• ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২, শনিবার ০৭ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Modi

দেশ

ইসরোর বিক্রমে ‘হাতের মুঠোয় চাঁদ’, জোছনা এবার আড়ি করেনি

ইতিহাসের সাক্ষী থাকলো সারা বিশ্ববাসী। অন্তরীক্ষে ইতিহাস ভারতের। বিশ্বের প্রথম দেশ হিশাবে চাঁদের বুকে বীর বিক্রমে রোভার প্রজ্ঞানকে পেটে নিয়ে চাঁদের বুকে পা রাখলো ভারত। বুধবার ঠিক সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করল চন্দ্রযান-৩। অবতরণের শেষ ২০ মিনিট নিয়ে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ইসরোর বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা ও দুশ্চিন্তায় কেটেছে। শেষ ভালো যার সব ভালো। কোনওরকম সমস্যা তৈরি না করে সমস্ত কিছুই পরিকল্পনা মাফিক হয়ে চাঁদের বুকে সফট ল্যান্ডিং করল সম্পূর্ন ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ল্যান্ডার বিক্রম। চাঁদের মাটি ছুঁয়েই ল্যান্ডারের বিক্রম ভারতকে অভিনন্দন বার্তা পাঠালো। এবার বিক্রমের পেট থেকে বেরিয়ে রোভার প্রজ্ঞান কি কি আজানা খবর দেয় তার দিকেই তাকিয়ে ইসরো-র বিজ্ঞানীরা।উল্লেখ্য, ২০২৩ এর ১৪ জুলাই ভারতের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে রওনা করে ছিল চন্দ্রযান-৩। ইসরোর তৈরি মহাবলী মার্ক-৩ রকেটে চড়ে কক্ষপথে পাড়ি দেয় এই মহাকাশ যানটি। যাত্রাপথে ৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটারে পথ নির্বিঘ্নে প্রতিটি ধাপ সে সফলভাবে পেরিয়েছে। আগস্ট মাসের ৫ তারিখ চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছয় চন্দ্রযান-৩। ১৯ আগস্ট মূল মহাকাশ যান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে চন্দ্রাভিযানের উদ্দশ্যে রওনা দেয় ল্যান্ডার বিক্রম।Chandrayaan-3 Mission:All set to initiate the Automatic Landing Sequence (ALS).Awaiting the arrival of Lander Module (LM) at the designated point, around 17:44 Hrs. IST.Upon receiving the ALS command, the LM activates the throttleable engines for powered descent.The pic.twitter.com/x59DskcKUV ISRO (@isro) August 23, 2023ইসরো বিজ্ঞানীদের হয়ত বা চার বছর আগের ব্যর্থতার সেই মহুর্তে বার বার মনে আসছিলো। তীরে এসে তরী ডুববে না তো? ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবারের চন্দ্রযানকে এরর -ফ্রী করে তুলে ইসরোর মহাকাশ বিজ্ঞানীরা যে চেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখেনি তা বলাই বাহুল্য। এবারের অভিযান নিয়ে প্রথম থেকেই আত্মবিশ্বাসে ভরপুর ছিলেন বিজ্ঞানীরা।২০১৯ র অভিযানে ইসরোর ডিরেক্টর কে সিভান চাঁদের বুকে রুক্ষ মাটিতে চন্দ্রযান-২ আছড়ে পড়ার পর যে ভাবে কান্নায় ভেঙে পরেছিলেন সে দৃশ্য সারা দেশ আজও ভুলতে পারেনি। আজকের দিনে সমস্ত যায়গায় তিনিই ছিলেন আলোচনার কেন্দবিন্দুতে। সেই প্রাক্তন ইসরোর প্রধান কে সিভান কিন্তু এবারের অভিযানের সফলতার প্রতি সম্পূর্ন আস্থা ও আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, দ্বিতীয় চন্দ্রযানের করা ভুল তৃতীয় আর পুনরাবৃত্তি করবে না। তিনি কতটা ঠিক ছিলেন তা অক্ষরে অক্ষরে মিলে গেল।

আগস্ট ২৩, ২০২৩
দেশ

মনিপুরে বিরোধী জোটের প্রতিনিধি দল, বৈঠক সারলেন রাজ্যপালের সঙ্গে

হিংসাদীর্ণ মণিপুরে পরিদর্শন করছেন বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা। মূলত বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের প্রতিনিধিরা মনিপুর গিয়েছেন। এদিন সেখানে রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার প্রতিনিধিদল। মোদি সরকারকে মণিপুর পরিস্থিতির জন্য দায়ী করে আক্রমণ শানিয়েছেন ওই দলের সদস্য়রা। পাশাপাশি রাজ্যপালকে পরিস্থিতি আয়ত্ত্বে আনার জন্য দাবি জানান। রবিবার কংগ্রেসের লোকসভার নেতা তথা ইন্ডিয়া জোটের অন্যতম প্রতিনিধি অধীর চৌধুরী বলেন, গতকাল থেকে সাধারণ মানুষের যন্ত্রনা-দুর্দশা দেখছি। যাবতীয় বিষয় নিয়ে আমি রাজ্যপালকে বলেছি। আমার সব কথাতেই মান্যতা দিয়ে সহমত প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল। কেন্দ্রীয় সরকারের যে খামতি আমার চোখে পড়েছে, সাধারণ মানুষের সরকারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ রয়েছে, এই সমস্ত ইস্যু আমরা রাখব। দ্রুত মণিপুরের সমস্যার সমাধান বার করার জন্য আলোচনার দাবি জানিয়েছেন অধীর চৌধুরী।দীর্ঘ সময় ধরে মণিপুরে হিংসা চলছে। এই সপ্তাহেও এলোপাথারি গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। একাধিক বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। সম্প্রতি দুই মহিলাকে নগ্ন করে ঘোরানোর ভিডিও সর্বত্র ভাইরাল হয়ে যায়। যা নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। হিংসার জেরে গ্রাম ছেড়েছেন বহু মানুষ। পাশাপাশি ওই রাজ্যে চলছে অগ্নিসংযোগ ও ব্যাপক লুটপাট। এখনও পর্যন্ত ১৬০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হওয়ার নির্মম ঘটনা মনিপুরের সর্বত্র। মহিলাদের ওপর নির্যাতন বাড়ছে। মনিপুরের ঘটনা নিযে সংসদের বাদল অধিবেশন উত্তাল হয়ে উঠেছে।

জুলাই ৩০, ২০২৩
দেশ

জোট ‘ইন্ডিয়া’: মোদীর ‘পছন্দের'! জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নরেন্দ্র মোদী দুজনেরই লক্ষ্য ২৪-এর লোকসভা নির্বাচন। আগামী লোকসভা ভোটে বিজেপিকে কুপোকাত করতে উদ্যোগী বিরোধীরা। ইন্ডিয়া জোট গড়ে লোকসভার লড়াইয়ে বিজেপি নেতৃত্এবাধীন নডিএ-কে নাস্তানাবুদ করতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে জোট ইন্ডিয়া।তবে বিরোধী জোটের ইন্ডিয়া নামে ঘোরতর কটাক্ষ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বিরোধী জোটের সঙ্গে জঙ্গি গোষ্ঠীরও তুলনা পর্যন্ত টেনেছেন নরেন্দ্র মোদী। এবার সেই প্রসঙ্গেই প্রধানমন্ত্রীকে সটান জবাব দিলেন বিজেপি বিরোধী জোটের অন্যতম উদ্যোক্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মঙ্গলবার বিকেলে রাজভবনে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজভবন থেকে বেরিযে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। সেখানেই মোদীর ইন্ডিয়া জোটকে কটাক্ষ করা ইস্যুতে মুখ খোলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। ইন্ডিয়া জোটের নাম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বাঁকা মন্তব্য প্রসঙ্গে এদিন পাল্টা সোজা কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে অনেক ধন্যবাদ। আমার মনে হয় ইন্ডিয়া নামটা ওঁর পছন্দ হয়েছে। উনি মন থেকেই গ্রহণ করেছেন। জনসাধারণও এই নাম গ্রহণ করেছেন। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে কিছু তো বলতে হবে, তাই বলেছেন। ইন্ডিয়া টিম যখন খেলতে নামে তখন কি কেউ মুজাহিদিন বলে? দেশটার নামই তো ইন্ডিয়া। আমাদের মাতৃভূমি ইন্ডিয়া। যত এই নাম নিয়ে যত বাজে কথা বলবে তত মনে হবে এই নাম ওদের পছন্দ হয়েছে।মঙ্গলবার বিকেলে রাজভবনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। আধ ঘন্টারও বেশি সময় তিনি বৈঠক সেরেছেন রাজ্যপালের সঙ্গে।

জুলাই ২৫, ২০২৩
রাজ্য

পুরসভা-নগরোন্নয়ন দফতরে সিবিআই, করমন্ডলের দুর্ঘটনার তদন্ত নিয়ে বিষ্ফোরক মমতা

রেল দুর্ঘটনায় সিবিআই তদন্ত শুরু হওয়ার পরের দিনই রাজ্যের ১৪টি পুরসভা ও সল্টলেকের নগরোন্নয়ন দফতরে হানা দেয় সিবিআই। বুধবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে এক অনুষ্ঠানে করমন্ডল এক্সপ্রেসে নিহতদের পরিবার ও আহতদের আর্থিক সাহায্য দেয় রাজ্য সরকার। ওই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় বিষ্ফোরক মন্তব্য করেছেন সিবিআই তদন্ত নিয়ে। করমন্ডল এক্সপ্রেসে সিবিআই তদন্ত প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, এতবড় ঘটনা কী করে ধামাচাপা দেওয়া যায় তার প্রচেষ্টা চলছে। কেন দুর্ঘটনা ঘটল, কেন এত লোক মারা গেল? ধামাচাপা দেওয়ার জন্য সঠিক তদন্ত হল না। কোনও এভিডেন্স নেই। এদিকে সিবিআই নগরোন্নয়ন দফতরে ঢুকে গেছে। এখন কি বাথরুমেও ঢুকবে? মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এসব করে ধামচাপা দেওয়া যাবে না। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে চাঁদের চূড়ান্ত শাস্তি হোক। কেন্দ্রীয় এজেন্সি কর্পোরেশনে জল,কল দেখতে গেলে আগামী দিন কিন্তু ভয়ঙ্কর হবে, হুঁশিয়ার দেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতার বক্তব্য, টাকা দয়া করে দিচ্ছেন না। আমরা ১৫ লক্ষ টাকা দিতাম। আমরা এক্সট্রা করছি(রাজ্য সরকার)।

জুন ০৭, ২০২৩
রাজনীতি

কর্নাটকে পদ্ম জলে, বিপুল আসন নিয়ে কুর্সি ধরল হাত

কর্নাটক বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি কংগ্রেসের অর্ধেক আসনেও জয় পেল না। কংগ্রেসের ঝড়ে উড়ে গিয়েছে পদ্ম। জেডিএসও কোনওরকমে ধরে রেখেছে নিজেদের অস্তিত্ব। মোদ্দা কথা কর্নাটকে হেরে বিজেপি আপাতত দক্ষিণ ভারত থেকে বিদায় নিল। লোকসভা নির্বাচনের আগে মনোবল বাড়ল হাতশিবিরের।কর্নাটক বিধানসভা ইতিমধ্যে ১৩৫টি কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে কংগ্রেস। ১টি আসনে এগিয়ে আছে। অর্থাৎ মোট ১৩৬টি আসন পেতে চলেছে রাহুল গান্ধির দল। কংগ্রেস এবার আগের থেকে ৫৬টি আসন বেশি পেয়েছে। অন্য়দিকে বিজেপি মোট ৬৫টি আসন পেয়েছে বিজেপি। গতবারের থেকে ৩৯টি আসন কম পেয়েছে। জেডিএস ১৯টি আসন পাচ্ছে, অন্য়দের দখলে যেতে চলেছে ৪টি আসন।জেডিএস গত বিধানসভা নির্বাচনের থেকে ১৮টি আসন কম পেয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি এই জয়ের জন্য কর্নাটকের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এই জয়কে ভালবাসার জয় বলে আখ্য়া দিয়েছেন রাহুল। রাহুলের কথায়, ঘৃনার বাজার বন্ধ হল ভালবাসার দোকান খুলল কর্নাটকে। বিজেপির হয়ে একাধিক জনসভা ও রোডশো করেছেন নরেন্দ্র মোদি। তা কাজে লাগেনি দক্ষিণের ওই রাজ্য়ে। কর্নাটক জয়ের জন্য কংগ্রেসকে ধন্যবাদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

মে ১৩, ২০২৩
দেশ

গুজরাটে বিরোধীদের দুরমুশ করে ফের ক্ষমতার দোরগোড়ায় বিজেপি, হিমাচলে হাড্ডাহাড্ডি

মরবি সেতু দুর্ঘটনার পর এভাবেও যে ক্ষমতায় আসা যায় তা হয়তো ভাবেননি স্বয়ং নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহ। ফলাফলের ট্রেন্ড দেখে বোঝাই যাচ্ছে রীতিমতো কংগ্রেসসহ বিরোধীদের ওপর যেন বুলডোজার চালিয়ে দিয়েছে। দুরমুশ করে এখনও অবধি গুজরাটে ১৮২টি আসনের মধ্যে ১৫১টি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। কংগ্রেস মাত্র ১৯টি আসনে ও আম আদমি পার্টি ৮টি আসনে এগিরয়ে রয়েছে। অন্যরা এগিয়ে রয়েছে ৪টি আসনে। গুজরাটে নিরঙ্কুশ ভাবে এগিয়ে থাকলেও হিমাচলপ্রদেশে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। এই পাহাড়ী রাজ্যের ৬৮ আসনের মধ্যে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ৩৩টি আসনে, কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ৩১টি আসনে। এই রাজ্যে নির্দলরা এগিয়ে রয়ছে ৪টি আসনে।গুজরাটে টানা ২৭ বছর ক্ষমতায় থাকার পরও সরকার বিরোধী কোনও হাওয়াই তুলতে পারেনি কংগ্রেস। আপ এবার সেখানে প্রথমবার লড়াই করেই আপাতত ৮ আসনে এগিয়ে রয়েছে। গত বিধানসভা নির্বাচনে গুজরাটে ৭৭টি আসনে জয় পেয়েছিল কংগ্রেস। সেই আসন ধরে রাখা দূরের কথা, তার কাছাকাছিও এবার নেই হাতশিবির। জিগনেশ মেভানি, মহেন্দ্র সিং বাঘেলাসহ তাবড় কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব পিছিয়ে রয়েছেন। তবে হিমাচলে কখনও কংগ্রেস এগোচ্ছে কখনও বিজেপি এগিয়ে যাচ্ছে। মোদ্দা কথা হিমাচলে কে সরকার গড়বে এখনই বলা মুশকিল। কিন্তু মোদি-শাহের রাজ্যে বিজেপির সরকার গঠন করা শুধু সময়ের অপেক্ষা।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২২
দেশ

কেন বিজেপি এনডিএ-র উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হিসাবে জগদীপ ধনকড়কে বেছে নিল?

ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে এনডিএ-র সহ-রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসাবে বেছে নিয়েছে। উপরাষ্ট্রপতি পদের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৬ আগস্ট। এই পদে ধনকড়কে বেছে নেওয়ার কারণ হিসাবে অভিজ্ঞ মহল মনে করছে, রাজস্থান এবং হরিয়ানায় আসন্ন নির্বাচন যথাক্রমে ২০২৩ এবং ২০২৪ সালে হবে, এই দুই রাজ্যই কৃষি প্রধান, বিজেপি সে হাওয়া কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিক লভ্যাংশ তোলার অঙ্কে ঝাঁপিয়েছে। ধনকড়ের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, গ্রামীণ পটভূমি এবং জাট সম্প্রদায়ের সমর্থন বিজেপির পক্ষে কাজ করবে বলে তাঁদের আশা।কিষাণ পুত্রধনকড়ের নাম ঘোষণা করার সময়, ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ধনকড়কে একজন কিষাণ পুত্র (কৃষকের সন্তান) হওয়ার জন্য প্রশংসা করে বলেছিলেন ধনকড় নিজেকে জনগণের রাজ্যপাল হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। জেপি নাড্ডা ধনকড়ের নম্র স্বভাব এবং মানুষের সাথে নিবিড় সংযোগ স্থাপন করার ক্ষমতা বিশেষ ভাবে উল্লেখ করেন।Kisan Putra Jagdeep Dhankhar Ji is known for his humility. He brings with him an illustrious legal, legislative and gubernatorial career. He has always worked for the well-being of farmers, youth, women and the marginalised. Glad that he will be our VP candidate. @jdhankhar1 pic.twitter.com/TJ0d05gAa8 Narendra Modi (@narendramodi) July 16, 2022এখানে উল্লেখ্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও তাঁর সামাজিক মাধ্যমে উপরাষ্ট্রপতি পদ পার্থী জগদীপ ধনকড়কে কিষাণ পুত্র বলে সম্বোধন করেছেন। তিনি টুইটে লিখেছেন, কিষাণ পুত্র জগদীপ ধনকড়-জি তাঁর নম্র স্বভাবের জন্য পরিচিত। তিনি একজন বিখ্যাত আইনজীবী। তিনি আইন প্রণয়ন, প্রশাসন এবং সরকারের মধ্যে এক যোগসুত্র তৈরি করেন। তিনি সর্বদা কৃষক, যুবক, মহিলা এবং প্রান্তিকদের কল্যাণের জন্য কাজ করেছেন। আমরা এই ভেবে যার পরনাই আনন্দিত যে তিনি আমাদের উপরাষ্টপতি প্রার্থী হবেন।জগদীপ ধনকড় রাজস্থানের ঝুনঝুনু জেলার কিথানা গ্রামের আদি বাসিন্দা। ভারতীয় জনতা পার্টি, কৃষক পুত্র ধনকড়কে বেছে নিয়ে কৃষকদের কাছে একটি বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে যে এটি একটি কৃষকপন্থী দল।সাংবিধানিক জ্ঞানপশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের প্রগাঢ় আইনি ও আইনিসভার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি ১৯৮৯-এ ঝুনঝুনু সংসদীয় নির্বাচনী এলাকা থেকে নবম সাংসদ নির্বাচিত হন। তিনি চন্দ্রশেখর সরকারের সংসদীয় বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।তিনি ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৮ অবধি রাজস্থানের আজমির জেলার কিষাণগড় বিধানসভায় জয়লাভ করে রাজস্থান বিধানসভায় নির্বাচিত হয়েছিলেন।ধনকড় লোকসভা এবং রাজস্থান বিধানসভা উভয় ক্ষেত্রেই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। ধনকড় সুপ্রিম কোর্ট এবং রাজস্থান হাইকোর্ট দুই জায়গাতেই বর্ষীয়াণ আইনজীবী ছিলেন।৩০ জুলাই, ২০১৯-এ ধনকড় বিধানসভা ভোটের আগে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল নিযুক্ত হয়েছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসন এবং রাজ্য বিধানসভার সাথে কোনও বিতর্ক উত্থাপনের সময় তিনি বারবার উল্লেখ করেছেন যে, তিনি আইন এবং সংবিধান অনুসরণ করে চলবেন।ধনকড়ের প্রশংসা করে, প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন যে তিনি আইন প্রণয়ন বিষয়ে বিশেষ পারদর্শী এবং রাজ্যসভার জন্য তিনি একদম সঠিক ব্যক্তি হবেন।রাজনৈতিক এবং আইনগত অভিজ্ঞতাতিনি রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হয়ে গেলে, জগদীপ ধনকড়ের রাজনৈতিক ও আইনি অভিজ্ঞতা বিজেপিকে উচ্চকক্ষে বিল পাস করতে এবং বিরোধী নেতারা যেখানে বেশি সক্রিয় থাকে সেখানে হাউস চালানোর জন্য চুক্তিগুলি সহজতর করতে সহায়তা করতে পারে।Shri Jagdeep Dhankhar Ji has excellent knowledge of our Constitution. He is also well-versed with legislative affairs. I am sure that he will be an outstanding Chair in the Rajya Sabha guide the proceedings of the House with the aim of furthering national progress. @jdhankhar1 pic.twitter.com/Ibfsp1fgDt Narendra Modi (@narendramodi) July 16, 2022উপ-রাষ্ট্রপতি পদে বসে, জগদীপ ধনকড়ের বর্তমান চ্যালেঞ্জ হল রাজ্যসভার কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা এবং মুলতুবি থাকা বিলগুলিতে ঐক্যমতে পৌঁছানো। এইমুহুর্তে রাজ্যসভায় ২৬টি বিল মুলতুবি রয়েছে।জাট ফ্যাক্টররাজস্থান এবং হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচন যথাক্রমে ২০২৩ এবং ২০২৪-এর নির্ধারিত, এবং সেই ভোটে জয়-পরাজয়ে বিশেষ ভূমিকা থাকবে জাট ভোটারদের। বিজেপির আশা সেই ভোটে ধনকড়ের উপরাষ্ট্রপতি একটা ফ্যাক্টর হয়ে উঠবে।যদিও জাটরা রাজস্থানের জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ, শেখাওয়াতি এবং মারওয়ার অঞ্চলে তাদের উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে। এদিকে, কয়েক দশক ধরে হরিয়ানার রাজনীতিতে জাট সম্প্রদায়ের আধিপত্য রয়েছে। বর্ণ সমীকরণের অঙ্ক বিজেপিকে ২০১৪-র হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনে রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের সুযোগ দিয়েছে।২০১৩ পর্যন্ত, বিজেপি ব্রাহ্মণ, ব্যবসায়ী ও রাজপুতদের দল হিসাবে পরিচিত ছিল। ২০১৩ পর, বিজেপি হরিয়ানায় জাট সম্প্রদায়ের কাছে পৌঁছেছিল। উল্লেখ্য জাট সম্প্রদায় হরিয়ানার জনসংখ্যার প্রায় ২৫ থেকে ২৮ শতাংশ।

জুলাই ১৭, ২০২২
দেশ

এই প্রথম রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী আদিবাসী মহিলা, জেপি নাড্ডার ঘোষণায় বিরাট চমক

ওড়িষার আদিবাসী মহিলাকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করে চমকে দিল বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। এদিন অবিজেপি জোট রাষ্ট্রপতি পদে যশবন্ত সিনহাকে প্রার্থী করেছে। এবার রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী ঘোষনা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। সাংবাদিক বৈঠকে নাড্ডা জানান, ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন রাজ্যপাল দ্রৌপদী মুর্মুকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করছে এনডিএ। কাউন্সিলর থেকে রাজ্যের মন্ত্রী হয়েছিলেন এই আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। পেশাগত ভাবে তিনি শিক্ষিকা।Smt. Droupadi Murmu Ji has devoted her life to serving society and empowering the poor, downtrodden as well as the marginalised. She has rich administrative experience and had an outstanding gubernatorial tenure. I am confident she will be a great President of our nation. Narendra Modi (@narendramodi) June 21, 2022

জুন ২১, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যের বকেয়া দাবি করে ফের প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি মমতার

ফের রাজ্যের বকেয়া পাওনা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১০০ দিনের কাজে কেন্দ্র গত ডিসেম্বর মাস থেকে অর্থ দিচ্ছে না বলে এদিন দুপুরেই টাউনহলে এক সভায় অভিযোগ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ১০০ দিনের টাকা না মেলায় অগ্নিমূল্য বাজারদরে তাঁদের কী হাল হচ্ছে তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।১০০ দিনের কাজে রাজ্যের ভাল ফল সত্বেও কেন টাকা পাচ্ছেন না তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রধানমন্ত্রীকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, গত চার মাস ধরে মনরেগা প্রকল্পের ৬৫০০ কোটি টাকা এখনও পায়নি রাজ্য। এর ফলে নিদারুন সমস্যায় পড়েছেন শ্রমিকরা। এই অর্থ দ্রুত রাজ্যের কোষাগারে পাঠানোর জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন করা হয়েছে।পাশাপাশি চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পে বাংলা বঞ্চিত বলেও অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, সারা দেশে আবাস যোজনা প্রকল্পের আওতায় ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষ থেকে ৩২ লক্ষ বাড়ি বানানো হয়েছে। সেখানে প্রথমেই রয়েছে বাংলা। তা সত্বেও এই প্রকল্পে বাংলার জন্য কোনও অর্থ বরাদ্দ করা হয়নি। মমতার দাবি, কেন্দ্রীয় বরাদ্দ না মেলায় বাংলার উন্নয়ন বাধা পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন মমতা।কেন্দ্রের কাছে ৯৭হাজার কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে বলে কয়েকদিন আগেই দাবি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে তাঁর দাবি ছিল, ওই টাকা কেন্দ্র দিয়ে দিলে আপাতত পেট্রপন্যের ওপর কর নেবে না রাজ্য সরকার। তারপর এবার ১০০দিনের বকেয়া মেটাতে কেন্দ্রকে চিঠি দিলেন মমতা।

মে ১২, ২০২২
রাজ্য

মানুষের পকেট কেটে কেন্দ্রের আয় ১৭ লক্ষ কোটি', ৩০০ টাকা কমনো হোক রান্নার গ্যাসেরঃ মমতা

রান্নার গ্যাসের দাম বেড়েই চলেছে। এখনই রান্নার গ্যাসের দাম কমানোর দাবি জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি মমতার দাবি, যখন বিশ্ব বাজারে তেলের দাম কম ছিল তখন ক্রমাগত দাম বাড়িয়ে গিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রান্নার গ্যাসের দাম ৩০০ টাকা কমানো উচিত। পেট্রল, ডিজেলের দামও কমানো উচিত। যখন সারা বিশ্বে দাম কমিয়েছিল তখনও দাম কমায়নি কেন্দ্র। ওদের একটা ফান্ড থাকবে। নিজের ইচ্ছামত খরচ করবে পার্টির স্বার্থে। দেখাবে সরকার খরচ করছে। মানুষের পকেট কেটে সব দোষ চাপায় রাজ্যের। সাধু সেজেছে সব নন্দ ঘোষ। এটা তো হতে পারে না।এবার মোদি-মমতা পৃথক বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা নেই। একথা বললেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কাল রাতে পৌছাবে পরশু চলে আসব। এবার তাড়াতাড়ি চলে আসব। এবার আর আলাদা করে দেখা হবে না।গতকাল, বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীদের এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পেট্রল, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির জন্য রাজ্যগুলির ওপর দোষ চাপিয়েছেন। তার মধ্যে বাংলার নামও করেছেন তিনি। তবে গতকালের বৈঠক নিয়ে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষুব্ধ তা এদিন তাঁর মন্তব্যে স্পষ্ট।মমতা বলেন, গতকাল কোভিড এজেন্ডা ছিল না। আগামি দিন আরও বাড়াবে তাই দোষটা নিজেরে ঘাড় থেকে ঝাড়বার চেষ্টা করছে। নিজেরা ১৭ লক্ষ ৩ কোটি টাকা আদায় করেছে মানুষের পরকেট কেটে। এই টাকাটা না কাটলেই হত না? ১৪ বার দাম বাড়িয়েছে। রাজ্যকে পাওনা দেবে না। দোষ হলে রাজ্যের দোষ। কোভিড লড়াইতে ক্রেডিট তোমার। মানুষ বিপদে পড়লেও দোষ রাজ্যের।

এপ্রিল ২৮, ২০২২
রাজ্য

রামপুরহাটের ঘটনায় অপরাধীদের শাস্তি দিক রাজ্য, হত্যাকাণ্ড নিয়ে সরব মোদি

রামপুরহাটের বগটুই গ্রামের ঘটনা নিয়ে যখন রাজ্য রাজনীতিতে চাপানউতোর তুঙ্গে তখন মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। বুধবার ভার্চুয়াল মাধ্যমে দিল্লি থেকে কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলের একটি প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন মোদি। সেই অনুষ্ঠানের ভাষণে তিনি বলেন, রামপুরহাট জঘন্য অপরাধ হয়েছে। রাজ্য সরকারকে বলব অপরাধীরা যেন শাস্তি পায়। ইতিমধ্যেই রাজ্য বিজেপি কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের দাবি করেছে। সিবিআই-এর পাশাপাশি এনআইএ তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছে গেরুয়া শিবির। আর তারই মধ্যে মোদি বললেন, এই ঘটনার তদন্তে রাজ্যকে সবরকম সাহায্য করবে কেন্দ্র।মোদি আরও বলেন, আশা করি সরকার অপরাধীদের দ্রুত সাজা দেবে। বাংলার মানুষের কাছে আমার আবেদন, অপরাধীদের যারা প্রশ্রয় দেবে তাদের ক্ষমা করবেন না। ইতিমধ্যেই বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা একটি সত্যতা যাচাই কমিটি তৈরি করেছেন। সেই কমিটির সদস্যরা বুধবার রাতেই কলকাতায় এসে বৃহস্পতিবার বগটুই যাওয়ার কথা। এ সবের মধ্যেই মোদির বার্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ২৩, ২০২২
দেশ

অসমের পুরভোটে বিরাট জয় পেল বিজেপি, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

অসমের পুরসভা নির্বাচনে বিরাট জয় হাসিল করল গেরুয়া শিবির। বিরোধী কংগ্রেস ধুয়েমুছে সাফ। অন্যান্য বিরোধী দলগুলিও দাগ কাটতে পারেনি। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এবারই প্রথম অসমের পুরভোট হয়েছিল ইভিএমে। এর ফলে উত্তরপ্রদেশ-সহ পাঁচ রাজ্যের ভোট গণনার ঠিক আগের দিন বাড়তি আত্মবিশ্বাস পেয়ে গেল বিজেপি ।অসম নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, যে ৮০টি পুরসভায় দিন দুই আগে নির্বাচন হয়েছে তার মধ্যে ৭৭টিতেই বিজেপি এবং জোটসঙ্গীরা বোর্ড গঠন করতে চলেছে। কংগ্রেস মাত্র একটি পুরসভায় বোর্ড গঠনে এগিয়ে। অসম গণ পরিষদ এগিয়ে মাত্র ২টি পুরসভায়। আসনের নিরিখে ফলাফল আরও চমকপ্রদ। অসমের মোট ৯৭৭ আসনের মধ্যে বিজেপির দখলে গিয়েছে ৮০৭টি। কংগ্রেসের দখলে গিয়েছে মাত্র ৭১টি আসন। অন্যান্য এবং নির্দলরাও কংগ্রেসের থেকে বেশি আসন পেয়েছে। তাঁদের দখলে গিয়েছে ৯৯টি আসন।Gratitude to the people of Assam for blessing BJP and our allies in the recently concluded municipal elections. This shows their faith in our Partys development agenda. I applaud our hardworking Karyakartas for their efforts and service among people. @BJP4Assam https://t.co/m4QteI8Ca7 Narendra Modi (@narendramodi) March 9, 2022এই বিরাট সাফল্যে স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত গেরুয়া শিবির। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা এই জয়ের কৃতিত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও অসমের জয় নিয়ে টুইট করেছেন। এই বিপুল জনসমর্থনের জন্য অসমবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।

মার্চ ০৯, ২০২২
দেশ

মহাশিবরাত্রিতে দেশবাসীর জন্য মঙ্গলকামনা প্রধানমন্ত্রীর

মহাশিবরাত্রি উপলক্ষে সমস্ত দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মহাদেবের কাছে সকলের জন্য মঙ্গলও কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার মহাশিবরাত্রির পবিত্রক্ষণে টুইট করে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, মহাশিবরাত্রি উপলক্ষে আপনাদের সকলকে শুভেচ্ছা। দেবতাদের দেবতা মহাদেব সকলের মঙ্গল করুক। ওঁম নমঃ শিবায়।महाशिवरात्रि के पावन-पुनीत अवसर पर आप सभी को मंगलकामनाएं। देवों के देव महादेव सबका कल्याण करें। ओम नम: शिवाय। Narendra Modi (@narendramodi) March 1, 2022মহাশিবরাত্রি উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালেই উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরের গোরক্ষনাথ মন্দিরে পূজার্চনা করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।পাশাপাশি মহাশিবরাত্রি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রহরে প্রহরে মহাদেবের পুজো করছেন ভক্তরা। মন্দিরে মন্দিরে ভিড় দেখতে পাওয়া যাচ্ছে ভক্তদের। জম্মু-কাশ্মীরের রিয়েসি জেলায় শম্ভু মহাদেব মন্দিরে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে মহাদেবের পূজার্চনা করা হয়।

মার্চ ০১, ২০২২
দেশ

ভারতীয়দের উদ্ধারের পর বাকি সব কাজ, সাফ বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

যুদ্ধ শুরু হয়েছে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে। প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্য়ে এই যুদ্ধ ঘিরে গোটা বিশ্ব দুই দলে ভাগ হয়ে যাওয়ায়, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে। এই টানাপোড়েনের পরিস্থিতিতে ভারত কোনও দেশের পক্ষই না নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানসূত্র খোঁজার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে যুদ্ধের মাঝে ইউক্রেনে আটকে পড়েছেন প্রায় ১৮ হাজার ভারতীয় নাগরিক। কীভাবে তাদের সুরক্ষিতভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েই বৈঠকে বসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবারই তিনি উত্তরপ্রদেশ থেকে নির্বাচনী প্রচার সেরে দিল্লিতে ফেরেন, এরপরই তিনি বিদেশ মন্ত্রক-সহ একাধিক মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন। কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে সেই বৈঠক চলে। মূলত ভারতীয়দের উদ্ধার করে আনা নিয়েই কথা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাতেই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী। দুই ঘণ্টা ধরে চলা সেই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, যুদ্ধের মাঝে ইউক্রেনে যে সমস্ত ভারতীয়রা আটকে রয়েছেন, তাদের সুরক্ষিতভাবে দেশে ফিরিয়ে আনাই আপাতত কেন্দ্রের কাছে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইউক্রেনে ভারতীয় পডুয়াদের সুরক্ষার ব্যবস্থা এবং তাদের সুরক্ষিতভাবে ওই দেশ থেকে কীভাবে উদ্ধার করে আনা যায়, তার উপরই বিশেষ জোর দিতে হবে।কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইউক্রেনের এয়ারস্পেস বন্ধ থাকায় আপাতত হাঙ্গেরি, রেমানিয়ার মতো প্রতিবেশী দেশগুলিতেই ভারতীয় উদ্ধারকারী বিমান পাঠানো হচ্ছে। দ্রুত ও আরও সুষ্ঠভাবে যাতে উদ্ধারকার্য পরিচালন করা যায়, তার জন্য ইউক্রেনের প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে আলোচনা করার কথাও বলেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।সূত্রের খবর, বিদেশ সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা একটি উপস্থাপনা পেশ করেন প্রধানমন্ত্রীর সামনে। ইউক্রেনে যে প্রায় ১৮ হাজার ভারতীয় আটকে রয়েছে, যাদের মধ্যে ১৬ হাজারই পড়ুয়া, তাদের বর্তমান অবস্থা, ইউক্রেনে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের কার্যপদ্ধতি এবং উদ্ধারকার্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীকে। ভারতীয়দের উদ্ধারের জন্য যে অপারেশন গঙ্গা শুরু করা হয়েছে এবং তার অধীনে ইতিমধ্যেই চারটি বিশেষ বিমানে কয়েক হাজার ভারতীয়কে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, সেই বিষয়েও অবগত করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। বাকি যারা এখনও আটকে রয়েছেন, তাদের দ্রুত ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হয় এবং যারা এই মুহূর্তে ফিরতে চান না, তাদের জন্যও যাতে নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়, তার নির্দেশ দিয়েছেন নমো।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
দেশ

কৃষিক্ষেত্রে নয়া অধ্যায়, ১০০ টি কিষাণ ড্রোনের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী

কৃষকদের সুবিধার্থে, শনিবার দেশের বিভিন্ন শহর ও টাউনে ১০০টি কিষাণ ড্রোনের সূচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই কিষাণ ড্রোনের সাহায্যে জমিতে কীটনাশক স্প্রে করতে সুবিধা হবে কৃষকদের। এই কিষাণ ড্রোনের সূচনাকে আধুনিক কৃষি সুবিধার ক্ষেত্রে নয়া অধ্যায় বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, একবিংশ শতাব্দীতে আধুনিক কৃষি সুবিধার লক্ষ্যে একটি নতুন অধ্যায়। আমি নিশ্চিত এই সূচনা শুধুমাত্র ড্রোন সেক্টরের উন্নয়নে একটি মাইলফলক হিসেবে প্রমাণিত হবে না, বরং সীমাহীন সম্ভাবনার পরিধিও খুলে দেবে।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, আমাকে বলা হয়েছে, গরুড়া অ্যারোস্পেস আগামী ২ বছরে ১ লক্ষ মেড ইন ইন্ডিয়া ড্রোন তৈরির লক্ষ্য স্থির করেছে। এর ফলে যুবসমাজের জন্য নতুন কর্মসংস্থান এবং নতুন সুযোগ তৈরি হবে। প্রসঙ্গত, এদিন ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে রিমোটের বোতাম টিপে কিষাণ ড্রোন যাত্রার সূচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পঞ্জাব, গোয়া, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, অসম, রাজস্থান ও তেলঙ্গানায় ড্রোন যাত্রা ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে।মোদির মতে, ড্রোন শব্দটি শুনলেই অনেকে মনে করেন এটির সঙ্গে সেনাবাহিনীর সঙ্গে কোনও না কোনও যোগ রয়েছে। কিন্তু বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে কেবল ওই ক্ষেত্রেই আবদ্ধ নেই ড্রোনের ব্যবহার। একবিংশ শতাব্দীতে ড্রোনের ব্যবহার কৃষি ক্ষেত্রে নতুন যুগের সূচনা করেছে বলে দাবি প্রধানমন্ত্রীর। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর সরকার ড্রোন সেক্টরে নতুন দিগন্ত খুলতে সময় নষ্ট করেনি। বরং দেশের তরুণ প্রজন্মকে বিশ্বাস করে এক নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে ফেলতে তাঁরা এগিয়ে গিয়েছেন। তাঁর কথায়, আমার সরকার বাজেট ও নীতিগত পদক্ষেপে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে।মোদি জানান, আগামী দুবছরের মধ্যে দেশীয় প্রযুক্তিতে এক লক্ষ ড্রোন তৈরি করতে চাইছে ভারত। পাশাপাশি স্বামীত্ব যোজনার কথাও তুলে ধরেন তিনি। গ্রামের চাষিদের মধ্যে জমির মালিকানা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ এবং ওষুধ, টিকা ও পণ্য পরিবহণের লক্ষ্যে চালকহীন যান ব্যবহারের লক্ষ্য সম্পর্কে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। উল্লেখ্য, এবারের বাজেটে কৃষিক্ষেত্রের আধুনিকীকরণের উপরে জোর দিয়েছে কেন্দ্র। এবার ড্রোনের মাধ্যমে সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যাওয়ার ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২২
দেশ

মাঘ পূর্ণিমায় কীর্তনে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

গুরু রবিদাসের জন্ম জয়ন্তীতে দিল্লির করোল বাগের আশ্রমে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার সকালেই গুরু রবিদাস বিশ্রাম ধাম মন্দিরে যান তিনি। সেখানে গিয়ে ভক্তদের সঙ্গে মাটিতে বসে কীর্তনেও যোগ দেন মোদি। সেই কীর্তনের ভিডিও নিজেই টুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ মুহূর্ত বলেও উল্লেখ করেছেন।Very special moments at the Shri Guru Ravidas Vishram Dham Mandir in Delhi. pic.twitter.com/PM2k0LxpBg Narendra Modi (@narendramodi) February 16, 2022মন্দিরের দর্শনার্থীদের খাতায় রবিদাসের ভক্তদের প্রতি বিশেষ বার্তা দিয়েছন তিনি। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, গুরু রবিদাসের জীবন মানুষকে অনুপ্রেরণা দেয়। মূলত পঞ্জাবের মানুষ এই দিনটিকে বিশেষভাবে উদযাপন করেন। এই রবিদাসের জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষে পঞ্জাবের বিধানসভা ভোটের দিনও বদলে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।এ দিন গুরুদাস জয়ন্তীতে টুইট করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দও। দেশের মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ভালোবাসা ও সাম্যের বার্তা দিয়েছিলেন গুরু রবিদাস। বিদ্বেষ ভুলে সাম্য, সম্প্রীতি ও সহযোগিতার মন্ত্র নিয়েই সমাজ গঠনের বার্তা দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
দেশ

গোয়ায় হিন্দুভোট ভাঙানোর চেষ্টা করছে তৃণমূল, কানপুরের জনসভায় অভিযোগ মোদির

একদিকে তিন রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন চলছে, অন্যদিকে প্রচারের ময়দানে নেমেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন তিনি উত্তরপ্রদেশের কানপুরে একটি নির্বাচনী ব়্যালিতে অংশ নেন। সেখান থেকেই একদিকে যেমন উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে সমাজবাদী পার্টি-কে আক্রমণ করলেন, তেমনই আবার গোয়ায় হিন্দু ভোট ভাঙানোর অভিযোগ আনলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। নির্বাচন কমিশনের কাছে তিনি এই বিষয়ে দৃষ্টিপাতের আবেদন জানান।এদিন কানপুরের দেহাতে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, প্রথম ও দ্বিতীয় দফায় ভোটের হার দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ফের একবার বিজেপিই ক্ষমতায় আসতে চলেছে। পরিবারবাদীরা ফের একবার পরাজিত হবে উত্তর প্রদেশের মানুষের কাছে। আগামী ১০ মার্চই উত্তরপ্রদেশে হোলি উৎসব পালন করা হবে।এদিকে, তৃণমূলকেও এদিন একহাত নেন নমো। সম্প্রতিই একটি সাক্ষাৎকারে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ তথা গোয়ায় দলের ইনচার্জ বলেছিলেন যে তাদের জোটসঙ্গী মহারাষ্ট্রবাদী গোমন্ত্রক পার্টি হিন্দু ভোট ভাগ হওয়া আটকাবে। মহুয়া মৈত্র বলেছিলেন, উত্তর গোয়ায় এমজিপির সঙ্গে ১৩-১৪টি আসনে বিজেপির মুখোমুখি লড়াই হবে। এই আসনগুলির কেউই কংগ্রেসের জন্য ভোট করবে না।এদিনের প্রচার সভায় সেই প্রসঙ্গই টেনে এনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হিন্দু ভোট ভাগাভাগি করার কথা সরাসরি স্বীকার করে নিচ্ছে তৃণমূল। নির্বাচন কমিশনের এই দিকে দৃষ্টিপাত করা উচিত। অন্যদিকে, সমাজবাদী পার্টিকেও আক্রমণ করতে ছাড়েননি প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সমাজবাদী পার্টি দিনরাত উত্তর প্রদেশে লুঠতরাজ চালাচ্ছে। এরাই মাফিয়াদের খোলা হাতে ছাড় দিয়েছিল। এই ঘোর পরিবারবাদী দল বিভিন্ন অঞ্চলকে নিজেদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা করত। যদি এদের হাতে ক্ষমতা থাকত, তবে কানপুরের মাফিয়াগঞ্জ মহাল্লাকে প্রতিটি শহরে তৈরি করে ফেলত।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
দেশ

সংসদে ফের আক্রমণাত্মক প্রধানমন্ত্রী, করলেন কংগ্রেসকে তুলোধনা

লোকসভার পর রাজ্যসভা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিশানায় ফের বিরোধীরা। মঙ্গলবার ফের তিনি বিঁধলেন কংগ্রেসকে। চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করলেন গান্ধি পরিবারকে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে টেনে দাবি করলেন, গোয়ার প্রতিরোধকে নেহরু ঠেকিয়ে রেখেছিলেন কেবল বিশ্বের দরবারে নিজের ভাবমূর্তিকে উজ্জ্বল করতে। বললেন, কংগ্রেসের দর্শন এখন শহুরে নকশালদের কব্জায়।এ দিন রাজ্যসভায় দাঁড়িয়ে মোদি বলেন, কংগ্রেস অহরহ আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে, ইতিহাস বদলে দেওয়ার। এ দিকে কংগ্রেসেরই দর্শন শহুরে নকশালদের কব্জায় চলে গিয়েছে! তাঁর দাবি, কংগ্রেস না থাকলে দেশবাসীকে যেমন জরুরি অবস্থার মুখে পড়তে হত না। তেমনই শিখ গণহত্যার ঘটনাও ঘটত না। মহাত্মা গান্ধিও ভারতে কংগ্রেসকে চাননি বলেও দাবি প্রধানমন্ত্রীর। মোদির দাবি, আজ যদি কংগ্রেস না থাকত, তা হলে এক অন্য দেশ দেখতে পাওয়া যেত। একই সঙ্গে গান্ধি পরিবারকে আক্রমণ করে বলেন, আজ দেশের সামনে সবচেয়ে বড় বিপদের নাম পরিবারবাদ। কংগ্রেসের সমস্যা হল, তারা কখনওই একটি পরিবারের বাইরে কিছু ভাবতে পারেনি।দিন কয়েক আগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি সংসদের দাঁড়িয়ে মোদি সরকারকে তুলোধোনা করেছিলেন। বুঝিয়ে দিতে চেয়েছিলেন, কংগ্রেস না থাকলে আজ দেশে গণতন্ত্র থাকত না।অভিযোগ করেছিলেন, আজ কংগ্রেস কেন্দ্রে নেই, তাই মোদি সরকার রাজার মতো শাসন করছে। রাহুলের সেই কটাক্ষের জবাব দিতে গিয়ে মঙ্গলবার রাজ্যসভায় মোদি বললেন, কংগ্রেস না থাকলে!এরপরই মোদি চলে আসেন শিখ দাঙ্গা , এবং কাশ্মীরি পণ্ডিত নিধন ইস্যুতে। বলেন, আজ কংগ্রেস না থাকলে শিখদের গণহত্যা হত না। পঞ্জাবকে বছরের পর বছর সন্ত্রাসবাদের জ্বালা বয়ে বেড়াতে হত না। পঞ্জাবের ভোটের ঠিক আগে আগে মোদির এই শিখ দাঙ্গা স্মরণ বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। ৩৭ বছর পরেও শিখ দাঙ্গার কালো দাগ মুছতে পারেনি কংগ্রেস। চুরাশির সেই ঘটনার জন্য ইতিমধ্যেই পাঞ্জাববাসীর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ডঃ মনমোহন সিং। ক্ষমা চেয়েছেন ইউপিএ চেয়ারপার্সন সনিয়া গান্ধিও। রাহুল গান্ধিও এ প্রসঙ্গে ক্ষমা চেয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
দেশ

উত্তরপ্রদেশে অখিলেশকে পাশে নিয়ে যোগী-মোদিকে আক্রমণ মমতার

বাংলায় আটকেছেন মোদি-শাহদের। এ বার উত্তরপ্রদেশ থেকে বিজেপি-কে হঠাতে অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টির হয়ে প্রচারে নামলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লখনউ-এর ভার্চুয়াল জনসভা থেকে তিনি ঘোষণা করলেন, আগামী মঙ্গলবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি বিজেপি-র বিরুদ্ধে প্রচারে যাবেন খোদ প্রধানমন্ত্রীর কেন্দ্র বারাণসীতে।লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশেও তৃণমূল লড়াই করবে, এই বার্তা আগেই দিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এবার উত্তরপ্রদেশে গিয়ে অখিলেশ যাদবকে সঙ্গে নিয়ে দিল্লি দখলের বার্তা দিলেন তিনি। উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বললেন, আব কি বার, অখিলেশ সরকার, একই সঙ্গে বলতে ভুললেন না, আব কি বার, দেশ কা সরকার। যোগী-রাজ্যে মমতার বার্তা, উত্তরপ্রদেশ থেকে বিজেপিকে সরাতে পারলে, দেশ থেকেও সরবে বিজেপি। উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী পার্টির সমর্থনে প্রচার করতেই গিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। মঙ্গলবার লখনউয়ে বিক্রমাদিত্য মার্গে সমাজবাদী পার্টির কার্যালয় থেকে যৌথ সাংবাদিক বৈঠক করেন মমতা। আর সেখান থেকেই বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন নেত্রী।উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও আক্রমণ করেন মমতা। তিনি বলেন, কোভিড মোকাবিলায় না কি পিএম কেয়ার্স ফান্ডের টাকা তোলা হল। আর তার কোনও হিসেব দেওয়া হল না। কেন তা দেশকে জানাতে হবে। চুপ করে থাকলে হবে না। জবাব দিতে হবেই।কেন্দ্রীয় সরকারের বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও প্রকল্পকেও কাঠগড়ায় তুলেছেন মমতা। তিনি বলেন, এমন একটি প্রকল্প করা হয়েছে যেখানে বরাদ্দ একটি রাজ্যের নারী উন্নয়নের বরাদ্দের থেকেও কম। এবং বরাদ্দের প্রায় পুরো অর্থ বিজ্ঞাপনেই খরচ করা হচ্ছে।গঙ্গায় কোভিডে মৃতদের দেহ ভাসানো থেকে শুরু করে উন্নাও গণধর্ষণ সমস্ত বিষয় উল্লেখ করে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী লখনউয়ে যৌথ ভার্চুয়াল প্রচার শুরু করেন অখিলেশ যাদব-মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অখিলেশের সমর্থনে এত তৎপর হওয়ায় তৃণমূল সুপ্রিমোকে ধন্যবাদ জানান সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো। এরপর নিজে অল্প সময় বক্তব্য শেষ করে মাইক্রোফোন এগিয়ে দেন মমতার দিকে। তৃণমূল সুপ্রিমো গোড়া থেকেই বিজেপি বিরোধিতায় চড়া সুর তোলেন। যোগীর উদ্দেশে কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে বলেন, আগে ক্ষমা চান, তারপর ভোট চাইবেন। এ প্রসঙ্গে তাঁর আরও আক্রমণ, বাংলা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাবেন বলে তো গিয়েছিলেন প্রচারে। কিন্তু সেখানে আপনাদের ফল কী হল, দেখলেন তো। এবার বিজেপিকে উত্তরপ্রদেশের মাটি থেকে উৎখাত করার জন্য অখিলেশ যে লড়াই চালাচ্ছেন, তাতে ওর হয়ে আমিও এতে শামিল।সোমবার সন্ধ্যায় লখনউ পৌঁছন মমতা। মঙ্গলবার দুপুরে অখিলেশকে পাশে নিয়ে বক্তৃতা দেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি উত্তরপ্রদেশের ভোটে লড়াই করতে আসিনি। আমি এখানে এসেছি, আমার ভাই অখিলেশকে সমর্থন জানাতে। উত্তরপ্রদেশের মানুষ তাঁকে ভোট দিয়ে জয়ী করুন। সেখানেই তিনি ঘোষণা করেন, আমি আবার আসব। ১৫ তারিখে আবারও জনসভা করতে আসব। বারাণসীতে যাব।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
দেশ

বিরোধীদের কটাক্ষ উড়িয়ে বাজেট নিয়ে নির্মলার প্রশংসায় পঞ্চমুখ মোদি

মঙ্গলবার সংসদে বাজেট পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। এই বছরের বাজেটে মহিলা, প্রান্তিক নাগিরক ও দরিদ্রের দিকে নজর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী। তবে বাজেট পেশের পর থেকেই সমালোচনায় সরব হয়েছেন একাধিক অর্থনীতিবিদ ও বিভিন্ন রাজনীতিবিদরা। টুইটে এই বাজেটকে তাৎপর্যবিহীন, অন্তঃসারশূণ্য বলে কটাক্ষ করেছেন রাহুল গান্ধি ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো বিরোধী নেতারা। তবে বাজেটে খুশি হয়েছে প্রধানমন্ত্রী। বাজেট নিয়ে বক্তৃতায় তারই প্রতিফলন দেখা গেল। এই বক্তৃতায় নমো অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের প্রশংসাও করেন। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের বাজেট প্রস্তাবকে স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার তিনি বলেন, এই বাজেট সকলেই উপকৃত হবেন। বিশেষত, সমাজের দরিদ্র এবং অনগ্রসর অংশের মানুষেরা। এ বারের বাজেটকে জনমুখী এবং প্রগতিশীল বলে নির্মলা এবং তাঁর টিমকে ধন্যবাদ জানান মোদি।তিনি জানিয়েছেন, এই বাজেটে যুব সমাজ ও গরিবদের উপর নজর দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেছেন, বাজেট পেশের পর থেকে আমরা যা সাড়া পেয়েছি, তাতে জনগণের জন্য কাজের উৎসাহ আমাদের আরও বেড়ে গিয়েছে।এই বাজেট দেশের জনগণের জন্য নতুন আশা ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে এসেছে। এই বাজেটে অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।প্রতিটি ক্ষেত্রে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে। অনেক প্রযুক্তি এসেছে, যেমন-কৃষক ড্রোন, বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, ডিজিটাল মুদ্রা, ব্যাংকিং ক্ষেত্রে ডিজিটাল ইউনিট, আর্থিক পরিষেবার রোল আউট, দেশের স্বাস্থ্যের জন্য ডিজিটাল ইকোসিস্টেম। এই সবকিছুতে উপকৃত হবে প্রান্তিক মানুষ, যুবক, দরিদ্র সকলে।এই বাজেটের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল গরিবের কল্যাণ। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, প্রত্যেক গরিবের কাছে পাকা বাড়ি, নলকূপের জল, শৌচালয়, গ্যাসের সুবিধা- এই সবকিছুর উপর বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি আধুনিক ইন্টারনেট কানেক্টিভিটির উপর জোর দেওয়া হয়েছে। ভারতের পার্বত্য অঞ্চলে জীবনধারণ সহজ করার জন্য, যাতে তাঁদের কোনও অসুবিধা না হয়, এই সবকিছু মাথায় রেখে তার জন্যও ঘোষণা করা হয়েছে।হিমাচল, উত্তরাখণ্ড, জম্মু-কাশ্মীর, উত্তর-পূর্বের রাজ্য- এইসব জায়গার জন্য দেশে প্রথমবারের জন্য পর্বতমালা যোজনা করা হচ্ছে। এই যোজনা পাহাড়ে পরিবহণ ও যোগাযোগের আধুনিক ব্যবস্থা নির্মাণ করবে। আমাদের দেশের যেসব সীমান্তবর্তী গ্রামগুলি রয়েছে তাদেরও অনেক ক্ষমতা মিলবে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ! ধর্মতলায় ধরনায় বসলেন মমতা, তীব্র চ্যালেঞ্জ নির্বাচন কমিশনকে

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় বহু সাধারণ মানুষের নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুর দুইটায় ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলের ডোরিনা ক্রসিংয়ে ধরনায় বসতে চলেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই সেখানে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ। উপস্থিত রয়েছেন তৃণমূলের নেতা থেকে কর্মীরা।এই কর্মসূচির মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট বার্তা দিতে চাইছেন যে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা করতেই তিনি পথে নেমেছেন। জানা গিয়েছে, এই ধরনা কর্মসূচিতে তাঁর পাশে থাকবেন সেই সব মানুষ যাঁদের পরিবারের সদস্যদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। সংশোধন প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত বহু ভোটারও এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা যাচ্ছে।বঙ্গের এই সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রক্রিয়ার শুনানির শেষ পর্যায়ে তিনি ভুক্তভোগী ভোটারদের নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরেও যান। সেখানে তিনি অভিযোগ জানান এবং সাধারণ মানুষের হয়ে কথা বলেন। তবুও এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি বদলায়নি বলে দাবি তৃণমূলের।তৃণমূল সূত্রের দাবি, বর্তমানে প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে রয়েছে। এর মধ্যে তেষট্টি লক্ষের বেশি ভোটারের নাম ইতিমধ্যেই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। আরও প্রায় ষাট লক্ষ মানুষের ভোটাধিকার নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে আন্দোলনের পথেই হাঁটতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার রাজনীতিতে বহুবার দেখা গিয়েছে, যখনই সাধারণ মানুষের স্বার্থে কোনও সংকট তৈরি হয়েছে, তখনই তিনি রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছেন।ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিং রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। প্রায় কুড়ি বছর আগে ধর্মতলার অনশন মঞ্চ থেকেই বাংলার রাজনীতিতে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল। সেই একই জায়গায় আবারও ধরনায় বসতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এই আন্দোলনের লক্ষ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রতিবাদ করা এবং বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টি রুখে দেওয়া। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষ যদি ভোট দিতে না পারে, তাহলে সেই নির্বাচনের কোনও অর্থ থাকে না। তাঁর অভিযোগ, চূড়ান্ত তালিকা তৈরি হওয়ার পরেও দিল্লির নির্দেশে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত সব জায়গায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। তবুও বহু মানুষের নাম এখনও তালিকায় নেই। সেই কারণেই বাংলার মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে তিনি শুক্রবার থেকে ধর্মতলায় ধরনায় বসছেন। পাশাপাশি তিনি সকলকে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করার আহ্বানও জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, এটি শুধু রাজনৈতিক বিষয় নয়, এটি বাংলার সম্মানের প্রশ্ন।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

আকাশ ছুঁয়ে ধেয়ে এল মৃত্যু! যে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্রে খামেনির শেষ, সেই প্রযুক্তিই আনছে ভারত

অপারেশন এপিক ফিউরি চলাকালীন একটি অত্যাধুনিক ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনিকে হত্যা করা হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম ব্লু স্প্যারো। এটি একটি বিশেষ ধরনের বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। একই ধরনের প্রযুক্তি এখন ভারতও নিজেদের প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়ানোর জন্য পরীক্ষা ও সংযোজন করছে বলে খবর।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানের সময় প্রায় সাড়ে সাতটার দিকে ইসরায়েলের যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোড়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পরে তেহরানে খামেনির কম্পাউন্ডে গিয়ে আঘাত হানে সেটি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ এবং আক্রমণের ধরন এতটাই জটিল যে সাধারণ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে এটিকে আটকানো প্রায় অসম্ভব।ব্লু স্প্যারো ক্ষেপণাস্ত্রকে অনেক সময় মহাকাশ থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র বলা হয়। কারণ এটি প্রথমে একটি বুস্টার রকেটের সাহায্যে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের প্রায় প্রান্তসীমা পর্যন্ত উঠে যায়। তারপর সেখান থেকে অত্যন্ত উচ্চ গতিতে আবার নিচে নেমে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে। এই সময়ে ক্ষেপণাস্ত্রটির গতি শব্দের গতির পাঁচ গুণেরও বেশি হয়ে যায়। ফলে শত্রুপক্ষের পক্ষে এটিকে শনাক্ত করা বা ধ্বংস করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে।এই ক্ষেপণাস্ত্রে জিপিএস ও ইনর্শিয়াল নেভিগেশন ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়। ফলে এটি হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে। এমনকি একটি ভবনের নির্দিষ্ট ঘরকেও লক্ষ্য করে আঘাত হানার ক্ষমতা রয়েছে বলে দাবি করা হয়।ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থা রাফায়েল এই স্প্যারো পরিবারের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছিল মূলত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের অনুকরণে পরীক্ষা চালানোর জন্য। পরে সেই প্রযুক্তিকেই আরও উন্নত করে আক্রমণাত্মক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়।এই প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করেই ভারত নিজেদের বায়ুসেনার শক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে রকস ও গোল্ডেন হরাইজন নামে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ে কাজ চলছে বলে জানা গেছে।রকস ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত ব্লু স্প্যারো প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে ভারতীয় বায়ুসেনা সুখোই সু-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায়। প্রায় তিনশো কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র। জিপিএস না থাকলেও এটি নিজস্ব সেন্সর ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে পারে।এ ছাড়াও গোল্ডেন হরাইজন নামে একটি দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ভারতের কাছে প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর সম্ভাব্য পাল্লা প্রায় দেড় হাজার থেকে দুই হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এই প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্ত না পেরিয়েও শত্রু দেশের অনেক গভীরে আঘাত হানতে সক্ষম হবে।ভারত ইতিমধ্যেই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথভাবে বিভিন্ন আধুনিক অস্ত্র ব্যবস্থার ব্যবহার শুরু করেছে। ২০২৫ সালে অপারেশন সিন্দুর চলাকালীনও ইসরায়েলি প্রযুক্তির বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবহারের কথা সামনে আসে।সেই সময় নির্ভুল লক্ষ্যভেদের জন্য স্পাইস কিট ব্যবহার করা হয়। এগুলির সাহায্যে সাধারণ বোমাকেও অত্যন্ত নির্ভুল নির্দেশিত অস্ত্রে পরিণত করা যায়। এছাড়া হারপি ও হারপ ড্রোন ব্যবহার করে শত্রুপক্ষের রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয় বলে জানা যায়।ভারত ও ইসরায়েলের যৌথ উদ্যোগে তৈরি বারাক-৮ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাও সেই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। এই ব্যবস্থাটি আকাশপথে আসা শত্রু ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমানের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা তৈরি করতে সাহায্য করে।এ ছাড়াও বেঙ্গালুরুতে ভারতীয় ও ইসরায়েলি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে তৈরি স্কাইস্ট্রাইকার ড্রোন এবং র্যাম্পেজ ক্ষেপণাস্ত্রও বিভিন্ন গভীর আঘাত হানার অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের উন্নত প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারতীয় বায়ুসেনার গভীর আঘাত হানার ক্ষমতা আরও অনেক গুণ বাড়বে। ভবিষ্যতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারত ও ইসরায়েলের সহযোগিতা আরও বাড়তে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্রিগেডের মঞ্চে বড় চমক দিতে চলেছেন মোদি! বাংলার জন্য কী ঘোষণা আসতে পারে? জল্পনা তুঙ্গে

কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আগামী শনিবার বড় জনসভা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সভা থেকেই বড় কোনও ঘোষণা করতে পারেন তিনি বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিজেপি সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সভাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে দল।দলীয় সূত্রের দাবি, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকেই বাংলার মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিশ্রুতি বা ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ঘোষণা রাজনৈতিক মহলে বড় চমক তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সমীকরণেও তার বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।বিজেপির এক কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, ব্রিগেডের সভায় প্রধানমন্ত্রী এমন একটি বার্তা দিতে পারেন যা সরাসরি বাংলার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি হিসেবে সামনে আসবে। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাটি শুধু রাজনৈতিক দিক থেকে নয়, প্রশাসনিক ও উন্নয়নের দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সেই কারণেই এই ঘোষণাকে ঘিরে আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, রাজ্যে নির্বাচনের আগে বিজেপি তাদের প্রচারে গতি আনতে একের পর এক বড় প্রতিশ্রুতি সামনে আনছে। সম্প্রতি এক জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতির কথা ঘোষণা করেন। সেখানে বলা হয়, রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু করা হবে, আট মাসের মধ্যে সমস্ত শূন্য সরকারি পদ পূরণ করা হবে এবং যুবকদের চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিজেপি নেতৃত্বের মতে, এই প্রতিশ্রুতিগুলি বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের কর্মসংস্থান এবং প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। সেই কারণেই ব্রিগেডের সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে যদি বড় কোনও অর্থনৈতিক বা কর্মসংস্থান সংক্রান্ত ঘোষণা করা হয়, তবে তা বাংলার নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী ঘোষণা করতে চলেছেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি বিজেপি নেতৃত্ব। ফলে ব্রিগেডের সভাকে ঘিরে জল্পনা এবং কৌতূহল দুটোই ক্রমশ বাড়ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

তেল সংকটের আশঙ্কার মাঝেই বড় স্বস্তি! রাশিয়া থেকে তেল কিনতে ভারতের পথে আর বাধা নেই

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতে তেল সংকটের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে সাময়িক ছাড় দিল আমেরিকা। এর ফলে আপাতত বড় স্বস্তি পেল নয়া দিল্লি।কিছু দিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছিল, দেশে প্রায় পঁচিশ দিনের পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে তেল সরবরাহে বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।এই পরিস্থিতির মধ্যেই রাশিয়া আগেই জানিয়ে দিয়েছিল যে ভারতের প্রয়োজন হলে তারা তেল সরবরাহ করতে প্রস্তুত। কিন্তু আগে রাশিয়ার থেকে তেল না কেনার শর্তে ভারতের উপর শুল্ক কমিয়েছিল আমেরিকা। সেই কারণে ভারত আদৌ রাশিয়ার তেল কিনতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল।অবশেষে সেই জট কাটল। আমেরিকার ট্রেজারি বিভাগ ভারতকে রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য সাময়িক ছাড়পত্র দিয়েছে। জানা গিয়েছে, এই অনুমতি ত্রিশ দিনের জন্য দেওয়া হয়েছে। পাঁচ মার্চ থেকে এই সময়সীমা কার্যকর হয়েছে এবং তিন এপ্রিল পর্যন্ত ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করতে পারবে।আমেরিকার ট্রেজারি সচিব স্কট বেনেট সমাজমাধ্যমে একটি বার্তায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমেরিকার জ্বালানি কর্মসূচির ফলে তেল ও গ্যাস উৎপাদন অনেক বেড়েছে। বিশ্ব বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে ত্রিশ দিনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।একই সঙ্গে তিনি ভারত ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ভারত আমেরিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। ভবিষ্যতে ভারত আমেরিকার কাছ থেকেও তেল কেনা বাড়াবে বলে তারা আশা করছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইরান। তবে রাশিয়া ও চিনের তেলবাহী জাহাজকে এই নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সূত্রে জানা গিয়েছে।খবরে জানা যাচ্ছে, ভারতীয় জলসীমার কাছাকাছি এলাকায় রাশিয়ার প্রায় পঁচানব্বই লক্ষ ব্যারেল তেল রয়েছে। রাশিয়া আগেই জানিয়েছিল, প্রয়োজন হলে ভারত এই তেল ব্যবহার করতে পারে।এদিকে হরমুজ প্রণালী নিয়ে সম্প্রতি ইরানের বিদেশমন্ত্রী আরাঘাচির সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই আলোচনার পর থেকেই মনে করা হচ্ছিল, এই সংকটের প্রভাব ভারতে খুব বেশি পড়বে না।তারই মধ্যে আমেরিকার এই সিদ্ধান্তে আপাতত তেল সরবরাহ নিয়ে বড় স্বস্তি পেল ভারত। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি কত দিন চলবে এবং বিশ্ব বাজারে তেলের দামে তার কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়েই এখন নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটকের! ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য বন্ধ সমাজমাধ্যম, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

শিশুদের অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার ও সমাজমাধ্যমের প্রভাব ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত নিল কর্নাটক সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করেছেন, ষোলো বছরের নিচে কোনও শিশু সমাজমাধ্যম ব্যবহার করতে পারবে না। রাজ্যের বাজেট পেশ করার সময় বিধানসভায় এই ঘোষণা করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে শিশুদের মধ্যে মোবাইল ও সমাজমাধ্যম ব্যবহারের প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে। এর ফলে পড়াশোনা, আচরণ এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব পড়ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, শিশুদের সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ রক্ষার জন্য এই পদক্ষেপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এই সিদ্ধান্তের ফলে কর্নাটক দেশের প্রথম রাজ্য যেখানে ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল। এর আগে আন্ধ্রপ্রদেশ এবং গোয়া সরকারও একই ধরনের পদক্ষেপের কথা ভাবছিল। তবে সবচেয়ে আগে কঠোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল কর্নাটক সরকার।রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরু দেশের অন্যতম বড় প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। সেই রাজ্যেই শিশুদের মোবাইল ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনার প্রস্তাব নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছিল। গত মাসে সরকার স্কুল ও কলেজে ষোলো বছরের নিচে পড়ুয়াদের মোবাইল ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আনার বিষয়েও ভাবনা শুরু করেছিল।মুখ্যমন্ত্রী এর আগে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তিনি শিশুদের মধ্যে বাড়তে থাকা সমাজমাধ্যম আসক্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, অনেক পড়ুয়া এই কারণে পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে এবং মানসিক সমস্যার মুখেও পড়ছে।সরকারের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইলের পর্দায় সময় কাটালে পড়াশোনার ফল খারাপ হতে পারে। আচরণেও পরিবর্তন দেখা যায়। পাশাপাশি অজানা ও ক্ষতিকর বিষয়বস্তুর সংস্পর্শে আসার আশঙ্কাও থাকে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে মাদক চক্রের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয় বলে প্রশাসনের দাবি।বিশ্বের বিভিন্ন দেশও শিশুদের সমাজমাধ্যম ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে শুরু করেছে। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সরকারও ষোলো বছরের নিচে কিশোরদের জন্য একাধিক সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে।কর্নাটক সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশজুড়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ রক্ষায় এই পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে সবার।মেটা বিবরণ: শিশুদের মোবাইল ও সমাজমাধ্যম আসক্তি ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটক সরকারের। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করলেন, ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

মার্চ ০৬, ২০২৬
বিদেশ

জেন জ়ির সমর্থনেই কি ইতিহাস? গণনায় এগিয়ে বলেন্দ্র, বড় ধাক্কা খেতে চলেছেন ওলি

নেপালে সাম্প্রতিক বিক্ষোভের পর প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে ভোট গ্রহণ। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই শুরু হয়েছে ভোট গণনা। আর গণনার প্রাথমিক প্রবণতায় বড় চমক দেখা যাচ্ছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি-কে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র বলেন্দ্র শাহ। তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন বলেন্দ্র। সেই জনপ্রিয়তাই এখন ভোটের বাক্সে প্রতিফলিত হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।ঝাপা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন বলেন্দ্র শাহ। এই কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরেই ওলির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। কিন্তু প্রাথমিক গণনায় দেখা যাচ্ছে, চুয়াত্তর বছর বয়সি ওলিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন বলেন্দ্র। যদি এই প্রবণতা শেষ পর্যন্ত বজায় থাকে, তাহলে নেপালের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন ঘটতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।বলেন্দ্র শাহের পরিচয় প্রথমে একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে। পরে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তিনি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর কাঠামোগত প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। বর্তমানে তিনি কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়-এ গবেষণা করছেন। কিছুদিন তিনি টেলিভিশন সঞ্চালক হিসেবেও কাজ করেছেন। পরে রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যোগ দেন এবং রাষ্ট্রীয় স্বাধীন পার্টি-তে যোগ দেন রবি লামিছানে-র নেতৃত্বে। দুই হাজার বাইশ সালে তিনি নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর মেয়র নির্বাচিত হন।নেপালের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বলেন্দ্র শাহ অত্যন্ত জনপ্রিয়। সমাজমাধ্যম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, সেখানে তিনি প্রকাশ্যে সমর্থন জানান। সেই আন্দোলনের জেরে নেপালের নির্বাচিত সরকারের পতন ঘটে এবং ক্ষমতাচ্যুত হন কে পি শর্মা ওলি। আন্দোলনের সময় একাংশ বিক্ষোভকারী বলেন্দ্র শাহকেই অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী করার দাবি তুলেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান নেপালের সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কী।সাম্প্রতিক সময়ে নেপালের রাজনীতিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠেছেন বলেন্দ্র শাহ। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা দ্রুত বেড়েছে। এবার নির্বাচনের ফলাফল যদি তাঁর পক্ষে যায়, তাহলে তাঁকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবেও তুলে ধরতে পারে তাঁর দল।তবে বলেন্দ্র শাহ প্রধানমন্ত্রী হলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। কারণ তিনি অতীতে একাধিকবার ভারতের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। ভারতের কিছু অঞ্চলকে নেপালের অংশ বলে দাবি করেছিলেন তিনি। দুই হাজার তেইশ সালের জুন মাসে নিজের কার্যালয়ে নেপালের একটি নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছিলেন বলেন্দ্র। সেই মানচিত্রে ভারতের কয়েকটি অঞ্চলকে বৃহত্তর নেপালের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।এদিকে ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, নেপালের পরিস্থিতির উপর তারা নজর রাখছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, নেপালে শান্তি, অগ্রগতি এবং স্থিতিশীলতাকে ভারত সবসময় সমর্থন করে। নতুন সরকার গঠনের পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করার জন্য ভারত কাজ করতে প্রস্তুত বলেও তিনি জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, নেপালের সংসদের নিম্নকক্ষের জন্য মোট দুইশো পঁচাত্তর জন সদস্য নির্বাচিত হন। এর মধ্যে একশো পঁয়ষট্টি জন সরাসরি ভোটে এবং একশো দশ জন অনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত হন। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ভোট গণনা শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা হতে পারে বলে জানা গেছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে রাজ্যপাল পদ ছাড়লেন সিভি আনন্দ বোস! বাংলায় আসছেন বিতর্কিত আর এন রবি?

ভোটের আগে হঠাৎই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সি ভি আনন্দ বোস (Bengal Governor)। কেন তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে বড় দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পোস্টেই উঠে এসেছে বাংলার সম্ভাব্য নতুন রাজ্যপালের নাম (Bengal Governor)।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁকে জানিয়েছেন যে আর এন রবি-কে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে (Bengal Governor)। তবে এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে আগে কোনও আলোচনা করা হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।কে এই আর এন রবি, তা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তাঁর পুরো নাম রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। তিনি উনিশশো ছিয়াত্তর সালের কেরল ক্যাডারের ভারতীয় পুলিশ পরিষেবার আধিকারিক। জন্ম বিহারের পাটনায়, ১৯৫২ সালের ৩ এপ্রিল। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি মেধাবী ছাত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর দেশসেবার লক্ষ্য নিয়ে প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দেন।কর্মজীবনের বড় অংশ কেটেছে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা বিভাগে। তিনি দীর্ঘদিন ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো-তে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। বিশেষ করে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহ দমন এবং জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা হয়। পরে তিনি ভারত সরকারের জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটি-র চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।তাঁর কর্মজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় নাগা শান্তি আলোচনা। দীর্ঘদিন ধরে চলা জটিল সমস্যার সমাধানে তিনি ভারত সরকারের প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। এই সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে দেশের উপ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদেও নিয়োগ করা হয়।পরবর্তীতে তিনি রাজ্যপাল হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন। ১৯১৯ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল ছিলেন। সেই সময় কিছুদিনের জন্য মেঘালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বও পালন করেন। এরপর ২০২১ সাল থেকে তিনি তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে কাজ করছেন।তবে তামিলনাড়ুতে তাঁর সময়কাল বারবার বিতর্কের কেন্দ্রেও এসেছে। রাজ্য সরকারের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন এক সময় তাঁকে কেন্দ্রের এজেন্ট বলেও কটাক্ষ করেছিলেন। পরে রাজ্য সরকার তাঁর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টেও যায়। অভিযোগ ছিল, রাজ্যপাল দীর্ঘ সময় ধরে একাধিক বিল আটকে রেখেছিলেন।এবার সেই বিতর্কিত রাজ্যপালের নামই ঘুরে বেড়াচ্ছে বাংলার নতুন রাজ্যপাল হিসেবে। গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত বারবার খবরের শিরোনামে এসেছে। তাই আর এন রবি এলে সেই সংঘাত কি আবার নতুন করে শুরু হবে, তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

হরমুজ প্রণালীর টানাপোড়েন, গ্যাস সরবরাহে চাপ! নতুন ডবল সিলিন্ডার আপাতত বন্ধ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সাধারণ মানুষের রান্নাঘরেও পড়তে শুরু করেছে। ইরান ও ইজরায়েল-এর সংঘাতের মধ্যে নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডারের সংযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তেল সংস্থাগুলির তরফে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। অর্থাৎ কোনও গ্রাহক নতুন করে দ্বিতীয় সিলিন্ডারের জন্য আবেদন করলেও আপাতত তা দেওয়া হবে না।জানা গিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে যাতে রান্নার গ্যাসের জোগানে সমস্যা না হয়, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে যেসব পরিবারের রান্নাঘরে এখন একটি মাত্র সিলিন্ডার রয়েছে, আপাতত তাদের সেই একটি সিলিন্ডার নিয়েই চলতে হবে। গ্যাস ডিলারদের মতে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে এখনও কিছুটা সময় লাগতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল করে। এই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচলে সমস্যা হলে রান্নার গ্যাস সরবরাহে বড় চাপ তৈরি হতে পারে। কারণ ভারতের জ্বালানি আমদানির বড় অংশ এই পথ দিয়েই আসে।ভারতে ঘরে ঘরে ব্যবহৃত রান্নার গ্যাসের সরবরাহ ব্যবস্থাকে এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে মনে করা হচ্ছে। অপরিশোধিত তেল বা তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের তুলনায় রান্নার গ্যাসের উৎস অনেক কম এবং মজুতও তুলনামূলকভাবে সীমিত। দেশের মোট চাহিদার প্রায় আশি থেকে পঁচাশি শতাংশ রান্নার গ্যাস বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। এর বেশির ভাগই উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে আসে এবং প্রায় সব জাহাজই হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতে পৌঁছয়।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ত্রিশ দিনের রান্নার গ্যাস মজুত রয়েছে। তবে নির্ধারিত জাহাজ যদি দেরিতে পৌঁছয়, তাহলে সরবরাহে সমস্যা তৈরি হতে পারে।এদিকে সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় অনেক মানুষ আগেভাগে গ্যাস সিলিন্ডার বুক করতে শুরু করেছেন। এতে দ্রুত মজুত কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন শহরের গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটররা জানিয়েছেন, অনেক গ্রাহক অতিরিক্ত সিলিন্ডার সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। সেই কারণেই সাধারণ মানুষকে অযথা বেশি সিলিন্ডার মজুত না করার অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।অন্যদিকে সমাজমাধ্যমে তেলের দাম বাড়ার গুজবও ছড়িয়ে পড়ছে। তার প্রভাব পড়েছে পেট্রল পাম্পগুলিতেও। অনেকেই আতঙ্কে গাড়ির ট্যাঙ্ক পুরো ভরে নিচ্ছেন। তবে পাম্প মালিকদের দাবি, এখনই আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। তেলের পর্যাপ্ত জোগান রয়েছে।ওয়েস্ট বেঙ্গল পেট্রল ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি অরুণ সিংঘানিয়া জানিয়েছেন, এখনও তেলের জোগান কমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে যুদ্ধ দীর্ঘদিন চললে দামের কিছু পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই বলেই তাঁর দাবি।মেটা বিবরণ: ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে জ্বালানি সরবরাহে। নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডার সংযোগ আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ তেল সংস্থার, সাধারণ মানুষকে অযথা মজুত না করার পরামর্শ।

মার্চ ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal