• ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Skin

রাজ্য

রং তোলার ভয়ে যারা দোল খেলেন না তাদের জন্য, দোলের রং তোলার সহজ উপায়

নানারকম দোলের রং মেখে সারা মুখে এক কিম্ভুতকিমাকার দশা। স্নানের সময় বার বার সাবান দিয়ে ধুয়েও কোনও ভাবে যাচ্ছেই না, বেশী ত্বক ঘসার জন্য ত্বকে জ্বালা, অফিস যেতে সমস্যা। না! রং তোলা মোটেই খুব কঠিন বিষয় নয়। আমাদের হাতের কাছেই থাকা কয়েকটা উপাদান দিয়ে অতি সহজেই ত্বকের রং তুলে ফেলা যায়। কিন্তু এগুলির অনেকই আবার ত্বকের জন্য ততটা নিরাপদ নয়। তা হলে? দেখে নেওয়া যাক, রং তোলার কিছু সহজ প্রক্রিয়া, যারা ক্ষতি তো করবেই না, বরং এগুলিতে উপকার হবে ত্বকের।পাতিলেবুঃ একটু হালকা রং তোলার জন্য পাতিলেবুর বিকল্প নেই। লেবু, মধু, জলপাই তেল আর হলুদ আছে এমন ফেস প্যাক ব্যবহার করে রং তুললে ত্বকের স্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্য ফিরে আসে। ত্বকের নমনীয়তাও বাড়ে। এছাড়া পাতিলেবুর রস তুলো দিয়ে ত্বকে বুলিয়ে নিয়ে ৩-৪ মিনিট রেখে জলে ধুয়ে নিয়ে রঙের প্রলেপ অনেকটা হালকা হয়।ডিমঃ রং খেলার নাম করে মাথায় ডিম ফাটানোর রেওয়াজ আজকের নয়। অনেকেরই দাবি, এতে চুলের উপকার হয়। কথাটা খুব একটা ভুলও নয়। চুলের এবং মাথার ত্বকের রং তুলতে ডিমের হলুদ অংশ খুবই পারদর্শী। ডিমের হলুদ অংশ রং লাগা জায়গাগুলিতে মাখিয়ে রেখে, পরে তা হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে তুলে ফেললেই হল। রং পরিষ্কার।বিয়ারঃ পানীয় হিসেবে দোলের দিনে এটি অনেকেরই পছন্দ। কিন্তু শুধুমাত্র পানীয় হিসেবে নয়, এটিকে রং তোলার ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যেতে পারে। চুলের রং আর মুখের রং তুলতে বিয়ার ব্যবহার করা যেতেই পারে। এতে চুলের এবং ত্বকের উভয়েরই উপকার হয়। শুধু বিয়ার দিয়ে রং সাফ করার আগে, এক বোতল এই পানীয়ের সঙ্গে এক চামচ পাতি লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারলে ভাল হয়।হোলির বা দোলের রং সহজে তুলতে অলিভ অয়েল অতি উপকারী উপাদান। যারা আলিভ অয়েল যগার করতে পারবেন না তারা অলিভের পরিবর্তে নারকেল তেল ও ব্যবহার করতে পারেন। রং খেলার আগে তেল মেখে নিলে রং সহজে উঠে যায় এবং ত্বকের ক্ষতিও হয় না।এখানে রং খেলার পর সেটি তোলার জন্য অলিভ অয়েল ব্যবহারের কিছু উপায় দেওয়া হলোঃরং খেলার আগেরং খেলার আগে ভালো করে অলিভ অয়েল বা নারকেল তেল হাতে, পায়ে, এবং মুখে লাগিয়ে নিন। রং খেলার পরঃরং খেলার পর সাবান বা ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়ার আগে, অলিভ অয়েল দিয়ে ভালো করে ম্যাসাজ করুন। ত্বকের জন্য প্যাকঃরং তোলার জন্য দই, বেসন, হলুদ গুঁড়ো, অলিভ অয়েল এবং লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে লাগাতে পারেন।চুলের জন্যঃচুলের রং তুলতে ডিমের সাদা অংশ বা নারকেলের দুধ ব্যবহার করতে পারেন।ত্বকের যত্নঃরং তোলার পর ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করতে ভুলবেন না।বিঃদ্রঃ ত্বকে এই উপাদানের কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকলে এই ধরনের উপকরণ ব্যবহারের করবেন না।

মার্চ ১৫, ২০২৫
টুকিটাকি

Face Cream: হোম মেড ফেস ক্রিম দিয়ে শুষ্ক ত্বকে ফিরিয়ে আনুন পুরনো ঔজ্জ্বল্য

সামনেই পুজো। সারা বছর নিজের দিকে তেমন তাকানোর সময় না হলেও, পুজোর কটা দিন নিজেকে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখতে বেশ ভালোই লাগে। এই সময় আবহাওয়াটাই কেমন যেন মন ভালো থাকে। তাই নিজেকে একটু সাজিয়ে নিতে পারলে, মনটাও ভালোই হয়ে যায়। এমনিতে করোনা আবহে ঘরে থেকে থেকে একেঘেয়েমির আস্তরণ পড়ে গিয়েছে অনেকের মনে। এক ঝটকায় সেই আস্তরণ সরিয়ে ফেলতে ঘরে বসেই নিজের ত্বককে উজ্জ্বল করে তুলুন। বহু বছর ধরে অ্যান্টি -অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ভিটামিন-ই ত্বকের পরিচর্চার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। মার্কিন দেশের ন্যাশানাল লাইব্রেরি অফ কংগ্রেসের একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ভিটামিন ই-এর সাময়িক ব্যবহারে সূর্যের ইউভি বিকিরণের কারণে ত্বকের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি অনেকাংশেই হ্রাস পেয়েছে। অতিবেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষার পাশাপাশি ভিটামিন ই-তে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেশন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের বৈশিষ্ট্য। যা ত্বককে মসৃণ, উজ্জ্বল ও টোনড করতে সাহায্য করে। ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য ভিটামিন ই হল সেরা উপাদান। তবে বাজার চলতি কোনও প্রোডাক্ট ব্যবহারের আগে, বাড়িতে তৈরি ভিটামিন ই সমৃদ্ধ ফেস ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। ভিটামিন ই ক্যাপসুল বাজারে সহসলোভ্য। তাই এই উপকরণ নিয়ে কিছুটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতেই পারেন।মসৃণ ত্বকের জন্য অ্যালোভেরা ও ভিটামিন ই মাস্কতাজা অ্যালোভেরা জেল ও ভিটামিন ই ক্যাপসুল থেকে তেল বের করে একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার ফেস ক্রিম বা মাস্কটি মুখের ত্বকে লাগিয়ে আধ ঘণ্টা পর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। উভয় উপকরণের মধ্যেই রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের কালো দাগ দূর করে মসৃণ ও লাবণ্য ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।উজ্জ্বল ত্বকের জন্য পেঁপে ও ভিটামিন ই মাস্ক২ টেবিলস্পুন পেঁপের পাল্প, এক টেবিলস্পুন গোলাপ জল ও ১৫-২০ ফোঁটা ভিটামিন ই তেল- একসঙ্গে মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। মুখের সর্বত্র লাগিয়ে যতক্ষণ না শুকিয়ে যাচ্ছে, ততক্ষণ অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। পেঁপে ও ভিটামিন ই-এর মিশ্রণ ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করতে সাহায্য করে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এই ফেস মাস্ক দারুণ উপকারী। পেঁপেতে রয়েছে পেপেইন এনজাইম বা ত্বকের মৃত কোষ ও ট্যান দূর করতে এই ফেস মাস্ক বেশ কার্যকরী। এই দুই উপাদান ত্বককে হাইড্রেট করতে সাহায্য করে।গ্রিন টি, মধু ও ভিটামিন ই মাস্কমুখের মধ্যে অকাল বার্ধক্যের ছাপ দূর করতে একটি বাটিতে এক কাপ গ্রিন টি, ২-৩ টেবিলস্পুন চালের গুঁড়ো, ১ টেবিলস্পুন মধু, ২টি ভিটামিন ই ক্যাপসুল। প্রথমে গ্রিন টি বানিয়ে তা ঠান্ডা করতে দিন। তারপর গ্রিন টিয়ের সঙ্গে চালের গুঁড়ো, মধু ও ভিটামিন ই ক্যাপসুলের তেল মিশিয়ে একটি পেস্ট বানান। মুখের ত্বকের উপর সমানভাবে পেস্টটি ব্যবহার করুন। গ্রিন টি অকাল বার্ধক্যের বিরুদ্ধে মোকাবিলা করতে সাহায্যে করে।এই কয়েকটি সাধারণ উপকরণ দিয়ে তৈরি মাস্কই আপনার ত্বকে ফিরিয়ে আসতে পারে সেই পুরনো জৌলুস। তাই পুজোর কটা দিন নিজেকে সাজিয়ে নিতে পারেন ঘরোয়া এই মাস্কগুলো দিয়ে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
টুকিটাকি

Oliv Oil: সোনালি অলিভ ওয়েলের গুণাগুণ

প্রতিদিনের রান্নায় অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে, শরীর ভীষণভাবে উপকৃত হয়। অলিভ অয়েলে রয়েছে সামান্য মিষ্টি, ক্যালোরি এবং কার্বোহাইড্রেট। যার ফলে, এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। অলিভ অয়েলে রয়েছে অলিক প্রোপেন, যা সবচেয়ে শক্তিশালী পলিফেনল হিসেবে গণ্য। এটা এক ধরনের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা মানব শরীরে ভীষণ উপকারী। অলিভ অয়েলে পাওয়া পলিফেনলগুলি ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায়তা করে। আপনি যদি খাদ্যতালিকায় অলিভ অয়েল যুক্ত করেন, তাহলে আপনার রক্তে সর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে।১. অলিভ অয়েলে মেলে পলিফেনল। এটি হল এক ধরনের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, যার জন্য শরীরে ইনস্যুলিনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে, ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রেও উপকারী অলিভ অয়েল। অলিভ অয়েল টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে।২. প্রতিদিন রান্নায় অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমে যায়। অলিভ অয়েলে এমন কিছু উপাদান আছে, যা ক্যান্সার কোষগুলিকে নষ্ট করে দেয়।৩. পাকস্থলী ও অন্ত্রের জন্য ভীষণই উপকারী অলিভ অয়েল। এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণ মোনো-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে। অলিভ অয়েল প্রতিদিন ব্যবহারে কোষ্টকাঠিন্য থেকে মুক্তি মেলে।৪. অলিভ অয়েলে রয়েছে ভিটামিন ই, ভিটামিন কে, ওমেগা-৩ এবং ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড, আয়রন ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট।৫. অলিভ অয়েল দিয়ে চোখের চারপাশ মাসাজ করলে উপকার মেলে। এরফলে, ক্লান্তিভাব দূর হয়, ভাল ঘুম হয়।৬. অলিভ অয়েল দিয়ে রান্না করলে শরীরে উচ্চরক্তচাপ কমে। অলিভ অয়েলে রয়েছে পলিফেনল ও মোনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড -- যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।৭. অলিভ অয়েল স্মৃতিলোপ রুখতে সাহায্য করে। অ্যালঝাইমারের মোকাবিলা করে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১
টুকিটাকি

Skin Burning Home remedy: ঘরোয়া ফেসপ্যাকে মিরাক্যাল

কোনও কারণে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে বা পুড়ে গিয়ে ত্বকের মধ্যে যে দাগ সৃষ্টি হয়, তা শুধু ত্বকেই নয়, মানসিকভাবেও সেই দাগ থেকে যায়। আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে বা পুড়ে যাওয়ার কারণে ত্বকের ক্ষতবিক্ষত দিকগুলি যতটা পারা যায় ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। অনেকে দাগ মেটাতে প্লাস্টিক বা কসমেটিক সার্জারি করান। কিন্তু জানেন কী, প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া উপায়েও কালো দাগ, ব্রণের ক্ষত দাগ, পক্সের কালো দাগ, গর্ত এইগুলি খুব সহজে নির্মূল করা যায়।সবজির খোসা দিয়ে তৈরি ফেসপ্যাকদাগের চিকিৎসার জন্য লেজার থেরাপি, মাইক্রো ডার্মাব্রেসন, কেমিক্যাল পিলিং, আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড এগুলি করাই যায়। তবে ভেজ পিল ট্রিটমেন্ট নামে একটি বায়ো পিলিং পদ্ধতি রয়েছে। যা খুব সহজে পোড়া দাগ ও আঘাতপ্রাপ্ত দাগ ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যায়। এগুলি ক্লিনিকে না গিয়ে বাড়তেও করতে পারেন। তবে যদি অনেক দাগ থাকে তাকলে অবশ্যই ক্লিনিক্যাল চিকিৎসার বেশ কয়েকটি সেশনের দরকার হতে পারে। তবে ব্রণের কারণ গর্ত, কালো দাগ, বসন্তের জেরে ছোট-বড় গর্ত হঠাতে এই ঘরোয়া প্রতিকারের সাহায্য নিতে পারেন।বাড়িতে তৈরি ফেসিয়াল স্ক্রাবচালের গুঁড়ো, দই ও এক চিমটে হলুদ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এরপর মুখে লাগিয়ে ছোট ছোট বৃত্তাকারে মাসাজ করে ত্বকের উপর আলতো করে ঘষুন। ব্রণের চিহ্ণ বা গর্তগুলিতে বিশেষ করে ঘষুন। পাঁচ মিনিটের জন্য রেখে তারপর প্রচুর পরিমাণে সাধারণ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।ফেসপ্যাকসপ্তাহে এক থেকে দুবার ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে ৩ চা চামচ ওটস ও এক চা চামচ দই, মধু মিশিয়ে একটি পেস্ট বানান। এবার ঠোঁট, চোখের চারপাশের এলাকা ছাড়া মুখের সর্বত্র লাগান। আধ ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। শুকনো কমলালেবুর খোসা, ও লেবুর রস, গ্রাউন্ড আমন্ড মিশিয়ে একটি প্যাক বানান। ডিমের সাদা অংশে এই প্যাকে সঙ্গে যোগ করে মুখের ত্বকের লাগিয় ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। শুষ্কতা দূর করার জন্য ২ চা চামচ দই নিন, তাতে এক চিমচে হলুদ গুঁড়ো দিয়ে প্রতিদি মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ত্বককে শুধু নরমই করে না। কালো দাগ হালকা করতেও সাহায্য করে। পাকা পেঁপের গুড়োর সঙ্গে শসা কুচি, টমেটোর পাল্প ও কমলালেবুর খোসার পাউডার মিশিয়ে একটি প্যাক বানান। মুখের ত্বকে প্রতিদিন লাগান ও আধঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। মধু ত্বকের উপর ব্রণের দাগ হালকা করতে সক্ষম। তাই দাগের উপর মধু লাগান। বিশেষ করে রাতে শোওয়ার আগে লাগিয়ে ঘুমাতে যান। সকালে স্বাভাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া অ্যাসপিরিন ট্যাবলেচের গুঁড়ো মিশিয়ে মধুর মধ্যে কয়েক ফোঁটা জল যোগ করুন।প্যাক তৈরি করে ত্বকে লাগান ও ১০-১৫ মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন। নিয়ম অনুসারে ধৈর্য ধরে এই ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করলেই পেয়ে যেতে পারেন নরম, দাগহীন পেলব ত্বক। যা সকলের নজর কাড়বেই।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
টুকিটাকি

Flax seed oil: ত্বকের পরিচর্যায় অপরিহার্য তিসির তেল বা ফ্ল্যাক্সসিড ওয়েল

অলিভ অয়েল, ল্যাভেন্ডার অয়েল, জোজোবা অয়েল- ত্বকের পরিচর্যায় কিন্তু দারুণ ভাবে কাজে লাগে এই তিন ধরনের এসেন্সিয়াল অয়েল। তবে এই তালিকায় রয়েছে আর এক ধরনের তেল যাকে বলা হয় তিসির তেল বা ফ্ল্যাক্সসিড ওয়েল। ত্বকের পরিচর্যার পাশাপাশি ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতেও সাহায্যে করে এই তিসির তেল। এবার দেখে নেওয়া যাক, তিসির তেল কীভাবে ত্বকের পরিচর্যায় কাজে লাগে।বিভিন্ন র্যাশ-আলার্জি দূর করে- ত্বকে যদি কোনও র্যা শ বা অ্যালার্জি হয় তাহলে সেটা নিরাময়ে সাহায্যে করে এই তিসির তেল। এই তেলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ইনফ্লেমেটরি উপকরণ, যার সাহায্যে ত্বকের জ্বালাপোড়া ভাব কিংবা চুলকানি ও অন্যান্য অস্বস্তিকর সমস্যা, লাল হয়ে যাওয়া- এইসব কমে যায়। বিশেষ করে যাঁদের রুক্ষ-শুষ্ক ত্বক, তাদের এই ধরনের সমস্যা বেশি দেখা দেয়। তখন তিসির তেল ব্যবহার করলে নিমেষে দূর হয় দাগ-র্যা শ-চুলকানি। ব্রণর সমস্যাও দূর হয়ে এই তেলের সাহায্যে। আঙুলে করে নির্দিষ্ট জায়গায় লাগিয়ে দিলেই পাওয়া যাবে সমাধান।ত্বক আর্দ্র রাখে- তিসির তেলে রয়েছে এসেন্সিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড। এর প্রভাবে ত্বকের রুক্ষ-শুষ্ক ভাব দূর হয়। ত্বক থাকে মসৃণ এবং মোলায়েম। হাল্কা কোনও ময়শ্চারাইজারের সঙ্গে এই তেল মিশিয়ে মুখে মাখলে ত্বক উজ্জ্বল হয়। জেল্লা বাড়ার পাশাপাশি দূর হয় ত্বকের কালচে দাগছোপ। রাত্রিবেলা ঘুমানোর আগে হাতের তালুতে দুফোঁটা তিসির তেল নিন। তারপর হাতেই ঘষে সেটা সামান্য গরম করে নিন। এবার ওই তেল দিয়ে মুখে ম্যাসাজ করুন। ১০ থেকে ১৫ মিনিট ম্যাসাজ করে তারপর ৫ মিনিট তেল মুখে রেখে পরিষ্কার এবং সামান্য উষ্ণ জলে মুখে ধুয়ে নরম কাপড় বা গামছা কিংবা তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন। সকালে উঠেই ত্বকের ফারাকটা চোখে পড়বে আপনার।ডার্ক সার্কেল দূর করে- চোখের তলায় কালি বা কালচে ছোপ পড়ে গিয়েছে, গোলাকারে চোখের চারপাশেই দেখা দিয়েছে কালচে দাগছোপ, এই সমস্যার সমাধানে খুবই ভালভাবে কাজ করে তিসির তেল। তানা এক সপ্তাহ চোখের চারপাশের কালচে দাগে এই তেল মাখলে তফাতটা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন। এছাড়াও ত্বকের বলিরেখা রুখতে, চামড়ার কুঁচকে যাওয়া রুখতে সাহায্য করে তিসির তেল।শুধু মুখের ত্বকের নয়, সারা শরীরের ত্বকের যত্নেই আপনি ব্যবহার করতে পারেন তিসির তেল। এই তেল দিয়ে ম্যাসাজ করলে ত্বক খুবই নরম, মসৃণ এবং মোলায়েম থাকে।

আগস্ট ২৯, ২০২১
টুকিটাকি

Sun Tan: পদযুগলে ট্যান দূরীকরণের ঘরোয়া উপায় জানুন

গ্রীষ্মকালে আমাদের ত্বকের জন্য সবচেয়ে খারাপ সময় বলা যেতে পারে। এইসময় ট্যানিং হল সবচেয়ে সাধারণ সমস্যাগুলির মধ্যে অন্যতম। হাত-পা-পিঠে ট্যানিংয়ের সমস্যা নিয়ে অভিযোগ প্রায়শই দেখা যায়। কখনও কখনও ট্যানিংয়ের সঙ্গে সঙ্গে চুলকানি এবং জ্বালাভাব অনুভব করা যায়। গরমে রোদের তাপে হাত ও মুখে ট্যান পড়লে কীভাবে তা দূর করা যায়, তার ঘরোয়া টোটকা জানানোর আগ্রহ প্রকাশ করি। কিন্তু পায়েও যে ট্যানিং পড়ে কদাচিত দেখতে লাগে, তা এড়িয়ে যাওয়া হয় অনেক সময়ই। পা থেকে ট্যানিং অপসারণের জন্য কয়েকটি সহজ ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করতে পারেন। আসুন জেনে নিই, পা থেকে ট্যান দূর করার ঘরোয়া প্রতিকারবেকিং সোডা এবং দই একটি পাত্রে এক চামচ বেকিং সোডা নিন এবং এতে একটি লেবুর রস ও তাজা দই মিশিয়ে নিন। ঘরে তৈরি স্ক্রাব তৈরির জন্য এই উপকরণগুলি একসঙ্গে মেশান। তারপর পেস্টটিকে পায়ে লাগান এবং এক্সফোলিয়েট করার জন্য হালকা মাসাজ করুন। ৪-৫ মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন। এটি ৮-১০ মিনিটের জন্য ত্বকে রেখে দিন। ঠান্ডা জলে পা ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুবার এই প্যাক ট্রাই করে দেখুন।হলুদ ও বেসন একটি পাত্রে দুই চামচ বেসন নিন। এতে আধ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো এবং এতে প্রয়োজনীয় পরিমাণ গোলাপ জল যোগ করুন। মসৃণ পেস্ট তৈরি করতে সমস্ত উপাদান মিশিয়ে নিন। রোদে পুড়ে কালো হয়ে যাওয়া পায়ে পুরো পেস্টটা প্রয়োগ করুন। শুকনো হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এর পরে আঙুল ও পায়ের উপরের অংশে, যেখানে য়েখানে ট্যান পড়েছে, সেখানে হালকা বৃত্তাকার ভাবে পা মাসাজ করুন। ট্যান হালকা করার জন্য ত্বকের মৃতকোষগুলি নির্মূল হয়ে যায়। এবার পা থেকে পেস্টটি স্বাভাবিক ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুবার বা তিনবার ব্যবহার করুন।পেঁপে ও মধু আধ পাকা পেঁপে নিয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। এক কাপ পাকা পেঁপের কিউব একটি ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে একটি পেস্ট তৈরি করুন। একটি বাটিতে পেঁপের পেস্টের সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে নিন। দুটি পায়ে আলতোভাবে লাগান। ১০ মিনিটের জন্য বৃত্তাকার গতিতে মাসাজ করুন এবং তারপরে এটি ১৫-২০ মিনিটের জন্য রেখে দিন। এর পরে ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২-৩ দিন একবার করে এই প্যাকটি ব্যবহার করতে পারেন।কাঁচা দুধ এবং চালের গুঁড়ো- একটি পাত্রে দুচামচ চালের গুঁড়ো নিন। এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে কাঁচা দুধ যোগ করে একসঙ্গে মিশিয়ে একটি পেস্ট প্রস্তুত করুন। এবার পেস্টটি উভয় পায়ে প্রয়োগ করে বৃত্তাকার গতিতে হালকা হাতে মাসাজ করুন। এটি ত্বককে এক্সফোলিয়েট করতে এবং ধীরে ধীরে সূর্যের ট্যানটি মুছতে সহায়তা করে। কমপক্ষে ১৫-২০ মিনিটের জন্য ত্বকে রেখে দিন। ঠান্ডা জল দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুবার এই প্যাকটি ব্যবহার করলে হাতেনাতে উপকার পাবেন।

আগস্ট ২২, ২০২১
টুকিটাকি

Amla: ত্বকের যত্নে ব্যবহার করুন আমলকির রস

আমলকির কিন্তু অনেক গুণ। শুধু শরীর-স্বাস্থ্য ভাল রাখাই নয়, ত্বক এবং চুলের পরিচর্যাতেও ব্যবহার করা হয় আমলকি। বিশেষ করে ত্বকের যত্নে দারুণ ভাবে কাজ করে আমলকি। তবে শুধু আমলকি দিলে হবে না। বরং ঘরোয়া পদ্ধতিতে রান্নাঘরের টুকটাক জিনিসপত্র দিয়ে যে ফেসপ্যাক বা স্ক্রাব তৈরি করেন, তার সঙ্গে মিশিয়ে নিন আমলকির রস। ব্যাস, তাহলে ত্বকের বেশিরভাগ সমস্যার মুশকিল আসান হয়ে যাবে নিমেষে।আমলকির সঙ্গে কী কী মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করা সম্ভব, জেনে নিন:আমলকির রস এবং পেঁপে- আমলকি এবং পেঁপে, দুটোই ত্বকের পিগমেন্টেশন অর্থাৎ কালচে দাগ ছোপ দূর করতে সাহায্য করে। তাই আমলকির রসের সঙ্গে ম্যাশড পাপায়া বা পেঁপে মিশিয়ে তৈরি করুন ফেসপ্যাক। সারা মুখে লাগিয়ে রাখুন এই মিশ্রণ। মিনিট ১৫ রাখার পর পরিষ্কার ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিন। মুখে এই প্যাক লাগানোর সময় হাতের বদলে নরম কটন বল বা তুলো ব্যবহার করতে পারেন। সপ্তাহে অন্তত তিনদিন এই ফেসপ্যাক লাগান। দুসপ্তাহের মধ্যেই ত্বকের জেল্লা ফিরবে। ফল পাবেন হাতেনাতে। আমলকি, টকদই এবং মধু- মুখের ট্যান দূর করতেও সাহায্য করে আমলকি। তাই টকদই, মধু আর আমলকির রস মিশিয়ে তৈরি করুন ঘরোয়া ফেসপ্যাক। মুখের পাশাপাশি গলা এবং ঘাড়ের অংশেও এই প্যাক লাগাতে পারেন। কারণ মুখের সঙ্গে সঙ্গে গলা এবং ঘাড়ের অংশেও মারাত্মক ভাবে ট্যান পড়ে। এই ফেসপ্যাক লাগিয়ে অন্তত ২০ মিনিট রাখুন। একটু শুকিয়ে গেলে পরিষ্কার ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিন। তারপর নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো হাতে মুখ মুছে জল শুকিয়ে নিন।আমলকি, চিনি আর গোলাপ জল- স্কিন এক্সফোলিয়েশন অর্থাৎ ত্বকের মরা কোষ ঝরিয়ে জেল্লা ফেরানোর ক্ষেত্রে আমলকির জুড়ি মেলা ভার। এই স্কিন এক্সফোলিয়েশনের জন্য চিনি এবং গোলাপ জলের সঙ্গে মিশিয়ে নিন আমলকির রস। এক্ষেত্রে গুঁড়ো চিনি ব্যবহাত করতে পারলে ভাল। আর এক চামচ গোলাপ জল দিলেই যথেষ্ট। তুলোয় ভিজিয়ে এই মিশ্রণ সারা মুখে লাগিয়ে নিন। আলতো হাতে ম্যাসাজ করে স্ক্রাব করুন। মিনিট ১৫ ম্যাসাজের পর পরিষ্কার ঠাণ্ডা জলে মুখে ধুয়ে নিন। ধৈর্য ধরে কয়েকদিন এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।

আগস্ট ২০, ২০২১
টুকিটাকি

Hibiscus: যত্নের অভাবে চুল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে? প্রাণহীন চুলে জবা ফুলের মিনিট মেড কামাল দেখুন

বর্ষাকালে চুল পড়ে বলে অনেকেই তা গুরুত্ব দেয় না, কিন্তু অতিরিক্ত চুল পড়ায়, যত্নের অভাবে তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে? প্রাণহীন, শুষ্ক চুলের জেল্লা ফেরাতে ব্যবহার করতে পারেন জবা ফুলের প্যাক। জবা ফুল বাজারে সহজলভ্য আর এই হেয়ার প্যাক বানানোও সহজ, জেনে নিন বাড়িতেই কীভাবে বানাবেন জবা ফুলের প্যাক।খুশকি তাড়াতে, চুল সাদা হওয়া রুখতে, ঘন চুল বজায় রাখতে জবা ফুল উপকারি। জবা ফুলের হেয়ার প্যাক বানাতে প্রয়োজন ৮ থেকে ১০টি জবা ফুল। ফুলের সবুজ অংশটি ফেলে ভালো করে ধুয়ে নিন ফুল। এবার জবা ফুল ও ৪ টেবিল চামচ টক দই নিয়ে মিক্সারে গ্রাইন্ড করতে হবে। প্রয়োজনে খানিকটা জল মেশাতে পারেন। মেথি পেস্ট তৈরি করে একটি বাটিতে ঢেলে ১ টেবিল চামচ মধু দিয়ে তাতে মিক্সারে গ্রাইন্ড করা জবা ফুল ও টক দই একসঙ্গে মিশিয়ে নিলেই তৈরি এই প্যাক।আরও পড়ুনঃ চুল এবং ত্বকের পরিচর্যায় অব্যর্থ নারকেল তেল, জেনে নিন কী কী কাজে লাগেএ তো গেল চুলের স্বাস্থ্য রক্ষার্থে জবা ফুলের ব্যবহার। ত্বকের জন্যও খুব উপকারি জবা ফূলের প্যাক। ত্বকের টক্সিন ও অতিরিক্ত তেল কমিয়ে ত্বককে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে তুলতে উপকারি জবা ফুলের প্যাক। জবার পাপড়ি পেস্ট করে তার সঙ্গে চালের গুঁড়ো ও জল মিশিয়ে মুখে মেখে নিন। ১৫-২০ মিনিট মাসাজ করুন ওই পেস্ট। তার পরে ধুয়ে নিলেই ফিরে পাবেন সুন্দর ত্বক।জবা ফুলের প্যাক বানানোর সময় লক্ষ রাখবেন যেন ফুল ও পাতা তাজা থাকে। প্রয়োজনে মেথির বদলে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারেন। চুলে খুশকি থাকলে হেয়ার প্যাকে লেবুর রস ব্যবহার করুন। টাটকা ফুল না পেলে সুপার জবা ফুলের পাউডারও পাওয়া যায়, সেগুলিও ব্যবহার করতে পারেন হেয়ার প্যাক তৈরিতে।আরও পড়ুনঃ গাজরের বহুবিধ গুনাগুণবাড়িতে জবা ফুলের গাছ থাকলে বাড়তেই বানিয়ে ফেলুন জবাপাতার হেয়ার প্যাক, এটি বানাতে মুঠোভর্তি জবা পাতা ভালো করে ধুয়ে নিন। চাইলে কয়েকটি জবা ফুলও দিয়ে দিতে পারেন। মিহি পেস্ট তৈরি করার জন্য প্রয়োজনে সামান্য জল দিন। পাতার পেস্ট একটি বাটিতে নিন। আগের রাতে ভিজিয়ে রাখা মেথি গ্রাইন্ডারে পেস্ট করে নিন। এবার দুটি পেস্ট একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করুন চুলে। ধৈর্য ধরে কয়েকদিন ব্যবহার করেই দেখুন না, পার্লারে না গিয়েও আপানারও ঈর্ষা জাগানো কেশরাশির সমাহার দেখে নিজেই অবাক হয়ে যাবেন।

আগস্ট ০৮, ২০২১
টুকিটাকি

Healthy Skin: বর্ষায় ত্বক সুস্থ রাখতে প্রাকৃতিক রূপচর্চা

গ্রীষ্ম ও শীতকালেই শুধু নিয়ম মেনে ত্বকের পরিচর্চা করে থাকি আমরা। কিন্তু বাকি সময় অর্থাত্ বর্ষার দিনগুলিতে রূপচর্চার কথা অনেক পড়ে ভাবি। কিন্তু প্রাথমিকভাবে বর্ষাকালেই ত্বকের বিশেষ দেখভাল করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কারণ এই সময় ত্বকের উপর ফাঙ্গাল ইনফেকশন হওয়ার সুযোগ থাকে বেশি। আর্দ্রতার কারণে ত্বক ও চুলের দুয়েরই সমস্যা তৈরি হয়। তবে এই সমস্যা মেটানোর জন্য ঘরোয়ো উপায়ে কিছু ফেস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ওটমিল ও দই- তিন টেবিলস্পুন ওটস, একটি ডিম নিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার তাতে দুই টেবিলস্পুন দই ও এক চামচ মধু নিয়ে ভাল করে মিশিয়ে একটি পেস্ট বানান। এবার পুরো প্যাকটি ঠান্ডা করতে বেশ কিছুক্ষণ ফ্রিজের মধ্যে রেখে দিন। পুরোপুরি ঠান্ডা হলে গোটা মুখ, গলা, ঘাড়ে ফেস প্যাকটি লাগিয়ে নিন। ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করে স্বাবাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ওটসমিল ত্বকের উপর অতিরিক্ত তেল শুষে নিতে সাহায্য করে। ত্বকের পিএইচ লেভেল ব্যালান্স করতেও ওটসমিলের গুরুত্ব রয়েছে। অন্যদিকে দইয়ের মধ্যে রয়েছে ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করার অদম্য শক্তি, ফলে ত্বকের জেল্লা বাড়াতে ও কোমল রাখতে এই উপকারী ফেস প্যাকটি ব্যবহার করলে লাভবানই হবেন।বেসন ও রোজ ওয়াটার- এই ফেসপ্যাক অত্যন্ত প্রচলিত। একচিমটে হলুদ গুঁড়ো ও ১ চামচ বেসন মিশিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ও রোজ ওয়াটার দিয়ে ভাল করে একটি ফেস প্যাক বানান। গোটা মুখে, গলায় লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সধারণ গোলাপ জল ত্বকের সব পরিচর্চার সহঙ্গেই দারুণভাবে কাজে লাগে। অন্যদিকে বেসনের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, যা ত্বকের চুলকানি, ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে দেয়। লেবুর রস ও হলুদ গুঁড়ো সুস্থ ত্বকের চাবিকাঠি। ত্বকের ছিদ্রগুলি পরিষ্কার রাখতে এই দুই উপাদানের বিকল্প নেই।স্যান্ডালউড ও হলুদ- ১ টেবিল চামচ স্যান্ডালউড পাউডার ও হআধ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো পাউডার একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল নিয়ে পুরু ফেস প্যাক বানান। প্যাকটি মুখে, গলায় ভাল ভাবে লাগিয়ে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে স্বাভাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। হলুদের কারণে ত্বকে ফর্সাভাব ও জেল্লা বৃদ্ধি পায়। স্যান্ডালউডের কারণে ত্বকের অতিরিক্ত তেল নির্গত হয়ে সুস্থ ত্বকের পরিচয় দেয়।লেবু ও মধু- একটি বোলে অর্ধেক লেবুর রস আর দু চা চামচ মধু নিয়ে একটি প্যাক বানান। গোটা মুখে ওই প্যাক লাগিয়ে না শুকিয়ে যাওয়া অবধি রেখে দিন। ১০ মিনিট অপেক্ষা করে স্বাভাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের পিএইচ ব্যালান্স স্বাভাবিক রাখতে মধুর এই প্যাক দারুণ উপকারী। যে কোনও ত্বকের জন্য এই ফেস প্যাক ব্যবহার করা যায়।

আগস্ট ০১, ২০২১
টুকিটাকি

গরমে ত্বকের ট্যান কাটাতে জেনে নিন কয়েকটি সহজ ঘরোয়া উপায়

পার্লারে গিয়ে অনেক টাকা খরচ করে কোনও বিউটি ট্রিটমেন্ট করাতে হবে না। এ বার ঘরে বসেই ত্বকের দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা ট্যান দূর করতে পারবেন অনায়াসে। এমনই কয়েকটি উপাদানের খোঁজ দেওয়া হচ্ছে, যা নিয়মিত ব্যবহার করে আপনি পেতে পারেন নিখুঁত, উজ্জ্বল, ফর্সা ত্বক। ঘরোয়া উপায়ে কী ভাবে ত্বকের ট্যান দূর করবেন একনজরে দেখে নিনগাজর: শুষ্ক এবং ট্যান পড়া ত্বকে গাজর ভাল করে পেস্ট করে মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর মোটামুটি শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এতে মুখের ট্যান দূর হবে এবং ত্বক আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।লেবু: লেবু ত্বকের কালো দাগ ছোপ দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। তুলোর সঙ্গে লেবুর রস মাখিয়ে নিন, তারপর কালো দাগের উপর ৫ মিনিট ধরে ঘষুন। তারপর ঠাণ্ডা জল দিয়ে মুখটা ধুয়ে নিন। তবে মুখে বা শরীরের কোথাও লেবু মাখার পর সরাসরি সূর্যের আলোতে বেরনো যাবে না। পাকা পেঁপে: পাকা পেঁপে হল কালো দাগ বা ট্যান দূর করার ক্ষেত্রে একটি অন্যতম কার্যকরী ঘরোয়া উপাদান। পাকা এক টুকরো পেঁপে নিয়ে শরীরের কালচে বা ট্যান পড়া জায়গায় ভালো করে ঘষুন। আধা ঘণ্টার মতো রেখে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ বার এই মাস্ক ব্যবহার করা যেতে পারে। পেঁপেতে থাকা প্যাপিন মরা কোষ দূর করে ত্বকের রং উজ্জ্বল করে তুলতে সাহায্য করে। পেয়াঁজ: ত্বকের উপর বাড়তে থাকা বয়স জনিত কালচে ছোপ বা ট্যান দূর করতে পেয়াঁজের রস দারুণ কার্যকরী। এক টুকরো পেয়াঁজ নিয়ে শরীরের কালচে বা ট্যান পড়া জায়গায় ৫ মিনিট ধরে ঘষে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দ্রুত ফল পেতে পেয়াঁজের রস প্রতিদিন ব্যবহার করা যেতে পারে। অ্যালোভেরা: কেবল ব্রন কমাতেই নয়, ত্বকের কালো দাগ-ছোপ দূর করতে, ট্যান কাটাতেও অ্যালোভেরা জুড়ি মেলা ভার। প্রথমে অ্যালোভেরা জেল বের করে নিন, তারপর শরীরের ট্যান পড়া অংশে আলতো হাতে মাখুন। একটু সময় নিয়ে এমন ভাবে ম্যাসাজ করবেন যাতে অ্যালোভেরা জেল ত্বক একদম শুষে নেয়। কয়েক ঘণ্টা পর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷কলা ও লেবুর মাস্ক: পাকা কলা ও লেবু মিশিয়ে প্রথমে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট মুখে, গলায়, হাতে, পায়ে বা শরীরের যে কোনও অংশে ব্যবহার করা যেতে পারে। পেস্টটি শরীরের কালচে বা ট্যান পড়া জায়গায় ১৫ মিনিট মাখিয়ে রাখার পর ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন এই মাস্ক লাগালে ভাল ফল পাওয়া যেতে পারে

এপ্রিল ০৩, ২০২১
টুকিটাকি

গাজরের বহুবিধ গুনাগুণ

বহুল উপকারি সবজির মধ্যে অন্যতম গাজর। গাজরের মধ্যে থাকে ভিটামিন সি। আর এই উপাদান ত্বকের জৌলুস ফেরাতে এবং ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে সাহায্য করে। যাবতীয় দাগছোপ দূর করে ত্বক রাখে ঝকঝকে। ত্বকের গঠন সুদৃঢ় করতেও সাহায্য করে গাজরে থাকা বিভিন্ন রকমের উপাদান। চুল এবং ত্বকের পরিচর্যায় গাজর খুবই উপকারি। অনেকেই প্রতিদিনের ডায়েটে রাখেন গাজরের রস। অনেকে আবার ফ্রুট স্যালাড কিংবা এমনি স্যালাডে রাখেন গাজর। শুধু ত্বক বা চুল ভাল রাখতে নয়, স্বাস্থ্য বজায় রাখার অসংখ্য গুণ রয়েছে গাজরে।গাজরের গুনাগুন জেনে নেওয়া যাক:১. গাজরে থাকে বিটা ক্যারোটিন। এই উপাদান ভিটামিন এ- তে পরিণত হয়। ফলে নতুন স্কিন সেল তৈরি হতে সাহায্য করে গাজরে থাকা এই উপাদান। এছাড়া ত্বকের ঔজ্জ্বল্যও বাড়ায়।২. গাজরের মধ্যে থাকে ভিটামিন সি। আর এই উপাদান ত্বকের জৌলুস ফেরাতে এবং ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে সাহায্য করে। যাবতীয় দাগছোপ দূর করে ত্বক রাখে ঝকঝকে।৩. ত্বকের টেক্সচার বা গঠন সুদৃঢ় করতেও সাহায্য করে গাজরে থাকা বিভিন্ন রকমের উপাদান। বিশেষ করে গাজরে থাকা ভিটামিন এ স্কিন টেক্সচার সুদৃঢ় করতে সাহায্য করে।৪. সূর্যের তেজে যে ট্যান পড়ে আপনার চামড়ায় সেটা দূর করে গাজরে থাকা বিটা ক্যারোটিন। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করা এই উপাদান।৫. হেয়ারফল অর্থাৎ চুল পড়ার সমস্যা আজকাল প্রায় সকলেরই রয়েছে। এক্ষেত্রেও সমাধানের কাজ করে গাজর। শুধু তাই নয়, আপনার স্ক্যাল্পে পুষ্টিও জোগায় গাজর।৬. শুধু চুল বা ত্বকের পরিচর্যায় নয়, স্বাস্থ্য বজায় রাখতে, চোখের দৃষ্টিশক্তি প্রখর করতে এবং মেন্সট্রুয়াল বিভিন্ন ইস্যুর সমাধানে সাহায্য করে গাজর। প্রতিরোধ ক্ষমতাও গড়ে তোলে গাজর।

মার্চ ৩১, ২০২১
টুকিটাকি

দোলের রং উঠবে, ত্বক আর চুলের লাভও হবে, জেনে নিন সহজ উপায়

দোলের রং সারা মুখে ভর্তি, স্নানের সময় বার বার সাবান দিয়ে ধুয়েও কোনও ভাবে যাচ্ছেই না, অফিস যেতে সমস্যা, না, রং তোলা মোটেই খুব কঠিন বিষয় নয়। হাতের কাছে থাকা কয়েকটা উপাদান দিয়েই সহজেই তুলে ফেলা যায় রং। কিন্তু এর অনেকগুলিই আবার ত্বকের জন্য ততটা নিরাপদ নয়। তা হলে? দেখে নেওয়া যাক, রং তোলার কিছু সহজ প্রক্রিয়া, যারা ক্ষতি তো করবেই না, বরং এগুলিতে উপকার হবে ত্বকের।লেবুর ব্যবহার: একটু হালকা রং তোলার জন্য লেবুর বিকল্প নেই। লেবু, মধু, জলপাই তেল আর হলুদ আছে এমন ফেস প্যাক ব্যবহার করে রং তুললে ত্বকের স্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্য ফিরে আসে। ত্বকের নমনীয়তাও বাড়ে।ডিম: রং খেলার নাম করে মাথায় ডিম ফাটানোর রেওয়াজ আজকের নয়। অনেকেরই দাবি, এতে চুলের উপকার হয়। কথাটা খুব ভুলও নয়। চুলের এবং মাথার ত্বকের রং তুলতে ডিমের হলুদ অংশ খুবই পারদর্শী। এই হলুদ অংশ রং লাগা জায়গাগুলিতে মাখিয়ে রেখে, পরে তা হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে তুলে ফেললেই হল। রং পরিষ্কার।বিয়ার: পানীয় হিসেবে দোলের দিনে অনেকেরই পছন্দ। কিন্তু শুধু পানীয় হিসেবে নয়, এর ব্যবহার হতে পারে রং তোলার ক্ষেত্রেও। চুলের রং আর মুখের রং তুলতে বিয়ার ব্যবহার করা যেতেই পারে। এতে চুলের এবং ত্বকের উভয়েরই উপকার হয়। শুধু বিয়ার দিয়ে রং সাফ করার আগে, এক বোতল এই পানীয়ের সঙ্গে এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারলে ভাল হয়।

মার্চ ২৯, ২০২১
টুকিটাকি

চুল এবং ত্বকের পরিচর্যায় অব্যর্থ নারকেল তেল, জেনে নিন কী কী কাজে লাগে

নারকেলের গুণের কথা সকলে্রই জানা। নারকেলের নির্যাস তেলেও রয়েছে অনেক গুণ।এই তেলে রান্না করা খাবার খেতে যতই কম সুস্বাদু লাগুক, এর মধ্যে পুষ্টিগুণ নাকি মারাত্মক। তবে শুধু খাওয়ায় নয়, চুল এবং ত্বকের পরিচর্যাতেই ভীষণ ভাবে উপকার করে এই নারকেল তেল।চুলের পরিচর্যা-১. যাঁদের শ্যাম্পু করলেই চুল মারাত্মক রুক্ষ হয়ে যায়, কন্ডিশনার দিলেও বিশেষ লাভ হয় না, তাঁরা শ্যাম্পু করার আগে নারকেল তেল সামান্য গরম করে মাথায় ম্যাসাজ করুন। তারপর শ্যাম্পু করে নিলেই দেখবেন আপনার চুল স্মুদ এবং সিল্কি হয়ে গিয়েছে।২. খুশকির সমস্যাও কমিয়ে দেয় নারকেল তেল। মূলত, স্ক্যাল্প শুকনো এবং রুক্ষ থাকলেই খুশকির সমস্যা প্রবলভাবে দেখা দেয়। তা থেকে অনেকসময় আবার অনেক স্কিনের সমস্যাও হয়ে থাকে। তাই স্ক্যাল্পে পুষ্টি জোগাতে নারকেল তেল ব্যবহার করুন। এর ফলে খুশকির সমস্যা কমবে।৩. ঘরোয়া পদ্ধতিতে হেয়ার মাস্ক বা স্পা-এর জন্য প্যাক তৈরির সময় সামান্য নারকেল তেল মিশিয়ে নিতে পারেন। এর ফলে চুল অনেক বেশি নরম থাকে। চুলের ফ্রিজি ভাব চলে যায়।ত্বকের পরিচর্যা-১. চড়া মেকআপ তুলতে নারকেল তেল অব্যর্থ। ক্লিনজার-ফেসওয়াস এসবের বদলে পুরু করে নারকেল তেল লাগিয়ে নিন। মিনিট ১০ রেখে পরিষ্কার জলে মুখ ধুয়ে নিন। খুব চিটচিটে ভাব লাগবে সামান্য ক্লেনজার দিয়ে আর একবার মুখ ধুয়ে নিন। এর ফলে মেকআপ উঠে গেলেও মুখের ত্বক রুক্ষ-শুষ্ক হবে না।২. পা ফাটার সমস্যা দূর করতেও কাজে লাগে নারকেল তেল। পায়ের ফাটা জায়গা, বিশেষ করে গোড়ালির অংশে সামান্য নুন আর নারকেল তেল মিশিয়ে পা ঘষার ব্রাশ দিয়ে ভাল করে ঘষতে হবে। এর ফলে চামড়া নরম হয়ে যাবে। সেই সঙ্গে ফাটা অংশে বসে যাওয়া ময়লাও দূর হবে। এবার সামান্য গরম জলে খানিকক্ষণ পা ডুবিয়ে রাখুন। তারপর ভাল করে পা মুছে নিয়ে ফুটক্রিম লাগিয়ে নিন। সাতদিন এই পদ্ধতিতে পায়ের যত্ন করলে ফল পাবেন হাতেনাতে।৩. অনেকে আবার শরীরের রুক্ষভাব দূর করতেও নারকেল তেল মালিশ করে থাকেন। এর উপকারও আছে অনেক।

মার্চ ২২, ২০২১
টুকিটাকি

ত্বকের যত্নে নারকেল তেলের ব্যবহার , না জানলে জেনে নিন !

শীতকালে শুষ্কতার পরিমান বৃদ্ধি পাওয়া আমারা ত্বকের নানা সমস্যায় পড়ে থাকি। আমাদের ত্বক টানটান হয়ে যায়। এছাড়া বেশি শুষ্ক হয়ে ত্বক ফেটেও যায়। তাই শীতকালে ত্বকের এক্সট্রা কেয়ার নেওয়া প্রয়োজন। আর এই শীতে ত্বক ময়েশ্চারাইজ করতে নারকেল তেলের জুড়ি মেলা ভার। এবার জেনে নিন ত্বকের যত্নে নারকেল তেলের উপকারিতা সম্পর্কে.. আরও পড়ুন ঃ চুল পড়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন কি করে, জেনে নিন ! উল্লেখ্য বাজারের নানা ময়েশ্চারাইজারের থেকে নারকেল তেল খুবই উপকারী। ত্বকের রুক্ষ ভাব নারকেল তেল নিমেষে দূর করে দিতে পারে। তাই শীতকালে নিয়মিত ত্বকের জন্য নারকেল তেল ব্যবহার করুন। এক্ষেত্রে রাত্রিবেলা ঘুমাতে যাওয়ার আগে মুখ ভালো করে পরিষ্কার করে নিতে হবে। তারপর সামান্য নারকেল তেল গরম করে আলতো হাতে সারা মুখে লাগিয়ে ম্যাসাজ করুন। এতে আপনার ত্বক দ্রুত ময়েশ্চারাইজ হয়ে উঠবে। এবং আপনার ত্বক বলিরেখা পড়া থেকেই দূরে রাখবে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
টুকিটাকি

ঘুমের আগে ত্বকের যত্ন

সারা দিনের পরিশ্রম, ধকল ও ধুলাবালিতে লাবণ্য হারিয়ে নিস্তেজ হয়ে যায় ত্বক। দিনের শেষে নামমাত্রই ত্বকের যত্ন নেওয়া হয় বা নেওয়াই হয় না বললেই চলে! তবে ঘুমের আগে ত্বকের পরিচর্যার ব্যাপারে আলসেমি করা ঠিক নয়। ত্বককে সতেজ, সুস্থ ও প্রাণবন্ত রাখতে সঠিক পদ্ধতিতে ত্বকের যত্ন নেওয়া খুবই জরুরি। ঘুমের আগে অবশ্যই ত্বক খুব ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। মেকআপ থাকলে প্রথমে ক্রিম, তেল, ময়েশ্চারাইজার বা মেকআপ রিমুভার দিয়ে তা তুলে নিতে হবে। অনেক সময় দেখা যায় যে চোখের নিচের কাজল বা মাসকারার হালকা আভা থেকে যায়। এতে করে চোখের চারপাশ কালো হতে থাকে। তাই মেকআপ তোলার সময় কটন বল বা টিস্যুতে তেল বা পেট্রোলিয়াম জেলি নিয়ে ঘড়ির কাঁটার দিকে ও উল্টা দিকে মালিশ করে চোখের অংশটুকু মুছে নিতে হবে। এতে করে পরিষ্কার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চোখের চারপাশে বলিরেখা পড়ার আশঙ্কাও কমে যায়। এরপর ফেসওয়াশ লাগিয়ে বেশি করে জলের ঝাপটা দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। আরও পড়ুন ঃ শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত পান করুন আমলকী চা, জেনে নিন উপকারিতাগুলি মুখ ধোয়ার পর যে জলটুকু থেকে যায় তা পুরোপুরি না মুছে ত্বক কিছুটা ভেজা থাকা অবস্থায় ত্বকের ধরন অনুযায়ী ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। শুষ্ক ত্বকে তৈলাক্ত, মিশ্র ত্বকে যেকোনো ধরনের এবং তৈলাক্ত ত্বকে ক্রিমজাতীয় ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। আবার অনেকেই আছেন নাইট ক্রিম ব্যবহার করে থাকেন। নাইট ক্রিম কেনার আগে অবশ্যই দেখে নিতে হবে যে তা ত্বকের সঙ্গে মানিয়ে যাচ্ছে কি না। রাতের বেলা ঠোঁট আলতোভাবে পরিষ্কার করে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে ঘুমাতে হবে, এতে ঠোঁট শুকাবে না। এ ছাড়া হাত-পা পরিষ্কার করে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে ঘুমালে লম্বা সময় ধরে হাত-পায়ের ত্বক ভালো থাকবে। ধরনভেদে ত্বককে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। আর সেই ধরন বুঝেই ঘুমের আগে ত্বকের যত্ন নিতে হবে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০
টুকিটাকি

কলাপাতা ত্বকের জন্য উপকারী , না জানলে জেনে নিন !

কলাপাতা ত্বকের জন্য অব্যর্থ ওষুধ। কলাপাতা ব্লেন্ড করে রস ক্ষত স্থানে সামান্য সময় রেখে ধুয়ে ফেলুন। যদি এই রস ব্যবহারের পর ত্বক জ্বালাপোড়া করে তাহলে তাড়াতাড়ি ধুয়ে ফেলুন, বেশিক্ষন রাখবেন না। বিভিন্ন ক্রিমে লেবেলে আলাটোয়িং নামক একটি ব্যয়বহুল এবং সক্রিয় উপাদান দেখা যায়। যার উপস্থিতি কলাপাতার মধ্যে পাওয়া যায়। আরও পড়ুনঃ শরীর সুস্থ রাখতে পাতে রাখুন মোচা কলাপাতার উপর কয়েকটি বরফের কিউব ঘষে নিয়ে ত্বকের উপর প্রয়োগ করলে ত্বক আরও উজ্জ্বল ও সতেজ হয়ে উঠবে। তাছাড়া কলাপাতায় নিয়মিত খাবার খেলেও ত্বক ভিতর থেকে সুস্থ ও সতেজ হয়ে ওঠে। কারণ এই পাতার মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীর থেকে টক্সিক বেড়িয়ে যেতে সাহায্য করে। ফলে ত্বক হয়ে ওঠে আরও বেশি উজ্জ্বল এবং সতেজ।

অক্টোবর ১৯, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় বড়সড় ‘অ্যাকশন’! ২৫২টি বন্ধের নির্দেশ, শোকজ আরও ১০০—সরকারি সমীক্ষায় চাঞ্চল্য

অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ রাজ্যের, জেলায় জেলায় নথি যাচাইয়ের পর সিদ্ধান্ত।মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় এবার বড়সড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ। রাজ্যজুড়ে মাদ্রাসাগুলির উপর চালানো সমীক্ষার পর প্রথম দফায় ২৫২টি অনুমোদনহীন মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার। একই সঙ্গে আরও প্রায় ১০০টি মাদ্রাসাকে শোকজ করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।প্রশাসনিক সূত্রের খবর, কলকাতা-সহ রাজ্যের ২২টি জেলায় মাদ্রাসাগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। গত ২২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই যাচাই-পর্বে শুধু অনুমোদন রয়েছে কি না, তা-ই নয়পরিচালন ব্যবস্থা, পড়ুয়ার সংখ্যা, শিক্ষক-শিক্ষিকার উপস্থিতি, অর্থের উৎস, নথিপত্র, রেজিস্ট্রেশন এবং পরিকাঠামো-সহ একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখা হয়েছে।সমীক্ষার রিপোর্ট সামনে আসতেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। রাজ্যে বিপুল সংখ্যক মাদ্রাসা প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন বা নির্দিষ্ট স্বীকৃতি ছাড়াই চলছে বলে প্রশাসনের তরফে দাবি। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২,৩৯৬। এর মধ্যেই প্রথম ধাপে ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সরাসরি বন্ধের নোটিস জারি করেছে সরকার।খারিজি মাদ্রাসাই কি নিশানায়?সরকারি পদক্ষেপের আওতায় আসা ২৫২টি মাদ্রাসার বড় অংশই খারিজি বা বেসরকারি উদ্যোগে পরিচালিত মাদ্রাসা বলে খবর। এই প্রতিষ্ঠানগুলির বৈধতা, পরিচালন পদ্ধতি এবং শিক্ষাব্যবস্থা নিয়েই মূলত প্রশাসনের নজরদারি।তবে সরকারের অবস্থানও স্পষ্টকোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি স্বীকৃতির বাইরে থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে চলতে পারে না। যে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেই কিংবা ন্যূনতম পরিকাঠামো ও নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ, তাদের বিরুদ্ধে আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।শুধু বন্ধ নয়, শোকজ-এর পরেও কড়া বার্তাপ্রথম দফায় ২৫২টি মাদ্রাসাকে বন্ধের নোটিস দেওয়া হলেও প্রায় ১০০টি প্রতিষ্ঠানকে আপাতত দেওয়া হয়েছে শোকজ নোটিস। অর্থাৎ, তাদের নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।প্রশাসনের প্রশ্নকোন আইনি অনুমোদনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান চলছে? কতজন পড়ুয়া রয়েছে? শিক্ষক কারা? অর্থ আসছে কোথা থেকে? পর্যাপ্ত ভবন ও শিক্ষার পরিকাঠামো রয়েছে কি না? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।জানা যাচ্ছে, সন্তোষজনক উত্তর বা প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে না পারলে শোকজ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধেও পরবর্তী ধাপে আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হতে পারে।২২ জেলায় নথি যাচাইতারপরই সিদ্ধান্তমাদ্রাসা নিয়ে এই অভিযান হঠাৎ করে নয়। রাজ্য সরকারের নির্দেশেই জেলায় জেলায় শুরু হয়েছিল সমীক্ষা। কলকাতা-সহ ২২টি জেলার মাদ্রাসাগুলির নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়।সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের তরফে দাবি, অনুমোদিত মাদ্রাসাগুলি নিয়ম মেনেই চলছে। কিন্তু অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষেত্রে সরকার আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না।মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর বক্তব্য, মাদ্রাসাগুলির যাবতীয় নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়েছে। অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলি চালু রয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।সরকারের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ, প্রশ্ন তুললেন ত্বহা সিদ্দিকীতবে সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে পাল্টা প্রশ্নও উঠছে। ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেনকেন কোনও মাদ্রাসাকে শোকজ করা হচ্ছে, কেনই বা বন্ধ করা হচ্ছে, তা আগে সাধারণ মানুষকে জানানো হোক।তাঁর বক্তব্য, বহু মাদ্রাসা সাধারণ মানুষের অনুদান ও সাহায্যের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। মাদ্রাসায় শুধু ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হয় না, সরকারি পাঠ্যক্রমও পড়ানো হয় বলে দাবি তাঁর।ফলে সরকারের প্রশাসনিক যুক্তির বিপরীতে উঠে আসছে অন্য প্রশ্নঅনুমোদনের মাপকাঠি কী? কোন প্রতিষ্ঠান নিয়মবহির্ভূত এবং কোনটি নয়? আর বহু বছর ধরে চলা প্রতিষ্ঠানগুলির ভবিষ্যৎই বা কী?রাজনীতির ময়দানেও বাড়ছে উত্তাপমাদ্রাসা ইস্যুতে রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, সংখ্যালঘু শিক্ষা এবং সরকারি অনুমোদনের প্রশ্নের সঙ্গে এবার সরাসরি যুক্ত হচ্ছে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বনাম দীর্ঘদিনের সামাজিক উদ্যোগে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলির স্বাধীনতা।একদিকে সরকারের যুক্তিআইন ও নিয়মের বাইরে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলতে দেওয়া যায় না। অন্যদিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের একাংশের বক্তব্যশুধু সরকারি অনুমোদনের অভাবকে কেন্দ্র করে কোনও প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয়।ফলে ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ এখন শুধু প্রশাসনিক ফাইলের বিষয় নয়; তা ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনীতি ও সংখ্যালঘু শিক্ষা ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় বিতর্কে পরিণত হয়েছে।উত্তরাখণ্ডের পর বাংলাতেও কড়া পদক্ষেপঅনুমোদনহীন মাদ্রাসার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপের নজির অন্য রাজ্যেও রয়েছে। উত্তরাখণ্ডে ইতিমধ্যেই একাধিক অননুমোদিত মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলার এই পদক্ষেপকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।এখন মূল নজর শোকজ পাওয়া প্রায় ১০০টি মাদ্রাসার জবাবের দিকে। তারা প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও পরিকাঠামোর প্রমাণ দিতে পারে কি না, তার উপরই নির্ভর করছে পরবর্তী পদক্ষেপ।তবে একটি বিষয় ইতিমধ্যেই স্পষ্টমাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে আর নজরদারির বাইরে রাখতে চাইছে না রাজ্য সরকার। ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রথম দফার এই অ্যাকশন আগামী দিনে আরও বড় প্রশাসনিক অভিযানের ইঙ্গিত কি না, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
বিদেশ

পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে যাত্রীবাহী ট্রেনে রুশ ড্রোন হামলা! ইউক্রেন যুদ্ধ কি এবার ন্যাটোর দরজায়?

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে ড্রোন হামলার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার পশ্চিম ইউক্রেনে ঘটনাটি ঘটে বলে সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে। হামলায় ট্রেনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও ২০৬ জন যাত্রীর কেউ আহত হননি বলে দাবি করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, পোল্যান্ডের একটি রেল সংস্থার পরিচালিত ওই ট্রেনটি কিয়েভ থেকে ওয়ারশের দিকে যাচ্ছিল। পথে আচমকাই ট্রেনটির উপর একের পর এক রুশ ড্রোন হামলা হয় বলে অভিযোগ। হামলার জেরে ট্রেনে আগুন ধরে যায়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে।তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। হামলার পর প্রায় ছঘণ্টা ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি এমন একটি সময়ে ঘটল, যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে গোটা ইউরোপেই নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।পোল্যান্ডের কাছে এই ঘটনার গুরুত্ব আরও বেশি বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। কারণ পোল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য দেশ। ন্যাটোর চুক্তি অনুযায়ী, কোনও সদস্য দেশের বিরুদ্ধে সশস্ত্র হামলা হলে পরিস্থিতি অনুযায়ী অন্য সদস্যদেশগুলির সম্মিলিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হতে পারে।তবে রবিবারের ঘটনাটিকে সরাসরি পোল্যান্ডের উপর রুশ হামলা হিসেবে দেখছেন না বিশ্লেষকেরা। তাঁদের একাংশের মতে, পোল্যান্ড সীমান্তের এত কাছে এমন ঘটনা ন্যাটোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে। রাশিয়ার উদ্দেশ্য ন্যাটোর প্রস্তুতি ও ঐক্য পরীক্ষা করা কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া যদি ভবিষ্যতে পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালায়, তার প্রভাব শুধু দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা কম। কারণ পোল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য। সে ক্ষেত্রে গোটা ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতেই বড় পরিবর্তন আসতে পারে।তবে রবিবারের হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। ইউক্রেন যুদ্ধের পরিস্থিতির মধ্যে পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে এই হামলার অভিযোগ নতুন করে ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন একটাইরাশিয়া যদি সত্যিই পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালায়, তখন ন্যাটো কী পদক্ষেপ করবে?

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
দেশ

একের পর এক ভূমিধসে বসে যাচ্ছে আস্ত পাহাড়! সিকিমে হড়পা বানের আতঙ্ক, সরানো হল ৩৮ পরিবার

পশ্চিম সিকিমের গিয়ালশিং জেলার সিঙ্গলিথাম গ্রাম এবং সংলগ্ন রিম্বি এলাকায় একের পর এক ভূমিধসে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। রবিবার সকাল থেকে ভূমিধসের তীব্রতা বাড়তে থাকায় পাহাড়ের ঢাল থেকে কাদা, পাথর ও গাছের ধ্বংসাবশেষ নেমে আসছে। এর জেরে রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকায় সিকিম প্রশাসনের তরফে রিম্বির ৩০টি এবং সিঙ্গলিথামের ৮টি পরিবারকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়ায় সিঙ্গলিথামের বেশ কয়েকটি বাড়িও ইতিমধ্যে ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, সিঙ্গলিথামের পাহাড়ের ঢাল থেকে ক্রমাগত কাদা, বড় পাথর এবং গাছ নেমে এসে স্থানীয় ঝোরার গতিপথ আটকে দিচ্ছে। ফলে রিম্বির নিচের দিকে আচমকা হড়পা বান নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা। প্রশাসনের নজরদারিতে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, রিম্বির ঠিক উপরে সিঙ্গলিথাম গ্রামের কাছে একটি টিলা ধীরে ধীরে বসে যাওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতির অবনতি শুরু হয়। টানা ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়ায় মাটি, কাদা এবং পাথর ক্রমাগত নিচের দিকে নেমে আসছে। স্থানীয়দের দাবি, গত অগস্ট মাস থেকেই ওই এলাকায় ভূমিধস শুরু হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ধস গ্রামের দিকে এগিয়ে আসছে।ভূমিধসের ধ্বংসস্তূপে রিম্বি-ইউকসম এবং রিম্বি-খেচুপেরি সড়কের কয়েকটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে ইউকসম-তাশিডিং এলাকার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও। স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকদেরও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে প্রশাসনের তরফে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষ এবং যাত্রীদের বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিপদের আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে নিরাপদ জায়গায় সরে যেতে শুরু করেছেন।প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যেই ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত চলতে থাকলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের। পাহাড়ের ঢাল আরও নরম হলে নতুন করে ধস নামার আশঙ্কাও রয়েছে। বিশেষ করে ঝোরা অবরুদ্ধ হলে নিচের এলাকায় হড়পা বান তৈরি হতে পারে কি না, সেই দিকেই এখন নজর স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দাদের।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রাম, রেজিনগরে বড় চমক মমতার, আসন্ন উপনির্বাচনে ২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার দলের তরফে জানানো হয়েছে, নন্দীগ্রামে প্রার্থী হচ্ছেন সঞ্চিতা প্রধান (দে)। পাশাপাশি, রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য রাবিউল আলম চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নন্দীগ্রাম থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতার জল্পনার অবসান হল।দলের এই ঘোষণা এমন সময়ে এল, যখন শনিবারই তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির জানিয়েছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করলে তারা ওই কেন্দ্রে প্রার্থী দেবে না। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর তরফে মমতাকে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করে বিধানসভায় ফেরার আহ্বানও জানানো হয়েছিল।১৫ বছর পর বিধানসভার বাইরে মমতা?২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫,১০৫ ভোটে পরাজিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামেও শুভেন্দুর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি।২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ভবানীপুরের উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে বিধানসভায় প্রবেশ করেন মমতা। ২০১৬ সালে ফের ভবানীপুর থেকে জয় পান তিনি। ২০২১ সালে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর উপনির্বাচনে জিতে আবারও বিধানসভায় জায়গা করে নেন। তৃণমূল নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণা করায় এবার দীর্ঘ ১৫ বছর পর তাঁকে বিধানসভার বাইরে থাকতে হতে পারে।কেন নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন?২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে তিনি ভবানীপুর আসনটি ধরে রেখে নন্দীগ্রাম থেকে ইস্তফা দেন। সেই কারণেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হচ্ছে।নির্বাচন কমিশনের সূচি অনুযায়ী, আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন হবে। ভোটের গণনা ৯ অক্টোবর। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৬ সেপ্টেম্বর।তৃণমূলে গোষ্ঠীকোন্দল অব্যাহতপ্রার্থী ঘোষণার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিবাদ আরও জটিল হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী গোষ্ঠীদুই পক্ষই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। উভয় শিবিরই দলের নিয়ন্ত্রণ, নাম এবং জোড়াফুল প্রতীকের স্বীকৃতি দাবি করেছে।১২ সেপ্টেম্বর দুই পক্ষের বক্তব্য শোনে নির্বাচন কমিশন। বিদ্রোহী শিবিরের কাছে আরও কিছু নথি চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমার আগে দলের প্রতীক ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিবাদের নিষ্পত্তি হয়নি।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

স্ত্রীর পুরনো হাসি ভুলতে পারেননি! ৮৮ বছর বয়সে নিজের হাতেই বানিয়ে ফেললেন তাঁর মুখ

উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা ৮৮ বছরের ভূপতিরঞ্জন দেবনাথ। দীর্ঘ কর্মজীবনে মধ্যমগ্রাম হাই স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন তিনি। প্রায় তিন দশক আগে অবসর নিয়েছেন। এখন পেনশনের টাকাতেই চলে তাঁর সংসার। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সংসারে একের পর এক কঠিন সময় এসেছে তাঁর জীবনে।ভূপতির স্ত্রী অঞ্জলির বয়স সত্তরের কোঠায়। তাঁদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে। দুই মেয়েরই মধ্যমগ্রামে বিয়ে হয়েছে। বাড়িতে রয়েছেন পুত্রবধূ এবং নাতিও। তবে করোনা অতিমারির সময় একমাত্র ছেলেকে হারিয়েছেন ভূপতি ও অঞ্জলি। ছেলের পরিবারকেও এরপর নিজেদের দায়িত্বে আগলে রেখেছেন তাঁরা।এরই মধ্যে গত ছমাস ধরে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী অঞ্জলি। বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছেন যে, এখন হাতে কলম নিয়ে সই করাও তাঁর পক্ষে সম্ভব হয় না। একসময় যে স্ত্রী সংসারের নানা কঠিন পরিস্থিতিতেও হাসিমুখে সব সামলে নিতেন, আজ সেই মুখেই অসুস্থতার ছাপ স্পষ্ট।কিন্তু স্ত্রীর সেই পুরনো হাসি এখনও ভুলতে পারেননি ভূপতি। বরং সেই হাসিই তাঁর মনে আজও একই রকম উজ্জ্বল। তাই স্ত্রীর মুখের সেই পুরনো অবয়ব এবং হাসিকে ধরে রাখতে নিজের হাতেই তৈরি করেছেন একটি প্রতিকৃতি।শিক্ষকতার পাশাপাশি হাতের কাজেও যথেষ্ট দক্ষ ছিলেন ভূপতি। কর্মজীবনে বিভিন্ন সময়ে মাটি, নারকেলের খোল, গাছের ডাল-সহ নানা সাধারণ উপকরণ দিয়ে নানা জিনিস তৈরি করেছেন তিনি। ফেলে দেওয়া জিনিস তাঁর হাতে নতুন রূপ পেয়েছে। সেইসব কাজ এখনও তাঁর বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় যত্ন করে রাখা রয়েছে।এ বার সেই দক্ষতাকেই কাজে লাগিয়েছেন নিজের জীবনসঙ্গীর স্মৃতি ধরে রাখতে। প্লাস্টার অফ প্যারিস দিয়ে তৈরি করেছেন অঞ্জলির হাসিমুখের একটি প্রতিকৃতি। বাড়ির একটি শোকেসে রাখা রয়েছে সেই মূর্তি। স্ত্রীর পাশে বসে থাকার সময় কখনও অসুস্থ অঞ্জলির দিকে তাকান, কখনও আবার চোখ চলে যায় সেই হাসিমুখের প্রতিকৃতির দিকে।ভূপতির কথায়, তাঁদের দাম্পত্য জীবন প্রায় ৫৯ বছরের। অঞ্জলি বরাবরই হাসিখুশি থাকতে ভালোবাসতেন। সংসারে যত সমস্যাই আসুক, তিনি কখনও তা প্রকাশ করতেন না। হাসিমুখেই কঠিন সময় পার করেছেন। সেই হাসিই ছিল ভূপতির কাছে বড় ভরসা।আজ অঞ্জলি অসুস্থ। বিছানা থেকে ওঠার শক্তিও নেই। মুখের সেই পুরনো হাসিও আর দেখা যায় না। কিন্তু ভূপতির স্মৃতিতে অঞ্জলির হাসি এখনও একই রকম জীবন্ত। সেই হাসিকে অমলিন রাখতেই স্ত্রীর মুখের আদলে তৈরি করেছেন এই প্রতিকৃতি।পুরনো দিন আর ফিরে আসবে না, তা জানেন ৮৮ বছরের ভূপতি। তবু তাঁর একটাই আশা, স্ত্রী আবার শারীরিক সমস্যা কাটিয়ে উঠে একটু হাঁটাচলা করতে পারবেন, আগের মতো তাঁর পাশে বসতে পারবেন। আর সেই আশার সঙ্গেই ঘরের শোকেসে হাসিমুখে থেকে গিয়েছে অঞ্জলির সেই পুরনো মুখ।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

কেমন হওয়া উচিত গণেশের মূর্তি? কেনার আগে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি, সঠিক নিয়মে পুজোয় পাবেন হাতে নাতে ফল

ভগবান গণেশকে উৎসর্গ করে পালিত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু উৎসব গণেশ চতুর্থী। বিঘ্নহর্তা, জ্ঞানদাতা এবং শুভ সূচনার দেবতা হিসেবে গণেশের আরাধনা করেন ভক্তরা। ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর। ওই দিন থেকেই শুরু হবে দশ দিনব্যাপী গণেশ উৎসব।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, গণেশ চতুর্থীর দিন বাড়িতে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পুজো করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস, এই সময় বাপ্পাকে বাড়িতে স্বাগত জানালে জীবনের বাধা-বিপত্তি দূর হয় এবং সুখ-সমৃদ্ধি আসে। তবে মূর্তি কেনার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সৌন্দর্য বা সাজসজ্জা দেখলেই হবে না। ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, মূর্তির উচ্চতা, ভঙ্গি, রং, শুঁড়ের দিক এবং বাহনের উপস্থিতিরও বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে বলে মনে করা হয়।কেমন হওয়া উচিত গণেশের মূর্তি?বাস্তুশাস্ত্রের প্রচলিত মত অনুযায়ী, বাড়িতে পুজোর জন্য গণেশের মূর্তি খুব বড় হওয়া উচিত নয়। সাধারণত ৯ থেকে ১১ ইঞ্চি উচ্চতার মূর্তিকে গৃহস্থের পুজোর জন্য উপযুক্ত বলে মনে করা হয়। এর তুলনায় বড় মূর্তি রাখলে পুজো ও বিসর্জনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সমস্যা হতে পারে বলেও মত রয়েছে।মূর্তির ভঙ্গির দিকেও নজর দেওয়ার কথা বলা হয়। বাড়িতে পুজোর জন্য উপবিষ্ট গণেশের মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই ভঙ্গি শান্তি, স্থায়িত্ব ও সুখের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, চার হাতের গণেশ মূর্তির ক্ষেত্রে উপরের বাম হাতে পাশ, ডান হাতে অঙ্কুশ, নীচের বাম হাতে মোদক এবং নীচের ডান হাত অভয় মুদ্রায় থাকা শুভ বলে মনে করা হয়।গণেশের শুঁড় কোন দিকে থাকবে?গণেশের মূর্তি কেনার সময় শুঁড়ের দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, বাম দিকে বাঁকানো শুঁড়যুক্ত গণেশের মূর্তি বাড়িতে স্থাপনের জন্য শুভ। এই ধরনের গণেশকে বামামুখী গণেশ বলা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রূপ শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক।অন্যদিকে, ডান দিকে বাঁকানো শুঁড়ের গণেশকে সিদ্ধিবিনায়ক বলা হয়। এই রূপকে তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী বলে মনে করা হয় এবং তাঁর পুজোয় বিশেষ নিয়মকানুন মেনে চলার প্রচলন রয়েছে। তাই বাড়ির পুজোর জন্য মূর্তি কেনার সময় শুঁড়ের দিকটি খেয়াল করার পরামর্শ দেওয়া হয়।গণেশের বাহন ইঁদুর থাকা কি জরুরি?ভগবান গণেশের বাহন ইঁদুর। তাই মূর্তি কেনার সময় গণেশের পায়ের কাছে তাঁর বাহন ইঁদুরের মূর্তি রয়েছে কি না, সেটিও দেখে নেওয়ার কথা বলা হয়।প্রচলিত ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের মূর্তির সঙ্গে তাঁর বাহন ইঁদুরের উপস্থিতির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। তাই সম্পূর্ণ মূর্তি কেনার সময় এই বিষয়টিও নজরে রাখা হয়।কোন দিকে মুখ করে থাকবে গণেশের মূর্তি?বাড়িতে গণেশের মূর্তি স্থাপনের ক্ষেত্রে দিকেরও গুরুত্ব রয়েছে বলে বাস্তুশাস্ত্রে প্রচলিত মত রয়েছে। সেই অনুযায়ী, গণেশের মুখ পূর্ব বা উত্তর দিকে রেখে মূর্তি স্থাপন করা শুভ বলে মনে করা হয়। পুজোর সময়ও গণেশের মুখ যেন পূর্ব অথবা উত্তর দিকে থাকে, সেদিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।তবে গণেশের মূর্তির আকার, ভঙ্গি, শুঁড়ের দিক কিংবা মূর্তি স্থাপনের দিক নিয়ে প্রচলিত এই ধারণাগুলি মূলত ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তুশাস্ত্রভিত্তিক মত। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি এবং স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী গণেশ পুজোর নিয়ম ভিন্ন হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

১৪ নাকি ১৫ সেপ্টম্বর, কবে পালিত হবে গণেশ চতুর্থী? জানুন ঠিক কোন সময়ে পুজোয় মিলবে দ্বিগুণ আর্শীবাদ?

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব গণেশ চতুর্থী। গণেশোৎসব নামেও পরিচিত এই উৎসব ভগবান গণেশের জন্মতিথি হিসেবে পালিত হয়। জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যের দেবতা গণেশের আরাধনা করে ভক্তরা সুখ, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেন। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতেই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল। সাধারণত ১০ দিন ধরে চলে এই উৎসব। অনন্ত চতুর্দশীর দিন গণেশ বিসর্জনের মাধ্যমে উৎসবের সমাপ্তি হয়।গণেশ চতুর্থী ২০২৬ কবে?দ্রিক পঞ্চাঙ্গ অনুযায়ী, ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর। গণেশ বিসর্জন হবে শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর। উৎসবের শুরুতে বাড়ি ও বিভিন্ন মণ্ডপে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো, প্রার্থনা ও আরতির মাধ্যমে চলে বাপ্পার আরাধনা। ফুল, ধূপ, প্রদীপ, ফল, মিষ্টি এবং বিশেষ করে মোদক নিবেদন করা হয় গণেশকে।গণেশ চতুর্থী ২০২৬-এর পুজোর শুভ মুহূর্তগণেশ পুজোর ক্ষেত্রে মধ্যাহ্নকালকে বিশেষ শুভ বলে মনে করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই সময়েই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল।১৪ সেপ্টেম্বর গণেশ পুজোর শুভ সময়:সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত।গণেশ চতুর্থীর তিথি শুরু হবে ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৬ মিনিটে এবং শেষ হবে ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৪৪ মিনিটে।শহরভেদে গণেশ পুজোর শুভ সময়বিভিন্ন শহরে স্থানীয় সময় অনুযায়ী গণেশ পুজোর শুভক্ষণে সামান্য পার্থক্য রয়েছে।পুনে: সকাল ১১টা ১৬ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৪ মিনিটনয়াদিল্লি: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিটচেন্নাই: সকাল ১০টা ৫১ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ১৮ মিনিটজয়পুর: সকাল ১১টা ৮ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৬ মিনিটহায়দরাবাদ: সকাল ১০টা ৫৮ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২৫ মিনিটগুরগাঁও: সকাল ১১টা ৩ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিটচণ্ডীগড়: সকাল ১১টা ৪ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৩ মিনিটকলকাতা: সকাল ১০টা ১৮ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটমুম্বই: সকাল ১১টা ২০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৮ মিনিটবেঙ্গালুরু: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২৮ মিনিটআহমেদাবাদ: সকাল ১১টা ২১ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৯ মিনিটনয়ডা: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটকীভাবে পালিত হয় গণেশ চতুর্থী?গণেশ চতুর্থীর উৎসব শুরু হয় বাড়ি বা মণ্ডপে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো ও আরতি করা হয়। ভক্তরা বাপ্পাকে ফুল, ফল, দূর্বা, ধূপ এবং বিভিন্ন মিষ্টি নিবেদন করেন। এর মধ্যে গণেশের প্রিয় মিষ্টি হিসেবে মোদকের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।অনেক পরিবারে গণেশের মূর্তি বাড়িতে এনে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে কয়েক দিন ধরে পুজো করা হয়। অন্যদিকে, বিভিন্ন শহর ও এলাকায় বড় বড় মণ্ডপ তৈরি করে গণেশোৎসবের আয়োজন করা হয়। পুজোর পাশাপাশি সেখানে ধর্মীয় অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক কর্মসূচি, সঙ্গীতানুষ্ঠান, খাবারের আয়োজন এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগও দেখা যায়।উৎসবের শেষ দিনে গণেশের মূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রা বের করা হয়। এরপর নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে জলাশয়ে বাপ্পার বিসর্জনের মাধ্যমে গণেশোৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

রাশি অনুযায়ী বেছে নিন গণপতি বাপ্পার মূর্তির রং, কোন রাশির জন্য কোন রং শুভ?

গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে বাড়িতে গণপতি বাপ্পার মূর্তি স্থাপনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন ভক্তরা। মূর্তি কেনার সময় সাধারণত আকার, রূপ, ভঙ্গি এবং পুজোর নিয়মের দিকে নজর দেওয়া হয়। তবে জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের মূর্তির রঙেরও বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। বিভিন্ন রঙের সঙ্গে বিভিন্ন গ্রহ এবং তাদের বৈশিষ্ট্যের সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করা হয়। সেই বিশ্বাস অনুযায়ী, নিজের রাশি অনুসারে গণেশের মূর্তির রং বেছে নিলে শুভ ফল পাওয়া যেতে পারে।২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে ১৪ সেপ্টেম্বর। প্রচলিত জ্যোতিষীয় মতে, ওই সময় চন্দ্র তুলা রাশিতে অবস্থান করবে। এবার দেখে নেওয়া যাক, কোন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য কোন রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়।মেষ ও বৃষ রাশির জন্য লাল ও হালকা গোলাপিমেষ রাশির অধিপতি গ্রহ মঙ্গল। জ্যোতিষশাস্ত্রে মঙ্গলের সঙ্গে লাল রঙের সম্পর্ক রয়েছে। তাই মেষ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য লাল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সাহস, কর্মশক্তি ও সংকল্পের প্রতীক। জীবনের বাধা কাটিয়ে এগিয়ে যেতে লাল গণপতির আরাধনা ফলদায়ক হতে পারে বলে বিশ্বাস।বৃষ রাশির অধিপতি শুক্র। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ক্রিম বা হালকা গোলাপি রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সৌন্দর্য, আরাম, সম্প্রীতি ও স্থায়িত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।মিথুন ও কর্কটের জন্য সবুজ ও সাদামিথুন রাশির অধিপতি বুধ। তাই মিথুন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য সবুজ রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। জ্যোতিষীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, সবুজ রং বুদ্ধি, যোগাযোগ, শিক্ষা ও ব্যবসার সঙ্গে সম্পর্কিত।কর্কট রাশির অধিপতি চন্দ্র। তাই এই রাশির জন্য সাদা রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। সাদা রং শান্তি, পবিত্রতা, মানসিক স্থিরতা এবং পারিবারিক সম্প্রীতির প্রতীক বলে বিশ্বাস করা হয়।সিংহ ও কন্যার জন্য কমলা ও সবুজসিংহ রাশির অধিপতি সূর্য। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য কমলা, জাফরান বা হালকা সোনালি রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং আত্মবিশ্বাস, প্রাণশক্তি, নেতৃত্ব এবং অভ্যন্তরীণ শক্তির প্রতীক।কন্যা রাশির অধিপতিও বুধ। তাই কন্যা রাশির জন্য সবুজ রঙের গণেশ মূর্তি উপযুক্ত বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে মনে করা হয়। সবুজ রং বুদ্ধি, দক্ষতা ও যোগাযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।তুলা ও বৃশ্চিকের জন্য গোলাপি ও মেরুনতুলা রাশির অধিপতি শুক্র। তাই এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য গোলাপি এবং হালকা নীল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সৌন্দর্য, সম্পর্কের ভারসাম্য, সম্প্রীতি ও শান্তির প্রতীক।বিশেষ করে ২০২৬ সালের গণেশ চতুর্থীর সময় চন্দ্র তুলা রাশিতে অবস্থান করার বিষয়টিকেও জ্যোতিষীয় দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।বৃশ্চিক রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য গাঢ় লাল বা মেরুন রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং শক্তি, মানসিক সাহস এবং নিয়ন্ত্রিত ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।ধনু ও মীনের জন্য হলুদধনু রাশির অধিপতি বৃহস্পতি। তাই ধনু রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য হলুদ রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। হলুদ রং শিক্ষা, সমৃদ্ধি এবং আধ্যাত্মিক শক্তির প্রতীক বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশ্বাস করা হয়।মীন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্যও হলুদ রঙের গণেশ মূর্তি অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। বৃহস্পতির সঙ্গে হলুদ রঙের সম্পর্ক থাকায় এই রঙকে জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।মকর ও কুম্ভের জন্য মাটির রং ও নীলমকর রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ধূসর, পাথুরে বা মাটির মতো বাদামি রঙের গণেশ মূর্তি বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এই রং শনির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও ধীরস্থির অগ্রগতির প্রতীক বলে মনে করা হয়।অন্যদিকে, কুম্ভ রাশির জন্য নীল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে জ্যোতিষীয় বিশ্বাস রয়েছে। নীল রং স্থিরতা, গভীরতা ও মানসিক দৃঢ়তার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করা হয়।তবে রাশি অনুযায়ী গণেশ মূর্তির রং বেছে নেওয়ার এই ধারণাগুলি মূলত জ্যোতিষশাস্ত্র ও ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে প্রচলিত। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি এবং স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী গণেশ পুজোর নিয়ম ও পছন্দ ভিন্ন হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal