• ১৭ চৈত্র ১৪৩২, বৃহস্পতি ০২ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Modi

দেশ

মোদিকে বিমান নিয়ে ফের খোঁচা রাহুলের

জওয়ানদের নন-বুলেটপ্রুফ ট্রাকে করে শহিদ হতে পাঠানো হচ্ছে। অথচ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিমান বাবদ খরচ পড়ছে ৮ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। শনিবার এক টুইটে এভাবেই প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী । এটা কি ন্যয় ? মোদির উদ্দেশে এমনই প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী । আরও পড়ুন ঃ নারী নির্যাতনের ঘটনায় রাজ্যগুলোকে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশিকা কেন্দ্রের এছাড়াও একটি ভিডিও তিনি পোস্ট করেছেন। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ওই জওয়ানরা ট্রাকের মধ্যে বসে আলোচনা করছেন এভাবে নন-বুলেটপ্রুফ ট্রাকে সেনাদের পাঠানো কতটা বিপজ্জনক। বিজেপির তরফ থেকে এই বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ১০, ২০২০
রাজনীতি

হাথরসকাণ্ডের প্রতিবাদে আজ বিকেলে প্রতিবাদ মিছিল মুখ্যমন্ত্রীর

করোনা আবহে আজ উত্তরপ্রদেশের হাথরস ইস্যুতে কলকাতার রাজপথে প্রতিবাদ মিছিল করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা পরিস্থিতিতে এই প্রথম প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। শনিবার বিকেল ৪টায় মিছিল বিড়লা প্লানেটোরিয়াম থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে। শুক্রবার হাথরসে ঢুকতে গিয়ে বাধা পায় তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। অভিযোগ, মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েনকে। উত্তরপ্রদেশের হাথরসে দলিত তরুণীর গণধর্ষণে মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষুব্ধ আপামর জনতা। তারওপর যোগী সরকারের কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ আরও বাড়ছে। স্থানীয় জেলাশাসক হুমকি দিয়েছেন ওই পরিবারকে। এমনটাই অভিযোগ। কংগ্রেসে নেতা রাহুল গান্ধীকে মেরে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এর আগে টুইটে উত্তরপ্রদেশের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার পথে নেমে প্রতিবাদ করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অক্টোবর ০২, ২০২০
দেশ

বিস্ফোরক ক্যাগ, নিশানায় কেন্দ্র

কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে একের পর এক তির ছুঁড়ে চলেছে 'দ্য কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল অব ইন্ডিয়া' বা ক্যাগ। রাফাল যুদ্ধ বিমান ক্রয়ে ফরাসি সংস্থা দাসোর বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছিল ক্যাগ। এবার কেন্দ্রকে নিশানা করল জিএসটি ক্ষতিপূরণ নিয়ে। এক্ষেত্রে কেন্দ্র নিজের নিয়ম নিজেই ভেঙেছে বলে বিস্ফোরক দাবি ক্যাগের। দাবি করা হয়েছে ৪৭ হাজার ২৭২ কোটি টাকা জিএসটি কমপেনসেশন সেস ফান্ডে কেন্দ্র পাঠায়নি। নিয়ম লঙ্ঘনে ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষের ঘটনা রিপোর্টে তুলে ধরা হয়েছে। সিএফআইতে ওই টাকা না পাঠিয়ে অন্য খাতে খরচ করার অভিযোগ উঠেছে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে। জিএসটি ক্ষতির জন্য রাজ্যগুলিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান কোনও আইনে নেই বলে জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এখানেই শেষ নয়। খনিজ তেল, শিল্প, উন্নয়ন ও পরিকাঠামো খাতে সংগৃহীত শুল্ক নির্দিষ্ট ফান্ডে স্থানান্তরিত করা হয়নি বলেও অভিযোগ ক্যাগের। বর্তমানে সংসদ বন্ধ। শীতকালীন অধিবেশনে সরকারকে চেপে ধরতে ক্যাগের রিপোর্টই যে বিরোধীদের প্রধান অস্ত্র, তা বলাই যায়।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
দেশ

কৃষি বিল, মোদীর নিশানায় বিরোধীরা

সংসদের দুই কক্ষে পাশ হওয়া সত্ত্বেও, কৃষি বিল ক্রমশ চেপে বসছে বিজেপির উপর। শুক্রবার দেশজুড়ে বেশ কয়েকটি কৃষক সংগঠন বিলের প্রতিবাদে ভারত বন্ধে সামিল হয়। শুধু কৃষক সংগঠন নয়, রাজনৈতিক দলগুলিও বিলের প্রতিবাদে সরব হয়েছে। তার মধ্যে গোঁদের উপর বিষ ফোঁড়ার মতো হয়েছে বিহার বিধানসভা নির্বাচন। এদিনই নির্বাচনের নির্ঘন্ট জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কৃষি বিল নির্বাতনে বোমেরাং হয়ে ফিরবে না তো? আর সেটা মাথায় রেখেই কৃষি বিল নিয়ে ভুল বোঝানোর অভিযোগ করে বিরোধীদের ফের নিশানা করলেন নরেন্দ্র মোদী। সংঘ পরিবারের পথপ্রদর্শক দীনদয়াল উপাধ্যায়ের ১০৪ তম জন্মদিবসের মঞ্চ থেকে অলআউট খেললেন প্রধানমন্ত্রী। কৃষকদের দুরবস্থার দায় যেমন কংগ্রেসের ঘাড়ে চাপিয়ে দিলেন, তেমনি কৃষকদের আয় বাড়াতেই নয়া কৃষি বিল বলে প্রচার চালালেন মোদী। বিরোধীরা নতুন বিল নিয়ে শুধু ভুল বোঝাচ্ছে না, একই সঙ্গে কৃষকদের বিপথে চালিত করছে বলেও মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী। এখানেই থামলেন না। নতুন কৃষি বিলের সমর্থনে পথে নামার জন্য দলীয় নেতা কর্মীদের দিলেন বার্তা। নতুন বিলে আগের থেকে বেশি সহায়ক মূল্য কৃষকরা পাবেন বলে আশ্বাস দেন। শুধু কৃষি বিল নয়, নয়া শ্রমিক বিল নিয়েও কংগ্রেসকে তুলোধুনা করেন প্রধানমন্ত্রী। কৃষকদের মতো শ্রমিকদের দূরবস্থার পিছনে কংগ্রেসের নীতিকে দায়ি করেন। দেশের ৫০ কোটির বেশি শ্রমিক যাতে সময়ে বেতন পান, তা নিশ্চিত করতেই নতুন শ্রম বিল বলে সওয়াল করেন মোদী। যদিও মোদী সওয়ালে মন গলেনি বিরোধীদের। বিলের প্রতিবাদে সরব হয়ে জোড়া আক্রমণ চালিয়েছেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। টুইট বার্তায় মোদীকে কটাক্ষ করে রাহুল লেখেন, ত্রুটিতে ভরা জিএসটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে ধ্বংস করেছে। এবার কৃষি বিল কৃষকদের দাসে পরিণত করবে। কৃষক সংগঠনের ডাকা ভারত বনধকে সমর্থন করে, এই বিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর কথা মনে করিয়ে দিল বলে জানান প্রিয়াঙ্কা। তিনি লেখেন, কৃষকদের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ছিনিয়ে নিয়েছে মোদী সরকার। চুক্তিভিত্তিক চাষ আসলে কোটিপতিদের হাতে কৃষকদের বেচে দেওয়ার কৌশল। দাম ও সম্মান কিছুই মিলবে না। নিজেদের জমিতেই দিনমজুর হবেন কৃষকরা। কৃষি বিল নিয়ে ঐক্যবদ্ধ বিরোধী শিবির। বিরোধীদের চ্যালেঞ্জ কেন্দ্র কতটা সামাল দিতে পারে, সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০
খেলার দুনিয়া

বিরাটের ‘ফিট’ রাখার মন্ত্র

দুশ্চিন্তা কিছুতেই কাটছে না। সুস্থতার হার বাড়লেও, প্রতিদিন বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যাও। ভ্যাক্সিন না আসা পর্যন্ত শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোই এখন প্রধান ভরসা। আর শরীরকে চাঙ্গা করতে অন্যান্য অনেক কিছুর মতো ফিটনেস লেভেল বাড়ানোর উপর জোর দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। শরীর ফিট রাখার মন্ত্র কী, তা নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে নরেন্দ্র মোদীর উদ্যোগে ফিট ইন্ডিয়া ডায়ালগ নামে একটি ভার্চুয়াল সভার আয়োজন করা হয়েছিল বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর। অতিমারিতে ফিট থাকতে ফিটনেসই প্রধান ভরসা বলে দেশবাসীকে মন্ত্র শেখালেন বিরাট কোহলি। ফিট রাখার রসায়ন নিয়ে বিরাটকে প্রশ্ন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এ ব্যাপারে শরীর ও মন ঠিক রাখতে ফিটনেস ট্রেনিংয়ে জোর দেন বিরাট। সময়ের সঙ্গে ফিটনেস উন্নতির কথাও প্রধানমন্ত্রী তথা দেশবাসীর সঙ্গে শেয়ার করে নেন বিরাট। খাওয়া- দাওয়া নিয়েও প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নের উত্তরে দেশবাসীকে সজাগ করে দেন ভারত অধিনায়ক। ফিটনেস নিয়ে এখনও যে ঘাটতি আছে, তা মনে করছেন বিরাট কোহলি। তবে, ফিটনেস ট্রেনিং বাড়ালে আগামী দিনে ভারত অন্য দেশকে টেক্কা দেবে বলেও মনে করছেন ভারত অধিনায়ক। ফিট ইন্ডিয়া ডায়ালগ অনুষ্ঠানে বিরাট ছাড়াও হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী কিরেন রিজিজু, ফুটবলার আফসান আশিক, ফিটনেস বিশেষজ্ঞ মিলিন্দ সোমান। হাজির ছিলেন চিকিৎসকরাও।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
দেশ

বিহার ভোটকে মাথায় রেখেই হরিবংশকে দরাজ সার্টিফিকেট মোদীর?

আট বিরোধী সাংসদকে সাসপেনশনের জেরে রাজ্যসভায় জোরালো প্রতিবাদ। রাতভর গান্ধীমূর্তির পাদদেশে অবস্থান বিক্ষোভ করেন সাসপেন্ড হওয়া সাংসদ-সহ বিরোধী দলের সাংসদরা। বিজু জনতা দল, বহুজন সমাজ পার্টি বাদে বিরোধী দলগুলি মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর শর্ত আরোপ করে অধিবেশন বয়কট করে। রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ভেঙ্কাইয়া নাইডুর অনুরোধেও কাজ হয়নি। কংগ্রেসের সাংসদ গুলাম নবি আজাদ বলেন, সাংসদদের সাসপেনশন প্রত্যাহার করতে হবে। মিনিমাম সাপোর্ট প্রাইসের কমে যাতে কোনও বেসরকারি সংস্থা বা ব্যক্তি কৃষকদের কাছ থেকে উৎপাদিত পণ্য না কিনতে পারে তা সুনিশ্চিত করতে হবে। মূল্য নির্ধারণে স্বামীনাথন কমিশনের সুপারিশ মানতে হবে। সরকার বা এফসিআই কৃষকদের কাছ থেকে যে শস্য কিনবে তার মূল্য নির্দিষ্ট রাখতে হবে যাতে কৃষকদের কোনও ক্ষতি না হয়। এই শর্তগুলি না মানা অবধি বিরোধীরা রাজ্যসভার চলতি অধিবেশন বয়কটের রাস্তা থেকে সরবে না। এর মধ্যে আবার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ বিক্ষোভরত সাংসসদের জন্য সকালে চায়ের ব্যবস্থা করেন। যদিও সকলেই হরিবংশকে কৃষকবিরোধী আখ্যা দিয়ে চা প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর হরিবংশ রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে আবেগমথিত চিঠি লিখে জানান, তিনি একদিনের জন্য অনশন করবেন। রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যানের পক্ষে সওয়াল করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইটে লেখেন, দুদিন আগে গণতন্ত্রের মন্দিরে যে ঘটনা ঘটেছে, যাঁরা হরিবংশজিকে হেনস্থা ও আক্রমণ করেছেন এবং তারপর তাঁরাই বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন তাঁদের জন্য সকালে চায়ের ব্যবস্থা করে হরিবংশজি উদারতা ও মহানতার পরিচয় রেখেছেন। বিহার থেকে আমরা গণতন্ত্রের শিক্ষা পাই। সেখানকার জনপ্রতিনিধি হয়ে ডেপুটি চেয়ারম্যান যে ভূমিকা নিয়েছেন তা প্রশংসনীয়। রাষ্ট্রপতিকে লেখা তাঁর চিঠিটিও সকলের পড়া উচিত। বিহার ভোটের কথা মাথায় রেখেই ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামা মোদী হরিবংশকে দরাজ সার্টিফিকেট দিচ্ছেন বলে মত বিরোধীদের। আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব বলেন, ভোটের আগে নরেন্দ্র মোদী বিহারের কথা বলেন, ভোটের পর ভুলে যান। আমরা কৃষকদের স্বার্থে বিরোধিতা চালিয়ে যাব। সাসপেন্ডেড সাংসদদের আন্দোলনকে সমর্থন করে একদিনের অনশন করবেন বলে জানিয়েছেন শরদ পাওয়ার। তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ দোলা সেন জানিয়েছেন, অনেক দল রাজ্যসভার অধিবেশন বয়কট করে আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে সমর্থন করেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে ঘনঘন খবর নিয়েছেন। ধরনা তুলে নিয়ে সকলে মিলে একসঙ্গে এই আন্দোলন গ্রামে-গঞ্জে ছড়িয়ে দিতে হবে। তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ওব্রায়েন টুইটে লেখেন, আমাকে সাসপেন্ড করতে পারো, চুপ করাতে পারবে না।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০
রাজনীতি

রাতভর সংসদে অবস্থান, বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিয়ে মোদীকে বেনজির আক্রমণ মমতার

কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি বিল নিয়ে দেশজুড়ে লাগাতার আন্দোলনের ডাক দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবাসরীয় রাজ্যসভাকে ব্ল্যাক সানডে আখ্যা দিয়ে সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর তিনি নরেন্দ্র মোদীকে হিটলার, উলঙ্গ রাজা বলেও বেনজির আক্রমণ করেন। এদিন নবান্ন থেকেই দলের মহিলা শাখার সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, করোনা স্বাস্থ্যবিধি না মেনে বিজেপি মিটিং, মিছিল করে করোনা বাড়িয়ে চলেছে। করোনা আবহে কৃষকদের মরোনা বিল এনেছে। এর প্রতিবাদে আন্দোলন সংগঠিত করতে হবে। আজ রাতভর ডেরেক, দোলা-সহ ৮ সাংসদকে সাসপেনশনের প্রতিবাদে সংসদে গান্ধি মূর্তির পাদদেশে রাতভর অবস্থান চলছে। বিভিন্ন বিরোধী দল রয়েছে। আমি বেশ কয়েকবার তাঁদের সঙ্গে কথা বলে সলিডারিটি জানিয়েছি। কৃষকদের জন্য কথা বলতে গিয়ে সাংসদরা সাসপেন্ড হলেও আমি তাঁদের জন্য গর্বিত। তৃণমূলের মহিলা শাখা মঙ্গলবার মেয়ো রোডে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে ধরনায় বসবে। পরশু দলের ছাত্র সংগঠন এবং তারপর ক্ষেতমজুর ও কিষানদের সংগঠনকেও পর্যায়ক্রমে পথে নামার নির্দেশ দিয়ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, হিটলারের কায়দায় দেশ চালানো হচ্ছে। ফ্যাসিজম চলছে। রাজ্যসভায় ওদের সাংসদরা ছিল না, প্রয়োজনীয় সংখ্যাও ছিল না। বিলের বিরোধিতায় ডিভিশন চাওয়া যেতেই পারে। কিন্তু তা না করে জোর করে ধ্বনি ভোটে কৃষি বিল পাশ করানো হলো। করোনা ঠেকাতে পারল না, এবার দেশকে দুর্ভিক্ষের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। দেশে দুর্ভিক্ষ, ফুড প্যানডেমিক ডেকে আনতে চাইছে মোদী সরকার। ১৯৪৩-এর মন্বন্তরকে মনে করাচ্ছে। জিনিসের দাম বাড়বে, কৃষকরা দাম পাবেন না, আত্মহত্যা বাড়বে। কালকের ঘটনা নিন্দার যোগ্য। শুধু সাসপেন্ড নয় সাংসদদের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাবও নিয়েছে! বিজেপির আবার নিন্দা প্রস্তাব! সারা দেশের মানুষ ছিঃ ছিঃ বলবে। বলবে এই সরকারের থাকার দরকার নেই। কৃষকদের জমি কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত চলছে। আলু, পেঁয়াজ বাইরে পাঠিয়ে দিচ্ছে। রোজকার জনজীবনে যে খাদ্যসামগ্রীগুলি লাগে সেগুলিকে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। জিনিসের দাম বাড়লে এ সব মনিটরিং করতাম। এখন রাজ্যের সেই সব ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে চলে গিয়েছে। করোনার সময় অর্ডিন্যান্স এনেছে এ বিষয়ে। একজনই বসে সব চালাবে। মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না, মজুতদার, ফোঁড়েদের সুবিধা করে দিচ্ছে। কৃষকদের পাশাপাশি শ্রমিকদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করছে। যখন তখন শ্রমিকরা কাজ হারাবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন সমস্ত রাজনৈতিক দলকে আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনে তৃণমূল কংগ্রেস পিছনের সারিতে থাকবে। সামনের সারিতে থাকবেন মানুষ। অন্য দলগুলিকেও এগিয়ে আসতে হবে। প্রতিবাদ করলেই ওরা দেশদ্রোহী বলে দেয়। সীতারাম ইয়েচুরিদের সঙ্গে আমার রাজনৈতিক মতাদর্শগত ফারাক আছে। কিন্তু দিল্লিতে যারা দাঙ্গা করল তাদের নাম বাদ দিয়ে কেন বিরোধী দলের নেতাদের নাম চার্জশিটে রাখা হলো। বাংলা আন্দোলন, নবজাগরণের ভূমি। ছাত্রসমাজকেও এগিয়ে আসতে হবে। তাঁদের নিয়ে জেইই, নিটে কী না করল কেন্দ্র! আবার নাকি দুর্গাপুজোর মধ্যে নেট পরীক্ষা নেবে! আমরাই প্রথম প্রতিবাদ করেছি। কাঁসর-ঘণ্টা বাজিয়ে বলব এই বিজেপি সরকার আর নেই দরকার।সব রাজনৈতিক দলগুলো এক হয়েছে কৃষক ইস্যুতে। আগামী দিন শ্রমিক ইস্যুতেও সব রাজনৈতিক দলগুলি এক হবে। শ্রমিকদের ওপর বজ্রাঘাত ও কৃষকদের ওপর প্রত্যাঘাত চলছে। সর্বস্তরের মানুষকে প্রতিবাদে সামিল হতে আহ্বান জানাচ্ছি। চন্দ্রিমার নেতৃত্বে তৃণমূল মহিলা কংগ্রেস কয়েকজনকে নিয়ে হলেও কাল গান্ধীমূর্তির পাদদেশে বসে ধরনা দেবে। কাল মহিলারা, পরশু ছাত্ররা, তারপর দিন আমাদের ক্ষেত মজুর কিষান সংগঠন পথে নামবে। বিজেপি মজুতদার, কালোবাজারিদের সরকার হয়ে গিয়েছে বলে মন্তব্য করেন মমতা। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর গলায় ছিল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর সুরের প্রতিধ্বনি, উলঙ্গ রাজা তোমার কাপড় কোথায়?

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
দেশ

কৃষি বিল: ড‍্যামেজ কন্ট্রোলে আসরে মোদী

নয়া কৃষি বিল নিয়ে বেশ চাপে বিজেপি। চাপ আরও বাড়িয়েছে বিলের বিরোধিতা করে কৃষি বিপণন মন্ত্রী হরসিমরত কউরের পদত্যাগ। ড্যামেজ কন্ট্রোলে এবারে তাই আসরে নামতে হলো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার ১৮ অক্টোবর বলেন, নয়া কৃষি বিল নিয়ে ভুল বোঝানো হচ্ছে। যারা দশকের পর দশক ধরে দেশ চালিয়েছে তারাই এখন কৃষকদের বিভ্রান্ত করছে। বিলটি আইনে পরিণত হলে কৃষিক্ষেত্রে ফোঁড়ে বা দালাল রাজের অবসান হবে। একই সঙ্গে নয়া কৃষি বিল বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলেও সওয়াল করেন মোদী। এতে কৃষকদের আয় বৃদ্ধি হবে বলেও মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী। কৃষকদের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, আগামী দিনেও ফসলের ন্যায্যমূল্য বেঁধে দেওয়া হবে। কৃষকদের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য আগের মতোই কিনবে সরকার। সরকারের এই পদক্ষেপ কৃষকদের স্বাধীনতা বাড়াবে। তাঁদের উৎপাদিত ফসল বিপণনের ক্ষেত্র শুধু বিস্তৃতই হবে না কৃষকদের জন্য নতুন সুযোগ ও সম্ভাবনা তৈরি হবে। কৃষকদের বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আবেদনও জানান তিনি। বৃহস্পতিবার লোকসভায় পাশ হয় ফার্মার্স প্রডিউস ট্রেড কমার্স বিল ও ফার্মার্স এগ্রিমেন্ট অন প্রাইস অ্যান্ড ফার্মস সার্ভিসেস বিল। লোকসভায় বিল দুটি পাশ হলেও, রাজ্যসভায় পাশ হওয়া বাকি। কিন্তু বিলের প্রতিবাদী শরিকি দল শিরোমণি অকালি দলের একমাত্র মন্ত্রী হরসিমরত কউর পদত্যাগ করায় নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আর এটাকে ঢাল করে আসরে নেমে পড়েছে বিরোধী দলগুলিও। দেশজুড়ে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে তারা।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
দেশ

জন্মদিনে মোদী সাইক্লিস্ট?

আজ নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন। সেই জন্মদিনেই প্রধানমন্ত্রী কি ধরা দিলেন নতুন অবতারে? সাইক্লিস্ট হিসেবে? ছবি দেখলে তেমনটাই মনে হচ্ছে। বাস্তবে তা নয়। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে দিল্লিতে বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর সাইকেল র্যালির সূচনা করেন সাংসদ অরুণ সিং। সেখানেই এক সাইক্লিস্ট এসেছিলেন মোদীর মুখোশ আর সানগ্লাস পরে। দূর থেকে দেখে তাই এই ভুল হতেই পারে যে, নরেন্দ্র মোদী সাইক্লিস্ট অবতারে অবতীর্ণ হয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

“সব তথ্য আমার কাছে আছে!” নানুরে মমতার বিস্ফোরক দাবি, তীব্র আক্রমণ বিজেপিকে

বীরভূমের নানুরে নির্বাচনী জনসভা থেকে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটার তালিকা সংশোধন ও ভুয়ো ভোটার অন্তর্ভুক্তি নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপিকে একযোগে নিশানা করেন তিনি।সভা থেকে মমতা অভিযোগ করেন, ফর্মের মাধ্যমে বাইরের লোকদের ভোটার তালিকায় ঢোকানোর চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, এই বিষয়ে তাঁর কাছে সব তথ্য রয়েছে এবং কে কতজনকে ঢুকিয়েছে, তা তিনি জানেন। তিনি আরও বলেন, সময় এলেই সব তথ্য প্রকাশ্যে আসবে।ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, নাম তোলার জন্য বহু মানুষকে লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে এবং এতে প্রবীণদেরও কষ্ট হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, এই প্রক্রিয়ার কারণে বহু মানুষ সমস্যার মুখে পড়েছেন।এদিন ভাষা ও পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কেউ বাংলা ভাষায় কথা বললেই তাকে অনুপ্রবেশকারী বলা হচ্ছে কেন। সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব কার, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।সভা থেকে রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে বিজেপির অবস্থা খুব খারাপ হবে। যতই বাইরে থেকে নজরদারি বাড়ানো হোক, তার কোনও লাভ হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।নানুরের সভার পর এদিনই মুর্শিদাবাদের আরও দুটি জায়গায় জনসভা করার কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। ভোটের আগে এই সভাগুলি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
বিদেশ

কোথায় মোজতবা? একমাস পরও দেখা নেই, জল্পনার মাঝেই রুশ দূতের বড় দাবি

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে। মোজতবা খামেনেই দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় এক মাস কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত তিনি জনসমক্ষে আসেননি। এর ফলে তাঁর জীবিত থাকা নিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে।এই পরিস্থিতিতে এক রুশ কূটনীতিক দাবি করেছেন, মোজতবা খামেনেই সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন এবং ইরানেই রয়েছেন। তিনি জানান, নিরাপত্তার কারণে এবং বিশেষ পরিস্থিতিতে তিনি জনসমক্ষে আসছেন না। যদিও ঠিক কী কারণে তিনি আড়ালে রয়েছেন, তা স্পষ্ট করে বলা হয়নি।মনে করা হচ্ছে, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তিনি প্রকাশ্যে আসতে পারেন। তবে তিনি সামনে না এলেও তাঁর বার্তা বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এবং তা দেশের সরকারি সম্প্রচার মাধ্যমেও তুলে ধরা হয়েছে।সম্প্রতি মার্কিন ও ইজরায়েলি হামলায় প্রয়াত হন ইরানের প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। এরপর তাঁর পুত্র মোজতবাকে নতুন নেতা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে সেই ঘটনার পর থেকেই গুজব ছড়াতে শুরু করে যে তিনিও হয়তো হামলায় আহত বা নিহত হয়েছেন।কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, তিনি গুরুতর আহত এবং বিদেশে চিকিৎসাধীন। এমনকী রাশিয়ায় তাঁর চিকিৎসা চলছে বলেও খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে সেই সব জল্পনাকে উড়িয়ে দিয়ে এবার রুশ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, তিনি ইরানেই আছেন এবং সুস্থ রয়েছেন।এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলা যুদ্ধ পরিস্থিতিও এখন নতুন মোড় নিচ্ছে। প্রায় এক মাস ধরে চলা সংঘর্ষের পর যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত মিলছে বলে মনে করা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই সামরিক অভিযান বন্ধ হতে পারে।এই পরিস্থিতিতে মোজতবা খামেনেইকে ঘিরে রহস্য কবে কাটবে, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
দেশ

হু হু করে বাড়ছে বিমানের জ্বালানির দাম! এবার আকাশপথে ভ্রমণ হবে আরও ব্যয়বহুল

আকাশপথে ভ্রমণ এবার আরও ব্যয়বহুল হতে চলেছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে হঠাৎ করেই বেড়ে গিয়েছে বিমানের জ্বালানির দাম। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে চলেছে বিমান সংস্থাগুলির উপর এবং তার ফলে যাত্রীদেরও বেশি টাকা খরচ করতে হবে।দেশের বিভিন্ন শহরে জ্বালানির দামে বড়সড় বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। রাজধানী দিল্লিতে এই দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। সেখানে প্রতি কিলোলিটারের দাম এক লাফে দুই লক্ষ টাকারও বেশি হয়ে গেছে। গত মাসে যেখানে এই দাম ছিল এক লক্ষ টাকারও কম, সেখানে এক মাসের মধ্যেই এই বিশাল বৃদ্ধি নজরে পড়েছে।শুধু দিল্লি নয়, কলকাতাতেও জ্বালানির দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। মার্চ মাসে যেখানে দাম ছিল প্রায় নিরানব্বই হাজার টাকা, এখন তা বেড়ে দুই লক্ষ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। চেন্নাইতেও দাম দুই লক্ষ টাকার বেশি হয়েছে। মুম্বইতে তুলনামূলকভাবে দাম কিছুটা কম হলেও সেখানেও উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়েছে।এই হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিমান সংস্থাগুলির খরচ অনেকটাই বেড়ে যাবে। ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই বিমানের টিকিটের দামও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। যাঁরা নিয়মিত বিমান যাত্রা করেন, তাঁদের জন্য এটি বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগেও জ্বালানির দাম কিছুটা বেড়েছিল, তবে এই প্রথম এত বড়সড় বৃদ্ধি দেখা গেল। প্রথমবারের মতো বিমানের জ্বালানির দাম দুই লক্ষ টাকার সীমা ছাড়িয়ে গেল।এই পরিস্থিতিতে আগামী দিনে বিমান ভাড়া কতটা বাড়বে, সেদিকেই এখন নজর সকলের।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
রাজ্য

সাত এপ্রিলেই সব পরিষ্কার! ভোটার তালিকা নিয়ে বড় আশ্বাস, সন্তুষ্ট শীর্ষ আদালত

ভোটের আগে বড় স্বস্তির খবর এল আদালত থেকে। বিবেচনাধীন থাকা সমস্ত ভোটারের নাম খুব দ্রুত নিষ্পত্তি করা হবে বলে জানিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই আশ্বাসে সন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্টও।বুধবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির একটি চিঠি তুলে ধরা হয়। সেই চিঠিতে জানানো হয়েছে, আগামী সাত এপ্রিলের মধ্যেই সব বিবেচনাধীন নামের নিষ্পত্তি সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। এই বক্তব্য শুনে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত।এদিন আদালতে জানানো হয়, মোট প্রায় ষাট লক্ষ নামের মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় সাতচল্লিশ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। প্রতিদিন প্রায় দুই লক্ষ করে নাম যাচাই ও নিষ্পত্তি করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।এর আগে এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল, ভোটের আগে এত বিপুল সংখ্যক নামের নিষ্পত্তি আদৌ সম্ভব কি না। বিশেষ করে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ঘনিয়ে আসায় উদ্বেগ বাড়ছিল। তবে এদিন আদালতে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।সুপ্রিম কোর্ট জানায়, হাই কোর্টের এই অগ্রগতিতে তারা সন্তুষ্ট এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব কাজ শেষ হবে বলে তারা আশা করছে।এছাড়াও আদালত জানিয়েছে, খুব শীঘ্রই ট্রাইবুনালের কাজও শুরু হবে। বৃহস্পতিবার থেকেই ট্রাইবুনাল কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। এর আগে বুধবার প্রাক্তন বিচারপতিদের প্রশিক্ষণের কাজ শুরু হবে।এই সিদ্ধান্তের ফলে ভোটার তালিকা নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
কলকাতা

মহুয়ার মন্তব্যে অস্বস্তিতে দল! গুজরাটিদের ক্ষোভ, সামনে এল মমতার ক্ষমা প্রার্থনা

ভোটের আগে নতুন করে বিতর্কে জড়াল শাসক দল। দলের সাংসদ মহুয়া মৈত্রের একটি মন্তব্য ঘিরে অস্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস। গুজরাটি সম্প্রদায়কে নিয়ে তাঁর মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই ভবানীপুরে বসবাসকারী গুজরাটি মানুষদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়ায়।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলেরই এক কাউন্সিলর প্রকাশ্যে ওই মন্তব্যের নিন্দা করেন। তিনি জানান, এই ধরনের মন্তব্য দলের অবস্থান নয় এবং সাংসদ নিজের মতেই তা বলেছেন। একইসঙ্গে গুজরাটি সম্প্রদায়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনাও করা হয় তাঁর তরফে।এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বার্তাও সামনে আনা হয়। সেই বার্তায় তিনি গুজরাটি ভাই-বোনেদের কাছে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি জানান, এই মন্তব্য দল সমর্থন করে না এবং বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সাংসদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। এই ধরনের মন্তব্যের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।কয়েকদিন আগে এক সাংবাদিক বৈঠকে স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে মহুয়া মৈত্র মন্তব্য করেছিলেন, যেখানে তিনি বাঙালিদের অবদানের কথা তুলে ধরতে গিয়ে গুজরাটিদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর সেই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক।ঘটনার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়তে থাকে। ভবানীপুরের একটি বড় অংশ গুজরাটি সম্প্রদায়ের মানুষ নিয়ে গঠিত হওয়ায় বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। জানা যায়, অতীতের নির্বাচনে এই এলাকায় তৃণমূল খুব একটা ভালো ফল করতে পারেনি।রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের আগে যখন বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা চলছে, তখন এই ধরনের মন্তব্য উল্টো প্রভাব ফেলতে পারে। বিরোধী দল এই ইস্যুকে হাতিয়ার করতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে দ্রুত ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টা শুরু করেছে তৃণমূল। দলের তরফে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, এই মন্তব্য দল সমর্থন করে না এবং গুজরাটি সম্প্রদায়ের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
কলকাতা

ফর্ম নিয়ে তুমুল সংঘর্ষের পরও থামছে না উত্তেজনা! সিইও দপ্তরের সামনে আবার অবস্থান

ফর্ম নিয়ে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। মঙ্গলবারের সংঘর্ষের পর বুধবার সকালেও নির্বাচন দফতরের সামনে চাপা উত্তেজনা বজায় রয়েছে। সকাল থেকেই সেখানে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ধর্না ও অবস্থান শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় বিপুল সংখ্যায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।অভিযোগ, এক ব্যক্তি ব্যাগভর্তি ফর্ম নিয়ে নির্বাচন দফতরে ঢুকেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রচুর ফর্ম জমা দেওয়ার অভিযোগে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার নির্বাচন দফতরের সামনে দুই রাজনৈতিক দলের কর্মীদের মধ্যে বচসা চরমে ওঠে। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এরপর রাতেও দফতরের সামনে তৃণমূল কর্মীদের জমায়েত ও বিক্ষোভ চলতে থাকে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ আধিকারিকরা এসে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে বিক্ষোভকারীরা কিছুটা সরে যান।এই ঘটনার পর নির্বাচন কমিশনের তরফে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, এ ধরনের অসামাজিক কাজ কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক নয়। বুধবার সকাল থেকেই আবার দফতরের সামনে জমায়েত শুরু হয়েছে। পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।এদিকে রাতের ঘটনাকে ঘিরে নির্বাচন দফতরের শীর্ষ আধিকারিক ও পুলিশ প্রশাসনের মধ্যে বৈঠক হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।ফর্ম জমা দেওয়া নিয়ে এই বিতর্কে ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা ঘিরে বিস্ফোরক দাবি! একজনের হাতে হাজার হাজার আবেদন, প্রশ্নের মুখে প্রক্রিয়া

ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে শুনানির মাঝেই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হল। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে এদিন উঠে আসে বিপুল সংখ্যক ফর্ম জমা পড়ার বিষয়টি। রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, নির্বাচন কমিশনের দফতরে হঠাৎ করেই গুচ্ছ গুচ্ছ ফর্ম একসঙ্গে জমা পড়ছে।তিনি আদালতে বলেন, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হয়ে যাওয়ার পরও বিবেচনাধীন নামগুলির নিষ্পত্তির কাজ চলছে। এই পরিস্থিতিতে এত বড় সংখ্যায় আবেদন জমা পড়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। যদিও তিনি কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে দোষারোপ করেননি, তবে কেন এই সময়ে এত আবেদন জমা পড়ছে, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন।প্রধান বিচারপতি এই মন্তব্যের পর সতর্ক করে বলেন, অনুমানের ভিত্তিতে কোনও মন্তব্য করা উচিত নয়। এরপর নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী জানান, নিয়ম অনুযায়ী মনোনয়নের শেষ দিন পর্যন্ত আবেদন জমা দেওয়া যায়। এমনকি যাঁর সেদিনই আঠারো বছর পূর্ণ হচ্ছে, তিনিও আবেদন করার অধিকার রাখেন। তাই এই প্রক্রিয়ায় কাউকে বাধা দেওয়া সম্ভব নয়।শুনানির সময় আইনজীবী কপিল সিব্বল বলেন, এখানে সমস্যা হচ্ছে একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক আবেদন জমা পড়া। সেই প্রসঙ্গেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, একজন ব্যক্তিই নাকি কয়েক হাজার ফর্ম জমা দিয়েছেন। এই ঘটনায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।প্রধান বিচারপতি বলেন, এই ধরনের ঘটনা নতুন নয় এবং অতীতেও এমন নজির রয়েছে। তবে আবেদনকারীদের পরিচয় জানা না যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন আইনজীবীরা। তাঁদের দাবি, বুথভিত্তিকভাবে আবেদনকারীদের তালিকা প্রকাশ করা হলে অভিযোগ জানানো সহজ হবে।আদালত জানিয়ে দেয়, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে যারা আবেদন করেছেন, তাঁদের নাম বিবেচনা করা হবে। তবে নির্দিষ্ট সময়ের পরে আবেদন করলে নাম তালিকায় উঠলেও সেই নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার নাও থাকতে পারে।এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী জানান, তাঁদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী বিপুল সংখ্যক নাম তালিকায় যুক্ত হচ্ছে এবং অনেক নাম বাদও যাচ্ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।এরই মধ্যে মঙ্গলবার রাজ্যের নির্বাচন দফতরের বাইরে উত্তেজনা ছড়ায়। দুই রাজনৈতিক দলের কর্মীরা ফর্ম জমা দেওয়া নিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে এবং পরিস্থিতি সংঘর্ষে গড়ায়। মারধর, ধস্তাধস্তির অভিযোগ ওঠে দুই পক্ষের বিরুদ্ধেই। এক পক্ষের অভিযোগ, ফর্মের মাধ্যমে বাইরে থেকে লোক এনে ভোটার তালিকায় ঢোকানো হচ্ছে, অন্য পক্ষ সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।এই ঘটনায় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে এবং ভোটের আগে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
দেশ

দেশজুড়ে শুরু জনগণনা, কিন্তু বাদ পশ্চিমবঙ্গ! কেন এই ব্যতিক্রম? বাড়ছে জল্পনা

দেশজুড়ে আজ থেকে শুরু হল বহু প্রতীক্ষিত জনগণনা প্রক্রিয়া। এই জনগণনা হবে দুই ধাপে। এর সঙ্গে সঙ্গে শুরু হচ্ছে বাড়ি ও বাসস্থানের তথ্য সংগ্রহের কাজও। তবে এই প্রক্রিয়া আপাতত শুরু হচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গে, যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।জানা গিয়েছে, জনগণনা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি রাজ্য। এই বিষয়টি ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গকে জানানো হয়েছে বলে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি, জনগণনা সম্পূর্ণভাবে একটি কেন্দ্রীয় বিষয় এবং নির্ধারিত সময় অনুযায়ীই তা করা হবে।এইবারের জনগণনা সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতিতে করা হচ্ছে। নাগরিকদের নিজেদের তথ্য নিজেরাই নথিভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের বিস্তারিত তথ্য, বাড়ি ও সম্পত্তির বিবরণ দিতে হবে। এরপর সরকারি আধিকারিকরা বাড়িতে গিয়ে সেই তথ্য যাচাই করবেন। একবার তথ্য জমা হয়ে গেলে তা আর পরিবর্তন করা যাবে না।আজ থেকে শুরু হওয়া প্রথম ধাপ চলবে সেপ্টেম্বর মাসের শেষ পর্যন্ত। প্রথমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নাগরিকরা নিজেরাই তথ্য জমা দিতে পারবেন। তারপর সরকারি কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেই তথ্য যাচাই করবেন।এই প্রথমবার দেশের জনগণনা সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে করা হচ্ছে। নাগরিকরা নির্দিষ্ট পোর্টালে গিয়ে নিজেদের তথ্য জমা দিতে পারবেন এবং যাচাইয়ের জন্য একটি বিশেষ নম্বর পাবেন। পরে সরকারি কর্মীরা সেই নম্বরের ভিত্তিতে তথ্য মিলিয়ে দেখবেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১১ সালের পর এই প্রথম জনগণনা হচ্ছে। সাধারণত প্রতি দশ বছর অন্তর এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে তা সম্ভব হয়নি। এবারের জনগণনার জন্য বিপুল অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে দেশের অধিকাংশ জায়গায় জনগণনা শুরু হলেও পশ্চিমবঙ্গের বাইরে থাকা এই সিদ্ধান্ত নতুন করে প্রশ্ন তুলছে। কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে এই ইস্যুতে টানাপোড়েন আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal