• ৫ আষাঢ় ১৪৩৩, রবিবার ২১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Singer

বিনোদুনিয়া

'মেয়েদের জন্মদিনে চালের পায়েস খাওয়া যাবে না' জন্মদিনে কি বলতে চাইলেন লোপামুদ্রা?

৮ ফেব্রুয়ারি ছিল সঙ্গীতশিল্পী লোপামুদ্রা মিত্রর জন্মদিন। এই জন্মদিন তিনি শান্তিনিকেতনে উদযাপন করলেন। সেখান থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও শেয়ার করেন তিনি। সেই ভিডিওতে ছোটবেলার স্মৃতি থেকে শুরু করে ৫৫ তম জন্মদিন উদযাপনের আনন্দ তাঁর প্রিয় মানুষ থেকে শুরু করে অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নেন।ফেসবুকে পোস্ট করা ভিডিওতে লোপামুদ্রা বলেন তাঁর বাড়িতে নিয়ম ছিল মেয়েদের চালের পায়েস খাওয়া যাবে না। শান্তিনিকেতনের সোনাঝুড়ি অতিথি নিবাসে তিনি এই বিশেষ দিনটি কাটান। তিনি অত্যন্ত অবেগপ্রবন হয়ে পড়েন সেখানকার আতিথেয়তায়, এবং বলেন এটা তাঁর দ্বিতীয় বাড়ি। সেখানে তাঁকে একেবারে অন্ধকারে রেখে সোনাঝুড়ি অতিথি নিবাসের পক্ষ থেকে তাঁর জন্মদিন একটা সারপ্রাইস দেন চিতুদি। লোপামুদ্রা জানান তাঁর জন্মদিনে চিতুদি চালের পায়েস, পালং শাক, ডাল, পোস্ত, চিংড়ি মাছের মালাইকারি, খাসির মাংস, ইলিশ মাছ ভাজা ও পাঁপড় বানিয়েছিল জন্মদিনের মেনুতে। তিনি আরও বলেন যে, এরকম আনন্দ তিনি জীবনে বহুদিন পাননি বলেও উল্লেখ করেন।তবে এই ছোট্ট ভিডিওতে নিজের অজান্তেই একটা নীরব প্রতিবাদ বা আক্ষেপও করে বসেছেন। মেয়েদের জন্মদিনে চালের পায়েস খাওয়া যাবে না। এটা যতটা না সংস্কার তাঁর চেয়েও অনেক বেশী পুরুষ-মহিলা ভেদাভেদ। সেই প্রচলন আজও প্রবাহমান। তিনি তাঁর এই বিশেষ দিনে চালের পায়েস খেয়ে নীরবে একটা শ্লেষ ছুঁড়ে দিলেন তথাকথিত পুরুষ শাসিত সমাজের দিকে।ভিডিওর নীচে কমেন্ট বক্সে অনেক কমেন্ট ও আসে। লাজবন্তী রায় লেখেন, শুভ জন্মদিন লোপাদি। খুব ভালো কাটুক তোমার আগামীদিন গুলো। এছাড়া ভারত ও বাংলাদেশ থেকে আরও অনেকের শুভেচ্ছা এই বিশেষ দিনে পেয়েছেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
দেশ

যতদিন সঙ্গীত থাকবে, ততদিন লতাজি থাকবেন আমাদের মধ্যে

আমার শৈশবটাই শুরু হয়েছে লতাজির গান শুনে। আমার মা আমাকে ছোটো বেলায় লতাজির গান শোনাতো। সেই স্মৃতি যে কত সুন্দর বলে বোঝানো যাবে না। কত সুন্দর সুন্দর গান শুনতে শুনতেই বড় হয়ে উঠেছি। আমি ভাবি আজকের দিনে শৈশবটা এরকম হয় কিনা জানি না। আজকের দিনেও বাচ্ছারা লতাজির গান শুনতে শুনতে বড় হচ্ছে কিনা বলতে পারবো না।আজকের প্রজন্মের কথা না জানলেও আমার শৈশবটা খুবই সুন্দর ছিলো। আমার জীবনে প্রথম লতাজির গাওয়া গান যারে, যারে উরে যারে পাখি। এই গানটি মা-বাবার হাত ধরে গুটি গুটি পায়ে পাড়ার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গাইতাম। আজকের দিনের মত সেই সময় এত বেশী রিয়েলিটি শো ছিলো না। পাড়ায় পাড়ায় বিভিন্ন ক্লাবে গানের কম্পিটিশন হত। সেখানে যোগ দিতাম।আমি ছোট বেলায় লতাজির গাওয়া পিয়া বিনা বাসিয়া, দিল হুম হুম করে, এরি পবন আমি গাইতাম। এ ছাড়াও ওনার গাওয়া বিভিন্ন গান আমি মঞ্চে পরিবেসন করতাম। এই কয়েকদিন আগেই আমি ওনার গান ইয়ে শামা শামা হ্যায় প্যার কা...। ওনার গান যেমন শুনতে ভালো লাগে সেরকমই আমরা যাঁরা সঙ্গীত পরিবেশন করি, তাঁদের কাছে ওনার গান গাওয়া-টাও তার থেকে বেশী আনন্দের।আমি ব্যাক্তিভাবে মনে করি ওনার গান শুনেই অনেক কিছু শেখা যায়। আমি নিশ্চিত এই কথাটার সঙ্গে অনেক শিল্পীই সহমত হবেন। তাই আমরা যাঁরা আজও ওনার গান পুনঃনির্মাণ করার চেষ্টা করি সেটা শুধু চেষ্টাই থেকে যাই, তাঁর ধারে কাছে পৌছানো যায় না। একজন শিল্পীকে ওই যায়গায় পৌছাতে গেলে কতটা ডিসিপ্লিনড হতে হয় তাঁর অন্যতম উধাহরণ লতা মঙ্গেশকর। আজকের দিনটা আমার ভীষণ কষ্ট হচ্ছে, ভীষণ ভীষণ খারাপ লাগছে বলতে, যাকে আমি মন প্রাণ দিয়ে ছোট বেলা থেকে ভালোবেসে গিয়েছি তিনি আর আজ আমাদের মধ্যে নেই এটা ভাবতে পারছি না। কিন্তু তিনি তাঁর গানের মাধ্যমে আজও আমাদের মধ্যে থেকে গেছেন এবং থেকে যাবেন। উনি আমাদের কাছে অমর। যতদিন সঙ্গীত থাকবে ততদিন লতাজি থাকবেন আমাদের মধ্যে। আমরা সারাজীবন তাঁকে এই ভাবেই ভালোবেসে যাবো।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

"মেয়ে কি লতা মঙ্গেশকর হবে নাকি", এই কটাক্ষ জেদ বাড়িয়েছে সৌমিতা সাহার

দেবী সরস্বতীর মূর্তি পূজার প্রচলন বাংলা তথা সমগ্র ভারতে আর সকল বাড়ির মতো আমার বাড়িতেও রয়েছে। চতুর্থীর সকাল থেকেই ঘোর অন্ধকার করে বজ্রপাত সহ যে ভীষণ বৃষ্টিপাত হয় তাঁর অর্থ আজ ষষ্টির সকালে বোঝা গেল। মনে হয় দেবীর উদ্দেশ্য বুঝতে পেরেই মর্ত্যলোক ডুকরে ডুকরে কেঁদে উঠছিল। কালের অমোঘ নিয়মকে উপেক্ষা করার ক্ষমতা কারও নেই, তাই ষষ্টি-র প্রভাতে দেবী সরস্বতীর ঘট বিসর্জনের সাথে সাথে তাঁর মানস কন্যা লতা কে নিয়ে দেবী পাড়ি দিলেন সুরোলোকে। যেন দেবী এইবারে ধরাধামে এসেছিলেনই তার মানসকন্যা কে নিয়ে যেতে। দীর্ঘ দিনের অসুস্থতা ভোগ করে ইহলোকের মায়া কাটিয়ে, সকলকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন আবাল-বৃদ্ধ-বনিতার পরম প্রিয় লতাজি। আজ যেন দেশের প্রতিটি সঙ্গীত প্রেমীর ঘরে নেমে এসেছে প্রিয়জন বিয়োগের শোক। সেই ছেলে বেলা থেকেই আর পাঁচটা মেয়ের মত লতাজির গান শুনে বড় হয়েছি। তিনি যেন আমাদের সকল অভিব্যাক্তিতে রয়েছেন। কখনও বা আছেন আমাদের অহেতুক আক্রমণের ভাষায়। রাত বিরেতে রেওয়াজ করায় পাড়া প্রতিবেশী আড়ালে আবডালে প্রায়ই আমার অভিভাবকদের ঠেস দিয়ে শুনিয়েছেন মেয়ে কি লতা মঙ্গেশকর হবে নাকি! প্রথম সেই পেটে প্রজাপতি সুরসুরি দেওয়া প্রেমের জিন্দেগী অউর কুছ ভি নেহি, তেরি মেরি কাহানি হ্যায় অনুভুতিতে যেমন ছিলেন তিনি। তেমনিই ছিলেন আষাঢ় শ্রাবণ মানে না এমন এর স্মৃতি চারণে। লতাজির মতো মানুষের মৃত্যু হয় না। গীতায় আছে, न जायते म्रियते वा कदाचि- न्नायं भूत्वा भविता वा न भूयः | अजो नित्यः शाश्र्वतोSयं पुराणो न हन्यते हन्यमाने शरीरे অর্থাৎ আত্মা অবিনশ্বর, তাঁর মৃত্যু হয় না। শিল্পীর মৃত্যু হয়, শিল্পের নয়। আমার মতো যে মানুষগুলো যাঁদের এতো বোঝার মতো জ্ঞান নেই তাঁদের জন্য লতাজি ছিলেন, আছেন, থাকবেন। কবেই সহজ ভাবে গেয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন নাম গুম জায়েগা, চেহেরা ইয়ে বদল জায়েগা, মেরি আওয়াজ হি পেহচান হ্যাই...গর ইয়াদ রহে

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

"ইয়ে মেরে বতন কে লোগো..." শুনে চোখে জল এসেছিল নেহেরুর

সঙ্গীতের আকাশ প্রদীপ চলে গেলেন দুূরে তারার দেশে। না যেও না রজনী এখনও বাকি বলে তাঁকে আর আটকানো যাবে না। বসন্ত পঞ্চমী রজনী পার করে সঙ্গীতের বরপুত্রি মা দেবী সরস্বতীর হাত ধরে চললেন সুরের লোকে। করোনার করাল গ্রাসে চলে গেলেন আরও এক কিংবদন্তী। ২০২০ থেকে এই সর্বগ্রাসী অতিমারিতে এক এক করে অনেক মহান শিল্পী, অভিনেতা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সহ সাধারন মানুষের অকাল মৃত্যু হয়েছে। হিন্দী বাংলা সহ মোট ৩৬ টির-ও বেশী আঞ্চলিক ভাষায় তিনি গান করেছেন। ১৯৬২ তে ভারত চীন যুদ্ধের ঠিক পরের বছর ১৯৬২-র প্রজাতন্ত্র দিবসে পণ্ডিত নেহেরু-র আহ্বানে সুর-সম্রাজ্ঞী দিল্লী-র ন্যাশানাল স্টেডিয়ামে রাষ্টপতি সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের উপস্থিতিতে কবি প্রদীপের লেখা ও রামচন্দ্রর সুরারোপিত ইয়ে মেরে বাতন কে লোগো... পরিবেশন করেন। লতা মঙ্গেশকরের অনবদ্য পরিবেশনায় পণ্ডিত নেহেরুর চখে জল এসে যায়। তিনি লাতাজির কন্ঠে দেশাত্মবোধক আবেদনে মুর্ছিত হয়ে ওই রকম জনবহুল পরিবেশে ও নিজের চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। এই গানটিকে জাতীয় সংহতির এক আদর্শ গান হিসাবে গণ্য করা হয়ে থাকে এবং জন গণ মন, বন্দে মাতরম এবং সারে জাহান সে... র পাশাপাশি অন্যতম জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান হিসেবে বিবেচিত হয়।লতা মঙ্গেশকর প্রায় এক হাজারেরও বেশি ভারতীয় সিনেমায় ও আধুনিক গানের অ্যালবামে গান গেয়েছেন। তাঁর গাওয়া মোট গানের সংখ্যা দশ হাজারেরও বেশি। এছাড়া ভারতের ৩৬টি আঞ্চলিক ভাষাতে ও বিদেশি ভাষায় গান গাওয়ার একমাত্র রেকর্ডটি তাঁরই দখলে।কিন্নর কন্ঠি লতা মঙ্গেশকর তার সঙ্গীত জীবনে অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা অর্জন করেছেন। সঙ্গীতে তাঁর অবদানের জন্য ২০০১ সালে তাঁকে ভারতের সর্বোচ্চ সম্মাননা ভারতরত্নে ভূষিত করা হয়। এম এস সুব্বুলক্ষ্মীর পর তিনিই দ্বিতীয় সঙ্গীত শিল্পী যিনি এই সন্মানে ভুষিত হন। ১৯৮৯ সালে ভারত সরকার তাঁকে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে ভূষিত করে। ২০০৭ সালে ফ্রান্স সরকার তাকে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মননা লেজিওঁ দা ওনার অফিসার খেতাবে ভূষিত করে।এছাড়াও লতাজি ৩টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ১৫টি বাংলা চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি পুরস্কার (বিএফজে), ৪টি শ্রেষ্ঠ মহিলা নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, ২টি বিশেষ ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, ফিল্মফেয়ার আজীবন সম্মাননা (Life Time Achivement Award) পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার অর্জন করেছেন। ১৯৭৪ সালে তিনি প্রথম ভারতীয় সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে লন্ডনে রয়্যাল অ্যালবার্ট হলে সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এক সময় মনে হত তিনি যে উচ্চতায় পৌঁছেছেন তাতে সেই পুরস্কার নিজেই ধন্য হত তাঁর হাতে যেতে পেরে। কারণ পরবর্তী পুরস্কার প্রপকরা বলতে পারবেন এই পুরস্কার লতাজিও পেয়েছেন।লতাজি ১৯৯৯ এ ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মাননা পদ্মবিভূষণ, ১৯৬৯ এ তৃতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণে ভূষিত হয়েছেন। এছাড়াও তিনি ১৯৯৭ এ মহারাষ্ট্র ভূষণ পুরস্কার, ১৯৯৯ এ এনটিআর জাতীয় পুরস্কার, জি সিনে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার, ২০০৯ এ এএন আর জাতীয় পুরস্কার। তিনি ১৯৬৯ রে নতুন প্রতিভাদের উঠে আসতে সাহায্য করার জন্য শ্রেষ্ঠ মহিলা নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন। পরবর্তী কালে তিনি ১৯৯৩-এ ফিল্মফেয়ার আজীবন সম্মাননা পুরস্কার এবং ১৯৯৪ ও ২০০৪ এ দুবার ফিল্মফেয়ার বিশেষ পুরস্কার তাঁকে প্রদান করেন।পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে লতা-ই সর্বজ্যেষ্ঠ। তার বাকি ভাইবোনেরা হলেন - আশা, ঊষা, মীনা ও একমাত্র ভাই হৃদয়নাথ। স্বয়ং মা সরস্বতীর আশির্বাদ-ধন্যা কিন্নর কন্ঠি লতা মঙ্গেশকর ১৯২৯ র ২৮ সেপ্টেম্বর তৎকালীন ইন্দোর রাজ্যের (অধুনা মধ্যপ্রদেশ) রাজধানী ইন্দোর শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা পণ্ডিত দীননাথ মঙ্গেশকর একজন প্রখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ (মারাঠি ও কোঙ্কিণী) এবং নাট্য অভিনেতা ছিলেন। তাঁর মাতা শেবন্তী (পরবর্তী নাম পরিবর্তন করে সুধামতি হন)। মঞ্চাভিনেতা এবং সঙ্গীতজ্ঞ দীননাথ তাঁর ছোট্ট মেয়ে লতাকে প্রথমে হেমা বলে ডাকতেন। পরে দীননাথের ভাব বন্ধন নাটকের লতিকা নামের এক চরিত্রে অনুপ্রানিত হয়ে সে নাম পরিবর্তন করে লতা রাখা হয়। খুব কম বয়সে লতা তাঁর বাবাকে হারান। বাবা মারা যাওয়ার পর পুরো পরিবারের দ্বায়িত্ব এসে পরে কিশোরী লতার কাঁধে। তিনি আশা, ঊষা, মীনা এবং হৃদয়নাথকে প্রতিপালনের জন্য এই ছোট্টো বয়সে উপার্জনের জন্য তাকে রাস্তায় বেরিয়ে পরতে হয়। বাবার অকাল মৃত্যুর পর পরিবারিক বন্ধু বিনায়ক দামোদর কর্নাটকি পাশে না থাকলে হয়ত খুবই সমস্যায় প্রতেন কিশোরী লতা ও পরিবার। নবযুগ চিত্রপট ছায়াছবি সংস্থার মালিক বিনায়কের উদ্যোগে লতা মরাঠি ছবিতে গান গাওয়া ও অভিনয়ের সুযোগ পায়। পরিবারের পাশে থাকতেই ছবিতে অভিনয় করেছেন ছোট্টো লতা। তখন সবে মাত্র ১৩! তিনি রুপালি পর্দার জগত তাঁর মন জয় করতে ব্যর্থ, সেখানে তিনি বেশি দিন থাকেননি। অভিনয় করার কথা মন থেকে ত্যাগ করেন। বিভিন্ন সময়ে তাঁর নিজের জীবন নিয়ে বলতে গিয়ে এই প্রায়ই নিজের অভিনয় জীবন প্রসঙ্গে বলতেন লতা।বাবা দীনানাথ মঙ্গেশকরের নির্দেশে ছোটবেলা থেকেই বাড়িতে কোনও সময়েই কে এল সায়গল ব্যতীত অন্য কোনও গান গাইবার অনুমতি ছিল না লতার। বাবা চাইতেন লতা শুধুমাত্র ধ্রপদী গান নিয়েই বড় হয়ে উঠুক। তাঁর আঠারো বছর বয়েসে তিনি তাঁর উপার্যনের পয়সায় জীবনে যেদিন প্রথম রেডিও কিনে আনলেন, এবং সেই রেডিওতে প্রথম যে খবরটা শুনলেন সেটা কে এল সায়গল-র মৃত্যু সংবাদ। রেডিওটি বন্ধ করে সঙ্গে সঙ্গেই ফেরত দিয়ে দেন তিনি।পরিবারের তাগিদে উপার্যনের জন্য তিনি বিভিন্ন মঞ্চে সঙ্গীত পরিবেসন করতেন। প্রথম বার মঞ্চে সঙ্গীত পরিবেশন করে লতা ২৫ টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন। খেমচাঁদ প্রকাশের সুরে অশোককুমার-মধুবালা অভিনীত মহল-এ আয়েগা আনেওয়ালা গানটি তুমুল জনপ্রিয়তা তাঁর কেরিয়ারের গ্রাফ সেই যে উর্ধমুখী হয়, তাঁর পর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি সুরের সরস্বতী লতাকে।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

"না যেওনা রাজনী এখনো বাকি" 'দেবী সরস্বতী'-র বরপুত্র ভারতরত্ন তাঁর সাথেই চললেন সুরলোকে

না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন ভারতের কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকর।তাঁর মৃত্যু সংবাদ নিশ্চিত করেছেন ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার এন সান্থানাম। কোভিড পরবর্তী জটিলতার জেরেই মৃত্যু হল লতা মঙ্গেশকরের, জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এদিন সকাল ৮.১২ মিনিটে প্রয়াত হন লতা মঙ্গেশকর। চিকিত্সক প্রতীত সামধানি জানান, মাল্টি অর্গ্যান ফেলিউরের জেরেই মৃত্যু হল লতা মঙ্গেশকরের, কোভিড আক্রান্ত হয়ে প্রায় ২৮ দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। ভারতীয় সঙ্গীতে লতা মঙ্গেশকরের অবদান অনস্বীকার্য। ৩৬টি আঞ্চলিক ভাষায় গান গেয়েছেন তিনি। দীর্ঘ কেরিয়ারে ত্রিশ হাজারের বেশি গান রেকর্ড করেছেন। ২০০১ সালে তিনি ভারতের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান, ভারত রত্নে ভূষিত হন। এর আগে পদ্মভূষণ, পদ্মবিভূষণ-এর মতো নাগরিক সম্মানও দেওয়া হয় লতা মঙ্গেশকরকে। চলচ্চিত্র জগতের সর্বোচ্চ পুরস্কার দাদা সাহেব ফালকে দ্বারাও সম্মানিত হয়েছেন তিনি। ১৯২৯ সালে ইন্দোরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন লতা। সঙ্গীত জগতের অবিসংবাদী সম্রাজ্ঞী হওয়ার আগে শিশু অভিনেতা হিসেবেই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ শুরু করেছিলেন এই প্রবাদপ্রতিম শিল্পী। ১৯৪২ সালে একটি মারাঠি ছবির সৌজন্যে প্রথম গান রেকর্ড করেন তিনি। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক জাদু সৃষ্টি করে গেছেন। ছোট-থেকে বড় সকলেই সুরের সরস্বতীর অন্ধভক্ত। করোনায় আমরা হারালাম লতা মঙ্গেশকরকে। তবুও তিনি আমাদের মনের মণিকোঠায় চিরবিরাজমান থাকবেন।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কোভিডমুক্ত লতা মঙ্গেশকর

লতা মঙ্গেশকর ও তাঁর ফ্যানদের জন্য খুশির খবর। করোনা ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে বেশ কিছুদিন বিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে থাকার পর অবশেষে আজ তিনি করোনামুক্ত হয়েছেন।রবিবার বিকেলে সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে সেই খবরটাই জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ টোপে। রাজেশ টোপে জানিয়েছেন, লতা মঙ্গেশকর যে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে আছেন, তাঁর সঙ্গে কথা বললাম। তিনি জানালেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ১৫ দিন পরে ভেন্টিলেশন থেকে বের করে আনা হয়েছে তাঁকে। তিনি চোখ খুলে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলছেন। কেবল অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে গায়িকাকে। দুর্বলতা এবং সংক্রমণ রয়ে গিয়েছে তাই সময় লাগছে। তবে খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠবেন তিনি।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গত ৮ মার্চ কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মুম্বইয়ের বিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হন লতা মঙ্গেশকর।পরে ৯২ বছর বয়সী গায়িকার নিউমোনিউয়াও ধরা পরে। আইসিসিউতে রাখতে হয় তাঁকে। অবশেষে কোভিডমুক্ত হলেন লতা মঙ্গেশকর।

জানুয়ারি ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ধর্ষণের অভিযোগ হলিউডের গায়ক ক্রিস ব্রাউনের বিরুদ্ধে

জোর করে মাদক সেবন করানোর পাশাপাশি ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে হলিউডের গায়ক ক্রিস ব্রাউনের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারিণী ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২০ কোটি ডলার দাবি করেছেন গায়কের কাছে। অভিযোগপত্রে জানানো হয়েছে, জাহাজে পার্টি চলার সময়ে ক্রিস তাঁকে একটি পানীয় দেন।সেটা খাওয়ার পর থেকেই অভিযোগকারিণীর শরীরে অস্বস্তি শুরু হয়। মাথা ঘোরায়। পরে প্রতিবাদ করলেও ক্রিস তাঁকে জাহাজেরই এক ঘরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ।অভিযোগপত্রে লেখা হয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে ২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর। ওই সময়ে মহিলা অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন বলে পুলিশের কাছে যাননি। তাই আদালতে মামলা ঠুকেছেন সরাসরি। অভিযোগকারিণীও এক জন গায়িকা। নৃত্যশিল্পীও বটে। মামলার কথা সকলের কাছে পৌঁছে যাওয়ার পর ক্রিস তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি পোস্ট দিয়েছেন। যেখানে লেখা, মিথ্যের ধরনটা নিশ্চয়ই আপনারা সকলে বুঝতে পারছেন। আমি যখনই কোনও গান নিয়ে কাজ করা শুরু করি, তারা আজেবাজে কথা বলে আমার নামে। তারা বলতে ক্রিস কাদের কথা বলেছেন, তা স্পষ্ট নয়।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
কলকাতা

গুরুতর অসুস্থ সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, গ্রিন করিডর করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এসএসকেএমে

গুরুতর অসুস্থ সঙ্গীতশিল্পী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। তাঁকে গ্রিন করিডোর করে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কে নিজে ফোন করে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে সময় শিল্পীকে কিছুটা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত বলে হয় মুখ্যমন্ত্রীর। সূত্রের খবর, এর পর শিল্পীর মেয়েকে ফোন করে সন্ধ্যা দেবীর খবরাখবর নেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর চিকিৎসা সংক্রান্ত যে কোনও প্রয়োজনে রাজ্য সরকার সাহায্য করবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।সূত্রের খবর, ফুসফুসে সংক্রমণ রয়েছে তাঁর। বুধবার সন্ধ্যে থেকেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন শিল্পী। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছু দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। কিন্তু বুধবার রাতে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। বৃহস্পতিবার সকালে চিকিৎসকদের পরামর্শ নেয় পরিবার। বিষয়টি জানানো হয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মৌসুমী দাসকে।বুধবার রাত থেকে শ্বাসকষ্টের সমস্যা বাড়ে শিল্পীর। শিল্পীর আরটিপিসিআর টেস্ট করা হয়েছে, চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেই সব পদক্ষেপ করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, সঙ্গীতশিল্পীকে এসএসকেএমের উডবার্ন ভর্তি করা হচ্ছে। সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসকও রয়েছেন। দু দিন আগেই কেন্দ্রের পদ্ম সম্মান প্রত্যাখ্যান করেছিলেন গীতশ্রী।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অ্যাডেলের কান্নার কারণ কি?

অ্যাডেল মানেই সবাই তাঁকে হাসিখুশি মেজাজে দেখে। যাকে দেখলেই অনেকের মন ভালো হয়ে যায়। কিন্তু সেই অ্যাডেলের দুঃখে রয়েছে। কাঁদছেন। ভারী হয়ে যাচ্ছে গলা। তিনি ক্ষমাও চাইলেন। কিন্তু ৩৩ বছর বয়সী এই গায়িকার হটাত এরকম হওয়ার কারণটা কি? আসলে করোনা তাঁর কান্নার মূল কারণ। যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে চলছিল তাঁর কনসার্টের প্রস্তুতি। অ্যাডেলের ধারাবাহিক ২৪টি কনসার্টের প্রথমটি সিজারস প্যালেস হোটেলের কলোসিয়াম থিয়েটারে হওয়ার কথা ছিল শুক্রবার। আগামী এপ্রিল পর্যন্ত সপ্তাহে দুটি করে অনুষ্ঠানে গাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। যেটা গত নভেম্বরে ঘোষণা করেন। থিয়েটারটিতে রয়েছে ৪ হাজার ৩০০ আসন। দিনতারিখ ঠিক করা কনসার্ট করোনার কারণে পিছিয়ে গেল। এই খবর জানাতে এসেই ভেঙে পড়েন তিনি। তাঁর সংগীত দলের অনেক সদস্য করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় প্রথম অনুষ্ঠান শুরুর মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগে সিদ্ধান্তটি নিলেন এই জনপ্রিয় গায়িকা। টানা ৩০ ঘণ্টা ঘুমাননি অ্যাডেল। এমনটা জানিয়ে অ্যাডেলের আক্ষেপ, সমাধান সম্ভব হয়নি। হাতে সময় নেই! যে সকল ভক্তরা ইতিমধ্যে লাস ভেগাসে চলে এসেছেন, তাঁদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন গ্র্যামিজয়ী এই তারকা। তিনি বলেছেন, আমি দুঃখিত। জানি, এটা শেষ মুহূর্ত। আমি খুব মর্মাহত এবং সত্যিই বিব্রত। যাঁরা অনেকটা পথ পাড়ি দিয়ে এসেছেন, তাঁদের কাছে আমি দুঃখিত।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন লতা মঙ্গেশকর

করোনায় আক্রান্ত হয়ে বিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ভারতের বর্ষীয়ান গায়িকা লতা মঙ্গেশকর। আসতে আসতে সুস্থ হচ্ছেন তিনি। তবে এখনও হাসপাতালে থাকতে হবে তাঁকে। চিকিৎসকরা হ্যাঁ বললেই বাড়িতে আসবেন তিনি। লতা মঙ্গেশকরের মুখপাত্র জানিয়েছেন তিনি আপাতত স্থিতিশীল আছেন। লতার চিকিৎসক প্রতীত সমদনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, লতাজি এখনও আইসিইউ-তেই আছেন। ওঁকে সুস্থ করে তোলার জন্য আমরা সব রকমের চেষ্টা করছি আমরা। আপনারা ওঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করুন। জানা গেছে এখন তরল খাদ্যের পাশাপাশি ভাত-রুটিও খেতে পারছেন লতা মঙ্গেশকর। বাইরে থেকে এখন আর অক্সিজেন দেওয়ার প্রয়োজন হচ্ছে না। পুরোপুরি সুস্থ হলেই বাড়ি ফিরবেন তিনি।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Lata Mangeshkar : করোনায় আক্রান্ত লতা মঙ্গেশকর, আপাতত স্থিতিশীল

করোনা আক্রান্ত বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকর। হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে এই কিংবদন্তি গায়িকাকে। মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে আইসিইউতে বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। সংবাদসংস্থা এএনআইকে লতার ভাইঝি রচনা বলেছেন, উনি আপাতত স্থিতিশীল। এই বয়সে করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সাবধানতা অবলম্বনের জন্য আইসিইউ-তে রাখা হয়েছে তাঁকে। আমাদের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান জানানোর জন্য ধন্যবাদ। দয়া করে ওঁর জন্য প্রার্থনা করবেন। আরও জানা গেছে তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন কিন্তু পরিবারের কোনও সদস্যকে এই মুহূর্তে তাঁকে দেখতে দেওয়া হচ্ছে না। এছাড়া বিচ ক্যান্ডি হাসপাতালের ডাক্তার প্রতীক সামদানি জানিয়েছেন লতা মঙ্গেশকরকে তাড়াতাড়ি সুস্থ করে তোলার জন্য ডাক্তাররা চেষ্টায় কোনও ত্রুটি রাখছে না। এমনিতেই লতা বেশ কয়েক বছর ধরে গৃহবন্দি আছেন। বাইরে খুব বেশি বেরোন না। তবে নেটমাধ্যমে সক্রিয়। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে টুইট করতে দেখা যায় তাঁকে। মনে করা হচ্ছে, তাঁর ঘনিষ্ঠ কোনও ব্যক্তি অথবা পরিচারিকার থেকে সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন তিনি।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Arijit Singh : করোনায় আক্রান্ত অরিজিত সিং, সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটা জানালেন

করোনায় আক্রান্ত গায়ক অরিজিত সিং। সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ও কোভিড পজিটিভ। জানা গেছে অরিজিত সিং-এর মৃদু উপসর্গ রয়েছে। আপাতত বাড়িতে নিভৃতবাসেই রয়েছেন তিনি। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবরটা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানিয়েছেন গায়ক। তিনি লিখেছেন, আমি এবং আমার স্ত্রী কোভিড পজিটিভ। আমরা একদম ঠিক আছি এবং নিজেদের নিভৃতবাসেই রেখেছি।গত জুন মাসে করোনা আক্রান্তদের সাহায্যের জন্য হাত বাড়িয়েছিলেন অরিজিৎ। তাদের জন্য অনলাইন কনসার্টও করেন তিনি। করোনায় আক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো অরিজিত সিং এবার নিজেই করোনায় আক্রান্ত হলেন। তাঁর অনুরাগীরা পোস্টে কমেন্ট করে দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।উল্লেখ্য বিগত কয়েকদিন ধরে বলিউড ও টলিউডে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সঙ্গীতের মধ্যে সোনু নিগম ও বিশাল দাদলালির কোভিড পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এবার সকলের প্রিয় অরিজিত সিং করোনায় আক্রান্ত হলেন।

জানুয়ারি ০৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Sonu Nigam : সপরিবারে কোভিড পজিটিভ সোনু নিগম

বলিউডে কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার খবর পরপর আসছে। বিগত কয়েকদিনে অনেক বলিউড তারকা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এবার সপরিবার কোভিডে আক্রান্ত বলিউড গায়ক সোনু নিগম। টুইট করে সোনু নিজেই এ কথা জানিয়েছেন। কোভিডে আক্রান্ত তাঁর স্ত্রী মধুরিমা নিগম এবং ছেলে নীভম।বর্তমানে সপরিবারে দুবাইতে রয়েছেন সোনু। কয়েক দিনের মধ্যেই ভুবনেশ্বরে একটি শো-এর শ্যুটিংয়ের জন্য যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু কোভিড আক্রান্ত হওয়ায় আপাতত নিভৃতবাসে রয়েছেন তিনি। সোনু জানিয়েছেন, সামান্য উপসর্গ রয়েছে তাঁর। তবে অসুস্থ নন তিনি। মঙ্গলবার ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে তিনি বলেন, আমি বর্তমানে দুবাইয়ে। দেশে ফেরার কথা ছিল। ভুবনেশ্বরে একটি রিয়ালিটি শোয়ের শ্যুটিংয়ের কথা রয়েছে। কিন্তু কোভিড পজিটিভ ধরা পড়ায় আপাতত নিভৃতবাসেই রয়েছি। যত বার পরীক্ষা করিয়েছি, তত বারই রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আমি সুস্থ আছি। কিন্তু আমার জন্য যাঁদের ক্ষতি হল তাঁদের জন্য খারাপ লাগছে।সম্প্রতি সুমনা চক্রবর্তী, একতা কপূর, জন আব্রাহাম এবং তাঁর স্ত্রী প্রিয়া রুঞ্চল, প্রেম চোপড়া-সহ অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর আগে করিনা কাপুর, নোরা ফতেহির মতো তারকা করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে তাঁরা এখন পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Jeet Gannguli : করোনায় আক্রান্ত জিৎগাঙ্গুলি, টুইট করে জানালেন খবর

আজ থেকে শুরু হয়েছে নতুন বছর। ২০২১ কে বিদায় জানিয়েছে ২০২২ কে স্বাগত জানিয়েছি আমরা। কিন্তু এই খুশির দিনে মন ভারাক্রান্ত করা খবর। কোভিড পজিটিভ জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বলিউড ও টলিউড-র জনপ্রিয় সুরকার সঙ্গীত শিল্পী বছরের প্রথম দিনেই এই খবরটা জানালেন।I have tested positive for Covid-19. As of today,I have mild symptoms, but Im feeling ok and have isolated myself. I am following the protocol given by my doctor and health professionals.If you have been in contact with me, request you to please get tested immediately. Jeet Gannguli (@jeetmusic) January 1, 2022জিৎ টুইট করে লিখলেন, কোভিড আক্রান্ত হয়েছি। মৃদু উপসর্গ রয়েছে আমার। শরীর আপাতত ঠিকই আছে। নিভৃতবাসে রয়েছি। চিকিৎসকদের কথা মেনে চলছি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পদক্ষেপ করছি। একইসঙ্গে এই কয়েক দিনে যাঁদের আমার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ করেছেম তারা যেন কোভিড পরীক্ষা করিয়ে নেন।ইতিমধ্যে ঋতাভরী চক্রবর্তীর দিদি, অভিনেত্রী চিত্রাঙ্গদা এবং মা শতরূপা সান্যাল কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন। বাড়িতেই বড়দিনের পার্টি দিয়েছিলেন শতরূপা। সেখান থেকেই রোগ ছড়ায়। কোভিড পজিটিভ ঋতাভরীর সহকারী মধুজাও। এবার জিত গাঙ্গুলির কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার খবর এল।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Mekhla Dasgupta : পরনে লাল বেনারসি, বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন সারেগামাপা খ্যাতা গায়িকা

কেন রোদের মতো হাসলে না / আমায় ভালোবাসলে না / আমার কাছে দিন ফুরালেও আসলে না। এই মন কেমনের জন্মদিন / চুপ করে থাকা কঠিন / তোমার কাছে খরস্রোতাও গতিহীন। যার গাওয়া এই গান সোশ্যাল মিডিয়ায় বিশেষ জনপ্রিয় জয় সেই মেখলা দাশগুপ্ত সাতপাঁকে বাঁধা পড়লেন। সারেগামাপার রিয়েল্যিটি শো থেকে প্রথম পরিচিতি পাওয়া মেখলা বিয়ে করলেন তার আট বছরের বন্ধু অর্কপ্রভ চৌধুরী কে। শিলিগুড়ির ছেলে অর্কপ্রভ কর্পোরেট অফিসে কাজ করেন।রিজেন্ট পার্কের একটি বিলাসবহুল ভিলায় বুধবার সন্ধ্যায় বসেছিল মেখলার বিয়ের আসর। বিয়ের দিন লাল বেনারসি তে দারুণ লাগছিল তাকে। মেখলার এই স্পেশাল ডে তে উপস্থিত ছিলেন গানের জগতের একাধিক নাম। দুর্নিবার সাহা, মীনাক্ষী মুখার্জি, অরিত্র দাশগুপ্ত, গৌরব সাহা, শোভন গাঙ্গুলি, জয় সরকার, জয়তী চক্রবর্তী সহ আরও অনেকে। কোভিডের মধ্যে বিয়ে তাই অতিথির লিস্ট খুব বেশি বড় করতে পারেননি মেখলা।কয়েকদিন আগেই নতুন পরিবারকে নিয়ে দিদি নাম্বার ১ এ গিয়েছিলেন এই গায়িকা। সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্টও করেন। তার ছোটবেলার বন্ধুরা তাকে আইবুড়োভাত রেঁধে খাইয়েছিলেন। এবার চার হাত এক হল মেখলা-অর্কপ্রভর।

ডিসেম্বর ০২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Rupankar Bagchi : চাকরি পেলেন রূপঙ্কর, কিন্তু কিসের?

রূপঙ্কর বাগচী কে এবার দর্শকরা শুনতে পাবেন রেডিওতে। গত মার্চ মাসে অল ইন্ডিয়া রেডিও তে আধুনিকগানের ক্যাটাগরিতে অডিশন দেন জাতীয় পুরস্কার জয়ী শিল্পী। সদ্য তার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন তিনি। সেই আনন্দের খবরটা সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন। পাকা হল তার মাসিক ৭৪০০ টাকার চাকরি।ফেসবুকে ফলাফলের ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে সংগীত শিল্পী লিখেছেন, অল ইন্ডিয়া রেডিওর অডিশন দিইনি আগে কোনওদিন। গত বছর লকডাউনে এক ওলটপালট অবস্থায় দিয়ে ফেলেছিলাম। আজ রেজাল্ট বেরোলো! দিব্য লাগছে।রূপঙ্করের পোস্টে শুভেচ্ছার বন্যা। জীবনে অপরিকল্পিত যে অনেক কিছু ভালো হয়, তা সংগীত শিল্পীর পোস্টেই ধরা পড়েছে।রূপঙ্কর বাগচীর গান সকলেরই প্রিয়। তার গান খারাপ সময়ে মন ভালো করে দেয়। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে তার স্বাভাবিক জীবনের ছন্দপতন হয়েছে। যদিও তার মধ্যে একটি মন ভালো করার কথা সকলের সঙ্গে শেয়ার করলেন তিনি।

ডিসেম্বর ০১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Pota : আবারও পটার সঙ্গী রাধা

আমাদের সকলের প্রিয় পটার গাওয়া নতুন মিউজিক ভিডিও আসতে চলেছে। এই মিউজিক ভিডিওর নাম ভিজতে এসো রাধা। একটু অন্যধরণের একটা প্রোজেক্ট দেখতে চলেছেন দর্শকরা।এই মিউজিক ভিডিওর লিরিক্স লিখেছেন রাজীব চক্রবর্তী। পরিচালনা ও সুরকার ইশানু চক্রবর্তী। কলঙ্কিনী রাধার পর আবার রাধার সঙ্গে দেখা করবেন পটা।এই প্রোজেক্ট নিয়ে তিনি জনতার কথা কে জানালেন,অদ্ভুত ভালো একটা গান। রাজীব দা পেন ডাউন করেছে। সুর করেছে ঈশানু। প্রেম বলতে তো রাধা বিষয়টা চলে আসে। কৃষ্ন বিষয়টাও চলে আসে। এক্ষেত্রে হয়তো একটু অন্যরকম ভাবে ভাবনা। আমরা যেটা ভিডিও করেছি সেখানে দেখানো হচ্ছে একটি মেয়ে একটা জায়গাতে ভীষণ ভালো পারফর্মার কিন্তু তার জীবনে হঠাৎ একটা পরিবর্তন আসে সেখান থেকে জিরো পয়েন্টে চলে আসে। সেখান থেকে হোপ সে আবার চলতে আরম্ভ করবে। সেই তাগিদটার জায়গা থেকে এই গানটা পুরোটা তৈরি করা।

অক্টোবর ২৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Rupankar : কোন রহস্য উদ্ঘাটন করতে মহিলার রূপ ধরলেন রূপঙ্কর?

রূপঙ্কর বাগচী, যার গানের গলা আমাদের সবসময় মুগ্ধ করে। সোলো অ্যালবাম থেকে শুরু করে সিনেমার গান সবেতেই রূপঙ্করের গান অভিনবত্বের ছাপ রাখে। সেই রূপঙ্কর হঠাৎ এমন কাজ করে বসলেন যা সবাইকে অবাক করেছে। অনেকে আবার খুব হেসেছেনও। কিন্তু কি এমন করলেন তিনি?নিজের ফেসবুক পেজে শাড়ি পড়ে একটি ছবি পোস্ট করেছেন রূপঙ্কর। শুধু শাড়ি পড়াই নয়, মাথায় আবার ঘোমটাও দিয়েছেন। ক্যাপশনে লেখেন,রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে।দেখতে বাড়ির নতুন বউয়ের মতো লাগছে। যা দেখে অনেকেই হাসি থামাতে পারেননি। বেশ মজাদার কমেন্টও এসেছে অনেকের থেকেই। তাঁর বিশেষ বন্ধু, বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী মনোময় ভট্টাচার্য্য এহেন ছবি দেখে কমেন্ট করেন একই অঙ্গে এত রূপ।পোস্ট করার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই কমেন্ট ও লাইক-এ ভর্তি হয়ে যায় তাঁর পোস্টটি। কমেন্টগুলোর মধ্যে লেখক বিনোদ ঘোষাল লিখেছেন, একাকী ঘরে ঘোমটা দিয়ে এ কী করলেন গায়ক রূপঙ্কর! মুহুর্তে ভাইরাল হল সেই দৃশ্য। সঙ্গীতশিল্পী জোজো মজা করে লেখেন, ও রূপু বৌদি। আজ যেহেতু আবার কন্যা দিবস এক শুভান্যুধ্যায়ী কমেন্টে লিখেছেন, শুভ কন্যা দিবস। তন্ময় রায় নামে জনৈক ব্যাক্তি আবার লিখেছেন, বধুয়া আমার চোখে জল এনেছে বিনা কারণে। এরকম আরও অনেক হাসির ও মজাদার কমেন্ট এসেছে তার ছবির কমেন্ট বক্সে। সবচেয়ে মজার কমেন্টটি করেছেন মিঠে কোরা নামের এক ব্যাক্তি, তিনি বর্তমান রাজ্য সরকারের জনপ্রিয় এক প্রকল্প-এর তুলনা টেনে লিখেছেন রহস্য উন্মোচিত হয়েছে,লক্ষ্মী ভান্ডারের বিজ্ঞাপনে....ছবি তোলার আগের মুহূর্ত।আসলে শোনা যাচ্ছে একটি ওয়েব সিরিজে অভিনয় করছেন তিনি। আর তার জন্যই এমন পোষাকে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। তবে এটা রূপঙ্করের প্রথম অভিনয় নয়। এর আগেও বিদায় ব্যোমকেশ, আবার কাঞ্চনজঙ্ঘা তে অভিনয় করেছেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সঙ্গীতশিল্পী।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Aditi Munshi : নতুন গান প্রকাশ অদিতি মুন্সীর

সংগীতশিল্পী অদিতি মুন্সীর ভক্তের সংখ্যা কম নয়। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ শুধু নন, বাংলাদেশের অনেকেও তাঁর ভক্ত। তাঁর গান আলাদা ভক্তি এনে দেয়। মনকে শান্ত করে। রাধাষ্টমী উপলক্ষে নতুন কীর্তন প্রকাশ করলেন তিনি। অনুরাগীদের সঙ্গে ফেসবুকের দেওয়ালে সেই গানের লিঙ্কি শেয়ার করেন তিনি। ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষে পালিত হয় রাধাষ্টমী। কথায় আছে শ্রীরাধিকার জন্ম এই তিথিতে। বৈষ্ণব সম্প্রদায় ধুমধাম করে শ্রীরাধিকার পুজো করে এই তিথিতে। পদকর্তা গোবিন্দ দাস রচিত শ্রীরাধার পূর্বরাগ পর্যায়ের একটি রচনা রাধাষ্টমী উপলক্ষে বেছে নিয়েছেন অদিতি। সেই গানের ভিডিয়ো সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে অদিতি লেখেন, করুণাময় ভগবান কৃপা না করলে এই সাধন ও মনন সম্ভব নয়। আর সাধক ভবাপাগলা বলেন, গানই সর্বশ্রেষ্ঠ সাধনা, তাই সংগীতের মধ্যে দিয়েই সেই পরমেশ্বরের চরণ বন্দনা করি | সংগীত নিয়ে ছোটবেলা থেকেই চর্চা করেন অদিতি। সংগীত ক্ষেত্রেই তাঁর উচ্চশিক্ষা। সংগীত ক্ষেত্রে অদিতির প্রথম পছন্দ কীর্তন। বিধায়ক পদের দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি নিজের সংগীত চর্চায় কোনও ত্রুটি রাখেননি তিনি।আরও পড়ুনঃ শহরের উপকথা নিয়ে পোর্শিয়াঅদিতির নতুন গানে যন্ত্রানুষঙ্গে সাহায্য করেছেন সুভাষ বসু, সৌম্যজ্যোতি ঘোষ, মৃগনাভি চট্টোপাধ্যায় এবং সোমনাথ রায়। গানের শ্যুট করা হয়েছে বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের বনেদি বাড়ির পুরনো পরিবেশ দেখা যাবে এই গানের ভিডিওতে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shohorer Upokotha : 'শহরের উপকথা' নিয়ে পোর্শিয়া

আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাচ্ছে বাপ্পার পরিচালিত ফিচার ফিল্ম শহরের উপকথা। বাদল সরকারের বাকী ইতিহাস অবলম্বনে এই ছবি নির্মাণ করছেন পরিচালক। আর এখানেই টাইটেল ট্র্যাক গেয়েছেন পোর্শিয়া সেন। সৌম্য ঋত এই ছবির সঙ্গীত পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন।আরও পড়ুনঃ দুর্গাপুজোর আগে দ্য টেরেসে ফ্যাশন কার্নিভালছবিতে গান গাওয়ার অভিজ্ঞতা খুবই ভালো। এমনটাই জানিয়েছেন পোর্শিয়া। এই প্রসঙ্গে তিনি জানালেন,সৌম্য ঋত দার সঙ্গে অনেকদিন ধরেই ভাবছি কাজ করবো। কিন্তু কানেকশনটা ঠিকমতো না হলে কাজটা ঠিক হয়না। তারপর একদিন দাদা বললো চলে এসো একটা রেকর্ডিং আছে। তার আগে গানটা পাঠালো। শুনে বললাম গানটা খুব ভালো। গেলাম, গাইলাম।আরও পড়ুনঃ এমডিজে জোড়ি নাম্বার ওয়ানের গ্র্যান্ড ফিনালশহরের উপকথা তিনি আরও কথা শেয়ার করলেন। বললেন,আমি ভেবেছিলাম সিনেমাটা হয়তো আরেকটু সময় নেবে রিলিজ করতে। কিন্তু তাড়াতাড়িই রিলিজ করে যাচ্ছে। তবে গানের ফিডব্যাক খুব ভালো পাচ্ছি। কাছের মানুষ অনেকেরই খুব ভালো লেগেছে। আবার অনেকে নিজে থেকে শুনে টেক্সট করেছে। তো গানের রেসপন্স এখনও অবধি ভালোই।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে ইরানের সঙ্গে চরম অপমান! ম্যাচ খেলেই দেশছাড়া, ক্ষোভে ফুঁসছে ফুটবল দুনিয়া

বিশ্বকাপ খেলতে এসে একের পর এক সমস্যার মুখে পড়ছে ইরান ফুটবল দল। দীর্ঘ যাত্রা, পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাব এবং ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই দেশ ছাড়ার নির্দেশ সব মিলিয়ে চরম ক্ষোভ তৈরি হয়েছে ইরান শিবিরে। ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হেদায়াত মোম্বেইনি এই পরিস্থিতিকে ফুটবল ইতিহাসের একটি অন্ধকার অধ্যায় বলে মন্তব্য করেছেন।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করার পরও স্বস্তি মেলেনি মেহদি তারেমিদের। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ শেষ হতেই দলকে আমেরিকা ছেড়ে মেক্সিকোয় ফিরে যেতে হয়েছে। জানা গিয়েছে, ইরানি ফুটবলারদের জন্য শুধুমাত্র ম্যাচের সময়সীমা অনুযায়ী ভিসা অনুমোদন করা হয়েছে। ফলে দলের সদস্যদের বারবার যাতায়াত করতে হচ্ছে, যা প্রস্তুতিতে বড় প্রভাব ফেলছে।ইরানের কোচ আমির ঘালেনোইও এই পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে ইরানের সঙ্গে অন্যায্য আচরণ করা হচ্ছে। এমন অবস্থায় ফুটবলারদের মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।এই ঘটনার প্রতিবাদে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানাতে চলেছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন। হেদায়াত মোম্বেইনি বলেন, আগে যে নিয়ম জানানো হয়েছিল, শেষ মুহূর্তে তা বদলে দেওয়া হয়েছে। এতে শুধু ইরান নয়, গোটা প্রতিযোগিতার ভাবমূর্তিই প্রশ্নের মুখে পড়ছে। তাঁর দাবি, ভবিষ্যতে বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই ঘটনাকে একটি বিতর্কিত অধ্যায় হিসেবেই মনে রাখা হবে।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘ রাজনৈতিক উত্তেজনা চলেছে। সেই প্রভাবই বিশ্বকাপেও পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইরানের অনেক কর্মকর্তা ভিসা পাননি। এমনকি বহু সমর্থক টিকিট থাকা সত্ত্বেও আমেরিকায় প্রবেশের অনুমতি পাননি বলে অভিযোগ।এদিকে আগামী ২২ জুন শক্তিশালী বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে ইরান। নকআউট পর্বে যাওয়ার আশা বাঁচিয়ে রাখতে এই ম্যাচে ভালো ফল করতেই হবে তারেমিদের। তবে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি মাঠের বাইরের প্রতিকূলতার সঙ্গেও সমান তালে লড়তে হচ্ছে ইরানকে।

জুন ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‘আমি স্পেনের ফুটবলার!’ বারবার বলেও লাভ হল না, নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে অপমানিত তারকা

বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে অদ্ভুত এক ঘটনার মুখে পড়লেন স্পেনের তারকা ফুটবলার বোরহা ইগলেসিয়াস। নিজের দলের হোটেলে ফিরেও প্রবেশ করতে না পেরে বেশ কিছুক্ষণ সমস্যায় পড়তে হয় তাঁকে। ঘটনাটি ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করার পর ফুটবলারদের একদিনের ছুটি দিয়েছিলেন স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে সতেজ রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।ছুটির দিনে স্ত্রী মারিয়া ভালেরোকে নিয়ে শহর ঘুরতে বেরিয়েছিলেন ইগলেসিয়াস। পরে হোটেলে ফিরতেই ঘটে বিপত্তি। হোটেলের নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে চিনতে পারেননি। ফলে টিম হোটেলের দরজার সামনেই আটকে দেওয়া হয় স্পেনের এই তারকা স্ট্রাইকারকে।পরিস্থিতি সামাল দিতে ইগলেসিয়াস বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেন যে তিনি স্পেনের জাতীয় দলের ফুটবলার। কিন্তু নিরাপত্তারক্ষীরা পরিচয়পত্র এবং অনুমতির প্রমাণ চাইতে থাকেন। এমনকি তাঁকে নিজের নামও বলতে হয়। তবুও প্রথমে তাঁরা নিশ্চিত হতে পারেননি।ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন স্প্যানিশ সমর্থক ও সাংবাদিকও নিরাপত্তারক্ষীদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন হয়নি। পরে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ইগলেসিয়াস। কিছুক্ষণের মধ্যেই দলের প্রতিনিধিরা এসে বিষয়টি মিটিয়ে দেন এবং তিনি হোটেলে প্রবেশ করতে সক্ষম হন।এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল যখন স্পেনের সামনে রয়েছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে জয় না পাওয়ায় পরের পর্বে ওঠার লড়াই আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। তাই সৌদি আরবের বিরুদ্ধে পূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করাই এখন স্পেনের প্রধান লক্ষ্য।তবে মাঠের বাইরের এই ঘটনাই এখন সবচেয়ে বেশি চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ফুটবল দলের এক তারকা ফুটবলারকে নিজের হোটেলের দরজায় দাঁড়িয়ে পরিচয় প্রমাণ করতে হওয়ায় বিস্মিত ফুটবলপ্রেমীরা।

জুন ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হারলেই মৃত্যু! বিশ্বকাপে প্রাণ বাঁচাতে মাঠে নেমেছিলেন কঙ্গোর ফুটবলাররা

পর্তুগালকে প্রথম ম্যাচে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় চমকের জন্ম দিয়েছে কঙ্গো। আফ্রিকার দেশটি দীর্ঘ ৫২ বছর পর আবার বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলছে। অনেকেই ভেবেছিলেন তারকাখচিত পর্তুগালের সামনে কঙ্গো টিকতেই পারবে না। কিন্তু মাঠে নেমে দুর্দান্ত লড়াই করে তারা সবাইকে অবাক করে দিয়েছে।তবে কঙ্গোর ফুটবল ইতিহাসে এমন একটি অধ্যায় রয়েছে, যা আজও শুনলে গা শিউরে ওঠে। সেই ঘটনা ১৯৭৪ সালের বিশ্বকাপের। তখন দেশের নাম ছিল জাইরে। প্রথমবার বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছিল দেশটি। সেই সময় দেশের শাসক ছিলেন একনায়ক মোবুতু সেসে সেকো। দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ফুটবলকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন তিনি।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের কাছে হারের পরই ফুটবলারদের বেতন বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ফুটবলাররা পরবর্তী ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু রাষ্ট্রপ্রধানের চাপে শেষ পর্যন্ত মাঠে নামতে বাধ্য হন তাঁরা। দ্বিতীয় ম্যাচে যুগোস্লাভিয়ার কাছে ৯-০ গোলে হারতে হয় দলকে।এরপর ড্রেসিংরুমে গিয়ে এক ভয়ঙ্কর হুমকি দেন মোবুতু। তিনি জানিয়ে দেন, পরের ম্যাচে যদি দল তিন গোলের বেশি ব্যবধানে হারে, তাহলে ফুটবলারদের দেশে ফিরতে দেওয়া হবে না। এই হুমকির পর ব্রাজিলের বিরুদ্ধে মাঠে নামে জাইরে।ম্যাচ চলাকালীন প্রতিটি মুহূর্তে ভয় কাজ করছিল ফুটবলারদের মধ্যে। তাঁদের কাছে ম্যাচটি শুধু ফুটবল ছিল না, ছিল বেঁচে থাকার লড়াই। শেষ পর্যন্ত ব্রাজিল ৩-০ ব্যবধানে জেতে। ফলে কোনওভাবে রক্ষা পায় দল।বহু বছর পরে দলের ডিফেন্ডার এম্পেউ ইলুঙ্গা জানান, ব্রাজিল একটি ফ্রি-কিক পাওয়ার পর তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে নিয়ম ভেঙে বল দূরে সরিয়ে দিয়েছিলেন। কারণ সেই মুহূর্তে আর একটি গোল মানেই দলের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যেতে পারত। এজন্য তাঁকে হলুদ কার্ড দেখতে হয়েছিল। কিন্তু তাঁর সেই সিদ্ধান্ত হয়তো বাঁচিয়ে দিয়েছিল গোটা দলকে।দেশে ফেরার পরও ফুটবলারদের জীবন সহজ হয়নি। আর্থিক সুবিধা বন্ধ হয়ে যায়। বিদেশে গিয়ে খেলার সুযোগও হারান অনেকে। ফলে বিশ্বকাপের মঞ্চে কঙ্গোর প্রথম অভিযান ফুটবলের চেয়ে বেশি হয়ে ওঠে ভয়, চাপ এবং বেঁচে থাকার লড়াইয়ের প্রতীক।আজ সেই কঙ্গোই আবার বিশ্বকাপে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দিয়ে নতুন ইতিহাস লিখছে। তাই বর্তমানের সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে থাকা এই ভয়ংকর অতীত আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে।

জুন ২০, ২০২৬
দেশ

‘৪ কোটি টাকা নিয়েছেন!’ মহুয়ার বিস্ফোরক অভিযোগে ফুঁসছেন বিদ্রোহী সাংসদরা, এবার আদালতে বড় লড়াই

তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার পর থেকেই বিদ্রোহী সাংসদদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ শানাচ্ছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। এবার কুড়ি জন বিদ্রোহী সাংসদকে ঘিরে তাঁর একটি মন্তব্য নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ওই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন বিদ্রোহী শিবিরের নেতারা।সম্প্রতি এক সমাজমাধ্যম পোস্টে মহুয়া মৈত্র দাবি করেন, তৃণমূল ছেড়ে যাওয়া কুড়ি জন সাংসদ অগ্রিম চার কোটি টাকা করে পেয়েছেন। শুধু তাই নয়, আগামী ছত্রিশ মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে এক কোটি টাকা করে পাওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর চর্চা।এই অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ করেছেন বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম মুখ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাঁর দাবি, তাঁরা রাজনৈতিক ও নৈতিক অবস্থানের কারণে দল ছেড়েছেন, কোনও আর্থিক লেনদেনের জন্য নয়।কাকলির প্রশ্ন, মহুয়া মৈত্র কীভাবে নির্দিষ্ট অঙ্কের কথা বলছেন। তাঁর কাছে যদি কোনও তথ্য বা প্রমাণ থাকে, তাহলে তা প্রকাশ করা উচিত। অন্যথায় এই ধরনের মন্তব্য জনসমক্ষে করা অত্যন্ত গুরুতর বিষয় বলে মনে করছেন তিনি।বিদ্রোহী সাংসদদের দাবি, তাঁদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা শুধু রাজনৈতিক নয়, ব্যক্তিগত ভাবমূর্তির উপরও আঘাত। সেই কারণেই আইনি পদক্ষেপের পথ বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, মহুয়া মৈত্র এক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারেও বিদ্রোহী সাংসদদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি দাবি করেন, অনেকেই নিজেদের সম্পত্তি, রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বিগ্ন বলেই দল ছেড়েছেন। তাঁর অভিযোগ, অর্থের প্রলোভনও এই দলবদলের অন্যতম কারণ।এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। একদিকে মহুয়ার বিস্ফোরক অভিযোগ, অন্যদিকে বিদ্রোহী সাংসদদের আইনি পাল্টা লড়াইয়ের প্রস্তুতি সব মিলিয়ে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ।এখন নজর আদালতের দিকে। বিদ্রোহী সাংসদরা সত্যিই আইনি পদক্ষেপ নিলে এই বিতর্ক আরও বড় আকার নিতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জুন ২০, ২০২৬
দেশ

দল ভাঙনের চরমে! ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, সাংসদ পদ হারাতে পারেন ৬ বিদ্রোহী

মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ফের তীব্র চাঞ্চল্য। দলের নির্দেশ অমান্য করে বৈঠকে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে ৬ বিদ্রোহী সাংসদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটল উদ্ধব ঠাকরের শিব সেনা। সংশ্লিষ্ট সাংসদদের শোকজ নোটিস পাঠিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উত্তর না মিললে তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এমনকি সাংসদ পদও খারিজ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।শনিবার দলের মুখ্য সচেতক অনিল দেশাই বিদ্রোহী ৬ সাংসদের হাতে শোকজ নোটিস তুলে দেন। নোটিসে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন তাঁরা দলের সংসদীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না। জবাব না পেলে ধরে নেওয়া হবে যে তাঁরা স্বেচ্ছায় দলের সদস্যপদ ত্যাগ করেছেন। সেই ক্ষেত্রে সংবিধানের দশম তফসিল অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।যাঁদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ শুরু হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন নাগেশ আশিতকর, সঞ্জয় দেশমুখ, সঞ্জয় যাদব, সঞ্জয় দিনা পাটিল, ওমপ্রকাশ রাজেনিম্বলকর এবং ভাওসাহেব ওয়াকচুরে। সূত্রের খবর, সম্প্রতি তাঁরা লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে দলের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।ঘটনার সূত্রপাত গত সপ্তাহে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত দলের সংসদীয় বৈঠককে ঘিরে। সকল সাংসদকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হলেও বৈঠকে মাত্র ৩ জন উপস্থিত ছিলেন। একসঙ্গে ৬ সাংসদের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়। অনেকেই মনে করছেন, এটি বৃহত্তর রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত।দলের রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় রাউত জানিয়েছেন, বিদ্রোহী সাংসদদের অযোগ্য ঘোষণার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, নিয়ম ও আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ হলে সংশ্লিষ্ট সাংসদদের সদস্যপদ বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।এদিকে এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের একটি মন্তব্য নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তিনি বলেন, এখন আর আলাদা কোনও শিবির নেই, শিব সেনা একটাই। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে উদ্ধব ঠাকরের শিবিরের বর্তমান সংকটকেই পরোক্ষে তুলে ধরেছেন তিনি।সব মিলিয়ে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বিদ্রোহী সাংসদদের ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২০, ২০২৬
বিদেশ

শান্তিচুক্তির ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি! ফের হরমুজ বন্ধের ঘোষণা, বিশ্বজুড়ে তীব্র উদ্বেগ

শান্তিচুক্তি ঘোষণার একদিনের মধ্যেই ফের আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার ঘোষণা দিল ইরান। শনিবার তেহরানের শীর্ষ যৌথ সামরিক কমান্ড জানায়, আমেরিকা ও ইজরায়েল যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করেছে। সেই কারণেই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নৌ চলাচল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইরানের সামরিক নেতৃত্বের দাবি, দক্ষিণ লেবাননে ইজরায়েলের সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি আমেরিকার বিরুদ্ধেও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে তেহরান। তাদের বক্তব্য, পরিস্থিতির জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করা হয়েছে এবং এটি কেবল প্রথম পদক্ষেপ। ভবিষ্যতে আরও কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনীও পৃথক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। এই অঞ্চলে প্রবেশকারী জাহাজ নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।শুক্রবার থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল যে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শনিবার সেই জল্পনাতেই কার্যত সিলমোহর দেয় ইরান। তবে এখানেই তৈরি হয়েছে নতুন ধোঁয়াশা। কারণ আমেরিকার দাবি, হরমুজ প্রণালী এখনও খোলা রয়েছে এবং স্বাভাবিক নৌ চলাচল অব্যাহত আছে।বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালী। এই জলপথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল ও পণ্যবাহী জাহাজ যাতায়াত করে। ফলে হরমুজকে ঘিরে যে কোনও উত্তেজনা আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।ইরানের ঘোষণা এবং আমেরিকার পাল্টা দাবির ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সত্যিই কি হরমুজে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, নাকি এটি কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

জুন ২০, ২০২৬
কলকাতা

চার বছরে আকাশপথে উড়ল দেড়শো কোটি! অভিষেককে ঘিরে তৃণমূলে নতুন বিতর্ক

তৃণমূল কংগ্রেসের আর্থিক খরচ নিয়ে নতুন বিতর্ক সামনে এসেছে। নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া দলের অডিট রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, গত চার বছরে বিমান ও হেলিকপ্টার ভাড়ার জন্য প্রায় দেড়শো কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এই বিপুল অঙ্কের খরচ ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক আলোচনা।রিপোর্ট অনুযায়ী, দুই হাজার বাইশ সালে বিমান ভাড়ার জন্য খরচ হয়েছিল পঁয়ত্রিশ কোটিরও বেশি টাকা। দুই হাজার তেইশ সালে সেই খরচ কিছুটা কমে প্রায় তেরো কোটিতে নেমে আসে। তবে দুই হাজার চব্বিশ সালের লোকসভা নির্বাচনের বছরে বিমান ও হেলিকপ্টার বাবদ খরচ বেড়ে যায় উল্লেখযোগ্যভাবে। সেই বছরে এই খাতে ব্যয় হয় ছেচল্লিশ কোটিরও বেশি টাকা।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, দুই হাজার চব্বিশ সালের নির্বাচনী প্রচারে দলের মোট ব্যয়ের বড় অংশই নাকি বিমান ও হেলিকপ্টার ব্যবহারের জন্য খরচ হয়েছে। দুই হাজার পঁচিশ সালে কোনও বড় নির্বাচন না থাকলেও বিমান খাতে ব্যয় হয়েছে সাঁইত্রিশ কোটিরও বেশি টাকা।এই বিপুল খরচকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। দলের একাংশের মতে, যখন সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে আর্থিক চাপের কথা শোনা যাচ্ছে, তখন এত বড় অঙ্কের বিমান ব্যয় স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।সাম্প্রতিক সময়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর নিয়েও চার্টার্ড বিমান ব্যবহারের জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সেই আবহে দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ মন্তব্য করেছিলেন, যদি দলের অর্থ খরচ করে এমন সফর হয়ে থাকে, তাহলে তা সমর্থনযোগ্য নয়। তাঁর সেই মন্তব্যও রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট আলোড়ন তৈরি করে।এদিকে দলের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং তহবিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিতর্কের মাঝেই বিমান খরচের এই পরিসংখ্যান সামনে আসায় চাপ আরও বেড়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অডিট রিপোর্টে উল্লেখিত এই বিপুল ব্যয় আগামী দিনে আরও বড় বিতর্কের কারণ হতে পারে। বিশেষ করে দলের সাংগঠনিক পরিস্থিতি এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে যখন নানা প্রশ্ন উঠছে, তখন বিমান ও হেলিকপ্টার খাতে এত বড় ব্যয় নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।এখন নজর থাকবে, এই খরচ নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও বিস্তারিত ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া সামনে আসে কি না। কারণ অডিট রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।

জুন ২০, ২০২৬
রাজ্য

গরম থেকে স্বস্তি মিলতেই নতুন সতর্কতা! দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির দাপট আরও বাড়বে

ভ্যাপসা গরমে দীর্ঘদিন নাজেহাল থাকার পর অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টি পেয়েছে দক্ষিণবঙ্গ। শুক্রবার কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে এবং আবহাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনও বৃষ্টি চলবে।আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, যোগ দিবসেও কলকাতায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এই বৃষ্টি বড় কোনও কর্মসূচিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। তবু আকাশ মেঘলা থাকবে এবং কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।এদিকে ঝাড়খণ্ড সংলগ্ন এলাকায় বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হওয়ায় পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরেও কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই জেলাগুলিতেও দমকা হাওয়া, বজ্রপাত এবং মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে এখনও বৃষ্টির দাপট অব্যাহত রয়েছে। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির জন্য লাল সতর্কতা জারি হয়েছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকায় ধসের আশঙ্কাও রয়েছে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।রবিবার দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা থাকবে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবারের পর থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির তীব্রতা ধীরে ধীরে কমতে পারে।এছাড়াও রবিবার উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, হুগলি এবং হাওড়া জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েক দিন বাংলার বিভিন্ন জেলায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বজায় থাকবে। তাই প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal