• ২৬ মাঘ ১৪৩২, শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Narendra Modi

বিনোদুনিয়া

আমাদের দেশ বিজেপি এবং নরেন্দ্র মোদীর হাতে জ্বলছেঃ নুসরত

বিজেপিদের থেকে বাংলা বাঁচাও ক্যাম্পেন শুরু হয়েছে তৃণমূলের তরফ থেকে। এবার এই নিয়ে ফের সোশ্যাল মিডিয়ায় তোপ দাগলেন অভিনেত্রী তথা সাংসদ নুসরত জাহান। তিনি টুইটারে লিখেছেন , আমাদের দেশ বিজেপি এবং নরেন্দ্র মোদির হাতে জ্বলছে। আজ মোট ৫ লক্ষ মানুষ বিজেপির এই অসাম্য আর ঘৃণার রাজনীতির বিরুদ্ধে লড়তে নিজেরা একত্রিত হয়েছেন। বাংলাকে বাঁচান আর নিজেদের সুরক্ষিত রাখুন। আরও পড়ুন ঃ শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের এর আগেও দেশে বাড়তে থাকা বেকারত্ব নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বাক্যবাণে বিঁধেছিলেন নুসরত। এই অতিমারী আবহে দেশের ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ট্রাস হওয়া নিয়েও বিজেপি সরকারকে তুলোধোনা করেছিলেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
দেশ

পুলওয়ামা হামলা নিয়ে রাজনীতি করেছিল বিরোধীরা , তোপ প্রধানমন্ত্রীর

সদ্য পুলওয়ামা হামলার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তান। এবার পাকিস্তানের সেই স্বীকারোক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিরোধীদের বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার রাষ্ট্রীয় একতা দিবসে স্ট্যাচু অফ ইউনিটিতে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলকে শ্রদ্ধা জানান তিনি । এরপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন , আজ পড়শি দেশ থেকে যে খবর পাওয়া গেছে, যেভাবে সেখানকার সংসদে সত্যিটা স্বীকার করা হয়েছে, তা এই লোকগুলির আসল চেহারা দেশের সামনে ফুটিয়ে তুলেছে। দয়া করে এমন রাজনীতি করবেন না। এই ধরনের কাজ থেকে দূরে থাকুন। এতে জেনে বা না জেনে আপনারা দেশবিরোধী শক্তির বোড়ে হয়ে উঠছেন। এভাবে আপনারা দেশের উপকার করতে পারবেন না। নিজেদের দলেরও ভালো করতে পারবেন না। আরও পড়ুন ঃ কাশ্মীরে খুন তিন বিজেপি কর্মী , নিন্দা মোদির বিরোধীদের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন , একটু আগে আধা সেনার প্যারেড দেখতে দেখতে মনে পড়ছিল পুলওয়ামা হামলার কথা। সেই হামলায় আমাদের যে বীর সঙ্গীরা শহিদ হয়েছিলেন, তাঁরা আধা সেনারই অংশ ছিলেন। সেই সময় গোটা দেশ শোকার্ত ছিল। কিন্তু তখনও কিছু লোক নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ দেখছিল। সেই সময় আমার হৃদয়ে বীর শহিদদের গভীর ক্ষত ছিল। তাই বিরোধীদের সমস্ত অশ্লীল অভিযোগ আমি চুপচাপ সহ্য করে গেছি। উল্লেখ্য , চলতি সপ্তাহেই ইমরান খানের মন্ত্রিসভার সদস্য পাকিস্তানের যুক্তরাষ্ট্রীয় মন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী ঘোষণা করেন, পুলওয়ামা আমাদের সাফল্য। ঘরে ঢুকে ভারতকে মেরেছি।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
দেশ

কাশ্মীরে খুন তিন বিজেপি কর্মী , নিন্দা মোদির

তিন বিজেপি কর্মীকে গুলি করে খুন করল অজ্ঞাতপরিচয় জঙ্গিরা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগামে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনার তীব্র নিন্দা করে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিহত তিনজন হলেন বিজেপি-র যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক ফিদা হোসেন , উমের হাজাম এবং উমের রশিদ বেগ৷ কুলগামের ওয়াই কে পোরা এলাকায় এই তিনজনের উপরে হামলা চালায় জঙ্গিরা৷ ঘটনাস্থলে মারা যায় ফিদা হোসেন। বাকি দুই দলীয় কর্মী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মারা যায়। টিআরএফ এই হামলার দায় স্বীকার করেছে৷ আরও পড়ুন ঃ সমাজবাদী পার্টিকে হারাতে প্রয়োজনে বিজেপিকে ভোটঃ মায়াবতী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই হামলার নিন্দা করে টুইটারে লিখেছেন, আমাদের তিনজন তরুণ কার্যকর্তার হত্যার নিন্দা করছি৷ যুব প্রজন্মের উজ্জ্বল প্রতিনিধি হিসেবে জম্মু কাশ্মীরে এঁরা খুব ভাল কাজ করছিল৷ এই শোকের সময়ে আমি তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই৷ তাঁদের আত্মার শান্তি কামনা করি৷ পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি ও ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লাহও এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন৷

অক্টোবর ৩০, ২০২০
দেশ

কোভিড সতর্কতা অবলম্বন করে ভোট দিন বিহারবাসী , টুইট মোদির

শুরু হয়েছে বিহার বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ পর্ব । এদিন ৭১ টি আসনে ভোট নেওয়া হচ্ছে। লড়াইয়ের রয়েছেন ১,০৬৬ প্রার্থী। নীতিশ কুমার মন্ত্রিসভার ৮ সদস্যের ভাগ্য নির্ধারিত হচ্ছে এদিন। বুধবার সকালে বিহার ভোট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইট করেন। আরও পড়ুনঃ আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে না লোকাল ট্রেন , সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের তিনি লেখেন , বিহার বিধানসভা নির্বাচনে আজ প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ। কোভিড সম্পর্কিত সতর্কতা অবলম্বন করে আমি সকল ভোটারকে গণতন্ত্রের এই উৎসবে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করছি। দূরত্ব বিধি মেনে চলুন।পাশাপাশি মাস্ক পরুন। মনে রাখবেন, আগে ভোট দিন, তারপরে জলপান ! প্রসঙ্গত , এই প্রথম করোনা পরিস্থিতিতে সমস্তরকম সতর্কতা মেনে নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইন অনুসরণ করেই সমস্ত রকম ব্যবস্থা করা হয়েছে।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
দেশ

একটা করে প্রদীপ বীর জওয়ানদের স্মরণ করে জ্বালানঃ মোদি

মন কি বাত অনুষ্ঠানে দেশবাসীকে বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই উৎসব আমাদের বার্তা দেয়, এই লড়াইয়ে আমরা জিতবই। এদিনের অনুষ্ঠানে সচেতনভাবে উৎসব পালনের জন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিনের অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আপনারা অন্তত একটা করে প্রদীপ বীর জওয়ানদের স্মরণ করে জ্বালান। আমি আমার বীর জওয়ানদের বলব, আপনারা হয়তো সীমান্তে পাহার দিচ্ছেন। কিন্তু গোটা দেশ আপনাদের পাশে আছে। আমি সেইসব পরিবারকে ধন্যবাদ জানাব যাদের পরিবারের সদস্যরা দেশের সেবার জন্য ঘরে থাকতে পারছেন না। আরও পড়ুনঃ সেনা ক্যান্টিনে বিদেশি পণ্য বাতিলের সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের এদিনের মন কি বাতে আরও একবার ভোকাল ফর লোকাল আপ্তবাক্যকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেন,দেশে অনেক বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তি কাজ করছে, যারা বিভাজন তৈরির চেষ্টা করছে।

অক্টোবর ২৫, ২০২০
উৎসব

বাঙালিদের উদ্দেশে মহাষ্টমীর শুভেচ্ছা নরেন্দ্র মোদির

মহাষ্টমীর সকালে এক টুইট বার্তায় বাঙালিদের মহাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মো্দি। এদিন টুইটে তিনি লেখেন, সকলকে জানাই মহাঅষ্টমীর প্রীতি ও শুভেচ্ছা। মা দুর্গার আশীর্বাদে সমগ্র দেশবাসীর জীবন যেন সুখে শান্তিতে, স্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধিতে পরিপূর্ণ থাকে এই কামনা করি। আরও পড়ুনঃ সেনা ক্যান্টিনে বিদেশি পণ্য বাতিলের সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের প্রসঙ্গত , এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ষষ্ঠীর দিন সল্টলেকের ইজেডসিসির পুজো উদ্বোধন করেছিলেন। সেদিন তিনি বাংলায় বক্তৃতা করেছিলেন। ফের অষ্টমীর দিন তিনি বাঙালিদের উদ্দেশে টুইট করেছেন। এটা আগামী বছরের বিধানসভা ভোটের আগে বাঙালিদের মন জয়ের চেষ্টা বলে মত বিরোধীদের।

অক্টোবর ২৪, ২০২০
দেশ

বিহার ভোটের প্রচারে ৩৭০ ধারা হাতিয়ার মোদির

ভারত মাতার সুরক্ষা ও ত্রিরঙ্গার সম্মান রক্ষায় গালওয়ানে শহিদ হয়েছেন বিহারের যুবকরা। পুলওয়ামাতেও বিহারী জওয়ানরা শহিদ হয়েছিলেন। আমি তাঁদের নতমস্তকে শ্রদ্ধা জানাই। বিহার ভো্টের আগে শুক্রবার সাসারামের জনসভায় এসে এই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরপরই কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা রদ প্রসঙ্গ টেনে মোদী বলেন, এনডিএ সরকার ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করেছে। ক্ষমতায় ফিরলে বিরোধিরা দাবি করেছে ওই ধারা আবার বলবৎ করবে। এরপরও কিভাবে বিহারবাসীর ভোট চায় ওরা? এটা কি বিহারীদের অপমান নয়? এই রাঝ্যের বহু যুবক-যুবতী দেশ রক্ষার কাজে সীমান্তে যায়। তাঁরা কি শুধু শহিদ হতে সেখানে যাবেন? আরও পড়ুনঃ মুম্বইয়ের মলে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড , আহত ২ রাজ্যের দুর্নীতি দমনে নীতীশ কুমারের সাফল্যেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। বলেন, নীতীশ কুমার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে অপরাধ এবং দুর্নীতির শিকার ছিল বিহার। যাঁরা বিহারকে রোগগ্রস্ত রাজ্যে পরিণত করেছে তাঁদের আর ক্ষমতায় না ফেরাতে সংকল্প নিয়েছেন বিহারবাসী। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে হাজির ছিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও। উল্টো্দিকে এদিন রাহুল গান্ধী তেজস্বী যাদবের সমর্থনে এক জনসভায় গিয়ে জনতার উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, মোদী জি কা ভাষণ ক্যায়সা লাগা ? তারপর তিনি বলেন, করোনা সংকটে পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্দশায় কংগ্রেস এগিয়ে এসেছে। কিন্তু বিজেপি আসেনি। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ২২ দিনে করোনা আয়ত্বে আনবেন। পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়েছে। রাহুল আরও বলেন, যে সব রাজ্যে কংগ্রেস ক্ষমতায় সেখানে কৃষকদের জন্য বিশেষ সুবিধা নেওয়া হয়েছে। বিজেপি শাসিত রাজ্যের চেয়ে ভালো আছেন পাঞ্জাব, ছত্তিসগড়, রাজস্থানের কৃষকরা।

অক্টোবর ২৩, ২০২০
উৎসব

এপিজি মেমোরিয়াল অ্যাসোসিয়েশনের পুজোর ভার্চুয়াল উদ্বোধন করলেন মোদি

হাওড়ার ইছাপুরের এপিজি মেমোরিয়াল অ্যাসোসিয়েশনের ১৬তম বর্ষের পুজোর ভার্চুয়াল উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার মহাষষ্ঠীর সকালে এই পুজোর ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন প্রধানমন্ত্রীর এই ভার্চুয়াল মাধ্যমে উদ্বোধন অনুষ্ঠান পুজো উদ্যোক্তাদের তরফ থেকে সরাসরি দেখার ব্যবস্থা করা হয়। এদিন পুজো মন্ডপের বাইরে এবং ইছাপুর শিয়ালডাঙা চৌরাস্তা মোড়ে এলইডি স্ক্রিনের মাধ্যমে উদ্বোধনের সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। তবে বৃষ্টির কারণে পুজো প্রাঙ্গনে সোশ্যাল ডিসট্যান্স মেনে দর্শকদের বসার ব্যবস্থা করা হয়। এদিন ক্লাব প্রাঙ্গনে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু , বিজেপি নেতা মনোজ পান্ডে, জেলা সদর বিজেপির সভাপতি সুরজিৎ সাহা, সাধারণ সম্পাদক নবকুমার দে সহ দলের জেলার কর্মকর্তারা। এছাড়াও ৯৭২৭২৯৪২৯৪ এই নম্বরে মিসড কলের মাধ্যমে এর সরাসরি সম্প্রচার ঘরে বসেই সকলের জন্য দেখার ব্যবস্থা করা হয়। এদিন সকলকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। আরও পড়ুনঃ কবিগুরুর দুঃসময় কবিতাকে আশ্রয় করেই সেজে উঠেছে চেতলা অগ্রণীর মণ্ডপ এদিনের অনুষ্ঠান শেষে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু বলেন, আজকে প্রথমবার দেশের প্রধানমন্ত্রী বাঙালীর প্রধান উৎসবের সাথে যুক্ত হয়েছেন, এটা আপামর বাঙালির পক্ষে গর্বের বিষয়। তিনি আরো বলেন, মা দূর্গার হাতে অস্ত্র থাকবে না তা ঠিক নয়। তিনি অস্ত্রহীন দুর্গা ও মহরমের কারণে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন বন্ধ রাখা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে কটাক্ষ করেন। এর সাথে আগামী নির্বাচন বা রাজনীতির কোন সম্পর্ক নেই বলেই জানান তিনি। এদিনের অনুষ্ঠান দেখতে বহু মানুষ জড়ো হন। মানুষের মধ্যে বিপুল আগ্রহ দেখা যায়।

অক্টোবর ২২, ২০২০
কলকাতা

একতার বার্তা দিয়ে ষষ্ঠীতে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করলেন নরেন্দ্র মোদি

প্রথমে আপনাদের সকলকে জানাই দুর্গাপুজো, কালীপূজো ও দীপাবলির আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। বাংলার এই পবিত্র ভূমিতে সকলের মধ্যে আজ আমি আসতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। বাংলায় বিজেপির উদ্যোগে যে দুর্গাপুজো হচ্ছে ইজেডসিসিতে, সেই দুর্গাপুজোর ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই পুজো পরিচালনা করছে বিজেপির মহিলা মোর্চা। ষষ্ঠীর দিন দুপুর বারোটায় দিল্লি থেকে এই পুজো্র উদ্বোধন করেন। এদিন উদ্বোধনের আগে মঞ্চে সংগীত পরিবেশন করেন বাবুল সুপ্রিয়। নৃ্ত্য পরিবেশন করেন ডোনা গঙ্গোপাধ্যায় ও তাঁর সম্প্রদায়। তিনি আরও বলেন, আমি আজ দিল্লিতে নয়, মা দুর্গার শক্তি এবং বাংলার মানুষের ভক্তি দেখে আমার মনে হচ্ছে যে আমি বাংলার পুণ্যভূমিতেই যেন আছি। বাংলার লোক আমাকে আজ ডেকেছে তাঁদের মধ্যে। মা দুর্গার পর্ব সারাদেশের এক একতার ও পূর্ণতার পর্ব। বাংলার মানুষ বরাবরই বুদ্ধিজীবী এবং দেশকে গর্বিত করে তুলেছে এবং আমার দৃঢ় বিশ্বাস আছে যে তারা ভারতকে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে । বাংলার দুর্গাপুজো ভারতকে পূর্ণতা ও রঙে ভরিয়ে তোলে। বাংলার ঐতিহাসিক সম্পদ এই পুজো। ভারতমাতার যে ছবি আমরা দেখি তা এই বাংলারই ছেলে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আঁকা। বাংলার মধ্যে একটা তাগিদ আছে, বাঙালিদের উৎসাহ দেশকে প্রগতির রাস্তা দেখিয়েছে। আগামী দিনেও দেশের গর্ব বৃদ্ধি করবে বাংলার মানুষ। মোদি বলেন , বাংলায় মা দুর্গাকে ঘরে ঘরে কন্যারূপে পুজো করা হয়। সেই জন্য সব কন্যাকেই দুর্গার মত সম্মান প্রদান করা দরকার। মা দুর্গার মত সকল মা চায় যে, আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে আর এটা তখনই সম্ভব যখন সকল চাষী বন্ধুরা আত্মনির্ভর হবে। মা দূর্গা সকলের মধ্যেই লক্ষী রূপে বিরাজ করেন।তাই সকলের জন্য নিঃস্বার্থভাবে, সম্পূর্ণ বিশ্বাসের সাথে কাজ করতে হবে। মা দুর্গা আর মা কালীর কাছে প্রার্থনা করি যেন আমরা প্রতি বছর এই ভাবে মায়ের পূজা আর সেবা করে যেতে পারি। মায়ের দেওয়া মাথায় কাপড় তুলে নেরে ভাই- স্বাধীনতা আন্দোলনে বিপ্লবীদের একত্রিত করেছিল। আমাদেরও একত্রিত হয়ে থাকতে হবে। আরও পড়ুনঃ ছাড়লেন এনডিএ , একুশে তৃণমূলের সঙ্গে জোট বেঁধে ভোট ময়দানে বিমল গুরুং তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পে্র কথা উল্লেখ করে বলেন, বাংলার পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য, সংযোগ স্থাপনের উন্নতির জন্য লাগাতার কাজ করা হচ্ছে। কলকাতায় ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডোর প্রকল্পের জন্যও সাড়ে আট হাজার কোটি টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও মহিলাদের শক্তি বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে। দেশের ২২ লক্ষ মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। মাতৃত্বকালীন ছুটি বাড়ানো হয়েছে। ১২ সপ্তাহ থেকে ২৬ সপ্তাহ করা হয়েছে। বেটি বাচাও বেটি পড়াও প্রকল্পে জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী জনধন যোজনা, উজ্জ্বলা যোজনা ও প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় বাংলায় কী কী কাজ হয়েছে, সেই পরিসংখ্যানও দেন তিনি। করোনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, করোনার মধ্যে দুর্গাপুজো হচ্ছে। সকলে সংযতভাবেই পালন করছে। এটাই তো উচিত। আয়োজন সীমিত হোক, কিন্তু উৎসব অসীম। এটাই তো বাংলার পরিচয়, বাংলার চেতনা। এটাই আসল বাংলা। তবে আপনাদের সকলকে অনুরোধ আপনারা মাস্ক পরে, দূরত্ব বজায় রেখে নিয়ম পালন করুন নিষ্ঠা রেখেই।

অক্টোবর ২২, ২০২০
দেশ

করোনাকে হাল্কাভাবে নিলে চলবে না : মোদি

যতদিন না ভ্যাকসিন হাতে আসছে, ততক্ষণ আমাদের করোনাকে হাল্কাভাবে নিলে চলবে না। লকডাউন চলে গেলেও, ভাইরাস কিন্তু যায়নি। পরিস্থিতি হাতের বাইরে যেতে দেব না আমরা। দেশে সুস্থতার হার ভাল। মৃতের হার কম। ভারতে প্রতি ১০ লক্ষের মধ্যে ৮৩ জনের মৃত্যু হচ্ছে। মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে এই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশের বিজ্ঞানীরা ভ্যাকসিনের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ে কাজ করছেন। যখনই ভ্যাকসিন আসবে, সকল ভারতীয় যাতে দ্রুত ভ্যাকসিন পান, সে ব্যাপারে জোরকদমে প্রস্তুতির কাজ চলছে। আরও পড়ুনঃ কমলনাথের মন্তব্য সমর্থন করি না : রাহুল তিনি বলেন , কিছু ভিডিও দেখেছি। কয়েকজন সাবধানতা মানছেন না ঠিক করে। এটা ঠিক নয়। মাস্ক ছাড়া বাড়ির বাইরে বেরোচ্ছেন অনেকে, এতে নিজেরা নিজেদের পরিবারকে বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। সাবধানে থাকুন। ২ গজ দুরত্ব বজায় রেখে চলুন, বারবার হাত ধোবেন সাবান দিয়ে। মাস্ক পরুন। আমি চাই, আপনাদের পরিবার সুস্থ থাকুক, ভাল থাকুক। তাই বারবার এই আর্জি জানাচ্ছি। মো্দি আরও বলেন , করোনার ধাক্কা সামলে ধীরে ধীরে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। দোকানপাট খুলছে।

অক্টোবর ২০, ২০২০
দেশ

জিডিপি নিয়ে মোদিকে কটাক্ষ রাহুল-অভিষেকের

মাথা পিছু জিডিপি-র নিরিখে বাংলাদেশও ভারতকে টেক্কা দিচ্ছে। ভারতীয় অর্থনীতি ছদ্মরূপ ধারণ করেছে। নরেন্দ্র মোদীজির ৫ ট্রিলিয়ান ভারতীয় অর্থনীতির স্বপ্নে এই পূর্বাভাস পুনরুত্থান নয়, বিপুল পতনের। প্রসঙ্গত, আইএমএফ-এর তরফ থেকে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, চলতি আর্থিক বছরে ভারতের মোট জাতীয় উৎপাদন কমবে ১০.৩ শতাংশ। করোনা অতিমহামারীর ফলে যে দেশগুলির বাজার সবেচেয়ে বেশি সংকুচিত হবে, ভারত তার অন্যতম। আগামীদিনে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি ভারতের থেকে বেশি হবে। বুধবার এই বিষয়ে টুইট করে মোদি সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আরও পড়ুনঃ সোপিয়ান থেকে ধৃত ৩ মাদ্রাসা শিক্ষক অন্যদিকে , এদিন এই একই বিষয় নিয়ে টুইট করে রাহুল গান্ধী বলেন , যে ছয় বছর ধরে যে ঘৃণা মিশ্রিত সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের রাজনীতি চালাচ্ছে বিজেপি, তারই কৃতিত্ব এই ফলাফল। রাহুল গান্ধী টুইট করার পাশাপাশি জিডিপি নিয়ে একটি গ্রাফও পোস্ট করেন।

অক্টোবর ১৪, ২০২০
দেশ

দৈনিক করোনা সংক্রমণ কমলেও বিপদ এখনও কাটেনি, মন্তব্য প্রধানমন্ত্রীর

করোনা ভাইরাসের বিপদ এখনও পুরোমাত্রায় রয়েছে। যতদিন না ভ্যাকসিন আসছে সকলেই যেন সাবধানে থাকেন। মঙ্গলবার একথা বলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বালাসাহেব বিকে পাতিলের আত্মজীবনী প্রকাশ করার সময় একথা বলেন তিনি। ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বইটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। আরও পড়ুন ঃ কৃষি বিল নিয়ে কেন্দ্রের জবাব তলব সুপ্রিম কোর্টের তবে তিনি দাবি করেছেন, দেশ অবশ্যই এই মারণ রোগের সঙ্গে লড়াইয়ে জয়লাভ করবে। আমি সকলের কাছে আরজি জানাচ্ছি, অসতর্ক না হওয়ার। মাস্ক পরুন ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলুন। মনে রাখবেন, যতদিন না ওষুধ আসছে, ততদিন অসতর্কতা নয়।

অক্টোবর ১৩, ২০২০
কলকাতা

ষষ্ঠীতে বঙ্গবাসীকে ভারচুয়াল শুভেচ্ছা জানাবেন মোদি

বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপুজোয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দিয়ে ভারচুয়াল ভাষণ দেওয়ানোর আয়োজন করল বিজেপি নেতৃত্ব। সোমবার দুপুরে দিল্লি থেকে ফেরার সময়ে কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন বঙ্গ বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। সেসময় তিনি বলেন, আগামী ২২ তারিখ প্রধানমন্ত্রী আমাদের সঙ্গে ভারচুয়ালি থাকবেন। বাংলার সমস্ত মানুষকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানাবেন। এটা আমাদের পক্ষে অত্যন্ত সৌভাগ্যের বিষয়। আরও পড়ুনঃ এবার ভার্চুয়ালি পুজো উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ গতবছর কলকাতার পুজোর উদ্বোধনের জন্য এসেছিলেন। এই বছর বঙ্গ বিজেপির সেরকম কোনও পরিকল্পনা আছে কিনা তা জানতে চাইলে কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, পুজোর আগেই একদিনের জন্য উত্তরবঙ্গে আসবেন অমিত শাহ। তবে এখনও দিন ঠিক হয়নি। বলবিন্দর সিংয়ের বিষয়ে কৈলাস বিজয়বর্গীয়কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, রাজ্য সরকারকে এর জন্য ক্ষমা চাইতে হবে।

অক্টোবর ১২, ২০২০
দেশ

মোদিকে বিমান নিয়ে ফের খোঁচা রাহুলের

জওয়ানদের নন-বুলেটপ্রুফ ট্রাকে করে শহিদ হতে পাঠানো হচ্ছে। অথচ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিমান বাবদ খরচ পড়ছে ৮ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। শনিবার এক টুইটে এভাবেই প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী । এটা কি ন্যয় ? মোদির উদ্দেশে এমনই প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী । আরও পড়ুন ঃ নারী নির্যাতনের ঘটনায় রাজ্যগুলোকে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশিকা কেন্দ্রের এছাড়াও একটি ভিডিও তিনি পোস্ট করেছেন। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ওই জওয়ানরা ট্রাকের মধ্যে বসে আলোচনা করছেন এভাবে নন-বুলেটপ্রুফ ট্রাকে সেনাদের পাঠানো কতটা বিপজ্জনক। বিজেপির তরফ থেকে এই বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ১০, ২০২০
রাজনীতি

হাথরসকাণ্ডের প্রতিবাদে আজ বিকেলে প্রতিবাদ মিছিল মুখ্যমন্ত্রীর

করোনা আবহে আজ উত্তরপ্রদেশের হাথরস ইস্যুতে কলকাতার রাজপথে প্রতিবাদ মিছিল করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা পরিস্থিতিতে এই প্রথম প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। শনিবার বিকেল ৪টায় মিছিল বিড়লা প্লানেটোরিয়াম থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে। শুক্রবার হাথরসে ঢুকতে গিয়ে বাধা পায় তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। অভিযোগ, মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েনকে। উত্তরপ্রদেশের হাথরসে দলিত তরুণীর গণধর্ষণে মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষুব্ধ আপামর জনতা। তারওপর যোগী সরকারের কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ আরও বাড়ছে। স্থানীয় জেলাশাসক হুমকি দিয়েছেন ওই পরিবারকে। এমনটাই অভিযোগ। কংগ্রেসে নেতা রাহুল গান্ধীকে মেরে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এর আগে টুইটে উত্তরপ্রদেশের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার পথে নেমে প্রতিবাদ করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অক্টোবর ০২, ২০২০
দেশ

কৃষি বিল, মোদীর নিশানায় বিরোধীরা

সংসদের দুই কক্ষে পাশ হওয়া সত্ত্বেও, কৃষি বিল ক্রমশ চেপে বসছে বিজেপির উপর। শুক্রবার দেশজুড়ে বেশ কয়েকটি কৃষক সংগঠন বিলের প্রতিবাদে ভারত বন্ধে সামিল হয়। শুধু কৃষক সংগঠন নয়, রাজনৈতিক দলগুলিও বিলের প্রতিবাদে সরব হয়েছে। তার মধ্যে গোঁদের উপর বিষ ফোঁড়ার মতো হয়েছে বিহার বিধানসভা নির্বাচন। এদিনই নির্বাচনের নির্ঘন্ট জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কৃষি বিল নির্বাতনে বোমেরাং হয়ে ফিরবে না তো? আর সেটা মাথায় রেখেই কৃষি বিল নিয়ে ভুল বোঝানোর অভিযোগ করে বিরোধীদের ফের নিশানা করলেন নরেন্দ্র মোদী। সংঘ পরিবারের পথপ্রদর্শক দীনদয়াল উপাধ্যায়ের ১০৪ তম জন্মদিবসের মঞ্চ থেকে অলআউট খেললেন প্রধানমন্ত্রী। কৃষকদের দুরবস্থার দায় যেমন কংগ্রেসের ঘাড়ে চাপিয়ে দিলেন, তেমনি কৃষকদের আয় বাড়াতেই নয়া কৃষি বিল বলে প্রচার চালালেন মোদী। বিরোধীরা নতুন বিল নিয়ে শুধু ভুল বোঝাচ্ছে না, একই সঙ্গে কৃষকদের বিপথে চালিত করছে বলেও মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী। এখানেই থামলেন না। নতুন কৃষি বিলের সমর্থনে পথে নামার জন্য দলীয় নেতা কর্মীদের দিলেন বার্তা। নতুন বিলে আগের থেকে বেশি সহায়ক মূল্য কৃষকরা পাবেন বলে আশ্বাস দেন। শুধু কৃষি বিল নয়, নয়া শ্রমিক বিল নিয়েও কংগ্রেসকে তুলোধুনা করেন প্রধানমন্ত্রী। কৃষকদের মতো শ্রমিকদের দূরবস্থার পিছনে কংগ্রেসের নীতিকে দায়ি করেন। দেশের ৫০ কোটির বেশি শ্রমিক যাতে সময়ে বেতন পান, তা নিশ্চিত করতেই নতুন শ্রম বিল বলে সওয়াল করেন মোদী। যদিও মোদী সওয়ালে মন গলেনি বিরোধীদের। বিলের প্রতিবাদে সরব হয়ে জোড়া আক্রমণ চালিয়েছেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। টুইট বার্তায় মোদীকে কটাক্ষ করে রাহুল লেখেন, ত্রুটিতে ভরা জিএসটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে ধ্বংস করেছে। এবার কৃষি বিল কৃষকদের দাসে পরিণত করবে। কৃষক সংগঠনের ডাকা ভারত বনধকে সমর্থন করে, এই বিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর কথা মনে করিয়ে দিল বলে জানান প্রিয়াঙ্কা। তিনি লেখেন, কৃষকদের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ছিনিয়ে নিয়েছে মোদী সরকার। চুক্তিভিত্তিক চাষ আসলে কোটিপতিদের হাতে কৃষকদের বেচে দেওয়ার কৌশল। দাম ও সম্মান কিছুই মিলবে না। নিজেদের জমিতেই দিনমজুর হবেন কৃষকরা। কৃষি বিল নিয়ে ঐক্যবদ্ধ বিরোধী শিবির। বিরোধীদের চ্যালেঞ্জ কেন্দ্র কতটা সামাল দিতে পারে, সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০
খেলার দুনিয়া

বিরাটের ‘ফিট’ রাখার মন্ত্র

দুশ্চিন্তা কিছুতেই কাটছে না। সুস্থতার হার বাড়লেও, প্রতিদিন বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যাও। ভ্যাক্সিন না আসা পর্যন্ত শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোই এখন প্রধান ভরসা। আর শরীরকে চাঙ্গা করতে অন্যান্য অনেক কিছুর মতো ফিটনেস লেভেল বাড়ানোর উপর জোর দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। শরীর ফিট রাখার মন্ত্র কী, তা নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে নরেন্দ্র মোদীর উদ্যোগে ফিট ইন্ডিয়া ডায়ালগ নামে একটি ভার্চুয়াল সভার আয়োজন করা হয়েছিল বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর। অতিমারিতে ফিট থাকতে ফিটনেসই প্রধান ভরসা বলে দেশবাসীকে মন্ত্র শেখালেন বিরাট কোহলি। ফিট রাখার রসায়ন নিয়ে বিরাটকে প্রশ্ন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এ ব্যাপারে শরীর ও মন ঠিক রাখতে ফিটনেস ট্রেনিংয়ে জোর দেন বিরাট। সময়ের সঙ্গে ফিটনেস উন্নতির কথাও প্রধানমন্ত্রী তথা দেশবাসীর সঙ্গে শেয়ার করে নেন বিরাট। খাওয়া- দাওয়া নিয়েও প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নের উত্তরে দেশবাসীকে সজাগ করে দেন ভারত অধিনায়ক। ফিটনেস নিয়ে এখনও যে ঘাটতি আছে, তা মনে করছেন বিরাট কোহলি। তবে, ফিটনেস ট্রেনিং বাড়ালে আগামী দিনে ভারত অন্য দেশকে টেক্কা দেবে বলেও মনে করছেন ভারত অধিনায়ক। ফিট ইন্ডিয়া ডায়ালগ অনুষ্ঠানে বিরাট ছাড়াও হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী কিরেন রিজিজু, ফুটবলার আফসান আশিক, ফিটনেস বিশেষজ্ঞ মিলিন্দ সোমান। হাজির ছিলেন চিকিৎসকরাও।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
রাজনীতি

রাতভর সংসদে অবস্থান, বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিয়ে মোদীকে বেনজির আক্রমণ মমতার

কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি বিল নিয়ে দেশজুড়ে লাগাতার আন্দোলনের ডাক দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবাসরীয় রাজ্যসভাকে ব্ল্যাক সানডে আখ্যা দিয়ে সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর তিনি নরেন্দ্র মোদীকে হিটলার, উলঙ্গ রাজা বলেও বেনজির আক্রমণ করেন। এদিন নবান্ন থেকেই দলের মহিলা শাখার সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, করোনা স্বাস্থ্যবিধি না মেনে বিজেপি মিটিং, মিছিল করে করোনা বাড়িয়ে চলেছে। করোনা আবহে কৃষকদের মরোনা বিল এনেছে। এর প্রতিবাদে আন্দোলন সংগঠিত করতে হবে। আজ রাতভর ডেরেক, দোলা-সহ ৮ সাংসদকে সাসপেনশনের প্রতিবাদে সংসদে গান্ধি মূর্তির পাদদেশে রাতভর অবস্থান চলছে। বিভিন্ন বিরোধী দল রয়েছে। আমি বেশ কয়েকবার তাঁদের সঙ্গে কথা বলে সলিডারিটি জানিয়েছি। কৃষকদের জন্য কথা বলতে গিয়ে সাংসদরা সাসপেন্ড হলেও আমি তাঁদের জন্য গর্বিত। তৃণমূলের মহিলা শাখা মঙ্গলবার মেয়ো রোডে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে ধরনায় বসবে। পরশু দলের ছাত্র সংগঠন এবং তারপর ক্ষেতমজুর ও কিষানদের সংগঠনকেও পর্যায়ক্রমে পথে নামার নির্দেশ দিয়ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, হিটলারের কায়দায় দেশ চালানো হচ্ছে। ফ্যাসিজম চলছে। রাজ্যসভায় ওদের সাংসদরা ছিল না, প্রয়োজনীয় সংখ্যাও ছিল না। বিলের বিরোধিতায় ডিভিশন চাওয়া যেতেই পারে। কিন্তু তা না করে জোর করে ধ্বনি ভোটে কৃষি বিল পাশ করানো হলো। করোনা ঠেকাতে পারল না, এবার দেশকে দুর্ভিক্ষের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। দেশে দুর্ভিক্ষ, ফুড প্যানডেমিক ডেকে আনতে চাইছে মোদী সরকার। ১৯৪৩-এর মন্বন্তরকে মনে করাচ্ছে। জিনিসের দাম বাড়বে, কৃষকরা দাম পাবেন না, আত্মহত্যা বাড়বে। কালকের ঘটনা নিন্দার যোগ্য। শুধু সাসপেন্ড নয় সাংসদদের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাবও নিয়েছে! বিজেপির আবার নিন্দা প্রস্তাব! সারা দেশের মানুষ ছিঃ ছিঃ বলবে। বলবে এই সরকারের থাকার দরকার নেই। কৃষকদের জমি কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত চলছে। আলু, পেঁয়াজ বাইরে পাঠিয়ে দিচ্ছে। রোজকার জনজীবনে যে খাদ্যসামগ্রীগুলি লাগে সেগুলিকে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। জিনিসের দাম বাড়লে এ সব মনিটরিং করতাম। এখন রাজ্যের সেই সব ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে চলে গিয়েছে। করোনার সময় অর্ডিন্যান্স এনেছে এ বিষয়ে। একজনই বসে সব চালাবে। মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না, মজুতদার, ফোঁড়েদের সুবিধা করে দিচ্ছে। কৃষকদের পাশাপাশি শ্রমিকদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করছে। যখন তখন শ্রমিকরা কাজ হারাবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন সমস্ত রাজনৈতিক দলকে আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনে তৃণমূল কংগ্রেস পিছনের সারিতে থাকবে। সামনের সারিতে থাকবেন মানুষ। অন্য দলগুলিকেও এগিয়ে আসতে হবে। প্রতিবাদ করলেই ওরা দেশদ্রোহী বলে দেয়। সীতারাম ইয়েচুরিদের সঙ্গে আমার রাজনৈতিক মতাদর্শগত ফারাক আছে। কিন্তু দিল্লিতে যারা দাঙ্গা করল তাদের নাম বাদ দিয়ে কেন বিরোধী দলের নেতাদের নাম চার্জশিটে রাখা হলো। বাংলা আন্দোলন, নবজাগরণের ভূমি। ছাত্রসমাজকেও এগিয়ে আসতে হবে। তাঁদের নিয়ে জেইই, নিটে কী না করল কেন্দ্র! আবার নাকি দুর্গাপুজোর মধ্যে নেট পরীক্ষা নেবে! আমরাই প্রথম প্রতিবাদ করেছি। কাঁসর-ঘণ্টা বাজিয়ে বলব এই বিজেপি সরকার আর নেই দরকার।সব রাজনৈতিক দলগুলো এক হয়েছে কৃষক ইস্যুতে। আগামী দিন শ্রমিক ইস্যুতেও সব রাজনৈতিক দলগুলি এক হবে। শ্রমিকদের ওপর বজ্রাঘাত ও কৃষকদের ওপর প্রত্যাঘাত চলছে। সর্বস্তরের মানুষকে প্রতিবাদে সামিল হতে আহ্বান জানাচ্ছি। চন্দ্রিমার নেতৃত্বে তৃণমূল মহিলা কংগ্রেস কয়েকজনকে নিয়ে হলেও কাল গান্ধীমূর্তির পাদদেশে বসে ধরনা দেবে। কাল মহিলারা, পরশু ছাত্ররা, তারপর দিন আমাদের ক্ষেত মজুর কিষান সংগঠন পথে নামবে। বিজেপি মজুতদার, কালোবাজারিদের সরকার হয়ে গিয়েছে বলে মন্তব্য করেন মমতা। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর গলায় ছিল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর সুরের প্রতিধ্বনি, উলঙ্গ রাজা তোমার কাপড় কোথায়?

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
দেশ

কৃষি বিল: ড‍্যামেজ কন্ট্রোলে আসরে মোদী

নয়া কৃষি বিল নিয়ে বেশ চাপে বিজেপি। চাপ আরও বাড়িয়েছে বিলের বিরোধিতা করে কৃষি বিপণন মন্ত্রী হরসিমরত কউরের পদত্যাগ। ড্যামেজ কন্ট্রোলে এবারে তাই আসরে নামতে হলো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার ১৮ অক্টোবর বলেন, নয়া কৃষি বিল নিয়ে ভুল বোঝানো হচ্ছে। যারা দশকের পর দশক ধরে দেশ চালিয়েছে তারাই এখন কৃষকদের বিভ্রান্ত করছে। বিলটি আইনে পরিণত হলে কৃষিক্ষেত্রে ফোঁড়ে বা দালাল রাজের অবসান হবে। একই সঙ্গে নয়া কৃষি বিল বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলেও সওয়াল করেন মোদী। এতে কৃষকদের আয় বৃদ্ধি হবে বলেও মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী। কৃষকদের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, আগামী দিনেও ফসলের ন্যায্যমূল্য বেঁধে দেওয়া হবে। কৃষকদের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য আগের মতোই কিনবে সরকার। সরকারের এই পদক্ষেপ কৃষকদের স্বাধীনতা বাড়াবে। তাঁদের উৎপাদিত ফসল বিপণনের ক্ষেত্র শুধু বিস্তৃতই হবে না কৃষকদের জন্য নতুন সুযোগ ও সম্ভাবনা তৈরি হবে। কৃষকদের বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আবেদনও জানান তিনি। বৃহস্পতিবার লোকসভায় পাশ হয় ফার্মার্স প্রডিউস ট্রেড কমার্স বিল ও ফার্মার্স এগ্রিমেন্ট অন প্রাইস অ্যান্ড ফার্মস সার্ভিসেস বিল। লোকসভায় বিল দুটি পাশ হলেও, রাজ্যসভায় পাশ হওয়া বাকি। কিন্তু বিলের প্রতিবাদী শরিকি দল শিরোমণি অকালি দলের একমাত্র মন্ত্রী হরসিমরত কউর পদত্যাগ করায় নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আর এটাকে ঢাল করে আসরে নেমে পড়েছে বিরোধী দলগুলিও। দেশজুড়ে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে তারা।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
দেশ

জন্মদিনে মোদী সাইক্লিস্ট?

আজ নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন। সেই জন্মদিনেই প্রধানমন্ত্রী কি ধরা দিলেন নতুন অবতারে? সাইক্লিস্ট হিসেবে? ছবি দেখলে তেমনটাই মনে হচ্ছে। বাস্তবে তা নয়। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে দিল্লিতে বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর সাইকেল র্যালির সূচনা করেন সাংসদ অরুণ সিং। সেখানেই এক সাইক্লিস্ট এসেছিলেন মোদীর মুখোশ আর সানগ্লাস পরে। দূর থেকে দেখে তাই এই ভুল হতেই পারে যে, নরেন্দ্র মোদী সাইক্লিস্ট অবতারে অবতীর্ণ হয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ফের আগুনে আতঙ্ক! সল্টলেক সেক্টর ফাইভের বহুতলে ধোঁয়া, দমকলের তৎপরতা

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ক্ষত এখনও তাজা। তার মধ্যেই ফের আগুন শহরে। এবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল সল্টলেক সেক্টর ফাইভ-এ। একটি বহুতল অফিস ভবন থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের হতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।জানা গিয়েছে, গ্লোবসিন ক্রিস্টাল বিল্ডিং-এ আচমকাই আগুন লাগে। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের ৩টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা পৌঁছেই গোটা বিল্ডিং খালি করে দেন। আতঙ্কে একে একে বাইরে বেরিয়ে আসেন তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থাগুলির কর্মীরা। অফিস টাইম হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে রাস্তায় ভিড় জমে যায়। আশপাশের এলাকা থেকেও বহু মানুষ ছুটে আসেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হঠাৎ করেই অফিসের ভিতরে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে সকলকে নিচে নেমে যেতে বলা হয়। এক কর্মী জানান, তখন তাঁরা অফিসের ভিতরেই ছিলেন। হঠাৎ বলা হয় বাইরে বেরিয়ে যেতে। পরে নিচে নেমে শোনা যায়, উপরের একটি রেস্তোরাঁয় আগুন লেগেছে।তবে ঠিক কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেস্তোরাঁ থেকেই আগুন ছড়িয়েছে, না কি অন্য কোনও জায়গা থেকে, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা। ভবনের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দমকলের চেষ্টায় কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে। তবুও ব্যস্ত সময়ে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে অফিস কর্মীদের মধ্যে। এলাকায় এখনও কৌতূহলী মানুষের ভিড় রয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ভারত-বিরোধিতার অধ্যায় শেষ? মোদির ফোনে বদলাচ্ছে ঢাকা-দিল্লির সমীকরণ!

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংসদীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিএনপি। এই জয়ের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছেঢাকা ও দিল্লির সম্পর্ক কি আবার উষ্ণ হতে চলেছে?শুক্রবার নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানান। পরে ফোনেও তাঁর সঙ্গে কথা বলেন তিনি। মোদি লেখেন, বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিরাট জয়ের জন্য তারেক রহমানকে তিনি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এই জয় বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতিফলন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের বহুমুখী সম্পর্ক আরও জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।এর জবাবে বিএনপির পক্ষ থেকেও মোদিকে ধন্যবাদ জানানো হয়। দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন। দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কও নতুন করে শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে উপদেষ্টা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন মহম্মদ ইউনুস। তাঁর প্রায় দেড় বছরের শাসনকালে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। ভারত-বিরোধী মনোভাব, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং মৌলবাদী শক্তির উত্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর ঘটনাও নজরে আসে। এই পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের সঙ্গে একাধিকবার কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দেয়।এই নির্বাচনে মৌলবাদী দল জামাতকে পিছনে ফেলে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে পাকিস্তানের প্রভাব খাটানোর সম্ভাবনায় বড় ধাক্কা লেগেছে। নির্বাচনের আগে জামাতের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর যোগাযোগ নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। তবে ভোটে জামাতের পরাজয়ে সেই সমীকরণ বদলে গেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পথে। এখন নজর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের দিকে। মোদি ও তারেকের এই সৌজন্য বার্তা কি দুই দেশের সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে? দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে তার প্রভাব কতটা পড়বে, সেটাই এখন দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি ভোটার ইস্যুতে কড়া নির্বাচন কমিশন! একাধিক জেলাশাসক তিরস্কৃত

ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, কোন কর্তৃত্বে এআরও-রা ইআরএমও-দের ডেকেছিলেন। একাধিক জেলার জেলাশাসকের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশন।কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও মালদার জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে দেরির জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার জেলাশাসকের কাজ নিয়েও অসন্তোষ জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এসআইআর শেষ হওয়ার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বৈঠক করেন। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও। বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়, কোনও বিদেশি নাগরিকের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে তথ্য যাচাই করতে হবে। সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নাম থেকে যায়, তা হলে এক বা পাঁচ বছর পরেও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মামলা পর্যন্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান যাঁদের বৈধ ভোটার বলে চিহ্নিত করে, তাঁদের বাইরে কাউকে বৈধ ভোটার হিসেবে মানা যায় না। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের বৈধ ভোটার হিসেবে দেখছেন। নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, তাঁরাও চান না কোনও বিদেশি ভোটার থাকুক। তবে বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ, পরিযায়ী শ্রমিক বা গরিব মানুষদের বারবার নোটিস দিয়ে ডাকা হচ্ছে। তাঁদের পক্ষে বারবার যাতায়াত করা সম্ভব নয়। ফলে তাঁদের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। বিদেশি ভোটার বিতর্কে আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

মোদী বিরোধী আগুনঝরা ভাষণ, তবু ভোটে হার! সারজিস আলমকে ফিরিয়ে দিল পঞ্চগড়

বাংলাদেশের নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেলেন ছাত্রনেতা সারজিস আলম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত তিনি। অতীতে ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় মন্তব্য করেছিলেন এবং সরাসরি নরেন্দ্র মোদি-র নাম করে সমালোচনা করেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র দেশত্যাগ নিয়েও কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।পঞ্চগড়-১ আসনে জামাত জোটের প্রার্থী হিসেবে লড়ে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন সারজিস। তাঁর মন্তব্য ঘিরে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি হাসিনার দেশছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে ঐতিহাসিক তুলনাও করেছিলেন। সেইসব বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তুলেছিল।কিন্তু ভোটের ফল অন্য কথা বলল। শেষ পর্যন্ত তিনি বিএনপি প্রার্থীর কাছে হেরে যান। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের বড় জয়। সংবাদমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে এগিয়ে বা জয়ী হয়েছে বিএনপি জোট।ঢাকা-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বরচন্দ্র রায়। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার ভোট বেশি পেয়েছেন।বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া-র পুত্র তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে দুদশক পর সরকার গঠনের পথে বিএনপি। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।মূল প্রতিপক্ষ জামাত জোট ১০০-র নীচে থেমে গেছে বলে জানা গিয়েছে। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপিও বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এই বিপুল জয়ের পর কি বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে? অরাজকতার অভিযোগে উত্তাল সময়ের পর পদ্মাপারের দেশে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে ছাড়া, তবু মাঠে অনিশ্চিত অভিষেক! পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা ভারতের শিবিরে?

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও এখনও পুরো সুস্থ নন ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা। কবে তিনি সম্পূর্ণ ফিট হয়ে মাঠে নামবেন, তা স্পষ্ট নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও তাঁর খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে সন্দেহ। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইঙ্গিত দিয়েছেন, অভিষেকের ফিরতে আরও এক-দুটি ম্যাচ সময় লাগতে পারে।বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের পর ড্রেসিংরুমে একটি ভিডিও করেন অর্শদীপ সিং। সেই ভিডিওতেই দেখা যায় অভিষেককে। তাঁকে বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। অর্শদীপ জানতে চাইলে অভিষেক বলেন, তিনি ডাল-ভাত খাচ্ছেন, তবে পুরোপুরি ভালো নেই। অর্শদীপ মজা করে বলেন, তাঁকে অনেকটা রোগা লাগছে। যদিও সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি অভিষেক। শোনা গিয়েছিল, পেটের সমস্যার কারণে তাঁর ওজন অনেকটাই কমে গিয়েছে। ভিডিও দেখেও অনেকে একই মন্তব্য করেছেন।অসুস্থতা নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন অভিষেক। কিন্তু প্রথম বলেই আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তার পর আর তাঁকে মাঠে দেখা যায়নি। দিল্লি ফেরা, কোচ গৌতম গম্ভীর-এর বাড়িতে যাওয়া, পরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াসবই হয়েছে চুপিসারে। গতকাল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে তিনি খেলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। টসের সময় সূর্যকুমার বলেন, অভিষেক এখনও পুরো সুস্থ নন। ফলে পাকিস্তান ম্যাচে তাঁর নামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও ম্যাচের পরে বরুণ চক্রবর্তী জানান, অভিষেক অনেকটাই ভালো আছেন।তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলে এই অনিশ্চয়তা চিন্তা বাড়াচ্ছে সমর্থকদের। অভিষেক কবে মাঠে ফিরবেন, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

লালকেল্লার পর ফের কাঁপছে দিল্লি! স্কুলে বোমা হুমকি ঘিরে তীব্র আতঙ্ক

নভেম্বরে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রাজধানী। দিল্লি-র লালকেল্লা-র সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের স্মৃতি এখনও টাটকা। তার মধ্যেই আবার ছড়াল বোমাতঙ্ক। শুক্রবার সকালে রাজধানীর একাধিক স্কুলে বোমা রাখা হয়েছে বলে হুমকি আসে। আতঙ্ক ছড়ায় পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে অন্তত তিনটি স্কুলে বোমা রয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। প্রথমে বিটি তামিল স্কুলে বোমা থাকার খবর ছড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করা হয় পড়ুয়াদের পরিবারকে। পরে আরও দুটি স্কুলে একই ধরনের হুমকি আসে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল ও পুলিশ। দ্রুত স্কুলগুলি খালি করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।এর আগেও সোমবার ১৩টি স্কুলে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল পাঠানো হয়েছিল। সেই ইমেলে লেখা ছিল, আফজল গুরুর স্মৃতিতে দিল্লিকে খলিস্তান বানানো হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। যদিও পরে সেই হুমকি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। তবু আতঙ্ক কাটেনি।গত ২৯ জানুয়ারি পাঁচটি স্কুল একই ধরনের হুমকি পেয়েছিল। তার আগের দিন দ্বারকা আদালত চত্বর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আসে। এমনকি সংসদ ভবন নিয়েও হুমকির ইমেল পাঠানো হয়েছিল। এক সপ্তাহে দুবার স্কুলে বোমা রাখার হুমকি ঘিরে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের।১০ নভেম্বর লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবু একের পর এক হুমকি ইমেল প্রশাসনকে চিন্তায় ফেলেছে। এখনও পর্যন্ত হুমকির উৎস জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।বারবার বোমা হুমকির ঘটনায় আতঙ্কে দিল্লিবাসী। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। রাজধানীতে ফের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পুণেতে খুন পুরুলিয়ার শ্রমিক! ভাষা বিতর্ক না কি মদের ঝামেলা—রহস্যে ঘনাচ্ছে মৃত্যু

ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল পুরুলিয়ায়। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্র-এর পুণে থেকে উদ্ধার হয়েছে পুরুলিয়ার বরাবাজারের বাসিন্দা সুখেন মাহাতোর দেহ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই আমিন সওকত শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস-এর অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই খুন হতে হয়েছে সুখেনকে। যদিও তদন্তে নেমে পুণে পুলিশের দাবি, ভাষা নয়, মত্ত অবস্থায় বচসা থেকেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের তরফে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার পুণে শহরের কাছে শিকরাপুর থানার এলাকায় একটি হোটেলের পিছন থেকে সুখেনের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, সহকর্মীদের হাতে খুন হয়েছেন সুখেন এবং এর নেপথ্যে রয়েছে ভাষাগত বিদ্বেষ।অন্যদিকে, সুখেনের ভাই তুলসীরাম মাহাতো পুণেতে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। তাঁর সম্মতিক্রমেই এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিকরাপুর থানায় মারাঠি ভাষায় এফআইআর লেখা হলেও তা হিন্দিতে অনুবাদ করে তাঁকে শোনানো হয়। তুলসীরাম জানিয়েছেন, তাঁর সম্মতি নিয়েই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।তুলসীরামের বয়ান অনুযায়ী, ৯ তারিখ দুপুরে সুখেন বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশে বের হন। সন্ধ্যায় তিনিও কাজে যান, কিন্তু সেখানে সুখেনকে দেখতে পাননি। ফোন করলেও যোগাযোগ হয়নি। রাতেও একাধিকবার ফোন করা হয়, কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। পরদিন সকালে শিফট শেষ করে বাড়ি ফিরে সুখেনকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পরে সুপারভাইজার সন্দীপ জানান, একটি হোটেলের পিছনে সুখেনের দেহ পড়ে রয়েছে। সেখানে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন তুলসীরাম।শুক্রবার দুপুরে সুখেনের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পুরুলিয়ার বরাবাজারে যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ঘটনায় ভাষা-বিদ্বেষ না কি ব্যক্তিগত বচসা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুণে পুলিশ। পুরো ঘটনার নেপথ্যে কী রয়েছে, তা জানতে অপেক্ষা তদন্তের অগ্রগতির দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

তারেকের জয়ে উচ্ছ্বসিত মোদি? কূটনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড়সড় জয়ের পথে বিএনপি। ফলাফল স্পষ্ট হতেই দলের সভাপতি তারেক রহমান-কে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সকালে এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিয়ে মোদি লিখেছেন, এই জয় প্রমাণ করে বাংলাদেশবাসী তারেকের নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন।মোদি তাঁর বার্তায় আরও জানিয়েছেন, গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের পাশে ভারত রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে বহুমুখী সম্পর্ক রয়েছে, তা আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। পারস্পরিক স্বার্থে দুই দেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।শুক্রবার সকালেই বাংলাদেশের নির্বাচনের ফল পরিষ্কার হয়ে যায়। ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়েছে। তার মধ্যে ২০০-র বেশি আসনে এগিয়ে থেকে সরকার গঠনের পথ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। দুটি আসনে লড়ে দুটিতেই জয় পেয়েছেন তারেক রহমান।এই নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এসেছে তারা।এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মোদির শুভেচ্ছাবার্তা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মোদি তাঁর বার্তায় লিখেছেন, বিএনপি দেশের নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে এবং তারেকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলেই তিনি আশাবাদী।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন বলে জানা যায়। আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত তাঁকে গণহত্যা মামলায় সাজা শুনিয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বারবার তাঁর প্রত্যর্পণ দাবি করলেও এ বিষয়ে ভারত সরকার প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি।এই পটভূমিতে বিএনপির জয়ের আভাস মিলতেই মোদির দ্রুত শুভেচ্ছাবার্তা কূটনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন নজর, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোন পথে এগোয়।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal