• ২৭ পৌষ ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mohunbagan

খেলার দুনিয়া

ডার্বির রং লাল হলুদ! দিমির জোড়া গোলে মোহনবাগানকে উড়িয়ে ডুরান্ড সেমি'তে ইস্টবেঙ্গল

যুবভারতীর রং হয়ে উঠল লাল হলুদ। নৌকাডুবি ঘটিয়ে ডুরান্ড কাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল ইমামি ইস্টবেঙ্গল। আজ হাইভোল্টেজ কোয়ার্টার ফাইনালে ২-১ গোলে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টকে পরাস্ত করল অস্কার ব্রুজোর দল। জোড়া গোল সুপার সাব দিমিত্রিয়স দিয়ামান্তাকসের।ম্যাচের শুরু থেকেই পজিটিভ ফুটবল খেলতে থাকে ইস্টবেঙ্গল। ১৬ মিনিট নাগাদ গোলের মধ্যে থাকা মরক্কোর ফরওয়ার্ড হামিদ আহদাদ চোট নিয়ে মাঠ ছাড়লে কিছুটা সমস্যায় পড়ে লাল হলুদ শিবির। হামিদ আহদাদর পরিবর্ত হিসেবে নামেন দিয়ামান্তাকস। ৩৬ মিনিটে টেকচ্যাম অভিষেক সিংয়ের ট্যাকলে পড়ে গিয়ে এডমুন্ড লালরিনডিকা অফসাইডের আবেদন নাকচ করে দেন রেফারি। যদিও তার মিনিটখানেক পরেই পেনাল্টি পায় ইস্টবেঙ্গল। বিপিন সিংকে অবৈধভাবে বাধা দেন আশিস রাই। মোহনবাগান এসজি গোলকিপার বিশাল কাইথের নাগাল এড়িয়ে পেনাল্টি থেকে গোল করে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন দিমিত্রিয়স দিয়ামান্তাকস।লিস্টন কোলাসো, জেমি ম্যাকলারেন, আপুইয়া, পাসাং দোর্জি তামাংরা থাকলেও প্রথমার্ধে লাল হলুদ গোলরক্ষক প্রভসুখন গিলকে সেভাবে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়নি। তিনকাঠি লক্ষ করে একটিও শট রাখতে পারেনি হোসে মোলিনার দল, যা তাদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের তুলনায় যথেষ্ট বেমানান। শুধু হাফ টাইমের আগে আপুইয়ার দূরপাল্লার একটি শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। বিরতির পর অবশ্য মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট খেলায় ফিরে আসে। জেসন কামিংসকে দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই নামান মোলিনা। গোল শোধের মরিয়া প্রয়াস লক্ষ করা যায় হয়। তবে গোলমুখ খুলছিল না। দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর মিনিট সাতেক পরেই লাল হলুদ দ্বিতীয় গোলটি পেয়ে যায়। নওরেম মহেশের থেকে বল পেয়ে বাগান রক্ষণকে বোকা বানিয়ে দুরন্ত শটে গোল করেন দিয়ামান্তাকস।ম্যাচের ৬৬ মিনিট অতিক্রান্ত হওয়ার পর মরণকামড় দিতে শুরু করে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। লিস্টন কোলাসোর ফ্রি কিক থেকে প্রয়াস প্রতিহত হতে না হতেই মিনিটখানেক পর, ম্যাচের ৬৮ মিনিটে অনিরুদ্ধ থাপার গোলে ভর করে ব্যবধান কমায় মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। তার আগে সাহাল আবদুল সামাদ সপ্রতিভ ছিলেন। যদিও তাঁর দুটি ভালো প্রয়াস কেভিন সিবিয়ে, আনোয়ার আলি বিপন্মুক্ত করেন। অনিরুদ্ধ গোল করার পরেই সমতা ফেরানোর লক্ষ্যে লাল হলুদ রক্ষণে একের পর এক আক্রমণ ঢেউয়ের মত আছড়ে পড়তে থাকে। কাঙ্ক্ষিত গোলটি হতেই মোলিনা দিমিত্রিয়স পেত্রাতস, দীপেন্দু বিশ্বাস ও দীপক টাংরিকে নামান। যেভাবে সবুজ মেরুন ইস্টবেঙ্গলের উপর চাপ তৈরি করছিল তাতে এক গোলের অগ্রগমন কতক্ষণ ধরে রাখা যাবে তাই নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত হয়ে পড়েছিল লাল-হলুদ শিবির।মোহনবাগানের আক্রমণের চাপ কাটাতে পাল্টা তিন পরিবর্ত ফুটবলার নামান ব্রুজো। সৌভিক চক্রবর্তী, পিভি বিষ্ণু ও ডেভিডকে নামিয়ে। আক্রমণ-প্রতি আক্রমণের ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল লিড বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করলেও আর গোল পায়নি। দিমিও হ্যাটট্রিক করার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। মিগেল ফেরেরা, কেভিনদের লড়াইও প্রশংসা আদায় করে নিয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধে ৬ মিনিটের ইনজুরি টাইম পেলেও সমতা ফেরাতে পারেনি বাগান শিবির। শেষ বাঁশি বাজতেই চলতি মরশুমে দ্বিতীয় ডার্বি জয় নিশ্চিত করল ইস্টবেঙ্গল। পৌঁছে গেল সেমিফাইনালে। বাবার মৃত্যুর কারণে দেশে ফেরায় রশিদকে আজ পায়নি ইস্টবেঙ্গল। এদিনের জয় রশিদের জার্সি নিয়ে তাঁকে উৎসর্গ করলেন লাল হলুদের সতীর্থরা।অন্যদিকে, মোহনবাগান এসজির কাছে লজ্জার হারের সম্মুখীন হওয়া অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডায়মন্ড হারবার এফসিও পৌঁছে গিয়েছে সেমিফাইনালে। এদিন জামশেদপুরে জামশেদপুর এফসিকে ২-০ গোলে পরাস্ত করে।

আগস্ট ১৭, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

প্রথম ম্যাচেই মুখ থুবড়ে পড়ল এটিকে মোহনবাগান!‌ অঘটন রাজস্থানের

ডুরান্ড কাপে চ্যাম্পিয়নের অন্যতম দাবিদার হিসেবে ধরা হচ্ছিল এটিকে মোহনবাগনকে। ধারেভারে অন্য দলগুলির তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে। এইরকম শক্তিশালী দলই কিনা ডুরান্ডের প্রথম ম্যাচে মুখ থুবড়ে পড়ল! জুয়ান ফেরান্দোর দলকে ৩২ ব্যবধানে হারিয়ে অঘটন ঘটাল রাজস্থান ইউনাইটেড। তুলে নিল রুদ্ধশ্বাস জয়। দুদুবার এগিয়ে গিয়েও সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হল এটিকে মোহনবাগানকে।শনিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল এটিকে মোহনবাগান। প্রতিপক্ষ রাজস্থান ইউনাইটেড ধারেভারে অনেকটাই পিছিয়ে ছিল। তাসত্ত্বেও এদিন দারুণ ফুটবল উপহার দিল। যদিও ম্যাচের শুরু থেকেই সবুজমেরুণের প্রাধান্য ছিল। একের পর এক সুযোগ তৈরি হলেও হেলায় নষ্ট করেন আশিক কুরুনিয়ান, কিয়ান নাসিরিরা। ম্যাচের ৪০ মিনিট পর্যন্ত কোনও দলই গোল করতে পারেনি। ম্যাচের ৪৩ মিনিটে কিয়ান নাসিরি গোল করে এটিকে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন। মিনিট তিনেক পরেই প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে গোল করে রাজস্থান ইউনাইটেডের হয়ে সমতা ফেরান আমনজেলদিয়েভ। এরপর ৪৬ মিনিটে আশিক কুরুনিয়ানের গোলে ফের এগিয়ে যায় সবুজ মেরুন।দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে এটিকে মোহনবাগান। কিয়ান নাসিরি, জনি কাউকোদের বেশ কয়েকটি শট দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন রাজস্থান ইউনাইটেডের গোলকিপার নীরজ কুমার। ৬১ মিনিটে রেমসাঙ্গার গোলে সমতা ফেরায় রাজস্থান ইউনাইটেড। ৭৬ মিনিটে এটিকে মোহনবাগানের হয়ে সহজতম সুযোগ নষ্ট করেন মনবীর সিং। ফাঁকা গোল পেয়েও তিনি ক্রসবারে মারেন। ৭৯ মিনিটে রাজস্থানের উইলিয়ামসও একটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন।শেষ ১০ মিনিটে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে এটিকে মোহনবাগান। কিয়ান, মনবীর, আশিস রাইরা সহজ সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে বাজিমাত রাজস্থান ইউনাইটেডের। একেবারে শেষ মুহূর্তে গোল করে দলকে রুদ্ধশ্বাস জয় এনে দেন নিকুম। শেষ অবধি জেতা ম্যাচ মাঠে ফেলে আসতে হল এটিকে মোহনবাগানকে।

আগস্ট ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবাহনীর বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে কী বলছেন জুয়ান ফেরান্দো?‌

এএফসি কাপের মূলপর্বে ওঠার প্লে অফের লড়াইয়ে মঙ্গলবার বাংলাদেশের ঢাকা আবাহনীর বিরুদ্ধে খেলতে নামছে এটিকে মোহনবাগান। পরের রাউন্ডে পৌঁছতে গেলে আবাহনীর বিরুদ্ধে জিততেই হবে এটিকে মোহনবাগানকে। ধারেভারে এগিয়ে থাকলেও নিজেদের ফেবারিট হিসেবে মানতে নারাজ সবুজমেরুণ কোচ জুয়ান ফেরান্দো। ঘরের মাঠে খেলা হলেও বরং ওপার বাংলার দলকে যথেষ্ট সমীহের চোখে দেখছেন তিনি। তবে জেতার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী জুয়ান ফেরান্দো। এই মুহূর্তে দারুণ ছন্দে রয়েছে এটিকে মোহনবাগান। আগের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার ব্লু স্টারকে উড়িয়ে দিয়েছে ৫০ ব্যবধানে। সেই ম্যাচ এখন অতীত জুয়ান ফেরান্দোর কাছে। ঢাকা আবাহনীর বিরুদ্ধে নতুন করে শুরু করতে চান। ওপার বাংলার দলের খেলার ভিডিও দেখেছেন। সেইভাবেই পরিকল্পনা তৈরি করেছেন। জুয়ান ফেরান্দোর লক্ষ্য শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ে গোল তুলে নেওয়া। চোটের জন্য রক্ষণে সন্দেশ ঝিঙ্ঘানকে এই ম্যাচেও পাবেন না জুয়ান ফেরান্দো। রয় কৃষ্ণাও নেই। তা সত্ত্বেও চিন্তিত নন সবুজমেরুণ কোচ। আসলে ব্লু স্টারের বিরুদ্ধে তাঁর দলের ফুটবলারদের খেলা ভরসা জোগাচ্ছে জুয়ান ফেরান্দো। ঢাকা আবাহনী কিন্তু একেবারেই অবহেলা করার মতো দল নয়। রাফায়েল অগাস্তোর মতো আইএসএল খেলা ফুটবলার রয়েছে ওপার বাংলার দলে। এছাড়াও রয়েছেন কোস্টারিকার বিশ্বকাপার ড্যানিয়েল কলিনড্রেস। আর এক বিদেশি হুসেনিও যথেষ্ট ভাল। তাঁদের দিকে আলাদা নজর দিতে চান ফেরান্দো। তবে ব্লু স্টারের বিরুদ্ধে ম্যাচের ফল মাথায় রাখছেন না। ফেরান্দো বলেন, আগের ম্যাচে পাঁচ গোলে জিতেছি ঠিকই। তবে প্রতিপক্ষ যে হেতু নতুন তাই আগের ম্যাচের পারফরমেন্স তেমন কাজে আসবে না। আমরা এক সপ্তাহ বিশ্রাম পেয়েছি, যে হেতু ওরা আগের ম্যাচে ওয়াক ওভার পেয়েছে তাই আমাদের থেকে বেশি বিশ্রাম পেয়েছে। তবে এসব নিয়ে ভাবছি না। ঢাকা আবাহনীর বিরুদ্ধে ম্যাচ নিয়ে এটিকে মোহনবাগান অধিনায়ক প্রীতম কোটাল বলেন, এটা আমাদের কাছে ফাইনাল ম্যাচ। গ্যালারিতে আমাদের সমর্থক ভর্তি থাকবে। ফলে আমরা ওদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে থেকে মাঠে নামব। তবে ম্যাচটা ততটাও সহজ হবে না।

এপ্রিল ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত মনবীর–কাউকো, এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে এ কী হাল ব্লু স্টারের!‌

দীর্ঘদিন ঘরের মাঠে দর্শকদের সামনে খেলার সুযোগ পায়নি এটিকে মোহনবাগান। দু বছর পর যুবভারতীতে প্রিয় দর্শকদের সামনে ম্যাচ। ঝলসে উঠল সবুজমেরুণ ব্রিগেড। শ্রীলঙ্কার লিগ চ্যাম্পিয়ন দলকে ৫০ ব্যবধানে উড়িয়ে দুর্দান্তভাবে এএফসি কাপ অভিযান শুরু করল জুয়ান ফেরান্দোর দল। এটিকে মোহনবাগানের হয়ে দুটি করে গোল করেন জনি কাউকো ও মনবীর সিং। একটি গোল ডেভিড উইলিয়ামসের। এদিন প্রিয় দলের খেলা দেখতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে প্রায় ২৫ হাজার দর্শক হাজির ছিলেন। প্রিয় ফুটবলারদের উৎসাহ দিতে ব্যানার, ফেস্টুন, টিফো নিয়ে মাঠে এসেছিলেন সবুজমেরুণ সমর্থকরা। ফুটবলাররা সমর্থকদের হতাশ করেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন জুয়ান ফেরান্দোর ফুটবলাররা। তারই ফসল ৫ গোল। যতই নেপালে মাচিন্দা এফসিকে হারিয়ে প্লে অফের দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠে আসুক শ্রীলঙ্কার ব্লু স্টার, ধারেভারে তারা এটিকে মোহনবাগানের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে। তার প্রমাণ এদিন মাঠেই পাওয়া গেল। মনবীর সিং, হুগো বোমাসদের আক্রমণের চাপে শুরু থেকেই দিশেহারা ছিলেন ব্লু স্টারের ফুটবলাররা। ৫ মিনিটেই গোল করার সুযোগ এসে গিয়েছিল এটিকে মোহনবাগানের সামনে। মনবীরের সেন্টার সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি ডেভিড উইলিয়ামস। ব্লু স্টার রক্ষণে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন মনবীররা। তারই ফলশ্রুতিতে ২৪ মিনিটে এগিয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। মনবীর সিংয়ের কাছ থেকে বল পেয়ে বক্সের মধ্যে থেকে ডানপায়ের কোনাকুনি গড়ানো শটে গোল করেন জনি কাউকো। ২৯ মিনিটে প্রবীর দাসের পাস থেকে গড়ানো শটে ব্যবধান বাড়ান মনবীর সিং।৩৩ মিনিটে ৩০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। বক্সের মধ্যে হ্যান্ডবল করেন ব্লু স্টারের প্রিন্স বোয়াডু। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোল করেন জনি কাউকো। দ্বিতীয়ার্ধেও এটিকে মোহনবাগানের আক্রমণের ধারা অব্যাহত ছিল। একের পর এক সুযোগও তৈরি হয়। কিন্তু গোল করতে পারছিলেন না উইলিয়ামস, কিয়ান নাসিরি, মনবীররা। অবশেষে ৭৭ মিনিটে মনবীরের পাস থেকে ৪০ করেন ডেভিড উইলিয়ামস। ৮৯ মিনিটে দলের হয়ে পঞ্চম গোল করেন মনবীর সিং।

এপ্রিল ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ব্লু স্টারের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে বড় ধাক্কা এটিকে মোহনবাগানের

মঙ্গলবার এএফসি কাপে শ্রীলঙ্কার ব্লু স্টারের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে এটিকে মোহনবাগান। আইএসএলের ব্যর্থতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইয়ে সমস্যায় সবুজমেরুণ শিবিরে। এএফসি কাপের গ্রুপ পর্যায়ের লড়াইয়ে পাচ্ছে না দলের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার রয় কৃষ্ণাকে। চোটের জন্য খেলতে পারছেন না দলের নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার সন্দেশ ঝিঙ্ঘানকে। দলের দুই গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলারকে না পেলেও চিন্তিত নন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। ফিজিতে রয় কৃষ্ণার এক ঘনিষ্ট আত্মীয় মারা গেছেন। সেইজন্য তিনি ফিজিতে ফিরতে যান। সোমবার দেশে ফেরার ব্যবস্থা করতে ফিজির দুতাবাসে যান। মোটামুটি পরিস্কার, বড় কোনও অঘটন না ঘটলে এএফসি ম্যাচ না খেলেই দেশে ফিরে যাবেন রয় কৃষ্ণা। তাঁর না থাকাটা যে বড় ধাক্কা সেকথা অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে এইরকম পরিস্থিতি মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে যথেষ্ট দক্ষ এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। আইএসএলেও বেশ কয়েকটা ম্যাচে রয় কৃষ্ণাকে পাননি। তাসত্ত্বেও কিন্তু হাহুতাশ করেননি। বরং বিকল্প ফুটবলারদের দিয়ে ম্যাচ উতরে গেছেন। এএফসি কাপেও রয় কৃষ্ণার বিকল্প ফুটবলার জুয়ান ফেরান্দোর হাতে রয়েছে। এশিয়া কোটা নিয়ে মোট ৪ জন বিদেশি ফুটবলারকে খেলাতে পারবেন বাগান কোচ। রয় কৃষ্ণা চলে গেলে তাঁকে সমস্যায় পড়তে হবে না। বরং কোন চার বিদেশিকে খেলাবেন, তা নিয়ে চিন্তামুক্ত হবে। সেক্ষেত্রে ফেরান্দো হুগো বোমাস, ডেভিড উইলিয়ামসকে আক্রমণভাগে রেখে দল সাজাতে পারবেন। মাঝমাঠে জনি কাউকো, রক্ষণে তিরি। কার্ল ম্যাকহিউ এখনও দলের সঙ্গে যোগ দেননি। ফলে ৪ বিদেশিই এই মুহূর্তে জুয়ান ফেরান্দোর হাতে রয়েছে। সন্দেশ ঝিঙ্ঘান না থাকায় তিরির সঙ্গে রক্ষণে প্রীতম কোটালকে খেলাবেন। রয় কৃষ্ণা ও সন্দেশ না থাকলেও ব্লু স্টারের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে চিন্তিত নন জুয়ান ফেরান্দো। তিনি বলেন, সন্দেশ দেশের হয়ে খেলার সময় থেকেই হাঁটুর চোটে ভুগছে। রয় কৃষ্ণাও থাকবে কিনা জানি না। তবে আমার হাতে বিকল্প রয়েছে। আশা করছি সমস্যা হূবে না। শ্রীলঙ্কার দলটি ততটা শক্তিশালী নয়। তাসত্ত্বেও বিপক্ষকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না জুয়ান ফেরান্দো। তিনি বলেন, ব্লু স্টার শ্রীলঙ্কার লিগ চ্যাম্পিয়ন দল। প্লে অফ ম্যাচে নেপালের মাচিন্দ্রার মতো দলকে হারিয়ে মূলপর্বে উঠে এসেছে। ফলে বিপক্ষকে মোটেই হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। একই কথা শোনা গেছে জনি কাউকোর মুখে।

এপ্রিল ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ফুটবলারদের পুরনো ডার্বির ভিডিও দেখালেন রিভেরা, লালহলুদকে সমীহ বাগান কোচ ফেরান্দোর

ডার্বি মানেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ভরা গ্যালারি। দুই দলের সদস্য সমর্থকদের বাকবিতন্ডা, ফুটবলারদের নামে জয়ধ্বনি, তুমুল উত্তেজনা। করোনার দাপটে এখন সে সব স্মৃতিতে। দেশীয় ফুটবলাররা ডার্বির আবেগ জানলেও, বিদেশি ফুটবলাররা ডার্বির উত্তেজনার আঁচ পায়নি। শনিবার এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ফুটবলারদের ডার্বির আবেগ বোঝাতে পুরনো ফুটবলারদের পুরনো ডার্বির ভিডিও দেখালেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরা। ফুটবলাররা এতে উদ্বুদ্ধ হবে বলে মনে করছেন তিনি।তিন বছর ধরে ডার্বিতে সাফল্য নেই লালহলুদ শিবিরের। গতবছর যেমন হারতে হয়েছিল, এবছরও প্রথম পর্বের ডার্বিতে হারতে হয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। তার ওপর আগের ম্যাচে হায়দরাবাদ এফসির কাছে বিধ্বস্ত হতে হয়েছে। তা সত্ত্বেও দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী লালহলুদ কোচ। এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, ফুটবলারদের বলেছি, লিগ টেবিলে আমরা কোথায় আছি সেটা মাথায় না রাখতে। এই ম্যাচটা আমরা জিততে পারি। ডার্বি মানেই কঠিন লড়াই। সব পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকতে বলেছি। ফুটবলাররা সবাই পেশাদার। ওরা ডার্বির গুরুত্ব জানে।হায়দরাবাদ এফসির কাছে বিধ্বস্ত হলেও ওই ম্যাচের ফলাফল ডার্বিতে প্রভাব ফেলবে না বলে মনে করছেন রিভেরা। তিনি মনে করছেন, হায়দরাবাদের কাছে হার ডার্বিতে ইতিবাচক হয়ে দেখা দিতে পারে। লালহলুদ কোচের যুক্তি, বড় হারের পর ডার্বি ম্যাচ থাকলে ফুটবলারদের মোটিভেশনের অভাব হয় না। কারণ সবাই ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য মরিয়া থাকে। ফুটবলারদের নতুন করে মোটিভেট করার দরকার হয় না। এটিকে মোহনবাগানকে নিয়ে বেশি চিন্তাও করছেন না রিভেরা। তাঁর ব্যাখ্যা, আমাদের তুলনায় ওরাই বেশি চাপ নিয়ে মাঠে নামবে। আমার মতে এই ম্যাচ ৫০৫০।রিভেরার ডার্বি খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও এই প্রথম ডার্বিতে ডাগ আউটে বসবেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। দুই স্প্যানিশ কোচের স্ট্র্যাটেজির লড়াই। ডার্বিতে অশ নেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন ফেরান্দো। তিনি বলেন, এইরকম ম্যাচের অংশীদার হওয়াটা আমার কাছে দারুণ ব্যাপার। এই ম্যাচের আবেগ কতটা জানি। কোনও ভাবেই ফোকাস নষ্ট করা যাবে না।লিগ টেবিলের সবার শেষে থাকলেও লালহলুদকে যথেষ্ট সমীহ করছেন সবুজমেরুণ কোচ। ডার্বিতে মাঠে নামার আগে জুয়ান ফেরান্দো বলেন, আগের এসসি ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে এই দলকে গুলিয়ে ফেললে ভুল হবে। ওরা অনেক বদলে গেছে। আগে মনে হত চাপ নিয়ে মাঠে নামছে। এখন খোলা মনে খেলছে। দলে ছন্দ ফিরে এসেছে। নতুন বিদেশি যোগ দিয়েছে। ফলে আমাদের জিততে গেলে রীতিমতো ঘাম ঝড়াতে হবে। তবে আমরা ৩ পয়েন্টের লক্ষ্যে মাঠে নামব। প্রথম একাদশ নিয়ে মুখ না খুললেও রয় কৃষ্ণার খেলার ব্যাপারে সংশয় রয়েছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌স্নায়ুচাপের ডার্বিতে কোন দল হট ফেবারিট, কারাই বা আন্ডারডগ?‌

ডার্বি মানেই স্নায়ুচাপের খেলা। অতীতে দেখা গেছে, ভাল দল নিয়েও ডার্বি জেতা যায় না। ম্যাচের দিন যে দল স্নায়ুচাপ ধরে রাখতে পেরেছে, তারাই ডার্বিতে বাজিমাত করে গেছে। ফলে ডার্বিতে নির্দিষ্ট কোনও দলকে এগিয়ে রাখাটা বোকামি। কিন্তু এবারের আইএসএলের দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে হট ফেবারিট হিসেবে মাঠে নামবে এটিকে মোহনবাগান। অন্যদিকে, অনেকটা পিছিয়ে থেকে শুরু করতে হবে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে।এটিকে মোহনবাগান ডার্বিতে হট ফেবারিট থাকলেও ফুটবল বোদ্ধারা হয়তো এগিয়ে রাখার ঝুঁকি নেবেন না। কারণ করোনার জন্য পরপর তিনটি ম্যাচ স্থগিত হয়ে যাওয়ায় এটিকে মোহনবাগানের খেলায় ছন্দপতন হয়েছে। যার প্রভাব আগের ম্যাচে ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে দেখা গেছে। সবুজমেরুণ ফুটবলারদের খেলার মধ্যে ধারাবাহিকতার চরম অভাব। অন্যদিকে, একের পর এক ম্যাচ হেরে এসসি ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। তার ওপর প্রথম পর্বের ডার্বিতে হারতে হয়েছিল লালহলুদকে। ফলে বদলা নেওয়ার জন্য মরিয়া হবে এসসি ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা।এসসি ইস্টবেঙ্গলের তুলনায় এটিকে মোহনবাগানের চাপ অনেকটাই বেশি। ১০ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট পেয়ে এই মুহুর্তে লিগ টেবিলে সপ্তম স্থানে রয়েছে এটিকে মোহনবাগান। ওডিশা এফসিরর বিরুদ্ধে আগের ম্যাচটা জিতলে চার নম্বরে উঠে আসত। সেটা সম্ভব হয়নি। ডার্বি না জিতলে প্লে অফের লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়বে সবুজমেরুণ শিবির। এসসি ইস্টবেঙ্গলের সেই চাপটা নেই। লিগ টেবিলের একেবারে শেষে রয়েছে লালহলুদ শিবির। সেমিফাইনালে ওঠার কোনও সম্ভাবনাই নেই। ফলে চাপমুক্ত হয়ে মাঠে নামতে পারবে মারিও রিভেরার দল।যদি দুই দলের শক্তির বিচার করা হয়, তাহলে আক্রমণভাগে অনেকটাই এগিয়ে এটিকে মোহনবাগান। ১০ ম্যাচে সবুজমেরুণ করেছে ২০ গোল। সেখানে এসসি ইস্টবেঙ্গল ১৩ ম্যাচে করেছে ১৩ গোল। কার্ড সমস্যা মিটিয়ে হুগো বোমাস ডার্বিতে প্রথম একাদশে ফিরছেন। রয় কৃষ্ণা রয়েছেন, সঙ্গে ডেভিড উইলিয়ামস। লিস্টন কোলাসোও চলতি আইএসএলে বেশ কয়েকটা গোল করেছেন। অন্যদিকে, ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণভাগের ফুটবলারদের মধ্যে ধারাবাহিকতা নেই। নির্বাসন কাটিয়ে আগে ম্যাচে মাঠে ফিরলেও আন্তোনীয় পেরোসেভিচ হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতে পারেনি। সমর্থকরা তাকিয়ে নতুন বিদেশি স্ট্রাইকার মার্সোলো রিবেইরার দিকে। পেরোসেভিচের সঙ্গে তাঁকে শুরু থেকে খেলিয়ে চমক দেখাতে পারেন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। এছাড়া মাঝমাঠে নতুন বিদেশি ফ্রান সোতাও তাঁর তুরুপের তাস হতে পারেন।আইএসএলের শুরু থেকেই দুই দলের রক্ষণ যথেষ্ট নড়বড়ে। গোল করেও গোল ধরে রাখতে পারেনি দুই দল। বরং রেনেডি সিং যে কটা ম্যাচে দলের দায়িত্বে ছিলেন, অনকেটাই সংঘবদ্ধ দেখিয়েছে লালহলুদ রক্ষণকে। আদিল খান অনেকটাই নির্ভরতা দিয়েছে। ড্যারেল সিডোয়েলও ছন্দে ফিরেছেন। ফলে এসসি ইস্টবেঙ্গল রক্ষণ ভেদ করতে যথেষ্ট ঘাম ঝড়াতে হবে রয় কৃষ্ণা, হুগো বোমাসদের।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এসসি ইস্টবেঙ্গল ডার্বি জিতলে সেটা হবে সবথেকে বড় অঘটন, কেন একথা বললেন শ্যাম থাপা?‌

শনিবার আইএসএলের মহারণ। রাত পোহালেই আবার মাঠে নামছে কলকাতার দুই প্রধান। আইএসএলের এই হাইভোল্ডেজ ম্যাচ নিয়ে আগের মতো ক্রীড়ামহলে আর তেমন উত্তেজনা নেই। সদস্যসমর্থকদের মধ্যেও সেই উন্মাদনা নেই। সবাই যেন ধরে নিয়েছেন, এটিকে মোহনবাগানের সামনে দাঁড়াতেই পারবে না এসসি ইস্টবেঙ্গল। বর্তমান পরিস্থিতিও সেই ইঙ্গিতও দিচ্ছে। তবুও ডার্বি বলে কথা। অনেক কিছুই তো ঘটতে পারে। কিন্তু লালহলুদকে নিয়ে আশা দেখতেন না কেউ। যেমন দুই প্রধানকে বহু ডার্বিতে উতরে দেওয়ার নায়ক শ্যাম থাপা বলছিলেন, ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গল জিতলে সেটা হবে বড় অঘটন।আইএসএলের দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গলের কোনও সম্ভাবনাই দেখছেন না শ্যাম থাপা। তিনি বলছিলেন, আমি তো এসসি ইস্টবেঙ্গলের জেতার কোনও আশাই দেখছি না। জেতা তো দূরের কথা, ড্র করতে পারবে কিনাও সন্দেহ। এই ইস্টবেঙ্গল টিমের কী আছে বলুন তো? একটা পজিশনেও ভাল ফুটবলার আছে, যাকে ঘিরে সমর্থকরা স্বপ্ন দেখতে পারে। এটিকে মোহনবাগানের দিকে তাকান। সব বিভাগেই ভাল ভাল ফুটবলার। রক্ষণ একটু কমজোরি হলেও আক্রমণভাগ খুবই শক্তিশালী। রয় কৃষ্ণা, হুগো বোমাস, ডেভিড উইলিয়ামসের মতো বিদেশি রয়েছে আক্রমণভাগে। এছাড়া লিস্টন কোলাসো, মনবীর সিংয়ের মতো দেশীয় ফুটবলাররা। এদের আটকানোর মতো ডিফেন্ডার এসসি ইস্টবেঙ্গলে নেই।১৯৭৮ র ডার্বি ম্যাচে শ্যাম থাপার বাইসাইকেল কিকশোনা যাচ্ছে চোটের জন্য রয় কৃষ্ণা অনিশ্চিত। তা সত্ত্বেও মোহনবাগানকে পিছিয়ে রাখছেন না শ্যাম থাপা। তিনি বলেন, রয় কৃষ্ণা খেলতে না পারলেও সমস্যা হবে বলে মনে করছি না। কার্ড সমস্যা মিটিয়ে হুগো বোমাস প্রথম একাদশ ফিরছে। ডেভিড উইলিয়ামস আছে। মাঝমাঠে জনি কাউকো। ডিফেন্সে তিরি, ম্যাকহিউরা আছে। স্বদেশি ফুটবলাররাও যথেষ্ট ভাল। শুনছি নাকি সন্দেশ ঝিঙ্ঘানকেও খেলানো হতে পারে। সুতরাং এই এটিকে মোহনবাগানকে যদি এসসি ইস্টবেঙ্গল হারাতে পারে, সেটা হবে এই আইএসএলের সবথেকে বড় অঘটন।অতীতে দুর্বল দল নিয়েও লালহলুদের ডার্বি জেতার ইতিহাস রয়েছে। কিন্তু এই এসসি ইস্টবেঙ্গলের সেই ক্ষমতা নেই বলে মনে করছেন শ্যাম থাপা। তিনি বলেন, আগে ডার্বির একটা অন্য আবেগ ছিল। এইসব বিদেশি কোচ, ফুটবলাররা মুখে যাই বলুক, ডার্বির আবেগ জানে? গুরুত্ব বোঝে? আবেগ থাকা চাই। সেটা থাকলেও দুর্বল দল নিয়ে জেতা যায়। সেটা অতীতে আমরা অনেকবার জিতেছি। কখনও ইস্টবেঙ্গলের জার্সি গায়ে, কখনও এটিকে মোহনবাগানের জার্সি গায়ে। সেসব দিন এখন আর নেই।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডার্বি নিয়ে কী বললেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন কোচ মানোলো দিয়াজ?‌ জানলে চমকে যাবেন

এবারের আইএসএলের প্রথম পর্বের ডার্বিতে তিনিই ছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের ডাগ আউটে। শনিবার এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচ খেলতে নামছে লালহলুদ শিবির। এবার আর ডাগ আউটে নয়, সুদূর স্পেনে বসে টিভির পর্দায় চোখ রাখতে হবে মানোলো দিয়াজকে। তাঁর কোচিংয়েই প্রথম পর্বের ডার্বিতে ৩ গোলে বিধ্বস্ত হতে হয়েছিল লালহলুদকে। দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতেও এসসি ইস্টবেঙ্গলের জয়ের কোনও সম্ভাবনা দেখছেন না লালহলুদের এই প্রাক্তন কোচ।ডার্বি নিয়ে মানোলো দিয়াজের বক্তব্য, এসসি ইস্টবেঙ্গলের যা অবস্থা, এবারও ডার্বি জেতার কোনও সম্ভাবনা দেখছি না। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ভাগ্যের জোরে জিতেছিল। পরের ম্যাচেই হায়দরাবাদ এফসির কাছে হার। দলটার যদি ছন্দ ফিরে আসত তাহলে তো পরের ম্যাচেও জিতত। মানোলো দিয়াজের কোচিংয়ে প্রথম পর্বের ডার্বিতে প্রথমার্ধে একেবারেই দাঁড়াতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। প্রথমার্ধেই ৩ গোল হজম করতে হয়েছিল। ৫ গোলের রেকর্ডও ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য কিছুটা লড়াই করে ম্যাচে ফিরেছিল লালহলুদ ব্রিগেড।মানোলো দিয়াজকে কোচের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর অন্তর্বর্তীকালীন কোচের দায়িত্ব সামলেছিলেন রেনেডি সিং। তাঁর কোচিংয়ে লালহলুদ ফুটবলারদের মধ্যে লড়াইটা দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। যা দিয়াজের সময় দেখা যায়নি। তবুও এই স্প্যানিশ কোচের দাবি, এসসি ইস্টবেঙ্গলের কয়েকজন ফুটবলার ছাড়া বাকিদের আইএসএলে খেলার যোগ্যতাই নেই। এমনকি আন্তোনীয় পেরোসেভিচ ও ড্যারেল সিডোল ছাড়া বাকি বিদেশি ফুটবলারদের নাকি কর্তারাই পছন্দ করে দলে নিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগের তিন মূলত এসসি ইস্টবেঙ্গলের সিইও শিবাজী সমাদ্দারের দিকে।রেনেডি সিং দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই আদিল খান প্রথম একাদশে। নিয়মিত খেলছেন। রক্ষণকে দারুণ নির্ভরতাও দিচ্ছেন। তবু আদিল খানকে ভাল মানের ডিফেন্ডারের স্বীকৃতি দিতে নারাজ মানোলো দিয়াজ। তিনি বলেন, আদিল খানের দক্ষতা এমন কিছু আহামরি নয়। ভাল স্ট্রাইকারের সামনে পড়লে ওর দুর্বলতা ফুটে উঠবে। ওকে না খেলানোর জন্য আমার অনেক সমালোচনা হয়েছিল। সবই শুনেছি। ওকে একটা ম্যাচে আমি খেলাতে চেয়েছিলাম। ও খেলতে রাজি হয়নি। একজন পেশাদার ফুটবলারের এইরকম আচরণ মেনে নেওয়া যায় না। টিমটার মধ্যে শৃঙ্খলা ছিল না। এরজন্য কিন্তু টিম ম্যানেজমেন্ট দায়ী।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ডার্বিতে ৫–৬ গোলের লজ্জায় পড়তে হবে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে? কী বললেন সমরেশ চৌধুরি‌

আইএসএলের প্রথম পর্বের ডার্বিতে এটিকে মোহনবাগানের কাছে বিধ্বস্ত হয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। শনিবার আবার দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। ডার্বির ড্রেস রিহার্সাল একেবারেই ভাল হয়নি দুই দলের কাছে। এটিকে মোহনবাগান আগের ম্যাচে আটকে গিয়েছিল ওডিশা এফসির কাছে। অন্যদিকে, হায়দরাবাদ এফসির কাছে বিধ্বস্ত হয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। চলতি আইএসএলে ১৩ ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটা ম্যাচে জয় পেয়েছে লালহলুদ। ৬টি হার, ৬টি ড্র। তুলনামূলকভাবে অনেক ভাল জায়গায় এটিকে মোহনবাগান। ১০ ম্যাচে চারটিতে জয়, চারটি ড্র। হার দুটি ম্যাচে। ডার্বিতে লালহলুদের জয়ের কোনও সম্ভাবনাই দেখছেন না লালহলুদ জার্সি গায়ে একসময় দাপিয়ে খেলা সমরেশ চৌধুরি।এসসি ইস্টবেঙ্গলের নাম শুনলেই রীতিমতো রেগে আগুন লালহলুদের এই ঘরের ছেলে। সমরেশ চৌধুরি বলছিলেন, এই এসসি ইস্টবেঙ্গল দল নিয়ে আলোচনা করতেই আমার ঘেন্না লাগছে। এটা কোনও দল হল? গোলকিপার থেকে শুরু করে স্ট্রাইকার, একটাও ভাল ফুটবলার আছে। আমার তো মনে হয় লালহলুদ জার্সি গায়ে দেওয়ার কোনও যোগ্যতাই এদেন নেই। কোন ফুটবলারকে নিয়ে আলোচনা করব? কাদের নিয়ে স্বপ্ন দেখবে সমর্থকরা?ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গলের জয়ের কোনও সম্ভাবনাই দেখছেন না সমরেশ চৌধুরি। তিনি বলেন, ইস্টবেঙ্গলের অনেক দল দেখেছি। এইরকম দুর্বল দল কখনও দেখিনি। দুর্বল দল নিয়েও অতীতে লালহলুদ ডার্বি জিতেছে। এবার জেতার কোনও সম্ভাবনাই দেখছি না। এমনকি ড্র করতে পারে, এমন আশাও নেই। আমার তো মনে হয় ৫৬ গোলের লজ্জায় না পড়তে হয়। আক্রমমভাগ থেকে শুরু করে রক্ষণ, সব পজিশনেই হতশ্রী অবস্থা। তাছাড়া এই দলে কজন ফুটবলার ডার্বির আবেগ বোঝে? ডার্বিতে এই এসসি ইস্টবেঙ্গল নিয়ে আতঙ্কে আছি।এটিকে মোহনবাগানকে ডার্বিতে যে আটকানো কঠিন, মেনে নিয়েছেন সমরেশ চৌধুরি। তিনি বলেন, ওডিশা এফসির কাছে এটিকে মোহনবাগান আটকে গেলেও ওরা ভাল ছন্দে রয়েছে। আক্রমণভাগে রয় কৃষ্ণা, হুগো বোমাস, ডেভিড উইলিয়ামসের মতো ফুটবলাররা রয়েছে। এদের আটকানোর মতো ডিফেন্ডার লালহলুদে নেই। তাছাড়া প্রথম পর্বের ডার্বিতে এটিকে মোহনবাগানের কাছে উড়ে গিয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। অনেক আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামবে সবুজমেরুণ শিবির।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ISL Derby : ডার্বিতে হারের হ্যাটট্রিক, বড় লজ্জার হাত থেকে বাঁচল এসসি ইস্টবেঙ্গল

ডার্বিতে হারাটা যেন অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। গত মরশুমে দুটি সাক্ষাৎকারেই জিতেছিল এটিকে মোহনবাগান। এবছর প্রথম ডার্বিতেও ছবিটা বদলাল না। গোয়ার তিলক ময়দানে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে ৩-০ গোলে হারিয়ে আইএসএল ডার্বি জয়ের হ্যাটট্রিক করল এটিকে মোহনবাগান। জয়ের ব্যবধান আরও বাড়তে পারত। লালহলুদকে লজ্জার হাত থেকে বাঁচালেন গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্যর পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামা শুভম সেন।প্রথমার্ধে তিন গোল হজম করে লাল হলুদ। এটিকে মোহনবাগানের শক্তিশালী আক্রমণভাগের বিরুদ্ধে ৩ জনকে ডিফেন্সে রাখার মাশুল দিতে হল এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। সেই সঙ্গে অরিন্দম ভট্টাচার্যের জঘন্য গোলকিপিংয়ের কথাও বলতে হবে। গত বছর আইএসএলে প্রথম সাক্ষাতে এই দিনেই ডার্বি জিতেছিল আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের দল। কাকতালীয়ভাবে সেই একই দিনে আবার ডার্বিতে জয়।এদিন এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ৩-৪-৩ ছকে আক্রমণাত্মকভাবে শুরু করেছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। অন্যদিকে হাবাস ৪-৩-৩ ছকে শুরু করেন। চেনা ছন্দে ফিরতে দেরি হয়নি এটিকে মোহনবাগানের। ১১ মিনিটের মধ্যে তিন গোল হতোদ্যম করে দেয় এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। ১২ মিনিটে রয় কৃষ্ণর প্রথম গোল। মনবীর সিং ডানদিক দিয়ে উঠে এসে বল বাড়ান প্রীতম কোটালের দিকে। এটিকে মোহনবাগানের অধিনায়ক বক্সের কাছে গিয়ে বল বাড়়ান রয় কৃষ্ণকে উদ্দেশ্য করে। দর্শনীয় ভঙ্গিমায় বল জালে জড়ান রয় কৃষ্ণ। এর ঠিক দুই মিনিট পরেই ব্যবধান বাড়ান মনবীর। জনি কাউকোর দুরন্ত থ্রু পাস থেকে অরিন্দম ভট্টাচার্যকে পরাস্ত করে সবুজ-মেরুনকে এগিয়ে দেন মনবীর। ২৩ মিনিটে লিস্টন কোলাসোর গোল। দ্বিতীয় গোলের মতোই তৃতীয় গোলটিও এটিকে মোহনবাগানকে কার্যত উপহার দেন অরিন্দম। বক্সের প্রায় বাইরে গিয়ে কোলাসোর থেকে বল কেড়ে নিতে গিয়েছিলেন অরিন্দম। তাঁকে পরাস্ত করতে সময় নেননি কোলাসো।৩৩ মিনিটে অরিন্দম ভট্টাচার্যকে তুলে নিতে বাধ্য হন লালহলুদ কোচ। নামান শুভম সেনকে। হলুদ কার্ড দেখা লালরিনলিয়ানা হামতেকে তুলে নিয়ে অমরজিৎ কিয়ামকে নামানো হয়। তিন গোল করার পরও প্রথমার্ধে আরও বেশ কয়েকবার গোলের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল সবুজ মেরুন। কিন্তু লাল হলুদের লজ্জা বিরতির আগে আর বাড়েনি।দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য কিছুটা খেলায় ফেরে এসসি ইস্টবেঙ্গল। মানোলো দিয়াজ ডিফেন্স মজবুত করায় এটিকে মোহনবাগান আর ব্যবধান বাড়াতে পারেনি। এদিনের জয়ের সুবাদে ২ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে লিগশীর্ষে চলে গেল এটিকে মোহনবাগান। এসসি ইস্টবেঙ্গল নেমে গেল নবম স্থানে। ২ ম্যাচে লাল হলুদের ঝুলিতে ১ পয়েন্ট। মঙ্গলবার ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে খেলবে এসসি ইস্টবেঙ্গল। এটিকে মোহনবাগানের পরবর্তী ম্যাচ বুধবার মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে।

নভেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal vs Mohun Bagan : ছন্দে থাকলেও ডার্বিতে নিজেদের এগিয়ে রাখছেন না হাবাস

গত বছর অল্পের জন্য খেতাব হাতছাড়া হয়েছে। মুম্বই সিটি এফসি-র কাছে ফাইনালে হেরে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। এবছর দারুণভাবে আইএসএল অভিযান শুরু করেছে এটিকে মোহনবাগান। আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের দল উদ্বোধনী ম্যাচেই ৪-২ গোলে হারিয়েছে কেরালা ব্লাস্টার্সকে। আজ কলকাতা ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে ফেবারিট হিসেবেই নামছে এটিকে মোহনবাগান। কারণ ছন্দ ও শক্তির বিচারে অনেক এগিয়ে সবুজমেরুণ শিবির। যদিও কোচ হাবাস নিজেদের ফেবারিট হিসেবে মানতে নারাজ।ডার্বিতে নামার আগে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে সমীহ করে তিনি বলেন, এসসি ইস্টবেঙ্গলের দল এবার একেবারেই নতুন। নতুন কোচ এসেছেন। এমনিতে নতুন দলের থিতু হতে অন্তত এক বছর লাগে। কিন্তু এখানে সব কিছু দ্রুত তৈরি করে নিতে হয়। দুই দলের কাছেই ম্যাচটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ম্যাচ কলকাতার বাইরে হচ্ছে। গ্যালারিতে দর্শক থাকবে না। ফুটবলারদের বাড়তি চাপ নিয়ে মাঠে নামতে হবে না। ফলে এই ডার্বিতে কে এগিয়ে তা আগাম বলা যাবে না।তারকা প্রথায় কখনও বিশ্বাস করেন না এটিকে মোহনবাগান কোচ। তাই হুগো বুমোস, লিস্টন কোলাসো, রয় কৃষ্ণ, জনি কাউকোদের নিয়ে সমর্থক থেকে সংবাদমাধ্যমের মাতামাতি দেখে অসন্তুষ্ট হাবাস। তিনি বলেন,তিন-চারজনকে নিয়ে দল হয় না।বঅমরিন্দর, প্রীতম, প্রবীর, তিরির মতো ফুটবলাররাও রয়েছে। আমার কাছে সব ফুটবলারই গুরুত্বপূর্ণ। গত মরশুমে দুটি ডার্বিতেই জিতেছিল এটিকে মোহনবাগান। অতীতের সাফল্যের কথা মাথায় রাখতে চাইছেন না হাবাস। তিনি বলেন, ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি সবসময় হয় না। নতুন বছর, নতুন ম্যাচ।কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে আগের ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে দলের খেলায় গা ছাড়া মনোভাব যাতে ডার্বিতে না দেখা যায় সেজন্য ফুটবলারদের সতর্ক করে দিয়েছেন হাবাস। ডার্বিতে তিরিকে পাচ্ছে না এটিকে মোহনবাগান। তিনি বাদে সকলেই সুস্থ। রণকৌশলও গোপনই রাখলেন হাবাস। তিনি বলেন, সব ম্যাচে সমানভাবে খেলা যায় না। পরিবেশ, পরিস্থিতি অনুযায়ী বিপক্ষ কেমন খেলছে সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করাটাই স্বাভাবিক। কার হলুদ কার্ড রয়েছে, কাকে কতক্ষণ খেলানো যাবে এই সব বিষয়ও বিবেচনাধীন থাকে। তৎক্ষণাৎ কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধেও তার ব্যতিক্রম হবে না।পেরোসেভিচ বা চিমাকে বাড়তি গুরুত্ব না দিয়ে গোটা এসসি ইস্টবেঙ্গলকে কীভাবে আটকাবেন সেটাই পরিকল্পনা করছেন।

নভেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL Derby : ডার্বিতে এগিয়ে কোন দল? নিজেদের আন্ডারডগ ভাবছেন দিয়াজ

দুই দলের মধ্যে পার্থক্য অনেকটাই। গত মরশুমের দল ধরে রাখার পাশাপাশি এটিকে মোহনবাগান শক্তি বাড়িয়েছে অনেকটাই। হুগো বোমাস যোগ দেওয়ায় আক্রমণভাগ অনেকটাই শক্তিশালী হয়েছে। অন্যদিকে, শেষ মুহূর্তে দল গড়তে নেমে তেমন ভাল দল গড়তে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। এই মরশুমে আইএসএল অভিযানের শুরুতেও ছাপ রাখতে পারেনি। অন্যদিকে, দুর্দান্ত শুরু করেছে এটিকে মোহনবাগান। শনিবার মরশুমের প্রথম ডার্বিতে ধারেভারে সবুজমেরুণ শিবিরই যে এগিয়ে, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে নতুন কোচের তত্ত্বাবধানে নতুন মুখদের নিয়ে আইএসএলে এবার ডার্বি জিততে মরিয়া লাল হলুদ শিবির।কেরালা ব্লাস্টার্সকে ৪-২ গোলে হারিয়ে এবারের আই এস এল অভিযান শুরু করেছে এটিকে মোহনবাগান। অন্যদিকে, জামশেদপুর এফসির সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করলেও খুব একটা খারাপ খেলেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। ডার্বিতে অন্য খেলা হবে, সে কথা বুঝিয়ে দিয়েছেন লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ। তিনি বলেন কলকাতা ডার্বি আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই ম্যাচের গুরুত্ব সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। স্পেন, মেক্সিকোতেও অনেক ডার্বি দেখেছি। ডার্বি সব সময় অন্য মাত্রা নেয়। আমাদের কাছে এটা লিগের দ্বিতীয় ম্যাচ। সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব।এটিকে মোহনবাগান দারুণ সমীহ করছেন লালহলুদ কোচ। দিয়াজ বলেন, এটিকে মোহনবাগান খুবই ভালো দল। কোচও খুবই ভাল। বিপক্ষ কোচের আইএলএলেও যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে। ভুলভ্রান্তি কম করে বিপক্ষের দুর্বলতাগুলোকে কাজে লাগিয়ে ভাল খেলতে হবে। সবুজমেরুণকে সমীহ করলেও প্রথম একাদশ খোলসা করেননি মানোলো দিয়াজ। ড্যারেন সিডোলকে খেলাবেন কিনা সে ব্যাপারেও নিশ্চিত করে কিছু বলেননি। দলের সব ফুটবলারই ডার্বি খেলতে প্রস্তুত বলে মানোলো দিয়াজ জানিয়েছেন।মরশুমের প্রথম ডার্বিতে নিজেদের আন্ডারডগ হিসেবে দেখছেন মানোলো দিয়াজ। তিনি বলেন, আন্ডারডগ তকমা আমাদের গায়ে লাগিয়ে দেওয়া হলেও কোনও অসুবিধা নেই। আমরা নিজেদের শক্তি অনুযায়ি খেলব। এটিকে মোহনবাগান গত মরশুমে দারুন খেলেছে। বেশ কয়েকজন ফুটবলার কয়েক মরশুম ধরে একসঙ্গে খেলছেন। আমরাও তৈরি অনেক ফর্মেশন তৈরি রয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী ছক বদল করব। রয় কৃষ্ণ, হুগো বুমোসদের কীভাবে আটকাতে চান সেই কৌশলও গোপন রাখলেন লাল হলুদ কোচ। তিনি বলেছেন, ম্যাচের পরিস্থিতির উপর এটা নির্ভর করবে। বল আমাদের বক্সের কাছাকাছি থাকলে ম্যান মার্কিংয়ে যাব। তবে আমরা রয়, হুগোর বিরুদ্ধে খেলছি না। তাঁরা ভালো ফুটবলার, গোল করতে পারেন। তবে তাঁদেরও সতীর্থদের সাহায্যের প্রয়োজন। ফলে শুধু দুজনকে নয়, গোটা দলকেই আটকানোর চেষ্টা করব।অভিজ্ঞতায় এটিকে মোহনবাগান কিছুটা এগিয়ে রয়েছে মানলেও খেলাটা সবুজ মেরুনের আক্রমণ বনাম লাল হলুদের ডিফেন্সের লড়াই হবে বলে মানতে নারাজ দিয়াজ। তিনি বলেন, আমাদের শক্তিশালী হতে হবে। ভালো ও নিখুঁত পাস দেওয়া-নেওয়া করতে হবে নিজেদের মধ্যে। বিপক্ষের গোল এরিয়ায় প্রচুর গোলের সুযোগ তৈরি করতে হবে। সারাক্ষণ যদি ওদের বিরুদ্ধে আমরা রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলি, তা হলে ম্যাচটা আমাদের কাছে আরও কঠিন হয়ে উঠবে।

নভেম্বর ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

A‌TK Mohunbagan : এটিকে মোহনবাগানের হাত ধরে ভারতীয় ফুটবলে ফিরল কলঙ্কজনক অধ্যায়

বছর দশেক আগে এএফসি কাপে নাসাফ এফসির কাছে ৯০ ব্যবধানে হেরে ভারতীয় ফুটবলকে কালিমালিপ্ত করেছিল ডেম্পো। আবার সেই কলঙ্কজনক অতীত ফিরে এলে। সৌজন্যে এটিকে মোহনবাগান। এএফসি কাপের ইন্টার জোনাল সেমিফাইনালে নাসাফের কাছে ৬০ ব্যবধানে বিধ্বস্ত হল সবুজমেরুণ শিবির। গ্রুপ লিগে বেঙ্গালুরু এফসি এবং মাজিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাবকে হারিয়ে এএফসি কাপের ইন্টার জোনাল সেমিফাইনালে ওঠার পর এটিকে মোহনবাগানকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলেন সবুজমেরুণ সমর্থকরা। উজবেকিস্তানের নাসাফের কাছে হেরে স্বপ্ন চুরমার। লজ্জার মুখে পড়তে হল হাবাসের দলকে।আরও পড়ুনঃ বাংলার জন্য আমি অ্যাভেলেবল আছিসবুজমেরুণের এই বিধ্বস্ত হওয়ার পেছনে দায় এড়াতে পারেন না এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তোনীয় হাবাস। প্রথমত, ভুল দল নির্বাচন। দ্বিতীয়ত, দলের বোঝাপড়া গড়ে তুলতে পারেননি। নাসাফের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে লড়তে গেলে যে ধরণের প্রস্তুতি নেওয়ার দরকার ছিল, তা নিতে পারেনি। তবে ধারেভারে নাসাফ যে অনেকটাই এগিয়ে ছিল, সেকথা অস্বীকার করে যাবে না। উজবেকিস্তানের সুপার লিগে খেলার মধ্যেই রয়েছে। অন্যদিকে, এটিকে মোহনবাগানের সমস্যা ম্যাচ প্র্যাকটিসের অভাব। মাত্র ১৫২০ দিনের অনুশীলন করে ম্যাচ খেলতে নেমেছে। ফলে অনেকটা পার্থক্য যে থাকবে, এটাই স্বাভাবিক।আরও পড়ুনঃ আপনার একটা ভোট না পেলেও ক্ষতি হয়ে যাবে...কেন এমন বললেন মমতা?ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ঝড় তুলেছিল নাসাফ। ৪ মিনিটে এগিয়েও যায়। বক্সের মধ্যে ভেসে আসা কর্ণার বিপদমুক্ত করতে গেলে প্রীতম কোটালের মাথায় লেগে বল জালে জড়িয়ে যায়। শুরুতে পিছিয়ে পড়ে মনোবলে ধাক্কা খায় এটিকে মোহনবাগান। নিজেদের সামলাতে পারেননি সবুজমেরুণ ফুটবলাররা। ১৮ মিনিটে নাসাফের হয়ে ব্যবধান বাড়ান খুসায়িন। মিনিট তিনেক পর তিনিই ৩০ করেন। ৩১ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন খুসায়িন। ৪০ মিনিটে বাখরমকে বক্সের মধ্যে প্রীতম কোটাল ফাউল করলে পেনাল্টি পায় নাসাফ। বজোরভের শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে সেই বজোরভই ৫০ করেন।আরও পড়ুনঃ কোভিডে মৃত্যু হলে ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্যনাসাফের বিরুদ্ধে প্রথমে ৩৪৩ ছকে শুরু করেছিলেন হাবাস। বিপক্ষের আক্রমণ সামাল দিতে না পেরে ৪৩৩ ছকে চলে যান। নাসাফকে মাঝমাঠে আটকতে যার ওপর বেশি ভরসা করেছিলেন সেই জনি কাউকো প্রথমার্ধে একেবারে নিস্প্রভ ছিলেন। ডিফেন্সে তিরি আর সন্দেশ ঝিংঘানের মতো ফুটবলার না থাকাটাও বড় ফ্যাক্টর হয়ে যায়। তার ওপর শেখ সাহিলের মতো তরুণ ফুটবলারকে এই ধরণের ম্যাচে নামিয়ে দিয়ে ঠিক করেননি হাবাস। প্রথম একাদশ নির্বাচনে একাধিক ভুল। সবুজমেরুণ ফুটবলারদের প্রথমার্ধে দিশাহীন মনে হচ্ছিল। মাঝমাঠে এটিকে মোহনবাগানকে দাঁড়াতেই দেননি। তাছাড়া শারীরিক দিক দিয়ে নাসাফের ফুটবলারদের থেকে সবুজমেরুণ ফুটবলাররা অনেক পিছিয়ে।আরও পড়ুনঃ ভবানীপুরের উপনির্বাচনের অভিঘাত ভিন্ন, তবে মনে করাচ্ছে ৬৫ বছর আগের বাংলার রাজনীতির কথাদ্বিতীয়ার্ধে এটিকে মোহনবাগান অনেকটা গুছিয়ে নেয়। মাঝমাঠে খেলা ধরতে পরিস্থিতি বদলে যায়। প্রথমার্ধেই ৫ গোলে এগিয়ে যাওয়ায় দ্বিতীয়ার্ধে তেমন ঘামায়নি নাসফ। ম্যাচ অনেক হালকাভাবে নেয়। তার মধ্যেই ৬০ মিনিটে বজোরভের একটা শট পোস্টে লাগে। ৭১ মিনিটে ৬০ করেন নারজুয়েলভ। শেষদিকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল নাসাফ। কাজে লাগাতে পারেনি। জনি কাউকো ব্যর্থ হওয়ায় ম্যাচের শেষের দিকে তাঁকে তুলে নেন হাবাস।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌East Bengal : এসসি ইস্টবেঙ্গল ও এটিকে মোহনবাগানের চাপে কেন পিছু হটল আইএফএ?‌

দুই প্রধানের স্বার্থে কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে সুচি পরিবর্তন করেছিল আইএফএ। তাসত্ত্বেও প্রথম ম্যাচে দল নামায়নি এটিকে মোহনবাগান। প্রতিপক্ষ জর্জ টেলিগ্রাফ ওয়াকওভার পায়। এসসি ইস্টবেঙ্গলও তাদের প্রথম ম্যাচে দল নামাতে পারবে না। এই অবস্থায় দুই প্রধানের ওপর বেজায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে আইএফএ। সোমবার দুপুরে এই দুই ক্লাবের অজান্তে তাদের সেন্ট্রাল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয় বাংলার ফুটবল নিয়ামক সংস্থা।বিষয়টা প্রকাশ্যে আসে এসসি ইস্টবেঙ্গল ফুটবলার রেজিস্ট্রেশন করাতে গেলে। সেন্ট্রালাইজড রেজিস্ট্রেশন সিস্টেমে (সিআরএস) এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা ফুটবলার সই করাতে পারছিলেন না। আইএফএতে ফোন করে কর্তারা জানতে পারে, এসসি ইস্টবেঙ্গল এবং এটিকে মোহনবাগানের সিআরএস সিস্টেম ব্লক করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ নীরজে উদ্বুদ্ধ দেবেন্দ্র প্যারালিম্পিকে দেশকে এনে দিলেন রুপোএই প্রসঙ্গে সোমবার দুপুরে আইএফএ সচিব জয়দীপ মুখার্জি বলেন, এসসি ইস্টবেঙ্গল ও এটিকে মোহনবাগানের কলকাতা লিগ খেলার কথা ছিল। কিন্তু এই দুই বড় ক্লাব কলকাতা লিগ নিয়ে আমাদের সঙ্গে সহযোগিতা করছে না। ওদের জন্য সূচিতে পরিবর্তন করা হয়েছিল। কিন্তু ওরা খেলছে না। তাই ওদের সিআরএস ব্লক করা হয়েছিল। বিকালে লিগের সব ক্লাবকে নিয়ে বৈঠক করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।এরপরই চরম তৎপরতা শুরু হয় এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের। তঁারা যোগাযোগ করে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন এবং এফএসডিএলের সঙ্গে। এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা এফএসডিএল ও ফেডারেশন কর্তাদের জানান, সিআরএস বন্ধ থাকলে তাঁদের পক্ষে দল গঠন করা সম্ভব নয়। তারপরই ফেডারেশনের পক্ষ থেকে আইএফএ সচিব জয়দীপ মুখার্জির সঙ্গে কথা বলা হয়। বিকেল সাড়ে চারটের সময় ফেডারেশনের নির্দেশে দুই ক্লাবের সিআরএস সিস্টেম খুলে দেওয়া হয়। আবার ফুটবলার রেজিস্ট্রেশনের কাজ শুরু করেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা।আরও পড়ুনঃ প্রথম পুরস্কার শাহিদার, উচ্ছ্বসিত মা বিকেলে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলিকে নিয়ে বৈঠকে বসেন আইএফএ সচিব। এসসি ইস্টবেঙ্গল ও এটিকে মোহনবাগানের কোনও প্রতিনিধি বৈঠকে আসেননি। দুই প্রধান না খেললেও লিগ চলবে বলে জানান আইএফএ সচিব। তিনি বলেন, এই দুই ক্লাব না খেললেও লিগ চলবে। এসসি ইস্টবেঙ্গল ও এটিকে মোহনবাগান যদি লিগে নিজেদের ম্যাচগুলোর ৪৮ ঘন্টা আগে খেলার বিষয়ে কিছু না জানায়, তাহলে প্রতিপক্ষ দল নিয়ম মেনে ৩ পয়েন্ট করে পাবে। তবে এই দুই প্রধান কলকাতা লিগে খেলুক, চাইছেন আইএফএ সচিব। প্রয়োজনে আবার সূচি পরিবর্তন করতে তিনি তৈরি। সূচি অনুযায়ী মঙ্গলবার এসসি ইস্টবেঙ্গল বনাম ভবানীপুরের ম্যাচ। ৪৮ ঘন্টা আগে লাল-হলুদ খেলার বিষয়ে কিছু জানায়নি বলে, ভবানীপুরকে ইতিমধ্যেই ৩ পয়েন্ট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইএফএ।

আগস্ট ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌ATK Mohunbagan : আজ মাজিয়ার বিরুদ্ধে জিতলেই এএফসি কাপের পরের পর্ব নিশ্চিত বাগানের

মরশুমের প্রথম ম্যাচে এএফসি কাপে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে আধিপত্য নিয়ে জিতেছে এটিকে মোহনবাগান। আজ মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাবের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে আন্তেনীয় লোপেজ হাবাসের দল। মাজিয়ার বিরুদ্ধে জিতলেই পরের পর্বে যাওয়া নিশ্চিত হয়ে যাবে সবুজমেরুণ শিবিরের। আজই পরের পর্বে যাওয়া নিশ্চিত করতে চান রয় কৃষ্ণারা। তবে আজ সতর্কভাবে মাঠে নামতে চান হাবস।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশমাজিয়ার স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাবের বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকেই মাঠে নামবে এটিকে মোহনবাগান। প্রথম ম্যাচে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে জয় দলের ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। তাছাড়া বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের কাছে গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচ হেরে বেশ চাপে রয়েছে মাজিয়া। পরের রাউন্ডে যাওয়ার আশা টিকিয়ে রাখতে গেলে আজ মোহনবাগানের বিরুদ্ধে জিততেই হবে মালদ্বীপের এই দলটিকে।আরও পড়ুনঃ শরিকী বিবাদে কিংবদন্তী গোষ্ঠ পালও আজ দুভাগবেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে যথেষ্ট ইতিবাচক ফুটবল উপহার দিয়েছিল সবুজমেরুণ শিবির। মাজিয়ার বিরুদ্ধে সেটাই ধরে রাখতে চান এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস। তবে বিপক্ষ শিবিরকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। মাজিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামর আগে হাবাস বলেন, মাজিয়া নতুন প্রতিপক্ষ। আগের ম্যাচে কী হয়েছে তা ভুলে আমাদের মাঠে নামতে হবে। প্রতিপক্ষকে সমীহ করতেই হবে। নিজেদের খেলায় আরও উন্নতি করতে হবে। নানা প্রতিকূলতা কাটিয়ে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে দল জিতেছে। প্রথম ম্যাচ জিতলেও আত্মতুষ্টির কোনও জায়গা নেই। একটা বাজে দিন পরিস্থিতি বদলে দিতে পারে।সবুজমেরুণ কোচ আরও বলেন, বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে মাজিয়ার খেলা দেখেছি। একইরকম স্ট্র্যাটেজিতে আমাদের বিরুদ্ধে নাও খেলতে পারে। আমাদের বিরুদ্ধে কী রকম স্ট্র্যাটেজিতে খেলে, সেটা দেখেই আমাদের খেলতে হবে। ওরা আমাদের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিতে পারে, এটা মাথায় রেখেই মাঠে নামতে হবে।আরও পড়ুনঃ মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে বৈঠকেও সমস্যা মিটল না ইস্টবেঙ্গলেরঅন্যদিকে, প্রথম ম্যাচে হারের পর এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া মাজিয়া। কোচ রিস্টো ভিদাকোভিচের বলেন, বসুন্ধরা ম্যাচে আমার ফুটবলাররা নার্ভাস ছিল। নিজেদের স্বাভাবিক খেলা তুলে ধরতে পারিনি। শুরুতে ২ গোলে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচেও ফিরতে পারিনি। ফুটবলারদের বলেছি আগের ম্যাচের কথা ভুলে গিয়ে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ফোকাস করতে। অতীতে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে পয়েন্ট তোলার অভিজ্ঞতা রয়েছে মাজিয়া স্পোর্টসের।

আগস্ট ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Roy Krishna : এবছর কী লক্ষ্য স্থির করেছেন এটিকে মোহনবাগানের রয় কৃষ্ণা?

গত মরশুমে অল্পের জন্য ট্রফি হাতছাড়া হয়েছিল। ফাইনালে পৌঁছেও মুম্বই সিটি এফসির কাছে হেরে তীরে এসে তরী ডুবেছিল এটিকে মোহনবাগানের। এবছর সুদেআসলে মেটাতে বদ্ধপরিকর সবুজমেরুণের প্রাণভোমরা রয় কৃষ্ণা।গতমরশুমে ট্রফি না পাওয়ার হতাশা নিয়ে ভারত ছেড়ে নিজের দেশ ফিজিতে উড়ে গিয়েছিলেন। দেশে ফেরার আগে সবুজমেরুণ কর্তাদের কথা দিয়েছিলেন, ভারতে খেললে মোহনবাগানেই খেলবেন। মুম্বই সিটি এফসির বিশাল অঙ্কের প্রস্তাব উপেক্ষা করে পুরনো ক্লাবেই থেকে গেছেন। লক্ষ্য এবছর দলকে সাফল্য এনে দেওয়া। সামনে এএফসি কাপ। আপাতত এই প্রতিযোগিতাকেই পাখির চোখ করছেন রয় কৃষ্ণা।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসনতুন মরশুমে লক্ষ্য কী? রয় কৃষ্ণা বলেন, গত মরশুমে ভাল খেলেও ট্রফি জিততে পারিনি। আইএসএলের ফাইনালে মুম্বই সিটির কছে হারতে হয়েছিল। ওদের কৃতিত্ব দিতেই হবে। গতবছর ট্রফি না জেতার আক্ষেপ রয়েছে। ভুলত্রুটি শুধরে নিয়ে এবছর মাঠে নামব। আইএসএল দেরি আছে। সামনে এএফসি কাপ। এই টুর্নামেন্টে দলের সবাই সেরাটা দিতে চায়। সাফল্য পেতে গেলে আমাদের ভাল খেলতে হবে। এই প্রতিযোগিতায় খেলে আইএসএলের আগে আমরা নিজেদের শক্তি ও দুর্বলতাগুলো বুঝে নিতে পারব। গত মরশুমে আইএসএলের দুটো ডার্বিতেই গোল ছিল কৃষ্ণার। তবে সেটা এখন অতীত কৃষ্ণার কাছে। তিনি বলেন, ডার্বিতে জেতা বা গোল করা অবশ্যই দারুন ব্যাপার। কিন্তু তার থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ট্রফি জেতা। এবার তাই ট্রফিও জিততে হবে।আরও পড়ুনঃ রাহুলরোহিতদের দাপটে লর্ডসে ইংরেজদের দর্প চূর্ণএএফসি কাপে খেলার জন্য মুখিয়ে আছেন রয় কৃষ্ণা। বড় মঞ্চে সাফল্য পাওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। এবছর পাশে পাচ্ছেন ভাল মানের বিদেশি ফুটবলার। গোল করার জন্য শুধু তাঁর ওপর ওপর চাপ থাকছে না। বাড়তি স্বস্তি কৃষ্ণার। তিনি বলেন, উইলিয়ামস ছিলই, এবার জনি কাউকো ও বোমাসের মতো ছন্দে থাকা ফুটবলার যোগ দিয়েছে। গতবছরের মতো চাপ নিতে হবে না। অতিমারীর মাঝেও অনুশীলনের মাধ্যমে দ্রুত বোঝাপড়া গড়ে তোলার কাজটা সারছেন কোচ হাবাস। কৃষ্ণা নিজেও বেশ উপভোগ করছেন ওদের সঙ্গে খেলা। লক্ষ্য, নতুন মরশুমে সেরা দিয়ে ট্রফি জেতা।আরও পড়ুনঃ পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার ডামাডোল, বোর্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বাবর আজমদেরজনি কাউকো , হুগো বোমাস, রয় কৃষ্ণারা আগেই চলে এসেছেন। বুধবার মাঝরাতে কলকাতা এসেছেন ডেভিড উইলিয়ামস। অনুশীলনে তাঁর শারীরিক সমক্ষতা দেখে মালদ্বীপে এএফসি কাপের দলে তাঁকে রাখবেন কিনা, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। এশীয় কোটার বিদেশি উইলিয়ামস যেতে পারলে, মাঠে একজন বিদেশির অভাব বোধ করবে বাগান।

আগস্ট ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Mohun Bagan Day: করোনা আতিমারির জন্য অনাড়ম্বর ভাবে পালিত হল মোহনবাগান দিবস

মোহনবাগান দিবস মানেই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান। অন্যরকম আয়োজন। গতবছর থেকে পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে করোনা। করোনার কারণেই এবছরও জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান বন্ধ। অনলাইনের যুগ। ভার্চুয়াল ব্যাপারটা তো রয়েছেই। অগত্যা সেই ভার্চুয়ালেই সারা হল মোহনবাগান দিবস। সমর্থকরাও পিছিয়ে নেই। ক্লাবে অনুষ্ঠান হচ্ছে না তো কী হয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়া তো রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় মোহনবাগান দিবস নিয়ে মেতে ওঠে জনতা। ১৯১১ সালের ২৯ জুলাইয়ের শিল্ড ফাইনাল জয়ী মোহনবাগানের নানান ঘটনা, পেপার ক্লিপিংস,ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেয়ে গেছে। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় শিল্ড জয়ী ফুটবলারদের ছবিতে ফুল-মালা দেওয়া হয়।মোহনবাগান দিবসে কারা কারা পুরস্কার পাবেন, আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই ঘোষণা মতোই ক্লাব তাঁবুতে অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে মোহনবাগান রত্ন তুলে দেওয়া হল প্রয়াত গোলরক্ষক শিবাজি ব্যানার্জির স্ত্রী মালা ব্যানার্জির হাতে। রয় কৃষ্ণা হয়েছেন বর্ষসেরা ফুটবলার। আর বর্ষসেরা ক্রিকেটার হয়েছেন অভিমন্যু ঈশ্বরণ। কলকাতায় না থাকায় দুজনের কেউই আসতে পারেননি। তাঁদের হাতে পরে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। তবে বর্ষসেরা অ্যাথলিট বিদিশা কুন্ডুর এদিন পুরস্কার নিতে এসেছিলেন।বাঘাযতীন পার্কে বাগান কর্তা দেবাশিস দত্ত ও সৃঞ্জয় বসু ১৯১১ সালের শিল্ড জয়ী জার্সির রেপ্লিকা প্রকাশ করলেন। আগামী ২০ আগস্ট গোষ্ঠ পালের জন্মদিন থেকে এই রেপ্লিকা মোহনবাগান জনতা কিনতে পারবেন বলে ক্লাব কর্তারা জানিয়েছেন। কোভিড প্রোটোকল মানার জন্যই এদিন ক্লাবে কোনও সদস্য-সমর্থক, সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। তবে অনুষ্ঠানে সৃঞ্জয় বসু, দেবাশিস দত্ত, সত্যজিৎ চ্যাটার্জি, স্বপন ব্যানার্জি সহ বেশ কয়েকজন কর্তা উপস্থিত ছিলেন। শিলিগুড়ির মোহনবাগান মেরিনার্স বাঘাযতীন পার্কে ঘটা করে পালন করল মোহনবাগান দিবস। এই উৎসব মঞ্চ থেকেই শিলিগুড়িতে মোহনবাগান লেন করার দাবি উঠেছে। এদিন শিলিগুড়ি মেরিনার্স অনাথ শিশুদের বস্ত্রদান করে। পাশাপাশি বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যাক্তিদের প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বোরো প্রশাসক রঞ্জন সরকার, মেরিনার্স সম্পাদক দেবব্রত দত্ত, প্রাক্তন টেবল টেনিস খেলোয়াড় শিশির গাঙ্গুলি সহ এক ঝাঁক মোহনবাগান জনতা।

জুলাই ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sandesh Jhinghan : বর্ষসেরার পুরস্কার পেয়ে আপ্লুত সন্দেশ ঝিংঘান

চোটের জন্য ২০১৯২০ মরশুমের অধিকাংশ সময়ই মাঠের বাইরে কেটেছিল। চোট সারিয়ে মাঠে ফিরে আগের মরশুমে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। এটিকেমোহনবাগানকে আইএসএলের ফাইনালে তোলার তিনিই ছিলেন অন্যতম কারিগর। দেশের হয়েও নিজেকে মেলে ধরেছিলেন। বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনের প্রাথমিক পর্যায়ে গ্রুপ ইতে ভারতের তৃতীয় হওয়ার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। সাফল্যের স্বীকৃতি পেলেন সন্দেশ ঝিংঘান। ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের বিচারে মরশুমের সেরা ফুটবলার নির্বাচিত হয়েছেন।আরও পড়ুনঃ ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের বিক্ষোভ, পুলিশের লাঠিচার্জ, গ্রেপ্তার ৪বুধবার ২৮তম জন্মদিন ছিল চন্ডীগড়ের এই ডিফেন্ডারের। জন্মদিনেই ফেডারেশনের কাছ থেকে সুখবর পান সন্দেশ। বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হওয়ায় আপ্লুত তিনি। জীবনের সেরা উপহার বলে মনে করছেন। তিনি বলেন, আমিই যখন বর্ষসেরা হওয়ার খবরটা শুনলাম, স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছিল। আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। পাশাপাশি দারুণ খুশিও হয়েছিলাম। জন্মদিনেই এই পুরস্কারটা পেলাম। আমার জীবনের অন্যতম সেরা পুরস্কার। সত্যিই আমি দারুণ খুশি। বিশেষ করে আমার পরিবার জন্য। এই পুরস্কার আমি পরিবারকে উৎসর্গ করতে চাই।আরও পড়ুনঃ আবেশ খানের আঙুলে চোট, ছিটকে গেলেন ইংল্যান্ড সিরিজ থেকেবর্ষসেরার পুরস্কার পেয়ে জীবনের কঠিন সময়ের কথা মনে পড়ছে সন্দেশ ঝিংঘানের। তিনি বলেন, ২০১৯২০ মরশুম দুঃস্বপ্নের মতো কেটেছিল। চোটের জন্য মরশুমের অধিকাংশ সময় মাঠের বাইরে কাটাতে হয়েছিল। প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, সুস্থ হয়ে মাঠে ফেরা না পর্যন্ত অন্য কিছু নিয়ে ভাবব না। মাঠে ফেরার ব্যাপারে নিজের ওপর বিশ্বাস ছিল। নিজেকে সবসময় উদ্বুদ্ধ করে গিয়েছিলাম। তার ফল পেয়েছি। ক্লাব ও দেশ আমাকে সাহায্য করেছে। চোট পাওয়ার পর অনেক কিছু শিখেছি। সবসময় ইতিবাচক ছিলাম। গত মরশুমে আইএসএলে এটিকেমোহনবাগানের হয়ে নিজেকে মেলে ধরেছি। দেশের হয়েও ভাল খেলেছি। তার পুরস্কার পেলাম।আরও পড়ুনঃ দীপক চাহারের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে সিরিজ জিতে নিল ভারতজাতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাকের কাছ থেকে গত কয়েকবছরে অনেককিছু শিখেছেন বলে দাবি করেছেন সন্দেশ। তিনি বলেন, নিজেকে ফুটবলের ভাল শিক্ষার্থী বলে মনে করি। সকলের কাছ থেকেই শিখি। তবে কোচ ইগর স্টিম্যাকের কাছ থেকে অনেককিছু শিখেছি। বেশ কিছু ছোটখাট বিষয় আমাকে আরও পেশাদার করে তুলেছে। ইগর বিশ্বকাপ, প্রিমিয়ার লিগের মতো সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলেছে। ওর কাছ থেকে যদি একটা কিছু নিতে পারি, আমার খেলার উন্নতিতে দারুণ সাহায্য করবে।

জুলাই ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Mohunbagan Ratna : মরণোত্তর মোহনবাগান রত্ন পাচ্ছেন শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়

তিনকাঠির নিচে দাঁড়িয়ে মোহনবাগানকে এনে দিয়েছেন অনেক সম্মান। অবশেষে তার স্বীকৃতি পেতে চলেছেন প্রয়াত গোলকিপার শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে মরণোত্তর মোহনবাগান রত্ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ক্লাব কর্তারা। বুধবার কর্মসমিতির ভার্চুয়াল বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বর্ষসেরা ফুটবলারের স্বীকৃতি পাচ্ছেন রয় কৃষ্ণা, বর্ষসেরা ক্রিকেটার অভিমন্যু ঈশ্বরণ।আরও পড়ুনঃ আন্তর্জাতিক টেনিসে ঐতিহাসিক সাফল্য বাঙালি তরুণের১৯৭৭ সালে প্রথম সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে চাপিয়েছিলেন শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়। মোহনবাগানে যোগ দেওয়ার পর প্রথম দিকে তেমন খেলার সুযোগ পাননি। পরে আস্তে আস্তে সবুজমেরুণে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে। টাইব্রেকার বাঁচানোর ব্যাপারে দারুণ দক্ষ ছিলেন। বহু ম্যাচে পেনাল্টি ও টাইব্রেকার বাঁচিয়ে দলকে উতরে দিয়েছিলেন। তাঁর স্মরণীয় ম্যাচের মধ্যে ছিল ইডেনে পেলের কসমসের বিরুদ্ধে খেলা। ফুটবল সম্রাট পেলের পা থেকে একাধিকবার বল বাঁচিয়ে নজর কেড়েছিলেন শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়। পেলে নিজেও শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়ের খেলার প্রশংসা করেছিলেন। শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়কে মরণোত্তর মোহনবাগান রত্ন প্রদান করা হবে এই খবরে তাঁর পরিবারেও খুশির হাওয়া। ২৯ জুলাই মোহনবাগান দিবসে জাঁকজমকহীন অনুষ্ঠানে শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।আরও পড়ুনঃ নিয়মে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসছে দ্য হান্ড্রেড ক্রিকেটমরশুমের সেরা ফুটবলার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে রয় কৃষ্ণাকে। গত মরশুমে আইএসএলে এটিকে মোহনবাগানকে ফাইনালে তোলার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিয়েছিলেন ফিজির এই স্ট্রাইকার। বর্ষসেরা ক্রিকেটার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে অভিমন্যু ঈশ্বরণকে। এবছর ক্লাব ক্রিকেটে দারুণ ছন্দে ছিলেন অভিমন্যু। সিএবির একদিনের ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিয়েছিলেন এই তরুণ ওপেনার। ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে ফাইনালে সেঞ্চুরি করেছিলেন। বর্ষসেরা অ্যাথলিটের পুরস্কার পাচ্ছেন বিদিশা কুন্ডু।আরও পড়ুনঃ দুধের স্বাদ ঘোলে মিটল দীপক খাবরার, প্রথম ভারতীয় হিসেবে যাচ্ছেন অলিম্পিকেকরোনার জন্য রাজ্য সরকারের অনেক বিধিনিষেধ রয়েছে। তাই ২৯ জুলাই মোহবাগান দিবস অনাড়ম্বর ভাবে পালন করছেন কর্তারা। কোনও জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান হচ্ছে না। অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে শিবাজী ব্ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবার ও বিদিশা কুন্ডুর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। অভিমন্যু ঈশ্বরণ ইংল্যান্ড সফরে থাকায় এবং রয় কৃষ্ণা দেশে থাকায় পুরস্কার নিতে আসতে পারবেন না। পরে তাঁদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

জুলাই ১৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

১৯৭১-এর যুদ্ধনায়ককে কেন ডাকা হল এসআইআর শুনানিতে? মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বুকে কাঁপন ধরানো প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশকে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর শুনানিতে তলব করা ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধানকে কেন পরিচয় প্রমাণের জন্য নোটিস পাঠানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সোমবার মুখ খুলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এসআইআর শুনানির নোটিস পাওয়ার পর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অ্যাডমিরাল প্রকাশ। তাঁর পোস্ট সামনে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যাডমিরাল প্রকাশের জমা দেওয়া এনুমারেশন ফর্মে পূর্ববর্তী এসআইআর সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ছিল না। সেই কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে।এলাকার ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার মেডোরা এরমোমিল্লা ডিকোস্টা জানান, এনুমারেশন ফর্মে ভোটারের নাম, এপিক নম্বর, আত্মীয়ের নাম, বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ও নম্বর, অংশ নম্বর এবং ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ ছিল না। ফলে বিএলও অ্যাপের মাধ্যমে নতুন ফর্মের সঙ্গে পুরনো ভোটার তালিকার স্বয়ংক্রিয় মিল করা সম্ভব হয়নি। শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলেই এই ধরনের ক্ষেত্রে শুনানির জন্য ডাকা হয় বলে জানান তিনি।১৯৭১ সালের যুদ্ধে বায়ুসেনার পাঞ্জাব স্কোয়াড্রনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিমান চালিয়েছিলেন অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশ। সেই সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বীর চক্র পান। প্রায় ৪০ বছর নৌসেনায় কাজ করেছেন তিনি। ফাইটার স্কোয়াড্রন, এয়ার স্টেশন, আইএনএস বিরাট-সহ মোট চারটি যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করেছেন। নৌসেনাপ্রধান থাকাকালীন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারও করেছিলেন তিনি।নোটিস পাওয়ার পর কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অ্যাডমিরাল প্রকাশ লেখেন, এসআইআর ফর্মে যদি প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়া যায়, তাহলে ফর্ম সংশোধন করা উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন, বিএলও তিনবার তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন, তখনই অতিরিক্ত তথ্য চাওয়া যেত। তাঁর অভিযোগ, তিনি ও তাঁর স্ত্রী যথাক্রমে ৮২ ও ৭৮ বছর বয়সে পৌঁছেছেন, অথচ তাঁদের বাড়ি থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, তাও আবার আলাদা আলাদা দিনে।এই মন্তব্য সামনে আসার পরই বিতর্ক তীব্র হয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফের জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় শনাক্তকরণ তথ্য না থাকলে বিএলও অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যাপিং করতে পারে না। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে ব্যাখ্যা দিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে বিক্ষোভে গ্রেপ্তার ভারতীয়রা? অভিযোগ উড়িয়ে মুখ খুলল তেহরান

খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। সেই অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে খবর, অন্তত ছজন ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু ভারতীয় নয়, বিক্ষোভ দমনের নামে অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও নাকি আটক করছে ইরানের প্রশাসন। এই অভিযোগ ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই সব দাবি নিয়ে এবার প্রকাশ্যে মুখ খুলল তেহরান।মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, ইরানে চলমান বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে যে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ছজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁরা জড়িত ছিলেন। তবে এই খবরকে কার্যত ভুয়ো বলে দাবি করেছেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি।এক্স হ্যান্ডেলে একটি সংবাদ প্রতিবেদন শেয়ার করে ইরানের রাষ্ট্রদূত লেখেন, ইরান নিয়ে বিদেশি বহু সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। তিনি সকলকে নির্ভরযোগ্য ও সরকারি সূত্র থেকে খবর জানার অনুরোধ জানান। যদিও বাস্তবে ইরান থেকে সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত বন্ধ। পাশাপাশি বিদেশে ফোন করার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। ফলে মৃত ও গ্রেপ্তারির প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসেবের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সরকারিভাবে কিছু ঘোষণা না করা হলেও কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কাও ঘনীভূত হচ্ছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সামরিক পদক্ষেপ করতে পারে আমেরিকা, এমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।আমেরিকার সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন ট্রাম্প। এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলেও মার্কিন প্রশাসনের একাংশ মনে করছে, ইরানে হামলার বিকল্প ভাবছেন তিনি। তেহরান-সহ গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ঘাঁটিতে আঘাত হানার পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক অভিযোগ! মমতার বিরুদ্ধে ‘চুরি-ডাকাতি’র তুলনা ইডির

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে জোড়া পিটিশন দায়ের করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। একটি পিটিশন দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নিজে। অন্যটি দায়ের করেছেন ইডির তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। এই দুই মামলাতেই রাজ্য সরকারের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার নগরপাল মনোজ ভর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি দক্ষিণ প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে।ইডির দায়ের করা পিটিশনে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, পিটিশনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইডি অভিযানের সময় অযাচিত প্রবেশ এবং একটি ফাইল নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনাকে চুরি ও ডাকাতির সঙ্গে তুলনা করেছে তদন্তকারী সংস্থা। শুধু তাই নয়, ইডির কাজে যে বাধা দেওয়া হয়েছিল, তা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে পিটিশনে।এই মামলায় নিজেদের যুক্তি জোরদার করতে ইডি অতীতের তিনটি ঘটনার উল্লেখ করেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে মুখ্যমন্ত্রী ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী।পিটিশনে প্রথম যে ঘটনার কথা বলা হয়েছে, তা ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারির। সারদা মামলায় তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নার প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারির। কয়লা পাচার মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তাঁদের বাড়িতে পৌঁছনোর আগেই সেখানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ১৭ মে-র। নারদ মামলায় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর নিজাম প্যালেসে গিয়ে সিবিআইয়ের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই দাবি ইডির।এতেই শেষ নয়। কলকাতা হাইকোর্টে একটি শুনানি ভেস্তে যাওয়ার নেপথ্যেও তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, শাসকদলের কর্মী-সমর্থকেরা হোয়াটসঅ্যাপ মারফত বার্তা পাঠিয়ে জমায়েত করেছিলেন।এই সব অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে একাধিক আবেদন জানিয়েছে ইডি। মুখ্যমন্ত্রী যে বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে কোনও তথ্য যেন ডিলিট বা ক্লোন না করা হয়, সেই নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কয়লা পাচার তদন্তে যুক্ত কোনও কেন্দ্রীয় আধিকারিকের বিরুদ্ধে যেন কলকাতা বা বাংলার কোনও থানায় এফআইআর গ্রহণ না করা হয়, সেই আবেদনও জানানো হয়েছে। শেক্সপিয়ার সরণী থানায় দায়ের হওয়া এফআইআর স্থগিত রাখার আর্জিও জানানো হয়েছে। সবশেষে আইপ্যাক-কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিও তুলেছে ইডি।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

ইডি হানার পরই রাজ্যে বিশেষ বাহিনী! RAF নামল কলকাতায়

ইডির তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যে পাঠানো হল সিআরপিএফের বিশেষ বাহিনী। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের অফিস এবং আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সময় সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, তিনি কিছু নথি ও হার্ডডিস্ক সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। এই ঘটনার পরেই রাজ্যে আসে সিআরপিএফের এক কোম্পানি র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স বা RAF।সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে এই এক কোম্পানি RAF বাংলায় পাঠানো হয়েছে। আপাতত বাহিনীটিকে রাজারহাটের সিআরপিএফ ক্যাম্পে রিজার্ভে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি ইডি বা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে, অথবা কোনও বড় আইনশৃঙ্খলার সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে এই RAF বাহিনীকে কাজে লাগানো হবে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে কোনও রাজনৈতিক উত্তেজনা বা হিংসার ঘটনা ঘটলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হতে পারে এই বিশেষ বাহিনীকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় RAF-এর কাছে রয়েছে বিশেষ গাড়ি ও অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, যা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।এদিকে আইপ্যাক-কাণ্ডের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিরাপত্তা নিয়েও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে রয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দফতর। সিবিআই সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ওই কমপ্লেক্সে কোনও আধাসেনা মোতায়েন ছিল না। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল একটি বেসরকারি সংস্থা। তবে সাম্প্রতিক ঘটনার পর সিজিও কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।আইপ্যাক-কাণ্ড ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাতের আবহে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ? এসআইআর মামলায় নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় শীর্ষ আদালত

ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে নোটিস পাঠিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং দোলা সেনের করা মামলার ভিত্তিতে এই নির্দেশ দিয়েছে আদালত।এদিন এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্যে চলা নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আলাদা করে মামলা করেছিলেন দুই তৃণমূল সাংসদ। সেই মামলার শুনানিতেই এদিন নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। সাংসদদের পক্ষে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।শুনানিতে কপিল সিব্বল অভিযোগ করেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় একাধিক গাফিলতি ও অনিয়ম হয়েছে। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন বহু ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নির্দেশ পাঠাচ্ছে, যা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও জানান, বাংলার বহু ভোটারকে অযৌক্তিক ভাবে চিহ্নিত করে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। কমিশনের তরফে যে সব অমিল বা লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সির কথা বলা হচ্ছে, তার অনেকটাই বাস্তবে অযৌক্তিক বলে দাবি করেন তিনি।আইনজীবীর এই যুক্তি শুনে নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব তলব করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশে কমিশনের উদ্দেশে নোটিস জারি করা হয়। শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জবাব দিতে তাদের দুসপ্তাহ সময় প্রয়োজন। কিন্তু প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই সপ্তাহের মধ্যেই হলফনামা জমা দিতে হবে।আদালত জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই কড়া অবস্থান ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরএসি নেই, ওয়েটিং নেই! বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলের

আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরই বাংলা থেকে গড়াতে চলেছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের চাকা। হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলবে এই নতুন প্রিমিয়াম ট্রেন। আগামী ১৭ জানুয়ারি মালদহ স্টেশন থেকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই ট্রেন চালু হওয়ার খবরে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে।এবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় আপডেট সামনে আনল রেল। জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে কোনও আরএসি বা ওয়েটিং লিস্ট টিকিট থাকবে না। শুধুমাত্র কনফার্ম টিকিটেই যাত্রা করা যাবে। অর্থাৎ টিকিট কাটলে সিট বা বার্থ নিশ্চিত থাকবেই।রেল সূত্রে খবর, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ন্যূনতম ভাড়া ধরা হয়েছে ৪০০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য। রাজধানী এক্সপ্রেস বা শতাব্দী এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেনের ভাড়া সামান্য বেশি হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে যাত্রীদের জন্য থাকবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ থাকবে। পাশাপাশি বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্যও আলাদা কোটা থাকছে। ডিউটি পাস কোটার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।ভাড়ার হিসাব অনুযায়ী, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ধরা হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা। ২এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া হবে ৩ টাকা ১০ পয়সা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রতি কিলোমিটারে ৩ টাকা ৮০ পয়সা।যেহেতু ন্যূনতম ৪০০ কিলোমিটারের ভাড়া নেওয়া হবে, তাই ৩এসি শ্রেণিতে ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাত্রার জন্য খরচ পড়বে ৯৬০ টাকা। ২এসি শ্রেণিতে এই ভাড়া হবে ১২৪০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে ১৫২০ টাকা। এই ভাড়ার সঙ্গে অতিরিক্ত জিএসটি যোগ হবে।হাওড়া থেকে গুয়াহাটির দূরত্ব প্রায় ১০০০ কিলোমিটার। এই পথে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ২৪০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৩১০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে প্রায় ৩৮০০ টাকা।রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে ২০০০ কিলোমিটার দূরত্বের যাত্রায় ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৪৮০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৬২০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৭৬০০ টাকা। ৩০০০ কিলোমিটার দূরত্বের ক্ষেত্রে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৭২০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৯৩০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পৌঁছবে প্রায় ১১ হাজার ৪০০ টাকায়।বর্তমানে হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলা সরাইঘাট এক্সপ্রেসে সর্বোচ্চ ভাড়া ৩এসি শ্রেণিতে ১৪১০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ১৯৮৫ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৩৩২০ টাকা।সময়সূচি অনুযায়ী, হাওড়া থেকে গুয়াহাটিগামী বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে এবং পরের দিন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে গুয়াহাটিতে পৌঁছবে। গুয়াহাটি থেকে এই ট্রেন ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট নাগাদ এবং পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হাওড়ায় পৌঁছবে। সপ্তাহে ছয় দিন এই ট্রেন চলবে। বৃহস্পতিবার ট্রেনটি চলবে না।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

কাজের কাগজেই ভোটাধিকার! উত্তরবঙ্গের চা বাগান শ্রমিকদের জন্য বড় ছাড় নির্বাচন কমিশনের

উত্তরবঙ্গের চা এবং সিঙ্কোনা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ছাড় ঘোষণা করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে এবার কাজের নথিই যথেষ্ট বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে বহু বাগান শ্রমিকের ভোটাধিকার পাওয়ার পথ অনেকটাই সহজ হল।রবিবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হলে সংশ্লিষ্ট চা বা সিঙ্কোনা বাগানে কাজ করার প্রমাণপত্র জমা দিলেই হবে। তবে তার সঙ্গে বৈধ বাসস্থানের প্রমাণপত্র যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। এই দুটি নথি থাকলেই ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে আর কোনও সমস্যা হবে না।এই বিশেষ ছাড় শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের সাতটি জেলার জন্য প্রযোজ্য। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহার জেলার চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকরাই এসআইআর পর্বে এই সুবিধা পাবেন।প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য প্রথমে মোট ১১টি নথি নির্ধারণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে আরও দুটি নথি যুক্ত করা হয়আধার কার্ড এবং বিহারের এসআইআর সংক্রান্ত নথি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গের বহু চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকের কাছেই এই নথিগুলি নেই। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁরা বাগানের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আধুনিক পরিচয়পত্র অনেকের কাছেই অধরা।এই পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গের সাত জেলার জেলাশাসকরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানান, যাতে বাগানের কাজের নথিকেই ভোটার তালিকাভুক্তির প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অবশেষে সেই দাবিতে সায় দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এর পাশাপাশি, রাজ্যের প্রান্তিক এবং বিচ্ছিন্ন এলাকার মানুষের কথা মাথায় রেখে এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়াতেও বড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন। ডিসেন্ট্রালাইজড হিয়ারিং সেন্টার বা বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্র চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দুর্গম বা প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষও সহজে এসআইআর শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা হাইকোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতি কে? জানুন বিচারপতি সুজয় পালের পুরো প্রোফাইল

কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন বিচারপতি সুজয় পাল। এতদিন তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। গত ৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামের বৈঠকে তাঁর নামেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে চূড়ান্ত সিলমোহর দেওয়া হয়।প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম অবসর নেওয়ার পর থেকেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি সুজয় পাল। তার আগে এই পদে ছিলেন বিচারপতি সৌমেন সেন। পরে তাঁকে মেঘালয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হলে সেই পদে আসেন বিচারপতি সুজয় পাল।বিচারপতি সুজয় পালের জন্ম একটি প্রবাসী বাঙালি পরিবারে। তবে তাঁর বেড়ে ওঠা মধ্যপ্রদেশে। তিনি এলএস ঝা মডেল স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে রাণি দুর্গাবতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখান থেকেই আইন বিষয়ে পড়াশোনা করে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার পর ২০১১ সালে তিনি জব্বলপুরে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন। পরে তাঁর ছেলে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করায় তাঁকে তেলঙ্গানা হাইকোর্টে বদলি করা হয়। এরপর ২০২৫ সালের ২৬ মে বি আর গাভাইয়ের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম তাঁকে কলকাতা হাইকোর্টে বদলির সুপারিশ করে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১৮ সালে কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতির অবসরের পর আর কোনও বাঙালি বিচারপতি এই পদে আসেননি। সেই পরিস্থিতি এখনও বদলাল না। নতুন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে ফের এক নতুন অধ্যায় শুরু হল বলে মনে করছেন আইন মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal