• ২৭ মাঘ ১৪৩২, শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Raj

কলকাতা

পদত্যাগের করে কেঁদে ফেললেন রাজীব

মন্ত্রিসভা ছাড়ার কারণ বলতে গিয়ে প্রকাশ্যে কেঁদে ফেললেন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। জানালেন, আড়াই বছর আগেই পদত্যাগ করব ভেবেছিলাম। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী আটকেছিলেন। এবার ভগ্নহৃদয় নিয়েই দল ছাড়লাম। গত একমাস ধরে অনেক কিছু শুনেছি। তাই এই সিদ্ধান্ত।শুক্রবারই রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগপত্র জমা করেন রাজীব। তারপর রাজভবনের বাইরে সাংবাদিক সম্মেলন করলেন তিনি। মন্ত্রিত্ব ছাড়লেও এখনও দল ছাড়েননি রাজীব। শুক্রবারের সাংবাদিক সম্মেলনে স্পষ্ট করে দিলেন প্রাক্তন বনমন্ত্রী। বললেন, আমাকে এত কাজ করতে দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমি কৃতজ্ঞ। মন্ত্রী না থেকেও মানুষের সেবা করা যায়। আমি সাধারণ কর্মী হিসেবেই কাজ করতে চাই। তবে এদিন দলের সতীর্থদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি। ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও।প্রাক্তন বনমন্ত্রী বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে আরও একটু সৌজন্যতা আশা করেছিলাম। তিনি আরও জানান, আমার মনে অনেকদিন ধরেই ক্ষোভ-অভিমান জমছিল। সে কথা দলের বহু সতীর্থ এবং মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছিলাম। আর সহ্য করতে পারলাম না। তাই সরে দাঁড়ালাম। এদিকে,বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় অবস্থা। তৃণমূলের একাংশের মত, এই পদত্যাগ দলের কোনও ক্ষতি করবে না। আবার কারও মত, এভাবে রাজ্যের মন্ত্রীদের ইস্তফা দুর্ভাগ্যজনক। পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, উনিই বলতে পারবেন, কেন ছাড়লেন। নিশ্চয়ই কোনও অসুবিধা হচ্ছিল। তবে আমি বলব, এটা সঠিক সিদ্ধান্ত নয়। একদিন তাঁরা ঠিক বুঝবেন। হাওড়ার বালির বিধায়ক বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বলেন, এভাবে রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে একে একে সদস্যদের ইস্তফা দুর্ভাগ্যজনক। এতেই বোঝা যাচ্ছে, দলের একাংশে কতটা ঘুণ ধরেছে। আমি আগেই একথা বলেছিলাম। দলনেত্রী খুব যত্ন করে হাওড়ায় সংগঠন তৈরি করে দিয়েছিলেন। কিন্তু এখন তা ভেঙে পড়ছে। অন্যদিকে, রাজ্যের আরেক মন্ত্রী অরূপ রায় রাজীবের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে তেমন বিচলিত নন। তাঁর কথায়, দল কতদিন ধরে করছে? আমরা বহু আগে থেকে দল করছি। কেউ কেউ দলে নতুন যোগ দিয়ে, কাজ করার পরই যদি নানারকম বায়না, নালিশ করেন, তাহলে মুশকিল। যা হওয়ার তাই হয়েছে। এতে দলের কোনও ক্ষতি নেই। দল ঐক্যবদ্ধই রয়েছে।

জানুয়ারি ২২, ২০২১
কলকাতা

রাজীব ঝরে যাওয়া বটপাতা, তুলনা তৃণমূল মহাসচিবের

বনমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানালেন তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এর সঙ্গে তুলনা টানলেন বটগাছের ঝরে যাওয়া পাতার সঙ্গে। শুক্রবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, যারা দলের মধ্যে নানা অভিযোগ করে কোনও ক্ষতি করতে পারছে না তাঁরাই দল থেকে চলে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, তাঁর মন্তব্য, যেমন বট গাছের দু-একটা পাতা ঝরে গেলে বট গাছের কোন ক্ষতি হয় না, এই ঘটনা তেমনই একটা ব্যাপার। সমুদ্র থেকে দু ঘটি জল তুলে নিলেও সমুদ্র নিঃশেষ হয়ে যায় না। এদিন তৃণমূলে দলে যোগ দেন অভিনেতা সৌরভ দাস এবং ২০১৬-তে কালনার বিজেপি প্রার্থী নিউটন মজুমদার। সৌরভ দাস বেশ কিছু ওয়েব সিরিজে কাজ করেছেন। অন্যদিকে নিউটন মজুমদার দীর্ঘ কুড়ি বছর ধরে বিজেপি দলের সঙ্গে যুক্ত। তিনি বিভিন্ন সামাজিক কাজকর্মের সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছেন। উল্লেখ্য কালনার তৃণমূল বিধায়ক বিশ্বজিৎ কুণ্ডু বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। এবার সেই কেন্দ্রের পরাজিত বিজেপি প্রার্থী তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। একেবারেই অদল-বদল।

জানুয়ারি ২২, ২০২১
রাজনীতি

কেন পদত্যাগ? জানালেন রাজীব

রাজভবন থেকে বেরিয়েই পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কেঁদে ফেললেন সদ্য পদত্যাগী বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন তিনি রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন সে কথাই বলছিলেন সাংবাদিকদের। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তিনি আড়াই বছর আগে যখন তাঁকে সেচ দপ্তর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল তখনই পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাকে নিরস্ত্র করেন।রাজীব এদিন সাংবাদিকদের জানান, তিনি দুদিনের উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছিলেন। বন্যা নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সেচ দপ্তরে বৈঠক করেছেন। পাশাপাশি সাংগঠনিক বৈঠকও অংশ নিয়েছিলেন। তৃণমূল ভবনে তাঁর সপ্তাহে দুদিন বসার কথা ছিল। সেখান থেকে এসেই তিনি তৃণমূল ভবনে বসেছিলেন। তৃনমূল ভবনে বসে টিভির ব্রেকিং নিউজ দেখে জানতে পারেন তাঁকে সেচ দপ্তর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তখনই তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রাজ্য মন্ত্রিসভায় থাকবেন না। তা তিনি জানিয়েছিলেন দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তখন তাঁকে মন্ত্রীসভা থেকে সরে যেতে নিষেধ করেন। কাজের সুযোগ দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানান রাজীব।তিনি জানান, তিনি বাংলার মানুষের জন্য কাজ করতে চান। কিন্তু কোন প্লাটফর্মে কাজ করবেন তিনি জানেন না। তবে তিনি মানুষের জন্য কাজ করবেন। এ কথা বলতে গিয়েই অঝোরে কেঁদে ফেলেন হাওড়া ডোমজুড়ের বিধায়ক। আর কোনও প্রশ্নের তিনি জবাব না দিয়ে চোখ মুছতে মুছতে রাজভবনের গেট থেকে গাড়িতে উঠে যান।

জানুয়ারি ২২, ২০২১
রাজনীতি

মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ রাজীবের, বিজেপি যোগের সম্ভাবনা

রাজ্য মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করলেন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ইস্তফা পত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। এর আগে মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করেছন শুভেন্দু অধিকারী, লক্ষ্মীরতন শুক্লা। হাওড়ার ডোমজুড়ের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বেশ কয়েক মাস ধরেই বেসুরো কথাবার্তা বলছিলেন। রাজ্য মন্ত্রিসভার পাঁচ-পাঁচটি বৈঠকে হাজির থাকেননি রাজীব। অথচ হাওড়ার নবান্নতে এই মন্ত্রিসভার বৈঠকগুলো হয়েছে। রাজীবের পদত্যাগপত্রহাওড়ার আর এক বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ রায়ের সঙ্গে তাঁর বিবাদ প্রকাশ্যে এসেছে একাধিকবার। দলের নানা বিষয় নিয়ে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় মাঝে মধ্যে মুখ খুলেছেন। গতকালও বঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে বলেছিলেন বিজেপিতে দরজা খোলা রয়েছে। এদিন তিনি দলীয় সংগঠনের বিভিন্ন পদ থেকে ইস্তফা দেবেন বলেই সূত্রের খবর। রাজনৈতিক মহলের মতে, তার বিজেপি যোগের সম্ভাবনা আরও বেড়ে গেল। চলতি মাসের শেষেই রাজ্যে আসবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সূত্রের খবর, সেই সভায় যোগ দিতে পারেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেসের বক্তব্য, আগে থেকেই রাজীব ঠিক করে নিয়েছিলেন এই দলে থাকবেন না। তাই তিনি দল ছেড়েছেন। যা বলতেন তা অযুহাত মাত্র।

জানুয়ারি ২২, ২০২১
রাজ্য

হাওড়ায় তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবসে গড়হাজির দুই মন্ত্রী, বাড়ছে জল্পনা

শুক্রবার হাওড়াতেও পালিত হল তৃণমূলের ২৪তম প্রতিষ্ঠা দিবস। এই প্রতিষ্ঠা দিবসেও পিছু ছাড়ল না গোষ্ঠীকলহের বিতর্ক। এদিন দলের হাওড়ার কদমতলার জেলা সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয় দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের মূল অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে রাজের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায় উপস্থিত থাকলেও গরহাজির ছিলেন তৃণমূলের সদর সভাপতি তথা মন্ত্রী লক্ষীরতন শুক্লা। দেখা মিলল না দলের কোর্ডিনেটর তথা আর এক মন্ত্রী রাজীব বন্দোপাধ্যায়ের। দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের মুল অনুষ্ঠানে জেলার দুই মন্ত্রী তথা হেভিওয়েট নেতার অনুপস্থিতিতে জল্পনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এই প্রসঙ্গে, তৃণমূলের সদর চেয়ারম্যান অরূপ রায় বলেন, কে বা কারা আসেননি জানি না। তবে আসা উচিত ছিল। প্রথম থেকে দল করে আসা তৃণমূল কর্মীরা সবাই এসেছে। যাঁরা আসেননি তাঁদেরকে আসার জন্য অনুরোধ করব। অন্যদিকে এদিন জেলা নেতৃত্বের এমন ধরনের মনোভাবের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন হাওড়ার সাংসদ প্রসূণ বন্দোপাধ্যায়। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠা দিবসে এই ধরনের ঘটনা খুবই দুঃখজনক। দলীয় কর্মীরা দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভুগছেন। ক্ষোভের সঙ্গে সাংসদ বলেন, আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি জেলার তিন নেতা তিন দিকে আলাদা আলাদা কেন র্যালি করছে? আমার খুব মন খারাপ, আমি খুব শকড। এইভাবে চললে হাওড়ার ১৬টা আসন ধরে রাখা সম্ভব হবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। দলীয় হোর্ডিং নিয়েও এদিন তিনি ক্ষোভ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে দল না থাকলে লালবাতি নীলবাতি পাব না এই বার্তাও দিলেন দলীয় নেতৃত্বকে। উল্লেখ্য, কয়েক মাস ধরে রাজ্যের দুই মন্ত্রী তথা হাওড়ার হেভিওয়েট নেতা অরূপ রায় এবং রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে চলছে ঠান্ডা লড়াই। সম্প্রতি একাধিক অনুষ্ঠানে তাঁদের দুজনকে একসঙ্গে হাজির হতে দেখতে পাওয়া যায়নি। এরই মধ্যে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। তাই জল্পনাও শুরু হয়ে গিয়েছে বিভিন্ন মহলে। তারই মধ্যে এদিন প্রতিষ্ঠা দিবসে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং লক্ষ্মীরতন শুক্লার উপস্থিতি না থাকা উষ্কে দিচ্ছে নয়া বিতর্ক।

জানুয়ারি ০১, ২০২১
কলকাতা

মিথ্যা হজম করব না, মন্তব্য ধনকড়ের

ফের রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কড়া আক্রমণ শানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যপাল বলেন, রাজ্যপাল কিছু বললেই বলা হয়, উনি কোনও একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছে। কিন্তু একথা সম্পূর্ণ মিথ্যে। বাংলায় কে ক্ষমতায় এল তাতে আদতেই রাজ্যপালের কিছু এসে যায় না। সংবিধান অনুযায়ী রাজ্যপালের কিছু ক্ষমতা আছে। সেই জায়গা থেকে তাঁর কোনও কিছু জানতে চাওয়ার অধিকারও রয়েছে। এরপরই হুঁশিয়ারি দিয়ে ধনকড় বলেন, আমি কোনও মিথ্যে হজম করব না। যা রটানো হচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যে। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূল বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী এদিনও বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ধনকড়। ভবিষ্যতের পরিস্থিতি কী হতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, আমি লজ্জিত, এভাবে কোনও কিছু চলতে পারে না। পুলিশের রাজনীতিকরণ হচ্ছে। অন্য রাজ্যের পরিস্থিতি এখানকার মতো নয়। এর আগেও একাধিকবার বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন রাজ্যপাল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টুইটে মুখ্যমন্ত্রীকে নানা পরামর্শ দিয়েছেন। সরকারের একাধিক উচ্চপদস্খ কর্তার সঙ্গে বৈঠকে বসার ডাকও দিয়েছেন। কিন্তু কোনও কিছুতেই পালটায়নি রাজ্য-রাজ্যপাল সম্পর্কের সমীকরণ।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজ্য

পিসি-ভাইপো ক্ষমতায় টিকে থাকতে একের পর এক খুন করাচ্ছে , অভিযোগ রাজুর

পূর্বস্থলীর বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় সোমবার সকাল থেকে কালনা-কাটোয়া রাজ্যসড়কে অবরোধে শামিল হলেন রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। কালনা-কাটোয়া রাজ্য সড়কের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন দেখায় বিজেপি কর্মীরা। জ্বালানো হয় টায়ার। পূর্বস্থলীতে পথে বসে শাসকদলের বিরুদ্ধে সুর চড়ান বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে তিনি বলেন, পিসি-ভাইপো ক্ষমতায় টিকে থাকতে একের পর এক খুন করাচ্ছে। এভাবে চলতে পারে না। এই গুণ্ডারাজ আমরা শেষ করবই। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথকে মাফিয়া বলে কটাক্ষ করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ আসানসোলের জন্য কেন্দ্রের স্মার্ট সিটির অর্থ না পেয়ে ফিরহাদকে চিঠি জিতেন্দ্রর প্রসঙ্গত, শুক্র বার বিকেলে বিজেপির আর নয় অন্যায় কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন পূর্বস্থলী উত্তর বিধানসভার ৩৮ নং মণ্ডলের সক্রিয় বিজেপি কর্মী, চাঁদপুরের বাসিন্দা শুকদেব। চাঁদপুর থেকে জামালপুর পর্যন্ত মিছিল করে বাড়ি ফেরেন তিনি। সন্ধের পর ফের বেরিয়ে যান বাড়ি থেকে। তারপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন। এরপর রবিবার দুপুরে স্থানীয় একটি পুকুর থেকে উদ্ধার হয় তাঁর মৃতদেহ। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের পর তা শুকদেবের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০
কলকাতা

অভিমান মেটাতে রাজীবকে দলে বাড়তি দায়িত্ব দিতে চায় তৃণমূল নেতৃত্ব

অভিমান মেটাতে এবার বেসুরোমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলে বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূল সূত্রে রবিবার এই তথ্য জানা গিয়েছে। রাজীবকে দলের নতুন প্রজন্মের মুখ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূলের দাবি, রবিবার দুপুরে দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলা বাড়িতে পার্থ-রাজীব-পিকের যে বৈঠক হয়েছে তা সফল। এই বৈঠকে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের যাবতীয় অভিমানের কথা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে শোনেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর। এর পরেই আলোচনার সমস্ত বিষয় বস্তু জানানো হয় দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সমস্ত কিছু আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, অভিমান মেটাতে রাজীবকে বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হবে। দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় খুবই ভালো সংগঠক, কাজের মানুষ। সেক্ষেত্রে তাঁর দাবি মেনে তাঁকে দলে বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, দলের ভিতরের দুর্নীতি এবং স্তাবকতা নিয়ে এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাজীব। আরও পড়ুন ঃ নাড্ডার কনভয়ে হামলার ঘটনায় তিন আইপিএস আধিকারিককে কেন্দ্রীয় ডেপুটেশনের জন্য তলব যদিও বৈঠকের পর রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এই বিষয়ে পরিষ্কার করে কিছু জানাননি। তিনি শুধু বলেছিলেন, আলোচনা হয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও আলোচনা হবে। অন্যদিকে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে ডোমজুড় এবং বালি হল্টে রবিবারও প্রচুর পোস্টার লক্ষ্য করা গিয়েছে। তাতে লেখা ছিল,আমরা সবাই রাজীব পরিবার,আমরা রাজীব দার অনুগামী। এ বিষয়ে মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানান,আমি আমার ব্যক্তিগত প্রচারে বিশ্বাসী নই। কারা এসব পোস্টার লাগাচ্ছে তা আমার জানা নেই। এইসব কাজকে আমি ব্যক্তিগতভাবে সমর্থন করিনা।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
রাজ্য

রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে খোঁচা উদয়নের

সম্প্রতি বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কয়েকটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে। আর তার সূত্র ধরেই এবার নাম না করে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোঁচা দিলেন বিধায়ক উদয়ন গুহ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, হয় জলে (সেচ) অথবা জঙ্গলে (বন) না হলে পদ্মফুলে, যত মত তত পথ। উদয়ন গুহ তাঁর ফেসবুক পোস্টে কারও নাম উল্লেখ করেননি ঠিকই। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিজিকে তলব অসাংবিধানিক বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিবকে চিঠি কল্যাণের তবে তাঁর এই পোস্ট যে আদতে বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোঁচা দিয়েই করা, সে বিষয়ে কোনও মতপার্থক্য থাকতে পারে না বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের অনেকেই। কারণ, একসময় রাজ্যের সেচ দপ্তর সামলাতেন মন্ত্রী রাজীব। আর বর্তমানে রাজ্যের বনমন্ত্রী তিনি। এছাড়া শুক্রবার শ্রীরামকৃষ্ণের বাণীকে হাতিয়ার করে যত মত তত পথ মন্তব্য করেছিলেন বিদ্রোহী মন্ত্রী। তাই উদয়ন গুহ যে আদতে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কেই খোঁচা দিয়েছেন তা স্পষ্ট।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০
রাজ্য

উত্তরকন্যার দেওয়ালে এবার পড়ল রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোষ্টার

শুভেন্দুর পর রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোষ্টার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। রাজ্যের মিনি সেক্রেটারিয়েট উত্তরকন্যার দেওয়ালে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে পোষ্টার দেখা যায়। পোষ্টারে লেখা আমরা দাদার ভক্ত। জলপাইগুড়ির পর শিলিগুড়িতে এই পোষ্টার পড়ায় রীতিমত গুঞ্জন শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। উত্তরকন্যায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা থাকা সত্বেও কে বা কারা এভাবে উত্তরকন্যার সীমানা প্রাচীরে পোস্টার ছড়াল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আরও পড়ুন ঃ স্রেফ মা দুর্গার কৃপায় সভায় পৌঁছতে পেরেছি , নাড্ডা দক্ষিনবঙ্গের পর এবার প্রাক্তন মন্ত্রীর কায়দায় এবার উত্তরবঙ্গেও পোস্টার বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শুভেন্দু অধিকারীর ছবি দেওয়া ফ্লেক্সে লেখা ছিল আমরা দাদার অনুগামী। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া ফ্লেক্সে লেখা আমরা দাদার ভক্ত। বৃহস্পতিবার সকালে শিলিগুড়ি লাগোয়া ফুলবাড়ি এলাকায় রাজ্যের বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া এমন বেশ কয়েকটি ফ্লেক্স দেখতে পাওয়া যায় ফুলবাড়ি এলাকায়। এমনকি রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া ফ্লেক্স ঝুলতে দেখা গিয়েছে উত্তরবঙ্গের মিনি সচীবালয় উত্তরকন্যার সীমানা প্রাচীরে। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় শিলিগুড়ির রাজনৈতিক মহলে। গত দুদিন আগে এমন ফ্লেক্স লাগানোর খবর পাওয়া গিয়েছিল জলপাইগুড়িতে। শুভেন্দুর পর রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া আমরা দাদার ভক্ত লেখা ফ্লেক্স শিলিগুড়িতে পড়ায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে তৃনমূল শিবিরে। উত্তরকন্যায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা থাকা স্বত্বেও কে বা কারা সচীবালয়ের সীমানা প্রাচীরে ফ্লেক্স লাগাল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
দেশ

রাজস্থানের পঞ্চায়েত নির্বাচনে কংগ্রেস হারিয়ে জয় ছিনিয়ে নিল বিজেপি

রাজস্থানের পঞ্চায়েত নির্বাচনে কংগ্রেস হারিয়ে জয়জয়কার বিজেপির। গত ২৩ নভেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাজস্থানের জেলা পরিষদ এবং পঞ্চায়েত সমিতি মিলিয়ে মোট ৪,৩৭১টি আসনের নির্বাচন হয়েছিল। মঙ্গলবার রাতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে ১,৮৩৩টি আসনে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা। কংগ্রেস প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন ১,৭১৩টি আসনে। ৪১৩টি আসন গিয়েছে নির্দলদের দখলে। লোকসভার সাংসদ হনুমান বেনিওয়ালের দল রাষ্ট্রীয় লোকতান্ত্রিক পার্টির দখলে গিয়েছে ৫৬টি আসন। সিপিআই ১৬টি এবং বিএসপি ৩টি আসন পেয়েছে। এনসিপি পেয়েছে ১টি আসন। আরও পড়ুন ঃ আগামীকাল কৃষকদের ডাকে ভারত বনধ, সমর্থন ১৬টি রাজনৈতিক দলের শুধু তাই নয়, রাজস্থান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি গোবিন্দ সিং দোতাসরার নিজের এলাকা এবং একাধিক মন্ত্রীর নিজের বিধানসভা কেন্দ্রেও হারতে হয়েছে কংগ্রেসকে। অনেকেই মনে করেছেন, রাজ্যে ক্ষমতায় থাকা সত্বেও পঞ্চায়েতে এই হার কংগ্রেসের দৈন্যদশার বহিঃপ্রকাশ। আবার অনেকে মনে করছেন, সাংগঠনিক দুর্বলতার থেকেও বড় ফ্যাক্টর হল শচীন পাইলট ও অশোক গেহলটের দ্বন্দ্ব। সম্প্রতি অশোক গেহলটকে একাধিকবার আশঙ্কা প্রকাশ করতে শোনা গিয়েছে, বিজেপি তাঁর সরকার ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে হারের পর সেই আশঙ্কা যে আরও বাড়বে, তা বলাই বাহুল্য

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

উলেন রায়ের মৃত্যুতে সিবিআই তদন্তের দাবি বিজেপির

উলেন রায়ের মৃত্যুতে এবার সিবিআই তদন্তের দাবি জানাল বিজেপি। মঙ্গলবার উলেন রায়ের মৃত্যুর প্রতিবাদে উত্তরবঙ্গ বনধ ডাকে বিজেপি। এদিন সকাল থেকেই বনধকে সফল করতে শিলিগুড়ির রাজপথে মিছিল করে বিজেপির একাধিক সাংসদ, রাজ্য ও জেলা নেতৃত্ব। মিছিলে নেতৃত্ব দেন সায়ন্তন বসু, সাংসদ রাজু বিস্তা, নিশিথ প্রামাণিক এবং অগ্নিমিত্রা পাল সহ বিজেপির জেলার অন্যান্য কার্যকর্তারা। এই মিছিল থেকেই মৃত বিজেপি কর্মীর উলেন রায়ের মৃত্যুর সিবিআই তদন্ত দাবি করেন দার্জিলিং-এর সাংসদ রাজু বিস্তা। এই দাবিতে অবিলম্বেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবে বিজেপি এমনটাও জানান তিনি। এদিন উলেন রায়ের ময়নাতদন্তের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সাংসদ। পাশাপাশি গোটা ঘটনার সিবিআই তদন্ত চেয়ে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কলকাতা হাইকোর্টের দারস্থ হচ্ছেন বিজেপি সাংসদরা। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুলিশের গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে উলেন রায়ের। প্রমান লোপাট করতেই রাতের অন্ধকারে ময়নাতদন্ত করেছে প্রশাসন। যদিও রাজ্যপুলিশের তরফে টুইট করে জানানো হয়েছে যে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী শটগানের গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে উলেন রায়ের। পুলিশ শটগান ব্যবহার করে না। বিক্ষোভকারীদের মধ্যেই কেউ শটগান এনেছিলেন এবং খুব কাছ থেকেই গুলি ছোঁড়া হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি নিজে খুন করে বলছে পুলিশ মেরেছেঃ মমতা অন্যদিকে, উলেন রায়ের মৃত্যু নিয়ে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। ময়নাতদন্ত শেষ করে রাতারাতি দেহ বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয় পরিবারকে। এমন অভিযোগ মৃতের পরিবারের। তবে এই অবস্থায় দেহ বাড়ি নিয়ে যেতে অস্বীকার করেন উলেন রায়ের পরিবার। পুলিশের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দেন তারা। তাঁদের অভিযোগ, ময়নাতদন্ত হয়ে গিয়েছে জানিয়ে তাঁদের মুচলেকা লিখতে বলা হয় পুলিশের তরফে। মুচলেকায় অজ্ঞাত পরিচয়ের দেহ লিখতে বলায় তাঁরা দেহ নিতে অস্বীকার করেন। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, সাদা কাগজে পুলিশের লেখা বয়ানেই জোর করে সই করতে হয়েছে তাঁদের। এমনকি মুচলেকায় উলেন রায়কে বিজেপি কর্মী বলে উল্লেখ করা হয়নি। রাতে কেন ময়নাতদন্ত হল? পাশাপাশি বাড়ি নিয়ে যাওয়ার চাপ কেন এমন একাধিক অভিযোগ জানিয়ে ফের দেহের ময়নাতদন্তের দাবি করেছে উলেন রায়ের পরিবার। এছাড়াও উত্তরকন্যা অভিযানে মৃত বিজেপি কর্মী উলেন রায়ের পরিবারের যাবতীয় দায়িত্ব নিল উত্তরবঙ্গের বিজেপির চার সাংসদ। মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের মান্তাদারি গ্রামপঞ্চায়েতের মেনঘোড়া গ্রামে যান কোচবিহারে বিজেপি সাংসদ, নিশিথ প্রামানিক, জলপাইগুড়ির সাংসদ ডাঃ জয়ন্ত কুমার রায়, দার্জিলিং -এর সাংসদ রাজু বিস্তা, বিজেপির রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু, বিজেপির জেলা সভাপতি বাপি গোস্বামী সহ অন্যান্য বিজেপি নেতা-কর্মীরা। এদিন মৃতের পরিবারকে আর্থিক ভাবে সাহায্য করা হয় বিজেপির পক্ষ থেকে। এছাড়াও ওই পরিবারের পাশে সবসময় থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
কলকাতা

আগামীকাল ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন্ধের ডাক বিজেপির

আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন্ধ ডাকল বিজেপি। উত্তরকন্যা অভিযানে বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর প্রতিবাদে বন্ধ ডাকা হয়েছে। তাঁদের দাবি, আহত হয়েছে ৪০ জন কর্মী। ১৫ জন হাসপাতালে ভর্তি। প্রত্যেকের গায়ে গুলির দাগ রয়েছে। তাঁদের আরও দাবি, দুজনের অবস্থা খুবই গুরুতর। একজন মারা গেছেন। আহতদের দেখতে দিলীপ ঘোষ ও কৈলাস বিজয়বর্গীয় হাসপাতালে গেছেন। আরও পড়ুন ঃ আমলা-পুলিশ কেউ সংবিধান মানছেন না , সমালোচনা ধনকড়ের এদিকে রাজভবনে রাজ্যপালের কাছে গেলেন বিজেপি প্রতিনিধি দল। ছিলেন লকেট এবং জয়প্রকাশ এবং ভারতী ঘোষ, শোভন এবং বৈশাখী। সেখান থেকে বেরিয়ে তাঁরা জানালেন, আগামিকাল রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ করবে বিজেপি। যদিও প্রশাসনের দাবি, পুলিসের মারে মৃত্যু হয়নি ওই ব্যক্তির। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা ময়নাতদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। এদিন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, আশপাশের বাড়ির ছাদ থেকে বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশ্য করে তৃণমূল কর্মীরা পাথর ছুঁড়েছে। একেবারে নন্দীগ্রামের কায়দায় হামলা চালানো হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
রাজ্য

ফের হাওড়ায় পড়ল রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পোস্টার

এবার গোটা হাওড়া শহরজুড়ে আমরা রাজীবপন্থী নামে পোস্টার পড়ল। নবান্নের সামনে থেকে শুরু করে হাওড়া স্টেশন, রবিবার গভীর রাতে গোটা শহর জুড়ে আমরা রাজীবপন্থী নামে পোস্টারে ছয়লাপ হয়ে যায়। যার ফলে রাজীবকে নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। বনমন্ত্রীর প্রশংসা করে সেই জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। টালিগঞ্জের একটি অরাজনৈতিক অনুষ্ঠানে বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, স্তাবকতা করলেই দলে গুরুত্ব পাওয়া যায়। হ্যাঁতে হ্যাঁ বললেই ভাল, না বললেই খারাপ। যাঁরা স্তাবকতা করে ঠান্ডা ঘরে বসে থাকেন, তাঁরাই এখন দলে সামনের সারিতে থাকেন বলেও সোচ্চার হন রাজীব। পরে ইঙ্গিতপূর্ণ ভাবে তিনি আরও বলেন, এর পরে দেখুন আরও কী হয়। আরও পড়ুন ঃ উত্তরবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেশি আসন জেতানোই এখন আমাদের লক্ষ্যঃ গুরুং রাজীবের এই অবস্থানের পর রবিবারই কলকাতায় রাজীবের সমর্থনে সততার প্রতীক বলে পোস্টার পড়েছিল। তারপর রবিবার রাতেই গোটা হাওড়া শহর জুড়ে রাজীবের সমর্থনে অসংখ্য পোস্টার পড়ে। পোস্টারের প্রচারের দায়িত্বে আমরা দাদার কর্মী বলে উল্লেখ রয়েছে। নবান্নের সামনের রাস্তা, হাওড়া স্টেশন, হাওড়া ময়দান, হাওড়া কোর্ট, দানেশ শেখ লেন, কোনা এক্সপ্রেসওয়ের মতো বিভিন্ন এলাকায় পোস্টার পড়লেও রাজীবের নিজের বিধানসভা এলাকা ডোমজুড়ে কোনও পোস্টার পড়েনি।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
রাজ্য

চোরের মায়ের বড় গলা, নাম না করে রাজীবকে কটাক্ষ অরূপ রায়ের

দলের নাম না করে শনিবারই এক সভা থেকে তোপ দেগেছেন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই নাম না করে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন তৃণমূলেরই আরেক মন্ত্রী অরূপ রায়। রবিবার অরূপ রায় বলেন, চোরের মায়ের বড় গলা। চালুনি আবার ছুঁচের বিচার করে। যারা যত বেশি ব্ল্যাকমেলার। ব্ল্যাকমেল করে বড় পদ পাওয়া। ভাঙা কাঁসির আওয়াজ বেশি বলে না। যাদের পায়ের নখ থেকে মাথার চুল পর্যন্ত দু্র্নীতিতে ভরা তারা বেশি চিৎকার করে। তাতে কিছু যায় আসবে না। যোগ্যতার থেকে অনেক বেশি তাকে দিয়েছে দল। এদিন অরূপ আরও বলেন, দলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আছেন। তাঁরা কাজ করছেন নিঃস্বার্থভাবে। তাঁরা মন্ত্রীও নন, বিধায়কও নন। কিন্তু একজন দলের জন্য কিছু ত্যাগ না করে শুধু নিতে এসেছেন, তাঁদের মুখে এসব কথা শোভা পায় না। একইসঙ্গে তৃণমূল নেতাদের দল ছেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে অরূপ রায় এদিন দাবি করেন, তৃণমূল হল জনসমুদ্র। সমুদ্রের জল কোনওদিন কমে না। আরও পড়ুন ঃ ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ শেষ হতে চললেও দেখা নেই শীতের প্রসঙ্গত, অরূপ রায়ের সঙ্গে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক ভাল নয়। এর আগেও বহুবার তাদের মধ্যে বিরোধ প্রকাশ্যে চলে এসেছে। আর এবার রাজীবকে আক্রমণ শানাতে গিয়ে যেন সেই দ্বন্দ্বই আরও প্রকট হল। এদিকে, বেসুরো কথা বলার পরই উত্তর কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পোস্টারও পড়েছে। আর এই প্রেক্ষাপটে নাম না করে অরূপ রায়ের খোঁচা যে তৃণমূল শিবিরে আরও অস্বস্তি বাড়ল, তা বলাই যায়। অন্যদিকে, এদিন ফিরহাদ হাকিম দলের বেসুরোদের উদ্দেশে নাম না করে বলেন, মানসিক অবসাদ একটা বাজে জিনিস। এক জন কেউ হুক্কা হুয়া করলে আরও অনেকে তা দেখে হুক্কা হুয়া শুরু করে দেন। এদিন রাজীব প্রসঙ্গে ফিরহাদ হাকিম বলেন, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় দলেই আছেন, দলেই থাকবেন। ও পরিণত নেতা। গ্যাস খাবেন না বলেই মনে করি।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর পর এবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পড়ল পোস্টার

এবার বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পোস্টার পড়ল কলকাতা শহরজুড়ে। শ্যামবাজার, গিরিশপার্ক, উল্টোডাঙ্গা, কাঁকুড়গাছি, ফুলবাগানের মতো একাধিক এলাকায় রবিবার সকালে এই পোস্টারগুলি চোখে পড়েছে। কোনও পোস্টারে লেখা হয়েছে, কাজের মানুষ কাছের মানুষ, কোনওটিতে রাজীবের ছবির নিচে লেখা সততার প্রতীক এবং ছাত্র যুবর নয়েনের মণি। এতদিন শুভেন্দু অধিকারীর নামে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার পড়ত। সেই পোস্টারগুলি দলের ব্যানারে ছিল না। ছিল দাদার অনুগামীর ব্যানারে। যা নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। এবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পোস্টার পড়ায় নতুন করে জল্পনা সৃষ্টি হল রাজ্য রাজনীতিতে। তাহলে কী শুভেন্দু অধিকারীর মতো রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ও কি মন্ত্রীত্ব ছাড়বেন। আরও পড়ুন ঃ নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘে দুষ্কৃতী তাণ্ডব, আহত ২ উল্লেখ্য, শনিবারই দক্ষিণ কলকাতার এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে বিশকিছু তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন রাজীব। তিনি বলেন, যারা যোগ্যতার সঙ্গে কাজ করছেন তাঁদের প্রাধান্য দেওয়া হয় না। নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করলে তাঁদের সামনের সারিতে আসতে দেওয়া হয় না। স্তাবকদের উন্নতি হয়। যারা ঠাণ্ডা ঘরে বসে থাকেন তাঁরাই সামনের সারিতে চলে আসেন। এই ঘটনা দুঃখ দেয়। মানুষ এত বোকা নয়। মানুষকে বোকা ভাবলে ভুল হবে। তাঁর মন্তব্যের পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই পোস্টার পড়ল কলকাতা শহর জুড়ে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দু অধিকারী চলে গেলে দলে বিশাল শূন্যতা তৈরি হবেঃ রাজীব

শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে তো জল্পনা চলছে রাজ্য রাজনীতিতে। এবার বেসুরোদের তালিকায় এবার নাম লেখালেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দলে যারা স্তাবকতা করে তাদের নম্বর বেশি। আমি পারি না বলে আমার নম্বর কম। শুভেন্দু অধিকারী চলে গেলে দলে বিশাল শূন্যতা তৈরি হবে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, নেতাদের এত কেন ক্ষোভ-বিক্ষোভ অনুসন্ধান জরুরি। এসব আরও আগে ভাবা উচিত ছিল। তাঁর আক্ষেপ, যারা মাঠেঘাটে কাজ করে, তারা প্রাধান্য পায় না। ক্ষমতালোভীরা জায়গা পাচ্ছে দলে। ভালকে খারাপ, খারাপকে ভাল বললেই মুশকিল। আরও পড়ুন ঃ জানুয়ারি মাস থেকে বাংলাদেশি শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবেঃ কৈলাস বিজয়বর্গীয় এ দিন অরাজনৈতিক অনুষ্ঠানে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাঁরা আমরা রাজনীতিতে আছি, অনেক সময়ে ভাবি রাজনীতিতে ক্ষমতটাই সব। অর্থাৎ আমি ক্ষমতা ভোগ করতে পারি। এখন এই ধরনের মানুষ অনেক রয়েছে। আমি রাজনীতিটা করি মানুষের স্বার্থে। গণতন্ত্রে মানুষই শেষ কথা। যাঁরা যোগ্যতার সঙ্গে কাজ করছে, যাঁদের মধ্যে দক্ষতা রয়েছে, যাঁরা মানুষের সঙ্গে মিশতে পারে, মানুষের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রমের চেষ্টা করে তাঁরাই প্রাধান্য পাচ্ছে না। এটা আমাকে কষ্ট দেয়। যাঁরা ঠান্ডা ঘরে থাকে, যাঁরা মনে করে মানুষকে সহজে বোকা বানানো যায়, তাঁদের ঠকিয়ে দিলে বোধহয় আমার কাজ সফল। আজ তাঁরাই বিভিন্ন জায়গায় সামনের সারিতে চলে আসছেন। এর প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রী হিসাবে ভাল কাজ করছেন। ও ভাল ছেলে। আমাদের ছোট ভাইয়ের মতো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন আছেন মাথার উপর, তখন চিন্তার কোনও কারণ নেই। তিনি সব দেখছেন। সকলের জন্য ভাল করবেন।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

জল্পনা খারিজ করে তৃণমূলেই থাকবেন বলে জানিয়ে দিলেন মৌসম

মালদার জেলা সভাপতি মৌসম বেনজির নূরও শুভেন্দুর পথেই হাঁটছেন বলে গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু সাংবাদিক বৈঠক করে শনিবার জানালেন, আমি তৃণমূলে আছি এবং তৃণমূলে থাকবো। মমতা ব্যানার্জি আমার নেত্রী। তাঁর নেতৃত্বেই মালদা জেলার সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করবো এবং আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ভালো ফল করে আমরা বুঝিয়ে দেব। এদিন তিনি বলেন, গত সপ্তাহে কলকাতায় মালদা জেলার তৃণমূল নেতৃত্বকে নিয়ে কোর-কমিটির বৈঠক ডেকেছিলেন দলের সর্বভারতীয় যুব সভাপতি অভিষেক ব্যানার্জি। সেই বৈঠকে আমি উপস্থিত হতে পারিনি। তার কারণ, আমার জ্বর হয়েছিল। যেহেতু আমি কোর কমিটির বৈঠকে উপস্থিত হতে পারিনি, তাই কেউ বা কারা সোশ্যাল-মিডিয়ায়-ভাইরাল করে দেয় যে, আমি নাকি দলের উপর বীতশ্রদ্ধ। সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করতে চাইছি। কিন্তু এটা সর্বাত্মক মিথ্যা। দলনেত্রী মমতা ব্যানার্জি আমাকে মালদা জেলার দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি সেই দায়িত্ব এখনো পালন করে চলেছি। আরও পড়ুন ঃ সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনের মামলায় মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ সিআইডির নেত্রীর নির্দেশ এই দলকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। জেলা ও ব্লক কমিটি গঠন করা হয়েছে। যুব তৃণমূল কংগ্রেস কমিটি করা হয়েছে। আগামী বিধানসভায় আমরা ভালো ফল করব। জেলার ১২ টি আসনে তৃণমূলের জয় হবে। তিনি আরও বলেন, সরকার এবং দলকে বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এর পিছনে বিজেপির উস্কানিও থাকতে পারে। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছি। প্রয়োজনে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীকে জেলা সফরে না আসার পরামর্শ রাজুর

মুখ্যমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন তাই জেলা সফর শুরু করছেন। কিন্তু এতে লাভ কিছুই হবে না। সোমবার সকালে দুর্গাপুরের রাতুরিয়ায় চা চক্রে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, আর তাঁকে জেলা সফরে না আসার পরামর্শ দেব। বয়স হয়েছে। কোরোনা আবহে তিনি বরং না বেরিয়ে বিশ্রাম নিন। শান্তিতে থাকুন। দরকারে কাশীতে ব্যবস্থা করে দেব। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে বলেন, যার দুধের দাঁত ভাঙেনি তাঁকে নিয়ে কি বলব! জিরো ব্যালেন্সের নেতাকে মুখ্যমন্ত্রী হিরো বানাচ্ছেন বলেই দলের নেতারা জবাব দিচ্ছেন। একে একে সবাই সরে যাচ্ছেন। কদিন পর পিসি-ভাইপো কোম্পানিতে ২ জন ছাড়া আর কেউ-ই থাকবে না। আরও পড়ুন ঃ মতুয়াদের নাগরিকত্বের জন্য কোনও সরকার কিছু করেনিঃ শান্তনু ঠাকুর প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যোগে লাভবান হবে বিজেপি? এ প্রশ্নের উত্তরে রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অবশ্যই। রাজনীতিতে, নন্দীগ্রামে ওনার একটা বড় অবদান আছে। উনি এলে আমাদের লড়াই আরও জোরদার হবে। আরও বেশি মানুষ এই লড়াইয়ের শরিক হবেন। বিজেপি নেতার কথায়, আমরা ওনাকে স্বাগত জানিয়েছি। উনি আসবেন কি না, সেটা ওনার একান্ত ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। উনি ঠিক করবেন।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
রাজনীতি

তৃণমূলকে ভাঙার চেষ্টা করে কোনও লাভ নেইঃ সুজিত

তৃণমূলকে ভাঙার চেষ্টা চলছে। ওসব করে কোনও লাভ নেই। ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই বলে মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু। তৃণমূলের তরফ থেকে রবিবার হলদিয়ার কদমতলা থেকে সিটি সেন্টার পর্যন্ত একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়। এদিনের মিছিলে সুজিত বসু ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূলের হলদিয়া টাউনের নেতৃত্ব। সুজিত বসু আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই আমাদের নেত্রী। আবার সরকার হবে। নন্দীগ্রামের আন্দোলন, সিঙ্গুরের আন্দোলন দেখেছেন। দিদিকে আমার নেত্রী মানি। তাঁর বিকল্প একমাত্র তিনিই। আরও পড়ুন ঃ লিফটে উঠলে ৩৫ টা পদের অধিকারী হতামঃ অভিষেক কেন্দ্রীয় সরকারকে তাঁর কটাক্ষ, কৃষকদের উপর লাঠিচার্জ হচ্ছে। জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়েছে, ওরা গরীবের কথা ভাবে না। বিজেপি কিছু নেতা যাদের ক্লাব জেতার ক্ষমতা নেই, তারা বড় বড় কথা বলছে। সোনার বাংলা করতে গেল ত্রিপুরা, গুজরাটের করুন। বাংলা নিয়ে ভাবতে হবে না।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ফের আগুনে আতঙ্ক! সল্টলেক সেক্টর ফাইভের বহুতলে ধোঁয়া, দমকলের তৎপরতা

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ক্ষত এখনও তাজা। তার মধ্যেই ফের আগুন শহরে। এবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল সল্টলেক সেক্টর ফাইভ-এ। একটি বহুতল অফিস ভবন থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের হতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।জানা গিয়েছে, গ্লোবসিন ক্রিস্টাল বিল্ডিং-এ আচমকাই আগুন লাগে। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের ৩টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা পৌঁছেই গোটা বিল্ডিং খালি করে দেন। আতঙ্কে একে একে বাইরে বেরিয়ে আসেন তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থাগুলির কর্মীরা। অফিস টাইম হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে রাস্তায় ভিড় জমে যায়। আশপাশের এলাকা থেকেও বহু মানুষ ছুটে আসেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হঠাৎ করেই অফিসের ভিতরে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে সকলকে নিচে নেমে যেতে বলা হয়। এক কর্মী জানান, তখন তাঁরা অফিসের ভিতরেই ছিলেন। হঠাৎ বলা হয় বাইরে বেরিয়ে যেতে। পরে নিচে নেমে শোনা যায়, উপরের একটি রেস্তোরাঁয় আগুন লেগেছে।তবে ঠিক কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেস্তোরাঁ থেকেই আগুন ছড়িয়েছে, না কি অন্য কোনও জায়গা থেকে, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা। ভবনের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দমকলের চেষ্টায় কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে। তবুও ব্যস্ত সময়ে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে অফিস কর্মীদের মধ্যে। এলাকায় এখনও কৌতূহলী মানুষের ভিড় রয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ভারত-বিরোধিতার অধ্যায় শেষ? মোদির ফোনে বদলাচ্ছে ঢাকা-দিল্লির সমীকরণ!

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংসদীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিএনপি। এই জয়ের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছেঢাকা ও দিল্লির সম্পর্ক কি আবার উষ্ণ হতে চলেছে?শুক্রবার নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানান। পরে ফোনেও তাঁর সঙ্গে কথা বলেন তিনি। মোদি লেখেন, বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিরাট জয়ের জন্য তারেক রহমানকে তিনি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এই জয় বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতিফলন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের বহুমুখী সম্পর্ক আরও জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।এর জবাবে বিএনপির পক্ষ থেকেও মোদিকে ধন্যবাদ জানানো হয়। দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন। দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কও নতুন করে শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে উপদেষ্টা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন মহম্মদ ইউনুস। তাঁর প্রায় দেড় বছরের শাসনকালে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। ভারত-বিরোধী মনোভাব, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং মৌলবাদী শক্তির উত্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর ঘটনাও নজরে আসে। এই পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের সঙ্গে একাধিকবার কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দেয়।এই নির্বাচনে মৌলবাদী দল জামাতকে পিছনে ফেলে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে পাকিস্তানের প্রভাব খাটানোর সম্ভাবনায় বড় ধাক্কা লেগেছে। নির্বাচনের আগে জামাতের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর যোগাযোগ নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। তবে ভোটে জামাতের পরাজয়ে সেই সমীকরণ বদলে গেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পথে। এখন নজর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের দিকে। মোদি ও তারেকের এই সৌজন্য বার্তা কি দুই দেশের সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে? দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে তার প্রভাব কতটা পড়বে, সেটাই এখন দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি ভোটার ইস্যুতে কড়া নির্বাচন কমিশন! একাধিক জেলাশাসক তিরস্কৃত

ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, কোন কর্তৃত্বে এআরও-রা ইআরএমও-দের ডেকেছিলেন। একাধিক জেলার জেলাশাসকের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশন।কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও মালদার জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে দেরির জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার জেলাশাসকের কাজ নিয়েও অসন্তোষ জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এসআইআর শেষ হওয়ার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বৈঠক করেন। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও। বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়, কোনও বিদেশি নাগরিকের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে তথ্য যাচাই করতে হবে। সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নাম থেকে যায়, তা হলে এক বা পাঁচ বছর পরেও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মামলা পর্যন্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান যাঁদের বৈধ ভোটার বলে চিহ্নিত করে, তাঁদের বাইরে কাউকে বৈধ ভোটার হিসেবে মানা যায় না। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের বৈধ ভোটার হিসেবে দেখছেন। নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, তাঁরাও চান না কোনও বিদেশি ভোটার থাকুক। তবে বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ, পরিযায়ী শ্রমিক বা গরিব মানুষদের বারবার নোটিস দিয়ে ডাকা হচ্ছে। তাঁদের পক্ষে বারবার যাতায়াত করা সম্ভব নয়। ফলে তাঁদের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। বিদেশি ভোটার বিতর্কে আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

মোদী বিরোধী আগুনঝরা ভাষণ, তবু ভোটে হার! সারজিস আলমকে ফিরিয়ে দিল পঞ্চগড়

বাংলাদেশের নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেলেন ছাত্রনেতা সারজিস আলম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত তিনি। অতীতে ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় মন্তব্য করেছিলেন এবং সরাসরি নরেন্দ্র মোদি-র নাম করে সমালোচনা করেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র দেশত্যাগ নিয়েও কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।পঞ্চগড়-১ আসনে জামাত জোটের প্রার্থী হিসেবে লড়ে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন সারজিস। তাঁর মন্তব্য ঘিরে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি হাসিনার দেশছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে ঐতিহাসিক তুলনাও করেছিলেন। সেইসব বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তুলেছিল।কিন্তু ভোটের ফল অন্য কথা বলল। শেষ পর্যন্ত তিনি বিএনপি প্রার্থীর কাছে হেরে যান। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের বড় জয়। সংবাদমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে এগিয়ে বা জয়ী হয়েছে বিএনপি জোট।ঢাকা-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বরচন্দ্র রায়। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার ভোট বেশি পেয়েছেন।বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া-র পুত্র তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে দুদশক পর সরকার গঠনের পথে বিএনপি। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।মূল প্রতিপক্ষ জামাত জোট ১০০-র নীচে থেমে গেছে বলে জানা গিয়েছে। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপিও বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এই বিপুল জয়ের পর কি বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে? অরাজকতার অভিযোগে উত্তাল সময়ের পর পদ্মাপারের দেশে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে ছাড়া, তবু মাঠে অনিশ্চিত অভিষেক! পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা ভারতের শিবিরে?

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও এখনও পুরো সুস্থ নন ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা। কবে তিনি সম্পূর্ণ ফিট হয়ে মাঠে নামবেন, তা স্পষ্ট নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও তাঁর খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে সন্দেহ। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইঙ্গিত দিয়েছেন, অভিষেকের ফিরতে আরও এক-দুটি ম্যাচ সময় লাগতে পারে।বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের পর ড্রেসিংরুমে একটি ভিডিও করেন অর্শদীপ সিং। সেই ভিডিওতেই দেখা যায় অভিষেককে। তাঁকে বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। অর্শদীপ জানতে চাইলে অভিষেক বলেন, তিনি ডাল-ভাত খাচ্ছেন, তবে পুরোপুরি ভালো নেই। অর্শদীপ মজা করে বলেন, তাঁকে অনেকটা রোগা লাগছে। যদিও সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি অভিষেক। শোনা গিয়েছিল, পেটের সমস্যার কারণে তাঁর ওজন অনেকটাই কমে গিয়েছে। ভিডিও দেখেও অনেকে একই মন্তব্য করেছেন।অসুস্থতা নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন অভিষেক। কিন্তু প্রথম বলেই আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তার পর আর তাঁকে মাঠে দেখা যায়নি। দিল্লি ফেরা, কোচ গৌতম গম্ভীর-এর বাড়িতে যাওয়া, পরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াসবই হয়েছে চুপিসারে। গতকাল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে তিনি খেলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। টসের সময় সূর্যকুমার বলেন, অভিষেক এখনও পুরো সুস্থ নন। ফলে পাকিস্তান ম্যাচে তাঁর নামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও ম্যাচের পরে বরুণ চক্রবর্তী জানান, অভিষেক অনেকটাই ভালো আছেন।তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলে এই অনিশ্চয়তা চিন্তা বাড়াচ্ছে সমর্থকদের। অভিষেক কবে মাঠে ফিরবেন, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

লালকেল্লার পর ফের কাঁপছে দিল্লি! স্কুলে বোমা হুমকি ঘিরে তীব্র আতঙ্ক

নভেম্বরে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রাজধানী। দিল্লি-র লালকেল্লা-র সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের স্মৃতি এখনও টাটকা। তার মধ্যেই আবার ছড়াল বোমাতঙ্ক। শুক্রবার সকালে রাজধানীর একাধিক স্কুলে বোমা রাখা হয়েছে বলে হুমকি আসে। আতঙ্ক ছড়ায় পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে অন্তত তিনটি স্কুলে বোমা রয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। প্রথমে বিটি তামিল স্কুলে বোমা থাকার খবর ছড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করা হয় পড়ুয়াদের পরিবারকে। পরে আরও দুটি স্কুলে একই ধরনের হুমকি আসে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল ও পুলিশ। দ্রুত স্কুলগুলি খালি করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।এর আগেও সোমবার ১৩টি স্কুলে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল পাঠানো হয়েছিল। সেই ইমেলে লেখা ছিল, আফজল গুরুর স্মৃতিতে দিল্লিকে খলিস্তান বানানো হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। যদিও পরে সেই হুমকি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। তবু আতঙ্ক কাটেনি।গত ২৯ জানুয়ারি পাঁচটি স্কুল একই ধরনের হুমকি পেয়েছিল। তার আগের দিন দ্বারকা আদালত চত্বর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আসে। এমনকি সংসদ ভবন নিয়েও হুমকির ইমেল পাঠানো হয়েছিল। এক সপ্তাহে দুবার স্কুলে বোমা রাখার হুমকি ঘিরে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের।১০ নভেম্বর লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবু একের পর এক হুমকি ইমেল প্রশাসনকে চিন্তায় ফেলেছে। এখনও পর্যন্ত হুমকির উৎস জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।বারবার বোমা হুমকির ঘটনায় আতঙ্কে দিল্লিবাসী। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। রাজধানীতে ফের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পুণেতে খুন পুরুলিয়ার শ্রমিক! ভাষা বিতর্ক না কি মদের ঝামেলা—রহস্যে ঘনাচ্ছে মৃত্যু

ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল পুরুলিয়ায়। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্র-এর পুণে থেকে উদ্ধার হয়েছে পুরুলিয়ার বরাবাজারের বাসিন্দা সুখেন মাহাতোর দেহ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই আমিন সওকত শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস-এর অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই খুন হতে হয়েছে সুখেনকে। যদিও তদন্তে নেমে পুণে পুলিশের দাবি, ভাষা নয়, মত্ত অবস্থায় বচসা থেকেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের তরফে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার পুণে শহরের কাছে শিকরাপুর থানার এলাকায় একটি হোটেলের পিছন থেকে সুখেনের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, সহকর্মীদের হাতে খুন হয়েছেন সুখেন এবং এর নেপথ্যে রয়েছে ভাষাগত বিদ্বেষ।অন্যদিকে, সুখেনের ভাই তুলসীরাম মাহাতো পুণেতে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। তাঁর সম্মতিক্রমেই এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিকরাপুর থানায় মারাঠি ভাষায় এফআইআর লেখা হলেও তা হিন্দিতে অনুবাদ করে তাঁকে শোনানো হয়। তুলসীরাম জানিয়েছেন, তাঁর সম্মতি নিয়েই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।তুলসীরামের বয়ান অনুযায়ী, ৯ তারিখ দুপুরে সুখেন বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশে বের হন। সন্ধ্যায় তিনিও কাজে যান, কিন্তু সেখানে সুখেনকে দেখতে পাননি। ফোন করলেও যোগাযোগ হয়নি। রাতেও একাধিকবার ফোন করা হয়, কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। পরদিন সকালে শিফট শেষ করে বাড়ি ফিরে সুখেনকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পরে সুপারভাইজার সন্দীপ জানান, একটি হোটেলের পিছনে সুখেনের দেহ পড়ে রয়েছে। সেখানে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন তুলসীরাম।শুক্রবার দুপুরে সুখেনের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পুরুলিয়ার বরাবাজারে যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ঘটনায় ভাষা-বিদ্বেষ না কি ব্যক্তিগত বচসা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুণে পুলিশ। পুরো ঘটনার নেপথ্যে কী রয়েছে, তা জানতে অপেক্ষা তদন্তের অগ্রগতির দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

তারেকের জয়ে উচ্ছ্বসিত মোদি? কূটনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড়সড় জয়ের পথে বিএনপি। ফলাফল স্পষ্ট হতেই দলের সভাপতি তারেক রহমান-কে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সকালে এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিয়ে মোদি লিখেছেন, এই জয় প্রমাণ করে বাংলাদেশবাসী তারেকের নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন।মোদি তাঁর বার্তায় আরও জানিয়েছেন, গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের পাশে ভারত রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে বহুমুখী সম্পর্ক রয়েছে, তা আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। পারস্পরিক স্বার্থে দুই দেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।শুক্রবার সকালেই বাংলাদেশের নির্বাচনের ফল পরিষ্কার হয়ে যায়। ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়েছে। তার মধ্যে ২০০-র বেশি আসনে এগিয়ে থেকে সরকার গঠনের পথ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। দুটি আসনে লড়ে দুটিতেই জয় পেয়েছেন তারেক রহমান।এই নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এসেছে তারা।এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মোদির শুভেচ্ছাবার্তা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মোদি তাঁর বার্তায় লিখেছেন, বিএনপি দেশের নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে এবং তারেকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলেই তিনি আশাবাদী।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন বলে জানা যায়। আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত তাঁকে গণহত্যা মামলায় সাজা শুনিয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বারবার তাঁর প্রত্যর্পণ দাবি করলেও এ বিষয়ে ভারত সরকার প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি।এই পটভূমিতে বিএনপির জয়ের আভাস মিলতেই মোদির দ্রুত শুভেচ্ছাবার্তা কূটনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন নজর, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোন পথে এগোয়।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal