• ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Raj

দেশ

ভারতে মিলল এক বিরল শ্রেনীর রক্ত, বিশ্বে মাত্র ১০ জনের শরীরে এই গ্রুপের রক্ত পাওয়া গেছে

গুজরাটে এক বিরল শ্রেনীর গ্রুপে রক্তর সন্ধান মেলায় চিকিৎসককুলের কপালে ভাঁজ। ভারতের পশ্চিম প্রান্তের রাজ্য গুজরাটের রাজকোটে এক বছর ৬৫ র প্রবীন ব্যক্তির শরীরে মিলল এই বিরল শ্রেনীভুক্ত রক্ত। প্রবীন ব্যক্তি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্র তাঁর রক্তের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা যায় তাঁর শরীরে যে রক্তের গ্রুপ তা সাধারণ ভাবে মানুষের শরীরে যে রক্ত পাওয়া যায় সেই A, B, O, বা AB মধ্যে পড়ছে না।তাঁর শরীরে বিরল রক্তের গ্রুপ ইএমএম নেগেটিভ (EMM Negative) পাওয়া গেছে, যা অন্য চারটি রক্তের গ্রুপে (A, B, O, বা AB) কোনও শ্রেণীর সাথে মেলে না। মানবদেহে রক্তে মধ্যে A, B, O, Rh, এবং Duffy সহ ৪২ টি বিভিন্ন রক্ত রয়েছে। এই চারটি রক্তের গ্রুপ ছাড়াও ৩৭৫ টি বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিজেনে বেশ ভালো পরিমাণে EMM উপস্থিত লক্ষিত হয়।রাজকোটের এই প্রবীন ব্যক্তি পৃথিবীর ১০জন ব্যক্তিদের মধ্যে পড়েন, যারা সাধারণ মানুষের থেকে আলাদা কারণ তাদের রক্তে EMM উচ্চ-ফ্রিকোয়েন্সি অ্যান্টিজেনের অভাব রয়েছে বলে জানা যায়। এই ব্যক্তিরা অসুস্থ হয়ে রক্ত প্রয়োজন হলে ওই ১০ জন ব্যাক্তি ছাড়া পৃথীবীর কোনও মানুয-ই তাঁদের রক্ত দান করতে পারবেন না। কি ১০জন ব্যক্তির রক্তও অন্য কোনও মানুষের কাজে লাগবে না। এককথায় তাঁরা অন্য কারুর থেকে রক্তের গ্রুপের কাছ থেকে রক্ত দান এবং গ্রহণ করতে অক্ষম।আজ পর্যন্ত সমগ্র পৃথিবীতে মাত্র ৯ জনের শরীরে এই বিরল রক্তের গ্রুপ পাওয়া গেছিল। রাজকোটের এই ব্যক্তি-ই বিশ্বে ১০ম ব্যক্তি যাঁর শরীরে এর সন্ধান পাওয়া গেছে। সুরাটের সমর্পন রক্তদান কেন্দ্রের চিকিৎসক সন্মুখ জোশীর জানান, হার্ট অ্যাটাকের পরে আহমেদাবাদে ভর্তি হওয়া ওই প্রবীন ব্যক্তির হার্ট সার্জারির জন্য রক্তের প্রয়োজন ছিল। তাঁর নমুনাগুলি সুরাট রক্তদান কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল। আহমেদাবাদের প্রথমা ল্যাবরেটরিতে তার রক্তের গ্রুপ সনাক্ত করতে পারেনি।আরও উন্নত প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে রাজকোটের প্রবীন ব্যক্তির রক্তের গ্রুপটি স্নাক্ত করা হয়। এটিকে ভারতে পাওয়া বিরলতম রক্তের গ্রুপের প্রথম দৃষ্টান্ত এবং বিশ্বের দশম দৃষ্টান্ত হিসাবে জানা যায়। ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অফ ব্লাড ট্রান্সফিউশন (ISBT) এটিকে ইএমএম নেগেটিভ (EMM Negative) হিসাবে মনোনীত করেছে কারণ ওই রক্তে কোনও EMM উপস্থিত নেই।

জুলাই ১৩, ২০২২
রাজ্য

মা সারদা নিয়ে তৃণমূল বিধায়কের মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া বেলুড় মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের

মন্তব্যের পাঁচ দিন পর কড়া জবাব বেলুড় মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের। তৃণমূল বিধায়ক নির্মল মাজি বলেছিলেন, মৃত্যুর কয়েকদিন আগে স্বামী বিবেকানন্দর কয়েকজন সতীর্থ মহারাজ মা সারদাকে বলেছিলেন, পরবর্তীতে কালীঘাট মন্দির এলাকায় মনুষ্যরূপে জন্ম নেব। সেই জন্মের পর ত্যাগ, তিতিক্ষার মাধ্যমে সামাজিক কাজে যুক্ত হব। রাজনৈতিক কাজকর্মও করব। ওই বিধায়ক আরও বলেছিলেন, সময়, সংখ্যাতত্ত্ব মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই মা সারদা। কারণ দুর্গাপুজোর অষ্টমী-নবমী তিথির সন্ধিক্ষণে তাঁর জন্ম। দিদি-ই মা সারদা, দিদি-ই সিস্টার নিবেদিতা, দিদি-ই ঘরের দুর্গা। নির্মল মাজির এই মন্তব্যে চারিদিকে আলোড়ন পড়ে যায়। ভক্তদের বিরূপ প্রতিক্রিয়া পেয়েছে বেলুড় মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন। তাঁদেরকে ভক্তরা জানিয়েছেন, বিধায়কের ওই বক্তব্যে তাঁরা আঘাত পেয়েছেন।শুক্রবার তৃণমূল বিধায়কের ওই মন্তব্যের বিরুদ্ধে মুখ খোলে বেলুড় মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন। মঠের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবিরানন্দজি মহারাজ বলেছেন, ওই রাজনৈতিক নেতার উক্তি মা সারদার মর্যাদাকেই ভুলুণ্ঠিত করেছে।স্বামী সুবিরানন্দজি মহারাজ বলেছেন, সম্প্রতি কোনও এক রাজনৈতিক নেতা তাঁর বক্তৃতায় বলেছেন, শ্রী শ্রী মা সারদা দেবী নাকি দেহত্যাগের আগে রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজদের বলে গিয়েছেন, তিনি এর পরে মানবী রূপে দক্ষিণ কলকাতায় আবির্ভূত হবেন। তখন তিনি ত্যাগ, তিতিক্ষা, সামাজিক কাজকর্মের সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেও জড়িয়ে যাবেন। শ্রী শ্রী মাকে নিয়ে রামকৃষ্ণ মঠ-মিশন ও অন্যান্যদের থেকে প্রামাণিক যে যে গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে তাতে এরকম কোনও তথ্য নেই। তাহলে ওই নেতা কীভাবে এমন অদ্ভুত তথ্য পেলেন কোথায়? কী ভাবে তা প্রকাশ্য সভায় বললেন? তা আমাদের বুদ্ধির অগোম্য।রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠের সকল সন্ন্যাসী ব্রহ্মচারী অত্যন্ত দুঃখ-ক্ষোভের সঙ্গে মনে করছে ওই নেতার বক্তব্যের দ্বারা আমাদের পরম আরাধ্যা শ্রী শ্রী মায়ের মর্যাদা হানি করেছেন। আমাদের সকলের মায়ের এই অসম্মান আমাদের দুঃসহ বলে মনে হচ্ছে। এই দুঃসাহস যেন আর কেউ না দেখায়।

জুন ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রকাশ হল 'ম্যাহেসুস' মিউজিক অ্যালবাম, মাধুর্য ছড়ালেন 'মধুরা'

নিতিন জৈন পরিচালিত মিউজিক ভিডিও ম্যাহেসুস গানটি মুক্তি পেল এনভি প্রোডাকশনের ব্যানারে। মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করতে দেখা যাবে বসুন্ধরা পণ্ডিতা ও করণ সারোহা কে। শিশুশিল্পী হিসাবে রয়েছেন কবীর পাহনা এবং অ্যামারাইরা সুদ।এই মিউজিক অ্যালবাম-এ কন্ঠ দিয়েছেন রাজ বর্মন ও মধুরা ভট্টাচার্য। এই প্রজন্মের বাঙ্গালি কণ্ঠ সঙ্গীত শিল্পীদের মধ্যে অন্যতম মধুরা। সঙ্গীতের সুত্রে দীর্ঘ সময় মুম্বাই-য়ে কাটিয়েছেন। আর বাংলা টেলিভিশিন ও সিনেমার জগতে অতি পরিচিত মুখ তিনি।ম্যাহেসুস গানটা নিয়ে জনতার কথা কে সঙ্গীতশিল্পী মধুরা ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, খুব সুন্দর একটা ৯০ দশকের ফিল আছে গানটার মধ্যে। পুরুষ কন্ঠটা রাজ বর্মনের। ও প্রথমে গানটার ব্যাপারে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে। যারা মিউজিক করেন, তারা সবাই দিল্লি, মুম্বই দুই জায়গার ব্যস্ততম মানুষ। এই মিউজিক ভিডিওটার মাধ্যমে একটা গল্প খুব সুন্দরভাবে বলা হয়েছে। যাঁরা অভিনয় করেছেন তারাও খুব-ই ভালো অভিনয় করেছেন। পুরো ব্যাপারটা খুব ভালো ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৩ লক্ষের ও বেশি মানুষ গানটা শুনেছেন। এটাও একটা বিশেষ ভালোলাগা।কেকে-র অকাল প্রয়াণের পর যখন মুম্বাই ও কলকাতার সঙ্গীতশিল্পী দের মধ্যেআমরা-ওরা ধারনা-র অদৃশ্য প্রাচীর তৈরি হচ্ছে ঠিক সেই সময় মধুরা-র ম্যাহেসুস যেন সেই ক্ষতে প্রলেপ। অনেক আগেই তিনি সর্বভারতীয় স্তরে তাঁর সঙ্গীতের মাধ্যমে সামনে এসেছেন। আমাদের আশা ম্যাহেসুস তাঁকে প্রচারের আলোয় আরও সামনে এনে দেবে।

জুন ১৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

শুটিংয়ের আগেই বন্ধ হচ্ছে রাজা চন্দের ছবি? কি বললেন পরিচালক?

শ্যুট শুরুর আগেই বন্ধের মুখে রাজা চন্দের পরবর্তী ছবি? টলিউডে জোর গুঞ্জন, সোহম চক্রবর্তী, ঊষসী রায়, বনি সেনগুপ্ত অভিনীত ছবিটির শ্যুটিং নাকি না-ও হতে পারে। শ্যাডো ফিল্মস ও শ্যামসুন্দর দে প্রযোজিত এই ছবিতে নাকি অভিনেত্রী ঊষসী রায়কে নিয়ে কিছু সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রসঙ্গে পরিচালক রাজা চন্দ কলকাতার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন কাউকে নিয়ে কোনও মনোমালিন্য ঘটেনি। শ্যুটিংয়ের তারিখ পিছিয়েছে। প্রথম এবং প্রধান কারণ, চূড়ান্ত চিত্রনাট্য এখনও হাতে পাননি তিনি। তাতেই ইন্ডাস্ট্রিতে ছবি বন্ধ হওয়ার ভুয়ো খবর রটেছে। একই সঙ্গে রাজা আরও জানান ১৮ জুন থেকে শ্যুট শুরু হওয়ার কথা ছিল। পিছিয়ে গিয়ে শুটিং শুরু হবে আগস্টে। এদিকে বনি সেনগুপ্ত জানিয়েছেন ছবির তারিখ পিছোনোর খবর তিনি শুনেছেন। কিন্তু ছবিটা হচ্ছেনা এরকম কোনো খবর পাননি তিনি।

জুন ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আক্ষেপ নিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় মহিলা ক্রিকেটের ‘‌শচীনের’‌

৩৯ বছর বয়সেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দাপিয়ে খেলা চাট্টিখানি কথা নয়। তাও আবার মহিলা ক্রিকেটে। জুনিয়রদের টেক্কা দিয়ে সেই কঠিন কাজটা এতদিন ধরে করে চলেছিলেন মিতালি রাজ। অবশেষে তাঁর সেই পথ চলা শেষ হল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে পুরোপুরি বিদায় জানালেন ভারতীয় ক্রিকেটের মহিলা শচীন। আক্ষেপ নিয়েই ক্রিকেট থেকে সরে গেলেন মিতালি রাজ। বছর তিনেক আগে টি২০ ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। স্বপ্ন ছিল একদিনের বিশ্বকাপ জিতে ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর। সেই স্বপ্নপূরণ হয়নি। এবছর মার্চে নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত একদিনের বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি ভারত। লিগ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল মিতালিদের। এবছর বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার আগে মিতালি তাকিয়েছিলেন জীবনের শেষ বিশ্বকাপে স্বপ্নপূরণের দিকে। সতীর্থদের কাঁধে চেপে ভিকট্রি ল্যাপ দিচ্ছেন, সেই স্বপ্নই দেখেছিলেন। বলেও ছিলেন, বিশ্বকাপ জিততে পারলে আমার ক্রিকেটজীবনের বৃত্ত সম্পূর্ণ হবে। কিন্তু তাঁর সেই ক্রিকেটজীবনের বৃত্ত অসম্পূর্ণ থেকে গেল। শচীনের মতো ঝুলিতে অজস্র রেকর্ড মিতালি রাজের। মহিলাদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান। গতবছরই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজেই ভেঙে দিয়েছেন শার্লট এডওয়ার্ডসের ১০২৭৩ রানের রেকর্ড। একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে একদিনের ম্যাচে ৭ হাজারের বেশি রান। টানা ৭ ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরির অনন্য নজির। সবথেকে বেশি হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ড। পুরুষ ও মহিলা ক্রিকেটার মিলিয়ে দেশের মধ্যে প্রথম টি২০ ক্রিকেটে ২ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছনো।Thank you for all your love support over the years!I look forward to my 2nd innings with your blessing and support. pic.twitter.com/OkPUICcU4u Mithali Raj (@M_Raj03) June 8, 2022এখানেই শেষ নয়। মিতালির মুকুটে রয়েছে আরও পালক। মহিলা ক্রিকেটে তিনিই প্রথম অধিনায়ক, যিনি দুদুটি একদিনের বিশ্বকাপের ফাইনালে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, ২০০৫ ও ২০১৭ সালে। আর কী চাই? শচীনের মতোই মহিলাদের ক্রিকেটে নিজেকে কিংবদন্তীতে পরিণত করেছেন মিতালি রাজ। পেয়েছেন অর্জুন পুরস্কার, পদ্মশ্রী সম্মানও। এছাড়াও অনেক মিল রয়েছে। সীমিত ওভার ক্রিকেটে একসময় নিয়মিত ওপেন করেছেন। শচীনের মতোই পার্ট টাইম লেগ স্পিনার।মিতালি রাজের ভারতীয় ক্রিকেটে যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৯৯ সালের জুন মাসে। তারপর থেকে আর ফিরে তাকাতে হয়নি। ভারত এবং বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা মহিলা ক্রিকেটার হিসাবে অবসর নিলেন। শেষ হল ২৩ বছরের যাত্রা। বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে শেষ ম্যাচ খেলেছিলেন মিতালি। ওই ম্যাচ ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। ভারত ওই ম্যাচ হেরে বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের বাধা অতিক্রম করতে ব্যর্থ হয়। কিন্তু মিতালি ওই ম্যাচে ৮৪ বলে ৬৮ রান করেছিলেন। টুইটারে পোস্ট করা এক আবেগঘন পোস্টে মিতালি রাজ লিখেছেন আমি একটি ছোট মেয়ে হিসাবে নীল জার্সি পড়ে যাত্রা শুরু করেছিলাম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। দেশের হয়ে খেলাটাই তখন থেকে আজ পর্যন্ত আমার কাছে সর্বোচ্চ সম্মান হয়ে থেকেছে। পথ সহজ ছিল না। কখনও খুব ভালো সময় গিয়েছে আবার এসেছে খারাপ সময়ও। তবে মাঠের প্রতিটি ঘটনা আমাকে নতুন কিছু শিখিয়েছে। আমার জীবনে প্রচুর চ্যালেঞ্জ এসেছে তবে সবসময় সব চ্যালেঞ্জকে আমি উপভোগ করেছি।মিতালি আরও বলেছেন, সমস্ত যাত্রার মতো, এটিও অবশ্যই একদিন না একদিন শেষ হত। সেটাই হল। আমি অবসর নিলাম ক্রিকেট থেকে। আমি যখনই মাঠে নেমেছি, ভারতকে জেতানোর জন্য আমি সেরাটা দিয়েছি। আমি মনে করি এখন আমার খেলার ক্যারিয়ারে ইতি টানার উপযুক্ত সময় কারণ দল এখন কিছু অত্যন্ত প্রতিভাবান তরুণ খেলোয়াড়ের হাতে রয়েছে এবং ভারতীয় ক্রিকেটের ভবিষ্যত উজ্জ্বল। আমি বিসিসিআই এবং জয় শাহ স্যারকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। কারণ তাঁদের দারুণ সমর্থন পেয়েছি। প্রথমে একজন খেলোয়াড় হিসেবে এবং তারপর ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হিসেবে। এত বছর ধরে দলকে নেতৃত্ব দেওয়া একটি সম্মানের বিষয়। এটি অবশ্যই একজন ব্যক্তি হিসাবে আমাকে তৈরি করেছে এবং আশা করি ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটকেও নতুন রূপ দিতে সাহায্য করেছে। ৩৯ বছর বয়সী মিতালি মহিলাদের ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক এবং এই ফরম্যাটে তিনি ৭৮০৫ রান করেছেন। সেঞ্চুরির সংখ্যা ৭, হাফ সেঞ্চুরি ৬৪টি। ৮৯ টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে ২৩৬৪ রান করেছেন মিতালি। ১৭টি হাপ সেঞ্চুরি। ১২ টেস্ট ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ ৬৯৯ রান। সেঞ্চুরির সংখ্যা ১টি।

জুন ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সরে যাচ্ছেন?‌ পদত্যাগের জল্পনার রহস্য ফাঁস করলেন সৌরভ গাঙ্গুলি

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন সৌরভ গাঙ্গুলি? তাঁর পোস্ট করা একটা টুইট থেকে ছড়িয়ে পড়ে জল্পনা। মুহূর্তেই মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায় তাঁর সেই পোস্ট। আলোড়ন ফেলে গোটা দেশে। ক্রিকেটপ্রেমীরা অনেকেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। অবশেষে সন্ধেয় জল্পনার ইতি টানেন সৌরভ নিজেই। পরিস্কার জানিয়ে দেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্টের পথ থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনও পরিকল্পনা এই মুহূর্তে তাঁর নেই। আসলে তিনি একটা শিক্ষামূলক অ্যাপ বাজারে নিয়ে আসছেন, তার জন্যই তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন।সোশ্যাল মিডিয়ায় এদিন সৌরভ গাঙ্গুলি লেখেন, ১৯৯২ সালে ভারতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার পর ৩০ বছর ক্রিকেটে কাটিয়েছি। ক্রিকেট আমাকে অনেককিছু দিয়েছে। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, আমাকে সবাই সাপোর্ট করেছে। আমার এই পথ চলার সময় যারা পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্য করেছেন, সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। এবার আমি এমন একটা পরিকল্পনা করছি, যাদে অনেক মানুষের উপকার হবে। আশা করছি আমার জীবনের এই নতুন অধ্যায়ে সবাই পাশে দাঁড়াবেন।সৌরভের এই টুইট দেখে সবাই ভাবতে শুরু করেন, তিনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্টের পদ ছাড়তে চলেছেন। সৌরভকে ফোনে ধরতে না পেরে অনেকেই ভারতীয় বোর্ডের সচিব জয় শাহর শরণাপন্ন হন। বোর্ড সচিব জয় শাহ সংবাদ সংস্থাকে জানান, সৌরভ গাঙ্গুলি বিসিসিআইয়ের পদ ছা়ড়েননি। তেমন কোনও পরিকল্পনার কথাও তাঁর জানা নেই। সৌরভ গাঙ্গুলির নেতৃত্বাধীন বিসিসিআই এখন আইপিএলের মিডিয়া ও সম্প্রচার স্বত্ত্বাধিকারী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। সেখানে সৌরভ সরে যাবেন এমনটা বোর্ডের কেউ বিশ্বাসই করতে পারেননি। তবে বোর্ডের আধিকারিকদের মধ্যেও টেলিফোনে যোগাযোগ শুরু হয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে। কেন না, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় আইসিসির পরবর্তী চেয়ারম্যান হওয়ার দৌড়ে ফেভারিট বলে মনে করা হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সৌরভদের মেয়াদ শেষের কারণে বোর্ড থেকে সরতে হলে অন্য কথা। নাহলে সৌরভ-জয় শাহরাই এগিয়ে নিয়ে যাবেন ভারতীয় ক্রিকেটকে।pic.twitter.com/JrHOVvH3Vi Sourav Ganguly (@SGanguly99) June 1, 2022সন্ধেয় সব জল্পনার অবসান ঘটান সৌরভ নিজেই। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, এই মুহূর্তে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড থেকে পদত্যাগের প্রশ্নই নেই। এমন একটি সাধারণ পোস্ট কীভাবে ভাইরাল হল তাতে আমি নিজেও অবাক। শীঘ্রই একটি এডুকেশনাল বা শিক্ষামূলক অ্যাপ বিশ্বজুড়ে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে। এটা আমার নিজস্ব ভেঞ্চার। খুব শীঘ্রি এই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জনসমক্ষে নিয়ে আসা হবে। এই টুইটের সঙ্গে স্কুল তৈরির কোনও যোগ নেই।

জুন ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

প্রথম নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়েই ইতিহাস হার্দিক পান্ডিয়ার

চলতি আইপিএলে কি নতুন চ্যাম্পিয়ন দেখতে পাবেন ক্রিকেটপ্রেমীরা? না, দ্বিতীয় বারের জন্য আবার রাজস্থান রয়্যালসের হাতে উঠবে ট্রফি? আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে প্রশ্নটা রবিবাসরীয় সন্ধেয় বারবার ঘুরে ফিরে আসছিল। ঘরের দলকে সমর্থন জানাতে এদিন গ্যালারি ভরিয়েছিলেন দর্শকরা। ক্রিকেটপ্রেমীদের হতাশ হতে হয়নি। দ্বিতীয় বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন চুরমার হয়ে গেল রাজস্থান রয়্যালসের। রাজস্থানকে ৭ উইকেটে উড়িয়ে আইপিএলে অভিষেকেই চ্যাম্পিয়ন গুজরাট টাইটান্স। প্রথমবার নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়েই ইতিহাস গড়লেন হার্দিক পান্ডিয়া।গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে ফাইনালে রাজস্থান রয়্যালস বড় রানের জন্য তাকিয়েছিল জস বাটলারের দিকে। বাটলার ব্যর্থ হতেই বড় রানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় রাজস্থানের। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৩০ রানের বেশি তুলতে পারেননি। জয়ের জন্য ১৩১ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না গুজরাট টাইটান্সের কাছে। কিন্তু ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় হার্দিক পান্ডিয়ার দল। দ্বিতীয় ওভারের চতুর্থ বলে ঋদ্ধিমান সাহার স্টাম্প ছিটকে দেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা। ৭ বলে মাত্র ৫ রান করে আউট হন ঋদ্ধি। পঞ্চম ওভারের তৃতীয় বলে ম্যাথু ওয়েডকে তুলে নিয়ে ম্যাচ জমিয়ে দিয়েছিলেন ট্রেন্ট বোল্ট। ১০ বলে ৮ রান করে আউট হন ওয়েড।🏆 ➡️ 🎂 #SeasonOfFirsts #AavaDe #IPLFinal #GTvRR pic.twitter.com/eDUCgtQZgD Gujarat Titans (@gujarat_titans) May 29, 2022ওয়েড যখন আউট হন গুজরাট টাইটান্সের রান তখন ৪.৩ ওভারে ২৩/২। এরপর রাজস্থান রয়্যালসের বোলার ওপর ক্রমশ চাপ তৈরি করতে শুরু করেন হার্দিক পান্ডিয়া ও শুভমান গিল। এই দুই ব্যাটার পার্টনারশিপ গড়ে তুলে গুজরাটকে ক্রমশ জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান। ১৪ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে জুটি ভাঙেন যুজবেন্দ্র চাহাল। হার্দিক পান্ডিয়াকে তুলে নেন। ৩০ বলে ৩৪ রান করে আউট হন হার্দিক। গুজরাটের রান তখন ৮৬। এরপর দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন শুভমান গিল (৪৩ বলে অপরাজিত ৪৫) ও ডেভিড মিলার (১৯ বলে ৩২)। ১৮.১ ওভারে ১৩৩/৩ তুলে ম্যাচ জিতে যায় গুজরাট টাইটান্স।টস জিতে এদিন রাজস্থান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়ার দুর্দান্ত বোলিং ও নেতৃত্ব একবারে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দিয়েছিল রাজস্থান রয়্যালসকে। যশস্বী জয়সোয়ালকে (১৬ বলে ২২) তুলে নিয়ে রাজস্থানকে প্রথম ধাক্কা দিয়েছিলেন যশ দয়াল। তারপর বাইশ গজে আগুন ঝড়ান হার্দিক। তাঁর শিকারের তালিকায় সঞ্জু (১১ বলে ১৪), বাটলার (৩৫ বলে ৩৯), হেটমায়ার (১২ বলে ১১)। পাড়িক্কলকে (২) তুলে নেন রশিদ খান। দুরন্ত বোলিং করে ৪ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন হার্দিক। ১৮ রানে ১ উইকেট নেন রশিদ খান। ২০ রানে ২ উইকেট নেন সাই কিশোর।

মে ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত বোলিং ও নেতৃত্ব, হার্দিক পান্ডিয়াই ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দিল রাজস্থানকে

চলতি আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের ফাইনালে ওঠার পেছনে সবথেকে বেশি অবদান জস বাটলারের। একার হাতেই দলকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে ফাইনাল বৈতরণী পার হওয়ার জন্য তাঁর দিকেই তাকিয়ে ছিল গোটা দল। ফইনালে জ্বলে উঠতে পারলেন না জস বাটলার। বাকিরাও দায়িত্ব নিতে পারলেন না। হার্দিক পান্ডিয়ার দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল রাজস্থান রয়্যালস। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে তুলল ১৩০/৯। আগের ম্যাচে আমেদাবাদের বাইশ গজে দ্বিতীয় ইনিংসে স্পিনারদের সাহায্য পেতে দেখেছিলেন রাজস্থান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। সেকথা মাথায় রেখে এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। মহম্মদ সামি ও যশ দয়ালের প্রথম দুই ওভারে তেমন সুবিধা করতে পারেননি রাজস্থানের দুই ওপেনার জস বাটলার ও যশস্বী জয়সোয়াল। আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে গিয়ে যশ দয়ালকে উইকেট তুলে দেন যশস্বী। ১৬ বলে ২২ রান করে তিনি সাই কিশোরের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। যশস্বী আউট হওয়ার পর বাটলারের সঙ্গে জুটি বাঁধেন অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। রাজস্থানের স্ট্র্যাটেজি ছিল বাটলার ইনিংস গড়ার দিকে নজর দেবেন, বাকি ব্যাটাররা আক্রমণের রাস্তায় যাবেন। কিন্তু সঞ্জুকে ঝড় তোলার সুযোগে দেননি গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। নবম ওভারের দ্বিতীয় বলে সঞ্জুকে (১১ বলে ১৪) তুলে নেন। ব্যাট করতে নেমে দেবদত্ত পাড়িক্কলও হার্দিক, রশিদ খানদের বিরুদ্ধে একেবারেই সাবলীল ছিলেন না। পাড়িক্কল ক্রিজে আসতেই রশিদকে আক্রমণে নিয়ে আসেন হার্দিক। সাফল্যও পান। পাড়িক্কলকে (২) তুলে নেন রশিদ। আইপিএলের শুরু থেকেই ব্যাট হাতে বোলারদের শাসন করে গেছেন জস বাটলার। তাঁর ব্যাটিংয়ের বৈশিষ্ট্য হল শুরুর দিকে খুব বেশি আক্রমণের রাস্তায় হাঁটেন না। ইনিংস গড়ার দিকে নজর দেন। পরের দিকে ঝড় তোলেন। এদিন অবশ্য তাঁকে ঝড় তোলার সুযোগ দেননি হার্দিক পান্ডিয়া। হার্দিকের অফ স্টাম্পের বাইরের শর্ট বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে ঋদ্ধিমানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন বাটলার। ৩৫ বলে ৩৯ রান করেন তিনি। বাটলার আউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাজস্থান রয়্যালসের বড় রানের ইনিংস গড়ার স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। শিমরন হেটমায়ার (১১), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (৬), ট্রেন্ট বোল্টরা (১১) দায়িত্ব নিতে পারেননি। দুরন্ত বোলিং করে ৪ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন হার্দিক। ১৮ রানে ১ উইকেট নেন রশিদ খান। ২০ রানে ২ উইকেট নেন সাই কিশোর।

মে ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইপিএলে চতুর্থ সেঞ্চুরি!‌ ঝড় তুলে রাজস্থানকে ফাইনালে তুললেন বাটলার

চলতি আইপিএলে চতুর্থ সেঞ্চুরি। অপরাজিত রইলেন ১০৬ রানে। দুরন্ত বাটলারের ঝড়ে উড়ে গেল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে ৭ উইকেটে উড়িয়ে আইপিএলের ফাইনালে রাজস্থান রয়্যালস। সামনে আবার সেই গুজরাট টাইটান্স। প্রথম কোয়ালিফায়ারে হারের মধুর প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ।এলিমিনেটরে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে হারিয়ে ফাইনালের স্বপ্ন দেখেছিলেন বিরাট কোহলি। কিন্তু তাঁদের সেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দেওয়ার জন্য তৈরি ছিল সঞ্জু স্যামসনের দল। গুজরাট টাইটান্সের কাছে হার মেনে নিতে পারেনি রাজস্থান রয়্যালস। ডেভিড মিলারের হাতে এক ওভারে পরপর তিনটি ছক্কা খাওয়াটাও হজম হয়নি প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর। এদিন দুরন্ত বল করে ২২ রানে নেন ৩ উইকেট। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে প্রায়াশ্চিত্য করে গেলেন। ওবেদ ম্যাকয়ও গুজরাটের বিরুদ্ধে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ফাফ ডুপ্লেসির দলের বিরুদ্ধে সব পুষিয়ে দিলেন। তিনি ২৩ রানে নেন ৩ উইকেট। এই দুই বোলারের দাপটেই প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৭/৮ রানের বেশি তুলতে পারেনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। সর্বোচ্চ রান করেন রজত পতিদার (৪২ বলে ৫৮)।রাজস্থান রয়্যালসের যা ব্যাটিং শক্তি, জয়ের জন্য ১৫৮ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না। তার ওপর লিগ পর্বে শেষ তিন ম্যাচের ব্যর্থতা কাটিয়ে প্রথম কোয়ালিফায়ারে ছন্দ ফিরে পেয়েছেন জস বাটলার। আগের ম্যাচে যেখানে শেষ করেছিলেন, সেখান থেকেই এদিন শুরু করেন রাজস্থান রয়্যালসের অধিনায়ক। শুরু থেকেই চেপে বসেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বোলারদের ওপর। যশস্বী জয়সোয়ালও ভাল শুরু করেছিলেন। ওপেনিং জুটিতে ৫ ওভারে ওঠে ৬১। এরপরই ফিরে যান যশস্বী জয়সোয়াল। ১৩ বলে ২১ রান করে তিনি জস হ্যাজেলউডের বলে বিরাট কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।যশস্বী আউট হলেও বাটলারের ঝড় অব্যাহত থাকে। মাত্র ২৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ২১ বলে ২৩ রান করে আউট হন সঞ্জু স্যামসন। হাসারাঙ্গাকে স্টেপ আউট করে মারতে গিয়ে তিনি স্টাম্পড হন। ১৫ ওভারের চতুর্থ বলে হাসারাঙ্গাকে ৬ মেরে চলতি আইপিএলে ৮০০ রান পূর্ণ করেন বাটলার। এক বল পরেই হাসারাঙ্গাকে আবার ৬ হাঁকিয়ে ৮৮ রানে পৌঁছে যান তিনি। জয় থেকে যখন ১০ রান দুরে তখনই আউট হন দেবদত্ত পাড়িক্কল। ১২ বলে ৯ রান করে হ্যাজেলউডের বলে তিনি সাজঘরে ফেরেন। নিজের ছন্দ ধরে রেখে এরপর সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন জস বাটলার। ৬০ বলে ১০৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। ১১ বল বাকি থাকতেই ১৬১/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রাজস্থান।

মে ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার জ্বলে উঠলেন রজত পতিদার, তবু বড় রান তুলতে ব্যর্থ র‌য়্যাল চ্যালেঞ্জার্স

কথায় আছে না, কারও সর্বনাশ কারও পৌস মাস। রজত পতিদারের কপালটাই তেমন। আইপিএলের শুরুতেই লাভনিথ সিসোদিয়া চোট পেয়ে ছিটকে যান। তাঁর পরিবর্তে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরে খেলার সুযোগ রজত পতিদারের। এলিমিনেটরে তাঁর দুরন্ত সেঞ্চুরি ফাইনালের লাইফ লাইন এনে দিয়েছিল। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারেও জ্বলে উঠল রজত পতিদারের ব্যাট। তাঁর ৫৮ রানের সুবাদে রাজস্থান রয়্যালসের সামনে জয়ের জন্য ১৫৮ রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর।বিরাট কোহলি রান না পেলেও বড় রানে পৌঁছতে এখন আর কোনও সমস্যা হয় না রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের। আগের ম্যাচে ২৫ রান করেছিলেন কোহলি। তাসত্ত্বেও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স কিন্তু ২০০ রানের গন্ডি টপকে গিয়েছিল। এদিনও কোহলি ব্যর্থ। তা সত্ত্বেও লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। এবছর কোহলি যদি ফাইনাল খেলার সুযোগ পান তাহলে কিন্তু রজত পতিদারের কাছে কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।আমেদাবাদের নরেন্দ্র সিং মোদি স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে এদিন টস জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে ব্যাট করতে পাঠান রাজস্থান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। ট্রেন্ট বোল্টের প্রথম ওভারের শেষ বল ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। মনে হচ্ছিল আজ বুঝি কোহলির দিন। কিন্ত ভক্তদের হতাশ করে আবার ব্যর্থ। দ্বিতীয় ওভারে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে উইকেটের পেছনে সঞ্জু স্যামসনেরল হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন কোহলি। ৮ বলে তিনি করেন মাত্র ৭ রান। প্রথম কোয়ালিফায়ারে গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে এক ওভারে পরপর তিনটি ৬ খেয়ে দলকে ডুবিয়েছিলেন প্রসিদ্ধ। এদিন কোহলিকে তুলে নিয়ে প্রায়াশ্চিত্য করেন।কোহলি ফিরে যাওয়ার পর দলকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি ও রজত পতিদার। ২৭ বলে ২৫ রান করে ওবেদ ম্যাকয়ের বলে আউট হন ডুপ্লেসি। এরপর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন ম্যাক্সওয়েল। ১৩ বলে ২৪ রান করে তিনি ট্রেন্ট বোল্ডের বলে ওবেদ ম্যাকয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ১ ওভার পরেই বড় ধাক্কা খায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বল গ্যালারিতে পাঠাতে চেয়েছিলেন রজত পতিদার। লং অফ বাউন্ডারিতে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরেন জস বাটলার। ৪২ বলে ৫৮ রান করে আউট হন রজত। ডেথ ওভারে দীনেষ কার্তিক (৬), শাহবাজ আমেদ (৮ বলে অপরাজিত ১০), হাসারাঙ্গারা (০) জ্বলে উঠতে না পারায় ২০ ওভারে ১৫৭/৮ রানের বেশি তুলতে পারেনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। দুরন্ত বোলিং করে ২২ রানে ৩ উইকেট নেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। ২৩ রানে ৩ উইকেট নেন ওবেদ ম্যাকয়।

মে ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ব্যর্থ লোকেশের লড়াই, ফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স

বিরাট কোহলির ব্যর্থতা ঢেকে দিলেন রজত পতিদার। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ে ভর করে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে ১৪ রানে হারিয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুলের দুরন্ত লড়াই ব্যর্থ হয়ে গেল। দ্বিতীয় এলিমিনেটরে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের সামনে এবার রাজস্থান রয়্যালস।রজত পতিদারের অপরাজিত দুরন্ত সেঞ্চুরির সুবাদে ২০৭/৪ রানের বড় স্কোর খাড়া করেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। সামনে বিশাল রানের টার্গেট দেখে চাপে পড়ে গিয়েছিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। চাপ আরও বেড়ে যায় প্রথম ওভারেই কুইন্টন ডিককের উইকেট হারানোয়। প্রথম ওভারের শেষ বলে তাঁকে তুলে নেন মহম্মদ সিরাজ। ৫ বলে ৬ রান করে আউট হন ডিকক। মনন ভোরাও দলকে বেশিদূর টেনে নিয়ে যেতে পারেননি। ১১ বলে ১৯ রান করে তিনি হ্যাজেলউডের বলে শাহবাজ আমেদের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।৪১ রানে ২ উইকেট হারানোর পর লখনউকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন অধিনায়ক লোকেশ রাহুল ও দীপক হুডা। তাঁদের ৯৬ রানের জুটি লখনউকে ক্রমশ জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। দীপক হুডাকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ২৬ বলে ৪৫ রান করে আউট হন দীপক হুডা। হুডা আউট হওয়ার আগেই হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন লোকেশ রাহুল। চলতি আইপিএলে এটি তাঁর চতুর্থ হাফ সেঞ্চুরি।দীপক হুডা আউট হওয়ার পর মার্কাস স্টয়নিস জুটি বাঁধেন লোকেশ রাহুলের সঙ্গে। হর্শল প্যাটেলকে ৬ মারতে গিয়ে ডিপ কভারে রজত পতিদারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন স্টয়নিস (৯ বলে ৯)। লোকেশ রাহুল আউট হতেই জয়ের আশা শেষ হয়ে যায় লখনউর। ৫৮ বলে ৭৯ রান করে হ্যাজেলউডের বলে আউট হন রাহুল। পরের বলেই হ্যাজেলউড তুলে নেন ক্রূণাল পান্ডিয়েকে (০)। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৯৩/৬ তোলে লখনউ। ৪৩ রানে ৩ উইকেট নেন হ্যাজেলউড।এদিন কোহলির টানেই এদিন ইডেন ভরিয়েছিলেন দর্শকরা। ভাল শুরু করেও বড় রান করতে ব্যর্থ কোহলি। মাত্র ২৫ রান করে আউট হন। কোহলির ব্যর্থতা ঢেকে দলকে বড় রানে পৌঁছে দিয়েছিলেন রজত পতিদার। ৫৪ বলে ১১২ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে তিনি অপরাজিত থাকেন। তাঁর সৌজন্যেই ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২০৭ রানে পৌঁছেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর।যদিও শুরুটা ভাল হয়নি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। প্রথম ওভারেই আউট হন ফাফ ডুপ্লেসি। তিনি গোল্ডেন ডাকের শিকার। এরপর দলকে টানেন কোহলি ও রজত পতিদার। গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৯) নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। মহীপাল লোমরোর করেন ১৪। শেষদিকে ঝড় তুলে ২৩ বলে ৩৭ রান করে অপরাজিত থাকেন দীনেশ কার্তিক।

মে ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কোহলির মঞ্চে ইডেন মাতিয়ে নায়ক রজত পতিদার

বিরাট কোহলির আকর্ষনেই বুধবার ইডেন ভরিয়েছিলেন দর্শকরা। কোহলি কিন্তু হতাশ করলেন ইডেনকে। তাঁর ব্যর্থতা ঢেকে ক্রিকেটের স্বর্গোদ্যান মাতিয়ে গেলেন রজত পতিদার। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে এলিমিনেটরের প্রথম ম্যাচে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। নির্ধারিত ২০ ওভারে তুলল ২০৭/৪। দুরন্ত সেঞ্চুরি করলেন রজত পতিদার।ইডেনের আকাশ জুড়ে কালো মেঘের ঘনঘটা। বৃষ্টিও শুরু হয়েছিল। তড়িঘড়ি গোটা ইডেন ঢাকা হয় সাদা কভারে। আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, আদৌও ম্যাচ হবে তো? বৃষ্টি বন্ধ হতেই উঠল কভার। ম্যাচ শুরু হল নির্ধারিত সময়ের ৪০ মিনিট পর। টস জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে ব্যাট করতে পাঠান লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল।ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে আউট রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি। এদিন তিনি গোল্ডেন ডাকের শিকার। কোনো রান না করেই মহসিন খানের বলে উইকেটের পেছনে কুইন্টন ডিককের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।ইডেনের দর্শকরা এদিন মাঠ ভরিয়েছিলেন কোহলির টানে। কোহলিপ্রেমীরা আশা করেছিলেন মাঠ মাতাবেন তাঁদের প্রিয় ক্রিকেটার। ভাল শুরুও করেছিলেন। ব্যাটে লম্বা ইনিংসের ইঙ্গিত ছিল। কিন্তু ইডেনের গ্যালারির প্রত্যাশাপূরণ করতে পারলেন না কিং কোহলি। ২৪ বলে ২৫ রান করে আবেশ খানের বলে মহসিন খানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলও নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ১০ বলে মাত্র ৯ রান করে তিনি ক্রূণাল পান্ডিয়ার বলে এভিন লুইসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।দলের সেরা ব্যাটাররা আউট হলেও ইডেনের বাইশ গজে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেন রজত পতিদার। ২৮ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। এরপর তাঁকে আর আটকানো যায়নি। একবার জীবন পেয়ে রীতিমতো তান্ডব শুরু করেন। মহসিন খানকে ৬ মেরে আইপিএলে জীবনের প্রথম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। তাঁর সেঞ্চুরি আসে মাত্র ৫১ বলে। একটা সময় মনে হচ্ছিল বড় রানে পৌঁছতে পারবে না রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। কিন্তু রজত পতিদারের দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে ২০০ রানের গন্ডি টপকে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ৫৪ বলে ১১২ রান করে অপরাজিত থাকেন পতিদার। তাঁকে সহযোগিতা করেন দীনেশ কার্তিক (২৩ বলে অপরাজিত ৩৭)। মহীপাল লোমরোর করেন ১৪। লখনউর হয়ে ১টি করে উইকেট নেন মহসিন খান, ক্রূণাল পান্ডিয়া, আবেশ খান ও রবি বিষ্ণোই।

মে ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মিলার হয়ে উঠলেন ‘‌কিলার’, রাজস্থানকে উড়িয়ে ফাইনালে গুজরাট টাইটান্স

জস বাটলারের দুরন্ত ইনিংস ম্লান হয়ে গেল ডেভিড মিলারের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে। তাঁর দাপটেই প্রথম কোয়ালিফায়ারে রাজস্থান রয়্যালসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে অভিষেক আইপিএলেই ফাইনালে পৌঁছে গেল গুজরাট টাইটান্স। ৩ বল বাকি থাকতে ১৯১/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয়। ট্র্যাজিক হিরো হয়েই থেকে গেলেন বাটলার।বাটলারের দাপটে ৬ উইকেটে ১৮৮ রান তুলে গুজরাট টাইটান্সের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল সঞ্জু স্যামসনের দল। বড় রান তাড়া করতে গেলে শুরুটা ভাল হওয়া জরুরি। সেটাই হয়নি গুজরাট টাইটান্সের। আগের বেশ কয়েকটা ম্যাচে ওপেনিং জুটিতে বড় রান তুলে পার্থক্য গড়ে দিয়েছিলেন ঋদ্ধিমান সাহা ও শুভমান গিল। ঘরের মাঠে এদিন প্রত্যাশার চাপ পূরণ করতে পারেননি ঋদ্ধি। ট্রেন্ট বোল্টের ওভারে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই তিনি উইকেটের পেছনে সঞ্জু স্যামসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। নিজের আঁতুর ঘরে খালি হাতেই ফিরতে হল ঋদ্ধিকে। বল হাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন মহম্মদ সামি। ৪ ওভারে দিয়েছিলেন ৪৩। মাত্র ১ উইকেট পেয়েছিলেন। ব্যাট হাতে আরও এক ঘরের ক্রিকেটার হতাশ করেন।বোর্ডে কোনও রান ওঠার আগেই ঋদ্ধি আউট। মনে হচ্ছিল ট্রেন্ট বোল্টদের সামনে ভেঙে পড়বে গুজরাট টাইটান্স। তা কিন্তু হয়নি। পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে রাজস্থান বোলারদের ছন্দ নষ্ট করে দেন শুভমান গিল ও ম্যাথু ওয়েড। ৭ ওভারেই পৌঁছে যায় ৬৮ রানে। ওয়েডের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে শুভমান আউট। ২১ বলে ৩৫ রান করেন শুভমান। এরপরই ছন্দপতন। দশম ওভারের তৃতীয় বলে ওয়েডকে তুলে নেন ওবেদ ম্যাকক। ৩০ বলে ৩৫ রান করেন ওয়েড।ওয়েড আউট হওয়ার পর গুজরাটের হাল ধরেন ডেভিড মিলার ও হার্দিক পান্ডিয়া। এই দুজনই দলকে টেনে নিয়ে যান। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৬ রান দরকার ছিল গুজরাট টাইটান্সের। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার প্রথম তিন বলে তিনটি ৬ মেরে দলকে ফাইনালে তোলেন মিলার। শেষ পর্যন্ত ৩৮ বলে ৬৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২৭ বলে ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন হার্দিক পান্ডিয়া।প্রথমে ব্যাট করতে নেমে এদিন শুরুটা ভাল হয়নি রাজস্থান রয়্যালসেরও। দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায়। যশ দয়ালের আউট হন যশস্বী জয়সওয়াল (৩)। এরপর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন সঞ্জু স্যামসন। জস বাটলার এদিন শুরু থেকেই ছিলেন সতর্ক। শুরুর দিকে খুব বেশি আক্রমণের রাস্তায় হাঁটেননি। ৪২ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। তারপরই ঝড় তোলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি ৫৬ বলে ৮৯ রান করে রান আউট হন। ২৬ বলে ৪৭ রান করেন সঞ্জু স্যামসন। এই দুজনের দাপটেই গুটরাজ টাইটান্সের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে সক্ষম হয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস। ২০ বলে ২৮ রান করেন দেবদত্ত পাড়িক্কল।

মে ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ক্রিকেটের নন্দনকাননে ‘‌বাটলার শো’, গুজরাটকে বড় রানের চ্যালেঞ্জ রাজস্থানের

আগের তিনটি ম্যাচে রান পাননি। ক্রিকেটের নন্দনকাননে তিন ম্যাচের ব্যর্থতা কাটিয়ে আবার জ্বলে উঠলেন জস বাটলার। তাঁর দাপটেই প্রথম কোয়ালিফায়ারে গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল রাজস্থান রয়্যালস। নির্ধারিত ২০ ওভারে তুলল ১৮৮/৬। ক্রিকেটের নন্দনকানন মাতালেন জস বাটলার।চলতি আইপিএসে টস ভাগ্য একেবারে সহায় ছিল না সঞ্জু স্যামসনের। লিগ পর্বে ১৪ ম্যাচের মধ্যে ১২টিতেই টসে হারতে হয়েছিল। প্রথম কোয়ালিফায়ারেও ভাগ্য সহায় হল না। হার্দিক পান্ডিয়ার কাছে আবারও টসে হার। এবং প্রথমে ব্যাট করার ডাক। ব্যাট করতে নেমে এদিন দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় রাজস্থান। যশ দয়ালের বলে উইকেটের পেছনে ঋদ্ধিমান সাহার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন যশস্বী জয়সওয়াল (৩)। এরপর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন রাজস্থান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। আগের তিন ম্যাচে রান না পাওয়া জস বাটলার এদিন শুরু থেকেই ছিলেন সতর্ক। খুব বেশি আক্রমণের রাস্তায় হাঁটেননি। ঝড় না তুলে ইনিংস গড়ার দিকে নজর দেন। দুজনের জুটিতে ওঠে ৬৮ রান। সাই কিশোরকে ৬ মেরে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে গিয়ে লং অন বাউন্ডারির ধারে আলজেরি জোশেফের হাতে ধরা পড়েন সঞ্জু। ২৬ বলে তিনি করেন ৪৭ রান।সঞ্জু আউট হওয়ার পর ক্রিজে এসে রাজস্থানের রানের গতি ধরে রাখেন দেবদত্ত পাড়িক্কল। ২০ বলে ২৮ রান করে তিনি হার্দিক পান্ডিয়ার বলে বোল্ড হন। রাজস্থান ব্যাটাররা এদিন রশিদ খানের ওপর খুব বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠার সুযোগ পাননি। কোনও উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান খরচ করেন রশিদ। রশিদ খানের কোটা শেষ হওয়ার পরেই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন বাটলার। ৩৮ বলে তাঁর রান ছিল ৩৯। সেখান থেকে ৪২ বলে তিনি হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। এই নিয়ে চলতি আইপিলে চতুর্থ হাফ সেঞ্চুরি করলেন বাটলার। হেটমায়ার এদিনও দলকে ভরসা দিতে পারলেন না। ৭ বলে মাত্র ৪ রান করে তিনি মহম্মদ সামির বলে রাহুল তেওয়াটিয়ার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। বাটলার শো অবশ্য অব্যাহত থাকে। শেষ পর্যন্ত তিনি ৫৬ বলে ৮৯ রান করে রান আউট হন। গুজরাটের হয়ে ১টি করে উইকেট নেন সামি, যশ দয়াল সাই কিশোর ও হার্দিক।

মে ২৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

"অপরাজিতা" আরও একবার দর্শকদের কাছে

অপরাজিতা - একটি আনস্পোকেন রিলেশনশিপ। পরিচালক রোহন সেনের দ্বিতীয় পূর্ণদৈর্ঘ্যের এই ছবিটি ১১ মার্চ মুক্তি পেয়েছিল। ছবিটি বেশ কিছুদিন হলে চলার পর আরও একবার মুক্তি পাচ্ছে। এই উপলক্ষে দক্ষিণ কলকাতার একটি হলে ছবিটি দেখানো হয়। ছবিটি লিখেছেন ও পরিচালনা করেছেন রোহান সেন, প্রযোজনা করেছেন অমৃতা দে ও কিছুক্ষণ এন্টারটেইনমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড। বাবা এবং মেয়ের মধ্যে একটি জটিল সম্পর্কের চারপাশে আবর্তিত হয়েছে ছবিটি। তুহিনা দাস, শান্তিলাল মুখার্জি, দেবতনু, অমৃতা দে প্রমুখ এই ছবিতে অভিনয় করেছেন। ছবিটি আবার রিলিজ করার কারণ হিসাবে জনতার কথা কে পরিচালক রোহন সেন জানালেন, যারা কলকাতার বাইরে থাকে তারা অনেকে আমাকে পার্সোনালি মেসেজ করে লিখেছিল আমরা ছবিটা কিভাবে দেখবো। কলকাতার বাইরের দর্শকদের কাছেও তো ছবিটা পৌঁছানোর দরকার আছে। রোহন আরও জানিয়েছেন, কলকাতার যে যে হলে ছবিটা এখনও রিলিজ করেনি সেই সেই হলে রিলিজ করারও প্ল্যান করছি।

মে ১৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নন্দনে 'পরাজিত' সত্যজিৎ, যুব তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রী অভিনেত্রীও ব্রাত্য!

যে নন্দনএর নামকরণ যাঁর হাতে, যে নন্দনের প্রতীকচিহ্নটিও যাঁর পেনে আঁকা, সেই সত্যজিৎ রায়ের জীবনের ওপর আধারিত সিনেমা ব্রাত্য নন্দনে। ১৯৮৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক নন্দন প্রতিষ্ঠিত হয়। নন্দনের সুদৃশ্য স্থাপত্যবিশিষ্ট ভবনটির দ্বারোদ্ঘাটন করেছিলেন বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক অস্কার বিজয়ী সত্যজিৎ রায়। শোনা যায় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর নির্দেশে নন্দনের স্থাপত্য শিলাতে সত্যজিত রায়ের নাম জ্যোতি বসুর নামের ওপরে রাখা হয়েছিল।মাত্র কয়েকদিন আগেই এই বিশ্ব বরেণ্য চলচিত্র পরিচালকের জন্ম শতবর্ষ ঘটা করে পালন করা হল। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকেও তাঁকে স্মরণ করে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তাল কাটলো কয়েকদিন গড়াতেই, তাঁর জন্ম শতবর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে চিত্র পরিচালক অনীক দত্ত তাঁর জীবনের ওপর আধারিত এক ডকুফিচার বানিয়ে ছিলেন, সেই সিনেমার জায়গা হল না তাঁর নামাঙ্কিত নন্দনে। সিনেমাটিতে সত্যজিতের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জিতু কমল। বিজয়া রায়ের চরিত্রে অভিনয় করেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সভানেত্রী তথা অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ।অপরাজিত-র নন্দনে স্থান না পাওয়ায় জনসাধণের পাশাপাশি ফিল্ম দুনিয়ার-ও অনেকেই প্রতিহিংসার গন্ধ পাচ্ছেন। এর আগে অনীক দত্তের ভবিষ্যতের ভুত নিয়েও বিতর্ক অনেক দূর অবধি গড়িয়েছিল। সে সময় অপরাজিত-র বিজয়া অভিনেত্রী সায়নী অন্য পক্ষে ছিলেন। মেট্রোর সামনে সরকার পক্ষকে বিদ্ধ করে তাঁর জ্বালাময়ী ভাষণ নেট মাধ্যমে একটু ঘাঁটলেই পাওয়া যাবে। সেই সায়নী আজ সরকার পক্ষে।এবার সায়নী কোন পক্ষে থাকবেন প্রশ্ন তুললেন সদা প্রতিবাদী শ্রীলেখা মিত্র, অভিনেতা জয়জিৎ বন্দোপাধ্যায় ও ইন্দ্রাশিস আচার্য সহ একঝাঁক টলি তারকা। তাঁদের প্রশ্ন অনীক দত্তর ভবিষ্যতের ভুত ছবিটি মুক্তির পুর্বে কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল-এ বলা একটি বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে রাজ্য সরকারের রোষ-নজরে পড়েছিলেন তিনি। সে সময় একরকম কোমর বেঁধেই অনীকের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ। উল্লেখযোগ্য ভাবে এ বার সায়নী অনীকের অপরাজিত-র বিজয়া। প্রশ্ন, তিনি কি তাঁর রাজনৈতিক খোলস ছেড়ে অনীকের হয়ে গলা ফাটাতে পারবেন? পারবেন জাস্টিস ফর অল বলে গলার স্বর উচ্চগ্রামে তুলতে?শুক্রবার সকালে সিনেমাটির উদ্বোধনের প্রাকলগ্নে অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, অপরাজিত সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ এবং উত্তেজনা নজর কাড়া।। ছবিটি আজকে রিলিজ করছে এবং ইতিমধ্যেই ৪০% প্রি-বুকিং শুরু হয়েছে। মানিক বাবুর পথের পাঁচালী বানাতে যা সময় বা কষ্ট বা ধৈর্য লেগেছিল, সেই তুলনায় কম হলেও অপরাজিত ছবি বানাতে স্পট বয় থেকে শুরু করে প্রোডিউসার সবারই কাল ঘাম ছুটে গিয়েছে।। লজিস্টিকস এর সমস্যা, অনসম্বল কাস্টিং, চ্যালেঞ্জিং ওয়েদার কন্ডিশান, লোকেশন এর সমস্যা এত কিছুর মধ্যেও প্রোডিউসার ফিরদৌসুল হাসান এবং পরিচালক অনিক দত্ত ছবিটাকে নিখুঁত ভাবে তৈরি করেছেন।। অনিক দার সঙ্গে সেই সর্ষে বাটার বিজ্ঞাপন থেকে আলাপ।নন্দন প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্যের দিকে তাকিয়ে চলচ্চিত্রপ্রেমী থেকে শুরু করে তাঁর সিনেমা জগতের সহকর্মীরা। অনীক দত্তর ভবিষ্যতের ভুত-এর মতোই অপরাজিত ডিস্ট্রিবিউশন নিয়েও আবার সমস্যায় পরিচালক অনীক দত্ত। সত্যজিৎ রায়ের জীবনী নিয়ে তৈরি সিনেমার জায়গা হবেনা নন্দনে! এই সিনেমার মুখ্য চরিত্রের অভিনেত্রী তৃণমূল নেত্রীর ভুমিকা নিয়ে ভীষণই কৌতূহল টলিপাড়ায়। বেশ কিছু অভিনেতা, পরিচালক সামাজিক মাধ্যমে তীর্যক মন্তব্য করছেন। কটাক্ষ করেছেন তাঁর ভূমিকা নিয়ে, প্রশ্ন একটাই, সায়নীর কী অবস্থান? সাংবাদ মাধ্যমে সায়নী বিতর্ক এড়িয়ে (অনীককে আড়ালে রেখে) স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছেন, ছবিটা অনীক দত্তর ছবি হিসেবে নয়, সত্যজিৎ রায়ের ছবি হিসেবে দেখছি। সেই পরিচালক যিনি বাংলাকে বিশ্বের দরবারে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে অপরাজিত বানানো। সেই ছবি নন্দনে জায়গা পেল না। এটা আমায় সবচেয়ে বেশি আঘাত দিচ্ছে। নন্দন কর্তৃপক্ষের এই পদক্ষেপ মানতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। আমি এবারেও অনীকদার পাশেই।সায়নীর আশঙ্কা যেখানে অনীক দত্তর মত স্বনাম ধন্য পরিচালকের সিনেমা স্থান পাছছে না। তখন তো উঠতি পরিচালকেরা সিনেমা করতে উৎসাহ হারাবেন। তাঁর হতাশ হয়ে পরবেন। অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র, টলিপাড়াই মুখরা হিসাবেই অধিক পরিচিত। অন্যায় দেখলেই তাঁর সামাজিক মাধ্যম গর্জে ওঠে, সেই শ্রীলেখা তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন এখন আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করব টলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সেই সমস্ত গন্য মান্যদের, যাঁরা গলা ফাঠিয়েছিলেন বাংলা ছবির পাশে দাঁড়ান... বলে এবার একটু দাঁড়ান দেখি অনিক দার পাশে, বাংলা ছবির পাশে, এই সিস্টেমের বিরুদ্ধে! তাহলে বুঝবো....! নাহলে জান তো, নিজের সত্যিকারের ভণ্ডামিকে জাহির করবেন না, যান আপনি রিল বানান গিয়ে। সব জানা আছে। দুঃখিত সকাল সকাল এরকম পোস্ট দিয়ে, মাথাটা গরম হয়ে যায় চারিদিকের অন্যায়গুলো দেখে দেখে, আর কিছু বেছে বেছে বিদ্রোহী দেখে। ওফফ...।বিশ্বের সিনেমাপ্রেমীদের কাছে গ্রাম বাংলার চালচিত্র সুনিপুন ভাবে প্রথম তুলে ধরেছিলেন সত্যজিৎ রায়। সারা বিশ্বে তাঁর অনুগামী -র সংখ্যা হাতে গুনে শেষ করা যাবে না। তাঁর সিনেমায় সুরারোপ করেছেন ওস্তাদ বিসমিল্লা খাঁ, বিলায়েত খাঁয়ের মত বিশ্ব বন্দিত শিল্পীরা। উঠতি বহু শিল্পী, পরিচালকের প্রেরণা তিনি। আজ শুক্রবার সেই সত্যজিৎ রায় আবার হলে প্রনেশ করলেন। অনীকের হাত ধরে। তিনিই এ বার কেমারার সামনে, তিনিই ছবির মূল চরিত্র। অনীক দত্ত তাঁর ছবিতে এই মহান চলচিত্র পরিচালককে ফ্রেম বন্দী করে তুলে ধরেছেন এক অজানা সত্যজিৎ কে। সেই অপরাজিত সত্যজিতের ঠাঁই নেই সরকারি প্রেক্ষাগৃহ নন্দন-এ।পরিচালক অনীক জানিয়েছেন, তিনি এর কারণ জানেন না। তবে সরকারই বিবৃতিতে জানা গেছে। ৬ মে নন্দন খুলেছে। বর্তমানে মোট চারটি সিনেমা সেখানে চলছে। বেশ কিছু ছবি সেই হলে দেখানোর অপেক্ষায় রয়েছে। খুব অল্পদিন চলার পর চারটি সিনেমাকে তুলে দেওয়া সম্ভব নয়। আধিকারিকরা আরও জানিয়েছেন, কার ছবি, সে বিচার সরকার করে না। বর্তমানে নন্দনে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের ছবি অভিযান, সাংসদ দেবর কিশমিশ এবং সাংসদ মিমির মিনি চলছে। দুই তৃণমূল সাংসদ ও শাসক ঘনিষ্ট পরমব্রত- দের যাঁতাকলে পরে স্বয়ং যুব সভাপতি নকআউট?

মে ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ওয়ার্নার ও মার্শের দাপটে প্লে অফের লড়াইয়ে রইল দিল্লি ক্যাপিটালস

রাজস্থান রয়্যালসকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে উড়িয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে দারুণভাবে ঢুকে পড়ল দিল্লি ক্যাপিটালস। দিল্লির জয়ের নায়ক দুই অস্ট্রেলিয়ান তারকা মিচেল মার্শ ও ডেভিড ওয়ার্নার। এই দুই ব্যাটারের সামনে উড়ে গেলেন রাজস্থানের বোলাররা।ব্যাটারদের ব্যর্থতার জন্য দিল্লি ক্যাপিটালসের সামনে এদিন জয়ের জন্য খুব বড় রানের টার্গেট দিতে পারেনি রাজস্থান রয়্যালস। প্রথমে ব্যাট করে তুলেছিল ১৬০/৬। দিল্লির যা ব্যাটিং শক্তি তাতে ১৬১ রান তোলা খুব একটা কঠিন ছিল না। দ্বিতীয় বলে শিকর ভরতের উইকেট হারালেও সমস্যায় পড়তে হয়নি দিল্লিকে। শুরুর ধাক্কা দারুণভাবে সামাল দেন মার্শ ও ওয়ার্নার। পৃথ্বী শর না থাকাটা যে কতটা ক্ষতি, বুঝতে পারছে দিল্লি টিম ম্যানেজমেন্ট। শিকর ভরত আর যাইহোক পৃথ্বীর বিকল্প হতে পারেন না। পরপর দুম্যাচে ব্যর্থ ভরত। এদিন তো কোনও রান না করেই ইনিংসের প্রথম ওভারে ট্রেন্ট বোল্টের বলে উইকেটের পেছনে সঞ্জু স্যামসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। প্রথম ওভারে উইকেট হারালেও চাপে পড়েনি দিল্লি। ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শের সৌজন্যে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায়। রাজস্থানের কোনও বোলারই দিল্লির এই দুই ব্যাটারকে সমস্যায় ফেলতে পারেননি। ওয়ার্নারের থেকেও এদিন বেশি বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন মিচেল মার্শ। সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছিলেন। চাহালকে গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে কুলদীপ সেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন মার্শ। ৬২ বলে ৮৯ রান করেন তিনি। মার্শের ইনিংসে রয়েছে ৫টি চার ও ৭টি ছয়। এরপর ডেভিড ওয়ার্নার দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন। ৪১ বলে ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ১১ বল বাকি থাকতে ২ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দিল্লি। এদিন টস জিতে রাজস্থানকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ইনিংসের শুরুতেই চেতন সাকারিয়ার বলে ১১ বলে মাত্র ৭ রান করে বাটলার শার্দূল ঠাকুরের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। আর এক ওপেনার যশস্বী জয়সোয়ালও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। ১৯ বলে ১৯ রান করে তিনি মিচেল মার্শের বলে ললিত যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে ডাগ আউটে ফেরেন। শুরুতে বাটলার আউট হওয়ায় মনে হচ্ছিল খুব বড় রানে পৌঁছতে পারবে না রাজস্থান। কিন্তু রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও দেবদত্ত পাড়িক্কলের ব্যাটে ভর করে ঘুরে দাঁড়ায় রাজস্থান। জুটিতে ওঠে ৫৩। রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে তিনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত কাজে লেগে গেল। ৩৮ বলে ৫০ রান করে অশ্বিন মিচেল মার্শের বলে ওয়ার্নারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন (৬), রিয়ান পরাগরা (৯) ব্যর্থ হলেও দলকে টেনে নিয়ে যান পাড়িক্কল। ৩০ বলে ৪৮ রান করে তিনি আনরিচ নর্টিয়ের বলে কমলেশ নাগরকোটির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। রাসি ভ্যান ডার ডুসেন ১০ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন।

মে ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শুরুতে বাটলারকে হারিয়েও লড়াই করার মতো রান রাজস্থান রয়্যালসের

বুধবার দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে জিতলেই প্লে অফ কার্যত নিশ্চিত। এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুরুতে জস বাটলারের মতো ব্যাটারকে হারিয়েও লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছল রাজস্থান রয়্যালস। রাজস্থানের মান বাঁচল রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও দেবদত্ত পাড়িক্কলের সৌজন্যে। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬০ রান তুলল রাজস্থান।এদিন রাজস্থান রয়্যালস একটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে। শিমরন হেটমায়ার সন্তানের জন্মের জন্য গায়ানা ফিরে গেছেন। তাঁর পরিবর্তে প্রথম একাদশে আসেন রাসি ভ্যান ডার ডুসেন। অন্যদিকে, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দুটি পরিবর্তন করে দিল্লি ক্যাপিটালস। রিপাল প্যাটেলের পরিবর্তে প্রথম একাদশে ফেরানো হয় ললিত যাদবকে। আর খলিল আমেদের জায়গায় প্রথম একাদশে ঢোকেন চেতন সাকারিয়া। তাঁকে প্রথম একাদশে সুযোগ দিয়ে টিম ম্যানেজমেন্ট যে কোনও ভুল করেনি, শুরুতেই জস বাটলারকে তুলে নিয়ে প্রমাণ করে দেন সাকারিয়া। দীর্ঘক্ষণ ক্রিজে থাকলে ঝড় তুলে রাজস্থানকে ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়এ যেতেন বাটলার। ইংল্যান্ডের এই ওপেনারকে সেই সুযোগ দেননি সাকারিয়া।টস জিতে রাজস্থানকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ইনিংসের শুরু থেকেই চেতন সাকারিয়ার বোলিংয়ের সামনে অস্বস্তিতে ছিলেন বাটলার। শেষ পর্যন্ত সাকারিয়াকেই উইকেট উপহার দেন বাটলার। ১১ বলে মাত্র ৭ রান করে তিনি শার্দূল ঠাকুরের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। আর এক ওপেনার যশস্বী জয়সোয়ালও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। ১৯ বলে ১৯ রান করে তিনি মিচেল মার্শের বলে ললিত যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে ডাগ আউটে ফেরেন। ৫৪ রানে দুই ওপেনারকে হারানোর পর রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও দেবদত্ত পাড়িক্কলের ব্যাটে ভর কর রুখে দাঁড়ায় রাজস্থান। জুটিতে ওঠে ৫৩। রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে তিনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত কাজে লেগে গেল। ৩৮ বলে ৫০ রান করে অশ্বিন মিচেল মার্শের বলে ওয়ার্নারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন (৬), রিয়ান পরাগরা (৯) ব্যর্থ হলেও দলকে টেনে নিয়ে যান পাড়িক্কল। ৩০ বলে ৪৮ রান করে তিনি আনরিচ নর্টিয়ের বলে কমলেশ নাগরকোটির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। রাসি ভ্যান ডার ডুসেন ১০ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন।

মে ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

পাঞ্জাব কিংসকে হারিয়ে প্লে অফের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেল রাজস্থান রয়্যালস

শনিবার আইপিএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পাঞ্জাব কিংসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্লে অফের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেল রাজস্থান রয়্যালস। প্রথমে ব্যাট করে বোর্ডে বড় রান তুলেও শেষরক্ষা করতে পারল না পাঞ্জাব কিংস। মায়াঙ্ক আগরওয়ালের দলকে হারিয়ে ১৪ পয়েন্টে পৌঁছে গেল রাজস্থান রয়্যালস।এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পাঞ্জাব কিংস। জনি বেয়ারস্টো ও শিখর ধাওয়ান দারুণ শুরু করেন। ওপেনিং জুটিতে ৪ ওভারে ওঠে ৪৭। ষষ্ঠ ওভারে শিখর ধাওয়ানকে (১৬ বলে ১২) তুলে নিয়ে পাঞ্জাবকে প্রথম ধাক্কা দেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। দলের ৮৯ রানের মাথায় আউট হন ভানুকা রাজাপক্ষ। ১৮ বলে ২৭ রান করে তিনি যুজবেন্দ্র চাহালের বলে বোল্ড হন। চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে এদিনও বড় রান করতে পারলেন না পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ১৩ বলে ১৫ রান করে তিনি চাহালের বলে আউট হন। একই ওভারে চাহাল তুলে নেন জনি বেয়ারস্টোকে। বেশ কয়েকটা ম্যাচে ব্যর্থতার পর অবশেষে এদিন রান পেলেন ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। ৪০ বলে ৫৮ রান করেন তিনি।বাটলার যখন আউট হন তখন ১৪.৪ ওভারে পাঞ্জাব কিংসের রান ১১৯/৪। মনে হচ্ছিল বড় রানে পৌঁছতে পারবে না পাঞ্জাব কিংস। শেষ ৫ ওভারে ঝড় তোলেন জিতেশ শর্মা, লিয়াম লিভিংস্টোনরা। ১৪ বলে ২২ রান করে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার বলে বোল্ড হন লিভিংস্টোন। ১৮ বলে ৩৮ রান করে অপরাজিত থাকেন জিতেশ শর্মা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৮৯ তোলে পাঞ্জাব কিংস। এদিন রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে নজরকাড়া বোলিং করেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ২৮ রানে তিনি নেন ৩ উইকেট। জয়ের জন্য ১৯০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে রাজস্থান রয়্যালসও ভাল শুরু করেছিল। ৪ ওভারেই তুলে ফেলে ৪৬। ঝড় তোলা জস বাটলারকে তুলে রাজস্থানকে প্রথম ধাক্কা দেন কাগিসো রাবাডা। ১৬ বলে ৩০ রান করে বাটলার আউট হন। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন এদিন বড় রান করতে ব্যর্থ। ১২ বলে ২৩ রান করে তিনি আউট হন। ৮৫ রানে ২ উইকেট হারানোর পর রাজস্থানকে টেনে নিয়ে যান যশস্বী জয়সোয়াল ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। জুটি ওঠে ৫৬। পাঞ্জাব কিংসকে ব্রেক থ্রু এনে দেন অর্শদীপ সিং। যশস্বী জয়সোয়ালকে তুলে নেন। ৪১ বলে ৬৮ রান করেন যশস্বী।এরপর শিমরন হেটমায়ারের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান দেবদত্ত পাড়িক্কল। ৩২ বলে ৩১ রান করে অর্শদীপের বলে পাড়িক্কল আউট হলেও রাজস্থান রয়্যালসকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন শিমরন হেটমায়ার। ১৬ বলে ৩১ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ২ বল বাকি থাকতে ১৯০/৪ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রাজস্থান। ২৯ রানে ২ উইকেট নেন অর্শদীপ সিং।

মে ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ধোনির হাতে নেতৃত্বের ব্যাটন যেতেই ভাগ্য বদলে গেল চেন্নাইয়ের

রবীন্দ্র জাদেজার হাত থেকে নেতৃত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। ধোনির হাতে নেতৃত্বের ব্যাটন যেতেই ভাগ্য বদলে গেল চেন্নাই সুপার কিংসের। থালার নেতৃত্বে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয় চেন্নাই সুপার কিংসের। দক্ষিণ ভারতীয় ডার্বিতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ১৩ রানে হারিয়ে প্লে অফের লাইফলাইন পেল চেন্নাই। ৯ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট পেয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে থাকল। এদিন চেন্নাইয়ের জয়ের নায়ক ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ে। এই দুই ওপেনারের দাপটে সানরাইজার্সের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় চেন্নাই। পরে বল হাতে সাফল্য মুকেশ চৌধুরির। প্রথমে ব্যাট করে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ের দাপটে ২০ ওভারে ২০২/২ রান তোলে চেন্নাই সুপার কিংস। ওপেনিং জুটিতে এই দুই ব্যাটার তোলেন ১৮২। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কোনও বোলারই এদিন চেন্নাইয়ের এই দুই ওপেনারের বিরুদ্ধে সুবিধা করতে পারেননি। ১৮ তম ওভারের পঞ্চম বলে জুটি ভাঙেন টি নটরাজন। তিনি তুলে নেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে। ৫৭ বলে ৯৯ রান করে আউট হন ঋতুরাজ। আইপিএলের ইতিহাসে তিনিই হলেন পঞ্চম ব্যাটার যিনি ৯৯ রানে আউট হলেন। তাঁর আগে ৯৯ রানে আউট হয়েছেন বিরাট কোহলি, পৃথ্বী শ, ঈশান কিষান ও ক্রিস গেইল। ডেভন কনওয়ে ৫৫ বলে ৮৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। তিন নম্বরে নেমে ধোনি ৭ বলে ৮ রান করে আউট হন। তিনিও নটরাজনের শিকার। নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেটে ২০২ রান তোলে চেন্নাই। ৪২ রানে ২ উইকেট নেন নটরাজন। জয়ের জন্য ২০৩ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ৫.৪ ওভারে ওপেনিং জুটিতে তুলে ফেলে ৫৮। সানরাইজার্সকে প্রথম ধাক্কা দেন মুকেশ চৌধুরি। তুলে নেন ফর্মে থাকা অভিষেক শর্মাকে (২৪ বলে ৩৯)। পরের বলেই ফেরান রাহুল ত্রিপাঠীকে (০)। পরপর ২ উইকেট হারালেও রানের গতি কমেনি সানরাইজার্সের। উইলমিয়ামসন (৩৭ বলে ৪৭), এইডেন মার্করামরা (১০ বলে ১৭) আউট হলেও দলকে টেনে নিয়ে যান নিকোলাস পুরান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮৯ রান তুলতে সমর্থ হয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। নিকোলাস পুরান ৩৩ বলে ৬৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। মুকেশ চৌধুরি ৪৬ রানে ৪ উইকেট নেন।

মে ০১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 15
  • 16
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বিরাটির পর দত্তপুকুরে রাতভর তাণ্ডব! একে একে পাঁচ সিপিএম অফিসে ভাঙচুর-আগুন, উঠল বিজেপির নাম

শুক্রবার সন্ধ্যায় বিরাটিতে সিপিএমের সভা ঘিরে উত্তেজনার রেশ কাটতে না কাটতেই রাতের দিকে দত্তপুকুরে একের পর এক সিপিএমের পার্টি অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল। বামেদের দাবি, দত্তপুকুরে মোট পাঁচটি দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়েছে। কয়েকটি অফিসে আগুনও ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় উত্তর ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।সিপিএমের অভিযোগ, শুক্রবার রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতীরা রড ও হাতুড়ি নিয়ে একাধিক দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। অফিসের আসবাবপত্র নষ্ট করা হয়। দেওয়ালে থাকা বাম নেতাদের ছবিও ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে দাবি দলের। দত্তপুকুরের দুনম্বর রেলগেট, গঙ্গাপুর মোড় এবং দত্তপুকুর স্টেশনের কাছে-সহ একাধিক এলাকায় এই হামলার অভিযোগ সামনে এসেছে। একটি কার্যালয়ে কাগজপত্র বের করে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।এই হামলার পিছনে সরাসরি বিজেপির হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সিপিএম। দলের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আহমেদ আলি খান দাবি করেছেন, রাতের অন্ধকারে বিজেপিই এই হামলা চালিয়েছে। শুক্রবার বারাসত এক নম্বর বিডিও দফতরে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে সিপিএমের বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। সেই কর্মসূচির পরেই পার্টি অফিসগুলিতে হামলার ঘটনা ঘটায় দুই ঘটনার মধ্যে কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও দলের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। ঘটনায় পুলিশে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।তবে সিপিএমের অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা অরিন্দম দে জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে তাঁদের দলের কোনও যোগ নেই। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই বিজেপির নাম জড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি। ফলে দত্তপুকুরের ঘটনা নিয়ে দুই দলের মধ্যে শুরু হয়েছে পাল্টা অভিযোগ ও রাজনৈতিক চাপানউতোর।এর আগেই শুক্রবার সন্ধ্যায় বিরাটির বণিক মোড়ে সিপিএমের একটি পথসভা ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। সভামঞ্চে ভাঙচুর, চেয়ার ভাঙা এবং ব্যানার নষ্ট করার অভিযোগ ওঠে। বামেদের দাবি, সভায় হামলার পাশাপাশি তাঁদের কর্মীদের লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়। সভায় সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর বক্তৃতা দেওয়ার কথা ছিল।বিরাটির ঘটনার ক্ষেত্রেও সিপিএম বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে। দলের বক্তব্য, পুলিশের উপস্থিতিতেই সভামঞ্চে হামলা হয়েছে এবং পুলিশ হামলাকারীদের আটকাতে কার্যকর পদক্ষেপ করেনি। সুজন চক্রবর্তী পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দ্রুত প্রতিবাদ কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বিজেপির তরফে অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। উত্তর দমদমের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদারের দাবি, সভায় স্থানীয়রা কিছু স্লোগানের প্রতিবাদ করেছিলেন এবং উল্টে তাঁদের দলের মহিলা কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন।একই রাতে হাবড়াতেও বাম ছাত্র সংগঠনের কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনার অভিযোগ ওঠে। হাবড়া এক নম্বর রেলগেটের কাছে এসএফআইয়ের পথসভায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ধস্তাধস্তির অভিযোগ করেছে সংগঠনটি। বিজেপির বিরুদ্ধে কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠলেও তা অস্বীকার করেছে বিজেপি। এই ঘটনায় হাবড়া থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।বিরাটি, হাবড়া এবং দত্তপুকুরের পরপর ঘটনাকে ঘিরে উত্তর ২৪ পরগনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বেড়েছে। দত্তপুকুরের ঘটনায় ইতিমধ্যেই এসএফআই নেতা আকাশ করকে গ্রেফতার করার কথা জানিয়েছে পুলিশ-সূত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন। তবে সিপিএম যে বিজেপির বিরুদ্ধে হামলার মূল অভিযোগ তুলেছে, সেই অভিযোগের সঙ্গে ওই গ্রেফতারের যোগসূত্র বা হামলার নেপথ্যে কারা ছিল, তা নিয়ে তদন্ত এখনও চলছে।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ব্রাজিলের কাছে ৪-০ হার, তবু যুবভারতীতে লড়াইয়ের গল্প লিখল ভারত

যুবভারতীতে ফলাফলটা ভারতের পক্ষে নয়। স্কোরবোর্ডে ৪-০। কিন্তু বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে শনিবার যে লড়াই উপহার দিল ভারত, তা নিছক চার গোলের হারের গল্প নয়। গুরপ্রীত সিংহ সান্ধুর দুটি বড় ভুলে প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারাল ভারত। তবে রায়ান উইলিয়ামস, মনবীর সিংহ, অভিষেক সিংহদের লড়াকু ফুটবল প্রায় ৫০ হাজার দর্শকের মন জিতে নিল।ম্যাচের আগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল একটাই প্রশ্নব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে ভারত কত গোল হজম করবে? মাঠে সেই আশঙ্কার ছাপ অবশ্য শুরুতে খুব একটা দেখা যায়নি। বরং প্রথমার্ধের একটা বড় সময় ভারত রক্ষণ সামলে সুযোগ পেলেই পাল্টা আক্রমণে উঠে এসেছে। ব্রাজিলের তারকা সমৃদ্ধ আক্রমণভাগকে বেশ কিছুটা সময় আটকে রাখতে সক্ষম হয়েছিল ভারতীয় রক্ষণ।কিন্তু বড় দলের বিরুদ্ধে সামান্য ভুলের মূল্য যে কতটা চড়া হতে পারে, যুবভারতী তারই সাক্ষী থাকল।গুরপ্রীতের দুই ভুলেই পিছিয়ে পড়ল ভারতশুরুতেই ভিনিসিয়াসের শট আটকে গুরপ্রীতকে আত্মবিশ্বাসী মনে হয়েছিল। গ্যালারি থেকেও এসেছিল প্রশংসার আওয়াজ। কিন্তু সেই আত্মবিশ্বাস বেশিক্ষণ স্থায়ী হল না।২৮ মিনিটে বক্সের ডান দিক থেকে এস্তেভাওর নেওয়া শট ছিল গুরপ্রীতের নাগালের মধ্যেই। বলের গতি বেশি থাকলেও সেটি সামলানোর যথেষ্ট সুযোগ ছিল ভারতীয় গোলরক্ষকের। কিন্তু তাঁর হাতের নীচ দিয়ে বল গড়িয়ে জালে ঢুকে যায়। ব্রাজিল এগিয়ে যায় ১-০।প্রথম গোলের ধাক্কা সামলে ভারত ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করছিল। কিন্তু বিরতির ঠিক আগে ফের বিপর্যয়। ৪২ মিনিটে এস্তেভাওর তৈরি করা সুযোগ থেকে পেদ্রোর শট আটকাতে গিয়ে গুরপ্রীতের ডান হাতের গ্লাভসে বল লেগে দিক বদলে জালে জড়িয়ে যায়।মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল। অথচ প্রথমার্ধে ভারত যে ভাবে রক্ষণ সামলাচ্ছিল, তাতে গোলশূন্য অবস্থায় বিরতিতে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি ছিল।এরপর আরও একটি বিপজ্জনক মুহূর্ত তৈরি হয়েছিল। ভিনিসিয়াসের শট গুরপ্রীতের গায়ে লেগে গোলের দিকে যাচ্ছিল। পিছন থেকে দানিলো ছুটে আসছিলেন। শেষ পর্যন্ত ভারতীয় রক্ষণ কোনও রকমে পরিস্থিতি সামলে নেয়।ব্রাজিলের তারকাদের আটকে রাখল ভারতব্রাজিল যে ভারতকে হালকা ভাবে নেয়নি, প্রথম একাদশেই তার প্রমাণ ছিল। ভিনিসিয়াস, মার্কুইনহোসদের সঙ্গে বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা থাকা ফুটবলাররাও ছিলেন দলে।তবু ম্যাচের শুরুতে ব্রাজিলের আক্রমণকে অপ্রতিরোধ্য মনে হয়নি। ভিনিসিয়াস বাঁ দিক দিয়ে বারবার আক্রমণ তৈরির চেষ্টা করলেও তাঁকে বেশির ভাগ সময় নজরে রেখেছিলেন অভিষেক সিংহ। ব্রাজিলীয় তারকা কয়েক বার ড্রিবল করে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও অভিষেক পিছনে ছুটে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছেন।শুধু রক্ষণ নয়, সুযোগ পেলেই ভারতীয় ফুটবলাররা পাল্টা আক্রমণে উঠেছেন। রায়ান উইলিয়ামস ও মনবীর সিংহের গতির উপর ভর করে ব্রাজিলের বক্সে ঢোকার চেষ্টাও হয়েছে একাধিক বার।বিরতির পর বদলে গেল ব্রাজিলদ্বিতীয়ার্ধে একাধিক পরিবর্তন আনেন ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলোত্তি। মাঠে আসেন গিমারায়েস, ডগলাস লুইজ়, স্যামুয়েল লিনোর মতো ফুটবলাররা। পরিবর্তিত দল নিয়েও ব্রাজিলের আক্রমণের ধার কমেনি।৫৮ মিনিটে বিজয়ের পা থেকে বল কেড়ে নেয় ব্রাজিল। দূর থেকে শক্তিশালী শটে গোল করেন স্যামুয়েল লিনো। ভারত তখন ৩-০ পিছিয়ে।তবে এই সময়েও ভারত লড়াই থেকে সরে যায়নি। ৬৪ মিনিটে রায়ান উইলিয়ামস ব্রাজিলের বক্সে ঢুকে পড়ে গোলের সুযোগ তৈরি করেন। তাঁর শট আটকে দেন ব্রাজিলের গোলরক্ষক মাউরো।এর কিছুক্ষণ পর রায়ান ও মনবীরের দারুণ বোঝাপড়ায় ফের সুযোগ তৈরি হয়। রায়ান বল বাড়ান মনবীরকে। পরে মনবীরের ক্রস ফের রায়ানের দিকে। চলতি বলে শট নিলেও বল অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।সেই মুহূর্তে যুবভারতীর গ্যালারিতে হয়তো অনেকেরই মনে হয়েছিলএকটি গোল অন্তত প্রাপ্য ভারতের।শেষ মুহূর্তেও গোলের ধাক্কাম্যাচের বাকি সময়ে দুদলই আক্রমণে উঠেছে। ভারত চেষ্টা করেছে ব্যবধান কমানোর, ব্রাজিল খুঁজেছে আরও গোল। শেষ পর্যন্ত সংযুক্তি সময়ের একেবারে শেষ দিকে চতুর্থ গোল পেয়ে যায় ব্রাজিল।লিনোর শট প্রভসুখন গিলের শরীরের নীচ দিয়ে গোলে ঢুকে যায়। স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৪-০।চার গোলের ব্যবধান নিঃসন্দেহে বড়। কিন্তু ম্যাচের পুরো ছবিটা শুধু স্কোরলাইন দিয়ে বোঝা যাবে না। ভারতীয় দলের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ব্যক্তিগত ভুল এবং আক্রমণে শেষ পাস বা ফিনিশিংয়ের অভাব।তার বিপরীতে ইতিবাচক দিকও কম নয়। বিশ্বমানের ফুটবলারদের বিরুদ্ধে ভারত ভয় পেয়ে গুটিয়ে থাকেনি। রায়ান, মনবীর, অভিষেক, বিজয়রা বারবার প্রতিপক্ষের অর্ধে উঠে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। বিশেষ করে অভিষেকের ভিনিসিয়াসকে সামলানোর চেষ্টা এবং রায়ানের আক্রমণাত্মক মানসিকতা নজর কেড়েছে।সামনে আরও কঠিন পরীক্ষাব্রাজিলের বিরুদ্ধে ০-৪ হার দিয়ে ভারতের এই পর্ব শেষ হচ্ছে না। বরং সামনে আরও একটি কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে। আগামী ৬ অক্টোবর উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে ভারত।যুবভারতীর রাত ভারতের জন্য ফলের দিক থেকে হতাশার হলেও, লড়াইয়ের মানসিকতা পরের ম্যাচের আগে কিছুটা আত্মবিশ্বাস জোগাতেই পারে। চার গোলের ব্যবধানের আড়ালে তাই থেকে গেল অন্য এক ছবিবিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে ভারতীয় ফুটবলারদের হার না মানা লড়াই।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের চেয়ার এবার কাকলির হাতে! দোলার জায়গায় বিজেপি, সংসদে রদবদল ঘিরে তুমুল চর্চা

সংসদীয় স্থায়ী কমিটির পুনর্গঠনে তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে থাকা দুটি গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারম্যানের পদ হাতছাড়া হয়েছে। রাসায়নিক ও সার সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানো হয়েছে তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির থেকে বেরিয়ে যাওয়া কাকলি ঘোষ দস্তিদার। অন্য দিকে, বাণিজ্য সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানো হয়েছে তৃণমূল সাংসদ দোলা সেনকে। তাঁর জায়গায় চেয়ারম্যান করা হয়েছে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদীকে।শনিবার সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলির পুনর্গঠনের পরই এই রদবদলের কথা প্রকাশ্যে আসে। রাজ্যসভার চেয়ারম্যান এবং লোকসভার স্পিকারের মাধ্যমে বিভিন্ন বিভাগের স্থায়ী কমিটির নতুন চেয়ারম্যানদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২৬-২৭ সালের জন্য পুনর্গঠিত কমিটিগুলির মধ্যে রাসায়নিক ও সার সংক্রান্ত কমিটির দায়িত্ব পেয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। বাণিজ্য সংক্রান্ত কমিটির দায়িত্ব পেয়েছেন সুধাংশু ত্রিবেদী।এই বদলকে ঘিরে রাজনৈতিক গুরুত্ব তৈরি হয়েছে মূলত কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে কেন্দ্র করে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের একদল সাংসদ দল ছেড়ে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়ায় যোগ দেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়-সহ একাধিক সাংসদ। তাঁরা কেন্দ্রের এনডিএ সরকারকে সমর্থনের কথাও জানিয়েছিলেন। পরে সংসদে তাঁদের আসনেও পরিবর্তন করা হয়।এ বার সেই বিদ্রোহী শিবিরেরই অন্যতম মুখ কাকলি ঘোষ দস্তিদার তৃণমূলের সাংসদ কীর্তি আজাদের জায়গায় রাসায়নিক ও সার সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছেন। ফলে সংসদীয় কমিটির এই রদবদলকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে এবং জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।অন্য দিকে, বাণিজ্য সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান পদে দোলা সেনের জায়গায় এসেছেন বিজেপির সুধাংশু ত্রিবেদী। অর্থাৎ একই রদবদলে তৃণমূল দুটি গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারম্যানের পদ হারাল। একটি পদ গেল বিজেপির হাতে, অন্যটি গেল তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের নেত্রীর হাতে।তবে কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ বিদ্রোহী সাংসদদের ভবিষ্যৎ সাংসদপদ এখনও পুরোপুরি চূড়ান্ত নয়। তৃণমূলের তরফে তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ-বিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। লোকসভার সচিবালয় ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদকে তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য ৮ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দিয়েছে। তাঁদের সাংসদপদ বাতিল হবে কি না, সেই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।ফলে এক দিকে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে তৃণমূলের দুই চেয়ারম্যান পদ হাতছাড়া হওয়া, অন্য দিকে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের গুরুত্বপূর্ণ কমিটির দায়িত্ব পাওয়া এবং একই সময়ে বিদ্রোহী সাংসদদের সদস্যপদ নিয়ে সিদ্ধান্ত ঝুলে থাকাসব মিলিয়ে সংসদে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেয়েদের পর ছেলেরাও সোনা! মালয়েশিয়াকে ৫-১ উড়িয়ে ইতিহাস, অলিম্পিকের টিকিটও পাকা ভারতের

৪৪ বছর পর মেয়েদের হকিতে সোনা এসেছিল। এ বার পুরুষদের দলও সেই পথেই ইতিহাস গড়ল। মালয়েশিয়াকে ৫-১ গোলে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে পুরুষ হকির সোনা ধরে রাখল ভারত। শুধু সোনাই নয়, এই জয়ের সঙ্গে ২০২৮ সালের অলিম্পিকের সরাসরি যোগ্যতাও অর্জন করল হরমনপ্রীত সিংয়ের দল। এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে এই প্রথম একই আসরে ভারতের পুরুষ ও মহিলা হকি দল দুটিই সোনা জিতল। পুরুষ হকিতে পরপর দুবার সোনা জেতার নজিরও এই প্রথম ভারতের।শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল ভারত। ১১ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং। তবে বেশিক্ষণ সেই ব্যবধান থাকেনি। পাল্টা আক্রমণ থেকে গোল করে সমতা ফেরায় মালয়েশিয়া। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে আবার ভারতকে এগিয়ে দেন যুগরাজ সিং। ২৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকেই আসে সেই গোল।বিরতির পর একের পর এক সুযোগ তৈরি করছিল ভারত। ৪২ মিনিটে পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে ব্যবধান বাড়ান হার্দিক সিং। এর পর ৫৪ মিনিটে শিলানন্দ লাকরা গোল করে ভারতের জয় প্রায় নিশ্চিত করে দেন। ম্যাচ শেষ হওয়ার তিন মিনিট আগে নিজের দ্বিতীয় গোল করে স্কোর ৫-১ করেন হরমনপ্রীত। ১৪টি পেনাল্টি কর্নার পেলেও ভারত তার মধ্যে তিনটি কাজে লাগাতে পেরেছে। শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানে জয় নিয়েই সোনা নিশ্চিত করে ভারত।হকির পাশাপাশি কুস্তিতেও সোনা এসেছে। পুরুষদের ৫৭ কেজি ফ্রিস্টাইল বিভাগে উত্তর কোরিয়ার প্রতিপক্ষকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন আমন সেহরাওয়াত। এক সময় এগিয়ে থেকেও পরে পিছিয়ে পড়েছিলেন তিনি। শেষ মুহূর্তে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করে ম্যাচ জিতে নেন ভারতীয় কুস্তিগির। এই বিভাগে এশিয়ান গেমসে ভারতের প্রথম সোনা এনে দিয়েছেন আমন। অন্য দিকে মহিলাদের ৫৩ কেজিতে রুপো পেয়েছেন অন্তিম পাঙ্ঘাল। পুরুষদের ৯৭ কেজিতে ব্রোঞ্জ জিতেছেন দীপক পুনিয়া।তিরন্দাজিতেও ইতিহাস তৈরি হয়েছে। মাত্র ১৭ বছর বয়সে মহিলাদের ব্যক্তিগত রিকার্ভ বিভাগে সোনা জিতেছেন কুমকুম মহোদ। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পাঁচ সেটের পর লড়াই ৫-৫ সমতায় শেষ হয়। শুট-অফে নিখুঁত ১০ পয়েন্ট তুলে সোনা নিশ্চিত করেন কুমকুম। এশিয়ান গেমসে মহিলাদের ব্যক্তিগত রিকার্ভে সোনা জেতা প্রথম ভারতীয় মহিলা তিরন্দাজ তিনি। পুরুষদের রিকার্ভে ব্রোঞ্জ পেয়েছেন নীরজ চৌহান।গলফেও এল ঐতিহাসিক সাফল্য। মহিলাদের ব্যক্তিগত বিভাগে ১৫ আন্ডার ২৬৫ স্কোর করে সোনা জিতেছেন প্রণবী উরস। এশিয়ান গেমসে এই বিভাগে ভারতের প্রথম সোনা এটি। দলগত বিভাগেও রুপো পেয়েছে ভারত।দিনের শেষে ক্রিকেটেও সোনার মুকুট পেল ভারত। পুরুষদের ফাইনালে পাকিস্তানকে ১৯ রানে হারিয়ে সোনা জিতেছে শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্বাধীন দল। প্রথমে ব্যাট করে ভারত ৬ উইকেটে ২১১ রান তোলে। অভিষেক শর্মা ২৮ বলে ৬১ রান করেন। তিলক বর্মা ২২ বলে অপরাজিত ৫১ রান করেন। জবাবে পাকিস্তান ৬ উইকেটে ১৯২ রানেই থেমে যায়। হাসান নওয়াজ ৫১ বলে ৯৬ রান করে শেষ পর্যন্ত লড়াই করলেও পাকিস্তানকে জেতাতে পারেননি।এর ফলে এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটের দুই সোনাই এ বার ভারতের দখলে। মহিলা দলও আগে সোনা জিতেছিল। হকি এবং ক্রিকেটের পাশাপাশি কুস্তি, তিরন্দাজি ও গলফে সাফল্য মিলিয়ে শেষ দিনে ভারতের সোনার সংখ্যা এক ধাক্কায় বেড়েছে। সব মিলিয়ে ২১টি সোনা, ২৭টি রুপো এবং ৩৭টি ব্রোঞ্জ-সহ মোট ৮৫টি পদক নিয়ে এশিয়ান গেমস শেষ করেছে ভারত। পদক তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে ভারত।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

এস্তেভাঁও-পেদ্রো-লিনোর গোলের ঝড়, তবু ভারতকে নিয়ে কেন আলোচনা? ব্রাজিলের বিরুদ্ধে যুবভারতীর ম্যাচে চমক

ব্রাজিলের বিরুদ্ধে স্বপ্নের ম্যাচ। ফল অবশ্য ভারতের পক্ষে গেল না। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শনিবার আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ভারতকে ৪-০ গোলে হারাল পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। এস্তেভাঁও, পেদ্রো এবং স্যামুয়েল লিনোর গোলে জয় নিশ্চিত করে কার্লো আনচেলোত্তির দল। তবে স্কোরলাইন যতই একপেশে হোক, ভারতের ফুটবলাররা বেশ কিছু সময়ে ব্রাজিলকে চাপে ফেলেছেন এবং একাধিক গোলের সুযোগও তৈরি করেছিলেন।বিশ্ব ক্রমতালিকায় ব্রাজিল পঞ্চম এবং ভারত ১৩৮ নম্বরে। ফলে ম্যাচ শুরুর আগে দুই দলের মধ্যে ব্যবধান ছিল স্পষ্ট। ভারতের সামনে ছিল দেশের মাটিতে ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে নিজেদের পরীক্ষা করার বিরল সুযোগ। শেষ পর্যন্ত হার এলেও ম্যাচের শুরুতে ভারত যথেষ্ট লড়াই করেছে। ব্রাজিল প্রথম গোল পায় ২৮ মিনিটে। এস্তেভাঁওয়ের বাঁ পায়ের শটে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। ৪২ মিনিটে পেদ্রো ব্যবধান বাড়ান। প্রথমার্ধ শেষ হয় দুই গোলে পিছিয়ে থেকেই।দ্বিতীয়ার্ধে ভারত চেষ্টা চালিয়ে গেলেও ব্রাজিলের আক্রমণ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। বদলি হিসেবে নামা স্যামুয়েল লিনো ৫৮ মিনিটে তৃতীয় গোল করেন। অতিরিক্ত সময়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ভারতের বিপক্ষে ব্রাজিলের জয় ৪-০ করেন তিনি। ফলে বড় ব্যবধানে ম্যাচ শেষ হলেও ভারতের লড়াইয়ের কয়েকটি মুহূর্ত আলাদা করে নজর কেড়েছে।ভারতের আক্রমণেও সুযোগ এসেছিল। মনবীর সিং এবং রায়ান উইলিয়ামস গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন। কিন্তু ব্রাজিলের রক্ষণ এবং গোলরক্ষককে পরাস্ত করতে পারেননি তাঁরা। ম্যাচের বিভিন্ন সময়ে ভারত আক্রমণে উঠেছে এবং শুধু নিজেদের অর্ধে আটকে থাকেনি।রক্ষণেও আনোয়ার আলি ও আকাশ মিশ্রকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দায়িত্ব সামলাতে দেখা যায়। ব্রাজিলের আক্রমণভাগে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের মতো তারকা থাকলেও ভারত শুরুতে তাঁদের গতির সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। গোলরক্ষক গুরপ্রীত সিং সান্ধুও একাধিক বার ব্রাজিলের আক্রমণ ঠেকান।এই ম্যাচে ভারতীয় গোলরক্ষক প্রভসুখন সিং গিলেরও আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়। ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে খেলাটাই তাঁর কাছে বড় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকল। ভারতের কোচ খালিদ জামিলের কৌশল নিয়েও ম্যাচের আগে যথেষ্ট আলোচনা ছিল। পানামার বিরুদ্ধে আগের ম্যাচের পর ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে তাঁর দল কী ভাবে খেলবে, ছিল সেটাই বড় প্রশ্ন।ভারত শেষ পর্যন্ত গোলের মুখ খুলতে পারেনি এবং চার গোল হজম করেছে। কিন্তু দেশের মাটিতে ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে খেলার এই অভিজ্ঞতা ভারতীয় ফুটবলের জন্য আলাদা গুরুত্ব বহন করছে। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনও ম্যাচটিকে ভারতের সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।ফল ভারতের পক্ষে নয়, সেটাই সত্যি। কিন্তু যুবভারতীর সেই সন্ধ্যায় ব্রাজিলের মতো বিশ্বমানের দলের বিরুদ্ধে ভারতের ফুটবলাররা যে লড়াইয়ের কিছু ছবি রেখে গেলেন, সেটাই এখন আলোচনার অন্যতম বিষয়। ০-৪-এর স্কোরলাইন তাই ম্যাচটির পুরো গল্প বলে না।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
বিদেশ

ককপিটে হামলার পর যাত্রীরাই ধরলেন সহ-পাইলটকে! তারপর তাঁকে ছেড়ে দিতে কেন চাপ এসেছিল?

মাঝ আকাশে ককপিটে হামলা। তার পর যাত্রীদের তৎপরতায় আটক হলেন অভিযুক্ত সহ-পাইলট। তাঁকে হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছিল বলে দাবি যাত্রীদের। কিন্তু সেই সময় বিমানের অন্য কর্মীদের কয়েক জন তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। ফ্লাইদুবাইয়ের দুবাই থেকে তেল আভিভগামী বিমানে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে অন্য কর্মীরা কোনও ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন, এমন কোনও প্রমাণ এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তদন্ত চলছে।ঘটনাটি ঘটে বুধবার ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে। বিমানটি দুবাই থেকে তেল আভিভের দিকে যাচ্ছিল। অভিযোগ, ওমানের নাগরিক সহ-পাইলট হামাম আল-হামামি ককপিটে ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের উপর হামলা করেন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলায় ককপিটের জরুরি কুঠার ব্যবহার করা হয়েছিল এবং অভিযুক্ত সহ-পাইলট বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।হামলার পর বিমানটি আচমকা নীচে নামতে শুরু করে। ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছর গুরুতর আহত অবস্থাতেও ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন। তখন কয়েক জন যাত্রী ভিতরে ঢুকে অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে ধরে ফেলেন। পরে তাঁকে বেঁধে রাখা হয় বলে যাত্রীরা জানিয়েছেন। এই তৎপরতার ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। পরে অন্য দুই পাইলট বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করান।বিমানে থাকা দুই যাত্রী জিকা মানেস এবং ড্যানিয়েল স্লিখটার দাবি করেছেন, কয়েক জন যাত্রী মিলে হামামকে আটকেছিলেন। তাঁদের বক্তব্য, হেডফোনের তার এবং টেপ ব্যবহার করে তাঁকে বেঁধে রাখা হয়েছিল। কিন্তু এর পর বিমানের অন্য কয়েক জন কর্মী এসে তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। কেন তাঁকে মুক্ত করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল, তা তাঁরা বুঝতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন ওই যাত্রীরা।এই দাবিই এখন নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। তবে শুধু যাত্রীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে বিমানের অন্য কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ বা ষড়যন্ত্রের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে, এমন তথ্য এখনও নেই। ফ্লাইদুবাইয়ের ওই কর্মীরা কেন অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন বলে যাত্রীরা দাবি করছেন, তা তদন্তের বিষয়।এদিকে হামাম আল-হামামির অতীত নিয়েও তদন্ত শুরু হয়েছে। একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এর আগে ওমানের বিমান সংস্থায় কাজ করার সময় তাঁর উগ্রপন্থী মতাদর্শ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল এবং তাঁকে উড়ান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে তাঁর পরিচয় ও অতীত নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন দাবির সবটাই এখনও সরকারি ভাবে নিশ্চিত হয়নি।সংযুক্ত আরব আমিরশাহির অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন, ঘটনাটিকে সন্ত্রাসবাদী হামলার চেষ্টা হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তকারীরা হামলার উদ্দেশ্য, অভিযুক্ত সহ-পাইলটের অতীত এবং ঘটনায় আর কেউ জড়িত ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন।ফ্লাইদুবাই বিমানের এই ঘটনায় দ্রুত যাত্রীদের হস্তক্ষেপ এবং পরে অন্য পাইলটদের বিমান নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘটনাই বড় বিপর্যয় এড়াতে সাহায্য করেছে। কিন্তু অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে বেঁধে রাখার পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য কর্মীদের চাপ দেওয়ার যে দাবি যাত্রীরা করেছেন, সেটি তদন্তে কতটা সত্যি, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
কলকাতা

জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে কলকাতায় নামছে ককরোচ জনতা পার্টি? পুজোর পর কীসের প্রস্তুতি

দিল্লি, মুম্বইয়ের পর এবার কি কলকাতার রাস্তাতেও নামতে চলেছে ককরোচ জনতা পার্টি? মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে দুর্গাপুজোর পর কলকাতায় জনসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর। যদিও এখনও পর্যন্ত এই কর্মসূচির দিনক্ষণ বা স্থান চূড়ান্ত হয়নি।এর আগে নিট পরীক্ষার বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে কলকাতায় আন্দোলনের পরিকল্পনা করেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। তবে সেই কর্মসূচির অনুমতি মেলেনি বলে দাবি। এবার এসআইআর এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিকে সামনে রেখে কলকাতায় নতুন করে কর্মসূচি করার প্রস্তুতি চলছে বলে সূত্রের খবর।সূত্রের খবর, কলকাতায় প্রস্তাবিত কর্মসূচি নিয়ে তৃণমূলের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্ব। কোথায় এবং কবে সভা করা হবে, তা নিয়ে তৃণমূলের পাশাপাশি বাম ছাত্র সংগঠনের সঙ্গেও আলাদাভাবে যোগাযোগ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির তরফে অভিজিৎ দীপকেরা এই বিষয়ে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে কথা বলছেন বলে সূত্রের দাবি।এর মধ্যেই আগামী ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থান-বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। ওই কর্মসূচিতে ইতিমধ্যেই বাম ছাত্র সংগঠনের সমর্থন মিলেছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে দিল্লির পর কলকাতাতেও একই ধরনের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।তবে কলকাতায় ককরোচ জনতা পার্টির প্রস্তাবিত কর্মসূচিতে তৃণমূলের সাহায্যের খবর সামনে আসতেই তা নিয়ে কটাক্ষ করেছে সিপিএম। সংগঠনের এই উদ্যোগকে ঘিরে বামেদের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।এসএফআইয়ের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য কটাক্ষ করে বলেন, স্যান্ডো গেঞ্জির আবার বুকপকেট। ওদের দলে কতজন আছে যে সহযোগিতা করবে। তাঁর দাবি, যন্তর মন্তরে নিট আন্দোলন থেকে শুরু করে ককরোচ জনতা পার্টির বিভিন্ন কর্মসূচিতে এসএফআই সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করছে। কলকাতায় কর্মসূচির বিষয়ে সংগঠনের রাজ্য নেতৃত্বও কথা বলবে বলে জানিয়েছেন তিনি।ফলে দুর্গাপুজোর পর কলকাতায় ককরোচ জনতা পার্টির আদৌ কোনও সভা হয় কি না, হলে তাতে কারা যোগ দেন এবং এসআইআর ও জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিকে সামনে রেখে কী কর্মসূচি নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বারবার ধসে বন্ধ শিলিগুড়ি-সিকিমের পথ! এবার বদলে যাবে দশ নম্বর জাতীয় সড়ক, তৈরি হবে সুড়ঙ্গ-উঁচু সেতু

বর্ষা এলেই ধস, কখনও মাটি বসে যাওয়া, আবার কখনও যানজটে থমকে যায় পাহাড়ের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। শিলিগুড়ি থেকে সিকিম যাওয়ার অন্যতম প্রধান পথ দশ নম্বর জাতীয় সড়কের এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ শুরু হল। রংপো থেকে রানিপুল পর্যন্ত প্রায় ২৬ কিলোমিটার রাস্তার আমূল উন্নয়নের জন্য ৭০৬ কোটি ৬৩ লক্ষ টাকার প্রকল্পের দরপত্র ডেকেছে জাতীয় সড়ক ও পরিকাঠামো উন্নয়ন নিগম। সরকারি নথি অনুযায়ী, এই প্রকল্পে রাস্তা চওড়া করার পাশাপাশি একাধিক সুড়ঙ্গ, উঁচু সেতুপথ এবং ধসপ্রবণ এলাকায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।দশ নম্বর জাতীয় সড়কের রংপো থেকে রানিপুল অংশটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৫.৮৭ কিলোমিটার। বর্তমানে এই রাস্তার একাধিক অংশ বর্ষায় ধস এবং মাটি বসে যাওয়ার সমস্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নতুন প্রকল্পে বর্তমান রাস্তা দুই লেনে উন্নীত করা হবে। রাস্তার দুপাশে পাকা অংশও রাখা হবে। পাশাপাশি ধসপ্রবণ এবং মাটি বসে যাওয়ার এলাকাগুলিতে প্রয়োজনীয় স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হল এই প্রকল্পে একাধিক সুড়ঙ্গ এবং উঁচু সেতুপথ তৈরির পরিকল্পনা। পাহাড়ের যে অংশগুলিতে রাস্তা বারবার ধসের কবলে পড়ে বা মাটি বসে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, সেখানে নতুন পরিকাঠামোর মাধ্যমে ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা করা হবে। ফলে প্রকল্পটি শুধু রাস্তা চওড়া করার কাজ নয়, বরং গোটা রংপো-রানিপুল পথের পরিকাঠামো নতুন করে সাজানোর পরিকল্পনা।এই প্রকল্পের জন্য দরপত্রের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর। ৬ নভেম্বর থেকে দরপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত তা জমা দেওয়া যাবে। ১৭ নভেম্বর দরপত্র খোলার কথা রয়েছে। প্রকল্পটি ইঞ্জিনিয়ারিং, ক্রয় ও নির্মাণ পদ্ধতিতে করার পরিকল্পনা হয়েছে। সরকারি নথিতে কাজের সময়সীমা ৪৭৪৫ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্তা দীর্ঘদিন ধরেই দশ নম্বর জাতীয় সড়কের স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়ে আসছেন বলে জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, এই রাস্তা শুধু সিকিম বা কালিম্পংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, উত্তর-পূর্ব ভারতের যোগাযোগ, পর্যটন, পণ্য পরিবহণ এবং সীমান্ত এলাকার অর্থনীতির ক্ষেত্রেও এর গুরুত্ব রয়েছে।বর্ষায় দশ নম্বর জাতীয় সড়কে ধস নামলে সিকিমের সঙ্গে সমতলের যোগাযোগ ব্যাহত হয়। পর্যটক থেকে স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী থেকে পণ্যবাহী গাড়িসবাইকে তার প্রভাব সামলাতে হয়। সেই কারণে নতুন প্রকল্পে রাস্তার নিরাপত্তা এবং সারা বছর যোগাযোগ সচল রাখার বিষয়টিকেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।সরকারি দরপত্রের নথিতে প্রকল্পটির আনুমানিক মূল্য ৭০৬ কোটি ৬৩ লক্ষ ৪০ হাজার ১৮৭ টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। দরপত্রের কাজের বিবরণে দুই লেনের রাস্তা, পাকা পাশের অংশ, সুড়ঙ্গ, উঁচু সেতুপথ এবং ধস ও মাটি বসে যাওয়ার প্রবণ এলাকার চিকিৎসার কথা স্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে।ফলে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে রংপো থেকে রানিপুল পর্যন্ত দশ নম্বর জাতীয় সড়কের চেহারা অনেকটাই বদলে যেতে পারে। পাহাড়ি পথে ধসের ঝুঁকি কমানো, যান চলাচল আরও মসৃণ করা এবং সিকিমের সঙ্গে সমতলের যোগাযোগ আরও নির্ভরযোগ্য করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal