• ৪ ফাল্গুন ১৪৩২, শনিবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Matua

রাজ্য

ঠাকুরবাড়িতে অভিষেক যাবেনই? শান্তনুর হুঁশিয়ারিতে উত্তাল মতুয়া রাজনীতি

মতুয়াদের পাশে দাঁড়াতে আগামী ৯ জানুয়ারি ঠাকুরবাড়ি যাওয়ার কথা রয়েছে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাহেরপুরে সভা শেষে তিনি হরিচাঁদ ঠাকুরের মন্দিরে পুজো দিতে যাবেন বলেই দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে এই সফর ঘিরেই তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর প্রকাশ্যেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে পুজো দিতে দেওয়া হবে না।শান্তনু ঠাকুরের অভিযোগ, ভোটের রাজনীতি করতেই অভিষেক ঠাকুরনগরে আসছেন। তিনি বলেন, কত পুলিশ নিয়ে অভিষেক আসতে পারেন, সেটাও তিনি দেখবেন। ওই দিন হাজার হাজার মতুয়া মানুষ জড়ো হবে এবং ধিক্কার মিছিল বেরোবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এই মন্তব্যের পর রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর।পাল্টা তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে জানানো হয়েছে, ক্ষমতা থাকলে কেউ আটকাক। জেলা তৃণমূল সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেন, ওই দিন দুপুর দুটো নাগাদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঠাকুরবাড়িতে যাবেন। তাঁর বক্তব্য, যে কোনও তীর্থস্থানে যাওয়ার অধিকার সবার রয়েছে।যদিও শান্তনু ঠাকুর ফের দাবি করেন, ঠাকুরবাড়িতে যে কেউ আসতে পারে, তাতে তাঁর আপত্তি নেই। কিন্তু অভিষেক যদি পুলিশ বাহিনী নিয়ে শক্তি প্রদর্শন করতে আসেন, তা হলে তাঁকে পুজো দিতে দেওয়া হবে না। ভোটের আগে কেন তিনি সেখানে যেতে চাইছেন, সেই প্রশ্নও তোলেন শান্তনু।এই নিয়ে শান্তনু ঠাকুরকে তীব্র আক্রমণ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার। তিনি বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশ নিয়ে নয়, মানুষের ভালোবাসা নিয়ে ঠাকুরবাড়িতে যাবেন। তাঁর প্রশ্ন, ঠাকুরবাড়ি কি শান্তনু ঠাকুরের ব্যক্তিগত সম্পত্তি? হরিচাঁদ ঠাকুর কখনও বিভেদ বা সংঘর্ষের কথা বলেননি, তিনি মানুষের মিলন আর ভক্তির কথা বলেছেন। শান্তনু ঠাকুর এই মন্তব্য করে নিজের বংশের জন্যই কলঙ্কজনক অধ্যায় তৈরি করছেন বলে কটাক্ষ করেন তিনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সফর ঘিরে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্য রাজনীতি।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫
কলকাতা

ভোটার তালিকার আতঙ্কে মতুয়ারা, কলকাতা থেকে বড় আশ্বাস অমিত শাহের

এসআইআরের খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পরেই দেখা গিয়েছে, বহু মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষের নাম তাতে নেই। এর ফলে নাগরিকত্ব নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে মতুয়াদের মধ্যে। সেই আতঙ্ক থেকেই একাংশ আন্দোলনের পথেও নেমেছেন। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠক করে ওপার বাংলা থেকে আসা হিন্দু শরণার্থীদের আশ্বস্ত করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, মতুয়াদের ভয়ের কোনও কারণ নেই। যারা শরণার্থী হয়ে বাংলায় এসেছেন, তাঁদের কেউ ক্ষতি করতে পারবে না। সকলকেই নাগরিকত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন শুরু হওয়াকে রাজনৈতিক চক্রান্ত বলে দাবি করে আসছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে শুরু থেকেই মতুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ ছিল। যদিও বিজেপির তরফে বারবার বলা হয়েছিল, চিন্তার কোনও কারণ নেই। মতুয়া মহাসংঘের এক সংঘাধিপতি তথা সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের নেতৃত্বে মতুয়া কার্ডও বিলি করা হয়। তবে খসড়া তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায়, বহু মতুয়ার নাম ভোটার তালিকায় নেই।এর পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর মন্তব্য করেন, যদি ভোটার তালিকা থেকে ৫০ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলিমের নাম বাদ যায়, সেখানে এক লক্ষ মতুয়ার নাম বাদ পড়লে তা মেনে নেওয়া উচিত। এই মন্তব্যে মতুয়া সমাজে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়। গাইঘাটার ঠাকুরবাড়িতে প্রতিবাদ সভার ডাক দেন অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের আর এক সংঘাধিপতি ও তৃণমূল সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। তা ঘিরে উত্তেজনাও ছড়ায়। মমতাবালাপন্থী মতুয়ারা আগামী ৫ জানুয়ারি পথ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন।এই উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যেই কলকাতা থেকে মতুয়াদের আশ্বস্ত করলেন অমিত শাহ। শান্তনু ঠাকুরকে পাশে নিয়ে তিনি বলেন, মতুয়াদের ভয়ের কোনও কারণ নেই। যারা শরণার্থী হয়ে বাংলায় এসেছেন, তাঁদের কেউ ক্ষতি করতে পারবে না। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাঁদের ক্ষতি করতে পারবেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায়, সকল শরণার্থীকেই নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
রাজ্য

শান্তনুর মন্তব্যে আগুন মতুয়া সমাজে, রাস্তায় নামছে মহাসঙ্ঘ

মমতা ঠাকুরের নেতৃত্বাধীন অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘের ডাকা অবরোধ কর্মসূচিকে মান্যতা দিতে নারাজ শান্তনু ঠাকুরের অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘ। শান্তনু ঠাকুরের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সুখেন্দ্রনাথ গাইন বলেন, মমতা ঠাকুরের ডাকা কর্মসূচির সঙ্গে প্রকৃত মতুয়াদের কোনও সম্পর্ক নেই বলেই এই ধরনের আন্দোলনের পথে হাঁটা হচ্ছে।উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের একটি মন্তব্য ঘিরে গত শুক্রবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়ি। মমতাবালা ঠাকুরের অনুগামীদের সঙ্গে শান্তনু ঠাকুরের অনুগামীদের মধ্যে ব্যাপক ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে ঠাকুরবাড়ি চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।শান্তনু ঠাকুরের দাবি, তাঁর মন্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। অন্যদিকে, মমতাবালা ঠাকুরের অনুগামীরা কেন এই ধরনের মন্তব্য করা হল, তার ব্যাখ্যা চাইতে গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। সেই সময়ই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ।অভিযোগ উঠেছে, মমতাবালা ঠাকুরের এক অনুগামীকে মাটিতে ফেলে কিল, চড়, লাথি ও ঘুষি মারা হয়। ওই ব্যক্তি শরীরের একাধিক জায়গায় চোট পান। এই ঘটনার পর মতুয়া সমাজে ক্ষোভ আরও বাড়ে।প্রসঙ্গত, সোমবার শান্তনু ঠাকুর মন্তব্য করেছিলেন, ৫০ লক্ষকে আটকাতে যদি ১ লক্ষ মতুয়া ভোট না দিতে পারে, সেটাও মেনে নিতে হবে। এই মন্তব্য ঘিরেই মতুয়া সমাজে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। সেই মন্তব্যের প্রতিবাদ জানাতেই ঠাকুরবাড়িতে হাজির হয়েছিলেন মমতাবালা ঠাকুরের অনুগামীরা। তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।এই ঘটনার প্রতিবাদেই ফের রাজ্যজুড়ে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে। আগামী বছরের ৫ জানুয়ারি রাজ্যজুড়ে অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা করেছে মমতা ঠাকুরের অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘ। ঠাকুরবাড়িতে মতুয়া গোঁসাইদের মারধরের প্রতিবাদ এবং এসএআর তালিকায় মতুয়াদের নাম বাদ না যাওয়ার দাবিতে এই কর্মসূচি করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।রবিবার ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে বৈঠক করে মমতা ঠাকুরের সংগঠন। বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সুকেশ চৌধুরী জানান, আগামী ৫ জানুয়ারি দুপুর ১২টা থেকে রাজ্যের প্রতিটি জেলায় অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫
রাজ্য

এসআইআর শুনানির আগে বড় মোড়, মতুয়াদের ভোটাধিকার নিয়ে স্পষ্ট কমিশন

রাত পোহালেই শুরু হচ্ছে এসআইআর-এর শুনানি। তার ঠিক আগের দিন মতুয়াদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিল, নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে সিএএ সার্টিফিকেট গ্রাহ্য করা হবে। ফলে মতুয়া সম্প্রদায়ের বহু মানুষের দীর্ঘদিনের ধন্দ কাটল।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, যাঁদের নাম খসড়া ভোটার তালিকায় নেই, তাঁরা নতুন করে ফর্ম ৬ পূরণ করে আবেদন করতে পারবেন। পরে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হলে তাঁদের নাম নথিভুক্ত করা হবে। এই ক্ষেত্রেও সিএএ নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট লিঙ্ক ডকুমেন্ট হিসেবে দেখানো যাবে।এতদিন প্রশ্ন ছিল, মতুয়ারা কি নো ম্যাপিং ভোটারের আওতায় পড়বেন? আর পড়লে ২০০২ সালের কোন নথি তাঁরা দেখাবেন? কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, যেহেতু সিএএ নাগরিকত্বের সার্টিফিকেটে প্রয়োজনীয় সমস্ত তথ্য থাকে, তাই ম্যাপিংয়ের ক্ষেত্রে ওই সার্টিফিকেটই লিঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। অর্থাৎ অনলাইনে ফর্ম পূরণের সময় এবার থেকে এই সার্টিফিকেটও গ্রহণযোগ্য হবে।তবে এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। তৃণমূল সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর বলেন, নির্বাচন কমিশন বলছে সার্টিফিকেট গ্রাহ্য হবে, কিন্তু আধার কার্ডকে কেন মানা হচ্ছে না, তা নিয়েই প্রশ্ন রয়েছে।অন্যদিকে বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ইতিমধ্যেই প্রায় ৭০ হাজার মানুষ সিএএ-তে আবেদন করে নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট পেয়েছেন। তাঁদের ভোটার তালিকায় নাম থাকবেই। তাঁর দাবি, বাংলাদেশি হিন্দু শরণার্থীদের পাশে বিজেপিই রয়েছে।উল্লেখ্য, চলতি মাসের শুরুতেই সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছিল, নাগরিকত্ব নিশ্চিত হওয়ার পরেই ভোটাধিকার পাওয়া যাবে। শুধু আবেদন করলেই ভোটার তালিকায় নাম ওঠানো যাবে না। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ জানায়, আগে নাগরিক হতে হবে, তার পরেই ভোট দেওয়ার অধিকার মিলবে।এই নির্দেশের পর থেকেই মতুয়াদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। কারণ অনেকেই সিএএ-তে আবেদন করেছেন এবং তাঁদের মোবাইলে নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট সংক্রান্ত মেসেজও এসেছে। কিন্তু সেই সার্টিফিকেট শুনানিতে আদৌ গ্রহণযোগ্য হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় ছিল। বিশেষ করে মতুয়াদের প্রায় ৯০ শতাংশই শুনানির নোটিস পাওয়ায় উদ্বেগ আরও বেড়েছিল।এই পরিস্থিতিতে সম্প্রতি বাংলা সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মতুয়াদের উদ্দেশে বার্তা দেন। তিনি বলেন, প্রত্যেক মতুয়া ও নমঃশূদ্র পরিবারের পাশে কেন্দ্রীয় সরকার রয়েছে। মর্যাদার সঙ্গে ভারতে থাকার অধিকার তাঁদের আছে এবং বিজেপি ক্ষমতায় এলে তাঁদের জন্য আরও কাজ করা হবে।এই সব কিছুর মধ্যেই শুনানির ঠিক আগে নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে মতুয়াদের জন্য বড় স্বস্তি বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তবে কমিশন স্পষ্ট করেছে, সিএএ সার্টিফিকেট তখনই গ্রহণযোগ্য হবে, যখন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নতুন করে ফর্ম ৬ পূরণ করে আবেদন করবেন।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫
রাজ্য

SIR বিতর্কে রাজনীতির নতুন মেরুকরণ, মতুয়াদের মিছিলে অধীরের সায়

সোমবার বিকেলে কলকাতার রাস্তায় বড় মিছিল করতে চলেছে মতুয়াদের একাংশ। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জনের বিরুদ্ধে এই প্রতিবাদ মিছিল হবে শিয়ালদহ স্টেশন থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতর পর্যন্ত। এই মিছিলে প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী হাঁটতে পারেন বলেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। তিনি নিজেই এই মিছিলে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন বলে জানা গেছে।এই মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরের ঘনিষ্ঠ অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘ। সোমবার বিকেল চারটে নাগাদ শিয়ালদহ স্টেশন থেকে মিছিল শুরু হবে। ভোটার তালিকার সংশোধনের ফলে মতুয়াদের নাম বাদ পড়তে পারেএই আশঙ্কা থেকেই মূলত এই প্রতিবাদ কর্মসূচি। তাঁদের দাবি, কারও ভোটাধিকার যেন কেড়ে নেওয়া না হয়।মতুয়াদের একাংশের মনে এখন গভীর আতঙ্ক কাজ করছে। দেশছাড়া হয়ে এ দেশে এসে নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার পেয়েছেন তাঁরা। নতুন করে ভোটার তালিকা সংশোধনের ফলে তাঁদের নাম সবার আগে বাদ পড়ে যাবে কি না, তা নিয়েই সবচেয়ে বেশি চিন্তা। সেই আশঙ্কা দূর করতেই এবার রাস্তায় নামার সিদ্ধান্ত।এই মিছিল শেষে কমিশনের দফতরে ডেপুটেশন জমা দেবেন আন্দোলনকারীরা। যদিও এই মিছিলে মমতাবালা ঠাকুর নিজে থাকবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। সোমবার থেকেই সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু হচ্ছে। সেই কারণে তিনি দিল্লিতে থাকতে পারেন।কয়েকদিন আগেই এই এসআইআর-এর প্রতিবাদে অনশনে বসেছিলেন মমতাবালা ঠাকুর ও তাঁর অনুগামীরা। সেই অনশন টেনেছিল টানা দশ দিনেরও বেশি সময়। সেই অনশনে যোগ দিয়েছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরীও। এবার আবার তিনি মতুয়াদের পাশে দাঁড়াতে চাইছেন বলেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা বেড়েছে।এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি বলেছেন, একই বৃন্তে যেন এখন সিপিএম, কংগ্রেস ও তৃণমূল। এই মন্তব্য ঘিরেও রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়েছে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২৫
কলকাতা

মঞ্চ প্রস্তুত, ভিড় তৈরি—তবু কেন উড়তে পারল না মমতার হেলিকপ্টার? সামনে এল চাঞ্চল্যকর কারণ

মতুয়াগড়ে প্রস্তুতি ছিল তুঙ্গে। মঞ্চ তৈরি, নিরাপত্তা মোতায়েন, রুটমার্চের পথ পুরোপুরি খালি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসবেনএই প্রত্যাশায় ঘিরে ফেলেছিল এলাকা। কিন্তু ঠিক শেষ মুহূর্তেই বদলে গেল পুরো সফরসূচি। হেলিকপ্টারে যাত্রা করার কথা থাকলেও তা আর সম্ভব হল না। বাধ্য হয়ে সড়কপথেই পৌঁছতে হল তাঁকে।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্ধারিত হেলিকপ্টারের ইনস্যুরেন্স বা বিমা মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। তাই নিরাপত্তার স্বার্থে উড়ান বাতিল করতে হয়। এত বড় গলদ জানতে পেরে ক্ষুব্ধ হন মুখ্যমন্ত্রী। যে সংস্থা হেলিকপ্টারের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিষেবার দায়িত্বে ছিল, তাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই শোকজ নোটিশ জারি হয়েছে।পরিবহনমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী এদিন স্পষ্ট জানান, সংস্থারই দায়িত্ব ছিল হেলিকপ্টারের বিমা সঠিক সময়ে নবীকরণ করা। কিন্তু তারা দাবি করেছে, লন্ডনের একটি সংস্থার মাধ্যমে এই ইন্সুরেন্স করানো হয়। সময়ের ফারাকের কারণ দেখিয়ে তারা জানিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেল ৩টার আগে বিমা নবীকরণ সম্ভব নয়। তাই মুখ্যমন্ত্রীর সফর ঘিরে শেষ মুহূর্তে তৈরি হল এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি।যেখানে সমস্ত প্রস্তুতি আঁটসাঁট, সেখানে এমন প্রশাসনিক ফাঁক চোখে লাগার মতোই। মুখ্যমন্ত্রীর সফরের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি আয়োজনের মাঝে এই ভুলে একপ্রকার অস্বস্তি ছড়িয়েছে প্রশাসনের মধ্যেই।

নভেম্বর ২৫, ২০২৫
রাজ্য

তৃণমূলের দলীয় বৈঠকে মমতাবালাকে কটুক্তির অভিযোগ, উপপ্রধানকে গ্রেফতারের দাবি

দলীয় বৈঠক তৃণমূল উপপ্রধানের গালাগাল ও কটুক্তির শিকার তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মমতা ঠাকুর। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবিতে থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন তৃণমূল কর্মী। সরব হলেন মতুয়া ভক্তরা। পার্থ ভৌমিকের সম্পর্কে কিছু কথা বলার জন্যে কর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে, আর কিছু নয় বলে দাবি তৃণমূল জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ দাসের।একুশে জুলাই এর প্রস্তুতি সভা ছিল সোমবার উত্তর ২৪ পরগনার গোবরডাঙ্গায়। অভিযোগ, সেখানে বক্তব্য রাখার সময় গোপালনগর চৌবেরিয়া ১ নাম্বার গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সুনীল সরকার মমতা ঠাকুরকে উদ্দেশ্য করে গালিগালাজ করেন। এমনকি বৈঠক শেষে মমতা ঠাকুর বাইরে বের হলে তাঁকে উদ্দেশ্য করে সুনীলসহ আরও কয়েকজন কটুক্তি করে এবং অশ্লীল অঙ্গিভঙ্গি করে, এমনকি তাঁকে হুমকিও দেওয়া হয়। এবং ছোট জাত বলে আক্রমণ করা হয়। এই মর্মে সোমবার রাতে সব্যসাচী ভট্ট নামে এক তৃণমূল কর্মী গাইঘাটা থানায় এফ আই আর দায়ের করেন। অভিযোগ করার সময় সব্যসাচীর সঙ্গে ছিলেন মতুয়া ভক্তরা ও গোসাইরা। অভিযুক্তর গ্রেফতারের দাবি করেন তারা। তারা বলেন, মাকে গালাগালি দেওয়া মানে আমাদের মতুয়া সমাজকে গালি দেওয়া। এটা আমরা কোনওভাবেই মেনে নেব না। ২৪ ঘন্টার মধ্যে যদি অভিযুক্তকে গ্রেফতার না করা হয় তাহলে তীব্র প্রতিবাদ হবে।এই বিষয়ে অভিযুক্ত চৌবেড়িয়া এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সুনীল সরকার জানিয়েছেন, মমতা ঠাকুর বক্তব্য রাখতে গিয়ে নানা কথার মধ্যে দিয়ে জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস ও পার্থ ভৌমিককে আক্রমণ করছিল। আমি শুধু প্রতিবাদ করে বলেছি আপনাদের ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের বৈঠকে এটা আলোচনা করবেন। আমি যদি উনাকে গালাগাল করে থাকি সেটা প্রমাণ করুক। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। যদিও বনগাঁ জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস জানিয়েছেন, গতকাল একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভায় চেয়ারম্যান পার্থ ভৌমিক সম্পর্কে কিছু কথা বলাতে কর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আর কিছু নয়। তৃণমূলের সভায় মমতা ঠাকুরকে উদ্দেশ্য করে গালাগাল ও জাত তুলে কটুক্তি নিয়ে কটাক্ষ করা প্রসঙ্গে শান্তনু ঠাকুর বলেন, ওদের নেত্রী হরিচাঁদ গুরুচাঁদ নিয়ে যা বলেছেন তাতে ছোট নেতা কি বলবে। মমতা ঠাকুর হারিকাঠে গলা দিয়েছে, কি হবে বুঝতে পারছে না। ওর লজ্জা ঘৃণা ভয় কিছু নেই। এই বিষয়ে মমতা ঠাকুরবালার কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুন ১৭, ২০২৫
রাজ্য

মতুয়া মেলা উপলক্ষ্যে ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়িতে দুই পরিবারের আলাদা আলাদা নিশান উত্তোলন

প্রতিবছর হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মতিথি (মধু কৃষ্ণ ত্রাদশীতে ) উত্তর ২৪ পরগনা ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ির কামনা সাগরে পুন্য স্নান হয়। স্নান উপলক্ষ্যে দূরদূরান্ত থেকে মতুয়া ভক্তরা এই দিনে ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়িতে আসেন। পুন্য স্নান উপলক্ষ্যে ঠাকুরনগরে বসে মতুয়া ধর্ম মহামেলা। এবছর মার্চ মাসের ২৭ তারিখে সেই পুন্য স্নান পড়েছে। বুধবার ঠাকুরবাড়িতে মতুয়া নিশান উত্তোলনের মধ্য দিয়ে মেলার সূচনা হয়। তবে মমতা ঠাকুরের অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘ এবং শান্তনু ঠাকুরের অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের পক্ষ থেকে আলাদা আলাদা নিশান উত্তোলন হয়েছে। আর সেখান থেকেই প্রশ্ন উঠছে এবছর মতুয়া ধর্ম মহামেলার রাশ কার হাতে থাকবে। তবে মমতাবালা ঠাকুর বলেন, তিনি চাইছেন মতুয়াদের দুটি সংগঠন একত্রিতভাবে ধর্ম মহামেলা করুক। একত্রিত হবে মেলা করার বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। আলোচনা কোন পর্যায়ে পৌঁছাবে সেটা এখনই বলা সম্ভব নয়। শান্তনু ঠাকুরের অল ইন্ডিয়া মতুয়া সঙ্গে সভাপতি রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস বলেন, দুই পরিবার একত্রিতভাবে মেলা করা নিয়ে একটা কানাঘুষা চলছে। আশা করা যায় সমস্ত অসুবিধা মিটে যাবে।

মার্চ ০৫, ২০২৫
রাজনীতি

BJP: এবার বিজেপিতে 'বিদ্রোহী' পাঁচ মতুয়া বিধায়ক

নয়া রাজ্য কমিটি গঠনের তিন দিনের মাথায় বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে তৈরি করা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন পাঁচ মতুয়া বিধায়ক। এই ঘটনা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি গ্রুপ ছেড়ে দেওয়া বিধায়করা। শুধু তাই নয়, শোনা যাচ্ছে শীলভদ্র দত্ত, রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ও বিজেপির মিডিয়া গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছেন। এ নিয়ে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল।বিজেপি বিধায়কদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বেরিয়ে গিয়েছেন পাঁচ মতুয়া বিধায়ক। তাঁরা হলেন, গাইঘাটায় বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর, বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া, হরিণঘাটার বিধায়ক অসীম সরকার, কল্যাণীর বিধায়ক অম্বিকা রায় এবং রানাঘাট দক্ষিণের বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারী। আর এই কাণ্ড ঘিরে জল্পনা শুরু হয়েছে।এ নিয়ে প্রকাশ্যে অবশ্য মুখ খোলেননি গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়া পাঁচ বিধায়কের কেউই। বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক বলেন, আমি এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারব না। মাফ চাইছি। কেন বেরোলাম তা এই মুহূর্তে বলতে চাইছি না। গত ২২ ডিসেম্বর নতুন রাজ্য কমিটির ঘোষণা করেছে পদ্মশিবির। ঘটনাচক্রে সেই কমিটিতে কোনও মতুয়া নেতা নেই। সেই বার্তাই কি একসঙ্গে পাঁচ মতুয়া বিধায়ক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে দিতে চেয়েছেন?উত্তর ২৪ পরগনা বিজেপি-র একাংশের দাবি, রাজ্যে পদ্মফুলের বাড়বাড়ন্তের কারিগর মতুয়ারা। কিন্তু রাজ্য কমিটিতে সেই মতুয়াদের কোনও প্রতিনিধি না থাকাতেই কি মনঃকেষ্ট গ্রুপ ছেড়ে যাওয়া বিধায়করা? এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের পদক্ষেপে। বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চেয়েছেন তিনি।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
রাজ্য

মতুয়া ও রাজবংশীদের হাত ধরে কিছুটা মান বাঁচল বিজেপির

উত্তরে রাজবংশী। দক্ষিণে মতুয়া। প্রান্তিক, উপেক্ষিত দুই সমাজ অনেকটাই পাশে না থাকলেরাজ্য বিজেপির আসন সংখ্যা আরও বেশ কিছুটা কমতো বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞমহল। তাঁদের সমর্থনে ভর দিয়েই একটা সম্মানজনক সংখ্যায় পৌঁছে গিয়েছে গেরুয়া শিবির। না হলে আসনসংখ্যা হয়তো অর্ধশতকের আশপাশে আটকে যেত পদ্মের। ভোটের ফলাফলের বিন্যাস বলছে, মতুয়া ও রাজবংশী প্রভাবিত প্রায় প্রতিটি আসন জিতেছে বিজেপি। পূর্ববঙ্গ থেকে আসা দুই সম্প্রদায়ের মানুষের প্রভাব রয়েছে এমন এলাকার ভোটবাক্সে বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি রাজ্যের শাসকদল। ব্যতিক্রম একমাত্র উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া। মতুয়া ভোট ঘরে তুলতে দুই তরফেই দীর্ঘ লড়াই জারি রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়ার বেশ কিছু আসন জেতা-হারা নির্ভর করে মতুয়া ভোটের উপরে। বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলির প্রিয় ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি রাজনৈতিক ক্ষমতার টানাপোড়েনে দুই ভাগে বিভক্ত। সেখানকার ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণে পারিবারিক টানাপোড়েনের মধ্যে রাজ্যের তরফের উন্নয়নকাজ অব্যাহত। অন্যদিকে আবার বিজেপির তরফেও রয়েছে নানা প্রতিশ্রুতি এবং এনআরসি ইস্যুতে মতুয়াদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস। ভোটের ফল প্রকাশের পর দেখা গিয়েছে বনগাঁর উত্তর ও দক্ষিণ, বাগদা, গাইঘাটা জিতেছে বিজেপি। হাবড়া আসনে সামান্য ভোটে জিতেছেন খাদ্যমন্ত্রী। পাশের জেলা নদিয়ায় রানাঘাট উত্তরপূর্ব, রানাঘাট দক্ষিণ, কৃষ্ণগঞ্জে মতুয়া ভোটের আধিক্য রয়েছে। সেখানে বিজেপি জিতেছে। মতুয়া নির্ণায়ক শক্তি এমন আসন হরিণঘাটা, কল্যাণী জিতেছে গেরুয়া শিবির। তবে তেহট্টে মতুয়া ভোট পেয়েছে তৃণমূল। উত্তরবঙ্গে গত লোকসভা ভোটেই ভাল ফল করেছিল বিজেপি। তার আগের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির পক্ষে যে কিছুটা হলেও হাওয়া রয়েছে তা বোঝা গিয়েছিল। এবার দেখা গেল রাজবংশী এবং কামতাপুরী সম্প্রদায়ের প্রভাব রয়েছে এমন আসনগুলি হাতছাড়া হয়েছে তৃণমূলের।অন্যিদিকে, কোচবিহারের দিনহাটা, মাথাভাঙা, তুফানগঞ্জ, মেখলিগঞ্জ, কোচবিহার উত্তর ও দক্ষিণ, জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ আলিপুরদুয়ারের বেশ কিছু আসন জিততে পারেনি তৃণমূল। এগুলি সবই রাজবংশী ভোটার বেশি। তারাই নির্ণায়ক শক্তি। গ্রেটার কোচবিহার আন্দোলনেও প্রাণ গিয়েছে এখানকারই মানুষের। এখানে দলের মধ্যে খুবই ঝামেলা রয়েছে যা ভোটের আগেও মেটানো যায়নি। নেতাদের অন্তর্দ্বন্দ্বের প্রভাব পড়েছে ভোটের বাক্সে। আবার পাহাড়ের দার্জিলিং ও কার্সিয়াংসহ ডুয়ার্সের আদিবাসী অধু্যষিত একাধিক আসন জিতেছে বিজেপি। যেগুলি পকেটে না পুরতে পারলে মোট আসনের নিরিখে সংখ্যাটা একটুও ভারী বা ওজনদার মনে হত না। তথ্য ও পরিসংখ্যানের প্রশ্ন মতুয়া এবং রাজবংশী ভোট নিজেদের ঝুলিতে ভরতে না পারলে কম করে কুড়িটি আসন কম পেতে পারত বিজেপি। এই প্রান্তিক, উপেক্ষিত মানুষগুলির একটা বড় অংশই এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির মান বাঁচাল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ০৩, ২০২১
রাজনীতি

বাতিল হওয়া দুই জেলায় আজ শাহর সফর

এর আগে বাংলা সফর বাতিল করতে হয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। আজ, বৃহস্পতিবার কোচবিহারে পরিবর্তন যাত্রার সঙ্গে ঠাকুনগরের কর্মসূচিতেও যোগ দেবেন দলের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি। কলকাতায় তিনি মিলিত হবেন সামাজিক মাধ্যমের স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গেও।কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল ১১ টা ১০ মিনিট নাগাদ কোচবিহারে মদন মোহন মন্দিরে যাবেন অমিত শাহ। ১১ টা ৩০ মিনিটে তিনি রাসমেলার ময়দানে দলের পরিবর্তন যাত্রায় হাজির থাকবেন। ২০১৮-তে এই কোচবিহারে রথযাত্রার কর্মসূচি বাতিল করতে হয়েছিল। আসতে পারেননি অমিত শাহ।এরপর কোচবিহার থেকে কপ্টারে চড়ে অমিত শাহ উড়ে যাবেন উত্তর ২৪পরগনার ঠাকুরনগরে। সেখানে ৩টে ২০ মিনিট নাগাদ হরিচাঁদ ঠাকুরের মন্দির দর্শন করবেন। তারপর ৩টে ৪৫ মিনিটে পাশের মাঠে তিনি সভা করবেন। বুধবার সন্ধা ৬টা নাগাদ কলকাতায় সায়েন্স সিটিতে সামাজিক মাধ্যমের স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে মিলিত হবেন।এর আগে ঠাকুরনগরে মতুয়াদের সভায় হাজির থাকার কথা ছিল। দিল্লিতে ইজরায়েল দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণ ঘটে। তখন দুদিনের বাংলা সফর বাতিল করা হয়। মতুয়াদের একাংশ ক্ষোভপ্রকাশও করেছিল। সেই সময় জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল ঠাকুরনগরে আসবেনই অমিত শাহ।অমিত শাহ আসার আগের দিন টুইট বার্তায় লিখেছেন,আমি উৎসুক,আগামীকাল বাংলায় উপস্থিত হওয়ার জন্য।কোচবিহার থেকে BJP Bengal #PoribortonYatra র চতুর্থ পর্যায় সূচিত হবে এবং ঠাকুরনগরে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় আমি আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ার স্বেচ্ছাসেবীদের সাথেও আলাপচারিতায় অংশগ্রহণ করব।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২১
রাজনীতি

অমিত শাহর গরহাজিরাতেও রবিবার বিজেপির বড় চমক হাওড়ায়

উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরে অমিত শাহর সভা বাতিল করা হয়েছে। দিল্লির বিষ্ফোরণের জেরে তিনি আসতে পারছেন না। তবে রবিবারের হাওড়ার ডুমুরজলার যোগদান মেলা যথারীতি হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কিন্তু কোন কেন্দ্রীয় নেতা হাজির থাকবেন ওই সভায় তা শনিবার সকালে জানাতে পারেননি দিলীপ ঘোষ।শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বঙ্গ বিজেপি সভাপতি বলেন, অমিত শাহের সফর বাতিল হলেও আগামীকাল হাওড়ায় যথারীতি যোগদান মেলা অনুষ্ঠিত হবে। দিল্লি থেকে আসবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বা কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এছাড়া থাকছে নানা চমক। তবে সবচেয়ে বড় চমক থাকবে ২৩শে মের পর।ইতিমধ্যে হাওড়ার একাধিক তৃণমূল নেতা দল ছেড়েছেন। কেউ আবার দল থেকে বহিষ্কারও হয়েছেন। প্রাক্তন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বিধায়ক ও দলীয় পদ ছেড়ে দিয়েছেন। বালির বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়াকে বহিষ্কার করেছে দল। আগেই জেলা সভাপতি ও মন্ত্রিত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা। প্রাক্তন মেয়র রথীন চক্রবর্তী দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরেছেন। অনুপম ঘোষ জেলার যুব সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। এছাড়াও হাওড়ায় তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ অংশের তালিকা দীর্ঘ। পাশের জেলা হুগলিতেও তৃণমূলের ক্ষোভ প্রকাশ্যে চলে এসেছে। এঁরা কেউ এখনও সরাসরি বিজেপি যাওয়ার কথা ঘোষণা করেননি। কিন্তু রবিবার ডুমুরজলার যোগদান মেলায় এঁদের অনেককে দেখা যেতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জানুয়ারি ৩০, ২০২১
রাজনীতি

অমিত শাহর রাজ্য সফর বাতিল

আগামী কাল রাজ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কর্মসূচি বাতিল ঘোষণা করেছে বিজেপি। দিল্লিতে ইজরাইল দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণের জেরেই এই কর্মসূচি বাতিল বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার রাতেই কলকাতা বিমানবন্দরে নামার কথা ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। শনিবার রাজ্যে একাধিক কর্মসূচি ছিল তাঁর।শনিবার ঠাকুরনগরে জনসভায় হাজির থাকার কথা ছিল বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতির। সায়েন্সসিটিতে একটি প্রোগ্রাম তাঁর যাওয়ার কথা ছিল। মায়াপুরে ইসকনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করারও কথা ছিল অমিত শাহর। রাজ্য বিজেপি জানিয়ে দিয়েছে আপাতত শনিবার রাজ্যে অমিত শাহের সমস্ত অনুষ্ঠান বাতিল বাতিল করা হয়েছে। কারণ ইজরায়েল দূতাবাসে বোমা বিস্ফোরণের জন্য এই মুহূর্তে দিল্লিতেই থাকবেন তিনি। রবিবার হাওড়া ডুমুরজলার যোগদান মেলা হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে কয়েকজন তৃণমূল বিধায়কের যোগদান করার কথা ছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই প্রোগ্রাম কিভাবে হবে এখনও তা স্থির করা হয়নি। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রাজ্য নেতৃত্বকে বিষয়টি পরে জানিয়ে দেবে বলে জানা গিয়েছে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২১
রাজনীতি

মতুয়া গড়ে অমিত শাহ, টার্গেট ২ লক্ষের জমায়েত

রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর রাজ্য সফরকে ঘিরে বিজেপি শিবির যেমন তেমনই ঘর ভাঙা নিয়ে কপালে চিন্তার ভাঁজ ঘাসফুল শিবিরে। বুধবার উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরে অমিত শাহের সভাস্থল পরিদর্শন করেন রাজ্য বিজেপির সহ পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য ও রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। তাঁরা মঞ্চ তৈরি ও হেলিপ্যাড তৈরীর কাজ খতিয়ে দেখলেন lআগামী ৩০ শে জানুয়ারী ঠাকুরনগরে সভা করবেন দলের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। ওই সভার প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। বুধবার দুপুরে রাজ্য বিজেপির সহ পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য ও সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো ঠাকুর বাড়িতে সাংসদ শান্তুনু ঠাকুরকে সঙ্গে নিয়ে সভাস্থল ও হেলিপ্যাড তৈরির কাজ পরিদর্শন করেন। ও শান্তুনু ঠাকুরের সঙ্গে ঘরোয়া বৈঠক করেন। বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর বলেন, আমার ধারনা অমিত শাহর সভায় দুলক্ষের বেশি লোক হবে। দ্রুত গতিতে চলছে সভার প্রস্তুতি। মতুয়া সংগঠন ও বিজেপি এক সঙ্গেই সভার আয়োজন করছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, বাংলার রাজনীতিতে প্রায় ৭০টি আসনে মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রভাব আছে। সেই ভোট ধরে রাখতেই মরিয়া বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেস।

জানুয়ারি ২৭, ২০২১
রাজনীতি

কেউ আমার মতো কাজ করে দেখাক, পদত্যাগ করবঃ মমতা

রাজ্যের সাড়ে ৯ কোটি মানুষ সরকারের কোনও না কোনও প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। ১০ কোটি মানুষ স্বাস্থ্যসাথী কার্ড পাবেন। জীবন থেকে মৃত্যু প্রতিটি ক্ষেত্রে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে সরকার। তাঁরপরেও কুৎসা ছড়াচ্ছে বিজেপি। কেউ আমার মতো কাজ করে দেখাক, পদত্যাগ করব। বনগাঁর জনসভা থেকে কিছুটা অভিমানী সুরে এমন কথাই জানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সভা চলাকালীন কয়েকজন মহিলা হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে নিজেদের দাবি জানাতে থাকেন। এই ঘটনায় কিছুটা ক্ষুব্ধ হন মুখ্যমন্ত্রী। পরে তিনি কিছুটা সামলে নিয়ে বলেন, এরকম ভাবে আমার দলীয় পাবলিক মিটিংয়ে দাবি জানাবেন না। কিছু বলার থাকলে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে যান। আমাদের চিঠি দিন। সবটা করা সম্ভব নয়, যতটা পারি করে দেব। অন্যায় দাবি করবেন না। সরকারেরও কিছু লিমিটেশন আছে, নিয়ম মেনে চলতে হয়। এরকম ঘটনায় কিছুটা দুঃখই পেলাম। আরও পড়ুন ঃ দিলীপ ঘোষ একটা ফোর টোয়েন্টি, দালালঃ অনুব্রত এদিনের সভা থেকে কৃষকদের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে বলেন, মোদিবাবু গায়ের জোরে তিনটি কৃষি আইন করেছেন। কৃষকদের জমি কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। আগামী দিনে আলুর দাম ৬০টাকা কেজি, পেঁয়াজের দাম ১৮০ টাকা কেজি হয়ে যাবে। ডাল, আলুভাতও খাওয়া যাবে না। কিছু করার থাকবে না। কৃষকদের জিনিস কেড়ে বিজেপি চাইছে কর্পোরেটদের দিয়ে দিতে। মজুতদার, মুনাফাখোড়েদের সুবিধা করে দিতে। কৃষকরা ফসলের কত দাম পাবে তার কোনও গ্যারান্টি নেই। কৃষকদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। রাজ্যে ফের তৃণমূল সরকার আসবে এবং বিনামূল্যেই রেশন দেওয়া হবে সবাইকে বলেও এদিন জানিয়েছেন মমতা। মমতা এদিন বলেন, আমফানের পর হেলিকপ্টারে চড়ে নাটক করতে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। কোনও টাকা দেয়নি। আমাদের টাকাই এক হাজার কোটি অ্যাডভান্স দেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন। আমাদের টাকাই আমাদের দিয়েছে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

মতুয়ারা সকলেই নাগরিক, ঘোষণা মমতার

ক্যা ক্যা বলে প্রতারণা করা হচ্ছে। এদের একবার সুযোগ দিলেই ঠাকুমার বাবা, ঠাকুরদাদার জন্ম তারিখ চাইবে। দিতে পারবেন? রাজ্য সরকার আপনাদের নাগরিক বলে দিয়েছে। বনগাঁর গোপালনগরের সভা থেকে কেন্দ্রকে পালটা জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরও বলেন, রাজ্য সরকার উদ্বাস্তু কলোনিগুলিকে স্বীকৃতি দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দাঁড়িয়ে বলছি মতুয়ারা সকলে নাগরিক। রাজ্যে যারা থাকেন, তাঁরা সবাই এরাজ্যের বাসিন্দা। আপনাদের কোনও প্রমাণপত্রের প্রয়োজন নেই। এনআরসি, এনপিআর করতে দেব না। মতুয়াদের উন্নয়নের স্বার্থেও রাজ্য সরকার অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করছে বলেও জানান তিনি। উল্লেখ্য, এর আগেই ১০ কোটি টাকা মতুয়াদের উন্নয়নের স্বার্থে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আপনারা কমিটি তৈরি করলেই কাজ শুরু হবে। মমতা বলেন, ৩০ বছর ধরে বড়মার চিকিৎসা করিয়েছেন। মতুয়া মন পেতে এদিন মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেচ্ছেন হরিচাঁদ ঠাকুর, গুরুচাঁদ ঠাকুরের জীবনী স্কুল পাঠ্যের অন্তর্ভুক্ত হবে। গুরুচাঁদ-হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মতিথিতে ছুটি ঘোষণা করবে রাজ্য সরকার। এদিনের সভা থেকে একথাও তিনি ঘোষণা করেন। মমতা এদিন বলেন, রাজ্যে কে থাকবে তা রাজ্য ঠিক করবে। এটা রাজ্যের বিষয়। বিজেপি বাংলা থেকে বাঙ্গালীদের তাড়িয়ে গুজরাত বানাতে চাইছে। কিন্তু বহিরাগত গুন্ডা নয় বাংলায় বাংলার বাসিন্দারাই থাকবেন। বাইরে থেকে আরএসএসের গুণ্ডাদের নিয়ে আসছে বিজেপি। নজর রাখতে হবে। সিপিএম এর হার্মাদ, বিজেপির ওস্তাদ। আরও পড়ুন ঃ কৈলাস-দিলীপের নামে এফআইআর শিলিগুড়ি পুলিশের দলনেত্রী আরও বলেন, আমরা কথা দিলে কথা রাখি। আমরা বিজেপি পার্টি নয় যে ভোটের সময় কথা দিয়ে পালিয়ে যাব। বাইরে থেকে আরএসএস নিয়ে এসেছে। তারা মতুয়াদের ধর্ম সম্পর্কে শেখাচ্ছে। হিন্দু ধর্ম কী তা স্বামী বিবেকানন্দের থেকে শিখব। তোমরা কোন হরিদাস? পাড়ায় পাড়ায় বহিরাগত দেখলে এফআইআর করবেন। না নিলে আমাদের কার্যালয়ে জানাবেন।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

মতুয়াদের নাগরিকত্বের জন্য কোনও সরকার কিছু করেনিঃ শান্তনু ঠাকুর

তিন কোটি মতুয়া ও নমঃশুদ্রকে ভারতবর্ষে নাগরিকত্বের জন্য ভিক্ষা করতে হচ্ছে। কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল, বিজেপি কেউ ভিক্ষা দেয়নি। সোমবার ঠাকুরবাড়িতে মতুয়াদের সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। তিনি বলেন, আর ভিক্ষা নয়। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গে প্রায় তিন কোটি মতুয়া ধর্মের মানুষের বাস করে। এখানে মতুয়া ধর্মের মানুষ কেন উপেক্ষিত? উপস্থিত মতু্যা ভক্তদের কাছে বিজেপি সাংসদের প্রশ্ন, কোন সরকারের কাছে জবাব চাইবেন? কোনও সরকার তার জবাব দেবে না। এই সরকার আসবে ওই সরকার যাবে। জাতিগত দিক দিয়ে কত দিন বিভাজিত করে রাখা হবে মতুয়াদের? রাজ্য রাজনীতিতে এক তৃতীয়াংশ ভোট থাকা মতুয়ারা ভবিষ্যতে রাজ্যের চালিকাশক্তি হয়ে উঠে নিজেদের অধিকার বুঝে নেওয়ার ডাক দেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ শিলিগুড়িতে একই মঞ্চে ডান - বাম উভয় পক্ষ শান্তনুর দাবি, পূর্ব পাকিস্তান তৈরির আগে তাঁরাও ভারতীয় ছিলেন। তাঁরা ভারতীয় হিসেবে থাকতে চান। দেশভাগের সময় দুই ব্যক্তির সিদ্ধান্ত তাঁদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের মতামত জানার প্রয়োজন বোধ করেনি কেউ। আর পূর্ব পাকিস্তান থেকে অত্যাচিরত হয়ে এদেশে আসার পর থেকেই বঞ্চিত মতুয়ারা। তাঁদের অধিকারের জন্য তিনি নির্বাচনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। মতুয়াদের কাছে প্রতিশ্রুতি ছিল সাংসদ হয়ে মতুয়াদের নাগরিকত্বের সমস্যা মেটাবেন। বাস্তবে পার্লামেন্ট থেকে আইন পাশ হলেও লাগু হয়নি সেই আইন। আর তাতেই চটেছেন তিনি।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
কলকাতা

বাগুইআটির মতুয়া পরিবারে মধ্যাহ্নভোজন অমিত শাহের

বাগুইআটির একটি মতুয়া পরিবারে শুক্রবার মধ্যাহ্নভোজ সারলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতা অমিত শাহ। মধ্যাহ্নভোজ সেরে গৃহকর্তা নবীন বিশ্বাসকে অমিত শাহ জানালেন , বাঙালিয়ানায় ভরপুর নিরামিষ খাবার খেয়ে তৃপ্তি পেয়েছি। এদিন সকাল থেকে কয়েকটি কর্মসূচি সেরে বিকেলের দিকে আমিত শাহ পৌঁছে যান বাগুইআটির আদর্শনগরের গৌরাঙ্গপল্লিতে। আরও পড়ুন ঃ আমার দল মিউজিক পার্টি, জল্পনা উড়িয়ে জবাব পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর প্রথমেই এলাকার হরিচাঁদ মন্দিরে যান শাহ। সেখানে পুজো দিয়ে ঢোকেন নবীন বিশ্বাসের বাড়িতে। সেখানেই মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জন্য। ভাত, রুটি, ডাল, পনির, শুক্তো, চাটনি, পায়েস-সহযোগে জমিয়ে খাওয়া-দাওয়া সারেন অমিত শাহ। অমিত শাহের সঙ্গে ছিলেন দিলীপ ঘোষ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাহুল সিনহা ও মুকুল রায়।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
কলকাতা

মতুয়া উন্নয়ন পর্যদের জন্য ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ মুখ্যমন্ত্রীর

মতুয়া, বাগদি, বাউড়ি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে উদ্বাস্তুদের পাট্টা বিলি করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এদিন ঘোষণা করেন , মতুয়া, বাগদি, বাউড়ি যে সম্প্রদায়ের হন না কেন, যে কলোনিতেই থাকুন না কেন এবার প্রত্যেকে পাবেন পাট্টা। বুধবার অনগ্রসর শ্রেণির প্রতিনিধিদের নিয়ে নবান্নের বৈঠকে এমনই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন , আজ থেকে ২৫ হাজার মানুষকে পাট্টা দেওয়া শুরু হয়েছে ৷ আরও ১ লক্ষ ২৫ হাজারের মতো পাট্টা দেওয়া হবে ৷ ধাপে ধাপে এই পাট্টা দেওয়া হবে ৷ আদিবাসীদের জমি কেউ কেড়ে নিতে পারবে না ৷ পাশাপাশি ডোকরা শিল্পীদের উন্নতির কথা বলেন তিনি ৷ স্বাস্থ্যসাথির আওতায় ডোকরা ও ছৌ শিল্পীদের আনা হয় ৷ আরও পড়ুন ঃ অফিস টাইমে রেলকে ২০০ ট্রেন চালানোর প্রস্তাব রাজ্যের তিনি আরও বলেন, ২০১১ থেকে তিন লাখ মানুষকে পাট্টা দেওয়া হয়েছে ৷ নিজভূমি, নিজগৃহতে বাড়ি করে দেওয়া হয়েছে ৷ আপনাদের দাবি ছিল নিঃশর্ত জমির দলিল দেওয়া হোক ৷ এই পাট্টা নিঃশর্ত জমির দলিল ৷ আমি ১৯৮৭ - ৮৮ থেকে উদ্বাস্তুদের জন্য লড়ছি ৷ অমিত শাহর নাম না করে মমতার মন্তব্য , ভোট এলেই অনেক নেতা হাজির হন। তারা উদ্বাস্তুদের কথা বলেন। পাশাপাশি মতুয়াদের জন্য নতুন বোর্ড গঠন করার ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। মতুয়া উন্নয়ন পর্যদের জন্য ১০ কোটি টাকা বরাদ্দও করলেন। তিনি বলেন, মতুয়াদের জন্য বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প চালু রয়েছে। তাঁরা জানেন একসময় মতুয়াদের সঙ্গে কেউ ছিল না। আমি বড়মার সঙ্গে প্রথম থেকে ছিলাম। আগামীতেও মতুয়াদের পাশে থাকব।এদিন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান জানান, জন্মসূত্রে মিলবে সার্টিফিকেট। যাদের ওই নথিও থাকবে না, তাদের ক্ষেত্রে এলাকায় তদন্ত করে দেখা হবে। তার ভিত্তিতেই মাত্র চার সপ্তাহের মধ্যে কাস্ট সার্টিফিকেট মিলবে এখন থেকে। প্রসঙ্গত , রাজ্য সফরে এসে এক মতুয়ার বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন অমিত শাহ। অমিত শাহের কলকাতায় পৌঁছনোর আগেই মতুয়া তথা অনগ্রসর সম্প্রদায়ের জন্য দরাজহস্ত হলেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনটাই মত রাজ্যের রাজনৈ্তিক মহলের।

নভেম্বর ০৪, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত? সাত বাসিন্দাকে নিয়ে থানায় বিধায়ক, শুরু বড় বিতর্ক

জীবনতলা থানায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে একাধিক লিখিত অভিযোগ দায়েরকে ঘিরে ক্যানিং পূর্বে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়ায় বৈধ ভোটার হওয়া সত্ত্বেও বারবার ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা তুলে অভিযোগ জানিয়েছেন কয়েক জন বাসিন্দা। ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা তাঁদের নিয়ে থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। মোট সাত জন বাসিন্দা লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তাঁরা বহু বছর ধরে ভোট দিচ্ছেন এবং পরিবারের নথিপত্র সহ সমস্ত প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দেওয়া সত্ত্বেও বারবার শুনানির নামে ডাকা হচ্ছে এবং হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। তাঁদের আশঙ্কা, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হলে নাম বাদ পড়তে পারে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা তৈরি হতে পারে।অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, গণনা ফর্ম জমা দেওয়ার পরও একাধিকবার ডেকে নথি যাচাই করা হয়েছে। তবুও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় তাঁরা উদ্বিগ্ন। এই পরিস্থিতিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের দাবি, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগেই এমন অভিযোগ তোলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁদের বক্তব্য, নাম বাদ পড়েছে কি না তা চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে। তবে বিধায়ক শওকত মোল্লা দাবি করেছেন, বহু পুরনো ভোটারদের ক্ষেত্রেও অকারণে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে এবং গত কয়েক দিনে বিপুল সংখ্যক নাম নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভোটাধিকার রক্ষায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
দেশ

বাংলাদেশে সরকার বদল আর সঙ্গে সঙ্গেই বড় সিদ্ধান্ত, খুলছে ভিসার দরজা

বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে। তারেক রহমান নেতৃত্বে সরকার গঠনের পরই কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই আবার বাংলাদেশে ভিসা পরিষেবা চালু করতে চলেছে ভারত। ফলে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার পর স্বস্তির বার্তা পাচ্ছেন দুই দেশের সাধারণ মানুষ ও পর্যটকরা।নতুন সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পরই বাংলাদেশএর সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করার বার্তা দেয় নয়াদিল্লি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নির্বাচনী জয়ের শুভেচ্ছা জানান। শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওম বিড়লা। এরপরই কূটনৈতিক স্তরে যোগাযোগ বাড়ে এবং ভিসা পরিষেবা পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।কূটনৈতিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ধাপে ধাপে সব ধরনের ভিসা পরিষেবা চালুর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সিলেটের কনস্যুলার দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেই পর্যটন ভিসা-সহ অন্যান্য ভিসা চালু করা হবে। বর্তমানে সীমিত পরিসরে চিকিৎসা ও বিশেষ শ্রেণির ভিসা দেওয়া হলেও ভবিষ্যতে তা আরও বিস্তৃত করা হবে।উল্লেখ্য, নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে গত বছর থেকে বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসা পরিষেবা ধাপে ধাপে বন্ধ হয়ে যায়। জুলাইয়ের অশান্ত পরিস্থিতি এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত আগমনের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। পরে ঢাকাসহ একাধিক শহরে ভিসা কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর ফলে প্রতিদিনের ভিসা অনুমোদনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।ছাত্র আন্দোলন ও রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ায় নিরাপত্তার স্বার্থে ভিসা পরিষেবা পুরোপুরি স্থগিত করা হয়েছিল। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশের তরফেও ভারতের বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনে পরিষেবা সীমিত করা হয়। তবে নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আবার সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ শুরু হয়েছে এবং ভিসা পরিষেবা চালুর সিদ্ধান্তকে সেই প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার মেলেনি, এবার যুব সাথীর লাইনে এমএ পাশ তরুণী

বিয়ের পর পদবি পরিবর্তনের জটিলতায় সরকারি প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ উঠল হুগলির চুঁচুড়া এলাকার এক শিক্ষিতা যুবতীর ক্ষেত্রে। এমএ পাশ করার পরও চাকরি না পেয়ে বাড়িতে বসে রয়েছেন তানিয়া মণ্ডল দাস। তিনি জানান, পদবি পরিবর্তনের কারণে দুবার আবেদন করেও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা পাননি। তাই নতুন আশায় এবার রাজ্যের যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করেছেন। তবে তাঁর মনে এখনও আশঙ্কা, পদবি সংক্রান্ত একই সমস্যায় এই প্রকল্পের সুবিধাও হাতছাড়া হতে পারে। তানিয়া বলেন, পড়াশোনা শেষ করেও কাজ না পাওয়ায় আর্থিকভাবে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। চাকরির পরীক্ষার ফর্ম পূরণ করতেও খরচ হয়, তাই এই ভাতা পেলে কিছুটা সাহায্য হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভাতার থেকে চাকরি পেলে আরও ভালো হতো, কারণ কেউ অন্যের উপর নির্ভর করে থাকতে চান না। তানিয়ার শিক্ষাজীবন শুরু হুগলির হুগলি মহসিন কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার মাধ্যমে। পরে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। বিয়ের আগে তাঁর পদবি ছিল মণ্ডল, কিন্তু বিয়ের পর তা পরিবর্তিত হয়ে দাস হওয়ায় বিভিন্ন নথিতে ভিন্নতা তৈরি হয়েছে। মাধ্যমিকের প্রবেশপত্র ও ভোটার পরিচয়পত্রে পুরনো পদবি থাকলেও আধার, ব্যাঙ্কের নথি ও বিবাহের শংসাপত্রে নতুন পদবি থাকায় পরিচয় সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই কারণেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের আবেদন বাতিল হয়েছে বলে দাবি তাঁর। স্থানীয় পুর প্রশাসনের তরফে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমিত্র ঘোষ জানান, প্রয়োজনীয় নথির সংশোধন করলে সুবিধা পেতে অসুবিধা হবে না এবং কোনও সমস্যা হলে পুরসভা সহযোগিতা করবে। তানিয়ার মতো অনেক মহিলার ক্ষেত্রেই বিয়ের পর পদবি পরিবর্তনকে ঘিরে এমন সমস্যা দেখা যাচ্ছে, যা প্রশাসনিক স্তরে সমাধানের দাবি তুলছে সাধারণ মানুষ।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
দেশ

শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অমান্য? বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে ফের বড় আইনি লড়াই

মহার্ঘ ভাতা মামলায় রাজ্য সরকারকে বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত বকেয়া পরিশোধ হয়নি বলে অভিযোগ সরকারি কর্মীদের। সেই কারণে আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলে ফের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন মামলাকারীরা। দীর্ঘদিন ধরে মহার্ঘ ভাতার দাবিতে আন্দোলন এবং অনশন কর্মসূচি চালিয়েছিলেন কর্মীরা। পরে বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এর বেঞ্চ বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ দেয়। আদালতের রায়ে বলা হয়েছিল, অবিলম্বে পঁচিশ শতাংশ বকেয়া মিটিয়ে দিতে হবে এবং একত্রিশ মার্চের মধ্যে বাকি পঁচাত্তর শতাংশ পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু অভিযোগ, এই নির্দেশ কার্যকর করতে এখনও কোনও উদ্যোগ নেয়নি রাজ্য সরকার। গত পাঁচ ফেব্রুয়ারি জারি হওয়া আদালতের নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী কে আদালত অবমাননার নোটিস দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ জারির এক সপ্তাহ পরও বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় মামলাকারীরা ফের আইনি পথ বেছে নিয়েছেন এবং নতুন করে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করেছেন। যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, রাজ্য সরকারের মধ্যে শীর্ষ আদালতের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের মানসিকতা দেখা যাচ্ছে না। তাঁর দাবি, নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আবেদনও করা হয়নি এবং প্রশাসনিক উদ্যোগের অভাবেই কর্মীরা বাধ্য হয়ে আবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

মমতার প্রকল্পে নাম লিখালেন বিজেপি নেত্রী, সামনে আসতেই তোলপাড় রাজনীতি

ভোটের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষিত যুব সাথী প্রকল্প ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়ছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভাতার রাজনীতি করে ভোটে প্রভাব ফেলতে চাইছে সরকার। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই হুগলির আরামবাগ এলাকায় যুব সাথীর ফর্ম জমা দেওয়ার লাইনে দেখা গেল বিজেপি নেত্রী সুদেষ্ণা অধিকারী মোহান্তকে। শুক্রবার গোঘাট দুই নম্বর ব্লক অফিসে লাইনে দাঁড়িয়ে ফর্ম পূরণ করতে দেখা যায় তাঁকে। তিনি জানান, ছেলের জন্য ফর্ম জমা দিচ্ছেন, তবে নথিতে গ্রাহক হিসেবে তাঁর নিজের নামই দেখা যায়। ক্যামেরার সামনে তিনি বলেন, বহু শিক্ষিত যুবক এখনও বেকার, তাঁদের তথ্য নথিভুক্ত হওয়া প্রয়োজন। এই অর্থ কোনও দলের নয়, সরকারের, তাই সকলের প্রাপ্য বলেও দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে প্রকল্প চালুর জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, অনেক বেকার যুবকযুবতীর চাকরির আবেদন করতে অর্থের অভাব থাকে, তাঁদের জন্য এই সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। গোঘাট দুই ব্লকের তৃণমূল সভাপতি সৌমেন দিগার বলেন, সব স্তরের মানুষের জন্য কাজ করার ফলেই মুখ্যমন্ত্রীর প্রকল্পে বিরোধীরাও আগ্রহ দেখাচ্ছেন। যদিও বিজেপির তরফে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি, তবে রাজনৈতিক মহলে ঘটনাটি ঘিরে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে এবং ভোটের আগে এই ছবি নতুন বার্তা দিচ্ছে বলেই মত পর্যবেক্ষকদের।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

গেল শীত, হঠাৎই বাড়ছে গরম—বসন্ত না আসতেই বদলে গেল আবহাওয়া

শীত বিদায় নিতেই বাংলায় দ্রুত বাড়ছে গরমের প্রভাব। বসন্তের স্বস্তি প্রায় দেখা না মিলতেই গ্রীষ্মের পথে হাঁটছে রাজ্য। দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়ছে এবং রোদের তেজও বেড়েছে। ভোর ও রাতে সামান্য ঠান্ডা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গরম স্পষ্ট অনুভূত হচ্ছে। আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী প্রায় দীর্ঘ সময় পর কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উনিশ ডিগ্রির ঘরে নেমেছে। আজ শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উনিশ দশমিক দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে দিনের দিকে তাপমাত্রা আরও বাড়বে বলে পূর্বাভাস।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে তাপমাত্রা এক ধাক্কায় প্রায় তিন ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্নদুই তাপমাত্রাই বাড়বে। সকালে ও রাতে শীতের আমেজ দ্রুত কমে যাবে। ইতিমধ্যেই দিনের বেলায় শীতের অনুভূতি প্রায় নেই বললেই চলে। সপ্তাহের শেষে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কুড়ি থেকে একুশ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছতে পারে এবং দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বত্রিশ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে।বর্তমানে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা উত্তর-পশ্চিম ভারতের কিছু অংশে সক্রিয় রয়েছে এবং নতুন করে আরেকটি ঝঞ্ঝা প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে বঙ্গোপসাগরে তৈরি নিম্নচাপ ধীরে ধীরে দুর্বল হলেও আবার নতুন নিম্নচাপ তৈরির ইঙ্গিত মিলেছে। এর প্রভাবে জলীয় বাষ্প রাজ্যে প্রবেশ করবে এবং আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটবে।দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গে দিনের গরম বেশি অনুভূত হচ্ছে। বাগডোগরা ও জলপাইগুড়িতে তাপমাত্রা তেত্রিশ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। পুরুলিয়াতেও পারদ বত্রিশ ডিগ্রি ছুঁয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ জেলায় তাপমাত্রা ত্রিশ ডিগ্রির আশেপাশে রয়েছে। কলকাতায় টানা কয়েক দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ত্রিশ ডিগ্রির ঘরে থাকায় গরমের অস্বস্তি বাড়ছে। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে রাতের তাপমাত্রাও আরও কয়েক ডিগ্রি বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস।দক্ষিণবঙ্গে আপাতত শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। তবে আগামী সপ্তাহের শুরুতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূল সংলগ্ন কিছু জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি, অন্য জেলাগুলিতে আংশিক মেঘলা আকাশ দেখা যেতে পারে। নিম্নচাপের প্রভাবে বাতাসে আর্দ্রতা বাড়বে।শুক্রবার থেকে রবিবারের মধ্যে কলকাতা ও আশপাশের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আঠারো থেকে কুড়ি ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে তাপমাত্রা সতেরো থেকে উনিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পনেরো থেকে আঠারো ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গেও তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ছে। পাহাড়ে হালকা কুয়াশা থাকলেও দিনের দিকে আকাশ পরিষ্কার থাকবে। আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা ছয় থেকে সাত ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। দার্জিলিং পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা ছয় থেকে আট ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে এবং সমতল সংলগ্ন এলাকায় এগারো থেকে পনেরো ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। শিলিগুড়ি ও মালদা সহ সংলগ্ন জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ষোলো থেকে উনিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
দেশ

শুনানিই নয়, এক ঝটকায় খারিজ আবেদন, বেলডাঙা মসজিদ ঘিরে নতুন উত্তাপ

মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরের নামে মসজিদ নির্মাণ ঘিরে বিতর্ক ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। এই নির্মাণকাজ বন্ধের দাবিতে শীর্ষ আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হলেও তা শুনতে রাজি হল না ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি বিক্রম নাথ ও সন্দীপ মেহেতার বেঞ্চ আবেদনটি গ্রহণ করতে অস্বীকার করে। এর পর বাধ্য হয়ে মামলাকারী নিজের আবেদন প্রত্যাহার করে নেন।জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা এলাকায় বাবরের নামে মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। ইতিমধ্যেই নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বাবরের নামে ধর্মীয় স্থাপনা তৈরি বন্ধের দাবি তুলে আদালতে করা আবেদনে দ্রুত হস্তক্ষেপের আবেদন জানানো হয়েছিল। মামলাকারীর আইনজীবী শুনানির সময় নির্মাণ উদ্যোগ ও সংশ্লিষ্ট বিতর্কের কথাও তুলে ধরেন।তবে আদালত এই মামলায় হস্তক্ষেপ করতে নারাজ হওয়ায় আবেদনটি খারিজ হয়ে যায়। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পরই বেলডাঙায় বাবরের নামে মসজিদ তৈরির ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন কবীর। সেই অনুযায়ী গত ছয় ডিসেম্বর বিপুল জনসমাগমের মধ্যে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। পরে এগারো ফেব্রুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। বিধায়ক জানিয়েছেন, আগামী দুই বছরের মধ্যেই মসজিদ নির্মাণ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।সমস্ত ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর অব্যাহত রয়েছে এবং স্থানীয় স্তরেও মতবিরোধ স্পষ্ট হচ্ছে। আদালতের অবস্থানের পর ভবিষ্যতে এই ইস্যু কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

দলের আপত্তি সত্ত্বেও মসজিদ নির্মাণে সাহায্য, নতুন করে চর্চায় তৃণমূল নেতা

বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলার রাজনৈতিক মহলে ফের চর্চায় উঠে এলেন হুমায়ুন কবীর। বিভিন্ন বিরোধী নেতার সঙ্গে বৈঠক এবং প্রকাশ্যে মতামত দেওয়ার পর এবার বাবরি মসজিদ ইস্যু নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। এরই মধ্যে মসজিদ নির্মাণের জন্য আর্থিক অনুদান দেওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।নওদা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সফিউজ্জামান শেখ রমজান মাসের প্রথম দিনেই বাবরি মসজিদ নির্মাণের জন্য এক লক্ষ এগারো হাজার টাকা অনুদান দেন। ব্যাঙ্ক চেকের মাধ্যমে মসজিদ ট্রাস্টের নামে ওই অর্থ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওয়েস্ট বেঙ্গল ইসলামিক ফাউন্ডেশন অব ইন্ডিয়ার নামে চেক প্রদান করা হয়। এর আগে এই মসজিদ নির্মাণের সমর্থনে মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক নিয়ামত শেখ। এবার সমর্থনের পাশাপাশি সরাসরি আর্থিক সহযোগিতায় বিতর্ক আরও বেড়েছে।কয়েক দিন আগে এক সভা থেকে সফিউজ্জামান শেখ দাবি করেছিলেন, জেলার মানুষই মসজিদ নির্মাণের দায়িত্ব নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই অনুদান দেওয়ার ঘটনা সামনে আসে। বিষয়টি সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।উল্লেখ্য, দলের বিরুদ্ধে মন্তব্য করার জেরে কিছুদিন আগে হুমায়ুন কবীরকে সাসপেন্ড করা হয়। সেই সময় ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছিলেন, বাবরি মসজিদ নির্মাণের মতো বিষয় নতুন করে বিতর্ক উস্কে দিতে পারে এবং ধর্মের সঙ্গে রাজনীতি মেশানো দল সমর্থন করে না। তৃণমূলের তরফে বারবার স্পষ্ট করা হয়েছে, এই ধরনের সিদ্ধান্ত দল ভালো চোখে দেখছে না। ধর্মীয় বিষয়কে রাজনৈতিক বিতর্কে টেনে আনা নিয়েই আপত্তি রয়েছে শাসকদলের একাংশের।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal