• ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রবিবার ১৭ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Rain

দেশ

করোনার কোপে একসঙ্গে বাতিল বহু ট্রেন

দেশজুড়ে ভয়াবহ আকার নিয়েছে কোভিড। এই পরিস্থিতিতে ট্রেন পরিষেবা চালু থাকা নিয়ে রীতিমতো সংশয় তৈরি হয়েছে। সেই সংশয় আরও খানিকটা বাড়িয়ে দিয়ে মঙ্গলবার একযোগে ৪০টি ট্রেন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিল ভারতীয় রেল। রেলের তরফে এক বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, করোনার জেরে এই ট্রেনগুলিতে যাত্রীসংখ্যা একধাক্কায় অনেকটা কমেছে।কম যাত্রীর জেরেই পরবর্তী নোটিস না দেওয়া পর্যন্ত এই ৪০টি ট্রেনের পরিষেবা বন্ধ রাখা হবে।তবে, এই ট্রেন বাতিলের ফলে এ রাজ্যে যাত্রীদের নতুন করে সমস্যায় পড়ার কথা নয়। কারণ অধিকাংশ ট্রেনই বাতিল হয়েছে উত্তর-পশ্চিম রেলের। এর মধ্যে কিছু ট্রেন আংশিক সময়ের জন্য বাতিল করা হলেও, অধিকাংশই বাতিল করা হয়েছে পরবর্তী নোটিস না দেওয়া পর্যন্ত। প্রসঙ্গত, করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা আঘাত হানার পরই শিয়ালদহ এবং হাওড়া ডিভিশনে বহু চালক এবং গার্ড আক্রান্ত হয়েছেন। যার জেরে এই দুই শাখাতেই প্রচুর ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। যার জেরে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে নিত্যযাত্রীদের।এদিকে, শিয়ালদহ ও হাওড়া শাখায় পরপর বেশ কয়েকটি লোকাল ট্রেন বাতিল হওয়ায় যাত্রীমহলে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।প্যাসেঞ্জার ট্রেন বন্ধ হয়ে যাবে, এমন গুজবও শোনা যাচ্ছে ইতিউতি। এরই মধ্যে উত্তর-পশ্চিম রেলের ৪০টি ট্রেন বাতিলের খবরে প্যাসেঞ্জার ট্রেন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার জল্পনা আরও বাড়ল। যদিও, রেলের তরফে বারবার আশ্বস্ত করা হয়েছে কোনওভাবেই ট্রেন পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ করা হচ্ছে না। গত রবিবারও রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান সুনীত শর্মা জানিয়েছেন, রেলকর্মীদের বড় অংশ কোভিডে আক্রান্ত তবুও রেল বন্ধ হবে না। এ নিয়ে কোনও রাজ্য এখন পর্যন্ত কোনও বার্তা দেয়নি। ফলে পরিষেবা বন্ধের আশঙ্কা নেই। রেল মন্ত্রকের তরফেও ইতিমধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্যাসেঞ্জার ট্রেন কিংবা কোনও দূরপাল্লার ট্রেন বন্ধ হচ্ছে না। পরিষেবা স্বাভাবিকই থাকছে। বিশেষ কারণে কোথাও ট্রেন বাতিল হতে পারে, কিন্তু তা স্থায়ী সিদ্ধান্ত নয়।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
রাজ্য

করোনার কোপ, শিয়ালদহ শাখায় বাতিল বেশ কিছু লোকাল ট্রেন

দ্বিতীয় পর্যায়ে করোনার ধাক্কা আরও বেশি। পরিস্থিতি ক্রমশই ভয়াবহ হচ্ছে। এর প্রভাব পড়ল রেল পরিষেবায়। রেল সূত্রে খবর, শিয়ালদহ শাখায় বাতিল করা হল ২৯ টি লোকাল ট্রেন। সম্প্রতি ট্রেনের চালক ও গার্ডরা কোভিড পজিটিভ হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিল রেল। দ্রুতই এই ২৯ টি ট্রেন বাতিল হবে বলে খবর। ফলে নিত্যযাত্রীরা বেশ সমস্যায় পড়লেন। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছেন সকলেই। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় রেল পরিষেবা কীভাবে চলবে, তা নিয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন রেলের আধিকারিকরা।এর আগেও করোনার দাপট বাড়তে থাকায় শিয়ালদহ, হাওড়া শাখার বেশ কয়েকটি লোকাল ট্রেন বাতিল করার ভাবনাচিন্তা চলছিল রেলের অন্দরে। বিশেষ সতর্কতা নিতে বলা হয়েছিল চালক, গার্ডদের। তবে সেসময় কোনও ট্রেন শেষ পর্যন্ত বাতিল করা হয়নি। গত কয়েকদিন ধরে রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে হু হু করে। লোকাল ট্রেন, প্ল্যাটফর্মে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। নইলে আর্থিক জরিমানা পর্যন্ত হতে পারে, এমন নির্দেশিকাও জারি হয়েছে রেলের তরফে। কিন্তু তারপরও জনসচেতনতা তৈরি হয়নি। তারউপর একের পর এক গার্ড, চালকের শরীরে থাবা বসাচ্ছে করোনা ভাইরাস। ফলে এবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতেই হল। শিয়ালদহ শাখায় ২৯ টি লোকাল ট্রেন বাতিল করা হল। এছাড়া দূরপাল্লার ট্রেনের যাত্রীদের ক্ষেত্রে আরটি-পিসিআর টেস্ট রিপোর্ট বাধ্যতামূলক। রেলে আইসোলেশন কোচের ব্যবস্থা হবে কীভাবে, তা নিয়েও ভাবনাচিন্তা হচ্ছে রেলের তরফে।এর পাশাপাশি রাজ্য সরকারের তরফেও করোনা মোকাবিলায় আরও বড়সড় পদক্ষেপ নেওয়া হতে চলেছে বলে খবর। ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত হয়েছে, রাজ্যের স্কুলগুলি মঙ্গলবার থেকে ফের বন্ধ করা হচ্ছে। তার জন্য এগিয়ে আনা হচ্ছে গ্রীষ্মের ছুটি। এই মুহূর্তে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি ঠিক কেমন, তা জানতে চেয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। দুপুরে রাজভবনে তথ্য নিয়ে দেখা করেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়।

এপ্রিল ২০, ২০২১
কলকাতা

অফিস টাইমে ব্যাহত শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার ট্রেন চলাচল

সিগন্যালিংয়ের সমস্যা। অফিস টাইমে ব্যাহত শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় ব্যাহত ট্রেন চলাচল। প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল পরিষেবা। এক ঘণ্টা বাদে আংশিকভাবে তা চালু করার চেষ্টা করছে রেল। পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার জেরে বহু নিত্যযাত্রীকে নাকাল হতে হচ্ছে। বিশেষ করে অফিস যাত্রীরা চরম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।দক্ষিণ পূর্ব রেল সূত্রের খবর, শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার বালিগঞ্জ স্টেশনে সিগন্যালে সমস্যা থাকার কারণে এদিন সকাল ৮টা নাগাদ ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আপ বা ডাউন কোনও লাইনেই ট্রেন চলছিল না। যার ফলে সোনারপুর, ক্যানিং, বারুইপুর, ডায়মন্ডহারবার, লক্ষীকান্তপুর, নামখানা এবং বজবজ লাইনে ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হয়। ব্যাপক ভোগান্তির মধ্যে পড়েন নিত্যযাত্রীরা। প্রায় প্রতিটি স্টেশনেই বহু যাত্রীর ভিড় জমে গিয়েছে। আটকে বহু ট্রেন। রেলের পদস্থ আধিকারিক ও টেকনিশিয়ানরা দ্রুত সিগন্যাল ব্যবস্থায় কাজ করছে। সকাল ৯ টার পর আংশিক পরিষেবা চালু করা গেলেও তা পর্যাপ্ত নয়।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
দেশ

এপ্রিলেই ভারতে শিখর ছুঁতে পারে কোভিডের দ্বিতীয় তরঙ্গ

ফেব্রুয়ারি থেকেই ভারতে নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে কোভিড সংক্রমণ। দৈনিক আক্রান্ত ১০ হাজার থেকে বেড়ে ৫০ হাজারের গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে। সংক্রমণ বাড়তে শুরু করায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গ শুরু হয়েছে। আর এই দ্বিতীয় তরঙ্গের শিখর আসতে পারে এপ্রিল মাসের দ্বিতীয়ার্ধে, এমনটাই একটা রিপোর্টে জানিয়েছে স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া। অন্তত ১০০ দিন এই দ্বিতীয় তরঙ্গ থাকবে বলেই জানানো হয়েছে এই রিপোর্টে। স্টেট ব্যাংকের এই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২৩ মার্চ পর্যন্ত সংক্রমণের গতি-প্রকৃতি বিচার করে বোঝা যাচ্ছে এই দ্বিতীয় তরঙ্গে ভারতে প্রায় ২৫ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হবে। সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি দেখে বোঝা যাচ্ছে এপ্রিল মাসের দ্বিতীয়ার্ধে এই দ্বিতীয় তরঙ্গ শিখরে পৌঁছবে। ২৮ পাতার এই রিপোর্টে বলা হয়েছে, স্থানীয় ভাবে লকডাউন করলে সংক্রমণ থামানো যাবে না। তার বদলে শুধুমাত্র ব্যাপক পরিমাণে টিকাকরণ করলে তবেই এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।সংক্রমণ বাড়ায় ইতিমধ্যেই বেশ কিছু রাজ্যে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তার ফলে কিছু অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ হয়েছে। আগামী মাস থেকেই অর্থনীতির উপর এই সংক্রমণের প্রভাব বোঝা যাবে বলেই জানানো হয়েছে রিপোর্টে।

মার্চ ২৫, ২০২১
স্বাস্থ্য

মাইগ্রেনের ব্যথা এড়িয়ে চলতে কী করবেন? জানুন, সতর্ক থাকুন

বর্তমান ইদুঁর দৌঁড়ের সমাজে সময় বরই বালাই। আর সময়ের অভাবেই শরীরের দিকে নজর দেওয়া তেমন করে আর হয়ে উঠছে না যুব সমাজের। যার পরোক্ষ ফল মাইগ্রেনের সমস্যা।মাইগ্রেন এক বিশেষ ধরনের মাথাব্যথা। মাথার যে কোনও এক পাশ থেকে শুরু হয়ে তা মারাত্মক কষ্টকর হয়ে ওঠে। তাই একে আধ-কপালি ব্যথাও বলা হয়ে থাকে। মাইগ্রেনের যন্ত্রণা অত্যন্ত কষ্টদায়ক এবং দীর্ঘস্থায়ী। যাঁদের মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে, তীব্র মাথা যন্ত্রণার পাশাপাশি তাঁদের বমি বমি ভাব, শরীরে এবং মুখে অস্বস্তিভাব দেখা দিতে পারে। এই ব্যথা টানা বেশ কয়েকদিন থাকে। তাই যাঁদের মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের এই ব্যথার জন্য দায়ী কিছু কাজ বা অভ্যাস এড়িয়ে চলাই ভাল।১) পেট খালি রাখা: পেট খালি থাকলে মাইগ্রেনের ব্যথা বা সমস্যা শুরু হতে পারে। এর কারণ হচ্ছে, খালি পেটে থাকলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দেয় যা মাইগ্রেনের সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।২) আবহাওয়া: অতিরিক্ত রোদে ঘোরাঘুরির কারণে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হতে পারে। এ ছাড়াও অতিরিক্ত গরম, অতিরিক্ত আর্দ্রতার তারতম্যে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হয়ে থাকে।৩) মানসিক চাপ: যারা অনেক বেশি চাপ নিয়ে একটানা কাজ করে চলেন এবং নিজের ঘুম ও খাওয়া-দাওয়ার কোনও নির্দিষ্ট সময় মেনে চলতে পারেন না, তাদের বেশি মাইগ্রেনে আক্রান্ত হতে দেখা যায়। তাই মানসিক চাপ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। খুব মানসিক চাপে থাকলে এক কাপ লেবু চা খেয়ে নিন। এতে মস্তিষ্ক কিছুটা রিল্যাক্স হবে।৪) অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া: আমরা যখন অনেক বেশি মিষ্টি খাবার খেয়ে ফেলি তখন আমাদের রক্তের সুগারের মাত্রা বেড়ে যায় যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত ইনসুলিনের উৎপাদন হতে থাকে। যার ফলে রক্তের সুগারের মাত্রা নেমে যায়। এ ভাবে হঠাৎ হঠাৎ রক্তে সুগারের মাত্রার তারতম্য হওয়ার কারণে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হতে পারে।৫) অতিরিক্ত আওয়াজ: অতিরিক্ত আওয়াজ, খুব জোরে গান শোনা ইত্যাদির কারণেও মাইগ্রেনের সমস্যা শুরু হয়ে যেতে পারে। প্রচণ্ড জোরে আওয়াজের কারণে প্রায় দুদিন টানা মাইগ্রেনের ব্যথা হওয়ার আশঙ্কা থাকে।৬) অতিরিক্ত ঘুমানো: মাত্র এক দিনের ঘুমের অনিয়মের কারণে শরীরের উপরে খারাপ প্রভাব পড়তে পাড়ে। যেমন, যারা নিয়মিত মোটামুটি ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা করে ঘুমোন, তারা যদি হুট করে একদিন একটু বেশি ঘুমিয়ে ফেলেন, সেক্ষেত্রে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হয়ে যায়।৭) হঠাৎ করে কফি খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া: সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যারা নিয়মিত ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় খেতে অভ্যস্ত, তারা হঠাৎ করে সেই অভ্যাস ত্যাগ করলে বা বন্ধ করে দিলে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হতে পারে।

মার্চ ১৬, ২০২১
রাজ্য

বৃষ্টিতে ভাসতে পারে চার জেলা

অবশেষে বঙ্গ থেকে বিদায় নিতে চলেছে শীত। আকাশ মেঘলা থাকলেও কলকাতায় (Kolkata) বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। দিনের বেলা ঊর্ধ্বমুখী হবে তাপমাত্রার পারদ। রাতের দিকে অনুভূত হতে পারে শীতের আমেজ, এমনটাই জানাল হাওয়া অফিস।আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার একধাক্কায় কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পেরিয়েছে ২১ ডিগ্রির গণ্ডি। এদিনের তিলোত্তমার তাপমাত্রা ২১. ১ ডিগ্রি। সকাল থেকেই মুখভার দক্ষিণবঙ্গে ৪ জেলা, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের। সেখানে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। জানা গিয়েছে, কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ঊর্ধ্বমুখী থাকবে তাপমাত্রার পারদ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাঁফফাঁস দশা হবে সকলের। তবে রাতের দিকে সামান্য নামতে পারে পারদ। শীতের আমেজ অনুভূত হতে পারে। তবে বঙ্গে আর সেভাবে পারদ পতনের সম্ভাবনা নেই বলেই খবর। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি না হলেও উত্তরবঙ্গে বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সকাল থেকেই মেঘলা মালদা, দুই জেলার আকাশ।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২১
কলকাতা

নর্দমায় ভাসছে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড!

যে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছে রাজ্যের শাসকদল এবারে হাওড়ায় নর্দমা থেকে পাওয়া গেল সেই স্বাস্থ্যসাথী কার্ড। বুধবার রাতে রাজবল্লভ সাহা লেনের একটি নর্দমায় এই কার্ড পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকাটি হাওড়া পুরসভার ২৮নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত। স্থানীয় বাসিন্দা অভিজিৎ মণ্ডল জানান, রাতে রাস্তার ধারে কল থেকে জল নিতে গিয়ে দেখেন, নর্দমায় পড়ে রয়েছে ৮ থেকে ১০টি স্বাস্থ্যসাথী কার্ড। কে বা কারা কার্ডগুলো ওখানে ফেলে গেল তা বুঝতে না পেরে, স্থানীয়রাই কার্ডগুলো তুলে গুছিয়ে রাখেন। এলাকার আর এক বাসিন্দা বিশ্বরূপ সাহা জানান, রাজ্য সরকার কার্ডগুলো সাধারণ মানুষের হাতে তুলে না দিয়ে এগুলো নষ্ট করছে।এই ঘটনায় সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বিজেপির জেলা সদর সভাপতি সুরজিৎ সাহা বলেন, রাজ্য সরকার দুয়ারে আর মানুষের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড রাজবল্লভ সাহা লেনের যমের দুয়ারে পড়ে রয়েছে। রাজ্য সরকার মানুষের জীবন নিয়ে খেলছে। এই প্রসঙ্গে মধ্য হাওড়ার বিধায়ক তথা রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায় বলেন, স্বাস্থ্য সাথী কার্ড রাস্তায় পড়ে থাকার খবর শুনেছি। ঠিক কী হয়েছে তা খোঁজ নিয়ে দেখছে প্রশাসন। এদিকে এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২১
কলকাতা

বসন্তে অকালবৃষ্টিতে ভিজতে পারে বঙ্গ

রাজ্য থেকে বিদায় নিচ্ছে শীত। ঊর্ধ্বমুথী তাপমাত্রার পারদ। এরই মাঝে রাজ্য ভিজতে পারে বৃষ্টিতে। অকাল বর্ষণ হতে পারে কলকাতাতেও। সপ্তাহের শুরুতেই এমনই পূর্বাভাস দিচ্ছে আবহাওয়া দপ্তর।হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিম ও উপকূলের জেলা, উত্তরবঙ্গের পার্বত্য জেলাগুলোতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হাওয়া অফিস বলছে, দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের পাহাড়ি এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান এবং হাওড়ার একাংশে। বৃহস্পতিবার হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতে। সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতাতেও। শুক্রবার কলকাতা-সহ হাওড়া উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২১
রাজ্য

কেন শীতেও জমা জলের সমস্যা হাওড়ায়?

শীতকালেও জমা জলের সমস্যা হাওড়া পুরসভার ২নম্বর ওয়ার্ডের দয়াময় নস্কর লেনের বাসিন্দাদের। বাড়ির উঠানে, রাস্তায় জমে থাকা নোংরা জল পেরিয়েই যাতায়াত করতে প্রাণ ওষ্ঠাগত এলাকার কয়েক হাজার বাসিন্দার। তাঁদের অভিযোগ, এক বছরেরও বেশি সময় ধরে তাঁরা সকাল-বিকেল নোংরা জলে বন্দি হয়ে থাকছেন।স্থানীয়দের অভিযোগ, সকালে এবং দুপুরে যখন পুরসভার পরিস্রুত পানীয় জল পাইপলাইনে আসে, তখনও নিকাশিনালা উপচে নোংরা জল চলে আসে রাস্তায়। আবার জোয়ারের সময় গঙ্গার জলস্তর বেড়ে গেলেও এমন সমস্যা হয়। বছরের পর বছর ধরে নিকাশিনালা সাফাই না করার ফলে কার্যত পুরোটাই বুজে গিয়েছে বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। তাঁদের এই সমস্যার কথা পুরসভা থেকে শুরু করে প্রশাসনের নানা স্তরে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি বলে অভিযোগ এলাকার বাসিন্দাদের। আগামী দিনে এই সমস্যার সমাধান না হলে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করার কথাও চিন্তা ভাবনা করছেন এলাকার মানুষ। এলাকাটি গঙ্গার কাছে হওয়ায় নিকাশিনালার সঙ্গে গঙ্গার জলস্তরের যোগ থাকা অসম্ভব নয় বলে মনে করছেন কেউ কেউ। যদিও পুরসভার পানীয় জল আসার সময়ে কেন নিকাশিনালা উপচে পড়ছে, তার কোনও ব্যাখ্যা খুঁজে পাচ্ছেন না তাঁরা।এলাকায় ঘুরে দেখা গেল, বেশ কিছু বাড়ির সামনের উঠোনে পর্যন্ত নোংরা জল জমে রয়েছে। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, বর্ষার সময় মনে হয়েছিল, প্রচুর জমা জলের জন্য এই সমস্যা। কিন্তু এখন তো কোথাও বৃষ্টি নেই। তাহলে কেন এমনটা হচ্ছে? স্থানীয় বাসিন্দা রমেশ দুবে বলেন, দিনের পর দিন এই ভোগান্তি চলছে আমাদের। দয়ারাম নস্কর লেন শুধু নয়, গুহ রোডের একাংশের বাসিন্দারাও একই সমস্যার মধ্যে পড়েছেন। কাউন্সিলর না থাকায় পুরসভায় গিয়ে অভিযোগ জানিয়ে আসা হয়েছে। কিন্তু কোনওভাবে কোনও সমাধান হয়নি। এভাবে আর চালানো সম্ভব নয় বলে ক্ষোভের সঙ্গে জানান তিনি। এলাকায় দেখা গেল, নিকাশিনালা ভর্তি হয়ে রয়েছে নানা ধরনের প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্যে।স্থানীয় মানুষের দাবি, নিকাশি সংস্কার এবং সাফাই করলেই এই সমস্যা আর থাকবে না। তা করা হচ্ছে না বলেই নোংরা জলের মধ্যে সকাল-বিকেল বন্দি হয়ে থাকতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। এ বিষয়ে হাওড়া পুরসভার এক পদস্থ আধিকারিক জানান, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২১
কলকাতা

অকাল বৃষ্টিতে ভিজল কলকাতা

আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাসই সত্যি হল। রবিবার প্রায় ভোররাত থেকেই হালকা বৃষ্টিতে ভিজল কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত। কোথাও কোথাও আকাশের মুখ ঢেকেছে মেঘে। তবে চিন্তার কোনও কারণ নেই। কারণ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বদল হবে আবহাওয়ার। সকাল দশটার পর বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। দেখা মিলতে পারে হালকা রোদেরও।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, মধ্যপ্রদেশের দিকে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। তার ফলেই কলকাতা-সহ রাজ্যের একাধিক জেলা বৃষ্টিতে ভেজে। রবিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল অর্থাৎ শনিবার শহরের তাপমাত্রা ছিল কিছুটা কম। ওইদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে ৯৯ শতাংশ জলীয় বাষ্প ছিল। কখনও পশ্চিমী ঝঞ্ঝা তো কখনও নিম্নচাপের প্রভাবে শুরু থেকে ঠান্ডা ধাক্কা খেয়েছে ঠিকই। তবে গত ১০ বছরে এবার রেকর্ড ঠান্ডার সাক্ষী ফেব্রুয়ারি। শীতলতম মাস বেশ তাড়িয়ে তাড়িয়েই উপভোগ করেছেন শীতপ্রেমীরা। সোমবার থেকে আবারও রাজ্যে দেখা মিলবে কনকনে শীতের। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামতে পারে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও। বুধবার পর্যন্ত জারি থাকবে শীতের কামড়।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২১
কলকাতা

জালালখালিতে রেল অবরোধ

মঙ্গলবার সকালে কৃষ্ণনগর-শিয়ালদহ শাখায় ব্যাহত হয় ট্রেন চলাচল। রেলট্র্যাকে পরপর দাঁড়িয়ে রইল ট্রেন। যার জেরে আটকে পড়লেন কয়েকশো নিত্যযাত্রী। জানা গিয়েছে, কৃষ্ণনগর শাখার জালালখালি হল্ট স্টেশনে অবরোধ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তার ফলেই এই বিপত্তি।জানা গিয়েছে, জালালখালি হল্টে এই অবরোধ কর্মসূচি পূর্বনির্ধারিতই ছিল। এই স্টেশনে প্রতিটি লোকাল ট্রেনের স্টপেজ দিতে হবে, স্থানীয়দের এই দাবি দীর্ঘদিনের। রেলের কাছে বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও সুরাহা হয়নি। এবার তাই দাবি আদায়ের জন্য এবার আন্দোলোনে নামলেন স্থানীয়রা। সকাল থেকে আটকে শিয়ালদহগামী সমস্ত কৃষ্ণনগর লোকাল আটকে দেওয়া হল জালালখালি হল্টে। আসলে, এই স্টেশনে প্রচুর নিত্যযাত্রী রয়েছেন, প্রতিদিন তাঁদের নানা দিকে যেতে হয়। কিন্তু জালালখালি হল্ট স্টেশনে সমস্ত লোকাল ট্রেন থামে না। তাই সমস্যায় পড়তে হয় স্কুলপড়ুয়া থেকে অফিসযাত্রী সকলকেই। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৯টার পর পর্যন্ত চলে এই অবরোধ। স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, ২০১৭ সাল থেকে তাঁরা দাবি তুলে আসছেন, জালালখালি হল্টে সব লোকাল ট্রেন থামানো হোক। তাতে তাঁদের সকলের যাতায়াতে সুবিধা হবে। সংশ্লিষ্ট সকলের কাছেই এই আবেদন নিয়ে পৌঁছে দিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু রেলকর্তারা তাতে কান দেননি বলে অভিযোগ।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২১
রাজ্য

কুয়াশার দাপটে রাজ্যে ব্যহত ট্রেন ও বিমান চলাচল

ঘন কুয়াশার দাপটে মঙ্গলবার সকালে নগরজীবনকে রীতিমতো বেহাল করে দিল। কুয়াশার চাদর ঠেলে চলতে না পেরে থমকে গেল রেল ও বিমান পরিষেবা। দেরিতে চলল লোকাল ট্রেনও। ভুগতে হল আমজনতাকে। আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানাচ্ছে, উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির জেরে এই পরিস্থিতি। এদিন সকাল থেকেই ঘন কুয়াশায় জনজীবন কার্যত ওলটপালট হয়ে গিয়েছে তামাম দক্ষিণবঙ্গে। রেল-বিমানসড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে। অনেক জায়গায় সকালে রীতিমতো ফগ লাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চালাতে হয়েছে। একই দশা ট্রেনেরও। কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কম থাকায় হাওড়া, শিয়ালদহ-সহ বিভিন্ন শাখায় রেলের চাকা গড়িয়েছে শামুকের গতিতে। কয়েকটি জায়গায় দূরপাল্লার ট্রেনকে দীর্ঘক্ষণ বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ প্রয়াত তৃণমূল বিধায়ক মৃগেন মাইতি কুয়াশার জেরে বিমান ওঠানামাও ব্যাহত। দৃশ্যমানতা কম থাকায় এই মুহূর্তে উঠছে না কোনও বিমান। কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ভোরের দিকে এতটাই ঘন ছিল কুয়াশার চাদর যে বাধ্য হয়ে চালকদের সব ইন্ডিকেটর জ্বালিয়ে গাড়ি চালাতে হয়েছে। অন্যদিকে জেলার ছবিটাও প্রায় একইরকম। মালদার ইংরেজবাজার, কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েতেও দেখা গিয়েছে কুয়াশার পুরু আস্তরণ। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, পশ্চিমি ঝঞ্ঝার প্রভাবে বাতাসে রয়ে যাচ্ছে অতিরিক্ত জলীয় বাষ্প, যা কিনা ঠান্ডা আবহে কুয়াশার চেহারা নিচ্ছে। আবহাওয়াবিদদের কথায়, কুয়াশার পর্দা গাঢ় হলে একদিকে যেমন মেঘের মতো আস্তরণ তৈরি করে দেয়, তেমনই বাধা দেয় উত্তুরে হাওয়ার স্বাভাবিক আনাগোনাকে। দক্ষিণবঙ্গে এদিন এমনটাই হয়েছে। এদিন কলকাতার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের তিন ডিগ্রি বেশি।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
কলকাতা

কালীপুজো ও ভাইফোঁটায় কম ট্রেন চালাবে মেট্রো

শনিবার কালীপুজো ও আগামী সোমবার ভাইফোঁটা উপলক্ষে কম ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা মেট্রোরেল কতৃপক্ষ। তাদের তরফ থেকে জানানো হয়েছে , শনি ও সোমবার উৎসবের দিন ১৫২ টি মেট্রো চলবে। ছুটি ও যাত্রী কম হওয়ার জন্য এই দু দিনের মেট্রো পরিষেবা কমবে। আরও পড়ুন ঃ রোজভ্যালি কর্তা গৌতম কুণ্ডুকে ফ্ল্যাট ও অফিস খালি করার নোটিস ইডির এই দু দিন কবি সুভাষ ও নোয়াপাড়া থেকে সকাল ৮টায় প্রথম মেট্রো ছাড়বে। দুই প্রান্ত থেকে শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত ন টায়। প্রসঙ্গত , কাজের দিনগুলিতে ১৯০ টি মেট্রো চলাচল করে।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
কলকাতা

অফিস টাইমে ১০০ শতাংশ লোকাল ট্রেন চলবে , সিদ্ধান্ত রেল-রাজ্য বৈঠকে

অফিস টাইমে ১০০ শতাংশ লোকাল ট্রেন চলবে। এমনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল রেল-রাজ্যের বৈঠকে। বুধবার থেকেই রা্জ্যে চালু হয়েছে লোকাল ট্রেন। প্রথমদিনই অফিস টাইমে অনেক স্টেশনেই উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে ট্রেনগুলিতে। দ্বিতীয় দিনও তার অন্যথা হয়নি। সকলেই কোভিড সংক্রমণের আশঙ্কা করছে। এবার সেই ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা যায় কীভাবে? তা নিয়েই বৃহস্পতিবার ভবানী ভবনে ফের বৈঠকে বসে রেল ও রাজ্য। গত রবিবার রাতেই পূর্ব-রেল ঘোষণা করেছিল, হাওড়া, শিয়ালদা ডিভিশন মিলিয়ে মোট ৬১৫টি লোকাল ট্রেন চলবে। কিন্তু বুধবার ৬৯৬টি লোকাল ট্রেন চলেছে বলে দাবি করে রেল। আরও পড়ুনঃ করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে টেট উত্তীর্ণদের নিয়োগ রাজ্যেঃ মমতা এদিন ভবানীভবনের বৈঠক থেকে সাংবাদিকদের উদ্দেশে মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অফিস টাইমেই সবচেয়ে বেশি ভিড় হয়। ওইসময় ১০০ শতাংশ ট্রেন চালানোতে সহমত হয়েছে রেল। এখন যা ৭৫ শতাংশ চলছে। রেলের আধিকারিকরা জানান, আগে যেখানে ৩০ লক্ষ মানুষ ট্রেনে যাত্রা করত, এখন তার এক-তৃতীয়াংশ যাত্রী যাতায়াত করছেন। অর্থাৎ ১০ লক্ষ যাত্রী যাতায়াত করছেন। এক একটি ট্রেনে আগে যেখানে প্রায় ২ হাজার ২০০ যাত্রী উঠতেন, এখন সেখানে মাত্র এক হাজার ২০০ যাত্রী উঠছেন। কিছু কিছু স্টেশনে দেখা গিয়েছে, সাধারণ যাত্রী কোভিড-বিধির তোয়াক্কা করছেন না। তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলেও জানানো হয় এদিন।

নভেম্বর ১২, ২০২০
রাজ্য

লোকাল ট্রেন চালু হতেই জনসমুদ্র হাওড়া স্টেশন

রাজ্যের সঙ্গে রেল কতৃপক্ষের বৈঠকে ঠিক হয়েছিল , ১১ নভেম্ব্র থেকে ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে লোকাল ট্রেন চলাচল করবে। মানতে হবে সমস্ত কোভিডবিধিও। বুধবার সকাল থেকে সেইমতোই চলছিল সবকিছু। কিন্তু বেলা গড়াতেই অফিস টাইমে ব্যান্ডেল লোকাল হাওড়া স্টেশনে পৌঁছাতেই জন সমুদ্রে ভেসে গেল স্টেশন চত্বর। যাত্রীদের বাস ধরার দৌড়ে সমস্ত বিধিনিষেধই হার মানল। তাই দেখে হতবাক হয়ে পড়েন রেল কর্তৃপক্ষ। এদিন সকালের অফিস টাইমে পুরনো ছবিই দেখা গেল হাওড়া স্টেশনে। কোভিড নীতি মেনে রেল কর্তৃপক্ষ ট্রেনে এবং হাওড়া স্টেশনে বিভিন্ন ব্যবস্থা করলেও অফিস টাইমের ভিড়ে শিকেয় ওঠে সামাজিক দূরত্ব বিধি। আরও পড়ুন ঃ দলীয় কর্মীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বিজেপির রেলের হিসেব অনুযায়ী আগে প্রতিটি লোকাল ট্রেনে কম-বেশি ১২০০জন যাত্রী যাতায়াত করত। কোভিড পরিস্থিতিতে সেই সংখ্যা ৬০০থেকে ৭০০তে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। এদিন অফিস টাইমের ভিড় সব পরিকল্পনায় জল ঢেলে দেয়। তিনজনের বসার সিটে দুজনের বসার কথা থাকলেও ভিড়ের সময়ে সেই সিটেই চারজন করে যাত্রীকে বসতে দেখা যায়। উল্লেখ্য , এদিন পরিকল্পনা মতো ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয় হাওড়া স্টেশনকে। মাস্ক ছাড়া এদিন যাত্রীদের কাউকেই ট্রেনে যাতায়াত করতে দেওয়া হয়নি। ভীড় এড়াতে রেল পুলিশের তরফ থেকে বারবার মাইকিং করা হয়। হুইসেল বাজিয়ে ভীড় নিয়ন্ত্রণ করতে দেখা যায় আরপিএফ কর্মীদের। সকালে হাওড়া স্টেশনে ঘুরে ব্যবস্থাপনা ঘুরে দেখেন পূর্ব রেলের হাওড়া ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার ইশাক খান। আরপিএফের তরফে উপস্থিত ছিলেন রজনীশ ত্রিপাঠী সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। এদিন লোকাল ট্রেনে হকারদের উঠতে দেওয়া হয়নি। এদিন পূর্ব রেলের হাওড়া ডিভিশনের ডি আর এম ঈশাখ খান বলেন প্রয়োজন হলে অফিস টাইমে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে। তিনি আরো বলেন, মানুষকে সচেতন হতে হবে। ফোর্স দিয়ে মানুষকে নিয়ম মানানো সম্ভব নয়। এদিন সকালেও হাওড়া স্টেশনে দফায় দফায় জীবাণুমুক্তকরণ করা হয়। পরিস্থিতি যা আজ থেকেই ক্রমে ছন্দে ফিরছে হাওড়া স্টেশন। এদিন ভোর চারটে নাগাদ প্রায় সাড়ে সাত মাস পর হাওড়া স্টেশন থেকে প্রথম লোকাল ট্রেন যাত্রা শুরু করে।

নভেম্বর ১১, ২০২০
রাজ্য

রাজ্যে শুরু লোকাল ট্রেন চলাচল

করোনাজনিত কারণে চলতি বছরের মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছিল লকডাউন। সেই থেকে ৮ মাস গড়ায়নি লোকাল ট্রেনের চাকা। মাঝে রেলকর্মীদের জন্য স্পেশাল ট্রেন চললেও সাধারণ নিত্যযাত্রীদের কাছে অধরাই থেকে গিয়েছিল লোকাল ট্রেন। অবশেষে রাজ্য-রেল বৈঠকের পর বুধবার সকালে প্রায় সাড়ে ৭ মাস পর বাংলায় চালু হল লোকাল ট্রেন পরিষেবা। বুধবার সকাল থেকেই হাওড়া ও শিয়ালদহ স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে ছিল যাত্রীদের লম্বা লাইন। বঁনগা স্টেশনেও ভিড় ছিল ভালই। কয়েকটি স্টেশনে কিছুটা হলেও ভিড় দেখা গিয়েছে। আবার কয়েকটি স্টেশনে একদমই ভিড় ছিল না। নিয়ম মেনে প্রত্যেক যাত্রীই পালন করেছে কোভিডবিধি। পরিস্থিতি আয়ত্তে রাখতে প্রতি স্টেশনেই রয়েছে আরপিএফ, জিআরপি। ঘিরে দেওয়া হয়েছে স্টেশনের প্রবেশ ও বাহির পথ। যাতে কোনও ভাবে জমায়েত হতে না পারে। কিন্তু এদিন যারা ট্রেনে যাতায়াত করেছেন , সকলকে অনেকক্ষণ ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে চালু এবার নতুন ওয়েবসাইট রেলসুত্রে খবর, প্রতিদিন রাজ্যে ৬৯৬টি ট্রেন চলবে। শিয়ালদা ডিভিশনে চলবে ৪১৩টি ট্রেন, শিয়ালদা উত্তর ও মেইন শাখায় চলবে ২৭০টি ট্রেন, শিয়ালদা দক্ষিণ শাখায় চলবে ১৪৩টি ট্রেন, হাওড়া স্টেশনে ২০২টি ট্রেন, বাকি ৮১টি ট্রেন চলবে খড়গপুর ডিভিশনে। যাত্রীদের দাবি , আরও বেশি সংখ্যায় ট্রেন চালানো হলে সকলে কোভিড বিধি মেনে যাতায়াত করতে পারে।

নভেম্বর ১১, ২০২০
কলকাতা

বেতনের দাবিতে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিদের আন্দোলন

বেতনের দাবিতে আন্দোলন চালাচ্ছে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিরা। শুক্রবার এএইচএসডি পশ্চিমবঙ্গ সমেত চিকিৎসকদের যৌথ মঞ্চের প্রায় কুড়ি জন সিনিয়র চিকিৎসক বিকেলে হাইজিন ইনস্টিটিউটে যায়। সেখানে তাঁরা আন্দোলনরত পিজিটিদের সঙ্গে কথা বলে। তাদের আন্দোলনের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেয়। ডিরেক্টর না থাকায় যৌথ মঞ্চের প্রতিনিধি দল এডিশনাল ডিরেক্টরের সঙ্গে দেখা করে, দ্রুত সমস্যা মেটানোর দাবি জানায়। আরও পড়ুন ঃ আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ২০০ -র বেশি আসনে জয়লাভ করবে বিজেপিঃ অমিত শাহ সামনের সপ্তাহের শুরুতেই সমস্যা মিটে যাবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তাদের অভিযোগ , এই অচলাবস্থার দায় স্থানীয় প্রশাসন কোনো ভাবেই এড়াতে পারে না। গত চার মাস ইনস্টিটিউট অফ হাইজিনের প্রশাসন চুপ করে বসেছিল। জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের ফলেই এখন নড়াচড়া করছে। সমস্যা দ্রুত না মিটলে যৌথ মঞ্চ আবার আন্দোলনে যাবে।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
কলকাতা

আগামী বুধবার থেকে রাজ্যে চলবে লোকাল ট্রেন

টানা আট মাস বন্ধ থাকার পর অবশেষে ঘুরতে চলেছে লোকাল ট্রেনের চাকা। বৃহস্পতিবার নবান্নে রেল এবং রাজ্য প্রশাসনের তরফে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ আগামী বুধবার থেকে হাওড়া ও শিয়ালদা স্টেশনে প্রতিদিন ৩৬২ টি লোকাল ট্রেন চালু হবে। এরপর ধাপে ধাপে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে। সব স্টেশনে ট্রেন দাঁড়াবে। এর জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে রেল ও রাজ্য সরকার। আগের মতো কাউন্টার থেকে টিকিট কেটেই ট্রেনে ওঠা যাবে। তবে মাস্ক বাধ্যতামূলক। কোভিড বিধি মেনে ট্রেন চালানো হবে। আরও পড়ুন ঃ কালীপুজোর মণ্ডপেও নো-এন্ট্রিঃ হাইকোর্ট কোন গেট দিয়ে যাত্রীরা স্টেশনে ঢুকবেন এবং কোন গেট দিয়ে বের হবেন তা আগে থেকে নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। এর জন্য আরপিএফ-জিআরপি একসঙ্গে কাজ করবে। প্রতিটি স্টেশনে থাকবে স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা। রাজ্যের পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে ছিলেন হাওড়া, শিয়ালদহ ও খড়্গপুরের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজাররা। প্রথমে বৈঠকে ঠিক হয়, গ্যালোপিং ট্রেন প্রথম ধাপে চালু হবে। কিন্তু, পরবর্তীকালে ঠিক হয়, সাধারণ নিত্যযাত্রীদের কথা মাথায় রেখে গ্যালোপিং নয়।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
কলকাতা

অফিস টাইমে রেলকে ২০০ ট্রেন চালানোর প্রস্তাব রাজ্যের

অফিস টাইমে হাও়ড়া-শিয়ালদা মিলিয়ে মোট ২০০টি লোকাল ট্রেন চালানোর জন্য রেলকে প্রস্তাব দিল রাজ্য সরকার। এই প্রস্তাবে রেল কর্তারা সম্মতি দিয়েছেন বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে কি পরিস্থিতিতে লোকাল ট্রেন চালানো হবে তার চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি করতে আগামীকাল নবান্নে ফের বৈঠকে বসছে রেল ও রাজ্য। তার আগেই ট্রেন চলাচলের প্রক্রিয়া স্থির করতে এ দিন উভয় পক্ষের বৈঠক হয়। অন্য সময়ে কটা ট্রেন চলতে পারে তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে রেল। যাত্রীদের মানতে হবে কোভিড বিধি। আরও পড়ুন ঃ কালীপুজোয় বাজি পোড়ানোর বন্ধ রাখার আরজি রাজ্য সরকারের রাজ্যে লোকাল ট্রেন চালানো নিয়ে বুধবার নবান্নে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্য সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। রেলের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন হাওড়া, শিয়ালদহ এবং খড়্গপুরের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজাররা। জানা গিয়েছে, তাদের হাতে আরপিএফ সংখ্যা কত তা রেলের তরফে রাজ্যকে জানানো হয়েছে। এছাড়াও হাওড়া ও শিয়ালদহের কোন রুট দিয়ে রোজ কত যাত্রী কলকাতামুখী হন তারও গড় সংখ্যা জানানো হয়েছে। এই দুটি বিবেচনা করেই নিউ নর্মালে লোকাল ট্রেন সংখ্যা চূড়ান্ত হবে। স্থির হবে বিভিন্ন রুটের কোন স্টেশনে ট্রেন দাঁড়াবে। জানা গিয়েছে, গ্যালপিং ট্রেনের সংখ্যা বাড়বে। উল্লেখ্য , গত মার্চে করোনা মহামারির জেরে লকডাউন শুরু হওয়া থেকে বন্ধ ছিল কলকাতা ও শহরতলির লোকাল ট্রেন পরিষেবা। কিন্তু আনলক প্রক্রিয়ায় লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে কয়েকদিন আগেই বিভিন্ন স্টেশনে রেল অবরোধ এবং যাত্রীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। শুরু হয় পথ অবরোধও। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সোমবার লোকাল ট্রেন চালানো নিয়ে রেল কর্তাদের সঙ্গে নবান্নে বৈঠকে বসেন রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর মঙ্গলবার রাজ্যে লোকাল ট্রেন চালানোর জন্য আবেদন জানিয়ে রেল কে চিঠিও দেন তিনি।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
কলকাতা

পর্যাপ্ত সংখ্যক ট্রেন চালানো্র আবেদন জানিয়ে রেলকে চিঠি স্বরাষ্ট্রসচিবের

রেলকে ফের চিঠি লিখলেন পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্রসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদী । রেলের কাছে তাঁর অনুরোধ , সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক ট্রেন চালাতে হবে। একমাত্র তাহলেই সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে মনে করছে নবান্ন। তাঁর মতে , মাত্র ১০ শতাংশ ট্রেন চললে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে। বাদুড়ঝোলা ভিড় হবে ট্রেনগুলিতে। যেটা স্বাস্থ্য বিধি এবং সামাজিক দূরত্ববিধির পরিপন্থী। আরও পড়ুন ঃ দশ বছর ধরে ঘরছাড়া ব্যক্তিকে উদ্ধার করে বাড়ি ফেরাল জোড়াসাঁকো থানার এসআই আর সেই কারণেই তিনি পর্যাপ্ত সংখ্যক ট্রেন চালানোর জন্য অনুরোধ করেছেন। প্রসঙ্গত , সোমবার নবান্নে রেল ও রাজ্যের বৈঠকে স্থির হয় , আপাতত ১০ শতাংশ ট্রেন চালু করা হবে। এরপর ধীরে ধীরে তা ২৫ শতাংশ হবে। এরপর এদিন স্বরাষ্ট্রসচিবের চিঠি পাওয়ার পর রেল কী সিদ্ধান্ত নেয় সেটাই এখন দেখার।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

জাহাঙ্গিরকে নিশানা করে শুভেন্দুর কড়া বার্তা! ফলতায় ভোটের আগে বাড়ল রাজনৈতিক উত্তাপ

২১ মে ফলতা বিধানসভায় পুনর্নির্বাচন। তার আগেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথম রাজনৈতিক সভা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। আর সেই সভা থেকেই তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি।ফলতার সভা থেকে শুভেন্দু বলেন, কোথায় পুষ্পা? দেখা পাওয়া যাচ্ছে না কেন? এবার কাউকে অশান্তি করতে দেওয়া হবে না। ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসার প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টে ১৯ জন কুখ্যাত অপরাধীর নাম ছিল, সেখানে জাহাঙ্গির খানের নামও রয়েছে। সেই সমস্ত অভিযোগের তদন্ত হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন মুখ্যমন্ত্রী।উল্লেখ্য, ফলতা বিধানসভার একাধিক বুথে ইভিএম কারচুপির অভিযোগ উঠেছিল। সেই পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে গোটা ফলতা বিধানসভায় পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন। আগামী ২১ মে সেখানে ভোটগ্রহণ হবে।ভোটের আগে বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডার সমর্থনে প্রচারে গিয়ে শুভেন্দু আরও বলেন, ওই ডাকাতটা কোথায়? পুষ্পা না কী যেন নাম! সাধারণ নির্বাচনের সময় যত অভিযোগ এসেছে, সব কিছুর ব্যবস্থা হবে।এদিন নাম না করেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুর দাবি, ফলতায় এসে বহু মানুষ তাঁকে জানিয়েছেন, ভাইপো যতদিন ছিলেন, ততদিন মানুষ ঠিকমতো ভোট দিতে পারেননি। তবে এবার শান্তিপূর্ণ ভোট হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।শুধু তাই নয়, ফলতায় বিজেপি জিতলে এলাকার জন্য বিশেষ উন্নয়ন প্যাকেজ ঘোষণা করা হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপি প্রার্থীকে এক লক্ষ ভোটে জেতানোর আহ্বানও জানান তিনি।সভা থেকে শুভেন্দু আরও দাবি করেন, কলকাতায় একাধিক সম্পত্তির তথ্য তাঁর হাতে এসেছে। তিনি বলেন, মাননীয় ভাইপোবাবু, কলকাতায় ২৪টি সম্পত্তির তথ্য পেয়েছি। আমতলায় বিশাল অফিস রয়েছে। সব হিসাব হবে।অভয়ার প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু অভিযোগ করেন, আগের সরকারের সময় প্রমাণ লোপাট এবং ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। সেই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর আরও অভিযোগ, ডায়মন্ড হারবার এলাকায় যাঁরা অত্যাচার ও অশান্তির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। তিনি জানান, পুলিশকে কল রেকর্ড এবং হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ রেহাই পাবেন না বলেও কড়া বার্তা দেন শুভেন্দু অধিকারী।

মে ১৬, ২০২৬
কলকাতা

সুইসাইড অ্যাটাক করে শুভেন্দুকে খুনের হুমকি! রাতারাতি পুলিশের জালে সন্দেহভাজন

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে আত্মঘাতী হামলা চালিয়ে খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। একটি ইমেলের মাধ্যমে এই হুমকি পাঠানো হয়। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়তেই দ্রুত তদন্তে নামে পুলিশ। ইতিমধ্যেই এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৪ তারিখ ভবানীপুর থানায় একটি ইমেল আসে। ওই ইমেলে আবিদা আলি নামে এক মহিলার নাম ব্যবহার করা হয়েছিল। সেখানে দাবি করা হয়, আল কায়দার সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে এবং মুখ্যমন্ত্রীর উপর আত্মঘাতী হামলা চালানো হবে।এই অভিযোগ সামনে আসতেই তৎপর হয় পুলিশ। তদন্তে নেমে গার্ডেনরিচ থানার সাহায্যে শুক্রবার রাতে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতের নাম হাসনিন ইকবাল। পুলিশের দাবি, জেরায় সে স্বীকার করেছে যে ব্যক্তিগত আক্রোশের কারণেই আবিদা আলির নাম ব্যবহার করে এই ইমেল পাঠানো হয়েছিল।পুলিশ আরও জানিয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এর আগেও এই ধরনের একাধিক ভুয়ো এবং বিভ্রান্তিকর ইমেল পাঠানোর অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।লালবাজারের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ভুয়ো তথ্য ছড়ানো বা আতঙ্ক তৈরির চেষ্টা করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ জানিয়েছে, এই ধরনের অপরাধে জড়িত কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর কেন্দ্রের বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ওই এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছিল। এই হুমকির ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশাসন আরও সতর্ক হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

মে ১৬, ২০২৬
রাজ্য

মাঝরাতে তৃণমূল নেতার বাড়িতে পুলিশের হানা! গ্রেপ্তার বিধায়কের দাদা, চাঞ্চল্য ক্যানিংয়ে

মাঝরাতে বাড়িতে পুলিশি অভিযান ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল ক্যানিংয়ে। গ্রেপ্তার করা হল ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাসের দাদা উত্তম রায়কে। তিনি ক্যানিং ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। পুলিশ সূত্রে দাবি, গ্রেপ্তারের সময় বাধা দেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে ধৃতের পরিবারের অভিযোগ, বাড়ির মহিলা সদস্যদেরও মারধর করা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, উত্তম রায়ের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন-সহ একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগ, ভোটের ফলপ্রকাশের দিন ৪ মে ক্যানিং এলাকায় গুলি চলার ঘটনায় তাঁর নাম জড়িয়েছে। ওই ঘটনায় এক বিজেপি কর্মী আহত হয়েছিলেন বলে দাবি পুলিশের। এলাকায় ভয় এবং আতঙ্কের পরিবেশ তৈরির অভিযোগও রয়েছে ধৃতের বিরুদ্ধে।শুক্রবার গভীর রাতে ক্যানিং থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা উত্তম রায়ের বাড়িতে পৌঁছয়। তারপর তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাস। তিনি বলেন, রাতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার বদলে সকালে থানায় ডাকা যেত। তাঁর অভিযোগ, যেভাবে মহিলা সদস্যদের সঙ্গে আচরণ করা হয়েছে, তা গণতন্ত্রের পরিপন্থী।যদিও উত্তম রায়ের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে পরিবার। তৃণমূল বিধায়কের দাবি, যেসব ধারায় মামলা করা হয়েছে, তা হওয়া উচিত হয়নি।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার ধৃতের শারীরিক পরীক্ষা করানোর পর আলিপুর আদালতে তোলা হবে। তদন্তের স্বার্থে তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাতে পারে পুলিশ।এদিকে, অন্য একটি ঘটনায় কয়লার ডিও থেকে তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে অন্ডাল ব্লক তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি কাঞ্চন মিত্রকে। অভিযোগ, তৃণমূল সরকারের আমলে কয়লার ডিও থেকে টাকা তোলার পাশাপাশি এলাকায় ভয় দেখানো এবং জমি কারবারের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি। একই মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন মহম্মদ মোজাম্মেল নামে আরও এক ব্যক্তি। শুক্রবার রাতে অন্ডাল থানার পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে।রাজ্যের একাধিক জেলায় তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক পুলিশি পদক্ষেপ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

মে ১৬, ২০২৬
কলকাতা

‘নেপথ্যের আসল কারিগর মিঠুন’! মুখ্যমন্ত্রীর মুখে বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি

ছাব্বিশের ভোটের আগে বাংলাজুড়ে লাগাতার প্রচার করেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। একের পর এক সভা, বৈঠক এবং প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত বাংলায় বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে বিজেপি। সেই জয়ের পর এবার বিজেপির তারকা প্রচারক মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।শনিবার সকালে নিউটাউনে মিঠুন চক্রবর্তীর বাড়িতে যান শুভেন্দু। ডায়মন্ড হারবারে প্রশাসনিক বৈঠকে যাওয়ার আগেই তিনি মহাগুরুর সঙ্গে দেখা করেন। সেখানে প্রায় এক ঘণ্টা কথা হয় দুজনের মধ্যে।মিঠুনকে বিজেপির জয়ের অন্যতম নেপথ্য কারিগর বলেই উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু বলেন, বাংলাকে বাঁচানো, হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা এবং মা-বোনেদের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী। গত কয়েক মাস ধরে তিনি একের পর এক সভা, বৈঠক ও প্রচার করেছেন। শুধু বড় মঞ্চ নয়, মাইক্রো স্তরেও কাজ করেছেন তিনি।শুভেন্দুর কথায়, জনগণের আশীর্বাদ এবং দলের সিদ্ধান্তে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন ঠিকই, কিন্তু এই জয়ের পিছনে যাঁদের সবচেয়ে বড় ভূমিকা রয়েছে, তাঁদের মধ্যে অন্যতম মিঠুন চক্রবর্তী।কেন আচমকা মিঠুনের বাড়িতে গেলেন, সেই কারণও স্পষ্ট করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, জয়ের পর মিঠুন চক্রবর্তী তাঁর সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন। তখনই শুভেন্দু বলেন, তিনি নিজেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মিঠুনের বাড়িতে গিয়ে দেখা করবেন। সেই প্রতিশ্রুতি রাখতেই শনিবার সকালে নিউটাউনে যান তিনি।এই বৈঠকের পর রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়, তবে কি বিজেপি সরকারে কোনও বড় দায়িত্ব পেতে চলেছেন মিঠুন চক্রবর্তী? যদিও সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, কোনও পদ নিয়ে মিঠুনের আগ্রহ নেই। দল তাঁকে ইতিমধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা শুনে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মিঠুন চক্রবর্তী। হাসিমুখে শুভেন্দুর কাঁধে হাত রেখে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গ এর থেকে ভালো মুখ্যমন্ত্রী পেতে পারত না। শপথ নেওয়ার পর থেকেই শুভেন্দু কাজ শুরু করে দিয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।মিঠুন আরও বলেন, আগামী দিনেও মানুষ বুঝতে পারবেন শুভেন্দু অধিকারী কেমনভাবে রাজ্য চালাচ্ছেন। তাঁর কথায়, শুভেন্দু একজন যোদ্ধা এবং তিনি সবসময় তাঁর পাশে থেকে লড়াই করবেন।উল্লেখ্য, এর আগেও নতুন বিজেপি সরকারের প্রশংসা করেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। শনিবার তাঁর বাড়ি থেকে বেরিয়েই ডায়মন্ড হারবারের উদ্দেশে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

মে ১৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই ফলতায় বড় ধাক্কা! গ্রেপ্তার জাহাঙ্গির ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা, চরম উত্তেজনা এলাকায়

পুনর্নির্বাচনের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। তার আগেই ফলতায় চরম রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল। গ্রেপ্তার হলেন তৃণমূল নেতা এবং ফলতা পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি সাইদুল খান। তিনি পুষ্পা জাহাঙ্গির খানের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। ফলতা থানার পুলিশ শুক্রবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাইদুল খানের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা এবং রাজনৈতিক হিংসা ছড়ানোর মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছিল। সেই অভিযোগের তদন্তে নেমেই পুলিশ তাঁর বাড়িতে হানা দেয় এবং গ্রেপ্তার করে।এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে তৃণমূলের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী আগামী ২১ মে ফলতায় পুনর্নির্বাচন হবে। ভোট গণনা হবে ২৪ মে। এর মধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন হয়েছে। তৃণমূলকে সরিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শনিবার ডায়মন্ড হারবারে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন। এরপর ফলতায় তাঁর কর্মিসভা রয়েছে। আগামী ১৯ মে প্রচারের শেষ দিনে ফলতায় মুখ্যমন্ত্রীর রোড শো হওয়ার কথাও রয়েছে। ফলে বিজেপি কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ তুঙ্গে।এই আবহেই দীর্ঘদিন পর শুক্রবার প্রকাশ্যে দেখা গেল ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানকে। সকালে তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে শ্রীরামপুরে নিজের দলীয় কার্যালয়ে যান। উল্লেখ্য, ২৯ এপ্রিল ওই অফিস থেকেই ভোট পরিচালনা করেছিলেন তিনি।বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর ওই দলীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছিল বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। সেখানে বিজেপির পতাকাও লাগানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। শুক্রবার ফের নিজের অফিসে গিয়ে জাহাঙ্গির খান দাবি করেন, তিনি কোথাও পালিয়ে ছিলেন না।জাহাঙ্গির বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। সেই কারণেই এলাকার শান্তি বজায় রাখতে তিনি প্রকাশ্যে আসেননি। তাঁর কথায়, পুলিশ তাঁকে বাড়িতে ফিরিয়ে এনেছে বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি এতদিন বাড়িতেই ছিলেন।ফলতায় পুনর্নির্বাচনের আগে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

মে ১৬, ২০২৬
দেশ

আজ দুপুরে থমকে যেতে পারে ওলা-উবার-সুইগি! দেশজুড়ে গিগ কর্মীদের বড় ধর্মঘট

আজ, ১৬ মে দেশজুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন গিগ কর্মীরা। পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ওলা, উবার, সুইগি, জোম্যাটো-সহ বিভিন্ন অ্যাপভিত্তিক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত চালক ও ডেলিভারি কর্মীরা দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখার আবেদন জানিয়েছেন।গিগ কর্মীদের দাবি, লাগাতার মূল্যবৃদ্ধি এবং জ্বালানির খরচ বাড়তে থাকায় বর্তমান আয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে উঠছে। গিগ অ্যান্ড প্ল্যাটফর্ম সার্ভিস ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের বক্তব্য, পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধি দেশের প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ গিগ কর্মীর জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলছে। প্রতিদিন দীর্ঘ সময় ধরে রাস্তায় কাজ করতে হওয়ায় ডেলিভারি কর্মী ও ক্যাব চালকদের খরচ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।ইউনিয়নের অভিযোগ, জ্বালানির দাম বাড়লেও সংস্থাগুলি তাদের পারিশ্রমিক বাড়াচ্ছে না। সেই কারণে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া বৃদ্ধির দাবি তুলেছেন তারা। সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির কাছে প্রতি কিলোমিটারে ন্যূনতম ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে।গিগ কর্মীদের একাংশের দাবি, দ্রুত কোনও সমাধান না হলে বহু কর্মী কাজ ছাড়তে বাধ্য হবেন। ইউনিয়নের প্রতিনিধি নির্মল গোরানা জানিয়েছেন, মহিলা কর্মী, ডেলিভারি এজেন্ট এবং চালকেরাই সবচেয়ে বেশি সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। প্রচণ্ড গরম, যানজট এবং দীর্ঘ সময় কাজের চাপের মধ্যে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৪ ঘণ্টা কাজ করতে হচ্ছে তাদের।আজকের ধর্মঘটের ফলে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ক্যাব পরিষেবা এবং খাবার সরবরাহে প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যাত্রী এবং সাধারণ গ্রাহকদেরও সমস্যায় পড়তে হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

মে ১৬, ২০২৬
কলকাতা

ডায়মন্ড হারবারে শুভেন্দুর হাইভোল্টেজ এন্ট্রি! অভিষেকের গড়ে কী বড় ঘোষণা করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী?

প্রথম বড় প্রশাসনিক বৈঠক করতে এদিন ডায়মন্ড হারবারে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুপুর ১টায় পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবার এলাকার বিধায়কদেরও ওই বৈঠকে ডাকা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র জল্পনা শুরু হয়েছে।জানা গিয়েছে, ডায়মন্ড হারবার, সুন্দরবন এবং বারুইপুর পুলিশ জেলার শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরাও উপস্থিত থাকবেন বলে খবর। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি থেকে শুরু করে চলতি উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলির অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে।এছাড়াও ডায়মন্ড হারবার লোকসভা এলাকার বিধায়কদের নিয়েও আলাদা বৈঠক করতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কাজ কতদূর এগিয়েছে, কোথায় কী সমস্যা রয়েছে এবং আগামী দিনে কীভাবে উন্নয়নের গতি বাড়ানো যায়, তা নিয়েও পর্যালোচনা হতে পারে বলে সূত্রের দাবি। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, এই বৈঠক থেকেই একাধিক নতুন প্রকল্প বা উন্নয়নমূলক কর্মসূচির ঘোষণা করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী।মুখ্যমন্ত্রী ডায়মন্ড হারবারে পৌঁছনোর সময় বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক উপস্থিত থাকতে পারেন বলে অনুমান করা হচ্ছে। সেই কারণে গোটা এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলা। যে আবাসিক হোটেলে প্রশাসনিক বৈঠক হওয়ার কথা, সেখানে ইতিমধ্যেই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।রাজনৈতিক দিক থেকেও এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভা কেন্দ্র হিসেবে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে ডায়মন্ড হারবার। ডায়মন্ড হারবার মডেলকে সামনে রেখে একসময় প্রচারে জোর দিয়েছিল তৃণমূল। সেই কেন্দ্র থেকেই নতুন মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক কর্মসূচি শুরু হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।ডায়মন্ড হারবারের কর্মসূচি শেষ করে এদিন ফলতায়ও যাওয়ার কথা রয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর। সেখানে ভোটের আগে একটি কর্মিসভায় যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।

মে ১৬, ২০২৬
দেশ

বড় সুখবর! সময়ের আগেই দেশে ঢুকছে বর্ষা, গরম থেকে মিলবে স্বস্তি

প্যাচপ্যাচে গরম থেকে খুব শীঘ্রই মিলতে পারে স্বস্তি। সময়ের আগেই দেশে ঢুকতে চলেছে বর্ষা। এমনই বড় ঘোষণা করেছে আবহাওয়া দফতর। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৬ মে দেশের মূল ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে পারে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। সাধারণত ১ জুন কেরলে বর্ষা ঢোকে। তবে গত বছরের মতো এবারও নির্ধারিত সময়ের আগেই বর্ষার আগমন ঘটতে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আজ থেকেই আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে বর্ষার প্রবেশ শুরু হচ্ছে। দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি সুস্পষ্ট নিম্নচাপ ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। তার জেরেই সক্রিয় হয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। এর প্রভাবে উত্তরবঙ্গে আগামী কয়েকদিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়াবিদদের মতে, পূর্ব মধ্যপ্রদেশ এবং তামিলনাড়ু উপকূলে দুটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ থেকে উত্তর বাংলাদেশ পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। সেই অক্ষরেখা উত্তরপ্রদেশ, বিহার এবং উত্তরবঙ্গের উপর দিয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতির জেরেই উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।আজ উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। দার্জিলিং-সহ পাহাড়ি এলাকাতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলেও সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর।আগামীকাল রবিবার উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। আলিপুরদুয়ার জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবারও উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টি চলবে। মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে পূর্বাভাস।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে আপাতত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে পশ্চিমের কিছু জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে বইতে পারে দমকা ঝোড়ো হাওয়া।কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই আগামী কয়েকদিন গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া বজায় থাকবে। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। কোথাও কোথাও বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা খুব কম।আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৬০ থেকে ৯৪ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় ১৬.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে মহারাষ্ট্রের আমরাবতীতে। সেখানে পারদ পৌঁছেছিল ৪৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। অন্যদিকে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল অসমের হাফলংয়ে, ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।আন্দামান-নিকোবর, উত্তরবঙ্গ এবং সিকিমে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। এখন সকলের নজর, কবে বাংলায় পুরোপুরি বর্ষার প্রবেশ ঘটে।

মে ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal