• ২৭ মাঘ ১৪৩২, শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SA

দেশ

ঐতিহাসিক মুহূর্ত! জাতীয় সড়কে নামল প্রধানমন্ত্রীর বিমান

ঐতিহাসিক নজির গড়ল অসম। বিমানবন্দর নয়, জাতীয় সড়কের উপর জরুরি অবতরণ করল প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিমান। অসমের মোরানে এই ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং ফেসিলিটির পরীক্ষা করা হয়। একদিনের সফরে সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।চাবুয়া এয়ারফিল্ড থেকে উড়ে এসে প্রধানমন্ত্রীর সি-১৩০জে বিমান ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়কের সম্প্রসারিত অংশে অবতরণ করে। বিমান থেকে নামার পর প্রায় ৪০ মিনিটের এয়ার শো হয়। আকাশে নিজেদের ক্ষমতা প্রদর্শন করে তেজস, সুখোই ও রাফালের মতো যুদ্ধবিমান।প্রধানমন্ত্রী সামাজিক মাধ্যমে জানান, জরুরি পরিস্থিতিতে এই ধরনের অবতরণ পরিষেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা সামরিক প্রয়োজনের সময় উদ্ধারকাজে এটি বড় ভূমিকা নেবে। প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে মোরান বাইপাসে ৪.২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই বিশেষ অবতরণ পথ তৈরি হয়েছে।এই পথ অসামরিক ও সামরিকদুই ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যাবে। জরুরি সময়ে এটি ডিব্রুগড় বিমানবন্দরের বিকল্প হিসেবেও কাজ করবে। ৪০ টন পর্যন্ত যুদ্ধবিমান এবং ৭৪ টন পর্যন্ত পরিবহণ বিমান এখানে অবতরণ করতে পারবে। এর আগে ২০২১ সালে রাজস্থানের বারমেরে প্রথম এ ধরনের ব্যবস্থা চালু হয়েছিল।অসম সফরে প্রধানমন্ত্রী একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পেরও উদ্বোধন করবেন। ব্রহ্মপুত্র নদীর উপর তৈরি একটি সেতুর উদ্বোধন করবেন তিনি, যা উত্তর গুয়াহাটির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করবে। এতে যানজট কমবে এবং যাতায়াতের সময়ও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।এছাড়া গুয়াহাটিতে ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের অস্থায়ী ক্যাম্পাসের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি ১০০টি ইলেকট্রিক বাসেরও সূচনা করবেন তিনি। সফরের শেষে গুয়াহাটিতে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গেও কথা বলার কথা রয়েছে তাঁর।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
বিদেশ

মোদী বিরোধী আগুনঝরা ভাষণ, তবু ভোটে হার! সারজিস আলমকে ফিরিয়ে দিল পঞ্চগড়

বাংলাদেশের নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেলেন ছাত্রনেতা সারজিস আলম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত তিনি। অতীতে ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় মন্তব্য করেছিলেন এবং সরাসরি নরেন্দ্র মোদি-র নাম করে সমালোচনা করেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র দেশত্যাগ নিয়েও কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।পঞ্চগড়-১ আসনে জামাত জোটের প্রার্থী হিসেবে লড়ে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন সারজিস। তাঁর মন্তব্য ঘিরে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি হাসিনার দেশছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে ঐতিহাসিক তুলনাও করেছিলেন। সেইসব বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তুলেছিল।কিন্তু ভোটের ফল অন্য কথা বলল। শেষ পর্যন্ত তিনি বিএনপি প্রার্থীর কাছে হেরে যান। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের বড় জয়। সংবাদমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে এগিয়ে বা জয়ী হয়েছে বিএনপি জোট।ঢাকা-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বরচন্দ্র রায়। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার ভোট বেশি পেয়েছেন।বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া-র পুত্র তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে দুদশক পর সরকার গঠনের পথে বিএনপি। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।মূল প্রতিপক্ষ জামাত জোট ১০০-র নীচে থেমে গেছে বলে জানা গিয়েছে। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপিও বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এই বিপুল জয়ের পর কি বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে? অরাজকতার অভিযোগে উত্তাল সময়ের পর পদ্মাপারের দেশে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

সংসদে দেশবিরোধী মন্তব্য? রাহুলের পদ বাতিল চেয়ে বড় পদক্ষেপ বিজেপির

অপরাধমূলক মানহানির মামলায় আগে একবার রাহুল গান্ধীর সাংসদ পদ বাতিল হয়েছিল। পরে আদালতের নির্দেশে তিনি সেই পদ ফিরে পান। এবার ফের তাঁর সাংসদ পদ বাতিলের দাবি তুলল বিজেপি। বৃহস্পতিবার বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে জানিয়েছেন, তিনি লোকসভায় রাহুলের বিরুদ্ধে একটি সাবস্ট্যান্টিভ মোশন জমা দিয়েছেন।নিশিকান্ত দুবের অভিযোগ, রাহুল গান্ধী সংসদে দাঁড়িয়ে ধারাবাহিকভাবে দেশবিরোধী ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করছেন। তাঁর বক্তব্যে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও দাবি বিজেপি সাংসদের। দুবে বলেন, আমি লোকসভায় রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে প্রস্তাব জমা দিয়েছি। জর্জ সোরসের মতো দেশবিরোধী শক্তির মদতে এই সদন থেকে গোটা দেশকে বিভ্রান্ত করেছেন তিনি। সবটাই দেশের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশে। আমার দাবি, রাহুলের সাংসদ পদ বাতিল করা হোক এবং তাঁকে আজীবন নির্বাচনে লড়তে না দেওয়া হোক। তাঁর দাবি, এই প্রস্তাব নিয়ে লোকসভায় আলোচনা হওয়া উচিত।বাজেট অধিবেশন শুরু হওয়ার পর থেকেই কেন্দ্রীয় সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করছেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। প্রথমে প্রাক্তন সেনাপ্রধানের অপ্রকাশিত আত্মজীবনী নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। পরে ভারত-মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি নিয়েও সরকারের সমালোচনা করেন। লোকসভায় দাঁড়িয়ে রাহুল বলেন, আপনারা ভারতকে বিক্রি করে দিয়েছেন, আপনাদের লজ্জা হয় না? আপনারা ভারত মাতাকে বিক্রি করেছেন। আপনারা আমেরিকার কাছে সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ করেছেন। ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা আমেরিকার হাতে তুলে দিয়েছেন। কৃষকদের স্বার্থের সঙ্গে আপস করেছেন।রাহুল আরও দাবি করেন, যদি ইন্ডিয়া জোট সরকার আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা করত, তাহলে তারা ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বলত ভারতকে সমান মর্যাদা দিতে হবে। পাশাপাশি প্রাক্তন সেনাপ্রধান নারাভানের বইয়ের প্রসঙ্গ তুলেও তিনি সরকারকে আক্রমণ করে চলেছেন।রাহুলের এই বক্তব্যের পর থেকেই বিজেপির একাংশ ক্ষুব্ধ। তাদের অভিযোগ, সংসদে দাঁড়িয়ে ভিত্তিহীন মন্তব্য করছেন বিরোধী দলনেতা। কেউ কেউ তাঁর বিরুদ্ধে প্রিভিলেজ মোশন আনার কথাও বলেন। তবে নিশিকান্ত দুবে সরাসরি রাহুলের সাংসদ পদ বাতিলের দাবি তুলে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছেন।এখন দেখার, লোকসভায় এই প্রস্তাব নিয়ে আদৌ আলোচনা হয় কি না এবং এই বিতর্ক কোন দিকে গড়ায়।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

লোকসভায় বিস্ফোরণ! স্পিকারের ঘরে ঢুকে গালিগালাজ? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

বাজেট অধিবেশন ঘিরে লোকসভায় শাসক ও বিরোধীদের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। কংগ্রেস সহ ইন্ডিয়া জোট লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার উদ্যোগ নিয়েছে। তার মাঝেই স্পিকারকে গালিগালাজ করার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু অভিযোগ করেছেন, কংগ্রেসের ২০ থেকে ২৫ জন সাংসদ একসঙ্গে স্পিকারের ঘরে ঢুকে তাঁকে গালিগালাজ করেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনাস্থলে তিনি নিজেও উপস্থিত ছিলেন। সংসদে দাঁড়িয়ে রিজিজু বলেন, কংগ্রেস সাংসদদের আচরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং তা বর্ণনা করার মতো নয়। তাঁর কথায়, স্পিকার নরম স্বভাবের মানুষ বলেই তিনি কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেননি।রিজিজু আরও অভিযোগ করেন, যখন কংগ্রেস সাংসদরা স্পিকারের ঘরে ঢুকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, তখন সেখানে মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর মতো সিনিয়র নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁরা পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে উল্টে আরও উসকানি দিচ্ছিলেন। বিজেপির অভিযোগ, সংসদের মর্যাদা নষ্ট করা হয়েছে।অন্যদিকে, কংগ্রেসের তরফে এই অভিযোগ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে অনাস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ যে আরও বাড়তে চলেছে, তা স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

কৃষি চুক্তির আড়ালে বড় বিপদ? লোকসভায় সতর্কবার্তা অভিষেকের

মঙ্গলবার লোকসভায় কেন্দ্রীয় বাজেটের কড়া সমালোচনা করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, এই বাজেটে সাধারণ মানুষ থেকে কৃষক কেউই স্বস্তি পাননি। বরং প্রত্যেকেই আরও বেশি বঞ্চিত হয়েছেন। দীর্ঘ বক্তব্যে তিনি আমেরিকা ও ভারতের সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তির প্রসঙ্গ তুলে কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন।অভিষেক বলেন, এই বাণিজ্য চুক্তির ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ভারতের কৃষকরা। তাঁর দাবি, আমেরিকার সঙ্গে চুক্তির পর ভারতীয় কৃষকরা আরও কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি মার্কিন কৃষি সচিবের একটি মন্তব্যের কথাও উল্লেখ করেন।অভিষেক জানান, বাণিজ্য চুক্তির পর মার্কিন কৃষি সচিব ব্রুক রলিনস এক্স মাধ্যমে একটি বার্তা দেন। সেখানে তিনি লেখেন, এই চুক্তির ফলে আমেরিকার কৃষকরা আরও বেশি পণ্য ভারতে রফতানি করতে পারবেন। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এর ফলে আমেরিকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে আরও বেশি অর্থ ঢুকবে এবং ভারতের সঙ্গে কৃষি-বাণিজ্যের ঘাটতি কমবে।এই মন্তব্যের পরেও ভারত সরকার কেন কোনও প্রতিক্রিয়া জানাল না, তা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ভারতে প্রতিদিন কৃষকদের মৃত্যু হচ্ছে। একের পর এক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনও সুরাহা হচ্ছে না। তাঁর অভিযোগ, আমেরিকার সঙ্গে এই চুক্তিতে লাভবান হচ্ছেন সে দেশের কৃষকরা, আর ভারতীয় কৃষকরা আরও দুর্বল হয়ে পড়ছেন।অভিষেকের প্রশ্ন, মার্কিন কৃষি সচিব প্রকাশ্যে এমন মন্তব্য করার পরেও ভারত সরকার কেন সেই বক্তব্য খারিজ করল না? কেন কোনও জবাব দেওয়া হল না? সংসদে এই প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রের নীরবতাকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
দেশ

৮৫ মিনিটের বাজেটে একবারও বাংলার নাম নয়! সংসদে বিস্ফোরক অভিষেক

লোকসভায় কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে তীব্র সমালোচনা করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ৮৫ মিনিটের বাজেট বক্তৃতায় একবারও বাংলার নাম উচ্চারণ করা হয়নি। তাঁর অভিযোগ, এত দীর্ঘ বক্তব্যেও রাজ্যের প্রতি কেন্দ্রের বঞ্চনার ছবিটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।অভিষেকের দাবি, কেন্দ্র যে ফ্রেট করিডরের কথা বাজেটে ঘোষণা করেছে, সেই প্রস্তাব অনেক আগেই দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও বাংলাকে উপেক্ষা করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এই সরকার সমতায় নয়, পক্ষপাতেই বিশ্বাস করে।এদিন অভিষেক বলেন, অর্থমন্ত্রী দাবি করছেন দেশের অর্থনীতি দ্রুত এগোচ্ছে। অথচ বাংলা বছরে প্রায় ৬.৫ লক্ষ কোটি টাকা কর দেওয়ার পরেও কেন্দ্রীয় বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত। মনরেগায় নতুন কাজ বন্ধ, গ্রামীণ সড়ক যোজনা থেকে জল জীবন মিশন সব ক্ষেত্রেই বাংলাকে টাকা দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি পানীয় জলের মতো মৌলিক প্রয়োজনের ক্ষেত্রেও রাজ্যকে দরাদরি করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এরপর অভিষেক ট্রিপল ট্যাক্স ট্র্যাপ-এর কথা তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য, সাধারণ মানুষ মনে করেন তাঁরা একবার কর দিচ্ছেন, কিন্তু বাস্তবে তিনবার কর দিতে হচ্ছে। প্রথমে বেতন থেকে আয়কর কাটা হয়। দ্বিতীয়ত জিএসটি বিস্কুট, স্কুলের খাতা, হাসপাতালের বিল, এমনকি সাবানেও কর দিতে হয়। তৃতীয় কর হল মূল্যবৃদ্ধি, যা অনুমতি ছাড়াই বাড়ে। অভিষেকের কথায়, এটিই হল নীরব কর।মধ্যবিত্তদের অবস্থার কথাও তুলে ধরেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, মাসের মাঝপথেই অনেকের বেতন শেষ হয়ে যায়। একটি গাড়ি কিনলেও তিনবার কর দিতে হয় আয়কর, রোড ট্যাক্স এবং টোল ট্যাক্স।এসআইআর থেকে শুরু করে বাংলা ভাষা ইস্যুতেও কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, জয় বাংলা বলা বা সোনার বাংলা গান গাইলেই অনুপ্রবেশকারী তকমা দেওয়া হচ্ছে। সেনাকর্মী, নোবেলজয়ী কিংবা হাইকোর্টের বিচারপতিকেও নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে। তাঁর দাবি, বাংলায় প্রায় ১৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং এক কোটি মানুষকে সন্দেহভাজন তালিকায় রাখা হয়েছে।সবশেষে অভিষেক বলেন, কেন্দ্র যদি তহবিল বন্ধ করতে চায়, তা করতেই পারে। কিন্তু বাংলার মেরুদণ্ড কখনও ভাঙবে না। সব কিছু কেড়ে নেওয়া গেলেও মানুষের স্মৃতি মুছে ফেলা যায় না। মানুষ জেগে উঠলে শেষ কথা বাংলাই বলবে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
কলকাতা

আগস্ট নয়, এপ্রিল থেকেই ১৫০০ টাকা! যুবসাথীতে বড় চমক মমতার

আগস্টের অপেক্ষা আর নয়। এপ্রিল থেকেই চালু হচ্ছে যুবসাথী প্রকল্প। মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে এই বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, আগামী এপ্রিল মাস থেকেই রাজ্যের বেকার যুবক ও যুবতীরা প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে পাবেন।কয়েক দিন আগে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশের সময় শিক্ষিত বেকারদের জন্য যুবসাথী প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন জানানো হয়েছিল, অগস্ট মাস থেকে এই প্রকল্প চালু হবে। কিন্তু এদিন মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই প্রকল্পটি কার্যকর করা হচ্ছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, যুবসাথী প্রকল্পের সুবিধা পাবেন ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি যুবক ও যুবতীরা, যাঁরা মাধ্যমিক পাশ করার পর এখনও বেকার। কেউ যদি স্কলারশিপ পেয়ে থাকেন, তাতে এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে কোনও বাধা নেই। তবে স্কলারশিপ ছাড়া রাজ্য সরকারের অন্য কোনও জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা যদি কেউ নিয়ে থাকেন, সে ক্ষেত্রে যুবসাথীর টাকা মিলবে না।প্রাথমিকভাবে টানা পাঁচ বছর প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। পাঁচ বছর পরেও কেউ যদি বেকার থাকেন, সে ক্ষেত্রে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।আবেদন পদ্ধতি সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, দুয়ারে সরকার কর্মসূচির আদলে বিধানসভা ভিত্তিক ক্যাম্পের আয়োজন করা হবে। ১৫ তারিখ থেকে ২৬ তারিখ পর্যন্ত এই ক্যাম্প চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সেখানে সরকারি আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে সেখানেই আবেদন করা যাবে এবং সঙ্গে সঙ্গে আবেদনপত্রের রসিদও দেওয়া হবে।যুবসাথী প্রকল্প সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য জানিয়ে শীঘ্রই সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
দেশ

আরএসএস প্রধানের টেবিলে আদনান শামি, ‘দেশদ্রোহিতা’ তকমা দিল কংগ্রেস

জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী ও সুরকার আদনান শামির সঙ্গে নৈশভোজ করেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই কংগ্রেসের তীব্র আক্রমণের মুখে পড়ে আরএসএস। পাকিস্তানি বায়ুসেনার প্রাক্তন আধিকারিকের পুত্র আদনানের সঙ্গে ভাগবতের নৈশভোজকে দেশবিরোধী বলে কটাক্ষ করেছে মহারাষ্ট্র কংগ্রেস। এই ঘটনাকে ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।আরএসএস-এর শতবর্ষ উপলক্ষে মুম্বইয়ে দুদিনের একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে বলিউডের একাধিক শিল্পীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন আদনান শামিও। তাঁর সঙ্গে মোহন ভাগবতের নৈশভোজের ছবি সামনে আসতেই কংগ্রেসের তরফে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।মহারাষ্ট্র কংগ্রেসের এক্স হ্যান্ডেল থেকে লেখা হয়, আদনান শামির বাবা আরশাদ শামি খান ছিলেন পাকিস্তানি বায়ুসেনার পাইলট। ১৯৬৫ সালের যুদ্ধে তিনি পাঠানকোটের বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিলেন। সেই ব্যক্তির ছেলের সঙ্গে এক টেবিলে বসে খাওয়াদাওয়া করা আরএসএস-এর পক্ষ থেকে দেশদ্রোহিতার সামিল বলে দাবি কংগ্রেসের।তবে এই মন্তব্যকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ আরএসএস এবং পদ্মশ্রী প্রাপক আদনান শামি। সোশাল মিডিয়ায় ভাগবতের সঙ্গে নিজের ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন, তাঁর সঙ্গে একটি চমৎকার দিন কাটিয়েছেন। দীর্ঘ আলোচনায় ভাগবত তাঁর অনেক ভুল ধারণা দূর করে দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন শামি। তিনি ভাগবতকে অত্যন্ত ভদ্র ও ব্যক্তিত্ববান মানুষ বলেও প্রশংসা করেন।ওই অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করতে গিয়ে বাংলাদেশ প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন ভাগবত। তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ১.২৫ কোটি হিন্দু বাস করেন। তাঁরা যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াই করেন, তবে বিশ্বের সব হিন্দু তাঁদের পাশে দাঁড়াবেন এবং সাহায্য করবেন।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

সূর্যের আলোয় জয়, কিন্তু ভারতের ব্যাটিংয়ের ছায়া প্রকট বিশ্বকাপ শুরুতেই

ওয়াংখেড়েতে প্রত্যাশিত অঘটন ঘটেনি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আমেরিকাকে হারিয়েই অভিযান শুরু করল ভারত। তবে ২৯ রানের এই জয়ের আড়ালে লুকিয়ে রইল একাধিক প্রশ্নচিহ্নবিশেষ করে ভারতের ব্যাটিং নিয়ে।টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভারত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে তোলে মাত্র ১৬১ রান। নামের ভারে শক্তিশালী ভারতীয় ব্যাটিং লাইনআপের থেকে যা অনেকটাই কম। সূর্যকুমার যাদব ছাড়া কার্যত ব্যর্থ সবাই। একাই লড়াই করে ৪৯ বলে অপরাজিত ৮৪ রান করেন ভারত অধিনায়ক। তাঁর ইনিংস না থাকলে ভারতের পরিস্থিতি যে কোথায় গিয়ে দাঁড়াত, তা সহজেই অনুমেয়।ম্যাচের শুরু থেকেই অস্বস্তিতে পড়ে ভারত। দ্বিতীয় ওভারেই শূন্য রানে ফেরেন অভিষেক শর্মা। সাম্প্রতিক সময়ে প্রথম বলেই আউট হওয়ার প্রবণতা আবারও চোখে পড়ল। ঈশান কিশন ও তিলক বর্মা কিছুটা আশার আলো দেখালেও এই মন্থর পিচে দৌড়ে রান নেওয়ার বদলে বড় শটের উপর নির্ভর করাই কাল হয়ে দাঁড়ায়। শ্যাডলে ফান শকউইকের দুরন্ত স্পেলে মুহূর্তে ভেঙে পড়ে ভারতের ইনিংস। ৪৫ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দল।পাওয়ার প্লে-র পর সূর্য ও রিঙ্কু সিংহ জুটি বাঁধার চেষ্টা করলেও রান তোলার গতি ছিল অত্যন্ত ধীর। এক সময় টানা ২৭ বল কোনও বাউন্ডারি আসেনি। রিঙ্কু, হার্দিককেউই তাল কাটাতে পারেননি। ৭৭ রানে ৬ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর ওয়াংখেড়ে কার্যত স্তব্ধ।সেই কঠিন মুহূর্তেই দায়িত্ব নেন সূর্যকুমার যাদব। পিচ বুঝে, ঝুঁকি কমিয়ে, দৌড়ে রান আর সঠিক সময়ে বড় শটএই মিশ্রণেই ইনিংস সাজান তিনি। স্কোয়্যার অঞ্চলে শট, সুইপ, উইকেটের চারদিকে খেলেই প্রমাণ করেন কেন তাঁকে ৩৬০ ডিগ্রি ব্যাটার বলা হয়। অক্ষর পটেলের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ৪১ রানের জুটি গড়ে তোলেন তিনি। শেষ পাঁচ ওভারে ভারত তোলে ৬৯ রান।আমেরিকার বোলিংয়ে শকউইক নজর কাড়েন ৪ উইকেটে। তবে সৌরভ নেত্রভলকর ভুলে যাওয়ার মতো দিন কাটান৪ ওভারে ৬৫ রান, উইকেটশূন্য।১৬২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আমেরিকাও এই পিচে যে সমস্যায় পড়বে, তা শুরুতেই বোঝা যায়। সিরাজ ও অর্শদীপের আগ্রাসী বোলিংয়ে ১৩ রানেই ৩ উইকেট হারায় তারা। মাঝখানে মিলিন্দ কুমার ও সঞ্জয় কৃষ্ণমূর্তির জুটি কিছুটা লড়াইয়ের রসদ জোগালেও প্রয়োজনীয় রানরেটের চাপ সামলাতে পারেনি আমেরিকা।শেষ দিকে বড় শট মারার চেষ্টা করতে গিয়ে দ্রুত উইকেট হারায় তারা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩২ রানেই থামে আমেরিকার ইনিংস। সিরাজ নেন ৩টি উইকেট, অক্ষর ২টি, বরুণ ও অর্শদীপ পান ১টি করে।ম্যাচ জিতলেও ভারতের শিবিরে স্বস্তির হাসি নেই। ডাগআউটে গম্ভীর মুখে বসে থাকা গৌতম গম্ভীরই যেন তার ইঙ্গিত। জলপানের বিরতিতে মাঠে নেমে পরামর্শ দিলেও, ব্যাটিংয়ের এই ছবি নিশ্চয়ই কোচিং স্টাফকে ভাবাচ্ছে।বিশ্বকাপ শুরু হল জয়ে, কিন্তু ভারতের সামনে বার্তাটা স্পষ্টশুধু সূর্যের উপর ভর করে অনেক দূর যাওয়া যাবে না।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৬
দেশ

অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তৃণমূলকে তুলোধোনা, রাজ্যসভায় বিস্ফোরক মোদী

রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর রাজ্যসভায় জবাবি ভাষণ দিতে উঠে উত্তাল পরিস্থিতির মুখে পড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভাষণ শুরু হতেই বিরোধী সাংসদদের তুমুল স্লোগানে সরগরম হয়ে ওঠে রাজ্যসভা। তবে সেই অবস্থার মধ্যেই নিজের বক্তব্য শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। স্লোগান তোলাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গেকে খোঁচা দিয়ে মোদী বলেন, বয়সের কথা মনে রেখে তিনি যেন বসে থেকেই স্লোগান দেন।প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই একাধিক বিরোধী সাংসদ রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট করেন। সেই বিষয়টিকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মোদী। তিনি বলেন, কিছু মানুষ এত তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন, কিন্তু তাঁদেরও একদিন প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। একই সঙ্গে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী।মোদীর বক্তব্যে উঠে আসে কংগ্রেস আমলের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, লালকেল্লা থেকে কংগ্রেসের প্রধানমন্ত্রীদের দেওয়া ভাষণগুলি বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট বোঝা যাবে যে তাঁদের কোনও দীর্ঘমেয়াদি ভাবনা ছিল না। সেই কারণেই দেশ বহু বছর পিছিয়ে পড়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। মোদীর দাবি, কংগ্রেসের ভুল সংশোধন করতেই বর্তমান সরকারকে অনেক শক্তি ব্যয় করতে হয়েছে। তাঁর কথায়, বর্তমান সরকার ভবিষ্যতের কথা ভেবেই নীতি তৈরি করেছে এবং আজ দেশ নীতির ভিত্তিতেই চলছে।জবাবি ভাষণের সময় বাংলার প্রসঙ্গও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে নির্মম সরকার বলে কটাক্ষ করেন তিনি। রাজ্যসভায় উপস্থিত তৃণমূল সাংসদদের উদ্দেশে মোদীর মন্তব্য, নির্মমতার যত রেকর্ড ছিল, সবকিছুই তারা ভেঙে দিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বাংলার মানুষের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে, অথচ ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য সেই নির্মমতাকেই প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে।অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদীর বক্তব্য, সারা পৃথিবীর দেশ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। অথচ তৃণমূল সরকার অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে আদালতে যাচ্ছে এবং আদালতের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। তাঁর দাবি, এই অনুপ্রবেশকারীরাই যুব সমাজের চাকরি কেড়ে নিচ্ছে এবং আদিবাসীদের জমি দখল করছে। অথচ এসব বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ না নিয়ে তৃণমূল সরকার কেন্দ্রকে উপদেশ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

লক্ষ্মীর ভান্ডার বাড়ল, যুবদের মাসে ১৫০০ টাকা—বাজেটে একের পর এক চমক মমতার

৫ ফেব্রুয়ারি রাজ্য বিধানসভায় রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করলেন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এই বাজেটে একের পর এক জনমুখী ঘোষণা করে কার্যত কল্পতরুর মতোই ধরা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মহিলাদের জন্য একাধিক প্রকল্পের পাশাপাশি রাজ্যের যুব সমাজের জন্যও বড় ঘোষণা করা হয়েছে।এই বাজেটে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে বড়সড় সুখবর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা মাসে ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। ফলে যাঁরা এতদিন মাসে ১ হাজার টাকা করে পেতেন, তাঁরা এবার থেকে পাবেন ১ হাজার ৫০০ টাকা। আর তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতিভুক্ত মহিলারা পাবেন মাসে ১ হাজার ৭০০ টাকা করে। কন্যাশ্রী প্রকল্পও আগের মতোই চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে।এবার রাজ্যের বেকার যুবদের পাশে দাঁড়াতে নতুন যুব-সাথী প্রকল্প চালুর কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য রাজ্যে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং কাজ না পাওয়া যুবদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া। আগামী ১৫ অগস্ট, স্বাধীনতা দিবস থেকেই এই নতুন প্রকল্প চালু হবে বলে জানানো হয়েছে।জানা গিয়েছে, মাধ্যমিক পাশ করা যুবক-যুবতীরাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। যাঁরা এখনও কোনও চাকরি পাননি, তাঁদের প্রতি মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেবে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যুব-সাথী প্রকল্পে টানা পাঁচ বছর ধরে এই টাকা দেওয়া হবে এবং প্রায় ৩০ লক্ষ যুবক-যুবতী এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন।এছাড়াও এবারের বাজেটে আশা কর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের ভাতাও বাড়ানো হয়েছে। তাঁদের মাসিক ভাতা ১ হাজার টাকা করে বৃদ্ধি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এই অন্তর্বর্তী বাজেটে মহিলা, যুব সমাজ এবং প্রান্তিক মানুষের জন্য একাধিক আর্থিক সুবিধার ঘোষণা করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

ভুল নাকি অপরাধ? গোমাংস কাণ্ডে অলি পাবের ক্ষমা চাওয়ায় প্রশ্ন

সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। পাঁঠার মাংসের বদলে গোমাংস পরিবেশনের অভিযোগে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার দায়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই ঐতিহ্যবাহী পাব। রবিবার সোশাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এই ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।অলি পাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি রাতে রেস্তরাঁর এক কর্মী ভুলবশত একটি গুরুতর ভুল করে ফেলেন। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ওই কর্মীর ভুলের জন্য রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্রেতার ভাবাবেগে আঘাত লাগায় তারা গভীরভাবে দুঃখিত।এদিকে সায়ক চক্রবর্তীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশ অলি পাবের বেয়ারা শেখ নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারি ঘিরে শহরজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একাংশ ওই কর্মীর পাশে দাঁড়ান, আবার অনেকে সেলেব ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে রেস্তরাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তোলেন। সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠতে থাকে, ভুল খাবার পরিবেশন করা কি অপরাধ, না কি কর্মীর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে বিষয়টিকে অন্য খাতে বইয়ে দেওয়া হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে অলি পাবের তরফে জানানো হয়, জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতেই রেস্তরাঁটি পরিচালিত হয়। আট দশকের ঐতিহ্য নিয়ে তারা গর্বিত বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেস্তরাঁর সমস্ত কর্মী ও সহযোগীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বার্তাও দেওয়া হয়।এর মাঝেই গুজব ছড়ায় যে এই ঘটনার জেরে অলি পাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই খবরে বহু নিয়মিত অতিথির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে রবিবারের বিবৃতিতে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, অলি পাব বন্ধ হচ্ছে না। বরং এই কঠিন সময়ে যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগের মতোই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে পরপর ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। যদিও বর্তমানে সেই পোস্টগুলি আর পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সেদিন রাতে সায়ক তাঁর দুই বন্ধু অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুণ্ডুর সঙ্গে অলি পাব যান। তাঁরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। খাবার পরিবেশনের পর প্রথমে খিদের চোটে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে টেবিলে আরও একটি স্টেক আসতেই সন্দেহ হয়।সায়কের দাবি, তাঁরা একটি মাত্র স্টেক অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু বেয়ারা জানান, দুটি স্টেক অর্ডার করা হয়েছেএকটি মাটন এবং একটি বিফ। তখনই সায়ক প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। বচসার মধ্যেই বেয়ারা স্বীকার করেন যে তিনি ভুল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে রেস্তরাঁর মধ্যেই উত্তেজনা ছড়ায়। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সায়ক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার ওই বেয়ারাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গোমাংস বিতর্কে ইউটার্ন! বেয়ারার বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহার সায়কের

রবিবার সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি জারি করে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। তাদের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, কোনও ক্রেতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। এই ক্ষমা প্রার্থনার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেস্তরাঁ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।অলি পাবের বিবৃতি প্রকাশের পরই সায়ক সোশাল মিডিয়ায় জানান, তিনি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেন। তাঁর কথায়, তিনি জনগণের উপর নির্ভরশীল এবং মানুষ যা বলবেন, সেটাই তিনি মেনে নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি চাপের মুখেই নিজের অবস্থান বদল করলেন অভিনেতা।গত ২৪ ঘণ্টায় গোমাংস বিতর্ক ঘিরে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার সূত্রপাত একটি ভ্লগকে কেন্দ্র করে। সেই ভ্লগে রেস্তরাঁর এক বেয়ারার ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে মন্তব্য করায় সমালোচনার মুখে পড়েন সায়ক। পরে অলি পাব এবং ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পার্ক স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সকালে গ্রেপ্তার হন রেস্তরাঁর কর্মী শেখ নাসির উদ্দিন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। আদালতে তোলা হলেও শনিবার তিনি জামিন পাননি বলে খবর।এদিকে শনিবার রাতেই সায়কের বিরুদ্ধেও পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাট্যব্যক্তিত্ব জয়রাজ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ ছিল, সায়কের বক্তব্য থেকে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার মধ্যেই রবিবার অলি পাব প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়। তার পরই সায়ক নিজে থেকে অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।সায়ক চক্রবর্তী তাঁর পোস্টে লেখেন, অলি পাব শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছে, তাই নতুন করে কোনও গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বীকার করেন, রাগের মাথায় থানায় গিয়েছিলেন এবং সেই সময় তাঁর মাথা ঠিক ছিল না। তিনি জানান, তিনি কোনওদিন গোমাংস খাননি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন। অলি পাব ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তিনি প্রত্যাহার করছেন বলেও স্পষ্ট করে দেন।অভিনেতা আরও লেখেন, রেস্তরাঁর ভুল নিয়ে তাঁর সমস্যা ছিল, কিন্তু তাঁর প্রতিক্রিয়াও হয়তো ভুল ছিল। সে জন্য তিনি দুঃখিত। ভবিষ্যতে ভ্লগ বা ইনস্টাগ্রাম কনটেন্ট বানাতে গিয়ে এই ধরনের বিতর্কে জড়াতে চান না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর হিন্দু-মুসলিম কোনও সমস্যা নেই। তিনি কেবল নিজের কিছু ব্যক্তিগত আচার মেনে চলতে চান। তাঁর কনটেন্ট আগেও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা বলেছে, ভবিষ্যতেও বলবে। পুরো ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করেন সায়ক।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ঈশান কোনে মেঘ দেখছেন সঞ্জু! তিরুঅনন্তপুরমে কিউয়িদের উড়িয়ে ৪-১ সিরিজ় জয় ভারতের

বিশ্বকাপের আগে বোলার ও ফিল্ডিংয়ের বাস্তব পরীক্ষা নিতে টস জিতে আগে বোলিং বেছে নিয়েছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। শিশির বাড়লে অর্শদীপ সিংহ, বরুণ চক্রবর্তীরা রান সামলাতে পারেন কি না, সেটাই ছিল লক্ষ্য। কিন্তু পরিকল্পনার মাঝেই দৃশ্যপট বদলে দিলেন ঈশান কিশন। ব্যাট হাতে ঝড় তুলে তিরুঅনন্তপুরমে নিউ জ়িল্যান্ডকে ৪৬ রানে হারিয়ে ৪-১ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ় জিতে নিল ভারত।ভারত তোলে ৫ উইকেটে ২৭১ রানটি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোর। জবাবে কিউয়িদের ইনিংস থামে ১৯.৪ ওভারে ২২৫ রানে। ম্যাচে দুদল মিলিয়ে ওঠে ৪৯৬ রান ও ৩৬টি ছক্কাটি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে যা নতুন নজিরের শামিল।দুবছরের বেশি সময় পর জাতীয় দলে ফেরা ঈশান কিশন যেন প্রমাণ করতেই নেমেছিলেন। তিন নম্বরে নেমে ৪৩ বলে নিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক শতরান পূর্ণ করেন তিনি। ৬টি চার ও ১০টি ছক্কায় সাজানো ইনিংসে কিউয়ি বোলারদের কার্যত ছেলেখেলা বানান ঈশান। তাঁকে দুর্দান্ত সঙ্গ দেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ৩০ বলে ৬৩ রানের ইনিংসে ৪টি চার ও ৬টি ছক্কা মারেন সূর্য। তৃতীয় উইকেটে দুজনে ৫৭ বলে ১৩৭ রানের বিধ্বংসী জুটি গড়েন।এর পর পাঁচ নম্বরে নেমে হার্দিক পাণ্ড্য করেন ১৭ বলে ৪২। শেষ দিকে রিঙ্কু সিংহ ও শিবম দুবে নামেন শুধু আনুষ্ঠানিকতা সারতে। কিউয়ি বোলারদের মধ্যে কিছুটা নিয়ন্ত্রিত ছিলেন লকি ফার্গুসন (৪১ রানে ২ উইকেট), বাকিরা ভারতীয় ব্যাটিং তাণ্ডবের সামনে অসহায় দেখিয়েছেন।লক্ষ্য তাড়ায় নিউ জ়িল্যান্ডের শুরুটা নড়বড়ে হলেও ফিন অ্যালেন (৩৮ বলে ৮০) এবং রাচিন রবীন্দ্র (১৭ বলে ৩০) লড়াই জিইয়ে রাখেন। অ্যালেন আউট হওয়ার পরই ভেঙে পড়ে কিউয়িদের ইনিংস। মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট তুলে ম্যাচ ভারতের দিকে ঘুরিয়ে দেন অর্শদীপ ও অক্ষর পটেল।চাপের মুখে ড্যারেল মিচেল চেষ্টা করলেও একা কিছু করার ছিল না। শেষ পর্যন্ত ভারতের বোলারদের মধ্যে উজ্জ্বলতম পারফরম্যান্স অর্শদীপের৫১ রানে ৫ উইকেট। টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে এটাই তাঁর প্রথম পাঁচ উইকেট। অক্ষর নেন ৩৩ রানে ৩ উইকেট। হার্দিক কার্যকর হলেও বুমরাহ ও বরুণ প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হন, যা বিশ্বকাপের আগে ভাবনার জায়গা রেখে গেল।সব মিলিয়ে, ঈশানের শতরান আর অর্শদীপের পাঁচ উইকেটদুটোই একসঙ্গে এনে দিল ভারতের বড় জয় এবং আত্মবিশ্বাসী সিরিজ় সমাপ্তি।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

‘বুদ্ধবাবুর কোলে ছিলেন, এখন মমতার’, নতুন সিপিকে কটাক্ষ বিজেপির

ভোটের মুখে রাজ্য পুলিশের শীর্ষ পদে রদবদল ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর। কলকাতা পুলিশ কমিশনার পদে আইপিএস সুপ্রতিম সরকারের নিয়োগকে ঘিরে শাসক ও বিরোধীর মধ্যে দড়ি টানাটানি আরও বেড়েছে। বিজেপির দাবি, সন্দেশখালি কাণ্ড সামলানোর পুরস্কার হিসেবেই তাঁকে নগরপালের চেয়ারে বসানো হয়েছে। এই ভাষাতেই নতুন কমিশনারকে কটাক্ষ করেছে বিরোধী দল।বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার অভিযোগ করেন, সিঙ্গুরে কৃষক আন্দোলনের সময় সুপ্রতিম সরকার বামফ্রন্ট সরকারের ঘনিষ্ঠ অফিসার হিসেবে কৃষকদের উপর লাঠিচার্জ করেছিলেন। তাঁর কথায়, আগে তিনি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ ছিলেন, এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে নিজের ঘনিষ্ঠ করে নিয়েছেন। সিঙ্গুরকে মই হিসেবে ব্যবহার করে আজ তিনি তৃণমূলের কাছের লোক হয়ে উঠেছেন বলে কটাক্ষ করেন সুকান্ত।এদিকে নন্দীগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক ও বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও এই নিয়োগ নিয়ে মন্তব্য করেন। তাঁর দাবি, এটি শুধু সন্দেশখালির পুরস্কার নয়। সিঙ্গুর আন্দোলনের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিপিএমের চাপে আটকে পড়েছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি। সুপ্রতিম সরকারের অতীত সম্পর্কে প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার সোনালি গুহ আরও ভাল জানেন বলেও মন্তব্য করেন শুভেন্দু।তবে রাজ্য সরকার এই সব অভিযোগ মানতে নারাজ। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু স্পষ্ট করে বলেন, এটি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক বদলি। এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। অন্যদিকে তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক বিজেপিকে পাল্টা আক্রমণ করে বলেন, এ ধরনের কথা বলাই বিজেপির সংস্কৃতি। উন্নাওয়ের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যারা ধর্ষণে অভিযুক্তদের মালা দিয়ে বরণ করে, তাদের কাছ থেকে এমন বিকৃত মন্তব্যই স্বাভাবিক।উল্লেখ্য, এতদিন কলকাতা পুলিশ কমিশনার ছিলেন মনোজ বর্মা। তাঁকে সরিয়ে এবার রাজ্যের ডিরেক্টর অব সিকিউরিটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন নগরপাল হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন আইপিএস সুপ্রতিম সরকার, যিনি এতদিন রাজ্য পুলিশের এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) পদে কর্মরত ছিলেন। এবার শহরের আইনশৃঙ্খলার ভার তাঁর কাঁধে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

নেতাজির জন্মজয়ন্তীতে বিস্ফোরক বার্তা, মমতাকে জাতীয় নেতৃত্বের ডাক

রাজনীতিতে সম্পর্ক ও অবস্থান যে সময়ের সঙ্গে বদলায়, তা আবারও স্পষ্ট হল শুক্রবার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে। এক সময় যিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ভোটের লড়াইয়ে নেমেছিলেন, সেই চন্দ্র বসুকেই এ দিন দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একই মঞ্চে। শুধু তাই নয়, নেতাজির পরিবারের সদস্য চন্দ্র বসু প্রকাশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেশের নেত্রী হিসেবে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানালেন।রেড রোডে আয়োজিত সরকারি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে চন্দ্র বসু বলেন, তিনি চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবেই না থেকে দেশের নেতৃত্বের দায়িত্ব নিন। তাঁর কথায়, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আদর্শই একমাত্র দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী ছিলেন চন্দ্র বসু।এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ভোটের সময় সামনে এলে এ রকম অনেক পরিবর্তন দেখা যায়। তাঁর মতে, কিছু নেতার অবস্থান ও গতিবিধি লক্ষ্য করলেই সব বোঝা যায়।এ দিন মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজির অবদান স্মরণ করে একাধিক প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, আজ নেতাজি বেঁচে থাকলে তাকেও কি শুনানিতে ডাকা হত? পাশাপাশি নেতাজির জন্মদিনকে এখনও কেন জাতীয় ছুটি ঘোষণা করা হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, আজও নেতাজির জন্মদিন জাতীয় ছুটির তালিকায় নেই। একই সঙ্গে নেতাজির মৃত্যুদিন নিয়ে অনিশ্চয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।নেতাজির ঐতিহাসিক আহ্বান তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব প্রসঙ্গে মমতা বলেন, তিনি কারও কাছে রক্ত চাইছেন না। তাঁর আবেদন, মানুষ যেন নিজেদের প্রাণ বাঁচায়। ছাত্রছাত্রী, খেলোয়াড় ও শিল্পীদের এগিয়ে আসার ডাক দিয়ে তিনি বলেন, একে অন্যের পাশে দাঁড়ানোই আজ সবচেয়ে জরুরি।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

কোর্টে আর নয়! অবসর ঘোষণা করলেন সাইনা নেহওয়াল

অবশেষে প্রতিযোগিতামূলক ব্যাডমিন্টনকে বিদায় জানালেন সাইনা নেহওয়াল। ভারতের ব্যাডমিন্টনে প্রথম অলিম্পিক পদক এনে দেওয়া এই তারকা খেলোয়াড় দীর্ঘদিন ধরেই চোট-আঘাতে ভুগছিলেন। শেষ দুবছরে তাঁর শারীরিক সমস্যা এতটাই বেড়েছে যে আর কোর্টে ফেরা সম্ভব হয়নি। শেষবার ২০২৩ সালের সিঙ্গাপুর ওপেনে তাঁকে খেলতে দেখা গিয়েছিল।একটি পডকাস্টে নিজের অবসরের কথা জানিয়ে সাইনা বলেন, তিনি আসলে অনেক আগেই ব্যাডমিন্টন খেলা বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, নিজের ইচ্ছাতেই এই খেলায় এসেছিলেন, আবার নিজের ইচ্ছাতেই সরে দাঁড়াচ্ছেন। আলাদা করে অবসর ঘোষণা করার প্রয়োজন তিনি অনুভব করেননি। যখন বুঝেছেন আর খেলা সম্ভব নয়, তখনই থেমে যাওয়াই সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত বলে মনে করেছেন তিনি।চোটের কথা খোলাখুলিভাবেই জানান সাইনা। তিনি বলেন, তাঁর হাঁটুর কার্টিলেজ পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গিয়েছে এবং আর্থ্রাইটিসের সমস্যাও রয়েছে। বাবা-মা ও কোচদের আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন যে পরিস্থিতি খুব কঠিন হয়ে উঠছে। বিশ্বমানের খেলোয়াড় হতে গেলে দিনে আট থেকে নয় ঘণ্টা অনুশীলন প্রয়োজন, কিন্তু তিনি সেখানে দুঘণ্টার বেশি চালিয়ে যেতে পারছিলেন না। হাঁটু আর আগের মতো সঙ্গ দিচ্ছিল না বলেই কেরিয়ার থামানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি।মাত্র ১৫ বছর বয়সে, ২০০৫ সালে ব্যাডমিন্টনে পেশাদার কেরিয়ার শুরু করেছিলেন সাইনা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ছিলেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের সবচেয়ে বড় নাম। ২০১০ সালের কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জেতেন তিনি। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতে ব্যাডমিন্টনে ভারতের প্রথম অলিম্পিক পদক এনে দেন সাইনা নেহওয়াল।বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে একটি রুপো ও একটি ব্রোঞ্জ জিতেছেন তিনি। ২০১৮ সালের কমনওয়েলথ গেমসে আবারও সোনা এবং এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জ পদক জয় করেন। জুনিয়র স্তরে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপেও সোনা জিতেছিলেন সাইনা। তবে ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকের পর থেকেই হাঁটুর চোট তাঁর কেরিয়ারে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ধীরে ধীরে ছন্দ হারান তিনি। শেষ পর্যন্ত বুঝে যান, আর নয়। সেই সঙ্গে ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের এক গৌরবময় অধ্যায়েরও পর্দা নামল।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

কোর্টে আর নয়! অবসর ঘোষণা করলেন সাইনা নেহওয়াল

অবশেষে প্রতিযোগিতামূলক ব্যাডমিন্টনকে বিদায় জানালেন সাইনা নেহওয়াল। ভারতের ব্যাডমিন্টনে প্রথম অলিম্পিক পদক এনে দেওয়া এই তারকা খেলোয়াড় দীর্ঘদিন ধরেই চোট-আঘাতে ভুগছিলেন। শেষ দুবছরে তাঁর শারীরিক সমস্যা এতটাই বেড়েছে যে আর কোর্টে ফেরা সম্ভব হয়নি। শেষবার ২০২৩ সালের সিঙ্গাপুর ওপেনে তাঁকে খেলতে দেখা গিয়েছিল।একটি পডকাস্টে নিজের অবসরের কথা জানিয়ে সাইনা বলেন, তিনি আসলে অনেক আগেই ব্যাডমিন্টন খেলা বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, নিজের ইচ্ছাতেই এই খেলায় এসেছিলেন, আবার নিজের ইচ্ছাতেই সরে দাঁড়াচ্ছেন। আলাদা করে অবসর ঘোষণা করার প্রয়োজন তিনি অনুভব করেননি। যখন বুঝেছেন আর খেলা সম্ভব নয়, তখনই থেমে যাওয়াই সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত বলে মনে করেছেন তিনি।চোটের কথা খোলাখুলিভাবেই জানান সাইনা। তিনি বলেন, তাঁর হাঁটুর কার্টিলেজ পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গিয়েছে এবং আর্থ্রাইটিসের সমস্যাও রয়েছে। বাবা-মা ও কোচদের আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন যে পরিস্থিতি খুব কঠিন হয়ে উঠছে। বিশ্বমানের খেলোয়াড় হতে গেলে দিনে আট থেকে নয় ঘণ্টা অনুশীলন প্রয়োজন, কিন্তু তিনি সেখানে দুঘণ্টার বেশি চালিয়ে যেতে পারছিলেন না। হাঁটু আর আগের মতো সঙ্গ দিচ্ছিল না বলেই কেরিয়ার থামানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি।মাত্র ১৫ বছর বয়সে, ২০০৫ সালে ব্যাডমিন্টনে পেশাদার কেরিয়ার শুরু করেছিলেন সাইনা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ছিলেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের সবচেয়ে বড় নাম। ২০১০ সালের কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জেতেন তিনি। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতে ব্যাডমিন্টনে ভারতের প্রথম অলিম্পিক পদক এনে দেন সাইনা নেহওয়াল।বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে একটি রুপো ও একটি ব্রোঞ্জ জিতেছেন তিনি। ২০১৮ সালের কমনওয়েলথ গেমসে আবারও সোনা এবং এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জ পদক জয় করেন। জুনিয়র স্তরে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপেও সোনা জিতেছিলেন সাইনা। তবে ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকের পর থেকেই হাঁটুর চোট তাঁর কেরিয়ারে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ধীরে ধীরে ছন্দ হারান তিনি। শেষ পর্যন্ত বুঝে যান, আর নয়। সেই সঙ্গে ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের এক গৌরবময় অধ্যায়েরও পর্দা নামল।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

স্বামী বিবেকানন্দর জন্মজয়ন্তী পালনে ঠাকুরপল্লী স্বামীজি সংঘ, সংবর্ধনা শিক্ষক সমাজকে

স্বামী বিবেকানন্দর জন্মবার্ষিকী ধুমধাম করে পালন করল ঠাকুরপল্লী স্বামীজি সংঘ। এদিন সকালে প্রভাতফেরিতে অংশ নেয় কয়েক শো মানুষ। বিশেষ সজ্জিত ট্যাবলো প্রভাতফেরিকে আকর্ষণীয় করে তোলে। স্বামীজির গলায় মাল্যদান করেন ক্লাবের কর্মকর্তারা। ক্লাবের পতাকা উত্তোলন করেন সংগঠনের সভাপতি অরুন নন্দী।এদিন বিকেলে ক্লাব প্রাঙ্গনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। পাশাপাশি এলাকার ১২জন কৃতী ছাত্র-ছাত্রী ও ৯ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সোমবার সন্ধ্যায় ক্লাব প্রাঙ্গনে আবৃত্তি, সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি প্রানবন্ত হয়ে ওঠে। আয়োজক ক্লাবের পক্ষে কোষাধ্যক্ষ সুখরঞ্জন সাহা, সহ সম্পাদক আশুতোষ দে বলন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আমরা স্বামী বিবেকানন্দকে স্মরণ করেছি নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে।এছাড়া সারাবছর নানা সমাজসেবা মূলক কাজ করে আমাদের ক্লাব। রক্তদান শিবির, স্বাস্থ্য শিবির, চক্ষু পরীক্ষা শিবির নিয়মিত ভাবে আয়োজন করে ক্লাব। স্বামীজি সংঘের কার্যকর্তা অনুপম গাইন, সঞ্জু সাহা, খোকন সরকার, কালাচাঁদ দে সহ অন্যদের সক্রিয় ভূমিকায় দিনভর অনুষ্ঠান সার্বিক সফলতা পেয়েছে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

মালা আগে দিলাম, না হলে চোরেরা দিত! বিবেকানন্দের মূর্তিতে মালা দিতে গিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ

সোমবার স্বামী বিবেকানন্দের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে উত্তর কলকাতার সিমলা স্ট্রিটে তাঁর বাড়িতে সকাল থেকেই ভিড় জমতে শুরু করে। ভোরের দিকেই সেখানে পৌঁছে যান কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিকেলে সেখানে গিয়ে বিবেকানন্দের মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানানোর কথা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাঁর আগমনকে ঘিরে আগেই এলাকায় পড়ে যায় পোস্টার, যেখানে লেখা ছিল, স্বাগতম যুবরাজ।এই যুবরাজ শব্দটিকেই হাতিয়ার করে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেন সুকান্ত মজুমদার। স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তির পাদদেশে মালা দেওয়ার পর তিনি বলেন, যুবরাজ তো আসবেনই, তিনি তো বাংলার রাজপরিবারের অংশ। আমরা তো প্রজা। তাই আমি আগে এসে মালা দিয়ে গেলাম, যাতে অন্তত একজন সৎ মানুষের হাতেই আগে মালা পড়ে। না হলে এই চোরেরা মালা দিলে খুব খারাপ লাগে। কয়লা পাচার, গরু পাচারের সঙ্গে যাঁদের নাম জড়িয়ে, তাঁরা আবার স্বামীজিকে মালা দেবেন, সেটা দেখাও কষ্টকর।সোমবার সকালে সিমলা স্ট্রিটে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রী শশী পাঁজা। যুবরাজ লেখা পোস্টার নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে চাননি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির এই সব মন্তব্য নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি সুকান্ত মজুমদারের মন্তব্যকে তিনি গুরুত্বহীন এবং ঔদ্ধত্যের প্রকাশ বলেও কটাক্ষ করেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, শুধু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামেই নয়, সিমলা স্ট্রিটে পোস্টার পড়েছে শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়েও। বিবেকানন্দের বাড়ির সামনের অংশ জুড়ে তৃণমূলের পোস্টারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্বাগত জানানো হয়েছে। আর বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে দেখা গিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর ছবি-সহ পোস্টার, যেখানে লেখা রয়েছে, গর্ব করে বল, আমি হিন্দু। এই পোস্টার বিজেপির নয়, শুভেন্দু অধিকারীর আইটি সেলের পক্ষ থেকে লাগানো হয়েছে বলে পোস্টারে উল্লেখ রয়েছে।স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে সিমলা স্ট্রিটে রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতি এবং পাল্টা পোস্টার-যুদ্ধ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। শ্রদ্ধার আবহে শুরু হয়ে দিনটি শেষ পর্যন্ত পরিণত হয় তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোরে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 74
  • 75
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ফের আগুনে আতঙ্ক! সল্টলেক সেক্টর ফাইভের বহুতলে ধোঁয়া, দমকলের তৎপরতা

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ক্ষত এখনও তাজা। তার মধ্যেই ফের আগুন শহরে। এবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল সল্টলেক সেক্টর ফাইভ-এ। একটি বহুতল অফিস ভবন থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের হতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।জানা গিয়েছে, গ্লোবসিন ক্রিস্টাল বিল্ডিং-এ আচমকাই আগুন লাগে। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের ৩টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা পৌঁছেই গোটা বিল্ডিং খালি করে দেন। আতঙ্কে একে একে বাইরে বেরিয়ে আসেন তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থাগুলির কর্মীরা। অফিস টাইম হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে রাস্তায় ভিড় জমে যায়। আশপাশের এলাকা থেকেও বহু মানুষ ছুটে আসেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হঠাৎ করেই অফিসের ভিতরে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে সকলকে নিচে নেমে যেতে বলা হয়। এক কর্মী জানান, তখন তাঁরা অফিসের ভিতরেই ছিলেন। হঠাৎ বলা হয় বাইরে বেরিয়ে যেতে। পরে নিচে নেমে শোনা যায়, উপরের একটি রেস্তোরাঁয় আগুন লেগেছে।তবে ঠিক কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেস্তোরাঁ থেকেই আগুন ছড়িয়েছে, না কি অন্য কোনও জায়গা থেকে, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা। ভবনের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দমকলের চেষ্টায় কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে। তবুও ব্যস্ত সময়ে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে অফিস কর্মীদের মধ্যে। এলাকায় এখনও কৌতূহলী মানুষের ভিড় রয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ভারত-বিরোধিতার অধ্যায় শেষ? মোদির ফোনে বদলাচ্ছে ঢাকা-দিল্লির সমীকরণ!

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংসদীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিএনপি। এই জয়ের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছেঢাকা ও দিল্লির সম্পর্ক কি আবার উষ্ণ হতে চলেছে?শুক্রবার নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানান। পরে ফোনেও তাঁর সঙ্গে কথা বলেন তিনি। মোদি লেখেন, বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিরাট জয়ের জন্য তারেক রহমানকে তিনি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এই জয় বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতিফলন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের বহুমুখী সম্পর্ক আরও জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।এর জবাবে বিএনপির পক্ষ থেকেও মোদিকে ধন্যবাদ জানানো হয়। দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন। দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কও নতুন করে শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে উপদেষ্টা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন মহম্মদ ইউনুস। তাঁর প্রায় দেড় বছরের শাসনকালে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। ভারত-বিরোধী মনোভাব, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং মৌলবাদী শক্তির উত্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর ঘটনাও নজরে আসে। এই পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের সঙ্গে একাধিকবার কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দেয়।এই নির্বাচনে মৌলবাদী দল জামাতকে পিছনে ফেলে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে পাকিস্তানের প্রভাব খাটানোর সম্ভাবনায় বড় ধাক্কা লেগেছে। নির্বাচনের আগে জামাতের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর যোগাযোগ নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। তবে ভোটে জামাতের পরাজয়ে সেই সমীকরণ বদলে গেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পথে। এখন নজর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের দিকে। মোদি ও তারেকের এই সৌজন্য বার্তা কি দুই দেশের সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে? দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে তার প্রভাব কতটা পড়বে, সেটাই এখন দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি ভোটার ইস্যুতে কড়া নির্বাচন কমিশন! একাধিক জেলাশাসক তিরস্কৃত

ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, কোন কর্তৃত্বে এআরও-রা ইআরএমও-দের ডেকেছিলেন। একাধিক জেলার জেলাশাসকের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশন।কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও মালদার জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে দেরির জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার জেলাশাসকের কাজ নিয়েও অসন্তোষ জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এসআইআর শেষ হওয়ার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বৈঠক করেন। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও। বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়, কোনও বিদেশি নাগরিকের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে তথ্য যাচাই করতে হবে। সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নাম থেকে যায়, তা হলে এক বা পাঁচ বছর পরেও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মামলা পর্যন্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান যাঁদের বৈধ ভোটার বলে চিহ্নিত করে, তাঁদের বাইরে কাউকে বৈধ ভোটার হিসেবে মানা যায় না। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের বৈধ ভোটার হিসেবে দেখছেন। নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, তাঁরাও চান না কোনও বিদেশি ভোটার থাকুক। তবে বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ, পরিযায়ী শ্রমিক বা গরিব মানুষদের বারবার নোটিস দিয়ে ডাকা হচ্ছে। তাঁদের পক্ষে বারবার যাতায়াত করা সম্ভব নয়। ফলে তাঁদের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। বিদেশি ভোটার বিতর্কে আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

মোদী বিরোধী আগুনঝরা ভাষণ, তবু ভোটে হার! সারজিস আলমকে ফিরিয়ে দিল পঞ্চগড়

বাংলাদেশের নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেলেন ছাত্রনেতা সারজিস আলম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত তিনি। অতীতে ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় মন্তব্য করেছিলেন এবং সরাসরি নরেন্দ্র মোদি-র নাম করে সমালোচনা করেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র দেশত্যাগ নিয়েও কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।পঞ্চগড়-১ আসনে জামাত জোটের প্রার্থী হিসেবে লড়ে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন সারজিস। তাঁর মন্তব্য ঘিরে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি হাসিনার দেশছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে ঐতিহাসিক তুলনাও করেছিলেন। সেইসব বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তুলেছিল।কিন্তু ভোটের ফল অন্য কথা বলল। শেষ পর্যন্ত তিনি বিএনপি প্রার্থীর কাছে হেরে যান। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের বড় জয়। সংবাদমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে এগিয়ে বা জয়ী হয়েছে বিএনপি জোট।ঢাকা-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বরচন্দ্র রায়। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার ভোট বেশি পেয়েছেন।বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া-র পুত্র তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে দুদশক পর সরকার গঠনের পথে বিএনপি। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।মূল প্রতিপক্ষ জামাত জোট ১০০-র নীচে থেমে গেছে বলে জানা গিয়েছে। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপিও বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এই বিপুল জয়ের পর কি বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে? অরাজকতার অভিযোগে উত্তাল সময়ের পর পদ্মাপারের দেশে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে ছাড়া, তবু মাঠে অনিশ্চিত অভিষেক! পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা ভারতের শিবিরে?

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও এখনও পুরো সুস্থ নন ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা। কবে তিনি সম্পূর্ণ ফিট হয়ে মাঠে নামবেন, তা স্পষ্ট নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও তাঁর খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে সন্দেহ। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইঙ্গিত দিয়েছেন, অভিষেকের ফিরতে আরও এক-দুটি ম্যাচ সময় লাগতে পারে।বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের পর ড্রেসিংরুমে একটি ভিডিও করেন অর্শদীপ সিং। সেই ভিডিওতেই দেখা যায় অভিষেককে। তাঁকে বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। অর্শদীপ জানতে চাইলে অভিষেক বলেন, তিনি ডাল-ভাত খাচ্ছেন, তবে পুরোপুরি ভালো নেই। অর্শদীপ মজা করে বলেন, তাঁকে অনেকটা রোগা লাগছে। যদিও সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি অভিষেক। শোনা গিয়েছিল, পেটের সমস্যার কারণে তাঁর ওজন অনেকটাই কমে গিয়েছে। ভিডিও দেখেও অনেকে একই মন্তব্য করেছেন।অসুস্থতা নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন অভিষেক। কিন্তু প্রথম বলেই আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তার পর আর তাঁকে মাঠে দেখা যায়নি। দিল্লি ফেরা, কোচ গৌতম গম্ভীর-এর বাড়িতে যাওয়া, পরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াসবই হয়েছে চুপিসারে। গতকাল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে তিনি খেলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। টসের সময় সূর্যকুমার বলেন, অভিষেক এখনও পুরো সুস্থ নন। ফলে পাকিস্তান ম্যাচে তাঁর নামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও ম্যাচের পরে বরুণ চক্রবর্তী জানান, অভিষেক অনেকটাই ভালো আছেন।তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলে এই অনিশ্চয়তা চিন্তা বাড়াচ্ছে সমর্থকদের। অভিষেক কবে মাঠে ফিরবেন, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

লালকেল্লার পর ফের কাঁপছে দিল্লি! স্কুলে বোমা হুমকি ঘিরে তীব্র আতঙ্ক

নভেম্বরে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রাজধানী। দিল্লি-র লালকেল্লা-র সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের স্মৃতি এখনও টাটকা। তার মধ্যেই আবার ছড়াল বোমাতঙ্ক। শুক্রবার সকালে রাজধানীর একাধিক স্কুলে বোমা রাখা হয়েছে বলে হুমকি আসে। আতঙ্ক ছড়ায় পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে অন্তত তিনটি স্কুলে বোমা রয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। প্রথমে বিটি তামিল স্কুলে বোমা থাকার খবর ছড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করা হয় পড়ুয়াদের পরিবারকে। পরে আরও দুটি স্কুলে একই ধরনের হুমকি আসে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল ও পুলিশ। দ্রুত স্কুলগুলি খালি করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।এর আগেও সোমবার ১৩টি স্কুলে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল পাঠানো হয়েছিল। সেই ইমেলে লেখা ছিল, আফজল গুরুর স্মৃতিতে দিল্লিকে খলিস্তান বানানো হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। যদিও পরে সেই হুমকি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। তবু আতঙ্ক কাটেনি।গত ২৯ জানুয়ারি পাঁচটি স্কুল একই ধরনের হুমকি পেয়েছিল। তার আগের দিন দ্বারকা আদালত চত্বর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আসে। এমনকি সংসদ ভবন নিয়েও হুমকির ইমেল পাঠানো হয়েছিল। এক সপ্তাহে দুবার স্কুলে বোমা রাখার হুমকি ঘিরে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের।১০ নভেম্বর লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবু একের পর এক হুমকি ইমেল প্রশাসনকে চিন্তায় ফেলেছে। এখনও পর্যন্ত হুমকির উৎস জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।বারবার বোমা হুমকির ঘটনায় আতঙ্কে দিল্লিবাসী। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। রাজধানীতে ফের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পুণেতে খুন পুরুলিয়ার শ্রমিক! ভাষা বিতর্ক না কি মদের ঝামেলা—রহস্যে ঘনাচ্ছে মৃত্যু

ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল পুরুলিয়ায়। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্র-এর পুণে থেকে উদ্ধার হয়েছে পুরুলিয়ার বরাবাজারের বাসিন্দা সুখেন মাহাতোর দেহ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই আমিন সওকত শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস-এর অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই খুন হতে হয়েছে সুখেনকে। যদিও তদন্তে নেমে পুণে পুলিশের দাবি, ভাষা নয়, মত্ত অবস্থায় বচসা থেকেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের তরফে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার পুণে শহরের কাছে শিকরাপুর থানার এলাকায় একটি হোটেলের পিছন থেকে সুখেনের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, সহকর্মীদের হাতে খুন হয়েছেন সুখেন এবং এর নেপথ্যে রয়েছে ভাষাগত বিদ্বেষ।অন্যদিকে, সুখেনের ভাই তুলসীরাম মাহাতো পুণেতে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। তাঁর সম্মতিক্রমেই এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিকরাপুর থানায় মারাঠি ভাষায় এফআইআর লেখা হলেও তা হিন্দিতে অনুবাদ করে তাঁকে শোনানো হয়। তুলসীরাম জানিয়েছেন, তাঁর সম্মতি নিয়েই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।তুলসীরামের বয়ান অনুযায়ী, ৯ তারিখ দুপুরে সুখেন বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশে বের হন। সন্ধ্যায় তিনিও কাজে যান, কিন্তু সেখানে সুখেনকে দেখতে পাননি। ফোন করলেও যোগাযোগ হয়নি। রাতেও একাধিকবার ফোন করা হয়, কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। পরদিন সকালে শিফট শেষ করে বাড়ি ফিরে সুখেনকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পরে সুপারভাইজার সন্দীপ জানান, একটি হোটেলের পিছনে সুখেনের দেহ পড়ে রয়েছে। সেখানে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন তুলসীরাম।শুক্রবার দুপুরে সুখেনের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পুরুলিয়ার বরাবাজারে যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ঘটনায় ভাষা-বিদ্বেষ না কি ব্যক্তিগত বচসা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুণে পুলিশ। পুরো ঘটনার নেপথ্যে কী রয়েছে, তা জানতে অপেক্ষা তদন্তের অগ্রগতির দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

তারেকের জয়ে উচ্ছ্বসিত মোদি? কূটনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড়সড় জয়ের পথে বিএনপি। ফলাফল স্পষ্ট হতেই দলের সভাপতি তারেক রহমান-কে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সকালে এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিয়ে মোদি লিখেছেন, এই জয় প্রমাণ করে বাংলাদেশবাসী তারেকের নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন।মোদি তাঁর বার্তায় আরও জানিয়েছেন, গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের পাশে ভারত রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে বহুমুখী সম্পর্ক রয়েছে, তা আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। পারস্পরিক স্বার্থে দুই দেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।শুক্রবার সকালেই বাংলাদেশের নির্বাচনের ফল পরিষ্কার হয়ে যায়। ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়েছে। তার মধ্যে ২০০-র বেশি আসনে এগিয়ে থেকে সরকার গঠনের পথ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। দুটি আসনে লড়ে দুটিতেই জয় পেয়েছেন তারেক রহমান।এই নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এসেছে তারা।এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মোদির শুভেচ্ছাবার্তা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মোদি তাঁর বার্তায় লিখেছেন, বিএনপি দেশের নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে এবং তারেকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলেই তিনি আশাবাদী।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন বলে জানা যায়। আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত তাঁকে গণহত্যা মামলায় সাজা শুনিয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বারবার তাঁর প্রত্যর্পণ দাবি করলেও এ বিষয়ে ভারত সরকার প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি।এই পটভূমিতে বিএনপির জয়ের আভাস মিলতেই মোদির দ্রুত শুভেচ্ছাবার্তা কূটনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন নজর, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোন পথে এগোয়।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal