• ১৭ চৈত্র ১৪৩২, বৃহস্পতি ০২ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Special Program

বিনোদুনিয়া

অনুষ্ঠিত হলো সন্তোষপুরের ‘আগন্তুক’ সংস্থার ‘নারীর সামাজিক-সাংস্কৃতিক ক্ষমতায়ন’ অনুষ্ঠান

৮ই মার্চ ছিল বিশ্ব নারী দিবস। এই দিনটি কে মাথায় রেখে আই সি সি আর হলে সন্তোষপুর আগন্তুক আয়োজন করল ছিলো নারী দিবসের এক বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আমরা নারীদের বিশেষভাবে সম্মান দেওয়ার চেষ্টা করি। চেষ্টা করি তাদের জন্য আর একটু বেশি কিছু করার। সন্তোষপুর আগন্তুক নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে একটি অগ্রগণ্য সংস্থা। বিশ্ব নারী দিবসে তারা উদযাপন করতে চলেছে অনুপ্রানন। জীবনের সর্ব শ্রেণীর নারীদের উন্নতি ও ক্ষমতায়নের উদ্দেশ্যে ও তাদের সম্মান জানিয়ে এই অনন্য সামাজিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্ভাবনা। এখন প্রসঙ্গক্রমে একজন বিশেষ ব্যাক্তিত্বের কথা না বললে খুবই অন্যায় ও পরিবেশনায় অসম্পূর্ণতা থেকে যাবে, তিনি হলেন এই স্বয়ম কর্ম ভাবনাটির প্রাণদাত্রী অভিষিক্তা বসু। ইনি মূলত এই কর্ম ভাবনার বাস্তব প্রতিক্ষেপণে বিপদগ্রস্ত মহিলাদের আইনগত সহযোগিতা ও পরামর্শদানের গুরু দায়িত্বটি পালন করে থাকেন। অনুপ্রানন শব্দটির অর্থ আত্মা। যে কর্মে আত্মার যোগ যদি না থাকে সেই কর্মে যেমন সাফল্য আশা করা বৃথা, তেমনই আত্মার একাত্মতাই মানুষকে মানুষের পাশে দাঁড়াতে সাহস যোগায়। তাই এই আত্মিকতা নিয়েই অনুপ্রাননের আজকের এই বিশেষ দিনে এই সবিশেষ প্রচেষ্টা। এই অনুষ্ঠানটি শুরু থেকেই তার নিজস্বতা আর এক অনন্য স্বাদ নিয়ে হাজির হয়েছে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয় মূক ও বধির শিশুদের সাংকেতিক ভাষার মাধ্যমে জাতীয় সঙ্গীতের এক মর্মস্পর্শী উপস্থাপনের মাধ্যমে। অনুষ্ঠানের পরবর্তী পদক্ষেপ ছিল সন্তোষপুর আগন্তুকের সভাপতি বিপ্রদাস ভট্টাচার্যের সংবর্ধনা ও সংস্থার উদ্দেশ্য ও ভবিষ্যতের কর্ম প্রকল্প নিয়ে সর্বজনের জন্য কিছু কথা ও তথ্য। সন্ধ্যার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল স্বয়ম এর প্রকাশ। স্বয়ম হল সন্তোষপুর আগন্তুক-এর একটি আইনি সচেতনতামূলক উদ্যোগ। স্বয়ম-এর উদ্দেশ্য হল নারীদের আইনগত অধিকার অর্জন এবং বাস্তবায়নের মাধ্যমে ন্যায়বিচার অর্জন করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা ও শিক্ষা দান। এই উদ্যোগ দেশের বিশাল জনসংখ্যার নারীদেরকে আইনিভাবে ক্ষমতায়ন করতে সহায়তা করবে। অনুষ্ঠানের পরবর্তী অংশে নিয়ে আসা হয়েছিল এমন একটি বিশেষ উপস্থাপনা যা আগে কখনও কোনও মঞ্চে চিত্রিত হয়নি। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সোনার হরিণ, নৃত্যনাট্যের সাথে একাধিক সাহিত্যকর্ম থেকে বিভিন্ন নারী চরিত্রের সংমিশ্রণ নিয়ে প্রযোজনাটি উপস্থাপিত হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটির গ্রন্থনে ছিলেন তুশি নস্কর। চিত্রনাট্য লিখেছেন কৃষ্ণা দত্ত। কণ্ঠ দিয়েছেন স্বর্ণালী পাল এবং উপস্থাপনাটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা হলেন সুব্রত মুখার্জি (সঙ্গীত) ও সুবর্ণ প্রতিম গিরি (কণ্ঠ)। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে দর্শকদের জন্য ছিল তিতিক্ষা নামের একটি ছায়া ছবির একটি অতি আবেগপূর্ণ উপস্থাপনা যা সত্যিকারের নারীত্বের যাত্রাকে চিত্রিত করেছে। এই ছায়াছবি ছিল ৩ টি অনন্য গল্পের একটি অপরূপ সংকলন। তিতিক্ষা উপস্থাপন করেছে ক্রিয়া নামের একটি প্রযোজনা সংস্থা। আহি নস্কর দ্বারা পরিচালিত ও চলচ্চিত্র নির্মাতা শ্রীযুক্ত সন্দীপন মন্ডলের সুপরামর্শে সমৃদ্ধ এই ছবিটির বিশেষ প্রাপ্তি পরিচালকের অসাধারণ গ্রন্থনা ও চিত্র রূপাংকন। অনুষ্ঠানের বিশেষ আহ্বান, নারী ক্ষমতায়নের সহযাত্রী।সন্তোষপুর আগন্তুক হাজার হাজার নারীর জীবনে তাদের দক্ষতা ও কার্য সম্পাদনের মাধ্যমে সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং সর্বোপরি আর্থিকভাবে ক্ষমতায়নের মাধ্যমে তাদের জীবনে পার্থক্য সৃষ্টি করে দেওয়ার মহৎ কর্মে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। স্বর্ণালী পাল (সংস্থা র প্রেসিডেন্ট),অরিজিৎ মুখার্জী (সম্পাদক), তুষি নস্কর, সায়নজিৎ ঘোষ এবং আরও অনেকে এই সংস্থাটি পরিচালনার গুরুভার স্বেচ্ছায় নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়ে এক মহতি পথরেখা এঁকে চলেছেন। তাদের নিঃস্বার্থ কর্মকাণ্ড এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে বহু অসহায় নারীর মুখে হাসি ফুটিয়েছেন এবং ফুটিয়ে চলেছেন। এদিনের সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন উজ্জ্বল ভট্টাচার্য।

মার্চ ১৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বিশেষভাবে সক্ষমদের পাশে দাঁড়িয়ে বিশেষ দৃষ্টান্ত স্থাপন ঐক্যতানের

বিগত বছরের মতো এই বছরেও ঐক্যতানের পক্ষ থেকে রক্তদান শিবিরের আয়োজন কড়া হল। ভালোবাসার দিন অর্থাৎ ভ্যালেন্টাইন্স ডে-র ঠিক আগের দিন এই মহৎ কর্মসূচীর আয়োজন করে তারা। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা ও দেবাশিস কুমার। এছাড়া মর্নিং গ্লোরি ইন্ট্রিগ্রেটেড স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরাও রক্তদান শিবিরে উপস্থিত হয়েছিল। এই সংগঠনের সদস্য আনন্দ ভুঁইয়া জনতার কথা কে জানালেন, আমাদের উদ্দেশ্য ছিল মানুষের পাশে দাঁড়ানো। সেই উদ্দেশ্য নিয়েই আমরা একটা সংগঠন তৈরি করি। গত বছর প্রথম রক্তদান শিবিরের আয়োজন করেছিলাম আমরা। এই বছর এখনও পর্যন্ত ৫০ জন রক্ত দিয়েছেন। দেবাশিস কুমার এদিন জানান, আগামীকাল ভালোবাসার দিন। ভালোবাসার ব্যপকতা, ভালোবাসার ব্যপ্তি কতটা হতে পারে ঐক্যতান তার প্রমাণ রাখলো। বিশেষভাবে সক্ষম বাচ্চাদের পাশে দাঁড়িয়ে আগামী দিনের সার্থকতা আজকে তারা করে দিলেন। ভালোবাসাটা দুটো নারী-পুরুষের মধ্যে নয়। ভালোবাসাটা মানুষের সঙ্গে মানুষের। সেই কাজটাই তারা করলেন।উদ্যোক্তারা আরো জানিয়েছেন মর্নিং গ্লোরি ইন্ট্রিগ্রেটেড স্কুলের বিশেষভাবে সক্ষম ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে দাঁড়ানোর একটা প্রয়াস ছিল তাদের। আনন্দ ভুঁইয়া এই স্কুলের সঙ্গে ওতপ্রতোভাবে জড়িত।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Viswa Bharati : বিশ্বভারতীর শতবর্ষে বিশেষ উপাসনা ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ শান্তিনিকেতনের মোহরবীথিকা অঙ্গনে

৭ই পৌষ মহর্ষির দীক্ষার দিন তথা শান্তিনিকেতনের বার্ষিক উৎসব প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন - শান্তিনিকেতনের সাম্বৎসরিক উৎসবের সফলতার মর্মস্থান যদি উৎঘাটন করে দেখি তবে দেখতে পাব,এর মধ্যে সেই বীজ অমর হয়ে আছে,যে বীজ থেকে এই আশ্রম-বনস্পতি জন্ম লাভ করেছে; সে হচ্ছে সেই দীক্ষাগ্রহণের বীজ। ....সেই ৭ই পৌষ এই শান্তিনিকেতন আশ্রমকে সৃষ্টি করেছে এবং এখন ও প্রতিদিন একে সৃষ্টি করে তুলেছে।এবছর ৭ই পৌষ মহর্ষির দীক্ষার ১৭৮ বছর,আশ্রম প্রতিষ্ঠার ১৫৮ বছর,মন্দির প্রতিষ্ঠার ১৩০ বছর, ব্রহ্ম বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ১২০ বছর, বিশ্বভারতীর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের ১০৩ বছর ও বিশ্বভারতী সূচনার (পরিষদ গঠনের )১০০ বছর।এই উপলক্ষে ২২ ডিসেম্বর (৬ পৌষ ১৪২৮ ) মোহর-বীথিকা অঙ্গনে বাংলা লাইভ ডট কম এবং মোহর-বীথিকা অঙ্গনের যৌথ উদ্যোগে বিশ্বভারতীর শতবর্ষ স্মরণে উপাসনা ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ করা হলো। মোহর-বীথিকা অঙ্গন (মাল্টিডিসিপ্লিনারি আর্ট স্পেস) আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২০ সালের বসন্তে শুরু হলেও এই প্রাঙ্গণে বহু গুণী মানুষের পদধূলি পড়েছে। কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বাসভবনকে কেন্দ্র করে এই যে প্রতিষ্ঠান তার মূল উদ্দেশ্য শান্তিনিকেতন ও শান্তিনিকেতন আশ্রমের গড়ে ওঠার ইতিহাস, শিক্ষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্যকে ধারণ ও বহন করা।এবছর বিশ্বভারতী পরিষদ গঠনের শতবর্ষকে স্মরণে রেখে মোহর-বীথিকা অঙ্গন এবং বাংলা লাইভ ডট কম এর নিবেদন বিশেষ উপাসনা ও একটি গ্রন্থ প্রকাশ ৬ই পৌষ(২২ ডিসেম্বর) সকাল ৮:৩০ মোহর-বীথিকা অঙ্গনে( কণিকা বন্দোপাধ্যায়ের বাসভবন প্রাঙ্গণ) হয়ে গেল। এই বিশেষ উপাসনায় আচার্যের ভূমিকায় ছিলেন বিশিষ্ট আশ্রমিক ও পাঠভবনের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সুপ্রিয় ঠাকুর, মন্ত্রপাঠে প্রাক্তন অধ্যাপিকা কল্পিকা মুখোপাধ্যায়। গানে অংশগ্রহণ করেন চন্দন মুন্সী, অঙ্কন রায়, প্রিয়ম মুখোপাধ্যায়, নিবেদিতা সেনগুপ্ত, ঋতপা ভট্টাচার্য, শরণ্যা সেনগুপ্ত, ঋতজা চৌধুরী, মধুজা চট্টরাজ।নীলাঞ্জনা সেনমজুমদার, অভীক ঘোষ (পাঠে) যন্ত্রানুষঙ্গে ছিলেন সীতেশ হালদার,সৌগত দাস, সুতনু সরকার,দিলীপ বীরবংশী, বিশ্বায়ন রায়। এই বিশেষ স্মারক গ্রন্থে লিখেছেন পবিত্র সরকার,মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়,প্রণব রঞ্জন রায় সুশোভন অধিকারী,বিশ্বজিৎ রায়,অশোক কুমার মুখোপাধ্যায়,গৌতম ভট্টাচার্য অমিত্র সূদন ভট্টাচার্য প্রমুখ যার এদিন ডিজিটাল সংস্করণ প্রকাশ করা হলো। অনুষ্ঠানটি সাজানো হয়েছে শান্তিনিকেতনের উপাসনার আঙ্গিকে। গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ও ঠাকুর বাড়ির অন্যান্যদের রচিত ব্রহ্মসঙ্গীত এই উপাসনার এক বড় অংশ জুড়ে ছিল। জানালেন মোহর-বীথিকা অঙ্গনের পক্ষে ঋতপা ভট্টাচার্য।বাংলা লাইভ এর পথ চলা শুরু হয়েছিল ২০০০ সালে৷ বাংলালাইভ শুধু একটি আন্তর্জালিক আন্তর্জাতিক সাহিত্য পত্রিকা নয়, বাংলালাইভ সাথে সাথে হয়ে উঠেছে একটি সামাজিক ভাবনা চিন্তা ভাগ করে নেওয়ার মেলবন্ধন ৷ বন্ধুত্ব, ভালবাসা, ভাল চিন্তা, ভাল থাকার প্রচেষ্টা ৷ এই যৌথ পরিবারে আপনি আমি সবাই সামিল।এরকম একটা উদ্যোগে অংশগ্রহণ করতে পেরে ভীষণই ভালো লাগছে, বললেন বাংলা লাইভের পক্ষে মৌসুমী দত্ত রায়।অনুষ্ঠান শুরু হয় বেদ গান তমীশ্বরানাং দিয়ে, মন্ত্র পাঠ করেন কল্পিকা মুখোপাধ্যায়,পাঠে ছিলেন অভীক ঘোষ,নীলাঞ্জনা সেন মজুমদার, চন্দন মুন্সী নিবেদন করেন পরিপূর্ণাং আনন্দং, সমবেত কন্ঠে গাওয়া হয় শুভ্র আসনে বিরাজ, নূতন প্রাণ দাও,ওঁ পিতা নোহসি মন্ত্র পাঠ করেন কল্পিকা মুখোপাধ্যায়, তার বাংলা অনুবাদ পাঠ করেন সুপ্রিয় ঠাকুর,একক সঙ্গীত পরিবেশনে ছিলেন মধুজা চট্টরাজ (মোরে ডাকি লয়ে যাও), অঙ্কন রায় (চিরবন্ধু চিরনির্ভর), ঋতজা চৌধুরী (বিমল আনন্দে জাগো রে), ধন্য তুমি ধন্য (প্রিয়ম মুখোপাধ্যায় ),ঋতপা ভট্টাচার্য ( স্বপন যদি ভাঙিলে ), তোমারি নামে ( শরণ্যা সেনগুপ্ত ), নিবেদিতা সেনগুপ্ত ( নিত্য তোমার ),সব শেষে সমবেত কন্ঠে পরিবেশিত হয় মোরা সত্যের পরে মন। সমগ্র অনুষ্ঠানটির পরিকল্পনা এবং পরিচালনায় ছিলেন প্রিয়ম মুখোপাধ্যায়।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

“সব তথ্য আমার কাছে আছে!” নানুরে মমতার বিস্ফোরক দাবি, তীব্র আক্রমণ বিজেপিকে

বীরভূমের নানুরে নির্বাচনী জনসভা থেকে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটার তালিকা সংশোধন ও ভুয়ো ভোটার অন্তর্ভুক্তি নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপিকে একযোগে নিশানা করেন তিনি।সভা থেকে মমতা অভিযোগ করেন, ফর্মের মাধ্যমে বাইরের লোকদের ভোটার তালিকায় ঢোকানোর চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, এই বিষয়ে তাঁর কাছে সব তথ্য রয়েছে এবং কে কতজনকে ঢুকিয়েছে, তা তিনি জানেন। তিনি আরও বলেন, সময় এলেই সব তথ্য প্রকাশ্যে আসবে।ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, নাম তোলার জন্য বহু মানুষকে লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে এবং এতে প্রবীণদেরও কষ্ট হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, এই প্রক্রিয়ার কারণে বহু মানুষ সমস্যার মুখে পড়েছেন।এদিন ভাষা ও পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কেউ বাংলা ভাষায় কথা বললেই তাকে অনুপ্রবেশকারী বলা হচ্ছে কেন। সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব কার, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।সভা থেকে রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে বিজেপির অবস্থা খুব খারাপ হবে। যতই বাইরে থেকে নজরদারি বাড়ানো হোক, তার কোনও লাভ হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।নানুরের সভার পর এদিনই মুর্শিদাবাদের আরও দুটি জায়গায় জনসভা করার কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। ভোটের আগে এই সভাগুলি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
বিদেশ

কোথায় মোজতবা? একমাস পরও দেখা নেই, জল্পনার মাঝেই রুশ দূতের বড় দাবি

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে। মোজতবা খামেনেই দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় এক মাস কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত তিনি জনসমক্ষে আসেননি। এর ফলে তাঁর জীবিত থাকা নিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে।এই পরিস্থিতিতে এক রুশ কূটনীতিক দাবি করেছেন, মোজতবা খামেনেই সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন এবং ইরানেই রয়েছেন। তিনি জানান, নিরাপত্তার কারণে এবং বিশেষ পরিস্থিতিতে তিনি জনসমক্ষে আসছেন না। যদিও ঠিক কী কারণে তিনি আড়ালে রয়েছেন, তা স্পষ্ট করে বলা হয়নি।মনে করা হচ্ছে, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তিনি প্রকাশ্যে আসতে পারেন। তবে তিনি সামনে না এলেও তাঁর বার্তা বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এবং তা দেশের সরকারি সম্প্রচার মাধ্যমেও তুলে ধরা হয়েছে।সম্প্রতি মার্কিন ও ইজরায়েলি হামলায় প্রয়াত হন ইরানের প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। এরপর তাঁর পুত্র মোজতবাকে নতুন নেতা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে সেই ঘটনার পর থেকেই গুজব ছড়াতে শুরু করে যে তিনিও হয়তো হামলায় আহত বা নিহত হয়েছেন।কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, তিনি গুরুতর আহত এবং বিদেশে চিকিৎসাধীন। এমনকী রাশিয়ায় তাঁর চিকিৎসা চলছে বলেও খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে সেই সব জল্পনাকে উড়িয়ে দিয়ে এবার রুশ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, তিনি ইরানেই আছেন এবং সুস্থ রয়েছেন।এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলা যুদ্ধ পরিস্থিতিও এখন নতুন মোড় নিচ্ছে। প্রায় এক মাস ধরে চলা সংঘর্ষের পর যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত মিলছে বলে মনে করা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই সামরিক অভিযান বন্ধ হতে পারে।এই পরিস্থিতিতে মোজতবা খামেনেইকে ঘিরে রহস্য কবে কাটবে, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
দেশ

হু হু করে বাড়ছে বিমানের জ্বালানির দাম! এবার আকাশপথে ভ্রমণ হবে আরও ব্যয়বহুল

আকাশপথে ভ্রমণ এবার আরও ব্যয়বহুল হতে চলেছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে হঠাৎ করেই বেড়ে গিয়েছে বিমানের জ্বালানির দাম। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে চলেছে বিমান সংস্থাগুলির উপর এবং তার ফলে যাত্রীদেরও বেশি টাকা খরচ করতে হবে।দেশের বিভিন্ন শহরে জ্বালানির দামে বড়সড় বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। রাজধানী দিল্লিতে এই দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। সেখানে প্রতি কিলোলিটারের দাম এক লাফে দুই লক্ষ টাকারও বেশি হয়ে গেছে। গত মাসে যেখানে এই দাম ছিল এক লক্ষ টাকারও কম, সেখানে এক মাসের মধ্যেই এই বিশাল বৃদ্ধি নজরে পড়েছে।শুধু দিল্লি নয়, কলকাতাতেও জ্বালানির দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। মার্চ মাসে যেখানে দাম ছিল প্রায় নিরানব্বই হাজার টাকা, এখন তা বেড়ে দুই লক্ষ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। চেন্নাইতেও দাম দুই লক্ষ টাকার বেশি হয়েছে। মুম্বইতে তুলনামূলকভাবে দাম কিছুটা কম হলেও সেখানেও উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়েছে।এই হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিমান সংস্থাগুলির খরচ অনেকটাই বেড়ে যাবে। ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই বিমানের টিকিটের দামও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। যাঁরা নিয়মিত বিমান যাত্রা করেন, তাঁদের জন্য এটি বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগেও জ্বালানির দাম কিছুটা বেড়েছিল, তবে এই প্রথম এত বড়সড় বৃদ্ধি দেখা গেল। প্রথমবারের মতো বিমানের জ্বালানির দাম দুই লক্ষ টাকার সীমা ছাড়িয়ে গেল।এই পরিস্থিতিতে আগামী দিনে বিমান ভাড়া কতটা বাড়বে, সেদিকেই এখন নজর সকলের।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
রাজ্য

সাত এপ্রিলেই সব পরিষ্কার! ভোটার তালিকা নিয়ে বড় আশ্বাস, সন্তুষ্ট শীর্ষ আদালত

ভোটের আগে বড় স্বস্তির খবর এল আদালত থেকে। বিবেচনাধীন থাকা সমস্ত ভোটারের নাম খুব দ্রুত নিষ্পত্তি করা হবে বলে জানিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই আশ্বাসে সন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্টও।বুধবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির একটি চিঠি তুলে ধরা হয়। সেই চিঠিতে জানানো হয়েছে, আগামী সাত এপ্রিলের মধ্যেই সব বিবেচনাধীন নামের নিষ্পত্তি সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। এই বক্তব্য শুনে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত।এদিন আদালতে জানানো হয়, মোট প্রায় ষাট লক্ষ নামের মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় সাতচল্লিশ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। প্রতিদিন প্রায় দুই লক্ষ করে নাম যাচাই ও নিষ্পত্তি করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।এর আগে এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল, ভোটের আগে এত বিপুল সংখ্যক নামের নিষ্পত্তি আদৌ সম্ভব কি না। বিশেষ করে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ঘনিয়ে আসায় উদ্বেগ বাড়ছিল। তবে এদিন আদালতে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।সুপ্রিম কোর্ট জানায়, হাই কোর্টের এই অগ্রগতিতে তারা সন্তুষ্ট এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব কাজ শেষ হবে বলে তারা আশা করছে।এছাড়াও আদালত জানিয়েছে, খুব শীঘ্রই ট্রাইবুনালের কাজও শুরু হবে। বৃহস্পতিবার থেকেই ট্রাইবুনাল কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। এর আগে বুধবার প্রাক্তন বিচারপতিদের প্রশিক্ষণের কাজ শুরু হবে।এই সিদ্ধান্তের ফলে ভোটার তালিকা নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
কলকাতা

মহুয়ার মন্তব্যে অস্বস্তিতে দল! গুজরাটিদের ক্ষোভ, সামনে এল মমতার ক্ষমা প্রার্থনা

ভোটের আগে নতুন করে বিতর্কে জড়াল শাসক দল। দলের সাংসদ মহুয়া মৈত্রের একটি মন্তব্য ঘিরে অস্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস। গুজরাটি সম্প্রদায়কে নিয়ে তাঁর মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই ভবানীপুরে বসবাসকারী গুজরাটি মানুষদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়ায়।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলেরই এক কাউন্সিলর প্রকাশ্যে ওই মন্তব্যের নিন্দা করেন। তিনি জানান, এই ধরনের মন্তব্য দলের অবস্থান নয় এবং সাংসদ নিজের মতেই তা বলেছেন। একইসঙ্গে গুজরাটি সম্প্রদায়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনাও করা হয় তাঁর তরফে।এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বার্তাও সামনে আনা হয়। সেই বার্তায় তিনি গুজরাটি ভাই-বোনেদের কাছে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি জানান, এই মন্তব্য দল সমর্থন করে না এবং বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সাংসদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। এই ধরনের মন্তব্যের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।কয়েকদিন আগে এক সাংবাদিক বৈঠকে স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে মহুয়া মৈত্র মন্তব্য করেছিলেন, যেখানে তিনি বাঙালিদের অবদানের কথা তুলে ধরতে গিয়ে গুজরাটিদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর সেই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক।ঘটনার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়তে থাকে। ভবানীপুরের একটি বড় অংশ গুজরাটি সম্প্রদায়ের মানুষ নিয়ে গঠিত হওয়ায় বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। জানা যায়, অতীতের নির্বাচনে এই এলাকায় তৃণমূল খুব একটা ভালো ফল করতে পারেনি।রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের আগে যখন বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা চলছে, তখন এই ধরনের মন্তব্য উল্টো প্রভাব ফেলতে পারে। বিরোধী দল এই ইস্যুকে হাতিয়ার করতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে দ্রুত ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টা শুরু করেছে তৃণমূল। দলের তরফে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, এই মন্তব্য দল সমর্থন করে না এবং গুজরাটি সম্প্রদায়ের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
কলকাতা

ফর্ম নিয়ে তুমুল সংঘর্ষের পরও থামছে না উত্তেজনা! সিইও দপ্তরের সামনে আবার অবস্থান

ফর্ম নিয়ে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। মঙ্গলবারের সংঘর্ষের পর বুধবার সকালেও নির্বাচন দফতরের সামনে চাপা উত্তেজনা বজায় রয়েছে। সকাল থেকেই সেখানে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ধর্না ও অবস্থান শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় বিপুল সংখ্যায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।অভিযোগ, এক ব্যক্তি ব্যাগভর্তি ফর্ম নিয়ে নির্বাচন দফতরে ঢুকেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রচুর ফর্ম জমা দেওয়ার অভিযোগে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার নির্বাচন দফতরের সামনে দুই রাজনৈতিক দলের কর্মীদের মধ্যে বচসা চরমে ওঠে। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এরপর রাতেও দফতরের সামনে তৃণমূল কর্মীদের জমায়েত ও বিক্ষোভ চলতে থাকে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ আধিকারিকরা এসে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে বিক্ষোভকারীরা কিছুটা সরে যান।এই ঘটনার পর নির্বাচন কমিশনের তরফে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, এ ধরনের অসামাজিক কাজ কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক নয়। বুধবার সকাল থেকেই আবার দফতরের সামনে জমায়েত শুরু হয়েছে। পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।এদিকে রাতের ঘটনাকে ঘিরে নির্বাচন দফতরের শীর্ষ আধিকারিক ও পুলিশ প্রশাসনের মধ্যে বৈঠক হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।ফর্ম জমা দেওয়া নিয়ে এই বিতর্কে ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা ঘিরে বিস্ফোরক দাবি! একজনের হাতে হাজার হাজার আবেদন, প্রশ্নের মুখে প্রক্রিয়া

ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে শুনানির মাঝেই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হল। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে এদিন উঠে আসে বিপুল সংখ্যক ফর্ম জমা পড়ার বিষয়টি। রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, নির্বাচন কমিশনের দফতরে হঠাৎ করেই গুচ্ছ গুচ্ছ ফর্ম একসঙ্গে জমা পড়ছে।তিনি আদালতে বলেন, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হয়ে যাওয়ার পরও বিবেচনাধীন নামগুলির নিষ্পত্তির কাজ চলছে। এই পরিস্থিতিতে এত বড় সংখ্যায় আবেদন জমা পড়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। যদিও তিনি কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে দোষারোপ করেননি, তবে কেন এই সময়ে এত আবেদন জমা পড়ছে, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন।প্রধান বিচারপতি এই মন্তব্যের পর সতর্ক করে বলেন, অনুমানের ভিত্তিতে কোনও মন্তব্য করা উচিত নয়। এরপর নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী জানান, নিয়ম অনুযায়ী মনোনয়নের শেষ দিন পর্যন্ত আবেদন জমা দেওয়া যায়। এমনকি যাঁর সেদিনই আঠারো বছর পূর্ণ হচ্ছে, তিনিও আবেদন করার অধিকার রাখেন। তাই এই প্রক্রিয়ায় কাউকে বাধা দেওয়া সম্ভব নয়।শুনানির সময় আইনজীবী কপিল সিব্বল বলেন, এখানে সমস্যা হচ্ছে একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক আবেদন জমা পড়া। সেই প্রসঙ্গেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, একজন ব্যক্তিই নাকি কয়েক হাজার ফর্ম জমা দিয়েছেন। এই ঘটনায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।প্রধান বিচারপতি বলেন, এই ধরনের ঘটনা নতুন নয় এবং অতীতেও এমন নজির রয়েছে। তবে আবেদনকারীদের পরিচয় জানা না যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন আইনজীবীরা। তাঁদের দাবি, বুথভিত্তিকভাবে আবেদনকারীদের তালিকা প্রকাশ করা হলে অভিযোগ জানানো সহজ হবে।আদালত জানিয়ে দেয়, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে যারা আবেদন করেছেন, তাঁদের নাম বিবেচনা করা হবে। তবে নির্দিষ্ট সময়ের পরে আবেদন করলে নাম তালিকায় উঠলেও সেই নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার নাও থাকতে পারে।এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী জানান, তাঁদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী বিপুল সংখ্যক নাম তালিকায় যুক্ত হচ্ছে এবং অনেক নাম বাদও যাচ্ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।এরই মধ্যে মঙ্গলবার রাজ্যের নির্বাচন দফতরের বাইরে উত্তেজনা ছড়ায়। দুই রাজনৈতিক দলের কর্মীরা ফর্ম জমা দেওয়া নিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে এবং পরিস্থিতি সংঘর্ষে গড়ায়। মারধর, ধস্তাধস্তির অভিযোগ ওঠে দুই পক্ষের বিরুদ্ধেই। এক পক্ষের অভিযোগ, ফর্মের মাধ্যমে বাইরে থেকে লোক এনে ভোটার তালিকায় ঢোকানো হচ্ছে, অন্য পক্ষ সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।এই ঘটনায় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে এবং ভোটের আগে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
দেশ

দেশজুড়ে শুরু জনগণনা, কিন্তু বাদ পশ্চিমবঙ্গ! কেন এই ব্যতিক্রম? বাড়ছে জল্পনা

দেশজুড়ে আজ থেকে শুরু হল বহু প্রতীক্ষিত জনগণনা প্রক্রিয়া। এই জনগণনা হবে দুই ধাপে। এর সঙ্গে সঙ্গে শুরু হচ্ছে বাড়ি ও বাসস্থানের তথ্য সংগ্রহের কাজও। তবে এই প্রক্রিয়া আপাতত শুরু হচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গে, যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।জানা গিয়েছে, জনগণনা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি রাজ্য। এই বিষয়টি ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গকে জানানো হয়েছে বলে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি, জনগণনা সম্পূর্ণভাবে একটি কেন্দ্রীয় বিষয় এবং নির্ধারিত সময় অনুযায়ীই তা করা হবে।এইবারের জনগণনা সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতিতে করা হচ্ছে। নাগরিকদের নিজেদের তথ্য নিজেরাই নথিভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের বিস্তারিত তথ্য, বাড়ি ও সম্পত্তির বিবরণ দিতে হবে। এরপর সরকারি আধিকারিকরা বাড়িতে গিয়ে সেই তথ্য যাচাই করবেন। একবার তথ্য জমা হয়ে গেলে তা আর পরিবর্তন করা যাবে না।আজ থেকে শুরু হওয়া প্রথম ধাপ চলবে সেপ্টেম্বর মাসের শেষ পর্যন্ত। প্রথমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নাগরিকরা নিজেরাই তথ্য জমা দিতে পারবেন। তারপর সরকারি কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেই তথ্য যাচাই করবেন।এই প্রথমবার দেশের জনগণনা সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে করা হচ্ছে। নাগরিকরা নির্দিষ্ট পোর্টালে গিয়ে নিজেদের তথ্য জমা দিতে পারবেন এবং যাচাইয়ের জন্য একটি বিশেষ নম্বর পাবেন। পরে সরকারি কর্মীরা সেই নম্বরের ভিত্তিতে তথ্য মিলিয়ে দেখবেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১১ সালের পর এই প্রথম জনগণনা হচ্ছে। সাধারণত প্রতি দশ বছর অন্তর এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে তা সম্ভব হয়নি। এবারের জনগণনার জন্য বিপুল অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে দেশের অধিকাংশ জায়গায় জনগণনা শুরু হলেও পশ্চিমবঙ্গের বাইরে থাকা এই সিদ্ধান্ত নতুন করে প্রশ্ন তুলছে। কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে এই ইস্যুতে টানাপোড়েন আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal