• ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩, শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Middle East Crisis

দেশ

যুদ্ধ থামতেই বড় পদক্ষেপ ভারতের! মধ্যপ্রাচ্যে কেন ছুটছেন বিদেশমন্ত্রী, জানলে অবাক হবেন

ইরান ও আমেরিকার সংঘাত আপাতত থেমেছে। আর তার পরেই মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা অনেকটাই বাড়িয়ে দিল ভারত। জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রবিবার থেকে টানা পাঁচ দিনের গুরুত্বপূর্ণ সফরে বের হচ্ছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S.Jaishankar)।জানা গিয়েছে, পাঁচ থেকে দশ জুলাইয়ের মধ্যে কাতার, বাহারিন, কুয়েত এবং ওমান সফর করবেন তিনি। এই সফরে সংশ্লিষ্ট দেশগুলির বিদেশমন্ত্রী (S.Jaishankar) এবং শীর্ষ সরকারি প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। ইরান-আমেরিকা সংঘাতের পর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি কতটা বদলেছে এবং তার প্রভাব জ্বালানি সরবরাহের উপর কতটা পড়তে পারে, সেই বিষয়েই মূলত আলোচনা হবে।ভারতের অন্যতম বড় লক্ষ্য হল যুদ্ধের আগে যে পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও রান্নার গ্যাস আমদানি করা হত, তা দ্রুত আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা (S.Jaishankar)। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী যেন স্বাভাবিকভাবে সচল থাকে, সেই বিষয়েও সংশ্লিষ্ট দেশগুলির সহযোগিতা চাইবে ভারত।মধ্যপ্রাচ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ সফর শেষ হওয়ার পর বিদেশমন্ত্রী রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের অস্থায়ী সদস্যপদের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমে যোগ দিতে তেরো জুলাই নিউ ইয়র্কে যাবেন। এরপর চৌদ্দ জুলাই ব্রাসেলসে ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাণিজ্য ও প্রযুক্তি পরিষদের বৈঠকেও অংশ নেবেন তিনি (S.Jaishankar)।এরপর বিদেশমন্ত্রীর আমেরিকা সফরেরও কর্মসূচি রয়েছে। এমন সময় এই ধারাবাহিক বিদেশ সফর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, একদিকে আমেরিকার সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে চায় ভারত, অন্যদিকে ইরানের সঙ্গেও দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী নয়াদিল্লি। সেই কারণেই ইরান-আমেরিকা সংঘাতের সময় ভারত নিরপেক্ষ অবস্থান নিয়েছিল। এখন যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে এগোয়, তার দিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের।

জুলাই ০৫, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্পের বড় ঘোষণা: ইরানের সঙ্গে চুক্তি, খুলছে হরমুজ়—স্বস্তির নিশ্বাস বিশ্ববাজারে

দীর্ঘ কয়েক মাসের উত্তেজনা, সামরিক সংঘাত এবং আন্তর্জাতিক উদ্বেগের পর অবশেষে সমঝোতার পথে হাঁটল আমেরিকা ও ইরান। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ হরমুজ় প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা সম্পন্ন হয়েছে বলে ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী শুক্রবার জেনেভায় আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে।সোমবার ভোরে প্রথমে পাকিস্তান এই সমঝোতার খবর প্রকাশ করে। পরে ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয়েই আলোচনায় অগ্রগতির বিষয়টি স্বীকার করে। যদিও এখনও আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর বাকি, তবুও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে এই ঘোষণাকে পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা প্রশমনের বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।ট্রাম্পের ঘোষণা: ইঞ্জিন চালু করুক বিশ্বের জাহাজনিজের সমাজমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। সবাইকে অভিনন্দন। হরমুজ় প্রণালীর ব্যবহার আবার স্বাভাবিক হবে। মার্কিন অবরোধ তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের সব জাহাজ আবার তাদের যাত্রা শুরু করতে পারে।তিনি আরও দাবি করেন, বহু মার্কিন প্রশাসন অতীতে ইরানের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করলেও সফল হয়নি। তাঁর মতে, এই চুক্তি পশ্চিম এশিয়ায় স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।কেন এত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ় প্রণালী?বিশ্বের মোট সমুদ্রপথে পরিবাহিত অপরিশোধিত তেলের একটি বিশাল অংশ হরমুজ় প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করে। পশ্চিম এশিয়ার তেলসমৃদ্ধ দেশগুলির জন্য এই জলপথ কার্যত জীবনরেখা। ফলে সেখানে অস্থিরতা তৈরি হলেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পায় এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রভাব পড়ে।গত কয়েক মাস ধরে ইরান-আমেরিকা সংঘাতের জেরে এই জলপথে নিরাপত্তা সংকট তৈরি হয়েছিল। বহু বাণিজ্যিক জাহাজ বিকল্প পথ ব্যবহার করতে বাধ্য হয়, যার ফলে পরিবহণ ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।মাইন সরানোই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জতবে চুক্তি হলেই যে সঙ্গে সঙ্গে সব কিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবে, তা নয়। সংঘাতের সময় ইরান হরমুজ় প্রণালীর বিভিন্ন অংশে সামুদ্রিক মাইন বা বিস্ফোরক বসিয়েছিল বলে অভিযোগ। এই মাইন এখনও পুরোপুরি অপসারণ করা হয়নি।মার্কিন প্রশাসনের বক্তব্য, শুক্রবার আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের পরই যৌথভাবে মাইন অপসারণের কাজ শুরু হবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পর ধাপে ধাপে পূর্ণমাত্রায় তেলবাহী জাহাজ চলাচল শুরু করা হবে। ফলে বাস্তবে পরিবহণ স্বাভাবিক হতে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে।পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় অগ্রগতিএই সমঝোতা প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে পাকিস্তান। পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ রবিবারই সম্ভাব্য চুক্তির ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। যদিও সেই সময় ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।পরবর্তীতে একাধিক দফার কূটনৈতিক যোগাযোগের পর দুই দেশই আলোচনায় অগ্রগতির কথা স্বীকার করে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সাম্প্রতিক সংঘাতের পর এই প্রথম দুই পক্ষ প্রকাশ্যে সমঝোতার বার্তা দিল।এখনও বাকি পারমাণবিক ইস্যুর সমাধানবিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সমঝোতা মূলত হরমুজ় প্রণালীকে ঘিরে তাৎক্ষণিক সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, নিষেধাজ্ঞা এবং সামরিক কর্মকাণ্ডের মতো জটিল বিষয়গুলি এখনও আলোচনার বাইরে রয়েছে।ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আগামী দিনে একাধিক পর্যায়ের বৈঠক হতে পারে। সেই আলোচনাগুলিই নির্ধারণ করবে দুই দেশের সম্পর্ক স্থায়ীভাবে উন্নতির পথে এগোবে কি না।বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহলের আশা, হরমুজ় প্রণালী পুনরায় চালু হলে বিশ্ব তেলবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে এবং পশ্চিম এশিয়ায় দীর্ঘদিনের উত্তেজনা কিছুটা হলেও প্রশমিত হবে।

জুন ১৫, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে ফের হামলার প্রস্তুতি? ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা

ইরানকে নিয়ে আপাতত কিছুটা নরম অবস্থান নিয়েছে আমেরিকা। তবে সেই বিরতি যে সাময়িক, এমনই ইঙ্গিত মিলছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যে। চিন সফর সেরে ওয়াশিংটনে ফেরার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ান-এ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প জানান, এই মুহূর্তে আমেরিকা ইরানের উপর হামলা চালাতে চায় না। তবে প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।ট্রাম্পের দাবি, হোয়াইট হাউস যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে মূলত পাকিস্তানের অনুরোধে। তিনি বলেন, পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল এবং প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও ব্যক্তিগতভাবে তিনি এই যুদ্ধবিরতির পক্ষে ছিলেন না বলেও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।এদিকে আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, অপারেশন এপিক ফিউরি ২ নামে একটি বড় সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সম্প্রতি কংগ্রেসের এক শুনানিতে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি খারাপ হলে আরও বড় পদক্ষেপ নেওয়ার মতো সব পরিকল্পনাই তৈরি রয়েছে।তবে আপাতত কিছুটা সময় নিতে চাইছে ওয়াশিংটন। পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়েই পরবর্তী পদক্ষেপ করতে চায় তারা। যদিও আরব দুনিয়ার দুই শীর্ষ আধিকারিকের দাবি, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই ইরানের উপর নতুন করে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। সেই সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই মার্কিন ও ইজরায়েলি বাহিনী যৌথভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছে বলেও খবর।ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সরাসরি শান্তি আলোচনা না হলেও পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে বলে জানা গিয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের দাবি, ট্রাম্প প্রকাশ্যে শান্তির কথা বললেও ভিতরে ভিতরে নতুন সামরিক অভিযানের ছক কষছে ওয়াশিংটন।সম্প্রতি তিন দিনের চিন সফরে গিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সফরে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকের পর ট্রাম্প জিনপিংকে অসাধারণ নেতা বলেও প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকা যে বিপজ্জনক, সেই বিষয়ে আমেরিকা ও চিন একই মত পোষণ করছে।

মে ১৭, ২০২৬
দেশ

এক বছর সোনা কিনবেন না! দেশবাসীকে হঠাৎ এমন বার্তা কেন দিলেন মোদী?

ইরান-আমেরিকা সংঘাতের জেরে বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে। তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতেও। এই পরিস্থিতিতে দেশবাসীর উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর বক্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। এর মধ্যেই আজ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। ফলে কেন্দ্রীয় সরকার বড় কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে কি না, তা নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে।রবিবার এক জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে আগামী এক বছর সোনা না কেনার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য পেট্রোল ও ডিজেলের ব্যবহার কমানোর কথাও বলেন তিনি। প্রয়োজনে আবার ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালু করার পরামর্শও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া আপাতত বিদেশ ভ্রমণ এবং ডেস্টিনেশন ওয়েডিং এড়িয়ে চলার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। দেশের অর্থভাণ্ডার শক্তিশালী রাখা এবং জ্বালানি সাশ্রয়ের কথা মাথায় রেখেই এই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে জানান মোদী।প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তার পরেই আজ বিশেষ বৈঠকের ডাক দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে অর্থনীতির উপর কতটা প্রভাব পড়ছে, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হবে বৈঠকে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হওয়ার কারণে দেশের কোন কোন ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে, তা খতিয়ে দেখা হবে।সূত্রের খবর, বৈঠকে পেট্রোলিয়াম এবং জাহাজ মন্ত্রকের তরফে আলাদা করে রিপোর্ট নেওয়া হচ্ছে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি রুখতে কেন্দ্র কী পদক্ষেপ করতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। এছাড়া আগামী দিনে কোন কোন ক্ষেত্রে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন, তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে বলে খবর।

মে ১১, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধের আশঙ্কা ফিরতেই তেলের দামে আগুন! ভারতে কি বাড়বে পেট্রোল-ডিজেল?

টানা চলা সংঘর্ষের পর ইরান ও আমেরিকার যুদ্ধবিরতি বিশ্বজুড়ে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছিল। সেই সময় তেলের দাম কমতেও শুরু করেছিল। কিন্তু পরিস্থিতি আবার বদলাতে শুরু করেছে। ফের বেড়ে গেল অপরিশোধিত তেলের দাম এবং তা আবার ১০০ ডলারের গণ্ডি পার করেছে। ফলে ভারতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।জানা গিয়েছে, ইসলামাবাদে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সংঘর্ষ মেটাতে আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু সেই আলোচনা সফল হয়নি। এর পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে আবার উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে। সোমবার সকালে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০৪ ডলার ছাড়িয়েছে। একইভাবে ব্রেন্ট তেলের দামও ১০০ ডলারের উপরে উঠে গিয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতির মূল কারণ ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা। তেলের সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বাজারে দাম বাড়ছে। বিনিয়োগকারীরাও সতর্ক হয়ে পড়েছেন। আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।এর মধ্যেই হরমুজ প্রণালী ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আমেরিকার তরফে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে বিশ্বের তেলের সরবরাহে বড় ধাক্কা লাগতে পারে এবং সঙ্কট আরও গভীর হতে পারে।কয়েক দিন আগেও ছবিটা অন্যরকম ছিল। এপ্রিলের শুরুতে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১১৭ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। এরপর যুদ্ধবিরতির ঘোষণা হতেই তা কমে প্রায় ৯১ ডলারে নেমে আসে। কিন্তু নতুন করে আলোচনা ভেস্তে যাওয়া এবং উত্তেজনা বাড়ার কারণে আবার দাম বাড়তে শুরু করেছে।এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক রাজনীতির টানাপোড়েন সরাসরি প্রভাব ফেলছে সাধারণ মানুষের জীবনে। তেলের দাম বাড়লে তার প্রভাব পড়বে পরিবহণ থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দামে।এদিকে আমেরিকার তরফে কড়া অবস্থানের ইঙ্গিত মিলতেই ইরানও পাল্টা জবাব দিচ্ছে। ইরানের সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাগের গালিবাফ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কটাক্ষ করে বলেন, এই ধরনের পদক্ষেপের ফলে ভবিষ্যতে জ্বালানির দাম আরও বেড়ে যেতে পারে।সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে এবং তার প্রভাব পড়ছে বিশ্ব অর্থনীতিতে।

এপ্রিল ১৩, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ নিয়ে চরম টানাপোড়েন, চুক্তি ছাড়াই ফিরল আমেরিকা

দীর্ঘ একুশ ঘণ্টার বৈঠক, তবু মেলেনি কোনও সমাধান। ইসলামাবাদে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে ম্যারাথন আলোচনা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে। বৈঠক শেষে আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স জানান, তাদের পক্ষ থেকে সব চেষ্টা করা হলেও ইরান শর্ত মানতে রাজি হয়নি। ফলে কোনও চুক্তি ছাড়াই ফিরতে হয়েছে তাঁদের।এই মন্তব্যের পরই পাল্টা সুর চড়ায় ইরান। তেহরানের দাবি, আমেরিকার শর্তগুলো সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ছিল এবং সেই কারণেই আলোচনায় অগ্রগতি হয়নি। ইরানের সরকারি সূত্র জানিয়েছে, দেশের স্বার্থ রক্ষা করেই তারা দীর্ঘ সময় আলোচনা চালিয়েছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনও রফাসূত্র মেলেনি।এই বৈঠকে অন্যতম বড় জট ছিল হরমুজ প্রণালী নিয়ে। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের উপর তাদের অবস্থান বদলাবে না। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কড়া বার্তা দিয়ে বলেছেন, হরমুজ খুলতেই হবে এবং সেই লক্ষ্যেই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।প্রায় এক মাসের উত্তেজনার পর দুই দেশের এই বৈঠকের দিকে নজর ছিল গোটা বিশ্বের। বৈঠকের পরে ভান্স জানান, আমেরিকা তাদের অবস্থান স্পষ্টভাবে জানিয়েছেকোন বিষয়ে আপস সম্ভব এবং কোথায় নয়। যদিও কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে, তবুও চুক্তি না হওয়ায় পরিস্থিতি জটিলই রয়ে গেছে।সূত্রের খবর, আবারও নতুন করে আলোচনায় বসতে পারে দুই দেশ। ইসলামাবাদের তরফে বৈঠক বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হতে পারে। তবে সেই বৈঠক আদৌ হবে কি না এবং হলেও কোনও সমাধান মিলবে কি না, তা নিয়েই বাড়ছে অনিশ্চয়তা।

এপ্রিল ১২, ২০২৬
বিদেশ

সংঘর্ষ বিরতির ঘোষণার ঘণ্টা পেরোতেই যুদ্ধ! ইরান-আমেরিকা চুক্তি প্রশ্নের মুখে

খাতায়কলমে সংঘর্ষবিরতির ঘোষণা হলেও বাস্তবে যুদ্ধ থামল না মধ্যপ্রাচ্যে। ইরান, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের মধ্যে সংঘর্ষবিরতির ঘোষণা হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশে নতুন করে হামলার খবর সামনে এসেছে। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।খবর অনুযায়ী, ইরানের লাভান দ্বীপে একটি তেল শোধনাগারে আকাশপথে হামলা চালানো হয়েছে। বুধবার সকালে এই হামলার পর আগুনে জ্বলে ওঠে গোটা এলাকা। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল পৌঁছয় ঘটনাস্থলে।অন্যদিকে, কুয়েত, বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতেও ড্রোন ও মিসাইল হামলার খবর মিলেছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। যদিও এই হামলার দায় এখনও প্রকাশ্যে স্বীকার করেনি ইরান।উল্লেখ্য, বুধবার ভোরে সংঘর্ষবিরতির ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি। দুপক্ষ জানিয়েছিল, আগামী দুসপ্তাহ আলোচনা চলবে এবং সেই সময়ের মধ্যে কোনও পক্ষই হামলা চালাবে না। একই সঙ্গে শর্তসাপেক্ষে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছিল।কিন্তু এই ঘোষণার অল্প সময়ের মধ্যেই নতুন করে হামলা শুরু হওয়ায় চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংঘর্ষবিরতি খুবই নড়বড়ে ছিল। কারণ, এই চুক্তির মধ্যে লেবাননের পরিস্থিতি অন্তর্ভুক্ত ছিল না। ফলে সংঘাত আবারও বাড়তে পারে।সব মিলিয়ে, সংঘর্ষবিরতির পরও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমার বদলে আরও বেড়েছে। এখন বড় প্রশ্ন, এই সংঘাত আদৌ থামবে কি না।

এপ্রিল ০৯, ২০২৬
বিদেশ

কোথায় মোজতবা? একমাস পরও দেখা নেই, জল্পনার মাঝেই রুশ দূতের বড় দাবি

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে। মোজতবা খামেনেই দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় এক মাস কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত তিনি জনসমক্ষে আসেননি। এর ফলে তাঁর জীবিত থাকা নিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে।এই পরিস্থিতিতে এক রুশ কূটনীতিক দাবি করেছেন, মোজতবা খামেনেই সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন এবং ইরানেই রয়েছেন। তিনি জানান, নিরাপত্তার কারণে এবং বিশেষ পরিস্থিতিতে তিনি জনসমক্ষে আসছেন না। যদিও ঠিক কী কারণে তিনি আড়ালে রয়েছেন, তা স্পষ্ট করে বলা হয়নি।মনে করা হচ্ছে, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তিনি প্রকাশ্যে আসতে পারেন। তবে তিনি সামনে না এলেও তাঁর বার্তা বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এবং তা দেশের সরকারি সম্প্রচার মাধ্যমেও তুলে ধরা হয়েছে।সম্প্রতি মার্কিন ও ইজরায়েলি হামলায় প্রয়াত হন ইরানের প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। এরপর তাঁর পুত্র মোজতবাকে নতুন নেতা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে সেই ঘটনার পর থেকেই গুজব ছড়াতে শুরু করে যে তিনিও হয়তো হামলায় আহত বা নিহত হয়েছেন।কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, তিনি গুরুতর আহত এবং বিদেশে চিকিৎসাধীন। এমনকী রাশিয়ায় তাঁর চিকিৎসা চলছে বলেও খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে সেই সব জল্পনাকে উড়িয়ে দিয়ে এবার রুশ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, তিনি ইরানেই আছেন এবং সুস্থ রয়েছেন।এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলা যুদ্ধ পরিস্থিতিও এখন নতুন মোড় নিচ্ছে। প্রায় এক মাস ধরে চলা সংঘর্ষের পর যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত মিলছে বলে মনে করা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই সামরিক অভিযান বন্ধ হতে পারে।এই পরিস্থিতিতে মোজতবা খামেনেইকে ঘিরে রহস্য কবে কাটবে, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
দেশ

হু হু করে বাড়ছে বিমানের জ্বালানির দাম! এবার আকাশপথে ভ্রমণ হবে আরও ব্যয়বহুল

আকাশপথে ভ্রমণ এবার আরও ব্যয়বহুল হতে চলেছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে হঠাৎ করেই বেড়ে গিয়েছে বিমানের জ্বালানির দাম। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে চলেছে বিমান সংস্থাগুলির উপর এবং তার ফলে যাত্রীদেরও বেশি টাকা খরচ করতে হবে।দেশের বিভিন্ন শহরে জ্বালানির দামে বড়সড় বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। রাজধানী দিল্লিতে এই দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। সেখানে প্রতি কিলোলিটারের দাম এক লাফে দুই লক্ষ টাকারও বেশি হয়ে গেছে। গত মাসে যেখানে এই দাম ছিল এক লক্ষ টাকারও কম, সেখানে এক মাসের মধ্যেই এই বিশাল বৃদ্ধি নজরে পড়েছে।শুধু দিল্লি নয়, কলকাতাতেও জ্বালানির দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। মার্চ মাসে যেখানে দাম ছিল প্রায় নিরানব্বই হাজার টাকা, এখন তা বেড়ে দুই লক্ষ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। চেন্নাইতেও দাম দুই লক্ষ টাকার বেশি হয়েছে। মুম্বইতে তুলনামূলকভাবে দাম কিছুটা কম হলেও সেখানেও উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়েছে।এই হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিমান সংস্থাগুলির খরচ অনেকটাই বেড়ে যাবে। ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই বিমানের টিকিটের দামও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। যাঁরা নিয়মিত বিমান যাত্রা করেন, তাঁদের জন্য এটি বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগেও জ্বালানির দাম কিছুটা বেড়েছিল, তবে এই প্রথম এত বড়সড় বৃদ্ধি দেখা গেল। প্রথমবারের মতো বিমানের জ্বালানির দাম দুই লক্ষ টাকার সীমা ছাড়িয়ে গেল।এই পরিস্থিতিতে আগামী দিনে বিমান ভাড়া কতটা বাড়বে, সেদিকেই এখন নজর সকলের।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্প বললেন আলোচনা চলছে, ইরানের জবাব— ‘সব মিথ্যা!’ যুদ্ধবিরতি ঘিরে বড় বিস্ফোরণ

যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনা নিয়ে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আলোচনা চলছে এবং খুব শিগগিরই চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সেই দাবি একেবারে খারিজ করে দিয়েছে ইরান।ইরানের বিদেশমন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আমেরিকার সঙ্গে কোনও সরাসরি আলোচনা হয়নি। তাদের বক্তব্য, কেবলমাত্র বিভিন্ন দেশের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, কিন্তু কোনও আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই বলেন, টানা একত্রিশ দিন ধরে যুদ্ধ চলছে। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সামরিক অভিযানের মধ্যে তারা আত্মরক্ষাতেই মন দিয়েছে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে।অন্যদিকে, ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে আমেরিকার দেওয়া পনেরো দফা শর্তের বেশিরভাগই মেনে নিয়েছে ইরান। তিনি জানান, আলোচনা দ্রুত এগোচ্ছে এবং আগামী সপ্তাহের মধ্যেই একটি চুক্তি হতে পারে বলে আশাবাদী তিনি। তাঁর কথায়, যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।কিন্তু ইরানের তরফে এই সমস্ত দাবিকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে। তেহরানের এই অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ফলে যুদ্ধবিরতি আদৌ সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ৩১, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে মধ্যপ্রাচ্য! ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে চাপা পড়ে মৃত্যু ভারতীয়ের

প্রায় এক মাস ধরে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে। আকাশে বারুদের গন্ধ, দিনরাত সাইরেনের শব্দ আর একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বহু এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সাধারণ মানুষের জীবন সবচেয়ে বেশি বিপদের মুখে পড়েছে। ইতিমধ্যেই হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এই যুদ্ধের প্রভাব থেকে রক্ষা পাননি ভারতীয়রাও। এবার ইরান ও আমেরিকার সংঘর্ষে আরও এক ভারতীয়র মৃত্যু হয়েছে।সম্প্রতি আবু ধাবি শহরে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে চাপা পড়ে ওই ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশেই প্রতিহত করা হয়। পাল্টা ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে সেটিকে আটকানো সম্ভব হয়। তবে আকাশে দুই ক্ষেপণাস্ত্রের সংঘর্ষের পর তার ধ্বংসাবশেষ গিয়ে পড়ে সুয়েইহান স্ট্রিট এলাকায়। সেখানেই এই দুর্ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় মোট দুই জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে একজন ভারতীয় এবং অন্যজন পাকিস্তান-এর নাগরিক।ভারতীয় দূতাবাসের তরফে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। শোক প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, নিহত ব্যক্তির পরিবারের পাশে থাকার জন্য এবং প্রয়োজনীয় সাহায্য পৌঁছে দিতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী-এর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।পরে জর্ডন-এর বিদেশ মন্ত্রক হতাহতদের পরিচয় প্রকাশ করে জানায়, এই ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন, তাঁদের মধ্যেও একজন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন। এখনও পর্যন্ত এই যুদ্ধে মোট সাতজন ভারতীয়র মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে এখন পর্যন্ত মোট এগারো জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। এর আগে মৃতের সংখ্যা ছিল নয়। সাম্প্রতিক হামলার পর সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এগারোতে। নিহতদের মধ্যে দেশের সশস্ত্র বাহিনীর তিনজন সদস্যও রয়েছেন। পাশাপাশি পাকিস্তান, নেপাল, বাংলাদেশ এবং প্যালেস্টাইনের নাগরিকরাও এই হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।সেদেশের বিদেশ মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, ইরানের আক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে আবু ধাবির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিপুল সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে তিনশোরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, একাধিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং হাজারের বেশি ড্রোন হামলা। তবুও পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত উত্তপ্ত এবং অনিশ্চিত রয়ে গেছে।

মার্চ ২৭, ২০২৬
দেশ

ট্রাম্পের ঘোষণায় চাঙ্গা বাজার! কিন্তু ঘণ্টা খানেকেই ধাক্কা, আতঙ্কে বিনিয়োগকারীরা

মঙ্গলবার সকালে বাজার খুলতেই হঠাৎ করেই চাঙ্গা হয়ে ওঠে শেয়ার বাজার। সেনসেক্স ও নিফটি দুটিই দ্রুত উপরের দিকে উঠতে শুরু করে। একই সঙ্গে টাকার দামও কিছুটা শক্তিশালী হয় এবং সোনা ও রুপোর দাম কমে যায়। তবে এই উত্থান কতক্ষণ স্থায়ী হবে, তা নিয়ে শুরু থেকেই সংশয় তৈরি হয়।এই উত্থানের পিছনে রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য। তিনি দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে এবং আগামী পাঁচ দিন ইরানের জ্বালানি পরিকাঠামোয় কোনও হামলা করা হবে না। এই ঘোষণার পরই বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ থামার আশা তৈরি হয় এবং তার প্রভাব পড়ে ভারতীয় বাজারেও।বাজার খুলতেই সেনসেক্স এক লাফে হাজার পয়েন্টেরও বেশি বেড়ে যায়। নিফটিতেও দেখা যায় উন্নতি। একই সময়ে টাকার দামও ডলারের তুলনায় প্রায় চৌত্রিশ পয়সা বেড়ে যায়। তেলের দাম কিছুটা কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়।কিন্তু এই খুশি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। বাজার খোলার অল্প সময়ের মধ্যেই সেনসেক্স প্রায় পাঁচশো পয়েন্ট পড়ে যায়। সূচক ঘোরাফেরা করতে থাকে তিয়াত্তর হাজার তিনশোর আশপাশে। এই ওঠানামা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই ঘোষণাকে ইতিমধ্যেই ইরান ভুয়ো বলে দাবি করেছে। সেই কারণেই বাজারে আবার অনিশ্চয়তা ফিরে এসেছে। যুদ্ধ যদি সত্যিই না থামে, তাহলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।প্রায় চার সপ্তাহ ধরে চলা এই সংঘাত কবে শেষ হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। বাজারে অস্থিরতা থাকলে লাভের আশা করাও কঠিন হয়ে পড়বে। ফলে সাময়িক উত্থান হলেও বাজারের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

মার্চ ২৪, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ, তবুও নরম নন ট্রাম্প! কী বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট

ইরানকে ঘিরে চলা সংঘাত নিয়ে কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই মুহূর্তে যুদ্ধবিরতি চান না তিনি। তাঁর দাবি, এই সংঘাতে ইরান দুর্বল অবস্থায় রয়েছে, তাই এখন যুদ্ধ থামানোর প্রশ্নই ওঠে না।শুক্রবার হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, আলোচনা হতে পারে, কিন্তু তিনি যুদ্ধবিরতি চান না। তাঁর কথায়, যখন প্রতিপক্ষকে প্রায় সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তখন যুদ্ধ থামানো ঠিক নয়।ইজরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের উপর হামলা এবং যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। ট্রাম্প জানান, ইজরায়েলের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক খুব ভালো এবং দুই দেশই একই লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। তাঁর মতে, তারা জয় চায় এবং সেই দিকেই এগোচ্ছে।হরমুজ প্রণালী নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ সুরক্ষিত রাখতে আরও সাহায্যের প্রয়োজন। বিশেষ করে চিন ও জাপানের মতো দেশ এগিয়ে এলে পরিস্থিতি সামলানো সহজ হবে। ইরানের কারণে এই পথ আংশিকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তা পুনরায় চালু করতে জাহাজের প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, আমেরিকার কাছে হরমুজ প্রণালী ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, কারণ ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলির মতো তারা এই পথের উপর খুব বেশি নির্ভরশীল নয়।উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় কুড়ি শতাংশ এই হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে পরিবাহিত হয়। বর্তমান সংঘাতের জেরে ইরান এই পথ বন্ধ করে দেওয়ায় বহু দেশে তেলের সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রুড তেলের দাম দ্রুত বাড়ছে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হচ্ছে।

মার্চ ২১, ২০২৬
বিদেশ

ইরান ভেঙে পড়ছে! আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলায় কার্যত শেষ পরমাণু শক্তি, দাবি নেতানিয়াহুর

ইরানকে ঘিরে চলা যুদ্ধে নতুন করে বড় দাবি করলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আমেরিকাকে এই যুদ্ধে টেনে আনার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভুয়ো। তাঁর কথায়, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নিজে সিদ্ধান্ত নেন, তাঁকে কেউ প্রভাবিত করতে পারে না।একই সঙ্গে তিনি বলেন, ইজরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে এই যুদ্ধে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় রয়েছে এবং তারা খুব দ্রুত নিজেদের লক্ষ্য পূরণ করছে। তাঁর দাবি, টানা কুড়ি দিনের হামলার ফলে ইরান এখন আর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার ক্ষমতা রাখে না, এমনকি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সামর্থ্যও অনেকটাই নষ্ট হয়ে গিয়েছে।নেতানিয়াহুর বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের মিসাইল ও ড্রোন শক্তি কার্যত ধ্বংসের মুখে। এখন মূলত সেই সব কারখানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, যেখান থেকে এই অস্ত্র তৈরি হত। তবে তাঁর এই দাবির পক্ষে কোনও নির্দিষ্ট প্রমাণ এখনও সামনে আসেনি।তিনি আরও দাবি করেন, ইরান এখন আগের থেকে অনেক দুর্বল, আর ইজরায়েল এই অঞ্চলের শক্তিশালী দেশ হিসেবে উঠে এসেছে। প্রয়োজন হলে এই অভিযান আরও দীর্ঘ সময় চলবে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।এদিকে, নেতানিয়াহুর সাংবাদিক বৈঠক চলাকালীনই ইরান ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। ইজরায়েলের সেনাবাহিনীও জানায়, নতুন করে হামলা হয়েছে তাদের দিকে।ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্যাসক্ষেত্রে হামলার প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, ওই হামলা ইজরায়েল নিজের সিদ্ধান্তেই চালিয়েছিল। তবে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ভবিষ্যতে এমন হামলা না করার অনুরোধ করেছেন, তাই আপাতত সেই সিদ্ধান্ত মেনে চলছে ইজরায়েল।নেতানিয়াহু আরও বলেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে বিশ্বকে চাপ দেওয়ার চেষ্টা করছে ইরান। কিন্তু সেই কৌশল সফল হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ যে আরও জটিল আকার নিতে পারে, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্চ ২০, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের আঁচে কাঁপছে বাজার! এক ধাক্কায় ১৬০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স

আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ক্রমশই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। ইরান এবং কাতারের গ্যাস ভাণ্ডারে হামলার ঘটনার পর বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তার সরাসরি প্রভাব পড়েছে শেয়ার বাজারে। বৃহস্পতিবার সকালে বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই বড়সড় ধস নামে।সকাল প্রায় ৯টা ১৬ মিনিট নাগাদ বোম্বে শেয়ার বাজারের প্রধান সূচক সেনসেক্স ১৬০০ পয়েন্টের বেশি পড়ে যায়। প্রায় ২ শতাংশের বেশি পতন হয়ে সূচক নেমে আসে ৭৫ হাজারের কিছু উপরে। অন্যদিকে নিফটিও প্রায় ৫০০ পয়েন্ট কমে যায়। বিভিন্ন বড় সংস্থার শেয়ারের দাম ২ থেকে ৪ শতাংশ পর্যন্ত নেমে যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পতনের প্রধান কারণ আন্তর্জাতিক অস্থিরতা। প্রথমে ইরানের সাউথ পারস গ্যাস ক্ষেত্রে হামলা হয়। পরে কাতারের রাস লাফান গ্যাস ভাণ্ডারে পাল্টা হামলার খবর সামনে আসে। এই ঘটনার ফলে বিশ্বজুড়ে গ্যাসের ঘাটতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তেলের দাম দ্রুত বাড়তে থাকলে ভারতের মতো তেল আমদানিকারক দেশের অর্থনীতির উপর তার খারাপ প্রভাব পড়বে। দীর্ঘ সময় ধরে তেলের দাম বেশি থাকলে দেশের বৃদ্ধি এবং সংস্থাগুলির আয় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।এদিকে আমেরিকার কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে এ বছর খুব বেশি সুদের হার কমানো হবে না বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন শেয়ার বাজারে।সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক অস্থিরতার জেরে শেয়ার বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্চ ১৯, ২০২৬
বিদেশ

পাঁচ হাজার পাউন্ডের বাঙ্কার বিধ্বংসী বোমা! ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ধ্বংসের দাবি

হরমুজ প্রণালীর কাছে ইরানের উপকূল অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলিতে বড়সড় হামলা চালিয়েছে আমেরিকার সেনাবাহিনী। তাদের দাবি, এই হামলায় শক্তিশালী বাঙ্কার বিধ্বংসী বোমা ব্যবহার করা হয়েছে, যার ওজন প্রায় পাঁচ হাজার পাউন্ড।আমেরিকার কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, এই বোমাগুলি এমনভাবে তৈরি, যা মাটির নিচে বা শক্তভাবে সুরক্ষিত ঘাঁটি ধ্বংস করতে পারে। তারা জানিয়েছে, ইরানের উপকূলবর্তী এলাকায় থাকা ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করেই এই হামলা চালানো হয়েছে।আমেরিকার দাবি, ওই এলাকায় থাকা জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য বড় বিপদ তৈরি করছিল। তাই সেই হুমকি দূর করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।এই হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ন্যাটোর বেশিরভাগ দেশ এই যুদ্ধে সরাসরি জড়াতে চায় না। যদিও তারা আমেরিকার পদক্ষেপকে সমর্থন করছে, তবুও সামরিকভাবে সাহায্য করতে এগিয়ে আসছে না।ট্রাম্প বলেন, সবাই আমেরিকার সঙ্গে একমত হলেও সাহায্য করতে চায় না, যা তাঁর কাছে বিস্ময়কর বলে মনে হয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে জানাননি, এই অবস্থানের জন্য তিনি মিত্র দেশগুলির বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেবেন কি না।এর আগে ট্রাম্প বিভিন্ন দেশকে হরমুজ প্রণালী নিরাপদ করতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন, যাতে বাণিজ্যিক জাহাজগুলি নিরাপদে চলাচল করতে পারে।কিন্তু জার্মানি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা এই সংঘাতে অংশ নেবে না। ফ্রান্সও জানিয়েছে, পরিস্থিতি শান্ত না হওয়া পর্যন্ত তারা কোনও সামরিক পদক্ষেপে যাবে না।অন্যান্য দেশগুলিও এই বিষয়ে আগ্রহ দেখায়নি, ফলে আমেরিকা কার্যত একাই এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে।হরমুজ প্রণালী বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জলপথ। বিশ্বের প্রায় কুড়ি শতাংশ তেল এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। কিন্তু মার্চের শুরু থেকে চলা যুদ্ধের কারণে এই পথ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির সরবরাহে বড় প্রভাব পড়েছে এবং তেলের দাম দ্রুত বেড়ে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে উদ্বেগ আরও বাড়ছে।

মার্চ ১৮, ২০২৬
বিদেশ

বন্ধু দেশ পাশে নেই, ক্ষোভে বিস্ফোরণ ট্রাম্পের, বললেন আমাদের কাউকে দরকার নেই

বিপদের সময়ে কে সত্যিই পাশে থাকে, সেই প্রশ্নই যেন সামনে এনে দিল হরমুজ প্রণালী ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি। এই সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশের কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু সেই ডাকে সাড়া দেয়নি কোনও দেশই। এরপরেই সোশ্যাল মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। জানান, আমেরিকা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ এবং তাদের কাউকে প্রয়োজন নেই।ইজরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানের উপর হামলা চালানোর পর থেকেই উত্তেজনা বেড়েছে। পালটা পদক্ষেপ হিসেবে হরমুজ প্রণালী কার্যত নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে ইরান। এর ফলে বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাস সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন দেশে জ্বালানির দাম বাড়তে শুরু করেছে। আমেরিকাতেও তার প্রভাব পড়ছে এবং জ্বালানি সংকট দেখা দিচ্ছে।এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ট্রাম্প বিভিন্ন দেশকে হরমুজে রণতরী পাঠানোর আহ্বান জানান। তিনি ন্যাটোর সদস্য দেশগুলির পাশাপাশি আরও কয়েকটি দেশের নাম উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু কোনও দেশই তার প্রস্তাবে আগ্রহ দেখায়নি।এরপরেই ট্রাম্প বলেন, আমেরিকার শক্তিশালী সেনাবাহিনী রয়েছে এবং তারা নিজেরাই পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্ষম। তিনি আরও জানান, তিনি আসলে দেখতে চেয়েছিলেন, তার ডাকে অন্য দেশগুলি কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়। তার দাবি, অনেক সময় প্রয়োজনের মুহূর্তে এই দেশগুলি পাশে থাকে না।তিনি আরও মনে করিয়ে দেন, দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকা বিভিন্ন দেশকে আর্থিক সাহায্য দিয়ে এসেছে। তবুও এই পরিস্থিতিতে তাদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সাড়া পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।উল্লেখযোগ্যভাবে, ট্রাম্প চিন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ব্রিটেনের মতো দেশের নাম উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু কেউই এগিয়ে আসেনি। অন্যদিকে ভারত জানিয়েছে, এই বিষয়ে তাদের সঙ্গে সরাসরি কোনও আলোচনা হয়নি। তবে ইরানের সঙ্গে তারা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং নিজেদের জ্বালানিবাহী জাহাজ নিরাপদে পার করার চেষ্টা চালাচ্ছে।সব মিলিয়ে এই পরিস্থিতিতে বিশ্বরাজনীতিতে আমেরিকা কিছুটা একা হয়ে পড়েছে বলেই মনে করছেন অনেকেই। হরমুজ প্রণালী নিয়ে উত্তেজনা এখনও বজায় রয়েছে এবং পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের মাঝেও ভারতের পাশে ইরান! হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাংকার যাওয়ার অনুমতি

ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতেও। ইতিমধ্যেই গ্যাসের দাম বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। তেলের দামও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহনে সমস্যা হওয়ায় তেলের জোগান কমে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে ভারতের জন্য স্বস্তির খবর এল ইরানের দিক থেকে। জানা গিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে দুটি পেট্রোলিয়াম পণ্যবাহী ট্যাংকারকে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।গত প্রায় পনেরো দিন ধরে ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে সংঘাত চলছে। এই অবস্থায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। কারণ এই পথ দিয়েই বিশ্বের বড় অংশের তেল পরিবহন হয়।ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আগেই আশার কথা শোনান। শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, খুব শিগগিরই ইতিবাচক খবর আসতে পারে। তাঁর কথার কিছু সময় পরেই দুটি পেট্রোলিয়াম পণ্যবাহী ট্যাংকারকে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতীয় জাহাজ নিরাপদে যেতে পারবে কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে রাষ্ট্রদূত বলেন, অবশ্যই পারবে। তিনি বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই তার প্রমাণ মিলবে।রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ভারত ও ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি জানান, অনেক কঠিন সময়ে ভারত ইরানের পাশে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত নানা ক্ষেত্রে ইরানকে সাহায্য করেছে বলে তিনি স্মরণ করেন। সেই সম্পর্কের গুরুত্ব থেকেই ভারতের পণ্যবাহী ট্যাংকারকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
বিদেশ

মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র সংঘাত! ইরানের খার্গ দ্বীপে ভয়াবহ বোমাবর্ষণের দাবি ট্রাম্পের

মধ্যপ্রাচ্যে চলা সংঘাতের আবহে বড় দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, ইরানের খার্গ দ্বীপে বড় ধরনের বোমাবর্ষণ চালিয়েছে আমেরিকার সেনা। তিনি এই হামলাকে মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ বোমাবর্ষণ বলে উল্লেখ করেছেন।নিজের সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তায় ট্রাম্প জানান, তাঁর নির্দেশে আমেরিকার কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড এই হামলা চালিয়েছে। তাঁর দাবি, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপে থাকা সমস্ত সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।তবে তিনি এটাও জানান, এখনও পর্যন্ত ওই দ্বীপের তেল শোধনাগারে হামলা করা হয়নি। কিন্তু যদি হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলে সেখানেও হামলা করা হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।খার্গ দ্বীপ ইরানের উপকূল থেকে প্রায় তেত্রিশ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। আয়তনে খুব বড় না হলেও এই দ্বীপই ইরানের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এখান থেকেই ইরান বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অপরিশোধিত তেল পাঠায়। তাই এই দ্বীপে বড় আঘাত মানেই ইরানের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা বলে মনে করা হয়।এর মধ্যেই আমেরিকার প্রশাসনের দাবি, ইরানের অন্তত পনেরো হাজার সামরিক ঘাঁটিতে আমেরিকা ও ইজরায়েল একসঙ্গে হামলা চালিয়েছে। তাদের আরও দাবি, ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব নিরাপত্তার কারণে গোপন স্থানে চলে গিয়েছে। এমনকি দেশের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতাও গুরুতর আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে খার্গ দ্বীপে হামলার খবর সামনে আসতেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালী কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে তেলের সংকট তৈরি হয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে আগেই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল যে হরমুজ দিয়ে কোনও তেলবাহী জাহাজকে যেতে দেওয়া হবে না।ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, পশ্চিম এশিয়ার বাইরে এক লিটার তেলও যেতে দেওয়া হবে না। এর জবাবে আমেরিকার পক্ষ থেকে আগেই বলা হয়েছিল, হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার চেষ্টা করলে কঠোর সামরিক জবাব দেওয়া হবে।এই অবস্থায় খার্গ দ্বীপে হামলার দাবি সামনে আসায় সংঘাত আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।

মার্চ ১৪, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রে রহস্য! গুরুতর আহত নতুন সর্বোচ্চ নেতা, নাকি গোপন রাখা হচ্ছে সত্য

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেইকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তাঁর বাবা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পরই তাঁকে দেশের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বার্তা প্রকাশ পেলেও তিনি নিজে কোথাও প্রকাশ্যে দেখা দেননি।ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে তাঁর প্রথম বক্তব্য প্রচার করা হয়। তবে সেই বার্তাটি একটি সংবাদপাঠক পড়ে শোনান। খামেনেই নিজে ক্যামেরার সামনে আসেননি। কেন তিনি প্রকাশ্যে আসেননি, সে বিষয়ে ইরানের সরকারি মাধ্যম কোনও ব্যাখ্যা দেয়নি। এরই মধ্যে নানা মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে যে যুদ্ধের প্রথম হামলাতেই তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন।ছাপ্পান্ন বছর বয়সী এই নতুন আয়াতোল্লা তাঁর বক্তব্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তিনি তাঁর নিহত বাবার নীতিই অনুসরণ করবেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রাখার কথা বলেছেন তিনি। তাঁর দাবি, হরমুজ প্রণালী বন্ধই থাকবে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলিকে দ্রুত ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করার দাবিও জানিয়েছেন তিনি। সাম্প্রতিক বিমান হামলায় নিহতদের রক্তের প্রতিশোধ নেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি।তবে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা ধরনের খবর সামনে আসছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রথম ধাক্কায় তিনি আহত হয়েছিলেন। সেই হামলাতেই তাঁর বাবা, মা, স্ত্রী, বোন ও ভাইঝির মৃত্যু হয়েছে বলেও খবর প্রকাশিত হয়েছে।ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন তাঁকে রমজানের যোদ্ধা বলে উল্লেখ করেছে। সাধারণত দেশের জন্য লড়াই করতে গিয়ে আহত হওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করা হয়।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলির রিপোর্টেও তাঁর আঘাত পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তিনি তুলনামূলকভাবে হালকা আহত হয়েছেন। অন্য একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁর পায়ে চোট লেগেছে, চোখের পাশে আঘাত রয়েছে এবং মুখেও সামান্য ক্ষত রয়েছে।তবে একটি বিদেশি সংবাদপত্রে আরও চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, তিনি নাকি এখন কোমায় রয়েছেন এবং হামলায় তাঁর একটি পা কেটে ফেলতে হয়েছে। সেই প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, তাঁর যকৃত ও পেটেও গুরুতর ক্ষতি হয়েছে।ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, তাঁর প্রথম বার্তা প্রকাশ করা হয়েছিল মূলত তাঁর শারীরিক অবস্থা আড়াল করার চেষ্টা হিসেবে। জানা গিয়েছে, রাজধানীর একটি ঐতিহাসিক এলাকায় অবস্থিত একটি বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে তাঁর চিকিৎসা চলছে। হাসপাতালের একটি অংশ কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে রাখা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং দেশের অন্যতম শীর্ষ ট্রমা সার্জন মোহাম্মদ রেজা জাফারঘান্দি তাঁর চিকিৎসার দায়িত্বে রয়েছেন। সূত্রের দাবি, হামলায় তাঁর একটি পা হারাতে হয়েছে এবং শরীরের ভেতরের অঙ্গেও গুরুতর ক্ষতি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানকে ঘিরে নানা ধরনের জল্পনা ও ষড়যন্ত্র তত্ত্বও ছড়াতে শুরু করেছে। কেউ কেউ বলছেন, দেশটি নাকি এখন এক অদৃশ্য আয়াতোল্লার দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। যদিও ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, নতুন সর্বোচ্চ নেতার প্রথম বার্তাটি তিনিই লিখেছেন।

মার্চ ১৩, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

উপনির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের, ‘তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও জোড়াফুল প্রতীক ফ্রিজ

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় নাম এবং নির্বাচনী প্রতীক আপাতত ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী এবং বিরোধী গোষ্ঠীকেউই আসন্ন উপনির্বাচনে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম বা দলের জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।দলীয় নাম ও প্রতীকের মালিকানা নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধের জেরেই এই অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বিষয়টি বর্তমানে প্রতীক সংক্রান্ত নির্দেশের ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে বিবেচনাধীন রয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষকেই পৃথক পরিচয় এবং আলাদা নির্বাচনী প্রতীকে উপনির্বাচনে লড়তে হবে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, দুই গোষ্ঠীকেই তিনটি করে পছন্দের দলের নাম এবং তিনটি করে প্রতীকের বিকল্প জানাতে বলা হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার মধ্যে সেই তালিকা জমা দিতে হবে। এরপর কমিশন দুই পক্ষের জন্য পৃথক নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করবে।নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের দলীয় পরিচয় ও প্রতীক নিয়ে এই বিরোধ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দুই পক্ষই নিজেদের তৃণমূল কংগ্রেসের বৈধ প্রতিনিধি বলে দাবি করেছে। কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পরই স্পষ্ট হবে দলীয় নাম ও সংরক্ষিত প্রতীকের অধিকার কার হাতে থাকবে।ততদিন পর্যন্ত উপনির্বাচনে কোনও গোষ্ঠীই অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম বা জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

‘কোনও যোগ্য উপভোক্তা অন্নপূর্ণার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না', জন্মদিনে মোদীর গ্যারান্টিতে উচ্ছ্বাস মহিলাদের

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বাংলায় পালিত হল অন্নপূর্ণা দিবস। এই উপলক্ষে অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় রাজ্যের ১.৫৮ কোটি মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মাসিক ৩ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সল্টলেকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের প্রতিটি যোগ্য মহিলা যাতে এই প্রকল্পের সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।এদিন কলকাতার সল্টলেকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ঘোষণা করেন, প্রতি বছর ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন অন্নপূর্ণা দিবস হিসেবে পালন করা হবে। তাঁর বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রাজ্যে মহিলাদের মাসিক ৩ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে।অন্নপূর্ণা যোজনা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি আর্থিক সহায়তা প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য মহিলাদের সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী জানান, সেপ্টেম্বর মাসের কিস্তির টাকা ১.৫৮ কোটি উপভোক্তার মধ্যে অধিকাংশের অ্যাকাউন্টে ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে। বাকি উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টেও বৃহস্পতিবারের মধ্যে পৌঁছে যাবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।কোনও যোগ্য মহিলা যেন বঞ্চিত না হন, বার্তা মোদিরঅনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, গত ১২ বছরে রাজ্যের মানুষের অন্যতম বড় অভিযোগ ছিল, কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক প্রকল্পের সুবিধা সময়মতো তাঁদের কাছে পৌঁছত না। আগের তৃণমূল সরকারের নাম উল্লেখ না করেই তিনি বলেন, এর ফলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছিলেন দরিদ্র পরিবারগুলি। তবে বর্তমানে বিজেপি সরকার আটকে থাকা প্রকল্পগুলির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।মোদির কথায়, বাংলার মহিলাদের হাতে যেমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন, তেমনই এগিয়ে যাওয়ার সাহসও থাকা দরকার। সেই লক্ষ্য পূরণে অন্নপূর্ণা যোজনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, কোনও মায়ের কাছে এই ৩ হাজার টাকা সন্তানের পড়াশোনার খরচ হতে পারে। কোনও বোনের কাছে তা ওষুধ কেনা কিংবা সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার কাজে লাগতে পারে। পরিবারের ছোট-বড় নানা সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি মহিলারা সংসারের একাধিক দায়িত্ব সামলান। নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচের চিন্তা কমলে তাঁদের আত্মবিশ্বাসও বাড়বে বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, মা, বোন ও মেয়েদের জীবনের প্রতিটি পর্যায়ের সমস্যার সমাধান করাই সরকারের অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনার মাধ্যমে বাংলার মহিলাদের জীবনে নতুন শক্তি যোগ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এই প্রকল্পে কোনও মধ্যস্থতাকারী বা কাটমানি নেই বলে উল্লেখ করে মোদি বলেন, একজন যোগ্য মহিলাও যাতে প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতে সরকার নিরন্তর কাজ করছে।প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ৫০ লক্ষ উপভোক্তার তালিকা তৈরির ঘোষণাএদিনের অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়েও বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, বাংলায় এই প্রকল্পের আওতায় ৫০ লক্ষ উপভোক্তার তালিকা তৈরির কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, প্রকল্পের আওতায় তৈরি হতে চলা সমস্ত নতুন বাড়ির মালিকানা থাকবে মহিলাদের হাতে।মহিলাদের উপর অত্যাচার রুখতে কমিশন গঠনের দাবি মুখ্যমন্ত্রীররাজ্যে মহিলাদের উপর অপরাধ ও অত্যাচারের প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। শুভেন্দু অধিকারী জানান, গত চার মাসে রাজ্যে মহিলাদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠন করা হয়েছে।রাজ্যের কোনও মহিলাকে যাতে অত্যাচারের শিকার হতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে বিজেপি সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি, নেশামুক্ত বাংলা গড়ে তুলতে মহিলাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী।বাল্যবিবাহ ও কিশোরী মাতৃত্ব নিয়ে উদ্বেগরাজ্যে বাল্যবিবাহ এবং কিশোরী মাতৃত্বের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, এই ক্ষেত্রে মুর্শিদাবাদ ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দেন, তাঁর সরকারের আমলে ১৮ বছরের কম বয়সি কোনও মেয়ের বিয়ে হতে দেওয়া হবে না। যাঁরা এই ধরনের বিয়ে দিয়েছেন বা বিয়েতে সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

প্রদীপের আলোয় তৈরি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি! মোদীর জন্মদিনে বাংলার বুকে এলাহি আয়োজন চমকে দিতে বাধ্য

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন উপলক্ষে অভিনব উদ্যোগ পুরুলিয়ায়। এক লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিশাল প্রতিকৃতি তৈরি করে তাঁকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো হল। আশীর্বাদ কা দিয়া অনুষ্ঠানের অঙ্গ হিসেবে পুরুলিয়া ইনডোর স্টেডিয়ামে এই বিশেষ আয়োজন করা হয়।প্রায় ২,৫০০ বর্গফুট এলাকা জুড়ে তৈরি করা হয়েছে নরেন্দ্র মোদীর এই বিশাল প্রতিকৃতি। ঝাড়খণ্ডের ১১ জন শিল্পী তিন দিন ধরে পরিশ্রম করে বিভিন্ন রঙের এক লক্ষ প্রদীপ ব্যবহার করে এই শিল্পকর্ম তৈরি করেছেন। প্রদীপ দিয়ে তৈরি এই প্রতিকৃতি অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।শিল্পী সুজয় কুমার জানিয়েছেন, ঝাড়খণ্ডের বোকারো, গিরিডি ও হাজারিবাগের ১১ জন শিল্পী এই কাজে অংশ নিয়েছেন। সাধারণত বিভিন্ন উপকরণ কিংবা বর্জ্য সামগ্রী ব্যবহার করে মোজাইক শিল্প তৈরি করা হয়। তবে এবার প্রায় এক লক্ষ প্রদীপ ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি তৈরি করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন থেকে শুরু করে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত নরেন্দ্র মোদীর জনজীবনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবেই পুরুলিয়ায় এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন বলে জানা গিয়েছে।স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এ বছর পুরুলিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন বিশেষভাবে উদযাপন করা হচ্ছে। সেবা সংকল্প অভিযান-এর অধীনে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। আশীর্বাদ কা দিয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সেই কর্মসূচির সূচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে প্রদীপ জ্বালিয়ে এই বিশাল প্রতিকৃতি তৈরি ঘিরে পুরুলিয়ায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দায়িত্ব বাড়লেও বদলায়নি শিকড়ের টান! ১৫০ বছরের মনসা মেলায় পুতুলের দোকানে বিকিকিনিতে ব্যস্ত বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা

বিধায়ক হয়েছেন, বেড়েছে দায়িত্ব। কিন্তু শৈশবের স্মৃতি আর পরিবারের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা পুরনো ঐতিহ্য আজও অমলিন। বীরভূমের সাঁইথিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের প্রায় ১৫০ বছরের পুরনো মনসা পুজোর মেলায় পরিবারের সঙ্গে পুতুলের দোকানে বসে সেই কথাই যেন মনে করিয়ে দিলেন বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা। ভাইদের সঙ্গে দোকান সামলাতে দেখা গেল তাঁকে।বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহার কাছে এই মেলা শুধুমাত্র পুজো বা উৎসবের জায়গা নয়। তাঁর শৈশবের বহু স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে এই মেলার সঙ্গে। ছোটবেলায় বাবার হাত ধরে দেউচা রঘুনাথপুরের এই মেলায় আসতেন তিনি। মেলায় তাঁর বাবা দোকান বসাতেন। বাবার সঙ্গে সেই দোকানে বসে খদ্দের সামলানো, মেলার ভিড় দেখা সবই ছিল তাঁর ছোটবেলার পরিচিত অভিজ্ঞতা।সময়ের সঙ্গে বদলেছে জীবন। শৈশবের সেই দিনগুলি পেরিয়ে বর্তমানে সাঁইথিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা। বেড়েছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দায়িত্বও। তবে সেই পরিবর্তনের মধ্যেও পুরনো মেলার সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রেখেছেন তিনি।এবার মনসা পুজো উপলক্ষে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মেলায় ফিরে পুতুলের দোকানে বসেন বিধায়ক। ভাইদের সঙ্গে দোকান সামলানোর সময় তাঁকে দেখতে ভিড় জমান মেলায় আসা মানুষজন। কেউ দূর থেকে তাঁকে দেখেন, আবার কেউ এগিয়ে এসে কথা বলেন। রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে পরিবারের সঙ্গে তাঁর এই উপস্থিতি নজর কাড়ে স্থানীয়দের।কৃষ্ণকান্ত সাহার বক্তব্য, দায়িত্ব ও পদ একজন মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে, কিন্তু শিকড় এবং শৈশবের স্মৃতি কখনও মুছে যায় না। বাবার সঙ্গে কাটানো দিনগুলি এখনও তাঁর মনে গভীরভাবে গেঁথে রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।প্রায় দেড়শো বছরের পুরনো এই মেলায় পরিবারের দোকান আর শৈশবের স্মৃতি যেন ফের একসূত্রে বাঁধল বিধায়ককে। জনপ্রতিনিধি হওয়ার পরেও পুরনো ঐতিহ্যের সঙ্গে তাঁর এই সংযোগ স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
দেশ

ব্রিকসের পর হঠাৎ শি জিনপিংয়ের স্ট্রোক? ভাইরাল দাবিতে তোলপাড়, কী বলল দিল্লি?

ভারতের মাটিতে সদ্য শেষ হয়েছে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন। সম্মেলনে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-সহ একাধিক রাষ্ট্রনেতা যোগ দেন। শি ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ব্রিকসের দুই অধিবেশনেও অংশ নেন। কিন্তু সম্মেলন শেষ হওয়ার পরই তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি দাবি ছড়িয়ে পড়ে।চিনের গণতন্ত্র পার্টির চেয়ারম্যান ওয়ানজুন শিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেন, দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সময় শি জিনপিং অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন এবং তাঁর স্ট্রোক হয়েছিল। তাঁর আরও দাবি, পরে বিশেষ বিমানে শিকে চিনে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে তাঁর চিকিৎসা করা হয়। তবে এই দাবির পক্ষে কোনও চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি বা সরকারি প্রমাণ সামনে আসেনি। ভারতের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলিও জানিয়েছে, দাবিটি স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি।এদিকে চিনের সরকারি তথ্যের সঙ্গে ভাইরাল দাবির বেশ কিছু অমিল রয়েছে। চিনের বিদেশ মন্ত্রকের সরকারি বিবরণ অনুযায়ী, শি জিনপিং ১২ সেপ্টেম্বর ব্রিকসের প্রথম অধিবেশনে এবং ১৩ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় অধিবেশনে অংশ নেন। দুই অধিবেশনেই তিনি বক্তব্য রাখেন এবং অন্যান্য রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।চিনের বিদেশ মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, ১৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে শি জিনপিং ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর কর্মসূচি শেষ করে বেজিংয়ের উদ্দেশে রওনা দেন। অর্থাৎ সরকারি নথিতে তাঁর সফর নির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই শেষ হওয়ার কথা জানানো হয়েছে।শুধু শি জিনপিং নন, ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়া একাধিক রাষ্ট্রনেতা দেশে ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলেও সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট ছড়ায়। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসার স্বাস্থ্য নিয়েও এমন আলোচনা শুরু হয়।এই ধরনের দাবির বিরুদ্ধে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে সতর্ক করা হয়েছে। মন্ত্রকের তথ্য যাচাই সংক্রান্ত শাখা সামাজিক মাধ্যমে একাধিক রাষ্ট্রনেতার অসুস্থতা নিয়ে ছড়ানো পোস্টকে ভুয়ো এবং বিভ্রান্তিকর বলে সতর্ক করেছে। মানুষকে এই ধরনের বিভ্রান্তিকর পোস্টে বিশ্বাস না করারও বার্তা দেওয়া হয়েছে।তবে শি জিনপিংয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও সতর্কতার সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। কারণ তাঁর স্ট্রোক, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা অস্ত্রোপচারের দাবি কোনও সরকারি সূত্র নিশ্চিত করেনি। একই সঙ্গে চিনের সরকারও এমন কোনও স্বাস্থ্যগত ঘটনার কথা ঘোষণা করেনি। ফলে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো ওই দাবিকে এই মুহূর্তে নিশ্চিত খবর হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।অন্যদিকে, ব্রিকস সম্মেলনে শি জিনপিংয়ের উপস্থিতি এবং তাঁর বক্তব্যের বিষয়ে চিনের সরকারি নথি রয়েছে। সম্মেলনের পর তাঁর বেজিং ফেরার বিষয়টিও চিনের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে। ফলে শি জিনপিংয়ের স্বাস্থ্য নিয়ে ছড়ানো দাবির সত্যতা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।সব মিলিয়ে, ব্রিকস সম্মেলনের পর শি জিনপিংয়ের অসুস্থতা নিয়ে যে দাবি ছড়িয়েছে, তার কোনও স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনও সামনে আসেনি। অন্যদিকে, বিদেশ মন্ত্রক একাধিক রাষ্ট্রনেতাকে নিয়ে ছড়ানো অসুস্থতার দাবিকে ভুয়ো বলে সতর্ক করেছে। তাই এই মুহূর্তে শি জিনপিংয়ের স্ট্রোক বা জরুরি অস্ত্রোপচারের দাবিকে সত্য বলে ধরে নেওয়ার কোনও ভিত্তি নেই।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
দেশ

নিজের জন্মদিনে বাংলার মহিলাদের জন্য মোদীর বড় বার্তা! বললেন, ‘আপনাদের ভরসাই আমার শক্তি’

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ৭৬তম জন্মদিনে বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিলেন তিনি। বাংলার মা-বোনেরা তাঁকে যে ভাবে ভালবাসা ও ভরসা দিয়েছেন, সেই কথাই নিজের বক্তব্যে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, বাংলার মহিলাদের ভরসা তাঁকে শক্তি জুগিয়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলার মা-বোনেরা সবসময় তাঁকে ভালবাসা ও স্নেহ দিয়েছেন। তাঁদের আত্মীয়তার অনুভূতি তাঁকে সবসময় শক্তি জুগিয়েছে। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, বাংলার মহিলাদের ভরসাই তাঁর শক্তি। পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও বাংলার মহিলাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তিনি।এ দিন বাংলায় অন্নপূর্ণা যোজনার টাকাও উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কর্মসূচি রয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসের ৩ হাজার টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কথা জানিয়েছে রাজ্য সরকার। এ বার প্রায় ১ কোটি ৫৮ লক্ষ মহিলা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন বলে সরকারি ভাবে জানানো হয়েছে।অন্নপূর্ণা যোজনার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসারে মহিলাদের উপর অনেক দায়িত্ব থাকে। পরিবারের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি সামলানোর পাশাপাশি তাঁদের নিজেদের প্রয়োজনও রয়েছে। হাতে কিছু অর্থ থাকলে জরুরি খরচ নিয়ে তাঁদের চিন্তা কমে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ে। সেই লক্ষ্যেই এই ধরনের আর্থিক সহায়তার কথা তুলে ধরেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের কাজের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বেশি কাজ করা এবং কম কথা বলা। বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তাঁদের পরিশ্রম ও পরিবারের প্রতি দায়িত্বের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।এ দিন বাংলায় পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্প নিয়েও বিশেষ কর্মসূচি রয়েছে। কলকাতায় এই প্রকল্পের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দেশের ঐতিহ্যবাহী কারিগর ও শিল্পীদের আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়াই এই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য।এই প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী পেশার সঙ্গে যুক্ত কারিগর ও শিল্পীরা প্রশিক্ষণ, সরঞ্জাম কেনার সহায়তা এবং ঋণের সুবিধা পেতে পারেন। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী, যোগ্য উপভোক্তাদের প্রথম ধাপে ১ লক্ষ টাকা এবং পরে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণের সুযোগ রয়েছে। ঋণের সুদের হার ৫ শতাংশ।ফলে মোদীর জন্মদিনে বাংলায় একদিকে অন্নপূর্ণা যোজনার আর্থিক সহায়তা, অন্য দিকে পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্পের বর্ষপূর্তিদুই কর্মসূচিই বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা এবং কারিগরদের জন্য প্রকল্পের সুবিধা ঘিরে এ দিন রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনার সেপ্টেম্বরের অর্থসাহায্য এবং বিশ্বকর্মা প্রকল্পের কর্মসূচিদুই ক্ষেত্রেই সরকারি ঘোষণাই এখন মূল বিষয়।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

পথ খরচ নিতে গিয়েই ফাঁদে! চার দশক পর কলকাতা পুলিশের জালে মাওবাদী নেতা আকাশ

পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা এলাকার বাসিন্দা অসীম মণ্ডল ওরফে আকাশ ওরফে তিমির ওরফে মনোজকে পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, তাঁর মাথার দাম ছিল এক কোটি টাকা। দীর্ঘ প্রায় চার দশক ধরে পুলিশের নজর এড়িয়ে থাকার পর অবশেষে তাঁর গ্রেপ্তারি ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরে পটাশপুর এলাকার কোনও একটি জায়গা থেকে আকাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, এক পূর্ব পরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে পথ খরচ নেওয়ার জন্য সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় কলকাতা পুলিশের টাস্ক ফোর্সের হাতে ধরা পড়েন তিনি। তাঁর কাছ থেকে দুটি ব্যাগ উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। সেই ব্যাগে মাওবাদী সংগঠনের বই, পুস্তিকা এবং কিছু বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম ছিল বলে জানা যাচ্ছে। তবে এই গ্রেপ্তারি নিয়ে রাজ্য পুলিশের তরফে এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা থানার ফুলচক এলাকার বাসিন্দা অসীম মণ্ডল ছাত্রজীবন থেকেই অতি বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। পরে তিনি পিপলস ওয়ার গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হন। সারেঙ্গা, গোয়ালতোড়-সহ জঙ্গলমহলের বিভিন্ন এলাকায় সংগঠনের কাজ করার পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডের পূর্ব সিংভূম জেলার গুড়াবান্দা এলাকাতেও দীর্ঘদিন সক্রিয় ছিলেন বলে অভিযোগ।২০০৪ সালে সিপিআই মাওবাদী সংগঠন তৈরি হওয়ার পর জঙ্গলমহলে ফিরে সক্রিয় ভাবে সংগঠনের কাজ শুরু করেন অসীম। লালগড় আন্দোলনের সময়ও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। পরে ২০১০ সালে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদকের দায়িত্ব পান তিনি। বাংলা, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা নিয়ে গঠিত আঞ্চলিক কমিটির সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর।কিষানজির মৃত্যুর পর মাওবাদী সংগঠনে তাঁর সক্রিয়তা আগের মতো ছিল না বলে তদন্তকারীদের দাবি। এরপর জঙ্গলমহল ছেড়ে ঝাড়খণ্ডে গা ঢাকা দেন আকাশ। দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর পর ফের বাংলায় আসার চেষ্টা করেন তিনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে।সম্প্রতি ঝাড়খণ্ডে পুলিশের অভিযানে মাওবাদী সংগঠনের কয়েক জন সদস্য গ্রেপ্তার হন। তাঁদের মধ্যে তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং এক জন আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা যায়। এরপর বাংলার মাওবাদী সংগঠনের সশস্ত্র কাঠামোও দুর্বল হয়ে পড়ে বলে তদন্তকারীদের দাবি।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, আকাশ দীর্ঘদিন জঙ্গলে থাকার পর শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। উচ্চ রক্তচাপ এবং কোমরের ব্যথার কারণে প্রায় চার দশক পর তিনি জঙ্গল ছেড়ে বেরিয়ে আসেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। জঙ্গলে একটি একে-৪৭ এবং কিছু নথিপত্র রেখে তিনি গাড়িতে করে বাইরে বেরিয়েছিলেন বলেও পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে।এর পর আরও কয়েক জন মাওবাদী সদস্য পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদে আকাশ আত্মসমর্পণ করবেন না বলে জানিয়েছিলেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। বরং কিছুদিন বাইরে থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফের জঙ্গলমহলে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। সেই পরিকল্পনার মধ্যেই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলেন তিনি।তদন্তকারীদের দাবি, আত্মগোপনের জন্য পরিচিত এবং আত্মীয়দের কয়েক জনের কাছে আশ্রয় নেওয়ার কথা ভেবেছিলেন আকাশ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সন্দেহ এড়াতে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন তিনি। কখনও জায়গা বদল, কখনও ছদ্মবেশসব রকম ভাবে পুলিশের নজর এড়ানোর চেষ্টা চলছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। গ্রেপ্তারের আগে তাঁর কাছে প্রায় দেড় লাখ টাকা নগদ ছিল বলেও ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে জানা যাচ্ছে।আকাশের স্ত্রীও পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তিনিও মাওবাদী সংগঠনের সক্রিয় সদস্য ছিলেন বলে অভিযোগ। ২০১০ সালে কলকাতা পুলিশের টাস্ক ফোর্স তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল বলে জানা যায়। বর্তমানে তিনি জেলে রয়েছেন।আকাশের গ্রেপ্তারের পর বাংলা, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশায় মাওবাদী দমনে যুক্ত নিরাপত্তা সংস্থাগুলির কাছে এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকা এক মাওবাদী নেতার গ্রেপ্তারের পর তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া নথি ও বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। সেগুলি থেকে সংগঠনের বর্তমান বা অতীত কার্যকলাপ সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যায় কি না, এখন সেদিকেই নজর তদন্তকারীদের।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
কলকাতা

১৩ বছর পর ফের খুলবে মহাকরণের দরজা? মুখ্যমন্ত্রীর ঘর তৈরির কাজ শেষের পথে

পুজোর আর বেশি দিন বাকি নেই। তার আগেই রাজ্য প্রশাসনের ঠিকানায় বড় বদলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ ১৩ বছর পর ফের মহাকরণ থেকে প্রশাসনিক কাজ শুরু করার প্রস্তুতি চলছে। পূর্ত দফতর সূত্রে খবর, আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী-সহ ছয় মন্ত্রীর ঘর তৈরির কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েক জন আমলার জন্যও ঘর তৈরির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ফলে পুজোর আগেই মহাকরণে প্রশাসনিক কাজকর্মের একটি বড় অংশ শুরু হতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে।মহাকরণে সংস্কারের কাজ কতটা এগিয়েছে, তা নিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পূর্তমন্ত্রী অজয় পোদ্দার। সূত্রের খবর, বৈঠকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ১০ অক্টোবরের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর ঘর এবং আরও পাঁচ মন্ত্রীর ঘর প্রস্তুত করার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।প্রাথমিক ভাবে যে তালিকা সামনে এসেছে, তাতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, শঙ্কর ঘোষ, শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং অজয় পোদ্দারের জন্য মহাকরণে ঘর তৈরির কাজ চলছে। মহাকরণের তৃতীয় তলায় মুখ্যমন্ত্রী-সহ মন্ত্রীদের বসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।শুধু মন্ত্রীদের ঘর নয়, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিকদের জন্যও মহাকরণে জায়গা প্রস্তুত করা হচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ফের ঐতিহ্যবাহী এই ভবন থেকে পরিচালিত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।মহাকরণ সংস্কারের সামগ্রিক দায়িত্ব আদানি গোষ্ঠীর হাতে দেওয়া হতে পারে বলেও জল্পনা রয়েছে। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং কী ভাবে সংস্কারের কাজ এগোবে, তা নিয়ে এখনও বিস্তারিত প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গিয়েছে।মহাকরণের সঙ্গে রাজ্যের প্রশাসনিক ইতিহাসের সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের। ২০১৩ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সময়ে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক দফতর মহাকরণ থেকে নবান্নে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ব্রিটিশ আমলে তৈরি এই ঐতিহাসিক ভবনের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েই সেই সময় প্রশাসনের মূল কেন্দ্র সরানো হয়েছিল।এর পর দীর্ঘ সময় ধরে মহাকরণ সংস্কারের কাজ চললেও তা সম্পূর্ণ হয়নি। সাম্প্রতিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ১৩ বছর পরেও সংস্কারের একটি বড় অংশ অসম্পূর্ণ রয়েছে।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর মহাকরণকে ফের প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা সামনে আসে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শপথ নেওয়ার পর থেকেই মহাকরণে তাঁর জন্য ঘর তৈরির প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল।এখন সেই প্রস্তুতিতেই আরও গতি এসেছে। ১০ অক্টোবরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ঘরগুলির কাজ শেষ করার লক্ষ্য নেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, পুজোর আগেই কি নবান্নের বদলে মহাকরণ থেকে প্রশাসনিক কাজ শুরু করবেন মুখ্যমন্ত্রী? আপাতত সেই দিকেই নজর রয়েছে।মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর মন্ত্রী ও আমলাদের ঘর তৈরির কাজও দ্রুত এগোচ্ছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হলে বহু বছর পর ফের মহাকরণে রাজ্য প্রশাসনের ব্যস্ততা দেখা যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal