• ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ১৮ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Petratos

খেলার দুনিয়া

ভরসা দিতে পারবেন?‌ বাগানে খেলতে এলেন অস্ট্রেলিয়ার পেত্রাতোস

এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো এমন একজন ফুটবলারকে চাইছিলেন, যিনি স্ট্রাইকারের পাশাপাশি অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের পজিশনেও খেলতে পারেন। অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলের হয়ে এবং ক্লাব ফুটবলে স্ট্রাইকার ও অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার হিসেবে খেলেছেন দিমিত্রি পেত্রাতোস। এবার সবুজমেরুণের আক্রমণভাগকে ভরসা দিতে মঙ্গলবার কলকাতা চলে এলেন এই অসি ফুটবলার। এটিকে মোহনবাগান যে স্ট্রাইকার সমস্যাতে ভুগছে, ডুরান্ড কাপেই তার প্রমাণ পাওয়া গেছে। পজিটিভ স্ট্রাইকার বলতে যা বোঝায়, সেই অর্থে তেমন ফুটবলার এই মুহূর্তে এটিকে মোহনবাগানে তেমন নেই। লিস্টন কোলাসে, আশিক কুরুনিয়ান, হুগো বোমাসরা পজিটিভ স্ট্রাইকার নন। মনবীর সিং, কিয়ান নাসিরিদের একার দক্ষতার ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা নেই। এখন দেখার এদের সঙ্গে যোগ দিয়ে দলকে সাফল্য এনে দিতে পারেন কিনা দিমিত্রি পেত্রাতোস।পেত্রাতোসকে স্বাগত জানাতে মঙ্গলবার সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে হাজির ছিলেন এটিকে মোহনবাগানের কর্তারা। কয়েকশ সবুজমেরুণ সমর্থকও হাজির ছিলেন। এই অসি ফুটবলার বিমানবন্দর থেকে বার হতেই সমর্থকরা জয় মোহনবাগান স্লোগান দেন। তাদের সঙ্গে পেত্রাতোসের মুখেও শোনা যায়, জয় মোহনবাগান। বিমানবন্দরে নেমেই সংবাদমাধ্যমকে পেত্রাতোস জানান, এএফসি কাপ জয়ের লক্ষ্য নিয়েই তিনি এটিকে মোহনবাগানে খেলতে এসেছেন।দেশের হয়ে রাইট উইঙ্গারেও খেলেছেন দিমিত্রি পেত্রাতোস। প্রয়োজনে জুয়ান ফেরান্দো পেত্রাতোসকে উইঙ্গারেও ব্যবহার করতে পারেন। এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের পর পেত্রাতোস বলেছিলেন, বিভিন্ন পজিশনে খেলতে পারি, সেটা কোচ জানেন। কোচই ঠিক করবেন আমাকে কোন পজিশনে খেলাবেন। এখানে আমাকে কোন জায়গায় খেলতে হবে, তা ঠিক করবেন কোচ। যে কোনও ফুটবলারের কাছে গোল করাটা বড় ব্যাপার। কোচ যদি আমাকে সেই দায়িত্ব দেন, আপ্রান চেষ্টা করব দায়িত্ব পালন করার। গোল করতেই হবে, এটা ভেবে আমি কখনও মাঠে নামি না। মাঠে নেমে খেলা উপভোগ করাটাই লক্ষ্য থাকে। দলের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াটাই প্রথম কাজ। ব্রেন্ডন হ্যামিলও দলে রয়েছে। আশা করছি দ্রুত মানিয়ে নিতে পারব। ৬ বছর আগে দুরন্ত ফ্রিকিকে গোল করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন পেত্রাতোস। অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ফুটবলে ওই রকম গোল নাকি আর কেউ করতে পারেননি।

আগস্ট ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কৃষ্ণার পরিবর্ত হিসেবে রাশিয়া বিশ্বকাপ খেলা ফুটবলারকে নিল এটিকে মোহনবাগান

রবিবারই রয় কৃষ্ণার বেঙ্গালুরু এফসির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার কথা প্রকাশ্যে এসেছে। তার ২৮ ঘন্টার মধ্যেই রয় কৃষ্ণার বিকল্প খঁুজে নিল এটিকে মোহনবাগান। রাশিয়া বিশ্বকাপে খেলা ফুটবলারকে সই করিয়ে চমক বাগান কর্তাদের। সামনের মরশুমে সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে খেলতে দেখা যাবে ২০১৮ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলা স্ট্রাইকার দিমিত্রি পেত্রাতোসকে সই করাল এটিকে মোহনবাগান।রয় কৃষ্ণ ও ডেভিড উইলিয়ামস এই মরসুমে দল ছেড়েছেন। এই দুজন দল ছাড়ায় একজন ভালমানের স্ট্রাইকারের খোঁজে ছিলেন বাগান কর্তারা। যিনি আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবেও খেলতে পারেন। দিমিত্রি পেত্রাতোসকে দিয়ে কাজ সিদ্ধ করতে পারবেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। এই অস্ট্রেলিয়ার আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার ছাড়া ফরোয়ার্ডেও খেলতে পারদর্শী। সৌদি আরবের ক্লাব আল ওয়েদা থেকে দিমিত্রি পেত্রাতোসকে সই করাল এটিকে মোহনবাগান। যদিও গত মরসুমে তিনি আল ওয়েদার জার্সিতে খেলেননি। আল ওয়েদা থেকে তিনি লোনে এ লিগের ক্লাব ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সে খেলেছিলেন।২০১০-১১ মরসুমে সিডনি ফুটবল ক্লাবের হয়ে পেশাদার ফুটবলজীবন শুরু করেন দিমিত্রি। এরপর যোগ দেন মালয়েশিয়ার ক্লাব কেলান্তানে। ২০১২১৩ মরশুম কেলান্তানের হয়ে খেলার পর এ লিগের দল ব্রিসবেন রোয়ার তাঁকে সই করায়। ২০১৩ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত ব্রিসবেনের হয়েই খেলেন দিমিত্রি। ২০১৭ সালে কোরিয়া লিগের দল উলসান হুন্ডাই সই করায় তাঁকে। ৬ মাস খেলে ওই বছরই দিমিত্রি যোগ দেন নিউক্যাসেল জেটসে। ২০১৭ থেকে ২০২০ পর্যন্ত নিউক্যাসেল জেটসে খেলার পর তিনি সৌদি আরবের ক্লাব আল ওয়েদায় সই করেন। সেখান থেকেই গত বছর লোনে খেলেন ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সে। সিডনি থেকে এবার তিনি এটিকে মোহনবাগানে।He comes from Australia, hes played in Korea and Saudi Arabia! 🤩Mariners, give a warm welcome to Dimitrios Petratos, our new number 9! 💚️#ATKMohunBagan #JoyMohunBagan #AmraSobujMaroon pic.twitter.com/WBuLoc00Rh ATK Mohun Bagan FC (@atkmohunbaganfc) July 18, 2022অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে সিনিয়র দলে তাঁর অভিষেক হয় ২০১৮ সালে। এখনও পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তিনটি ম্যাচ তিনি খেলেছেন। রাশিয়া বিশ্বকাপে ২৩ জনের দলে থাকলেও প্রথম একাদশে সুযোগ পাননি। তাঁর বাবা অ্যাঞ্জেলো খেলেছেন সিডনি অলিম্পিক্স এফসির হয়ে। ইতিমধ্যেই নতুন মরসুমের জন্য পাঁচ বিদেশি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে এটিকে মোহনবাগানে। ষষ্ঠ বিদেশি হিসেবে এলেন দিমিত্রি। নিজের দীর্ঘ ফুটবল কেরিয়ারে ক্লাবের জার্সিতে হোক কিংবা দেশের হয়ে স্ট্রাইকার, অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার বা উইঙ্গার বিভিন্ন পজিশনে খেলেছেন তিনি।

জুলাই ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নতুন চমক ইস্টবেঙ্গলের?‌ লালহলুদে আসতে পারেন ‘‌এ’‌ লিগে খেলা বিদেশি

স্পনসর এখনও চূড়ান্ত না হলেও সামনের মরশুমের জন্য ধীরে ধীরে দল গুছিয়ে নিচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। গত দুবছর ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলা ওয়াহেংবাম আঙ্গুসানা লুয়াংয়ের সঙ্গে চুক্তি নবীকরণ করল লালহলুদ। মনিপুরের এই মিডফিল্ডারের সঙ্গে আরও দুবছরের চুক্তি করল ইস্টবেঙ্গল। তাঁকে প্রাক চুক্তিপত্রে সই করিয়েছেন লালহলুদ কর্তারা।ট্রাই এফসি থেকে যোগ দেওয়ার পর গত দুমরশুম ধরে লালহলুদ জার্সিতে খেলছেন আঙ্গুসানা লুয়াং। প্রথম মরসুমে রবি ফাওলারের কোচিংয়ে এবং এই মরশুমে প্রথমে মানোলো দিয়াজ, পরবর্তীতে মারিও রিভেরার কোচিংয়ে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেছিলেন আঙ্গুসানা। তাই তাঁর সঙ্গে চুক্তি বাড়াল ইস্টবেঙ্গল।সাগোসবান্দ এফসির হয়ে ফুটবলজীবন শুরু করেন আঙ্গুসানা। এরপর তিনি আই লিগের দল ট্রাউ এফসিতে সই করেন। সেই সময় ট্রাউ এফসি আই লিগের দ্বিতীয় ডিভিশনে খেলত। দ্বিতীয় ডিভিশন আই লিগে ট্রাউয়ের হয়ে ১২টি ম্যাচ খেলেন। দুরন্ত ফুটবল উপহার দিয়ে দলকে আই লিগের মূলপর্বেও তোলেন। আই লিগের মূলপর্বে ট্রাউয়ের হয়ে ১৭টি ম্যাচ খেলেছিলেন আঙ্গুসানা। আই লিগে ভাল খেলার সুবাদে লালহলুদ কর্তারা তাঁকে সই করান। ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে এখনও পর্যন্ত ২৮টি ম্যাচ খেলেছেন আঙ্গুসানা লুয়াং। এই বছর আই লিগে যে কটা ম্যাচে সুযোগ পেয়েছিলেন, নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেছিলেন।এদিকে, আরও এক বিদেশি ফুটবলারের লালহলুদে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার এ লিগে খেলা দিমিত্রি পেত্রতোসকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই মাঝমাঠের এই জীবনপঞ্জী লালহলুদ কর্তাদের হাতে এসে পৌঁছেছে। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ার এ লিগে ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সের হয়ে খেলছেন। সৌদি আরবের প্রফেশনাল লিগের দল আল ওহেদাতেও খেলেছেন তিনি। সেখান থেকেই লোনে তিনি ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সে যোগ দিয়েছেন।২৯ বছর বয়সী এই ফুটবলার বহু ক্লাবে খেলেছেন।২০১৩ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত ব্রিসবেন রোরে। তারপর যোগ দেন উলসান হুন্ডাইয়ে। ২০১৭ থেকে ২০২০ পর্যন্ত খেলেন নিউক্যাসেল জেটসে। অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বয়স ভিত্তিক জাতীয় দলে খেলেছেন। অনূর্ধ্ব ১৭, ২০, ২৩ দলের হয়ে কিছু ম্যাচ খেলেছেন। সিনিয়র দলেও সুযোগ পেয়েছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলের হয়ে তিনটি ম্যাচও খেলেছেন। এখন দেখার তাঁকে শেষ পর্যন্ত পছন্দ হয় কিনা লালহলুদ কর্তাদের।

মে ১৮, ২০২২

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

“হে বীর, ফলতায় এসো!” — অভিষেককে খোলা চ্যালেঞ্জ শমীকের, সংখ্যালঘুদের বার্তায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত

ফলতা বিধানসভা উপনির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই তেতে উঠছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনৈতিক পারদ। আগামী ২১ মে ভোটকে সামনে রেখে রবিবার ফলতার মাটিতে দাঁড়িয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এমন এক রাজনৈতিক বার্তা দিলেন, যা সরাসরি নিশানায় রাখল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-কে।মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেই ফলতায় বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডার সমর্থনে প্রচারে এসে মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানকে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন। সেই উত্তাপ আরও বাড়িয়ে রবিবার শমীক ভট্টাচার্য কার্যত প্রকাশ্য মঞ্চ থেকেই অভিষেককে ফলতায় এসে প্রচারের আমন্ত্রণ জানালেন।কটাক্ষের সুরে শমীক বলেন,পুলিশ নেই, তাই নেতা নেই। কনভয় নেই, তাই হুঙ্কারও নেই। আমরা চাই, অভিষেকবাবু ফলতায় আসুন। আমাদের কর্মীরাই ফুল দিয়ে, শঙ্খ বাজিয়ে তাঁকে স্বাগত জানাবে।এরপরই নাটকীয় ভঙ্গিতে তিনি বলেন,হে বীর, তোমার আসন পূর্ণ করো। তোমাকে আমরা ভীষণ মিস করছি। তুমি এসো।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যে যেমন ব্যঙ্গ রয়েছে, তেমনই রয়েছে সরাসরি চ্যালেঞ্জও। কারণ, গত লোকসভা নির্বাচনে ফলতা কেন্দ্র থেকেই এক লক্ষেরও বেশি ভোটের লিড পেয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ফলের নেপথ্যের অন্যতম সংগঠক হিসেবেই পরিচিত তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। অথচ এবারের প্রচারে অভিষেকের অনুপস্থিতি নিয়েই প্রশ্ন তুলছে বিজেপি।শমীকের দাবি, রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর ধাক্কায় তৃণমূলের অন্দরেই নাকি এখন ভাঙনের সুর। তাঁর ভাষায়,সোনার টুকরো ভাইদের সোনার সংসার ভেঙে গুঁড়িয়ে গিয়েছে। তাই আজ কেউ আর মাঠে নামছে না।তবে রাজনৈতিক আক্রমণের পাশাপাশি ফলতার মাটি থেকেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তুলনামূলক নরম বার্তা দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন,আপনাদের সঙ্গে আমাদের কোনও বিরোধ নেই। এই দেশকে নিজের দেশ বলে ভাবুন। বিজেপি আপনাদের পাশে আছে।একই সঙ্গে তিনি সতর্কবার্তাও দেন, কিছু মানুষ বিভাজনের রাজনীতি করে নিজেদের পরিচয় তৈরি করতে চাইছে। তাদের পরিচয়ে নিজেদের পরিচিত করবেন না।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে বিজেপির এই বার্তা নিছক আবেগের আবেদন নয়, বরং ভবিষ্যতের বৃহত্তর নির্বাচনী কৌশলের অংশ।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অতীতে বিজেপি কর্মীদের উপর অত্যাচারের অভিযোগও ফের তুলেছেন শমীক। তাঁর বক্তব্য,অনেক বাধা এসেছে, তবু বিজেপি কর্মীরা লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। আজ যারা বড় বড় কথা বলত, তারা ঘরের ভিতরে বসে শ্যাডো প্র্যাকটিস করছে।নাম না করেই অভিষেককে কটাক্ষ করে তাঁর মন্তব্য,যাঁরা একসময় ডিজে বাজানোর কথা বলতেন, তাঁরা এখন ঘরের ভিতরে হারমোনিয়াম বাজাচ্ছেন।ফলতার তৃণমূল নেতৃত্বকে প্রকাশ্যে সভা-মিছিল করারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বলেন, বিজেপির পক্ষ থেকে কোনও বাধা আসবে না। তবে একই সঙ্গে স্পষ্ট ঘোষণা করেনতৃণমূলের রাজ্যে ফেরার সম্ভাবনা নেই। গঙ্গার জল রাইটার্সের দোতলায় উঠতে পারে, আকাশ নবান্নে নেমে আসতে পারে, কিন্তু তৃণমূল আর ক্ষমতায় ফিরবে না।দক্ষিণ ২৪ পরগনাকে পরিযায়ী শ্রমিকের জেলা থেকে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন শমীক। বিজেপি সরকার অদূর ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের নতুন দরজা খুলবে বলেও দাবি করেন তিনি।ফলতার রাজনৈতিক লড়াই এখন কার্যত মর্যাদার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। একদিকে তৃণমূলের পুরনো সংগঠনশক্তি, অন্যদিকে বিজেপির আগ্রাসী প্রচারএই টানাপোড়েনের মাঝে শমীকের হে বীর, এসো ডাক রাজনৈতিক তরজাকে আরও কয়েকগুণ উসকে দিল বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

মে ১৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে? ডার্বির আগে ট্রফি জয়ের হুঙ্কার ইস্টবেঙ্গল কোচের

দেশের সর্বোচ্চ লিগ জয়ের জন্য ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের অপেক্ষা দীর্ঘ ২২ বছরের। শেষবার ২০০৩-০৪ মরশুমে দেশের সেরা হয়েছিল লাল-হলুদ। তারপর আইলিগ থেকে দেশের প্রধান লিগ হয়ে যায় আইএসএল। কিন্তু এত বছরেও লিগ ট্রফি ঢোকেনি ইস্টবেঙ্গল তাবুতে। কয়েকবার সুযোগ এসেও হাতছাড়া হয়েছে সাফল্য। সেই দীর্ঘ হতাশা ও যন্ত্রণা খুব ভালভাবেই অনুভব করছেন ইস্টবেঙ্গলের কোচ অস্কার ব্রুজো।ডার্বির আগে সাংবাদিক বৈঠকে আবেগঘন বার্তা দিলেন লাল-হলুদ কোচ। তিনি বলেন, একজন সমর্থকের কষ্ট তিনি বোঝেন। ক্লাবে তাঁর ভবিষ্যৎ কী হবে বা তিনি থাকবেন কি না, এই সব নিয়ে এখন ভাবছেন না। তাঁর একমাত্র লক্ষ্য ইস্টবেঙ্গলকে আবার ট্রফি জেতানো।অস্কার ব্রুজো বলেন, দেড় বছর আগে যে জায়গায় ছিল ইস্টবেঙ্গল, এখন সেই পরিস্থিতি অনেক বদলেছে। গত কয়েক বছরে দল কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। তার প্রভাব পড়েছিল ফুটবলারদের মানসিকতার উপরেও। তবে এখন ধীরে ধীরে দল ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং জয়ের মানসিকতা তৈরি হয়েছে।এর পাশাপাশি ইস্টবেঙ্গলের প্রতি নিজের আবেগও লুকোননি ব্রুজো। তিনি স্পষ্ট বলেন, তিনি নিজেকে ইস্টবেঙ্গলের বড় সমর্থক বলেই মনে করেন। তাঁর কথায়, আমার ভেতরে লাল-হলুদ রংই রয়েছে। সমর্থকদের দুঃখ, হতাশা, যন্ত্রণা সবটাই বুঝি। গত কয়েক বছরে কী হয়েছে, তা আমি জানি। প্রায় দুদশক আমরা লিগ পাইনি। কিন্তু এখন আমরা খেতাব জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছি।ডার্বির গুরুত্ব নিয়েও মুখ খুলেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তিনি বলেন, এই ম্যাচ দল এবং সমর্থকদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও এভাবেই সাফল্যের পথে এগিয়ে যেতে চায় ইস্টবেঙ্গল।বর্তমানে আইএসএল লিগ তালিকার শীর্ষে রয়েছে বেঙ্গালুরু। তেরো ম্যাচে তাদের পয়েন্ট তেইশ। যদিও ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের থেকে দুটি বেশি ম্যাচ খেলেছে তারা। এগারো ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের পয়েন্ট বাইশ। গোল পার্থক্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে লাল-হলুদ, তৃতীয় স্থানে সবুজ-মেরুন। ফলে এই ডার্বি ম্যাচ লিগ জয়ের লড়াইয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যে দল জিতবে, তারাই ট্রফির দিকে অনেকটা এগিয়ে যাবে।

মে ১৭, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে ফের হামলার প্রস্তুতি? ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা

ইরানকে নিয়ে আপাতত কিছুটা নরম অবস্থান নিয়েছে আমেরিকা। তবে সেই বিরতি যে সাময়িক, এমনই ইঙ্গিত মিলছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যে। চিন সফর সেরে ওয়াশিংটনে ফেরার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ান-এ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প জানান, এই মুহূর্তে আমেরিকা ইরানের উপর হামলা চালাতে চায় না। তবে প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।ট্রাম্পের দাবি, হোয়াইট হাউস যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে মূলত পাকিস্তানের অনুরোধে। তিনি বলেন, পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল এবং প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও ব্যক্তিগতভাবে তিনি এই যুদ্ধবিরতির পক্ষে ছিলেন না বলেও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।এদিকে আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, অপারেশন এপিক ফিউরি ২ নামে একটি বড় সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সম্প্রতি কংগ্রেসের এক শুনানিতে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি খারাপ হলে আরও বড় পদক্ষেপ নেওয়ার মতো সব পরিকল্পনাই তৈরি রয়েছে।তবে আপাতত কিছুটা সময় নিতে চাইছে ওয়াশিংটন। পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়েই পরবর্তী পদক্ষেপ করতে চায় তারা। যদিও আরব দুনিয়ার দুই শীর্ষ আধিকারিকের দাবি, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই ইরানের উপর নতুন করে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। সেই সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই মার্কিন ও ইজরায়েলি বাহিনী যৌথভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছে বলেও খবর।ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সরাসরি শান্তি আলোচনা না হলেও পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে বলে জানা গিয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের দাবি, ট্রাম্প প্রকাশ্যে শান্তির কথা বললেও ভিতরে ভিতরে নতুন সামরিক অভিযানের ছক কষছে ওয়াশিংটন।সম্প্রতি তিন দিনের চিন সফরে গিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সফরে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকের পর ট্রাম্প জিনপিংকে অসাধারণ নেতা বলেও প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকা যে বিপজ্জনক, সেই বিষয়ে আমেরিকা ও চিন একই মত পোষণ করছে।

মে ১৭, ২০২৬
বিদেশ

হাজার বছরের হারানো ঐতিহাসিক সম্পদ ফিরল ভারতে! নেদারল্যান্ড সফরে বড় সাফল্য মোদীর

নেদারল্যান্ড সফরে বড় সাফল্য পেল ভারত। দীর্ঘদিন ধরে ডাচদের কাছে থাকা চোল যুগের প্রায় এক হাজার বছরের পুরনো তাম্রলিপি এবার ফিরছে ভারতের ঘরে। নেদারল্যান্ড সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতেই সেই ঐতিহাসিক নিদর্শন তুলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহল।চোল যুগের এই তাম্রলিপিগুলি বহু বছর ধরে নেদারল্যান্ডসের লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত ছিল। ইউরোপে এগুলি লাইডেন প্লেটস নামেও পরিচিত। ভারতের তরফে ২০১২ সাল থেকেই এই ঐতিহাসিক সম্পদ ফেরত চাওয়া হচ্ছিল। অবশেষে সেই দাবি মেনে নেদারল্যান্ডস সরকার তাম্রলিপিগুলি ভারতের হাতে তুলে দিল।তাম্রলিপি ফিরে পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সমাজমাধ্যমে আনন্দ প্রকাশ করেন। তিনি ওই ঐতিহাসিক নিদর্শনের ছবিও শেয়ার করেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, এই তাম্রলিপি ফিরিয়ে আনা প্রত্যেক ভারতীয়ের জন্য গর্বের মুহূর্ত। অনুষ্ঠানে নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী রব জেটেনও উপস্থিত ছিলেন।জানা গিয়েছে, চোল যুগের এই তাম্রলিপিতে রয়েছে একুশটি বড় এবং তিনটি ছোট ফলক। বেশিরভাগ লেখাই তামিল ভাষায় খোদাই করা। সেখানে চোল সাম্রাজ্যের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং গৌরবের নানা তথ্য উল্লেখ রয়েছে। ইতিহাসবিদদের মতে, এগুলি চোল সাম্রাজ্যের সবচেয়ে মূল্যবান ঐতিহাসিক নথিগুলির মধ্যে অন্যতম।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নেদারল্যান্ডস সরকার এবং লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে এই তাম্রলিপিগুলি যত্ন করে সংরক্ষণ করা হয়েছে।উল্লেখযোগ্যভাবে, নেদারল্যান্ডসে পৌঁছেই প্রধানমন্ত্রী প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে দেখা করেন। একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বিশ্ব অর্থনীতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, বর্তমান সময় বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত কঠিন এবং চ্যালেঞ্জপূর্ণ। সফরের সময় নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একাধিক বিষয়ে বৈঠকও করেন মোদী। দুই দেশের মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় ঢুকছে বর্ষার বড় ইঙ্গিত! উত্তরবঙ্গে লাল সতর্কতা, ভিজবে একাধিক জেলা

আন্দামানে বর্ষা প্রবেশ করার পর থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই আগামী ২৬ মে কেরলে প্রবেশ করতে পারে বর্ষা। এরই মধ্যে মধ্যপ্রদেশ থেকে উত্তর বাংলাদেশ পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে। সেই অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গের উপর দিয়েই বিস্তৃত রয়েছে। এর জেরেই উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।রবিবার থেকেই উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির দাপট আরও বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। আলিপুরদুয়ার জেলায় জারি করা হয়েছে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির লাল সতর্কতা। পাশাপাশি দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারেও বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের আটটি জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে। সোমবারও জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে মঙ্গলবার থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে এখনই ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। রবিবার থেকে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই তাপমাত্রা বাড়বে বলে পূর্বাভাস। তবে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামের মতো পশ্চিমের জেলাগুলিতে স্থানীয়ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হতে পারে। তার প্রভাবে কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ঘণ্টায় তিরিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে।কলকাতাতেও গরম ও অস্বস্তি বজায় থাকবে। এদিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পঁয়ত্রিশ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে সাতাশ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। কোথাও কোথাও সামান্য হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও গরম থেকে এখনই স্বস্তির আশা নেই।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মাঝরাতে সরকারি হাসপাতালে হানা স্বাস্থ্যসচিবের! দেখে হতবাক চিকিৎসকরা

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকের মাত্র বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাকশন মোডে নামল স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার গভীর রাতে শহরের পাঁচটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হঠাৎ করেই পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। এই আকস্মিক সফর ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় হাসপাতালগুলিতে। স্বাস্থ্যদপ্তরের বার্তা স্পষ্ট, শুধু নির্দেশ নয়, এবার বাস্তবে কাজ দেখতে চায় নতুন সরকার।শনিবার রাত প্রায় বারোটার সময় নীল রঙের টি-শার্ট পরে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছন স্বাস্থ্যসচিব। সেখানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের অধ্যক্ষ মানসকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, সুপার সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায় এবং সহকারী সুপার দৈপায়ন বিশ্বাস। ট্রমা কেয়ার থেকে শুরু করে জেনারেল মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগের একাধিক ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন তিনি। রোগীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাঁদের কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না, তা জানতে চান।পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কড়া নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যসচিব। তিনি বলেন, কোথাও যেন ময়লা না থাকে। প্রতিটি ওয়ার্ডের বাথরুম নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ করারও নির্দেশ দেন তিনি।এরপর রাতেই নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ এবং এসএসকেএম হাসপাতালেও যান স্বাস্থ্যসচিব। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে গিয়ে অধ্যক্ষ ইন্দ্রনীল বিশ্বাসের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে যেসব রোগী বেড না পেয়ে বাইরে অপেক্ষা করছিলেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত বেডের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন।স্বাস্থ্যসচিব আরও নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালগুলিতে লাইভ বেড স্ক্রিনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে। সেই স্ক্রিনে কোন হাসপাতালে কত বেড খালি রয়েছে, তা দেখা যাবে। এমনকী কেন্দ্রীয় সরকারি হাসপাতালের খালি বেডের তথ্যও সেখানে দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।হাসপাতালগুলিতে পানীয় জলের ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখেন স্বাস্থ্যসচিব। তিনি জানতে চান, রোগী ও তাঁদের পরিবারের জন্য দেওয়া জল আদৌ পানযোগ্য কি না। প্রতি মাসে সেই জলের মান পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি কলকাতা পুরসভাকে প্রতি সপ্তাহে পানীয় জলের গুণমান পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে।উল্লেখ্য, শুক্রবার এসএসকেএমের একাডেমিক ভবনে স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে দালালরাজ বন্ধ করা, রোগীদের রেফার কমানো এবং কাউকে যেন চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যেতে না হয়, সেই বিষয়ে একাধিক কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। তার পরেই স্বাস্থ্যসচিবের এই রাতের পরিদর্শন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মাঠে পড়ে ছিল স্তূপের পর স্তূপ ভোটার কার্ড! বীরভূমে চাঞ্চল্য, আটক বিএলও

বীরভূমের নানুরে বিপুল পরিমাণ ভোটার কার্ড উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার সকালে কীর্নাহারের পশ্চিম পাড়া এলাকার একটি মাঠ থেকে প্রচুর ভোটার কার্ড উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়দের দাবি, মাঠে স্তূপ করে পড়ে ছিল সেইসব কার্ড। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক হইচই পড়ে যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সকালে কাজে যাওয়ার সময় কয়েকজন বাসিন্দার নজরে আসে মাঠের মধ্যে ছড়িয়ে থাকা ভোটার কার্ডগুলি। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় কীর্নাহার থানায়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সমস্ত কার্ড উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করে।পুলিশ সূত্রে খবর, যে মাঠ থেকে ভোটার কার্ডগুলি উদ্ধার হয়েছে, তার পাশেই এক বিএলও-র বাড়ি রয়েছে। তদন্তে নেমে পুলিশ ওই বিএলও-কে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তে উঠে এসেছে, পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম ব্লকের চিনিশপুর গ্রামের এক প্রাক্তন বিএলও বর্তমানে কীর্নাহারের পশ্চিম পাড়ায় থাকেন। তিনি বিএলও হিসেবে কাজ করার সময় পুরনো ভোটার কার্ড সংগ্রহ করে নতুন কার্ড দিয়েছিলেন বাসিন্দাদের। নিয়ম অনুযায়ী পুরনো কার্ড নির্বাচন কমিশনের দফতরে জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অভিযোগ, সেই কার্ড জমা না করে নিজের কাছেই রেখে দিয়েছিলেন তিনি।পুলিশের অনুমান, পরে সেই পুরনো ভোটার কার্ডই মাঠের ধারে ফেলে দেওয়া হয়। কেন তিনি এই কাজ করলেন এবং কেন কার্ডগুলি জমা দেওয়া হয়নি, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।এসআইআর নিয়ে যখন বীরভূমে নাম বাদ পড়া নিয়ে বিতর্ক চলছে এবং বহু মানুষ ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হয়েছেন, ঠিক সেই সময় বিপুল ভোটার কার্ড উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

মে ১৭, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের পর এবার রাজীব, কুণাল, শোভনদেব! একে একে নিরাপত্তা সরাল সরকার

রাজ্যে সরকার বদলের পর এবার একের পর এক তৃণমূল নেতার নিরাপত্তায় কাটছাঁট করা শুরু হল। প্রথমে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে থেকে পুলিশি নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছিল। এবার সেই তালিকায় যোগ হল রাজীব কুমার, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ-সহ আরও একাধিক নেতার নাম।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের অন্তত ১০ জন নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়ি থেকে হাউস গার্ড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। লালবাজারের তরফে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। রাজ্য বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই তৃণমূল নেতাদের অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগে রাজ্য সরকারের তরফে বিশেষ নিরাপত্তা পেতেন। তাঁর বাড়ির সামনে সবসময় মোতায়েন থাকত পুলিশ। কিন্তু নতুন সরকারের দাবি, তিনি একজন সাংসদ হিসেবে যতটা নিরাপত্তা পাওয়ার কথা, এবার থেকে ঠিক ততটাই পাবেন। এর বেশি নয়। সেই বার্তাই আগেই দিয়েছিল লালবাজার।এবার রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব কুমার, সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, বর্তমান বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং বিধায়ক কুণাল ঘোষের বাড়ি থেকেও হাউস গার্ড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে খবর। পাশাপাশি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অরূপ বিশ্বাস এবং সুব্রত বক্সীর নামও রয়েছে এই তালিকায়।প্রশাসনের দাবি, তৃণমূল আমলে অনেক নেতা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি নিরাপত্তা পেতেন। এখন পদ ও দায়িত্ব অনুযায়ী নিরাপত্তা দেওয়া হবে। রাজীব কুমার ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সাংসদ হিসেবে নিরাপত্তা পাবেন। কুণাল ঘোষ বিধায়ক হিসেবে নিরাপত্তা পাবেন। অন্যদিকে অরূপ বিশ্বাস ও শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বর্তমানে মন্ত্রী নন। অরূপ বিশ্বাস ভোটেও পরাজিত হয়েছেন। সেই কারণেই তাঁদের নিরাপত্তায় কাটছাঁট করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।এছাড়াও ডিরেক্টর অব সিকিউরিটি পীযূষ পাণ্ডের নিরাপত্তাতেও কাটছাঁট করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আগে তিনি ভারপ্রাপ্ত ডিজিপির দায়িত্বে ছিলেন।

মে ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal