• ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Recover

রাজ্য

পঞ্চায়েতের আগে রাজ্যে বোমা-গুলি উদ্ধার, তোপ বিজেপি-সিপিএমের

পঞ্চায়েত নির্বাচন এগিয়ে আসছে রাজ্যের নানা প্রান্তে অস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে। এই অস্ত্র-বোমা-গুলি উদ্ধারের ঘটনায় তোপ দেগেছে বিরোধী দলগুলি। এর আগে উত্তর ২৪ পরগনার শাসনের তৃণমূল নেতা সুকুল আলির বাড়ি থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে, খোদ কলকাতার এপিসি রোড থেকেও অস্ত্র মিলেছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্যই এই বোমা-গুলির কারবার চলছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ।বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, তৃণমূলের সঙ্গে মানুষ আর নেই। তাদের থেকে মানুষ এখন শতযোজন দূরে। এখন পঞ্চায়েত ভোট জিততে গেলে তৃণমূলের দরকার বোমা ও গুলি। সেই কারবারই চলছে। এখান থেকে সারা ভারতের সন্ত্রাসবাদী কাজ চলছে। এখানকার সরকারের আশীর্বাদ আছে তাদের মাথায়। সিপিএম নেতা প্রাক্তন সাংসদ শমীক লাহিড়ী বলেন, এই রাজ্যটাকে অস্ত্রের কারবার ও সমাজ বিরোধীদের স্বর্গরাজ্য় বানানো হয়েছে। তৃণমূল সাংসদ প্রকাশ্যে বোমা তৈরির ফর্মূলার কথা বলছে। পুলিশ তাঁকে গ্রেফতারও করছে না। এখন সমাজবিরোধীরা সরকার চালাচ্ছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২২
রাজ্য

১২টি মোটর বাইক সহ তিন দুস্কৃতিকে গ্রেফতার করলো আউসগ্রাম থানার পুলিশ

গোপন সূত্রে খবর শনিবার আউসগ্রাম থানার পুলিশ আউসগ্রামের ভালকি এলাকা থেকে একটি চোরাই মোটরসাইকেল সহ এক দুস্কৃতিকে আটক করে। ধৃতের বাড়ি গলসি এলাকায় হলেও সে আউসগ্রামের ভালকি অঞ্চলে থাকতো বলে পুলিশ জানিয়েছে।রবিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানান জেলা পুলিশের ডিএসপি ডিএনটি বীরেন্দ্র কুমার পাঠক। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও দুই দুস্কৃতিকে গ্রেফতার করে আউসগ্রাম থানার পুলিশ। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পূর্ব বর্ধমান ও বীরভূমের বিভিন্ন জায়গা থেকে মোট ১২ টি মোটর সাইকেল উদ্ধার করে আউসগ্রাম থানার পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে এখনই ধৃতদের নাম পরিচয় জানায়নি পুলিশ।ধৃতদের ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজত চেয়ে আদালতে পেশ করা হয়েছে। এদের হেফাজতে নিয়ে আরও চোরাই বাইক উদ্ধার হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২২
রাজনীতি

দলের আস্থায়ী কার্যালয় থেকে বোমা উদ্ধারে চাঞ্চল্য, দলীয় কোন্দল দাবী দুই গোষ্ঠীর

তৃণমূল কংগ্রেসের অস্থায়ী দলীয় কার্যালয়ের ভিতর থেকে তাজা বোম উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে। পুলিশ জামালপুরের জোৎশ্রীরাম পঞ্চায়েত অমরপুর গ্রামের হিরু সেখের নির্মীয়মান বাড়ি থেকে ৯ টি তাজা বোমা উদ্ধার করে। জোৎশ্রীরাম অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি কার্তিক ঘোষের দাবী দলীয় গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে তাদেরকে হেনস্তা করার জন্যই বোমা রাখা হয়েছে। তার অভিযোগ জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মেহমুদ খানের গোষ্ঠীর লোকজনই এখানে বোম রেখেছে তাদের বদনাম করার জন্য। তারা প্রদীপ পাল ও অরবিন্দ ভট্টাচার্যের সঙ্গে দল করেন। তারা দলের পুরনো কর্মী।একই দাবী করেন জোৎশ্রীরাম পঞ্চায়েতের সদস্যা রেবা ধারা পঞ্চায়েত সদস্য গোষ্ঠ পাল। তারা বলেন, ব্লক সভাপতি মেহমুদ খানের অনুগামীরা এই ফাঁকা অস্থায়ী দলীয় কার্যালয়ে বোম রেখেছে। এখানে বাচ্চারাও খেলে। নির্মীয়মান বাড়ি মালিক তৃণমূল কর্মী হিরু সেখ বলেন,এখানে বোম রেখে তাদের বদনাম করা হচ্ছে।বিজেপি নেতা রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের জন্ম থেকেই গোষ্ঠী কোন্দল আছে। আর এতে সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়ছে। নিজেদের মধ্যে বালির টাকার ভাগ নিয়ে অশান্তি করছে তৃণমূল নেতারা। তার ফল ভোগ করছে এলাকার বাসিন্দারা।রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র ও বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি দেবু টুডু বলেন, খোঁজ খবর নিয়ে বলতে পারবো। তবে পুলিশ প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে। তবে এই বিষয়ে জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মেহমুদ খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।

অক্টোবর ১৫, ২০২২
শিক্ষা

কোটি কোটি টাকা উদ্ধার, সাধারণের হাল ফিরবে কবে?

ইডির হানা মানেই টাকার পাহাড়। এ যেন ধারাবাহিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শনিবার গার্ডেনরিচে ব্যবসায়ী আমির খানের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে সাড়ে ১৭ কোটি টাকা। আমির খানের তিনটে মোবাইল সুইচঅফ। তাঁকে পাকড়াও করতে পারেনি ইডি। তার আগে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের দুটি ফ্ল্যাট থেকে প্রায় ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে হালিশহর পুরসভার চেয়ারম্যান রাজু সাহানীর বাড়ি থেকে। কিন্তু কোটি কোটি টাকা কার? যার বাড়ি থেকে উদ্ধার হচ্ছে সে বলছে তাঁর টাকা নয়। প্রতিবার হানা দেওয়ার পর প্রশ্ন ওঠে এবার কার পালা?আরও পড়ুনঃ টালিগঞ্জ এগিয়ে থাকবে নাকি বেলঘরিয়া? অর্পিতার ফ্ল্যাটে এখনও চলছে গণনাকালো টাকার রমরমা যে নোটবন্দির পরে বন্ধ হয়নি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ইডির অভিযানে উদ্ধার হওয়া টাকা বা সম্পত্তি নমুনামাত্র। কয়েকবছর আগে বালি পুরসভার এক ইঞ্জিনিয়ারের বাড়িতে হানা দিয়ে প্রায় ২৩ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছিল। কোমডের মধ্যেও টাক গুঁজে রাখা ছিল। ঘরের যেখানে হাত দিয়েছে সেখানে টাকা মিলেছিল। প্রশ্ন তাহলে কী এরাজ্যে আরও কালো কোটি কোটি রয়েছে নেতা-ব্যবসায়ীদের একাংশের বাড়িতে?আরও পড়ুনঃ ইডির হানায় খাস কলকাতায় মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ মহিলার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার কোটি কোটি টাকা, বিদেশি মুদ্রালকডাউনে সাধারণ মানুষের দুর্দশার শেষ ছিল না। পরবর্তী সময়েও সেই দুর্দশা সেভাবে অনেকেই কাটিয়ে উঠতে পারেনি। দৈনন্দিন খরচের তুলনায় রোজগারও কমেছে। জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া। এটা সত্যি আমবাঙালীর নুন আনতে পান্তা ফুরানোর অবস্থা। সেই পরিস্থিতিতে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার যেন সাধারণের ক্ষোভ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। একশ্রেণির কাজ নেই, চাকরি নেই, কোনওরকমে দিন গুজরান চলছে, আরেক শ্রেণি বেআইনি ভাবে কোটি কোটি টাকা রোজগার করছে। অর্পিতা বলছেন, তাঁর বাড়িতে টাকা রেখেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী বলছেন তিনি কোনও টাকা রাখেননি। তাহলে ৫০ কোটি টাকা কী ভুতে রেখে গিয়েছে?আরও পড়ুনঃ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর এবার অনুব্রত মন্ডল গ্রেফতার, গরুপাচার মামলায় সিবিআইয়ের জালে তৃণমূলের কেষ্টসাধারণের দাবি, প্রকৃতই এই কালো টাকার মালিক কারা তা প্রকাশ করতেই হবে। পাশাপাশি তাঁদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে। দিনের পর দিন তোলাবাজি, কাটমানি, দুর্নীতি করে সাধারণ মানুষের জীবন-জীবীকা বিপন্ন করে একশ্রেণির মানুষ ফুর্তি-আয়াসে দিন কাটাবে তা চলতে পারে না। সরকারের উপযুক্ত পদক্ষেপ করা উচিত।আরও পড়ুনঃ চিটফান্ড মামলায় গ্রেফতার হালিশহর পৌরসভার চেয়ারম্যান রাজু সাহানিতোলাবাজি, কাটমানি, দুর্নীতি করে জনপ্রতিনিধি ও সরকারি আধিকারিকদের একাংশ কীভাবে ক্রোড়পতি হয়েছেন তা আজ নানা প্রশ্ন। প্রকৃত তদন্ত হলে সেই সত্য উদ্ঘাটিত হবেই। যার ভাঙা সাইকেল, টালির বাড়ি ছিল সে আজ শুধু রাজনীতি করে নামে-বেনামে কোটি টাকা ও সম্পত্তির মালিক। এমনই কী চলতে থাকবে? বঞ্চিত থাকবে দেশের জনগণ? শিক্ষার কোনও মূল্য থাকবে না? নামেই ভিজিলেন্স?আরও পড়ুনঃ ফের কলকাতায় টাকার পাহাড়, ব্যবসায়ীর বাড়ির খাটের নীচে বান্ডিল বান্ডিল টাকা উদ্ধার ইডিরবিশিষ্ট কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের কথায়, জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে, চিরস্থির কবে নীর, হায় রে, জীবন-নদে? একটা জন্মে মানুষ কোথায় ভাল কাজ করে দাগ রেখে যাবে তা নয়, যত অন্য়ায়, দুর্নীতি, পাপকাজ করার ঠিকা নিয়ে সমাজ ব্যবস্থা ধ্বংসের খেলায় মেতেছে একাংশ। শুধু টাকার নেশায় মত্ত। সব কিছুর যেমন শেষ আছে একদিন এই ব্যবস্থাও কিন্তু শেষ হবে। তার পরিণতি কখনও ভাল হতে পারে না। তাই এখনই এসব অপকর্ম বন্ধ করতে উদ্যোগী হতে হবে। শুধু স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য এসব চলতে দিলে একদিন বাঙালি জাতির অস্তিত্ব সংকট হতে বাধ্য। জাতিসত্তা তখন ইতিহাসেই থেকে যাবে। তখন সব কিছুই হাতের বাইরে চলে যাবে। কোন নিয়ন্ত্রণই করা সম্ভব হবে না।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২
কলকাতা

ফের কলকাতায় টাকার পাহাড়, ব্যবসায়ীর বাড়ির খাটের নীচে বান্ডিল বান্ডিল টাকা উদ্ধার ইডির

কলকাতাজুড়ে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তল্লাশিতে মিলল কোটি কোটি। এখন ইডির তল্লাশি মানেই টাকার পাহাড়ের সন্ধান। শনিবার গার্ডেনরিচে ব্য়বসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে খাটের তলা থেকে কোটি কোটি উদ্ধার করেছে ইডি। পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্য়ায়ের বাড়ি থেকে কোটি কোটি টাকা পাওয়ার পর একনাগাড়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তল্লাশি চালিয়ে টাকা উদ্ধার চলছে।এদিন সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ কলকাতার বেশ কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি চালায় ইডি। পরিবহণ ও এক্সপোর্ট-ইমপোর্টের ব্যবসায়ী আমির খানের বাড়িতে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে হানা দেয় ইডি। নিয়ে আসে টাকা গোনার মেশিন। ওই ব্যবসায়ীর ঘরের খাটের তলা থেকে ইতিমধ্যে ৭ কোটি উদ্ধার করেছে ইডি। বাকি টাকা গোনার কাজ চলছে। সঙ্গে রয়েছে ব্যাংকের আধিকারিক। মোমিনপুর, পার্কস্ট্রিটেও তল্লাশি চালায় ইডি{কেন বাড়িতে কোটি কোটি রাখা হয়েছে? এগুলি কী ওই ব্যবসায়ীরই টাকা না কেউ এই টাকা রেখে গিয়েছে তা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে ইডি{ সূত্রের খবর, মোবাইল গেম প্রতারণার মাধ্যমে এই কালো টাকা এসেছে{ প্লাস্টিকের প্যাকেট করা ২হাজার, ৫শো টাকার নোট মিলেছে। আছে ২শো চাকার নোটের বান্ডিলও।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

এ যেন, জেলা জুড়ে বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের মেলা চলছে

বর্ধমানের লাকুর্ডি এলাকা থেকে ৪টি বন্দুক, ৮ রাউণ্ড গুলি সহ গ্রেফতার হল এক দুস্কৃতি। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে লাকুর্ডি এলাকা থেকে নাজেম শেখকে গ্রেফতার করে। ধৃতের কাছ থেকে ৩৪ রাউণ্ড গুলিও উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে ধৃত নাজেম শেখ নদীয়া জেলার হাটগাছা এলাকার বাসিন্দা। সে নদীয়া ও মুর্শিদাবাদ থেকে অস্ত্র নিয়ে এসে বর্ধমানে সাপ্লাই করতো বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান। শুক্রবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে তোলা হয়।এর পাশাপাশি লাকুর্ডি এলাকা থেকে তিনটি ব্যাগে ৩৪ টি বোমা ও উদ্ধার করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ। গতকাল রাতে এই বোমাগুলি লাকুর্ডি এলাকায় একটি খোলা জায়গায় পরে থাকতে দেখা যায়। পুলিশ জায়গাটি ঘিরে রেখেছে। খবর দেওয়া হয়েছে বোম স্কোয়াড টিমকে। আগ্নেয়াস্ত্র সহ ধৃত নাজেম শেখের উদ্ধার হওয়া এই বোমার সাথে কোনো সম্পর্ক আছে কিনা সে বিষয়টাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

এপ্রিল ০১, ২০২২
রাজ্য

বোমা বন্দুক বেআইনি ভাবে মজুতের ক্ষেত্রে বীরভূমের কেষ্টর গড়ের থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই পূর্ব বর্ধমান

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর ৮ দিনে পূর্ব বর্ধমানে উদ্ধার ৩৬৮টি বোমা ও ৪১টি আগ্নেআস্ত্র , বোমা গুলি ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধারের সংখ্যার বিচারে বীরভূমের থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই প্রতিবেশী পূর্ব বর্ধমান জেলাও। বগটুই কাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রী বোমা গুলি ও অস্ত্রসস্ত্র উদ্ধারের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার পর থেকে বীরভূম জেলা পুলিশ যেমন অভিযানে নামে তেমনই অভিযানে নামে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশও।মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর বীরভূম জেলা পুলিশ অভিযানে নেমে চারদিনে উদ্ধার হয় ৪০০-র বেশী বোমা ও ৩০ কেজির বেশী বোমা তৈরীর মশলা। আর পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ৮ দিনে অর্থাৎ ৩১ মার্চ পর্যন্ত উদ্ধার করেছে ৩৬৮টি বোমা ও ৩ কেজি বোমা তৈরির মশলা। এছাড়াও উদ্ধার হয়েছে ৪১ টি আগ্নেআস্ত্র ও ৭৭ টি গুলি।বেআইনি ভাবে অস্ত্রসস্ত্র মজুতের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছে ৪৫ জন্য দুস্কৃতি। এই তথ্য সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।শুরু হয়ে গিয়েছে শাসক ও বিরোধীদের তর্জা।মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষানার দিন রাতেই আগ্নেআস্ত্র সহ দুই দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করে বর্ধমান থানার পুলিশ। এর পর থেকেই জেলার বিভিন্ন থানা এলাকা থেকে বোমা, গুলি ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধার হয়েই চলে। অস্ত্রসস্ত্র উদ্ধারে বড়সড় সাফল্য পায় কাটোয়া থানার পুলিশ। তারা এক রাতের অভিযানে তিন দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি ৪ টি বন্দুক,২৪ রাউণ্ড বন্দুকের গুলি ,১ টি পিস্তল ও ২ রাউণ্ড পিস্তলের গুলি ও ১৬ টি সকেট বোমা উদ্ধার করে ।ভাতার,দেওয়ানদিঘী ও গলসি থানার পুলিশও ভরি সংখ্যায় বোমা উদ্ধার করে। এইসব থানা গুলি বোমা ও বন্দুক উদ্ধারে সফল হলেও জেলার জামালপুর, মাধবডিহি ও শক্তিগড় থানার পুলিশ তেমন কোন সফলতা দেখাতে পারে নি।তবে কালনা মহকুমার একাধীক থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে বেশকিছু আগ্নেআস্ত্র, বোমা, গুলি উদ্ধার করেছে। কালনা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও) সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন, ২৯ ও ৩০ মার্চ, এই দুদিন অভিযান চালিয়ে কালনা ,নাদনঘাট ও মন্তেশ্বর থানার পুলিশ ৬ টি আগ্নেআস্ত্র ও বেশ কয়েকটি গুলি উদ্ধার করেছে। বেআইনি ভাবে আগ্নেআস্ত্র মজুতের অভিযোগে ৫ জন গ্রেপ্তার হয়েছে বলে এসডিপিও জানিয়েছেন।জেলা তৃণমূলের নেতৃত্ব এই বিষয়টিকে পুলিশের সাফল্য বলে দাবী করলেও কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধীরা। বিজেপি নেতা কল্লোল নন্দন এদিন বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বলার পরেই পুলিশ একেবারে ম্যাজিকের মত বোমা, গুলি,আগ্নেআস্ত্র উদ্ধার করে ফেললো। তাহলে এতদিন পুলিশ কি কারণে হেলদোল দেখাইনি সেটা ভেবেই তাঁদের আশ্চর্য্য লাগছে। তবুও এটা প্রকাশ্যে এল যে বোমা বন্দুক বেআইনি ভাবে মজুতের ক্ষেত্রে বীরভূমের কেষ্টর গড়ের থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই পূর্ব বর্ধমান।

এপ্রিল ০১, ২০২২
রাজ্য

পুলিসি তৎপরতায় বোমা ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধার অব্যহত পূর্ব বর্ধমানে

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর থেকে পূর্ব বর্ধমান জেলায় অব্যাহত রয়েছে বোমা,গুলি ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা। সোমবারের পর মঙ্গলবারও জার ভর্তি বোমা বোমা উদ্ধার হল জেলার গলসি ও রায়না থানা এলাকায়। একই দিনে আগ্নেআস্ত্র ও কার্তুজ সহ এক দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করেছে খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ। অস্ত্রসস্ত্র ও বোমা উদ্ধার অভিযান জারি থাকবে বলে জেলার পুলিশ কর্তারা জানিয়ে দিয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে গলসি ১ ব্লকের করকডাল ও শিড়রাই গ্রামের পশ্চিম পাড়া থেকে উদ্ধার হয়েছে জার ভর্তি বেশ কিছু বোমা । তার পর থেকে পুলিশ ওই দুই জায়গা ঘিরে রেখে বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডে খবর দেয়। মঙ্গলবার বোম ডিসপোজাল স্কোয়াড দুই জায়গা থেকে বোমা গুলি উদ্ধার করে নির্জন জায়গায় নিয়েগিয়ে নিস্কৃয় করে। কারা এলাকায় বোমা জড়ো করেছিল তার তদন্ত গলসি থানার পুলিশ শুরু করেছে। রায়না থানার পুলিশও এদিন হিজলনা অঞ্চলের ফুলবাড়ি এলাকার একটি ঝোপ থেকে জারে ভর্তি বোমা উদ্ধার করেছে। পুলিশের দাবি কয়েকদিন ধরে পুলিশ হিজলনা অঞ্চলে রুটমার্চ করে। তাতেই ভীত হয়ে কোন দুস্কৃতি দলের কেউ রাতের অন্ধকারে জার ভর্তি বোমা ঝোপে লুকিয়ে রেখে পালিয়ে থাকতে পারে। এরই পাশাপাশি খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বীচখাঁড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শ্রীমন্ত ঘাঁটি নামে এক দুস্কৃতিকে ধরে। পুলিশের দাবী তল্লাশীতে ধৃতের কাছথেকে একটি আগ্নেআস্ত্র ও একটি কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। তদন্তের প্রয়োজনে পুলিশ ধৃতকে এদিনই বর্ধমান আদালতে পেশ করে নিজেদের হেপাজতে নিয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাজ্য

দ্বিতীয় 'বগটুই' হতে যাওয়ার আগে রুখে দিল কাটোয়া থানার পুলিশ- অস্ত্রসস্ত্র সহ গ্রেপ্তার ৩ দুস্কৃতি

বিরোধী পক্ষের হাত থেকে খাসজমির দখল ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য বিপুল অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে অপেক্ষা করছিল দুস্কৃতি দল। তাঁদের পরিকল্পনা ছিল শনিবার গভীর রাতে পূর্ব বর্ধমানের শ্রীবাটি গ্রামে গিয়ে বিরোধী পক্ষের উপর হামলা চালানো। আর তেমনটা হলে হয়তো দ্বিতীয় বগটুই এর মত ঘটনা ঘটে যেতে পারতো। কিন্তু তা আর হতে দেয়নি কাটোয়া থানার পুলিশ। রাতেই অভিযান চালিয়ে কাটোয়া থানার পুলিশ অস্ত্রসস্ত্র সহ তিন দুস্কৃতিকে ধরে ফেলে। দুই দুস্কৃতি পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও দুস্কৃতি দলের সমস্ত পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে পেরে আপাত স্বস্তিতে কাটোয়া থানার পুলিশ।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম জামীর আলি মণ্ডল, বজরুল শেখ ওরফে কালো শেখ এবং সইদুল শেখ ওরফে ফুটো। ধৃতদের সকলের বাড়ি শ্রীবাটি গ্রামেই। পুলিশের দাবী ধৃতদের মজুত করা ৪ টি রাইফেল, ২৪ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, একটি পিস্তল ও ২ রাউন্ড পিস্তলের গুলি এবং ১৬ টি সকেট বোমা উদ্ধার হয়েছে। দুস্কৃতিদের এত বিপুল অস্ত্র ভান্ডার দেখে চোখ কার্যত কপালে উঠে যায় পুলিশ কর্তাদের। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ তিন ধৃতকেই রবিবার পেশ করে কাটোয়া মহকুমা আদালতে। আরও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধার ও পলাতক দুস্কূতিদের নাগাল পেতে তদন্তকারী অফিসার এদিন ধৃতদের ১২ দিন নিজেদের হেপাজতে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন জানান। বিচারক সেই আবেদন মঞ্জুর করেছেন। হেপাজতে নেওয়া দুস্কৃতিদের জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে অস্ত্রসস্ত্রের উৎসের সন্ধান চালাচ্ছে।এছাড়াও দুস্কৃতিরা আর কোথাও অস্ত্র মজুত করে রেখেছে কিনা সেই বিষয়েও পুলিশ খোঁজ খবর নিচ্ছে ।উদ্ধার হওয়া শকেট বোমা নিস্কৃয় করার জন্য কাটোয়া থানার পুলিশ বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডে খবর দিয়েছে।কাটোয়া থানার এক পুলিশ অফিসার জানান গ্রেপ্তারের পর ধৃতদের জিজ্ঞাবাদ চালানো হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, শ্রীবাটি গ্রামের একটি খাস জমি নিয়ে বজরুল শেখ এর সঙ্গে ওই গ্রামেরই অন্য আর একটি গোষ্ঠীর মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে বিবাদ চলছে। বিবাদের কোন নিস্পত্তি হয় নি। তার কারণে বজরুল শেখ তাঁর বিরোধী পক্ষের উপরে প্রাণঘাতী হামলা চালানোর পরিকল্পনা চুড়ান্থ করে ফেলে। পরিকল্পনা মাফিক হামলার আগে বোমা, বন্দুক সহ অন্য আরো অস্ত্রসস্ত্র আগে থেকেই জোগাড় করে রাখা হয়েছিল। শনিবার রাতে বিরোধী পক্ষের উপর হামলার চালানোর চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত বজরুল নিয়ে ফেলেছিল। শনিবার গভীর রাতে তাঁরা গ্রামের এক জায়গায় অস্ত্রসস্ত্র হামলা চালানোর জন্য অপেক্ষা করছিল বজরুল শেখ ও তাঁর দলবল। কাটোয়া থানার পুলিশ গোপন সূত্রে সেই খবর পেয়ে গিয়ে অভিযান চালানোয় সব পরিকল্পনা ভেস্তে যায় বলে ধৃত দুস্কৃতিরা জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ কে জানিয়েছে।

মার্চ ২৭, ২০২২
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানে পরিত্যক্ত দুটি জারে প্রচুর বোমার হদিস, ব্যাপক চাঞ্চল্য

ফের পূর্ববর্ধমানে উদ্ধার হল প্রচুর সংখ্যক বোমা। দেওয়ানদীঘি থানার তালিত রেল গেটের কাছে পীরতলা লাগোয়া মাঠে পরিত্যক্ত দুটি জারে প্রচুর পরিমাণ বোমার হদিস পেল পুলিশ। শনিবার গভীর রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দেওয়ানদীঘি থানার পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বর্ধমান বোলপুর জাতীয় সড়কের (NH 2B)পাশে একটি মাঠের মধ্যে দুটি জারে বোমা রাখা আছে। রবিবার বোম্ব স্কোয়াড এর এক্সপার্ট টিম আসার পরই সঠিক ভাবে জানা যাবে কি ধরনের বোম এগুলি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বোমার হদিস পাওয়ার পরই জায়গাটি ঘিরে ফেলা হয়েছে।অধিক রাতে এই বোমা উদ্ধারের ঘটনায় আশপাশের গ্রামের লোকজন সেভাবে টের পায়নি। রবিবার সকালে ঘটনাস্থলে পুলিশ দেখতে পেয়ে বোমার বিষয়ে জানতে পারে স্থানীয় মানুষজন। ঘটনার কথা জানাজানি হতেই আতঙ্কে রয়েছে স্থানীয়রা। দেওয়ানদীঘি থানার পুলিশ এলাকাটি ঘিরে রেখেছে।কারা এই জার ভর্তি বোমা লোকালয়ে রেখে গেল সেই ব্যাপারে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে দেওয়ানদীঘি থানার পুলিশ। প্রসঙ্গত, শুক্রবার গভীর রাতে বর্ধমান শহরের সরাইটিকর পঞ্চায়েতের কৃষ্ণপুর পশ্চিমপাড়া এলাকার একটি বাড়ি থেকে একটি নাইলনের ব্যাগে চারটি ক্রুড বোমা উদ্ধার করে বর্ধমান থানার পুলিশ। আর এরপরই শনিবার রাতে ফের তালিতের এই ঘটনায় জেলা পুলিশ মহলেও আলোড়ন পড়েছে

মার্চ ২৭, ২০২২
রাজ্য

ওয়াকফ সম্পত্তি বিক্রীতে বাধা হয়ে দাঁড়ানোই, বাড়িতে বোমা মজুতের অভিযোগে গ্রেপ্তার চাষি-গ্রেপ্তারি নিয়ে ধোঁয়াসা

ওয়াকফ সম্পত্তিতে থাবা বসাতে চাওয়া প্রোমোটারদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব হওয়া চাষির বাড়ির ছাদ থেকে উদ্ধার হল বোমা। রহস্যজনক সেই বোমা উদ্ধারের ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ গ্রেপ্তার করলো ওই বাড়ির মালিক তথা চাষি ফিরোজউদ্দিন মল্লিককে। বর্ধমান থানার কৃষ্ণপুর পশ্চিমপাড়ার এই ঘটনা এলাকাবাসী মহলে তুমুল চাঞ্চল্য ফেলে দিয়েছে। বোম ডিসপোজাল স্কোয়াড উদ্ধার হওয়া বোমা গুলি এদিন বিকালে নিস্কৃয় করে। যদিও এলাকাবাসী ও ফিরোজউদ্দিনের পরিবার সদস্যরা দাবী করছেন, ওয়াকফ সম্পত্তি বিক্রী আটকানোর জন্যই প্রমোটার ও জমি দালালরা চক্রান্ত করেই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। ঘটনার নিন্দায় সরব হয়েছেন এলাকাবাসী।বর্ধমানের কেষ্টপুর গ্রামের এক প্রান্তে বাড়ি পেশায় চাষি ফিরোজউদ্দিন মল্লিকের। স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে তিনি ওই বাড়িতেই থাকেন। ফিরোজউদ্দিনের ছেলে ইব্রাহিম মল্লিক এদিন বলেন,শুক্রবার অনেকটা রাতে তাঁদের বাড়িতে পুলিশ আসে। পুলিশ তাঁদের ঘুম থেকে তোলে। ঈব্রাহিম জানায় কি কারণে গভীর রাতে পুলিশ তাঁদের বাড়িতে তা সে জানতে চায়। তখন পুলিশের একজন তাঁকে চড় মেরে বলে, তাঁদের বাড়িতে বোমা রাখা আছে। ফিরোজউদ্দিনের স্ত্রী সাকিলা বানু অভিযোগে বলেন,মধ্য রাতে তাঁদের বাড়িতে পুলিশ ঢুকে হুমকি দেয়। বাড়িতে থাকা অন্য মহিলাদেরও পুলিশ ধমকায়। সাকিলা বিবি দাবী করেন, তাঁদের পরিবার চাষবাস করে জীবিকা নির্বাহ করে। পরিবারের কেউ রাজনীতিও করে না। চক্রান্ত করে কেউ ব্যাগে ৪টি বোমা ভরে নিয়ে এসে তাঁদের বাড়ির বাথরুমের ছাদে রেখে দিয়ে গিয়ে পুলিশকে ফোন করেছে। তাঁরা নির্দোশ বলে জানান সাকিলা বিবি।পুলিশ যদিও ফিরোজউদ্দিণের পরিবাবার সদস্যদের এইসব বক্তব্যকে কোন গুরুত্ব দেয় নি। বর্ধমান থানার সাব-ইন্সপেক্টর সঞ্জয় মণ্ডলের অভিযোগের ভিত্তিতে বাড়িতে বোমা মজুত রাখার অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিশ ফিরোজউদ্দিন মল্লিককে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ দাবি করেছে, ধৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে বোমার কারবারে সঙ্গে জড়িত। তাঁর সঙ্গে আরও কয়েকজন এই কারবারে জড়িত রয়েছে। এদিনই ধৃত ফিরোজউদ্দিন কে পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। আরও বোমা উদ্ধার ও ঘটনায় জড়িত বাকিদের হদিশ পেতে তদন্তকারী অফিসার এদিন ধৃতকে ৫ দিন পুলিশি হেপাজতে নেবার জন্য আদালতে আবেদন জানায়। ধৃতের আইনজীবী অবশ্য মিথ্য মামলায় ফাঁসানোর হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশি হেপাজতের বিরোধীতা করেন। দুই পক্ষের সওয়াল শুনে সিজেএম ধৃতকে ৪ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।এই ঘটনা কার্যতই হতবাক করে দিয়েছে এলাকাবাসীকে। তাঁরা দাবী করেছেন, ফিরোজউদ্দিনের পরিবারটি সাতেপাঁচে থাকে না। প্রতিবেশী সোনেহারা বিবি ও সালমা বেগম বলেন, এই ঘটনার নিয়ে আমরা শুধু আতঙ্কিতই নই, বিস্মিতও হয়েছি। কারণ, ফিরোজউদ্দিনের পরিবার চাষবাস নিয়েই থাকে। এরকম কিছুতে ওদের জড়িত থাকাটা কোন ভাবেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। এলাকাসূত্রে এও জানা গিয়েছে ,একটি ওয়াকফ সম্পত্তি প্রমোটারদের বিক্রিতে বাঁধা দিয়েছিলেন ফিরোজউদ্দিন ও তাঁর পরিবার সদস্যরা। এলাকাবাসীর ধারণা, তার কারণেই প্রোমোটার ও জমির দালালরা ফিরোজ উদ্দিনের পরিবারকে ফাঁসাতে এমন ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বার করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

মার্চ ২৭, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানের কেষ্টপুর থেকে উদ্ধার হওয়া বোমা রাখা নিয়ে প্রশ্ন অভিযুক্তের পরিবারের

পূর্ব বর্ধমানের কেষ্টপুর গ্রাম থেকে বোমা উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়াল। এই ঘটনায় পুলিশ ফিরোজউদ্দিন মল্লিক নামে এক গ্রামবাসীকে আটক করেছে। তাঁর পুত্রকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এদিকে এলাকাবাসীর দাবি, ওই পরিবারটি কারও সাতেপাঁচে থাকে না। পুত্র ইব্রাহিম মল্লিকের দাবি, বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ এসে তাঁকে ঘুম থেকে তোলে। তাঁকে চড় মারা হয়। তারপর বলা হয় বাড়িতে বোম রাখা আছে। তাঁর মা সাকিলা বানুর দাবি, মধ্যরাতে পুলিশ এসে হুমকি দেয়। মেয়েদের ধমকায়। তাঁর দাবি, কেউ বোমা রেখেই পুলিশকে খবর দিয়েছে। তাঁরা এসবে জড়িত নন।এলাকার বাসিন্দা সোনেহারা বিবি, সালমা বেগমরা একদিকে আতঙ্কিত অন্যদিকে বিস্মিত। তাঁরা জানান, এই পরিবারটি চাষবাস নিয়ে থাকে। এরকম কিছুতে তাঁরা জড়িত থাকা কার্যত অসম্ভব। এলাকা সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি ওয়াকফের সম্পত্তি বিক্রিতে বাঁধা দেন এই পরিবারের সদস্যরা। এলাকাবাসীর ধারণা, প্রোমোটাররা সেকারণেই এইরকম কারসাজি করে থাকতে পারে। পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ সুপার কামনাশিষ সেন জানিয়েছেন, এটা নিয়ে একটি কেস করা হবে। এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তদন্ত চলছে।

মার্চ ২৬, ২০২২
রাজ্য

নাকা চেকিংয়ে ব্যবসায়ীর গড়ি থেকে উদ্ধার আয় বহির্ভূত প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা

আয়কর দফতরের নজর এড়াতে পারলেও পুলিশের নজর এড়াতে পারলেন না ব্যবসায়ী। মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের ভাতার পুলিশের নাকা চেকিংয়ে ধরা পড়া ব্যবসায়ীর গাড়ি থেকে উদ্ধার হল আয় বহির্ভূত প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা। ওই বিপুল পরিমাণ টাকা পুলিশ বাজেয়াপ্ত করার পর খবর দেয় আয়কর বিভাগে। সরকারী নিয়ম মেনে পুলিশ এদিনই ওই টাকা আয়কর বিভাগের হাতে তুলে দেয়। ব্যবসায়ী ওই বিপুল পরিমাণ টাকা কোথা থেকে পেলেন ও কোথায় নিয়ে যাচ্ছিলেন সেই বিষয়ে পুলিশ ও আয়কর বিভাগ উভয়েই খোঁজ খবর নেওয়া শুরু করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ব্যবসায়ীর বাড়ি জেলার কাটোয়া মহকুমার কেতুগ্রামে। মঙ্গলবার সকালে তিনি তাঁর চারচাকা গাড়িতে চড়ে বাদশাহী রোড ধরে মঙ্গলকোটের নতুনহাটের দিক থেকে বর্ধমানের দিকে যাচ্ছিলেন। ওই সময়ে ভাতার থানার পুলিশ বাদশাহী রোডে আলিনগর চৌরাস্তার মোড়ের কাছে নাকাচেকিং চালাচ্ছিল। ভাতার থানার ওসি সৈকত মণ্ডল জানিয়েছেন, পুলিশ ব্যবসায়ীর গাড়িতে তল্লাসি চালানোর সময় গাড়ির ভিতরে দুটি বড় ব্যাগ দেখতে পায়। সন্দেহ হওয়ায় পুলিশ দুটি ব্যাগের চেন খুলতেই দেখতে পায় ব্যাগ গুলির ভিতরে ভরা রয়েছে। ৫০০ ও ২০০ টাকার বাণ্ডিলের ওই টাকা গুনে দেখা যায় দুটি ব্যাগে মোট ৫৯ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা ছিল। ও সি জানান, ওই টাকার উৎস সংক্রান্ত কোনও তথ্য ব্যবসায়ী দিতে না পারায় উদ্ধার হওয়া সমস্ত টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ওই টাকা এদিনই আয়কর বিভাগের হাতে তুলে দেয় ভাতার থানার পুলিশ।

মার্চ ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কেমন আছেন লতা মঙ্গেশকর? তাঁর শারীরিক অবস্থার আপডেট দেওয়া হল

করোনা আক্রান্ত হয়ে লতা মঙ্গেশকরের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর পেয়ে অনেকেই হতাশ হয়েছেন। আপাতত মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি আছেন তিনি। ডক্টর প্রতীত সামদানির তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছে তাঁর। বর্ষীয়ান গায়িকা কেমন আছেন তাঁর স্বাস্থ্যের আপডেট নিয়মিত দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। খবর পেয়ে স্বস্তি পাচ্ছেন লতা মঙ্গেশকরের ভক্তরা। এদিনও তাঁর স্বাস্থ্যের আপডেট দিল চিকিৎসকরা। লতা মঙ্গেশকরের টুইটারে এদিন লেখা হয়েছে, মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালেই লতা দিদির চিকিৎসা চলছে। তাঁকে সকালে কৃত্রিম শ্বাসযন্ত্র থেকে বের করার পরীক্ষা চালানো হয়েছে। বর্তমানে তাঁর স্বাস্থ্যে উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে ডাক্তার প্রতীত সামদানি ও তাঁর টিমের তত্ত্বাবধানেই চিকিৎসা চলবে তাঁর। সকলকে ধন্যবাদ সেরে ওঠার জন্য প্রার্থনা ও শুভেচ্ছা পাঠানোর জন্য। এর আগে লতা মঙ্গেশকরের পরিবারের তরফে জানানো হয়েছিল তিনি কেমন আছেন এই নিয়ে অনেক ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছে। সেই ভুয়ো খবর দেওয়া যেন বন্ধ করা হয়।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন লতা মঙ্গেশকর

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার বিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হন লতা মঙ্গেশকর। মৃদু উপসর্গ নিয়ে ৯২ বছর বয়সী গায়িকা হাসপাতালে ভর্তি হন। তিনি অনেকটাই ভালো আছেন এখন। নিজেকে সুস্থ করে তুলছেন আস্তে আস্তে। চিকিৎসক প্রতীন সমদনি তাঁর দেখভাল করছেন। তাঁর বর্তমান শারীরিক অবস্থা নিয়ে চিকিৎসক বিবৃতি দিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন,সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে লতার চিকিৎসক বলেছেন, এই মুহূর্তে উনি আইসিইউ-তে রয়েছেন। ওঁর উপরে সব সময়ে নজর রাখা হচ্ছে। ওঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করুন আপনারা। এখন বেশ কিছু দিন উনি আইসিইউ-তেই থাকবেন। তাঁর চিকিৎসার কোনো ত্রুটি রাখা হচ্ছে না।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
দেশ

দিল্লির ফুলবাজারে ব্যাগ ভর্তি আইইডি উদ্ধার

দিল্লির ভরা বাজার থেকে উদ্ধার আইইডি ভর্তি ব্যাগ। শুক্রবারে সকালে দিল্লির ফুলের বাজারে ঠাসাঠাসি ভিড়, ঠিক তখনই ওই ব্যাগটি একটি দোকানের সামনে রেখে চলে যান এক ক্রেতা। পরে পুলিশ এসে পুরো বাজার চত্বর খালি করে দেয়। এলাকাটি ঘিরে ফেলে নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ঘটনাটির নেপথ্যে কোনও জঙ্গিযোগ আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, যারা এই কাজ করেছে, তাদের লক্ষ্য ছিল বড় নাশকতা এবং বেশি ক্ষয়ক্ষতি। ঠিক সময়ে সতর্ক হওয়ায় তা এড়ানো গিয়েছে।এই ঘটনার সঙ্গে কোনও জঙ্গি সংগঠন জড়িত কি না, তা পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। বিশেষ করে সাধারণতন্ত্র দিবসের আগে জঙ্গি নাশকতার সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দিতেও পারছেন না তদন্তকারীরা। ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার সকাল ৯টা নাগাদ দিল্লির গাজিপুর ফুলের বাজারে। সকালের এই সময়েই বাজারটিতে ভিড় থাকে সবচেয়ে বেশি। ক্রেতাদের পাশাপাশি, বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ফুলচাষিরাও হাজির থাকেন এই সময়ে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পুলিশ জানতে পেরেছে, এক ব্যক্তি একটি স্কুটারে চেপে ফুলের দোকানে এসে ফুল কেনেন। তারপর স্কুটার এবং ব্যগ দুটিই দোকানের সামনে রেখে চলে যান। তবে ওই ব্যক্তি কে তা ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করতে পারেনি পুলিশ।শুক্রবার পুলিশকে খবর দেন ফুলের বাজারের এক দোকানি। তিনি জানিয়েছেন, ব্যাগ সমেত স্কুটারটিকে দোকানের সামনে দাঁড় করানো দেখে তাঁর সন্দেহ হওয়ায় পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ এসে ওই ক্রেতার ফেলে যাওয়া ব্যাগের ভিতর থেকে শক্তিশালী আইইডি বিস্ফোরক উদ্ধার করে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
দেশ

MI-17 Black Box: অভিশপ্ত এমআই-১৭-র শেষ মূহুর্তের বিবরণ দিতে পারে উদ্ধার হওয়া ব্ল্যাক বক্স

বিপিন রাওয়াতের হেলিকপ্টারের ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করা হল। বৃহস্পতিবার সকালেই তা উদ্ধার করা হয়েছে তামিলনাড়ুর কুন্নুরে দুর্ঘটনাস্থল থেকে কিছু দূরে।কীভাবে দুর্ঘটনার মুখে পড়ল প্রতিরক্ষা প্রধান বিপিন রাওয়াতের হেলিকপ্টার, এই নিয়ে উঠছে নানা ধরনের প্রশ্ন। রাশিয়ায় তৈরি অত্যাধুনিক এম-১৭ ভি৫ হেলিকপ্টারটি ভেঙে পড়ার পিছনে যান্ত্রিক গোলযোগ, অন্তর্ঘাত, দৃশ্যমানতার সমস্যা-এই ধরনের একাধিক তত্ত্ব উঠে এসেছে। এরইমাঝে সামনে এল একটি ভিডিও, যেটি দুর্ঘটনাগ্রস্ত হেলিকপ্টারটি ভেঙে পড়ার আগের মুহূর্তের বলেই মনে করা হচ্ছে। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, আকাশে পাক খাচ্ছে হেলিকপ্টারটি। মনে করা হচ্ছে, গোটা আকাশ কুয়াশায় ঢাকা থাকায়, দৃশ্যমানতার সমস্যার কারণেই ভেঙে পড়ে হেলিকপ্টারটি। আসলে কী হয়েছিল তা বলবে উদ্ধার হওয়া ব্ল্যাক বক্সই।Critical equipment of IAF Mi-17 that crashed near Coonoor near Tamil Nadu recovered by Air Force officials from the spot pic.twitter.com/4AD3NEHBdZ ANI (@ANI) December 9, 2021ব্ল্যাক বক্স বা বিমানের ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার আদতে উড়ানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং ককপিটের কথাবার্তা রেকর্ড করে। দেশের প্রথম সেনা সর্বাধিনায়কের কপ্টার দুর্ঘটনাগ্রস্ত হওয়ার আগে কোন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে গিয়েছিল, তা এই ব্ল্যাক বক্স পরীক্ষা করে জানা যাবে বলে অনুমান।#WATCH | Final moments of Mi-17 chopper carrying CDS Bipin Rawat and 13 others before it crashed near Coonoor, Tamil Nadu yesterday(Video Source: Locals present near accident spot) pic.twitter.com/jzdf0lGU5L ANI (@ANI) December 9, 2021বুধবার দুপুরে কপ্টারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ার পর থেকেই ব্ল্যাক বক্সের সন্ধান চালাচ্ছিলেন উদ্ধারকারীরা। তবে দুর্ঘটনাস্থলের ৩০০ মিটার পরিধিতে তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে তল্লাশির পরিধি বাড়িয়ে ১ কিলোমিটার করা হয়। এর পরই বৃহস্পতিবার সকালে সন্ধান মেলে ব্ল্যাক বক্সের।বুধবার দুপুরে কুন্নুরে নীলগিরি পাহাড়ের একটি চা বাগিচার লাগোয়া জঙ্গলে ভেঙে পড়ে রাওয়াতের হেলিকপ্টার। তিনি ছাড়াও ওই কপ্টারে ছিলেন তাঁর স্ত্রী মধুলিকা এবং আরও ১২ জন। এঁদের মধ্যে ১৩জনই ঘটনাস্থলে মারা যান। তারপরই প্রশ্ন ওঠে রুশ কপ্টার এমআই ১৭ভি৫-এর নিরাপত্তা নিয়ে।দেশের ভিভিআইপি বা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের পরিবহণের জন্য ব্যবহার করা হয় এই কপ্টার। এর নিরাপত্তা ব্যবস্থাও অন্য কপ্টারের তুলনায় বেশি। প্রাথমিক তদন্তে কুয়াশার কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করা হলেও ব্ল্যাক বক্সটিকে ফরনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Note: ঝোপ থেকে উদ্ধার বাতিল ৫০০-র নোট

পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরে রাস্তার ধারে ঝোপজঙ্গল থেকে উদ্ধার হল লক্ষাধিক টাকার পুরনো পাঁচশো টাকার নোট! আগাছা পরিষ্কার করতে গিয়ে এই পুরনো ৫০০ টাকা ভর্তি বস্তা দেখতে পান ১০০ দিনের কাজের সাফাইকর্মীরা। প্রায় পাঁচ বছর আগে নোট বাতিলে অচল হয়ে যাওয়া এত পুরনো নোট কীভাবে এলাকায় এল, তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। গোটা ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।নোট বাতিলের প্রায় ৫ বছর পর বাতিল পাঁচশো টাকার নোটের দেখা মিলল পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরের সিজোন এলাকায়। সেখানে পড়েছিল গুচ্ছ গুচ্ছ বাতিল ৫০০ টাকার নোট। রাস্তার ধারে দুর্গাপুর পুরসভার আগাছা সাফাইয়ের কাজ চলছিল। সেই সময় শ্রমিকরা দেখতে পান নোটগুলি। কোথা থেকে কীভাবে এল লক্ষাধিক টাকার পুরনো নোট, খতিয়ে দেখছে পুলিশ। উল্লেখ্য, ২০১৬-র ৮ নভেম্বর ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । দুর্নীতি ও কালো টাকা দমনে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয় বলে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তখনকার সময়ে চালু থাকা ৫০০ ও হাজার টাকার নোটকে বাতিল বলে ঘোষণা করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায় রাতারাতি কাগজের টুকরোয় পরিণত হয় ৫০০ ও হাজার টাকার নোট।

জুলাই ২৬, ২০২১
কলকাতা

TMC Councillor: তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলের ফ্ল্যাট থেকে বোমা উদ্ধার

বন্ধ ফ্ল্যাটের (Flat) চাবি খুলতেই নজরে পড়ল কৌটো বোমা। কামারহাটির আনোয়ার বাগানে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, এই ফ্ল্যাটটির মালিক স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে। তার ফলে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোরও তৈরি হয়েছে। এদিকে, বোমা উদ্ধারের ঘটনা সামনে আসার পর থেকেই এলাকাছাড়া তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে। তাই এই ঘটনার সঙ্গে তাঁর যোগসাজশের সন্দেহ আরও জোরাল হয়েছে বলেই দাবি স্থানীয়দের।আরও পড়ুনঃ শিশু মৃত্যুতে ক্ষোভ, পথ অবরোধ নয়াবাজে স্থানীয়দের দাবি, স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর (TMC Councillor) কালামউদ্দিন আনসারির ছেলে চন্দন আনসারির ফ্ল্যাটটি ভাড়া দেওয়া ছিল। কয়েকমাস আগে ভাড়াটে বিহারে চলে যান। শনিবার সন্ধেয় তিনি কামারহাটিতে ফেরেন। তালা খোলার চেষ্টা করেন। তবে দেখেন তাঁর কাছে থাকা চাবি দিয়ে তালা খোলা যাচ্ছে না। কিছুটা অবাক হয়ে যান তিনি। আশেপাশের লোকজনকে সমস্যার কথা জানান। তালা ভেঙে কার্যত ফ্ল্যাটের ভিতরে ঢুকতে যান। তবে দেখেন ঘরের মধ্যে ঠিক গ্যাস সিলিন্ডারের পাশে কমপক্ষে ৫০টি কৌটো বোমা রাখা রয়েছে।প্রতিবেশীদের মাধ্যমে পুলিশে যোগাযোগ করেন ওই ভাড়াটে। পুলিশ তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। কৌটো বোমাগুলি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাঁদের অভিযোগ, এলাকায় দিন দিন দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য বাড়ছে। বাড়ছে অপরাধমূলক কাজকর্মও। তবে তা সত্ত্বেও পুলিশ নিশ্চুপ বলেও অভিযোগ এলাকাবাসীর। কী কারণে বোমা মজুত করা হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে বিরোধীদের দাবি, এলাকায় অশান্তি তৈরি করতেই বোমা মজুত করেছিলেন তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে।

জুন ২৭, ২০২১
রাজ্য

বোমা উদ্ধার

বোমা উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ালো বর্ধমান পুরসভার ২৬ নং ওয়ার্ডের গোদা মাঝের পাড়া এলাকায়। বর্ধমান থানার পুলিশ পৌঁছে ঘটনাস্থল থেকে ২ দুটি তাজা বোমা উদ্ধার করে।এলাকায় অশান্তি ও ভয়ের বাতাবরণ সৃষ্টির লক্ষ্যেই দুষ্কৃতীরা এই বোমাগুলি রেখেছিল বলে দাবী স্থানীয়দের।কোথা থেকে এল বোমাগুলি বা কারা রাখলো বোমাগুলি তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। যদিও পুরো ঘটনায় এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

জুন ১৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ডিভিসির জল ছাড়ায় বাড়ছে বিপদ! ৫০ হাজার কিউসেক পেরিয়ে জল, এবার কি প্লাবনের আশঙ্কা?

টানা বৃষ্টির জেরে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় দুর্যোগের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ঝাড়খণ্ডে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে লাগাতার বৃষ্টি চলছে। তার জেরে দ্রুত বাড়ছে ডিভিসির বিভিন্ন জলাধারের জলস্তর। পরিস্থিতি সামাল দিতে মাইথন এবং পাঞ্চেত ড্যাম থেকে জল ছাড়ার পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। ফলে দামোদর সংলগ্ন নিচু এলাকায় প্লাবনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ডিভিসি সূত্রে জানা গিয়েছে, মাইথন ড্যামের জলস্তর বর্তমানে ৪৮৪.২৫ ফুট। গত ২৪ ঘণ্টায় এই জলাধার থেকে গড়ে প্রায় ৬৪২৫ কিউসেক হারে জল ছাড়া হয়েছে। অন্যদিকে, পাঞ্চেত ড্যামের জলস্তর রয়েছে ৪১৪.১১ ফুট। সেখান থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় গড়ে প্রায় ৪৪ হাজার ৩৭০ কিউসেক হারে জল ছাড়া হয়েছে।দুই ড্যাম মিলিয়ে বর্তমানে গড়ে প্রায় ৫০ হাজার ৭৯৫ কিউসেক জল ছাড়া হচ্ছে। ঝাড়খণ্ড এবং পশ্চিমবঙ্গে টানা বৃষ্টির কারণে দামোদর নদেও জলস্তর বাড়ছে। মাইথন ও পাঞ্চেত থেকে দফায় দফায় ছাড়া জল পৌঁছচ্ছে দুর্গাপুর ব্যারাজে।বুধবার সকাল পর্যন্ত দুর্গাপুর ব্যারাজ থেকে প্রায় ৯৭ হাজার কিউসেক হারে জল ছাড়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়লে জল ছাড়ার পরিমাণও বাড়তে পারে বলে সেচ দপ্তর সূত্রে খবর। সে ক্ষেত্রে নিম্ন দামোদর এলাকার একাধিক জায়গায় প্লাবনের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।ইতিমধ্যেই টানা বৃষ্টিতে আসানসোলের বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন। কোথাও কোথাও জল জমে যাওয়ায় ব্যাহত হয়েছে যান চলাচল। জাতীয় সড়কেও তার প্রভাব পড়েছে।এর মধ্যেই দুর্যোগের আরও একটি ছবি ধরা পড়েছে খনি অঞ্চলে। টানা বৃষ্টির জেরে পাণ্ডবেশ্বরের হরিপুরের ৭ এবং ৯ নম্বর পিট এলাকায় আচমকা ধস নামে। লোকালয়ের একেবারে কাছে মাটি বসে যাওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খনি আবাসনের কাছেই ধস নামায় বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েক দিন ধরেই ওই এলাকায় লাগাতার বৃষ্টি হচ্ছে। তার জেরেই আচমকা মাটি বসে ধস নেমেছে বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হচ্ছে। ধসের জায়গায় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। ফলে আতঙ্ক আরও বেড়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এই এলাকায় এর আগেও ধস নেমেছিল। তাঁদের অভিযোগ, ২০১৮ সালেও একই জায়গায় ধস হয়েছিল। সেই সময় ধসের জায়গাটি খনি কর্তৃপক্ষের তরফে যথাযথ ভাবে মেরামত করা হয়নি বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের। তাঁদের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে আরও বড় বিপদ ঘটতে পারে।বিজেপির যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রবীন্দ্র কুমার যাদবের অভিযোগ, খনি কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাবেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাঁর দাবি, বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। দ্রুত ধসের জায়গা মেরামত করার পাশাপাশি গোটা এলাকায় নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।একদিকে ড্যাম থেকে বাড়ছে জল ছাড়ার পরিমাণ, অন্যদিকে টানা বৃষ্টিতে খনি এলাকায় ধসের ঘটনা। সব মিলিয়ে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক এলাকায় দুর্যোগের পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

টোল দুর্নীতির অভিযোগে কলকাতায় ইডির হানা! শেক্সপিয়র সরণির আবাসনে ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাটে সকালেই তল্লাশি

জাতীয় সড়কের টোল আদায়ে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে বুধবার সকালে কলকাতায় হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শেক্সপিয়র সরণির একটি আবাসনে ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালান কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের সাত রাজ্যের মোট ১৪টি জায়গায় একযোগে অভিযান চালানো হয়েছে বলে খবর।বুধবার সকালেই ছয় সদস্যের ইডির একটি দল শেক্সপিয়র সরণির ওই আবাসনে পৌঁছয়। যে ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানো হয়, সেখানে ব্যবসায়ীর অফিসও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা আবাসনটি ঘিরে রাখেন। আচমকা এই তল্লাশি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, জাতীয় সড়কে টোল আদায় নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগের ভিত্তিতেই এই অভিযান। উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে এই সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেই অভিযোগের তদন্ত করতে গিয়েই দেশের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে খবর।অভিযোগ, বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করে জাতীয় সড়কে নিয়মের বাইরে টোল আদায় করা হত। অনুমোদিত নয় এমন টোলের রসিদ তৈরি করে গাড়িচালকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হত বলে অভিযোগ। পরে সেই টাকা বিভিন্ন কৌশলে সরিয়ে ফেলা হত বলেও তদন্তকারীদের সন্দেহ।অভিযোগ আরও, এই পুরো প্রক্রিয়ায় আলাদা সফটওয়্যার ব্যবহার করা হত। ফলে সরকারি নথিতে সেই লেনদেনের সম্পূর্ণ তথ্য ধরা পড়ত না। এর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকার আর্থিক অনিয়ম করা হয়েছে বলে অভিযোগ সামনে এসেছে।এই অভিযোগের তদন্তে নেমে ডিজিটাল নথি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। টোল থেকে আদায় করা বেআইনি টাকা কোথায় গিয়েছে, কারা সেই টাকার সঙ্গে যুক্ত এবং পুরো ব্যবস্থার নেপথ্যে আর কারা রয়েছেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান-সহ সাতটি রাজ্যে একযোগে অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মোট ১৪টি জায়গায় তল্লাশি চলছে।তবে কলকাতার ব্যবসায়ীর সঙ্গে টোল দুর্নীতির অভিযোগের যোগসূত্র ঠিক কোথায়, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শেক্সপিয়র সরণির ওই ফ্ল্যাট থেকে কী ধরনের নথি বা তথ্য উদ্ধার হয়েছে, সে বিষয়েও তদন্তকারীরা এখনও বিস্তারিত কিছু জানাননি। ফলে কলকাতায় এই তল্লাশির নেপথ্যে ঠিক কী রয়েছে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন প্রশ্ন।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৬
দেশ

নেপালের ভয়াবহ বিপর্যয়ে ফের ছুটল ভারত! ৫.৫ টন ওষুধ আর ১১ উদ্ধারকারী নিয়ে উড়ল বায়ুসেনার বিমান

নেপালের ভয়াবহ হড়পা বানে মৃতের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। এখনও নিখোঁজ চার হাজারেরও বেশি মানুষ। এই পরিস্থিতিতে বিপর্যস্ত নেপালের পাশে আরও বড় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল ভারত। ৫.৫ টন প্রয়োজনীয় জীবনদায়ী ওষুধ এবং বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১১ জনের উদ্ধারকারী দল নিয়ে নেপালের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনার পঞ্চম বিমান।ভারতের তরফে আগে পাঠানো ত্রাণসামগ্রী ইতিমধ্যেই নেপালের বিপর্যয়কবলিত এলাকায় পৌঁছে গিয়েছে। রসুয়ার শিবিরে সেই ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার পর নেপাল সেনার হাতে তা তুলে দিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা। দুর্গত এলাকায় প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি উদ্ধারকাজেও সহযোগিতা করছে ভারত।ইন্দো-নেপাল সীমান্তে উদ্ধারকাজে তৎপরতার সঙ্গে সহযোগিতা করার জন্য সশস্ত্র সীমা বলের প্রশংসা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ইন্দো-নেপাল এবং ইন্দো-ভুটান সীমান্তের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে এই বাহিনী। বিপর্যয়ের সময় সীমান্ত এলাকায় উদ্ধার ও সহযোগিতার কাজেও তাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।২৬ অগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নেপালের হড়পা বানে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির খবর সামনে এসেছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত ১০০৩ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এখনও চার হাজারেরও বেশি মানুষের কোনও খোঁজ নেই। তাঁদের মধ্যে আরও কোনও ভারতীয় রয়েছেন কি না, সেই তথ্য এখনও স্পষ্ট নয়।বিপর্যয়ের পর মৃতদের পরিচয় শনাক্ত করা এবং কোনও মৃত ব্যক্তি ভারতীয় হলে তাঁর দেহ কী ভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে, তা নিয়েও বিস্তারিত তথ্য দিয়েছে ভারতীয় দূতাবাস। স্বজনেরা কী ভাবে মৃতদেহ শনাক্ত করবেন এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া মেনে কী ভাবে দেহ ভারতে ফিরিয়ে আনা যাবে, সে বিষয়ে নির্দেশিকা জানানো হয়েছে।নেপালের বিদেশমন্ত্রী শিশির খানাল জানিয়েছেন, উষ্ণায়নের কারণে দেশে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। গত সপ্তাহের ভয়াবহ হড়পা বান সেই আশঙ্কারই নতুন করে বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করছেন তিনি। নেপালের পরিস্থিতি নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জও সতর্ক করেছে।এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে উদ্ধারকাজ এবং ত্রাণ পৌঁছে দিতে ভারতের একের পর এক উদ্যোগ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রয়োজনীয় ওষুধ, ত্রাণসামগ্রী এবং প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারী দল নিয়ে ভারতীয় বায়ুসেনার তৎপরতায় বিপর্যস্ত নেপালের মানুষকে দ্রুত সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

গলব্লাডারের বদলে অ্যাপেনডিক্সের অস্ত্রোপচার! প্রকাশ্যে আসতেই গোপালকে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

কলকাতার নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজে পিত্তথলির পাথরের বদলে অ্যাপেনডিক্সের অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন বেলেঘাটার বাসিন্দা গোপাল পোড়েল। সেই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দপ্তর। গোপালের দাবি, তাঁর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্যের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন। একই সঙ্গে বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিও চেয়ে পাঠানো হয়েছে।পূর্ব কলকাতার বেলেঘাটা এলাকার বাসিন্দা গোপাল পোড়েলের বয়স ৪৭ বছর। তিনি একশো দিনের কাজ করে সংসার চালান। বেশ কিছু দিন ধরে পেটের ডান দিকে ব্যথা হচ্ছিল তাঁর। চিকিৎসকের পরামর্শে আল্ট্রাসোনোগ্রাফি করানো হলে পিত্তথলিতে পাথর ধরা পড়ে।গোপালের অভিযোগ, পিত্তথলির পাথরের অস্ত্রোপচারের জন্যই তাঁকে নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজের সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছিল। অস্ত্রোপচারের আগে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করা হয়। কিন্তু তাঁর দাবি, পিত্তথলির বদলে ভুল করে অ্যাপেনডিক্সের অস্ত্রোপচার করে দেওয়া হয়।ঘটনাটি প্রকাশ্যে আনেন গোপালের এলাকার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। বিষয়টি সামনে আসার পর গলব্লাডারের পাথরের অস্ত্রোপচারের জন্য গোপালকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর চিকিৎসা নিয়ে ওঠা অভিযোগের পর স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফেও রিপোর্ট চাওয়া হয়েছিল।তবে নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসা বিভ্রাটের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। মঙ্গলবার তিনি অভিযোগটি খারিজ করে দেন।এর মধ্যেই বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরের নজরে আসে। দপ্তরের তরফে প্রথমে বিধায়ক কুণাল ঘোষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরে ফোন করা হয় গোপাল পোড়েলের সঙ্গে।গোপালের দাবি, তিনি আর্থিক ভাবে অত্যন্ত দুর্বল। চিকিৎসার খরচ চালানো তাঁর পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে। তাঁর কথায়, এই পরিস্থিতিতে কুণাল ঘোষ তাঁর হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সাহায্যের আবেদন করেছিলেন। এরপর মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে তাঁকে জানানো হয়, চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্যের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন।গোপাল আরও জানিয়েছেন, বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিপত্রও মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরের তরফে চেয়ে পাঠানো হয়েছে। সেই নথি খতিয়ে দেখার পর পরবর্তী পদক্ষেপ করা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজে ঠিক কী কারণে এমন অভিযোগ উঠল, অস্ত্রোপচারের আগে এবং পরে কী কী পরীক্ষা করা হয়েছিল এবং ভুল অস্ত্রোপচারের অভিযোগের সত্যতা কতটা, তা নিয়ে এখনও প্রশ্ন রয়েছে। গোটা বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৬
রাজ্য

বৃষ্টি থামার নাম নেই! কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে আজও ভারী বৃষ্টি, বৃহস্পতিবার থেকে বদলাবে আবহাওয়া

নিম্নচাপের প্রভাব এখনও কাটেনি। ফলে বাংলায় নাছোড় বৃষ্টি এখনই থামার সম্ভাবনা নেই। বুধবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমতে পারে। একই সময়ে উত্তরবঙ্গের পার্বত্য জেলাগুলিতে বাড়তে পারে বৃষ্টির দাপট।সেপ্টেম্বরের শুরুতেও বর্ষার দাপট অব্যাহত। সামনে পুজো। তাই কবে বৃষ্টি কমবে, কবে মিলবে পরিষ্কার আকাশের দেখা, সেই প্রশ্নই এখন অনেকের মনে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, নিম্নচাপের প্রভাব পুরোপুরি কাটেনি।বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের জেরে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে। অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে একাধিক নদীতে জলস্তর বেড়েছে। কোথাও কোথাও বন্যা পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছে। কয়েকটি জেলায় হলুদ সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, নিম্নচাপটি বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা উপকূল, সংলগ্ন ঝাড়খণ্ড এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের এলাকায় রয়েছে। ধীরে ধীরে সেটি ঝাড়খণ্ডের দিকে এগোচ্ছে। তবে তার প্রভাবে এখনও বাংলায় জলীয় বাষ্প ঢুকছে। ফলে বৃষ্টির পরিস্থিতি পুরোপুরি কাটছে না।বুধবার কলকাতা এবং সংলগ্ন জেলাগুলিতে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমতে পারে। তবে দিনভর বিক্ষিপ্ত ভাবে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তুলনামূলক বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বীরভূম, পুরুলিয়া এবং পশ্চিম বর্ধমানের মতো জেলায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে।বঙ্গোপসাগরের উপর নিম্নচাপ অবস্থান করায় সমুদ্র থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প স্থলভাগে ঢুকছে। তার জেরেই বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।বৃহস্পতিবার থেকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ আরও কমতে পারে। তবে পুরোপুরি বৃষ্টি বন্ধ হচ্ছে না। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলতে পারে।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি বৃহস্পতিবার থেকে বদলাতে পারে। উত্তরবঙ্গের উপরের পাঁচ জেলা দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।বিশেষ করে শুক্রবার জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। ফলে দক্ষিণবঙ্গে যখন ধীরে ধীরে বৃষ্টির দাপট কমার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে, তখন উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় নতুন করে বাড়ছে দুর্যোগের আশঙ্কা।সব মিলিয়ে পুজোর আগে বাংলার আকাশ থেকে বর্ষার দাপট কবে পুরোপুরি কাটবে, এখন সেদিকেই নজর সাধারণ মানুষের।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৬
দেশ

নেপালের প্লাবনের পর নদীতে অচেনা মাছের ঢল, খেলে অসুস্থ হচ্ছেন গ্রামবাসী! বড় সতর্কতা

নেপালের ভয়ংকর প্লাবনের প্রভাব এবার বিহারের নদীগুলিতেও পড়েছে। ত্রিশূলী নদীর জল গণ্ডক ও কোসি নদীতে এসে জলস্তর বাড়িয়ে দিয়েছে। এর জেরে উত্তর বিহারের একাধিক এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। নদী ও বন্যার জলে ভেসে আসছে প্রচুর মাছ। কিন্তু সেই মাছ খাওয়া বিপজ্জনক হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিহার প্রশাসন।বিহারের দুগ্ধ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগ বন্যাকবলিত এলাকার বাসিন্দাদের আপাতত নদী, পুকুর, হ্রদ বা জলাধার থেকে মাছ না ধরার পরামর্শ দিয়েছে। শুধু মাছ ধরা নয়, সেই মাছ কেনা, বিক্রি করা এবং খাওয়ার উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বন্যার সময় নদী ও জলাশয়ের মাছ প্রবল জলস্রোতে দূরের এলাকায় চলে যেতে পারে। বন্যার জলের সঙ্গে দূষিত নর্দমার জল, মৃত প্রাণী এবং বিভিন্ন ধরনের দূষিত পদার্থও নদী ও জলাশয়ে মিশে যায়। ফলে ওই জলে থাকা মাছের শরীরে ক্ষতিকর জীবাণু থাকার আশঙ্কা থাকে।বন্যাকবলিত এলাকায় কিছু অপরিচিত প্রজাতির মাছও দেখা যাচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। ওই মাছ খেয়ে কয়েক জন অসুস্থ হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে মাছ খাওয়ার সঙ্গে অসুস্থতার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে কোনও ঝুঁকি না নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন। বন্যার জল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেখান থেকে মাছ ধরে খাওয়া বা বাজারে বিক্রি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নেপালের প্রশাসনের তরফেও একই ধরনের সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। প্রচুর মানুষের পাশাপাশি গবাদি পশুরও মৃত্যু হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় মৃতদেহ এবং মৃত পশুর দেহ পড়ে থাকার খবর সামনে এসেছে। এর ফলে বন্যার জল দূষিত হওয়ার আশঙ্কা আরও বেড়েছে।এই পরিস্থিতিতে নদী বা বন্যার জল থেকে ভেসে আসা মাছকে নিরাপদ মনে না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সতর্ক থাকাই সবচেয়ে নিরাপদ।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৬
রাজ্য

শিক্ষক নিয়োগ মামলায় চাকরি গিয়েছিল, কয়েক মাস পরেই মমতার ভাইঝির রহস্যমৃত্যু

মঙ্গলবার সকালে রামপুরহাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই নিহার মুখোপাধ্যায়ের মেয়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতার নাম বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক ভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রামপুরহাটের কুশম্বা গ্রামে নিহার মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে কয়েক মাস ধরে থাকছিলেন বৃষ্টি। মঙ্গলবার সকালে বাড়ির দোতলার একটি ঘরে তাঁকে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করা হয়। কিন্তু কোনও সাড়া না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে থানায় খবর দেওয়া হয়।পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে বৃষ্টির দেহ উদ্ধার করে। পরে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।বৃষ্টির নাম এর আগে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেও উঠে এসেছিল। ২০২৩ সালের মার্চে বোলপুর হাইস্কুলে তৃতীয় শ্রেণির কর্মী হিসাবে তাঁর নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ ছিল, অবৈধ ভাবে নিযুক্তদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল। পরে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জেরে চাকরিও হারান তিনি।পরিবার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে বৃষ্টির সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল। একটি সন্তানকে নিয়ে তিনি বাবার বাড়িতেই থাকছিলেন।পরিবারের দাবি, চাকরি হারানো এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা সমস্যার কারণে বৃষ্টি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তবে তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে এই কারণগুলির সরাসরি কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কী পরিস্থিতিতে বৃষ্টির মৃত্যু হল, ঘটনাটি আত্মহত্যা কি না এবং এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
সম্পাদকীয়

আগুনপাখির জন্মদিনে—ফিরে দেখা সেই বিকেলের সোনারোদ

কিছু কিছু মানুষের জন্মদিন আসে ক্যালেন্ডারের পাতায়। আর কিছু মানুষের জন্মদিন ফিরে আসে আমাদের স্মৃতির ভিতর দিয়ে। ১ সেপ্টেম্বর তেমনই একটি দিন।বাংলা গানের অমূল্য রতন নচিকেতা চক্রবর্তীর জন্মদিন।এই দিনটিকে শুধু একজন শিল্পীর জন্মদিন বললে বোধহয় তাঁর প্রতি অবিচার করা হয়। কারণ নচিকেতা শুধু গান করেননিতিনি এক সময়কে কণ্ঠ দিয়েছেন। এক প্রজন্মের রাগ, অভিমান, প্রেম, হতাশা, স্বপ্নভঙ্গ, নিঃসঙ্গতা আর বেঁচে থাকার জেদকে শব্দ দিয়েছেন। তাঁর গান শুনতে শুনতে বড় হয়ে ওঠা মানুষগুলির কাছে নচিকেতা কোনও দূরের তারকা নন; তিনি বরং সেই পুরনো বন্ধুর মতো, যার সঙ্গে বহু বছর দেখা না হলেও হঠাৎ কোনও সন্ধ্যায় তাঁর গলা শুনলেই মনে হয়এই তো, মানুষটা এখনও ঠিক আগের মতোই আছে।নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ।বাংলা গানের আকাশটা তখন কেমন যেন ক্লান্ত। একদিকে পুরনো দিনের সুরের নস্টালজিয়া, অন্যদিকে নতুন সময়ের হাওয়ার টান। বাংলা আধুনিক গান যেন কোথাও দাঁড়িয়ে নতুন ভাষার অপেক্ষা করছে। সেই অপেক্ষার মাঝেই একদিন ঝড়ের মতো এসে দাঁড়ালেন এক যুবক।চেহারায় প্রচলিত নায়কোচিত চাকচিক্য নেই। রংবাহারী পোশাক, পায়ে স্নিকার, মুখে অগোছালো দাড়ি। হাতে গিটার। আর কণ্ঠে এমন এক স্বর, যার মধ্যে মিশে আছে শহরের ধুলো, মধ্যবিত্তের ক্লান্তি, প্রেমের দীর্ঘশ্বাস আর অদ্ভুত এক বিদ্রোহ।তিনি নচিকেতা।মঞ্চে উঠে তিনি শুধু গান গাইতেন না। গান থামিয়ে শ্রোতার সঙ্গে কথা বলতেন। আবার কথার মাঝেই গান ঢুকে যেত। কখনও হাসাতেন, কখনও অস্বস্তিতে ফেলতেন, কখনও এমন কোনও কথা বলে বসতেন, যা বাড়ি ফেরার পরও মাথার মধ্যে ঘুরত।সেই সময় বাংলা গানের মঞ্চে যেন একটি গান-এর বদলে একজন মানুষ এসে দাঁড়িয়েছিলেন।আর মানুষটি খুব দ্রুত আপন হয়ে গিয়েছিলেন।তারপর একদিন গান আর গান রইল নানচিকেতার গান প্রথমবার শুনে হয়তো কেউ চমকে উঠেছিল। দ্বিতীয়বার শুনে মুগ্ধ হয়েছিল। আর তৃতীয়বারের পর বুঝেছিলএই গান তো আসলে তার নিজের কথা!এই ছিল নচিকেতার জাদু।তিনি কোনও দূরদেশের প্রেমের গল্প বলেননি। তিনি আমাদের পাশের বাড়ির মানুষের গল্প বলেছেন। যে বাবা অবসরের পর সংসারে অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়েন, যে মার সব থেকেও বৃদ্ধাশ্রমে বাস, যে ছেলে চাকরি না পেয়ে রাত জাগে, যে মেয়ে প্রেম হারিয়ে জানালার ধারে দাঁড়িয়ে থাকে, যে মানুষটি ভিড়ের শহরে থেকেও ভীষণ একানচিকেতা তাঁদেরই গল্প গেয়েছেন।তাই তাঁর গান শুনতে শুনতে মনে হত, তিনি আমাদের চেনেন। খুব কাছ থেকে চেনেন।নীলাঞ্জনা যখন বাজত, কোনও এক পুরনো প্রেমের মুখ মনে পড়ত। বৃদ্ধাশ্রম শুনলে নিজের বাবা-মায়ের মুখের দিকে তাকাতে ইচ্ছে করত। আর যখন তাঁর কণ্ঠে উঠে আসতভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদতখন মনে হত, এই তো আমাদের শহর!এই তো আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেল!কংক্রিটের জঙ্গলে দাঁড়িয়ে যে আকাশটুকু প্রতিদিন একটু একটু করে ছোট হয়ে যাচ্ছে, নচিকেতা সেই আকাশের জন্যও গান লিখেছেন।নচিকেতা ছিলেন এক প্রজন্মের ডায়েরিএকটি প্রজন্মের ব্যক্তিগত ডায়েরিতে অনেক কিছু লেখা থাকে। প্রথম প্রেম, প্রথম চিঠি, প্রথম প্রত্যাখ্যান, পরীক্ষায় ব্যর্থতা, প্রথম চাকরি, বন্ধুত্ব ভেঙে যাওয়া, বাড়িতে অশান্তি, মধ্যরাতে একা ছাদে দাঁড়িয়ে থাকা।নচিকেতার গান যেন সেই ডায়েরির পাতাগুলির পাশে লেখা ছিল।ক্যাসেটের যুগ ছিল তখন।একটি গান পছন্দ হলে বারবার রিওয়াইন্ড করতে হত। ফিতে কেঁপে কেঁপে গান ফিরত। কোনও কোনও ক্যাসেট এতবার বাজত যে তার শব্দেও যেন স্মৃতির গন্ধ লেগে যেত।বন্ধুর বাড়িতে বসে নচিকেতার গান শোনা।কলেজের ক্যান্টিনে তাঁর গান নিয়ে তর্ক।রাতের অন্ধকারে হেডফোন কানে দিয়ে নীলাঞ্জনা শোনা।কারও প্রেম ভেঙে গেলে তাকে নচিকেতার গান শোনানো।কেউ চাকরি না পেলে বেকারে যন্ত্রনায় মলম লাগাতে তার পাশে বসে সারে জাঁহা সে আচ্ছা গুনগুন করা।শিক্ষিত হয়েও চাকরি না পাওয়া, সামাজিক অবক্ষয় ও চারপাশের অসঙ্গতি। গানটি শুরুই হয় বেকার যুবকের আত্মপরিচয় দিয়ে।এসবই ছিল এক সময়ের জীবন।আজকের প্রজন্ম হয়তো বুঝবে না, একটি গান তখন কীভাবে মানুষের জীবনের অংশ হয়ে উঠত। কোনও অ্যালগরিদম ছিল না, রেকমেন্ডেড ফর ইউ ছিল না। ছিল শুধু বন্ধুর হাতে হাতে ঘুরে বেড়ানো ক্যাসেট, মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া গান আর মানুষের নিজস্ব পছন্দ।সেইভাবেই নচিকেতা ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছিলেন।জীবনমুখীশুধু একটি শব্দ নয়নচিকেতার সঙ্গে জীবনমুখী শব্দটি এমনভাবে জড়িয়ে আছে যে দুটি শব্দকে আলাদা করা কঠিন।কিন্তু তাঁর গানকে শুধু একটি ঘরানার মধ্যে আটকে রাখাও ভুল।তিনি জীবনকে দেখেছেন বহু দিক থেকে।কখনও তাঁর চোখে জীবন তীব্র ব্যঙ্গের। কখনও বিষণ্ণ। কখনও প্রেমময়। কখনও ক্ষুব্ধ। কখনও নিঃসঙ্গ। আবার কখনও আশাবাদী।তাঁর গান আমাদের শিখিয়েছেজীবন সুন্দর, কিন্তু সবসময় সুন্দর নয়।ভালোবাসা আছে, কিন্তু সব প্রেম পূর্ণতা পায় না।পরিবার আছে, কিন্তু পরিবারের মধ্যেও মানুষ একা হতে পারে।শহর আছে, কিন্তু শহরের হাজার মানুষের ভিড়েও নিজের জন্য একটা জানালা খুঁজে পাওয়া কঠিন।এই সত্যগুলিকে তিনি কোনও বক্তৃতার ভাষায় বলেননি। বলেছেন গানের ভাষায়।আর তাই তাঁর কথা সরাসরি গিয়ে বসেছে মানুষের বুকের মধ্যে।বৃদ্ধাশ্রমএকটি গান, একটি আয়নানচিকেতার অসংখ্য সৃষ্টির মধ্যে বৃদ্ধাশ্রম যেন আলাদা করে দাঁড়িয়ে থাকে।এটি কেবল বাবা-মাকে নিয়ে লেখা আবেগের গান নয়। এটি আমাদের সামাজিক বিবেকের সামনে রাখা একটি আয়না।বয়স হয়ে যাওয়া মানুষটির প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় নাএই সহজ অথচ গভীর সত্যটি নচিকেতা গানের মাধ্যমে মনে করিয়ে দিয়েছেন।গানটি শুনতে শুনতে কত মানুষ হয়তো নিজের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের কথা ভেবেছেন। কত মানুষ হয়তো ফোন তুলে বাড়িতে কথা বলেছেন। কত মানুষ হয়তো নিজের অজান্তেই চোখ মুছেছেন।একজন শিল্পীর কাছে এর চেয়ে বড় সাফল্য আর কী হতে পারে?যে গান শ্রোতার জীবনকে এক মুহূর্তের জন্য হলেও বদলে দেয়, সেই গানই তো বেঁচে থাকে।আর নীলাঞ্জনাস্মৃতির নীল আলোঅন্যদিকে নীলাঞ্জনা আমাদের নিয়ে যায় একেবারে অন্য জগতে।প্রেমের গান বাংলা গানে নতুন কিছু ছিল না। কিন্তু নচিকেতার প্রেমের ভাষা ছিল অন্যরকম। সেখানে প্রেমের সঙ্গে ছিল সময়, স্মৃতি, হারিয়ে যাওয়ার ব্যথা।নীলাঞ্জনা শুনলে শুধু একটি মেয়ের কথা মনে পড়ে না। মনে পড়ে একটা সময়ের কথা।মনে পড়ে সেই বয়স, যখন সন্ধ্যা নামলেই কারও জন্য অপেক্ষা করা যেত। ফোনের রিং বাজলে বুক কেঁপে উঠত। একটি চিঠি কয়েকদিন ধরে বালিশের নিচে রেখে দেওয়া যেত।আজ সেই সময় নেই।মানুষের হাতে স্মার্টফোন আছে, মুহূর্তে বার্তা পৌঁছে যায়। কিন্তু অপেক্ষার সেই দীর্ঘ সৌন্দর্য কোথায় যেন হারিয়ে গেছে।তাই নচিকেতার গান শুনলে শুধু গান শোনা হয় নাএকটি হারিয়ে যাওয়া সময়কে ছুঁয়ে দেখা হয়।আগুনপাখি কেন?নচিকেতা থেকে আগুনপাখি হয়ে ওঠার গল্প আসলে তাঁর শ্রোতাদের গল্পও।তিনি আগুনের মতো এসেছিলেন। প্রচলিত গানের অনেক ধারণাকে প্রশ্ন করেছিলেন। গানের বিষয়কে বদলেছিলেন। গায়ক-শ্রোতার দূরত্ব কমিয়েছিলেন।তাঁর গান বলেছিলগান শুধু সাজানো শব্দ নয়।গান প্রশ্ন করতে পারে।গান প্রতিবাদ করতে পারে।গান হাসাতে পারে।গান কাঁদাতে পারে।গান নিজের ঘরের দরজা খুলে দিতে পারে।আর গান কখনও কখনও আয়নার মতো সামনে দাঁড়িয়ে বলতে পারেদেখো, এটাই তোমার জীবন।এই কারণেই তিনি আগুনপাখি।সময়ের সঙ্গে বয়স বেড়েছে, গান বুড়িয়ে যায়নিনচিকেতার জীবনে বহু বছর পেরিয়ে গেছে। বাংলা গানের জগতেও এসেছে অসংখ্য পরিবর্তন। নতুন শিল্পী এসেছেন, নতুন সুর এসেছে, নতুন প্রযুক্তি এসেছে।কিন্তু নচিকেতার গান এখনও শোনা হয়।কারণ তাঁর গান কোনও নির্দিষ্ট দশকের সম্পত্তি নয়।যে বাবা-মায়ের কথা তিনি গেয়েছিলেন, তাঁরা আজও আছেন।যে প্রেমের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই প্রেম আজও মানুষকে কাঁদায়।যে একাকিত্বের কথা তিনি বলেছিলেন, তা আজ আরও গভীর।যে শহরের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই শহর আজ আরও কংক্রিটে ঢাকা।আর যে মানুষটির কথা তিনি গেয়েছিলেনসেই সাধারণ মানুষটি আজও ঠিক তেমনই বেঁচে আছে।তাই তাঁর গান পুরনো হয় না।বরং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু গান যেন আরও গভীর হয়ে ওঠে।আজ জন্মদিনে তাঁকে মনে পড়ছে অন্যভাবেআজ যখন নচিকেতার জন্মদিন, তখন মনে হয়আমরা কি তাঁকে শুধুই তাঁর জনপ্রিয় গান দিয়ে মনে রাখব?না।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই সাহসটির জন্য, যা বাংলা গানে একসময় প্রয়োজন ছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই ভাষার জন্য, যা সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে গানের ভাষা করে তুলেছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই কণ্ঠের জন্য, যার মধ্যে কোনও কৃত্রিম মাধুর্য ছিল নাছিল জীবনের খসখসে বাস্তবতা।আর সবচেয়ে বেশি মনে রাখা উচিত সেই মানুষটিকে, যিনি আমাদের শিখিয়েছিলেনগান শুনে শুধু আনন্দ পেতে নেই, কখনও কখনও নিজের দিকে তাকাতেও হয়।আজও হয়তো কোনও পুরনো ক্যাসেটের বাক্সে তাঁর গান পড়ে আছে।কোনও পুরনো অ্যালবামের মলাটে সময়ের ধুলো জমেছে।কোনও এক মধ্যবয়সী মানুষ অফিস থেকে ফিরে হঠাৎ ইউটিউবে নচিকেতার গান চালিয়ে দিয়েছেন।গান শুরু হয়েছে।আর মুহূর্তের মধ্যে তিরিশ বছর পেছনে চলে গেছেন তিনি।সেই পুরনো ঘর।সেই জানালা।সেই বিকেল।সেই অসমাপ্ত প্রেম।সেই বন্ধুটি।সেই বয়স।সেই স্বপ্ন।আর কোথাও খুব দূরে, কিংবা খুব কাছে, নচিকেতার কণ্ঠ ভেসে আসছে।ভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদহয়তো সত্যিই আমাদের জীবনের অনেক সোনারোদ হারিয়ে গেছে।কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপারনচিকেতার গান সেই হারিয়ে যাওয়া রোদটুকু এখনও ফিরিয়ে দিতে পারে।এই তো একজন সত্যিকারের শিল্পীর সাফল্য।তিনি চলে যান না।সময় তাঁকে সরিয়ে দিতে পারে না।প্রজন্ম বদলে যায়, গান শোনার মাধ্যম বদলে যায়, শহরের চেহারা বদলে যায়তবু তাঁর কোনও একটি গান হঠাৎ কোথাও বাজে, আর আমরা থমকে দাঁড়াই।মনে হয়এই গানটা তো আমারই কথা।এই অনুভূতিটুকুই নচিকেতার সবচেয়ে বড় অর্জন।তাই আজ তাঁর জন্মদিনে শুধু শুভেচ্ছা নয়।একটি প্রজন্মের হয়ে কৃতজ্ঞতা।সেইসব বিকেলের জন্য, যেগুলিকে তিনি গানে বাঁচিয়ে রেখেছেন।সেইসব কান্নার জন্য, যেগুলির ভাষা তিনি দিয়েছেন।সেইসব প্রেমের জন্য, যেগুলি পূর্ণতা পায়নি।সেইসব বাবা-মায়ের জন্য, যাঁদের নিঃসঙ্গতার কথা তিনি আমাদের শুনিয়েছেন।সেইসব মধ্যবিত্ত স্বপ্নের জন্য, যেগুলি ভেঙেও মানুষকে বাঁচতে হয়।আর সেইসব মানুষের জন্য, যারা এখনও কোনও এক নির্জন রাতে নচিকেতার গান শুনে মনে মনে বলেএ গানটা যেন আমারই জন্য লেখাজন্মদিনে তাই প্রিয় নচিকেতা, আপনাকে প্রণাম।বাংলা গানের আকাশে আপনার সেই আগুনপাখি আজও উড়ে বেড়াক।আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেলগুলির আকাশেএকটু সোনারোদ হয়ে থাকুক আপনার গান।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal