• ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ১৩ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

South Africa

খেলার দুনিয়া

India vs South Arica : জয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ভারত, কিন্তু বাধা আসতে পারে, কেন?‌

সেঞ্চুরিয়নে প্রথম টেস্ট জিতে সিরিজে এগিয়ে যেতে পারবে ভারত? সেই সম্ভাবনা চতুর্থ দিনেই জোরালো করে তুললেন ভারতের বোলাররা। জয়ের জন্য ৩০৫ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা তুলেছে ৯৪/৪। জয়ের জন্য প্রোটিয়াদের এখনও দরকার ২১১ রান। অন্যদিকে ভারতকে তুলতে হবে ৬ উইকেট। ভারতের কাজটা অপেক্ষকৃত সহজ হলেও জয়ের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে আবহাওয়া। বৃহস্পতিবার সেঞ্চুরিয়নে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।বছরটা একেবারেই ভাল গেল না ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলির কাছে। আইপিএল, টি২০ বিশ্বকাপে ব্যর্থতা, একদিনের নেতৃত্ব থেকে অপসারন। অনেকেই আশা করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে সবকিছুর যোগ্য জবাব দেবেন। কিন্তু সেখানেও ব্যর্থ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে বড় রান পাননি। দ্বিতীয় ইনিংসেও সেই ব্যর্থতা সঙ্গী। একবার জীবন পেয়েও বড় রান করতে পারলেন না ভারতীয় দলের অধিনায়ক। চলতি বছরেও সেঞ্চুরি পেলেন না কোহলি।টেস্টে বিরাট কোহলির ব্যাট থেকে শেষ সেঞ্চুরি এসেছিল ২০১৯এ। তারপর থেকে আর ব্যাটে বড় রান নেই। অনেকেই ভেবেছিলেন সাদা বলের ক্রিকেটের নেতৃত্বভার কাঁধ থেকে নেমে যাওয়ায় চাপমুক্ত হয়ে মাঠে নামতে পারবেন। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ। প্রথম ইনিংসে করেছিলেন ৩৫। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও অনেক বাইরের বল তাড়া করে আউট হলেন। দুই ইনিংসেই যেভাবে উইকেট ছুঁড়ে দিয়েছেন, তাতে তাঁর মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। শুধু কোহলিই নয়, দ্বিতীয় ইনিংসে চূড়ান্ত ব্যাটিং ব্যর্থতা ভারতের। ৫০.৩ ওভারে মাত্র ১৭৪ রানে শেষ হয়ে গেল ভারতের দ্বিতীয় ইনিংস। আগের দিনের ১৬/১ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে ভারত। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় রান ছিল ৩২ ওভারে ৭৯/৩। এদিন প্রথম আউট হন শার্দুল ঠাকুর (১০), তারপর লোকেশ রাহুল (২৩)। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর প্রথম বলেই আউট হন কোহলি। এরপর প্রোটিয়া বোলারদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পন ভারতীয় ব্যাটারদের। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর ১ ঘন্টার মধ্যে ৪টি উইকেট হারায় ভারত। চেতেশ্বর পুজারা (১৬) আবার ব্যর্থ। রাহানে (২০), অশ্বিনরা (১৪) রান পাননি। ঋষভ পন্থ (৩৪) কিছুটা লড়াই করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে কাগিসো রাবাডা ৪২ রানে ৪টি, মার্কো জানসেন ৫৫ রানে ৪টি ও লুঙ্গি এনগিডি ৩১ রানে ২টি উইকেট নেন। জয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে লক্ষ্য ৩০৫। ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসেও শুরুতে ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্বিতীয় ওভারেই এইডেন মার্করামকে (১) তুলে নেন মহম্মদ সামি। পঞ্চদশ ওভারের প্রথম বলে কীগান পিটারসেনকে (১৭) ফেরান মহম্মদ সিরাজ। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ডিন এলগার ও ভ্যান ডার ডুসেন। ডুসেনকে (১১) তুলে নিয়ে ব্রেক থ্রু দেন যশপ্রীত বুমরা। শেষ বেলায় তুলে নেন কেশব মহারাজকে (৮)। ৫২ রান করে ক্রিজে রয়েছেন এলগার।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa-Kohli : ‌ব্যাটিং বিপর্যয় ভারতের, বছরটা কেন ভাল গেল না কোহলির কাছে?‌

বছরটা একেবারেই ভাল গেল না ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলির কাছে। আইপিএল, টি২০ বিশ্বকাপে ব্যর্থতা, একদিনের নেতৃত্ব থেকে অপসারন। অনেকেই আশা করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে সবকিছুর যোগ্য জবাব দেবেন। কিন্তু সেখানেও ব্যর্থ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে বড় রান পাননি। দ্বিতীয় ইনিংসেও সেই ব্যর্থতা সঙ্গী। একবার জীবন পেয়েও বড় রান করতে পারলেন না ভারতীয় দলের অধিনায়ক। চলতি বছরেও সেঞ্চুরি পেলেন না কোহলি।টেস্টে বিরাট কোহলির ব্যাট থেকে শেষ সেঞ্চুরি এসেছিল ২০১৯এ। তারপর থেকে আর ব্যাটে বড় রান নেই। অনেকেই ভেবেছিলেন সাদা বলের ক্রিকেটের নেতৃত্বভার কাঁধ থেকে নেমে যাওয়ায় চাপমুক্ত হয়ে মাঠে নামতে পারবেন। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ। প্রথম ইনিংসে করেছিলেন ৩৫। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও অনেক বাইরের বল তাড়া করে আউট হলেন। দুই ইনিংসেই যেভাবে উইকেট ছুঁড়ে দিয়েছেন, তাতে তাঁর মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। শুধু কোহলিই নয়, দ্বিতীয় ইনিংসে চূড়ান্ত ব্যাটিং ব্যর্থতা ভারতের। ৫০.৩ ওভারে মাত্র ১৭৪ রানে শেষ হয়ে গেল ভারতের দ্বিতীয় ইনিংস। আগের দিনের ১৬/১ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে ভারত। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় রান ছিল ৩২ ওভারে ৭৯/৩। এদিন প্রথম আউট হন শার্দুল ঠাকুর (১০), তারপর লোকেশ রাহুল (২৩)। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর প্রথম বলেই আউট হন কোহলি। এরপর প্রোটিয়া বোলারদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পন ভারতীয় ব্যাটারদের। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর ১ ঘন্টার মধ্যে ৪টি উইকেট হারায় ভারত। চেতেশ্বর পুজারা (১৬) আবার ব্যর্থ। রাহানে (২০), অশ্বিনরা (১৪) রান পাননি। ঋষভ পন্থ (৩৪) কিছুটা লড়াই করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে কাগিসো রাবাডা ৪২ রানে ৪টি, মার্কো জানসেন ৫৫ রানে ৪টি ও লুঙ্গি এনগিডি ৩১ রানে ২টি উইকেট নেন। জয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে লক্ষ্য ৩০৫।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa Test : ‌দুর্দান্ত প্রত্যাঘাত ভারতীয় বোলারদের, ৫ উইকেট নিয়ে মাইলস্টোনে মহম্মদ সামি

দিনের শুরুটা যদি দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের হয়, শেষবেলাটা অবশ্যই ভারতীয় বোলারদের। তৃতীয় দিন সকালে লুঙ্গি এনগিডি, কাগিসো রাবাডাদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পন করেছিলেন ভারতীয় ব্যাটাররা। শেষবেলায় পাল্টা প্রত্যাঘাত মহম্মদ সামিদের। ভারতের ৩২৭ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৯৭ রানে গুটিয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা। বল হাতে জ্বলে উঠলেন মহম্মদ সামি। ৪৪ রানে তুলে নিলেন ৫ উইকেট। একই সঙ্গে পৌঁছে গেলেন টেস্টে ২০০ উইকেটের মাইলস্টোনে।বৃষ্টির জন্য মাঠ ভেজা থাকায় দ্বিতীয় দিন একবলও খেলা হয়নি। প্রথম দিনের তোলা ২৭২/৩ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ভারত। আগের দিনের ১২২ রানের সঙ্গে মাত্র ১ রান যোগ করে আউট হন লোকেশ রাহুল। রাবাডার বলে উইকেটের পেছনে কুইন্টন ডিককের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি। বড় রানের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন অজিঙ্ক রাহানে। ৪৮ রান করে এনগিডির বলে তিনি সেই উইকেটের পেছনেই ক্যাচ দেন। এদিন শুরু থেকেই বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুই জোরে বোলার লুঙ্গি এনগিডি ও কাগিসো রাবাডা। গতি ও সুইং দিয়ে বাজিমাত করে গেলেন দুজনে। উইকেটের স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ অবশ্য কাজ অনেকটাই সহজ করে দিয়েছিল এই দুই জোরে বোলারের।লোকেশ রাহুল ও অজিঙ্ক রাহানে আউট হতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ভারতের ব্যাটিং। প্রথম ঘন্টাতেই ভারত এদিন ৬ উইকেট হারায়। তৃতীয় দিন সকালে ভারতের পঞ্চম উইকেট পড়ে ২৯১ রানে। সেখান থেকে ৩০৮ রানের মধ্যে চারটি উইকেট হারায়, মাত্র ১২ রানের ব্যবধানে। ঋষভ পন্থ (৮), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (৪), শার্দুল ঠাকুর (৪), মহম্মদ সামি (৮) কেউই রান পাননি। যশপ্রীত বুমরার (১৪) সৌজন্যে ভারত ৩২৭ রানে পৌঁছয়। শেষ উইকেটের জুটিতে মূল্যবান ১৯ রান যোগ করেন বুমরা ও মহম্মদ সিরাজ (অপরাজিত ৪)। লুঙ্গি এনগিডি ৭১ রানে ৬টি, কাগিসো রাবাডা ৭২ রানে ৩টি উইকেট নেন। ১টি উইকেট নেন মার্কো জানসেন। ভারতের শেষ ৭ উইকেট পড়ে ৫৫ রানে।এরপর ব্যাট করতে নেমে ভারতীয় বোলারদের সামনে দিশেহারা হয়ে পড়ে প্রোটিয়া ব্যাটাররা। ১৩ ওভারের মধ্যে ৩২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে। প্রথম ধাক্কা দেন যশপ্রীত বুমরা। ইনিংসের পঞ্চম বলে তুলে নেন অধিনায়ক ডিন এলগারকে (১)। সেই ধাক্কা আর সামলাতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। মার্করাম (১৩), কিগান পিটারসেন (১৫), ভ্যান ডার ডুসেনরা (৩) রান পাননি। কিছুটা লড়াই করেন তেম্বা বাভুমা (৫২) ও কুইন্টন ডিকক (৩৪)। রাবাডা করেন ২৫। ৬২.৩ ওভারে ১৯৭ রানে গুটিয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। ৪৪ রানে ৫ উইকেট নেন সামি। বুমরা ও শার্দুল ঠাকুর ২টি করে উইকেট নেন।১৩০ রানে এগিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত তুলেছে ১ উইকেটে ১৬। ৪ রান করে জানসেনের বলে আউট হয়েছেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। লোকেশ রাহুল ৫ ও শার্দুল ঠাকুর ৪ রানে ক্রিজে রয়েছেন।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa Test : ‌এনগিডি, রাবাডাদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পন, তৃতীয় দিন কেন ব্যাটিং বিপর্যয় ভারতের?‌

দুর্দান্ত শুরু করেও শেষরক্ষা হল না। লুঙ্গি এনগিডি, কাগিসো রাবাডাদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পন ভারতীয় ব্যাটারদের। তৃতীয় দিন সকালে ব্যাটিং বিপর্যয় ভারতের। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে ভারতের ইনিংস গুটিয়ে গেল ৩২৭ রানে। ভারতীয় বোলারদেরও পাল্টা প্রত্যাঘাত। মহম্মদ সামি, যশপ্রীত বুমরাদের সামনে দিশেহারা ডিন এলগাররাও। বৃষ্টির জন্য মাঠ ভেজা থাকায় দ্বিতীয় দিন একবলও খেলা হয়নি। প্রথম দিনের তোলা ২৭২/৩ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ভারত। আগের দিনের ১২২ রানের সঙ্গে মাত্র ১ রান যোগ করে আউট হন লোকেশ রাহুল। রাবাডার বলে উইকেটের পেছনে কুইন্টন ডিককের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি। বড় রানের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন অজিঙ্ক রাহানে। ৪৮ রান করে এনগিডির বলে তিনি সেই উইকেটের পেছনেই ক্যাচ দেন। এদিন শুরু থেকেই বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুই জোরে বোলার লুঙ্গি এনগিডি ও কাগিসো রাবাডা। গতি ও সুইং দিয়ে বাজিমাত করে গেলেন দুজনে। উইকেটের স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ অবশ্য কাজ অনেকটাই সহজ করে দিয়েছিল এই দুই জোরে বোলারের।লোকেশ রাহুল ও অজিঙ্ক রাহানে আউট হতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ভারতের ব্যাটিং। প্রথম ঘন্টাতেই ভারত এদিন ৬ উইকেট হারায়। তৃতীয় দিন সকালে ভারতের পঞ্চম উইকেট পড়ে ২৯১ রানে। সেখান থেকে ৩০৮ রানের মধ্যে চারটি উইকেট হারায়, মাত্র ১২ রানের ব্যবধানে। ঋষভ পন্থ (৮), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (৪), শার্দুল ঠাকুর (৪), মহম্মদ সামি (৮) কেউই রান পাননি। যশপ্রীত বুমরার (১৪) সৌজন্যে ভারত ৩২৭ রানে পৌঁছয়। শেষ উইকেটের জুটিতে মূল্যবান ১৯ রান যোগ করেন বুমরা ও মহম্মদ সিরাজ (অপরাজিত ৪)। লুঙ্গি এনগিডি ৭১ রানে ৬টি, কাগিসো রাবাডা ৭২ রানে ৩টি উইকেট নেন। ১টি উইকেট নেন মার্কো জানসেন। ভারতের শেষ ৭ উইকেট পড়ে ৫৫ রানে। যদি সকালে লোকেশ রাহুল ও অজিঙ্ক রাহানে ঘন্টাখানেক উইকেটে কাটিয়ে দিতে পারতেন, তাহলে অনেক বড় স্কোর হত ভারতের। কিন্তু এনগিডি ও রাবাডা সেই সুযোগ দেননি। ব্যাট করতে নেমে স্বস্তিতে নেই দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে তোলে ৫৭।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa : ধ্রুপদী ব্যাটিং লোকেশ রাহুলের, বড় রানের দিকে এগোচ্ছে ভারত

আলি বাখার থেকে শুরু করে অ্যানাল ডোনাল্ড, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে অনেক বিশেষজ্ঞই ভারতকে এগিয়ে রেখেছেন। বিষেশজ্ঞরা যে খুব একটা ভুল বলেননি, সেঞ্চুরিয়নে প্রথম টেস্টেই তার ইঙ্গিত পাওয়া গেল। প্রথম দিনেই দাপট ভারতীয় ব্যাটারদের। দুরন্ত সেঞ্চুরি করে ভারতকে চালকের আসনে বসালেন লোকেশ রাহুল। তবে যথারীতি ব্যর্থ চেতেশ্বর পুজারা। বড় রান করতে ব্যর্থ অধিনায়ক বিরাট কোহলিও।সেঞ্চুরিয়নের সুপারস্পোর্ট পার্কে এদিন টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। যতই গতিময়, বাউন্সি উইকেটের কথা বলা হোক না কেন, বাইশ গজ দেখে একেবারে ফ্ল্যাট মনে হয়েছে। তার ওপর দক্ষিণ আফ্রিকার জোরে বোলারদের নির্বিষ বোলিং কাজ সুবিধা করে দেয় ভারতের দুই ওপেনারের। মসৃনভাবে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান লোকেশ রাহুল ও মায়াঙ্ক আগরওয়াল। যদিও পঞ্চম ওভারে কাগিসো রাবাডার বলে লোকেশ রাহুলের বিরুদ্ধে কট বিহাইন্ডের জোরালো আবেদন উঠেছিল। আম্পায়ার সাড়া দেননি। ১৮তম ওভারে মার্সো জানসেনের বলে মায়াঙ্ক আগরওয়ালের ক্যাচ তালুবন্দী করতে পারেননি কুইন্টন ডিকক।জীবন পেয়ে লোকেশ রাহুলের সঙ্গে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ওপেনিং জুটিতে সেঞ্চুরি রান পূর্ণ করে ভারত। অবশেষে ৪১ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে জুটি ভাঙেন লুঙ্গি এনগিডি। ৬০ রান করে তাঁর বলে এলবিডব্লিউ হন মায়াঙ্ক। অনফিল্ড আম্পায়ার প্রথমে আউট দেননি। ডিআরএস নেন প্রোটিয়া অধিনায়ক ডিন এলগার। টিভি আম্পায়ার রিপ্লে দেখে মাঠের আম্পায়ারকে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করার পরামর্শ দেন। এই টেস্টেও খারাপ সময় কাটিয়ে উঠতে পারলেন না চেতেশ্বর পুজারা (০)। মায়াঙ্ক আউট হওয়ার পরের বলেই তিনি আউট হন। এই নিয়ে দ্বিতীয় বার দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে শূন্য রানে আউট হলেন পুজারা। শেষ বার ভারতীয় দলের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে এই সেঞ্চুরিয়নেই শূন্য রানে প্যাভিলিয়নে ফিরেছিলেন।পুজারা ফিরে যাওয়ার পর ক্রিজে নেমে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ব্যাট করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন বিরাট কোহলি। ব্যাটে বড় রানের ইঙ্গিত ছিল। কিন্তু লুঙ্গি এনগিডির অনেক বাইরের বলে ড্রাইভ মারতে গিয়ে উইকেট ছুঁড়ে দেন কোহলি। ৯৪ বল খেলে ৩৫ রান করেন তিনি। কোহলি ফিরে যাওয়ার পর বাইশ গজে প্রবেশ অজিঙ্ক রাহানের। দীর্ঘদিন ব্যাটে রান নেই। প্রচন্ড চাপে রয়েছেন। কিন্তু তাঁর ব্যাটিংয়ে আত্মবিশ্বাসের ছাপ স্পষ্ট। দিনের শেষে ৮১ বল খেলে ৪০ রান করে অপরাজিত রয়েছেন।ভারতকে অবশ্য বড় রানের স্বপ্ন দেখানোর মূল কান্ডারী লোকেশ রাহুল। এদিন দাপটের সঙ্গে ব্যাট করে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি উপহার দিলেন। এই নিয়ে টেস্টে সপ্তম সেঞ্চুরি হল রাহুলের। এর মধ্যে ১টা দেশের মাটিতে, বাকি ৬টি বিদেশের মাঠে। ১২৭ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করার পর রাহুল শতরান পূর্ণ করেন ২১৮ বলে। তাঁর সেঞ্চুরিতে ভর করেই ভারত প্রথম ইনিংসে বড় রানের দিকে এগোচ্ছে। দ্বিতীয় ভারতীয় ওপেনার হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকায় শতরান রাহুলের। প্রথম দিনের শেষে ভারতের স্কোর ৩ উইকেটে ২৭২। ১২২ রান করে ক্রিজে রয়েছেন রাহুল, যোগ্য সঙ্গত দিচ্ছেন অজিঙ্ক রাহানে। অবিচ্ছেদ্য চতুর্থ উইকেট জুটিতে তাঁরা যোগ করেছেন ৭৩ রান।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Preview : ‌রাবাডাদের সামলাতে পারবেন?‌ কঠিন চ্যালেঞ্জ কোহলিদের কাছে

রবিবার সেঞ্চুরিয়নে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ খেলতে নামছে ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে খেলা হলেও বিরাট কোহলির দল যে ধারেভারে এগিয়ে থেকেই মাঠে নামবে, সেকথা বলা যেতেই পারে। আগের সফরে একটা টেস্ট ম্যাচে জিতলেও প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে তাদের দেশের মাঠে এখনও সিরিজ জেতেনি ভারত। অধিনায়ক বিতর্কে জর্জরিত ভারতীয় দল এবার কেমন ফল করেল সেদিকে তাকিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীরা। তবে সিরিজে যে তুল্যমূল্য লড়াই হবে সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।সেঞ্চুরিয়ানের সুপারস্পোর্টস পার্কের উইকেট মূলত জোরে বোলিং সহায়ক। উইকেটে যেমন গতি আছে, তেমন বাউন্সও রয়েছে। বল দুটিকে সুইং করে। এককথায় পেস বোলারদের স্বর্গরাজ্য। এই ধরণের উইকেট ব্যাটারদের কাছে যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের। তার ওপর চোটের জন্য আগেই সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন রোহিত শর্মা। ব্যাটিংয়ে যাদের ওপর মূল ভরসা সেই বিরাট কোহলি, চেতেশ্বর পুজারা, অজিঙ্ক রাহানে ফর্মে নেই। যদিও হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড় আশা করছেন এই তিন ব্যাটারই ভাল ছন্দে রয়েছেন, সেঞ্চুরিয়নে রানে ফিরবেন। বিপক্ষের ২০ উইকেট তুলতে ৫ স্বীকৃত বোলারে খেলার পরিকল্পনা আছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের। কারণ সেঞ্চুরিয়ন সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩০০০ মিটার উঁচুতে। বোলারদের দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ফলে ৪ বোলার নিয়ে খেললে ঝুঁকি হয়ে যেতে পারে। মহম্মদ সামি, যশপ্রীত বুমরার সঙ্গে জোরে বোলার হিসেবে মহম্মদ সিরাজকে খেলানো হতে পারে। তবে অভিজ্ঞতার জন্য ইশান্তকেও খেলানো হতে পারে সিরাজের পরিবর্তে। এক স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। দলে কোনও স্বীকৃত অলরাউন্ডার নেই। তাই পঞ্চম বোলার হিসেবে শার্দুল ঠাকুরকে খেলানোর পরিকল্পনা রয়েছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের। কারণ শার্দুলের ব্যাটের হাত যথেষ্ট ভাল। ওপেনিংয়ে লোকেশ রাহুলের সঙ্গে মায়াঙ্ক আগরওয়াল। তিনে বিরাট কোহলি, চারে চেতেশ্বর পুজারা। পাঁচ নম্বর জায়গার জন্য জোর লড়াই শ্রেয়স আয়ার, হনুমা বিহারী ও অজিঙ্ক রাহানের মধ্যে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আগের সিরিজে সেঞ্চুরি করেছেন শ্রেয়স। তবে রাহানের ওপর আস্থা রাখছেন হেড কোচ দ্রাবিড়। তাঁরই খেলার সম্ভাবনা বেশি। ম্যাচের দিন সকালে বাইশ গজ দেখে তারপর সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে দুই দেশের লড়াইয়ে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে বৃষ্টি। রবিবার ও সোমবার বৃষ্টির পূর্ভাভাস রয়েছে। ভারতীয় দল তিনদিন ধরে সেন্টার উইকেটে অনুশীলনের সুযোগ পেয়েছে। পরিবেশের সঙ্গে দারুণভাবে মানিয়ে নিয়েছেন কোহলিরা। এখন দেখার আসল সময়ে কতটা জ্বলে উঠতে পারেন। তবে রাবাদা, এনগিডি, অলিভিয়েরদের সামলাতে যে ভারতীয় ব্যাটারদের কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে পড়তে হবে, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa Test : রাহানের ওপর আস্থা, কোহলিকে কেন আড়াল করলেন রাহুল দ্রাবিড়?‌

দীর্ঘদিন ব্যাটে রান নেই। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে অজিঙ্ক রাহানেকে বাদ দেওয়ার জন্য ঝড় উঠেছিল। এই অভিজ্ঞ ব্যাটারের ওপর এখনও আস্থা হারাননি নির্বাচকরা। তাই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে রাহানেকে দলে রেখেছেন। সিরিজের প্রথম টেস্টে এই অভিজ্ঞ ব্যাটারকে প্রথম একাদশে রেখেই পরিকল্পনা করছে টিম ম্যানেজমেন্ট। তার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের কথায়। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে রবিবার থেকে সেঞ্চুরিয়নে শুরু হচ্ছে সিরিজের প্রথম টেস্ট। প্রথম টেস্টে মাঠে নামার আগে প্রথাগত সাংবাদিক সম্মেলনে এদিন অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে না পাঠিয়ে এসেছিলেন হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়। কোহলিকে না পাঠানোয় এটা দিনের আলোর মতোই পরিস্কার, অধিনায়ককে আড়াল করতে চাইছেন হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়। আসলে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব বিতর্কে জেরবার বিরাট কোহলি। দ্রাবিড় জানতেন কোহলি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেই অবাঞ্ছিত প্রশ্ন উঠবে। তাতে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে ফোকাস নষ্ট হয়ে যেতে পারে কোহলির। তাই অধিনায়ককে আড়াল করার রাস্তাই বেছে নিলেন দ্রাবিড়। ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন কোহলির সামনে। কোহলি সাংবাদিক সম্মেলনে না এলেও নেতৃত্ব বিতর্ক নিয়ে প্রশ্ন উঠে এল দ্রাবিড়ের সামনেও। যথেষ্ট দক্ষতার সঙ্গে বিতর্কিত প্রশ্নের সামাল দিলেন দ্রাবিড়। অধিনায়ক বিতর্ক প্রশ্নে বলেন, দুই ফরম্যাটে দুজন অধিনায়ক বেছে নেওয়াটা নির্বাচকদের সিদ্ধান্ত। তবে নির্বাচকদের সঙ্গে আমার কী কথা হয়েছে সেটা এখন বলার সময় নয়। আর সেটা সাংবাদিকদের কাছেও নিশ্চয় বলব না। টেস্টে অধিনায়ক হিসেবে দারুণ ভুমিকা পালন করেছে। ক্রিকেটারই হোক কিংবা অধিনায়ক, সবসময় দুর্দান্ত পারফরমেন্স করেছে। টেস্ট ক্রিকেটকে খুব ভালবাসে। আশা করছি এই সিরিজে খুব ভাল ক্রিকেট উপহার দেবে। টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে অফ ফর্মে থাকা সব ক্রিকেটারের সঙ্গেই আলাদা করে কথা বলেছেন রাহুল দ্রাবিড়। সেঞ্চুরিয়নে রাহানেকে নেটে দেখে দ্রাবিড়ের মনে হয়ে ভাল ছন্দে রয়েছেন। রাহানের সঙ্গে ইতিবাচক কথাও হয়েছে বলে জানান দ্রাবিড়। ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, রাহানের সঙ্গে আমার ইতিবাচক কথা হয়েছে। ও ভাল প্রস্তুতি নিয়েছে। নেটে দেখে মনে হয়েছে খুব ভাল ছন্দে রয়েছে। আশা করছি এই সিরিজে ফর্মে ফিরবে। যদিও দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের প্রথম একাদশ ভাঙেননি দ্রাবিড়। যা ইঙ্গিত, রাহানের খেলার সম্ভাবনা রয়েছে।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Boxing Day: শ্রেয়স না রাহানে, প্রথম টেস্টে কার ভাগ্যে শিকে ছিঁড়বে?

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি করেও কি প্রথম একাদশের বাইরে থাকতে হবে শ্রেয়স আয়ারকে? তেমন কিছু ঘটলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্ট খেলতে নামার ৪৮ ঘন্টা আগে ভারতীয় দলের সহ অধিনায়ক লোকেশ রাহুল যেকথা বলে গেলেন, তেমন সম্ভাবনাই প্রবল। শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলনে লোকেশ রাহুল ভারতীয় দলের ৫ বোলার নিয়ে মাঠে নামার ইঙ্গিত দিয়েছেন। সেক্ষেত্রে ৫ বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান নিয়ে প্রথম টেস্ট খেলবে ভারত। চোটের জন্য রোহিত শর্মা টেস্ট সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন। এই অবস্থায় রোহিত শর্মার অনুপস্থিতিতে দক্ষিণ আফ্রিকার জোরে বোলারদের সামলাতে খুব ঝুঁকি নেওয়ার বিলাসিতা দেখাতে পারছে না ভারত। শেষ দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ভারত যে একমাত্র টেস্ট জিতেছিল তার মূল কৃতিত্ব ছিল অজিঙ্ক রাহানের। ফলে এই সিরিজের প্রথম টেস্টে তাঁর প্রথম একাদশে থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ভারত যদি ৫ ব্যাটারকে নিয়ে মাঠে নামে সেক্ষেত্রে ওপেন করবেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও লোকেশ রাহুল। তিন নম্বরে চেতেশ্বর পূজারা। চার নম্বরে বিরাট কোহলি। পাঁচ নম্বরে লড়াই শ্রেয়স আয়ার, অজিঙ্ক রাহানে ও হনুমা বিহারীর মধ্যে। শ্রেয়স আয়ার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মুম্বই টেস্টে দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি ও হাফ সেঞ্চুরি করেছেন। হনুমা বিহারী দক্ষিণ আফ্রিকা এ দলের বিরুদ্ধে ভাল খেলেছেন। ফলে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের কাজ যে যথেষ্ট কঠিন তা মেনে নিচ্ছেন লোকেশ রাহুল। তিনি বলেন, মেলবোর্ন ও লর্ডস টেস্ট-সহ দেশের হয়ে অনেকবারই গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছেন রাহানে। দলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটার। শ্রেয়সও সুযোগ কাজে লাগিয়েছে। হনুমাও দেশের হয়ে ভাল খেলেছে। সবমিলিয়ে একজনকে বেছে নেওয়া খুব কঠিন। বিষয়টি নিয়ে আমরা ম্যাচের আগের দিন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারব।আগেরবারের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের তুলনায় এবারের সফরে ভারতের প্রস্তুতি অনেক ভাল হয়েছে বলে মনে করছেন লোকেশ রহুল। সেঞ্চুরিয়নে পেস ও বাউন্সের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সেখানে যে প্রস্তুতি দল নিয়েছে তা পর্যাপ্ত বলেই মনে করেন কোহলির সহকারী। দক্ষিণ আফ্রিকায় খেলার খুব বেশি অভিজ্ঞতা না থাকলেও রাহুল বলেন, এখানকার উইকেট অস্ট্রেলিয়ার তুলনায় আলাদা। এখানকার পেস ও বাউন্স সামলানো চ্যালেঞ্জিং হবে। তবে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডে ভালো খেলার আত্মবিশ্বাস নিয়েই।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa : রাবাডাদের সামলানোর ক্ষমতা আছে?‌ কী বললেন চেতেশ্বর পুজারা

বিদেশ সফর মানেই ভারতীয় দলের কাছে আতঙ্ক বিপক্ষের জোরে বোলাররা। অতীতে এই ছবিটাই বারবার চোখে পড়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে ছবিটাও। এখন আর বিদেশের মাটিতে ভয় পান না ভারতীয় ব্যাটাররা। চোখে চোখ রেখে কথা বলেন। চলতি বছরে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মাঠে সিরিজ জয় আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। এবার সামনে দক্ষিণ আফ্রিকা। গতিময়, বাউন্সি উইকেটে মুখোমুখি হতে হবে প্রোটিয়া জোরে বোলারদের। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজে পেস সহায়ক উইকেট হলেও সমস্যায় দলকে সমস্যায় পড়তে হবে না। এই রকমই জানিয়েছেন ভারতীয় দলের ব্যাটার চেতেশ্বর পুজারা।২৬ ডিসেম্বর সেঞ্চুরিয়ানে সিরিজের প্রথম টেস্ট শুরু। সেঞ্চুরিয়ানের উইকেটে যথেষ্ট গতি আছে। বল দুদিকে সুইং করে। তা সত্ত্বেও সাফল্যের ব্যাপারে আশাবাদী চেতেশ্বর পুজারা। সেঞ্চুরিয়ানে প্রস্তুতির ফাঁকে বিসিসিআই টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, বিদেশের উইকেট সবসময়ই গতিপূর্ণ হয়। যথেষ্ট বাউন্স থাকে। বল দুদিকে সুইং করে। এই ধরণের পরিবেশে জোরে বোলারদের সামলানো যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার জোরে বোলারদের সামলানোর ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। সেই দক্ষতা এই ভারতীয় দলের রয়েছে। পুজারার আত্মবিশ্বাসের কারণ সাম্প্রতিককালে বিদেশের মাটিতে ভারতের সাফল্য। চলতি বছরের গোড়াতে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সিরিজ জিতেছিল ভারত। সেপ্টেম্বরে ইংল্যান্ডকে তাদের ঘরে মাঠে সিরিজে হারিয়েছে। সেই পারফরমেন্সই আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে চেতেশ্বর পুজারা।ভারতীয় দলের এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান আরও বলেন, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে আমাদের বাউন্সি উইকেটে খেলতে হয়েছিল। পরিবেশ জোরে বোলারদের অনুকূল ছিল। ওই দুটি সিরিজেই আমারা জোরে বোলারদের সামলে জিতেছিলাম। অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুটি সিরিজ জয় দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে। আশা করছি দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজেও ভাল ফল করব। সিরিজ জেতার মতো দক্ষতা এই ভারতীয় দলের আছে। বিরাট কোহলি, অজিঙ্ক রাহানে, মহম্মদ সামি, ইশান্ত শর্মা, চেতেশ্বর পুজারাসহ বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের অতীতে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। অতীত অভিজ্ঞতা ভারতীয় দলকে ভাল খেলবে বলে মনে করছেন পুজারা। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং শক্তিকে অন্যতম সেরা আক্ষা দিয়েছেন তিনি।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Cricket : সেঞ্চুরিয়ানে অভাবনীয় সুযোগ, মানিয়ে নিতে পারবেন কোহলিরা?‌

বিদেশের মাটিতে খেলতে গিয়ে কোনও দল মাঠের প্রধান উইকেটে অনুশীলন করার সুযোগ পাচ্ছে, এই রকম ভাবাটাই কঠিন। সিরিজ শুরুর আগে সাধারণত সফরকারী দলকে সেই সুযোগ দেওয়া হয় না। মাঠের পাশে কিংবা মাঠের একধারে উইকেট তৈরি করে সেখানে নেট অনুশীলনের ব্যবস্থা করা হয়। মূল উইকেটে অনুশীলন করতে না দেওয়ার কারণ পরিবেশের সঙ্গে তারা মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেয়ে যাবে। বিশেষ করে সেনা অন্তর্ভূক্ত দেশগুলি তো নয়ই। এই সেনার মধ্যে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া। এবার অন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করল দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ড। প্রথম টেস্ট শুরুর আগে সেঞ্চুরিয়ানের সুপারস্পোর্টস পার্কে সেন্টার উইকেটে অনুশীলন করার সুযোগ দিয়েছে বিরাট কোহলিদের।সেঞ্চুরিয়ানে পৌঁছনোর পর এতদিন ফিজিক্যাল ট্রেনিংয়ের ওপরই সীমাবদ্ধ ছিল কোহলিদের প্র্যাকটিস। সোমবার নেট অনুশীলন শুরু করল ভারতীয় দল। তাও আবার একেবারে সেন্টার উইকেটে। মূল উইকেটে অনুশীলন দারুণ উপভোগ করেছে গোটা দল। প্রথম টেস্টের আগে আরও ৩ দিন অনুশীলনের সুযোগ পাবেন কোহলিরা। এরফলে সেঞ্চুরিয়ানের বাউন্সি উইকেটের সঙ্গে ভালভাবে ধাতস্থ হতে পারবেন ভারতীয় ব্যাটাররা। সেন্টার উইকেটে অনুশীল করে খুশি ভারতীয় দল। দলের হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড় বলেন, টেস্টের প্রস্তুতির জন্য সেন্টার উইকেটে অনুশীলন করার সুযোগ পাওয়াটা দলের পক্ষে ভাল হয়েছে। পরের ৩ দিন আরও গুরুত্বপূর্ণ। এরফলে পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাব।তবে সেঞ্চুরিয়ানের উইকেট ব্যাটারদের কাছে যে যথেষ্ট কঠিন হবে, তা বোঝা গেছে। উইকেটে ভাল বাউন্স আছে, সুইংও করছিল যথেষ্ট। এই উইকেটে প্র্যাকটিস করার পর শ্রেয়স আয়ার বিসিসিআই টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, সেঞ্চুরিয়ানের উইকেট দেখে বোলাররা দারুণ খুশি। উইকেটে বল সুইং করছিল। বাউন্সও আছে ভাল। ব্যারাটদের যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে। একই কথা শোনা গেছে ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোরের মুখে।এই ধরণের উইকেটে ৪ বোলার খেলানো হবে, না ৫ বোলার তা নিয়ে দ্বিধায় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সেঞ্চুরিয়ান সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেকটাই উঁচুতে। বোলারদের দ্রুত ক্লান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ৪ জন বোলার খেলালে সমস্যা হতে পারে। ৫ জন বোলার নিয়ে মাঠে নামার সম্ভাবনা রয়েছে। পঞ্চম বোলার হিসেবে শার্দুল ঠাকুরকে খেলানো হতে পারে। তিনি ষষ্ঠ ব্যাটারের কাজও করে দিতে পারবেন। সেক্ষেত্রে অজিঙ্ক রাহানের প্রথম একাদশে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা কম।

ডিসেম্বর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Rohit Sharma : দক্ষিণ আফ্রিকা যাওয়ার আগে বড় ধাক্কা, ছিটকে গেলেন কোহলির ডেপুটি রোহিত

কদিন আগেই একদিনের নেতার মুকুট উঠেছে তাঁর মাথায়। খুশির রেশ কাটার আগেই বিষাদের ছায়া নেমে এল রোহিত শর্মার ওপরে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন ভারতীয় দলের এই ওপেনার। তাঁর পরিবর্তে টেস্ট দলে ডাকা হয়েছে গুজরাটের ওপেনার প্রিয়ঙ্ক পাঞ্চালকে। টেস্ট সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেও একদিনের সিরিজে রোহিত খেলতে পারবেন কিনা, তা এখনও পরিস্কার নয়।দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের জন্য মুম্বইয়ের বান্দ্রাকুরলা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে প্র্যাকটিস করছিলেন রোহিত। প্র্যাকটিসের সময় তিনি হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান। চোট খুব বেশি গুরুতর না হলেও ভারতীয় দলের মেডিকেল টিম রোহিতকে সপ্তাহ তিনেক বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। ফলে টেস্ট সিরিজে তাঁর পক্ষে খেলা সম্ভব হবে না। রোহিতের পরিবর্তে প্রিয়ঙ্ক পাঞ্চালকে দলে ডেকেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। গুজরাটের এই ওপেনার অবশ্য এই প্রথম জাতীয় দলে ডাক পেলেন না। এই বছরেই ইংল্যাল্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজে স্ট্যান্ডবাই হিসেবে তাঁকে দলে রেখেছিলেন নির্বাচকরা। তবে খেলার সুযোগ পাননি।টেস্ট সিরিজ থেকে রোহিত ছিটকে যাওয়ায় ভারতীয় দলকে চরম সমস্যায় পড়তে হবে। কারণ, ধারাবাহিকতার দিক দিয়ে রোহিতই এই মুহূর্তে ভারতীয় দলের সেরা ব্যাটার। এই বছরে দেশের হয়ে টেস্টে সবথেকে বেশি রান এসেছে তাঁরই ব্যাট থেকে। ২০১৯ সালের ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ থেকে সেপ্টেম্বরের ইংল্যান্ড সিরিজ পর্যন্ত ১৬ টেস্টে ১৪৬২ রান করেছেন রোহিত। গড় ৫৮.৪৮। এই ১৬টি টেস্টে ৫টি সেঞ্চুরি করেছেন। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওভালে ম্যাচ জেতানো ১২৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন রোহিত।রোহিত শর্মা ছিটকে যাওয়ায় তাঁর পরিবর্তে কাকে সহ অধিনায়ক করা হবে, তা নিয়ে দ্বিধায় বোর্ড। অজিঙ্ক রাহানেকে ফিরিয়ে দেওয়া হতে পারে অথবা লোকেশ রাহুলকে বেছে নেওয়া হতে পারে। রোহিতের বদলে গুজরাটের ওপেনার প্রিয়ঙ্ক পাঞ্চালকে দলে নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরেই ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে স্ট্যান্ডবাই হিসেবে দলে ছিলেন পাঞ্চাল। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ভারতীয় এ দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২১
দেশ

Corona Alart: করোনার নতুন রূপ নিয়ে সতর্কতা জারি কেন্দ্রের, রাজ্যগুলোকে চিঠি

দক্ষিণ আফ্রিকায় চিহ্নিত করোনা ভাইরাসের নতুন রূপ নিয়ে রাজ্যগুলিকে সতর্ক করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। এ নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সচিব রাজেশ ভূষণ সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। সেখানে করোনার এই নতুন রূপে জিনের চরিত্রবদলকে খুব বিরল সমাবেশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।রাজ্যগুলিকে দেওয়া কেন্দ্রের ওই চিঠিতে লেখা, করোনার এই নতুন রূপ বহু বার জিনের বিন্যাস বদলেছে। আন্তর্জাতিক যাত্রা, ভিসার কড়াকড়ি এখন অনেকটাই শিথিল করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভাইরাসের নতুন রূপ জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করতে পারে। প্রথমে বৎসোয়ানায়, পরে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং হংকংয়ে করোনা ভাইরাসের আরও ভয়ঙ্কর এই রূপের হদিশ মিলেছে। ভাইরোলজির পরিভাষায় যার নাম বি.১.১৫২৯। অন্তত ৩২ বার স্পাইক প্রোটিন বদলে করোনা ভাইরাসের এই রূপ তৈরি হয়েছে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।যে সব দেশে করোনাভাইরাসের নতুন রূপের হদিশ মিলেছে সে সব দেশ থেকে আসা ব্যক্তিদের উপর নজর রাখার জন্য নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। চিঠিতে লেখা হয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে ভারতে আসা ব্যক্তিদের উপর কঠোর ভাবে স্ক্রিনিং এবং পরীক্ষা করতে হবে। এবং এই সব ব্যক্তিদের সংস্পর্শে আসা সকলের উপরেও নজর রাখতে হবে। চিঠি দিয়ে এই নির্দেশই রাজ্যগুলিকে দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।গত ২৩ নভেম্বর, মঙ্গলবার প্রথম এই ভ্যারিয়েন্টের বিষয়টা সামনে আসে। লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের ভাইরোলজিস্ট ড. টম পিকক, করোনার এই নয়া রূপ নিয়ে একটি টুইট করেন। সেখানে বিশদ বিবরণ জানান তিনি। তিনি উল্লেখ করেন নয়া ওই ভ্যারিয়েন্টের অভিযোজন ক্ষমতা অনেক বেশি। করোনার অ্যান্টিবডি এ ক্ষেত্রে কাজ করবে কি না, সে বিষয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি। নতুন এই B.1.1.529 ভ্যারিয়েন্ট প্রথম ধরা পড়েছে বৎসোয়ানায়। পরে সেই ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়েছে হংকং ও দক্ষিণ আফ্রিকায়। এখন পর্যন্ত জেনোম সিকোয়েন্সিং করে দক্ষিণ আফ্রিকায় ১০ জনের শরীরে শনাক্ত করা হয়েছে ওই ভাইরাস। আলফা, গামা ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া পি৬৮১এইচ মিউটেশন রয়েছে এই ভ্যারিয়েন্টেও।দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রাপ্ত করোনা ভাইরাসের এই নতুন রূপের সন্ধান কারও শরীরে পাওয়া গেলে তার নুমনা আইএনএসএসিওজি জিনোম সিকোয়েন্সিং পরীক্ষাগারে পাঠানোর নির্দেশ রাজ্য মুখ্যসচিব, স্বাস্থ্য আধিকারিকদের দিয়েছেন রাজেশ ভূষণ।

নভেম্বর ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : জিতেও শেষরক্ষা হলে না দক্ষিণ আফ্রিকার, সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধ গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে জ্বলে উঠেও শেষরক্ষা হল না দক্ষিণ আফ্রিকার। টি২০ বিশ্বকাপের গ্রুপ লিগ থেকেই বিদায় নিতে হল প্রোটিয়াদের। শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ১০ রানে হারিয়ে ৮ পয়েন্টে পৌঁছে গেলেও নেট রান রেটের বিচারে ছিটকে যেতে হল তেম্বা বাভুমাদের।শুক্রবার দিনের প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে হারিয়ে গ্রুপের অঙ্ক জমিয়ে দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। চাপ বেড়ে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। সেমিফাইনালে যেতে গেলে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শুধু জিতলেই হত না, নেট রান রেটও অনেকটাই বাড়িয়ে নিতে হত। দক্ষিণ আফ্রিকা জিতলেও নেট রান রেটে টপকে যেতে পারল না অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডকে। তিন দলই শেষ করল ৮ পয়েন্টে। নেট রান রেটে শীর্ষে ইংল্যান্ড (+২.৪৬৪), দ্বিতীয় স্থানে অস্ট্রেলিয়া (+১.২১৬), তৃতীয় স্থান দক্ষিণ আফ্রিকা (+০.৭৩৯)। ইংল্যান্ডও যে খুব একটা স্বস্তিতে ছিল, একথা বলা যাবে না। তাদেরও নেট রান রেটের কথা মাথায় রাখতে হয়েছিল। তাই টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাট করতে পাঠায়। ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। রেজা হেনড্রিকসকে (২) তুলে নেন মইন আলি। কুইন্টন ডিকক ও ভ্যান ডার ডুসেন জুটি দলকে টেনে নিয়ে যায়। ২৭ বলে ৩৪ রান করে আদিল রশিদের বলে আউট হন ডিকক। দক্ষিণ আফ্রিকার রান তখন ৮৬। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ভ্যান ডার ডুসেন ও এইডেন মার্করাম। দুজনেই বিধ্বংসী মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন। ৫টি চার এবং ৬টি ছয়ের সাহায্যে ৬০ বলে ৯৪ রান করে অপরাজিত থাকেন ভ্যান ডার ডুসেন। ২৫ বলে ৫২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন এইডেন মার্করাম। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ২টি চার ও ৪টি ছয়। এই দুজনের দাপটে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেটে ১৮৯ রান তোলে দক্ষিণ আফ্রিকা। ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ডও দারুণ জবাব দিতে শুরু করে। ওপেনিং জুটিতে ৪ ওভারে ওঠে ৩৭। এরপরই হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের জন্য মাঠ ছাড়েন জেসন রয় (১৫ বলে ২০)। বাটলার (১৫ বলে ২৬), মইন (২৭ বলে ৩৭), মালানরা (২৬ বলে ৩৩) দলকে টেনে নিয়ে যান। লিভিংস্টোন করেন ২৮। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ১৪ রান। কাগিসো রাবাডা পরপর ৩ বলে তুলে নেন মর্গ্যান (১৭), ওকস (০) ও জর্ডনকে (০)। সেখানেই শেষ হয়ে যায় ইংল্যান্ডের জয়ের স্বপ্ন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ইংল্যান্ড ৮ উইকেট হারিয়ে তোলে ১৭৯।

নভেম্বর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T‌20 World Cup : বাংলাদেশকে হারিয়ে সেমিফাইনালের লড়াই জমিয়ে দিল দক্ষিণ আফ্রিকা

সুপার ১২র গ্রুপ ১ থেকে ইতিমধ্যেই টি২০ বিশ্বকাপের ছাড়পত্র পেয়ে গেছে ইংল্যান্ড। বাকি জায়গার জন্য জোরদার লড়াই। লড়াই আরও জমিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার জয়। বাংলাদেশকে ৬ উইকেটে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ওপর চাপ বাড়াল প্রোটিয়ারা। কারণ ৩৯ বল বাকি থাকতে জয় তুলে নিয়ে নেট রান রেট অনেকটাই বাড়িয়ে নিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এদিন টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাট করতে পাঠান দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। শুরুটা ভাল করেও হঠাৎ ধস নামে বাংলাদেশের ইনিংসে। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ২২। চতুর্থ ওভারের পঞ্চম বলে মহম্মদ নইমকে (৯) রাবাডা তুলে নিতেই ব্যাটিং বিপর্যয় বাংলাদেশ শিবিরে। পরের বলেই রাবাডা ফেরান সৌম্য সরকারকে (০)। এক ওভার পরেই তুলে নেন মুশফিকুর রহিমকে (০)। রাবাডার বিধ্বংসী স্পেলে খড়কুটোর মতো উড়ে যায় বাংলাদেশের টপ অর্ডার। মাহমুদুল্লাকে (৩) তুলে নেন আনরিখ নর্টিয়ে। ৩৪ রানে ৫ উইকেটে হারিয়ে আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি বাংলাদেশ। বাংলাদেশের হয়ে কিছুটা লড়াই করেন লিটন দাস (৩৬ বলে ২৪), মেহেদি হাসান (২৫ বলে ২৭)। শেষ পর্যন্ত ১৮.২ ওভারে ৮৪ রানে শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। ৮ রানে ৩ উইকেট নেন নর্টিয়ে। ২০ রানে ৩ উইকেট নেন রাবাডা।ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। প্রথম ওভারের শেষ বলে ফিরে যান রেজা হেনড্রিকস (৪)। তাস্কিন আমেদের বলে এলবিডব্লুউ হন। এরপর ১৫ বলে ১৬ রান করে মেহেদি হাসানের বলে বোল্ড হন কুইন্টন ডিকক। এইডেন মার্করাম (০) দ্রুত ফিরে গেলেও লক্ষ্য কম থাকায় সমস্যা হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। ভ্যান ডার ডুসেন ও অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। ২৭ বলে ২২ রান করে নাসুম আমেদের বলে আউট হন ডুসেন। ২৮ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন বাভুমা। ১৩.৩ ওভারে ৮৬/৪ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। এই নিয়ে চার ম্যাচের মধ্যে তিনটিতে জয় পেল প্রোটিয়ারা। সেমিফাইনালের লড়াইয়ে চাপে ফেলে দিল অস্ট্রেলিয়াকে।

নভেম্বর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : বর্ণবৈষম্যের প্রতিবাদে সামিল কুইন্টন ডিকক, জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা

বিতর্ক পেছনে ফেলে আবার মাঠে ফিরলেন কুইন্টন ডিকক। দলের নির্দেশ মেনে বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে হাঁটু গেড়ে বসে প্রতিবাদে সামিলও হলেন। তবে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে পারলেন। কুইন্টন ডিকক রান না পেলেও জয় আটকায়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে ১ বল বাকি থাকতে শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল প্রোটিয়ারা। কাজে লাগল না ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার দুরন্ত হ্যাটট্রিক। দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের নায়ক ডেভিড মিলার। শেষ ওভারে দুটি ছক্কা মেরে দলকে জেতান তিনি।টস জিতে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাট করতে পাঠান দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। ২০ ওভারে ১৪২ রান তুলতে সমর্থ হয় শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কার হয়ে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন পাথুম নিসাঙ্কা। ৬টি চার ও ৩টি ছয়ের সাহায্যে তিনি ৫৮ বলে ৭২ রান করেন । চরিথ আসালঙ্কা ২১ ও অধিনায়ক দাসুন শনকা ১১ রান করেন। শ্রীলঙ্কার বাকি কোনো ব্যাটার দুই অঙ্কের রানে পৌঁছতে পারেননি। দক্ষিণ আফ্রিকার তাবরেজ শামসি ৪ ওভারে ১৭ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট দখল করেন। ডোয়েইন প্রিটোরিয়াস ৩ ওভারে ১৭ রানের বিনিময়ে ৩টি উইকেট নেন। এনরিখ নরকিয়া ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ২টি উইকেট পেয়েছেন।জয়ের জন্য ১৪৩ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কার বোলারদের দাপটে শুরু থেকেই অস্বস্তিতে ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। পাওয়ার প্লেতে ওঠে মাত্র ৪০ রান। তার মধ্যে হারাতে হয় ২ উইকেট। ১০ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ৬২। কুইন্টন ডিকক ১০ বলে ১২ রান করে আউট হন। রেজা হেনড্রিকস ১১ রান করে আউট হন। দুজনেই চামিরার শিকার। ১৬ রান করে রান আউট হন ফান ডার ডুসেন। তেম্বা বাভুমা অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলেন। ৪৬ বলে তিনি করেন ৪৬। এইডেন মার্করাম করেন ১৯। ১৫তম ওভারের শেষ বলে মার্করামকে ১৯ রানে বোল্ড করেন হাসারঙ্গা। ১৮তম ওভারে নিজের চতুর্থ ওভারটি করতে এসে প্রথম দুই বলেই বাভুমা ও ডোয়েইন প্রিটোরিয়াসকে আউট করে হ্যাটট্রিক করেন তিনি। এরপর প্রোটিয়াদের জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন ডেভিড মিলার ও কাগিসো রাবাডা। শেষ দুই ওভারে প্রোটিয়াদের দরকার ছিল ২৫ রান। শেষ ওভারে ১৫। লাহিরু কুমারার দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে জয়ের কাছে পৌঁছে দেন ডেভিড মিলার। পঞ্চম বলে চার মেরে জয় নিশ্চিত করেন কাগিসো রাবাডা। ১৩ বলে ২৩ করে অপরাজিত থাকেন মিলার। ৭ বলে ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন রাবাডা।

অক্টোবর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

TWO World Cup : কৃষ্ণাঙ্গ পরিবারে বেড়ে ওঠা?‌ কী বললেন কুইন্টন ডিকক

টিম ম্যানেজমেন্টের নির্দেশ সত্ত্বেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে হাঁটু গেড়ে বসে বর্ণবৈষম্যের প্রতিবাদে সামিল হতে চাননি কুইন্টন ডিকক। ওই ম্যাচ থেকে নিজেকে সরিয়েও নিয়েছিলেন। বড় শাস্তির খাঁড়া অপেক্ষা করছিল। নিজের অবস্থান থেকে সরে এসে শাস্তির হাত থেকে বাঁচতে চলেছেন ডিকক।নিজের কৃতকর্মের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার এই ওপেনার।কুইন্টন ডিককের ওই ঘটনা নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টের রিপোর্টের অপেক্ষায় ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ড। বোর্ডের হাতে রিপোর্ট পৌঁছনোর আগেই নিজের নিজের অবস্থান থেকে সরে এসে কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন ডিকক। এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, যদি হাঁটু গেড়ে বসে প্রতিবাদ জানিয়ে আমি যদি কাউকে শিক্ষিত করতে পারি এবং তাতে যদি অন্যের জীবনযাপন ভাল হয়, তাহলে আমি খুশি মনেই সেটা করব।ডিকক আরও বলেছেন, আমি জন্ম থেকে বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করছি। আমি একেবারেই বর্ণবিদ্বেষী নই। প্রতিবাদ জানানোর ধরন একইভাবে করার নির্দেশে মনে হয়েছিল অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। আমার অবস্থান নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা হচ্ছে। আমার আচরণের জন্যই হয়তো এই বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। ওই আচরণের জন্য ক্ষমা চাইছি।পারিবারিক সূত্রে তিনি যে কৃষ্ণাঙ্গদের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছেন, সেকথাও জানিয়েছেন ডিকক। তিনি বলেন, আমি কৃষ্ণাঙ্গ পরিবারে বেড়ে উঠেছি।আমার সৎমা কৃষ্ণাঙ্গ। বোনেরা কৃষ্ণাঙ্গও। এরপরেও আমার গায়ে বর্ণবিদ্বেষী তকমা সেঁটে দেওয়া হচ্ছে। সত্যিই এই ঘটনায় আমি খুবই আঘাত পেয়েছি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে হাঁটু গেড়ে প্রতিবাদে শামিল না হওয়া প্রসঙ্গে ডিককের যুক্তি, কোনও আলোচনা ছাড়াই সেদিন ম্যাচের আগে হাঁটু গেড়ে বসে প্রতিবাদ জানানোর নির্দেশ এসেছিল। আমার কাছে মনে হয়েছিল এটা জোর করে চাপিয়ে দেওয়া। আমাকে বারবার কেন প্রমাণ করতে হবে যে আমি বর্ণবিদ্বেষী নই। এর থেকেই ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে।বোর্ডের নির্দেশ অমান্য করায় পুরো বিশ্বকাপ থেকেই তাঁকে বাদ দেওয়া হতে পারে, এইরকম সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের সঙ্গে ডিককের বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে সমস্যার সমাধান হয়েছে। যাবতীয় বিতর্ক মিটে যাওয়ায় তিনি যে সুযোগ পেলে দেশের হয়ে নিয়ম মেনেই ক্রিকেট খেলতে প্রস্তুত সে কথাও জানিয়েছেন ডিকক। দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ অধিনায়ক তেম্বা বাভুমারও উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন তিনি। একইসঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ডের প্রতি শ্লেষও রয়েছে ডিককের বিবৃতিতে। তিনি লিখেছেন, যখনই বিশ্বকাপে খেলতে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা তখন কোনও না কোনও নাটক হয়েই থাকে!

অক্টোবর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে আপত্তি!‌ বাদ কুইন্টন ডিকক

টসের সময় দক্ষিণ আফ্রিকার খেলোয়াড় তালিকা দেখে একরাশ বিস্ময়। কুইন্টন ডিকক প্রথম একাদশে নেই! তাহলে কি চোট পেয়েছেন? তখন জানা গিয়েছিল ব্যক্তিগত কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন কুইন্টন ডিকক। পরে আসল কারণ প্রকাশ্যে আসে। বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের জন্য প্রতি ম্যাচের হাঁটু গেড়ে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা টিম ম্যানেজমেন্ট। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে কয়েকজন ক্রিকেটার হাঁটু গেড়ে বসেছিলেন, কেউ আবার দুহাত পেছনে নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। আগের দিন ডিকক টিম ম্যানেজমেন্টের নির্দেশ মানেননি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধেও হাঁটু গেড়ে বসতে অস্বীকার করেন। তাঁকে প্রথম একাদশের বাইরে রেখেই মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা।কুইন্টন ডিকককে বাদ দেওয়ায় অবশ্য কোনও প্রভাব পড়ল না। বিতর্কের মধ্যেও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে দারুণভাবেই প্রতিযোগিতায় ফিরে এল দক্ষিণ আফ্রিকা। টানা দুম্যাচ হেরে সুপার ১২ থেকেই বিদায়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়ে গেল বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের। বাকি তিনটি ম্যাচে শুধু জিতলেই হবে না নেট রান রেটও অনেক বাড়াতে হবে। প্রথম ম্যাচে হারার ফলে দুই দলের কাছেই এই ম্যাচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। হারলেই সেমিফাইনালে ছাড়পত্র পাওয়া কার্যত কঠিন হয়ে যাবে। এইরকম মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠতে পারলেন না কায়রন পোলার্ডরা।টস জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাট করতে পাঠান দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায় তেম্বা বাভুমা। ইংল্যান্ড ম্যাচের ব্যর্থতা কাটিয়ে দারুণ শুরু করেছিলেন দুই ক্যারিবিয়ান ওপেনার লেন্ডল সিমন্স ও এভিন লুইস। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৭৩। সিমন্স মন্থর ব্যাটিং করলেও দারুণ আক্রমণাত্মক ছিলেন লুইস। ৩৫ বলে ৫৬ রান করে তিনি মাহরেজের বলে আউট হন। ৩৫ বলে ১৬ রান করেন সিমন্স। লুইস আউট হওয়ার পরেই রান তোলার গতি কমে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের। নিকোলাস পুরান (৭ বলে ১২), ক্রিস গেলরা (১২ বলে ১২) নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি। অধিনায়ক কায়রন পোলার্ডও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। ২০ বলে তিন করেন ২৬ রান। আন্দ্রে রাসেল (৫), শিমরন হেটমায়েররাও (১) ব্যর্থ হওয়ায় ২০ ওভারে ১৪৩/৮ রানের বেশি তুলতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সেরা বোলিং করেন প্রিটোরিয়াস। ১৭ রানে তিনি নেন ৩ উইকেট।জয়ের জন্য ১৪৪ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে। ওপেনিংয়ে কুইন্টন ডিককের অভাব মেটাতে পারে কিনা সেটাই ছিল দেখার। প্রথম ওভারেই রান আউট হয়ে বাভুমা (২) ফিরে গেলেও ডিককের অভাব বুঝতে দেননি তাঁর পরিবর্তে খেলতে নামা রেজা হেনড্রিকস (৩০ বলে ৩৯)। আকিল হোসেনের বলে তিনি রাবাডার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এরপর ক্যারিবিয়ান বোলারদের আর কোনও সুযোগ দেননি ভ্যান ডার ডুসেন (৫১ বলে অপরাজিত ৪৩) এবং এইডেন মার্করাম (২৬ বলে অপরাজিত ৫১)। ১০ বল বাকি থাকতেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা (১৪৪/২)।

অক্টোবর ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৫ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু অস্ট্রেলিয়ার

টি২০ বিশ্বকাপে গ্রুপ ১কে গ্রুপ অফ ডেথ বললে অত্যুক্তি হবে না। একটু হোঁচট খেলেই বিপদ। প্রতিটা ম্যাচই যে উত্তেজক পর্যায়ে পৌঁছবে, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। যার প্রমাণ পাওয়া গেল প্রথম ম্যাচেই। স্কোর বোর্ডে কম রান তুলেও দুর্দান্ত লড়াই করে গেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটাররা। তবে শেষরক্ষ হল না। দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৫ উইকেটে হারিয়ে প্রথম ম্যাচে জয় তুলে নিল অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ার জয়ের নায়ক জস হ্যাজেলউড। তাঁর দাপটেই ব্যাটিং বিপর্যয় প্রোটিয়াদের। দুর্দান্ত বোলিং করে ম্যাচের সেরার পুরস্কারও ছিনিয়ে নিয়েছেন তিনি। আবুধাবি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। দ্বিতীয় ওভারেই অধিনায়ক বাভুমাকে (১২) তুলে নেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। এরপরই জ্বলে ওঠেন জস হ্যাজেলউড। ফেরান ভ্যান ডার ডুসেনকে (৭)। এক ওভার পরেই তুলে নেন কুইন্টন ডিকককে (২)। ৪.১ ওভারের মধ্যে ২৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। চাপ আরও বেড়ে যায় অষ্টম ওভারের শেষ বলে ক্লাসেন আউট হওয়ায়। ১৩ বলে ১৩ রান করে প্যাট কামিন্সের বলে স্টিভ স্মিথের হাতে ক্যাচ দেন ক্লাসেন। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন মার্করাম ও ডেভিড মিলার। অ্যাডাম জাম্পার বলে মিলার (১৬) আউট হতেই ধস নামে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে। একে একে আউট হন প্রিটোরিয়াস (১), মাহরাজ (০), মার্করাম (৩৬ বলে ৪০)। রাবাডা ১৯ রানে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১১৮ রান তোলে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৪ ওভারে ১৯ রানে ২ উইকেট নেন হ্যাজেলউড। জয়ের জন্য ১১৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারে নর্টিয়ের বলে শূন্য রানে আউট হন ফিঞ্চ। অন্য ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ১৫ বলে ১৪ রান করে রাবাডার বলে ফিরে যান। অষ্টম ওভারের পঞ্চম বলে মিচেল মার্শকে ফেরান কেশব মহারাজ। ১১ রান করে মার্শ আউট হন। এরপর স্টিভ স্মিথ ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল দলকে টেনে নিয়ে যান। দলের ৮০ রানের মাথায় নর্টিয়ের বলে আউট হন স্টিভ স্মিথ। ৩৪ বলে তিনি করেন ৩৫ রান। তাবরেজ শামসিকে সুইচ হিট করতে গিয়ে বোল্ড হন ম্যাক্সওয়েল (১৮)। ম্যাক্সওয়েল আউট হওয়ার পর চাপে পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। শেষ পর্যন্ত মাথা ঠাণ্ডা রেখে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন মার্কাস স্টয়নিস (অপরাজিত ২৪) ও ম্যাথু ওয়েড (অপরাজিত ১৫)। ২ বল বাকি থাকতে ৫ উইকেটে ১২১ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পূর্ণ সময়ের শিক্ষকের চেয়েও বেশি স্যাক্ট (SACT), তবু বঞ্চনার অভিযোগ! হরিয়ানা মডেল চালুর দাবিতে সরব স্টেট এডেড কলেজ টিচাররা

নিজস্ব সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলার স্টেট এডেড কলেজ টিচার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (SACTWA)-এর যৌথ জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল মেদিনীপুর শহরের রেডক্রশ সভাগৃহে। উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় স্টেট এডেড কলেজ টিচারদের (SACT) ক্রমবর্ধমান ভূমিকা, দীর্ঘদিনের বেতন-বৈষম্য এবং হরিয়ানা মডেল চালুর দাবিই ছিল সম্মেলনের মূল আলোচ্য বিষয়।রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিবেকানন্দ চক্রবর্তী প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপালচন্দ্র ঘোষ, রাজ্য কমিটির সদস্য পীযূষ দাস মহাপাত্র, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক ননীগোপাল দাস, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার যুগ্ম সম্পাদক বিশ্বনাথ দাস ও সুজাতা গোস্বামী, কোষাধ্যক্ষ সুব্রত ভট্টাচার্য-সহ দুই জেলার বিভিন্ন কলেজের স্যাক্ট (SACT) শিক্ষক-শিক্ষিকারা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সভাপতি অমিতাভ পাহাড়ী।সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিবেকানন্দ চক্রবর্তী বলেন, বর্তমানে রাজ্যের কলেজগুলিতে পূর্ণ সময়ের অধ্যাপকদের তুলনায় স্যাক্ট (SACT) শিক্ষকদের সংখ্যাই বেশি। অথচ একইভাবে পাঠদান, পরীক্ষা, প্রশাসনিক দায়িত্ব এবং কলেজের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ সামলালেও তাঁদের বেতনে রয়েছে ব্যাপক বৈষম্য। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে সমকাজে সমবেতন-এর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন ঘটেনি। তাঁর কথায়, সামান্য বেতন বৃদ্ধি করে সরকারের দায়িত্ব শেষ হয়েছে। সুযোগ পেলে এই বিষয়টি সরকারের নজরে আনব।সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপালচন্দ্র ঘোষ বলেন, রাজ্যের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে বর্তমানে ১২ হাজারেরও বেশি স্টেট এডেড কলেজ টিচার কর্মরত, যা পূর্ণ সময়ের অধ্যাপকদের সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। বহু কলেজে বিভিন্ন বিভাগের মূল দায়িত্বও স্যাক্ট (SACT) শিক্ষকেরাই বহন করছেন। তবুও গত ছয় বছর ধরে এই শিক্ষক সমাজ সবচেয়ে বেশি বঞ্চনার শিকার বলে দাবি করেন তিনি।তিনি বলেন, আমরা হরিয়ানা মডেলের সুবিধা চাই। সেখানে যেভাবে স্টেট এডেড শিক্ষকদের আর্থিক ও পরিষেবা সংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গেও সেই মডেল কার্যকর করা হোক। নতুন সরকারের কাছে আমাদের এটাই প্রধান দাবি।সম্মেলনে দুই জেলার বিভিন্ন কলেজে স্যাক্ট (SACT) শিক্ষকদের সংখ্যা, তাঁদের কর্মদায়িত্ব এবং উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় তাঁদের অবদানের বিস্তারিত পরিসংখ্যানও তুলে ধরা হয়। সংগঠনের দাবি, উচ্চশিক্ষার অন্যতম প্রধান ভরসা হয়ে উঠলেও SACT শিক্ষকরা এখনও বেতন, চাকরির নিরাপত্তা এবং অন্যান্য পরিষেবা থেকে বঞ্চিত।সম্মেলন থেকে সংগঠনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়, সমকাজে সমবেতন, চাকরির মর্যাদা এবং হরিয়ানা মডেলে পরিষেবা সুবিধা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন ও দাবি অব্যাহত থাকবে।

জুলাই ১২, ২০২৬
রাজ্য

শিবির বদলেই বড় পদক্ষেপ! অফিস থেকে উধাও অভিষেকের ছবি, কিন্তু মমতার ছবি কেন রইল?

শিবির বদলের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির ছেড়ে তিনি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শনিবার তাঁকে বীরভূম জেলার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। আর তার পরের দিনই বোলপুরে তাঁর দলীয় কার্যালয়ে দেখা গেল বড় পরিবর্তন।রবিবার বোলপুরের নিচুপট্টিতে অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ি সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি আর নেই। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিক ছবি আগের মতোই রাখা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিলেও কি অনুব্রত এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নিজের নেত্রী হিসেবে মানছেন? আবার অভিষেকের ছবি সরিয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে কি বিশেষ কোনও রাজনৈতিক বার্তা দিতে চাইলেন তিনি? সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।শিবির বদলের পর অনুব্রত মণ্ডল প্রকাশ্যেই দলের ভরাডুবির জন্য নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণকারী সংস্থাকে দায়ী করেছিলেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সেই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি পরোক্ষভাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নিশানা করেছিলেন। কারণ ওই সংস্থার সঙ্গে অভিষেকের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে আলোচিত।এ প্রসঙ্গে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনে তিনি বহু প্রার্থীকে জয়ী করেছেন, তখন ওই সংস্থার কোনও ভূমিকা ছিল না। তাঁর প্রশ্ন, হঠাৎ এমন কী ঘটল যে তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল? একই সঙ্গে তিনি জানান, তিনি তৃণমূলকে ভালোবাসেন এবং কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে এসেছিলেন। বীরভূমে সকলকে নিয়ে দলের নির্দেশ মেনেই কাজ করবেন বলেও দাবি করেছেন তিনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সরিয়ে দেওয়া হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি আগের জায়গাতেই থাকায় এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়েছে। আগামী দিনে এই পরিবর্তনের আরও কোনও রাজনৈতিক তাৎপর্য সামনে আসে কি না, এখন সেটাই দেখার।

জুলাই ১২, ২০২৬
দেশ

ইরানের গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ! ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ, সামনে বড় সংঘাতের আশঙ্কা

হরমুজ প্রণালীর কাছে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। বিদেশ মন্ত্রকের জানানো তথ্য অনুযায়ী, ওই জাহাজে মোট ১১ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১০ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হলেও এখনও একজন ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁর খোঁজে তৎপর রয়েছে ওমানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস।বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ওমান প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করছে ভারতীয় দূতাবাস। নিখোঁজ নাবিকের সন্ধানে সবরকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। উদ্ধার অভিযানে সহযোগিতার জন্য ওমান সরকারকে ধন্যবাদও জানিয়েছে ভারত।মার্কিন সেনার দাবি, সাইপ্রাসের পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজ ইরানের গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার পর জাহাজে আগুন ধরে যায়। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর হয়ে ওঠে যে নাবিকদের জাহাজ ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হয়। জাহাজের ইঞ্জিন কক্ষে বড় ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।অন্যদিকে, ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর দাবি, কয়েকটি জাহাজ নির্ধারিত পথ ছেড়ে অন্য পথে চলছিল। বারবার সতর্ক করার পরও নির্দেশ না মানায় একটি জাহাজকে গুলি করে থামানো হয়। এরপরই হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে কড়া নিয়ন্ত্রণের ঘোষণা দেয় ইরান।এই ঘটনার পরই ইরানের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে আমেরিকা। মার্কিন বাহিনীর দাবি, সর্বশেষ অভিযানে প্রায় ১৪০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা হয়েছে। গত কয়েক দিনে মোট ৩০০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি করেছে তারা। পাল্টা বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলার খবরও সামনে এসেছে।এই পরিস্থিতিতে ভারত স্পষ্ট জানিয়েছে, বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। অবিলম্বে উত্তেজনা কমিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে নয়াদিল্লি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপরও জোর দিয়েছে ভারত।

জুলাই ১২, ২০২৬
দেশ

দিলজিৎকে নিশানা করে বিস্ফোরক আক্রমণ! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে শুরু তুমুল বিতর্ক

সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে ককরোচ জনতা পার্টি। সেই কর্মসূচিকে ঘিরে দেশজুড়ে চর্চা শুরু হয়। এরই মধ্যে পাঞ্জাবি গায়ক ও অভিনেতা দিলজিৎ দোসাঞ্ঝের একটি মন্তব্য নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এবার প্রকাশ্যে তাঁকে কটাক্ষ করলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক।বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন গায়ক রবিন্দর সিং, যিনি কাকা নামেই পরিচিত। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা সিদ্ধার্থ ভরদ্বাজ। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিজিৎ দীপক কাকার দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ইনিও একজন শিল্পী। এই মন্তব্যকে অনেকেই দিলজিৎ দোসাঞ্ঝকে উদ্দেশ্য করে করা কটাক্ষ বলেই মনে করছেন।কিছুদিন আগে সামাজিক মাধ্যমে অনুরাগীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়েছিলেন দিলজিৎ। সেখানে তাঁকে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, যন্তর মন্তর প্রতিবাদের জায়গা কি না, তা নিয়ে তিনি মন্তব্য করতে চান না। তিনি আরও বলেন, তিনি একজন শিল্পী, কোনও রাজনৈতিক নেতা নন। তাই এই ধরনের রাজনৈতিক বিতর্ক থেকে দূরে থাকতে চান।দিলজিৎ আরও বলেন, পৃথিবীর সব সমস্যা একসঙ্গে কখনও মিটবে না। যারা প্রতিবাদ করছেন, তাঁদেরও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে যাঁদের বিরুদ্ধে এই আন্দোলন, তাঁদের সম্পর্কেও কোনও মন্তব্য করতে চাননি বলে জানান। তাঁর দাবি, এই বিষয়টি সম্পর্কে তিনি বিশেষ কিছু জানেন না।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ রাজনীতিতে যোগ দিতে পারেন বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছিল। তবে সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, মানুষের বিনোদন করাই তাঁর কাজ। রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কোনও ইচ্ছা তাঁর নেই। তা সত্ত্বেও তাঁর একটি মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

জুলাই ১২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

পরপর লজ্জার হারের পর বড় ধাক্কা! গম্ভীরের শিবিরে ভাঙন, দল ছাড়ছেন ঘনিষ্ঠ দুই সহকারী?

পরপর দুই সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এবং শেষ সাত ম্যাচের মধ্যে ছয়টিতে হার। টানা ব্যর্থতার পর ভারতীয় ক্রিকেটে চাপ বাড়ছে। এবার সেই প্রভাব পড়তে পারে দলের কোচিং স্টাফেও। সূত্রের খবর, প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের বেছে নেওয়া দুই সহকারী কোচ জাতীয় দলের দায়িত্ব ছাড়তে পারেন। তাঁদের মধ্যে একজনের একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দলের সঙ্গে প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে কথা হয়েছে। অন্যজনও নতুন দায়িত্বের খোঁজ করছেন বলে জানা গিয়েছে।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, গৌতম গম্ভীরের কোচিং স্টাফের একজন খুব শিগগিরই জাতীয় দল ছেড়ে একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দলে যোগ দিতে পারেন। আর এক সহকারীর ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত। বর্তমানে গম্ভীরের কোচিং দলে রয়েছেন রায়ান টেন দুশখাতে, মর্নি মর্কেল, সীতাংশু কোটাক এবং টি দিলীপ। তবে তাঁদের মধ্যে ঠিক কে দল ছাড়বেন, তা এখনও স্পষ্ট করা হয়নি।ভারতীয় দলের সাম্প্রতিক ব্যর্থতায় ক্ষুব্ধ বোর্ড। জানা গিয়েছে, সাম্প্রতিক দুই সিরিজে হারের কারণ খতিয়ে দেখা হবে। শুধু ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স নয়, কোচিং স্টাফের কাজও পর্যালোচনা করা হবে। সেই পর্যালোচনার ভিত্তিতে একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলেও জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে।যদিও গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে বোর্ডের চুক্তি রয়েছে দুই হাজার সাতাশ সালের এক দিনের বিশ্বকাপ পর্যন্ত। তাই এখনই তাঁর পদে পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম। তবে সাম্প্রতিক ফলাফলের পরে তাঁর কোচিং দল নিয়ে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বোর্ডের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকেই এখন নজর ভারতীয় ক্রিকেট মহলের।

জুলাই ১২, ২০২৬
কলকাতা

একুশের আগে বড় ধাক্কা! ‘ধর্মতলা চলো’ উধাও, হঠাৎ কেন ‘কলকাতা চলো’ পোস্টার কালীঘাট তৃণমূলের?

একুশে জুলাইকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন মোড়। দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর গান্ধীমূর্তির পাদদেশে শহিদ স্মরণ কর্মসূচির অনুমতি পেয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির। অন্যদিকে ধর্মতলায় সমাবেশের অনুমতি না পাওয়ায় নতুন কৌশল নিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট তৃণমূল। বহু বছরের পরিচিত ধর্মতলা চলো স্লোগানের বদলে এবার প্রকাশ করা হয়েছে কলকাতা চলো পোস্টার।প্রতি বছর একুশে জুলাইয়ের আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ধর্মতলা চলো পোস্টার দেখা যেত। কিন্তু এ বছর পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। ধর্মতলা এলাকায় বিধিনিষেধ জারি থাকায় সেখানে সমাবেশের অনুমতি মেলেনি। সেই কারণেই স্থান উল্লেখ না করে নতুন পোস্টার প্রকাশ করেছে কালীঘাট শিবির। পোস্টারে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি এবং কলকাতা চলো বার্তা।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শেষ পর্যন্ত যদি বড় সমাবেশের অনুমতি না মেলে, তা হলে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় ছোট ছোট জনসভার আয়োজন করা হতে পারে। সেই সভাগুলিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত থাকতে পারেন বলেও জল্পনা রয়েছে। তবে সেক্ষেত্রেও পুলিশের অনুমতি প্রয়োজন।অন্যদিকে শনিবার গান্ধীমূর্তির পাদদেশে শহিদ স্মরণ কর্মসূচির অনুমতি পেয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। জানা গিয়েছে, কর্মসূচির আগে নির্ধারিত স্থান পরিদর্শনও করবেন তাঁরা।ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল দুই শিবিরে বিভক্ত হওয়ার পর থেকেই একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছে। দুই পক্ষই প্রথমে ধর্মতলায় সমাবেশ করতে চাইলেও পুলিশ অনুমতি দেয়নি। পরে বিকল্প জায়গার আবেদন করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা এবং শেষ পর্যন্ত গান্ধীমূর্তির পাদদেশে অনুমতি পান। এখন কালীঘাট শিবিরের কর্মসূচি কীভাবে বাস্তবায়িত হয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১২, ২০২৬
কলকাতা

বড় রায়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি! ‘আসল তৃণমূল’ কার, আদালতের পর্যবেক্ষণে বাড়ল চাপ

তৃণমূলের আসল সংগঠন কোনটি, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক চলছিল। সেই বিতর্কের মধ্যেই আলিপুর আদালতের একটি রায়কে সামনে এনে বড় দাবি করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন কমিটিই আইনগতভাবে স্বীকৃত তৃণমূলের সংগঠন। আদালতের রায়ের কপি হাতে পেলেই তা নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের অন্দরে ভাঙন আরও স্পষ্ট হয়েছে। একের পর এক নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দেওয়ায় সাধারণ কর্মীদের মধ্যেও বিভ্রান্তি তৈরি হয়। কোন সংগঠনকে অনুসরণ করা হবে, সেই প্রশ্নেই কয়েকজন কর্মী আলিপুর আদালতের দ্বারস্থ হন।রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে যে কমিটি গঠন করা হয়েছিল, আদালত সেই কমিটিকেই আইনগতভাবে স্বীকৃত বলে উল্লেখ করেছে। তাঁর দাবি, এই কমিটির বাইরে অন্য কোনও সংগঠন নিজেদের তৃণমূল বলে দাবি করলে তা আইনসম্মত নয়।ঋতব্রত আরও জানান, আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় হাতে পাওয়ার পর তা নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হবে। তাঁর মতে, এই রায় ভবিষ্যতে দলীয় পরিচয় সংক্রান্ত আইনি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১২, ২০২৬
দেশ

মধ্যরাতে তাজ হোটেলে বোমা! দাউদের নাম উচ্চারণ করতেই তোলপাড়, তারপর যা জানা গেল...

মুম্বইয়ের ঐতিহাসিক তাজ হোটেলকে ঘিরে রবিবার গভীর রাতে ছড়িয়ে পড়ে তীব্র আতঙ্ক। পুলিশের কন্ট্রোল রুমে একটি উড়ো ফোন আসে। ফোনে দাবি করা হয়, দাউদ ইব্রাহিমের লোকজন তাজ হোটেলে বোমা রেখে গিয়েছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই হোটেলে পৌঁছে যায় পুলিশ, বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল এবং অপরাধ দমন শাখার আধিকারিকেরা। গোটা হোটেলে দীর্ঘক্ষণ ধরে তল্লাশি চালানো হলেও কোনও সন্দেহজনক বস্তু মেলেনি।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাত প্রায় সাড়ে বারোটার সময় এই ফোনটি আসে। ফোন পাওয়ার পর কোনও ঝুঁকি না নিয়ে দ্রুত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। হোটেলের প্রতিটি অংশ খুঁটিয়ে পরীক্ষা করা হয়। শেষ পর্যন্ত বোমা বা বিস্ফোরক জাতীয় কিছু উদ্ধার না হওয়ায় স্বস্তি ফেরে।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, এটি একটি ভুয়ো ফোন ছিল। তদন্তে জানা গিয়েছে, মুম্বইয়ের তুরভে এলাকা থেকে ফোনটি করা হয়েছিল। ইতিমধ্যেই নম্বরটি শনাক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তকে খুঁজতে ওই এলাকায় বিশেষ দল পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।উল্লেখ্য, তাজ হোটেল ২০০৮ সালের ভয়াবহ জঙ্গি হামলার অন্যতম লক্ষ্য ছিল। সেই ঘটনার পর থেকে হোটেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত কঠোর করা হয়েছে। তাই নতুন করে বোমা আতঙ্কের খবর ছড়াতেই পুলিশ কোনও ঝুঁকি না নিয়ে দ্রুত তল্লাশি অভিযান চালায়। ঘটনার তদন্ত চলছে।

জুলাই ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal