• ৫ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ২০ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Released

রাজ্য

জামিন মিলল বর্ধমানের তৃণমূল নেতা প্রণব চট্টোপাধ্যায়ের, হাজতবাসে খবর নেননি দলের একাংশ

জামিন পেলেন বর্ধমান পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রশাসক তথা তৃণমূল নেতা প্রণব চট্টোপাধ্যায়(ক্ষুদু)। আসানসোলের সিবিআই আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছে। সূত্রের খবর, একটি চিটফান্ড সংক্রান্ত মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। মামলায় চার্জশিটও জমা পড়েছে।বর্ধমান পুরসভায় প্রশাসক হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছিল প্রবীণ তৃণমূল নেতা প্রণব চট্টোপাধ্যায়কে। আদি তৃণমূল নেতাকে পুরপ্রশাসক পদে বসানোয় অনেকেই ভুরু কুঁচকেছিলেন। বর্ধমান শহরে তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে নানা ইকুয়েশন তৈরি হয়ে যায়। এই সময়ে পুরসভা নানা জনমুখী প্রকল্প হাতে নেয়। অনলাইন ব্যবস্থাও নানা ক্ষেত্রে চালু হয়। পুর নির্বাচনের আগে তাঁকে সিবিআই গ্রেফতার করে। হইচই পড়ে যায় জেলা রাজনৈতিক মহলে। প্রণব চট্টোপাধ্যায় জামিন পাওয়ার পর ফের শোরগোল পড়ে গিয়েছে বর্ধমানে তৃণমূলের অন্দরমহলে। জানা গিয়েছে, এদিন তিনি বর্ধমানে নিজের বাড়িতে ফিরেছেন। তাঁর হাজতবাস কালে দলের কেউ কেউ পাশে থাকলেও অনেক নেতাই কোনও খবর রাখার কথা মনেও রাখেনি।

আগস্ট ১৭, ২০২২
রাজ্য

দুই মন্ত্রীর উপস্থিতিতে বর্ধমান কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার থেকে স্বাধীনতা দিবসে বন্দিমুক্তি

স্বাধীনতা উপলক্ষ্যে বর্ধমান কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় বেশ কিছু বন্দিকে। এরা সংখ্যায় কুড়ি জন। এছাড়াও বেশ কিছু যাবজ্জীবন দন্ডাজ্ঞা প্রাপ্ত বন্দীও এই তালিকায় আছেন। এই উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও প্রদীপ মজুমদার। এছাড়াও কারা বিভাগের ডিআইজি সহ জেল সুপারিন্টেন্ডেন্ট ও অন্যান্যরা এই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন। উপস্থিতি ছিলেন বন্দি ও তাঁদের নাচ-গানের প্রশিক্ষকরাও। এদিন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ জানান,যে সব মহিলা ও পুরুষ বন্দি সাজার অর্ধেক বা ষাট শতাংশ কাটিয়েছেন তাঁরা ছাড়া পেলেন। এছাড়াও অল্প বয়সী বন্দি ও গরিব যাঁরা জরিমানা দিতে অপারগ তাঁরাও ছাড়া পেলেন। নিয়ম অনুসারে যাবজ্জীবন বন্দিদের কয়েকজন ছাড়া পাবেন। এক্ষেত্রে অন্য কোনও অপরাধ না করাও বিবেচিত হয়েছে। বিবেচিত হয়েছে সংশোধনাগারে থাকাকালীন তাঁদের অন্য গুণের বিকাশকে। জানা গিয়েছে, এঁরা যাতে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন সে জন্য সাহায্য করা হবে।

আগস্ট ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

অনুস্কা শর্মা-র হাত ধরে যাত্রা শুরু চাকদা এক্সপ্রেসের

প্রকাশিত হল এক বহু প্রতীক্ষিত সিনেমার টিজার। যাঁর আত্ম্যত্যাগ ও অনমনীয় মনোবল মিথ-এ পরিণত হয়ে গিয়েছে, বাংলার সেই অবিসংবাদিত মহিলা ক্রিকেট তারকা ঝুলন গোস্বামীর জীবন কহিনী নিয়ে সিনেমার টিজার সামনে এলো। প্রকাশ করলেন প্রযোজক অনুষ্কা শর্মা এবং তার ভাই কর্ণেশ শর্মা। তাঁদের সাংস্থা ক্লিন স্লেট ফিল্মজ এই বায়োপিক-টির প্রযোজনা করছেন। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন প্রসিত রায়। চাকদা এক্সপ্রেস নিয়ে বলতে গিয়ে নাম ভূমিকার অভিনেত্রী ও প্রযোজক অনুষ্কা শর্মা বলেন এটা সত্যিই একটি বিশেষ ফিল্ম কারণ এটা মূলত অসাধারণ এক ত্যাগের গল্প। তিনি সামাজিক মাধ্যম নেটফ্লিক্সে সিনেমার টিজার শেয়ার করার সময় লিখেছেন, চাকদা এক্সপ্রেস প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক ঝুলন গোস্বামীর জীবন এবং তাঁর খেলার মাঠের সংগ্রামের ওপর আধারিত এবং অনুপ্রাণিত। তিনি আরও লেখেন, এই সিনেমা সারা বিশ্বে মহিলা হবু ক্রিকেটাদের চোখ খুলে দেবে। ঝুলন এমন এক সময়ে ক্রিকেটার হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং ক্রিকেট বিশ্বে তাঁর দেশের নাম উজ্জ্বল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, সে সময় মহিলাদের পক্ষে এই খেলাটি খেলার কথা ভাবাও অসম্বভ ছিল। এই ফিল্মটির কাহিনীর নাটকীয় উত্থান পতনের জন্য অনেকের কাছে একটা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।ঝুলন যে সময়ে খেলাটা শুরু করেন, একজন মহিলা খেলোয়াড় হিসাবে সাপোর্ট সিস্টেম থেকে শুরু করে, বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা, ক্রিকেট খেলা থেকে নিয়মিত আয় করা, এমনকি ক্রিকেট খেলে নিজের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা, এই ভাবনাটা মনে করাটাই সম্ভব ছিল না। সে সময়ে খুব কম ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটারই ক্রিকেটকে পেশা হিসাবে নিয়েছিল। ঝুলনের ক্রিকেট ক্যারিয়ার গড়ার অত্যন্ত অনিশ্চিত লড়াই-র সামনে একটাই লক্ষ ছিল দেশকে গর্বিত করা। তিনি সেই লক্ষ্যে অবিচল থেকে পট পরিবর্তন করার জন্য প্রাণপাত প্রচেষ্টা চলিয়ে গেছেন।It is a really special film because it is essentially a story of tremendous sacrifice. Chakda Xpress is inspired by the life and times of former Indian captain Jhulan Goswami and it will be an eye-opener into the world of womens cricket. pic.twitter.com/eRCl6tLvEu Anushka Sharma (@AnushkaSharma) January 6, 2022তিনি এক দৃষ্টান্ত তৈরি করতে সমর্থ হয়েছিলেন যে, ভারতের মত দেশে ক্রিকেট খেলেও মেয়েরা তাঁদের ক্যারিয়ার তৈরি করতে পারে। তাঁর লড়াই ছিল যাতে পরবর্তী প্রজন্মের মেয়েরা আরও ভাল খেলার পরিবেশ পায়, তাঁদের যেন শুধু মহিলা খেলোয়াড় হিসাবে গন্য না করা হয়। অনুষ্কা বলেন, ঝুলনের এই খেলোয়াড় জীবন একটি জ্বলন্ত সাক্ষ্য রেখে যায়, যে আবেগ এবং প্রখর অধ্যাবসায় থাকলে যে কোনও বা কিছু ক্ষেত্রে সমস্ত প্রতিকূলতাকে জয় করা যেতে পারে। চাকদা এক্সপ্রেস হল সেই সময়ের মহিলা ক্রিকেটে একটা রোমাঞ্চকর চরিত্র যা বিশ্ব ক্রিকেটে এক উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক-তে পরিণত হয়েছিল।ঝুলন গোস্বামী ১৯৮২-র ২৫নভেম্বর নদিয়া জেলার ছোট্ট শহর চাকদা-তে জন্ম গ্রহণ করেন। আর পাঁচটা মেয়ের মত ছোটবেলায় পুতুল খেলার থেকে বেশী আকর্ষন ছিল ক্রিকেটের ওই লাল বলটার প্রতি। চাকদা শহরেরই স্থানীয় খেলার মাঠ ফ্রেন্ডস ক্লাব এবং নবারুণ সমিতিতে ঝুলনের ক্রিকেট খেলার হাতেখড়ি। ক্রিকেট খেলার নেশা চেপে বসে ঝুলনের, শুরু হয় এক ভয়ংকর লড়াই। যে ট্রেনে মানুষ স্বাভাবিক নিশ্বাস নিতে পারে না, শ্বাস নেওয়ার জন্য নাক দুটো ওপরের দিকে করে ট্রেন যাত্রা করে। সেই শান্তিপুর-শিয়ালদহ লাইনের ভোরের লোকাল ট্রেন চেপে চাকদা থেকে কলকাতা ময়দান যাত্রা শুরু, খেলোয়াড় তাঁকে হতেই হবে! কলকাতায় এসে নিয়মিত প্র্যাকটিস শুরু। কোচ স্বপন সাধুর কাছ থেকে পেশাগত ক্রিকেটের তালিম শুরু করেন বিবেকানন্দ পার্কে। তিনিই ঝুলনের শারীরিক গঠন দেখে তাঁকে জোরে বোলিং করার পরামর্শ দেন। প্রথম ডিভিশন থেকে এক একটা হার্ডেল বেঙ্গল, ইস্ট-জোন পার করে স্থান করে নেন স্বপ্নের ভারতীয় দলে। শুরু হয় এক স্বপ্নের যাত্রা, ঝুলন অল-রাউন্ডার হিসাবে ভারতীয় দলে সুযোগ পেলেন।When you represent India, thats all that is on your mind. Tum desh ke liye khel rahe ho, apne liye nahi. 11 women playing to place Team Indias name in history.It doesnt matter if they said ladkiyan cricket nahi khel sakti. pic.twitter.com/H7LQ4BEzQP Jhulan Goswami (@JhulanG10) January 6, 2022২০০২-র ৬ই জানুয়ারী ইংল্যান্ডে মহিলা দলের বিরুদ্ধে একদিনের ক্রিকেটে ঝুলনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অভিষেক হয়েছিল। মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে এই মহুর্তে একদিনের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী ভারতের এই ডানহাতি ফাস্ট বোলার। তিনি অস্ট্রেলিয়ার ক্যাথরিন ফিটজপ্যাট্রিকের রেকর্ড ভেঙ্গে এই রেকর্ডের অধিকারী হন। এর পর আর তাঁকে ফিরে তাকাতে হয়নি। তিনি ২০০৭-এ আইসিসি (ICC) বর্ষসেরা মহিলা খেলোয়াড়ের পুরস্কার লাভ করেন এবং ২০১১তে শ্রেষ্ঠ মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে এম এ চিদাম্বরম ট্রফি লাভ করেন। বহু মূল্যবান পুরস্কার তিনি পান, ঝুলন ২০২১তে ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান পদ্মশ্রী পুরস্কার লাভ করেন, তৎকালীন ভারতের রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে পুরস্কারটি গ্রহণ করেন।তাঁর ক্রিকেট কেরিয়ার-এর দিকে তাকালে যতটা চকচকে লাগে বাস্তবের মাঠ তাঁর থেকে অনেক বেশী রুক্ষ ছিল। তাঁকে নিয়ে বাণিজ্যিক যে উন্মাদনা থাকা উচিত ছিল তিনি তাঁর অনেকাংশেই কম পেয়েছেন। হয়তো তাতে তাঁর কোনও আক্ষেপ নেই, কিন্তু সাধারণ মানুষের আছে। ভারতের ক্রীড়া ইতিহাস ঘাটলে এরকম অনেক চিত্র-ই সামনে আসবে। তথাকথিত নায়িকা সুলভ চেহারা না থাকার জন্য ঝুলনের বাণিজ্যিক মহলে চাহিদা অনেক কম ছিল। সমতুল্য বা উঁচুদরের খেলোয়াড় হওয়া স্বত্তেও তাঁর থেকে অনেক বেশি এন্ডোর্সমেন্ট ছিল মিতালি রাজ, স্মৃতি মান্ধানার। এই চিত্র পি টি ঊষা-র ক্ষেত্রেও দেখা গেছে, আন্তর্জাতিক মানের অ্যাথলেটিক হওয়া স্বত্তেও আশ্বিনী নাচ্চপা বা সাইনি আব্রাহামের ব্র্যান্ড ভ্যালু অনেক বেশী ছিল।এই সিনেমা সম্বন্ধে বলতে গিয়ে প্রযোজক ও অভিনেত্রী অনুষ্কা শর্মা বলেন, ভারতে মহিলা ক্রিকেটে বিপ্লব ঘটানোর জন্য আমাদের সকলের ঝুলন এবং তার সতীর্থদের স্যালুট করা উচিত। এটা তাঁদের কঠোর পরিশ্রম, তাঁদের আবেগ এবং তাঁদের অপরাজিত অদম্য মনোভাব মহিলা ক্রিকেটের প্রতি মনোযোগ আনার জন্য পরবর্তী প্রজন্মের দৃষ্টি ঘুরিয়ে দিয়েছে। একজন মহিলা হিসেবে, ঝুলনের গল্প শুনে আমি গর্বিত হয়েছিলাম এবং তাঁর জীবন দর্শন ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করা আমার কাছে ভীষন সম্মানের। একজন ক্রিকেট প্রেমী হিসেবে আমাদের মহিলা ক্রিকেটারদের তাঁদের প্রাপ্য দিতেই হবে। ঝুলনের গল্প সত্যিই ভারতের ক্রিকেটের ইতিহাসে একটি ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প এবং ছবিটি আমাদের তরফ থেকে তাঁর প্রতি এক উপহার।ঝুলন গোস্বামী নিজেও এই ছবিটির টিজার সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন। তাঁর পোস্টে তিনি লিখেছেন, যখন আপনি দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে নামেন, তখন আপনার মনে একটাই কথা থাকে,তুম দেশ কে লিয়ে খেল রহে হো, আপনে লিয়ে নেহি। টিম ইন্ডিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসে নাম লেখাতে পেরে তিনি নিজেকে ধন্য মনে করেছেন। তিনি বলেন, মহিলা ক্রিকেট বলে কিছু নেই, খেলাটা খেলাই, সেটা মহিলা বা পুরুষ যেই খেলুক। অনেক সময় স্টেডিয়াম খালি থাকে, তাতে কিছু যায় আসে না। বোলিং শুরু করার জন্য যখন পিচের দিকে দৌড়চ্ছেন, তখন আপনি শুধু বিপক্ষ দলের যে ব্যাট ধরে আছে তাঁকে এড়িয়ে ছিটকে দেওয়ার জন্য যে উইকেট লাগানো তাঁর দিকে আপনার দৃষ্টি নিবদ্ধ থাকে।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ওসিদের হুঁশিয়ারি! গাফিলতি হলেই বড় শাস্তি, কড়া নির্বাচন কমিশন

ভোটের আগে নিরাপত্তা নিয়ে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ নির্বাচন কমিশন। আগেই কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছিল, ভোটের দিনে অস্ত্র, বোমা বা গুলি যাতে কোথাও মজুত না থাকে, সে দিকে কড়া নজরদারি চালাতে হবে। তবুও কোথাও অস্ত্র বা বিস্ফোরক উদ্ধার হলে দ্রুত তা নিষ্ক্রিয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, প্রাথমিকভাবে থানার আধিকারিকেরা এই নির্দেশ মেনে কাজ শুরু করেছেন।নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন ভোট চায়। কোথাও অশান্তির ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনও রকম দেরি হলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করা হয়েছে। প্রথম দফার ভোটের আগে থানার ওসিদের কড়া বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। অতীতে যাঁদের বিরুদ্ধে ভোটে অশান্তির অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের এখনও কেন গ্রেফতার করা হয়নি, সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছে কমিশনের তরফে।শনিবার সকালে এই নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠকে জেলার পুলিশ সুপার, কমিশনারেটের আধিকারিক এবং থানার দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মাধ্যমে আলোচনা হয়। সেখানেই দায়িত্বে গাফিলতি হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই কড়া অবস্থানের ফলে ভোটের আগে প্রশাসনিক চাপ আরও বেড়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় ফাঁস! বাংলায় একের পর এক স্কুল বন্ধ, সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

ভোটের আগে বাংলায় অন্যতম বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে শিক্ষা ব্যবস্থা। শাসক থেকে বিরোধীসব রাজনৈতিক শিবিরই এখন প্রচারে ব্যস্ত, কিন্তু গত বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে যে সমস্যা বারবার সামনে এসেছে, তা হল স্কুলের বেহাল অবস্থা। দুর্নীতির অভিযোগের পাশাপাশি একের পর এক স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। মূলত দুর্বল পরিকাঠামো এবং শিক্ষকের অভাবএই দুই কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আট হাজারেরও বেশি স্কুল কেন বন্ধ হয়ে গেল, সেই প্রশ্ন বারবার তুলছে বিরোধীরা।কলকাতায় কিছু স্কুলে শিক্ষক থাকলেও জেলাগুলির অবস্থা অনেক খারাপ। সরকারি স্কুলে সাধারণত প্রান্তিক পরিবারের শিশুরাই পড়াশোনা করে। সেখানে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প থাকলেও বাস্তবে বহু স্কুলে পড়াশোনা কার্যত থমকে গেছে। পরিসংখ্যান বলছে, জেলার তুলনায় কলকাতায় প্রায় আড়াই গুণ বেশি শিক্ষক রয়েছেন, অথচ ছাত্রসংখ্যা সেখানে অনেক কম। শিক্ষক বদলির উদ্যোগের ফলে জেলার অনেক শিক্ষক শহরে চলে আসায় এই সমস্যা আরও বেড়েছে। ফলে জেলায় শিক্ষক কমে যাওয়ায় পড়ুয়াও কমেছে, আর ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে অনেক স্কুল।সরকারি স্তরে জেলায় শিক্ষক পাঠানোর কথা বলা হলেও তা কার্যকর হয়নি বলেই অভিযোগ। শিক্ষানীতিতে গ্রামে গিয়ে পড়ানোর বাধ্যবাধকতার কথা থাকলেও তা বাস্তবে মানা হয়নি। বদলি ব্যবস্থার সুযোগে অধিকাংশ শিক্ষক শহরমুখী হয়েছেন বলেই অভিযোগ উঠছে।পরিসংখ্যান আরও বলছে, স্কুলের সংখ্যার নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ অনেক পিছিয়ে। রাজস্থানে স্কুলের সংখ্যা বেশি, উত্তর প্রদেশে আরও বেশি। তবুও সেখানে শিক্ষক সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। রাজস্থানে একটি স্কুলে গড়ে ছয় জনের বেশি শিক্ষক থাকলেও বাংলায় সেই সংখ্যা পাঁচ জনেরও কম। ফলে শিক্ষক সঙ্কট আরও প্রকট হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতির প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন এলাকায়। দমদমের একটি প্রাথমিক স্কুলে আর ক্লাস হয় না, ঘণ্টাও বাজে না। শিক্ষকের অভাবে বহু স্কুল কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। কোথাও কোথাও সেই স্কুলঘর এখন অন্য কাজে ব্যবহার হচ্ছে। শুধু দমদম নয়, জেলার বিভিন্ন জায়গায় একই ছবি দেখা যাচ্ছে।এই শিক্ষক সঙ্কট ভোটে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। শিক্ষামন্ত্রী নিজেও এই সমস্যার কথা স্বীকার করেছেন এবং সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। অন্যদিকে বিরোধীরা এই ইস্যুকে সামনে রেখে প্রচার জোরদার করেছে। শিক্ষাক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের একাংশের মতে, এক জন শিক্ষক দিয়ে যদি শতাধিক ছাত্রকে পড়াতে হয়, তাহলে শিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকেই এগোবে।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
কলকাতা

সোনা পাপ্পু যোগে নতুন রহস্য! বেহালায় ব্যবসায়ীর বাড়িতে ইডির হানা

ভোটের আগে রবিবার সকাল থেকেই কলকাতার একাধিক জায়গায় ইডির তল্লাশি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি এবং বর্তমানে কলকাতা পুলিশের আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের দুটি ঠিকানায় হানা দেয় কেন্দ্রীয় সংস্থা। একই সঙ্গে বেহালায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়। জানা গিয়েছে, সান গ্রুপ-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয় কামদারের বাড়িতেও পৌঁছয় ইডি। আর্থিক প্রতারণা সংক্রান্ত মামলায় এই তল্লাশি চলছে বলে সূত্রের খবর।রবিবার ভোরেই মোট পাঁচটি গাড়িতে করে ইডির আধিকারিকরা পৌঁছন। তার মধ্যে তিনটি গাড়িতে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। সকাল ছটা নাগাদ তারা সংশ্লিষ্ট বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি শুরু করেন। কয়েকদিন আগেই এই বাড়ি থেকে প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছিল ইডি। এরপর জয় কামদারকে দুবার তলব করা হলেও তিনি হাজিরা দেননি বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, যেদিন এই টাকা উদ্ধার হয়েছিল, সেদিনই সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকেও অস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি।এর আগেও ভোটের মুখে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর দফতরের তল্লাশি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। একাধিকবার তাঁর বাড়ি, দলীয় কার্যালয় এবং নির্বাচনী অফিসে অভিযান চালানো হয়। শুধু তাই নয়, ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রীর মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবক মিরাজ শাহের বাড়িতেও হানা দেয় আয়কর দফতর। এই সব ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের তরফে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছিল এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ বলে অভিযোগ তোলা হয়।এই পরিস্থিতিতে আবারও একযোগে ইডির তল্লাশি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তদন্ত কতদূর এগোয় এবং এই অভিযান থেকে নতুন কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর রাখছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
কলকাতা

সকাল সকাল ইডির চমক! কালীঘাটের প্রাক্তন ওসির বাড়িতে রবিবার সকালেই ইডির হানা

ভোটের মুখে আবারও সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। রবিবার সকালেই কলকাতায় ইডির হানায় চাঞ্চল্য ছড়াল। এবার ইডির নজরে কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি তথা বর্তমানে কলকাতা পুলিশের ডিসি পদে থাকা শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। সকালে গোলপার্কে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে যায় ইডির একটি দল। সূত্রের খবর, তাঁর বাড়ির পাশেই থাকা একটি সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রেও তল্লাশি চালানো হয়। তবে সেখানে সকাল থেকে তালা থাকায় তা খুলে তদন্ত শুরু করতে কিছুটা সময় লাগে।ঠিক কোন মামলায় এই তল্লাশি চলছে, তা এখনও স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। তবে এর আগেও কয়লা পাচার মামলায় শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে তলব করেছিল ইডি। সেই তলবের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থও হয়েছিলেন। এছাড়াও মেডিক্যাল এনআরআই কোটায় ভর্তির দুর্নীতির অভিযোগেও তাঁকে ডাকা হয়েছিল। এবার সরাসরি তাঁর বাড়িতে হানা দেওয়ায় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর মধ্যেই সাম্প্রতিক আরেকটি ঘটনার কথা উঠে আসছে। রাসবিহারীতে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর দফতরের তল্লাশি ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল রাজ্য রাজনীতি। তাঁর বাড়ির পাশাপাশি দলীয় কার্যালয় ও নির্বাচনী অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা সেই অভিযানে প্রবল উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল এলাকায়। দেবাশিসের সমর্থকেরা বিক্ষোভ দেখান এবং অভিযোগ তোলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এই অভিযান চলছে। তৃণমূলের তরফেও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয় এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়।এই পরিস্থিতিতে আবারও ইডির হানায় ভোটের আগে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়বে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তদন্ত কতদূর গড়ায় এবং নতুন কী তথ্য সামনে আসে, এখন সেদিকেই নজর সবার।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধবিরতির মাঝেই বিস্ফোরণ! ট্রাম্পকে ‘মিথ্যেবাদী’ বলল ইরান, বাড়ল উত্তেজনা

ইরান ও আমেরিকার মধ্যে আপাতত দুই সপ্তাহের সংঘর্ষবিরতি চলছে। তারই মধ্যে এক সপ্তাহ কেটে গেলেও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমার কোনও লক্ষণ নেই। বরং পাল্টা আক্রমণ এবং কড়া বক্তব্যে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতিতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল ইরান। ইরানের সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ দাবি করেছেন, ট্রাম্প অল্প সময়ের মধ্যেই একাধিক মিথ্যা দাবি করেছেন। যদিও ঠিক কোন দাবিগুলি নিয়ে তিনি কথা বলেছেন, তা স্পষ্ট করেননি।শুক্রবার ট্রাম্পের বক্তব্যের সময়ই সামাজিক মাধ্যমে এই মন্তব্য করেন ঘালিবাফ। তিনি স্পষ্ট করে জানান, আমেরিকার অবরোধ চালু থাকলে হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা হবে না। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল ইরানের নিয়ম মেনে এবং তাদের অনুমতি নিয়েই করতে হবে।এর পরেই ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। তাদের দাবি, আমেরিকা প্রতিশ্রুতি ভেঙেছে এবং এখনও ইরানের বন্দরগামী জাহাজগুলির উপর অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইরানের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র কথার ভিত্তিতে নয়, বাস্তব পরিস্থিতির উপর নির্ভর করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগে যদিও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ খুলে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সিদ্ধান্ত বদল করা হয়েছে।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
দেশ

লোকসভায় বড় ধাক্কা, বিল পাশ না হতেই পথে বিজেপি! এবার লক্ষ্য বাংলা-তামিলনাড়ু

লোকসভায় সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এই প্রথম সংসদে এমন পরাজয়ের মুখে পড়তে হল সরকারকে। প্রয়োজনীয় সমর্থন না মেলায় বিলটি পাশ করা সম্ভব হয়নি।এই ঘটনার পরই রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। শাসকদল (BJP) এবার দেশজুড়ে প্রচারে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিরোধীদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে তাদের মহিলা বিরোধী বলে তুলে ধরার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।এই প্রচারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে দুই রাজ্যকে, পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ু। কারণ, এই দুই রাজ্যেই সামনে নির্বাচন রয়েছে। শাসকদলের লক্ষ্য, মহিলাদের জন্য সংরক্ষণে বিরোধিতা করেছে বিরোধীরাএই বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া (BJP) ।সংসদে বিল পাশ না হওয়ার পরই শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠকে বসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে। এর পাশাপাশি মহিলা সাংসদদের নেতৃত্বে প্রতিবাদও শুরু হয় সংসদ চত্বরে।অন্যদিকে বিরোধী দলগুলিও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে তৎপর। তারা দাবি করছে, তারা সংরক্ষণের বিরোধী নয়, বরং আসন পুনর্বিন্যাসের কিছু বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। তাদের মতে, মহিলাদের সংরক্ষণের পক্ষে তারা আগেও ছিল, এখনও রয়েছে (BJP) ।এই পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যেই রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হচ্ছে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় এই ইস্যু আগামী দিনে বড় রাজনৈতিক অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বুথে ‘লক্ষ্মণরেখা’! একশো মিটার ঘিরে কড়া পাহারা, ভোটে নজিরবিহীন কড়াকড়ি

অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এবার একের পর এক নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি বুথে থাকবে সর্বক্ষণ নজরদারি এবং ব্যবহার করা হবে আধুনিক প্রযুক্তি। বুথের চারপাশে প্রায় একশো মিটার এলাকা সাদা চক দিয়ে ঘিরে একটি নির্দিষ্ট সীমানা তৈরি করা হবে। এই সীমানার ভিতরে শুধুমাত্র ভোটারদেরই প্রবেশের অনুমতি থাকবে, অন্য কেউ ঢুকতে পারবেন না।ভোটারদের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য বুথের বাইরে আলাদা ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। বুথ লেভেল কর্মী এবং তাঁর সহকারী এই নির্দিষ্ট সীমানার বাইরে বসে নথি পরীক্ষা করবেন। বুথের বাইরে টেবিল বসিয়ে সেখানেই এই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।ভোটার স্লিপ বিলির ক্ষেত্রেও কড়া নির্দেশ জারি হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরাসরি ভোটারদের হাতে স্লিপ পৌঁছে দিতে হবে। যাঁদের হাতে স্লিপ দেওয়া সম্ভব হয়নি, তাঁদের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। ভোটের দিন সেই ভোটার উপস্থিত হলে কেন আগে স্লিপ নেননি, তাও জানতে চাওয়া হতে পারে। সঠিক নথি ও ছবির মিল দেখেই ভোট দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।ভুয়ো ভোট আটকাতে অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত বা মৃত ভোটারদের তালিকাও আবার খতিয়ে দেখা হবে। নজরদারি আরও জোরদার করতে বিশেষ পর্যবেক্ষকদের শরীরে লাগানো ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। বুথের আশেপাশে কোনও সন্দেহজনক ঘটনা নজরে এলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সব মিলিয়ে ভোট প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নির্ভুল করতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। ভোটারদের আস্থা ফেরানো এবং শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতেও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভোট চলাকালীন কোন আচরণ অপরাধ হিসেবে ধরা হবে, তা নিয়ে আগাম প্রচার চালানো হবে এবং সতর্কবার্তা দেওয়া হবে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

পনেরো ঘণ্টার তল্লাশি ঘিরে তুমুল বিতর্ক! কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

শুক্রবার দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয়ে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। প্রায় পনেরো ঘণ্টা ধরে এই তল্লাশি চলে এবং সেই সময় তাঁর বাড়ির বাইরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস তীব্র আপত্তি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে।তৃণমূলের অভিযোগ, কোনও আইনি ভিত্তি ছাড়াই একজন জনপ্রতিনিধিকে এইভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। আদর্শ আচরণবিধি চলাকালীন এই ধরনের পদক্ষেপ আইন বিরুদ্ধ বলেই দাবি করা হয়েছে চিঠিতে। কেন ভোটের আগে এত দীর্ঘ সময় ধরে একজন প্রার্থীকে বাড়ির মধ্যে আটকে রেখে তল্লাশি চালানো হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল।চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় নিজেদের সম্পত্তির সমস্ত তথ্য আগেই জানিয়ে দেন। সেই অবস্থায় হঠাৎ করে এই তল্লাশি কেন করা হল, তা স্পষ্ট নয়। তৃণমূলের দাবি, এই ধরনের পদক্ষেপ ভোটের আগে রাজনৈতিকভাবে প্রভাব ফেলতেই করা হচ্ছে।দলের এক নেতা বলেন, ভোটের আগে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের চাপে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগের নির্বাচনেও এমন ঘটনা দেখা গিয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।ভোটের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal