• ১৬ চৈত্র ১৪৩২, বৃহস্পতি ০২ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

PK

দেশ

এনডিএর পুরনো অস্ত্র ‘লালুর ভয়’— এবার ফাঁস করলেন প্রশান্ত কিশোর!

বিহারে প্রথম দফার ভোট শেষ। রাজ্যজুড়ে রেকর্ড ভোটিং ৬৪.৬ শতাংশ। রাজনৈতিক দলগুলো যখন অঙ্ক কষতে ব্যস্ত, ঠিক তখনই ফের আলোচনায় এলেন প্রাক্তন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর। তাঁর বিস্ফোরক দাবি, লালু প্রসাদ যাদবের ভয় দেখিয়ে ভোট জিততে চাইছেন নরেন্দ্র মোদি!বিহারের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ প্রশান্ত কিশোরের কথায়, বিজেপি এবং এনডিএর একমাত্র অস্ত্র এখন লালুর ভয়। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি বিহারের ভোটারদের মনে লালু প্রসাদ যাদবের ভয় ঢুকিয়ে দিতে চাইছেন। কারণ, তাঁর আর বলার মতো নতুন কিছু নেই। গত কয়েক দশক ধরে এনডিএ-র মূল স্ট্র্যাটেজিই হচ্ছে এই ভয় দেখিয়ে ভোট তোলা যাতে মানুষ ভাবে, কাজ হোক বা না হোক, অন্তত জঙ্গলরাজ ফিরে আসেনি।কিশোর আরও বলেন, কিন্তু সময় বদলে গেছে। আজকের বিহারের মানুষ বিকল্প খুঁজছে। সেই বিকল্প জন সুরজ। মোদি যদি বলেন জঙ্গলরাজ ফিরবে না, তাহলে প্রশ্ন ওঠে, এত বছর পরেও আপনি (এনডিএ) কেন?রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে প্রশান্ত কিশোরের এই মন্তব্য নিঃসন্দেহে বিজেপিকে চাপে ফেলবে। তাঁর দল জন সুরজ-এর বার্তা ইতিমধ্যেই তরুণ ভোটারদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজের প্রচারে জঙ্গলরাজ প্রসঙ্গ তুলে আরজেডি ও তেজস্বী যাদবকে আক্রমণ করেছিলেন। মোদি বলেন, বিহারের তরুণরা যেন পুরোনো প্রজন্মের মুখে শোনে, লালুর আমলে কেমন ছিল অপরাধের দৌরাত্ম্য। এনডিএ বিহারকে সেই জঙ্গলরাজ থেকে মুক্ত করেছে।বিহারের রাজনীতিতে জঙ্গলরাজ শব্দটি বহু বছর ধরে বিজেপির অন্যতম প্রধান প্রচার অস্ত্র। লালু প্রসাদ যাদবের শাসনকাল যেখানে আইনশৃঙ্খলা প্রশ্নে রাজ্য প্রায় অচল হয়ে পড়েছিল আজও রাজনৈতিক প্রচারে ঘুরে ফিরে আসে। কিন্তু প্রশান্ত কিশোরের বক্তব্যে এবার সেই প্রচারই প্রশ্নের মুখে।প্রথম দফার ভোটে ৬৪.৬ শতাংশ ভোট পড়েছে যা বিহারের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ২০০০ সালে ভোট পড়েছিল ৬২ শতাংশ। অর্থাৎ, বিহারের মানুষ এবার আগের চেয়ে বেশি আগ্রহী, বেশি সক্রিয়। ফলে, দ্বিতীয় দফার আগে প্রশান্ত কিশোরের এই মন্তব্য রাজনৈতিক তাপমাত্রা আরও বাড়াবে বলেই মনে করা হচ্ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, প্রশান্ত কিশোরের এই মন্তব্য নিছক কৌশল নয়, বরং দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে জন সুরজ-এর পক্ষে পরিবেশ তৈরির প্রচেষ্টা।

নভেম্বর ০৮, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের প্লে-অফের রাস্তায় কাঁটা বিছিয়ে দিল পাঞ্জাব কিংস

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাজিমাত পাঞ্জাব কিংস। বিরাট কোহলিদের ৫৪ রানে হারিয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে ভেসে রইল মায়াঙ্ক আগরওয়ালরা। যদিও সম্ভাবনা অনেকটাই কম। অন্যদিকে, পাঞ্জাব কিংসের কাছে হারায় প্লে অফে ওঠার কাজ কঠিন হয়ে গেল রয়্যাল চ্যালেজার্স ব্যাঙ্গালোরের কাছে। পাঞ্জাবের ২০৯/৯ রানের জবাবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ২০ ওভারে তুলল ১৫৫/৯। মরণবাঁচন ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের সামনে বড় রানের লক্ষ্য রেখেছিল পাঞ্জাব কিংস। বড় রান তাড়া করতে গেলে পার্টনারশিপ গড়ে তোলাটা জরুরি। সেই কাজটাই করতে পারেননি বিরাট কোহলি, ফাফ ডুপ্লেসিরা। যদিও এদিন ভাল শুরু করেছিলেন বিরাট কোহলি। শুরুর দিকে তাঁকে আত্মবিশ্বাসী মনে হচ্ছিল। দ্বিতীয় ওভারে অর্শদীপ সিংয়ের বলে দুদুটি বাউন্ডারি মেরেছিলেন। পরের ওভারে হরপ্রীত ব্রার বলে একটি ছক্কাও হাঁকিয়েছিলেন কোহলি। মনে হচ্ছিল হয়তো এদিন বড় রানের দিকে এগিয়ে যাবেন। কিন্তু চতুর্থ ওভারেই ছন্দপতন। কাগিসো রাবাডাকে আক্রমণে নিয়ে এসে বাজিমাত করেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার আগেই রাবাডা তুলে নেন কোহলিকে। ১৪ বলে ২০ রান করে আউট হন কোহলি। পরের ওভারেই ফাফ ডুপ্লেসি (১০) ও মহীপাল লোমরোরকে (৬) তুলে নিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন ঋষি ধাওয়ান। ৪০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। এরপর দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন রজত পতিদার ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। জুটিতে ওঠে ৬৪। একাদশ ওভারের শেষ বলে রজত পতিদারকে (২৬) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন রাহুল চাহার। পরের ওভারেই ম্যাক্সওয়েলকে (৩৫) ফেরান হরপ্রীত ব্রার। ম্যাক্সওয়েল আউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের জয়ের আশা শেষ হয়ে যায়। দীনেশ কার্তিক (১১), শাহবাজ আমেদ (৯), হর্ষল প্যাটেলরা (১১) দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে পারেননি। ২১ রানে ৩ উইকেট নেন কাগিসো রাবাডা। ঋষি ধাওয়ান ও রাহুল চাহার ২টি করে উইকেট নেন।এদিন দুরন্ত ব্যাটিং করে পাঞ্জাব কিংসকে বড় রানে পৌঁছে দিয়েছিলেন জনি বেয়ারস্টো ও লিয়াম লিভিংস্টোন। ক্রিজে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তোলেন বেয়ারস্টো ও শিখর ধাওয়ান। ৫ ওভারেই উঠে যায় ৬০। ১৫ বলে ২১ রান করে আউট হন ধাওয়ান। বেয়ারস্টো ২৯ বলে করেন ৬৬ রান। তিনি শাহবাজ আমেদের বলে আউট হন। অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (১৬ বলে ১৯) তুলে নেন হর্ষল প্যাটেল। জিতেশ শর্মাও (৯), হরপ্রীত ব্রাররা (৭) ব্যর্থ হলেও দলকে বড় রানের দিকে টেনে নিয়ে যান লিয়াম লিভিংস্টোন। দুরন্ত ব্যাটিং করে ৪২ বলে ৭০ রান করে তিনি হর্ষল প্যাটেলের বলে আউট হন। ২০ ওভারে ২০৯/৯ তোলে পাঞ্জাব। আইপিএলে এটাই তাদের সর্বোচ্চ রান। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে ভাল বোলিং করেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ১৫ রানে ২ উইকেট নেন তিনি।

মে ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মরণবাঁচন ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল পাঞ্জাব কিংস

প্লে অফের লড়াইয়ের জন্য দুই দলের কাছেই ম্যাচটা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে জিতলে ইডেনে প্লে অফের টিকিট কার্যত নিশ্চিত হয়ে যাবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। অন্যদিকে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে জিতলে আশা বেঁচে থাকবে পাঞ্জাব কিংসের। ডু অর ডাই ম্যাচে দারুণভাবে জ্বলে উঠল পাঞ্জাব কিংস। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে তুলল ২০৯ রান। দুরন্ত ব্যাটিং করলেন লিয়াম বেয়ারস্টো ও লিয়াম লিভিংস্টোন।পাঞ্জাব কিংসের সবথেকে বড় সমস্যা ধারাবাহিকতার অভাব। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে অবশ্য নিজেদের মেলে ধরলেন ব্যাটাররা। বিশেষ করে ওপেনার জনি বেয়ারস্টো। তাঁর ঝোড়ো ব্যাটিংই পাঞ্জাব কিংসের বড় রানের ভিত গড়ে দেয়। বেয়ারস্টো রান পেলেই পাঞ্জাব বড় রানে পৌঁছবে, এটাই ধ্রুব সত্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর টিম ম্যানেজমেন্টের কাছে সবথেকে বড় মাথাব্যাথা হয়ে দাঁড়িয়েছে অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালের ফর্ম। চলতি আইপিএলে একেবারেই নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক। এদিনও ব্যর্থ।টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি। ক্রিজে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তোলেন পাঞ্জাব কিংসের দুই ওপেনার জনি বেয়ারস্টো ও শিখর ধাওয়ান। ৫ ওভারেই উঠে যায় ৬০। জস হ্যাজেলউড, মহম্মদ সিরাজের ওপর বেশি নির্দয় ছিলেন জনি বেয়ারস্টো। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে শিখর ধাওয়ানকে তুলে নিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে প্রথম ধাক্কা দেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ১৫ বলে ২১ রান করে আউট হন ধাওয়ান। ভানুকা রাজাপক্ষে এদিন নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। মাত্র ১ রান করে স্বদেশীয় ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার বলে তিনি আউট হন।১ ওভারের ব্যবধানে দুটি উইকেট হারালেও ঝড় অব্যাহত ছিল বেয়ারস্টোর। শেষ পর্যন্ত ২৯ বলে ৬৬ রান করে তিনি শাহবাজ আমেদের বলে আউট হন। অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (১৬ বলে ১৯) তুলে নেন হর্ষল প্যাটেল। জিতেশ শর্মাও (৯) রান পাননি। হরপ্রীত ব্রার করেন ৭। একের পর এক উইকেট পড়তে থাকলেও দলকে বড় রানের দিকে টেনে নিয়ে যান লিয়াম লিভিংস্টোন। দুরন্ত ব্যাটিং করে ৪২ বলে ৭০ রান করে তিনি হর্ষল প্যাটেলের বলে আউট হন। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে ভাল বোলিং করেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ১৫ রানে ২ উইকেট নেন তিনি।

মে ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শেষ ওভারে মেডেনসহ ৩ উইকেট!‌ কামাল উমরান মালিকের

আইপিএল এত এগোচ্ছে নিজেকে ক্রমশ মেলে ধরছেন উমরান মালিক। মেগা নিলামের আগে তাঁকে ধরে রেখে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ যে ভুল করেনি, প্রমাণ করেই চলেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের এই জোরে বোলার। তাঁর দুরন্ত বোলিংয়ের ওপর ভর করে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জয় তুলে নিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। এদিন ৭ উইকেটে হারাল পাঞ্জাব কিংসকে। উমরান মালিক শেষ ওভারে তুলে নেন তিনটি উইকেট। একটি রান আউটের দৌলতে শেষ ওভারে মোট চারটি উইকেট হারায় পাঞ্জাব কিংস।উমরান মালিকের শেষ ওভারটি আবার ছিল মেডেন। আইপিএলে চতুর্থ বোলার হিসেবে এই নজির গড়লেন। ২০ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ওডিয়ান স্মিথ, চতুর্থ বলে রাহুল চাহার, পঞ্চম বলে বৈভব অরোরা আউট হন। চাহার ও অরোরা বোল্ড হন। শেষ বলে রান আউট হন অর্শদীপ সিং। উমরান মালিকের আগে আইপিএলে ২০তম ওভারে বল করতে গিয়ে মেডেন নেওয়ার নজির আছে তিনজন বোলারের। ২০০৮ সালে ইরফান পাঠানের মোহালিতে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের হয়ে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে, ২০০৯ সালে ডারবানে ডেকান চার্জার্সের বিরুদ্ধে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে লাসিথ মালিঙ্গার, ২০১৭ সালে রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টসের হয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে জয়দেব উনাদকাটের। ম্যাচ শুরুর আগেই ধাক্কা পাঞ্জাব কিংসের। চোটের জন্য ছিটকে যান অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। তাঁর পরিবর্তে পাঞ্জাব কিংসকে নেতৃত্ব দিতে নামেন শিখর ধাওয়ান। টস ভাগ্য এদিন সহায় ছিল না পাঞ্জাব কিংসের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়কের। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন টসে জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান। ভুবনেশ্বর কুমার, উমরান মালিকদের বলের সামনে এদিন দাঁড়াতেই পারেননি পাঞ্জাব কিংসের ব্যাটাররা। ধ্বংসস্তুপের ওপর দাঁড়িয়ে একা লড়াই করেন লিয়াম লিভিংস্টোন। শেষ ওভারে মেডেনসহ ৩ উইকেট নিয়ে নজির গড়েন উমরান মালিক। ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় পাঞ্জাব কিংস। মাত্র ৮ রান করে ভুবনেশ্বরের বলে ফিরে যান ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক শিখর ধাওয়ান। মায়াঙ্ক আগরওয়ালের পরিবর্তে সুযোগ পাওয়া প্রভসিমরণ সিং মাত্র ১৪ রান করে আউট হন। জনি বেয়ারস্টো করেন ১২। জিতেশ শর্মাও (১১) রান পাননি। ৬১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় পাঞ্জাব কিংস। এরপর শাহরুখ খানকে নিয়ে রুখে দাঁড়ান লিভিংস্টোন। ২৮ বলে ২৬ রান করে ভুবনেশ্বরের বলে আউট হন শাহরুখ। লড়াই জারি রাখেন লিভিংস্টোন। শেষ পর্যন্ত ৩৩ বলে ৬০ রান করে ভুবনেশ্বরের বলে তিনি আউট হন। এদিন ভুবনেশ্বর ও উমরান মালিক তছনছ করে দেয় পাঞ্জাব কিংসের ব্যাটিং লাইনকে। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৫১ রানে অল আউট হয়ে যায় পাঞ্জাব কিংস। ২২ রানে ৩ উইকেট নেন ভুবনেশ্বর কুমার। ২৮ রানে ৪ উইকেট উমরান মালিকের। জয়ের জন্য ১৫২ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না পাঞ্জাব কিংসের কাছে। শুরুর দিকে রান তোলার গতি যথেষ্ট মন্থর ছিল। ৩ ওভারে ওঠে মাত্র ১৪। এরপরই ধাক্কা খায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। চতুর্থ ওভারের প্রথম বলেই উইলিয়ামসনকে (৩) তুলে নেন কাগিসো রাবাডা। এরপর সানরাইজার্সকে টেনে নিয়ে যান অভিষেক শর্মা ও রাহুল ত্রিপাঠী। ২২ বলে ৩৪ রান করে রাহুল চাহারের বলে আউট হন রাহুল ত্রিপাঠী। ২৫ বলে ৩১ রান করে ফেরেন অভিষেক শর্মা। তিনিও রাহুল চাহারের শিকার। ৭৭ রানে ৩ উইকেট হারালেও চাপে পড়েনি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন এইডেন মার্করাম (২৭ বলে অপরাজিত ৪১) ও নিকোলাস পুরান (৩০ বলে অপরাজিত ৩৫)। ১৮.৫ ওভারে ৩ উইকেটে ১৫২ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ২৮ রানে ২ উইকেট নেন রাহুল চাহার।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
দেশ

কংগ্রেসে যোগ দিতে চলেছেন প্রশান্ত কিশোর?

কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করলেন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর। শনিবার দিল্লিতে সোনিয়া গান্ধী, মল্লকির্জুন খাড়গে সহ কংগ্রেসের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করলেন পিকে। সম্প্রতি পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে খারাপ ফল করেছে কংগ্রেস। ক্ষমতা হারিয়েছে পঞ্জাবে। এছাড়া সামনেই নির্বাচন রয়েছে গুজরাটে, তাছাড়া ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচন, নানা কারণেই এই বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় খারপ ফল করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তখন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রশান্ত কিশোরে দ্বারস্থ হয়েছিল। তারপরই তৃণমূলের কৌশল রচনার দায়িত্ব নেন পিকে। আই প্যাকের সঙ্গে জনসংযোগের নানান পন্থা অবলম্বন করে তৃণমূল। তার ফল পায় ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে। ২১৩টি আসনে জয় পেয়ে তৃতীয়বারের জন্য রাজ্যে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল। পরবর্তীতে ফের আইপ্যাকের সঙ্গে তৃণমূলের চুক্তি হয়েছে। সম্প্রতি নজরুল মঞ্চে তৃণমূল কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে হাজির ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। তৃণমূলের সঙ্গে পিকের মত-বিরোধের জল্পনার অবসান হয়। সেই ভোটকুশলী এবার দিল্লিতে বৈঠক করছেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কী তিনি কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন? নাকি আগামি নির্বাচনগুলিতে কংগ্রেসের হয়ে ভোটের কৌশল রচনা করার দায়িত্ব নিচ্ছেন প্রশান্ত কিশোর? আগামিদিন এই প্রশ্নের জবাব মিলবে।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রোহিতের ১০ হাজারী মাইলস্টোনেও দুঃস্বপ্ন কাটল না মুম্বইয়ের

চলতি আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের দুঃস্বপ্ন চলছেই। টানা ৫ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। অথচ এখনও জয়ের মুখ দেখল না। বুধবার পাঞ্জাব কিংসের কাছে হারল ১২ রানে। দল এখনও জয় না পেলেও টি২০ ক্রিকেটে ১০ হাজার রানের মাইলস্টোনে পোঁছে গেলেন মুম্বই অধিনায়ক রোহিত শর্মা। বিরাট কোহলির পর দ্বিতীয় ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন। টি২০ ক্রিকেটে ১০ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছতে রোহিত শর্মার দরকার ছিল ২৫ রান। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ইনিংসের চতুর্থ ওভারে কাগিসো রাবাডার তৃতীয় বল ডিপ এক্সট্রা কভারের ওপর দিয়ে গ্যালারিতে পাঠিয়ে টি২০ ক্রিকেটে ১০ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছন রোহিত। ১৭ বলে ২৮ রান করেন রোহিত। এদিন ২৮ রান করায় টি২০ ক্রিকেটে তাঁর মোট রান হল ১০০০৩। বিরাট কোহলির রান ১০৪৯৯।মঙ্গলবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে চেন্নাই সুপার কিংস প্রথম জয় পেয়েছিল চেন্নাই। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অবশ্য এখনও জয়ের মুখ দেখল না। পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট স্টেডিয়ামের মাঠে এদিন টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান রোহিত। দারুণ শুরু করেছিলেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও শিখর ধাওয়ান। ওপেনিং জুটিতে ৯.৩ ওভারে দুজনে তোলেন ৯৭। শুরুর দিকে শিখরের তুলনায় বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে এদিন প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন মুরুগান অশ্বিন। মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে তিনি তুলে নেন। ৩২ বলে ৫২ রান করে সূর্যকুমার যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে তিনি আউট হন। তিন নম্বরে নামা জনি বেয়ারস্টো (১৩ বলে ১২) রান পাননি। তাঁকে ফেরান জয়দেব উনাদকাত। লিয়াম লিভিংস্টোন ৩ বলে ২ রান করে যশপ্রীত বুমরার বলে বোল্ড হন। অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালের পাশাপাশি দুরন্ত ব্যাট করেন শিখর ধাওয়ান। ৫০ বলে ৭০ রান করে তিনি বাসিল থাম্পির বলে কায়রন পোলার্ডের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শিখর ধাওয়ানের ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও তিনটি ৬। শেষদিকে ঝড় তোলেন জিতেশ শর্মা। ২টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ১৫ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ৬ বলে ১৫ রান করেন শাহরুখ খান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে তুলল ১৯৮। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে বাসিল থাম্পি ৪৭ রানে ২টি, জয়দেব উনাদকাত ৪৪ রানে ১টি, যশপ্রীত বুমরা ২৮ রানে ১টি, মুরুগান অশ্বিন ৩৪ রানে ১টি উইকেট নেন। জয়ের জন্য ১৯৯ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় মুম্বই। ঝড় তুলেও চতুর্থ ওভারে ফিরে যান রোহিত শর্মা। পরের ওভারে ঈশান কিশানকে (৩) তুলে নিয়ে মুম্বইকে চাপে ফেলে দেন বৈভব আরোরা। এরপর ঝড় তোলেন বেবি এবি ডিওয়াল্ড ব্রেভিস। ১০ ওভারে ১০৫/২ রানে পৌঁছে যায় মুম্বই। ওডিয়েন স্মিথের বলে ব্রেভিস ফিরতেই রানের গতি কমে যায় মুম্বইয়ের। ৪টি চার ও ৫টি ছয়ের সাহায্যে ২৫ বলে ৪৯ রান করেন ব্রেভিস। ১ ওভার পরেই রান আউট হন তিলক ভার্মা। ২০ বলে তিনি করেন ৩৬। পরপর ব্রেভিস ও তিলক ভার্মা আউট হলেও পোলার্ড ও সূর্যকুমার যাদব মুম্বইয়ের জয়ের আশা জাগিয়েছিলেন। পোলার্ড (১১ বলে ১০) রান আউট হতেই চাপে পড়ে যায় মুম্বই। সূর্যকুমার ঝড় তুলে দলকে প্রথম জয় এনে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু রাবাডাকে তুলে মারতে গিয়ে লং অনে ওডিয়েন স্মিথের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৩০ বলে ৪৩ রান করেন সূর্যকুমার। শেষ ওভারে উনাদকাত (৭ বলে ১২), বুমরা (০) ও টাইমল মিলসকে (০) তুলে নেন স্মিথ (৪/৩০)। মুমইয়ের ইনিংস থেমে যায় ১৮৬/৯ রানে।

এপ্রিল ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রোহিতদের প্রথম জয়ের সামনে বড় প্রাচীর তুলে দিলেন শিখর–মায়াঙ্ক

সবথেকে দুই সফল দলের কাছে এবারে আইপিএল অভিযান ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। প্রথম ৪টি ম্যাচেই টানা হারতে হয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে। মঙ্গলবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে প্রথম জয় তুলে নিয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স কি পারবে বুধবার চলতি আইপিএলে প্রথম জয় তুলে নিতে? রোহিত শর্মাদের কাছে কিন্তু চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল পাঞ্জাব কিংস। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে তুলল ১৯৮। জয়ের জন্য রোহিত শর্মাদের করতে হবে ১৯৯। টার্গেট কিন্তু যথেষ্ট কঠিন। পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট স্টেডিয়ামের মাঠে এদিন টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। রমমদীপ সিংয়ের পরিবর্তে এদিন টাইমল মিলসে প্রথম একাদশে সুযোগ দেয় মুম্বই। যদিও ইংল্যান্ডের এই বাঁহাতি জোরে বোলার পাঞ্জাব কিংসের ওপেনারদের বিরুদ্ধে এদিন তেমন সুবিধা করতে পারেননি। দারুণ শুরু করেছিলেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও শিখর ধাওয়ান। ওপেনিং জুটিতে ৯.৩ ওভারে দুজনে তোলেন ৯৭। শুরুর দিকে শিখরের তুলনায় বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে এদিন প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন মুরুগান অশ্বিন। মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে তিনি তুলে নেন। ৩২ বলে ৫২ রান করে সূর্যকুমার যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে তিনি আউট হন। তিন নম্বরে নামা জনি বেয়ারস্টো ৎ বলে ১২) রান পাননি। তাঁকে ফেরান জয়দেব উনাদকাত। লিয়াম লিভিংস্টোন ৩ বলে ২ রান করে যশপ্রীত বুমরার বলে বোল্ড হন। অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালের পাশাপাশি দুরন্ত ব্যাট করেন শিখর ধাওয়ান। ৫০ বলে ৭০ রান করে তিনি বাসিল থাম্পির বলে কায়রন পোলার্ডের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শিখর ধাওয়ানের ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও তিনটি ৬। শেষদিকে ঝড় তোলেন জিতেশ শর্মা। ২টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ১৫ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ৬ বলে ১৫ রান করেন শাহরুখ খান। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে বাসিল থাম্পি ৪৭ রানে ২টি, জয়দেব উনাদকাত ৪৪ রানে ১টি, যশপ্রীত বুমরা ২৮ রানে ১টি, মুরুগান অশ্বিন ৩৪ রানে ১টি উইকেট নেন।

এপ্রিল ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডুপ্লেসির বড় রান সত্ত্বেও হার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের, নায়ক অখ্যাত ক্যারিবিয়ান

এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে ফাফ ডুপ্লেসির জন্য দারুণভাবে ঝাঁপিয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর টিম ম্যানেজমেন্ট। একজন দক্ষ বিদেশি ব্যাটারের পাশাপাশি নেতৃত্বের দায়িত্বও সামলাতে পারবেন। প্রথম ম্যাচেই টিম ম্যানেজমেন্টের প্রত্যাশাপূরণ করলেন ফাফ ডুপ্লেসি। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে বড় ইনিংস গড়তে পেরেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর। ২০ ওভারে তুলেছিল ২০৫/৪। তা সত্ত্বেও পাঞ্জাব কিংসের কাছে হারতে হল ৫ উইকেটে। শেষদিকে ঝড় তুলে পাঞ্জাবকে জয় এনে দিলেন ওডিয়েন স্মিথ। টস জিতে এদিন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরকে ব্যাট করতে পাঠান পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। দারুণ শুরু করে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৫০। রাহুল চাহারের বলে অনুজ রাওয়াত (২০ বলে ২১) ফিরে যাওয়ার পর বর্তমান অধিনায়কের সঙ্গে হাল ধরেন প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ডুপ্লেসি ও কোহলি মিলে ঝড় তোলেন। জুটিতে ওঠে ১১৮। ৫৭ বলে ৮৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন ডুপ্লেসি। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৩টি ৪ ও ৭টি ৬। ২৯ বলে ৪১ রান করে অপরাজিত থাকেন বিরাট কোহলি। ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন দীনেশ কার্তিক। ১৪ বলে ৩২ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে ২ উইকেটে ২০৫ তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর।পাঞ্জাব কিংসও শুরুটা খারাপ করেনি। ওপেনিং জুটিতে ৭ ওভারে ৭১ রান তুলে ফেলেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও শিখর ধাওয়ান। ২৪ বলে ৩২ রান করে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার বলে আউট হন মায়াঙ্ক। তবে রানের গতি কমেনি। ভানুকা রাজাপক্ষের ঝড়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বোলাররা। ১১.২ ওভারে শিখর ধাওয়ানের (২৯ বলে ৪৩) উইকেট হারায় পাঞ্জাব কিংস। তাঁকে তুলে নেন হর্ষল প্যাটেল। তবে দলকে সবথেকে বড় ব্রেক থ্রু এনে দেন মহম্মদ সিরাজ। প্রথম স্পেলে প্রচুর রান দিলেও দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসে পরপর ২ বলে তুলে নেন বিধ্বংসী রাজাপক্ষকে (২২ বলে ৪৩) ও রাজ বাওয়াকে (০)। পরপর দু উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল পাঞ্জাব কিংস। কিন্তু শাহরুখ খান (২০ বলে অপরাজিত ২৪) ও ওডিয়েন স্মিথের (৮ বলে অপরাজিত ২৫) ঝোড়ো ব্যাটিং ৬ বল বাকি থাকতেই জয় এনে দেয় পাঞ্জাবকে (২০৮/৫)।

মার্চ ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

IPL Match : মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে প্লে অফের লড়াইয়ে রাখলেন হার্দিক পান্ডিয়া

পাঞ্জাব কিংস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স মুখোমুখি হওয়ার আগে দুই দলের ওপর চাপ বাড়িয়ে দিয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জয়। নাইট রাইডার্স জিতে যাওয়ায় প্লে অফে ওঠার লড়াইয়ে ম্যাচ রোহিত ও রাহুল দুজনের দলের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পাঞ্জাব কিংসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে দারুণ ভাবে টিকে রইল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ঘাড়ে চোটের জন্য এই ম্যাচে খেলতে পারেননি মায়াঙ্ক আগরওয়াল। তাঁর পরিবর্তেন প্রথম একাদশে সুযোগ পান মনদীপ সিং। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে ওপেন করতে নেমে ১৪ বলে ১৫ রান করে আউট হন মনদীপ। তাঁকে ফেরান ক্রুনাল পান্ডিয়া। এরপর দুবলের মধ্যে ক্রিস গেইল ও লোকেশ রাহুলকে তুলে নেন কিয়েরণ পোলার্ড। ৪ বলে ১ রান করে আউট হন গেইল। ২১ বলে ২২ রান করে আউট হন লোকেশ রাহুল। নিকোলাস পুরাণকে (৩ বলে ২) তুলে নিয়ে পাঞ্জাব কিংসকে আরও চাপে ফেলে দেন যশপ্রীত বুমরা। ৭.৩ ওভারের মধ্যে ৪৮ রানে ৪ উইকেট হারায় পাঞ্জাব কিংস। এরপর পঞ্চম উইকেট জুটিতে ৬১ রান যোগ করেন এইডেন মার্করাম ও দীপক হুডা। ২৯ বলে ৪২ রান করে রাহুল চাহারের বলে বোল্ড হন মার্করাম। তিনি ৬টি বাউন্ডারি মারেন। ১৫.২ ওভারে ১০৯ রানের মাথায় পঞ্চম উইকেট পড়ে পাঞ্জাব কিংসের। দীপক হুডা ২৬ বলে ২৮ রান করে আউট হন। হরপ্রীত ব্রার ১৯ বলে ১৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৩৫ তোলে পাঞ্জাব কিংস। পোলার্ড ৮ রানে ২টি এবং বুমরা ২৪ রানে ২ উইকেট নেন। জয়ের জন্য ১৩৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ১৬ রানের মাথায় আউট হন রোহিত শর্মা (৮)। তাঁকে তুলে নেন রবি বিষ্ণোই। পরের বলেই ফেরান সূর্যকুমার যাদবকে (০)। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান কুইন্টন ডিকক ও সৌরভ তেওয়ারি। ২৭ বলে ২৯ রান করে মহম্মদ সামির বলে আউট হন ডিকক। ইশান কিশানের জায়গায় সুযোগ পেয়ে নিজেকে মেলে ধরেন সৌরভ তেওয়ারি। হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে জুটি বেঁধে তোলেন ৩১। এই জুটিই মুম্বইকে জয়ের দিকে এগিয়ে দিয়েছিল। ৩৭ বলে ৪৫ রান করে নাথান এলিসের বলে আউট হন সৌরভ। এরপর দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন হার্দিক পান্ডিয়া (৩০ বলে অপরাজিত ৪০) ও কিয়েরণ পোলার্ড (৭ বলে অপরাজিত ১৫)। ১৯ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৩৭ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় মুম্বই।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL : কাজে এল না অর্শদীপের দুরন্ত বোলিং, শেষ ওভারে নাটকীয় জয় রাজস্থান রয়্যালসের

আইপিএলের প্রথম পর্বে চমকে দিয়েছিলেন পাঞ্জাব কিংসের অর্শদীপ সিং। দ্বিতীয় পর্বেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন। তাঁর দুরন্ত বোলিং কাজে এল না। শেষ ওভারে ২ উইকেট তুলে নিয়ে রাজস্থান রয়্যালসকে ২ রানে নাটকীয় জয় এনে দিলেন কার্তিক ত্যাগী।প্রথম সাক্ষাতে হাই স্কোরিং ম্যাচে রান তাড়া করতে গিয়ে মাত্র ৪ রানে পাঞ্জাব কিংসের কাছে হেরেছিল রাজস্থান রয়্যালস। ফিরতি সাক্ষাতেও হার। দুবাইয়ে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে লোকেশ রাহুলদের দিকে চ্যালেঞ্জিং টার্গেটই ছুড়ে দেয় সঞ্জু স্যামসনের দল। ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের বিধ্বংসী ফর্মে ছিলেন এভিন লুইস। আইপিএলে সেই ফর্ম ধরে রেখে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে আইপিএলে প্রথমবার খেলতে নেমে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন। যোগ্য সঙ্গ দেন যশস্বী জয়সওয়াল। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৫৪। সাতটি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে ২১ বলে ৩৬ রান করে আউট হন লুইস। আইপিএলের অভিষেক ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসের অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনকে (৪) ফেরান ঈশান পোড়েল। ৭.১ ওভারে ৬৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় রাজস্থান রয়্যালস। ১১.৫ ওভারে অর্শদীপ সিংয়ের বলে ১৭ বলে ২৫ করে আউট হন লিয়াম লিভিংস্টোন। রাজস্থান রয়্যালসের তৃতীয় উইকেট পড়ে ১১৬ রানের মাথায়। ১৫তম ওভারের দ্বিতীয় বলে হরপ্রীত ব্রারের বলে যশস্বীর ক্যাচ ধরেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ৩৬ বলে ৪৯ করেন যশস্বী।আরও পড়ুনঃ নাসাফের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে সতর্ক হাবাসএকসময় মনে হচ্ছিল ২০০ রানের গন্ডি টপকে যাবে রাজস্থান রয়্যালস। কিন্তু ডেথ ওভারে মহম্মদ সামি, অর্শদীপ সিংরা ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠায় তা সম্ভব হয়নি। ১২ রানের মধ্যে চারটি উইকেট পড়ে রাজস্থান রয়্যালসের। ১৭তম ওভারের তৃতীয় বলে শামি রিয়ান পরাগকে ব্যক্তিগত চার রানে প্যাভিলিয়নে ফেরান। ১৮তম ওভারের প্রথম বলে অর্শদীপ সিংয়ের বলে এইডেন মার্করামের হাতে ক্যাচ দিয়ে মহীপাল লোমরর আউট হওয়ার আগে করেন ১৭ বলে ৪৩। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ২টি চার ও চারটি ছক্কা। ১৯তম ওভারে বল করতে এসে শামি প্রথম বলে রাহুল তেওয়াটিয়া ও পঞ্চম বলে আইপিএলের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার ক্রিস মরিসকে প্যাভিলিয়নে ফেরান। তেওয়াটিয়া বোল্ড হন, মরিসের ক্যাচ ধরেন মার্করাম। চার ওভারে ২১ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট নিয়ে পাঞ্জাব কিংসের হয়ে ৫০তম আইপিএল উইকেট পান সামি। ৩২ রানে ৫ উইকেট নেন অর্শদীপ। ২০ ওভারে ১৮৫ রানে থেমে যায় রাজস্থান।আরও পড়ুনঃ নিজেকে প্রমাণ করার দারুণ সুযোগ ঋদ্ধিমানের সামনেজয়ের জন্য ১৮৬ রানের লক্ষ্য খুব একটা সহজ ছিল না পাঞ্জাব কিংসের কাছে। দারুণ শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ১২০। লোকেশ রাহুল ও মায়াঙ্ক আগরওয়াল ভিত তৈরি করে দেন। ৩৩ বলে ৪৯ রান করে চেতন সাকারিয়ার বলে আউট হন রাহুল। তিনবার জীবন পেয়ে তিনি এই রান করেন। পরের ওভারেই রাহুল তেওয়াটিয়ার বলে লিভিংস্টোনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। তিনি ৪৩ বলে করেন ৬৭। পরপর ২ উইকেট হারালেও চাপে পড়েনি পাঞ্জাব কিংসে। নিকোলাস পুরান ২২ বলে করেন ৩২। কার্তিক ত্যাগীর বলে তিনি সঞ্জু স্যামসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এদিন ক্রিস গেইলের পরিবর্তে ফর্মে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার এইডেন মার্করামকে খেলায় পাঞ্জাব। তিনি হতাশ করেননি। দলকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দিয়েছিলেন এইডেন মার্করাম (২০ বলে অপরাজিত ২৬)। শেষ ওভারে পাঞ্জাবের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৪ রান। কার্তিক ত্যাগী ১ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে নিয়ে দলকে অবিশ্বাস্য জয় এনে দেন। ২০ ওভারে ১৮৩/৪ তোলে পাঞ্জাব।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
রাজ্য

'দ্বন্দ্ব' মেটাতে জিতেন্দ্র তিওয়ারির সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ফিরহাদ, থাকতে পারেন পিকেও

দ্বন্দ্ব মেটাতে আসানসোল পুরসভার প্রধান প্রশাসক জিতেন্দ্র তিওয়ারির সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে জিতেন্দ্রর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন ফিরহাদ। এই বৈঠকে তৃণমূলের ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরও উপস্থিত থাকতে পারেন। জানা গিয়েছে, এদিন ফিরহাদের সঙ্গে ফোনে কথা হয় জিতেন্দ্রর। মঙ্গলবারের বৈঠকে যোগ দিতে তিনি কলকাতায় আসবেন বলে জানিয়েছেন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্য সরকারি কর্মীদের জানুয়ারি থেকেই মিলবে ডিএ উল্লেখ্য, গোটা ঘটনার সূত্রপাত রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে পাঠানো জিতেন্দ্র তিওয়ারির এক চিঠিকে ঘিরে। সোমবার প্রকাশ্যে এসেছে সেই চিঠি। এই চিঠিতে আসানসোলের প্রধান প্রশাসক তথা দাপুটে তৃণমূল নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় সরকারের স্মার্ট সিটি প্রকল্পের জন্য মনোনীত হয়েছিল আসানসোল। কিন্তু রাজ্য সরকার তাতে অনুমোদন না দেওয়ায় ওই প্রকল্পের ২ হাজার কোটি টাকা পায়নি আসানসোল পুরসভা। রাজনৈতিক কারণেই ওই প্রকল্পের সুবিধা নিতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন জিতেন্দ্র। জিতেন্দ্রর এই চিঠির প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেছেন, বিজেপির কেউ হয়তো ওকে ভুল বোঝাচ্ছে। ও গ্যাস খেয়ে এসব বলছে। আগে ওঁর সাথে আমার বহুবার কথা হয়েছে, ওদের ওখানে গিয়েছি। তখন ও আমায় কিছু বলেনি। জল প্রকল্পের জন্য অনেক টাকা দেওয়া হয়েছে আসানসোল পুরসভাকে, তা নিয়ে ও কেন কিছু বলছে না। এর পাল্টা আবার মুখ খুলেছেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। বলেছেন, বিজেপির সঙ্গে হয়তো পুরমন্ত্রীর যোগাযোগ রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেমন ওনার নেত্রী তেমনই আমারও নেত্রী। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া আর কারও কথা শুনব না। প্রয়োজনে আসানসোল পুরসভার পদ ছাড়তেও রাজি। উনি কী ইমরান খানের কথা শুনে চলছেন? আমার লেখা গোপন চিঠি এভাবে প্রকাশ্যে নিয়ে আসা হল কেন?

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০
টুকিটাকি

রূপচর্চায় মিষ্টি কুমড়ার ৪ ফেসপ্যাক

মিষ্টি কুমড়া খেতে পছন্দ করেন অনেকেই। তবে কেবল খাদ্য হিসেবে নয়, রূপচর্চায়ও বেশ কার্যকর এটি। বিশেষ করে ত্বক থেকে বলিরেখা দূর করতে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে এর জুড়ি নেই। রূপচর্চায় মিষ্টি কুমড়া ব্যবহারের কিছু নির্দিষ্ট উপায় রয়েছে। চলুন সেটা জেনে নিই। আধা কাপ মিষ্টি কুমড়ার পেস্টের সঙ্গে যোগ করুন ২ চা চামচ মধু, ১টি ডিম ও ১ চা চামচ গোলাপজল। এবার মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর কুসুম গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মিষ্টি কুমড়ার পেস্ট নিন ২ চা চামচ। এর সঙ্গে মেশান ২ চা চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনেগার ও ১ চা চামচ চিনি। মিশ্রনটি ত্বকে পুরু করে লাগান। আধঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। আরও পড়ুন ঃ ডিম খেয়ে কমতে পারে ওজন , কীভাবে জেনে নিন ! দুই চা চামচ মিষ্টি কুমড়ার পেস্ট, ১ চা চামচ মুলতানি মাটি ও ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। ফেসপ্যাকটি ত্বকে লাগিয়ে শুকিয়ে যাওয়া অব্দি অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। দেড় চা চামচ দুধের সরের সঙ্গে সমপরিমাণ মিষ্টি কুমড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এর সঙ্গে যোগ করুন ২ চা চামচ চিনি। ফেসপ্যাকটি ২০ মিনিট ত্বকে লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
কলকাতা

সাইবার সেলের দ্বারস্থ সাংসদ নুসরত

কলকাতা পুলিশের সাইবার সেলের দ্বারস্থ হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ নুরসরত জাহান রুহি। ফ্যান্সি ইউ নামের একটি ভিডিও চ্যাট অ্যাপের বিজ্ঞাপনে নুসরতের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। এটা নজরে আসতেই সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর নুসরত টুইটে লেখেন, এভাবে সম্মতি ছাড়া ছবি ব্যবহার একেবারেই মেনে নেওয়া যায় না। কলকাতা পুলিশের সাইবার সেলকে বিষয়টি দেখার জন্য অনুরোধ করছি। আইনি পথে বিষয়টি নিয়ে যত দূর যেতে হয় যাব।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

“সব তথ্য আমার কাছে আছে!” নানুরে মমতার বিস্ফোরক দাবি, তীব্র আক্রমণ বিজেপিকে

বীরভূমের নানুরে নির্বাচনী জনসভা থেকে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটার তালিকা সংশোধন ও ভুয়ো ভোটার অন্তর্ভুক্তি নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপিকে একযোগে নিশানা করেন তিনি।সভা থেকে মমতা অভিযোগ করেন, ফর্মের মাধ্যমে বাইরের লোকদের ভোটার তালিকায় ঢোকানোর চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, এই বিষয়ে তাঁর কাছে সব তথ্য রয়েছে এবং কে কতজনকে ঢুকিয়েছে, তা তিনি জানেন। তিনি আরও বলেন, সময় এলেই সব তথ্য প্রকাশ্যে আসবে।ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, নাম তোলার জন্য বহু মানুষকে লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে এবং এতে প্রবীণদেরও কষ্ট হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, এই প্রক্রিয়ার কারণে বহু মানুষ সমস্যার মুখে পড়েছেন।এদিন ভাষা ও পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কেউ বাংলা ভাষায় কথা বললেই তাকে অনুপ্রবেশকারী বলা হচ্ছে কেন। সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব কার, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।সভা থেকে রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে বিজেপির অবস্থা খুব খারাপ হবে। যতই বাইরে থেকে নজরদারি বাড়ানো হোক, তার কোনও লাভ হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।নানুরের সভার পর এদিনই মুর্শিদাবাদের আরও দুটি জায়গায় জনসভা করার কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। ভোটের আগে এই সভাগুলি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
বিদেশ

কোথায় মোজতবা? একমাস পরও দেখা নেই, জল্পনার মাঝেই রুশ দূতের বড় দাবি

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে। মোজতবা খামেনেই দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় এক মাস কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত তিনি জনসমক্ষে আসেননি। এর ফলে তাঁর জীবিত থাকা নিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে।এই পরিস্থিতিতে এক রুশ কূটনীতিক দাবি করেছেন, মোজতবা খামেনেই সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন এবং ইরানেই রয়েছেন। তিনি জানান, নিরাপত্তার কারণে এবং বিশেষ পরিস্থিতিতে তিনি জনসমক্ষে আসছেন না। যদিও ঠিক কী কারণে তিনি আড়ালে রয়েছেন, তা স্পষ্ট করে বলা হয়নি।মনে করা হচ্ছে, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তিনি প্রকাশ্যে আসতে পারেন। তবে তিনি সামনে না এলেও তাঁর বার্তা বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এবং তা দেশের সরকারি সম্প্রচার মাধ্যমেও তুলে ধরা হয়েছে।সম্প্রতি মার্কিন ও ইজরায়েলি হামলায় প্রয়াত হন ইরানের প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। এরপর তাঁর পুত্র মোজতবাকে নতুন নেতা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে সেই ঘটনার পর থেকেই গুজব ছড়াতে শুরু করে যে তিনিও হয়তো হামলায় আহত বা নিহত হয়েছেন।কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, তিনি গুরুতর আহত এবং বিদেশে চিকিৎসাধীন। এমনকী রাশিয়ায় তাঁর চিকিৎসা চলছে বলেও খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে সেই সব জল্পনাকে উড়িয়ে দিয়ে এবার রুশ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, তিনি ইরানেই আছেন এবং সুস্থ রয়েছেন।এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলা যুদ্ধ পরিস্থিতিও এখন নতুন মোড় নিচ্ছে। প্রায় এক মাস ধরে চলা সংঘর্ষের পর যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত মিলছে বলে মনে করা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই সামরিক অভিযান বন্ধ হতে পারে।এই পরিস্থিতিতে মোজতবা খামেনেইকে ঘিরে রহস্য কবে কাটবে, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
দেশ

হু হু করে বাড়ছে বিমানের জ্বালানির দাম! এবার আকাশপথে ভ্রমণ হবে আরও ব্যয়বহুল

আকাশপথে ভ্রমণ এবার আরও ব্যয়বহুল হতে চলেছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে হঠাৎ করেই বেড়ে গিয়েছে বিমানের জ্বালানির দাম। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে চলেছে বিমান সংস্থাগুলির উপর এবং তার ফলে যাত্রীদেরও বেশি টাকা খরচ করতে হবে।দেশের বিভিন্ন শহরে জ্বালানির দামে বড়সড় বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। রাজধানী দিল্লিতে এই দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। সেখানে প্রতি কিলোলিটারের দাম এক লাফে দুই লক্ষ টাকারও বেশি হয়ে গেছে। গত মাসে যেখানে এই দাম ছিল এক লক্ষ টাকারও কম, সেখানে এক মাসের মধ্যেই এই বিশাল বৃদ্ধি নজরে পড়েছে।শুধু দিল্লি নয়, কলকাতাতেও জ্বালানির দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। মার্চ মাসে যেখানে দাম ছিল প্রায় নিরানব্বই হাজার টাকা, এখন তা বেড়ে দুই লক্ষ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। চেন্নাইতেও দাম দুই লক্ষ টাকার বেশি হয়েছে। মুম্বইতে তুলনামূলকভাবে দাম কিছুটা কম হলেও সেখানেও উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়েছে।এই হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিমান সংস্থাগুলির খরচ অনেকটাই বেড়ে যাবে। ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই বিমানের টিকিটের দামও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। যাঁরা নিয়মিত বিমান যাত্রা করেন, তাঁদের জন্য এটি বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগেও জ্বালানির দাম কিছুটা বেড়েছিল, তবে এই প্রথম এত বড়সড় বৃদ্ধি দেখা গেল। প্রথমবারের মতো বিমানের জ্বালানির দাম দুই লক্ষ টাকার সীমা ছাড়িয়ে গেল।এই পরিস্থিতিতে আগামী দিনে বিমান ভাড়া কতটা বাড়বে, সেদিকেই এখন নজর সকলের।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
রাজ্য

সাত এপ্রিলেই সব পরিষ্কার! ভোটার তালিকা নিয়ে বড় আশ্বাস, সন্তুষ্ট শীর্ষ আদালত

ভোটের আগে বড় স্বস্তির খবর এল আদালত থেকে। বিবেচনাধীন থাকা সমস্ত ভোটারের নাম খুব দ্রুত নিষ্পত্তি করা হবে বলে জানিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই আশ্বাসে সন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্টও।বুধবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির একটি চিঠি তুলে ধরা হয়। সেই চিঠিতে জানানো হয়েছে, আগামী সাত এপ্রিলের মধ্যেই সব বিবেচনাধীন নামের নিষ্পত্তি সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। এই বক্তব্য শুনে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত।এদিন আদালতে জানানো হয়, মোট প্রায় ষাট লক্ষ নামের মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় সাতচল্লিশ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। প্রতিদিন প্রায় দুই লক্ষ করে নাম যাচাই ও নিষ্পত্তি করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।এর আগে এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল, ভোটের আগে এত বিপুল সংখ্যক নামের নিষ্পত্তি আদৌ সম্ভব কি না। বিশেষ করে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ঘনিয়ে আসায় উদ্বেগ বাড়ছিল। তবে এদিন আদালতে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।সুপ্রিম কোর্ট জানায়, হাই কোর্টের এই অগ্রগতিতে তারা সন্তুষ্ট এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব কাজ শেষ হবে বলে তারা আশা করছে।এছাড়াও আদালত জানিয়েছে, খুব শীঘ্রই ট্রাইবুনালের কাজও শুরু হবে। বৃহস্পতিবার থেকেই ট্রাইবুনাল কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। এর আগে বুধবার প্রাক্তন বিচারপতিদের প্রশিক্ষণের কাজ শুরু হবে।এই সিদ্ধান্তের ফলে ভোটার তালিকা নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
কলকাতা

মহুয়ার মন্তব্যে অস্বস্তিতে দল! গুজরাটিদের ক্ষোভ, সামনে এল মমতার ক্ষমা প্রার্থনা

ভোটের আগে নতুন করে বিতর্কে জড়াল শাসক দল। দলের সাংসদ মহুয়া মৈত্রের একটি মন্তব্য ঘিরে অস্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস। গুজরাটি সম্প্রদায়কে নিয়ে তাঁর মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই ভবানীপুরে বসবাসকারী গুজরাটি মানুষদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়ায়।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলেরই এক কাউন্সিলর প্রকাশ্যে ওই মন্তব্যের নিন্দা করেন। তিনি জানান, এই ধরনের মন্তব্য দলের অবস্থান নয় এবং সাংসদ নিজের মতেই তা বলেছেন। একইসঙ্গে গুজরাটি সম্প্রদায়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনাও করা হয় তাঁর তরফে।এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বার্তাও সামনে আনা হয়। সেই বার্তায় তিনি গুজরাটি ভাই-বোনেদের কাছে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি জানান, এই মন্তব্য দল সমর্থন করে না এবং বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সাংসদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। এই ধরনের মন্তব্যের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।কয়েকদিন আগে এক সাংবাদিক বৈঠকে স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে মহুয়া মৈত্র মন্তব্য করেছিলেন, যেখানে তিনি বাঙালিদের অবদানের কথা তুলে ধরতে গিয়ে গুজরাটিদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর সেই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক।ঘটনার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়তে থাকে। ভবানীপুরের একটি বড় অংশ গুজরাটি সম্প্রদায়ের মানুষ নিয়ে গঠিত হওয়ায় বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। জানা যায়, অতীতের নির্বাচনে এই এলাকায় তৃণমূল খুব একটা ভালো ফল করতে পারেনি।রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের আগে যখন বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা চলছে, তখন এই ধরনের মন্তব্য উল্টো প্রভাব ফেলতে পারে। বিরোধী দল এই ইস্যুকে হাতিয়ার করতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে দ্রুত ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টা শুরু করেছে তৃণমূল। দলের তরফে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, এই মন্তব্য দল সমর্থন করে না এবং গুজরাটি সম্প্রদায়ের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
কলকাতা

ফর্ম নিয়ে তুমুল সংঘর্ষের পরও থামছে না উত্তেজনা! সিইও দপ্তরের সামনে আবার অবস্থান

ফর্ম নিয়ে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। মঙ্গলবারের সংঘর্ষের পর বুধবার সকালেও নির্বাচন দফতরের সামনে চাপা উত্তেজনা বজায় রয়েছে। সকাল থেকেই সেখানে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ধর্না ও অবস্থান শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় বিপুল সংখ্যায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।অভিযোগ, এক ব্যক্তি ব্যাগভর্তি ফর্ম নিয়ে নির্বাচন দফতরে ঢুকেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রচুর ফর্ম জমা দেওয়ার অভিযোগে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার নির্বাচন দফতরের সামনে দুই রাজনৈতিক দলের কর্মীদের মধ্যে বচসা চরমে ওঠে। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এরপর রাতেও দফতরের সামনে তৃণমূল কর্মীদের জমায়েত ও বিক্ষোভ চলতে থাকে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ আধিকারিকরা এসে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে বিক্ষোভকারীরা কিছুটা সরে যান।এই ঘটনার পর নির্বাচন কমিশনের তরফে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, এ ধরনের অসামাজিক কাজ কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক নয়। বুধবার সকাল থেকেই আবার দফতরের সামনে জমায়েত শুরু হয়েছে। পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।এদিকে রাতের ঘটনাকে ঘিরে নির্বাচন দফতরের শীর্ষ আধিকারিক ও পুলিশ প্রশাসনের মধ্যে বৈঠক হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।ফর্ম জমা দেওয়া নিয়ে এই বিতর্কে ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা ঘিরে বিস্ফোরক দাবি! একজনের হাতে হাজার হাজার আবেদন, প্রশ্নের মুখে প্রক্রিয়া

ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে শুনানির মাঝেই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হল। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে এদিন উঠে আসে বিপুল সংখ্যক ফর্ম জমা পড়ার বিষয়টি। রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, নির্বাচন কমিশনের দফতরে হঠাৎ করেই গুচ্ছ গুচ্ছ ফর্ম একসঙ্গে জমা পড়ছে।তিনি আদালতে বলেন, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হয়ে যাওয়ার পরও বিবেচনাধীন নামগুলির নিষ্পত্তির কাজ চলছে। এই পরিস্থিতিতে এত বড় সংখ্যায় আবেদন জমা পড়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। যদিও তিনি কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে দোষারোপ করেননি, তবে কেন এই সময়ে এত আবেদন জমা পড়ছে, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন।প্রধান বিচারপতি এই মন্তব্যের পর সতর্ক করে বলেন, অনুমানের ভিত্তিতে কোনও মন্তব্য করা উচিত নয়। এরপর নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী জানান, নিয়ম অনুযায়ী মনোনয়নের শেষ দিন পর্যন্ত আবেদন জমা দেওয়া যায়। এমনকি যাঁর সেদিনই আঠারো বছর পূর্ণ হচ্ছে, তিনিও আবেদন করার অধিকার রাখেন। তাই এই প্রক্রিয়ায় কাউকে বাধা দেওয়া সম্ভব নয়।শুনানির সময় আইনজীবী কপিল সিব্বল বলেন, এখানে সমস্যা হচ্ছে একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক আবেদন জমা পড়া। সেই প্রসঙ্গেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, একজন ব্যক্তিই নাকি কয়েক হাজার ফর্ম জমা দিয়েছেন। এই ঘটনায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।প্রধান বিচারপতি বলেন, এই ধরনের ঘটনা নতুন নয় এবং অতীতেও এমন নজির রয়েছে। তবে আবেদনকারীদের পরিচয় জানা না যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন আইনজীবীরা। তাঁদের দাবি, বুথভিত্তিকভাবে আবেদনকারীদের তালিকা প্রকাশ করা হলে অভিযোগ জানানো সহজ হবে।আদালত জানিয়ে দেয়, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে যারা আবেদন করেছেন, তাঁদের নাম বিবেচনা করা হবে। তবে নির্দিষ্ট সময়ের পরে আবেদন করলে নাম তালিকায় উঠলেও সেই নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার নাও থাকতে পারে।এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী জানান, তাঁদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী বিপুল সংখ্যক নাম তালিকায় যুক্ত হচ্ছে এবং অনেক নাম বাদও যাচ্ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।এরই মধ্যে মঙ্গলবার রাজ্যের নির্বাচন দফতরের বাইরে উত্তেজনা ছড়ায়। দুই রাজনৈতিক দলের কর্মীরা ফর্ম জমা দেওয়া নিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে এবং পরিস্থিতি সংঘর্ষে গড়ায়। মারধর, ধস্তাধস্তির অভিযোগ ওঠে দুই পক্ষের বিরুদ্ধেই। এক পক্ষের অভিযোগ, ফর্মের মাধ্যমে বাইরে থেকে লোক এনে ভোটার তালিকায় ঢোকানো হচ্ছে, অন্য পক্ষ সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।এই ঘটনায় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে এবং ভোটের আগে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
দেশ

দেশজুড়ে শুরু জনগণনা, কিন্তু বাদ পশ্চিমবঙ্গ! কেন এই ব্যতিক্রম? বাড়ছে জল্পনা

দেশজুড়ে আজ থেকে শুরু হল বহু প্রতীক্ষিত জনগণনা প্রক্রিয়া। এই জনগণনা হবে দুই ধাপে। এর সঙ্গে সঙ্গে শুরু হচ্ছে বাড়ি ও বাসস্থানের তথ্য সংগ্রহের কাজও। তবে এই প্রক্রিয়া আপাতত শুরু হচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গে, যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।জানা গিয়েছে, জনগণনা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি রাজ্য। এই বিষয়টি ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গকে জানানো হয়েছে বলে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি, জনগণনা সম্পূর্ণভাবে একটি কেন্দ্রীয় বিষয় এবং নির্ধারিত সময় অনুযায়ীই তা করা হবে।এইবারের জনগণনা সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতিতে করা হচ্ছে। নাগরিকদের নিজেদের তথ্য নিজেরাই নথিভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের বিস্তারিত তথ্য, বাড়ি ও সম্পত্তির বিবরণ দিতে হবে। এরপর সরকারি আধিকারিকরা বাড়িতে গিয়ে সেই তথ্য যাচাই করবেন। একবার তথ্য জমা হয়ে গেলে তা আর পরিবর্তন করা যাবে না।আজ থেকে শুরু হওয়া প্রথম ধাপ চলবে সেপ্টেম্বর মাসের শেষ পর্যন্ত। প্রথমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নাগরিকরা নিজেরাই তথ্য জমা দিতে পারবেন। তারপর সরকারি কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেই তথ্য যাচাই করবেন।এই প্রথমবার দেশের জনগণনা সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে করা হচ্ছে। নাগরিকরা নির্দিষ্ট পোর্টালে গিয়ে নিজেদের তথ্য জমা দিতে পারবেন এবং যাচাইয়ের জন্য একটি বিশেষ নম্বর পাবেন। পরে সরকারি কর্মীরা সেই নম্বরের ভিত্তিতে তথ্য মিলিয়ে দেখবেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১১ সালের পর এই প্রথম জনগণনা হচ্ছে। সাধারণত প্রতি দশ বছর অন্তর এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে তা সম্ভব হয়নি। এবারের জনগণনার জন্য বিপুল অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে দেশের অধিকাংশ জায়গায় জনগণনা শুরু হলেও পশ্চিমবঙ্গের বাইরে থাকা এই সিদ্ধান্ত নতুন করে প্রশ্ন তুলছে। কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে এই ইস্যুতে টানাপোড়েন আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal