শিক্ষকের অভাবে বহু স্কুল কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। কোথাও কোথাও সেই স্কুলঘর এখন অন্য কাজে ব্যবহার হচ্ছে। শুধু দমদম নয়, জেলার বিভিন্ন জায়গায় একই ছবি দেখা যাচ্ছে।এই শিক্ষক সঙ্কট ভোটে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। শিক্ষামন্ত্রী নিজেও এই সমস্যার কথা স্বীকার করেছেন এবং সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। অন্যদিকে বিরোধীরা এই ইস্যুকে সামনে রেখে প্রচার জোরদার করেছে। শিক্ষাক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের একাংশের মতে, এক জন শিক্ষক দিয়ে যদি শতাধিক ছাত্রকে পড়াতে হয়, তাহলে শিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকেই এগোবে।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
কলকাতা

সোনা পাপ্পু যোগে নতুন রহস্য! বেহালায় ব্যবসায়ীর বাড়িতে ইডির হানা

ভোটের আগে রবিবার সকাল থেকেই কলকাতার একাধিক জায়গায় ইডির তল্লাশি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি এবং বর্তমানে কলকাতা পুলিশের আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের দুটি ঠিকানায় হানা দেয় কেন্দ্রীয় সংস্থা। একই সঙ্গে বেহালায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়। জানা গিয়েছে, সান গ্রুপ-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয় কামদারের বাড়িতেও পৌঁছয় ইডি। আর্থিক প্রতারণা সংক্রান্ত মামলায় এই তল্লাশি চলছে বলে সূত্রের খবর।রবিবার ভোরেই মোট পাঁচটি গাড়িতে করে ইডির আধিকারিকরা পৌঁছন। তার মধ্যে তিনটি গাড়িতে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। সকাল ছটা নাগাদ তারা সংশ্লিষ্ট বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি শুরু করেন। কয়েকদিন আগেই এই বাড়ি থেকে প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছিল ইডি। এরপর জয় কামদারকে দুবার তলব করা হলেও তিনি হাজিরা দেননি বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, যেদিন এই টাকা উদ্ধার হয়েছিল, সেদিনই সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকেও অস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি।এর আগেও ভোটের মুখে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর দফতরের তল্লাশি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। একাধিকবার তাঁর বাড়ি, দলীয় কার্যালয় এবং নির্বাচনী অফিসে অভিযান চালানো হয়। শুধু তাই নয়, ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রীর মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবক মিরাজ শাহের বাড়িতেও হানা দেয় আয়কর দফতর। এই সব ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের তরফে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছিল এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ বলে অভিযোগ তোলা হয়।এই পরিস্থিতিতে আবারও একযোগে ইডির তল্লাশি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তদন্ত কতদূর এগোয় এবং এই অভিযান থেকে নতুন কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর রাখছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
কলকাতা

সকাল সকাল ইডির চমক! কালীঘাটের প্রাক্তন ওসির বাড়িতে রবিবার সকালেই ইডির হানা

ভোটের মুখে আবারও সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। রবিবার সকালেই কলকাতায় ইডির হানায় চাঞ্চল্য ছড়াল। এবার ইডির নজরে কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি তথা বর্তমানে কলকাতা পুলিশের ডিসি পদে থাকা শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। সকালে গোলপার্কে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে যায় ইডির একটি দল। সূত্রের খবর, তাঁর বাড়ির পাশেই থাকা একটি সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রেও তল্লাশি চালানো হয়। তবে সেখানে সকাল থেকে তালা থাকায় তা খুলে তদন্ত শুরু করতে কিছুটা সময় লাগে।ঠিক কোন মামলায় এই তল্লাশি চলছে, তা এখনও স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। তবে এর আগেও কয়লা পাচার মামলায় শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে তলব করেছিল ইডি। সেই তলবের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থও হয়েছিলেন। এছাড়াও মেডিক্যাল এনআরআই কোটায় ভর্তির দুর্নীতির অভিযোগেও তাঁকে ডাকা হয়েছিল। এবার সরাসরি তাঁর বাড়িতে হানা দেওয়ায় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর মধ্যেই সাম্প্রতিক আরেকটি ঘটনার কথা উঠে আসছে। রাসবিহারীতে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর দফতরের তল্লাশি ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল রাজ্য রাজনীতি। তাঁর বাড়ির পাশাপাশি দলীয় কার্যালয় ও নির্বাচনী অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা সেই অভিযানে প্রবল উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল এলাকায়। দেবাশিসের সমর্থকেরা বিক্ষোভ দেখান এবং অভিযোগ তোলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এই অভিযান চলছে। তৃণমূলের তরফেও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয় এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়।এই পরিস্থিতিতে আবারও ইডির হানায় ভোটের আগে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়বে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তদন্ত কতদূর গড়ায় এবং নতুন কী তথ্য সামনে আসে, এখন সেদিকেই নজর সবার।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধবিরতির মাঝেই বিস্ফোরণ! ট্রাম্পকে ‘মিথ্যেবাদী’ বলল ইরান, বাড়ল উত্তেজনা

ইরান ও আমেরিকার মধ্যে আপাতত দুই সপ্তাহের সংঘর্ষবিরতি চলছে। তারই মধ্যে এক সপ্তাহ কেটে গেলেও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমার কোনও লক্ষণ নেই। বরং পাল্টা আক্রমণ এবং কড়া বক্তব্যে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতিতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল ইরান। ইরানের সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ দাবি করেছেন, ট্রাম্প অল্প সময়ের মধ্যেই একাধিক মিথ্যা দাবি করেছেন। যদিও ঠিক কোন দাবিগুলি নিয়ে তিনি কথা বলেছেন, তা স্পষ্ট করেননি।শুক্রবার ট্রাম্পের বক্তব্যের সময়ই সামাজিক মাধ্যমে এই মন্তব্য করেন ঘালিবাফ। তিনি স্পষ্ট করে জানান, আমেরিকার অবরোধ চালু থাকলে হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা হবে না। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল ইরানের নিয়ম মেনে এবং তাদের অনুমতি নিয়েই করতে হবে।এর পরেই ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। তাদের দাবি, আমেরিকা প্রতিশ্রুতি ভেঙেছে এবং এখনও ইরানের বন্দরগামী জাহাজগুলির উপর অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইরানের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র কথার ভিত্তিতে নয়, বাস্তব পরিস্থিতির উপর নির্ভর করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগে যদিও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ খুলে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সিদ্ধান্ত বদল করা হয়েছে।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
দেশ

লোকসভায় বড় ধাক্কা, বিল পাশ না হতেই পথে বিজেপি! এবার লক্ষ্য বাংলা-তামিলনাড়ু

লোকসভায় সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এই প্রথম সংসদে এমন পরাজয়ের মুখে পড়তে হল সরকারকে। প্রয়োজনীয় সমর্থন না মেলায় বিলটি পাশ করা সম্ভব হয়নি।এই ঘটনার পরই রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। শাসকদল (BJP) এবার দেশজুড়ে প্রচারে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিরোধীদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে তাদের মহিলা বিরোধী বলে তুলে ধরার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।এই প্রচারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে দুই রাজ্যকে, পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ু। কারণ, এই দুই রাজ্যেই সামনে নির্বাচন রয়েছে। শাসকদলের লক্ষ্য, মহিলাদের জন্য সংরক্ষণে বিরোধিতা করেছে বিরোধীরাএই বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া (BJP) ।সংসদে বিল পাশ না হওয়ার পরই শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠকে বসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে। এর পাশাপাশি মহিলা সাংসদদের নেতৃত্বে প্রতিবাদও শুরু হয় সংসদ চত্বরে।অন্যদিকে বিরোধী দলগুলিও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে তৎপর। তারা দাবি করছে, তারা সংরক্ষণের বিরোধী নয়, বরং আসন পুনর্বিন্যাসের কিছু বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। তাদের মতে, মহিলাদের সংরক্ষণের পক্ষে তারা আগেও ছিল, এখনও রয়েছে (BJP) ।এই পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যেই রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হচ্ছে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় এই ইস্যু আগামী দিনে বড় রাজনৈতিক অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বুথে ‘লক্ষ্মণরেখা’! একশো মিটার ঘিরে কড়া পাহারা, ভোটে নজিরবিহীন কড়াকড়ি

অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এবার একের পর এক নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি বুথে থাকবে সর্বক্ষণ নজরদারি এবং ব্যবহার করা হবে আধুনিক প্রযুক্তি। বুথের চারপাশে প্রায় একশো মিটার এলাকা সাদা চক দিয়ে ঘিরে একটি নির্দিষ্ট সীমানা তৈরি করা হবে। এই সীমানার ভিতরে শুধুমাত্র ভোটারদেরই প্রবেশের অনুমতি থাকবে, অন্য কেউ ঢুকতে পারবেন না।ভোটারদের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য বুথের বাইরে আলাদা ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। বুথ লেভেল কর্মী এবং তাঁর সহকারী এই নির্দিষ্ট সীমানার বাইরে বসে নথি পরীক্ষা করবেন। বুথের বাইরে টেবিল বসিয়ে সেখানেই এই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।ভোটার স্লিপ বিলির ক্ষেত্রেও কড়া নির্দেশ জারি হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরাসরি ভোটারদের হাতে স্লিপ পৌঁছে দিতে হবে। যাঁদের হাতে স্লিপ দেওয়া সম্ভব হয়নি, তাঁদের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। ভোটের দিন সেই ভোটার উপস্থিত হলে কেন আগে স্লিপ নেননি, তাও জানতে চাওয়া হতে পারে। সঠিক নথি ও ছবির মিল দেখেই ভোট দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।ভুয়ো ভোট আটকাতে অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত বা মৃত ভোটারদের তালিকাও আবার খতিয়ে দেখা হবে। নজরদারি আরও জোরদার করতে বিশেষ পর্যবেক্ষকদের শরীরে লাগানো ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। বুথের আশেপাশে কোনও সন্দেহজনক ঘটনা নজরে এলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সব মিলিয়ে ভোট প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নির্ভুল করতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। ভোটারদের আস্থা ফেরানো এবং শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতেও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভোট চলাকালীন কোন আচরণ অপরাধ হিসেবে ধরা হবে, তা নিয়ে আগাম প্রচার চালানো হবে এবং সতর্কবার্তা দেওয়া হবে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

পনেরো ঘণ্টার তল্লাশি ঘিরে তুমুল বিতর্ক! কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

শুক্রবার দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয়ে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। প্রায় পনেরো ঘণ্টা ধরে এই তল্লাশি চলে এবং সেই সময় তাঁর বাড়ির বাইরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস তীব্র আপত্তি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে।তৃণমূলের অভিযোগ, কোনও আইনি ভিত্তি ছাড়াই একজন জনপ্রতিনিধিকে এইভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। আদর্শ আচরণবিধি চলাকালীন এই ধরনের পদক্ষেপ আইন বিরুদ্ধ বলেই দাবি করা হয়েছে চিঠিতে। কেন ভোটের আগে এত দীর্ঘ সময় ধরে একজন প্রার্থীকে বাড়ির মধ্যে আটকে রেখে তল্লাশি চালানো হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল।চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় নিজেদের সম্পত্তির সমস্ত তথ্য আগেই জানিয়ে দেন। সেই অবস্থায় হঠাৎ করে এই তল্লাশি কেন করা হল, তা স্পষ্ট নয়। তৃণমূলের দাবি, এই ধরনের পদক্ষেপ ভোটের আগে রাজনৈতিকভাবে প্রভাব ফেলতেই করা হচ্ছে।দলের এক নেতা বলেন, ভোটের আগে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের চাপে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগের নির্বাচনেও এমন ঘটনা দেখা গিয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।ভোটের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal