• ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Pegasus

রাজ্য

প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ইজরায়েলের কাছ থেকে পেগাসাস কিনেছে ভারত দাবি নিউইয়র্ক টাইমসের

মোবাইল ফোন আড়ি পাতার স্পাই সফটওয়্যার পেগাসাস নিয়ে নতুন বিতর্কের সূত্রপাত। আমেরিকার প্রথম সারির ট্যাবলয়েড নিউইয়র্ক টাইমসের পেগাসাস সম্পর্কিত প্রতিবেদনটি আলোড়ন ফেলে দিয়েছে ভারতের রাজনৈতিক মহলে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ সমরাস্ত্র অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়াও ভারত সরকার ২০১৭-তে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইসরায়েল থেকে এক বড় অঙ্কের চুক্তিতে পেগাসাস কিনেছিল। এবং প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে সেই চুক্তিটি প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারে নিষ্পত্তি হয়েছিল।নিউইয়র্ক টাইমস শুক্রবার গুপ্তচর সস্টওয়্যার পেগাসাস নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেই প্রতিবেদনে তাঁরা আরও দাবি করেছে যে, ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনও (FBI) এই স্পাইওয়্যারটি সস্টওয়্যার কিনেছে এবং সেটা নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করছে।প্রতিবেদনটিতে সবিস্তারে ব্যাখ্যা করা হয়েছে কীভাবে বিশ্বব্যাপী স্পাইওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে। এতে বলা হয়, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাথে চুক্তির বিনিময়ে তাঁরা পেগাসাসের লাইসেন্স পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি ও ভারত ছাড়াও অন্যান্য দেশকেও বিক্রি করেছে। এতে ২০১৭ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইজরাইল সফরের কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে। সেখানে উভয় দেশ ২ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র ও গুপ্তচর সফটওয়্যার প্যাকেজ ক্রয় করার চুক্তিতে সম্মত হয়েছে। এতে পেগাসাস এবং মিসাইল সিস্টেমও রয়েছে। জুলাই ২০১৭তে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইজরায়েলের ঐতিহাসিক সফরের কথা এখানে বিশেষ ভাবে উল্লেখ করা হয়। নরেন্দ্র মোদি-ই ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ইজরাইল সফর করেন। নিউইয়র্ক টাইমস বলেছে যে, সফরটি যখন হয়েছিল তখন ভারত একটি নির্দিষ্ট নীতি তৈরি করেছিল যা প্যালেস্তাইন বা ইজরায়েলের প্রতি প্রতিশ্রুতির কথা বলা হচ্ছিল। ইজরাইলের সাথে ভারত ঠান্ডা সম্পর্ক রেখে চলছিল।নিউইয়র্ক টাইমস তার প্রতিবেদনে আরও লিখেছে, মোদির সফর, যদিও উল্লেখযোগ্যভাবে সৌহার্দ্যপূর্ণ, তিনি এবং প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইজরায়েলের একটি সমুদ্র সৈকতে ছিলেন। তাদের মধ্যে সম্পর্ক উষ্ণ বলে মনে হয়েছিল। কিন্তু এই উষ্ণতার পেছনে কিছু কারণ ছিল। তাদের দুই দেশ প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র এবং গুপ্তচর সরঞ্জামের একটি প্যাকেজ বিক্রি করতে সম্মত হয়েছিল। এই চুক্তির মূল ফোকাস ছিল পেগাসাস এবং একটি মিসাইল সিস্টেম।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, সফরের মাত্র কয়েক মাস পরে, জুন ২০১৯-এ তৎকালীন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ভারতে একটি সরকারি সফর করেন, ভারত প্যালেস্তানিদের মানবাধিকারের অনুমতি দেওয়ার জন্য জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিলে ইজরায়েকে সমর্থনে করে ভোট দেয়।যদিও সরকারিভাবে এখনও পর্যন্ত ভারত সরকার স্বীকার করেনি যে তারা ইজরায়েলর থেকে পেগাসাস সফ্টওয়্যার কিনেছে বা ইজরায়েল সরকারও একইভাবে স্বীকার করেননি যে তারা এই গুপ্তচরবৃত্তির ব্যবস্থা ভারতের কাছে বিক্রি করেছে। ২০১৯ লোকসভা ভোট অতিক্রান্ত হবার পর থেকেই এই বিশেষ গুপ্তচর বৃত্তির সফ্টওয়্যার নিয়ে পার্লামেন্টে দুই কক্ষে-ই ঝড় চলেছে। পশ্চিবঙ্গের মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যে এর বিরেদ্ধে কমিশনও গঠন করেন। বিশেষজ্ঞ সুত্রে জানা যায়, পেগাসাস একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক স্পাই সফটওয়্যার। এটি তৈরি করেছে ইসরায়েলি কোম্পানি এনএসও গ্রুপ (NSO)। তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (https://www.nsogroup.com/) অনুসারে, এটি শুধুমাত্র কোনও সরকারের কাছেই বিক্রি করা হয়। এটি খরচ সাধরণের ক্রয়ের উর্ধে।এর আগে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক পেগাসাসের গুপ্তচরবৃত্তির রিপোর্ট স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। ১৮ জুলাই লোকসভায় এক প্রশ্নের উত্তরে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বলেছিলেন যে নজরদারির ক্ষেত্রে ভারত এমন প্রোটোকল তৈরি করেছে যা অত্যন্ত শক্তিশালী এবং সময়ের সাথে সাথে এর উত্তর পাওয়া যাবে। তিনি পেগাসাস সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে ভারতীয়দের গুপ্তচরবৃত্তির দাবি স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, আমি বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই, যে এনএসও গ্রুপ-ও (স্পাইওয়্যার প্রস্তুতকারক) বলেছে যে পেগাসাস ব্যবহার করা দেশের তালিকাটি ঠিক নয়। তালিকায় যাদের নাম দেখা যাচ্ছে, সব দেশ-ই আমাদের গ্রাহক নয়। এনএসও জানিয়েছে তাদের বেশিরভাগ গ্রাহক-ই পশ্চিমা-দেশ। এটা স্পষ্ট যে এনএসও-ও ভারতকে পেগাসাস বিক্রির ব্যাপারটা স্পষ্টভাবে এড়িয়ে যাচ্ছে।বিজেপি বিরোধি রাজনৈতিক দলগুলি বারংবার পেগাসাসের মাধ্যমে সরকারের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ করে চলেছে। এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক পিটিশন দাখিল করা হয়েছে। ২৭ অক্টোবর ২০২১ সুপ্রিম কোর্ট অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আরভি রভেন্দ্রনের নেতৃত্বে দুই বিশেষজ্ঞ নিয়ে একটি স্বাধীন কমিটি গঠন করে, এবং তারাই এই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
দেশ

Pegasus: পেগাসাস-কাণ্ডের তদন্তে রাজ্যের গঠিত কমিশনে স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

পেগাসাস-কাণ্ডের তদন্তে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কমিশন গড়ার সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশ জারি করল সুপ্রিম কোর্ট। জুলাই মাসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইজরায়েলি স্পাইওয়্যারের সাহায্যে ফোনে আড়ি পাতার ঘটনায় তদন্তের জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মদন লোকুরের নেতৃত্বে দুই সদস্যের ওই তদন্ত কমিশন গড়েছিলেন।রাজ্যের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভির কাছে প্রধান বিচারপতি অবস্থান জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাজ্য সরকার নিযুক্ত কমিশন স্বতন্ত্র এবং স্বাধীন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে পৃথক তদন্তের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নোটিস জারির নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত।উল্লেখ্য, ইজরায়েলি স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে বিরোধী দলগুলির নেতা-নেত্রীদের ফোনে আড়ি পাতার ঘটনায় নিয়ে ইতিমধ্যেই নরেন্দ্রে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে শীর্ষ আদালত। এ বিষয়ে জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে কেন্দ্রের যুক্তিও খারিজ করেছে প্রধান বিচারপতি এনভি রমণার বেঞ্চ। গত অক্টোবরে পেগাসাস-কাণ্ডের তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করেছে সুপ্রিম কোর্ট। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আর ভি রবীন্দ্রনের নেতৃত্বাধীন ওই কমিটি রয়েছেন দুই সাইবার বিশেষজ্ঞও।সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে পেগাসাস-তদন্ত শুরু হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কমিশনের পৃথক তদন্ত প্রয়োজন নেই বলে শীর্ষ আদালতে জানান কেন্দ্রে কৌঁসুলি হরিশ সালভে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
দেশ

Pegasus Row: পেগাসাস ইস্যুতে কেন্দ্রকে ভর্ৎসনা, নিরপেক্ষ কমিটি দিয়ে তদন্তের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

পেগাসাস কাণ্ডে তদন্তের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। শীর্ষ আদালতের নজরদারিতে নিরপেক্ষ কমিটি দিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। কমিটির মাথায় থাকবেন সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আরভি রবীন্দ্রণ । এছাড়া থাকবেন অলোক যোশী এবং সাইবার সিকিওরিটি ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ। আট সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, বুধবারের শুনানিতে কেন্দ্রকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন বিচারপতি। কেন্দ্রের জবাব সন্তোষজনক নয় বলে জানান।আগের শুনানিতেই প্রধান বিচারপতি এন ভি রামানা ইঙ্গিত দিয়েছিলেন আদালতের তরফে একটি কমিটি তৈরি করা হতে পারে। বুধবার সেই পদক্ষেপই নেওয়া হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, এদিন পর্যবেক্ষণ পেশ করার সময় প্রায় প্রতিটি ছত্রে ছত্রে কেন্দ্রের সমালোচনা করেন প্রধান বিচারপতি। তিনি জানান, সাংবিধানিক রক্ষাকবজের কথা বলে কখনই ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা যায় না। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাও খর্ব করা যায় না। তেমনটা হলে, তা গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে খারাপ নজির তৈরি করবে। আদালত আরও জানায়, পেগাসাস কাণ্ডে কেন্দ্রকে যথেষ্ট সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। অবস্থান ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু জাতীয় নিরাপত্তার যে অজুহাত কেন্দ্র দিচ্ছে, সুপ্রিম কোর্ট সমর্থন করে না। এদিন গোয়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংবাদিক বৈঠক থেকে চড়া সুরে বিজেপিকে বিঁধলেন ডেরেক ওব্রায়েন। তিনি বলেন, বর্ষাকালীন অধিবেশনে পেগাসাস কাণ্ডের কথা সংসদে তুলতেই দেয়নি বিজেপি। কিন্তু আজ কী হল! সত্যিটা আজ সবার কাছে প্রমাণিত হয়ে গেল। সুপ্রিম কোর্টের কথায় বিজেপি ধরা পড়ে গিয়েছে।BOOM. There you go👇So BJP (and not the Opposition) were solely responsible for DISRUPTING THE ENTIRE MONSOON SESSION of #Parliament https://t.co/jtVV3i3nVU Derek OBrien | ডেরেক ওব্রায়েন (@derekobrienmp) October 27, 2021সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে স্বাগত জানিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। তিনি বলেন, মোদি-অমিত শাহের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতের এই রায়। গণতন্ত্রের জয় হয়েছে। এটাই সকলে চাইছিল। এতে বের হয়ে যাবে কে পেগাসাসকে দিয়ে হ্যাকিং করিয়েছিল।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
দেশ

Pegasus Supreme Court: পেগাসাস কাণ্ডের তদন্ত করবে বিশেষ কমিটি, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

পেগাসাস কাণ্ডে তদন্ত করতে এ বার বিশেষ কমিটি গঠন করবে সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার সকালে পেগাসাস মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি এনভি রমন এই নির্দেশই দিয়েছেন। আগামী সপ্তাহেই এই কমিটি সংক্রান্ত যাবতীয় নির্দেশ দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে শীর্ষ আদালতের তরফে।চলতি বছরের জুলাই মাসে বাদল অধিবেশনের শুরুর আগেরদিনই সামনে আসে পেগাসাস কাণ্ড। দাবি করা হয়, পেগাসাস নামক একটি ইজরায়েলি স্পাইওয়্যারের মাধ্যমে ফোনে আড়ি পাতা হয়েছে বিভিন্ন নেতা-মন্ত্রী থেকে শুরু করে সাংবাদিক, শিল্পপতিদের উপর। বিরোধীরা এই বিষয়ে তদন্তের দাবিতে সোচ্চার হয়। এরপরই পেগাসাস নিয়ে একাধিক মামলা দায়ের হয় সুপ্রিম কোর্টে।আরও পড়ুনঃ বিমানবন্দরে ভারতীয় আমেরিকানদের উষ্ণ অভ্যর্থনায় আপ্লুত মোদিপ্রধান বিচারপতি জানান, পেগাসাসকাণ্ডের তদন্তে টেকনিক্যাল বিশেষজ্ঞদের একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যদিও বেশকিছু বিশেষজ্ঞ এই কমিটির সদস্য হওয়া থেকে পিছু হঠেছেন। আগামী সপ্তাহেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে। উল্লেখ্য, গত ১৩ সেপ্টেম্বর পেগাসাস মামলার শুনানিতে পেগাসাস স্পাইওয়্যারের অপব্যবহার করা হয়েছে কি না তা কেন্দ্রের কাছে স্পষ্ট জানতে চায় সুপ্রিম কোর্ট। যদিও এ বিষয়ে হলফনামা দাখিল করতে নারাজ থাকে কেন্দ্র। জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি উল্লেখ করে জনসমক্ষে বিবৃতি দেওয়া থেকে বিরত থাকে সরকার। এরপর পেগাসাস-কাণ্ডের তদন্তের দাবিতে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলার জেরে সুপ্রিম কোর্টে তিন পৃষ্ঠার হলফনামা দিয়েছিল কেন্দ্র। কিন্তু ইজরায়েল থেকে স্পাইওয়্যার কেনা হয়েছিল কি না, তা খোলসা করা হয়নি সেই হলফনামায়।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
দেশ

Pegasus: পেগাসাস ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা রাজ্যের

পেগাসাস ইস্যুতে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এমবি লোকুরের নেতৃত্বে ২ সদস্যের তদন্ত কমিশন তৈরি করেছিল রাজ্য সরকার। তাকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছিল। এবার সেই ২ সদস্যদের কমিশনকে চ্যালেঞ্জ ইস্যুতে হলফনামা জমা দিল সরকার। নিরপেক্ষভাবে পেগাসাস ইস্যু খতিয়ে দেখতেই তদন্ত কমিশন গঠিত হয়েছে বলে শীর্ষ আদালতে স্বপক্ষে যুক্তি দিল রাজ্য।আরও পড়ুনঃ কর্মরত মহিলাদের আপাতত বাড়িতে থাকার পরামর্শ তালিবানেরসুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চ রাজ্যকে নোটিস দেয়। হলফনামায় রাজ্য বলে, তারা চায় পেগাসাসকাণ্ডে রাজ্য গঠিত কমিটিই তদন্ত করুক। রাজ্যের অভিযোগ, জনস্বার্থ মামলাকারী স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার আরএসএস যোগ আছে। গত ১৮ অগস্ট এই মামলার শুনানি হয়। প্রসঙ্গত, পেগাসাস ইস্যুতে রাজ্য সরকার যে বিচারবিভাগীয় প্যানেল তৈরি করেছে তা তৈরি করার সাংবিধানিক অধিকার রাজ্যের রয়েছে বলেই হলফনামায় দাবি করা হয়েছে। পেগাসাস ইস্যুতে যখন গোটা দেশ উত্তাল তখন কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে তদন্তের উদ্যোগ না নেওয়ায় রাজ্য সরকার তার সাংবিধানিক ক্ষমতার আওতায় প্যানেল গঠন করেছে। বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের আপত্তির কারণেই এই মামলা করা হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে হলফনামায় রাজনৈতিক উদ্দ্যেশের কথাই বলা হয়েছে।

আগস্ট ২৫, ২০২১
দেশ

Pegasus: পেগাসাস-কমিশন নিয়ে রাজ্যকে নোটিস শীর্ষ আদালতের

পেগাসাস নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গঠন করা তদন্ত কমিশন বাতিলের দাবিতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। ওই মামলায় এ বার রাজ্যকে নোটিস পাঠাল শীর্ষ আদালত। রাজ্যের গঠন করা তদন্ত কমিশন খারিজের দাবিতে বুধবার সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেছেন মামলাকারীর পক্ষে আইনজীবী সৌরভ মিশ্র। কিন্তু এখনই ওই কমিটি ভাঙার নির্দেশ দেয়নি আদালত।রাজ্য সরকার কমিটি গঠনের ঘোষণা করতেই বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। আইনজীবী মহলের একাংশের বক্তব্য ছিল, পেগাসাসের মতো আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে তদন্ত কমিশন গঠন করার এক্তিয়ারই নেই কোনও রাজ্য সরকারের। আদালতে মামলা হলেই খারিজ হয়ে যাবে ওই কমিটি। কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতাও এ দিন বলেন, এই তদন্ত কমিশন অসাংবিধানিক, এটুকুই বলতেই পারি।আরও পড়ুনঃ ১০০ পুরসভায় বড়সড় রদবদলউল্লেখ্য, বিরোধী নেতা, বিচারপতি, সাংবাদিক এবং সমাজকর্মীদের ফোনে আড়িপাতার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর রাজ্যে তদন্ত কমিশন গঠন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রশান্ত কিশোরের ফোনেও নজরদারি চালানো হয়েছিল, এই রিপোর্ট সামনে আসতেই জুলাই মাসে দিল্লি সফরের আগেই তদন্ত কমিশন গঠনের ঘোষণা করে মমতা জানিয়েছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি মদন বি লোকুর নেতৃত্বে গঠন করা হয়েছে ওই দুই সদস্যের তদন্ত কমিশন। বাংলার সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তার পরই মামলা দায়ের হয় শীর্ষ আদালতে। মামলার পরবর্তী শুনানি ২৫ অগস্ট।

আগস্ট ১৮, ২০২১
দেশ

Pegasus: ফোনে আড়ি পাতা হয়েছে কীভাবে? শুনছে সুপ্রিম কোর্ট

বাদল অধিবেশনের প্রথমদিন থেকেই বারবার পেগাসাস-কাণ্ড নিয়ে উত্তাল হয়েছে সংসদের উভয়কক্ষ। তদন্ত চাই, বিষয়টি সামনে আসুক এই দাবিতে দায়ের হয়েছে একাধিক পিটিশন। এবার আড়ি পাতা কাণ্ডে ৯ পিটিশনের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার শুনানি শুরু হয়েছে শীর্ষ আদালতে। প্রধান বিচারপতি এনভি রমনা ও বিচারপতি সূর্যকান্তের ডিভিশন বেঞ্চে উঠেছে এই মামলা।পেগাসাস কাণ্ডে তদন্ত চেয়ে প্রবীণ সাংবাদিক এন রাম ও শশী কুমার, রাজ্যসভার সিপিএম সাংসদ জন ব্রিটাস এবং আইনজীবী এম এল শর্মা সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছেন। এদিন প্রধান বিচারপতি বলেন, মিডিয়ায় প্রকাশিত তথ্য সত্যি হলে তা গুরুতজ। অন্যদিকে, এডিটর্স গিল্ডও সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে। বাকস্বাধীনতায় আঘাত ও ব্যক্তি পরিসরের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী বলে সওয়াল করা হয়েছে পিটিশনে। কপিল সিবল সওয়ালে বলেছেন, সরকারকে এক্ষেত্রে উত্তর দিতে হবে, কত টাকা দিয়ে কিনেছিল সরকার। কোথায় রাখা হয়েছ হার্ডডিস্ক।ইজ়রায়েলের এনএসও সংস্থা বহু দেশকে ফোন হ্যাক করার পেগাসাস স্পাইওয়্যার বেচেছিল। সেই তথ্যভাণ্ডার থেকেই সম্প্রতি ৫০ হাজার ফোন নম্বরের তালিকায় ফাঁস হয়ে গিয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল-সহ বিশ্বের একাধিক দেশের সংবাদমাধ্যম তার তদন্তে নেমেছে। সেই তদন্তেই এ বার অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অরুণ মিশ্রর নাম উঠে এসেছে। তিনি ২০২০-র সেপ্টেম্বরে অবসর নেন। ২০১৯-এ নজরদারির তালিকায় তাঁর একটি নম্বর যোগ করা হয়। বিচারপতি মিশ্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তিনি ২০১৪-য় এপ্রিলেই ওই ফোন নম্বর ব্যবহার করা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। তদন্তে উঠে এসেছে, পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক প্রতারণায় অভিযুক্ত নীরব মোদির আইনজীবী বিজয় আগরওয়াল, অগুস্তা ওয়েস্টল্যান্ড হেলিকপ্টার কেনায় দুর্নীতিতে অভিযুক্ত মিডলম্যান ক্রিশ্চিয়ান মিশেলের আইনজীবী আলজো জোসেফের নম্বরও সম্ভাব্য নজরদারির তালিকায় ছিল।

আগস্ট ০৫, ২০২১
রাজ্য

Pegasus Row: বড় খবর: দিল্লি রওনার আগে বড় ঘোষণা মমতার

ফোনে আড়ি পাতার ঘটনায় তদন্ত কমিশন গঠন করল রাজ্য সরকার। সোমবার দিল্লি যাওয়ার আগে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ কথা ঘোষণা করেন। দুই অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে এই কমিশন গঠন করেছে রাজ্য সরকার।সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেন, ফোনে আড়ি পাতার ঘটনায় তদন্ত কমিশন গঠন করেছি আমরা। মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের অবসপ্রাপ্ত বিচারপতি মদন লকুর ও হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য এই তদন্ত কমিশনের দায়িত্বে থাকবেন। এনকোয়্যারি অ্যাক্ট (১৯৫২)-এর আওতায় এই কমিশন গঠন করা হয়েছে। প্রথম কোনও রাজ্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে গঠিত হল তদন্ত কমিশন। মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠকে কমিশন গঠনের প্রস্তাবে সিলমোহর পড়ল। কমিশনের দায়িত্বে রয়েছেন ২ অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। এদিন কেন্দ্রকে তোপ দেগে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ যদি না জাগে, তাঁকে জাগাতে হয়। আশা করব আমাদের পদক্ষেপ বাকিদেরও জাগিয়ে তুলবে।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক টিটির তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমলউল্লেখ্য, আজ দুপুরেই দিল্লি উড়ে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজধানীতে একগুচ্ছ কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। তবে, দিল্লি রওনা দেওয়ার আগে সোমবার মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠক ডাকেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই এই বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠনের সিদ্ধান্তে সিলমোহর পড়ে। এরপর সাংবাদিক বৈঠকে চাঁচাছোলা ভাষায় কেন্দ্রকে তোপ দাগেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, পেগাসাস ব্যবহার করে সাংবাদ মাধ্যম, আইনজ্ঞ মহল, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, নাগরিক সমাজকে নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে সংসদ চলাকালীন আমরা ভেবেছিলাম, সুপ্রিম কোর্টের কোনও বিচারপতিকে দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার নিশ্চয়ই তদন্ত করাবে। সেক্ষেত্রে মানুষ বিচার পাবে। কিন্তু আমরা যখন দেখলাম সরকারের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। তখন দিল্লি যাওয়ার আগে আমি বিচার বিভাগীয় কমিশন তৈরি করে দিলাম।

জুলাই ২৬, ২০২১
দেশ

Pegasus-Congress: পেগাসাস-কাণ্ডে অভিষেকের পাশে কংগ্রেস

পেগাসাস কাণ্ডে কাছাকাছি কংগ্রেস-তৃণমূল! রবিবার কংগ্রেসের অফিশিয়াল টুইটার হ্যান্ডলে একটি পোস্ট ঘিরে এমনই জল্পনা শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের ওই পোস্টে লেখা হয়েছে, নিজের শত্রুদের চোখে চোখে রাখতে হয়। এই প্রবাদ নিয়ে মোদি একটু বেশি বাড়াবাড়ি করে ফেলেছেন। এই বক্তব্যটির নীচে দেওয়া হয়, হ্যাশট্যাগ পেগাসাসস্নুপগেট। টুইটটির সঙ্গে দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। ছবির পাশে লেখা হয়েছে, আপনি ক্রোনোলজিটা বুঝুন। পেগাসাসে গুপ্তচরবৃত্তির লক্ষ্য। কে? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো। কখন? ২০২১। কেন? পশ্চিমবঙ্গের ভোটের সময়। তার নীচে মন্তব্য, মোদি সরকারের নিরাপত্তাহীনতার শেষ নেই।PM Modi took the adage, keep your enemies closer a little too far. #PegasusSnoopgate pic.twitter.com/YfaIP2rH44 Congress (@INCIndia) July 25, 2021ইতিপূর্বে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী ভবানীপুর উপনির্বাচনে মমতার বিরুদ্ধে প্রার্থী না দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন প্রকাশ্যেই। এ বার নিজেদের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডলে অভিষেকের ছবি দিয়ে ফোনে আড়িপাতার ঘটনায় মোদি সরকারে বিরুদ্ধে সরব হয়ে এআইসিসি মমতাকে জোটের বার্তা পাঠিয়েছে বলেই মনে করছেন অনেকেই। উল্লেখ্য, সোমবার দিল্লি রওনা হচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। চার দিনের দিল্লি সফরে বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে ২০২৪ সালের ভোট নিয়ে আলোচনাও হতে পারে তাঁর। তার আগেই মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপোর ফোনে আড়িপাতার ঘটনা নিয়ে সরব হয়ে কৌশলেই কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁকে আলোচনায় বসার বার্তাই পাঠিয়েছেন বলে মত অনেকের। তবে এই প্রতিবাদকে কংগ্রেসের তৃণমূলের প্রতি জোটবার্তা বলে মানতে চাননি রাজ্যসভার সাংসদ তথা প্রবীণ কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য। তিনি বলেছেন, কংগ্রেস নেতৃত্ব বিরোধী কোনও নেতার ফোনে আড়িপাতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই পারে। শুধুই অভিষেকই নয়, দেশের অনেক বিরোধী নেতা আছেন যাঁদের ফোনে আড়ি পাতার অভিযোগ উঠেছে। শুধু রাজনৈতিক নেতৃত্ব নন, দেশের বহু উল্লেখ্যযোগ্য মানুষের ফোনেও আড়ি পাতা হয়েছে। সবার আগে পুরো বিষয়টির তদন্ত হওয়া দরকার।এই ঘটনায় কংগ্রেস সার্বিক প্রতিবাদ জানিয়েছে। এবং তা কোনও বিশেষ দলের জন্য নয়। প্রতিবাদ মানে এই নয় যে, কোনও নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হচ্ছে।

জুলাই ২৫, ২০২১
প্রযুক্তি

Pegasus: পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?

২০২১-র বিধানসভা নির্বাচন চলাকালীন দুই প্রধান বিরোধী দলের মুখ্য-কান্ডারিদের প্রতিনিয়ত ফোন কল সংবাদমাধ্যমের কাছে চলে আসাটা নিয়মিত ভাবে ঘটছিল। প্রত্যেক দলই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে দায়ী করছিলেন তাঁদের ফোনকল ট্যাপ হওয়ার জন্য। অতিসম্প্রতি আমরা প্যাগাসাস স্পাইওয়্যারের নাম শুনলাম। যার দ্বারা অতি সহজেই যেকোনও মোবাইল ফোন হ্যাক করা এবং তাদের ম্যাসেজ এবং কললিস্ট পড়া যায়। এই স্পাইওয়্যারটি ব্যবহার করে ভারতসহ বেশ কয়েকটি দেশ সাংবাদিক, সরকারি আমলা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের ফোনে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ এনেছে বলে জানা গেছে। তবে, ভারত সরকার জানিয়েছে যে, এই ধরণের মন্তব্য ভারতীয় গণতন্ত্র এবং এর প্রতিষ্ঠানগুলিকে কলুষিত করার জন্য অতিরঞ্জিত করে অনুমানভিত্তিক একটা চক্রান্ত চলছে।২০১৯ সাল থেকে ১৬টি সংবাদমাধ্যম মিলে পেগাসাস প্রোজেক্ট নামে একটি তদন্ত করেছিল। রবিবার সেই রিপোর্টের কিছু অংশ প্রকাশিত হয়েছে। ২০১৯-এর অক্টোবরে ফেসবুকের মালিকানাধীন সংস্থা হোয়াটসঅ্যাপ জানায়, চারটি মহাদেশের অনুমানিক ১৪০০ জনের মোবাইল এই স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে হ্যাক করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য ভাবে সেই তালিকায় ছিলেন কংগ্রেসের প্রিয়ঙ্কা গাঁধী, এনসিপি-র প্রফুল্ল পটেল, একাধিক সমাজকর্মী, আইনজীবী ও সাংবাদিকরা। আসুন এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক পেগাসাস স্পাইওয়্যার কি? এর থেকে কি ভাবেই বা সাবধানে থাকব।পেগাসাস স্পাইওয়্যার কী?পেগাসাস হল এনএসও গ্রুপের তৈরি একটি বিশেষ স্পাইওয়্যার। এনএসও গ্রুপ একটি ইজরায়েলি সংস্থা যারা সাইবার হানা দেওয়ার জন্য এই ধরণের স্পাইওয়্যার ও ম্যালওয়্যার বানাতে সিদ্ধহস্ত। এটি সর্বপ্রথম ২০১৬ তে আলোচনাতে আসে, যখন আরবের এক ব্যাক্তি তাঁর মোবাইলে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। এমনও খবর পাওয়া গিয়েছে যে পেগাসাস আইফোন (iOS) ব্যবহারকারীদের টার্গেট করছে। এটা জানতে পেরে অ্যাপল আইওএসের (iOS) একটি আপডেট সংস্করণ প্রকাশ করেছিল। আইওএসের (iOS) সুরক্ষা বলয়ে যে যে ত্রুটি ছিল, যেখান দিয়ে পেগাসাস স্পাইওয়্যার ফোন হ্যাক করার সুযোগ নিচ্ছিল সেই জায়গাগুলি সঠিক ভাবে আটকাবার জন্য এই আপডেট।আইওএসের (iOS) আপডেটের এক বছর পরে দেখা গেল পেগাসাস অ্যান্ড্রয়েড ফোন হ্যাক করতেও সমানভাবে সক্ষম। ফলস্বরূপ, সমস্ত মোবাইল ফোন সংস্থা তাদের সুরক্ষা ব্যবস্থা আপডেট করতে মাঠে নেমে পড়ল। ২০১৯ এ ফেসবুক পেগাসাস তৈরির জন্য এনএসও গ্রুপের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছে। একই সাথে হোয়াটসঅ্যাপ ও একটি বার্তার মাধ্যমে ভারতীয় ব্যবহারকারীদের স্পাইওয়্যার সম্পর্কে অবহিত করেছিল।পেগাসাস স্পাইওয়্যার কীভাবে কাজ করে?পেগাসাস স্পাইওয়্যারটি মেলিসিয়াস ওয়েবসাইট লিঙ্কের মাধ্যমে গোপনে মোবাইল ফোনে ইনস্টল করা হয়। মোবাইল ব্যবহারকারী এই লিঙ্কে ক্লিক করলে স্পাইওয়্যারটি ফোনে অটোমেটিক ইনস্টল হয়ে যায়। এটি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ভয়েস কল করে সুরক্ষা বাগের মাধ্যমেও ইনস্টল করা যেতে পারে। স্পাইওয়্যারটি এতটাই উন্নত যে, কেবল মোবাইল ব্যবহারকারীর কাছে মিস কল দিয়ে ফোনে ইনস্টল করা যেতে পারে। স্পাইওয়্যার সফ্টওয়্যারটি কল লগ এন্ট্রি মুছে দেয়, যাতে মোবাইল ব্যবহারকারী জানতেও পারবে না যে তাদের ফোন হ্যাক করা হয়েছে।একবার ফোনে স্পাইওয়্যার ইনস্টল হয়ে গেলে এটি তার প্রয়োজনীয় মডিউলগুলি অটোম্যাটিক ভাবে ডাউনলোড করে নেয়, যাতে এটি ডেটা অ্যাক্সেস করতে সহায়তা করে। সাধারণভাবে জানা যায় পেগাসাস স্পাইওয়্যারটির কি-লগিং এবং অডিও রেকর্ডিং ক্ষমতা রয়েছে যার দ্বারা এটি কল শুনতে এবং এনক্রিপ্ট করা বার্তাগুলি পড়তে সক্ষম হয়।পেগাসাস স্পাইওয়্যার সম্পর্কে আরও একটি আকর্ষণীয় তথ্য হল, এটি ফোনে সম্পূর্ণ লুকিয়ে থাকতে পারে। যদি এটি এর কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল (CC) সার্ভারের সাথে ৬০ দিনেরও বেশি সময় ধরে যোগাযোগ করতে সক্ষম না হয় বা একটি ভুল ডিভাইসে ইনস্টল হয়ে থাকে তাহলে স্পাইওয়্যার নিজেই নিজেকে ডিস্ট্রাক্ট করে দেয়।আপনার ব্যক্তিগত তথ্যভাণ্ডার কি সুরক্ষিত?পেগাসাস স্পাইওয়্যার যে মোবাইলে ইন্সটল হয়, তার সমস্ত ব্যক্তিগত তথ্য সে অ্যাক্সেস করতে পারে এবং ফোনটি হ্যাক করতে সমর্থ হয়। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এনক্রিপ্টেড করা চ্যাটগুলিও পড়তে পারে। আপনি জেনে অবাক হবেন যে, এই পেগাসাস স্পাইওয়্যারটি আপনার ফোনের ম্যাসেজ পড়তে, আপনার করা কলগুলি ট্র্যাক করতে, বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে আপনি কি কি করলেন তার উপর নজরদারি চালাতে সক্ষম। এটি আপনার গতিবিধির উপরও নজরদারী চালায় জিপিএস এর মাধ্যমে এবং অজান্তে আপনার ফোনের ক্যামেরা ব্যবহার করতে পারে। এতেই শেষ নয়, হ্যাকার প্যাগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে আপনার মাইক্রোফোনের মাধ্যমে আপনার ব্যাক্তিগত কথোপকথন শুনতেও সক্ষম।সাধরণ মানুষের দুশ্চিন্তা করা উচিত?২০২১ প্রজেক্ট পেগাসাস রিপোর্ট থেকে জানা যায় যে, বর্তমানে পেগাসাসের যে ভার্সনটি আছে তাতে আইওএস ১৪.৬ (iOS 14.6) পর্যন্ত সমস্ত ফোন হ্যাক করতে সক্ষম। তবে আশার কথা গুগল, অ্যাপল, ফেসবুকের মতো সংস্থাগুলি তাদের গ্রাহকের মোবাইল ফোন হ্যাক করা আটকাতে তাঁদের নিজেদের ভুলভ্রান্তির জায়গাগুলি ঠিক করার জন্য সদা সতর্ক থেকে নিয়মিত ভাবে তাদের সফ্টওয়্যার আপডেট করার চেষ্টা করে চলেছেন। সুতরাং, আপনি কারও নির্দিষ্ট লক্ষ্য না হয়ে থাকলে আপনার ফোন এই স্পাইওয়্যার দ্বারা সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশেই কম। এছাড়াও, পেগাসাস হল অত্যন্ত ব্যয়বহুল এক স্পাইওয়্যার যা বড় সংস্থা বা সরকার অপরাধী এবং অসামাজিক উপাদানগুলির উপর নজরদারি রাখতে ব্যবহার করে। সাধারণ মানুষের দিকে এদের লক্ষ্য নেই বলেই সাইবার বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা।

জুলাই ২১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ইডেনে মোদীর জন্য ‘হোম’ ড্রেসিংরুম, শুভেন্দু'র ‘অ্যাওয়ে’! ১০ হাজার শিল্পীর অনুষ্ঠান, সাজছে ক্রিকেটের নন্দনকানন

কলকাতা: ইডেনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিতে তুঙ্গে তৎপরতা। সূত্র মারফত জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ হচ্ছে ইডেন গার্ডেন্সের হোম ড্রেসিংরুমযে ড্রেসিংরুম ব্যবহার করে ভারতীয় ক্রিকেট দল এবং কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জন্য রাখা হবে অ্যাওয়ে ড্রেসিংরুম। দুই ড্রেসিংরুমের মাঝখানের মাঠে যাওয়ার কমন পথটিও থাকবে ব্যবহারের উপযোগী।দায়িত্বপ্রাপ্ত বেসরকারি সংস্থার হাতেই থাকছে ড্রেসিংরুম দুটির সাজসজ্জা ও প্রয়োজনীয় বন্দোবস্ত। ড্রেসিংরুমে আহার-সহ আপ্যায়নের যাবতীয় ব্যবস্থা থাকবে। অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে ড্রেসিংরুমের সামনের লনেই।মাঠের যাতে কোনও ক্ষতি না হয়, সে দিকেও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। মঞ্চ ও অন্যান্য পরিকাঠামোর জন্য মাঠের ভিতরে প্রায় ১২ ফুট জায়গা প্রয়োজন হতে পারে। তবে ঘাসের ক্ষতি না করেই যাবতীয় কাজ করার পরিকল্পনা। সামান্য বদল আসতে পারে শুধু ঘাসের রঙে।অনুষ্ঠান চলাকালীন গল্ফ কার্টে করে মাঠ প্রদক্ষিণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। মঞ্চের উপর থাকবে ছাউনি। ইডেনের বিভিন্ন ব্লকে চেয়ার সরিয়ে জায়ান্ট স্ক্রিন বসানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি ইডেন উদ্যান থেকে আতশবাজির প্রদর্শনীর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছেন প্রায় ১০ হাজার সাংস্কৃতিক শিল্পী। তাঁদের পারফরম্যান্সের জন্য ইডেনের উল্টো দিকে থাকা মাঠ এবং নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামকে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও থাকছে কড়া ব্যবস্থা। ৯ অক্টোবর অফিসের সময় শেষ হওয়ার পর থেকেই এসপিজি নিরাপত্তার আওতায় ইডেনের ক্লাব হাউস কার্যত সিল করে দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী যতক্ষণ সেখানে থাকবেন, প্রায় তিন ঘণ্টা ক্লাব হাউসের গতিবিধিতে থাকবে কড়া নিয়ন্ত্রণ। গোটা অনুষ্ঠান চলবে বিকেল ৪টে থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।এদিকে, ক্লাব হাউসে সিএবির আধিকারিকদের উপস্থিতি নিয়ে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে। সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়-সহ পাঁচ অফিস বেয়ারার, সিইও এবং সিএও যাতে ক্লাব হাউসে থাকতে পারেন, তার জন্য এসপিজির অনুমতি চাওয়া হয়েছে। অন্তত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের উপস্থিতির অনুমতি দেওয়ার জন্যও অনুরোধ রাখা হয়েছে।সিএবির অ্যাফিলিয়েট সদস্যদের জন্যও বিশেষ বন্দোবস্তের আবেদন করা হয়েছে। অন্তত প্রতিটি ক্লাব থেকে দুজন করে যাতে অনুষ্ঠানটি দেখতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থল তৈরির কাজ থেকে শুরু করে নৈশালোকের বন্দোবস্তসব ক্ষেত্রেই সিএবির তরফে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগামী ২৫ বা ২৬ সেপ্টেম্বর ইডেনের ১৪ নম্বর গেটের কাছে কনফারেন্স রুমে অস্থায়ী অফিস তৈরি করবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা। অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে আসা তারকা শিল্পীদের সেখানে অথবা কর্পোরেট বক্সে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।ইডেনের সাজসজ্জা ও পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে শীঘ্রই পরিদর্শনে আসবে পূর্ত দফতর (PWD)। মাঠ, মঞ্চ, নিরাপত্তা এবং দর্শক ব্যবস্থাপনাসব দিক খতিয়ে দেখেই চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়া হবে।সব মিলিয়ে ক্রিকেটের বাইরের এক অন্য ভূমিকায় এবার সেজে উঠতে চলেছে ইডেন গার্ডেন্স। ক্রিকেটের নন্দনকাননেই প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে হতে চলেছে এক বর্ণময়, বিশাল আয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
দেশ

নেপালের বিপর্যয়ে চারপেয়ে ত্রাতা! ভারতের সাম্বার নাকেই মিলল ২০টি দেহের সন্ধান

নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর কেটে গিয়েছে বেশ কিছু দিন। ধ্বংসস্তূপের নীচে নিখোঁজদের জীবিত অবস্থায় পাওয়ার আশা অনেকটাই ছেড়ে দিয়েছেন তাঁদের পরিজনেরা। কিন্তু উদ্ধারকাজ এখনও থামেনি। কাদামাটি, ভেঙে পড়া বাড়ির অংশ এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে নিখোঁজদের খুঁজে চলেছেন নেপালের সেনা, পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। তাঁদের সঙ্গে এই কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে প্রশিক্ষিত সারমেয় বাহিনীও।তাদের মধ্যেই অন্যতম সাম্বা। ল্যাব্রাডর প্রজাতির এই সারমেয় নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর প্রশিক্ষিত সারমেয় দলের সদস্য। তবে সাম্বার সঙ্গে ভারতেরও যোগ রয়েছে। নেপালের প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকেই তাকে আনা হয়েছিল। পরে নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে তাকে উদ্ধারকাজের উপযোগী করে তোলা হয়।মানুষের দেহের গন্ধ শনাক্ত করে ধ্বংসস্তূপের নীচে কোথায় দেহ থাকতে পারে, তা খুঁজে বার করাই সাম্বার মূল দায়িত্ব। সেই দায়িত্বই অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পালন করেছে সে। রাসুয়া এবং ত্রিশূলী এলাকায় উদ্ধারকাজ চালানোর সময় সাম্বার দেওয়া সংকেতের ভিত্তিতে ২০টি দেহের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু কী ভাবে এত নিখুঁত ভাবে কাজ করে সাম্বা? তার প্রশিক্ষণের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের বক্তব্য, সাম্বা ধ্বংসস্তূপের উপর দিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেত এবং মাটি শুঁকত। কোথাও মানুষের দেহের গন্ধ পেলে আচমকাই থেমে যেত সে। এরপর জোরে ডাকতে শুরু করত। সেটিই ছিল তার হ্যান্ডলারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংকেত।সাম্বার সংকেত পাওয়ার পর নিরাপত্তারক্ষীরা সেই জায়গায় পৌঁছে মাটি খুঁড়ে দেখতেন। অনেক সময় সেখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে দেহ। সাম্বার কাজের সময় সবসময় তার সঙ্গে থাকেন এক জন প্রধান হ্যান্ডলার এবং এক জন সহযোগী। দুজনই নিরাপত্তারক্ষী। সাম্বার আচরণের অর্থ বুঝে সঠিক জায়গায় উদ্ধারকাজ শুরু করাই তাঁদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।সাম্বা সবসময় একই ভাবে সংকেত দেয় না। কখনও হাঁটতে হাঁটতে আচমকা থেমে যায়। কখনও কোনও নির্দিষ্ট জায়গার চারপাশে বার বার ঘুরতে থাকে। আবার কখনও মাটিতে বসে পড়ে পায়ের নখ দিয়ে মাটি খুঁড়তে শুরু করে। তার প্রতিটি আচরণই আসলে একটি সংকেত। সেই সংকেতের অর্থ বুঝতে পারেন শুধু তার সঙ্গে কাজ করা হ্যান্ডলার এবং সহযোগী।এই ভাবেই কাদামাটি এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দিনের পর দিন কাজ করে চলেছে সাম্বা। নিখোঁজদের সন্ধানে তার ভূমিকা এখন নেপালের উদ্ধারকারী দলের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী সাম্বার মতো আরও পাঁচটি প্রশিক্ষিত সারমেয়কে উদ্ধারকাজে নামিয়েছিল। পাশাপাশি নেপাল সেনার তরফেও আরও ছটি সারমেয়কে কাজে লাগানো হয়েছে। বিপর্যয়ের পর উদ্ধারকাজ যত দীর্ঘ হচ্ছে, প্রশিক্ষিত এই সারমেয়দের ভূমিকা ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

প্রাদার পর এবার রালফ লরেন! ভারতীয় নকশা ‘চুরি’র অভিযোগে তোলপাড়

কিছুদিন আগেই নকশা চুরির অভিযোগ উঠেছিল প্রাদার বিরুদ্ধে। এ বার একই ধরনের অভিযোগের মুখে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড রালফ লরেন। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের নকশা ব্যবহার করে যথাযথ স্বীকৃতি না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংস্থাটির বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে সমাজমাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।সম্প্রতি রালফ লরেনের একটি গোলাপি পোশাক প্রকাশ্যে এসেছে। সেই পোশাকে ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের ছোঁয়া স্পষ্ট বলে দাবি করেছেন ফ্যাশন জগতের অনেকে। কিন্তু পোশাকটির বর্ণনায় ভারত বা ভারতীয় কারিগরদের কোনও উল্লেখ নেই। সেখানে শুধু হাতের কাজ করা সজ্জা হিসাবে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। আর তা নিয়েই ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।১২ সেপ্টেম্বর রালফ লরেনের সমাজমাধ্যম পাতায় পোশাকটির ছবি প্রকাশ করা হয়। পোশাক তৈরির কাপড় এবং সুতো নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলেও হাতের কাজের বিষয়ে মাত্র একটি শব্দে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, পোশাকটির নকশায় যদি কোনও দেশের ঐতিহ্যবাহী শিল্পের প্রভাব থাকে, তা হলে সেই শিল্প এবং কারিগরদের যথাযথ পরিচয় দেওয়া হল না কেন?এই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন ফ্যাশন ডিজাইনার প্রখর রাও সিং চান্ডেল। তাঁর বক্তব্য, পোশাকের কাপড় নিয়ে দীর্ঘ বিবরণ দেওয়া হলেও যে কারিগররা সূক্ষ্ম হাতের কাজ করেছেন, তাঁদের শিল্পকে একটি অস্পষ্ট শব্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।রালফ লরেনের প্রচারে বলা হয়েছিল, প্রতিটি পোশাকের যেন নিজস্ব ইতিহাস ও চরিত্র থাকে। সেই কথাকেই সামনে রেখে প্রখর প্রশ্ন তুলেছেন, সেই পোশাকে আসলে কার ইতিহাস এবং কার চরিত্র তুলে ধরা হচ্ছে?প্রখরের দাবি, বিতর্কিত পোশাকটিতে ভারতের ঐতিহ্যবাহী সূচিশিল্প জরদৌসির ব্যবহার রয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, লখনউ এবং আশপাশের কয়েকটি জেলায় দীর্ঘদিন ধরে এই শিল্পের চর্চা চলছে। বহু কারিগর এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। তাই এটিকে শুধুমাত্র পোশাকের অলঙ্করণ হিসেবে দেখলে সেই শিল্পের সঙ্গে জড়িত মানুষের ইতিহাস ও পরিশ্রমকে আড়াল করা হয়।এই প্রসঙ্গে প্রখর গত বছর প্রাদাকে ঘিরে ওঠা বিতর্কের কথাও তুলে ধরেছেন। তাঁর অভিযোগ, ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কোলাপুরি চটির নকশা ব্যবহার করা হলেও সেটিকে শুধুমাত্র চামড়ার স্যান্ডেল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। পরে মহারাষ্ট্রের একটি বাণিজ্য সংগঠনের তরফে চিঠি দেওয়ার পর ভারতের নাম যুক্ত করা হয় বলে দাবি তাঁর।নিজের দলের সঙ্গে কাজ করা জরদৌসি শিল্পী বাবলু ভাইয়ের কথাও উল্লেখ করেছেন প্রখর। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের শিল্পের পিছনে বহু কারিগরের বছরের পর বছর পরিশ্রম রয়েছে। তাঁদের পরিচয় বাদ দিয়ে শুধু নকশাকে ব্যবহার করলে সেই শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন হয় না।রালফ লরেনের এই পোশাক নিয়ে শুধু জরদৌসি নয়, আরও একটি ভারতীয় সূচিশিল্প আরির ব্যবহার নিয়েও সমাজমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। বহু নেটিজেনের দাবি, ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের ঐতিহ্যবাহী শিল্প বিদেশি ফ্যাশন সংস্থাগুলি ব্যবহার করলেও অনেক সময় সেই শিল্প বা কারিগরদের যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া হয় না।কোলাপুরি চটি ছাড়াও বাঁধনি ছাপ, তামবুরা, কুমকোর মতো বিভিন্ন ভারতীয় নকশা নিয়েও বিদেশি ফ্যাশন সংস্থার বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীদের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বহু কারিগর নিজেদের পরিশ্রমে এই শিল্পগুলিকে টিকিয়ে রেখেছেন। তাঁদের পরিচয় এবং প্রাপ্য সম্মান না পেলে ধীরে ধীরে এই ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে পারে।ফলে রালফ লরেনের নতুন পোশাক ঘিরে বিতর্কটি শুধু একটি নকশা বা পোশাকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের ব্যবহার, কারিগরদের স্বীকৃতি এবং আন্তর্জাতিক ফ্যাশন সংস্থাগুলির দায়িত্ব নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
দেশ

মেটার উপর কেন্দ্রের চাপ, অবশেষে বড় সিদ্ধান্ত! নজরে শিশুদের ক্ষতিকারক কনটেন্ট

প্রায় দুমাস ধরে আলোচনা ও বৈঠকের পর কেন্দ্রের দাবি মেনে কাজ করতে রাজি হয়েছে মেটা। সরকারি সূত্রের খবর, শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক এবং আপত্তিকর কনটেন্টের বিষয়ে প্রশাসনকে তথ্য জানাতে রাজি হয়েছে মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা। শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যমকে আরও নিরাপদ করে তোলার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে প্রায় দুমাস আগে মেটার উপর চাপ বাড়ানো হয়েছিল। ডিপফেক, বিকৃত তথ্য এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের মতো কনটেন্ট রুখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সংস্থাকে। পাশাপাশি মেটার অ্যালগরিদমে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা এবং ক্ষতিকারক কনটেন্ট মোকাবিলায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তার বিস্তারিত পরিকল্পনাও জমা দিতে বলা হয়েছিল।তবে শুরু থেকেই শিশুদের নিয়ে তৈরি আপত্তিকর এবং ক্ষতিকারক কনটেন্ট বন্ধ করার উপর বিশেষ জোর দিয়েছিল কেন্দ্র। দীর্ঘ আলোচনা ও একাধিক বৈঠকের পর সেই দাবিতে মেটা সম্মত হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক কনটেন্ট চিহ্নিত হওয়ার পর সেই বিষয়ে প্রশাসনকে জানাবে মেটা। এরপর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে প্রশাসন। শুধু মেটা নয়, আগামী দিনে অন্যান্য সমাজমাধ্যম সংস্থাকেও একই ধরনের ক্ষতিকারক কনটেন্ট দ্রুত শনাক্ত এবং আটকানোর আওতায় আনার চেষ্টা করছে কেন্দ্র।শিশু নির্যাতনের কনটেন্টের পাশাপাশি ডিপফেক, ভুয়ো খবর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার দ্রুত শনাক্ত করার বিষয়েও মেটাকে সতর্ক করেছিল কেন্দ্র। সমাজমাধ্যমে এই ধরনের কনটেন্টের ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার উপরও জোর দেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে খবর।এর আগে প্রধানমন্ত্রীর একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট ঘিরে কেন্দ্র ও মেটার মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। নিটের প্রশ্নফাঁস নিয়ে আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছিলেন। সেখানে প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু পরে প্রধানমন্ত্রীর সেই ভিডিও সমাজমাধ্যম থেকে সরিয়ে দেয় মেটা। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। পরে মেটার পক্ষ থেকে জানানো হয়, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই ভিডিওটি সরানো হয়েছিল। ক্ষমা চেয়ে পরে পোস্টটি ফের প্রকাশ করা হয়।ঘটনার পর মেটার শীর্ষ কর্তাদের তলব করেছিল কেন্দ্র। সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ধরনের কনটেন্টের উপর আরও কড়া নজরদারির বার্তাও দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকেই কেন্দ্র এবং মেটার মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে চাপানউতোর চলছিল।এখন শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক কনটেন্ট প্রশাসনের নজরে আনার বিষয়ে মেটার সম্মতির খবর সামনে আসায় সেই টানাপোড়েন অনেকটাই কমেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবে কী ভাবে কার্যকর হবে এবং অন্যান্য সমাজমাধ্যম সংস্থার ক্ষেত্রেও কেন্দ্র একই ব্যবস্থা নিতে পারে কি না, তা নিয়ে নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
বিদেশ

ভ্রমণের ভিডিও করতেই কি বিপদ? আফগানিস্তানে কেরলের মহিলা ভ্লগারের ‘গ্রেপ্তার’ ঘিরে চাঞ্চল্য

কেরলের জনপ্রিয় মহিলা ভ্লগার অরুণিমা আফগানিস্তান সফরে গিয়ে বিপদে পড়েছেন বলে দাবি করেছেন। সোমবার সোশাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে তিনি জানান, বামিয়ান শহরে তাঁকে মুজাহিদিনরা গ্রেপ্তার করেছে। একই সঙ্গে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য সাহায্য চেয়েছেন তিনি। তাঁর এই পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই উদ্বেগ ছড়িয়েছে।ব্যাকপ্যাকার অরুণিমা নামে সোশাল মিডিয়ায় পরিচিত ওই তরুণী কিছুদিন আগে ভারত থেকে আফগানিস্তানে যান। সেখানে বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখার পাশাপাশি নিয়মিত ভিডিও এবং ছবি প্রকাশ করছিলেন। সোমবার একটি পোস্টে অরুণিমার দাবি, আফগানিস্তানে গিয়ে তিনি বিপদে পড়েছেন এবং বামিয়ান শহরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সাহায্য করার জন্যও আবেদন জানিয়েছেন তিনি। নিজের সোশাল মিডিয়া পাতায় স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া বলে দাবি করা গ্রেপ্তারি সংক্রান্ত কিছু নথিও প্রকাশ করেছেন অরুণিমা। ফলে তাঁর দাবি ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।তবে ঠিক কী কারণে অরুণিমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গ্রেপ্তারের পরিস্থিতি নিয়েও বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। স্থানীয় প্রশাসন বা আফগানিস্তানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে কী বলা হয়েছে, সেটিও এখনও পরিষ্কার নয়।এই ঘটনায় ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে তাৎক্ষণিক কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। অরুণিমার প্রকাশ করা পোস্ট এবং নথির সত্যতাও স্বাধীন ভাবে যাচাই করা হয়নি। ফলে তাঁর দাবি কতটা সত্য, তা নিয়েও আপাতত ধোঁয়াশা রয়েছে।গত কয়েকদিন ধরে আফগানিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরছিলেন অরুণিমা। সেখান থেকে প্রকাশিত একাধিক ভিডিওতে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে দেখা যায় তাঁকে। বিশেষ করে তালিবান শাসনে মহিলাদের জীবন, তাঁদের উপর থাকা বিভিন্ন বিধিনিষেধ এবং ভয়-আতঙ্কের কথা তুলে ধরেছিলেন তিনি।আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষের সঙ্গেও সময় কাটানোর ছবি এবং ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন অরুণিমা। সেই সফরের মধ্যেই হঠাৎ তাঁর গ্রেপ্তারের দাবি সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি কী কারণে আটক হয়েছেন, কোথায় রয়েছেন এবং ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।সব মিলিয়ে কেরলের এই জনপ্রিয় ভ্লগারের আফগানিস্তান সফর ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক রহস্য। অরুণিমার দাবি এবং প্রকাশ করা নথি যাচাই হওয়ার পরই গোটা ঘটনার প্রকৃত ছবি স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
কলকাতা

বামেদের নবান্নে ডেকে পুষ্পাঞ্জলির আমন্ত্রণ! গণেশ পুজোর মঞ্চে শুভেন্দুর বিস্ফোরক বার্তা

গণেশ পুজোর সূচনা করে বামেদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ধর্মকে আফিং বলা এবং নিজেদের নাস্তিক বলে পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে কোনও উপদেশ নেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে বাগেশ্বর বাবা বিতর্ক, পুজোকে শারদোৎসব বলা নিয়ে বিতর্ক এবং গণেশ পুজোর বিস্তারসবকিছু নিয়েই নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন শুভেন্দু।সোমবার গণেশ পুজোর সূচনা করে শুভেন্দু বলেন, সনাতন ধর্মের রীতিনীতি নিয়ে বাইরের কারও কাছ থেকে উপদেশ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর বক্তব্য, কোনও দিন নিরামিষ খাবার দিয়ে পুজো হয়, আবার কোনও দিন মাছ দিয়ে দেবতাকে ভোগ দেওয়া হয়। সনাতন ধর্মের মানুষ কোন পুজোয় কী নিয়ম মানবেন, তা তাঁরা নিজেরাই জানেন।বাগেশ্বর বাবা বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, পুজোর পদ্ধতি, পুজোর পাঠ এবং পঞ্জিকার নিয়ম বদলে একসময় ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের রূপ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, প্রাদেশিকতার নামে মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরির চেষ্টা হয়েছিল।এর আগে বালিগঞ্জে ভারত সেবাশ্রম সংঘের পুজোর সূচনা করেন শুভেন্দু। সেখানেও পুজো এবং শারদোৎসব নিয়ে চলা বিতর্কের প্রসঙ্গ ওঠে। কমিউনিস্ট নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যাঁদের পুজো নিয়ে আপত্তি রয়েছে, তাঁরা নবান্নে এসে তাঁর সঙ্গে বিশ্বকর্মা পুজোয় পুষ্পাঞ্জলি দিতে পারেন।শুভেন্দুর বক্তব্য, তিনি বিশ্বকর্মা পুজোর দিন নবান্নে পুষ্পাঞ্জলি দেবেন। কমিউনিস্ট নেতাদেরও সেখানে এসে একসঙ্গে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর কটাক্ষ, তাতে তাঁরাও পরিবর্তনের স্বাদ পাবেন।পুজোর নাম নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, তার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে রাজনৈতিক ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে পুজোকে ধর্মীয় অনুষ্ঠান না কি বৃহত্তর সাংস্কৃতিক উৎসব হিসাবে দেখা হবে, তা নিয়ে যে রাজনৈতিক তরজা চলছে, সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে তাঁর বক্তব্য।এ দিন বামেদের আক্রমণ করার পাশাপাশি আগের সরকারের আমলে পিতৃপক্ষে দুর্গাপুজোর সূচনা নিয়েও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর মন্তব্য, পিতৃপক্ষে কাঁচি নিয়ে বের হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।দেশবিরোধী শক্তি নিয়েও এ দিন সতর্ক করেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, অসুরদের থেকে সাবধানে থাকতে হবে এবং তাঁদের থেকে দূরে থাকতে হবে। একই সঙ্গে দেশবিরোধী শক্তি এবং টুকরে টুকরে গ্যাং থেকেও দূরে থাকার বার্তা দেন তিনি।গণেশ পুজো কেন বাড়ছে, তা নিয়ে যাঁরা প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদেরও এ দিন পাল্টা জবাব দেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, গণপতি পুজো শুধু মহারাষ্ট্রের বিষয় নয়। সনাতন ধর্মের ঐক্যের মধ্যেই এর বিস্তার রয়েছে।শুভেন্দুর দাবি, একসময় মারাঠি, গুজরাতি, বিহারি-সহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি প্রাচীর তুলে রাখা হয়েছিল। তাঁর কথায়, সেই প্রাচীর ভেঙে দেওয়া হয়েছে। গণেশ পুজোর বিস্তারকে তিনি সনাতনীদের ঐক্যের প্রতীক হিসাবেই তুলে ধরেন।গণেশ পুজোর সূচনা থেকে বাগেশ্বর বাবা বিতর্ক, পুজোর নাম নিয়ে রাজনৈতিক তরজা থেকে বামেদের নবান্নে পুষ্পাঞ্জলির আমন্ত্রণসব মিলিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সোমবারের বক্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর পরই কি বাড়ছে বাসভাড়া? মন্ত্রীর কথায় বড় ইঙ্গিত, কত হতে পারে ন্যূনতম ভাড়া?

পুজোর পর রাজ্যে বাসভাড়া বাড়তে পারে। সরকারি ও বেসরকারি বাসের পাশাপাশি দূরপাল্লার বাসের ভাড়াতেও পরিবর্তন হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। তবে পুজোর আগে ভাড়া বাড়ানোর কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না। সোমবার বেসরকারি বাস মালিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর এমনটাই জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং।বৈঠক শেষে পরিবহণমন্ত্রী বলেন, পুজোর আগে বাসভাড়া নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হবে না। তবে পুজোর পরে বেসরকারি বাসের ভাড়া বাড়ানো নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে একই ভাড়া চলছে। ২০১৮ সাল থেকে বাসভাড়ার তালিকায় কোনও পরিবর্তন হয়নি। তাই অনির্দিষ্টকাল ভাড়া না বাড়িয়ে রাখা সম্ভব নয়।বাসভাড়া বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলতে গিয়ে বাম আমলেরও সমালোচনা করেন পরিবহণমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সেই সময় নেতারা নিজেদের গাড়িতে যাতায়াত করলেও বাসের ভাড়া বাড়ানো হত না। এর ফলে ধীরে ধীরে বাসের সংখ্যা কমে গিয়েছিল। বর্তমান সরকার সেই পথে হাঁটতে চায় না বলেও জানান তিনি। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য আরও বেশি বাস রাস্তায় নামানোর পাশাপাশি পরিষেবার মান উন্নত করার কথাও বলেন মন্ত্রী।২০১৮ সালে শেষ বার সরকারি ভাবে বাসভাড়ার তালিকা পরিবর্তন হয়েছিল। তখন ন্যূনতম ভাড়া ছিল ৭ টাকা। যদিও কোভিডের সময় থেকে অনেক ক্ষেত্রে ন্যূনতম ভাড়া ১০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। সেই পরিবর্তনের কোনও সরকারি বিজ্ঞপ্তি হয়নি বলে জানা গিয়েছে। ফলে আগামী দিনে বাসভাড়া বাড়লে ন্যূনতম ভাড়া কত হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।বাস মালিকদের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল টোল নিয়ে। তাঁদের অভিযোগ, একই জেলার মধ্যেও বিভিন্ন জায়গায় আলাদা হারে টোল নেওয়া হচ্ছে। এই সমস্যা মেটাতে সব টোল প্লাজায় নির্দিষ্ট হারে টোল চালুর বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে ছদিনের সময় দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওড়িশার মতো নিয়ম চালুর কথাও জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী।বড় রাস্তায় টোটো চলাচল নিয়েও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন তিনি। মূল রাস্তায় টোটো চলাচল বন্ধ করা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন মন্ত্রী। টোটো চলাচল নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, তার সমাধানে একটি নির্দিষ্ট নিয়ম চালু করার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানান তিনি।বাস মালিকদের দীর্ঘদিনের আরও একটি সমস্যা ছিল রাতের বাস রাখার জায়গা নিয়ে। বৈঠকের পর সেই সমস্যা মিটেছে বলে জানিয়েছেন বাস মালিকদের প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে যেসব বাস মালিকের দীর্ঘদিনের কর বকেয়া রয়েছে, তাঁদের জরিমানা কিছুটা কমানোর বিষয়েও আশ্বাস দিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।এর মধ্যেই সামনে দুর্গাপুজো। পুজোর সময় রাস্তায় মানুষের ভিড় এবং যাতায়াতের চাপ অনেকটাই বেড়ে যায়। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে পুজোর আগেই আরও প্রায় ৩০০ সরকারি বাস রাস্তায় নামানো হবে বলে জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী। ফলে শহর ও শহরতলির গণপরিবহণ ব্যবস্থায় কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বৈঠক নিয়ে খুশি বাস মালিকদের সংগঠনগুলিও। সারা বাংলা বাস-মিনিবাস সমন্বয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাহুল চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং তাঁরা খুশি। টোলের সমস্যা প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাসও মন্ত্রী দিয়েছেন বলে জানান তিনি।বাসভাড়া বাড়ানো নিয়েও পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাহুল। তাঁর আশা, পুজোর পর এবার বাসভাড়া বাড়ানো হবে। একই সুর শোনা গিয়েছে সিটি সাবার্বান বাস সার্ভিসেসের সাধারণ সম্পাদক টিটু সাহার বক্তব্যেও। জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটের সাধারণ সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের নাইট পার্কিংয়ের সমস্যা মিটিয়ে দেওয়ায় তাঁরা সন্তুষ্ট। বৈঠকে খুশি ওয়েস্টবেঙ্গল বাস-মিনিবাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ নারায়ণ বসুও।সব মিলিয়ে পুজোর আগে যাত্রীদের জন্য বাড়তি সরকারি বাস নামানোর সিদ্ধান্ত কিছুটা স্বস্তি দিলেও পুজোর পর বাসভাড়া বাড়তে পারেপরিবহণমন্ত্রীর বক্তব্যে সেই সম্ভাবনাই জোরালো হয়েছে। তবে ভাড়া কত বাড়বে বা নতুন ন্যূনতম ভাড়া কত হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ফলে পুজোর পর রাজ্যের বাসযাত্রীদের পকেটে কতটা অতিরিক্ত চাপ পড়বে, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
রাজ্য

প্রার্থী ঘোষণার পরেও কংগ্রেসের দরজায় মমতা! নন্দীগ্রাম নিয়ে কেন এত মরিয়া তৃণমূল?

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের মনোনয়ন পর্ব শুরু হতেই বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, বিজেপিকে আটকাতে দুই কেন্দ্রে একসঙ্গে লড়াই করার জন্য কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে জোটের প্রস্তাব দিয়েছেন কালীঘাট তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বিষয়ে তিনি এআইসিসির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক কেসি বেনুগোপালকে ফোন করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, ফোনে মমতা নন্দীগ্রাম আসনটি কংগ্রেসকে ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থীকে কংগ্রেস সমর্থন করুক, সেই আবেদনও জানান তিনি। এমনকি নন্দীগ্রামে কালীঘাট তৃণমূলের ঘোষিত প্রার্থীকে সরিয়ে নেওয়ার কথাও তিনি জানিয়েছিলেন বলে খবর।এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে, তা হলে কি নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে কংগ্রেস ও কালীঘাট তৃণমূলের মধ্যে জোট হতে চলেছে? তবে সূত্রের খবর, মমতার প্রস্তাব গ্রহণ করেনি কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। বরং প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে পাল্টা বার্তা দেওয়া হয়েছে, জোট চাইলে দুই আসনেই কালীঘাট তৃণমূলকে কংগ্রেসকে সমর্থন করতে হবে।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার জানিয়েছেন, কালীঘাট তৃণমূল যদি সত্যিই জোট চায়, তা হলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরদুই আসনেই কংগ্রেসকে সমর্থন করা উচিত। তাঁর বক্তব্য, এমনটা হলে ভবিষ্যতে জোটের রাস্তা আরও খোলা থাকতে পারে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন। ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। ইতিমধ্যেই দুই কেন্দ্রেই কংগ্রেস এবং কালীঘাট তৃণমূল প্রার্থী ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলও দুই আসনে প্রার্থী দিয়েছে। ফলে তৃণমূলের দুই শিবিরের মধ্যে প্রতীক ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াইয়ের পাশাপাশি কংগ্রেস ও বিজেপির লড়াইও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের নন্দীগ্রামের প্রার্থী এহতেশামুল হক। রেজিনগরে তাঁদের প্রার্থী সফিউজ্জামান শেখ। অন্য দিকে, কালীঘাট তৃণমূল নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে এবং রেজিনগরে রবিউল আলম চৌধুরীকে প্রার্থী করেছে।নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে-কে প্রার্থী করা নিয়েও স্থানীয় স্তরে কিছুটা অস্বস্তি রয়েছে বলে সূত্রের দাবি। তাঁর নাম ২০১৪ সালের শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় জড়িয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। সেই কারণেই প্রার্থীর ভাবমূর্তি নিয়ে দলের স্থানীয় স্তরে প্রশ্ন উঠেছে বলে খবর। যদিও প্রকাশ্যে এখনও কোনও বড় ধরনের ক্ষোভ দেখা যায়নি।এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, প্রার্থী বাছাই নিয়ে অস্বস্তির কারণেই কি মমতা কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করলেন? নাকি মূল লক্ষ্য ছিল নন্দীগ্রামে বিজেপিকে আটকাতে বিরোধী ভোটকে এক জায়গায় আনা? রাজনৈতিক মহলে এই দুই সম্ভাবনা নিয়েই জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।সোমবার সন্ধ্যায় কেসি বেনুগোপালকে ফোন করে মমতা বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই করার প্রস্তাব দেন বলে সূত্রের খবর। নন্দীগ্রাম কংগ্রেসকে ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলকে সমর্থনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কংগ্রেসের তরফে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।রেজিনগরে কংগ্রেসের প্রার্থী মহম্মদ আব্দুল্লাহিল কাফি। নন্দীগ্রামে কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধান। রেজিনগরে ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সেই সময় উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার।মমতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পিছনে পুরনো রাজনৈতিক সম্পর্কের কথাও সামনে আনছে কংগ্রেস। কংগ্রেস নেতৃত্বের বক্তব্য, ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বামেদের সরাতে তৎকালীন সময়ে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করেছিল তৃণমূল। সেই জোটের সুবিধা নিয়ে ক্ষমতায় আসার পর ২০১২ সালে কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন মমতা। এরপর রাজ্যে তৃণমূলের শাসনকালে কংগ্রেসের নেতা-কর্মীদের উপর হামলা, মিথ্যা মামলা এবং খুনের মতো একাধিক অভিযোগ উঠেছে বলে দাবি কংগ্রেসের।মমতার এবারের জোটের প্রস্তাব সামনে আসার পর কংগ্রেসের নিচুতলার নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সেই ক্ষোভকে গুরুত্ব দিয়েই কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে।ফলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে আপাতত আলাদা পথেই লড়াই করতে চলেছে কংগ্রেস ও কালীঘাট তৃণমূল। তার উপর দুই কেন্দ্রেই তৃণমূলের দুই শিবিরের প্রার্থী থাকায় লড়াই আরও জটিল হয়েছে। মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে যায়, নন্দীগ্রামে বিজেপি, কংগ্রেস এবং তৃণমূলের দুই শিবিরের লড়াই কোন নতুন মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal