• ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩, রবিবার ১০ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Raid

রাজ্য

জ্যোতিপ্রিয়র চিকিৎসা নিয়ে বড় নির্দেশ আদালতের, সিজিওতে হাজির ব্যক্তিগত চিকিৎসক

এর আগে সিবিআই-ইডি ইডি অভিযুক্তদের এসএসকেএম-এ চিকিৎসা নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল। আদালতের নির্দেশে ভুবনেশ্বর এইমসে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছিল ধৃত পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। রেশন দুর্নীতি মামলায় ধৃত রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের চিকিৎসা করা নিয়ে আপত্তি করেছিল আলিপুরের কমান্ড হাসপাতাল। তবে এদিন কড়া নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এদিকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে এদিন ইডি দপ্তরে যান তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ড: সমাজপতি।বৃহস্পতিবার বড় নির্দেশ কলকাতা দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ইডির হেফাজতে রয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। ব্যাঙ্কশাল আদালত চিকিৎসার জন্য তাঁকে আলিপুরের কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওযা যেতে পারে বলে নির্দেশে জানিয়েছিল। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল কমান্ড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই এবার কলকাতা হাইকোর্ট স্পষ্ট নির্দেশ শুনিয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৮ নভেম্বর।প্রয়োজনে জ্যেতিপ্রিয় মল্লিককে কমান্ড হাসাপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করাতে পারবে ইডি, এদিন এমনই নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এর আগে ব্যাঙ্কশাল আদালতও এই একই নির্দেশ দিয়েছিল। তবে আদালতের সেই নির্দেশে আপত্তি জানায় কমান্ড হাসপাতল কর্তৃপক্ষ। রাজ্যের মন্ত্রীর চিকিৎসা তাঁদের হাসপাতালে করানোয় সমস্যার কথা জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থও হয়েছিল কমান্ড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। যদিও হাসপাতালের সেই আবেদন খারিজ করে দেয় নিম্ন আদালত।পরে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েও কমান্ড হাসাপাতালের তরফে জানানো হয়, তাঁদের হাসপাতালে শুধুমাত্র প্রতিরক্ষার সঙ্গে যুক্তদেরই চিকিৎসা করা হয়। এক্ষেত্রে অন্য সাধারণ নাগরিকদের চিকিৎসা সেখানে শুরু হলে হাসপাতালে সমস্যা হতে পারে। যদিও কলকাতা হাইকোর্ট ব্যাঙ্কশাল আদালতের নির্দেশে কোনও বদল আনেনি।বরং কমান্ড হাসপাতালের আবেদনে আপাতত সাড়া দেয়নি হাইকোর্ট। তবে এব্যাপারে ইডিরও মতামত শুনবে উচ্চ আদালত। আগামী ৮ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। তখনই এব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে আদালত। সুতরাং, আপাতত প্রয়োজনে রেশন দুর্নীতিতে ধৃত প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীকে আলিপুরের কমান্ড হাসাপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করাতে পারবে ইডি।রেশন দুর্নীতি বন্টন মামলায় রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে গ্রেফতার করেছে ই ডি। এর আগে অসুস্থ হয়ে পড়ায় আদালতের নির্দেশে তাঁকে বাইপাসের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সোমবার রাতে হাসপাতাল থেকে তাকে সিজিও কমপ্লেক্সে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে আসে ইডি। আদালতের নির্দেশ মেনেই বুধবার কমান্ড হাসপাতালে তাঁর শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। এরপর বৃহস্পতিবার দুপুরে ই ডি দপ্তরে আসেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ব্যক্তিগত ডাক্তার।

নভেম্বর ০৩, ২০২৩
রাজ্য

রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলা: জ্যোতিপ্রিয়র মুখ বন্ধ, কালঘাম ছুটছে ইডির গোয়েন্দাদের

মুখে কুলুপ এঁটেছেন রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলায় ধৃত রাজ্যের বনমন্ত্রী তথা প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। একইসঙ্গে গোলমাল বেধেছে বালু ডাক নাম নিয়ে। সূত্রের খবর, ইডি আধিকারিকদের কোনও প্রশ্নেরই জবাব দিচ্ছেন না জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। মন্ত্রীর প্রাক্তন আপ্তসহায়ক অভিজিৎ দাসের ডায়েরির বালু নাম লেখার কথা বললেও নো রেসপন্স মন্ত্রীর।বাইপাসের ধারের বেসরকারি হাসপাতাল ছেড়ে দিতেই কাল রাতেই সিজি কমপ্লেক্সে রেশন বন্টন দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে নিয়ে আসে ইডি। সেখানে ৭ তলার ইডির নিজস্ব লক-আপ আছে। সেখানেই রাত কাটে মন্ত্রীর। জানা গিয়েছে, তাঁর শারীরিক অবস্থার কথা ভেবে এদিন মন্ত্রীর দুপুরের আহার ছিল সম্পূর্ণ নিরামিষ। মেনু তালিকায় ছিল অল্প ভাত, ডাল, দুটো ছোট ছোট রুটি, পাঁচমিশালী নিরামিষ সবজি।সূত্রের খবরর, জেরার সময় ছাড়া দিনের বেশির ভাগ সময় অন্য একটি ঘরে ছিলেন মমতা সরকারের অন্যতম অভিজ্ঞ মন্ত্রী। সারা দিনে একবার তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রশ্নের কোন উত্তর দিতে চাইছেন না জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা একের পর এক প্রশ্ন করলেও বালুববু যেন কিছুই শুনতে পাচ্ছেন না। প্রথম দিনের জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব মন্ত্রীর দিকে থেকে নীরবেই কাটে। এদিন ফের তলব করা হয়েছিল জ্যোতিপ্রিয়র প্রাক্তন আপ্তসহায়ক হাওড়ার বাসিন্দা অভিজিৎ দাসকে। এর আগে একযোগে তল্লাশির দিন তাঁর বাড়িতেও গিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। অভিজিতের কাছ থেকেই উদ্ধার হয়েছে মেরুন ডায়েরি। জানা গিয়েছে, ওই ডায়েরির লেনদেনের হিসাবে বালুদার নাম উল্লেখ রয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে এই বালু নাম নিয়েই। জ্যোতিপ্রিয়র প্রথম দফার মন্ত্রিত্বের সময় আপ্তসহায়ক ছিলেন অভিজিৎ। সূত্রের খবর, এই বালু কে? তা নিয়েও কোনও উত্তর দেননি মন্ত্রী। এদিনও দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে অভিজিতকে। এই মামলায় মন্রীর প্রাক্তন আপ্তসহায়ক অভিজিৎ দাস ও বর্তমানে দায়িত্বে থাকা নাগেরবাজারের বাসিন্দা অমিত দে তদন্তকারীদের কাছে তরুপের তাস।

অক্টোবর ৩১, ২০২৩
রাজ্য

রেশন বন্টন দুর্নীতি: জ্যোতিপ্রিয়র দুই আপ্তসহায়ককে টানা জিজ্ঞাসাবাদ ইডির

প্রাক্তন খাদ্য মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে কাবু করতে ইডির হাতে অস্ত্র মন্ত্রীরই দুই আপ্ত সহায়ক। প্রাক্তন আপ্তসহায়ক অভিজিৎ দাস ও বর্তমান অমিত দে, এই দুজন মন্ত্রী ঘনিষ্ঠকে লাগাতার জিজ্ঞাসাবাদ করে দুর্নীতির আঁতুরঘরে পৌঁছাতে চাইছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ইতিমধ্যে অভিজিতের বাড়ি থেকে ডায়রি উদ্বার করেছে ইডি। এই ডায়েরিতে লেনদেনের যাবতীয় তথ্য রয়েছে বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি অমিত দের মোবাইল থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে বলে সূত্রের খবর। শুক্রবার ভোর রাতে সল্টলেকের বাড়ি থেকে রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করা প্রাক্তন খাদ্য মন্ত্রী ও বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। বৃহস্পতিবার একইসঙ্গে ইডি হানা দেয় অভিজিৎ দাস ও অমিত দের বাড়িতে। বর্তমান আপ্তসহায়ক অমিত দে ওডিষার ভূবনেশ্বর থেকে তড়িঘড়ি উড়ানে কলকাতায় ফিরে আসেন। তারপর নাগেরবাজারে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি শুরু করে ইডির তদন্তকারীরা। পাশাপাশি অভিজিৎ দাসের হাওড়ার বাড়িতে হানা দেয় ইডি।সারদার মতো এখানেও ডায়েরির গল্প আছে। এখানেও রয়েছে রহস্য। এই হিসাবের ডায়েরি মিলেছে অভিজিৎ দাসের কাছ থেকে। ২০১১ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত জ্যোতিপ্রিয়র আপ্ত সহায়ক ছিলেন তিনি। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে যান তিনি। তাঁকে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টা নাগাদ বেরিয়ে যান অভিজিৎ। এখানে তার আগে সকাল ১০টা নাগাদ আসেন মন্ত্রীর বর্তমান আপ্তসহায়ক অমিত দে। অমিতের ফোন এখন ইডির হেফাজতে। ফোনে থাকা যাবতীয় নথি খতিয়ে দেখছে ইডি। এদিকে জ্যোতিপ্রিয়র ১৬ কোটি টাকার সম্পত্তির কথা আদালতে উল্লেখ করেছে ইডি। বাড়ি, বেআইনি সংস্থা তৈরি করে টাকা সরানোর কাজ হয়েছিল বলে সূত্রের খবর।

অক্টোবর ২৮, ২০২৩
রাজ্য

ইডির হাতে গ্রেফতার হতেই ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব আওড়ালেন জ্যোতিপ্রিয়, মন্ত্রীর নিশানায় কারা?

রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডি গ্রেফতার করেছে মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। পৃরায় ২০ ঘন্টার ওপর মন্ত্রীর বাড়িতে তল্লাশি চলেছে। গ্রেফতার হয়ে মন্ত্রী বলেন, গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হলাম আমি। পরে সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বের হওয়ার প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী বলেছেন, শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপির ষড়যন্ত্রের শিকার তিনি।বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ছটা থেকে সল্টলেক BC ২৪৪ ও ২৪৫ নম্বর বাড়িতে দীর্ঘ তল্লাশি অভিযান ও জিজ্ঞাসাবাদের প্রায় একুশ ঘন্টা পর জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে গ্রেপ্তার করে সল্টলেক এর বাড়ি থেকে সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতরে আনা হয়। শুক্রবার ভোর ৩.২২ মিনিট নাগাদ তাঁকে বাড়ি থেকে বের করা হয়। ৩.৩০ মিনিট নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দপ্তরে আনা হয়। রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক তথা বালুকে গ্রেফতার করেছে ইডি। আজ তাঁকে আদালতে তোলা হবে।যেন দুর্গাপুজো মেটার অপেক্ষা ছিল। একেবারে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী ও বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সল্টলেকের বাড়িতে বৃহস্পতিবার সাতসকালে ইডির তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। ঐডি হানা দিয়েছে মন্ত্রীর আপ্ত সহায়কের বাড়িতেও। রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় একযোগে ৯ জায়গায় ম্যারাথন তল্লাশি চালায় ইডির অফিসারদের।জানা গিয়েছে, রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় আগেই ধৃত বাকিবুর রহমানকে জেরায় মিলেছে চাঞ্চল্যকর একাধিক তথ্য। তারই ভিত্তিতে এবার রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সল্টলেকের বাড়িতে ইডির তল্লাশি।রেশন বণ্টন দুর্নীতি কাণ্ডে এর আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘনিষ্ঠ বাকিবুর রাহমনাকে। তদন্তে নেমে বাকিবুরের পাহাড় প্রমাণ সম্পত্তির খোঁজ পায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। এমনকী দুবাইয়েও তাঁর সম্পত্তির হদিশ মেলে। রয়েছে একাধিক হোটেল। বাকিবুর রহমানের প্রায় ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে বলে দাবি সূত্রের।

অক্টোবর ২৭, ২০২৩
রাজ্য

রেশন কাণ্ডে জ্যোতিপ্রিয়র বাড়িতে ইডির তল্লাশি, কড়া হুঁশিয়ারি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

বিজয়ার শুভেচ্ছার পালা চলছে বাংলায়। রেড রোডে পুজোর কার্নিভালের প্রস্তুতি তুঙ্গে। কিন্তু তার আগেই নিজের কালীঘাটের বাড়ি লাগোয়া দফতরে সাংবাদিক বৈঠকে মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়িতে ইডি তল্লাশি নিয়ে সোচ্চার হলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীদের টার্গেট করা হচ্ছে বলে দাবি করলেন তিনি।রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়িতে হানা দিয়েছে ইডি। তল্লাশি জারি রয়েছে। এই প্রসঙ্গেই বৃহস্পতিবার দুপুরে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী। সোচ্চার হলেন মোদী সরকারের বিরুদ্ধে।বনমন্ত্রীর বাড়িতে ইডির অভিযানকে ডার্টি গেম বলে সমালোচনা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি। এবার সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। পুজো সবে শেষ হয়েছে। জেলায় জেলায় আজ কার্নিভাল রয়েছে। সবাই বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। তার মধ্যেই মন্ত্রীদের বাড়িতে হানা দিতে নেমে পড়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। প্রত্যেকদিন আমাদের সব মন্ত্রীদের বাড়িতে গিয়ে তল্লাশি করছে। তাহলে সরকারটা বাকি থাকে কেন? এটা ডার্টি গেম। এ ভাবে মুখ বন্ধ করা যাবে না। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া কোনও তদন্ত ও তল্লাশি হতে পারে না। তাও গায়ের জোরে কেন্দ্র এটা করাচ্ছে। তল্লাশির নামে শাড়ি, সাজগোজের জিনিসের ছবি তুলছে। এটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পরিচয়। তাঁর প্রশ্ন কেন, একটাও বিজেপির ডাকাতের বাড়িতে তল্লাশি হচ্ছে না?এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের সিবিআই বা ইডি দিয়ে হেনস্থার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকী তাঁর পরিবারকেও নিশানা করা হচ্ছে বলেও সরকারি অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকেই সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। এবার মমতা বললেন, আমরা বিজেপির বিরুদ্ধে বলছি বলে এক একটা মন্ত্রীর বাড়িতে প্রত্যেকদিন তল্লাশি শুরু করেছে। তাঁদের স্ত্রী, বাচ্চা, বাড়ির লোকদেরও রেহাই দেওয়া হচ্ছে না। এটা কি প্রতিহিংসা নয়? আমি মনে করি এটা উদ্দেশ্য প্রণোদিত রাজনৈতিক প্রতিহিংসা।এরপরই জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের শারীরিক অবস্থার প্রসঙ্গ তুলে কড়া হুঁশিয়ারি দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, বালুর হাই ব্লাড সুগার রয়েছে। তল্লাশির সময় ও যদি মারা যায়, তাহলে আমরা বিজেপি ও ইডির বিরুদ্ধে এফআইআর করব।এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের প্রয়াত সাংসদ সুলতান আহমেদের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, সুলতান আহমেদের ঠিক এভাবেই মৃত্যু হয়েছিল। এজেন্সির নোটিস পাওয়ার পরই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান সুলতান দা। একই কারণে আমাদের সাংসদ ও প্রাক্তন ফুটবলার প্রসুন বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রীরও মৃত্যু হয়েছে। ওরা বাইরে এটা বলতে পারেননি।

অক্টোবর ২৬, ২০২৩
রাজ্য

রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলা: রাজ্যের প্রভাবশালী মন্ত্রীর বাড়িতে সাতসকালেই হানা ইডির

যেন দুর্গাপুজো মেটার অপেক্ষা ছিল। একেবারে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী ও বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সল্টলেকের বাড়িতে বৃহস্পতিবার সাতসকালে ইডির তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। ঐডি হানা দিয়েছে মন্ত্রীর আপ্ত সহায়কের বাড়িতেও। রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় একযোগে ৮ জায়গায় ম্যারাথন তল্লাশি চালাচ্ছে ইডির অফিসারদের। জানা গিয়েছে, রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় আগেই ধৃত বাকিবুর রহমানকে জেরায় মিলেছে চাঞ্চল্যকর একাধিক তথ্য। তারই ভিত্তিতে এবার রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সল্টলেকের বাড়িতে ইডির তল্লাশি। সূত্রের খবর, এই মুহূর্তে বাড়িতেই রয়েছেন মন্ত্রী।রেশন বণ্টন দুর্নীতি কাণ্ডে এর আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘনিষ্ঠ বাকিবুর রাহমনাকে। তদন্তে নেমে বাকিবুরের পাহাড় প্রমাণ সম্পত্তির খোঁজ পায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। এমনকী দুবাইয়েও তাঁর সম্পত্তির হদিশ মেলে। রয়েছে একাধিক হোটেল। বাকিবুর রহমানের প্রায় ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে বলে দাবি সূত্রের।তদন্তকারীদের অনুমান, বাকিবুরের মাধ্যমেই দুর্নীতির বিপুল পরিমাণ কালো টাকা সাদা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে রাজ্যের একাধিক প্রভাবশালীর যোগ রয়েছে বলেও সন্দেহ কেন্দ্রীয় সংস্থার। দফায়-দফায় বাকিবুর রাহমানকে জেরা করেও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে আসে তদন্তকারীদের হাতে।এদিকে, বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার মনে করেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়িতে অনেক আগেই কেন্দ্রীয় সংস্থার তল্লাশি হওয়া উচিত ছিল। তিনি এদিন বলেন, অনেক আগেই এই তল্লাশি হওয়া উচিত ছিল। বাকিবুর রহমান ধরা পড়েছে। তার কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি খুঁজে পাওয়া গেছে। এটা তো জানে সবাই, ওপেন সিক্রেট। এই সম্পত্তির মালিক আসলে কে। বাকিবুর একা এত সম্পত্তি কোথা থেকে পেল। কারও সাহায্য ছাড়া এত সম্পত্তি করল কোথা থেকে। একজন সাধারণ মানুষের দুবাইয়ে ব্যবসা, বাংলাদেশে ব্যবসা। কয়েকশো একর জমির কথা নাকি শোনা যাচ্ছে। এই টাকা তো অন্য কারও টাকা। সেই টাকা বাকিবুরের নামে আছে। শুধু রেড করে হবে না এদের জেলের ভিতরে ঢোকাতে হবে।

অক্টোবর ২৬, ২০২৩
কলকাতা

সিবিআইয়ের দিনভর তল্লাশি চেতলার বাড়িতে, ক্ষোভ উগরে দিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম

এর আগে নারদাকাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। রবিবার পুরনিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে সিবিআই ১০ ঘণ্টা তল্লাশি চালালো ফিরহাদের চেতলার বাড়িতে। সেই বাড়ি থেকে সিবিআই আধিকারিকরা চলে যেতেই ক্ষোভ উগরে দিলেন কলকাতা পুরসভার মেয়র। তিনি বলেন, এভাবে আমার সম্মানহানি করা হচ্ছে। আজ আমার ভাইয়ের শ্রাদ্ধ ছিল। সেখানে আমাকে যেতে দেওয়া হল না। কেন এভাবে আমাকে ও আমার পরিবারকে হেনস্তা করা হবে? রবিবার সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ ফিরহাদ হাকিমের চেতলার বাড়িতে আচমকা হানা দেন সিবিআইয়ের তদন্তকারীরা। সেই অভিযান ১০ ঘণ্টা পর শেষ হয় সন্ধে সাড়ে ৬টায়। তদন্তকারীরা বাড়ি ছাড়তেই ফিরহাদ মেয়ে প্রিয়দর্শিনী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন যে, তাঁদের ওপর, মানসিক নির্যাতন চলছে।মেয়র ফিরহাদ হাকিম স্ত্রী রুবি ও কন্যা প্রিয়দর্শিনীকে পাশে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন। সাংবাদিক বৈঠকে ফিরহাদ হাকিম অভিযোগ করেন, দীর্ঘ বছর ধরে চেতলার মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে আসছেন। তাঁরা আমাকে কাউন্সিলর বানিয়েছেন। বিধায়ক বানিয়েছেন। আজ অবধি কেউ বলতে পারেনি যে আমি দুর্নীতি করেছি। তার পরও কেন আমাকে এই ভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে? বিজেপিকে বলব, আমাকে জেলে রাখুন। কিন্তু, আমাকে এই ভাবে সম্মানহানি করবেন না। একটা অসভ্য, বর্বর দল। এদের কাছে মাথানত করব না।তাঁর বিরুদ্ধে নারদা মামলা প্রসঙ্গে ফিরহাদ বলেন, ওই একটা মামলাতেই আমি অভিযুক্ত। জেলেও গেছি। কিন্তু, জেলে না-গিয়ে অসুস্থ বলে হাসপাতালে শুয়ে থাকিনি। কিন্তু, ওই একই মামলায় তো শুভেন্দু অধিকারীও অভিযুক্ত। কোথায়, ওকে তো ডাকাই হল না? আমি ২৫ বছর ধরে কাউন্সিলর। কখনও দুর্নীতির সঙ্গে হাত মেলাইনি। বামফ্রন্ট আমলেও মার খেয়েছি। আমার বিরুদ্ধে মামলা পর্যন্ত হয়েছে। কিন্তু, এভাবে আমাকে কখনও হেনস্তা করা হয়নি। এদিন সিবিআই তল্লাশি চালায় প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্রের বাড়িতেও।

অক্টোবর ০৮, ২০২৩
রাজ্য

নকল বিলেতি মদের কারখানায় হানা আবগারি দপ্তরের

একেবারে বিলেতি মদের আসল লেবেল ও বোতল ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছিল নকল বিলেতি মদ। রীতিমতো ঘর ভাড়া করে অবৈধ কারখানা গড়ে উঠেছিল হরিরামপুরে। সেখান থেকেই রম রমিয়ে এলাকার বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যেত নকল বিলেতি মদ। হরিরামপুর, বংশীহারী, গঙ্গারামপুর, বালুরঘাট ,তপন, হিলি কুমারগঞ্জ সহ জেলার বিভিন্ন ব্লকে পৌঁছে যেত নকল এই বিলেতি মদ। গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে আবগারি দপ্তরের দুই দিনাজপুর সহ মালদা ও উত্তর দিনাজপুরের বিশেষ টিম নকল বিলেতি মদের কারখানায় হানা দেয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছেই চক্ষু চারকগাছ আবগারি দপ্তরের আধিকারিকদের। উদ্ধার হয় ৩৭৫ এমএলএর ম্যাকডয়েল নাম্বার ওয়ান লাক্সারি, ইম্পিরিয়াল ব্লু এর ২৬ বোতল সিলপ্যাক নকল মদ। এছাড়াও ২০০ লিটার স্পিরিট, নকল হলগ্রাম, লেবেল,স্টিকার নকল মদের বোতল কেমিক্যাল সহ অন্যান্য সামগ্রী। সমগ্র নকল মদ রেডি হলে এর বাজার মূল্য প্রায় ১১ লক্ষ টাকা।হরিরামপুর এর চোপা এলাকায় গড়ে ওঠা এই নকল বিলেতি মদের কারখানা থেকে মনোরঞ্জন বর্মন নামক বছর ৪৫ এর এক ব্যক্তিকে আটক করে আফগারি দপ্তর। যদিও আগেভাগেই ফেরার হয় মূল অভিযুক্ত সহ চক্রের অন্যান্য পান্ডারা।শনিবার নির্দিষ্ট ধারায় মামলার রুজু করে গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয় ধৃত ব্যক্তিকে। আফগারি দপ্তরের আধিকারিক সঞ্জীব সুপ্পা জানিয়েছেন এই ধরনের নকল বিলেতি মদ স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত হানিকারক। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। নকল বিলেতি মদ পশ্চিমবঙ্গ ছাড়িয়ে অন্যান্য রাজ্যে রপ্তানি হতো কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে আধিকারিকদের পক্ষ থেকে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৩
রাজ্য

কলকাতার কাছেই লক্ষ লক্ষ টাকার কোকেন সহ ভিন রাজ্যের ৩ সহ গ্রেফতার ৭

শুক্রবার সন্ধ্যায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের একটি দল গোপনে ইকোস্পেস দ্বীপে আলিয়া ইউনিভার্সিটি বাস-স্ট্যান্ডের কাছে সার্ভিস রোডের কাছে অপেক্ষা করছিল। এলাকাটি বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের টেকনোসিটি থানার অধীনে। কিছুক্ষণ পরে ছয় যুবক ঘটনাস্থলে আসে, চার চাকার আলট্রোজ টাটা গাড়িতে চারজন এবং একটি বাজাজ পালসার মোটর সাইকেলে দুজন এবং নিষিদ্ধ সামগ্রী নেওয়ার জন্য অন্য সপ্তম ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করে।জানা গিয়েছে, এসটিএফ সাতজনকে আটক করা হয় এবং তল্লাশির পর মোট ১৬৫ গ্রাম কোকেন বাজেয়াপ্ত করা হয়। পরে তাদের গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের মধ্যে দুজন উত্তর প্রদেশ ও একজন বিহারের বাসিন্দা। বাকিরা কলকাতা সংলগ্ন এলাকাতেই থাকে। আগ্রার রাহুল সিং ও অবিনাশ কুমার, বিহারের মধুবনীর অভিষেক ঠাকুর রয়েছে এই চক্রে। লেকটাউনের ঋষি সাগর ও সান্টি সিং, বাগুইআটির প্রফুল্ল কাননের রিকি দত্ত ও রাহুল দত্ত। ধৃতদের বয়স ১৯ থেকে ২৬ বছর। একমাত্র রাহুলের বয়স ৩৭.জানা গিয়েছে, সাতজনের মধ্যে অভিষেক ঠাকুর এবং রাহুল দত্ত একটি মোটর সাইকেলে ছিলেন যেখানে অন্য চারজন ঋষি সাগর, রাহুল সিং, রিকি দত্ত এবং সন্টি সিং একটি চার চাকার গাড়িতে আসছিলেন এবং চালানটি গ্রহণ করতে অবিনাশ কুমারের সাথে দেখা করেছিলেন। মোট ১৬৫ গ্রাম কোকেনসহ সাতজনকেই হাতেনাতে ধরা হয়। বাজেয়াপ্ত মাদকদ্রব্যের বাজারমূল্য আনুমানিক ৩৫ লাখ টাকা। ধৃতদের হাওড়া আদালতে পেশ করা হয়েছে। হাওড়ার এক এনডিপিএস মামলায় এই ধরপাকর বলে জানা গিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৩
রাজ্য

বিকাশ ভবনে সিবিআইয়ের হানা, মন্ত্রীর পাশের ঘরেই নথি পরীক্ষা

রাজ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে একের পর এক দুর্নীতির মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। শুক্রবার রাতে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা অভিযান চালাল সল্টলেকের বিকাশ ভবনে। সূত্রের খবর, গাড়ি থেকে নেমে সিবিআই অফিসাররা সোজা চলে যান ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে ওয়ার হাউসে। এই ওয়ার হাউস আগেই সিল করে দিয়েছিলেন সিবিআই কর্তারা। সেই সিল ঠিকমতো আছে কি না, তাঁরা খতিয়ে দেখেন। এরপর সিল খুলে ঢুকে পড়েন ওয়ার হাউসের ভিতরে। বেশ কিছু নথি সেই ওয়ার হাউস থেকে নিয়ে, তাঁরা ফের তা সিল করে দেন।এরপরই সিবিআই আধিকারিকরা সোজা চলে যান বিকাশ ভবনের পাঁচ তলায়। এখানেই রয়েছে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর ঘর। আর, তার পাশেই সচিবালয়। সেখানে হঠাৎ ঢুকে পড়েন সিবিআই আধিকারিকরা। সিবিআই কর্তারা রাজ্যের শিক্ষা দফতরের সচিবালয়ের একের পর এক কমপিউটার পরীক্ষা করেন। সেখান থেকে সংগ্রহ করেন নথি। জিজ্ঞাসাবাদ করেন রাজ্যের শিক্ষা দফতরের তিন জোন অপারেটরকে। দুজন সিবিআই আধিকারিককে নথিসহ বিকাশ ভবন থেকে বেরিয়ে আসেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শুধু সিবিআই পরিচয় দিয়ে তাঁরা টু শব্দটিও করেননি।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২২
রাজ্য

আয়কর হানা বর্ধমান শহরের চালকল গদিতে, বীরভূম যোগ?

একটি রাইসমিলের বর্ধমানের সিটি অফিসে আয়কর হানা।কার্জনগেটের পাশে একটি মলের দ্বোতলায় মা শান্তি এগ্রো প্রাইভেট লিমিটেডের অফিসে আয়কর বিভাগের আধিকারিকরা ঢুকে তল্লাশি চালাচ্ছে। এই রাইসমিলটি বীরভূমের রামপুরহাট চকপাড়ায় অবস্থিত। মালিকের নাম দিলীপ আগরওয়াল ও ললিত আগরওয়াল। কোম্পানির রেজিস্টার অফিস চকপাড়া, জেলা- বীরভূম, রামপুরহাট।তল্লাসী চলাকালীন স্থানীয় উৎসুক মানুষের ভীড় জমে যায়। বীরভূমের অফিস শুনে তাঁদের অনেককেই নিচুস্বরে বলতে শোনা যায়, অনুব্রত কেসের কোনও লিঙ্ক তো নয় এই রেড! যদিও তদন্তকারী অফিসারদের তরফে কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি।

ডিসেম্বর ১০, ২০২২
কলকাতা

গার্ডেনরিচের আমির তো যথার্থই 'আমির'!, বাড়ি থেকে উদ্ধার রাশি রাশি টাকা

সকাল থেকেই সকলের নজর ছিল ইডির তল্লাশির দিকে। সেই পার্থঘনিষ্ট অর্পিতার দুটি ফ্ল্যাট থেকে রেইড করতে গিয়ে টাকা গোনা দেখতে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে আমবাঙালী। শনিবারও তার থেকে কোনও ব্যতিক্রম হয়নি। শেষমেশ আমিরের বাড়িতে খাটের নীচ থেকে কুবেরের ধন উদ্ধার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সাড়ে ১৭কোটি টাকা নগদ পেয়েছে ইডির আধআকিরাকরা। ২হাজারস ৫শো, ২শো, একশো টাকার বান্ডিল বান্ডিল নোট উদ্ধার হয়েছে। দিনভর টাকা গুনতে ব্যবহার করা হয়েছে মোট ৮টি মেশিন। টাকা গুনতে সহযোগিতা করেছেন ব্যাংকের আধিকারিকরা। বাড়ি ঘিরেছিল কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী। মাছি না গলার মতো ছিল নিশ্চিদ্র নিরপাত্তা ব্যবস্থা। তবে আমির খানের তিনটে মোবাইলই বন্ধ পেয়েছে ইডি।এর আগে অর্পিতার উত্তর কলকাতার ফ্লাট থেকে প্রায় ৩০কোটি টাকা নগদ উদ্ধার করেছিল ইডি। সাম্প্রতিককালে টাকার পাহাড়ের উদ্ধারের সেই যাত্রা শুরু। তারপর অর্পিতারই বেলঘড়িয়ার ফ্লাট থেকে উদ্ধার ১৮কোটি টাকা। মালদার এক মাছ ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ১কোটি ৩৯ লক্ষ টাকা। এরইমধ্যে চিটফান্ড কাণ্ডে হালিশহরের পুরসভার চেয়ারম্যান রাজু সাহানীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ৮০কোটি টাকা। এবার গার্ডেনরিচে ব্যবসায়ী আমির খানের বাড়ি থেকে ১৭.৫০কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। টাকা নিয়ে যাওয়ার জন্য় 1১০টি ট্রাঙ্ক নিয়ে আসা হয়েছে। ৫টি ট্রাঙ্কে টাকা ভরা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, পার্কস্ট্রিট থানায় একটি মোবাইল গেম নিয়ে অভিযোগ হয়েছিল।এদিকে ইডি খোঁজ নিচ্ছে, এই টাকা আদতে কার। কারণ মোবাইল গেমের কথা বলা হলেও সেই টাকা তো ব্য়াংক অ্যাকাউন্টে লেনদেন হবে{ সেক্ষেত্রে অ্যাকাউন্ট লেনদেন পাওয়া খুব কঠিন নয়। এদিকে আমির খানের বাড়ির লোকজন তদন্তে কোনও সাহায্য করেনি বলে ইডির দাবি। কোথায় তিনি আছেন সে বিষয়েও কেউ মুখ খোলেনি।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

অনুব্রত মণ্ডল ও তার পরিবারের সম্পত্তির হদিশ পেতে বোলপুরে সাব রেজিস্ট্রারের অফিসে হানা দিল সিবিআইয়ের

অনুব্রত মণ্ডলের আরও এক ঘনিষ্ঠর হদিশ পেল সিবিআই। সেই সঙ্গে কিছু সম্পত্তিরও হদিশ পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই সমস্ত সম্পত্তি কোনওটা মেয়ের নামে কোনটা বা তাঁর মৃত স্ত্রীর নামে। আবার কোনও সম্পত্তি অনুব্রত মণ্ডল কন্যা সুকন্যার দুই কোম্পানির নামে রয়েছে বলে জানতে পেড়েছে তদন্তকারী সংস্থা। স্থানীয়দের দাবি ওই সমস্ত সম্পত্তি বছর চারেক আগে কেনা হয়েছে।এবার অনুব্রত মণ্ডল ও তার পরিবারের সম্পত্তির হদিশ পেতে বোলপুরে সাব রেজিস্ট্রারের অফিসে হানা দিল সিবিআই৷ অনুব্রত মণ্ডলের নামে ও বেনামে কত জমি কেনা হয়েছে, তা জানতেই রেজিস্ট্রি অফিসে অভিযান চালায় সিবিআই৷ গরু পাচারের টাকাতেই এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি কেনা হয়েছে কিনা তা জানতে এই অভিযান চালানো হয়েছে৷ সিবিআই-এর আধিকারিকরা রেজিস্ট্রি অফিসের কম্পিউটার এবং বিভিন্ন নথি খতিয়ে দেখছেন৷মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ শান্তিনিকেতন পূর্বপল্লী গেস্ট হাউস থেকে বোলপুরের নেতাজী মার্কেটের বীরভূম ডিস্ট্রিক্ট সাব রেজিস্ট্রি অফিসে যান সিবিআই আধিকারিকরা। প্রথমে দপ্তরে ঢুকে রেজিস্ট্রারের ঘরে যান সিবিআই আধিকারিকরা। সেখানে প্রথমে রুদ্ধদার বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। পরে দফতরের কর্মীদের পাশে রেখেই কম্পিউটারে সব নথি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এদিন ঐ অফিসের বসে তাঁদের নিজস্ব ল্যাপটপে সব তথ্য লিপিবদ্ধ করতে থাকেন গোয়েন্দারা। গোয়েন্দাদের একটি সূত্রে খবর, অনুব্রত এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের নামে কত জমি রয়েছে, সে সমস্ত তথ্য জানতেই এই অভিযান বলে সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে।সিবিআই সূত্রে খবর, জমি দফতরের এই অফিসে তথ্য তলাশ করে অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর একাধিক আত্মীয়ের নামে বহু সম্পত্তির রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। তেমনই তথ্য গত কয়েকদিনের তদন্তে সিবিআই আধিকারিকদের হাতে এসেছে বলে খবর। কার নামে, কোথায়, কত জমি, বাড়ি বা সংস্থা রয়েছে, তা জানতে এ দিন রেজিস্ট্রি অফসে হানা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা। রেজিস্ট্রি অফিসের সব কম্পিউটার খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা। সিবিআই সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে একাধিক নথি আধিকারিকরা পেয়েছেন। কাগজপত্র ছাড়াও অনলাইনে নথিভিক্ত জায়গাজমি সম্পর্কেও তথ্যতালাশ করছেন সিবিআই আধিকারিকরা।অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যার নামে একাধিক জমির খোঁজ মিলেছে বলে খবর। বোলপুরের জমি রেজিস্ট্রি অফিসে তল্লাশি চলাকালীন সুকন্যার নামে জমির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে বলে সিবিআইয়ের একটি সূত্রে দাবি করা হয়েছে। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, বোলপুরের বল্লভপুর এলাকায় ০.৬২ একর জমির সন্ধান মিলেছে সুকন্যার নামে। এছাড়াও বোলপুর বাইপাসে ইংরেজিতে সিএম এবং ব্যাকেটে মানা লেখা তিনটি সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। সম্পত্তি গুলি আড়াই থেকে ৫ বিঘার মধ্যে। সিবিআই আধিকারিকরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। পাশাপাশি, অনুব্রত-ঘনিষ্ঠদের নামেও কী পরিমাণে স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে তার খোঁজ চলছে বলেও সিবিআইয়ের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে।অনুব্রতের দেহরক্ষী সহেগল হোসেনের নামেও কোনও জমি আছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছে সিবিআই। সহেগল এখন সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন। পাশাপাশি বীরভূমের একাধিক চালকলের লিজের কাগজপত্রও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিবিআই সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সহেগল হোসেনের ঘনিষ্ঠ মাধব কৈবর্ত্যের নামেও কোনও জমিজমা আছে কি না সে সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। কিছু দিন আগে গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন এই মাধব। এছাড়া অনুব্রত ঘনিষ্ঠ আমোদপুরের তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য এবার সিবিআই নজরে এসেছে। কারণ ২০১৯ সালে অনুব্রত মণ্ডলের স্ত্রী যে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন সেই হাসপাতালে ৬৬ লক্ষ টাকা মিটিয়েছেন রাজীব ভট্টাচার্য। ওই টাকার উৎস কি তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। সিবিআই আমোদপুরে বেশ কয়েকটি রাইসমিল এবং কোম্পানির খোঁজ পেয়েছে। যার কয়েকটির ডিরেক্টর পদে রয়েছেন রাজীব ভট্টাচার্য। মোবাইল বন্ধ থাকায় রাজিব ভট্টাচার্যের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।প্রসঙ্গত, আগামিকাল তৃতীয় দফায় অনুব্রত মণ্ডলকে আদালতে পেশ করা হবে। গরু পাচার মামলায় এই মুহূর্তে সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। তারই মাঝে গত কয়েকদিনে বোলপুর এবং তার আশেপাশে একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছে সিবিআই। গরু পাচারের টাকায় কোথায়, কত সম্পত্তি রয়েছে অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর আত্মীয়দের নামে। এ বার সেই তথ্য জানতে বোলপুরে সাব রেজিস্ট্রারের অফিসে হানা দিল সিবিআই। শুরুটা হয়েছিল অনুব্রতর মেয়ের নামে থাকা রাইস মিল দিয়ে। মাঝে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ বোলপুর পৌরসভার গাড়ির খালাসি বিদ্যুৎবরণ গায়েনের বিপুল সম্পত্তির উৎস খুঁজতে তদন্ত শুরু করে সিবিআই। এর পর গতকাল বীরভূম জেলা সভাপতির দিদির নামে থাকা রাইস মিলে অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু নথি উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা।বীরভূম ডিস্ট্রিক্ট সাব রেজিস্ট্রি অফিসের হেড ক্লার্ক সামসের আলি বলেন, ২০০৮ সালের পর থেকে বিদ্যুৎবরণ গায়েনের নামে কোনও জমি কেনা হয়েছে কি না, তা খোঁজ নিয়ে দেখেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। দলিল সংক্রান্ত তথ্য এবং কোনও সম্পত্তি লিজ নেওয়া হয়েছে কি না সে সম্পর্কেও তথ্য নেয় ওরা। অনুব্রতের ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত বিদ্যুৎবরণ। রবিবার বোলপুরের কালিকাপুরের বাসিন্দা এই বিদ্যুৎবরণের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিলেন সিবিআই আধিকারিকরা। বোলপুর পুরসভার গ্রুপ ডি কর্মী তিনি। সামসের আলি আরও বলেন, রেজিস্ট্রি হওয়া যে দলিল আমাদের সিস্টেমে আছে তা আমরা দিলাম। ওরা যাদের নাম করে জমি সংক্রান্ত তথ্য চেয়েছেন সেই তালিকায় অনুব্রত মণ্ডলের নাম আছে।

আগস্ট ২৩, ২০২২
রাজ্য

অভিযানে ধরা পড়া আন্তঃরাজ্য গাঁজা কারবারী চক্রের তিন জনকে নিজেদের হেফাজতে নিল এসটিএফ

এসটিএফের অভিযানে রবিবার পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী থেকে ধরা পড়ে আন্তঃরাজ্য গাঁজা কারবারী চক্রের কিংপিন সহ পাঁচ জন। উদ্ধার হয় ট্রাকে লোড হয়ে মণিপুর থেকে পূর্বস্থলীতে আসা ৮২৪ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজা। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে এসটিএফের তদন্তকারী অফিসার সোমবার ধৃতদের পেশ করেন বর্ধমানের মাদক আদালতে।এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতরা হল কিংপিন হরেকৃষ্ণ বালা ওরফে মরণ, তাঁর ছেলে শুভঙ্কর বালা ওরফে শুভ, খাম্বি সিং, খোয়াই বাকপম বুম্বা সিং ও মতিলাল সিং। মরণ ও শুভঙ্করের বাড়ি পূর্বস্থলীর শিবতলা পাড়া এলাকায়। বাকি ধৃতদের মধ্যে খাম্বি সিং এর বাড়ি অসমের শান্তিপুর থানা এলাকায়, মণিপুরের বিষ্ণুপুরে বাড়ি খোয়াই বাকপমের। আর মণিপুরের কাওয়া থানা এলাকায় বাড়ি মতিলালের। জানা গিয়েছে, মণিপুরের বাসিন্দা দুইজন গাঁজাবাহী ট্রাকের চালক ও খালাসী। গাঁজার কারবারের বিষয়ে বিশদে জানতে এবং বাকি জড়িতদের হদিশ পেতে হরেকৃষ্ণ, শুভঙ্কর ও খাম্বিকে ১৪ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায় এসটিএফ। মাদক আদালতের বিচারক নন্দন দেব বর্মণ তিনজনকে১১ দিন এসটিএফ হেফাজত ও বাকিদের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন । এসটিএফের তরফে জানানো হয়েছে, পূর্বস্থলী দশঘড়িয়া শিবতলা পাড়ার হরেকৃষ্ণ বালা ওরফে মরণ ও তার ছেলে দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের প্রাসাদোপম বাড়িতে গাঁজা ও ড্রাগের কারবার চালাচ্ছিল। বাড়িতে কেউ নজরদারি চালাচ্ছে কিনা তা দেখার জন্য তাঁরা তাদের বাড়ির চারপাশ ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরায় মুড়ে রেখেছিল। বছর দুয়েক আগে হরেকৃষ্ণ শিলিগুড়িতে গাঁজা সহ ধরা পড়ে। এরপর ২০১৮ সালেও হরেকৃষ্ণ পূর্বস্থলী থানার হাতে গাঁজা সহ ধরা পড়ে। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরের শোধরায়নি হরেকৃষ্ণ। উল্টে তিনি তাঁর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে পুনরায় আন্তঃরাজ্য গাঁজার কারবার চালাচ্ছিলেন।ওড়িশা ও মণিপুর থেকে গাঁজা এনে তারা কলকাতা, বনগাঁ, নদিয়া সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় পাচার করতো। তাঁদের গাঁজা কারবারের সঙ্গে মণিপুর, ওড়িশা, কলকাতা ও বনগাঁর আরও কয়েকজন জড়িত রয়েছে বলেও এসটিএফ আধিকারিকরা জেনেছেন । এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, মণিপুর থেকে একটি ট্রাকে গাঁজা লোড হয়ে এই রাজ্যের নদীয়ার নবদ্বীপ নয়তো পূর্বস্থলীতে যাবে বলে এসটিএফের কাছে খবর পৌছায়। সেই খবর পেয়েই পূর্বস্থলীর সড়কপথে নজরদারি চালানো শুরু করে এসটিএফ। রবিবার ভোররাতে একটি ট্রাক মরণের বাড়ির কাছাকাছি রাস্তায় দাঁড়াতেই এসটিএফের গোয়েন্দারা ট্রাকটির কাছে চলে যান। ট্রাকটিকে দাঁড় করিয়ে তাঁরা তল্লাশি চালান। তল্লাশি চালাণোর সময়ে গোয়েন্দারা দেখেন ট্রাকের চালকের কেবিনের পিছনে বাঙ্কার বানিয়ে সেখানে থরে থরে গাঁজার প্যাকেট সাজিয়ে রাখা রয়েছে। বাঙ্কার কেটে গাঁজার প্যাকেট বের করা হয়। মোট ৮২৪ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজা উদ্দার হয় ।এরপরই ট্রাকের চালক ও খালাসী সহ অসম ও মণিপুরের তিন বাসিন্দাকে এসটিএফের গোয়েন্দারা আটক করেন । জিজ্ঞাসাবাদে তারা গাঁজার এই কারবারে হরেকৃষ্ণ ও শুভঙ্করের জড়িত থাকার কথা কবুল করেন এসটিএফের গোয়েন্দাদের কাছে। এর পরেই এসটিএফের গোয়েন্দারা গাঁজা কারবারে জড়িত পাঁচ জনকে পূর্বস্থলী থানায় ধরে নিয়ে যায়। ঘটনার সবিস্তার উল্লেখ করে এসটিএফ পূর্বস্থলী থানায় অভিযোগ দায়ের করে।পাঁচ জনকে গ্রেফতার করার পাশাপাশি মণিপুর থেকে গাঁজা আমদানি করা ট্রাক ও গাঁজা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানের হেরোইনের কারবারির ডেরায় ফের হানা এসটিএফের, উদ্ধার গোপন ডায়েরি

বর্ধমানের হেরোইনের কারবারির ডেরায় ফের বুধবার অভিযান চালালো এসটিএফ। গত ১০ জানুয়ারি স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) অভিযান চালিয়ে শহর বর্ধমানের উপকন্ঠে পাল্লা- শ্রীরামপুর এলাকায় নিষিদ্ধ মাদক দ্রব্য হেরোইন তৈরির কারখানার হদিশ পায়। অভিযানে উদ্ধার হয় ১৩ কেজি হেরোইন ও হেরোইন তৈরির উপকরণ সহ ২০ লক্ষাধিক টাকা এভং টাকা গোনার মেশিন। হেরোইন তৈরিতে যুক্ত থাকার অভিযোগে ওই দিনই এসটিএফ আধিকারিকরা বাবর মণ্ডল ও তাঁর ছেলে রাহুল মণ্ডলকে গ্রেফতার করে। বর্ধমানের বাড়িতে বসে বাবর ও তাঁর ছেলে রাহুল হেরোইন কারবারের জাল দেশের যেখানে যেখানে ছড়িয়েছেন তার শিকড়ে পৌছতো চাইছেন এসটিএফ আধিকারিকরা। ধৃত দুজনকে হেফাজতে নিয়ে তারই উৎস সন্ধানে এদিন ফের বর্ধমানে অভিযানে চালান এফটিএফ আধিকারিক দল। একটি দল হানা দেয় বাবর মণ্ডলের গোপাল নগরের বাড়িতে। সেখানে বাবর মণ্ডলের স্ত্রী সাবিনা মণ্ডল ও ছোট ছেলে রাজ মণ্ডলকে নিয়ে এসটিএফ আধিকারিকরা বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলেজ মোড় এহাকার বাড়িতে যায়। ঘন্টা খানেক ধরে বাবর মণ্ডলকে নিয়ে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালায় এসটিএফ। তখনই বাড়িতে থেকে বহু মূল্যের বেশ কয়েকটি জায়গার দলিল উদ্ধার হয়। এছাড়াও একটি নীল রঙের ডাইরী উদ্ধার হয়েছে।এসটিএফ আধিকারিকদের দাবি, কোথায় কাদের কাদের হেরোইন সরবরাহ হত বর্ধমান থেকে তার তথ্য ওই ডাইরি থেকে পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি বাড়িতে থাকা একটি বিলাসবহুল দামী চারচাকা গাড়িটিও এদিন এসটিএফ সিজ করে নিয়ে যায়। সঙ্গে বর্ধমান থানার পুলিশও থাকে । এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, হেরোইন কাণ্ডে এখনও পর্যন্ত মোট ৬ জন গ্রেফতার হয়েছে। তাঁদের মধ্যে উড়িষ্যা থেকে দুজন ও মনিপুর থেকে দুজনকে এসটিএফ গ্রেফতার করে।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
দেশ

IT Raid: কানপুরের ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধার নগদ ১৫০ কোটি টাকা, নোট গুনতে হিমশিম অবস্থা আয়কর আধিকারিকদের

পীযূষ জৈন নামে কানপুরের এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিয়ে ১৫০ কোটির নোট উদ্ধার করেছে আয়কর বিভাগ। একই সঙ্গে তল্লাশি চালানো হয়েছে তাঁর একাধিক সংস্থায়। কানপুরের আয়কর বিভাগ যে ছবি দিয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, আধিকারিকেরা মাটিতে নোটের স্তূপের মধ্যে বসে মেশিনের সাহায্যে টাকা গুনছেন।কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগেই আয়কর বিভাগের আধিকারিকেরা তল্লাশি চালাচ্ছিলেন। আধিকারিকেরা জানান, ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ভুয়ো ইনভয়েস দিয়ে জিনিস পাঠানো, ই-ওয়ে বিল ছাড়া জিনিস পাঠানোর অভিযোগ উঠেছিল। ভুয়ো সংস্থার নামেও ইনভয়েস তৈরি করার অভিযোগ ছিল। ৫০ হাজার টাকার ২০০টি এমন ভুয়ো ইনভয়েস পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ পীযূষের সংস্থার বিরুদ্ধে। অন্য ছবিতে দেখা যায়, পীযূষের বাড়ির আলমারি ভর্তি টাকা। যে নোট রাখা হয়েছে ছোটছোট বাক্সে। হলুদ টেপ দিয়ে যে বাক্সের মুখ বন্ধ করা। আয়কর দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে, শুক্রবার সকালে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৫০ কোটি টাকার নোট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে গণনা সম্পূর্ণ হয়নি। কানপুরের সঙ্গে মুম্বইয়েও পীযূষের অফিসে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।পীযূষের সুগন্ধী দ্রব্যের ব্যবসা। সেই সঙ্গে তাঁর কোল্ড স্টোর, পেট্রল পাম্পেরও ব্যবসা রয়েছে। মুম্বইয়ের একটি শো-রুমের মালিক তিনি। কানপুরে আয়কর দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে মুম্বইয়ের আধিকারিকেরাও যোগ দেন এই তল্লাশিতে।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২১
রাজ্য

Raids for Crackers: পূর্ব বর্ধমানে অভিযান চালিয়ে প্রচুর বাজি উদ্ধারের পাশাপাশি গ্রেপ্তার ৪

কালীপুজো ও দীপাবলিতে বাজি পোড়ানো ও বিক্রি রুখতে লাগাতার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। বৃহস্পতিবার জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ প্রচুর শব্দবাজি উদ্ধার করার পাশাপাশি ৪ জন বাজি বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার রাজ্যের সর্ব্বোচ্চ আদালত যে কোনও ধরণের বাজি বিক্রি ও পোড়ানো নিষিদ্ধ করছে। শুধুমাত্র প্রদীপ অথবা মোমবাতি জ্বেলে দীপাবলি পালন করায়ছাড় দিয়েছে আদালত। আদালতের সেই নির্দেশ কার্যকর করতে শুক্রবার অভিযান আরও জোরদার করলো পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলার মেমারি থানার পুলিশ মেমারির গৌরীপুরের একটি বাজি কারখানায় হানা দিয়ে দুটি বস্তায় মজুত করে রাখা ৫০ কেজি শব্দ ও আতসবাজি উদ্ধার করেছে।এছাড়াও ওই কারখানা থেকে ৫০ কেজির বেশি বাজি তৈরির উপকরণও পেয়েছে। উদ্ধার হওয়া সবকিছু বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি পুলিশ অবৈধভাবে বাজি তৈরির অভিযোগে ওই কারখানার মালিক বাদল মুর্মুকে গ্রেপ্তার করেছে। একই দিনে শক্তিগড় থানার পুলিশ একটি দোকানে হানা দিয়ে ৫ কেজি শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত করেছে। নিষিদ্ধ বাজি বিক্রির অভিযোগে পুলিশ জগন্নাথ খাঁ ও বনমালি হালদার নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়াও জেলার মাধবডিহি থানার পুলিম বৃহস্পতিবার রাতে বিনোদপুর এলাকার নিতাই মণ্ডলের বাড়িতে হানা দিয়ে ২ কেজি লঙ্কা বাজি, ১০টি গাছ বাজি, ২৫০টি শব্দবাজি ও ১৫টি তুবড়ি বাজি উদ্ধার করেছে। পুলিশের দাবি, বাজি বিক্রি সংক্রান্ত বৈধ কোনও নথিপত্র ধৃতদের কেউই দেখাতে না পারার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ শুক্রবার ধৃতদের পেশ করে বর্ধমান আদালতে। জামিনযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হওয়ায় সিজেএম যদিও ধৃত সকলের জামিন মঞ্জুর করেন।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Madhuchakra: গলসির হোটেলে মধুচক্রের আসরে পুলিশের হানা, গ্রেপ্তার ৪ যুবতী ২ যুবক

হোটেলে চলা মধুচক্রের আসরে হানা দিয়ে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে ৪ জন যুবতী ও ২ জন যুবক রয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার পুলিশ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কুলগড়িয়ার খানা জংশন বিএড কলেজের কাছের একটি হোটেলে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। ধৃতরা গলসির পারাজ, উত্তর ২৪ পরগণার মিনাখাঁ, মেমারির বৈদ্যডাঙা ও বর্ধমান থানার পালিতপুর এলাকার বাসিন্দা। এই ঘটনার কথা জেনে ওই হোটেল বন্ধ করে দেওয়ার দাবি করেছেন গলসির বাসিন্দারা।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসপুলিশ জানিয়েছে, কুলগড়িয়ার খানা জংশন বিএড কলেজের কাছে একটি হোটেলে মধুচক্রের আসর বসেছিল। সেই খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে হানা দিয়ে ৪ যুবতী ও ২ যুবকে ধরে ফেলে। ঘটনার বিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার ৬ ধৃতকেই পেশ করে বর্ধমান আদালতে। সিজেএম যুবতীদের জামিন মঞ্জুর করলেও যুবকদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে আগামী সোমবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।

আগস্ট ১১, ২০২১
দেশ

Dainik Bhaskar: কর ফাঁকির অভিযোগে 'দৈনিক ভাস্কর'-এ আয়কর হানা

ফের গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের চেষ্টা। এবার একটু অন্যরকমভাবে। কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে দৈনিক সংবাদপত্র দৈনিক ভাস্কর-এর একাধিক অফিসে হানা দিলেন আয়কর দপ্তরের আধিকারিকরা। বৃহস্পতিবার দিল্লি, মধ্যপ্রদেশের ভোপাল, রাজস্থানের জয়পুর, গুজরাতের আমদাবাদ-সহ পত্রিকার বেশ কয়েকটি অফিসে হানা দিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিশানা করলেন তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন। টুইট করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।The attack on journalists media houses is yet another BRUTAL attempt to stifle democracy.#DainikBhaskar bravely reported the way @narendramodi ji mishandled the entire #COVID crisis and led the country to its most horrifying days amid a raging pandemic. (1/2) Mamata Banerjee (@MamataOfficial) July 22, 2021প্রসঙ্গত, কোভিড দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময়ে দেশ জুড়ে চরম অব্যবস্থা নিয়ে লাগাতার লেখালেখি চলেছিল দৈনিক ভাস্কর-এ। বিরোধীদের দাবি, সরকারি তরফে সে সময়ে যা যা দাবি করা হয়েছিল, সেই সব দাবিকে খণ্ডন করে সত্য তুলে ধরার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিল এই সংবাদপত্র। তার জেরে সরকারের অস্বস্তি বেড়েছিল বলে দাবি তাঁদের। দৈনিক ভাস্করের অফিসে আয়কর দপ্তরের হানা দেওয়া প্রসঙ্গে টুইটারে মমতা লেখেন, দেশের সাংবাদিক এবং সংবাদমাধ্যমগুলির উপর আক্রমণ গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধেরই প্রচেষ্টা। অতিমারি পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ব্যর্থতাই তুলে ধরেছিল দৈনিক ভাস্কর। পরে আরও একটি টুইটে তিনি লেখেন, যারা সত্য তুলে ধরছে, তাদের মুখ বন্ধ করার এই প্রচেষ্টার তীব্র নিন্দা করছি। মিডিয়ার সঙ্গে যুক্তদের বলব, আপনারা শক্ত থাকুন। আমরা একসঙ্গে থাকলে স্বৈরাচারি শক্তি কোনও দিনই জিততে পারবে না।

জুলাই ২২, ২০২১
কলকাতা

কয়লাকাণ্ডে হাইকোর্টে ধাক্কা রাজ্যের

কয়লা পাচার কাণ্ডে তল্লাশি চালাতে গেলে লাগবে না রাজ্যের অনুমতি। সিবিআইকে বড়সড় স্বস্তি দিয়ে সাফ জানাল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালত আরও জানিয়েছে, অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালা-সহ অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চালাতে পারবে সিবিআই। ২৩ মার্চের মধ্যে সব পক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। ২৭ তারিখ মামলার পরবর্তী শুনানি।গত সোমবার সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। কয়েকদিন আগে কয়লা পাচার কাণ্ডে রাজ্যের সহযোগিতা নিয়ে তল্লাশি চালাতে হবে বলে সিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। আর এতেই আপত্তি ছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটির।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মমতার হারের পর তৃণমূলে নতুন সমীকরণ! বিধানসভায় বড় দায়িত্ব পেলেন কারা?

পনেরো বছর পর পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা হারিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ফলে এবার বিধানসভায় বিরোধী আসনে বসতে হবে তৃণমূলকে। আর সেই কারণেই বিরোধী দলনেতা কে হবেন, তা নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জোর জল্পনা চলছিল রাজনৈতিক মহলে।অবশেষে শনিবার সেই জল্পনার অবসান ঘটাল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্ষীয়ান নেতা ও বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ই হচ্ছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা।একই সঙ্গে বিধানসভায় তৃণমূলের পরিষদীয় দলের চিফ হুইপ করা হয়েছে ফিরহাদ হাকিমকে। এছাড়াও ডেপুটি বিরোধী দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্র।ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস মোট ৮০টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজ্যে সরকার গঠন করেছে। ভবানীপুর কেন্দ্রেও শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকেই প্রশ্ন উঠছিল, বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে।ফল ঘোষণার পর তৃণমূল বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও সেই বৈঠকে কোনও নাম ঘোষণা করা হয়নি। অবশেষে শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধী দলনেতার নাম ঘোষণা করল দল।রাজনৈতিক মহলের মতে, অভিজ্ঞতা ও দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কাজের কারণেই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের উপর ভরসা রেখেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। আগামী দিনে বিধানসভায় বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তৃণমূলের মুখ হিসেবেই দেখা যাবে তাঁকে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

“আমার বাড়ির ইন্টারনেটও কেটে দিয়েছে”, বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার

বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করে চলেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গণনাকেন্দ্রে তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলে আগেই অভিযোগ করেছিলেন তিনি। এবার রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন কালীঘাটের অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে নতুন অভিযোগ তুললেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর দাবি, বাড়ির ইন্টারনেট সংযোগও কেটে দেওয়া হয়েছে।শনিবার কালীঘাটে রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সেই মঞ্চ থেকেই তিনি বলেন, বিজেপি জেতার রাত থেকেই তাঁর নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। মমতার কথায়, ওরা যেদিন জিতেছে, সেই রাত থেকেই আমাদের সব নিরাপত্তারক্ষী তুলে নিয়েছে। তার পর দেখলাম ফোন আসছে না, মেসেজ ঢুকছে না। পরে বুঝলাম আমার বাড়ির ইন্টারনেটও কেটে দেওয়া হয়েছে। অন্তত এক ঘণ্টা আগে জানাতে পারত। তবে আমি ওদের দয়া চাই না। কারণ লড়াইটা আমরাই জিতেছি।এর আগেও গণনার দিন গুরুতর অভিযোগ করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি দাবি করেছিলেন, গণনাকেন্দ্রে ঢোকার সময় তাঁকে বাধা দেওয়া হয় এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁকে মারধর করেন। তাঁর অভিযোগ, আমি এগিয়ে ছিলাম। তার পর বিজেপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কাউন্টিং সেন্টারে ঢুকে চাপ সৃষ্টি করতে শুরু করে। আমাকে ধাক্কা দেওয়া হয়, লাঠি মারা হয়। তখন সিসিটিভিও বন্ধ ছিল।মমতার এই ধারাবাহিক অভিযোগ ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপি অবশ্য এই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। তবে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ইতিহাসে হাত শুভেন্দুর! নতুন বিতর্কে সরগরম বাংলা

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার দিনই পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার ব্রিগেড ময়দানে শপথ গ্রহণের কয়েক ঘণ্টা পর ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাসভবনে যান তিনি। সেখানে শ্রদ্ধা জানানোর পরই পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে বড় ইঙ্গিত দেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস ১৯৪৭ সালের ২০ জুন হওয়া উচিত। তাঁর দাবি, ওই দিন বাংলাভাগের সিদ্ধান্ত হয়েছিল বলেই পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হিসেবে গড়ে উঠেছিল। তিনি জানান, এই বিষয়টি মন্ত্রিসভা এবং বিধানসভায় তোলা হবে। শুভেন্দুর কথায়, ইতিহাস বদলে দেওয়া যায় না। ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় না থাকলে আমাদের অবস্থাও বাংলাদেশে থাকা সংখ্যালঘু হিন্দুদের মতো হতে পারত।১৯৪৭ সালের ২০ জুন অবিভক্ত বাংলার আইনসভায় বাংলাভাগের প্রস্তাব ওঠে। ভোটাভুটিতে বাংলাভাগের পক্ষে মত পড়ে। তার ফলেই পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হয় এবং পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয়। এই ঘটনাকেই সামনে রেখে বিজেপি দীর্ঘদিন ধরেই ২০ জুনকে পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে পালনের দাবি জানিয়ে এসেছে। কেন্দ্রীয় সরকারও এই দিনটিকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে পালন করে। লোকভবনেও প্রতি বছর ২০ জুন অনুষ্ঠান হয়।তবে তৎকালীন তৃণমূল সরকার এই সিদ্ধান্ত মানতে চায়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে রাজ্য বিধানসভায় পয়লা বৈশাখকে বাংলা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাশ হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তের পর থেকেই দুই তারিখ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছিল। এবার রাজ্যে সরকার বদলের পর নতুন করে সেই বিতর্ক আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত মিলল শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যে।রাজনৈতিক মহলের মতে, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম দিনেই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভাবনাকে সামনে এনে শুভেন্দু স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা দিলেন। আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে।মেটা বর্ণনা: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পয়লা বৈশাখের বদলে ২০ জুনকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস করার কথা বলতেই শুরু তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

বিজেপিকে ঠেকাতে বাম-অতিবামদের ডাক মমতার! কালীঘাট থেকে বড় বার্তা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর

একসময় তৃণমূলকে হারাতে সব বিরোধী শক্তিকে একজোট হওয়ার ডাক দিত বিজেপি। এবার বাংলায় ক্ষমতার পালাবদলের পর একই বার্তা শোনা গেল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। বিজেপিকে রুখতে বাম, অতিবাম-সহ সব বিরোধী রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে আসার আহ্বান জানালেন তিনি।শনিবার রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে কালীঘাটে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দোলা সেন, ফিরহাদ হাকিম, কুণাল ঘোষ-সহ তৃণমূলের একাধিক নেতা। সেই অনুষ্ঠান থেকেই বিরোধী ঐক্যের বার্তা দেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।মমতা বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আমি আবেদন জানাচ্ছি, বিজেপির বিরুদ্ধে যারা লড়াই করছে তারা সবাই একজোট হোন। ছাত্র, যুব, রাজনৈতিক সংগঠন সবাই এক প্ল্যাটফর্মে আসুন। বাম, অতিবামদের নিয়েও আমার কোনও আপত্তি নেই। আমার কোনও ইগো নেই। বিজেপিকে রুখতে হলে সবাইকে একসঙ্গে লড়তে হবে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বড় জয়ের পরই রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করেছে। দীর্ঘদিন একক শক্তিতে লড়াই করা তৃণমূল এখন বুঝতে পারছে যে বিজেপির বিরুদ্ধে বৃহত্তর বিরোধী জোট গড়া জরুরি। সেই কারণেই বাম ও অতিবাম দলগুলিকেও পাশে চাওয়ার বার্তা দিলেন মমতা।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বামের ভোটের বড় অংশ বিজেপির দিকে যাওয়াই এবারের নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে। সেই কারণেই বাম ভোটব্যাঙ্ককে ফের একত্রিত করার চেষ্টা শুরু করেছে তৃণমূল। একই সঙ্গে বিজেপি বিরোধী সব শক্তিকে এক ছাতার তলায় আনার বার্তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন মমতা।তবে মমতার এই আহ্বান নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগে ঠিক করুন তিনি বিরোধী রাজনীতি করবেন কি না। বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যের কথা যখনই উঠেছে, তখনই তিনি ভাঙনের রাজনীতি করেছেন। তাই এখন তাঁর কথায় কতটা বিশ্বাস করা যায়, সেটাই প্রশ্ন।অন্যদিকে সিপিএমএল নেতা দীপঙ্কর ভট্টাচার্য বলেন, বাংলার বর্তমান পরিস্থিতিতে বিজেপির বিরুদ্ধে সব গণতান্ত্রিক শক্তিকেই রাস্তায় নামতে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর মতো আন্দোলন করুন, আমরাও করব।বাংলার রাজনীতিতে এই মুহূর্তে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দেখছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। বিজেপির উত্থানের পর বিরোধী শক্তিগুলির মধ্যে নতুন করে জোট রাজনীতির আলোচনা শুরু হওয়ায় রাজ্যের রাজনীতি আরও উত্তপ্ত হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

২০২০-র সেই সিদ্ধান্তই বদলে দিল বাংলার রাজনীতি, আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বর, শনিবার। মেদিনীপুরের কলেজ মাঠে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই দিনটি রাজ্য রাজনীতিতে বড় চমক তৈরি করেছিল। ঠিক সাড়ে পাঁচ বছর পর আবারও এক শনিবার বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকল। শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী।দুই শনিবারের এই রাজনৈতিক যাত্রা এখন শুভেন্দুর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সময় থেকেই তাঁর লক্ষ্য ছিল বাংলায় বিজেপিকে ক্ষমতায় আনা। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে হাতে খুব বেশি সময় পাননি তিনি। সেই নির্বাচনে বিজেপি ৭৭টি আসনে জয় পেলেও পরে একাধিক বিধায়ক দলবদল করেন। তৃণমূলে ফিরে যান মুকুল রায়ও।কিন্তু তারপরও থেমে থাকেননি শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতা হিসেবে বিধানসভার ভিতরে এবং বাইরে লাগাতার তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালিয়ে গিয়েছেন। বিজেপি কর্মীদের মনোবল বাড়াতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ছুটে গিয়েছেন তিনি।শুভেন্দু বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রামে তিনি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেছিলেন। শুধু তাই নয়, ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগেও ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, শুভেন্দু বুঝেছিলেন, ভবানীপুরে তৃণমূল নেত্রীকে চাপে রাখতে পারলে তার প্রভাব গোটা রাজ্যে পড়বে।শেষ পর্যন্ত সেই কৌশলই সফল হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। পরপর দুবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্বাচনে হারিয়ে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু। আর সেই সাফল্যের পর বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পদে তাঁর নামই সবচেয়ে জোরালো হয়ে ওঠে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংগঠন শক্তিশালী করা থেকে শুরু করে বিজেপির ভোটব্যাঙ্ককে ধরে রাখাসব ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাই শেষ পর্যন্ত বাংলার মসনদে তাঁর বসা অনেকটাই প্রত্যাশিত ছিল।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দুর শপথ মঞ্চে নজর কাড়লেন এই প্রবীণ নেতা, জানেন তাঁর পরিচয়?

রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ইতিহাস গড়ল বিজেপি। বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে ওঠে ব্রিগেড ময়দান।তবে শপথ অনুষ্ঠানের মাঝে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়েন ৯৭ বছরের প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকার। শিলিগুড়ির এই প্রবীণ নেতাকে মঞ্চে বিশেষ সম্মান জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে জড়িয়ে ধরেন প্রধানমন্ত্রী এবং শাল পরিয়ে সম্মান জানান। সেই মুহূর্ত ঘিরে আবেগ ছড়িয়ে পড়ে গোটা মঞ্চে।মাখনলাল সরকার দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। তাঁকে শিলিগুড়িতে বিজেপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবেও ধরা হয়। বিজেপি বরাবরই বাংলায় নিজেদের রাজনৈতিক লড়াইকে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শের সঙ্গে যুক্ত করে এসেছে। ফল ঘোষণার দিনও বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে তাঁর মূর্তিতে মাল্যদান করেছিলেন।এদিন মাখনলাল সরকারকে নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দেশের সংবিধান এবং অখণ্ডতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আর সেই সময়ের অন্যতম সাক্ষী ছিলেন মাখনলাল সরকার। ৯৭ বছর বয়সেও তিনি দলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন বলে তাঁকে বিশেষ সম্মান জানানো হয়েছে।জানা গিয়েছে, স্বাধীনতার পর জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে প্রথম সারি থেকেই যুক্ত ছিলেন মাখনলাল সরকার। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে ভারতীয় তেরঙ্গা উত্তোলনের আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে অংশ নেওয়ার সময় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।১৯৮০ সালে বিজেপি গঠনের পর পশ্চিম দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং জেলার সাংগঠনিক দায়িত্বও সামলান তিনি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হাজার হাজার সদস্যকে বিজেপিতে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে দাবি দলের।শমীক ভট্টাচার্য আরও জানান, একসময় দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। আদালতে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি রাজি হননি। উল্টে বিচারকের সামনেই সেই গান আবার গেয়েছিলেন। পরে বিচারক তাঁকে বাড়ি ফেরার জন্য প্রথম শ্রেণির টিকিট এবং যাত্রার খরচ হিসেবে টাকা দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন শমীক।ব্রিগেডের শপথ মঞ্চে মাখনলাল সরকারকে ঘিরে এই আবেগঘন মুহূর্ত এখন রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডের মঞ্চে আবেগঘন মুহূর্ত! মোদির আলিঙ্গনে উঠে এলেন ৯৭ বছরের প্রবীণ নেতা

রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ইতিহাস তৈরি করল বিজেপি। বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে ওঠে গোটা ব্রিগেড।তবে শপথ অনুষ্ঠানের মাঝে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়লেন ৯৭ বছরের প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকার। শিলিগুড়ির এই প্রবীণ নেতাকে মঞ্চে বিশেষ সম্মান জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে জড়িয়ে ধরেন প্রধানমন্ত্রী এবং শাল পরিয়ে সম্মান জানান। সেই মুহূর্ত ঘিরে আবেগ ছড়িয়ে পড়ে ব্রিগেডের মঞ্চে।মাখনলাল সরকার দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। তাঁকে শিলিগুড়িতে বিজেপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবেও ধরা হয়। বিজেপি সূত্রে দাবি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের শেষযাত্রার সঙ্গীও ছিলেন তিনি।এদিন মাখনলাল সরকারকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দেশের সংবিধান এবং অখণ্ডতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আর সেই ঐতিহাসিক সময়ের সাক্ষী ছিলেন মাখনলাল সরকার। ৯৭ বছর বয়সেও তিনি দলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন বলে তাঁকে সম্মান জানানো হয়।জানা গিয়েছে, স্বাধীনতার পর জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে প্রথম সারি থেকেই যুক্ত ছিলেন মাখনলাল সরকার। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে ভারতীয় তেরঙ্গা উত্তোলনের আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে অংশ নেওয়ার সময় তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল।পরে বিজেপি গঠনের পর পশ্চিম দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং জেলায় সংগঠন শক্তিশালী করার দায়িত্ব পান তিনি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হাজার হাজার সদস্য সংগঠনে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে দাবি বিজেপির।শমীক ভট্টাচার্য আরও জানান, একসময় দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। আদালতে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি রাজি হননি। উল্টে বিচারকের সামনেই সেই গান আবার গেয়েছিলেন। পরে বিচারক তাঁকে বাড়ি ফেরার জন্য প্রথম শ্রেণির টিকিট এবং যাত্রার খরচ দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন শমীক।ব্রিগেডের শপথ মঞ্চে মাখনলাল সরকারকে ঘিরে এই আবেগঘন মুহূর্ত এখন রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

রাজ্য়ের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু! সঙ্গে ছিলেন আরও পাঁচ মন্ত্রী

পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। শুক্রবার নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠকে তাঁকেই পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়ায় শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন শুভেন্দু।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতেই বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকেই সর্বসম্মতিক্রমে শুভেন্দু অধিকারীর নাম চূড়ান্ত করা হয়। বিজেপি সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রী পদে শুভেন্দু ছাড়া দ্বিতীয় কোনও নাম প্রস্তাবই করা হয়নি। যদিও বিধায়কদের অন্য নাম প্রস্তাব করার জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান অমিত শাহ।শুভেন্দুর নাম ঘোষণা হওয়ার পর তাঁকে পদ্মফুল তুলে সংবর্ধনা দেন অমিত শাহ। বৈঠকে উপস্থিত বিজেপি বিধায়কদের মধ্যেও তখন উচ্ছ্বাস দেখা যায়।২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে রাজনৈতিক চমক তৈরি করেছিলেন তিনি। যদিও সেই সময় রাজ্যে সরকার গড়তে পারেনি বিজেপি।তবে এবারের নির্বাচনে আবারও বড় জয় পান শুভেন্দু। নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন তিনি। এরপর থেকেই বিজেপির অন্দরে মুখ্যমন্ত্রী পদে তাঁর নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল।রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপির এই ঐতিহাসিক জয়ের পিছনে শুভেন্দুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দীর্ঘদিন রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা এবং সংগঠনের উপর দখলও তাঁর পক্ষে গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নামেই সিলমোহর দিল বিজেপি নেতৃত্ব।

মে ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal