• ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ২২ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Spot

রাজ্য

জেলাশাসকের উদ্যোগে পূর্ব বর্ধমান জেলা পর্যটনের ভিডিও প্রকাশ

পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ জেলাশাসকের মিটিং হলে পূর্ব বর্ধমান জেলা পর্যটনের এক তথ্যচিত্রের উদ্বোধন হল। তথ্যচিত্রটির উদ্বোধন করেন জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা। তিনি জানান, এই জেলার অনেক জায়গা আছে যেগুলি পর্যটকরা সেভাবে জানে না, সেই জায়গাগুলিকে এই ভিডিওর মাধ্যমে পর্যটন মানচিত্রে নিয়ে এসে মানুষের মধ্যে আরও জনপ্রিয় করে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। তিনি আরও জানান, পর্যটনে এই জেলার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা বলেন, এই ভিডিও সামাজিক মাধ্যম ছাড়াও জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ জায়গায় প্রদর্শিত হবে।জেলাশাসক জানান, সামনেই দুর্গাপুজো, জেলার পুজো কমিটিগুলোকেও আমরা এই ভিডিও দেখানোর অনুরোধ করতে পারি। এছাড়াও জেলার ওয়েবসাইটে এই ভিডিওর লিঙ্ক দেওয়া থাকবে। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা জানান, ইতিমধ্যে তাঁরা পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন দপ্তরকে এই ভিডিওটি পাঠিয়ে দিয়েছেন যাতে রাজ্যের পর্যটন নিয়ে যে সমস্ত প্রচার করা হয় সেখানে যাতে দেখনো হয়।জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা এদিন বলেন, পূর্ব বর্ধমান জেলার পর্যটন বৈচিত্র অনেক বেশী। এখানে যেমন উল্লেখযোগ্য ধর্মীয় স্থান আছে তেমনই ডোকরা, শোলা, তাঁত, কাঠের তৈরি কারুশিল্পেও উল্লেখযোগ্য স্থান আছে। জেলায় বিস্তীর্ণ বনভূমি আছে। এছড়াও এই জেলায় কুমুদরঞ্জন মল্লিক, রাসবিহারী ঘোষ, রাসবিহারী বোস, কাসিরাম দাস, উপেন্দ্রনাথ ব্রম্ভচারী-র মতো বিশিষ্ট মানুষদের জন্মস্থান। জেলার প্রান্ত দিয়ে বয়ে চলেছে গঙ্গা, অজয়, দামোদরের মত নদ নদী।প্রিয়াঙ্কা সিংলা আরও জানান, যাঁরা এই জেলায় বেড়াতে আসতে চান, এই ভিডিও তাঁদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমার বিশ্বাস, এই ভিডিওটি দেখার পরে অনেকেই এই জেলায় বেড়াতে আসার ব্যাপারে অনুপ্রাণিত হবে।আজকের এই ভিডিও উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জেলার বিশিষ্ট সাংবাদিকরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলার তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক রামশঙ্কর মণ্ডল ও টুরিজিম ডেভলপমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ হোসেন চৌধুরী (রাহুল)। তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক রামশঙ্কর মণ্ডল জনতার কথাকে জানান, এই ভিডিওটি সর্বস্তরে প্রচার করা হবে। এর ফলে দেশের ও রাজ্যের মানুষ আরও ভালো ভাবে পূর্ব বর্ধমান জেলাকে জানতে পারবে এবং এখানে বেড়াতে আসবে।টুরিজিম ডেভলপমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ হোসেন চৌধুরী (রাহুল) জনতার কথাকে জানান, জেলাশাসক শ্রীমতি প্রিয়াঙ্কা শিংলার উদ্যোগে এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পর্যটন দপ্তরের আর্থিক সহযোগিতায় পূর্ব বর্ধমান জেলার গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, হস্তশিল্প, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংমিশ্রনে একটি ভিডিও তৈরী করা হয় যা আজ জেলাশাসকের দপ্তর থেকে প্রকাশিত করা হলো। ভিডিওটি পূর্ব বর্ধমান জেলার অনাবিষ্কৃত পর্যটন সম্ভাবনা খুঁজে বের করতে সাহায্য করবে। ভিডিওটি প্রকাশের মূল লক্ষ্য জেলার পর্যটন সম্ভাবনার প্রচার করা। আগামী দিনে পর্যটনের উন্নয়নে আরও বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দুর্গাপূজা উৎসবের আগে আমরা জেলার পর্যটনকে ঢেলে সাজানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৩
নিবন্ধ

The Spot : দাগ (ছোট গল্প)

একটা অস্পষ্ট কান্নার আওয়াজে হঠাৎ ঘুম টা ভেঙে গেলো রনিতের। চোখ খুলে দেখে রূপসা ঘুমের মধ্যেই কেমন করছে যেন কাঁদছে মনে হচ্ছে।ওকে ডাকে রানিত-- এই কি হলো তোমার রুশা? অমন করছো কেনো?মাত্র দুমাস হলো ওদের বিয়ে হয়েছে।রনিতের ডাক রূপসা শুনতে পেল না। ও আপন মনে ঘুমের মধ্যেই বলতে থাকে ছাড় ছাড় আমাকে। আমার লাগছে।রণিত বোঝে না কি করবে। ওরা দুজনেই থাকে আর কেউ নেই যে ডাকবে।রণিত একটু জল নিয়ে মুখে ছিটিয়ে দেয়। জলের ছিটে পেয়ে জেগে ওঠে রূপসা।কি হলো স্বপ্ন দেখছিলে? অমন করছিলে কেনো? আমি তো ভীষণ ভয় পেয়ে গেছিলাম। রনিতের এতো গুলো কথার কোনো উত্তর দেয়না রূপসা।শুধু হু আর হ্যাঁ বলে উঠে বাথরুমে যায়, চোখে মুখে জল দিয়ে এসে শুয়ে পড়ে ।রণিতও আর কিছু বলেনা। চুপচাপ শুয়ে পড়ে ।কিন্তু ভেবে পায়না কি হলো হটাত।এরপর খেয়াল করে রূপসা হটাত যেন চুপ করে গেছে। একটু যেন অন্যমনস্ক ।কাছে আসতে চায়না এড়িয়ে যায়।রণিত ওর অফিস কলিগ দেবেশ কে । সব শুনে দেবেশ বলে রূপসা কে আর একটু সময় দে। আর একটু ভালো করে ভরসা দিয়ে কথা বল।সেদিন সেই মত রণিত তাড়াতাড়ি বাড়ি ফেরে । রাতে খেয়ে নিয়ে বলে আজ বেশ ভালো চাঁদ উঠেছে চলো আমরা ব্যালকনিতে বসি।দুজন পাশপাশি বসে। রণিত রূপসার হাত নিজের হাতে নিয়ে বলে--- আমাদের মাত্র দুমাস হলো বিয়ে হয়েছে। এখনো ভালো করে দুজন দুজনকে হয়তো চিনে উঠিনি। কিন্তু এটুকু বলতে পারি আমি তোমার ভালো বন্ধু। তুমি আমাকে ভরসা করে সব বলতে পারো।রূপসা চুপ করে বসে থাকে রনিতের হাতটা শক্ত করে ধরে; আর চোখ দিয়ে জল ঝরতে থাকে।পরদিন অফিস গিয়ে দেবেশ কে বলে --- না রে কিছু বললো না; শুধু অসহায় ভাবে কাঁদে। আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না।দেবেশ বললো দাঁড়া দেখছি আমি একবার মধুমিতার সঙ্গে কথা বলি। ও খুব ভালো কাউন্সিলার। আমরা খুব ভালো বন্ধু।বলে মধুমিতাকে ফোন করে--- হ্যালো মধু আমি দেবু বলছি রে, খুব দরকার তোকে । আমার কলিগ রনিতের কথা তো তুই জানিস। কিছুদিন আগে যার বিয়ে হলো। ও একটা সমস্যায় পড়েছে ওর বৌকে নিয়ে।তুই একদিন সময় দে আমার বাড়িতে।-------ঠিক আছে তাহলে রবিবার ওদের আসতে বলছি।এই পর্যন্ত কথা বলে দেবেশ রণিত কে বলে ব্যাস আর কোনো চিন্তা নেই তুই রবিবার আমার বাড়ি চলে আয় বৌকে নিয়ে।যথারীতি রবিবার রণিত রূপসা এসে হাজির হয় দেবেশ এর বাড়িতে। মধুমিতাও আসে। মধুমিতা রূপসার সঙ্গে বেশ ভাব জমিয়ে ফেলে।ফিরে আসার সময় রূপসা মধুমিতাকে বলল আমি তোমার কাছে যাব। তোমাকে আমার খুব দরকার।এরপর এক সপ্তাহ কেটে যায়, রণিত খেয়াল করে মধুমিতকে রূপসার বেশ ভালো লেগেছে। একটু হলেও রূপসা স্বাভাবিক হয়েছে।শনিবার রাতে রূপসা রনিত্কে বলে কাল আমাকে একবার কাল মধুমিতাদির চেম্বারে নিয়ে যাবে?রণিত একটু অবাক হয়। বলে কালইযাবে?হ্যাঁ কালই যাব নাহলে যে দেরি হয়ে যাবে।রণিত কিছুটা হাল্কা হলো, কারণ নিয়ে তো যেতে হতই; কি করে ?সেটাই ভাবছিল।যাক নিজে থেকে যখন যেতে চাইল আর কোনো চিন্তা নেই।ও দেবেশ কে সব জানাল । দেবেশ ও খুশি হয়ে বলল ভালো কথা । আমি এখনই মধু কে বলে রাখছি।রবিবার সন্ধ্যাবেলায় রণিত আর রূপসা পৌঁছলো মধুমিতার চেম্বারে। মধুমিত ওদের বসালো।রবিবার সন্ধ্যায় রনিত আর রূপসা হাজির হয় মধুমিতার চেম্বারে। ওদের বসায়, তারপর এটা-সেটা কথা হয়।তারপর রুপসাকে নিয়ে পাশের ঘরে যায়। মৃদু আলোয় ঘরটা বেশ মায়াবি লাগে রূপসার।একটা হেলানো চেয়ারে বসিয়ে মধুমিতা বলে এখানেই আমি তোমার সব কথা শুনব।তারপর দেখি তোমাকে কি ভাবে সাহায্য করতে পারি।এই কথায় রূপসা আরো ভরসা পায়।মধুমিত তখন ওকে আরাম করতে বলে বাইরে আসে রনিতের কাছে।রণিত তোমাকে ভিতরে ডাকলাম না কিছু মনে করো না। আসলে ও তোমার সামনে খুলে সব বলতে পারবে না। তুমি এই হেড ফোন কানে দিয়ে সব শুনতে পারবে এখান থেকে।না না সব ঠিক আছে, তুমি ও নিয়ে কিছু ভেবো না।ও ঠিক হোক তাহলেই আমার হবে।মধুমিতা আবার রূপসার কাছে গেল। এবার ও ওর কাজ শুরু করলো।রূপসা তুমি তোমার মনের গভীরে ডুব দাও। বলো আমায় তোমার কথা......তুমি কে? কি তোমার মনের গহিনে দাগ কেটেছে সব সব বলো।রূপসা আসতে আসতে ডুব দেয় মনের অতলে--চলে যায় ছোটো বেলায়......আমি রূপসা নন্দী। মা বাবার একমাত্র মেয়ে। আমরা থাকতাম শ্রীরামপুর বাবার অফিস কোয়ার্টারে। আর আমার দাদু ঠাকুমা থাকত গ্রামের বাড়িতে। আমি খুব চঞ্চল ছিলাম ছোটো বেলায়। মায়ের কাছে তাই খুব বকুনি খেতাম।আমি যখন ক্লাস ফাইভ এ উঠলাম মা সব সময় আমাকে বলত রূপু বড়ো হচ্ছ আর খালি গায়ে বাইরে বেরোবে না। কিন্তু আমার অবোধ মন শরীরের পরিবর্তন তখনো বোঝেনি।আমি আমার মতই খেলে বেড়াই ছুটে বেড়াই।সেবার রথের মেলায় বাবা গেছিল গ্রামের বাড়ি দাদুর শরীর খারাপ তাই দেখ্তে। আমাকে কে নিয়ে যাবে রথ দেখ্তে মায়ের শরীরটাও ভালো না।অথচ আমি কান্না জুড়েছি। সেই সময় আমাদের পাশের কোয়ার্টার থেকে সুজিত কাকু এসে মাকে বলল বৌদি আমি নিয়ে যাব রুপুকে? দাদা তো বাড়ি নেই। ও যখন কাঁদছে আমি নিয়ে যাই।মা একটু ইতস্তত করছে দেখে বলে কি হবে আমি ওকে মেলায় ঘুরিয়ে নিয়েই চলে আসবো দেরি হবে না। আমিও খুব আনন্দিত হলাম এই কথা শুনে।আমার তখন মেলা দেখা নিয়ে কথা। অথচ এই কাকুকে আমি খুব একটা পছন্দ করতাম না। কাকুর আদর-টা আমার ভালো লাগত না। কিন্তু তখন সব ভুলে গেলাম মেলা দেখতে যাওয়ার আনন্দে।মেলায় গিয়ে ঘুরে ফিরে আমাকে খেলনা,পুতুল কিনে দিল। আমার শিশু মন তো ল্হুব খুশী । কাকু তখন বলল নাগরদোলা চাপবি রূপু? আমি বললাম না গো আমার ভয় করে।ভয় কি আমি আছি তো। খুব মজা লাগে চল ।কাকু আর কোনো কথা না শুনে দুটো টিকিট কেটে একটা দোলায় চেপে বসল আমাকে নিয়ে।যেই নাগরদোলা চলতে শুরু করেছে ব্যাস আমার তো ভয়ে প্রাণ শুকিয়ে যাওয়ার জোগাড় । আর তখন... তখন...তখন কি রূপসা? বলো কি হয়েছিল বলো আমায়। তোমার কোনো ভয় নেই।বলছি...... তখন কাকু আমাকে কোলে তুলে নেয়। আর তার শক্ত দুটো হাত দিয়ে আমার সদ্য প্রস্ফুটিত শরীরটা পিষতে থাকে। অদ্ভুত ভাবে কেউ কিন্তু কিছুই বুঝতে পারে না। আমি ব্যথায় ছটফট করতে থাকি কিন্তু কাকু ছাড়ে না। আবার যখন উপরে উঠি নাগরদোলায় তখন আমার কোমল ঠোঁটের সব রাস যেন শুষে নেয়। ওফ কি ভয়ংকর সে মুহুর্ত। না না আর না, আর পারছিনা আমাকে ছাড়ো ছেড়ে দাও আমাকে...... চিৎকার করে ওঠে রূপসা।রূপসা শান্ত হও শান্ত হও। আর কেউ নেই, কিছু নেই। সব মুছে গেছে, তুমি এখন মুক্ত।তারপর রূপসা আবার বলতে শুরু করে......মেলা দেখে বাড়ি এসে আমি মাকে কিছু বলার আগেই কাকু বলে খুব ভয় পেয়েছে নাগরদোলায়। কাকু চলে যাওয়ার পর আমি যখন বলি আর কক্ষনো কাকুর সঙ্গে মেলায় যাব না। কাকু খুব বাজে। মা কিন্তু বুঝতেই পারেনা। ভাবে নাগরদোলয চাপিয়েছে বলে বলছি।আমরা তারপর ওখান থেকে চলে যাই অন্য জাযগায় বাবার বদলি হয়ে যায়। কিন্তু আমি আর রথের মেলায় যেতে পারি না।এবার আমাদের নতুন বিয়ে হয়েছে। রণিতদের ওখানেও রথের মেলা বসে। রণিত আমাকে নিয়ে যেতে চাইলে আমি না করতে পারি না। কিন্তু আমার মনের গভীরে যে দাগ রয়ে গেছে তা আবার আমাকে কষ্ট দিতে থাকে।রণিত কেও বলতে পারিনি; থামে রূপসা।তারপর বেশ কিছুক্ষণ চুপ করে থাকার পর মধুমিতা আবার বলে এবার আসতে আসতে চোখ খোল । দেখো সব ঠিক আছে একদম। তুমিও একদম ঠিক আছো।আসতে আসতে চোখ খোলে রূপসা।যেন মনের কোনে জমে থাকা মেঘ যেন হাল্কা হয়।ওদিকে রণিত রূপসার সব কথা শুনে খুব কষ্ট পায়।ভাবে কি গভীর দাগ কেটেছিল শিশু মনে যা আজও রূপসা কে কষ্ট দিচ্ছে। না ওকে আরো ভালবাসা দিয়ে আগলে রাখ্তে হবে।সেদিনের মতো ওরা ফিরে আসে। মধুমিতা আবার যেতে বলে। এই ভাবে দুচার বার যাওয়ার পর রূপসা আবার আগের মতই আবার প্রাণোচ্ছল হয়ে ওঠে।রণিতও ওকে আগলে রাখে বুক দিয়ে। রনিতের আদরে সোহাগে রূপসার মন থেকে মুছে যায় সব দাগ।আজ ওরা খুব সুখী দুজনে দুজনকে নিয়ে।রূপসা আর রনিতের নতুন পথ চলা শুরু............লেখিকাঃ রাখি রায়রাখি রায়-র কলমে আরও কিছু লেখাআরও পড়ুনঃ কুঁড়ে ঘর থেকে ক্রিকেটের নন্দনকাননেআরও পড়ুনঃ বিষাক্ত গোলাপ - (ছোট গল্প)আরও পড়ুনঃ রক্তের টান - প্রথম পর্বআরও পড়ুনঃ রূপু আমাকে ক্ষমা করিসআরও পড়ুনঃ উত্তরণ (বাংলা ছোট গল্প)আরও পড়ুনঃ নতুন প্রভাতআরও পড়ুনঃ মিঠির ডায়েরি (বাংলা ছোট গল্প)আরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- প্রথম পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- দ্বিতীয় পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- তৃতীয় পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- চতুর্থ পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)-অন্তিম পর্ব

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
টুকিটাকি

Skin Burning Home remedy: ঘরোয়া ফেসপ্যাকে মিরাক্যাল

কোনও কারণে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে বা পুড়ে গিয়ে ত্বকের মধ্যে যে দাগ সৃষ্টি হয়, তা শুধু ত্বকেই নয়, মানসিকভাবেও সেই দাগ থেকে যায়। আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে বা পুড়ে যাওয়ার কারণে ত্বকের ক্ষতবিক্ষত দিকগুলি যতটা পারা যায় ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। অনেকে দাগ মেটাতে প্লাস্টিক বা কসমেটিক সার্জারি করান। কিন্তু জানেন কী, প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া উপায়েও কালো দাগ, ব্রণের ক্ষত দাগ, পক্সের কালো দাগ, গর্ত এইগুলি খুব সহজে নির্মূল করা যায়।সবজির খোসা দিয়ে তৈরি ফেসপ্যাকদাগের চিকিৎসার জন্য লেজার থেরাপি, মাইক্রো ডার্মাব্রেসন, কেমিক্যাল পিলিং, আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড এগুলি করাই যায়। তবে ভেজ পিল ট্রিটমেন্ট নামে একটি বায়ো পিলিং পদ্ধতি রয়েছে। যা খুব সহজে পোড়া দাগ ও আঘাতপ্রাপ্ত দাগ ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যায়। এগুলি ক্লিনিকে না গিয়ে বাড়তেও করতে পারেন। তবে যদি অনেক দাগ থাকে তাকলে অবশ্যই ক্লিনিক্যাল চিকিৎসার বেশ কয়েকটি সেশনের দরকার হতে পারে। তবে ব্রণের কারণ গর্ত, কালো দাগ, বসন্তের জেরে ছোট-বড় গর্ত হঠাতে এই ঘরোয়া প্রতিকারের সাহায্য নিতে পারেন।বাড়িতে তৈরি ফেসিয়াল স্ক্রাবচালের গুঁড়ো, দই ও এক চিমটে হলুদ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এরপর মুখে লাগিয়ে ছোট ছোট বৃত্তাকারে মাসাজ করে ত্বকের উপর আলতো করে ঘষুন। ব্রণের চিহ্ণ বা গর্তগুলিতে বিশেষ করে ঘষুন। পাঁচ মিনিটের জন্য রেখে তারপর প্রচুর পরিমাণে সাধারণ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।ফেসপ্যাকসপ্তাহে এক থেকে দুবার ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে ৩ চা চামচ ওটস ও এক চা চামচ দই, মধু মিশিয়ে একটি পেস্ট বানান। এবার ঠোঁট, চোখের চারপাশের এলাকা ছাড়া মুখের সর্বত্র লাগান। আধ ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। শুকনো কমলালেবুর খোসা, ও লেবুর রস, গ্রাউন্ড আমন্ড মিশিয়ে একটি প্যাক বানান। ডিমের সাদা অংশে এই প্যাকে সঙ্গে যোগ করে মুখের ত্বকের লাগিয় ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। শুষ্কতা দূর করার জন্য ২ চা চামচ দই নিন, তাতে এক চিমচে হলুদ গুঁড়ো দিয়ে প্রতিদি মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ত্বককে শুধু নরমই করে না। কালো দাগ হালকা করতেও সাহায্য করে। পাকা পেঁপের গুড়োর সঙ্গে শসা কুচি, টমেটোর পাল্প ও কমলালেবুর খোসার পাউডার মিশিয়ে একটি প্যাক বানান। মুখের ত্বকে প্রতিদিন লাগান ও আধঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। মধু ত্বকের উপর ব্রণের দাগ হালকা করতে সক্ষম। তাই দাগের উপর মধু লাগান। বিশেষ করে রাতে শোওয়ার আগে লাগিয়ে ঘুমাতে যান। সকালে স্বাভাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া অ্যাসপিরিন ট্যাবলেচের গুঁড়ো মিশিয়ে মধুর মধ্যে কয়েক ফোঁটা জল যোগ করুন।প্যাক তৈরি করে ত্বকে লাগান ও ১০-১৫ মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন। নিয়ম অনুসারে ধৈর্য ধরে এই ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করলেই পেয়ে যেতে পারেন নরম, দাগহীন পেলব ত্বক। যা সকলের নজর কাড়বেই।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
কলকাতা

Fire: কুণ্ডলী পাকিয়ে বেরোচ্ছে কালো ধোঁয়া, ফের বিধ্বংসী আগুন শহরে!

ফের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড তারাতলায়। একটি গুদামে এই আগুন লাগে শনিবার সকালে। প্রাথমিকভাবে দমকলের ২০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। গোটা এলাকা ঢেকে গিয়েছে কালো ধোঁয়ায়। দাহ্য বস্তুর মজুতের কারণে ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ছে আগুনের লেলিহান শিখা। ইতিমধ্যেই সাত থেকে আটটি গোডাউনে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। আরও পড়ুনঃ ৯/১১-র ভয়াবহ স্মৃতির ২০ বছরতারাতলায় এফসিআই -এর যে গোডাউনে আগুন লেগেছে, সেখানে বন্দরের বিভিন্ন সামগ্রী মজুত রয়েছে। কী ভাবে এই আগুন লাগল তা এখনই স্পষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। এলাকায় ঢোকার বিভিন্ন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যেহেতু এই গোডাউনে প্রচুর দাহ্য বস্তু মজুত, তাই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হচ্ছে দমকল কর্মীদের। যে এলাকায় এই আগুন লেগেছে, তার আশেপাশে কোনও বাড়ি নেই ঠিকই। তবে যেহেতু শতাধিক গোডাউন রয়েছে এই চত্বরে, স্বভাবতই বাড়ছে উদ্বেগ। দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু বলেন, আমাদের সিনিয়র অফিসাররা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। খবর সবই আসছে। আমরা আশা করছি সবরকম ব্যবস্থা নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনব। আমি যা জানতে পেরেছে ওখানে প্রায় ১০০টা গোডাউন রয়েছে, পাঁচটি গোডাউনে ছড়িয়েও গিয়েছে।তারাতলার ময়লা ডিপোতে পর পর ফুড কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া-এর বেশ কিছু গোডাউন রয়েছে। শনিবার সেখানেই আগুন লাগে। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে সাত থেকে আটটি গোডাউনে আগুন লেগে যায়। দাউ দাউ করে জ্বলতে শুরু করে সেটি। এই গোডাউনগুলির মধ্যে কোথাও কোথাও বৈদ্যুতিন সামগ্রীও মজুত রয়েছে। ফলে এই আগুন লাগার ফলে দাহ্য বস্তুগুলি জ্বলতে শুরু করে। ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নেয় এই আগুন।অগ্নিকাণ্ডের জেরে পাশ্ববর্তী তারাতলা রোডে যান চলাচল সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয়। গোটা এলাকা ঠেকে গিয়েছে কালো ধোঁয়ায়। দমকল সূত্রে খবর, গুদামে দাহ্য পদার্থ মজুত ছিল। ফলে আগুন দ্রুত ভয়াবহ আকার ধারণ করে। পাশাপাশি গুদামে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা আদৌ কাজ করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
টুকিটাকি

Neck Black spot: ঘাড়ে কালো দাগ? নির্মূল করবেন কী করে? রইল ঘরোয়া টিপস

নিজের সৌন্দর্য নিয়ে আপনি বরাবরই সচেতন ! কিন্তু হঠাৎ করেই লক্ষ্য করছেন ঘাড়ে খেয়াল করছেন অযাচিত কালো দাগ। জনসমক্ষে বেরোতে অস্বস্তি হচ্ছে তাই। পিঠ কাটা জামা পড়তে গেলে ভাবতে হচ্ছে দশ বার। কীভাবে মুক্তি পাবেন এই অযাচিত কালো দাগ থেকে? রইল কিছু ঘরোয়া উপায়।অ্যালোভেরা জেলযে কোনও ত্বক ঘটিত সমস্যা হলে অ্যালোভেরা জেল অব্যর্থ। অ্যালোভেরা জেল খুব সহজেই ত্বকের ডার্কনেস দূর করে। অ্যালোভেরা জেলে থাকা মিনারেল, ভিটামিন ত্বকের পিগমেন্টেশন দূর করতে সাহায্য করে। ঘাড়ের কালো দাগ দূর করতে সামান্য জেল নিন দিয়ে ঘাড়ে স্ক্রাব করুন দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন । আধ ঘণ্টা পরে ধুয়ে ফেলুন।অ্যাপেল সিডার ভিনিগারত্বকের পিএইচ ব্যালেন্স ঠিক রাখতে সাহায্য করে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার। ত্বক থেকে ডেড সেল সরাতেও সাহায্য করে এই অ্যাপেল সিডার ভিনিগার। একটি পাত্রে ২টেবিল চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার নিয়ে তাতে অল্প জল মিশিয়ে নিন। এবার তুলোতে ভিজিয়ে ঘাড়ের কালো অংশে লাগান আর কিছুক্ষণ রেখে দিন এবং জলে ধুয়ে নিন।দইত্বককে পরিষ্কার করতে আরও এক অব্যর্থ জিনিস হল দই। দই যেমন খেলেও উপকার। ত্বকের জন্যও সমান উপকারি। দুচামচ দই নিয়ে ঘাড়ে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। প্রায় পনেরো মিনিট রেখে দেওয়ার পর ধুয়ে ফেলুন তাহলেই দেখবেন চমক।আলুব্লিচের জন্য আলু খুবই ভাল। আলুটা ভাল করে গ্রেট করে নিন। তারপর আলু থেকে চেপে রস বের করুন। সেই রস ঘাড়ের কালো অংশে লাগান। পনেরো মিনিট রেখে ধুয়ে ফেললেই দেখতে পাবেন পার্থক্য।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

ম্যাচ খেলেই দেশ ছাড়ার নির্দেশ! ইরান ফুটবল দলকে ঘিরে আমেরিকার কড়া সিদ্ধান্তে শোরগোল

ফিফার কাছে আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পেল না ইরান ফুটবল দল। বিশ্বকাপ চলাকালীন আমেরিকার মাটিতে ইরানের উপর জারি থাকা বিশেষ বিধিনিষেধ বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। ফলে গ্রুপ পর্বের বাকি ম্যাচগুলির ক্ষেত্রেও একই নিয়ম মেনে চলতে হবে ইরানকে।জানা গিয়েছে, ম্যাচ খেলার জন্য নির্দিষ্ট সময়ের ভিসা দেওয়া হয়েছে ইরানের ফুটবলার ও কোচিং স্টাফদের। খেলা শেষ হওয়ার পর তাঁদের আমেরিকা ছেড়ে মেক্সিকোয় ফিরে যেতে হচ্ছে। প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ড্র করার পরও একই পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছিল দলটিকে।সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে ম্যাচকে ঘিরে। জানা যাচ্ছে, ম্যাচ শেষ হওয়ার মাত্র সাতাশ মিনিটের মধ্যেই ইরান দলকে আমেরিকা ছেড়ে মেক্সিকোর তিজুয়ানায় ফিরে যেতে হবে। এরপর পরবর্তী ম্যাচের আগে আবার আমেরিকায় প্রবেশ করবে তারা।এই পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে ইরান ফুটবল ফেডারেশন ফিফার কাছে নিয়ম কিছুটা শিথিল করার আবেদন জানিয়েছিল। তাদের দাবি ছিল, বারবার যাতায়াত খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি ও শারীরিক অবস্থার উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তবে সেই আবেদন কার্যত খারিজ করে দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।বিশ্বকাপ সংক্রান্ত মার্কিন টাস্ক ফোর্সের প্রধান অ্যান্ড্রু জিউলিয়ানি জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। আপাতত বর্তমান ব্যবস্থাই বহাল থাকবে। প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে।তিনি আরও বলেন, ইরান দলের সব খেলোয়াড় ও কোচ ভিসা পেয়েছেন। তবে কয়েকজনকে ভিসা দেওয়া হয়নি, কারণ তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিশ্বকাপে অংশ নিতে আসা সকলের নিরাপত্তা বজায় রাখা।বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এমন পরিস্থিতি ঘিরে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। খেলাধুলার পাশাপাশি কূটনৈতিক সম্পর্কও যে এই টুর্নামেন্টে বড় ভূমিকা পালন করছে, ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাই তার স্পষ্ট প্রমাণ।

জুন ২১, ২০২৬
কলকাতা

‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’-এর নায়ককে সম্মান, কলকাতায় রাস্তার নাম বদলে চমক

কলকাতার পার্ক সার্কাস এলাকার সুরাওয়ার্দি অ্যাভিনিউয়ের নাম বদলে গোপাল মুখোপাধ্যায় রোড করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন কলকাতা পৌরনিগমের কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে। সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সমাজমাধ্যমে তিনি কলকাতা পৌরনিগমকে ধন্যবাদ জানিয়ে লিখেছেন, প্রকৃত নায়কদের সম্মান জানানোর সময় এসেছে।গোপাল মুখোপাধ্যায়, যিনি গোপাল পাঁঠা নামে বেশি পরিচিত, কলকাতার বউবাজারের মলঙ্গা লেন এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তাঁদের পরিবারের একটি পাঁঠার মাংসের দোকান ছিল কলেজ স্ট্রিটে। পেশায় কসাই হওয়ায় তিনি গোপাল পাঁঠা নামেই পরিচিত হয়ে ওঠেন।১৯৪৬ সালের ১৬ অগস্ট ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে-র পর কলকাতায় ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়িয়ে পড়ে। ইতিহাসে যা গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং নামে পরিচিত। সেই সময় বহু মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। গোপাল পাঁঠাকে ঘিরে প্রচলিত বিভিন্ন বর্ণনায় দাবি করা হয়, তিনি নিজের দলবল নিয়ে আক্রান্ত হিন্দুদের রক্ষায় এগিয়ে এসেছিলেন। এই কারণেই অনেকের কাছে তিনি সাহস ও প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে ওঠেন।গত বছর গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং-এ নিহতদের স্মরণে আয়োজিত একটি পদযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই মিছিলে তাঁর হাতে ছিল গোপাল মুখোপাধ্যায়ের ছবি। পরে আলিপুরে গোপাল পাঁঠার একটি মূর্তিরও উন্মোচন করা হয়েছিল।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, গোপাল পাঁঠার নামে রাস্তার নামকরণ শুধুমাত্র প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, এর সঙ্গে ইতিহাস ও রাজনীতিরও একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগ রয়েছে। ফলে এই সিদ্ধান্ত আগামী দিনে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও বাড়াতে পারে।উল্লেখ্য, গোপাল পাঁঠার জীবন ও ১৯৪৬ সালের কলকাতার ঘটনাবলি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জনমানসে কৌতূহল রয়েছে। তাঁর ভূমিকা নিয়ে যেমন প্রশংসা রয়েছে, তেমনই রয়েছে নানা বিতর্কও। তবে নতুন করে রাস্তার নামকরণের সিদ্ধান্ত তাঁকে আবারও জনআলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এল।

জুন ২১, ২০২৬
দেশ

ডিসেম্বরেই বড় চমক! ইউরোপের বাজার খুলে যাচ্ছে ভারতের জন্য, সস্তা হবে কোন কোন জিনিস?

ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বহু প্রতীক্ষিত বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে বড় ঘোষণা করল কেন্দ্র। রবিবার মুম্বইয়ে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল জানান, আগামী ডিসেম্বর মাসেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে। এরপর আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি অথবা মার্চ মাস থেকে চুক্তিটি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।পীযূষ গোয়েলের দাবি, এই চুক্তি কার্যকর হলে ইউরোপের বিশাল বাজার ভারতের জন্য প্রায় শূন্য শুল্কে খুলে যাবে। এর ফলে ভারতীয় পণ্যের রফতানি আরও বাড়বে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল প্রায় দুই দশক আগে। দীর্ঘ আলোচনার পর চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দুই পক্ষের মধ্যে নীতিগত সমঝোতা হয়। যদিও এখনও পর্যন্ত চুক্তির সমস্ত শর্ত সরকারিভাবে প্রকাশ করা হয়নি।তবে বিভিন্ন সূত্রের দাবি, ইউরোপ থেকে আমদানি হওয়া উচ্চমূল্যের গাড়ির উপর শুল্ক কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে ভারত। সেই প্রস্তাব কার্যকর হলে বিএমডব্লিউ, মার্সিডিজ বেঞ্জের মতো বিলাসবহুল ইউরোপীয় গাড়ির দাম দেশের বাজারে কমতে পারে।শুধু গাড়িই নয়, এই চুক্তির ফলে বিদেশি মদের উপর আমদানি শুল্কও কমানো হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে দেশের বাজারে বিদেশি মদের দামও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই সম্ভাব্য বাণিজ্যচুক্তিকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখন ডিসেম্বরের আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের দিকেই নজর রয়েছে শিল্পমহল ও ব্যবসায়ী মহলের।

জুন ২১, ২০২৬
দেশ

মুহূর্তে মৃত্যুফাঁদে পরিণত কারখানা! বিষাক্ত গ্যাসে একের পর এক শ্রমিক লুটিয়ে পড়লেন

রবিবার তামিলনাড়ুর তিরুভাল্লুর জেলায় একটি সি-ফুড প্রক্রিয়াকরণ কারখানায় ভয়াবহ গ্যাস লিকের ঘটনায় অন্তত সাতজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অন্তত সাতান্ন জন শ্রমিক। তাঁদের মধ্যে সাতজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ভেন্টিলেটরে রাখা হয়েছে।জানা গিয়েছে, পেরিয়াপালম এলাকার একটি সি-ফুড প্রক্রিয়াকরণ কারখানায় আচমকাই অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক করতে শুরু করে। সেই সময় কারখানার ভিতরে কাজ করছিলেন বহু শ্রমিক। প্রথমে তাঁরা একটি তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধ অনুভব করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই একাধিক শ্রমিকের শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা এবং বমির মতো সমস্যা দেখা দেয়।ক্রমশ পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠলে কারখানার ভিতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অসুস্থ শ্রমিকদের দ্রুত উদ্ধার করে নিকটবর্তী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা আহত ও অসুস্থদের চিকিৎসা শুরু করেন।প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে, কারখানার একটি পরিমাপক ভাল্ভ থেকে অ্যামোনিয়া গ্যাস বেরিয়ে যাওয়ার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। তবে ঠিক কী কারণে গ্যাস লিক হল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনার খবর পেয়ে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আরলেকর গভীর শোক প্রকাশ করে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। পাশাপাশি হাসপাতালে ভর্তি শ্রমিকদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি।এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুন ২১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফেভারিটদের মধ্যে প্রথম বড় বার্তা! বিশ্বকাপে নকআউট নিশ্চিত জার্মানির

বিশ্বকাপে দুরন্ত ফর্ম ধরে রাখল জার্মানি। টানা দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করল চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। আইভরি কোস্টের বিরুদ্ধে কঠিন লড়াইয়ের পর ২-১ গোলে জয় তুলে নেয় জার্মানি।ম্যাচের শুরু থেকেই আইভরি কোস্ট জার্মানির উপর চাপ তৈরি করে। দ্রুত পাল্টা আক্রমণে বারবার সমস্যায় পড়তে হয় জার্মান রক্ষণকে। সেই চাপের ফলও পায় আফ্রিকার দেশটি। প্রথমার্ধের ৩০ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ফ্র্যাঙ্ক কেসি। পিছিয়ে পড়ে বিরতিতে যায় জার্মানি।দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে আক্রমণের গতি বাড়ায় জার্মান ফুটবলাররা। কোচের কৌশল বদলের পর ম্যাচের রংও বদলাতে শুরু করে। ৬০ মিনিটে মাঠে নামেন ডেনিস উভান্ডে। তাঁর নামার পরই জার্মান আক্রমণ আরও ধারালো হয়ে ওঠে।ম্যাচের ৬৮ মিনিটে সমতা ফেরান উভান্ডে। এরপর দুই দলই একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোল আসেনি। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ে আবারও গোল করে জার্মানিকে জয় এনে দেন উভান্ডে। ২-১ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করে জার্মানি।এর আগে প্রথম ম্যাচে প্রতিপক্ষকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল জার্মানরা। ফলে দুই ম্যাচে পূর্ণ ছয় পয়েন্ট নিয়ে তারা এখন গ্রুপের শীর্ষে। গত দুই বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল জার্মানিকে। তাই এবার এক ম্যাচ বাকি থাকতেই শেষ ষোলো নিশ্চিত হওয়ায় উচ্ছ্বাসে মেতেছে গোটা শিবির।অন্যদিকে এখনও নকআউট নিশ্চিত করতে পারেনি কয়েকটি শক্তিশালী দল। পর্তুগাল প্রথম ম্যাচে ড্র করায় চাপে রয়েছে। ব্রাজিল একটি জয় পেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। আর্জেন্টিনাও নকআউটের খুব কাছে। ইতিমধ্যেই শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে আয়োজক দেশ মেক্সিকো ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

জুন ২১, ২০২৬
রাজ্য

কোথায় সুমিত রায়? খোঁজ না মিলতেই সামনে এল নতুন বিস্ফোরক অভিযোগ

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহায়ক হিসেবে পরিচিত সুমিত রায়কে ঘিরে বিতর্ক আরও বাড়ল। তাঁর খোঁজ এখনও না মিললেও এবার তাঁর বিরুদ্ধে নতুন একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা থানায় নতুন মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।অভিযোগ, সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা নেওয়া হয়েছিল। অভিযোগকারী দাবি করেছেন, অন্য এক ব্যক্তির মাধ্যমে তিনি সেই টাকা সুমিত রায়ের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন। টাকা দেওয়ার পর কিছু নথিও পান তিনি। এমনকি তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষাও হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চাকরি না পাওয়ায় তিনি থানার দ্বারস্থ হন।পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর আগেও সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। ইতিমধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।প্রতারণা এবং জমি সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগেও তদন্ত চলছে। মেদিনীপুরের এক প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে সুমিত রায়ের নাম উঠে আসে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। এরপর তাঁর খোঁজে কালীঘাটের বাড়িতেও পৌঁছেছিল পুলিশ। কিন্তু সেখানে তাঁর সন্ধান মেলেনি।তদন্তের স্বার্থে তাঁর বিরুদ্ধে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এদিকে নতুন অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর গোটা বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এই প্রসঙ্গে বলেন, সুমিত রায় সম্পর্কে তিনি আগেও নিজের বক্তব্য জানিয়েছেন। আইন তার নিজস্ব পথে চলবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জুন ২১, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা থেকেই বদলে গেল ভারতের নৌ-শক্তির ছবি! একসঙ্গে জলে নামল তিন দেশীয় যুদ্ধজাহাজ

ভারতের নৌ-সামর্থ্যে যুক্ত হল আরও তিনটি দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি যুদ্ধজাহাজ। কলকাতার গার্ডেনরিচ এলাকার শ্যামাপ্রসাদ বন্দরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধজাহাজ তিনটি ভারতীয় নৌসেনার হাতে তুলে দেন। এই তিন জাহাজ হল আইএনএস দুনাগিরি, আইএনএস অগ্রয় এবং আইএনএস সংশোধক।অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলা এমন এক ভূমি, যা ভারতকে সমুদ্রপথে বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত করেছে। তাঁর মতে, দেশের পুনর্জাগরণ ও অগ্রগতিতে বাংলার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের দিন বাংলার মাটিতে এসে এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির অংশ হতে পেরে তিনি আনন্দ প্রকাশ করেন।মোদী বলেন, একটি শক্তিশালী দেশের জন্য শক্তিশালী নৌবাহিনী অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সমুদ্রের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাণিজ্য, নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন। বিশ্বের অধিকাংশ বাণিজ্য সমুদ্রপথে হয় এবং বিভিন্ন দেশের তথ্য আদান-প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ নেটওয়ার্কও সমুদ্রের নীচ দিয়েই বিস্তৃত।প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, যে দেশের সমুদ্র শক্তি যত বেশি উন্নত হবে, সেই দেশের অর্থনীতি ও কৌশলগত অবস্থানও তত বেশি শক্তিশালী হবে। ভারত সেই লক্ষ্যেই দ্রুত এগিয়ে চলেছে। তিনি বলেন, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই যুদ্ধজাহাজগুলি আত্মনির্ভর ভারতের বড় সাফল্যের প্রতীক।মোদীর দাবি, ভারত এখন শুধু উৎপাদনকারী দেশ নয়, ভবিষ্যতে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী দেশ হিসেবেও উঠে আসবে। তিনি জানান, জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে আরও শক্তিশালী করতে কেন্দ্র সরকার বিপুল আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা খাতেও গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা হয়েছে।তাঁর কথায়, আত্মনির্ভরতা থেকেই প্রকৃত শক্তির জন্ম হয়। আগামী দিনে ভারত সমুদ্র শক্তির ক্ষেত্রে আরও বড় উচ্চতায় পৌঁছবে বলেও তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন।

জুন ২১, ২০২৬
কলকাতা

বাজেটের আগেই বাংলার জন্য বিরাট ঘোষণা! ৬০ হাজার কোটি টাকা নিয়ে বড় বার্তা মোদীর

রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকার তাদের প্রথম বাজেট পেশ করার আগেই বাংলার জন্য বড় বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে রাজ্যের মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উদ্দেশে লেখা এক চিঠিতে বাংলার উন্নয়নের জন্য বিপুল অর্থ বরাদ্দের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।তারকেশ্বরে আয়োজিত পশ্চিমবঙ্গ দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই উপলক্ষে পাঠানো পাঁচ পাতার চিঠিতে তিনি বাংলার ইতিহাস, সংস্কৃতি, উন্নয়নের সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে রাজ্যের জন্য কত টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, সেই তথ্যও জানান।চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, কেন্দ্র সরকার রাজ্যের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা করবে। জল, পরিকাঠামো এবং দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও রেলের উন্নয়নের জন্য প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। আরও ৬০ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করে তুলতে হবে। এর জন্য বিনিয়োগ বাড়ানো, শিল্পোন্নয়ন ত্বরান্বিত করা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে সহযোগিতা করা এবং পণ্য পরিবহণ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার প্রয়োজন রয়েছে। একই সঙ্গে ব্যবসা ও শিল্পের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা দূর করে সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তোলার কথাও বলেন তিনি।চিঠিতে মোদী আশাবাদ প্রকাশ করে জানান, আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গ মৎস্যচাষ, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, বন্দরভিত্তিক শিল্প, বস্ত্রশিল্প, পর্যটন এবং ডিজিটাল অর্থনীতির অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। রাজ্যের ভৌগোলিক অবস্থানকে তিনি বাণিজ্য ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে বড় সম্পদ বলেও উল্লেখ করেন।প্রধানমন্ত্রীর দাবি, যেখানে বিজেপি সরকার রয়েছে, সেখানে কৃষকদের স্বার্থকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়। পশ্চিমবঙ্গও সেই পথেই এগোবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন। নতুন সরকার গঠনের পর কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ে উন্নয়নের গতি আরও বাড়বে বলেও তাঁর বিশ্বাস।

জুন ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal