• ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৭ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sand

রাজ্য

তৃণমূলে ধষ! ‘প্রকৃত তৃণমূল’ দাবিতে ৫০ বিধায়কের নতুন উদ্যোগ ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে

রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যাওয়ার পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে একের পর এক সাংগঠনিক টানাপোড়েনের খবর সামনে আসছে। কোথাও পুরবোর্ডে ভাঙন, কোথাও আবার জনপ্রতিনিধিদের পদত্যাগসব মিলিয়ে দলের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক মহলে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে একদল বিধায়কের সম্ভাব্য পদক্ষেপ।সূত্রের দাবি, প্রায় ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে মঙ্গলবার বিধানসভার স্পিকারের কাছে একটি তালিকা জমা দিতে পারেন। তাঁদের দাবি, তাঁরাই দলের প্রকৃত তৃণমূল ভাবধারার প্রতিনিধিত্ব করছেন। এই উদ্যোগকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এর ফলে দলের ভিতরে বিদ্যমান মতপার্থক্য আরও প্রকাশ্যে চলে আসতে পারে।বিশেষ তাৎপর্যের বিষয় হল, এই পদক্ষেপের নেপথ্যে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলার ইঙ্গিত মিলছে বলে সূত্রের খবর। অন্যদিকে, এই গোষ্ঠীর তরফে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন জানানো হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ঘটনাপ্রবাহের সময়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ভোট-পরবর্তী হিংসার প্রতিবাদে মঙ্গলবারই আন্দোলনের কর্মসূচিতে নামার কথা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেই আবহে দলের একাংশের এই সম্ভাব্য পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই নতুন রাজনৈতিক বার্তা বহন করছে বলে মনে করা হচ্ছে।সূত্রের আরও দাবি, এই গোষ্ঠীর মুখ হিসেবে সামনে আসতে পারেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও এই তালিকায় দলের কয়েকজন পরিচিত মুখমদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিম এবং কুণাল ঘোষের নাম নেই বলেই জানা যাচ্ছে।এদিকে, পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে দল থেকে বহিষ্কারের ঘটনায়। তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, তাঁরা দলবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সম্প্রতি দাবি করেন, সই জালিয়াতি সংক্রান্ত অভিযোগের সূত্রপাত হয়েছিল এই দুই নেতার অভিযোগ থেকেই। তাঁর সেই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার অল্প সময়ের মধ্যেই দলীয় সিদ্ধান্তে তাঁদের বহিষ্কার করা হয়।বহিষ্কারের পর তৃণমূলের একাধিক নেতা প্রকাশ্যে তাঁদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। কুণাল ঘোষ তাঁদের বিশ্বাসঘাতক বলেও কটাক্ষ করেন। এই উত্তপ্ত রাজনৈতিক আবহেই ৫০ বিধায়কের সম্ভাব্য নতুন অবস্থানকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।তবে এখনও পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। ফলে মঙ্গলবারের ঘটনাপ্রবাহের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের। স্পিকারের কাছে আদৌ কোনও তালিকা জমা পড়ে কি না এবং তার রাজনৈতিক অভিঘাত কতটা গভীর হয়, সেটাই এখন দেখার।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

বহিষ্কারের পর বিস্ফোরক সন্দীপন! ‘সই জাল হয়েছে, অভিযোগ না করে উপায় ছিল না’

সই সংক্রান্ত বিতর্কে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। দলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলার পর ইতিমধ্যেই বহিষ্কৃত হয়েছেন এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা এবং উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বহিষ্কারের পরও নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন সন্দীপন সাহা। তাঁর দাবি, নিয়ম বহির্ভূত কাজ হয়েছে বলেই তিনি অভিযোগ জানাতে বাধ্য হয়েছেন।সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, দুই বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতেই সই সংক্রান্ত ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এরপরই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়।সন্দীপন সাহার অভিযোগ, গত ৬ মে তৃণমূলের একটি বৈঠকে বিধায়কদের উপস্থিতিতে আলোচনা হলেও সেখানে বিরোধী দলনেতাকে নিয়ে কোনও প্রস্তাব গৃহীত হয়নি। কিন্তু পরে ১৯ মে যে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়, তাতে ৬ মে উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। তাঁর দাবি, কয়েকজন বিধায়ক ওই বৈঠকে উপস্থিত না থাকলেও তাঁদের নাম রেজোলিউশনে যুক্ত করা হয়েছে, যা নিয়মবিরুদ্ধ এবং অনৈতিক।সন্দীপনের বক্তব্য, যাঁরা বৈঠকে ছিলেন না, তাঁদের উপস্থিত দেখিয়ে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়েছে। এটি কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও দাবি করেন, উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর দিয়েই রেজোলিউশন জমা দেওয়া সম্ভব ছিল। তা না করে কেন অন্য পথ নেওয়া হল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। এই ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সন্দীপন। তাঁর দাবি, এত বড় ভুলের দায় এড়ানো যায় না।দলকে না জানিয়ে কেন তিনি বিধানসভা কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছিলেন, সেই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন সন্দীপন। তাঁর কথায়, একজন বিধায়ক হিসেবে তিনি সংবিধান ও নিয়ম মেনে চলার শপথ নিয়েছেন। সেই দায়িত্ব থেকেই তিনি অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, দলের ভিতরে কোনও অভিযোগ বা প্রশ্নের সঠিক উত্তর পাওয়া যায় না বলেই তিনি অন্য পথ বেছে নিয়েছেন।সন্দীপন আরও অভিযোগ করেন, দলের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা করার পরিবেশ নেই। কোনও প্রশ্ন তুললে তার উত্তর না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়। ফলে দলের ভিতরে নিজের মতামত বা আপত্তি জানানো কার্যত অসম্ভব হয়ে উঠেছে বলে দাবি তাঁর।বহিষ্কৃত এই বিধায়কের কথায়, সই সংক্রান্ত বিতর্ক নিয়ে সাধারণ মানুষ তাঁদের প্রশ্ন করছেন। সেই প্রশ্নের উত্তর দেওয়াও কঠিন হয়ে উঠছে। তাই বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা এবং অভিযোগ জানানো ছাড়া তাঁর সামনে আর কোনও পথ খোলা ছিল না বলেই দাবি করেছেন সন্দীপন সাহা।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বৈঠকে অনুপস্থিতি থেকে বহিষ্কার! কী এমন ঘটল দুই বিধায়কের সঙ্গে?

তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করা হল দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি দলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলার পর তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, তৃণমূলের দুই বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতেই বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারির কাছে সই সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। সেই দুই বিধায়কের নাম হিসেবে তিনি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহার নাম উল্লেখ করেন। এই মন্তব্যের কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের কথা জানায় তৃণমূল কংগ্রেস।দলের তরফে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, বারবার দলীয় নেতৃত্বের ডাকা গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অনুপস্থিত থেকেছেন দুই বিধায়ক। পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগও আনা হয়েছে। সেই কারণেই তাঁদের বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।গত কয়েক মাস ধরে তৃণমূলের অন্দরে একাধিক ঘটনা নিয়ে অস্বস্তি বাড়ছিল। কোথাও বোর্ড ভেঙে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে, কোথাও আবার কাউন্সিলরদের পদত্যাগ ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মাত্র কুড়ি জন বিধায়কের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি করে।এর আগে দলীয় বৈঠকেই প্রকাশ্যে অসন্তোষের কথা জানিয়েছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা। তাঁদের সঙ্গে কুণাল ঘোষও দলের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। দলের ভিতরে আরও খোলামেলা আলোচনা এবং মত প্রকাশের সুযোগ থাকা উচিত বলেই দাবি করেছিলেন তাঁরা।পরিস্থিতি সামাল দিতে পরে তাঁদের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় চল্লিশ মিনিট ধরে বৈঠকে তাঁদের বক্তব্য শোনেন তিনি। এরপর তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, দলের ভিতরে প্রত্যেকের মতামত জানানোর অধিকার রয়েছে।তবে রাজনৈতিক জল্পনা আরও বাড়ে যখন বিধানসভার অধ্যক্ষের কক্ষের সামনে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে দেখা যায়। পরে দিল্লিতেও শুভেন্দুর সঙ্গে তাঁদের সৌহার্দ্যপূর্ণ কথাবার্তার ছবি সামনে আসে। যদিও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, সেটি শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। কিন্তু সেই ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনার মধ্যেই দুই বিধায়ককে বহিষ্কার করে কড়া বার্তা দিল তৃণমূল কংগ্রেস।

জুন ০১, ২০২৬
রাজ্য

ফল ঘোষণার পরই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ! সন্দেশখালিতে গুলিবিদ্ধ ওসি-সহ একাধিক জওয়ান

রক্তপাত ছাড়াই ভোটপর্ব শেষ হলেও ফল ঘোষণার পর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির খবর সামনে আসছে। এবার উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালিতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে ন্যাজাট থানার ওসি-সহ একাধিক পুলিশকর্মী ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে সন্দেশখালির ন্যাজাট থানার রাজবাড়ি এলাকায় দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। একটি বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হচ্ছিল বলে খবর পেয়ে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। সেই সময় দুষ্কৃতীরা একটি বাড়ির ভিতর থেকে গুলি চালায়।এই ঘটনায় ন্যাজাট থানার ওসি ভরত প্রসূন পুরকায়েতের পায়ে গুলি লাগে। এছাড়া এক মহিলা কনস্টেবল-সহ আরও দুই পুলিশকর্মী আহত হন। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই জওয়ানও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।আহতদের দ্রুত কলকাতার চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁদের বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত রয়েছে।বুধবার সকালে ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, কয়েক রাউন্ড গুলি এবং তাজা বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এলাকায় কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।নির্বাচন কমিশন আগেই জানিয়েছিল, ভোটের ফল ঘোষণার পরও হিংসা রুখতে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। সেই মতো বাহিনী মোতায়েন থাকলেও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর আসছে। বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছে, কোনও ধরনের ভাঙচুর বা অন্য দলের দফতর দখল করা মেনে নেওয়া হবে না। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারও উস্কানি ও ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

মে ০৬, ২০২৬
কলকাতা

ইডির চার্জশিটে বিস্ফোরক তথ্য, বালি পাচারে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ

বালি পাচার মামলায় চার্জশিট জমা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অভিযুক্ত অরুণ শারফ-সহ মোট ১৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অরুণ শারফের সংস্থা জিডি মাইনিংয়ের নামেও চার্জশিট জমা পড়েছে। বিচারভবনে এই চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।গত ৬ নভেম্বর ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন অরুণ শারফ। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ওয়েস্টবেঙ্গল স্যান্ড মাইনিং, ট্রান্সপোর্ট, স্টোরেজ ও সেল সংক্রান্ত সমস্ত নিয়ম উপেক্ষা করে বালি তোলা এবং তা বিক্রি করা হত। এই অবৈধ কারবারের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ রোজগার করা হয়েছে বলে ইডির দাবি। মোট ১৪৫ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অরুণ শারফ ছাড়াও তাঁর সংস্থার চার কর্মীর বিরুদ্ধেও চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। গ্রেফতারের ৫৭ দিনের মাথায় এই চার্জশিট পেশ করল ইডি।এর আগে গত ৮ সেপ্টেম্বর বালি পাচার কাণ্ডের তদন্তে নামে ইডি। ওই দিন ঝাড়গ্রাম ও বেহালায় একযোগে অভিযান চালানো হয়। কলকাতা, ঝাড়গ্রাম, নদিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে তল্লাশি চালান ইডির আধিকারিকরা। সেই সময় জিডি মাইনিংয়ের বিভিন্ন জায়গাতেও তল্লাশি হয়।ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরে শেখ জহিরুল আলির বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে সুবর্ণরেখা নদী থেকে নিয়ম না মেনে দেদার বালি তোলার অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে পশ্চিম মেদিনীপুরে সৌরভ রায় নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। ইডির দাবি, এঁরা সকলেই অবৈধ বালি কারবারের সঙ্গে যুক্ত। শেষ পর্যন্ত তাঁদের বিরুদ্ধেই চার্জশিট জমা দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৬
রাজ্য

জেল থেকেই খুনের ছক? তার মাঝেই সিবিআইয়ের রিপোর্টে বেরিয়ে এল আরও ভয়ানক তথ্য!

আদালতে সাক্ষ্য দিতে যাওয়ার পথে মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হন শেখ শাহজাহানের অন্যতম সাক্ষী ভোলানাথ ঘোষ। সেই দুর্ঘটনায় তাঁর ছেলে এবং গাড়ির চালকের মৃত্যু হয়। এরপরই নতুন করে শাহজাহানের নাম ঘিরে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠছে, জেলের ভিতর থেকেই এই খুনের পরিকল্পনা করেছেন শাহজাহান। রাজনীতিতে তাপমাত্রা আরও বাড়ছে।এদিকে মঙ্গলবার সন্দেশখালিকাণ্ডে শাহজাহানের বিপদ আরও বাড়িয়ে দিল সিবিআই। জমি দখল মামলার অনুসন্ধান রিপোর্ট কলকাতা হাইকোর্টে জমা করেছে তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআইয়ের দাবি, এতদিন এলাকায় ক্যাম্প অফিস করে এবং গ্রামের মানুষদের কাছ থেকে একের পর এক অভিযোগ সংগ্রহ করে যে তদন্ত চালানো হয়েছিল, তাতে প্রায় তিন হাজার অভিযোগের মধ্যেই শক্ত প্রমাণ মিলেছে।সিবিআই সূত্র জানিয়েছে, জমি দখলের ঘটনায় শাহজাহানের বাহিনী সরাসরি যুক্ত ছিল। অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছেএই পুরো দখলচক্রের নেতৃত্ব দিতেন শাহজাহানের ভাই। হাইকোর্টে জমা দেওয়া রিপোর্টে এই অভিযোগগুলির সারবত্তা রয়েছে বলেই দাবি তদন্তকারীদের।আইনজীবীদের মতে, আদালতে এই রিপোর্ট সত্য বলে প্রমাণিত হলে শাহজাহানের উপর চাপ আরও বাড়বে। তাঁর জামিন পাওয়াও কঠিন হয়ে যেতে পারে।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে রেশন দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়ে প্রথমবার ইডি সন্দেশখালিতে বাধার মুখে পড়ে। সেই ঘটনার পর থেকেই ধীরে ধীরে উঠে আসে জমি দখল, ভয় দেখানো, দাদাগিরিঅসংখ্য অভিযোগ। এবার সিবিআইয়ের রিপোর্টে সেগুলির অনেকটাই পোক্ত প্রমাণ পেয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৫
রাজ্য

সন্দেশখালিতে নতুন অশান্তির আগুন! শাহজাহানের ‘ছায়া’ ঘিরে আতঙ্কে এক পরিবার

দুবছর আগে ইডি-র তল্লাশির পর একে একে শাহজাহান শেখকে ঘিরে নানা অভিযোগ সামনে আসে। সেই সময় সন্দেশখালির বহু মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে সরব হন। প্রায় প্রতিটি বাড়ি থেকেই শোনা যাচ্ছিল অভিযোগের সুর। ওই ঘটনার পর থেকে শাহজাহান শেখ জেলেই আছেন। কিন্তু স্থানীয়দের দাবি, এতদিন পরেও এলাকায় স্থায়ী শান্তি ফেরেনি। বহু মানুষের মনে এখনও ঘুরে বেড়াচ্ছে তাঁর ছায়া।সরবেড়িয়ার মণ্ডল পরিবারের অভিযোগ, শাহজাহান শেখ জেলে থাকলেও তাঁর ঘনিষ্ঠরা এলাকায় দাপট দেখাচ্ছেন। তাঁদের দাবি, জেল থেকেই নাকি এলাকায় নির্দেশ দিচ্ছেন শাহজাহান। মণ্ডল পরিবার বলছে, তাঁদের নিয়মিত হুমকি দিচ্ছেন মোসলেম শেখ নামে এক ব্যক্তি ও তাঁর অনুগামীরা। অভিযোগ, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করা হচ্ছে এবং বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ভয়ও দেখানো হচ্ছে।সরাসরি বিরোধের সূত্র সেই জমি, যেখানে তৈরি হয়েছে শেখ শাহজাহান মার্কেট। মণ্ডল পরিবারের দাবি, সেই পুরো জায়গা তাঁদের। এই দাবি নিয়ে তাঁরা বিভিন্ন সরকারি দফতর, এমনকি সিবিআইয়ের কাছেও আবেদন করেছিলেন জমি ফেরতের জন্য। অভিযোগ, সেই আবেদন জানানোর পর থেকেই তাঁদের ওপর শুরু হয় চাপ, হুমকি এবং মারধর।এরপর আদালতে মামলা করে মণ্ডল পরিবার। আদালত তাঁদের পক্ষেই রায় দেয়। তাঁদের দাবি, রায় পাওয়ার পরও শাহজাহান-ঘনিষ্ঠরা মার্কেটের দখল ছাড়তে রাজি নন। কয়েক দিন আগে ওই মার্কেটে এক দলীয় কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। তারপর থেকেই মণ্ডল পরিবারের প্রতি হুমকি আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ।যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, সেই মোসলেম শেখ অবশ্য সবটাই অস্বীকার করেছেন। তাঁর কথায়, নির্মল মণ্ডল মিথ্যা অভিযোগ করছেন এবং তাঁকে উদ্দেশ্য করে বদনাম ছড়ানো হচ্ছে। মোসলেমের দাবি, গত দুবছর তাঁর সঙ্গে শাহজাহান শেখের কোনও যোগাযোগই নেই এবং তাঁকে জড়িয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২৫
রাজ্য

যা ভাবছেন, সত্যি নয়! দুরন্তকে ধরতে যে কৌশল ব্যবহার করল সিবিআই, অবাক হবেন

দীর্ঘ দুই বছর ধরে লুকিয়ে লুকিয়ে চলা জীবন শেষ পর্যন্ত দমল না। বহু অনুসন্ধানের পর অবশেষে সিবিআইয়ের জালে ধরা পড়লেন শেখ শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী দুরন্ত মোল্লা। সন্দেশখালিতে ইডি-র উপর হামলার ঘটনায় যাঁর নাম ও ছবি প্রকাশ্যে এসেছিল, সেই দুরন্তকে মঙ্গলবার রাতে বসিরহাটের একটি গোপন আস্তানা থেকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বুধবার তাঁকে বসিরহাট আদালতে তোলা হবে।২০২৪ সালের ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালির তৎকালীন তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়েছিলেন ইডির আধিকারিকরা। সেইসময় তাঁদের উপর হামলা হয়। শুধু তাই নয়, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের উপরেও হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় ক্ষোভ ছড়ায়, সামনে আসে শাহজাহান-ঘনিষ্ঠদের নানা অভিযোগ ও নানা কীর্তি। ৫৫ দিনের মাথায় গ্রেফতার হন শাহজাহান।হামলার ভিডিও ও ছবিতে দুরন্ত মোল্লার পরিচয় সামনে আসে। কিন্তু এরপর থেকেই তিনি কার্যত হাওয়ার মতো উধাও। সিবিআই বারবার অভিযান চালালেও তাঁর হদিশ মিলছিল না। এমনকি তাঁর বাড়িতে নোটিস দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি তখনও পালাতেই থাকেন। ইডি সূত্রের খবর, দুরন্ত বারবার গোপন আস্তানা বদল করছিলেন যাতে তদন্তকারী সংস্থার চোখ এড়িয়ে যেতে পারেন।অবশেষে সিবিআইয়ের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে বসিরহাট এলাকায় লুকিয়ে আছেন তিনি। এরপরই রাতেই অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।সিবিআই বুধবার আদালতে তুলে দুরন্তের হেফাজত চাইবে। তদন্তকারী সংস্থার অন্যতম লক্ষ্য তাঁকে জেরা করে ইডি-র উপর হামলার ঘটনার নেপথ্যে আরও কারা ছিলেন, এবং কোনও নতুন তথ্য তাঁর কাছ থেকে পাওয়া যায় কি না। দুরন্তের গ্রেফতার হওয়ায় সন্দেশখালি কাণ্ড নতুন করে আবার চর্চায়। এখন নজর আদালত ও সিবিআইয়ের পরবর্তী পদক্ষেপে।

নভেম্বর ২৬, ২০২৫
শিক্ষা

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে প্রকৃত "প্রকৃতি" পাঠ করল বর্ধমানের স্কুল

বিশ্ব পরিবেশ দিবস কে সফল করতে সকল শিক্ষক শিক্ষিকা শিক্ষাকর্মী সহ প্রধান শিক্ষক এবং ছাত্রছাত্রীরা প্রার্থনা সভায় পরিবেশ দিবসে তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেন বিজ্ঞানের শিক্ষক কুমার দে সহ বিভিন্ন শিক্ষক-শিক্ষিক কে দিয়ে চাইল্ড ক্যাবিনেটেড প্রধানমন্ত্রী পরিবেশমন্ত্রী খাদ্যমন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রী সহ সকল মন্ত্রীকে সম্বর্ধিত করেন। এবং স্মারক হিসাবে একটি কারি পাতার ভেষজ গাছ রোপন করা হয়। কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয় আজ পার্শ্ববর্তী দামোদর নদ পরিদর্শনের মাধ্যমে নিবিড় প্রকৃতিপাঠে অংশগ্রহণ করেন। ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে ছিলেন কৃষ্ণেন্দু কুমার দে, শামীম মন্ডল, সনজিৎ পাল, সঞ্জীব নন্দী সহ সমস্ত শিক্ষক এবং শিক্ষিকা শ্যামলী দাস, অনন্যা ঘোষ কৃষ্ণ ঘোষ, টুসু সরকার, এবং অন্যান্যরা। সাইকেল রেলি করে যেতে যেতে, নদীর ভৌগোলিক ব্যাপ্তি নিয়ে, বহুবিচিত্র উদ্ভিদরাজি নিয়ে ছাত্রছাত্রীরা শিক্ষা লাভ করল তাঁদের কাছে। সায়রপাড়া নামের একটি গ্রামে গ্রামীণদের সাথে কথায় কথায় বর্ষা, সুরজ, মৌসুমী, সোহিনী, চিরশ্রী, মুনমুনরা জানল অনেক অজানা কথা যা বইয়েতে জানা যায় না, জানতে হয় কৃষিজীবীদের নিত্যদিনের কাজেকর্মে। বর্ধমান শহরের অদূরে অবস্থিত উদয় পল্লীর কাছে দামোদর নদের কাছে জোর বাঁধ এলাকায় ছাত্র-ছাত্রীরা দেখল জীব-বৈচিত্র্যে ভরপুর ছাই বালি দিয়ে তৈরি ল্যান্ড আর্ট। প্রায় ১৮ জন শিল্পী এই শিল্পকর্ম কে দাও ফিরে সে অরণ্য ফুটিয়ে তুলেছে। তারা সেখানে দেখতে পেল ছাই দিয়ে কিভাবে প্রকৃতির প্রাকৃতিক শিল্পকর্মে সাজিয়ে তুলতে পারে।কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত জনতার কথাকে বলেন, পরিবেশ মুখিতাই আজকের পড়ুয়াদের প্রকৃত মানুষ হয়ে উঠতে সাহায্য করবে। এমনিতেই এই বিদ্যালয় প্রকৃতি মায়ের কোলে গড়ে উঠেছে। আমাদের ছাত্রছাত্রীরা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি গাছ চেনে আর তার ব্যবহার করতে পারে।

জুন ০৬, ২০২৫
রাজ্য

মালদা বালি চুরি আটকাতে প্রশাসন তৎপর, মূল পাচারকারী অধরা

বেআইনিভাবে মহানন্দা নদীর চর থেকে বালি চুরির অভিযোগে অভিযান চালালো জেলা প্রশাসন । বৃহস্পতিবার সকালে ইংরেজবাজার থানার পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে মালদার সদর মহকুমা শাসক পঙ্কজ তামাং সহ প্রশাসনের কর্তারা এই অভিযানের সামিল হয়। অভিযানের সময় কয়েকটি বালি বোঝায় ট্রাক্টর আটক করেছে পুলিশ। যদিও বেআইনিভাবে এই বালি পাচারের ঘটনায় শীস মহম্মদ এক কারবারি কে ধরতে পারে নি পুলিশ । অভিযানের আগাম খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাই বলে অভিযোগ।এদিন সকালে ইংরেজবাজার ব্লকের যদুপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের রায়পুর এলাকার মহানন্দা নদীর ঘাটে বেআইনি বালি পাচারের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারা।প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রায়পুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই প্রকাশ্যে চলছিল বালি লুটের কারবার। দিনভর নদীতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছিল জেসিবি আর ট্রাক্টর। সবমিলিয়ে দৈনিক বিপুল টাকার কারবার চলার অভিযোগ ওঠে। যদুপুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের রায়পুর এলাকায় স্থানীয়ভাবে মহানন্দার ঘাটটি মেলা ঘাট নামে পরিচিত। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে নদীবক্ষ থেকে জেসিবি দিয়ে তোলা হচ্ছে বালি। এরপর ট্রাক্টরে বোঝাই করে নিয়ে গিয়ে জমা করা হচ্ছে খানিক দূরে প্রায় নির্জন এলাকায়। এখানে বিপুল পরিমাণ বালির মজুত ভান্ডার দেখে সহজেই বোঝা সম্ভব কি বিপুল পরিমাণ বালি লুট হচ্ছে নদী থেকে। উচ্চমানের না হলেও এই ধুস বালির চাহিদা প্রচুর। নতুন বাড়ি তৈরির সময় ভিত থেকে রাস্তা নির্মাণ বহু ক্ষেত্রেই এই বালির ব্যবহার হয়। যা প্রতি টলি পিছু সাতশো থেকে এক হাজার টাকা হিসেবে বিক্রি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। এদিন মালদার সদর মহকুমা শাসক পঙ্কজ তামাং জানিয়েছেন, বিভিন্ন স্তর থেকে রায়পুর এলাকার মহানন্দা নদীর চরের বালি পাচারের অভিযোগ উঠেছিল । সেই পরিপ্রেক্ষিতেই এদিন সকালে ইংরেজবাজার থানার পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে অভিযান চালানো হয়। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা উঠে এসেছে। এই নদীর চরে বেআইনিভাবে বালিশ পাচারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এলাকার শীস মহম্মদ নামে একজন ব্যক্তির জড়িত রয়েছে বলেও জানতে পেরেছি। যদিও তাকে খোঁজ করে পাওয়া যায় নি । এদিন কয়েকটি বালি বোঝায় ট্রাক্টর আটক করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অতিরিক্ত জেলাশাসক তথা ভূমি ও ভূমি রাজস্ব আধিকারিক দেবাহুতি ইন্দ্র জানিয়েছেন, রাজস্ব ফাঁকি দিয়েই বেআইনিভাবে নদীর চরের বালি পাচারের অভিযোগ উঠেছিল। সেই পরিপ্রেক্ষিতে এদিন প্রশাসনিক ভাবে অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জরিমানার পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এপ্রিল ১১, ২০২৫
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে বিচারের দাবিতে ফের সিজিও অভিযান চিকিৎসকদের

জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস এবং অভয়া মঞ্চের পক্ষ থেকে সিজিও কমপ্লেক্স অভিযান। প্রতিনিধিরা যায় করে সিবিআই দপ্তরে। ৮ মাসেও মেলেনি বিচার। দ্রুত তদন্ত, সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট দেওয়ার দাবিতে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সের সামনে জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস এবং অভয়া মঞ্চের অভিযান। মিছিল করে তারা উপস্থিত হয় ফিজিও কমপ্লেক্সের সামনে। এর পরে সিজিও কমপ্লেক্সের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিক্ষোভকারীরা। তাঁদের অভিযোগ, ৮ মাস পার হলেও প্রকৃত বিচার মিলল না। তদন্তে সিবিআই এর দীর্ঘসূত্রিতা এমনকি সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট দেওয়ার ক্ষেত্রেও তদন্তকারীদের উদাসীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন চিকিৎসকরা। এরপর তাদের একটি প্রতিনিধি দল প্রবেশ করে ফিজিও কমপ্লেক্সের ভেতরে সিবিআই দপ্তরে।

এপ্রিল ১০, ২০২৫
রাজনীতি

অবশেষে সন্দেশখালি যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সেখানে কর্মসূচির কথা ঘোষণা করলেন নবান্ন থেকে

লোকসভা নির্বাচনের আগে সন্দেশখালি নিয়ে উত্তপ্ত ছিল রাজ্য রাজনীতি। নির্বাচনে প্রচারে সেখানে যাননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তিনি বলেছিলেন সন্দেশখালি যাবেন। শেষমেষ বছর শেষে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই দিন প্রশাসনিক জনসভা থেকে সাধারণ মানুষকে পরিষেবা বিতরণ করা হবে। সেই অনুষ্ঠানেই হাজির থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে একথা ঘোষণা করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার নবান্নে ছিল মন্ত্রিসভার বৈঠক। সেই বৈঠকের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, আগামী ৩০ ডিসেম্বর সন্দেশখালি যাব। সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা তুলে দেওয়া হবে। নির্বাচনের আগে অনেকে জিজ্ঞেস করেছিল, দিদি আপনি সন্দেশখালি গেলেন না। আমি বলেছিলাম পরে যাব। ওই দিন দুপুর ১ টায় সরকারি পরিষেবা অনুষ্ঠানে হাজির থাকব। প্রায় ২০ বাজার মানুষকে ওই প্রশাসনিক জনসভা থেকে সরকারি পরিষেবা তুলে দেওয়া হবে।এদিকে আগামী ১ জানুয়ারি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবসে মা মাটি মানুষ দিবস পালন করা হবে। প্রতিবছর করে থাকি। বিভিন্ন জায়গায় রক্তদান শিবির হবে। ওই দিন মা মাটি মানুষকে উৎসর্গ করে থাকি। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, ২ জানুয়ারি নবান্নে প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠক হব। রাজ্য স্তর থেকে জেলা ও ব্লক স্তর পর্যন্ত পর্যালোচনা হবে বৈঠকে। পাশাপাশি আগামী ৬ জানুয়ারি গঙ্গাসাগর যাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে প্রস্তুতি পর্যালোচনা করবেন।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৪
রাজ্য

তৃণমূলের বিধায়ককে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের, সেদিন কি হয়েছিল শ্মশানে?

আরজি কর মেডিকেল কলেজে ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় পানিহাটির বিধায়ক নির্মল ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিবিআই। আর জি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে যখন নির্যাতিতার মৃতদেহ সোদপুরের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তখন মৃতদেহ শ্মশানে পোড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল নির্মল ঘোষ। এমনই বেশ কিছু ছবি আগেই সিবিআই এর হাতে এসে পৌঁছেছিল তখন থেকেই সিবিআইয়ের নজরে ছিল নির্মল ঘোষ। যার জন্য বারবার ঘোলা থানার আইসিকে তলব করা হয়েছিল। তিনি গড়হাজির ছিলেন। এরপরই একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেদিনের ভিডিও ফুটেজ দেখে সিবিআই। তারপরেই তলব।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ড, ময়নাতদন্ত নিয়ে ভয়ঙ্কর হুমকি দিয়েছিল কে?

আরজি কর কাণ্ডে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ হাসপাতালের ফরেন্সিক মেডিসিনের প্রফেসর অপূর্ব বিশ্বাসের। তাঁর অভিযোগ, ময়নাতদন্ত করার ক্ষেত্রে ভয়ঙ্কর চাপ দেওয়া হয়েছিল। ঘটনার রাতের মধ্যেই যদি ময়নাতদন্ত না হয় তাহলে রক্ত গঙ্গা বইয়ে দেওয়ারও হুমকি দেন নির্যাতিতার এলাকার কোনও এক প্রাক্তন কাউন্সিলর। তিনি হুমকি দিয়েছিলেন আজ রাতের মধ্যেই ময়না তদন্ত করতে হবে। প্রায় সাড়ে ছঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর সিবিআই দফতর থেকে বেরোনোর সময় জানালেন অপূর্ব বিশ্বাস।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৪
কলকাতা

আরজি কর কাণ্ড থেকে সতর্ক, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি টালিগঞ্জ সিনে পাড়ার

আরজি কর হাসপাতাল যে ঘটনা ঘটেছে তার পর স্বাভাবিকভাবে আতঙ্কিত শহর তথা রাজ্যের মানুষ। কর্মক্ষেত্রে কেউ কতটা নিরাপদ তা নিয়েও অনেক প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেরই দাবি, যে কোনও কাজের জায়গা হোক, বহু সময়ে বহু কর্মী হেনস্থার শিকার হন। আর টালিগঞ্জও এইসব অভিযোগ থেকে বাদ নেই। তাই এবার কর্মক্ষেত্রে হেনস্থার তদন্তের জন্য যাতে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয় তার দাবিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি পাঠানো হল টলিপাড়া থেকে।মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে ওয়েমেন ফোরাম ফর স্ক্রিন ওয়ার্কারস। তাঁদের দাবি, কাজ করতে এসে বহু অভিনেতা, ক্রু সদস্য, টেকনিশিয়ান অনেক সময়ই হেনস্থার শিকার হন। কিন্তু তাঁদের অভিযোগকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না বেশিরভাগ সময়। তাই এসব অভিযোগের তদন্ত করতে স্বাধীন একটি কমিটি গঠন করুক সরকার। মূলত আরজি করের ঘটনার পরই এমন একটি পদক্ষেপ নেওয়া আরও জরুরি হয়ে উঠেছে বলেই মনে করছে তাঁরা।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৪
রাজ্য

ফের নবান্নের সঙ্গে বৈঠকে জুনিয়র চিকিৎসকরা, চলছে লাগাতার কর্মবিরতি

এবার নবান্নে রাজ্যের সঙ্গে বৈঠক জুনিয়র ডাক্তারদের। আজ মুখ্য সচিবের সঙ্গে আলোচনা আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের। পাঁচ দফা মধ্যে চার ও পাঁচ নম্বর দাবির ওপর জোর দিয়েই আজকের এই বৈঠক হবে বলে জানানো হয়েছে জুনিয়র ডাক্তারদের তরফে। এদিকে রাজ্যের তরফে জুনিয়র ডাক্তারদের কাজে যোগদানের আহ্বান জানানো হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা ৭টা বেজে ১৫ মিনিটে নবান্নে পৌঁছান জুনিয়র ডাক্তারদের ৩০ জনের প্রতিনিধিদল। থ্রেট কালচার থেকে শুরু করে হাসপাতালে ডাক্তারদের নিরাপত্তাসহ একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে আজকের এই বৈঠকে। এর আগে কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের বৈঠকে ডাক্তারদের কাজে ফেরার আহ্বান জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মুখ্যসচিবের তরফে করা ইমেলেও দক্ষিণবঙ্গের বন্যা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজ যোগ দিতে অনুরোধ করা হয়েছে। এদিন বৈঠকে যাওয়ার আগে এক সাংবাদিক সম্মেলন করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। সেখানে বলা হয়েছে রাজ্য সরকার আন্দোলনের চাপে নতি স্বীকার করেছে। সরানো হয়েছে স্বাস্থ্য, পুলিশ আধিকারিকদের। অভয়ার বিচারের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টেও লড়ে চলেছি আমরা। সিবিআইও আমাদের চাপের কারণেই টালা থানার ওসি ও সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করেছে। সরকারি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজগুলিতে স্বাস্থ্যকর্মীর সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে আমরা কাজে ফিরতে ভয় পাচ্ছি। এদিন জুনিয়র ডাক্তারদের তরফে বলা হয়, উপরোক্ত দাবি পূরণ না হলে কাজে ফিরতে পারব না তাও আমরা সরকারকে জানিয়েছি। আমরা চাইছি প্রতিটি মেডিকেল কলেজে রেস্ট রুম , বাথরুম, প্যানিক বোতাম, নারী পুলিশ কর্মী মোতায়েন করতে হবে। কলেজ ভিত্তিক টাস্ক ফোর্স গঠনের দাবিও জানানো হয়েছে। হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজগুলিতে রোগী পরিষেবাকে উন্নত করতে হবে। প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কর্মী নিয়োগ, হাসপাতালের পরিকাঠামো ঢেলে সাজাতে হবে। জনমুখী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। প্রতিটি কলেজে থ্রেট কালচারকে বন্ধ করতে হবে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা। কমিটি গঠন করতে হবে। গণতান্ত্রিক পরিসরকে বিস্তৃত করতে হবে হাউসস্টাফ নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে সওয়াল করেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করার পর বুধবার সকালেই মুখ্যসচিবকে ই-মেল করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে ই-মেলে তাঁরা উল্লেখ করেন, তাঁদের দাবির কয়েকটি বিষয় এখনও সমাধান হয়নি। সেই দাবি সমাধানের আশাতেই মেল করেছেন আন্দোলনকারীরা। ই-মেলে তাঁরা রাজ্য সরকারের তরফে ইতিবাচক উত্তরের আশায় রয়েছেন বলে লেখেন।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডের জের, নতুন পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা, বদলি স্বাস্থ্য দফতরেও

গতকাল জুনিয়র চিকিৎসকদের বৈঠকে বিনীত গোয়েলকে সরানেরা কথা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মতো সরানো হল তাঁকে। কলকাতা পুলিশের নতুন কমিশনার হচ্ছেন মনোজ ভার্মা। ১৯৯৮ ব্যাচের আইপিএস অফিসার মনোজ ভার্মাকেই বিনীত গোয়েলের জায়গায় কলকাতা পুলিশের দায়িত্বে অনলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার ছিলেন মনোজ ভার্মা। সেই সঙ্গে নতুন ADG হলেন জ্ঞানবন্ত সিং। স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের ADG পদে যাচ্ছেন বিনীত গোয়েল।গতকালই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, বিনীত গোয়েলকে সরিয়ে কলকাতা পুলিশের দায়িত্বে নতুন কাউকে আনা হবে। সেই মতো মনোজ ভার্মাকে কলকাতা পুলিশের নতুন পুলিশ কমিশনার করা হয়েছে। ১৯৯৮ ব্যাচের আইপিএস অফিসার মনোজ ভার্মা। তিনি রাজ্য পুলিশের এডিজি (আইন-শৃঙ্খলা) পদে নিযুক্ত ছিলেন। এর আগে কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনারের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। এবার তিনি পুলিশ কমিশনার।দক্ষ পুলিশকর্তা হিসেবে বরাবরই নিজের পরিচয় দিয়েছেন মনোজ ভার্মা। উত্তরবঙ্গের পাহাড়ে উত্তাল পরিস্থিতির সময় এই মনোজ ভার্মাকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ২০১৯ সাল পর্যন্ত দার্জিলিংয়ের আইজি ছিলেন মনোজ ভার্মা। ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের ফি দিনের গন্ডগোল সামলানোর দায়িত্বও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মনোজ ভার্মার কাঁধেই সঁপেছিলেন। এবার কলকাতা পুলিশের দায়িত্বে আনা হল দুঁদে এই আইপিএস অফিসারকে।অফিসারকে। বিনীত গোয়েলকে পাঠানো হয়েছে এডিজি STF পদে পাঠানো হয়েছে। এর আগেও এসটিএফে কাজ করেছেন বিনীত গোয়েল। নতুন এডিজি আইবি হলেন জ্ঞানবন্ত সিং। DC নর্থ অভিষেক গুপ্তকেও বদলি করা হয়েছে। EFR সেকেন্ড ব্যাটেলিয়নের CO পদে আনা হয়েছে তাঁকে। অভিষেক গুপ্তর জায়গায় নতুন DC নর্থ দীপক সরকার। এডিজি (আইশৃঙ্খলা) পদে আনা হল জাভেদ শামিমকে। আরজি কর কাণ্ডের জেরে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের চাপে বদল স্বাস্থ্য দফতরেও। পুলিশের পাশাপাশি জুনিয়ার ডাক্তারদের দাবি মেনে সরিয়ে দেওয়া হল স্বাস্থ্য অধিকর্তা ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তাকে। কৌস্তভ নায়েককে সরিয়ে স্বাস্থ্য অধিকর্তা পদে আবা হয়েছে স্বপন সোরেনকে। সেই সঙ্গে রাজ্যের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা দেবাশিস হালদারকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা পদে থাকা দেবাশিস হালদারকে বদলি করা হচ্ছে জনস্বাস্থ্য স্পেশাল অফিসার অন ডিউটি পদে। স্বাস্থ্য অধিকর্তা পদে থাকা কৌস্তভ নায়েককে ইনস্টিটিউট অফ হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ারে অধিকর্তা পদে পাঠানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৪
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী ও জুনিয়র চিকিৎসক বৈঠক: সরছেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার, বদল হচ্ছে দুই স্বাস্থ্য শীর্ষ কর্তা

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও জুনিয়র চিকিৎসকদের বৈঠক হয়েছে দীর্ঘক্ষণ ধরে। বেশ কয়েকটি দাবি মেনে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, ৪টের মধ্যে ৩ টে দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজে যোগ দিতে আবেদন জানানো হয়েছে। ১১টা ৪৬ মিনিটে বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। বাইরে বেরিয়ে তাঁরা বলেন, আমাদের ৫ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিছু জিনিস নিয়ে আলোচনা হয়নি। আমরা ধরনা মঞ্চে গিয়ে বলবো। সব বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছায়নি দুপক্ষ। তাঁরা জানিয়েছে, পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগের দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ, স্বরাষ্ট্র সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, ডিজি রাজীব কুমার সহ আরও সরকারি আধিকারিক। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কি বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?আমাদের বৈঠক চলেছে দীর্ঘক্ষণ। ৪২ জন জুনিয়র চিকিৎসক স্বাক্ষর করেছেন। ওদের বক্তব্য রাখতে দিয়েছি। অভয়ার উদ্দেশে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বৈঠক শুরু হয়। বদলের জন্য ৩ টে নাম দিয়েছিল স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের। ডিএমই ও ডিএইচএসকে সরানো হবে। চিকিৎসকদের তাঁদের প্রতি ক্ষোভ আছে। তবে তাঁদের অসম্মান করি না। আগামিকাল ৪ টের পর পুলিশ কমিশনার বদল করানো হবে। আরও কিছু পুলিশের রদবদল করা হবে। বিনীত যেখানে কাজ করতে চেয়েছে সেখানে ওকে দেওয়া হবে। ওদের ৪টে দাবির মধ্যে ৩ টে দাবি মেনে নিয়েছি। হাসপাতালের পরিকাঠামো বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দেওয়া হবে। বৈঠক পজিটিভ হয়েছে বলে আমি মনে করি। নিশ্চয় ওরাও তাই মনে করে। তাই মিনিটসে স্বাক্ষর করেছে। আমি ওদের বলেছি মানুষের স্বার্থে কাজে যোগ দাও। এদিকে ডিভিসি জল ছাড়ায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে রাজ্যর কিছু এলাকায়। আমাদের না জানিয়ে আজ সকালে ৮০-৯০ হাজার কিউসেক জল ছেড়েছে ডিভিসি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৪
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী ও জুনিয়র চিকিৎসকের বৈঠক শেষ, জট কি কাটলো?

আগামিকাল সুপ্রিম কোর্টে শুনানির আগে বৈঠক হল। বৈঠকে কি জট কাটলো? জানা গিয়েছে, জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করার অনুরোধ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নানা টালবাহানার পর অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক হল আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের। কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে এই বৈঠক হয়। বৈঠক চলে প্রায় ২ ঘন্টা। এর আগে বৈঠকের লাইভ স্ট্রিমিং দাবি করেছিল জুনিয়র চিকিৎসকরা। সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে তাই লাইভ স্ট্রিমিং সম্ভব নয় বলে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন। পরে ভিডিও রেকর্ডিংয়ের দাবি ছিল আন্দোলনকারীদের। কিন্তু তাও ধোপে টেকেনি। শেষমেশ মিটিংয়ের আলোচনার মিনিট দেওয়া হবে এই শর্তে বৈঠকে বসেন জুনিয়র চিকিৎসকরা।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার টালা থানার ওসি

টালা থানার ওসি অভিজিৎ মন্ডলকে গ্রেফতার করলো সিবিআই। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে অভিজিৎ মন্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একইসঙ্গে আরজি কর প্রাক্তন প্রিন্সিপ্যাল সন্দীপ ঘোষকে এই মামলাতেও গ্রেফতার করল সিবিআই। এর আগে দুর্নীতি মামলায় সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। তিনি এখন জেল হেফাজতে আছেন। এর আগে বেশ কয়েকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল টালা থানার ওসিকে। মাঝে তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

চলন্ত ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে ধোঁয়া-আগুন, বর্ধমানে ২০ মিনিট থমকাল ট্রেন; অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়াল রেল

ইঞ্জিনের পরের কামরার নীচে ব্রেক বাইন্ডিং থেকে আগুন, খানা-তালিতের মাঝে দাঁড় করিয়ে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনলেন রেলকর্মীরা; নিরাপদে রওনা দিল হাওড়ার উদ্দেশেধানবাদ থেকে হাওড়াগামী ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে চলন্ত অবস্থায় আচমকাই ধোঁয়া ও আগুন দেখা দেওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল যাত্রীদের মধ্যে। পূর্ব বর্ধমানের খানা জংশন ও তালিত স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘটে এই ঘটনা। দ্রুত ট্রেন থামিয়ে রেলকর্মীদের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। প্রায় ২০ মিনিট বন্ধ থাকার পর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ট্রেনটি আবার হাওড়ার উদ্দেশে রওনা দেয়। এই ঘটনায় কোনও যাত্রী আহত হননি বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে।রেল সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার বিকেলে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ থেকে নির্ধারিত সময়েই ২২৩৮৭ ডাউন ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। যাত্রীদের একাংশের দাবি, পানাগড় পার হওয়ার পর থেকেই ট্রেনে যান্ত্রিক সমস্যার কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। তবে পরিস্থিতি যে এতটা গুরুতর হতে পারে, তা কেউ বুঝতে পারেননি।ট্রেনটি পূর্ব বর্ধমানের দিকে এগোতে থাকলে ইঞ্জিনের ঠিক পরের কামরার নীচ থেকে প্রথমে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই সেই ধোঁয়ার সঙ্গে আগুনের শিখাও দেখা যায়। বিষয়টি নজরে আসতেই ট্রেনের কর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার উদ্যোগ নেন এবং রাত প্রায় ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ খানা জংশন ও তালিত স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় ট্রেনটি জরুরি ভিত্তিতে থামিয়ে দেওয়া হয়।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান রেলের প্রযুক্তিগত কর্মী ও আধিকারিকরা। অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ব্যবহার করে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট কামরার ব্রেক ব্যবস্থা এবং অন্যান্য যান্ত্রিক অংশ খতিয়ে দেখা হয়। সমস্ত দিক পরীক্ষা করে ট্রেনটিকে নিরাপদ ঘোষণা করার পর রাত প্রায় ৮টা ২০ মিনিট নাগাদ পুনরায় হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস।পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাঝি জানিয়েছেন, ইঞ্জিনের পরের কামরায় ব্রেক বাইন্ডিং-এর কারণে অতিরিক্ত ঘর্ষণ সৃষ্টি হয়েছিল। সেই ঘর্ষণ থেকেই ধোঁয়া ও আগুনের সৃষ্টি হয়। তিনি জানান, রেলকর্মীরা দ্রুত সমস্যার সমাধান করায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।ঘটনার সময় ওই কামরায় বহু যাত্রী উপস্থিত ছিলেন। ট্রেন থামার সঙ্গে সঙ্গেই আতঙ্কিত যাত্রীরা দ্রুত নেমে নিরাপদ দূরত্বে চলে যান। মুহূর্তের মধ্যে অন্যান্য কামরাতেও খবর ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই উদ্বেগে বাইরে নেমে আসেন। যদিও রেলকর্মীদের তৎপরতায় পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যায়।ধানবাদ থেকে ট্রেনে ওঠা এক যাত্রী জানান, আসানসোলের কিছু আগে থেকেই ট্রেনে একটা অস্বাভাবিক শব্দ হচ্ছিল। পরে তালিতের কাছে এসে দেখি কামরার নীচ থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে, তারপর আগুনও দেখা যায়। তখন স্বাভাবিকভাবেই সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল।এইদিনের ব্ল্যাক ডাইমন্ডের যাত্রীরা জানান, হঠাৎ ধোঁয়া বের হতে দেখে আমরা খুব ভয় পেয়ে যাই। ট্রেন দাঁড়াতেই নেমে পড়ি। পরে রেলকর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ায় স্বস্তি ফিরে আসে।এই ঘটনার জেরে ধানবাদ-হাওড়া রেলপথে কিছু সময়ের জন্য ট্রেন চলাচল ব্যাহত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। রেলের তৎপরতায় কোনও প্রাণহানি বা বড়সড় দুর্ঘটনা না ঘটায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন যাত্রীদের পাশাপাশি রেল কর্তৃপক্ষও। তবে চলন্ত ট্রেনে এমন যান্ত্রিক ত্রুটি সামনে আসায় রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

'বোতলবন্দী' পেনেল্টি রহস্য! পিকফোর্ডের ‘গোপন অস্ত্র’ মেসিদের হাতে! ইংল্যান্ড গোলকিপারের জলের বোতলে মিলল আর্জেন্টিনার সব পেনাল্টি শুটারের নোট

ছোটবেলায় পারস্যের রহস্য-রোমাঞ্চের গল্পে পড়া যেত রাজা-রানির প্রাণভোমরা নাকি বন্দি থাকত একটি বোতলে। সেই বোতল এমন গোপন স্থানে লুকিয়ে রাখা হতো, যাতে শত্রুরা কোনওভাবেই তার নাগাল না পায়। শতাব্দী পেরিয়ে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে যেন সেই বোতলবন্দি রহস্য-রই আধুনিক সংস্করণ দেখা গেল। তবে এখানে প্রাণভোমরা নয়, বোতলের গায়ে বন্দি ছিল ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডের সবচেয়ে গোপন অস্ত্র আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য প্রতিটি পেনাল্টি শুটারের বিরুদ্ধে তৈরি করা বিস্তারিত পরিকল্পনা।বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে সম্ভাব্য টাইব্রেকারের কথা মাথায় রেখে নিজের জলের বোতলেই একটি চিট শিট সাঁটিয়ে রেখেছিলেন পিকফোর্ড। সেখানে লেখা ছিল আর্জেন্টিনার প্রতিটি সম্ভাব্য পেনাল্টি শুটারের অভ্যাস, কে কোন দিকে শট নিতে পারেন এবং কোন কৌশলে ঝাঁপ দিলে বল আটকানোর সম্ভাবনা বেশি।কিন্তু ভাগ্যের পরিহাস, ম্যাচ গড়ায়ইনি টাইব্রেকারে। নির্ধারিত সময়েই আর্জেন্টিনা ২-১ গোলে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে যায়। আর ম্যাচ শেষে সেই গোপন অস্ত্রই চলে আসে লিওনেল মেসি ও তাঁর সতীর্থদের হাতে।ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, পিকফোর্ডের জলের বোতল হাতে নিয়ে মেসি ও একাধিক আর্জেন্টাইন ফুটবলার কৌতূহল নিয়ে সেটি পরীক্ষা করছেন। বোতলের গায়ে ইংরেজিতে লেখা ছিল বিভিন্ন ফুটবলারের পেনাল্টি নেওয়ার প্রবণতা এবং কোন দিকে ঝাঁপ দিলে বল আটকানোর সম্ভাবনা বেশি।ভাইরাল ছবিটিতে দেখা যায়, মেসির নামের পাশে লেখা Fake left, dive right, অর্থাৎ প্রথমে বাঁ দিকে যাওয়ার ভান করে পরে ডান দিকে ঝাঁপ দেওয়ার পরামর্শ। এনজো ফার্নান্দেজের ক্ষেত্রে লেখা ছিল Stand central, আর থিয়াগো আলমাদার জন্য উল্লেখ ছিল Feel on the day, অর্থাৎ ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ।যদিও এই পরিকল্পনা মাঠে বাস্তবায়নের সুযোগই পাননি পিকফোর্ড, তবু ম্যাচ শেষে তাঁর সেই বোতলবন্দি কৌশল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। আধুনিক ফুটবলে প্রতিপক্ষের প্রতিটি খেলোয়াড়ের অভ্যাস বিশ্লেষণ করে এমন তথ্যভান্ডার তৈরি করা এখন বড় দলগুলির নিয়মিত প্রস্তুতির অংশ। কিন্তু সেই গোপন নথি প্রতিপক্ষের হাতেই চলে যাওয়া নিঃসন্দেহে বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত।এই প্রসঙ্গে বাংলা সাহিত্যের রসিক সম্রাট দাদাঠাকুর শরৎচন্দ্র পণ্ডিতর বিখ্যাত বোতল পুরাণ-এর কথা মনে পড়তেই পারে। সেখানে বোতলকে ঘিরে ছিল ব্যঙ্গ, হাস্যরস আর সমাজের নানা চরিত্রের কৌতুকপূর্ণ উপস্থাপনা। আর কাতারের পর ২০২৬ বিশ্বকাপেও যেন আর এক বোতল পুরাণ-এর জন্ম দিলেন জর্ডান পিকফোর্ড। পার্থক্য শুধু একটাই দাদাঠাকুরের বোতলে ছিল রসিকতার নেশা, আর পিকফোর্ডের বোতলে বন্দি ছিল ডেটা অ্যানালিটিক্স, কৌশল আর প্রতিপক্ষকে হারানোর স্বপ্ন!শেষ পর্যন্ত সেই বোতল পুরাণ-এর পরিণতিও কম মজার নয়। যে বোতল লুকিয়ে রাখার কথা ছিল ইংল্যান্ডের সবচেয়ে গোপন পরিকল্পনা, সেটিই ম্যাচ শেষে হাতে নিয়ে পড়ছেন লিওনেল মেসি ও তাঁর সতীর্থরা! যেন পারস্যের সেই প্রাণভোমরার বোতল শেষমেশ শত্রুর হাতেই ধরা পড়েছে। পার্থক্য শুধু এটুকুই এখানে রাজ্য হারায়নি ইংল্যান্ড, কিন্তু ফাইনালে ওঠার স্বপ্নটা যে সেই বোতলের সঙ্গেই বোতলবন্দি হয়ে রইল, তা বলাই যায়।এবার বিশ্বকাপের শিরোপার লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার সামনে স্পেন। তবে সেমিফাইনালের এই বোতল রহস্য এবং বোতল পুরাণ ফুটবলপ্রেমীদের স্মৃতিতে বহুদিন রয়ে যাবে কারণ বিশ্বকাপে ট্রফির লড়াইয়ের পাশাপাশি, কখনও কখনও একটি সাধারণ জলের বোতলও হয়ে উঠতে পারে সবচেয়ে বড় গল্প।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজনীতি

২১ জুলাইয়ের আগে তৃণমূলে বড় ধাক্কা! কোয়েল মল্লিকের রাজ্যসভা ছাড়া, মণীশ গুপ্তর সরে দাঁড়ানো ঘিরে জোর রাজনৈতিক জল্পনা

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের আগে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে একের পর এক রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হচ্ছে। মদন মিত্রকে নিয়ে বিতর্কের আবহ এখনও পুরোপুরি কাটেনি, তার মধ্যেই রাজ্যসভার সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন অভিনেত্রী তথা তৃণমূলের সাংসদ কোয়েল মল্লিক। একই সঙ্গে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মণীশ গুপ্ত। ফলে শাসক শিবিরে নতুন করে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগের পর কোয়েল মল্লিকের বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সাক্ষাৎ রাজনৈতিক মহলে আরও কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছে। এই সাক্ষাতের পর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তবে কি তিনি রাজনৈতিকভাবে নতুন কোনও সিদ্ধান্তের পথে হাঁটছেন? যদিও এখনও পর্যন্ত কোয়েল মল্লিক বা বিজেপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তাই তিনি আদৌ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কি না, তা নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে ঘটনাপ্রবাহকে ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে।অন্যদিকে, প্রাক্তন আমলা ও তৃণমূলের প্রবীণ নেতা মণীশ গুপ্তও দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও তিনি এখনও তৃণমূল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেননি, তবুও তাঁর এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ। বিশেষ করে ২১ জুলাইয়ের মতো বড় কর্মসূচির আগে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দলের জন্য অস্বস্তিকর বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সম্প্রতি এক সরকারি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোয়েল মল্লিকের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কোয়েল ভবিষ্যতে রাজ্যকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার মতো সক্ষমতা রাখেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর এত দ্রুত রাজ্যসভা থেকে কোয়েলের পদত্যাগ রাজনৈতিক মহলে আরও বেশি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরির ইঙ্গিত মিলছে। শাসক দলের ভেতরে সাংগঠনিক পরিবর্তন, ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং বিরোধী শিবিরের তৎপরতাসব মিলিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহ রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।তবে কোয়েল মল্লিকের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান, মণীশ গুপ্তর পরবর্তী পদক্ষেপ কিংবা তৃণমূলের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়াএসবের দিকেই এখন নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১৬, ২০২৬
শিক্ষা

মাত্র ১৪ বছরেই জেইই অ্যাডভান্সডে বাজিমাত! উত্তরপ্রদেশের হিন্দি-মাধ্যমের ছাত্র যুবরাজ সিং সোলাঙ্কির সাফল্যে চমকে দেশ

মেটা ডেসক্রিপশন: উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরের ১৪ বছরের হিন্দি-মাধ্যমের ছাত্র যুবরাজ সিং সোলাঙ্কি মাত্র এক বছরের অনলাইন প্রস্তুতিতে JEE Advanced-এ সাফল্য অর্জন করেছে। জেনে নিন তাঁর অনুপ্রেরণামূলক যাত্রার গল্প।ভারতের অন্যতম কঠিন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রবেশিকা পরীক্ষা JEE Advanced-এ সাফল্য অর্জন করাই যেখানে অধিকাংশ পরীক্ষার্থীর কাছে কঠিন চ্যালেঞ্জ, সেখানে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নজির গড়লেন উত্তরপ্রদেশের এক কিশোর। তাঁর নাম যুবরাজ সিং সোলাঙ্কি। হিন্দি-মাধ্যমে পড়াশোনা করা এই ছাত্র মাত্র এক বছরের অনলাইন প্রস্তুতিতেই জেইই অ্যাডভান্সডে ক্যাটেগরি র্যাঙ্ক ১,৬৪০ অর্জন করে সারা দেশের নজর কেড়েছেন।যুবরাজের এই সাফল্য শুধু একটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার গল্প নয়, বরং এটি প্রমাণ করে দিয়েছে যে বয়স, ভাষা কিংবা শহর-গ্রামের সীমাবদ্ধতা মেধা ও অধ্যবসায়ের সামনে কখনও বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।১৪ বছরেই দ্বাদশ শ্রেণি, তারপর JEE Advancedউত্তরপ্রদেশের গোরখপুর জেলার চৌরি চৌরা এলাকার বাসিন্দা যুবরাজ ছোটবেলা থেকেই অসাধারণ মেধার পরিচয় দিয়েছিলেন। তাঁর শিক্ষকদের নজরে আসে যে তিনি সমবয়সীদের তুলনায় অনেক দ্রুত বিষয়বস্তু আয়ত্ত করতে পারেন। সেই কারণেই প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদনের মাধ্যমে তাঁকে স্কুলজীবনে দুটি শ্রেণি একসঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।ফলে যখন তাঁর সমবয়সী অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী অষ্টম বা নবম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছিল, তখন যুবরাজ ইতিমধ্যেই দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। সেখানে তাঁর সহপাঠীদের অধিকাংশের বয়স ছিল ১৭ থেকে ১৮ বছর।সহপাঠীদের সমর্থনও ছিল বড় শক্তিসংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বয়সের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও স্কুলে কখনও অস্বস্তির মুখে পড়তে হয়নি যুবরাজকে। বরং শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সহপাঠীরা তাঁকে স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করেন এবং নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি JEE Advanced-এর প্রস্তুতিতেও যথেষ্ট সহযোগিতা করেন।এই ইতিবাচক পরিবেশ তাঁর আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেয় এবং কঠিন পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বড় ভূমিকা পালন করে।হিন্দি-মাধ্যমেই তৈরি ইতিহাসযুবরাজের সাফল্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলির একটি হল, তিনি কোনও নামী কোচিং শহরে না গিয়ে অনলাইন হিন্দি-মাধ্যমের কোচিংয়ের মাধ্যমে JEE Advanced-এর প্রস্তুতি নেন।দীর্ঘদিন ধরে একটি ধারণা প্রচলিত ছিল যে IIT-তে সুযোগ পেতে হলে ইংরেজি-মাধ্যমে পড়াশোনা, বড় শহরে থাকা কিংবা ব্যয়বহুল কোচিং অপরিহার্য। যুবরাজ সেই ধারণাকেই কার্যত ভেঙে দিয়েছেন।বর্তমানে ডিজিটাল শিক্ষার প্রসার এবং মাতৃভাষাভিত্তিক অনলাইন শিক্ষার সুযোগ যে গ্রামাঞ্চলের ছাত্রছাত্রীদের কাছেও নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে, যুবরাজের সাফল্য তারই উজ্জ্বল উদাহরণ।অনেকের কাছে অনুপ্রেরণাযুবরাজ সিং সোলাঙ্কির এই কৃতিত্ব ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই তাঁর সঙ্গে ভারতের তরুণ ক্রিকেট প্রতিভা বৈভব সূর্যবংশীর তুলনা করছেন। যদিও দুইজনের ক্ষেত্র সম্পূর্ণ আলাদা, তবুও কম বয়সেই অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দিয়ে দুজনেই নতুন প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।শিক্ষাবিদদের মতে কী শেখার আছে?বিশেষজ্ঞদের মতে, যুবরাজের এই সাফল্যকে সব ছাত্রছাত্রীর জন্য মানদণ্ড হিসেবে দেখা উচিত নয়। প্রত্যেক শিশুর শেখার গতি ও দক্ষতা আলাদা। তবে তাঁর গল্প থেকে একটি বিষয় স্পষ্টসঠিক দিকনির্দেশনা, অধ্যবসায়, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ থাকলে যে কোনও শিক্ষার্থী নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
শিক্ষা

বিকাশ ভবনে গেস্ট টিচারদের জোরালো সওয়াল, চাকরির নিরাপত্তা-নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানীর দাবিতে উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর উদ্দেশে স্মারকলিপি

রাজ্যের সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজগুলিতে কর্মরত হাজার হাজার গেস্ট টিচার, ইনভাইটেড টিচার ও ভিজিটিং ফ্যাকাল্টিদের দীর্ঘদিনের কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা এবং আর্থিক বৈষম্যের অবসান ঘটানোর দাবিতে আবারও সরব হল পশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (WBCGTWA)। বুধবার সংগঠনের পক্ষ থেকে বিকাশ ভবনে উপস্থিত হয়ে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী শ্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের উদ্দেশে একটি বিস্তারিত স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। উচ্চশিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে সেই স্মারকলিপি গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিক প্রাপ্তিস্বীকারও দেওয়া হয়েছে।সংগঠনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে গেস্ট টিচাররা অত্যন্ত কম পারিশ্রমিকে এবং সম্পূর্ণ অনিশ্চিত কর্মপরিবেশে দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, পাঠদান এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে সচল রাখার ক্ষেত্রে তাঁদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই বাস্তব পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই সরকারের কাছে মানবিক ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের আবেদন জানানো হয়েছে।বিকাশ ভবনে জমা দেওয়া এই প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি সুজিৎ দাস, সাধারণ সম্পাদক অনুপম দাস এবং সহ-সম্পাদক ড. অসিত কুমার মণ্ডল। প্রতিনিধিদলটি উচ্চশিক্ষা দপ্তরের আধিকারিকদের সামনে গেস্ট টিচারদের বিভিন্ন সমস্যা, ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা এবং দীর্ঘদিনের দাবি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে।কী কী দাবি জানানো হয়েছে?স্মারকলিপিতে মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।প্রথমত, চাকরির নিরাপত্তা। সংগঠনের বক্তব্য, বহু শিক্ষক বছরের পর বছর কলেজে কর্মরত থাকলেও তাঁদের চাকরির কোনও স্থায়ী নিশ্চয়তা নেই। ফলে প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করতে হচ্ছে। তাই গেস্ট টিচারদের জন্য একটি সুস্পষ্ট ও স্থায়ী চাকরির নিরাপত্তা নীতি প্রণয়নের দাবি জানানো হয়েছে।দ্বিতীয়ত, পরিষেবার ধারাবাহিকতা। সংগঠনের দাবি, যোগ্য ও অভিজ্ঞ গেস্ট টিচারদের সরকার নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী অন্তত ৬০ কিংবা ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত কর্মরত থাকার সুযোগ দিতে হবে। তাঁদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব বলেই সংগঠনের মত।তৃতীয়ত, নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানী চালু। বর্তমানে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্লাসভিত্তিক পারিশ্রমিকের উপর নির্ভর করতে হয় গেস্ট টিচারদের। সংগঠনের দাবি, এই ব্যবস্থা পরিবর্তন করে সমস্ত সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে কর্মরত গেস্ট টিচারদের জন্য একটি নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানী চালু করা হোক। এতে তাঁরা আর্থিক নিরাপত্তা পাবেন এবং মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারবেন।আরও পড়ুনঃ পূর্ণ সময়ের শিক্ষকের চেয়েও বেশি স্যাক্ট (SACT), তবু বঞ্চনার অভিযোগ! হরিয়ানা মডেল চালুর দাবিতে সরব স্টেট এডেড কলেজ টিচাররাদীর্ঘদিনের আন্দোলনের ধারাবাহিকতাসংগঠনের দাবি, ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সাংবিধানিক পদ্ধতিতে গেস্ট টিচারদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়ে আসছে। বিকাশ ভবনে এই ডেপুটেশনও সেই ধারাবাহিক আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, এর আগেও তারা রাজ্য সরকারের বিভিন্ন স্তরে একাধিকবার নিজেদের দাবি তুলে ধরেছে। নবান্ন-সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে গিয়ে একাধিক মন্ত্রী ও জনপ্রতিনিধির কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবারই চাকরির নিরাপত্তা, পরিষেবার ধারাবাহিকতা এবং নির্দিষ্ট মাসিক পারিশ্রমিকের বিষয়গুলিকে অগ্রাধিকার দিয়ে দাবি জানানো হয়েছে।সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগের প্রত্যাশাWBCGTWA-র নেতৃত্বের মতে, ধারাবাহিকভাবে সরকারের বিভিন্ন স্তরে বিষয়টি তুলে ধরার ফলে গেস্ট টিচারদের সমস্যা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হবে। তাঁদের আশা, উচ্চশিক্ষা দপ্তর ও রাজ্য সরকার এই বিষয়ে দ্রুত ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং দীর্ঘদিনের এই অনিশ্চয়তার অবসান ঘটাবে।সংগঠনের বক্তব্য, গেস্ট টিচারদের ন্যায্য অধিকার, সম্মানজনক পারিশ্রমিক এবং চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু শিক্ষকদের স্বার্থেই নয়, রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের জন্যও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে এই শিক্ষক-শিক্ষিকারা কলেজগুলির শিক্ষাদান প্রক্রিয়াকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন।আন্দোলন চলবে, জানাল সংগঠনপশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, গেস্ট টিচারদের ন্যায্য দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন থামবে না। ভবিষ্যতেও শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক এবং সাংবিধানিক পথেই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে সংগঠন।উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়া এই স্মারকলিপির মাধ্যমে গেস্ট টিচারদের দীর্ঘদিনের সমস্যার একটি কার্যকর ও স্থায়ী সমাধানের পথ খুলবে বলেই আশাবাদী সংগঠনের সদস্যরা।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজ্য

রথের আনন্দ মুহূর্তে রক্তাক্ত দিঘা! দাঁড়িয়ে থাকা বাসে লরির ভয়াবহ ধাক্কা, একসঙ্গে চার প্রাণ ঝরে গেল

রথযাত্রার দিন দিঘা যাওয়ার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল চারজনের। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও তিনজন। তাঁদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় তমলুক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে দিঘা-নন্দকুমার জাতীয় সড়কের হেঁড়িয়া এলাকায়। দুর্ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম তপন দাস, শিবব্রত পট্টনায়েক, অশোক মাইতি এবং শুভদীপ মণ্ডল। তপন দাস বাসের মালিক ছিলেন। শিবব্রত পট্টনায়েক ছিলেন বাসচালক। অশোক মাইতি ও শুভদীপ মণ্ডল বাসের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন।জানা গিয়েছে, হাওড়া থেকে দিঘার উদ্দেশে যাচ্ছিল একটি বেসরকারি বাস। বৃহস্পতিবার ভোরে হেঁড়িয়া এলাকায় বাসটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। সেই কারণে বাসটি রাস্তার ধারে দাঁড় করানো হয়। বাসের মালিক, চালক এবং সহকারীরা মেরামতির কাজ করছিলেন। সেই সময় পিছন দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসে সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কার জেরে ঘটনাস্থলেই গুরুতর জখম হন কয়েকজন।বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় মানুষ ছুটে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকেরা চারজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত তিনজনের অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর ঘাতক লরিটিকে আটক করেছে খেজুরি থানার পুলিশ। কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, দ্রুতগতির কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
দেশ

‘প্রভু অহংকার সয় না, তাই সরকারও টেকেনি’! মমতাকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহীর

দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ ব্যবহার নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। বিভিন্ন মহল আপত্তি তুললেও সেই নামেই মন্দিরের উদ্বোধন হয়েছিল। তবে সরকার পরিবর্তনের পর সেই ধাম শব্দ সরিয়ে দেওয়া হয়। এবার এই বিতর্কে নতুন করে মুখ খুললেন পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহী জগন্নাথ দয়িতাপতি। তাঁর দাবি, তিনি আগেই এই বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু তাঁর কথা শোনা হয়নি। তাঁর মন্তব্য, প্রভু কারও অহংকার সহ্য করেন না। সেই কারণেই সরকারও টেকেনি।এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জগন্নাথ দয়িতাপতি বলেন, তিনি কোনও রাজনীতি করেন না, শুধু ধর্মীয় বিধি ও শাস্ত্র অনুযায়ী মত প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য, চার ধামের অন্যতম হল পুরীর জগন্নাথ ধাম। তাই অন্য কোনও মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ ব্যবহার করা উচিত নয়। তিনি জানান, দিঘার মন্দিরের নাম নিয়ে আগেই আপত্তি জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই পরামর্শ মানা হয়নি।তিনি আরও বলেন, দেশে বহু জগন্নাথ মন্দির রয়েছে। কিন্তু ধাম হিসেবে স্বীকৃতি একমাত্র পুরীরই। তাই দিঘার মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ যোগ করা ধর্মীয় দৃষ্টিতে সঠিক ছিল না। তাঁর দাবি, এই বিষয়েই তিনি বারবার সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু সেই কথা গুরুত্ব পায়নি।জগন্নাথ দয়িতাপতি এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসাও করেন। তাঁর বক্তব্য, সরকার পরিবর্তনের পর দিঘার মন্দিরের নাম থেকে ধাম শব্দ সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে তিনি সঠিক বলে উল্লেখ করেন।এর আগে পুরীর প্রধান পুরোহিত রাজেশ দয়িতাপতিও একই ধরনের বক্তব্য রেখেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, দিঘার জগন্নাথ মন্দির প্রতিষ্ঠার সময়ই তিনি কয়েকটি বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। বিশেষ করে পাথরের মূর্তিতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা এবং ধাম শব্দ ব্যবহারের বিরোধিতা করেছিলেন। পরে নিমকাঠের মূর্তি তৈরি হলেও ধাম শব্দটি সরানো হয়নি বলে তাঁর আক্ষেপ ছিল।দিঘার জগন্নাথ মন্দির ঘিরে এই বিতর্ক ফের নতুন করে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। বিশেষ করে মুখ্য পানিগ্রাহীর মন্তব্য ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

জুলাই ১৬, ২০২৬
কলকাতা

‘পশ্চিমবঙ্গের কিছু জেলা বাংলাদেশ হয়ে গিয়েছে’! বিস্ফোরক দাবি শমীকের, পুজো নিয়েও বড় বার্তা

রাজ্যে মৌলবাদের বাড়বাড়ন্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার রথযাত্রার দিন কলেজ স্কোয়্যারে দুর্গাপুজোর খুঁটিপুজোয় যোগ দিয়ে তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলার পরিস্থিতি দেখে বাংলাদেশের কথা মনে পড়ছে। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন জায়গায় এমন নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে যেখানে প্রদীপ জ্বালানো যাবে, কিন্তু শাঁখ বাজানো যাবে না। মরদেহের শেষকৃত্য করা যাবে, কিন্তু হরিবোল ধ্বনি দেওয়া যাবে না। স্বাধীন ভারতে এই ধরনের ঘটনা উদ্বেগের বলে মন্তব্য করেন তিনি।শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, বাংলাদেশে দুর্গাপ্রতিমা ভাঙচুর, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাধা এবং হিন্দুদের উপর হামলার যে অভিযোগ ওঠে, পশ্চিমবঙ্গের কিছু জায়গাতেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে যেমন দুর্গাপুজোর সময় গান বন্ধ করে অন্য শব্দ বাজানো হয়, তেমন ঘটনাও এ রাজ্যের কিছু এলাকায় দেখা গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মুর্শিদাবাদ-সহ একাধিক জেলায় ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো প্রসঙ্গেও তৎকালীন তৃণমূল সরকারকে কটাক্ষ করেন বিজেপি সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, একসময় দুর্গাপুজোকে শুধুমাত্র উৎসব হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু দুর্গাপুজো শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির ধর্মীয় বিশ্বাস এবং সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি বলেন, প্রতিমাকে সরিয়ে রেখে শুধু থিম বা আলোর আয়োজন করলে মানুষ সেই পুজোর সঙ্গে একাত্ম হতে পারবেন না। দুর্গাপুজোর মূল আকর্ষণ দেবী দুর্গার আরাধনা, সেই ঐতিহ্য রক্ষা করতেই হবে।এদিন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গও তুলে আনেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনিষ্ঠতম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি পূর্ব পাকিস্তানে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে তিনি সরব হয়েছিলেন। সেই সময় তিনি বিভিন্ন মহলের সহযোগিতা চাইলেও শেষ পর্যন্ত একাই আন্দোলন চালিয়ে গিয়েছিলেন বলে দাবি করেন বিজেপি সভাপতি।রথযাত্রার দিন কলেজ স্কোয়্যার থেকে শমীক ভট্টাচার্যের এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। দুর্গাপুজো, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর একাধিক বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal