• ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Municipality

কলকাতা

'জনতার দরবারে' অভিযোগের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাকশন! তোলাবাজির মামলায় গ্রেফতার প্রাক্তন উপপুরপ্রধান-সহ ৩

জনতার দরবারে প্রোমোটারের অভিযোগের পরেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। তোলাবাজি ও প্রতারণার অভিযোগে দমদমের প্রাক্তন উপপুরপ্রধান বরুণ নট্টকে গ্রেফতার করার পাশাপাশি তাঁর দুই ঘনিষ্ঠকেও পাকড়াও করা হয়েছে।দমদমে তোলাবাজি ও প্রতারণার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য। পুলিশের জালে দমদম পুরসভার প্রাক্তন উপপুরপ্রধান তথা তৃণমূল নেতা বরুণ নট্ট। তাঁর সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে নয়নাশিস দাস ওরফে জনি এবং সুমন্ত ঘোষ ওরফে লাল্টুকে। ধৃত নয়নাশিস দমদম পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর পর্ণা দাসের ছেলে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার দমদম থানায় প্রোমোটার সুজয় মজুমদার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তোলাবাজি ও প্রতারণার কথা উল্লেখ করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্তে নামে পুলিশ। এরপর রাতেই বরুণ নট্ট, নয়নাশিস এবং সুমন্তকে তাঁদের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।ধৃতদের বিরুদ্ধে তোলাবাজি, প্রতারণা-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। শুক্রবার তিন জনকেই ব্যারাকপুর আদালতে হাজির করানোর কথা রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তাঁদের ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে পুলিশ।তদন্তকারীদের মূল নজর এখন কয়েকটি প্রশ্নেঅভিযোগে যে তোলাবাজির কথা বলা হয়েছে, তার সঙ্গে বরুণ নট্ট এবং তাঁর দুই ঘনিষ্ঠের সরাসরি যোগ রয়েছে কি না, এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছেন কি না এবং প্রতারণার মাধ্যমে কোনও আর্থিক লেনদেন হয়ে থাকলে সেই টাকা কীভাবে ও কার মাধ্যমে আদানপ্রদান হয়েছে।ঘটনার রাজনৈতিক গুরুত্বও রয়েছে। কারণ, সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে হাজির হয়ে তোলাবাজির অভিযোগ তুলেছিলেন প্রোমোটার সুজয় মজুমদার। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানানোর মাত্র দুদিনের মধ্যেই প্রাক্তন উপপুরপ্রধান-সহ তিন জনের গ্রেফতারিকে ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।তবে অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোটা ঘটনার নেপথ্যে কারা রয়েছেন, অভিযুক্তদের ভূমিকা ঠিক কতটা এবং আর্থিক লেনদেনের কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি নাসবকিছুই তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।শুক্রবার আদালতে ধৃতদের পেশ করার পর পুলিশি হেফাজত পাওয়া যায় কি না এবং তদন্তে নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬
রাজ্য

সাড়ে ১০ ঘণ্টা জেরার পর ইডির জালে সুজিত বসু, রাতে গ্রেফতার সদ্য-পরাজিত তৃণমূল নেতা

অবশেষে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর ইডির জালে ধরা পড়লেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা সুজিত বসু। সোমবার সকালে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর দফতরে হাজিরা দেওয়ার প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টা পর রাতে তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বেআইনিভাবে চাকরিপ্রাপকদের নাম সুপারিশ করার অভিযোগে তাঁকে তলব করা হয়েছিল। রাত সওয়া ৯টা নাগাদ বিধাননগর বিধানসভা কেন্দ্রের সদ্য-পরাজিত এই বিধায়ককে গ্রেফতার করা হয়।এর আগে গত ১ মে-ও ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন সুজিত। তবে ৪ মে ভোটের ফলপ্রকাশের পর এই প্রথম তিনি তদন্তকারীদের মুখোমুখি হন। সোমবার তাঁর সঙ্গে ছিলেন আইনজীবীও। পরে ইডি দফতরের বাইরে বেরিয়ে সুজিতের আইনজীবী জানান, তাঁর পুত্র সমুদ্র বসু এখনও দফতরের ভিতরেই রয়েছেন।বিধানসভা ভোটের আগে একাধিকবার সুজিতকে তলব করেছিল ইডি। কিন্তু ভোটের প্রচারে ব্যস্ততার কারণ দেখিয়ে তিনি হাজিরা এড়ান এবং বিষয়টি আদালতেও জানান। পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন।এর আগেও সুজিতের বাড়ি, অফিস এবং তাঁদের মালিকানাধীন ধাবায় তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। শুধু তাই নয়, তাঁর পুত্র সমুদ্র বসু-সহ পরিবারের একাধিক সদস্যকেও ডেকে পাঠিয়ে বয়ান রেকর্ড করা হয়েছিল।বারবার তলবের মুখে সুজিতের দাবি ছিল, যে মামলায় তাঁকে ডাকা হচ্ছে, সেই মামলায় সিবিআই ইতিমধ্যেই চার্জশিট জমা দিয়েছে এবং সেখানে তাঁর নাম নেই। তবে শেষরক্ষা হল না। তদন্তকারী সংস্থার জাল এড়াতে পারলেন না তিনি।ইডি সূত্রের খবর, সোমবার রাতেই তাঁর শারীরিক পরীক্ষা করানো হবে। এরপর তাঁকে হেফাজতে রাখা হবে। মঙ্গলবার সকালে প্রাক্তন দমকলমন্ত্রীকে আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

মে ১১, ২০২৬
রাজ্য

দুএকটি ওয়ার্ড ছাড়া বর্ধমান শহরের কোনও ওয়ার্ডে উন্নয়ন হয়নি, বিস্ফোরক তৃণমূল কাউন্সিলর

বর্ধমান পুরসভার উন্নয়ন নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভপ্রকাশ করলেন তৃণমূল কাউন্সিলর বসির আহমেদ ওরফে বাদশা। তাঁর দাবি, দুএকটি ওয়ার্ড ছাড়া পুর এলাকার কোনও ওয়ার্ডে উন্নয়ন হয়নি। রাস্তা হয়নি বেশিরভাগ ওয়ার্ডে। বরং না নোটিশ দিয়ে ফুটপাতের দোকান ভাঙতে মরিয়া। বসির আহমেদ বলেছেন,বর্ধমান পুরসভা এলাকায় ২৩ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাড়া কোনও ওয়ার্ডে উন্নয়ন হয়ৃনি। ৩৩টা ওয়ার্ডে কোনও কাজ হয়নি। দেখাতে পারবেন কোথায় কি রাস্তা হয়েছে? এক ঘন্টা বৃষ্টিতে বাবুরবাগ ডুবে গিয়েছে। প্রতিবছর লহর সংস্কার হয়। এবছর লহর সংস্কার হয়নি। নিকাশি ব্যবস্থা কিছু হয়নি। চেয়ারম্যান ও বিধায়কদের জানিয়ে কিছু হয়নি। শুধু ফুটপাতের দোকানদারদের ওপর হিংসা। তাদের উচ্ছেদ করতে কোনও নোটিশ দেওয়া হয়নি। অন্ধকারে এসে দোকান বন্ধ ছিল ভেঙে চলে গিয়েছো। এর ফল পাবে। আমরা কিছু করতে করতে পারব না। বিধানসভা ভোটেই পাবে। লোকসভা ভোটে এই ওয়ার্ডে তৃণমূল লিড পেয়েছে। কিন্তু এরপর জনগন কি করবে জানি না। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, মাস পিটিশন করে বিষয়টা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানাবেন। কোথাও হকার উচ্ছেদ নেই অথচ ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে হকার উচ্ছেদ হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৫
রাজনীতি

গোষ্ঠীকোন্দলে জেরবার, তৃণমূল কাউন্সিলরদের বিক্ষোভে তোলপাড় বাঁশবেড়িয়া, ধুন্ধুমার কাণ্ড

তৃণমূল কংগ্রেসের ২১ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ১৫জন সরাসরি পুর চেয়ারম্যানের অফিস ঘরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করছে। শনিবার বাঁশবেড়িয়া পুরসভায় হুলস্থুল কাণ্ড। তৃণমূল কংগ্রেসে প্রকাশ্যে গোষ্ঠদ্বন্দ্ব চলছে। অফিসে আসেননি পুরপ্রধান। যাবতীয় অভিযোগই তাঁর বিরুদ্ধে। লোকসভা ভোটের ফলাফলের নিরিখে বাঁশবেড়িয়া পুরসভা এলাকায় প্রায় ১২ হাজার ভোটে বিজেপি লিড নিয়েছে। পিছিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস। শুধু ১, ১১ ও ১৯ ওয়ার্ডে এগিয়ে তৃণমূল। বাকি ১৯ ওয়ার্ডে লীড নিয়েছে বিজেপি। ২২ টি আসনের এই পুরবোর্ডে ২১ জনই তৃণমূলের কাউন্সিলর। বাকি এক বামফ্রন্টের। নজিরবিহীন ভাবে এদিন সকাল থেকেই শাসক দলের ১৫ জন কাউন্সিলর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে পুরপ্রধান আদিত্য নিয়োগীর ঘরের সামনে অবস্থানে বসে পড়েন। বিক্ষোভ কারীদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলেন মহিলা কাউন্সিলর। মূল অভিযোগ চেয়ারম্যান আদিত্য নিয়োগীর বিরুদ্ধে।তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বাঁশবেড়িয়ার অধিকাংশ ওয়ার্ডে উন্নয়ন স্তব্ধ। পুরপ্রধানের ব্যবহার ভালো নয়। অভব্য আচরণ। দলীয় কাউন্সিলররা প্রায় কেউই পারতপক্ষে চেয়ারম্যান এর ঘরে ঢোকেন না। কয়েকজন পেটোয়া কাউন্সিলরদের নিয়ে তিনি চলেন। যা কিছু উন্নয়ন শুধু সেই সব ওয়ার্ডেই হয়। চেয়ারম্যান কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি।কিছুদিন আগেও সাত নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অমিত ঘোষ ও ওই ওয়ার্ডের বাসিন্দারা জলের দাবিতে দীর্ঘ নয় ঘন্টা অবস্থান বিক্ষোভে বসেছিল বাঁশবেড়িয়া পুরসভায়। তবে পুরসভায় অমিতকে দেখা যায়নি। অফিসে আসেননি চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যানরাও। অন্যদিকে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মগড়া থানার পুলিশও পুরসভায় উপস্থিত ছিল। তৃণমূলের প্রকাশ্য অন্তর্কলহ দেখে মজা পাচ্ছে বিজেপি।বিজেপির জেলা সম্পাদক সুরেশ সাউ বলেন, পুরো বিষয়টি ভাগ বাটোয়ারার খেলা। চেয়ারম্যানের ব্যবহার খারাপ বলে কাউন্সিলররা ধর্ণায় বসেছেন শুনলে পাগলেও বিশ্বাস করবে না। আসল বিষয়টা অন্য। বিভিন্ন খাতের টাকা চেয়ারম্যান নিজেই হজম করছেন। কাউন্সিলরদের ভাগ দিচ্ছেন না তাই তাঁরা ফুঁসে উঠেছে।

জুন ২৩, ২০২৪
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কাউন্সিলর থেকে বিধায়কের বাড়িতে তল্লাশি সিবিআইয়ের

শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতিতে আবারও নড়াচড়া শুরু করেছে সিবিআই। বৃহস্পতিবার রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূলপর প্রাক্তন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর ও কলকাতা পুরসভার তৃণমূলের মুখ্যসচেতক বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের বাড়িতে সিবিআই হানা দেয়। এদিন সকালে কলকাতার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে যায় সিবিআই। এদিন একইসঙ্গে তল্লাশি চলে রাজারহাটে বিধাননগর পুরসভার মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীর বাড়িতেও। এছাড়াও এদিন মুর্শিদাবাদের ডোমকলে তৃণমূল বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের বাড়ি ও কোচবিহারেও একাধিক ঠিকানায় হানা দেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা।কলকাতা পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের বাড়িতে সিবিআই অভিযান চলে। শিক্ষায় নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তেই এই অভিযান বলে জানা গিয়েছে। তিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন বলে খবর। বৃহস্পতিবার তা্র বাড়িতে পৌঁছনোর পর বেশ কিছুক্ষণ বাইরেই অপেক্ষা করতে হয় সিবিআই আধিকারিকদের। বাড়ির ভিতর থেকে কেউ দরজা না খোলায় বাধ্য হয়ে প্রায় কুড়ি মিনিট বাড়ির বাইরে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে সিবিআই অফিসারদের। প্রায় কুড়ি মিনিট পর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত নিজে এসে দরজা খুলে দেন। তিনিই সিবিআই আধিকারিকদের বাড়ির ভিতরে নিয়ে গিয়েছেন।এরই পাশাপাশি আজ সকালে রাজারহাটে বিধাননগর পুরসভার মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীর বাড়িতেও সিবিআই হানা দেয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে অভিযানে যায় তদন্ত সংস্থা। পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে এই অভিযান বলে জানা গিয়েছে। দেবরাজ তৃণমূলের দমদম-বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার যুব সভাপতি। শহর কলকাতা ও তার আশেপাশের এলাকা ছাড়াও এদিন মুর্শিদাবাদ, কোচবিহার-সহ একাধিক জেলায় ম্যারাথন তল্লাশি অভিযানে নেমেছে সিবিআই। ডোমকলের তৃণমূল বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের বাড়িতে হানা দেন তদন্তকারীরা।

নভেম্বর ৩০, ২০২৩
রাজ্য

ফের ইডি দফতরে টিটাগড় পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান, সঙ্গে নিয়োগ তালিকা

পৌর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় টিটাগড় পৌরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রশান্ত চৌধুরী বৃহস্পতিবার ফের এলেন ইডি দপ্তরে। বেশ কিছু নথি নিয়ে তাঁকে এদিন আসতে বলা হয়েছে। সেই নথি নিয়ে তিনি ইডি দপ্তরে এসেছেন। বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির টিটাগড় পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রশান্ত চৌধুরী। গতকাল তলব না পেয়েও এসেছিলেন প্রশান্ত। তাহলে কি এ দিন ইডি-র সমন পেয়েছেন? পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নাম জড়িয়েছে প্রশান্তর। সিজিও-তে এসেই টিটাগড়ের প্রাক্তন চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, এদিন তাঁকে ডেকেছে ইডি। প্রশান্ত চৌধুরী জানান, ২০১৪-১৫ সালে টিটাগর পুরসভায় যে নিয়োগ হয়েছিল সেই তালিকা তাঁকে নিয়ে আসতে বলা হয়েছে। এসব নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে অনুমান।পুরসভায় নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় গত ৭ এবং ৮ নভেম্বর ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন প্রশান্ত চৌধুরী। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন ইডির গোয়েন্দারা। তার আগে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চলেছিল। টিটাগড়ের প্রাক্তন চেয়ারম্যান জানান, তল্লাশির দিনই তাঁর দুটি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়। পরে হাজিরার দিন তাঁর সামনেই ওই দুটি মোবাইলের সিল খুলে সেখান থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছিল ইডি।সূত্রের খবর ২০১৪ এবং ১৫ সালে টিটাগর পৌরসভায় যে নিয়োগ হয়েছিল সেই তালিকার নিয়ে আসা হয়েছে বলে খবর। সেই সময় কতজন নিয়োগ হয়েছিল, কিভাবে নিয়োগ হয়েছিল সেই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে ইডি সূত্রে খবর।

নভেম্বর ১৬, ২০২৩
রাজ্য

পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ প্রাক্তন ও বর্তমান পুরকর্তাকে, খতিয়ে দেখা হচ্ছে জ্যোতিপ্রিয় যোগ

একদিকে রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলা পাশাপাশি পুরনিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে জোরদার তদন্ত করছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। উত্তর ২৪ পরগণার একের পর এক পুরসভার কর্তাদের তলব করছে ইডি। প্রাক্তন পুরপতি-উপ-পুরপতিদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করছে ইডির আধিকারিকরা।পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বরানগর পৌরসভার চেয়ারম্যান অপর্ণা মৌলিককে মঙ্গলবার ফের তলব করে ইডি। এদিন সকাল ১১ টা নাগাদ তিনি সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে দফতরে হাজিরা দেন।প্রায় ছয় ঘন্টা পর তিনি ইডি দপ্তর থেকে বেরিয়ে যান। বেরোনোর সময় তিনি বলেন, আজ কিছু ব্যক্তিগত নথি নিয়ে তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। এবং ২০১৬-১৭ সালের যে পুরসভা নিয়োগ হয়েছিল সেই নিয়ে আজ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। অয়ন শীলের সাথে তাঁর কোন যোগাযোগ রয়েছে কিনা বা বরানগর পৌরসভার সাথে অয়নের কোন সংযোগ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে ইডি।এদিন টিটাগর পৌরসভার প্রাক্তন পৌর প্রধান প্রশান্ত চৌধুরী ইডি দপ্তরে আসেন। পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসা করার জন্য তাঁকে তকব করে ইডি। এর আগে প্রশান্ত চৌধুরীর বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল ইডি। তখন তাঁর মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। প্রশান্ত চৌধুরী ইডি দপ্তর থেকে বেরিয়ে জানান, তার যে দুটি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল সেই মোবাইল ফোন ফরেন্সিকে পাঠানো হয়েছিল এবং ডেটা ট্রান্সফারের জন্য দেরি হল। তিনি যে সময় চেয়ারম্যান ছিলেন কিভাবে নিয়োগ হয়েছিল তা জানতে চাওয়া হয়। প্রশান্ত চৌধুরী এবং তার কোথায় কোথায় কত সম্পত্তি রয়েছে তার নথি খতিয়ে দেখা হয়।আগামীকাল ফের তাঁকে ডাকা হয়েছে।কামারহাটি পুরসভার চিপ ইঞ্জিনিয়ার তামাল দত্তকেও আজ ডাকা হয়েছিল পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর ইডি দপ্তর থেকে বেরিয়ে যান।একদিকে পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত, একইসঙ্গে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে পুরসভা কর্তাদের কি সম্পর্ক তাও খতিয়ে দেখছে ইডি।

নভেম্বর ০৭, ২০২৩
রাজ্য

ইডির নজরে উত্তর ২৪ পরগণার একাধিক পুরসভার পুরকর্তা, এখনও মুখে কুলুপ জ্যোতিপ্রিয়র

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা সহ একাধিক পুরকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। বিভিন্ন পুরসভার কর্মীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, ফের জোরদার তদন্ত শুরু করছে ইডি। উত্তর ২৪ পরগনার ২৭টি পুরসভার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানরা ইডির নজরে রয়েছে। এই জেলার পুরসভাগুলির কর্তা ও কাউন্সিলররা অনেকেই আবার জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ।পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি মাস্টারমাইন্ড অয়ন শীল। তিনি আবার শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতিতেও অভিযুক্ত। ইতিমধ্যে রাজ্যের পুরমন্ত্রী তথা কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের বাড়িতেও তল্লাশি করেছে ইডি। রাজ্যে সব থেকে বেশি পুরসভা রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনায়। এই জেলায় দীর্ঘ দিন তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। সূত্রের খবর, বিশেষত জেলার ২৭টি পুরসভার যেসব পুরপতি বা উপপুরপতি জ্যোতিপ্রিয়র অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ মূলত সেদিকেই নজর রয়েছে ইডির। ইডি মনে করছে, জ্যোতিপ্রিয় সম্পর্কে এঁরা অনেক তথ্য দিতে পারবে। নতুন তথ্য পেলে তদন্তের গতি বাড়বে। সময় পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এই জেলার কাউন্সিলরদের সম্পত্তিও বেড়েছে হুহু করে। এদের অনেকের জীবনযাত্রার মান একেবারে আকাশ ছোঁয়া। সাধারণের ধরাছোঁয়ার বাইরে। এদের অনেকেই জ্যেতিপ্রিয়র হাত ধরে ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছেছেন। সূত্রের খবর, আগামী দিনে এই সমস্ত চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করতে পারে ইডি। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন পুরকর্তা ও কাউন্সিলরকে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। এদের সঙ্গে জ্যোতিপ্রিয়র যোগসূত্র রয়েছে বলেই ধারনা তদন্তকারীদের।এদিকে এখনও অবধি সেভাবে তদন্তকারীদের সামনে মুখে কুলুপ এঁটেছেন জ্যোতিপ্রিয়। সূত্রের খবর, মন্ত্রীর প্রাক্তন আপ্তসহায়ক অভিজিত দাসের ডায়েরিতে বালুদা বলে নাম উল্লেখ রয়েছে। ডায়েরিতে আছে নানা ধরনের লেনদেনের হিসেব। জ্যেতিপ্রিয়র ডাক নামও বালু। জানা গিয়েছে, জেরার সময় মন্ত্রী বলেছেন, ওই ডায়েরিতে কি লেখা আছে তা আমি জানি না। যাঁর ডায়েরি তিনি বলতে পারবেন। কে লিখেছে? কেন লিখেছে? আমি কিছুই জানি না। জেরার প্রথম দিন থেকেই একপ্রকার মুখ বন্ধ রেখেছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

নভেম্বর ০৪, ২০২৩
রাজ্য

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্তে গতি ইডির, সিজিওতে হাজির আমলাসহ পুরকর্মী

রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলায় একদিকে রাজ্যের মন্রী সহ একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চলেছে ইডি। পাশাপাশি পুর নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তও চালিয়ে যাচ্ছে সমানতালে। এদিন ইডি দফতরে হাজির হয়েছিলেন রাজ্যের আমলা জ্যোতিষ্মান চট্টোপাধ্যায়। মাঝে একবার ইডি অফিস থেকে বেরিয়ে খাবার খেয়ে আসেন তিনি। তারপরও দীর্ঘ ক্ষণ অফিসে ছিলেন তিনি।এদিন কামারহাটি পৌরসভার অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার তমাল দত্ত পৌরসভা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি দফতরে হাজির হয়েছিলেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের কোনও জবাব না দিলেও সূত্রের খবর, তিনি সম্ভবত নথি জমা দিতে এসেছিলেন। এর আগে কামারহাটির পুরপ্রধান গোপাল সাহাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কামারহাটি পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে প্রকাশ্যে অভিযোগ করেছেন।পুর নিয়োগ মামলায় ইতিমধ্যে রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি। ইডি তল্লাশি করে চলে যাওয়ার পর সাংবাদিক বৈঠকে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন ফিরহাদ হাকিম তথা ববি। কলকাতার মেয়রের দাবি ছিল, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে তাঁর বাড়িতে ইডি পাঠিয়েছে বিজেপি। তিনি কেনও ভাবেই চুরির সঙ্গে যুক্ত নয় বলে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন ববি।। সম্প্রতি একাধিক পুরসভায় হানা দিয়েছে ইডি।

অক্টোবর ৩১, ২০২৩
কলকাতা

ডেঙ্গুতে সল্টলেকে মৃত্যু, পুরনিগমের খোদ চেয়ারম্যানের ওয়ার্ডের ঘটনা

সল্টলেকে এবছর প্রথম ডেঙ্গুতে মৃত্যু হল। সল্টলেকের এই (AE) ব্লকের ৭৯১ নাম্বর বাড়ির বাসিন্দা ৬৬ বছরের পিনাক সরকার। গতকাল রাত ১০ টা ১৫ নাগাদ একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ হিসাবে লেখা রয়েছে সিভিয়ার ডেঙ্গি সিন্ড্রোমের কথা।পরিবার সূত্রে খবর, গত মাসের ২৭ তারিখ পিনাক সরকারের জ্বর আসে। পরের দিন ২৮ অগাস্ট সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়। এর পর কিছু সমস্যার কারণে তাঁকে ১৫ তারিখ ভর্তি করা হয় বাইপাস এর কাছে একটি বেসরকারি হাসপাতালে। ২১ তারিখ রাত ১০টা ১৫ মিনিট নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়।খবর পেয়ে আজ সকালে মৃতের বাড়িতে গিয়ে পৌঁছান বিধান নগর পৌর নিগমের চেয়ারম্যান তথা ৩১ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্ত। সেখানে গিয়ে পৌর নিগমের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ উগরে দেন তিনি।সব্যসাচী দত্ত বলেন, এটা দুর্ভাগ্য যে আমার ওয়ার্ডেই আজকে মাঝ বয়সী এবং আমাদের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। এটা খুব দুঃখজনক ঘটনা কিন্তু সব মানুষকেই বারবার করে অনুরোধ করছি আপনাদেরও জানাচ্ছি নিজের বাড়িটা পরিষ্কার রাখুন এবং পার্শ্ববর্তী বাড়িতে যদি কেউ পরিষ্কার না রাখে দয়া করে অনুরোধ করুন। অনুরোধ কেউ রাখছেন না। এই একটা গলিতে অন্তত ১০-১২ জনের ডেঙ্গু হয়ে গিয়েছে। মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন অ্যাক্টে প্রভিশন আছে আপনার প্রেমিসেসের ভেতরে যেটা রয়েছে সেটা যদি আপনি ক্লিয়ার না করেন এফআইআর করে লিগ্যাল একশন নেওয়া।আসি যায় মাইনে পাই কাজ করলে ওভারটাইম চাই আর বলবো কিছু। কাজ হলে এরকম ভাবে মানুষ মারা যায়? আপনারা ছবি তুলেছেন বাড়ির ভেতরে আবর্জনা আছে সেই আবর্জনা দিনের পর দিন নয়, মাসের পর মাস নয় বছরের পর বছর ধরে আছে। কি করবো আমি? বলেন সব্যসাচী দত্ত।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৩
রাজ্য

দলেরই এক কাউন্সিলরের ছোঁড়া কাপের আঘাতে জখম অপর কাউন্সিলর, দলীয় কোন্দলে জেরবার কালনা শহর তৃণমূল কংগ্রেস

তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এবার বাইরে নয় একেবারে কালনা পুরসভার অন্দরমহলে। তৃণমূলেরই এক কাউন্সিলর এর ছোঁড়া কাপের আঘাতে জখম অপর কাউন্সিলর, ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা। বুধবার দুপুরে কালনা পৌরসভায় পৌরসভার বোর্ড মিটিং চলার সময়, কালনা শহরের তৃণমূল কংগ্রেসের শহর সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চ্যাটার্জির উপর হামলার অভিযোগ, কালনা শহরেরই ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সন্দীপ বসু এবং ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুমন বসুর বিরুদ্ধে।ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য এরপরই এদিন বুধবার সন্ধ্যায় কালনা কাটোয়া এসটিকে রোডের উপর আগুন জ্বালিয়ে, রাস্তা অবরোধ করে সন্দীপ বসু এবং অনিল বসুর বিরুদ্ধে ধিক্কার জানিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে তৃণমূল কংগ্রেসেরই একাংশ। কালনা পৌরসভারই ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তাপস দাসের ওয়ার্ডে ঠিক মতন নিকাশী নালা পরিষ্কার হয় না, আর সেই বিষয় নিয়ে আজকের বোর্ড মিটিংয়ে প্রশ্ন উঠতেই সুমন বসু ওরফে অনিল বসু ওই ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, তাপস দাস কে চেয়ার ছুড়ে মারতে যায়, এরপর তাকে লক্ষ্য করে একের পর এক কাপ ছুঁড়তে থাকে,সেই কাপ দিয়ে লাগে রবীন্দ্রনাথ চ্যাটার্জীর দাঁতে এবং কপালে।গুরুতর জখম অবস্থায় থাকে কানলা মহকুমা হসপিটালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। পঞ্চায়েত ভোটের আগে তৃণমূলের অন্তরে এই এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযুক্ত কাউন্সিলর অনিল বসু দিন জানান, আমার নামে মিথ্যে অভিযোগ করা হচ্ছে, উনি বয়স্ক মানুষ আমি ওনাকে যথেষ্ট সম্মান করি। কালনা এসটিকেকে সড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ করার পর বিক্ষোভকারীরা কালনা থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায়, অন্যদিকে এই ঘটনাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন সুমন বসু।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২২
রাজ্য

আবার বর্ধমানে নিখোঁজ পোস্টার তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলারের নামে

পোস্টার রাজনীতি অব্যাহত বর্ধমানে। রাজ্যে বিভিন্ন জায়গার রাজনৈতিক নেতাদের নিখোঁজ নোটিশ দেখতে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে সাধারণ জনসাধারণ। বর্ধমানে আবার তৃণমূল কাউন্সিলরের সন্ধান চেয়ে পোষ্টার পড়লো শহর জুড়ে। তৃণমূল কংগ্রেসকে বদনাম করার জন্য এই পোষ্টার বিরোধীরা লাগিয়েছে বলে দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের। যদিও বিজেপির দাবি, এটা তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল।সোমবার সকালে বিষয়টি নজরে আসে স্থানীয়দের। বিষয়টি নজরে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। বর্ধমান পৌরসভার ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর উমা সাঁই। উমা সাঁই হলেন ১৯৭০-এর ১৭ই মার্চ বর্ধমান শহরের হারহিম হত্যা কান্ড সাঁই বাড়ির প্রতিনিধি। সেই উমা সাঁইয়ের সন্ধান চেয়ে কার্জনগেট চত্ত্বরে পোষ্টার দেখতে পাওয়া যায়। যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।পোষ্টারে উমা সাঁইয়ের ছবি দিয়ে সন্ধান চাই লেখা হয়েছে। কাউন্সিলর জানিয়েছেন, ওয়ার্ডের মানুষজন জানেন আমি ওয়ার্ডে যাই কিনা। সপ্তাহে দুদিন আমি ওয়ার্ডে গিয়ে বিভিন্ন সমস্যা দেখি ও তার সমাধান করার চেষ্টা করি। ২০১৩ সালে এই ওয়ার্ড থেকে আমি জয়লাভ করি এবং এবছরও এই ওয়ার্ড থেকে আমি বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছি। কে বা কারা কি উদ্দেশ্য নিয়ে এই পোষ্টার লাগিয়েছে বলতে পারবো না।যদিও পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমুল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস এটাকে বিরোধীদের চক্রান্ত বলেই দাবি করেছেন। রাজনৈতিক ভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের সাথে লড়াই করতে না পেরে তৃণমূলকে বদনাম করতে এটা করা হচ্ছে বলে দাবি তার। বিজেপি নেতা সুধীর রঞ্জন সাউ জানান, এটা তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। তিনি আরও জানান, তৃণমূল কংগ্রেস ভোট লুট করে ক্ষমতায় এসেছে, লজ্জায় তাঁরা মানুষের কাছে জেতে পারছে না। নিজেদের মধ্যে তোলাবাজির ভাগবাটোয়ারা নিয়ে সমস্যার জেরে এই পোষ্টার বলে দাবি বিজেপি নেতা সুধীর রঞ্জন সাউয়ের।উল্লেখ্য, মাস চারেক আগে বর্ধমানে পোস্টার রাজনীতির আমদানি হয়। শহরের কোর্ট কম্পাউণ্ডে বিজেপির প্রাক্তন জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দীকে ফের পদে ফেরানোর দাবিতে পোস্টার পড়ে। মাস খানেক আগে ফের কোর্ট কম্পাউণ্ডে পোস্টার পড়ে বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভার সাংসদ সুরিন্দর সিংহ আলুওয়ালিয়া নিখোঁজ বলে। তারপর বর্ধমান পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর চায়না কুমারী নিখোঁজ বলে পোস্টার পড়ে। পোস্টার রাজনীতির নবতম সংযোজন বর্ষিয়াণ উমা সাঁই।

নভেম্বর ২৮, ২০২২
রাজ্য

মাত্র পাঁচ টাকায় ডিম ভাতের 'মা ক্যান্টিন' বর্ধমানে, মানুষের আশীর্বাদ কুড়ালেন মন্ত্রী থেকে জেলাশাসক

মাত্র পাঁচ টাকায় পেট ভরা খাবার! বুধবার জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এবং বর্ধমান পুরসভার উদ্যোগে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চালু হল সস্তার খাবার। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প মা ক্যান্টিন চালু হল বর্ধমানে, জেলায় এটি পঞ্চম। মা ক্যান্টিন-এ মাত্র পাঁচ টাকায় খাবার পাওয়া যাবে।বুধবার দুপুরে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই পরিষেবার সূচনা হয়। প্রকল্পের সূচনা করেন জেলার মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা, বর্ধমান পুরসভার পুরপ্রধান পরেশ সরকার, পূর্ব-বর্ধমান জেলাপরিষদের মেন্টর উজ্জ্বল প্রামানিক, মেডিক্যাল কলেজের এমএসভিপি ডঃ তাপস ঘোষ ছাড়াও অন্য আধিকারিকেরা।জানা গেছে, প্রথম দিকে ২২০ জন ব্যাক্তি এই সুযোগ পাবেন প্রতিদিন। এরজন্য সকাল দশটায় কুপন দেওয়া হবে। কুপনের মুল্য ধার্য করা হয়েছে মাত্র ৫ টাকা। দৈনিক মেনুতে থাকবেঃ ভাত, ডাল, তরকারি ও ডিমের ঝোল। প্রতিদিন হাসপাতালে যে হাজার হাজার মানুষ আসেন তাদের খুব সুবিধা ও সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ জানান, এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প, তাঁর সকল প্রকল্প-ই মানুষের স্বার্থে। তিনি আরও জানান, এই মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বাইরের রোগীদের সাথে সাথে তাঁদের পরিবারের প্রচুর লোকজন আসেন, তাঁদের স্বল্পমূল্যে খাবারের সুবিধার জন্য-ই এই প্রকল্প শুরু করা হল। তিনি জানান, এর আগে রোগী কল্যাণ কমিটিতে আলোচনা হয়েছে আজ সেই প্রকল্প বাস্তবায়িত হল।জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন রাজ্যের সব হাসপাতালে মা ক্যান্টিন চালু করতে হবে, আমরা সেই মত এটা চালু করতে পেরে খুব আনন্দিত। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথও খুব সাহায্য করেছেন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য। এখনও অবধি জেলায় ৬ টি মা ক্যান্টিন আছে। জেলার পুরসভাগুলি খুব সাফল্যের সাথে এটা চালায়। তিনি জানান এই মুহুর্তে একটু ফান্ডের সমস্যা আছে, কিছুদিনের মধ্যেই আরও বেশী মানুষের খাওয়ার ব্যবস্থা করতে পারবেন বলে তাঁর আশা।পুরপ্রধান পরেশ সরকার জানান, জেলার সব পুরসভায়ই মুখমন্ত্রীর স্বপ্নের এই প্রকল্প সাফল্যের সাথে চলছে। বর্ধমানে এটা শুরু করতে পেরে খুব ভালো লাগছে। তিনি মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলাকে ধন্যবাদ জ্ঞ্যাপন করেন পুরসভাকে সার্বিক ভাবে সাহায্য করার জন্য। আজ উপস্থিত রোগীর পরিবারেরা খুব খুশি ৫টাকায় ডিম ভাত পেয়ে। তাঁরা জানান এতে তাঁদের খাওয়া খরচা অনেকটা সাশ্রয় হবে।

নভেম্বর ১৬, ২০২২
রাজ্য

রেল লাইনে ফেঁসে যাওয়া টোটোকে ঠেলে বিপদমুক্ত করছেন খোদ পুরপিতা

ডাউন হাওড়া লোকাল আগের ষ্টেশন থেকে ছেড়েছে, এদিকে এক টোটো চালক অন্তঃস্বত্তা মহিলাকে নিয়ে হাসপাতাল থেকে রেলগেট পার হচ্ছিলেন। হঠাৎ রেললাইনে টোটো-র একটি চাকা ফেঁসে গেল। কিছুতেই সেখান থেকে টোটোটিকে তুলে আনতে পারছিলেন না। পথচলতি মানুষ সেদিকে তাকিয়েও না দেখার ভান করে চলে যাচ্ছিলেন নিজের কাজে। এক ব্যক্তি মটরবাইকে চেপে রেলগেট পার হতে গিয়ে থমকে দাঁড়ালেন। মটরবাইকটিকে রেলগেট পার করে রেখে নিজে হাত লাগালেন টোটোটিকে সেখান থেকে উদ্ধার করার জন্য। একসময় তিনি উপলব্ধি করলেন একাজ একার দ্বারা সম্ভব নয়, ডাকলেন এক পথচলতি মানুষকে, ততক্ষণে ট্রেন ও শিয়ড়ে! দুজনের প্রচেষ্টায় টোটো রেল লাইনের মৃত্যু ফাঁদ থেকে মুক্ত হয়।ঘটনাটি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি শহরের। টোটো চালক মেমারি গ্রামীন হাসপাতাল থেকে অন্তঃস্বত্তা মহিলাকে নুদিপুর অভিমুখে নিয়ে যাচ্ছিলেন। যে ব্যক্তি টোটোটিকে বিপদ থেকে উদ্ধার করলেন তিনি মেমারি পুরসভার চেয়ারম্যান স্বপন বিষয়ী। যখন রাজ্য জুড়ে রাজনৈতিক নেতাদের আচার ব্যবহার নিয়ে মানুষ ব্যথিত, ক্ষূব্ধ, মর্মাহত! সেই সময় তাঁর এই মানবিক ব্যবহার জনমানসে এক অন্য ভাবমুর্তির প্রচার পাচ্ছে। যদিও তিনি নিজে এটাকে খুব সাধারণ ঘটনা বলেই আখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, মেমারি শহরের পূর্ব দিকের ইলামপুর গেটে এই ঘটনাটি ঘটে। স্বপন বিষয়ী জানান, প্রতিনিয়তই এই ধরনের ঘটনা মেমারি শহরে ঘটে থাকে। রেল গেটের রাস্তার অবস্থা খুবই বেহাল। তিনি আরও জানান, মেমারি শহরের ওপর তিনটি রেলগেট (ইলামপুর, মালগুদাম, পুরসভা) প্রায় সবকটিরই অবস্থা উনিশ-বিশ একই। রেল কর্তৃপক্ষ উদাসীন এই ব্যাপারে। যেকোনও দিন বড় ধরনের কোনও দূর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। তিনি আবেদন করেন এই ধরনের কোনও বিপদে যদি কেউ পড়েন একজন সহনাগরিক হিসাবে তাঁর পাশে থাকুন।টোটোচালক বলেন, অন্তঃস্বত্তা মহিলাকে নিয়ে যেভাবে বিপদে পরেছিলাম চেয়ারম্যান স্যার না থাকলে আজ কি হত ভাবতেই গা শিউরে উঠছে। চাকাটা লাইনের ফাঁকে আটকে যাওয়ার পর অনেকেই পাশ কাটিয়ে চলে গেল, কেউ ফিরেও তাকালো না। এক ভদ্রলোক লাইন পেরিয়ে তাঁর মটরবাইকটিকে রেখে ফিরে এসে আমার সাথে হাত লাগিয়ে টোটোটাকে বিপদ থেকে উদ্ধার করলেন। সেই ভদ্রলোক আর কেউ নন আমাদের মেমারি পুরসভার চেয়ারম্যান স্বপন বিষয়ী।

নভেম্বর ০৮, ২০২২
রাজ্য

খোদ চেয়ারম্যানের বাড়ির নাকের ডগায় পুরমাতার বিনা প্ল্যানে বাড়ি করার অভিযোগ বর্ধমানে

বর্ধমান পুরসভার ১০ নং ওয়ার্ডের শাসকদলের কাউন্সিলর চন্দ্রা দাসের বিরুদ্ধেই এবারে পোস্টার পড়ল বর্ধমান শহরের কয়েকটি এলাকায়। ওই পোস্টারে কে বা কারা লাগিয়েছে জানা যায় নি। সেখানে লেখা আছে বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যানের বাড়ির ১০মিটারের মধ্যেই ১০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চন্দ্রা দাস বিনা প্ল্যানে বাড়ি করেছেন।তার স্বামী ও স্থানীয় তৃণমূল নেতা স্বপন দাস এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তার দাবি; এগুলো কিছু লোক হিংসা করে করছেন। তারা দলের বদনাম করছেন। তিনি জানান, ওই জায়গায় একটি মনসা মন্দির ও সহায়তা কেন্দ্র তৈরি হচ্ছে। সেটার প্ল্যান তারিখ পেরিয়ে যাবার পর রিনিউ করতে দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, বর্ধমান পুরসভা এ ব্যাপারে কঠোর। কেউ বেআইনি কাজ করলে অভিযোগ জানালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।অন্যদিকে জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র জানান, বর্ধমান পুরসভা সব দিক দিয়েই ব্যর্থ। এই অভিযোগ এলাকা থেকেই উঠেছে। কাউন্সিলর বিনা প্ল্যানে এতবড় বাড়ি করছেন কীভাবে? আয়ের উৎস কী? এগুলো তদন্ত হওয়া উচিত। আর, বিজেপি পোস্টার দেবার রাজনীতি করে না। ওদের দলের লোকেরাই এসব করেছে।

নভেম্বর ০৫, ২০২২
রাজ্য

অভিষেকের নির্দেশে সরতে হচ্ছে অভিযুক্ত দাঁইহাটের পুরপ্রধান শিশির মন্ডলকে

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি তুলে ধরতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। একেই নানা দুর্নীতির অভিযোগে জেরবার মমতা-অভিষেকের দল। তরুণীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পরেই পূর্ব বর্ধমানের দাঁইহাট পুরসভার চেয়ারম্যান শিশির মণ্ডলের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছে তৃণমূল। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার জন্য শিশির মণ্ডলকে জরুরি নির্দেশ দিয়েছেন।পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার শীর্ষ নেতৃত্বের এই নির্দেশের কথা প্রকাশ্যে আনেন। শিশির মণ্ডল তরুণীর অভিযোগ অস্বীকার করলেও ঘরে ও বাইরে তাঁকে নিয়ে নিন্দার ঝড় বাইছে। বিরোধীরা এই অভিরযোগকে হাতিয়ার করেশাসক দলের বিরুদ্ধে কড়া সমালোচনা করেছে। দাঁইহাট পুরসভার চেয়ারম্যান শিশির মণ্ডলের সঙ্গে এক তরুণীর টেলিফোনে কথোপকথনের অডিও রেকর্ড মঙ্গলবার দুপুর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। তার পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় পড়ে হয়ে ওঠে। বৃহস্পতিবার তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন,শিশির মণ্ডলকে চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করার জন্য স্বয়ং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন। দলের সেই নির্দেশ এদিন শিশির মন্ডলকে জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। দলের নির্দেশ মতো পদত্যাগ করবো বলে জানিয়ে দিয়েছেন শিশিরবাবু।

নভেম্বর ০৪, ২০২২
রাজ্য

কাজের বদলে জুটল কুপ্রস্তাব, তৃণমূল পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগে ছিঃছিঃ রব পূর্ব বর্ধমানে

চেয়েছিলেন কাজ, জুটেছে সহবাসের প্রস্তাব। অভিযোগ তরুণীর। অভিযুক্ত তৃণমূল পুরপ্রধান। আর ওই দুজনের সেই অডিও ভাইরাল হতেই চারিদিকে ছিঃছিঃ রব উঠেছে। তরুণীর অভিযোগের তীরে বিদ্ধ পূর্ব বর্ধমানের দাঁইহাট পুরসভার চেয়ারম্যান শিশির মণ্ডল। যদিও শিশির মন্ডল পুরো বিষয়টাকে চক্রান্ত বলে দাবি করেছেন। এই ঘটনায় তোলপাড় জেলার রাজনৈতিক মহল।দাঁইহাট পুরসভার চেয়ারম্যান শিশির মণ্ডল দীর্ঘদিন কাটোয়ার অগ্রদ্বীপ ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। ২০০০-তে তিনি প্রথম দাঁইহাট পুরসভার কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি ওই পুরসভার বিরোধী দলনেতা হন। ২০১৮-তে অনাস্থা এনে পুরবোর্ডের পতন ঘটিয়ে শিশির মণ্ডল পুরপ্রধান হন। তারপর ২০২২-এর পুরনির্বাচনে ফের জয়ী হয়ে শিশির মণ্ডল দাঁইহাট পুরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। প্রাক্তন শিক্ষক ও দীর্ঘ দিনের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বর বিরুদ্ধে মেয়ের বয়সী তরুণীকে সহবাসের প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে বিস্মিত দাঁইহাটের বাসিন্দা।সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া অডিও ও ভিডিও কথোপকথনে পুরুষ কন্ঠের ব্যক্তি দাঁইহাট পুরসভার চেয়ারম্যান শিশির মণ্ডল বলে দাবি করা হচ্ছে। ভাইরাল হওয়া ওই অডিও এবং ভিডিওর সত্যতা জনতার কথা যাচাই করেনি। সেই কথোপকথন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২০-তে স্নাতক হয়েছেন তরুণী। ফোনের শুরুতেই ওই তরুণী চেয়ারম্যানকে কাকু সম্মোধন করে একটা কাজের ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানান। চেয়ারম্যান তাঁর কাছে জানতে চান কোন স্কুলে পড়াশুনা করেছেন, বাড়ি কোথায়, বাবার নাম, পরিবারের অবস্থা কেমনসহ নানা বিষয়। অভিযোগ, সেই কথোপকথনেই সহবাসের প্রস্তাব দিয়ে বসেন চেয়ারম্যান। তবে দাঁইহাট পুরপ্রধান শিশির মণ্ডল ওই অডিও এবং ভিডিও কথোপকথন তাঁর নয় বলে দাবি করেছেন। তাঁর দাবি, ওই অডিওতে আমার গলায় অন্য কেউ এইসব কথা বলছে। এই ধরনের অশালীন কাজ কোনদিনও আমি করতে পারি না। তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নষ্ট করার জন্যই এই চক্রান্ত হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন। পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন, বিষয়টি দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে জানানো হবে। বিজেপির বক্তব্য, এটাই তৃণমূল নেতাদের আসল রূপ।

নভেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

সুর কাটলো কার্নিভালের, ক্ষোভ উগরে দিয়ে মঞ্চ ত্যাগ পুরসভার চেয়ারম্যানের, জেলাশাসকের প্রশংসা

কার্নিভালের মঞ্চ থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে নেমে গেলেন বর্ধমান পৌরসভার চেয়ারম্যান পরেশ সরকার। তিনি বলেন, কার্নিভাল খুব ভাল হচ্ছে আমার কারো বিরুদ্ধে ক্ষোভ বা রাগ নেই। আমার একটাই দুঃখ৷ দুমাস ধরে পৌরকর্মীরা কার্নিভালের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় এদিন কার্নিভালের মঞ্চ থেকে একবারের জন্যও পৌরকর্মীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হলো না। তিনি বলেন, রাস্তা পরিস্কার করা থেকে দুর্গাপুজো ও কার্নিভালের জন্য সবকিছু প্রস্তুত করেছে দু-আড়াই হাজার পৌরকর্মী। পৌরকর্মী ও আধিকারিকদের ধন্যবাদ জানানো হল না এটাই আমার দুঃখ। আমি একজন সামান্য শিক্ষক, আমার বয়স হয়েছে তাই আমি কারো অন্যায়টা গিলতে পারিনা। এরপর তিনি আর মঞ্চে ওঠেননি।এখানে উল্লেখ্য রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি বর্ধমান শহরেও কার্নিভালের আয়োজন করা হয়। উদ্বোধন করেন মুম্বাইয়ের চলচিত্র অভিনেতা চাঙ্কি পাণ্ডে।এবিষয়ে জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা জানান, তারা পৌরসভার কাছে কৃতজ্ঞ। কার্নিভাল খুব ভাল ও সাক্সেস হয়েছে। জেলাশাসক জানান, আজকের কার্নিভালে ৩০টি পূজা কমিটি অংশগ্রহণ করেছে। মানুষের উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখে তিনি এ খুশি সে কথাও তিনি জানান। পরবর্তি সময়ে আরও বড়ো ভাবে কার্নিভাল করার কথাও তিনি ঘোষণা করেন। তিনি আরও জানান, পরের বছর জেলার অন্যান্য সাব-ডিভিশন থেকেও দুর্জাপূজা কমিটি গুলিকে আহ্বান করবেন এই কার্নিভালে অংশগ্রহণ করার জন্য। জেলাশাসক জানান এই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে ১ সেপ্টেম্বর থেকে। সেদিন ইউনেস্কোর আমাদের বাংলার দুর্গাপুজোকে হেরিটেজ ঘোষণা করার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞ্যাপন র্যালি করা হয়েছিলো বর্ধমান শহরে। শুক্রবারের অনুষ্ঠানটিকে সফল করার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

অক্টোবর ০৭, ২০২২
রাজ্য

ঝালদায় বুধবার ১২ ঘন্টার বনধের ডাক কংগ্রেসের, গন্ডগোলের মাঝে পুরবোর্ড গঠন তৃণমূলের

কংগ্রেস নেতা তপন কান্দু খুন, সিবিআই তদন্ত শুরু, কংগ্রেসের বিক্ষোভে উত্তাল ঝালদা। এরইমধ্যে মঙ্গলবার এক নির্দল কাউন্সিলরের সমর্থনে ঝালদা পুরসভায় বোর্ড গঠন করল তৃণমূল কংগ্রেস। ঝালদার পুরপ্রধান হলেন সুরেশ আগরওয়াল ও উপপুরপ্রধান পদে এলেন সুদীপ কর্মকার। এদিকে এদিন কংগ্রেসের চার কাউন্সিলরও শপথ নেন। পুলিশি হেনস্থার প্রতিবাদে বুধবার ১২ ঘন্টার ঝালদা বনধের ডাক দিয়েছে কংগ্রেস।এদিন ঝালদা শহরে মিছিল করে কংগ্রেস। কংগ্রেসের মিছিল আটকে দেয় পুলিশ। ধস্তাধস্তি চলে কংগ্রেস কর্মী ও পুলিশের মধ্যে। ঝালদা পুরসভার বাইরে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে কংগ্রেস। পুরসভার ভিতরেও তান্ডব চলতে থাকে। তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দুর ওপর পুলিশি হেনস্তার প্রতিবাদে বুধবার ১২ ঘণ্টার ঝালদা বনধের ডাক দিয়েছে কংগ্রেস। এদিকে কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুর তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। নিহতের স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু সিবিআই তদন্ত শুরু করায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। খুনের ঘটনার মূল চক্রান্তকারী রূপে অভিযোগ উঠেছে ঝালদা থানার আইসি সঞ্জীব ঘোষের বিরুদ্ধে। যদিও জেলা পুলিশ সুপার আইসিকে ক্লিন চিট দিয়েছেন। তবে পূর্ণিমা নিজের অবস্থানে অনড়। তাঁর অভিযোগ, তপন কান্দু খুনের ঘটনায় ওই আইসি যুক্ত রয়েছেন।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বিতর্কের রেশ রেখেই কালনা পুরসভার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষ হল

মঙ্গলবার কালনার মহকুমাশাসকের দফতরে দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর অবশেষে কালনা পৌরসভার চেয়ারম্যান ভাইস চেয়ারম্যান পদে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হল। ১৬ই মার্চ কালনা পুরসভার চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার ঘটনা ঘটে। কালনার সমস্ত কাউন্সিলররা সেদিন শপথগ্রহণ করলেও চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়নি সেদিন।পরবর্তী সময় তৃণমূলেরই দুই বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীকে কলকাতায় তলব করে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। এরপর সেই পুরনো সিদ্ধান্তেই সিলমোহর পড়ে তৃণমূল দলের তরফে। চেয়ারম্যান হিসেবে আনন্দ দত্ত এবং ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে তপন পোড়োলের নাম ঘোষিত হয়।মঙ্গলবার কালনা মহকুমাশাসকের দফতরে চেয়ারম্যান পদে আনন্দ দত্ত এবং ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে তপন পোড়েল শপথগ্রহণ করেন। যদিও চেয়ারম্যান ভাইস চেয়ারম্যান শপথগ্রহণের আগে দলেরই বিক্ষুব্ধ এগারো জন কাউন্সিলর এদিন একটি সাংবাদিক সম্মেলনও করেন। সেখানে তাঁরা জানান মুখ্যমন্ত্রীর কথা চিন্তা করেই তারা এ সিদ্ধান্ত মানছেন। এরপর শপথগ্রহণ শেষে বেশ কিছু কাউন্সিলার এদিন পৌরসভায় হাজির হবেন না বলে চেয়ারম্যানকে সরাসরি জানিয়ে দেন। যদিও উভয় পক্ষই এ বিষয়ে সেইভাবে কোনো বিতর্ক বাড়াইনি।

মার্চ ২৯, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

হুমায়ুন গ্রেফতার, অধীরের অবস্থান! রেজিনগর উপনির্বাচনে দিনভর তপ্ত রাজনীতি, "জিতবে বিজেপিই" - শুভেন্দু

রেজিনগর বিধানসভার উপনির্বাচন ঘিরে দিনভর উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ। শাসক দলের বিরুদ্ধে বুথ দখল, ভোট লুট এবং বিরোধী দলের এজেন্টদের বুথ থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে মমতা তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস। অভিযোগের প্রতিবাদে বহরমপুরে জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বে অবস্থান বিক্ষোভও হয়। গ্রেফতার করা হয় আজপ নেতা তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের ভোট বাতিলের দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস। তবে ভোটের দিন সকালেই সবচেয়ে বেশি চর্চায় আসে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের গ্রেপ্তারি। তাঁর ছেলে গোলাম নবি আজাদ রেজিনগর উপনির্বাচনে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী। সকালে শক্তিপুরে নিজের বাড়ির কাছের বুথে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট দেন হুমায়ুন। বুথ থেকে বেরিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের হয়ে কাজ করার অভিযোগ তুলে কুকুর বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি বলেন, কুকুরকে কীভাবে মুগুর মেরে শায়েস্তা করতে হয়, তা তিনি ভালোভাবেই জানেন। প্রয়োজনে পাল্টা অ্যাটাকের কথাও বলেন তিনি।এরপর রেজিনগর পার্টি অফিসে যাওয়ার পথে সেখানে পৌঁছে যায় রেজিনগর থানার আইসি। হুমায়ুনকে পার্টি অফিস ছেড়ে চলে যেতে বলা হলে পুলিশের সঙ্গে তাঁর তীব্র বচসা শুরু হয়। পরে আইসির নেতৃত্বে পুলিশ তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, আইন লঙ্ঘনের অভিযোগেই হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভোটের দিন এভাবে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঘোরাফেরা করা যায় না, একথা একজন বিধায়কের জানা দরকার বলে জানান খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে আমাদের ব্যবধান অনেকটা বাড়বে। গতবারের থেকে ৫থেকে ৬ গুন তো বাডডবেই। মার্জিন কম হলেও রেজিনগরে আমরা জিতবো। মুসলিম যুবক ও মহিলাদের বড় অংশ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে।অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, রেজিনগরে নিশ্চুপ সন্ত্রাস ও ভোট লুট চলছে। তাঁর দাবি, পুলিশ বিজেপির ক্যাডারের ভূমিকা পালন করছে এবং কংগ্রেস এজেন্টদের বুথে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। হুমায়ুনের গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে অধীর বলেন, তাঁকে দিয়ে নাটক করানো হচ্ছে এবং তিনি বিজেপির গেস্ট আর্টিস্ট।মমতা তৃণমূলের প্রার্থী রবিউল ইসলাম চৌধুরীর অভিযোগ, পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকে বিরোধী এজেন্টদের বের করে দিয়ে বুথ দখল করেছে। সিপিএমের জেলা সম্পাদক জামির মোল্লার দাবি, ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। যদিও বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রেজিনগরে ৭৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বন্যপ্রাণী সপ্তাহে দীননাথ দাস বিদ্যালয়ে ফিটনেস ও পরিবেশ সচেতনতার পাঠ

ফিট ইন্ডিয়া থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিপদশরীরচর্চা, কুইজ ও বন্যপ্রাণী পরিচিতির মাধ্যমে দিনভর শিক্ষামূলক কর্মসূচিবর্ধমান: শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা, আর পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় সচেতনতাদুই বার্তাকেই সামনে রেখে বর্ধমানের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত হল একাধিক শিক্ষামূলক কর্মসূচি। ফিট ইন্ডিয়া ভাবনায় শরীরচর্চা ও ক্রীড়া প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে গিয়ে পরিবেশ, মাইক্রোপ্লাস্টিক এবং জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে জানল বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা।বিদ্যালয়ের শিক্ষক সঞ্জীব নন্দীর উদ্যোগে প্রথমে পড়ুয়াদের নিয়ে যাওয়া হয় বিদ্যালয়ের মাঠে। সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে বয়স অনুযায়ী বিভিন্ন শারীরিক অনুশীলনে অংশগ্রহণ করানো হয় তাদের। কাঠের ডাম্বেল দিয়ে নানা ধরনের ব্যায়াম ও ক্রীড়ামূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ছোটদের বোঝানো হয়, কীভাবে নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলে নিজেকে ফিট রাখা যায়।এরপর আয়োজন করা হয় বিভিন্ন দূরত্বের দৌড়। শেষপর্বে দল তৈরি করে ছাত্রছাত্রীরা অংশ নেয় কাবাডি খেলায়। শরীরচর্চার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে দলগত মানসিকতা, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার বার্তাও দেওয়া হয়।বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনিমেষ বর্মন বলেন, ফিটনেস কোনও সাময়িক বিষয় নয়, এটি ধারাবাহিক কর্তব্য। ছোট বয়স থেকেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস তৈরি করতে বিদ্যালয় বিশেষভাবে যত্নশীল।মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে সচেতনতার পাঠঅন্যদিকে, চলতি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে সেখানে গিয়ে প্রথমেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে সচেতনতামূলক সেমিনারে অংশ নেয় পড়ুয়ারা।বিজ্ঞানীরা সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করেন, পরিবেশে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিস্তার কীভাবে জীবজগতের উপর প্রভাব ফেলছে। পরিবেশ দূষণ কমাতে সচেতন নাগরিক হিসেবে ছোটদের কী ভূমিকা থাকা উচিত, সেই বিষয়েও দেওয়া হয় গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।এরপর বিভিন্ন বিষয়ের উপর আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। সঠিক উত্তর দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণির বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রী পুরস্কারও অর্জন করে। ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র অয়নাংশু পুরস্কার পেয়ে নিজের আনন্দের কথা জানায়।প্রকৃতিকে কাছ থেকে চেনার সুযোগসেমিনার ও কুইজের পর রমনার বাগানে নিয়ে যাওয়া হয় পড়ুয়াদের। সেখানে সায়েন্স সেন্টারের আধিকারিকরা বিভিন্ন পশুপাখির সঙ্গে তাদের পরিচয় করান। প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য, পরিবেশে তাদের ভূমিকা এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পড়ুয়াদের বোঝানো হয়।শিক্ষক সামিম মণ্ডলের কথায়, ছোটদের কাছে আজকের শিক্ষামূলক ভ্রমণ ছিল অত্যন্ত আনন্দের। একইসঙ্গে তারা প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে।বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা নিয়মিত সায়েন্স সেন্টারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয় এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কারও অর্জন করে। বন্যপ্রাণী সপ্তাহে সরকারের এই ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে পড়ুয়াদের সচেতন করে তোলার এই প্রচেষ্টা জাতীয় শিক্ষানীতির লক্ষ্য পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।ফিটনেস, পরিবেশ সচেতনতা ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাকে একসঙ্গে সামনে রেখে দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ পড়ুয়াদের কাছে শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, হয়ে উঠল বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শেখার এক অভিনব পাঠ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি লিপিবদ্ধ করেন দীপ্ত সুন্দরবাবু।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরে নাম বাদ? এবার ফের ভোটার তালিকায় ওঠার সুযোগ! কী করতে হবে, জানাল কমিশন

এসআইআর প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া যোগ্য নাগরিকদের নাম ফের তোলার প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের পর সিইও দফতর এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মঙ্গলবার অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরিন্দম নিয়োগীর তরফে এ বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত, মৃত অথবা এএসডিডি তালিকায় থাকা কারণে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের মধ্যে যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি যাঁরা প্রথম বার ভোটার তালিকায় নাম তুলতে চান, তাঁরাও আবেদন করতে পারবেন।অর্থাৎ, এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম বাদ পড়লেও কেউ যদি এখনও ভোটার হওয়ার যোগ্য হন, তা হলে নতুন করে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। এর জন্য অনলাইনে অথবা সংশ্লিষ্ট বিএলও-র কাছে ফর্ম ৬ জমা দেওয়া যাবে। সিইও দফতরের ওয়েবসাইটে বাদ পড়া ভোটারদের তালিকাও রাখা হয়েছে। সেই তালিকায় নিজের নাম রয়েছে কি না দেখে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ায় আবেদন করা যাবে।পাশাপাশি যাঁদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে, তাঁরাও নতুন ভোটার হিসেবে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। অনলাইন এবং অফলাইনদুই পথেই আবেদন করার সুযোগ থাকছে। অর্থাৎ এসআইআরে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের পাশাপাশি প্রথম বার ভোটার হতে চলা তরুণ-তরুণীদের জন্যও এই প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পর্বে রাজ্যে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সিইও দফতরের প্রকাশিত তথ্যেও এএসডিডি তালিকা এবং বাদ পড়া ভোটারদের তালিকা আলাদা করে প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকা দেখে যোগ্য ভোটারদের দাবি জানানোর সুযোগ রয়েছে।নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক নির্দেশ অনুযায়ী, এসআইআর শেষ হয়ে যাওয়া রাজ্যগুলিতে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গও সেই প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, এসআইআর চলাকালীন যাঁদের নাম তালিকায় ওঠেনি, অথচ তাঁরা যোগ্য ভোটার, তাঁদের জন্য ফের আবেদন করার সুযোগ রাখা হচ্ছে।এদিকে বাংলায় বেশ কিছু ভোটারের নাম নিয়ে ট্রাইব্যুনালে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। যাঁদের নাম নিয়ে আপত্তি বা মামলা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রেও আদালত ও ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালগুলির কাজ চলছে।তবে নতুন প্রক্রিয়ায় আবেদন করার শেষ তারিখের কথা মঙ্গলবারের নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়নি। ফলে যাঁদের নাম এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাদ পড়েছে, তাঁদের দ্রুত নিজেদের নাম সংশ্লিষ্ট তালিকায় রয়েছে কি না দেখে নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে ফর্ম ৬-এর মাধ্যমে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ভোটার তালিকায় নাম ফেরানোর এই নতুন প্রক্রিয়ায় এখন নজর থাকছে পরবর্তী নির্দেশের দিকে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশকে সরানোর দাবি, এবার রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ রাহুল-মমতারা! চিঠিতে কী লিখল ইন্ডি জোট?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি নিয়ে এবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দ্বারস্থ হতে চাইছে ইন্ডি জোট। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন জোটের নেতারা। বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে যে কোনও সময়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে সেই চিঠির কোনও জবাব দেওয়া হয়নি।বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব বিরোধী দলগুলি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ইন্ডি জোটের একাধিক নেতা। তাঁকে পদ থেকে সরানোর দাবিও জানানো হয়েছে। এর আগে ইন্ডি জোটের নেতারা জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে যৌথ আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়েছিলেন।রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠিতে রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব, ওমর আবদুল্লা, শরদ পওয়ার, এম এ বেবি, তেজস্বী যাদব-সহ ইন্ডি জোটের একাধিক দলের শীর্ষ নেতার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছার কথা জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে তাঁদের অভিযোগ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের দাবি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরতেই এই সাক্ষাতের সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই চিঠি পাঠানোর ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে ইন্ডি জোটের বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। মঙ্গলবার সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল করেন বিরোধী সাংসদরা। তাঁদের মিছিল মাঝপথে আটকে দেয় পুলিশ। পরে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ একাধিক নেতা আকাশবাণী ভবন চত্বরে ধর্নায় বসেন।মিছিল আটকে দেওয়ার সময় রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। পরে তিনি এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে গাছের তলায় বসে অবস্থান শুরু করেন। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও তাঁরা ধর্না চালিয়ে যান। সন্ধ্যার পর তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন বিরোধী নেতা সেখানে যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও পরে বিক্ষোভস্থলে ফিরে আসেন।প্রায় নঘণ্টা ধরে অবস্থানের পর শেষ পর্যন্ত পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের আটক করে। রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিরোধী নেতাদের বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে মিছিলের সময়ও একাধিক বিরোধী সাংসদকে আটক করা হয়েছিল।তবে এর মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে পাল্টা বক্তব্য সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দলের তরফে আনুষ্ঠানিক আবেদন কমিশনে পৌঁছয়নি। ফলে বিরোধীরা কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন কি না, সেই প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে ফারাক রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য ইন্ডি জোটের আবেদন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে চিঠির জবাব কবে আসে এবং রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিরোধী নেতাদের সাক্ষাতের সময় দেওয়া হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

২৫ বছর একটানা সরকারের শীর্ষে মোদী! তাঁকে নিয়ে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এল যে ১০ বড় দিক

সরকারের প্রধান হিসেবে একটানা ২৫ বছর পূর্ণ করলেন নরেন্দ্র মোদী। এই উপলক্ষে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব পাশ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবারের সেই প্রস্তাবে শুধু দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের উল্লেখই নয়, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত তাঁর নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। মন্ত্রিসভার দাবি, দেশ সবার আগে, নাগরিক সবার আগে নীতিকে সামনে রেখেই এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা এগিয়েছে।২০০১ সালের ৭ অক্টোবর প্রথম বার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন মোদী। তার পর গুজরাটে টানা তিনটি বিধানসভা নির্বাচনে জয় এবং পরবর্তী সময়ে পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির নেতৃত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গও মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এসেছে। কেন্দ্রের বক্তব্য, এই দীর্ঘ সময়ে তাঁর নেতৃত্বে গুজরাটে নেওয়া কিছু উদ্যোগ পরে জাতীয় স্তরেও প্রয়োগ করা হয়েছে।এর অন্যতম উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে গুজরাটের স্বাগত কর্মসূচি। নাগরিকদের অভিযোগ সরাসরি শোনার জন্য এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল বলে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে সেই অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে চালু হয় প্রগতি। বিভিন্ন সরকারি দফতরের মধ্যে সমন্বয় করে আটকে থাকা প্রকল্পের সমস্যা মেটানো এবং কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। গুজরাটের কৃষিক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য পৃথক ব্যবস্থা তৈরির জ্যোতিগ্রাম প্রকল্পের অভিজ্ঞতাকেও জাতীয় স্তরে কাজে লাগানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৬০ কোটি জনধন হিসাব খোলা হয়েছে, চার কোটির বেশি বাড়ি তৈরি হয়েছে এবং প্রায় ২৫ কোটি মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন। তবে এই পরিসংখ্যানগুলি মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।মহিলা, কৃষক, যুবসমাজ এবং পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও রয়েছে প্রস্তাবে। কেন্দ্রের হিসাবে, প্রায় সাড়ে তিন কোটি মহিলা লাখপতি দিদি কর্মসূচির আওতায় আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর হয়েছেন। আইনসভায় মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণের সাংবিধানিক ব্যবস্থা এবং কৃষকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির মতো প্রকল্পের কথাও সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিশেষ ভাবে দুর্বল জনজাতি গোষ্ঠীর উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী জনমন কর্মসূচির কথাও তুলে ধরা হয়েছে।সংস্কারের প্রসঙ্গও বিশেষ ভাবে এসেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। পণ্য ও পরিষেবা কর চালু, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং পুরনো ঔপনিবেশিক আইন বদলের মতো পদক্ষেপকে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা, ডিজিটাল লেনদেন এবং দেশীয় পণ্য ব্যবহারের উপর জোর দেওয়ার কথাও প্রস্তাবে উল্লেখ রয়েছে।পরিকাঠামো ও উৎপাদন ক্ষেত্রের অগ্রগতির দাবিও রয়েছে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। কেন্দ্র জানিয়েছে, সরকারি মূলধনী ব্যয় ২০০১ সালের প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে এখন ১২ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে। জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ, রেলপথের বৈদ্যুতিকীকরণ এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনের পরিমাণও প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১৩ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে বলে প্রস্তাবে দাবি করা হয়েছে।প্রযুক্তির ব্যবহারকেও মোদীর ২৫ বছরের নেতৃত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে তুলে ধরেছে মন্ত্রিসভা। জনধন হিসাব, আধার এবং মোবাইল সংযোগের মাধ্যমে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা, ডিজিটাল লেনদেনে নতুন পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তিনির্ভর পরিষেবার প্রসঙ্গ রয়েছে প্রস্তাবে। পাশাপাশি দেশের নিজস্ব কোভিড টিকা তৈরি এবং চন্দ্রযান-৩-এর সফল অবতরণকে ভারতের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং জৈবপ্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রেও কাজ এগোনোর কথা বলা হয়েছে।সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে মোদীর ২৫ বছরের রাজনৈতিক যাত্রাকে গুজরাটের প্রশাসন থেকে জাতীয় নেতৃত্ব পর্যন্ত একটি ধারাবাহিক পর্ব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। গরিব মানুষের জন্য কল্যাণমূলক প্রকল্প, মহিলা ও কৃষকের ক্ষমতায়ন, পরিকাঠামো, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান এবং প্রশাসনিক সংস্কারএই বিভিন্ন ক্ষেত্রকেই সেই দীর্ঘ নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্র।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্যারিকেড টপকে আকাশবাণী ভবন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্না, শেষে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের আটক!

ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দিনভর উত্তপ্ত থাকল রাজধানী দিল্লি। সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার পথে বিরোধী সাংসদদের আটকে দেয় পুলিশ। এরপর একের পর এক নাটকীয় মোড় নেয় পরিস্থিতি। শেষ পর্যন্ত আকাশবাণী ভবনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্নায় বসে থাকার পর রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ কংগ্রেসের একাধিক নেতা ও অন্যান্য বিরোধী নেতাকে আটক করে পুলিশ।মঙ্গলবার দুপুরে সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিল শুরু করেছিলেন ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা। তাঁদের অন্যতম দাবি ছিল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। মিছিল আটকে দেওয়া হলে রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ একাধিক বিরোধী নেতাকে আটক করা হয়।এর পরেও থামেননি রাহুল। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কয়েক জন নেতাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে পড়েন। সেখানে একটি গাছের তলায় বসেই ধর্না শুরু করেন তাঁরা। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও রাহুল-প্রিয়াঙ্কারা তা মানেননি। নির্বাচন কমিশনের দফতরে যাওয়ার অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা অবস্থান চালিয়ে যাবেন বলে জানান।সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধর্নার পরিসরও বাড়ে। রাতের দিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন নেতা সেখানে পৌঁছে ধর্নায় যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও লখনউ যাওয়ার পথে ফিরে এসে বিক্ষোভস্থলে পৌঁছন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।প্রায় আট থেকে নয় ঘণ্টা ধরে অবস্থান চলার পর রাতে পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে ঢোকে। একে একে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিক্ষোভকারীদের আটক করে বাসে তোলা হয়। ডেরেক ওব্রায়েনকেও ফের আটক করা হয়। এর আগে দিনের প্রথম পর্বে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিলের সময়ও তাঁকে আটক করা হয়েছিল।তবে এই বিক্ষোভের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে আলাদা দাবি সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের বক্তব্য, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দল আগাম কোনও আনুষ্ঠানিক আবেদন করেনি। ফলে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের সঙ্গে কমিশনের বৈঠক না হওয়ার প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট ফারাক তৈরি হয়েছে।দিনভর ব্যারিকেড, আটক, আকাশবাণী ভবনে ধর্না এবং পরে পুলিশের পদক্ষেপ ঘিরে রাজধানীর রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অভিযোগ এবং কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই মিলিয়ে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ল।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট, কিন্তু উঠল ‘ভোটলুট’-এর অভিযোগ! নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে কী ঘটল?

নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর উপনির্বাচনে মঙ্গলবার সকাল থেকেই ছিল ভোটারদের ভিড়। ভোটের হারও নজর কেড়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৫টা পর্যন্ত নন্দীগ্রামে ৭৯.৩৯ শতাংশ এবং রেজিনগরে ৭৮.৪২ শতাংশ ভোট পড়েছে। দুই কেন্দ্রেই বিপুল সংখ্যক মানুষ ভোট দিতে বেরিয়েছেন। তবে ভোটের হার বেশি হলেও অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে দিনভর উত্তপ্ত থেকেছে দুই কেন্দ্র। বিরোধী দলগুলির একাংশ ভোটে অনিয়ম ও রিগিংয়ের অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। বিজেপি অবশ্য সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।রেজিনগরে ভোট শুরু হওয়ার পরই উত্তেজনা তৈরি হয়। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর পুলিশের বিরুদ্ধে ভোটে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তোলেন। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসার পর তাঁকে আটক করা হয় এবং পরে গ্রেফতার করা হয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যায়। নির্বাচন কমিশনের তরফেও এই ঘটনার বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।হুমায়ুনের গ্রেফতারির পর রেজিনগরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ে। কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, বেশ কিছু বুথে তাঁদের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে রেজিনগরে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়। কংগ্রেসের তরফে এই দাবিতে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।নন্দীগ্রামেও একই ধরনের অভিযোগ সামনে এসেছে। কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধানের অভিযোগ, কয়েকটি বুথে দলের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। বিরোধীদের তরফে কোথাও কোথাও ভোটে অনিয়ম এবং এজেন্টদের সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। বাম ও আইএসএফের তরফেও অভিযোগের কথা সামনে এসেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগকে বিজেপি নস্যাৎ করেছে।অন্যদিকে, নন্দীগ্রামে ভোট দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, এবারের ফলাফলে বড় ব্যবধান দেখা যেতে পারে। বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ তাঁর আগের জয়ের ব্যবধান ছাপিয়ে যেতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে এই দাবি ফল প্রকাশের পরেই যাচাই হবে। নন্দীগ্রামে ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট পড়ায় উপনির্বাচনের নিরিখে ভোটদানের হার নিয়ে বিশেষ চর্চা শুরু হয়েছে।রেজিনগরেও ভোটের হার ৭৮ শতাংশের বেশি। বিপুল ভোট পড়ার পাশাপাশি বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিজেপি পাল্টা দাবি করেছে, ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবেই হয়েছে এবং বিরোধীদের অভিযোগ ভিত্তিহীন।এই দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচন ছিল ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলায় প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। নন্দীগ্রাম আসনটি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছেড়ে দেওয়ার পর এবং রেজিনগর আসনটি হুমায়ুন কবীর ছেড়ে দেওয়ার কারণে উপনির্বাচন হয়। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন নজর শুক্রবারের ফলাফলের দিকে। তার আগে দুই কেন্দ্রে বিপুল ভোটের হার এবং বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবিদুই-ই রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
কলকাতা

‘এত তাড়াহুড়ো করে নিরাপত্তা কেন তুলে নেওয়া হল?’ অভিষেকের মামলা শুনে প্রশ্ন বিচারপতির

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল। অভিষেকের আইনজীবীর দাবি, বর্তমানে হোমগার্ড ছাড়া তাঁর সঙ্গে কোনও অতিরিক্ত নিরাপত্তারক্ষী নেই। এই মামলায় রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও নির্দেশ দিয়েছেন, নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের কারণ-সহ বিস্তারিত তথ্য রাজ্যকে জানাতে হবে। আগামী ১৩ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।আদালতে অভিষেকের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী শঙ্করনারায়ণ জানান, ২০১৩ সালে অভিষেককে ওয়াই শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল। পরের বছর তা বাড়িয়ে ওয়াই প্লাস করা হয়। ২০১৫ সালে জেড এবং ২০১৬ সালে জেড প্লাস শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর ১০ মে আচমকাই অভিষেকের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়। এই সিদ্ধান্তের আগে তাঁকে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি বলেও আদালতে দাবি করা হয়েছে।আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, জেড প্লাস নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার পরে নিরাপত্তার মাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে যায়। তাঁর দাবি, মাত্র দুজন নিরাপত্তাকর্মী দেওয়া হয়েছিল। এর কিছু দিনের মধ্যেই সোনারপুরে অভিষেকের উপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে আদালতে জানানো হয়। তার পরেও আরও কয়েকটি হামলার অভিযোগ ওঠে। বিমানবন্দর, ডায়মন্ড হারবার এবং ক্যামাক স্ট্রিটে তাঁর কার্যালয়কে ঘিরেও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে আইনজীবী আদালতে দাবি করেন। অতীতে অভিষেকের চোখে গুরুতর আঘাতের ঘটনাও ঘটেছিল বলে সওয়ালে উল্লেখ করা হয়।শুনানির সময় নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানতে চায়, নিরাপত্তা প্রত্যাহারের নির্দেশ কোথায় এবং কোন পরিস্থিতিতে এত দ্রুত নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। একাধিক হামলার অভিযোগ ওঠার পর ভবিষ্যতে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তোলেন বিচারপতি। পাথর ছোড়ার মতো ঘটনায় কারও গুরুতর আঘাত লাগতে পারে বলেও আদালত সতর্ক করে।এর আগে অভিষেকের পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয়েছিল, বিধানসভা নির্বাচনের পর তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাড়ির সামনে থাকা পুলিশ কিয়স্কও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা পুনর্বহালের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।মঙ্গলবারের শুনানিতে রাজ্যের তরফে মামলার বিষয়ে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য সময় চাওয়া হয়। আদালত সেই রিপোর্ট তলব করেছে। আগামী ১৩ অক্টোবর মামলাটির পরবর্তী শুনানিতে নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত, তার ভিত্তি এবং পরবর্তী সময়ে অভিষেকের নিরাপত্তা নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হয়েছিল, সে বিষয়ে রাজ্যের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal