• ২ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৮ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SA

খেলার দুনিয়া

India Football Match : মেসির থেকে ১ গোল পেছনে সুনীল, সাফ চাম্পিয়নশিপে ফাইনালে ভারত

দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শক্তিধর দেশ। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে অন্য দলগুলির তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে। অনেক প্রত্যাশা নিয়ে এবছর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে খেলতে নেমেছিল ভারত। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম দুটি ম্যাচ ড্র করে চাপে পড়ে গিয়েছিল। নেপালকে হারিয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রেখেছিল ইগর স্টিম্যাকের দল। মালদ্বীপকে ৩১ ব্যবধানে হারিয়ে অবশেষে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারত। আগের বারের ফাইনালে হারের মধুর প্রতিশোধ। জোড়া গোল করে ভারতের জয়ের নায়ক সুনীল ছেত্রি। ম্যাচের ৮০ মিনিটে লাল কার্ড দেখে রিজার্ভ বেঞ্চ থেকে বেরিয়ে যেতে হয় ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাককে। লিগের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের সঙ্গে ড্র করে ৪ ম্যাচে ৭ পয়েন্টে পৌঁছে গিয়েছিল নেপাল। ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে মালদ্বীপের ৩ ম্যাচে পয়েন্ট ছিল ৬। আর ভারতের ৫। ফলে ফাইনালে যেতে গেলে শেষ ম্যাচে মালদ্বীপের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠলেন সুনীল ছেত্রি। ৪ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষে ভারত। সুনীলরা ফাইনালে খেলবে দ্বিতীয় স্থানে থাকা নেপালের বিরুদ্ধে। মালদ্বীপের বিরুদ্ধে ডু অর ডাই ম্যাচে প্রথম একাদশে পরিবর্তন করেননি ইগর স্টিম্যাক। নেপালের বিরুদ্ধে জয়ী দলকেই মাঠে নামিয়েছিলেন। এদিন শুরু থেকেই মালদ্বীপের চাপ ছিল। ম্যাচের ৯ মিনিটে সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়ে গিয়েছিলেন আলি আশফাক। কোনও রকমে পরিস্থিতি সামাল দেন রাহুল বেকে। ১৩ মিনিটে আবার সুযোগ এসে গিয়েছিল মালদ্বীপের সামনে। সে যাত্রায় দলকে রক্ষা করেন গুরপ্রীত সিং সান্ধু। ম্যাচের ২৬ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল ভারতের সামনে। সুনীল ছেত্রির হেড পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ম্যাচের ৩৩ মিনিটে এগিয়ে যায় ভারত। মনবীর সিংয়ের ডান পায়ের জোরালো শট জালে জড়িয়ে যায়। ম্যাচের ৪৩ মিনিটে মালদ্বীপের হামজাকে ফাউল করেন প্রীতম কোটাল। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরান আশফাক। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। ৪৮ মিনিটে চোট পেয়ে মাঠ থেকে বেরিয়ে যায় ব্রেন্ডন। তাঁর পরিবর্তে মাঠে নামেন উদান্ত সিং। গোলের জন্য দ্বিতীয়ার্ধে আরও মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে মালদ্বীপ রক্ষণে। ম্যাচের ৬২ মিনিটে সুনীল ছেত্রির গোলে আবার এগিয়ে যায় ভারত। ২ মিনিট পরেই সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল মালদ্বীপের সামনে। গুরপ্রীত ভারতের পতন রোধ করেন। ৭১ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন সুনীল ছেত্রি। এদিন ২ গোল করার সুবাদে দেশের হয়ে গোল করার দিক দিয়ে পেলেকে টপকে গেলেন তিনি। পেলের গোল সংখ্যা ৭৭। সুনীলের গোল সংখ্যা ৭৯। লিওনেল মেসির থেকে ১ গোল পেছনে। ম্যাচের একেবারে অন্তিম লগ্নে লাল কার্ড দেখেন ভারতের শুভাশিস বোস।

অক্টোবর ১৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sreelekha : সপ্তমীতে মনখারাপই সঙ্গী শ্রীলেখার

চোখে জল। মুখে কোনও মেকআপ নেই। ভাবলেশহীন চোখে তাকিয়ে অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। পুজোর ঠিক আগেই বাবাকে হারিয়েছেন। এখনও মেনে নিতে পারছেন না বাবা নেই। তাই এবার পুজোয় আনন্দ করার মন নেই তার। মন খারাপই সঙ্গী তার।সপ্তমীর সকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের এমনই মন খারাপের একটি ছবি শেয়ার করেন শ্রীলেখা। ক্যাপশনে লিখেছেন, সবাই ছবি দিচ্ছে তাই আমিও দিলাম, সপ্তমীর সাজ। কার্যত এই সাজ মন খারাপের। কিন্তু বাবাকে ছাড়া পুজো তো শ্রীলেখার পক্ষে এর থেকে ভাল ভাবে কাটানো সম্ভব নয়। চোখে জল নিয়েই তাই কাটছে পুজোর দিন গুলো। আসলে কদিন আগেই বাবাকে হারিয়েছেন। তাই এই কষ্ট এখনও মেনে নিতে পারেননি।ফেসবুকে বাবার সঙ্গে বেশ কিছু ছবি শেয়ার করে শ্রীলেখা ক্যাপশনে তিনি লিখেছেিলেন, আমার প্রিয় পুরুষ, আমার প্রিয় মানুষ. বাবা, যার কাছে তার কন্যাই শ্রেষ্ঠ, আমার খুঁটিনাটি বিষয় তার জানা চাই, মতামত না চাইলেও দেওয়া চাই, আমার ভাল কিছু হলে আমার থেকেও যে মানুষটি বেশি খুশি হয়, সেই বাবা দুম করে মরে গেল। এটা আমি মানতে পারছি না, চাইছিও না।

অক্টোবর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sunil Chetri: রেকর্ড নয়, দলের সাফল্যই আসল সুনীল ছেত্রির কাছে

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখতে গেলে নেপালের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। ডু অর ডাই ম্যাচে দলকে দায়িত্ব নিয়ে জয় এনে দিয়েছেন অধিনায়ক সুনীল ছেত্রি। নেপালের বিরুদ্ধে গোল করে স্পর্শ করেছেন কিংবদন্তী পেলেকে। পেলেকে স্পর্শ করে খিদে আরও বেড়ে গেছে। ভবিষ্যতে আরও গোল করে দেশকে জেতাতে চান এই বর্ষীয়ান স্ট্রাইকার।৩৭ বছর বয়সেও সুনীল ছেত্রির ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ নেই। নিজেকেই নিজের ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন করেন সুনীল। আর প্রতিটা ম্যাচেই সেরাটা দেওয়ার জন্য মুখিয়ে থাকেন। এই প্রসঙ্গে সুনীল বলেছেন, ধারাবাহিকতা নিয়ে সর্বদা নিজেকে প্রশ্ন করি। উত্তরের অপেক্ষায় থাকি। আমার কাছে এর কোনও নকশা নেই। এটাই বাস্তব। প্রতিটা ম্যাচে নিজের সেরাটা দেওয়ার জন্য মাঠে নামি। ভগবানকে ধন্যবাদ দেব, কখনও ব্যর্থ হইনি।বাইচুং ভুটিয়া, রেনেডি সিংদের সঙ্গে খেলার সুযোগ হয়েছে। দুজনই খেলা থেকে অনেক আগে অবসর নিয়ে কোচিংয়ে যুক্ত হয়ে পড়েছেন। এদের সঙ্গে খেলার সুযোগ পেয়ে গর্বিত সুনীল। তিনি বলেন, বেশ কয়েকজন গ্রেট ফুটবলারের সঙ্গে আমার খেলার সুযোগ হয়েছে। তাঁরা কিন্তু ততটা কৃতিত্ব পায়নি। যে সব কোচের অধীনে খেলেছি, সবার কাছ থেকে কিছু না কিছু শিখেছি। সে ছোটই হোক কিংবা বড়। আশা করছি ভবিষ্যতেও এটা ধরে রাখতে পারব। ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছেন ৩৭ বছর বয়সে। আর কতদিন খেলা চালিয়ে যাবেন? এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এখনই অবশ্য খেলা ছাড়ার পরিকল্পনা নেই সুনীল ছেত্রির। ভবিষ্যত নিয়েও এখনও কোনও পরিকল্পনা করেননি। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যত নিয়ে এখনও কোনও পরিকল্পনা করিনি। ফুটবলের বাইরে অন্যকিছু নিয়ে এখনও ভাবিনি। যতদিন খেলা উপভোগ করব, ততদিন খেলে যাব। পেলেকে স্পর্শ করলেও রেকর্ড নিয়ে সুনীলের মাথা ব্যাথা নেই। তাঁর কাছে দলের সাফল্যই আসল। সুনীল বলেছেন, পরিসংখ্যান নিয়ে আমার কোনও মাথা ব্যাথা নেই। কোন মাইলস্টোনে পৌঁছলাম, সেটা নিয়েও ভাবছি না। আমি যা অর্জন করেছি, তাতেই সন্তুষ্ট। যদি ট্রফি জয়ের সুযোগ থাকে, তাহলে আমি তার জন্যই ঝাঁপাব। দলের জয়ই আমার কাছে আসল। আপাতত প্রত্যেকটা সুযোগ কাজে লাগাতে চাই।দেশের হয়ে সবথেকে বেশি গোল করার ব্যাপারে বর্তমান ফুটবলারদের মধ্যে বিশ্বে ৩ নম্বরে রয়েছেন সুনীল। তাঁর আগে রয়েছেন পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো (১১২), আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি (৭৯)। সংযুক্ত আমিরশাহির আলি মাবখাউতের সঙ্গে যুগ্মভাবে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন সুনীল (৭৭)।

অক্টোবর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SAFF Championship : পেলেকে স্পর্শ সুনীলের, ফাইনালের স্বপ্ন ভারতের

বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর জুটি ম্যাচে ড্র করে দারুণ চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখতে গেলে নেপালের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠল ইগর স্টিম্যাকের দল। নেপালকে ১০ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল। মরণবাঁচন ম্যাচে দেশের মান বাঁচালেন সুনীল ছেত্রি। পাশাপাশি এদিন গোল করে কিংবদন্তি ফুটবলার পেলেকে স্পর্শ করলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। ভারতের কাছে যেমন এদিন ছিল মরণবাঁচন ম্যাচ, তেমনই সুনীল ছেত্রির কাছে ছিল পেলেকে ছোঁয়ার ম্যাচ। ব্রাজিলের জার্সি গায়ে পেলে ৭৭ গোল করেছেন। নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে দেশের জার্সি গায়ে সুনীলের গোল সংখ্যা ছিল ৭৬। ম্যাচের ৮২ মিনিটে নেপালের জালে বল ঢুকিয়ে পেলের পাশে জায়গাআ করে নিলেন সুনীল ছেত্রি। নেপালের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেছিলেন ইগর স্টিম্যাক। তা সত্ত্বেও ভারতের খেলায় খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। প্রথমার্ধে ভারতকে তেমন ছন্দে দেখা যায়নি। বলার মতো একটা মাত্রই সুযোগ পেয়েছিল ইগর স্টিম্যাকের দল। ৩৪ মিনিটে প্রীতম কোটালের কাছ থেকে নেপাল পেনাল্টি বক্সে বল পেয়ে মাইনাস করেন সুরেশ। সুরেশ যখন মাইনাস করেন, সুনীলের সামনে কেউ ছিলেন না। ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে ব্যর্থ হন সুনীল। প্রথমার্ধে কোনও দলই আর গোল করার সুযোগ পাননি। দ্বিতীয়ার্ধেও সেই ছন্নছাড়া ফুটবল। নেপালের লক্ষ্য ছিল ভারতকে কোনও রকমে আটকে দিয়ে ১ পয়েন্ট নিশ্চিত করা। তাহলেই ফাইনালের দিকে এগিয়ে যাবে। তাই রক্ষণের দিকে বেশি নজর দিয়েছিল। নেপালের রক্ষণ ভেদ করতে পারছিলেন না সুনীলরা। তার মাঝেই ৫৭ মিনিটে ব্রেন্ডনের কর্ণারে সুবিধাজনক জায়গা থেকে নেপাল গোলকিপারের হাতে হেড করেন মনবীর সিং। ৭৭ মিনিটে আবার গোল করার সুযোগ পেয়েছিল ভারত। ব্রেন্ডনের ফ্রিকিক বক্সের মধ্যে হেড করার চেষ্টা করেন সুনীল ছেত্রি। বল তাঁর মাথার পেছন দিকে লেগে যায় শুভাশিস বোসের কাছে। তাঁর হেড আটকে দেন নেপাল গোলকিপার কিরণ কুমার।শেষদিকে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। ৮০ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সুনীল ছেত্রি। বেশ কয়েকটা সুযোগ নষ্ট করার পর অবশেষে ৮২ মিনিটে লক্ষ্যভেদ ভারতীয় দলের অধিনায়কের। বাঁদিক থেকে ব্রেন্ডনের সেন্টার ফারুখ চৌধুরি হেডে নামিয়ে দিলে বাঁপায়ের সাইড ভলিতে বল জালে জড়িয়ে দেন সুনীল। একই সঙ্গে ভারতের ফাইনালের স্বপ্নও জেগে রইল। ৩ ম্যাচে ভারতের পয়েন্ট ৫। শেষ ম্যাচ খেলবে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা মালদ্বীপের সঙ্গে। জিতলেই ফাইনালে পৌঁছে যাবে ভারত। প্রতিযোগিতায় দেশকে টিকিয়ে রাখতে পেরে খুশি সুনীল ছেত্রি। ম্যাচের পর তিনি বলেন, গোলের সামনে আমরা বারবার ব্যর্থ হয়েছি। ফাইনালের আশা টিকিয়ে রাখতে পেরে ভাল লাগছে। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর জুটি ম্যাচে ড্র করে দারুণ চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখতে গেলে নেপালের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠল ইগর স্টিম্যাকের দল। নেপালকে ১০ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল। মরণবাঁচন ম্যাচে দেশের মান বাঁচালেন সুনীল ছেত্রি। পাশাপাশি এদিন গোল করে কিংবদন্তি ফুটবলার পেলেকে স্পর্শ করলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। ভারতের কাছে যেমন এদিন ছিল মরণবাঁচন ম্যাচ, তেমনই সুনীল ছেত্রির কাছে ছিল পেলেকে ছোঁয়ার ম্যাচ। ব্রাজিলের জার্সি গায়ে পেলে ৭৭ গোল করেছেন। নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে দেশের জার্সি গায়ে সুনীলের গোল সংখ্যা ছিল ৭৬। ম্যাচের ৮২ মিনিটে নেপালের জালে বল ঢুকিয়ে পেলের পাশে জায়গাআ করে নিলেন সুনীল ছেত্রি। নেপালের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেছিলেন ইগর স্টিম্যাক। তা সত্ত্বেও ভারতের খেলায় খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। প্রথমার্ধে ভারতকে তেমন ছন্দে দেখা যায়নি। বলার মতো একটা মাত্রই সুযোগ পেয়েছিল ইগর স্টিম্যাকের দল। ৩৪ মিনিটে প্রীতম কোটালের কাছ থেকে নেপাল পেনাল্টি বক্সে বল পেয়ে মাইনাস করেন সুরেশ। সুরেশ যখন মাইনাস করেন, সুনীলের সামনে কেউ ছিলেন না। ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে ব্যর্থ হন সুনীল। প্রথমার্ধে কোনও দলই আর গোল করার সুযোগ পাননি। দ্বিতীয়ার্ধেও সেই ছন্নছাড়া ফুটবল। নেপালের লক্ষ্য ছিল ভারতকে কোনও রকমে আটকে দিয়ে ১ পয়েন্ট নিশ্চিত করা। তাহলেই ফাইনালের দিকে এগিয়ে যাবে। তাই রক্ষণের দিকে বেশি নজর দিয়েছিল। নেপালের রক্ষণ ভেদ করতে পারছিলেন না সুনীলরা। তার মাঝেই ৫৭ মিনিটে ব্রেন্ডনের কর্ণারে সুবিধাজনক জায়গা থেকে নেপাল গোলকিপারের হাতে হেড করেন মনবীর সিং। ৭৭ মিনিটে আবার গোল করার সুযোগ পেয়েছিল ভারত। ব্রেন্ডনের ফ্রিকিক বক্সের মধ্যে হেড করার চেষ্টা করেন সুনীল ছেত্রি। বল তাঁর মাথার পেছন দিকে লেগে যায় শুভাশিস বোসের কাছে। তাঁর হেড আটকে দেন নেপাল গোলকিপার কিরণ কুমার।শেষদিকে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। ৮০ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সুনীল ছেত্রি। বেশ কয়েকটা সুযোগ নষ্ট করার পর অবশেষে ৮২ মিনিটে লক্ষ্যভেদ ভারতীয় দলের অধিনায়কের। বাঁদিক থেকে ব্রেন্ডনের সেন্টার ফারুখ চৌধুরি হেডে নামিয়ে দিলে বাঁপায়ের সাইড ভলিতে বল জালে জড়িয়ে দেন সুনীল। একই সঙ্গে ভারতের ফাইনালের স্বপ্নও জেগে রইল। ৩ ম্যাচে ভারতের পয়েন্ট ৫। শেষ ম্যাচ খেলবে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা মালদ্বীপের সঙ্গে। জিতলেই ফাইনালে পৌঁছে যাবে ভারত। প্রতিযোগিতায় দেশকে টিকিয়ে রাখতে পেরে খুশি সুনীল ছেত্রি। ম্যাচের পর তিনি বলেন, গোলের সামনে আমরা বারবার ব্যর্থ হয়েছি। ফাইনালের আশা টিকিয়ে রাখতে পেরে ভাল লাগছে।

অক্টোবর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sakib-Knight Riders : এলিমিনেটর ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা নাইটদের, পাবে না সাকিবকে

আইপিএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা কলকাতা নাইট রাইডার্স শিবিরে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে এলিমিনেটর ম্যাচে নাইট রাইডার্স পাবে না দলের গুরুত্বপূর্ণ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে। নাইটদের মতো রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সও পাবে না ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও দুষ্মন্ত চামিরাকে। তবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের থেকেও নাইটদের কাছে ধাক্কাটা জোরালো। কারণ হাসারাঙ্গা ও চামিরা প্রথম একাদশের পরিকল্পনায় নেই। অন্যদিকে, দুরম্ত ছন্দে থাকা সাকিব আল হাসান অন্যতম বড় ভরসা ছিলেন নাইটদের কাছে। দুই দলের মধ্যে যদি কোনও দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে কিংবা ফাইনালে ওঠে তাহলেও এই তিন জনের মধ্যে কেউ খেলতে পারবেন না। আর সপ্তাহখানেক পরেই শুরু হতে চলেছে টি২০ বিশ্বকাপ। সাকিব আল হাসান যেমন বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দলে রয়েছেন, তেমনই শ্রীলঙ্কা দলে রয়েছেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও দুষ্মন্ত চামিরা। বিশ্বকাপ শুরুর আগে দুই দেশই প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। এই তিন ক্রিকেটারকে জাতীয় শিবিরে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট দেশের ক্রিকেট বোর্ড। ফলে আইপিএলে আর খেলতে পারবেন না এই তিন ক্রিকেটার। শ্রীলঙ্কার দুই ক্রিকেটারকে না পেলেও খুব একটা ক্ষতি হবে না রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের। তবে সাকিবের না থাকাটা অবশ্যই বড় ধাক্কা কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে। আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে সাকিব নাইট রাইডার্সের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলেছেন। দুটি ম্যাচেই দুর্দান্ত বোলিং করেছেন। আন্দ্রে রাসেল খেলতে না পারলে তিনি অলরাউন্ডার হিসেবে দলের অন্যতম ভরসা। টি২০ বিশ্বকাপ শুরুর আগে রাসেল হয়তো ঝুঁকি নেবেন না। সাকিব ও মুস্তাফিজুর রহমানকে রবিবারই বাংলাদেশ দলের সঙ্গে যোগ দিতে বলা হয়েছে। ১২ ও ১৪ অক্টোবর শ্রীলঙ্কা ও আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। সাকিবদের মতোই হাসারাঙ্গা ও চামিরা দুষ্মন্তকে জাতীয় শিবিরে যোগ দিতে বলা হয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়াও পাপুয়া নিউ গিনির বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে শ্রীলঙ্কা। ১৮ অক্টোবর নামিবিয়ার বিরুদ্ধে শ্রীলঙ্কার প্রথম রাউন্ডের প্রথম ম্যাচ।

অক্টোবর ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SAFF Championship : নেপালের বিরুদ্ধে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মরণবাঁচন ম্যাচে নামছেন সুনীলরা

অনেক প্রত্যাশা নিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ খেলতে নেমেছে ভারতীয় ফুটবল দল। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে প্রতিযোগিতার অন্য দলগুলির তুলনায় এগিয়ে থাকলেও প্রথম দুটি ম্যাচে সুনীল ছেত্রিদের পারফরমেন্স অনুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে খুঁজতে হচ্ছে। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর ড্র করে অস্তিত্ব সংকটে ভারত। ফাইনালে ওঠার আশা জিইয়ে রাখতে গেলে রবিবার নেপালের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা নেই ইগর স্টিম্যাকের দলের সামনে। বলতে গেলে একপ্রকার ডু অর ডাই ম্যাচ।দু ম্যাচে জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে এই মুহূর্তে গ্রুপ শীর্ষে রয়েছে নেপাল। গ্রুপ শীর্ষে থাকা দলের বিরুদ্ধে লড়াই যে সহজ হবে না, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। মাস খানেক আগে এই নেপালের বিরুদ্ধে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিলেন সুনীল ছেত্রিরা। একটা ড্র, আর একটা ম্যাচে জিতেছিল ভারত। প্রীতি ম্যাচ আর প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের মধ্যে আকাশপাতাল পার্থক্য। ফলে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভারতের কাছে লড়াইটা যে যথেষ্ট কঠিন হবে, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক অবশ্য মনে করছেন, নেপালের বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচে তাঁর দল যে ফুটবল উপহার দিয়েছিল, তা তুলে ধরতে পারলে জেতা সমস্যা হবে না। নেপালকে হারিয়ে ফাইনালের লড়াইয়ে থাকার ব্যাপারে তিনি আত্মবিশ্বাসী। মরণবাঁচন ম্যাচে খেলতে নামার আগে স্টিম্যাক বলেন, নেপালের বিরুদ্ধে জিতলে আমরা ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে থাকব। সেপ্টেম্বরে ওদের বিরুদ্ধে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিলাম। একে অপরের সম্পর্কে ধারণা আছে। তবে বিপক্ষের ওপর বেশি ফোকাস করতে চাই না। জিততে গেলে আমাদের নিজেদের খেলায় উন্নতি করতে হবে। আগের দুটি ম্যাচের মতো ভুল করলে চলবে না। গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। সুনীল ছেত্রি আটকে গেলেই গোল পেতে সমস্যা হচ্ছে ভারতের। প্রথম ম্যাচে মনবীর সিং নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। রিস্টন কোলাসোও ব্যর্থ। বাকিরাও পজিটিভ সুযোগ নষ্ট করছেন। এই অবস্থায় সেই অভিজ্ঞ সুনীল ছেত্রির দিকেই তাকিয়ে ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। নেপালের বিরুদ্ধে আবার প্রথম একাদশে পরিবর্তন করতে চলেছেন তিনি। মনবীরকে প্রথম একাদশে ফেরাতে পারেন। প্রথম একাদশে ফিরতে পারেন ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজ ও প্রীতম কোটাল। প্রথম দুটি ম্যাচে ড্র করে অনেকটাই ভেঙে পড়ছিল গোটা ভারতীয় শিবির। কোচ ইগর স্টিম্যাক দলকে নতুন করে উদ্দীপ্ত করেছেন। অধিনায়ক সুনীল ছেত্রিও দলকে উদ্বুদ্ধ করার দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন। তিনিও তাকিয়ে পেলের রেকর্ড স্পর্শ করার দিকে।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Big Boss : ইয়োহানির সঙ্গে মানিকে মাগে হিটে গাইলেন সলমন

শ্রীলঙ্কান গায়িকা ইয়োহানি মানিকে মাগে হিটে গান গেয়ে জনপ্রিয় হয়ে গেছেন। ইন্সটাগ্রামে তার গানে রিলসের সংখ্যা অগুন্তি। তিনি এবার বিগ বস শোতে। শ্রীলঙ্কান গায়িকা বিশেষ অতিথি হয়ে হাজির হয়েছিলেন বিগ বসে স্টেজে। সঙ্গে অবশ্যই ছিলেন সঞ্চালক সলমন খান। বিগ বসের মঞ্চে ইয়োহানির গাইলেন সেই ভাইরাল গান মানিকে মাগে হিটে। যেটা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল। তার সঙ্গে গলা মেলালেন সলমন খানও।ইয়োহানির পরনে ছিল রিপড জিনস, কালো হাইহিল বুট, ফারের জ্যাকেট, সঙ্গে কালো রঙের ক্রপ টপ। সিংহলি ভাষায় মন মাতানো গান গাইলেন তিনি। সিংলি ভাষার ইয়োহানির গানের সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে ভারতে। ভারতে হিন্দি থেকে তেলুগু, তামিল এমনকী বাংলাতেও গাওয়া হয়েছে সেই গান। বিগ বসের মঞ্চে ইয়োহানির গানের চমক মন মাতিয়েছে দর্শকদের। ইয়োহানির সঙ্গে গলা মেলাতে গিয়ে একাধিক ভুল করেছেন সলমন। কখনও বলেছেন শ্রীদেবী, কখনও বলেছেন হ্যাঙ্গওভার।সোশ্যাল মিডিয়ায় সলমন খানের সেই মানিকে মাগে হিটের গান সোশ্যাল মিডিযায় ছড়িয়ে পড়েছে। প্রায় ২ লক্ষ ভিউ হয়েছে ভিডিওটির। নেটিজেনদের কমেন্টের বন্যা বইছে।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
নিবন্ধ

Saradarghya: শারদঅর্ঘ্য

উত্তাল তরঙ্গভঙ্গ হেলায় তুচ্ছ করে এগিয়ে চলেছে রঙবেরঙের এক ময়ূরপঙ্খী, তাতে সওয়ার ঢাক -ঢোল -সানাই নিয়ে এক দল গাইয়ে বাজিয়ে... মাথার ওপর উজ্জ্বল সূর্য... এক কোণে সেই পরিচিত দুলাইনের লোগো --- শারদঅর্ঘ্য!আটাত্তরের এইচ.এম.ভি.-র পুজোর গানের বইয়ের প্রচ্ছদ, যদ্দূর মনে পড়ে, ছিল এমনই। বিধ্বংসী বন্যায় সেবার রক্তাক্ত হয়েছিল সারা বাংলা; তবু তার মধ্যেও পূজো এসেছিল, মা এসেছিলেন অনিঃশেষ বৃষ্টিতে শ্যাওলা পড়ে যাওয়া গ্রামের আটচালায়.. লাশ ভাসার ছবি সরে গিয়ে খবরের কাগজের পাতায় শেষ পর্যন্ত দেখা গিয়েছিল নৌকোয় রওনা দিয়েছে মাতৃপ্রতিমা... কলা-পেয়ারা -ভেজা মটর -পানিফলের সামান্য উপচার দিয়েই সাজানো হয়েছিল ফল প্রসাদের থালা... আর লতা মঙ্গেশকরকে দিয়ে সলিল চৌধুরী গাইয়েছিলেন আজ নয় গুণগুণ গুঞ্জন প্রেমের / চাঁদ ফুল জোছনার গান আর নয় / ওগো প্রিয় মোর খোলো বাহুডোর / পৃথিবী তোমারে যে চায়...সেই শারদঅর্ঘ্য! দেশ-আনন্দমেলা-কিশোরভারতী-শুকতারা-নবকল্লোলের পুজোবার্ষিকীর চাইতে তার আকর্ষণ কি ছিল কিছু কম? মোটা দামী কাগজে ঝকঝকে ছাপা তকতকে ছবি মোড়া গোটা পঞ্চাশ পাতার বইটি নিয়ে কাড়াকাড়ি করতাম মামাতো দিদিদের সঙ্গে (তারা সবাই ছিল কম বেশি গাইয়ে, কাজেই সে বইয়ের অধিক হকদার!) পুজোর কদিন আগে জলপাইগুড়ি থেকে এসে পড়তাম বর্ধমানে মামার বাড়ি। সবার প্রিয় সেজমামা ততদিনে দূর্গাপুর থেকে তার এইচ.এম.ভি ফিয়েস্টা রেকর্ডপ্লেয়ার আর নতুন কেনা এক গুচ্ছ এল.পি ও ই.পি রেকর্ড নিয়ে এসে পড়েছে--- তারপর সারাদিন ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সেই সব হেমন্ত -কিশোর -মান্না - লতা - আশা - সন্ধ্যা - আরতি নিয়েই ওঠা বসা!শারদঅর্ঘ্য নেই আজ অনেক দিনপ্রতি পাতায় শিল্পীর সাদা কালো ছবি, রেকর্ডের নম্বর ও টেকনিক্যাল খুঁটিনাটি,গীতিকার -সুরকার -যন্ত্রানুসঙ্গীর নাম, গানের সম্পূর্ণ কথা। আমার ছোটমামা লম্বা খাতায় গোটা গোটা অক্ষরে লিখে রাখত সেই সব গান-- দেখে দেখে আর শুনে শুনে মনে গেঁথে যেত আমাদেরও। দ্বিজেন - পিন্টু -শ্যামল - মানবেন্দ্র, প্রতিমা - জপমালা - সবিতা - বনশ্রী, পূর্ণদাস - নির্মলেন্দু - রুণা লায়লা - স্বপ্না চক্রবর্তী - মিন্টু দাশগুপ্ত ছাপার অক্ষর থেকে বেরিয়ে এসে আবিষ্ট করে রাখতেন।শারদঅর্ঘ্যের পাতায় পাতায় অন্য এক জগতের হাতছানি--- কৃষ্ণচূড়া শোন শোন শোন, সারা বেলা গেল খেলে খ্যাপা হাওয়াতে...কৃষ্ণচূড়া আগুন তুমি ফাগুন ভরা গানে... ..কৃষ্ণচুড়ার বন্যায় চৈতালি ভেসে গেছে ... কৃষ্ণচুড়ার বনে ছায়াঘন পথ --- সব রহস্য যেন চেনা হয়ে যেত, গানে গানে সব বন্ধন যেত টুটে। অদ্ভুত কান্ডও হতো মাঝে মধ্যে। আটাত্তরে লতা মঙ্গেশকর আজ তবে এইটুকু থাক গানে কেন না তাকাতে ভোর হয়ে যাবে না গেয়ে না গাবাতে ভোর হয়ে যাবে গেয়েছিলেন, তা আজো বুঝতে পারি নি, যেমন বুঝে উঠতে পারি নি সেই ভুল গানই এইচ .এম.ভি রেকর্ড হিসেবে প্রকাশ করে দিল কী করে!সাতাত্তরেই সম্ভবতঃ, শারদঅর্ঘ্যের পাতায় প্রথম দেখা দিয়েছিলেন অসামাব্য সুন্দরী এক তরুণী গায়িকা, অরুন্ধতী হোম চৌধুরী--- ইংরেজীতে লেখা হয়েছিল Holme। তাঁর একটি গান ছিল ও পদ্মকলি গো, কার ঢেউয়ে অঙ্গ তোমার দোলে। সে গানের কথার চাইতেও অবাক লেগেছিল এই Holme বানানে। সবাই ভেবেছিলাম নির্ঘাত বিলেত -প্রবাসিনী কেউ হবেন! অনেক পরে, উননব্বই সালে, মেডিক্যাল কলেজ ছাত্র সংসদের সাংস্কৃতিক সচিব থাকাকালীন কলেজ সোস্যালে গাওয়ার অনুরোধ জানাতে গিয়েছিলাম সল্ট লেকে অরুন্ধতী -শিবাজীর ফ্ল্যাটে। চমৎকার মানুষটির সঙ্গে কথাবার্তার সুবাদে জেনেছিলাম, বিলেত নয়, আদতে উনি শিলচরের মানুষ।শারদঅর্ঘ্য নেই আজ অনেক দিন। যশোর রোডে এইচ.এম.ভি.-র বন্ধ কারখানায় এখন প্রোমোটারের থাবা। সন্গীতালয়ের গা বেয়ে ওঠা অশ্বথ্ব -বট -যজ্ঞডুমুরের পাতা দুলিয়ে হাওয়া বয়ে আনে শুধুই সঙ্গীতপ্রেমীদের দীর্ঘশ্বাস। শারদঅর্ঘ্য বয়ে আনা সেজমামাও অকালে চলে গেছে ক বছর হলো।লেখকঃ ডঃ সুজন সরকারবর্ধমান।আরও পড়ুনঃ বাজলো তোমার আলোর বেণু

অক্টোবর ০৯, ২০২১
রাজ্য

By-Election: রাজ্যের উপনির্বাচনের প্রচারে অসমের মুখ্যমন্ত্রী, ৭ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসহ একাধিক সাংসদ

বঙ্গ বিজেপিও চার বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে স্টার ক্যামপেইনারের তালিকা প্রকাশ করেছে। ২০ জনের এই তালিকায় বিশেষ উল্লেখের দাবি রাখে সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। রয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা, ত্রিপুরার সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। এছাড়া একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রয়েছেন তালিকায়, রয়েছেন সাংসদ, বিধায়ক ও সংগঠনের কর্তারা।ভবানীপুরের উপনির্বাচনের প্রচারে স্টার ক্যামপেইনার হিসাবে নাম ছিল লকেট চট্টোপাধ্যায়ের। কিন্তু সেই প্রচারে একদিনও ভবানীপুরে হাজির হননি লকেট। তা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টিও হয়েছিল। কুণাল ঘোষের টুইট দেখে রাজনৈতিক মহলের মনে হয়েছিল তাহলে লকেটও কি তৃণমূলের দিকে পা বাড়িয়েছেন? যে ভাবে বিজেপি থেকে তৃণমূলের দিকে যোগ দেওয়ার ঢল নামছে তা ভাবা খুব স্বাভাবিক। পরে জানা গিয়েছিল দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জগতপ্রকাশ নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল লকেট চট্টোপাধ্যায়ের। তারপর যথারীতি দলের কাজ শুরু করেছেন লকেট।আরও পড়ুনঃ উপনির্বাচনের চার কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রচারে মুখ্যমন্ত্রী সহ একাঝাঁক মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক৩০ অক্টোবর উপনির্বাচন হবে গোসাবা, দিনহাটা, খড়দহ ও শান্তিপুরে। বিজেপির তালিকায় রয়েছেন ১৩ জন সাংসদের নাম, যার মধ্যে ৭ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। অসমের মুখ্যমন্ত্রীর নাম বিশেষ ভাবে উল্লেযোগ্য। হেমন্ত বিশ্বশর্মা উপনির্বাচনের প্রচারে আসবেন বাংলায়। উত্তরবঙ্গের দিনহাটায় তিনি প্রচারে আসতে পারেন বলে খবর। ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেস সংগঠন বৃদ্ধির কাজ করে চলেছে। সেদিক থেকে ত্রিপুরার সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিকের এরাজ্যে প্রচারে আসাটা গুরুত্বের দাবি রাখে।একনজরে দেখে নেওয়া যাক কারা রয়েছেন বিজেপির স্টার ক্যামপেইনারের তালিকায়- স্মৃতি ইরানী, ডাঃ সুভাষ সরকার, জন বার্লা, হিমন্ত বিশ্বশর্মা, শান্তনু ঠাকুর, নিশীথ প্রামাণিক, গিরিরাজ সিং, প্রতিমা ভৌমিক, লকেট চট্টোপাধ্যায়, ডঃ সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারী, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, শমীক ভট্টাচার্য, অগ্নিমিত্রা পাল, অমিতাভ চক্রবর্তী, রাহুল সিনহা, দেবশ্রী চৌধুরী, অর্জুন সিং ও মাফুজা খাতুন।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Memari Samabay: পুজোর মুখে টাকা তুলতে না পেরে মেমারির সমবায়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন উপভোক্তারা

দোরগোড়ায় বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব। তার প্রাক্কালেও জমানো টাকা তুলতে পারছেন না উপভোক্তারা। এরই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমানের মেমারির গোপ গন্তার ইউনিয়ন কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার সোসাইটি-তে বিক্ষোভ দেখালেন উপভোক্তারা। এমনকি অবসরকালীন সুবিধা পাওয়া থেকেও সমবায়ের কর্মীর পরিজনরা বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ। যদিও সমবায় কর্তৃপক্ষ সমবায়ের আর্থিক দূরাবস্থার কথা স্বীকার করে নিয়েই দায় এড়াচ্ছেন।গোপ গন্তার সমবায়ের পরিচালনার সমিতির দায়িত্বপ্রাপ্ত অমল ঘোষ বলেন, বিভিন্ন ব্যাপারে সমবায় সমিতি তাঁদের সদস্যদের ঋণ দিয়ে থাকে। ঋণ বাবদ সমবায় সমিতির সদস্যদের দেওয়া প্রায় ৫ কোটি টাকা অনাদায়ী হয়ে রয়েছে। সেই টাকার সুদও নিয়মিত পাওয়া যাচ্ছে না। সুদ নিয়মিত পাওয়া গেলে আমানতকারীদের টাকা দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা থাকবে না। সমবায়ের একাধিক কর্মী এদিন বলেন, সাধ্য থাকা সত্ত্বেও অনেক ঋণগ্রহীতা ঋণের টাকা শোধ করতে চাইছেন না। এরজন্য তাঁদের বহুবার অনুরোধ করা হয়েছে। কিন্তু তাঁরা টাকা পরিশোধ করেননি। এইসব কারণে গত বছর থেকে তাঁদের সমবায় সমিতি আর্থিক দুরাবস্থায় ধুঁকছে।এদিন গোপ গন্তার ইউনিয়ন কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার সোসাইটিতে এসে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার বাসিন্দা তথা সমিতির অবসরপ্রপ্ত কর্মী রজত সিংহের স্ত্রী সুপ্রিয়াদেবী। তিনি বলেন, এক বছরের বেশি সময় ধরে তিনি তাঁর স্বামীর অবসরকালীন টাকা পাওয়ার জন্যে ঘুরছেন। কিন্তু টাকা পাচ্ছেন না। অসুস্থ স্বামীর ওষুধ কেনার টাকা জোগাড় করতে না পেরে তিনি দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। অনেক আমানতকারী তাঁদের জমানো টাকা পুজোর মুখে টাকা তুলতে না পেরে নিদারুন অসুবিধার মধ্যে পড়ে গিয়েছেন। এমনই এক আমানতকারী সুব্রত রায় বলেন, তাঁর মায়ের অ্যাকাউন্টে টাকা রয়েছে। পুজোর প্রাক্কালে প্রয়োজন মতো টাকা তুলতে না পারায় তিনি তাঁর মায়ের পুজোর শাড়ি, জামা কিনে উঠতে পারেননি।ক্ষোভের যেন কোনও শেষ নেই। অন্যদিকে স্থানীয় ইছাপুর গ্রামের বাসিন্দা রহিম শেখ, নূরবানু শেখরা জানান, বহু কাকুতি মিনতি করে সমবায় থেকে প্রতি মাসে ৫০০ টাকার বেশি পান না। শঙ্করপুরের বাসিন্দা কাকলি টুডু একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, সমবায়ে টাকা জমা রেখে তিনি মহা ফাঁপড়ে পড়ে গিয়েছি। মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়ে গেলেও টাকা পাওয়া যাচ্ছে না বলে বিয়ের দিন ঠিক করতে পারছি না। সমবায়ে বিক্ষোভ দেখাতে আসা অন্য অনেক আমানতকারী আবার বলেন, সার কেলেঙ্কারির কোনও সুরাহা এখনও এই সমবায় ব্যাঙ্ক করেনি। সমবায় থেকে সমবায় সার না কিনেও অনেককে টাকা মেটাতে হয়েছে। তাছাড়াও নিয়োগে দুর্নীতি, অডিট রিপোর্টে গন্ডগোল, কোনও নথি ছাড়াই ঋণ দেওয়ার ফলে এখন আমানতকারীদের ভুগতে হচ্ছে। সমবায় সমিতির জেলার এআরসিএস(রেঞ্জ ১) সত্যজিৎ মণ্ডল এই বিষয়ে বলেন, সমবায় পরিদর্শকের কাছে অভিযোগের বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হবে।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
রাজনীতি

Sabyasachi Dutta: বিধনসভায় পরিষদীয়মন্ত্রীর ঘরে সব্যসাচীর তৃণমূলে যোগ, রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তুঙ্গে

বিধানসভায় দলবদল। বিজেপি থেকে তৃণমূলে ফিরলেন প্রাক্তন বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত। দলবদল হল একেবারে বিধানসভা চত্বরে। বৃহস্পতিবার পরিষদীয়মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘরে মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের উপস্থিতিতে মুকুলপন্থী বিজেপি নেতা সব্যসাচী দত্ত তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেন। এই দলবদল নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে। সমালোচনা করেছে বিজেপি। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, এটা একটি বিরল এবং ব্যতিক্রমী ঘটনা। দেশের অন্য কোনও বিধানসভা কখনও এমন দৃশ্য দেখেনি বা প্রত্যক্ষ করেনি। বিধানসভাকে নিজের দলীয় অফিস হিসেবে ব্যবহার করছে।বিজেপি থেকে তৃণমূলে ফিরে আসার যেন মিছিল পড়ে গিয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল আসন নিয়ে তৃতীয়বারের জন্য় ক্ষমতায় আসার পর থেকে তৃণমূলে ফেরার হিরিক লেগেছে। একাধিক বিজেপি বিধায়ক তৃণমূলে এসেছেন। হেরে যাওয়া বিজেপি প্রার্থীদেরও দলে নিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। মুকুল রায়ের হাত ধরে বিজেপি গিয়েছিলেন সব্যসাচী দত্ত। বিধানসভার ফল বেরনোর পর সর্বপ্রথম কৃষ্ণনগরের বিধায়ক মুকুল রায় তৃণমূলে ফেরেন। তখনও অনেকটাই পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল মুকুলপন্থীরা ঘাসফুল শিবিরে ফিরবেন। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেই আভাস দিয়েছিলেন। এদিন তা একেবারে স্পষ্ট হল।তবে সব্যসাচীর দলে ফেরা নিয়ে তৃণমূলের অভ্যন্তরেই ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় সাংবাদমাধ্যমে বলেছেন, নির্বাচনে যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গলমন্দ করলেন, তাঁরাই এখন দলে ফিরছেন। এতে কর্মীদের মনোবল ভেঙে যায়।এর আগে কখনও রাজ্য বিধানসভা সত্বরে দলবদল হয়েছে, এমন নজির নেই। বিরোধী নেতৃত্ব নবান্নে গিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন। সেখানে ঘোষণা হয়েছে। কিন্তু বিধানসভা চত্বরে এই প্রথম দলবদলের ঘটনা ঘটেছে। এবার ঘটেছে একেবারে পরিষদীয়মন্ত্রীর ঘরে। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলেরও বক্তব্য, বিধানসভা চত্বরে এই দলবদলের ঘটনা ঐতিহাসিক নজির হয়ে থাকবে। আবার এমন দিনে তৃণমূলে যোগ দিলেন সব্যসাচী দত্ত যেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভায় রাজ্যপালের কাছে বিধায়ক হিসেবে শপথ নিলেন।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

S‌AAF Championship : শ্রীলঙ্কার কাছে আটকে গিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সঙ্কটে ভারত

বাংলাদেশ তবু একটু শক্তিশালী প্রতিপক্ষ ছিল। কিন্তু শ্রীলঙ্কা? বাংলাদেশের তুলনায় অনেকটাই দুর্বল। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ভারতের থেকে ৯৮ ধাপ পিছিয়ে। এইরকম দলের কাছেও আটকে যেতে হল ভারতকে! শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ম্যাচ গোলশূন্য ড্র করে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন থেকে অনেকটাই দুরে সরে গেলেন সুনীল ছেত্রিরা। ফাইনালে যেতে গেলে লিগের বাকি দুটি ম্যাচ শুধু জিতলেই হবে না, অন্য ম্যাচের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে।বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকজন ফুটবলারের পারফরমেন্সে একেবারেই সন্তুষ্ট হতে পারেননি ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। তাই শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন করেন। ফুটবলারদের পজিশনও বদল করে দেন। আগের ম্যাচে রক্ষণে দলকে একেবারেই নির্ভরতা দিতে পারেননি প্রীতম কোটাল। তাই এদিন রক্ষণ আমূল বদলে দেন। শুভাশিস বসুকে ডিফেন্সে নামিয়ে নিয়ে আসেন ইগর স্টিম্যাক। সেন্ট্রাল ডিফেন্সে প্রীতম কোটালের পরিবর্তে সুরেশ সিংকে নামিয়ে রাহুল বেকেকে তাঁর সঙ্গে জুড়ে দেন। মাঝমাঠে ব্রেন্ডন, আক্রমণভাগে মনদীপ সিংদের প্রথম একাদশে জায়গা হয়নি।একগুচ্ছ পরিবর্তন করেও হাল ফেরেনি ভারতের। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সুনীল ছেত্রিদের যে দাপট ছিল, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথমার্ধে সেই দাপট দেখা যায়নি। তার মাঝেই ম্যাচের ১৪ মিনিটে মন্দার রাওয়ের ক্রস থেকে গোল করার মতো সুযোগ এসে গিয়েছিল সুনীল ছেত্রির সামনে। শ্রীলঙ্কার গোলকিপার সুজন পেরেরা সুনীলের সেই প্রয়াস রুখে দেন। ২২ মিনিটে ডানদিক থেকে ভেসে আসা বলে অরক্ষিত অবস্থায় থেকেও হেডে বল জালে পাঠাতে ব্যর্থ লিস্টন কোলাসো। এটাই ছিল প্রথমার্ধের সবথেকে সহজ সুযোগ। এই দুটি সুযোগ ছাড়া প্রথমার্ধে বলার মতো আর কোনও সুযোগ তৈরি করতে পারেনি ভারত। মাঝমাঠ থেকে সেভাবে বল সরবরাহ না হওয়ায় সুনীল ছেত্রিও জ্বলে উঠতে পারেননি। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য কিছুটা খেলায় ফেরে ভারত। রিস্টন কোলাসো, উদান্ত সিং, অনিরুদ্ধ থাপারা একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন। ৬০ মিনিটে গোল করার মতো পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল। রিস্টন কোলাসোর পাস ৬ গজ বক্সের মধ্যে পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন অনিরুদ্ধ থাপা। দ্বিতীয়ার্ধে রিস্টন কোলাসোর জায়গায় আব্দুল সামাদ ও অনিরুদ্ধ থাপার পরিবর্তে ফারুখ চৌধুরিকে নামান ইগর স্টিম্যাক। ৭২ মিনিটে জটলার মধ্যে থেকে শ্রীলঙ্কার জালে বল পাঠান ফারুখ। কিন্তু শুভাশিস শ্রীলঙ্কার এক ফুটবলারকে ফাউল করায় সেই গোল বাতিল হয়ে যায়। ৮৯ মিনিটে কর্ণার থেকে ভেসে আসা বল সুনীল ছেত্রি হেডে নামিয়ে দিলে গোলকিপারের সঙ্গে হাতমেলানো দুরত্ব থেকে অবিশ্বাস্যভাবে বল বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দেন শুভাশিস বসু। শেষ দিকে প্রবল চাপ রেখেও জয় আসেনি। পরপর দুম্যাচে আটকে গিয়ে গভীর সঙ্কটে পড়ে গেল ভারত।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Sarbamangala Temple: ৩০০ বছরের পুরনো বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরে ঘট প্রতিষ্ঠার সঙ্গেই রাঢ়বঙ্গে দামামা বাজল শারদ উৎসবের

বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সর্বমঙ্গলা মায়ের ঘট উত্তোলন ও প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে মহালয়ার পরদিন থেকে শারদ উৎসবের সূচনা হয়ে গেল রাঢ়বঙ্গে। বৃহস্পতিবার থেকে নবমী পর্যন্ত চলবে পুজো। তবে রাজ আমলের রীতি মেনে পুজো হলেও কোভিড বিধি মেনে এবারও সর্বমঙ্গলা মন্দিরে ভক্তদের ভিড় জমানোয় নিষেধাঞ্জা বলবৎ রেখেছে সর্বঙ্গলা ট্রাস্টি বোর্ড। বৃহস্পতিবার রীতি মেনে বর্ধমান শহরের কৃষ্ণসায়র থেকে রুপোর ঘটে জল ভরে সেই ঘট ঘোড়ার গাড়িতে চাপিয়ে শোভাযাত্রা ও বাদ্যযন্ত্র সহযোগে নিয়ে যাওয়া হয় সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। মন্দিরের পুরোহিত অরুণ কুমার ভট্টাচার্য বলেন, মহালয়ার পরের দিন প্রতিপদে দেবী সর্বমঙ্গলার জন্য ঘটে জল ভরে আনার নিয়ম রয়েছে। কৃষ্ণসায়রের চাঁদনী ঘাট থেকে ঘটে জল ভরে সেই ঘট মন্দিরে নিয়ে গিয়ে এদিন প্রতিষ্ঠা করা হল। কৃষ্ণসায়র থেকে ঘট আনার জন্য শোভাযাত্রা করা হলেও করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুরোহিত জানান, ঘটস্থাপনের পর থেকে নবমী পর্যন্ত পুজো চলবে। সঙ্গে হবে চণ্ডীপাঠ ও দেবীকে ভোগ নিবেদন। সর্বমঙ্গলা মায়ের পুজো শুরু নিয়ে বর্ধমানে নানা কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। প্রচলিত কাহিনী অনুসারে জানা যায়, বহুকাল পূর্বে বর্ধমানের বাহিরসর্বমঙ্গলা অঞ্চলে জেলেদের জালে একটি অদ্ভূত দর্শন পাথর উঠে আসে। কিছুটা শিলার মত দেখতে ওই পাথর দিয়েই তখনকার দিনে গুগলি, শামুক থেঁতো করতেন এলাকার বাসিন্দারা। সেই শিলা যে আদতে দেবী মূর্তি, তা পরে বুঝতে পারেন এলাকার এক পুরোহিত। কাহিনী অনুসারে আরও জানা যায়, সেই সময় দামোদর নদ লাগোয়া চুন তৈরির কারখানার জন্য শামুকের খোলা নেওয়ার সময় শিলামূর্তিটি চলে যায় চুন ভাটায়। তখন শামুকের খোলের সঙ্গে শিলামূর্তিটি পোড়ানো হলেও মূর্তির কোনো ক্ষতি হয়নি। সেই রাতে দেবীর স্বপ্নাদেশ পাওয়া মাত্রই বর্ধমানের তৎকালীন রাজা শিলামূর্তিটিকে নিয়ে এসে সর্বমঙ্গলা নামে পুজো শুরু করেন। ঐতিহাসিক মতে বর্ধমানের মহারাজা শ্রী কীর্তিচাঁদ ১৭০২ খ্রিস্টাব্দে সর্বমঙ্গলা মায়ের পুজোর জন্য মন্দিরটি নির্মাণ করান। কিন্তু এই মন্দিরে থাকা মাতা সর্বমঙ্গলার মূর্তিটি মন্দিরের থেকেও বেশি প্রাচীন। অনেকের মতে মূর্তিটি ১০০০ বছর পুরোনো, আবার কারও মতে ২০০০ বছরের পুরনো। এই মূর্তিটি হল কষ্টিপাথরের অষ্টাদশভূজা সিংহবাহিনী মহিষমর্দিনী। যাঁর দৈর্ঘ্যে বারো ইঞ্চি, প্রস্থে আট ইঞ্চি। মন্দিরে রুপের সিংহাসনে দেবী আসীন থাকেন। জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হবার পরে বর্ধমানের তৎকালীন মহারাজা উদয় চাঁদ ১৯৫৯-তে একটি ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করেন, তাঁদের হাতে এই প্রাচীন মন্দিরটি পরিচালনার দায়িত্ব দেন ও তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত সেই ট্রাস্টি বোর্ডই এই মন্দিরের দেখাশোনা করে। আগে সন্ধি পুজোয় কামান দাগা হতো, মেষ, মহিষ ও ছাগ বলি হতো। এখন আর হয় না। পূর্বে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে সন্ধিপুজোয় কামানের আওয়াজ শুনে আশেপাশের সমস্ত জমিদার বাড়িতে সন্ধিপুজো শুরু হতো। নবমীতে নব কুমারি মায়ের পুজোর রীতি আজও চালু রয়েছে।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Saheb Halder : পুজো মানে আমার কাছে ঠাকুর দেখা নয়, বাড়িতে থাকা - সাহেব হালদার

পরিচালক পাভেল, পরমব্রত চট্টপাধ্যায়, অঙ্কুশের সাথে ছবির শ্যুটিং-এ ব্যস্ত। তার মাঝেই কিছুটা সময় বের করে জনতার কথা-র প্রতিনিধি সায়ন্তন সেন এর সাথে দুর্গাপুজো নিয়ে এক্সক্লুসিভ আড্ডা দিলেন অভিনেতা ও পিআর সাহেব হালদার।জনতার কথা : তোমার এবারের পুজোর প্ল্যান কী?সাহেব : পুজো মানে এই নয় যে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরে বেড়ানো। পুজো মানে আমার কাছে সারা দিনটা বাড়িতে থাকা। এই বছর অনেকগুলো সিনেমা তৈরী হচ্ছে। যেগুলো আমার কোম্পানি প্রোমোশন দেখছে। তাই চাপটা প্রচুর। তবে আশা করছি ভাল সময় কাটবে। পুজোতে আমি খুব কম ঠাকুর দেখি। পঞ্চমী, ষষ্ঠী পর্যন্ত আমাদের শুটিং চলে। এবছরেও পুজোয় খুব হেকটিক সিডিউল রয়েছে।জনতার কথা : বাড়িতে পুজোটা কীভাবে উপভোগ করো?সাহেব : খাওয়া-দাওয়া হয়। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিই। হয়তো দশমীর দিনে ঠাকুরটা দেখতে যাওয়া হয়। তাও বাড়ির পাশে ক্লাবের ঠাকুর দেখতে যাই। আমার ফ্ল্যাটের পাশে পুজো হয়।জনতার কথা : কোভিড পরিস্থিতিতে এবার পুজোতে অন্য কিছু কি পরিকল্পনা রয়েছে?সাহেব : এবারে আরও মজা হবে। আমি আমার ফ্ল্যাটটা শিফ্ট করেছি। আমার জানালার সামনেই পুজো হচ্ছে। আমার জানালা থেকেই প্যান্ডেলটা দেখা যায়। এবছর অনেকটা রাত জাগবো। তবে তার মানে রাত জেগে ঠাকুর দেখা নয়।জনতার কথা : এবছর পুজোর আগে সাহেব হালদার এতো প্রোজেক্ট নিয়ে ব্যস্ত। পুজোটা কতটা স্পেশাল?সাহেব : না সেটা নয়। তবে হ্যাঁ পুজোর আগে আমার বেশ কয়েকটি প্রোজেক্ট আসছে। আসছে বছর আবার হবে পার্ট ২, শব, সত্যজিৎ দাসের কলঙ্কিনী রাধার শুটিং চলছে। ১৫ তারিখ থেকে একটা প্রোজেক্ট শুরু হওয়ার কথা।জনতার কথা : শব নিয়ে কিছু বলো।সাহেব : শবের জন্য সবার আগে ধন্যবাদ জানাবো সৌম্যজিৎ দা কে। সৌম্য দা খুব বিশ্বাস করে আমাকে চরিত্রটা দিয়েছে। অনেক কিছু শিখেছি দাদার কাছ থেকে। আর ডিরেক্টর সুমিত মন্ডলকেও অনেক থ্যাংকস। সৌরভ দাস খুব ব্রিলিয়ান্ট অ্যাক্টর। তাঁর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে পারাটা আমার কাছে বড় প্রাপ্তি।জনতার কথা : ১৫ তারিখের প্রোজেক্টটা নিয়ে আমরা কী কিছু জানতে পারি?সাহেব : আশা করছি এই প্রোজেক্টটা তোমাদের ভাল লাগবে। এটা বেসিক্যালি থ্রিলার একটা ওয়েব সিরিজ। ৬টা এপিসোড। এই থ্রিলার ওয়েব সিরিজে মার্ডার, রহস্য, ভালবাসা সবকিছুর বন্ধনে জড়িয়ে আছি আমি। (বাকি নামগুলো সাহেব বলতে চাইছিল না, কিন্তু অনেক বলার পর জানাল) এই ওয়েব সিরিজে রাহুল অরুণোদয় ব্যানার্জি রয়েছেন। এছাড়া আরও কিছু পরিচিত মুখ আছেন। এইটুকু এখন বলতে পারি।জনতার কথা : পুজোর আগে বড় বড় ছবির ঘোষণা করেছো। পাভেল এর কলকাতা চলন্তিকা, পরমব্রর চট্টোপাধ্যায় এর এন্টিডট। অঙ্কুশ, শুভশ্রীর সাথে কাজ। কি বলবে এগুলো নিয়ে?সাহেব : দেখুন এই ছবিগুলোর কাস্ট নাম শুনে বুঝতেই পারছেন ছবি গুলো বড় ছবি। তবে বড় ছবি যেহেতু তাই প্ল্যানটা খুব ভালো করে করতে হচ্ছে।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Mordern Nari : সন্দীপ্তা এবার 'মর্ডান নারী'

৬ অক্টোবর মহালয়ার দিন নতুন প্রযোজনা সংস্থা মিষ্টি দই আনলিমিটেড-এর প্রথম প্রোজেক্ট মিউজিক ভিডিও মর্ডান নারী লঞ্চ হয়ে গেল। মিউজিক ভিডিওর পরিচালক দীপাঞ্জন রায়। প্রযোজনা করেছেন অম্লান সেন। অদিতি বোসের সঙ্গীত পরিচালনায় এই মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছেন সকলের প্রিয় সন্দীপ্তা সেন। গান গেয়েছেন উজ্জয়িনী।পরিচালক দীপাঞ্জন রায় মর্ডান নারী মুক্তির দিন যে খুব এক্সাইটেড ছিলেন সেটা তার কথা শুনেই বোঝা গেল। তিনি জানালেন,দুর্গাপুজোর আগে ক্রিয়েটিভ একটা প্রোজেক্ট করতে চেয়েছিলাম। ক্রিয়েটিভ ড্যান্স নাম্বার। যেটা আর ৪-৫টা প্রোজেক্টের থেকে একটু আলাদা হবে। আমাদের এই কাজটা পুরো একটা প্যাকেজ। আর আজকের দিনে আমার প্যাকেজটাই চাই। আজ স্ট্রিমিং হলো। ভীষণই ভালো লাগছে। বাকিটা দর্শকদের কেমন লাগে সেটাই দেখার।মর্ডান নারী-র কেন্দ্রীয় চরিত্র সন্দীপ্তা সেন জানালেন,আমি সবসময় অন্য ধরণের কাজ করতে ভালোবাসি। আমি যে কাজ করেছি তার থেকে আলাদা একটা কাজ। মিউজিক ভিডিও তো ভালোই লাগে। আর সেটা যখন ড্যান্স নাম্বার হয় তখন আরও ভালো লাগে। আমি ড্যান্স করতে ভীষণ ভালোবাসি। গানটায় আমার তিনটে লুক রয়েছে। তিন ধরনের পার্টে দর্শকরা আমাকে দেখতে পাবেন। সেটা খুব ভালোলাগার একটা জায়গা।দুর্গাপুজোর আগেমর্ডান নারী এই ভিন্নধারার প্রোজেক্ট দর্শকদের অন্য এক মিউজিক ভিডিও উপহার দিচ্ছে। যে মিউজিক ভিডিও মহিলাদের নতুন উদ্যম যোগাবে। তাই এবার পুজোয় বেশ কিছু আইটেম-সং এর মধ্যে অভিনবত্বের ছাপ রেখেছে মর্ডান নারী।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sunil Chetri: শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া ভারত, পেলের কৃতিত্বের সামনে সুনীল ছেত্রি

প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ড্র করায় বেশ বিপাকে ভারত। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠতে গেলে লিগের বাকি ম্যাচগুলোতে জিততে হবে ইগর স্টিম্যাকের দলকে। এই অবস্থায় বৃহস্পতিবার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে খেলতে নামছেন সুনীল ছেত্রিরা।আগের ম্যাচে বাংলাদেশকে ১০ জনে পেয়েও হারাতে পারেনি ভারত। সুনীল ছেত্রিদের পারফরমেন্স নিয়ে চারিদিকে প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশের কাছে আটকে যাওয়াটা এখনও মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না কোচ থেকে ফুটবলাররা। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া। আগের ম্যাচ ড্র করে মনোবলে আঘাত লাগছেও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ভারতীয় শিবির। আর আত্মবিশ্বাসের মূল কারণ বাংলাদেশের থেকে অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল শ্রীলঙ্কা। শক্তির বিচারে ভারতীয় দলের তুলনায় শ্রীলঙ্কা অনেক পিছিয়ে রয়েছে। তা সত্ত্বেও বিপক্ষ শিবিরকে একেবারেই হালকা ভাবে নিচ্ছে ভারতীয় শিবির। পচা শামুকে পা কাটতে পারে, এই আশঙ্কায় ভুগছে ভারতীয় শিবির। তবে আগের ম্যাচের ব্যর্থতা ভুলে গোটা দল নতুনভাবে ঝাঁপাতে চাইছে। ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাকও বাংলাদেশ ম্যাচের কথা এখনও মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে পারছে না। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচে আমাদের ভুলের মাশুল দিতে হয়েছে। এবার আমাদের সামনে তাকাতে হবে। গ্রুপ লিগে এখনও তিনটে ম্যাচ বাকি। এই ম্যাচগুলিতে আমাদের আরও ভাল খেলতে হবে। বাকি ম্যাচগুলো জিতলে আমাদের ফাইনালে যেতে সমস্যা হবে না। ফুটবলারদের ধৈর্য ধরতে হবে।বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচে বেশ কয়েকজন ফুটবলারের খেলায় হতাশ ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ম্যাচে প্রথম একাদশে কয়েকটা পরিবর্তন করতে চলেছেন তিনি। তবে প্রথম একাদশ খোলসা করেননি। এই ব্যাপারে তিনি বলেন, আমাদের হাতে এখনও অনেকটা সময় আছে। ম্যাচের আগে প্রথম একাদশ ঠিক করব। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচ নিয়ে ফুটবলারদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। আমাদের বেশ কয়েকটা জায়গায় উন্নতি করতে হবে। রক্ষণ আরও মজবুত করতে হবে।স্টিম্যাক আরও বলেন, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জয়ের জন্য যা কিছু করা সম্ভব, সবই করব। দল হিসেবে শ্রীলঙ্কাকে সমীহ করতেই হবে। তবে একটা কথা বলব, দুই ম্যাচ খেলে ওরা ২ পয়েন্ট পেয়েছে ঠিকই। কিন্তু ওদের ১ পয়েন্টও পাওয়া উচিত ছিল না। এটাই ফুটবল। এদিকে, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পেলের মাইলস্টোন ছোঁয়ার লক্ষ্যে নামছেন সুনীল ছেত্রি। আর ১ গোল করলেই তিনি দেশের হয়ে পেলের করা ৭৭ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করবেন।

অক্টোবর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Football: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দলের পারফরমেন্সে বিরক্ত ইগর স্টিম্যাক

দারুণ শুরু করেও শেষরক্ষা হয়নি। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ম্যাচেই বাংলাদেশের কাছে আটকে যেতে হয়েছে ভারতকে। বাংলাদেশকে দ্বিতীয়ার্ধের প্রায় পুরো সময় ১০ জনকে নিয়ে খেলতে হয়েছে। তাসত্ত্বেও জয় না আসায় সুনীল ছেত্রিদের ওপর যথেষ্ট বিরক্ত ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দলের পারফরমেন্স প্রসঙ্গে ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক বলেন, নিজেদের ভুলের জন্যই আমরা বাংলাদেশকে হারাতে পারিনি। সবকিছুই আমাদের অনুকূলে ছিল। গোটা ম্যাচ আমরা নিরঙ্কুশ প্রাধান্য নিয়ে খেলেছি। প্রথমে গোল করে এগিয়েও গিয়েছিলাম। পাশাপাশি বিপক্ষের এক জন ফুটবলারের কম থাকার সুবিধাও আমাদের ছিল। তা সত্ত্বেও কোনও অজ্ঞাত কারণে আমরা ভুল পাস খেলা শুরু করি। অপ্রয়োজনীয় ভুল করতে থাকি। বিপক্ষকে যদি আত্মবিশ্বাস ফেরানোর সুযোগ করে দিই, তাহলে ম্যাচ জেতা কঠিন হয়ে পড়ে। আমাদের ক্ষেত্রে সেটাই হয়ে। ভুলের মাশুল দিয়ে ম্যাচ ড্র করে ফিরতে হয়েছে।বাংলাদেশের তুলনায় ভারতীয় দল অনেক বেশি অভিজ্ঞ। কিন্তু সুনীল ছেত্রিরা অভিজ্ঞতার মর্যাদা দিতে পারেননি বলে মনে করছেন ইগর স্টিম্যাক। ভারতীয় দলের এই কোচ বলেন, আমরা নিজেদের ভুলের মাশুল দিয়েছি। অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পরিস্থিতির সুযোগ নিতে পারিনি। এই ভারতীয় দল যথেষ্ট অভিজ্ঞ। দলের ফুটবলারদের কাছ থেকে আরও বেশি প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু ফুটবলাররা অহেতুক নার্ভাস পড়ে গিয়েছিল। আমার কাছে এর কোনও ব্যাখ্যা নেই। গ্রুপ লিগে এখনও তিনটি ম্যাচ বাকি রয়েছে ভারতীয় দলের। ফাইনালের ছাড়পত্র পেতে গেলে যেভাবেই হোক বাকি ম্যাচগুলিতে জিততে হবে ইগর স্টিম্যাকের দলকে। ৭ অক্টোবর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে আবার খেলতে নামবেন সুনীল ছেত্রিরা। বাংলাদেশ ম্যাচের ভুল শুধরে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে মাঠে নামতে চান স্টিম্যাক। তিনি বলেছেন, এখন আমরা পরের ম্যাচের দিকে তাকিয়ে রয়েছি। গ্রুপ লিগে এখনও আমাদের তিনটি ম্যাচ বাকি রয়েছে। বাকি ম্যাচগুলিতে ভাল খেলতেই হবে। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৭৫ মিনিটের বেশি সময় দারুণ ফুটবল উপহার দিয়েছিল। বেশ আগ্রাসী ফুটবল খেলেছিল। বারবার বিপজ্জনক জায়গায় পৌঁছে যাচ্ছিল। কিন্তু শেষ ১৫ মিনিটের খেলা আন্তর্জাতিক মানের ছিল না। অনেক ভুল করেছিলাম। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরের ম্যাচে সেই ভুলগুলো করা চলবে না। জিততে গেলে ৯০ মিনিট সেরাটা দিতে হবে। পরের ম্যাচে পেলের ৭৭ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করার সুযোগ সুনীল ছেত্রির সামনে। জয়ের জন্য দলের এই অভিজ্ঞ স্ট্রাইকারের দিকে তাকিয়ে ইগর স্টিম্যাক।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 5th October 2021): সিংহের প্রীতিলাভ, মকরের অর্থব্যয়

মেষ/ARIES: আগুনে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা।বষৃ/TAURUS: উচ্চশিক্ষার সুযোগ আসতে পারে।মিথনু/GEMINI: আজ বিত্তনাশ হতে পারে। কর্কট/CANCER: দাঁতের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।সিংহ/LEO: আর প্রীতিলাভ করতে পারেন।কন্যা/VIRGO: অন্যায়ের বিরোধিতা করতে পারেন। তুলা/ LIBRA: আজ অসাধুতার শিকার হতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: বিদ্যায় সাফল্য আসতে পারে। ধনু/SAGITTARIUS: ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।মকর/CAPRICORN: অহেতুক অর্থব্যয় হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: পায়ের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।মীন/ PISCES: সাহসিকতা প্রদর্শন করতে পারেন।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Hansal Mehta : শাহরুখের পাশে হংসল মেহেতা

ছেলে আরিয়ান গ্রেফতার হওয়ার পর শাহরুখ খানের প্রতি সমর্থন বাড়িয়েছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা হংসল মেহেতা।পরিচালক ট্যুইটারে লিখেছেন কর্তৃপক্ষকে তার পথ নেওয়ার অনুমতি দেওয়ার আগে সিদ্ধান্তে আসা লোকেরা অসম্মানজনক এবং অন্যায়। তিনি লিখেছেন একজন পিতামাতার জন্য তাদের সন্তানের সমস্যায় পড়া এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আইন যখন চলার আগে মানুষ রায় দিতে শুরু করে তখন এটি আরও জটিল হয়ে ওঠে।এটা অভিভাবক এবং পিতামাতা-সন্তানের সম্পর্কের প্রতি অসম্মানজনক এবং অন্যায়।তোমার সঙ্গে আছি এসআরকে। একটি মাদক মামলায় আরিয়ানকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যুরো (এনসিবি) জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এনসিবি কর্মকর্তারা একটি জাহাজের পার্টিতে অভিযান চালানোর পর আরিয়ানকে গ্রেফতার করেন।জোনাল ডিরেক্টর সমীর ওয়াংখেড়ের নেতৃত্বে অভিযানের সময় কর্মকর্তারা কোকেন, এমডিএমএ এবং মেফেড্রোন সহ বেশ কিছু মাদক জব্দ করেন।আরিয়ানের পাশাপাশি এনসিবি মুনমুন ধামেচা এবং আরবাজ মার্চেন্টসহ আটজনকে হেফাজতে নিয়েছেন।আরিয়ান আদালতে হাজির হন যেখানে তার আইনজীবী সতীশ মানেশিন্দে বলেছিলেন তার বোর্ডিং পাস ছিল না।সেখানে তার কোনও আসন বা কেবিন ছিল না। দ্বিতীয়ত জব্দ অনুযায়ী তার কাছে কিছুই পাওয়া যায়নি। তাকে শুধুমাত্র আড্ডার ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
প্রযুক্তি

Whatsapp Facebook:হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুক এর পরিসেবা ব্যহত

বিশ্বজুড়ে স্তব্ধ হয়ে গেল হোয়াটস অ্যাপ, ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রাম। আজ রাত নটা থেকে হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুক এর পরিসেবা ভেঙে পড়ে। দুই মাধ্যম দিয়ে কোনও রকম বার্তা পাঠানো যাচ্ছে না। একই সঙ্গে তিনটি সামাজিক মাধ্যম স্তব্ধ হয়ে যাওয়াতে কিছুটা অবাকই হন নেটিজেনরা। বারবার রিফ্রেস করতে থাকেন তাঁদের অ্যাকাউন্ট। কিন্তু কোনও মতেই কোনও লাভ হয় না। বিশেষ করে হোয়াটস অ্যাপ কাজ না করাতে অনেকেই সমস্যার মধ্যে পড়েন।বিশ্বের সব দেশেই এর ভয়ংকর প্রভাব পড়ে। বিভিন্ন জায়গাতে এই তিন সামাজিক মাধ্যম খোলা যাচ্ছে না বলে অনেকেই টুইট করতে থাকেন। ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার, হোয়াটস অ্যাপের মতো প্লার্টফর্মগুলি নিঃস্তব্ধ হয়ে যাওয়াতে ব্যবহারকারীরা টুইটারের সাহায্যে বার্তার আদানপ্রদান করতে থাকেন। এই গভীর সমস্যার কথা জানিয়ে বহু মানুষ টুইট করতে থাকেন। অনেকেই জানান, হোয়াটস অ্যাপ কিংবা ম্যাসেঞ্জারে মেসেজ পাঠানোর চেষ্টা করা হলে তা ডেলিভারি হয়নি।Were aware that some people are experiencing issues with WhatsApp at the moment. Were working to get things back to normal and will send an update here as soon as possible.Thanks for your patience! WhatsApp (@WhatsApp) October 4, 2021হোয়াটসঅ্যাপ কর্তিপক্ষ টুইটারে তাঁদের অভিব্যাক্তি জানিয়ে টুইট করে জানান এই মুহুর্তে কিছু মানুষের হোয়াটসঅ্যাপে যে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে সে সম্বন্ধে আমরা অবগত। আমরা পরিসেবাগুলিকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরানোর জন্য কাজ করছি এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এখানে এগুলি স্বাভাবিক হয়ে যায় তার প্রচেষ্টা চলছে।বিস্তারিত আসছেঃ......

অক্টোবর ০৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 49
  • 50
  • 51
  • 52
  • 53
  • 54
  • 55
  • ...
  • 78
  • 79
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

একের পর এক মামলার চাপে অভিষেক! এবার কি আরও বড় আইনি সংকট সামনে?

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে আইনি ও রাজনৈতিক চাপ আরও বেড়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রদেশে দায়ের হওয়া একটি মানহানি মামলাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।অভিযোগ, একটি রাজনৈতিক সভায় দেওয়া বক্তব্যে এক বিজেপি নেতাকে উদ্দেশ করে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়। মামলার শুনানির জন্য একাধিকবার সমন পাঠানো হলেও তিনি আদালতে হাজির হননি বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর আদালতের পক্ষ থেকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে তিনি অন্তর্বর্তী স্বস্তি পেয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক আদালতি সিদ্ধান্তকে ঘিরে আবারও নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।এদিকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দলের অন্দরে নেতৃত্ব ও সংগঠন নিয়ে একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, দলীয় স্তরেও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা ও মতভেদ দেখা দিয়েছে।শুধু তাই নয়, গত কয়েক মাসে একাধিক মামলার তদন্তে বিভিন্ন সংস্থার তলবের মুখোমুখি হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি মামলায় তিনি তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ পেয়েছেন এবং সেই অনুযায়ী তদন্তকারী সংস্থার দপ্তরে হাজিরাও দিয়েছেন। অন্য কয়েকটি মামলাতেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে।এছাড়াও বিভিন্ন আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্তে তাঁর নাম উঠে এসেছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও সামনে আসেনি।নতুন আদালতি পরিস্থিতির ফলে আগামী দিনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি লড়াই কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। একই সঙ্গে এই ঘটনার রাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে বড় পদক্ষেপ! কেন হঠাৎ টেলিগ্রামের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান কেন্দ্রের?

প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই আবহে টেলিগ্রামের একাধিক চ্যানেলের কার্যকলাপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ, কিছু চ্যানেল পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র পাইয়ে দেওয়ার নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ দাবি করছিল এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছিল।সরকারি সূত্রের দাবি, শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে সক্রিয় একাধিক প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, এটি কোনও মতপ্রকাশ বা কণ্ঠরোধের বিষয় নয়। বরং পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং পরীক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থা। তাদের দাবি, কয়েকজন দুষ্কৃতীর কর্মকাণ্ডের জন্য বিপুল সংখ্যক সাধারণ ব্যবহারকারী সমস্যার মুখে পড়ছেন। সংস্থার পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে সাধারণ ব্যবহারকারীদের উপর প্রভাব পড়ছে।এদিকে পরীক্ষা পরিচালনাকারী সংস্থার দাবি, গত কয়েক মাস ধরে একাধিক সন্দেহভাজন চ্যানেলের উপর নজর রাখা হচ্ছিল। তদন্তে দেখা যায়, কিছু চ্যানেল প্রকাশ্যে প্রশ্নপত্র দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে কয়েক হাজার থেকে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত দাবি করছিল।তবে পরীক্ষা কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে, এই ধরনের দাবি সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং প্রতারণামূলক। পরীক্ষার্থীদের কোনওভাবেই এমন প্রলোভনে পা না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সন্দেহজনক কোনও বার্তা বা চ্যানেলের তথ্য প্রশাসনকে জানানোর আবেদনও করা হয়েছে।পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রশ্নে এখন নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ এবং তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষা মহলের।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের পর এবার সমাজবাদী পার্টি? বিস্ফোরক দাবিতে তোলপাড় উত্তরপ্রদেশ রাজনীতি

দেশের রাজনীতিতে আবারও দলভাঙার জল্পনা ঘনীভূত হচ্ছে। তৃণমূল এবং শিবসেনাকে ঘিরে বিতর্কের পর এবার সমাজবাদী পার্টিকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের এক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক মহল।সূত্রের দাবি, আগামী দিনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আইন সংসদে আনার প্রস্তুতি চলছে। সেই প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং তাদের সাংসদদের অবস্থান নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। এই আবহেই সমাজবাদী পার্টির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন জল্পনা সামনে এসেছে।এক মন্ত্রীর দাবি, সমাজবাদী পার্টির ভিতরে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে এবং দল ভাঙার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাঁর বক্তব্য, দলের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাংসদ নাকি অন্য রাজনৈতিক পথ বেছে নেওয়ার বিষয়ে ভাবছেন। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে একটি কথিত তালিকাকে ঘিরে। দাবি করা হয়েছে, কয়েকজন সাংসদের নাম নিয়ে একটি তালিকা তৈরি হয়েছে এবং তা দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছে পৌঁছেছে। যদিও এই দাবির পক্ষে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রমাণ সামনে আসেনি।এদিকে সমাজবাদী পার্টির শীর্ষ নেতারা এই সমস্ত জল্পনা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, দলের মধ্যে কোনও ভাঙনের পরিস্থিতি নেই এবং বিরোধীদের পক্ষ থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।দলের এক প্রবীণ নেতা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি কোনও তালিকা কারও হাতে দেননি এবং দল ভাঙার প্রশ্নই ওঠে না। তাঁর দাবি, সমাজবাদী পার্টি আগের মতোই ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক সময়ের নানা ঘটনাকে সামনে রেখে এই ধরনের জল্পনা আরও বাড়তে পারে। কারণ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে দলবদল ও রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাস এখন প্রায় নিয়মিত ঘটনা হয়ে উঠেছে।ফলে সমাজবাদী পার্টিকে ঘিরে ওঠা এই নতুন বিতর্ক আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে নজর রয়েছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। আপাতত দাবি ও পাল্টা দাবির মধ্যেই উত্তপ্ত উত্তরপ্রদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বুলডোজারে আপাতত ব্রেক! হকার উচ্ছেদে বড় রায়, স্বস্তির নিঃশ্বাস হাজার হাজার পরিবারের

হকার উচ্ছেদ নিয়ে চলা বিতর্কে বড় স্বস্তির খবর। কলকাতা হাই কোর্ট আপাতত একাধিক এলাকায় হকার উচ্ছেদ প্রক্রিয়ার উপর স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলে বালিগঞ্জ, বামনগাছি, বারুইপুর, ডানকুনি, গুমা, বনগাঁ, দুর্গনগর, মথুরাপুর, যাদবপুর-সহ বিভিন্ন জায়গায় আগের উচ্ছেদ নোটিস এখনই কার্যকর করা যাবে না।আদালতে মামলাকারীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, যেভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে, তাতে বহু মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁদের বক্তব্য, জীবিকার অধিকার এবং বেঁচে থাকার অধিকার সংবিধান স্বীকৃত অধিকার। হাজার হাজার পরিবার ছোট দোকান, ঠেলাগাড়ি বা অস্থায়ী ব্যবসার উপর নির্ভর করে সংসার চালায়। হঠাৎ করে উচ্ছেদ করে দিলে তাদের জীবন ও জীবিকা সংকটে পড়বে।মামলাকারীদের আইনজীবীর বক্তব্য, রাষ্ট্রের দায়িত্ব দুর্বল ও প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়ানো। তাঁদের শত্রুর মতো আচরণ করা নয়। অথচ বহু জায়গায় আচমকা বুলডোজার নিয়ে গিয়ে দোকান ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয় আদালতে। এমন পরিস্থিতিতে বহু মানুষ রাত জেগে নিজেদের দোকান ও জীবিকা বাঁচানোর চেষ্টা করছেন বলেও দাবি করা হয়।আদালতে আরও বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে কোনও জায়গায় মানুষ বসবাস বা ব্যবসা করে এলে সেই বিষয়টি বিবেচনা না করে হঠাৎ উচ্ছেদ করা উচিত নয়। অতীতে সর্বোচ্চ আদালতের বিভিন্ন পর্যবেক্ষণের কথাও তুলে ধরা হয়।অন্যদিকে রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট জমি বহু বছর আগে আইনসম্মতভাবে অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। সেই জমি ব্যবহারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নোটিসও দেওয়া হয়েছিল। তাই উচ্ছেদ প্রক্রিয়া আইন মেনেই করা হচ্ছে বলে দাবি করে রেল।শুনানির সময় আদালত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রশ্ন তোলে। বিশেষ করে যাঁদের বৈধ অনুমতি বা লাইসেন্স ছিল, তাঁদেরও উচ্ছেদ করা হয়েছে কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত আপাতত উচ্ছেদ প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলে বহু হকার ও তাঁদের পরিবারের মধ্যে সাময়িক স্বস্তি ফিরেছে। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই বিতর্কের উপর নজর থাকবে প্রশাসন, আদালত এবং সাধারণ মানুষের।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

একসময় ছিল দেশের ভরসা, আজ বিস্মৃত ইতিহাস! ফের আলোচনায় ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলস

একসময় দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলস। দুই বিশ্বযুদ্ধ থেকে শুরু করে সীমান্ত রক্ষা এবং জঙ্গি দমনএকাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছে এই বাহিনী। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই গৌরব অনেকটাই ফিকে হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও গুরুত্বহীনতার কারণে বাহিনীটি প্রায় বিস্মৃতির আড়ালে চলে গিয়েছে।সম্প্রতি এই বাহিনীকে ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনা শুরু হয়েছে। দার্জিলিং সফরে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন, ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলসকে আবারও শক্তিশালী করা হবে। তাঁর বক্তব্য, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এক হাজার যুবক-যুবতীকে এই বাহিনীতে নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে মহিলাদের জন্যও উল্লেখযোগ্য সংরক্ষণের কথা জানানো হয়েছে।ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলসের ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত এই বাহিনীতে মূলত পাহাড়ি অঞ্চলের যোদ্ধাদের নিয়োগ করা হত। দেশভাগের আগে বিভিন্ন যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তারা। স্বাধীনতার পরও সীমান্ত নিরাপত্তা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় এই বাহিনীর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।পরবর্তীকালে বিভিন্ন প্রশাসনিক পরিবর্তনের ফলে বাহিনীর গুরুত্ব কমতে শুরু করে। একসময় জঙ্গি দমন অভিযানে নিয়মিত ব্যবহৃত হলেও পরিস্থিতি বদলের সঙ্গে সঙ্গে তাদের ভূমিকা সীমিত হয়ে যায়। ধীরে ধীরে নিয়োগ, পরিকাঠামো এবং আধুনিকীকরণেও গতি কমে আসে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এই বাহিনীর উন্নয়ন নিয়ে কার্যকর উদ্যোগের অভাব ছিল। ফলে বহু দক্ষ ও ঐতিহ্যবাহী সদস্য থাকা সত্ত্বেও বাহিনীটি তার পুরনো অবস্থান হারায়।এবার সেই পরিস্থিতি বদলানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন করে এই বাহিনীকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর।এছাড়াও ভবিষ্যতে সীমান্ত এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে এই বাহিনীকে ব্যবহার করা হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, তবু প্রশাসনিক মহলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানা যাচ্ছে।একসময় যে বাহিনী দেশের নিরাপত্তার অন্যতম স্তম্ভ ছিল, তাকে আবারও সক্রিয় ও শক্তিশালী করার এই উদ্যোগ কতটা সফল হয়, এখন সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

ফের ভাঙনের মুখে উদ্ধব শিবির! হঠাৎ উধাও একাধিক সাংসদ, দিল্লিতে বড় রাজনৈতিক নাটক

মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ফের বড় অস্থিরতার ইঙ্গিত মিলছে। একসময় শিবসেনা ভেঙে আলাদা শিবির গড়েছিলেন একনাথ শিন্ডে। সেই ঘটনার পর নতুন করে ধাক্কার মুখে পড়তে চলেছে উদ্ধব ঠাকরের দল। সূত্রের খবর, দলের একাধিক সাংসদ আচমকাই যোগাযোগের বাইরে চলে গিয়েছেন। তাঁদের ফোন বন্ধ থাকায় রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বেড়েছে।দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, অন্তত ছয় থেকে সাতজন সাংসদ শিবির বদলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন দিল্লিতে গিয়ে একনাথ শিন্ডের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন বলেও খবর। এই সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক অন্দরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।জানা গিয়েছে, বেশ কয়েকদিন ধরেই দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছিল। সেই অসন্তোষই এবার প্রকাশ্যে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যাঁদের নাম সামনে এসেছে, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরেই দলের গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে পরিচিত। ফলে তাঁদের সম্ভাব্য বিদ্রোহ উদ্ধব শিবিরের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়াতে পারে।দল ভাঙার এই সম্ভাব্য প্রক্রিয়াকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন একটি নামও ঘুরছে। সূত্রের দাবি, পুরো পরিকল্পনাকে ঘিরে বিশেষ কৌশল নেওয়া হয়েছে এবং সেই কারণেই সাংসদদের আচমকা অদৃশ্য হয়ে যাওয়া নিয়ে এত আলোচনা শুরু হয়েছে।অন্যদিকে উদ্ধব ঠাকরে নিজে এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্ব বিদ্রোহী সাংসদদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে।এদিকে একনাথ শিন্ডেও বর্তমানে দিল্লিতে রয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, আগামী কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। কারণ সম্ভাব্য বৈঠকের পর বিদ্রোহী সাংসদরা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে পারেন।শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বাল ঠাকরের আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের জন্য দলের দরজা খোলা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন শিন্ডে শিবিরের এক শীর্ষ নেতা। সেই মন্তব্যের পর থেকেই জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।একসময় যে দল মহারাষ্ট্র রাজনীতির অন্যতম শক্তিশালী মুখ ছিল, সেই দলের ভবিষ্যৎ এখন নতুন করে প্রশ্নের মুখে। উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বে থাকা শিবির কি এই ধাক্কা সামলাতে পারবে, নাকি আবারও বড় ভাঙনের সাক্ষী হবে মহারাষ্ট্রসেই উত্তর মিলবে খুব শীঘ্রই।

জুন ১৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাত্র ২৮ বছরেই ইতিহাসের দরজায় এমবাপে! আর মাত্র তিন গোল, তারপরই বিশ্ব ফুটবলে মহারেকর্ড

বিশ্ব ফুটবলে নতুন ইতিহাস লেখার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন কিলিয়ান এমবাপে। সেনেগালের বিরুদ্ধে দুরন্ত পারফরম্যান্সে জোড়া গোল করে ফ্রান্সকে ৩-১ ব্যবধানে জিতিয়ে রেকর্ডের খাতায় নিজের নাম আরও উজ্জ্বল করে তুললেন এই তারকা ফুটবলার।আট বছর আগে বিশ্বকাপের মঞ্চে এক কিশোরকে দেখে বিস্মিত হয়েছিল ফুটবল বিশ্ব। তাঁর গতি, ড্রিবলিং এবং গোল করার ক্ষমতা নজর কেড়েছিল সকলের। সেই কিশোরই আজ বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার। বয়স এখনও মাত্র ২৮, অথচ ইতিমধ্যেই তিনি পৌঁছে গিয়েছেন একের পর এক ঐতিহাসিক মাইলফলকের সামনে।সেনেগালের বিরুদ্ধে ম্যাচের প্রথমার্ধে ফ্রান্স বেশ কয়েকবার আক্রমণ গড়লেও গোলের দেখা পায়নি। এমবাপেকে কড়া নজরে রেখেছিল প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ। ফলে তাঁকে খুব বেশি জায়গা দেওয়া হয়নি।দ্বিতীয়ার্ধে ফরাসি কোচ একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পরিবর্তন করেন। এমবাপেকে মাঝের জায়গা থেকে সরিয়ে প্রান্তে খেলানো শুরু হয়। আর সেই পরিবর্তনের ফল মিলতে সময় লাগেনি। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে সতীর্থের পাস থেকে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এমবাপে।এরপর ম্যাচের শেষ মুহূর্তে আবারও জ্বলে ওঠেন তিনি। অতিরিক্ত সময়ে দুরন্ত শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন। সেই গোলেই নিশ্চিত হয় ফ্রান্সের জয়।তবে শুধু ম্যাচ জেতানো নয়, এই দিনটি এমবাপের জন্য বিশেষ হয়ে থাকল আরও একটি কারণে। ফ্রান্সের জার্সিতে তাঁর মোট গোলসংখ্যা পৌঁছে গেল ৫৮-তে। এর ফলে তিনি ছাড়িয়ে গেলেন দেশের প্রাক্তন কিংবদন্তি অলিভিয়ের জিরুকে এবং ফ্রান্সের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে উঠে এলেন।একই সঙ্গে বিশ্বকাপের মঞ্চে তাঁর মোট গোলসংখ্যা দাঁড়াল ১৪। প্রথম বিশ্বকাপে চার গোল, পরের আসরে আট গোল এবং এবার শুরুতেই দুই গোল করে তিনি পৌঁছে গিয়েছেন এই মাইলফলকে। এর ফলে তিনি ছাড়িয়ে গিয়েছেন ফরাসি কিংবদন্তি জুল ফন্টেকেও।এখন বিশ্ব ফুটবলের নজর একটাই প্রশ্নে। আর মাত্র তিন গোল করলেই বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড স্পর্শ করবেন এমবাপে। বয়স, ফর্ম এবং ধারাবাহিকতা বিচার করলে সেই রেকর্ড ভাঙা সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও প্রমাণ হল, কিলিয়ান এমবাপে শুধু বর্তমানের তারকা নন, তিনি ভবিষ্যতের এক জীবন্ত কিংবদন্তি। আর সেই কিংবদন্তির নতুন অধ্যায় দেখার অপেক্ষায় এখন গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

মেসিকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ! কলকাতা পুলিশকে চিঠি, উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

মেসিকে ঘিরে বিতর্কে ফের নতুন মোড়। এবার কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে চিঠি পাঠালেন আর্জেন্টিনার মহাতারকার ম্যানেজমেন্ট টিমের প্রতিনিধিরা। সেই চিঠিতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। পাশাপাশি মাঠে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যা নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে।চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, মেসির মাঠে উপস্থিতির সময় নির্দিষ্ট কিছু নিরাপত্তা বিধি আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। সেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের ভেতরে কোনও বিশেষ অতিথি বা ভিআইপির থাকার অনুমতি ছিল না। শুধুমাত্র কয়েকজন অনুমোদিত ক্যামেরা কর্মী উপস্থিত থাকতে পারতেন। কিন্তু সেই নিয়ম মানা হয়নি বলে অভিযোগ।ম্যানেজমেন্ট টিমের দাবি, নির্ধারিত তালিকার বাইরে একাধিক ব্যক্তি মাঠে প্রবেশ করেছিলেন। এমনকি অনেক অননুমোদিত ফটোগ্রাফার ও ক্যামেরা কর্মীকেও সেখানে দেখা যায়। এর ফলে মাঠের পরিবেশ বিশৃঙ্খল হয়ে ওঠে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়ে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কিছু ব্যক্তি বারবার মেসির খুব কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে তাঁর ব্যক্তিগত পরিসর ও স্বাচ্ছন্দ্য নষ্ট হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে পরিকল্পিত কিছু কর্মসূচি বাতিল করে নির্ধারিত সময়ের আগেই মাঠ ছেড়ে যেতে বাধ্য হন মেসি এবং তাঁর দলের সদস্যরা।এই ঘটনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত। তাঁর দাবি, মেসির সফরের পরামর্শদাতা ও প্রতিনিধি পুলিশকে পাঠানো ইমেলে স্পষ্টভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, মাঠে বহু অননুমোদিত ব্যক্তি প্রবেশ করেছিলেন এবং সেই কারণেই সফরের কিছু অংশ বাতিল করতে হয়েছিল।শতদ্রু দত্ত আরও দাবি করেছেন, এতদিন যেসব অভিযোগ সামনে আনা হয়েছিল, সেই চিঠি নাকি তারই সমর্থন করছে। তাঁর মতে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত একজন প্রত্যক্ষদর্শী এই অভিযোগগুলির কথা লিখিতভাবে জানিয়েছেন। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এদিকে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মঞ্চে হ্যাটট্রিক করে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন মেসি। সেই আবহের মধ্যেই এই চিঠি সামনে আসায় বিতর্ক আরও বেড়েছে। ফুটবল মহল থেকে রাজনৈতিক মহলসব জায়গাতেই এখন আলোচনা একটাই, যুবভারতীতে সেদিন আসলে কী ঘটেছিল?চিঠির বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে আসার পর গোটা ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে তদন্ত ও আলোচনার দাবি উঠেছে। আগামী দিনে এই বিতর্ক কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal