• ১৬ কার্তিক ১৪৩৩, শুক্রবার ০৬ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sponsor

খেলার দুনিয়া

‌ইমামির সঙ্গে চুক্তিজটে ইস্টবেঙ্গলের হাতছাড়া আরও এক বিদেশি স্ট্রাইকার

ইমামির সঙ্গে এখনও চুক্তি না হওয়ায় ফুটবলারদের সি করাতে পারছে না ইস্টবেঙ্গল। প্রাথমিক কথাবার্তা হলেও এর ফলে একের পর এক ফুটবলার হাতছাড়া হয়ে চলেছে লালহলুদের। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে কথাবার্তা অনেকদূর এগিয়েও ভরসা করতে পারলেন না বিদেশি স্ট্রাইকার দেশর্ন ব্রাউন। এবার তিনিও হাতছাড়া। লালহলুদের অপেক্ষায় না থেকে নতুন ক্লাব বেছে নিলেন মেজর সকার লিগে খেলা জামাইকার এই স্ট্রাইকার।শনিবারই দেশর্ন ব্রাউন সই করেছেন মেজর সকার লিগের ক্লাব সাক্রামেন্টোতে। ইস্টবেঙ্গলের পাশাপাশি সাক্রামেন্টোও প্রস্তাব দিয়েছিল ব্রাউনকে। ইস্টবেঙ্গলের টালবাহনার জন্য তিনি মেজর সকার লিগের এই ক্লাবকেই বেছে নিলেন। লালহলুদে সই না করার পেছনে তিনি ক্লাবের চুক্তি জটের কথা জানিয়েছেন।দেশর্ন ব্রাউন ছাড়াও তরুণ গোলকিপার ভাস্কর রায়কেও পাচ্ছে না ইস্টবেঙ্গল। তাঁকেও প্রস্তাব দিয়েছিলেন লালহলুদ কর্তারা। কিন্তু ইমামির সঙ্গে চুক্তি জটের জন্য তিনি আর অপেক্ষা করতে পারলেন না। তাঁকে দলে নেওয়ার জন্য ঝঁাপয়েছিল মুম্বই সিটি এফ সি। দুবছরের চুক্তিতে তিনি মুম্বইতে সি করেছেন। গত মরশুমে আই লিগে রাজস্থান ইউনাইটেডের জার্সিতে দুর্দান্ত খেলেছিলেন। আই লিগের সেরা গোলকিপারের তকমা ছিনিয়ে নিয়েছিলেন। মুম্বই সিটি এফ সির চুক্তিপত্রে সই করার পর তিনি বলেন, মুম্বই সিটির হয়ে আইএসএলে খেলার সুযোগ পাওয়াটা আমার কাছে দারুণ ব্যাপার। এই সুযোগ কাজে লাগাতে আমি বদ্ধপরিকর।এদিকে, সামনের মরশুমের জন্য শক্তিশালী দল গড়ার পথে এগোচ্ছে বেঙ্গালুরু এফ সি। রয় কৃষ্ণাকে তুলে নেওয়ার পর এবার তারা সই করাল অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্ডার অ্যালেক্সজান্ডার জোভানোভিচকে। এশিয়ান কোটার বিদেশি হিসেবে তাঁকে দলে নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও চার ফুটবলারকে সই করাল বেঙ্গালুরু এফসি। এরা হলেন, সুধীর কোটিকালা, অঙ্কিত পদ্মনাভন, ক্লারেন্স এবং ফেলিক্সসন ফার্নান্ডেজ। সুধীরকে দুই বছরের চুক্তিতে এবং অঙ্কিতকে তিন বছরের চুক্তিতে সই করিয়েছে বেঙ্গালুরু এফসি।

জুলাই ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লালহলুদ সমর্থকদের জন্য সুখবর, সোমবারই দলগঠন নিয়ে বৈঠক

দুদফায় ইস্টবেঙ্গল কর্তাদেরল কাছে চুক্তিপত্র পাঠিয়েছিল ইমামি। সেই চুক্তিপত্র আইনজীবীদের দেখিয়ে আবার ইমামি কর্তাদের কাছে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছিলেন লালহলুদ কর্তারা। কয়েকদিনের মধ্যেই চুক্তিপত্রে সই হয়ে যাবে। চুক্তিপত্রে সই না হলেও দলগঠন প্রক্রিয়া বন্ধ রাখতে চাইছে না দুই পক্ষের কর্তারা। কারণ দেরি করলে আর ফুটবলার পাওয়া যাবে না। তাই চুক্তিপত্রে সই হওয়ার আগেই দল গঠন শুরু করতে চাইছেন কর্তারা। এই নিয়ে সোমবার বৈঠকে বসছেন দুই পক্ষের কর্তারা।রবিবার ইমামি ও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের মধ্যে সামনের মরশুমের দল গঠন নিয়ে আলোচনা হয়। সেই বৈঠকে ঠিক হয়েছে সোমবার আবার সামনাসামনি আলোচনায় বসা হবে। সেই বৈঠকে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা লগ্নিকারী সংস্থা ইমামির কর্তাদের হাতে ফুটবলারদের তালিকা তুলে দেবেন। সেই তালিকা অনুযায়ী দলগঠন শুরু হবে। আপাতত কলকাতা লিগ ও ডুরান্ড কাপের জন্য দল গঠন করা হবে। পরে আইএসএলের জন্য নতুন ফুটবলার নেওয়া হবে। কলকাতা লিগ ও ডুরান্ড কাপে নজরকাড়া ফুটবলারদেরও আইএসএলের জন্য দলে রাখা হবে। ১৬ আগস্ট ডুরান্ডে এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ। হাতে একমাসেরও কম সময়। তাই দুই পক্ষের কর্তারা চাইছেন দ্রুত দল গড়ে অনুশীলনে নামতে।চুক্তি নিয়ে দুই পক্ষের আর টালবাহনা নেই। ইমামির কর্তাদের সঙ্গে লালহলুদ কর্তাদের যে আলোচনা হয়েছিল, তার ভিত্তিতেই চুক্তিপত্রের খসড়া তৈরি করা হয়েছিল। সেটা ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে পাঠানো হয়েছিল। সেই চুক্তিপত্রে অবশ্য কোনও বদলের দাবি করেননি লালহলুদ কর্তারা। ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের দাবি, আর কোনও জটিলতা তৈরি হবে না। এই সপ্তাহেই চুক্তিপত্রে সই হয়ে যাবে।

জুলাই ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

চুক্তিপত্রে সই না হওয়া পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ করবে না ইমামি

শ্রী সিমেন্টের পর এবার ইমামি। লগ্নিকারী সংস্থার সঙ্গে চুক্তি নিয়ে জট কিছুতেই কাটছে না। প্রাথমিক কথা হওয়ার প্রায় মাসখানেক পর ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে পৌঁছেছে ইমামির চুক্তির খসড়া। চুক্তিপত্র দেখে সই করতে বেঁকে বসেছেন লালহলুদ কর্তারা। এবার শুরু হয়েছে শেয়ার নিয়ে দর কষাকষি।ইমামি যে চুক্তিপত্র পাঠিয়েছে তাতে ৮০ শতাংশ শেয়ার চেয়েছে তারা। লালহলুদ কর্তারা এই পরিমান শেয়ার ছাড়তে রাজি নন। তাঁরা ইমামির সঙ্গে শেয়ার নিয়ে দর কষাকষির খেলায় নেমেছে। সূত্রের খবর, ইস্টবেঙ্গল কর্তারা ৫০ শতাংশ শেয়ার নিজেদের কাছে রাখতে চান। পাশাপাশি তাঁদের দাবি, ক্লাবের ৪ জন কর্তাকে বোর্ড অফ ডিরেক্টরে রাখতে হবে। লালহলুদ কর্তাদের দ্বিতীয় দাবিটা মেনে নিতে রাজি ইমামি। কিন্তু শেয়ারের ব্যাপারে তারা অনড়। ১০ জন সদস্যকে নিয়ে বোর্ড অফ ডিরেক্টর গঠন করা হবে। ১০ জন সদস্যের মধ্যে ৬ জন থাকবে ইমামির ও ৪ জন ইস্টবেঙ্গলের। চুক্তির খসড়া লালহলুদ তাঁবুতে পৌঁছনোর পর ইস্টবেঙ্গল সচিব কল্যান মজুমদার ইমামিকে একটা চিঠি লিখেছেন। সেই চিঠিতে তিনি আবেদন জানিয়েছেন, দল গঠন প্রক্রিয়া দ্রুত সেরে ফেলার জন্য। প্রাকারান্তে তিনি চুক্তি নিয়ে ইমামির ওপর চাপ তৈরি করতে চাইছেন। চিঠিতে লালহলুদ সচিব লিখেছেন, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর সামনে একসঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছিলাম। দল গঠনের প্রক্রিয়া যদি গতি না পায় তাহলে গত দুই তিন বছরের মতো আবার আমাদের লক্ষ্য অপূর্ণ থাকবে এবং ফুটবলপ্রেমীদের হতাশা ছাড়া আর কিছুই দেওয়া যাবে না। তাই চুক্তির প্রক্রিয়া সমান্তরালে চলুক যাতে দল গঠনের প্রক্রিয়া তাড়াতাড়ি শেষ করা যায়।সূত্রের খবর, এই সপ্তাহে চুক্তিপত্রে সই হওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই। সামনের মাসের প্রথম সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে দেখা করে আলোচনা করার পরই চুক্তিতেই সই করতে চান ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। এদিকে, ইমামি কর্তারা জানিয়ে দিয়েছেন, চুক্তিপত্রে সই না হওয়া পর্যন্ত তারা বিনিয়োগ করতে রাজি নয়।

জুন ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ক্ষিপ্ত প্রাক্তন ফুটবলাররা, কড়া চিঠি ইস্টবেঙ্গলকে

ইমামির সঙ্গে চুক্তি জটে এখনও আটকে রয়েছে ইস্টবেঙ্গলের দলগঠন প্রক্রিয়া। গত বছরের মতো পরিস্থিতিতে পড়তে হবে না তো? আশঙ্কার প্রাক্তন ফুটবলাররা। ক্লাবকে যাতে কলঙ্কের মুখে পড়তে না হয়, সেজন্য আসরে নামলেন তাঁরা। কড়া চিঠি পাঠালেন ইস্টবেঙ্গল সচিব কল্যান মজুমদারকে।নতুন লগ্নিকারী সংস্থার সঙ্গে প্রাথমিক কথা হওয়ার পর প্রায় একমাস কেটে গেছে। দলগঠন প্রক্রিয়া এখনও সেভাবে এগোয়নি। যার জন্য বিরক্ত হয়ে পড়েছেন প্রাক্তন ফুটবলারদের কমিটি। সোমবার প্রাক্তন ফুটবলারদের পক্ষ থেকে প্রশান্ত ব্যানার্জি, বিকাশ পাঁজি, মিহির বসু, কৃষ্ণেন্দু রায় এবং সুমিত মুখার্জি ক্লাবকে একটি চিঠি পাঠিয়ে তাঁদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন।ইস্টবেঙ্গল সচিবকে দেওয়া চিঠিকে প্রাক্তন ফুটবলাররা লিখেছেন, ইস্টবেঙ্গলের অগুণিত সমর্থকদের মতো আমরাও চিন্তিত ক্লাবের ভবিষ্যত নিয়ে। ইমামির সঙ্গে প্রাথমিক কথা হওয়ার পর ২৪-২৫ দিন পার হয়ে গেছে। এখনও চুক্তিপত্রে সই হয়নি। নতুন ফুটনলারের সঙ্গেও চুক্তি হয়নি। এই অবস্থায় আমরা চাই ক্লাব এবং ইনভেস্টারের যৌথ উদ্যোগে এ বছর ইস্টবেঙ্গল তার পুরনো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনুক। ক্লাবের সাবেক কর্তাদের প্রাক্তন ফুটবলাররা এ-ও বুঝিয়ে দিয়েছে কোনও ভাবেই হাতের সামনে পাওয়া ফুটবলার সই করিয়ে কোনও মতে আইএসএল-এ নামা চলবে না। তাতে ক্লাবের ঐতিহ্য ক্ষুন্ন হবে। তাঁরা বলেছেন, আপনারা তখনই টিম নামান যখন আইএসএলের উপযুক্ত টিম করতে পারবেন। আর যদি না পারেন তবে লোক দেখানো টিম নামিয়ে ক্লাবের ইতিহাসকে কালিমালিপ্ত করবেন না। তা হলে কলকাতা লিগ, ডুরান্ড কাপ, আইএফএ শিল্ড খেলুন কিন্তু এ ভাবে আইএসএলে খেলবেন না। আইএসএলে খেলতে হলে আইএসএলের মতো করেই খেলুন। নতুন মরসুমের দল গঠনের ক্ষেত্রে ক্লাবের অনুরোধে আই লিগ এবং সন্তোষ ট্রফি দেখে বেশ কিছু প্রতিভাবান ফুটবলারের একটি তালিকা ক্লাবের হাতে তুলে দিয়েছিল এই প্রাক্তন ফুটবলারদের কমিটি। এ দিন সেই ব্যপারে কত দূর ক্লাব এগিয়েছে সেই বিষয়েও জানতে চেয়েছেন এই কিংবদন্তি প্রাক্তনীরা।

জুন ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দল গঠনের দায়িত্ব ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের হাতে কেন ছেড়ে দিল ইমামি?

দল বদলের বাজারে ইস্টবেঙ্গল যাতে পিছিয়ে না পড়ে তার জন্য ক্লাব কর্তাদের দল গঠনের ব্যাপারে পুরো স্বাধীনতা দিল ইমামি। বুধবার ইমামির কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন ইস্টবেঙ্গলের কর্তারা। বৃহস্পতিবার আবার এক দফা আলোচনা হয় দুই পক্ষের মধ্যে। সেই বৈঠকেই দল গঠনের দায়িত্ব ক্লাব কর্তাদের হাতে ছেড়ে দিয়েছে ইমামি।এদিনের বৈঠকে লালহলুদ কর্তারা কোন কোন ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি করেছেন তা বিস্তারিত ভাবে জানিয়েছেন ইমামির কর্তাদের। আগামী মরশুমের দল গঠনের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। ইমামির সঙ্গে এখনও চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। তাই কোনও টেকনিক্যাল টিমও গঠন করা যায়নি। তাই দুই পক্ষের কর্তারা আলোচনা করেই আপাতত দল গঠনের কাজে এগোবেন। নতুন কোম্পানিতে কত শতাংশ শেয়ার কাদের কাছে থাকবে, তা নিয়ে বিস্তারিত কোনও আলোচনায় হয়নি। তবে শোনা যাচ্ছে পুরো স্পোর্টিং রাইটসের পরিবর্তে শুধু ফুটবল রাইটস ইমামির হাতে তুলে দিতে পারে ইস্টবেঙ্গল। সামনের সপ্তাহে কার্যকরী কমিটির বৈঠকে বসবেন লাল হলুদ কর্তারা। সেই বৈঠকে শেয়ারের ব্যাপারে আলোচনা হবে। তারপর ইমামি কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে ইস্টবেঙ্গল। লালহলুদ কর্তারা চাইছেন চুক্তির বিষয় চূড়ান্ত করে নতুন কোম্পানি তৈরি করতে। মনতোষ হাতছাড়া হলেও ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের জন্য খুশির খবর। লাল হলুদের সঙ্গে অনেক দূর কথা এগিয়েছে অনূর্ধ্ব-১৭ ফিফা বিশ্বকাপে ভারতের জার্সিতে খেলা জিতেন্দ্র সিং-এর। গত আইএসএলে জামশেদপুরের হয়ে লিগ শিল্ড জয়ী জিতেন্দ্র সিং-এর কাছে ইস্টবেঙ্গল ছাড়াও অফার রয়েছে অন্যান্য ক্লাবের। একাধিক আইএসএল-এর ক্লাব তাঁকে পেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। পুরোটাই এজেন্টের সঙ্গে খাতিয়ে দেখছেন জিতু। ইস্টবেঙ্গল মনমতো প্রস্তাব দিলে বেশি ক্লাবের চুক্তি পত্রে সই করতে বেশি সময় নেবেন না তিনি। এদিকে, আশুতোষ মেহতাকে কলকাতা লিগের জন্য অধিনায়ক ঘোষণা করতে পারে এটিকে মোহনবাগান। সহ অধিনায়ক বাছা হতে পারে অভিজ্ঞ কোনও বাঙালি ফুটবলারকে।

জুন ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের চুক্তি বিশ বাঁও জলে

শ্রী সিমেন্ট সরে যাওয়ার পর আইএসএলে খেলার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই লগ্নিকারী সংস্থার খোঁজে ছিল ইস্টবেঙ্গল। বেশ কয়েকটা সংস্থার সঙ্গে কথা বললেও কেউ এগিয়ে আসেনি। অবশেষে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির উদ্যোগে ইমামি গ্রুপ স্পনসর করতে রাজি হয়েছে। তার আগে সৌরভ গাঙ্গুলি কথা বলেছিলেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে। কিন্তু লালহলুদের সঙ্গে জোট বাঁধার কোনও ইচ্ছেই নাকি নেই ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের।বেশ কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে পারে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড। কয়েকদিন আগে সৌরভ গাঙ্গুলি নিজের মুখেই জানিয়েছিলেন, ম্যান ইউয়ের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে। দিন দশবারোর মধ্যে ছবিটা পরিস্কার হয়ে যাবে। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের গাঁটছড়া বাঁধার পুরো বিষয়টা সৌরভই দেখছিলেন। তিনিই ছিলেন মধ্যস্থতাকারীর দায়িত্বে।সৌরভ গাঙ্গুলি চুক্তির ব্যাপারে বলেছিলেন, ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। আরও বেশ কয়েকটা স্পনসরের সঙ্গেও কথা হয়েছে। ১০১২ দিনের মধ্যেই বিষয়টা চূড়ান্ত হয়ে যাবে। আগে বিষয়টা চূড়ান্ত হোক, তারপর পরিস্কারভাবে জানাতে পারব। আর ম্যাঞ্চেস্টার যদি আসে, তাহলে মালিক হিসেবেই আসবে, স্পনসর হিসেবে নয়।আরও পড়ুনঃ কীর্তি-র কীর্তি তে বন্যাবিধ্বস্ত দুর্গতদের মুখেও হাসি, এ এক অন্য আমলার কাহিনিযদিও ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে চুক্তির ব্যাপারে এখনও কোনও কিছু এগোয়নি। ইংল্যান্ডের বিখ্যাত সংবাদপত্র দ্য সানএ ইস্টবেঙ্গল ও ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের চুক্তি নিয়ে একটা প্রতিবেদন বেরিয়েছিল। এই বিষয়ের সত্যতা জানার জন্য ম্যান ইউকে একটি মেল পাঠানো হয়েছিল নিউজ নাইন সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে। নিউজ নাইনকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই খবরের কোনও ভিত্তি নেই। আইএসএলের কোনও ক্লাবের জন্য বিড করার পরিকল্পনা এই মুহূর্তে নেই। বর্তমান যা পরিস্থিতি, অদূর ভবিষ্যতেও ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার কোনও সম্ভাবনা নেই ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের।মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে বিনিয়োগকারী সমস্যা কাটিয়ে উঠেছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। ইনভেস্টার পাওয়ার আগে থেকেই দল গোছানোর কাজ শুরু করেছিল লালহলুদ। ইমামি নয়া বিনিয়োগকারী হিসেবে ঘোষণা হওয়ার পর সেই কাজে আরও গতি এসেছে। নতুন উদ্যোমে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন লালহলুদ কর্তারা।

মে ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লালহলুদের আবার মুশকিল আসান মুখ্যমন্ত্রী, মমতা ব্যানার্জির উদ্যোগেই ইস্টবেঙ্গলে ইমামি

আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের খেলা নিয়ে যখন ঘোর অনিশ্চয়তা চলছিল, এগিয়ে এসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। শ্রী সিমেন্টকে ইনভেস্টর হিসেবে এনে দিয়েছিলেন। শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর আবার লালহলুদের মুশকিল আসান হয়ে দাঁড়ালেন সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীই। তাঁর উদ্যোগেই লগ্নিকারী সংস্থা হিসেবে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে যুক্ত হল ইমামি গ্রুপ। আজ নবান্নে মমতা ব্যানার্জি সাংবাদিক সম্মেলনে ঘোষণা করেন, ইমামি গ্রুপের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেই ইস্টবেঙ্গল এবার আইএসএলে খেলবে। এদিন ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের পাশাপাশি নবান্নে হাজির ছিলেন ইমামির প্রতিনিধিরাও।বেশ কয়েকমাস ধরেই বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের গাটঁছাড়া বাঁধার জল্পনা চলছিল। কিন্তু চূড়ান্ত কিছু হচ্ছিল না। শোনা যাচ্ছিল বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপ লালহলুদে লগ্নি করতে পারে। তাঁদের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বেশ কয়েক দফা কথা হয় লালহলুদ কর্তাদের। ইস্টবেঙ্গলের প্রতিনিধিরাও বাংলাদেশে গিয়েছিলেন। কথাবার্তা অনেকদূর এগিয়ে গিয়ে পুরো বিষয়টা জটে আটকে যায়। এরপর শোনা যাচ্ছিল ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার কথা। তার আগেই ইমামি গ্রুপের সঙ্গে চূক্তি চূড়ান্ত হল। বুধবার নবান্নে ইস্টবেঙ্গল এবং ইমামি গ্রুপের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তিনি ইমামি গ্রুপকে ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ করার প্রস্তাব দেন। মুখ্যমন্ত্রীর কথাতেই ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ করতে রাজি হয়ে যায় ইমামি গ্রুপ। বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেন, আজ দুই পক্ষের কর্তারা আমার এখানে চা খেতে এসেছিল। সেখানেই বিনিয়োগের ব্যাপারে দুই পক্ষের কর্তাদের সঙ্গে কথা হয়। দুপক্ষই রাজি হয়েছে। ইমামি বিনিয়োগ করায় ইস্টবেঙ্গলের আইএসএলে খেলার যে সমস্যা হচ্ছিল, সেই সমস্যা মিটে যাবে। ইমামি গ্রুপকে ক্লাবে স্বাগত জানিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকার। আবার ক্লাবের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। দেবব্রত সরকার বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করব না। শুধু ইনভেস্টর এনে দেওয়ায়ই নয়, যেভাবে ক্লাবের সব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তিনি যুক্ত থাকেন, সেটা বাংলার আর কোনও মুখমন্ত্রী আগে ভাবেননি। আমি ইমামি গ্রুপকেও ধন্যবাদ জানাব। আশা করব আগামী দিনে আমাদের ক্লাব ইমামির সাহায্যে সাফল্য পাবে। শোনা যাচ্ছে শুধু আইএসএলের জন্যই ইমামি ইস্টবেঙ্গলকে স্পনসর করবে। অন্য স্পনসরের অধীনে কলকাতা লিগ আর আইএফএ শিল্ড খেলবে ইস্টবেঙ্গল।

মে ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শ্রী-হীন ইস্টবেঙ্গল, স্পোর্টিং রাইটস ফিরে পেল

অবশেষে শ্রী সিমেন্টের কাছ থেকে স্পোর্টিং রাইটস ফিরে পেল ইস্টবেঙ্গল। মঙ্গলবারই সরকারিভাবে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের হাতে ফিরিয়ে দিলেন শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। একই সঙ্গে চূড়ান্ত বিচ্ছেদ হয়ে গেল দুই পক্ষের মধ্যে। যদিও লালহলুদের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি। বুধবার বিকেলে সাংবাদিক সম্মেলন করে সরকারিভাবে ক্লাবের পক্ষ থেকে এই ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হবে। কোয়েস সরে যাওয়ার পর ২ বছর আগে ইস্টবেঙ্গলের লগ্নিকারী সংস্থা হয়ে এসেছিল শ্রী সিমেন্ট। তাদের হাতে ফুটবল দলে সত্ব ছেড়ে দেন। এই নিয়ে একটা খসড়া চুক্তি হয়েছিল দুই পক্ষের মধ্যে। কিন্তু চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। এরপর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। শ্রী সিমেন্ট ক্লাবের নানা বিষয়ে শর্ত আরোপ করেছিল। এর মধ্যে ক্লাব তাঁবুতে সদস্যসমর্থকদের প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞাও ছিল। চুক্তিকে এমন কয়েকটা শর্ত ছিল, যাতে ক্লাবের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ক্ষমতা খর্ব করা হয়। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিবাদ শুরু হয়। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে রাজি হননি।এই অবস্থায় গত মরশুমের শুরুতে শ্রী সিমেন্টের কর্তারা জানিয়ে দেন, চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা দল গঠন করবেন না। অনেক টালবাহনার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে শেষ মুহূর্তে দল গঠন করতে রাজি হয়। শেষ মুহূর্তে দল গঠন করে আইএসএলে খেলতে নামে। পরে জানিয়ে দেয়, এই মরশুমে তারা আর ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে নতুন করে লগ্নি করবে না। এবং স্পোর্টিং রাইটসও ফিরিয়ে দেবে। সেইমতো মঙ্গলবার চূড়ান্ত বিচ্ছেদ হয়ে গেল। শ্রী সিমেন্ট যে আর থাকবে না, লালহলুদ কর্তারাও জানতেন। তাই তাঁরা নতুন লগ্নিকারী সংস্থার খোঁজে নেমেছেন। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপের সঙ্গে অনেকদূর কথাবার্তা এগিয়েছে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের। লালহলুদের শীর্ষ কর্তারাও দুদুবার বাংলাদেশ ঘুরে এসেছেন। এই মাসে আরও একবার যাওয়ার কথা। শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়ে যাওয়ায় এখন আর নতুন লগ্নিকারী সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করতে সমস্যা নেই। হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন লালহলুদ সদস্যসমর্থকরা।

এপ্রিল ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌বসুন্ধরা গ্রুপের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্তের পথে?‌ ইস্টবেঙ্গলে আশার আলো

সামনের মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের স্পনসর হিসেবে কি দেখা যাবে বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপকে? সে রকমই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। মাস খানেক আগে লালহলুদ কর্তাদের আমন্ত্রণে ভারতে এসেছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের শীর্ষ কর্তা। বসুন্ধরা গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সায়েম শওভন আনভিকে কলকাতায় ডেকে এনে ক্লাব তাঁবুতে জমকালো সংবর্ধনা দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। ক্লাবের আজীবন সদস্যপদও তুলে দেওয়া হয়। তখন থেকেই একটা বিষয় পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল যে, বসুন্ধরা গ্রুপকে স্পনসর হিসেবে পেতে চান তাঁরা। কলকাতাতেই স্পনসরশিপের ব্যাপারে প্রাথমিক কথাবার্তা হয়েছিল দুই পক্ষের। দ্রুত চুক্তি সারতে আগ্রহী ছিল দুপক্ষই। তাই লালহলুদ কর্তাদের ঢাকায় আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র লিমিটেডের কর্তারা। সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে লালহলুদের দুই শীর্ষ কর্তা বাংলাদেশ যান। বসুন্ধরা গ্রুপে সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষ কর্তা দেবব্রত সরকার ও রূপক সাহা। আলোচনা অনেকটাই এগিয়েছিল। কলকাতায় ফিরে এসে চুক্তির পথ মসৃণ করতে আইনি প্রক্রিয়াও শুরু করেছিলেন লালহলুদ কর্তারা। এরপর আবার জরুরি ভিত্তিতে লালহলুদ কর্তাদের আলোচনার আমন্ত্রণ জানান বসুন্ধরা গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সায়েম শওভন আনভি। বৃহস্পতিবারই আইনজীবী নিয়ে বাংলাদেশ পৌঁছে গেছেন এক শীর্ষ কর্তা। বসুন্ধরা গ্রুপের কর্তাদের সঙ্গে লালহলুদের সেই শীর্ষ কর্তার একপ্রস্থ বৈঠক হয়েছে। শুক্রবার আবার আলোচনায় বসবেন বসুন্ধরা গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সায়েম শওভন আনভির সঙ্গে। চুক্তির জন্য বাংলাদেশের যে যে আইনি প্রক্রিয়া সারতে হবে, সেই বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। কোন পদ্ধতিতে বসুন্ধরা গ্রুপ লালহলুদে অর্থ লগ্নি করবে, তা চূড়ান্ত হবে।হঠাৎ কেন ইস্টবেঙ্গলের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠল বসুন্ধরা গ্রুপ? ইস্টবেঙ্গলের বর্তমান স্পনসর শ্রী সিমেন্ট সামনের মরশুমে যে আর থাকবে না, এটা দিনের আলোর মতো পরিস্কার। এই অবস্থায় নতুন লগ্নিকারী সংস্থার খোঁজে ছিলেন লালহলুদ কর্তারা। তাঁরা যোগাযোগ করেন বসুন্ধরা গ্রুপের কর্তাদের সঙ্গে। বসুন্ধরাও এমন একটা ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায়, যাদের এশিয়ান লেভেলে পরিচিতি আছে। বসুন্ধরা গ্রুপ চায় ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিজেদের পরিচিতি আরও বাড়াতে। বাংলাদেশে তিনটি বড় ক্লাবকে স্পনসর করছে বসুন্ধরা গ্রুপ। এবার বিদেশের মাটিতে পা রাখতে চায়।

মার্চ ৩১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌আশার আলো লালহলুদে, নতুন স্পনসরের সঙ্গে চলতি সপ্তাহেই চুক্তি হতে চলেছে

এসসি ইস্টবেঙ্গলকে এই রকম করুণ অবস্থায় কি পড়তে হয়েছে? ১৯২৮ সালে একবার চরম লজ্জার মুখে পড়তে হয়েছিল লালহলুদকে। সেবছর কলকাতা ফুটবল লিগে প্রথম ডিভিশন থেকে দ্বিতীয় ডিভিশনে নেমে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। আইএসএলে অবনমন থাকলে আবার সেই রকম চরম লজ্জার মুখে পড়তে হত। এ যাত্রায় বেঁচে গেছে লালহলুদ। তবে লাস্ট বয় হওয়ার লজ্জাও কোনও অংশে কম নয়। লিগের শেষ ম্যাচে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে জিতলেও দশম স্থানে পৌঁছতে পারবে না। কারণ পয়েন্টের বিচারে নর্থইস্ট ইউনাইটেডের সঙ্গে একই বিন্দুতে অবস্থান করলেও প্রথম সাক্ষাৎকারে নর্থইস্টের কাছে পরাজয় এসসি ইস্টবেঙ্গলকে পিছিয়ে দিয়েছে। এরই মাঝে সুখবর লালহলুদ সমর্থকদের কাছে। সামনের মরশুমের জন্য স্পনসর পেতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল। বাংলাদেশের বসুন্ধরাকে সামনের মরশুমের জন্য স্পনসর হিসেবে হয়তো দেখা যাবে। কয়েকদিন আগেই বসুন্ধরা গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সায়েম শওভন আনভিকে কলকাতায় ডেকে এনে ক্লাব তাঁবুতে জমকালো সংবর্ধনা দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। ক্লাবের আজীবন সদস্যপদও তুলে দেওয়া হয়েছে। তখন থেকেই একটা বিষয় পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল যে, বসুন্ধরা গ্রুপকে স্পনসর হিসেবে পেতে চান তাঁরা। কলকাতাতেই স্পনসরশিপের ব্যাপারে প্রাথমিক কথাবার্তা হয়েছে দুই পক্ষের। দ্রুত চুক্তি সারতে আগ্রহী দুপক্ষই। তাই লালহলুদ কর্তাদের ঢাকায় আমন্ত্রণ জানিয়েছেন শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র লিমিটেডের কর্তারা। লালহলুদ কর্তারা এবার বাংলাদেশ যাচ্ছেন। হঠাৎ কেন ইস্টবেঙ্গলের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠল বসুন্ধরা গ্রুপ? ইস্টবেঙ্গলের বর্তমান স্পনসর শ্রী সিমেন্ট সামনের মরশুমে যে আর থাকবে না, এটা দিনের আলোর মতো পরিস্কার। এই অবস্থায় নতুন লগ্নিকারী সংস্থার খোঁজে ছিলেন লালহলুদ কর্তারা। তাঁরা যোগাযোগ করেন বসুন্ধরা গ্রুপের কর্তাদের সঙ্গে। বসুন্ধরাও এমন একটা ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায়, যাদের এশিয়ান লেভেলে পরিচিতি আছে। বসুন্ধরা গ্রুপ চায় ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিজেদের পরিচিতি আরও বাড়াতে। বাংলাদেশে তিনটি বড় ক্লাবকে স্পনসর করছে বসুন্ধরা গ্রুপ। এবার বিদেশের মাটিতে পা রাখতে চায়। বিনিয়োগের ব্যাপারে বসুন্ধরা গ্রুপের ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের একাধিকবার কথা হয়েছে। এখন শুধু সংযুক্ত হওয়ার পালা। চলতি সপ্তাহেই ইস্টবেঙ্গলের এক শীর্ষ কর্তা আইনজীবী নিয়ে বাংলাদেশ যাবেন।

মার্চ ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

IPL : ‌চীনা নয়, আইপিএলের স্পনসর এবার ভারতীয় গোষ্ঠী

ভারতচীন রাজনৈতিক টানাপোড়েনে একসময় ভারতীয় ক্রিকেট থেকে ব্রাত্য হয়েছিল ভিভো। পরে আবার ফিরে আসে আইপিএলের টাইটেল স্পনসর হিসেবে। এবার থেকে আর আইপিএলে দেখা যাবে না ভিভোকে। তার জায়গায় আইপিএলের নতুন টাইটেল স্পনসর টাটা। টাটা গোষ্ঠীর সঙ্গে চুক্তির কথা জানিয়েছেন আইপিএলের চেয়ারম্যান ব্রিজেশ প্যাটেল।আরও পড়ুনঃ হাইকোর্টের নির্দেশে শুভেন্দুকে ছাড়াই গঙ্গাসাগরের নতুন কমিটি২০১৫ সালে আইপিএলের স্পনসর হিসেবে যুক্ত হয়েছিল ভিভো। প্রাথমিকভাবে ২ বছরের চুক্তি ছিল। পরে চুক্তি বাড়ানো হয়। ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত চুক্তি ছিল। স্পনসরশিপের জন্য ভিভো ভারতীয় বোর্ডকে দেয় ২২০০ কোটি টাকা। ২০২০ সালে ভারতচীন সীমান্তে গালওয়ান উপত্যকায় দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে বিবাদের জন্য গোটা ভারত উত্তাল হয়ে ওঠে। চীনের পন্য বর্জনের জন্য চারিদিকে রব ওঠে। সেই সময় রাজনৈতিক চাপে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ভিভোর সঙ্গে সাময়িকভাবে চুক্তি ছিন্ন করে। সেই সময় ভিভোর পরিবর্তে ড্রিম ইলেভেন আইপিএলের মূল স্পনসর হিসেবে দায়িত্ব নেয়। ২০২১ সালে আবার আইপিএলে ফিরে আসে চীনা মোবাইল প্রস্তুতকারী সংস্থা। ২০২২ আইপিএল পর্যন্ত তাদের সঙ্গে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের চুক্তি ছিল। মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই সরে দাঁড়াল ভিভো।আরও পড়ুনঃ করোনা আক্রান্ত লতা মঙ্গেশকর, ভর্তি আইসিইউ-তেভিভো সরে গেলেও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে না। ভিভোর কাছ থেকে ২০২২ আইপিএলের জন্য বোর্ডের পাওনা ৪৪০ কোটি টাকা। নতুন স্পনসর টাটার কাছ থেকে এই অর্থ পাওয়া যাবে। আপাতত টাটা গোষ্ঠীর সঙ্গে ২ বছরের চুক্তি হচ্ছে। অর্থাৎ ২০২২ ও ২০২৩ দুটি মরশুমে আইপিএলের টাইটেল স্পনসর হিসেবে থাকবে। ২০২৪ মরশুম থেকে পরবর্তী বছরের জন্য নতুন স্পনসরের জন্য আবার নতুন করে টেন্ডার ডাকবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের এক কর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, চীনের জিনিসের প্রতি মানুষের মনে খারাপ ধারণা তৈরি হয়েছে। ভিভোর উপস্থিতিও লিগের পক্ষে ভাল ছিল না। ওদের সরে যাওয়া ছাড়া রাস্তা ছিল না।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

East Bengal : অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ইস্টবেঙ্গল, চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করবেন না কর্তারা

সপ্তাহ দুয়েক আগে দুই পক্ষের কথাবার্তাতে জট কাটার ইঙ্গিত ছিল। কিন্তু চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে সংঘাত আরও চরমে পৌঁছল ইস্টবেঙ্গল ও লগ্নিকারী সংস্থা শ্রীসিমেন্টের মধ্যে। টার্মশিটসহ শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে লালহলুদ কর্তাদের কাছে যে চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পাঠানো হয়েছিল, তাতে সই না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। কর্মসমিতির বৈঠকে এই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ সব ধরণের ফরম্যাটেই খেলতে চান ভুবনেশ্বর কুমারগতবছর ১ সেপ্টেম্বর মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সামনে শ্রী সিমেনেন্টের সঙ্গে প্রাথমিক চুক্তিপত্রে সই করেছিলেন লালহলুদ কর্তারা। তারপর চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দুই পক্ষের মধ্যে টালবাহনা চলছিল। ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের দাবি, প্রাথমিক চুক্তিপত্রের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে প্রচুর পার্থক্য আছে। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বারবার চিঠি চালাচালি হয়। কিন্তু সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসেনি। লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে আইএসএলে দল না নামানোর হুমকি দেওয়া হয়। তাতেই বরফ গলেনি।আরও পড়ুনঃ কান্দাহারে নিহত পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় চিত্রসাংবাদিকশুক্রবার ইস্টবেঙ্গলের কর্মসমিতির বৈঠক বসেছিল। ২৫ জন সদস্য বৈঠকে হাজির ছিলেন। সেই বৈঠকেই ঠিক হয়েছে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে পরিবর্তন করা না সই করা হবে না। ক্লাবের পক্ষ থেকে একটি প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। সেই প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সভাপতির নেতৃত্বে আমরা সকল এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্য সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যে এগ্রিমেন্টে ক্লাবকে চিরতরে একতরফা দিয়ে দেবার শর্তাবলী রয়েছে, যে এগ্রিমেন্টে সদস্যদের অসম্মান এবং তাদের অধিকার খর্ব করে দেওয়ার শর্তাবলী রয়েছে, যে এগ্রিমেন্টে ক্লাবের মৌলিক অধিকার নেই, যে এগ্রিমেন্টে ক্লাবের ক্লাবের মাঠ, ক্লাবের লোগো, ক্লাবের নাম, টেন্টসহ সমস্ত কিছু চিরতরে নিয়ে নেওয়ার এবং ক্লাবকে সেগুলো ব্যবহার করতে না দেওয়ার শর্তাবলী রয়েছে, যে এগ্রিমেন্টে ক্লাবের কোটি কোটি সদস্যসমর্থের চিরকালীন আত্মাভিমানে আঘাত ও যে এগ্রিমেন্টে সমর্থকদের বলা হয় ট্রেস পাসার্স উইল বি প্রসিকিউটেড সেই এগ্রিমেন্টে আমরা সই করব না।আরও পড়ুনঃ মঙ্গলকোট-কাণ্ডে তদন্তভার সিআইডি-রচূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই না করলে দল গঠন করবে না শ্রী সিমেন্ট। ফলে এই মরশুমে কোনও প্রতিযোগিতায়ে খেলতে পারবে না ইস্টবেঙ্গল। যা ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায় হতে চলেছে। এই অবস্থায় সদস্যসমর্থকরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দিকে তাকিয়ে।

জুলাই ১৭, ২০২১

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

নেতানিয়াহুর গদি কি টলমল? ইজরায়েলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী পদে বিরোধী নেতাকে সমর্থন আরব দলগুলির!

ইজরায়েলের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত। দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী পদে বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকোটকে সমর্থন জানাল আরব-নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দলগুলি। বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে আইজেনকোটের পক্ষে ১২০ আসনের সংসদে ৬৭ জন সদস্যের সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ইজরায়েলে সরকার গড়তে প্রয়োজন ৬১ জন সাংসদের সমর্থন। সেই হিসাব অনুযায়ী, সরকার গঠনের দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে যেতে পারেন বিরোধী নেতা।বৃহস্পতিবার যৌথ তালিকা জোট জানায়, তারা দেশের রাষ্ট্রপতি আইজ্যাক হারজগের কাছে আইজেনকোটকে পরবর্তী সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়ার সুপারিশ করবে। এর আগে আর একটি আরব-নেতৃত্বাধীন দল রাআমও একই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিল। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, যৌথ তালিকা জোটের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতির কাছে তাদের সিদ্ধান্ত জানানো হবে।যৌথ তালিকা জোটের হাতে রয়েছে ১১টি আসন। অন্য দিকে, রাআমের আসন সংখ্যা আট। দুই দল মিলিয়ে মোট ১৯ জন সাংসদ রয়েছেন। ইজরায়েলের সংসদে আরব-নেতৃত্বাধীন দলগুলির পক্ষে এই সংখ্যা রেকর্ড বলে জানা যাচ্ছে। এই দুই দলের সমর্থন নিশ্চিত হলে আইজেনকোটের পক্ষে মোট ৬৭ জন সাংসদের সমর্থন থাকতে পারে। ফলে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যার চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে থাকবে তাঁর শিবির।অন্য দিকে, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর শিবিরের সামনে রয়েছে বড় চ্যালেঞ্জ। তাঁদের হাতে রয়েছে ৫৩টি আসন। তবে প্রধানমন্ত্রী পদে নেতানিয়াহুকে কত জন সাংসদ সমর্থন করবেন, সেই সংখ্যা আরও কম হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে নেতানিয়াহুর জোটের শরিক ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজমের একটি অংশও তাঁর পাশে নেই। ওই জোটের সাতটি আসনের মধ্যে চারটি আসন রয়েছে দেগেল হা তোরাহের হাতে। তারা জানিয়েছে, নেতানিয়াহু বা আইজেনকোটকাউকেই প্রধানমন্ত্রী পদে সমর্থন করবে না। টাইমস অফ ইজরায়েলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অতি-গোঁড়া ইহুদি সম্প্রদায়ের পুরুষদের বাধ্যতামূলক সামরিক পরিষেবা থেকে ছাড় দেওয়ার আইন পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছে নেতানিয়াহু সরকার। সেই কারণেই জোটের সঙ্গে তাদের দূরত্ব তৈরি হয়েছে।সব মিলিয়ে ইজরায়েলে নতুন সরকার গঠন নিয়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। রাষ্ট্রপতি আইজ্যাক হারজগ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য কাকে আমন্ত্রণ জানাবেন, তা ঠিক করবেন। আরব দলগুলির সমর্থনে আপাতত সেই দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন গাদি আইজেনকোট। তবে শেষ পর্যন্ত ইজরায়েলের ক্ষমতা কার হাতে যায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

এসএসসি গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি নিয়োগে বড় খবর! ইন্টারভিউয়ের তালিকায় কারা, দেখে নিন নাম

এসএসসি-র গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বড় খবর। বৃহস্পতিবার ইন্টারভিউয়ের জন্য প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। কমিশনের সরকারি ওয়েবসাইটে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মোট ৩৮ হাজার প্রার্থীকে ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হয়েছে। কারা এই তালিকায় জায়গা পেয়েছেন, তা কমিশনের ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখে নিতে পারবেন চাকরিপ্রার্থীরা।কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের ১৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জমা দেওয়া সংশোধিত শূন্যপদের হিসাবের ভিত্তিতে এই প্রাথমিক তালিকা তৈরি করা হয়েছে। ২০২৫ সালের প্রথম রাজ্যস্তরের বাছাই পরীক্ষা বা এসএলএসটি-র মাধ্যমে নন-টিচিং স্টাফের ক্লার্ক পদে নিয়োগের জন্য যোগ্য প্রার্থীদের নাম এই তালিকায় রাখা হয়েছে।প্রার্থীরা স্কুল সার্ভিস কমিশনের সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রকাশিত তালিকায় নিজেদের নাম খুঁজে নিতে পারবেন। নামের পাশাপাশি অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্যও মিলিয়ে দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পরবর্তী ধাপে প্রার্থীদের মূল নথি, শংসাপত্র এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা হবে। পাশাপাশি নেওয়া হবে ইন্টারভিউ। তবে নথি যাচাই এবং ইন্টারভিউয়ের দিনক্ষণ এখনও জানায়নি কমিশন। পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে কমিশনের ওয়েবসাইটে।কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রুপ ডি পদের পরীক্ষা হয়েছে ১ মার্চ। অন্য দিকে, গ্রুপ সি পদের পরীক্ষা হওয়ার কথা ৮ মার্চ। গ্রুপ সি পদে শূন্যপদের সংখ্যা ২,৯৮৯। গ্রুপ ডি পদে শূন্যপদ রয়েছে ৫,৪৮৮টি। এই দুই পদে নিয়োগের জন্যই প্রার্থীদের পরবর্তী ধাপের প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তার পর নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়। ২০২৬ সালের মার্চ মাসে আলাদা দিনে গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি পদের পরীক্ষা নেওয়া হয়। তবে বিধানসভা নির্বাচনের কারণে ফল প্রকাশ পিছিয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে ইন্টারভিউয়ের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। ফলে নতুন করে আশায় বুক বাঁধছেন চাকরিপ্রার্থীরা।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

ভেন্টিলেশনে প্রাক্তন মন্ত্রী ! কিডনি বিকল, ব্রেন স্ট্রোকের পর কী বলছেন চিকিৎসকেরা?

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাসের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক। কলকাতার একটি হাসপাতালে ভেন্টিলেশনে রয়েছেন তিনি। কিডনির সমস্যা দেখা দেওয়ায় চলছে ডায়ালিসিস। এর পাশাপাশি ব্রেন স্ট্রোক এবং হৃদযন্ত্রের সমস্যাও রয়েছে তাঁর। চিকিৎসকেরা পেসমেকার বসানোর কথা ভাবলেও শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় আপাতত অস্ত্রোপচারের ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। উজ্জ্বল বিশ্বাসের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রও।উজ্জ্বল বিশ্বাসের অসুস্থতা নিয়ে সমাজমাধ্যমে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর উজ্জ্বল বিশ্বাসের উপর অত্যাচার করা হয়েছিল। সেই ঘটনার ধাক্কা তাঁর শরীর ও মনের উপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল বলেও অভিযোগ করেছেন কুণাল। অন্য দিকে, মহুয়া মৈত্রও উজ্জ্বল বিশ্বাসের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার কামনা করেছেন তিনি।গত কয়েক মাস ধরেই অসুস্থ উজ্জ্বল বিশ্বাস। গত ৫ অক্টোবর কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর হৃদ্যন্ত্রের বাইপাস অস্ত্রোপচার হয়। কিন্তু অস্ত্রোপচারের পরের দিনই ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন তিনি। প্রায় ১৪ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর তাঁকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চলছিল তাঁর চিকিৎসা।কিন্তু দুর্গাপুজোর পঞ্চমীর দিন ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন প্রাক্তন মন্ত্রী। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় সপ্তমীর দিন তাঁকে কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। চিকিৎসকেরা তাঁর নিউমোনিয়া হয়েছে বলে জানান। সেই সঙ্গে ফুসফুসের কার্যক্ষমতাও কমে যায়। একের পর এক শারীরিক জটিলতা দেখা দেওয়ায় তাঁর অবস্থার আরও অবনতি হয়। শ্বাস নিতে যাতে সমস্যা না হয়, সে জন্য গলায় অস্ত্রোপচার করে শ্বাস নেওয়ার বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি কিডনির সমস্যা দেখা দেওয়ায় নিয়মিত ডায়ালিসিস চলছে।উল্লেখ্য, রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন উজ্জ্বল বিশ্বাস। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নিঃস্বার্থ ভাবে কৃষ্ণনগরের মানুষের সেবা করার পরেও উজ্জ্বল বিশ্বাসের উপর হামলা চালানো হয়েছিল। তাঁর দাবি, জেল থেকে ফেরার পর থেকেই শারীরিক ভাবে ভেঙে পড়তে শুরু করেন প্রাক্তন মন্ত্রী। পরবর্তী সময়ে হৃদ্যন্ত্রের অস্ত্রোপচার, ব্রেন স্ট্রোক এবং কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত হন তিনি।সব মিলিয়ে উজ্জ্বল বিশ্বাসের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। চিকিৎসকেরা আপাতত তাঁর শারীরিক অবস্থার দিকে নজর রাখছেন। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, এখনও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি তাঁর। পেসমেকার বসানোর বিষয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

সিঙ্গুরে কি ফিরছে গাড়ি কারখানা? শিল্পনীতি ঘোষণার দিনেই বড় ইঙ্গিত শুভেন্দুর!

রাজ্যে নতুন শিল্পনীতি প্রকাশ করল বিজেপি সরকার। বৃহস্পতিবার নতুন শিল্পনীতির কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই নীতিতে রাজ্যের শিল্পক্ষেত্রে একাধিক সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিদ্যুতের শুল্ক থেকে শুরু করে কর্মীদের ভবিষ্যনিধি সংক্রান্ত বিষয়েও বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা রাখার কথা জানিয়েছে সরকার। আর নতুন শিল্পনীতি ঘোষণার দিনেই সিঙ্গুর নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, সিঙ্গুরের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে নতুন করে কিছু করার কথা ভাবছে রাজ্য সরকার।গত ১৫ বছর তৃণমূল সরকারের আমলে বাংলায় বড় শিল্প আসেনি বলে বারবার অভিযোগ করেছে বিজেপি। রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর শিল্পের প্রসার নিয়ে নতুন সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। বাংলায় নতুন শিল্প আসুক, তৈরি হোক কর্মসংস্থানএমনটাই চাইছেন সাধারণ মানুষ। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রাজ্যে শিল্প ফিরিয়ে আনার কথা বলে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে শিল্প দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা। কয়েকটি ক্ষেত্রে নতুন বিনিয়োগও এসেছে। এরই মধ্যে নতুন শিল্পনীতি প্রকাশ করল রাজ্য সরকার। তবে সিঙ্গুরে শিল্প ফেরানো নিয়ে কী ভাবছে সরকার, তা নিয়ে প্রশ্ন ছিলই।সেই প্রশ্নের জবাবে বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, সিঙ্গুর নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এই বিষয়ে অশোক লেল্যান্ডের সঙ্গেও কথা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, সিঙ্গুর নিয়ে অবশ্যই আমরা ইতিবাচক পদক্ষেপ করব। সেই বিষয়ে অশোক লেল্যান্ডের সঙ্গে কথা হয়েছে। কিছু একটা করব। তাঁর এই মন্তব্যের পরেই নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তা হলে কি সিঙ্গুরে আবার গাড়ি তৈরির কারখানা গড়ে উঠতে পারে? যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও নির্দিষ্ট ঘোষণা করেননি মুখ্যমন্ত্রী।সিঙ্গুরের সঙ্গে বাংলার শিল্পায়নের ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে। ২০০৬ সালে বামফ্রন্ট সরকারের আমলে হুগলির সিঙ্গুরে প্রায় এক হাজার একর জমি অধিগ্রহণ করে টাটা মোটরসের ন্যানো গাড়ির কারখানা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের উদ্যোগে বাংলায় ছোট গাড়ি তৈরির কারখানা গড়ে তোলার পরিকল্পনা হয়েছিল। কিন্তু কৃষিজমি অধিগ্রহণের বিরোধিতা করে আন্দোলনে নামেন একাংশের কৃষক। সেই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০০৬ সালের ডিসেম্বর মাসে জমি আন্দোলনের প্রতিবাদে অনশন শুরু করেন তিনি। টানা ২৬ দিন অনশনের পর তা প্রত্যাহার করেন।২০০৮ সালের অগস্ট মাসে সিঙ্গুরে আন্দোলন আরও জোরালো হয়। পরিস্থিতির চাপে ওই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে টাটা মোটরস কারখানার কাজ বন্ধ করে দেয়। শেষ পর্যন্ত ২০০৮ সালের ৩ অক্টোবর সিঙ্গুর থেকে ন্যানো প্রকল্প সরিয়ে নেওয়ার কথা ঘোষণা করেন রতন টাটা। পরে গুজরাতের সানন্দে তৈরি হয় ন্যানো গাড়ির কারখানা।২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর সিঙ্গুরের জমি কৃষকদের ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেয় তৃণমূল সরকার। তবে জমি ফেরত পাওয়ার পরেও সেখানে চাষবাস সেভাবে শুরু হয়নি। অন্য দিকে, নতুন করে শিল্পও গড়ে ওঠেনি। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই সিঙ্গুরে শিল্প ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এই পরিস্থিতিতে নতুন শিল্পনীতি প্রকাশের দিন মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য তাঁদের মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। তবে সিঙ্গুরে ঠিক কী ধরনের শিল্প গড়ে উঠবে, তা জানতে এখন অপেক্ষা করতে হবে।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে ফের ভয়াবহ বিপর্যয়! হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল তিনতলা বাড়ি, মৃত ২, ধ্বংসস্তূপে বহু?

দিল্লিতে ফের বাড়ি ভেঙে বড়সড় বিপর্যয়। বৃহস্পতিবার সকালে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল একটি নির্মীয়মাণ তিনতলা বাড়ি। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও অনেকে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাঁদের উদ্ধারে জোরকদমে কাজ চালাচ্ছে পুলিশ, দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।স্থানীয় সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫০ মিনিট নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। চাওরি বাজার মেট্রো স্টেশনের কাছে গলি সিতারা এলাকায় নির্মাণকাজ চলছিল বাড়িটিতে। আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে তিনতলা বাড়িটি। বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে এলাকা। মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ, দমকল এবং উদ্ধারকারী দল। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে শুরু হয় উদ্ধারকাজ। এখনও পর্যন্ত দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতদের নাম চন্দরপাল (৬০) এবং বিজয় কুমার (৩৩)।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বাড়িটির নির্মাণকাজ চলছিল। সেই সময় পুরনো ছাদের একটি অংশ ভেঙে পড়ে। তার জেরেই গোটা বাড়িটি ভেঙে পড়ে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও অনেকে চাপা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা। তাঁদের খোঁজে চলছে তল্লাশি।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনা সামনে এসেছে। সেই সব ঘটনায় প্রাণহানিও হয়েছে। তার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের এমন দুর্ঘটনা ঘটল রাজধানীতে। পর পর এই ধরনের ঘটনায় দিল্লির নিরাপত্তা ও নির্মাণকাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এই পরিস্থিতিতে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার বিরুদ্ধে সরব হয়েছে আম আদমি পার্টি। রাজধানীতে একের পর এক বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনায় সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তারা।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
দেশ

এসআইআর নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের! ফর্ম ৬ জমা দিতে আর লাগবে না এই নথি

এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নতুন করে নাম তোলার জন্য ফর্ম ৬ জমা দিতে গেলে আর দিতে হবে না এসআইআর সংক্রান্ত ডিক্লারেশন বা ঘোষণা। যে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এখন ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন চলছে, সেখানেও এই নিয়ম কার্যকর হবে। বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে কমিশন। এর ফলে নতুন ভোটারদের জন্য ফর্ম ৬ জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া আরও সহজ হল।এসআইআর শুরু হওয়ার পর থেকেই ফর্ম ৬-এ ডিক্লারেশন জমা দেওয়ার নিয়ম নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। প্রথম থেকেই এই সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক জোশী। তাঁদের বক্তব্য ছিল, আপত্তি থাকা সত্ত্বেও এসআইআর প্রক্রিয়ার সঙ্গে ফর্ম ৬-কে যুক্ত করা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত তাঁদের আপত্তির বিষয়টিই গুরুত্ব পেল বলে মনে করা হচ্ছে।ভোটার তালিকায় নতুন করে নাম তুলতে হলে ফর্ম ৬ পূরণ করতে হয়। এত দিন এসআইআর চলাকালীন এই ফর্ম জমা দেওয়ার সময় আবেদনকারীদের একটি অতিরিক্ত ঘোষণা দিতে হচ্ছিল। সেই ঘোষণায় আবেদনকারীর পরিবারের পুরনো ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে কি না, তা জানতে চাওয়া হচ্ছিল। বিশেষ করে আবেদনকারীর বাবা-মা, দাদু-দিদার নাম শেষ এসআইআরের ভোটার তালিকায় ছিল কি না, সেই তথ্য দিতে হচ্ছিল।অনলাইনে ফর্ম ৬ পূরণ করার সময়ও এই সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হচ্ছিল। ফর্মের নির্দিষ্ট অংশে এসআইআর সংক্রান্ত ঘোষণা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। এই নিয়ম নিয়েই আপত্তি ওঠে। বিরোধীরাও প্রশ্ন তোলেন, নতুন করে ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আবেদন করতে গেলে কেন এসআইআরের অতিরিক্ত ঘোষণা দিতে হবে?নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্যও এই নিয়ম নিয়ে আপত্তি জানান। কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধুর বক্তব্য ছিল, আইন সংশোধন না করে ফর্মে এই ধরনের পরিবর্তন করা যায় না। সংসদের মাধ্যমে আইন সংশোধনের পরেই ফর্মে প্রয়োজনীয় বদল আনা উচিত। কিন্তু সেই আপত্তি সত্ত্বেও নিয়ম চালু করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।শেষ পর্যন্ত চাপের মুখে ফর্ম ৬-এর সঙ্গে এসআইআর সংক্রান্ত ঘোষণা জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। পশ্চিমবঙ্গ-সহ এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ হওয়া ১৩টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ইতিমধ্যেই নতুন করে ফর্ম ৬ জমা নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।বৃহস্পতিবার কমিশন আরও জানিয়েছে, বর্তমানে যে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর চলছে, সেখানেও ফর্ম ৬ জমা দেওয়ার সময় আর অতিরিক্ত ঘোষণা দিতে হবে না। অর্থাৎ, অনলাইনে ফর্ম পূরণের ক্ষেত্রেও এই বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়া হল।এসআইআর প্রক্রিয়ার মধ্যে কমিশনের এই সিদ্ধান্ত যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। নতুন ভোটারদের নাম তালিকায় তোলার ক্ষেত্রে এত দিন যে অতিরিক্ত নিয়ম মানতে হচ্ছিল, তা আর মানতে হবে না। তবে কমিশনের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে দুই নির্বাচন কমিশনারের আগের আপত্তি এবং বিরোধীদের প্রশ্ন নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

বাবরি মসজিদ নিয়ে সুর বদল হুমায়ুনের! মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরই ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেলেন বিধায়ক?

বাবরি মসজিদ বিতর্কে আচমকাই সুর বদল নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের। মুর্শিদাবাদে বাবরের নামে মসজিদ তৈরি হলে কোনও অনুমতি দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সেই মন্তব্যের পরেই নিজের অবস্থান থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিলেন হুমায়ুন। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি জানালেন, মুখ্যমন্ত্রী যদি বাবরি নাম না চান, তা হলে তাঁর ইচ্ছাকে সম্মান জানাতে হবে।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে নতুন দল তৈরি করেন হুমায়ুন কবীর। আম জনতা উন্নয়ন পার্টি নামে সেই দল গড়ে ভোটের ময়দানে নামেন তিনি। সেই সময়ই মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ তৈরির ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন। তা ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয় তুমুল বিতর্ক। এর পর মুর্শিদাবাদে মসজিদ তৈরির কাজও শুরু হয়।গত ২ নভেম্বর বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত একটি সভায় আরও আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা যায় তাঁকে। সেখানে মসজিদ নির্মাণের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিয়ে আলোচনা হয়। সেই সভা থেকেই আগামী ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দিন জাতীয় সড়ক অবরোধের হুঁশিয়ারি দেন হুমায়ুন। প্রশাসনের ক্ষমতা থাকলে তাঁকে আটকে দেখাক বলেও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি।এর পরেই বুধবার বাবরি মসজিদ বিতর্কে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, মুর্শিদাবাদের অনেক কৃতী মানুষের নামে মসজিদ তৈরি করা যেতে পারে। কিন্তু বাবরের নামে মসজিদ তৈরি হলে কোনও পরিকল্পনা বা অনুমোদন মিলবে না। এই বিষয়ে জেলার জেলাশাসককে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরেই বৃহস্পতিবার সকালে সুর নরম করেন হুমায়ুন। তাঁর কথায়, মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। তিনি যদি বাবরি নাম না চান, তা হলে তাঁর ইচ্ছাকে মান্যতা দিতেই হবে। হুমায়ুনের এই মন্তব্যের পরেই নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। এত দিন যে বিষয়ে অনড় অবস্থান নিয়েছিলেন তিনি, সেই অবস্থান থেকে কি তবে সরে আসছেন নওদার বিধায়ক?হুমায়ুনের মন্তব্য নিয়ে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। তাঁর দাবি, বাবরি মসজিদ তৈরি হবে না। হুমায়ুনের কথারও কোনও স্থিরতা নেই বলে অভিযোগ করেন তিনি। সজলের কটাক্ষ, কখনও এক কথা, কখনও অন্য কথা বলেন হুমায়ুন। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মন্তব্য করেন তিনি। তাই তাঁর কথায় গুরুত্ব দিতে চান না বলেও জানান বিজেপি বিধায়ক।বাবরি মসজিদ নির্মাণ নিয়ে হুমায়ুনের এই নতুন মন্তব্যে বিতর্কে আরও একটি নতুন মোড় এল। মুখ্যমন্ত্রীর আপত্তির পর সত্যিই কি মসজিদের নাম বদলাবেন তিনি, নাকি ভবিষ্যতে আবার নিজের অবস্থান স্পষ্ট করবেন? আপাতত সেই দিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

বোতলের ভিতরে মা কালী! মহাদেবের কোলে শিশুর মতো শুয়ে দেবী, বাঁকুড়ার শিল্পীর সৃষ্টি দেখে অবাক নেটপাড়া

কাচের বোতলের ভিতরে আস্ত মা কালী! তাও আবার প্রচলিত রূপে নয়। মহাদেবের বুকে পা দিয়ে দাঁড়িয়ে নেই দেবী। বরং দেবাদিদেব মহাদেবের কোলেই শিশুর মতো শুয়ে রয়েছেন তিনি। আর এমনই এক অভিনব শিল্পকর্ম তৈরি করে সকলকে অবাক করে দিয়েছেন বাঁকুড়ার শিল্পী ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায়।সাধারণত কালীমূর্তিতে মহাদেবের বুকের উপর দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় দেবীকে। কিন্তু সেই চেনা ছবির বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ অন্য ভাবনায় মূর্তিটি তৈরি করেছেন ইন্দ্রনীল। সবচেয়ে অবাক করার বিষয়, গোটা মূর্তিটি তৈরি হয়েছে একটি কাচের বোতলের ভিতরে। ব্যবহার করা হয়েছে বিভিন্ন রঙের সুতো। সরু তারের সাহায্যে একের পর এক সুতো বোতলের ভিতরে ঢুকিয়ে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এই শিল্পকর্ম তৈরি করেছেন তিনি।কাজী নজরুল ইসলামের লেখা কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন গানটি মা কালীর ভক্তদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। প্রচলিত কালীমূর্তির সঙ্গে এই গানের ভাবনা জড়িয়ে রয়েছে। তবে ইন্দ্রনীলের তৈরি মূর্তিতে ফুটে উঠেছে দেবী ও মহাদেবের সম্পর্কের এক অন্য দিক।এই শিল্পকর্ম তৈরির পিছনে রয়েছে শিল্পীর নিজস্ব ভাবনা। ইন্দ্রনীলের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, অসুর বধের পর প্রচণ্ড ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে ওঠেন দেবী। তাঁকে শান্ত করতে মহাদেব তাঁর সামনে শুয়ে পড়েন। দেবীর পা মহাদেবের বুকে পড়তেই শান্ত হন তিনি। পৌরাণিক কাহিনির এই পরিচিত দৃশ্যের পরের অংশটিই নিজের কল্পনায় সাজিয়েছেন শিল্পী।তাঁর ভাবনায়, দেবী শান্ত হওয়ার পর মহাদেব তাঁকে নিজের কোলে তুলে নেন। ছোট্ট শিশুর মতো বুকে আগলে আদর করেন। দেবী ও মহাদেবের সম্পর্কের মধ্যে থাকা ভালোবাসা, স্নেহ এবং মমতার সেই ছবিই ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। প্রচলিত চিত্রকল্পের বাইরে গিয়ে এমন ভাবনা তাঁর শিল্পকর্মকে অন্য মাত্রা দিয়েছে।বাঁকুড়া শহরের বাসিন্দা ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায় প্রায় ৩০ বছর ধরে ছবি আঁকা এবং নানা ধরনের সৃজনশীল শিল্পকর্মের সঙ্গে যুক্ত। বোতলের ভিতরে বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে শিল্পকর্ম তৈরি করাই তাঁর বিশেষ পরিচিতি। বাংলার পরিচিত বোতলশিল্পীদের মধ্যেও তিনি অন্যতম।দীর্ঘ শিল্পীজীবনে দেশের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের সামনে নিজের কাজ তুলে ধরার সুযোগ পেয়েছেন ইন্দ্রনীল। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং ভারতীয় ক্রিকেটের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। দীর্ঘদিনের সাধনা, ধৈর্য এবং অভিনব ভাবনার জোরেই নিজের আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন বাঁকুড়ার এই শিল্পী।একটি ছোট্ট কাচের বোতলের ভিতরে রঙিন সুতোর সাহায্যে এমন সূক্ষ্ম কাজ সত্যিই নজর কাড়ার মতো। আর মা কালী ও মহাদেবের পরিচিত সম্পর্ককে এক নতুন ভাবনায় তুলে ধরে শিল্পী বুঝিয়ে দিয়েছেন, শিল্পের জগতে কল্পনার কোনও সীমা নেই।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal