• ৮ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

RR

রাজ্য

রেশন কাণ্ডে জ্যোতিপ্রিয়র বাড়িতে ইডির তল্লাশি, কড়া হুঁশিয়ারি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

বিজয়ার শুভেচ্ছার পালা চলছে বাংলায়। রেড রোডে পুজোর কার্নিভালের প্রস্তুতি তুঙ্গে। কিন্তু তার আগেই নিজের কালীঘাটের বাড়ি লাগোয়া দফতরে সাংবাদিক বৈঠকে মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়িতে ইডি তল্লাশি নিয়ে সোচ্চার হলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীদের টার্গেট করা হচ্ছে বলে দাবি করলেন তিনি।রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়িতে হানা দিয়েছে ইডি। তল্লাশি জারি রয়েছে। এই প্রসঙ্গেই বৃহস্পতিবার দুপুরে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী। সোচ্চার হলেন মোদী সরকারের বিরুদ্ধে।বনমন্ত্রীর বাড়িতে ইডির অভিযানকে ডার্টি গেম বলে সমালোচনা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি। এবার সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। পুজো সবে শেষ হয়েছে। জেলায় জেলায় আজ কার্নিভাল রয়েছে। সবাই বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। তার মধ্যেই মন্ত্রীদের বাড়িতে হানা দিতে নেমে পড়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। প্রত্যেকদিন আমাদের সব মন্ত্রীদের বাড়িতে গিয়ে তল্লাশি করছে। তাহলে সরকারটা বাকি থাকে কেন? এটা ডার্টি গেম। এ ভাবে মুখ বন্ধ করা যাবে না। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া কোনও তদন্ত ও তল্লাশি হতে পারে না। তাও গায়ের জোরে কেন্দ্র এটা করাচ্ছে। তল্লাশির নামে শাড়ি, সাজগোজের জিনিসের ছবি তুলছে। এটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পরিচয়। তাঁর প্রশ্ন কেন, একটাও বিজেপির ডাকাতের বাড়িতে তল্লাশি হচ্ছে না?এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের সিবিআই বা ইডি দিয়ে হেনস্থার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকী তাঁর পরিবারকেও নিশানা করা হচ্ছে বলেও সরকারি অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকেই সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। এবার মমতা বললেন, আমরা বিজেপির বিরুদ্ধে বলছি বলে এক একটা মন্ত্রীর বাড়িতে প্রত্যেকদিন তল্লাশি শুরু করেছে। তাঁদের স্ত্রী, বাচ্চা, বাড়ির লোকদেরও রেহাই দেওয়া হচ্ছে না। এটা কি প্রতিহিংসা নয়? আমি মনে করি এটা উদ্দেশ্য প্রণোদিত রাজনৈতিক প্রতিহিংসা।এরপরই জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের শারীরিক অবস্থার প্রসঙ্গ তুলে কড়া হুঁশিয়ারি দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, বালুর হাই ব্লাড সুগার রয়েছে। তল্লাশির সময় ও যদি মারা যায়, তাহলে আমরা বিজেপি ও ইডির বিরুদ্ধে এফআইআর করব।এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের প্রয়াত সাংসদ সুলতান আহমেদের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, সুলতান আহমেদের ঠিক এভাবেই মৃত্যু হয়েছিল। এজেন্সির নোটিস পাওয়ার পরই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান সুলতান দা। একই কারণে আমাদের সাংসদ ও প্রাক্তন ফুটবলার প্রসুন বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রীরও মৃত্যু হয়েছে। ওরা বাইরে এটা বলতে পারেননি।

অক্টোবর ২৬, ২০২৩
রাজ্য

রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলা: রাজ্যের প্রভাবশালী মন্ত্রীর বাড়িতে সাতসকালেই হানা ইডির

যেন দুর্গাপুজো মেটার অপেক্ষা ছিল। একেবারে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী ও বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সল্টলেকের বাড়িতে বৃহস্পতিবার সাতসকালে ইডির তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। ঐডি হানা দিয়েছে মন্ত্রীর আপ্ত সহায়কের বাড়িতেও। রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় একযোগে ৮ জায়গায় ম্যারাথন তল্লাশি চালাচ্ছে ইডির অফিসারদের। জানা গিয়েছে, রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় আগেই ধৃত বাকিবুর রহমানকে জেরায় মিলেছে চাঞ্চল্যকর একাধিক তথ্য। তারই ভিত্তিতে এবার রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সল্টলেকের বাড়িতে ইডির তল্লাশি। সূত্রের খবর, এই মুহূর্তে বাড়িতেই রয়েছেন মন্ত্রী।রেশন বণ্টন দুর্নীতি কাণ্ডে এর আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘনিষ্ঠ বাকিবুর রাহমনাকে। তদন্তে নেমে বাকিবুরের পাহাড় প্রমাণ সম্পত্তির খোঁজ পায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। এমনকী দুবাইয়েও তাঁর সম্পত্তির হদিশ মেলে। রয়েছে একাধিক হোটেল। বাকিবুর রহমানের প্রায় ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে বলে দাবি সূত্রের।তদন্তকারীদের অনুমান, বাকিবুরের মাধ্যমেই দুর্নীতির বিপুল পরিমাণ কালো টাকা সাদা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে রাজ্যের একাধিক প্রভাবশালীর যোগ রয়েছে বলেও সন্দেহ কেন্দ্রীয় সংস্থার। দফায়-দফায় বাকিবুর রাহমানকে জেরা করেও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে আসে তদন্তকারীদের হাতে।এদিকে, বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার মনে করেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়িতে অনেক আগেই কেন্দ্রীয় সংস্থার তল্লাশি হওয়া উচিত ছিল। তিনি এদিন বলেন, অনেক আগেই এই তল্লাশি হওয়া উচিত ছিল। বাকিবুর রহমান ধরা পড়েছে। তার কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি খুঁজে পাওয়া গেছে। এটা তো জানে সবাই, ওপেন সিক্রেট। এই সম্পত্তির মালিক আসলে কে। বাকিবুর একা এত সম্পত্তি কোথা থেকে পেল। কারও সাহায্য ছাড়া এত সম্পত্তি করল কোথা থেকে। একজন সাধারণ মানুষের দুবাইয়ে ব্যবসা, বাংলাদেশে ব্যবসা। কয়েকশো একর জমির কথা নাকি শোনা যাচ্ছে। এই টাকা তো অন্য কারও টাকা। সেই টাকা বাকিবুরের নামে আছে। শুধু রেড করে হবে না এদের জেলের ভিতরে ঢোকাতে হবে।

অক্টোবর ২৬, ২০২৩
রাজ্য

রাস্তা তৈরি প্রকল্পের কাজে দুর্নীতির গন্ধ! জেলাশাসকের উপরই আস্থা গ্রামবাসীদের

পথশ্রী প্রকল্পের কাজ ঘিরে দুর্নীতির গন্ধ! গ্রামবাসীরা নিম্নমানের কাজ রুখে দিতেই সদলবদলে পালালেন সুপারভাইজার। ঘটনা পূর্ব বর্ধমানের কালনা ২ নং ব্লকের পূর্ব সাতগেছিয়া গ্রামে। আজ সকালে বৃষ্টির মধ্যে পিচের রাস্তার কাজ চলছিল। তখনই বাধা দেন গ্রামবাসীরা।সুরজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমার বাড়ির কাছেই কাজ হচ্ছিল। দেখি পিচের উপর পাথর ফেলে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এটি পথশ্রী প্রকল্পের রাস্তা। এভাবে সংস্কারের কাজ হওয়ার কথা নয়। ঠিকাদার বা ইঞ্জিনিয়ার কেউই ছিলেন না। রাস্তা তৈরির বৈধ নথিপত্র বা শেডিউল তিন-চার দিন ধরেই দেখতে চাইছিলাম আমরা। কিন্তু আজও সুপারভাইজার দেখাতে পারেননি।এরপরই ঘটনাস্থলে এসে জড়ো হন বেশ কয়েকজন গ্রামবাসী ও পঞ্চায়েতের সদস্যরা। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় কয়েকজন নেতা-কর্মীও ছিলেন। এক গ্রামবাসীর কথায়, বৃষ্টিতে পিচ রাস্তার কাজ হওয়া উচিতই নয়। কয়েকদিন ধরেই আবহাওয়া খারাপ। তারই মধ্যে জোড়াতালি দিয়ে কাজ হচ্ছিল। যে সব জায়গায় কাজ হয়েছে, বৃষ্টিতে ইতিমধ্যেই তার বেশ কিছু জায়গা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, নিম্নমানের কাজ হচ্ছে আঁচ করেই প্রধান হরেকৃষ্ণ মণ্ডলকে আমরা জানিয়েছি। আজ সকালেও কাজে বাধা দেওয়ার সময় প্রধানকে ফোন করা হয়। কিন্তু তিনি অন্য কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকায় আসতে পারেননি। প্রধান ঘটনাস্থলে পৌঁছলে তাঁদের সংশয় দূর করতে পারতেন বলেও মন্তব্য গ্রামবাসীদের।জনতার কথা কে প্রধান হরেকৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, আমি অভিযোগ পেয়েই কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারের কাজে শেডিউল চাই। কেন না, নিয়ম মেনে কাজ হচ্ছে কিনা সে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে আমি কনট্রাক্টরের কাছে নথি দেখতে চাই। তিনি আজ অবধি তা অজ্ঞাত কারণে দেখাতে চাননি। আমরা সকলেই চাই রাস্তার কাজ ভালোভাবে হোক।প্রধানের কথায়, গ্রামবাসীরাও ন্যায্য কথাই বলছেন। রাস্তা খুঁড়ে নতুন রাস্তা হবে, নাকি রাস্তা রিপেয়ার হবে, সেটা তো নথি দেখলেই স্পষ্ট হবে। সেই নথি আমাকেও দেখাতে পারেননি কনট্রাক্টর। ফলে গ্রামবাসীরা কাজে বাধা দিলে আমার পক্ষে তাঁদের সংশয় দূর করা সম্ভব নয়। কাজ বন্ধের কথা কালনা ২ নম্বর ব্লকের বিডিওকেও জানিয়েছি। উপ প্রধান অনিমেষ ভাঙ্গি বলেন, রাজ্য সরকার রাস্তা তৈরির কাজ করছে। সেখানে নিম্নমানের কাজ কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। তবে পিচের রাস্তার কাজ বৃষ্টির সময় করা উচিত নয়। গ্রামবাসীদের পঞ্চায়েতের তরফে বলাই আছে, যেখানে রাস্তার কাজ হবে নিয়ম মেনে তা হচ্ছে কিনা নথি দেখে যাচাই করে নিতে। ফলে গ্রামবাসীরা সঠিক কাজই করেছেন।সূত্রের খবর, পথশ্রী প্রকল্পে এসটিকেকে রোডে মাঠের পাড়া বাস স্টপ থেকে সাতগাছি গ্রাম পঞ্চায়েত অবধি আড়াই কিলোমিটার রাস্তা তৈরির জন্য প্রায় ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এই প্রকল্পের কাজের সূচনা হয়। কিছুটা অংশের কাজ হয়েছে আগেই। বাকি রাস্তার কিছুটা অংশ আগে থেকে পিচের, সেখানে বেহাল দশা।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেও বারবার বলেছেন, এমন কাজ করতে হবে যাতে টাকা জলে না যায়। এমনকী রাস্তা মেয়াদ ফুরানোর আগে ক্ষতিগ্রস্ত হলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকেই ওই রাস্তা পূর্বাবস্থায় ফেরানোর দায়িত্ব নিতে হবে বলে স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। গ্রামবাসীরা সে কথা তুলে ধরেই বলেন, যা কাজ হচ্ছিল তাতে ৩০ লক্ষ টাকার কাজ বলেই মনে হচ্ছে।যেখানে ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ সেখানে নিম্নমানের কাজ কেন হবে? এই প্রশ্ন তুলেই রুখে দাঁড়ান গ্রামবাসীরা। তার উপর প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যেই কেন হঠাৎ করে কাজ শুরু হলো এবং গ্রামবাসীদের বাধা পেয়ে বৈধ নথি দেখাতে না পেরে সুপারভাইজারের পলায়ন সন্দেহ জোরালো করছে। কাটমানির কারণেই এই অবস্থা কিনা তার তদন্ত দাবি করেছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। বিষয়টি প্রশাসনিক মহলের নজরে আনতে সোশ্যাল মিডিয়া ও সংবাদমাধ্যমের দ্বারস্থ হন গ্রামবাসীরা। কিছুদিন আগে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাঝি রায়নায় গিয়ে নিম্নমানের রাস্তার কাজ দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। নতুন করে রাস্তা তৈরির নির্দেশ দেন। সেই ঘটনার কয়েক দিনের মধ্যেই এই ঘটনা। গ্রামবাসীরা জেলাশাসকের উপরই আস্থা রাখছেন।

অক্টোবর ০৪, ২০২৩
রাজনীতি

প্রবীণ সিপিএম নেতার বাড়িতে তৃণমূল বিধায়ক, কি নিয়ে আলোচনা?

দোর্দদণ্ডপ্রতাপ সিপিআইএম নেতা তরিৎ তোপদার, ব্যারাকপুরের বেশ কয়েকবারের সাংসদ। আরেজন রাজ চক্রবর্তী, চিত্র পরিচালক। পরে রাজনীতিতে যোগদান। ২০২১ সালে তৃণমূলের প্রতীকে ব্যারাকপুরেরই বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। রাজনীতির পরিসরে এই দুজন যুযুধান দুই শিবিরের। এবার ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদ তড়িৎবরণ তোপদারের বাড়িতে আচমকা দেখা গেল তৃণমূলের বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীকে। হঠাৎ কেন এই সাক্ষাৎ? তা নিয়েই আপাতত জল্পনা তুঙ্গে।তবে এই সাক্ষাৎ রাজনৈতিক নয়, নেহাতই সৌজন্য বলে দাবি দুতরফেরই। কিন্তু, দাপুটে সিপিএম নেতার বাড়িতে তৃণমূল বিধায়কের যাওয়া নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে।শুক্রবার প্রবীণ বাম রাজনীতিবিদ তড়িৎবরণ তোপদারের বাড়িতে হাজির হয়েছিলেন ব্যারাকপুরের তৃণমূল বিধায়ক। জানা গিয়েছে, বেশ কিছুক্ষণ তাঁদের কথা হয়েছে। কী নিয়ে কথা হল?প্রাক্তন সাংসদ তড়িৎ তোপদারের পুত্র নীলাদ্রি সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন, চিত্রপরিচালক তথা বিধায়ক রাজ ব্যারাকপুর নিয়ে একটি ছবি তৈরি করতে আগ্রহী। সেইসব নিয়ে আলোচনার জন্যই রাজ তড়িৎবাবুর বাড়িয়ে গিয়েছিলেন। নীলাদ্রি তোপদারের কথায়, উনি (রাজ চক্রবর্তী) একটি তথ্যচিত্র তৈরি করবেন। তাতে বাবার নানা কাজের কথা থাকবে।সেসব নিয়ে কথা বলতেই উনি এসেছিলেন। বাবা বাড়িতেই ছিলেন। তবে ঠিক কী কথা হয়েছে তা বলতে পারব না। অফিস থেকে ফিরে এসে জানতে পারি বাবার সঙ্গে ব্যারাকপুরের রাজনীতি নিয়ে কথা হয়েছে রাজের। ব্যারাকপুরের আগে কী পরিস্থিতি ছিল, তারপর কীভাবে অবস্থার বদল ঘটলো, এসবই কথা হয়েছে বলে জেনেছি।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৩
রাজ্য

মৃত্যুর চার মাস জানা গেল পরিচয়, খুনের অভিযোগে গ্রেফতার পরিবারের চার সদস্য

বৃদ্ধের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল চার মাস আগে। এখন সেই মৃতদেহ শনাক্ত করল পরিবারের লোকেরা। ওই বৃদ্ধকে খুনের অভিযোগ উঠলো পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগে পুরাতন মালদা থানায় পুলিশ মৃতের স্ত্রী, এক পুত্রবধূ, ছোট ছেলে সহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতেরা পুলিশি জেরায় ওই বৃদ্ধকে খুনের কথা স্বীকার করেছে, জানিয়েছে তদন্তকারীরা। বুধবার সকালে পুরাতন মালদা থানার মুচিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সিন্ধিয়া এলাকা থেকে মৃতের ছোট ছেলে, এক পুত্রবধূ, স্ত্রী সহ চারজনকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় পুলিশ।পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত বৃদ্ধের নাম আজাহার শেখ (৫০)। চলতি বছর ২২ এপ্রিল মুচিয়ার সিন্ধিয়া এলাকার একটি কালভার্টের নীচ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই বৃদ্ধের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃতের নাম ও পরিচয় জানতে পারছিল না পুলিশকর্তারা। মৃতদেহটি মালদা মেডিকেল কলেজের মর্গে রেখে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।এদিকে বুধবার সকালে মৃত বৃদ্ধের এক ছেলে অহিদুল শেখ লোক মারফত মোবাইলে তার বাবার মৃত্যু সংবাদটি জানতে পারে। এরপরই তিনি থানায় ছুটে যান। সেখানেই পুলিশকে গিয়ে তার বাবাকে খুন করা হয়েছে বলেই অভিযোগ করেন । আর এই খুনের ঘটনায় মৃতের দুই ছেলে, পুত্রবধূ এবং স্ত্রী যুক্ত রয়েছে বলেও বড় ছেলে অহিদুল শেখের অভিযোগ।পুলিশকে অভিযোগে মৃতের বড় ছেলে ওহিদুল শেখ জানিয়েছেন, তিনি ভিন রাজ্যে কাজে গিয়েছিলেন। বাড়িতে তার ভাই এবং অন্যান্যরা তার বাবার ওপর নির্যাতন চালাচ্ছিল। সম্পত্তির বিবাদের জেরে এই খুন বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেখে ওই বৃদ্ধের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বলা যাবে। তবে লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আপাতত ওই বৃদ্ধের পরিবারের চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুরাতন মালদা থানার পুলিশ।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৩
নিবন্ধ

হুউউউস..

পুজো। দুগ্গাপুজো।পুজোয় চাই নতুন জুতো। খবরের কাগজে ইয়া বড় পাতাজোড়া বিজ্ঞাপন।সদ্য হড়কা বান দেখলো শ্রীলেদার্সের নতুন আউটলেট।প্রয়োজন! নাকি সস্তা! তাহলে কি বিজ্ঞাপনের টোপ! হুজুগ! আবেগী বাঙালি!জানেনা হরিপদ।পুজোর পঞ্চাশ দিনও বাকি নেই।হরিপদ দিল্লীতে। শাস্ত্রী ভবনের কাছে এশিয়া খ্যাত মলে।নাইকির শো রুমে। স্নিকার টেন থাউজেন্ডস অনওয়ার্ডস। প্রয়োজনে নাম লিখে দেবে নাইকি। সিগনেচার প্রোডাক্ট।বিটেক করে সদ্য সামান্য মাইনের কাজ জুটিয়ে দিল্লীতে ভাইয়ের ছেলে। দাদা নেই। বৌদি বলেছে একবার দেখে এসোনা ঠাকুরপো। কেমন আছে কে জানে।আমরা বলি কাজ। চাকরি। ওরা বলে জব।তাই ভাইপোর কাছে দিল্লীতে হরিপদ। কিন্তু কি আর দেখবে সে !ভাবলে, একটা কিছু কিনে দিলে হয়। পুজোয় বাড়ী ফেরা হবে না ওর। ভাইপোই কাকুকে নিয়ে এসেছে মলে।তবে এও ঠিক ..একটা সময় হরিপদই দেখেছে।ভাইপোর জন্মের পর পরই দুর্ঘটনা। চলে গেলো দাদা। ছমাসের অন্নপ্রাশনের আয়োজন থেকে স্কুল কলেজ সবটাই।ভাইপোর প্রথম জন্মদিন।কাগজের বক্স।ওপরটা সেলোফেনজিরো সাইজ।সঙ্গে আবার ঝুমঝুমি।জনসনের পাউডার।বাক্স ভর্তি আনন্দ!আজও সেই নস্টালজিক গন্ধ টের পায় হরিপদ।তারপর ..সময় গড়ালো।শেষ বেলায় দোকানে গুঁতোগুঁতি। কোনরকমে দোকানদার কে বুঝিয়ে বলা..এই ধরুনবছর দেড়েক বয়স।ভীষণ ভিড় তো..ঠাকুমার কাছে রেখে এলাম।বড্ড কান্নাকাটি করে।এইটা দেখুন।মাথায় টুপি দেওয়া।পুজোয় বেশ ঠান্ডা পড়ে যাবে। মোজাও আছে।গলদঘর্ম দোকানি দেখাতে লাগলো।সে মোজা..কি জানি কোন মন্ডপে পড়ে রইল।কাঁধে মুখ রেখে ঘুমে কাদা।নাল ঝোল ঝরেনা কাঁধে আর।জীবনে স্কুল এলো।এলো, এক দুই তিন।পিঠে ফেলে মাপবো..ওমা.. দোকানময় ছুটছে।হরিপদর মেয়ে আর দাদার ছেলে পিঠোপিঠি। দিনে দশ বার জামাকাপড় দেখা। এটা সকালে এটা বিকেলে।ওটা অষ্টমীর.. বেশ জমকালো!না না। পিসির টা পরুক।ওটা বরং নবমীতে, ফাংশানে..তারপর অফিস ফেরতাপ্যাকেট টা ছিনিয়ে নিয়ে ছুটমা দেখো।বিছানায় প্যাকেট ফেলেএক ঝটকা নাচ!তারপর হঠাৎ কবে যেনরঙ এলো..খয়েরি ফুলপ্যান্ট টা ভালো না।আরে বাবা নীল টা তো ছোটো। ফেরত দিতে হবে।ডেনিম..ডাংরি নতুন নতুন শব্দ শিখছে হরিপদ তখন।ক্লান্ত হয়ে রেস্টুরেন্টেছোলা বাটোরাএক চামচ মুখে দেওয়াও চাই..আবারঝাল বলে চিত্কার ও।এই যা: সান গ্লাস কেনা হোলো না তো!!বাড়ী টায় মানুষ কমলো ধীরে..কার্নিসে বাড়ল বট।বিজয়ার দিন তুঁতের ওপর মা দূর্গার মুখ আঁকা গালিচা..হরেন কাকা ..বেতের ধামা..নাড়ু .. ঢিপ ঢিপ প্রণাম..ফটাস করে কালি ফটকা ..কুয়োয় বালতির ঝপাং শব্দ!আবার এসো মা।মা আসে। মা যায়।টিভির পরিক্রমা আসে। আসে ফ্রেন্ডশিপ ডে। ভ্যালেন্টাইনস ডে জায়গা করে নেয় টিচার্স ডের সঙ্গে।আর্চিসের কার্ড কখন যে এলো আবার হারিয়ে গেলো মনে করতে পারেনা হরিপদ।বাড়তে থাকে ওরা ভাই বোনে।এটা তো অফারে কেনাসেজো পিসি কক্ষনোব্র্যান্ডেড ছাড়া দেয় নাট্রায়াল রুমও প্রয়োজনহীন। সাইজ, কালার, ডিজাইন..সিভিভি নম্বর দাও। বাড়ীর দরজায় এসে দাঁড়াবে আলাদিন...ওটিপি টা বলুন।যা..ই বলেতরতরিয়ে সিঁড়ি বেয়ে নেমে যায় ওরা।পর্দার পাশ থেকে উঁকি দিয়ে ভাইপোর ট্রিম করা .. মেয়ের সঙ্গে মায়ের মাসের কটা দিনের গোপন কথা।সবটাই দেখেছে হরিপদ।বলছিলাম না কাকু তোমায়..এইটা সেইটা..ইউনিক না!হুঁ হুঁ বাবা,তক্কে তক্কে থাকতে হয়কেবল একদিনের অফার ছিল!অ ..তাই বুঝি।হরিপদর অজ্ঞানতা শোনার সময় নেই সময়ের। দুদ্দাড় ছুটে চলে যায় নতুন প্রজন্ম। মেয়ের সঙ্গে প্যাক খুলতে বসে যায় ভাই বোনে।প্রজন্মগত তফাৎ বোঝে হরিপদ। যেটুকু বোঝে না ..আপত্তি করেনা।বেনিফিট অফ ডাউট আরকি!তাহলে কি করব.. কাকু!ও কাকু!!আনমনা হয়ে গেছিল হরিপদ। সম্বিৎ ফেরে ভাইপোর কথায়।স্নিকার টা বিল করতে বলবো !! দারুন ওটা। ওর থেকে কমে কিছু আর দেখছি না।হরিপদ কি করবে। দশ হাজারের জুতো!আশকারা.. প্রশ্রয়। বৌদির অসহায় বোধ। নির্ভরতা। মুহুর্মুহু অন্তর্লীন আক্রমনের মুখে হরিপদ।অনেক আবদার মিটিয়েছে হরিপদ। হেরে যাবে!তাহলে কি বেনিফিট অফ ডাউট দিয়ে ক্রিজে রেখে দেবে আম্পায়ার হরিপদ!!আউট দেবে না!!অস্থির দোটানায় হরিপদ।আবার মন বলছে.. কোথাও তো একটা সীমারেখার প্রয়োজন হরিপদ। দাঁড়ি টানতে হয়। অবুঝ কে বোঝাতে হয়!!কাকু..ও কাকু..!একটা তুবড়ি, হুউউউস করে শব্দ তুলে..অন্ধকার আকাশে অনেকটা উঠে,আলোর রোশনাই রেখে..নিভলো বোধহয়..!!

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৩
রাজ্য

ফারাক্কা সেতুতে মালগাড়ি-ট্রাকের সংঘর্ষ, বড় বিপদ থেকে রক্ষা

মালদার ফারাক্কা সেতুতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেলিংয়ে ধাক্কা মারল পণ্য বোঝাই ট্রাক। সেই সময় ডাউন লাইন দিয়ে যাচ্ছিল একটি মালগাড়ি। সেই লরির সঙ্গে ধাক্কা লাগে মালগাড়ির। মুহূর্তের মধ্যে এই দুর্ঘটনায় ফারাক্কা ব্যারেজে রেলপথ এবং সড়কপথে যান চলাচল দীর্ঘক্ষণের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। এই দুর্ঘটনার খবর জানতে পেরে এই ব্যারেজে কর্মরত কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনীর জাওয়ানেরাও তড়িঘড়ি সেখানে ছুটে আসে। এরপর ফারাক্কা ব্যারেজ কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারাও ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।জানা গিয়েছে, মালদার দিক থেকে মুর্শিদাবাদ অভিমুখে যাচ্ছিল একটি পন্য বোঝাযই ট্রাক। চালকের ভুলেই সেই লরিটি আচমকায় ফারাক্কা ব্যারেজের রেললাইন এবং রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা মারে। লরির সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়। জখম হয় ওই লরির চালক। সেই মুহূর্তেই ডাউন লাইন দিয়ে একটি মালগাড়ি যাচ্ছিল। সেই মালগাড়ির সঙ্গে দুর্ঘটনাগ্রস্ত পণ্য বোঝায় লরির হালকা সংঘর্ষ বাঁধে । যদিও তেমন কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, যদি ওই মাল গাড়ির বদলে যাত্রীবাহী কোন এক্সপ্রেস ট্রেন থাকতো, তাহলে ভয়ানক ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। এই ঘটনায় ফারাক্কা ব্রিজের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়েও নানান প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এদিকে মঙ্গলবার এই ঘটনার বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ একটি রিপোর্ট রাজ্য প্রশাসনের কাছে পাঠিয়েছে মালদা এবং মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসন। পুলিশ এবং প্রশাসনের প্রাথমিক অনুমান, সম্ভবত ওই লরির চালক গাড়ি চালানোর সময় ঘুমিয়ে পড়েছিল। যার কারণে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।তদন্তের পর দুই জেলার পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারা জানতে পেরেছে, এতটাই গতি ছিল যে রেলিং ভেঙে মালগাড়িতে ধাক্কা মারে ট্রাকটি। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে ট্রাক্টারকে ধাক্কা মারে ওই লরিটি। পরে ফারাক্কা ব্যারেজের রেলিং ভেঙে ডাউন মালগাড়িতে ধাক্কা মারে। এমার্জেন্সি ব্রেক কষে দাঁড়িয়ে পড়ে মালগাড়িটি। মালগাড়ি চালকের তৎপরতায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। এই দুর্ঘটনার পর আতঙ্কে পড়ে যান অন্যান্য গাড়ির চালকেরাও। এর দরুন দীর্ঘক্ষণ ফারাক্কা ব্যারেজের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে প্রশাসনিক তৎপরতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

আগস্ট ২২, ২০২৩
নিবন্ধ

মনে হচ্ছে উঠে যাচ্ছে

মনে হচ্ছে উঠে যাচ্ছেগিন্নির কথায় তাকালো হরিপদ.. কি চুল?ধুর বাবা..গিন্নির খেদ।সেই থেকে উদ্বেগের শেষ নেই হরিপদর।চার পাঁচ দিন কাটলো এইভাবে।পিরিয়ড আর হয়না।তাহলে কি..🤔ধুর!সে কি করে হবে।বাড়ছে ভয়.. উদ্বেগ..অস্বস্তি। কোনো টিউমার ফিউমার নয়তো!চলো ব্রিগেডে ..শুনে আসি কি লেখা আছে কপালে!চলো গাইনোর কাছে.. বুক ঢিপ ঢিপ..জন্মদিনের সকালে।এই বয়সে অস্বস্তির চূড়ান্ত। কচি কাঁচার আড্ডায় এক দুটি পক্ক কেশ.. টাক মাথার কেস।সবাইকেই মনে হচ্ছে সন্দেহের চোখে তাকাচ্ছে।এসব নিয়ে লুকোচুরি কবেই উঠে গেছে। বুঝতে চায়না হরিপদ।স্রাব এখন প্রস্রাব।ডাস্টবিনে সুলভে।মেয়েদের জামায় ফ্রিল আর আছে! আঁচল সরে গেলে অস্বস্তি আর আছে !টপই টপ ফ্যাশন।অনাবৃত করো.. এক্সপোজ করো নিজেকে। হাফ প্যান্ট পরো। জাং দেখাও। জাঙ্ক ফুড খাও। বুক দেখাও। পিঠ দেখাও।ফেসবুক রিলে ধেই ধেই করে নাচো।এগোও এগোও হরিপদ।ফাইট কোনি ফাইট। মতি নন্দী নিয়ে পড়ে থেকো না।নারীশিক্ষা র আপডেট নাও হরিপদ।বুঝতে চায়..পারেনা হরিপদ!কত কি-ই তো উঠে গেছে !সময়ের সঙ্গে.. লজ্জা।অপরাধবোধ থেকেসঙ্গমের নির্দিষ্ট শয্যা।চটি জুতো লুকোনোর আত্মীয়তা থেকে..কানমলা দেওয়ামাস্টারের স্বাধীনতা।উঠব উঠব করছে ..রোদে বড়ি.. আচারের আম! প্রেম নিষ্কাম।ঢিপঢিপ বিজয়ার প্রনাম।টেলিভিশনের খবরশুনি কি আর..শুনি স্টোরি.. শুনি গল্পউঠোন উঠেছে কবে..বারান্দায় রোদও অল্প।হরিপদ হারে না তবুবসে থাকে জবুথবু।উঠেই যাচ্ছে। ডাক্তার বলেছে। গিন্নির হাতে প্রেসক্রিপশন।হাঁফ ছাড়ে হরিপদ।জন্মদিনের পায়েসকেক কাটার আয়েশ।পাঁচজনে বসে পাতপেড়েলম্বা টেবিল উঠিয়ে..দন্ডায়মান হাতে প্লেট ;কয়েদী হয়েছেপাঞ্জাবী গায়ে দিয়ে।হুঁকো আছে শেষ পাতেটানছে মৌতাতে..এই তো হরিপদউঠেছো এবার জাতে!!

আগস্ট ২০, ২০২৩
নিবন্ধ

হরিপদর কলম : আসল.. নকল

হরিপদ গবেষণা করেনা। রিসার্চ পেপার পাবলিশ করিবার ওয়েবসাইট খোঁজে না।অথচ প্রতিনিয়ত ইহাদের গবেষণা চলিতেই থাকে।হরিপদ আদার ব্যাপারী। জাহাজ লইয়া তোমার কি দরকার বাপু!চন্দ্রযান অপেক্ষা নিজের জান লইয়াই ভাবিত হওয়ার কথা !বিশ্বে কেবল আমেরিকা রাশিয়া চীন ভারত। চাঁদে মাত্র চারজন।ভাবিবে না !লুনা পঁচিশ কে পিছনে ফেলিয়া চন্দ্রযান তিন কে আগে নামাইতে হইবে চাঁদে!গুলি মারো মূল্যবোধ!!বোধহীন সত্য। নাকি বোধাতীত সত্য।কাহাকে ফলো করিবে হরিপদ!কান বন্ধ করিয়া থাকিতে পারেনা।ফেসবুক সাজেশন চোখ বুজিয়া ইগনোর করিতে পারে কি !যার যেরকম সঙ্গ। তেমন ফিড। টানিয়া লইয়া যাইবে সেই দিকে।বউ এর আফসোস অমুকের আবার মিস ক্যারেজ হইয়াছে ! কত গাছে-গাছে ইঁট বাঁধিয়া ..ঘন্টা ঝুলাইয়া দশ বছর পর কনসিভ করিয়াছিল...আবার লড়াই।ঘন ঘন মেসেজ আসিতেছে ফোনে। তিনদিনের লাগাতার স্বাধীনতা দিবস।নাও উড়াও পতাকা।সম্পর্কের ন্যায় সবই প্রায়সিন্থেটিক।কেবল ফুটপাথে হকার তারস্বরে গলা ফাটাইতেছে তিনশ টাকায় জোড়া শার্ট।হান্ড্রেড পারসেন্ট কটন!!না। কটনের পতাকা মিলিল না বাজারে। ডিমান্ড নাই। অর্ডার দিলে ডেলিভারি করিবে। দাম পাঁচগুণ।সব দোকানেই সিন্থেটিক উড়িতেছে.. ঝুলিতেছে..পত পত করিয়া।সমুদ্রের ঢেউ। কত কি ভাসাইয়া লইয়া আসে। বীচে রাখিয়া ফিরিয়া যায়।আবার আসে। ফিরাইয়া লইয়া যায়। রাখিয়া যায় নতুন কিছু।ননস্টিক বাসনপত্র এখন ননএসেনশিয়াল। ননসেন্স কমোডিটি!লোহার কড়াই .. এনামেলের বাসন ফিরিতেছে।প্লাস্টিক হইতে কাগজ.. সুপারি গাছের ছাল হইতে আখের ছিবড়ে। মাটির পাত্রে ফিরিয়াছে বিজনেস ক্লাস ভোজবাড়ীর ভোজের টেবিল।কাঁসার বনেদিয়ানা পালিশ কমিতেছে আবার।ইকনমি ক্লাসের হিরোগিরি ঘোলাটে মেলামাইনের ওপর কলাপাতা.. কিন্তু কলাপাতা নহে..প্লাস্টিকের আস্তরণে কাগজ।প্রেমহীন লিভ ইন।ওদিকে সমুদ্র ..এদিকে বাজার।যাহা বলিবেন কত্তা। তাহাই মানিবে উল্লুর দল।শুধু কথা বলিবার জো নাই। কম্বো প্যাক কাকু! নেট ভরিতেই হইবে।অস্ফুট গালাগাল দিয়া রিচার্জ হরিপদর। বিপ্লবের সুযোগও দিবে যে ওই নেট ই।জিও যাঁতা কল! যুগ যুগ জিও!মায়েরও প্রথম পছন্দ উনি। কালীঘাটের মন্দির নবরূপে সাজাইবেন আম্বানি।সম্প্রতি ফুর্তি করিয়া আসিলেন কয়েক হাজার ওষুধ কোম্পানির লোকজন। ডাক্তার বাবু। পাটায়া..ব্যাংকক.. থাইল্যান্ড।হরিপদ হাই এম আর পি প্রিন্টের ওপর টোয়েন্টি পার্সেন্ট ছাড় লইয়া দোয়া করিলেন মাল্টি ন্যাশনাল দোকানীকে!সম্প্রতি কেরালায় সমাধির ওপর কিউ আর কোড !! কেনো।কিউ আর কোডের বোর্ড এখানে কেনো।হরিপদর মনে হইল..কি জানি..কোনো গরিব স্ত্রীর একমাত্র রোজগেরে স্বামীর সমাধি হইবে হয়তো! অর্থ সাহায্য চাহিতেছে।হরিপদ মোটামুটি লো রেঞ্জের দয়ালু। ছোটখাটো দান করিয়া থাকে।কিউ আর কোডের উপর মোবাইলের ক্যামেরা রাখিতেই ... খুলিয়া গেলো ওয়েবসাইট। হাসিমুখে ভাসিয়া উঠিল ছাব্বিশ বছরের একযুবক। ডিজিটাল দুনিয়ার আধুনিক প্রজন্ম। তাহার ছোট্ট অথচ মূল্যবান জীবনপঞ্জী।অকাল মৃত্যুতে বোনের শ্রদ্ধাঞ্জলি।বাঃ বেশ তো! চমৎকৃত হইল হরিপদ। ইহাই তো প্রগতি।আচ্ছা এমন যদি গান্ধীজী নেতাজীর হইত!সাভারকর কিংবা লেনিনের !হিটলার কিংবা আকবরের ! গডসে কিংবা গড জেশাসের!এক লহমায় মানুষ পরিচিত হইত।না।নানান মতের নানান কিউ আর কোডের ভীড়ে সমাধি ই ঢাকা পড়িয়া যাইত! হো হো করিয়া হাসিয়া উঠিল গিন্নি।হরিপদ বিভ্রান্ত।হইতে পারে। হয়ও তো!পুরীতে কিংবা হরিদ্বারে। ব্যারাকপুরে কিংবা দুর্গাপুরে।দাদা বৌদির একাধিক দোকান.. আউটলেটে র মত।কে যে আসল কে যে নকল.. নাকি দুজনেই নকল কে জানে !!হরিপদর গুন গুন ...সমস্ত হরিপদর হৃদয়ে মুখরিত হোক....সেই পুলক ব্যানার্জী, নচিকেতা ঘোষ..হেমন্ত মুখার্জির কালজয়ীআফসোস..খিড়কি থেকে সিংহ দুয়ারএই তোমাদের পৃথিবী...তোমরা পায়রা ওড়াও..বাজী পোড়াও...তোমাদের কোনটা আসল কোনটা নকলকোনটা শুধুই জবরদখলতোমরা নিজেই জানো না!!

আগস্ট ১৩, ২০২৩
নিবন্ধ

হরিপদর কলম : মালের দায়িত্ব আরোহীর

হরিপদ গুগল করছে।বৃষ্টি। কাজেই নো মোমবাতি। ব্যানার। কালার কোড সাদা কালো। ছেলেটার নাম লিখবে লাল দিয়ে।মেসেজ চলে গেলো রাজ্য থেকে জেলা ব্লক নেতৃত্ব হয়ে প্রিন্টারের কাছে। নিভিয়ার অল ইন ওয়ান চারকোল ফেস ওয়াশ দিয়ে মুখ ধুচ্ছে দলবদলু। টিভি শো আছে।মৃত্যুর ফেভারেবল লিঙ্ক খুঁজছে সাংবিধানিক ব্যক্তিত্ব.. দল। নতুন রেসিপি দিতে হবে মানুষের কাছে।কি বলবেন। কি বলবেন।ফুটেজ নিয়ে ঝোলা ভরছে চতুর্থ স্তম্ভ। মামা বাবার টা পেয়েছে। মায়ের কান্নার ফুটেজ নিতে বগুলা ছুটছে কেউ।কেউ এক্সক্লুসিভ লিখে চালিয়ে দিয়েছে। শালা এত কম্পিটিশন। গাড়ী ঘুরিয়ে শশ্মান। কেউ আগের মেট্রো ধরে বেরিয়েছে অফিস থেকে। চারটি মুড়ি আলুভাজা সাঁটিয়ে বসবে নিউজের ওয়েব সিরিজে।সে কি! সি সি টিভি কি বলছে। ছিলো না! কি বললেন?মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়?এখানে ক্যামেরা থাকতে নেই।আরে গর্ধব। জেলা সভাপতি হয়ে ছেলেটার নামটাও ভুল বললে। বাইট এডিট করতে বলো শিগগির।স্বপ্নদীপ কুন্ডু অসহায় প্রথম বৃত্ত আকস্মিকতায় স্তব্ধ। কাঁদছে দ্বিতীয় বৃত্ত। ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে স্কুলের বন্ধু। বই। খাতা। স্বপ্ন !!তরঙ্গের মত পরের দূরদর্শী বৃত্তেরা ঘটনার ফায়দা নিতে তৎপর।যার গেলো তার গেলো।তবু বলতে নেই সে কথা।বলতে হয় পাশে আছি। সত্যি তো। যে পাশের বাড়ির মেয়েটা চা করে এনে দিলো। যে বন্ধুর বউ.. স্বজন..আপ্রাণ চেষ্টা করছে ওদের একটু কিছু খাইয়ে দেওয়ার ..তাৎক্ষণিক এই ফার্স্ট এড নিয়ে বাড়ির দরজায় গুচ্ছের চটি জুতোর সঙ্গে সামিল হওয়াই তো পাশে থাকা।ফোন।হরিদা মনে আছে তো। কাল বাদ পরশু। রবিবার সন্ধ্যে সাতটায় সৃজনী হলে।শোকসভা।হরিপদর হাতে রিমোট।চোখের সামনে সেই এআই .. চ্যাট জিপিটি লোকগুলো। মগে চা খাচ্ছে।ইতিহাস বলছে। কার আমলে কত মৃত্যু। কোট করছে Ragging is a social menace with roots in a society where inhuman feeling are widespread.ডেটা দিচ্ছে। মিউট করে অন্য ঘরে এলো হরিপদ। মেয়ে বই পত্তর ঘাঁটছে।নার্সিং পড়তে যাবে সেপ্টেম্বরে। ওসব হস্টেল পিজি তে কাজ নেই বাবা।বাড়ি থেকে কিছু করা যায় না!এক বুক আশঙ্কা নিয়ে বললে হরিপদর বউ।বড় করে শ্বাস নিলো হরিপদ। মা মেয়ের দিকে অপলক তাকালো।সেই চিরকালীন মধ্যবিত্ত অসহায়ত্বের মধ্যেই দৃঢ়তা খুঁজে ফেরা।এও লড়াইয়ের অঙ্গ। ভাবের ঘরে চুরি করে সন্ত্রস্ত হলে ক্ষমা করবে না জীবন।কমিশন বসবে। আলোচনা.. পর্যালোচনা চলবে।ক্রমে ফিকে হবে।অপ্রিয় সত্যিটা এটাই.. হেরে গেলো স্বপ্নদীপ ..ওর বাবা মা!লড়ে বাঁচতে হবে। হ্যাঁ একাই !!

আগস্ট ১২, ২০২৩
দেশ

নিউটাউনে হিডকো জমি দুর্নীতি, যোগীরাজ্য থেকে গ্রেপ্তার ২

জমি দুর্নীতি কাণ্ডে দুজনকে গ্রেফতার করলো বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার পুলিশ। উত্তরপ্রদেশের মথুরা থেকে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। ট্রাঞ্জিট রিমান্ডে তাদের নিয়ে আসা হচ্ছে।বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসিডিডি বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, হিডকো জমি দুর্নীতি নিয়ে মোট দশটি কেস হয়েছে। বেশিরভাগ কেস হয়েছেনিউটাউনের টেকনোসিটি থানায়। এছাড়া লেকটাউন থানা ও বিধাননগর দক্ষিণ থানাতেও অভিযোগ হয়েছে। এই মামলায় তদন্ত করতে গিয়ে প্রথমে তন্ময় নায়েক নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কয়েকজনের নাম পাওয়া যায়। এর মধ্যে এফআইআর এ নাম আছে এমন ২ জনকে ধরার জন্য বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার স্পেশাল টিমকে পাঠানো হয়। গোয়েন্দারা বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাতে চালাতে অবশেষে মথুরাতে তাঁদেরকে চিহ্নিত করে। সেখান থেকে অশোক পাত্র ওরফে আকাশ পাত্র এবং সুদীপ্ত রায়কে গ্রেপ্তার করা হয়। আজকে তাদের ওখানকার কোর্টে তুলে ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে আসা হচ্ছে। ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে আসার পরে এদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই দুর্নীতিতপ আর কারা কারা জড়িত আছে তাদের খোঁজ চালানো হবে। এরা দুজন টেকনোসিটি থানার কেসে অভিযুক্ত ছিল কিন্তু গোটা ঘটনা এখন তদন্ত করছে বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার পুলিশ।

আগস্ট ১২, ২০২৩
বিদেশ

দোষী সাব্যস্ত ইমরান খান গ্রেফতার, উত্তেজনা ছড়াতে পারে পাকিস্তানে

বিপাকে পিটিআই প্রধান তথা পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তিনি তোষাখানা মামলায় দোষী সাব্যস্ত। পাশাপাশি ইমরান খানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে পাক আদালত। সঙ্গে ১ লক্ষ টাকার জরিমানা। প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে জারি করা হয়েছে গ্রেফতারি পরোয়ানা। তোষাখানা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ইমরান খান। ইসলামাবাদের জেলা ও দায়রা আদালত ইমরান খানকে তিন বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে। এই সাজার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ আছে ইমরানের। দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রায়াল কোর্টের বিচারপতি। আদালতের নির্দেশের পর ইমরানকে লাহোরের জামান পার্কের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে লাহোর থেকে ইসলামাবাদে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। আদালতের নির্দেশ ইমরান খান আগামী ৫ বছরের জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতেও পারবেন না। ইমরান খানের বিরুদ্ধে ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন পদের অপব্যবহার এবং সরকারি উপহার সংক্রান্ত বিষয়ে ক্ষমতা অপব্যবহার করার অভিযোগ আনা হয়। উপহারগুলি ইমরান খান তার বিদেশ সফরের সময় পেয়েছিলেন, সেগুলোর মূল্য ছিল 635,000 ডলার। এরপর ট্রায়াল কোর্ট শুনানি শেষে ইমরান খানকে সম্পত্তির হিসাবের গড়মিল এবং সরকারি উপহার বিক্রির দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে। তবে ইমরান খানের আইনজীবীরা ইতিমধ্যেই ট্রায়াল কোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন। রায়ের বিরুদ্ধে ইমরান যেতে পারেন উচ্চ আদালতে। এই ঘটনার পর নতুন করে উত্তেজনা ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে পাকিস্তানে।

আগস্ট ০৫, ২০২৩
রাজ্য

নারায়ণপুর শুট আউটের ঘটনায় গ্রেফতার দুই, কেন গুলি চালিয়েছিল দুষ্কৃতীরা?

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নারায়ণপুর থানা এলাকায় শুটআউট কাণ্ডে মূল পাডাসহ দুজন গ্রেফতার হয়েছে। ধৃতের নাম সুজয় দাস (নারায়ণ পুর ) ও বিক্রম মাহাত (ইছাপুর )। আজ দুপুরে নারায়ণ পুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আগামীকাল তাঁদের ব্যারাকপুর আদালতে তোলা হবে।গতকাল সন্ধ্যায় দেবজ্যোতি ঘোষ (টাক বাবাই ) প্যারোলে ছাড়া পেয়ে নারায়ণপুর থানায় হাজিরা দিয়ে বাড়ি যাওয়ার সময় নারায়ণপুর ফায়ার ব্রিগেড মোড়ের কাছে দুটি বাইকে করে চারজন যুবক এসে গাড়ি দাঁড় করিয়ে এলোপাথারি গুলি চালায়। সেই গুলিতে মৃত্যু হয় দেবজ্যোতি ঘোষ (টাক বাবাই)-এর। এরপরই পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করে। শুরু হয় দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় দেবজ্যোতি ঘোষের গাড়ির চালোককে। এরপরই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সুজয় দাস ও বিক্রম মাহাতকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে খুনের কথা।জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে এই সুজয় এক সময় দেবজ্যোতির ঘনিষ্ট সাকরেদ ছিল। বিভিন্ন অসামাজিক কাজের টাকা পয়সা নিয়ে ঝামেলার কারণে আলাদা হয়ে যায়। তীব্র ক্ষোভ ছিল দেবজ্যোতির ওপর। দীর্ঘদিন ধরে খুন করার ছক কষছিল। নির্জন জায়গা খুঁজছিলো। সেই মত তারা দেবজ্যোতির ওপর নজর রাখছিল। তারা জানতে পারে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যে বেলায় নারায়ণপুর থানায় হাজিরা দিতে যাবে দেবজ্যোতি। এবং থানার কাছেই একটি নির্জন অন্ধকার জায়গা রয়েছে। সেই মত সেখানে গাড়ি পৌঁছতেই গাড়ি আটকায় সুজয়, বিক্রম ও সঙ্গে থাকা আরও দুজন। গাড়ি দাঁড়াতেই এলোপাথারি গুলি চালানো হয়।বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। সূত্রের খবর, গাড়ির চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করে সুজয়ের নাম জানতে পারে। এর পরই নারায়ণপুর থানা এলাকা থেকে সুজয় ও বিক্রমকে আজ দুপুরে গ্রেফতার করা হয়। বাকি দুজনের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

জুলাই ২১, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানের বর ও বাংলাদেশের কনে, কাঁটাতার টপকে ঘর বেঁধেও হল না শেষরক্ষা

কথায় আছে বর্ধমানের বর আর বরিশালের কনে। এই জুটি ছিল নাকি সেরা জুটি। সোশাল মিডিয়ার বদান্যতায় জোরালো হয়েছে প্রেমের বাঁধন। দালাল চক্র ধরে কাঁটাতার পেরিয়ে বর্ধমানে এসে প্রেমিকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রেমিকা। কিন্তু দুজনেই এখন শ্রীঘরে। অভিযোগ, বেআইনি ভাবে এদেশে এসেছেন প্রেমিকা নূরতাজ আক্তার মিম।প্রেমিকের টানে কাঁটাতার টপকে অবৈধ ভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করে বিয়েটাও সেরে ফেলেছিল পড়শি দেশের প্রেমিকা। কিন্তু সংসার আর জমে উঠল না। অভিযোগের পরিপেক্ষিতে বর্ধমান থানার পুলিশ প্রেমিক ও প্রেমিকা দুজনকেই গ্রেপ্তার করেছে। ধৃত প্রেমিকা নূরতাজ আক্তার মিম। আর প্রেমিক বর্ধমান শহরের তেঁতুলতলা এলাকার যুবক শেখ সামিম।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ১৮-এর প্রেমিকা নূরতাজ আক্তার মিমের বাড়ি বাংলাদেশের নারায়নগঞ্জ জেলার এনায়েতনগরে। বর্ধমানের তেঁতুলতলার ২২ বছরের যুবক শেখ সামিমের সঙ্গে ফেসবুকের বন্ধুত্বের সম্পর্ক প্রেমের সম্পর্ক রূপ নেয়। তারপর থেকেই প্রেমিকের টানে ভারতে আসার জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠে নূরতাজ। মাস তিনেক আগে বাংলাদেশের এনায়েতনগর থেকে বনগাঁ বর্ডার পৌছে যায় অষ্টাদশি নূরতাজ। দালাল ধরে এর পর সে অবৈধ ভাবে বর্ডার পার হয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করে। অভিযোগ, এই কাজেও নাকি তাঁকে সাহায্য করে প্রেমিক সামিম। বর্ডার টপকেই নূরতাজ তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে বর্ধমানের উদ্দশ্যে রওনা হয়। তেঁতুলতলায় প্রেমিকের বাড়িতেই সে ওঠে। সেখানে মুসলিম শরিয়ত অনুযায়ী তাঁরা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। কিন্তু আইনের গেরোয় তাঁদের সংসারে আপাতত ছেদ পড়েছে।এদিন দুজনকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হলে বিচারক দুজনের জামিন নামাঞ্জুর করে জেল হেপাজতে পাঠিয়ে দেয়। ১ জুলাই ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

জুন ২৬, ২০২৩
রাজ্য

লেখিকা প্রজ্ঞাদীপা হালদারের অস্বাভাবিক মৃত্যু, লিভ-ইন সঙ্গী গ্রেফতার

চিকিৎসক এবং লেখিকা প্রজ্ঞাদীপা হালদারের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় লিভ-ইন সঙ্গী কৌশিক সর্বাধিকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, প্রজ্ঞাদীপার উপরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন কৌশিক। তিনি আত্মহত্যায় প্ররোচিত করেছেন বলে অভিযোগ। পুলিশের অনুমান, প্রজ্ঞাদীপার মৃত্যুর পরে পরিস্থিতি বেগতিক দেখেই অসুস্থতার নাটক করেছিলেন সেনা চিকিৎসক কৌশিক।ডিভোর্সের পর ভারতীয় সেনা ডাক্তারের সাথে মেয়ে লিভ টুগেদার থাকতো ব্যারাকপুরে, সেখানেই মৃত্যু। বলা হচ্ছে আত্মহত্যা, কিন্তু মা এর অভিযোগ তার মেয়েকে খুন করা হয়েছে ।প্রজ্ঞাদীপা হালদারের প্রথম ২০১৩ সালে বিয়ে হয়। কিন্তু সেই বিয়ে বেশিদিন টেকে না, ডিভোর্স হয়ে যায় । এর পর ব্যারাকপুরে সেনা হাসপাতালে কর্মারত কৌশিক সর্বাধিকারীর সাথে সম্পর্ক হয়। প্রজ্ঞাদীপা ও পেশায় একজন চিকিৎসক। বারাসত ব্লক ১ এর অন্তর্গত ছোট জাগুলিয়া স্বাস্থ্য কেন্দ্রে তিনি কর্মরত ছিলেন। কোশিক বাবুর সাথে সম্পর্ক তৈরি হওয়ার পর ২০২০ সাল থেকে ব্যারাকপুরেই থাকতো। মধ্যরাতে প্রজ্ঞাদিপার মায়ের কাছে ফোন আসে মেয়ে সেনা হাসপাতালে রয়েছে।সূত্রের খবর, শরীরে এবং মাথায় একাধিক আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। প্রজ্ঞা দীপা যেখানে থাকতো, সেখানে সিলিং ফ্যানের সাথে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। দেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে রিপোর্ট এলেই পরিস্কার হবে। মা ঝর্ণা দেবী গোটা ঘটনাটি ব্যারাকপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যারাকপুর কমিশনারেটের তদন্তকারী পুলিশ কৌশিক সর্বাধিকারী কে গ্রেফতার করেছে। আজ তাকে বারাকপুর আদালতে তোলা হয়েছে দশদিনের পুলিশ হেফাজত চেয়ে।

জুন ২৩, ২০২৩
দেশ

বাড়িতে ২ হাজার টাকার নোট আছে? এটা না করলেই পস্তাতে হবে

বহুদিন ধরে বাজারে খুব একটা দেখা যাচ্ছিল না, কানাঘুষোও চলছিল বিস্তর। অবশেষে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া ঘোষণা করে দিল। ফের হইচই দেশজুড়ে।এনডিএ সরকারের দ্বিতীয় দফায় নোট বাতিল ঘোষণা হল। এবার ২ হাজার টাকা নোট বাতিলের বড়সড় ঘোষণা করল ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। আরবিআই জানিয়েছে, বাজার থেকে ২ হাজার টাকার নোট তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২ হাজার টাকার নোট ব্যাঙ্কে জমা করা যাবে। ওই সময়ের মধ্যে ব্যাঙ্কে গিয়ে ২০০০ টাকার নোট বদলাতে পারবেন সাধারণ মানুষ৷ আগামী ২৩ মে থেকে ব্যাঙ্কগুলিতে এই সুবিধা মিলবে৷ তবে একবারে ২০০০ টাকার নোটে ২০ হাজার টাকার বেশি বদলানো যাবে না। এই নোটের বৈধতা থাকবে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।অবশ্য ইতিমধ্যে আরবিআই ব্যাঙ্কগুলিকে ২ হাজার টাকার নোট দেওয়া বন্ধ করার পরামর্শ দিয়েছে। ২০১৮-১৯ -তেই ২০০০ টাকার নোট ছাপানো বন্ধ করে দিয়েছিল আরবিআই৷ এই নোট বাতিল অনেকটাই পূর্ব পরিকল্পিত।২০১৬-তে নোট বন্দিতে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাজার থেকে তুলে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২হাজার নোট বাজারে নিয়ে আসে আরবিআই। ৫০০ টাকার নতুন নোট ছাড়লেও ১হাজার টাকার নোট বাজারেই আনেনি আরবিআই। এবার গোলাপি রংয়ের ২ হাজার টাকার নোট তুলে দিচ্ছে আরবিআই। নোটবন্দির পর ছিল উত্তরপ্রদেশের নির্বাচন। সামনের ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচন।

মে ১৯, ২০২৩
রাজ্য

সরানো হল অনুব্রত ঘনিষ্ঠ মহম্মদবাজারের আইসিকে, তলব করা হয়েছিল গরুপাচার কাণ্ডে

বীরভূমের মহম্মদ বাজার থানার আইসি মহম্মদ আলিকে সরিয়ে দেওয়া হল। তাঁকে পশ্চিম মেদিনীপুরে পাঠানো হয়েছে ডিইবি-তে। অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ পদে সরানো হয়েছে আলিকে।সম্প্রতি, গরুপাচার কাণ্ডে মহম্মদ আলির নাম জড়়িয়েছিল। এই আইসিকে তলবও করেছিল ইডি। সূত্রের খবর, গরুপাচার কাণ্ডে ধৃত তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের ঘনিষ্ঠ এই পুলিশ অফিসার। তিনি অনুব্রতর মামলার টাকার যোগানও দিয়েছেন বলে ইডি সূত্রে খবর। তাঁকে তলব করায় পুলিশ মহলে কানাঘুষো চলছিল। এবার তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হল।

এপ্রিল ১১, ২০২৩
রাজ্য

জিতেন্দ্র তেওয়ারির ৮ দিনের পুলিশ হেফাজত, ব্যাপক বিক্ষোভ আসানসোল আদালত চত্বরে

রবিবার আসানসোল আদালতে তোলা হয় আসানসোলের বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক জিতেন্দ্র তেওয়ারিকে। গত বছর ১৪ই ডিসেম্বর আসানসোলে কম্বল বিতরণকাণ্ড পদপৃষ্ট হয়ে তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় শনিবার গ্রেফতার করা হয় জিতেন্দ্রকেl এদিন জিতেন্দ্র তেওয়ারি নিজে একজন আইনজীবী হিসেবে নিজেই নিজের মামলা মুভ করেন বলে জানা গিয়েছে। জিতেন্দ্র তেওয়ারিকে আদালত থেকে বার করার আগে বিজেপি কর্মীরা তুমুল বিক্ষোভ দেখাতে থেকে আদালত চত্বরে। তাঁদের দাবি, যে গাড়িতে করে নিয়ে আসা হয়েছে। সেই গাড়ি পরিবর্তন করতে হবে। তারা অভিযোগ জানাতে থাকে অনুব্রত মণ্ডলের ক্ষেত্রে পুলিশ অভিযুক্তকে নিয়ে যাওয়ার জন্য এসি গাড়ি ব্যবহার করে বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন জনপ্রতিনিধি জিতেন্দ্রকে নিয়ে যাওয়ার সময়ও এসি গাড়ি ব্যবহার করতে হবে। এই অভিযোগে তারা তুমুল বিক্ষোভ দেখাতে থাকে গাড়ির সামনে বসে পড়েন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। যদিও পুলিশি তৎপরতায় আদালত চত্বর থেকে বিজেপি কর্মীদের সরিয়ে জিতেন্দ্র তেওয়ারিকে বার করে নিয়ে যায় পুলিশ। এদিন সরকারি আইনজীবী সোমনাথ চট্টরাজ জানিয়েছেন ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন করা হয়েছিল আদালতে আদালত ৮ দিনের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর করেছে। আগামী ২৭ তারিখ পুনরায় জিতেন্দ্র তেওয়ারি পেশ করা হবে।

মার্চ ১৯, ২০২৩
রাজ্য

এবার গরু পাচার তদন্তে গ্রেফতার অনুব্রত মন্ডলের হিসেবরক্ষক

গরু পাচার মামলায় এবার ইডি গ্রেফতার করল অনুব্রত মন্ডলের হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি। ইডি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাংলা থেকে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছিল। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার মণীশ কোঠারিকে দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারীরা। এদিকে, বুধবার দিল্লিতে অনুব্রত মণ্ডলের কন্য সুকন্যাকেও তলব করেছে ইডি।এর আগে অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গলকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তদন্তের স্বার্থে সায়গালকে আগেই দিল্লিতে নিয়ে গিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এবার ইডির জালে অনুব্রত মণ্ডলের হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি। এর আগেও তাঁকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। সূত্রের খবর, কোঠারির কাছ থেকে নয়া তথ্য় মিলেছে। গরু পাচার কাণ্ডে তদন্তে নামে-বেনামে অনুব্রত, তাঁর কন্যা, দেহরক্ষী সকলেরই বিপুল সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। এসব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারেন তাঁর হিসেবরক্ষক।বীরভূমে একাধিক চালকলের সন্ধান মিলেছে। মিলেছে মেডিক্যাল কলেজের তথ্য়। যেসব জায়গায় কোটি কোটি টাকা লগ্নি করেছে অনুব্রত মন্ডল। সেই টাকা কোথা থেকে পেলেন তিনি? সেই খোঁজ নিচ্ছে ইডি। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকে কেষ্টর নামে-বেনামে থাকা অ্যাকাউন্টে কোটি-কোটি টাকার লেনদেনের তথ্যও পেয়েছে ইডি।

মার্চ ১৪, ২০২৩
রাজ্য

কংগ্রেস নেতা আইনজীবী কৌস্তভ গ্রেফতার, পথে নামছে দল

গ্রেফতার করা হল কংগ্রেসের আইনজীবী নেতা কৌস্তভ বাগচিকে। শনিবার ভোররাতে কৌস্তভের ব্যারাকপুরের বাড়িতে পৌঁছে যায় কলকাতা পুলিশ। তার আগে চলে ব্যাপক তল্লাশি। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় কৌস্তভকে। রাজ্য কংগ্রেস মুখপাত্রকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয় বড়তলা থানায়। গ্রেফতারের সময় কৌস্তভ দাবি করেন, হয়রানি করতেই এই গ্রেফতারি। মুখ্যমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন। গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার সময় বড়তলা থানার পুলিশের সঙ্গে তুমুল কথা কাটাকাটি হয় কংগ্রেসের আইনজীবী এই নেতার। সাগরদিঘি উপ-নির্বাচনে জয়ী হয়েছে কংগ্রেস প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস। তারপরই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীকে আক্রমণ শানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অধীর চৌধুরীর মেয়ে ও গাড়িচালকের মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারই পাল্টা সংবাদ মাধ্যমে বলেন কৌস্তভ বাগচি। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার দীপক ঘোষের লেখা বইয়ের কপি ছড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কংগ্রেস। ওই বইয়ের কথা তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কৌস্তভ। এরপরেই শুক্রবার ভোররাতে কংগ্রেসের এই যুব নেতার ব্যারাকপুরের বাড়িতে পৌঁছে যায় বটতলা থানার পুলিশ। সকাল ৮ টা নাগাদ গ্রেফতার করা হয় কৌস্তভ বাগচিকে। ইতিমধ্যে বড়তলা থানায় বিক্ষোভ দেখিয়েছে কংগ্রেস। বৃহত্তর আন্দোলনের পথে পা বাড়ানোর ঘোষণা করেছেন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী।

মার্চ ০৪, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ...
  • 32
  • 33
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

‘ঝালমুড়ি খেয়েছি, ঝাল লেগেছে তৃণমূলের’—কৃষ্ণনগরে তীব্র আক্রমণ মোদীর

প্রথম দফার ভোট চলাকালীনই আবার বাংলায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনী প্রচারে নদিয়ার কৃষ্ণনগর-এ জনসভা করে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁর দাবি, গত পঞ্চাশ বছরে বাংলায় এত বেশি ভোটদান আগে হয়নি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, হিংসামুক্ত ভোটের দিকেও এগোচ্ছে রাজ্য।সভা থেকে মোদি জানান, বাংলায় ভোটের পুরনো সব রেকর্ড ভেঙে গিয়েছে। মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি জয়ের ব্যাপারেও আত্মবিশ্বাসী সুরে বলেন, ৪ মে বাংলায় পদ্ম ফুটবে। মিষ্টি বিলি হবে, ঝালমুড়িও বিলি হবে। তাঁর মতে, রাজ্যে পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে এবং মানুষের মধ্যে ভরসা বাড়ছে।এই সভা থেকে ফের ঝালমুড়ি প্রসঙ্গও তুলে আনেন তিনি। সম্প্রতি ঝাড়গ্রামে তাঁর ঝালমুড়ি খাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, আমি ঝালমুড়ি খেয়েছি, কিন্তু ঝাল লেগেছে তৃণমূলের। তাঁর এই মন্তব্যে সভাস্থলে হাসির রোল পড়ে। তিনি দাবি করেন, বহু বছর পর বাংলায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট এবং উত্তর থেকে দক্ষিণসব জায়গায় মানুষ পরিবর্তন চাইছেন।সভায় দাঁড়িয়ে মতুয়া সম্প্রদায়ের উদ্দেশেও বার্তা দেন মোদি। তিনি বলেন, তাঁদের কোনও ভয় পাওয়ার দরকার নেই এবং কেউ তাঁদের ক্ষতি করতে পারবে না। ক্ষমতায় এলে নাগরিকত্ব আইন কার্যকর করার আশ্বাসও দেন তিনি। তাঁর কথায়, ৪ মে-র পর থেকে নতুন সুরক্ষার গ্যারান্টি শুরু হবে।ভোটের মাঝেই প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য ও প্রতিশ্রুতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
দেশ

মুখ্যমন্ত্রী তদন্তে ঢুকতেই প্রশ্নে গণতন্ত্র! সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য, তুষার মেহতার বড় অভিযোগ

আইপ্যাক মামলাকে ঘিরে সুপ্রিম কোর্টে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। বুধবার বিচারপতি পি কে মিশ্র গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণে জানান, কোনও মুখ্যমন্ত্রী যদি কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে সরাসরি হস্তক্ষেপ করেন, তাহলে গণতন্ত্রের উপর প্রশ্ন উঠে যায়। এই মন্তব্যের পর বৃহস্পতিবার শুনানিতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা একের পর এক গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরেন।ঘটনার সূত্রপাত আইপ্যাক অফিসে ইডির তল্লাশি ঘিরে। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান এবং কিছু নথি ও ডিজিটাল সামগ্রী নিয়ে বেরিয়ে আসেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে মামলা দায়ের হয়। রাজ্যের তরফে ইডির তদন্তের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, আর সেই বিষয়েই এদিন আদালতে নিজের সওয়াল পেশ করেন তুষার মেহতা।তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। তাঁর বক্তব্য, আইনের শাসন বজায় রাখা সংবিধানের একটি মৌলিক অধিকার এবং তা লঙ্ঘিত হয়েছে। কয়লা পাচার মামলায় বিপুল টাকার দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, সেই তদন্তে ইডি কাজ করছে এবং তাদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষা করা প্রয়োজন। তাঁর আরও দাবি, বেআইনি অর্থ বিদেশি চ্যানেলের মাধ্যমে অন্য রাজ্যে গিয়ে পরে আইপ্যাকের কাছে পৌঁছেছে।মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, তদন্ত চলাকালীন গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ডিজিটাল যন্ত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ইডি আধিকারিকদের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও তদন্তে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সেই ঘটনার পর ইডি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দায়ের করা হয়, সেটিকেই চ্যালেঞ্জ করে আদালতে আসা হয়েছে বলে জানান তুষার মেহতা। তিনি নিরপেক্ষ সংস্থার মাধ্যমে তদন্তের দাবি জানান।তুষার মেহতা আরও অভিযোগ করেন, ঘটনাস্থলের নজরদারি ক্যামেরার তথ্য এবং কর্মীদের মোবাইল ফোন পর্যন্ত পুলিশ নিয়ে গেছে। তাঁর কথায়, যাঁরা নিজেরাই তদন্তের আওতায় রয়েছেন, তাঁদের রক্ষা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।হাইকোর্টের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শুনানির আগেই কোর্টরুমে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল। যদিও বিচারপতি পি কে মিশ্র জানতে চান, এই বিষয়ের সঙ্গে মামলার সরাসরি সম্পর্ক কী। জবাবে তুষার মেহতা জানান, ন্যায়সঙ্গত পরিবেশ না থাকায় তারা উচ্চ আদালতের পরিবর্তে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে আসতে বাধ্য হয়েছেন।তিনি অতীতের একাধিক ঘটনার উল্লেখও করেন। কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারকে ঘিরে সিবিআই তদন্তের সময় মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকার প্রসঙ্গ তোলেন। অভিযোগ করেন, তদন্তে বারবার বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে এবং আদালতের কাজেও প্রভাব ফেলার চেষ্টা হয়েছে।জানুয়ারি মাসে আইপ্যাক অফিসে তল্লাশির ঘটনার পর এই মামলা শুরু হয়। সেই মামলার শুনানি এখন সুপ্রিম কোর্টে চলছে। বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও শুনানিতে তুষার মেহতা বিস্তারিত সওয়াল করেন এবং একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরেন।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

চারটার পরেই আগুন! বীরভূমে ভোটকেন্দ্রে তুমুল সংঘর্ষ, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মারধর

বীরভূমের খয়রাশোল এলাকায় ভোট চলাকালীন হঠাৎই পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। বিকেল চারটার পর থেকেই অশান্তির আশঙ্কা ছিল বলে আগে থেকেই সতর্ক করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়ে ওঠে। দুবরাজপুর বিধানসভার খয়রাশোল ব্লকের বুধপুর গ্রামের একটি বুথে আচমকাই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং মুহূর্তের মধ্যে তা খণ্ডযুদ্ধে পরিণত হয়।স্থানীয় ভোটারদের অভিযোগ, ইভিএমে নির্দিষ্ট বোতাম চাপলেও অন্য প্রার্থীর পক্ষে ভোট চলে যাচ্ছে। প্রায় দুইশো ভোট পড়ার পর এই বিষয়টি ধরা পড়ে বলে দাবি করেন গ্রামবাসীরা। এই অভিযোগ ঘিরে ভোটারদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয় এবং তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে ভোট প্রক্রিয়া বন্ধ করার দাবি তোলেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতেই ভোট বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়।খবর পেয়ে ইঞ্জিনিয়ারদের আসার কথা জানানো হয়। কিন্তু তার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে স্থানীয়দের তীব্র বচসা শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। অভিযোগ, স্থানীয়রা জওয়ানদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়তে শুরু করেন এবং মারধরও করা হয়। এই ঘটনায় কয়েকজন জওয়ান ও গাড়ির চালক আহত হন। বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে এগোতে দেখা যায়। গোটা এলাকায় এখনো চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

হাবড়া-অশোকনগরে মেট্রো! অমিত শাহের বড় ঘোষণা, স্বপ্ন না কি ভোটের প্রতিশ্রুতি?

হাবড়া ও অশোকনগরে মেট্রো চালুর প্রতিশ্রুতি ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তর চব্বিশ পরগনায়। বুধবার হাবড়ার একটি জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেন, এই দুই শহরে মেট্রো পরিষেবা চালু করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই বক্তব্য সামনে আসতেই জল্পনা শুরু হয়েছে সর্বত্র।হাবড়ার বাণীপুর চৌমাথা সংলগ্ন আম্বেদকর মাঠে আয়োজিত সভায় তিনি দলীয় প্রার্থী দেবদাস মণ্ডল ও অশোকনগরের প্রার্থী সুময় হীরার সমর্থনে বক্তব্য রাখেন। সেখানেই তিনি জানান, মেট্রো চালু হলে হাবড়া ও অশোকনগরের পরিবহণ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যারও সমাধান হতে পারে বলে দাবি করেন তিনি।হাবড়া ও অশোকনগর, দুই এলাকাতেই প্রতিদিন প্রচুর মানুষের যাতায়াত হয়। বিশেষ করে হাবড়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়ী কেন্দ্র। এখানে চালের বড় বাজার ও সুতির কাপড়ের হাট রয়েছে, যার জন্য বহু মানুষ প্রতিদিন এই শহরে আসেন। ফলে প্রায়ই তীব্র যানজট তৈরি হয়। স্থানীয় এক বাসিন্দার কথায়, মেট্রো চালু হলে মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।তবে এই ঘোষণার পরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বাস্তবতা নিয়ে। অনেকের মতে, এখনও পর্যন্ত বারাসত বা বারাকপুর পর্যন্ত প্রস্তাবিত মেট্রো প্রকল্পের কাজই শুরু হয়নি। জমি সংক্রান্ত সমস্যা ও অন্যান্য জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে এই প্রকল্প আটকে রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে হাবড়া পর্যন্ত মেট্রো পৌঁছনো আদৌ সম্ভব কি না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন অনেকেই।কলকাতায় দেশের প্রথম মেট্রো চালু হলেও পরবর্তী সময়ে খুব বেশি দূর পর্যন্ত তার সম্প্রসারণ হয়নি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই অনেকের মতে, হাবড়া ও অশোকনগরে মেট্রো পরিষেবা চালুর ঘোষণা আপাতত স্বপ্নের মতোই শোনাচ্ছে। তবে এই প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবায়িত হবে, সেটাই এখন দেখার।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের দিনই তাণ্ডব! অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে পাথরবৃষ্টি, ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তাল আসানসোল

ভোটকে ঘিরে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়। মুর্শিদাবাদে জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীরের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগের পর এবার আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।অগ্নিমিত্রা পালের অভিযোগ, বার্নপুরের রহমত নগর এলাকায় তাঁর গাড়ির উপর আচমকা হামলা চালানো হয়। তিনি জানান, এলাকায় পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে একটি স্কুলে ঢুকেছিলেন। সেখান থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার পরই তাঁর গাড়িকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া শুরু হয়। চলন্ত গাড়ির পিছনে একের পর এক পাথর আঘাত হানে। তাঁর দাবি, তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই হামলা চালিয়েছে। শুধু তাঁর গাড়িই নয়, সঙ্গে থাকা সাংবাদিকদের গাড়িতেও পাথর ছোড়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনার পর তিনি থানায় গিয়ে অভিযোগ জানান।এ দিনের সকালেই আসানসোলের রানিগঞ্জ এলাকায় পুলিশ তাঁকে বাধা দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই সময় পুলিশের এক আধিকারিকের সঙ্গে তাঁর তীব্র বচসা হয়। নিমচা ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক নাসরিন সুলতানা জানান, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী প্রার্থীর সঙ্গে নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি গাড়ি রাখা যাবে না। এই নিয়েই দুপক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়।এই ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই আবার অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে। অন্যদিকে, একই দিনে মুর্শিদাবাদে হুমায়ুন কবীরের গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয় বলে জানা গেছে। তাঁর গাড়ির কাচ সম্পূর্ণ ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।রাজ্যের একাধিক জেলায় এভাবে প্রার্থীদের উপর হামলার ঘটনায় ভোটের পরিবেশ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের দিনেই বিস্ফোরক মন্তব্য! গুণ্ডামির অভিযোগে সরব শুভেন্দু

নন্দীগ্রামে ভোট দিয়ে বেরিয়েই সুর চড়ালেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। নিজের বুথে ভোট দিয়ে তিনি দাবি করেন, বাংলায় পরিবর্তন হবেই। তাঁর কথায়, এবার যদি পরিবর্তন না হয়, তাহলে বাংলায় সনাতনবাদ বিপদের মুখে পড়বে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের কাজকে ভালো বললেও কিছু জায়গায় গুণ্ডামির অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, তাঁদের পোলিং এজেন্টকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং এই ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।শুভেন্দু অধিকারী দীর্ঘদিন ধরেই নন্দীগ্রামের ভোটার। প্রতি নির্বাচনের মতো এবারও তিনি নিজের বুথে গিয়ে ভোট দেন। এদিন সকালে ব্রজমোহন তিওয়ারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বুথে গিয়ে ভোট দেন তিনি। ভোট দিয়ে বেরিয়ে এসে বুথ স্তরের এক কর্মীর ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা হচ্ছে। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করে এসেছেন।পরে তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু হিন্দু ভোটারকে ভয় দেখানো হচ্ছে। এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। উল্লেখ্য, নন্দীগ্রাম বরাবরই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর কেন্দ্র। প্রতি নির্বাচনে এখানে উত্তেজনা দেখা যায়।এবারের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মূল লড়াই তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে। একদিকে শুভেন্দু অধিকারী, অন্যদিকে তাঁর প্রাক্তন ঘনিষ্ঠ পবিত্র কর তৃণমূলের প্রার্থী। এই দুই প্রার্থীর লড়াই ঘিরে আগেই উত্তাপ বেড়েছিল। ভোটের দিন সকালে নিজেই ভোট দিয়ে পরে দলীয় কার্যালয়ের দিকে রওনা দেন শুভেন্দু।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ইডির সমনে হাজিরা দিতে হবে সুজিত বসুকে! হাইকোর্টে বড় রায়

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসুকে ঘিরে নতুন মোড়। এই মামলায় তাঁকে বারবার তলব করেছিল তদন্তকারী সংস্থা। তবে আপাতত কিছুটা স্বস্তি পেলেন তিনি। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, এখনই হাজিরা দিতে হবে না, তবে নির্দিষ্ট দিনে হাজিরা দিতেই হবে।দুবছর আগে এই মামলায় চার্জশিট জমা পড়লেও সেখানে সুজিত বসুর নাম ছিল না। তবুও ভোটের আগে থেকে তাঁকে একাধিকবার তলব করা হয়। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তাঁকে বারবার সমন পাঠানো হচ্ছিল। একবার তিনি নিজে না গিয়ে নিজের ছেলেকে পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু তা গ্রহণ করেনি তদন্তকারী সংস্থা।এরপর আবার তাঁকে নির্দিষ্ট দিনে হাজিরার জন্য ডাকা হয়। তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়ে আবেদন করেন, ভোট চলাকালীন তিনি প্রার্থী হওয়ায় এখন হাজিরা থেকে ছাড় দেওয়া হোক। তাঁর দাবি ছিল, ভোট শেষ হওয়ার পর তাঁকে ডাকা হোক। অন্যদিকে তদন্তকারী সংস্থার দাবি, তাঁকে বারবার ডাকা হলেও তিনি সহযোগিতা করছেন না।সব দিক বিবেচনা করে আদালত জানিয়েছে, আগামী ১ মে সকাল সাড়ে দশটায় তাঁকে হাজিরা দিতে হবে। নিজের জায়গায় অন্য কাউকে পাঠানো যাবে না। তবে যেহেতু তিনি ভোটে প্রার্থী, তাই এই সময়সীমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আদালত।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

হুমায়ুনকে ঘিরে তাণ্ডব! গাড়ি ভাঙচুর, বাঁশ ফেলে অবরোধ

ভোটের দিন মুর্শিদাবাদের নওদায় উত্তেজনা চরমে পৌঁছল। সকালে ১৭৩ এবং ১৭৪ নম্বর বুথের কাছে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এর প্রতিবাদে রাস্তার উপরেই চেয়ার পেতে বসে পড়েন হুমায়ুন কবীর।কিছুক্ষণের জন্য পরিস্থিতি শান্ত হলেও উত্তেজনা পুরোপুরি কাটেনি। প্রায় দুঘণ্টা রাস্তার উপর বসে থাকার পর সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। অভিযোগ, সেই সময় রাস্তার উপর বাঁশ ফেলে তাঁর গাড়ি আটকানোর চেষ্টা করা হয়। তাঁর কনভয়ে থাকা গাড়িতে ভাঙচুর এবং এজেন্টের গাড়িতে হামলার অভিযোগও ওঠে।এর পরেই আবার পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায়। দুই পক্ষের মধ্যে লাঠি ও বাঁশ নিয়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে এগিয়ে যান জওয়ানরা। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় এলাকা ছাড়তে সক্ষম হন হুমায়ুন কবীর।ঘটনার পর এলাকায় এখনও উত্তেজনা রয়েছে। ভোটের দিন এমন ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal