• ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩, শুক্রবার ৩১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Suspended

দেশ

নিট বিতর্কে রাতারাতি বড় সিদ্ধান্ত! এক ধাক্কায় বদলে যাচ্ছে পরীক্ষা ব্যবস্থা, সরানো হল বহু আধিকারিক

নিট প্রশ্নফাঁস বিতর্ক এবং দেশজুড়ে ছাত্র আন্দোলনের আবহে জাতীয় স্তরের পরীক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের পথে হাঁটছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, আগামী এক মাসের মধ্যে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির প্রশাসনিক কাঠামো, পরীক্ষা পরিচালনার পদ্ধতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হবে। ভবিষ্যতে যাতে প্রশ্নফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মের কোনও সুযোগ না থাকে, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।সংবাদ সংস্থার সূত্রে জানা গিয়েছে, সংস্থার সাতচল্লিশ জন আধিকারিককে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে। যদিও এই দাবির বিষয়ে সরকারি স্তরে বিস্তারিত ঘোষণা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।পরীক্ষা পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত বেসরকারি সংস্থাগুলির ভূমিকাও নতুন করে খতিয়ে দেখা হবে। প্রশ্নপত্র তৈরি, মুদ্রণ, সংরক্ষণ, পরিবহণ এবং পরীক্ষা পরিচালনার প্রতিটি ধাপ পর্যালোচনা করা হবে। প্রয়োজন হলে বর্তমান ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন এনে আরও নিরাপদ ও স্বচ্ছ পদ্ধতি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।দেশের বিভিন্ন জাতীয় স্তরের প্রবেশিকা পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা এই সংস্থার কাজকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনেরও পরিকল্পনা হয়েছে। প্রশাসনিক, প্রযুক্তিগত এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত নানা বিষয়ে এই কমিটি সুপারিশ করবে। সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই নতুন কাঠামো তৈরি করা হবে।নিট প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই দেশজুড়ে ছাত্রছাত্রীদের প্রতিবাদ তীব্র হয়েছে। দিল্লিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া আন্দোলনে বহু পড়ুয়া, অভিভাবক এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থন মিলেছে। এই পরিস্থিতিতে পরীক্ষা ব্যবস্থার উপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতেই দ্রুত সংস্কারের পথে এগোচ্ছে কেন্দ্র।এর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা পরীক্ষায় অনিয়ম রোধে বিদ্যমান আইনে সংশোধনের খসড়াও অনুমোদন করেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, সংঘবদ্ধভাবে প্রশ্নফাঁস বা পরীক্ষায় জালিয়াতির ঘটনায় সর্বোচ্চ দশ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ দশ কোটি টাকা জরিমানার বিধান আনার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে অর্থের বিনিময়ে পরীক্ষায় অনিয়মে সাহায্যকারী ব্যক্তি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের বিরুদ্ধেও কড়া শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। তবে নির্দোষ পরীক্ষার্থীরা যাতে কোনওভাবেই আইনের অপব্যবহারের শিকার না হন, সেই বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।এদিকে আন্দোলনকারীরা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, প্রশ্নফাঁসের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে অনড় রয়েছেন। ফলে আগামী দিনে কেন্দ্রের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে গোটা দেশের।

জুলাই ২৪, ২০২৬
দেশ

প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে বড় ঝড়! রাতারাতি সরানো হল শিক্ষা সচিব, কড়া বার্তা কেন্দ্রের

নিট প্রশ্নফাঁস বিতর্কের আবহে কেন্দ্রীয় সরকার শিক্ষা দফতরে বড় প্রশাসনিক পরিবর্তন করল। শিক্ষা সচিবের পদ থেকে সরানো হয়েছে বিনীত যোশীকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নরেশ গাঙ্গোয়ারকে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কেন্দ্রের তরফে এই বদলির বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।চলতি বছরের জানুয়ারিতে উচ্চশিক্ষা দফতরের সচিব হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন বিনীত যোশী। এবার তাঁকে পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রকে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে স্কুলশিক্ষা দফতরের নতুন সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন টি কে অনিল কুমার। এর আগে তিনি গ্রামোন্নয়ন দফতরের সচিব ছিলেন।বিনীত যোশী দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার অধিকারী। তিনি মণিপুরের মুখ্যসচিব ছিলেন। পাশাপাশি জাতীয় পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা সংস্থার প্রথম মহাপরিচালকের দায়িত্বও সামলেছেন। শিক্ষা মন্ত্রক এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষা বোর্ডেও গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন।নতুন শিক্ষা সচিব নরেশ গাঙ্গোয়ার পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের একজন জ্যেষ্ঠ প্রশাসনিক আধিকারিক। এর আগে তিনি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ দফতরের সচিব ছিলেন। শিক্ষা প্রশাসনেও তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। রাজস্থানের স্কুলশিক্ষা দফতরেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন।নিট প্রশ্নফাঁস এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে গত কয়েক দিন ধরে দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক চলছে। রাজধানীতে লাগাতার বিক্ষোভ হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই শিক্ষা দফতরে এই বড় পরিবর্তন ঘটল। একই সঙ্গে প্রশ্নফাঁস মামলার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে বিশেষ আদালত গঠনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি, শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে এবং প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতেই একের পর এক পদক্ষেপ করা হচ্ছে।

জুলাই ২৪, ২০২৬
কলকাতা

দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স! তোলা আদায়ের অভিযোগে মুহূর্তে সাসপেন্ড দুই সরকারি কর্মী

দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের বার্তা আবারও স্পষ্ট করল রাজ্য সরকার। ট্রাক আটকে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ উঠতেই দুই সরকারি কর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে সমাজমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন। অভিযোগের সত্যতা সামনে আসতেই দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, একটি পণ্যবাহী ট্রাক সার্ভিসিং শেষে গ্যারেজে ফেরার পথে পশ্চিম বর্ধমানের রামপুর চেকপোস্টে আটকানো হয়। অভিযোগ, ট্রাকচালককে অযথা হেনস্থা করা হয় এবং ঘুষ দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়। চালক ঘুষ দিতে রাজি না হওয়ায় ট্রাকটি বাজেয়াপ্ত করা হয়। এমনকি আগে বাতিল হওয়া একটি করের নামে বেআইনিভাবে বাইশ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ।এই অভিযোগ সামনে আসার পর পরিবহণ দপ্তর দ্রুত পদক্ষেপ করে। রামপুর চেকপোস্টে কর্মরত মোটর ভেহিকেল ইন্সপেক্টর নাজিমুল হক এবং অনুপম বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি গোটা ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের জন্য অভিযোগ দুর্নীতি দমন শাখার কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে কোনও পরিবহণকারী যাতে অযথা হেনস্থার শিকার না হন, সেই লক্ষ্যে নতুন নির্দেশিকা কার্যকর করা হচ্ছে। অন্যায়ভাবে আটক করা যানবাহন দ্রুত ছাড়ার ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, দুর্নীতি, ঘুষ, ক্ষমতার অপব্যবহার বা বেআইনি সুবিধা আদায়ের সঙ্গে জড়িত কোনও সরকারি কর্মীকে কোনওভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জুলাই ২৪, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভায় তুমুল কাণ্ড! মার্শাল ডেকে কুণাল ঘোষকে বের করে দিলেন স্পিকার

দুই তৃণমূলের দ্বন্দ্বে বুধবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল বিধানসভা। কুণাল ঘোষ ও আখরুজ্জামানের সংঘাতকে কেন্দ্র করে হট্টগোল শুরু হয় অধিবেশনে। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্পিকার রথীনন্দ্রনাথ বসু মার্শাল ডেকে কুণাল ঘোষকে বিধানসভা থেকে বাইরে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে তাঁকে সাসপেন্ডও করা হয়।বিধানসভা গঠনের পর থেকেই কালীঘাটপন্থী তৃণমূল এবং ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের মধ্যে বিরোধ বারবার প্রকাশ্যে এসেছে। বর্তমানে ঋতব্রত শিবির বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং আখরুজ্জামান মুখ্য সচেতকের দায়িত্বে রয়েছেন।বুধবার আখরুজ্জামান বক্তব্য রাখতে উঠলে তাঁকে বাধা দেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সঙ্গে সঙ্গে বিধানসভায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেও এই ঘটনার প্রতিবাদ জানান। বিজেপির মন্ত্রী শংকর ঘোষ ও জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়-সহ বিদ্রোহী তৃণমূলের বিধায়করাও ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখান।এরপরই স্পিকার মার্শাল ডেকে কুণাল ঘোষকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি তাঁকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্তও ঘোষণা করা হয়।কালীঘাটপন্থী তৃণমূল বিধায়কদের অভিযোগ, তাঁদের বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। তাঁদের দাবি, বক্তাদের যে তালিকা পাঠানো হয়, তাতে কুণাল ঘোষের নাম থাকলেও মুখ্য সচেতক সেই নাম কেটে অন্য নাম যুক্ত করছেন। এই অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ও আলিফা আহমেদ।আখরুজ্জামান পরে বলেন, ৮০ জন বিধায়ক রয়েছেন। সবাইকে কথা বলার সুযোগ দিলে সময় হবে না। তাই কে বলবেন, তা আমরা ঠিক করব।ঘটনার তীব্র নিন্দা করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এমন অসভ্যতা আমি বিধানসভায় আগে দেখিনি। এটা অত্যন্ত নিন্দনীয়। আখরুজ্জামান একজন প্রবীণ নেতা। তাঁর সঙ্গে এমন আচরণ মেনে নেওয়া যায় না।এই ঘটনার পর বিধানসভায় দুই তৃণমূল শিবিরের সংঘাত আরও প্রকট হয়ে উঠল বলে রাজনৈতিক মহলের মত।

জুলাই ২২, ২০২৬
দেশ

মহিলা সাংসদের সঙ্গে বচসা, তারপরই বড় সিদ্ধান্ত! কল্যাণের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ

লোকসভা থেকে সাসপেন্ড করা হল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। অসংসদীয় আচরণের অভিযোগে গোটা বাদল অধিবেশনের জন্য তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এনসিপিআই সাংসদ মিতালী বাগের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সূত্রের খবর, লোকসভায় মিতালী বাগের সঙ্গে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, সেই সময় তিনি মিতালী বাগকে উদ্দেশ্য করে কটূক্তি করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত অন্যান্য সাংসদ, যার মধ্যে বাপি হালদারও ছিলেন, তাঁরা কল্যাণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।এনসিপিআই সাংসদদের অভিযোগ, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার মহিলা সাংসদদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এর আগেও কাকলি ঘোষ দস্তিদার তাঁর বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ করেছিলেন। এছাড়া কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবকে অসম্মান করার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। বচসা একসময় হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছয় বলেও সূত্রের দাবি।এরপর এনসিপিআই সাংসদরা লোকসভার স্পিকারের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। অভিযোগের ভিত্তিতে সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল অসংসদীয় আচরণের প্রস্তাব আনেন। ভোটাভুটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে গোটা বাদল অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়।এই সিদ্ধান্ত তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য বড় ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে। বিধানসভা নির্বাচনের পর দলের ভাঙনের ফলে কালীঘাট তৃণমূলে হাতে গোনা কয়েকজন সাংসদ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন সংসদে দলের অন্যতম মুখ।এই প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায় বলেন, কল্যাণদা সবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। মহিলাদের গালাগালি দেন। এই নিয়ে আগেও অভিযোগ জানানো হয়েছিল। স্পিকারকে ধন্যবাদ, তিনি ব্যবস্থা নিয়েছেন।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

বহিষ্কারের পর বিস্ফোরক সন্দীপন! ‘সই জাল হয়েছে, অভিযোগ না করে উপায় ছিল না’

সই সংক্রান্ত বিতর্কে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। দলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলার পর ইতিমধ্যেই বহিষ্কৃত হয়েছেন এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা এবং উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বহিষ্কারের পরও নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন সন্দীপন সাহা। তাঁর দাবি, নিয়ম বহির্ভূত কাজ হয়েছে বলেই তিনি অভিযোগ জানাতে বাধ্য হয়েছেন।সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, দুই বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতেই সই সংক্রান্ত ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এরপরই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়।সন্দীপন সাহার অভিযোগ, গত ৬ মে তৃণমূলের একটি বৈঠকে বিধায়কদের উপস্থিতিতে আলোচনা হলেও সেখানে বিরোধী দলনেতাকে নিয়ে কোনও প্রস্তাব গৃহীত হয়নি। কিন্তু পরে ১৯ মে যে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়, তাতে ৬ মে উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। তাঁর দাবি, কয়েকজন বিধায়ক ওই বৈঠকে উপস্থিত না থাকলেও তাঁদের নাম রেজোলিউশনে যুক্ত করা হয়েছে, যা নিয়মবিরুদ্ধ এবং অনৈতিক।সন্দীপনের বক্তব্য, যাঁরা বৈঠকে ছিলেন না, তাঁদের উপস্থিত দেখিয়ে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়েছে। এটি কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও দাবি করেন, উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর দিয়েই রেজোলিউশন জমা দেওয়া সম্ভব ছিল। তা না করে কেন অন্য পথ নেওয়া হল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। এই ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সন্দীপন। তাঁর দাবি, এত বড় ভুলের দায় এড়ানো যায় না।দলকে না জানিয়ে কেন তিনি বিধানসভা কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছিলেন, সেই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন সন্দীপন। তাঁর কথায়, একজন বিধায়ক হিসেবে তিনি সংবিধান ও নিয়ম মেনে চলার শপথ নিয়েছেন। সেই দায়িত্ব থেকেই তিনি অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, দলের ভিতরে কোনও অভিযোগ বা প্রশ্নের সঠিক উত্তর পাওয়া যায় না বলেই তিনি অন্য পথ বেছে নিয়েছেন।সন্দীপন আরও অভিযোগ করেন, দলের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা করার পরিবেশ নেই। কোনও প্রশ্ন তুললে তার উত্তর না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়। ফলে দলের ভিতরে নিজের মতামত বা আপত্তি জানানো কার্যত অসম্ভব হয়ে উঠেছে বলে দাবি তাঁর।বহিষ্কৃত এই বিধায়কের কথায়, সই সংক্রান্ত বিতর্ক নিয়ে সাধারণ মানুষ তাঁদের প্রশ্ন করছেন। সেই প্রশ্নের উত্তর দেওয়াও কঠিন হয়ে উঠছে। তাই বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা এবং অভিযোগ জানানো ছাড়া তাঁর সামনে আর কোনও পথ খোলা ছিল না বলেই দাবি করেছেন সন্দীপন সাহা।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বৈঠকে অনুপস্থিতি থেকে বহিষ্কার! কী এমন ঘটল দুই বিধায়কের সঙ্গে?

তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করা হল দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি দলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলার পর তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, তৃণমূলের দুই বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতেই বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারির কাছে সই সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। সেই দুই বিধায়কের নাম হিসেবে তিনি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহার নাম উল্লেখ করেন। এই মন্তব্যের কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের কথা জানায় তৃণমূল কংগ্রেস।দলের তরফে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, বারবার দলীয় নেতৃত্বের ডাকা গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অনুপস্থিত থেকেছেন দুই বিধায়ক। পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগও আনা হয়েছে। সেই কারণেই তাঁদের বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।গত কয়েক মাস ধরে তৃণমূলের অন্দরে একাধিক ঘটনা নিয়ে অস্বস্তি বাড়ছিল। কোথাও বোর্ড ভেঙে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে, কোথাও আবার কাউন্সিলরদের পদত্যাগ ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মাত্র কুড়ি জন বিধায়কের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি করে।এর আগে দলীয় বৈঠকেই প্রকাশ্যে অসন্তোষের কথা জানিয়েছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা। তাঁদের সঙ্গে কুণাল ঘোষও দলের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। দলের ভিতরে আরও খোলামেলা আলোচনা এবং মত প্রকাশের সুযোগ থাকা উচিত বলেই দাবি করেছিলেন তাঁরা।পরিস্থিতি সামাল দিতে পরে তাঁদের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় চল্লিশ মিনিট ধরে বৈঠকে তাঁদের বক্তব্য শোনেন তিনি। এরপর তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, দলের ভিতরে প্রত্যেকের মতামত জানানোর অধিকার রয়েছে।তবে রাজনৈতিক জল্পনা আরও বাড়ে যখন বিধানসভার অধ্যক্ষের কক্ষের সামনে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে দেখা যায়। পরে দিল্লিতেও শুভেন্দুর সঙ্গে তাঁদের সৌহার্দ্যপূর্ণ কথাবার্তার ছবি সামনে আসে। যদিও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, সেটি শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। কিন্তু সেই ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনার মধ্যেই দুই বিধায়ককে বহিষ্কার করে কড়া বার্তা দিল তৃণমূল কংগ্রেস।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর কাণ্ডে বড় অ্যাকশন! একসঙ্গে সাসপেন্ড তিন আইপিএস অফিসার

ক্ষমতায় এসেই আরজি কর কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। নির্যাতিতা চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ওঠা অভিযোগের ভিত্তিতে তিন জন আইপিএস অফিসারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে শুরু হয়েছে তদন্তও।যাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে, তাঁরা হলেন কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল, কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং অভিষেক গুপ্ত। রাজ্য সরকারের অভিযোগ, আরজি কর কাণ্ডের সময় পুলিশের তরফে যথাযথ পদক্ষেপ করা হয়নি। এফআইআর করতে দেরি এবং তদন্তে গাফিলতির অভিযোগও উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, সেই সময় পুলিশের আধিকারিক এবং অফিসারদের ভূমিকা ঠিক কী ছিল, তা বিস্তারিতভাবে তদন্ত করে দেখা হবে। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, মূল মামলার তদন্ত যেহেতু সিবিআই করছে, তাই সেই তদন্তে রাজ্য সরকার কোনও হস্তক্ষেপ করবে না।আরজি কর কাণ্ড সামনে আসার পর নির্যাতিতার পরিবারকে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছিল বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, দুই পুলিশ অফিসার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে চাপ তৈরি করার চেষ্টা করেছিলেন। সেই অভিযোগও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।আরজি কর কাণ্ডের সময় কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদে ছিলেন বিনীত গোয়েল। ডিসি সেন্ট্রাল হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তুলেছেন, কেন ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় পুলিশের মুখপাত্রের মতো আচরণ করেছিলেন এবং সেই সময় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এত প্রশ্ন কেন উঠেছিল।এই ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক মহলেও তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, আরজি কর কাণ্ড নিয়ে শুরু থেকেই রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। এবার সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ করল নতুন সরকার।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

শাহজাহানদের জেল নেটওয়ার্কে বড় ধাক্কা! মোবাইল উদ্ধার, সাসপেন্ড দুই শীর্ষ আধিকারিক

প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে বন্দিদের হাতে মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিযোগ ঘিরে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, জেলের ভিতর থেকেই অপরাধচক্র চালানোর অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে একাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের সুপার এবং চিফ কন্ট্রোলারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরো ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সিআইডিকে।শুক্রবার বিধানসভা থেকে নবান্নে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই তিনি জানান, প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে মোবাইল ব্যবহারের অভিযোগ তাঁর কাছে পৌঁছেছিল। এরপর রাজ্য পুলিশের ডিজিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলা হয়। তদন্তে অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হয়েছে বলে জানান শুভেন্দু।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, কলকাতা পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের ডিসির উপস্থিতিতে এবং কারা দফতরের ডিজির নেতৃত্বে যৌথ অভিযানে একাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। শুভেন্দুর অভিযোগ, শুধু প্রেসিডেন্সি নয়, রাজ্যের বিভিন্ন সংশোধনাগার থেকেই অপরাধচক্র চালানো হচ্ছিল। তাঁর কথায়, গোটা রাজ্যের অপরাধীরা জেলের ভিতর থেকেই নেটওয়ার্ক চালিয়ে যাচ্ছে।এই ঘটনায় পূর্বতন সরকারের বিরুদ্ধে পরোক্ষ আক্রমণও শানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই কাজ একদিনের নয়। বছরের পর বছর ধরে নিচ থেকে উপর পর্যন্ত দুর্নীতির আঁতাত তৈরি হয়েছে। সেই চক্র ভাঙতে সময় লাগবে।শুভেন্দু আরও জানান, দমদম থেকে বহরমপুর পর্যন্ত একাধিক সংশোধনাগারে একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে বন্দিদের আলাদা সেলে রাখা থেকে শুরু করে কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। একইসঙ্গে শাহজাহানের নাম উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জেলে বসে যারা অপরাধচক্র চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এই ঘটনায় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের সুপার এন কুজুর এবং চিফ কন্ট্রোলার দীপ্ত ঘরাইকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সরকারি আধিকারিকদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়ে শুভেন্দু বলেন, দায়িত্বে গাফিলতি হলে শুধু অপরাধীদের বিরুদ্ধে নয়, যারা তাদের সাহায্য করছে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।কোন কোন বন্দির কাছে মোবাইল ছিল, কার নামে সিম ব্যবহার করা হচ্ছিল এবং কীভাবে সেই ফোন জেলের ভিতরে পৌঁছল, তা জানতে সিআইডি তদন্ত শুরু হয়েছে।

মে ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বৃদ্ধকে লাথি, তারপর মৃত্যু! ব্যারাকপুরে কাউন্সিলর গ্রেফতার হতেই তৃণমূলের বড় সিদ্ধান্ত

ব্যারাকপুরে এক ৮১ বছরের বৃদ্ধের মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার করা হল স্থানীয় কাউন্সিলর ও আইনজীবী রবীন ভট্টাচার্যকে। ঘটনার পরই তাঁকে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বিধায়ক পার্থ ভৌমিক।অভিযোগ, উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা তুলসীচরণ অধিকারিক তাঁর প্রতিবেশীর বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে পুরসভায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন। সেই বিষয়েই রবিবার কাউন্সিলর রবীন ভট্টাচার্য তাঁর বাড়িতে যান বলে জানা যায়। সেখানে বৃদ্ধের সঙ্গে তর্কাতর্কি হয়। অভিযোগ, তর্কের এক পর্যায়ে কাউন্সিলর তাঁকে মারধর করেন এবং পেটে লাথি মারেন। এর পরই বৃদ্ধ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাঁর মৃত্যু হয়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাউন্সিলরকে আটক করে। পরে ব্যারাকপুর থানায় নিয়ে গিয়ে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এরপর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।ঘটনাস্থলে গিয়ে বিধায়ক পার্থ ভৌমিক বলেন, এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও মর্মান্তিক ঘটনা। তিনি জানান, দুই পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অশান্তি চলছিল। সেই কারণেই পুরসভায় অভিযোগ করা হয়েছিল। পুরসভার নোটিস নিয়ে কাউন্সিলরের সঙ্গে বৃদ্ধ ও তাঁর ছেলের তর্ক হয়। তাঁর কথায়, তিনি শুনেছেন বৃদ্ধ হার্টফেল করে মারা গিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, দল এই ঘটনাকে ভালভাবে দেখছে না। সেই কারণেই অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকা বিতর্কে বড় ধাক্কা, বসিরহাটের বিডিও সাসপেন্ড

বাংলার ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তা নিয়ে এবার কড়া পদক্ষেপ নিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বসিরহাট উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের অধীন বসিরহাট-২ ব্লকের বিডিও তথা অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার সুমিত প্রতিম প্রধানকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। একই সঙ্গে তাঁকে ভোটার তালিকা সংশোধনের সমস্ত কাজ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।রবিবার এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী ভট্টাচার্যকে একটি চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, অভিযুক্ত বিডিও বেআইনিভাবে ১১ জন অতিরিক্ত এআরও নিয়োগ করেছিলেন। কমিশনের মতে, ওই ধরনের নিয়োগ করার কোনও আইনগত ক্ষমতাই তাঁর ছিল না। তবু তিনি নিজে থেকেই নোটিস জারি করে শুনানি প্রক্রিয়া চালাচ্ছিলেন।চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০-এর ১৩সি ধারা স্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে। ক্ষমতার বাইরে গিয়ে এই নিয়োগকে কমিশন অনিয়ম বলেই চিহ্নিত করেছে। শুধু তাই নয়, ওই বেআইনি ভাবে নিযুক্ত অতিরিক্ত এআরও-রা এতদিন যে সমস্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বা কাজ করেছেন, সেগুলিও সম্পূর্ণ বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়েছে।পাশাপাশি, পুরো বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর এবং মুখ্যসচিবের কাছ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্টও চাওয়া হয়েছে।এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বিজেপি। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ টিভি৯ বাংলাকে বলেন, সুষ্ঠুভাবে এসআইআর প্রক্রিয়া চালানোর ক্ষেত্রে এই প্রথম কোনও কঠোর ও ইতিবাচক পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। তাঁর কথায়, নিয়ম মেনে কাজ করতে গেলে এমন কঠিন সিদ্ধান্ত প্রয়োজন, আর এটিই তার প্রথম ধাপ।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
রাজনীতি

বিজেপির লোকসভার প্রার্থীই দল বিরোধী কাজে অভিযুক্ত! সাময়িক বরখাস্ত

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস তথা ববিকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিজেপি। তাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে দলের অভ্য়ন্তরেই। দল বিরোধী অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৭ দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দিয়েছে দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। রাজ্য় বিজেপির শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির প্রমুখ প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায় লিখিত ভাবে জানিয়েছেন কমিটির সুপারিশে ও রাজ্য সভাপতির নির্দেশ এই পত্র দিয়েছেন। আগামী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত দল অভিজিৎ দাসকে সাময়িক বরখাস্ত করার কথা বলা হয়েছে।মঙ্গলবার দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগনার কিছু জায়গায় অত্য়াচারিতদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিয় দল। মঙ্গলবার সকালে বারুইপুর যাওয়ার পথে আমতলা দলীয় কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিনিধি দল। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে কথা বলতে দেখা যায়। বিক্ষোভকারীরা দাবি জানাতে থাকে, তাঁদের প্রার্থীর বাড়িতে বিজেপির ঘরছাড়ারা রয়েছে তাঁদের সঙ্গে দেখা করে কথা শুনতে হবে। যদিও তাঁরা সেখানে যাননি। বারুইপুর দলীয় কার্যালয়ে আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে চলে যান। অভিজিৎ দাসের বিরুদ্ধে বিজেপির শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি একাধিক অভিযোগ এনেছে। মঙ্গলবারের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে না থাকা, ভোট পরবর্তী হামলায় আক্রান্তদের সেই বৈঠকে যেতে না দেওয়া, কর্মীদের দ্বারা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ঘেরাও, অনৈতিক মন্তব্য়, বিজেপির ডায়মন্ড হারবার জেলা কার্যালয়ে বিশৃঙ্খলা- এই সব ঘটনার পিছনে অভিজিতের ইন্ধনের অভিযোগ উঠেছে বলে চিঠিতে লেখা হয়েছে। চিঠিতেবলা হয়েছে, আপনি দলের কার্যকর্তা সেই কথা মাথায় রেখে দলের শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সুপারিশে ও দলের করাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নির্দেশে ৭ দিনের মধ্যে দলবিরেোধী কার্যকলাপের কারণ দর্শাতে হবে। আপাতত সাময়িক বরখাস্ত করেছে দল। চিঠি দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির প্রমুখ প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

জুন ১৯, ২০২৪
রাজ্য

১০০ নয় কুন্তল একাই ৫০০ কোটি তুলেছে, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে বিষ্ফোরক তাপস

শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির টাকা নিয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ তুললেন ধৃত তাপস মন্ডল। বৃহস্পতিবার আদালতে যাওয়ার মুখে তাপস সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আদালত থেকে বেরিয়ে কথা বলব। আদালত থেকে বেরিয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ করেছেন তাপস মন্ডল।তাপস বলেন, ১০০টাকা নয় কুন্তল তুলেছে ৫০০ কোটি টাকা। এই টাকা হাওলার মাধ্যমে বাইরে টাকা পাঠিয়েছে কুন্তল। অভিষেকের নাম ভাঙিয়ে টাকা তুলেছে কুন্তল। কুন্তল একাই ৫০০ কোটি টাকা তুলেছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সিওএ সেভাবে কোনও চাপ দেয়নি।কুন্তলের বিরুদ্ধে এই অভিযোগের প্রক্ষিতে বিজেপির বক্তব্য়, শীর্ষ মহল না এত বড় দুর্নীতি সম্ভব নয়। যদিও কুন্তল এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

এপ্রিল ২০, ২০২৩
রাজ্য

শিক্ষা দুর্নীতিতে গ্রেফতার কুন্তল ও শান্তনুর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা তৃণমূলের

শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগে দুর্নীতিতে গ্রেফতার পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দল অনেক আগেই বহিস্কার করেছে। তবে তিনি এখনও দলে বিধায়ক রয়েছেন। গ্রেফতার মানিক ভট্টাচার্য এখনও বিধায়ক রয়েছেন। এবার শিক্ষা দুর্নীতিতে গ্রেফাতার দুই যুব নেতা কুন্তল ঘোষ ও শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে তৃণমূল কংগ্রেস বহিষ্কার করল। যদিও গরুপাচার কাণ্ডে গ্রেফতার অনুব্রত মন্ডল এখনও বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রয়েছেন।শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে প্রায় ২ মাস হতে চলল গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য যুবনেতা কুন্তল ঘোষকে। কুন্তলকে গ্রেফতার করার পর নতুন নতুন নাম করেছে ইডির কাছে। তাঁদের তলব করছে ইডি। চার দিন আগে তৃণমূল যুব নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে ইডি। এদিন তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়ে দেওয়া হয় কুন্তল ও শান্তনুকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। রাজ্য যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন কুন্তল। কিন্তু শান্তনু দলের সেভাবে কোনও পদে ছিলেন না বলেই জানা গিয়েছে। রাজ্যের দুই মন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও শশী পাঁজা সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন। এদিন শশী পাঁজা বলেন, সঞ্জীব সুকুল নামে যে ব্যক্তির চাকরি খুইয়েছেন তিনি শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ। বিজেপি ও সিপিএম নেতাদের পরিবারের সদস্যদেরও দুর্নীতির দায়ে চাকরি গিয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৩
রাজ্য

মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণের পর তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড পার্থ চট্টোপাধ্যায়

সাসপেন্ড করা হল তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। তিন দফতরের মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারণের পর পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকে সরিয়ে দিল দল। এদিন তৃণমূল ভবনে দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সদস্যদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পার্থকে সাসপেন্ডে করার কথা ঘোষণা করেছেন। তৃণমূলের মহাসচিব, সর্বভারতীয় তৃণমূলের সহসভাপতি, কার্যকরি সমিতির সদস্য, শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সদস্য ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ২২ জুলাই এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে হানা দিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ২৩ তারিখ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল ইডি।এর আগে তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়েছিল দোষী প্রমাণ হলে দল ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু তড়িঘড়ি এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে মন্ত্রিত্ব ও দলের পদ থেকে সরিয়েও ক্ষান্ত থাকেনি দল, তাঁকে সাসপেন্ড করে দিল দল। অভিষেক বলেন, আশপাশের তথ্য় উঠে এসেছে। তাতে আমরা মানুষের কাছে বদ্ধপরিকর। নেতার কাছে নয়। বেনিফিট অফ ডাউট দিচ্ছি যাঁদের বিরুদ্ধে অবিচার হচ্ছে তাঁদের। আমরা যাঁরা বসে আছি তাঁদের বিরুদ্ধেও যদি দুর্নীতির অভিযোগ আসে তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিষেক জানিয়ে দেন, পরবর্তীতে কার্যকরি সমিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক করবেন কে দলের মহাসচিব হবেন।

জুলাই ২৮, ২০২২
রাজ্য

নির্বাচনী প্রচারে নিষেধাজ্ঞা তৃণমূল বিধায়কের

পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীকে নির্বাচনীয় প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জাড়ি করে নির্বাচন কমিশনার। বুধবার তার প্রতিক্রিয়া দিলেন বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। প্রতিক্রিয়ায় বিধায়কের দাবি, নির্বাচন কমিশনারের কাছ থেকে এই ধরনের কোনও নোটিশ তিনি পাননি।উল্লেখ্য, আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের উপ নির্বাচন দলীয় প্রচার চলছে। সেখানে আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার অন্তর্গত লাউদহ ব্লকের কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীকে কর্মীদের সম্বোধন করার সময় বিজেপি সমর্থকদের খোলাখুলি হুমকি দিতে দেখা যায়। যে ভিডিও র সত্যতা যাচাই করিনি আমরা।যারা কট্টর বি জে পি যাদেরকে এড়ানো যাবে না তাদেরকে চমকাতে হবে। বলবেন আপনি যদি ভোট দিতে চান তাহলে ধরে নেব আপনি বিজেপিকে ভোট দেবেন। ভোটের পর আপনি কোথায় থাকবেন সেটা আপনার নিজের বিষয়। আপনি যদি ভোট দিতে না যান তাহলে ধরে নেব আপনি আমাদের সমর্থন করছেন। তাহলে আপনি বাড়িতে থাকুন ব্যবসা করুন, চাকরি করুন, ভালভাবে থাকুন, কোন অসুবিধা নেই আমরা আপনার সঙ্গে আছি ক্লিয়ার। ভিডিওটি সামনে আসার পর বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি বলেন একটা জিনিসই উনি বুঝেছেন। বিজেপির লোকেরা যদি ভোট দেওয়ার সুযোগ পায় তাহলে উনারা হারবেন, এটা উনি বলেছেন। এরকম হুমকি উনি না দিলেই ভাল হয়। উনিতো অনুব্রত মণ্ডলের শিষ্য, অনুব্রত মণ্ডল তো কিছুদিন পর হয়তো জেলের মধ্যে থাকবেন। এরকম থাকলে অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে লুডু খেলার জন্য আরও দুতিনজন লাগবে। তখন হয়তো উনাকে যেতে হবে । এরকম না করলেই ভালো হবে।আসানসোল লোকসভা উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহার সমর্থনে পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার বিভিন্ন অঞ্চলের কর্মীদের নিয়ে কর্মিসভা করা হল। এই কর্মিসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী পাণ্ডবেশ্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মদন বাউরি সহ-সভাপতি রমা রুইদাস এবং কিরীটি মুখার্জি, রামচরিত পাসোয়ান সহ অন্যান্য ব্লক নেতৃত্ব।মূলত এই সভাটি বিধানসভার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হরিপুরে অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনী সভায় বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী সেখানেই বলেন বলে বিজেপির অভিযোগ।

মার্চ ৩০, ২০২২
রাজ্য

বগটুই হত্যাকান্ডঃ সাসপেন্ডেন্ট আইসিকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের

রামপুরহাটের বগটুই গ্রামের হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করছে সিবিআই। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে খতিয়ে দেখেছে তাঁরা। প্রথম দফায় নিহতদের আত্মীয় মিহিলাল শেখকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। মঙ্গলবার ফের তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এদিকে এদিন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে রামপুরহাট থানার সাসপেন্ডেন্ট আইসি ত্রিদীপ প্রামানিককে।সিবিআই সূত্রে খবর, ত্রিদীপ প্রামানিককে প্রায় সাড়ে ৪ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। বগটুইয়ের ঘটনা কখন ঘটেছিল? সেদিন রাত কটা নাগাদ আইসি খবর পেয়েছিলেন? তারপর কী ব্যবস্থা নিয়েছেন? কেন একসঙ্গে এভাবে পুড়ে গেল একাধিক দেহ? গন্ডগোলটা কোথায়? মূলত এসবই তার কাছে জানতে চেয়েছে সিবিআই। কীভাবে খুন হওয়ার পর আগুনে জীবন্তদের ভষ্মীভূত করা সম্ভব হল তা নিয়ে বিস্মিত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। এর পিছনে আদৌ কী রহস্য রয়েছে তা উদ্ঘাটন করতে চাইছে সিবিআই।জানা গিয়েছে, ঘটনার রাতে রামপুরহাট থানা চত্বরে কী ঘটেছিল তা জানার জন্য সিসি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সেই সময় থানায় কোন কোন আধিকারিকরা ছিলেন, ঘটনা নিয়ে পুলিশের কোনও ততপরতা ছিল কীনা থানায়, তা-ও খতিয়ে দেখতে চাইছে তদন্তকারীরা। একইসঙ্গে সিবিআই জানতে চাইছে ওই দিন থানায় কারা এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে সন্দেহভাজন কেউ আছে কীনা তা-ও দেখে নিতে চাইছে তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। এদিকে এদিন ফের মিহিলাল শেখকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই।

মার্চ ২৯, ২০২২
দেশ

Derek o' Brien: চেয়ারের দিকে রুলবুক ছুড়ে মারার অভিযোগে শীতকালীন অধিবেশনে সাসপেন্ড ডেরেক

শীতকালীন অধিবেশনে এবার সাসপেন্ড তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন। রাজ্যসভার ১২ জন বিরোধী সাংসদকে সাসপেন্ড করার পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে অভব্যতা করেছেন বলে অভিযোগ ডেরেকের বিরুদ্ধে।মঙ্গলবার রাজ্যসভায় নির্বাচনী আইন সংস্কার বিল নিয়ে আলোচনার সময় ১২ জন সাংসদকে সাসপেন্ড করার প্রসঙ্গ টেনে গর্জে ওঠেন বিরোধীরা। অভিযোগ, সেই সময় উচ্চকক্ষের চেয়ারপার্সনের দিকে রুলবুক ছুড়ে মারেন ডেরেক।The last time I got suspended from RS was when govt. was BULLDOZING #FarmLawsWe all know what happened after that.Today, suspended while protesting against BJP making a mockery of #Parliament and BULLDOZING #ElectionLawsBill2021Hope this Bill too will be repealed soon Derek OBrien | ডেরেক ওব্রায়েন (@derekobrienmp) December 21, 2021সাসপেন্ড হওয়ার পর টুইটে ডেরেক লেখেন, এর আগে কৃষি বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে সাসপেন্ড হয়েছিলাম। সেই সময় কী হয়েছিল, তা আমরা সকলেই জানি। সংসদকে প্রহসনে পরিণত করেছে বিজেপি। আজ এর বিরুদ্ধেই প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম। আর নির্বাচনী আইন সংস্কার বিলের বিরোধিতা করেছিলাম। এই বিলটিও শীঘ্রই বাতিল হবে।এদিকে কেন্দ্রীয় সরকারকে একের পর এক আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। ডেরেকের বক্তব্য, প্রতিটি নিয়ম এবং নজির ভাঙার পরে, বিজেপির এখন রুল বুক নিয়ে কথা বলছে। এটাই সবথেকে বেশি হাস্যকর। রাজ্যসভার ভিতরে নিজের বক্তব্যের একটি ভিডিও মঙ্গলবার বিকেলে টুইট করেন ডেরেক ওব্রায়েন।TODAY. BULLDOZING of Election Laws.Attempted to stop the mockery being made of #ParliamentMy 5-min intervention for @AITCofficial pic.twitter.com/BDFylWAZKP Derek OBrien | ডেরেক ওব্রায়েন (@derekobrienmp) December 21, 2021গত বাদল অধিবেশনের শেষ দিনে সংসদে হইহট্টগোল করার জন্য তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ দোলা সেন ও শান্তা ছেত্রী-সহ মোট ১২ জন সাংসদকে শীতকালীন অধিবেশনে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন শিবসেনার প্রিয়ঙ্কা চতুর্বেদী ও অনিল দেসাই, সিপিএমের এলামারাম করিম, কংগ্রেসের ফুলোদেবী নেতাম, ছায়া বর্মা, আর বোরা, রাজামণি প্যাটেল, সৈয়দ নাসির হুসেন, অখিলেশ প্রসাদ সিং।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১
দেশ

Rajya Sabha: বাদল অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড শান্তনু সেন

বাদল অধিবেশনের বাকি দিনগুলির জন্য রাজ্যসভা থেকে সাসপেন্ড করা হল তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেনকে। শুক্রবার রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নাইডু অগণতান্ত্রিক এবং অসংসদীয় আচরণের জন্য শান্তনুকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেন।শুক্রবার সকালে রাজ্যসভার নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গয়াল সাক্ষাৎ করেন বেঙ্কাইয়ার সঙ্গে। ওই বৈঠকে রাজ্যসভায় সরকারপক্ষের সহকারী দলনেতা মুখতার আব্বাস নকভি এবং সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ভি মুরলীধরনও হাজির ছিলেন। এরপর অধিবেশন শুরু হলে শান্তনুর শাস্তির সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন বেঙ্কাইয়া। তিনি বলেন, অগণতান্ত্রিক এবং অসংসদীয় আচরণের জন্য অভিযুক্ত সাংসদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৩ অগস্ট পর্যন্ত বাদল অধিবেশন চলবে। ততদিন সাসপেন্ড থাকবেন শান্তনু।আরও পড়ুনঃ রাজভবনে স্পিকারকে তলব রাজ্যপালেরবৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণোর হাত থেকে বক্তৃতার কাগজ ছিনিয়ে নিয়েছিলেন শান্তনু। তারপর তা ছিঁড়ে ফেলে ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ সিংয়ের আসনের দিকে ছুড়ে দেন। সে সময় পেগাসাস স্পাইওয়্যারের সাহায্যে ফোনে আড়িপাতার অভিযোগ নিয়ে বক্তৃতা করছিলেন অশ্বিনী।শান্তনুকে সাসপেন্ডের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরে তৃণমূলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ওব্রায়েন অভিযোগ করেন, বৃহস্পতিবার কাগজ ছেঁড়ার ঘটনার পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী নিজের আসন ছেড়ে শান্তনুর দিকে তেড়ে গিয়েছিলেন। অসংসদীয় বাক্যও প্রয়োগ করেছিলেন। ডেরেকের প্রশ্ন, অন্য অভিযুক্ত (হরদীপ) কেন ছাড় পেলেন? তৃণমূল-সহ বিরোধীদের হট্টগোলের জেরে শুক্রবারও মুলতুবি হয় রাজ্যসভার অধিবেশন।

জুলাই ২৩, ২০২১
রাজ্য

শীতলকুচি কাণ্ডে সাসপেন্ড কোচবিহারের পুলিশ সুপার

রাজ্যে ক্ষমতায় ফিরতেই প্রশাসনিক স্তরে একাধিক রদবদল ঘটিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বদল হয়েছে পুলিশ কর্তারাও। কোপ পড়েছে কোচবিহার পুলিশ সুপারের উপরেও। প্রশাসন সূত্রের খবর, ভোটের সময় শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় জওয়ানদের গুলি চালানোর ঘটনার জেরেই সুপারকে সাসপেন্ড করা হল। কোন পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় জওয়ানরা ভোটারদের উপর গুলি চালিয়েছিল, তা নিয়ে তদন্ত করতে পারে রাজ্য।ভোটের আগেই দিনহাটায় এক বিজেপি নেতার রহস্যমৃত্যু হয়। সেই মৃত্যুকে কাণ্ড করে উত্তাল হয় দিনহাটা। বিজেপি সাংসদ তথা বিধায়ক নীশীথ প্রামাণিকের নেতৃত্ব দিনহাটার শহরাঞ্চলে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি নেতা-কর্মীরা। এর পরই নির্বাচন কমিশনের কোপে পড়েছিল কোচবিহারের তৎকালীন পুলিশ সুপার কে কান্নান। তাঁকে সরিয়ে জেলার পুলিশ সুপার করা হয় দেবাশিস ধরকে। তৃণমূলের একাংশের অভিযোগ ছিল, দেবাশিসবাবু বিজেপির হয়ে ভোটের সময় কাজ করছিলেন। এর মাঝেই চতুর্থ দফা ভোটের দিন অর্থাৎ ১০ এপ্রিল শীতলকুচি বিধানসভার অন্তর্গত জোড়পাটকির ১২৬ নং বুথে ভোটারদের উপর গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের বিরুদ্ধে। চারজনের মৃত্যুও হয়। এই ঘটনায় তোলপাড় হয় বঙ্গ রাজনীতি। কিন্তু তৎকালীন পুলিশ সুপার দেবাশিস ধর জানান, কেন্দ্রীয় বাহিনীর বন্দুক ছিনতাই করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। গুজবের জেরে প্রায় ১৫০ জন গ্রামবাসী ঘিরে ফেলেছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের। তাই আত্মরক্ষার স্বার্থে গুলি চালাতে বাধ্য হয় জওয়ানরা। সে কথা অবশ্য মানতে রাজি ছিলেন না তৃণমূল নেত্রী তথা রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ছুটে গিয়েছিল শীতলকুচিতে। আশ্বাস দিয়েছিলেন ক্ষমতায় ফিরলে গুলিকাণ্ডের তদন্ত হবে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, কোন পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী গুলি চালিয়েছিল তা তদন্ত করে দেখা হবে।

মে ০৬, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

সীমান্তে একের পর এক গোপন যুদ্ধবিমান! উপগ্রহ ছবিতে ধরা পড়তেই বাড়ল ভারতের উদ্বেগ

সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা উপগ্রহ ছবিকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বেসরকারি সংস্থা ভ্যান্টরের প্রকাশিত স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গিয়েছে, ভারতের উত্তর সীমান্তের কাছে চিনের দুটি বিমানঘাঁটিতে মোট বারোটি স্টেলথ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে সামরিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে। তবে চিনের এই পদক্ষেপ শক্তি প্রদর্শন নাকি নিয়মিত সামরিক প্রস্তুতির অংশ, তা এখনও স্পষ্ট নয়।প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসের উপগ্রহ ছবিতে জিনজিয়াংয়ের হোটান বিমানঘাঁটিতে আটটি যুদ্ধবিমান দেখা গিয়েছে। এই ঘাঁটি উত্তর লাদাখের ভারতীয় সামরিক ঘাঁটির তুলনায় তুলনামূলকভাবে কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। আবার জুন মাসের আর একটি উপগ্রহ ছবিতে তিব্বতের ডামসুং বিমানঘাঁটিতে আরও চারটি একই ধরনের যুদ্ধবিমান দেখা যায়। এই ঘাঁটিও অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তের কাছাকাছি।সব মিলিয়ে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দুটি পৃথক বিমানঘাঁটিতে মোট বারোটি স্টেলথ যুদ্ধবিমান মোতায়েনের ছবি সামনে এসেছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ভারতের সীমান্তের এত কাছে একসঙ্গে এত সংখ্যক এই ধরনের যুদ্ধবিমান মোতায়েনের ঘটনা আগে প্রকাশ্যে আসেনি। তাই বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই গুরুত্ব পাচ্ছে।এই যুদ্ধবিমানগুলির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল, এগুলি এমনভাবে তৈরি যে সাধারণ রাডারে সহজে ধরা পড়ে না। আধুনিক প্রযুক্তির কারণে এগুলি আকাশযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হয়। এই কারণেই সীমান্তের কাছে এই ধরনের যুদ্ধবিমান মোতায়েনের খবরকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।তবে এখনও পর্যন্ত এই উপগ্রহ ছবির বিষয়ে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বা ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। ফলে চিনের এই পদক্ষেপের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে জল্পনা চললেও সরকারি স্তরে এখনও কোনও মন্তব্য সামনে আসেনি।

জুলাই ৩০, ২০২৬
রাজ্য

লিফট, জিম, সুইমিং পুল, ব্যক্তিগত থিয়েটার! টুলুর বাড়ির অন্দরমহল দেখে চমকে গেল পুলিশ

বীরভূমের সিউড়িতে পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের বাড়িতে পুলিশের তল্লাশি ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। সুভাষপল্লিতে অবস্থিত তাঁর বিশাল বাড়ির অন্দরসজ্জা এবং বিলাসবহুল ব্যবস্থা নজর কেড়েছে। তদন্তের স্বার্থে সেখানে পুলিশি তল্লাশি চললেও এখনও পর্যন্ত নগদ টাকা বা সোনা উদ্ধারের সরকারি তথ্য সামনে আসেনি।বাড়ির প্রবেশদ্বার পেরোলেই রয়েছে বড় সাজানো বাগান। বিভিন্ন বিদেশি ও বাহারি গাছ, পরিচ্ছন্ন লন এবং সারিবদ্ধ গাছপালা পুরো এলাকাকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। চারতলা এই বাড়ির ভিতরে এক তলা থেকে অন্য তলায় ওঠানামার জন্য লিফট রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে আধুনিক শরীরচর্চার ব্যবস্থা, ব্যক্তিগত সিনেমা দেখার ঘর এবং সুইমিং পুল। মার্বেল পাথরে তৈরি মেঝে, দৃষ্টিনন্দন আলো এবং সুসজ্জিত অন্দরমহল বাড়িটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।বাড়িতে রয়েছে একাধিক গ্যারেজ এবং সেখানে রাখা রয়েছে দামি গাড়ি। এছাড়া সিউড়ির পাশাপাশি মহম্মদবাজার এলাকাতেও টুলু মণ্ডলের ব্যবসা সংক্রান্ত পরিকাঠামো রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মিনার মণ্ডলের বাড়িতে উদ্ধার হওয়া বিপুল নগদের উৎস খতিয়ে দেখতেই টুলু মণ্ডলের একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সুভাষপল্লির বাড়িতেও জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা তল্লাশি চালাচ্ছেন। তদন্তকারীদের সঙ্গে স্বর্ণকারও সেখানে পৌঁছেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই বাড়ি থেকে সোনা বা নগদ টাকা উদ্ধারের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও সরকারি ঘোষণা করা হয়নি। তদন্ত এখনও চলছে।

জুলাই ৩০, ২০২৬
দেশ

বড় ইঙ্গিত সৌগতের! তৃণমূলে ফিরছেন তিন সংখ্যালঘু সাংসদ? রাজনৈতিক মহলে তুমুল জল্পনা

তৃণমূল ছেড়ে অন্য দলে যাওয়া তিন সংখ্যালঘু সাংসদকে ঘিরে আবারও রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তাঁদের অনুপস্থিতি এবং পরে তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা সৌগত রায়ের মন্তব্য নতুন করে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে।সৌগত রায় জানিয়েছেন, দল ছেড়ে যাওয়া কয়েকজন সাংসদের সঙ্গে এখনও তাঁদের যোগাযোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, তিন সংখ্যালঘু সাংসদ-সহ আরও কয়েকজন বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে অস্বস্তিতে রয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চলছে এবং খুব শিগগিরই তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।সৌগত রায়ের বক্তব্য, প্রথমে তৃণমূল ছেড়ে অন্য দলে যাওয়া এবং পরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হওয়ায় অনেকের মধ্যেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। সেই কারণেই কয়েকজন সাংসদ নতুন করে ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছেন। তবে কারা কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলেই জানিয়েছেন তিনি।তিনি আরও দাবি করেছেন, পুরো বিষয়টি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের জানা রয়েছে। যদি ওই সাংসদরা আবার তৃণমূলে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে করা দলত্যাগ সংক্রান্ত পদক্ষেপ নিয়েও নতুন করে ভাবা হতে পারে।এদিকে, বাদল অধিবেশন চলাকালীন দিল্লিতে উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও ওই তিন সাংসদ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দেননি। এরপর থেকেই তাঁদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। এখন নজর, আগামী দিনে তাঁরা সত্যিই নতুন সিদ্ধান্ত নেন কি না।

জুলাই ৩০, ২০২৬
রাজ্য

'জীবিকায় ভাগ বসাচ্ছে রোহিঙ্গারা', অভিযোগ তুলে পথে নামল বহরমপুরের তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়

মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে বৃহস্পতিবার সকালে তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়ের একাংশ বিক্ষোভ মিছিল করে বহরমপুর থানায় স্মারকলিপি জমা দেন। বহরমপুর শহর এবং সংলগ্ন এলাকার বহু তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায় এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাঁদের দাবি, সম্প্রতি এলাকার সামাজিক ও পেশাগত পরিবেশে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, যার ফলে স্থানীয়দের জীবিকা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, বহিরাগত কিছু হিজড়া স্থানীয় এলাকায় এসে বিভিন্ন কাজে যুক্ত হচ্ছেন। তাঁদের আরও দাবি, এদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি রোহিঙ্গা বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। যদিও এই দাবির পক্ষে কোনও সরকারি বা প্রশাসনিক নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, এই বহিরাগতদের সহায়তায় স্থানীয় তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়ের কিছু সদস্য কাজ করছেন, যার ফলে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বহিরাগতদের কারণে তাঁদের দীর্ঘদিনের আয়ের উৎসে প্রভাব পড়ছে এবং আর্থিক সংকটের মুখে পড়তে হচ্ছে। পাশাপাশি, কয়েকজন বিক্ষোভকারী দাবি করেন, তাঁদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগেরও স্বাধীনভাবে কোনও সরকারি নিশ্চিতকরণ মেলেনি।এই পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়ে বহরমপুর থানায় স্মারকলিপি দেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের আবেদন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রকৃত পরিচয় যাচাই করা হোক এবং স্থানীয় তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও জীবিকার স্বার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।এ বিষয়ে পুলিশের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুলাই ৩০, ২০২৬
কলকাতা

এনকাউন্টার নিয়ে বড় প্রশ্ন! বারুইপুর কাণ্ডে পুলিশের কাছে রিপোর্ট চাইল হাইকোর্ট

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্তের এনকাউন্টার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। অভিযুক্তকে কী পরিস্থিতিতে গুলি করা হয়েছিল, সেই বিষয়ে জেলা পুলিশের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে আদালত। হলফনামা আকারে সেই রিপোর্ট জমা দিতে হবে। আগামী সতেরো অগস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।এই ঘটনায় বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন আইনজীবী শিলাদিত্য রক্ষিত। বৃহস্পতিবার সেই মামলারই শুনানি হয় ডিভিশন বেঞ্চে।আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতে দাবি করেন, অভিযুক্তকে নিরাপদে হেফাজতে রাখার দায়িত্ব পুলিশের ছিল। তাঁর বক্তব্য, পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথ হলে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কথা নয়। তাই গোটা ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্ত হওয়া উচিত বলে তিনি আদালতে আবেদন জানান।অন্যদিকে রাজ্যের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়, অভিযুক্ত সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। সেই কারণেই পুলিশ গুলি চালাতে বাধ্য হয়।দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, বিষয়টি স্পষ্টভাবে বুঝতে পুলিশের কাছ থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট প্রয়োজন। সেই কারণে জেলা পুলিশকে হলফনামা আকারে ঘটনার পূর্ণ বিবরণ জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।বারুইপুরের এই বহুচর্চিত ঘটনায় হাইকোর্টের এই নির্দেশের পর তদন্তের পরবর্তী অগ্রগতি এখন আদালতের জমা পড়া রিপোর্টের উপরেই নির্ভর করবে। আগামী সতেরো অগস্ট মামলার পরবর্তী শুনানিতে সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে আদালত।

জুলাই ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত! অবশেষে কলকাতায় খুলল তদন্তকারী সংস্থার থানা, বদলে যাবে তদন্তের ছবি?

অবশেষে কলকাতায় চালু হল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার থানা। এতদিন এই সংস্থার কলকাতায় শুধু শাখা দফতর থাকলেও, কোনও মামলার তদন্ত শুরু করতে হলে প্রথমে দিল্লিতে মামলা নথিভুক্ত করতে হত। এবার সেই প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন এল। এখন থেকে কলকাতাতেই মামলা নথিভুক্ত করে তদন্ত শুরু করা যাবে। নিউ টাউনের এনবিসিসি স্কোয়ারেই চালু হয়েছে নতুন এই থানা।এতদিন রাজ্যে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার আওতায় পড়া কোনও মামলার তদন্ত করতে হলে দিল্লির দফতরে মামলা নথিভুক্ত করা বাধ্যতামূলক ছিল। তার পর তদন্তের কাজ শুরু হত। নতুন থানা চালু হওয়ায় সেই প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।জানা গিয়েছে, আগের রাজ্য সরকারের আমলেও এই থানা তৈরির জন্য আবেদন করা হয়েছিল। তবে সেই সময় অনুমোদন মেলেনি। পরে রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বিষয়টি নতুন করে বিবেচনা করা হয়। সম্প্রতি রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে থানা চালুর অনুমোদন দেওয়া হয়।এই থানায় অন্যান্য থানার মতোই ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক, তদন্তকারী আধিকারিক, উপপরিদর্শক এবং কনস্টেবল-সহ প্রয়োজনীয় পদ থাকবে। পশ্চিমবঙ্গে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার আওতায় পড়া কোনও মামলার তদন্তের প্রয়োজন হলে, সেই তদন্তের প্রশাসনিক কাজ এখন থেকে এই থানার মাধ্যমেই পরিচালিত হবে।বর্তমানে রাজ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত করছে এই সংস্থা। বেলডাঙার অশান্তি, মালদহের মোথাবাড়ি-কাণ্ড এবং বিস্ফোরণের একাধিক মামলায় তদন্ত চলছে। নতুন থানা চালু হওয়ার ফলে ভবিষ্যতে এই ধরনের মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া আরও দ্রুত এবং সহজ হবে বলেই প্রশাসনিক মহলের একাংশের ধারণা।সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের রাজ্য সফরের সময়ও এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। তার কিছুদিনের মধ্যেই কলকাতায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার থানার আনুষ্ঠানিক সূচনা হল।

জুলাই ৩০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

দেড় কোটির তিনটি চেকই বাউন্স! বড় বিপাকে মহমেডান, প্রেসিডেন্টকে ঘিরে তুমুল বিতর্ক

আবারও বিতর্কে মহমেডান ক্লাবের সভাপতি হুমায়ুন কবির। ক্লাবকে আর্থিক সাহায্য করার জন্য তিনি মোট দেড় কোটি টাকার তিনটি চেক দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই তিনটি চেকই বাউন্স করেছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় মহমেডান ক্লাবের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।ক্লাব সূত্রে জানা গিয়েছে, জুলাই মাসে তিন দফায় পঞ্চাশ লক্ষ টাকা করে মোট তিনটি চেক দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ব্যাঙ্কে জমা দেওয়ার পর প্রতিটি চেকই ফেরত আসে। এর ফলে ক্লাবের আগের বকেয়া মেটানো এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক কাজ ব্যাহত হয়েছে। ফিফার ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞার কারণে নতুন ফুটবলার নিবন্ধনেও সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ক্লাবের অন্য কর্তারা উদ্যোগ নিয়ে বকেয়ার একটি অংশ মেটানোর চেষ্টা করেন।এই অভিযোগ প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির দাবি করেছেন, তিনি নিজেই ক্লাবের সভাপতি এবং চেকের দায়িত্বও তাঁর। তাঁর বক্তব্য, ক্লাবের স্বার্থেই চেক দেওয়া হয়েছিল। কয়েক দিনের মধ্যেই টাকা মিটে যাবে। তিনি আরও বলেন, তাঁর অনুমতি ছাড়া আগেভাগে চেক জমা দেওয়া হয়েছে বলেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। কোনও ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছেন।অন্যদিকে ক্লাবের সহ-সভাপতি ওয়াসিম আক্রম জানিয়েছেন, হুমায়ুন কবির যে তিনটি চেক দিয়েছিলেন, সবকটিই ব্যাঙ্ক থেকে ফেরত এসেছে। তাঁর দাবি, নির্ধারিত তারিখেই চেক জমা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা ছিল না। এখন খেলোয়াড়দের বকেয়া বেতন মেটানোই ক্লাবের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।এই আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও মাঠে জয় দিয়ে ডুরান্ড কাপ অভিযান শুরু করেছে মহমেডান। প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে জয় পেলেও ক্লাবের আর্থিক সমস্যা দ্রুত না মিটলে আগামী দিনে দল পরিচালনা নিয়ে নতুন সংকট তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সমর্থকদের একাংশ।

জুলাই ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত! স্কুলের পোশাক থেকে বিদায় বিশ্ব বাংলা, বদলে যাচ্ছে ইউনিফর্মের রংও

রাজ্যের স্কুলগুলিতে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এবার স্কুল ইউনিফর্ম নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী, স্কুলের ইউনিফর্ম থেকে বিশ্ব বাংলা লোগো তুলে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে বহুদিনের নির্দিষ্ট নীল রঙের ইউনিফর্মের নিয়মেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে।সরকার জানিয়েছে, আগামী দিনে আর সব স্কুলকে একই রঙের ইউনিফর্ম পরতে হবে না। প্রতিটি স্কুল নিজেদের ঐতিহ্য, পরিবেশ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ইউনিফর্মের রং নির্ধারণ করতে পারবে। এর ফলে দীর্ঘদিনের একরঙা পোশাকের পরিবর্তে বিভিন্ন স্কুলে আলাদা পরিচয় তৈরি হবে।সরকারের দাবি, এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হল স্কুলগুলির নিজস্ব ঐতিহ্য ও স্বাতন্ত্র্যকে ফিরিয়ে আনা। একই সঙ্গে ইউনিফর্ম থেকে বিশ্ব বাংলা লোগো সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তও কার্যকর করা হবে।শিক্ষা মহলের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে স্কুলগুলি নিজেদের পরিচয় আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে পারবে। অন্যদিকে, অভিভাবক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যেও এই নতুন নিয়ম নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন নজর, কবে থেকে নতুন ইউনিফর্মের নিয়ম কার্যকর হয় এবং কোন স্কুল কী রঙের পোশাক বেছে নেয়।

জুলাই ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal