• ২৭ মাঘ ১৪৩২, শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Re-Open

রাজ্য

বুধবার থেকে খুলছে প্রাথমিক-উচ্চ প্রাথমিক স্কুল, শিথিল হচ্ছে নৈশ কার্ফু, উঠছে কোভিড বিধিনিষেধ

কোভিডের নাগপাশ মুক্ত হয়ে অবশেষে খুলে যাচ্ছে রাজ্যের প্রাথমিক এবং উচ্চ প্রাথমিক স্কুল। সোমবার বিবৃতি প্রকাশ করে সিদ্ধান্তের কথা জানাল রাজ্য সরকার। আগামী ১৬ তারিখ অর্থাৎ বুধবার থেকে প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক স্কুল এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র খুলে দেওয়ার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তবে নবান্নের তরফে জানানো হয়েছে, স্কুল খোলার নির্দিষ্ট দিনক্ষণ এবং বিধি নিয়ম সহ আলাদা নির্দেশিকা প্রকাশ করবে বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তর। কোভিড বিধি মেনেই স্কুল চলবে বলে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।প্রায় ২ বছর পর রাজ্যে খুলতে চলছে প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক স্কুল। পাশাপাশি এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, রাজ্যে বিধিনিষেধ আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বহাল থাকছে। রাত্রীকালীন কার্ফু রাত ১১ টার পরিবর্তে ১২ টা থেকে শুরু হবে, চলবে ভোর ৫ টা পর্যন্ত। স্কুল খোলা ছাড়াও সব আইসিডিএস সেন্টারও খোলা হচ্ছে আগামী বুধবার থেকে।কিছুদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ৫০ শতাংশ পড়ুয়া নিয়ে ছোটদের স্কুল খোলা হতে পারে। তবে কোভিড পরিস্থিতি বুঝে ছোটদের স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে একদম আগের মতো না হলেও পরিস্থিতি বুঝে রোটেশনে স্কুল খোলা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। সেই অনুযায়ী স্কুল খোলার ব্যাপারে নির্দেশিকা এসেই গেল। আসলে সাম্প্রতিক অনেক রিপোর্টে দেখা গিয়েছিল যে, রাজ্যের শিক্ষার মান এবং হার দুইই পড়ে গিয়েছে লাগাতার স্কুল বন্ধ থাকার কারণে। বহু পড়ুয়া অক্ষর চিনতে পারছে না, বাক্য গঠন করতে পারছে না। এমনকী পঞ্চম বা অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়ারা দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির অঙ্ক সমাধান করতেও অনেকাংশে ব্যর্থ হচ্ছে। তাই দ্রুত স্কুল খোলার দাবি বাড়ছিল।রাজ্যে উল্লেখযোগ্য হারে করোনা সংক্রমণ কমে যাওয়ায় অন্তঃদেশীয় বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে সমস্ত রকম নিয়ন্ত্রণ তুলে নিল রাজ্য সরকার। ফলে বেঙ্গালুরু থেকেও এবার তিন দিনের বদলে প্রতিদিন বিমান চলাচল করবে। স্বরাষ্ট্র সচিব বিপি গোপালিকা সোমবার অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রকের সচিব রাজীব বনসলকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন, কোভিড পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, দেশের যে কোনও প্রান্ত থেকে উড়ান এ রাজ্যে আসতে পারে। তবে যাত্রীদের হয় ভ্যাকসিনের দুটি ডোজের শংসাপত্র থাকতে হবে অথবা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করা আরটিপিসিআর পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্ট থাকতে হবে। একইরকম ভাবে বিদেশ থেকেও এ রাজ্যে বিমান চলাচল স্বাভাবিক করে দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রেও একই শর্ত থাকছে। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্ত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হলো।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
কলকাতা

ছোটদের স্কুল খোলার ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর

এবার ছোটদের জন্যও স্কুল খোলার ভাবনা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বৃহস্পতিবার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে সরকারি এক অনুষ্ঠানমঞ্চ থেকে এ কথাই জানালেন তিনি।আজ নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে উদ্বাস্তুদের জমির দলিল বিলি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী-সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। সেখান থেকেই প্রাইমারি স্কুল খোলা নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী।এদিন তিনি বলেন, আপাতত কয়েকটি ক্লাস হচ্ছে। পাড়ায় পাড়ায় শিক্ষালয় চলছে। প্রাইমারি অর্থাৎ একেবারে ছোটরা এখনও স্কুলে যাচ্ছে না। এবার সে বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। শোনা যাচ্ছে, করোনার আরও একটা স্ট্রেন এসেছে। সে বিষয়টা ভাল করে দেখে নিয়ে স্কুল খোলা হবে।পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আপাতত ছোটদের স্কুল খোলা হলে ৫০ শতাংশ পড়ুয়া নিয়ে ক্লাস করার চিন্তাভাবনা চলছে। রোটেশনে ক্লাস নেওয়া হতে পারে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অর্ধেক অর্ধেক করে ভাগাভাগি করে স্কুল করলে সোমবার যারা আসবে, মঙ্গলবার তারা আসবে না। আবার মঙ্গলবার যারা আসবে বুধবার তারা আসবে না। এভাবে হলে প্রাথমিকের ক্লাসগুলো অন্তত চলতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
দেশ

বেঙ্গালুরুতে খুলছে স্কুল, উঠছে নৈশকালীন কার্ফু

করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই ফের স্কুল-কলেজগুলি খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্নাটক সরকার। সোমবার থেকে কর্নাটকে নৈশকালীন কার্ফু প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সেই সঙ্গে বেঙ্গালুরুতে স্কুল ও কলেজগুলিও আবার চালু করে দেওয়া হবে বলে শনিবার জানিয়েছে রাজ্য সরকার।সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, কোভিডের কারণে হাসপাতালে ভর্তির হার এখন দুই শতাংশ। সুস্থ হয়ে ওঠার হারও অনেকটা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে, মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোমাইয়ের নেতৃত্বে রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে একটি বৈঠকের পরে কর্নাটকের শিক্ষামন্ত্রী বিসি নাগেশ বলেছেন, সোমবার থেকে, কোভিড যথাযথ আচরণ এবং প্রোটোকল মেনে সমস্ত ক্লাস স্কুলে চালু হবে।সংশোধিত নির্দেশিকার মধ্যে, সরকারি অফিসগুলি ৫০ শতাংশের পরিবর্তে পূর্ণ কর্মীসংখ্যা নিয়ে কাজ করতে পারবে। এর পাশাপাশি হোটেল, রেস্তরাঁ, ক্লাব, পাব এবং বারগুলিকেও সম্পূর্ণভাবে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এতদিন পর্যন্ত তারা ৫০ শতাংশ মানুষকে নিয়েই কাজ করছিল। তবে থিয়েটার, অডিটোরিয়াম এবং মাল্টিপ্লেক্সে ৫০ শতাংশ নিয়েই কাজ চালিয়ে যেতে হবে। জিম এবং সুইমিং পুলগুলিতেও ৫০ শতাংশ গ্রাহককে নিয়ে কাজ করতে হবে। মেট্রো রেল এবং অন্যান্য গণপরিবহন যত সংখ্যক আসন রয়েছে, সেই আসনক্ষমতা অনুযায়ী চলাচল করবে। বিয়ে বাড়ির ক্ষেত্রে খোলা জায়গায় ৩০০ জন এবং বদ্ধ জায়গায় ২০০ জন অতিথিতে নিয়ে আয়োজন করা যাবে। ধর্মীয় স্থানগুলিকেও ৫০ শতাংশ ভক্ত নিয়ে খোলা যেতে পারে। তবে সামাজিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সমাবেশ, ধর্না, সম্মেলন ও বিক্ষোভের কোনও অনুমতি দেওয়া হয়নি।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
দেশ

ফের খুলতে চলেছে জগন্নাথ মন্দিরের দরজা, খুশি পুন্যার্থী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা

করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্ধ হয়েছিল পুরীর জগন্নাথ মন্দির। ফের খুলতে চলেছে হিন্দুদের এই তীর্থ ক্ষেত্র। আগামি ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ভক্তদের জন্য ফের খুলে দেওয়া হবে মহাপ্রভূর মন্দির। কেবল কোভিডটিকার দুটি ডোজ নেওয়া আছে শুধু তাঁরাই মন্দিরে করোনা বিধি মেনে প্রবেশ করতে পারবেন। শুক্রবারই মন্দির খোলার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে খুশি পুন্যার্থীীা। পুরীর কালেক্টর সমর্থ ভার্মা মন্দির খোলার কথা জানিয়েছেন। তিনি জানান, প্রতি রবিবার জীবণুমুক্তকরণের জন্য জগন্নাথদেবের মন্দির বন্ধ থাকবে। রবিবার ছাড়া সপ্তাহের অন্যান্য দিন মন্দির খোলা থাকবে। কোভিড পরিস্থিতিতে এর আগেও মন্দির বন্ধ রাখতে হয়েছে। এবারও করোনা বিধি মেনে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা হবে।জানা গিয়েছে, শহরের বাইরে ভক্ত অর্থাৎ বহিরাগত পুন্যার্থীরা মন্দিরের পূর্বদিকের দরজা দিয়ে প্রবেশ করবেন। স্থানীয়রা জগন্নাথ মন্দিরে ঢুকবেন পশ্চিমদিকের দরজা দিয়ে। পুরী প্রশাসনের কারফিউ বিধি মেনে ও করোনার পরিস্থিতি বিবেচনা করে মন্দির ভক্তদের জন্য খোলা-বন্ধ হবে। এই মন্দির খোলার খবরে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি ফুটেছে। পর্যটকের দেখা না মেলায় পুরী শহরের অর্থনৈতিক অবস্থার হাল বেশ খারাপ।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
রাজ্য

স্কুল খোলা নিয়ে রাজ্য সরকারের মতামত জানাতে নির্দেশ হাইকোর্টের, বেধে দিল সময়

করোনা আবহে স্কুল খোলা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ অব্যাহত বাংলায়। তারই মধ্যে নানান মাহল থেকে স্কুল চালু করার দাবি উঠেছে। শুক্রবার হাইকোর্টের নির্দেশ, স্কুল খোলা নিয়ে রাজ্য কী ভাবছে তা আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সবিস্তারে তা আদালতে জানাতে হবে। রাজ্যে স্কুল চালু নিয়ে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। শুক্রবার স্কুল খোলা সংক্রান্ত মামলাগুলির শুনানি ছিল উচ্চ আদালতে। এই মামলার দিকে তাকিয়ে আছে শিক্ষামহল।রাজ্যে করোনা পরিস্থিতিতে প্রায় দুবছর ধরে বন্ধ রয়েছে স্কুল-কলেজ-সহ অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মাঝে দিন কয়েকের জন্য নবম শ্রেণি থেকে স্কুল খুলেছিল। তবে গত দুবছর বেশির ভাগ ছাত্র-ছাত্রী স্কুলের মুখই দেখেনি। এরইমধ্যে বেশ কয়েকটি রাজ্যে কোভিড বিধি মেনে স্কুল চালু হয়েছে।এদিন মামলাকারীদের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। দিনের পর দিন রাজ্যের স্কুল বন্ধ। তাই পড়ুয়ারা মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। করোনা বিধি মেনে অবিলম্বে রাজ্যে স্কুল চালু করে দেওয়ার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন বিকাশরঞ্জনবাবু। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, রাজ্য সরকার এই পরিস্থিতিতে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখতে চায়। রাজ্য সরকারও যে স্কুল খোলার বিষয়ে উৎসাহী তা আদালতে জানান তিনি। তিনি জানান, ইতিমধ্যে কম বয়সীদের টিকাকরণ প্রক্রিয়া চলছে রাজ্যে।বিরোধীরা ইতিমধ্যে স্কুল চালুর জন্য রাস্তায় নেমে দাবি জানিয়েছে। পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধস্তাধস্তি হয়েছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বৃহস্পতিবার রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বিকাশভবনের সামনে। তাঁকে ও তাঁর সঙ্গী বিধায়কদের পথ আটকে ছিল পুলিশ। পুলিশের দাবি, ওই স্থানে ১৪৪ ধারা জারি ছিল।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

স্কুল-কলেজ খোলার দাবিতে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় চত্ত্বরে এসএফআইয়ের প্রতীকী 'ওপেন এয়ার ক্লাসরুম'

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে আন্দোলন। একই দাবিতে মামলার পর মামলাও হয়ে চলেছে হাইকোর্টে।এমন এক পরিস্থিতির মধ্যেই বৃহস্পতিবার বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় চত্ত্বরে প্রতীকী ওপেন এয়ার ক্লাসরুম করল ভারতের ছাত্র ফেডারেশন (এস এফ আই)। পাড়ায় পাঠশালার পরিবর্তে অবিলম্বে স্বাস্থ্যবিধি মেনে রাজ্যের সমস্ত স্কুল কলেজ খোলার দাবিতে এদিন স্বোচ্চার হন এসএফআইয়ের সদস্যরা। এসএফআইয়ের এই আন্দোলনকে অবশ্য কটাক্ষ করতে ছাড়েনি শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব।করোনা অতিমারির কারণে প্রায় দুবছর হল বন্ধ রয়েছে রাজ্যের সমস্ত স্কুল কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মাঝে সংক্রমণের প্রভাব কিছুটা কমার পর স্কুল আংশিক খোলা হয়। কিন্তু ফের করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার পর পুনরায় বন্ধ করে দিতে হয় স্কুল-কলেজ. আর তা নিয়েই এখন সরব হয়েছেবিভিন্ন সংগঠন ,বিরোধী রাজনৈতিক দল ও তাদের ছাত্র সংগঠন গুলি। কলকাতার রাজপথ থেকে শুরু করে জেলা সদর,সর্বত্রই এখন প্রতিদিন জোরালো হচ্ছে স্কুল-কলেজ খোলার দাবিতে আন্দোলন। এসএফআই নেতৃত্বের দাবি, তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে ইতিমধ্যেই বিকাশভবনে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। পাশাপাশি প্রতিদিন রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় চলছে বিক্ষোভ কর্মসূচি। এসএফআইয়ের পূর্ব বর্ধমান জেলা সম্পাদক অনির্বান রায় চৌধুরী বলেন, রাজ্যের সমস্ত পানশালা খোলা থাকছে, মেলা খেলা চলছে, যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। অথচ শুধু বন্ধ রাখা হয়েছে রাজ্যের স্কুল-কলেজ সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। ইন্টারনেট পরিষেবা ও অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন না থাকায় রাজ্যের গ্রামে গঞ্জের বহু ছাত্রছাত্রী অনলাইন ক্লাস করতে পারেনি। তবুও সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে পঙ্গু করে রাখার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত ভাবে স্কুল-কলেজ বন্ধ করে রেখেছে বলে অভিযোগ করেন অনির্বাণ রায় চৌধুরী। একই সঙ্গে তিনি এও বলেন, ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক শিক্ষিকা থেকে অভিভাবক সকলেই চাইছেন রাজ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলুক। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তা চাইছেন না। প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা একেবারে ভেঙ্গে পড়েছে, ছাত্রছাত্রীরা অক্ষর জ্ঞানও ভুলে গেছে। অবিলম্বে স্কুল-কলেজ না খোলা না হলে রাজজুড়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলন হবে বলে এদিন হুঁশিয়ারি দিয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলা এস এফ আই নেতৃত্বশিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবীতে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে আন্দোলন একই দিনে শহর বর্ধমানের ব্যবসায়ীরাও স্বোচ্চার হন শহরের দোকান বাজার সারা সপ্তাহ স্বাভাবিক রাখার দাবিতে। কোভিড সংক্রমণের হার দ্রুতগতিতে বৃদ্ধির কারণে সপ্তাহের বৃহস্পতি ও রবিবার বর্ধমান শহর ও সংলগ্ন এলাকায় দোকান বাজার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। শহরের তেঁতুলতলা বাজার,পুলিশ লাইন, নীলপুর, কালনা গেট, রথতলা, ঝুরঝুরেপুল সহ সব বাজার সপ্তাহে দুদিন পুরো বন্ধ থাকছে। মুদিখানা,সবজি, ফুলফল, মাছ মাংসের বাজারে সবই এদিন থাকে শুনসান। বর্ধমানের ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা শেখ স্বপন এদিন অভিযোগ করেন, মেলা-খেলা সবই চলছে। শুধু করোনার দোহাই দিয়ে শহর বর্ধমানে দোকান বাজার দু,দিন বন্ধ রাখার নির্দেশ জারি করে রেখেছে প্রশাসন। এতে ব্যবসায়ীরা আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন কিছু ভাবুক।নয়তো তাদের আন্দোলনে নামতে হবে। এসএফআই ও ব্যবসায়ীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের সহসভাধিপতি তথা তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যের মুখপত্র দেবু টুডু বলেন, মানুষ প্রত্যাখ্যান করায় সিপিএম ও এসএফআইয়ের স্থান এখন জাদু ঘরে হয়েছে। ওরা প্রচারের আলোয় আসার জন্য এখন স্কুল কলেজ খোলার দাবি তুলে পথে নামছে। ওরা মনে হয় ছাত্রছাত্রীদের সুরক্ষার কথা না ভেবে ওদের বিপদে ফেলতে চাইছে। স্কুল-কলেজ খোলার বিষয়ে রাজ্য সরকার যথা সময়েই সিদ্ধান্ত নেবে। পাশাপাশি শহর বর্ধমানে দোকান বাজার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের বিষয়ে দেবু টুডু বলেন, শহরে করোনার বাড়বাড়ন্তের জন্য জেলা প্রশাসন এবিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসন দেখছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
রাজ্য

করোনাকালে পড়ুযাদের মানসিক চাপ কমাতে রাজ্যের বিশেষ উদ্যোগ

করোনাকালে স্কুল বন্ধ থাকার কারণে নানাভাবে সমস্যায় পড়া ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে পৌঁছতে রাজ্য সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে।স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে তৈরি হওয়া মানসিক চাপ ও অনিশ্চয়তাকে নিরাময় করতে রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর বিশেষ ওয়েবিনার সিরিজের আয়োজন করার কথা ঘোষণা করেছে। ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবকদের সামিল করে উজ্জীবন চর্চা নামে বিশেষ ওয়েবিনারে বিশেষজ্ঞরা নির্বাচিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন। রবিবার আয়োজিত হবে প্রথম ওয়েবিনারটি। কোভিডকালে শিক্ষার্থী মন নামক এই ওয়েবিনারের আলোচকমণ্ডলীতে থাকবেন বিশিষ্ট মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডঃ রিমা মুখার্জি, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট ও থেরাপিস্ট শ্রীমতী পায়েল ঘোষ, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট ও স্পেশ্যাল এডুকেটর শ্রীমতী পৌষালী দাস।অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করবেন সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গভর্নমেন্ট বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শ্রীমতী পাপিয়া নাগ। শিক্ষক শিক্ষিকা-সহ একাদশ শ্রেণির পড়ুয়া ও তাদের অভিভাবকরা এই ওয়েবিনারে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।দুপুর ১২টা থেকে ১টার মধ্যে ছাত্রছাত্রী ও তাঁদের অভিভাবকরা এই ওয়েবিনারে অংশ নিতে পারবে। অন্যদিকে, দুপুর ১.৩০ থেকে ২.৩০-এর মধ্যে শিক্ষক-শিক্ষিকারা এই ওয়েবিনারে অংশ নিতে পারবেন।তৃতীয়বারের জন্য সারা দেশ জুড়ে মারণ থাবা বসিয়েছে করোনা ভাইরাস। এহেন পরিস্থিতিতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে রাজ্যের স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলি। ফের একবার অনলাইন ক্লাসেই ফিরে গিয়েছে পড়ুয়ারা। করোনার সময় স্কুলের ক্লাসরুম থেকে বঞ্চিত হওয়া পড়ুয়া ও তাঁদের অভিভাবকদের জন্য একগুচ্ছ ওয়েবিনার নিয়ে হাজির হল পশ্চিমবঙ্গ স্কুল শিক্ষা দপ্তর।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
শিক্ষা

School Re-Open: অবশেষে রাজ্যে খুলছে স্কুলের দরজা, ছাত্র-ছাত্রীদের কলতানে মাতবে ক্লাসরুম

বাজলো ছুটির ঘণ্টা। দীর্ঘ প্রায় দুবছর হতে চলল ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলের মুখ দেখেনি। অবশেষে বছর শেষে আজ, মঙ্গলবার বিদ্যালয়ের দরজা খুলতে চলেছে। স্কুলগুলিতে স্যানাটাইজারের কাজ শেষ। স্কুলে যাওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছে ছাত্র-ছাত্রীরা। যদিও প্রথম দফায় নবম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ক্লাস হবে। তার মধ্যেও নানান নির্দেশিকা রয়েছে।রাজ্যের অন্য জেলার মত পুর্ব-বর্ধমান জেলার বিভিন্ন স্কুল আজ খুললো, সরকারি নির্দেশিকা ও কোভিড বিধি মেনে তাঁরা ছাত্রদের স্কুলে প্রবেশ করান। জেলার সিবিএসসি ইংরাজি মাধ্যমের স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুলে আজ ছাত্রদের গোলাপ ফুল দিয়ে নবীনবরন করে নেওয়া হয়। বর্ধমান মডেল স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জনতার কথা-কে জানান অতিমারীর কারণে দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে আজ আবার স্কুল খুলতে চলেছে এবং ঈশ্বরের কৃপায় আমরা আমাদের বিদ্যালয়ে সন্তানদের ফিরে পেতে যাচ্ছি। শিক্ষক ও শিক্ষা-কর্মীদের কাছে আবেদন দয়া করে ভুলে যাবেন না যে এই অবস্থার মধ্যে তাদের মনের মধ্যে অনেক চাপ গিয়েছে, হয় তো অনেকের মধ্যে কিছু খারাপ অভ্যাস জায়গা করে নিতে পারে। তাই তাদের সাথে সহানুভূতির সঙ্গে আচরণ করুন এবং তাদের সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য চরম ধৈর্য ধরে রাখার চেষ্টা করুন। আশা রাখছি খুব শীঘ্রই আমরা শিশুদেরও স্কুলে আসতে দেখব। এর থেকে ভালো দৃশ্য সমাজে আমরা কিছু আশা করতে পারি না। সকালে ঘুম থেকে উঠে রাস্তার মোড়ে মোড়ে ও বাসের ভিতরে বাচ্ছারা মা-বাবা দের হাত ধরে স্কুল বাস/ক্যাব-র অপেক্ষায় যে কলতান করে তা কোনও সঙ্গীতের থেকে কম মধুর নয়। সকলের ভালো ও শুভ কামনা আশা করছি।যাত্রা শুরুএই সময় ছাত্রী-ছাত্রীরা অনলাইনে ক্লাসে অভ্যস্ত হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে সেই সুযোগ হয়নি লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার। শিক্ষামহল মনে করে, স্কুলে গিয়ে সরাসরি পড়াশুনার মজাটাই আলাদা। তাছাড়া স্কুলে গিয়ে না পড়লে প্রকৃত শিক্ষা সম্পূর্ণ হতে পারে না। বীরভূমের লাভপুরের শম্ভুনাথ কলেজের ভূগোল-র অধ্যাপক ডঃ কুনাল চক্রবর্তী জনতার কথাকে বলেন ছাত্রদের সাথে অফলাইনে ক্লাস নেওয়ার মজাই আলাদা। যে অনুভুতি সামনা-সামনি ক্লাস নিলে হয় তা কোনোদিন-ই অনলাইনের ক্লাসে সম্ভব নয়। আমরা দীর্ঘদিন শিক্ষকতা সঙ্গে যুক্ত, ছাত্রদের চোখের দিকে তাকালেই বুঝতে পারি তারা কতটা নিতে পারছে, সেটা কোনও দিন-ই অনলাইনের ক্লাসে সম্ভব নয়। তাছাড়া অনেকেই প্রত্যন্ত গ্রামে থাকে, সেখানে ইন্টারনেট পরিসেবা ততটা উন্নত নয়, কেউ হয়তো অর্থনৈতিক অবস্থা কারনে মোবাইল কিনতে পারেনি। তবে অনলাইন ক্লাস একটা দিগন্ত খুলে দিল, এটা নিশ্চিত ভাবেই প্রমানিত যে কোনও কিছুই প্রতিবন্ধকতা নয়। মানুষ চাইলে সব কিছুকেই অতিক্রম করতে পারে। আশা রাখি খুব শীঘ্রই ছোটোদেরও স্কুল শুরু হবে।

নভেম্বর ১৬, ২০২১
রাজ্য

Mamata Bannerjee: পুজোর পর কি খুলবে স্কুল? বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

পুজোর পরই খুলবে স্কুল। তবে যদি কোভিড পরিস্থিতি আরও খারাপ না হয়। সোমবার নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলনে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, এ রাজ্যে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। সংক্রমণ ১ শতাংশে নেমে এসেছে। তবে আজ ঠিক থাকলেও আগামিকাল কী হবে তা নিয়ে এ ভাবে বলা সম্ভব নয়। সব ঠিকঠাক থাকলে ভাইফোঁটার পরই রাজ্যে স্কুল খোলা হবে বলে জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।আদিবাসী উন্নয়নের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ট্রাইবাল অ্যাডভাইসরি কাউন্সিল তৈরি করেছিলেন। সোমবার ছিল সেই পর্ষদের প্রথম বৈঠক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ৫০০ সাঁওতালি স্কুলে অলচিকি হরফে পড়ানো হবে। ২০০ টি রাজবংশী স্কুল, ২টি কামতাপুরি স্কুলও হচ্ছে। এছাড়াও কুর্মি, হিন্দি, গোর্খা, নেপালি সমস্ত ভাষায় নতুন নতুন স্কুল আগামী দিন সিলেবাস তৈরি হওয়ার পর পড়ানো হবে। এটা নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা ছিল।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের ত্রিপুরা-চ্যালেঞ্জে নতুন তাস দেবএরপরই স্কুল খোলা প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পুজোর পরই স্কুল খুলবে রাজ্যে। আগেই ঘোষণা করা হয়েছে। পুরো স্কুল স্যানিটাইজ করে তারপর তা খোলা হবে। তবে তা হবে যদি তৃতীয় ঢেউ না আসে। তৃতীয় ঢেউ যদি ভয়ঙ্কর না হয়। এটা পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে। এখন বাংলার অবস্থা ঠিকই আছে। ১ শতাংশের আশেপাশে সংক্রমণ। তবে আমরা চাই সকলে ভাল থাকুন। কিন্তু মহারাষ্ট্র, কেরলে যে ভাবে প্রতিদিন সংক্রমণ বাড়ছে, জানি না কাল কী হবে। আজ বলতে পারি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।চলতি মাসের শুরুতেই করোনা মোকাবিলায় গঠিত গ্লোবাল অ্যাডভাইজারি বোর্ডের প্রধান নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে নবান্নে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃতীয় ঢেউয়ের মোকাবিলায় রোডম্যাপ তৈরি নিয়ে সেই বৈঠকে আলোচনা হয়। এরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, পুজোর পরই রাজ্যে স্কুল খোলার পরিকল্পনা রয়েছে রাজ্যের। কোভিড পরিস্থিতি যদি ঠিক থাকে, তবে পুজোর ছুটির পরই একদিন ছাড়া একদিন স্কুলগুলি খোলা হতে পারে বলে জানান তিনি।আরও পড়ুনঃ বিজেপিকে ভোট, অনাহারে মালদার ৫ হাজার জলবন্দি মানুষ যদিও সোমবার সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউয়ের সম্ভাবনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে একটি রিপোর্ট জমা পড়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের তরফ থেকে এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে পিএমওতে। সেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অক্টোবরেই চরম আকার ধারণ করতে পারে করোনার তৃতীয় ঢেউ। শিশুদের ক্ষেত্রে যে সংক্রমণের আশঙ্কা বেশি থাকবে, সে ব্যাপারেও সতর্ক করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই দেশের একাধিক রাজ্যে সংক্রমণের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। কেরল, মহারাষ্ট্রের ছবিটা নতুন করে আশঙ্কা বাড়াচ্ছে। এর মধ্যে আবার উৎসবের মরশুম। স্বভাবতই বহু মানুষের জমায়েত নতুন করে উদ্বেগের কারণ হতে পারে। এই অবস্থায় আদৌ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভবপর কি না তা তো সময়ই বলবে। আর পরিস্থিতির উপরই নির্ভর করে রাজ্যে স্কুল খোলা হবে এদিন আরও একবার জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আগস্ট ২৩, ২০২১
রাজ্য

School re-openning: পড়ুয়াদের জন্য সুখবর, বড় ঘোষণা মমতার

অবশেষে রাজ্যের স্কুল-কলেজ খুলতে চলেছে রাজ্যে! এমনই আশার বাণী শোনালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা মোকাবিলায় গঠিত গ্লোবাল অ্যাডভাইজারি বোর্ডের প্রধান নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৃহস্পতিবার নবান্নে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃতীয় ঢেউয়ের মোকাবিলায় রোডম্যাপ তৈরি নিয়ে এ দিনের বৈঠকে আলোচনা হয়। বৈঠকের শেষে সাংবাদিক বৈঠকের মুখোমুখি হয়ে মমতা জানান, পুজোর পরই রাজ্যে স্কুল খোলার পরিকল্পনা রয়েছে রাজ্যের। কোভিড পরিস্থিতি যদি ঠিক থাকে, তবে পুজোর ছুটির পরই একদিন ছাড়া একদিন স্কুলগুলি খোলা হতে পারে বলে এ দিন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।আরও পড়ুনঃ আবার ব্যর্থ কোহলি, চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা রাখলেন অ্যান্ডারসনযদিও কলেজ খোলা নিয়ে আলাদা করে তিনি এ দিন কিছুই বললেনি। তবে স্কুল খোলা হতে পারে, এমন সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন। কিন্তু কোন ক্লাস থেকে কোন ক্লাসের পড়ুয়াদের স্কুলে ডাকা হবে সেই নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। মমতা বলেন, পুজোর ছুটির পর আমরা চেষ্টা করব একদিন ছাড়া একদিন স্কুলগুলো খোলার। মুখ্যমন্ত্রীর আজকের এই ঘোষণার ফলে রাজ্যের শিক্ষা এবং পড়ুয়া মহলে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে বলা চলে। শিক্ষক সংগঠনের অবশ্য় দাবি, পুজোর পর খুলতে হলে অনেক দেরি হয়ে যাবে। ততদিনে আরও সময় নষ্ট হবে, নতুন করে ঢেউও আসতে পারে। কিন্তু এখন পরিস্থিতি যেমন রয়েছে, তাতে এখনই একদিন ছাড়া একদিন স্কুল চালু করে দেওয়া সম্ভব।তৃতীয় ঢেউয়ের সঙ্গে কোন পথে মোকাবিলা করা সম্ভব, তা নিয়ে পরিকল্পনা নির্ধারিত করতেই এ দিন নবান্নে অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন মমতা। বৈঠক শেষে অভিজিৎবাবু বলেন, এই মুহূর্তে যত বেশি পরিমাণে টিকাকরণ করা যায়, তত বেশি মানুষ সুরক্ষিত হবেন। দুর্গা পুজোর পরে যাতে পরিস্থিতির কোনওভাবে অবনতি না হয়, সেই উপলক্ষে পুজোর জন্য একটি পৃথক প্রকোটলও তৈরি করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন এই বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ।

আগস্ট ০৫, ২০২১
রাজ্য

প্রায় ১১ মাস পর স্কুল খুলল রাজ্যে

প্রায় ১১ মাস পর খুলল সমস্ত সরকারি ও অধিকাংশ বেসরকারি স্কুলের দরজা। আজ অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি সকালে ফের অফলাইন ক্লাসে পড়ুয়ারা। এতদিন পর পুরনো পদ্ধতিতে ফিরতে পেরে খুশি প্রত্যেকে।গত বছর মার্চ মাস থেকে নিরাপত্তার খাতিরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল স্কুল-কলেজ-সহ সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কারণ, জমায়েত থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা ছিল। পরবর্তীতে মারণ ভাইরাসের দাপট বাড়ায় লকডাউন জারি হয় গোটা দেশে। মে মাস পর্যন্ত স্তব্ধ ছিল গোটা ভারত। তবে পড়ুয়াদের যাতে ক্ষতি না হয় সেই কারণে অধিকাংশ স্কুলই শুরু করে অনলাইন ক্লাস। পরবর্তীতে জানুয়ারিতে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সেক্ষত্রে কঠোরভাবে কোভিড বিধি মানতে হবে। ব্যবহার করতে হবে মাস্ক, স্যানিটাইজার। পালন করতে হবে দূরত্ব বিধি। প্রিয় বন্ধুর সঙ্গেও ভাগ করে খাওয়া যাবে না টিফিন। এত নিষেধাজ্ঞার মাঝেও স্কুলে যেতে পেরে খুশি পড়ুয়ারা। ছাত্র-ছাত্রীদের যাতে কোনও রকম অসুবিধা না হয়, সেদিকে নজর রেখেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ফের আগুনে আতঙ্ক! সল্টলেক সেক্টর ফাইভের বহুতলে ধোঁয়া, দমকলের তৎপরতা

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ক্ষত এখনও তাজা। তার মধ্যেই ফের আগুন শহরে। এবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল সল্টলেক সেক্টর ফাইভ-এ। একটি বহুতল অফিস ভবন থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের হতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।জানা গিয়েছে, গ্লোবসিন ক্রিস্টাল বিল্ডিং-এ আচমকাই আগুন লাগে। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের ৩টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা পৌঁছেই গোটা বিল্ডিং খালি করে দেন। আতঙ্কে একে একে বাইরে বেরিয়ে আসেন তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থাগুলির কর্মীরা। অফিস টাইম হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে রাস্তায় ভিড় জমে যায়। আশপাশের এলাকা থেকেও বহু মানুষ ছুটে আসেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হঠাৎ করেই অফিসের ভিতরে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে সকলকে নিচে নেমে যেতে বলা হয়। এক কর্মী জানান, তখন তাঁরা অফিসের ভিতরেই ছিলেন। হঠাৎ বলা হয় বাইরে বেরিয়ে যেতে। পরে নিচে নেমে শোনা যায়, উপরের একটি রেস্তোরাঁয় আগুন লেগেছে।তবে ঠিক কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেস্তোরাঁ থেকেই আগুন ছড়িয়েছে, না কি অন্য কোনও জায়গা থেকে, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা। ভবনের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দমকলের চেষ্টায় কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে। তবুও ব্যস্ত সময়ে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে অফিস কর্মীদের মধ্যে। এলাকায় এখনও কৌতূহলী মানুষের ভিড় রয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ভারত-বিরোধিতার অধ্যায় শেষ? মোদির ফোনে বদলাচ্ছে ঢাকা-দিল্লির সমীকরণ!

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংসদীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিএনপি। এই জয়ের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছেঢাকা ও দিল্লির সম্পর্ক কি আবার উষ্ণ হতে চলেছে?শুক্রবার নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানান। পরে ফোনেও তাঁর সঙ্গে কথা বলেন তিনি। মোদি লেখেন, বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিরাট জয়ের জন্য তারেক রহমানকে তিনি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এই জয় বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতিফলন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের বহুমুখী সম্পর্ক আরও জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।এর জবাবে বিএনপির পক্ষ থেকেও মোদিকে ধন্যবাদ জানানো হয়। দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন। দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কও নতুন করে শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে উপদেষ্টা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন মহম্মদ ইউনুস। তাঁর প্রায় দেড় বছরের শাসনকালে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। ভারত-বিরোধী মনোভাব, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং মৌলবাদী শক্তির উত্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর ঘটনাও নজরে আসে। এই পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের সঙ্গে একাধিকবার কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দেয়।এই নির্বাচনে মৌলবাদী দল জামাতকে পিছনে ফেলে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে পাকিস্তানের প্রভাব খাটানোর সম্ভাবনায় বড় ধাক্কা লেগেছে। নির্বাচনের আগে জামাতের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর যোগাযোগ নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। তবে ভোটে জামাতের পরাজয়ে সেই সমীকরণ বদলে গেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পথে। এখন নজর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের দিকে। মোদি ও তারেকের এই সৌজন্য বার্তা কি দুই দেশের সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে? দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে তার প্রভাব কতটা পড়বে, সেটাই এখন দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি ভোটার ইস্যুতে কড়া নির্বাচন কমিশন! একাধিক জেলাশাসক তিরস্কৃত

ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, কোন কর্তৃত্বে এআরও-রা ইআরএমও-দের ডেকেছিলেন। একাধিক জেলার জেলাশাসকের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশন।কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও মালদার জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে দেরির জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার জেলাশাসকের কাজ নিয়েও অসন্তোষ জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এসআইআর শেষ হওয়ার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বৈঠক করেন। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও। বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়, কোনও বিদেশি নাগরিকের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে তথ্য যাচাই করতে হবে। সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নাম থেকে যায়, তা হলে এক বা পাঁচ বছর পরেও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মামলা পর্যন্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান যাঁদের বৈধ ভোটার বলে চিহ্নিত করে, তাঁদের বাইরে কাউকে বৈধ ভোটার হিসেবে মানা যায় না। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের বৈধ ভোটার হিসেবে দেখছেন। নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, তাঁরাও চান না কোনও বিদেশি ভোটার থাকুক। তবে বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ, পরিযায়ী শ্রমিক বা গরিব মানুষদের বারবার নোটিস দিয়ে ডাকা হচ্ছে। তাঁদের পক্ষে বারবার যাতায়াত করা সম্ভব নয়। ফলে তাঁদের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। বিদেশি ভোটার বিতর্কে আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

মোদী বিরোধী আগুনঝরা ভাষণ, তবু ভোটে হার! সারজিস আলমকে ফিরিয়ে দিল পঞ্চগড়

বাংলাদেশের নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেলেন ছাত্রনেতা সারজিস আলম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত তিনি। অতীতে ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় মন্তব্য করেছিলেন এবং সরাসরি নরেন্দ্র মোদি-র নাম করে সমালোচনা করেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র দেশত্যাগ নিয়েও কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।পঞ্চগড়-১ আসনে জামাত জোটের প্রার্থী হিসেবে লড়ে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন সারজিস। তাঁর মন্তব্য ঘিরে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি হাসিনার দেশছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে ঐতিহাসিক তুলনাও করেছিলেন। সেইসব বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তুলেছিল।কিন্তু ভোটের ফল অন্য কথা বলল। শেষ পর্যন্ত তিনি বিএনপি প্রার্থীর কাছে হেরে যান। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের বড় জয়। সংবাদমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে এগিয়ে বা জয়ী হয়েছে বিএনপি জোট।ঢাকা-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বরচন্দ্র রায়। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার ভোট বেশি পেয়েছেন।বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া-র পুত্র তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে দুদশক পর সরকার গঠনের পথে বিএনপি। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।মূল প্রতিপক্ষ জামাত জোট ১০০-র নীচে থেমে গেছে বলে জানা গিয়েছে। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপিও বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এই বিপুল জয়ের পর কি বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে? অরাজকতার অভিযোগে উত্তাল সময়ের পর পদ্মাপারের দেশে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে ছাড়া, তবু মাঠে অনিশ্চিত অভিষেক! পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা ভারতের শিবিরে?

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও এখনও পুরো সুস্থ নন ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা। কবে তিনি সম্পূর্ণ ফিট হয়ে মাঠে নামবেন, তা স্পষ্ট নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও তাঁর খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে সন্দেহ। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইঙ্গিত দিয়েছেন, অভিষেকের ফিরতে আরও এক-দুটি ম্যাচ সময় লাগতে পারে।বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের পর ড্রেসিংরুমে একটি ভিডিও করেন অর্শদীপ সিং। সেই ভিডিওতেই দেখা যায় অভিষেককে। তাঁকে বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। অর্শদীপ জানতে চাইলে অভিষেক বলেন, তিনি ডাল-ভাত খাচ্ছেন, তবে পুরোপুরি ভালো নেই। অর্শদীপ মজা করে বলেন, তাঁকে অনেকটা রোগা লাগছে। যদিও সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি অভিষেক। শোনা গিয়েছিল, পেটের সমস্যার কারণে তাঁর ওজন অনেকটাই কমে গিয়েছে। ভিডিও দেখেও অনেকে একই মন্তব্য করেছেন।অসুস্থতা নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন অভিষেক। কিন্তু প্রথম বলেই আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তার পর আর তাঁকে মাঠে দেখা যায়নি। দিল্লি ফেরা, কোচ গৌতম গম্ভীর-এর বাড়িতে যাওয়া, পরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াসবই হয়েছে চুপিসারে। গতকাল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে তিনি খেলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। টসের সময় সূর্যকুমার বলেন, অভিষেক এখনও পুরো সুস্থ নন। ফলে পাকিস্তান ম্যাচে তাঁর নামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও ম্যাচের পরে বরুণ চক্রবর্তী জানান, অভিষেক অনেকটাই ভালো আছেন।তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলে এই অনিশ্চয়তা চিন্তা বাড়াচ্ছে সমর্থকদের। অভিষেক কবে মাঠে ফিরবেন, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

লালকেল্লার পর ফের কাঁপছে দিল্লি! স্কুলে বোমা হুমকি ঘিরে তীব্র আতঙ্ক

নভেম্বরে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রাজধানী। দিল্লি-র লালকেল্লা-র সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের স্মৃতি এখনও টাটকা। তার মধ্যেই আবার ছড়াল বোমাতঙ্ক। শুক্রবার সকালে রাজধানীর একাধিক স্কুলে বোমা রাখা হয়েছে বলে হুমকি আসে। আতঙ্ক ছড়ায় পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে অন্তত তিনটি স্কুলে বোমা রয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। প্রথমে বিটি তামিল স্কুলে বোমা থাকার খবর ছড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করা হয় পড়ুয়াদের পরিবারকে। পরে আরও দুটি স্কুলে একই ধরনের হুমকি আসে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল ও পুলিশ। দ্রুত স্কুলগুলি খালি করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।এর আগেও সোমবার ১৩টি স্কুলে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল পাঠানো হয়েছিল। সেই ইমেলে লেখা ছিল, আফজল গুরুর স্মৃতিতে দিল্লিকে খলিস্তান বানানো হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। যদিও পরে সেই হুমকি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। তবু আতঙ্ক কাটেনি।গত ২৯ জানুয়ারি পাঁচটি স্কুল একই ধরনের হুমকি পেয়েছিল। তার আগের দিন দ্বারকা আদালত চত্বর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আসে। এমনকি সংসদ ভবন নিয়েও হুমকির ইমেল পাঠানো হয়েছিল। এক সপ্তাহে দুবার স্কুলে বোমা রাখার হুমকি ঘিরে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের।১০ নভেম্বর লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবু একের পর এক হুমকি ইমেল প্রশাসনকে চিন্তায় ফেলেছে। এখনও পর্যন্ত হুমকির উৎস জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।বারবার বোমা হুমকির ঘটনায় আতঙ্কে দিল্লিবাসী। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। রাজধানীতে ফের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পুণেতে খুন পুরুলিয়ার শ্রমিক! ভাষা বিতর্ক না কি মদের ঝামেলা—রহস্যে ঘনাচ্ছে মৃত্যু

ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল পুরুলিয়ায়। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্র-এর পুণে থেকে উদ্ধার হয়েছে পুরুলিয়ার বরাবাজারের বাসিন্দা সুখেন মাহাতোর দেহ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই আমিন সওকত শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস-এর অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই খুন হতে হয়েছে সুখেনকে। যদিও তদন্তে নেমে পুণে পুলিশের দাবি, ভাষা নয়, মত্ত অবস্থায় বচসা থেকেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের তরফে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার পুণে শহরের কাছে শিকরাপুর থানার এলাকায় একটি হোটেলের পিছন থেকে সুখেনের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, সহকর্মীদের হাতে খুন হয়েছেন সুখেন এবং এর নেপথ্যে রয়েছে ভাষাগত বিদ্বেষ।অন্যদিকে, সুখেনের ভাই তুলসীরাম মাহাতো পুণেতে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। তাঁর সম্মতিক্রমেই এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিকরাপুর থানায় মারাঠি ভাষায় এফআইআর লেখা হলেও তা হিন্দিতে অনুবাদ করে তাঁকে শোনানো হয়। তুলসীরাম জানিয়েছেন, তাঁর সম্মতি নিয়েই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।তুলসীরামের বয়ান অনুযায়ী, ৯ তারিখ দুপুরে সুখেন বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশে বের হন। সন্ধ্যায় তিনিও কাজে যান, কিন্তু সেখানে সুখেনকে দেখতে পাননি। ফোন করলেও যোগাযোগ হয়নি। রাতেও একাধিকবার ফোন করা হয়, কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। পরদিন সকালে শিফট শেষ করে বাড়ি ফিরে সুখেনকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পরে সুপারভাইজার সন্দীপ জানান, একটি হোটেলের পিছনে সুখেনের দেহ পড়ে রয়েছে। সেখানে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন তুলসীরাম।শুক্রবার দুপুরে সুখেনের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পুরুলিয়ার বরাবাজারে যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ঘটনায় ভাষা-বিদ্বেষ না কি ব্যক্তিগত বচসা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুণে পুলিশ। পুরো ঘটনার নেপথ্যে কী রয়েছে, তা জানতে অপেক্ষা তদন্তের অগ্রগতির দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

তারেকের জয়ে উচ্ছ্বসিত মোদি? কূটনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড়সড় জয়ের পথে বিএনপি। ফলাফল স্পষ্ট হতেই দলের সভাপতি তারেক রহমান-কে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সকালে এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিয়ে মোদি লিখেছেন, এই জয় প্রমাণ করে বাংলাদেশবাসী তারেকের নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন।মোদি তাঁর বার্তায় আরও জানিয়েছেন, গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের পাশে ভারত রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে বহুমুখী সম্পর্ক রয়েছে, তা আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। পারস্পরিক স্বার্থে দুই দেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।শুক্রবার সকালেই বাংলাদেশের নির্বাচনের ফল পরিষ্কার হয়ে যায়। ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়েছে। তার মধ্যে ২০০-র বেশি আসনে এগিয়ে থেকে সরকার গঠনের পথ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। দুটি আসনে লড়ে দুটিতেই জয় পেয়েছেন তারেক রহমান।এই নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এসেছে তারা।এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মোদির শুভেচ্ছাবার্তা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মোদি তাঁর বার্তায় লিখেছেন, বিএনপি দেশের নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে এবং তারেকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলেই তিনি আশাবাদী।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন বলে জানা যায়। আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত তাঁকে গণহত্যা মামলায় সাজা শুনিয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বারবার তাঁর প্রত্যর্পণ দাবি করলেও এ বিষয়ে ভারত সরকার প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি।এই পটভূমিতে বিএনপির জয়ের আভাস মিলতেই মোদির দ্রুত শুভেচ্ছাবার্তা কূটনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন নজর, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোন পথে এগোয়।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal