• ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩, রবিবার ১০ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

NIA

রাজ্য

'ইন্ডিয়া জিতবে, বিজেপি হারবে,' বেঙ্গালুরুতে মমতার বিরাট চ্যালেঞ্জ

পাটনার পর বেঙ্গালুরু। এরপর মুম্বাই। তারই মধ্যে বিজেপি বিরোধী মহাজোটের নাম ঠিক হয়ে গেল। ইউপিএ-র যাত্রা সমাপ্ত। এবার ইন্ডিয়ার যাত্রা শুরু হল। মঙ্গলবার বেঙ্গালুরুতে বিরোধীদের ২৬ দলের বৈঠকে ইন্ডিয়ায় শিলমোহর পড়ে। তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা, এই বৈঠক ফলপ্রসূ এবং গঠনমূলক হয়েছে। মমতা বলেন, আজ থেকে আমরা প্রকৃত চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছি। এই বৈঠকে ইউপিএ নাম বদলে হয়েছে ইন্ডিয়া। তা নিয়েও উচ্ছ্বসিত তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি বলেন, দেশবাসী সংকটের মধ্যে আছেন। দলিত, সংখ্যালঘু, হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান, মণিপুর, অরুণাচল, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, বাংলা, বিহার, মহারাষ্ট্র, সরকার বিক্রি আর সরকারকে কেনা এখন গভর্নমেন্টের (মোদী সরকারের) কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই জন্য আমরা সবাই মিলে, এক প্রকৃত চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছি। যার সংক্ষিপ্ত নাম হল ইন্ডিয়া। আমাদের এই চ্যালেঞ্জ নিতে দাও, ইন্ডিয়া (ভারত)। এনডিএকে ইন্ডিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারবে? বিজেপি তুমি কি ইন্ডিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারবে? অন্যান্য লোকজন তোমরা কি ইন্ডিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারবে? আমরা আমাদের দেশকে ভালোবাসি। আমরা এই দেশের বাসিন্দা। আমরা আপনাদের জন্য।তৃণমূল সুপ্রিমোর সোজা কথা, ইন্ডিয়াকো বাঁচানা হ্যায়, দেশ কো বাঁচানা হ্যায়। ভাজপা (বিজেপি) তো দেশ বেচনে কা সওদাগিরি কর রহা হ্যায়। লোকতন্ত্র কো খরিদনে কা সওদাগিরি কর রহা হ্যায়। তৃণমূল সুপ্রিমোর অভিযোগ, এই জন্যই মোদী সরকার কোনও প্রতিষ্ঠানকে এখন আর স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেয় না। তিনি বলেন, কোনও ব্যক্তি কোনও বিরোধীশাসিত রাজ্যকে সমর্থন করলেই পরদিন তার কাছে ইডি-সিবিআই চলে যায়। শুধু ৩৫৫ ধারা, ৩৫৬ ধারা জারি করার ভয় দেখায়। এবার ইন্ডিয়া জিতবে, বিজেপি হারবে। পরবর্তী বৈঠক হবে মহারাষ্ট্রে। সেখানে অভিন্ন ন্যূনতম কর্মসূচি থেকে অন্যান্য বিষয়গুলো দেখা হবে। মহারাষ্ট্রেই তৈরি হবে ১১ জনের কমিটি।

জুলাই ১৮, ২০২৩
দেশ

রাজ্যে প্রবল বিরোধিতা, ব্যাঙ্গালুরুতে এক মঞ্চে সোনিয়া-মমতা

২৬টি বিজেপি বিরোধী দলের মহাজোট বৈঠক শুরু হচ্ছে কিছুক্ষণ পরেই। ইতিমধ্যে ব্যাঙ্গালুরুতে হাজির হয়েছেন কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধী, সাংসদ রাহুল গান্ধী, তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল নেত্রীকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে হাজির হয়েছিলেন কর্ণাটকের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যের কংগ্রেস প্রধান ডিকে শিবকুমার।বিহারের পর কর্ণাটক, দ্বিতীয়বার বিজেপি বিরোধী জোট গঠনের বৈঠকে বসছে কংগ্রেস, তৃণমূল, সিপিএমরা। এবার বৈঠকে থাকছে ২৬ বিরোধী দলের নেতৃত্ব। সোমবার বিকেলে বিরোধী দলগুলির সৌজন্য-বৈঠকও হয়। বৈঠক শেষে বিরোধী নেতানেত্রীদের নৈশভোজের আমন্ত্রণে সনিয়া গান্ধী। সনিয়ার ডাকা নৈশভোজে থাকবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও ডেরেক ওব্রায়েন। কংগ্রেস, মোদি সরকারের অর্ডিন্যান্সের বিরোধিতার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বৈঠকে যোগ দিচ্ছে আপ-ও। পাটনায় বিজেপি বিরোধী জোটের প্রথম বৈঠকে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়াই করার বার্তাই দিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, নীতীশ কুমাররা। এবারের মেগা বৈঠকের শেষে কী উঠে আসে, সেদিকেই নজর জাতীয় রাজনীতিতে। অবশ্য বৈঠক নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না বিরোধীরা। এদিকে, বাংলায় প্রবল সংঘাত থাকলেও বেঙ্গালুরুর বৈঠকে মমতা-অভিষেক সঙ্গে সনিয়া-রাহুলের এক মঞ্চে বসে আলোচনা ঘিরে প্রবল কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছে বিজেপি শিবির। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বৈঠকের কোনও ভবিষ্যৎ নেই। বারে বারে এই ধরনের বৈঠক করে বিজেপি বিরোধীরা। যারা যুক্ত হয়েছেন, তারা পরিবারকে বাঁচাতে চাইছে। সারদা মামলায় প্রত্যক্ষভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিভাবে কতটা জড়িয়ে ছিলেন সেই সম্পর্কিত যাবতীয় নথি আমি আগামী দু-একদিনের মধ্যে সিবিআই এর ডাইরেক্টর এর কাছে পেশ করব। রাজনীতি বড়ই অদ্ভুত। কে কখন কার দিকে, কে কার প্রকৃত মিত্র, আর কে শত্রু, তা সহজে বুঝে ওঠা দায় ? কিন্তু প্রশ্ন হল, দ্বন্দ্বের মধ্যে দিয়ে বন্ধুত্ব রক্ষা কি আদৌ সম্ভব?

জুলাই ১৮, ২০২৩
রাজ্য

মঙ্গলবার ভোটগণনা, তার আগেই ভয়ঙ্কর অভিযোগে এনআইএ-র জালে বীরভূমের তৃণমূল প্রার্থী

বীরভূমের নলহাটি থেকে এনআইএর হাতে গ্রেফতার মনোজ ঘোষ নামে এক অস্ত্র ব্যবসায়ী। অভিযোগ, ওড়িশা ঝাড়খন্ড অন্ধ্রে মাওবাদী ও নকশালদের আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহ করত ধৃত মনোজ ঘোষ। সম্প্রতি অন্ধ্রপ্রদেশের পুলিশ ধৃত এক নকশালবাদী নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর মনোজের হদিস পায়। সেইমতো গত ২৮ শে জুন এন আই এ মনোজের বাড়িতে হানা দিয়ে বিশাল পরিমাণ বিস্ফোরক, ডিটোনেটার, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট উদ্ধার করে। সেই সময় মনোজ পলাতক ছিল।গত ৭ জুলাই সে গ্রামে ফেরে। সেই খবর যায় এন আই এর কাছে। রবিবার রাতে তাকে নিজের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে এনআইএ। ধৃত মনোজ ঘোষ এবারে নলহাটিতে স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন। মনোজের নামে পাথর ও কয়লা খাদান আছে বেশ কয়েকটি। যেগুলির সব কটাই অবৈধ ও বেআইনী। এগুলোর লাইসেন্সও নকল।

জুলাই ১১, ২০২৩
রাজ্য

তৃণমূল প্রার্থীর বাড়ি থেকে বিপুল বিস্ফোরক উদ্ধার এনআইএর, চাঞ্চল্য

রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন নয় তো যেন যুদ্ধের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় নেতা-কর্মীদের একাংশ বাড়িতে বাড়িতে মজুত করছে নানা ধরনের বিস্ফোরক। এবার অবৈধভাবে বিস্ফোরক মজুত রাখার অভিযোগ উঠল বীরভূমের এক তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে, বুধবার এনআইএ ওই তৃণমূল প্রার্থীর বাড়ি থেকে প্রচুর পরিমানে বিস্ফোরক উদ্ধার করে। উদ্ধার করা হয় একটি আগ্নেয়াস্ত্র। যদিও পলাতক ওঔ তৃণমূল প্রার্থী। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের নলহাটি থানার বাহাদুরপুর গ্রামে।জানা গিয়েছে, পেশায় পাথর ব্যবসায়ী মনোজ কুমার ঘোষ এবার পঞ্চায়েতে তৃণমূলের প্রতীকে লড়াই করছেন। নলহাটি ১ নম্বর ব্লকের বানিওর গ্রাম পঞ্চায়েতের ২১ নম্বর আসনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সাত সকালে তার বাড়িতে হাজির হয় এনআইএ-র দল। বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি সিসিটিভির ডিভিআর, একটি খালি ম্যাগজিন সহ দেশি পিস্তল, চারটি কার্তুজ, ১৩০ টি জিলটিন স্টিক, ওজন ১৬.২৫০ কেজি এবং ৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট উদ্ধার করেছে পুলিশ। তৃণমূলের অভিযোগ বিজেপি কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে দিয়ে এসব করাচ্ছে।ঘাসফুল শিবির অবশ্য পুরো বিষয়টিতে চক্রান্ত হিসাবে দেখছে। তৃণমূলের ব্লক সভাপতি অশোক ঘোষ বলেন, মনোজ খুব ভালো ছেলে। যেদিন থেকে ভোটে দাঁড়িয়েছে বিজেপি সেদিন থেকে ওর পিছনে লেগেছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে দিয়ে ফাঁসানো হয়েছে।বিজেপির জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, তৃণমূল মানেই বোমা বারুদ। ফলে ওদের বাড়ি থেকে তো বিস্ফোরক উদ্ধার হবেই। এটাই স্বাভাবিক।

জুন ২৮, ২০২৩
রাজ্য

দিনভর এগরার গ্রাম ক্ষোভের আগুনে ফুটলো, রাতে এল ৬জনের নিথর দেহ

বেআইনি বাজি তৈরির কারখানা ৯ জনের মৃত্যুর পর আজ, বুধবার পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার খাদিকুল গ্রামে যান বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিরোধী দলনেতা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এই ঘটনায় কাউকে রেয়াত করা হবে না। এর শেষ দেখে ছাড়ব। পুলিশ মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন শুভেন্দু। তৃণমূলের নেতৃত্ব গ্রামে এলে চোর চোর বলে স্লোগান তোলে স্থানীয়রা। তৃণমূল নেতা মানস ভুঁইয়্যা, দোলা সেন, সৌমেন মহাপাত্রদের বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। পাশাপাশি এই বিষ্ফোরণ কাণ্ডে কোনও বিষ্ফোরক সংক্রান্ত মামলা দায়ের করা হয়নি। তা নিয়েও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েছে স্থানীয়রা। এই কেস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দু অধিকারীও। এদিন রাতে ৬ জনের নিথর দেহ গ্রামে আসে। সমস্ত নিস্তব্ধতা ভেঙে গ্রামে প্রিয়জন হারাদের পরিবারে কান্নার রোল ওঠে। অভিযুক্ত ভানু ভাগ এখনও পলাতক। তাঁকে খুঁজে বেড়াচ্ছে পুলিশ।গ্রামবাসীদের দাবি ভানু বাগের কারখানায় বোমা তৈরি হত। এদিন ফরেন্সিক বিশেজ্ঞরাও নমুমা সংগ্র করে। বাজি প্রস্তুতকারকেদর বক্তব্য, তাঁদের বদনাম করা হচ্ছে। যেখানে পরিবেশ বান্ধব বাজি ছাড়া কিছু প্রস্তুত করাই বেআইনি সেখানে বিস্ফোরণ হওয়ার সম্ভাবনা কোথায়? এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব গ্রামে পৌঁছাতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা। চোর চোর স্লোগান চলতে থাকে। মানস ভুঁইয়্যারা নিহতের পরিবারের সদস্যদের আশ্বাস দেন সঠিক তদন্তের। দোষীদের শাস্তি দেওয়া হবে। ভানু বাগের কারখানায় বারে বারে বিষ্ফোরণ ঘটলেও কীভাবে দিনের পর দিন বেআইনি ভাবে কারখানা চালাতে পারে তা নিয়ে এদিনও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। এখন দেখার বিষয় কবে ভানু বাগ কবে গ্রেফতার হন।

মে ১৭, ২০২৩
রাজ্য

হোটেল থেকে যুগলের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার বর্ধমানে

প্রেমিক প্রেমিকার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল বর্ধমানের তিনকোনিয়া এলাকার একটি হোটেল থেকে। রবিবার বিকেলে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। আত্মঘাতী যুগলের নাম মহাদেব মাঝি(২০) ও প্রিয়াঙ্কা মিত্র। মৃত দুজনেরই বাড়ি বাঁকুড়া জেলায়। তবে বর্তমানে প্রিয়াঙ্কা মিত্র বর্ধমান শহরের ইছলাবাদ এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বাড়ি ভাড়া থাকতো বলে জানা গেছে।হোটেল কর্মী তাপস কান্তি মণ্ডল বলেন, শনিবার বিকেলে মহাদেব মাঝি হোটেলের চার তলায় একটি রুম ভাড়া নেন। রবিবার সকাল ১০ টার সময় একটি মেয়েকে সঙ্গে হোটেলের রুমে ঢোকেন। হোটেল কর্মীরা জিজ্ঞাসা করলে মহাদেব মাঝি জানায় এটি তার বোন হয়। এখুনি চেক আপ করবো।কিন্তু তারপর দীর্ঘক্ষণ হোটেলের রুম না খোলায় হোটেল কর্মীদের সন্দেহ হয়। তারা ডাকাডাকি করলেও ভিতর থেকে কোন সাড়া পায় নি। তখন বর্ধমান থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে যুগলের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।হোটেল কর্মীরা জানান, দুজনকে ঝুলন্ত অবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করে। দুজনের গলায় মালা ছিল। রুম থেকে একটি সিঁদুরের কৌটা পাওয়া যায়। তাদের অনুমান রবিবারই হোটেলের রুমে তারা মালা বদল করে বিয়ে করে। রুম থেকে পুলিশ একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছে বলে জানা গেছে। ডিএসপি ট্রাফিক রাকেশ চৌধুরী বলেন, ঝুলন্ত অবস্থায় দুটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত দুজনেরই বাড়ি বাঁকুড়ায়। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তবে প্রশ্ন উঠেছে হোটলের ভূমিকা নিয়েও। কেন এতক্ষণ পর থানায় খবর দেওয়া হয় হোটেল থেকে।

ডিসেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

অবশেষে ভূপতিনগরের বিস্ফোরণস্থলে ফরেন্সিক দল

ঘটনার চার দিনের মাথায় পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগরের বিস্ফোরণস্থলে পৌঁছিয়েছে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। কেন ওখানে যেতে এত দেরি তাই নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এদিকে কলকাতা হাইকোর্টে ওই ঘটনার এনআইএ তদন্ত করার আবেদন জানিয়ে মামলাও হয়েছে। বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়ে ভূপতিনগরের ঘটনার এনআইএ তদন্ত চেয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, বোমা বিস্ফোরণের ঘটনার পিছনে রয়েছে বিজেপি। তাই তারাই এনআইএ তদন্তের দাবি করেছে।কাঁথিতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ির অনতিদূরেই গত শনিবার জনসভা করে তৃণমূল কংগ্রেস। ওই জনসভায় বক্তব্য রাখেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগের দিন শুক্রবার রাতে ভূপতিনগরে স্থানীয় তৃণমূল নেতা রাজকুমার মান্নার বাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ওই নেতাসহ তিনজনের মৃত্যু হয়। জখম হয়েছেন আরও ২ জন। এরপরই ভূপতিনগরের বিস্ফোরণ নিয়ে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে দাবি, পাল্টা দাবি শুরু হয়ে যায়। তবে নিহত তৃণমূল নেতার স্ত্রীর দাবি, বাজি বানানোর সময় বিড়ি ধরাতে গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটেছে।এরইমধ্যে ঘটনার পর দিনও ভূপতিনগরের ওই বিস্ফোরণস্থলে দেখা যায়নি পুলিশকে। পরবর্তীতে সেখানে পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল ঘিরে রাখে। চার দিনের মাথায় সেই স্থানে নমুনা সংগ্রহ করতে যান ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। আদৌ বিস্ফোরণের সমস্ত তথ্য়প্রমান মিলবে কিনা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন পুলিশ অধিকারিকরা। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা গাঁইতি, কোদাল নিয়ে বিস্ফোরণস্থলে খোঁড়াখুঁড়ি করেন। সূত্রের খবর, ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ওই ঘরের মেঝের নীচেই বিস্ফোরক মজুত ছিল। সেই থেকেই সম্ভবত বিস্ফোরণ। জানা গিয়েছে, কলকাতা হাইকোর্টে এদিন এনআইএ আবেদনের মামলার শুনানি হতে পারে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২২
রাজ্য

ফুড প্রসেসিং কারখানয় গ্যাস লিক আতঙ্ক ছড়ালো এলাকায়, ঘটনার স্থলে পুলিশ দমকল স্বাস্থ্যকর্মীরা অ্যাম্বুলেন্স

বসিরহাটের মাটিয়া থানা শিকড়া কুলিন গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপালপুর মোড়ে ঘটনা শুক্রবার সকালে গ্যস লিক করে আতঙ্ক ছড়াই। সকাল দশটা নাগাদ হটাৎই ফুড প্রসেসিং কারখানায় থেকে অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক হয়ে এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে এই গ্যাস নাকে আসলে বেশ কয়েকজন শিশু মহিলা মহিলা পুরুষ অসুস্থ হয়। এই ঘটনা জানাজানি হতে স্থানীয় বাসিন্দারা মাটিয়া থানার খবর দেন ঘটনাস্থলে বসিরহাট পুলিশ জেলার বাদুরিয়ার এসডিপিও অভিজিৎ সিনহা মহাপাত্র বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে গেছেন গিয়েছেন। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে কারখানার অ্যামোনিয়া গ্যাস সিলিণদার থেকে এই গ্যাস লিক হচ্ছে। প্রত্যেক পুলিশ কর্মী, মুখে গামছা রুমাল, কাপড় দিয়ে ঢাকে পরিস্থিতি রয়েছে ঘটনাস্থলে দমকলের দুটি ইঞ্জিন এসে ওই কারখানার যে অ্যামোনিয়া গ্যাস যেখান থেকে লিক হচ্ছিল সেখানে জল দিতে শুরু করে এখনো নিয়ন্ত্রণে আসে নি। ঘটনার ফলে স্বাস্থ্যকর্মীরা কি কারনেই অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক হয়ে বাইরে বেরচ্ছিল তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যে কারখানার মালিক কে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। তাহলে কি কারখানার মধ্যে এমনিয়া গ্যাস রয়েছে তার কি নির্দিষ্ট সুরক্ষা ছিল না। এলাকায় রীতিমতো আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রিন্সটন -এ "ম্যাঙ্গো ম্যানিয়া"

বৃষ্টির ফোঁটা এবং সুস্বাদু আম খাদ্যরসিকদের জন্য একটি স্বর্গীয় অভিজ্ঞতা তৈরি করে। প্রিন্সটন ক্লাব, প্রিমিয়াম নিউ এজ সোশ্যাল ক্লাব ফলের রাজা এই আম উৎসবের মাধ্যমে সবাইকে মুগ্ধ করবে। ক্রিস্টেনড ম্যাঙ্গো ম্যানিয়া, উৎসবটি ৮ই জুলাই থেকে ১৭ই জুলাই পর্যন্ত রসালো আমের রেসিপি সহ একটি অনন্য গ্যাস্ট্রোনমিক অভিজ্ঞতা দিতে প্রস্তুত। আগত সদস্য এবং অতিথিরা লাঞ্চ এবং ডিনারে সুস্বাদু খাবারের স্বাদ নিতে আসতে পারেন। প্রতিটি আমের টুকরোতে পরিপূর্ণ মহাদেশীয় ও এশীয় খাবারের উদ্ভাবনী মিশ্রণ রয়েছে, যা এই উৎসবের প্রধান আকর্ষণ।এই আমের মেনুতে থাকছে স্মোকি ম্যাঙ্গো, ম্যাঙ্গো সালসা সহ চিজ নাচোসের মতো মেক্সিকান অ্যাপেটাইজার। টেপেনেড রুটির সাথে ঠান্ডা আমের পুদিনা স্যুপ, যা ক্ষিদে বাড়াতে জুড়ি মেলা ভাড়। সুস্বাদু আম চেখে দেখার জন্য এটি একটি দুর্দান্ত গ্রীষ্মকালীন পানীয়! তাজা আমের টুকরো, আমের পিউরি, পুদিনা, সবুজ মরিচ, তামাকের সস এবং রসুনের সাথে পুদিনা এবং চুনের সাথে মিশ্রিত একটি স্বাস্থ্যকর এবং সুস্বাদু ঠান্ডা স্যুপ।মেইন কোর্স শুরু ম্যাঙ্গো স্টিকি রাইস উইথ ম্যাঙ্গো ভেজ টেরিয়াকি নামের একটি জাপানি খাবার দিয়ে। এই মিষ্টি জাপানি আমের স্টিকি রাইস দিয়ে আপনার ডিনার পার্টির মেনুকে আরো আনন্দে ভরিয়ে তুলতে পারেন। জনপ্রিয় দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় খাবারের মধ্যে রয়েছে টাটকা আমের টুকরো টুকরো করা আঠালো চালের উপরে একটি নারকেল ট্যাপিওকা সস এবং তিলের বীজ এবং সবচেয়ে ভাল অংশ এটি তৈরি করতে শুধুমাত্র কয়েকটি উপাদান প্রয়োজন। গ্রীষ্মমন্ডলীয় চিংড়ি সেভিচে তাদের জন্য রয়েছে একটি নিখুঁত হালকা রাতের খাবার। সবচেয়ে ভাল অংশ হল কোন রান্নার প্রয়োজন নেই। এটি গ্লুটেন-মুক্ত। এই প্রাণবন্ত খাবারটি গ্রীষ্মের রাতের জন্য উপযুক্ত, যখন আপনি বাড়িতে খাবার গরম করতে বা তার জোগাড় করতে পারবেন না কিন্তু তারপরও খুব সুস্বাদু কিছু একটা চাইছেন! এরপর নিজেই তৈরি করে ফেলুন আর পরিবেশন করুন চিপস দিয়ে। এখানেই শেষ নয়। চকলেট গুড়ো এবং আমের ছোট টুকরোর সাথে পরিবেষণ করুন ইতালীয় মিষ্টি। ম্যাংগো ক্রেস্পেল উইথ চকলেট ডাস্ট অ্যান্ড ম্যাংগ রিডাকশন। আমের কাসুন্দি এবং মিষ্টি আলুর চিপস সহ বাঙালির প্রিয় চিকেন কাটলেট স্বাদের মুকুলকেও মুগ্ধ করবে। সালাদ ছাড়া এই ডিস যে অসম্পূর্ণ। ইন্দোনেশিয়ান লেবু কাফির লাইম এবং স্টোন-গ্রাউন্ড সরিষার স্বাদ সহ কাঁচা আমের সালাদ এর স্বাদের মাত্রা বাড়িয়ে দেবে। এই স্বাস্থ্যকর এবং হৃদয়গ্রাহী সালাদ আপনাকে তাত্ক্ষণিকভাবে উতসাহিত করতে পারে। ভুট্টা, বসন্ত পেঁয়াজ, বেল মরিচ, চেরি টমেটো এবং ভেষজ কাঁচা আমের টুকরো দিয়ে একসাথে একটু নাড়িয়ে চাড়িয়ে নিন। তাহলে তৈরি মিড-ডে মিলের জন্য একটি কুড়কুড়ে ও সতেজ সালাদ। গ্যাস্ট্রোনমিক যাত্রার সমাপ্তি হবে আকর্ষণীয় - ম্যাঙ্গো সিড পুডিং এবং কাটা আমের ফিরনি দিয়ে, পাঁচ হাজার বছরের উত্তরাধিকার সহ ভারতে আম-ই হল সমস্ত ফলের রাজা। রোমান্টিক বর্ষা ঋতুর ব্যবধানের সাথে জ্বলন্ত গ্রীষ্ম হল সেই ঋতু যখন আমরা বিভিন্ন উপায়ে আমের স্বাদ গ্রহণ করি।প্রিন্সটন ক্লাব সব খাবারে সঙ্গে আমের রকমারি খাবার চালু করেছে। ক্লাবের শেফ অভিজিৎ চক্রবর্তী প্রধান উপাদান হিসেবে আমের মহাদেশীয়, প্যান এশিয়ান খাবারের একটি মেডলে উদ্ভাবন করেছেন৷ প্রিন্সটন ক্লাবের ম্যানেজার (অপারেশন)- সঞ্জয় কর্মকার বলেন, আমরা নিশ্চিত যে এই আমের প্রতি ভোজন রসিকরা আমের সুস্বাদু খাবার পছন্দ করবে। ম্যাঙ্গো ম্যানিয়া ৮ই জুলাই থেকে ১৭ই জুলাই প্রিন্সটন ক্লাবে মধ্যাহ্নভোজ এবং রাতের খাবার-এর জন্য চলবে।

জুলাই ১৩, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে জাল নোটের কারবারীর ডেরাতে বাংলাদেশের বই উদ্ধার, এনআইএ তদন্তের দাবী বিজেপির

সাত বছর আগে বর্ধমানের খাগড়াগড়ে ঘটা বিস্ফোরণ কাণ্ডে দুই জেএমবি জঙ্গী নিহত হওয়ার পরেই মিলেছিল বাংলাদেশ যোগ। সেই খাগড়াগড়ে যে জালনোট তৈরির কারখানা চলছিল তার পিছনেও কি বাংলাদেশ যোগ রয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে জাল নোট কাণ্ডে ধৃতদের নেওয়া খাগড়াগড়ের ভাড়া বাড়িতে শনিবার রাত থেকে রবিবার সারাটা দিন অনুসন্ধান চালিয়ে যায় এসটিএফ। উত্তর এখনও স্পষ্ট না হলেও ধৃতদের ভাড়া নেওয়া বাড়ি থেকে বাংলাদেশের একটি বই উদ্ধার হওয়ায় বাংলাদেশ যোগের জল্পনা জোরালো হয়েছে। তা জানার পরেই ঘটনার এনআইএ তদন্তের দাবীতে স্বোচ্চার হয়েছে বিজেপি। তবে এসটিএফের অনুসন্ধানে শেষ পর্যন্ত কি উঠে আসে সেদিকেই এখন তাকিয়ে বর্ধমানবাসী।বর্ধমানের খাগড়াগড়ের নাম প্রথম খবরের শিরোনামে আসে ২০১৪ তে। ওই বছরের ২ অক্টোবর খাগড়াগড়ে ঘটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ কাণ্ড। সে বিস্ফোরণে নিহত হন দুই জেএমবি জঙ্গী শাকিল গাজী ও করিম শেখ। জখম হন আরো একজন। ঘটনা নিয়ে এনআইএ তদন্তে নামার পরেই প্রকাশ্যে আসে বাংলাদেশের নিষিদ্ধ জঙ্গী জামাতুল মুজাহিদীনের (জেএমবি) সদস্য। খাগড়াগড়ে বাড়ি ভাড়া নিয়ে সেখান থেকেই তারা জেহাদি কাজকর্ম চালাচ্ছিল। এনআইএ-র তদন্তে এই তথ্য উঠে আসায় দেশ জুড়ে শোরগোল পড়ে যায়। সেই ঘটনার পর সাত বছর কাটতে না কাটতে এবার জাল নোটের কারবারের পর্দা ফাঁস ঘিরে এখন সরগরম খাগড়াগড়।বর্ধমান থানার পুলিশ গত বৃহস্পতিবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে খাগড়াগড়ের পূর্ব মাঠপাড়ার সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে হানা দেয়। তাঁর বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকা ব্যক্তিদের ঘরেই মেলে জাল (নকল) নোট তৈরির কারখানার। উদ্ধার হয় জাল নোট ছাপার মেশিন ও অন্যান্য সরঞ্জাম, জাল ১২ হাজার ৫০০ টাকার নোট, নোট তৈরীর ডাইস, পাউডার ও কেমিক্যাল। জাল নোট তৈরির কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে ওইদিনই ওই বাড়ি থেকে পুলিশ গোপাল সিং, বিপুল সরকার ও দীপঙ্কর চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার করে।বাংলাদেশী বই উদ্ধারধৃতদের মধ্যে দীপঙ্কর দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বাসিন্দা হলেও বাকী দুই ধৃত গোপাল সিং এবং বিপুল সরকার বর্ধমান শহরের বাসিন্দা বলে পুলিশ জানতে পারে। পরদিন ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করে পুলিশ নিজেদের হেপাজতে নিয়েছে। জাল নোটের কারবারী চক্রের জাল কতদূর বিস্তৃত রয়েছে এবং চক্রে আর কারা কারা যুক্ত রয়েছে তা জানার জন্যে পুলিশ হেপাজতে নেওয়া ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চালায় পুলিশ। ঘটনা নিয়ে খোঁজ খবর নিতে সিআইডি আসরে নামে। পরে শনিবার রাত থেকে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স অর্থাৎ এসটিএফ। একের পর এক অপরাধ মূলক কাজে খাগড়াগড়ের নাম জড়িয়ে যাওয়ায় অসন্তুষ্ট খাগড়াগড়ের স্থায়ী বাসিন্দারা। তাঁদের বক্তব্য, ভাড়াটিয়াদের জন্যেই বদনাম হচ্ছে খাগড়াগড়বাসীর। এবার থেকে ভাড়াটিয়াদের ব্যাপারে সমস্ত খাগড়াগড়বাসী যাতে সতর্ক হয় সেই ব্যাপারে পুলিশের সঙ্গে আলোচনায় ভাবনাচিন্তা করছে করছে এলাকার বাসিন্দারা।এরই মধ্যে জেলা বিজেপি নেতারা আবার খাগড়াগড়ে জাল নোট তৈরির কারখানা চলার বিষয়টি নিয়ে এনআইএ তদন্তের দাবী তুলে সরব হয়েছেন। পাশাপাশি মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র নামে বর্ধমানের এক বিজেপি নেতা সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করে দাবি করেছেন জাল নোটের কারবারী গোপাল সিং বর্ধমানের তৃণমূল নেতাদের ঘনিষ্ট। ভাইরাল হওয়া ওই ছবিতে দেখা যাচ্ছে বর্ধমান শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডে একটি খো খো খেলার মঞ্চে থাকা চেয়ারে বসে রয়েছেন বর্ধমানের প্রভাবশালী তৃণমূল নেতারা। আর ওইসব নেতাদের পাশেই একই মঞ্চে দাঁড়িয়ে রয়েছেন এক ব্যক্তি। তাঁকেই জালনোটের কারবারী চক্রের মূল পাণ্ডা গোপাল সিং বলে দাবী করা হয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস, বিডিএর ভাইস চেয়ারম্যান আইনুল হক ও জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের প্রাক্তন যুবসভাপতি রাসবিহারী হালদারের পাশে আছে ধৃত গোপাল সিং ভাইরাল হওয়া এই ছবি নিয়েই এখন সরগরম বর্ধমানের রাজনৈতিক মহল।জেলা বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র দাবী করেছেন,খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণ কাণ্ডেও তৃণমূলের যোগ পাওয়া গিয়েছিল। সেই খাগড়াগড়ে ফের জাল নোটের কারবারের হদিশ উদ্ধারের পর থেকেই একই ভাবে তৃণমূলের যোগ থাকার আশংকা তৈরি হয়েছিল। তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে একই মঞ্চে জাল নোটের কারবারের মূল চক্রী গোপাল সিং এর দাঁড়িয়ে থাকায় ছবি সেই আশঙ্কাকেই সত্যি করে তুলেছে। পাশাপাশি তিনি এনআইএ কে দিয়েই খাগড়াগড়ের জাল নোট কারবারের তদন্ত করানোর দাবী তুলেছেন।যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের জেলার মুখপত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, এখন সবই তৃণমূল। সুতরাং খেলার মাঠে আমাদের পাশে কে দাঁড়িয়ে থাকবে তা জানার কথা নয়। মিথ্যা অভিযোগ করাই বিজেপির কাজ। পুলিশ তদন্ত করছে। সব সত্যি বের হবে তৃণমূলের বদনাম করতে বিজেপি নেতারা এইসব করছে। তা নিয়ে থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছে পুলিশ তদন্ত করছে। সব সত্যি সামনে আসবে বলে প্রসেনজিৎ বাবু জানিয়েছেন।বদনামের ভাগিদার হল খাগড়াগড়। এইসব নিয়ে এলাকাবাষীয় যথেষ্ট আতঙ্কিত হয়ে রয়েছেন। ধৃতদের কড়া শাস্তির দাবী করেছেন খাগড়াগড়ের আদি বাসিন্দারা। ধৃত গোপাল সিং এর বাড়ির পরিচারিকা জানান, পুলিশ এসে বাড়ি থেকে দুটি সাদা কাগজ ভর্তি ব্যাগ নিয়ে গেছে।

মে ২৩, ২০২২
দেশ

উৎকণ্ঠার অবসান, ২১৯ ভারতীয়কে নিয়ে রোমানিয়া থেকে উড়ল প্রথম বিমান

অবশেষে স্বস্তি পেলেন যুদ্ধ-বিধ্বস্ত ইউক্রেনে আটকে পড়া ২১৯ জন ভারতীয় নাগরিক। ২১৯ জন ভারতীয় নাগরিককে নিয়ে রোমানিয়া থেকে ভারতের উদ্দেশ্যে উড়েছে প্রথম বিমান, এই বিমান এসে পৌঁছবে আজ রাত ৯টায় মুম্বইয়ে। শনিবার টুইট করে এই সুখবর দিয়েছেন কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। একইসঙ্গে বিদেশমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি সর্বদা ব্যক্তিগত সামগ্রিক পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন।My heartfelt thanks to FM @BogdanAurescu for his Governments cooperation. https://t.co/L0EknlIrHT Dr. S. Jaishankar (@DrSJaishankar) February 26, 2022বিমানে বসে থাকা ও বিমানে ওঠার আগে ২১৯ জন ভারতীয় নাগরিকদের চারটি ছবি নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে আপলোড করে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, ইউক্রেন থেকে ভারতীয় নাগরিকদের উদ্ধারের বিষয়ে আমরা অগ্রগতি করছি। আমাদের টিম গ্রাউন্ডে ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনিটরিং করছি। রোমানিয়া থেকে ২১৯ জনকে নিয়ে মুম্বইয়ের উদ্দেশে যাত্রা করেছে প্রথম বিমান।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ক্যালিফোর্নিয়ায় দুর্ঘটনার কবলে জনপ্রিয় হলিউড তারকার গাড়ী

বড়সড় গাড়ি দুর্ঘটনা। এই দুর্ঘটনার সম্মুখীন হলেন জনপ্রিয় হলিউড তারকা তথা ক্যালিফোর্নিয়ার প্রাক্তন গভর্নর আর্নল্ড সোয়ার্ৎজেনেগার। এই দুর্ঘটনার বিষয়ে জানা গেছে শুক্রবার বিকেলে ৪:৩৫ নাগাদ ক্যালিফোর্নিয়ার সানসেট এবং অ্যালানফোর্ড অঞ্চলে দুর্ঘটনাটি ঘটে। আর্নল্ডের গাড়ি সজোরে ধাক্কা মারে অন্য একটি গাড়িকে। এতটাই জোর ছিল যে একটি গাড়ি অন্যটির উপর প্রায় উঠে যায়! দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন এক মহিলা। তাঁকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর নেই। ফক্স নিউজ ডিজিট্যাল-কে জানিয়েছেন লস এঞ্জেলস পুলিশের ড্রেক ম্যাডিসন নামের এক আধিকারিক। আরও জানা গেছে টার্মিনেটর এর ইউকোন গাড়িটি লাল রঙের একটি টয়োটা প্রিয়াসকে সজোরে ধাক্কা মারেন। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে দুটি গাড়িই। তবে অক্ষত আছেন হলি-তারকা। দুর্ঘটনায় কোনও আঁচড়ও পড়েনি তাঁর শরীরে। ইতিমধ্যেই দুর্ঘটনাস্থল থেকে নেটপাড়ায় হু হু করে ভাইরাল হয়েছে সেই দুই গাড়ির ছবি। দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, দেখে মনে হয়েছিল কোনও ছবির ভয়ংকর স্টান্টের দৃশ্য দেখছি।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

চলতি মরশুমই শেষ, টেনিস কোর্টকে বিদায় সানিয়া মির্জার

আর কতদিন? সন্তান জন্ম দেওয়ার পর অসংখ্যবার কথাটা শুনতে হয়েছে সানিয়া মির্জাকে। বারবারই প্রশ্নটা হেসে উড়িয়ে দিয়েছেন। এবার আর প্রশ্ন করার সুযোগই দিলেন না। অবশেষে টেনিস কোর্টকে বিদায় জানাতে চলেছেন সানিয়া মির্জা। চলতি মরশুম শেষে আর র্যাকেট হাতে কোর্টে দেখা যাবে না ভারতীয় টেনিসের এই কিংবদন্তিকে। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের মহিলাদের ডাবলসের প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নেওয়ার পরই তিনি টেনিসকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।সন্তান জন্ম দেওয়ার পর দীর্ঘদিন টেনিসের বাইরে ছিলেন সানিয়া মির্জা। তারপর আবার ফিটনেসের চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছে কোর্টে ফেরেন। কোর্টে ফিরলেও পুরনো সানিয়াকে কখনও পাওয়া যায়নি। নিজের সেরা ছন্দের ধারে কাছে পৌঁছতে পারেননি ভারতের এই মহিলা টেনিস তারকা। এবছর অস্ট্রেলিয়া ওপেনেও মহিলাদের ডাবলসে প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিলেন। ইউক্রেনের নাদিয়া কিচেনোকের সঙ্গে জুটি বেঁধে ডাবলস খেলতে নেমেছিলেন সানিয়া। স্লোভেনিয়ার ট্যামারা জিডানসেক ও কাজা জুভান জুটির কাছে ৪৬, ৬৭ (৫) ব্যবধানে হারেন সানিয়ারা। মূলত নাদিয়া কিচেনোকের জন্যই হারতে হয়েছে। এদিন একেবারেই সেরা ছন্দে ছিলেন না ইউক্রেনের এই মহিলা টেনিস তারকা।অস্ট্রেলিয়ান ওপেন থেকে বিদায় নেওয়ার পর সানিয়া বলেন, চলতি মরশুম শেষে টেনিসকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শরীরের যা অবস্থা জানি না মরশুমের শেষ পর্যন্ত খেলা চালিয়ে যেতে পারব কিনা। তবে আমি মনে করি, এখনও ভাল খেলার মতো জায়গায় রয়েছি। কেন কোর্টকে বিদায় জানাতে চলেছেন? এই প্রসঙ্গে সানিয়া বলেছেন, কোনও একটা নির্দিষ্ট কারনে টেনিস থেকে সরে যাচ্ছেন না। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। চোট পেলে রিকভারি করতে অনেক সময় লাগছে। আমার ছেলের বয়স ৩ বছর। এখন ও আমার ছায়াসঙ্গী। আমার সঙ্গে দেশবিদেশে ওকেও ঘুরতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ছেলেকে আমি আর বিপদের মুখে খেলতে চাই না।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
কলকাতা

মাওবাদীদের অর্থ জোগান, কলকাতায় ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করল এনআইএ

মাওবাদীদের অর্থ জোগানের অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করল এনআইএ। মঙ্গলবার এক ব্যবসায়ীকে কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার করেছে এনআইএ-এর রাঁচির টিম। ধৃতের নাম মহেশ আগরওয়াল।সূত্রের খবর, মঙ্গলবার দক্ষিণ কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মহেশ আগরওয়াল নামে ওই ব্যবসায়ীকে। তার খোঁজে দীর্ঘদিন ধরেই তল্লাশি চালাচ্ছিলেন তদন্তকারীরা। ট্রানজিট রিমান্ডের জন্য ধৃতকে বুধবার কলকাতায় বিশেষ এনআইএ আদালতে তোলা হয়।ধৃত মহেশ আগরওয়ালকে রাঁচি নিয়ে যেতে চান তদন্তকারীরা। সেখানেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান তাঁরা। তার সঙ্গে আর কে কে জড়িত, কোথায় কোথায় অর্থ জোগান করেছে সে, কত টাকা ফান্ডিং করেছে-এই সব প্রশ্নের উত্তর পেতে চান তদন্তকারীরা। ধৃতকে রাঁচিতে নিয়ে গিয়েই জেরা করতে চায় এনআইএ। সূত্রের খবর মাওবাদীদের অর্থ যোগানের প্রমাণ রয়েছে ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
রাজ্য

Khagragarh Blasts: খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কাণ্ডের পর এবার অস্ত্র চুরির ঘটনায় বর্ধমানে তদন্ত করে গেল এনআইএ

সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্সের অস্ত্র চুরি করে মাওবাদী শীর্ষ নেতাদের সরবরাহ করার ঘটনার নিয়ে বর্ধমানেও তদন্তে এল ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি(এনআইএ)। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা বুধবারএকযোগে ধানবাদ, রাঁচি, পাটনা, ছাপড়া, গয়া, উত্তর প্রদেশের চাণ্ডুলি ও বর্ধমান জেলায় তল্লাশি চালিয়ে গেলেও কাকপক্ষীতেও তার টের পায়নি। গোয়েন্দারা অত্যন্ত গোপনে বিভিন্ন জায়গায় হানা দেন। হানায় হিসেব বহির্ভূত ১ লক্ষ ৪৬ হাজার টাকা, ল্যাপটপ, সেল ফোন, কম্পিউটার, ডিজিটাল স্টোরেজ ডিভাইস, আপত্তিকর নথি, চুরি করা অস্ত্রের বাক্স এবং বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র উদ্ধার হয়েছে।সেন্ট্রাল আর্মড ফোর্সের অস্ত্র চুরি সংক্রান্ত মূল মামলাটি শুরু হয়েছে ঝাড়খণ্ডের রাঁচির এটিএস থানায়। পরে ঘটনার গুরুত্ব বুঝে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক তদন্তভার এনআইএ-র হাতে তুলে দেয়। সেই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে কেস রুজু করে এনআইএ তদন্তে নামে। এর আগে বর্ধমানে খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কাণ্ডে তদন্তে নামে এনআইএ। তদন্তে নেমে এনআইএ জামাতুল মুজাহিদিন জঙ্গি গোষ্ঠীর সম্পের্ক বেশ কিছু নতুন তথ্য পায়। খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কাণ্ডের পর এবার মাওবাদীদের অস্ত্র সরবরাহে বর্ধমানের নাম জড়িয়ে যাওয়ায় স্বাভাবতই জেলা প্রশাসনিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত একটি গ্যাং বিভিন্ন জায়গা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র লুট করে তা মাওবাদীদের সরবরাহ করছে বলে গোয়েন্দারা খবর পান। গ্যাংটি যে শুধু অস্ত্র লুট করে তা মাওবাদীদের সরবরাহ করছে তাই নয়, তারা দেশবিরোধী শক্তিকে আর্থিক ভাবে সাহায্যও করছে। এমনকি তারা আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভীতি প্রদর্শন করে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে মোটা টাকা তোলা আদায়ও করছে। ইতিমধ্যেই বিহারের গয়া জেলার ইমামগঞ্জ থানার অভিনাশ কুমার ওরফে চুন্নু শর্মা, পাটনার সালিমপুরের ঋষি কুমার, ঝাড়খণ্ডের ধানবাদের আজাদনগরের পঙ্কজকুমার সিং, আমান সাহু ওরফে সাউ, অরুণকুমর সিং ওরফে ফৌজি গোয়েন্দাদের হাতে ধরা পড়েছে। গ্যাংয়ের রাঁচি এয়ারপোর্ট থানা এলাকার বাসিন্দা সঞ্জয়কুমার সিং, পেশায় কনট্রাক্টর মুজাহিদ খান এখনও ধরা পড়েনি। এনআইএর গোয়েন্দারা হন্যে হয়ে তাদের খোঁজ চালাচ্ছে। সিভিল কনট্রাক্টর মুজাহিদ এবং সঞ্জয় দুজনে মাওবাদীদের হয়ে ফান্ড সংগ্রহ করছে এবং তা মাওবাদীদের সরবরাহ করছে। মুজাহিদ ইনসাস রাইফেলের ২৫০টি কার্তুজ ও ১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা মাওবাদীদের দিয়েছে বলে গোয়েন্দারা জেনেছেন। এছাড়াও ধৃত ঋষি কুমারের কাছ থেকে ৪৫০ রাউন্ড ৫.৫৬ এমএম কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। ঋষি এবং অভিনাশ মিলে তা একটি টেররিস্ট গ্যাংকে সরবরাহের জন্য মজুত করেছিল বলে জেনেছেন গোয়েন্দারা।তাদের কাছে দেশিয় প্রযুক্তিতে তৈরি পিস্তলও রয়েছে, যা তারা টেররিস্ট গ্যাংকে সরবরাহ করে থাকে বলে গোয়েন্দারা জেনেছেন। তবে বর্ধমানে তল্লাশির বিষয়ে এনআইএর কোনও আধিকারিক মুখ খুলতে চাননি।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
রাজ্য

Hoogly Murder: বাবা-মা-বোনকে খুন করে আত্মহত্যার চেষ্টা শিক্ষকের

মা, বাবা এবং বোনকে খুন করে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন এক যুবক। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে হুগলি জেলার ধনিয়াখালির দশঘড়া রায়পাড়ায়। পরিবারের লোককে খুন করে আত্মহত্যার চেষ্টা করা ওই যুবকের নাম প্রমথেশ ঘোষাল। পেশায় তিনি গৃহশিক্ষক। দীর্ঘ দিন ধরেই সিরোসিস অব লিভারে ভুগছিলেন তিনি। স্থানীয়দের দাবি, বাবা, মা এবং বোনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা, হাতের শিরা কেটে খুন করেন প্রমথেশ। তার পর নিজের হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ধনিয়াখালি গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানেই চলছে চিকিৎসা। খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে পুলিশ যায় প্রমথেশের বাড়ি। তারা গিয়ে দেহগুলি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতেরা হলেন অসীম ঘোষাল (৬৮), শুভ্রা ঘোষাল (৬০) এবং পল্লবী চট্টোপাধ্যায় (৩৩)। দীর্ঘ ৪০ বছর ধরেই তাঁরা ধনিয়াখালির দশঘড়ার বাসিন্দা। প্রমথেশের বোন পল্লবী ভাইফোঁটা উপলক্ষে এসেছিলেন বাপের বাড়ি। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, পেশায় গৃহশিক্ষক প্রমথেশ আর্থিক অনটনে পড়েছিলেন। তার উপর বাবা, মা এবং নিজের চিকিৎসার খরচ চালাতে হিমশিম খেয়ে মানসিক অবসাদেও ভুগছিলেন তিনি। আর্থিক অনটনের জেরেই এই ঘটনা বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। তবে প্রমথেশকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

নভেম্বর ০৯, ২০২১
রাজ্য

JMB-Terrorists: সুভাষগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার জেএমবি জঙ্গি, দীপাবিলর আগে নাশকতার ছক?

ফের বাংলা থেকে এনআইএ-র জালে ধরা পড়ল জেএমবি জঙ্গি। দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে এনআইএ এক সন্দেহভাজন জামাত ইল মুজাহিদিন বাংলাদেশ বা জেএমবি জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছে। দীপাবলির আগে নাশকতার ছক ছিল কী না জানতে জেরা করছে এনআইএ।NIA arrests Jamaat-ul-Mujahideen Bangladesh terrorist from West Bengals South 24 ParganasRead @ANI Story | https://t.co/5v74Xx3MwK#NIA pic.twitter.com/TLpDz0CWPL ANI Digital (@ani_digital) November 3, 2021গত জুলাই মাসে কলকাতার হরিদেবপুর থেকে নাজিউর রহমান নামে এক সন্দেহভাজন জেএমবি জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করে এনআইএ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আব্দুল মান্নানের নাম উঠে আসে। তার পরই আব্দুল মান্নানের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে এনআইএ। শেষ পর্যন্ত সুভাষগ্রামে তাঁর সন্ধান মেলে। বুধবার ধৃতকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হবে।সোনারপুরের সুভাষগ্রামে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন আব্দুল মান্নান নামে এক ব্যক্তি। মঙ্গলবার মধ্যরাতে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালায় এনআইএ। স্থানীয় সূত্রে খবর, আদতে বাংলাদেশের নাগরিক আব্দুল মান্নান নাম পরিচয় ভাঁড়িয়ে সুভাষগ্রাম এলাকায় ভাড়া থাকছিলেন। তাঁর কাছ থেকে ভুয়ো আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড উদ্ধার করেছে এনআইএ। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, জেএমবি-র সক্রিয় সদস্য ধৃত আব্দুল মান্নান বড়সড় কোনও নাশকতার পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
দেশ

Punjab CM Resign: মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়লেন 'অপমানিত' অমরিন্দর সিং

কংগ্রেসের ঘরোয়া কোন্দল তুঙ্গে ওঠায় বিধানসভা নির্বাচনের বছরখানেক আগেই পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে তিনি বলেন, আজ সকালেই সনিয়া গান্ধিকে জানিয়েছি। আমি অপমানিত বোধ করছিলাম। এত অপমান সহ্য করে দলে থাকা সম্ভব নয়। এই ধরনের অপমান যথেষ্ঠ। তিনবার অপমান করা হল। এই হেনস্থা সহ্য করে আমি দলে থাকতে পারব না। আরও পড়ুনঃ ফের ঘূর্ণাবর্তের জেরে সপ্তাহান্তে ভারী বৃষ্টিতে ভিজছে শহরসূত্রের খবর, দলেরই ৫০ জন বিধায়ক সনিয়া গান্ধিকে চিঠি লিখেছিলেন অমরিন্দরকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণ নিয়ে। শুক্রবার মধ্যরাতে একটি টুইট করে কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে আজ বিকেল পাঁচটায় বিধায়কদের নিয়ে একটি জরুরি বৈঠক ডাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পঞ্জাব বিধায়কদের থেকে ইতিমধ্যেই দলকে চাপে রাখা হচ্ছিল যাতে ক্যাপ্টেনের জায়গায় নিয়ে আসা হয় অন্য কাউকে।সময় বদলের সঙ্গে সঙ্গে কংগ্রেসে গুরুত্ব বেড়েছে সিধুর। গুরুত্ব কমেছে অমরিন্দরের। কয়েকমাস পূর্বে সুনীল জাখরকে সরিয়ে সিধুকে কংগ্রেস সভাপতি করা হয়। তখন থেকেই ক্রমশ দলে ব্রাত্য হতে থাকেন ক্যাপ্টেন সিং। জানা যায়, সেই সময়ই নাকি অমরিন্দরকে ইস্তফা দিতে বলে হাই কমান্ড। অন্যদিকে দলে বাড়তে থাকে সিধুর গুরুত্ব। চারজন মন্ত্রী ও ২৪ জন ক্যাপ্টেন সিংয়ের বিরুদ্ধে নতুন করে বিদ্রোহ ঘোষণা করে জানিয়েছিলেন যে তাদের অমরিন্দরের নেতৃত্বের উপর ভরসা নেই। উল্লেখ্য, সামনেই রয়েছে পঞ্জাবে নির্বাচন। কিন্তু ভোটের প্রচারে মন দেওয়ার বদলে দলের অন্দরে নেতা-মন্ত্রীদের ক্ষোভ মেটাতেই হিমশিম খাচ্ছে দিল্লির শীর্ষ নেতৃত্ব।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
রাজ্য

Bhatpara-Bombing: ফের অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বোমাবাজি

ফের সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বোমাবাজি। মঙ্গলবার সকাল নটায় অর্জুন সিংয়ের বাড়ির পিছনে আবার বোমা ছুড়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। ৮ ই সেপ্টেম্বরের পর ফের এদিন সকালের বোমাবাজির ঘটনায় প্রশ্ন উঠল প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে। সোমবারই সাংসদের বাড়ির বাইরে বোমাবাজির ঘটনায় তদন্তভার এনআইএ-কে দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। আর মঙ্গলবার সকালে ফের বোমাবাজির ঘটনা।সূত্রের খবর, সোমবার রাতে বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংয়ের ছেলে পবন সিংয়ের সঙ্গে ফোনে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন এনআইএ-এর এক কর্তা। গত ৮ ই সেপ্টেম্বর সাংসদের বাড়িতে বোমা মারার ঘটনা নিয়ে কথা বলেন তিনি। সাংসদের পরিবার সূত্রে খবর, মঙ্গলবার এই ঘটনায় তদন্তে আসতে পারে এনআইএ। তারই মধ্যে আজই ফের বোমাবাজি। বাড়ির সামনে নো পার্কিং জোন। সাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ। এই অবস্থায় দুষ্কৃতীরা কিভাবে বারে বারে বোমাবাজি করে? নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন সাংসদের পুত্র পবন সিংও।আরও পড়ুনঃ আচমকাই ভোট-প্রচারে ভবানীপুরে মমতাপ্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবারই সিআইএসএফ প্রহরার দেড় ফুটের মধ্যেই সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বোমাবাজি হয়। সাংসদের নিরাপত্তা নিয়েই উঠছে একাধিক প্রশ্ন। তবে এই প্রথমবার নয়, ভোট পরবর্তী পর্যায়ে জুলাই মাসেও অর্জুনের বাড়িতে বোমাবাজি হয়।এদিকে, ভাটপাড়ায় বারবার গুলি, বোমা এবং খুনের ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকার বাদিন্দারা। দিনকে দিন বাড়ছে দুষ্কৃতীরাজ। অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন এলাকাবাসীরাও। স্থানীয়রাই বলছেন, ভাটপাড়া ছেড়ে চলে যেতে ইচ্ছা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের আত্মীয়রাও আসতে ভয় পাচ্ছেন বলে অভিযোগ।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

Arjun-NIA: অর্জুনের বাড়িতে বোমাবাজির ঘটনায় তদন্তভার এনআইএ-র

ভাটপাড়ায় বোমাবাজির ঘটনায় তদন্ত ভার নিল ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা এনআইএ । ৮ সেপ্টেম্বর বোমাবাজি হয় ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়ির সামনে। সেই ঘটনার তদন্ত ভার এনআইএকে দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। উল্লেখযোগ্যভাবে, কোনও ঘটনার তদন্তভার সাধারণত তখনই এনআইএ-এর হাতে ন্যস্ত করা হয়, যখন সেখানে সন্ত্রাসবাদের কোনও যোগ থাকে। প্রশ্ন উঠছে, ভাটপাড়ার এই ঘটনায় কি তবে সেদিকেই ইঙ্গিত করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।গত বুধবার সকালে সিআইএসএফের পাহারার মধ্যে থাকা সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বোমাবাজির ঘটনার অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় সাংসদের নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বাইক থেকে পরপর ২-৩ টি বোমা ছোড়া হয় অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বলে অভিযোগ। সিআইএসএফ জওয়ানদের সামনেই বোমা মেরে পালিয়ে যান যুবকরা। এই ঘটনায় অর্জুন সিং বলেছিলেন, তিনি কেন্দ্রীয় তদন্ত দাবি করবেন। এনআইএ ঘটনার তদন্ত করুক তিনি চান।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের পাশে সৌরভ, শাস্ত্রীদের কোনও শাস্তি হচ্ছে নাসাংসদ অর্জুন সিং ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পান। তারই মধ্যেও কী ভাবে এই ধরনের ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এরপরই গত শুক্রবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে যান। তিনি সেখানে দাঁড়িয়েই বলেছিলেন, একজন সাংসদের বাড়িতে যে ভাবে বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত লজ্জার। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের জেরেই এই বোমাবাজির ঘটনা। মুখ্যমন্ত্রী তো কোনও পদক্ষেপ করছেন না। জাতীয় সংস্থার গোয়েন্দারা দায়িত্ব নিলে সেখানে আর আলাদা করে বলার কিছু থাকবে না। এরই মধ্যে সোমবার জানা গেল, ভাটপাড়ার বোমাবাজিকাণ্ডের তদন্ত ভার এনআইএ-এর হাতেই তুলে দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।যদিও সূত্রের খবর, যে নির্দেশনামা এনআইএ-এর হাতে পৌঁছেছে, সেখানে অর্জুন সিংয়ের নাম উল্লেখ করা হয়নি। বলা হয়েছে, পবন সিংয়ের দপ্তরের সামনে বোমাবাজির ঘটনার তদন্ত করবে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। অর্থাৎ অর্জুন-পুত্র পবন সিংয়ের দপ্তর মানেই তা বিজেপি সাংসদের বাড়ির এলাকাই।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মমতার হারের পর তৃণমূলে নতুন সমীকরণ! বিধানসভায় বড় দায়িত্ব পেলেন কারা?

পনেরো বছর পর পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা হারিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ফলে এবার বিধানসভায় বিরোধী আসনে বসতে হবে তৃণমূলকে। আর সেই কারণেই বিরোধী দলনেতা কে হবেন, তা নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জোর জল্পনা চলছিল রাজনৈতিক মহলে।অবশেষে শনিবার সেই জল্পনার অবসান ঘটাল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্ষীয়ান নেতা ও বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ই হচ্ছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা।একই সঙ্গে বিধানসভায় তৃণমূলের পরিষদীয় দলের চিফ হুইপ করা হয়েছে ফিরহাদ হাকিমকে। এছাড়াও ডেপুটি বিরোধী দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্র।ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস মোট ৮০টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজ্যে সরকার গঠন করেছে। ভবানীপুর কেন্দ্রেও শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকেই প্রশ্ন উঠছিল, বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে।ফল ঘোষণার পর তৃণমূল বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও সেই বৈঠকে কোনও নাম ঘোষণা করা হয়নি। অবশেষে শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধী দলনেতার নাম ঘোষণা করল দল।রাজনৈতিক মহলের মতে, অভিজ্ঞতা ও দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কাজের কারণেই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের উপর ভরসা রেখেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। আগামী দিনে বিধানসভায় বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তৃণমূলের মুখ হিসেবেই দেখা যাবে তাঁকে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

“আমার বাড়ির ইন্টারনেটও কেটে দিয়েছে”, বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার

বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করে চলেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গণনাকেন্দ্রে তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলে আগেই অভিযোগ করেছিলেন তিনি। এবার রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন কালীঘাটের অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে নতুন অভিযোগ তুললেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর দাবি, বাড়ির ইন্টারনেট সংযোগও কেটে দেওয়া হয়েছে।শনিবার কালীঘাটে রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সেই মঞ্চ থেকেই তিনি বলেন, বিজেপি জেতার রাত থেকেই তাঁর নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। মমতার কথায়, ওরা যেদিন জিতেছে, সেই রাত থেকেই আমাদের সব নিরাপত্তারক্ষী তুলে নিয়েছে। তার পর দেখলাম ফোন আসছে না, মেসেজ ঢুকছে না। পরে বুঝলাম আমার বাড়ির ইন্টারনেটও কেটে দেওয়া হয়েছে। অন্তত এক ঘণ্টা আগে জানাতে পারত। তবে আমি ওদের দয়া চাই না। কারণ লড়াইটা আমরাই জিতেছি।এর আগেও গণনার দিন গুরুতর অভিযোগ করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি দাবি করেছিলেন, গণনাকেন্দ্রে ঢোকার সময় তাঁকে বাধা দেওয়া হয় এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁকে মারধর করেন। তাঁর অভিযোগ, আমি এগিয়ে ছিলাম। তার পর বিজেপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কাউন্টিং সেন্টারে ঢুকে চাপ সৃষ্টি করতে শুরু করে। আমাকে ধাক্কা দেওয়া হয়, লাঠি মারা হয়। তখন সিসিটিভিও বন্ধ ছিল।মমতার এই ধারাবাহিক অভিযোগ ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপি অবশ্য এই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। তবে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ইতিহাসে হাত শুভেন্দুর! নতুন বিতর্কে সরগরম বাংলা

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার দিনই পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার ব্রিগেড ময়দানে শপথ গ্রহণের কয়েক ঘণ্টা পর ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাসভবনে যান তিনি। সেখানে শ্রদ্ধা জানানোর পরই পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে বড় ইঙ্গিত দেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস ১৯৪৭ সালের ২০ জুন হওয়া উচিত। তাঁর দাবি, ওই দিন বাংলাভাগের সিদ্ধান্ত হয়েছিল বলেই পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হিসেবে গড়ে উঠেছিল। তিনি জানান, এই বিষয়টি মন্ত্রিসভা এবং বিধানসভায় তোলা হবে। শুভেন্দুর কথায়, ইতিহাস বদলে দেওয়া যায় না। ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় না থাকলে আমাদের অবস্থাও বাংলাদেশে থাকা সংখ্যালঘু হিন্দুদের মতো হতে পারত।১৯৪৭ সালের ২০ জুন অবিভক্ত বাংলার আইনসভায় বাংলাভাগের প্রস্তাব ওঠে। ভোটাভুটিতে বাংলাভাগের পক্ষে মত পড়ে। তার ফলেই পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হয় এবং পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয়। এই ঘটনাকেই সামনে রেখে বিজেপি দীর্ঘদিন ধরেই ২০ জুনকে পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে পালনের দাবি জানিয়ে এসেছে। কেন্দ্রীয় সরকারও এই দিনটিকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে পালন করে। লোকভবনেও প্রতি বছর ২০ জুন অনুষ্ঠান হয়।তবে তৎকালীন তৃণমূল সরকার এই সিদ্ধান্ত মানতে চায়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে রাজ্য বিধানসভায় পয়লা বৈশাখকে বাংলা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাশ হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তের পর থেকেই দুই তারিখ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছিল। এবার রাজ্যে সরকার বদলের পর নতুন করে সেই বিতর্ক আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত মিলল শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যে।রাজনৈতিক মহলের মতে, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম দিনেই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভাবনাকে সামনে এনে শুভেন্দু স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা দিলেন। আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে।মেটা বর্ণনা: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পয়লা বৈশাখের বদলে ২০ জুনকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস করার কথা বলতেই শুরু তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

বিজেপিকে ঠেকাতে বাম-অতিবামদের ডাক মমতার! কালীঘাট থেকে বড় বার্তা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর

একসময় তৃণমূলকে হারাতে সব বিরোধী শক্তিকে একজোট হওয়ার ডাক দিত বিজেপি। এবার বাংলায় ক্ষমতার পালাবদলের পর একই বার্তা শোনা গেল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। বিজেপিকে রুখতে বাম, অতিবাম-সহ সব বিরোধী রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে আসার আহ্বান জানালেন তিনি।শনিবার রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে কালীঘাটে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দোলা সেন, ফিরহাদ হাকিম, কুণাল ঘোষ-সহ তৃণমূলের একাধিক নেতা। সেই অনুষ্ঠান থেকেই বিরোধী ঐক্যের বার্তা দেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।মমতা বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আমি আবেদন জানাচ্ছি, বিজেপির বিরুদ্ধে যারা লড়াই করছে তারা সবাই একজোট হোন। ছাত্র, যুব, রাজনৈতিক সংগঠন সবাই এক প্ল্যাটফর্মে আসুন। বাম, অতিবামদের নিয়েও আমার কোনও আপত্তি নেই। আমার কোনও ইগো নেই। বিজেপিকে রুখতে হলে সবাইকে একসঙ্গে লড়তে হবে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বড় জয়ের পরই রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করেছে। দীর্ঘদিন একক শক্তিতে লড়াই করা তৃণমূল এখন বুঝতে পারছে যে বিজেপির বিরুদ্ধে বৃহত্তর বিরোধী জোট গড়া জরুরি। সেই কারণেই বাম ও অতিবাম দলগুলিকেও পাশে চাওয়ার বার্তা দিলেন মমতা।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বামের ভোটের বড় অংশ বিজেপির দিকে যাওয়াই এবারের নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে। সেই কারণেই বাম ভোটব্যাঙ্ককে ফের একত্রিত করার চেষ্টা শুরু করেছে তৃণমূল। একই সঙ্গে বিজেপি বিরোধী সব শক্তিকে এক ছাতার তলায় আনার বার্তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন মমতা।তবে মমতার এই আহ্বান নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগে ঠিক করুন তিনি বিরোধী রাজনীতি করবেন কি না। বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যের কথা যখনই উঠেছে, তখনই তিনি ভাঙনের রাজনীতি করেছেন। তাই এখন তাঁর কথায় কতটা বিশ্বাস করা যায়, সেটাই প্রশ্ন।অন্যদিকে সিপিএমএল নেতা দীপঙ্কর ভট্টাচার্য বলেন, বাংলার বর্তমান পরিস্থিতিতে বিজেপির বিরুদ্ধে সব গণতান্ত্রিক শক্তিকেই রাস্তায় নামতে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর মতো আন্দোলন করুন, আমরাও করব।বাংলার রাজনীতিতে এই মুহূর্তে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দেখছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। বিজেপির উত্থানের পর বিরোধী শক্তিগুলির মধ্যে নতুন করে জোট রাজনীতির আলোচনা শুরু হওয়ায় রাজ্যের রাজনীতি আরও উত্তপ্ত হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

২০২০-র সেই সিদ্ধান্তই বদলে দিল বাংলার রাজনীতি, আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বর, শনিবার। মেদিনীপুরের কলেজ মাঠে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই দিনটি রাজ্য রাজনীতিতে বড় চমক তৈরি করেছিল। ঠিক সাড়ে পাঁচ বছর পর আবারও এক শনিবার বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকল। শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী।দুই শনিবারের এই রাজনৈতিক যাত্রা এখন শুভেন্দুর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সময় থেকেই তাঁর লক্ষ্য ছিল বাংলায় বিজেপিকে ক্ষমতায় আনা। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে হাতে খুব বেশি সময় পাননি তিনি। সেই নির্বাচনে বিজেপি ৭৭টি আসনে জয় পেলেও পরে একাধিক বিধায়ক দলবদল করেন। তৃণমূলে ফিরে যান মুকুল রায়ও।কিন্তু তারপরও থেমে থাকেননি শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতা হিসেবে বিধানসভার ভিতরে এবং বাইরে লাগাতার তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালিয়ে গিয়েছেন। বিজেপি কর্মীদের মনোবল বাড়াতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ছুটে গিয়েছেন তিনি।শুভেন্দু বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রামে তিনি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেছিলেন। শুধু তাই নয়, ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগেও ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, শুভেন্দু বুঝেছিলেন, ভবানীপুরে তৃণমূল নেত্রীকে চাপে রাখতে পারলে তার প্রভাব গোটা রাজ্যে পড়বে।শেষ পর্যন্ত সেই কৌশলই সফল হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। পরপর দুবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্বাচনে হারিয়ে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু। আর সেই সাফল্যের পর বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পদে তাঁর নামই সবচেয়ে জোরালো হয়ে ওঠে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংগঠন শক্তিশালী করা থেকে শুরু করে বিজেপির ভোটব্যাঙ্ককে ধরে রাখাসব ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাই শেষ পর্যন্ত বাংলার মসনদে তাঁর বসা অনেকটাই প্রত্যাশিত ছিল।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দুর শপথ মঞ্চে নজর কাড়লেন এই প্রবীণ নেতা, জানেন তাঁর পরিচয়?

রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ইতিহাস গড়ল বিজেপি। বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে ওঠে ব্রিগেড ময়দান।তবে শপথ অনুষ্ঠানের মাঝে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়েন ৯৭ বছরের প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকার। শিলিগুড়ির এই প্রবীণ নেতাকে মঞ্চে বিশেষ সম্মান জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে জড়িয়ে ধরেন প্রধানমন্ত্রী এবং শাল পরিয়ে সম্মান জানান। সেই মুহূর্ত ঘিরে আবেগ ছড়িয়ে পড়ে গোটা মঞ্চে।মাখনলাল সরকার দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। তাঁকে শিলিগুড়িতে বিজেপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবেও ধরা হয়। বিজেপি বরাবরই বাংলায় নিজেদের রাজনৈতিক লড়াইকে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শের সঙ্গে যুক্ত করে এসেছে। ফল ঘোষণার দিনও বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে তাঁর মূর্তিতে মাল্যদান করেছিলেন।এদিন মাখনলাল সরকারকে নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দেশের সংবিধান এবং অখণ্ডতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আর সেই সময়ের অন্যতম সাক্ষী ছিলেন মাখনলাল সরকার। ৯৭ বছর বয়সেও তিনি দলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন বলে তাঁকে বিশেষ সম্মান জানানো হয়েছে।জানা গিয়েছে, স্বাধীনতার পর জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে প্রথম সারি থেকেই যুক্ত ছিলেন মাখনলাল সরকার। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে ভারতীয় তেরঙ্গা উত্তোলনের আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে অংশ নেওয়ার সময় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।১৯৮০ সালে বিজেপি গঠনের পর পশ্চিম দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং জেলার সাংগঠনিক দায়িত্বও সামলান তিনি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হাজার হাজার সদস্যকে বিজেপিতে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে দাবি দলের।শমীক ভট্টাচার্য আরও জানান, একসময় দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। আদালতে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি রাজি হননি। উল্টে বিচারকের সামনেই সেই গান আবার গেয়েছিলেন। পরে বিচারক তাঁকে বাড়ি ফেরার জন্য প্রথম শ্রেণির টিকিট এবং যাত্রার খরচ হিসেবে টাকা দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন শমীক।ব্রিগেডের শপথ মঞ্চে মাখনলাল সরকারকে ঘিরে এই আবেগঘন মুহূর্ত এখন রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডের মঞ্চে আবেগঘন মুহূর্ত! মোদির আলিঙ্গনে উঠে এলেন ৯৭ বছরের প্রবীণ নেতা

রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ইতিহাস তৈরি করল বিজেপি। বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে ওঠে গোটা ব্রিগেড।তবে শপথ অনুষ্ঠানের মাঝে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়লেন ৯৭ বছরের প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকার। শিলিগুড়ির এই প্রবীণ নেতাকে মঞ্চে বিশেষ সম্মান জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে জড়িয়ে ধরেন প্রধানমন্ত্রী এবং শাল পরিয়ে সম্মান জানান। সেই মুহূর্ত ঘিরে আবেগ ছড়িয়ে পড়ে ব্রিগেডের মঞ্চে।মাখনলাল সরকার দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। তাঁকে শিলিগুড়িতে বিজেপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবেও ধরা হয়। বিজেপি সূত্রে দাবি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের শেষযাত্রার সঙ্গীও ছিলেন তিনি।এদিন মাখনলাল সরকারকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দেশের সংবিধান এবং অখণ্ডতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আর সেই ঐতিহাসিক সময়ের সাক্ষী ছিলেন মাখনলাল সরকার। ৯৭ বছর বয়সেও তিনি দলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন বলে তাঁকে সম্মান জানানো হয়।জানা গিয়েছে, স্বাধীনতার পর জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে প্রথম সারি থেকেই যুক্ত ছিলেন মাখনলাল সরকার। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে ভারতীয় তেরঙ্গা উত্তোলনের আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে অংশ নেওয়ার সময় তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল।পরে বিজেপি গঠনের পর পশ্চিম দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং জেলায় সংগঠন শক্তিশালী করার দায়িত্ব পান তিনি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হাজার হাজার সদস্য সংগঠনে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে দাবি বিজেপির।শমীক ভট্টাচার্য আরও জানান, একসময় দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। আদালতে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি রাজি হননি। উল্টে বিচারকের সামনেই সেই গান আবার গেয়েছিলেন। পরে বিচারক তাঁকে বাড়ি ফেরার জন্য প্রথম শ্রেণির টিকিট এবং যাত্রার খরচ দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন শমীক।ব্রিগেডের শপথ মঞ্চে মাখনলাল সরকারকে ঘিরে এই আবেগঘন মুহূর্ত এখন রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

রাজ্য়ের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু! সঙ্গে ছিলেন আরও পাঁচ মন্ত্রী

পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। শুক্রবার নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠকে তাঁকেই পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়ায় শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন শুভেন্দু।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতেই বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকেই সর্বসম্মতিক্রমে শুভেন্দু অধিকারীর নাম চূড়ান্ত করা হয়। বিজেপি সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রী পদে শুভেন্দু ছাড়া দ্বিতীয় কোনও নাম প্রস্তাবই করা হয়নি। যদিও বিধায়কদের অন্য নাম প্রস্তাব করার জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান অমিত শাহ।শুভেন্দুর নাম ঘোষণা হওয়ার পর তাঁকে পদ্মফুল তুলে সংবর্ধনা দেন অমিত শাহ। বৈঠকে উপস্থিত বিজেপি বিধায়কদের মধ্যেও তখন উচ্ছ্বাস দেখা যায়।২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে রাজনৈতিক চমক তৈরি করেছিলেন তিনি। যদিও সেই সময় রাজ্যে সরকার গড়তে পারেনি বিজেপি।তবে এবারের নির্বাচনে আবারও বড় জয় পান শুভেন্দু। নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন তিনি। এরপর থেকেই বিজেপির অন্দরে মুখ্যমন্ত্রী পদে তাঁর নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল।রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপির এই ঐতিহাসিক জয়ের পিছনে শুভেন্দুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দীর্ঘদিন রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা এবং সংগঠনের উপর দখলও তাঁর পক্ষে গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নামেই সিলমোহর দিল বিজেপি নেতৃত্ব।

মে ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal