• ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩, শুক্রবার ৩১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Postmortem

বিনোদুনিয়া

বাড়ি থেকে সোজা শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হবে রাহুলের দেব! কী জানালেন প্রিয়াঙ্কা

ময়নাতদন্ত শেষ হওয়ার পর অভিনেতা রাহুলের দেহ নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হয়েছে শববাহী গাড়ি। সোমবার দুপুরে তমলুকে সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ হয়। তারপরই তাঁর দেহ নিয়ে রওনা দেন গাড়িচালক, ধারাবাহিকের প্রোডাকশন ম্যানেজার এবং অন্যান্য সহকর্মীরা। শেষবারের মতো তাঁকে তাঁর কলকাতার বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে।তমলুক হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক ময়নাতদন্তের রিপোর্টে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে, জলে ডুবেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, তাঁর ফুসফুসে অস্বাভাবিক পরিমাণে বালি এবং নোনাজল পাওয়া গিয়েছে। শুধু ফুসফুস নয়, খাদ্যনালি, শ্বাসনালি এবং পাকস্থলীতেও বালি ঢুকে গিয়েছিল বলে জানা গেছে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, তাঁর ফুসফুস ফুলে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল।চিকিৎসকদের অনুমান, খুব অল্প সময় নয়, বরং বেশ কিছুক্ষণ জলের নিচে থাকলে এই ধরনের অবস্থা হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, অন্তত এক ঘণ্টা জলের নিচে ছিলেন অভিনেতা। এই তথ্য সামনে আসতেই নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।এদিকে জানা গিয়েছে, অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকারের ইচ্ছে, বাড়ি থেকে সরাসরি কেওড়াতলা মহাশ্মশানে নিয়ে যাওয়া হোক রাহুলের দেহ। সেই কারণে ভোলা বসু ভবনে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। অনেকের ধারণা, হয়তো সরাসরি মহাশ্মশানেই নিয়ে যাওয়া হবে।সমাজমাধ্যমে রাহুলের বন্ধু এবং নাট্যপরিচালক জয়রাজ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তাঁর দেহ নিয়ে কলকাতায় ফিরছেন তাঁরা। সঙ্গে রয়েছেন আরও কয়েকজন ঘনিষ্ঠ। দুপুর আড়াইটে নাগাদ বিজয়গড়ের বাড়িতে পৌঁছনোর কথা রয়েছে। সেখানে শেষবারের মতো তাঁকে শ্রদ্ধা জানানোর ব্যবস্থা করা হতে পারে, তবে তা নিয়েও এখনও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত হয়নি।

মার্চ ৩০, ২০২৬
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে বিচারের দাবিতে ফের সিজিও অভিযান চিকিৎসকদের

জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস এবং অভয়া মঞ্চের পক্ষ থেকে সিজিও কমপ্লেক্স অভিযান। প্রতিনিধিরা যায় করে সিবিআই দপ্তরে। ৮ মাসেও মেলেনি বিচার। দ্রুত তদন্ত, সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট দেওয়ার দাবিতে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সের সামনে জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস এবং অভয়া মঞ্চের অভিযান। মিছিল করে তারা উপস্থিত হয় ফিজিও কমপ্লেক্সের সামনে। এর পরে সিজিও কমপ্লেক্সের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিক্ষোভকারীরা। তাঁদের অভিযোগ, ৮ মাস পার হলেও প্রকৃত বিচার মিলল না। তদন্তে সিবিআই এর দীর্ঘসূত্রিতা এমনকি সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট দেওয়ার ক্ষেত্রেও তদন্তকারীদের উদাসীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন চিকিৎসকরা। এরপর তাদের একটি প্রতিনিধি দল প্রবেশ করে ফিজিও কমপ্লেক্সের ভেতরে সিবিআই দপ্তরে।

এপ্রিল ১০, ২০২৫
রাজ্য

ফের নবান্নের সঙ্গে বৈঠকে জুনিয়র চিকিৎসকরা, চলছে লাগাতার কর্মবিরতি

এবার নবান্নে রাজ্যের সঙ্গে বৈঠক জুনিয়র ডাক্তারদের। আজ মুখ্য সচিবের সঙ্গে আলোচনা আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের। পাঁচ দফা মধ্যে চার ও পাঁচ নম্বর দাবির ওপর জোর দিয়েই আজকের এই বৈঠক হবে বলে জানানো হয়েছে জুনিয়র ডাক্তারদের তরফে। এদিকে রাজ্যের তরফে জুনিয়র ডাক্তারদের কাজে যোগদানের আহ্বান জানানো হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা ৭টা বেজে ১৫ মিনিটে নবান্নে পৌঁছান জুনিয়র ডাক্তারদের ৩০ জনের প্রতিনিধিদল। থ্রেট কালচার থেকে শুরু করে হাসপাতালে ডাক্তারদের নিরাপত্তাসহ একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে আজকের এই বৈঠকে। এর আগে কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের বৈঠকে ডাক্তারদের কাজে ফেরার আহ্বান জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মুখ্যসচিবের তরফে করা ইমেলেও দক্ষিণবঙ্গের বন্যা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজ যোগ দিতে অনুরোধ করা হয়েছে। এদিন বৈঠকে যাওয়ার আগে এক সাংবাদিক সম্মেলন করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। সেখানে বলা হয়েছে রাজ্য সরকার আন্দোলনের চাপে নতি স্বীকার করেছে। সরানো হয়েছে স্বাস্থ্য, পুলিশ আধিকারিকদের। অভয়ার বিচারের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টেও লড়ে চলেছি আমরা। সিবিআইও আমাদের চাপের কারণেই টালা থানার ওসি ও সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করেছে। সরকারি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজগুলিতে স্বাস্থ্যকর্মীর সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে আমরা কাজে ফিরতে ভয় পাচ্ছি। এদিন জুনিয়র ডাক্তারদের তরফে বলা হয়, উপরোক্ত দাবি পূরণ না হলে কাজে ফিরতে পারব না তাও আমরা সরকারকে জানিয়েছি। আমরা চাইছি প্রতিটি মেডিকেল কলেজে রেস্ট রুম , বাথরুম, প্যানিক বোতাম, নারী পুলিশ কর্মী মোতায়েন করতে হবে। কলেজ ভিত্তিক টাস্ক ফোর্স গঠনের দাবিও জানানো হয়েছে। হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজগুলিতে রোগী পরিষেবাকে উন্নত করতে হবে। প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কর্মী নিয়োগ, হাসপাতালের পরিকাঠামো ঢেলে সাজাতে হবে। জনমুখী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। প্রতিটি কলেজে থ্রেট কালচারকে বন্ধ করতে হবে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা। কমিটি গঠন করতে হবে। গণতান্ত্রিক পরিসরকে বিস্তৃত করতে হবে হাউসস্টাফ নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে সওয়াল করেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করার পর বুধবার সকালেই মুখ্যসচিবকে ই-মেল করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে ই-মেলে তাঁরা উল্লেখ করেন, তাঁদের দাবির কয়েকটি বিষয় এখনও সমাধান হয়নি। সেই দাবি সমাধানের আশাতেই মেল করেছেন আন্দোলনকারীরা। ই-মেলে তাঁরা রাজ্য সরকারের তরফে ইতিবাচক উত্তরের আশায় রয়েছেন বলে লেখেন।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডের জের, নতুন পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা, বদলি স্বাস্থ্য দফতরেও

গতকাল জুনিয়র চিকিৎসকদের বৈঠকে বিনীত গোয়েলকে সরানেরা কথা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মতো সরানো হল তাঁকে। কলকাতা পুলিশের নতুন কমিশনার হচ্ছেন মনোজ ভার্মা। ১৯৯৮ ব্যাচের আইপিএস অফিসার মনোজ ভার্মাকেই বিনীত গোয়েলের জায়গায় কলকাতা পুলিশের দায়িত্বে অনলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার ছিলেন মনোজ ভার্মা। সেই সঙ্গে নতুন ADG হলেন জ্ঞানবন্ত সিং। স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের ADG পদে যাচ্ছেন বিনীত গোয়েল।গতকালই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, বিনীত গোয়েলকে সরিয়ে কলকাতা পুলিশের দায়িত্বে নতুন কাউকে আনা হবে। সেই মতো মনোজ ভার্মাকে কলকাতা পুলিশের নতুন পুলিশ কমিশনার করা হয়েছে। ১৯৯৮ ব্যাচের আইপিএস অফিসার মনোজ ভার্মা। তিনি রাজ্য পুলিশের এডিজি (আইন-শৃঙ্খলা) পদে নিযুক্ত ছিলেন। এর আগে কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনারের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। এবার তিনি পুলিশ কমিশনার।দক্ষ পুলিশকর্তা হিসেবে বরাবরই নিজের পরিচয় দিয়েছেন মনোজ ভার্মা। উত্তরবঙ্গের পাহাড়ে উত্তাল পরিস্থিতির সময় এই মনোজ ভার্মাকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ২০১৯ সাল পর্যন্ত দার্জিলিংয়ের আইজি ছিলেন মনোজ ভার্মা। ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের ফি দিনের গন্ডগোল সামলানোর দায়িত্বও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মনোজ ভার্মার কাঁধেই সঁপেছিলেন। এবার কলকাতা পুলিশের দায়িত্বে আনা হল দুঁদে এই আইপিএস অফিসারকে।অফিসারকে। বিনীত গোয়েলকে পাঠানো হয়েছে এডিজি STF পদে পাঠানো হয়েছে। এর আগেও এসটিএফে কাজ করেছেন বিনীত গোয়েল। নতুন এডিজি আইবি হলেন জ্ঞানবন্ত সিং। DC নর্থ অভিষেক গুপ্তকেও বদলি করা হয়েছে। EFR সেকেন্ড ব্যাটেলিয়নের CO পদে আনা হয়েছে তাঁকে। অভিষেক গুপ্তর জায়গায় নতুন DC নর্থ দীপক সরকার। এডিজি (আইশৃঙ্খলা) পদে আনা হল জাভেদ শামিমকে। আরজি কর কাণ্ডের জেরে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের চাপে বদল স্বাস্থ্য দফতরেও। পুলিশের পাশাপাশি জুনিয়ার ডাক্তারদের দাবি মেনে সরিয়ে দেওয়া হল স্বাস্থ্য অধিকর্তা ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তাকে। কৌস্তভ নায়েককে সরিয়ে স্বাস্থ্য অধিকর্তা পদে আবা হয়েছে স্বপন সোরেনকে। সেই সঙ্গে রাজ্যের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা দেবাশিস হালদারকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা পদে থাকা দেবাশিস হালদারকে বদলি করা হচ্ছে জনস্বাস্থ্য স্পেশাল অফিসার অন ডিউটি পদে। স্বাস্থ্য অধিকর্তা পদে থাকা কৌস্তভ নায়েককে ইনস্টিটিউট অফ হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ারে অধিকর্তা পদে পাঠানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৪
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী ও জুনিয়র চিকিৎসক বৈঠক: সরছেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার, বদল হচ্ছে দুই স্বাস্থ্য শীর্ষ কর্তা

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও জুনিয়র চিকিৎসকদের বৈঠক হয়েছে দীর্ঘক্ষণ ধরে। বেশ কয়েকটি দাবি মেনে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, ৪টের মধ্যে ৩ টে দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজে যোগ দিতে আবেদন জানানো হয়েছে। ১১টা ৪৬ মিনিটে বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। বাইরে বেরিয়ে তাঁরা বলেন, আমাদের ৫ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিছু জিনিস নিয়ে আলোচনা হয়নি। আমরা ধরনা মঞ্চে গিয়ে বলবো। সব বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছায়নি দুপক্ষ। তাঁরা জানিয়েছে, পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগের দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ, স্বরাষ্ট্র সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, ডিজি রাজীব কুমার সহ আরও সরকারি আধিকারিক। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কি বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?আমাদের বৈঠক চলেছে দীর্ঘক্ষণ। ৪২ জন জুনিয়র চিকিৎসক স্বাক্ষর করেছেন। ওদের বক্তব্য রাখতে দিয়েছি। অভয়ার উদ্দেশে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বৈঠক শুরু হয়। বদলের জন্য ৩ টে নাম দিয়েছিল স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের। ডিএমই ও ডিএইচএসকে সরানো হবে। চিকিৎসকদের তাঁদের প্রতি ক্ষোভ আছে। তবে তাঁদের অসম্মান করি না। আগামিকাল ৪ টের পর পুলিশ কমিশনার বদল করানো হবে। আরও কিছু পুলিশের রদবদল করা হবে। বিনীত যেখানে কাজ করতে চেয়েছে সেখানে ওকে দেওয়া হবে। ওদের ৪টে দাবির মধ্যে ৩ টে দাবি মেনে নিয়েছি। হাসপাতালের পরিকাঠামো বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দেওয়া হবে। বৈঠক পজিটিভ হয়েছে বলে আমি মনে করি। নিশ্চয় ওরাও তাই মনে করে। তাই মিনিটসে স্বাক্ষর করেছে। আমি ওদের বলেছি মানুষের স্বার্থে কাজে যোগ দাও। এদিকে ডিভিসি জল ছাড়ায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে রাজ্যর কিছু এলাকায়। আমাদের না জানিয়ে আজ সকালে ৮০-৯০ হাজার কিউসেক জল ছেড়েছে ডিভিসি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৪
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী ও জুনিয়র চিকিৎসকের বৈঠক শেষ, জট কি কাটলো?

আগামিকাল সুপ্রিম কোর্টে শুনানির আগে বৈঠক হল। বৈঠকে কি জট কাটলো? জানা গিয়েছে, জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করার অনুরোধ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নানা টালবাহানার পর অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক হল আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের। কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে এই বৈঠক হয়। বৈঠক চলে প্রায় ২ ঘন্টা। এর আগে বৈঠকের লাইভ স্ট্রিমিং দাবি করেছিল জুনিয়র চিকিৎসকরা। সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে তাই লাইভ স্ট্রিমিং সম্ভব নয় বলে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন। পরে ভিডিও রেকর্ডিংয়ের দাবি ছিল আন্দোলনকারীদের। কিন্তু তাও ধোপে টেকেনি। শেষমেশ মিটিংয়ের আলোচনার মিনিট দেওয়া হবে এই শর্তে বৈঠকে বসেন জুনিয়র চিকিৎসকরা।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৪
রাজ্য

কালীঘাটে এখনও বৈঠক শুরু হয়নি, ভিডিওগ্রাফিতে অনড় জুনিয়র চিকিৎসকরা

জুনিয়র চিকিৎসকদের সঙ্গে বৈঠকের জন্য অপেক্ষা করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ সরকারি উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। লাইভ স্ট্রিমিং না হলেও ভিডিওগ্রাফির দাবি করছে জুনিয়র চিকিৎসকরা। প্রশাসন ভিডিওগ্রাফি করবে, সেক্ষেত্রে জুনিয়র চিকিৎসকরা ভিডিওগ্রাফির দাবি জানিয়েছে। এই জটিলতায় বৈঠক আটকে আছে। সেখানে কাক ভেজা হয়ে অপেক্ষা করছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা স্বচ্ছতার জন্য ভিডিওগ্রাফি চাইছেন।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৪
রাজ্য

জুনিয়র চিকিৎসকদের ধরনা মঞ্চে গিয়ে কি বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিষেধ থাকা সত্ত্বেও আমি ছুটে এসেছি। কাল সারারাত ঝড় বৃষ্টি হয়েছে। আপনারা কষ্ট পেয়েছেন। আমিও রাতে ঘুমোতে পারিনি। আমারও কষ্ট হয়েছে। আমি নিজে ছাত্র আন্দোলন থেকে উঠে এসেছি। আমি যখন এসেছি কাজ করবই। অনেক কষ্ট পেয়েছেন আপনারা। আপনাদের দাবিগুলো নিয়ে আমি কথা বলব। আপনাদের দাবিগুলি আমি ভাবব, আমি চিন্তা করব। দোষী শাস্তি পাবেই। সিবিআইকে অনুরোধ করব যত তাড়াতাড়ি বিচার হোক। তিন মাসের মধ্যে তারা যেন ফাঁসির অর্ডার দেয়। আপনাদের প্ল্যাটফর্ম থেকেই সিবিআইকে অনুরোধ জানাব।আমাকে একটু সময় দিন। আমার উপর যদি ভরসা থাকে আমি কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব। আমার পোস্টটা বড় কথা নয়। মানুষের পোস্টটাই বড় কথা। আপনারা এত কষ্ট করে ঝড় জলে রয়েছেন। আপনাদের পরিবারও কষ্টে রয়েছে। আপনারা কাজে যোগ দিন। আপনাদের প্রতি আমি কোনও অবিচার করব না। হাসপাতালের পরিকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ আমরা শুরু করে দিয়েছি। সব হাসপাতালে রোগী কল্যাণ সমিতিতে অধ্যক্ষদের চেয়ারম্যান করব। সদস্য হিসেবে, জুনিয়র-সিনিয়র ডাক্তার, নার্স ও একজন পাবলিক রিপ্রেসেন্টেটিভ থাকবেন এবং পুলিশও থাকবে। আরজি কর মেডিকেল কলেজ সহ সব মেডিকেল কলেজের রোগী কল্যাণ সমিতি ভেঙে দিলাম। আপনাদের বাদবাকি যা দাবি আছে যদি সত্যি কেউ দোষী হয় তারা শাস্তি পাবে। দোষীরা আমার বন্ধু নয়। আমি চাই তিলোত্তমা বিচার পাক। এই খুনের সাথে ও দুর্নীতির সাথে কেউ জড়িত থাকলে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করব। আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ করছি নিজেদের মধ্যে কথা বলুন। কথা বলে ব্যবস্থা নেব। আমি আপনাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেব না। উত্তর প্রদেশ পুলিশ স্ট্রাইক, মিছিল বন্ধ করে দিয়েছিল। আমি এসব করব না। কোনও ডাক্তারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আমি বিরুদ্ধে। আপনারা চাইলে কাজে যোগ দিন। ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিন। আমি যখন আপনাদের ধরনামঞ্চে আসতে পেরেছি ভরসা করলে বাদ বাকিটাও আমি আস্তে আস্তে করে দেব।দুর্নীতির একটা টেন্ডার কেসও আমার কাছে আসেনি। কোনও রোগী করলেন সমিতি কি কাজ করে সেটা আমার কাছে আসে না। আপনাদের অভিযোগ থাকলে তদন্ত করব, সাজাও দেব। ১৭ তারিখ কেসের ডেট আছে সুপ্রিম কোর্টে। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বলতে আসিনি। আমি আপনাদের দিদি হিসেবে বলতে এসেছি। আপনাদের আন্দোলনকে কুর্নিশ জানাই। আপনাদের আন্দোলনের আমিও সমব্যথী ও সমসাথী। অনুরোধ করছি আমার কথা শুনুন।যে যা খাবার দিচ্ছে সব খাবারটা খাবেন না। হ্যাঁ জাস্টিস হবে। আমি ২৬ দিন অনশন করেছিলাম। সিপিএমের সরকার একদিনের জন্যও কথা বলতে আসেনি। তা সত্ত্বেও আমি এখন এসেছি। আপনাদের আবারও আবেদন বসে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিন। আমার এটা লাস্ট চেষ্টা আপনাদের জন্য করে গেলাম। অবিচার হবে না আপনার বিচার পাবেন, এটুকু আমি বলতে পারি। আপনাদের সকলকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৪
রাজ্য

জুনিয়র চিকিৎসকদের ধরনা অবস্থানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সল্টলেকে জুনিয়র চিকিৎসকদের অবস্থান বিক্ষোভে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুদিন আগে নবান্নে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল জুনিয়র চিকিৎসক ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। এদিন সল্টলেকে ছুটে যান মুখ্যমন্ত্রী। সহমর্মিতা প্রকাশ করেন মমতা। কাজে ফেরার আবেদন জানান। আপনাদের দাবি নিয়ে আলোচনা করবেন বলে জুনিয়র চিকিৎসকদের জানান। বলেন, তিলোত্তমার বিচার হোক। ৩ মাসে শাস্তি দিক সিবিআই, যেন ফাঁসির আদেশ হয়।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৪
রাজ্য

কর্মবিরতির জন্য বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু ২৯, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতির জেরে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু হয়েছে ২৯ জনের, দাবি রাজ্য সরকারের। এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলে ঘোষণা করেছেন, মৃত ২৯ জনের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেবে সরকার। মমতা এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতির ফলে স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে। যার ফলে ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এটা দুর্ভাগ্যজনক। মৃতদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে রাজ্য সরকার ২ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করছে। ২৯ জন মৃতের পরিবারকে ওই টাকা দেওয়া হবে।রাজ্যের অভিযোগ, ডাক্তারদের কর্মবিরতির ফলে বহু মানুষ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা পাচ্ছেন না। অনেকে বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যের হিসাবে মৃতের সংখ্যা ২৯। তবে রাজ্যের এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারী ডাক্তাররা। তাঁদের দাবি, কোনও হাসপাতালেই চিকিৎসা পরিষেবা ব্যাহত হয়নি। সিনিয়র চিকিৎসকরা পরিষেবা দিচ্ছেন। বাড়তি পরিশ্রম করছেন। কোথাও বিনা চিকিৎসায় রোগীকে ফিরে যেতে হচ্ছে না।পাল্টা তাঁদের দাবি, রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার বেহাল দশাতেই এমনতিই বহু মানুষ প্রতিদিন উপযুক্ত চিকিৎসা পরিষেবার অভাবে মারা যান। সেই ব্যর্থতা ঢাকতেই আন্দোলনকারীদের ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছে রাজ্য সরকার। কাঠগড়ায় তোলা হচ্ছে কর্মবিরতিকে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৪
রাজ্য

কেন নবান্নের বৈঠকে লাইভ স্ট্রিমিং নয়? কারণ জানালেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী

লাইভ স্ট্রিমিং প্রশ্নে জুনিয়র চিকিৎসক ও মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক ভেস্তে যাওয়ায় কড়া সমালোচনা করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, মুখ্যমন্ত্রী যে ঘরে বসে অপেক্ষা করছিলেন, সেই ছবি সরকার প্রকাশ করলো আদালতকে প্রভাবিত করতে। লাইভস্ট্রিমিংয়ের সাথে সুপ্রিমকোর্টের রায়ের কোনো সম্পর্ক নেই। সুপ্রিমকোর্টের শুনানি তো লাইভস্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে সারা দেশ দেখছে। নবান্নের সভাঘরে যে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল তার সাথে আদালত অবমাননার কোনো সম্পর্ক নেই। নবান্নের সভাঘরে কি বিচার প্রক্রিয়া চলার কথা ছিল !নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, পুরোটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাটক, লাইভস্ট্রিমিংয়ে আসলে ওনার মুখোশ খুলে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল তাই জুনিয়র ডাক্তারদের ন্যায্য দাবি মানলেন না। জুনিয়র ডাক্তাররা স্বাস্থ্য দফতরের দুর্নীতি নিয়ে আলোচনা করতেন, তাতেই স্বাস্থ্য মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভয় পেয়ে যান। আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই চান না এই অচলাবস্থা কাটুক। পরবর্তী শুনানির আগে রাজ্যের উকিল কপিল সিব্বলের হাতে ভুয়ো যুক্তির অস্ত্র তুলে দিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নানা কৌশল অবলম্বন করছেন।নবান্ন থেকে জেলায় জেলায় প্রশাসনিক বৈঠকে লাইভ দেখতে অভ্যস্ত রাজ্যের মানুষ। মুখ্যমন্ত্রীর বকাঝকাও ওই বৈঠকগুলিতে দেখা গিয়েছে। শুভেন্দু লিখেছেন, যে মুখ্যমন্ত্রী প্রসাশনিক বৈঠক লাইভ স্ট্রিমিং করেন, তাহলে এত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক লাইভ স্ট্রিমিং করতে তাঁর আপত্তি কোথায়? আইনের যে যুক্তি দিচ্ছেন তা পুরোপুরি ভুয়ো। মুখ্যমন্ত্রী আসলে লাইভ স্ট্রিমিং করতে ভয় পেয়েছিলেন এই ভাবনা থেকে যে প্রাথমিক পুলিশি তদন্তে যে ফাঁকফোকর রয়েছে, তদন্তের নামে প্রমাণ লোপাট করার চেষ্টা ও তাড়াহুড়ো করে দেহ দাহ করা হয়েছে, এই সংক্রান্ত কেনো প্রশ্ন উঠলে উনি জবাব দিতে পারতেন না।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৪
রাজ্য

নবান্নে অপেক্ষা করে চলে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী, সরকারের মেইলে অপমানিত জুনিয়র চিকিৎসকরা

রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের প্রধান সচিবের পক্ষে আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের কাছে একটি মেল পাঠানো হয় সন্ধে ৬টা১০মিনিট নাগাদ। নবান্নে এসে সরকারের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধি দল এসে দেখা করতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে নবান্নে হাজির ছিলেন। কিন্তু স্বাস্থ্য দফতরের এই মেলকে ভালো ভাবে নেননি আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকরা। তাঁরা এই মেলকে অপমানজনক বলে মনে করছেন। তাই মেইলের জবাব দেবে না বলেও তাঁরা জানিয়ে দিয়েছে। সরকারের তরফে মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক করার জন্য অপেক্ষা করে বেরিয়ে গিয়েছেন। আন্দোলনরত চিকিৎসকদের জন্য অপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত সাড়ে ৭টা নাগাদ নবান্ন ছেড়ে বেরিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য ভবন অভিযানের ডাক দিয়েছিল জুনিয়র চিকিৎসকরা। এদিন তাঁরা ওই ভবনের সামনে অবস্থান করছে। মুখ্যমন্ত্রী যে ওই বৈঠকে থাকবেন তা চিঠিতে উল্লেখ ছিল না, বলছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। মঙ্গলবার ছিল রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক। সেই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের জানিয়ে দেন, আরজি কর হাসপাতালের ঘটনা বা আন্দোলন, চিকিৎসকদের কর্মবিরতি নিয়ে যা বলার তিনিই বলবেন। বৈঠক শেষে তৎপরতা শুরু হয়। জানা গিয়েছে, তারপরেই স্বাস্থ্যসচিবের ইমেল থেকে মেল পাঠানো হয় আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের কাছে।জুনিয়র ডাক্তাররা বলেন, যাঁর পদত্যাগ দাবি করছি তিনি মেইল করছেন। এটা অত্যন্ত অপমানজনক। মেলের জবাব দেওয়ার কোন প্রশ্ন নেই, বলেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রী নাকি বৈঠকের জন্য নবান্নে অপেক্ষা করেছিলেন। আমাদের সে কথা বলা হয়নি। মেইলে তার কোনও উল্লেখ ছিল না। ইমেলে লেখা হয়েছে, রেসপেক্টেড স্যার। জুনিয়র চিকিৎসকরা বলেছেন, মনে রাখবেন, এই আন্দোলনে শুধু স্যারেরা নেই, ম্যাডামেরাও রয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৪
রাজ্য

সন্দীপ ঘোষের রাজপ্রাসাদের সন্ধান মিলল ক্যানিং-এ

এবার সন্দীপ ঘোষের প্রাসাদোপম বাংলোর হদিশ মিলল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে প্রায় ২ বিঘা জায়গার উপর আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের আলিশান বাংলোর খোঁজ মিলেছে। মাঝেমধ্যেই সপরিবারে সেই বাংলোয় যেতেন সন্দীপ ঘোষ। এমনই জানাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।এবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে আরজি কর কাণ্ডে ধৃত সন্দীপ ঘোষের বিরাট সাম্রাজ্যের হদিশ মিলল। ক্যানিংয়ের মধ্য নারায়নপুরে সন্দীপ ঘোষের আলিশান বাংলোর হদিশ মিলেছে। সন্দীপ ঘোষের সেই বাড়ির নাম সঙ্গীতা-সন্দীপ ভিলা। অনেক সময় বন্ধু-বান্ধবদের নিয়েও এই বাড়িতে আসতেন সন্দীপ ঘোষ, এমনও জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর তিনেক আগে ক্যানিংয়ে প্রায় ২ বিঘা জায়গার উপর ওই বিশাল বাংলোটি বাড়ি বানিয়েছিলেন সন্দীপ ঘোষ। ওই এলাকায় একটি বিরাট প্রকল্পের কাজ চলছিল। সেই প্রকল্প থেকেই প্রায় দুই বিঘা জায়গা কিনে নেন সন্দীপ। সেই জমির উপরেই তৈরি হয় তাঁর বিশাল বাংলো।আরজিকর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ থাকাকালীন প্রাসাদপম ওই বাংলো ক্যানিংয়ে তৈরি করেছিলেন সন্দীপ ঘোষ। ওই বাংলোর নিরাপত্তারক্ষী বলেন, মাঝেমধ্যে উনি আসতেন এখানে। ওনার বাবা-মা, ছেলে সবাই আসতেন। মাঝেমধ্যে এখানে এসে সন্ধের আগেই চলে যেতেন।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর আর্থিক দুর্নীতির মামলায় দিনভর ইডির তল্লাশি, উদ্ধার নথিও সোনার গয়না

এবার ইডির নজরে সন্দীপ ঘোষের সম্পত্তি। শুক্রবার সকালে আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বেলেঘাটার বাড়িতে ED-র অভিযান। কয়েক ঘন্টা অপেক্ষার পর বাড়ির ভিতরে ঢুকতে সক্ষম হন ইডির আধিকারিকরা। শুধু সন্দীপ ঘোষই নন, তাঁর ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যক্তির বাড়িতে আজ সকালে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আজি কর মেডিকেল কলেজের আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে ইডির এই অভিযান। সুভাষগ্রামে সন্দীপ ঘনিষ্ঠ প্রসূন চট্টোপাধ্যায়কে আটক করে ED। আরজি কর মেডিক্যালের আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে সাঁড়াশি অভিযানে ইডি। শুক্রবার সকালে সন্দীপ ঘোষের বেলেঘাটার বাড়িতে ইডির চার আধিকারিক পৌঁছে যান। এদিন সকাল ৬.৪০ মিনিট নাগাদ ইডির অফিসাররা সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে গিয়েছিলেন। তবে বহুক্ষণ ডাকাডাকির পরেও বাড়ির দরজা খোলা হয়নি। শেষমেষ ঘন্টা তিনেক অপেক্ষার পর বাড়ির দরজা খোলা হলে ইডির অফিসাররা ভিতরে ঢোকেন।আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে সন্দীপ ঘোষ ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যক্তির বাড়িতে এদিন অভিযান চলে। হাওড়ার সাঁকরাইলে ভেন্ডর বিপ্লব সিংহের বাড়িতে এদিন অভিযানে যায় ইডি। বিপ্লব ঘনিষ্ঠ কৌশিক কোলের বাড়িতেও চলে অভিযান। সন্দীপ ঘোষ ঘনিষ্ঠ প্রসূন চট্টোপাধ্যায়কে আটক করে নিয়ে যাচ্ছে ইডি। সেই সঙ্গে এদিন ইডির অভিযান চলে সুভাষগ্রামে সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ প্রসূন চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতেও। সম্প্রতি আরজি কর মেডিকেল কলেজের সেমিনার হলের যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল প্রসূনকেও। প্রসূন নিজেকে সন্দীপ ঘোষের PA বলে দাবি করতেন। এদিন প্রসূনের বাড়িতে কয়েক ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালায় ইডি।আরজি করের আর্থিক অনিয়মের মামলায় আজ রাজ্যজুড়ে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তল্লাশি অভিযানে বেশ কিছু সম্পত্তির নথি এবং অন্য গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র উদ্ধার হয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর। সল্টলেকের বিই ব্লকের একটি বাড়ি থেকে তল্লাশি করে বেশকিছু সোনার গয়না উদ্ধার করেছে ইডি।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৪
রাজ্য

কলকাতা পুলিশের এক আধিকারিকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ বাম যুবনেত্রী মীনাক্ষীর

সিপিএম যুবনেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় এবার কলকাতা পুলিশের এক অফিসারের বিরুদ্ধে শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ তুলেছেন। কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের কাছে মীনাক্ষীর অভিযোগ, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে বিক্ষোভ চলাকালীন একজন অফিসার তাঁকে ছু়ড়ে ফেলে দেন এবং তাঁকে শারীরিক নিগ্রহ করেছেন।৯ আগস্ট, আরজি কর মেডিক্যাল হাসপাতালের মহিলা পিজিটি ডাক্তারের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে, ডিওয়াইএফআই রাজ্য সম্পাদক মীনাক্ষী, ডিওয়াইএফআই নেতা কলতান দাশগুপ্ত এবং কিছু সমর্থক ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং নির্যাতিতার দেহ বহনকারী শকট গাড়িটি থামান। মৃতদেহ শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। মীনাক্ষীরা তদন্ত ও ময়নাতদন্তের জন্য দেহ সংরক্ষণের দাবি জানান।সেই বিক্ষোভ চলাকালীন, পুলিশ মীনাক্ষীর সঙ্গে গাড়ির সামনে ধস্তাধস্তি করে বলে অভিযোগ। সেইসময় এক পুরুষ পুলিশ অফিসার তাঁকে ধাক্কা মারেন, মারধর করেন বলে অভিযোগ। একটি ছবি পরে অনলাইনে ভাইরাল হয়, যেখানে দেখা যাচ্ছে কোনও মহিলা পুলিশকর্মী উপস্থিত ছিলেন না।মীনাক্ষীর বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গে পুলিশ তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। প্রশাসন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। আমাদের আন্দোলনের সময় আমরা প্রতিদিন এমন অপমানের সম্মুখীন হচ্ছি। কখনও কখনও মহিলা পুলিশের উপস্থিতিতেও পুরুষ পুলিশ আমাদের মহিলা কর্মীদের উপর হামলা চালায়। আমি জানি না আমরা কোন রাজ্যে বাস করছি,।তাঁর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে প্রতিদিনই ধর্ষণ এবং হত্যা ঘটে, এমনকি আরজি কর কাণ্ডের পরেও।মীনাক্ষী বলেছেন, গতকাল যদি ঘোলায় ঘটে থাকে, তবে পরশু কোচবিহারে ঘটেছিল। পুলিশ শুধু এ ধরনের অপরাধ বন্ধ করতেই ব্যর্থ হয় না, তারা এ ধরনের অপরাধীদের গ্রেফতার করতেও ব্যর্থ হয়। কোনও অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশ যদি কিছু করতে না পারে তাহলে পুলিশি ব্যবস্থার কী দরকার! অপরাধীরা কেন পুলিশকে ভয় পাবে? কলকাতা পুলিশ ওই ঘটনার তদন্ত করছে বলে জানিয়েছে।

আগস্ট ৩০, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে সঞ্জয়ের ১৪ দিনের জেল হেফাজত, সন্দীপ ঘোষ সহ ৬ জনের পলিগ্রাফ টেস্টের অনুমতি

আরজি কর কাণ্ডে গ্রেফতার সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়ের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। ধৃতকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে শিয়ালদহ আদালত। একই সঙ্গে সঞ্জয় রায়েরও পলিগ্রাফ টেস্টের অনুমোদন মিলেছে বলে সূত্রের খবর।পাশাপাশি এদিন আরজি কর কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ মোট ৬ জনের পলিগ্রাফ পরীক্ষার অনুমোদন দিয়েছে শিয়ালদহ আদালত।আরজি করে কর্তব্যরত তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ-খুনে অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়ের বিচার বিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ শিয়ালদহ আদালতের। শুক্রবার সকালে কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে সঞ্জয় রায়কে শিয়ালদহ আদালতে হাজির করে সিবিআই।গোটা আদালত চত্বর সিআইএসএফ-এর জওয়ানরা ঘিরে রেখেছিলেন। নিরাপত্তায় ছিল কলকাতা পুলিশও। সঞ্জয়কে সিজিও থেকে বের করার সময় একাধিক প্রশ্ন করেছিলেন সাংবাদিকরা। তবে কোনও প্রশ্নেরই জবাব দেয়নি সঞ্জয়।এদিকে, আরজি কর কাণ্ডে গতকালই প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ মোট ৬ জনকে শিয়ালদহ আদালতে নিয়ে যায় সিবিআই। তাদেরও পলিগ্রাফ টেস্টের আবেদন জানানো হয়েছিল। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে। সত্য উদঘাটনে এবার সন্দীপ ঘোষ-সহ ৬ জনের পলিগ্রাফ পরীক্ষা করানো হবে। এই ৬ জনের মধ্যে রয়েছে একজন সিভিক ভলান্টিয়ারও। এর সঙ্গে সঞ্জয়ের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল বলে সিবিআই সূত্রের খবর। ৬ জনের মধ্যে রয়েছেন চার জন চিকিৎসক।

আগস্ট ২৩, ২০২৪
রাজ্য

হলুদ ফাইল নিয়ে সিবিআই দফতরে সন্দীপ ঘোষ, জিজ্ঞাসাবাদ লাগাতার সপ্তম দিনে

টানা সপ্তম দিন। আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ এদিনও হাজির হয়েছেন সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে সিবিআই দফতরে। এদিন তাঁকে হাতে একটি হলুদ রঙের কাগজের ফাইল নিয়ে সিবিআই দফতরে ঢুকতে দেখা গিয়েছে। তবে গাড়ি থেকে নেমে যাওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের কোনও জবাব দেননি সন্দীপ ঘোষ। এর আগে টানা ৬ দিন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। শুধু সন্দীপ ঘোষই নয়, পাশাপাশি একাধিক জুনিয়র ডাক্তার, পুলিশ অফিসারকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। এদিকে এদিন সুপ্রিম কোর্টে রিপোর্ট দেবে সিবিআই। অন্যদিকে আরজি কর হাসপাতালে ভাঙচুরের ঘটনার রিপোর্ট দেবে রাজ্য সরকার। এখনও পর্যন্ত আরজি করের ঘটনায় সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায় গ্রেফতার হয়েছে। তরুণী চিকিৎসকের নৃশংস খুনের ঘটনায় সঞ্জয়ের একার পক্ষে সম্ভব নয় বলেই তাঁর পরিবারের সদস্যরাও অভিযোগ করেছে।

আগস্ট ২২, ২০২৪
রাজ্য

ব্যবহৃত গ্লাভস-সরঞ্জাম পড়শী দেশে পাচার? সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ! FIR, সিট গঠন

আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ খুন নিয়ে উত্তাল পরিস্থিতি বাংলা জুড়ে। হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে সিবিআই। মঙ্গলবারও ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের মুখে সন্দীপ ঘোষ। এবার সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে কলকাতা পুলিশ FIR দায়ের করেছে। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সন্দীপ ঘোষের জামানায় ওঠা অভিযোগের তদন্তে সিট গঠন করেছে নবান্ন। রাজ্যের এই পদক্ষেপে এবার আশার আলো দেখছেন আরজি করের তৎকালীন ডেপুটি সুপার এবং বর্তমানে বহরমপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেপুটি সুপার পদে কর্মরত আখতার আলি।সন্দীপ ঘোষ আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ থাকাকালীন টানা কয়েক বছর ধরে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি করেছেন বলে অভিযোগ তৎকালীন ডেপুটি সুপার আখতার আলির। সংবাদমাধ্যমের সামনে সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে মারাত্মক সব অভিযোগ এনেছেন বর্তমানে বহরমপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেপুটি সুপার পদে কর্মরত আখতার আলি।সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিকে আখতার আলি বলেন, আমিও ওর দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলাম। ছাত্রদের ফেল করোনা থেকে শুরু করে টেন্ডারে ২০ পার্সেন্ট কমিশন খাওয়া, পছন্দের সাপ্লায়ার-ভেন্ডারদের টেন্ডার দিত। সরকারি সম্পত্তি বেআইনিভাবে দিয়ে দিত। আমি এর আগে আর্থিক দুর্নীতি দমন শাখাকে জানিয়েছিলাম। পরে মুখ্যমন্ত্রীর অফিসে নালিশ জানাই। ২০২৩ সালের ১৩ জুলাই আমি আমার প্রথম অভিযোগ জমা করি।সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিকে চিকিৎসক আখতার আলি আরও বলেন, হাসপাতালের ব্যবহার করা রাবার গ্লাভস থেকে শুরু করে অন্যান্য সামগ্রী বাংলাদেশে পাচার করা হতো। এই চক্রে আরও কয়েকজন আছে। একসময় অভিযোগের ভিত্তিতে একটি তদন্ত কমিটি হয়। সেই তদন্ত কমিটিতে আমিও ছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করে আমাকে বদলি করে দেওয়া হল। এরপর ওই কমিটিও ভেঙে দেওয়া হল।আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ঘটনায় প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের দিকে আঙুল উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। তাকে পাঁচবার সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিবিআই। এবার সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের জানুয়ারি মাস থেকে এখনও পর্যন্ত আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে তারই ভিত্তিতে একটি সিট গঠনের নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। কলকাতা পুলিশের তরফেও সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে FIR।

আগস্ট ২০, ২০২৪
রাজ্য

আরজি করের পোস্টমর্টেম রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য, শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন

প্রকাশ্যে এলো আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক হত্যাকাণ্ডের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট। সেই রিপোর্টে শরীরে বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন মিলেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, গলা টিপে, নাক-মুখ চিপে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে।ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী, নিহতের শরীরে একাধিক ক্ষতচিহ্ন মিলেছে। নিহতের মাথা, গাল, ঠোঁট, নাক, ডান চোয়াল, চিবুক, গলা, বাঁ হাত, বাঁ কাঁধ, বাঁ হাঁটু, গোড়ালি এবং যৌনাঙ্গে ক্ষতচিহ্নের প্রমাণ মিলেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, নিহত চিকিৎসকের ফুসফুসে রক্ত জমাট (হেমারেজ) বেঁধেছিল এবং শুধু তাই নয়, শরীরের আরও বিভিন্ন অংশেও রক্ত জমাট বেঁধে ছিল। নিহত চিকিৎসকের যৌন হেনস্থার প্রমাণ মিলেছে ওই ময়নাতদন্তের রিপোর্টে। যা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, নির্যাতিতা চিকিৎসকের শরীরের বাইরে অংশে ১৬টি এবং শরীরের অভ্যন্তরে ৮টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট বলছে, আঘাতগুলো অ্যান্টি মর্টেম অর্থাৎ মৃত্যুর আগেই করা হয়েছে। একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, এই মৃত্যুর ধরন হল খুন। তবে বারবার অভিযোগ উঠেছে, নির্যাতিতার হাড় ভেঙে গিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াও সেই অভিযোগে তোলপাড় হয়েছিল। কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্টে নির্যাতিতার শরীরে হাড় ভাঙার কোনও উল্লেখ পাওয়া যায়নি। গত ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালে ওই পড়ুয়া চিকিৎসক খুন হন। তার পর থেকেই ন্যায় বিচার-এর দাবিতে তোলপাড় সারা রাজ্য। এরাজ্য তো বটেই ভিনরাজ্য এমনকী ভিনদেশ থেকেও নির্যাতিতার হত্যার ঘটনায় বিচারের দাবি উঠেছে। প্রথমে তরুণী চিকিৎসক খুনের মামলার তদন্ত করছিল কলকাতা পুলিশ। পরে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে মামলার তদন্তভার হাতে পেয়েছে সিবিআই। তারই মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই মামলা হাতে নিয়েছে।

আগস্ট ১৯, ২০২৪
রাজ্য

আনিস হত্যায় সিটের হাতেই তদন্তভার বহাল রাখল হাইকোর্ট, দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ

আনিস হত্যা-কাণ্ডের তদন্তে সিটের উপরেই আস্থা রাখল কলকাতা হাইকোর্ট। পাশাপাশি, রাজ্যের দাবি মেনে ছাত্রনেতার দেহের দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিল আদালত। তবে তা হাওড়ার জেলা আদালতের বিচারকের তত্ত্বাবধানে হবে।শুক্রবার মধ্যরাতে হাওড়ার আমতায় আনিস খানের মৃত্যুতে রাজ্য জুড়ে বিক্ষোভের আবহে সোমবার স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ওই মামলা গ্রহণ করে উচ্চ আদালত। ওই মামলায় সোমবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা রাজ্যের থেকে তিন দিনের মধ্যে আনিসের মৃত্যুর ঘটনার রিপোর্ট চেয়েছিল। তার ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে আনিস-মামলার শুনানি ছিল। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় আদালতকে জানান, আনিস-কাণ্ডের তদন্তে যে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে, ওই সিটের সদস্যেরা প্রত্যেকেই অভিজ্ঞ। তাঁদের প্রত্যেকের সিআইডি-তে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এরই সঙ্গে তিনি জানান, ওই দলে বিভিন্ন ক্ষেত্রের আরও সাত জন রয়েছেন।এর পরেই বিচারপতি মান্থা জানান, আনিস-কাণ্ডের তদন্তে সিটের উপরেই আস্থা রাখা হচ্ছে। সেই সঙ্গে আনিসের দেহের দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্ত করা হবে। যার তত্ত্বাবধানে থাকবেন হাওড়া জেলা আদালতের বিচারক। দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের সময় ওই বিচারক বা তাঁর মনোনীত কোনও ব্যক্তিকে উপস্থিত থাকতে হবে।আদালতের তরফে জানানো হয়, তদন্তের স্বার্থে আনিসের পরিবারের থেকে মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করে হায়দরাবাদে পাঠানো হবে। সেখানে সেন্ট্রাল ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে মোবাইল ফোনটির পরীক্ষা করা হবে। মোবাইল পরীক্ষার সময় উপস্থিত থাকতে হবে ন্যাশনাল ইনফর্মেটিক সেন্টারের এক জন প্রতিনিধিকে। জেলা বিচারকদের পর্যবেক্ষণে মোবাইলের তথ্য বন্ধ খামে আদালতে জমা দিতে হবে। পাশাপাশি, এই মামলায় সাক্ষীদের নিরাপত্তা দিতে বলেছে আদালত। হাইকোর্টের নির্দেশ, সিটকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২২

ট্রেন্ডিং

দেশ

সীমান্তে একের পর এক গোপন যুদ্ধবিমান! উপগ্রহ ছবিতে ধরা পড়তেই বাড়ল ভারতের উদ্বেগ

সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা উপগ্রহ ছবিকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বেসরকারি সংস্থা ভ্যান্টরের প্রকাশিত স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গিয়েছে, ভারতের উত্তর সীমান্তের কাছে চিনের দুটি বিমানঘাঁটিতে মোট বারোটি স্টেলথ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে সামরিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে। তবে চিনের এই পদক্ষেপ শক্তি প্রদর্শন নাকি নিয়মিত সামরিক প্রস্তুতির অংশ, তা এখনও স্পষ্ট নয়।প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসের উপগ্রহ ছবিতে জিনজিয়াংয়ের হোটান বিমানঘাঁটিতে আটটি যুদ্ধবিমান দেখা গিয়েছে। এই ঘাঁটি উত্তর লাদাখের ভারতীয় সামরিক ঘাঁটির তুলনায় তুলনামূলকভাবে কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। আবার জুন মাসের আর একটি উপগ্রহ ছবিতে তিব্বতের ডামসুং বিমানঘাঁটিতে আরও চারটি একই ধরনের যুদ্ধবিমান দেখা যায়। এই ঘাঁটিও অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তের কাছাকাছি।সব মিলিয়ে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দুটি পৃথক বিমানঘাঁটিতে মোট বারোটি স্টেলথ যুদ্ধবিমান মোতায়েনের ছবি সামনে এসেছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ভারতের সীমান্তের এত কাছে একসঙ্গে এত সংখ্যক এই ধরনের যুদ্ধবিমান মোতায়েনের ঘটনা আগে প্রকাশ্যে আসেনি। তাই বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই গুরুত্ব পাচ্ছে।এই যুদ্ধবিমানগুলির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল, এগুলি এমনভাবে তৈরি যে সাধারণ রাডারে সহজে ধরা পড়ে না। আধুনিক প্রযুক্তির কারণে এগুলি আকাশযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হয়। এই কারণেই সীমান্তের কাছে এই ধরনের যুদ্ধবিমান মোতায়েনের খবরকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।তবে এখনও পর্যন্ত এই উপগ্রহ ছবির বিষয়ে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বা ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। ফলে চিনের এই পদক্ষেপের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে জল্পনা চললেও সরকারি স্তরে এখনও কোনও মন্তব্য সামনে আসেনি।

জুলাই ৩০, ২০২৬
রাজ্য

লিফট, জিম, সুইমিং পুল, ব্যক্তিগত থিয়েটার! টুলুর বাড়ির অন্দরমহল দেখে চমকে গেল পুলিশ

বীরভূমের সিউড়িতে পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের বাড়িতে পুলিশের তল্লাশি ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। সুভাষপল্লিতে অবস্থিত তাঁর বিশাল বাড়ির অন্দরসজ্জা এবং বিলাসবহুল ব্যবস্থা নজর কেড়েছে। তদন্তের স্বার্থে সেখানে পুলিশি তল্লাশি চললেও এখনও পর্যন্ত নগদ টাকা বা সোনা উদ্ধারের সরকারি তথ্য সামনে আসেনি।বাড়ির প্রবেশদ্বার পেরোলেই রয়েছে বড় সাজানো বাগান। বিভিন্ন বিদেশি ও বাহারি গাছ, পরিচ্ছন্ন লন এবং সারিবদ্ধ গাছপালা পুরো এলাকাকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। চারতলা এই বাড়ির ভিতরে এক তলা থেকে অন্য তলায় ওঠানামার জন্য লিফট রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে আধুনিক শরীরচর্চার ব্যবস্থা, ব্যক্তিগত সিনেমা দেখার ঘর এবং সুইমিং পুল। মার্বেল পাথরে তৈরি মেঝে, দৃষ্টিনন্দন আলো এবং সুসজ্জিত অন্দরমহল বাড়িটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।বাড়িতে রয়েছে একাধিক গ্যারেজ এবং সেখানে রাখা রয়েছে দামি গাড়ি। এছাড়া সিউড়ির পাশাপাশি মহম্মদবাজার এলাকাতেও টুলু মণ্ডলের ব্যবসা সংক্রান্ত পরিকাঠামো রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মিনার মণ্ডলের বাড়িতে উদ্ধার হওয়া বিপুল নগদের উৎস খতিয়ে দেখতেই টুলু মণ্ডলের একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সুভাষপল্লির বাড়িতেও জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা তল্লাশি চালাচ্ছেন। তদন্তকারীদের সঙ্গে স্বর্ণকারও সেখানে পৌঁছেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই বাড়ি থেকে সোনা বা নগদ টাকা উদ্ধারের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও সরকারি ঘোষণা করা হয়নি। তদন্ত এখনও চলছে।

জুলাই ৩০, ২০২৬
দেশ

বড় ইঙ্গিত সৌগতের! তৃণমূলে ফিরছেন তিন সংখ্যালঘু সাংসদ? রাজনৈতিক মহলে তুমুল জল্পনা

তৃণমূল ছেড়ে অন্য দলে যাওয়া তিন সংখ্যালঘু সাংসদকে ঘিরে আবারও রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তাঁদের অনুপস্থিতি এবং পরে তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা সৌগত রায়ের মন্তব্য নতুন করে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে।সৌগত রায় জানিয়েছেন, দল ছেড়ে যাওয়া কয়েকজন সাংসদের সঙ্গে এখনও তাঁদের যোগাযোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, তিন সংখ্যালঘু সাংসদ-সহ আরও কয়েকজন বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে অস্বস্তিতে রয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চলছে এবং খুব শিগগিরই তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।সৌগত রায়ের বক্তব্য, প্রথমে তৃণমূল ছেড়ে অন্য দলে যাওয়া এবং পরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হওয়ায় অনেকের মধ্যেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। সেই কারণেই কয়েকজন সাংসদ নতুন করে ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছেন। তবে কারা কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলেই জানিয়েছেন তিনি।তিনি আরও দাবি করেছেন, পুরো বিষয়টি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের জানা রয়েছে। যদি ওই সাংসদরা আবার তৃণমূলে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে করা দলত্যাগ সংক্রান্ত পদক্ষেপ নিয়েও নতুন করে ভাবা হতে পারে।এদিকে, বাদল অধিবেশন চলাকালীন দিল্লিতে উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও ওই তিন সাংসদ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দেননি। এরপর থেকেই তাঁদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। এখন নজর, আগামী দিনে তাঁরা সত্যিই নতুন সিদ্ধান্ত নেন কি না।

জুলাই ৩০, ২০২৬
রাজ্য

'জীবিকায় ভাগ বসাচ্ছে রোহিঙ্গারা', অভিযোগ তুলে পথে নামল বহরমপুরের তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়

মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে বৃহস্পতিবার সকালে তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়ের একাংশ বিক্ষোভ মিছিল করে বহরমপুর থানায় স্মারকলিপি জমা দেন। বহরমপুর শহর এবং সংলগ্ন এলাকার বহু তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায় এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাঁদের দাবি, সম্প্রতি এলাকার সামাজিক ও পেশাগত পরিবেশে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, যার ফলে স্থানীয়দের জীবিকা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, বহিরাগত কিছু হিজড়া স্থানীয় এলাকায় এসে বিভিন্ন কাজে যুক্ত হচ্ছেন। তাঁদের আরও দাবি, এদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি রোহিঙ্গা বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। যদিও এই দাবির পক্ষে কোনও সরকারি বা প্রশাসনিক নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, এই বহিরাগতদের সহায়তায় স্থানীয় তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়ের কিছু সদস্য কাজ করছেন, যার ফলে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বহিরাগতদের কারণে তাঁদের দীর্ঘদিনের আয়ের উৎসে প্রভাব পড়ছে এবং আর্থিক সংকটের মুখে পড়তে হচ্ছে। পাশাপাশি, কয়েকজন বিক্ষোভকারী দাবি করেন, তাঁদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগেরও স্বাধীনভাবে কোনও সরকারি নিশ্চিতকরণ মেলেনি।এই পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়ে বহরমপুর থানায় স্মারকলিপি দেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের আবেদন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রকৃত পরিচয় যাচাই করা হোক এবং স্থানীয় তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও জীবিকার স্বার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।এ বিষয়ে পুলিশের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুলাই ৩০, ২০২৬
কলকাতা

এনকাউন্টার নিয়ে বড় প্রশ্ন! বারুইপুর কাণ্ডে পুলিশের কাছে রিপোর্ট চাইল হাইকোর্ট

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্তের এনকাউন্টার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। অভিযুক্তকে কী পরিস্থিতিতে গুলি করা হয়েছিল, সেই বিষয়ে জেলা পুলিশের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে আদালত। হলফনামা আকারে সেই রিপোর্ট জমা দিতে হবে। আগামী সতেরো অগস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।এই ঘটনায় বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন আইনজীবী শিলাদিত্য রক্ষিত। বৃহস্পতিবার সেই মামলারই শুনানি হয় ডিভিশন বেঞ্চে।আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতে দাবি করেন, অভিযুক্তকে নিরাপদে হেফাজতে রাখার দায়িত্ব পুলিশের ছিল। তাঁর বক্তব্য, পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথ হলে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কথা নয়। তাই গোটা ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্ত হওয়া উচিত বলে তিনি আদালতে আবেদন জানান।অন্যদিকে রাজ্যের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়, অভিযুক্ত সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। সেই কারণেই পুলিশ গুলি চালাতে বাধ্য হয়।দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, বিষয়টি স্পষ্টভাবে বুঝতে পুলিশের কাছ থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট প্রয়োজন। সেই কারণে জেলা পুলিশকে হলফনামা আকারে ঘটনার পূর্ণ বিবরণ জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।বারুইপুরের এই বহুচর্চিত ঘটনায় হাইকোর্টের এই নির্দেশের পর তদন্তের পরবর্তী অগ্রগতি এখন আদালতের জমা পড়া রিপোর্টের উপরেই নির্ভর করবে। আগামী সতেরো অগস্ট মামলার পরবর্তী শুনানিতে সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে আদালত।

জুলাই ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত! অবশেষে কলকাতায় খুলল তদন্তকারী সংস্থার থানা, বদলে যাবে তদন্তের ছবি?

অবশেষে কলকাতায় চালু হল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার থানা। এতদিন এই সংস্থার কলকাতায় শুধু শাখা দফতর থাকলেও, কোনও মামলার তদন্ত শুরু করতে হলে প্রথমে দিল্লিতে মামলা নথিভুক্ত করতে হত। এবার সেই প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন এল। এখন থেকে কলকাতাতেই মামলা নথিভুক্ত করে তদন্ত শুরু করা যাবে। নিউ টাউনের এনবিসিসি স্কোয়ারেই চালু হয়েছে নতুন এই থানা।এতদিন রাজ্যে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার আওতায় পড়া কোনও মামলার তদন্ত করতে হলে দিল্লির দফতরে মামলা নথিভুক্ত করা বাধ্যতামূলক ছিল। তার পর তদন্তের কাজ শুরু হত। নতুন থানা চালু হওয়ায় সেই প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।জানা গিয়েছে, আগের রাজ্য সরকারের আমলেও এই থানা তৈরির জন্য আবেদন করা হয়েছিল। তবে সেই সময় অনুমোদন মেলেনি। পরে রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বিষয়টি নতুন করে বিবেচনা করা হয়। সম্প্রতি রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে থানা চালুর অনুমোদন দেওয়া হয়।এই থানায় অন্যান্য থানার মতোই ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক, তদন্তকারী আধিকারিক, উপপরিদর্শক এবং কনস্টেবল-সহ প্রয়োজনীয় পদ থাকবে। পশ্চিমবঙ্গে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার আওতায় পড়া কোনও মামলার তদন্তের প্রয়োজন হলে, সেই তদন্তের প্রশাসনিক কাজ এখন থেকে এই থানার মাধ্যমেই পরিচালিত হবে।বর্তমানে রাজ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত করছে এই সংস্থা। বেলডাঙার অশান্তি, মালদহের মোথাবাড়ি-কাণ্ড এবং বিস্ফোরণের একাধিক মামলায় তদন্ত চলছে। নতুন থানা চালু হওয়ার ফলে ভবিষ্যতে এই ধরনের মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া আরও দ্রুত এবং সহজ হবে বলেই প্রশাসনিক মহলের একাংশের ধারণা।সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের রাজ্য সফরের সময়ও এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। তার কিছুদিনের মধ্যেই কলকাতায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার থানার আনুষ্ঠানিক সূচনা হল।

জুলাই ৩০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

দেড় কোটির তিনটি চেকই বাউন্স! বড় বিপাকে মহমেডান, প্রেসিডেন্টকে ঘিরে তুমুল বিতর্ক

আবারও বিতর্কে মহমেডান ক্লাবের সভাপতি হুমায়ুন কবির। ক্লাবকে আর্থিক সাহায্য করার জন্য তিনি মোট দেড় কোটি টাকার তিনটি চেক দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই তিনটি চেকই বাউন্স করেছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় মহমেডান ক্লাবের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।ক্লাব সূত্রে জানা গিয়েছে, জুলাই মাসে তিন দফায় পঞ্চাশ লক্ষ টাকা করে মোট তিনটি চেক দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ব্যাঙ্কে জমা দেওয়ার পর প্রতিটি চেকই ফেরত আসে। এর ফলে ক্লাবের আগের বকেয়া মেটানো এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক কাজ ব্যাহত হয়েছে। ফিফার ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞার কারণে নতুন ফুটবলার নিবন্ধনেও সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ক্লাবের অন্য কর্তারা উদ্যোগ নিয়ে বকেয়ার একটি অংশ মেটানোর চেষ্টা করেন।এই অভিযোগ প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির দাবি করেছেন, তিনি নিজেই ক্লাবের সভাপতি এবং চেকের দায়িত্বও তাঁর। তাঁর বক্তব্য, ক্লাবের স্বার্থেই চেক দেওয়া হয়েছিল। কয়েক দিনের মধ্যেই টাকা মিটে যাবে। তিনি আরও বলেন, তাঁর অনুমতি ছাড়া আগেভাগে চেক জমা দেওয়া হয়েছে বলেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। কোনও ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছেন।অন্যদিকে ক্লাবের সহ-সভাপতি ওয়াসিম আক্রম জানিয়েছেন, হুমায়ুন কবির যে তিনটি চেক দিয়েছিলেন, সবকটিই ব্যাঙ্ক থেকে ফেরত এসেছে। তাঁর দাবি, নির্ধারিত তারিখেই চেক জমা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা ছিল না। এখন খেলোয়াড়দের বকেয়া বেতন মেটানোই ক্লাবের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।এই আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও মাঠে জয় দিয়ে ডুরান্ড কাপ অভিযান শুরু করেছে মহমেডান। প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে জয় পেলেও ক্লাবের আর্থিক সমস্যা দ্রুত না মিটলে আগামী দিনে দল পরিচালনা নিয়ে নতুন সংকট তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সমর্থকদের একাংশ।

জুলাই ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত! স্কুলের পোশাক থেকে বিদায় বিশ্ব বাংলা, বদলে যাচ্ছে ইউনিফর্মের রংও

রাজ্যের স্কুলগুলিতে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এবার স্কুল ইউনিফর্ম নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী, স্কুলের ইউনিফর্ম থেকে বিশ্ব বাংলা লোগো তুলে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে বহুদিনের নির্দিষ্ট নীল রঙের ইউনিফর্মের নিয়মেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে।সরকার জানিয়েছে, আগামী দিনে আর সব স্কুলকে একই রঙের ইউনিফর্ম পরতে হবে না। প্রতিটি স্কুল নিজেদের ঐতিহ্য, পরিবেশ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ইউনিফর্মের রং নির্ধারণ করতে পারবে। এর ফলে দীর্ঘদিনের একরঙা পোশাকের পরিবর্তে বিভিন্ন স্কুলে আলাদা পরিচয় তৈরি হবে।সরকারের দাবি, এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হল স্কুলগুলির নিজস্ব ঐতিহ্য ও স্বাতন্ত্র্যকে ফিরিয়ে আনা। একই সঙ্গে ইউনিফর্ম থেকে বিশ্ব বাংলা লোগো সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তও কার্যকর করা হবে।শিক্ষা মহলের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে স্কুলগুলি নিজেদের পরিচয় আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে পারবে। অন্যদিকে, অভিভাবক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যেও এই নতুন নিয়ম নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন নজর, কবে থেকে নতুন ইউনিফর্মের নিয়ম কার্যকর হয় এবং কোন স্কুল কী রঙের পোশাক বেছে নেয়।

জুলাই ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal