• ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০২ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SA

রাজ্য

গাড়ি উল্টে তরুণীর মৃত্যু, শেষমেশ গ্রেফতার বাবলু যাদব, বাকিরা অধরা

রবিবার গভীর রাত্রে পানাগড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হয় হুগলির চন্দননগরের সুতন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়ের(২৭)। এই মৃত্যুর ঘটনায় পানাগড়ের কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে কটুক্তির অভিযোগ ওঠে। যে সাদা রংয়ের গাড়িতে করে ওই যুবতীকে কটুক্তি করার অভিযোগ ওঠে সেই গাড়ির মধ্যে ছিলেন গাড়ির মালিক বাবলু যাদব। রবিবার দুর্ঘটনার পর থেকেই এলাকা ছাড়া বাবলু ও গাড়িতে থাকা বাকিরা। কাঁকসা থানার পুলিশ বাবলু যাদব সহ বাকিদের সন্ধানে মঙ্গলবার বাবলু যাদবের বাড়িতে যায় এসিপি সুমন কুমার জয়সওয়াল। ঘটনার চার দিনের মাথায় বাবলু যাদবকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।অভিযুক্ত বাবলু যাদবকে গ্রেফতার করলেও বাকিরা এখনও অধরা। পুলিশের বিশেষ দল তাকে গ্রেফতার করেছে। আসানসোলের নিঘা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রসঙ্গত, ওই ঘটনায় প্রথমে ইভটিজিংয়ের দাবি করেছিল পরিবার। যদিও পুলিশ ইভটিজিংয়ের তত্ত্ব খারিজ করে দিয়েছে। বরং পুলিশ দাবি করা হয়েছে, দুটি গাড়ির রেষারেষির জেরেই ঘটে দুর্ঘটনা। সুতন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়ের মা এদিন বলেছেন, যদিও গ্রেফতার হয়েছে একজন। বাকিদেরও গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করুক। আমি চাই সেদিনের ঘটনায় যাঁরা ছিলেন সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। পুলিশ কি আগে সেভাবেব তৎপরল হয়নি। ওই গাড়ির একজনকে গ্রেফতার করল। আমি সন্তানহারা হয়েছি। আমি চাই ছেলে বা মেয়ে হোক নির্বিশেষে সুরক্ষা থাকে। নিজের খুশি মত বাইরে বের হতে পারে। কেউ অসুস্থ হলে বাইরে ওষুধ আনতে কেউ যেতে পারবে না। সমাজে নিরাপত্তা পাওয়া তো অধিকার। কেন এই নিরাপত্তা পাব না। প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেওয়া হোক।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৫
রাজ্য

পানাগড়ে তরুণীর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় মূল অভিযুক্ত বাবলু যাদব কে? তদন্তে সিআইডি

রবিবার গভীর রাত্রে পানাগড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হয় হুগলির চন্দননগরের সুতন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়ের(২৭)। এই মৃত্যুর ঘটনায় পানাগড়ের কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে কটুক্তির অভিযোগ ওঠে। যে সাদা রংয়ের গাড়িতে করে ওই যুবতীকে কটুক্তি করার অভিযোগ ওঠে সেই গাড়ির মধ্যে ছিলেন গাড়ির মালিক বাবলু যাদব। রবিবার দুর্ঘটনার পর থেকেই এলাকা ছাড়া বাবলু ও গাড়িতে থাকা বাকিরা। কাঁকসা থানার পুলিশ বাবলু যাদব সহ বাকিদের সন্ধানে মঙ্গলবার বাবলু যাদবের বাড়িতে যায় এসিপি সুমন কুমার জয়সওয়াল। ঘটনার দুদিন কেটে গেলেও এখনও বাবলু যাদবকে গ্রেফতার না করায় ক্ষোভ বাড়ছে এলাকার বাসিন্দাদের। কেন এই বাবলু যাদব কে এখনও পর্যন্ত পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারছে না? সেই নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।কে এই বাবলু যাদব ?স্থানীয় সূত্রে খবর, উত্তরপ্রদেশ থেকে প্রায় দশ বছর আগে পানাগড়ে আসে বাবলু যাদব। পানাগড় বাজারের কাওয়ারি মার্কেটে এক ব্যক্তির দোকানে কাজ শুরু করে। সেখান থেকে পরে লোহার যন্ত্রাংশ অল্প পরিমাণে কেনা বেচার ব্যবসা শুরু করে। মূলত ছোট এবং বড় গাড়ির স্প্রিং পাতির ব্যবসা করতো বাবলু। পরে এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত এক বাংলাদেশের ব্যবসায়ীর সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়। পানাগড়ে কাওয়ারি মার্কেটে মূলত পুরনো গাড়ির স্পেয়ার পার্টস কেনা বেচার বিরাট এলাকা জুড়ে ব্যবসা চলে। অবৈধ গাড়ির কেনা বেচা হয় সমস্তটাই পুলিশের নজর এড়িয়ে। মূলত এখানে ভিন রাজ্য থেকে বড় এবং ছোট গাড়ি কিনে এনে সেগুলিকে কাটাই করে তার সমস্ত যন্ত্রাংশ আলাদা করার পর লোহার কেজি দরে বিক্রি করা হয়। সেখান থেকেই গাড়ির স্প্রিং পাতি কিনে সেগুলি অবৈধভাবে বাংলাদেশ পাচার করত বাংলাদেশী এক ব্যবসায়ীর হাত ধরে। এই ব্যবসা শুরু করার পর মাত্র দু বছরের মধ্যে রীতিমত ফুলে ফেঁপে ওঠে এই বাবলু যাদব। কাওয়ারি মার্কেটের মধ্যে একজন বড় ব্যবসায়ী হিসেবে তার পরিচিতি বাড়ে। স্প্রিং পাতির ব্যবসার সাথে চোরাই গাড়ি ও পুরনো গাড়ি কিনে সেগুলি বেআইনিভাবে কাটাই করে শুরু হয় আরো একটি ব্যবসা। পুলিশের নজর এড়িয়ে রমরমিয়ে চলতো তার ব্যবসা। গত এক বছর আগে ভিন রাজ্য থেকে একটি লরি কিনে এনে পানাগড় বাইপাসের ধারে একটি ফাঁকা জায়গায় লরিটি কাটাই করার সময় বুদবুদ থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে হাতেনাতে ধরে। বাবলু যাদবের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। বুদবুদ থানার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয় বাবলু যাদব ও তার সঙ্গী সাথীরা। বাজেয়াপ্ত হয় ভিন রাজ্যের একটি গাড়ির বিভিন্ন পার্টস ও লরির যন্ত্রাংশ।আদালতে পেশ করার পর তারা পরে জামিনে মুক্তি পায়। রবিবার গভীর রাত্রে সেই বাবলু যাদব গাড়ির মধ্যে ছিলেন বলে দাবি করেছেন এসিপি সুমন কুমার জয়সওয়াল। যদিও এসিপি জানিয়েছেন তারা বাবলু যাদবকে শীঘ্রই গ্রেফতার করবে। অন্যদিকে মঙ্গলবার কাঁকসা থানার ঘটনার তদন্তে নামে সিআইডি আধিকারিকরা। এদিন কাঁকসা থানায় আটক হওয়া দুর্ঘটনাগ্রস্থ দুটি গাড়ি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি গাড়ি দুটির ছবি ও নমুনা সংগ্রহ করেন সিআইডি আধিকারিকরা। পাশাপাশি পানাগড়ের রাইস মিল মোরে দুর্ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখেন তারা। এদিন কাঁকসা থানার পুলিশ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে গোটা এলাকা ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে দেয়। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় দুই সিভিক ভলেন্টিয়ারকে। যদিও এদিন পুলিশের পক্ষ থেকে সিআইডির হাতে অফিসিয়ালি কোনও তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়নি বলে তারা জানিয়েছেন। অন্যদিকে মঙ্গলবার বিকেলে কাঁকসা থানায় আসেন আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসিপি ইস্ট অভিষেক গুপ্তা। এদিন তিনি দুর্ঘটনা গ্রস্থ গাড়ি দুটি খতিয়ে দেখেন। এদিন সাংবাদিকরা ডিসিপি-কে ঘটনার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে গেলে। সাংবাদিকদের উপর ক্ষুব্ধ হন ডিসিপি অভিষেক গুপ্তা।এদিন তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাদেরকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি শুধুমাত্র মিডিয়া সন্ত্রাসের কারণে। মিডিয়ায় খবর দেখে সকলে গা ঢাকা দিয়েছে। তার দাবি, সংবাদ মাধ্যমে সোমবার সকাল থেকে যে খবর দেখানো হয়েছে তা সত্য নয়। সোমবার আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের সিপি দাবি করেন কোনরকম ইভটিজিংয়ের মতো ঘটনা ঘটেনি। রেষারেষির কারণেই দুর্ঘটনা ঘটে। সেই কথা মঙ্গলবার বিকেলে কাঁকসা থানায় এসে ফের দাবি করেন ডিসিপি।পুলিশ জানিয়েছে, ১০৫ ও ৩০৪ ধারায় মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।গত রবিবার গভীর রাত্রে হুগলির চন্দননগর থেকে সুতন্দ্রা চ্যাটার্জি একটি ছোট গাড়িতে করে চালকসহ পিছনে তিনজনকে সাথে নিয়ে বিহারের গয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। সেখানে তাদের একটি নাচের অনুষ্ঠান ছিল। বুদবুদের আগে জাতীয় সড়কের ধারে একটি পেট্রোল পাম্পে তারা গাড়িতে তেল ভরার পর। জাতীয় সড়ক ধরে আসানসোলের দিকে যাওয়ার সময় একটি সাদা রঙের ছোট গাড়ি থেকে ৫ জন যুবক তাদের কটুক্তি করে বলে অভিযোগ ওঠে। দুটি গাড়ির মধ্যে কয়েকবার সংঘর্ষ হয়। এরপরই সাদা গাড়িতে থাকা পানাগড়ের বাসিন্দাদের গাড়ি ধাওয়া করে সুতন্দ্রার চার চাকাটি। পানাগড় বাজারের রাইস মিল রোডে সাদা গাড়িটি রাইস মিল রোডে ঢোকার মুখে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। সেখানে দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মারা যায় সুতন্দ্রা।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫
রাজ্য

মদ্যপ যুবকদের গাড়ির তাড়াতে দুর্ঘটনায় মৃত্য যুবতীর, পুলিশের পাল্টা দাবি!

নারী সুরক্ষা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নের মুখে রাজ্য। এবার জাতীয় সড়কে তরুণীর গাড়ি লক্ষ্য করে ধাওয়া মদ্যপ যুবকদের। পালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায় তরুণীদের গাড়িটি। গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় হুগলির চন্দননগরের বাসিন্দা ওই তরুণীর। যদিও আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের দাবি, দুটি গাড়ি রেষারেষি করছিল। কটূক্তি বা তাড়া করার বিষয়টি মানতে চায়নি পুলিশ।চন্দননগরের বাসিন্দা সুতন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়। পেশায় একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থার কর্মী সুতন্দ্রা। রবিবার মাঝ রাতে তাঁর সহকর্মীদের নিয়ে একটি গাড়ি করে চন্দননগর থেকে গয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন সুতন্দ্রা। সুতন্দ্রাদের গাড়ি চালকের দাবি, পূর্ব বর্ধমানের বুদবুদে পৌঁছে তেল ভরার জন্য তাঁরা একটি পেট্রোল পাম্পে গিয়েছিলেন। পেট্রোল পাম্প থেকে তেল ভরার পরেই তাঁদের গাড়িকে ধাওয়া করে অন্য একটি গাড়ি।সেই গাড়িতে ছিল পাঁচ যুবক। ওই যুবকরা প্রত্যেকে মদ্যপ অবস্থায় ছিল বলে অভিযোগ। সুতন্দ্রাকে তারা কটুক্তি করতে থাকে, এরপরই সুতন্দ্রাদের গাড়ি ধাওয়া করতে শুরু করে যুবকদের গাড়িটি। কোনওক্রমে গাড়ি নিয়ে পালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি রাস্তার পাশের দোকানে ধাক্কা মারে সুতন্দ্রাদের গাড়ি। মুহূর্তের মধ্যে গাড়িটি উল্টে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় এবার সুতন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়কে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। সুতন্দ্রাদের গাড়িতে থাকা প্রত্যেকেই চোট পেয়েছেন।পরবর্তী সময়ে ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে যায় পুলিশ। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কাঁকসা থানার পুলিশ। তবে অভিযুক্তরা এখনও অধরা রয়েছে। জাতীয় সড়কের CCTV ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের শনাক্ত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যে নারী সুরক্ষা নিয়ে ফের বড়সড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।পেট্রোল পাম্প থেকেই বারে বারে সাদা গাড়িটি আমাদের গাড়িটিকে ওভারটেক করে। যখন তেল ভরে পেট্রোল পাম্প থেকে গাড়ি নিয়ে বেরোতে যায় তখনই আমাদের গাড়িটিকে বাঁ দিকে চেপে দেয় কিছু দূর গিয়ে আচমকা ব্রেক কষে। তরুণী মৃত্যুতে বিস্ফোরক বয়ান গাড়ির চালকের। দুর্ঘটনার পর ওই গাড়ি চালক দাবি করেন, পেট্রোল পাম্প থেকে বেরোনোর পরেই ওদের গাড়িটা আমাদের গাড়িতে এসে ধাক্কা দেয়। ম্যাডামের দিকে হাত নেড়ে অশ্লীল ইঙ্গিত করছিল ওরা। আমি গাড়ি থামালে ওরা ম্যাডামকে নামিয়ে তুলে নিয়ে চলে যেতে পারত। এদিকে গোটা ঘটনায় অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি করেছে মৃতার মা। মাত্র ৮ মাস আগেই স্বামীকে হারিয়েছেন। এবার পথদুর্ঘটনায় মেয়ের মৃত্যুতে স্বাভাবিক ভাবেই বাকরুদ্ধ। হুগলির চন্দননগরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের নাড়ুয়া রায়পাড়ার পুরোনো দোতলা বাড়িতে আজ শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সরু একচিলতে গলির ধারে বাড়িটির বাইরে এলাকার মানুষজন এবং মিডিয়ার ভিড়। নিজস্ব ট্রুপ নিয়ে প্রোগ্রাম করতে বেরিয়েছিলেন ওই বাড়ির মেয়ে বছর ২৭ এর সুতন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়। গন্তব্য ছিল গয়া। গতকাল রাতেই ঘটে যায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫
রাজ্য

শান্তিনিকেতনে বাংলাদেশ ভবনে পালিত হবে না আন্তর্জাতিক মাতৃ ভাষা দিবস

শান্তিনিকেতনে বাংলাদেশ ভবনে এবার পালিত হবে না আন্তর্জাতিক মাতৃ ভাষা দিবস। তবে বিশ্বভারতীতে যথারীতি মর্যাদার সঙ্গে পালিত হবে আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস। বিশ্বভারতী সূত্রে খবর, বাংলাদেশ ভবনের সংস্কার চলছে। তাই এবছর বাংলাদেশ ভবনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান স্থগিত থাকছে।এদিকে বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতনের পর, সে দেশে টালমাটাল পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বাংলাদেশ ভবনের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত অনেকেই। যদিও, এর প্রভাব বাংলাদেশ ভবনের উপর আদৌ পড়বে না বলে বাংলাদেশ ভবন আধিকারিক সূত্রে খবর।এ ব্যাপারে বিশ্বভারতীর জনসংযোগ আধিকারিক (ভারপ্রাপ্ত) এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানান, অন্যান্য বছরের মতো এবছরও যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে ২১ ফেব্রুয়ারি ইউনেস্কো-ঘোষিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করবে বিশ্বভারতী। ওইদিন সকাল সাড়ে আটটায় আন্তর্জাতিক অতিথি নিবাসের সামনে থেকে (পূরবী গেট) একটি সাংগীতিক পরিক্রমা পৌঁছোবে ইন্দিরা গান্ধী কেন্দ্রে। সেখানে ভাষাশহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।২০১৭ সালে শান্তিনিকেতনে পূর্বপল্লীর পিছনের মাঠে ১ লক্ষ ৪০ হাজার বর্গ ফুট জায়গাজুড়ে তৈরি হয়েছিল আন্তর্জাতিক বাংলাদেশ ভবন ৷ বাংলাদেশ সরকারের ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছিল এই ভবন ৷ দুই বাংলার সংহতির প্রতীক এই ভবনের নকশা নিজে হাতে তৈরি করেছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৷ ২০১৮ সালের ২৫ মে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ভবনের উদ্বোধন করেছিলেন৷ সেই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৫
রাজ্য

বিশ্ব কবির বিশ্বভারতীতে বসন্ত উৎসব ১১ মার্চ, এবারও প্রবেশ নিষেধ সাধারণের

কবি গুরুর বিশ্বভারতীতে বসন্ত উৎসব হবে ১১ মার্চ। এবারও গতবারের মতো সাবেকি প্রথায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বসন্ত উৎসব। সেখানে একমাত্র বিশ্বভারতীর সঙ্গে সম্পর্কযুক্তরাই অংশ গ্ৰহণ করতে পারবে। এবারও সাধারণের প্রবেশ নিষেধ থাকছে। শুক্রবার বিশ্বভারতীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বসন্ত উৎসব নিয়ে বিশ্বভারতীর কর্মীমণ্ডলীর বৈঠক বসে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য বিনয় কুমার সোরেন, পাঠভবন, শিক্ষাসত্র সহ বিভিন্ন ভবনের অধ্যক্ষ এবং আধিকারিকরা। বৈঠক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ আধিকারিক জানান, যেহেতু গৌর প্রাঙ্গন ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট, এখানে কয়েক ঘন্টার অনুষ্ঠানে পাঁচ লক্ষ জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ অসম্ভব। পৌষ মেলা হয় মেলার মাঠে। সেখানে ৬ দিন ধরে মেলা হয়েছে। তাই জনসমাগমের সংখ্যা ভাগ হয়ে গিয়েছে। উল্লেখ্য, বিশ্বভারতী সাধারণত দোলের দিন বসন্ত উৎসবের আয়োজন করে না। আশ্রমে বসন্ত উৎসবের সাথে যুক্ত নয় কোনও ধর্মীয় অনুষঙ্গ। তাছাড়া হেরিটেজ তকমা রক্ষার্থে এবারও বিশ্বভারতী বেশি সতর্ক। ১১ মার্চ পড়ুয়া, অধ্যাপক-অধ্যাপিকা, আশ্রমিকদের নিয়ে বসন্তোৎসব করবে বিশ্বভারতী। সেখানে বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ বহাল থাকছে। ২০২৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতীকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ঘোষণা করেছে ইউনেস্কো। এই হেরিটেজ তকমা রক্ষা করতে এবার সতর্ক বিশ্বভারতী। স্বাভাবিক ভাবে দোলপূর্ণিমার দিন হচ্ছে না বসন্তোৎসব। দোলপূর্ণিমা ১৪ মার্চ৷ তার কয়েক দিন আগে ১১ মার্চ বসন্তোৎসব পালন করবে বিশ্বভারতী। কারণ, ১৪ মার্চ শান্তিনিকেতনে পর্যটকদের ভিড় থিক থিক করে৷ তাই ওই দিন বসন্তোৎসব করলে বহিরাগতরা আশ্রমে প্রবেশ করে যেতে পারে৷ এদিন, বসন্তোৎসব নিয়ে বিশ্বভারতীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কর্মিমণ্ডলীর সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করেন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য বিনয় কুমার সরেন। তাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়৷ বিশ্বভারতীতে বসন্তোৎসব হতো আশ্রম মাঠে৷ আর এই উৎসবকে কেন্দ্র করে কয়েক ঘন্টা লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম হত৷ উৎসবের সূচনার পরেই বহিরাগতদের তাণ্ডবের সাক্ষী বিশ্বভারতীর পড়ুয়া, অধ্যাপক-অধ্যাপিকা, আশ্রমিক, শান্তিনিকেতনবাসী সকলেই৷ এই আশ্রম মাঠ সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে ঐতিহ্যবাহী চৈতি বাড়ি, গৌরপ্রাঙ্গণ, ঘন্টা তলা, কালো বাড়ি, রামকিঙ্কর বেইজের মূল্যবান ভাস্কর্য প্রভৃতি। তাতেও আবির ছুঁড়ে দেওয়া হতে পারে৷ এছাড়া অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গিয়েছে, বসন্তোৎসব শেষে বিশ্বভারতীর ক্যাম্পাসজুড়ে মিলত মদের রাশি রাশি বোতল, প্ল্যাস্টিক প্রভৃতি। এমনকি, বহিরাগতদের হেনস্থার শিকারও হতে হয়েছে বিশ্বভারতীর বহু ছাত্রীকে। এই বিশ্বভারতী বর্তমানে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ। এই হেরিটেজ তকমা রক্ষার্থে আর বহিরাগতদের প্রবেশাধিকার দিয়ে বসন্তোৎসব করতে চায় না বিশ্বভারতী। তাই এবারও বিশ্বভারতীর বসন্তোৎসবে বহিরাগতরা প্রবেশ করতে পারবেন না৷ রবীন্দ্রসংগীত ও নৃত্যের মধ্যদিয়ে পড়ুয়ারা উদযাপন করবে বসন্তোৎসব।শেষবার ২০১৯ সালে আশ্রম মাঠে হয়েছিল বসন্তোৎসব। ২০২০ সালে কোভিড পরিস্থিতির জন্য বন্ধ হয়ে গিয়েছিল উৎসব। ২০২১ সাল থেকে তৎকালীন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী বসন্তোৎসবে বহিরাগত প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন৷ এমনকি, ভিড় এড়াতে দোলপূর্ণিমার দিন বসন্তোৎসব না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন৷

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৫
রাজ্য

মোহন ভাগবতের সঙ্গে সাক্ষাৎ অভয়ার পরিবারের, দোষীদের শাস্তির দাবিতে লড়াই জারি

আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের সঙ্গে দেখা করলেন আর জি কর মেডিকেল কলেজের মৃত ছাত্রীর বাবা মা। নিউটাউনের একটি অতিথি নিবাসে তাঁদের মধ্যে প্রায় দেড় ঘন্টা আলোচনা হয়। আরজি কর হাসপাতালের ঘটনা নিয়ে সিবিআই ঠিকভাবে তদন্ত করছে না বলে দাবি করেছেন নির্যাতিতার পরিবার। এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ করা প্রয়োজন বলেও ইচ্ছা প্রকাশ করেন নির্যাতিতার পরিবার। পাশাপাশি কিছুদিন আগেই রাজ্যপালের সঙ্গেও দেখা করে অভয়ার পরিবার। তাঁরা চাইছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অথবা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে। এবার সেই নির্যাতিতার পরিবার দেখা করলেন আরএসএস প্রধানের সঙ্গে। আজ দীর্ঘ দেড় ঘন্টা ধরে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করেন মোহন ভাগবত।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৫
রাজ্য

পশ্চিমবঙ্গ পৌর স্বাস্থ্যকর্মী (কন্ট্রাকচুয়াল) ইউনিয়নের তরফে নগরায়ন দফতরে বিক্ষোভ

পশ্চিমবঙ্গ পৌর স্বাস্থ্যকর্মী (কন্ট্রাকচুয়াল) ইউনিয়ন এর তরফ থেকে UDMA দফ্তর অভিযান। একাধিক দাবf নিয়ে এই বিক্ষোভ। বিক্ষোভ দেখায় নগরায়ন দফতরের সামনে। অবিলম্বে পৌর স্বাস্থ্যকর্মীদের মাসিক ভাতা বৃদ্ধি করতে হবে, কর্মরত অবস্থায় কোন কর্মীর মৃত্যু হলে তার পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা সহায়তা প্রদান, ষাটোর্ধ্ব কোন কর্মী গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে অবসরকালীন ভাতা দিয়ে অবসর গ্রহণের সুযোগ দিতে হবে, পৌর স্বাস্থ্যকর্মীদের সরকারি স্বাস্থ্যকর্মীর স্বীকৃতি, সরকারি সব ছুটি, পেনশন, প্রভিডেন্ট ফান্ড ও ইএস আই-র আওতায় আনতে হবে। এই সকল দাবিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে সল্টলেকের নগরায়ন দফতরের UDMA অভিযান। অভিযানের ডাক দেয় পশ্চিমবঙ্গ পৌর স্বাস্থ্যকর্মী (কন্ট্রাকচুয়াল) ইউনিয়ন।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৫
রাজ্য

বারাসত উড়ালপুলের সংস্কারের কাজ শুরু শনিবার থেকে, কোন পথে যাতয়াত, জেনে নিন

আগামী শনিবার, ২৫ জানুয়ারি থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার কাজ শুরু হচ্ছে বারাসত উড়ালপুলের। প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার মধ্যরাত থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত সংস্কারের কাজ চলবে। মূলত উড়ালপুলের পিলারের বল বিয়ারিংয়ের কাজ হবে। কাজ চলাকালীন উড়ালপুল বন্ধ থাকবে। আগামী ৪০ দিন পর্যন্ত স্বাস্থ্য পরীক্ষার কাজ করবেন পূর্ত দপ্তরের বারাসত ডিভিশনের ইঞ্জিনিয়াররা। বুধবার মধ্যমগ্রামের দোলতলা পুলিশ লাইনে বিভিন্ন থানার পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ সহ বাস, ট্রাক, অটো, টোটো ইউনিয়নের কর্মীদের নিয়ে সংস্কারের কাজ চলাকালীন বারাসত শহরের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বৈঠক করলেন বারাসত পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার স্পর্শ নীলাঙ্গি। পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে,২৫ জানুয়ারি থেকে প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার রাত ১০ টা থেকে সোমবার ভোর ৩টে পর্যন্ত বারাসত উড়ালপুলের উপর দিয়ে সমস্ত ধরনের যান চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে অন্যান্য দিন কোন ধরনের ভারী গাড়ি যাতায়াত করতে পারবে না। শুধু যাত্রীবাহী গাড়ি চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।প্রায় দুদশকের এই ফ্লাইওভারের একাধিকবার সংস্কারের কাজ হয়েছে। কিন্তু বছর দুই ধরে তেমন কোন সংস্কার হয়নি। ফ্লাইওভারের নিচে প্রচুর হকার ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করেন। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের যাতায়াত চলে। ফলে দুর্ঘটনা রুখতে বারাসতের ফ্লাইওভারের সংস্কার জরুরি হয়ে উঠেছিল। পুলিশ এবং প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বারাসত ফ্লাইওভারের নিচে ৩২ টি পিলার রয়েছে। প্রতিটি পিলারের সঙ্গে রয়েছে বিয়ারিং। মূলত এই বিয়ারিংগুলো সংস্কার করা হবে। ফ্লাইওভারের যে পিলারগুলিতে যেদিন কাজ হবে,সেদিন ওই পিলারের নিচে হকারদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংস্কারের কাজ চলাকালীন শহরে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের চূড়ান্ত ব্যবস্থা করেছে বারাসত পুলিশ জেলার কর্তারা।জানা গিয়েছে, টাকি রোড ধরে যে সমস্ত গাড়ি বারাসত ফ্লাইওভার দিয়ে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে চলে,সেগুলোকে কাচকল মোড় সংলগ্ন দাদার মোড় থেকে ঘুরিয়ে দত্তপুকুর হয়ে জাতীয় সড়কে নিয়ে যাওয়া হবে। আর বনগাঁর দিক থেকে যে সমস্ত গাড়ি বারাসতের উড়ালপুল হয়ে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে সেগুলো অশোকনগরের বিল্ডিং মোড়ের ডানদিকে ঘুড়িয়ে দেওয়া হবে। বারাসত শহরে না ঢুকিয়ে পণ্যবাহী ট্রাক গুলো কল্যানী এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে বলেই বারাসত ট্রাফিক পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এছাড়া বারাসত তিতুমীর বাস স্ট্যান্ড থেকে যে বাসগুলো ব্যারাকপুরে যায়,সেগুলোর জন্য বারাসত ব্যারাকপুর রোডের সত্যভারতী স্কুলের সামনে অস্থায়ী স্ট্যান্ড করা হয়েছে। আর জাগুলিয়ার দিকের বাসের অস্থায়ী স্ট্যান্ড করা হয়েছে ময়নায়। কলোনি মোড় থেকে চাপাডালি মোড়ের অটো এবং টোটো যাতায়াত করবে ১১ নম্বর রেলগেট সংলগ্ন সন্ধ্যানী ক্লাবের সামনে রাস্তা ধরে।আগামী ফেব্রুয়ারি থেকেই শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। এরপর হবে উচ্চমাধ্যমিক। এই দুই পরীক্ষা যে শনিবার গুলিতে পড়েছে, সেই দিনে পরীক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখেই ফ্লাইওভারের কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে,কাজ চলাকালীন ফ্লাইওভার সংলগ্ন কোন জায়গায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে ফায়ার ব্রিগেড দ্রুততার সঙ্গে ঘটনাস্থলে যাওয়ার জন্য ডাকবাংলো এবং চাপাডালির ট্রাফিক পুলিশ বিশেষ ব্যবস্থা করবে বলেই জানা গেছে।এই প্রসঙ্গে বারাসত পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার স্পর্শ নীলাঙ্গি বলেন, ফ্লাইওভার সংস্কার চলাকালীন শহরের যানজট এড়ানোর জন্যই ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। তবুও,যানজট তৈরী হলে সাধারণ মানুষকে বিষয়টি সহানুভূতির সঙ্গে দেখার পরামর্শ দিচ্ছি। কলকাতা থেকে উত্তরবঙ্গে যাওয়া যাত্রীবাহী বাস বারাসতের কলোনি মোড় ধরে যাতায়াত করতে পারবে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৫
রাজ্য

বাংলার প্রভাবশালী মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা, আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ পুলিশের

বর্ষীয়াণ তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রীর বাড়িতেই হামলা। বুধবার এই ঘটনা ঘটেছে আসাসনসোলে। এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্যজুড়ে। আসানসোলে আপার গার্ডেনে রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটকের বাসভবনে ভাঙচুর। বাসভবনের অফিসের টেবিলে কাচ ভাঙচুর। এই ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করল পুলিশ। ঘটনাস্থলে আসানসোল দক্ষিণ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। ছুটে আসেন আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসি সেন্ট্রাল ধ্রুব দাস, এসিপি সেন্ট্রাল বিশ্বজিত নস্কর। মন্ত্রীর বাসভবনে পুলিশি নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও কিভাবে হামলা, প্রশ্ন উঠছে।মলয় ঘটকের স্ত্রী বলেন, আমি ওপরে ছিলাম। হঠাৎ নীচে দুমদুম আওয়াজ। জানি নীচে পুলিশ আছে। তবু নীচে এসে দেখছি যে এখানে ভাঙাচোড়া অবস্থা। এক যুবকের হাতে ইঁটের থানা। জানি না কি উদ্দেশ্যে এসেছিল। পুলিশ ছিল তবু ভয় পেয়ে গিয়েছি। আমি একা থাকি। মন্ত্রী থাকলে সাহস পেত কিনা জানি না। কোনও কিছু বলেনি। অন্যরা যখন ধরলো তখনও কিছু বলেনি চুপ করেছিল। পুলিশ বলেছে, বিকেল ৪.৪৫ নাগাদ হঠাৎ একটা ছেলে মন্ত্রীর ঘরে ঢুকে যায়। আমরা তাকে আটক করেছি। জিজ্ঞাসাবাদ করে দেখছি কেন এমন করল। পুলিশ থাকতেও কি করে ঘটলো তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জানুয়ারি ২২, ২০২৫
রাজ্য

মালদার নিহত তৃণমূল নেতার বাড়িতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী, একান্তে কথা স্ত্রী চৈতলির সঙ্গে

মালদার তৃণমূল কংগ্রেস নেতা নিহত বাবলার সরকারের বাড়িতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর স্ত্রী চৈতালি সরকারের সঙ্গে একান্তে কথা বলেছেন মমত। বাবলা সরকারারে অসম্পূর্ণ কাজ করবেন তাঁর স্ত্রী চৈতালি সরকার। সোমবার বাবলা সরকারের বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এসে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।সোমবার বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিট থেকে প্রায় পৌনে এক ঘন্টা মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ইংরেজবাজার শহরের মহানন্দাপল্লী এলাকার বাবলা সরকার বাড়িতে ছিলেন। সেখানেই নিহত তৃণমূল নেতা বাবলা সরকারের স্ত্রী চৈতালি সরকারের সঙ্গেই দীর্ঘক্ষণ নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন তিনি। হঠাৎ করে ইংরেজবাজার পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের মহানন্দাপল্লীতে মুখ্যমন্ত্রীকে রাস্তায় দেখতে পেয়ে মানুষের ভিড় জমান। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাবলা আমার চিরকালের পরিচিত। একটা সময় মালদা থেকে সকালে কলকাতায় ফিরেছি। বাবলার ডাকে আবার রাতে চলে এসেছি মালদায়। এরকম অনেক ঘটনার সাক্ষী রয়েছি। বাবলার খুনের ঘটনার পর চৈতালির সঙ্গে দীর্ঘক্ষন আলোচনা করলাম। আমি নিজেও একা এসেছি। সঙ্গে কাউকে আনিনি। কতগুলো কথা চৈতালি আমাকে বলেছে। সেগুলি কানে এসেছে। যে যতই বড় হোক না কেন, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে দ্রুত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। বাবলার অসম্পূর্ণ কাজ চৈতালিকেই করতে হবে, এদিন জানিয়েছেন তিনি।এদিন মুখ্যমন্ত্রী মালদার রাজনীতিতে রহস্য দেখতে পাচ্ছেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি বলেন, বাবলা নিরলস কর্মী ছিল। এলাকার মানুষের কাছে জনপ্রিয় ছিল। কিন্তু মালদার রাজনীতিটা বুঝে উঠতে পারছি না। এখানে কিসের খেলা হচ্ছে, সেটাও আমাকে দেখতে হবে। কেন না এমএলএ, এমপি ভোট যখন আসছে তখন তৃণমূল হারছে। আর যেই পুরসভা অথবা কর্পোরেশন নির্বাচন হচ্ছে তখন সবাই জিতে যাচ্ছে। অনেক রকম খেলা চলছে। এরকম খেলা চললে তো মানুষের পক্ষে খারাপ হবে। কাউন্সিলরেরা জিতে যায়। অথচ এমএলএ এবং এমপি ভোটে দাঁড়ালে হেরে যায় । মালদার এই রাজনীতির রহস্যটাও আমাকে বুঝতে হবে।

জানুয়ারি ২০, ২০২৫
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে সঞ্জয়ের যাবজ্জীবন কারাদন্ড, ফের প্রতিবাদ মিছিল অভয়া মঞ্চের

অবশেষে আরজি কর মামলার সাজা ঘোষণা করল শিয়ালদহ আদালত। আরজি কর কাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়কে আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ শিয়ালদহ আদালতের বিচারক অনির্বাণ দাস। এদিন ফের দোষী সঞ্জয় রায়ের ফাঁসির সাজার সওয়াল করেছিলেন সিবিআই আইনজীবী। অন্যদিকে, সঞ্জয় রায়ের আইনজীবী তার মক্কেলকে সংশোধনের সুযোগ দেওয়ার আর্জি জানিয়েছিলেন। আরজি কর কাণ্ডে গত শনিবার সঞ্জয় রায়কে দোষী সাব্যস্ত করেছিল শিয়ালদহ আদালত।সোমবার নির্ধারিত সময়ে সঞ্জয় রায়কে শিয়ালদহ আদালতে আনা হয়। প্রথমে সঞ্জয় নিজের বক্তব্যে নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছিলেন। শুধু তাই নয়, মেডিকেল না করেই কেন্দ্রীয় সংস্থা তাকে হেফাজতে নিয়েছিল বলেও দাবি করে সঞ্জয়। কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে হাউহাউ করে কেঁদে ফেলে সঞ্জয় রায়। তখন বিচারক জানিয়ে দিয়েছিল বিকেল ২.৪৫ রায় ঘোষণা হবে। ঠিক ঘোষিত সময়ে আরজি কর কাণ্ডে সাজা ঘোষণা করেন শিয়ালদহ আদালতের বিচারক অনির্বাণ দাস। সঞ্জয় রায়কে আজীবন কারবাসের নির্দেশ দেন বিচারক অনির্বান দাস।এদিন বিচারক আরজি করের নির্যাতিতার পরিবারকে ১৭ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্য সরকারকে। সাজা ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আদালতের তিনতলার বারান্দা থেকে আইনজীবীরা চিৎকার করে জানিয়ে দেন সঞ্জয়ের আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। এদিন রায়ের পর অভয়া মঞ্চ শিয়ালদাহ থেকে মৌলালি পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিল করেন। উই ওয়ান্ট জাস্টিস স্লোগান চলতে থাকে। এই রায় নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন অভয়ার পরিবার, চিকিৎসক ও সাধারণ মানুষের বড় অংশ।

জানুয়ারি ২০, ২০২৫
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে একা সঞ্জয় রায়ই দোষী সাব্যস্ত, সাজা ঘোষণা সোমবার

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হালপাতালে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ-খুনে দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়। রায় শোনাল শিয়ালদা কোর্টের বিচারক অনির্বান দাস। আগামী সোমবারই সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করবে শিয়ালদা আদালতের বিচারক। বিএনএসের ৬৪,৬৬,১০৩/১ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে সঞ্জয়কে। ৯ অগাস্ট তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল আরজি কর হাসপাতালের সেমিনার রুমে। কর্তব্যরত অবস্থায় তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও নৃশংস খুনের ঘটনার পর ৫ মাস ৯ দিনের মাথায় রায় ঘোষণা করল শিয়ালদা আদালত। নিহত তরুণী চিকিৎসকের সুবিচারের আশায় গর্জে উঠেছে রাজপথ। দেশ থেকে বিদেশ সর্বত্র আছড়ে পড়েছিল প্রতিবাদের ঢেউ। অবশেষে দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়। বিএনএসের তিনটি ধারায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করে শিয়ালদা আদালত। তবে এখনও যে মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় একাধিক প্রশ্নের উত্তর অধরা রয়ে গিয়েছে তা রায় ঘোষণার আগেই স্পষ্ট জানিয়েছেন মৃতার বাবা-মা। অবশেষে শনিবার ১২ মিনিটেই সিবিআই তথ্য প্রমাণের উপর ভিত্তি করে সঞ্জয়কে দোষী সাব্যস্ত করল শিয়ালদা আদালতের বিচারপতি। ২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট আরজি করে নারকীয় হত্যাকাণ্ড! কী কারণে খুন? খুনের ঘটনায় ২৪ ঘন্টার মধ্যে সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। নির্যাতিতার সুবিচারের দাবিতে দেশ জুড়ে বেনজির প্রতিবাদ চলতে থাকে। আদালতের নির্দেশে তদন্ত হাতে নেয় সিবিআই। প্রথমে কলকাতা হাইকোর্ট তারপর সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে স্বাস্থ্য পরিষেবার বাআব্রু পরিস্থিতি ধরা পড়ে। তরুণী চিকিৎসক খুন-ধর্ষণের ঘটনায় ধৃত সঞ্জয় রায়ের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করে সিবিআই। যদিও এদিনও কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে সঞ্জয় রায় বলেন, আমি নির্দোষ, আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। আরও কিছু বলার চেষ্টা করলে বিচারপতি দাস বলেন, আপনার সব বক্তব্য সোমবার শোনা হবে। গত ১১ নভেম্বর শুরু হয় বিচার প্রক্রিয়া। তার পর কেটে গিয়েছে দুমাস। অবশেষে আজ শনিবার ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করলেন শিয়ালদা কোর্টের বিচারপতি অনির্বান দাস। দোষী সাব্যস্ত হলেন সঞ্জয় রায়। সাজা ঘোষণা আগামী সোমবার।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৫
রাজ্য

স্যালাইন-কাণ্ডে অনির্দিষ্টকালীন কর্মবিরতি মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে

এবার অনির্দিষ্টকালীন কর্মবিরতি মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। স্যালাইন-কাণ্ডে (Saline Controversy) হাসপাতালের ১২ চিকিৎসককে সাসপেনশনের প্রতিবাদেই এককাট্টা চিকিৎসকরা এবার আন্দোলনের পথে। শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকদের একাংশ পূর্ণ কর্মবিরতিতে সামিল হয়েছেন।আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের স্পষ্ট বক্তব্য, যতদিন পর্যন্ত রাজ্য সরকার তাঁদের বিরুদ্ধে সাসপেনশনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে না নেবে ততদিন তাঁদের এই কর্মবিরতি চলবে। এদিকে স্যালাইন কাণ্ডে ইতিমধ্যেই মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজের ওই ১২ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় FIR দায়ের হয়েছে। CMOH-এর অভিযোগের ভিত্তিতেই এই FIR বলে জানা গিয়েছে।শুক্রবার থেকে কর্ম বিরতিতে অ্যানেস্থিসিয়া ও গাইনোকোলজিস্ট এর দুটি ডিপার্টমেন্টের ২২ জন ডাক্তার সহ মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র ডাক্তাররা। যদিও শুক্রবার সকালে জুনিয়র ডাক্তাররা বৈঠকের পর জানান, সম্পূর্ণ কর্মবিরতি হচ্ছে না জরুরি পরিষেবা সহ ওপিডি চালু থাকছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৫
রাজ্য

স্যালাইন-কাণ্ডে এক যোগে ১২ চিকিৎসককে শাস্তি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, ৩ প্রসূতি সঙ্কটেই

স্যালাইন-কাণ্ডে (Saline Controversy) চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তিনি চিকিৎসকদেরকে কাঠগড়ায় তুললেন। বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁরা দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে মাকে এবং সন্তানকে বাঁচানো যেত। চিকিৎসকদের একাংশের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করেন মমতা। এদিন মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের ঘটনায় ১২ জন চিকিৎসককে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।মেদিনীপুর হাসপাতালের স্যালাইন-কাণ্ডে তোলপাড় রাজ্য। মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সন্তান প্রসবের পর পরই পাঁচ প্রসূতি আচমকা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। অভিযোগ, ওই প্রসূতিদের হাসপাতাল থেকে স্যালাইন দেওয়ার পরেই তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। অসুস্থ হয়ে এক প্রসূতির মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। আজ, বৃহস্পতিবার সকালে স্যালাইন নিয়ে অসুস্থ হওয়া এক প্রসূতির সদ্যোজাত শিশুরও মৃত্যু হয়েছে। ৩ জন আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি আছেন এসএসকএম হাসপাতালে। মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষের ভাগ্য যাঁদের কাছে নির্ধারিত হয়, যাঁদের হাতে সন্তানের জন্ম হয়, তাঁরা যদি দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতেন তাহলে মা এবং সন্তানকে বাঁচানো যেত।এদিন মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজের ঘটনায় এদিন ১২ জন চিকিৎসককে সাসপেন্ডের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এর মধ্যে চিকিৎসক-জুনিয়র চিকিৎসক রয়েছেন। একই সঙ্গে অসুস্থদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী। চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের সরকারের একটা পলিসি আছে। সিনিয়র চিকিৎসকদের ৮ ঘন্টা ডিউটি করার কথা। সঠিক সময়ে চিকিৎসা এবং পরিষেবা দিতে হবে তাঁদের। প্রসূতি মায়েদের সিজার করার কথা সিনিয়র চিকিৎসকদের। রোগীদের পরিষেবা দেওয়া চিকিৎসকদের কাজ।উল্লেখ্য, মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সন্তান প্রসবের পরপরই স্যালাইন দেওয়ার পর মামনি রুইদাস নামে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে। একজন মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি থেকেই সুস্থ হয়েছেন। তবে বৃহস্পতিবার সকালেই রেখা সাউ নামে ওই প্রসূতির সদ্যোজাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। জন্মের পর থেকেই শারীরিক নানা অসুস্থতা নিয়ে ভেন্টিলেশনে চিকিৎসাধীন ছিল ওই সদ্যোজাত শিশুটি। বৃহস্পতিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

মুম্বাইয়ের নিজের বাড়িতেই ছুরি দিয়ে কোপানো হল সাইফ আলি খানকে, হাসপাতালে ভর্তি: পুলিশ

মুম্বাইয়ের বাড়িতে অনুপ্রবেশকারীর ছুরিকাঘাতে জখম হয়েছেন বলিউডের শীর্ষ অভিনেতা সাইফ আলি খান। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি।ঘটনাটি ঘটে রাত ২টার দিকে বান্দ্রার সাইফ আলি খানের ১১ তলার ফ্ল্যাটে এক অঞ্জাত পরিচয় ব্যাক্তি ঢুকে পড়ে। অভিনেতা অনুপ্রবেশকারীকে ধরতে চেষ্টা করলেও অনুপ্রবেশকারী তাকে ছুরিকাঘাত করে।গত রাতে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি অভিনেতা সাইফ আলি খানের বাড়িতে প্রবেশ করে এবং তার পরিচারিকার সাথে তর্ক করে। অভিনেতা যখন হস্তক্ষেপ করে লোকটিকে শান্ত করার চেষ্টা করেন, তখন সে সাইফ আলি খানের উপর হামলা করে তাকে আহত করে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে, মুম্বাই পুলিশ জানিয়েছে।প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে, মুম্বইয়ের বান্দ্রায় বাড়ি সইফের। এই বাড়িতেই থাকেন অভিনেতার স্ত্রী তথা বলিউডের ডাকসাইটে অভিনেত্রী করিনা কপূর। সুত্রের খবর, দুষ্কৃতী যখন সেই বাড়িতে প্রবেশ করে সেই সময় অভিনেতা এবং তাঁর পরিবারের সদস্যেরা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন।জানা গেছে বান্দ্রা থানার পুলিশ সইফ আলি খানের ওপর এই হামলার ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। বিভিন্ন সুত্র ধরে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, সইফ আলি খান আপাতত লীলাবতী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সইফ-কে ছুরি দিয়ে-ই কোপানো হয়েছে না কি হামলাকারীদের সাথে ধস্তাধস্তির জন্য তিনি আহত হয়েছেন, এব্যাপারে স্পষ্ট কোনও প্রমান মেলেনি। তাঁরা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে। বান্দ্রা থানার পাশাপাশি এই ঘটনার তদন্ত শুরু করছে মুম্বই পুলিসের ক্রাইম ব্রাঞ্চ।বিস্তারিত আসছে......

জানুয়ারি ১৬, ২০২৫
রাজ্য

মেদিনীপুর মেডিক্যালে নিষিদ্ধ স্যালাইনে রোগী মৃত্যুতে তোলপাড়, তদন্তে ১৩ সদস্যের কমিটি

মেদিনীপুর মেডিক্যালে নিষিদ্ধ স্যালাইন ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যে মৃত্যু হয়েছে এক প্রসূতির। আরও চার প্রসূতির মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যে ১৩ সদস্যের মেডিক্যাল টিম গঠন করেছে স্বাস্থ্য দফতর। ওই টিমে রয়েছেন রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল বোর্ডের সদস্যরাও।অভিযোগ খতিয়ে দেখতে শনিবার ১৩ সদস্যের ওই তদন্তকারী টিম যাচ্ছেন মেদিনীপুরে।স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম বলেন, যে স্যালাইন দেওয়া হয়েছে, তার ব্যাচ নিয়ে কিছু অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে।শনিবার ওই টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে সব কিছু খতিয়ে দেখবেন। কারও গাফিলতি প্রমাণিত হলে যথাযত পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানিয়েছেন স্বাস্থ্যসচিব।ঘটনার সূত্রপাত, সন্তান জন্ম দেওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে পড়ছিলেন একের পর এক প্রসূতি। শুক্রবার সকালে তাঁদেরই মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়।মৃত প্রসূতির পরিবারের অভিযোগ, সন্তানের জন্ম হওয়ার পর থেকেই প্রসূতিদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। প্রস্রাবের সঙ্গে রক্তপাত হয়। স্যালাইনেই সমস্যাতেই এমন বিপত্তি হয়েছে। ভর্তি থাকা প্রসূতিদেরও স্বজনরাও অভিযোগ করেন, মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন দেওয়া হয়েছিল। তার জেরেই এমন কাণ্ড।

জানুয়ারি ১২, ২০২৫
রাজ্য

আইপিএস পদে রদবদল, বদলি হচ্ছেন পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ সুপার

রাজ্যে আইপিএস পদে রদবদল। বদলি হলেন বর্ধমান ও বীরভূমের পুলিশ সুপার। সোমবার রাজ্য পুলিশ এক বিজ্ঞপ্তিতে তিন আইপিএস অফিসারের বদলির বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। ট্রেনিং থেকে এবার ফিরে বীরভূমের পুলিশ সুপারের দায়িত্ব নিতে চলেছেন আমনদীপ। এসএস সিআইডি সায়ক দাসই এবার অফিসিয়ালি পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ সুপার হিসাবে যোগ দিচ্ছেন। তিনি অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। বর্ধমানের পুলিশ সুপার আমনদীপ ট্রেনিংয়ে ছিলেন। এদিকে বীরভূমের পুলিশ সুপার রাজনারায়ন মুখোপাধ্যায় সরছেন। তার জায়গায় বর্ধমানের পুলিশ সুপার আমনদীপ যোগ দিচ্ছেন বীরভূমের পুলিশ সুপার পদে। অন্যদিকে রাজনারায়ণ মুখোপাধ্যায় এসপি ট্রাফিক পদে যোগ দিচ্ছেন।

জানুয়ারি ১০, ২০২৫
রাজনীতি

বাবলা সরকার খুনে নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি ও স্বপন শর্মার ফের পুলিশ হেফাজত, উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ, পোশাক, মোবাইল....

তৃণমূল নেতা বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় ধৃত নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি এবং স্বপন শর্মাকে নতুন করে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিল মালদা আদালত। শুক্রবার ধৃত দুইজনকে মালদা সিজিএম কোর্টে পেশ করা হয়। যদিও এদিন ওই দুই অপরাধীর পক্ষে মালদা বার অ্যাসোসিয়েশনের কোনও আইনজীবীরাই পক্ষে দাড়ায়নি। সরকারি পক্ষের আইনজীবী দেবজ্যোতি পাল দুই অপরাধীকে পুলিশের হেফাজতে নেওয়ার বিশদ ব্যাখ্যা তুলে ধরেন। এরপরই সিজিএম কোর্টের বিচারক সুজিত কুমার ব্যানার্জি ধৃত নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি এবং স্বপন শর্মাকে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। এদিকে এদিন মৃত বাবলা সরকারের মামলা চলাকালীন আদালতে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে ছিলেন বাবলা সরকারের স্ত্রী আইনজীবী চৈতালী সরকার। তিনি বলেন, আমাদের বার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এদিন কোন আইনজীবী ওই দুই আসামির পক্ষ নিয়ে সাওয়াল জবাব করেননি। তবে আমি নিজে একজন আইনজীবী হিসাবে এই মামলা শুনেছি। কেউ যাতে কোনওরকম ভাবে প্রভাবিত করতে না পারে সেটিও দেখছি। পুলিশ এখনও আসল অপরাধীদের খুঁজে বার করার জন্য তদন্ত করছে। যার ফলে এদিন ওই মূল চক্রীকে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে। এদিকে তৃণমূল নেতা বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় দুষ্কৃতীদের ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র, পোশাক উদ্ধার করলো পুলিশ। ২ জানুয়ারি বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় একটি নাইন এমএম পিস্তল, দুটি ওয়ান সাটার এবং ৭ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি ২ জানুয়ারি বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় দুষ্কৃতীরা যে পোশাক ব্যবহার করেছিল সেটিও উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এই অস্ত্র এবং পোশাক কোথা থেকে উদ্ধার হয়েছে সেই সম্পর্কে কোনও তথ্য পুলিশ জানায়নি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় মোট ৭ জন গ্রেফতার হয়েছে। যাদের মধ্যে তিনজন বিহারের পেশাদার খুনি রয়েছে। এই খুনের ঘটনায় প্রথম পাঁচজনকে ১২ দিনের পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। গত বুধবার ইংরেজবাজার পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি এবং অপর এক অভিযুক্ত স্বপন শর্মাকে গ্রেফতার করা হয়। এরপরই ধৃত ওই দুইজনকে তিন দিনের পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এই দুই মূল চক্রীর কাছ থেকে আরও বিশদ তথ্য জানার জন্য এদিন মালদা আদালতের কাছে নতুন করে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানানো হয়। বিচারক সেই আবেদন মঞ্জুর করে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইংরেজবাজার পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল দলের কাউন্সিলর বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় ধৃত অমিত রজকের বাড়ি থেকে কৃষ্ণ রজক অরফে রোহানের ব্যবহৃত একটি মোবাইল উদ্ধার হয়েছে। সেই মোবাইলের সূত্র থেকে অনেক তথ্য পুলিশের হাতে উঠে আসতে পারে বলেও ধারণা তদন্তকারী পুলিশকর্তাদের। যদিও বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় এখনো পর্যন্ত সাতজন গ্রেফতার হলেও আরও তিনজন বাবলু যাদব, কৃষ্ণ রাজক এবং বিহারের বাসিন্দা আশরাফ খান পলাতক রয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, তৃণমূল নেতা বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় প্রাথমিকভাবে দুই মূলচক্রী নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি এবং স্বপন শর্মাকেই মনে করা হচ্ছে। কিন্তু তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারী পুলিশকর্তারা সন্তুষ্ট নয়। তাই এদিন ধৃত ওই দুইজনকে বাড়তি পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজত নেওয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এই ঘটনার পিছনে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কিনা সেটিও জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। এদিকে বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় ধৃত দুই অপরাধী নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি এবং স্বপন শর্মাকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে আলাদাভাবে রাখার ব্যবস্থা করে পুলিশ।

জানুয়ারি ১০, ২০২৫
রাজনীতি

বাবলা সরকার খুনে ধৃত নরেন্দ্রনাথ "চিরস্থায়ী" বহিষ্কৃত, মালদায় তৃণমূলের ঘোষণা

মালদার তৃণমূল নেতা বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় গ্রেফতার দলের ইংরেজবাজার টাউন সভাপতি নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারিকে বহিষ্কার করলো দল। বৃহস্পতিবার বিকালে এক সাংবাদিক বৈঠক ডেকে এই বহিষ্কারের কথা ঘোষণা করেছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সী। এদিন ইংরেজবাজার শহরের স্টেশন রোড এলাকার দলীয় কার্যালয়ে এই সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত হয়েছিলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী ছাড়া ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী, আইএনটিটিইউসির জেলা সভাপতি শুভদীপ সান্যাল সহ অন্যান্য কাউন্সিলাররা। তৃণমূলের জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী বলেন, গত এক বছর ধরে দলের কোনও কর্মসূচিতে দেখা যায়নি তৃণমূলের টাউন সভাপতি নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারিকে। উনি অসুস্থ ছিলেন বলেই জানতাম। তাকে আপাতত চিরস্থায়ী ভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। ইংরেজবাজার টাউন সভাপতির পদে নতুন কাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে সেটা রাজ্য নেতৃত্ব ঠিক করবে। এদিকে এদিন পুলিশের হেফাজতে থাকা বাবলা সরকার খুনে ধৃত নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি ইংরেজবাজার থানা থেকে হাসপাতালে মেডিকেল করতে যাওয়ার পথে বলেন, দল যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটাই মানতে হবে।

জানুয়ারি ০৯, ২০২৫
রাজ্য

বাংলাদেশি নকল পাসপোর্টে সাহায্য়! জাল আধার ও ভোটার কার্ড তৈরির বড় চক্র ফাঁস বারাসতে

ভুয়ো আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড তৈরির অভিযোগে বারাসাত নবপল্লী বয়েজ স্কুল সংলগ্ন এলাকা থেকে সমীর দাস নামে এক মুদি দোকান ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করল বারাসাত থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর দীর্ঘদিন ধরে জাল আধার কার্ড তৈরি করে বাংলাদেশীদের পাসপোর্ট পাইয়ে দেওয়ার সহযোগিতা করত এই সমীর দাস। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই ছেলের মধ্যে এক ছেলে পুলিশে কর্তব্যরত এবং অন্য ছেলে ডাক্তার। যে ছেলে পুলিশে রয়েছেন তারই সহযোগিতা নিয়ে বাবা সমীর দাস জাল আধার কার্ড এবং ভোটার কার্ড তৈরি করে বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট তৈরি করে দিত কিনা তারই তদন্ত শুরু করেছে বারাসাত থানার পুলিশ।

জানুয়ারি ০৯, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • ...
  • 77
  • 78
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মাঠে চাষ করতেন, এবার রাজ্যের মন্ত্রী! দিবাকর ঘরামীর জীবনের অবিশ্বাস্য উত্থান

নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি চর্চায় উঠে এসেছে একটি নাম। তিনি দিবাকর ঘরামী। বাঁকুড়ার এক সাধারণ কৃষক পরিবারের সন্তান দিবাকর এবার জায়গা পেয়েছেন রাজ্যের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভায়। তাঁর এই সাফল্যে আনন্দে ভাসছে পরিবার থেকে শুরু করে গোটা এলাকা।দেশভাগের পর দিবাকর ঘরামীর পরিবার পূর্ববঙ্গের বরিশাল থেকে এপারে চলে আসে। দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর বাঁকুড়ার সোনামুখী ব্লকের কুরুমপুর গ্রামে বসবাস শুরু করেন তাঁর পূর্বপুরুষেরা। সেখানেই জন্ম এবং বড় হয়ে ওঠা দিবাকরের।ছোটবেলা থেকেই দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বড় হয়েছেন তিনি। কৃষক পরিবারের সন্তান হওয়ায় চাষাবাদই ছিল জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আজও সেই সম্পর্ক অটুট। বিধায়ক হওয়ার পরও তিনি মাঠে যাওয়া বন্ধ করেননি। ফসলের খোঁজ নেওয়া, জমিতে জল দেওয়া এবং চাষের কাজ দেখা এখনও তাঁর দৈনন্দিন জীবনের অংশ।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সোনামুখী কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে প্রথমবার বিধায়ক হন দিবাকর ঘরামী। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এবং মাটির মানুষের ভাবমূর্তি তাঁকে দ্রুত জনপ্রিয় করে তোলে। এবার ফের দলের আস্থা অর্জন করে তিনি জায়গা পেলেন রাজ্যের মন্ত্রিসভায়।দিবাকরের মন্ত্রী হওয়ায় কুরুমপুর গ্রাম এবং সোনামুখী জুড়ে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় মানুষের আশা, এলাকার উন্নয়নে এবার আরও বড় ভূমিকা নিতে পারবেন তিনি।মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দিবাকর ঘরামী বলেন, সোনামুখীর মানুষ এবং দলের কর্মীদের সহযোগিতাতেই তিনি এতদূর পৌঁছেছেন। এলাকার উন্নয়নের জন্য নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন এবং আগামী দিনেও সেই কাজ চালিয়ে যাবেন। দল তাঁর উপর যে আস্থা রেখেছে, তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। একইসঙ্গে বলেন, সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা একজন মানুষকে এত বড় দায়িত্ব দেওয়া তাঁদের কাছে অত্যন্ত সম্মানের বিষয়।এক সময় যে মানুষটি প্রতিদিন মাঠে নেমে ফসলের পরিচর্যা করতেন, তিনিই আজ রাজ্যের মন্ত্রী। দিবাকর ঘরামীর এই পথচলা এখন অনেকের কাছেই সংগ্রাম, অধ্যবসায় এবং সাফল্যের এক অনুপ্রেরণার গল্প।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

লাইভে এসে বিস্ফোরক মমতা! ‘গায়ের জোরে তৃণমূল ভাঙা যাবে না’

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে যখন একের পর এক বিতর্ক এবং রাজনৈতিক টানাপোড়েন সামনে আসছে, তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভে এসে বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, যতই চেষ্টা করা হোক না কেন, তৃণমূল কংগ্রেসকে ভাঙা সম্ভব নয়।সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তিনি আর নিয়মিত সাংবাদিক বৈঠক করবেন না। গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়ায় বক্তব্য রাখবেন। সোমবার দলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরই তিনি লাইভে এসে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন।মমতার অভিযোগ, তৃণমূলের বিধায়কদের বিভিন্নভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের দল ছাড়ার জন্য ভয় দেখানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, কয়েকজন বিধায়ক তাঁকে জানিয়েছেন যে বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার নাম করে তাঁদের ভয় দেখানো হচ্ছে। এই ধরনের রাজনীতি গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকর বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ এবং রাজনৈতিক জল্পনার মাঝেই মমতা দাবি করেন, কয়েকজন বিধায়ক বা সাংসদকে প্রভাবিত করে তৃণমূলকে দুর্বল করা যাবে না। তাঁর বক্তব্য, দল অতীতেও কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে এবং আগামী দিনেও লড়াই চালিয়ে যাবে। বাংলার মানুষের আত্মসম্মান রক্ষার লড়াই অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।ছাত্রসমাজের উদ্দেশেও বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করা উচিত। ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়েই তাঁর রাজনৈতিক জীবন গড়ে উঠেছে এবং সেই কারণেই তরুণ প্রজন্মকে সমাজের বিভিন্ন ইস্যুতে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।লাইভ বক্তব্যে তৃণমূলের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েও অভিযোগ তোলেন মমতা। তাঁর দাবি, দলের মিছিল, সভা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে হামলার অভিযোগও করেন তিনি। পাশাপাশি নির্বাচনী ফলাফল নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এবং কয়েকটি আসনে ভোট গণনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার প্রসঙ্গও তুলে আনেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর দাবি, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুতর ছিল এবং আরও বড় বিপদ ঘটতে পারত। এই ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।এছাড়া শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্র আন্দোলন এবং অতীতের বিভিন্ন গণআন্দোলনের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, মানুষের অধিকার এবং গণতান্ত্রিক দাবির প্রশ্নে তিনি সবসময় আন্দোলনের পাশে থেকেছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের অন্দরে অস্থিরতার আবহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বার্তা তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশেই দেওয়া। একইসঙ্গে বিরোধীদের বিরুদ্ধেও রাজনৈতিক লড়াইয়ের সুর আরও চড়ালেন তিনি।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

পরিচারিকার কাজ থেকে সরাসরি মন্ত্রী! কলিতা মাঝির জীবনকাহিনি শুনলে অবাক হবেন

নতুন মন্ত্রিসভায় সবচেয়ে আলোচিত নামগুলির মধ্যে অন্যতম কলিতা মাঝি। আউশগ্রামের সাধারণ এক পরিবার থেকে উঠে আসা এই নেত্রীর মন্ত্রী হওয়া এখন জেলার মানুষের গর্বের বিষয়। রবিবার মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়ার খবর পেয়ে প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি তিনি।কলিতা মাঝি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তাঁর কাছে একটি ফোন আসে এবং তাঁকে কলকাতায় যেতে বলা হয়। কেন যেতে হবে, সেই বিষয়ে তখন কিছুই জানানো হয়নি। পরে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, তাঁকে মন্ত্রী করা হচ্ছে। খবরটি শোনার পর কিছু সময়ের জন্য তিনি নির্বাক হয়ে যান। তাঁর প্রতিক্রিয়া ছিল, বিধায়ক হওয়ার সুযোগ পাওয়াটাই তাঁর কাছে অনেক বড় বিষয় ছিল, মন্ত্রী হওয়ার কথা কোনওদিন কল্পনাও করেননি।আউশগ্রামের এক অত্যন্ত সাধারণ এবং দরিদ্র পরিবারে বড় হয়েছেন কলিতা। অল্প বয়সেই তাঁর বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পরও আর্থিক কষ্ট তাঁর পিছু ছাড়েনি। সংসারের দায়িত্ব সামলাতে তাঁকে পরিচারিকার কাজ করতে হয়েছে। প্রতিদিনের জীবন ছিল অভাব আর সংগ্রামের সঙ্গে লড়াইয়ের গল্প।তবে নিজের কষ্টের মধ্যেও এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানো কখনও বন্ধ করেননি তিনি। বিশেষ করে দরিদ্র পরিবার এবং মহিলাদের বিভিন্ন সমস্যায় সাহায্য করার চেষ্টা করতেন। সেই কাজ করতে করতেই ধীরে ধীরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।দলের স্থানীয় কার্যালয়ে নিয়মিত যেতেন তিনি। মানুষের কথা শুনতেন, সংগঠনের কাজ শিখতেন এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করতেন। সেই সময় বাংলায় দলের সংগঠন খুব শক্তিশালী ছিল না। প্রকাশ্যে দলের সমর্থক পরিচয় দেওয়াও অনেকের কাছে কঠিন ছিল। সেই কঠিন সময় থেকেই দলের সঙ্গে ছিলেন কলিতা মাঝি।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হলেও জয় পাননি। তবে রাজনৈতিক লড়াই ছাড়েননি। মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন। পরবর্তীতে আবারও নির্বাচনী লড়াইয়ে নামেন এবং মানুষের সমর্থনে বিধায়ক নির্বাচিত হন। এবার সেই পথ পেরিয়ে তিনি পৌঁছে গেলেন রাজ্যের মন্ত্রিসভায়।মন্ত্রী হওয়ার পর কলিতা মাঝি জানিয়েছেন, মানুষের জন্য কাজ করাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। তিনি বলেন, ক্ষমতা বা পদ বদলালেও মানুষের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বদলাবে না। আগের মতোই মানুষের সমস্যা শুনবেন এবং তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করবেন।আউশগ্রামের সাধারণ এক গৃহবধূ থেকে রাজ্যের মন্ত্রী কলিতা মাঝির এই যাত্রাপথ এখন বহু মানুষের কাছে সংগ্রাম, অধ্যবসায় এবং সাফল্যের এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

জুন ০১, ২০২৬
রাজ্য

বড় ফাঁস! লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের নামে কোটি টাকার জালিয়াতি? সিট গঠনের নির্দেশ শুভেন্দুর

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা ভুয়ো উপায়ে তোলার অভিযোগে নতুন করে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদনপত্র যাচাই করতে গিয়ে প্রশাসনের হাতে উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ, মহিলাদের জন্য চালু হওয়া প্রকল্পের টাকা কয়েকটি ক্ষেত্রে পুরুষদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ছিল।সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, এখনও পর্যন্ত মোট বাইশটি সন্দেহজনক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পুরুষদের নামে জমা হচ্ছিল। ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তদন্তে কয়েকটি নির্দিষ্ট নাম উঠে এসেছে। তাঁদের অ্যাকাউন্টে নিয়মিতভাবে প্রকল্পের টাকা জমা পড়ছিল বলে অভিযোগ। গোটা ঘটনার পেছনে কোনও বড় চক্র কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী আরও অভিযোগ করেন, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। আবেদনপত্রের পৃষ্ঠাসংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রচার করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, প্রকৃত তথ্য গোপন করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের টাকা কীভাবে এবং কার মাধ্যমে ভুয়ো উপায়ে তোলা হয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।অন্যদিকে অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন প্রক্রিয়া নিয়েও আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষ ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া দিয়েছেন। সোমবার থেকে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আরও বহু আবেদন জমা পড়বে বলে প্রশাসনের আশা।সরকারি প্রকল্পের টাকা বণ্টন নিয়ে এই নতুন বিতর্ক সামনে আসার পর রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তদন্তে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই এখন নজর সকলের।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

ধর্মতলায় মমতার ধরনা ঘিরে বড় ধাক্কা! শেষ মুহূর্তে অনুমতি দিল না পুলিশ

ধর্মতলার রানি রাসমণি রোডে মঙ্গলবার ধরনায় বসার ঘোষণা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলার কথা। দুপুর ২টো থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সেখানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।তবে ধরনার একদিন আগে সামনে এসেছে বড় জটিলতা। সূত্রের খবর, রানি রাসমণি রোডে এই কর্মসূচির জন্য এখনও পুলিশের অনুমতি মেলেনি। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ওই স্থানে ধরনার অনুমতি না দিয়ে বিকল্প হিসেবে ওয়াই চ্যানেলে কর্মসূচি করার প্রস্তাব দিয়েছে। সেখানে মাত্র দুই ঘণ্টার জন্য অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাবে এখনও সম্মতি দেওয়া হয়নি বলে সূত্রের দাবি। ফলে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত কীভাবে এবং কোথায় হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করিয়ে দিচ্ছেন, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অতীতে বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি চেয়েও একাধিকবার সমস্যার মুখে পড়েছিলেন। সে সময় অনুমতি না মেলায় তাঁকে আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। বর্তমান পরিস্থিতিকে ঘিরে সেই বিতর্কও নতুন করে সামনে এসেছে।অন্যদিকে, ধরনা বিতর্কের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে। দলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সম্প্রতি তাঁরা দলের বিরুদ্ধে সই জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরই তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেয় তৃণমূল কংগ্রেস। ফলে একদিকে ধরনা বিতর্ক, অন্যদিকে দুই বিধায়কের বহিষ্কার সব মিলিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

জুন ০১, ২০২৬
রাজ্য

‘বাড়িতে হামলা হল, দল ফোনও করল না’! তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন প্রাক্তন মন্ত্রী

রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর এক মাসের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অসন্তোষের সুর আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সই সংক্রান্ত বিতর্ক, দুই বিধায়কের বহিষ্কার এবং সাংগঠনিক অস্থিরতার আবহে এবার দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ প্রকাশ করলেন প্রাক্তন মন্ত্রী ও মধ্য হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়।সোমবার নিজের বাড়িতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অরূপ রায় অভিযোগ করেন, গত শনিবার তাঁর বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটলেও দলের তরফে কেউ তাঁর খোঁজ পর্যন্ত নেননি। এমনকি একটি ফোনও আসেনি বলে দাবি করেছেন তিনি।অরূপ রায়ের কথায়, এই পরিস্থিতিতে দলের প্রথম কাজ হওয়া উচিত ছিল আক্রান্ত কর্মী এবং নেতাদের পাশে দাঁড়ানো। তাঁর দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দলের সাধারণ কর্মী থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিরা হামলার শিকার হচ্ছেন, কিন্তু দল তাঁদের পাশে দাঁড়াচ্ছে না। এর ফলে কর্মীদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে।তিনি আরও বলেন, অতীতেও দল কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে। এমন সময় এসেছে যখন বিধানসভায় খুব কম আসন পেয়েও তৃণমূল লড়াই চালিয়ে গিয়েছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। তাঁর মতে, সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।প্রসঙ্গত, গত শনিবার মধ্য হাওড়ার কাসুন্দিয়া এলাকার অরূপ রায়ের বাড়ির সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। তাঁর বাড়ির সামনের একটি গুদামঘর থেকে ত্রিপল, কম্বল, শাড়ি, ধুতি-সহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার হওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভও দেখানো হয়।ঘটনার পর অরূপ রায় দাবি করেছিলেন, ওই ত্রাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি আগেই প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিলেন। পরে প্রশাসন সেগুলি সরাতে গেলে বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়।সাংবাদিক বৈঠকে দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ছে কি না, সেই প্রশ্নও ওঠে। উত্তরে কয়েক মুহূর্ত নীরব থাকার পর অরূপ বলেন, এই সময়ে দলের উচিত ছিল আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু সেই দায়িত্ব দল সঠিকভাবে পালন করতে পারেনি।সামনেই পৌরসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনে তিনি সক্রিয়ভাবে প্রচারে নামবেন কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিয়েছেন অরূপ রায়। তাঁর বক্তব্য, এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে তিনি এখনও নিজের অবস্থান চূড়ান্ত করেননি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ক্ষমতা হারানোর পর তৃণমূলের অন্দরে যে অস্বস্তি এবং অসন্তোষ বাড়ছে, অরূপ রায়ের এই মন্তব্য তারই আরও একটি বড় ইঙ্গিত। পৌরসভা নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি দলের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

বহিষ্কারের পর বিস্ফোরক সন্দীপন! ‘সই জাল হয়েছে, অভিযোগ না করে উপায় ছিল না’

সই সংক্রান্ত বিতর্কে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। দলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলার পর ইতিমধ্যেই বহিষ্কৃত হয়েছেন এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা এবং উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বহিষ্কারের পরও নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন সন্দীপন সাহা। তাঁর দাবি, নিয়ম বহির্ভূত কাজ হয়েছে বলেই তিনি অভিযোগ জানাতে বাধ্য হয়েছেন।সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, দুই বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতেই সই সংক্রান্ত ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এরপরই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়।সন্দীপন সাহার অভিযোগ, গত ৬ মে তৃণমূলের একটি বৈঠকে বিধায়কদের উপস্থিতিতে আলোচনা হলেও সেখানে বিরোধী দলনেতাকে নিয়ে কোনও প্রস্তাব গৃহীত হয়নি। কিন্তু পরে ১৯ মে যে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়, তাতে ৬ মে উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। তাঁর দাবি, কয়েকজন বিধায়ক ওই বৈঠকে উপস্থিত না থাকলেও তাঁদের নাম রেজোলিউশনে যুক্ত করা হয়েছে, যা নিয়মবিরুদ্ধ এবং অনৈতিক।সন্দীপনের বক্তব্য, যাঁরা বৈঠকে ছিলেন না, তাঁদের উপস্থিত দেখিয়ে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়েছে। এটি কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও দাবি করেন, উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর দিয়েই রেজোলিউশন জমা দেওয়া সম্ভব ছিল। তা না করে কেন অন্য পথ নেওয়া হল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। এই ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সন্দীপন। তাঁর দাবি, এত বড় ভুলের দায় এড়ানো যায় না।দলকে না জানিয়ে কেন তিনি বিধানসভা কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছিলেন, সেই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন সন্দীপন। তাঁর কথায়, একজন বিধায়ক হিসেবে তিনি সংবিধান ও নিয়ম মেনে চলার শপথ নিয়েছেন। সেই দায়িত্ব থেকেই তিনি অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, দলের ভিতরে কোনও অভিযোগ বা প্রশ্নের সঠিক উত্তর পাওয়া যায় না বলেই তিনি অন্য পথ বেছে নিয়েছেন।সন্দীপন আরও অভিযোগ করেন, দলের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা করার পরিবেশ নেই। কোনও প্রশ্ন তুললে তার উত্তর না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়। ফলে দলের ভিতরে নিজের মতামত বা আপত্তি জানানো কার্যত অসম্ভব হয়ে উঠেছে বলে দাবি তাঁর।বহিষ্কৃত এই বিধায়কের কথায়, সই সংক্রান্ত বিতর্ক নিয়ে সাধারণ মানুষ তাঁদের প্রশ্ন করছেন। সেই প্রশ্নের উত্তর দেওয়াও কঠিন হয়ে উঠছে। তাই বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা এবং অভিযোগ জানানো ছাড়া তাঁর সামনে আর কোনও পথ খোলা ছিল না বলেই দাবি করেছেন সন্দীপন সাহা।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

সিআইডির জেরায় ফাঁস নতুন তথ্য? তিন বিধায়কের স্বীকারোক্তির দাবি শুভেন্দুর

বিধানসভার একটি রেজোলিউশনকে কেন্দ্র করে সই সংক্রান্ত বিতর্কে রাজ্য রাজনীতি সরগরম। এই ঘটনায় তদন্তে নেমেছে সিআইডি। ইতিমধ্যেই একাধিক তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছেন তদন্তকারীরা। তদন্তের অংশ হিসেবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতেও নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে, তা নিয়ে সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহার অভিযোগের ভিত্তিতেই পুরো বিষয়টির তদন্ত শুরু হয়।শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী, বিরোধী দলনেতা নির্বাচন সংক্রান্ত যে রেজোলিউশন বিধানসভায় জমা দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ওই দুই বিধায়ক। তাঁদের অভিযোগ ছিল, রেজোলিউশনে থাকা কয়েকজন বিধায়কের সই নিয়ে অসঙ্গতি রয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি স্পিকারের নির্দেশে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়।তদন্তের অংশ হিসেবে একাধিক তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে কথা বলেন তদন্তকারীরা। শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, তদন্ত চলাকালীন তিন জন বিধায়ক জানিয়েছেন যে রেজোলিউশনে থাকা সই তাঁদের নয়। তিনি দাবি করেন, ওই তিন জন হলেন বাহরুল ইসলাম, শুভাশিস দাস এবং অরূপ রায়। তাঁদের মধ্যে একজন নাকি তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, তিনি সেদিন কলকাতায়ই ছিলেন না।সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, তদন্তে উঠে আসা তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর দাবি, যাঁরা সই নিজেদের নয় বলে জানিয়েছেন, তাঁদের কোনও ব্যক্তিগত লাভ নেই। তাই তাঁদের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিয়েই তদন্ত এগোচ্ছে।এদিকে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। অভিযোগকারী দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে ইতিমধ্যেই দল থেকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে সই সংক্রান্ত বিতর্কের তদন্তে নতুন নতুন তথ্য সামনে আসায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এখন তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে কী তথ্য উঠে আসে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal