• ২৭ পৌষ ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Muslim

রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানের প্রাথমিক স্কুলে মিড ডে মিলের রান্নায় বিভেদ, হিন্দু-মুসলিমদের জন্য় পৃথক ব্যবস্থা

এই বাংলার স্কুলেও যে এমন বিভাজন রয়েছে প্রাথমিক স্কুলে তা জানা ছিল প্রশাসনেরও। প্রাথমিক স্কুলের মিড ডে মিলে হিন্দু, মুসলিম ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য় পৃথক ব্যবস্থা। এখানে মিড-ডে মিলের হেঁসেল,রাঁধুনি ও রান্না করা খাবার। এই ঘটনা জানাজানি হতেই রাজ্যে তুমুল শোরগোল পড়ে গিয়েছে। নডেচড়ে বসেছে জেলা ও ব্লক প্রশাসন, স্থানীয় পঞ্চায়েত এবং প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। জেলাশাসক আয়েষা রাণী এই ঘটনা জেনে প্রশাসনিক তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন মহকুমা শাসকের কাছে।পূর্বস্থলীর প্রাথমিক স্কুলে মিড ডে মিল রান্নার দুজন আলাদা ধর্মাবলম্বী রাঁধুনি। পূর্বস্থলীর নাদনঘাটে কিশোরীগঞ্জ-মনমোহনপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ুয়া সংখ্যা ৭২ জন। শিক্ষক ও শিক্ষিকা মিলিয়ে রয়েছেন চারজন। হিন্দু ও মুসলিম, উভয় সম্প্রদায়ের পরিবারের ছেলে মেয়েরা এই স্কুলের শ্রেণীকক্ষে একসাথে বসে শিক্ষকের কাছে পাঠ নেয়।স্কলের প্রধান শিক্ষক তাপস ঘোষ চেষ্টা করেও এই ব্য়বস্থা বন্ধ করতে পারেননি। স্কুলের রাঁধুনিদের একজন হিন্দু ,অপর জন মুসলিম । তাঁরাই জানিয়েছেন,বিদ্যালয়ে মড-ডে মিল রান্নার হেঁসেল আলাদা। হিন্দু রাঁধুনি সোনালী মজুমদার আলাদা গ্যাসের উনানে রান্না করনেন হিন্দু পরিবারের পড়ুয়াদের মিড- ডে মিল। আর অপর গ্যাসের উনানে মুসলিম রাঁধুনি গেনো বিবি রান্না করেন মুসলিম পরিবারের পড়ুয়াদের মিড -ডে মিল। শুধু আলাদা আলাদা ভাবে রান্না করাই নয়,হেসেলে দুই সম্প্রদায়ের পড়ুয়াদের মিড-ডে মিল রান্নার উপকরণ থেকে শুরু করে বাসনপত্র ,হাঁড়ি-কড়াই,খুন্তি -সেসবও আলাদা আলাদা রয়েছে। এমনকি হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের ৪৩ ও ২৯ জন পড়ুয়াকে মিড- ডে মিল খাওয়ানোও হয় আলাদা আলাদা স্থানে বসিয়ে। আজ থেকে ওই স্কুলে একসঙ্গে রান্না ও খাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

জুন ২৫, ২০২৫
সম্পাদকীয়

মুসলিম তোষন: সোনার পাথর বাটি

চৈত্র এলেই বঙ্গ বাসীর মন উচাটন হয় পয়লা বৈশাখের জন্য। রুখু সুখু চৈত্রের দায়িত্ব বৈশাখের জন্য মঞ্চ সাজিয়ে প্রস্থান করা। আর দুদিন বাদেই বাংলা পয়লা বৈশাখ উদযাপন করতে মন্দিরে, রেস্তোরাঁয় লাইনে দাঁড়াবে। এবার আবার তারপরেই ভোটের লাইনে দাঁড়াবে বঙ্গভূমি। যদিও নির্বাচনটা সারা দেশে। তবু দেশটার নাম যেহেতু ভারতবর্ষ, তাই দেশ এক হলেও প্রতি প্রদেশেই সাজানো থাকে বৈচিত্র্যের ডালি। এই বৈচিত্র্যের কারনেই প্রতিটি রাজ্যে ভোট, ভোটার, ভোটের প্রতিশ্রুতি, কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি, শান্তি, অশান্তি সব কিছুর ই ক্যানভাস আলাদা। এই যেমন আমাদের বাংলা।এখানে ভোট এলেই শাসকদল তৃণমূলের ভোট শক্তির দুই স্তম্ভ নিয়ে আলোচনা হয়। চলে তর্ক, বিতর্ক। এই দুই স্তম্ভ কে কি ভাবে কাছে টেনে তৃণমূলকে দুর্বল করা যায় তার কৌশল খোঁজে বিরোধীরা। সবাই জানে এই দুই স্তম্ভ হল দুই ম। মুসলিম এবং মহিলা ভোটার। যদিও আমরা কেউ কেউ এক দেশ, এক nation, এক নেতার নীতি প্রতিষ্ঠার জন্য গলা ফাটাই। আবার কেউ কেউ এর বিরোধিতায় বৈচিত্র্যময় ভারতের ছবি তুলে ধরে প্রতিযুক্তি সাজায়। তবে এই দুই অংশের সমর্থন পেতে যতই শুম্ভ নিশুম্ভ যুদ্ধ চলুক, পরিসংখ্যান বলছে আখেরে তারা যে তিমিরে ছিলেন সেই তিমিরেই রয়েছেন। ভোট আসে ভোট যায় কিন্তু এদের অবস্থার বিশেষ পরিবর্তন হয় না। অথচ পরিবর্তনের নামে সুবিধা বিলোনোর প্রতিযোগিতা চলে। সুবিধা বিলোনোর সেই সব প্রকল্পের গালভরা নাম ও দেওয়া হয়। প্রকল্পের সরণি বেয়ে হাতে কিছু অর্থ আসে। অবশ্যই অর্থের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু সামাজিক সুরক্ষা, নির্যাতন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, শিক্ষার সুযোগ, সুস্থ পরিবেশ, ভদ্রস্থ কাজের সুযোগ, বৈষম্য দূর করা, সু-বেতন অর্থাৎ মানব উন্নয়নের যাবতীয় মাপকাঠিতে এই দুই অংশের পিছিয়ে থাকার কাল আর ফুরোয় না। তবে মুসলিম সম্প্রদায়ের বাড়তি যন্ত্রনা হল সমস্যার গলা জলে দাঁড়িয়েও তোষনের অভিযোগে বিদ্ধ হওয়া।শাসক, বিরোধী সব রাজনৈতিক দলই মনে করে মুসলিমরা যে যেখানেই থাকুন না কেন তাঁরা এক ভাবে চলেন। এক ভাবে ভাবেন। এক ভাবে দিন কাটান। এক ভাবে ভোট দেন। তাই একটা গতিশীল, চিন্তাশীল জনগোষ্ঠীর ভোট ভিক্ষুকদের কাছে পরিচিতি পায় ভোট ব্যাঙ্ক শিরোনামে। তাই এক দেড় দশক আগেও মুসলিম ধর্ম গুরুদের গুরুত্ব বাড়তো। ভোটের আগে রাজনৈতিক দলের নেতা নেত্রীরা তাঁদের দরজায় পৌঁছে যেতেন। মনে করতেন ধর্ম গুরুরা দাওয়ায় দাঁড়িয়ে হাঁক পাড়লেই মুসলিমরা দলে দলে গিয়ে তাঁদের নির্দেশ মত রাজনৈতিক দলকে ভোট দেবেন। এই ভাবনা থেকেই মুসলিম সমাজের উন্নয়নের জন্য মুয়াজ্জিমদের জন্য ভাতা বাড়ানো হয়। যদিও ভাতা বাড়ানোর পরে তাঁদের অনেকের উপার্জন কিছুটা কমে গিয়েছে। ভাতা বাড়ানোর পরে কয়েকজন মুয়াজ্জিমের সঙ্গে কথা বলে ছিলাম। হিন্দুদের যেমন বিভিন্ন পুজা পার্বনে, বিবাহে ও শ্রাদ্ধশান্তিতে পুরোহিতের প্রয়োজন পড়ে, মুসলিম সমাজেও তাই। এই সবক্ষেত্রেই যজমানদের দক্ষিণা ধরে দিতে হয়। কিন্তু ওই মুয়াজ্জিমরা জানিয়ে ছিলেন অনেক সময় দক্ষিণা পর্বে তাঁদের শুনতে হয়েছে, সরকার তো তোমাদের ভাতা বাড়িয়েছে তাহলে আমরা আবার দেব কেন? বঙ্গে মুসলিম তোষনের অভিযোগ বাম আমলেও ছিল। অথচ সেই সময় সাচার কমিটির রিপোর্ট মুসলিম সমাজের পশ্চাদপদতার যে ছবি তুলে ধরেছিল তাতে সরকার কে চরম অস্বস্তির মধ্যে পড়তে হয়েছিল। সেই ছবি টা আজও বদলায় নি। অথচ পথে ঘাটে শোনা যায় তোষনের ফলে মুসলিমদের আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে। সত্যিই কি তোষন হয়? বাস্তব অবস্থা কিন্তু উল্টো কথা বলছে। ২০১১ সালের জনগননা বলছে এই রাজ্যে জনসংখ্যার ২৭ শতাংশ মুসলমান। ২০২১ সালে জনগননার কথা থাকলেও হয়নি। তবে বিশেষজ্ঞদের অনুমান বর্তমানে জনসংখ্যার ৩০ শতাংশ মুসলমান হতে পারে। সাম্প্রতিক নানা সমীক্ষায় দেশজুড়ে সাধারণ মানুষের সংকট বেড়ে চলার ছবি ধরা পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে কথা হলে বলতেই হয় যে রাজ্যে নাগরিক জীবনের সুযোগ সুবিধা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কাজ ও কাজের পরিবেশে ঘাটতি রয়েছে। এই অবস্থায় যদি সত্যিই মুসলিম তোষন হত তাহলে তিরিশ শতাংশ মুসলিম বাকি ৭০ শতাংশের থেকে এগিয়ে থাকতো। মানব উন্নয়নের মাপকাঠিতে কে কোথায় দাঁড়িয়ে তার জানতে সরকারি স্তরে নানান সমীক্ষা হয়। সেই সমীক্ষা গুলির ফল বলছে মানব উন্নয়নের সব মাপকাঠিতেই হিন্দুদের মধ্যে পশ্চাদপদ অংশের থেকেও মুসলমানরা পিছিয়ে রয়েছেন।এই তথ্য আমার মত অর্বাচীনের কল্পনা প্রসূত নয়। জাতীয় পরিবার ও স্বাস্থ্য সমীক্ষা, শিশু মৃত্যুর হার, periodic labour force য়ে পরিসংখ্যান হাতের নাগালেই রয়েছে। যে কেউ চাইলেই দেখতে পারেন। সেখানে দেখতে পাবেন, কোনক্ষেত্রেই মুসলমানরা এগিয়ে নেই। বরং হিন্দুদের তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছেন। অবশ্য একথা বলার উদ্দেশ্য এই নয় যে হিন্দুরা খুব ভালো আছেন। তাঁরাও অত্যন্ত সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। তাই বিভ্রান্তিকর প্রচারে হিংসা ও বিদ্বেষে গা না ভাসিয়ে সবারই উচিত শাসক, বিরোধী সব পক্ষের কাছেই সার্বিক উন্নয়নের খতিয়ান চাওয়া। যাতে উন্নয়নের মাপকাঠিতে যে সব ঘাটতি রয়েছে তা দূর করার জন্য রাজনৈতিক দল গুলির সঠিক উদ্যোগ নিতে বাধ্য হয়।

এপ্রিল ১১, ২০২৪
রাজ্য

বন্ধ হতে বসা দুর্গা পুজোকে চালু করতে হিন্দুদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে আসেন মুসলিমরা

দুর্গাপুজোয় সমান আনন্দে মাতেন গ্রামের মুসলিম পরিবারের সদস্যরাও। পূর্ব বর্ধমানের জঙ্গলমহল আউশগ্রামের গোয়ালআড়া গ্রামের দুর্গাপুজো আগে ছিল মণ্ডল পরিবারের পারিবারিক পুজো। পরিবারের আর্থিক অবস্থা প্রথমদিকে ভালো ছিল। তাই ভালোভাবেই পুজো হত। কিন্তু আর্থিক সমস্যার কারণে মণ্ডল পরিবার আর পুজো চালিয়ে যেতে পারেনি। তখন থেকেই পুজোর দায়িত্ব নেয় গ্রামবাসীরা। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে হিন্দুদের পাশাপাশি এগিয়ে আসেন গ্রামের মুসলিম ধর্মালম্বী মানুষজনও। ফলে গোয়ালআড়া গ্রামের দুর্গাপুজো সর্বধর্মের সম্প্রীতির পুজো হয়ে উঠেছে। তা যথার্থই হয়ে উঠেছে ধর্ম যার যার উৎসব সবার।দুর্গামন্দির পরিস্কার রাখতে ঝাঁট দেওয়া থেকে পুজোর বাজারহাট সব কাজেই সমানভাবে গ্রামের মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজন অংশ নেন। গোয়ালআড়া গ্রামের বাসিন্দা স্থানীয় সেখ মুস্তাক আলি বলেন,আমাদের গ্রামের এই দুর্গাপুজো দেড়শো বছরের প্রাচীন। অনেক আগে থেকেই ওই পরিবার পুজো বন্ধ করে দেন। তখন থেকেই গ্রামের সকলে পুজোর দায়িত্ব নেয়। পুজোয় কোনও খামতি রাখা হয় না। প্রথা মেনেই নিষ্ঠার সঙ্গে পুজো হয়। এই বছর আমরা সরকারি অনুদান পেয়েছি।আউশগ্রামের গোয়ালআড়া গ্রামের অধিকাংশ কৃষিজীবী মানুষের বসবাস। গ্রামে হিন্দু, মুসলিম সকল সম্প্রদায়ের মানুষ রয়েছেন। প্রায় দেড়শো বছর আগে মণ্ডল পরিবারের এক পূর্বপুরুষ এই দুর্গাপুজোর সূচনা করেন। প্রথমদিকে দুর্গাপুজো ধুমধাম সহকারেই হত। শতাব্দীকাল পর থেকে পুজোটি বারোয়ারি হয়ে যায়। গ্রামবাসী সুনীল মণ্ডল বলেন, মণ্ডল পরিবারের আর্থিক অনটনের কারণে পরিবারের পক্ষ থেকে আর পুজো করা সম্ভব ছিল না। তারপর পুজোর দায়িত্ব গ্রামের সকলে নিয়ে নেন। এখন এটি বারোয়ারি পুজো। শুধু বারোয়ারি নয়, এই পুজোয় এখন হিন্দু মুসলিম সকলের পুজো।গোয়ালআড়া গ্রামের দুর্গাপুজোয় প্রতিমা তৈরির সময় থেকেই মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজন অংশ নেন। পুজোর যাবতীয় খরচ হিন্দু মুসলিম সকলেই চাঁদা তুলে বহন করেন। মন্দির চত্বর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা থেকে মন্দিরের তদারকি, বাজারহাট করা সবেতেই সমান ভূমিকা নেন। মহালয়ার দিন মোচ্ছবের আয়োজন থাকে। তার খরচও সমানভাবে বহন করেন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজন।গ্রামবাসী আবদুল গনি জানান পুরানো দুর্গামন্দির ভেঙে নতুন পাকা মন্দির তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই পুজোতে আমরাও চাঁদা দিয়ে থাকি। গেরাই গ্রামের বাসিন্দা আবদুল লালন নামে একজন ব্যবসায়ী মন্দির নির্মাণের জন্য খরচ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। আব্দুল লালন বলেন, আমি গ্রামের ওই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় দেখি মন্দিরের অবস্থা ভগ্নপ্রায় হয়ে রয়েছে।আমি গ্রামবাসীদের বলি পুজোর যা খরচ হবে আমি সব ব্যয় করবো।ওরা সম্মতি জানিয়েছে।আমি এই বছর সমস্ত খরচ দেব।ধর্ম যার যার উৎসব সবার,আমরা সকল গ্রামবাসী কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই পুজোয় মেতে উঠি।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২২
বিদেশ

China-Uyghurs: উইঘুর নির্যাতন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার পরিষদের

উইঘুর নির্যাতন নিয়ে সরব রাষ্ট্রসঙ্ঘ (United Nations)। চিনের উপর চাপ বাড়িয়ে এবার সংখ্যালঘু অধ্যুষিত শিনজিয়াং প্রদেশ পরিদর্শনের কথা বললেন মানবাধিকার পরিষদের প্রধান মিশেল ব্যাকলেট। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে শিনজিয়াং প্রদেশে সাম্প্রদায়িক হিংসা হওয়ার পর থেকেই উইঘুর মুসলিমদের উপর রাশ টেনেছে চিন। সেখানে উইঘুর (Uyghurs) ও অন্য মুসলিম (Muslim) জনগোষ্ঠীর ওপর জুলুমের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগে বিবিসির তরফে এক রিপোর্টে দাবি করা হয়, বন্দিশিবিরে থাকা মুসলিম মহিলাদের উপর পরিকল্পনা করে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন চালাচ্ছে চিন। সেই রিপোর্টকে ঘিরে উদ্বেগ প্রকাশ করে আমেরিকা।আরও পড়ুনঃ সরকারি সম্পত্তি অপব্যবহারের অভিযোগে গ্রেপ্তার রাজীব ঘনিষ্ঠসোমবার মানবাধিকার পরিষদের ৪৭তম অধিবেশনে চিন, রাশিয়া ও ইথিওপিয়ায় মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে সরব হন ব্যাকলেট। বিশেষ করে চিনের শিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুরদের উপর রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। ওই অঞ্চলের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চলতি বছরই শিনজিয়াং যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন ব্যাকলেট। একইসঙ্গে, হংকংয়ে চিনা দমননীতি নিয়েও সরব হন রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার পরিষদের প্রধান। স্বশাসিত প্রদেশটির গণতান্ত্রিক মর্যাদা কেড়ে নিতে জিনপিং প্রশাসনের বিতর্কিত জাতীয় নিরাপত্তা আইনের সমালোচনা করেন ব্যাকলেট। বিশ্লেষকদের মতে, উইঘুর ও হংকং ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ব্যাকফুটে রয়েছে চিন। এবার শিনজিয়াং পরিদর্শনের প্রসঙ্গ তুলে চিনের উপর আরও চাপ বড়াল রাষ্ট্রসঙ্ঘ।

জুন ২২, ২০২১
দেশ

পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তানের সংখ্যালঘু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু

নাগরিকত্ব আইন নিয়ে আন্দোলনের আগুন জ্বলেছে সারা দেশজুড়ে। ২০১৯ নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন এখনও কার্যকরী করতে পারেনি কেন্দ্র। তার মধ্যেই নয়া নির্দেশিকা দিয়ে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান থেকে আসা শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিতে চলেছে কেন্দ্র। বিজ্ঞপ্তি জারি করে সেই মর্মে একাধিক জেলাশাসকদের অবগত করেছে কেন্দ্র।কেন্দ্র গুজরাতের মোরবি, রাজকোট, পাটনা, ভদোদরা, ছত্তিশগড়ের দূর্গ, বলোদাবাজার, রাজস্থানের জলোর, উদয়পুর, পলি, বার্মার, সিরোহি, হরিয়ানার ফরিদাবাদ, পঞ্জাবের জলন্ধরের জেলাশাসককে ৫ নং ধারায় নাগরিকত্বের আবেদন সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছে। ২০০৯ সালের নাগরিকত্ব নিয়ম অনুযায়ী, পঞ্জাব, হরিয়ানার স্বরাষ্ট্রসচিবকেও এই মর্মে অবগত করেছে কেন্দ্র।নাগরিকত্বের আবেদন পদ্ধতি:১. নাগরিকত্বের আবেদন শুধুমাত্র অনলাইনের করা যাবে।২.আবেদনপত্র যাচাই করবেন জেলাশাসক অথবা সচিব। এরপর তা কেন্দ্রের হাতে পাঠানো হবে।৩. কোনও বিশেষ ক্ষেত্রে খতিয়ে দেখার প্রয়োজন হলে, সেই কাজ করবে কেন্দ্রীয় সরকার।৪, জেলাশাসক বা সচিব তথ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নাগরিকত্ব দেবেন।উল্লেখ্য, এই নাগরিকত্ব প্রদান হবে ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন ও ২০০৫ সালের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের ভিত্তিতে। কেন্দ্র এখনও ২০১৯ সালের নিয়ম বলবৎ করতে পারেনি। যেখানে জানানো হয়েছিল, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে পর্যন্ত যেসব হিন্দু, জৈন, শিখ, পার্সি ও খ্রিস্টানরা ভারতে এসেছেন, তাঁদের নাগরিকত্ব দেবে কেন্দ্র। সংসদে এই আইন পাশ হওয়ার পর একাধিক রাজ্য এক বিরোধিতা করেছিল। পশ্চিমবঙ্গেরও রাজ্য সরকার জানিয়েছিল, এই আইন বাংলায় কার্যকরী হবে না।

মে ২৯, ২০২১
দেশ

উত্তরপ্রদেশে মুসলিম ধর্মগুরুর শেষকৃত্যে উপচে পড়া ভিড়

দিল্লির নিজামুদ্দিনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল উত্তরপ্রদেশে। করোনা বিধি উড়িয়ে মুসলিম ধর্মগুরুর মৃত্যুতে উপচে পড়ল হাজার হাজার মানুষের ভিড়। এই মর্মে একটি মামলা দায়ের করেছে প্রশাসন।ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের বদায়ুঁতে। গত রবিবার মৃত্যু হয় আবদুল হামিদ মহম্মদ সলিমুল কাদরি নামের এক মুসলিম ধর্মগুরুর। তারপর ভক্তদের জন্য স্থানীয় একটি মসজিদে রাখা হয়েছিল ওই ধর্মগুরু দেহ। সেই খবর ছড়িয়ে পড়তেই কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বদায়ুঁতে হাজির হয় কয়েক হাজার মানুষ। করোনা বিধি শিকেয় তুলে এই বিশাল জমায়েতের ঘটনায় সোমবার মামলা দায়ের করেছে প্রশাসন। বলে রাখা ভাল, করোনা সংক্রমণ রুখতে শেষকৃত্যে সর্বোচ্চ ২০ জন মানুষ উপস্থিত থাকার অনুমতি দিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের প্রশাসন। এছাড়া, মাস্ক না পরে প্রথমবার ধরা পড়লে ১ হাজার টাকা ও দ্বিতীয়বার ১০ হাজার টাকা জরিমানাও ধার্য করা হয়েছে। তবে এসব কোনও আইন কানুনই সলিমুল কাদরির শেষকৃত্যে ভিড় আটকাতে পারেনি।মানা হয়নি করোনা বিধিও। ফলে মরকজের মতো এই জমায়েত থেকে সুপার স্প্রেডারদের ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মে ১১, ২০২১
বিদেশ

মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তীতে বিক্ষোভ বাংলাদেশে, পাক-পন্থীদের তাণ্ডব, নিহত ৪

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের সময়ই হিংসা ছড়াল বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায়। এর মধ্যে শুক্রবার সবচেয়ে বড় ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রামের হাটহাজারি এলাকায়। সেখানে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ৪ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর খবর মিলেছে। শুক্রবারই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর পূর্তি উৎসবের সূচনা হয়। সে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে ১৯৭১-এ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের সহযোগী ভারতের প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় গিয়েছেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মূলত মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী পাকিস্তান-পন্থী জামাত-ই-ইসলামি এবং তার সহযোগী গোষ্ঠীগুলিই এই বিক্ষোভে জড়িত।বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের দাবি, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী জামাতকে কয়েক বছর আগে হাসিনা সরকার নিষিদ্ধ করলেও নাম বদলে কয়েকটি ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের নামের আড়ালে সক্রিয়তা চালিয়ে যাচ্ছেন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। ওই সংগঠনগুলি পরিচালিত কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্ররাই মূলত হিংসাত্মক বিক্ষোভ চালাচ্ছে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমের ভোটপ্রচারে মোদি-সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের অনুপ্রবেশ বিরোধী মন্তব্যের জেরে বাংলাদেশের জনসমাজের একাংশে অসন্তোষ ছড়িয়েছে। পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে জামাত-পন্থীরা কৌশলে ভারতবিরোধী জিগির তোলার চেষ্টা করছে বলে বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন।

মার্চ ২৬, ২০২১
দেশ

চোর সন্দেহে ব্যাপক মারধর, ঝাড়খণ্ডে মৃত্যু মুসলিম যুবকের

ফের সামনে এল গণপিটুনিতে খুনের ঘটনা। চোর সন্দেহে মুবারক খান নামে এক মুসলিম যুবককে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে বেধড়ক মারধর করা হল ঝাড়খণ্ডে। আর সেই মারের চোটেই মৃত্যু হল তাঁর। আর এই ঘটনাই ফের উস্কে দিল তবরেজ আনসারির স্মৃতি। দুবছর আগে ঝাড়খণ্ডেই গণপিটুনির জেরে মারা গিয়েছিলেন তিনি। জয় শ্রীরাম না বলায় মারধর করা হয়েছিল তাঁকে।শনিবার রাতে ঝাড়খণ্ডের সিরকা গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। আদতে মহেশপুর গ্রামের বাসিন্দা হলেও, সেদিন ওই গ্রামে গিয়েছিলেন ২৬ বছর বয়সি মুবারক। স্থানীয়দের অভিযোগ, মোটরবাইকের ব্যাটারি এবং চাকা চুরির সময় তাঁকে নাকি হাতেনাতে ধরেন স্থানীয়রা। এরপরই বিদ্যুতের খুঁটিতে বাঁধা হয় মুবারককে। তারপরই চলে বেদম প্রহার। আর তাতেই মারাত্মকভাবে আহত হন ওই যুবক। এরপর খবর পেয়ে ভোর ৩টে নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। কিন্তু ততক্ষণে মারা যায় মুবারক। এরপরই আধিকারিকরা মৃতদেহটি পুলিশ স্টেশনে নিয়ে যান। তারপরই সেটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। রাঁচির পুলিশ সুপার নৌশাদ আলম জানান, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে।এই ঘটনার কথা জানতে পেরেই মৃত যুবকের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। মিথ্যে অভিযোগে মুবারককে মারা হয়েছে, এমনই দাবি তাঁর পরিবারের লোকজনের। এদিকে, ভাইয়ের মৃত্যুর পরই ১৯ জনের নামে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন মুবারকের দাদা তাবারক খান। এছাড়া ১৫ থেকে ২৫ জন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির নামও রয়েছে এফআইআরে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজনকে এই ঘটনায় জড়িত থাকায় আটকও করা হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২১
দেশ

বিশ্বের মধ্যে ভারতীয় মুসলিমরাই সবচেয়ে সন্তুষ্ট : ভাগবত

বিশ্বের যে কোনও দেশের তুলনায় ভারতীয় মুসলিমরা সবথেকে সন্তুষ্ট ও আনন্দে রয়েছেন। কারণ তাঁরা স্বাধীনভাবে ধর্মাচারণের সুযোগ পান। শনিবার এমনই মন্তব্য করেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। মহারাষ্ট্রের একটি হিন্দি ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রধান বলেন , গোটা বিশ্ব জুড়ে যেভাবে হিংসা ও একনায়কতান্ত্রিক মনোভাব ছড়িয়ে পড়েছে, সেই তুলনায় অনেক ভালো রয়েছে ভারতীয় মুসলিমরা। তাঁদের এখনও সেই মানসিকতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়নি। তাঁদের প্রত্যেকের স্বার্থ সুরক্ষিত রয়েছে। এদিন কথা বলতে গিয়ে মহারাণা প্রতাপের সেনার উল্লেখ করে মোহন ভাগবত বলেন , মহারাণা প্রতাপের সেনায় প্রচুর মুসলিম জওয়ান ছিলেন, যাঁরা মুঘলদের বিরুদ্ধে নিজের প্রাণ দিয়ে লড়েছিলেন। প্রত্যেক ধর্ম এক হয়ে যায়, যখন ভারতের ওপর আঘাত আসে, এটাই দেশের সংস্কৃতি।আরএসএস প্রধানের কথায়, যখন ইহুদিরা ঘুরে বেড়াচ্ছিল, তখন ভারতই একমাত্র দেশ, তাদের শেল্টার দিয়েছিল৷ পারসিরা তাঁদের ধর্মীয় আচার স্বাধীন ভাবে পালন করতে পারেন একমাত্র ভারতেই৷ ভারতের মুসলিমরা পৃথিবীতে সবচেয়ে সুখী৷ আর তার কারণ, আমরা হিন্দু৷ অনেক ভারতীয়, নিজেদের হিন্দু পরিচয় দিতে লজ্জা পান৷ কিছু এমন মানুষ আছেন, যাঁরা গর্বের সঙ্গে নিজেদের হিন্দু বলেন৷ আসলে কিছু মানুষ নিজেদের হিন্দু পরিচয় লুকনোর চেষ্টা করেন, স্বার্থ সিদ্ধির জন্য৷ আরও ্পড়ুন ঃ প্রয়াত রামবিলাস পাসোয়ানকে শেষ শ্রদ্ধা রাষ্ট্রপতি , প্রধানমন্ত্রীর তিনি আরও বলেন, হিন্দু কোনও ধর্ম নয়, ভাষা নয় কিংবা কোনও দেশের নাম নয়। হিন্দু হল একটা সংস্কৃতি, যাতে ভারতের মানুষ বিশ্বাস করে ও অন্য সব সংস্কৃতিকে গ্রহণ করে। যখন কোনও জাতি তাদের সঠিক পথ থেকে সরে যায় তখন তারা আমাদের কাছে আসে সত্যের খোঁজে। ঠিক সেভাবেই ভারতীয় মুসলিমরা নিজেদের পথ খুঁজে নিয়ে সুখে রয়েছেন। এটা একমাত্র ভারত বলেই সম্ভব।

অক্টোবর ১০, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

১৯৭১-এর যুদ্ধনায়ককে কেন ডাকা হল এসআইআর শুনানিতে? মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বুকে কাঁপন ধরানো প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশকে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর শুনানিতে তলব করা ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধানকে কেন পরিচয় প্রমাণের জন্য নোটিস পাঠানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সোমবার মুখ খুলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এসআইআর শুনানির নোটিস পাওয়ার পর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অ্যাডমিরাল প্রকাশ। তাঁর পোস্ট সামনে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যাডমিরাল প্রকাশের জমা দেওয়া এনুমারেশন ফর্মে পূর্ববর্তী এসআইআর সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ছিল না। সেই কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে।এলাকার ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার মেডোরা এরমোমিল্লা ডিকোস্টা জানান, এনুমারেশন ফর্মে ভোটারের নাম, এপিক নম্বর, আত্মীয়ের নাম, বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ও নম্বর, অংশ নম্বর এবং ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ ছিল না। ফলে বিএলও অ্যাপের মাধ্যমে নতুন ফর্মের সঙ্গে পুরনো ভোটার তালিকার স্বয়ংক্রিয় মিল করা সম্ভব হয়নি। শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলেই এই ধরনের ক্ষেত্রে শুনানির জন্য ডাকা হয় বলে জানান তিনি।১৯৭১ সালের যুদ্ধে বায়ুসেনার পাঞ্জাব স্কোয়াড্রনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিমান চালিয়েছিলেন অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশ। সেই সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বীর চক্র পান। প্রায় ৪০ বছর নৌসেনায় কাজ করেছেন তিনি। ফাইটার স্কোয়াড্রন, এয়ার স্টেশন, আইএনএস বিরাট-সহ মোট চারটি যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করেছেন। নৌসেনাপ্রধান থাকাকালীন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারও করেছিলেন তিনি।নোটিস পাওয়ার পর কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অ্যাডমিরাল প্রকাশ লেখেন, এসআইআর ফর্মে যদি প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়া যায়, তাহলে ফর্ম সংশোধন করা উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন, বিএলও তিনবার তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন, তখনই অতিরিক্ত তথ্য চাওয়া যেত। তাঁর অভিযোগ, তিনি ও তাঁর স্ত্রী যথাক্রমে ৮২ ও ৭৮ বছর বয়সে পৌঁছেছেন, অথচ তাঁদের বাড়ি থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, তাও আবার আলাদা আলাদা দিনে।এই মন্তব্য সামনে আসার পরই বিতর্ক তীব্র হয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফের জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় শনাক্তকরণ তথ্য না থাকলে বিএলও অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যাপিং করতে পারে না। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে ব্যাখ্যা দিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে বিক্ষোভে গ্রেপ্তার ভারতীয়রা? অভিযোগ উড়িয়ে মুখ খুলল তেহরান

খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। সেই অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে খবর, অন্তত ছজন ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু ভারতীয় নয়, বিক্ষোভ দমনের নামে অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও নাকি আটক করছে ইরানের প্রশাসন। এই অভিযোগ ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই সব দাবি নিয়ে এবার প্রকাশ্যে মুখ খুলল তেহরান।মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, ইরানে চলমান বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে যে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ছজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁরা জড়িত ছিলেন। তবে এই খবরকে কার্যত ভুয়ো বলে দাবি করেছেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি।এক্স হ্যান্ডেলে একটি সংবাদ প্রতিবেদন শেয়ার করে ইরানের রাষ্ট্রদূত লেখেন, ইরান নিয়ে বিদেশি বহু সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। তিনি সকলকে নির্ভরযোগ্য ও সরকারি সূত্র থেকে খবর জানার অনুরোধ জানান। যদিও বাস্তবে ইরান থেকে সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত বন্ধ। পাশাপাশি বিদেশে ফোন করার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। ফলে মৃত ও গ্রেপ্তারির প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসেবের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সরকারিভাবে কিছু ঘোষণা না করা হলেও কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কাও ঘনীভূত হচ্ছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সামরিক পদক্ষেপ করতে পারে আমেরিকা, এমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।আমেরিকার সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন ট্রাম্প। এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলেও মার্কিন প্রশাসনের একাংশ মনে করছে, ইরানে হামলার বিকল্প ভাবছেন তিনি। তেহরান-সহ গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ঘাঁটিতে আঘাত হানার পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক অভিযোগ! মমতার বিরুদ্ধে ‘চুরি-ডাকাতি’র তুলনা ইডির

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে জোড়া পিটিশন দায়ের করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। একটি পিটিশন দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নিজে। অন্যটি দায়ের করেছেন ইডির তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। এই দুই মামলাতেই রাজ্য সরকারের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার নগরপাল মনোজ ভর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি দক্ষিণ প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে।ইডির দায়ের করা পিটিশনে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, পিটিশনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইডি অভিযানের সময় অযাচিত প্রবেশ এবং একটি ফাইল নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনাকে চুরি ও ডাকাতির সঙ্গে তুলনা করেছে তদন্তকারী সংস্থা। শুধু তাই নয়, ইডির কাজে যে বাধা দেওয়া হয়েছিল, তা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে পিটিশনে।এই মামলায় নিজেদের যুক্তি জোরদার করতে ইডি অতীতের তিনটি ঘটনার উল্লেখ করেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে মুখ্যমন্ত্রী ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী।পিটিশনে প্রথম যে ঘটনার কথা বলা হয়েছে, তা ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারির। সারদা মামলায় তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নার প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারির। কয়লা পাচার মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তাঁদের বাড়িতে পৌঁছনোর আগেই সেখানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ১৭ মে-র। নারদ মামলায় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর নিজাম প্যালেসে গিয়ে সিবিআইয়ের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই দাবি ইডির।এতেই শেষ নয়। কলকাতা হাইকোর্টে একটি শুনানি ভেস্তে যাওয়ার নেপথ্যেও তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, শাসকদলের কর্মী-সমর্থকেরা হোয়াটসঅ্যাপ মারফত বার্তা পাঠিয়ে জমায়েত করেছিলেন।এই সব অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে একাধিক আবেদন জানিয়েছে ইডি। মুখ্যমন্ত্রী যে বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে কোনও তথ্য যেন ডিলিট বা ক্লোন না করা হয়, সেই নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কয়লা পাচার তদন্তে যুক্ত কোনও কেন্দ্রীয় আধিকারিকের বিরুদ্ধে যেন কলকাতা বা বাংলার কোনও থানায় এফআইআর গ্রহণ না করা হয়, সেই আবেদনও জানানো হয়েছে। শেক্সপিয়ার সরণী থানায় দায়ের হওয়া এফআইআর স্থগিত রাখার আর্জিও জানানো হয়েছে। সবশেষে আইপ্যাক-কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিও তুলেছে ইডি।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

ইডি হানার পরই রাজ্যে বিশেষ বাহিনী! RAF নামল কলকাতায়

ইডির তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যে পাঠানো হল সিআরপিএফের বিশেষ বাহিনী। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের অফিস এবং আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সময় সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, তিনি কিছু নথি ও হার্ডডিস্ক সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। এই ঘটনার পরেই রাজ্যে আসে সিআরপিএফের এক কোম্পানি র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স বা RAF।সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে এই এক কোম্পানি RAF বাংলায় পাঠানো হয়েছে। আপাতত বাহিনীটিকে রাজারহাটের সিআরপিএফ ক্যাম্পে রিজার্ভে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি ইডি বা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে, অথবা কোনও বড় আইনশৃঙ্খলার সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে এই RAF বাহিনীকে কাজে লাগানো হবে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে কোনও রাজনৈতিক উত্তেজনা বা হিংসার ঘটনা ঘটলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হতে পারে এই বিশেষ বাহিনীকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় RAF-এর কাছে রয়েছে বিশেষ গাড়ি ও অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, যা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।এদিকে আইপ্যাক-কাণ্ডের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিরাপত্তা নিয়েও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে রয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দফতর। সিবিআই সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ওই কমপ্লেক্সে কোনও আধাসেনা মোতায়েন ছিল না। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল একটি বেসরকারি সংস্থা। তবে সাম্প্রতিক ঘটনার পর সিজিও কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।আইপ্যাক-কাণ্ড ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাতের আবহে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ? এসআইআর মামলায় নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় শীর্ষ আদালত

ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে নোটিস পাঠিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং দোলা সেনের করা মামলার ভিত্তিতে এই নির্দেশ দিয়েছে আদালত।এদিন এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্যে চলা নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আলাদা করে মামলা করেছিলেন দুই তৃণমূল সাংসদ। সেই মামলার শুনানিতেই এদিন নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। সাংসদদের পক্ষে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।শুনানিতে কপিল সিব্বল অভিযোগ করেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় একাধিক গাফিলতি ও অনিয়ম হয়েছে। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন বহু ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নির্দেশ পাঠাচ্ছে, যা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও জানান, বাংলার বহু ভোটারকে অযৌক্তিক ভাবে চিহ্নিত করে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। কমিশনের তরফে যে সব অমিল বা লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সির কথা বলা হচ্ছে, তার অনেকটাই বাস্তবে অযৌক্তিক বলে দাবি করেন তিনি।আইনজীবীর এই যুক্তি শুনে নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব তলব করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশে কমিশনের উদ্দেশে নোটিস জারি করা হয়। শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জবাব দিতে তাদের দুসপ্তাহ সময় প্রয়োজন। কিন্তু প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই সপ্তাহের মধ্যেই হলফনামা জমা দিতে হবে।আদালত জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই কড়া অবস্থান ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরএসি নেই, ওয়েটিং নেই! বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলের

আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরই বাংলা থেকে গড়াতে চলেছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের চাকা। হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলবে এই নতুন প্রিমিয়াম ট্রেন। আগামী ১৭ জানুয়ারি মালদহ স্টেশন থেকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই ট্রেন চালু হওয়ার খবরে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে।এবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় আপডেট সামনে আনল রেল। জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে কোনও আরএসি বা ওয়েটিং লিস্ট টিকিট থাকবে না। শুধুমাত্র কনফার্ম টিকিটেই যাত্রা করা যাবে। অর্থাৎ টিকিট কাটলে সিট বা বার্থ নিশ্চিত থাকবেই।রেল সূত্রে খবর, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ন্যূনতম ভাড়া ধরা হয়েছে ৪০০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য। রাজধানী এক্সপ্রেস বা শতাব্দী এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেনের ভাড়া সামান্য বেশি হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে যাত্রীদের জন্য থাকবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ থাকবে। পাশাপাশি বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্যও আলাদা কোটা থাকছে। ডিউটি পাস কোটার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।ভাড়ার হিসাব অনুযায়ী, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ধরা হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা। ২এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া হবে ৩ টাকা ১০ পয়সা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রতি কিলোমিটারে ৩ টাকা ৮০ পয়সা।যেহেতু ন্যূনতম ৪০০ কিলোমিটারের ভাড়া নেওয়া হবে, তাই ৩এসি শ্রেণিতে ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাত্রার জন্য খরচ পড়বে ৯৬০ টাকা। ২এসি শ্রেণিতে এই ভাড়া হবে ১২৪০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে ১৫২০ টাকা। এই ভাড়ার সঙ্গে অতিরিক্ত জিএসটি যোগ হবে।হাওড়া থেকে গুয়াহাটির দূরত্ব প্রায় ১০০০ কিলোমিটার। এই পথে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ২৪০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৩১০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে প্রায় ৩৮০০ টাকা।রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে ২০০০ কিলোমিটার দূরত্বের যাত্রায় ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৪৮০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৬২০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৭৬০০ টাকা। ৩০০০ কিলোমিটার দূরত্বের ক্ষেত্রে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৭২০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৯৩০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পৌঁছবে প্রায় ১১ হাজার ৪০০ টাকায়।বর্তমানে হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলা সরাইঘাট এক্সপ্রেসে সর্বোচ্চ ভাড়া ৩এসি শ্রেণিতে ১৪১০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ১৯৮৫ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৩৩২০ টাকা।সময়সূচি অনুযায়ী, হাওড়া থেকে গুয়াহাটিগামী বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে এবং পরের দিন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে গুয়াহাটিতে পৌঁছবে। গুয়াহাটি থেকে এই ট্রেন ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট নাগাদ এবং পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হাওড়ায় পৌঁছবে। সপ্তাহে ছয় দিন এই ট্রেন চলবে। বৃহস্পতিবার ট্রেনটি চলবে না।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

কাজের কাগজেই ভোটাধিকার! উত্তরবঙ্গের চা বাগান শ্রমিকদের জন্য বড় ছাড় নির্বাচন কমিশনের

উত্তরবঙ্গের চা এবং সিঙ্কোনা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ছাড় ঘোষণা করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে এবার কাজের নথিই যথেষ্ট বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে বহু বাগান শ্রমিকের ভোটাধিকার পাওয়ার পথ অনেকটাই সহজ হল।রবিবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হলে সংশ্লিষ্ট চা বা সিঙ্কোনা বাগানে কাজ করার প্রমাণপত্র জমা দিলেই হবে। তবে তার সঙ্গে বৈধ বাসস্থানের প্রমাণপত্র যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। এই দুটি নথি থাকলেই ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে আর কোনও সমস্যা হবে না।এই বিশেষ ছাড় শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের সাতটি জেলার জন্য প্রযোজ্য। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহার জেলার চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকরাই এসআইআর পর্বে এই সুবিধা পাবেন।প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য প্রথমে মোট ১১টি নথি নির্ধারণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে আরও দুটি নথি যুক্ত করা হয়আধার কার্ড এবং বিহারের এসআইআর সংক্রান্ত নথি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গের বহু চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকের কাছেই এই নথিগুলি নেই। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁরা বাগানের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আধুনিক পরিচয়পত্র অনেকের কাছেই অধরা।এই পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গের সাত জেলার জেলাশাসকরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানান, যাতে বাগানের কাজের নথিকেই ভোটার তালিকাভুক্তির প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অবশেষে সেই দাবিতে সায় দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এর পাশাপাশি, রাজ্যের প্রান্তিক এবং বিচ্ছিন্ন এলাকার মানুষের কথা মাথায় রেখে এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়াতেও বড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন। ডিসেন্ট্রালাইজড হিয়ারিং সেন্টার বা বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্র চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দুর্গম বা প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষও সহজে এসআইআর শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা হাইকোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতি কে? জানুন বিচারপতি সুজয় পালের পুরো প্রোফাইল

কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন বিচারপতি সুজয় পাল। এতদিন তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। গত ৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামের বৈঠকে তাঁর নামেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে চূড়ান্ত সিলমোহর দেওয়া হয়।প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম অবসর নেওয়ার পর থেকেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি সুজয় পাল। তার আগে এই পদে ছিলেন বিচারপতি সৌমেন সেন। পরে তাঁকে মেঘালয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হলে সেই পদে আসেন বিচারপতি সুজয় পাল।বিচারপতি সুজয় পালের জন্ম একটি প্রবাসী বাঙালি পরিবারে। তবে তাঁর বেড়ে ওঠা মধ্যপ্রদেশে। তিনি এলএস ঝা মডেল স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে রাণি দুর্গাবতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখান থেকেই আইন বিষয়ে পড়াশোনা করে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার পর ২০১১ সালে তিনি জব্বলপুরে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন। পরে তাঁর ছেলে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করায় তাঁকে তেলঙ্গানা হাইকোর্টে বদলি করা হয়। এরপর ২০২৫ সালের ২৬ মে বি আর গাভাইয়ের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম তাঁকে কলকাতা হাইকোর্টে বদলির সুপারিশ করে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১৮ সালে কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতির অবসরের পর আর কোনও বাঙালি বিচারপতি এই পদে আসেননি। সেই পরিস্থিতি এখনও বদলাল না। নতুন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে ফের এক নতুন অধ্যায় শুরু হল বলে মনে করছেন আইন মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal