• ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২, রবিবার ০৮ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

State Government

রাজ্য

পুজোর পর ঈদেও বাংলায় বোনাস বৈষম্য সিভিক ভলান্টিয়ারদের, অভিযোগে সরব শুভেন্দু

বিজেপির বিরুদ্ধে বিভাজনের রাজনীতির অভিযোগে বরাবরই সরব থাকে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার বিভাজনের রাজনীতির অভিযোগ উঠল মমতা প্রশাসনের বিরুদ্ধে। ঈদের দিনে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বোনাস বৈষম্যের অভিযোগে সরব হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে দুর্গা পুজো ও ঈদের সময় সিভিক ভলান্টিয়ারদের বোনাসের অঙ্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা প্রাপ্তির ছবিও তুলে ধরেছেন তিনি।বিরোধী দলনেতা এক্স হ্যান্ডেলের শুরুতেই, এক কাজ এক বোনাস-এর দাবি জানিয়েছেন। তারপর সিভিক ভলান্টিয়ারদের বোনাসের অঙ্ক তুলে ধরেছেন।নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শুভেন্দু অধিকারী সরকারি বিজ্ঞপ্তি তুলে ধরে লিখেছেন, দুর্গাপুজো সময় কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ারদের ৫,৩০০ টাকা করে বোনাস দেওয়া হয়। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ারদের ২ হাজার টাকা করে বোনাস দেওয়া হয়। পাশাপাশি দুটি অ্যাকাউন্টে ওই বোনাস প্রাপ্তির ছবিও দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। ঈদে কিছু জেলা পুলিশ ৫,৩০০ টাকা বোনাস দিয়েছে, কয়েকটি জেলা ৬,০০০টাকা বোনাস দিয়েছে।I demand ONE JOB ONE BONUS.Bonus Amount for Civic Volunteers:During Durga Puja:-@KolkataPolice - Rs. 5,300/-@WBPolice - Rs. 2,000/-During Eid-ul-Fitr:-Some Police Districts - Rs. 5,300/-Other Police Districts - Rs. 6,000/-Why this disparity? All the Civic Volunteers https://t.co/WtzG2OhanT pic.twitter.com/0A2hP3oitv Suvendu Adhikari (Modi Ka Parivar) (@SuvenduWB) April 11, 2024এরপরই বিরোধী দলনেতা লিখেছেন, কেন এই বৈষম্য? সমস্ত সিভিক ভলান্টিয়ারের কাজের বিবরণ এবং দায়িত্ব একই, তাহলে তাদের দেওয়া বোনাসের পরিমাণ এক নয় কেন?এই বৈষম্যের বিষয়টির অবসানে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিবের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন শুভেন্দু। এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, আমি মাননীয় স্বরাষ্ট্র সচিবকে অনুরোধ করছি এই বৈষম্যের অবসান ঘটাতে এবং সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করা আমাদের সকল বোন ও ভাইদের উৎসবের সময় সমানভাবে অর্থ প্রদান করতে।

এপ্রিল ১১, ২০২৪
কলকাতা

মন্ত্রী সাধন পাণ্ডের মৃত্যুতে রাজ্যে আজ অর্ধ দিবস ছুটি

প্রয়াত রাজ্যের মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে । তাঁর মৃত্যুতে আজ অর্ধ দিবস ছুটি ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। দুপুর দুটো থেকে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে নবান্নের তরফে। কাল রাতে কলকাতায় নিয়ে আসা হয় মন্ত্রীর মরদেহ।আজই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।উল্লেখ্য, রবিবার সকালেই প্রথম দুঃসংবাদটি আসে। মুম্বইয়ের এক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী হিসেবে যথেষ্ট সফল ছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপাট সামলানোর কাজে অনেকটা ভরসা করতেন সাধনবাবুকে। তাঁর এই হঠাৎ প্রয়াণে শোকস্তব্ধ মমতাও। প্রয়াত ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রীকে সম্মান জানাতে আগামিকাল অর্ধদিবস ছুটি ঘোষণা করেছে নবান্ন।দীর্ঘ কয়েক মাস ধরেই শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন সাধন পাণ্ডে। গতবছরেই মানিকতলার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। ধরা পড়েছিল ফুসফুসের সংক্রমণ। উন্নত মানের চিকিৎসার জন্য তাঁকে মুম্বইয়ের এক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। মুম্বইয়ের ওই হাসপাতালের বেডে শুয়েই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মন্ত্রী।বর্ষীয়ান মন্ত্রীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। রাজনীতির গণ্ডি পেরিয়েও ব্যক্তিগত স্তরে বেশ সুসম্পর্ক ছিল রাজ্যপাল ও সাধন পাণ্ডের। বর্ষীয়ান নেতার প্রয়াণে শোক প্রকাশ করে টুইটে এমনটাই লিখেছেন রাজ্যপাল।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

করোনাকালে পড়ুযাদের মানসিক চাপ কমাতে রাজ্যের বিশেষ উদ্যোগ

করোনাকালে স্কুল বন্ধ থাকার কারণে নানাভাবে সমস্যায় পড়া ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে পৌঁছতে রাজ্য সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে।স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে তৈরি হওয়া মানসিক চাপ ও অনিশ্চয়তাকে নিরাময় করতে রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর বিশেষ ওয়েবিনার সিরিজের আয়োজন করার কথা ঘোষণা করেছে। ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবকদের সামিল করে উজ্জীবন চর্চা নামে বিশেষ ওয়েবিনারে বিশেষজ্ঞরা নির্বাচিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন। রবিবার আয়োজিত হবে প্রথম ওয়েবিনারটি। কোভিডকালে শিক্ষার্থী মন নামক এই ওয়েবিনারের আলোচকমণ্ডলীতে থাকবেন বিশিষ্ট মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডঃ রিমা মুখার্জি, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট ও থেরাপিস্ট শ্রীমতী পায়েল ঘোষ, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট ও স্পেশ্যাল এডুকেটর শ্রীমতী পৌষালী দাস।অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করবেন সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গভর্নমেন্ট বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শ্রীমতী পাপিয়া নাগ। শিক্ষক শিক্ষিকা-সহ একাদশ শ্রেণির পড়ুয়া ও তাদের অভিভাবকরা এই ওয়েবিনারে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।দুপুর ১২টা থেকে ১টার মধ্যে ছাত্রছাত্রী ও তাঁদের অভিভাবকরা এই ওয়েবিনারে অংশ নিতে পারবে। অন্যদিকে, দুপুর ১.৩০ থেকে ২.৩০-এর মধ্যে শিক্ষক-শিক্ষিকারা এই ওয়েবিনারে অংশ নিতে পারবেন।তৃতীয়বারের জন্য সারা দেশ জুড়ে মারণ থাবা বসিয়েছে করোনা ভাইরাস। এহেন পরিস্থিতিতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে রাজ্যের স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলি। ফের একবার অনলাইন ক্লাসেই ফিরে গিয়েছে পড়ুয়ারা। করোনার সময় স্কুলের ক্লাসরুম থেকে বঞ্চিত হওয়া পড়ুয়া ও তাঁদের অভিভাবকদের জন্য একগুচ্ছ ওয়েবিনার নিয়ে হাজির হল পশ্চিমবঙ্গ স্কুল শিক্ষা দপ্তর।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
কলকাতা

শুভেন্দু-কাণ্ডে রাজ্যের হলফনামা চাইল হাইকোর্ট

নেতাইয়ের শহিদ স্মরণ কর্মসূচিতে শুভেন্দু অধিকারীকে যোগ দিতে পুলিশি বাধা এবং কাঁথিতে তাঁর বাড়ির সামনে সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়ে নজরদারির অভিযোগ সংক্রান্ত মামলায় রাজ্যের হলফনামা চাইল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি রাজশেখর মান্থার নির্দেশ, আগামী দুসপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে হলফনামা দিয়ে বক্তব্য জানাতে হবে রাজ্যকে।হাইকোর্টে দায়ের করা মামলায় শুভেন্দুর অভিযোগ ছিল, তাঁর কাঁথির বাড়ির সামনে রাত ২টো পর্যন্ত উচ্চস্বরে মাইক বাজানো হচ্ছে। পাশাপাশি তাঁর উপর নজরদারির জন্য বাড়ির দরজা, জানালা লক্ষ্য করে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে বলেও অভিযোগ জানান তিনি। এমনকী, নিরাপত্তাজনিত দিক থেকে তাঁর বাড়ি স্পর্শকাতর এলাকা হলেও সেখানে রাজ্যের শাসকদলের কর্মী সমর্থকেরা যখন-তখন মিছিল-সমাবেশ করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।প্রসঙ্গত, ২০২০-র ডিসেম্বরে বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার কয়েক সপ্তাহ পরে ২০২১-এর জানুয়ারিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার দাবিতেও কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন শুভেন্দু। রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত হওয়ার পরে গত জুন মাসে হাইকোর্টে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকার তাঁকে একজন পূর্ণমন্ত্রীর সমতুল নিরাপত্তা দেয়নি। সাংবিধানিক বিধি অনুযায়ী যা তাঁর প্রাপ্য। এখনও তাঁকে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার উপর নির্ভর করতে হচ্ছে। অভিযোগ প্রসঙ্গে, বিচারপতি মান্থা বৃহস্পতিবার জানান নিরাপত্তার স্বার্থে কোথায় সিসিটিভি ক্যামেরা বসবে তা শুভেন্দুর সুরক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত সিআরপিএফ বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশ আলোচনার ভিত্তিতে স্থির করতে পারে।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
রাজ্য

School Reopen: স্কুল খোলা নিয়ে একগুচ্ছ নির্দেশিকা-সহ বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য

১৬ নভেম্বর থেকে রাজ্যে খুলছে স্কুল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পঠনপাঠন শুরু হবে স্কুলে। এবার রাজ্য সরকারের তরফে স্কুলের সময়সীমা ধার্য করা হল।রাজ্যের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, নবম ও একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে সকাল ১০ টা থেকে। চলবে ৩:৩০ পর্যন্ত। ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে পৌঁছতে হবে ৯:৩০ টার মধ্যে। দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে ১১ টা থেকে। চলবে ৪:৩০ পর্যন্ত। ছাত্রীছাত্রীদের স্কুলে পৌঁছতে হবে সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে। এই মর্মে রাজ্য সরকারের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই স্কুলগুলিকে তা জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। তবে অতিমারি পরিস্থিতিতে স্কুলে স্বাস্থ্যবিধি রক্ষার্থে বেশ কিছু নির্দেশিকা জারি করে ওয়েস্ট বেঙ্গল সেকেন্ডারি বোর্ড। সেগুলো কী, আসুন জেনে নেওয়া যাক।১. সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, সোম থেকে শনিবার পর্যন্তই স্কুল হবে। তবে কিছুটা সময় সীমার পরিবর্তন করা হয়েছে।২.এক-একটি ক্লাসকে দুটি বা তার বেশি শ্রেণি কক্ষে ভেঙে বসাতে হবে। পড়ুয়াদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত।৩. থিওরি ক্লাসের পাশাপাশি প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসগুলি নেওয়ার ক্ষেত্রেও এই শর্ত প্রযোজ্য।৪. নবম ও একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে সকাল ১০ টা থেকে। চলবে ৩:৩০ পর্যন্ত। ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে পৌঁছতে হবে ৯:৩০ টার মধ্যে। দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে ১১ টা থেকে। চলবে ৪:৩০ পর্যন্ত।৫. ক্লাস শুরু হওয়ার অন্তত আধ ঘণ্টা আগে ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে পৌঁছতে হবে।করোনার বিষয়ে অভিভাবক ও পড়ুয়াদের সতর্ক করার দায়িত্বও স্কুলকেই দিয়েছে রাজ্য। করোনা সম্পর্কে অবহিত হতে হবে। কী করা যাবে এবং কী করা যাবে না সে বিষয়ে সতর্ক হতে হবে। ডু অ্যান্ড ডোন্টস-এরও একটি তালিকা রয়েছে বিকাশ ভবনের স্কুল রিওপেন বুকলেটে। সেখানে বলা হয়েছে, জ্বর হলে কোনও অভিভাবক যেন পড়ুয়াকে স্কুলে না পাঠান। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, ক্লাস চলাকালীন একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর পর ক্লাসরুম, ল্যাব বা অন্যান্য ঘরগুলি স্যানিটাইজ করতে হবে।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Fire Cracker: কালীপুজো ও দীপাবলীতে বাজি ফাটাতে জারি নির্দেশিকা, কী সেই নির্দেশিকা?

কালীপুজো এবং দীপাবল এবং ছট পুজোয় বাজি ফাটানোর নিয়ম বেঁধে দিল রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ। উৎসবের দিনগুলোতে কতক্ষণ বাজি ফাটানো যাবে, তা স্পষ্ট ভাবে জানাল পর্ষদ।দীপাবলির বাজি বাজারে এসে গিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশমতো পরিবেশবান্ধব বাজিই ফাটাতে হবে, আরও একবার নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য সরকার। পরিবেশ বান্ধব বাজি ফাটানোর নোটিস জারি করল রাজ্যের দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ।প্রসঙ্গত, কালীপুজো ও দীপাবলিতে আতসবাজি ফাটানোর গত বছরের নির্দেশ বহাল রাখার দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক ব্যক্তি। কোভিড আবহে ২০২০ সালে রাজ্যে শব্দবাজি-সহ সবরকমের আতসবাজি পোড়ানো নিষিদ্ধ করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে এই রায় দেওয়া হয়েছিল। করোনা আবহে এই রায় অত্যন্ত কার্যকরী হয়েছিল।রাজ্যের তরফ থেকে বলা হয়েছে, কেবলমাত্র পরিবেশবান্ধব আতসবাজিই বিক্রি করা হবে। রাত ৮-১০টা পর্যন্ত এই বাজি ফাটানো যাবে। ছট পুজোতেও কেবল ২ ঘণ্টাই এই বাজি ফাটানো যাবে। পাশাপাশি ক্রিসমাস ও বর্ষশেষের অনুষ্ঠানে কোন সময়ে বাজি ফাটানো যাবে, সেই সময় সীমাও ধার্য করে দিল রাজ্য সরকার। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ক্রিসমাস ও বর্ষশেষের রাতে ১১.৫৫ মিনিট থেকে সাড়ে বারোটা পর্যন্ত পরিবেশবান্ধব আতসবাজি ফাটানো যাবে।পরিবেশ দূষণের কথা মাথায় রেখে আতসবাজি বিক্রি ও ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করার আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হয়েছিল। কিন্তু পুরোপুরি তা বন্ধ না করে নিরাপদ ও কম শব্দ উত্পন্ন করে সেই ধরনের বাজি বিক্রি ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনুমতি দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Covid-19 Vaccine: ভ্যাকসিন কাণ্ডে তৃণমূলকে তোপ দিলীপের

তিনদিনের উত্তরবঙ্গ সফরে এসে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ কলকাতা পুরসভার ভ্যাকসিন-কাণ্ডে শাসক দলের জড়িত থাকার বিষয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন। শনিবার কলকাতা থেকে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে নামেন তিনি। সেখান থেকে তাঁর সোজা কোচবিহারের তিনবিঘা করিডর এলাকায় দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা।ফেক ভ্যাকসিন নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এক বছর ধরে ভুয়ো আইএএস দেবাঞ্জন দেব কোভিড সংক্রান্ত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজির থেকেছেন। তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে এক মঞ্চে তাঁকে দেখা গিয়েছে। এই নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে সর্বত্র। দিলীপ ঘোষ বলেন, তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা ফেক ভ্যাকসিনকাণ্ডে যুক্ত। কলকাতা পুরসভাও যুক্ত। অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে এক মঞ্চে আলোচনা করতে দেখা গিয়েছে ছবিতে। কী করে নেতারা বলছে তাঁকে চেনে না?আগামী পুরসভা নির্বাচন নিয়ে বিজেপি তৎপর হয়ে উঠেছে। শনিবার এনজেপিতে ট্রেন থেকে নেমে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্য সভাপতি জানান, উত্তরবঙ্গে পাঁচ জেলার কর্মসূচিতে অংশগ্রহহ করে আগামী পুরসভা নির্বাচনে ও দলের আগামী দিনের রনকৌশল ঠিক করা হবে। সেখানে বিস্তারিত আলোচনা হবে।রাজ্যে দলত্যাগ নিয়ে জল্পনা অব্যাহত আছে। বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ী বিধায়কদের দল পরিবর্তন নিয়ে জল্পনার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ জানান, যাঁরা যাওয়ার তাঁরা চলে গিয়েছে, কাজের লোক যাঁরা আছেন তাঁরা বিজেপি ছাড়বেন না। মুকুল রায় বিজেপি থেকে তৃণমূলে এসেই জানিয়েছিলেন বহু বিজেপি বিধায়ক ও সাংসদ দল ছেড়ে ঘাসফুলে যোগ দেবেন। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও ঘোষণা করেছন বিজেপির নেতা-নেত্রীরা দলে আসার জন্য পা বাড়িয়ে আছেন।

জুন ২৬, ২০২১
কলকাতা

হলদিয়ায় চেনা অস্ত্রে রাজ্যসরকারকে আক্রমণ মোদির

হলদিয়ার জনসভা থেকে ফের চেনা অস্ত্রে রাজ্য সরকারকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর অভিযোগ, শুধুমাত্র তৃণমূল সরকারের রাজনৈতিক দূরভিসন্ধির জন্য প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি, আয়ুষ্মান ভারতের মতো জনকল্যাণ মূলক প্রকল্পের সুবিধা রাজ্যবাসী পাননি। মোদির ঘোষণা, রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই চালু করা হবে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি প্রকল্প। শুধু তাই নয়, তৃণমূল সরকারের বাধার জন্য রাজ্যের লক্ষ লক্ষ কৃষক যে দুবছরের কিষাণ সম্মান নিধির টাকা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, সেটাও দেওয়া হবে রাজ্যবাসীকে।হলদিয়ার সভা থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন, বাংলার গরিবরা কি শুধু ভোট নেওয়ার জন্য? এটা সেই সরকার, যারা বিপদের সময়ও দুর্নীতির রাস্তা খোঁজে। আম্ফানের সময় মানুষের সাহায্যের জন্য কেন্দ্র যে টাকা পাঠিয়েছে, সেটা নিয়ে এঁরা কি করেছে তা সকলেই জানে। কেন্দ্রের দেওয়া বিনামূল্যে রেশনও এখানকার গরিবদের কাছে পৌঁছে দিতে পারেনি রাজ্য। আমাদের ভাগ্য ভাল যে বাংলার ৪ কোটি মানুষের জনধন অ্যাকাউন্ট ছিল। সেজন্যই সরাসরি কেন্দ্র টাকা দিতে পেরেছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার খুব কষ্ট হয়, করোনার এই কঠিন সময়েও বাংলার লক্ষ লক্ষ কৃষক কোটি কোটি টাকা পাননি। করোনার সময় দেশের লক্ষ লক্ষ কৃষক কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার আওতায় হাজার হাজার কোটি টাকা পেয়েছেন। এর মধ্যে বাংলারও লক্ষ লক্ষ কৃষক থাকতে পারতেন। কিন্তু এখানকার একজন কৃষকও এই সুবিধা পাননি। কারণ, এখানকার সরকার এই যোজনায় যুক্তও হয়নি। বাংলার মানুষ ওদের সরিয়ে দেবে এটা বুঝতে পেরেই কদিন আগে অনিচ্ছা সত্ত্বেও কেন্দ্রকে সম্মতি দিয়ে চিঠি লিখেছে। কিন্তু এঁরা চায় না সরাসরি কৃষকের অ্যাকাউন্টে টাকা যাক। ইতিমধ্যেই বাংলার ২৫ লক্ষ কৃষক রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করেছেন। কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ৬ হাজার কৃষকের নাম এঁরা জমা দদিয়েছে। সেই ৬ হাজার কৃষকেরও ব্যাংক ডিটেল কেন্দ্রকে এখনও দেয়নি রাজ্য সরকার। মা-মাটি-মানুষের কথা বলে অথচ তাঁর সংবেদনহীনতা গোটা রাজ্য দেখেছে। কারা কৃষকদের নাম নিয়ে রাজনীতি করছে, আর কারা কৃষকদের সমস্যার সমাধান করছে, গোটা দেশের লোক দেখছে।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২১
রাজ্য

 নৌকাডুবির ঘটনায় মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ রাজ্য সরকারের

নৌকাডুবির ঘটনায় মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে জানাল রাজ্য সরকার । মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমতিক্রমে বুধবার রাজ্য সরকারের স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত , দশমীর বিকেলে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার হাজরা বাড়ির দুর্গা প্রতিমা বিসর্জনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ডুমনি নদীতে। এলাকার আরো কয়েকটি দুর্গা প্রতিমাও সেইসময় ছিল নদীতে। আরও পড়ুন ঃ পথ দুর্ঘটনা কমাতে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি পালন নদীতে চলছিল শোভাযাত্রা। সেই সময় হঠাৎ করে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে উলটে যায় প্রতিমা ও যাত্রীবোঝাই একটি নৌকা। একই সঙ্গে পাশের নৌকাটিও উলটে যায়। তাতে থাকা যাত্রীরা সাঁতরে পাড়ে ওঠার চেষ্টা করেন। বেশ কয়েকজন উঠেও পড়েন। সন্ধের পর বোঝা যায় যে ওই নৌকায় থাকা বেশ কয়েকজন নিখোঁজ। এরপরই খোঁজাখুঁজি শুরু হয় নদীতে। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। রাতে উদ্ধার হয় হাজরা পরিবারের ২ সদস্য-সহ ৫ জনের দেহ।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
কলকাতা

পটাশপুরের বিজেপি কর্মীর মৃত্যু নিয়ে ফের প্রশাসনের বিরুদ্ধ তোপ রাজ্যপালের

জেল হেফাজতে থাকাকালীন মদন কুমার ঘোড়ইয়ের মৃত্যু আরেকটি ভয়ংকর ঘটনা। ওই বিজেপি কর্মীকে অমানবিকভাবে অত্যাচার করা হয়েছে। সংবিধান মেনে রাজ্যে শাসকদল চলছে না। এমনই অভিযোগ করে রবিবার টুইট করে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সে দিকে নজর দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। আরও পড়ুনঃ বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন নিয়ে এ কি বললেন অমিত শাহ ! এছাড়া রাজ্য পুলিশের ডিজি, রাজ্য পুলিশ, কলকাতা পুলিশকে ট্যাগ করে আরও একবার তাদের ভূমিকা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন রাজ্যপাল । এদিন এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠিও লেখেন তিনি।

অক্টোবর ১৮, ২০২০
কলকাতা

ফের রাজ্য সরকারের সমালোচনা ধনকড়ের

আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। একদিন সত্যি ঠিক সকলের সামনে বেরিয়ে আসবেই। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করে রাজ্য সরকারের সমালোচনায় এভাবেই সরব হলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। আরও পড়ুনঃ ইংরেজি বলতে না পারার অপরাধে আয়কর দফতর পাঁচজন কর্মীকে ছাঁটাই , ডেপুটেশন বাংলা পক্ষের রাজ্য প্রশাসনের সমালোচনা করে তিনি আরও লেখেন, রাজ্যে সিন্ডিকেট রাজ চলছে। পুলিশ সন্ত্রাস চালাচ্ছে। মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে বলেও সুর চড়ান রাজ্যপাল। এই টুইটের পরে রাজ্য সরকারের সঙ্গে তাঁর বিরোধ যে আরও বাড়তে চলেছে , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহই নেই রাজনৈ্তিক মহলের।

অক্টোবর ১৬, ২০২০
কলকাতা

ফের রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে কড়া চিঠি ধনকড়ের

ফের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখে শাসকদল ও রাজ্য প্রশাসনের উপর ক্ষোভ উগরে দিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তাঁর মতে, সরাসরি প্রশাসনের সঙ্গে রাজ্যপালের বাক্যবিনিময় অনেক পরিস্থিতিই সহজ করে দেয়। কিন্তু বাংলায় তা হচ্ছে না। উলটে একজন রাজ্যপালকে শাসকদলের নেতা,মন্ত্রীরা একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের এজেন্ট বলে বারবার উল্লেখ করছেন, যা আদতে সাংবিধানিক প্রধানের পদ এবং কার্যালয়ের পক্ষে অবমাননাকর। তাঁর আরও অভিযোগ, প্রশাসনই বরং সাংবিধানিক নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছে না। তাঁর পরামর্শ, পুলিশকে রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ হতে হবে। অন্যথায় তা গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকারক হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডে ডিজিপিকে তলব এবং বিজেপির নবান্ন অভিযানে বলবিন্দর সিংয়ের আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে তাঁকে গ্রেপ্তারি নিয়ে হাওড়া সিটি পুলিশের ভূমিকার উল্লেখ করেছেন। দুটি বিষয়ই তাঁর কাছে যথেষ্ট অপ্রত্যাশিত বলে মনে হয়েছে। আরও পড়ুনঃ বলবিন্দার সিংএর মুক্তির দাবিতে রাজ্যপালের দ্বারস্থ পরিবারের সদস্যরা চিঠির শেষে তিনি আশ্বাস দিয়ে জানিয়েছেন, একজন রাজ্যপালের যা কর্তব্য, তা তিনি করতে বদ্ধপরিকর। খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমে রাজ্য প্রশাসন সেই কাজ অনেক মসৃণভাবে করার রাস্তা তৈরি করে দিতে পারে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর নাম করে তিনি লেখেন যে রাজ্যের গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষায় তাঁকেই এগিয়ে আসতে হবে। প্রয়োজনীয় সমস্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশাবাদী ধনকড়। চিঠিতে আবারও মনে করিয়ে দিয়েছেন, সংঘাতের মধ্যে দিয়ে নয়, রাজভবন-নবান্ন একজোট হয়ে কাজ করলে, তবেই সবচেয়ে সুরক্ষিত এবং শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হবে।

অক্টোবর ১৪, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

সাংবাদিক খুন মামলায় মুক্তি গুরমিত রাম রহিমের! তবু জেলেই থাকতে হবে কেন?

সাংবাদিক হত্যা মামলায় বড় স্বস্তি পেলেন ডেরা সচ্চা সৌদার প্রধান গুরমিত রাম রহিম সিং। ২০০২ সালের এক সাংবাদিক খুনের ঘটনায় সাত বছর আগে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে সিবিআই আদালত এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে এবার সেই মামলায় তাঁকে অব্যাহতি দিল উচ্চ আদালত। যদিও এই রায়ের পরও জেল থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না তিনি। কারণ দুটি ধর্ষণ মামলায় ইতিমধ্যেই কুড়ি বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন এই স্বঘোষিত ধর্মগুরু।রাম রহিমের আইনজীবী জিতেন্দর খুরানা জানান, উচ্চ আদালত সাংবাদিক রামচন্দর ছত্রপতি হত্যা মামলায় তাঁর মক্কেলকে অব্যাহতি দিয়েছে। ২০১৯ সালে সিবিআই আদালত এই মামলায় রাম রহিম, নির্মল সিং এবং কৃষ্ণান লালকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দিয়েছিল।রামচন্দর ছত্রপতি পুরা সাচ নামে একটি সংবাদপত্র চালাতেন। ২০০২ সালের অক্টোবরে তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এর কিছুদিন আগে তাঁর পত্রিকায় একটি বেনামী চিঠি প্রকাশিত হয়েছিল। সেই চিঠিতে ডেরা সচ্চা সৌদার সদর দপ্তরে নারী অনুসারীদের উপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তোলা হয়েছিল।তবে এই মামলায় অব্যাহতি পেলেও জেল থেকে এখনই বেরোতে পারছেন না রাম রহিম। ২০১৭ সালে দুই নারী অনুসারীকে ধর্ষণের মামলায় তাঁকে কুড়ি বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত। সেই সাজা ভোগ করার কারণেই বর্তমানে রোহতকের সুনারিয়া জেলে রয়েছেন ৫৭ বছরের এই ধর্মগুরু।যদিও সরকারি নথিতে তিনি জেলবন্দি থাকলেও বিভিন্ন সময়ে প্যারোলে মুক্তি পাওয়াকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। গত জানুয়ারিতেই তিনি চল্লিশ দিনের জন্য প্যারোলে মুক্তি পান। হরিয়ানার বিজেপি সরকার তাঁর এই ছুটি মঞ্জুর করেছিল।রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে তাঁকে বিশ দিনের প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। এরপর এপ্রিল মাসে আবার একুশ দিনের জন্য প্যারোল দেওয়া হয়। একই বছরের আগস্ট মাসে আবার চল্লিশ দিনের জন্য মুক্তি পান তিনি।এখানেই শেষ নয়। হরিয়ানা এবং পাঞ্জাবের মতো রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের সময়ও একাধিকবার তাঁকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। হিসাব বলছে, ২০২০ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে মোট তিনশো ছাব্বিশ দিন প্যারোলে জেলের বাইরে ছিলেন রাম রহিম।

মার্চ ০৭, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় এসে বিস্ফোরক মন্তব্য রাষ্ট্রপতির! ‘মমতা হয়তো আমার উপর রাগ করেছেন’

ভোটের আগে বাংলায় রাষ্ট্রপতির সফর ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সভাস্থল নিয়ে রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁর অভিযোগ, অনুষ্ঠানের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার অনুমতি দেয়নি। সেই কারণেই শেষ পর্যন্ত অন্য জায়গায় সভা করতে হয়েছে।শনিবার শিলিগুড়ি মহকুমার গোঁসাইপুরে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি। তবে তিনি মঞ্চে ওঠার পর দেখা যায় দর্শকাসনে অনেক চেয়ারই ফাঁকা পড়ে রয়েছে। বিষয়টি নজরে আসতেই তিনি প্রশ্ন তোলেন, এত চেয়ার ফাঁকা কেন। তাঁর সন্দেহ, কেউ হয়তো বাধা দিয়েছে।উদ্যোক্তাদের দাবি, প্রথমে ঠিক হয়েছিল এই সম্মেলন হবে বিধাননগরে। কিন্তু পরে একাধিকবার সভাস্থল বদল করতে হয়। শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বাগডোগরা বিমানবন্দরের কাছে গোঁসাইপুরে সভা করার অনুমতি দেয় প্রশাসন। তবে আয়োজকদের অভিযোগ, অনেক আমন্ত্রিত অতিথি নিরাপত্তা পাশ না পাওয়ায় অনুষ্ঠানে ঢুকতে পারেননি। পুলিশ তাদের আটকে দেয় বলে অভিযোগ।সভা শেষে রাষ্ট্রপতি সেখানেই থেমে থাকেননি। তিনি শিলিগুড়ি মহকুমার বিধাননগরে যান, যেখানে প্রথমে সভা হওয়ার কথা ছিল। সেখানে গিয়ে গোটা এলাকা ঘুরে দেখেন এবং বলেন, তিনি আসলে এখানেই সভা করতে চেয়েছিলেন। জায়গাও যথেষ্ট ছিল। তবে কেন রাজ্য সরকার অনুমতি দিল না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি তাঁর ছোট বোনের মতো। তবে হয়তো কোনও কারণে তিনি তাঁর উপর রাগ করেছেন, সেই কারণেই সভা করতে দেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্যের কোনও মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন না। এ নিয়েও মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, সাধারণত রাষ্ট্রপতি কোনও রাজ্যে গেলে মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রিসভার কেউ তাঁকে স্বাগত জানান। সেটাই নিয়ম এবং প্রোটোকল।শেষ পর্যন্ত বিধাননগরে পূর্ব নির্ধারিত জায়গায় একটি শালগাছ লাগিয়ে বাগডোগরা বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেন রাষ্ট্রপতি।অন্যদিকে শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব জানান, রাজ্যের পক্ষ থেকে তিনিই রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। জেলা শাসক এবং পুলিশ কমিশনারও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর কথায়, এর আগেও রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রণব মুখোপাধ্যায় যখন এসেছিলেন, তখনও তিনি তাঁকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। সভাস্থল নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছিল, তা মূলত নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণেই হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মার্চ ০৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

কাইফকে নিয়ে তীব্র কটাক্ষ আমিরের, টেনে আনলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে নতুন করে বিতর্ক ছড়ালেন পাকিস্তানের প্রাক্তন পেসার মহম্মদ আমির। এর আগে দুবার তিনি ভারতের বিশ্বকাপ যাত্রা নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। কিন্তু দুবারই তাঁর কথা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। এবার দলকে নয়, সরাসরি ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফকে আক্রমণ করলেন তিনি। কাইফকে কটাক্ষ করতে গিয়ে টেনে আনলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নামও।রবিবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলবে ভারতীয় দল। তার আগেই আমিরের মন্তব্য নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। এর আগে তিনি দাবি করেছিলেন, ভারত সেমিফাইনালে উঠতে পারবে না। পরে আবার বলেন, ভারত ফাইনালেও যেতে পারবে না। কিন্তু সেই দুই ভবিষ্যদ্বাণীই ভুল প্রমাণিত হয়। এরপর অনেকের কাছেই সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাঁকে।এই প্রসঙ্গে কাইফ বলেছিলেন, আমিরকে এত গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর মতে, পাকিস্তানের ক্রিকেটও এখন অনেক পিছিয়ে রয়েছে। কাইফের এই মন্তব্যে বেজায় চটে যান আমির এবং সরাসরি তাঁকে আক্রমণ করেন।আমির বলেন, তিনি কাইফের ক্রিকেট কেরিয়ার সম্পর্কে খুব বেশি জানতেন না। পরে খোঁজ নিয়ে দেখেছেন, কাইফ নাকি আইপিএলে মাত্র উনত্রিশটি ম্যাচ খেলেছেন এবং তাঁর স্ট্রাইক রেটও খুব বেশি নয়। তাঁর দাবি, তিনি নিজে তিনশোরও বেশি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন এবং পারফরম্যান্সের জোরেই ক্রিকেট খেলেছেন। কাইফকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, শুধু ফিল্ডিংয়ের জন্যই তিনি ভারতীয় দলে সুযোগ পেয়েছিলেন। পাশাপাশি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করে বলেন, কাইফের উচিত তাঁকে ধন্যবাদ জানানো।তবে কাইফ যে ভারতীয় দলের অন্যতম সেরা ফিল্ডার ছিলেন, তা ক্রিকেট মহলে সকলেই মানেন। অনেক ভারতীয় ক্রিকেটারই স্বীকার করেছেন যে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তাঁরা জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছিলেন।এই বিতর্কে মুখ খুলেছেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার নভজ্যোৎ সিং সিধুও। তিনি আমিরকে তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, এই ধরনের মানুষদের কথা বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর মতে, শুধু ভবিষ্যদ্বাণী করে ম্যাচ জেতা যায় না। মাঠে নেমে লড়াই করেই ম্যাচ জিততে হয়। সিধুর কথায়, যারা বেশি কথা বলে তারা অনেক সময়ই বাস্তবে কিছু দেখাতে পারে না।

মার্চ ০৭, ২০২৬
বিদেশ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মাঝেই বড় সিদ্ধান্ত ইরানের, প্রতিবেশীদের কাছে ক্ষমা চাইল তেহরান

মধ্যপ্রাচ্যে টানা উত্তেজনার মাঝেই আচমকা সুর নরম করল ইরান। শনিবার দেশের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়ে দিলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলির উপর আর নতুন করে হামলা চালানো হবে না। তাঁর এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।এক ভাষণে পেজেশকিয়ান বলেন, দেশের অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে প্রতিবেশী দেশগুলির উপর আর নতুন হামলা চালানো হবে না। তিনি স্পষ্ট করে জানান, যদি ইরানের উপর সরাসরি আক্রমণ না হয়, তাহলে তেহরানও আর কোনও হামলা করবে না।এর পাশাপাশি সাম্প্রতিক হামলার জন্য প্রতিবেশী দেশগুলির কাছে ক্ষমাও চান তিনি। তাঁর বক্তব্য, অন্য কোনও দেশকে আক্রমণ করার ইরানের কোনও ইচ্ছা নেই। তবে একই সঙ্গে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান কখনও আত্মসমর্পণ করবে না।উল্লেখ্য, গত আটাশে ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই পালটা আক্রমণ শুরু করে ইরান। প্রথমে মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছিল। পরে সেই হামলার মাত্রা আরও বাড়তে থাকে।এরপর ইরাকের পাশাপাশি কুয়েত, সৌদি আরব, আরব আমিরশাহী, বাহরিন, ওমান এবং জর্ডনের মতো প্রতিবেশী দেশগুলিতেও হামলার অভিযোগ ওঠে। এই পরিস্থিতিতে সৌদি আরবও পালটা হামলার হুঁশিয়ারি দেয়।বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, টানা হামলার কারণে ইরানের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলির সম্পর্ক দ্রুত খারাপ হতে শুরু করেছিল। অনেক বন্ধু রাষ্ট্রই ক্রমে বিরোধী অবস্থানে চলে যাচ্ছিল। তাই পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আগে কূটনৈতিকভাবে চাপ কমাতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেহরান বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬
কলকাতা

আবার কি বঙ্গভঙ্গের চেষ্টা? বিজেপিকে নিশানা করে বড় অভিযোগ মমতার

কলকাতায় ধরনা মঞ্চ থেকে আবারও বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, বাংলাকে ভাগ করার পরিকল্পনা করছে বিজেপি। তবে তৃণমূল কংগ্রেস যতদিন রয়েছে, ততদিন বাংলার এক ইঞ্চি জমিও কেউ ভাগ করতে পারবে না বলেই হুঁশিয়ারি দেন তিনি।মমতা বলেন, তিনি সম্প্রতি একটি বার্তা দেখেছেন যেখানে বলা হয়েছে বাংলা এবং বিহারকে ভাগ করে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গ তুলে তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাকে ভাগ করার চক্রান্ত চলছে।ধরনা মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমি কাল একটি বার্তা দেখলাম। সেখানে বলা হচ্ছে বাংলা এবং বিহারকে ভাগ করে নাকি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হবে। ওদের আসল উদ্দেশ্য বাংলাকে ভাগ করা। আবারও বঙ্গভঙ্গ করার চেষ্টা চলছে।এর পাশাপাশি বিহারের প্রসঙ্গও টানেন তিনি। মমতার দাবি, আগে বিহারকে ভাগ করে ঝাড়খণ্ড আলাদা করা হয়েছিল। এখন আবার বিহারকেও নতুন করে ভাগ করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে বাংলার মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে।মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপির বিরুদ্ধে বাংলাকে ভাগ করার অভিযোগ তুলে তিনি কার্যত রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র করে দিলেন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ০৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফাইনালের আগে বড় প্রশ্ন! দলে থাকবেন তো অভিষেক? পাশে দাঁড়ালেন কপিল দেব ও রবি শাস্ত্রী

চলতি কুড়ি ওভারের বিশ্বকাপে অভিষেক শর্মার পারফরম্যান্স নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগে ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে তিনি ছিলেন অন্যতম ভরসার নাম। তাঁর ছক্কার ঝড় দেখার অপেক্ষায় ছিলেন অনেকেই। কিন্তু বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত সেই আগ্রাসী ব্যাটিং খুব একটা দেখা যায়নি। তাই ফাইনালের আগে প্রশ্ন উঠছে, প্রথম একাদশে কি থাকবেন অভিষেক?তবে ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটারদের অনেকেই তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন। বিশ্বজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব মনে করছেন, দলের উচিত অভিষেকের উপর ভরসা রাখা। তাঁর কথায়, দলের পরিচালকদের খেলোয়াড়ের উপর আস্থা রাখা দরকার। একই সঙ্গে অভিষেকেরও নিজের উপর বিশ্বাস রাখা উচিত। তিনি বলেন, এখনও একটি ম্যাচ বাকি রয়েছে, সেটাই ফাইনাল। তাই শেষ ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ রয়েছে।এই বিশ্বকাপে অভিষেক এখনও নিজের সেরা ছন্দ খুঁজে পাননি। ফর্ম, ফিটনেস এবং আত্মবিশ্বাস সব দিক থেকেই তিনি কিছুটা পিছিয়ে রয়েছেন বলে মনে করছেন অনেকেই। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে একটি অর্ধশতরান করলেও সেই ইনিংস খুব বেশি আত্মবিশ্বাসী ছিল না বলে মত অনেকের। সেমিফাইনালেও তিনি মাত্র নয় রান করে আউট হন।ভারতের প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রীও মনে করছেন, দলে কোনও পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। তাঁর মতে, অভিষেককে নিজের প্রতিভার উপর ভরসা রাখতে হবে। তিনি বলেন, নিজের দুর্বলতা নিয়ে বেশি চিন্তা না করে শক্তির জায়গাগুলোর উপর আস্থা রাখা দরকার। মাঠে নেমে স্বাভাবিক খেলাটা খেললেই হয়তো এই ম্যাচেই তাঁর সেরা ইনিংস দেখা যেতে পারে। তবে শট নির্বাচনের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শাস্ত্রী।ভারতীয় দলের পরিচালকরাও এখনও অভিষেকের উপর আস্থা রাখছেন বলে জানা গিয়েছে। রান না পেলেও তাঁকে সমর্থন করছেন কোচ গৌতম গম্ভীর এবং অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ফাইনালের দলেও অভিষেক থাকতে পারেন বলেই ইঙ্গিত মিলছে। তাঁর পাশে থাকবেন ভাল ফর্মে থাকা সঞ্জু স্যামসন। দলের তরফে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক খেলোয়াড়ের দিকেই নজর রাখা হচ্ছে এবং অভিষেকের উপর দলের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬
দেশ

বড় মোড় লোকসভায়! স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থায় কি বিরোধীদের পাশে তৃণমূল?

লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার জন্য আগেই নোটিস দিয়েছিল বিরোধী শিবির। এবার বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হতেই সেই বিষয়টিকে সামনে রেখেই কৌশল সাজাতে শুরু করেছে বিরোধী জোট। রাজনৈতিক মহলের সূত্রের খবর, এই পর্বে এত দিন একলা চলার নীতি নেওয়া তৃণমূল কংগ্রেসও বিরোধী শিবিরের পাশে দাঁড়াতে পারে।সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্যায়। এই অধিবেশনেই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে সরব হতে চলেছে বিরোধীরা। যদিও কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু আগেই জানিয়েছিলেন, অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হওয়ার পর অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটি হতে পারে।সূত্রের খবর, সেই ভোটাভুটিতে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদেরা অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষেই ভোট দিতে পারেন। যদিও অধিবেশনের প্রথম পর্যায়ে এই অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিস দেওয়া হয়েছিল বিরোধীদের পক্ষ থেকে। স্পিকার ওম বিড়লা শাসক দলের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন এই অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানিয়েছিল বিরোধী জোট। সেই নোটিসে মোট একশো কুড়ি জন বিরোধী সাংসদের স্বাক্ষর ছিল। পরে সেই নোটিস খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন স্পিকার নিজেই।তবে সেই সময় এই প্রস্তাব থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিসে স্বাক্ষর করেননি তৃণমূলের সাংসদেরা। সে সময় দলের অন্যতম শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, তাদের স্বাক্ষর করতে কোনও আপত্তি ছিল না। কিন্তু তার আগে কংগ্রেসকে একটি চিঠি পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিল তৃণমূল। সেই চিঠির ভিত্তিতে স্পিকার যদি কোনও পদক্ষেপ না নেন, তার পরেই অনাস্থা প্রস্তাব আনার কথা বলেছিল তারা।কিন্তু এবার পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা। যদিও প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেনি তৃণমূল, তবু অনাস্থা ভোটাভুটির সময় বিরোধী জোটের পক্ষেই দাঁড়াতে পারে রাজ্যের শাসকদল। ফলে লোকসভায় এই বিষয়টি ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হওয়ার জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬
কলকাতা

বেকারদের জন্য বড় চমক! ঘোষণার আগেই ঢুকছে ভাতা, আজ থেকেই টাকা পাচ্ছেন যুবক-যুবতীরা

বাজেট ঘোষণার সময়েই জানানো হয়েছিল, রাজ্যের মাধ্যমিক পাশ করা অথচ এখনও চাকরি না পাওয়া যুবক-যুবতীদের জন্য নতুন ভাতা চালু করবে রাজ্য সরকার। যুবসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেওয়া হবে এই ভাতা।প্রথমে জানা গিয়েছিল, চলতি বছরের অগস্ট মাস থেকে এই টাকা পাওয়া যাবে। পরে সেই সময়সীমা অনেকটাই এগিয়ে এনে ঘোষণা করা হয়, ১ এপ্রিল থেকেই ভাতা দেওয়া শুরু হবে। তবে শনিবার আরও বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের আগেই শুরু হচ্ছে এই ভাতা। অর্থাৎ ১ এপ্রিল নয়, শনিবার ৭ মার্চ থেকেই যুবসাথীর টাকা পাওয়া শুরু করবেন বেকার যুবক-যুবতীরা।কলকাতার মেট্রো চ্যানেলে ধরনা মঞ্চ থেকে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ১ এপ্রিল থেকে যেটা ঢোকার কথা ছিল সেটা আজ থেকেই ঢুকবে। যুবসাথীর টাকা আজ থেকেই পাবেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ফেব্রুয়ারি থেকেই দেওয়া শুরু হয়েছে। আমরা যা বলি, তা করি।যুবসাথী প্রকল্পে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই গোটা রাজ্যে বিপুল সাড়া পাওয়া গেছে। অফলাইন এবং অনলাইন দুই ভাবেই লাখ লাখ আবেদন জমা পড়েছে।অন্যদিকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পেও সম্প্রতি ভাতার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। রাজ্যের মহিলারা এখন আগের থেকে আরও পাঁচশো টাকা বেশি পাচ্ছেন। তবে এই বিষয়টি নিয়েও রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাপানউতোর চলছে। বিরোধীরা অভিযোগ তুলেছে, ভোটের আগে ভাতা দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার। আবার বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তারা ক্ষমতায় এলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভাতা তিন হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হবে।এই পরিস্থিতিতে বেকার ভাতা আগেভাগে চালু হওয়ায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal