• ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২, শুক্রবার ১৩ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Night Club

দেশ

থাইল্যান্ড থেকে ফেরত, এবার গোয়ায় নিয়ে যাওয়া হবে? পাতিয়ালা হাউসে লুথরা ভাইরা

গোয়ার রোমিও লেনের বার্চ নাইটক্লাবের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড মামলায় বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে গোয়া পুলিশ। থাইল্যান্ড থেকে দেশে ফেরত আনার পর সৌরভ লুথরা ও গৌরব লুথরা নামে দুই ভাইকে মঙ্গলবার দিল্লির পাতিয়ালা হাউস আদালতে পেশ করা হয়। গোয়া পুলিশ আদালতের কাছে ট্রানজিট রিমান্ড চেয়ে আবেদন জানাবে, যাতে অভিযুক্তদের গোয়ায় নিয়ে গিয়ে এই ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করা যায়।আদালতে গোয়া পুলিশ জোর দিয়ে বলবে যে, এই মামলার অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। অগ্নিকাণ্ডে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে। সেই কারণেই অভিযুক্তদের কোনওরকম ছাড় দেওয়া উচিত নয় বলে দাবি করবে পুলিশ। প্রসিকিউশনের তরফে আরও জানানো হবে, যে নাইটক্লাবটি প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই চলছিল। ক্লাবের একাধিক লাইসেন্স, যেমন লিভ এগ্রিমেন্ট এবং ট্রেড লাইসেন্স, আগেই মেয়াদ পেরিয়ে গিয়েছিল।পুলিশ আদালতে এ কথাও তুলে ধরবে যে, এর আগে দিল্লির রোহিণী আদালত অভিযুক্তদের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল। সেই সময় আদালত জানিয়েছিল, ঘটনার ভয়াবহতা অত্যন্ত বেশি এবং অভিযুক্তরা বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে। সেই কারণেই তাঁদের জামিন দেওয়া যায় না।গোয়া পুলিশ মনে করছে, লুথরা ভাইদের জেরা করলে অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে গাফিলতি ও বেআইনি কার্যকলাপের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে। তাই দ্রুত তাঁদের গোয়ায় নিয়ে গিয়ে তদন্ত শুরু করতে চায় পুলিশ।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
দেশ

থাইল্যান্ডে ধরা পড়ল ক্লাব-মালিক লুথরা ভাইরা, দেশে ফেরাতে ছুটছে গোয়া পুলিশ

গোয়ার বার্চ বাই রোমিও লেন ক্লাবে ভয়াবহ আগুনে ২৫ জনের মৃত্যুর ঘটনায় পালিয়ে যাওয়া ক্লাব-মালিক সৌরভ ও গৌরব লুথরা অবশেষে থাইল্যান্ডের ফুকেতে ধরা পড়েছেন। শনিবার রাতে সন্দেহজনক সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পরই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সেই ঘটনার প্রায় পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই দিল্লি থেকে ইন্ডিগো ফ্লাইটে থাইল্যান্ডে উড়ে যান দুই ভাই। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে লুক-আউট সার্কুলার ও ইন্টারপোল ব্লু নোটিস জারি হয়।ভারত টুডের হাতে পাওয়া এক্সক্লুসিভ ছবিতে দেখা গেছে, ফুকেতে একটি আটক কেন্দ্রে হাতকড়া পরানো অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন তাঁদের একজন। ভারতীয় পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার আগ পর্যন্ত তাঁরা সেখানেই থাকবেন। গোয়া পুলিশ খুব শীঘ্রই থাইল্যান্ডে গিয়ে তাঁদের হেফাজতে নিয়ে আসবে বলে সূত্রের খবর।পালানোর ঘটনায় আরও সন্দেহ তৈরি হয়, কারণ গোটা দেশে ইন্ডিগোর ফ্লাইট বাতিল ও দেরিতে চললেও তারা কোনওভাবে রাত ১টা ১৭ মিনিটে থাইল্যান্ডের টিকিট কেটে ফেলেছিলেন তখনই দমকল ও পুলিশ আগুন নেভাতে ব্যস্ত ছিল। পরে জানা যায়, আগুন লাগার পরপরই তাঁরা পালানোর প্রস্তুতি নেন।ধরা পড়ার আগে তাঁরা দিল্লির রোহিণী আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। তাঁদের দাবি ছিল, ক্লাবের দৈনন্দিন কাজে তাঁরা যুক্ত নন এবং তদন্ত সংস্থার বদলা নেওয়ার মনোভাব-এর শিকার হচ্ছেন। থাইল্যান্ড সফরকেও তাঁরা ব্যবসায়িক ভ্রমণ বলে দাবি করেছিলেন।গোয়া পুলিশের FIR-এ বলা হয়েছে, ক্লাবটিতে কোনও অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, অ্যালার্ম, ফায়ার সাপ্রেশন সিস্টেম বা অডিট ছিল না। ক্লাবের মালিক, ম্যানেজার ও ইভেন্ট অর্গানাইজাররা আগুন নিয়ে স্টান্ট শো করছিলেন, অথচ তাঁরা জানতেন এতে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ক্লাবে জরুরি নির্গমন পথও ছিল না, ফলে বহু অতিথি আগুনে আটকে পড়েন।গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ মাধব আগেই বলেছেন, লুথরা ভাইদের দ্রুত গ্রেফতার করে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। এর পরেই তাঁদের মালিকানাধীন আরও একটি বেআইনি ক্লাব শ্যাক ভেঙে ফেলে প্রশাসন।মঙ্গলবার ক্লাবের অপর সহ-মালিক অজয় গুপ্তাকেও দিল্লিতে আটক করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৫
দেশ

অগ্নিদগ্ধ নাইটক্লাবের রহস্য ফাঁস! অজয় গুপ্ত আটক, পুলিশের খুঁজে পাওয়া আরও তথ্য

গোয়ার আরপোরা এলাকার বিখ্যাত নাইটক্লাবটিতে আগুন লাগার ঘটনার তদন্তে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিশ। সম্প্রতি দিল্লি থেকে আটক করা হয়েছে নাইটক্লাবের অন্যতম মালিক অজয় গুপ্তকে। জানা যাচ্ছে, শীঘ্রই তাঁকে গোয়ায় নিয়ে যাওয়া হবে। এর আগে নাইটক্লাবের চিফ জেনারেল ম্যানেজার রাজীব মোদক, জেনারেল ম্যানেজার বিবেক সিং, বার ম্যানেজার রাজীব সিংহানিয়া, গেট ম্যানেজার রিয়াংশু ঠাকুর এবং কর্মী ভারত কোহলিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।গোয়া পুলিশের লুকআউট নোটিসে নাম ছিল অজয় গুপ্ত ও সুরিন্দর কুমারের। আর দুই মালিক সৌরভ লুথরা ও গৌরব লুথরা দেশ ছাড়ে পালিয়েছেন। বর্তমানে তারা থাইল্যান্ডে আছেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধেও জারি হয়েছে ব্লু কর্নার নোটিস।উত্তর গোয়ার বাগা সুমদ্র সৈকতের কাছে অবস্থিত এই নাইটক্লাবটিতে শনিবার পার্টি চলাকালীন আগুন লাগে। অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় অন্তত ২৫ জনের। তদন্তে জানা গেছে, নাইটক্লাবে বেআইনি নির্মাণ, সংকীর্ণ প্রবেশপথ এবং নিরাপত্তা বিধি অমান্যসহ একাধিক অনিয়ম ছিল। এই ঘটনায় বিরোধী দলের তোপের মুখে পড়েছেন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সওয়ান্ত। সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, যা এক সপ্তাহের মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দেবে।এছাড়া মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার প্রমোদ সওয়ান্তের নির্দেশে লুথরা গ্রুপের আরও একটি নৈশক্লাব রোমিও ল্যানে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, সরকারি জমিতেই ক্লাবটি গড়ে উঠেছিল। প্রশাসনের নাকের ডগায় এভাবে বড় ক্লাব তৈরি হওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
দেশ

অভিশপ্ত গোয়া নাইটক্লাব! ২৫ জনের মৃত্যু, মালিকের রহস্যময় বার্তা—কোথায় লুকিয়ে সৌরভ?

গোয়ার জনপ্রিয় একটি নৈশক্লাবে পার্টি চলার সময় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৫ জনের মৃত্যুতে উত্তাল সারা দেশ (Goa)। অভিযোগ উঠছে, ক্লাবটি বেআইনিভাবে তৈরি হয়েছিল এবং ভিতরে প্রবেশের রাস্তা খুবই সংকীর্ণ ছিল। এই ঘটনায় ক্লাবের মালিক সৌরভ লুথরা এখনও পলাতক। তাঁর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি হলেও পুলিশ এখনো তাকে ধরতে পারেনি। এই নিয়েই উঠে আসছে নানা প্রশ্নএত বড় দুর্ঘটনার পরও কি প্রশাসনকে ম্যানেজ করা হচ্ছে?ঘটনার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পরে সৌরভ লুথরা (Goa) প্রথম প্রতিক্রিয়া দেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, এই মর্মান্তিক ঘটনায় তিনি ভীষণ দুঃখিত এবং শোকাহত। ক্ষতিগ্রস্তদের সব রকম সাহায্যের আশ্বাসও দেন। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায়পুলিশ যখন দিল্লি পর্যন্ত তাঁর খোঁজে গিয়েছে, তখন তিনি কীভাবে অনায়াসে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে পারলেন?উত্তর গোয়ার (Goa) আরপোরায় বাগা সৈকতের কাছে অবস্থিত বির্চ বাই রোমিও লেনে নামের ক্লাবটিতে শনিবার রাতে পার্টি চলার সময় আগুন লাগে। আগুনে এখনও পর্যন্ত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ২০ জনই ক্লাবের কর্মী বলে জানা গেছে। বাকিরা পর্যটক। মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সওয়ান্ত জানিয়েছেন, ক্লাবে মাত্র দুটি প্রবেশপথ ছিল। যথেষ্ট বেরোনোর রাস্তা না থাকায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যায়। তিনি আরও জানান, ক্লাবের ভিতর আতশবাজি ফাটানোয় আগুন লাগে। তবে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের দাবি তিনি নাকচ করেছেন।ঘটনার পর থেকেই বিরোধীরা মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন। সরকার ইতিমধ্যেই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এবং এক সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করা হয়েছে।ইতিমধ্যে তিনজন সরকারি আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এরা হলেন পঞ্চায়েত পরিচালক সিদ্ধি তুষার হরলঙ্কর, রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের সচিব সদস্য ডাঃ শামিলা মনতেইরো এবং আরপোরা-নাগোয়া পঞ্চায়েতের সচিব রঘুবীর বাগকর। অভিযোগ, ২০২৩ সালে এই নৈশক্লাবকে অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁরাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। পুলিশ পঞ্চায়েত প্রধান রোশন রেদকরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে। কারণ তিনিই ক্লাবটিকে ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করেছিলেন।অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে ক্লাব মালিক সৌরভ লুথরার হদিশ মিলছে না। তিনি কোথায় লুকিয়ে আছেন, তা নিয়ে চলছে জল্পনা। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টেই এবার উঠে এল নতুন বিতর্কপুলিশের চোখ এড়িয়ে কীভাবে তিনি নিজের অবস্থান গোপন রাখছেন?

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
দেশ

সাগরের ধারে অবৈধ ক্লাবই কোলে বসানো টাইম বোমা! কেন চুপ ছিল গোয়ার কর্তারা?

গোয়ার ভগাতর সৈকতের উপর যে ক্লাবটি নিয়ে এতদিন অভিযোগ উঠছিল, সেটিকে স্থানীয়রা বরাবরই টিকটিক করা টাইম বোমা বলেই বর্ণনা করতেন। অভিযোগ, লুথরা ভাইদের মালিকানাধীন ওই ক্লাবটি তৈরি হয়েছিল পুরোপুরি বেআইনি ভাবেকোনও অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই, নেই কাঠামোর সুরক্ষার ন্যূনতম নিয়মও। আরও বিস্ময়, ক্লাবটি দাঁড়িয়ে ছিল সরকারি জমির উপরই। ভারতের বিভিন্ন দফতরে একাধিক অভিযোগ জানানো হলেও, তেমন কোনও কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি।পুলিশ, পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ড, কোস্টাল জোন রেগুলেটরি অথরিটি, টাউন অ্যান্ড কান্ট্রি প্ল্যানিংসব জায়গায় অভিযোগ গিয়েছিল। সমাজকর্মী রবি হর্মালকারও বহুবার সতর্ক করেছিলেন, এমনকি লুথরা ভাইদের কাছ থেকে হুমকিও পেয়েছিলেন বলে দাবি। শেষ পর্যন্ত তিনি গোয়া বেঞ্চের বোম্বে হাইকোর্টে যান। আদালত ভাঙার নির্দেশ দেয়। পরে পর্যটন দফতরও ভাঙার নির্দেশ তো দেয়, কিন্তু যা করা হয়, তা ছিল মাত্র উপরি-উপরি। এর পরও ক্লাবটি আবার কাঠের তক্তা আর পেরেক জোড়া দিয়ে সমুদ্রের ধারে দাঁড় করিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যায়।অভিযোগ, উচ্চ জোয়ারের সময় ঢেউ সরাসরি ক্লাবের দোতলায় আছড়ে পড়ত। হর্মালকার বারবার সতর্ক করেছিলেন যে এই জায়গা যেকোনও সময় বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।শেষমেশ আরপোরার রোমিও লেনের বিখ্যাত নাইটক্লাব বার্চ-এ ভয়াবহ আগুনে ২৫ জনের মৃত্যু এবং কয়েকজন আহত হওয়ার পর গোয়া প্রশাসন তৎপর হয়। সেই ঘটনার পরই ভগাতরের ওই ক্লাবটি সিল করে দেওয়া হয়।এখন প্রশ্ন উঠছে, এত অভিযোগ, এত বিপদের সতর্কতার পরেও কে বা কারা লুথরা ভাইদের রক্ষা করছিল, যার ফলে কোনও লাইসেন্স ছাড়াই সরকারি জমিতে ক্লাব চালানো সম্ভব হয়েছিল? হর্মালকারের দাবি, তাঁদের পিছনে প্রভাবশালী রাজনৈতিক যোগাযোগ ছিল এবং এমনকি কয়েকজন আইএএস ও আইপিএস অফিসারের আশ্রয়ও তারা পেয়েছিলেন।রোমিও লেনের ওয়েবসাইটে সৌরভ লুথরাকে একজন গোল্ড মেডালিস্ট ইঞ্জিনিয়ার থেকে সফল রেস্তোরাঁ উদ্যোক্তা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তিনি বেশ কয়েকটি শহরে ক্লাবরেস্তোরাঁর শৃঙ্খল পরিচালনা করেন এবং বিভিন্ন ম্যাগাজিনেও স্থান পেয়েছেন।ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় গোয়া পুলিশ সৌরভ লুথরা ও তাঁর ভাই গৌরবের বিরুদ্ধে লুক-আউট নোটিশ জারি করেছে। অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর দুজনই রাজ্য ছাড়েন এবং সম্ভবত দেশ থেকেও বেরিয়ে গিয়েছেন। দেশের সব বিমানবন্দর ও থানায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
দেশ

মধ্যরাতে বিস্ফোরণ, আগুনে পুড়ে মরলো ২৫! গোয়ার ক্লাব ট্র্যাজেডিতে স্তব্ধ দেশ

ডিসেম্বরের রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কেঁপে উঠল গোয়া। শনিবার গভীর রাতে উত্তর গোয়ার আরপোরায় একটি অভিজাত রেস্তোরাঁ-সহ নাইটক্লাবে ভয়ানক আগুন লাগে। ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আরও অনেকেই আহত হয়েছেন, যাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভরতি করা হচ্ছে।অগ্নিকাণ্ডের খবর সামনে আসার পরই শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গোয়ার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলে পরিস্থিতির খোঁজও নিয়েছেন তিনি।রাত প্রায় ১২টা ৪ মিনিটে বির্চ বাই রোমিও লেন নামে ওই ক্লাবে আগুন লাগে। খবর পেয়ে পুলিশ ও দমকল দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে এবং দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ধোঁয়ায় ভরা ক্লাবের ভেতর থেকে একে একে উদ্ধার করা হচ্ছে মৃতদেহ। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ক্লাবের রান্নাঘরে একটি সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পরেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বেশিরভাগ কর্মী কিচেনে আটকে পড়ায় তাঁদেরই মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি কয়েকজন বিদেশি পর্যটকের মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত করেছেন গোয়ার ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশ।পিটিআই সূত্রে জানা গেছে, ওই ক্লাবে অগ্নি সুরক্ষার নিয়ম মানা হয়নি। এ নিয়ে ইতিমধ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এক BJP বিধায়ক। তাঁর দাবি, গোয়ার সব ক্লাব ও রেস্তোরাঁয় জরুরি ভিত্তিতে সুরক্ষা অডিট করতে হবে। তিনি বলেন, এই ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত। তিন জন মহিলা-সহ ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনা না ঘটে তা নিশ্চিত করা খুব প্রয়োজন। পর্যটক ও কর্মীদের নিরাপত্তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও জানান, অনেকের মৃত্যু হয়েছে দমবন্ধ হয়ে, কারণ আগুন লাগতেই তাঁরা বেসমেন্টের দিকে ছুটে গিয়েছিলেন।পর্যটন নির্ভর গোয়ায় এই আগুন ভয়াবহ ধাক্কা দিয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে নানা মহলে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২৫

ট্রেন্ডিং

দেশ

জম্মুতে চাঞ্চল্য! প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুখ আবদুল্লাকে লক্ষ্য করে গুলি, অল্পের জন্য রক্ষা

জম্মুতে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুখ আবদুল্লাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ।জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে জম্মুর গ্রেটার কৈলাস এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন ফারুখ আবদুল্লা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী সুরেন্দ্র চৌধুরীও। সেই সময় খুব কাছ থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ।ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামনে এসেছে। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, নিরাপত্তা ঘেরাটোপে বিয়েবাড়ি থেকে বেরিয়ে আসছেন ফারুখ আবদুল্লা। ঠিক সেই সময় পিছন দিক থেকে নিরাপত্তার মধ্যে ঢুকে পড়ে এক ব্যক্তি। এরপর খুব কাছ থেকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।তবে ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ডের কমান্ডোরা দ্রুত তাঁকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন। ফলে গুলিটি তাঁর কানের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই ফারুখ আবদুল্লা এবং রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রীকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।ঘটনার পর ওই ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে নিরাপত্তারক্ষীরা তাকে আটক করেন। পরে পুলিশ এসে তাকে গ্রেফতার করে। অভিযুক্তের নাম কমল সিং জমওয়াল বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন। জেরায় তিনি দাবি করেছেন, গত প্রায় কুড়ি বছর ধরে তিনি ফারুখ আবদুল্লাকে হত্যার চেষ্টা করে আসছেন। এটি তাঁর ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য বলেও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর কাছে যে বন্দুকটি ছিল সেটিও তাঁর নিজের এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত।এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এত কড়া নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে হামলাকারী এত কাছে পৌঁছে গেল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এই ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর নতুন করে প্রশ্ন তুলেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মার্চ ১২, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধ কি আমেরিকার মাটিতেও? ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার আশঙ্কা, সতর্ক করল এফবিআই

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। সেই সংঘাতের আঁচ এবার আমেরিকার মাটিতেও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে মার্কিন তদন্ত সংস্থা এফবিআই। সংস্থার দাবি, ক্যালিফোর্নিয়ার পশ্চিম উপকূলে ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালাতে পারে ইরান। এই আশঙ্কার কথা জানিয়ে ক্যালিফোর্নিয়া প্রশাসনকে সতর্ক করেছে এফবিআই।বর্তমানে পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত ক্রমশ বাড়ছে। ইজরায়েল ও আমেরিকার লাগাতার হামলার মুখে ইরানও পালটা আক্রমণ চালাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রতিশোধ নিতে ইরান মার্কিন ভূখণ্ডেও হামলার পরিকল্পনা করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এফবিআই একটি সতর্কবার্তায় জানিয়েছে যে ফেব্রুয়ারির শুরুতেই ইরান মার্কিন ভূখণ্ডে হঠাৎ হামলার পরিকল্পনা করেছিল। তখনও আমেরিকা ও ইজরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করেনি। বিশেষ করে ক্যালিফোর্নিয়ার পশ্চিম উপকূলকে সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।তবে তদন্তকারীদের উদ্বেগের বড় কারণ হল, সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও তাদের হাতে নেই। ফলে পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক রয়েছে প্রশাসন।এদিকে আমেরিকা ও ইজরায়েলের লাগাতার হামলার পরেও পিছু হটতে রাজি নয় ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ এবং গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে পালটা আঘাত হানছে তারা। বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।খবর পাওয়া গেছে, ইরাকের একটি বাণিজ্য বন্দরে তেলবাহী একটি জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইরান। এছাড়াও কুয়েত, কাতার, আরব আমিরশাহী এবং সৌদি আরব জানিয়েছে, তাদের দেশেও ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা হয়েছিল। তবে সেই হামলা প্রতিরোধ করা হয়েছে বলে দাবি করেছে তারা।এরই মধ্যে যুদ্ধ থামানোর জন্য তিনটি শর্তও দিয়েছে ইরান। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, প্রথমত সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ইরানের অধিকারকে স্বীকৃতি দিতে হবে। দ্বিতীয়ত যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আর তৃতীয়ত ভবিষ্যতে আর কোনও আগ্রাসন হবে না, সে বিষয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে নিশ্চয়তা দিতে হবে।অন্যদিকে নতুন খবর, ইরাকের একটি বন্দরে আমেরিকার একটি সংস্থার দুটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে। সেই ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়াও হরমুজ প্রণালীর কাছে ভাসমান একাধিক জাহাজেও হামলার খবর মিলেছে।সৌদি আরব দাবি করেছে, ইরানের হামলায় তাদের একটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে গিয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, একাধিক হামলার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালীকে কার্যত অবরুদ্ধ করার কৌশল নিয়েছে ইরান। এর ফলে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের উপর যুদ্ধ থামানোর চাপ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১২, ২০২৬
রাজ্য

কোচবিহারে নৃশংসতা! স্ত্রীর গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন, পুড়ে মৃত্যু নার্সের

কোচবিহারে এক নার্সের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, স্বামীর সঙ্গে অশান্তির জেরে ওই মহিলার গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। দাউদাউ করে আগুনে পুড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর।ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার শহরের বকশিবাড়ি এলাকায়। মৃত মহিলার নাম ছন্দা রায়। তাঁর বয়স আনুমানিক পঁয়ত্রিশ বছর। পেশায় তিনি নার্স ছিলেন।জানা গিয়েছে, রাত প্রায় নটা থেকে সাড়ে নটার মধ্যে এই ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, সেই সময় তাঁর গায়ে আগুন লাগানো হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং তিনি দাউদাউ করে জ্বলতে থাকেন। গুরুতর অবস্থায় সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মহিলা ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। মাঝেমধ্যে তাঁর স্বামী এসে সেখানে থাকতেন। ঘটনার সময়ও স্বামী ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগ। অভিযুক্তের নাম রণজিৎ রায়। তিনি পেশায় একজন গাড়িচালক।ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে কোচবিহারের ভাওয়াল মোড়ের কাছে একটি টোল গেট এলাকা থেকে তাঁকে আটক করে। খবর পেয়ে কোচবিহার কোতোয়ালি থানার পুলিশ এবং দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পরে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।বাড়ির মালিক জানিয়েছেন, স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই অশান্তি চলছিল। সেই অশান্তি থানাতেও গড়িয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই কারণেই কি এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটল, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।ঘটনার সময়ের একটি ভয়াবহ দৃশ্যের কথাও জানিয়েছেন এক প্রতিবেশী। স্থানীয় বাসিন্দা রুমা দত্ত বলেন, তিনি তখন ঘরের ভিতরে ছিলেন। হঠাৎই বাইরে এক মহিলার তীব্র চিৎকার শুনতে পান। বাইরে বেরিয়ে দেখেন, আগুনে জ্বলতে জ্বলতে একজন দৌড়ে যাচ্ছে। কিছুক্ষণ পরে একজন নিজের জামা খুলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে তিনি দেখেন বারান্দায় আগুন জ্বলছে।এই ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কীভাবে এবং কেন এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটল, তা জানার জন্য তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মার্চ ১২, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বাংলায় নতুন রাজ্যপাল! শপথ নিলেন রবীন্দ্র নারায়ণ রবি, অনুপস্থিত বিজেপি

বিধানসভা নির্বাচনের আগেই বাংলায় দায়িত্ব নিলেন নতুন রাজ্যপাল। রবীন্দ্র নারায়ণ রবি এ দিন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন। কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান।রাজভবনে আয়োজিত এই শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও ছিলেন ফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ রাজ্যের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। তবে এ দিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি বিজেপির কোনও প্রতিনিধিকেও এই অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি।কয়েক দিন আগেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দেন সি ভি আনন্দ বোস। তাঁর ইস্তফার পরই নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয় রবীন্দ্র নারায়ণ রবিকে। এর আগে তিনি তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।তামিলনাড়ুতে দায়িত্বে থাকাকালীন একাধিক ইস্যুতে সে রাজ্যের সরকারের সঙ্গে তাঁর সংঘাত তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে বিভিন্ন বিল নিয়ে রাজ্য সরকার ও রাজ্যপালের মধ্যে টানাপোড়েন বাড়ে। সেই সময় ডিএমকে সরকার একাধিকবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে তাঁকে রাজ্যপাল পদ থেকে সরানোর আবেদন জানিয়েছিল।এই পরিস্থিতিতেই এবার পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নিলেন রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। অন্যদিকে ইস্তফা দেওয়ার পর রাজ্যবাসীর উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি লিখেছিলেন সি ভি আনন্দ বোস। রাজভবনের সরকারি সামাজিক মাধ্যমের পাতায় সেই চিঠি প্রকাশ করা হয়।সেই চিঠিতে তিনি পশ্চিমবঙ্গকে তাঁর দ্বিতীয় বাড়ি বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক সবসময় অটুট থাকবে। বাংলার আবেগকে সামনে রেখে তিনি মহাত্মা গান্ধীর একটি বক্তব্যও উল্লেখ করেন। সেখানে লেখা ছিল, আমি বাংলা ছেড়ে যেতে পারছি না, আর বাংলা আমাকে ছেড়ে যেতে দেবে না।এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। অনেকের মতে, এই বক্তব্য থেকেই বোঝা যায় যে তাঁকে হঠাৎ করেই পদ ছাড়তে হয়েছে। প্রায় তিন বছর চার মাস আগে রাজ্যপালের দায়িত্ব নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন আনন্দ বোস।দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই রাজ্য সরকারের সঙ্গে তাঁর একাধিক বিষয়ে মতভেদ তৈরি হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা থেকে প্রশাসনিক নানা বিষয় নিয়ে তিনি রাজ্য সরকারকে বারবার সমালোচনা করেছিলেন। রাজ্যপাল এবং নবান্নের মধ্যে একাধিক ইস্যুতে ঠান্ডা লড়াই চলেছিল দীর্ঘদিন।এই পরিস্থিতির মধ্যেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর ইস্তফা এবং নতুন রাজ্যপাল হিসেবে রবীন্দ্র নারায়ণ রবির আগমন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের একাংশের দাবি, তামিলনাড়ুতে দায়িত্বে থাকাকালীন রাজ্য সরকারের সঙ্গে বারবার সংঘাতে জড়ানো একজনকে বাংলায় পাঠানোর পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে।এদিকে দিল্লি থেকে কলকাতায় ফিরে নিজের পদত্যাগ নিয়ে আনন্দ বোস সংক্ষিপ্ত মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সময় হলে সব কথা জানাবেন। এরপর আর রাজভবনে ওঠেননি তিনি। সৌজন্যের খাতিরে তাঁকে রাজ্য সরকারের তরফে সৌজন্য নামে একটি ভবনে থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। এমনকি যাওয়ার আগে নিজের জিনিসপত্র গুছিয়ে নিতে রাজভবনেও আর যাননি তিনি।

মার্চ ১২, ২০২৬
কলকাতা

যৌন হেনস্থার অভিযোগে বিতর্কিত আইনজীবী ফিরদৌস শামিম, আপাতত গ্রেফতারি থেকে রক্ষা

সহকর্মী এক মহিলা আইনজীবীকে যৌন হেনস্থার অভিযোগে অভিযুক্ত আইনজীবী ফিরদৌস শামিম আপাতত গ্রেফতারি থেকে স্বস্তি পেলেন। আগামী একত্রিশ মার্চ পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত এই নির্দেশ দিয়েছেন।অভিযোগ সামনে আসার পরই ফিরদৌস শামিম কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। তিনি আগাম জামিনের আবেদন করেন। বুধবার বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের এজলাসে সেই মামলার শুনানি হয়। শুনানির সময় ফিরদৌসের আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। এর পরই বিচারপতি আপাতত তাঁকে গ্রেফতার না করার নির্দেশ দেন।অভিযোগকারী মহিলা আইনজীবীর দাবি, তিনি জুনিয়র হিসেবে ফিরদৌস শামিমের চেম্বারে কাজ শুরু করেছিলেন। সেখানেই তাঁকে শ্লীলতাহানি ও যৌন হেনস্থা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এই ঘটনার পর হেয়ার স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওই মহিলা আইনজীবী। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশের তরফে তদন্ত শুরু হয়। কলকাতা পুলিশের ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, এক মহিলা আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থা, অশ্লীল আচরণ এবং কুরুচিকর মন্তব্যের অভিযোগ করেছেন।সেই অভিযোগের ভিত্তিতে হেয়ার স্ট্রিট থানায় একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার চুয়াত্তর, পঁচাত্তর, ঊনআশি, তিনশো একান্ন উপধারা দুই এবং একশো ছাব্বিশ উপধারা দুই ধারায় শ্লীলতাহানি, যৌন হেনস্থা, অশ্লীল আচরণ, অপরাধমূলক ভয় দেখানো এবং অন্যায়ভাবে আটকে রাখার অভিযোগে মামলা হয়েছে।তবে শুরু থেকেই নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফিরদৌস শামিম। তাঁর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এখন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আপাতত একত্রিশ মার্চ পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। মামলার পরবর্তী শুনানির দিকেই এখন নজর রয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২৬
দেশ

হরমুজ প্রণালী খুলল ভারতের জন্য! মোদি সরকারের কূটনীতিতে নরম ইরান

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তৈরি হওয়া জ্বালানি সংকটের মাঝেই ভারতের জন্য এল বড় স্বস্তির খবর। সূত্রের দাবি, কূটনৈতিক তৎপরতার জেরে হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান। ইতিমধ্যেই পুষ্পক এবং পরিমল নামে দুটি পণ্যবাহী জাহাজ নিরাপদে হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, তা কিছুটা কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা ভয়াবহ যুদ্ধের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা লেগেছে। ইরানের হামলার আশঙ্কায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল পরিবহণ কার্যত থমকে গিয়েছিল। এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ দিয়ে বিশ্বের বড় অংশের তেল বাণিজ্য হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠার পর কার্যত হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। শুধু রাশিয়া এবং চিনের জাহাজকে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল ভারতের নামও। সূত্রের খবর, ইরানের বিদেশ মন্ত্রক মৌখিকভাবে ভারতের পতাকাবাহী জাহাজগুলিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতের অনুমতি দিয়েছে। তবে আমেরিকা, ইজরায়েল এবং ইউরোপের দেশগুলির জাহাজের উপর এখনও নিষেধাজ্ঞা বজায় রেখেছে ইরানের ইসলামিক রেভলুশনারি গার্ড ফোর্স।এই সিদ্ধান্তের আগে ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আরাগাছির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই কথোপকথনে পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি এবং বাণিজ্যিক জাহাজগুলির নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বলে জানা গিয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতীয় জাহাজ চলাচলের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে।সূত্রের দাবি, গত দুসপ্তাহ ধরে দুই দেশের মধ্যে একাধিকবার এই বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছিল। একাধিকবার ফোনে কথা হয়েছে দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীর মধ্যে। পর্দার আড়ালেও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা চলছিল। সেই তৎপরতার ফলেই আপাতত হরমুজ প্রণালীর ওপারে আটকে থাকা ভারতীয় জাহাজগুলিকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার অনুমতি মিলেছে।মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে ভারত শুরু থেকেই প্রকাশ্যে নিরপেক্ষ অবস্থান নিয়েছে। তবে ভারত মহাসাগরে ভারতীয় জলসীমার কাছে ইরানের একটি যুদ্ধজাহাজে আমেরিকার হামলার পর ভারত মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয়। এর মধ্যেই হরমুজ প্রণালীর কাছেই একটি থাই পণ্যবাহী জাহাজে হামলার ঘটনায় এক ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছিল।তার পর থেকেই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। ভারত সরকার দ্রুত ইরানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে। সেই কূটনৈতিক উদ্যোগের ফলেই এই অনুমতি মিলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

মার্চ ১২, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের হামলায় জ্বলল মার্কিন তেল ট্যাঙ্কার, নিহত এক ভারতীয় নাগরিক

পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে আরও এক ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরাকের উপকূলের কাছে আমেরিকার দুটি তেল ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়েছে ইরান। সেই হামলার পর ভয়াবহ আগুন ধরে যায় জাহাজে। ওই ঘটনায় এক ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে গোটা পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা ও সংঘর্ষ চলছে। ইরানের উপর হামলা আরও জোরদার করেছে ইজ়রায়েল এবং আমেরিকা। পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে ইরানও। এই সংঘর্ষে ক্রমশ বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। সাধারণ মানুষও এই যুদ্ধের বলি হচ্ছেন। কাজের সূত্রে পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বহু ভারতীয় থাকেন। সেই কারণে এই সংঘর্ষে ভারতীয় নাগরিকরাও বিপদের মুখে পড়ছেন।সংবাদসংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরাকের জলসীমার মধ্যে খোর আল জুবায়ের বন্দরের কাছে হামলার ঘটনা ঘটে। সাফেসি বিষ্ণু নামে একটি জাহাজে থাকা আমেরিকার দুটি তেল ট্যাঙ্কারে ইরানের নৌকা থেকে হামলা চালানো হয়। হামলার পর মুহূর্তের মধ্যে আগুন ধরে যায় ট্যাঙ্কার দুটিতে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং জাহাজ থেকে তেল সমুদ্রে পড়তে শুরু করে।এই ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ট্যাঙ্কার থেকে আগুনের বিশাল শিখা উঠছে এবং চারদিকে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ছে। জানা গিয়েছে, ওই ট্যাঙ্কারগুলিতে প্রায় চার লক্ষ ব্যারেল তেল ছিল।হামলায় নিহত ভারতীয় নাগরিকের নাম এখনও প্রকাশ করা হয়নি। জাহাজে থাকা বাকি সাতাশ জন সদস্য এবং কর্মীকে উদ্ধার করে দক্ষিণ ইরাকের বসরা শহরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পশ্চিম এশিয়ার এই সংঘর্ষ এখন ত্রয়োদশ দিনে পৌঁছেছে। এখনও পর্যন্ত তিনজন ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহত হয়েছেন কুড়ির বেশি মানুষ। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে খবর।কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ইতিমধ্যেই দুজন ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বের প্রথম দিন সংসদে বিদেশমন্ত্রী সুব্রহ্মণ্য জয়শঙ্কর জানান, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতে দুই ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে এবং একজন এখনও নিখোঁজ। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।মৃত ভারতীয় নাগরিকদের প্রতি শোকপ্রকাশও করেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি আরও জানান, ইরানে বহু ভারতীয় পড়ুয়া এখনও আটকে রয়েছেন। পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে প্রায় এক কোটির বেশি ভারতীয় বসবাস করেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁদের নিরাপত্তাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২৬
কলকাতা

বাংলার ভোটের দিন কি ১৬ মার্চই ঘোষণা? তুঙ্গে জল্পনা, ঝুলে ৬০ লক্ষ ভোটারের ভাগ্য

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। সূত্রের খবর, সম্ভবত ১৬ মার্চ রাজ্যের ভোটের দিন ঘোষণা করা হতে পারে। বাংলার পাশাপাশি তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরির নির্বাচন সূচিও একই সঙ্গে ঘোষণা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।তবে ভোটের দিন ঘোষণার আগেই বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬০ লক্ষ বিচারাধীন ভোটারের ভবিষ্যৎ। এখনও তাঁদের নাম নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তার মধ্যেই নির্বাচন ঘোষণার সম্ভাবনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রথম থেকেই জল্পনা ছিল মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ভোটের দিন ঘোষণা হতে পারে। সেই সম্ভাবনাই এখন আরও জোরালো হয়েছে। ইতিমধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পূর্ণ বেঞ্চ রাজ্যে এসে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে গিয়েছে।রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি প্রশাসনের শীর্ষ কর্তা, জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের সঙ্গেও দীর্ঘ আলোচনা করেছে কমিশন। আগামী নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতেই কমিশন বিশেষভাবে সতর্ক বলে জানা গিয়েছে।রাজ্যে কত দফায় ভোট হবে, তা নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে। এক থেকে তিন দফার মধ্যে ভোট হতে পারে বলে একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে রাজ্যের প্রায় সব বিরোধী দল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে জানিয়েছে, তারা এক বা দুই দফাতেই ভোট চায়। তাদের দাবি, যত কম দফায় ভোট হবে, ততই অশান্তির সম্ভাবনা কম থাকবে।সূত্রের খবর, সব কিছু ঠিক থাকলে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে প্রথম দফার ভোট হতে পারে। আর ভোটের ফল ঘোষণাও এপ্রিল মাসের মধ্যেই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এরই মধ্যে বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে বিচারাধীন ভোটারদের বিষয়টি। বর্তমানে প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম নিয়ে জটিলতা রয়েছে। এই তালিকার ভাগ্য নির্ধারণের কাজ করছেন বিচারিক আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, প্রায় পাঁচশো জন বিচারিক আধিকারিক এই কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।গত সোমবার এই বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একটি আগাম আবেদন করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী। তবে সেই আবেদনে অসন্তোষ প্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্ট তা খারিজ করে দেয়। আদালত জানায়, গত সোমবার পর্যন্ত প্রায় ১০ লক্ষ বিচারাধীন ভোটারের বিষয় নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে এখনও বহু মানুষের বিষয় ঝুলে রয়েছে।জানা যাচ্ছে, বিচারাধীনদের শুনানির প্রক্রিয়া চলতেই থাকবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত সম্পূরক ভোটার তালিকাও প্রকাশ করা যেতে পারে। সুপ্রিম কোর্ট আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছে, যত দ্রুত সম্ভব এই তালিকা চূড়ান্ত করতে হবে।অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনও জানিয়ে দিয়েছে, ভোটের আগেই বিচারাধীন ভোটারদের ভাগ্য নির্ধারণ করার চেষ্টা করা হবে। এখন সবাই তাকিয়ে রয়েছে ১৬ মার্চের দিকে। ওই দিনই কি বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal