• ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০২ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Rice

ব্যবসা

১০০ টাকার পথে ডলার? টাকার নতুন রেকর্ড পতনে চাপে দেশবাসী

সোমবার বাজার খুলতেই ফের বড় ধাক্কা খেল ভারতীয় টাকা। এক মার্কিন ডলারের দাম পৌঁছে গেল ৯৬ টাকা ২৫ পয়সায়। এর ফলে টাকার দাম আরও ৪৪ পয়সা কমে সর্বকালীন রেকর্ড পতন ঘটল। অর্থনীতিবিদদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণেই টাকার উপরে চাপ ক্রমশ বাড়ছে।গত ৪ মার্চ প্রথমবার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে ডলারের দাম ৯২ টাকার গণ্ডি পেরিয়ে যায়। তখন এক ডলারের দাম হয়েছিল ৯২ টাকা ১৭ পয়সা। তারপর থেকেই টাকার দামে একের পর এক পতন দেখা যাচ্ছে। গত ১২ মে এক ডলারের দাম পৌঁছেছিল ৯৫ টাকা ৫৮ পয়সায়। এবার সেই রেকর্ডও ভেঙে সোমবার টাকার দাম নেমে দাঁড়াল ৯৬ টাকা ২৫ পয়সায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান এবং আমেরিকার সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়েছে। তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে ভারতের অর্থনীতিতে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজরায়েল। দীর্ঘ সংঘর্ষের পর আপাতত যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। হরমুজ প্রণালী ঘিরে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ভারতও তার প্রভাব থেকে বাদ যাচ্ছে না।তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় সরকার এবং ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সক্রিয় হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। অর্থনৈতিক চাপ সামলাতে একাধিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।এদিন শুধু টাকার দামই নয়, বড় ধাক্কা খেয়েছে দেশের শেয়ার বাজারও। বাজার খোলার পর প্রায় ৯৫০ পয়েন্ট পড়ে যায় সেনসেক্স। একইসঙ্গে বড় পতন দেখা যায় নিফটিতেও। যদিও পরে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায় বাজার। সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ বিএসই সেনসেক্স ৬৪৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৭৪ হাজার ৫৯২ দশমিক ৯৯-এ। নিফটি ২০৬ পয়েন্ট নেমে দাঁড়ায় ২৩ হাজার ৪৩৭ দশমিক ২০-এ। ব্যাঙ্ক নিফটিতেও বড় ধস দেখা যায়। প্রায় ৬৮৫ পয়েন্ট কমে ব্যাঙ্ক নিফটির অবস্থান হয় ৫৩ হাজার ২৪ দশমিক ৭৫।অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে আগামী দিনে টাকার উপরে আরও চাপ বাড়তে পারে। ফলে সাধারণ মানুষের খরচ থেকে শুরু করে আমদানি, জ্বালানির দাম এবং বাজারের উপরেও তার বড় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মে ১৮, ২০২৬
রাজ্য

জ্বালানি সাশ্রয়ের বার্তার মাঝেই ধাক্কা, রাতারাতি বাড়ল পেট্রল-ডিজ়েলের দাম! কোন শহরে কত নতুন দর

দেশবাসীকে জ্বালানি সাশ্রয়ের বার্তা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। অপ্রয়োজনীয় জ্বালানি খরচ কমানো এবং শক্তি সংরক্ষণের উপর জোর দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বার্তার রেশ কাটতে না কাটতেই সাধারণ মানুষের জন্য এল বড় ধাক্কা। শুক্রবার থেকেই সারা দেশে পেট্রল ও ডিজ়েলের দাম লিটারপিছু ৩ টাকা করে বৃদ্ধি করা হয়েছে। নতুন দামে জ্বালানি কিনতে গিয়ে বাড়তি খরচের চাপ পড়বে আমজনতার পকেটে।তেল বিপণন সংস্থাগুলির তরফে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামের ওঠানামা, পরিবহণ খরচ বৃদ্ধি এবং কর কাঠামোর পরিবর্তনের জেরেই এই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে শহরভেদে পেট্রল ও ডিজ়েলের খরচ আরও বেড়ে গেল।রাজধানী দিল্লিতে এতদিন এক লিটার পেট্রলের দাম ছিল ৯৪ টাকা ৭৭ পয়সা। নতুন দাম হয়েছে ৯৭ টাকা ৭৭ পয়সা। একইভাবে ডিজ়েলের দাম ৮৭ টাকা ৬০ পয়সা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০ টাকা ৬৭ পয়সা প্রতি লিটারে।অন্যদিকে কলকাতায় পেট্রলের নতুন দাম হয়েছে ১০৮ টাকা ৭৪ পয়সা প্রতি লিটার। ডিজ়েলের দামও বেড়েছে সমান হারে। মহানগর মুম্বইয়ে পেট্রলের দাম পৌঁছেছে ১০৬ টাকা ৬৮ পয়সায়। চেন্নাইয়ে এক লিটার পেট্রলের জন্য এখন খরচ করতে হবে ১০৩ টাকা ৬৭ পয়সা।বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানির এই মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়বে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পরিবহণ খরচে। ফলে আগামী দিনে বাজারে খাদ্যপণ্য থেকে শুরু করে অন্যান্য পরিষেবার দামও বাড়তে পারে। সবচেয়ে বেশি চাপে পড়বেন মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষ, যাঁদের প্রতিদিনের যাতায়াতের বড় ভরসা পেট্রল-ডিজ়েলচালিত যানবাহন।নতুন এই মূল্যবৃদ্ধি ঘিরে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিরোধীদের একাংশ কেন্দ্রের সমালোচনায় সরব হয়েছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, জ্বালানি সাশ্রয়ের আহ্বান যখন দেওয়া হচ্ছে, তখনই কেন মূল্যবৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত? এখন নজর, আগামী দিনে সরকার এ বিষয়ে কোনও স্বস্তির ঘোষণা করে কি না।

মে ১৫, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধের আগুনে তেলের দাম বিস্ফোরণ! এবার কি বাড়বে পেট্রোল-ডিজ়েল?

ইরান ও আমেরিকার সংঘাতের প্রভাব এবার স্পষ্টভাবে পড়তে শুরু করেছে বিশ্ববাজারে। প্রায় দুমাস ধরে চলা এই উত্তেজনার ফলে তেলের জোগান নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তারই জেরে বাড়ছে বিভিন্ন পণ্যের দাম এবং অনেক দেশে জ্বালানির মজুত কমে আসছে। এই পরিস্থিতিতে আরও উদ্বেগ বাড়াল অপরিশোধিত তেলের দামের হঠাৎ বৃদ্ধি।আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম অনেকটাই বেড়েছে। জুন মাসের সরবরাহের জন্য প্রতি ব্যারেল তেলের দাম প্রায় একশো কুড়ি ডলারে পৌঁছেছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ। অন্যদিকে আমেরিকার তেলের দামও বেড়ে একশো সাত ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। শেষবার এত বড় বৃদ্ধি দেখা গিয়েছিল দুহাজার বাইশ সালের জুন মাসে। তার পর আবার নতুন করে রেকর্ড গড়ল তেলের দাম।এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, ভারতে পেট্রোল ও ডিজ়েলের দাম বাড়বে কি না। ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে খবর ছড়িয়েছে, ভোট শেষ হলেই নাকি জ্বালানির দাম বাড়তে পারে। যদিও কেন্দ্রের তরফে আগে জানানো হয়েছিল, আপাতত দাম বাড়ানোর কোনও পরিকল্পনা নেই। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।এদিকে ইরানের উপর চাপ বাড়াচ্ছে আমেরিকা। আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়ে দিয়েছেন, পারমাণবিক চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের বন্দরগুলোর উপর থেকে নৌ অবরোধ তোলা হবে না। ইরানও পাল্টা কড়া অবস্থান নিয়েছে এবং নিজেদের শর্তে অনড় রয়েছে। দুই দেশের এই টানাপোড়েন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। এর মধ্যেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ট্রাম্প, যা পরিস্থিতির গুরুত্ব আরও বাড়িয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধের আশঙ্কা ফিরতেই তেলের দামে আগুন! ভারতে কি বাড়বে পেট্রোল-ডিজেল?

টানা চলা সংঘর্ষের পর ইরান ও আমেরিকার যুদ্ধবিরতি বিশ্বজুড়ে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছিল। সেই সময় তেলের দাম কমতেও শুরু করেছিল। কিন্তু পরিস্থিতি আবার বদলাতে শুরু করেছে। ফের বেড়ে গেল অপরিশোধিত তেলের দাম এবং তা আবার ১০০ ডলারের গণ্ডি পার করেছে। ফলে ভারতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।জানা গিয়েছে, ইসলামাবাদে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সংঘর্ষ মেটাতে আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু সেই আলোচনা সফল হয়নি। এর পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে আবার উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে। সোমবার সকালে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০৪ ডলার ছাড়িয়েছে। একইভাবে ব্রেন্ট তেলের দামও ১০০ ডলারের উপরে উঠে গিয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতির মূল কারণ ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা। তেলের সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বাজারে দাম বাড়ছে। বিনিয়োগকারীরাও সতর্ক হয়ে পড়েছেন। আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।এর মধ্যেই হরমুজ প্রণালী ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আমেরিকার তরফে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে বিশ্বের তেলের সরবরাহে বড় ধাক্কা লাগতে পারে এবং সঙ্কট আরও গভীর হতে পারে।কয়েক দিন আগেও ছবিটা অন্যরকম ছিল। এপ্রিলের শুরুতে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১১৭ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। এরপর যুদ্ধবিরতির ঘোষণা হতেই তা কমে প্রায় ৯১ ডলারে নেমে আসে। কিন্তু নতুন করে আলোচনা ভেস্তে যাওয়া এবং উত্তেজনা বাড়ার কারণে আবার দাম বাড়তে শুরু করেছে।এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক রাজনীতির টানাপোড়েন সরাসরি প্রভাব ফেলছে সাধারণ মানুষের জীবনে। তেলের দাম বাড়লে তার প্রভাব পড়বে পরিবহণ থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দামে।এদিকে আমেরিকার তরফে কড়া অবস্থানের ইঙ্গিত মিলতেই ইরানও পাল্টা জবাব দিচ্ছে। ইরানের সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাগের গালিবাফ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কটাক্ষ করে বলেন, এই ধরনের পদক্ষেপের ফলে ভবিষ্যতে জ্বালানির দাম আরও বেড়ে যেতে পারে।সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে এবং তার প্রভাব পড়ছে বিশ্ব অর্থনীতিতে।

এপ্রিল ১৩, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের আগুনে জ্বালানির দামে বিস্ফোরণ! হঠাৎ করেই বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের, আপনার পকেটে আসলে কী প্রভাব?

পশ্চিম এশিয়ায় চলা যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে তেলের দাম ক্রমশ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের বাজারে জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। শুক্রবার পেট্রল ও ডিজেলের উপর আবগারি শুল্ক লিটার প্রতি ১০ টাকা করে কমানো হয়েছে। ফলে পেট্রলের ক্ষেত্রে শুল্ক কমে দাঁড়িয়েছে লিটার প্রতি ৩ টাকা, আর ডিজেলের উপর শুল্ক কার্যত শূন্যে নেমে এসেছে।তবে এই সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের কতটা উপকার হবে, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে বেশি দামে তেল কিনতে হলেও এতদিন সরকারি নিয়ন্ত্রণের কারণে পুরনো দামে তা বিক্রি করা হচ্ছিল। ফলে তেল বিপণনকারী সংস্থাগুলির বড় অঙ্কের ক্ষতি হয়েছে। এবার শুল্ক কমানোর ফলে সেই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবে সংস্থাগুলি, যার কারণে সাধারণ মানুষের জন্য জ্বালানির দাম কমার সম্ভাবনা খুবই কম।এরই মধ্যে জ্বালানির দাম বাড়ার প্রভাব পড়েছে অন্য ক্ষেত্রেও। এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ইতিমধ্যেই বেড়েছে। পাশাপাশি, একটি সংস্থা সম্প্রতি পেট্রলের দাম লিটার প্রতি ৫ টাকা এবং ডিজেলের দাম লিটার প্রতি ৩ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা করেছে, যা ইতিমধ্যেই কার্যকর হয়েছে।বিশ্ববাজারে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে ইরানকে ঘিরে সংঘাতের জেরে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় অশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের তেল বিপণন সংস্থাগুলি প্রতি লিটার পেট্রল ও ডিজেলে প্রায় ৪৮.৮ টাকা করে লোকসানের মুখে পড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্রের শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত মূলত এই ক্ষতি পূরণ করতেই সাহায্য করবে।ফলে সামগ্রিকভাবে দেখা যাচ্ছে, শুল্ক কমানো হলেও বাজারে জ্বালানির দামে তেমন স্বস্তি নাও মিলতে পারে সাধারণ মানুষের।

মার্চ ২৭, ২০২৬
কলকাতা

অটো নেই, বাসও উধাও! গ্যাসের দাম বাড়তেই শহরে যাতায়াতে চরম সঙ্কট

কলকাতায় গ্যাসের দামের বড় বৃদ্ধি এবং ভোটের প্রস্তুতির জেরে পরিবহণ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অটোতে ব্যবহৃত এলপিজির দাম এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে যাওয়ায় ইতিমধ্যেই বহু অটো রাস্তায় নামছে না। তার উপর ভোটের কাজে বাস তুলে নেওয়া শুরু হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।জানা গেছে, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে কলকাতায় অটোতে ব্যবহৃত এলপিজির নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। প্রতি লিটার গ্যাসের দাম দাঁড়িয়েছে ৭০ টাকা ৬৮ পয়সা। এক ধাক্কায় প্রায় ৮ টাকা বেড়েছে দাম। এর আগেও মার্চের শুরুতে দাম বেড়েছিল। তখন লিটার প্রতি দাম ছিল ৫৭ টাকা ৬৮ পয়সা থেকে বেড়ে ৬২ টাকা ৬৮ পয়সা হয়েছিল। বারবার দাম বাড়ায় অটো চালকদের অনেকেই রাস্তায় নামতে চাইছেন না। ফলে ইতিমধ্যেই প্রায় ৩০ শতাংশ অটো বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানা যাচ্ছে। যেগুলি চলছে, সেগুলিও অনিয়মিত এবং অনেক ক্ষেত্রে ভাড়াও বেড়েছে।এর মধ্যে আবার ভোটের জন্য ধীরে ধীরে বাস কমতে শুরু করবে। নির্বাচন কমিশনের কাজে বহু বাস তুলে নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই প্রায় ১৬০০ বেসরকারি বাস নেওয়া হয়েছে বলে বাসমালিকদের দাবি। এই বাসগুলি নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করা হবে। সামনে আরও বাস নেওয়া হতে পারে। কলকাতা ও আশপাশের বিভিন্ন দপ্তর থেকে বাস তোলার প্রস্তুতি চলছে।বাসমালিকদের মতে, শহরে প্রায় আড়াই হাজার বেসরকারি বাস চলে। তার মধ্যে প্রায় দুই হাজার বাস রাস্তায় কমে যেতে পারে। ফলে যাত্রীদের সমস্যার শেষ থাকবে না। সরকারি বাসের সংখ্যাও এমনিতেই কম, ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।অন্যদিকে শুধু বাস নয়, স্কুলবাস, অ্যাপ ক্যাব, পুলকারসব ধরনের গাড়িই নির্বাচনের কাজে ব্যবহার করা হবে। এতে রাস্তায় সাধারণ মানুষের জন্য গাড়ির সংখ্যা আরও কমে যাবে। সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে অটো কিছুটা ভরসা দেয়, কিন্তু এবার গ্যাসের সঙ্কটের কারণে সেই সুযোগও কমে গেছে। গ্যাস ভরার জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে চালকদের, ফলে রাস্তায় অটো কম দেখা যাচ্ছে।পরিবহণ সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আগামী মাসের শুরু থেকেই এই সমস্যা আরও বাড়বে। ভোটের কারণে একসঙ্গে অনেক গাড়ি তুলে নেওয়া হলে শহরের রাস্তায় বের হওয়া মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

মার্চ ২০, ২০২৬
কলকাতা

অটোর গ্যাসের দামে হঠাৎ বড় ধাক্কা, লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন চালকরা

রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ার পর থেকেই জ্বালানির বাজারে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এবার সেই উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে লিটার প্রতি পাঁচ টাকা বেড়ে গেল অটোয় ব্যবহৃত এলপিজির দাম। হঠাৎ এই মূল্যবৃদ্ধিতে সমস্যায় পড়েছেন শহরের অটোচালকরা।চালকদের অভিযোগ, এতদিন লিটার প্রতি গ্যাসের দাম ছিল সাতান্ন টাকা আটষট্টি পয়সা। কিন্তু হঠাৎ করেই পাঁচ টাকা বাড়িয়ে এখন সেই দাম দাঁড়িয়েছে বাষট্টি টাকা আটষট্টি পয়সা।এদিকে বুধবার ভোররাত থেকেই শহরের প্রায় সব গ্যাস পাম্পে রিফিলের জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। বেঙ্গল কেমিক্যাল পাম্প থেকে সিটি সেন্টার পর্যন্ত প্রায় একই ছবি চোখে পড়েছে। গ্যাস ভরার জন্য অনেক চালককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে।পাম্প কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, কয়েক মিনিট আগেও পুরনো দামেই গ্যাস দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ নতুন নির্দেশিকা আসায় দাম বাড়াতে হয়েছে। কেন এই মূল্যবৃদ্ধি হল, তা নিয়ে ধোঁয়াশায় রয়েছেন অনেকেই।অটোচালকদের অভিযোগ, একদিকে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে গ্যাস ভরাতে হচ্ছে, অন্যদিকে হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়ায় তাঁদের সমস্যা আরও বেড়েছে। অনেকেই বলছেন, গ্যাস ভরতে কমপক্ষে তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় লাগছে। কেউ কেউ আবার জানিয়েছেন, আগের দিন দুই থেকে তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও গ্যাস পাননি।এর ফলে সময়মতো রুটে পৌঁছাতে না পারায় তাঁদের রোজগারেও প্রভাব পড়ছে। অনেক চালকই বলছেন, এই পরিস্থিতিতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।অন্যদিকে গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থার কর্মীরাও স্বীকার করছেন যে সরবরাহ কম হয়েছে। তাঁদের মতে, প্রতিদিন যে পরিমাণ গ্যাসের প্রয়োজন হয়, তার প্রায় অর্ধেকই এখন পাম্পে পৌঁছাচ্ছে। ফলে সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

গ্যাসের আগুনে তপ্ত রাজনীতি! নারী দিবসে হাঁড়ি-কড়াই নিয়ে মিছিলের ডাক দিলেন মমতা

কলকাতার মেট্রো চ্যানেলে ধরনার দ্বিতীয় দিনেও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেও অভিযোগ তোলেন তিনি। শনিবার সকাল দশটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত এই ধরনা কর্মসূচি চলবে বলে জানানো হয়েছে।ধরনা মঞ্চ থেকে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, গতকাল গ্যাসের দাম ষাট টাকা বাড়ানো হয়েছে। তার আগে আবার তিন দিন আগে উনপঞ্চাশ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছিল। বড় সিলিন্ডারের দাম এখন দুই হাজার একশো টাকা হয়ে গিয়েছে। আর ছোট সিলিন্ডারের দাম প্রায় এক হাজার টাকা।এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। গ্যাস বুকিংয়ের নিয়ম নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। মমতা বলেন, বলছে একুশ দিন আগে থেকে বুক করতে হবে। যার বাড়িতে গ্যাস শেষ হয়ে যাবে সে কি একুশ দিন রান্না না করে থাকবে? এই সব কথা আগে মাথায় থাকে না? মানুষ খাবে কী?গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বড় আন্দোলনের ডাকও দেন মুখ্যমন্ত্রী। ধরনা মঞ্চ থেকেই তিনি জানান, পরের দিন প্রতিবাদ মিছিল হবে। সেই মিছিলে হাঁড়ি, কড়াই, বাটি, ঘটি, হাতা ও খুন্তি নিয়ে রাস্তায় নামার আহ্বান জানান তিনি।মমতা বলেন, কাল মিছিল হবে। গ্যাস নেই, রান্না নেই। গ্যাস নেই, খাবার নেই। তাই হাঁড়ি, কড়াই, বাটি, ঘটি, হাতা, খুন্তি নিয়ে প্রতিবাদ মিছিল হবে আন্তর্জাতিক মহিলা দিবসে। মানবতার জন্য মা-বোনেরা রাস্তায় নামুন, প্রতিবাদ করুন। প্রয়োজনে কালো শাড়ি পরুন। হাতে এই সব জিনিস রাখবেন। পারলে গ্যাসের চুলাও নিয়ে আসবেন। ঝুড়িতে কাঁচা আনাজও আনতে পারেন।উল্লেখ্য, নতুন করে দাম বাড়ার পর কলকাতায় চোদ্দো দশমিক দুই কেজির গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে এখন দিতে হবে নয়শো ঊনচল্লিশ টাকা। অন্যদিকে হোটেল ও রেস্তরাঁয় ব্যবহৃত উনিশ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম দাঁড়িয়েছে এক হাজার নয়শো নব্বই টাকা।

মার্চ ০৭, ২০২৬
দেশ

হরমুজ বন্ধ, তেলের দামে আগুন! চাপে ভারত, বাড়বে কি পেট্রল-ডিজেলের দাম?

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সরাসরি পড়তে শুরু করেছে বিশ্ববাজারে। শেয়ার বাজারে ধস নামার পর এবার তেলের দামে বড় উল্লম্ফন। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ কার্যত থমকে গেছে। তার জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় প্রায় ছয় শতাংশ বেড়েছে।সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি আশি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়। শুক্রবার এই দাম ছিল প্রায় বাহাত্তর দশমিক নয় ডলার। অর্থাৎ মাত্র দুই দিনে ব্যারেল প্রতি প্রায় দশ ডলার বৃদ্ধি। এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ভারতের উপরও পড়ছে। কারণ দেশের প্রায় নব্বই শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি করতে হয় বিদেশ থেকে।পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত পেট্রল ও ডিজেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে না। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে আমদানি শুল্ক ও অন্যান্য কর কমিয়ে সাধারণ মানুষের উপর চাপ কমানোর কথা ভাবা হচ্ছে। তবে দীর্ঘদিন যদি হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকে, তাহলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে।মন্ত্রকের হিসেব অনুযায়ী, ব্যারেল প্রতি দশ ডলার দাম বাড়লে ভারতের বার্ষিক আমদানি খরচ তেরো থেকে চোদ্দ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ কয়েক হাজার কোটি টাকার বেশি।বর্তমানে ভারতের হাতে চুয়াত্তর দিনের তেল মজুত রয়েছে। কিন্তু হরমুজ প্রণালী দিয়ে দেশের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ আসে। তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় অংশও এই পথেই আসে। সারা বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় কুড়ি শতাংশ সরবরাহ হয় এই প্রণালী দিয়ে। ফলে এই পথ বন্ধ থাকায় বিশ্ব জুড়েই চাপ বাড়ছে।এখন বিকল্প উৎসের দিকে তাকিয়ে রয়েছে নয়াদিল্লি। আমেরিকা ও ভেনেজুয়েলা-সহ ল্যাটিন আমেরিকা এবং পশ্চিম আফ্রিকা থেকে তেল আমদানি বাড়ানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত এক বছরে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কিছুটা কমিয়েছে ভারত। বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। তার সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের পরিবহন খরচ, শিল্প উৎপাদন এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে। এখন নজর হরমুজ প্রণালী কবে খুলবে এবং আন্তর্জাতিক বাজার কতটা স্থিতিশীল হয় তার উপর।

মার্চ ০২, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের ধাক্কায় ধস দালাল স্ট্রিটে! একদিনেই সেনসেক্স নামল ২৭০০ বেশি পয়েন্টে, কাঁপছে বাজার

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে কাঁপছে বিশ্ব অর্থনীতি। তার সরাসরি প্রভাব পড়ল ভারতের শেয়ার বাজারে। সপ্তাহের প্রথম দিন বাজার খুলতেই বড় ধাক্কা খেল দালাল স্ট্রিট। সেনসেক্স এক ধাক্কায় পড়ে গেল দুই হাজার সাতশোরও বেশি পয়েন্ট। নিফটিতেও বড়সড় পতন দেখা যায়।শনিবার থেকে ইরান, ইজরায়েল ও আমেরিকার সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। পরপর কয়েকদিন ধরে পশ্চিম এশিয়ার একাধিক জায়গায় আক্রমণ চলছে। সেই প্রভাব যে শেয়ার বাজারে পড়বে, তা আগেই আন্দাজ করা হয়েছিল। তবে বাজার খুলতেই এত বড় পতন হবে, তা ভাবতে পারেননি অনেক বিনিয়োগকারী।সোমবার সকালে সেনসেক্স খোলে সাতাত্তর হাজার পাঁচশোর কিছু বেশি পয়েন্টে। যা আগের বাজার বন্ধের সূচকের তুলনায় দুই হাজার সাতশোরও বেশি কম। প্রায় সাড়ে তিন শতাংশ পড়ে যায় সূচক। নিফটিও পাঁচশোর বেশি পয়েন্ট হারায়। যদিও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে বাজার, তবুও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা কাটেনি।আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, অন্তত একমাস ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে। এই ঘোষণার পর বিশ্ব জুড়েই আতঙ্ক ছড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বাজারে স্থিতি ফিরতে সময় লাগবে।ভারতই নয়, বিশ্বজুড়েই শেয়ার বাজারে ধাক্কা লেগেছে। আমেরিকার বাজারে বড় পতন দেখা গিয়েছে। জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারেও দুই থেকে তিন শতাংশ পর্যন্ত সূচক নেমে গিয়েছে। হংকং ও চিনের বাজারেও একই ছবি। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আবু ধাবি ও দুবাইয়ের বাজার সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এদিকে যুদ্ধের আবহে দ্রুত বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ বন্ধ হয়ে গেলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। তাতে ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের উপর চাপ আরও বাড়বে। বাজার বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, যুদ্ধ যতদিন চলবে, ততদিন শেয়ার বাজারে অস্থিরতা থাকবেই।

মার্চ ০২, ২০২৬
দেশ

বিশ্ব কাঁপানো সিদ্ধান্ত! হরমুজ প্রণালী বন্ধ করল ইরান, তেলের দামে আগুন লাগার আশঙ্কা

ইরান-আমেরিকার সংঘাত নিয়ে যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা এবার সত্যি হল। ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলার জেরে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে ইরান। আমেরিকার ঘনিষ্ঠ সাতটি দেশজর্ডন, কুয়েত, কাতার, বাহরিন, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে মিসাইল হামলার দাবি করেছে তেহরান। এরই মধ্যে আরও বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে হরমুজ প্রণালী।ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে কোনও জাহাজ যাতায়াত করতে পারবে না। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের লেনদেনে বড় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মাত্র প্রায় পঞ্চাশ কিলোমিটার চওড়া এই সরু জলপথ দিয়েই বিশ্বের প্রায় বিশ শতাংশ তেল আমদানি ও রফতানি হয়। বিশ্বে প্রতি পাঁচ ব্যারেল তেলের মধ্যে একটি ব্যারেল এই পথ ধরে আসে। সৌদি আরব, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার ও ইরানমধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব বড় তেল উৎপাদনকারী দেশই এই পথ ব্যবহার করে এশিয়ার বাজারে তেল পাঠায়। ভারত, চিন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া এই তেলের বড় ক্রেতা।হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ায় চাপে পড়তে পারে ভারতও। সূত্রের খবর, বর্তমানে ভারতের কৌশলগত তেল ভাণ্ডার দিয়ে প্রায় চুয়াত্তর দিন দেশের চাহিদা মেটানো সম্ভব। তার পর বিকল্প উৎস খুঁজতে হবে। তেল সরবরাহ কমে গেলে স্বাভাবিকভাবেই পেট্রোল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তার প্রভাব পড়বে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের বাজারেও।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বিকল্প জ্বালানির ব্যবস্থা নিয়ে ভাবনা শুরু হয়েছে। তবে হরমুজ প্রণালী দিয়ে সম্প্রতি তেল আমদানি বাড়িয়েছিল ভারত। গত বছরে যেখানে প্রায় বিশ লক্ষ ব্যারেল তেল কেনা হয়েছিল, সেখানে এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে দৈনিক প্রায় ছাব্বিশ লক্ষ ব্যারেলে পৌঁছয় আমদানি। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের মোট তেল আমদানির প্রায় অর্ধেকই এসেছিল এই পথ ধরে। এর আগে সেই পরিমাণ ছিল প্রায় চল্লিশ শতাংশ।হরমুজ প্রণালীর বিকল্প হিসেবে সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আবুধাবি থেকে লোহিত সাগর পর্যন্ত পাইপলাইন ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে সেই ব্যবস্থারও সীমাবদ্ধতা রয়েছে এবং সরবরাহের পরিমাণ কম।এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া থেকেও আবার তেল কেনার কথা ভাবতে হতে পারে ভারতকে। কিন্তু তাতেও জটিলতা রয়েছে। রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে আগে ভারতের উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিল আমেরিকা। বর্তমানে দুই দেশের বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার পথে। ফলে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে না। আমেরিকা চাইছে ভারত তাদের কাছ থেকে তেল কিনুক। পাশাপাশি পশ্চিম আফ্রিকার নাইজেরিয়া ও আঙ্গোলা, লাতিন আমেরিকার ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও ভেনেজুয়েলা থেকেও তেল আমদানির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সেই ক্ষেত্রে খরচ অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে। তার সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের সাধারণ মানুষের পকেটে।

মার্চ ০১, ২০২৬
রাজ্য

সোনার দামে হঠাৎ ধস! এখন কিনলে লাভ না ক্ষতি? জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা

আকাশছোঁয়া দাম, তারপরই হঠাৎ ধস। সোনার দামে এই ওঠানামা এখন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনও দিন এক লাফে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা বেড়ে যাচ্ছে সোনার দাম। আবার তার পরের দুদিনেই এক ধাক্কায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা কমে যাচ্ছে। এর মধ্যেই চলছে বিয়ের মরশুম। ফলে এখন সোনা কেনা ঠিক হবে কি না, তা নিয়ে বড় দ্বিধায় সাধারণ মানুষ।অনেকে মনে করছেন, সোনার দাম আরও কিছুটা কমতে পারে, তাই এখনই কেনা ঠিক নয়। আবার অনেকেই অপেক্ষা করতে নারাজ। তাঁদের আশঙ্কা, সুযোগ হাতছাড়া হলে আবার দাম বেড়ে যেতে পারে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, সোনার দাম কি আরও কমবে, না কি এখনই কিনে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ?সম্প্রতি সোনার দাম বাড়তে বাড়তে ১০ গ্রামে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছিল। সেখান থেকেই শুরু হয়েছে পতন। ফেব্রুয়ারির গোড়ার দিকে সেই দাম নেমে আসে প্রায় ১ লাখ ৩৫ থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার আশপাশে। বাজার বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, আগামী দিনে সোনার দামে আরও কিছুটা পতন হতে পারে।বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এর পিছনে একাধিক কারণ রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হল আমেরিকার অর্থনৈতিক পরিস্থিতি। মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাণিজ্যনীতি এবং পাল্টা শুল্ক চাপের কারণে মার্কিন ডলার শক্তিশালী হচ্ছে। ডলার যত শক্তিশালী হয়, ততই সোনার দামে চাপ পড়ে। সেই কারণে অনেক বিনিয়োগকারী সোনা থেকে টাকা সরিয়ে নিচ্ছেন। চাহিদা কমায় সোনার দামও ধীরে ধীরে নামছে।এর আগে বিশ্ব জুড়ে অস্থিরতার জেরে সোনার দাম হু হু করে বেড়েছিল। বিভিন্ন দেশের মধ্যে সংঘাত, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিনিয়োগকারীরা সোনাকেই সবচেয়ে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হওয়ায় সেই চিত্র বদলাতে শুরু করেছে। শেয়ার বাজারেও ফের আগ্রহ বাড়ছে। ফলে অনেকেই সোনা বিক্রি করে শেয়ার বাজারে টাকা ঢালছেন। এই প্রফিট বুকিংয়ের চাপেও সোনার দাম নামছে।তবে প্রশ্ন হল, সোনার দাম কতটা কমতে পারে? আবার কি ১০ গ্রাম সোনার দাম ৭০ হাজার টাকায় নেমে আসবে? বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে যেভাবে এক ধাক্কায় প্রায় ২০ হাজার টাকা দাম কমেছে, তাতে ৭০ হাজারে নামা একেবারে অসম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক বাজারে যদি বড় পতন হয়, তার প্রভাব ভারতের বাজারেও পড়তে পারে।এ ছাড়াও ডলারের তুলনায় টাকার দাম কিছুটা বাড়ছে। এতে আমদানির খরচ কমে। তার প্রভাবও সোনার দামে পড়ে। যদিও বিশেষজ্ঞরা স্পষ্ট করে জানাচ্ছেন, রাতারাতি ১ লাখ ৪০ হাজার থেকে সোজা ৭০ হাজারে সোনার দাম নেমে যাবে, এমনটা ভাবা ঠিক নয়। এই পতন ধীরে ধীরে হবে এবং মাঝেমধ্যে দাম আবার বাড়তেও পারে।তাঁদের পরামর্শ, হঠাৎ দাম কমেছে দেখে একসঙ্গে অনেক টাকা ঢেলে সোনা কেনা ঠিক হবে না। বরং দাম কমলে অল্প অল্প করে সোনা কেনাই বেশি নিরাপদ। দাম আরও অনেকটা নামলে তখন পরিমাণ বাড়ানো যেতে পারে। এতে ঝুঁকি অনেকটাই কম থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৬
দেশ

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁকে কেন্দ্রের বাজেট: স্বস্তি সীমিত, হতাশা বিস্তৃত

রবিবার সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। টানা নবমবার বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তাঁর সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ হতেই স্পষ্টপ্রত্যাশার পাহাড়ের তুলনায় প্রাপ্তি অনেকটাই খর্ব।বাজেট পেশের আগেই ব্যয় বরাদ্দ ও করছাড় ঘিরে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পমহলসর্বত্র উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ সংসদে ভাষণ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিন্তু বাজেট ঘোষণার পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়, বড় কোনও চমক নেই।বিশেষ করে রাজ্যভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাংলা কার্যত ব্রাত্য। পরিকাঠামো, শিল্প বা বিশেষ প্রকল্পকোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঘোষণা শোনা যায়নি। করদাতাদের ক্ষেত্রেও হতাশা চোখে পড়ার মতো। আয়কর কাঠামোয় তেমন কোনও বড় পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ছাড় ঘোষণা হয়নি।তবে সম্পূর্ণ হতাশার ছবি নয়। কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর ফলে দৈনন্দিন জীবনে সীমিত হলেও স্বস্তি মিলতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, বিমানের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে বিমান সংক্রান্ত খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোওভেনের যন্ত্রাংশ-সহ বেশ কিছু বৈদ্যুতিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে ১৭টি ক্যানসারের ওষুধে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধও সস্তা হতে চলেছে। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কিছুটা কমবে বলেই আশা।পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও শুল্কছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিচালিত প্যানেলের দাম কমতে পারে। মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের উপর শুল্ক কমানোয় দেশীয় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট সস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।চামড়াশিল্পকে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত আমদানির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার উচ্চ শুল্কের চাপে থাকা চামড়া রফতানিকারকদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনা ও ভ্রমণের খরচ কমার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, স্বস্তির পাশাপাশি চাপও বাড়ছে কিছু ক্ষেত্রে। বিলাসবহুল ঘড়ি এবং বিদেশি মদের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই সব পণ্যের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। কফি রোস্টিং ও ব্রিউইং মেশিনে ছাড় তুলে নেওয়ায় সেগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সার, আমদানিকৃত টেলিভিশন সরঞ্জাম, ক্যামেরা এবং চিত্রগ্রহণ সংক্রান্ত যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট বক্তৃতাজুড়ে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারত-এর কথা বারবার উঠে এসেছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে এই বাজেটে এমন কোনও যুগান্তকারী ঘোষণা নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনবে।সব মিলিয়ে, ২০২৬২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সীমিত স্বস্তি দিলেও বৃহত্তর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থএই মূল্যায়নই এখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

অতিথিকে ‘বিব্রত’ করতে মানা প্রেসিডেন্টের! খাশোগ্গি হত্যায় সলমনকে রক্ষা করলেন ট্রাম্প?

জামাল খাশোগ্গি হত্যাকাণ্ডের পর এই প্রথম বার আমেরিকায় পা রাখলেন সৌদি আরবের যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমন। ওভাল অফিসে তাঁর পাশেই বসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়ে দিলেন, খাশোগ্গি হত্যার বিষয়ে যুবরাজ কিছুই জানতেন না। উপস্থিত সাংবাদিকরা যখন সেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন, তখনই ট্রাম্প বলে ওঠেন, অতিথিকে বিব্রত করার কোনও প্রয়োজন নেই। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক আলোচনা।ট্রাম্প প্রকাশ্যে যুবরাজকে ঢাল দিয়ে বলেন, খাশোগ্গি অত্যন্ত বিতর্কিত চরিত্র ছিলেন এবং অনেকেই তাঁকে পছন্দ করতেন না। তিনি আরও যোগ করেন, আপনি কাউকে পছন্দ করুন বা না করুন, ঘটনা তো ঘটেই থাকে। কিন্তু যুবরাজ এ সম্পর্কে কিছুই জানতেন না, এবং এই বিষয়টি এখানেই শেষ করে দেওয়া উচিত। ট্রাম্পের এই বক্তব্যে স্পষ্টই বোঝা গিয়েছেওভাল অফিসে সৌদি যুবরাজকে কোনও বিতর্কে জড়াতে তিনি রাজি নন।সলমনও এই ঘটনায় মুখ খোলেন। তিনি জানান, খাশোগ্গির মৃত্যু অত্যন্ত পীড়াদায়ক ঘটনা। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ভুল না ঘটে, সেই কারণে সৌদি প্রশাসন নিজের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করেছে। তাঁর বক্তব্যএটা একটি বড় ভুল এবং অত্যন্ত বেদনাদায়ক।২০১৮ সালের ২ অক্টোবর ইস্তানবুলের সৌদি দূতাবাসে খুন হন ওয়াশিংটন পোস্ট-এর সাংবাদিক জামাল খাশোগ্গি। দ্বিতীয়বার বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করতে গিয়ে আর ফিরতে পারেননি তিনি। সৌদি রাজপরিবার, বিশেষ করে যুবরাজের তীব্র সমালোচক ছিলেন খাশোগ্গি। তাঁর রহস্যমৃত্যু প্রকাশ্যে আসতেই তুরস্ক-সহ একাধিক দেশ সলমনকে দায়ী করে। আমেরিকাও সেই অভিযোগের সুরে সুর মিলিয়েছিল।ওয়াশিংটনের আদালতে খাশোগ্গির স্ত্রী হ্যাটিস চেঙ্গিজ এবং মানবাধিকার সংগঠন DAWNএর দায়ের করা মামলাতেও যুবরাজকে কাঠগড়ায় তোলা হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত আদালত তাঁকে ক্লিনচিট দেয়। তখনই প্রশ্ন উঠেছিলমধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরবের অস্ত্র-চুক্তি ও কৌশলগত গুরুত্ব কি খাশোগ্গির রক্তরেখা মুছে দিচ্ছে?ওভাল অফিসে ট্রাম্পের আচরণ সেই সন্দেহকেই আবার উসকে দিল। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের উপর চাপ বাড়াতে সৌদি আরবকে পাশে রাখা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য অত্যন্ত জরুরি। তাই তিনি প্রকাশ্যেই যুবরাজকে যেকোনও বিতর্ক থেকে দূরে রাখতে চাইছেন। খাশোগ্গি হত্যার একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি করার বদলে তাঁকে রক্ষা করাই যেন এখন মার্কিন কূটনীতির নতুন সমীকরণ।

নভেম্বর ১৯, ২০২৫
রাজ্য

১৯৪৭-এ এক টাকায় মিলত সপ্তাহের বাজার, সোনার দাম কত ছিল জানেন?

১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছিল ভারত। তখন এক টাকার মূল্য ছিল অপরিসীমযা দিয়ে মিলত সপ্তাহের বাজার। ১ টাকা দিয়ে ১-২ কেজি গম, হাফ কেজি ঘি বা এক সপ্তাহের শাকসবজি কিনে নেওয়া যেত অনায়াসে। চাল ছিল ১২ পয়সা, ময়দা ১০ পয়সা, ডাল ২০ পয়সা ও চিনি ৪০ পয়সা প্রতি কেজি। ঘি মিলত ৭৫ পয়সায়।সেই সময় একটি সাইকেলের দাম ছিল মাত্র ২০ টাকা, যা এখন প্রায় ১০-১২ হাজার টাকা। সোনা ছিল আরও সস্তা১৯৪৭ সালে ১০ গ্রাম সোনার দাম ছিল ৮৮.৬২ টাকা, যা এখন এক লক্ষ টাকারও বেশি। পেট্রোলের দাম ছিল মাত্র ২৭ পয়সা, আর আজ তা প্রায় ১০৫ টাকা।তৎকালীন দিল্লি-মুম্বই বিমান ভাড়া ছিল ১৪০ টাকা এবং একমাত্র এয়ার ইন্ডিয়াই বিমান পরিষেবা দিত। গত ৭৯ বছরে পণ্য ও পরিষেবার দাম আকাশছোঁয়া হলেও সেই সময়ের এক টাকার কেনাকাটার স্মৃতি আজও বিস্ময় জাগায়।

আগস্ট ১৫, ২০২৫
রাজ্য

১০ টন ইলিশ নিয়ে এলো ট্রলারগুলি, কমতে পারে দাম

ভরা বর্ষাতেও মাছের বাজারে ইলিশের আগুন দাম। এখনও রাজ্যের স্থানীয় রূপালি শষ্য বাজারে সেভাবে আসেনি। বাংলাদেশের ইলিশ আসতে এখনও ঢেড় দেরি। বাজারে ইলিশ কিনতে গেলেই হাতে ছ্যাঁকা লেগে যাচ্ছে। তবে ইলিশ না পাতে পড়লে যে আঁশ মেটে না আম বাঙালির। এবার একটু কম দামে মিলতে পারে এই বাংলার ইলিশ।এরইমধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগণায় মাঝ সমুদ্রে ট্রলারগুলি গিয়েছে মাছ ধরতে। এদিন মরশুমের প্রথম ভালো পরিমান ইলিশ মাছ নিয়ে এসেছে ট্রলারগুলি। ঢুকলো নামখানা মৎস্য বন্দরে। একদিনেই প্রায় ১০ টন ইলিশ মাছ নিয়ে এলো মৎস্যজীবী ট্রলার। চলতি মরশুমের প্রথম থেকে ক্ষতির মুখ দেখছিল মৎস্যজীবীরা। তবে এই মুহূর্তে অনুকূল আবহাওয়া রয়েছে। ভালো পরিমান ইলিশ মাছ জালে পড়তে শুরু করেছে।মৎস্যজীবী সংগঠন গুলির দাবি, এই মুহূর্তে যা খবর আসছে আগামী কয়েকদিনে প্রচুর পরিমাণে ইলিশ ধরা পড়বে। দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে বাকি ট্রলারগুলি ফিরে আসবে ঘাটগুলিতে। বাজারে ইলিশের যে চাহিদা রয়েছে তা অনেকটা পূরণ হবে। তাঁদের বক্তব্য, এই ইলিশ ওঠার ফলে বাজারে যোগান যেমন বাড়বে তেমনই দামও কমবে। পাশাপাশি মৎস্যজীবীরাও লাভের মুখ দেখবে।

জুলাই ৩১, ২০২৪
রাজ্য

বাজারে আকাশছোঁয়া সবজির মূল্য, শেষমেষ বৈঠক কড়া নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

আকাশছোঁয়া সবজির দাম নিয়ে এবার পুলিশকে কড়া নজরদারির নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে জানিয়ে দিলেন, ১০ দিনের মধ্যে সবজির দাম কমাতে হবে। এবং দাম কতটা কমল তা নিয়ে প্রতি সপ্তাহে রিপোর্ট জমা দিতে হবে তাঁর কাছে। একদিকে উত্তরবঙ্গ ভাসছে অন্যদিকে জুলাইয়ের দ্বিতীয় সপ্তাহেও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে সেই অর্থে বর্ষার এখনও দেখা মেলেনি। এদিকে বাজারে যেন আগুনের গোলা ছুটছে। লঙ্কা, বেগুন সবই ডবল সেঞ্চুরি ছুঁয়েছে। ঢ্যারশ, উচ্ছের মতো সবজিও বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৯০ থেকে ১১০। ফসলের মূল্যবৃদ্ধির জন্য ব্যবসায়ীদের একাংশ অনাবৃষ্টিকে দায়ী করছেন। তবে এদিনের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী পরিষ্কারভাষায় জানিয়ে দেন, কিছু মুনাফাখোরের জন্যই এই মূলবৃদ্ধি।কৃষি পণ্য-সহ নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম বৃদ্ধিতে এবারের সাত দফার লোকসভা ভোটকেও দায়ী করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সঙ্গে তুলোধনা করেছেন একাংশের ব্যবসায়ীকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তিন মাস ধরে ভোট চলেছে। তখন যে যত পেরেছে কামিয়েছে। ভোটের সময় সরকার কমিশনের আওতায় থাকে। কমিশনের তো এটা দেখা কাজ নয়। শুধু অফিসারদের বদলি করলেই কাজ হয়ে যায়? শাক-সবজির দাম বৃদ্ধি নিয়ে এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আগের বছরের তুলনায় দাম কিছু জিনিসের বেড়ে গেছে। আলু, বেগুন, পেঁয়াজ, লঙ্কা, টমেটো, পটল সব কিছুর দাম বেড়েছে। বর্ষা এসে গেল, তাও কিছুতেই দাম কমছে না। সাধারণ মানুষ তো এখন বাজারে যেতেই ভয় পাচ্ছে।বড় ব্যবসায়ীদের একটা অংশ কোল্ড স্টোরেজে আলু আটকে রাখছেন। রাজ্যের হিমঘরগুলিতে আলু কেন পড়ে রয়েছে?পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী :মহারাষ্ট্রের নাসিকের পরিবর্তে স্থানীয় কৃষকদের কাছ থেকে পেঁয়াজ কিনুন। সুফল বাংলায় ৮ টাকা কমে পেঁয়াজ মিলছে। পেঁয়াজ স্টোর করার চার হাজার পেঁয়াজ গোলা তৈরি করেছি। সেখান থেকে পেঁয়াজ নিচ্ছি। চাষিদের কাছ থেকে কিনলে দাম কমে যাবে। সুফল বাংলায় আমরা কম দামে দিচ্ছি বাজারের তুলনায়। ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কম দামে পাওয়া যাবে। নাসিকের পেঁয়াজের উপর ভরসা না করে নিজস্ব সুখসাগরের মতো পেঁয়াজ চাষিদের থেকে কিনুন। পেঁয়াজের দাম ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। আগেরবার ছিল ৩৫ এবার তো ৫০। আগে এফসিআই থেকে চাল কিনতাম। এখন রেশনের চাল কৃষকদের থেকে কিনি।

জুলাই ১০, ২০২৪
দেশ

ভোট বড় বালাই, এক ধাক্কায় অনেকটাই কমলো রান্নার গ্যাসের দাম

রান্নার গ্যাসের দাম কমালো মোদী সরকার। সামনেই ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন। তার আগে রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিসগড়ে বিধানসভা ভোট। এরইমধ্যে রান্নার গ্যাসের দাম ২০০ টাকা কমানোর কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। বিরোধীদের চাপের জন্য এই দাম কমেছে বলে দাবি বিরোধীদের। যদিও বিজেপির দাবি এটা রাখির উপহার।মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে দেশজুড়ে রান্নার গ্যাসের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উজ্বলা যোজনায় সিলিন্ডার পিছু ভর্তুকি বেড়েছে ৪০০ টাকা। অন্যদিকে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য সিলিন্ডার পিছু ২০০ টাকা ভর্তুকি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী উজ্বলা যোজনার আওতাভুক্ত গ্রাহকদের জন্য সিলিন্ডার পিছু ৪০০ টাকা করে কমছে রান্নার গ্যাসের দাম। অন্যদিকে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য সিলিন্ডার পিছু ২০০ টাকা করে কমানো হচ্ছে রান্নার গ্যাসের দাম। লোকসভা নির্বাচনের আগে এবার রান্নার গ্যাসের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত মোদী সরকারের।রাখী ও ওনাম উপলক্ষ্যে রান্নার গ্যাসের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। প্রায় দেড় বছর পর রান্নার গ্যাসের দাম নামল হাজারের নীচে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে রান্নার গ্যাসের দাম কমার এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। এই মুহূর্তে কলকাতায় ১,০৭৯ টাকায় এলপিজির ১৪.২ কেজির একটি সিলিন্ডার পান গ্রাহকরা। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে এই সিলিন্ডারটি ২০০ টাকা কমে পাবেন তাঁরা। একইভাবে উজ্বলা যোজদনার গ্রাহকরাও সিলিন্ডার পিছু ৪০০ টাকা কমে পাবেন।রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ এদিন বলেছেন, দেশজুড়ে নো ভোট টু বিজেপি স্লোগান উঠেছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যা দাম বেড়েছে তার তুলনায় এই ভর্তুকি কিছুই নয়।তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ইন্ডিয়া জোটের দুটি বৈঠকের পর ২০০টাকা কমে গেল রান্নার গ্যাসের। ইন্ডিয়ার দম আছে।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, এলপিজি সিলিন্ডারের দাম তো মোদী জি ১১০০/- টাকা থেকে কমিয়ে ৯০০/- টাকা করে দিলেন। ভারতবর্ষের ৩৩ কোটি গ্রাহক লাভবান হবেন। উজ্জ্বলা প্রকল্পের আওতায় থাকা ৯ কোটি ৬০ লক্ষ গ্রাহক ৭০০ টাকায় সিলিন্ডার পাবেন, কারণ ওনারা আগে থেকেই ২০০ টাকা কমে পাচ্ছিলেন। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই আরো ৭৫ লক্ষ গ্রাহকদের উজ্জ্বলা প্রকল্পের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাই উক্ত প্রকল্পের মাধ্যমে লাভবান গ্রাহকদের সংখ্যা ১০ কোটি ৩৫ লক্ষ হয়ে যাবে।

আগস্ট ৩০, ২০২৩
রাজনীতি

রান্নার গ্যাসের পুনরায় মুল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এস ইউ সি আই এর বিক্ষোভ

রান্নার গ্যাসের পুনরায় মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে প্রতিকি বিজ্ঞপ্তি জালিয়ে এস এউ সি আই এর বিক্ষোভ প্রদর্শন। পুনরায় মূল্যবৃদ্ধির ফলে হোটেল, রেস্তোরাঁ ও অন্যান্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান জিনিসের দাম বাড়বে, এবং এর প্রভাবে অতিরিক্ত খরচের বোঝা এসে পড়বে সাধারণ মানুষের উপর। এস ইউ সি আই এর এই সভা থেকে দাবী তোলে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম উল্লেখযোগ্য ভাবে কমা সত্ত্বেও এবং রাশিয়া থেকে কম দামে তেলের আমদানি ক্রমাগত বাড়তে থাকলেও কেন্দ্রের বিজেপি সরকার সাম্প্রতিক বাজেটে রান্নার গ্যাসে ভর্তুকি ৭৫% তুলে দেওয়ার ঘোষণা করেছে,সেই পরিপ্রেক্ষিতে এই মূল্যবৃদ্ধি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তাঁদের আরও দাবি, উজালা যোজনার মাধ্যমে সবাইকে বিনামূল্যে গ্যাস পরিষেবা দিয়েছেন বলে প্রধানমন্ত্রী মাঝে মাঝেই বড়াই করলেও, তিনি সুকৌশলে এই সত্যটি আড়াল করেন যে, সেই উপভোক্তাদেরও বাজারদর অনুযায়ীই সিলিন্ডার কিনতে হয়। বাণিজ্যিক গ্যাসের দামও বাড়িয়ে ৩৫২ টাকা বাড়িয়ে ২২২১.৫০ টাকা করা হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে অতি অবশ্যই হোটেল, রেস্তোরাঁ ও অন্যান্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান জিনিসের দাম বাড়াতে বাধ্য হবে, এবং অবশ্যম্ভাবী ভাবে এই অতিরিক্ত বোঝাও এসে পড়বে সাধারণ মানুষের উপর। সরকারের কর ছাড় দেওয়ার সুযোগ নিয়ে একদিকে দেশের স্বল্প সংখ্যক ধনকুবেররা যখন সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলছে, আরেকদিকে তখন সরকার বিভিন্ন পেশায় নিযুক্ত গরিব, মধ্যবিত্ত সমস্ত মানুষদের শোষণ করে আবারও ঘুরপথে কর আদায়ের ব্যবস্থা করল।

মার্চ ০১, ২০২৩
রাজ্য

মাসের প্রথম দিনই মাথায় বজ্রপাত, ফের লাফিয়ে বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম

মার্চের পয়লাতে সাতসকালেই সাধারণের জন্য খারাপ খবর। ফের একধাক্কায় মাসের প্রথম দিনই ৫০ টাকা বেড়ে গেল রান্নার গ্যাসের দাম। ডোমেস্টিক রান্নার গ্যাসের দাম ছিল ১০৭৯ টাকা হল। আজ, বুধবার থেকে তা বেড়ে হল ১১২৯টাকা। প্রায় ৭ মাস পর এই দাম বাড়ল। একইসঙ্গে দাম বেড়েছে বানিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম। বানিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম বেড়ে হয়েছে ২২১.৫০টাকা। সাধারণ মানুষের বক্তব্য, লকডাউনের সময় থেকেই আর্থিক অবস্থা খারাপ হয়েছে। এভাবে রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পেলে সংসার চালানো মুশকিল হয়ে দাঁড়াবে। মাসের প্রথম দিন যেন মাথায় বজ্রপাত হয়েছে। রান্নার গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় রেরে করে উঠেছে বিজেপি বিরোধী দলগুলি। তৃণমূল কংগ্রেসের বক্তব্য, এটাই বিজেপির আচ্ছে দিন। সাধারণ মানুষ বুঝতে পারছে বিজেপি সরকার দেশের কি বেহাল দশা করেছে।

মার্চ ০১, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মাঠে চাষ করতেন, এবার রাজ্যের মন্ত্রী! দিবাকর ঘরামীর জীবনের অবিশ্বাস্য উত্থান

নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি চর্চায় উঠে এসেছে একটি নাম। তিনি দিবাকর ঘরামী। বাঁকুড়ার এক সাধারণ কৃষক পরিবারের সন্তান দিবাকর এবার জায়গা পেয়েছেন রাজ্যের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভায়। তাঁর এই সাফল্যে আনন্দে ভাসছে পরিবার থেকে শুরু করে গোটা এলাকা।দেশভাগের পর দিবাকর ঘরামীর পরিবার পূর্ববঙ্গের বরিশাল থেকে এপারে চলে আসে। দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর বাঁকুড়ার সোনামুখী ব্লকের কুরুমপুর গ্রামে বসবাস শুরু করেন তাঁর পূর্বপুরুষেরা। সেখানেই জন্ম এবং বড় হয়ে ওঠা দিবাকরের।ছোটবেলা থেকেই দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বড় হয়েছেন তিনি। কৃষক পরিবারের সন্তান হওয়ায় চাষাবাদই ছিল জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আজও সেই সম্পর্ক অটুট। বিধায়ক হওয়ার পরও তিনি মাঠে যাওয়া বন্ধ করেননি। ফসলের খোঁজ নেওয়া, জমিতে জল দেওয়া এবং চাষের কাজ দেখা এখনও তাঁর দৈনন্দিন জীবনের অংশ।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সোনামুখী কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে প্রথমবার বিধায়ক হন দিবাকর ঘরামী। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এবং মাটির মানুষের ভাবমূর্তি তাঁকে দ্রুত জনপ্রিয় করে তোলে। এবার ফের দলের আস্থা অর্জন করে তিনি জায়গা পেলেন রাজ্যের মন্ত্রিসভায়।দিবাকরের মন্ত্রী হওয়ায় কুরুমপুর গ্রাম এবং সোনামুখী জুড়ে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় মানুষের আশা, এলাকার উন্নয়নে এবার আরও বড় ভূমিকা নিতে পারবেন তিনি।মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দিবাকর ঘরামী বলেন, সোনামুখীর মানুষ এবং দলের কর্মীদের সহযোগিতাতেই তিনি এতদূর পৌঁছেছেন। এলাকার উন্নয়নের জন্য নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন এবং আগামী দিনেও সেই কাজ চালিয়ে যাবেন। দল তাঁর উপর যে আস্থা রেখেছে, তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। একইসঙ্গে বলেন, সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা একজন মানুষকে এত বড় দায়িত্ব দেওয়া তাঁদের কাছে অত্যন্ত সম্মানের বিষয়।এক সময় যে মানুষটি প্রতিদিন মাঠে নেমে ফসলের পরিচর্যা করতেন, তিনিই আজ রাজ্যের মন্ত্রী। দিবাকর ঘরামীর এই পথচলা এখন অনেকের কাছেই সংগ্রাম, অধ্যবসায় এবং সাফল্যের এক অনুপ্রেরণার গল্প।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

লাইভে এসে বিস্ফোরক মমতা! ‘গায়ের জোরে তৃণমূল ভাঙা যাবে না’

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে যখন একের পর এক বিতর্ক এবং রাজনৈতিক টানাপোড়েন সামনে আসছে, তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভে এসে বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, যতই চেষ্টা করা হোক না কেন, তৃণমূল কংগ্রেসকে ভাঙা সম্ভব নয়।সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তিনি আর নিয়মিত সাংবাদিক বৈঠক করবেন না। গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়ায় বক্তব্য রাখবেন। সোমবার দলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরই তিনি লাইভে এসে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন।মমতার অভিযোগ, তৃণমূলের বিধায়কদের বিভিন্নভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের দল ছাড়ার জন্য ভয় দেখানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, কয়েকজন বিধায়ক তাঁকে জানিয়েছেন যে বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার নাম করে তাঁদের ভয় দেখানো হচ্ছে। এই ধরনের রাজনীতি গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকর বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ এবং রাজনৈতিক জল্পনার মাঝেই মমতা দাবি করেন, কয়েকজন বিধায়ক বা সাংসদকে প্রভাবিত করে তৃণমূলকে দুর্বল করা যাবে না। তাঁর বক্তব্য, দল অতীতেও কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে এবং আগামী দিনেও লড়াই চালিয়ে যাবে। বাংলার মানুষের আত্মসম্মান রক্ষার লড়াই অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।ছাত্রসমাজের উদ্দেশেও বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করা উচিত। ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়েই তাঁর রাজনৈতিক জীবন গড়ে উঠেছে এবং সেই কারণেই তরুণ প্রজন্মকে সমাজের বিভিন্ন ইস্যুতে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।লাইভ বক্তব্যে তৃণমূলের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েও অভিযোগ তোলেন মমতা। তাঁর দাবি, দলের মিছিল, সভা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে হামলার অভিযোগও করেন তিনি। পাশাপাশি নির্বাচনী ফলাফল নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এবং কয়েকটি আসনে ভোট গণনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার প্রসঙ্গও তুলে আনেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর দাবি, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুতর ছিল এবং আরও বড় বিপদ ঘটতে পারত। এই ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।এছাড়া শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্র আন্দোলন এবং অতীতের বিভিন্ন গণআন্দোলনের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, মানুষের অধিকার এবং গণতান্ত্রিক দাবির প্রশ্নে তিনি সবসময় আন্দোলনের পাশে থেকেছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের অন্দরে অস্থিরতার আবহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বার্তা তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশেই দেওয়া। একইসঙ্গে বিরোধীদের বিরুদ্ধেও রাজনৈতিক লড়াইয়ের সুর আরও চড়ালেন তিনি।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

পরিচারিকার কাজ থেকে সরাসরি মন্ত্রী! কলিতা মাঝির জীবনকাহিনি শুনলে অবাক হবেন

নতুন মন্ত্রিসভায় সবচেয়ে আলোচিত নামগুলির মধ্যে অন্যতম কলিতা মাঝি। আউশগ্রামের সাধারণ এক পরিবার থেকে উঠে আসা এই নেত্রীর মন্ত্রী হওয়া এখন জেলার মানুষের গর্বের বিষয়। রবিবার মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়ার খবর পেয়ে প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি তিনি।কলিতা মাঝি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তাঁর কাছে একটি ফোন আসে এবং তাঁকে কলকাতায় যেতে বলা হয়। কেন যেতে হবে, সেই বিষয়ে তখন কিছুই জানানো হয়নি। পরে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, তাঁকে মন্ত্রী করা হচ্ছে। খবরটি শোনার পর কিছু সময়ের জন্য তিনি নির্বাক হয়ে যান। তাঁর প্রতিক্রিয়া ছিল, বিধায়ক হওয়ার সুযোগ পাওয়াটাই তাঁর কাছে অনেক বড় বিষয় ছিল, মন্ত্রী হওয়ার কথা কোনওদিন কল্পনাও করেননি।আউশগ্রামের এক অত্যন্ত সাধারণ এবং দরিদ্র পরিবারে বড় হয়েছেন কলিতা। অল্প বয়সেই তাঁর বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পরও আর্থিক কষ্ট তাঁর পিছু ছাড়েনি। সংসারের দায়িত্ব সামলাতে তাঁকে পরিচারিকার কাজ করতে হয়েছে। প্রতিদিনের জীবন ছিল অভাব আর সংগ্রামের সঙ্গে লড়াইয়ের গল্প।তবে নিজের কষ্টের মধ্যেও এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানো কখনও বন্ধ করেননি তিনি। বিশেষ করে দরিদ্র পরিবার এবং মহিলাদের বিভিন্ন সমস্যায় সাহায্য করার চেষ্টা করতেন। সেই কাজ করতে করতেই ধীরে ধীরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।দলের স্থানীয় কার্যালয়ে নিয়মিত যেতেন তিনি। মানুষের কথা শুনতেন, সংগঠনের কাজ শিখতেন এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করতেন। সেই সময় বাংলায় দলের সংগঠন খুব শক্তিশালী ছিল না। প্রকাশ্যে দলের সমর্থক পরিচয় দেওয়াও অনেকের কাছে কঠিন ছিল। সেই কঠিন সময় থেকেই দলের সঙ্গে ছিলেন কলিতা মাঝি।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হলেও জয় পাননি। তবে রাজনৈতিক লড়াই ছাড়েননি। মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন। পরবর্তীতে আবারও নির্বাচনী লড়াইয়ে নামেন এবং মানুষের সমর্থনে বিধায়ক নির্বাচিত হন। এবার সেই পথ পেরিয়ে তিনি পৌঁছে গেলেন রাজ্যের মন্ত্রিসভায়।মন্ত্রী হওয়ার পর কলিতা মাঝি জানিয়েছেন, মানুষের জন্য কাজ করাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। তিনি বলেন, ক্ষমতা বা পদ বদলালেও মানুষের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বদলাবে না। আগের মতোই মানুষের সমস্যা শুনবেন এবং তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করবেন।আউশগ্রামের সাধারণ এক গৃহবধূ থেকে রাজ্যের মন্ত্রী কলিতা মাঝির এই যাত্রাপথ এখন বহু মানুষের কাছে সংগ্রাম, অধ্যবসায় এবং সাফল্যের এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

জুন ০১, ২০২৬
রাজ্য

বড় ফাঁস! লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের নামে কোটি টাকার জালিয়াতি? সিট গঠনের নির্দেশ শুভেন্দুর

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা ভুয়ো উপায়ে তোলার অভিযোগে নতুন করে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদনপত্র যাচাই করতে গিয়ে প্রশাসনের হাতে উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ, মহিলাদের জন্য চালু হওয়া প্রকল্পের টাকা কয়েকটি ক্ষেত্রে পুরুষদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ছিল।সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, এখনও পর্যন্ত মোট বাইশটি সন্দেহজনক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পুরুষদের নামে জমা হচ্ছিল। ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তদন্তে কয়েকটি নির্দিষ্ট নাম উঠে এসেছে। তাঁদের অ্যাকাউন্টে নিয়মিতভাবে প্রকল্পের টাকা জমা পড়ছিল বলে অভিযোগ। গোটা ঘটনার পেছনে কোনও বড় চক্র কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী আরও অভিযোগ করেন, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। আবেদনপত্রের পৃষ্ঠাসংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রচার করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, প্রকৃত তথ্য গোপন করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের টাকা কীভাবে এবং কার মাধ্যমে ভুয়ো উপায়ে তোলা হয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।অন্যদিকে অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন প্রক্রিয়া নিয়েও আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষ ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া দিয়েছেন। সোমবার থেকে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আরও বহু আবেদন জমা পড়বে বলে প্রশাসনের আশা।সরকারি প্রকল্পের টাকা বণ্টন নিয়ে এই নতুন বিতর্ক সামনে আসার পর রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তদন্তে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই এখন নজর সকলের।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

ধর্মতলায় মমতার ধরনা ঘিরে বড় ধাক্কা! শেষ মুহূর্তে অনুমতি দিল না পুলিশ

ধর্মতলার রানি রাসমণি রোডে মঙ্গলবার ধরনায় বসার ঘোষণা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলার কথা। দুপুর ২টো থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সেখানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।তবে ধরনার একদিন আগে সামনে এসেছে বড় জটিলতা। সূত্রের খবর, রানি রাসমণি রোডে এই কর্মসূচির জন্য এখনও পুলিশের অনুমতি মেলেনি। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ওই স্থানে ধরনার অনুমতি না দিয়ে বিকল্প হিসেবে ওয়াই চ্যানেলে কর্মসূচি করার প্রস্তাব দিয়েছে। সেখানে মাত্র দুই ঘণ্টার জন্য অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাবে এখনও সম্মতি দেওয়া হয়নি বলে সূত্রের দাবি। ফলে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত কীভাবে এবং কোথায় হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করিয়ে দিচ্ছেন, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অতীতে বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি চেয়েও একাধিকবার সমস্যার মুখে পড়েছিলেন। সে সময় অনুমতি না মেলায় তাঁকে আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। বর্তমান পরিস্থিতিকে ঘিরে সেই বিতর্কও নতুন করে সামনে এসেছে।অন্যদিকে, ধরনা বিতর্কের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে। দলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সম্প্রতি তাঁরা দলের বিরুদ্ধে সই জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরই তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেয় তৃণমূল কংগ্রেস। ফলে একদিকে ধরনা বিতর্ক, অন্যদিকে দুই বিধায়কের বহিষ্কার সব মিলিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

জুন ০১, ২০২৬
রাজ্য

‘বাড়িতে হামলা হল, দল ফোনও করল না’! তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন প্রাক্তন মন্ত্রী

রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর এক মাসের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অসন্তোষের সুর আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সই সংক্রান্ত বিতর্ক, দুই বিধায়কের বহিষ্কার এবং সাংগঠনিক অস্থিরতার আবহে এবার দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ প্রকাশ করলেন প্রাক্তন মন্ত্রী ও মধ্য হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়।সোমবার নিজের বাড়িতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অরূপ রায় অভিযোগ করেন, গত শনিবার তাঁর বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটলেও দলের তরফে কেউ তাঁর খোঁজ পর্যন্ত নেননি। এমনকি একটি ফোনও আসেনি বলে দাবি করেছেন তিনি।অরূপ রায়ের কথায়, এই পরিস্থিতিতে দলের প্রথম কাজ হওয়া উচিত ছিল আক্রান্ত কর্মী এবং নেতাদের পাশে দাঁড়ানো। তাঁর দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দলের সাধারণ কর্মী থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিরা হামলার শিকার হচ্ছেন, কিন্তু দল তাঁদের পাশে দাঁড়াচ্ছে না। এর ফলে কর্মীদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে।তিনি আরও বলেন, অতীতেও দল কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে। এমন সময় এসেছে যখন বিধানসভায় খুব কম আসন পেয়েও তৃণমূল লড়াই চালিয়ে গিয়েছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। তাঁর মতে, সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।প্রসঙ্গত, গত শনিবার মধ্য হাওড়ার কাসুন্দিয়া এলাকার অরূপ রায়ের বাড়ির সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। তাঁর বাড়ির সামনের একটি গুদামঘর থেকে ত্রিপল, কম্বল, শাড়ি, ধুতি-সহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার হওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভও দেখানো হয়।ঘটনার পর অরূপ রায় দাবি করেছিলেন, ওই ত্রাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি আগেই প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিলেন। পরে প্রশাসন সেগুলি সরাতে গেলে বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়।সাংবাদিক বৈঠকে দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ছে কি না, সেই প্রশ্নও ওঠে। উত্তরে কয়েক মুহূর্ত নীরব থাকার পর অরূপ বলেন, এই সময়ে দলের উচিত ছিল আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু সেই দায়িত্ব দল সঠিকভাবে পালন করতে পারেনি।সামনেই পৌরসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনে তিনি সক্রিয়ভাবে প্রচারে নামবেন কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিয়েছেন অরূপ রায়। তাঁর বক্তব্য, এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে তিনি এখনও নিজের অবস্থান চূড়ান্ত করেননি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ক্ষমতা হারানোর পর তৃণমূলের অন্দরে যে অস্বস্তি এবং অসন্তোষ বাড়ছে, অরূপ রায়ের এই মন্তব্য তারই আরও একটি বড় ইঙ্গিত। পৌরসভা নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি দলের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

বহিষ্কারের পর বিস্ফোরক সন্দীপন! ‘সই জাল হয়েছে, অভিযোগ না করে উপায় ছিল না’

সই সংক্রান্ত বিতর্কে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। দলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলার পর ইতিমধ্যেই বহিষ্কৃত হয়েছেন এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা এবং উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বহিষ্কারের পরও নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন সন্দীপন সাহা। তাঁর দাবি, নিয়ম বহির্ভূত কাজ হয়েছে বলেই তিনি অভিযোগ জানাতে বাধ্য হয়েছেন।সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, দুই বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতেই সই সংক্রান্ত ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এরপরই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়।সন্দীপন সাহার অভিযোগ, গত ৬ মে তৃণমূলের একটি বৈঠকে বিধায়কদের উপস্থিতিতে আলোচনা হলেও সেখানে বিরোধী দলনেতাকে নিয়ে কোনও প্রস্তাব গৃহীত হয়নি। কিন্তু পরে ১৯ মে যে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়, তাতে ৬ মে উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। তাঁর দাবি, কয়েকজন বিধায়ক ওই বৈঠকে উপস্থিত না থাকলেও তাঁদের নাম রেজোলিউশনে যুক্ত করা হয়েছে, যা নিয়মবিরুদ্ধ এবং অনৈতিক।সন্দীপনের বক্তব্য, যাঁরা বৈঠকে ছিলেন না, তাঁদের উপস্থিত দেখিয়ে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়েছে। এটি কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও দাবি করেন, উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর দিয়েই রেজোলিউশন জমা দেওয়া সম্ভব ছিল। তা না করে কেন অন্য পথ নেওয়া হল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। এই ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সন্দীপন। তাঁর দাবি, এত বড় ভুলের দায় এড়ানো যায় না।দলকে না জানিয়ে কেন তিনি বিধানসভা কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছিলেন, সেই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন সন্দীপন। তাঁর কথায়, একজন বিধায়ক হিসেবে তিনি সংবিধান ও নিয়ম মেনে চলার শপথ নিয়েছেন। সেই দায়িত্ব থেকেই তিনি অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, দলের ভিতরে কোনও অভিযোগ বা প্রশ্নের সঠিক উত্তর পাওয়া যায় না বলেই তিনি অন্য পথ বেছে নিয়েছেন।সন্দীপন আরও অভিযোগ করেন, দলের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা করার পরিবেশ নেই। কোনও প্রশ্ন তুললে তার উত্তর না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়। ফলে দলের ভিতরে নিজের মতামত বা আপত্তি জানানো কার্যত অসম্ভব হয়ে উঠেছে বলে দাবি তাঁর।বহিষ্কৃত এই বিধায়কের কথায়, সই সংক্রান্ত বিতর্ক নিয়ে সাধারণ মানুষ তাঁদের প্রশ্ন করছেন। সেই প্রশ্নের উত্তর দেওয়াও কঠিন হয়ে উঠছে। তাই বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা এবং অভিযোগ জানানো ছাড়া তাঁর সামনে আর কোনও পথ খোলা ছিল না বলেই দাবি করেছেন সন্দীপন সাহা।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

সিআইডির জেরায় ফাঁস নতুন তথ্য? তিন বিধায়কের স্বীকারোক্তির দাবি শুভেন্দুর

বিধানসভার একটি রেজোলিউশনকে কেন্দ্র করে সই সংক্রান্ত বিতর্কে রাজ্য রাজনীতি সরগরম। এই ঘটনায় তদন্তে নেমেছে সিআইডি। ইতিমধ্যেই একাধিক তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছেন তদন্তকারীরা। তদন্তের অংশ হিসেবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতেও নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে, তা নিয়ে সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহার অভিযোগের ভিত্তিতেই পুরো বিষয়টির তদন্ত শুরু হয়।শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী, বিরোধী দলনেতা নির্বাচন সংক্রান্ত যে রেজোলিউশন বিধানসভায় জমা দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ওই দুই বিধায়ক। তাঁদের অভিযোগ ছিল, রেজোলিউশনে থাকা কয়েকজন বিধায়কের সই নিয়ে অসঙ্গতি রয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি স্পিকারের নির্দেশে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়।তদন্তের অংশ হিসেবে একাধিক তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে কথা বলেন তদন্তকারীরা। শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, তদন্ত চলাকালীন তিন জন বিধায়ক জানিয়েছেন যে রেজোলিউশনে থাকা সই তাঁদের নয়। তিনি দাবি করেন, ওই তিন জন হলেন বাহরুল ইসলাম, শুভাশিস দাস এবং অরূপ রায়। তাঁদের মধ্যে একজন নাকি তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, তিনি সেদিন কলকাতায়ই ছিলেন না।সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, তদন্তে উঠে আসা তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর দাবি, যাঁরা সই নিজেদের নয় বলে জানিয়েছেন, তাঁদের কোনও ব্যক্তিগত লাভ নেই। তাই তাঁদের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিয়েই তদন্ত এগোচ্ছে।এদিকে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। অভিযোগকারী দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে ইতিমধ্যেই দল থেকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে সই সংক্রান্ত বিতর্কের তদন্তে নতুন নতুন তথ্য সামনে আসায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এখন তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে কী তথ্য উঠে আসে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal