• ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩, রবিবার ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Rahul Gandhi

দেশ

ছররা গুলির ঘটনায় এফআইআর চেয়ে থানার সামনে রাহুল, কয়েক ঘণ্টার নাটকীয়তার পর বড় মোড়

রাজধানী দিল্লিতে ছররা গুলি চালানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করে শুক্রবার নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হল। আহত এক যুবককে সঙ্গে নিয়ে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় হাজির হন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। তাঁর দাবি ছিল, গত ২০ জুলাই ছাত্রদের সংসদ চলো অভিযানের সময় র্যাফের ছররা গুলি চালানোর ঘটনায় এফআইআর দায়ের করতে হবে।শুক্রবার সকালে আহত যুবক সাহিল লোচাবকে সঙ্গে নিয়ে থানায় পৌঁছন রাহুল। আচমকা তাঁকে থানায় দেখে আধিকারিকদের মধ্যেও চাঞ্চল্য ছড়ায়। রাহুলের অভিযোগ, ছাত্র আন্দোলনের সময় ছররা গুলি চালানো হয়েছিল। সেই ঘটনায় কার নির্দেশে গুলি চালানো হয়েছিল, তা তদন্ত করে প্রকাশ্যে আনার দাবি দীর্ঘদিন ধরেই জানিয়ে আসছেন তিনি।থানায় গিয়ে এফআইআর দায়ের করার দাবি জানান রাহুল। অভিযোগ, প্রথমে পুলিশ এফআইআর দায়ের করতে রাজি হয়নি। এর পর থানার বাইরে আহত যুবককে সঙ্গে নিয়ে ধর্নায় বসে পড়েন কংগ্রেস সাংসদ। তাঁর বক্তব্য ছিল, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের না হওয়া পর্যন্ত তিনি ধর্না চালিয়ে যাবেন।এই ঘটনার সূত্রপাত গত ২০ জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে। ওই দিন সংসদ অভিযানের সময় র্যাফের ছররা গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। প্রথমে দিল্লি পুলিশ ছররা গুলি চালানোর ঘটনা অস্বীকার করেছিল বলে অভিযোগ। পরে কেন্দ্রীয় রিজ়ার্ভ পুলিশ বাহিনীর তদন্তে ছররা গুলি ব্যবহারের তথ্য উঠে আসে বলে দাবি করা হয়েছে।এর পর থেকেই রাহুল গান্ধী প্রশ্ন তুলছিলেন, আন্দোলনকারী ছাত্রদের উপর ছররা গুলি চালানোর নির্দেশ কে দিয়েছিল। তাঁর দাবি, এই ঘটনার প্রকৃত সত্য সামনে আসা প্রয়োজন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।এ দিন পুলিশ রাহুলকে জানায়, বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট ইতিমধ্যেই উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে। কিন্তু তাতেও নিজের দাবিতে অনড় থাকেন রাহুল। তিনি জানান, ছাত্রদের পাশে তাঁরা রয়েছেন এবং ন্যায়বিচারের দাবি থেকে পিছিয়ে যাবেন না।দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টা থানার সামনে ধর্না চলার পর অবশেষে সাহিল লোচাবের অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর দায়ের করা হয়। ফলে ছররা গুলি চালানোর অভিযোগ নিয়ে দিল্লিতে তৈরি হওয়া টানাপড়েনে আপাতত নতুন মোড় এল।

আগস্ট ২১, ২০২৬
দেশ

রাহুলকে ডেকেও সাড়া মেলেনি! বিস্ফোরক অভিযোগে মুখ খুললেন সোনম ওয়াংচুক

রাহুল গান্ধীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু কোনও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। দীর্ঘ অনশনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন পরিবেশকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। শুধু রাহুল গান্ধী নন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিও রক্ষা করা হয়নি বলে দাবি করেছেন তিনি। সেই কারণেই এখন সব রাজনৈতিক নেতার উপর থেকে তাঁর আস্থা উঠে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন সোনম।নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কারের দাবিতে যন্তর মন্তরে টানা ছাব্বিশ দিন অনশন করেছিলেন সোনম ওয়াংচুক। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলী চেয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতে অনশন ভাঙতে। সেই উদ্দেশ্যে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনও ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি। সোনমের কথায়, তাঁর স্ত্রীর কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না। তিনি শুধু চেয়েছিলেন রাহুল এসে অনশন ভাঙান। কিন্তু তা হয়নি।অনশন শেষ হওয়ার সময়ের ঘটনাও সামনে এনেছেন সোনম। তাঁর দাবি, তিনি চেয়েছিলেন শাসক ও বিরোধী শিবিরের পাশাপাশি ছাত্র প্রতিনিধিরাও সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকুন। সেই সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং মধ্যরাতে তাঁর সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, আনুষ্ঠানিকভাবে অনশন শেষ করার ঘোষণার পরেই বৈঠকের ছবি প্রকাশ করা হবে। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি। আগেভাগেই ছবি প্রকাশ্যে চলে আসে। এই ঘটনায় তিনি গভীরভাবে হতাশ হন।সোনম ওয়াংচুক বলেন, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের এই অভিজ্ঞতা অত্যন্ত হতাশাজনক। তাঁর কথায়, এখন তিনি কোনও রাজনৈতিক নেতার উপরই আর ভরসা করতে পারেন না।মধ্যরাতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে যে রাজনৈতিক সমঝোতার অভিযোগ উঠেছিল, তা-ও খারিজ করেছেন সোনম। তাঁর বক্তব্য, যদি রাজনৈতিক সমঝোতাই উদ্দেশ্য হত, তাহলে ছাব্বিশ দিন অনশন করার কোনও প্রয়োজন ছিল না। ব্যক্তিগত সুবিধা নয়, শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এবং ছাত্রদের স্বার্থেই তিনি আন্দোলনে নেমেছিলেন। তাঁর দাবি, গোটা আন্দোলন শান্তিপূর্ণ ছিল এবং তার লক্ষ্য ছিল শুধুমাত্র জনস্বার্থ।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
দেশ

ছাত্র আন্দোলনের পর নতুন রাজনৈতিক ঝড়! অমিত শাহকে কড়া চিঠি রাহুলের, কী লিখলেন?

ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। শনিবার তিনি পদ ছাড়ার পর রাজনৈতিক বিতর্ক নতুন মোড় নিয়েছে। রবিবার সকালে নিজের সমাজমাধ্যমে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে লেখা একটি চিঠি প্রকাশ করেন রাহুল গান্ধী। চিঠিতে তিনি বিশে জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনের সময় প্রতিবাদকারীদের উপর বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুলে একাধিক প্রশ্ন করেছেন।রাহুল গান্ধীর দাবি, নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে সংসদ অভিযানের সময় শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীদের উপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করা হয়। তাঁর অভিযোগ, কয়েক জন আন্দোলনকারী আহত হন এবং চিকিৎসার নথিতেও আঘাতের উল্লেখ রয়েছে। যদিও দিল্লি পুলিশ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ঘটনার তদন্তও চলছে।চিঠিতে রাহুল গান্ধী অমিত শাহের কাছে দুটি প্রশ্ন তোলেন। প্রথমত, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ছররা ব্যবহারের অনুমতি কে দিয়েছিল? দ্বিতীয়ত, সাধারণ পোশাকে যাঁরা আন্দোলনকারীদের মারধর করছিলেন, তাঁরা কারা এবং তাঁদের দায়িত্ব কে দিয়েছিল? তাঁর দাবি, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব ছিল।এর আগে এক আহত আন্দোলনকারীকে সংবাদমাধ্যমের সামনে এনে রাহুল দাবি করেছিলেন, তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সেই ঘটনার উল্লেখ করেই এবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি।অন্যদিকে, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগকে স্বাগত জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর বক্তব্য, দেশের স্বার্থ এবং ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ যে কোনও রাজনৈতিক পদের চেয়ে বড়। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, কিছু দেশবিরোধী শক্তি ছাত্র আন্দোলনকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছিল। তবে রাহুল গান্ধী সেই বক্তব্যের বিরোধিতা করে কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ফলে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার পরও এই ইস্যুতে রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।

জুলাই ২৬, ২০২৬
দেশ

নিট প্রশ্নফাঁসে দিল্লি অবরুদ্ধ! রাহুলের মিছিলে ব্যারিকেড, বন্ধ ইন্টারনেট

নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে উত্তেজনা আরও বাড়ল। আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের সমর্থনে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ইন্ডিয়া জোটের নেতারা গান্ধী স্মৃতিস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। কংগ্রেস ও অন্যান্য বিরোধী দলের সাংসদরা তিনটি বাসে করে সেখানে পৌঁছনোর চেষ্টা করেন।পুলিশ আগেই ওই এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়। পথে একাধিক ব্যারিকেড বসানো হয়, যাতে মিছিল এগোতে না পারে। রাহুল গান্ধী জানান, নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়াতেই এই পদযাত্রা। তিনি বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের দাবিতে বিরোধীরা একজোট হয়েছে।এর আগে বিকেলে রাহুল গান্ধীর বাসভবনে ইন্ডিয়া জোটের নেতাদের বৈঠক হয়। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, আন্দোলনকারীদের সমর্থনে গান্ধী স্মৃতিস্থলে গিয়ে প্রতিবাদ জানানো হবে।অন্যদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে যন্তর মন্তর ও তার আশপাশের এলাকায় ইন্টারনেট ও মোবাইল পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কনৌট প্লেস এলাকায় জারি করা হয়েছে ১৬৩ ধারা। পাঁচজন বা তার বেশি মানুষের জমায়েতের উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়েছে। পড়ুয়াদের আন্দোলনের প্রতি বিরোধী শিবিরের এই প্রকাশ্য সমর্থন রাজধানীর রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিল।

জুলাই ২৩, ২০২৬
দেশ

কঠোর পরিশ্রমের পরও চাকরির স্বপ্ন ভাঙছে প্রশ্নফাঁসে! পরীক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের দাবি রাহুল গান্ধী'র

দিনে ১০ ঘণ্টা বা তারও বেশি পড়াশোনা, টানা পাঁচ বছরের প্রস্তুতি, কোচিং ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে প্রায় ৯ লক্ষ টাকা ব্যয়তারপরও সরকারি চাকরির সম্ভাবনা মাত্র ১৫০ জনে একজনের। অথচ সেই ক্ষীণ সুযোগও বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা শ্রী রাহুল গান্ধী।উত্তরাখন্ডের দেরাদুনে রাহুল বলেন, দেশে ইতিমধ্যেই অন্তত ১৫২টি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা সামনে এসেছে, যার ফলে প্রায় ৭.৫ কোটি পরীক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। আরও কত প্রশ্নফাঁস ধরা পড়েনি, সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছে। অভিযোগ, বিভিন্ন পরীক্ষার জন্য নির্দিষ্ট রেট কার্ড পর্যন্ত তৈরি হয়েছে, অথচ দোষীদের বিরুদ্ধে কার্যকর শাস্তি বা দৃষ্টান্তমূলক সাজা প্রায় নেই বললেই চলে।দেরাদুনে রাহুল আরও বলেন, বর্তমান পরীক্ষা ব্যবস্থাকে দখল হয়ে যাওয়া একটি কাঠামো হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, পরিশ্রমী ও মেধাবী পরীক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ রক্ষায় এখনই বড় ধরনের সংস্কার জরুরি।এক্ষেত্রে একটি একবিংশ শতাব্দীর উপযোগী শিক্ষা ও পরীক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বলেছেনকঠোর পরিশ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন হবে,পরীক্ষা হবে সম্পূর্ণ ছাত্রকেন্দ্রিক,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো হবে স্বাধীন ও জবাবদিহিমূলক,এবং প্রশ্নফাঁসসহ পরীক্ষায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে থাকবে কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা।প্রশ্নফাঁসের পুনরাবৃত্তি এবং পরীক্ষার্থীদের ক্ষোভের প্রেক্ষিতে রাহুলের বক্তব্য ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। বহু শিক্ষার্থী ও অভিভাবক স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং নিরাপদ পরীক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবিতে সরব হয়েছেন।

জুলাই ১৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটে ভরাডুবির পর রাহুল-মমতার দীর্ঘ ফোনালাপ! ৬ জুনের বৈঠক ঘিরে বাড়ছে জল্পনা

সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই বিরোধী শিবিরে শুরু হয়েছে নতুন করে জোর আলোচনা। একাধিক রাজ্যে শরিক দলগুলির খারাপ ফলের পর আগামী ৬ জুন ইন্ডিয়া জোটের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। সেই বৈঠকের আগে বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর মধ্যে দীর্ঘ ফোনালাপ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈঠকের আগে জোটের ভবিষ্যৎ এবং আগামী রাজনৈতিক কৌশল নিয়েই আলোচনা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও যোগ দিতে পারেন। ফলে বৈঠকের গুরুত্ব আরও বেড়ে গিয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।নির্বাচনের ফলাফলে একাধিক বিরোধী দলের অবস্থান দুর্বল হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা হারিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। কেরলেও বড় ধাক্কা খেয়েছে বাম শিবির। অন্যদিকে তামিলনাড়ুতে ক্ষমতায় আসতে পারেনি ডিএমকে। এই পরিস্থিতিতে জোটের ভবিষ্যৎ, রাজনৈতিক অবস্থান এবং বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের রূপরেখা নিয়েই আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শুধুমাত্র বিজেপি বিরোধিতা নয়, বরং নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব ধরে রাখার কৌশলও এখন বিরোধী দলগুলির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। তাই ৬ জুনের বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।বিশেষ করে তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে জোটের অন্দরে অস্বস্তি বাড়ছে। নির্বাচনে একসঙ্গে লড়াই করলেও ফল প্রকাশের পর কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এর ফলে ডিএমকে এবং কংগ্রেসের সম্পর্কেও টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। একই সঙ্গে কেরলে ক্ষমতা হারানোর পর সিপিএম ভবিষ্যতে কী অবস্থান নেয়, সেদিকেও নজর রয়েছে।সব মিলিয়ে ৬ জুনের বৈঠককে ইন্ডিয়া জোটের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ওই বৈঠকের পর বিরোধী শিবিরের আগামী রাজনৈতিক রণকৌশল এবং জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেকটাই স্পষ্ট ছবি সামনে আসতে পারে।

মে ৩০, ২০২৬
রাজ্য

“শেষে রাহুলের কাছেই হাতজোড় করতে হবে!” মমতাকে নিয়ে বিস্ফোরক অধীর

রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন প্রদেশ কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তাঁর দাবি, একসময় বাম শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে যাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এখন তিনিই রাজনৈতিক সংকটে পড়ে সকলকে পাশে চাওয়ার চেষ্টা করছেন।অধীর চৌধুরী বলেন, বামেদের সরানোর সময় উনি নকশালদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেছিলেন। পরে কিষানজিকে হত্যা করা হয়। এখন দিদি নিজেই বিপদে পড়েছেন। তাই সবাইকে ডাকছেন। তাঁর কটাক্ষ, আগামী দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাহুল গান্ধীর কাছেও হাতজোড় করতে হতে পারে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েও কটাক্ষ করেছেন অধীর। তিনি বলেন, বিকেল চারটে থেকে ছটার মধ্যে ওঁর বাড়িতে কারা দেখা করতে যাচ্ছেন, সেটা দেখতে চাই। যদি কেউ যান, তাহলে বোঝা যাবে বাংলার মানুষ এখনও তাঁকে আন্দোলনের নেত্রী হিসেবে মানছেন কি না।এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়েও আক্রমণ শানান অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, শুনছি খোকাবাবুর বাড়ি এখন দর্শনীয় জায়গা হয়ে গেছে। মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো হওয়ার সুবাদে কত ক্ষমতা পাওয়া যায় এবং সেই ক্ষমতায় কেমন বাড়ি তৈরি হয়, তা দেখতে মানুষ ভিড় করছেন। এখানেই থামেননি অধীর। তাঁর মন্তব্য, খোকাবাবুর বাড়ি যেমন মিউজিয়াম হয়েছে, দিদির বাড়িও খুব শীঘ্রই মিউজিয়াম হয়ে যাবে।জাতীয় রাজনীতির ভবিষ্যৎ সমীকরণ নিয়েও মন্তব্য করেছেন অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, দিদি আগামী দিনে কী করবেন, সেটা দেখার অপেক্ষায় আছি। তবে এটা নিশ্চিত, শেষ পর্যন্ত রাহুল গান্ধীর কাছেই তাঁকে যেতে হবে।প্রসঙ্গত, শনিবার কালীঘাটের বাড়িতে রবীন্দ্র জয়ন্তীর অনুষ্ঠানের পর বিজেপিকে রুখতে বিরোধী জোট গঠনের বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, সব বিরোধী রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে আসতে হবে। বাম এবং অতিবাম দলগুলিকেও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। মমতা স্পষ্ট বলেন, বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হলে সবাইকে একসঙ্গে থাকতে হবে।যদিও তৃণমূল নেত্রীর এই বার্তায় এখনও ইতিবাচক সাড়া দেয়নি বামেরা। আপাতত তারা একাই লড়াই করার অবস্থানে রয়েছে। এর মধ্যেই অধীর চৌধুরীর এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। তবে এই বিষয়ে এখনও তৃণমূলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মে ১০, ২০২৬
রাজ্য

‘বাংলায় গুন্ডারাজ’—কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় বিস্ফোরক রাহুল গান্ধী

আসানসোলে কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ল। এই ঘটনায় শাসকদলকে আক্রমণ করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি অভিযোগ করেছেন, বাংলায় গুন্ডারাজ চলছে এবং ভয় দেখানো, মারধর ও খুন এখন শাসক দলের চরিত্রে পরিণত হয়েছে। সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে তিনি দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি মৃতের পরিবারের নিরাপত্তা ও আর্থিক সাহায্যের কথাও বলেছেন।মৃত কংগ্রেস কর্মী দেবদীপ চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের অভিযোগ, ভোট পরবর্তী হিংসার জেরেই এই মৃত্যু। তাঁদের দাবি, রাতে বাড়ি ফেরার সময় কিছু দুষ্কৃতী তাঁর গাড়ি ঘিরে ধরে মারধর করে, যার জেরেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।তবে এই ঘটনায় রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং প্রাথমিকভাবে এটি ব্যক্তিগত বিবাদের ফল বলেই মনে করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া রিপোর্টেও পুলিশ জানিয়েছে, এর সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক দলের সরাসরি যোগের প্রমাণ মেলেনি।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বাড়ি ফেরার পথে একটি জায়গায় গাড়ি দাঁড় করানো নিয়ে কয়েকজন যুবকের সঙ্গে দেবদীপের বচসা হয়। অভিযোগ, সেই সময় তাঁকে মারধর করা হয়। পরে অন্য একটি জায়গাতেও তাঁর সঙ্গে ঝামেলা বাধে এবং অভিযুক্তরা তাঁকে অনুসরণ করে। শেষ পর্যন্ত তাঁর বাড়ির সামনে তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। সেখানেই তিনি অচৈতন্য হয়ে পড়ে যান।পরিবারের সদস্যরা প্রথমে মনে করেছিলেন তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং নজরদারি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২৬
রাজ্য

এক মঞ্চে মোদি-মমতা নিশানায়! শ্রীরামপুরে রাহুলের বিস্ফোরক আক্রমণ

রাজ্যে ভোট প্রচারে এসে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। হুগলির শ্রীরামপুরে শনিবারের সভা থেকে তিনি দুর্নীতির ইস্যুতে একসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন। তাঁর দাবি, বাংলায় বিজেপির উত্থানের জন্য তৃণমূলও দায়ী।সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল বলেন, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার যেমন দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তেমনই বাংলার তৃণমূল সরকারও দুর্নীতিতে জড়িয়ে রয়েছে। তাঁর কথায়, নরেন্দ্র মোদি যেমন হিংসার রাজনীতি করেন, তৃণমূলও বাংলায় একই কাজ করছে। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।নিজের বিরুদ্ধে থাকা মামলার প্রসঙ্গ তুলে রাহুল বলেন, তিনি বর্তমানে জামিনে রয়েছেন এবং তাঁর লোকসভার সদস্যপদ কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং নিয়মিত হাজিরা দিতে হচ্ছে। তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে জেরা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এরপর তিনি প্রশ্ন তোলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কত মামলা হয়েছে এবং তাঁকে কতবার জেরা করা হয়েছে।তৃণমূল বিজেপির সঙ্গে সরাসরি লড়াই করে না বলেও অভিযোগ করেন রাহুল। তাঁর দাবি, কংগ্রেসই নীতির ভিত্তিতে লড়াই করছে এবং সঙ্ঘের বিরুদ্ধেও তারা লড়ছে।সভায় তিনি আবারও সারদা ও রোজভ্যালি চিটফান্ড কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ তোলেন। তাঁর অভিযোগ, এই সব ঘটনায় সাধারণ মানুষের টাকা লুট হয়েছে। পাশাপাশি শিল্পক্ষেত্রের অবনতি নিয়েও রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেন তিনি। রাহুলের দাবি, একসময় বাংলা ছিল শিল্পের কেন্দ্র, কিন্তু এখন সেই জায়গা হারিয়েছে এবং বহু কারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

এক মঞ্চে দুই দলকে নিশানা! তৃণমূলই বিজেপির রাস্তা খুলছে—রাহুলের তীব্র আক্রমণ

রায়গঞ্জে নির্বাচনী প্রচারে এসে কড়া ভাষায় বিজেপি এবং তৃণমূল কংগ্রেসদুই দলকেই আক্রমণ করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যদি দুর্নীতিগ্রস্ত হন, তাহলে তৃণমূলও কোনও অংশে কম নয়। সারদা চিটফান্ড থেকে শুরু করে আরজি কর কাণ্ডএকাধিক ইস্যু তুলে ধরে তিনি তৃণমূলকে নিশানা করেন।রায়গঞ্জ কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী মোহিত সেনগুপ্তর সমর্থনে সভা করতে এসে রাহুল বলেন, তৃণমূলই আসলে বাংলায় বিজেপির প্রবেশের পথ তৈরি করে দিচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, তৃণমূল যদি সঠিকভাবে কাজ করত, তাহলে বিজেপি এই রাজ্যে শক্তি বাড়াতে পারত না।সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রথমেই তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আক্রমণ করেন। রাহুলের দাবি, মোদী তাঁর চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারেন না। একই সঙ্গে তিনি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসও বাংলার মানুষের জন্য কাজ করছে না। তাঁর অভিযোগ, মোদী যেমন দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত, তেমনই তৃণমূলও নানা দুর্নীতিতে জড়িত। সারদা চিটফান্ডের প্রসঙ্গও তিনি তুলে ধরেন।শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, কয়লা কেলেঙ্কারি-সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে আক্রমণ করে রাহুল বলেন, রাজ্যে হিংসার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তৃণমূল পাঁচ লক্ষ চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে তা পূরণ হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, প্রায় চুরাশি লক্ষ মানুষ বেকার ভাতার জন্য আবেদন করেছেন।রাহুল আরও বলেন, এক সময় বাংলা শিল্পের জন্য পরিচিত ছিল। কিন্তু সিপিএমের পর তৃণমূল ক্ষমতায় এসে শিল্প পুরোপুরি নষ্ট করে দিয়েছে। আরজি কর ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাও তিনি উল্লেখ করেন তাঁর বক্তব্যে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল যা খুশি তাই করছে এবং বিরোধীদের উপর হামলা চালাচ্ছে। কংগ্রেস কর্মী তপন কুণ্ডুকে খুন করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।শেষে রাহুল বলেন, কংগ্রেস হিংসার বিরুদ্ধে এবং সত্য ও অহিংসার পথেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়।

এপ্রিল ১৪, ২০২৬
দেশ

সীমান্ত ইস্যুতে রাহুলকে কড়া বার্তা! “পড়াশোনা করুন আগে”, বিস্ফোরক রিজিজু

দেশের জাতীয় সুরক্ষা নিয়ে রাজনীতি করছেন রাহুল গান্ধী, এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। চিন সীমান্ত সফরের মধ্যেই তিনি বলেন, সীমান্ত সংক্রান্ত বিষয়ে রাহুলের যথেষ্ট জ্ঞান নেই। এই বিষয়ে তাঁর আরও পড়াশোনা করা উচিত।সোমবার অরুণাচল প্রদেশের বুমলা সীমান্তে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রিজিজু। সেখান থেকেই তিনি লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-কে তীব্র কটাক্ষ করেন। তাঁর বক্তব্য, যে বই এখনও প্রকাশই হয়নি, তা নিয়ে এত আলোচনা কেন? জাতীয় সুরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে খুব সতর্কভাবে কথা বলা উচিত। এই ইস্যুকে রাজনৈতিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা ঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সম্প্রতি লোকসভায় প্রাক্তন সেনাপ্রধান এম এম নারাভানে-এর অপ্রকাশিত আত্মজীবনী থেকে কিছু অংশ উদ্ধৃত করে কেন্দ্রকে আক্রমণ করেছিলেন রাহুল। সেই বইয়ের নাম Four Stars of Destiny। একটি ম্যাগাজিনে প্রকাশিত অংশে দাবি করা হয়, ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখে চিনা সেনা ট্যাঙ্ক নিয়ে কৈলাস রেঞ্জের দিকে এগোচ্ছিল। সেনাপ্রধান বিষয়টি জানানোর পরেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নাকি দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। এই অংশ তুলে ধরেই গালওয়ান সংঘাত প্রসঙ্গে কেন্দ্রকে নিশানা করেন রাহুল।রিজিজুর অভিযোগ, সংসদে এই ধরনের মন্তব্য করে শুধু অযথা বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। এতে কোনও বাস্তব সমাধান হয় না। তিনি বলেন, সীমান্ত নিয়ে রাহুল কিছুই জানেন না বলেই এমন মন্তব্য করছেন। তাঁর মতে, সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন।লোকসভায় রাহুলের বক্তব্যের সময় স্পিকার তাঁকে বাধা দেন বলেও জানা যায়। গালওয়ান সংঘাত ও চিন সীমান্ত পরিস্থিতি ঘিরে কেন্দ্র ও বিরোধীদের মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক সংঘাত তীব্র হয়েছে। জাতীয় সুরক্ষা ইস্যুতে এই বাকযুদ্ধ আগামী দিনে আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
দেশ

সংসদে দেশবিরোধী মন্তব্য? রাহুলের পদ বাতিল চেয়ে বড় পদক্ষেপ বিজেপির

অপরাধমূলক মানহানির মামলায় আগে একবার রাহুল গান্ধীর সাংসদ পদ বাতিল হয়েছিল। পরে আদালতের নির্দেশে তিনি সেই পদ ফিরে পান। এবার ফের তাঁর সাংসদ পদ বাতিলের দাবি তুলল বিজেপি। বৃহস্পতিবার বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে জানিয়েছেন, তিনি লোকসভায় রাহুলের বিরুদ্ধে একটি সাবস্ট্যান্টিভ মোশন জমা দিয়েছেন।নিশিকান্ত দুবের অভিযোগ, রাহুল গান্ধী সংসদে দাঁড়িয়ে ধারাবাহিকভাবে দেশবিরোধী ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করছেন। তাঁর বক্তব্যে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও দাবি বিজেপি সাংসদের। দুবে বলেন, আমি লোকসভায় রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে প্রস্তাব জমা দিয়েছি। জর্জ সোরসের মতো দেশবিরোধী শক্তির মদতে এই সদন থেকে গোটা দেশকে বিভ্রান্ত করেছেন তিনি। সবটাই দেশের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশে। আমার দাবি, রাহুলের সাংসদ পদ বাতিল করা হোক এবং তাঁকে আজীবন নির্বাচনে লড়তে না দেওয়া হোক। তাঁর দাবি, এই প্রস্তাব নিয়ে লোকসভায় আলোচনা হওয়া উচিত।বাজেট অধিবেশন শুরু হওয়ার পর থেকেই কেন্দ্রীয় সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করছেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। প্রথমে প্রাক্তন সেনাপ্রধানের অপ্রকাশিত আত্মজীবনী নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। পরে ভারত-মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি নিয়েও সরকারের সমালোচনা করেন। লোকসভায় দাঁড়িয়ে রাহুল বলেন, আপনারা ভারতকে বিক্রি করে দিয়েছেন, আপনাদের লজ্জা হয় না? আপনারা ভারত মাতাকে বিক্রি করেছেন। আপনারা আমেরিকার কাছে সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ করেছেন। ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা আমেরিকার হাতে তুলে দিয়েছেন। কৃষকদের স্বার্থের সঙ্গে আপস করেছেন।রাহুল আরও দাবি করেন, যদি ইন্ডিয়া জোট সরকার আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা করত, তাহলে তারা ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বলত ভারতকে সমান মর্যাদা দিতে হবে। পাশাপাশি প্রাক্তন সেনাপ্রধান নারাভানের বইয়ের প্রসঙ্গ তুলেও তিনি সরকারকে আক্রমণ করে চলেছেন।রাহুলের এই বক্তব্যের পর থেকেই বিজেপির একাংশ ক্ষুব্ধ। তাদের অভিযোগ, সংসদে দাঁড়িয়ে ভিত্তিহীন মন্তব্য করছেন বিরোধী দলনেতা। কেউ কেউ তাঁর বিরুদ্ধে প্রিভিলেজ মোশন আনার কথাও বলেন। তবে নিশিকান্ত দুবে সরাসরি রাহুলের সাংসদ পদ বাতিলের দাবি তুলে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছেন।এখন দেখার, লোকসভায় এই প্রস্তাব নিয়ে আদৌ আলোচনা হয় কি না এবং এই বিতর্ক কোন দিকে গড়ায়।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় সাময়িক স্বস্তি সনিয়া-রাহুলের, ইডির চার্জশিট খারিজ

ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় আপাতত সাময়িক স্বস্তি পেলেন কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধী। তবে এই স্বস্তিকে পুরোপুরি স্বস্তি বলা যাচ্ছে না। মঙ্গলবার দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে আইনগত ধারার জটিলতার কারণে সনিয়া ও রাহুল-সহ পাঁচ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ইডির চার্জশিট গ্রহণ করা হয়নি। ফলে আপাতত তাঁদের বিরুদ্ধে এই মামলায় কোনও পদক্ষেপ এগোয়নি।সম্প্রতি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় চার্জশিট দাখিল করেছিল। কিন্তু মঙ্গলবার সেই চার্জশিট খারিজ করে দেন রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের বিশেষ বেঞ্চের বিচারক বিশাল গোগনে। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, ইডি এই মামলায় অর্থপাচার প্রতিরোধ আইন বা পিএমএলএ ধারায় চার্জশিট জমা দিয়েছে। অথচ ন্যাশনাল হেরাল্ড সংক্রান্ত অভিযোগ মূলত ব্যক্তিগত লেনদেনের বিষয়। সেই কারণে এই মামলায় পিএমএলএ ধারার প্রয়োগ আইনসম্মত নয় বলে মনে করেছে আদালত।আদালতের এই পর্যবেক্ষণে সন্তুষ্ট নয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে যেতে পারে ইডি। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, শীঘ্রই এই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নিতে পারে তারা।এদিন আদালতে কংগ্রেসের পক্ষে সওয়াল করেন সাংসদ ও প্রবীণ আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। তিনি বলেন, এই মামলায় এক টাকাও নয়ছয় হয়নি। তাই এখানে অর্থপাচার আইনের কোনও জায়গা নেই। তাঁর দাবি, শুরু থেকেই এই মামলায় ভুল ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।উল্লেখ্য, জওহরলাল নেহরুর হাতে প্রতিষ্ঠিত ন্যাশনাল হেরাল্ড সংবাদপত্র নিয়ে প্রথম দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে ২০১৩ সালে, মনমোহন সিংহের আমলে। পরে ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বিষয়টি নতুন করে সামনে আসে। বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী এই ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করেন। সেই মামলাকেই কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক ও আইনি টানাপড়েন চলছে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
দেশ

বিহারে লালুর ‘দুর্গ’ ভেঙে চুরমার! ভোটে আরজেডির সর্বনাশ কেন?

বিহার ম্যয় যাব তাক রহেগা আলু, তাব তক রহেগা লালুএক সময় এই একটাই লাইনই বিহারের রাজনীতিকে বুঝিয়ে দিত। লালু প্রসাদ যাদব মানেই বিহারের অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎআর সেই রাজনীতিরই নাম ছিল আরজেডি। কেউ কেউ সেই সময়কে বিদ্রূপ করে জঙ্গলরাজও বলতেন। আজ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে। বিহারের ক্ষমতার আসনে নেই লালু, নেই তাঁর দলও। তবু এত বছরেও কখনও তাঁদের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠেনি। কিন্তু এই বছরের বিধানসভা ভোটে সেই অস্তিত্বই যেন বিপন্ন হয়েছে।ভোটগণনা চলছে আর স্পষ্ট হয়ে উঠছে ফলের রূপরেখা। নীতীশ-মোদী নেতৃত্বাধীন এনডিএ-ই আবারও বিহারের গদি ধরে রাখতে চলেছে। ২৪৩টি আসনের মধ্যে দুপুরের পর থেকেই ২০০র ওপরে আসনে এগিয়ে রয়েছে এনডিএ। অন্যদিকে মহাগঠবন্ধনের ছবি মলিন, কার্যত লড়াই এখন অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার। মাত্র কয়েক ডজন আসনে এগোতে পেরেছে তারা। দিন গড়ালে সংখ্যাটা আরও স্পষ্ট হবে, কিন্তু বোঝাই যাচ্ছেএই ভোট মহাগঠবন্ধনের জন্য সবচেয়ে কঠিন বার্তা বয়ে আনছে।প্রশ্ন উঠছেএমন পতন কেন? ২০২০ সালের নির্বাচনেও যাঁরা এনডিএর সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেছিলেন, আজ তাঁরা প্রায় অদৃশ্য হয়ে গেলেন কীভাবে? তখন মহাগঠবন্ধন ১১০টি আসন পেয়েছিল, একা আরজেডি পেয়েছিল ৭৫টি। কংগ্রেস পেয়েছিল ১৯টি আসন। কিন্তু এবারের ছবিটা ভয়ঙ্করভাবে আলাদা। দুপুর আড়াইটে পর্যন্ত আরজেডি এগিয়ে মাত্র ২৯টিতে, কংগ্রেস মাত্র ৫এ।রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধসের নেপথ্যে প্রধান কারণ নেতাদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব। আসন বণ্টনকে কেন্দ্র করে প্রথম থেকেই মহাগঠবন্ধনের ভেতরে অশান্তি ছিল। অনেকেই অভিযোগ তুলছেনসমন্বয় রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছেন তেজস্বী যাদবই। সম্প্রদায়ভিত্তিক প্রার্থী বাছাই নিয়েও তীব্র নাখোশি ছড়িয়েছে।তেজস্বী ঘোষণাই করেছিলেন, চলতি নির্বাচনে যাদব সম্প্রদায় থেকে ৫৭ জন প্রার্থী দেবেন। কথামতোই প্রার্থী তালিকায় যাদবদের সংখ্যা অর্ধশতকের উপরে। গত নির্বাচনের তুলনায় এই বৃদ্ধি ৩৬ শতাংশ। ভোটারদের একাংশ এর মধ্যে স্পষ্ট পক্ষপাত দেখেছেন। অভিযোগ উঠেছেউচ্চবর্ণ ও যাদব ভোট টানার নেশায় তেজস্বী পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের প্রার্থীদের সরিয়ে দিয়েছেন। ফলে মাঠে নেমে ক্ষোভ জমেছে দলীয় কর্মী স্তর থেকেই।তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও একটি বিতর্কিত প্রতিশ্রুতিঘরে ঘরে সরকারি চাকরি। তেজস্বীর এই প্রতিশ্রুতিকে বিজেপির পক্ষ থেকে প্রথম দিন থেকেই আলটপকা মন্তব্য বলে ব্যঙ্গ করা হয়েছিল। সাধারণ মানুষের কাছেও প্রতিশ্রুতি ততটাই অবাস্তব মনে হয়েছে। বহু ভোটারই মনে করেছেনএটি বাস্তবায়নযোগ্য নয়। আর সেই জায়গাতেই প্রচারের মাঠে পিছিয়ে পড়েছে আরজেডি।ফলাফল এখনও সম্পূর্ণ নয়। কিন্তু যে সংকেত মিলছে, তাতে বলা যায়মহাগঠবন্ধনের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন ক্ষমতা নয়, নিজেদের ভবিষ্যৎ কীভাবে বাঁচাবে তা-ই।

নভেম্বর ১৪, ২০২৫
রাজ্য

ফের বসন্তের কোকিল বলে নাম না করে রাহুলকে তোপ মমতার

২৪-এর লোকসভা ভোটের কাউন্টডাউন ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। একদিকে এনডিএ অন্যদিকে ইন্ডিয়া জোট। শুরু থেকে আক্রমনাত্মক ভঙ্গিতে বিজেপির বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারে নামলেও বারে বারে ধাক্কা খেয়েছে বিজেপি বিরোধী জোট। জোটের দলগুলির মধ্যে আসন ভাগাভাগি নিয়ে চর্চার মাঝেই ইন্ডিয়া জোট ছেড়ে এনডিএ জোটের হাত ধরে বিহারে সরকার গড়েছে নীতীশ কুমার। এদিকে বাংলায় কংগ্রেসের সঙ্গে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কোনরকম জোট করবে না সেকথা ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন টিএমসি সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার ফের জোটের অন্যতম শরিক কংগ্রেসকে নিশানা করেছেন মমতা। ঠিক কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী?মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, দেশের প্রাচীনতম দল কংগ্রেস আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে ৪০ টি আসনও জিততে পারবে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। তৃণমূল কংগ্রেস ২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের সবকটি আসনে একা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার কয়েকদিন পরেই কংগ্রেসকে এভাবে নিশানা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।টিএমসি সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেছেন, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ৪০টি আসন জিতবে কিনা তা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। আমি কংগ্রেসকে দুটি আসন অফার করছিলাম এবং বলেছিলাম দুটি আসনেই তাদের জিতিতে দেব। কিন্তু তারা আরও বেশি আসন চেয়েছিল। আমি সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করি। এরপর থেকে কংগ্রেসের সঙ্গে আর কোনওরকম আলোচনা হয়নি।ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রায় আমন্ত্রণ নেইএর আগে, রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন এই যাত্রা সম্পর্কে হতাশা প্রকাশ করে মমতা বলেছিলেন, ইন্ডিয়া জোটের সদস্য হিসাবে যাত্রার কথা আমাকে জানানো হয়নি। এমনকী যাত্রায় আমাকে কোনও আমন্ত্রণও জানানো হয়নি। আমি প্রশাসনিক সূত্রে যাত্রার কথা জানতে পেরেছি।সাহস থাকলে বেনারসে বিজেপিকে হারান উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশে ভারতীয় জনতা পার্টিকে হারাতে কংগ্রেসকে চ্যালেঞ্জও ছুঁড়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বলেছেন, সাহস থাকলে উত্তরপ্রদেশ, বেনারস, রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশে বিজেপিকে হারান। টিএমসি বারবার কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা বিলম্বিত করার অভিযোগ করেছে।রাহুলের নাম না নিয়ে মমতা বলেন, আজকাল ফটোশুটের নতুন ট্রেন্ড দেখা যাচ্ছে। যারা কখনও চায়ের স্টলে যাননি, তারাই এখন বসে বিড়ি শ্রমিকদের সঙ্গে ছবি তুলতে ব্যস্ত। আসলে, ভারত জোড়ে ন্যায় যাত্রার সময়, রাহুল গান্ধী বাংলার বিড়ি শ্রমিকদের সঙ্গে দেখা করে তাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা শোনেন। এবার তা নিয়ে মমতার তোপের মুখে পড়তে হল রাহুল গান্ধীকে।রাহুলের ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বলেন, বসন্তের কোকিল ফটোশ্যুট করছে। যাঁরা কোনওদিন চা বানাতে জানেইনি। বাচ্চাদের আদর করেই না। বিড়ি বাঁধতে জানেই না।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৪
দেশ

ভারত জোড়ো ন্যায়যাত্রায় রাহুলকে বাংলায় প্রতি পদে বাধার অভিযোগ, অস্বীকার তৃণমূলের

ভারতজোড়ো ন্যায়যাত্রায় বিহার থেকে মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে ঢুকতেই রাহুল গান্ধীর গাড়িতে ঢিল ছুড়ে কাঁচ ভাঙার অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস নেতৃত্ব। বুধবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ রাহুল গান্ধীর যাত্রার সময় এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা বহরমপুরের সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী প্রশাসনের অসহযোগিতা এবং রাহুল গান্ধীর গাড়িতে ঢিল ছুঁড়ে কাঁচ ভাঙার অভিযোগ করেছেন । যদিও এব্যাপারে তৃণমূল নেতৃত্ব সাফ জানিয়ে দিয়েছে রাহুল গান্ধীর কাঁচ ভাঙ্গার ঘটনাটি ঘটেছে বিহারে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, খবর নিয়ে জানা গিয়েছে বিহারের কাটিহারে ওই গাড়ির কাঁচ ভাঙা হয়েছে। মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে এরকম কিছু হয়নি। এদিন দুপুরে রতুয়া থানার দেবীপুর এলাকায় একটি খেলার মাঠেই ক্যাম্প করেই সর্বভারতীয় কংগ্রেস নেতা তথা সাংসদ রাহুল গান্ধীর বিশ্রামের ব্যবস্থা করা হয়।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকাল এগারোটা নাগাদ বিহার থেকে রাহুল গান্ধীর ভারতজোড়ো ন্যায় যাত্রার কর্মসূচি শুরু হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই হরিশ্চন্দ্রপুর থানার দিল্লিদেওয়ানগঞ্জ এলাকায় রাহুল গান্ধীর গাড়ি পৌঁছাতেই সেখানেই ঢিল ছুঁড়ে কাঁচ ভাঙার অভিযোগ তোলে কংগ্রেস। আর এই ঘটনাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। রাজ্য কংগ্রেস নেতৃত্ব রীতিমতো প্রশাসনের অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরীর বলেন, হরিশ্চন্দ্রপুরে রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা শুরু হয় চার চাকার একটি গাড়িতে। সেই সময় সাংসদ রাহুল গান্ধী ছিলেন। তখনই কাঁচ ভাঙার ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগ, ভিড়ের মধ্যে পিছন থেকে কেউ বা কারা ঢিল ছুঁড়ে গাড়ির কাঁচ ভেঙেছে।সাংসদ অধীর চৌধুরী আরো বলেন, আমরা প্রথম থেকে রাহুল গান্ধীর বিশ্রামের জন্য হরিশ্চন্দ্রপুরের ভালুকা এলাকায় সেচ দপ্তরের গেস্ট হাউস নেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলাম। কিন্তু প্রশাসনের অসহযোগিতার জন্য সেই গেস্ট হাউস দেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে রতুয়ার দেবীপুর এলাকায় একটি খেলার মাঠে রাহুল গান্ধীর বিশ্রামের জন্য ক্যাম্প করা হয়েছিল। কিন্তু তার আগেই এমন ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও আমরা অভিযোগ জানিয়েছি।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে , এদিন সকাল সাড়ে এগারোটা থেকে চাঁচল মহকুমার হরিশ্চন্দ্রপুর হয়ে শুরু হয়েছে রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা। এই কর্মসূচি হরিশ্চন্দ্রপুর থেকে রতুয়া, পুখুরিয়া তারপর ইংরেজবাজারের শোভানগর হয়ে মালদা শহরে পৌঁছবে। রাতে ইংরেজবাজার শহরের পোস্ট অফিস মোড়ে সংক্ষিপ্ত সভার আয়োজন করেছে জেলা কংগ্রেস নেতৃত্ব। বুধবার রাতে কালিয়াচক ১ ব্লকের সুজাপুর হাতিমাড়ি মাঠে রাহুল গান্ধীর থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৪
রাজনীতি

কর্নাটকে পদ্ম জলে, বিপুল আসন নিয়ে কুর্সি ধরল হাত

কর্নাটক বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি কংগ্রেসের অর্ধেক আসনেও জয় পেল না। কংগ্রেসের ঝড়ে উড়ে গিয়েছে পদ্ম। জেডিএসও কোনওরকমে ধরে রেখেছে নিজেদের অস্তিত্ব। মোদ্দা কথা কর্নাটকে হেরে বিজেপি আপাতত দক্ষিণ ভারত থেকে বিদায় নিল। লোকসভা নির্বাচনের আগে মনোবল বাড়ল হাতশিবিরের।কর্নাটক বিধানসভা ইতিমধ্যে ১৩৫টি কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে কংগ্রেস। ১টি আসনে এগিয়ে আছে। অর্থাৎ মোট ১৩৬টি আসন পেতে চলেছে রাহুল গান্ধির দল। কংগ্রেস এবার আগের থেকে ৫৬টি আসন বেশি পেয়েছে। অন্য়দিকে বিজেপি মোট ৬৫টি আসন পেয়েছে বিজেপি। গতবারের থেকে ৩৯টি আসন কম পেয়েছে। জেডিএস ১৯টি আসন পাচ্ছে, অন্য়দের দখলে যেতে চলেছে ৪টি আসন।জেডিএস গত বিধানসভা নির্বাচনের থেকে ১৮টি আসন কম পেয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি এই জয়ের জন্য কর্নাটকের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এই জয়কে ভালবাসার জয় বলে আখ্য়া দিয়েছেন রাহুল। রাহুলের কথায়, ঘৃনার বাজার বন্ধ হল ভালবাসার দোকান খুলল কর্নাটকে। বিজেপির হয়ে একাধিক জনসভা ও রোডশো করেছেন নরেন্দ্র মোদি। তা কাজে লাগেনি দক্ষিণের ওই রাজ্য়ে। কর্নাটক জয়ের জন্য কংগ্রেসকে ধন্যবাদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

মে ১৩, ২০২৩
রাজ্য

কংগ্রেস প্রার্থীর প্রচার ফ্লেক্সে প্রিয়াংকা, রাহুলের পাশে সাঁটিয়ে দেওয়া হল তৃণমূল প্রার্থীর ছবি -চাঞ্চল্য কালনায়

নিজের ছবি সহযোগে ওয়ার্ডে পুর ভোটের প্রচার ফ্লেক্স ঝুলিয়ে ছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী। কিন্তু রাতারাতি ওই ফ্লেক্সে থাকা কংগ্রেস প্রার্থীর মুখের ছবির উপরে কেউ প্রতিদ্বন্দি তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর ছবি সাঁটিয়ে দেয়।আর তা নিয়েই বৃহস্পতিবার চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের কালনা শহরের ১৫ নং ওয়ার্ড এলাকায়।ঘটনা নিয়ে কংগ্রেস প্রার্থী মনোজ কুমার সাহা এদিন তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানান। যদিও তৃণমূল প্রার্থী দাবি করেছেন, ঘটনার বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি হবে কালনা পৌরসভার ভোট।পুর ভোটে কালনা শহরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন কংগ্রেস প্রার্থী মনোজ কুমার সাহা। তিনি অভিযোগে বলেন ,ওয়ার্ডের ছোট দেউড়ি পাড়া বাজার এলাকার একটি দেওয়ালে তিনি তাঁর ছবি সহ একটি প্রচার ফ্লেক্স ঝুলিয়ে ছিলেন। তাতে ইন্দিরা গান্ধী, রাহুল গান্ধী, প্রিয়াংকা গান্ধী ও অধীর চৌধুরীর ছবিও থাকে। সেই ছবিগুলিতে কিছু না করে কেউ উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে শুধুমাত্র তাঁর ছবির জায়গায় প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের ছবি লাগিয়ে দেয়।মনোজবাবু জানান, এদিন সকালে বাজারে যাওয়ার পর তিনি তাঁর প্রচার ফ্লেক্সের ওই অবস্থা দেখতে পান। মনোজ সাহা দাবি করেন, ভোটারদের বিভ্রান্ত করে ভোট পাবার জন্য তৃণমূলের লোকজন কৌশল এঁটে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। গোটা বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জমা দিয়েছেন বলেও মনোজবাবু জানিয়েছেন। যদিও এমন ঘটনা কে বা কারা ঘটিয়েছে তার কিছুই জানেন না বলে এদিন জাানান তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব। যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে তবে তিনি নিজেই ওই ছবি খুলে দেবেন বলে জানিয়েছন।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
দেশ

Mamata-Rahul: দুর্ঘটনার খবর পেয়েই প্রশাসনিক বৈঠক শেষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী, রাওয়াতের আরোগ্য কামনা করলেন রাহুল গান্ধি

তামিলনাড়ুতে সেনা চপার দুর্ঘটনার দুঃসংবাদ পেয়ে মাঝপথেই প্রশাসনিক বৈঠক শেষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শোকপ্রকাশও করেন তিনি। বলেন, দুঃসংবাদটা পেয়ে মন খারাপ হয়ে গেল। আরও কিছু আলোচনার ছিল। কিন্তু এত বড় দুঃসংবাদ এল।বুধবার দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ তামিলনাড়ুর কুন্নুরে বড়সড় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে সেনা চপারটি। সেই চপারে ছিলেন সস্ত্রীক সেনা সর্বাধিনায়ক বিপিন রাওয়াত-সহ মোট ১৪ জন। সেই খবর এসে পৌঁছতেই মালদহের প্রশাসনিক বৈঠক থামিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী।সঙ্গে থাকা আধিকারিকদের কাছে তামিলনাড়ুর আবহাওয়ার পরিস্থিতি জানতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল তা নিয়েও প্রশ্ন করেন।Hoping for the safety of CDS General Bipin Rawat, his wife and others onboard the chopper.Prayers for speedy recovery. Rahul Gandhi (@RahulGandhi) December 8, 2021 এদিকে এই দুর্ঘটনার পর গুরুতর জখম বিপিন রাওয়াতের আরোগ্য কামনা করেছেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধিও। টুইটে তিনি লেখেন, চপারে থাকা সকলের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। আশা করি, সেনা সর্বাধিনায়ক বিপিন রাওয়াত, তাঁর স্ত্রী এবং চপারে থাকা অন্যান্য সেনাকর্তারা সুস্থ আছেন।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
দেশ

Kanhaiya-Jignesh: জল্পনা সত্যি করে কংগ্রেসে যোগ দিলেন কানহাইয়া-জিগনেশ

গত কয়েকদিন ধরে চলা জল্পনার অবশেষে অবসান। সমস্ত আশা-আশঙ্কাকেই সত্যি করে কংগ্রেসে যোগদান করলেন সিপিআই নেতা তথা জেএনইউ-র প্রাক্তন ছাত্র সভাপতি কানহাইয়া কুমার। তাঁর সঙ্গে কংগ্রেসে নাম লিখিয়েছেন আরও এক তরুণ তুর্কি নেতা তথা গুজরাতের নির্দল বিধায়ক জিগনেশ মেবানি। এই দুজন যে ২৮ সেপ্টেম্বরই কংগ্রেসে যোগদান করতে চলেছেন তা একপ্রকার আগে থেকেই নিশ্চিত ছিল। তবে সকাল থেকে এই সংক্রান্ত কোনও খবর মেলেনি। বিকেল গড়াতেই চলে এল যোগদানের খবর। সেই সঙ্গে নতুন দল পেলেন গুজরাতের নির্দল বিধায়ক জিগনেশও।আরও পড়ুনঃ পঞ্জশিরে তালিবানি বুলেটে ছিন্নভিন্ন শিশুর দেহদল ছাড়ার সময় কানহাইয়া সিপিআই-এর জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য ছিলেন। পার্টি কাঠামোয় যা সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক সমিতি হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পরিস্থিতিতে তাঁর দলবদলের উত্তেজনায় ঘি ঢেলেছে সিপিআই দপ্তর থেকে এসি খুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা। মঙ্গলবার বিকেলে নয়াদিল্লিতে গিয়ে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার আগে পাটনার সিপিআই দলীয় কার্যালয়ে নিজের ঘর থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) খুলে নিয়ে গিয়েছেন কানহাইয়া কুমার। তা নিয়ে জোরদার বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুলের উপস্থিতিতেই কংগ্রেসে এ দিন যোগ দেন কানহাইয়া-জিগনেশ। এরপর কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একটি সাংবাদি বৈঠকের আয়োজন করা হয়। যদিও সেই সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন না রাহুল। তবে দিল্লিতে কংগ্রেসের কার্যালয়ে যোগদান পর্বের সময় রাহুল উপস্থিত ছিলেন বলে দেখা গিয়েছে ছবিতে। এই যোগদানের পর কংগ্রেসের প্রতি যুব সমাজের নজর একটু হলেও ঘোরে কিনা সেটাই দেখার। যেভাবে কংগ্রেস ক্রমশ ঘরোয়া কোন্দল ও রাজ্যে রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রিত্বের কাড়াকাড়ি নিয়ে বিব্রত, সেই সময় কিছুটা হলেও তারুণ্যের অক্সিজেন পাবে কংগ্রেস। নির্বাচনে এর প্রভাব আদৌ পড়বে কিনা সেটা বুঝতে আরও অপেক্ষা করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

৮.৪ ওভারেই পাকিস্তানকে উড়িয়ে ভারত, বোলিংয়ে ঝড়—তবু ব্যাটিংয়ের শুরুটা ভাবাচ্ছে হরমনপ্রীতদের

দুবাইয়ে পাকিস্তানকে মাত্র ৫৫ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৭ উইকেটে জয় ভারতের। বোলারদের দাপটে ম্যাচ একতরফা হলেও মাত্র ৫৬ রান তাড়া করতে গিয়ে তিন উইকেট হারানোয় প্রশ্ন উঠল ভারতের টপ অর্ডার নিয়ে। নকআউটের আগে এটাই এখন হরমনপ্রীতদের সবচেয়ে বড় চিন্তা।দুবাইয়ের আকাশে তখনও ম্যাচের উত্তাপ। কিন্তু মাঠে পাকিস্তানের ইনিংস শেষ হওয়ার পরই যেন ফলাফল লেখা হয়ে গিয়েছিল। স্কোরবোর্ডে মাত্র ৫৫। ভারতের সামনে লক্ষ্য ৫৬। ক্রিকেটের হিসাব বলছিল, এই রান তাড়া করতে খুব বেশি সময় লাগার কথা নয়। শেষ পর্যন্ত হলও তাই।মাত্র ৮.৪ ওভারেই জয় তুলে নিল ভারত। পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে এশিয়া কাপে নিজেদের দাপট আরও একবার প্রতিষ্ঠা করল হরমনপ্রীত কৌরের দল।তবে এই জয় যতটা স্বস্তির, তার মধ্যেই লুকিয়ে আছে ছোট্ট একটা অস্বস্তি। কারণ, ৫৬ রানের মতো মামুলি লক্ষ্য তাড়া করতেও ভারতের টপ অর্ডারের তিন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটারশেফালি বর্মা, প্রতিকা রাওয়াল এবং স্মৃতি মন্ধানাদ্রুত ফিরে গেলেন। ম্যাচের গুরুত্বের নিরিখে যা হয়তো বড় সমস্যা নয়, কিন্তু নকআউটের দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা ভারতকে এই জায়গাটাই ভাবাবে।প্রথম বলেই ছক্কা, তারপরই থেমে গেল শেফালির ঝড়৫৬ রান তাড়া করতে নেমে প্রথম বলেই ছক্কা। শেফালি বর্মা যেন শুরুতেই ঘোষণা করে দিলেনএই ম্যাচকে টেনে নিয়ে যাওয়ার কোনও ইচ্ছা নেই।কিন্তু সেই ঝড় স্থায়ী হল না।মাত্র ১২ রানেই শেফালিকে ফিরিয়ে দিলেন পাকিস্তানের অধিনায়ক ফাতিমা সানা। বল হাতে তিন উইকেট নিয়ে তিনিই পাকিস্তানের একমাত্র উল্লেখযোগ্য লড়াইটা উপহার দিলেন।এরপর তিন নম্বরে নেমে প্রতিকা রাওয়ালও ব্যর্থ। জেমাইমা রদ্রিগেজের জায়গায় এখনও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার অপেক্ষায় থাকা প্রতিকা মাত্র ৪ রান করেই ফাতিমার শিকার। একই ওভারে জোড়া উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে সামান্য উত্তেজনা ফিরিয়েছিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক। কিন্তু সেই উত্তেজনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।মন্ধানার আউট নিয়েও রয়ে গেল প্রশ্নআগের ম্যাচে দুর্দান্ত শতরান। ফলে স্মৃতি মন্ধানার দিকে প্রত্যাশার চোখ ছিল স্বাভাবিকভাবেই। কিন্তু এ দিন শুরু থেকেই তাঁকে কিছুটা মন্থর দেখাচ্ছিল।৯ রানেই ফাতিমা সানার বলে আউট হয়ে গেলেন মন্ধানা। যদিও তাঁর আউট নিয়ে বিতর্কের জায়গা থাকল। বলটি লেগ স্টাম্পের বাইরে পড়েছিল কি না, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। কিন্তু এই এশিয়া কাপে ডিআরএস না থাকায় আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই শেষ কথা।তিন উইকেট পড়ে যাওয়ার পর অবশ্য আর কোনও বিপদ হতে দেননি হরমনপ্রীত ও দীপ্তি শর্মা।অভিজ্ঞতার ভারেই ম্যাচ শেষ করে দিল ভারতের মিডল অর্ডার। হরমনপ্রীত অপরাজিত থাকলেন ১৮ রানে, দীপ্তির অপরাজিত ইনিংস ১২ রানের। আর শেষটা এল অধিনায়কের ছক্কায়।৮.৪ ওভার। ৭ উইকেটের জয়। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আরও একটি সহজ সাফল্য।ভারত-পাকিস্তানফারাকটা ক্রমেই স্পষ্টমহিলাদের টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের আধিপত্য যে কতটা একপেশে, এই ম্যাচ তারই আরেকটি উদাহরণ।দুদল এখনও পর্যন্ত ১৮ বার মুখোমুখি হয়েছে। ভারত জিতেছে ১৫ বার, পাকিস্তান তিনবার। এশিয়া কাপে ছবারের সাক্ষাতে এটি ভারতের পঞ্চম জয়। ২০২২ সালে পাকিস্তানের জয়টি এখনও এই ফরম্যাটে ভারতের বিরুদ্ধে তাদের শেষ সাফল্য।অর্থাৎ পরিসংখ্যানের খাতাতেও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের দাপট অটুট। কিন্তু এ দিন ভারতের আসল শক্তি ব্যাট হাতে নয়বল হাতে।চার স্পিনার, ৯ উইকেটদুবাইয়ে ঘূর্ণির সামনে অসহায় পাকিস্তানটস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ফাতিমা সানা। পরিকল্পনা ছিল পরিষ্কারস্কোরবোর্ডে বড় রান তুলে ভারতকে চাপে ফেলা।শুরুটাও মন্দ ছিল না। দুই ওপেনার সাবধানে খেলছিলেন। প্রথম উইকেটে ২৭ রানও উঠে গিয়েছিল। তারপরই ম্যাচের চেহারা বদলে গেল।ভারতীয় স্পিনাররা বল হাতে আসতেই পাকিস্তানের ব্যাটিং যেন হঠাৎ পথ হারিয়ে ফেলল। পঞ্চম ওভারের তৃতীয় বলে মুনিবা আলিকে ফিরিয়ে শেফালি শুরু করলেন ধসের। তারপর একের পর এক উইকেট।পরের ১৩ ওভারে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইন-আপের পতন ছাড়া আর কিছুই দেখা গেল না। দুই ওপেনার বাদে কেউ দুই অঙ্কে পৌঁছতে পারলেন না। মন্থর উইকেটে ভারতীয় স্পিনের মোকাবিলা করার কোনও উত্তরই যেন ছিল না পাকিস্তানের ব্যাটারদের কাছে। শেষ পর্যন্ত ৫৫ রানেই অল আউট পাকিস্তান।চরণি-রাওয়াতের ঘূর্ণিতে কাঁপল পাকিস্তানভারতের চার স্পিনার মিলে তুলে নিয়েছেন পাকিস্তানের নয়টি উইকেট। বাকি একটি রান আউট।সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন শ্রী চরণি। চার ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে তিন উইকেট। চলতি বছরে টি-টোয়েন্টিতে তাঁর উইকেট সংখ্যা এখন ৩৪। আর দুটি উইকেট পেলেই এক বছরে ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সর্বাধিক টি-টোয়েন্টি উইকেটের রেকর্ড তাঁর দখলে চলে আসবে।প্রেমা রাওয়াতও সমান বিধ্বংসী। চার ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে তিন উইকেট।দীপ্তি শর্মা ৫ রান দিয়ে নিয়েছেন দুই উইকেট। শেফালি বর্মার ঝুলিতেও এসেছে একটি উইকেট।অর্থাৎ পাকিস্তানের ১০ উইকেটের মধ্যে নয়টিই ভারতীয় স্পিনের শিকার। এটাই সম্ভবত ম্যাচের সবচেয়ে বড় ছবি।শুধু একটি জায়গাতেই অস্বস্তিবোলিং নিয়ে ভারতের চিন্তার কারণ প্রায় নেই বললেই চলে। কিন্তু ফিল্ডিংয়ে একটি ঘটনা নজরে পড়েছে। দুই পেসার ক্রান্তি গৌড় এবং নন্দিনী শর্মার বলে মুনিবা আলির ক্যাচ ফস্কেছেন প্রতিকা রাওয়াল। ক্যাচ দুটি ধরা পড়লে পেসারদের নামের পাশেও উইকেট থাকত।কোচ অমল মুজুমদারের কাছে সেটিও অবশ্যই নোট করার মতো বিষয়।তবে তার থেকেও বড় প্রশ্ন টপ অর্ডার।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পরীক্ষা করার সুযোগও কি নষ্ট হল?ম্যাচ যখন কার্যত হাতের মুঠোয়, তখন ভারত চাইলে রিচা ঘোষ বা ভারতী ফুলমালিদের আগে নামিয়ে কিছুটা পরীক্ষা করতে পারত। কম রান তাড়া করার ম্যাচে তাঁদের পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া যেত।ভারত অবশ্য সেই পথে হাঁটেনি।জয় এসেছে দ্রুত। কিন্তু নকআউটের আগে এমন ম্যাচেই তো বেঞ্চের শক্তি যাচাই করে নেওয়া যায়।আর এখানেই ভারতের সামনে প্রশ্নটা আরও স্পষ্টবোলিং যদি এতটাই শক্তিশালী হয়, ব্যাটিংয়ের প্রথম সারিও কি একই রকম ধারাবাহিক?নকআউটের আগে সতর্কবার্তাপাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারানোর জয় নিয়ে কোনও সংশয় নেই। বরং ভারতীয় স্পিনাররা যে ভয়ঙ্কর ছন্দে রয়েছেন, তা প্রতিপক্ষের জন্য বড় সতর্কবার্তা।কিন্তু পাকিস্তানের মতো দুর্বল স্কোরের দলের বিরুদ্ধে টপ অর্ডারের ব্যর্থতা ঢাকা পড়ে যায়। বড় ম্যাচে সেই সুযোগ মিলবে না।আজ ৫৬ রান তাড়া করতে গিয়ে তিন উইকেট পড়েছেতবু জয় এসেছে অনায়াসে।কাল যদি লক্ষ্য হয় ১৫০ বা ১৬০, তখন?সেই কারণেই এই জয় ভারতের জন্য নিছক আর একটি জয় নয়। ৫৫ রানে পাকিস্তানকে গুটিয়ে দেওয়া যেমন আত্মবিশ্বাস বাড়াবে, তেমনই টপ অর্ডারের অনিয়মিত ছন্দ নকআউটের আগে হরমনপ্রীতদের কপালে সামান্য ভাঁজও ফেলবে।দুবাইয়ে পাকিস্তানের রাতটা ছিল দুঃস্বপ্নের। ভারতের কাছে রাতটা ছিল স্বস্তির। কিন্তু সেই স্বস্তির আড়ালেই ভবিষ্যতের বড় ম্যাচের জন্য একটি প্রশ্ন রেখে গেল এই জয়স্পিনাররা পথ দেখাচ্ছেন, এবার কি ব্যাটাররা সেই পথ ধরে শেষ পর্যন্ত হাঁটতে পারবেন?

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
দেশ

শতবর্ষের মঞ্চে মোদীর মুখে জেন জি-র ভাষা! এসআরসিসির প্রাক্তনীদের নিয়ে বললেন, ‘ওজি’

দেশের অন্যতম পরিচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দিল্লির শ্রীরাম কলেজ অফ কমার্সের শতবর্ষ উদ্যাপনের অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শিক্ষক দিবসের দিনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশের যুব সমাজের প্রশংসা করার পাশাপাশি এসআরসিসির প্রাক্তনীদেরও বিশেষ ভাবে সম্মান জানান তিনি। তাঁদের প্রশংসা করতে গিয়ে জেন জি-র প্রচলিত ভাষা ব্যবহার করে ওজি শব্দটিও বলেন প্রধানমন্ত্রী।এসআরসিসিতে দীর্ঘ ১৩ বছর পর গেলেন মোদী। এর আগে ২০১৩ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি এই প্রতিষ্ঠানে এসেছিলেন। সেই পুরনো দিনের কথা মনে করিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসআরসিসির যাত্রা শুরু হয়েছিল দরিয়াগঞ্জের একটি ছোট জায়গা থেকে। একশো বছরে সেই প্রতিষ্ঠান এখন বিশাল এক মহীরুহে পরিণত হয়েছে এবং বহু প্রজন্মের পড়ুয়াকে পথ দেখিয়েছে।কলেজের প্রতিষ্ঠাতা শিল্পপতি স্যার শ্রী রামের কথাও স্মরণ করেন মোদী। তিনি বলেন, ১৯২৬ সালে শ্রী রাম এই কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। একশো বছরে এই প্রতিষ্ঠান দেশকে বহু বিদ্বান, প্রশাসক, উদ্যোক্তা এবং নীতিনির্ধারক দিয়েছে। আগামী ২৫ বছরে বিকশিত ভারতের যাত্রাতেও এসআরসিসির পড়ুয়ারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।এর পরেই এসআরসিসির প্রাক্তনীদের কৃতিত্বের কথা বলতে গিয়ে জেন জি-র পরিচিত শব্দ ব্যবহার করেন মোদী। তিনি বলেন, তরুণদের ভাষায় এসআরসিসির প্রাক্তনীরাই আসল ওজি। তাঁদের সাফল্য শুধু দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তেও তাঁরা প্রতিষ্ঠানের গৌরব বাড়িয়েছেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।অনুষ্ঠানে দেশের যুব সমাজের সঙ্গে সরাসরি মত বিনিময়ের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। মোদী বলেন, তিনি তরুণদের স্বপ্ন, তাঁদের সমস্যা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁদের নিজেদের মুখ থেকে শুনতে চান। সেই লক্ষ্যেই বিজেপির তরফে জেন জি-র সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে নতুন কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।এসআরসিসির অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে মেট্রোয় সফর করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সময় তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তাঁর কথাও হয়। ফলে একই দিনে মেট্রো থেকে শুরু করে এসআরসিসির মঞ্চদুই জায়গাতেই যুব সমাজের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর যোগাযোগ নিয়ে বিশেষ নজর পড়ে।এসআরসিসির শতবর্ষ উপলক্ষে এর আগেও বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এপ্রিল মাসে কলেজের শতবর্ষ স্মরণে একটি বিশেষ স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এ দিনের অনুষ্ঠানে এসআরসিসিকে জাতীয় কর্পোরেট পরিচালন কেন্দ্রের মর্যাদা পাওয়ার জন্যও অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এই স্বীকৃতি পাওয়া একমাত্র কলেজ এসআরসিসি। শতবর্ষের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি, যুব সমাজ নিয়ে তাঁর বক্তব্য এবং প্রাক্তনীদের ওজি বলে প্রশংসাসব মিলিয়ে এ দিনের অনুষ্ঠান বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধ থামাতে মস্কোয় ট্রাম্পের দুই দূত! তার মধ্যেই তিন দিনের জন্য হামলা বন্ধ করল রাশিয়া

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে ফের তৎপর আমেরিকা। সেই লক্ষ্যেই শনিবার মস্কোয় পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জারেড কুশনার। তাঁদের সফরের মধ্যেই বড় ঘোষণা করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আগামী তিন দিন ইউক্রেনে কোনও হামলা চালানো হবে না বলে জানিয়েছে মস্কো।রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে প্রায় চার বছর ধরে যুদ্ধ চলছে। দীর্ঘ এই সংঘাত থামাতে আন্তর্জাতিক মহল থেকে বার বার আবেদন জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত স্থায়ী যুদ্ধবিরতির পথে বড় কোনও সমাধান হয়নি। এই পরিস্থিতিতেই ফের আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ থামানোর চেষ্টা শুরু করেছে আমেরিকা।এর আগে যুদ্ধবিরতির জন্য একাধিক বার উদ্যোগ নিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু সেই উদ্যোগের পরেও রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা বন্ধ হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের বিশেষ দূতদের মস্কো সফরকে নতুন করে শান্তি আলোচনার উদ্যোগ হিসাবেই দেখা হচ্ছে।শুক্রবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছিলেন, মার্কিন দূতেরা রাশিয়া সফরে থাকাকালীন কিয়েভের তরফে কোনও বিমান হামলা চালানো হবে না। একই সঙ্গে মস্কোকেও একই পদক্ষেপ করার আহ্বান জানান তিনি। জেলেনস্কি বলেন, আলোচনা এবং মার্কিন দূতদের সফর সুষ্ঠু ভাবে চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া উচিত।এর পরেই শনিবার রাশিয়ার তরফে তিন দিনের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করা হয়। পুতিনের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে নতুন করে যুদ্ধ থামার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই তিন দিনের বিরতি স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে পরিণত হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।জানা গিয়েছে, স্থায়ী ভাবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার লক্ষ্যে একটি মার্কিন প্রস্তাব নিয়ে মস্কোয় গিয়েছেন স্টিভ উইটকফ এবং জারেড কুশনার। সেই প্রস্তাবে ঠিক কী রয়েছে, তা এখনও প্রকাশ্যে জানানো হয়নি। তবে এই সফরকে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।মস্কোয় রুশ প্রেসিডেন্ট এবং শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনার পর আগামী রবিবার কিয়েভে যাওয়ার কথা রয়েছে মার্কিন দূতদের। সেখানে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে তাঁদের বৈঠক হওয়ার কথা। ফলে মস্কো এবং কিয়েভদুই জায়গাতেই আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ থামানোর পথ খোঁজা হচ্ছে।তবে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসার আগেও ইউক্রেনে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। শুক্রবার কিয়েভের নিরাপত্তা পরিষেবার সদর দফতর-সহ ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে মস্কোর বিরুদ্ধে। পাল্টা রাশিয়ার ভূখণ্ডেও দূরপাল্লার ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইউক্রেন।এই পরিস্থিতিতে পুতিনের তিন দিনের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই বিরতি কতটা কার্যকর হয় এবং এর পর রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা কতটা এগোয়, এখন সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
দেশ

পহেলগাঁওয়ের সেই হামলার নেপথ্যে কে? কাশ্মীরে সেনার গুলিতে লস্কর কমান্ডার ইয়াসিরের মৃত্যু

পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার স্মৃতি এখনও দেশবাসীর মনে তাজা। এর মধ্যেই জম্মু ও কাশ্মীরে নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে লস্কর-ই-তইবার কমান্ডার ইয়াসির নিহত হয়েছে বলে সূত্রের খবর। পহেলগাঁও হামলার অন্যতম চক্রী হিসেবে তার নাম উঠে এসেছিল বলেও দাবি করা হচ্ছে।সূত্রের খবর, কাশ্মীরের বুদগাম জেলায় ইয়াসিরের লুকিয়ে থাকার খবর পেয়েছিলেন নিরাপত্তাবাহিনীর গোয়েন্দারা। সেই তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার ইউসমার্গের জঙ্গলঘেরা পাহাড়ি এলাকায় যৌথ অভিযান শুরু করে সেনার বিশেষ বাহিনী এবং ৫৩ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস।তল্লাশি অভিযান চলাকালীন নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে ইয়াসিরের গুলির লড়াই শুরু হয় বলে জানা গিয়েছে। নিরাপত্তাবাহিনীকে লক্ষ্য করে ইয়াসির গুলি চালায় বলে সূত্রের দাবি। পাল্টা জবাব দেয় সেনাও। বেশ কিছুক্ষণ গুলির লড়াই চলার পর ইয়াসির নিহত হয় বলে খবর।সূত্রের আরও দাবি, পহেলগাঁও হামলার মূলচক্রী হিসেবে পরিচিত সুলেমান মুসার গোষ্ঠীর সঙ্গে ইয়াসিরের যোগাযোগ ছিল। সে ওই গোষ্ঠীর সদস্যও ছিল বলে জানা গিয়েছে। তবে প্রায় এক বছর আগে সেই গোষ্ঠী থেকে বেরিয়ে যায় ইয়াসির। এরপর আলাদা ভাবে জঙ্গি কার্যকলাপ চালাচ্ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি।দীর্ঘদিন ধরেই ইয়াসির নিরাপত্তাবাহিনী ও গোয়েন্দাদের নজরে ছিল বলে সূত্রের খবর। তার গতিবিধি এবং যোগাযোগের উপর নজর রাখা হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত বুদগামের জঙ্গলঘেরা এলাকায় অভিযানে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ইয়াসিরের সঙ্গে আর কার কার যোগাযোগ ছিল, তার নেটওয়ার্ক কতটা ছড়িয়েছিল এবং পহেলগাঁও হামলার সঙ্গে তার ভূমিকা কী ছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তার যোগাযোগের সূত্র ধরে আরও তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে।এর আগে গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরে সেনার অভিযানে তিন জঙ্গি নিহত হয়েছিল বলে জানা যায়। নিহতদের মধ্যে সুলেমান মুসা এবং তার দুই সঙ্গী ছিল বলে সূত্রের খবর। পহেলগাঁও হামলার সঙ্গে ওই জঙ্গিদের যোগ থাকার অভিযোগও উঠেছিল।ইয়াসিরের মৃত্যুর পর পহেলগাঁও হামলার তদন্তে নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে। তার যোগাযোগ এবং জঙ্গি নেটওয়ার্ক নিয়ে তদন্ত এগোলে হামলার নেপথ্যের আরও তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
শিক্ষা

‘শিক্ষাষ্টকম্’ মডেলের জাতীয় স্বীকৃতি, জাতীয় সম্মানে সম্মানিত পূর্ব বর্ধমানের জেলা শিক্ষা আধিকারিক

আনন্দ, সৃজনশীলতা আর সামগ্রিক বিকাশবিদ্যালয় শিক্ষার এই নতুন ভাবনাই এবার পেল জাতীয় স্বীকৃতি। পূর্ব বর্ধমানের জেলা শিক্ষা আধিকারিক পৌষালী চক্রবর্তীর পরিকল্পিত শিক্ষাষ্টকম্ মডেল জাতীয় স্তরে পুরস্কৃত হল। বিদ্যালয়কে শুধু পুঁথিগত শিক্ষার জায়গা না রেখে শিশুদের আনন্দ, সৃজনশীলতা, দক্ষতা ও ব্যক্তিত্ব বিকাশের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার এই উদ্যোগই এনে দিল এই বিশেষ সম্মান।৩ সেপ্টেম্বর দিল্লির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ এডুকেশন প্ল্যানিং অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন-এর সভাগৃহে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পৌষালী চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেওয়া হয় পুরস্কার ও শংসাপত্র। পূর্ব বর্ধমানের শিক্ষাক্ষেত্রে এই স্বীকৃতিকে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবেই দেখা হচ্ছে।শিক্ষাষ্টকম্ মডেলের মূল ভাবনা হলবিদ্যালয়ের সঙ্গে পড়ুয়াদের সম্পর্ককে আরও নিবিড় করে তোলা এবং শিক্ষার পরিবেশকে এমনভাবে গড়ে তোলা, যাতে কোনও পড়ুয়া মাঝপথে স্কুলছুট না হয়। দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার প্রবণতা কমানো এবং বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলাও এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।এই মডেলটি গড়ে উঠেছে আটটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভের ওপর। ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি রয়েছে পরিবেশ সচেতনতা, ডিজিটাল শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন বা স্কিলিং, শিক্ষাগত সহায়তা, স্বাস্থ্য এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা। অর্থাৎ, শুধুমাত্র পরীক্ষার ফল নয়একজন পড়ুয়ার সার্বিক বিকাশকেই এখানে শিক্ষার মূল লক্ষ্য হিসেবে দেখা হয়েছে।এই মডেলের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের পরিসরে এমন একটি পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে, যেখানে পড়ুয়ারা নিজেদের প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ পাবে, আনন্দের সঙ্গে শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত থাকবে এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন দক্ষতা অর্জন করতে পারবে। একইসঙ্গে শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সামাজিক সচেতনতার যোগসূত্রও তৈরি করছে শিক্ষাষ্টকম্।জাতীয় স্বীকৃতি পাওয়ার পর পৌষালী চক্রবর্তীর বক্তব্যেও উঠে এসেছে এই উদ্যোগের নেপথ্যে থাকা সম্মিলিত প্রচেষ্টার কথা। তিনি বলেন, জেলাশাসকের সহযোগিতা না পেলে এই পুরস্কার আমরা পেতাম না। বিদ্যালয় পরিদর্শক থেকে শিক্ষকরা সবাই সঙ্গ দিয়েছেন। তাই এই পুরস্কার সবার সঙ্গেই ভাগ করে নিয়েছি।তবে জাতীয় সম্মানের আনন্দের মধ্যেও তাঁর নজর রয়েছে আরও বড় লক্ষ্যের দিকে। বিশেষ করে বাল্যবিবাহ রোধের ক্ষেত্রে অগ্রগতি হলেও এখনও যে পথ অনেকটা বাকি, তা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, বাল্যবিবাহ রোধ করতে পেরেছি অনেকটা। পুরোটা তো পারিনি। চেষ্টা করব আগামীতে শূন্য বাল্যবিবাহ করার জন্য।একদিকে স্কুলছুট রোধ, অন্যদিকে পড়ুয়াদের বিদ্যালয়মুখী করে তোলা, তাদের সৃজনশীলতা ও দক্ষতার বিকাশ এবং সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে সচেতনতাএই সমস্ত লক্ষ্যকে একসূত্রে বেঁধেছে শিক্ষাষ্টকম্। আর সেই ভাবনাই এবার দিল্লির মঞ্চে পেল জাতীয় স্বীকৃতি। পূর্ব বর্ধমানের শিক্ষা ব্যবস্থায় এই সম্মান তাই শুধু একজন আধিকারিকের ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং শিক্ষক, বিদ্যালয় পরিদর্শক, প্রশাসন এবং পড়ুয়াদের সম্মিলিত প্রয়াসেরও স্বীকৃতি।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

এক মাসে ৮৯ শিশুর মৃত্যু! মালদহ মেডিক্যালে বড় পদক্ষেপ, সরানো হল হাসপাতালের সুপারকে

মালদহ মেডিক্যাল কলেজে একের পর এক শিশুমৃত্যুর ঘটনায় বড় পদক্ষেপ করল স্বাস্থ্য দপ্তর। বিশেষজ্ঞ তদন্ত কমিটির রিপোর্ট সামনে আসার পর হাসপাতালের সুপার তথা এমএসভিপি প্রসেনজিৎ বরকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। পাশাপাশি, প্রতিটি শিশুর মৃত্যুর কারণ আলাদা ভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কয়েক দিন আগে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শিশুমৃত্যুর ঘটনা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। এক দিনে ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর সামনে আসে। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, সরকারি হাসপাতালে কী ভাবে এত শিশুর মৃত্যু হল।এর পরেই স্বাস্থ্যভবনের তরফে দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দল মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যায়। তদন্তের পরে তৈরি করা রিপোর্টে এক মাসে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ৮৯ বলে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।বিশেষজ্ঞ দলের চেয়ারম্যান প্রলয় আচার্য জানিয়েছিলেন, শিশুমৃত্যুর পিছনে একাধিক কারণ রয়েছে। তদন্তে অপুষ্টিকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি জন্মের পর শ্বাসকষ্ট, হৃদ্যন্ত্রের সমস্যা, জন্ডিস এবং কম ওজন নিয়ে জন্মানো শিশুদের মৃত্যুর ঘটনাও সামনে এসেছে।বিশেষজ্ঞ দলের তরফে জানানো হয়েছিল, শিশুমৃত্যুর সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তৈরি করা হবে। সেই রিপোর্ট রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়ার পরেই এবার স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে পদক্ষেপ করা হল।শিশুমৃত্যুর প্রতিটি ঘটনা আলাদা ভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে খবর। কোন শিশুর কী শারীরিক সমস্যা ছিল, হাসপাতালে কখন ভর্তি করা হয়েছিল এবং চিকিৎসার সময় কী পরিস্থিতি ছিল, সেই সমস্ত বিষয় তদন্তের আওতায় রয়েছে।মালদহ মেডিক্যাল কলেজে এক মাসে এত শিশুমৃত্যুর তথ্য সামনে আসার পরেই হাসপাতালের পরিষেবা ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে বিশেষজ্ঞদের রিপোর্টে একাধিক চিকিৎসাগত ও শারীরিক কারণের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।এখন প্রতিটি শিশুর মৃত্যুর পৃথক তদন্ত শেষ হওয়ার পরেই গোটা পরিস্থিতির আরও স্পষ্ট ছবি সামনে আসবে। স্বাস্থ্য দপ্তরের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেও নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

নিউ ফরাক্কায় রেললাইনে ধস, আরও বড় বিপদ সামনে? গঙ্গা-পদ্মা মিশে গেলে মানচিত্র থেকে মুছে যেতে পারে বহু এলাকা!

নিউ ফরাক্কায় রেললাইনে ধসের জেরে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রেল যোগাযোগ কার্যত ব্যাহত। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মেরামতের কাজ চলছে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, আজকের মধ্যেই রেললাইনের কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এই ধসের ঘটনায় শুধু রেল যোগাযোগ নয়, ফরাক্কার ভাঙন নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।নিউ ফরাক্কা রেলস্টেশনের কাছে রেললাইনের এক দিকে রয়েছে ভাগীরথী বা হুগলি নদীর প্রবাহ, অন্য দিকে রয়েছে গঙ্গার মূল স্রোত বা পদ্মার দিক। স্থানীয় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের জায়গা হল, এই দুই জলধারার মধ্যের স্থলভাগের দূরত্ব এখন প্রায় দেড় কিলোমিটার বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের।নদীভাঙন আরও বাড়তে থাকলে ভবিষ্যতে এই স্থলভাগের বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমনকি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে গঙ্গা ও পদ্মার জলধারা একে অপরের সঙ্গে মিশে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও দাবি বিশেষজ্ঞের।নদী বিশেষজ্ঞ কৌশিক চক্রবর্তীর দাবি, ফরাক্কা বাঁধ তৈরি হওয়ার পর থেকেই নদীর জলপ্রবাহ এবং চর তৈরির ক্ষেত্রে নানা পরিবর্তন দেখা যায়। তাঁর মতে, জল নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বাংলাদেশে জল সরবরাহ এবং ১৯৯৬ সালের জলচুক্তির পর পরিস্থিতির পরিবর্তন আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাঁর দাবি, এরপর নদীর গতিপথে চর তৈরি হওয়া এবং নীচের দিকে জলপ্রবাহ কমে যাওয়ার মতো পরিবর্তন দেখা যায়। কয়েক বছর পর থেকেই ভাঙন ভয়াবহ আকার নেয়।নিউ ফরাক্কার কাছে ভাঙন আরও বাড়লে তার প্রভাব শুধু রেললাইনের উপরেই পড়বে না বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মালদহ ও মুর্শিদাবাদের মধ্যে রেল ও সড়ক যোগাযোগও দীর্ঘ সময়ের জন্য ব্যাহত হতে পারে। ধুলিয়ান, বল্লারপুরের মতো এলাকাও বড় বিপদের মুখে পড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞের দাবি।রেললাইন মেরামত করে যোগাযোগ স্বাভাবিক করা সম্ভব হলেও নদীভাঙন ঠেকানো না গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। কারণ নদীভাঙনের জেরে বসতি, রাস্তা, রেলপথ এবং চাষের জমি একসঙ্গে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।গঙ্গা ও পদ্মার জলধারা সত্যিই এক জায়গায় মিশে যাবে কি না, তা নিয়ে অবশ্যই আরও বিস্তারিত সমীক্ষা ও বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে। তবে নিউ ফরাক্কার কাছে নদীভাঙনের বর্তমান পরিস্থিতি যে উদ্বেগের, সে বিষয়ে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।কৌশিক চক্রবর্তীর দাবি, ভাঙন নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে ভবিষ্যতে ওই এলাকার ভৌগোলিক চরিত্রে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। তাঁর মতে, পশ্চিমবঙ্গের মানচিত্রে পরিবর্তন হলে তার প্রভাব শুধু জমি বা নদীর উপর সীমাবদ্ধ থাকবে না, সরাসরি অর্থনীতিতেও পড়তে পারে।ফলে নিউ ফরাক্কার রেললাইন মেরামত হয়ে গেলেই যে গোটা সমস্যা মিটে যাচ্ছে, তা নয়। আপাতত সবচেয়ে বড় প্রশ্ন নদীভাঙন কী ভাবে ঠেকানো হবে এবং গঙ্গা-পদ্মার মাঝের বিস্তীর্ণ স্থলভাগকে কী ভাবে রক্ষা করা সম্ভব হবে। এই প্রশ্নের উত্তরেই নির্ভর করছে আগামী দিনের পরিস্থিতি।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
দেশ

চার বছর পর ফের অন্ধকারের আশঙ্কা? কয়লার মজুত তলানিতে, উৎসবের মরশুমে বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদা

চার বছর বাদে ফের কি বড় বিদ্যুৎ সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে দেশে? কয়লার সরবরাহে সমস্যা এবং বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। দেশের একাধিক বড় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বর্তমানে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম কয়লা মজুত রয়েছে বলে খবর।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২ সেপ্টেম্বরের হিসাব বলছে, দেশের ৫০টি বড় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে সরকার নির্ধারিত সীমার মাত্র ৪৮ শতাংশ কয়লা মজুত রয়েছে। এই পরিমাণ কয়লায় বড়জোর ৯ দিন বিদ্যুৎ উৎপাদন চালানো সম্ভব বলে জানা গিয়েছে। ফলে কয়লার সরবরাহ দ্রুত না বাড়লে পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লার ঘাটতির পিছনে মূলত দুটি কারণ রয়েছে বলে ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। প্রথমত, আগস্ট মাসে প্রবল গরমের কারণে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে উৎসবের মরশুম শুরু হওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা আরও বাড়তে পারে।দ্বিতীয়ত, বর্ষার কারণে কয়লা উত্তোলন এবং সরবরাহে সমস্যা হয়েছে। এর ফলে দেশের সবচেয়ে বড় ৫০টি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লার মজুত কমেছে বলে খবর। বর্তমানে ওই কেন্দ্রগুলিতে প্রায় ২ কোটি ৮২ লক্ষ টন কয়লা রয়েছে। অথচ নিয়ম অনুযায়ী মজুত থাকার কথা প্রায় ৫ কোটি ৮৭ লক্ষ টন। অর্থাৎ প্রয়োজনের তুলনায় মজুত অনেকটাই কম।এই পরিস্থিতিতে দ্রুত কয়লার সরবরাহ না বাড়ানো হলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শেষ বার ২০২২ সালে দেশে বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে গিয়েছিল। এবার সেপ্টেম্বরে উৎসবের মরশুমে চাহিদা আরও বাড়লে একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে কয়লার গুরুত্বও অত্যন্ত বেশি। মোট জ্বালানির প্রায় ৭০ শতাংশই কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে আসে বলে জানা যায়। ফলে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে কয়লার সরবরাহ ঠিক রাখা অত্যন্ত জরুরি। কয়লার জোগানে দীর্ঘ সময় সমস্যা হলে তার প্রভাব সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপর পড়তে পারে।তবে এখনই দেশে বড় ধরনের বিদ্যুৎ সংকট তৈরি হয়েছে বলে মানতে চাইছে না কয়লা মন্ত্রক। মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকদের দাবি, দেশের গুরুত্বপূর্ণ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে কয়লা সরবরাহের উপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য আন্তঃমন্ত্রক বিশেষজ্ঞ দলও কাজ করছে।প্রয়োজনে কয়লা আমদানির পরিমাণ বাড়ানোর কথাও ভাবা হচ্ছে বলে মন্ত্রক সূত্রে খবর। উৎসবের মরশুমে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়লে যাতে সরবরাহে বড় কোনও সমস্যা না হয়, সে জন্য আগেভাগেই পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে।তবে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে কয়লার মজুত কম থাকা এবং সামনে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনাএই দুই বিষয় একসঙ্গে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে। এখন দ্রুত কয়লার জোগান বাড়ানো যায় কি না, তার উপরই অনেকটাই নির্ভর করছে আগামী দিনের পরিস্থিতি।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal