• ৪ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Porn

রাজ্য

ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অশ্লীল ছবি নাবালিকার, মালদায় গ্রেফতার চারজন

নাবালিকাকে খাবারে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে অশ্লীল ছবি তোলার অভিযোগে পুরাতন মালদা থানা এলাকা থেকে চারজনকে গ্রেফতার করলো ঝাড়খণ্ডের রাঁচি জেলার পুলিশ। সোমবার পুরাতন মালদার কয়েকটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই চারজনকে গ্রেফতার করেছে রাঁচি জেলার পুলিশ। যদিও এই ঘটনায় আরও একজন গা ঢাকা দেওয়াই তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে দুইজন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পড়ুয়া এবং বাকি দুইজন একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। এদিন ধৃত চারজনকে মালদা আদালতের মাধ্যমে সাত দিনের ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে যাওয়ার জন্য আবেদন জানাই রাঁচি পুলিশ। ঝাড়খন্ডের রাঁচি জেলার নাগরি থানার অন্তর্গত আঙ্গোর রোড এলাকার একটি হোটেলেই পুরাতন মালদার ওই নাবালিকার ছবি তোলার পর ব্ল্যাকমেলের অভিযোগের ওঠে পাঁচ যুবকের বিরুদ্ধে। ওই নাবালিকার পরিবার পরবর্তীতে মালদায় এসে সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। জিরো এফআইআর-এর ভিত্তিতে পুরাতন মালদা থানার পুলিশ রাঁচি জেলা পুলিশের কাছে অভিযোগপত্র পাঠিয়ে দেয়। তারপরেই ওই জেলার পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয় রাঁচি পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরাতন মালদা থানার মঙ্গলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের নারায়ণপুর এলাকার এক চিকিৎসক তার ১৪ বছরের নাবালিকা মেয়েকে গত বছর নভেম্বর মাসে রাঁচিতে নিয়ে যান একটি স্কুলে ভর্তির বিষয়ের জন্য। সেই সময় রাঁচির যে হোটেলে ওই চিকিৎসক তার মেয়েকে নিয়ে উঠেছিলেন, সেই হোটেলে পুরাতন মালদা পুরসভা এলাকার ওই পাঁচজন যুবক ছিল। তারাও নিজেদের কাজে রাঁচিতে গিয়েছিল। সেই সুবাদে একে অপরের সঙ্গে পরিচয় হয়। এরপর সেই সময় রাতে ওই চিকিৎসক তার মেয়েকে হোটেল রুমে রেখে, বাইরে খাবার আনতে যান। তখন এই পাঁচ যুবক ফন্দি এঁটে ওই নাবালিকাকে খাবারের সাথে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। অচৈতন্য অবস্থায় ওই নাবালিকার অশ্লীল ছবি মোবাইলে তোলা হয়। পরে ওই নাবালিকাকে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য হুমকি দেওয়া হয়। ৮ নভেম্বর এই ঘটনার পর ওই নাবালিকা রাঁচির হোটেলে অসুস্থ বোধ করে। তড়িঘড়ি চিকিৎসক বাবা মেয়েকে সঙ্গে করে নিয়ে মালদায় চলে আসেন। এরপর থেকে শুরু হয় ওই পাঁচ যুবকের ব্ল্যাকমেলের কর্মকাণ্ড। ঘটনার পর থেকেই কয়েকদিন ধরেই পুরাতন মালদার ওই পাঁচ যুবক ওই নাবালিকাকে ফোন করে মোটা টাকার দাবি করে। এরপরই মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে ওই নাবালিকা। মেয়ের মানসিক পরিস্থিতির বিষয়ে সন্দেহ হতেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন চিকিৎসকের পরিবার। এরপরই গোটা ঘটনার কথা বলে ফেলেন ওই নাবালিকা। বিষয়টি জানতে পেরে পরিবারের লোকেরা গত ১১ নভেম্বর পুরাতন মালদা থানায় এলাকার পাঁচজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। পরবর্তীতে পুরাতন মালদা থানার পুলিশ জিরো এফআইআর-এর মাধ্যমে রাঁচি জেলার নাগরি থানায় সেই অভিযোগপত্র পাঠিয়ে দেয়। শুরু হয় তদন্ত। দুই মাস কেটে যাওয়ার পর জানুয়ারির মাসেই অভিযুক্তদের নামে ওয়ারেন্ট জারি করে রাঁচি আদালত। তারপরেই এদিন রাঁচি জেলার পুলিশ পুরাতন মালদা থানার সহযোগিতা নিয়ে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করে। একজন পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ধৃতদের নাম, অভিষেক দত্ত, সোমনাথ শর্মা, শান্তনু মন্ডল এবং অর্কপ্রভ দত্ত। এদের বাড়ি পুরাতন মালদা পুরসভার চিতোরপুর এবং তৈলমুন্ডাই এলাকায়। এদিকে ওই নাবালিকার পরিবার জানিয়েছেন, মেয়েকে যখন রাঁচিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সেই সময় পুরাতন মালদার এই পাঁচ যুবক একই হোটেলে উঠেছিল। নিজেদের এলাকার বলেই পরিচয় হয়। এরপরে ওই চারজন এরকম কাণ্ড ঘটবে ভাবতেই পারা যায়নি। নাবালিকাকে ব্ল্যাকমেইল করার জন্য মোটা টাকা দাবিও করেছিল অভিযুক্তরা। ওই নাবালিকা যদি রাঁচিতে ঘটনার কথা বলতো, তাহলে হয়তো সেখানে পুলিশকে অভিযোগ জানাতে যেত। পরবর্তীতে মালদায় ফিরে আসার পর বিষয়টি জানতে পারা যায়। এরপরই পুলিশের দ্বারস্থ হই। যদিও এদিন মালদা আদালতে যাওয়ার পথে এক অভিযুক্ত অর্কপ্রভু দত্ত জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে। এরকম কোনও ঘটনায় ঘটেনি। পুরাতন মালদা থানার পুলিশ জানিয়েছে, এক নাবালিকাকে মোবাইলে অশ্লীল ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে রাঁচি জেলার পুলিশ মালদায় এসেছিল। সংশ্লিষ্ট থানার সহযোগিতা নিয়ে চারজন যুবককে গ্রেফতার করে ট্রানজি রিমান্ডে রাঁচিতে নিয়ে গেছে ঝাড়খণ্ডের পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

পর্ণ-কান্ডে ছাড় পেলেন পুনম পাণ্ডে

পর্ন-কাণ্ডে গ্রেফতার করা যাবে না পুনম পাণ্ডেকে। মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ আদালতের তরফে এমনটাই জানানো হল। জাস্টিস বিনীত সরন এবং বিভি নাগারত্নের বেঞ্চ পুনম পাণ্ডের আবেদনের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নিল। এর আগে একই ধরনের আবেদনের ভিত্তিতে রাজ কুন্দ্রা এবং উমেশ কামটের ক্ষেত্রেও এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। গত বছরের শেষের দিকে বম্বে হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেন পুনম। ২৫ নভেম্বর সেই আবেদন কোর্টে খারিজ হয়ে যায়। তাও সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন অভিনেত্রী। তাঁর এই আবেদনের ভিত্তিতে সুপ্রিত কোর্টের এই বেঞ্চের তরফে জানানো হয়েছে, নোটিশ পাঠানো হোক। এবার স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন পুনম।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Raj Kundra : রাজের কাছ থেকে ১০০'র বেশি পর্ন ভিডিও উদ্ধার

পর্ন ফিল্ম কাণ্ডে জড়িত থাকা রাজ কুন্দ্রা সোমবারই জামিন পেয়েছে। তবে জামিন পেলেও স্বস্তিতে নেই তিনি। ২৪ ঘন্টার মধ্যেই মুম্বই পুলিশ রাজের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ নিয়ে এল। ক্রাইম ব্র্যাঞ্চ দাবী করেছে রাজের কাছ থেকে ১০০র বেশি পর্ন ভিডিও পেয়েছে তারা।সংবাদসংস্থা এএনআই মারফত প্রকাশ্যে এসেছে এই খবর। সেখানে মুম্বই পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজ কুন্দ্রার বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালিয়ে যে মোবাইল, ল্যাপটপ ও হার্ডড্রাইভগুলি উদ্ধার করা হয়েছে। সেখান থেকেই এই পর্ন ভিডিওগুলি পাওয়া গিয়েছে। রাজের কাছে নাকি মোট ১১৯টি পর্ন ভিডিও ছিল। যা ৯ কোটি টাকায় বিক্রি করার পরিকল্পনা ছিল তার।গত ১৯ জুলাই পর্ন ফিল্ম কাণ্ডে মুম্বই পুলিশের কাছে গ্রেফতার হন রাজ কুন্দ্রা। তারপর প্রায় দুমাস হাজতে থাকতে হয় শিল্পা শেট্টির স্বামীকে। এই সময় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মডেল ও অভিনেত্রী প্রকাশ্যে অভিযোগ জানিয়েছেন। রাজ কুন্দ্রাই তাঁদের পর্ন ব্যবসায় নামিয়েছেন বলে অভিযোগ তুলেছিলেন পুনম পাণ্ডে ও শার্লিন চোপড়া। ঘটনার পর রাজের বাড়ি ও অফিসে একাধিকবার তল্লাশি চালান তদন্তকারী অফিসাররা। পাশাপাশি শিল্পা শেট্টিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। অভিনেত্রীর বয়ান রেকর্ড করা হয়।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
বিদেশ

Taliban Threat: অপেক্ষা করছে চরম শাস্তি, আফগান পর্নস্টার খুঁজতে চলছে তালিবানের চিরুনি তল্লাশি

নয়া তালিব সরকার আগের থেকে অনেক আলাদা হবে বলেই আশ্বাস দিয়েছেন তালিবানি শীর্ষনেতারা। মহিলাদের শিক্ষা ও কাজ করার স্বাধীনতা দেওয়ার কথাও বলেছেন তারা। কিন্তু আফগানিস্তানের মসনদে বসার আগেই তালিবানের মহিলাদের খুন করার পরিকল্পনা ফাঁস হয়ে গেল।সূত্রের খবর, তালিবানরা ইতিমধ্যেই একটি তালিকা তৈরি করেছে, যেখানে কোন কোন মহিলাদের খুন করা হবে, তা উল্লেখ করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, দেহ ব্যবসা ও নীলছবির সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের খুন করার পরিকল্পনা করেছে তারা। সরকার ঘটনের পরই যৌনকর্মীদের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করা হতে পারে। দ্য সান পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনও দাবি করা হয়েছে, সমস্ত পর্ন সাইটগুলিও খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছে তালিবানিরা। সেখানে কোনও বিদেশী পুরষের সঙ্গে যৌন কার্যকলাপে জড়িত হয়েছিলেন, এমন কোনও আফগান মহিলাকে দেখতে পেলেই তাঁকে খুঁজে বের করে নিজেদের যৌনদাসী বানিয়ে রাখা বা খুন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রের দাবি, আফগানিস্তানজুড়ে একটি নতুন কর্মসূচিও শুরু করেছে তালিবানিরা, যেখানে দেহ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত মহিলাদের চিহ্নিতকরণের প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তাদের খোঁজ মিললেও জনসমক্ষে ফাঁসি দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।আরও পড়ুনঃ সেপ্টেম্বরে হচ্ছে না উপনির্বাচন?কান্দাহারেও নতুন ফতেয়াতে জারি করে গণমাধ্যম থেকেও মহিলাদের অস্তিত্ব মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, এ বার থেকে মহিলা কন্ঠস্বর টিভি বা রেডিওয় শোনা যাবে না। আফগান সরকারের পতনের পরই কান্দাহার, হেরাতে দেখা গিয়েছিল সমস্ত দোকান থেকে মহিলাদের ছবি সাদা বা কালো রঙে ঢেকে ফেলা হচ্ছে। বিগত ২০ বছরেও ক্ষমতায় না থাকলেও অবৈধ সম্পর্ক বা বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের ক্ষেত্রেও মহিলাদের খুন করেছে তালিবান। এ বার পালা পর্নস্টার ও যৌনকর্মীদের। ২০ বছর পর ফের একবার যখন তালিবানের হাতেই আফগানিস্তানের শাসনভার এসে পড়ে, ফের বীভীষিকাময় দিনগুলি ফিরে আসার আশঙ্কাই করেন আফগান মহিলারা। তবে তালিবানি শীর্ষ নেতারা আশ্বস্ত করে জানান, অতীতের তালিবানের সঙ্গে তাদের আকাশ-পাতাল ফারাক রয়েছে। নতুন তালিবান সরকার মহিলাদের সম্মান করবে, শিক্ষা ও কাজ করার অধিকারও দেবে শরিয়া আইন মেনে। সবসময় হিজাব পড়ে থাকতে হবে না, বোরখা পরলেই চলবে।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
রাজ্য

Student Molestation: ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করার অশ্লীল ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার চার নাবালক ছাত্র

নাবালিকা ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করার অশ্লীল ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হল চার নাবালক ছাত্র। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী থানার পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেছে। পূর্বস্থলী থানা এলাকাতেই ধৃতদের বাড়ি। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শনিবার ধৃতদের পেশ করে বর্ধমানের জুভেনাইল জাষ্টিস বোর্ডে।আরও পড়ুনঃ ধমকি দিয়ে তৃণমূলকে আটকানো যাবে না, শাহকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকেরপুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অষ্টম শ্রেণীতে পাঠরত বছর ১৬ বয়সী নাবালিকা ওই ছাত্রীর বাড়ি পূর্বস্থলী থানার উখুড়া শরাংপুর এলাকায়। সে স্থানীয় যে কোচিং সেন্টারে পড়তে যেত সেখানেই পড়তো নবম শ্রেণীতে পড়ুয়া এলাকার চার ছাত্র। গত ১০ই আগষ্ট ছাত্রটি ওই কোচিং সেন্টারে পড়তে যায়। তখন চার ছাত্রও কোচিং সেন্টারেই ছিল। অভিযোগ, শিক্ষক নিজের কাজে একবার বাইরে যেতেই ওই চার ছাত্র নাবালিকা ছাত্রীকে শ্লীলতহানি করে। এমনকী শ্লীলতাহানির অশ্লীল ভিডিও ছাত্ররা মোবাইলে তুলে রাখে। কাউকে কিছু জানালে সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলে ছাত্ররা ছাত্রীটিকে হুমকি দেয়।এমন হুমকির কথা শুনে ভয়ে ছাত্রীটি বাড়ির কাউকে কিছু জানায়নি। তার পরেও শ্লীলতাহানির অশ্লীল ভিডিও তারা ছড়িয়ে দেয়। তা দেখার পর ছাত্রীর অবিভাবকরা ছাত্রীর কছে বিষয়টি জানতে চায়। ছাত্রীটি ঘটনার কথা তাঁর পরিবারকে খুলে বললে অবিভাবকরা চার ছাত্রের বিরুদ্ধে পূর্বস্থলী থানায় অভিযোগ দায়ের করে। তার ভিত্তিতে পুলিশ চার ছাত্রকে গ্রেপ্তার করে।

আগস্ট ২৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sherlyn Chopra : রাজ কুন্দ্রার পর্নোগ্রাফি নিয়ে মুখ খুললেন শার্লিন চোপড়া

রাজ কুন্দ্রার পর্নোগ্রাফির ঘটনায় চারিদিকে আলোচনা হচ্ছে। রাজ কাকে কাকে নিয়ে পর্ণ শুট করতেন সেই তথ্যও সকলের সামনে চলে এসেছে। এবার এই ঘটনায় অভিনেত্রী শার্লিন চোপড়াকে নিয়ে একটা তথ্য সকলের সামনে এল। জানা গেল শার্লিন রাজ কুন্দ্রাকে নিয়ে কি কি বলেছিল। রাজ কুন্দ্রাই বা তাকে কি কি বলতো সেটাও প্রকাশ্যে চলে এল।আরও পড়ুনঃ জামিন পেলেন না রাজ কুন্দ্রারাজ কুন্দ্রার পর্ণকাণ্ড মামলায় অভিনেত্রী শার্লিন চোপড়া সম্প্রতি এক সাক্ষাত্কারে দাবি করেছিলেন শিল্পা শেট্টির স্বামী রাজ কুন্দ্রা তাঁকে বুঝিয়েছিল অর্ধ-নগ্ন ফোটোশ্যুট আর পর্ন ভিডিয়ো খুব স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। এটা নাকি সবাই করে। শুধু তাই নয় পাশাপাশি, শার্লিনকে বলা হয়েছিল শিল্পার নাকি খুব পছন্দ হয়েছে তাঁর কাজ।আরও পড়ুনঃ হিন্দি ছবিতে অনির্বাণ, শুটিং করতে গেলেন নরওয়েতেশুধু তাই নয়, সম্প্রতি একটি সাক্ষাত্কারে শার্লিন দাবি করেন, রাজ কুন্দ্রা আমার মেন্টর ছিল একসময়। তিনি আমাকে ভুল পথে চালিত করে এই বলে যে আমি যা করছি সেটা গ্ল্যামার। আমাকে বলা হয়েছিল যে আমার ছবি আর ভিডিও শিল্পার খুব ভালো লেগেছে। রাজ কুন্দ্রাই আমাকে বিশ্বাস করিয়েছিল অর্ধ-নগ্ন ফোটোশ্যুট ও পর্ন শ্যুট একটা স্বাভাবিক ব্যাপার। সকলেই এটা করে, তাই আমারও করা উচিত। তিনি আরও জানান,শুটিং-এর সময় আমাকে উৎসাহ দেওয়া হত। প্রায়ই আমাকে বলা হত শিল্পা শেট্টির আমার ছবি ও ভিডিও পছন্দ হয়েছে এবং কাজেরও প্রশংসা করেছেন। এরকম একজন সিনিয়রের কাছ থেকে এই প্রশংসা পেলে কখনই মনে হবে না আমি ভুল কাজ করছি। এই ঘটনার জল আর কতদূর গড়ায় সেটাই এখন দেখার।

আগস্ট ০৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Raj Kundra : জামিন পেলেন না রাজ কুন্দ্রা

শনিবারেও জামিন পেলেন না রাজ কুন্দ্রা। মুম্বই দায়রা আদালতে আজ রাজ কুন্দ্রার জামিনের আবেদনের শুনানি ছিল কিন্তু বিচারকের অপ্রতুলতার জেরে তা পিছিয়ে যায়। ফলে আজও জামিন পেলেন না শিল্পা শেঠির স্বামী।আরও পড়ুনঃ এরোটিক ভিডিয়ো মানে পর্ন নয় : শিল্পা শেট্টিপ্রসঙ্গত পর্নোগ্রাফি মামলায় গত ১৯ জুলাই মুম্বই থেকে গ্রেফতার করা হয় রাজ কুন্দ্রাকে। তাকে গ্রেফতার করার তার স্ত্রী অভিনেত্রী শিল্পা শেট্টিকে নানাভাবে জেরা করা হয়েছিল।আরও পড়ুনঃ শিল্পা শেট্টির স্বামী রাজ কুন্দ্রার অ্যাকাউন্টে জানুয়ারিতে বিপুল অঙ্কের টাকা ট্রান্সফারএদিকে অভিনেত্রী শার্লিন চোপরা জানান রাজ কুন্দ্রা তাকে ভুল বুঝিয়েছিল। শিল্পা শেট্টি শার্লিনের ছবি ও ভিডিও পছন্দ করতো এমনটাও নাকি শার্লিনের কাছে বলতো রাজু কুন্দ্রা। শার্লিন কে প্রশ্ন করা হয়েছিল সে কতগুলো পর্নগ্রাফি শুট করেছে। রাজ কুন্দ্রার সঙ্গে পর্নোগ্রাফি সংক্রান্ত শুটিংয়ের এগ্রিমেন্টে কি কি লেখা ছিল সেই সংক্রান্ত কথাও জানতে চাওয়া হয় শার্লিনের কাছ থেকে। শার্লিন কে এত প্রশ্ন সে কিছুটা চাপে রয়েছে।রাজ কুন্দ্রা তার মেন্টর ছিল। কিন্তু মেন্টর যে এরকম করবে কখনো ভাবতে পারেনি শার্লিন। মেন্টরের এই কাজে হতাশ শার্লিন। আগামী দিনে এই পর্নোগ্রাফি সংক্রান্ত বিষয়টা আর কতদূর গড়ায় সেটাই দেখার।

আগস্ট ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Pornography: পর্নোগ্রাফি কাণ্ডে গ্রেফতার অভিনেত্রী নন্দিতা

পর্ণ কাণ্ডে ব্যবসায়ী ও অভিনেত্রী শিল্পা শেট্টির স্বামী রাজ কুন্দ্রা গ্রেফতার হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। এই ঘটনার মধ্যে কলকাতায় আবার পর্নোগ্রাফির ঘটনা সবার সামনে এল। কলকাতার পর্নোগ্রাফি চক্রে গ্রেফতার করা হয়েছে মূল দুই অভিযুক্তকে। ঘটনাস্থল নিউটাউনের এক তিন তারা হোটেল। নিউটাউন থানার পুলিশই অভিযোগ পেয়ে ময়দানে নামে। এরপরই রহস্য উন্মোচন হয়। ওই হোটেল থেকে নিজেকে নায়িকা বলে দাবি করা নন্দিতা দত্ত এবং মৈনাক ঘোষ নামে একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মুম্বইয়ের পাশাপাশি যে খাস শহর তিলোত্তমাতেও একই অপরাধচক্র মাথা চাড়া দিয়ে ব্যবসা ফেঁদে বসেছিল, তা হয়তো কেউ ঠাহরও করতে পারেনি।আরও পড়ুনঃ রাজ কুন্দ্রার পর্নোগ্রাফি ব্যবসায় কি শিল্পা শেট্টিও জড়িত?সূত্রের খবর, ধৃত নন্দিতা বহুদিন ধরেই পর্নোগ্রাফি চক্রের সঙ্গে যুক্ত। পাশাপাশি উঠতি মডেলদেরও এই কাজে আনার চেষ্টা করতেন বলে জানা গিয়েছে। সম্প্রতি নিউটাউন থানায় দুই তরুণী অভিযোগ দায়ের করেন যে, মডেল শ্যুটের আশ্বাস দিয়ে এক তিন তারা হোটেলে তাঁদের ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তার পরিবর্তে তাঁদের দিয়ে পর্নফিল্মের শ্যুটিং করানো হয়। এরপরই তদন্তে নামে পুলিশ। সেই হোটেল থেকে শ্যুটিং চলাকালীন গ্রেফতার করা হয় নন্দিতা ও মৈনাককে। বারাসত আদালতে তোলা হয় চার দিনের পুলিশ হেফাজত দেওয়া হয় তাদের। এই ঘটনায় আর কারা কারা জড়িত সেটা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

জুলাই ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shilpa Shetty : এরোটিক ভিডিয়ো মানে পর্ন নয় : শিল্পা শেট্টি

স্বামী পর্নকাণ্ডে অভিযুক্ত। ফলে শিল্পা শেট্টির এখন নাজেহাল অবস্থা। খুব কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে তাকে। পুলিশ তাকেও নানাভাবে জেরা করছে। আরও পড়ুনঃ রাজ কুন্দ্রার পর্নোগ্রাফি ব্যবসায় কি শিল্পা শেট্টিও জড়িত?ছয় ঘণ্টা জেরা করা হয়েছে তাকে। জেরার পর স্বামীকে নির্দোষ বলেই দাবি করলেন অভিনেত্রী শিল্পা শেট্টি। সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, জেরায় শিল্পা পুলিশকে জানিয়েছেন তাঁর স্বামী নির্দোষ। এরোটিক ভিডিয়ো বানিয়ে থাকলেও পর্নকাণ্ডে তিনি জড়িত নন, আর শিল্পার মতে এরোটিক ভিডিয়ো কখনওই পর্ন নয়।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীসংবাদ সংস্থা সূত্রে আরও খবর, জেরায় পুলিশকে জানিয়েছেন, রাজের অ্যাপ হটশটের প্রকৃত গতিবিধি সম্পর্কে তিনি ওয়াকিবহাল ছিলেন না। পাশপাশি স্বামী নন, পর্নকাণ্ডে আর এক অভিযুক্ত প্রদীপ বক্সীর নাম প্রকাশ্যে এনেছেন শিল্পা। যিনি সম্পর্কে রাজের জামাইবাবু। পুলিশ সূত্রে আরও জানা যাচ্ছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় বারেবারেই এরোটিক ভিডিয়ো এবং পর্ন ভিডিয়োর তফাত বোঝানোর চেষ্টা করেছেন শিল্পা। স্বামীর পাশেই আছেনবার্তা দিয়েছেন তাও।

জুলাই ২৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Raj Kundra : শিল্পা শেট্টির স্বামী রাজ কুন্দ্রার অ্যাকাউন্টে জানুয়ারিতে বিপুল অঙ্কের টাকা ট্রান্সফার

পর্ন ছবি বানানোর অভিযোগে বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেট্টির স্বামী রাজ কুন্দ্রাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখছে মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চ। এরই মধ্যে উঠে এসেছে লেনদেন সম্পর্কিত এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। সূত্রের খবর, গত জানুয়ারি মাসে রাজের অ্যাকাউন্টে বিপুল অঙ্কের টাকা ট্রান্সফার হয়েছিল বলে জানতে পেরেছে ক্রাইম ব্রাঞ্চ। একটি অ্যাপ সংস্থার মাধ্যমে এই টাকা লেনদেন হয় বলে জানা গিয়েছে। পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে, হটশটস নামে একটি মোবাইল অ্যাপের জন্য এই লেনদেন করা হয়েছিল। এবং জানুয়ারিতেই এই অ্যাকাউন্টে শেষবার লেনদেন হয়েছিল। গত ৪ ফেব্রুয়ারি উত্তর মুম্বইয়ের মাধ আইল্যান্ডের ওই বাংলোয় হানা দেয় পুলিশ। সেখানে হাতেনাতে ধরা পড়ে যান পাঁচ জন। পুলিশ গিয়ে দেখে, পর্নছবির শুটিং চলছে সেখানে। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে রাজকে গত ১৯ জুলাই গ্রেফতার করে পুলিশ। তাত্পর্যপূর্ণ ভাবে রাজের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়েরের মাসখানেক আগে মোবাইল অ্যাপ অ্যাপ চালানোর অভিযোগে এক অভিনেত্রীকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশি জেরায় কুন্দ্রা জানিয়েছেন, ২০১৯ সালে তিনি ২৫ হাজার ডলারের বিনিময়ে হটশটস অ্যাপ বিক্রি করে দেন। কিন্তু পুলিশের দাবি, এই সময়ের পরেও অ্যাপটির সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রেখে চলছিলেন কুন্দ্রা।

জুলাই ২২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Raj Kundra : পর্ন ছবিতে অভিনয়ের জন্য লোভ দেখাতেন রাজ : পুনীত

পর্নকাণ্ডে একের পর এক বিষয়ে ফেঁসে চলেছেন ব্যবসায়ী অভিনেত্রী শিল্পা শেট্টির স্বামী রাজ কুন্দ্রা। এবার তার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন ইউটিউবার পুনীত কৌর।আরও পড়ুনঃ রাজ কুন্দ্রার পর্নোগ্রাফি ব্যবসায় কি শিল্পা শেট্টিও জড়িত?মডেল-অভিনেত্রী সাগরিকা সোনা সুমনের পর এ বার মুখ খুললেন ইউটিউবার পুনীত কৌর। একই অভিযোগ জানালেন রাজ কুন্দ্রার বিরুদ্ধে। সাগরিকাকে ওয়েব সিরিজের নাম করে নগ্ন হয়ে অডিশন দিতে বলেছিলেন রাজ ও তাঁর সহকারীরা। প্রায়শই পর্ন ছবির জন্য নায়িকার খোঁজ করতেন তাঁরা। সেই প্রসঙ্গেই ইউটিউবার ও মেডিক্যালের ছাত্রী পুনীতও রাজের সঙ্গে তাঁর অভিজ্ঞতার কথা জানালেন।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীপুনীতের কথায়, রাজ আমাকে হটশটসে (যেই অ্যাপের মাধ্যমে পর্ন ছবি ছড়িয়ে দেওয়া হত) অভিনয়ের জন্য লোভ দেখিয়েছিলেন। আমাকে সরাসরি মেসেজ করেছিলেন নেটমাধ্যমে। কিন্তু তখন তিনি মুখ খোলেননি কারণ তিনি ভেবেছিলেন, রাজের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে। অন্য কেউ তাঁকে মেসেজ করছেন। সংবাদমাধ্যমে রাজের গ্রেফতারের খবর দেখার পর তিনি বুঝতে পারেন, সত্যিই রাজ পর্ন ছবি বানান। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে তাই নিজের অভিজ্ঞতার কথা লিখলেন পুনীত। রাজের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে ইউটিউবার লিখলেন, বিশ্বাস করতে পারছি না যে লোকটা সত্যিই লোভ দেখিয়েছিল। জেলে পচে মরুন!

জুলাই ২১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Raj kundra : রাজ কুন্দ্রার পর্নোগ্রাফি ব্যবসায় কি শিল্পা শেট্টিও জড়িত?

পর্ন-কাণ্ডে কি রাজ কুন্দ্রার সহযোগী ছিলেন তাঁর স্ত্রী শিল্পা শেট্টি? তদন্তে নেমে এমনটাই অনুমান করা শুরু করেছে মুম্বই পুলিশ। যদিও এখনও পর্যন্ত সরাসরি শিল্পার বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে তদন্ত থেকে তাঁকে পুরোপুরি বাদ দেওয়া হচ্ছে না এখনই। সোমবার রাজ গ্রেফতার হওয়ার পরেই শিল্পা চলে যান মায়ের কাছে। আপাতত তিনি সন্তানদের নিয়ে বোন শমিতা শেট্টির সঙ্গে থাকছেন বান্দ্রার বাংলোয়। মঙ্গলবার নাচের রিয়্যালিটি শো সুপার ড্যান্সার ৪-এর শ্যুটেও আসেননি তিনি। তাঁর অনুপস্থিতির প্রকৃত কারণও জানাননি কাউকে। তদন্তে নেমে তাই এই দিকটি খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীমু্ম্বই সংবাদমাধ্যমের কাছে ইতিমধ্যেই মুখ খুলেছেন যুগ্ম নগরপাল (অপরাধ শাখা) মিলিন্দ ভরাম্বে। তাঁর দাবি, যাঁরা ইতিমধ্যেই পর্ন কাণ্ডের শিকার তাঁদের এগিয়ে আসার আবেদন জানিয়েছে মুম্বই প্রশাসন। অপরাধ দমন শাখার সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁরা তথ্য-প্রমাণ দিলে অপরাধীদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি, তদন্তও দ্রুত গতিতে এগোবে, দাবি তাঁর।আরও পড়ুনঃ বৃষ্টির মধ্যেও শুটিং করছেন অক্ষয়প্রাথমিক তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, ২০১৯-এর ফেব্রুয়ারিতে রাজ আর্মস প্রাইম মিডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি সংস্থা খোলেন। তার ছমাস পরেই সংস্থাটি হটশট নামে একটি মুঠোফোন অ্যাপ তৈরি করেছিল। তদন্তকারী অফিসারদের দাবি, যা প্রশাসনের কাছে পর্ন অ্যাপ নামে চিহ্নিত। অন্য দিকে, মঙ্গলবার রাজ কুন্দ্রাকে ২৩ জুলাই, শুক্রবার পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।আরও পড়ুনঃ আতিউলের সাইকো থ্রিলারে থাকছে চমকএদিকে নাচের রিয়্যালিটি শো-এর সেট থেকে জানা গিয়েছে, শ্যুট থেকে আপাতত দূরেই থাকবেন শিল্পা শেট্টি। তাই আগামী পর্বগুলিতে তাঁকে দেখা যাবে না। তাঁর অনুপস্থিতিতে বিচারকের আসনে থাকবেন করিশ্মা কাপূর।

জুলাই ২১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Pornographic: পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামী

রাজ কুন্দ্রা আর বিতর্ক যেন একে অপরের পরিপূরক। রাজ কুন্দ্রা মানেই বিতর্ক লেগে থাকবেই। আগে আন্ডারওয়ার্ল্ড থেকে ম্যাচ ফিক্সিং একাধিক বিতর্কে নাম জড়িয়েছে শিল্পার স্বামী রাজ কুন্দ্রার। এবার পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে তাকে। Ok so here gos Porn Vs Prostitution. Why is it legal to pay someone for sex on camera? How is one different to the other?? Raj Kundra (@TheRajKundra) March 29, 2012রাজকে গ্রেফতারের পর তাঁর করা পুরনো দুটি টুইট ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ২০১২ সালে এই টুইট করেছিলেন রাজ। যেখানে তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছিলেন পর্ন ফিল্ম বানানোর সময় টাকার জন্য যদি ক্যামেরার সামনে সেক্স করা হয় তবে তা বেশ্যাবৃত্তির থেকে আলাদা হয় কী করে! এটি করা হয়েছিল ২০১২ সালের মার্চ মাসে। তার দুমাস পর আরও একটি টুইট করেন রাজ কুন্দ্রা। যেখানে তিনি লিখেছিলেন, অভিনেতারা ক্রিকেট খেলছে, ক্রিকেটাররা রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছে, রাজনৈতিক নেতারা পর্ন দেখছেন, আর পর্ন তারকারা অভিনয়ে জগতে আসছেন। আপাতত রাজের করা এই দুটো টুইট ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। নেটিজেনদের তির্যক মন্তব্যের মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁকে। এমনকী, শিল্পাকে ট্যাগ করেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দেশবাসী।

জুলাই ২০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলি পর্ন হাব ছাড়া কিছুই নয়ঃ কঙ্গনা

আমাদের সকলকে একজোট হয়ে প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে সিনেমা দেখার অভ্যাস রক্ষা করতে হবে। বিশাল সংখ্যক দর্শককে মোহিত করে রাখতে এই ধরনের অশালীন কনটেন্টের ব্যবহার শিল্পের মানের অবনতি ঘটাচ্ছে। সমস্ত স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলি পর্ন হাব ছাড়া আর কিছুই নয়। ছিঃ! ইরোজ নাও। বৃহস্পতিবার টুইট করে এমনই বিস্ফো্রক অভিযোগ করেছেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। আরও পড়ুনঃ শারীরিক অবস্থার অবনতি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের নেটদুনিয়ায় তুমুল বিক্ষোভের মুখে পড়ে ইরোজ নাওয়ের পক্ষ থেকে ক্ষমা চেয়ে টুইট করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, কোনও ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। পোস্টটি ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়।

অক্টোবর ২২, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

‘যারা ব্যাট করবে, তারাই আম্পায়ার বাছবে?’ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য

নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের নিয়ম নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল বুধবার। ২০২৩ সালের আইনকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের পদ্ধতি এবং কমিশনের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শুনানির সময় ক্রিকেটের আম্পায়ারের উদাহরণ টেনে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত।২০২৩ সালের আইনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের জন্য তিন সদস্যের একটি বাছাই কমিটি রয়েছে। সেই কমিটিতে থাকেন প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় এই কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতির থাকার কথা বলা হয়েছিল। পরে সংসদে নতুন আইন পাশ হওয়ার পর প্রধান বিচারপতির জায়গায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে রাখা হয়।এই নিয়োগ পদ্ধতিকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছে। বুধবার সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চে মূল বিষয়ে মতভেদ দেখা যায়। বিচারপতি দত্তের মতে, বিষয়টি আগের সাংবিধানিক নীতির ভিত্তিতে বিচার করা যেতে পারে। অন্য দিকে বিচারপতি শর্মা মনে করেন, মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্ন রয়েছে। শেষ পর্যন্ত মামলাটি বৃহত্তর সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠানোর জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে বিষয়টি পাঠাতে দুই বিচারপতিই সম্মত হন।শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের পদ্ধতি নিয়ে ক্রিকেটের উদাহরণ দেন বিচারপতি দত্ত। তিনি বোঝান, কোনও দল যদি নিজেরাই আম্পায়ার বেছে নেয়, তা হলে সেই আম্পায়ার সঠিক সিদ্ধান্ত নিলেও তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। আম্পায়ার নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করলেও তাঁকে নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রশ্ন উঠতে পারে বলে ইঙ্গিত করেন বিচারপতি দত্ত। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল, কমিশনের স্বাধীনতা শুধু বাস্তবে থাকলেই হবে না, সাধারণ মানুষের কাছেও সেই স্বাধীনতা দৃশ্যমান হওয়া প্রয়োজন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।বিচারপতি দত্ত আরও প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রী মনোনীত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিরোধে যাবেন কি না। তাঁর পর্যবেক্ষণ ছিল, এই পরিস্থিতিতে তিন সদস্যের কমিটিতে বিরোধী দলনেতার উপস্থিতি কতটা কার্যকর, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এগুলি মামলার শুনানিতে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ; আদালত এখনও ২০২৩ সালের আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেনি।এই মামলার সূত্রেই ২০২৩ সালের আইন এবং তার আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী নিয়োগ ব্যবস্থার পার্থক্যও সামনে এসেছে। ২০২৩ সালের সাংবিধানিক বেঞ্চের রায়ে সংসদ আইন না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে সংসদ আইন করে সেই কাঠামোয় পরিবর্তন আনে।এদিকে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যেই নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই শুনানি বিশেষ তাৎপর্য পেয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য সেই প্রতিবেদনে ওঠা মতবিরোধের দাবি নস্যাৎ করে জানিয়েছে, এসআইআর-সহ কমিশনের সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বর্তমান পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে সাংবিধানিক প্রশ্ন, অন্য দিকে কমিশনের অভ্যন্তরীণ কাজকর্ম নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কদুই বিষয়ই একই সময়ে আলোচনায় এসেছে। এখন নজর থাকবে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের কাছে যাওয়ার পর এই মামলায় পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠিত হয় কি না এবং শেষ পর্যন্ত ২০২৩ সালের নিয়োগ আইন নিয়ে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বিরাট খবর! মার্চের মধ্যে দেড় লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগ

রাজ্যে সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় খবর। বুধবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে চলতি অর্থবর্ষের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদ পূরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আগামী মার্চের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ রয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে বহু পদ খালি পড়ে রয়েছে। কর্মীর সংখ্যা কম থাকায় একাধিক দপ্তরে কাজের চাপ বেড়েছে। সাধারণ মানুষকে সরকারি পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কর্মী ঘাটতির প্রভাব পড়ছে বলে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শূন্যপদ পূরণে জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।এর আগে বিভিন্ন দপ্তরকে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা শূন্যপদগুলির মধ্যে কোন পদগুলি দ্রুত পূরণ করা প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করতে বলা হয়েছিল। সব শূন্যপদ একসঙ্গে পূরণ না করে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।বুধবারের ক্যাবিনেট বৈঠকের পর সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও গতি পেতে চলেছে বলেই প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে। মোট ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদের মধ্যে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ মিলিয়ে ২০ হাজার পদ রয়েছে। রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ পূরণের কথা বলা হয়েছে।চলতি বছরে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ নিয়ে রাজ্য সরকারের বাজেটেও বড় ঘোষণা হয়েছিল। জুনে পেশ করা ২০২৬-২৭ সালের পূর্ণাঙ্গ বাজেটে এক লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগের কথা জানানো হয়েছিল। তার মধ্যে পুলিশ বিভাগে ২০ হাজার এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে ৫০ হাজার পদে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল।এখন বুধবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদ পূরণের যে খবর সামনে এসেছে, তাতে চাকরিপ্রার্থীদের নজর স্বাভাবিক ভাবেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং পরবর্তী সরকারি নির্দেশিকার দিকে। কোন দপ্তরে কত পদ, কোন পদে কী যোগ্যতা এবং নিয়োগের পদ্ধতি কী হবে, তা সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে।দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা সরকারি পদগুলি পূরণ হলে এক দিকে যেমন বহু চাকরিপ্রার্থী নিয়োগের সুযোগ পাবেন, অন্য দিকে সরকারি দপ্তরগুলির কর্মী ঘাটতিও কিছুটা কমতে পারে। তবে কবে থেকে আবেদন শুরু হবে এবং কোন কোন পদে ধাপে ধাপে নিয়োগ হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য সরকারি বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষা করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ধুঁয়াধার অ্যাকশনে রাহুল গান্ধী, মোদী সরকারের রক্তচাপ বাড়িয়ে এবার 'বিস্ফোরক' মন্তব্য

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা Special Intensive Revision (SIR) ঘিরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ফের সরব হলেন কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। নির্বাচন কমিশনের অন্দরে SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তির খবর প্রকাশ্যে আসার পর বুধবার কমিশনকে নিশানা করে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে রাহুলের দাবি, ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং সংবিধানের উপর সরাসরি আঘাত।রাহুল গান্ধী লেখেন, ভারতে ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং আমাদের সংবিধানের উপর সরাসরি আক্রমণ। বিজেপি, আরএসএস এবং নির্বাচন কমিশন যারা এটি করেছে, তারা রাষ্ট্রদ্রোহিতার কাজ করেছে। ভিডিয়ো বার্তাতেও নির্বাচন কমিশন ও ভোট আধিকারিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁরা যা করছেন তা ভুল এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা সিংভিরএই বিতর্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকেও নিশানা করেছেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা তথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। তাঁর অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমার দেশের মানুষ এবং নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্যদের বিভ্রান্ত করেছেন। সিংভির দাবি, নির্বাচন কমিশনে সিদ্ধান্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নেওয়ার কথা হলেও কমিশনের অভ্যন্তরে এক ধরনের ইন্টারনাল বুলডোজার কাজ করছে।সিংভি আরও অভিযোগ করেন, একজন ব্যক্তির হাতেই যদি কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়ে থাকে, তাহলে বাকি নির্বাচন কমিশনারদের ভূমিকা কীসেই প্রশ্ন উঠছে। তাঁর বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন একটি সংখ্যাগরিষ্ঠতাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান।তদন্তের দাবি প্রিয়াঙ্কারবিতর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরাও। তাঁর দাবি, রাহুল গান্ধী দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছেন। নির্বাচন কমিশনাররাই যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রিয়াঙ্কার কথায়, এই বিষয়টি তদন্ত করা প্রয়োজন। এটিকে হালকা ভাবে নেওয়া উচিত নয়। নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগের তদন্তেরও দাবি জানান তিনি।কী রয়েছে রিপোর্টে?বুধবার প্রকাশিত দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশি গত ১০ মাসে SIR এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ নিয়ে অন্তত ১৪ বার আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনের দাবি, একটি দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।রিপোর্ট অনুযায়ী, Form 6-এ পরিবর্তন, ভোটার ডেটাবেসে অ্যাক্সেস কেন্দ্রীভূত করা, ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং নতুন ভোটার যুক্ত করার মতো বিষয় নিয়ে আপত্তি উঠেছিল। কিছু সিদ্ধান্ত তাঁদের অজ্ঞাতে নেওয়া হয়েছে বলেও দুই কমিশনারের তরফে আপত্তি জানানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়া ভোটার সংক্রান্ত সফটওয়্যারের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহারের বিষয়েও দুই কমিশনার উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে ক্যাবিনেট সচিবের সঙ্গে চিঠিপত্র চালাচালির কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন SIR নিয়ে কমিশনের অন্দরে কোনও বিভাজনের দাবি খারিজ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, নোট, পর্যবেক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত পরামর্শ দেওয়া প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ এবং SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

'জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতার করে পুরনো ভোটার তালিকায় বাংলায় ভোট', এবার মমতার তোলপাড় ফেলা দাবি, কিন্তু কেন?

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে মতপার্থক্যের খবর প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতারের দাবি তোলার পাশাপাশি পুরনো ভোটার তালিকা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে ফের বিধানসভা নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন তিনি।দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করে মমতা অভিযোগ করেন, SIR প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য আপত্তি তুলেছিলেন। তাঁর দাবি, এতদিন যে অভিযোগগুলি তৃণমূলের পক্ষ থেকে করা হচ্ছিল, সাম্প্রতিক রিপোর্টে তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন কমিশনের অন্দরে বিভাজন বা অনিয়মের অভিযোগ খারিজ করে জানিয়েছে, SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।একটি ভিডিয়ো বার্তায় জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করে মমতা বলেন, তাঁর পদে থাকার কোনও নৈতিক অধিকার নেই এবং তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত। এই দাবিতে দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলনেরও ডাক দেন তিনি। মমতার অভিযোগ, বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন মিলে সংবিধান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগমমতা আরও অভিযোগ করেন, জ্ঞানেশ কুমার পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করেছেন। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক বিরোধীদের বিরুদ্ধে পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকী বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজি না হলে জেলে পাঠানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।পুরনো ভোটার তালিকায় পুনর্নির্বাচনের দাবিSIR নিয়ে সাম্প্রতিক রিপোর্টের প্রসঙ্গ তুলে মমতা দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে কারচুপি সংক্রান্ত তাঁদের অভিযোগ এখন আরও জোরালো হয়েছে। তাঁর দাবি, পুরনো ভোটার তালিকা ফিরিয়ে এনে বাংলায় নতুন করে নির্বাচন করতে হবে।মমতা আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলির সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তাঁর বক্তব্য, যতদিন জ্ঞানেশ কুমার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদে থাকবেন, ততদিন দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে।এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নিনির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র আক্রমণ করে মমতা বলেন, এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নি। তাঁর অভিযোগ, পুলিশকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং বিরোধী মতের মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, কমিশনারদের মধ্যে নোট, পর্যবেক্ষণ বা প্রযুক্তিগত বিষয়ে মতামত বিনিময় প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ। SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতি ছিল বলেও কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

নওশাদের আইএসএফের প্রতীক হাতছাড়া, হাই কোর্টে উঠল কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় প্রশ্ন

ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক খাম নিয়ে নতুন করে আইনি জট তৈরি হয়েছে। প্রতীকটি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে নওশাদ সিদ্দিকীর দল। বুধবার বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের এজলাসে মামলাটির শুনানি হয়। শুনানির পর নির্বাচন কমিশনের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার ফের এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।২০২১ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। দলটির প্রতিষ্ঠাতা ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী। শুরু থেকেই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন তাঁর ভাই নওশাদ সিদ্দিকী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় কেন্দ্র থেকে খাম প্রতীক নিয়ে লড়ে জয়ী হয়েছিলেন নওশাদ।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও ভাঙড় থেকে একই খাম প্রতীক নিয়ে লড়াই করে জয় পান নওশাদ। আইএসএফের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রতীক দলের সঙ্গে যুক্ত। চলতি বছরের মার্চেও প্রতীকটি নিয়ম মেনে নথিভুক্ত করা হয়েছিল বলে আদালতে দাবি করা হয়েছে।কিন্তু উপনির্বাচনের আগে পরিস্থিতি বদলে যায়। নির্বাচন কমিশন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেসকে খাম প্রতীক বরাদ্দ করে। অন্য দিকে, আইএসএফকে দেওয়া হয় আলমারি প্রতীক। এই সিদ্ধান্তের পরই আপত্তি জানিয়ে কমিশনের কাছে চিঠি দেন নওশাদ। পরে প্রতীক ফিরে পাওয়ার দাবিতে হাই কোর্টে মামলা করে আইএসএফ।বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণ রাও নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, একই প্রতীক কীভাবে দুটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। আদালতের প্রশ্ন ছিল, একই প্রতীক নিয়ে দুটি দল নির্বাচনে অংশ নেবে কীভাবে। এই বিষয়ে কমিশনের বক্তব্য জানার পাশাপাশি রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আইএসএফের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, ২০২১ সাল থেকে খাম প্রতীকটি আইএসএফ ব্যবহার করে আসছে। সেই প্রতীকই পরে অন্য একটি রাজনৈতিক দলকে দেওয়া হয়েছে। ফলে কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে আদালতে দাবি করেন তিনি।অন্য দিকে, নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, আইএসএফ একটি অনস্বীকৃত রাজনৈতিক দল এবং তাদের জন্য খাম কোনও সংরক্ষিত প্রতীক নয়। কমিশনের যুক্তি, এই ধরনের প্রতীক অবাধ বা মুক্ত প্রতীকের তালিকায় থাকলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তা অন্য দলকেও দেওয়া যেতে পারে।এই যুক্তির পরেই আদালত জানতে চায়, একই প্রতীক নিয়ে দুটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নেবে কী ভাবে। বিষয়টি স্পষ্ট করতে কমিশনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। ফলে বৃহস্পতিবারের শুনানির দিকে এখন নজর রয়েছে।প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে খাম প্রতীক নিয়ে আইএসএফ ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে এই আইনি লড়াই নতুন মাত্রা পেয়েছে। তবে আদালত এখনও প্রতীকটি আইএসএফকে ফিরিয়ে দেওয়ার কোনও চূড়ান্ত নির্দেশ দেয়নি।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশ থেকে ফিরেই বিস্ফোরক অভিষেক! ‘বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে’, নিশানায় বিজেপি

প্রায় তিন সপ্তাহ বিদেশে থাকার পর চোখের চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন অভিষেক।দমদম বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে অভিষেক বলেন, বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, জোর করে বাংলা দখল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। বিজেপির পরিস্থিতি সারা দেশেই খারাপ বলে দাবি করেন তিনি। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অভিষেক আরও বলেন, সাংবিধানিক পদে বসিয়ে কোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করা হলে তার ফল ভুগতে হবে। তাঁর কথায়, যাঁরা এই ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের ভবিষ্যতে জেলে যেতে হতে পারে। বিচারব্যবস্থা থেকে নির্বাচন কমিশনকোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজের মতো করে চালানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ভোটার তালিকা নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের প্রসঙ্গও উঠে আসে অভিষেকের বক্তব্যে। যাঁরা ভোট দিতে পারেননি, তাঁদের চোখের জল বৃথা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভোটাধিকার নিয়ে যে কোনও অভিযোগের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনের অন্দরমহল নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ্যে এসেছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফেরানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও দুই কমিশনার প্রশ্ন তুলেছিলেন। ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ আরও কেন্দ্রীয়করণের বিষয়েও তাঁদের আপত্তি ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।নতুন ভোটারদের জন্য ব্যবহৃত ছয় নম্বর ফর্মে সংশোধন নিয়েও আপত্তির কথা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নতুন ফর্মে আবেদনকারীর নিজের বা তাঁর বাবা-মা কিংবা দাদু-ঠাকুমার নাম আগের বিশেষ নিবিড় সংশোধনের ভোটার তালিকায় ছিল কি না, সেই তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছিল। এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনারের তরফে অননুমোদিত এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানানোর কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে নির্বাচন কমিশন এই ধরনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের ব্যাখ্যা নিয়ে প্রকাশিত দাবিকে নস্যাৎ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, বিশেষ নিবিড় সংশোধন-সহ কমিশনের সমস্ত সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত মতামত বা নথিতে কোনও প্রশ্ন তোলা হয়ে থাকলেও সেটিকে কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সঙ্গে এক করে দেখা যায় না বলে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, এই প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর তৃণমূলের তরফে তদন্তের দাবি উঠেছে। অভিষেকও এর আগে সামাজিক মাধ্যমে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর দাবি জানিয়েছিলেন। আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্ত করে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখার দাবিও জানিয়েছিলেন তিনি।অভিষেকের অভিযোগ ছিল, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে যদি কোনও ভাবে বহু মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকে, তা গণতন্ত্রের জন্য গুরুতর বিষয়। তবে এই অভিযোগ রাজনৈতিক দাবি হিসাবেই রয়েছে; নির্বাচন কমিশন তা গ্রহণ করেনি।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্যের লিখিত আপত্তির দাবি, অন্য দিকে কমিশনের সর্বসম্মতির বক্তব্যদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আর বিদেশ থেকে চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরেই এই প্রসঙ্গে অভিষেকের কড়া মন্তব্য সেই বিতর্কে আরও রাজনৈতিক উত্তাপ যোগ করেছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
দেশ

এসআইআর নিয়েই নির্বাচন কমিশনে বিস্ফোরণ! ১০ মাসে ১৪ বার আপত্তি দুই কমিশনারের

ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই মতবিরোধের দাবি ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের আপত্তির মধ্যে নতুন ভোটারের নাম যোগ করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফের যুক্ত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফর্ম ছয়ে পরিবর্তন আনা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। নতুন ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায় তোলার জন্য এই ফর্ম ব্যবহার করা হয়। সম্প্রতি ফর্মে এসআইআর সংক্রান্ত কিছু নতুন তথ্য চাওয়া হয়েছিল। সেখানে নতুন ভোটারকে জানাতে হত, আগের এসআইআরের ভোটার তালিকায় তাঁর নিজের, বাবা-মা অথবা দাদু-ঠাকুমার নাম ছিল কি না।সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনার অনুমোদনহীন এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল, সংশ্লিষ্ট নিয়মে পরিবর্তন না করে ফর্মে এই ধরনের নতুন তথ্য যোগ করা যায় কি না, তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন রয়েছে। তাঁদের আপত্তি সত্ত্বেও ওই পরিবর্তন সরানো হয়নি বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।শুধু ফর্ম ছয় নয়, ভোটার তালিকা তৈরির পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। দুই কমিশনার ভোটার তালিকা তৈরির তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা আরও বেশি কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল, ভোটার তালিকা তৈরিতে স্থানীয় স্তরের নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকদের ভূমিকা ও ক্ষমতা কমে যাচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, একটি সিদ্ধান্ত ও নির্দেশিকা নিয়ে একই দিনে চার বার আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। তাঁদের একাধিক আপত্তির মধ্যে ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা এবং তার নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও ছিল। এমনকি এই সংক্রান্ত উদ্বেগ নিয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ আমলার কাছেও বিষয়টি জানিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তবে এই প্রতিবেদনের মূল দাবিগুলি খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সূত্রের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে কোনও বিষয়ে লিখিত মতামত বা আপত্তি থাকা মানেই সেটি কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে মতবিরোধ প্রমাণ করে না। কমিশনের দাবি, এসআইআর-সহ সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতিতেই নেওয়া হয়েছে।ফলে বর্তমানে বিষয়টি ঘিরে দুই ধরনের বক্তব্য সামনে এসেছে। এক দিকে সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দুই কমিশনারের একাধিক লিখিত আপত্তির দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তিন সদস্যের মধ্যে কোনও মতবিরোধ ছিল না। এই দুই বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তৃণমূলের তরফে গোটা বিষয়টি তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ এবং আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিষেকের অভিযোগ, কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভোটারদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকলে তা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। তবে এটি তাঁর রাজনৈতিক অভিযোগ এবং এখনও এমন কোনও চূড়ান্ত প্রমাণ বা আদালতের রায় সামনে আসেনি যে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই নেওয়া হয়েছিল।এসআইআর নিয়ে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্যে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে। তার মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই দুই কমিশনারের একাধিক আপত্তির এই দাবি সামনে আসায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কমিশনের সিদ্ধান্তে সত্যিই কোনও অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ ছিল কি না, তা নিয়ে আপাতত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং নির্বাচন কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই পক্ষের দাবিই সামনে রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

অনুদান নিলেই মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি? বীরভূমে বিতর্কের মাঝেই মুখ খুললেন দিলীপ

দুর্গাপুজোর আগে বীরভূমে সরকারি অনুদান এবং পুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সাঁইথিয়ায় দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে নিয়ে আয়োজিত একটি বৈঠকে বীরভূম সাংগঠনিক জেলা সভাপতি উদয়শংকর বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, সরকারি অনুদান নেওয়া পুজো কমিটিগুলির মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো বাধ্যতামূলক। ছবি না লাগালে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও তিনি বলেন বলে অভিযোগ।মঙ্গলবারের ওই বৈঠকে উদয়শংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়। পুজোর মুখে সরকারি অনুদানের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোর বিষয়টি কীভাবে যুক্ত হল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিরোধীদের তরফেও এই মন্তব্যের সমালোচনা করা হয়।বিতর্কের মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, সরকারি অনুদান নেওয়া পুজো কমিটিগুলির মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোর কোনও নির্দেশ বর্তমান সরকার দেয়নি। তিনি দাবি করেন, আগের সরকারের আমলে এমন শর্ত দেওয়া হত। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রীর ছবি না লাগালে অনুদান পাওয়া যেত না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, বর্তমান সরকার এই ধরনের কোনও নির্দেশ দেয়নি। তাঁর কথায়, পুজো কমিটিগুলি যেন ভালোভাবে দুর্গাপুজোর আয়োজন করে। সরকারি অনুদানের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোকে বাধ্যতামূলক করার কোনও সরকারি সিদ্ধান্ত নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।দিলীপ ঘোষের সুরেই বক্তব্য রাখেন বিজেপির আর এক শীর্ষ নেতা সুকান্ত মজুমদার। তাঁর বক্তব্য, পুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে সরকারের তরফে কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। ফলে সরকারি অনুদান পাওয়ার সঙ্গে এই ধরনের কোনও শর্ত জুড়ে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না বলে তিনি জানান।প্রসঙ্গত, আগের সরকারের আমলে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প এবং সরকারি প্রচারের ছবি দেখা যেত। কন্যাশ্রী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, নিরাপদে গাড়ি চালানোর প্রচার-সহ নানা সরকারি বার্তা পুজোর মণ্ডপে তুলে ধরা হত। সেই প্রেক্ষাপটেই এবার মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।তবে বীরভূমের বিজেপি নেতার মন্তব্য এবং দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্যের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। এক দিকে জেলা স্তরের নেতার তরফে ছবি লাগানোর কথা বলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, অন্য দিকে দলের শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, এমন কোনও সরকারি নির্দেশ নেই।ফলে সরকারি অনুদান নিলে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো আদৌ বাধ্যতামূলক কি না, তা নিয়ে বিতর্ক আপাতত জিইয়ে রইল। বিষয়টি নিয়ে বিজেপির অভ্যন্তরীণ অবস্থান নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal