• ৬ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ২৪ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SSKM

কলকাতা

এসএসকেএমে যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার! রাজ্যের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে চরম প্রশ্ন

কলকাতার দুই নামী সরকারি হাসপাতালে একদিনে দুটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এসএসকেএম হাসপাতালে এক সাফাই কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে, অন্যদিকে আরজি কর হাসপাতালে লিফটে আটকে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই দুই ঘটনার পর স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এসএসকেএম হাসপাতালের নিউ ওপিডি ভবনের তৃতীয় তলা থেকে উদ্ধার করা হয় ইমরান সর্দার নামে এক যুবকের দেহ। বয়স একুশ বছর। তিনি চুক্তিভিত্তিক সাফাই কর্মী ছিলেন। পুলিশ প্রাথমিকভাবে মনে করছে, গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। ঘটনাস্থলের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ ছিল বলেও জানা গেছে। দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের সদস্য এবং সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলছেন তদন্তকারীরা। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে আরজি কর হাসপাতালে আরও একটি মর্মান্তিক ঘটনার অভিযোগ সামনে এসেছে। নাগেরবাজারের এক বাসিন্দা ছেলের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে এসেছিলেন। অভিযোগ, ট্রমা কেয়ার ভবনের লিফটে আটকে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের দাবি, প্রায় দেড় ঘণ্টা তিনি লিফটের ভিতরে আটকে ছিলেন। অনেক চিৎকার করলেও কেউ সাহায্য করতে আসেনি।মৃতের পরিবারের সদস্যরা জানান, লিফটের দরজা খুলতে দেরি হওয়াতেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। তাঁদের অভিযোগ, রাতে কোনও লিফটম্যান উপস্থিত ছিলেন না। এমনকি লিফটটি আগে থেকেই খারাপ ছিল বলেও দাবি করেছেন অন্য রোগীর পরিজনেরা। কিন্তু সেই বিষয়ে কোনও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।এই দুই ঘটনার পর হাসপাতালের নিরাপত্তা এবং পরিষেবা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে রোগী ও তাঁদের পরিবারের মধ্যে। যদিও এখনও পর্যন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনও স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মার্চ ২০, ২০২৬
কলকাতা

এসএসকেএমে হঠাৎই শুরু চোর ধরার নাটক, তারপর গণপিটুনি— আতঙ্কে রোগীরা

কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত সরকারি হাসপাতাল এসএসকেএমে রীতিমতো চাঞ্চল্য। মোবাইল চোর সন্দেহে এক যুবককে প্রকাশ্য রাস্তায়, তাও পুলিশের সামনেই, বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল রোগীর আত্মীয়দের বিরুদ্ধে। শুক্রবার দুপুরে ঘটে এই ঘটনা। মুহূর্তে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে হাসপাতাল চত্বর।চিকিৎসার জন্য রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে আসেন রোগীরা। তাঁদের সঙ্গে দীর্ঘদিন হাসপাতালে থাকতে হয় পরিবারের সদস্যদেরও। অভিযোগ, গত কয়েকদিন ধরে হাসপাতাল চত্বরে একের পর এক মোবাইল ফোন, টাকা ও ব্যাগ হারিয়ে যাচ্ছিল। কারা এই চুরির নেপথ্যে তা বুঝে উঠতে পারছিলেন না কেউ।এদিন হঠাৎই চত্বরে হৈচৈ শুরু হয়। উপস্থিতদের দাবি, এক যুবককে নাকি মোবাইল চুরি করার সময় হাতে নাতে ধরে ফেলেন রোগীর আত্মীয়রা। মুহূর্তে চারদিক থেকে তাঁরা ঝাঁপিয়ে পড়েন। চোর ধরো, চোর ধরো চিৎকারের মধ্যেই শুরু হয় মারধর। চোখের সামনে পুলিশ থাকলেও, উত্তেজিত জনতা থামছিল না।অভিযোগ, এসএসকেএমের ভেতর কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীরা ছুটে এসে কোনওরকমে জনতাকে থামান। সেই যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ভবানীপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। খবর ছড়াতেই হাসপাতাল চত্বরজুড়ে আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা ছড়ায়। অনেক রোগীর আত্মীয়ই চিৎকার করে জানান, আমাদের জিনিস হারাচ্ছে বারবার, এবার আর চুপ থাকা যায়নি।অন্যদিকে, পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, পুলিশ সামনেই মারধর চলছিল। অথচ কেউ থামাতে এগোয়নি। পুলিশের তরফে অবশ্য জানানো হয়েছে, গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে চুরি সংক্রান্ত অভিযোগ যাচাই করা হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এই ঘটনার পর নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে এসএসকেএম হাসপাতাল চত্বরে। প্রায়ই সেখানে রোগীর আত্মীয়দের সঙ্গে বাইরের লোকজনের ভিড় লেগেই থাকে। দিনদুপুরে এই ধরনের গণপিটুনি কেবল আতঙ্কই নয়, আইনশৃঙ্খলা নিয়েও বড় প্রশ্ন তুলে দিল।

নভেম্বর ০৯, ২০২৫
কলকাতা

বাংলার সঙ্গীত জগতে নক্ষত্রপতন, "আমি বাংলায় গান গাই"- প্রতুল মুখোপাধ্যায় প্রয়াত

আমি বাংলার গান গাই- খ্যাতনামা সঙ্গীত শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়(Pratul Mukhopadhyay) প্রয়াত। দীর্ঘ দিন ধরে এসএসকেএম (SSKM)-এ ভর্তি ছিলেন সৃজনশীল বর্ষীয়াণ শিল্পী। মত্যুকালে প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের বয়স হয়েছিল ৮২। ১৯৪২ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি। প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বাংলা সঙ্গীত জগৎ। তাঁর প্রয়াণের খবর পেয়েই হাসপাতালে যান দুই মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও ইন্দ্রনীল সেন শনিবার দুপুর ২টো থেকে বিকেল পৌনে ৫টা পর্যন্ত শিল্পীর দেহ রাখা ছিল রবীন্দ্রসদনে। সঙ্গীত জগত থেকে রাজনৈতিক মহল, সাধারাণ মানুষ এসেছিলেন প্রয়াত শিল্পীকে শ্রদ্ধা জানাতে। উপস্থিত হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রয়াত শিল্পীর স্ত্রী সর্বাণী মুখোপাধ্যায়কে সমবেদনা জানান মুখ্যমন্ত্রী। শিল্পী দেহদানের অঙ্গীকার করে গিয়েছিলেন। শিল্লীকে রবীন্দ্রসদনে গান স্যালুট দেওয়া হয়। তারপর শিল্পী নিশ্বর দেহর এসএসকেএম হাসাপাতাল কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয়।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশাল মিডিয়ায় লিখেছেন-ডিঙ্গা ভাসাও সাগরে সাথীরে / ডিঙ্গা ভাসাও সাগরেপূবের আকাশ রাঙ্গা হল সাথী / ঘুমায়োনা আর, জাগো রে।প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের কণ্ঠের মূর্ছনায় বাংলা সঙ্গীত জগত প্রাণবন্ত ও মুগ্ধ। তাঁর বাদ্যহীন কণ্ঠের জাদুতে বাক্রুদ্ধ সমগ্র সঙ্গীত জগত সেই আধুনিক বাংলা গানের খ্যাতনামা শিল্পী, গীতিকার প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে আমি শোকস্তব্ধ। আজ রবীন্দ্র সদনে তাঁর প্রতি জানালাম শেষ শ্রদ্ধা। আমি যেমন তাঁর একজন গুণমুগ্ধ ভক্ত, তেমনই তিনিও আমার খুব কাছের মানুষ। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা এবং সঙ্গীত জগতে তাঁর সুরেলা কণ্ঠের গায়কি আজীবন থেকে যাবে আমাদের মননে। আজ পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁকে গান স্যালুটের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানায় আপামর বাঙালি। আমি তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৫
রাজ্য

এসএসকেএম হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী মমতার কাঁধে ছোট্ট অস্ত্রোপচার

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডান কাঁধে ছোট্ট অস্ত্রোপচার করা হয়েছে শুক্রবার। এই অস্ত্রোপচারের পর তিনি সুস্থই রয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় এই খবর জানান এসএসকেএম হাসপাতালের ডিরেক্টর মণিময় বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিট নাগাদ হাসপাতাল থেকে বের হন মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবার এসএসকেএমে এসেছিলেন কলকাতার মেয়র ও পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।রশুক্রবার দুপুরে রুটিন চেকআপের জন্য এসএসকেএমে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। হাসপাতাল সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রীর শারীরিক পরীক্ষার সময়ে চিকিৎসকেরা তাঁর ডান কাঁধে পুরনো চোটের জায়গায় অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন বোধ করেন। তার পরেই উডবার্ন ব্লকের ওটিতে মুখ্যমন্ত্রীর ডান কাঁধে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মণিময়। তিনি বলেছেন, রুটিন চেক আপের জন্য এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। চেকআপের সময় তাঁর ডান কাঁধে ছোট্ট অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন বোধ করেন চিকিৎসকেরা। পুরনো চোটের জায়গাতেই ওই অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়। উডবার্ন ওটিতে তাঁর অস্ত্রোপচার হয়েছে। তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। এখন চিকিৎসকদের সঙ্গে চা-পান করছেন তিনি।এদিকে শুক্রবার এসএসকেএমে ঢোকার সময়ে মমতা জানান, রুটিন চেক আপের জন্যই এসেছেন। তাঁর শরীর একেবারেই ঠিক আছে। তিনি বলেন, শরীর ঠিক রয়েছে। পা চেকআপ করাতে এসেছি। আমি হাঁটছি। সবই ঠিক রয়েছে। রোজ বিশ হাজার স্টেপ করছি। এমনিতে সময় পাই না। শুধু এক্স-রে করাতে এসেছি। এর পর তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের নতুন বছরের শুভেচ্ছাও জানান। এও জানান, এগুলো বলে মানুষকে বিরক্ত করার কোনও মানে হয় না। এখন সকলে সময়টা উপভোগ করুন।এর আগে গত সেপ্টেম্বর মাসে স্পেন এবং দুবাই সফর সেরে এসএসকেএমে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বিদেশে থাকাকালীন বাঁ পায়ের হাঁটুতে চোট পেয়েছিলেন। ব্যস্ত কর্মসূচি থাকায় বিদেশ সফরে পায়ের চিকিৎসা করাতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। কলকাতায় ফেরার এক দিন পরেই নিজের পায়ের চিকিৎসা করাতে যান তিনি।গত ২৭ জুন জলপাইগুড়ি থেকে আকাশে ওড়ার পরই দুর্যোগের মধ্যে পড়ে মুখ্যমন্ত্রীর হেলিকপ্টার। বৈকুণ্ঠপুরের জঙ্গলের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় প্রবল ঝড়-বৃষ্টির মুখে পড়ে ওই হেলিকপ্টারটি। দুর্ঘটনা এড়াতে বিমানের জরুরি অবতরণ করানো হয় সেবকে, বায়ুসেনার ঘাঁটিতে। সেখানেই কপ্টার থেকে তড়িঘড়ি নামতে গিয়ে কোমরে এবং পায়ে চোট পান মমতা। সেই সময় থেকেই এসএসকেএম হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। যে কারণে কয়েক দিন হাসপাতালে ভর্তিও থাকতে হয়েছিল তাঁকে। জুন মাসে যে পায়ে চোট পেয়েছিলেন তিনি, পরে বিদেশ সফরে সেই পায়েই চোট পেয়েছিলেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছিল। তাঁর পায়ের আঘাতের ভুল চিকিৎসা হয়েছিল এসএসকেএমে, একথা বলেছিলেন স্বয়ং মমতা। যদিও এসএসকেএমের তরফে সেই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২৩
রাজ্য

সকালেই ইডির নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল, কাকু এসএসকেএম-এর ICCU-তে

কালীঘাটের কাকুকে নিয়ে বিড়ম্বনা বেড়েই চলেছে ইডির। আদালতের নির্দেশ মতো আজ সকালেই কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে নিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে যাওয়ার কথা ছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের। শুক্রবার সকালে এসএএসকেএমে পৌঁছে যায় অ্যাম্বুলেন্স। কিন্তু এসএসকেএমে পৌঁছে ইডি আধিকারিকরা জানতে পারেন কালীঘাটের কাকুকে আইসিসিইউ-তে স্থানান্তর করা হয়েছে। আজ ফের এক দফায় তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ। চিকিৎসকরা গ্রিন সিগন্যাল দিলে তবেই সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে নিয়ে যেতে পারবে ইডি। তবে সেটা না হলে ইডিও পরবর্তী কঠিন পদক্ষেপের জন্য তৈরি।কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বর পরীকা করে দেখতে মরিয়া ইডি। নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে নেমে একটি অডিও ক্লিপিংস হাতে এসেছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার। সেই অডিও ক্লিপিংসটির কণ্ঠস্বর সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের হতে পারে বলে সন্দেহ ইডির। সেই কারণেই তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা করে দেখতে চায় ইডি। তবে শারীরিক অসুস্থতার দরুণ গত ২৩ অগাস্ট থেকে এসএসকেএমে ভর্তি রয়েছেন কালীঘাটের কাকু। ইডি বারবার এসএসকেএমে গিয়েও তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে পারেনি। এক্ষেত্রে এসএসকেএম কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেই অসহযোগিতার অভিযোগ এনেছে ইডি।শেষমেশ আদালতের নির্দেশে কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর ভার এসেছে ইডির হাতেও। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার অধীনস্থ জোকা ইএসআই হাসপাতালে তাঁকে নিয়ে যেতে চায় ইডি। শুক্রবার সকালেই তাঁকে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল।ইডি সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্তও এসএসকেএম-এর সাধারণ কেবিনে রাখা হয়েছিল কালীঘাটের কাকুকে। কিন্তু শুক্রবার সকালে তাঁরা হাসপাতালে গিয়ে জানতে পারেন গতরাতেই তাঁকে কার্ডিওলজি বিভাগের আইসিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছে। ইডির আশঙ্কা, এক্ষেত্রে গভীর চক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে।কালীঘাটের কাকুকে নিয়ে যেতে শুক্রবার সকালেই এসএসকেএম-এর বাইরে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে যায় ইডি। সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে নিয়ে যেতে এসএসকেএম কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয় ইডির অফিসারদের। তবে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ ফের এক দফায় কালীঘাটের কাকুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। চিকিৎসকরা গ্রিন সিগন্যাল দিলে তবেই তাঁকে নিয়ে জোকা ইএসআই হাসপাতালে যেতে পারবে ইডি। তবে ইডি সূত্রেরও খবর, আজ এসএসকেএম থেকে কালীঘাটের কাকুকে বের করা না গেলে ফের তাঁরা আদালতের দ্বারস্থ হবেন।এদিকে এদিন সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দপ্তরে এলেন দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান পাঁচু রায়। ইডি দপ্তরে ঢোকার সময় তিনি জানান, ইডি রেড করার সময় তার বাড়ি থেকে সিজ করে নিয়ে আসা জিনিস তাকে দেখানোর জন্যই ডাকা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৩
রাজ্য

আমার সামনে ঘটলে মাথার ওপর শুট করতাম,' বললেন অভিষেক

এসএসকেএম হাসপাতালে কলকাতা পুলিশের এসিপি দেবজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে দেখতে গেলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে এসে অভিষেক বলেন, নবান্ন ঘেরাওয়ের নাম করে হিংসা, গুন্ডামি সারা বাংলাবাসীর কাছে তুলে ধরেছে বিজেপি। আন্দোলনের নামে গুন্ডামি, দাদগিরি, পুলিশের গাড়িতে আগুন, পুলিশের ওপর নির্মম ভাবে লোহার রড দিয়েছে আঘাত করছে। ওনার পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছে বা হাত ভেঙে গিয়েছে। সারা গায়ে আঘাতের চিহ্ণ। গতকাল পুলিশ সংযম ও সহনশীলতার পরিচয় দিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পূর্ব মেদিনীপুরে প্রশাসনিক সভায় কিছুক্ষণ আগেই বলেছেন, পুলিশ ইচ্ছে করলে গুলি চালাতে পারত। সংযত ছিল। সেই সূত্র ধরেই যেন অভিষেক বলেন, পুলিশ কাল চাইলে পারত এলোপাথারি গুলি করে ২০টা লোক মেরে দিতে। তাহলেই আন্দোলন নষ্ট হয়ে যেত। যেটা সিপিএমের সময় হত। পুলিশের সহজ উপায় গুলি চালানো। নিরস্ত অফিসারকে লোহার রড দিয়ে মারা হয়েছে। আন্দোলনকারীদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বাংলার মানুষের কাছে আমরা ছেড়ে দিচ্ছি। ওই অফিসারের জায়গায় আমি থাকলে মাথার ওপর শুট করতাম। ওনারা ধৈর্য ও সংযমের পরিচয় দিয়েছে।Shri Debjit Chatterjee sustained serious injuries yesterday owing to @BJP4Bengals HOOLIGANISM.The compassion of our Honble National Gen Sec Shri @abhishekaitc knows no bounds - he visited SSKM hospital today to meet with the injured Assistant Commissioner of @KolkataPolice. pic.twitter.com/ujHhwGhT1L All India Trinamool Congress (@AITCofficial) September 14, 2022বিচার ব্যবস্থার ওপর তোপ দেগেছেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। অভিষেক বলেন, বিজেপি করি বলি যা করব পার পেয়ে যাব। হাইকোর্ট থাকতে এ ঘটনা ঘটে কি করে। যাদের প্ররোচনা ও প্রত্যক্ষ মদতে ঘটনা ঘটেছে হাইকোর্ট কি ব্যবস্থা নেবে তার ওপর আমাদের নজর থাকবে। বিজেপি কর্মী সমর্থকরা যা খুশি করবে বেল পেয়ে যাব। জুডিশিয়ারির একাংশের এদের মাথায় হাত রয়েছে। জুডিশিয়ারির একাংশ এদের সেল্টার দিচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২২
রাজনীতি

অনুব্রত মন্ডল ছাড়া পাচ্ছেন হাসপাতাল থেকে, থাকবেন কলকাতাতেই

সিবিআই তলবের দিন এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য অনুব্রত মণ্ডল৷ হাসপাতাল সূত্র জানা গিয়েছে, ভর্তি হওয়ার সতেরো দিন পর এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাচ্ছেন তৃণমূল নেতা অনুব্রত। গরুপাচার কাণ্ডে বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতিকে ৬ এপ্রিল নিজাম প্যালেসে তলব করেছিল সিবিআই। আগের দিন কলকাতায় চিনারপার্কে নিজের ফ্লাটে এসেও ছিলেন অনুব্রত। কিন্তু পরের দিন নিজাম প্যালেসে না গিয়ে শারীরিক অসুস্থতার জন্য তিনি এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছিল। এদিকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কারণে সিবিআই-এর সামনেও হাজিরা দেননি অনুব্রত মণ্ডল৷ সিবিআইকে চিঠি দিয়ে অনুব্রতর আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন, হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসকদের অনুমতি নিয়ে তাঁদের মক্কেলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, অনুব্রত মণ্ডলের হৃদযন্ত্রের দুটি ধমনীতে ব্লকেজ রয়েছে৷ আপাতত তাঁকে সম্পূর্ণ বেড রেস্টে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এখন তিনি বীরভূম যাচ্ছেন না। চিনারপার্কের ফ্লাটেই তিনি থাকবেন।গরু পাচার কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অনুব্রত মণ্ডলকে ৫ বার তলব করেছিল সিবিআই৷ প্রতিবারই কোনও না কোনও কারণে সিবিআয়ের তলব এড়িয়ে গিয়েছেন দোর্দন্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতা। এবার শ্বাসকষ্ট নিয়ে তিনি ভর্তি হয়েছিলেন।

এপ্রিল ২২, ২০২২
রাজ্য

এভাবে সিবিআই থেকে বাঁচতে পারবেন না অনুব্রত', বর্ধমানে মন্তব্য রাজ্য বিজেপি সভাপতির

গতকাল অনুব্রত যখন বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তখন আমি বলেছিলাম ক্যামেরার মুখগুলো উডবার্ন ওয়ার্ডের দিকে ঘুরিয়ে রাখতে। উনি আমার সেই ভবিষ্যৎবাণীকে ঠিক প্রমাণ করলেন। বর্ধমানে এসে অনুব্রত মন্ডলের বিষয়ে এই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এদিন বর্ধমানে দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি।সুকান্ত আরও বলেন, এটা ওনার পূর্ব পরিকল্পিত। এভাবে সিবিআই থেকে বাঁচতে চাইছেন উনি। কিন্তু বাঁচতে পারবেন না। এদিন পুরুলিয়ার ঝালদায় কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু খুনের প্রত্যক্ষদর্শী নিরঞ্জন বৈষ্ণবের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পুরুলিয়ার তপন কান্দু খুনের প্রত্যক্ষদর্শীর মৃত্যু নিয়ে তিনি বলেন, এই মৃত্যুও খুবই সন্দেহজনক। আগের মৃত্যু অর্থাৎ কাউন্সিলর খুনের সাথে এর যোগ আছে। ইনিই একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন। তথাকথিত সুইসাইড নোটেও উনি পুলিশের হয়রানির অভিযোগ করেছেন। এই মৃত্যুর তদন্তও সিবিআই মারফৎ হওয়া উচিত।এদিকে এসএসসির নিয়োগ নিয়েও আদালতের নির্দেশে সিবিআই তদন্ত শুরু হয়েছে। এই প্রসঙ্গে তিনি রাজ্য সরকারকে একহাত নেন। রাজ্য বিজেপি সভাপতি বলেন, সিবিআইয়ের হাত শিক্ষামন্ত্রীর আপ্ত সহায়ক অবধি পৌঁছে গেছে। শিক্ষামন্ত্রী পর্যন্ত পৌঁছে যায় কীনা তা দেখা সময়ের অপেক্ষা। এককালে এই এসএসসিতেই অনেক যুবক-যুবতী চাকরি পেয়েছেন।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
রাজ্য

অনুব্রতর সিবিআইয়ে গরহাজিরা, 'খোঁচা' খোদ তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণালের

গরুপাচার কান্ডে এবারও সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদ এড়ালেন অনুব্রত মন্ডল। এবার বীরভূমের তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি ভর্তি হয়েছেন এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ণ ওয়ার্ডে। তাঁর আইনজীবীরা সিবিআইকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন অনুব্রত অসুস্থ তাই আসতে পারছেন না। এদিকে অনুব্রতর সিবিআই হাজিরা নিয়ে খোঁচা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি কখনও জেরা এড়িয়ে যাননি বলে স্পষ্ট দাবি করেছেন।অনুব্রতর সিবিআইতে হাজির না হওয়া প্রসঙ্গে কুণাল বলেন, ওনার শরীর অসুস্থ বা কেন সিবিআইতে যাননি তা তাঁর আইনজীবীরা বলতে পারবেন। তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না। তবে আমি বলতে পারি, সিবিআই, ইডি, এসএফআইও, থানা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যখনই ডেকেছে গিয়েছি। বরং নির্ধারিত সময়ের পাঁচ মিনিট আগে হাজির হয়েছি। কারণ আমি কোনও অন্য়ায় করিনি। আমাদের দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইডি দফতরে হাজির হচ্ছেন। মাথা উঁচু করে বেরিয়ে আসছেন।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সরাসরি কিছু না বললেও অনেক কিছুই স্পষ্ট করে দিয়েছেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অভিজ্ঞ মহলের মতে, অনুব্রত প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি শুধু ওই বিষয়টা বলেই থেমে যেতে পারতেন। সেখানে কুণাল পাঁচ মিনিট আগে হাজির হওয়ার কথা, নিজে অন্যায় না করার কথা ঘোষণা করেছেন, পাশাপাশি অভিষেকের মাথা উঁচু করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার অফিস থেকে বেরিয়ে আসার কথা বলেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক। কেন অনুব্রতর সিবিআই-হাজিরা নিয়ে নিজের ও অভিষেকের প্রসঙ্গ টানলেন কুণাল ঘোষ, তা নিয়েই জল্পনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
রাজ্য

"তীর বেঁধা পাখী আর গাইবে না গান", প্রয়াত বাংলার নাইটিঙ্গেল সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়

তীর বেঁধা পাখী আর গাইবে না গান, ভুলে গেছে জীবনের হাসি কলতান। গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়-র সুরেলা গলা আর কোনওদিন বলে উঠবে না, গানে মোর কোন ইন্দ্রধনু......। করোনার কারল গ্রাস কেড়ে নিলো আরও এক প্রবাদপ্রতীম শিল্পীকে। লতা মঙ্গেশকরের শোক কাটতে না কাটতেই আরেক ধাক্কা দেশবাসীর কাছে।১৯৩০-র ৪ অক্টোবর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। বাংলা স্বর্ণ যুগের শেষ অবিসংবদিত প্লেব্যাক ও আধুনিক গানের শিল্পী ঘুম ঘুম চাঁদ, ঝিকিমিকি তারা গাইতে গাইতে ৯০ বছর বয়সে চিরঘুমের দেশে চলে গেলেন। সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় আধুনিক ও সিনেমার গানের সাথে সাথে সমান পারদর্শী ছিলেন ভরতীয় মার্গসঙ্গীতে। তিনি পণ্ডিত সন্তোষ কুমার বসু, অধ্যাপক এ টি ক্যানন এবং অধ্যাপক চিন্ময় লাহিড়ীর নিকট ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিক্ষা লাভ করেন। এছাড়াও প্রবাদপ্রতীম সঙ্গীত গুরু উস্তাদ বড়ে গোলাম আলী খান-র কাছে শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিক্ষা নেন। উস্তাদ বড়ে গোলাম আলী খান-র অবর্তমানে তাঁর সুযোগ্য পুত্র উস্তাদ মুনাওয়ার আলী খান-র কাছেও তিনি ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিক্ষালাভ করেছিলেন।১৯৭০ রে জয় জয়ন্তী এবং নিশি পদ্ম চলচ্চিত্রে তার গানের জন্য তিনি সেরা নেপথ্য গায়িকার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। ২০১১ তে পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান বঙ্গবিভূষণ পুরস্কারে পুরস্কৃত করা হয়।যদিও তিনি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে সু-প্রশিক্ষিত, তবুও তাঁর বেশিরভাগ সাফল্য বাংলা আধুনিক গানে। ১৯৫০ এ তারানা সিনেমায় একটি গান দিয়ে তাঁর মুম্বাইতে হিন্দি গান গাওয়ার যাত্রা শুরু করেন। তিনি ১৭টি হিন্দি সিনেমায় গান গেয়েছিলেন। পারিবারিক সমস্যার কারণে ১৯৫২ তে তিনি কলকাতায় ফিরে আসার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। ১৯৬৬ তে কবি শ্যামল গুপ্তের সাথে তাঁর বিবাহ হয়। বাংলা গানের এক অমর কথা শিল্পী শ্যামল গুপ্ত সন্ধ্যার বহু কালজয়ী গানের কথা লিখেছেন।২৬ জানুয়ারি বুধবার প্রজাতন্ত্র দিবসের সন্ধ্যাবেলা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বাংলার স্বর্ণযুগের শেষ সঙ্গীতশিল্পী। তার ঠিক পরের দিনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে গ্রিন করিডোর করে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করানো হয়। সেইসময় হাসপাতাল কতৃপক্ষ মেডিকেল বুলেটিন-এ জানায় শিল্পীর ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পরেছে। তাঁর মাত্র কয়েকদিন আগেই তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের পদ্ম সম্মান প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। এই নিয়ে নানামহলে বিতর্কের সৃষ্টি হয়।অসুস্থ সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কে উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। মেডিক্যাল বোর্ড জানায় আগেরদিন রাতে শৌচাগারে পড়ে গিয়ে চোট পান তিনি। তার সঙ্গে শুরু হয়েছিল শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যাও। তাঁর দুটি ফুসফুসেই ভয়ানক সংক্রমণ দেখা দেয়। এর পর বেশ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। সোমবার রাতে তার অস্ত্রোপচার হয়েছিল, ফুসফুসের সংক্রমণও অনেক নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছিল।সন্ধ্যা - হেমন্ত বাংলা সিনেমার সঙ্গীতের এক অবিস্মরনীয় জুটি। তাঁদের গলায় উত্তম-সুচিত্রা সিনেমায় একের পর এক অমর গান মানুষের মুখে মুখে আজও ঘুরে বেড়ায়। সেইসময় সুচিত্রা সেনের কণ্ঠের সাথে সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় ছাড়া কারুর গানই সেভাবে শোনা যেতো না। হেমন্ত মুখার্জির সুরে তিনি বহু গান গেয়েছেন, এছাড়াও রবিন চট্টোপাধ্যায় ও নচিকেতা ঘোষের সঙ্গেও তিনি অনেক কাজ করেন।বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালিন, যুদ্ধের হাত থেকে বাঁচতে কলকাতা তথা পশ্চিমবঙ্গে আগত লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তুদের জন্য তিনি ভারতীয় বাঙালি শিল্পীদের সঙ্গে গণ আন্দোলনে যোগ দেন এবং তাদের সাহায্যের জন্য অর্থ সংগ্রহ করেন। কারাগারে বন্দী নতুন বাংলাদেশের কারিগর বাংলাদেশের মুক্তিসুর্য শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তির উপলক্ষে তার গাওয়া বঙ্গবন্ধু তুমি ফিরে এলে গানটি বাংলাদেশে দারুন জনপ্রিয়। ১৯৭১ এ বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, প্রথম একুশে ফেব্রুয়ারির উদ্যাপন উপলক্ষে ঢাকায় পল্টন ময়দানের একটি উন্মুক্ত কনসার্টে অনুষ্ঠান করা তিনিই ছিলেন অন্যতম প্রথম বিদেশি শিল্পী।১৯৭১ সালে জয় জয়ন্তী এবং নিশিপদ্ম ছবিতে যে দুটি গান গেয়ে শ্রেষ্ঠ গায়িকা হিসেবে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, তার একটি হল ওরে সকল সোনা মলিন হল আপরটি আমাদের ছুটি ছুটি গাইতেই গাইতেই যেন তিনি সত্যিই চির ছুটিতে চলে গেলেন।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
কলকাতা

গুরুতর অসুস্থ সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, গ্রিন করিডর করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এসএসকেএমে

গুরুতর অসুস্থ সঙ্গীতশিল্পী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। তাঁকে গ্রিন করিডোর করে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কে নিজে ফোন করে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে সময় শিল্পীকে কিছুটা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত বলে হয় মুখ্যমন্ত্রীর। সূত্রের খবর, এর পর শিল্পীর মেয়েকে ফোন করে সন্ধ্যা দেবীর খবরাখবর নেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর চিকিৎসা সংক্রান্ত যে কোনও প্রয়োজনে রাজ্য সরকার সাহায্য করবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।সূত্রের খবর, ফুসফুসে সংক্রমণ রয়েছে তাঁর। বুধবার সন্ধ্যে থেকেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন শিল্পী। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছু দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। কিন্তু বুধবার রাতে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। বৃহস্পতিবার সকালে চিকিৎসকদের পরামর্শ নেয় পরিবার। বিষয়টি জানানো হয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মৌসুমী দাসকে।বুধবার রাত থেকে শ্বাসকষ্টের সমস্যা বাড়ে শিল্পীর। শিল্পীর আরটিপিসিআর টেস্ট করা হয়েছে, চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেই সব পদক্ষেপ করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, সঙ্গীতশিল্পীকে এসএসকেএমের উডবার্ন ভর্তি করা হচ্ছে। সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসকও রয়েছেন। দু দিন আগেই কেন্দ্রের পদ্ম সম্মান প্রত্যাখ্যান করেছিলেন গীতশ্রী।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
কলকাতা

Swapan Debnath: গুরুতর অসুস্থ মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

গুরুতর অসুস্থ রাজ্যের প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী তথা পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক স্বপন দেবনাথ। মঙ্গলবার দুপুরে আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন স্বপন দেবনাথ। খবর দেওয়া হয় চিকিৎসককে। মন্ত্রীর রক্তচাপ কম থাকায় তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন চিকিৎসক।মঙ্গলবার কলকাতায় নিজের দপ্তরেই ছিলেন তিনি। দুপুরে আচমকা শ্বাসকষ্ট হয় তাঁর। বুকে ব্যথা অনুভব করেন তিনি। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় চিকিৎসককে। চিকিৎসক এসে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। ইসিজি করা হয় বর্ষীয়ান এই মন্ত্রীর। হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন চিকিৎসক। তাঁর রক্তচাপ কমে গিয়েছে। অ্যাম্বুল্যান্সে করে তাঁকে হাসপাতালে পাঠানোর বন্দোবস্ত করা হয়। প্রথমে নিউটাউনের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হবে।বর্ধমানের রাজনীতিতে অত্যন্ত পরিচিত মুখ বর্ষীয়ান স্বপনবাবু। মমতার মন্ত্রিসভায় প্রথম দিন থেকেই মন্ত্রিত্বের ভার সামলাচ্ছেন স্বপনবাবু। রাজনীতির বাইরেও অন্য রকম পরিচিতি রয়েছে স্বপনবাবুর। পূর্ব বর্ধমান জেলার এই প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার যাত্রার প্রতি ভীষণ আগ্রহ রয়েছে। নিজেও যাত্রায় অভিনয় করেছেন। এমনকী যাত্রাদলের প্রযোজক হিসেবেও সমানতালে কাজ করেছেন স্বপন দেবনাথ।

নভেম্বর ২৩, ২০২১
কলকাতা

SSKM: বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ছিলেন না, মন্ত্রীর মৃত্যুতে প্রশ্নের মুখে এসএসকেএম

সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণের পর প্রশ্নের মুখে এসএসকেএম হাসপাতাল। তাঁর আইনজীবী মনিশঙ্কর মুখোপাধ্যায়ের বিস্ফোরক অভিযোগ, জুনিয়র ডাক্তাররা এসে পাম্প করছিলেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ছিলেন না। যখন ব্যথা হচ্ছিল, কিন্তু বিশেষজ্ঞরা কেউ ছিলেন না।সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের আইনজীবী বলছেন, কোনও চিকিৎসক ছিলেন না। শহরের অন্যতম সরকারি হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে একগুচ্ছ প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।যদি এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ ঘটনার কথা অস্বীকার করছে না। তাঁরা বলছেন, ঘটনার সময়ে মেডিক্যাল বোর্ডের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ওয়ার্ডে ছিলেন না। সন্ধ্যেবেলার রাউন্ড শেষে সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে দেখে যান তাঁরা। সন্ধ্যার পর যে এ ধরনের কোনও ঘটনা ঘটতে পারে, এমন কোনও ইঙ্গিতই পাননি বিশেষজ্ঞরা। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, যখন সুব্রত মুখোপাধ্যায় হাসপাতালে এসেছিলেন, তাঁর হৃদপিণ্ড ঠিকমতো কাজ করছিল না। তাঁর প্রবল শ্বাসকষ্ট ছিল।তাঁকে স্টেইন বসানোর পর ৪৮ ঘণ্টা চিকিৎসকরা পর্যবেক্ষণে রাখেন। স্টেইন বসানোর আগে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বেশ কয়েকবার হৃদপিণ্ডের গতির ছন্দপতন অর্থাৎ হার্ট অ্যারিথমিয়া হয়ে যায়। কিন্তু সোমবার স্টেইন বসানোর পর মঙ্গল ও বুধবার তাঁর হৃদপিণ্ডের ছন্দপতন ঘটেনি। সন্ধ্যায় চিকিৎসকরা দেখে বলেছিলেন, সুব্রত মুখোপাধ্যায় অনেকটাই সুস্থ রয়েছেন। আজ, শুক্রবার তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আচমকাই তাঁর হার্ট অ্যারিথমিয়া হয়। তার কারণ হিসাবে চিকিৎসকরা বলছেন, আর্টারি, হৃদপিণ্ডের মাংসপেশি আগের থেকেই অনেক বেশি দুর্বল ছিল। সেই কারণেই এটা ঘটেছে। এসএসকেএমের বক্তব্য, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা হয়তো ছিলেন না, কিন্তু বাকি যাঁরা ছিলেন, তাঁরা আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন।

নভেম্বর ০৫, ২০২১
রাজনীতি

Big Breaking: দীপাবলিতেই নিভল জীবনপ্রদীপ, প্রয়াত সুব্রত মুখোপাধ্যায়

৭৫-এই নিভল জীবনপ্রদীপ।প্রয়াত হলেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এসএসকেএম হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সুব্রতবাবু। মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানান, রাত ৯টা ২২ নাগাদ সিভিয়ার কার্ডিয়াক অ্যারাস্ট হয় তাঁর।এসএসকেএমে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই জানান, সুব্রত মুখোপাধ্যায় প্রয়াত। কালীপুজোতে এ ভাবে আলো নিভে যাবে ভাবতে পারিনি। আমি সুব্রতদার মৃতদেহ দেখতে পারব না। ফিরহাদ হাকিমও উপস্থিত ছিলেন এসএসকেএমে। ফিরহাদ হাকিম বলেন, মমতাদি আসতে আসতে পুরো ভেঙে পড়েছিলেন। বলছিলেন জীবনে অনেক ঝড় ঝাপ্টা দেখেছি। কিন্তু এরকম ভাবে সুব্রতদার চলে যাওয়া ভাবতে পারি না। আজ আমাদের বিরাট ক্ষতি। ৯টা ২২-এ সুব্রতদা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। সিভিয়ার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট। স্টেন্ট বসে গিয়েছিল। বাথরুম থেকে ঘরে ঢোকার সময় একটা সিভিয়ার হার্ট অ্যাটাক। পরে আবারও হার্ট অ্যাটাক।২৪ অক্টোবর, রবিবার স্বাস্থ্যপরীক্ষা করাতে এসএসকেএম হাসপাতালে যাওয়ার পর সুব্রতকে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন চিকিৎসকেরা। শ্বাসকষ্ট বাড়ায় উডবার্ন ওয়ার্ডের আইসিসিইউ-তে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু অবস্থার অবনতি হতে থাকে। সেখানেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন প্রবীণ রাজনীতিবিদ। I am deeply anguished pained by the passing away of veteran politician senior WB Cabinet Minister Shri Subrata Mukherjee.My thoughts are with his bereaved family members, admirers supporters.May his soul attains eternal peace. Om Shanti 🙏🏻 Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) November 4, 2021মন্ত্রীর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করে টুইট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শোকপ্রকাশ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর মতে, রাজনৈতিক মহীরুহের পতন হল।

নভেম্বর ০৪, ২০২১
কলকাতা

Subrata Mukherjee: আপাতত স্থিতিশীল সুব্রত মুখোপাধ্যায়

আপাতত স্থিতিশীল রয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, সোমবার রাতে আর নতুন করে তাঁর শারীরিক অবস্থার কোনও অবনতি হয়নি। হৃদরোগের পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবিটিস রয়েছে বর্ষীয়ান এই নেতার। তবে আপাতত বাইপ্যাপেই রাখা হয়েছে তাঁকে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটায় ছয় সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড বৈঠকে বসবে।ছয় সদস্যর মেডিক্যাল বোর্ডে কার্ডিওলজির বিভাগীয় প্রধান সরোজ মণ্ডল রয়েছেন। সঙ্গে সিসিইউ স্পেশালিস্ট, মেডিসিন, রেসপিরেটরি মেডিসিন, এন্ডোক্রিনোলজি, নেফ্রোলজির বিশেষজ্ঞ নিয়ে বোর্ড। সকলেই সকালে দেখেছেন। সেই অনুযায়ী চিকিৎসা শুরু হয়েছে। বিকেলেও তাঁরা প্রত্যেকেই রিভিউ করেন। সেই মতোই ওষুধ ও অন্যান্য চিকিৎসা চলছে।হাসপাতাল সূত্রে খবর, সোমবার রাতে নতুন করে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়নি। ভালই ঘুম হয়েছে তাঁর। মেডিক্যাল বোর্ডের বৈঠকে মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করে পরবর্তী চিকিৎসা পদ্ধতি স্থির করা হবে।

অক্টোবর ২৬, ২০২১
কলকাতা

Subrata Mukherjee: সংকটজনক সুব্রত মুখোপাধ্যায়

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হল রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে। সোমবার তাঁকে হাসপাতালের সিসিইউ-তে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, প্রবল শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগের সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি।জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই সিওপিডি-তে আক্রান্ত সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এই রোগে মাঝেমধ্যেই শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা যায়। সেই সমস্যা আগে থেকেই ছিল। হৃদরোগের কারণে শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে। জানা গিয়েছেষ মন্ত্রীর অবস্থা সংকটজনক। আপাতত চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি।পরিবার সূত্রে খবর, পুজোর সময় খুব একটা বিশ্রামের সুযোগ পাননি মন্ত্রী। আর তার পর থেকেই ধীরে ধীরে তাঁর শরীর খারাপ হতে শুরু করে। এমনিতেই তিনি সিওপিডি-র রোগী। রবিবার সকালে তাঁকে প্রথমে এসএসকেএম-এর কার্ডিয়োলজি বিভাগে ভর্তি করানো হয়েছিল। পরে অবস্থার অবনতি হলে আইসিসিইউ-তে ভর্তি করানো হয়।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Mamata Bannerjee: বড় ঘোষণা: চিকিৎসক-নার্সদের জন্য কল্পতরু মমতা

প্রত্যেক বৃহস্পতিবার বা ১৫ দিন অন্তর একবার করে বসবেন এসএসকেএম হাসপাতালে,মুখ্যমন্ত্রী গত সপ্তাহেই জানিয়েছিলেন। এ দিন প্রথমবার চিকিৎসক ও প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষেও বেশ কয়েকটি বড় ঘোষণা করলেন মমতা। যা মূলত এ রাজ্যের ডাক্তার, নার্সদের উদ্দেশ্যে। পাশাপাশি কোয়াক ডাক্তারদের জন্যও সুখবর শুনিয়েছেন তিনি।বৈঠক শেষে সবার প্রথম এ দিন মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের চিকিৎসক ও নার্সদের বাড়ি তৈরির জন্য বিনামূল্যে জমি দেবে রাজ্য সরকার। এই প্রকল্পে হিডকোর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিমকে ১০ কাঠা জমি বরাদ্দ করতে বলেন তিনি। যাতে সেখানে ডাক্তার ও নার্সদের আবাসন তৈরি করা যায়। পাশাপাশি যেসব নার্সরা অনেকদিন ধরে কাজ করছেন। অভিজ্ঞতা সুবিশাল। রাজ্য সরকার তাঁদের পদোন্নতি করবে বলে জানান মমতা। একই সঙ্গে অপ্রচলিত চিকিৎসকরা (কোয়াক ডাক্তার), যারা ভাল কাজ করছেন, তাঁদের স্বীকৃতি দিয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কাজে লাগানোর কথাও ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।আরও পড়ুনঃ মা হলেন নুসরত, পুত্রসন্তানের জন্ম দিলেন তিনিমমতা এ দিন বলেন, ডাক্তার-নার্সদের বাড়ি তৈরির জন্য জমি দেওয়ার ব্যাপারটা কেউ চিন্তা করেনি। হিডকোর চেয়ারম্যান ববিকে আমি বলেছি, আমায় ১০ একর জমি খুঁজে বের করে দিতে। যেখানে ডাক্তার এবং নার্সরা নিজেরা চাইলে তাঁদের বাড়ি বানিয়ে নিতে পারবেন। আমি জমিটা বিনা পয়সায় দেব। আর হাউসিংটা তারা নিজেরা তৈরি করে নেবে। নার্সদের জন্যও এ দিন বিরাট ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে চিকিৎসকদের অভাব রয়েছে, সেটা স্বীকার করে নিয়েই যে নার্সরা অভিজ্ঞতা সম্পন্ন, রাজ্য সরকার তাঁদের পদোন্নতি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জানান, ডাক্তারের পরামর্শ মেনে কাজ করতে করতে যে নার্সরা চিকিৎসার বিষয়ে পোক্ত হয়ে গিয়েছেন, তাঁদের প্রশিক্ষণের অধীনে থাকা চিকিৎসক বা প্র্যাক্টিশনার সিস্টার হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এর জন্য নতুন গাইডলাই তৈরি করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। ডাক্তারদের অভাব মেটাতেই যে এই পদক্ষেপ, সেটাও সাফ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আগস্ট ২৬, ২০২১
কলকাতা

SSKM: ১৫ দিন অন্তর এসএসকেএমে কয়েক ঘণ্টা বসবেন মুখ্যমন্ত্রী, কেন?

এ বার থেকে প্রত্যেক ১৫ দিন অন্তরই এসএসকেএম হাসপাতালে দেখতে পাওয়া যাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। প্রধানত দুটি বিষয়ে নজর দিতে প্রতিমাসে একাধিকবার এসএসকেএম হাসপাতালে যাবেন তিনি। প্রথমত শিল্প, দ্বিতীয়ত স্বাস্থ্য। শিল্পের ক্ষেত্রে যা যা সমস্যা রয়েছে, এবং স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে যে যে অসুবিধার দিকগুলির রয়েছে, দুই সমস্যার সমাধান সূত্র খতিয়ে দেখতেই নিয়মিত ব্যবধানে মুখ্যমন্ত্রী পিজি হাসপাতালে বসবেন বলে ঠিক করেছেন।আরও পড়ুনঃ শচীন, দ্রাবিড়ের সঙ্গে এক আসনে বিরাট কোহলি? আবেগে মুগ্ধ পিটারসেনমমতা বলেন, প্রত্যেক বৃহস্পতিবার বা ১৫ দিন অন্তর আমরা এখানে বসব। কারণ আমার উদ্দেশ্য হচ্ছে এখন শিল্প। আর শিল্পের ক্ষেত্রের যা যা সমস্যা রয়েছে। বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের ব্যাপারে কথা বলতে একটা বোর্ড গড়েছি। সবাই মিলে বসব। দ্বিতীয়ত, আমার মনে হয় হাসপাতালটাও আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গা। স্বাস্থ্যভবনটা যেহেতু যেতে দূর হয়, তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ১৫ দিন অন্তর ১০-১২ জনকে নিয়ে আমি এখানে এসে বসব। কেন বসবেন সেই জবাবও দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, কারণ অনেক সময় অনেক হাসপাতালে সমস্যা থাকে। এখানে ৫ টা মেডিক্যাল কলেজ আছে। তা ছাড়াও স্বাস্থ্যের নানারকম ব্যাপার আছে। তাই স্বাস্থ্যসচিব আমার সঙ্গে থাকবে। কখনও মুখ্যসচিবকেও সঙ্গে নিয়ে আসব।বৃহস্পতিবার বিকেলে আচমকাই এসএসকেএম হাসপাতালে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী। ঠিক কেন তিনি সেখানে গেলেন, সেই সম্পর্কে কিছুই বোঝা যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছিল, ভোটের আগে তাঁর যে পায়ে চোট লেগেছিল, সেটাই দেখাতে এসেছেন তিনি। কারণ দিনকয়েক আগেও সেই পায়ের কিছু সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে যেতে হয়েছিল তাঁকে। প্রায় ৩ ঘণ্টা পর বেরিয়ে এসে মমতা যা বলেন, তাতে কিছুটা চমকেই যায় সাংবাদিক মহল। কারণ রাজ্য তথা শহরের প্রথম সারির কোনও হাসপাতালে বসে এর আগে কোনও মুখ্যমন্ত্রীকে সরকারি কাজ করতে দেখা যায়নি বলে জানাচ্ছে ওয়াকিবহাল মহল। মুখ্যমন্ত্রী জানান, একটি হাসপাতালে বসে যাতে বাকি হাসপাতালগুলির উপর সঠিকভাবে নজরদারী চালানো যায়, সেই কারণেই এভাবে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

আগস্ট ১৯, ২০২১
কলকাতা

SSKM: মহিলা চিকিৎসককে যৌন হেনস্থায় স্বাস্থ্য ভবনের কোপে ২ চিকিৎসক

এসএসকেএম মেডিক্যাল কলেজে ও হাসপাতালে এক মহিলা চিকিৎসককে যৌন হেনস্থার ঘটনায় অভিযুক্ত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করল স্বাস্থ্য ভবন। দুজনকেই বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে স্বাস্থ্য ভবন জানিয়েছে, ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের যে সহকারী অধ্যাপক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁকে নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল এবং আর এক অধ্যাপক চিকিৎসককে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দ্রুত দুই চিকিৎসককে বদলির প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ২২ জুলাই থেকে দিল্লির সংসদ ভবনের সামনে ধর্ণায় বাংলার কৃষকওএই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত এবং অভিযোগকারিণী দুতরফের বক্তব্যই শুনেছে ওই কমিটি। এর পরই বিষয়টি নিয়ে মে মাসে রিপোর্ট জমা দিয়েছে ওই কমিটি। সেই রিপোর্টে জানা গিয়েছে নির্যাতিতার অভিযোগ সত্যি। তার পরেই পদক্ষেপ করল স্বাস্থ্য ভবন।উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে যৌন হেনস্থার বিষয়টি জানান নির্যাতিতা পড়ুয়া-চিকিৎসক। চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগও জানান তিনি। বিষয়টি নিয়ে ভবানীপুর থানাতেও অভিযোগ দায়ের করেছিলেন নির্যাতিতা। এসএসকেএম কর্তৃপক্ষকে করা অভিযোগে নির্যাতিতা জানান, ২০২০ সাল থেকেই যৌন হেনস্থার শিকার তিনি। নানা অছিলায় অভিযুক্ত চিকিৎসক তাঁকে হেনস্থা করত বলে অভিযোগ করেছেন ওই পড়ুয়া-চিকিৎসক।

জুলাই ০৮, ২০২১
কলকাতা

অসুস্থ কবীর সুমন

শ্বাসকষ্টের সমস্যা হওয়ায় সোমবার এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে সঙ্গীতশিল্পী কবীর সুমনকে। জ্বর এবং অন্যান্য কিছু সমস্যাও রয়েছে তাঁর। এসএসকেএম-এর উডবার্ন ওয়ার্ডের ১০৩ নম্বর কেবিনে ভর্তি রয়েছেন সুমন। হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডাক্তার সৌমিত্র ঘোষ সুমনের চিকিৎসার দায়িত্বে রয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ভর্তির সময় সুমনের শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা ছিল ৯০। এই মুহূর্তে অক্সিজেন দিতে হচ্ছে শিল্পীকে। অন্যান্য ওষুধও চলছে। সুমনের কোভিড পরীক্ষাও করা হয়েছে। যদিও এখনও রিপোর্ট আসেনি। এ ছাড়া সুমনের বুকের এক্স-রে, স্ক্যান ও রক্তপরীক্ষা করা হবে বলেও জানা গিয়েছে। বয়সজনিত কারণে ইদানীং মাঝেমধ্যেই তাঁর শারীরিক সমস্যা দেখা যাচ্ছিল। এ বার হাসপাতালে ভর্তি হতে হল শিল্পীকে।

জুন ২৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
টুকিটাকি

কাঁচা কুমড়ো না পাকা কুমড়ো, কোনটি বেশি উপকারী?

কুমড়ো বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত একটি সবজি। কাঁচা সবুজ কুমড়ো হোক বা পাকা হলুদ-কমলা কুমড়ো, দুটিরই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কুমড়োর পুষ্টি উপাদানে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে পাকা কমলা কুমড়ো বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।কাঁচা কুমড়োতে তুলনামূলকভাবে ভিটামিন C-এর পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। এতে ক্যালোরিও কম, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে। কিছু জাতের অপরিপক্ব কুমড়োতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যকারিতাও দেখা যায়। তবে কাঁচা কুমড়ো রান্না করে খাওয়াই ভালো, কারণ তাতে হজম সহজ হয়।অন্যদিকে, পাকা হলুদ বা কমলা কুমড়োর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদানকে ভিটামিন A-তে রূপান্তর করে। ফলে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে পাকা কুমড়ো উপকারী। এতে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। রান্না করলে কুমড়োর বিটা-ক্যারোটিন শরীর তুলনামূলক সহজে শোষণ করতে পারে।কুমড়োকে ক্যানসারের ওষুধ বা নিশ্চিত প্রতিরোধক বলা যায় না। তবে এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন C ও E এবং খাদ্যআঁশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কুমড়ো খাওয়া উপকারী হতে পারে।কুমড়োর বীজেও রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন E। হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক পুষ্টির জন্য এগুলি গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিগত বিচারে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য পাকা কমলা কুমড়ো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাঁচা কুমড়োকেও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই। অল্প তেলে রান্না করে, অতিরিক্ত ভাজা বা চিনি এড়িয়ে কুমড়ো খাওয়াই ভালো। সব মিলিয়ে, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে কুমড়ো রাখলেই মিলবে বেশি সুষম পুষ্টি।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ওয়াকফ-অশান্তির মামলায় নাম, এবার তৃণমূল ছেড়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে ইনজামুল! কেন এই দলবদল?

ওয়াকফ সংশোধিত আইনকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই বিতর্কে ছিলেন ধুলিয়ানের পুরপ্রধান ইনজামুল ইসলাম রাজা। এবার সেই ইনজামুলই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। তাঁর এই দলবদল ঘিরে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।গত বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুরের সামশেরগঞ্জ, সুতি এবং ধুলিয়ানে অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ইনজামুল ইসলাম রাজার বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সেই মামলা চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনজামুল। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রবিবার ধুলিয়ানের কাঞ্চনতলা ঘাটে কংগ্রেসের যোগদান সভায় বড়সড় দলবদল হয়। ইনজামুল ইসলাম রাজার পাশাপাশি ধুলিয়ান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, কাউন্সিলর শরিফ শেখ, ফারহানা খাতুন-সহ একাধিক কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ওবায়দুর রহমানও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।ইনজামুলের দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন, তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে বাঁচতেই অনেকে দলবদল করছেন। সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যাঁদের নাম উঠেছিল, তাঁরাও নিজেদের বাঁচাতে দল পরিবর্তন করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে দলবদল করেও তাঁরা আইনি পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন না বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন ইনজামুল ইসলাম রাজা। তাঁর দাবি, সামশেরগঞ্জের অশান্তির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই ভাঙন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ধুলিয়ান পুরসভার একাধিক জনপ্রতিনিধির একসঙ্গে দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াকফ-অশান্তির মামলা চলার মধ্যেই ইনজামুলের কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এ দিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, দক্ষিণ মালদহের সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম এবং জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি আলফাজুদ্দিন বিশ্বাস-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বাংলায় এত বড় বিনিয়োগ! জাহাজ শিল্পে পাঁচ প্রকল্পের সূচনায় বাড়ল আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গে জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের ভবনে পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৩৪০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে রাইচক CPR, টিম্বার পন্ট শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, দামোদর শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, রেডিয়াল ফোরজিং প্ল্যান্ট এবং ৩০০০ টন ওপেন-ডাই ফোরজিং প্রেস প্রকল্প। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বাংলায় বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলায় শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি, দক্ষ মানবসম্পদ, পরিকাঠামো এবং কাঁচামাল রয়েছে। এতদিন এই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করলে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ছে।সীমান্ত সুরক্ষার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য জমি দেওয়া কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় জমির প্রায় ৯০ শতাংশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জনগণনা সংক্রান্ত কাজও ফের শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে বেকারত্ব কমাতে শিল্পায়ন এবং বড় বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার জমি এবং পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ৩৪০৪ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ দিয়েই উদ্যোগ শেষ নয়, আগামী দিনে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পাশাপাশি এই ধরনের শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাকে ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক বাইচুংয়ের, ‘স্থানীয় রাজনীতি’ বলে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল! যুবভারতীর ম্যাচ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

৩ অক্টোবর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত বনাম ব্রাজিলের বহু প্রতীক্ষিত ফুটবল ম্যাচ। বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবল দলের বিরুদ্ধে ভারতের মাঠে নামার খবরে ইতিমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু ম্যাচ যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে বিতর্কও। একদিকে এই ম্যাচ আয়োজনকে ঘিরে বিপুল খরচ এবং দেশের ফুটবল পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে এর জন্য ঘরোয়া ফুটবল সূচি ও জাতীয় দলের পরিকল্পনায় প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতেই ভারতীয় ফুটবলের কিংবদন্তি বাইচুং ভুটিয়া সরাসরি ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, একটি মাত্র প্রদর্শনী ম্যাচের পিছনে বিপুল অর্থ খরচ না করে সেই টাকা দীর্ঘমেয়াদি ভাবে ভারতীয় ফুটবলের উন্নয়নে বিনিয়োগ করা উচিত। বাইচুংয়ের মতে, এমন ম্যাচের পিছনে অর্থ ব্যয় করলে তা দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নেওয়ার বদলে উল্টে পিছিয়ে দিতে পারে।বাইচুংয়ের কথায়, ম্যাচ বয়কট করলে একটি স্পষ্ট বার্তা যাবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের বড় ম্যাচ আয়োজনের আগে ফেডারেশনকে আরও সতর্ক হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।বিপুল খরচ, প্রশ্নের মুখে ঘরোয়া ফুটবলকলকাতায় ব্রাজিলকে নিয়ে ম্যাচ আয়োজন করতে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। ম্যাচের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্রাজিলের পর্যবেক্ষক দল যুবভারতী পরিদর্শনও করেছে। স্টেডিয়ামের পরিকাঠামো নিয়ে তাদের তরফে কিছু উদ্বেগের কথাও উঠে এসেছে।এর পাশাপাশি সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে ভারতীয় ফুটবলের ঘরোয়া কাঠামো নিয়ে। ব্রাজিল ম্যাচকে কেন্দ্র করে আইএসএলের সূচি পিছিয়ে যাওয়ার জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে ক্লাবগুলির প্রস্তুতি এবং গোটা মরসুমের পরিকল্পনা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।অন্যদিকে ফিফা এশিয়ান কাপের বিষয়টিও নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং অন্যান্য সূচির সংঘাতের কারণে ভারত এশিয়ান কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। যদিও এই বিষয়ে ব্রাজিল ফুটবল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও নিশ্চিত তথ্য তাদের কাছে নেই বলেই জানানো হয়েছে।বাইচুংয়ের প্রশ্নএক ম্যাচের জন্য এত টাকা কেন?বাইচুং ভুটিয়ার যুক্তি, ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটের ম্যাচ নিঃসন্দেহে ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বড় আকর্ষণ। কিন্তু সেই আবেগের বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা ভাবতে হবে।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যদি এত বড় অঙ্কের অর্থ হাতে থাকে, তবে তা আগামী কয়েক বছরের জন্য দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো, প্রতিভা অন্বেষণ, প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরিতে বিনিয়োগ করা যায় না কেন? তাঁর মতে, সেই বিনিয়োগ থেকে ভবিষ্যতে কমনওয়েলথ গেমস বা অলিম্পিক্সের মতো মঞ্চে পদক পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।এবার পাল্টা বার্তা ব্রাজিলেরভারতীয় ফুটবল মহলে যখন ম্যাচ বয়কট নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, তখন ব্রাজিলের ফুটবল কর্তাদের বক্তব্য পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের অভ্যন্তরে এই ম্যাচ নিয়ে কী ধরনের বিতর্ক চলছে, তা নিয়ে ব্রাজিল কর্তৃপক্ষ বিশেষ চিন্তিত নয়। ম্যাচের সূচি পরিবর্তনেরও কোনও সম্ভাবনা নেই।বয়কট নিয়ে ব্রাজিলের তরফে বিশেষ মাথাব্যথা নেই বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বরং এই ধরনের বক্তব্যকে স্থানীয় রাজনৈতিক বা অভ্যন্তরীণ বিতর্কের অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।এশিয়ান কাপ থেকে ভারতের নাম প্রত্যাহারের বিষয়েও ব্রাজিল কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও স্পষ্ট তথ্য নেই বলে জানা গিয়েছে। ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ ফুটবল পরিস্থিতির সঙ্গে ব্রাজিলের কলকাতা সফরকে যুক্ত করার কোনও কারণ দেখছে না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।ভারত আমাদের সমর্থন করেছে, বলছে ব্রাজিলব্রাজিল দলের পক্ষ থেকে রড্রিগো কেতানোও এই ম্যাচের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুরভারত বিশ্বকাপের সময়ে ব্রাজিলকে যে সমর্থন দিয়েছে, তার জন্য তারা কৃতজ্ঞ। কলকাতায় ম্যাচ আয়োজনকে তাই শুধু বাণিজ্যিক বা প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে দেখছে না ব্রাজিল।ব্রাজিলের তরফে জানানো হয়েছে, এই ম্যাচে তারা নিজেদের সেরা ফুটবল উপহার দিতে চায়। অর্থাৎ ভারতের মাটিতে এসে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা সারাই তাদের লক্ষ্য নয়; বরং ভালো পারফরম্যান্স করে ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চায় তারা।স্টিমাচের কটাক্ষেও বাড়ছে বিতর্কব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতের প্রাক্তন কোচ ইগর স্টিমাচও। তাঁর বক্তব্য, দেশের ঘরোয়া লিগ এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনার মধ্যে এখনও প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য তৈরি হয়নি। সেই সমস্যা সমাধান না করে ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার মতো দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ আয়োজন করা হলে তা ভারতীয় ফুটবলের জন্য উল্টে অস্বস্তির কারণ হতে পারে।অর্থাৎ একদিকে বাইচুংয়ের আর্থিক অগ্রাধিকারের প্রশ্ন, অন্যদিকে স্টিমাচের ঘরোয়া ফুটবলের কাঠামো নিয়ে অভিযোগসব মিলিয়ে ৩ অক্টোবরের ম্যাচ এখন শুধুমাত্র একটি ফুটবল ম্যাচে সীমাবদ্ধ নেই।ম্যাচ হবে, বিতর্কও চলবে?একদিকে ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে যুবভারতীতে ভারতকে দেখার স্বপ্নে ফুটবলপ্রেমীরা উত্তেজিত। অন্যদিকে দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ, বিপুল খরচ, আইএসএলের সূচি এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন প্রাক্তন ফুটবলার ও কোচেরা।ব্রাজিলের তরফে অবশ্য এখনও পর্যন্ত বার্তা স্পষ্টতারা ম্যাচ খেলতে প্রস্তুত এবং সূচি বদলের কোনও পরিকল্পনা নেই। ফলে ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা যেমন বাড়ছে, তেমনই তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিতর্কও। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত মাঠের ৯০ মিনিট কি সমস্ত বিতর্ককে ছাপিয়ে যেতে পারে, নাকি ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই প্রশ্নগুলি আরও জোরালো হয়ে ওঠে।

আগস্ট ২২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

দুই দশকের ডুরান্ডের আক্ষেপ ঘোচানোর লড়াই, ডার্বির আগে হাবাসের মন্ত্র—‘আবেগ নয়, বুদ্ধিই শেষ কথা’

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা। শেষ বার ২০০৪ সালে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ২-১ গোলে হারিয়ে ট্রফি জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর থেকে সময় গড়িয়েছে, বদলেছে দল, কোচ, ফুটবলারকিন্তু লাল-হলুদ শিবিরের ডুরান্ড-খরা কাটেনি। ২২ বছর পর সেই আক্ষেপ মুছে ফেলার সামনে দাঁড়িয়ে ইস্টবেঙ্গল। আর সেই লড়াইয়ের মঞ্চে প্রতিপক্ষ আবারও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান।রবিবারের ডুরান্ড ফাইনাল তাই শুধু একটি ট্রফির লড়াই নয়। একদিকে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটানোর তাগিদ, অন্যদিকে ডার্বির অতিরিক্ত উত্তেজনাসব মিলিয়ে ম্যাচের আবহ ইতিমধ্যেই তুঙ্গে। তবে এই আবেগকেই নিয়ন্ত্রণে রাখাকে সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি বলে মনে করছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস।হাবাসের কাছে ডার্বি মানেই শুধু আবেগের লড়াই নয়, বরং মাথা ঠান্ডা রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরীক্ষা। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে ম্যাচটির গুরুত্ব যতই বেশি হোক, তাঁর দলকে মাঠে নেমে এটিকে একটি সাধারণ ম্যাচের মতোই খেলতে হবে।হাবাসের কথায়, ডার্বিতে আবেগ থাকবেই। কিন্তু সেই আবেগ যদি খেলোয়াড়দের নিয়ন্ত্রণ করে, তাহলে কৌশল এবং পরিকল্পনা ভেস্তে যেতে পারে। তাই তাঁর লক্ষ্য আবেগের মাত্রা ১০০ শতাংশ থেকে নামিয়ে প্রায় ২৫ শতাংশে নিয়ে আসা। ম্যাচের ৯০ মিনিটে কোন মুহূর্তে ঝুঁকি নিতে হবে, কখন ধৈর্য ধরতে হবে এবং কখন কৌশল বদলাতে হবেসেই বুদ্ধিমত্তাই পার্থক্য গড়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।ফাইনালের আগে ইস্টবেঙ্গলের জন্য বড় ধাক্কা পিভি বিষ্ণুর অনুপস্থিতি। সেমিফাইনালের মতো ফাইনালেও মাঠে নামতে পারবেন না দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আক্রমণভাগের ফুটবলার। চলতি ডুরান্ডে দুরন্ত ছন্দে ছিলেন বিষ্ণু। সিআইএসএফের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের ৮-০ জয়ের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে নজর কেড়েছিলেন তিনি। তাঁর গতি এবং আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রতিপক্ষের রক্ষণকে একাধিক বার সমস্যায় ফেলেছে।বিষ্ণুকে না পাওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই পরিকল্পনায় কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে হাবাসকে। তাঁর জায়গায় প্রথম একাদশে বিপিন সিংয়ের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিকল্প হিসেবে ভাবনায় রয়েছেন জেসিন টিকে। ডুরান্ডেই সিআইএসএফের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে নিজের দাবিও জোরালো করেছেন তিনি।শুধু বিষ্ণু নন, ফাইনালে এফিয়ংকেও পাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন হাবাস। বিদেশি স্ট্রাইকার এবং ডিফেন্ডার ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ ডার্বিতে নামা যে সহজ নয়, তা স্বীকার করেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তবে সমস্যাকে সামনে রেখে অজুহাত তৈরি করতে তিনি একেবারেই রাজি নন।হাবাসের বক্তব্য, রেফারিং, প্রতিপক্ষ কিংবা দলের কোনও নির্দিষ্ট ফুটবলার না থাকার মতো বিষয়কে সামনে রেখে ম্যাচের আগে অজুহাত খোঁজা অর্থহীন। মাঠে যে ফুটবলাররা থাকবেন, তাঁদের নিয়েই সেরাটা দিতে হবে। তাঁর বিশ্বাস, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ইস্টবেঙ্গল নিজেদের সেরা ফুটবল খেলতে সক্ষম।অন্যদিকে, মোহনবাগানকে যথেষ্ট সমীহ করছেন লাল-হলুদ কোচ। সবুজ-মেরুন দলের প্রত্যেক ফুটবলারকেই বিপজ্জনক বলে মনে করছেন তিনি। বিশেষ করে গোলরক্ষক বিশাল কাইথের প্রশংসা করেছেন হাবাস। তবে নিজের দলের গোলরক্ষক প্রভসুখন সিং গিলের উপরও তাঁর আস্থা অটুট। ফলে ফাইনালে দুই গোলরক্ষকের পারফরম্যান্সও ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ডার্বির উত্তাপের মধ্যেও অবশ্য প্রস্তুতির ধরন বদলে ফেলেছে ইস্টবেঙ্গল। ফাইনালের আগে মাঠের অনুশীলন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল। হাবাসের মতে, এই মুহূর্তে আরও একটি অনুশীলনের চেয়ে ফুটবলারদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া বেশি জরুরি। গত কয়েক দিনে ম্যাচের প্রস্তুতি এবং রিকভারির জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া গিয়েছে। তাই ফুটবলারদের শরীরকে তরতাজা রাখাই এখন তাঁর অগ্রাধিকার।মাঠের বদলে হোটেলেই চলবে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি। জিমে অনুশীলন, ফুটবলারদের কাছ থেকে আরও নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং ইনডোর সেশনের মাধ্যমে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারবে দল।সব মিলিয়ে রবিবারের ফাইনাল ইস্টবেঙ্গলের কাছে একাধিক কারণে বিশেষ। ২২ বছরের ডুরান্ড-খরা কাটানোর হাতছানি, সামনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান, আবার ২০০৪ সালের ফাইনালের স্মৃতিও ফিরছে। কিন্তু ইতিহাস কিংবা আবেগ নিয়ে বেশি ভাবতে চান না হাবাস। তাঁর কাছে হিসাবটা একেবারেই সরল৯০ মিনিট মাথা ঠান্ডা রেখে খেলতে হবে, সঠিক মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং কোনও অজুহাত ছাড়াই ট্রফির জন্য লড়াই করতে হবে।২২ বছর আগের সেই জয়ের স্মৃতি কি আবারও লাল-হলুদ সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাবে? নাকি ডার্বির মঞ্চেই ইস্টবেঙ্গলের দীর্ঘ অপেক্ষা আরও বাড়বেউত্তর মিলবে রবিবারের মহারণে।

আগস্ট ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal